0/0
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: -)
مسائل العبادات المختصة بالزوجين   (لولوة بنت صالح السنيدي)

القسم: مسائل فقهية

الكتاب: مسائل العبادات المختصة بالزوجين

إعداد: لولوة بنت صالح السنيدي

رسالة: ماجستير في الفقه - كلية الشريعة - جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية

إشراف: د. أمل بنت إبراهيم الدباسي، الأستاذ المشارك بقسم الفقه بالكلية

العام الجامعي: 1439 - 1440 هـ

عدد الصفحات: 360

تاريخ النشر بالشاملة: 13 ربيع الأول 1442

দম্পতি সংশ্লিষ্ট ইবাদতের মাসআলাসমূহ   (লুলওয়াহ বিনতে সালিহ আস-সুনাইদি)

বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ

বই: দম্পতি সংশ্লিষ্ট ইবাদতের মাসআলাসমূহ

প্রস্তুতকারী: লুলওয়াহ বিনতে সালিহ আস-সুনাইদি

থিসিস: ফিকহ শাস্ত্রে স্নাতকোত্তর - শরীয়াহ অনুষদ - ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

তত্ত্বাবধান: ড. আমাল বিনতে ইব্রাহীম আদ-দাব্বাসী, অনুষদের ফিকহ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক

শিক্ষাবর্ষ: ১৪৩৯ - ১৪৪০ হিজরি

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৬০

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৩ই রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরি

(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: -)
مسائل العبادات المختصة بالزوجين

رسالة مسجلة بكلية الشريعة لنيل درجة الماجستير في الفقه

 

إعداد الطالبة

لولوة بنت صالح السنيدي

 

المشرف العلمي

د. أمل بنت إبراهيم الدباسي

الأستاذ المشارك بقسم الفقه بالكلية

 

العام الجامعي

‌‌1439 - 1440 هـ
স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট ইবাদত সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ

ফিকহ শাস্ত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের লক্ষ্যে শরীয়াহ অনুষদে নিবন্ধিত একটি গবেষণাপত্র

 

উপস্থাপনায়

লুলওয়াহ বিনতে সালেহ আল-সুনাইদি

 

তত্ত্বাবধায়ক

ড. আমাল বিনতে ইব্রাহিম আদ-দাব্বাসি

অনুষদের ফিকহ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক

 

শিক্ষাবর্ষ

‌‌১৪৩৯ - ১৪৪০ হিজরি
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১)
إهداء إلى أبي الغالي محل الإعجاب والاقتداء

إلى أمي الحبيبة شادّة الأزر ورافعة الهمة

إلى زوجي العزيز خير صاحب ومعين

إلى أطفالي الثلاثة محط الآمال والمنى
উৎসর্গ আমার প্রিয় পিতার প্রতি, যিনি শ্রদ্ধা ও অনুকরণের আদর্শ।

আমার প্রিয় জননীর প্রতি, যিনি শক্তির আধার এবং উচ্চ মনোবল জাগ্রতকারিনী।

আমার প্রিয় স্বামীর প্রতি, যিনি উত্তম সঙ্গী ও সহায়ক।

আমার তিন সন্তানের প্রতি, যারা সকল আশা ও আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২)
شكر وعرفان ..

لله الفضل أولا وآخرا "وما توفيقي إلا بالله" ،

ثم لأبي الغالي الذي ما فتئ يمطرني بوابل من خبرته ومشورته،

ومشرفة هذا البحث لها من الشكر أجزله،

لكل من مد يد العون جزاكم المولى خير الجزاء ..
কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি ..

প্রথম এবং শেষ সকল অনুগ্রহ কেবল আল্লাহরই, "আর আমার তাওফীক কেবল আল্লাহরই সাহায্যে",

অতঃপর আমার প্রিয় পিতার প্রতি, যিনি নিরন্তর আমাকে তাঁর অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের বারিবর্ষণে সিক্ত করেছেন,

এবং এই গবেষণার তত্ত্বাবধায়িকার প্রতি রইল সুপ্রচুর কৃতজ্ঞতা,

যারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের জন্য; মহান প্রভু আপনাদের সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন ..
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌مقدمة

بسم الله الرحمن الرحيم

إن الحمد لله نحمده، ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.

أما بعد

فقد منّ الله علينا برسالة كاملة، شاملة، رسالة خاتم الأنبياء والمرسلين صلى الله عليه وسلم ما ترك خيراً إلا دلنا عليه، ولا شراً إلا حذرنا منه، وأخبرنا سبحانه وتعالى أنه لم يخلقنا هملا ولا عبثا، بل خلقنا جميعاً لعبادته وحده لا شريك له، عبادة لا رهبانية فيها، عبادة تدخل في مفاصل الحياة وعروقها، ولعل ما كتب في فروع الفقه الإسلامي من أكبر الشواهد على هذا.

بل حتى عيش المرء مع زوجه، وقضاء الإنسان وطره، لم ينفك عن عبوديةٍ وحقٍ لله فيه، ولما رأيت ذلك وتأملته، استخرت الله، واستشرت، ثم عزمت، على جمع ودراسة (مسائل العبادات المختصة بالزوجين) سائلة رب العالمين ومبتهلة إليه أن يطرح فيه النفع، والبركة، وأن يرزقنا فيه الإخلاص والقبول، وأن يتولاه بتوفيقه وتسديده.

 

‌‌ضابط الموضوع:

كل مسألة في فقه العبادات تختص بزوجين بينهما عقد زوجية صحيح.

 

‌‌أهمية الموضوع وسبب اختياره:

‌‌1. حاجة المتزوجين إلى معرفة أحكام العبادة المختصة بهم.

‌‌2. تكرر وقوع كثير من المسائل الواردة في البحث لكل ذي زوجية، مع غلبة الجهل بكثير من أحكامها، وترك السؤال عنها حياءً!

‌‌3. تعلم مسائل العبادات ونشر العلم فيها من أهم ما يحتاج إليه الناس؛ إذ هي الغاية التي خلقوا لأجلها.
‌ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁরই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, তাকে বিভ্রান্ত করার কেউ নেই; আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।

অতঃপর:

আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি এক পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপক রিসালাত দ্বারা অনুগ্রহ করেছেন, যা সর্বশেষ নবী ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রিসালাত। তিনি এমন কোনো কল্যাণ নেই যার দিকে আমাদের পথনির্দেশ করেননি এবং এমন কোনো অকল্যাণ নেই যা থেকে আমাদের সতর্ক করেননি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের জানিয়েছেন যে, তিনি আমাদের অনর্থক বা উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি; বরং তিনি আমাদের সকলকে সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র তাঁর ইবাদত করার জন্য, যাঁর কোনো শরিক নেই। এমন এক ইবাদত যাতে কোনো বৈরাগ্যবাদ নেই, যা জীবনের প্রতিটি সন্ধিক্ষণে ও শিরা-উপশিরায় মিশে থাকে। সম্ভবত ইসলামি ফিকহের শাখা-প্রশাখা নিয়ে যা কিছু লেখা হয়েছে, তা-ই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

এমনকি একজন ব্যক্তির তার স্ত্রীর সাথে জীবনযাপন এবং নিজের জৈবিক চাহিদা পূরণও আল্লাহর দাসত্ব ও তাঁর হকের বাইরে নয়। আমি যখন বিষয়টি নিয়ে চিন্তা ও গবেষণা করলাম, তখন আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করলাম এবং অভিজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করলাম। এরপর আমি ‘স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট ইবাদতসমূহের মাসআলাসমূহ’ সংকলন ও পর্যালোচনার সংকল্প করলাম। আমি রব্বুল আলামীনের কাছে মিনতি করছি যেন তিনি এতে কল্যাণ ও বরকত দান করেন, এবং আমাদের ইখলাস ও কবুলিয়াত নসিব করেন, আর তাঁর তাওফিক ও সঠিক নির্দেশনার মাধ্যমে একে পরিচালিত করেন।

 

‌বিষয়ের মানদণ্ড:

ইবাদতের ফিকহ সংশ্লিষ্ট এমন প্রতিটি মাসআলা, যা এমন স্বামী-স্ত্রীর সাথে নির্দিষ্ট যাদের মধ্যে সঠিক বৈবাহিক চুক্তি বিদ্যমান।

 

‌বিষয়ের গুরুত্ব ও এটি নির্বাচনের কারণ:

‌১. বিবাহিত ব্যক্তিদের তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট ইবাদতের বিধানসমূহ জানার প্রয়োজনীয়তা।

‌২. গবেষণায় উল্লেখিত অনেক মাসআলা প্রত্যেক বিবাহিত দম্পতির জীবনে বারবার ঘটে থাকে, অথচ এগুলোর অনেক বিধান সম্পর্কে অজ্ঞতা প্রবল এবং লোকলজ্জার কারণে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় না!

‌৩. ইবাদতের মাসআলাসমূহ শেখা এবং সেই ইলম প্রচার করা মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত; কারণ এটিই সেই মূল উদ্দেশ্য যার জন্য তাদের সৃষ্টি করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৪)
‌‌أهداف الموضوع:

‌‌1. نظم ما تفرق من مسائل العبادات المختصة بالزوجين؛ وتصويرها، وتحرير كلام الفقهاء فيها؛ ليسهل الرجوع إليها.

‌‌2. إبراز عمق اتصال العبادات بالحياة الاجتماعية في حياة المسلم وخصوصا في نواة الأسرة المسلمة (الزوجين).

‌‌3. الإسهام في إثراء المكتبة الإسلامية، والخروج ببحث أسأل المولى القدير أن يجعل فيه الخير والفائدة.

 

‌‌الدراسات السابقة:

بعد بذل الوسع في التحري عن هذا الموضوع لم أجد من الدراسات التي تدور في فلكه إلا بحثين، وهما:

- الأفعال المؤثرة في فقه الأسرة، للباحثة: سمية بنت محمد الخضيري، وهي رسالة ماجستير نوقشت في العام الجامعي 1433 - 1434 هـ بكلية الشريعة-قسم الفقه، لكنه بعيد العلاقة بفكرة هذا البحث؛ لأنه كان يتحدث عن الأفعال عموما عادات كانت أو عبادات ويغلب عليه أفعال العادات، وغرض البحث هنا العبادات فقط.

كما أنه يتحدث عن تلك الأفعال من حيث تأثيرها على أبواب فقه الأسرة المختلفة، بينما فكرة هذا البحث دراسة الأحكام التكليفية في ظل عقد واحد وهو عقد الزوجية.

وبناءً عليه فإنه لم يقع التشابه بين البحثين في أي مسألة.

- أثر العبادة في فقه الأسرة، للباحثة: لمى بنت عبد الرحمن الحماد، وهي رسالة ماجستير تم اعتماد مخططها في العام الجامعي 1431 - 1432 هـ بكلية الشريعة-قسم الفقه، ولم تناقش بعد، والبحث وإن كان يبدو في عنوانه أنه قريب الصلة
বিষয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

‌‌১. স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট ইবাদত সংক্রান্ত বিক্ষিপ্ত মাসআলাগুলোকে সুবিন্যস্ত করা, সেগুলোর চিত্রায়ন করা এবং সে বিষয়ে ফকীহগণের বক্তব্যসমূহ বিশ্লেষণ করা; যাতে এগুলোর দিকে প্রত্যাবর্তন করা সহজ হয়।

‌‌২. একজন মুসলিমের জীবনে সামাজিক জীবনের সাথে ইবাদতের সুগভীর সম্পর্কের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা, বিশেষ করে মুসলিম পরিবারের মূল ভিত্তি তথা স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে।

‌‌৩. ইসলামী গ্রন্থাগার সমৃদ্ধকরণে অবদান রাখা এবং এমন একটি গবেষণা উপহার দেওয়া যার মাধ্যমে আমি সর্বশক্তিমান মহান রবের নিকট কল্যাণ ও উপযোগিতা কামনা করি।

 

‌‌পূর্ববর্তী অধ্যয়নসমূহ:

এই বিষয়ে অনুসন্ধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করার পর আমি এমন মাত্র দুটি গবেষণা পেয়েছি যা এর পরিধির মধ্যে পড়ে, সেগুলো হলো:

- পারিবারিক ফিকহে প্রভাব বিস্তারকারী কার্যাবলি; গবেষক: সুমাইয়া বিনতে মুহাম্মদ আল-খুদাইরি। এটি একটি মাস্টার্স থিসিস যা ১৪৩৩-১৪৩৪ হিজরি শিক্ষাবর্ষে শরিয়াহ অনুষদ-ফিকহ বিভাগে আলোচিত হয়েছে। তবে এটি এই গবেষণার মূল ভাবনার সাথে খুব একটা সংশ্লিষ্ট নয়; কারণ সেখানে সাধারণভাবে কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, চাই তা অভ্যাসগত হোক বা ইবাদত সংক্রান্ত, এবং সেখানে অভ্যাসগত কার্যাবলির প্রাধান্যই বেশি ছিল। আর বর্তমান গবেষণার উদ্দেশ্য কেবল ইবাদত সংক্রান্ত বিষয়সমূহ।

পাশাপাশি সেখানে ঐসব কার্যাবলি পারিবারিক ফিকহের বিভিন্ন অধ্যায়ে কী প্রভাব ফেলে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, পক্ষান্তরে বর্তমান গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো একক চুক্তি অর্থাৎ বৈবাহিক চুক্তির অধীনে কেবল তাকলিফি বিধানসমূহ নিয়ে আলোচনা করা।

ফলশ্রুতিতে, এই দুই গবেষণার মধ্যে কোনো মাসআলাতেই সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়নি।

- পারিবারিক ফিকহে ইবাদতের প্রভাব; গবেষক: লামা বিনতে আবদুর রহমান আল-হাম্মাদ। এটি একটি মাস্টার্স থিসিস যার রূপরেখা ১৪৩১-১৪৩২ হিজরি শিক্ষাবর্ষে শরিয়াহ অনুষদ-ফিকহ বিভাগে অনুমোদিত হয়েছিল এবং তা এখনো আলোচিত হয়নি। গবেষণাটির শিরোনাম দেখে যদিও মনে হয় যে এটি ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট...
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৫)
بعنوان هذا المخطط إلا أن مورده مختلف تماماً عما قصد بحُثه هنا، ويتضح ذلك من خلال المقارنة بين ضابطي البحثين، والمسائل التي وقع التشابه فيها:

 

‌‌أولاً: ضابط البحث:

ذكرت الباحثة (لمى الحماد) أن ضابط بحثها هو: بحث كل مسألة في فقه الأسرة للعبادة أثر في حكمها.

أما ضابط المسائل المقصودة بالبحث هنا، فهي: كل مسألة في فقه العبادات مختصة بالزوجين.

فموطن بحثها إنما هو في أبواب النكاح وفقه الأسرة من نفقات، ورجعة، وعدة، وخلع، وطلاق، وإيلاء، وحضانة، ولعان، وظهار، ووليمة، من حيث تأثير العبادة عليها، بغض النظر عن تعلق تلك المسائل بذي زوجية أو غيره.

وموطن هذا البحث أبواب العبادات الستة: (الطهارة، الصلاة، الزكاة، الصوم، الحج، الجهاد) بالنظر إلى اختصاصها بصاحب الزوجية.

 

‌‌ثانياً: المسائل التي وقع فيها التشابه:

نظرا للاختلاف الحاصل في الضابط لم يقع التشابه بين البحثين إلا في ثمان مسائل، وهي:

‌‌1. أثر ترك الصلاة على عقد الزوجية، ذكرته الباحثة ضمن مطلب: أثر ترك الصلاة في النكاح.

‌‌2. إذن الزوج لزوجته في الخروج لصلاة الجماعة، ذكرته الباحثة في مطلب: أثر الخروج للمسجد في استئذان الزوجة.

‌‌3. زكاة المهر، ذكرته الباحثة في مبحث: أثر الزكاة في الصداق.

‌‌4. زكاة الفطر عن الزوجة الناشز، ذكرته الباحثة ضمن مطلب: أثر زكاة الفطر في نفقة الزوجة.

‌‌5. إذن الزوج لزوجته في الاعتكاف، ذكرته الباحثة في مطلب: أثر الاعتكاف في استئذان الزوجة له.

‌‌6. خروج الزوج مع زوجته للحج، ذكرته الباحثة ضمن مطلب: أثر اشتراط المحرم في حج الزوجة عند بذلها نفقته.

