(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: -)
الرد على ابن القطان في كتابه بيان الوهم والإيهام   (شمس الدين الذهبي)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: الرد على ابن القطان في كتابه «بيان الوهم والإيهام»

المؤلف: محمد بن أحمد بن عثمان بن قيماز المعروف بـ الذهبي (ت 748 هـ)

المحقق: أبو عبد الأعلى خالد بن محمد بن عثمان المصري

الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر - القاهرة، مصر

الطبعة: الأولى، 1426 هـ - 2005 م

عدد الصفحات: 66

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনুল কাত্তানের 'বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম' গ্রন্থের প্রতিবাদ   (শামসুদ্দিন আয-যাহাবী)

বিভাগ: তাখরিজ এবং আতরাফ


গ্রন্থ: ইবনুল কাত্তানের «বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম» গ্রন্থের প্রতিবাদ

লেখক: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উসমান বিন কাইমাজ, যিনি আয-যাহাবী নামে পরিচিত (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি)

তাহকিক (সম্পাদনা): আবু আবদিল আ’লা খালিদ বিন মুহাম্মদ বিন উসমান আল-মিসরি

প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদিসাহ লিততিবাআতি ওয়ান নাশর - কায়রো, মিশর

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৬

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله رب العالمين

قال الشيخ الإمام الحافظ أبو عبد الله الذهبي رحمه الله في كتابه "مختصر كتاب الوهم والإيهام" لابن القطان:

قال الحافظ العلامة أبو الحسن علي بن محمد بن عبد الملك بن يحيى بن إبراهيم بن يحيى الكناني الحميري الفاسي المغربي - عُرِف بابن القطان - المتوفي سنة 628:

الحمد لله كما يحق له ويجب، والصلاة على نبيه محمد المنتخب - فذكر خطبة ابن القطان.

[وكتب الذهبي أيضا على ظاهر الكتاب قائلا عن ابن القطان]:

لقد أسرف في المحاققة والتعنت للحافظ أبي محمد، وبالغ في ذلك، وأصاب في كثير من ذلك، ولم يصب في أماكن، وغلط فيها، وألزم أبا محمد بتطويل الكلام على الأحاديث بما لا يناسب الأحكام المختصرة التي بلا أسانيد، وعمد إلى رواة لهم جلالة وجلادة في العلم، وحديثهم في معظم دواوين الإسلام فغمزهم بكون أن أحدا من القدماء ما نص على توثيقهم بحسب ما اطلع هو عليه، وقاعدته كابن حزم، وأهل الأصول: يقبل ما روى الثقة سواء خولف أو رفع الموقوف أو وصل المرسل.

والرجل [فحافظ] في الجملة له اطلاع عظيم، وتوسع في الرجال،
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

শায়খ, ইমাম, হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ আয-যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) ইবনুল কাত্তান রচিত "কিতাবুল ওয়াহম ওয়াল ইহাম"-এর সংক্ষেপিত গ্রন্থে বলেছেন:

হাফিজ, আল্লামা আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন ইয়াহইয়া বিন ইব্রাহিম বিন ইয়াহইয়া আল-কিনানি আল-হিময়ারি আল-ফাসি আল-মাগরিবী —যিনি ইবনুল কাত্তান নামে পরিচিত— (মৃত্যু: ৬২৮ হিজরি) বলেছেন:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য ঠিক যেমনটি তাঁর প্রাপ্য ও যেমনটি হওয়া আবশ্যক, এবং তাঁর মনোনীত নবী মুহাম্মদের ওপর দরুদ বর্ষিত হোক —অতঃপর তিনি ইবনুল কাত্তানের খুতবা উল্লেখ করেন।

[আয-যাহাবী কিতাবের প্রচ্ছদেও ইবনুল কাত্তান সম্পর্কে লিখেছিলেন]:

তিনি হাফিজ আবু মুহাম্মদের প্রতি অতি-সূক্ষ্ম বিচার ও কঠোরতা প্রদর্শনে বাড়াবাড়ি করেছেন এবং এতে চরম সীমা অতিক্রম করেছেন। তবে এসবের অনেক ক্ষেত্রে তিনি সঠিক ছিলেন, আবার কিছু স্থানে তিনি সঠিক ছিলেন না এবং ভুল করেছেন। তিনি আবু মুহাম্মদকে হাদিসের ওপর এমন দীর্ঘ আলোচনার জন্য বাধ্য করেছেন যা সনদবিহীন সংক্ষিপ্ত বিধানমালার কিতাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তিনি এমন কিছু বর্ণনাকারীকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন যাদের ইলমের ক্ষেত্রে মর্যাদা ও দৃঢ়তা রয়েছে এবং যাদের বর্ণিত হাদিস ইসলামের অধিকাংশ প্রধান কিতাবসমূহে বিদ্যমান। তিনি তাঁদের সমালোচনা করেছেন এই ভিত্তিতে যে, তাঁর জানামতে প্রাচীন ইমামদের কেউ তাঁদের নির্ভরযোগ্যতার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি। তাঁর মূলনীতি ইবনে হাজম ও উসুলবিদগণের মতো: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী যা বর্ণনা করেন তা গ্রহণযোগ্য, চাই তার বিরোধিতা করা হোক কিংবা তিনি কোনো মাওকুফ হাদিসকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করুন অথবা মুরসাল হাদিসকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) করে বর্ণনা করুন।

সারকথা, এই ব্যক্তি [হাফিজ] বিপুল জ্ঞানের অধিকারী এবং বর্ণনাকারীদের (রিজাল) শাস্ত্রের বিষয়ে তাঁর প্রশস্ত পাণ্ডিত্য রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৪)
ويقظة وفطنة قل من يجاريه في زمانه أخذ الفن من المطالعة.

 

(1) حديث للدارقطني من رواية القاسم بن محمد العمري: ‌‌"لا يقضي القاضي إلا وهو شبعان ريان".

قال: فالقاسم متروك.

قلت: الصواب القاسم بن عبد الله.

 

(2) حديث عصمة بن مالك، وعبد الله بن الحارث بن أبي ربيعة: ‌‌"أن مملوكا سرق فعفا عنه النبي صلى الله عليه وسلم -، ثم سرق فعفا عنه، فلما رفع إليه في الخامسة فقطعه".

الحديث لا يصح لإرساله وضعف إسناده، فهذا [تغير].

فقال رواه النسائي، وما هو في النسائي هكذا، بل فيه: لحماد بن سلمة عن يونس، وذكر على الحاشية.

قلت: صوابه يوسف بن سعد بدل يونس عن الحارث بن حاطب: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أُتي بلصٍّ، فقال: "اقتلوه"، قالوا: إنما سرق، قال: "اقطعوا يده"، ثم سرق، فقطعت رجله، ثم سرق على عهد أبي بكر حتى قطعت قوائمه، ثم سرق فقتله.

فنسبة المؤلف الخبر إلى النسائي، وإلى عصمة بن مالك، وعبد الله بن الحارث: وهم.

 

(3) حديث عائشة‌‌ في قيامه عليه السلام في رمضان ليلة بالناس، زاد في طريق: "ولو كتب عليكم ما قمتم به".
এবং তিনি ছিলেন এমন সতর্কতা ও মেধার অধিকারী যে তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে খুব কম লোকই তাঁর সমকক্ষ হতে পারত। তিনি অধ্যয়নের মাধ্যমেই এই শিল্প আয়ত্ত করেছিলেন।

 

(১) দারাকুতনির একটি হাদিস যা কাসিম ইবনে মুহাম্মদ আল-উমারি বর্ণনা করেছেন: ‌‌"বিচারক যেন তৃপ্ত ও পরিতৃপ্ত না হওয়া পর্যন্ত বিচারকার্য পরিচালনা না করেন।"

তিনি বলেন: কাসিম পরিত্যক্ত (মাতরুক)।

আমি বলি: সঠিক হলো কাসিম ইবনে আব্দুল্লাহ।

 

(২) ইসমাহ ইবনে মালিক এবং আব্দুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে আবি রাবিআহ বর্ণিত হাদিস: ‌‌"এক গোলাম চুরি করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ক্ষমা করে দেন—অতঃপর সে আবার চুরি করলে তিনি তাকে ক্ষমা করেন; এরপর যখন পঞ্চমবার তার বিষয়টি তাঁর কাছে উত্থাপন করা হলো, তখন তিনি তার হাত কেটে দিলেন।"

হাদিসটি এর ইরসাল (সূত্রবিচ্ছিন্নতা) এবং সনদের দুর্বলতার কারণে সহিহ নয়, তাই এটি [পরিবর্তিত]। তিনি বলেছেন এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন, অথচ নাসাঈতে এটি এভাবে নেই; বরং তাতে রয়েছে: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ থেকে, ইউনুসের সূত্রে, এবং এটি পার্শ্বটীকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আমি বলি: ইউনুসের স্থলে সঠিক হলো ইউসুফ ইবনে সাদ, হারিস ইবনে হাতিবের সূত্রে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এক চোরকে আনা হলো, তিনি বললেন: "তাকে হত্যা করো।" তারা বললেন: সে তো কেবল চুরি করেছে। তিনি বললেন: "তার হাত কেটে দাও।" এরপর সে আবার চুরি করলে তার পা কেটে দেওয়া হয়। এরপর আবু বকরের যুগে সে আবার চুরি করলে এমনকি তার চার হাত-পা (অঙ্গসমূহ) কেটে ফেলা হয়। এরপর সে আবার চুরি করলে তাকে হত্যা করা হয়।

সুতরাং লেখকের পক্ষ থেকে এই বর্ণনাটিকে নাসাঈর দিকে এবং ইসমাহ ইবনে মালিক ও আব্দুল্লাহ ইবনে হারিসের দিকে সম্বন্ধ করা একটি ভ্রম।

 

(৩) রমজানে মানুষের সাথে নবী আলাইহিস সালামের এক রাতের কিয়াম (সালাত) সম্পর্কে আয়িশার হাদিস, এক সূত্রে অতিরিক্ত এসেছে: "আর যদি এটি তোমাদের ওপর ফরজ করে দেওয়া হতো, তবে তোমরা তা পালন করতে পারতে না।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৫)
فهذا من حديث زيد بن ثابت، وما هو في مسلم، وإنما هو بلفظ [آخر].

قلت: بل هو في مسلم.

 

(4) حديث: روى إبراهيم بن يزيد بن قديد عن الأوزاعي عن يحيى بن أبي سلمة عن أبي هريرة مرفوعا: ‌‌"إذا دخل أحدكم المسجد فلا يجلس حتى يركع ركعتين، وإذا دخل بيته كذلك".

قال: وهذه الزيادة لا أصل لها، قاله (خ)، وإنما يصح في ذلك حديث أبي قتادة.

فهذا من كتاب ابن عدي: ثنا حذيفة وغيره، قالوا: أنبا أبو أمية ثنا سعد بن عبد الحميد بن جعفر ثنا إبراهيم بن يزيد بن قديد.

قال ابن عدي: وإبراهيم لا يحضرني له غير هذا، [وهو منكر].

قال ابن القطان: سعد مجهول الحال.

قلت: بل روى عنه جماعة، وقال ابن معين وغيره: ليس به بأس، وخرج له (ت، س، ق).
এটি যায়েদ বিন সাবিত-এর হাদীস থেকে, এবং এটি মুসলিম-এ নেই, বরং এটি [ভিন্ন] শব্দে বর্ণিত।

আমি বলি: বরং এটি মুসলিম-এ রয়েছে।

 

(৪) হাদীস: ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ বিন কুদাইদ আল-আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবী সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন: ‌‌"যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করবে, সে যেন দুই রাকাত সালাত আদায় না করে না বসে; আর যখন সে তার ঘরে প্রবেশ করবে, তখনও অনুরূপ করবে।"

তিনি বলেন: এবং এই অতিরিক্ত অংশটির কোনো ভিত্তি নেই, এটি ইমাম বুখারী (খ) বলেছেন। আর এই বিষয়ে কেবল আবু কাতাদাহ-এর হাদীসটিই সহীহ।

এটি ইবনে আদী-র কিতাব থেকে গৃহীত: হুযাইফাহ এবং অন্যরা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আবু উমাইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সা'দ বিন আব্দুল হামীদ বিন জা'ফর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ বিন কুদাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আদী বলেন: ইবরাহীমের এই একটি হাদীস ছাড়া অন্য কোনোটি আমার জানা নেই, [এবং এটি মুনকার (অস্বীকৃত)]।

ইবনুল কাত্তান বলেন: সা'দ-এর অবস্থা অজ্ঞাত (মাজহুলুল হাল)।

আমি বলি: বরং একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে মাঈন ও অন্যরা বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আর ইমাম তিরমিযী, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ (ত, স, ক) তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৬)
(5) حديث: ‌‌"طعام البخيل داء"، لم نعرفه، وهو عند أبي أحمد بإسناد آخر، رواه أبو [علي] الصدفي: ثنا أبو العباس العذري ثنا محمد بن نوح الأصبهاني - بمكة - ثنا الطبراني ثنا المقدام بن داود، ثنا عبد الله بن يوسف عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "طعام البخيل داء، وطعام السخي دفاع".

قال أبو علي: غريب عجيب، ورجاله ثقات.

قال المؤلف: مقدام قال فيه الدارقطني: ضعيف.

 

(6) ‌‌"لا يسمع بي أحد من هذه الأمة، لا يهودي، ولا نصراني".

من كتاب [. . . . .] عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، عن أبي هريرة؛ هو في مسلم دون: "ولا".

