(খণ্ড: ১)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: -)
روضة المحدثين (مجموعة من المؤلفين)
القسم: كتب السنة
الكتاب: روضة المحدثين - وهو يشبه أن يكون تفريغا لأحكام الحافظ ابن حجر وغيره على الأحاديث
مصدر الكتاب: برنامج منظومة التحقيقات الحديثية - المجاني - من إنتاج مركز نور الإسلام لأبحاث القرآن والسنة بالإسكندرية
[الكتاب مرقم آليا]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
রওজাতুল মুহাদ্দিসীন (একদল লেখক)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: রওজাতুল মুহাদ্দিসীন - এটি হাফেজ ইবনে হাজার এবং অন্যদের হাদিসের ওপর প্রদত্ত হুকুম বা সিদ্ধান্তসমূহের একটি অনুলিপি বা সংকলন বলে প্রতীয়মান হয়
কিতাবের উৎস: হাদিস বিষয়ক গবেষণা পদ্ধতি প্রোগ্রাম - বিনামূল্যে - আলেকজান্দ্রিয়ার নূরুল ইসলাম কুরআন ও সুন্নাহ গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক প্রস্তুতকৃত
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١)
1 - عن زيد بن أرقم قال: قالت امرأة أبى لهب لما مكث النبى صلى الله عليه وسلم لم ينزل عليه الوحى: يامحمد ما أرى شيطانك إلا وقد قلاك، فنزلت والضحى.** ك(فتح الباري 9/3)** رجاله ثقات
১ - যায়েদ ইবনে আরকাম (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু লাহাবের স্ত্রী বলেছিল যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কিছুকাল ওহি অবতীর্ণ হওয়া বন্ধ ছিল: হে মুহাম্মদ, আমি দেখছি তোমার শয়তান তোমাকে ত্যাগ করেছে। তখন সূরা আদ-দুহা অবতীর্ণ হয়।** কাফ্(ফাতহুল বারী ৯/৩)** এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢)
2 - قوله صلى الله عليه وسلم: " كل خطبة ليس فيها شهادة فهى كاليد الجذماء ".** د(فتح الباري 8/1)** فيه مقال
২ - আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: "প্রত্যেক খুতবা যাতে শাহাদাত নেই, তা একটি কর্তিত হাতের মতো।"** আবু দাউদ(ফাতহুল বারী ৮/১)** এর সনদে সমালোচনা রয়েছে
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٣)
3 - عن عبد الله بن مسعود: كان فينا رجل خطب امرأة يقال لها: أم قيس فأبت أن تتزوجه حتى يهاجر فهاجر فتزوجها فكنا نسميه مهاجر أم قيس.** طب(فتح الباري 10/1)** إسناده صحيح على شرط الشيخين** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 10: قصة مهاجر أم قيس رواها سعيد بن منصور قال: أخبرنا أبو معاوية عن الأعمش عن شقيق عن عبد الله _ هو ابن مسعود _ قال: من هاجر يبتغى شيئا فإنما له ذلك، هاجر رجل ليتزوج امرأة يقال لها أم قيس فكان يقال له مهاجر أم قيس. ورواه الطبرانى من طريق أخرى عن الأعمش.
৩ - আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণিত: আমাদের মধ্যে এক ব্যক্তি ছিল যে উম্মে কায়স নামক এক মহিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু সে হিজরত না করা পর্যন্ত তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করল। অতঃপর সে হিজরত করল এবং তাকে বিয়ে করল। ফলে আমরা তাকে 'উম্মে কায়সের হিজরতকারী' বলে ডাকতাম।তাবারানি(ফাতহুল বারী ১০/১)শায়খাইনের শর্তানুযায়ী এর সনদ সহীহহাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' (১/১০) গ্রন্থে বলেছেন: উম্মে কায়সের হিজরতকারীর ঘটনাটি সাঈদ বিন মানসুর বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাশ থেকে, তিনি শাকিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ —যিনি ইবনে মাসউদ— থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে হিজরত করে, সে কেবল তাই লাভ করে। এক ব্যক্তি উম্মে কায়স নামীয় এক নারীকে বিয়ে করার জন্য হিজরত করেছিল, তাই তাকে 'উম্মে কায়সের হিজরতকারী' বলা হতো। তাবারানি আমাশ থেকে অন্য সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٤)
4 - حديث ابن مسعود: " رب قتيل بين الصفين الله أعلم بنيته ".** حم(فتح الباري 11/1)** صحيح** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 11: ورد عدة أحاديث صحت فى مطلق النية كحديث ابن مسعود.