‌‌7. الزواج بأرض العدو، ذكرته الباحثة في مبحث: أثر البقاء في أرض العدو على عقد النكاح.
এই রূপরেখার শিরোনামটি একই হওয়া সত্ত্বেও এর ক্ষেত্র এখানে যা আলোচনার লক্ষ্য তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। উভয় গবেষণার মানদণ্ড এবং যে বিষয়গুলোতে সাদৃশ্য রয়েছে সেগুলোর তুলনার মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হয়:

 

‌‌প্রথমত: গবেষণার মানদণ্ড:

গবেষিকা (লামা আল-হাম্মাদ) উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর গবেষণার মানদণ্ড হলো: পারিবারিক ফিকহের (ফিকহুস উসরাহ) এমন প্রতিটি মাসআলা নিয়ে আলোচনা করা, যেটির হুকুমের ক্ষেত্রে ইবাদতের প্রভাব রয়েছে।

পক্ষান্তরে, এখানে গবেষণার উদ্দেশ্যে গৃহীত মাসআলাসমূহের মানদণ্ড হলো: ইবাদত সংশ্লিষ্ট ফিকহের (ফিকহুল ইবাদাত) এমন প্রতিটি মাসআলা যা দম্পতির সাথে সংশ্লিষ্ট।

সুতরাং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র হলো বিবাহ এবং পরিবার সংশ্লিষ্ট ফিকহের অধ্যায়সমূহ—যেমন ভরণপোষণ, রাজআত, ইদ্দত, খোলা, তালাক, ইলা, শিশু লালন-পালন, লিআন, যিহার ও অলীমা—যেগুলোর ওপর ইবাদতের প্রভাব রয়েছে, সেই মাসআলাগুলো স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট হোক বা না হোক।

আর বর্তমান গবেষণার ক্ষেত্র হলো ইবাদতের ছয়টি অধ্যায়: (পবিত্রতা, সালাত, জাকাত, সিয়াম, হজ, জিহাদ), যা দম্পতির সাথে খাস হওয়ার দিক থেকে বিবেচনা করা হয়েছে।

 

‌‌দ্বিতীয়ত: যে মাসআলাগুলোতে সাদৃশ্য রয়েছে:

মানদণ্ডের ভিন্নতার কারণে উভয় গবেষণার মধ্যে মাত্র আটটি মাসআলা ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ে সাদৃশ্য পাওয়া যায়নি, সেগুলো হলো:

‌‌১. বৈবাহিক চুক্তির ওপর সালাত ত্যাগের প্রভাব। গবেষিকা এটি ‘নিকাহের ওপর সালাত ত্যাগের প্রভাব’ শীর্ষক উপ-পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

‌‌২. জামাতে সালাত আদায়ের জন্য স্ত্রীর বের হওয়ার ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি। গবেষিকা এটি ‘মসজিদে বের হওয়ার ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি গ্রহণের প্রভাব’ শীর্ষক উপ-পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

‌‌৩. মোহরানার জাকাত। গবেষিকা এটি ‘মোহরানার ওপর জাকাতের প্রভাব’ শীর্ষক পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

‌‌৪. অবাধ্য স্ত্রীর পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর প্রদান। গবেষিকা এটি ‘স্ত্রীর ভরণপোষণের ওপর সদকাতুল ফিতরের প্রভাব’ শীর্ষক উপ-পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

‌‌৫. ইতিকাফের জন্য স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অনুমতি। গবেষিকা এটি ‘স্ত্রীর অনুমতি গ্রহণের ওপর ইতিকাফের প্রভাব’ শীর্ষক উপ-পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

‌‌৬. স্ত্রীর সাথে স্বামীর হজে গমন। গবেষিকা এটি ‘স্ত্রীর নিজ খরচে হজে যাওয়ার ক্ষেত্রে মাহরামের শর্ত হওয়ার প্রভাব’ শীর্ষক উপ-পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।

‌‌৭. শত্রু ভূমিতে বিবাহ। গবেষিকা এটি ‘নিকাহ চুক্তির ওপর শত্রু ভূমিতে অবস্থানের প্রভাব’ শীর্ষক পরিচ্ছেদে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৬)
‌‌8. عقد نكاح الأسير المسلم، ذكرته الباحثة في مطلب: أثر الأسر في عقد النكاح.

أما بقية المسائل فهي مختلفة ولم يقع فيها شيء من التشابه.

 

‌‌منهج البحث:

‌‌1. أصور المسألة المراد بحثها تصويرا دقيقا قبل بيان حكمها؛ ليتضح المقصود من دراستها، أما إن كانت صورة المسألة واضحة في عناونها، فأكتفي بالعنونة لها في المطلب.

‌‌2. إذا كانت المسألة من مواضع الاتفاق فأذكر حكمها بدليلها، مع توثيق الاتفاق من مظانه المعتبرة.

‌‌3. إذا كانت المسألة من مسائل الاختلاف، فأتبع ما يأتي:

أ. تحرير محل الخلاف إذا كانت بعض صور المسألة موضع خلاف وبعضها محل اتفاق.

ب. ذكر الأقوال في المسألة، وبيان من قال بها من أهل العلم، ويكون عرض الخلاف حسب الاتجاهات الفقهية.

ج. أقدم ذكر القول الأقوى عند عرض الأقوال.

د. الاقتصار على المذاهب الفقهية الأربعة، وإذا لم أقف في المسألة على مذهب ما فأسلك بها مسلك التخريج.

هـ. توثيق الأقوال من كتب أهل المذهب نفسه.

و. استقصاء أدلة الأقوال مع بيان وجه الدلالة، وذكر ما يرد عليها من مناقشات، وما يجاب به عنها.

ز. الترجيح مع بيان سبب الترجيح.
৮. মুসলিম বন্দীর বিবাহ চুক্তি, যা গবেষক 'বিবাহ চুক্তির ওপর বন্দিত্বের প্রভাব' নামক পরিচ্ছেদে আলোচনা করেছেন।

অবশিষ্ট মাসআলাগুলো ভিন্ন ভিন্ন এবং সেগুলোতে কোনো সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়নি।

 

গবেষণা পদ্ধতি:

১. গবেষণার জন্য উদ্দিষ্ট মাসআলাটির বিধান বর্ণনার পূর্বে আমি এর স্বরূপ নিখুঁতভাবে চিত্রায়ন করব; যাতে তা পর্যালোচনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়। তবে মাসআলাটির স্বরূপ যদি তার শিরোনাম থেকেই স্পষ্ট হয়, তবে পরিচ্ছেদে কেবল শিরোনাম উল্লেখ করাই যথেষ্ট মনে করব।

২. যদি মাসআলাটি সর্বসম্মত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সেই ঐকমত্যের উদ্ধৃতিসহ দলিলসহ তার বিধান উল্লেখ করব।

৩. যদি মাসআলাটি মতভেদপূর্ণ বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে আমি নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করব:

ক. মতভেদের ক্ষেত্রটি নির্দিষ্ট করা, যদি মাসআলাটির কিছু দিক মতভেদপূর্ণ এবং কিছু দিক সর্বসম্মত হয়।

খ. মাসআলায় বিদ্যমান অভিমতগুলো উল্লেখ করা এবং আলেমদের মধ্য থেকে কারা সেই অভিমত পোষণ করেছেন তা বর্ণনা করা; এক্ষেত্রে ফিকহী মাযহাব অনুযায়ী মতপার্থক্যগুলো উপস্থাপন করা হবে।

গ. অভিমতসমূহ উপস্থাপনের সময় অধিক শক্তিশালী অভিমতটি আগে উল্লেখ করব।

ঘ. চারটি ফিকহী মাযহাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা; যদি কোনো মাসআলায় নির্দিষ্ট কোনো মাযহাবের বক্তব্য না পাওয়া যায়, তবে আমি তাখরীজ-এর পদ্ধতি অবলম্বন করব।

ঙ. সংশ্লিষ্ট মাযহাবের নিজস্ব কিতাবসমূহ থেকে অভিমতগুলোর উদ্ধৃতি প্রদান করা।

চ. অভিমতসমূহের দলিলগুলো বিস্তারিত অনুসন্ধান করা এবং দলিলের যৌক্তিক ভিত্তি স্পষ্ট করা; সেইসাথে দলিলের ওপর উত্থাপিত আপত্তি এবং তার উত্তরগুলো উল্লেখ করা।

ছ. কারণ উল্লেখপূর্বক কোনো একটি মতকে প্রাধান্য দেওয়া।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌4. الاعتماد على أمهات المصادر والمراجع الأصلية في التخريج، والتحرير، والتوثيق، والجمع.

‌‌5. التركيز على موضوع البحث، وتجنب الاستطراد.

‌‌6. تجنب ذكر الأقوال الشاذة.

‌‌7. ترقيم الآيات وبيان سورها.

‌‌8. تخريج الأحاديث، وبيان ما ذكره أهل الشأن في درجتها إن لم تكن في الصحيحين، أو أحدهما، فإن كانت كذلك فأكتفي حينئذٍ بتخريجهما.

‌‌9. تخريج الآثار من مصادرها الأصلية.

‌‌10. التعريف بالمصطلحات، وشرح الغريب.

‌‌11. العناية بقواعد اللغة العربية، والإملاء، والترقيم.

‌‌12. تكون الخاتمة عبارة عن ملخص للرسالة يعطي فكرة واضحة عن ما تضمنته الرسالة، مع إبراز أهم النتائج.

‌‌13. ترجمة الأعلام غير المشهورين والمعاصرين.

‌‌14. اتباع الرسالة بالفهارس المتعارف عليها، وهي:

- فهرس الآيات القرآنية.

- فهرس الأحاديث والآثار.

- فهرس الأعلام.

- فهرس المراجع والمصادر.

- فهرس الموضوعات.
৪. হাদিস বা উদ্ধৃতির উৎস যাচাই, সম্পাদনা, প্রামাণিকরণ এবং সংকলনের ক্ষেত্রে মৌলিক ও প্রধান উৎস এবং রেফারেন্সগুলোর ওপর নির্ভর করা।

৫. গবেষণার বিষয়ের ওপর মনোনিবেশ করা এবং অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা এড়িয়ে চলা।

৬. বিচ্ছিন্ন ও ভিত্তিহীন মতামতের উল্লেখ পরিহার করা।

৭. আয়াতসমূহের নম্বর প্রদান এবং সেগুলোর সূরার নাম উল্লেখ করা।

৮. হাদিসসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরিজ) করা এবং সেগুলো সহীহাইন অথবা এর কোনো একটিতে না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের বর্ণনা অনুযায়ী হাদিসের মান উল্লেখ করা। আর যদি হাদিসটি সহীহাইনে থাকে, তবে কেবল সেগুলোর উদ্ধৃতি দেওয়াই যথেষ্ট।

৯. আছারসমূহ (সাহাবী ও তাবিঈদের বাণী) সেগুলোর মূল উৎস থেকে উদ্ধৃত করা।

১০. পারিভাষিক শব্দাবলির পরিচয় প্রদান এবং কঠিন শব্দসমূহের ব্যাখ্যা করা।

১১. আরবি ভাষার ব্যাকরণ, বানানরীতি এবং বিরামচিহ্নের প্রতি গুরুত্বারোপ করা।

১২. উপসংহার হবে গবেষণাপত্রটির একটি সারসংক্ষেপ, যা গবেষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত বিষয়াবলি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে এবং এর সাথে প্রধান ফলাফলগুলো ফুটিয়ে তুলবে।

১৩. স্বল্প পরিচিত এবং সমসাময়িক ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি প্রদান করা।

১৪. গবেষণাপত্রের শেষে প্রচলিত নির্ঘণ্টসমূহ (ইনডেক্স) সংযোজন করা, সেগুলো হলো:

- কুরআনুল কারিমের আয়াতের নির্ঘণ্ট।

- হাদিস ও আছারের নির্ঘণ্ট।

- ব্যক্তিবর্গের নামের নির্ঘণ্ট।

- তথ্যসূত্র ও মূল উৎসের নির্ঘণ্ট।

- বিষয়সূচির নির্ঘণ্ট।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌تقسيمات البحث:

انتظمت خطة البحث في مقدمة، وتمهيد، وستة فصول، وخاتمة، وفهارس.

وتفصيل ذلك على النحو الآتي:

- المقدمة: وفيها أهمية الموضوع، وأسباب اختياره، وأهدافه، والدراسات السابقة، ومنهج البحث، وتقسيماته.

- التمهيد، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: تعريف العبادات.

المطلب الثاني: تعريف الزوجين.

- الفصل الأول: مسائل الطهارة المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: مسائل الوضوء وخصال الفطرة المختصة بالزوجين، وفيه ستة مطالب:

المطلب الأول: إجبار الزوجة على الإتيان بخصال الفطرة.

المطلب الثاني: خروج المذي من الاستمتاع بما دون الفرج.

المطلب الثالث: خروج مني الرجل من فرج المرأة بعد الغسل.

المطلب الرابع: الاستمتاع بما دون الفرج من غير خروج مني ولا مذي.

المطلب الخامس: أثر لمس الزوجة في نقض الوضوء.

المطلب السادس: وضوء الجنب بين الجماعين.

المبحث الثاني: مسائل الغسل المختصة بالزوجين، وفيه ستة مطالب:
গবেষণার বিভাজনসমূহ:

গবেষণার পরিকল্পনাটি একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমণিকা, ছয়টি অধ্যায়, একটি উপসংহার এবং নির্ঘণ্টের সমন্বয়ে বিন্যস্ত করা হয়েছে।

এর বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:

- ভূমিকা: এতে বিষয়ের গুরুত্ব, এটি নির্বাচনের কারণসমূহ, এর লক্ষ্যসমূহ, পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ, গবেষণা পদ্ধতি এবং এর বিভাজনসমূহ আলোচিত হয়েছে।

- উপক্রমণিকা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইবাদতসমূহের সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সংজ্ঞা।

- প্রথম অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট পবিত্রতার মাসআলাসমূহ, এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট ওজু ও ফিতরাতের গুণাবলী সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ, এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: স্ত্রীকে ফিতরাতের গুণাবলী পালনে বাধ্য করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: লজ্জাস্থান ব্যতীত অন্যভাবে যৌন উপভোগের মাধ্যমে মজি নির্গত হওয়া।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: গোসলের পর নারীর যোনিপথ থেকে পুরুষের বীর্য নির্গত হওয়া।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: বীর্য বা মজি নির্গত হওয়া ব্যতীত লজ্জাস্থান ছাড়া অন্যভাবে উপভোগ করা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: স্ত্রীকে স্পর্শ করার ফলে ওজু ভঙ্গের প্রভাব।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: দুই সহবাসের মধ্যবর্তী সময়ে জুনুবি ব্যক্তির ওজু করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট গোসলের মাসআলাসমূহ, এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ৯)
المطلب الأول: حد الإيلاج الموجب للغسل.

المطلب الثاني: الاستمناء عن طريق الزوجة أو الزوج.

المطلب الثالث: طواف الرجل على نسائه بغسل واحد.

المطلب الرابع: اغتسال الزوجين من إناء واحد من جنابة.

المطلب الخامس: إجبار الزوجة المسلمة على الغسل لحق الزوج.

المطلب السادس: إجبار الزوجة الذمية على الغسل لحق الزوج.

المبحث الثالث: مسائل التيمم المختصة بالزوجين، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: جماع العادم للماء.

المطلب الثاني: وطء الزوجة التي تطهرت بالتيمم من الحيض أو النفاس.

المطلب الثالث: شراء الزوج لزوجته الماء الذي تتطهر به.

المبحث الرابع: مسائل الحيض والنفاس المختصة بالزوجين، وفيه ستة مطالب:

المطلب الأول: الاستمتاع بالزوجة الحائض، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: الاستمتاع بالفرج، وكفارته.

المسألة الثانية: الاستمتاع بما دون الفرج.

المطلب الثاني: حيض المرأة أو نفاسها قبل غسلها من الجماع.

المطلب الثالث: وطء الحائض والنفساء قبل الغسل.

المطلب الرابع: جماع النفساء في الأربعين بعد انقطاع الدم وقبل تمام الأربعين.

المطلب الخامس: إذن الزوج للزوجة في تناول موانع الحيض.

المطلب السادس: جماع الحائض مع وجود الحائل على الفرج.

- الفصل الثاني: مسائل الصلاة المختصة بالزوجين، وفيه خمسة مباحث:

المبحث الأول: أثر ترك الصلاة على عقد الزوجية.

المبحث الثاني: مسائل صلاة الجماعة المختصة بالزوجين، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: تخلف الزوج عن الجماعة لحضور شهوة الجماع.

المطلب الثاني: تخلف الزوج عن الجماعة لزفاف زوجته.

المطلب الثالث: إذن الزوج لزوجته في الخروج لصلاة الجماعة.
প্রথম অনুচ্ছেদ: গোসল ওয়াজিবকারী লিঙ্গপ্রবেশের সীমা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী বা স্ত্রীর মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটানো।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: একজন পুরুষের এক গোসলে তার সকল স্ত্রীর নিকট গমনাগমন।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে স্বামী-স্ত্রীর একই পাত্রের পানি দিয়ে গোসল করা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: স্বামীর হকের খাতিরে মুসলিম স্ত্রীকে গোসলে বাধ্য করা।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: স্বামীর হকের খাতিরে জিম্মি (অমুসলিম) স্ত্রীকে গোসলে বাধ্য করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত তায়াম্মুমের মাসায়েল, এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: পানি না পাওয়া ব্যক্তির সহবাস।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: হায়েয বা নিফাস থেকে তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্র হওয়া স্ত্রীর সাথে সহবাস।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: স্ত্রীর পবিত্রতা অর্জনের জন্য স্বামীর পানি ক্রয় করা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত হায়েয ও নিফাসের মাসায়েল, এবং এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে উপভোগ, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: যৌনাঙ্গে সঙ্গম এবং এর কাফফারা।

দ্বিতীয় মাসআলা: যৌনাঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে উপভোগ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সহবাসের গোসলের পূর্বেই নারীর হায়েয বা নিফাস শুরু হওয়া।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: গোসলের পূর্বে ঋতুমতী ও নিফাসওয়ালী নারীর সাথে সহবাস।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: রক্ত বন্ধ হওয়ার পর এবং চল্লিশ দিন পূর্ণ হওয়ার পূর্বে নিফাসওয়ালী নারীর সাথে সহবাস।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: স্ত্রীকে ঋতুস্রাব রোধক ঔষধ সেবনে স্বামীর অনুমতি।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: যৌনাঙ্গে প্রতিবন্ধক থাকা অবস্থায় ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে সহবাস।

- দ্বিতীয় অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত সালাতের মাসায়েল, এবং এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: সালাত ত্যাগ করার প্রভাব বৈবাহিক সম্পর্কের ওপর।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত জামায়াতে সালাতের মাসায়েল, এবং এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: সহবাসের তীব্র আকাঙ্ক্ষার কারণে স্বামীর জামায়াতে অনুপস্থিতি।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বাসর রাতের কারণে স্বামীর জামায়াতে অনুপস্থিতি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: জামায়াতে সালাত আদায় করতে যাওয়ার জন্য স্ত্রীকে স্বামীর অনুমতি প্রদান।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১০)
المبحث الثالث: القصر في السفر إذا مر ببلد تزوج فيه.