قال المؤلف: فابن أبي شيبة قد ذكر من حديث أبي موسى صحيحا ذلك المعنى بعينه فقال: ثنا عفان، ثنا شعبة، ثنا أبو شمر سمعت سعيد بن جبير، عن أبي موسى مرفوعا: "من سمع بي من أمتي أو يهودي أو نصراني ثم لم يؤمن بي دخل النار".
(৫) হাদীস: "কৃপণের খাদ্য হলো ব্যাধি," এটি আমাদের জানা নেই। তবে এটি আবু আহমাদ-এর নিকট অন্য একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আবু [আলী] আস-সাদাফী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু আল-আব্বাস আল-উযরী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন নূহ আল-আসবাহানী মক্কায় হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আত-তাবারানী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আল-মিকদাম বিন দাউদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "কৃপণের খাদ্য হলো ব্যাধি এবং দানবীরের খাদ্য হলো নিরাময়।"

আবু আলী বলেন: এটি গরীব ও বিস্ময়কর, আর এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

গ্রন্থকার বলেন: মিকদাম সম্পর্কে আদ-দারা কুতনী বলেছেন: তিনি দুর্বল।

 

(৬) "এই উম্মতের কেউ আমার কথা শুনবে না, চাই সে ইহুদি হোক বা খ্রিস্টান।"

[. . . . .] এর কিতাব থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে; এটি সহীহ মুসলিমে কেবল "এবং" শব্দটি ব্যতিরেকে বর্ণিত হয়েছে।

গ্রন্থকার বলেন: ইবনে আবি শাইবা আবু মুসা-এর হাদীস থেকে সহীহ সনদে অবিকল সেই অর্থটিই উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আফফান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট শু’বাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আবু শিমর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি সাঈদ বিন জুবাইরকে আবু মুসা থেকে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করতে শুনেছি: "আমার এই উম্মতের যে কেউ আমার কথা শুনবে, চাই সে ইহুদি হোক বা খ্রিস্টান, অতঃপর আমার প্রতি ঈমান আনবে না, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৭)
قال ابن القطان: قال هذا حديث صحيح الإسناد فاعلمه.

كذا قال، ولم يتفطن إلى أن سعيدا لم يلق أبا موسى، وأنه منقطع، وأبو شمر الضبعي ما سمي، روى له مسلم.

 

(7)‌‌ حديث في قضاء صوم التطوع، ضعفه وما ذكر أن مجاهدا ما سمع من عائشة.

قلت: في ذا خلاف.

 

(8) حديث بنت أبي حبيش كانت تستحاض، فقال لها: ‌‌"إذا كان دم الحيض فإنه أسود يعرف".

انفرد بلفظه: محمد بن عمرو، عن الزهري، عن عروة، عن فاطمة بنت أبي حبيش، فهذا منقطع، كأنه حدث به مرة فقال: عن عروة، عن عائشة، عن فاطمة، وقال الليث: عن يزيد بن أبي حبيب، عن بكر بن عبد الله، عن المنذر بن أبي المغيرة، عن عروة أن فاطمة حدثته.

فالمنذر مجهول، قاله أبو حاتم.

وكذلك حديث سهيل بن أبي صالح، عن الزهري، عن عروة: حدثتني فاطمة أنها أمرت أسماء، أو حدثتني أسماء أنها أمرت فاطمة بنت أبي حبيش أن تسأل لها رسول الله صلى الله عليه وسلم.
ইবনুল কাত্তান বলেছেন: তিনি বলেছেন এটি একটি সহীহ সনদের হাদীস, সুতরাং তা জেনে নাও।

তিনি এমনটিই বলেছেন, তবে তিনি লক্ষ্য করেননি যে সাঈদ আবু মুসার সাক্ষাৎ পাননি, আর এটি মুনকাতি' (বিচ্ছিন্ন) সনদ। আর আবু শিমর আদ-দুবায়ী-এর নাম উল্লেখ করা হয়নি, ইমাম মুসলিম তার থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

(৭)‌‌ নফল রোযার কাযা বিষয়ক হাদীস, তিনি এটিকে যয়ীফ (দুর্বল) বলেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে মুজাহিদ আয়েশা (রা.) থেকে কোনো হাদীস শোনেননি।

আমি বলব: এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।

 

(৮) বিনতে আবু হুবাইশ-এর হাদীস, যিনি ইস্তিহাযায় (অনিয়মিত রক্তস্রাব) আক্রান্ত ছিলেন। তাকে তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) বলেছিলেন: ‌‌"যদি এটি ঋতুর রক্ত হয়, তবে তা কালো রঙের হবে যা চেনা যায়।"

মুহাম্মাদ বিন আমর এই শব্দে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন: যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি ফাতিমা বিনতে আবু হুবাইশ থেকে; সুতরাং এটি মুনকাতি' (বিচ্ছিন্ন)। সম্ভবত তিনি এটি একবার বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন: উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে, তিনি ফাতিমা থেকে। আর লায়স বলেছেন: ইয়াযীদ বিন আবু হাবীব থেকে, তিনি বকর বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি মুনযির বিন আবিল মুগীরা থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে যে, ফাতিমা তাকে সংবাদ দিয়েছেন।

সুতরাং মুনযির হলেন মাজহুল (অপরিচিত), এটি আবু হাতিম বলেছেন।

অনুরূপভাবে সুহাইল বিন আবু সলিহ-এর হাদীস; যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে: ফাতিমা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি আসমাকে আদেশ করেছিলেন, অথবা আসমা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে তিনি ফাতিমা বিনতে আবু হুবাইশকে আদেশ করেছিলেন যেন তিনি তার পক্ষ থেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৮)
فهذا شك من سهيل وقد ساء حفظه، وفيه: أنه أحالها على الأيام، فأمرها أن تقعد الأيام التي كانت تقعد.

والمعروف في قضية فاطمة: الإحالة على الدم والقرء.

وقال علي بن عاصم: سهيل، وفيه: أن التي حدثته أسماء ولم يشك.

 

(9) وقال (د) ثنا وهب بن بقية أنبا خالد، عن سهيل، عن الزهري، عن عروة، عن أسماء بنت عميس قلت: يا رسول الله، إن فاطمة استحيضت، فقال:‌‌ لتغتسل للظهر والعصر غسلا واحدا - الحديث -.

وفاطمة أسدية، قال ابن حزم: أدركها عروة، ولم يبعد أن سمعه من خالته عائشة، ومن ابنة عمه.

قال المؤلف: هذا عندي غير صحيح، وفاطمة [هي فاطمة] بنت أبي حُبيش بن المطلب بن أسد، ولد يعرف لها سوى هذا الحديث، ولم يتبين منه أن عروة أخذه عنها.

قلت: ما أبدي ابن القطان في رده على ابن حزم طائلا.

 

(10) حديث المسيب بن حزن،‌‌ لما حضرت أبا طالب الوفاة.

فالمسيب من مسلمة الفتح، ولم يشاهد القصة.

قلت: مراسيل الصحابة حجة، وذكر على الحاشية.

قلت: عامة ما في هذا الباب أحاديث علقها الأئمة، فقال: منقطع.
এটি সুহায়লের পক্ষ থেকে একটি সংশয় এবং তার স্মরণশক্তি দুর্বল হয়ে গিয়েছিল; এতে রয়েছে যে, তিনি তাকে দিনগুলোর দিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, ফলে তিনি তাকে সেই দিনগুলো বসে থাকতে (নামাজ বর্জন করতে) নির্দেশ দিয়েছেন যে দিনগুলোতে তিনি পূর্বে বসতেন।

আর ফাতিমার ঘটনার ক্ষেত্রে যা প্রসিদ্ধ তা হলো: রক্ত এবং ঋতুস্রাবের (কুরউ) দিকে প্রত্যাবর্তন।

আলী ইবনে আসিম বলেছেন: সুহায়ল, এবং তাতে রয়েছে যে: তাকে যিনি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন তিনি আসমা, আর তিনি কোনো সন্দেহ করেননি।

 

(৯) এবং (আবু দাউদ) বলেছেন: ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুহায়লের সূত্রে, যুহরি থেকে, উরওয়াহ থেকে, আসমা বিনতে উমাইস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, ফাতিমার ইস্তিহাযা (অতিরিক্ত রক্তস্রাব) হচ্ছে। তখন তিনি বললেন:‌‌ সে যেন জোহর ও আসরের জন্য একটি গোসল করে - হাদিসটি -।

আর ফাতিমা হলেন আসাদ গোত্রের; ইবনে হাজম বলেছেন: উরওয়াহ তাকে পেয়েছেন, এবং এটি অসম্ভব নয় যে তিনি এটি তার খালা আয়েশা এবং তার চাচার মেয়ের কাছ থেকে শুনেছেন।

লেখক বলেছেন: এটি আমার নিকট সহীহ নয়, আর ফাতিমা হলেন [তিনি হলেন ফাতিমা] বিনতে আবি হুবাইশ ইবনুল মুত্তালিব ইবনে আসাদ, এই হাদিসটি ব্যতীত তার সম্পর্কে অন্য কিছু জানা যায় না এবং এখান থেকে এটি স্পষ্ট নয় যে উরওয়াহ তার নিকট থেকে এটি গ্রহণ করেছেন।

আমি বলছি: ইবনুল কাত্তান ইবনে হাজমের খণ্ডন করতে গিয়ে বিশেষ ফলপ্রসূ কিছু উপস্থাপন করতে পারেননি।

 

(১০) মুসাইয়্যাব ইবনে হাযন-এর হাদিস,‌‌ যখন আবু তালিবের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলো।

মুসাইয়্যাব ছিলেন ফাতহে মক্কার (মক্কা বিজয়ের) সময় ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত, এবং তিনি এই ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেননি।

আমি বলছি: সাহাবীদের মুরাসাল বর্ণনাগুলো হুজ্জাত (দলিল), এবং এটি টীকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আমি বলছি: এই অধ্যায়ে যা কিছু রয়েছে তার অধিকাংশই এমন হাদিস যা ইমামগণ তালীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, অতঃপর বলেছেন: এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ২৯)
(11) حديث ابن عباس: ‌‌"ليس على النساء حلق"، سكت عنا، وهو ضعيف منقطع: ابن جريح قال: بلغني عن صفية بنت شيبة: أخبرتني أم عثمان بنت أبي سفيان أن ابن عباس قال: … - مرفوعا -.

وأم عثمان لا يعرف حالها.

قلت: هي زوجة شيبة، لها صحبة، ورواية في مسند أحمد.

 

(12) حديث ابن عباس: ‌‌"وقت العقيق " فهو من طريق يزيد بن أبي زياد - وقد نبه عليه - عن محمد بن علي بن عبد الله بن عباس عن جده.

فأقول: إنما يعرف محمد بالرواية عن أبيه، عن ابن عباس، وخرج له بذلك (م) في قيام الليل، فأخاف انقطاعه مع قول مسلم: لا نعلم أنه لقي جده.

قلت: مولده سنة أربع وستين، وأدرك صباه جده وهو ابن أربع سنين.

 

(13) حديث من مسند ابن أبي شيبة عن سعد في الحج: ‌‌"فمنا من رمى بست ومنا من رمى بسبع".

قال: في إسناده حجاج بن أرطأة.

قلت: وهو عن مجاهد عن سعد، ولا نعلمه سمع منه، ويمكن.
(১১) ইবনে আব্বাসের হাদীস: ‌‌"নারীদের জন্য মাথা মুণ্ডন নেই", তিনি আমাদের নিকট এর ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, আর এটি দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি): ইবনে জুরায়জ বলেছেন: আমার নিকট সাফিয়্যাহ বিনতে শাইবাহ হতে পৌঁছেছে যে: উম্মে উসমান বিনতে আবি সুফিয়ান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে ইবনে আব্বাস বলেছেন: … - মারফূ সূত্রে -।

আর উম্মে উসমানের অবস্থা অজ্ঞাত।

আমি বলি: তিনি শাইবাহর স্ত্রী, তাঁর সাহাবিয়াত (সাহচর্য) রয়েছে এবং মুসনাদে আহমাদে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।

 

(১২) ইবনে আব্বাসের হাদীস: ‌‌"আল-আকিক মিকাত নির্ধারণ" এটি ইয়াযীদ ইবনে আবি যিয়াদের সূত্র হতে বর্ণিত - তিনি এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন - মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস হতে, তিনি তাঁর দাদা থেকে।

অতঃপর আমি বলি: মুহাম্মাদ তো কেবল তাঁর পিতার সূত্রে ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনার মাধ্যমে পরিচিত, এবং ইমাম মুসলিম (ম) কিয়ামুল লাইল অধ্যায়ে তাঁর থেকে এই সূত্রেই বর্ণনা সংকলন করেছেন; তাই আমি এর বিচ্ছিন্নতার (ইনকিতা) আশঙ্কা করছি যেহেতু মুসলিম বলেছেন: আমরা জানি না যে তিনি তাঁর দাদাকে পেয়েছেন কি না।

আমি বলি: তাঁর জন্ম চৌষট্টি হিজরীতে, এবং তিনি তাঁর শৈশবে দাদাকে পেয়েছেন যখন তাঁর বয়স ছিল চার বছর।

 

(১৩) হজ প্রসঙ্গে সা'দ থেকে বর্ণিত ইবনে আবি শাইবাহর মুসনাদের একটি হাদীস: ‌‌"আমাদের মধ্যে কেউ ছয়টি কঙ্কর নিক্ষেপ করেছে এবং আমাদের মধ্যে কেউ সাতটি নিক্ষেপ করেছে।"

তিনি বলেন: এর সনদে হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ রয়েছে।

আমি বলি: এটি মুজাহিদ হতে এবং তিনি সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন; আমরা জানি না যে তিনি তাঁর থেকে শ্রবণ করেছেন কি না, তবে তা সম্ভবপর।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩০)
(14) حديث عن أبي رافع: ‌‌[لم] يأمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أنزل الأبطح، ولكن جئت فضربت قبته، فجاء فنزل.

فسكت عنه لكونه في (م)، وهو عن سليمان بن يسار قال: قال أبو رافع.

قال ابن عبد البر: وُلِد سليمان سنة أربع وثلاثين، وقيل: سنة سبع وعشرين، ومات أبو رافع إثر قتل عثمان.

قلت: يبعد سماعه منه.

قال: وذكر ابن أبي خَيْثَمة: ثنا حامد بن يحيى: ثنا سفيان قال: كان عمرو يحدثنا عن صالح بن كيسان أنه سمع سليمان بن يسار يقول: أخبرني أبو رافع - وكان على ثِقَل رسول الله صلى الله عليه وسلم -، فضرب قبته بالأبطح.