৪ - ইবনে মাসউদের হাদিস: "দুই সারির মাঝে নিহত এমন অনেক ব্যক্তি রয়েছে যাদের নিয়ত সম্পর্কে আল্লাহই অধিক পরিজ্ঞাত।"** মুসনাদে আহমাদ(ফাতহুল বারী ১১/১)** সহিহ** হাফিজ (ইবনে হাজার) "ফাতহ" (১/১১) গ্রন্থে বলেছেন: নিয়তের সাধারণ বিষয়ের ওপর বেশ কিছু সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে, যেমন ইবনে মাসউদের হাদিসটি।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٥)
5 - حديث عبادة: " من غزا وهو لا ينوى إلا عقالا فله ما نوى ".** ن(فتح الباري 11/1)** صحيح** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 11: وردت عدة أحاديث صحت فى مطلق النية كحديث عبادة.
৫ - উবাদাহ বর্ণিত হাদিস: "যে ব্যক্তি জিহাদে অংশগ্রহণ করল অথচ সে কেবল একটি উটের রশি (পাওয়ার) নিয়ত করল, তবে সে যা নিয়ত করেছে তা-ই পাবে।"** নাসাঈ(ফাতহুল বারী ১১/১)** সহিহ** হাফেজ (ইবনে হাজার) "ফাতহ" গ্রন্থে ১/১১ পৃষ্ঠায় বলেছেন: কেবল নিয়ত সংক্রান্ত বিষয়ে উবাদাহর হাদিসের ন্যায় বেশ কিছু সহিহ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٦)
6 - عن أبى سلمة الماجشون أنه بلغه أن النبى صلى الله عليه وسلم كان يقول: " كان الوحى يأتينى على نحوين: يأتينى به جبريل فيلقيه على كما يلقى الرجل على الرجل، فذاك ينفلت منى، ويأتينى فى بيتى مثل صوت الجرس حتى يخالط قلبى فذاك الذى لا ينفلت منى ".** سعد(فتح الباري 19/1)** رجاله ثقات** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 19: هذا مرسل مع ثقة رجاله.
৬ - আবু সালামাহ আল-মাজিশুন থেকে বর্ণিত যে, তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: "ওহি আমার কাছে দুই পদ্ধতিতে আসত: জিবরাঈল তা নিয়ে আমার কাছে আসতেন এবং আমার নিকট তা অর্পণ করতেন যেভাবে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট কিছু অর্পণ করে, ফলে তা আমার থেকে বিস্মৃত হয়ে যেত। আবার কখনো ওহি আমার ঘরে ঘণ্টার শব্দের ন্যায় আসত যতক্ষণ না তা আমার অন্তরের সাথে মিশে যেত, আর এটিই আমার থেকে কখনো বিস্মৃত হতো না।"** সা'দ(ফাতহুল বারী ১/১৯)** এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য** হাফিয (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' গ্রন্থে (১/১৯) বলেছেন: এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও এটি মুরসাল।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٧)
7 - حديث: " إن روح القدس نفث فى روعى "، من طريق ابن مسعود.** ابن أبى الدنيا فى القناعة(فتح الباري 20/1)** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 20: صححه الحاكم.
