(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
الإمام الأشعري حياته وأطواره العقدية القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الإمام الأشعري حياته وأطواره العقدية
المؤلف: صالح بن مقبل بن عبد الله العصيمي التيميمي
أصل الكتاب: قسم الدراسة من أطروحة دكتوراة، قسم العقيدة بكلية الدعوة وأصول الدين - جامعة أم القرى، بإشراف د عبد الله بن محمد الغنيمان 1428 هـ
الناشر: دار الفضيلة - الرياض
الطبعة: الأولى، 1432 هـ - 2011 م
عدد الصفحات: 404
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 22 ذو الحجة 1443
ইমাম আশআরী: তাঁর জীবন ও আকিদাগত পর্যায়সমূহ বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: ইমাম আশআরী: তাঁর জীবন ও আকিদাগত পর্যায়সমূহ
লেখক: সালেহ বিন মুকবিল বিন আব্দুল্লাহ আল-উসাইমি আত-তামিমি
গ্রন্থের মূল উৎস: পিএইচডি থিসিসের গবেষণা অংশ, দাওয়াহ ও উসুলুদ দীন অনুষদের আকিদা বিভাগ - উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়, ডক্টর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-গুনাইমানের তত্ত্বাবধানে ১৪২৮ হিজরি
প্রকাশক: দারুল ফজিলাহ - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩২ হিজরি - ২০১১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০৪
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২২ জিলহজ ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣)
المقدمةإن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم. {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ (102)} آل عمران (102) {يَاأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا
… وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ
… عَلَيْكُمْ رَقِيبًا (1)} النساء (1) {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا (71)} [الأحزاب: 70 - 71].
أما بعد:
فقد ألف الإمام الأشعري رحمه الله مجموعة من الكتب والرسائل التي تعالج قضايا العقيدة، بعضها قد كتب في الفترة التي سبقت تحوله عن الاعتزال، وبعضها قد كتب في الفترة التي أعقبت انتقاله رحمه الله إلى منهج أهل السنة والجماعة. وقد كانت هذه الكتب - ولا زالت - موضع دراسة الباحثين المهتمين
ভূমিকানিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথপ্রদর্শন করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীবর্গের ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক। {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না (১০২)} আলে ইমরান (১০২)। {হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রব্বকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে একটি মাত্র সত্তা থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তা থেকে তাঁর জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁদের উভয়ের থেকে বহু পুরুষ
... ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যার দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের নিকট অধিকার দাবি করো এবং রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়তা বজায় রাখো। নিশ্চয়ই আল্লাহ
... তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখেন (১)} আন-নিসা (১)। {হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো (৭০) তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই এক মহাসাফল্য লাভ করল (৭১)} [আল-আহজাব: ৭০ - ৭১]।
অতঃপর:
ইমাম আশআরি (রহিমাহুল্লাহ) আকিদাহর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বেশ কিছু কিতাব ও রিসালাহ রচনা করেছেন। এর মধ্যে কিছু তিনি মুতাজিলা মতবাদ ত্যাগ করার পূর্ববর্তী সময়ে রচনা করেছিলেন, আর কিছু রচনা করেছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের মানহাজে তাঁর ফিরে আসার পরবর্তী সময়ে। এই কিতাবগুলো আগ্রহী গবেষকদের নিকট গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল এবং এখনও রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٤)
بالأشعري ومذهب الأشاعرة، وقد أثارت - ولا تزال - تثير الجدل حول نسبتها إلى الأشعري وظهورها التاريخي عما استقر عليه حاله. ومنشأ ذلك الكذب عليه من جهة محبيه، ومن جهة مبغضيه، قال شيخ الإسلام ابن تيمية: (فالأشعري ابتلي بطائفتين: طائفة تبغضه، وطائفه تحبه، كل منهما يكذب عليه ويقول: إنما صنف هذه الكتب تقية، وإظهاراً لموافقة أهل الحديث والسنة، من الحنابلة وغيرهم. وهذا كذب على الرجل، فإنه لم يوجد له قول باطن يخالف الأقوال التي أظهرها، ولا نقل أحد من خواص أصحابه، ولا غيرهم عنه ما يناقض هذه الأقوال الموجودة في مصنفاته، فدعوى المدعي بأنه كان يبطن خلاف ما يظهر دعوى مردودة شرعًا وعقلاً. بل من تدبر كلامه في هذا الباب - في مواضع - تبين له قطعًا أنه كان ينصر ما أظهره، ولكن الذين يحبونه ويخالفون في إثبات الصفات الخبرية يقصدون نفي ذلك عنه، لئلا يقال: إنهم خالفوه مع كون ما ذهبوا إليه من السنة، قد اقتدوا بحجته التي على ذكرها يعولون، وعليها يعتمدون. والفريق الآخر: دافعوا عنه لكونهم رأوا المنتسبين إليه لا يظهرون إلا خلاف هذا القول ولكونهم اتهموه بالتقية
(1). ولهذا اخترت بعد استخارة الله ـ جل وعلا ـ واستشارة عدد من العلماء
--------------------------------------------
আশআরি এবং আশআরি মাযহাবের সাথে সম্পৃক্ত, যা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে—এবং এখনও করছে—তার প্রতি এর নিসবত (সম্পৃক্ততা) এবং তার যে অবস্থার ওপর বিষয়টি স্থির হয়েছে সেটির ঐতিহাসিক উদ্ভব নিয়ে। আর তার ওপর এই মিথ্যাচারের উৎস হলো তার অনুরাগী এবং তার বিদ্বেষী—উভয় পক্ষ। শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ বলেছেন: (আশআরি মূলত দুই দলের মাধ্যমে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন: একদল যারা তাকে অপছন্দ করে এবং একদল যারা তাকে ভালোবাসে। তাদের প্রত্যেকেই তার নামে মিথ্যাচার করে এবং বলে: তিনি মূলত এই কিতাবগুলো তাক্বিয়া স্বরূপ এবং হাম্বলি ও অন্যান্য আহলে হাদিস ও সুন্নাহর সাথে ঐকমত্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে রচনা করেছেন। আর এটি এই ব্যক্তির ওপর একটি অপবাদ, কেননা তার এমন কোনো অভ্যন্তরীণ বক্তব্য পাওয়া যায়নি যা তার প্রকাশ্য বক্তব্যের পরিপন্থী। এমনকি তার বিশিষ্ট অনুসারীগণ বা অন্য কেউ তার থেকে এমন কিছু বর্ণনা করেনি যা তার রচনাবলীতে বিদ্যমান এই বক্তব্যের বিপরীত। সুতরাং তিনি যা প্রকাশ করতেন তার বিপরীতে কোনো কিছু মনে পোষণ করতেন বলে দাবিকারীর দাবি শরীয়ত ও বিবেক অনুযায়ী প্রত্যাখ্যাত। বরং এই বিষয়ে বিভিন্ন স্থানে তার বক্তব্য নিয়ে যে ব্যক্তি চিন্তা-গবেষণা করবে, তার কাছে নিশ্চিতভাবে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, তিনি যা প্রকাশ করেছেন তা-ই তিনি সমর্থন করতেন। কিন্তু যারা তাকে ভালোবাসে অথচ বর্ণনামূলক গুণাবলি (সিফাতে খাবারিয়া) সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে বিরোধিতা করে, তারা তার থেকে এই বিষয়গুলো অস্বীকার করতে চায়, যাতে এ কথা না বলা হয় যে তারা তার বিরোধিতা করেছে—অথচ তারা সুন্নাহর যে মতাদর্শ গ্রহণ করেছে সেক্ষেত্রে তারা তারই দলিলের অনুসরণ করেছে যার ওপর তারা নির্ভর ও ভরসা করে। আর অন্য দলটি: তারা তার পক্ষাবলম্বন করেছে কারণ তারা তার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের এই বক্তব্যের বিপরীত বিষয় প্রকাশ করতে দেখেছে এবং তারা তাকে তাক্বিয়ার দায়ে অভিযুক্ত করেছে