 

(15) حديث " الموطأ":‌‌ عن عبد الله الصنابحي في فضلية الوضوء.

فقال: عبد الله لم يلق النبي صلى الله عليه وسلم: ويقال: أبو عبد الله، وهو الصواب؛ واسمه: عبد الرحمن فصدق؛ فقد ذكر مالك للصنابحي أحاديث سماه فيها عبد الله، فيزعمون أنه وهم، أو سماه عبد الله لأن [الناس كلهم] عبيد الله، قال (خ): وهم مالك، هو أبو عبد الله عبد الرحمن بن عسيلة، حديثه مرسل؛ والصنابحي الأحمسي: صحابي له حديثان، نقله الترمذي في (العلل).

قال المؤلف: لكن التكهن بأنه المراد [بقول] عطاء بن يسار عن عبد الله الصنابحي، ونسبة الوهم إلى مالك فيه خطأ ودعوى.
(১৪) আবু রাফে থেকে বর্ণিত হাদীস: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আবতাহে অবতরণ করতে নির্দেশ দেননি, কিন্তু আমি এসে তাঁর তাবু স্থাপন করেছিলাম, এরপর তিনি এসে সেখানে অবতরণ করলেন।

তিনি এ বিষয়ে নীরব থেকেছেন কারণ এটি (সহীহ) মুসলিমে রয়েছে। আর এটি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু রাফে বলেছেন।

ইবন আব্দুল বার বলেন: সুলাইমান চৌত্রিশ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন, মতান্তরে সাতাশ হিজরীতে। আর আবু রাফে উসমানের হত্যার পর মৃত্যুবরণ করেন।

আমি বলছি: তাঁর থেকে তাঁর হাদীস শ্রবণ করা সুদূরপরাহত।

তিনি বলেন: ইবন আবি খাইসামা উল্লেখ করেছেন: হামিদ ইবন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর আমাদের নিকট সালেহ ইবন কায়সান থেকে বর্ণনা করতেন যে, তিনি সুলাইমান ইবন ইয়াসারকে বলতে শুনেছেন: আবু রাফে—যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মালপত্রের দায়িত্বে ছিলেন—আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবতাহে তাঁর তাবু স্থাপন করেছিলেন।

 

(১৫) "মুয়াত্তা"-এর হাদীস: ওযুর ফজিলত সম্পর্কে আব্দুল্লাহ আস-সুনাবিহী থেকে বর্ণিত।

তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাক্ষাৎ পাননি। বলা হয়: আবু আব্দুল্লাহ, আর এটাই সঠিক; তাঁর নাম হলো আব্দুর রহমান, যা সত্য। মালিক আস-সুনাবিহী থেকে এমন কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন যেখানে তিনি তাঁকে আব্দুল্লাহ বলে নামকরণ করেছেন। ফলে লোকেরা ধারণা করেন যে এটি তাঁর ভুল, অথবা তিনি তাঁকে আব্দুল্লাহ বলে ডেকেছেন কারণ সকল মানুষই আল্লাহর বান্দা। ইমাম বুখারী বলেন: মালিক ভুল করেছেন, তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান ইবন উসায়লা, তাঁর হাদীস মুরসাল; আর সুনাবিহী আল-আহমাসী হলেন একজন সাহাবী, যাঁর দুটি হাদীস রয়েছে, ইমাম তিরমিযী তা ‘আল-ইলাল’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

লেখক বলেন: কিন্তু আতা ইবন ইয়াসারের ‘আব্দুল্লাহ আস-সুনাবিহী থেকে বর্ণিত’ উক্তিটি দ্বারা তাকেই উদ্দেশ্য করা হয়েছে বলে অনুমান করা এবং মালিকের প্রতি ভুলের অপবাদ দেওয়া ভ্রান্ত ও কেবলই ভিত্তিহীন দাবি।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩১)
ومالك ما انفرد بذلك، تابعه أبو غسان محمد بن مطرف، عن زيد بن أسلم، عن عطاء، عن عبد الله الصنابحي، عن عبادة في الوتر، وتابعهما زهير بن محمد، عن زيد، وقال سويد: ثنا حفص بن ميسرة، عن زيد، عن عطاء، عن عبد الله الصنابحي: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "إن الشمس تطلع مع قرن الشيطان"، رواه ابن السكن، وترجم باسم عبد الله في الصحابة، ثم قال: وأبو عبد الله الصنابحي أيضا مشهور يروي عن عبادة وأبي بكر، ليست له صحبة.

قال: ويقال أيضا أن عبد الله غير معروف في الصحابة.

وقال عباس عن ابن معين: عبد الله الصنابحي يشبه أن تكون له صحبة.

قال المؤلف: المتحصل أنهما اثنان: أبو عبد الله عبد الرحمن: ليست له صحبة يروي عن أبي بكر وعبادة، والآخر عبد الله الصنابحي يروي أيضا عن أبي بكر وعبادة، والظاهر منه: أن له صحابة ولا [أبُتُّ] ذلك، ولا أيضا أجعله أبا عبد الله عبد الرحمن.

قال الذهبي: من أبعد الأشياء أن يكون رجلان صنابحيان كل منهما يروي عن أبي بكر وعبادة، أحدهما: أبو عبد الله، ما له صحبة؛ والآخر: عبد الله، له صحبة، مع جعلهما واحدا عند البخاري، والترمذي، وأبي حاتم، وابنه، وابن عبد البر، وغيرهم، بل القوي: أنه واحد مشهور النسبة مختلف في اسمه، كاد أن يكون صاحبيا لقدومه المدينة بعد وفاة المصطفى [بليال]صلى الله عليه وسلم، وما رأيناه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا في حديث واحد تفرد بلفظ (سمعت): سويد بن سعيد عن حفص؛ وسويد فيه مقال، وما هو بالحجة [أضر] بآخرة، وشاخ وربما يلقن.
মালিক এই বর্ণনায় একক নন, আবু গাসসান মুহাম্মদ বিন মুতাররিফ যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহি থেকে, তিনি বিতর সালাত সম্পর্কে উবাদাহ থেকে তার অনুসরণ করেছেন। যুহাইর বিন মুহাম্মদ যায়েদ থেকে তাদের উভয়ের অনুসরণ করেছেন। সুওয়াইদ বলেছেন: হাফস বিন মাইসারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহি থেকে: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "নিশ্চয়ই সূর্য শয়তানের শিং-এর সাথে উদিত হয়।" এটি ইবনে আস-সাকান বর্ণনা করেছেন এবং সাহাবীদের জীবনীর অধীনে আবদুল্লাহ নামে তার জীবনী উল্লেখ করেছেন। এরপর তিনি বলেছেন: আবু আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহিও প্রসিদ্ধ, তিনি উবাদাহ ও আবু বকর থেকে বর্ণনা করেন, তবে তার সাহাবিত্ব নেই।

তিনি বলেন: এটাও বলা হয় যে, আবদুল্লাহ সাহাবীদের মধ্যে পরিচিত নন।

আব্বাস ইবনে মায়ীন থেকে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহির সাহাবিত্ব থাকাটা সম্ভবপর মনে হয়।

লেখক বলেন: সারকথা হলো তারা দুইজন: আবু আবদুল্লাহ আবদুর রহমান: তার সাহাবিত্ব নেই, তিনি আবু বকর ও উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেন। অন্যজন হলেন আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহি, তিনিও আবু বকর ও উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেন। তার অবস্থা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তার সাহাবিত্ব রয়েছে, তবে আমি এটি নিশ্চিতভাবে বলছি না, আবার তাকে আবু আবদুল্লাহ আবদুর রহমান হিসেবেও গণ্য করছি না।

আল-জাহাবী বলেন: এটি অত্যন্ত অসম্ভব বিষয় যে, সুনাবিহি বংশীয় দুইজন লোক থাকবেন এবং তাদের প্রত্যেকেই আবু বকর ও উবাদাহ থেকে বর্ণনা করবেন, যাদের একজন আবু আবদুল্লাহ যার সাহাবিত্ব নেই এবং অন্যজন আবদুল্লাহ যার সাহাবিত্ব রয়েছে; যেখানে ইমাম বুখারী, তিরমিযী, আবু হাতিম ও তার পুত্র, ইবনে আবদিল বার এবং অন্যরা তাদের উভয়কে এক ব্যক্তি গণ্য করেছেন। বরং শক্তিশালী মত হলো: তিনি একজন ব্যক্তিই যার বংশীয় পরিচয় প্রসিদ্ধ কিন্তু তার নামের ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে। তিনি প্রায় সাহাবী হয়েই গিয়েছিলেন, কারণ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের মাত্র কয়েক রাত পরেই তিনি মদীনায় আগমন করেছিলেন। আমরা তাকে কেবল একটি হাদীস ছাড়া কোথাও 'আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি' বলতে দেখিনি, যাতে 'শুনেছি' শব্দটি সুওয়াইদ বিন সাঈদ এককভাবে হাফস থেকে বর্ণনা করেছেন। আর সুওয়াইদ সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে, তিনি দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নন, শেষ বয়সে তার স্মৃতিশক্তির সমস্যা হয়েছিল, তিনি বার্ধক্যে পৌঁছেছিলেন এবং সম্ভবত তাকে যা শিখিয়ে দেওয়া হতো তিনি তাই বলতেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩২)
(16) وذكر في الباب الذي قبله:‌‌ حديث معاذ في زكاة البقر لمسروق عنه، ولم يلقه.

وذكر ذلك عن ابن عبد البر؛ فما قال ابن عبد البر: إلا أنه متصل، والذي رماه بالانقطاع: ابن حزم، ثم استدرك بعد وقال:

فمسروق بلا شك أدرك معاذا وشاهد أحكامه يقينا، وأفتى زمن عمر.

فيقول بعد: أن مسروقا سمع من معاذ؛ وإنما أقول: ليس في حديث المتعاصرين إلا رأيان: الحمل على الوصل كرأي مسلم والجمهور، أو القول: لم يثبت سماع هذا من هذا، كرأي ابن المديني والبخاري، ولا يقولون: أنه منقطع.

قلت: بل رأيهما دال على [انقطاع].

 

(17)‌‌ حديث: "ستر وجه المرأة " فيه خالد بن دريك: ما سمع من عائشة.

قلت: وخالد مجهول، وعنه سعيد بن بشير.

 

(18) حديث عبد الله بن محمد بن عمر عن [ابنه]: ‌‌"رش على قبر إبراهيم". فعبد الله لا يعرف.

قلت: ذا ابن علي بن أبي طالب، فعُلِم [مَنْ].
(১৬) এবং এর পূর্ববর্তী অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে: গরুর যাকাত সম্পর্কে মুয়াজের হাদিস মাসরুক থেকে তাঁর সূত্রে বর্ণিত, অথচ তিনি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেননি।

ইবনে আব্দুল বার সম্পর্কে এটি উল্লেখ করা হয়েছে; তবে ইবনে আব্দুল বার যা বলেছেন তা হলো এটি মুত্তাসিল (সংযুক্ত)। আর যিনি এটিকে ইনকিতা (বিচ্ছিন্নতা) এর দোষে অভিযুক্ত করেছেন তিনি হলেন ইবনে হাজম। পরবর্তীতে তিনি সংশোধন করে বলেছেন:

নিঃসন্দেহে মাসরুক মুয়াজকে পেয়েছেন এবং নিশ্চিতভাবে তাঁর ফয়সালাসমূহ প্রত্যক্ষ করেছেন, এবং তিনি ওমরের যুগে ফতোয়া প্রদান করেছেন।

তিনি পরে বলেন: মাসরুক মুয়াজ থেকে শুনেছেন; আমি শুধু এটুকুই বলি: সমসাময়িক বর্ণনাকারীদের হাদিসের ক্ষেত্রে কেবল দুটি মত রয়েছে: একটি হলো একে সংযুক্ত (মুত্তাসিল) হিসেবে গ্রহণ করা—যেমনটি মুসলিম এবং জমহুরের (সংখ্যাগরিষ্ঠের) অভিমত, অথবা এ কথা বলা যে: তাঁর থেকে তাঁর শোনার বিষয়টি প্রমাণিত নয়—যেমনটি ইবনুল মাদিনী এবং বুখারীর অভিমত। তবে তাঁরা বলেন না যে এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।

আমি বলি: বরং তাঁদের দুজনের অভিমত [ইনকিতা বা বিচ্ছিন্নতার] প্রমাণ দেয়।

 

(১৭)‌হাদিস: "নারীর মুখমণ্ডল আবৃত করা" এতে খালিদ বিন দুরাইক রয়েছেন: তিনি আয়েশা থেকে শোনেননি।

আমি বলি: আর খালিদ মাজহুল (অপরিচিত), এবং তাঁর থেকে সাঈদ বিন বাশীর বর্ণনা করেছেন।

 

(১৮) আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর তাঁর [পুত্রের] সূত্রে বর্ণিত হাদিস: ‌"ইব্রাহিমের কবরে পানি ছিটানো"। আব্দুল্লাহ পরিচিত নন।

আমি বলি: ইনি আলী বিন আবি তালিবের বংশধর, সুতরাং [তিনি কে তা] জানা গেল।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৩)
(19) حديث جابر: ‌‌"كان لا يأذن لمن لم يبدأ بالسلام " ضعَّفه بإبراهيم بن يزيد الخوزي، ولم يتبين أنه عن أبي الزبير.

قلت: هذا وكثير مما هنا تعنت سمج، حديث جابر في ذلك مشكوك في اتصاله؛ ثم ساق المؤلف أحاديث مضعّفة بناسٍ فيهم من يجهل حاله، فأعرض عن ذلك لكثرته.

 

(20) حديث الدارقطني عن ابن عمر: ‌‌"من صلى وحده ثم أدرك الجماعة فليصل، إلا الفجر والعصر".

تفرد به سهل بن صالح، رفعه عن القطان. عن عبيد الله، عن نافع.

وخالفه الفلاس فوقفه؛ وكذا رواه أبو أسامة وابن نمير عن عبيد الله، وكذا مالك والليث، عن نافع.