৭ - হাদীস: "নিশ্চয়ই রূহুল কুদুস (জিবরাঈল) আমার অন্তরে ফুঁকে দিয়েছেন", ইবনে মাসউদের সূত্রে।ইবন আবিদ দুনিয়া ‘আল-কানাআত’ গ্রন্থে(ফাতহুল বারী ১/২০)হাফিয ‘আল-ফাতহ’ গ্রন্থে (১/২০) বলেছেন: আল-হাকিম একে সহীহ বলেছেন।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٨)
8 - قد وقع فى رواية أبى الأسود عن عروة عن عائشة قالت: إن النبى صلى الله عليه وسلم، كان أول شأنه يرى فى المنام، وكان أول ما رأى جبريل بأجياد، صرخ جبريل: يامحمد "، فنظر يمينا وشمالا فلم ير شيئا فرفع بصره فإذا هو على أفق السماء، فقال: يامحمد، جبريل جبريل، فهرب فدخل فى الناس، فلم ير شيئا، ثم خرج عنهم فناداه فهرب، ثم استعلن له جبريل من قبل حراء _ فذكر قصة (اقرأ بسم ربك) ورأى حينئذ جبريل له جناحان من ياقوت يختطفان البصر _.** لم(فتح الباري 23/1)** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 23: هذا من رواية ابن لهيعة عن أبى الأسود، وابن لهيعة ضعيف. وقال الحافظ فى " الفتح " 1 / 23: وللترمذى من طريق مسروق عن عائشة: لم ير محمد جبريل فى صورته إلا مرتين: مرة عند سدرة المنتهى، ومرة فى أجياد، وهذا يقوى رواية ابن لهيعة.
৮ - আবু আসওয়াদের রেওয়ায়েতে ওরওয়া সূত্রে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবুওয়াতের সূচনালগ্ন ছিল স্বপ্নে দর্শনের মাধ্যমে। আর তিনি জিবরীলকে সর্বপ্রথম আজিয়াদে দেখেছিলেন। জিবরীল উচ্চস্বরে ডাকলেন: "হে মুহাম্মদ!" তখন তিনি ডানে ও বামে তাকালেন কিন্তু কিছুই দেখতে পেলেন না। অতঃপর তিনি তাঁর দৃষ্টি উপরে তুললেন এবং দেখলেন তিনি আকাশের দিগন্তে রয়েছেন। তিনি বললেন: "হে মুহাম্মদ, জিবরীল, জিবরীল।" তখন তিনি পালিয়ে মানুষের মধ্যে ঢুকে পড়লেন এবং কিছুই দেখতে পেলেন না। এরপর তিনি যখন তাদের নিকট থেকে বের হলেন তখন জিবরীল তাঁকে পুনরায় ডাকলেন এবং তিনি পালিয়ে গেলেন। অতঃপর হেরা গুহার দিক থেকে জিবরীল তাঁর সামনে আত্মপ্রকাশ করলেন—অতঃপর তিনি 'ইকরা বিসমি রাব্বিকা' (তোমার রবের নামে পাঠ করো) এর ঘটনা বর্ণনা করলেন। সে সময় তিনি জিবরীলকে ইয়াকুত পাথরের তৈরি দুটি ডানা বিশিষ্ট অবস্থায় দেখলেন যা দৃষ্টিকে ধাঁধিয়ে দিচ্ছিল।** নেই(ফাতহুল বারী ১/২৩)** হাফিজ (ইবনে হাজার) 'আল-ফাতহ' গ্রন্থে (১/২৩) বলেছেন: এটি আবু আসওয়াদ সূত্রে ইবনে লাহিয়ার বর্ণনা, আর ইবনে লাহিয়া দুর্বল। হাফিজ 'আল-ফাতহ' গ্রন্থে (১/২৩) আরও বলেছেন: তিরমিজীতে মাসরুক সূত্রে আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত: মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীলকে তাঁর আসল আকৃতিতে মাত্র দুইবার দেখেছেন: একবার সিদরাতুল মুনতাহায় এবং একবার আজিয়াদে। এটি ইবনে লাহিয়ার বর্ণনাকে শক্তিশালী করে।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٩)
9 - فى مرسل الزهرى فى دلائل البيهق: " كيف أقرأ؟ ".** هق فى الدلائل(فتح الباري 24/1)** مرسل
৯ - বায়হাকীর দালায়েল গ্রন্থে বর্ণিত যুহরীর মুরসাল বর্ণনায় রয়েছে: "আমি কীভাবে পাঠ করব?"।** দালায়েল গ্রন্থে বায়হাকী এটি বর্ণনা করেছেন(ফাতহুল বারী ১/২৪)** মুরসাল
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٠)
10 - حديث أنس رفعه: " أنا أجود ولد آدم، وأجودهم بعدى رجل علم علما فنشر علمه ورجل جاد بنفسه فى سبيل الله ".** ت(فتح الباري 30/1)** إسناده فيه مقال
১০ - আনাস (রা.) বর্ণিত মারফূ হাদীস: "আমি আদম সন্তানদের মধ্যে সর্বাধিক দানশীল, আর আমার পরে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল হলো সেই ব্যক্তি যে জ্ঞান অর্জন করল এবং তা প্রচার করল, এবং সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর পথে নিজের জীবন উৎসর্গ করল।"ত(ফাতহুল বারী ১/৩০)** এর সনদে সমালোচনা রয়েছে