(১)। এ কারণেই আমি মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করার পর এবং কতিপয় আলেমের সাথে পরামর্শ করার পর নির্বাচন করেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٥)
وطلبة العلم الكتابة عن الإمام الأشعري رحمه الله من رجوعه إلى أهل السنة والجماعة وترك الاعتزال وعلم الكلام، حيث ظل الإمام الأشعري _ رحمه الله بعد رجوعه إلى الحق يدافع عن دين الله، ويؤلف في الرد على أهل الأهواء والبدع المخالفين لمذهب السلف إلى أن توفاه الله تعالى، فانتشرت كتبه في الآفاق، وتوزع تلامذته بين الأمصار ـ ولكن بعض متأخري الأشاعرة للأسف ـ خالفوا إمامهم في كثير من الأمور، وسلكوا طريقة ابن كلاب، والتي بين الأشعري في المقالات أنها ليست على طريقة أهل الحديث
(1)، بل سار بعض أتباعه المتأخرين وهم قلة ولله الحمد، على منهج التجهم والاعتزال، والذي نسبوه ظلماً وجوراً لأهل السنة والجماعة، ولكن الحق يرفض ذلك، وكان الأحرى بهم والأولى أن يرجعوا إلى نصوص الوحيين وفهم السلف الصالح لهما، والذي تنبه له إمامهم رحمه الله في طوره الأخير، فكان الأحرى بهم إن كانوا حقاً منتسبين إليه أن يقفوا على منهجه، ويستفيدوا من كتبه وخاصة الإبانة، ورسالته إلى أهل الثغر، والمقالات وألا ينسبوا له زوراً وبهتاناً ما لم يقل به، ولتوضيح هذه الحقيقة اخترت الكتابة للإمام الأشعري ليكون موضوعاً لرسالتي وإني أسأل الله أن أكون قد وفقت فيما
--------------------------------------------
দ্বীনী ইলম অন্বেষণকারীদের জন্য ইমাম আশআরী (রহিমাহুল্লাহ)-এর আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের পথে প্রত্যাবর্তন এবং মুতাজিলা মতবাদ ও ইলমুল কালাম বর্জনের বিষয়টি নিয়ে লেখা আবশ্যক। কেননা ইমাম আশআরী (রহিমাহুল্লাহ) সত্যের পথে প্রত্যাবর্তনের পর আমৃত্যু আল্লাহর দ্বীনের প্রতিরক্ষা করে গেছেন এবং সালাফদের মাযহাবের বিরোধী প্রবৃত্তিপূজারী ও বিদআতিদের খণ্ডনে গ্রন্থ রচনা করেছেন। ফলে তাঁর গ্রন্থাবলি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁর ছাত্ররা বিভিন্ন জনপদে ছড়িয়ে পড়েন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কিছু আশআরী অনেক বিষয়েই তাদের ইমামের বিরোধিতা করেছেন এবং ইবনে কুল্লাবের পথ অনুসরণ করেছেন, যা ইমাম আশআরী ‘আল-মাকালাত’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যে সেটি আহলুল হাদিসের মানহাজ নয়
(১)। বরং তাঁর পরবর্তী অনুসারীদের কেউ কেউ—যাঁদের সংখ্যা আল্লাহর শুকরিয়া যে অতি সামান্য—জাহমিয়া ও মুতাজিলাদের মানহাজ অবলম্বন করেছেন, যা তাঁরা অন্যায় ও জুলুমভাবে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের দিকে নিসবত করেছেন; অথচ সত্য বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যান করে। তাদের জন্য অধিক সমীচীন ও উত্তম ছিল ওহীর দুটি উৎসের (কুরআন ও সুন্নাহ) ভাষ্য এবং সেগুলোর ব্যাপারে সালাফে সালেহীনের উপলব্ধির দিকে ফিরে আসা, যে বিষয়টি তাদের ইমাম (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে অনুধাবন করেছিলেন। তাই তারা যদি সত্যই তাঁর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে থাকে, তবে তাদের জন্য অধিক যোগ্য ছিল তাঁর মানহাজের ওপর অটল থাকা এবং তাঁর গ্রন্থসমূহ থেকে উপকৃত হওয়া—বিশেষ করে ‘আল-ইবানাহ’, ‘রিসালাতু ইলা আহলিস সাঘর’ এবং ‘আল-মাকালাত’; এবং মিথ্যা ও অপবাদ দিয়ে তাঁর দিকে এমন কিছু নিসবত না করা যা তিনি বলেননি। এই সত্যটি স্পষ্ট করার লক্ষ্যেই আমি ইমাম আশআরী সম্পর্কে লেখাকে আমার অভিসন্দর্ভের বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছি এবং আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন আমি এতে সফল হই...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٦)
كتبته، وأن يكتب لهذه الرسالة القبول وأن يجعلها ذخراً لي ولجميع من وقفوا معي، أو استفادوا منها في {يَوْمَ لَا يَنْفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ (88) إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ (89)} [الشعراء].
أهمية البحث:1 - انتشار المذهب الأشعري قديماً وحديثاً، حتى أصبحت تتبناه بعض الجامعات والمعاهد المنتشرة في العالم الإسلامي.
2 - إبراز أقوال أهل السنة والجماعة على لسان الإمام الأشعري رحمه الله أدعى لقبوله لدى المنتسبين إليه.
موضوع البحث:موضوع البحث له علاقة وطيدة بالعقيدة؛ حيث إنّ الإمام الإشعري رحمه الله يتناول في مؤلفاته مسائل الصفات، والقدر، واليوم الآخر وما يتعلق فيه من رؤيا الرب ـ جلا وعلا ـ وإثبات الحوض، والصراط، والميزان، وعذاب القبر، والإمامة، وإثبات صحة خلافة الخلفاء الراشدين الأربعة رضي الله عنهم وغيرها من مسائل العقيدة، ويستدل لهذه المسائل بأدلة من الكتاب والسنة والعقل
أهداف الدراسة:1 - بيان آراء أبي الحسن الأشعري التي توافق أهل السنة في هذا
আমি এটি লিখেছি, এবং তিনি যেন এই গবেষণাপত্রটিকে কবুল করেন এবং এটিকে আমার জন্য ও যারা আমার সাথে দাঁড়িয়েছেন বা এর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন তাদের সবার জন্য সঞ্চয় হিসেবে রাখেন সেই দিনে {যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না (৮৮) তবে সেই ব্যক্তি ছাড়া যে আল্লাহর নিকট সুস্থ অন্তর নিয়ে উপস্থিত হবে (৮৯)} [আশ-শুআরা]।
গবেষণার গুরুত্ব:১ - অতীতে ও বর্তমানে আশআরী মাযহাবের ব্যাপক প্রসার, এমনকি মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট বর্তমানে এটি গ্রহণ করেছে।
২ - ইমাম আশআরী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর ভাষায় আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের বক্তব্যসমূহ ফুটিয়ে তোলা, যা তাঁর অনুসারীদের নিকট এটি গ্রহণের ক্ষেত্রে অধিক কার্যকর।
গবেষণার বিষয়বস্তু:গবেষণার বিষয়বস্তুর সাথে আকিদার সুদৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে; যেহেতু ইমাম আশআরী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) তাঁর গ্রন্থসমূহে আল্লাহর গুণাবলি (সিফাত), তাকদির, পরকাল এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট মহান রবের দর্শন, হাওয, সিরাত, মীযান, কবরের আজাব, ইমামত এবং চার খিলাফায়ে রাশিদীনের (আল্লাহ তাঁদের ওপর সন্তুষ্ট হোন) খিলাফতের সত্যতা প্রমাণসহ আকিদার অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি এই বিষয়গুলোর স্বপক্ষে কুরআন, সুন্নাহ এবং বিবেকপ্রসূত দলিল উপস্থাপন করেছেন।
গবেষণার উদ্দেশ্যসমূহ:১ - আবু الحسن আল-আশআরীর সেই সকল মতামতের বর্ণনা যা এক্ষেত্রে আহলুস সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٧)
الكتاب، وتخالف ما عليه متأخرو الأشاعرة، وخاصة في مسائل الصفات الخبرية، والعلو، والاستواء.
