(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
المناظرات العقدية لشيخ الإسلام ابن تيمية القسم: العقيدة
الكتاب: المناظرات العقدية لشيخ الإسلام ابن تيمية، جمعا ودراسة
المؤلف: هيثم قاسم موسى الحمري
أصل الكتاب: رسالة ماجستير بقسم العقيدة، كلية الدعوة وأصول الدين، الجامعة الإسلامية، بإشراف الدكتور عبد العزيز بن صالح الطويان، 1438 هـ
تقديم: أ. د. محمد بن عبد الرحمن الخميس، أستاذ العقيدة بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
الناشر: الناشر المتميز، دار النصيحة - الرياض
الطبعة: الأولى، 1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 779
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 17 ذو القعدة 1443
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর আকিদাগত বিতর্কসমূহ বিভাগ: আকিদা
বই: শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর আকিদাগত বিতর্কসমূহ, সংকলন ও অধ্যয়ন
লেখক: হাইসাম কাসিম মুসা আল-হামারি
বইয়ের উৎস: ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ ও উসুলুদ্দিন অনুষদের আকিদা বিভাগে উপস্থাপিত মাস্টার্স থিসিস, ড. আব্দুল আজিজ বিন সালিহ আত-তুওয়াইয়ানের তত্ত্বাবধানে, ১৪৩৮ হিজরি
উপস্থাপনা: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-খুমায়্যিস, ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিদা বিভাগের অধ্যাপক
প্রকাশক: আন-নাশিরুল মুতামায়্যিজ, দারুন নাসিহা - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৭৯
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত সংস্করণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৭ যিলকদ ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
سلسلة إصدارات الناشر المتميز (100)
الرسائل الجامعية (19)
المناظرات العقدية
لشيخ الإسلام ابن تيمية
جمع ودراسة
تأليف
هيثم قاسم موسى الحمري
تقديم فضيلة الشيخ
أ. د. محمد بن عبد الرحمن الخميس
أستاذ العقيدة بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
الناشر المتميز للطباعة والنشر والتوزيع الرياض
আন-নাশির আল-মুতামায়্যিজ প্রকাশনা সিরিজ (১০০)
একাডেমিক গবেষণাপত্র (১৯)
আকিদাগত বিতর্কসমূহ
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ-এর
সংকলন ও গবেষণা
রচনায়
হাইসাম কাসিম মুসা আল-হামারি
উপস্থাপনায় সম্মানিত শাইখ
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-খুমায়্যিস
ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিদাহ বিভাগের অধ্যাপক
আন-নাশির আল-মুতামায়্যিজ মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ, রিয়াদ
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم
أصل هذا الكتاب: رسالة علمية تقدم بها الباحث لنيل الدرجة العالمية "الماجستير" من قسم العقيدة في الجامعة الإسلامية في المدينة المنورة، وقد أجيزت بتقدير:
ممتاز مع مرتبة الشرف الأولى والتوصية بالطبع
بتاريخ 21 شعبان 1438 هـ، وتكونت لجنة المناقشة من:
1 - د. عبد العزيز بن صالح الطويان
… مشرفًا.
2 - أ. د. عبد الله بن سليمان الغفيلي
… مناقشًا.
3 - أ. د. صالح بن عبد العزيز سندي
… مناقشًا.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এই বইটির মূল হলো একটি গবেষণামূলক থিসিস, যা গবেষক মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আক্বিদাহ বিভাগ থেকে বৈশ্বিক ডিগ্রি "মাস্টার্স" অর্জনের জন্য পেশ করেছেন। এটি নিম্নোক্ত মানে উত্তীর্ণ হয়েছে:
প্রথম শ্রেণীর সম্মানসহ চমৎকার (মুমতাজ) এবং প্রকাশের সুপারিশসহ
২১ শাবান ১৪৩৮ হিজরি তারিখে; এবং মূল্যায়ন কমিটি গঠিত ছিল এঁদের সমন্বয়ে:
১ - ড. আব্দুল আজিজ বিন সালিহ আত-তুওয়াইয়ান
… তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে।
২ - প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-গুফাইলি
… পরীক্ষক হিসেবে।
৩ - প্রফেসর ড. সালিহ বিন আব্দুল আজিজ সিন্দী
… পরীক্ষক হিসেবে।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله،
أما بعد،،،
فإن لعلماء الدعوة السلفية جهود عظيمة ومشكورة في نشر عقيدة السلف والدعوة إلى التوحيد الخالص والتحذير مما يناقض العقيدة الصحيحة من الشرك والبدع، ومن جملة هؤلاء العلماء شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله، وقد تصدى للرد على المخالفين من أهل البدع وأهل الضلال تأليفا ومناظرة وإفتاءا وتدريسا.
وقد اشتملت مناظرات شيخ الإسلام على المخالفين على مسائل عقدية وقواعد مهمة تستوجب مزيدا من الدراسة.
وفي بيان جهوده رحمه الله في المناظرة ما كتبه الباحث/ هيثم بن قاسم الحمري في رسالته للحصول على العالمية الماجستير والموسومة بـ ((المناظرات العقدية لشيخ الإسلام ابن تيمية - جمعا ودراسة-))، وقد حازت على درجة الامتياز مع مرتبة الشرف الأولى من الجامعة الإسلامية، حيث أنه وفق للتصدي لجمع شتات المادة العلمية في هذه الرسالة، إذ أن مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية للمخالفين جاءت مبعثرة في كتب العقيدة وكتب التراجم وغيرهما.
وقد قسم الباحث تلك المناظرات على قسمين رئيسيين:
القسم الأول: في المناظرات مع الطوائف غير المسلمة
القسم الثاني: في المناظرات مع الفرق المنتسبة إلى الإسلام
وذكر تحت كل قسم عددا من الطوائف والفرق، ولذا عرض ما وقف عليه من المناظرات ودرسها مستدلا على ذلك بالكتاب والسنة وما كان عليه السلف الصالح.
فأسأل الله التوفيق للباحث والمزيد من العناية بالعقيدة الإسلامية الصحيحة والذب عنها.
وبالله التوفيق، وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه.
كتبه: أ. د. محمد بن عبد الرحمن الخميس
أستاذ العقيدة في كلية أصول الدين
بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শনকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
অতঃপর,,,
সালাফী দাওয়াতের আলেমগণের সালাফদের আকিদা প্রচার, বিশুদ্ধ তাওহীদের দিকে আহ্বান এবং সঠিক আকিদার পরিপন্থী শিরক ও বিদআত থেকে সতর্ক করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত মহান ও প্রশংসনীয় অবদান রয়েছে। এসকল আলেমদের মধ্যে অন্যতম হলেন শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)। তিনি লেখনী, বিতর্ক, ফতোয়া এবং পাঠদানের মাধ্যমে বিদআতি ও পথভ্রষ্ট বিরোধীদের মোকাবিলা করেছেন।
বিরোধীদের সাথে শাইখুল ইসলামের বিতর্কগুলো এমন কিছু আকিদাগত বিষয় এবং গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি অন্তর্ভুক্ত করেছে যা অধিকতর গবেষণার দাবি রাখে।
বিতর্কের ক্ষেত্রে তাঁর (রাহিমাহুল্লাহ) প্রচেষ্টাসমূহ বর্ণনার ক্ষেত্রে গবেষক হাইসাম বিন কাসিম আল-হামরি তাঁর মাস্টার্স থিসিসে যা লিখেছেন, যার শিরোনাম হলো ((শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর আকিদাগত বিতর্কসমূহ -সংগ্রহ ও পর্যালোচনা-))। এটি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণির সম্মানসহ ‘এক্সিলেন্ট’ গ্রেড অর্জন করেছে। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর বিরোধীদের সাথে করা বিতর্কগুলো আকিদার কিতাব, জীবনী গ্রন্থ এবং অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল, তাই এই থিসিসে তিনি সেই বিক্ষিপ্ত বৈজ্ঞানিক উপাদানগুলো সংগ্রহ করতে সফল হয়েছেন।
গবেষক সেই বিতর্কগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করেছেন:
প্রথম ভাগ: অমুসলিম দলগুলোর সাথে বিতর্ক সংক্রান্ত।
দ্বিতীয় ভাগ: ইসলামের অন্তর্ভুক্ত ফেরকাগুলোর সাথে বিতর্ক সংক্রান্ত।
তিনি প্রতিটি ভাগের অধীনে বেশ কিছু দল ও ফেরকার কথা উল্লেখ করেছেন। এভাবে তিনি যে সকল বিতর্ক খুঁজে পেয়েছেন তা উপস্থাপন করেছেন এবং কুরআন, সুন্নাহ ও সালাফে সালেহীনের মানহাজের আলোকে সেগুলো পর্যালোচনা করেছেন।
আমি আল্লাহর কাছে গবেষকের জন্য তাওফিক এবং সহীহ ইসলামি আকিদার অধিকতর যত্ন ও এর প্রতিরক্ষার তাওফিক কামনা করছি।
আল্লাহই তাওফিকদাতা। আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
লিখেছেন: প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-খুমাইয়িস
আকিদা বিভাগের অধ্যাপক, উসুলুদ দ্বীন অনুষদ
ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
المقدمة
وتشتمل على:
-أهمية الموضوع
-وسبب اختياره
-وخطة البحث
-وحدود الموضوع
-والمنهج المتبع فيه.
ভূমিকা
এতে রয়েছে:
-বিষয়ের গুরুত্ব
-এটি নির্বাচনের কারণ
-গবেষণা পরিকল্পনা
-বিষয়ের পরিধি
-এতে অনুসৃত পদ্ধতি।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
المقدمة
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله المتصف بصفات الكمال، المنعوت بنعوت الجلال والجمال، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له ولا مثل ولا مثال، شهادة أدخرها ليوم لا بيع فيه ولا خلال، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله الداعي إلى أصح الأقوال، وأسد الأفعال، صلى الله عليه وعلى آله وأصحابه خير صحب وخير آل، صلاة دائمة بالغدو والآصال
(1).
أما بعد:
فإن من السنن الكونية التي قضاها رب البرية، الصراع بين أهل الحق والباطل، وأهل الضلال والهدى، هذا الصراع الذي لا يقتصر على مكان، ولا يحده ظرف ولا زمان، بل هو قضاء مستمر إلى قيام الساعة، فمنه ما يكون بالسيف والسنان، ومنه ما يكون بالحجة واللسان، وقد قضى ربنا سبحانه فيما قضى به، أن تكون الحرب بالسيوف سجالاً، فيومٌ للحق وأهله ويوم عليهم، وأما صراع الحجج والبراهين، فما زالت الغلبة فيه لأهل الحق من قبل ومن بعد، وإلى يوم يبعث الله الخلق، قال ابن حزم
(2) رحمه الله: «وقد تُهزم العساكر الكبار، والحجة
--------------------------------------------
ভূমিকা
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল পূর্ণতার গুণে গুণান্বিত, মহিমা ও সৌন্দর্যের বিশেষণে বিশেষিত। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং তাঁর কোনো সমকক্ষ বা উপমা নেই; এমন এক সাক্ষ্য যা আমি সেই দিনের জন্য সঞ্চয় করছি যেদিন কোনো কেনা-বেচা বা বন্ধুত্ব কাজে আসবে না। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যিনি সবচেয়ে সঠিক কথা ও সুদৃঢ় কর্মের দিকে আহ্বানকারী। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাথীদের ওপর দরুদ বর্ষণ করুন, যারা সর্বোত্তম সঙ্গী ও সর্বোত্তম পরিবার; এমন দরুদ যা সকাল ও সন্ধ্যায় চিরকাল অব্যাহত থাকে
(১)।
অতঃপর:
নিশ্চয়ই সৃষ্টির প্রতিপালক যে সকল জাগতিক নিয়ম নির্ধারণ করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো সত্য ও মিথ্যার অনুসারীদের মধ্যে এবং পথভ্রষ্ট ও হেদায়েতপ্রাপ্তদের মধ্যে দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্ব কোনো নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয় এবং কোনো পরিস্থিতি বা কাল দ্বারা সীমিত নয়; বরং এটি কিয়ামত পর্যন্ত এক নিরবচ্ছিন্ন ফয়সালা। এর কোনোটি তলোয়ার ও বল্লমের মাধ্যমে সংঘটিত হয়, আবার কোনোটি দলিল ও জবানের মাধ্যমে। আমাদের মহাপবিত্র প্রতিপালক তাঁর ফয়সালায় এটি নির্ধারণ করেছেন যে, তলোয়ারের যুদ্ধ হবে পর্যায়ক্রমিক—একদিন সত্য ও সত্যপন্থীদের অনুকূলে থাকবে, অন্যদিন তাদের প্রতিকূলে। আর দলিল ও প্রমাণের লড়াইয়ের ক্ষেত্রে, অতীতে ও ভবিষ্যতে এবং আল্লাহ সৃষ্টিজগতকে পুনরুত্থিত করার দিন পর্যন্ত সর্বদা সত্যপন্থীরাই বিজয়ী থাকবে। ইবনে হাযম
(২) (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: «মাঝে মাঝে বিশাল বিশাল সৈন্যবাহিনী পরাজিত হতে পারে, কিন্তু দলিল...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
الصحيحة لا تُغلب أبداً
… وقد قُتِلَ أنبياء كثير وما غُلِبت حجتهم قط»
(1).
وهذا الصراع تنوعت ميادينه، وتعددت طرقه وأساليبه، ومن أعظمها نفعاً، وأبلغها أثراً، أسلوب (المحاورات والمناظرات) التي تعتبر-إذا توفرت شروطها ومقتضياتها- من أنفع الوسائل في بيان الحق وأفضلها، ويزداد نفعها ويعظم أثرها عندما يكون المتصدي لها هو أحد أئمة الإسلام ورجاله العظام، كشيخ الإسلام أحمد بن عبد الحليم بن عبد السلام ابن تيمية الحراني، صاحب العلم الجم والفهم الثاقب والحجج القوية والبراهين الساطعة، الذي كان علمه بمذاهب الخصوم أكثر من علم أصحابها بها، والذي لا يُعرف أنه ناظر أحداً فانقطع معه، ولا تكلم في علم من العلوم - سواء كان من علوم الشرع أو غيرها - إلا فاق فيه أهله.
ويعظم أثرها أكثر، إذا كان أهل الباطل هم أهل التمكن والمنعة، وأهل الحق في ضعف وقلة، فحينئذ يظهر الحق بظهور أهله، وكشفهم للباطل، وردهم للجاهل، وقمعهم لكل مجادل.
وهذه هي الحال التي كانت في عصر شيخ الإسلام، فقد كانت الصولة والجولة في ذلك الزمان لأهل البدع والأهواء، وكان سوق البدعة هو الرائج، وأهلها هم أصحاب السلطة والكلمة، فكان لوجود تلك المناظرات، في مثل ذلك العصر، الأثر الكبير البارز، في إظهار الحق وأهله، وفضح الباطل وجنده، ورحم الله ابن القيم حين قال في وصف شيخه:
وله المقامات الشهيرة في الورى
… قد قامها لله غير جبان
نصر الإله ودينه وكتابه
… ورسوله بالسيف والبرهان
أبدى فضائحهم وبيّن جهلهم
… وأرى تناقضهم بكل زمان
--------------------------------------------
সঠিক (দলিলসমূহ) কখনো পরাজিত হয় না
… এবং অনেক নবীকে হত্যা করা হয়েছে কিন্তু তাঁদের প্রমাণ ও যুক্তি কখনো পরাজিত হয়নি»
(১).
এই সংগ্রামের ময়দানগুলো বিচিত্র এবং এর পথ ও পদ্ধতিসমূহ বহুবিধ। এর মধ্যে সর্বাধিক উপকারী এবং সুদূরপ্রসারী প্রভাবসম্পন্ন পদ্ধতি হলো (সংলাপ ও বিতর্ক), যা—যদি এর শর্তাবলি ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বিদ্যমান থাকে—সত্য স্পষ্ট করার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও কার্যকর মাধ্যম হিসেবে গণ্য করা হয়। এর উপকারিতা ও প্রভাব আরও বৃদ্ধি পায় যখন এর দায়িত্ব গ্রহণকারী হন ইসলামের কোনো মহান ইমাম ও ব্যক্তিত্ব; যেমন শাইখুল ইসলাম আহমদ ইবনে আব্দুল হালিম ইবনে আব্দুস সালাম ইবনে তাইমিয়্যাহ আল-হাররানি, যিনি ছিলেন অগাধ জ্ঞান, তীক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টি, জোরালো যুক্তি ও উজ্জ্বল প্রমাণের অধিকারী। প্রতিপক্ষের মতাদর্শ সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান সেই মতাবলম্বীদের চেয়েও বেশি ছিল। এমনটি জানা যায় না যে, তিনি কারও সাথে বিতর্ক করেছেন আর সেখানে তিনি নিরুত্তর হয়েছেন। শরয়ি জ্ঞান হোক বা অন্য কোনো বিদ্যা—যে বিষয়েই তিনি কথা বলতেন, সে বিষয়ের পারদর্শীদের তিনি ছাড়িয়ে যেতেন।
এর প্রভাব আরও ব্যাপক হয় যখন বাতিলপন্থীরা হয় ক্ষমতা ও শক্তির অধিকারী, আর সত্যপন্থীরা হয় দুর্বল ও সংখ্যায় অল্প। এমতাবস্থায় সত্যের অনুসারীদের বিজয়, বাতিলকে উন্মোচিত করা, মূর্খদের জবাব দেওয়া এবং প্রত্যেক বিতর্ককারীকে দমিত করার মাধ্যমে সত্য প্রকাশিত হয়।
শাইখুল ইসলামের যুগে ঠিক এমন অবস্থাই ছিল। সেই সময়ে বিদআত ও কুপ্রবৃত্তির অনুসারীদেরই ছিল দাপট ও প্রতাপ। বিদআতের বাজার ছিল জমজমাট এবং বিদআতিরাই ছিল ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অধিকারী। ফলে সেই যুগে সত্য ও তার অনুসারীদের প্রকাশ এবং বাতিল ও তার বাহিনীকে লাঞ্ছিত করার ক্ষেত্রে এই বিতর্কগুলোর এক বিশাল ও সুষ্পষ্ট প্রভাব ছিল। আল্লাহ ইবনুল কাইয়্যিমের ওপর রহম করুন, যখন তিনি তাঁর শাইখের বর্ণনায় বলেছিলেন:
সৃষ্টিজগতের মাঝে তাঁর রয়েছে বহু প্রসিদ্ধ অবস্থান
… যা তিনি আল্লাহর জন্য নির্ভীকচিত্তে গ্রহণ করেছিলেন
তিনি আল্লাহ, তাঁর দ্বীন, তাঁর কিতাব এবং তাঁর রাসূলকে সাহায্য করেছেন
… তলোয়ার এবং অকাট্য প্রমাণের মাধ্যমে
তিনি তাদের কলঙ্কসমূহ প্রকাশ করেছেন এবং তাদের মূর্খতা স্পষ্ট করেছেন
… আর প্রতিটি যুগে তাদের স্ববিরোধিতা দেখিয়ে দিয়েছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
وأصارهم واللهِ تحت نعال أهـ
… ل الحق بعد ملابس التيجان
وأصارهم تحت الحضيض وطالما
… كانوا هم الأعلام للبلدان
ومن العجائب أنه بسلاحهم
… أرداهم تحت الحضيض الداني
كانت نواصينا بأيديهم فما
… منا لهم إلا أسير عان
فغدت نواصيهم بأيدينا فما
… يلقوننا إلا بحبل أمان
وغدت ملوكهم مماليكا لأنصـ
… ار الرسول بمنة الرحمن
وأتت جنودهمُ التي صالوا بها
… منقادة لعساكر الإيمان
(1)ومثل هذه المناظرات العلمية الجليلة، التي حوت التقريرات السديدة، والمباحث المفيدة، كان من الأهمية بمكان جمعها في رسالة علمية، لعلها تكون نصرة للحق والدين، وإعانة لأهل العلم المجاهدين، ليستفيدوا من كلام هذا العلم العلامة في مواجهة الباطل وأهله، وأسأل الله العون والتيسير في ذلك، وما توفيقي إلا بالله وهو المستعان وعليه التكلان.
• أهمية الموضوع وسبب اختياره:
1) ما حوته هذه المناظرات من مسائل عقدية وأصول مهمة؛ تستوجب مزيداً من العناية، وتستحق الجمع والدراسة.
2) عدم الوقوف على دراسة كاملة لهذا الموضوع، جامعة لكل ما يتعلق به.
3) أن هذه المناظرات جاءت مبعثرة في الكتب والدواوين كالدرر المنتشرة الشاردة الآبدة، ولم أجد أحدًا جمع هذه الجواهر من تلك الخزائن المدفونة، وقد كانت الحاجة ماسة إلى نظم تلك اليواقيت في بحث واحد؛ لتكون عدة وسلاحاً لأهل الحق في إبطال العقائد المنحرفة.
4) في جمع هذه المناظرات دفاع عن ذلك العَلَم الهمام والشيخ الإمام تقي الدين ابن تيمية رحمه الله، وبيان لفساد ما اتهمه به خصومه ورموه به من الجهل،
--------------------------------------------
আল্লাহর কসম, তিনি তাদের মুকুট পরিধানের পর সত্যপন্থীদের পাদুকার নিচে নিক্ষেপ করেছেন
তিনি তাদের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করেছেন, অথচ দীর্ঘকাল
… তারা ছিল দেশসমূহের জন্য ললাট স্বরূপ
বিস্ময়কর বিষয় হলো, তাদের নিজেদের অস্ত্র দ্বারাই
… তিনি তাদের নিচু গহ্বরে ভূপাতিত করেছেন
আমাদের ললাট তাদের হাতে ছিল, তখন
… আমাদের মধ্যে কেবল বন্দীরাই ছিল কষ্টভোগী
এখন তাদের ললাট আমাদের হাতে এসেছে, ফলে
… নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি ছাড়া তারা আমাদের মুখোমুখি হতে পারে না
আর দয়াময়ের অনুগ্রহে তাদের রাজারা রাসূলের সাহায্যকারীদের
… দাসে পরিণত হয়েছে
তাদের যে সৈন্যরা দম্ভ ভরে আক্রমণ করত, তারা এসেছে
… ঈমানি বাহিনীর অনুগত হয়ে
(১)এই ধরণের মহান জ্ঞানগর্ভ বিতর্কগুলো, যা সঠিক সিদ্ধান্ত এবং উপকারী আলোচনা ধারণ করে আছে, তা একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্রে সংকলন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সম্ভবত তা সত্য ও দ্বীনের জন্য বিজয় এবং মুজাহিদ আলেমদের জন্য সহায়ক হবে, যাতে তারা বাতিল ও বাতিলপন্থীদের মোকাবেলায় এই মহান পণ্ডিতের কথা থেকে উপকৃত হতে পারেন। আমি এ ব্যাপারে আল্লাহর সাহায্য ও সহজতা কামনা করি। আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই, তিনিই সাহায্যকারী এবং তাঁরই ওপর ভরসা।
• বিষয়ের গুরুত্ব এবং এটি নির্বাচনের কারণ:
১) এই বিতর্কগুলো যেসব আকিদাগত মাসয়ালা ও গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি ধারণ করে আছে; যা অধিকতর যত্ন এবং সংকলন ও পর্যালোচনার দাবি রাখে।
২) এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন কোনো পূর্ণাঙ্গ গবেষণার অভাব।
৩) এই বিতর্কগুলো বিভিন্ন কিতাব ও সংকলনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দুর্লভ মুক্তোর মতো ছিল। আমি এমন কাউকে পাইনি যিনি এই দাফনকৃত ভাণ্ডার থেকে এই রত্নগুলো সংগ্রহ করেছেন। আর এই মণি-মুক্তোগুলোকে একটি গবেষণায় গেঁথে ফেলার প্রয়োজনীয়তা ছিল অত্যন্ত জরুরি; যাতে বিপথগামী আকিদাগুলো বাতিল করার ক্ষেত্রে এটি সত্যপন্থীদের জন্য পাথেয় ও হাতিয়ার হতে পারে।
৪) এই বিতর্কগুলো সংগ্রহের মাধ্যমে সেই মহান বীর এবং ইমাম শাইখ তাকিউদ্দীন ইবনে তাইমিয়্যাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর পক্ষ থেকে প্রতিরক্ষা হবে এবং তাঁর বিরোধীরা তাঁকে অজ্ঞতার যে অপবাদ দিয়েছে তার অসারতা স্পষ্ট হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
وسوء الفهم، والحقد الدفين في قلبه
(1)، وضعف وقلة عقله، وغيرها من التهم الزائفة التي رماه بها أصحاب القلوب المريضة
(2)، وكما هو معلوم أن الدفاع عن أحد أبرز أئمة أهل السنة، والرد على ما يرمى به من دعاوى، إنما هو دفاع عن المعتقد والمنهج الذي يحمله ذلك الإمام.
5) بيان ضعف شُبه المبتدعة التي يثيرونها ضد معتقد أهل السنة والجماعة، وذلك من خلال عرضها، ثم عرض أجوبة شيخ الإسلام عنها ومناقشته لها وإفحامه للقائلين بها.
6) أن هذ الأقوال والشبه التي رد عليها شيخ الإسلام وناظر أصحابها لا يزال أهل الأهواء يرددونها ويحتجون بها في زماننا.
7) أهمية جمع جهود أعلام الإسلام وأئمة السنة في نصرة الحق ودحض الباطل، في مختلف الجوانب، وما هذا العمل إلا إبراز وإظهار لجانب مهم من جهود شيخ الإسلام ألا وهو مناظراته مع الخصوم.
8) المكانة العلمية الجليلة التي يحظى بها شيخ الإسلام ابن تيمية، وظهور حجته، وقوة تأثيره تجعل لجمع مناظراته أهمية بالغة وفائدة كبيرة خصوصاً في الرد على الطوائف المنحرفة والأديان المحرفة.
9) حرص الباحث على قراءة كتب شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله، لما في ذلك من عظيم النفع وكبير الفائدة.
--------------------------------------------
এবং ভুল বুঝাবুঝি, তার অন্তরে প্রোথিত বিদ্বেষ
(১), দুর্বলতা ও স্বল্পবুদ্ধি এবং অন্যান্য মিথ্যা অপবাদ, যা অসুস্থ হৃদয়ের অধিকারীরা তার প্রতি আরোপ করেছে
(২)। আর যেমনটি সর্বজনবিদিত যে, আহলুস সুন্নাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইমামের পক্ষাবলম্বন করা এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর জবাব দেওয়া আসলে সেই আকিদা ও মানহাজেরই প্রতিরক্ষা, যা সেই ইমাম ধারণ করতেন।
৫) বিদআতিদের সংশয়গুলোর দুর্বলতা স্পষ্ট করা যা তারা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকিদার বিরুদ্ধে উত্থাপন করে; আর তা হচ্ছে সেগুলো উপস্থাপনের মাধ্যমে, অতঃপর সেগুলোর বিষয়ে শাইখুল ইসলামের উত্তরসমূহ পেশ করা এবং সেগুলো নিয়ে তার আলোচনা ও প্রবক্তাদের লাজওয়াব করার মাধ্যমে।
৬) শাইখুল ইসলাম যেসব বক্তব্য ও সংশয়ের খণ্ডন করেছেন এবং সেগুলোর প্রবক্তাদের সাথে মুনাজারা করেছেন, প্রবৃত্তিপূজারিরা আমাদের বর্তমান যুগেও সেগুলো বারবার আওড়াচ্ছে এবং তা দিয়ে দলিল পেশ করছে।
৭) সত্যের সাহায্যার্থে এবং মিথ্যার অপনোদনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইসলামের মণীষী ও সুন্নাহর ইমামদের প্রচেষ্টাসমূহ সংকলন করার গুরুত্ব; আর এই কাজ শাইখুল ইসলামের প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে ফুটিয়ে তোলা ও প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছু নয়, যা হলো প্রতিপক্ষদের সাথে তার বিতর্কসমূহ।
৮) শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ যে সুমহান ইলমি মর্যাদার অধিকারী, তার দলিলের বিজয় এবং তার প্রভাবের শক্তি—তার বিতর্কসমূহ সংকলন করাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বড় ধরনের কল্যাণকর করে তুলেছে, বিশেষ করে বিচ্যুত দল ও বিকৃত ধর্মগুলোর খণ্ডনের ক্ষেত্রে।
৯) শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর কিতাবসমূহ পাঠ করার ব্যাপারে গবেষকের গভীর আগ্রহ, কারণ এতে রয়েছে সুমহান উপকার ও বিশাল ফায়দা।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
• حدود الموضوع:
حدود الموضوع تظهر من عنوان الرسالة، فالموضوع يختص بأمور ثلاثة:
الأمر الأول: المناظرات بمعناها الاصطلاحي وهو: المحاورة في الكلام بين جانبين مختلفين، في قضية ما، إظهارا للحق والصواب
(1).
وهذا يُخرج ما قد يطلق عليه مناظرة على سبيل التجوز كالردود الكتابية وغيرها.
الأمر الثاني: يختص الموضوع بالمناظرات العقدية دون غيرها من المناظرات.
الأمر الثالث: يختص الموضوع بمناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله دون غيره من العلماء.
الدراسات السابقة:
1) «مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية لأهل الملل والنحل»
للدكتور عبد العزيز آل عبد اللطيف.
وهو عبارة عن كتيب صغير، جمع فيه مؤلفه ما وقف عليه من مناظرات لشيخ الإسلام وقد كان جمعه جمعاً طيباً إلا أنه لم يكن وافياً بالمقصود وذلك لأمور:
أ -أنه كان يذكر المناظرات على سبيل الاختصار فقط، فقد يترك ذكر شيءٍ من الأحداث والوقائع والنقاشات والحجج التي تطرح في كثير من المناظرات؛ لأن مقصده هو التنبيه على أصل المناظرة وموضوعها الرئيس فقط، وذلك بشكل ميسر ومختصر، وأقرب مثال على هذا أنه عندما ذكر مناظرة شيخ الإسلام في العقيدة الواسطية إنما ذكرها في ورقتين ونصف باختصار شديد جداً، بينما نجد أن شيخ الإسلام ابن تيمية قد ذكرها وحكى ما حصل فيها في نحو سبعين ورقة.
--------------------------------------------
• আলোচনার পরিধি:
গবেষণাপত্রের শিরোনাম থেকেই আলোচনার পরিধি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিষয়টি তিনটি বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট:
প্রথম বিষয়: 'মুনাজারা' বা বিতর্ক এর পারিভাষিক অর্থে। আর তা হলো: কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সত্য ও সঠিক বিষয়টি উন্মোচনের উদ্দেশ্যে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা
(১)।
এর মাধ্যমে সেই বিষয়গুলো বাদ পড়ে যাবে যেগুলোকে রূপক অর্থে মুনাজারা বলা হয়, যেমন লিখিত খণ্ডনমূলক জবাব বা অন্যান্য বিষয়।
দ্বিতীয় বিষয়: বিষয়টি আকিদাগত মুনাজারা বা বিতর্কসমূহের সাথে নির্দিষ্ট, অন্য কোনো বিতর্কের সাথে নয়।
তৃতীয় বিষয়: বিষয়টি অন্য কোনো আলেমের নয়, বরং বিশেষভাবে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর মুনাজারা বা বিতর্কসমূহের সাথে নির্দিষ্ট।
পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ:
১) «শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর সাথে বিভিন্ন ধর্ম ও মতাদর্শীদের মুনাজারা»
ড. আব্দুল আজিজ আল আব্দুল লতিফ-এর রচিত।
এটি একটি ক্ষুদ্র পুস্তিকা, লেখক এতে শাইখুল ইসলামের সেই সব মুনাজারা সংকলন করেছেন যেগুলোর সন্ধান তিনি পেয়েছেন। যদিও তিনি বেশ সুন্দরভাবে তা সংকলন করেছেন, তবে তা কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্যের জন্য যথেষ্ট ছিল না। এর কারণগুলো হলো:
ক - তিনি মুনাজারাগুলো কেবল সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করেছেন। তিনি অনেক মুনাজারার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঘটনা, প্রেক্ষাপট, আলোচনা এবং উপস্থাপিত দলিল-প্রমাণগুলো উল্লেখ করা বর্জন করেছেন; কারণ তার উদ্দেশ্য ছিল কেবল অত্যন্ত সহজ ও সংক্ষিপ্তভাবে মুনাজারার মূল ভিত্তি ও তার প্রধান বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এর নিকটতম উদাহরণ হলো, তিনি যখন 'আকিদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ' সংক্রান্ত শাইখুল ইসলামের মুনাজারাটি উল্লেখ করেছেন, তখন তা অত্যন্ত সংক্ষেপে মাত্র আড়াই পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেছেন। অথচ আমরা দেখতে পাই যে, শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ নিজে এটি উল্লেখ করেছেন এবং সেখানে যা যা ঘটেছিল তা প্রায় সত্তর পৃষ্ঠায় বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
ب -أنه لم يقم بدراسة المسائل العقدية الواردة في المناظرات.
ت -أنه يكتفي فقط بعد ذكر المناظرة بذكر بعض الفوائد المستفادة من المناظرة لا غير.
ث -أنه قد نبه في مقدمة بحثه على أن هذا الموضوع يحتاج لمزيد بحثٍ ودراسة وذلك لأهميته، ويظهر من صنيعه -وفقه الله- أنه إنما أراد أن يفتح المجال لمن أراد بعد ذلك أن يشرع بالبحث في الموضوع ودراسته. حيث قال في مقدمته (ص:5): «فلا تزال جوانب مهمة في هذا الشأن - مجالاً رحباً للباحثين، ومن ذلك: مناظرات ابن تيمية لأهل الملل والنحل، فهو موضوع لم يسبق بحثه، حسب اطلاعي، وأحسب أنه من الموضوعات المهمة، والجديرة بالبحث والدراسة».
ج -أنه لم يتبع الطريقة الأكاديمية في البحوث العلمية والتي تسهل على الباحث بحثه وترتبه، من تقسيم البحث لأبواب وفصول ومباحث وغيرها.
ح -أنه قد فاته ذكر بعض مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية التي جرت بينه وبين بعض المخالفين.
2) «مناظرات ابن تيمية لفقهاء عصره» للسيد الجميلي.
الناظر في عنوان هذ الكتاب يتبادر إلى ذهنه أمران اثنان:
الأمر الأول: أن هذ الكتاب مخصص في المناظرات الفقهية فقط دون غيرها.
الأمر الثاني: أنه قد حوى جميع مناظرات شيخ الإسلام لفقهاء عصره أو على الأقل جلها ومعظمها.
ولكن للأسف فإن الكتاب لم يكن فيه شيء من هذا ولا ذاك وعليه ملاحظات كثيرة واكتفي هنا بذكر أهمها؛ لأنها تغني عما دونها:
أ -أنه لم يذكر من مناظرات شيخ الإسلام إلا ثلاث مناظرات فقط. وهذا بخلاف ما يتوهمه المرء عند قراءة العنوان لأول وهلة. بل العجيب أنه لم يذكر في
খ - তিনি বাহাসগুলোতে উল্লিখিত আকিদাগত মাসআলাসমূহ নিয়ে কোনো পর্যালোচনা করেননি।
গ - তিনি কেবল বাহাস উল্লেখ করার পর উক্ত বাহাস থেকে প্রাপ্ত কিছু ফায়দা বা শিক্ষা বর্ণনার মাধ্যমেই ক্ষান্ত হয়েছেন।
ঘ - তিনি তার গবেষণার ভূমিকায় সতর্ক করেছেন যে, বিষয়টির গুরুত্বের কারণে এটি আরও গভীর গবেষণা ও পর্যালোচনার দাবি রাখে। তার কর্মপদ্ধতি থেকে এটি প্রতীয়মান হয় যে—আল্লাহ তাকে তাওফিক দান করুন—তিনি কেবল পরবর্তী গবেষকদের জন্য এ বিষয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনার পথ উন্মুক্ত করতে চেয়েছেন। যেমনটি তিনি তার ভূমিকার ৫ নং পৃষ্ঠায় বলেছেন: «এই বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো এখনও গবেষকদের জন্য এক প্রশস্ত ক্ষেত্র হিসেবে রয়ে গেছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো: বিভিন্ন ধর্ম ও মতাবলম্বীদের সাথে ইবনে তাইমিয়্যাহর বাহাসসমূহ। আমার জানা মতে, এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে পূর্বে গবেষণা হয়নি। আমি মনে করি এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা গবেষণা ও পর্যালোচনার দাবি রাখে।»
ঙ - তিনি বৈজ্ঞানিক গবেষণার সেই প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি অনুসরণ করেননি যা গবেষকের জন্য অনুসন্ধান ও বিন্যাসকে সহজতর করে, যেমন গবেষণাকে বিভিন্ন পরিচ্ছেদ, অধ্যায় ও উপ-পরিচ্ছেদে বিভক্ত করা।
চ - শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ এবং তার কতিপয় বিরোধীদের মাঝে সংঘটিত কিছু বাহাস উল্লেখ করা তার লেখনীতে বাদ পড়ে গেছে।
২) আস-সাইয়্যিদ আল-জুমাইলি রচিত «মুনারাযাতু ইবনে তাইমিয়্যাহ লি-ফুকাহা-ই আসরিহি» (স্বীয় যুগের ফকিহদের সাথে ইবনে তাইমিয়্যাহর বাহাসসমূহ)।
এই বইটির শিরোনামের দিকে তাকালে পাঠকের মনে দুটি বিষয় উদিত হয়:
প্রথম বিষয়: এই বইটি কেবল ফিকহী বাহাসসমূহের জন্যই নির্দিষ্ট, অন্য কিছুর জন্য নয়।
দ্বিতীয় বিষয়: এটি স্বীয় যুগের ফকিহদের সাথে শায়খুল ইসলামের সকল বাহাস অথবা অন্ততপক্ষে তার অধিকাংশ বা সিংহভাগকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, বইটিতে এর কোনোটিই পাওয়া যায় না এবং এর ওপর অনেক পর্যবেক্ষণ রয়েছে। আমি এখানে কেবল প্রধান বিষয়গুলো উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হব; কারণ সেগুলোই অন্য বিষয়ের প্রয়োজন মিটিয়ে দেবে:
ক - তিনি শায়খুল ইসলামের বাহাসসমূহের মধ্য থেকে মাত্র তিনটি বাহাস উল্লেখ করেছেন। এটি শিরোনাম পড়ার পর প্রথম দর্শনে মানুষের মনে যে ধারণার সৃষ্টি হয় তার সম্পূর্ণ বিপরীত। বরং আশ্চর্যের বিষয় হলো, তিনি এতে উল্লেখ করেননি...
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الحقيقة إلا مناظرة واحدة فقط وهي المناظرة في العقيدة الواسطية، أما المناظرتان الأخريان فإنهما في الحقيقة ليستا من مناظرات شيخ الإسلام في شيء، كما سيتبين في النقاط القادمة.
ب -أنه أورد في كتابه مناظرة مكذوبة على شيخ الإسلام وهي مناظرته مع ابن عطاء الله الإسكندري
(1) والتي من قرأها يُخيل إليه أن ابن تيمية هو ذلك الرجل المسكين الضعيف الذي لا علم له ولا حجة، بل ويظهر فيها ابن عطاء الله الإسكندري هو العالم صاحب الحجة وشيخ الإسلام عنده كالتلميذ يعلمه ويفهمه ويزيل عنه الشبه، ويظهر فيها شيخ الإسلام كأنه مقر لهذ الرجل على ما يقرره من مشروعية التوسل والاستغاثة بغير الله، والدفاع عن ابن عربي وغيرها من الأمور التي يستحيل أن يقرها شيخ الإسلام أو أن يسكت عنها
(2).
ت -أما المناظرة الثالثة التي ذكرها فهي مناظرة لم تقع ولم تكن، وإنما هي من صنع قلمه؛ حيث قام بصنع مناظرة بين شيخ الإسلام وابن المطهر الحلي
(3) ويبدو أنه قد اعتمد في ذلك على منهاج السنة فكان يأخذ شبهة ابن المطهر ويتبعها برد ابن تيمية كأنها على شكل مناظرة وبهذا يتبين أنه لم يذكر في كتابه إلا المناظرة المشهورة وهي مناظرة العقيدة الواسطية لا غير.
--------------------------------------------
প্রকৃতপক্ষে কেবল একটিই বিতর্ক রয়েছে, আর তা হলো আক্বীদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ-এর বিতর্ক। বাকি দুটি বিতর্ক আসলে শাইখুল ইসলামের কোনো বিতর্কই নয়, যা পরবর্তী পয়েন্টগুলোতে স্পষ্ট হবে।
খ - তিনি তার বইয়ে শাইখুল ইসলামের ওপর একটি মিথ্যারোপকৃত বিতর্ক উল্লেখ করেছেন, যা হলো ইবন আতাউল্লাহ আল-ইসকান্দারীর সাথে তাঁর বিতর্ক
(১)। যে ব্যক্তি এটি পাঠ করবে, তার মনে এমন ধারণা জন্মাবে যে ইবনে তাইমিয়্যাহ একজন অসহায় ও দুর্বল ব্যক্তি যার কোনো জ্ঞান বা দলিল নেই। বরং এতে ইবন আতাউল্লাহ আল-ইসকান্দারীকে একজন দলিল সমৃদ্ধ আলেম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং শাইখুল ইসলাম তাঁর কাছে একজন ছাত্রের মতো, যাকে তিনি শিক্ষা দিচ্ছেন, বোঝাচ্ছেন এবং যাঁর সংশয় নিরসন করছেন। এতে শাইখুল ইসলামকে এমনভাবে দেখানো হয়েছে যেন তিনি ওই ব্যক্তির বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করছেন—যেমন আল্লাহ ছাড়া অন্যের মাধ্যমে তাওয়াসসুল ও সাহায্য প্রার্থনা (ইসতিগাসা) করার বৈধতা, ইবন আরাবীর পক্ষালম্বন এবং এমন সব বিষয় যা মেনে নেওয়া বা যার ব্যাপারে চুপ থাকা শাইখুল ইসলামের পক্ষে অসম্ভব ছিল
(২)।
গ - তিনি যে তৃতীয় বিতর্কের কথা উল্লেখ করেছেন, তা মূলত ঘটেইনি এবং এর কোনো অস্তিত্বও নেই; বরং এটি তাঁর নিজের কলমের কারসাজি। তিনি শাইখুল ইসলাম এবং ইবনুল মুতাহহার আল-হিল্লীর মধ্যে একটি কাল্পনিক বিতর্ক তৈরি করেছেন
(৩)। মনে হয় তিনি এ ক্ষেত্রে 'মিনহাজুস সুন্নাহ'র ওপর নির্ভর করেছেন; সেখানে তিনি ইবনুল মুতাহহারের সংশয়গুলো নিয়েছেন এবং তার পরপরই ইবনে তাইমিয়্যাহর জবাবগুলো এমনভাবে সাজিয়েছেন যেন তা একটি বিতর্কের রূপ নেয়। এর দ্বারা স্পষ্ট হয় যে, তিনি তাঁর বইয়ে প্রসিদ্ধ বিতর্কটি ছাড়া অন্য কিছু উল্লেখ করেননি, আর সেটি হলো আক্বীদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ-এর বিতর্ক।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
ث -وما تبقى من الكتاب وهو أكثر من النصف فإنما هو في أمور وتحليلات خارجة عن جوهر البحث.
وهناك ملاحظات أخرى كثيرة وفيما ذكر كفاية.
3) "مناظرة ابن تيمية للطائفة الرفاعية" أفردها عبد الرحمن الدمشقية في كتيب صغير مع بعض التعليقات عليها. ويظهر من عنوان الكتاب كما هو واضح أنه إنما يتكلم عن مناظرة واحدة فقط من مناظرات شيخ الإسلام.
4) هناك كتب عامة لم تختص بذكر مناظرات شيخ الإسلام فقط وإنما كان أصحابها يوردون المناظرات المختلفة وقد يوردون مناظرة أو مناظرتين لشيخ الإسلام ابن تيمية عرضاً لا قصداً كما فعل سليم الهلالي في كتابه: " مناظرات أئمة السلف مع حزب إبليس وأفراخ الخلف".
• خطة البحث:-
تشتمل خطة البحث على: مقدمة وتمهيد وبابين وخاتمة وفهارس:
-أما المقدمة فتشتمل على أهمية الموضوع وسبب اختياره وخطة البحث والمنهج المتبع فيه.
-وأما التمهيد فيشتمل على مبحثين:
• المبحث الأول: تعريف المناظرة وأحكامها، ويشتمل على ثلاثة مطالب:
o المطلب الأول: تعريف المناظرة لغةً واصطلاحاً. ويشتمل على مسألتين:
المسألة الأولى: تعريف المناظرة لغة.
المسألة الثانية: تعريف المناظرة اصطلاحا.
o المطلب الثاني: أركان المناظرة.
o المطلب الثالث: حكم المناظرة.
• المبحث الثاني: التعريف بشيخ الإسلام ابن تيمية ومنهجه في المناظرات: ويشتمل على مطلبين:
৩ - আর বইটির বাকি অংশ যা অর্ধেকেরও বেশি, তা মূলত গবেষণার মূল বিষয়ের বাইরের বিষয়াবলি এবং বিশ্লেষণের অন্তর্ভুক্ত।
এছাড়াও আরও অনেক পর্যবেক্ষণ রয়েছে এবং যা উল্লেখ করা হয়েছে তা যথেষ্ট।
৩) "রিফায়ি সম্প্রদায়ের সাথে ইবনে তায়মিয়্যাহর বিতর্ক" - আব্দুর রহমান আদ-দিমাশকিয়্যাহ এটি কিছু টীকা সহ একটি ছোট পুস্তিকা হিসেবে পৃথক করেছেন। বইটির শিরোনাম থেকে যেমন স্পষ্ট বোঝা যায় যে, এটি শাইখুল ইসলামের বিতর্কগুলোর মধ্য থেকে মাত্র একটি বিতর্ক সম্পর্কে আলোচনা করে।
৪) এমন কিছু সাধারণ বই রয়েছে যা শুধুমাত্র শাইখুল ইসলামের বিতর্কগুলোর বর্ণনার জন্য নির্দিষ্ট নয়, বরং সেগুলোর লেখকগণ বিভিন্ন বিতর্ক উল্লেখ করেছেন এবং তারা প্রাসঙ্গিকভাবে শাইখুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়্যাহর একটি বা দুটি বিতর্ক উল্লেখ করে থাকতে পারেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে নয়; যেমনটি সেলিম আল-হিলালি তাঁর "ইবলিসের দল ও পরবর্তী প্রজন্মের বিভ্রান্তদের সাথে সালাফ ইমামগণের বিতর্ক" নামক বইয়ে করেছেন।
• গবেষণার পরিকল্পনা:-
গবেষণার পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: ভূমিকা, উপক্রমণিকা, দুটি অধ্যায়, উপসংহার এবং নির্ঘণ্ট:
- ভূমিকার মধ্যে রয়েছে বিষয়ের গুরুত্ব, এটি নির্বাচনের কারণ, গবেষণার পরিকল্পনা এবং এতে অনুসরণকৃত পদ্ধতি।
- আর উপক্রমণিকাটি দুটি পরিচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: বিতর্কের সংজ্ঞা ও এর বিধানসমূহ, যা তিনটি অনুচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে বিতর্কের সংজ্ঞা। এটি দুটি বিষয়ের ওপর বিন্যস্ত:
প্রথম বিষয়: শাব্দিক অর্থে বিতর্কের সংজ্ঞা।
দ্বিতীয় বিষয়: পারিভাষিক অর্থে বিতর্কের সংজ্ঞা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বিতর্কের স্তম্ভসমূহ।
o তৃতীয় অনুচ্ছেদ: বিতর্কের বিধান।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শাইখুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়্যাহর পরিচয় এবং বিতর্কসমূহে তাঁর অনুসৃত পদ্ধতি: এটি দুটি অনুচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
o المطلب الأول: التعريف بشيخ الإسلام ابن تيمية.
o المطلب الثاني: منهج شيخ الإسلام ابن تيمية في المناظرات.
• الباب الأول: مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية مع غير المسلمين:
… ويشتمل على أربعة فصول:
• الفصل الأول: مناظراته مع النصارى ويشتمل على أربعة مباحث:
• المبحث الأول: مناظرته مع بعض علماء النصارى في تأليه المسيح وشبهتهم في ذلك: ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثاني: مناظرته مع بعض النصارى في تشبيههم اتحاد اللاهوت بالناسوت باتحاد الروح في البدن: ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثالث: مناظرته مع ثلاثة من رهبان الصعيد في احتجاجهم على شركهم بفعل بعض الجهلة من المنتسبين للإسلام: ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الرابع: مناظرته مع بعض معظمي رهبان النصارى في جعلهم الشرك من باب التوسل. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الفصل الثاني: مناظرته مع بعض التتار في زعمه أفضليتهم بفضل ملكهم. ويشتمل على مبحثين:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর পরিচিতি।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বিতর্কসমূহের ক্ষেত্রে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর কর্মপদ্ধতি।
• প্রথম অধ্যায়: অমুসলিমদের সাথে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর বিতর্কসমূহ:
... এবং এটি চারটি পরিচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: খ্রিস্টানদের সাথে তাঁর বিতর্কসমূহ এবং এটি চারটি উপ-পরিচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
• প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: মসীহকে উপাস্য নির্ধারণ এবং এই বিষয়ে তাদের সংশয়ের ব্যাপারে খ্রিস্টানদের কিছু আলেমের সাথে তাঁর বিতর্ক: এবং এটি দুটি অনুচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত প্রধান আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: দেহে রুহের সংযোগের সাথে লাহুত (ঈশ্বরত্ব) ও নাসুত (মনুষ্যত্ব)-এর সংযোগের সাদৃশ্য দেওয়ার বিষয়ে কিছু খ্রিস্টানের সাথে তাঁর বিতর্ক: এবং এটি দুটি অনুচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত প্রধান আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ইসলামের অনুসারী কিছু মূর্খ লোকের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের শিরকের পক্ষে দলিল পেশ করার বিষয়ে সাঈদের (উচ্চ মিশর) তিনজন সন্ন্যাসীর সাথে তাঁর বিতর্ক: এবং এটি দুটি অনুচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত প্রধান আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: শিরককে উসীলা গ্রহণের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে খ্রিস্টানদের কিছু সম্মানিত সন্ন্যাসীর সাথে তাঁর বিতর্ক। এবং এটি দুটি অনুচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত প্রধান আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাদের বাদশাহর বদৌলতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিষয়ে কিছু তাতারির সাথে তাঁর বিতর্ক। এবং এটি দুটি উপ-পরিচ্ছেদের ওপর বিন্যস্ত:
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
o المبحث الأول: عرض المناظرة.
o المبحث الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الفصل الثالث: مناظرته مع بعض المنجمين في فساد صناعتهم بالأدلة العقلية التي يعترفون بها. ويشتمل على مبحثين:
o المبحث الأول: عرض المناظرة.
o المبحث الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الفصل الرابع: مناظرته مع بعض الفلاسفة. ويشتمل على مبحثين:
o المبحث الأول: عرض المناظرة.
o المبحث الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الباب الثاني: مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية مع الطوائف المنتسبة للإسلام، ويشتمل على ستة فصول:
• الفصل الأول: مناظراته مع الاتحادية، ويشتمل على خمسة مباحث:
• المبحث الأول: مناظرته مع بعض حذاق الاتحادية في قولهم بأن الإحاطة هي الوجود المطلق، وفي أن أصل قولهم يرجع إلى القول بالوجود المطلق الذي لا حقيقة له في الأعيان. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثاني: مناظرته مع شيخ من شيوخ الاتحادية في اعتقاده فناء الحلاج واتحاد الحق سبحانه به. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثالث: مناظرته مع جماعة من الاتحادية العارفين بالفلسفة وغيرها والداخلين في التصوف والزهد في اعتقادهم أن ابن هود هو الله وهو
o প্রথম পরিচ্ছেদ: বাহাস উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এই বাহাসে আসা গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• তৃতীয় অধ্যায়: জ্যোতিষীদের পেশা বা বিদ্যার অসারতা সম্পর্কে তাদের স্বীকৃত যৌক্তিক প্রমাণের মাধ্যমে তাদের সাথে তাঁর বাহাস। এটি দুইটি পরিচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম পরিচ্ছেদ: বাহাস উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এই বাহাসে আসা গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• চতুর্থ অধ্যায়: জনৈক দার্শনিকদের সাথে তাঁর বাহাস। এটি দুইটি পরিচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম পরিচ্ছেদ: বাহাস উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এই বাহাসে আসা গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় ভাগ: ইসলামের সাথে সম্বন্ধযুক্ত দলগুলোর সাথে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর বাহাসসমূহ। এটি ছয়টি অধ্যায় নিয়ে গঠিত:
• প্রথম অধ্যায়: ইত্তিহাদিদের সাথে তাঁর বাহাসসমূহ। এটি পাঁচটি পরিচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: ইত্তিহাদিদের জনৈক দক্ষ পণ্ডিতের সাথে তাঁর বাহাস, যেখানে তাদের বক্তব্য ছিল যে, 'বেষ্টন' (ইহাতা) হলো নিরঙ্কুশ অস্তিত্ব; এবং তাদের বক্তব্যের মূল ভিত্তি হলো এমন এক নিরঙ্কুশ অস্তিত্বের বিশ্বাস, বাস্তব জগতের সত্তাসমূহের মাঝে যার কোনো হাকিকত বা বাস্তবতা নেই। এটি দুইটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বাহাস উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বাহাসে আসা গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইত্তিহাদিদের জনৈক শাইখের সাথে তাঁর বাহাস, যার বিশ্বাস ছিল হাল্লাজের 'ফানা' হওয়া এবং মহান পবিত্র আল্লাহ তাঁর সাথে এক হওয়া (ইত্তিহাদ) প্রসঙ্গে। এটি দুইটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বাহাস উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বাহাসে আসা গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: দর্শন ও অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং সুফিবাদ ও বৈরাগ্যে প্রবেশকারী একদল ইত্তিহাদির সাথে তাঁর বাহাস, ইবনে হৃদ আল্লাহ এবং তিনি-ই...
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
المسيح ابن مريم. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الرابع: مناظرته مع حسام الدين الكرماني في معتقد ابن حمويه في التوحيد والإلحاد. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الخامس: مناظرته مع بعض شيوخ الاتحادية في رفضه قتال التتار لاعتقاده أن هذا قتال لله. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
…• الفصل الثاني: مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية مع الصوفية وعباد القبور: ويشتمل على تسعة مباحث:
• المبحث الأول: المبحث الأول: مناظرته مع بعض الرفاعية حول ما يدعونه من المخاريق. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثاني: مناظرته مع جماعة من الرفاعية فيما يزعمونه من إشارات وأحوال. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثالث: مناظرته مع شيخ من شيوخ الرفاعية في تعبدهم بلبس الأغلال. ويشتمل على مطلبين:
মরিয়ম-পুত্র ঈসা (মসীহ)। এটি দুটি অনুচ্ছেদ সংবলিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কটি উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাওহিদ ও ইলহাদ (নাস্তিকতা) বিষয়ে ইবনে হামুওয়াইহের আকিদা সম্পর্কে হুসামুদ্দিন আল-কিরমানির সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ সংবলিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কটি উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ইত্তিহাদিদের (সর্বেশ্বরবাদী) কিছু শায়খের সাথে তাঁর বিতর্ক; তাতারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাদের অস্বীকৃতি জানানো প্রসঙ্গে, কারণ তাদের বিশ্বাস ছিল যে এটি আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ। এটি দুটি অনুচ্ছেদ সংবলিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কটি উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
…• দ্বিতীয় অধ্যায়: সুফি এবং কবরপূজারিদের সাথে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর বিতর্কসমূহ: এটি নয়টি পরিচ্ছেদ সংবলিত:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: প্রথম পরিচ্ছেদ: কতিপয় রিফায়ি-দের সাথে তাদের দাবিকৃত ভেলকিবাজি (মাখারিক) সম্পর্কে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ সংবলিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কটি উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: একদল রিফায়ি-র সাথে তাদের দাবিকৃত ইশারা ও আধ্যাত্মিক অবস্থা (আহওয়াল) বিষয়ে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ সংবলিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কটি উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: রিফায়ি শায়খদের মধ্য হতে একজন শায়খের সাথে বেড়ি বা শিকল পরিধান করে ইবাদত করা সম্পর্কে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ সংবলিত:
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الرابع: المناظرة الكبرى مع الرفاعية في قصر الإمارة. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الخامس: مناظرته مع بعض الرفاعية في دعواه دخول التنور وعدم الاحتراق بذلك. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث السادس: مناظرته مع بعض من يحسن الظن بالأحجار ويجوزون التبرك بها. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث السابع: مناظرته مع جماعة يستشفون بقبور العبيدين ويعتقدون ولايتهم. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثامن: مناظرته مع بعض شيوخ المشرق في جواز دعاء القبور والحديث الموضوع في هذا. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث التاسع: مناظرته مع بعض المشايخ الذين يستغيثون بغير الله
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইমারাত প্রাসাদে রিফায়িদের সাথে মহাবিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করে:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• পঞ্চম পরিচ্ছেদ: তন্দুরে প্রবেশ করা এবং তাতে দগ্ধ না হওয়ার দাবির বিষয়ে কিছু রিফায়িদের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করে:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: পাথরের প্রতি সুধারণা পোষণকারী এবং তার মাধ্যমে বরকত গ্রহণ বৈধ মনে করা ব্যক্তিদের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করে:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• সপ্তম পরিচ্ছেদ: উবাইদিদের কবরের মাধ্যমে আরোগ্য প্রার্থনা করা এবং তাদের বিলায়তে (অলিত্বে) বিশ্বাসী এক জামাতের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করে:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• অষ্টম পরিচ্ছেদ: কবরের নিকট প্রার্থনা করার বৈধতা এবং এ বিষয়ে জাল হাদিস সম্পর্কে মাশরিকের (পূর্বাঞ্চলের) কিছু শায়খদের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করে:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপনা।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• নবম পরিচ্ছেদ: আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে সাহায্য প্রার্থনা (ইসতিগাসা) করা কিছু শায়খদের সাথে তাঁর বিতর্ক।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
ويدَّعون ظهور صورته لهم. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الفصل الثالث: مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية مع الرافضة، ويشتمل على مبحثين:
• المبحث الأول: مناظرته مع أحد شيوخ الرافضة في عقيدة العصمة. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثاني: مناظرته مع أحد أكابر شيوخ الرافضة في عقيدة الإمامة. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الفصل الرابع: مناظرات شيخ الإسلام ابن تيمية مع المتكلمين: ويشتمل على سبعة مباحث:
• المبحث الأول: مناظرته مع مجموعة من القضاة والعلماء حول العقيدة الواسطية بحضرة نائب السلطان. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الثاني: مناظرته مع بعض المؤولة للأسماء والصفات في بطلان التأويل وفي صفة اليد وغيرها من المسائل. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
এবং তারা তাদের কাছে তাঁর রূপ প্রকাশিত হওয়ার দাবি করে। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের বিবরণ।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• তৃতীয় অধ্যায়: রাফেজিদের সাথে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর বিতর্কসমূহ, এটি দুটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: ইসমাত (নিষ্পাপত্ব) আকিদা বিষয়ে রাফেজিদের জনৈক শাইখের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের বিবরণ।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইমামত আকিদা বিষয়ে রাফেজিদের অন্যতম প্রধান একজন শাইখের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের বিবরণ।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• চতুর্থ অধ্যায়: মুতাকাল্লিমদের (কালামশাস্ত্রবিদ) সাথে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর বিতর্কসমূহ: এটি সাতটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত:
• প্রথম পরিচ্ছেদ: সুলতানের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ‘আকিদাহ আল-ওয়াসিতিয়্যাহ’ নিয়ে একদল বিচারক ও আলিমের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের বিবরণ।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: নাম ও গুণাবলির কতিপয় অপব্যাখ্যাকারীর সাথে অপব্যাখ্যার অসারতা এবং আল্লাহর হাতের গুণ ও অন্যান্য বিষয়ে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের বিবরণ।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
• المبحث الثالث: مناظرته مع ابن المرحل في تعلق الصفات وهل الحب والبغض ونحوها من الصفات وجودية أم عدمية؟ ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الرابع: مناظرته مع غير واحد من نفاة الصفات في مسألة الرؤية. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث الخامس: مناظرته مع بعض من يدعي أن الله يتكلم بكلام لا معنى له. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث السادس: مناظرته مع بعض المشغوفين بأهل الكلام في بطلان طريقتهم إما في الدلائل أو المسائل. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• المبحث السابع: مناظرته مع بعض منكري العلو من شيوخ المتكلمين. ويشتمل على مطلبين:
o المطلب الأول: عرض المناظرة.
o المطلب الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة
• الفصل الخامس: مناظرته مع بعض الجبرية الإباحية المحتجين بالقدر:
ويشتمل على مبحثين:
o المبحث الأول: عرض المناظرة.
• তৃতীয় পরিচ্ছেদ: গুণাবলির সংশ্লিষ্টতা এবং ভালোবাসা, ঘৃণা ও এই জাতীয় গুণাবলি কি অস্তিত্বশীল নাকি অনস্তিত্বশীল—সেই বিষয়ে ইবনুল মুরাহহালের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়াবলির পর্যালোচনা।
• চতুর্থ পরিচ্ছেদ: দর্শন (রুইয়াত) সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক গুণাবলি অস্বীকারকারীর সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়াবলির পর্যালোচনা।
• পঞ্চম পরিচ্ছেদ: আল্লাহ এমন কথা দ্বারা কথা বলেন যার কোনো অর্থ নেই—এমন দাবিদারদের কয়েকজনের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়াবলির পর্যালোচনা।
• ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: ইলমুল কালামে আসক্ত কতিপয় ব্যক্তির সাথে তাদের পদ্ধতির অসারতা—তা দলিলের ক্ষেত্রে হোক বা মাসআলার ক্ষেত্রে—প্রমাণের বিষয়ে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়াবলির পর্যালোচনা।
• সপ্তম পরিচ্ছেদ: মুতাকাল্লিম শায়খদের মধ্যে আল্লাহর উচ্চতা অস্বীকারকারী কয়েকজনের সাথে তাঁর বিতর্ক। এটি দুটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম অনুচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এই বিতর্কে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়াবলির পর্যালোচনা
• পঞ্চম অধ্যায়: তাকদিরের দোহাইদানকারী কতিপয় ইবাহিয়া জাবরিয়াদের সাথে তাঁর বিতর্ক:
এটি দুটি পরিচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
o প্রথম পরিচ্ছেদ: বিতর্কের উপস্থাপন।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
o المبحث الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
• الفصل السادس: مناظرته مع ابن الوكيل الشافعي في نسبته قول المرجئة لأهل السنة والجماعة، ودفاعه عن ذلك: ويشتمل على مبحثين:
o المبحث الأول: عرض المناظرة.
o المبحث الثاني: دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في هذه المناظرة.
-الخاتمة
-الفهارس:
o فهرس الآيات القرآنية.
o فهرس الأحاديث والآثار.
o فهرس الأعلام المترجم لهم.
o فهرس الفرق والطوائف.
o قائمة بمصادر البحث.
o فهرس تفصيلي للموضوعات.
تنبيه: أثناء تقييد البحث وكتابته -أي بعد تقديم الخطة واعتمادها- عثرت على بعض المناظرات الأخرى، ولم تسنح الفرصة لإضافتها ضمن البحث بسبب عدم سماح النظام الأكاديمي بذلك، وقد أثبتها الآن في مواضعها المناسبة كـ (ملحق للأصل)، وحيث أن أغلب مواضيعها مما قد تمت دراستها سابقاً ضمن فصول الرسالة، فقد اكتفيت بإيراد نص المناظرة، مع تخريج لأحاديثها وفق المقرر في الخطة، وتبيين للغوامض فيها، وشيء من التعليقات اليسيرة عليها.
• منهجي في كتابة البحث:-
1) جمعت المناظرات من جميع مؤلفات شيخ الإسلام المطبوعة، وكتب التراجم وغيرها قدر المستطاع.
2) قسمت المناظرات على حسب الطوائف والمعتقدات، وجعلت هناك قسمين رئيسين: الأول: في المناظرات مع الطوائف غير المسلمة. والثاني: في
o দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয়: এই মুনাজারায় বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
• ষষ্ঠ অধ্যায়: আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের প্রতি মুরজিয়াদের মতবাদ আরোপ করার বিষয়ে ইবনুল ওয়াকিল আশ-শাফেয়ির সাথে তাঁর মুনাজারা এবং এ বিষয়ে তাঁর প্রতিরক্ষা: এটি দুটি আলোচ্য বিষয় সম্বলিত:
o প্রথম আলোচ্য বিষয়: মুনাজারাটি উপস্থাপন।
o দ্বিতীয় আলোচ্য বিষয়: এই মুনাজারায় বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়সমূহের পর্যালোচনা।
-উপসংহার
-নির্ঘণ্টসমূহ:
o কুরআনের আয়াতসমূহের নির্ঘণ্ট।
o হাদিস ও আসারসমূহের নির্ঘণ্ট।
o জীবনী উদ্ধৃত ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।
o ফিরকা ও দলসমূহের নির্ঘণ্ট।
o গবেষণার উৎস ও তথ্যের তালিকা।
o বিষয়সমূহের বিস্তারিত নির্ঘণ্ট।
সতর্কবার্তা: গবেষণাটি লিপিবদ্ধ ও রচনার সময়—অর্থাৎ গবেষণা পরিকল্পনা পেশ ও তা অনুমোদনের পর—আমি আরও কিছু মুনাজারার সন্ধান পাই। একাডেমিক পদ্ধতির সীমাবদ্ধতার কারণে গবেষণার মূল অংশে সেগুলো যুক্ত করার সুযোগ ছিল না। তাই আমি এখন সেগুলোকে উপযুক্ত স্থানে ‘মূলের পরিশিষ্ট’ হিসেবে যুক্ত করেছি। যেহেতু এগুলোর অধিকাংশ বিষয় থিসিসের অধ্যায়গুলোতে আগেই আলোচিত হয়েছে, তাই আমি মুনাজারার মূল পাঠ উল্লেখ করতেই সীমাবদ্ধ থেকেছি; সেই সাথে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী হাদিসসমূহের তাখরিজ (সূত্রনির্দেশনা), অস্পষ্ট বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা এবং কিছু সংক্ষিপ্ত টীকা প্রদান করেছি।
• গবেষণায় আমার অনুসৃত পদ্ধতি:-
১) আমি শায়খুল ইসলামের মুদ্রিত সকল রচনাবলি, জীবনীগ্রন্থ এবং অন্যান্য উৎস থেকে সাধ্যানুযায়ী মুনাজারাগুলো সংগ্রহ করেছি।
২) আমি মুনাজারাগুলোকে বিভিন্ন দল ও আকিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি এবং দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করেছি: প্রথম ভাগ: অমুসলিম দলগুলোর সাথে মুনাজারা প্রসঙ্গে। দ্বিতীয় ভাগ:
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
المناظرات مع الطوائف المنتسبة للإسلام. وتحت كل قسم عدد من الطوائف والفرق، وذكرت تحت كل طائفة المناظرات التي جرت معها مقسمة على شكل مباحث، وتحت كل مبحث مطلبان: أحدهما في عرض المناظرة، والآخر في دراستها.
3) قمت في كل مبحث بعرض نص المناظرة كاملاً، ثم دراسة أهم المسائل العقدية الواردة في المناظرة وذلك من خلال الاعتناء بتقريرات شيخ الإسلام في المسألة المراد دراستها وذلك من مختلف كتبه ورسائله، واعتني في دراستي بذكر أصل الشبهة عند المخالف -إن وجدت- والجواب عليها، وعند تكرر بعض المسائل فإني أشير إلى أنه قد تم دراستها في ما سبق.
4) عزوت الآيات إلى سورها بذكر السورة ورقم الآية.
5) عزوت الأحاديث إلى مظانها من كتب السنة، فإن كان الحديث في الصحيحين أو أحدهما اكتفيت بعزوه إليهما وإن كان في غيرهما عزوته إلى مصادره مع نقل حكم العلماء فيه.
6) وثقت النقول من مصادرها الأصلية.
7) قمت بالتعريف بالأعلام والفرق والملل والطوائف والأمكنة غير المشتهر منها.
8) قمت بخدمة البحث بفهارس علمية تيسر للباحث الوصول إلى الفائدة المرادة.
كلمة الشكرأحمد ربي -جل وعلا- وأشكره، فله الحمد كله وله الشكر كله، ومنه الخير كله، وإليه يرجع الأمر كله، لولاه ما كتبنا ولا قرأنا، ولا علمنا ولا تعلمنا، فكل فضل فهو منه، وكل منة فهي راجعة إليه، ولا حول ولا قوة لنا إلا به.
فله الحمد والشكر أولاً وآخراً ظاهراً وباطناً، له الحمد حتى يرضى وله الحمد إذا رضي وله الحمد بعد الرضا، له الحمد عدد كل شيء، وملء كل شيء، ووزن كل
ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত উপদলসমূহের সাথে বিতর্ক। প্রতিটি বিভাগের অধীনে বেশ কিছু উপদল ও ফিরকা রয়েছে, এবং প্রতিটি উপদলের অধীনে তাদের সাথে সংঘটিত বিতর্কগুলো বিভিন্ন পরিচ্ছেদে বিভক্ত করে উল্লেখ করেছি। প্রতিটি পরিচ্ছেদের অধীনে দুটি করে অনুচ্ছেদ রয়েছে: একটি বিতর্কের উপস্থাপনা এবং অন্যটি সেটির পর্যালোচনার ওপর।
৩) প্রতিটি পরিচ্ছেদে আমি বিতর্কের পূর্ণ পাঠ উপস্থাপন করেছি, তারপর বিতর্কে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ আকিদাগত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। এক্ষেত্রে পর্যালোচিত বিষয়ের ওপর শায়খুল ইসলামের বিভিন্ন গ্রন্থ ও পত্রাবলিতে বিদ্যমান অভিমতসমূহের প্রতি বিশেষভাবে যত্ন নিয়েছি। আমার পর্যালোচনায় আমি বিরোধীদের সংশয়ের উৎস—যদি থাকে—উল্লেখ করা এবং তার জবাব দেওয়ার প্রতি মনোযোগ দিয়েছি। যখন কোনো বিষয় পুনরায় এসেছে, তখন আমি নির্দেশ করেছি যে এটি পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে।
৪) আয়াতগুলোকে সূরা ও আয়াত নম্বর উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সূরার দিকে নির্দেশ করেছি।
৫) হাদিসগুলোকে সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ থেকে তাদের মূল উৎসের দিকে নির্দেশ করেছি। হাদিসটি যদি সহিহাইন বা তাদের কোনো একটিতে থাকে, তবে আমি শুধু সেটির উদ্ধৃতি দেওয়ার ওপরই সীমাবদ্ধ থেকেছি। আর যদি তা অন্য কোনো গ্রন্থে থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট উৎসের উল্লেখসহ তাতে আলেমদের হুকুম উদ্ধৃত করেছি।
৬) উদ্ধৃতিগুলো তাদের মূল উৎস থেকে সত্যায়ন করেছি।
৭) অখ্যাত ব্যক্তিবর্গ, ফিরকা, ধর্মাদর্শ, উপদল এবং স্থানসমূহের পরিচয় দিয়েছি।
৮) গবেষকের জন্য কাঙ্ক্ষিত উপকারিতা অর্জন সহজ করতে গবেষণাপত্রটিকে ইলমি নির্ঘণ্ট দ্বারা সমৃদ্ধ করেছি।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশআমি আমার রব্ব—যিনি অতি মহান ও উচ্চমর্যাদাবান—তাঁর প্রশংসা করছি ও তাঁর শুকরিয়া আদায় করছি। সকল প্রশংসা একমাত্র তাঁরই এবং সকল কৃতজ্ঞতা একমাত্র তাঁরই প্রাপ্য। সকল কল্যাণ তাঁর পক্ষ থেকেই আসে এবং সকল বিষয় তাঁর কাছেই ফিরে যায়। তাঁর তাওফিক না থাকলে আমরা লিখতে পারতাম না, পড়তে পারতাম না, জানতে পারতাম না এবং শিখতেও পারতাম না। সকল অনুগ্রহ তাঁর পক্ষ থেকেই এবং সকল দয়া তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। তাঁর সাহায্য ব্যতীত আমাদের কোনো শক্তি নেই এবং কোনো সামর্থ্য নেই।
আদিতে ও অন্তে, প্রকাশ্য ও গোপনে সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা একমাত্র তাঁরই। তাঁর প্রশংসা করছি যতক্ষণ না তিনি সন্তুষ্ট হন, তাঁর প্রশংসা করছি যখন তিনি সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রশংসা করছি সন্তুষ্টির পরেও। তাঁর প্রশংসা প্রতিটি জিনিসের সংখ্যা পরিমাণ, প্রতিটি জিনিসের পূর্ণতা পরিমাণ এবং প্রতিটি জিনিসের ওজন পরিমাণ।
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
شيء، وعدل كل شيء، لا نحصي ثناء عليه، ولا نبلغ حمده، ولا ندرك فضله.
سُبْحَانَ مَنْ لَوْ سَجَدْنَا بِالْعُيُونِ لَهُ
… عَلَى حمى الشَّوْكِ وَالْمَحْمِيِ مِنَ الْإِبَرِ
لَمْ نَبْلُغِ الْعُشُرَ مِنْ مِعْشَارِ نعمته
… وَلا الْعُشَيْرَ وَلا عُشُرًا مِنَ الْعُشُرِ
ثم إني أتقدم بالشكر لوالديّ وقرة عينيّ اللذين كانا سبباً في وجودي، وعوناً في هدايتي واستقامتي، وسنداً لي في جميع أمور حياتي.
ولا أنسى أن أشكر الجامعة التي احتضنتنا، ومن معينها الصافي نهلنا، وفيها تعلمنا ومنها تخرجنا ألا وهي الجامعة الإسلامية بالمدينة النبوية حرسها الله.
والشكر موصول للشيخ الدكتور/ عبد العزيز الطويان على تفضله بالإشراف على رسالتي، وما قدمه لي من توجيه وإرشاد.
وللشيخين الفاضلين / الشيخ الدكتور صالح السندي، والشيخ الدكتور عبد الله الغفيلي على تفضلهما بمناقشة رسالتي، وإرشادي وإفادتي.
والشكر كذلك لكل من ساعدني وساندني بكلمة أو مشورة أو نصيحة أو معلومة.
فجزى الله الجميع خيراً، وأجزل لهم الأجر والمثوبة.
كتبه
أبو عبد العزيز هيثم بن قاسم الحمري
مملكة البحرين -حرسها الله-
...সবকিছুর, এবং সবকিছুর ন্যায়বিচারক; আমরা তাঁর প্রশংসা গণনা করে শেষ করতে পারি না, তাঁর পূর্ণ স্তুতিতে পৌঁছাতে পারি না এবং তাঁর অনুগ্রহের কূলকিনারা পাই না।
সেই সত্তা অতি পবিত্র, যাঁর প্রতি যদি আমরা কন্টকপূর্ণ এবং সূঁচালো তপ্ত ভূমির ওপর চোখের মণি দ্বারা সিজদা করি
… তবুও আমরা তাঁর নিয়ামতের দশ ভাগের এক ভাগের দশমাংশেও পৌঁছাতে পারব না
… আর না তার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ কিংবা এক দশমাংশের দশমাংশ পরিমাণ কৃতজ্ঞতা আদায়ে।
এরপর আমি আমার পিতামাতা ও আমার নয়নমণির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, যাঁরা আমার অস্তিত্বের কারণ ছিলেন এবং আমার হেদায়েত ও অবিচলতায় সাহায্যকারী এবং আমার জীবনের সকল বিষয়ে আমার অবলম্বন ছিলেন।
আমি সেই বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানাতে ভুলব না যা আমাদের ধারণ করেছে, যাঁর স্বচ্ছ প্রস্রবণ থেকে আমরা জ্ঞান আহরণ করেছি, যেখানে আমরা শিখেছি এবং যেখান থেকে আমরা স্নাতক হয়েছি; আর তা হলো মদিনা নববীয়ার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, আল্লাহ একে হেফাজত করুন।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা শেখ ডক্টর আব্দুল আজিজ আত-তুওয়াইয়ানের প্রতি, আমার গবেষণাপত্রটি তত্ত্বাবধান করার সদয় সম্মতির জন্য এবং তিনি আমাকে যে দিকনির্দেশনা ও উপদেশ প্রদান করেছেন তার জন্য।
এবং দুই ফাযেল শেখ—শেখ ডক্টর সালেহ আস-সিন্দী ও শেখ ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-গুফাইলী—এর প্রতি, আমার গবেষণাপত্রটি পর্যালোচনা করার অনুগ্রহ প্রদান এবং আমাকে দিকনির্দেশনা ও উপকৃত করার জন্য।
একইভাবে কৃতজ্ঞতা তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি, যাঁরা আমাকে কোনো শব্দ, পরামর্শ, উপদেশ কিংবা তথ্য দিয়ে সাহায্য ও সমর্থন করেছেন।
আল্লাহ সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁদের সওয়াব ও প্রতিদান বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিন।
এটি লিখেছেন
আবু আব্দুল আজিজ হাইসাম বিন কাসিম আল-হামরি
বাহরাইন রাজ্য -আল্লাহ একে হেফাজত করুন-
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
التمهيد:ويشتمل على مبحثين:
المبحث الأول:
تعريف المناظرة وأحكامها
المبحث الثاني:
التعريف بشيخ الإسلام ومنهجه في المناظرات
* * *
উপক্রমণিকা:এটি দুইটি পরিচ্ছেদ সংবলিত:
প্রথম পরিচ্ছেদ:
মুনাজারাহর (বিতর্কের) সংজ্ঞা ও এর বিধানসমূহ
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ:
শাইখুল ইসলাম-এর পরিচিতি এবং মুনাজারাহর (বিতর্কের) ক্ষেত্রে তাঁর কর্মপন্থা
* * *
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
المبحث الأول: تعريف المناظرة وأحكامها:ويشتمل على:
المطلب الأول: تعريف المناظرة لغة واصطلاحاً.
المطلب الثاني: أركان المناظرة.
المطلب الثالث: حكم المناظرات
* * *
প্রথম পরিচ্ছেদ: মুনাজারার সংজ্ঞা ও এর বিধানসমূহ:এটি নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে মুনাজারার সংজ্ঞা।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: মুনাজারার রুকনসমূহ।
তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: মুনাজারা বা বিতর্কসমূহের বিধান।
* * *
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
المبحث الأول: تعريف المناظرة وأحكامها، ويشتمل على ثلاثة مطالب:
المطلب الأول: تعريف المناظرة لغة واصطلاحاً:
تعريف المناظرة لغة:المناظرة مشتقة في اللغة من (النظر)، و (النظر) يدور في اللغة على معنين اثنين:
1 - المعنى الأول: النظر الذي هو حس البصر ورؤيته، ومنه قوله تعالى: {وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ (22) إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ} [القيامة:23 - 24].
2 - المعنى الثاني: النظر بمعنى التفكر والتأمل، ومنه قوله تعالى: {أَوَلَمْ يَنْظُرُوا فِي مَلَكُوتِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ} [الأعراف:185].
قال ابن فارس
(1) رحمه الله: «النون والظاء والراء أصل صحيح يرجع فروعه إلى معنى واحد وهو تأمل الشيء ومعاينته، ثم يستعار ويتسع فيه. فيقال: نظرت إلى الشيء أنظر إليه، إذا عاينته. وحَيٌّ حِلَالٌ نَظَرٌ: متجاورون ينظر بعضهم إلى بعض»
(2).
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: মুনাযারার (বিতর্ক) সংজ্ঞা ও এর বিধানসমূহ, এবং এটি তিনটি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত:
প্রথম অনুচ্ছেদ: শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থে মুনাযারার সংজ্ঞা:
শাব্দিক অর্থে মুনাযারার সংজ্ঞা:ভাষাগতভাবে 'মুনাযারা' শব্দটি 'নাযার' (দৃষ্টিপাত/চিন্তা) থেকে উদ্ভূত। অভিধানে 'নাযার' শব্দটি দুটি অর্থের ওপর আবর্তিত হয়:
১ - প্রথম অর্থ: 'নাযার' যা চাক্ষুষ দৃষ্টি ও দর্শনের অনুভূতি। এর অন্তর্ভুক্ত হলো মহান আল্লাহর বাণী: {সেদিন অনেক মুখমণ্ডল হবে উজ্জ্বল। তাদের রবের দিকে তারা তাকিয়ে থাকবে।} [সূরা আল-কিয়ামাহ: ২২-২৩]।
২ - দ্বিতীয় অর্থ: 'নাযার' যা চিন্তা ও গবেষণার অর্থে ব্যবহৃত। এর অন্তর্ভুক্ত হলো মহান আল্লাহর বাণী: {তারা কি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব নিয়ে চিন্তা করে দেখে না?} [সূরা আল-আ'রাফ: ১৮৫]।
ইবন ফারিস
(১) রাহিমাহুল্লাহ বলেন: «নূন, যা এবং রা—এটি একটি বিশুদ্ধ মূল শব্দ, যার শাখাগুলো একটি অর্থের দিকেই ফিরে যায়; আর তা হলো কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করা এবং তা প্রত্যক্ষ করা। অতঃপর এটি রূপক অর্থে এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং বলা হয়: 'আমি বস্তুর দিকে তাকালাম' (নাযারতু ইলাশ শাই), যখন আপনি তা প্রত্যক্ষ করেন। আর 'হায়্যুন হিলালুন নাযার' অর্থ: এমন প্রতিবেশী জনগোষ্ঠী যারা একে অপরের দৃষ্টির সীমানায় বা কাছাকাছি বসবাস করে»
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
فبين رحمه الله أن مادة نظر ترجع إما إلى تأمل الشيء وهو النظر الذي بمعنى التفكر والتأمل، وإما إلى معاينة الشيء وهو النظر الذي بمعنى حس البصر ورؤيته.
وقد جعل بعض الباحثين أصلاً ثالثاً ترجع إليه مادة (نظر): وهو النظر بمعنى الانتظار، والصواب أن هذا المعنى يرجع أيضاً إلى معنى النظر بعين البصر أو البصيرة، فما هو إلا فرع مقيس على الأصلين المذكورين كما بين ذلك ابن فارس رحمه الله فقال: «ويقولون: نظرته، أي: انتظرته. وهو ذلك القياس، كأنه ينظر إلى الوقت الذي يأتي فيه»
(1)، وقال: «ومن باب المجاز والاتساع قولهم: نَظَرَتِ الأرضُ: أَرَتْ نَبَاتَهَا. وهذا هو القياس. ويقولون: نَظَرَتْ بِعَيْنٍ. ومنه نَظَرَ الدهر إلى بني فلان فأهلكهم. وهذا نظير هذا، من هذا القياس; أي أنه إذا نظر إليه وإلى نظيره كانا سواء. وبه نَظْرَةٌ، أي شحوب، كأنه شَيْءٌ نُظِرَ إِلَيْهِ فشحب لونهُ، والله أعلم بالصواب»
(2)، وعليه فكل استعمال غير هذين الاستعمالين -كالانتظار وغيره- إنما هو مستعار منهما ومقيس عليهما.
وقال الراغب الأصفهاني
(3) رحمه الله: «النظر: تقليب البصر والبصيرة لإدراك الشيء ورؤيته»
(4).
وقال أبو هلال العسكري رحمه الله
(5): «وحد النظر طلب إدراك الشيء من جهة
--------------------------------------------
তিনি (রহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেছেন যে, 'নাজার' (نظر) শব্দের উৎস হয় কোনো বিষয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করার দিকে ফিরে যায়—যা চিন্তা ও গবেষণার অর্থবোধক দৃষ্টি; অথবা কোনো বস্তু চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করার দিকে ফিরে যায়—যা দৃষ্টিশক্তি ও দেখার অর্থবোধক।
কিছু গবেষক 'নাজার' শব্দের মূলের জন্য তৃতীয় একটি ভিত্তি নির্ধারণ করেছেন: আর তা হলো 'অপেক্ষা করা' অর্থে নাজার। তবে সঠিক কথা হলো, এই অর্থটিও চাক্ষুষ দৃষ্টি বা অন্তর্দৃষ্টির অর্থের দিকেই ফিরে যায়; এটি মূলত উল্লিখিত দুটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি শাখা মাত্র, যেমনটি ইবনে ফারিস (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: «তারা বলে: আমি তাকে 'নাজার' করেছি, অর্থাৎ আমি তার জন্য অপেক্ষা করেছি। এটি সেই একই নিয়মবদ্ধ বিষয়, যেন সে সেই সময়ের দিকে তাকিয়ে আছে যখন সে আসবে»
(1)। তিনি আরও বলেছেন: «রূপক ও প্রশস্ত ব্যবহারের অধ্যায় থেকে তাদের কথা হলো: জমিন 'নাজার' করেছে: অর্থাৎ এটি তার উদ্ভিদ প্রদর্শন করেছে। এটিই হলো নিয়ম। তারা আরও বলে: সে চোখ দিয়ে 'নাজার' করেছে। এরই অন্তর্ভুক্ত হলো: সময় অমুক বংশধরের দিকে 'নাজার' করেছে এবং তাদের ধ্বংস করে দিয়েছে। এটি এর অনুরূপ এবং একই নিয়মভুক্ত; অর্থাৎ যখন সে এর দিকে এবং এর সদৃশের দিকে তাকায় তখন তারা সমান হয়। তার মাঝে 'নাজরাহ' আছে, অর্থাৎ বিবর্ণতা; যেন এটি এমন একটি বিষয় যার দিকে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে ফলে তার রঙ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে, আর আল্লাহই সঠিক বিষয়টি ভালো জানেন»
(2)। এর ভিত্তিতে, এই দুটি ব্যবহার (চিন্তা ও দর্শন) ব্যতীত অন্য সকল ব্যবহার—যেমন অপেক্ষা করা ইত্যাদি—মূলত এই দুটি থেকেই ধার করা এবং এগুলোর ওপর ভিত্তি করেই অনুমিত।
রাগেব আল-আসফাহানি
(3) (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: «নাজার হলো: কোনো কিছু উপলব্ধি ও দেখার উদ্দেশ্যে চাক্ষুষ দৃষ্টি ও অন্তর্দৃষ্টির সঞ্চালন করা»
(4)।
আবু হিলাল আল-আসকারি (রহিমাহুল্লাহ)
(5) বলেছেন: «নাজারের সংজ্ঞা হলো কোনো একটি দিক থেকে বস্তুকে উপলব্ধি করার অন্বেষণ করা
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
البصر أو الفكر ويحتاج في إدراك المعنى إلى الأمرين جميعاً
… ، وأصل النظر المقابلة فالنظر بالبصر الإقبال نحو ..
(1)، والنظر بالقلب الإقبال بالفكر نحو المفكر فيه»
(2).
ويؤخذ من كلام ابن فارس والراغب الأصفهاني وأبي هلال العسكري أن النظر يقع على المحسوسات وعلى المعاني، فما كان من المحسوسات فالنظر إليه بالبصر وما كان من المعاني فالنظر فيه بالبصيرة والعقل.
فمن النظر بالبصر قوله تعالى: {وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ (22) إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ} [القيامة:23 - 24]، ومن النظر بالبصيرة وهو التفكر والتدبر قوله تعالى: {أَوَلَمْ يَنْظُرُوا فِي مَلَكُوتِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ} [الأعراف:185] {قُلِ انْظُرُوا مَاذَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ} [يونس:101]
والمناظرة التي نحن بصدد تعريفها ترجع إلى هذين الأصلين فهي مأخوذة من نظر الحس وبصره، حيث ينظر كل منهما إلى صاحبه بعين البصر، ومأخوذة من نظر التفكر والتأمل فينظر كل منها في إلى الأدلة والحجج والأقوال بعين البصيرة، والملاحظ أن المعنى الأخير هو الجانب الأكبر في المناظرة، حيث لا تخلو منه المناظرة ولا تصح دونه بحال؛ ولذلك نجد أن أهل اللغة قد ركزوا في تعريفهم للمناظرة على هذا الجانب، فقال الخليل بن أحمد الفراهيدي
(3) رحمه الله في تعريفه للمناظرة: «أن تناظر أخاك في أمر إذا نظرتما فيه كيف تأتيانه»
(4). وتبعه على هذا الأزهري
(5) في
--------------------------------------------
দৃষ্টি বা চিন্তা, আর অর্থ উপলব্ধি করতে উভয় উপাদানেরই প্রয়োজন পড়ে
… , আর নজর-এর মূল অর্থ হলো সম্মুখবর্তী হওয়া। দৃষ্টির মাধ্যমে নজর হলো [দৃশ্যমান বস্তুর] দিকে নিবদ্ধ হওয়া...
(১), আর অন্তরের মাধ্যমে নজর হলো চিন্তার বিষয়ের দিকে চিন্তাভাবনার মাধ্যমে নিবদ্ধ হওয়া।»
(২)।
ইবনে ফারিস, রাগিব আল-ইসফাহানি এবং আবু হিলাল আল-আসকারীর বক্তব্য থেকে এটি পাওয়া যায় যে, 'নজর' ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয় এবং বিমূর্ত অর্থ—উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়। যা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, তার প্রতি নজর হলো চাক্ষুষ দৃষ্টির মাধ্যমে, আর যা বিমূর্ত অর্থ, তাতে নজর হলো অন্তর্দৃষ্টি ও বুদ্ধির মাধ্যমে।
চাক্ষুষ দৃষ্টির মাধ্যমে নজর-এর উদাহরণ হলো মহান আল্লাহর বাণী: {সেদিন অনেক মুখমণ্ডল হবে উজ্জ্বল (২২) তারা তাদের রবের দিকে তাকিয়ে থাকবে} [আল-কিয়ামাহ: ২৩-২৪]। আর অন্তর্দৃষ্টি তথা চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমে নজর-এর উদাহরণ হলো মহান আল্লাহর বাণী: {তারা কি আসমান ও জমিনের রাজত্ব নিয়ে চিন্তা করে দেখে না?} [আল-আরাফ: ১৮৫] {বলুন, তোমরা দেখ আসমান ও জমিনে কী আছে} [ইউনুস: ১০১]
আর মুনাযারা, যার সংজ্ঞা আমরা প্রদান করতে যাচ্ছি, তা এই দুটি মূল অর্থের দিকেই ফিরে যায়। এটি ইন্দ্রিয়লব্ধ দেখা বা দৃষ্টি থেকে গৃহীত, যেখানে উভয় পক্ষ একে অপরের দিকে চাক্ষুষ দৃষ্টিতে তাকায়। আবার এটি চিন্তা ও গবেষণার অর্থ থেকেও গৃহীত, যেখানে উভয় পক্ষ অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দলিল-প্রমাণ ও বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টিপাত করে। লক্ষণীয় যে, শেষোক্ত অর্থটিই মুনাযারার ক্ষেত্রে প্রধান দিক, কারণ কোনো মুনাযারাই তা থেকে মুক্ত থাকে না এবং তা ছাড়া মুনাযারা কোনোভাবেই শুদ্ধ হয় না। এই কারণেই আমরা দেখি যে, ভাষাবিদগণ মুনাযারার সংজ্ঞায় এই দিকটির ওপরই গুরুত্বারোপ করেছেন। খলিল ইবনে আহমদ আল-ফারাহিদি
(৩) (রহিমাহুল্লাহ) মুনাযারার সংজ্ঞায় বলেছেন: «তোমার ভাইয়ের সাথে কোনো বিষয়ে মুনাযারা করার অর্থ হলো তোমরা উভয়ে মিলে দেখা যে, বিষয়টি তোমরা কীভাবে সম্পাদন করবে»
(৪)। আল-আজহারিও
(৫) এই বিষয়ে তার অনুসরণ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
تهذيب اللغة
(1)، والزبيدي
(2) في تاج العروس
(3)، وغيرهم من أهل اللغة.
ونجد الراغب الأصفهاني رحمه الله يركز أيضاً على هذا الجانب في تعريفه للمناظرة فيقول: «والمناظرة المباحثة والمباراة في النظر واسْتِحْضَارُ كُلِّ ما يَرَاهُ ببصيرته»
(4).
وجمع الشيخ محمد الأمين الشنقيطي
(5)، في تعريفه للمناظرة بين المعنيين المذكورين فقال: «فالمناظرة في اللغة: المقابلة بين اثنين كل منهما ينظر إلى الآخر، أو كل منهما ينظر بمعنى يفكر»
(6).
تعريف المناظرة اصطلاحاً:عرف الجرجاني
(7) رحمه الله المناظرة في الاصطلاح بأنها: «النظر بالبصيرة من
--------------------------------------------
তহজীবুল লুগাহ
(১), এবং তাজুল আরূস
(৩) গ্রন্থে আয-যুবাইদী
(২) এবং ভাষাবিদদের মধ্য থেকে আরও অনেকে এটি উল্লেখ করেছেন।
আমরা আর-রাগিব আল-ইসফাহানী (রাহিমাহুল্লাহ)-কেও মুনাযারার (বিতর্ক) সংজ্ঞায় এই দিকটির ওপর গুরুত্বারোপ করতে দেখি; তিনি বলেন: «মুনাযারা হলো কোনো বিষয়ে অনুসন্ধান করা এবং দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিযোগিতা করা এবং নিজের অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে যা কিছু দেখা যায় তার সবকিছুকে উপস্থিত করা»
(৪)।
শায়খ মুহাম্মাদ আল-আমিন আশ-শানকীত্বী
(৫) মুনাযারার সংজ্ঞায় উল্লিখিত উভয় অর্থকে একত্রিত করেছেন এবং বলেছেন: «আভিধানিক অর্থে মুনাযারা হলো: দুই ব্যক্তির মধ্যকার এমন সামনাসামনি অবস্থা যেখানে তাদের প্রত্যেকেই অপরের দিকে তাকায়, অথবা প্রত্যেকেই লক্ষ্য করে তথা চিন্তা-ভাবনা করে»
(৬)।
পারিভাষিক অর্থে মুনাযারার সংজ্ঞা:আল-জুরজানী
(৭) (রাহিমাহুল্লাহ) পারিভাষিক অর্থে মুনাযারার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন যে, এটি হলো: «অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে লক্ষ্য করা...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
الجانبين في النسبة بين الشيئين إظهارا للصواب»
(1).
وتابعه على هذا التعريف المناوي
(2) في "التوقيف على مهمات التعريف"
(3)، وأبو البقاء الحنفي
(4) في "الكليات"
(5)، ومن الفقهاء صاحب
(6) "حاشية الجمل على شرح المنهج"
(7)، والبيجرمي
(8) في "حاشيته على المنهج"
(9).
وعرفها عبد الوهاب الآمدي
(10) رحمه الله بأنها: «تردد الكلام بين شخصين يقصد كل منهما تصحيح قوله وإبطال قول صاحبه مع رغبة كل منهما في ظهور الحق»
(11).
--------------------------------------------
উভয় পক্ষের মাধ্যমে সত্য উন্মোচনের উদ্দেশ্যে দুটি বিষয়ের মধ্যকার সম্পর্কের বর্ণনা দেওয়া।»
(১)এই সংজ্ঞার ক্ষেত্রে তাঁকে অনুসরণ করেছেন মুনাওয়ি
(২) তাঁর "আত-তাওকিফ আলা মুহিম্মাতিত তারিফ"
(৩) গ্রন্থে, আবু বাকা আল-হানাফি
(৪) তাঁর "আল-কুল্লিয়্যাত"
(৫) গ্রন্থে এবং ফকিহদের মধ্য থেকে "হাশিয়াতুল জামাল আলা শারহিল মানহাজ"
(৭) এর রচয়িতা
(৬) এবং বিজাইরামি
(৮) তাঁর "হাশিয়াতুহু আলাল মানহাজ"
(৯) গ্রন্থে।
আর আব্দুল ওয়াহহাব আল-আমিদি
(১০) (রহিমাহুল্লাহ) এর সংজ্ঞা এভাবে প্রদান করেছেন যে: «এটি হলো দুই ব্যক্তির মধ্যে কথার আদান-প্রদান, যেখানে তাদের প্রত্যেকে নিজের বক্তব্য সঠিক প্রমাণ করার এবং অপরজনের বক্তব্য বাতিল করার সংকল্প করে, অথচ তাদের উভয়েরই আকাঙ্ক্ষা থাকে সত্য প্রকাশিত হওয়ার।»
(১১)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল মুনাজারাতুল আকিদিয়্যাহ লি শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
وقال الشيخ محمد الأمين الشنقيطي رحمه الله-في تعريفه للمناظرة اصطلاحاً: «وهي في الاصطلاح: المحاورة في الكلام بين شخصين مختلفين يقصد كل واحد منهما تصحيح قوله وإبطال قول الآخر مع رغبة كل منهما في ظهور الحق، فكأنها بالمعنى الاصطلاحي مشاركتهما في النظر الذي هو النظر المؤدي إلى علم أو غلبة ظن ليظهر الصواب»
(1).
وقال طاش كُبري زاده
(2):
هي النظر من جانبي خصمين
… معلل وسائل اثنين
في نسبة بينهما حكميه
… ليظهر الصواب والخفية
(3)وبالجمع بين هذه التعاريف جميعها يتلخص لنا أن المناظرة لا تسمى مناظرة حتى تجمع الأمور التالية:
أولاً: أن تكون المناظرة بين شخصين أو جانبين مختلفين، وتعبير الجرجاني رحمه الله بـ"الجانبين" أدق من تعبير غيره بـ"شخصين"؛ لأن المناظرة قد تكون بين شخصين وقد تكون بين أكثر من ذلك، فلا بد أن يكون فيها جانبان متناظران بغض النظر عن عدد كل جانب، والآمدي في تعريفه للمناظرة إنما نظر إلى أقل ما يتحقق به اسم المناظرة وهو وجود شخصين.
ثانياً: أن تكون بحضور الجانبين ومحاورتهما لبعضهما عن طريق الكلام، فيخرج بذلك ما قد يطلق عليه مناظرةً على سبيل التجوز كالردود الكتابية ونحوها.
ثالثاً: أن يكون الهدف منها إظهار الحق والصواب، وتعبير الجرجاني بقوله: «إظهاراً للصواب» أدق من تعبير الآمدي وغيره بقولهم: «مع رغبة كل منهما في
--------------------------------------------
শাইখ মুহাম্মাদ আল-আমিন আশ-শানকিতী (রাহিমাহুল্লাহ) পারিভাষিক অর্থে মুনাজারা বা বাহাসের সংজ্ঞায় বলেন: «পরিভাষায় এটি হলো এমন দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন যারা পরস্পর ভিন্নমত পোষণ করে, যাদের প্রত্যেকেই নিজ বক্তব্যকে সঠিক প্রমাণ করতে এবং অন্যের বক্তব্যকে বাতিল করতে চায়, পাশাপাশি উভয়ের মাঝেই সত্য প্রকাশের আকাঙ্ক্ষা থাকে। সুতরাং এর পারিভাষিক অর্থ দাঁড়ায় এমন এক পর্যালোচনায় উভয়ের অংশগ্রহণ, যে পর্যালোচনা নিশ্চিত জ্ঞান বা প্রবল ধারণার দিকে নিয়ে যায় যাতে সত্য প্রকাশিত হয়»
(১)।
এবং তাশ কুবরি জাদাহ
(২) বলেন:
এটি হলো দুই প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা
… একজন দলিল প্রদানকারী ও একজন প্রশ্নকারীর মাঝে
তাদের উভয়ের মধ্যকার একটি বিধানগত সম্পর্ক বিষয়ে
… যাতে সত্য এবং যা অপ্রকাশিত তা প্রকাশ পায়
(৩)এই সকল সংজ্ঞার সমন্বয়ে আমাদের কাছে সারকথা এই আসে যে, মুনাজারা ততক্ষণ মুনাজারা নামে অভিহিত হবে না যতক্ষণ না তাতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো একত্রিত হবে:
প্রথমত: মুনাজারা হতে হবে ভিন্নমত পোষণকারী দুই ব্যক্তি বা দুই পক্ষের মধ্যে। আল-জুরজানি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ‘দুই পক্ষ’ অভিব্যক্তিটি অন্যদের ব্যবহৃত ‘দুই ব্যক্তি’ অপেক্ষা অধিকতর সূক্ষ্ম; কারণ মুনাজারা যেমন দুই ব্যক্তির মধ্যে হতে পারে, তেমনি তার অধিক সংখ্যক মানুষের মধ্যেও হতে পারে। সুতরাং এতে মুনাজারা বা বাহাসে লিপ্ত দুটি পক্ষ থাকা আবশ্যক, প্রতিটি পক্ষের সদস্য সংখ্যা যাই হোক না কেন। আর আল-আমিদী মুনাজারার সংজ্ঞায় শুধুমাত্র মুনাজারা নামটি বাস্তবায়িত হওয়ার সর্বনিম্ন অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যা হলো দুই ব্যক্তির উপস্থিতি।
দ্বিতীয়ত: উভয় পক্ষের উপস্থিতি এবং মৌখিক কথোপকথনের মাধ্যমে একে অপরের সাথে আলোচনা হওয়া। এর ফলে এমন বিষয়গুলো বাদ পড়ে যাবে যাকে রূপকভাবে মুনাজারা বলা হয়, যেমন লিখিত খণ্ডন এবং অনুরূপ বিষয়াদি।
তৃতীয়ত: এর উদ্দেশ্য হতে হবে সত্য ও সঠিক বিষয়কে প্রকাশ করা। আল-জুরজানির ব্যবহৃত শব্দ ‘সত্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে’ আল-আমিদী এবং অন্যদের ব্যবহৃত শব্দ ‘উভয়ের আকাঙ্ক্ষা থাকা সত্ত্বেও’ অপেক্ষা অধিকতর সূক্ষ্ম
--------------------------------------------