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١١)
11 - عن عروة مرسلا: خرج أبو سفيان إلى الشام _ فذكر الحديث إلى أن قال _ فقال أبو سفيان: هو ساحر كذاب، فقال هرقل: إنى لا أريد شتمه ولكن كيف نسبه _ إلى أن قال _ فهل يقدر إذا عاهد؟ ، قال: لا إلا أن يغدر فى هدنته هذه، فقال: وما يخاف من هذه؟ ، فقال: إن قومى أمدوا حلفاءهم على حلفائه، قال: إن كنتم بدأتم فأنتم أعذر ".** لم(فتح الباري 36/1)** مرسل
১১ - উরওয়াহ হতে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত: আবু সুফিয়ান সিরিয়ার উদ্দেশ্যে বের হলেন - এরপর তিনি হাদিসটি বর্ণনা করলেন যে পর্যন্ত না তিনি বললেন - আবু সুফিয়ান বললেন: সে একজন জাদুকর, চরম মিথ্যাবাদী। হেরাক্লিয়াস বললেন: আমি তাকে গালি দিতে চাই না, কিন্তু তার বংশমর্যাদা কেমন? - যে পর্যন্ত না তিনি বললেন - সে কি অঙ্গীকার করলে তা ভঙ্গ করে? তিনি বললেন: না, তবে সে তার এই সন্ধিকালীন সময়ে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। তিনি বললেন: তিনি এ ব্যাপারে কিসের ভয় পাচ্ছেন? তিনি বললেন: আমার সম্প্রদায় তার মিত্রদের বিরুদ্ধে নিজেদের মিত্রদের সাহায্য করেছে। তিনি বললেন: যদি তোমরাই এর সূচনা করে থাকো, তবে তোমরাই এর জন্য অধিক দায়ী।** পাইনি(ফাতহুল বারী ১/৩৬)** মুরসাল
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٢)
12 - من مرسل بكر بن عبد الله المزنى نحوه، ولفظه فقال: " كذب عدو الله ليس بمسلم ".** أبو عبيد فى كتاب الأموال(فتح الباري 37/1)** إسناده صحيح مرسلا
১২ - বকর বিন আব্দুল্লাহ আল-মুজানীর মুরসাল বর্ণনা থেকে অনুরূপ, এর শব্দ হলো: তিনি বললেন: "আল্লাহর শত্রু মিথ্যা বলেছে, সে মুসলিম নয়।"** আবু উবাইদ কিতাবুল আমওয়াল-এ বর্ণনা করেছেন(ফাতহুল বারী ১/৩৭)** মুরসাল হিসেবে এর সনদ সহীহ
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٣)
13 - عن عمير بن إسحاق، قال: كتب رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى كسرى وقيصر فأما كسرى فلما قرأ الكتاب فرقه، وأما قيصر فلما قرأ الكتاب طواه ثم رفعه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أما هؤلاء فيمزقون وأما هؤلاء فستكون لهم بقية ".** أبو عبيد فى كتاب الأموال(فتح الباري 44/1)** مرسل
১৩ - উমাইর ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসরা ও কায়সারের নিকট পত্র লিখলেন। কিসরা যখন পত্রটি পাঠ করল তখন তা ছিঁড়ে ফেলল, আর কায়সার যখন পত্রটি পাঠ করল তখন তা ভাঁজ করল এবং তুলে রাখল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তাদেরকে তো ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হবে, আর তাদের জন্য অবশিষ্টাংশ থেকে যাবে।"** আবু উবাইদ ‘কিতাবুল আমওয়াল’ গ্রন্থে(ফাতহুল বারী ১/৪৪)** মুরসাল
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٤)
14 - عن الأسود بن هلال قال: قال لى معاذ بن جبل: اجلس بنا نؤمن ساعة.** حم شب(فتح الباري 48/1)** إسناده صحيح
১৪ - আল-আসওয়াদ ইবনে হিলাল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মুয়াজ ইবনে জাবাল আমাকে বললেন: আমাদের সাথে বসুন, আমরা কিছুক্ষণ ঈমান আনি।** আহমাদ ও শুয়াবুল ঈমান(ফাতহুল বারী ১/৪৮)** এর সনদ সহিহ
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٥)
15 - " اليقين الإيمان كله والصبر نصف الإيمان ".** طب حل البيهقى فى الزهد(فتح الباري 48/1)** إسناد صحيح** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 48: وأخرجه أبو نعيم فى الحلية والبيهقى فى الزهد من حديثه مرفوعا ولا يثبت رفعه.