2 - إبراز وجوه الارتباط في الاستدلال عند الأشعري بين النقل والعقل.
حدود الدراسة:دراسة حياة الإمام الأشعري رحمه الله وما مر به من أطوار.
إجراءات الدراسة:الإجراءات التي سوف أسير عليها بإذنه تعالى في هذه الدراسة تتلخص فيما يلي:
1 - ذكر مقدمة تبين أهمية الموضوع وخطة البحث ومنهجي فيه.
2 - الاعتناء بعزو الآيات القرآنية بذكر اسم السورة ورقم الآية.
3 - وأما الأحاديث والآثار فخرجتها من مصادرها الأصلية مضيفًا إلى ذلك الحكم عليهما حسب ما وقفت عليه من أقوال أهل العلم بشيء من الاختصار، وإن كان في ا لصحيحين أو أحدهما. اكتفيت بعزوه إليهما.
4 - نسبة الأقوال إلى قائليها، وذلك بأخذ الحكم والكلام من مصادره الأصلية المعتمدة تفاديًا لحصول الخطأ وتمسكًا بمنهج البحث
বইটি পরবর্তী আশআরিদের মতের পরিপন্থী, বিশেষ করে সিফাতে খাবারিয়া (সংবাদমূলক গুণাবলি), উচ্চতা এবং (আরশের উপর) ওঠার মাসআলাগুলোতে।
২ - আল-আশআরির নিকট দলিল উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বর্ণনা (নকল) ও বুদ্ধির (আকল) মধ্যকার সম্পর্কের দিকগুলো ফুটিয়ে তোলা।
অধ্যয়নের পরিধি:ইমাম আশআরি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর জীবন এবং তিনি যেসব পর্যায়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন তার অধ্যয়ন।
অধ্যয়নের পদ্ধতিসমূহ:আল্লাহ তাআলার অনুমতিক্রমে এই গবেষণায় আমি যে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করব তা সংক্ষেপে নিম্নরূপ:
১ - একটি ভূমিকা উল্লেখ করা যা বিষয়টির গুরুত্ব, গবেষণার পরিকল্পনা এবং এতে আমার অনুসৃত পদ্ধতি স্পষ্ট করে।
২ - সূরার নাম ও আয়াতের নম্বর উল্লেখ করে কুরআনের আয়াতগুলোর উৎস নির্দেশ করার প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া।
৩ - আর হাদিস ও আছারসমূহের (সাহাবী ও তাবিঈদের বর্ণনা) ক্ষেত্রে আমি সেগুলো মূল উৎস থেকে উদ্ধৃত করেছি এবং আলেমদের বক্তব্যের আলোকে সংক্ষেপে সেগুলোর নির্ভরযোগ্যতার মান উল্লেখ করেছি। আর যদি তা সহীহাইন (বুখারি ও মুসলিম) বা এর কোনো একটিতে থাকে, তবে কেবল সেগুলোর দিকে সম্বন্ধ করাকেই যথেষ্ট মনে করেছি।
৪ - বক্তব্যসমূহকে তাদের মূল প্রবক্তাদের দিকে সম্বন্ধ করা; আর তা করা হয়েছে ভুল এড়াতে এবং গবেষণার পদ্ধতির ওপর অবিচল থাকতে মূল ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٨)
السليم فإذا كان الكلام المنقول بعينه وضع بين قوسين وكتب في الهامش المرجع مباشرة، وإذا كان المقصود الإحالة أو مع شيء من الاختصار كتب في الهامش انظر.
5 - إيضاح الألفاظ الغامضة بالرجوع إلى القواميس التي تعتني بذلك.
6 - التعريف بالأعلام وعرفت بالبلدان الواردة في أصل الدراسة.
تصور أجزاء الدراسة، ويشمل المقدمة والتمهيد وأربعة فصول.
المقدمة:
التمهيد ويشمل:
1 - أهمية البحث.
2 - موضوع البحث.
3 - مشكلة البحث.
4 - أهداف الدراسة.
5 - حدود الدراسة.
6 - الصعوبات التي واجهها الباحث.
7 - إجراءات الدراسة.
নির্ভুল; সুতরাং যদি উদ্ধৃত কথাটি হুবহু نقل করা হয় তবে তা বন্ধনীর মধ্যে রাখা হয়েছে এবং সরাসরি পাদটীকায় উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, আর যদি উদ্দেশ্য হয় কেবল কোনো বিষয়ের দিকে নির্দেশ করা বা সংক্ষেপ করা তবে পাদটীকায় 'দেখুন' লেখা হয়েছে।
৫ - এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট অভিধানসমূহের সাহায্য নিয়ে অস্পষ্ট শব্দাবলি স্পষ্ট করা।
৬ - ব্যক্তিবর্গের পরিচয় প্রদান এবং মূল গবেষণায় উল্লিখিত দেশসমূহের পরিচয় প্রদান।
গবেষণার অংশসমূহের রূপরেখা, এতে ভূমিকা, মুখবন্ধ এবং চারটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ভূমিকা:
মুখবন্ধ এবং এতে রয়েছে:
১ - গবেষণার গুরুত্ব।
২ - গবেষণার বিষয়বস্তু।
৩ - গবেষণার সমস্যা।
৪ - গবেষণার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ।
৫ - গবেষণার পরিসীমা।
৬ - গবেষক যেসকল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন।
৭ - গবেষণার কার্যপদ্ধতি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٩)
قسم الدراسة، ويحتوي على أربعة فصول:
الفصل الأول: حياة أبي الحسن الأشعري وفيه مباحث:
المبحث الأول: اسمه ونسبه.
المبحث الثاني: كنيته ولقبه.
المبحث الثالث: ولادته تاريخها ومكانها.
المبحث الرابع: ثناء العلماء عليه.
المبحث الخامس: مذهبه الفقهي.
المبحث السادس: شيوخه.
المبحث السابع: تلاميذه.
المبحث الثامن: وفاته.
الفصل الثاني: عصره، وفيه مباحث:
المبحث الأول: الحالة السياسية.
المبحث الثاني: الحالة الاجتماعية.
المبحث الثالث: الناحية العلمية.
الفصل الثالث: تطوّر حياته العقدية والفكرية، وفيه مباحث:
المبحث الأول: طور الاعتزال.