المبحث الرابع: الجماع يوم الجمعة.

المبحث الخامس: مسائل صلاة الجنائز المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: تغسيل أحد الزوجين الآخر بعد وفاته.

المطلب الثاني: تغسيل أحد الزوجين الآخر إذا مات أحدهما في زمن عدة الطلاق.

المطلب الثالث: تغسيل الزوجة زوجها بعد انقضاء عدتها بالوضع.

المطلب الرابع: تغسيل المرأة الذمية.

- الفصل الثالث: مسائل الزكاة المختصة بالزوجين، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: مسائل زكاة الفريضة المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: زكاة المهر.

المطلب الثاني: زكاة عوض الخلع.

المطلب الثالث: دفع أحد الزوجين زكاة ماله للآخر، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: دفع الزوجة لزوجها زكاة مالها.

المسألة الثانية: دفع الزوج لزوجته زكاة ماله.

المسألة الثالثة: إعطاء الزوجة الناشز من الزكاة.

المطلب الرابع: زكاة الفطر عن الزوجة.

المبحث الثاني: مسائل صدقة التطوع المختصة بالزوجين، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: صدقة الزوجة من مال زوجها بغير علمه أو إذنه.

المطلب الثاني: صدقة المرأة بمالها من غير إذن زوجها.

المطلب الثالث: صدقة المرأة على زوجها تطوعا.

- الفصل الرابع: مسائل الصيام المختصة بالزوجين، وفيه خمسة مباحث:

المبحث الأول: مسائل رخص الفطر المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: السفر من أجل الجماع في نهار رمضان.

المطلب الثاني: الفطر بالجماع في السفر.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সফরকালে এমন জনপদ অতিক্রম করার সময় নামাজ কসর করা যেখানে তিনি বিয়ে করেছেন।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: জুমার দিনে সহবাস।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট জানাজার নামাজের মাসআলাসমূহ, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর একজনের মৃত্যুর পর অন্যজন কর্তৃক গোসল করানো।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তালাকের ইদ্দত চলাকালীন স্বামী-স্ত্রীর একজনের মৃত্যু হলে অন্যজন কর্তৃক গোসল করানো।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সন্তান প্রসবের মাধ্যমে ইদ্দত শেষ হওয়ার পর স্ত্রীর তার স্বামীকে গোসল করানো।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: জিম্মি (অমুসলিম) স্ত্রীকে গোসল করানো।

- তৃতীয় অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট জাকাতের মাসআলাসমূহ, এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট ফরজ জাকাতের মাসআলাসমূহ, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মোহরানার জাকাত।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: খোলার বিনিময়ের জাকাত।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর একজনের নিজ সম্পদের জাকাত অপরজনকে প্রদান করা, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: স্ত্রীর নিজ সম্পদের জাকাত স্বামীকে প্রদান।

দ্বিতীয় মাসআলা: স্বামীর নিজ সম্পদের জাকাত স্ত্রীকে প্রদান।

তৃতীয় মাসআলা: অবাধ্য স্ত্রীকে জাকাত প্রদান।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: স্ত্রীর পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট নফল সদকার মাসআলাসমূহ, এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: স্বামীর অগোচরে বা অনুমতি ছাড়া তার সম্পদ থেকে স্ত্রীর সদকা করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রীর নিজ সম্পদ থেকে সদকা করা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামীর ওপর স্ত্রীর নফল সদকা।

- চতুর্থ অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট সিয়ামের মাসআলাসমূহ, এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট রোজা ভঙ্গের অনুমতির মাসআলাসমূহ, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: রমজানের দিনে সহবাসের উদ্দেশ্যে সফর করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সফরে সহবাসের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করা।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১১)
المطلب الثالث: الجماع في نهار رمضان بعد زوال العذر المبيح للفطر في أوله.

المطلب الرابع: الفطر في السفر إذا مر ببلد تزوج فيه.

المبحث الثاني: مسائل مفسدات الصوم المختصة بالزوجين، وفيه أحد عشر مطلبا:

المطلب الأول: الجماع في الصيام، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: الجماع في صيام الفرض.

المسألة الثانية: الجماع في صيام النفل.

المطلب الثاني: جماع الناسي في نهار رمضان.

المطلب الثالث: الإكراه على الجماع في نهار رمضان.

المطلب الرابع: الجماع في نهار رمضان جهلا بتحريمه.

المطلب الخامس: جماع الزوجة الصائمة وهي نائمة.

المطلب السادس: جماع من غلبه الشبق في نهار رمضان.

المطلب السابع: نزع المجامع مع أول طلوع الفجر.

المطلب الثامن: استدامة الجماع مع طلوع الفجر.

المطلب التاسع: الجماع بعد طلوع الفجر ظاناً عدم طلوعه.

المطلب العاشر: الجماع قبل غروب الشمس ظاناً غروبها.

المطلب الحادي عشر: مقدمات الجماع للصائم.

المبحث الثالث: مسائل الكفارة المختصة بالزوجين، وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: كفارة المرأة الموطوءة في نهار رمضان.

المطلب الثاني: كفارة من جامع يظن عدم طلوع الفجر.

المطلب الثالث: كفارة من جامع يظن غروب الشمس.

المطلب الرابع: تعدد الجماع، وأثره على الكفارة.

المطلب الخامس: انتقال صاحب الشبق إلى الإطعام في الكفارة.

المبحث الرابع: مسائل الإذن في الصيام المختصة بالزوجين، وفيه خمسة مطالب:
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: রমজানের দিনের শুরুতে রোজা ভঙ্গের বৈধ ওজর দূর হওয়ার পর সহবাস।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: সফরে থাকাকালীন এমন কোনো শহর অতিক্রম করার সময় রোজা ভঙ্গ করা যেখানে সে বিবাহ করেছে।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট রোজা ভঙ্গের মাসআলাসমূহ, এতে এগারোটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: রোজা অবস্থায় সহবাস, এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: ফরজ রোজায় সহবাস।

দ্বিতীয় মাসআলা: নফল রোজায় সহবাস।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: রমজানের দিনে ভুলবশত সহবাস করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: রমজানের দিনে সহবাসের জন্য বাধ্য করা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: নিষিদ্ধতা সম্পর্কে অজ্ঞতাবশত রমজানের দিনে সহবাস করা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: রোজাদার স্ত্রী ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় তার সাথে সহবাস করা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: রমজানের দিনে প্রবল কামোত্তেজনা হেতু সহবাস করা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: ফজর উদিত হওয়ার সাথে সাথে সহবাস থেকে বিরত হওয়া।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: ফজর উদিত হওয়ার পরও সহবাস অব্যাহত রাখা।

নবম পরিচ্ছেদ: ফজর উদিত হয়নি মনে করে ফজর উদিত হওয়ার পর সহবাস করা।

দশম পরিচ্ছেদ: সূর্য ডুবে গেছে মনে করে সূর্যাস্তের আগে সহবাস করা।

একাদশ পরিচ্ছেদ: রোজাদারের জন্য সহবাসের প্রারম্ভিক ক্রিয়াকলাপ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট কাফফারার মাসআলাসমূহ, এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: রমজানের দিনে সহবাসকৃত নারীর কাফফারা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ফজর উদিত হয়নি ধারণা করে সহবাসকারীর কাফফারা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সূর্য ডুবে গেছে ধারণা করে সহবাসকারীর কাফফারা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: একাধিকবার সহবাস এবং কাফফারার ওপর এর প্রভাব।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: প্রবল কামোত্তেজনা সম্পন্ন ব্যক্তির কাফফারা হিসেবে খাদ্য প্রদানের বিধানে স্থানান্তরিত হওয়া।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট রোজা রাখার অনুমতির মাসআলাসমূহ, এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১২)
المطلب الأول: صيام القضاء بغير إذن الزوج.

المطلب الثاني: رجوع الزوج عن إذنه بعد شروع زوجته في صيام القضاء.

المطلب الثالث: صيام التطوع بغير إذن الزوج.

المطلب الرابع: رجوع الزوج عن إذنه بصيام التطوع.

المطلب الخامس: صيام المرأة بغير إذن زوجها إذا كان غائبا أو صائما أو محرما أو مريضا.

 

المبحث الخامس: مسائل الاعتكاف المختصة بالزوجين، وفيه سبعة مطالب:

المطلب الأول: جماع المعتكف، أو المعتكفة.

المطلب الثاني: مقدمات الجماع للمعتكف، أو المعتكفة.

المطلب الثالث: وفاة الزوج أثناء اعتكاف زوجته.

المطلب الرابع: طلاق الزوجة في الاعتكاف.

المطلب الخامس: إذن الزوج لزوجته في الاعتكاف.

المطلب السادس: رجوع الزوج عن إذنه لزوجته في الاعتكاف.

المطلب السابع: تحليل الزوج زوجته من الاعتكاف.

- الفصل الخامس: مسائل المناسك المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: مسائل شروط الحج المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: تحقق استطاعة الزوجة باستطاعة زوجها.

المطلب الثاني: خروج الزوج مع زوجته للحج.

المطلب الثالث: إذن الزوج لزوجته في الحج الواجب.

المطلب الرابع: إذن الزوج لزوجته في حج التطوع.

المبحث الثاني: مسائل محظورات الإحرام وآثارها المختصة بالزوجين، وفيه ستة مطالب:

المطلب الأول: الجماع قبل الوقوف بعرفة.
প্রথম পরিচ্ছেদ: স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কাযা রোজা রাখা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্ত্রীর কাযা রোজা শুরু করার পর স্বামীর অনুমতি প্রত্যাহার করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল রোজা রাখা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: নফল রোজার ব্যাপারে স্বামীর অনুমতি প্রত্যাহার করা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: স্বামী অনুপস্থিত, রোজাদার, ইহরাম অবস্থায় বা অসুস্থ থাকলে স্বামীর অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীর রোজা রাখা।

 

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত ইতিকাফের মাসআলাসমূহ, এবং এতে সাতটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইতিকাফকারী পুরুষ বা মহিলার সহবাস।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইতিকাফকারী পুরুষ বা মহিলার সহবাসের ভূমিকা বা প্রাথমিক কার্যাবলি।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: স্ত্রীর ইতিকাফ চলাকালীন স্বামীর মৃত্যু।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইতিকাফ অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক প্রদান।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: স্ত্রীকে ইতিকাফের জন্য স্বামীর অনুমতি প্রদান।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: স্ত্রীর ইতিকাফের ব্যাপারে স্বামীর অনুমতি প্রত্যাহার করা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: স্বামীকে তার স্ত্রীর ইতিকাফ থেকে অবমুক্ত করা।

- পঞ্চম অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত হজের আহকামসমূহ, এবং এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত হজের শর্তাবলির মাসআলাসমূহ, এবং এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: স্বামীর সামর্থ্যের মাধ্যমে স্ত্রীর সামর্থ্য অর্জিত হওয়া।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্ত্রীর সাথে স্বামীর হজে গমন।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ফরজ হজের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে স্বামীর অনুমতি প্রদান।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: নফল হজের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে স্বামীর অনুমতি প্রদান।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংক্রান্ত ইহরামের নিষিদ্ধ কার্যাবলি ও এর প্রভাবসমূহ, এবং এতে ছয়টি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: আরাফায় অবস্থানের পূর্বে সহবাস।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৩)
المطلب الثاني: جماع النائب في الحج قبل الوقوف بعرفة.

المطلب الثالث: الجماع بعد الوقوف بعرفة وقبل التحلل الأول.

المطلب الرابع: الجماع بعد التحلل الأول.

المطلب الخامس: الجماع في العمرة.

المطلب السادس: مقدمات الجماع للمحرم.

 

المبحث الثالث: مسائل الفدية المختصة بالزوجين، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: كفارة الجماع في الإحرام.

المطلب الثاني: تعدد الجماع وأثره على الكفارة.

المبحث الرابع: مسائل الفوات والإحصار المختصة بالزوجين، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: تحليل الزوج زوجته من الحج.

المطلب الثاني: وفاة الزوج بعد إحرام زوجته.

المطلب الثالث: إحصار الزوجة بتعليق طلاقها على المضي في نسكها.

- الفصل السادس: مسائل الجهاد المختصة بالزوجين، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: الزواج بأرض العدو.

المبحث الثاني: مسائل الأسر المختصة بالزوجين، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: عقد نكاح الأسير المسلم.

المطلب الثاني: وطء الأسير المسلم زوجته.

- الخاتمة: وفيها أهم ما في البحث من نتائج وتوصيات.

- الفهارس، وهي:

? فهرس الآيات.

? فهرس الأحاديث والآثار.

? فهرس الأعلام.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আরাফায় অবস্থানের পূর্বে হজে প্রতিনিধির সহবাস।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: আরাফায় অবস্থানের পর এবং প্রথম তাহাল্লুলের পূর্বে সহবাস।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: প্রথম তাহাল্লুলের পর সহবাস।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: উমরায় সহবাস।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: মুহরিমের জন্য সহবাসের উপক্রমসমূহ।

 

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট ফিদিয়া সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ, এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইহরাম অবস্থায় সহবাসের কাফফারা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: একাধিকবার সহবাস এবং কাফফারার ওপর এর প্রভাব।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট হজ ছুটে যাওয়া ও বাধাগ্রস্ত হওয়া সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ, এবং এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে হজের ইহরাম থেকে মুক্ত করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্ত্রীর ইহরাম বাঁধার পর স্বামীর মৃত্যু।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইবাদত চালিয়ে যাওয়ার শর্তে তালাক ঝুলিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে স্ত্রীর হজ পালনে বাধা সৃষ্টি হওয়া।

- ষষ্ঠ অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট জিহাদ সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: শত্রুর ভূখণ্ডে বিবাহ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রী সংশ্লিষ্ট বন্দিত্বের মাসআলাসমূহ, এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: মুসলিম বন্দির বিবাহ সম্পন্ন করা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুসলিম বন্দির স্বীয় স্ত্রীর সাথে সহবাস।

- উপসংহার: এতে গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল ও সুপারিশসমূহ রয়েছে।

- নির্ঘণ্টসমূহ, আর তা হলো:

? আয়াতসমূহের নির্ঘণ্ট।

? হাদিস ও আছারসমূহের নির্ঘণ্ট।

? বরেণ্য ব্যক্তিত্বদের নির্ঘণ্ট।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৪)
? فهرس المصادر والمراجع.

? فهرس الموضوعات.
? উৎস ও তথ্যসূত্রের তালিকা।

? বিষয়সূচি।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌تمهيد

‌‌المطلب الأول: تعريف العبادات، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: معنى العبادات في اللغة:

العبادات جمع عبادة، وأصلها العين والباء والدال، وهي تدل على: الطاعة مع الخضوع والتذلل‌‌(1).

المسألة الثانية: معنى العبادات في اصطلاح الفقهاء:

لم تخرج كتب لغة الفقاء -فيما اطلعت- عن التعريف اللغوي للعبادة إلا بتخصيصها لله

-عزوجل- في بعضها، وهذا المعنى العام للعبادة غير مراد في البحث، كما أنه لا يتناسب مع صنيع الفقهاء في تبويباتهم لكتاب العبادات، حتى وجدت التهانوي‌‌(2) نص على تعريف يبين المراد منها في استعمال الفقهاء، فقال: " وتطلق العبادات أيضا على الأحكام الشرعية المتعلّقة بأمر الآخرة "‌‌(3) وهذا أقرب ما وجدته دالاً على استعمالهم.

المسألة الثالثة: شرح التعريف:

قوله: "الأحكام الشرعية": جنس في التعريف أخرج منه كل ما ليس بحكم شرعي، ولو أضاف لها قيد (العملية) لكان أبلغ في منع التعريف من دخول ما ليس منه فيه، كأحكام العقائد العلمية.

وقوله: " المتعلقة بأمر الآخرة ": قيد في التعريف أخرج منها بقية الأحكام الشرعية المتعلقة بأمر الدنيا كالمعاملات، والنكاح …

--------------------------------------------

‌‌(1) ينظر: تاج العروس، للزبيدي 8/ 331.

‌‌(2) هو: محمد أعلى بن علي بن حامد الحنفي التهانوي أحد رجال العلم، قرأ النحو والعربية على والده، وتفقه عليه من أبرز مؤلفاته؛ كشاف اصطلاحات الفنون والعلوم، فرغ من تصنيفه في سنة 1158 هـ ، ولم أقف على ذكر تاريخ وفاته. ينظر نزهة الخواطر وبهجة المسامع والنواظر، للطالبي 6/ 805.

‌‌(3) كشاف اصطلاحات الفنون والعلوم، للتهانوي 2/ 1161.
উপক্রমণিকা

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইবাদতের সংজ্ঞা, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: আভিধানিক অর্থে ইবাদতের পরিচয়:

ইবাদাত শব্দটি ইবাদাহ-এর বহুবচন। এর মূল ধাতু হলো আইন, বা এবং দাল। এটি মূলত বিনয় ও নম্রতার সাথে আনুগত্য প্রকাশ করাকে বুঝায়(১)।

দ্বিতীয় মাসআলা: ফকীহগণের পরিভাষায় ইবাদতের অর্থ:

আমার জানামতে ফকীহগণের পরিভাষা বিষয়ক গ্রন্থাবলি ইবাদতের আভিধানিক সংজ্ঞার বাইরে যায়নি, কেবল কোনো কোনো কিতাবে একে মহান আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইবাদতের এই সাধারণ অর্থটি অত্র গবেষণায় উদ্দেশ্য নয়, তদুপরি এটি ফকীহগণের কিতাবুল ইবাদাত-এর অধ্যায় বিন্যাসের পদ্ধতির সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পরিশেষে আমি আত-তহিনবী(২)-এর একটি সংজ্ঞা পেয়েছি যা ফকীহগণের পরিভাষায় এর প্রয়োগকে স্পষ্ট করে। তিনি বলেছেন: "পরকালের বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট শরয়ি বিধানসমূহকেও ইবাদাত বলা হয়।"(৩) ফকীহগণের ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটিই আমার নিকট সবচেয়ে নিকটবর্তী সংজ্ঞা মনে হয়েছে।

তৃতীয় মাসআলা: সংজ্ঞার ব্যাখ্যা:

তাঁর উক্তি: "শরয়ি বিধানসমূহ": এটি সংজ্ঞার মূল শ্রেণি যা দ্বারা এমন সবকিছু বাদ পড়ে যায় যা শরয়ি বিধান নয়। যদি তিনি এর সাথে "ব্যবহারিক" শর্তটি যুক্ত করতেন তবে তা সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয় এমন বিষয়সমূহকে—যেমন তাত্ত্বিক আকাইদ সংক্রান্ত বিধানসমূহ—প্রতিহত করার ক্ষেত্রে আরও বেশি কার্যকর হতো।

এবং তাঁর উক্তি: "পরকালের বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট": এটি সংজ্ঞার একটি সীমাবদ্ধকারী শর্ত যা দুনিয়াবি বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য শরয়ি বিধানকে—যেমন লেনদেন, বিবাহ ইত্যাদি—এর বহির্ভূত করে দেয়...

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: তাজুল আরূস, আয-যাবীদীকৃত ৮/৩৩১।

(২) তিনি হলেন: মুহাম্মদ আ’লা ইবনে আলী ইবনে হামিদ আল-হানাফী আত-তহিনবী, ইলমের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর পিতার নিকট নাহু ও আরবী ভাষা পড়েছেন এবং তাঁর নিকটই ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছেন। তাঁর অন্যতম প্রধান রচনা হলো: কাশশাফু ইস্তিলাহাতিল ফুনূন ওয়াল উলূম। ১১৫৮ হিজরিতে তিনি এটি রচনা শেষ করেন। তাঁর মৃত্যুর তারিখ সম্পর্কে আমি অবগত হতে পারিনি। দ্রষ্টব্য: নুযহাতুল খাওয়াতির ওয়া বাহজাতুল মাসামি’ ওয়ান নাওয়াযির, আত-তালিবীকৃত ৬/৮০৫।

(৩) কাশশাফু ইস্তিলাহাতিল ফুনূন ওয়াল উলূম, আত-তহিনবীকৃত ২/১১৬১।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌المطلب الثاني: تعريف الزوجين، وفيه ثلاث مسائل:

المسألة الأولى: معنى الزوجين في اللغة:

مثنى زوج، والزاء والواو والجيم أصل يدل على مقارنة شيء لشيء، ومن ذلك: الزوج زوج المرأة، والمرأة زوج بعلها‌‌(1).

المسألة الثانية: معنى الزوجين في اصطلاح الفقهاء:

لم أجد في كتب لغة الفقهاء المتقدمة من نص على مصطلح خاص بمعنى الزوجين؛ ولعله اكتفاءً بوضوح المعنى وعدم حاجته إلى التعريف، غير أني وجدت في الكتب المعاصرة للغة الفقهاء من حدد هذا المعنى في استعمال الفقهاء، فقال: "كل من الرجل والمرأة اللذان تم العقد بينهما على استمتاع كل واحد منهما بالآخر"‌‌(2).

المسألة الثالثة: شرح التعريف:

كل من الرجل والمرأة: عموم في التعريف يبين اشتراك كل من الرجل والمرأة بهذا الاسم.

اللذان تم العقد بينهما: قيد يخرج كل رجل وامرأة لم يعقد بينهما وإن حصل بينهما مقدمات الزواج من خطوبة ونحوها … ، ويدخل فيه كل رجل وامرأة عقد بينهما وإن لم يدخلا فهما زوجان.

على استمتاع كل واحد منهما بالآخر: قيد آخر في التعريف يبين نوع العقد المقصود وهو: عقد النكاح، ليخرج كل رجل وامرأة تم العقد بينهما على تجارة أو عمل أو غيرها …

--------------------------------------------

‌‌(1) ينظر: مقاييس اللغة، لابن فارس 3/ 35.

‌‌(2) معجم لغة الفقهاء، لقلعجي، وقنيبي 1/ 234.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: স্বামী-স্ত্রীর সংজ্ঞা, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: আভিধানিক অর্থে স্বামী-স্ত্রী:

এটি 'যাওজ' শব্দের দ্বিবচন। 'যা', 'ওয়াও' এবং 'জিম'—এই মূল বর্ণসমষ্টি এমন এক মূলনীতিকে নির্দেশ করে যা একটি বস্তুর সাথে অন্য বস্তুর সংশ্লিষ্টতা বা জোড়া হওয়া বোঝায়। এরই অংশ হলো: স্বামী হলো স্ত্রীর জোড়া, আর স্ত্রী হলো স্বামীর জোড়া(১)।

দ্বিতীয় মাসআলা: ফকীহগণের পরিভাষায় স্বামী-স্ত্রীর অর্থ:

আমি প্রাচীন ফকীহগণের পরিভাষা বিষয়ক গ্রন্থগুলোতে স্বামী-স্ত্রী (যাওজাইন) অর্থের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো পরিভাষার বর্ণনা পাইনি; সম্ভবত অর্থটি সুস্পষ্ট হওয়ায় এবং সংজ্ঞায়নের প্রয়োজনীয়তা না থাকায় এমনটি হয়েছে। তবে ফকীহগণের পরিভাষা সংক্রান্ত সমকালীন গ্রন্থগুলোতে আমি এমন সংজ্ঞায়ন পেয়েছি যা ফকীহগণের ব্যবহারে এই অর্থটিকে নির্ধারিত করেছে। সেখানে বলা হয়েছে: "এমন প্রত্যেক পুরুষ ও নারী যাদের মধ্যে একে অপরের দ্বারা উপকৃত হওয়া বা উপভোগ করার উদ্দেশ্যে চুক্তি (আকদ) সম্পন্ন হয়েছে"(২)।

তৃতীয় মাসআলা: সংজ্ঞার ব্যাখ্যা:

প্রত্যেক পুরুষ ও নারী: এটি সংজ্ঞার একটি সাধারণ অংশ যা স্পষ্ট করে যে, পুরুষ ও নারী উভয়েই এই নামের (যাওজাইন) অন্তর্ভুক্ত।

যাদের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে: এটি এমন একটি শর্ত যা ওই সব পুরুষ ও নারীকে বহির্ভূত করে যাদের মধ্যে বিয়ের চুক্তি হয়নি, যদিও তাদের মধ্যে বিয়ের প্রাথমিক ধাপসমূহ যেমন বাগদান বা অনুরূপ কিছু সম্পন্ন হয়ে থাকে... আর এটি ওই সব পুরুষ ও নারীকে অন্তর্ভুক্ত করে যাদের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যদিও তারা বাসর যাপন না করে থাকেন; তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গণ্য।

একে অপরের দ্বারা উপকৃত হওয়া বা উপভোগ করার উদ্দেশ্যে: এটি সংজ্ঞার আরেকটি শর্ত যা উদ্দিষ্ট চুক্তির ধরন স্পষ্ট করে, আর তা হলো: নিকাহ বা বিয়ের চুক্তি। এর মাধ্যমে ওই সকল পুরুষ ও নারী সংজ্ঞার বাইরে চলে যায় যাদের মধ্যে ব্যবসা, শ্রম বা অন্য কোনো বিষয়ের ওপর চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে...

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: মাকায়িসুল লুগাহ, ইবনে ফারিস ৩/৩৫।

(২) মু'জামু লুগাতিল ফুকাহাউ, কালআজি এবং কুনাইবি ১/২৩৪।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৭)
‌‌الفصل الأول: مسائل الطهارة المختصة بالزوجين، وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: مسائل الوضوء وخصال الفطرة المختصة بالزوجين.

المبحث الثاني: مسائل الغسل المختصة بالزوجين.

المبحث الثالث: مسائل التيمم المختصة بالزوجين.

المبحث الرابع: مسائل الحيض والنفاس المختصة بالزوجين.
প্রথম পরিচ্ছেদ: দম্পতি সংশ্লিষ্ট পবিত্রতার মাসআলাসমূহ, এতে চারটি আলোচনা রয়েছে:

প্রথম আলোচনা: দম্পতি সংশ্লিষ্ট ওযুর মাসআলাসমূহ এবং ফিতরাত বা স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যসমূহ।

দ্বিতীয় আলোচনা: দম্পতি সংশ্লিষ্ট গোসলের মাসআলাসমূহ।

তৃতীয় আলোচনা: দম্পতি সংশ্লিষ্ট তায়াম্মুমের মাসআলাসমূহ।

চতুর্থ আলোচনা: দম্পতি সংশ্লিষ্ট ঋতুস্রাব ও প্রসূতি অবস্থা সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌المبحث الأول: مسائل الوضوء وخصال الفطرة المختصة بالزوجين، وفيه ستة مطالب:

المطلب الأول: إجبار الزوجة على الإتيان بخصال الفطرة.

المطلب الثاني: خروج المذي من الاستمتاع بما دون الفرج.

المطلب الثالث: خروج مني الرجل من فرج المرأة بعد الغسل.

المطلب الرابع: الاستمتاع بما دون الفرج من غير خروج مني ولا مذي.

المطلب الخامس: أثر لمس الزوجة في نقض الوضوء.

المطلب السادس: وضوء الجنب بين الجماعين.
প্রথম পরিচ্ছেদ: ওযুর মাসআলাসমূহ এবং স্বামী-স্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট ফিতরাতের বৈশিষ্ট্যসমূহ, এবং এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: স্ত্রীকে ফিতরাতের বৈশিষ্ট্যসমূহ পালন করতে বাধ্য করা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: লিঙ্গাঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে উপভোগের ফলে মযী নির্গত হওয়া।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: গোসলের পর স্ত্রীর যৌনাঙ্গ থেকে পুরুষের বীর্য নির্গত হওয়া।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: বীর্য বা মযী নির্গত হওয়া ছাড়াই লিঙ্গাঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে উপভোগ করা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: ওযু ভঙ্গের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে স্পর্শ করার প্রভাব।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: দুইবার মিলনের মধ্যবর্তী সময়ে জুনুবী ব্যক্তির ওযু।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ১৯)
‌‌المطلب الأول: إجبار الزوجة على الإتيان بخصال الفطرة المتعلقة بالاستمتاع، وفيه مسألتان:

المسألة الأولى: صورة المسألة:

إذا امتنعت الزوجة عن فعل شيء من خصال الفطرة المشروعة للمرأة، والمتعلقة باستمتاع الزوج بها، مع حاجة الزوجة إلى فعلها، فهل يملك الزوج إجبار زوجته على الإتيان بها؟

المسألة الثانية: حكم إجبار الزوجة على الإتيان بخصال الفطرة المتعلقة بالاستمتاع:

تحرير محل النزاع في المسألة:

أولا: اتفق الفقهاء على أن الزوج يجوز له إجبار زوجته على أخذ شعر العانة إذا كثر، وفحش بحيث تعافه نفسه‌‌(1).

ودليلهم على ذلك ما يأتي:

أن ترك شعر العانة إذا كثر وفحش يمنع الاستمتاع بالزوجة الذي هو حق للزوج، ويلزم منه النفرة بين الزوجين‌‌(2).

ثانيا: اختلف الفقهاء في جواز إجبار الزوج زوجته على ما سوى أخذ شعر العانة إذا كثر، وفحش من التنظف وإزالة الدرن، على قولين:

القول الأول:

يجوز للزوج إجبار زوجته على التنظف، وإزالة ما تعافه نفسه من الوسخ والدرن، وهذا ما ذهب إليه جمهور أهل العلم من: الحنفية‌‌(3) ، والمالكية‌‌(4) ، والأصح من مذهب الشافعية‌‌(5) ، والمذهب عند الحنابلة‌‌(6).

--------------------------------------------

‌‌(1) ينظر: فتح القدير، للكمال ابن همام 3/ 437، والبحر الرائق، لزين الدين ابن نجيم 3/ 237، والنهر الفائق، لسراج الدين ابن نجيم 2/ 297، والبيان والتحصيل، لابن رشد 1/ 124، ومواهب الجليل، للحطاب 1/ 373 ، وشرح مختصر خليل، للخرشي 1/ 208، والأم، للشافعي 5/ 8، والحاوي الكبير، للماوردي 9/ 228 ، والمجموع، للنووي 1/ 289 ، والمغني، لابن قدامة 7/ 294، والإنصاف، للمرداوي 8/ 352، وحاشية الروض، لابن قاسم 1/ 165.

‌‌(2) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 9/ 228 ، والمغني، لابن قدامة 7/ 294، والإنصاف، للمرداوي 8/ 350.

‌‌(3) ينظر: فتح القدير، للكمال ابن همام 3/ 437، والبحر الرائق، لزين الدين ابن نجيم 3/ 237، والنهر الفائق، لسراج الدين ابن نجيم 2/ 297.

‌‌(4) ينظر: البيان والتحصيل، لابن رشد 1/ 124، ومواهب الجليل، للحطاب 1/ 373 ، وشرح مختصر خليل، للخرشي 1/ 208.

‌‌(5) ينظر: الأم، للشافعي 5/ 8، والحاوي الكبير، للماوردي 9/ 228 ، والمجموع، للنووي 1/ 289.

‌‌(6) ينظر: المغني، لابن قدامة 7/ 294، والإنصاف، للمرداوي 8/ 352، وحاشية الروض، لابن قاسم 1/ 165.
প্রথম অনুচ্ছেদ: উপভোগের সাথে সংশ্লিষ্ট ফিতরাগত বৈশিষ্ট্যসমূহ পালনে স্ত্রীকে বাধ্য করা, এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: মাসআলার স্বরূপ:

যদি স্ত্রী মহিলার জন্য শরীয়তসম্মত এবং স্বামীর উপভোগের সাথে সংশ্লিষ্ট এমন কোনো ফিতরাগত কাজ করতে অস্বীকার করে, অথচ স্ত্রীর তা করার প্রয়োজন রয়েছে, তবে স্বামী কি তার স্ত্রীকে তা করতে বাধ্য করার অধিকার রাখেন?

দ্বিতীয় মাসআলা: উপভোগের সাথে সংশ্লিষ্ট ফিতরাগত বৈশিষ্ট্যসমূহ পালনে স্ত্রীকে বাধ্য করার বিধান:

মাসআলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ের স্পষ্টীকরণ:

প্রথমত: ফকীহগণ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, স্বামীর জন্য তার স্ত্রীকে নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করতে বাধ্য করা বৈধ যদি তা অধিক হয়ে যায় এবং এমন কদর্য রূপ ধারণ করে যা স্বামীর মনে ঘৃণার উদ্রেক করে‌‌(১)।

এ বিষয়ে তাদের দলিল নিম্নরূপ:

নাভির নিচের পশম অধিক ও কদর্য অবস্থায় রেখে দেওয়া স্ত্রীর সাথে উপভোগের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় যা স্বামীর একটি অধিকার; এবং এটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক ঘৃণার উদ্রেক ঘটায়‌‌(২)।

দ্বিতীয়ত: ফকীহগণ নাভির নিচের অধিক ও কদর্য পশম পরিষ্কার করা ব্যতীত অন্যান্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ময়লা দূর করার বিষয়ে স্ত্রীকে বাধ্য করার বৈধতা নিয়ে দুটি মতে বিভক্ত হয়েছেন:

প্রথম মত:

স্বামীর জন্য স্ত্রীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হতে এবং সেসব ময়লা ও আবর্জনা দূর করতে বাধ্য করা জায়েজ যা তার মনে ঘৃণার সৃষ্টি করে। এটিই জমহুর (অধিকাংশ) আলেমদের অভিমত; অর্থাৎ: হানাফী‌‌(৩), মালেকী‌‌(৪), শাফেয়ী মাযহাবের অধিকতর বিশুদ্ধ মত‌‌(৫) এবং হাম্বলী মাযহাবের স্বীকৃত মত‌‌(৬) অনুযায়ী এটিই বিধান।

--------------------------------------------

‌‌(১) দ্রষ্টব্য: ফাতহুল কাদির, কামাল ইবনুল হুমাম ৩/ ৪৩৭; আল-বাহরুর রায়েক, জয়নুদ্দীন ইবনে নুজাইম ৩/ ২৩৭; আন-নাহরুল ফায়েক, সিরাজুদ্দীন ইবনে নুজাইম ২/ ২৯৭; আল-বায়ান ওয়াত তাহসীল, ইবনে রুশদ ১/ ১২৪; মাওয়াহিবুল জলীল, আল-হাত্তাব ১/ ৩৭৩; শারহু মুখতাসার খলীল, আল-খারশী ১/ ২০৮; আল-উম্ম, আশ-শাফেয়ী ৫/ ৮; আল-হাবি আল-কাবীর, আল-মাওয়ারদী ৯/ ২২৮; আল-মাজমু, আন-নববী ১/ ২৮৯; আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ৭/ ২৯৪; আল-ইনসাফ, আল-মারদাবি ৮/ ৩৫২; হাশিয়াতুর রওদ, ইবনে কাসিম ১/ ১৬৫।

‌‌(২) দ্রষ্টব্য: আল-হাবি আল-কাবীর, আল-মাওয়ারদী ৯/ ২২৮; আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ৭/ ২৯৪; আল-ইনসাফ, আল-মারদাবি ৮/ ৩৫০।

‌‌(৩) দ্রষ্টব্য: ফাতহুল কাদির, কামাল ইবনুল হুমাম ৩/ ৪৩৭; আল-বাহরুর রায়েক, জয়নুদ্দীন ইবনে নুজাইম ৩/ ২৩৭; আন-নাহরুল ফায়েক, সিরাজুদ্দীন ইবনে নুজাইম ২/ ২৯৭।

‌‌(৪) দ্রষ্টব্য: আল-বায়ান ওয়াত তাহসীল, ইবনে রুশদ ১/ ১২৪; মাওয়াহিবুল জলীল, আল-হাত্তাব ১/ ৩৭৩; শারহু মুখতাসার খলীল, আল-খারশী ১/ ২০৮।

‌‌(৫) দ্রষ্টব্য: আল-উম্ম, আশ-শাফেয়ী ৫/ ৮; আল-হাবি আল-কাবীর, আল-মাওয়ারদী ৯/ ২২৮; আল-মাজমু, আন-নববী ১/ ২৮৯।

‌‌(৬) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ৭/ ২৯৪; আল-ইনসাফ, আল-মারদাবি ৮/ ৩৫২; হাশিয়াতুর রওদ, ইবনে কাসিম ১/ ১৬৫।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২০)
دليل القول الأول:

أن ترك التنظف وإزالة ما تعافه النفس يوجب النفرة من الزوجة، وهذا مناقض لمقصد السكن والعفاف في النكاح؛ فجاز للزوج أن يجبر زوجته على إزالة هذا الضرر‌‌(1).

القول الثاني:

لا يجوز للزوج إجبار زوجته على التنظف، وإزالة ما تعافه نفسه من الوسخ والدرن، وهو قول عند الشافعية‌‌(2) ، ووجه عند الحنابلة‌‌(3).

دليل القول الثاني:

أن ترك الزوجة للتنظف وإزالتها ما تعافه نفسه من الوسخ، والدرن يمنع كمال الاستمتاع لا أصله؛ إذ يمكنه القدرة على الاستمتاع، مع وجود ما تعافه نفسه‌‌(4).

ويمكن أن يناقش:

أن مقصد العفاف، والإحصان في النكاح لا يتحقق بمجرد حصول أصل الاستمتاع، بل طلب كمال الاستمتاع، مع القدرة عليه هو الذي دلت عليه الأدلة ومنها: قوله صلى الله عليه وسلم في حديث جابر رضي الله عنه: (أمهلوا حتى تدخلوا ليلا -أي عشاء-؛ لكي تمتشط الشعثة‌‌(5) ، وتستحد المغيبة‌‌(6)‌‌(7) ، فهذا توجيه منه صلى الله عليه وسلم لتحصيل كمال الاستمتاع.

الترجيح:

الراجح -والله أعلم- هو القول الأول؛ القائل بأن للزوج إجبار زوجته على إزالة ما تعافه نفسه؛ لوجاهة ما استدلوا به، ولقربه من مقصود الشارع في النكاح.

--------------------------------------------

‌‌(1) ينظر: المغني، لابن قدامة 7/ 294.

‌‌(2) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 9/ 228، والمجموع، للنووي 1/ 289.

‌‌(3) ينظر: المغني، لابن قدامة 7/ 294، والإنصاف، للمرداوي 8/ 352، وحاشية الروض، لابن قاسم 1/ 165.

‌‌(4) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 9/ 228.

‌‌(5) الشعثة: المرأة المتفرقة الشعر. ينظر: النهاية، لابن الأثير 2/ 479.

‌‌(6) المغيبة: المرأة التي غاب عنها زوجها. ينظر: النهاية، لابن الأثير 3/ 399.

‌‌(7) أخرجه البخاري في صحيحه، كتاب: النكاح، باب: تزويج الثيب، (5079) 7/ 5، ومسلم في صحيحه، كتاب: الرضاع، باب: استحباب نكاح البكر (715) 2/ 1088.
প্রথম মতের দলিল:

পরিচ্ছন্নতা বর্জন করা এবং মন যা ঘৃণা করে তা দূর না করা স্ত্রীর প্রতি অনীহা সৃষ্টি করে, আর এটি বিবাহের প্রশান্তি ও সতীত্ব রক্ষার উদ্দেশ্যের পরিপন্থী; ফলে স্বামীর জন্য তার স্ত্রীকে এই ক্ষতি দূর করতে বাধ্য করা বৈধ‌‌(১)।

দ্বিতীয় মত:

স্বামীর জন্য তার স্ত্রীকে পরিচ্ছন্ন হতে এবং তার মন যা ঘৃণা করে এমন ময়লা ও আর্বজনা দূর করতে বাধ্য করা জায়েজ নয়। এটি শাফেয়ি মাযহাবের একটি মত‌‌(২) এবং হাম্বলি মাযহাবের একটি অভিমত‌‌(৩)।

দ্বিতীয় মতের দলিল:

স্ত্রীর পরিচ্ছন্নতা বর্জন করা এবং তার মন যা ঘৃণা করে এমন ময়লা ও আর্বজনা দূর না করা উপভোগের পূর্ণতাকে বাধাগ্রস্ত করে, তার মূলকে নয়; কেননা অপছন্দনীয় বস্তু থাকা সত্ত্বেও তার পক্ষে উপভোগ করা সম্ভব‌‌(৪)।

এর উত্তরে বলা যেতে পারে:

বিবাহে সতীত্ব ও পবিত্রতা রক্ষার উদ্দেশ্য কেবল উপভোগের মূল অর্জনের মাধ্যমে অর্জিত হয় না, বরং সামর্থ্য থাকা অবস্থায় উপভোগের পূর্ণতা অন্বেষণ করাই দলিলসমূহ দ্বারা প্রমাণিত। যার মধ্যে রয়েছে: জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: (তোমরা অপেক্ষা করো যাতে তোমরা রাতে—অর্থাৎ এশার সময়—প্রবেশ করতে পারো; যেন আলুথালু চুলে থাকা নারী চুল আঁচড়াতে পারে‌‌(৫) এবং যার স্বামী অনুপস্থিত ছিল সে নারী ক্ষৌরকর্ম করতে পারে‌‌(৬)‌‌(৭)। এটি উপভোগের পূর্ণতা অর্জনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে একটি নির্দেশনা।

প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত (তারজীহ):

অগ্রগণ্য মত—এবং আল্লাহই ভালো জানেন—হলো প্রথম মতটি; যা বলে যে, স্বামী তার স্ত্রীকে তার মন যা ঘৃণা করে তা দূর করতে বাধ্য করতে পারে; কারণ তাদের পেশকৃত দলিলের বলিষ্ঠতা এবং বিবাহের ক্ষেত্রে শরয়ি উদ্দেশ্যের সাথে এর নৈকট্য রয়েছে।

--------------------------------------------

‌‌(১) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ৭/ ২৯৪।

‌‌(২) দ্রষ্টব্য: আল-হাভি আল-কাবির, মাওয়ার্দি ৯/ ২২৮, এবং আল-মাজমু, নববী ১/ ২৮৯।

‌‌(৩) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ৭/ ২৯৪, আল-ইনসাফ, মারদাভি ৮/ ৩৫২, এবং হাশিয়াতুর রওদ, ইবনে কাসিম ১/ ১৬৫।

‌‌(৪) দ্রষ্টব্য: আল-হাভি আল-কাবির, মাওয়ার্দি ৯/ ২২৮।

‌‌(৫) আশ-শা’ছাহ: যার চুল এলোমেলো বা আলুথালু। দ্রষ্টব্য: আন-নিহায়া, ইবনুল আসির ২/ ৪৭৯।

‌‌(৬) আল-মুগিবাহ: যে নারীর স্বামী তার থেকে অনুপস্থিত। দ্রষ্টব্য: আন-নিহায়া, ইবনুল আসির ৩/ ৩৯৯।

‌‌(৭) বুখারি তার সহিহ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন, কিতাব: আন-নিকাহ, অধ্যায়: তালাকপ্রাপ্তা বা বিধবাকে বিবাহ করা, (৫০৭৯) ৭/ ৫; এবং মুসলিম তার সহিহ গ্রন্থে, কিতাব: আর-রাযা (দুগ্ধপান), অধ্যায়: কুমারী বিবাহের মুস্তাহাব হওয়া (৭১৫) ২/ ১০৮৮।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২১)
وما يُقال في هذا المقام في حق الزوجة يُقال أيضا في حق الزوج؛ لقوله تعالى: {وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ}‌‌(1).

 

‌‌المطلب الثاني: خروج المذي‌‌(2) من الاستمتاع بما دون الفرج، وفيه أربع مسائل:

المسألة الأولى: صورة المسألة:

إذا حصل الاستمتاع بين الزوجين بما دون الجماع وخرج المذي؛ فهل يجب منه الوضوء؟ وهل يجب تطهير البدن والثوب من أثره؟

المسألة الثانية: حكم خروج المذي من الاستمتاع بما دون الفرج:

تحرير محل النزاع في المسألة:

أولاً: اتفق الفقهاء على أن خروج المذي ناقض للوضوء، وموجب له‌‌(3).

واستدلوا على ذلك بما يأتي:

الدليل الأول:

دلت السنة الصحيحة الصريحة على وجوب الوضوء من خروج المذي، ومن ذلك: حديث علي رضي الله عنه قال: كنت رجلا مذاءً، فأمرت رجلا أن يسأل النبي صلى الله عليه وسلم، لمكان ابنته، فسأل فقال: (توضأ، واغسل ذكرك)‌‌(4) ، فأمره صلى الله عليه وسلم بالوضوء، والأمر يقتضي الوجوب.

--------------------------------------------

‌‌(1) البقرة: من الآية 228.

‌‌(2) المذي هو: سائل رقيق لزج يميل إلى البياض، يخرج من الرجل والمرأة عند تحرك الشهوة. ينظر: التعريفات الفقهية، للبركتي ص: 200، وشرح غريب ألفاظ المدونة، للجبي ص: 13، وتحرير ألفاظ التنبيه، للنووي ص: 39، والمطلع على ألفاظ المقنع، للبعلي ص: 54.

‌‌(3) ينظر: شرح مختصر الطحاوي، للجصاص 1/ 348، والمبسوط، للسرخسي 1/ 67، والبناية، للعيني 1/ 346، ومناهج التحصيل، للرجراجي 1/ 109، وشرح مختصر خليل، للخرشي 1/ 153، وحاشية الدسوقي 1/ 114 - 115، والحاوي الكبير، للماوردي 1/ 215، والمجموع، للنووي 2/ 144، وكفاية الأخيار، للحصني ص: 37، والمغني، لابن قدامة 1/ 126، وشرح العمدة في الفقه (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 100، والمنح الشافيات، للبهوتي 1/ 174.

‌‌(4) أخرجه البخاري في صحيحه، كتاب: الغسل، باب: غسل المذي والوضوء منه، (269) 1/ 62، ومسلم في صحيحه، كتاب: الحيض، باب: المذي، (303) 1/ 247 ولفظه: (يغسل ذكره ويتوضأ).
এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর হকের ব্যাপারে যা বলা হয়েছে, স্বামীর হকের ব্যাপারেও তাই বলা হবে; কারণ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {নারীদের যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি তাদের ওপরও ন্যায়সংগত দায়িত্ব রয়েছে}‌‌(১)।

 

‌‌দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যৌনাঙ্গ ব্যতিত অন্যভাবে যৌন উপভোগের ফলে মযি‌‌(২) নির্গত হওয়া, আর এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: মাসআলার ধরণ:

যদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সহবাস ব্যতিত অন্য কোনো উপায়ে যৌন উপভোগ ঘটে এবং মযি নির্গত হয়; তবে কি এর ফলে অজু ওয়াজিব হবে? আর এর প্রভাব থেকে শরীর ও কাপড় পবিত্র করা কি আবশ্যক?

দ্বিতীয় মাসআলা: যৌনাঙ্গ ব্যতিত অন্যভাবে যৌন উপভোগের ফলে মযি নির্গত হওয়ার বিধান:

মাসআলার বিবাদপূর্ণ বিষয়ের বিশ্লেষণ:

প্রথমত: ফকিহগণ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, মযি নির্গত হওয়া অজু ভঙ্গকারী এবং এটি অজু ওয়াজিব করে‌‌(৩)।

তারা এর সপক্ষে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো দ্বারা দলিল পেশ করেছেন:

প্রথম দলিল:

সহিহ ও সুস্পষ্ট সুন্নাহ মযি নির্গত হওয়ার কারণে অজু ওয়াজিব হওয়ার ওপর প্রমাণ পেশ করে। এর মধ্যে রয়েছে: আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণিত হাদিস, তিনি বলেন: "আমি এমন একজন ব্যক্তি ছিলাম যার প্রচুর মযি নির্গত হতো। তাই আমি এক ব্যক্তিকে এ বিষয়ে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করার জন্য আদেশ করলাম, কারণ তাঁর কন্যা (আমার স্ত্রী)। তিনি জিজ্ঞাসা করলে নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: 'অজু করো এবং তোমার পুরুষাঙ্গ ধৌত করো'।"‌‌(৪) এখানে নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে অজুর আদেশ দিয়েছেন, আর আদেশ মূলত ওয়াজিব হওয়াকেই সাব্যস্ত করে।

--------------------------------------------

‌‌(১) আল-বাকারা: আয়াত ২২৮-এর অংশবিশেষ।

‌‌(২) মযি হলো: একটি পাতলা আঠালো সাদাটে বর্ণের তরল পদার্থ, যা কামোত্তেজনা সৃষ্টির সময় নারী ও পুরুষের দেহ থেকে নির্গত হয়। দেখুন: আল-বারাকতি প্রণীত আত-তারিফাতুল ফিকহিয়্যাহ, পৃষ্ঠা: ২০০; আল-জুব্বি প্রণীত শারহু গারিব আলফাজিল মুদাওয়ানা, পৃষ্ঠা: ১৩; আন-নববী প্রণীত তাহরিরু আলফাজিত তানবিহ, পৃষ্ঠা: ৩৯; আল-বালি প্রণীত আল-মুত্তালিউ আলা আলফাজিল মুকনি, পৃষ্ঠা: ৫৪।

‌‌(৩) দেখুন: আল-জাসসাস প্রণীত শারহু মুখতাসারুত তহাবি, ১/৩৪৮; আস-সারখাসি প্রণীত আল-মাবসুত, ১/৬৭; আল-আইনি প্রণীত আল-বিনায়া, ১/৩৪৬; আর-রাজরাজি প্রণীত মানাহিজিুত তাহসিল, ১/১০৯; আল-খারশি প্রণীত শারহু মুখতাসারে খলিল, ১/১৫৩; হাশিয়াতুদ দসুতি ১/১১৪-১১৫; আল-মাওয়ারদি প্রণীত আল-হাবি আল-কাবির, ১/২১৫; আন-নববী প্রণীত আল-মাজমু, ২/১৪৪; আল-হিসনি প্রণীত কিফায়াতুল আখইয়ার, পৃষ্ঠা: ৩৭; ইবনে কুদামা প্রণীত আল-মুগনি, ১/১২৬; ইবনে তাইমিয়া প্রণীত শারহুল উমদাহ ফিল ফিকহ (কিতাবুত তাহারাত), পৃষ্ঠা: ১০০; আল-বাহুতি প্রণীত আল-মানহাশ শাফিয়াত, ১/১৭৪।

‌‌(৪) এটি বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, কিতাব: আল-গুসল, অধ্যায়: মযি ধৌত করা এবং তা থেকে অজু করা, (২৬৯) ১/৬২; এবং মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, কিতাব: আল-হাইদ, অধ্যায়: আল-মযি, (৩০৩) ১/২৪৭, এবং তাঁর শব্দ হচ্ছে: (সে যেন তার পুরুষাঙ্গ ধৌত করে এবং অজু করে)।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২২)
الدليل الثاني:

إجماع العلماء على انتقاض الوضوء من خروج المذي؛ حيث حكى ابن عبدالبر‌‌(1) ، وابن المنذر‌‌(2) ، وابن قدامة‌‌(3)؛ الإجماع على نقض الوضوء بخروج المذي، ووجوب الوضوء منه‌‌(4).

ثانياً: اختلف الفقهاء في نجاسة المذي على ثلاثة أقوال:

القول الأول:

المذي نجس نجاسةً مخففة، كنجاسة بول الغلام، وهذا القول رواية عند الحنابلة‌‌(5).

أدلة القول الأول:

الدليل الأول:

حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه قال: كنت ألقى من المذي شدة وعناء، فكنت أكثر منه الغسل، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، وسألته عنه، فقال: (إنما يجزئك من ذلك الوضوء)، فقلت: يا رسول الله، كيف بما يصيب ثوبي منه، قال: (يكفيك أن تأخذ كفا من ماء فتنضح به ثوبك حيث ترى أنه أصاب منه)‌‌(6).

وجه الاستدلال بالحديث:

لما أمر صلى الله عليه وسلم بنضح المذي، دل على أن نجاسته مخففة.

ويمكن أن يناقش وجه الاستدلال بالحديث:

النضح وإن كان في استعمال اللغة لا يرد إلا للرش‌‌(7) ، إلا أنه ورد في استعمال الشرع تارة للرش، وتارة للغسل‌‌(8) ، فمثال استعماله للرش: حديث أم قيس بنت محصن رضي الله عنها، (أنها أتت بابن لها صغير، لم يأكل الطعام، إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأجلسه رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجره، فبال على ثوبه، فدعا بماء، فنضحه ولم

--------------------------------------------

‌‌(1) هو: يوسف بن عبد الله بن محمد بن عبد البر النمري شيخ علماء الأندلس في وقته، من أعلام المالكية، كان متقدما في علم الأثر، بصيرا بالفقه، ومعاني الحديث، توفي رحمه الله سنة 463 هـ. ينظر: ترتيب المدارك وتقريب المسالك، للقاضي عياض 8/ 127 - 130.

‌‌(2) هو: محمد بن إبراهيم بن المنذر أبو بكر النيسابوري، فقيه مجتهد من أعلام الشافعية، توفي رحمه الله سنة 318 هـ. ينظر: العقد المذهب في طبقات حملة المذهب لابن الملقن 1/ 37.

‌‌(3) هو: عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي موفق الدين أبو محمد، من أئمة الفقه الحنبلي، ولد فِي شعبان سنة إحدى وأربعين وخمسمائة، صنف تصانيفا كثيرة فِي المذهب، فروعا وأصولا، توفي رحمه الله يَوْم عيد الفطر سنة عشرين وستمائة. ينظر: ذيل طبقات الحنابلة لابن رجب 3/ 281 - 297.

‌‌(4) ينظر: الاستذكار، لابن عبدالبر 1/ 242، والأوسط، لابن المنذر 1/ 134، والمغني، لابن قدامة 1/ 125.

‌‌(5) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101، والإنصاف، للمرداوي 1/ 330، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.

‌‌(6) أخرجه أبو داود في سننه، كتاب: الطهارة، باب: في المذي، (210) 1/ 151، والترمذي في سننه، أبواب: الطهارة، باب: في المذي يصيب الثوب، (115) 1/ 197، وابن ماجة في سننه، كتاب: الطهارة وسننها، باب: الوضوء من المذي، (506) 1/ 169، وحسنه الشيخ الألباني في صحيح أبي داود 1/ 380.

‌‌(7) ينظر: مقاييس اللغة، لابن فارس 5/ 438 (ن ض ح).

‌‌(8) ينظر: النهاية في غريب الحديث والأثر، لابن الأثير 5/ 70.
দ্বিতীয় দলীল:

মজি নির্গত হওয়ার কারণে ওযু ভেঙে যাওয়ার বিষয়ে আলিমগণের ইজমা বা ঐকমত্য; যেখানে ইবনে আব্দুল বার‌‌(১), ইবনুল মুনযির‌‌(২) এবং ইবনে কুদামা‌‌(৩) মজি বের হওয়ার কারণে ওযু নষ্ট হওয়া এবং এ থেকে ওযু করা ওয়াজিব হওয়ার বিষয়ে ইজমা বর্ণনা করেছেন‌‌(৪)।

দ্বিতীয়ত: মজির নাপাকি বা অপবিত্রতা নিয়ে ফকীহগণ তিনটি মতে বিভক্ত হয়েছেন:

প্রথম মত:

মজি হলো লঘু নাপাক (নাজাসাতে মুখাফফাফাহ), যেমন দুগ্ধপোষ্য বালক শিশুর প্রস্রাবের নাপাকি। এই মতটি হাম্বলী মাযহাবের একটি বর্ণনা‌‌(৫)।

প্রথম মতের দলীলসমূহ:

প্রথম দলীল:

সাহল ইবনে হুনাইফ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদীস, তিনি বলেন: আমি মজির কারণে কঠোর কষ্ট ও যন্ত্রণায় ভুগতাম এবং এ কারণে আমি বারবার গোসল করতাম। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম এবং তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: (তোমার জন্য কেবল ওযু করাই যথেষ্ট হবে)। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমার কাপড়ে যে অংশ লেগে যায় তার ব্যাপারে কী হবে? তিনি বললেন: (তোমার জন্য এক আজলা পানি নিয়ে কাপড়ের যেখানে মজি লেগেছে বলে তুমি মনে কর সেখানে ছিটিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট)‌‌(৬)।

হাদীস থেকে দলীল গ্রহণের পদ্ধতি:

যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মজি ছিটিয়ে দেওয়ার (নাযাহ) নির্দেশ দিয়েছেন, তখন তা প্রমাণ করে যে এর নাপাকি লঘু বা হালকা।

হাদীস হতে দলীল গ্রহণের পদ্ধতির ব্যাপারে এভাবে পর্যালোচনা করা যেতে পারে:

'নাযাহ' (النضح) শব্দটি যদিও আভিধানিক ব্যবহারে কেবল পানি ছিটানোর (রশ) অর্থেই ব্যবহৃত হয়‌‌(৭), তবে শরীয়তের ব্যবহারে এটি কখনো ছিটানো এবং কখনো ধোয়ার (গুসল) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে‌‌(৮)। পানি ছিটানোর অর্থে ব্যবহারের উদাহরণ হলো: উম্মু কায়স বিনতে মিহসান (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত হাদীস, (তিনি তাঁর এক ছোট শিশুকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন, যে তখনও খাবার খেতে শুরু করেনি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তাঁর কোলে বসালেন, অতঃপর সে তাঁর কাপড়ে প্রস্রাব করে দিল। তখন তিনি পানি আনালেন এবং তা ছিটিয়ে দিলেন, কিন্তু

--------------------------------------------

‌‌(১) তিনি হলেন: ইউসুফ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল বার আন-নামারি, তাঁর সময়ের আন্দালুসের আলিমগণের শাইখ এবং মালেকী মাযহাবের অন্যতম ইমাম। তিনি হাদীস শাস্ত্রে অত্যন্ত পারদর্শী এবং ফিকহ ও হাদীসের মর্মার্থ অনুধাবনে অত্যন্ত বিচক্ষণ ছিলেন। তিনি ৪৬৩ হিজরীতে রহমাতুল্লাহি আলাইহি মৃত্যুবরণ করেন। দ্রষ্টব্য: তারতিবুল মাদারিক ওয়া তাকরিবুল মাসালিক, কাজী আইয়াদ ৮/ ১২৭-১৩০।

‌‌(২) তিনি হলেন: মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-মুনযির আবু বকর আন-নিশাপুরী, একজন মুজতাহিদ ফকীহ এবং শাফেয়ী মাযহাবের অন্যতম ইমাম। তিনি ৩১৮ হিজরীতে রহমাতুল্লাহি আলাইহি মৃত্যুবরণ করেন। দ্রষ্টব্য: আল-আকদুজ জাহাব ফি তাবাকতি হামালাতিল মাযহাব, ইবনুল মুলাক্কিন ১/ ৩৭।

‌‌(৩) তিনি হলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি মুয়াফফাকুদ্দীন আবু মুহাম্মদ, হাম্বলী ফিকহের অন্যতম ইমাম। তিনি ৫৪১ হিজরীর শাবান মাসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাযহাবের ফুরু (শাখা) এবং উসুল (নীতিমালা) বিষয়ে অনেক কিতাব রচনা করেছেন। তিনি ৬২০ হিজরীর ঈদুল ফিতরের দিন রহমাতুল্লাহি আলাইহি মৃত্যুবরণ করেন। দ্রষ্টব্য: যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলা, ইবনে রজব ৩/ ২৮১-২৯৭।

‌‌(৪) দ্রষ্টব্য: আল-ইস্তযকার, ইবনে আব্দুল বার ১/ ২৪২; আল-আওসাত, ইবনুল মুনযির ১/ ১৩৪; আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ১/ ১২৫।

‌‌(৫) দ্রষ্টব্য: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ পৃ: ১০১; আল-ইনসাফ, আল-মারদাওয়ী ১/ ৩৩০; আল-মুবদি, ইবনে মুফলিহ ১/ ২১৬।

‌‌(৬) এটি আবু দাউদ তাঁর সুনানে বর্ণনা করেছেন, কিতাব: আত-তাহারাহ, অধ্যায়: মজি সংক্রান্ত, (২১০) ১/ ১৫১; তিরমিযী তাঁর সুনানে, অধ্যায়সমূহ: আত-তাহারাহ, অনুচ্ছেদ: কাপড়ে মজি লাগা সংক্রান্ত, (১১৫) ১/ ১৯৭; ইবনে মাজাহ তাঁর সুনানে, কিতাব: আত-তাহারাহ ও এর সুন্নাতসমূহ, অধ্যায়: মজি থেকে ওযু করা, (৫০৬) ১/ ১৬৯। শাইখ আলবানী সহীহ আবু দাউদ ১/ ৩৮০ তে এটিকে হাসান বলেছেন।

‌‌(৭) দ্রষ্টব্য: মাকায়িসুল লুগাহ, ইবনে ফারিস ৫/ ৪৩৮ (ن ض ح)।

‌‌(৮) দ্রষ্টব্য: আন-নিহায়াহ ফি গারিবিল হাদীস ওয়াল আসার, ইবনুল আসির ৫/ ৭০।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২৩)
يغسله)‌‌(1) ، ومثال استعمال النضح للغسل قوله صلى الله عليه وسلم في حديث أسماء رضي الله عنها: (إذا أصاب ثوب إحداكن الدم من الحيضة، فلتقرصه، ثم لتنضحه بماء، ثم لتصلي فيه)‌‌(2) ، فيجوز أن يكون في حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه مرادا به الغسل.

 

ويمكن أن يجاب عن المناقشة:

جاء في رواية أخرى لحديث سهل بن حنيف رضي الله عنه: (فتمسح به ثوبك حيث ترى أنه أصاب منه)‌‌(3) ، وهذه الرواية قرينة تقوي حمل النضح على معنى الرش.

الدليل الثاني:

المذي متردد بين الطهارة والنجاسة، فهو يشبه المني؛ لكونه جزء منه ناشئ عن شهوة، ويشبه البول؛ لكونه لم يكمل ولا يخلق منه الحيوان، فلما تردد بينهما ناسب أن تكون طهارته مخففة‌‌(4).

الدليل الثالث:

المذي يشق التحرز منه؛ لأنه يخرج من الشباب كثيرا، وتعم به البلوى، والمشقة تجلب التيسير؛ فأجزأ فيه النضح كبول الغلام‌‌(5).

القول الثاني:

المذي نجس كبول البالغ، وهذا ما ذهب إليه جمهور أهل العلم من: الحنفية‌‌(6) ، والمالكية‌‌(7) ، والشافعية‌‌(8) ، والمذهب عند الحنابلة‌‌(9).

--------------------------------------------

‌‌(1) أخرجه البخاري في صحيحه، كتاب: الوضوء، باب: بول الصبيان، (223) 1/ 54 ، وأخرجه مسلم في صحيحه، كتاب: الطهارة، باب: حكم بول الطفل الرضيع وكيفية غسله (287) 1/ 238.

‌‌(2) أخرجه البخاري في صحيحه، كتاب: الحيض، باب: غسل دم الحيض، (307) 1/ 69.

‌‌(3) أخرجه أحمد في مسنده، مسند: المكيين، حديث سهل بن حنيف، (15973) 25/ 345، وحسنه شعيب الأرنؤوط في تحقيقه على مسند أحمد.

‌‌(4) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.

‌‌(5) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.

‌‌(6) ينظر: شرح مختصر الطحاوي، للجصاص 1/ 348، والتجريد، للقدوري 2/ 745، والمبسوط، للسرخسي 1/ 81.

‌‌(7) ينظر: التمهيد، لابن عبدالبر 21/ 207، ومناهج التحصيل، للرجراجي 1/ 124، وحاشية الدسوقي 1/ 112.

‌‌(8) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 1/ 215، والمجموع، للنووي 2/ 552، وكفاية الأخيار، للحصني ص: 66.

‌‌(9) ينظر: المغني، لابن قدامة 2/ 61، وشرح العمدة في الفقه (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 100، والمنح الشافيات، للبهوتي 1/ 174.
তা ধৌত করা)‌‌(১), আর ধৌত করার অর্থে 'নাদহ' (ছিটানো) শব্দের ব্যবহারের উদাহরণ হলো আসমা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদিসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: (যখন তোমাদের কারো পোশাকে হায়েজের রক্ত লাগে, তখন সে যেন তা খুঁটে ফেলে, এরপর পানি দিয়ে ছিটিয়ে দেয় (ধৌত করে), তারপর তাতে সালাত আদায় করে)‌‌(২)। অতএব, সহল ইবনে হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদিসেও এর দ্বারা ধৌত করা উদ্দেশ্য হওয়া সম্ভব।

 

এই পর্যালোচনার উত্তর এভাবে দেওয়া যেতে পারে:

সহল ইবনে হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদিসের অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে: (অতঃপর তোমার কাপড়ের যেখানে এটি লেগেছে বলে তুমি দেখছো, সেখানে তা দ্বারা মুছে নাও)‌‌(৩)। এই বর্ণনাটি এমন একটি প্রমাণ যা 'নাদহ'-কে ছিটিয়ে দেওয়ার অর্থে গ্রহণ করাকে শক্তিশালী করে।

দ্বিতীয় দলিল:

মযি পবিত্রতা ও অপবিত্রতার মাঝে দোদুল্যমান। এটি বীর্যের সদৃশ; কারণ এটি কামোত্তেজনা থেকে উৎপন্ন বীর্যেরই একটি অংশ। আবার এটি প্রস্রাবের সদৃশ; কারণ এটি পূর্ণাঙ্গ নয় এবং তা থেকে কোনো প্রাণী সৃষ্টি হয় না। যেহেতু এটি উভয়ের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে, তাই এর পবিত্রতা অর্জনের পদ্ধতি সহজ বা শিথিল হওয়াই যুক্তিযুক্ত‌‌(৪)।

তৃতীয় দলিল:

মযি থেকে বেঁচে থাকা কষ্টকর; কারণ এটি যুবকদের ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে নির্গত হয় এবং এটি একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়। আর কষ্ট বা সংকীর্ণতা সহজতা বয়ে আনে; তাই এর ক্ষেত্রে ছিটিয়ে দেওয়া বা হালকাভাবে ধৌত করাই যথেষ্ট, যেমনটি দুগ্ধপোষ্য বালক শিশুর প্রস্রাবের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে‌‌(৫)।

দ্বিতীয় মত:

মযি প্রাপ্তবয়স্কের প্রস্রাবের মতোই অপবিত্র। জমহুর বা অধিকাংশ আলেম এই মত পোষণ করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন: হানাফি‌‌(৬), মালিকি‌‌(৭), শাফেয়ি‌‌(৮) এবং হাম্বলি মাযহাবের নির্ভরযোগ্য মত‌‌(৯)।

--------------------------------------------

‌‌(১) বুখারী তার সহিহ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন, কিতাব: ওযু, অধ্যায়: শিশুদের প্রস্রাব, (২২৩) ১/৫৪ এবং মুসলিম তার সহিহ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন, কিতাব: পবিত্রতা, অধ্যায়: দুগ্ধপোষ্য শিশুর প্রস্রাবের বিধান এবং তা ধৌত করার পদ্ধতি (২৮৭) ১/২৩৮।

‌‌(২) বুখারী তার সহিহ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন, কিতাব: হায়েজ, অধ্যায়: হায়েজের রক্ত ধৌত করা, (৩০৭) ১/৬৯।

‌‌(৩) ইমাম আহমদ তার মুসনাদে এটি বর্ণনা করেছেন, মুসনাদুল মাক্কিয়্যিন, সহল বিন হুনাইফের হাদিস, (১৫৯৭৩) ২৫/৩৪৫, আর শুয়াইব আরনাউত মুসনাদে আহমদের তাহকিকে একে হাসান বলেছেন।

‌‌(৪) দ্রষ্টব্য: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়া পৃ. ১০১ এবং আল-মুবদি', ইবনে মুফলিহ ১/২১৬।

‌‌(৫) দ্রষ্টব্য: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়া পৃ. ১০১ এবং আল-মুবদি', ইবনে মুফলিহ ১/২১৬।

‌‌(৬) দ্রষ্টব্য: শারহু মুখতাসারিত তাহাবি, জাসসাস ১/৩৪৮, আত-তাজরিদ, কুদুরি ২/৭৪৫ এবং আল-মাবসুত, সারাখসি ১/৮১।

‌‌(৭) দ্রষ্টব্য: আত-তামহিদ, ইবনে আব্দুল বার ২১/২০৭, মানাহিজুত তাহসিল, রাজরাজি ১/১২৪ এবং হাশিয়াতুদ দসুতি ১/১১২।

‌‌(৮) দ্রষ্টব্য: আল-হাবি আল-কাবির, মাওয়ার্দি ১/২১৫, আল-মাজমু', নববী ২/৫৫২ এবং কিফায়াতুল আখইয়ার, হিসনি পৃ. ৬৬।

‌‌(৯) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি, ইবনে কুদামা ২/৬১, শারহুল উমদাহ ফিল ফিকহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়া পৃ. ১০০ এবং আল-মিনাহুশ শাফিয়াত, বাহুতি ১/১৭৪।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২৪)
أدلة القول الثاني:

الدليل الأول:

حديث علي رضي الله عنه السابق، وفيه: (اغسل ذكرك)‌‌(1).

وجه الاستدلال بالحديث:

دل الحديث على وجوب غسل أثر المذي، ولو لم يكن المذي نجساً لكان الأمر بغسل أثره عبثا، والأصل في الأمر الوجوب.

ويمكن أن يناقش وجه الاستدلال:

بأن الأمر بغسل الذكر من المذي، هو أمر بتنجية السبيل من الخارج فحسب، ولا يلزم منه وجوب غسل ما سوى السبيل من البدن، والثياب إذا أصابها شيء من المذي، ويؤيد هذا التفريق، روايات حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه وفيها: الأمر بنضح الثوب‌‌(2) ، ومسح الثوب‌‌(3) ، ولم يرد الأمر بغسل الثوب من المذي! بخلاف الذَكَر؛ فإن غسله أيسر من غسل ما سواه.

الدليل الثاني:

المذي خارج من مخرج البول، فأقل أحواله أن ينجس بملاقاته لموضع النجاسة‌‌(4).

 

ويمكن أن يناقش:

لا ينازع في كونه نجس، ولكن نجاسته نجاسة مخففة كبول الغلام؛ للأحاديث الآمرة بنضحه، ومسحه‌‌(5).

القول الثالث:

المذي طاهر غير نجس، وهو رواية عند الحنابلة‌‌(6).

--------------------------------------------

‌‌(1) سبق تخريجه ص: 20.

‌‌(2) وهو قوله صلى الله عليه وسلم: (فتنضح به ثوبك) ، سبق تخريجه ص: 21.

‌‌(3) وهو قوله صلى الله عليه وسلم: (فتمسح به ثوبك) ، سبق تخريجه ص: 22.

‌‌(4) ينظر: شرح مختصر الطحاوي، للجصاص 1/ 348، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.

‌‌(5) كقوله صلى الله عليه وسلم في حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه: (يكفيك أن تأخذ كفا من ماء فتنضح به ثوبك) سبق تخريجه ص: 22، وقوله صلى الله عليه وسلم في رواية أخرى: (فتمسح به ثوبك) سبق تخريجه ص: 21.

‌‌(6) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 100، والإنصاف، للمرداوي 1/ 330، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.
দ্বিতীয় মতের দলিলসমূহ:

প্রথম দলিল:

আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ইতিপূর্বে বর্ণিত হাদিস, যাতে রয়েছে: (তোমার লিঙ্গ ধৌত করো)‌‌(১)।

হাদিস থেকে দলিল গ্রহণের পদ্ধতি:

হাদিসটি মযীর চিহ্ন ধৌত করা ওয়াজিব বা আবশ্যক হওয়ার ওপর প্রমাণ বহন করে। যদি মযী নাপাক না হতো, তবে এর চিহ্ন ধৌত করার নির্দেশটি নিরর্থক হতো; আর নির্দেশের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো তা ওয়াজিব হওয়া বোঝায়।

দলিল গ্রহণের পদ্ধতির ওপর আলোচনা করা যেতে পারে এভাবে:

মযী লাগলে লিঙ্গ ধৌত করার নির্দেশটি মূলত নির্গমন পথ দিয়ে যা বের হয়েছে তা থেকে পবিত্রতা অর্জনের একটি নির্দেশ মাত্র। এর থেকে শরীর বা কাপড়ের অন্য কোথাও মযী লাগলে তা ধৌত করা ওয়াজিব হওয়া আবশ্যক হয় না। এই পার্থক্যকে সমর্থন করে সহল ইবনে হুনাইফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণিত হাদিসের বর্ণনাগুলো, যাতে রয়েছে: কাপড় ছিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ‌‌(২) এবং কাপড় মুছে ফেলার নির্দেশ‌‌(৩)। মযী লাগলে কাপড় ধৌত করার কোনো নির্দেশ আসেনি! যা লিঙ্গ ধৌত করার নির্দেশের বিপরীত; কারণ লিঙ্গ ধৌত করা অন্যান্য বস্তু ধৌত করার চেয়ে সহজতর।

দ্বিতীয় দলিল:

মযী প্রস্রাবের পথ দিয়ে বের হয়, তাই এর সর্বনিম্ন অবস্থা হলো এটি নাপাক হওয়ার স্থানের সংস্পর্শে আসার কারণে নাপাক হয়ে যাবে‌‌(৪)।

 

এর ওপর আলোচনা করা যেতে পারে:

এটি নাপাক হওয়ার বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই, তবে এর নাপাকি হলো শিশুর প্রস্রাবের মতো হালকা নাপাকি (নাজাসাতে মুখাফফাফাহ); কারণ হাদিসসমূহে এটি ছিটিয়ে দেওয়ার এবং মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে‌‌(৫)।

তৃতীয় মত:

মযী পবিত্র, নাপাক নয়। এটি হাম্বলি মাযহাবের একটি বর্ণনা‌‌(৬)।

--------------------------------------------

‌‌(১) এর উৎস ইতিপূর্বে ২০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(২) আর তা হলো নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: (তা দিয়ে তোমার কাপড় ছিটিয়ে দাও), এর উৎস ইতিপূর্বে ২১ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(৩) আর তা হলো নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: (তা দিয়ে তোমার কাপড় মুছে ফেলো), এর উৎস ইতিপূর্বে ২২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(৪) দেখুন: শারহু মুখতাসারিত তাহাবি, জাসসাস ১/ ৩৪৮, এবং আল-মুবদি, ইবনে মুফলিহ ১/ ২১৬।

‌‌(৫) যেমন সহল ইবনে হুনাইফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদিসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: (তোমার জন্য এক আঁজলা পানি নিয়ে তা দিয়ে তোমার কাপড় ছিটিয়ে দেওয়াই যথেষ্ট), এর উৎস ইতিপূর্বে ২২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে। এবং অন্য বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: (তা দিয়ে তোমার কাপড় মুছে ফেলো), এর উৎস ইতিপূর্বে ২১ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

‌‌(৬) দেখুন: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ পৃ: ১০০, এবং আল-ইনসাফ, মারদাভি ১/ ৩৩০, এবং আল-মুবদি, ইবনে মুফলিহ ১/ ২১৬।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২৫)
أدلة القول الثالث:

الدليل الأول:

حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه السابق، وفيه: (إنما يجزئك من ذلك الوضوء)، وفيه: (يكفيك أن تأخذ كفا من ماء فتنضح به ثوبك حيث ترى أنه أصاب منه)‌‌(1).

وجه الاستدلال بالحديث:

لم يأمر صلى الله عليه وسلم بغسل الفرج من المذي، ولو كان واجبا لأمر به؛ إذ تأخير البيان عن وقت الحاجة لا يجوز‌‌(2).

نوقش وجه الاستدلال بالحديث:

سكوته صلى الله عليه وسلم عن غسل الفرج من المذي، قد يكون لعلم المستمع به، وإنما خرج الجواب مخرج السؤال؛ فإنه سأل عما يوجبه خروج المذي من الطهارة الكبرى، أو الصغرى، وعن كيفية تطهير الثوب من أثر المذي‌‌(3).

الدليل الثاني:

المذي جزء من المني؛ إذ يخرج بسبب الشهوة من مخرج المني، لكنه لم يستحكم بكمال الشهوة‌‌(4).

ويمكن أن يناقش:

قياس المذي على المني في الطهارة، قياس في مقابل النص.

 

الترجيح:

الذي يترجح -والله أعلم- القول الأول القائل؛ أن المذي نجاسته نجاسة مخففة؛ لإمكان جمع النصوص عليه، وهو الأقرب لقواعد الشريعة، الدالة على التيسير، ورفع الحرج عند المشقة.

المسألة الثالثة: ثمرة الخلاف:

مما ينبني على الخلاف السابق؛ الخلاف في كيفية تطهير ما يصيب الثوب، وسائر البدن -سوى السبيل- من أثر المذي‌‌(5)؛ على قولين:

القول الأول:

ينضح ما أصاب الثوب، والبدن من أثر المذي، وهو قول عند المالكية‌‌(6) ، ورواية عند الحنابلة‌‌(7).

--------------------------------------------

‌‌(1) سبق تخريجه ص: 21.

‌‌(2) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101.

‌‌(3) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101.

‌‌(4) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.

‌‌(5) يتصور الخلاف بناءً على القولين الأولين القائلين بنجاسة المذي، ولا يمكن تصوره بناء على القول الثالث القائل بطهارته.

‌‌(6) ينظر: التاج والإكليل، للمواق 1/ 244.

‌‌(7) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.
তৃতীয় মতের দলীলসমূহ:

প্রথম দলীল:

ইতিপূর্বে উল্লিখিত সাহল বিন হুনাইফ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদীস, যাতে রয়েছে: (এজন্য তোমার কেবল অযু করাই যথেষ্ট), এবং তাতে আরও আছে: (তোমার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, তুমি এক অঞ্জলি পানি নিয়ে তোমার কাপড়ের যেখানে নাপাকি লেগেছে বলে মনে করো, সেখানে ছিটিয়ে দাও)‌‌(১)।

হাদীসটি থেকে দলীল গ্রহণের পদ্ধতি:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাযি থেকে লজ্জাস্থান ধৌত করার আদেশ দেননি। যদি এটি ওয়াজিব হতো, তবে তিনি অবশ্যই এর আদেশ দিতেন; কেননা প্রয়োজনের সময় বর্ণনা প্রদানে বিলম্ব করা বৈধ নয়‌‌(২)।

দলীল গ্রহণের পদ্ধতির ওপর আলোচনা:

মাযি থেকে লজ্জাস্থান ধৌত করার ব্যাপারে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নীরব থাকাটা শ্রোতার এ বিষয়ে অবগতির কারণে হতে পারে। আর উত্তরটি মূলত প্রশ্নের ধরন অনুযায়ী এসেছে; কারণ তিনি প্রশ্ন করেছিলেন মাযি নির্গত হওয়ার কারণে বড় পবিত্রতা (গোসল) নাকি ছোট পবিত্রতা (অযু) কোনটি ওয়াজিব হয়, এবং কাপড়ে লেগে থাকা মাযির প্রভাব পবিত্র করার পদ্ধতি সম্পর্কে‌‌(৩)।

দ্বিতীয় দলীল:

মাযি হচ্ছে বীর্যেরই একটি অংশ; কারণ এটি উত্তেজনার কারণে বীর্য নির্গমনের পথ দিয়েই বের হয়, তবে পূর্ণ উত্তেজনার মাধ্যমে তা চূড়ান্ত রূপ লাভ করে না‌‌(৪)।

এর উত্তরে বলা যেতে পারে:

পবিত্রতার ক্ষেত্রে মাযিকে বীর্যের ওপর কিয়াস করা নস (সুস্পষ্ট প্রমাণ)-এর পরিপন্থী কিয়াস।

 

প্রাধান্যযোগ্য মত:

যেটি প্রাধান্যযোগ্য—আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন—তা হলো প্রথম মতটি, যা বলে যে: মাযির নাপাকি হচ্ছে হালকা ধরনের নাপাকি; কারণ এর মাধ্যমে সকল নসের মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব। আর এটিই শরীয়তের মূলনীতিসমূহের অধিক নিকটবর্তী, যা সহজসাধ্যতা এবং কষ্টের সময় কাঠিন্য দূর করার নির্দেশ দেয়।

তৃতীয় মাসআলা: মতভেদের ফলাফল:

পূর্বোক্ত মতভেদের ওপর ভিত্তি করে যা সাব্যস্ত হয় তা হলো; কাপড়ে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে—লজ্জাস্থান ব্যতীত—মাযির চিহ্ন লাগলে তা পবিত্র করার পদ্ধতির ব্যাপারে মতভেদ‌‌(৫); যা দুটি মতের ওপর ভিত্তি করে:

প্রথম মত:

কাপড় ও শরীরে মাযির যা কিছু লাগে তাতে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। এটি মালিকী মাযহাবের একটি মত‌‌(৬) এবং হাম্বলী মাযহাবের একটি বর্ণনা‌‌(৭)।

--------------------------------------------

‌‌(১) ইতিপূর্বে ২১ পৃষ্ঠায় এর উৎস নির্দেশ করা হয়েছে।

‌‌(২) দেখুন: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ, পৃ: ১০১।

‌‌(৩) দেখুন: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ, পৃ: ১০১।

‌‌(৪) দেখুন: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ, পৃ: ১০১ এবং আল-মুবদি‘, ইবনে মুফলিহ ১/২১৬।

‌‌(৫) এই মতভেদটি মাযিকে অপবিত্র মনে করার প্রথম দুটি মতের ওপর ভিত্তি করে কল্পনা করা যায়, তবে এটি অপবিত্র নয় বলে যে তৃতীয় মত রয়েছে তার ভিত্তিতে এটি সম্ভব নয়।

‌‌(৬) দেখুন: আত-তাজ ওয়াল ইকলীল, মাওয়াক্ব ১/২৪৪।

‌‌(৭) দেখুন: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ, পৃ: ১০১ এবং আল-মুবদি‘, ইবনে মুফলিহ ১/২১৬।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২৬)
أدلة القول الأول:

استدل أصحاب هذا القول؛ على إجزاء نضح المذي، بالأدلة التي استدلوا به على تخفيف نجاسة المذي، ومنها:

حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه وفيه: فقلت: يا رسول الله، كيف بما يصيب ثوبي منه، قال: (يكفيك أن تأخذ كفا من ماء فتنضح به ثوبك حيث ترى أنه أصاب منه)‌‌(1) ، وهو صريح في إجزاء نضح المحل من أثر المذي.

القول الثاني:

يجب غسل ما أصاب الثوب، والبدن من أثر المذي، وهذا ما ذهب إليه جمهور أهل العلم من: الحنفية‌‌(2) ، والمشهور عند المالكية‌‌(3) ، والشافعية‌‌(4) ، والمذهب عند الحنابلة‌‌(5).

أدلة القول الثاني:

الدليل الأول:

أمر النبي صلى الله عليه وسلم بغسل الذكر من المذي؛ فيقاس عليه سائر المحال التي يصيبها المذي‌‌(6).

يمكن أن يجاب:

الأحاديث الواردة في التعامل مع أثر المذي فرقت بين الذكر وغيره؛ ففي حديث علي رضي الله عنه أمر بغسل الذكر من أثر المذي‌‌(7) ، وفي حديث سهل بن حنيف رضي الله عنه أمر بنضح

--------------------------------------------

‌‌(1) سبق تخريجه ص: 21.

‌‌(2) ينظر: شرح معاني الآثار، للطحاوي 1/ 48، وشرح مختصر الطحاوي، للجصاص 1/ 348، والمبسوط، للسرخسي 1/ 81.

‌‌(3) ينظر: مناهج التحصيل، للرجراجي 1/ 124، والتاج والإكليل، للمواق 1/ 244.

‌‌(4) ينظر: المجموع، للنووي 2/ 144 - 145، وكفاية الأخيار، للحصني ص: 66.

‌‌(5) ينظر: المغني، لابن قدامة 2/ 61، وشرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101 ، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.

‌‌(6) ينظر: شرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية ص: 101.