১৫ - "নিশ্চয়তা (ইয়াকিন) হলো পূর্ণ ঈমান এবং ধৈর্য হলো ঈমানের অর্ধেক।"** তাবারানি, আবু নুয়াইম 'হিলইয়াহ' গ্রন্থে এবং বাইহাক্বী 'যুহদ' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।(ফাতহুল বারী ১/৪৮)** বর্ণনাসূত্র সহীহ** হাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' গ্রন্থে (১/৪৮) বলেছেন: আবু নুয়াইম 'আল-হিলইয়াহ' গ্রন্থে এবং বাইহাক্বী 'আয-যুহদ' গ্রন্থে এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে এর মারফু হওয়া প্রমাণিত নয়।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٦)
16 - من طريق عبد الله بن عكيم عن ابن مسعود أنه كان يقول: " اللهم زدنا إيمانا ويقينا وفقها ".** حم فى الإيمان(فتح الباري 48/1)** إسناده صحيح
১৬ - আবদুল্লাহ ইবনে উকাইমের সূত্র থেকে ইবনে মাসউদ হতে বর্ণিত যে, তিনি বলতেন: "হে আল্লাহ, আমাদের ঈমান, ইয়াকীন ও ফিকহ বৃদ্ধি করে দিন।"** আহমাদ 'আল-ঈমান' গ্রন্থে(ফাতহুল বারী ১/৪৮)** এর সনদ সহীহ
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٧)
17 - عن عطية السعدى قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لا يكون الرجل من المتقين حتى يدع ما لابأس به حذرا لما به البأس ".** ت(فتح الباري 48/1)** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 48: حسنه الترمذى.
১৭ - আতিয়্যাহ আস-সাদি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে ক্ষতির আশঙ্কায় নির্দোষ বিষয়গুলোকেও বর্জন করে।"** তিরমিজি(ফাতহুল বারী ১/৪৮)** হাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' গ্রন্থে ১/৪৮-এ বলেছেন: তিরমিজি একে হাসান বলেছেন।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٨)
18 - قال ابن عباس: شرعة ومنهاجا: سبيلا وسنة.** عب فى التفسير(فتح الباري 48/1)** إسناده صحيح
১৮ - ইবনে আব্বাস বলেছেন: শরীয়ত ও কর্মপন্থা হলো পথ ও সুন্নাত।** আবদুর রাজ্জাক তাঁর তাফসীরে বর্ণনা করেছেন(ফাতহুল বারী ১/৪৮)** এর সনদ সহীহ
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ١٩)
19 - حديث النعمان بن بشير: " إن الدعاء هو العبادة ".** د ت ن جه(فتح الباري 49/1)** إسناده جيد** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 49: أخرجه أصحاب السنن بسند جيد.
১৯ - নুমান বিন বাশীরের হাদীস: "নিশ্চয়ই দোয়াই হলো ইবাদত।"** আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ(ফাতহুল বারী ১/৪৯)** এর সনদটি উত্তম** হাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' গ্রন্থে (১/৪৯) বলেছেন: সুনান গ্রন্থসমূহের সংকলকগণ এটি একটি উত্তম সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
20 - عن مجاهد: أن أبا ذر سأل النبى صلى الله عليه وسلم عن الإيمان فتلا عليه (ليس البر إلى أخرها) .** عب(فتح الباري 51/1)** رجاله ثقات
২০ - মুজাহিদ থেকে বর্ণিত: আবু যর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঈমান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি তাঁর কাছে তিলাওয়াত করলেন: (পুণ্য কেবল এই নয় যে... শেষ পর্যন্ত)।** আবদুর রাজ্জাক(ফাতহুল বারী ১/৫১)** এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢١)
21 - " والمؤمن من أمنه الناس ".** حب ك(فتح الباري 54/1)** صحيح** تعقيب: هذه زيادة عند حب ك.