অধ্যয়ন বিভাগ, যা চারটি অধ্যায় নিয়ে গঠিত:
প্রথম অধ্যায়: আবুল হাসান আল-আশআরীর জীবন এবং এতে রয়েছে কয়েকটি পরিচ্ছেদ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম ও বংশপরিচয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর উপনাম ও উপাধি।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্ম, এর তারিখ ও স্থান।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাঁর প্রতি আলেমগণের প্রশংসা।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: তাঁর ফিকহী মাযহাব।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: তাঁর উস্তাদগণ।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: তাঁর ছাত্রগণ।
অষ্টম পরিচ্ছেদ: তাঁর মৃত্যু।
দ্বিতীয় অধ্যায়: তাঁর যুগ এবং এতে রয়েছে কয়েকটি পরিচ্ছেদ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: রাজনৈতিক অবস্থা।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সামাজিক অবস্থা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: জ্ঞানতাত্ত্বিক দিক।
তৃতীয় অধ্যায়: তাঁর আকীদাগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনের বিবর্তন এবং এতে রয়েছে কয়েকটি পরিচ্ছেদ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: মুতাজিলা মতবাদের পর্যায়।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
المبحث الثاني: أسباب رجوعه عن الاعتزال.
المبحث الثالث: ما بعد مرحلة الاعتزال.
الفصل الرابع: مؤلفاته، وفيه مباحث:
المبحث الأول: المصنفات التي وصلت إلينا وبعضها مطبوع الآن.
المبحث الثاني: النسخ المخطوطة.
المبحث الثالث: المؤلفات التي لم تصل إلينا ونسبها بعض الباحثين للأشعري.
المبحث الرابع: الكتب التي ألفها من سنة 320 إلى وفاته سنة 324.
تم تذييل البحث بالفهارس التالية:
- فهرس الآيات القرآنية.
- فهرس الأحاديث النبوية.
- فهرس الآثار.
- فهرس الأعلام المترجم لهم في الحاشية.
- فهرس الفرق والطوائف والملل.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ই'তিযাল (মু'তাযিলা মতবাদ) থেকে তাঁর ফিরে আসার কারণসমূহ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ই'তিযাল পরবর্তী পর্যায়।
চতুর্থ অধ্যায়: তাঁর রচনাবলী, এবং এতে রয়েছে কয়েকটি পরিচ্ছেদ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ঐ সকল গ্রন্থ যা আমাদের কাছে পৌঁছেছে এবং যার কিছু বর্তমানে মুদ্রিত।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: পাণ্ডুলিপিসমূহ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ঐ সকল রচনাবলী যা আমাদের কাছে পৌঁছেনি এবং কোনো কোনো গবেষক সেগুলোকে আশ'আরীর দিকে নিসবত (আরোপ) করেছেন।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ৩২০ হিজরি থেকে ৩২৪ হিজরিতে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত রচিত গ্রন্থসমূহ।
গবেষণাটি নিম্নোক্ত সূচিপত্রসমূহ দ্বারা সমাপ্ত করা হয়েছে:
- কুরআনের আয়াতসমূহের সূচি।
- হাদীসসমূহের সূচি।
- আছারসমূহের (সাহাবী ও তাবিঈগণের বাণী) সূচি।
- পাদটীকায় জীবনী বর্ণিত ব্যক্তিবর্গের সূচি।
- বিভিন্ন দল, উপদল এবং ধর্ম ও মতাদর্শের সূচি।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١١)
- فهرس الكلمات الغريبة
- فهرس الأماكن والبلدان.
- فهرس المراجع.
- فهرس محتويات البحث.
- অপরিচিত শব্দাবলির নির্ঘণ্ট
- স্থান ও দেশসমূহের নির্ঘণ্ট।
- তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট।
- বিষয়বস্তুর সূচিপত্র।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
الفصل الأول
حياة أبي الحسن الأشعري
وفيه ثمانية مباحث
المبحث الأول: اسمه ونسبه.
المبحث الثاني: كنيته ولقبه.
المبحث الثالث: ولادته تاريخها ومكانها.
المبحث الرابع: ثناء العلماء عليه.
المبحث الخامس: مذهبه الفقهي.
المبحث السادس: شيوخه.
المبحث السابع: تلاميذه.
المبحث الثامن: وفاته.
প্রথম অধ্যায়
আবুল হাসান আল-আশআরীর জীবন
এতে আটটি পরিচ্ছেদ রয়েছে
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম ও বংশপরিচয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর উপনাম ও উপাধি।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্মের তারিখ ও স্থান।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাঁর সম্পর্কে আলেমগণের প্রশংসা।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: তাঁর ফিকহি মাযহাব।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: তাঁর শিক্ষকবৃন্দ।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: তাঁর ছাত্রবৃন্দ।
অষ্টম পরিচ্ছেদ: তাঁর মৃত্যু।
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الفصل الأول: حياة أبي الحسن الأشعري، وفيه مباحث:
المبحث الأول: اسمه ونسبههو أبو الحسن علي بن إسماعيل بن أبي بشر إسحاق بن سالم بن إسماعيل بن عبد الله بن موسى بن بلال بن أبي بردة بن صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم، أبو موسى عبد الله بن قيس بن حضار الأشعري اليماني الأصل البصري المولد. أما والده، فهو أبو إسماعيل بن إسحاق كان من أهل السنة والجماعة، كما كان محدثاً، ويدل على ذلك أن والده لما حضرته الوفاة، وكان ابنه علي صغيراً، أوصى به إلى أحد أئمة الحديث، وهو الإمام زكريا بن يحيى الساجي
(1). ولاشك أن هذا يؤكد أن والده كان من أهل السنة والجماعة حيث قال ابن عساكر
(2): ذكر الإمام أبو بكر بن فورك
(3): أن أباه أبو بشر
--------------------------------------------
প্রথম অধ্যায়: আবুল হাসান আল-আশআরীর জীবন, এবং এতে রয়েছে কতিপয় পরিচ্ছেদ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম ও বংশপরিচয়তিনি হলেন আবু الحسن আলী বিন ইসমাঈল বিন আবি বিশর ইসহাক বিন সালিম বিন ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ বিন মুসা বিন বিলাল বিন আবি বুরদাহ বিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী আবু মুসা আব্দুল্লাহ বিন কায়স বিন হাযার আল-আশআরী। তাঁর মূল বংশ ইয়ামেনি এবং জন্মসূত্রে তিনি বসরার নিবাসী। তাঁর পিতার ব্যাপারে বলা যায়, তিনি ছিলেন আবু ইসমাঈল বিন ইসহাক, যিনি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন মুহাদ্দিস। এর প্রমাণ হলো, তাঁর পিতার যখন মৃত্যু ঘনিয়ে আসে এবং তাঁর পুত্র আলী তখন শিশু ছিলেন, তখন তিনি তাঁর পুত্রকে হাদিসের অন্যতম ইমাম জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আস-সাজি
(১)-এর নিকট সমর্পণ করার অসিয়ত করে যান। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এটি নিশ্চিত করে তাঁর পিতা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী ছিলেন। যেমন ইবনে আসাকির
(২) বলেছেন: ইমাম আবু বকর বিন ফুরাক
(৩) উল্লেখ করেছেন যে: তাঁর পিতা আবু বিশর
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
إسماعيل بن إسحاق، كان سنيًا، جماعيًا، حديثياً حيث أوصى به أبو الحسن عند وفاته إلى زكريا بن يحيى الساجي رحمه الله وهو إمام في الفقه والحديث، وله كتب منها: كتاب اختلاف الفقهاء، وكان يذهب مذهب الشافعي، وقد روى عنه الشيخ أبو الحسن الأشعري في كتاب التفسير أحاديث كثيرة ـ يعني الساجي ـ
(1) ونسبه ينتهي إلى الصحابي الجليل أبي موسى الأشعري
--------------------------------------------
ইসমাইল ইবনে ইসহাক; তিনি ছিলেন সুন্নাহর অনুসারী, জামাতের অনুসারী ও হাদিস বিশেষজ্ঞ। যেহেতু আবুল হাসান তাঁর ইন্তেকালের সময় জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আস-সাজি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-এর নিকট অসিয়ত করেছিলেন, আর তিনি ছিলেন ফিকহ ও হাদিস শাস্ত্রের একজন ইমাম। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে অন্যতম হলো: 'কিতাবু ইখতিলাফিল ফুকাহা'। তিনি শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন। শায়খ আবুল হাসান আল-আশআরি তাঁর তাফসির গ্রন্থে তাঁর থেকে—অর্থাৎ আস-সাজি থেকে—অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন
(১) এবং তাঁর বংশধারা মহান সাহাবী আবু মুসা আল-আশআরি পর্যন্ত পৌঁছেছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
- رضي الله عنه
(1). وقد طعن الحسن بن علي الأهوازي
(2) في صحة نسبه إلى الصحابي الجليل أبي الحسن الأشعري رضي الله عنه حيث قال: (ومن أعجب الأشياء أنه ليس يعرف بالبصرة إلا بابن أبي بشر، وأصحابه ينفرون من هذا الاسم ولا يصفونه به، وسمعت شيوخاً من أهل البصرة يقولون: ما فرارهم من هذا الاسم إلا لسبب؛ وذلك أن جده أبا بشر كان يهودياً أسلم على يد رجل ينسب إلى الأشعريين، فانتسب إلى ذلك. والله أعلم)
(3). وقد رد عليه ابن عساكر حيث قال: «إن في إطباق الناس على تسميته بالأشعري تكذيباً لما قاله هذا المفتري»
(4)، ثم بين خطأ الطعن بالحديث الصحيح وهو قوله صلى الله عليه وسلم: «أربع في أمتي من أمر الجاهلية لن يدعوهن: التطاعن في الأنساب»
(5). ثم بين أن مجرد الانتساب لا ينفع إذا
--------------------------------------------
আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন
(১)। হাসান বিন আলী আল-আহওয়াজি
(২) মহান সাহাবী আবু হাসান আল-আশ’আরি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর সাথে তাঁর বংশীয় সম্পর্কের বিশুদ্ধতা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন এবং বলেছেন: (সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, বসরায় তিনি কেবল ইবনে আবি বিশর নামেই পরিচিত ছিলেন। তাঁর অনুসারীরা এই নামটিকে অপছন্দ করেন এবং তাঁকে এই নামে অভিহিত করেন না। আমি বসরার প্রবীণ ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি: তাদের এই নাম থেকে পালানোর একটি কারণ রয়েছে; আর তা হলো তাঁর দাদা আবু বিশর একজন ইহুদি ছিলেন, যিনি আশ’আরি গোত্রের এক ব্যক্তির হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং পরে সেই বংশের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করেছিলেন। আল্লাহই ভালো জানেন)
(৩)। ইবনে আসাকির এর প্রতিবাদ করে বলেছেন: «মানুষের তাকে আশ’আরি হিসেবে ডাকার সর্বসম্মত ঐকমত্যই এই মিথ্যাবাদীর দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করে»
(৪)। অতঃপর তিনি একটি সহীহ হাদিসের মাধ্যমে এই বংশীয় অপবাদের ভুল তুলে ধরেন, যা হলো রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর বাণী: «আমার উম্মতের মধ্যে জাহিলিয়াতের চারটি বিষয় রয়েছে যা তারা পরিহার করবে না: বংশমর্যাদা নিয়ে কটাক্ষ করা»
(৫)। এরপর তিনি স্পষ্ট করেন যে, নিছক বংশীয় সম্পর্ক কোনো উপকারে আসে না যদি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
عُري المنتسب عن فعل الخير والاكتساب وهذا مما لا يدفع، إلا أن الأصل إذا طاب وسما زكا الفرع المنسوب إليه ونما لاسيما إذا كان الفرع طيباً في نفسه مميزاً بالصفات الحميدة عن أبناء جنسه مشهوداً له بالزكاء في نبته وغرسه مشهوراً بحسن فهمه وصحة حسه، وقد استدل بحفظ الله تعالى للأبناء كثمرة لصلاح آبائهم بقوله تعالى: {وَأَمَّا الْجِدَارُ فَكَانَ لِغُلَامَيْنِ يَتِيمَيْنِ فِي الْمَدِينَةِ وَكَانَ تَحْتَهُ كَنْزٌ لَهُمَا وَكَانَ أَبُوهُمَا صَالِحًا فَأَرَادَ رَبُّكَ أَنْ يَبْلُغَا أَشُدَّهُمَا وَيَسْتَخْرِجَا كَنْزَهُمَا رَحْمَةً مِنْ رَبِّكَ وَمَا فَعَلْتُهُ عَنْ أَمْرِي ذَلِكَ تَأْوِيلُ مَا لَمْ تَسْطِعْ عَلَيْهِ صَبْرًا (82)}
(1) كما أراد أن يبين فضل الأشعري بفضل نسبه بقوله صلى الله عليه وسلم: «الناس معادن، خيارهم في الجاهلية، خيارهم في الإسلام، إذا فقهوا»
(2) ثم استطرد في ذكر الأدلة في تأكيد هذا المعنى
(3).
قلت: والأمر لا يحتمل كل هذا فالأكرم عند الله هو الأتقى كما قال تعالى: {إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ}
(4). فإن انضم إلى التقى نسب شريف فنورٌ على نور، وإلا فلا يضر من لا نسب له شيء إذا كان صالحاً
--------------------------------------------
বংশ পরম্পরায় সৎকর্ম ও উপার্জনের অভাব একটি অনস্বীকার্য বিষয়; তবে মূল যখন পবিত্র ও উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন হয়, তখন তার সাথে সম্পৃক্ত শাখাও পবিত্র হয় এবং প্রবৃদ্ধি লাভ করে। বিশেষ করে যখন শাখাটি নিজেও সত্তাগতভাবে পবিত্র হয় এবং নিজ শ্রেণীর অন্যদের থেকে প্রশংসনীয় গুণাবলির মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়, যার বেড়ে ওঠা ও বিকাশের মাঝে পবিত্রতা দৃশ্যমান এবং যে তার উত্তম বোধশক্তি ও সঠিক অনুভূতির জন্য সুপরিচিত। আর পিতামাতার নেক আমলের ফল হিসেবে সন্তানদের প্রতি মহান আল্লাহর পক্ষ হতে যে সুরক্ষা থাকে, তার প্রমাণ হিসেবে মহান আল্লাহর এই বাণী পেশ করা হয়েছে: "আর ঐ প্রাচীরটির কথা, সেটি ছিল শহরের দুই ইয়াতীম বালকের, তার নিচে ছিল তাদের জন্য রক্ষিত এক গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি। সুতরাং তোমার প্রতিপালক চাইলেন যে, তারা তাদের যৌবনে পদার্পণ করুক এবং তোমার প্রতিপালকের পক্ষ হতে রহমতস্বরূপ তাদের সেই গুপ্তধনটি বের করে আনুক। আর আমি যা করেছি তা নিজ ইচ্ছায় করিনি; যে বিষয়ে তুমি ধৈর্য ধারণে সক্ষম হওনি, এটিই হলো তার তাৎপর্য (৮২)"
(১)। যেমনটি তিনি আল-আশআরীর শ্রেষ্ঠত্ব তার বংশের শ্রেষ্ঠত্বের মাধ্যমে স্পষ্ট করতে চেয়েছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীর মাধ্যমে: "মানুষ খনির ন্যায়; তাদের মধ্যে যারা জাহিলিয়াতের যুগে উত্তম ছিল, তারা ইসলামেও উত্তম, যদি তারা দ্বীনি প্রজ্ঞা লাভ করে"
(২)। এরপর তিনি এই মর্মটিকে সুদৃঢ় করতে আরও দলিল বর্ণনা করেছেন
(৩)।
আমি বলছি: বিষয়টি এতোটা ভারবাহী নয়; কেননা আল্লাহর নিকট সর্বাধিক মর্যাদাবান ব্যক্তি তিনিই, যিনি সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক মর্যাদাসম্পন্ন, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান"
(৪)। সুতরাং যদি তাকওয়ার সাথে উচ্চ বংশের সমন্বয় ঘটে, তবে তা আলোর ওপর আলো; অন্যথায় কোনো ব্যক্তি সৎকর্মশীল হলে বংশীয় আভিজাত্য না থাকা তার কোনো ক্ষতি করে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
تقياً، وخير ما يؤكد ذلك بلال بن رباح الحبشي رضي الله عنه
(1)، وسلمان الفارسي رضي الله عنه
(2). فهؤلاء الأفذاذ لم يحظوا بنسب عريق لكنهم حظوا بصحبة النبي الكريم صلى الله عليه وسلم.
--------------------------------------------
পরহেযগার হিসেবে; আর এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলেন বিলাল বিন রাবাহ আল-হাবাশি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)
(১) এবং সালমান আল-ফারিসি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)
(২)। এই অনন্য ব্যক্তিত্বগণ কোনো সুউচ্চ বংশমর্যাদা লাভ করেননি, কিন্তু তাঁরা সম্মানিত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভে ধন্য হয়েছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
المبحث الثانيكنيته ولقبهكان يكنى بأبي الحسن، ويلقب بالأشعري، واختلف في سبب تسميته بالأشعري إلى قولين:
القول الأول: لأن والدته ولدته والشعر على بدنه وقد أوردها ابن خلكان
(1) حيث قال: «وإنما قيل له أشعر، لأن أمه ولدته، والشعر على بدنه. ثم قال: هذا ما قاله السمعاني
(2) والله أعلم»
(3) وقد أشار بعض الباحثين إلى استبعاد هذه الرواية لما يلي:
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদতাঁর কুনিয়া ও উপাধিতাঁর কুনিয়া ছিল আবুল হাসান এবং উপাধি ছিল আশআরি। তাঁকে আশআরি নামকরণের কারণ সম্পর্কে দুটি অভিমত পাওয়া যায়:
প্রথম অভিমত: কারণ তাঁর মা যখন তাঁকে জন্ম দিয়েছিলেন তখন তাঁর শরীরে চুল ছিল। ইবনে খাল্লিকান
(১) এটি উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন: «তাঁকে আশআরি বলা হতো কারণ তাঁর মা যখন তাঁকে জন্ম দেন তখন তাঁর শরীরে চুল ছিল। অতঃপর তিনি বলেন: এটিই সামআনি
(২) বলেছেন এবং আল্লাহই ভালো জানেন»
(৩)। কিছু গবেষক নিচের কারণগুলোর প্রেক্ষিতে এই বর্ণনাটিকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
1 - أن العقل يستبعد أن يولد الطفل والشعر على بدنه.
2 - أن الرواية التي ذكرت الخبر وردت بصيغة التمريض.
3 - أن رواية السمعاني لم يقتنع بها ابن خلكان فهو يلقي تبعة القول على السمعاني ولحقه بعبارة «هذا ما قاله السمعاني والله أعلم» والعبارة ظنية
(1). قلت: ولكني رجعت إلى قول الإمام السمعاني، فوجدته يتحدث عن أصل القبيلة وليس عن شخص أبي الحسن الأشعري رحمه الله -حيث قال: والأشعري هو نبت بن أدد. قال ابن الكلبي
(2): «وإنما سمي الأشعر بن زيد بن يشجب بن عريب بن زيد بن كهلان بن سبأ: الأشعر، لأن أمه ولدته وهو: أشعر، والشعر على كل شيء منه، فسمي الأشعري
(3). وهذا يدل على أن قول السمعاني ليس المقصود به أبا الحسن، كما أن هذا القول هو قول الكلبي، وليس قول السمعاني، كما أن العقل لا يستبعد أن يولد الطفل وعليه شعر.
--------------------------------------------
১ - বুদ্ধি বা যুক্তি এটি অসম্ভব মনে করে যে, কোনো শিশু তার শরীরে চুল নিয়ে জন্মাবে।
২ - যে বর্ণনায় সংবাদটি উল্লেখ করা হয়েছে, তা দুর্বলতার সূচক শব্দে (সিগাতুত তামরিজ) বর্ণিত হয়েছে।
৩ - আস-সাম'আনীর বর্ণনায় ইবনে খাল্লিকান সন্তুষ্ট হতে পারেননি, তাই তিনি এই বক্তব্যের দায়ভার আস-সাম'আনীর ওপর অর্পণ করেছেন এবং এর সাথে এই বাক্য যুক্ত করেছেন যে, «এটিই আস-সাম'আনী যা বলেছেন, আর আল্লাহই ভালো জানেন» এবং এই বাক্যটি সংশয়পূর্ণ
(১)। আমি বলি: কিন্তু আমি ইমাম আস-সাম'আনীর বক্তব্যের দিকে ফিরে গেলাম এবং দেখতে পেলাম যে তিনি গোত্রের মূল উৎপত্তির বিষয়ে কথা বলছেন, আবুল হাসান আল-আশ'আরী (রহিমাহুল্লাহ) ব্যক্তিটি সম্পর্কে নয় - যেখানে তিনি বলেছেন: আল-আশ'আরী হলেন নাবত ইবনে উদাদ। ইবনুল কালবী
(২) বলেছেন: «আশ'আর ইবনে যায়েদ ইবনে ইয়াশজুব ইবনে আরীব ইবনে যায়েদ ইবনে কাহলান ইবনে সাবা-কে মূলত ‘আশ'আর’ নামকরণ করা হয়েছে কারণ তাঁর মা তাঁকে এমন অবস্থায় জন্ম দিয়েছিলেন যে তিনি ছিলেন ‘আশ'আর’ (লোমশ), এবং তাঁর শরীরের প্রতিটি অঙ্গে চুল ছিল, তাই তাঁর নাম রাখা হয়েছিল আল-আশ'আরী
(৩)। আর এটি প্রমাণ করে যে, আস-সাম'আনীর বক্তব্য দ্বারা আবুল হাসানকে উদ্দেশ্য করা হয়নি, তদুপরি এই বক্তব্যটি আসলে আল-কালবীর বক্তব্য, আস-সাম'আনীর নয়। এছাড়া বুদ্ধি বা যুক্তি এটি অসম্ভব মনে করে না যে, কোনো শিশু শরীরভর্তি চুল নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
القول الثاني: أنه نسبه إلى جده المجاهر بن الأشعر، والأشعر من أهل اليمن وقد أطال ابن عساكر في الحديث عن نسبه
(1).
الترجيح: أنه لقب بذلك بسبب انتسابه لقبيلة أشعر
(2) لأن من قدح بذلك ليس معه دليل.
أما
ألقابه وكناه: فله عدة ألقاب أشهرها:
1 - أبو الحسن وهو الأشهر عند عامة أهل العلم.
2 - ناصر الدين: حيث قال ابن عساكر بأنه نودي على جنازته بناصر الدين
(3).
3 - إمام المتكلمين: حيث قال الذهبي
(4) في ترجمته: العلامة إمام
--------------------------------------------
দ্বিতীয় মত: তিনি তাঁকে তাঁর পিতামহ মুজাহির বিন আশআরের সাথে সম্বন্ধিত করেছেন, আর আশআর হচ্ছে ইয়ামেনবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। ইবনে আসাকির তাঁর বংশের বর্ণনায় দীর্ঘ আলোচনা করেছেন
(১)।
অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মত: আশআর গোত্রের প্রতি তাঁর সম্পৃক্ততার কারণেই তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে
(২); কারণ যারা এর সমালোচনা করেছেন, তাঁদের নিকট কোনো দলিল নেই।
পক্ষান্তরে তাঁর
উপাধি ও উপনামসমূহ: তাঁর বেশ কিছু উপাধি রয়েছে, যার মধ্যে প্রসিদ্ধতম হলো:
১ - আবুল হাসান: এটিই সাধারণ আলেমদের নিকট সর্বাধিক প্রসিদ্ধ।
২ - নাসিরুদ্দিন: যেহেতু ইবনে আসাকির বলেছেন যে, তাঁর জানাজায় তাঁকে 'নাসিরুদ্দিন' বলে সম্বোধন করা হয়েছিল
(৩)।
৩ - ইমামুল মুতাকাল্লিমিন (ইলমে কালামের ইমাম): যেহেতু যাহাবি
(৪) তাঁর জীবনীতে বলেছেন: আল্লামা ইমাম
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
المتكلمين
(1)، كما وصفه بذلك ابن خلدون
(2) عندما قال: إمام المتكلمين
(3).
4 - ناصر السنة
(4). وله ألقاب أخرى منها: إمام أهل السنة، وقدوة أهل السنة. ولكن من النادر أن يعرف الأشعري باسمه الحقيقي (علي) حيث لا يوجد هذا الاسم إلا في كتب التراجم، أما ما عدا ذلك فلا يذكر إلا بلقبه أو كنيته.
(5)--------------------------------------------
কালাম শাস্ত্রবিদদের
(১), যেমনটি ইবনে খালদুন
(২) তাকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন: কালাম শাস্ত্রবিদদের ইমাম
(৩)।
৪ - সুন্নাহর সাহায্যকারী
(৪)। তাঁর আরও কিছু উপাধি রয়েছে, যার মধ্যে আছে: আহলে সুন্নাহর ইমাম এবং আহলে সুন্নাহর আদর্শ। তবে আশআরীকে তাঁর প্রকৃত নাম (আলী) দ্বারা চেনা বিরল, কারণ জীবনী গ্রন্থসমূহ ছাড়া এই নাম সচরাচর পাওয়া যায় না। এছাড়া অন্য সব জায়গায় তিনি কেবল তাঁর উপাধি বা উপনাম (কুনিয়াত) দ্বারাই পরিচিত।
(৫)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
المبحث الثالثولادته: تاريخها، ومكانهااختلف المترجمون للأشعري في تحديد سنة ولادته، فقيل ولد سنة [260] هـ وقد انتصر لهذا القول ابن عساكر حتى قال: لا أعلم لقائل هذا القول في تاريخ مولده مخالفاً
(1). في حين ذكر ابن خلكان بأن هناك قولاً بأن ولادته سنة [270] هـ
(2). وأما المقريزي
(3) فقد ذكر بأن ولادته سنة [266] هـ
(4). ولعل الأقرب في تاريخ ولادته هو ما ذكره ابن عساكر، بل وعليه أغلب المصادر القديمة. وقال الزبيدي
(5): (قيل: ولد
--------------------------------------------
তৃতীয় পরিচ্ছেদতাঁর জন্ম: এর তারিখ ও স্থানআল-আশআরীর জীবনীকারগণ তাঁর জন্মসাল নির্ধারণের ক্ষেত্রে মতভেদ করেছেন। বলা হয়েছে যে, তিনি ২৬০ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ইবনে আসাকির এই মতটিকে সমর্থন করেছেন, এমনকি তিনি বলেছেন: "আমি তাঁর জন্ম তারিখ সম্পর্কে এই মতের কোনো বিরোধিতাকারীর কথা জানি না।"
(১) যেখানে ইবনে খাল্লিকান উল্লেখ করেছেন যে, একটি বর্ণনামতে তাঁর জন্ম ২৭০ হিজরি সনে।
(২) আর আল-মাকরিজি
(৩) উল্লেখ করেছেন যে তাঁর জন্ম ২৬৬ হিজরি সনে।
(৪) সম্ভবত তাঁর জন্ম তারিখের ক্ষেত্রে ইবনে আসাকির যা উল্লেখ করেছেন সেটিই সবচেয়ে নিকটবর্তী, বরং প্রাচীন অধিকাংশ উৎস এই মতের ওপর ভিত্তি করেই। আল-জাবিদি
(৫) বলেছেন: (বলা হয়েছে: তিনি জন্মগ্রহণ করেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
سنة ستين ومائتين. وقيل: سنة سبعين ومائتين، والأول أشهر)
(1). أما مكان ولادته ففي مدينة البصرة ولم أجد في ذلك مخالفاً بأنها كانت في البصرة
(2).
--------------------------------------------
২৬০ হিজরি। বলা হয়ে থাকে: ২৭০ হিজরি, তবে প্রথমটিই অধিক প্রসিদ্ধ)
(১)। তার জন্মস্থান সম্পর্কে বলা যায় যে, তা ছিল বসরা নগরীতে এবং বসরায় তার জন্ম হওয়ার ব্যাপারে আমি কোনো দ্বিমত খুঁজে পাইনি
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
المبحث الرابعثناء العلماء عليه1 - قال عنه الذهبي: «كان خارقاً في الذكاء وقوة الفهم. ولما برع في معرفة الاعتزال، كرهه وتبرأ منه، وصعد للناس، فتاب إلى الله تعالى منه، ثم أخذ يرد على المعتزلة، ويهتك عوراتهم»
(1). وقال أيضاً: «ولأبي الحسن ذكاء مفرط، وتبحر في العلم، وله أشياء حسنة، وتصانيف جمة تقضي له بسعة العلم»
(2).
2 - قال بكر الصيرفي
(3): «كانت المعتزلة
(4) قد رفعوا رؤوسهم حتى
--------------------------------------------
চতুর্থ পরিচ্ছেদতাঁর প্রতি আলেমগণের প্রশংসা১ - আয-যাহাবী তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: «তিনি মেধা ও বোধশক্তির প্রখরতায় ছিলেন অনন্যসাধারণ। যখন তিনি মুতাজিলা মতবাদে পারদর্শী হলেন, তখন তিনি তা অপছন্দ করলেন এবং তা থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন। এরপর তিনি জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে মহান আল্লাহর কাছে তা থেকে তাওবাহ করলেন। অতঃপর তিনি মুতাজিলাদের রদ (খণ্ডন) করা এবং তাদের গোপন দোষত্রুটি উন্মোচন করা শুরু করলেন»
(১)। তিনি আরও বলেছেন: «আবু আল-হাসানের ছিল প্রখর মেধা ও ইলমের গভীরতা। তাঁর বেশ কিছু চমৎকার বিষয় ও বহু গ্রন্থ রয়েছে যা তাঁর ইলমের প্রশস্ততার প্রমাণ দেয়»
(২)।
২ - বকর আস-সায়রাফী
(৩) বলেছেন: «মুতাজিলারা
(৪) তাদের মাথা উঁচু করেছিল যতক্ষণ না
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
أظهر الله الأشعري فحجزهم في أقماع
(1) السمسم»
(2) قلت: ومعه في هذا الوجه حق فمن قرأ الإبانة علم مدى قوة حججه العقلية والنقلية.
3 - قال القاضي عياض رحمه الله
(3): «وصنف لأهل السنة
--------------------------------------------
আল্লাহ আশআরিকে প্রকাশ করলেন, অতঃপর তিনি তাদের তিল-দানার বোটায়
(১) বন্দি করে ফেললেন»
(২) আমি বলছি: এই দিক থেকে তিনি সত্যের ওপর আছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি 'আল-ইবানাহ' পাঠ করবে, সে তার যৌক্তিক ও উদ্ধৃতিমূলক প্রমাণের শক্তিমত্তা সম্পর্কে জানতে পারবে।
৩ - কাযী ইয়াদ (রাহিমাহুল্লাহ)
(৩) বলেছেন: «তিনি আহলে সুন্নাতের জন্য রচনা করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
التصانيف، وأقام الحجج على إثبات السنة وما نفاه أهل البدع من صفات الله تعالى ورؤيته وقدم كلامه وقدرته، وأمور السمع الواردة من الصراط، والميزان، والشفاعة، والحوض، وفتنة القبر التي نفتها المعتزلة، وغير ذلك من مذاهب أهل السنة والحديث، فأقام الحجج الواضحة عليها من الكتاب والسنة والدلائل الواضحة العقلية، ودفع شبه المبتدعين ومن بعدهم من الملحدة والرافضة، وصنف في ذلك التصانيف المبسوطة التي نفع الله بها الأمة»
(1)4 - والسبكي
(2) رحمه الله حيث قال: «شيخنا وقدوتنا إلى الله
--------------------------------------------
বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং সুন্নাহর সপক্ষে এবং বিদআতীরা মহান আল্লাহর যেসব গুণাবলী (সিফাত), তাঁর দর্শন (রুইয়াহ), তাঁর বাণীর অনাদিত্ব এবং তাঁর ক্ষমতাকে অস্বীকার করেছিল, তার বিপরীতে প্রমাণাদি উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া তিনি পুলসিরাত, মিজান, শাফাআত, হাউজ এবং কবরের ফেতনা—যা মুতাজিলারা অস্বীকার করেছিল—সেইসব শ্রুত বিষয়সমূহ এবং আহলে সুন্নাহ ওয়াল হাদিসের অন্যান্য আকিদার সপক্ষে সুস্পষ্ট দলিল পেশ করেছেন। তিনি কিতাবুল্লাহ, সুন্নাহ এবং সুস্পষ্ট যৌক্তিক প্রমাণের মাধ্যমে এগুলোর সত্যতা সাব্যস্ত করেছেন। তিনি বিদআতী এবং তাদের পরবর্তী নাস্তিক ও রাফেজীদের সংশয়সমূহ খণ্ডন করেছেন এবং এই বিষয়ে বিস্তারিত গ্রন্থাবলি রচনা করেছেন, যার মাধ্যমে আল্লাহ উম্মতকে উপকৃত করেছেন।»
(১)৪ - এবং আস-সুবকী
(২) (রহিমাহুল্লাহ), যখন তিনি বলেন: «আমাদের শায়খ এবং আল্লাহর পথে আমাদের আদর্শ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
تعالى الشيخ أبو الحسن الأشعري البصري، شيخ طريقة أهل السنة والجماعة، وإمام المتكلمين وناصر سنة سيد المرسلين، والذاب عن الدين، والساعي في حفظ عقائد المسلمين، سعياً يبقى أثره إلى يوم يقوم الناس فيه لرب العالمين. إمام حبر، وتقي بر، حمى جناب الشرع من الحديث المفترى، وقام في نصرة ملة الإسلام فنصرها نصراً مؤزراً»
(1).
5 - وقال تقي الدين ابن قاضي شهبة
(2): «إمام المتكلمين، وناصر سنة سيد المرسلين، والذاب عن الدين والمصحح لعقائد المسلمين»
(3).
6 - وقال الباقلاني
(4): «أفضل أحوالي أن أفهم كلام الشيخ أبي الحسن،
--------------------------------------------
মহান শাইখ আবুল হাসান আল-আশআরী আল-বাসরী, আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের পদ্ধতির শাইখ, ইলমুল কালাম শাস্ত্রবিদদের ইমাম, রাসূলদের সরদারের সুন্নাহর সাহায্যকারী, দ্বীনের প্রতিরক্ষা দানকারী এবং মুসলিমদের আকীদা সংরক্ষণে প্রচেষ্টাকারী; এমন এক প্রচেষ্টা যার প্রভাব অবশিষ্ট থাকবে সেই দিন পর্যন্ত যেদিন মানুষ বিশ্বজগতের রবের সামনে দণ্ডায়মান হবে। তিনি একজন বিজ্ঞ ইমাম এবং নেককার মুত্তাকী, যিনি শরীয়তের মর্যাদা রক্ষা করেছেন বানোয়াট হাদীস থেকে এবং ইসলামের মিল্লাতের সাহায্যে দণ্ডায়মান হয়েছেন, অতঃপর তাকে এক শক্তিশালী সাহায্য করেছেন।
(১)৫ - এবং তাকীউদ্দীন ইবনে কাযী শুহবাহ বলেছেন
(২): «ইলমুল কালাম শাস্ত্রবিদদের ইমাম, রাসূলদের সরদারের সুন্নাহর সাহায্যকারী, দ্বীনের প্রতিরক্ষা দানকারী এবং মুসলিমদের আকীদার সংশোধনকারী»
(৩)৬ - এবং বাকিলানী বলেছেন
(৪): «আমার সর্বোত্তম অবস্থা হলো শাইখ আবুল হাসানের কথা বুঝতে পারা,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
وكان لا يتكلم في علم الكلام إلا حيث وجب عليه نصرة الحق»
(1). وقال الخطيب البغدادي
(2): «أبو الحسن الأشعري، المتكلم، صاحب الكتب والتصانيف في الرد على الملحدة
(3)، والجهمية
(4) وغيرهم من المعتزلة
--------------------------------------------
«এবং তিনি ইলমুল কালাম বা ধর্মতত্ত্বে কথা বলতেন না কেবল সত্যের বিজয়ে যেখানে তা আবশ্যক হয়ে পড়ত»
(১)। এবং খতিব আল-বাগদাদি
(২) বলেছেন: «আবু হাসান আল-আশআরি ছিলেন একজন ধর্মতত্ত্ববিদ, নাস্তিক
(৩), জাহমিয়্যা
(৪) এবং মুতাজিলাদের অন্যান্য উপদলের খণ্ডনে রচিত বহু কিতাব ও সংকলনের রচয়িতা
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
والرافضة
(1)،
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
--------------------------------------------
এবং রাফেযীগণ
(১),
ــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
والخوارج
(1)، ـــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
--------------------------------------------
এবং খাওয়ারিজগণ
(১)، ـــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল আশআরী হায়াতুহু ওয়া আতওয়ারুহু আল-আকাদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
وسائر أصناف المبتدعة»
(1). وقال ابن تغري بردي
(2): «أبو الحسن،
--------------------------------------------
এবং অন্যান্য সকল প্রকার বিদআতিরা»
(১)। ইবনে তাগরি বারদি
(২) বলেছেন: «আবুল হাসান,
--------------------------------------------