فتعلق المؤلف بأنه لا يعرف شيوخ الدارقطني وهذا لا شيء.

 

(21) حديث الدارقطني، عن عفيف بن سالم، عن الثوري: ‌‌"لا يحصن الشرك شيئا".

قال: وهم عفيف في رفعه، والصحيح: من قول ابن عمر، فهذا غير علة.

الثقة: عفيف، فرفع الثقة لا يضر.

قلت: بل يضر لمخالفته ثقتين فأكثر، لأنه يلوح بذلك لنا أن الثقة قد غلط.
(১৯) জাবিরের হাদীস: ‌‌"তিনি সালাম দিয়ে শুরু না করা ব্যক্তিকে (প্রবেশের) অনুমতি দিতেন না" ইব্রাহিম বিন ইয়াযিদ আল-খাওযীর কারণে তিনি একে দুর্বল বলেছেন, এবং এটি আবু যুবায়ের থেকে বর্ণিত কি না তা স্পষ্ট নয়।

আমি বলি: এটি এবং এখানে থাকা এমন আরও অনেক কিছু কুরুচিপূর্ণ কঠোরতা; এ বিষয়ে জাবিরের হাদীসটির সূত্রের অবিচ্ছিন্নতা নিয়ে সন্দেহ আছে। এরপর লেখক এমন কিছু হাদীস উল্লেখ করেছেন যা এমন ব্যক্তিদের কারণে দুর্বল বলা হয়েছে যাদের অবস্থা অজ্ঞাত, তাই এর আধিক্যের কারণে আমি তা থেকে বিমুখ হলাম (উল্লেখ করলাম না)।

 

(২০) ইবনে উমর থেকে দারাকুতনীর হাদীস: ‌‌"যে ব্যক্তি একা সালাত আদায় করেছে এরপর জামাত পেয়েছে, সে যেন পুনরায় সালাত আদায় করে, কেবল ফজর ও আসর ব্যতীত।"

সাহল বিন সালিহ এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন, তিনি কাত্তান থেকে এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে।

ফাল্লাস তাঁর বিরোধিতা করেছেন এবং একে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন; একইভাবে আবু উসামা ও ইবনে নুমাইর উবায়দুল্লাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং মালিক ও লাইস নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন।

লেখক এই অজুহাত দিয়েছেন যে তিনি দারাকুতনীর শায়খদের চেনেন না, অথচ এটি কোনো ধর্তব্য বিষয় নয়।

 

(২১) দারাকুতনীর হাদীস, আফীফ বিন সালিম থেকে, তিনি সাওরী থেকে: ‌‌"শিরক কোনো কিছুকে সংরক্ষিত করে না (অর্থাৎ ইহসান বা বৈবাহিক মর্যাদা সাব্যস্ত করে না)।"

তিনি বলেছেন: আফীফ এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করতে ভুল করেছেন, সঠিক হলো: এটি ইবনে উমরের উক্তি; সুতরাং এটি কোনো (কার্যকর) দোষ নয়।

নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হলেন আফীফ, আর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর মারফু হিসেবে বর্ণনা করা ক্ষতিকর নয়।

আমি বলি: বরং এটি ক্ষতিকর কারণ তিনি দুই বা ততোধিক নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বিরোধিতা করেছেন, কেননা এর মাধ্যমে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় যে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ভুল করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৪)
قال: إنما علته أنا من رواية أحمد بن أبي نافع، عن عفيف.

قال أبو يعلي: لم يكن موضعا للحديث، ثم ذكر ابن عدي لأحمد هذا الحديث، وقال: منكر.

 

(22) حديث جابر: ‌‌"من لم يقرأ بأم القرآن"، رده لمخالفة الناس يحيى بن سلام في رفعه، وليس ذلك له بعلة، لو كان يحيى معتمدا.

قلت: مع عدم اعتماده تفرده بالرفع: آكد في الوهن.

 

(23)‌‌ حديث في قضاء صوم التطوع، علله بتعليل الدارقطني.

وإنما علته رواية (س) عن أحمد بن عيسى المصري.

قلت: أخطأت في قولك: إنه الخشاب، قال: عن ابن وهب، وأحمد يتكلم فيه، وينكر عليه، يروي بواطيل، قلت: قد احتج به (خ، م) وفيه تضعيف لا ينهض.

وأما الخشاب فضعيف، ولم يرو عنه النسائي شيئا، ولا هو روى عن ابن وهب، بل إنما لحق عمرو بن أبي سلمة، وأقرانه بالشك.

 

(24) حديث الدارقطني عن ابن عمر: ‌‌"لا تحج إلا بإذن زوجها"، فيه: محمد بن أبي يعقوب الكرماني، مجهول، عن حسان بن إبراهيم.

فالكرماني هو ابن إسحاق، وثقة ابن معين، وروى له (خ)، وإنما علته: راويه عنه: العباس بن محمد بن مجاشع، ولا يعرف حاله.
তিনি বললেন: এর ত্রুটি মূলত আহমদ বিন আবি নাফে-এর বর্ণনা থেকে, যিনি আফিফ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু ইয়ালা বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনার যোগ্য ছিলেন না, এরপর ইবনে আদি আহমদের সূত্রে এই হাদিসটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: এটি মুনকার (অস্বীকৃত)।

 

(২২) জাবিরের হাদিস: ‌‌"যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন (সূরা ফাতিহা) পাঠ করল না", এটি মারফু হিসেবে বর্ণনায় ইয়াহইয়া বিন সালাম সাধারণ বর্ণনাকারীদের বিরোধিতা করায় তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। ইয়াহইয়া যদি নির্ভরযোগ্য হতেন তবে এটি ত্রুটি বলে গণ্য হতো না।

আমি বলছি: তার নির্ভরযোগ্য না হওয়ার পাশাপাশি এককভাবে মারফু করার বিষয়টি তার দুর্বলতাকে আরও জোরালো করে।

 

(২৩)‌‌ নফল রোজা কাযা করার বিষয়ে হাদিস, তিনি এটি দারা কুতনীর ত্রুটি বর্ণনার মাধ্যমে চিহ্নিত করেছেন।

মূলত এর ত্রুটি হলো নাসাঈ কর্তৃক আহমদ বিন ঈসা আল-মিসরির সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়াত।

আমি বলছি: আপনার এই দাবিতে আপনি ভুল করেছেন যে তিনি "আল-খাশশাব"। তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আহমদ তার ব্যাপারে সমালোচনা করেছেন এবং তাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, তিনি ভিত্তিহীন বর্ণনা করেন। আমি বলছি: বুখারি ও মুসলিম তার দ্বারা দলিল পেশ করেছেন এবং তার ব্যাপারে যে দুর্বলতা রয়েছে তা ধোপে টিকে না।

আর খাশশাব দুর্বল, নাসাঈ তার থেকে কিছুই বর্ণনা করেননি এবং তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকেও বর্ণনা করেননি। বরং তিনি আমর বিন আবু সালামা এবং তার সমসাময়িকদের সাক্ষাৎ পেয়েছেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

 

(২৪) ইবনে উমর থেকে দারা কুতনী বর্ণিত হাদিস: ‌‌"সে যেন তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া হজ না করে", এর সনদে হাসান বিন ইব্রাহিম থেকে মুহাম্মদ বিন আবু ইয়াকুব আল-কিরমানি রয়েছেন, যিনি মাজহুল (অপরিচিত)।

এই কিরমানি হলেন ইবনে ইসহাক, ইবনে মাইন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং বুখারি তার হাদিস গ্রহণ করেছেন। মূলত এর ত্রুটি হলো তার থেকে বর্ণনাকারী আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন মুজাশিয়া, যার অবস্থা সম্পর্কে জানা যায় না।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৫)
(25) حديث حرام بن حكيم عن عمه: عبد الله بن سعد، مرفوعا:‌‌ في غسل الأنثيين من المَذي.

قال: لا يصح، وحرام ضعيف.

قال المؤلف: مجهول.

قال كاتبه: وثقه دحيم، رواه معاوية بن صالح عن العلاء بن الحارث عنه.

 

(26) حديث: ‌‌"لا وضوء لمن لم يسم".

قال أحمد: لا أعلم له إسنادًا جيدًا.

وقال (خ): أحسن شيء فيه حديث رباح.

فقول (خ): أحسن شيء فيه حديث رباح.

فقول (خ): أحسن لا يقضي تحسنه، فما هو إلا ضعيف.

 

(27)‌‌ بشر بن المفضل، عن عبد الرحمن بن حرملة، عن أبي ثفال، عن رباح بن عبد الرحمن، عن أبي سفيان بن حويطب، عن جدته، عن أبيها مرفوعًا.

قال (ت): أبوها سعيد بن يزيد، وأبو ثفال: ثمامة بن حصين.

قال المؤلف: رباح وجدته وأبو ثفال مجاهيل.

قال كاتبه - أعني الذهبي -: بل أبو ثفال، قال البخاري: في حديثه نظر، نقله العقيلي عن آدم عنه.

 

(28) حديث: ‌‌"نهي أن يُستفاد في المسجد".
(২৫) হারাম বিন হাকিমের হাদিস তার চাচা আব্দুল্লাহ বিন সাদ থেকে, মারফু সূত্রে:‌‌ মাজির (উত্তেজনায় নির্গত রস) কারণে অণ্ডকোষ ধোয়া প্রসঙ্গে।

তিনি বলেছেন: এটি সহিহ নয়, এবং হারাম দুর্বল।

লেখক বলেছেন: মাজহুল (অপরিচিত)।

এর লেখক বলেছেন: দুহাইম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, মুআবিয়া বিন সালেহ এটি বর্ণনা করেছেন আলা বিন হারিস থেকে তার সূত্রে।

 

(২৬) হাদিস: ‌‌"যে বিসমিল্লাহ বলেনি তার অযু হবে না।"

আহমদ বলেছেন: আমি এই বিষয়ে কোনো উত্তম সনদ জানি না।

এবং (খ) বলেছেন: এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো হলো রাবাহ-এর হাদিস।

সুতরাং (খ)-এর বক্তব্য: "সবচেয়ে ভালো" এর মানে এটি হাসান হওয়া নয়, বরং এটি দুর্বলই।

 

(২৭)‌‌ বিশর বিন মুফাজ্জাল, আব্দুর রহমান বিন হারমালাহ থেকে, তিনি আবু সুফাল থেকে, তিনি রাবাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান বিন হুয়াইতিব থেকে, তিনি তার দাদী থেকে, তিনি তার পিতার থেকে মারফু সূত্রে।

(ত) বলেছেন: তার পিতা হলেন সাঈদ বিন ইয়াজিদ, এবং আবু সুফাল হলেন সুমামাহ বিন হুসাইন।

লেখক বলেছেন: রাবাহ, তার দাদী এবং আবু সুফাল তারা মাজহুল (অপরিচিত)।

এর লেখক - অর্থাৎ আয-যাহাবি - বলেছেন: বরং আবু সুফাল সম্পর্কে বুখারি বলেছেন: তার হাদিসে সমস্যা আছে, উকাইলি এটি আদম থেকে তার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

 

(২৮) হাদিস: ‌‌"মসজিদে ফায়দা হাসিল (বা লাভবান হতে) করতে নিষেধ করা হয়েছে।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৬)
لمحمد بن عبد الله الشُّعَيْثي عن زُفَر بن وَثِيمة عن حكيم بن حزام.

وزفر مجهول؛ ورواه وكيع عن الشعيثي، فقال: عن العباس بن عبد الكريم عن حكيم، ذكره الدارقطني.

قلت: وذا في أطراف المزي عن الشعيثي، عن القاسم بن عبد الرحمن المزني، عن حكيم فتحقق هذا.

 

(29) حديث ابن جريح، عن محمد بن عمر بن علي، عن عباس بن عبيد الله بن عباس، عن الفضل بن عباس.

قال المؤلف: هو محمد بن عمر بن علي بن الحسين بن علي: مجهول الحال.

قلت: بل ذا ابن عم علي بن الحسين [ … ].

 

(30) حديث الدارقطني: ‌‌"إذا توضأ عرك عارضيه"، قال: الصحيح أنه فعل ابن عمر، رواه أبو المغيرة، عن الأوزاعي، عن عبد الواحد بن قيس، عن نافع، عن ابن عمر.

رواه عبد الحميد بن أبي العشرين، عن الأوزاعي فرفعه.

قال المؤلف: كلاهما ثقة، قلت: بل الثقة من وقفه، فقد قال النسائي: عبد الحميد ليس بالقوي، قال: وقال ابن معين: عبد الواحد شبه لا شيء.

قلت: المعروف أن قائل هذا يحيى بن سعيد ورواه عنه ابن المديني.
মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আশ-শুআইসি থেকে, তিনি যুফার বিন ওয়াসিমা থেকে, তিনি হাকিম বিন হিযাম থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর যুফার অজ্ঞাত; এবং ওয়াকি এটি শুআইসি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আব্বাস বিন আবদুল কারিম থেকে, তিনি হাকিম থেকে, এটি দারা কুতনি উল্লেখ করেছেন।

আমি বলছি: এটি মিজ্জির আতরাফ গ্রন্থে শুআইসি থেকে, কাসিম বিন আবদুর রহমান আল-মুজানি থেকে, হাকিম থেকে বর্ণিত হয়েছে; সুতরাং এটি যাচাই করে নিন।

 

(২৯) ইবনে জুরাইজের হাদিস, মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলি থেকে, আব্বাস বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে, ফজল বিন আব্বাস থেকে বর্ণিত।

গ্রন্থকার বলেছেন: তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলি বিন হুসাইন বিন আলি: তাঁর অবস্থা অজ্ঞাত (মাজহুলুল হাল)।

আমি বলছি: বরং ইনি আলি বিন হুসাইনের চাচাতো ভাই [ … ]।

 

(৩০) দারা কুতনির হাদিস: ‌‌"যখন তিনি ওজু করতেন তখন তাঁর গালের দুই পাশ ঘষতেন", তিনি বলেছেন: বিশুদ্ধ মত হলো এটি ইবনে উমরের আমল, আবু মুগিরা এটি আওজায়ি থেকে, তিনি আবদুল ওয়াহিদ বিন কায়েস থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবদুল হামিদ বিন আবিল ইশরিন এটি আওজায়ি থেকে বর্ণনা করে মারফু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গ্রন্থকার বলেছেন: তারা উভয়েই নির্ভরযোগ্য, আমি বলছি: বরং নির্ভরযোগ্য তিনি যিনি একে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, কেননা নাসাঈ বলেছেন: আবদুল হামিদ শক্তিশালী নন, তিনি বলেছেন: এবং ইবনে মাইন বলেছেন: আবদুল ওয়াহিদ নগণ্য সদৃশ।

আমি বলছি: প্রসিদ্ধ হলো এর প্রবক্তা ইয়াহইয়া বিন সাঈদ এবং ইবনে মাদিনি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৭)
(31) حديث الدارقطني حدثنا [أحمد بن محمد] الآدمي، ثنا أحمد بن منصور، ثنا سعيد بن عفير حدثني يحيى بن أيوب، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم‌‌ كان يقرأ في الركعتين التي يوتر بعدهما بسبح، وقل يا أيها الكافرون، ويقرأ في الوتر: قل هو الله أحد، والمعوذتين.