২১ - "আর মুমিন সেই ব্যক্তি, যার নিকট মানুষ নিরাপদ বোধ করে।"** ইবনে হিব্বান ও হাকেম(ফাতহুল বারী ১/৫৪)** সহীহ** মন্তব্য: এটি ইবনে হিব্বান ও হাকেমের নিকট একটি অতিরিক্ত অংশ।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
22 - عن أبى هريرة أن النبى صلى الله عليه وسلم قال: " لا أدرى الحدود كفارة لأهلها أم لا ".** ك بز حم عب(فتح الباري 66/1)** صحيح على شرط الشيخين** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 66: ذكر الدارقطنى أن عبد الرازق تفرد بوصله، وأن هشام بن يوسف رواه عن معمر فأرسله قلت: وقد وصله آدم بن أبى إياس عن ابن أبى ذئب، وأخرجه الحاكم أيضا فقويت رواية معمر. وقال الحافظ فى " الفتح " 1 / 66: والحق عندى أن حديث أبى هريرة صحيح.
২২ - আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি জানি না হুদুদ (নির্ধারিত দণ্ডবিধি) কি এর প্রয়োগকৃত ব্যক্তিদের জন্য কাফফারা (পাপমোচনকারী) হবে কি না।"** হাকেম, বাজ্জার, আহমাদ, আবদুর রাজ্জাক(ফাতহুল বারি ১/৬৬)** শায়খাইনের শর্তানুযায়ী সহিহ** হাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' গ্রন্থে (১/৬৬) বলেন: দারাকুতনি উল্লেখ করেছেন যে, আবদুর রাজ্জাক এটি মাওসুল (সংযুক্ত সূত্র) হিসেবে বর্ণনা করতে একক হয়ে গেছেন এবং হিশাম বিন ইউসুফ এটি মা'মার থেকে মুরসাল (বিচ্ছিন্ন সূত্র) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আমি বলছি: আদম বিন আবি ইয়াস একে ইবনে আবি যি'ব থেকে মাওসুল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং হাকেমও এটি উদ্ধৃত করেছেন, ফলে মা'মারের বর্ণনাটি শক্তিশালী হয়েছে। হাফেজ 'ফাতহ' গ্রন্থে (১/৬৬) আরও বলেন: আমার নিকট সঠিক সিদ্ধান্ত হলো আবু হুরায়রার হাদিসটি সহিহ।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
23 - عن أيوب، عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أبايعكم على أن لا تشركوا بالله شيئا "، فذكر نحو حديث عبادة.** ابن أبى خثيمة فى تاريخه(فتح الباري 67/1)** رجاله ثقات** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 67: قال إسحاق بن راهوية: إذا صح الإسناد إلى عمرو بن شعيب فهو كأيوب عن نافع عن ابن عمر اه.
২৩ - আইয়ুব থেকে বর্ণিত, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি তোমাদের থেকে এই মর্মে বাইআত (অঙ্গীকার) নিচ্ছি যে, তোমরা আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করবে না", অতঃপর তিনি উবাদাহর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।** ইবনে আবি খাইসামাহ তাঁর 'তারিখ'-এ এটি উল্লেখ করেছেন।(ফাতহুল বারী ১/৬৭)** এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।** হাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' (১/৬৭)-এ বলেছেন: ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ বলেছেন: যখন আমর ইবনে শুআইব পর্যন্ত সনদটি সহীহ হয়, তখন তা আইয়ুব থেকে নাফি', তিনি ইবনে উমর থেকে—এই সনদের মতোই উচ্চমানের। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
24 - روى على بن أبى طالب وفيه: " من أصاب ذنبا فعوقب به فى الدنيا فالله أكرم من أن يثنى العقوبة على عبده فى الآخرة ".** ت(فتح الباري 67/1)** إسناده حسن** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 67: صححه الحاكم.
২৪ - আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণিত এবং এতে রয়েছে: "যে ব্যক্তি কোনো পাপে লিপ্ত হলো এবং দুনিয়াতে তাকে সেই পাপের দণ্ড দেওয়া হলো, তবে আল্লাহ তাআলা এর চেয়েও মহান যে, তিনি তাঁর বান্দাকে পরকালে দ্বিতীয়বার শাস্তি দেবেন।"** ত(ফাতহুল বারী ১/৬৭)** এর সনদ হাসান** হাফেজ 'ফাতহ' গ্রন্থে ১/৬৭ পৃষ্ঠায় বলেছেন: হাকেম একে সহীহ বলেছেন।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
25 - " من أصاب ذنبا أقيم عليه ذلك الذنب فهو كفارة له ".** حم(فتح الباري 68/1)** إسناده حسن** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 67: هو عند الطبرانى بإسناد حسن من حديث أبى تميمة الهجيمى.
২৫ - "যে ব্যক্তি কোনো পাপ করে এবং তার ওপর সেই পাপের (নির্ধারিত দণ্ড) কার্যকর করা হয়, তবে তা তার জন্য কাফফারা (পাপমোচন) স্বরূপ।"** আহমাদ(ফাতহুল বারী ১/৬৮)** এর সনদ হাসান** হাফিজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' গ্রন্থে ১/৬৭-এ বলেছেন: এটি তাবারানীর নিকট হাসান সনদে আবু তামীমাহ আল-হুজাইমীর হাদিস থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
26 - " إن السيف محاء للخطايا ".** حب(فتح الباري 68/1)** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 68: صححه ابن حبان وغيره.** تعقيب: * راوى الحديث هو عتبة بن عبد السلمى. والحديث فى ابن ماجه رقم 4663 _ احسان.
২৬ - "নিশ্চয়ই তলোয়ার গুনাহসমূহ মোচনকারী।"** ইবনে হিব্বান(ফাতহুল বারী ১/৬৮)** হাফেজ (ইবনে হাজার) "আল-ফাতহ" ১/৬৮-এ বলেছেন: ইবনে হিব্বান ও অন্যান্যরা একে সহীহ বলেছেন।** অনুবৃত্তি: হাদিসের বর্ণনাকারী হলেন উতবা বিন আবদ আস-সুলামী। আর হাদিসটি ইবনে মাজাহ-তে রয়েছে, নম্বর ৪৬৬৩ _ ইহসান।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
27 - عن أبى سالم الجيشافى: عن أبى ذر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له: " كيف ترى جعيلا؟ "، قال: قلت: كشكله من الناس، يعنى المهاجرين، قال: " فكيف ترى فلانا؟ "، قال: قلت: سيد من سادات الناس قال: " فجعيل خير من ملء الأرض من فلان " قال: قلت: ففلان هكذا وأنت تصنع به ما تصنع، قال: " إنه رأس قومه فأنا أتألفهم به ".** محمد بن هرون الرويانى فى مسنده(فتح الباري 80/1)** إسناده صحيح
২৭ - আবু সালিম আল-জাইশানি থেকে বর্ণিত: আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: "তুমি জুয়াইলকে কেমন মনে করো?" তিনি বলেন: আমি বললাম: সে তো সাধারণ মানুষের মতোই, অর্থাৎ মুহাজিরদের মতো। তিনি বললেন: "তবে অমুক ব্যক্তিকে কেমন মনে করো?" তিনি বলেন: আমি বললাম: সে তো মানুষের প্রধানদের মধ্যে একজন প্রধান। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই জুয়াইল এই অমুক ব্যক্তির মতো পৃথিবী পূর্ণ লোকের চেয়েও উত্তম।" তিনি বলেন: আমি বললাম: ঐ ব্যক্তি যদি এমনই হয়, তবে আপনি তার সাথে যা করছেন তা কেন করছেন? তিনি বললেন: "সে তার সম্প্রদায়ের নেতা, তাই আমি এর মাধ্যমে তাদের অন্তর জয় করছি (তালিফে কলব)।"** মুহাম্মাদ ইবনে হারুন আর-রুয়ানি তাঁর মুসনাদে এটি বর্ণনা করেছেন।(ফাতহুল বারি ১/৮০)** এর সনদ সহিহ।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
28 - قال عمار _ هو ابن ياسر _: " ثلاث من كن فيه فقد استكمل الإيمان ".** حم فى الإيمان يعقوب بن شيبه فى مسنده عب بز البغوى فى شرح السنة جامع الأصول ابن أبى حاتم فى(فتح الباري 82/1)** معلول** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 83: استغربه البزار، وقال أبو زرعة: خطأ اه. قلت: وهو معلول من حيث صناعة الإسناد لأن عبد الرازق تغير بآخرة وسماع هؤلاء منه فى حال تغيره إلا أن مثله لا يقال بالرأى فهو فى حكم المرفوع، وقد رويناه مرفوعا من وجه آخر عن عمار أخرجه الطبرانى فى الكبير وفى إسناده ضعف.
২৮ - আম্মার —যিনি ইয়াসিরের পুত্র— বলেছেন: "তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে বিদ্যমান থাকবে, সে অবশ্যই ঈমান পূর্ণ করেছে।"** আহমাদ 'আল-ঈমান' গ্রন্থে, ইয়াকুব বিন শাইবাহ তাঁর মুসনাদে, আবদুর রাজ্জাক, আল-বাযযার, বাগাবী 'শারহুস সুন্নাহ' গ্রন্থে, জামিউল উসুল এবং ইবনু আবি হাতিম তাঁর...(ফাতহুল বারী ১/৮২)** ত্রুটিযুক্ত (মালুল)** হাফেজ (ইবনে হাজার) 'ফাতহ' ১/৮৩-এ বলেছেন: আল-বাযযার একে গরিব বলেছেন, এবং আবু যুরআ বলেছেন: এটি ভুল। সমাপ্ত। আমি বলছি: এটি সনদের শাস্ত্রীয় বিচারে ত্রুটিযুক্ত, কারণ আবদুর রাজ্জাক শেষ জীবনে স্মৃতিবিভ্রমের শিকার হয়েছিলেন এবং এঁদের শ্রবণ তাঁর থেকে তাঁর সেই স্মৃতিবিভ্রমের অবস্থায় হয়েছিল। তবে এর সমপর্যায়ের কথা নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে বলা সম্ভব নয়, তাই এটি মারফু হাদীসের পর্যায়ভুক্ত। আমরা আম্মার থেকে অন্য একটি সূত্রে এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছি যা তাবারানি 'আল-কাবীর' গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন এবং এর সনদে দুর্বলতা রয়েছে।
(খণ্ড: ١)
রওদাতুল মুহাদ্দিসীন
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
29 - فى الطبرانى _ فى حديث طويل _: من حديث سلمان: "إذا وعد وهو يحدث نفسه أنه يخلف "، وكذا قال فى باقى الخصال.** طب(فتح الباري 90/1)** إسناده لابأس به** قال الحافظ فى " الفتح " 1 / 90: إسناده لابأس به، ليس فيهم من أجمع على تركه، وهو عند أبى داود والترمذى من حديث زيد بن أرقم مختصر.
২৯ - আত-তাবারানিতে - একটি দীর্ঘ হাদিসের মধ্যে - সালমান (রা.) বর্ণিত হাদিসে আছে: "যখন সে ওয়াদা করে এবং মনে মনে তা ভঙ্গ করার সংকল্প রাখে", আর অবশিষ্ট বৈশিষ্ট্যগুলোর ক্ষেত্রেও তিনি অনুরূপ বলেছেন।** আত-তাবারানি(ফাতহুল বারি ১/৯০)** এর সনদটি গ্রহণযোগ্য** হাফিজ (ইবনে হাজার) 'আল-ফাতহ' ১/৯০-এ বলেছেন: এর সনদটি গ্রহণযোগ্য, তাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যাকে বর্জন করার বিষয়ে সকলে একমত হয়েছেন। এটি আবু দাউদ ও তিরমিযিতে যায়েদ ইবনে আরকাম (রা.)-এর হাদিস হতে সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে।