يَا جِبْرِيلُ مَاذَا قَالَ رَبُّكَ فَيَقُولُ الْحَقَّ فينادون الْحق الْحق".
33- أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ الْبَزَّارُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زيد حَدثنَا عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ قَالَ أَتَيْتُ حُذَيْفَةَ فَقَالَ مَنْ أَنْتَ يَا أَصْلَعُ قُلْتُ أَنَا زِرُّ بْنُ حُبَيْشٍ حَدِّثْنِي بِصَلاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِ الْمَقَدْسِ حِينَ أُسْرِيَ بِهِ قَالَ من أخْبرك يَا أَصْلَعُ قُلْتُ الْقُرْآنُ قَالَ الْقُرْآنُ فَقَرَأْتُ سُبْحَانَ الَّذِي أسرى بِعَبْدِهِ من اللَّيْل وَهَكَذَا هِيَ فِي قِرَاءَةُ عَبْدِ اللَّهِ إِلَى قَوْلِهِ إِنَّهُ {هُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ} قَالَ فَهَل تَرَاهُ صَلَّى فِيهِ قُلْتُ لَا قَالَ إِنَّهُ أُتِيَ بِدَابَّةٍ قَالَ حَمَّادٌ وَصَفَهَا عَاصِمٌ لَا أَحْفَظُ صِفَتَهَا قَالَ فَحَمَلَهُ عَلَيْهَا جِبْرِيلُ أَحَدُهُمَا رَدِيفُ صَاحِبِهِ فَانْطَلَقَ مَعَهُ مِنْ لَيْلَتِهِ حَتَّى أَتَى بَيْتَ الْمَقَدْسِ فَأُرِيَ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ ثُمَّ رَجَعَا عَوْدَهُمَا عَلَى بدئهما فَلم يصل فِيهِ وَلَو صلى فِيهِ لكَانَتْ سنة.
34- أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ المتَوَكل المقرى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ وَاضِحٍ حَدَّثَنَا الزُّبَيْرُ بْنُ جُنَادَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي انْتَهِيَتُ إِلَى بَيْتِ الْمَقَدْسِ فَخَرَقَ جِبْرِيلُ الصَّخْرَةَ بِإِصْبَعِهِ وَشَدَّ بِهَا الْبُرَاقَ"
35- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ الضَّرِيرُ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ خَتَنُ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "رَأَيْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي رجَالًا تقْرض شفاههم بمقاريض من النَّار فَقُلْتُ مَنْ هَؤُلاءِ يَا جِبْرِيلُ فَقَالَ الْخُطَبَاءُ من أمتك الَّذين يَأْمُرُونَ النَّاسَ بِالْبِرِّ وَيَنْسَوْنَ أَنْفُسَهُمْ وَهُمْ يَتْلُونَ الْكتاب أَفلا يعْقلُونَ".
36- أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم قَالَ: "مَرَرْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي بِرَائِحَةٍ طَيْبَةٍ فَقُلْتُ مَا هَذَا يَا جِبْرِيلُ فَقَالَ هَذِه ماشطة ابْنة فِرْعَوْنَ كَانَتْ تَمْشُطُهَا فَوَقَعَ الْمُشْطُ مِنْ يَدَهَا فَقَالَت بِسم الله فَقَالَت ابْنة فِرْعَوْن أبي فَقَالَت رَبِّي وَرَبُّكِ وَرَبُّ أَبِيكِ قَالَتْ أَقُولُ لَهُ قَالَتْ قُولِي فَقَالَتْ فَقَالَ لَهَا أَلَكِ مِنْ رَبٍّ غَيْرِي قَالَتْ رَبِّي وَرَبُّكَ الَّذِي فِي السَّمَاء قَالَ فأحمى لَهَا بقرة من
"হে জিবরীল! আপনার রব কী বলেছেন? তিনি বলবেন, সত্য। তখন তারা উচ্চস্বরে বলবে, সত্য সত্য।"
৩৩- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন হিশাম আল-বাযযার, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আসিম বিন আবি আল-নাজুদ, তিনি যির বিন হুবায়শ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হুযায়ফার নিকট আসলাম। তিনি বললেন, হে টাক মাথার লোক! তুমি কে? আমি বললাম, আমি যির বিন হুবায়শ। আমাকে বাইতুল মাকদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামায সম্পর্কে বলুন, যখন তাঁকে সেখানে রাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি বললেন, হে টাক মাথার লোক! তোমাকে কে সংবাদ দিয়েছে? আমি বললাম, কুরআন। তিনি বললেন, কুরআন? তখন আমি পাঠ করলাম, 'পবিত্র সেই সত্তা যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছিলেন...' এবং এভাবেই এটি আবদুল্লাহর ক্বিরাআতে রয়েছে, 'নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা' পর্যন্ত। তিনি বললেন, আপনি কি মনে করেন তিনি সেখানে নামায পড়েছিলেন? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাঁর নিকট একটি সওয়ারী আনা হয়েছিল। হাম্মাদ বলেন, আসিম সেটির বর্ণনা দিয়েছিলেন যা আমার স্মরণ নেই। তিনি বলেন, জিবরীল তাঁকে সেটির উপর বহন করেছিলেন, একজন অন্যজনের পেছনে বসা ছিলেন। তিনি তাঁকে নিয়ে সেই রাতেই রওয়ানা হলেন যতক্ষণ না বাইতুল মাকদিসে আসলেন। অতঃপর তাঁকে আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে তা দেখানো হলো। এরপর তাঁরা যে পথে গিয়েছিলেন সে পথেই ফিরে আসলেন। তিনি সেখানে নামায পড়েননি, যদি তিনি সেখানে নামায পড়তেন তবে তা সুন্নাত হয়ে যেত।
৩৪- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন আল-মুতাওয়াক্কিল আল-মুকরী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ওয়াদিহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যুবায়ের বিন জুনাদাহ, তিনি আবদুল্লাহ বিন বুরায়দাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে রাতে আমাকে মিরাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, আমি বাইতুল মাকদিসে পৌঁছলাম। অতঃপর জিবরীল তাঁর আঙুল দিয়ে পাথরটি ছিদ্র করলেন এবং তার সাথে বুরাকটিকে বাঁধলেন।"
৩৫- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-মিনহাল আদ-দারীর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন যুরাই, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুগীরাহ যিনি মালিক বিন দীনারের জামাতা, তিনি মালিক বিন দীনার থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি মিরাজের রাতে এমন কিছু লোক দেখলাম যাদের ঠোঁট আগুনের কাঁচি দিয়ে কাটা হচ্ছিল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে জিবরীল! এরা কারা? তিনি বললেন, এরা আপনার উম্মতের সেই সকল বক্তা যারা মানুষকে সৎকাজের নির্দেশ দেয় কিন্তু নিজেদের কথা ভুলে যায়, অথচ তারা কিতাব তিলাওয়াত করে। তারা কি তবে বোঝে না?"
৩৬- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুদবাহ বিন খালিদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, তিনি আতা বিন আস-সাইব থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "মিরাজের রাতে আমি একটি চমৎকার সুগন্ধির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে জিবরীল! এটি কীসের সুগন্ধি? তিনি বললেন, এটি ফেরাউনের মেয়ের চুল আঁচড়ানি (দাসী) ও তার সন্তানদের সুগন্ধি। সে তাদের চুল আঁচড়াচ্ছিল এমতাবস্থায় তার হাত থেকে চিরুনিটি পড়ে যায়, তখন সে বলে ওঠে, বিসমিল্লাহ (আল্লাহর নামে)। ফেরাউনের মেয়ে বলল, আমার পিতার নামে? সে বলল, আমার রব, তোমার রব এবং তোমার পিতার রব। মেয়েটি বলল, আমি কি তাকে এ কথা বলব? সে বলল, হ্যাঁ বলো। তখন সে তাকে সংবাদ দিল। ফেরাউন তাকে ডাকল এবং বলল, আমি ছাড়া কি তোমার আর কোনো রব আছে? সে বলল, আমার রব এবং তোমার রব হলেন তিনি যিনি আসমানে আছেন। ফেরাউন বলল, তবে তার জন্য একটি তামার গাভী (পাত্র) উত্তপ্ত করো..."