وحدثنا الحسين بن إسماعيل، ثنا أبو إسماعيل الترمذي، ثنا ابن أبي مريم، ثنا يحيى بن أيوب فذكره.

قلت: يحيى فيه مقال.

 

(32) حديث (د) ثنا الحسن بن الصباح البزار، ثنا إسماعيل بن عبد الكريم، ثنا إبراهيم بن عقيل، عن أبيه، عن وهب، عن جابر مرفوعا:‌‌ إذا توفي أحدكم فوجد شيئا فليكفن في ثوب حبرة".

قال: إسماعيل لا يعرف، قلت: هو من شيوخ أحمد، وقال (س): لا بأس به.

 

(33) حديث: قال لعائشة وحفصة: ‌‌"صُومَا يومًا مكانه".

خطاب بن القاسم، عن خصيف، عن ابن عباس.

خصيف سيئ الحفظ، ووثق خطابا.
(৩১) দারাকুতনীর হাদিস: আমাদের নিকট [আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ] আল-আদামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবন মানসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবন উফাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই দুই রাকাতে যার পরে বিতর আদায় করা হয় তাতে ‘সাব্বিহ ইসমা রাব্বিকাল আলা’ এবং ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন’ পাঠ করতেন এবং বিতরে পাঠ করতেন: ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ এবং মুআউবিজাতাইন (সুরা ফালাক ও নাস)।

এবং হুসাইন ইবন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইসমাইল আত-তিরমিজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবন আবি মারইয়াম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবন আইয়ুব বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি পূর্বোক্ত হাদিসটি উল্লেখ করেন।

আমি বলছি: ইয়াহইয়া-এর ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে।

 

(৩২) হাদিস (আবু দাউদ): হাসান ইবনুস সাব্বাহ আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবন আব্দুল কারিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবন আকিল তার পিতা থেকে, তিনি ওয়াহাব থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেন: “তোমাদের মধ্যে কেউ যখন মারা যায় এবং তার সামর্থ্য থাকে, তবে সে যেন হিবারাহ (এক প্রকার কারুকার্যখচিত চাদর) কাপড়ে কাফন পরিধান করে।”

তিনি (আবু দাউদ) বলেছেন: ইসমাইল পরিচিত নন। আমি বলছি: তিনি ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বলের শাইখদের একজন, এবং ইমাম নাসায়ি বলেছেন: তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

 

(৩৩) হাদিস: তিনি আয়েশা এবং হাফসাকে বলেছিলেন: “তোমরা এর পরিবর্তে অন্য একদিন রোজা রাখো।”

খাত্তাব ইবনুল কাসিম খুসাইফ থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

খুসাইফ দুর্বল স্মৃতিশক্তির অধিকারী, তবে তিনি খাত্তাবকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৮)
قلت: رَوى البرذعي، عن أبي زرعة، هو منكر الحديث، يقال: اختلط.

 

(34) حديث الحارث عن علي: ‌‌"من مَلَك زادًا وراحلة، ولم يحج … ".

قال (ت): حسن؛ وفي إسناده مقال: رواه هلال بن عبد الله مولى ربيعة، عن أبي إسحاق عنه.

قلت: قال (خ): هلال منكر الحديث.

 

(35) حديث:‌‌ كنا إذا حججنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكنا نلبي عن النساء، ونرمي عن الصبيان.

رواه محمد بن إسماعيل الواسطي: سمعت ابن نُمَير عن أشعث بن سوار، عن أبي الزبير، عن جابر.

قال (ت): أجمع أهل العلم أن المرأة لا يُلبي عنها غيرها.

فهذا خالفه أبو بكر بن أبي شيبة في مصنفه.

ثنا ابن نمير، ولفظه: "حججنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، ومعنا النساء والصبيان فلبينا عن الصبيان، ورمينا عنهم".

ثنا ابن نمير، ولفظه: "حججنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعنا النساء والصبيان، فلبينا عن الصبيان ورمينا عنهم".

قلت: تبين أن الحق مع أبي بكر.

 

(36) حديث: ‌‌"ماء زمزم لما شرب له".
আমি বলি: আল-বারযাঈ আবু যুরআ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুনকারুল হাদীস, বলা হয় যে: তার স্মৃতিভ্রম হয়েছিল।

 

(৩৪) আলী থেকে বর্ণিত হারিসের হাদীস: ‌‌"যার পাথেয় ও বাহন রয়েছে এবং সে হজ করেনি ..."

তিনি (তিরমিযী) বলেন: এটি হাসান; তবে এর সনদে আপত্তি রয়েছে: এটি হিলাল বিন আবদুল্লাহ মাওলা রাবীআ, আবু ইসহাক থেকে, তিনি তার (আলী) থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি বলি: ইমাম বুখারী বলেছেন: হিলাল মুনকারুল হাদীস।

 

(৩৫) হাদীস: ‌‌"আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজ করতাম, তখন আমরা নারীদের পক্ষ থেকে তালবিয়া পাঠ করতাম এবং শিশুদের পক্ষ থেকে পাথর নিক্ষেপ করতাম।"

মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-ওয়াসিতি এটি বর্ণনা করেছেন: আমি ইবনে নুমাইরকে আশ'আস বিন সাওয়ার থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি।

তিনি (তিরমিযী) বলেন: আলেমগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, নারীর পক্ষ থেকে অন্য কেউ তালবিয়া পাঠ করবে না।

এর বিপরীতে আবু বকর বিন আবি শাইবাহ তার মুসান্নাফে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যার শব্দ হলো: "আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজ করেছি এবং আমাদের সাথে নারী ও শিশুরা ছিল, অতঃপর আমরা শিশুদের পক্ষ থেকে তালবিয়া পাঠ করেছি এবং তাদের পক্ষ থেকে পাথর নিক্ষেপ করেছি।"

ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যার শব্দ হলো: "আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে হজ করেছি এবং আমাদের সাথে নারী ও শিশুরা ছিল, অতঃপর আমরা শিশুদের পক্ষ থেকে তালবিয়া পাঠ করেছি এবং তাদের পক্ষ থেকে পাথর নিক্ষেপ করেছি।"

আমি বলি: এটি স্পষ্ট হয়েছে যে সত্য আবু বকরের সাথেই।

 

(৩৬) হাদীস: ‌‌"যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা তারই জন্য।"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৩৯)
قال: عبد الله بن المؤمل لين عن أبي الزبير، عن جابر.

وقال الدارقطني: ثنا عمر بن الحسن بن علي، ثنا محمد بن هشام المروزي - يعني ابن أبي الدميك - ثنا محمد بن حبيب الجارودي ثنا ابن عيينة عن [ابن] أبي نجيح، مجاهد، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "ماء زمزم لما شرب له؛ إن شربته تستشفي شفاك الله، وإن شربته لشبعك أشبعك الله، وإن شربته لظمئك قطعه، وهي هزمه جبريل، وسقى الله إسماعيل". .

قلت: هؤلاء ثقات سوى عمر الأشناني إنا نتهمه [بوضع].

 

(37) حديث: ‌‌"أسلمت وتحتي أختان " يحيى بن أيوب، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي وهب الجيشاني، عن الضحاك بن فيروز الديلمي، عن أبيه (حسّنه ت).

قال المؤلف: وعندي أنه ضعيف لجهالة حال ضحاك، وأبي وهب، دليم. وقد قال (خ): في إسناده نظر.

قلت: لأنه في مناكير يحيى.

 

(38) حديث معمر، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه أنه غيلان بن سلمة
তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুআম্মাল আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি বর্ণনায় শিথিল (লিন)।

আদ-দারা কুতনী বলেন: আমাদের নিকট উমর ইবনে হাসান ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আল-মারওয়াযী—অর্থাৎ ইবনে আবিদ দামীক—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হাবীব আল-জারূদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে উয়ায়না বর্ণনা করেছেন [ইবনে] আবু নাজীয়াহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা পূরণ হয়; যদি তুমি তা রোগমুক্তির জন্য পান করো, তবে আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করবেন; যদি তুমি তা ক্ষুধা নিবারণের জন্য পান করো, তবে আল্লাহ তোমাকে পরিতৃপ্ত করবেন; আর যদি তুমি তা পিপাসা মেটানোর জন্য পান করো, তবে আল্লাহ তা মিটিয়ে দেবেন। এটি জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম)-এর পদাঘাতের ফলে সৃষ্ট এবং আল্লাহ এর মাধ্যমে ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)-কে পানি পান করিয়েছিলেন।"

আমি বলি: উমর আল-আশনানী ব্যতীত এরা সকলেই নির্ভরযোগ্য, তবে তাকে আমরা [জাল করার] অভিযোগে অভিযুক্ত করি।

 

(৩৭) হাদীস: ‌‌"আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি অথচ আমার অধীনে দুই বোন রয়েছে" ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে আবু হাবীব থেকে, তিনি আবু ওয়াহাব আল-জায়শানী থেকে, তিনি দাহহাক ইবনে ফায়রূজ আদ-দাইলামী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন (তিরমিযী একে হাসান বলেছেন)।

লেখক বলেন: আমার মতে এটি দাহহাক, আবু ওয়াহাব এবং দাইলামের অবস্থা অজ্ঞাত হওয়ার কারণে দুর্বল। ইমাম বুখারী (খ) বলেছেন: এর সনদে আপত্তি রয়েছে।

আমি বলি: কারণ এটি ইয়াহইয়ার প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) বর্ণনাসমূহের অন্তর্ভুক্ত।

 

(৩৮) মা'মার থেকে বর্ণিত হাদীস, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি গায়লান ইবনে সালামাহ।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪০)
الثقفي‌‌ أسلم وله عشر نسوة، فأسلمن معه، فأمر أن يختار منهن أربعا.

فعن البخاري ليس بمحظوظ، والصحيح: شعيب وغيره عن الزهري.

 

(39) حديث عن محمد بن سويد الثقفي‌‌ أن غيلان بن سلمة أسلم …

قال المؤلف: ليس ذا عندي بعلة، وقد رواه ابن وهب، عن يونس، عن الزهري، عن عثمان بن محمد بن أبي سويد: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لغيلان حين أسلم … .

ورواه الليث عن يونس، عن الزهري، قال: بلغني عن عثمان بن أبي سويد.

وحديث معمر المذكور عن سعيد بن أبي عروبة، ويزيد بن زريع وهارون بن معاوية عنه، وروي عن الثوري، عن معمر كذلك [ن].

 

(40) الدارقطني: ثنا محمد بن نوح الجنديسابوري، ثنا عبد القدوس بن محمد، وثنا ابن مخلد، ثنا حفص بن عمر بن يزيد قالا: ثنا سيف بن عبيد الله الجرمي، ثنا سرار بن مجشر، عن أيوب، عن نافع وسالم عن ابن عمر أن‌‌ غيلان الثقفي أسلم وعنده عشر نسوة، فأمره النبي صلى الله عليه وسلم أن يمسك منهن أربعا، فلما كان زمن عمر طلقهن، فقال له عمر: راجعهن، وإلا ورثتهن مالك، وأمرت بقبرك … ، زاد ابن نوح: فأسلم وأسلمن معه؛ فسرار ثقة.

قلت: وكذلك سيف، وهو غريب جدا.

 

(41) حديث: ‌‌"لا تطلق النساء إلا من ريبة، إن الله لا يحب الذواقين
আস-সাকাফি‌‌ ইসলাম গ্রহণ করেন এমতাবস্থায় যে তার দশজন স্ত্রী ছিল, অতঃপর তারাও তার সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাকে তাদের মধ্য থেকে চারজনকে বেছে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

ইমাম বুখারী থেকে বর্ণিত যে তিনি সুযোগপ্রাপ্ত নন, আর সঠিক হলো: শুআইব ও অন্যান্যরা যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

(৩৯) মুহাম্মদ ইবনে সুওয়াইদ আস-সাকাফি থেকে বর্ণিত হাদীস‌‌ যে গায়লান ইবনে সালামাহ ইসলাম গ্রহণ করেন …

লেখক বলেন: এটি আমার নিকট কোনো ত্রুটি নয়। ইবনে ওয়াহাব এটি ইউনুস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি উসমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সুওয়াইদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গায়লানকে তার ইসলাম গ্রহণের সময় বলেছিলেন … ।

লাইস এটি ইউনুস থেকে, তিনি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে আবি সুওয়াইদ থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে।

আর সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ, ইয়াযীদ ইবনে যুরাই এবং হারুন ইবনে মুয়াবিয়া থেকে মামারের বর্ণিত হাদীসটি এবং আস-সাওরী থেকেও মামারের সূত্রে একইভাবে বর্ণিত হয়েছে [ন]।

 

(৪০) আদ-দারা কুতনী: মুহাম্মদ ইবনে নুহ আল-জুন্দিসাবুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল কুদ্দুস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে উমর ইবনে ইয়াযীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তারা উভয়ে বলেছেন: সাইফ ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-জারমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাররার ইবনে মুজাশশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে ও সালেম থেকে, তারা ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে,‌‌ গায়লান আস-সাকাফি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তার নিকট দশজন স্ত্রী ছিল, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাদের মধ্য থেকে চারজনকে রেখে দেয়ার নির্দেশ দেন। যখন উমরের সময় এল, তিনি তাদের তালাক দিয়ে দিলেন। উমর তাকে বললেন: তাদের ফিরিয়ে নাও, নতুবা আমি তোমার সম্পদ তাদের মাঝে উত্তরাধিকার হিসেবে বণ্টন করে দেব এবং তোমার কবরের ব্যাপারে নির্দেশ দেব … , ইবনে নুহ বর্ধিত বর্ণনা করেছেন: অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করে এবং তারাও তার সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন; সুতরাং সাররার নির্ভরযোগ্য।

আমি বলি: সাইফও তদ্রূপ, আর এটি অত্যন্ত গারীব (একক)।

 

(৪১) হাদীস: ‌‌"সন্দেহ ব্যতিরেকে নারীদের তালাক দিও না, কেননা আল্লাহ স্বাদ আস্বাদনকারীদের পছন্দ করেন না"
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪১)
والذواقات".

ليس إسناد بقوي.

فهذا يرويه البزار عن الفلاس، ثنا أبو معاوية، ثنا محمد بن شيبة بن نعامة، عن عبد الله بن عيسى عمن حدثه عن أبي موسى الأشعري، فهذا منقطع.

ورواه قاسم بن أصبغ، ثنا أبو بكر بن أبي العوام، ثنا أبي، ثنا حفص بن عمر البرجمي، عن عبد الله بن عبد عيسى بن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن عمارة بن راشد، عن عبادة بن نسي، عن أبي موسى: والآخر منقطع، وعمارة يجهل.

قلت: وعبادة لم يلحق أبا موسى.

 

(42) حديث: ‌‌"ثلاث جدهن جد … " حسنه (ت)

رواه عبد الرحمن بن حبيب بن أدرك عن عطاء، عن يونس بن ماهك، عن أبي هريرة.

فابن أردك لا يعرف حاله.

قلت: قد قال (س): منكر الحديث.

 

(43) حديث‌‌ النهي عن الكلب إلا كلب الصيد؛ واهي الطرق.

وقال الدارقطني: ثنا محمد بن إسماعيل الفارسي، ثنا عبيد بن محمد الصنعاني، ثنا محمد بن عمر بن أبي مسلم، نا محمد بن مصعب القرقساني، ثنا
এবং স্বাদ গ্রহণকারী নারীগণ।"

সনদটি শক্তিশালী নয়।

এটি বাজ্জার আল-ফাল্লাস থেকে বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আমাদের নিকট আবু মুয়াবিয়া হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন শাইবাহ বিন নুয়ামাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন ঈসা থেকে, তিনি তার থেকে যিনি তার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু মুসা আল-আশআরী থেকে; সুতরাং এটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)।

এবং এটি কাসিম বিন আসবাগ বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আমাদের নিকট আবু বকর বিন আবিল আওয়াম হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আমার পিতা হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি হাফস বিন উমর আল-বুরজুমী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন ঈসা বিন আবদুর রহমান বিন আবি লাইলা থেকে, তিনি উমারাহ বিন রাশিদ থেকে, তিনি উবাদাহ বিন নুসাই থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে; আর এটিও মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন), এবং উমারাহ অজ্ঞাত।

আমি বলি: উবাদাহ আবু মুসার সাক্ষাৎ পাননি।

 

(৪২) হাদিস: ‌‌"তিনটি বিষয় যার গুরুত্বই গুরুত্ব … " তিরমিজি একে হাসান বলেছেন।

এটি আবদুর রহমান বিন হাবিব বিন আরদাক আতা থেকে, তিনি ইউনুস বিন মাহাক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আরদাক—তার অবস্থা (নির্ভরযোগ্যতা) জানা নেই।

আমি বলি: নাসায়ী বলেছেন: তিনি মুনকারুল হাদিস।

 

(৪৩) হাদিস‌‌ শিকারি কুকুর ব্যতীত অন্য কুকুর রাখার নিষেধাজ্ঞা; এর সূত্রগুলো অত্যন্ত দুর্বল।

দারাকুতনী বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ফারিসি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উবায়েদ বিন মুহাম্মদ আস-সানআনি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন উমর বিন আবি মুসলিম হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুসআব আল-কারকিসানি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট...
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪২)
نافع بن عمر، عن الوليد بن عبيد الله بن أبي رباح، عن عمه عطاء، عن أبي هريرة مرفوعا: "ثلاث كلهن سحت: كسب الحجام، ومهر البغي، وثمن الكلب إلا الكلب الضاري".

الوليد ضعيف، قاله الدارقطني، قال المؤلف: رواته مجاهيل.

قلت: عبيد هو الكشوري معروف، والصنعاني فلا أعرفه؛ والإسناد مظلم.

 

(44) حديث: ‌‌"إذا اختلف البيعان، وليس بيِّنة، فهو ما يقول رب السلعة، أو يتتاركان".

فيه انقطاع، قاله ابن عبد البر؛ فهذا رواه أبو العميس المسعودي، حدثني عبد الرحمن بن محمد بن الأشعث، عن أبيه، عن جده، عن ابن مسعود، [وإنما عبد الرحمن هذا ابن قيس ابن محمد بن الأشعث، روى عنه مجاهد والشعبي، وسليمان بن يسار، والزهري؛ له عن عائشة.]

فأما روايته عن ابن مسعود فمنقطعة.

قلت: هو كبير، ولقيه ممكن.

وهذا الحديث فرد رواه (د) عن الذهلي، و (س) عن أبي حاتم جميعا عن عمر بن حفص بن غياث، عن أبيه، عن أبي العميس.

 

(45) حديث (د): ثنا أحمد بن صالح، ثنا يحيى بن محمد المدني حدثني
নাফে ইবনে উমর, ওয়ালিদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু রাবাহ থেকে, তিনি তাঁর চাচা আতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: "তিনটি বিষয়ই হারাম: ক্ষৌরকারের উপার্জন, ব্যভিচারিণীর পারিশ্রমিক এবং কুকুরের মূল্য, তবে শিকারি কুকুর ব্যতীত।"

ওয়ালিদ দুর্বল, এটি দারা কুতনী বলেছেন। লেখক বলেছেন: এর বর্ণনাকারীরা অজ্ঞাত।

আমি বলি: উবাইদ হলো আল-কাশওয়ারি, সে পরিচিত; আর আস-সানআনিকে আমি চিনি না; এবং সনদটি অন্ধকারাচ্ছন্ন।

 

(৪৪) হাদিস: "যখন ক্রেতা-বিক্রেতা মতভেদ করে এবং কোনো প্রমাণ না থাকে, তবে পণ্যের মালিক যা বলে তাই ধর্তব্য হবে, অথবা তারা উভয়ে লেনদেন বাতিল করবে।"

এতে বিচ্ছিন্নতা (ইনকিতা) রয়েছে, এটি ইবনে আব্দুল বার বলেছেন; এটি আবু উমাইস আল-মাসউদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আশআস বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তাঁর দাদা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে। [মূলত এই আব্দুর রহমান হলেন ইবনে কাইস ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আশআস, তাঁর থেকে মুজাহিদ, শাবি, সুলাইমান ইবনে ইয়াসার এবং যুহরি বর্ণনা করেছেন; আয়েশা (রা.) থেকেও তাঁর বর্ণনা রয়েছে।]

তবে ইবনে মাসউদ থেকে তাঁর বর্ণনাটি বিচ্ছিন্ন।

আমি বলি: তিনি বয়োবৃদ্ধ ছিলেন এবং তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হওয়া সম্ভব ছিল।

এই হাদিসটি একক (ফারদ), যা আবু দাউদ (দ) আয-যুহলি থেকে এবং নাসাঈ (স) আবু হাতিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সবাই উমর ইবনে হাফস ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু উমাইস থেকে।

 

(৪৫) হাদিস (দ): আমাদের নিকট আহমদ ইবনে সালিহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ আল-মাদানি বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৩)
عبد الله بن خالد بن سعيد بن أبي مريم، عن أبيه، عن سعيد بن عبد الرحمن بن رقيش أنه سمع شيوخا من بني عمرو بن عوف وخاله عبد الله بن أبي أحمد، قال: قال علي: حفظت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم: ‌‌"لا يتم بعد احتلام، ولا صمات يوم إلى الليل".

قال أبو محمد: المحفوظ موقوف، قال المؤلف: خالد وابنه مجهولان، وأبوه ثقة، ويحيى إما ضعيف أو مجهول، لعله ابن هانئ.

قلت: أرى أنه أبو زكير، ويجوز أن يكون الجاري.

قال: وعبد الله بن أبي أحمد بن جحش مجهول الحال، وما هو بوالد بكير بن عبد الله بن الأشج كما توهم ابن أبي حاتم.

 

(46) حديث: ‌‌"الخال وارث من لا وارث له".

حسنة (ت).

الثوري عن عبد الرحمن بن الحارث، عن حكيم بن حكيم بن عباد بن حنيف، عن أبي أمامة بن سهل، عن عمر.

قال المؤلف: حكيم لا تعرف عدالته.

قلت: وقال [ابن] سعد: لا يحتجون به.

 

(47) حديث: أن‌‌ مولى النبي صلى الله عليه وسلم وقع من نخلة فمات، فقال: انظروا هل له من وارث؟
আবদুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, তাঁর পিতা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে রুকাইশ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বনু আমর ইবনে আউফের কতিপয় প্রবীণ ব্যক্তি এবং তাঁর মামা আবদুল্লাহ ইবনে আবি আহমাদকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আলী (রা.) বলেছেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে মুখস্থ করেছি: "স্বপ্নদোষের (প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার) পর আর কোনো পিতৃহীনতা (ইয়াতিমত্ব) নেই, এবং রাত পর্যন্ত সারাদিন মৌনতা অবলম্বন (ইবাদত হিসেবে) নেই।"

আবু মুহাম্মদ বলেন: সংরক্ষিত বর্ণনাটি মাওকুফ (সাহাবীর উক্তি)। লেখক বলেন: খালিদ এবং তাঁর ছেলে উভয়েই মাজহুল (অপরিচিত), এবং তাঁর পিতা নির্ভরযোগ্য, আর ইয়াহইয়া হয় দুর্বল অথবা মাজহুল, সম্ভবত তিনি ইবনে হানি।

আমি বলি: আমি মনে করি তিনি আবু জুকাইর, আর সম্ভবত তিনি আল-জারি।

তিনি বলেন: এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবি আহমাদ ইবনে জাহশ অজ্ঞাত পরিচয়ের, আর তিনি বুকাইর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল আশাজ্জ-এর পিতা নন, যেমনটি ইবনে আবি হাতিম ধারণা করেছেন।

 

(৪৬) হাদিস: "মামা তার ওয়ারিশ যার কোনো ওয়ারিশ নেই।"

হাসান (তিরমিজি)।

সাওরি, আবদুর রহমান ইবনুল হারিস থেকে, তিনি হাকিম ইবনে হাকিম ইবনে আব্বাদ ইবনে হুনায়েফ থেকে, তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

লেখক বলেন: হাকিমের ন্যায়পরায়ণতা সম্পর্কে জানা নেই।

আমি বলি: এবং [ইবনে] সাদ বলেছেন: তারা তাঁকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করেন না।

 

(৪৭) হাদিস: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর এক মুক্তদাস খেজুর গাছ থেকে পড়ে মারা গেলেন, তখন তিনি বললেন: দেখো তার কোনো ওয়ারিশ আছে কি না?
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৪)
حسنه (ت).

قال المؤلف: لا أدري لم لم يصححه، فإن رجاله ثقات، ولا اختلاف فيه ولا انقطاع.

قال: ثنا بندار ثنا يزيد [أنبا] سفيان، عن عبد الرحمن بن الأصبهاني، عن مجاهد بن وردان، عن عروة، عن عائشة.

فمجاهد ثقة، وإن لم يعرفه ابن معين، فقد عرفه أبو حاتم ووثقه، وحدث عنه شعبة، وابن الأصبهاني فثقة.

قال كاتبه: بالجهد أن يكون حسنا، لأمور: أحدها: أنه معنعن، وثانيها: أن مجاهدا هذا شيخ محله الصدق مقل، ما هو كالزهري وهشام بن عروة في التثبت، فتفرد بالجهد أن يكون صحيحا غريبا، ولو استنكر حديثه هذا لساغ، وثالثها: أن عبد الرحمن بن الأصبهاني اثنان: أحدهما: حديثه في الكتب الستة وهو قديم الموت، من أقران منصور والأعمش، وثقة لا نزاع فيه؛ والثاني: عبد الرحمن بن سليمان الأصبهاني، ومحمد بن سليمان بن الأصبهاني وجماعة.

قال أبو حاتم: هو صالح الحديث، وقال ابن معين: ليس بشيء، وروى الكوسج عن ابن معين توثيقه، فهو كما ترى مختلف فيه ليس بالثقة مطلقا، والحديث في السنن الأربعة.

 

(48) حديث تميم: ‌‌"من أسلم على يد رجل فهو أولى الناس … ".

قال (خ): اختلفوا في صحته.
তিরমিজি (ত) এটিকে হাসান বলেছেন।

লেখক বলেন: আমি জানি না কেন তিনি একে সহিহ বলেননি, কারণ এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য, আর এতে কোনো মতভেদ বা বিচ্ছিন্নতা নেই।

তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বুন্দার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনুল আসবাহানি থেকে, তিনি মুজাহিদ বিন ওয়ারদান থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।

সুতরাং মুজাহিদ নির্ভরযোগ্য, যদিও ইবনে মাঈন তাকে চিনতেন না, তবে আবু হাতিম তাকে চিনেছেন এবং নির্ভরযোগ্য বলেছেন, আর শু'বাহ তার থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং ইবনুল আসবাহানিও নির্ভরযোগ্য।

এর লেখক বলেন: এটি অনেক কষ্টে হাসান হতে পারে, কয়েকটি কারণে: প্রথমত: এটি মুআনআন (আন শব্দ দ্বারা বর্ণিত), দ্বিতীয়ত: এই মুজাহিদ একজন শায়খ যার অবস্থান হলো সত্যবাদিতা তবে তিনি স্বল্প বর্ণনাকারী, তিনি মজবুত ও নির্ভুলতার ক্ষেত্রে যুহরি বা হিশাম বিন উরওয়াহর মতো নন, তাই তার একক বর্ণনাটি বড়জোর সহিহ গারিব হতে পারে, আর যদি কেউ তার এই হাদিসটিকে অস্বীকৃত (মুনকার) সাব্যস্ত করতেন তবে তাও সংগত হতো। তৃতীয়ত: আব্দুর রহমান ইবনুল আসবাহানি নামে দুইজন আছেন: একজন যার হাদিস কুতুবে সিতাহ-তে আছে এবং তিনি অনেক আগে মৃত্যুবরণ করেছেন, তিনি মানসুর ও আমাশের সমসাময়িক, এবং তিনি নিঃসন্দেহে নির্ভরযোগ্য; দ্বিতীয়জন হলেন: আব্দুর রহমান বিন সুলায়মান আল-আসবাহানি, মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন আসবাহানি ও এক দল।

আবু হাতিম বলেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় গ্রহণযোগ্য, ইবনে মাঈন বলেন: তিনি কিছু নন, আবার আল-কুসাজ ইবনে মাঈন থেকে তার নির্ভরযোগ্যতার কথা বর্ণনা করেছেন, সুতরাং আপনি যেমন দেখছেন তার ব্যাপারে মতভেদ আছে এবং তিনি নিরঙ্কুশভাবে নির্ভরযোগ্য নন, আর হাদিসটি সুনান চতুষ্টয়ে রয়েছে।

 

(৪৮) তামিমে হাদিস: ‌‌"যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তির হাতে ইসলাম গ্রহণ করে, তবে সে-ই উক্ত ব্যক্তির ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি হকদার … "।

বুখারি (খ) বলেন: এর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে তারা মতভেদ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৫)
[فهذا ليحيى بن حمزة عن عبد العزيز بن عمر بن عبد العزيز سمعت عبد الله بن موهب يحدث أبي عن قبيصة بن ذؤيب عن تميم؛ وعلته: الجهل بحال ابن موهب قاضي فلسطين].

قلت: ذا قد روى عنه الزهري والكبار، ولكن علة الحديث أنه مرة أرسله عن تميم فأسقط فبيصة، ومرة قال: عن قبيصة أن تميما قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم.

 

(49) حديث: ‌‌"علي كل بيت في العام أضحية وعَتيرة".

ابن عون عن عامر أبي رملة، عن مخنف بن سليم، إسناده ضعيف.

فصدق لجاهلة عامر.

قلت: رواه الأربعة من طرق عن ابن عون وحسنه (ت).

 

(50) حديث: ‌‌"نهى عن لبس الذهب إلا مُقطَّعًا".

ثم قال: جاء المنع من تحلي النساء به عن ثوبان وحذيفة وأسماء بنت يزيد وأبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم، والصحيح: الإباحة؛ ولا ينبغي أن يضعف خبر ثوبان، أبلغ ما فيه يحيى بن أبي كثير، عن زيد بن سلام وفيه انقطاع.

فقوله عن حذيفة خطأ، صوابه: عن أخت حذيفة.

وحديث أسماء: رواه أبا العطار، ثنا يحيى أن محمود بن عمرو الأنصاري حدثه أنها حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "أيما امرأة تقلدت ذهبا قُلِّدت في عنقها
[এটি ইয়াহইয়া ইবনে হামযা থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল আযীয ইবনে উমর ইবনে আব্দুল আযীয থেকে, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে মাওহাবকে আমার পিতার নিকট হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি ক্বাবীসাহ ইবনে যুয়াইব থেকে, তিনি তামীম (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন; এর ত্রুটি হলো: ফিলিস্তিনের বিচারক ইবনে মাওহাবের অবস্থা অজ্ঞাত থাকা (মাজহুল হওয়া)]।

আমি বলছি: তাঁর থেকে ইমাম যুহরী এবং বড় বড় উলামাগণ বর্ণনা করেছেন। তবে হাদিসটির ত্রুটি হলো যে, এটি কখনও তামীম থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যেখানে ক্বাবীসাহর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, আবার কখনও বলা হয়েছে: ক্বাবীসাহ থেকে বর্ণিত যে, তামীম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলেছিলেন।

 

(৪৯) হাদিস: ‌‌"প্রত্যেক পরিবারের ওপর প্রতি বছর একটি কুরবানি এবং একটি আতীরা (জিলহজ মাসের বিশেষ জবেহ) ওয়াজিব।"

ইবনে আউন আমির আবু রামলাহ থেকে, তিনি মিখনাফ ইবনে সুলাইম থেকে বর্ণনা করেছেন; এর সনদটি দুর্বল।

আমিরের অজ্ঞাত অবস্থার (জাহালাত) কারণে এটি প্রমাণিত হয়েছে।

আমি বলছি: সুনান গ্রন্থের চারজন ইমাম ইবনে আউন থেকে বিভিন্ন সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।

 

(৫০) হাদিস: ‌‌"তিনি সোনা পরিধান করতে নিষেধ করেছেন, তবে সামান্য অংশ (ক্ষুদ্র অলঙ্কার) ব্যতীত।"

অতঃপর তিনি বলেন: নারীদের সোনার অলঙ্কার ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত হাদিস সাওবান, হুযাইফা, আসমা বিনতে ইয়াযীদ এবং আবু হুরায়রা (রা.) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। তবে সঠিক মত হলো: এটি বৈধ। সাওবানের হাদিসটিকে দুর্বল বলা সমীচীন নয়; এর সর্বোচ্চ ত্রুটি হলো ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর এটি যায়িদ ইবনে সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বিচ্ছিন্নতা (ইনকিতা) রয়েছে।

সুতরাং তাঁর 'হুযাইফা থেকে' উক্তিটি ভুল, এর সঠিক হলো: 'হুযাইফার বোন থেকে'।

আর আসমার হাদিসটি হলো: আবু আল-আত্তার এটি বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মাহমুদ ইবনে আমর আল-আনসারী তাকে জানিয়েছেন যে, আসমা তাকে জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যে নারী সোনার হার পরিধান করবে, তার গলায় (কিয়ামতের দিন আগুনের হার) পরিয়ে দেওয়া হবে..."
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৬)
مثله من النار، أيما امرأة جعلت في أذنيها خُرصا كذلك".

ورواه الدستوائي عن يحيى، محمود مجهول.

قلت: أسماء عمته وقد وثق، ولكن المتن منكر.

 

(51) حديث: ‌‌"أهل الجنة عشرون ومائة صف".

حسنه (ت) لضرار بن مرة، عن محارب بن دثار، عن ابن بريدة، عن أبيه؛ علله برواية علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة مرسلا، ويروى عن سليمان، عن أبيه.

قال المؤلف: [لا ينبغي تعليله بذلك].

قلت: ما [ذا] بتعليل بل حكاية الواقع، وإنما لم يصححه الترمذي لغرابة خبر ضرار.

 

(52) حديث البزار: ‌‌"أول ما خلق الله القلم، فقال له: "أجر"، فجرى بما هو كائن".

حسنة البزار.

فهذا لزيد بن الحباب، عن معاوية بن صالح حدثني أيوب بن أبي زيد، عن عبادة بن الوليد بن عبادة، عن أبيه، عن جده.
...অনুরূপ আগুনের তৈরি। যে নারীই তার দুই কানে একইভাবে দুল পরিধান করবে।"

দস্তুওয়াঈ এটি ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন; মাহমুদ অজ্ঞাত (মাজহুল)।

আমি বলছি: আসমা তার ফুফু এবং তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলা হয়েছে, কিন্তু হাদিসের মূল পাঠটি (মতন) মুনকার (অগ্রহণযোগ্য)।

 

(৫১) হাদিস: ‌‌"জান্নাতবাসীরা একশ বিশটি কাতার হবে।"

তিরমিজি (ত) দিরার ইবনে মুররাহ-এর সূত্রের কারণে একে হাসান বলেছেন, যিনি মুহারিব ইবনে দিসার থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি একে আলকামা ইবনে মারসাদ-এর বর্ণনার মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ (মু’আল্লাল) বলেছেন, যা সুলাইমান ইবনে বুরাইদাহ থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে; আবার সুলাইমান থেকে তার পিতার সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

লেখক বলেছেন: [এটি দিয়ে ত্রুটি দেখানো সমীচীন নয়]।

আমি বলছি: এটি কোনো ত্রুটি (ইল্লত) নয় বরং বাস্তবতার বর্ণনা মাত্র। তিরমিজি কেবল দিরারের বর্ণিত সংবাদটির একক বা অনন্য (গারাবাত) হওয়ার কারণে একে সহিহ বলেননি।

 

(৫২) বাজ্জারের হাদিস: ‌‌"আল্লাহ সর্বপ্রথম যা সৃষ্টি করেছেন তা হলো কলম। অতঃপর তিনি একে বললেন: "লেখো", তখন তা ভবিষ্যতে যা কিছু ঘটবে তা লিখতে শুরু করল।"

বাজ্জার একে হাসান বলেছেন।

এটি যায়দ ইবনুল হুবাব-এর সূত্রে বর্ণিত, যিনি মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ থেকে, তিনি বলেছেন: আমার কাছে আইয়ুব ইবনে আবু যায়েদ বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাদাহ ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে উবাদাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৭)
فالوليد لا يعرف حاله.

قلت: حديثه في "الصحيحين".

قال: وأيوب كذلك، وقد روى عنه زيد بن أبي أنيسة ويزيد بن سنان.

قلت: حمصي مقل.

وقال (ت): ثنا يحيى بن موسى، ثنا أبو داود، ثنا عبد الواحد بن سليم سمع عطاء بن أبي رباح سمع الوليد بن عبادة قال: دعاني أبي فقال: اتق الله، ولن تتقي حتى تؤمن بالقدر، كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "أول ما خلق الله القلم، فقال اكتب، قال: ما أكتب؟ قال: اكتب القدر، ما كان وما يكون إلى الأبد".

قال: غريب، عبد الواحد واهٍ.

 

(53)‌‌ حديث أبي رزين: يا رسول الله، أين كان ربنا؟ قال: "كان في عماء … .".

حسنه (ت) لحماد بن سلمة عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن [حُدُس] عنه.
আল-ওয়ালীদ, তার অবস্থা জানা যায়নি।

আমি বললাম: তার বর্ণিত হাদিস "সহীহাইন"-এ রয়েছে।

তিনি বললেন: আইয়ুবও তেমনি, আর তার থেকে যায়েদ বিন আবি আনিস ও ইয়াযিদ বিন সিনান বর্ণনা করেছেন।

আমি বললাম: তিনি হিমসের অধিবাসী এবং অল্প হাদিস বর্ণনাকারী।

ইমাম তিরমিযী বলেন: ইয়াহইয়া বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল ওয়াহিদ বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা বিন আবি রাবাহ থেকে শুনেছেন, তিনি আল-ওয়ালীদ বিন উবাদাহ থেকে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে ডাকলেন এবং বললেন: আল্লাহকে ভয় করো, আর তুমি ততক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃত মুত্তাকী হতে পারবে না যতক্ষণ না তাকদীরের ওপর ঈমান আনো, যেমনটি আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ সর্বপ্রথম যা সৃষ্টি করেছেন তা হলো কলম। এরপর তিনি আদেশ করলেন, লেখো। কলম বলল, আমি কী লিখব? তিনি বললেন, তাকদীর লেখো; যা ইতিপূর্বে ঘটেছে এবং যা অনন্তকাল পর্যন্ত ঘটবে।"

তিনি বললেন: এটি গরীব হাদিস, আর আবদুল ওয়াহিদ অত্যন্ত দুর্বল।

 

(৫৩)‌‌ আবু রাযীনের হাদিস: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের রব কোথায় ছিলেন? তিনি বললেন: "তিনি 'আমা'-তে (মেঘপুঞ্জ/শূন্যতা) ছিলেন..." … ।

ইমাম তিরমিযী হাম্মাদ বিন সালামাহ-এর সূত্রে বর্ণিত হওয়ার কারণে হাদিসটিকে হাসান বলেছেন, যা তিনি ইয়ালা বিন আতা থেকে, তিনি ওয়াকি বিন হুদুস থেকে, তিনি তার (আবু রাযীন) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৮)
فوكيع لا يعرف، وتفرد عنه يحيى؛ وكان شعبة، وهشيم، وأبو عوانة يقولون: ابن عدس؛ وقد صحح (ت) حديث: "الرؤيا على رجل طائر".

قلت: لكونه لشعبة عن يعلى.

 

(54) حديث عبد الله بن عمرو: ‌‌"أخبرنا عن ثياب الجنة، أتنسج؟ ".

وهذا ضعيف، رواه محمد بن عبد الله بن علاثة: ثنا العلاء بن عبد الله أن الحنان بن خارجة حدثه عنه.

تابعه محمد بن مسلم بن أبي الوضاح عن العلاء، وطوله.

قلت: ماذا بضعيف وحنان مع جهالته ما ضعف.

 

(55) حديث (د) المقدام: ‌‌"وأدخل أصابعه في صماخ أذنيه".

فيه حريز بن عثمان، وعنه الوليد بن مسلم: مدلس، عن عبد الرحمن بن ميسرة لا يعرف.

قلت: شيوخ حريز ثقات.

 

(56) حديث عبادة:‌‌ إن أدركتها: أصلي معهم؟ قال: "إن شئت".

يرويه هلال بن يساف عن أبي المثنى الحمصي، عن أبي أبي بن امرأة عبادة، عن عبادة.