‌‌(7) سبق تخريجه ص: 20.
প্রথম মতের দলীলসমূহ:

এই মতের প্রবক্তাগণ মযীর নাপাকি লঘুকরণের জন্য যে সকল দলীল পেশ করেছেন, সেগুলো দিয়েই মযী আক্রান্ত স্থানে পানি ছিটিয়ে দেওয়া (নাদহ) যথেষ্ট হওয়ার পক্ষে দলীল পেশ করেছেন। তন্মধ্যে রয়েছে:

সাহল ইবনে হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীস, যাতে রয়েছে: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমার কাপড়ে এর (মযীর) যা লেগেছে তার ব্যাপারে কী হবে? তিনি বললেন: (এক আঁজলা পানি নিয়ে তোমার কাপড়ের যেখানে লেগেছে বলে তুমি মনে করো সেখানে ছিটিয়ে দেওয়াই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে)‌‌(১), আর এটি মযীর চিহ্ন থেকে আক্রান্ত স্থান ছিটিয়ে দেওয়া যথেষ্ট হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রমাণ।

দ্বিতীয় মত:

কাপড় ও শরীরের যে স্থানে মযীর চিহ্ন লাগবে তা ধৌত করা ওয়াজিব। এটিই অধিকাংশ আলিমের অভিমত, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন: হানাফী মাযহাব‌‌(২), মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মত‌‌(৩), শাফেয়ী মাযহাব‌‌(৪) এবং হাম্বলী মাযহাবের অনুসৃত মত‌‌(৫)।

দ্বিতীয় মতের দলীলসমূহ:

প্রথম দলীল:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মযী নির্গত হলে লিঙ্গ ধৌত করার নির্দেশ দিয়েছেন; সুতরাং মযী লাগে এমন অন্যান্য স্থানের বিষয়কেও এর ওপর কিয়াস (অনুমান) করা হবে‌‌(৬)।

এর উত্তরে বলা যেতে পারে:

মযীর চিহ্নের ব্যাপারে যে সকল হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তাতে লিঙ্গ এবং অন্যান্য স্থানের মধ্যে পার্থক্য করা হয়েছে। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসে মযীর চিহ্ন থেকে লিঙ্গ ধৌত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে‌‌(৭), আর সাহল ইবনে হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসে ছিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

--------------------------------------------

‌‌(১) ইতিপূর্বে ২১ পৃষ্ঠায় এর তাখরীজ করা হয়েছে।

‌‌(২) দ্রষ্টব্য: শারহু মা'আনিল আসার, তাহাবী ১/৪৮; শারহু মুখতাসারুত তাহাবী, জাসসাস ১/৩৪৮; আল-মাবসূত, সারাখসী ১/৮১।

‌‌(৩) দ্রষ্টব্য: মানাহিযুত তাহসীল, রাজরাজী ১/১২৪; আত-তাজ ওয়াল ইকলীল, মাওয়াক ১/২৪৪।

‌‌(৪) দ্রষ্টব্য: আল-মাজমূ', নববী ২/১৪৪ - ১৪৫; কিফায়াতুল আখইয়ার, হিসনী পৃ: ৬৬।

‌‌(৫) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনী, ইবনে কুদামা ২/৬১; শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ পৃ: ১০১; আল-মুবদি', ইবনে মুফলিহ ১/২১৬।

‌‌(৬) দ্রষ্টব্য: শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাহ), ইবনে তাইমিয়্যাহ পৃ: ১০১।

‌‌(৭) ইতিপূর্বে ২০ পৃষ্ঠায় এর তাখরীজ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২৭)
الثوب من أثر المذي‌‌(1)؛ فغسل الذكر أيسر من غسل غيره، والمشقة اللاحقة بغسله أهون من المشقة اللاحقة بغسل ما سواه، فلا يصح القياس عليه.

الدليل الثاني:

المذي نجس، والثوب رقيق تتداخل النجاسة في أجزائه؛ فلا يخرجه إلا الغسل بالماء، والحت، والنضح يزيلان ما على ظاهر الثوب دون ما يتداخل في أجزائه‌‌(2).

ويمكن أن يجاب:

محل النزاع ليس في تداخل النجاسة بالثوب من عدمها، وإنما في نوع النجاسة وكونها مخففة كبول الصبي؛ فإن بوله ينضح وإن تداخل في الثوب.

الترجيح:

الترجيح في هذه المسألة تابع للترجيح في المسألة السابقة، وعليه فالراجح -والله أعلم- هو القول الأول؛ القائل بإجزاء النضح؛ لإمكان جمع النصوص عليه، ولمناسبته قواعد الشريعة في التيسير، ورفع الحرج.

المسألة الرابعة: كيفية تطهير مخرج المذي من أثره.

اختلف الفقهاء في كيفية تطهير مخرج المذي من أثره، على أربعة أقوال:

 

القول الأول:

يغسل موضع الحشفة فقط، ويتعين غسلها بالماء، وهذا أحد قولي المالكية‌‌(3) ، وأحد القولين عند الشافعية‌‌(4).

أدلة القول الأول:

أولاً: أدلتهم على إجزاء غسل الحشفة:

الدليل الأول:

حديث علي رضي الله عنه في أحد رواياته: (توضأ، واغسله)‌‌(5).

--------------------------------------------

‌‌(1) سبق تخريجه ص: 21.

‌‌(2) ينظر: المبسوط، للسرخسي 1/ 81.

‌‌(3) ينظر: مناهج التحصيل، للرجراجي 1/ 109.

‌‌(4) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 1/ 160، والمجموع، للنووي 2/ 144.

‌‌(5) أخرجه أحمد في مسنده، مسند: علي رضي الله عنه (1026) 2/ 45 ، وصححه أحمد شاكر في تحقيقه على المسند 2/ 45.
কাপড়ে মযীর প্রভাবের তুলনায় লিঙ্গ ধৌত করা সহজতর। এটি ধৌত করার কষ্ট অন্য কিছু ধৌত করার কষ্টের চেয়ে কম। তাই এর ওপর কিয়াস বা অনুমান করা সঠিক নয়।

দ্বিতীয় দলীল:

মযী নাপাক এবং কাপড় পাতলা হওয়ার কারণে এর রন্ধ্রে রন্ধ্রে নাপাকি প্রবেশ করে। তাই পানি দিয়ে ধৌত করা ছাড়া এটি দূর হয় না। আর ঘষা ও পানি ছিটানো কাপড়ের ওপরের অংশ পরিষ্কার করলেও কাপড়ের ভেতর প্রবেশ করা নাপাকি দূর করে না‌‌(২)।

এর জবাবে বলা যেতে পারে:

বিরোধের বিষয়টি কাপড়ে নাপাকি প্রবেশ করা বা না করার মধ্যে নয়, বরং নাপাকির ধরন এবং শিশুর প্রস্রাবের মতো এটি লঘু নাপাকি হওয়ার মধ্যে। কেননা শিশুর প্রস্রাব কাপড়ে প্রবেশ করলেও সেখানে পানি ছিটানোই যথেষ্ট।

প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত:

এই মাসআলায় প্রাধান্যপ্রাপ্ত মতটি পূর্ববর্তী মাসআলার ওপর নির্ভরশীল। সেই অনুযায়ী প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত হলো—আল্লাহই ভালো জানেন—প্রথম মতটি; যা পানি ছিটানোকেই যথেষ্ট বলে মনে করে। কারণ এর মাধ্যমে সকল দলীলের মধ্যে সমন্বয় করা সম্ভব এবং এটি শরীয়তের সহজীকরণ ও কঠোরতা দূরীকরণের মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

চতুর্থ মাসআলা: মযীর নির্গমন পথ এর প্রভাব থেকে পবিত্র করার পদ্ধতি।

মযীর নির্গমন পথ পবিত্র করার পদ্ধতির ব্যাপারে ফকীহগণ চারটি মতে বিভক্ত হয়েছেন:

 

প্রথম মত:

শুধুমাত্র লিঙ্গমুণ্ড ধৌত করতে হবে এবং পানি দিয়ে ধৌত করা আবশ্যক। এটি মালিকী মাযহাবের দুটি মতের একটি‌‌(৩) এবং শাফেয়ী মাযহাবের দুটি মতের একটি‌‌(৪)।

প্রথম মতের দলীলসমূহ:

প্রথমত: লিঙ্গমুণ্ড ধৌত করা যথেষ্ট হওয়ার পক্ষে তাঁদের দলীলসমূহ:

প্রথম দলীল:

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসের একটি বর্ণনা: (অজু করো এবং তা ধুয়ে ফেল)‌‌(৫)।

--------------------------------------------

‌‌(১) এর তাখরীজ পূর্বে ২১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‌‌(২) দেখুন: আস-সারাকসী রচিত আল-মাবসুত ১/ ৮১।

‌‌(৩) দেখুন: আর-রাজরাজী রচিত মানাহিজিুত তাহসীল ১/ ১০৯।

‌‌(৪) দেখুন: আল-মাওয়ারদী রচিত আল-হাবী আল-কাবীর ১/ ১৬০; আন-নাওয়াবী রচিত আল-মাজমু’ ২/ ১৪৪।

‌‌(৫) ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদে এটি বর্ণনা করেছেন, মুসনাদে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু (১০২৬) ২/ ৪৫; আহমাদ শাকির মুসনাদের তাহকীকে একে সহীহ বলেছেন ২/ ৪৫।
(খণ্ড: ১) মাসাইলুল ইবাদাতিল মুখতাসসাহ বিজ-জাওজাইন (পৃষ্ঠা: ২৮)
وجه الاستدلال بالحديث:

الضمير عائد إلى المذكور في السؤال وهو المذي؛ فأمر بغسل موضعه فقط، دون ما لم يجاوزه من بقية الذكر.

الدليل الثاني:

من غسل مخرج المذي من ذكره، فقد صدق عليه أنه غسل ذكره‌‌(1).

الدليل الثالث:

القياس على سائر الأحداث الصغرى؛ فالمذي حدث، والأحداث الصغرى لا يجب بها إلا غسل موضع خروجها، فكذلك المذي‌‌(2).

ثانياً: أدلتهم على تعين الماء:

الدليل الأول: قوله صلى الله عليه وسلم: (اغسل ذكرك)‌‌(3).

وجه الاستدلال بالحديث:

أمر صلى الله عليه وسلم بغسل الذكر، والغسل يقتضي سيلان الماء على العضو‌‌(4).

الدليل الثاني:

كل الآثار في المذي على اختلاف ألفاظها وأسانيدها ليس فيها ذكر الاستجمار، ومنها: قوله صلى الله عليه وسلم: (يغسل ذكره وأنثييه، ويتوضأ)‌‌(5) ، وقوله صلى الله عليه وسلم: (اغسل ذكرك)‌‌(6) ، وقوله صلى الله عليه وسلم: (توضأ، واغسله)‌‌(7) ، مع أن الاستجمار أيسر، وتأخير البيان عن وقت الحاجة لا يجوز‌‌(8).

القول الثاني:

يغسل موضع الحشفة ويجزئ عنه الاستجمار‌‌(9) ، وهذا قول الحنفية‌‌(10) ، وأحد القولين عند الشافعية‌‌(11) ، ورواية عند الحنابلة‌‌(12).

--------------------------------------------

‌‌(1) ينظر: المجموع، للنووي 2/ 145.

‌‌(2) ينظر: المجموع، للنووي 2/ 145.

‌‌(3) سبق تخريجه ص: 20.

‌‌(4) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 1/ 160.

‌‌(5) أخرجه أبو داود في سننه، كتاب: الطهارة، باب: في المذي (208) 1/ 54، وأخرجه أحمد في مسنده، مسند: علي بن أبي طالب (1035) 2/ 47، وصحح إسناده الألباني في صحيح أبي داود 1/ 381.

‌‌(6) سبق تخريجه ص: 20.

‌‌(7) سبق تخريجه ص: 27.

‌‌(8) ينظر: التمهيد، لابن عبد البر 21/ 208.

‌‌(9) الاستجمار: إزالة النجاسة عن السبيلين بالحجارة، ونحوها … ينظر: التعريفات الفقهية، للبركتي ص: 23، وشرح حدود ابن عرفة، للرصاع ص: 35، والزاهر في شرح غريب ألفاظ الشافعي، للهروي ص: 28، والمطلع على ألفاظ المقنع، للبعلي ص: 26.

‌‌(10) ينظر: شرح معاني الآثار، للطحاوي 1/ 48، وشرح مختصر الطحاوي، للجصاص 1/ 348.

‌‌(11) ينظر: الحاوي الكبير، للماوردي 1/ 160 ، ومغني المحتاج، للشربيني 1/ 160.

‌‌(12) ينظر: المغني، لابن قدامة 1/ 114، وشرح العمدة (كتاب الطهارة) ، لابن تيمية 1/ 102، والإنصاف، للمرداوي 1/ 330 ، والمبدع، لابن مفلح 1/ 216.
হাদিসটি থেকে দালিলিক যুক্তির ধরন:

সর্বনামটি প্রশ্নে উল্লিখিত বিষয়ের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে, আর তা হলো মযী; সুতরাং তিনি শুধুমাত্র তার নির্গমনের স্থানটি ধোয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, লিঙ্গের অবশিষ্ট যে অংশে তা ছড়িয়ে পড়েনি তা ধোয়ার নির্দেশ দেননি।

দ্বিতীয় দলিল:

যে ব্যক্তি তার লিঙ্গ থেকে মযী নির্গমনের স্থানটি ধৌত করল, তার ক্ষেত্রে এটি সত্য বলে গণ্য হবে যে সে তার লিঙ্গ ধৌত করেছে‌‌(১)।

তৃতীয় দলিল:

অন্যান্য ছোট নাপাকির (আহদাস সুগরা) সাথে কিয়াস করা; মযী হলো একটি নাপাকি, আর ছোট নাপাকির ক্ষেত্রে কেবল তা নির্গমনের স্থানটি ধৌত করা ওয়াজিব হয়, মযীর ক্ষেত্রেও বিষয়টি তদ্রূপ‌‌(২)।

দ্বিতীয়ত: পানি নির্দিষ্ট হওয়ার বিষয়ে তাদের দলিলাদি:

প্রথম দলিল: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: (তুমি তোমার লিঙ্গ ধৌত করো)‌‌(৩)।

হাদিসটি থেকে দালিলিক যুক্তির ধরন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লিঙ্গ ধৌত করার নির্দেশ দিয়েছেন, আর ধৌত করা (গোসল) অঙ্গের ওপর পানি প্রবাহিত করাকে দাবি করে‌‌(৪)।

দ্বিতীয় দলিল:

মযী সংক্রান্ত সকল বর্ণনা, সেগুলোর শব্দ ও সনদগত ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও, কোনোটিতেই ইস্তিজমারের (পাথর ব্যবহারের) উল্লেখ নেই। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: (সে যেন তার লিঙ্গ ও অণ্ডকোষদ্বয় ধৌত করে এবং অজু করে)‌‌(৫), তাঁর বাণী: (তোমার লিঙ্গ ধৌত করো)‌‌(৬), এবং তাঁর বাণী: (অজু করো এবং তা ধৌত করো)‌‌(৭); অথচ ইস্তিজমার করা অধিকতর সহজ ছিল, আর প্রয়োজনের সময় বিধান বর্ণনা করতে বিলম্ব করা বৈধ নয়‌‌(৮)।

দ্বিতীয় মত:

লিঙ্গের অগ্রভাগ (হাশাফাহ) ধৌত করবে এবং এর স্থলে ইস্তিজমার করাও যথেষ্ট হবে‌‌(৯); এটি হানাফী মাযহাবের অভিমত‌‌(১০), শাফেঈ মাযহাবের দুটি মতের একটি‌‌(১১) এবং হাম্বলী মাযহাবের একটি বর্ণনা‌‌(১২)।

--------------------------------------------

‌‌(১) দ্রষ্টব্য: আল-মাজমু, নববী ২/ ১৪৫।

‌‌(২) দ্রষ্টব্য: আল-মাজমু, নববী ২/ ১৪৫।

‌‌(৩) এর উৎস পূর্বে ২০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‌‌(৪) দ্রষ্টব্য: আল-হাভী আল-কাবীর, মাওয়ারদী ১/ ১৬০।

‌‌(৫) এটি আবু দাউদ তার সুনানে বর্ণনা করেছেন, অধ্যায়: তাহারাত, অনুচ্ছেদ: মযী প্রসঙ্গে (২০৮) ১/ ৫৪; এবং আহমদ তার মুসনাদে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে আবি তালিবের মুসনাদ (১০৩৫) ২/ ৪৭; আলবানী সহীহ আবু দাউদ ১/ ৩৮১ গ্রন্থে এর সনদকে সহীহ বলেছেন।

‌‌(৬) এর উৎস পূর্বে ২০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‌‌(৭) এর উৎস পূর্বে ২৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‌‌(৮) দ্রষ্টব্য: আত-তামহীদ, ইবনে আব্দুল বার ২১/ ২০৮।

‌‌(৯) ইস্তিজমার: পাথর বা অনুরূপ কিছুর মাধ্যমে মূত্র ও মলদ্বার থেকে নাপাকি দূর করা... দ্রষ্টব্য: আত-তারিফাতুল ফিকহিয়্যাহ, বারকাতি পৃষ্ঠা: ২৩; শারহু হুদুদি ইবনে আরাফাহ, রাসসা পৃষ্ঠা: ৩৫; আয-যাহির ফি শারহি গারিবি আলফাযিশ শাফেঈ, হারাবী পৃষ্ঠা: ২৮; আল-মুতলি' আলা আলফাযিল মুকনি, বা'লী পৃষ্ঠা: ২৬।

‌‌(১০) দ্রষ্টব্য: শারহু মা'আনিল আসার, তহাবী ১/ ৪৮; শারহু মুখতাসারিত তহাবী, জাসসাস ১/ ৩৪৮।

‌‌(১১) দ্রষ্টব্য: আল-হাভী আল-কাবীর, মাওয়ারদী ১/ ১৬০; মুগনি আল-মুহতাজ, শিরবীনী ১/ ১৬০।

‌‌(১২) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনী, ইবনে কুদামা ১/ ১১৪; শারহুল উমদাহ (কিতাবুত তাহারাত), ইবনে তাইমিয়্যাহ ১/ ১০২; আল-ইনসাফ, মারদাবী ১/ ৩৩০; আল-মুবদি, ইবনে মুফলিহ ১/ ২১৬।