فأبوا أبي صحابي، و [أبو] المثنى إن كان ضمضما الأملوقي فمعروف، وأما أبو محمد بن الجارود فإنه جعل لهما ترجمتين - ثم قال -: وقيدهما واحد، ولم يبن لي ذلك - إلى أن قال المؤلف -: وإذا كان واحدا فإنه لا يعرف، وكذا إن كان اثنين،
ওয়াকি পরিচিত নন, আর ইয়াহইয়া এককভাবে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; শু'বাহ, হুশাইম এবং আবু আওয়ানাহ বলতেন: ইবনে আদাস; আর (তিরমিজি) এই হাদিসটি সহিহ বলেছেন: "স্বপ্ন পাখির পায়ের ওপর থাকে।"

আমি বলছি: কারণ এটি ইয়ালা থেকে শু'বার বর্ণনা।

 

(৫৪) আবদুল্লাহ ইবনে আমরের হাদিস: ‌‌"আমাদের জান্নাতের পোশাক সম্পর্কে সংবাদ দিন, সেগুলো কি বোনা হয়?"

আর এটি দুর্বল, মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উলাসাহ এটি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-আলা ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন যে, হান্নান ইবনে খারিজাহ তাঁর নিকট এটি বর্ণনা করেছেন।

মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে আবিল ওয়াদদাহ আল-আলা থেকে এর অনুসরণ করেছেন এবং হাদিসটি দীর্ঘ করে বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: এটি দুর্বল নয় এবং হান্নান অপরিচিত হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে দুর্বল বলা হয়নি।

 

(৫৫) আল-মিকদামের (আবু দাউদ) হাদিস: ‌‌"এবং তিনি তাঁর আঙুলগুলো তাঁর উভয় কানের ছিদ্রে প্রবেশ করালেন।"

এতে হারিজ ইবনে উসমান রয়েছেন, আর তাঁর থেকে ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম বর্ণনা করেছেন: তিনি মুদাল্লিস, আবদুর রহমান ইবনে মাইসারাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি পরিচিত নন।

আমি বলছি: হারিজের উস্তাদগণ নির্ভরযোগ্য।

 

(৫৬) উবাদাহর হাদিস:‌‌ যদি আমি তা পাই, তবে কি আমি তাদের সাথে সালাত আদায় করব? তিনি বললেন: "যদি তুমি চাও।"

হিলাল ইবনে ইয়াসাফ এটি আবু আল-মুসান্না আল-হিমসি থেকে, তিনি উবাদাহর স্ত্রীর পুত্র আবু উবাই থেকে, তিনি উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু উবাই একজন সাহাবী, আর (আবু) আল-মুসান্না যদি দামদাম আল-আমলুকি হন তবে তিনি পরিচিত, কিন্তু আবু মুহাম্মাদ ইবনুল জারুদ তাঁদের উভয়ের জন্য পৃথক দুটি জীবনী উল্লেখ করেছেন - তারপর তিনি বলেছেন -: এবং তাঁদের উভয়ের পরিচয় একই হতে পারে, কিন্তু সেটি আমার নিকট স্পষ্ট হয়নি - গ্রন্থকার বলা পর্যন্ত -: আর যদি তিনি একজনই হন তবে তিনি অপরিচিত, তেমনিভাবে যদি তাঁরা দুইজন হন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৪৯)
ولا أثر لكونهما واحدا إلا أن يكون روى عنه رجلان: هلال المذكور، وصفوان بن عمرو، وعدالته فما علمت.

فإن قيل: فابن عبد البر قال إثر هذا الحديث: أبو المثنى ثقة، قلنا: لم يأت في توثيقه بقول معاصر أو قول من أخذ عن معاصر فلا يقبل توثيقه، إلا أن يكون في رجل معروف قد انتشر له من الحديث ما يعرف به حاله، وهذا ليس كذلك.

قلت: وثقه ابن عبد البر، لكونه ما غمز أصلا، ولا هو مجهول لرواية ثقتين عنه.

 

(57) حديث: ‌‌"رخص في دم الحبون".

لبقية عن ابن جريج، فقال: قال الدارقطني: هذا باطل، لعل بقية دلسه عن واه.

فهذا مفسد لعدالة بقية.

قلت: هو مذهب ورأي له وللوليد بن مسلم، وما رأيناك تغمز الوليد.

 

(58) حديث: ‌‌"ما رأيت أحدا أشبه صلاة برسول الله صلى الله عليه وسلم من عمر بن عبد العزيز".

فيه وهب بن مأنوس: مجهول، فأظن أبا محمد قنع برواية جماعة عنه، وذا شيء لا مقنع فيه، فإن عدالته لا تثبت بذلك.

قلت: خالفك في هذا خلق.
তারা দু’জন অভিন্ন হওয়ার কোনো প্রমাণ নেই, তবে যদি দু’জন ব্যক্তি তাঁর থেকে বর্ণনা করে থাকেন: উল্লিখিত হিলাল এবং সাফওয়ান ইবন আমর। আর তাঁর বিশ্বস্ততার (আদালত) ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।

যদি বলা হয়: ইবন আবদিল বার এই হাদিসের পর বলেছেন: ‘আবু আল-মুসান্না নির্ভরযোগ্য’, তবে আমরা বলব: তাঁর নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো সমসাময়িক ব্যক্তির উক্তি বা সমসাময়িক ব্যক্তির থেকে শ্রবণকারীর উক্তি আসেনি; তাই তাঁর নির্ভরযোগ্যতা গ্রহণযোগ্য নয়। তবে যদি তিনি এমন কোনো প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হতেন যাঁর থেকে এমন সব হাদিস প্রচলিত রয়েছে যার দ্বারা তাঁর অবস্থা জানা যায়, কিন্তু বিষয়টি এমন নয়।

আমি বলি: ইবন আবদিল বার তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, কারণ তাঁর সম্পর্কে কোনো সমালোচনা করা হয়নি এবং দু’জন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী তাঁর থেকে বর্ণনা করায় তিনি অজ্ঞাত নন।

 

(৫৭) হাদিস: “হাবুন-এর রক্তের ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”

বাকিয়্যাহ থেকে ইবন জুরাইজ সূত্রে বর্ণিত। দারা কুতনী বলেছেন: এটি বাতিল, সম্ভবত বাকিয়্যাহ কোনো দুর্বল বর্ণনাকারী থেকে এটি তাদলিস করেছেন।

এটি বাকিয়্যাহর নির্ভরযোগ্যতাকে নষ্ট করে।

আমি বলি: এটি তাঁর এবং ওয়ালিদ ইবন মুসলিমের মাযহাব ও ব্যক্তিগত মত, অথচ আমরা আপনাকে ওয়ালিদকে সমালোচনা করতে দেখি না।

 

(৫৮) হাদিস: “আমি উমর ইবন আবদিল আজিজের চেয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ সালাত আদায়কারী আর কাউকে দেখিনি।”

এতে ওয়াহাব ইবন মানুস রয়েছেন: তিনি অজ্ঞাত। আমার ধারণা আবু মুহাম্মাদ তাঁর থেকে একদল লোকের বর্ণনার ওপর নির্ভর করে তুষ্ট হয়েছেন, কিন্তু এতে তুষ্ট হওয়ার কিছু নেই; কারণ এর দ্বারা তাঁর নির্ভরযোগ্যতা সাব্যস্ত হয় না।

আমি বলি: এ বিষয়ে বহু আলিম আপনার বিরোধিতা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৫০)
(59) حديث: ‌‌"من قال: يثرب، فليقل: المدينة عشرا".

فيه عثمان بن حفص، عن إسماعيل بن محمد بن سعد، عن أبيه، عن جده.

قلت: قال (خ): في إسناده نظر.

 

(60) حديث (د) المستورد: ‌‌"من كان لنا عاملا فليتخذ زوجة … ".

الأوزاعي عن الحارث بن يزيد، عن جبير بن نفير عنه، فالطامة أن الحارث هو الحضرمي، ثقة: قال ابن أبي شيبة: ثنا زيد بن الحباب، ثنا ابن لهيعة، ثنا الحارث بن يزيد الحضرمي، عن عبد الرحمن بن جبير عنه.

قلت: الطامة أن الوهم من (د) فإن جعفر الفريابي رواه عن شيخ (د) موسى بن مروان [عن] المعافى عن الأوزاعي، فقال: عن الحارث، عن عبد الرحمن بن جبير كرواية ابن لهيعة.

 

(61) حديث (د): ‌‌"الرجل أحق بصدر دابته".

فيه: علي بن الحسين بن واقد.

قلت: لكن تابع عليا آخر.

 

(62)‌‌ حديث عائشة في رضاع سالم من سهلة خمس رضعات.
(59) হাদিস: ‌‌"যে ব্যক্তি ইয়াসরিব বলবে, সে যেন দশবার আল-মদিনা বলে।"

এতে উসমান বিন হাফস রয়েছেন, ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ বিন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: ইমাম বুখারি বলেছেন: এর সনদে ত্রুটি রয়েছে।

 

(60) আল-মুস্তাওরিদ বর্ণিত (আবু দাউদের) হাদিস: ‌‌"যে আমাদের কর্মচারী হবে, সে যেন একজন স্ত্রী গ্রহণ করে..." … "।

আওযায়ি হারিস বিন ইয়াযিদ থেকে, তিনি জুবায়ের বিন নুফাইর থেকে, তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। মহা মুসিবত হলো হারিস হলেন আল-হাদরামি, তিনি নির্ভরযোগ্য। ইবনে আবি শাইবা বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যায়িদ বিন আল-হুবাব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হারিস বিন ইয়াযিদ আল-হাদরামি, আব্দুর রহমান বিন জুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

আমি বলছি: মহা মুসিবত এই যে, বিভ্রান্তিটি আবু দাউদের পক্ষ থেকে হয়েছে; কারণ জাফর আল-ফিরয়াবি এটি আবু দাউদের উস্তাদ মুসা বিন মারওয়ানের সূত্রে মুয়াফা থেকে, তিনি আওযায়ি থেকে বর্ণনা করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন: হারিস থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন জুবায়ের থেকে—যেমনটি ইবনে লাহিয়ার বর্ণনায় এসেছে।

 

(61) (আবু দাউদের) হাদিস: ‌‌"ব্যক্তি তার পশুর পিঠের অগ্রভাগের অধিক হকদার।"

এতে রয়েছেন: আলী বিন আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ।

আমি বলছি: তবে আলীর একজন অনুসারী রাবি রয়েছেন।

 

(62)‌‌ সাহলা কর্তৃক সালিমকে পাঁচবার দুগ্ধপান করানোর বিষয়ে আয়িশাহ বর্ণিত হাদিস।
(খণ্ড: ১) আর-রাদ্দু আলা ইবনিল কাত্তান ফী কিতাবিহি বায়ানিল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম (পৃষ্ঠা: ৫১)
فيه عنبسة بن خالد عن يونس.

قلت: عنبسة احتج به البخاري.

 

(63) حديث: ‌‌"الربا وإن كثر فإنه يصير إلى قل".

رواه البزار من طريق شريك عن الركين بن الربيع عن أبيه، عن جده، عن عبد الله مرفوعا، فيه شريك.

قلت: وفيه جد الركين، وهو عميلة الفزاري، لا يعرف.

 

(64) حديث ابن مسعود: ‌‌"بيع المحفلات خلابة".

سكت عنه، وهو من طريق المسعودي عن جابر الجعفي، وعن أبي الضحى عن مسروق عنه كذا، و [عنه] بواو، وهذا خطأه والله [ … ] الحق، والصواب: بلا واو؛ وكذا في كتاب ابن أبي شيبة، والبزار.

ولم يدرك المسعودي أبا الضحى.

قلت: ولا جابر مسروقا.

 

(65) حديث: ‌‌"دعوا الناس يرزق الله بعضهم … ".

من رواية زهير عن أبي الزبير عن جابر، معنعن.

قلت: زدت في [النكارة].
এতে ইউনুসের সূত্রে আমবাসাহ ইবনে খালিদ রয়েছেন।

আমি বলি: আমবাসাহর মাধ্যমে ইমাম বুখারি দলিল গ্রহণ করেছেন।

 

(৬৩) হাদিস: ‌‌“সুদ যদিও পরিমাণে বৃদ্ধি পায়, তবে শেষ পর্যন্ত তা অল্পই হয়ে যায়।”

এটি আল-বজ্জার বর্ণনা করেছেন শারীকের সূত্রে, তিনি আর-রুকাইন ইবনুর রাবী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে মারফু হিসেবে (রাসূলুল্লাহর বাণী হিসেবে)। এতে শারীক রয়েছেন।

আমি বলি: এতে আর-রুকাইনের দাদা রয়েছেন, তিনি হলেন উমাইলা আল-ফাজারি, তিনি অপরিচিত।

 

(৬৪) ইবনে মাসউদের হাদিস: ‌‌“ওথান ফুলিয়ে রাখা পশু বিক্রি করা একটি প্রতারণা।”

তিনি এ বিষয়ে নীরব থেকেছেন। আর এটি মাসউদির সূত্রে জাবির আল-জু’ফি থেকে, এবং আবু আদ-দুহা থেকে মাসরুকের সূত্রে বর্ণিত। আর [তাঁর থেকে] ‘ওয়াও’ সহকারে বর্ণিত হয়েছে; কিন্তু এটি তাঁর ভুল এবং আল্লাহই [...] সত্যের দিশারি। সঠিক হলো: ‘ওয়াও’ ছাড়া; ইবনে আবি শায়বা ও আল-বজ্জারের কিতাবেও এমনটিই রয়েছে।

আর মাসউদি আবু আদ-দুহাকে পাননি।

আমি বলি: জাবিরও মাসরুককে পাননি।

 

(৬৫) হাদিস: ‌‌“মানুষকে তাদের অবস্থায় ছেড়ে দাও, আল্লাহ তাদের একদলকে অপরদলের মাধ্যমে রিজিক দান করেন... ”

এটি যুহাইরের বর্ণনা থেকে আবুয যুবাইরের সূত্রে জাবির থেকে বর্ণিত, এটি মু’আন’আন (সূত্রে ‘থেকে’ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে)।

আমি বলি: আপনি এর [নাকারা বা ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার] মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন।