(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: -)
مائة حديث ساقطة من سنن النسائي الكبرى المطبوع القسم: كتب السنة
الكتاب: مائة حديث ساقطة من سنن النسائي الكبرى المطبوع
مائة حديث بأسانيدها من نسخة حمزة الكناني راوي السنن عن النسائي، وهي ساقطة من سنن النسائي الكبرى من جميع المطبوعات (بما فيها طبعة الرسالة) ، وفيها حديثان زائدان على المجتبى أيضا ( 87 و 88)
المؤلف: أبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب بن علي الخراساني، النسائي (ت 303هـ)
عدد الصفحات: 27
[الكتاب مرقم آليا، غير مطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সুনানে নাসায়ী আল-কুবরা-র মুদ্রিত সংস্করণ থেকে বাদ পড়া একশ হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: সুনানে নাসায়ী আল-কুবরা-র মুদ্রিত সংস্করণ থেকে বাদ পড়া একশ হাদিস
ইমাম নাসায়ী থেকে সুনান-এর বর্ণনাকারী হামযা আল-কিনানি-র পাণ্ডুলিপি থেকে সনদসহ একশটি হাদিস, যা সুনানে নাসায়ী আল-কুবরা-র সকল মুদ্রিত সংস্করণ (রিসালাহ সংস্করণসহ) থেকে বাদ পড়েছে এবং এতে এমন দুটি হাদিসও রয়েছে যা আল-মুজতাবা-র অতিরিক্ত (৮৭ ও ৮৮)।
লেখক: আবু আবদির রহমান আহমাদ বিন শুআইব বিন আলি আল-খুরাসানি, নাসায়ী (মৃত্যু ৩০৩ হিজরি)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৭
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বরযুক্ত, মুদ্রিত নয়]
শামেলা-য় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুলহিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
هذه مائة حديث بأسانيدها ساقطة من سنن النسائي الكبرى من جميع المطبوعات (بما فيها طبعة الرسالة)
وهي زيادة من نسخة حمزة الكناني من الأحاديث على سائر النسخ وفيها حديثان زائدان على المجتبى أيضا (87و88)
* (نسخة حمزة الكناني) : نسخة مغربية عتيقة لرواية حمزة راوي السنن عن النسائي، وعليها سماعات وإسنادها الى النسائي وعليها قراءات، وهذا السقط يقع في أجزاء متفرقة من السنن الكبرى، وليس هو في موضع واحد
بل النسخ المطبوعة فيها نقص حوالي مائة حديث في مواضع متفرقة، مثلا في الطهارة خمسة أحاديث وفي الصلاة عشرة وهكذا، هي موجودة في رواية حمزة المغربية، وجُمعت هذه الأحاديث من مواضعها وأُدرجت هنا، مع ذكر رقم الحديث وموطنه
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এখানে সুনানে নাসায়ীয়ুল কুবরা-এর সমস্ত মুদ্রিত সংস্করণ (রিসালা সংস্করণসহ) থেকে বাদ পড়া সনদসহ একশটি হাদিস রয়েছে।
এগুলো অন্যান্য পাণ্ডুলিপির তুলনায় হামযা আল-কিনানির পাণ্ডুলিপিতে থাকা অতিরিক্ত হাদিস এবং এতে এমন দুটি হাদিসও রয়েছে যা আল-মুজতাবাতেও অতিরিক্ত (৮৭ ও ৮৮)।
* (হামযা আল-কিনানির পাণ্ডুলিপি): এটি নাসায়ীর নিকট থেকে সুনান বর্ণনাকারী হামযার বর্ণনার একটি প্রাচীন মাগরেবি পাণ্ডুলিপি। এতে শ্রবণ-টীকা (সামাআ’ত), নাসায়ী পর্যন্ত এর সনদ এবং বিভিন্ন পঠন-রীতি বিদ্যমান। এই বাদ পড়া অংশগুলো সুনানে কুবরা-এর বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তা কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে নয়।
বরং মুদ্রিত সংস্করণগুলোতে বিভিন্ন স্থানে প্রায় একশটি হাদিসের ঘাটতি রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, পবিত্রতা অধ্যায়ে পাঁচটি হাদিস, নামাজ অধ্যায়ে দশটি এবং এভাবেই অন্যান্য। এগুলো হামযার মাগরেবি বর্ণনায় বিদ্যমান রয়েছে। এই হাদিসগুলোকে তাদের স্বস্থান থেকে সংগ্রহ করে হাদিস নম্বর ও অবস্থানের উল্লেখসহ এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ১)
1-[أنا يعقوب بن إبراهيم قال نا يحيى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ قَالَ أَخْبَرَنِي الْقَعْقَاعُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((إِنَّمَا أنا لكم مثل الوالد أعلمكم ، فإذا ذَهَبَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْخَلَاءِ فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ ولا يستدبرها ولا يستنجي بيمينه)) وكان يأمر بثلاثة أحجار وينهى عن الروث والرمة]
১-[আমাকে ইয়াকুব বিন ইবরাহিম সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আল-কাক্কা সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "আমি তোমাদের জন্য একজন পিতার মতো, আমি তোমাদের শিক্ষা দান করি। অতএব তোমাদের কেউ যখন শৌচাগারে যায়, তখন সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং তার দিকে পিঠ না দেয় এবং সে যেন তার ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন না করে।" তিনি তিনটি পাথর ব্যবহারের নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও জীর্ণ হাড় ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ১)
2-[أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزهري قال نا عَبْدُ الْوَهَّابِ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِى كَثِيرٍ عَنِ ابْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَتَنَفَّسَ فِي الْإِنَاءِ وَأَنْ يَمَسَّ ذكره بيمينه وأن يستطيب بيمينه]
২-[আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আয-যুহরী, তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল ওয়াহহাব, আইয়ুব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি ইবনে আবি কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ফেলতে, ডান হাত দিয়ে নিজের লিঙ্গ স্পর্শ করতে এবং ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করতে নিষেধ করেছেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ১)
3-[أنا أحمد بن الصباح قال نا شعيب يعني ابن حرب قال نا أبان بن عبد الله البجلي قال نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ جَرِيرٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى الخلاء فقضى حاجته ثُمَّ قَالَ يَا جَرِيرُ هَاتِ طَهُورًا فَأَتَيْتُهُ بالماء فاستجى بالماء وقال بيده فدلك بها الأرض]
৩-[আহমাদ বিন আস-সাবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট শুয়াইব অর্থাৎ ইবনুল হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবান বিন আব্দুল্লাহ আল-বাজালি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইব্রাহিম বিন জারির তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম, অতঃপর তিনি শৌচাগারে আসলেন এবং তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন। এরপর তিনি বললেন: হে জারির, পবিত্রতার জন্য পানি নিয়ে এসো। তখন আমি তাঁর নিকট পানি নিয়ে আসলাম, তিনি পানি দিয়ে শৌচ কার্য সম্পন্ন করলেন এবং তাঁর হাত দিয়ে মাটির উপর ঘষলেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ১)
4-[أنا هارون بن عبد الله قال نا معن قال نا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ عن جبير بن نفير قَالَ سَمِعْتُ عَوْفَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يصلي عَلَى مَيِّتٍ فَسَمِعْتُ مِنْ دُعَائِهِ وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ وَأَوْسِعْ مُدْخَلَهُ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الأبيض من الدنس 0 مختصر]
৪-[আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারুন বিন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মা'ন, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন সালিহ, হাবীব বিন উবাইদ থেকে, তিনি জুবাইর বিন নুফাইর থেকে, তিনি বলেন আমি আউফ বিন মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জনৈক মৃতের জানাজার সালাত আদায় করতে শুনেছি, তখন আমি তাঁর দুআ থেকে শুনলাম যে তিনি বলছিলেন: হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তার প্রতি দয়া করুন, তাকে নিরাপত্তা দান করুন, তাকে মার্জনা করুন, তার মেহমানদারিকে সম্মানজনক করুন, তার প্রবেশপথকে প্রশস্ত করুন এবং তাকে পানি, বরফ ও শিলা দ্বারা ধৌত করুন। তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন করুন যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়। ০ সংক্ষিপ্ত]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ১)
5-[أنا قتيبة بن سعيدعن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ((إِذَا شَرِبَ الْكَلْبُ فِي إناء أحدكم فليغسله سبع مرات))
৫-[আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, তিনি মালিক থেকে, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কারো পাত্রে যদি কুকুর পান করে, তবে সে যেন তা সাতবার ধৌত করে।"]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ২)
6-[أنا إسحاق بن إبراهيم قال أنا عبد الرزاق قال نا سُفْيَانُ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يَجِدُوا مَاءً فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بِتَوْرٍ فَأَدْخَلَ يَدَهُ فَلَقَدْ رَأَيْتُ الْمَاءَ يَتَفَجَّرُ مِنْ بَيْنِ أَصَابِعِهِ وَيَقُولُ ((حَيَّ عَلَى الطَّهُورِ والبركة من الله)) قَالَ الْأَعْمَشُ فَحَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ أَبِي الْجَعْدِ قَالَ قُلْتُ لِجَابِرٍ كَمْ كُنْتُمْ يَوْمَئِذٍ قَالَ ألفا وخمسمائة]
৬-[আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। তখন তারা কোনো পানি খুঁজে পাচ্ছিল না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি ছোট পানির পাত্র আনা হলো এবং তিনি তাতে তাঁর হাত প্রবেশ করালেন। আমি অবশ্যই পানিকে তাঁর আঙুলসমূহের মাঝখান থেকে উথলে পড়তে দেখেছি। তিনি বলছিলেন, "পবিত্রকারক পানির দিকে এসো, আর বরকত তো আল্লাহর পক্ষ থেকে।" আমাশ বলেন, অতঃপর আমার নিকট সালিম বিন আবুল জাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি জাবিরকে জিজ্ঞেস করলাম, সেদিন আপনারা কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, এক হাজার পাঁচশ জন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ২)
7-[أنا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ (وَأَنَا أَسْمَعُ) وَاللَّفْظُ لَهُ عَنْ ابْنِ وَهْبٍ عَنْ مَالِكٍ وَيُونُسَ وَعَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ أَخْبَرَهُمْ (عَنْ عَبَّادِ بْنِ زِيَادٍ عَنْ) عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ يَقُولُ سَكَبْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (حِينَ تَوَضَّأَ) فِي غَزْوَةِ تبوك فمسح على الخفين. لم يذكر مالك عروة بن المغيرة]
৭-[আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনু দাউদ এবং আল-হারিস ইবনু মিসকিন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে (আর আমি শুনছিলাম) এবং শব্দাবলি তাঁরই—ইবনু ওয়াহব হতে, তিনি মালিক, ইউনুস এবং আমর ইবনুল হারিস হতে; তাঁরা বর্ণনা করেন যে, ইবনু শিহাব তাঁদের অবহিত করেছেন (আব্বাদ ইবনু যিয়াদ হতে), তিনি উরওয়াহ ইবনুল মুগীরাহ হতে, তিনি তাঁর পিতাকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেন: আমি তাবুক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন অজু করছিলেন তখন তাঁর ওপর পানি ঢেলে দিয়েছিলাম, এরপর তিনি মোজাদ্বয়ের ওপর মাসেহ করলেন। মালিক (তাঁর বর্ণনায়) উরওয়াহ ইবনুল মুগীরাহর কথা উল্লেখ করেননি।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ২)
8-[أنا محمد بن سلمة والحارث بن المسكين قراءة عليه وأنا أسمع واللفظ له عنىأبن الْقَاسِمِ قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَاصِمٍ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وهو جد عمر بن يحيى هل تستطيع يعني أَنْ تُرِيَنِي كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ نَعَمْ فَدَعَا بِوَضُوءٍ فَأَفْرَغَ عَلَى يديه فغسل يديه مرتين مرتين ثم مضمض واستنثر ثَلَاثًا ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا ثُمَّ غَسَلَ يَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ثُمَّ مَسَحَ رَأْسَهُ بِيَدَيْهِ فَأَقْبَلَ بِهِمَا وَأَدْبَرَ بَدَأَ بِمُقَدَّمِ رَأْسِهِ ثُمَّ ذَهَبَ بِهِمَا إِلَى قَفَاهُ ثُمَّ رَدَّهُمَا حَتَّى رَجَعَ إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي بَدَأَ منه ثم غسل رجليه]
৮-[আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সালামা এবং আল-হারিস ইবনুল মিসকিন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি এবং শব্দগুলো তাঁরই, ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, আমর ইবনে ইয়াহইয়া আল-মাজিনী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে যায়িদ ইবনে আসিমকে—যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম সাহাবী ছিলেন এবং তিনি আমর ইবনে ইয়াহইয়ার দাদা—জিজ্ঞাসা করলেন: আপনি কি আমাকে দেখাতে পারবেন যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে অজু করতেন? আবদুল্লাহ ইবনে যায়িদ বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি অজুর পানি আনালেন এবং তাঁর উভয় হাতের ওপর পানি ঢাললেন। এরপর তিনি তাঁর হাত দু’বার করে ধৌত করলেন। এরপর তিনবার কুলি করলেন ও নাক পরিষ্কার করলেন। অতঃপর তিনবার তাঁর মুখমণ্ডল ধৌত করলেন। এরপর তাঁর উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার করে ধৌত করলেন। তারপর তাঁর উভয় হাত দ্বারা মাথা মাসাহ করলেন, হাত দুটিকে সামনে আনলেন ও পেছনে নিলেন; তিনি মাথার সম্মুখভাগ থেকে শুরু করলেন, তারপর হাত দুটিকে তাঁর ঘাড় পর্যন্ত নিয়ে গেলেন, এরপর পুনরায় সেগুলোকে সেই স্থানে ফিরিয়ে আনলেন যেখান থেকে তিনি শুরু করেছিলেন। তারপর তিনি তাঁর উভয় পা ধৌত করলেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ২)
9-[أنا محمود بن غيلان قال نا وكيع قال نا سفيان وأنا عمرو بن علي قال أنا عبد الرحمن قال نا سُفْيَانُ وَاللَّفْظُ لَهُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ عَنْ أبي يحيى عن عبد اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قوما يتوضؤون فَرَأَى أَعْقَابَهُمْ تَلُوحُ فَقَالَ ((وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النار أسبغوا الوضوء))
৯-[মাহমুদ ইবনে গায়লান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ওয়াকী‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। এবং আমর ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন এবং শব্দাবলি তাঁরই—মানসূর থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে, তিনি আবু ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল লোককে ওযু করতে দেখলেন। তখন তিনি দেখলেন তাদের গোড়ালিগুলো (শুকনো থাকার কারণে) চমকাচ্ছে। তখন তিনি বললেন, “আগুনের কারণে গোড়ালিগুলোর জন্য ধ্বংস! তোমরা ওযু পূর্ণরূপে সম্পন্ন করো।”]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৩)
10-[أنا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ وَاللَّفْظُ لَهُ عَنْ ابْنِ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَزِيدَ اللَّيْثِيَّ أَخْبَرَهُ أن حمران مولى عثمان دعا يوما بوضوء فتوضأ وغسل كفيه ثلاث مرات ثم مضمض واستنثر ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ غَسَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى إِلَى الْمِرْفَقِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ غَسَلَ يَدَهُ الْيُسْرَى مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَهُ الْيُمْنَى إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى مِثْلَ ذلك ثم قال رأيت رسول صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ نَحْوَ وُضُوئِي هذا ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ تَوَضَّأَ نَحْوَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ قام فركع ركعتين لايحدث فِيهِمَا نَفْسَهُ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذنبه]
১০- [আমি আহমদ ইবনে আমর ইবনুস সারহ এবং হারিস ইবনে মিসকীন (তার নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম, শব্দ বিন্যাস তার) বর্ণনা করেছেন ইবনু ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি ইবনু শিহাব থেকে যে, আতা ইবনে ইয়াযিদ আল-লায়সি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, উসমানের মুক্তদাস হুমরান একদিন ওযুর পানি চাইলেন। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং তার দুই হাতের কবজি তিনবার ধৌত করলেন। এরপর কুলি করলেন ও নাক ঝাড়লেন। তারপর তার মুখমন্ডল তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তার ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন, তারপর তার বাম হাতও একইভাবে ধৌত করলেন। এরপর তিনি তার মাথা মাসাহ করলেন। এরপর তার ডান পা টাখনু পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন এবং তার বাম পা-ও একইভাবে ধৌত করলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার এই ওযুর ন্যায় ওযু করতে দেখেছি। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "যে ব্যক্তি আমার এই ওযুর ন্যায় ওযু করবে, অতঃপর দাঁড়িয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে এবং তাতে মনে মনে কোনো কথা বলবে না, তার পূর্ববর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৩)
11-[أنا علي بن خشرم قال أنا عِيسَى عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِحَاجَتِهِ فَلَمَّا رَجَعَ تَلَقَّيْتُهُ بِإِدَاوَةٍ فَصَبَبْتُ عَلَيْهِ فَغَسَلَ يَدَيْهِ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَغْسِلَ ذِرَاعَيْهِ فَضَاقَتْ بالجبة فَأَخْرَجَهُمَا مِنْ أَسْفَلِ الْجُبَّةِ فَغَسَلَهُمَا وَمَسَحَ عَلَى خفيه ثم صلى بنا]
১১-[আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে খাশরাম, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি মুসলিম থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, আর তিনি মুগীরা ইবনে শু'বা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রয়োজনে বের হলেন। অতঃপর যখন তিনি ফিরে এলেন, তখন আমি পানির একটি পাত্র নিয়ে তাঁর সামনে উপস্থিত হলাম এবং তাঁর ওপর পানি ঢেলে দিলাম। তিনি তাঁর দুই হাত ধৌত করলেন এবং মুখমণ্ডল ধৌত করলেন। এরপর তিনি তাঁর দুই বাহু ধৌত করতে চাইলেন, কিন্তু জুব্বার হাতা সংকীর্ণ হওয়ার কারণে তিনি জুব্বার নিচ দিয়ে হাত দুটি বের করে আনলেন এবং সেগুলো ধৌত করলেন। আর তিনি তাঁর মোজা দুটির ওপর মাসাহ করলেন, অতঃপর আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৩)
12-[أنا إسحاق بن إبراهيم قال أنا عبد الرزاق قال أنا الثَّوْرِيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلَائِيِّ عَنِ الحكم بن عتيبة عن القاسم بن مخيمرة عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه قَالَ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْمُسَافِرِ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيَهُنَّ ويوم وليلة للمقيم يعني في المسح]
১২-[ইসহাক বিন ইব্রাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আস-সাওরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর বিন কায়েস আল-মুলাই থেকে, তিনি আল-হাকাম বিন উতাইবাহ থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন মুখাইমিরাহ থেকে, তিনি শুরাইহ বিন হানি থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুসাফিরের জন্য তিন দিন ও তিন রাত এবং মুকীমের জন্য একদিন ও এক রাত নির্ধারণ করেছেন; অর্থাৎ (মোজা) মাসেহ করার বিষয়ে।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৩)
13-[أنا محمد بن عبد الأعلى قال نا خالد قال نا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَامِرٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِإِنَاءٍ صَغِيرٍ فَتَوَضَّأَ قُلْتُ أَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَأَنْتُمْ قَالَ كُنَّا نصلى الصلوات مالم نُحْدِثْ قَالَ وَقَدْ كُنَّا نُصَلِّي الصَّلَوَاتِ بِوُضُوءٍ]
১৩-[মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আ’লা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, খালিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, শু’বাহ আমাদের নিকট আমর ইবনে আমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট একটি ছোট পাত্র আনা হলো এবং তিনি ওযু করলেন। আমি (আমর) জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি প্রতিটি সালাতের জন্য ওযু করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (আমর) বললেন, আর আপনারা? তিনি (আনাস) বললেন, যতক্ষণ আমাদের ওযু ভঙ্গ না হতো, ততক্ষণ আমরা সালাতসমূহ আদায় করতাম। তিনি বললেন, আমরা এক ওযু দিয়েই একাধিক সালাত আদায় করতাম।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৩)
14-[أنا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ قَالَ (حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ) قَالَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ (مِنَ الْخَلَاءِ) فَقُرِّبَ إِلَيْهِ طَعَامٌ فَقَالُوا أَلَا نَأْتِيكَ بِوَضُوءٍ فَقَالَ إِنَّمَا أُمِرْتُ بِالْوُضُوءِ إِذَا قُمْتُ إِلَى الصَّلَاةِ)
১৪-[যিয়াদ ইবনে আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন (ইবনুল উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন), তিনি বলেন আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (শৌচাগার থেকে) বের হলেন, এরপর তাঁর সামনে খাবার পেশ করা হলো। তাঁরা বললেন, আমরা কি আপনার নিকট ওযুর পানি নিয়ে আসব? তিনি বললেন, আমাকে কেবল তখনই ওযু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যখন আমি সালাতের জন্য দাঁড়াই।)
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৪)
15-[أنا العباس بن محمد الدوري قال نا الأحوص بن جواب قال نا عمار بن زريق عن منصور وأنا أحمد بن حرب قال نا قاسم قال نا سفيان عن مَنْصُورٌ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ الْحَكَمِ بْنِ سُفْيَان – ولم يقل عَنْ أَبِيهِ – قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ وَنَضَحَ فَرْجَهُ قَالَ أحمد فنضح فرجه]
১৫-[আব্বাস ইবন মুহাম্মাদ আদ-দাওরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-আহওয়াস ইবন জাওয়াব আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আম্মার ইবন যুরাইক আমাদের বর্ণনা করেছেন মানসূর থেকে। এবং আহমাদ ইবন হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, কাসিম আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান আমাদের বর্ণনা করেছেন মানসূর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আল-হাকাম ইবন সুফিয়ান থেকে—আর তিনি ‘তাঁর পিতা থেকে’ বলেননি—তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, তিনি ওযু করলেন এবং তাঁর লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দিলেন। আহমাদ বলেন, অতঃপর তিনি তাঁর লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দিলেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৪)
16-[أنا أبو داود قال نا أبو عتاب قال نا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ قال رأيت عليا تَوَضَّأَ ثَلَاثًا ثَلَاثًا ثُمَّ قَامَ فَشَرِبَ فَضْلَ وَضُوئِهِ وَقَالَ صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كما صنعت]
১৬-[আমি আবু দাউদ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আত্তাব, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু হাইয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে দেখেছি যে তিনি তিনবার করে ওযু করলেন, অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে তাঁর ওযুর অবশিষ্ট পানি পান করলেন এবং বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঠিক তেমনই করেছেন যেমনটি আমি করলাম।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৪)
17-[أنا محمد بن عبد الأعلى قال نا خَالِدٌ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ جَامِعِ بْنِ شَدَّادٍ قال سمعت حمران بن أبان أخبر أَخْبَرَ أَبَا بُرْدَةَ فِي الْمَسْجِدِ أَنَّهُ سَمِعَ عُثْمَانَ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قال: مَنْ أَتَمَّ الْوُضُوءَ كَمَا أَمَرَهُ اللَّهُ عز وجل فالصلوات الخمس كفارات لما بينهن]
১৭-[আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আলা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ, শু’বা থেকে, তিনি জামি’ ইবনে শাদ্দাদ থেকে, তিনি বলেন, আমি হুমরান ইবনে আবানকে মসজিদে আবু বুরদাহকে সংবাদ দিতে শুনেছি যে, তিনি উসমানকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি অযু পূর্ণ করবে ঠিক যেভাবে মহান আল্লাহ তাকে নির্দেশ দিয়েছেন, তবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তাদের মধ্যবর্তী সময়ের (গুনাহের) জন্য কাফফারা স্বরূপ।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৪)
18-[أنا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ قَالَا نا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ زِرٍّ قَالَ قَالَ صَفْوَانُ بْنُ عَسَّالٍ كُنَّا إِذَا كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ أَمَرَنَا ألا نَنْزِعَهُ ثَلَاثًا إِلَّا مِنْ جَنَابَةٍ وَلَكِنْ مِنْ غائط وبول ونوم]
১৮-[আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আলী এবং ইসমাইল ইবনে মাসউদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবনে যুরাই, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আসিম থেকে, তিনি যির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সাফওয়ান ইবনে আসসাল বলেছেন: আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে থাকতাম, তখন তিনি আমাদের নির্দেশ দিতেন যেন আমরা জানাবাত (অপবিত্রতা) ব্যতীত তিন দিন পর্যন্ত আমাদের মোজা না খুলি; তবে মলত্যাগ, প্রস্রাব এবং ঘুমের কারণে (খোলার প্রয়োজন নেই)।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৪)
19-[أنا عتبة بن عبد الله عن مالك بن أَنَسٍ عَنْ أَبِي النَّضْرِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يسار عن المقداد بن الأسود أن علي بن أبي طالب أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عن الرجل إذا دنا من أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْيُ مَاذَا عَلَيْهِ فَإِنَّ عندي ابنته وأنا أستحيي أَنْ أَسْأَلَهُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ: إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ وَلْيَتَوَضَّأْ وَضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ]
১৯-[আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উতবা ইবন আবদুল্লাহ, তিনি মালিক ইবন আনাস থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি সুলাইমান ইবন ইয়াসার থেকে, তিনি মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আলী ইবন আবু তালিব তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করেন—কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হওয়ার পর যদি তার মযী (উত্তেজনাজনিত পিচ্ছিল তরল) নির্গত হয়, তবে তার জন্য কী বিধান? আলী (রা.) বলেছিলেন, “যেহেতু আমার নিকট তাঁর কন্যা রয়েছে, তাই আমি তাঁকে এ বিষয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করছি।” অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: “তোমাদের কারো ক্ষেত্রে যখন এমনটি ঘটে, সে যেন তার লজ্জাস্থান ধৌত করে এবং সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করে।”]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৪)
20-[أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ عن شعيب عن الليث قال أنا ابْنُ الْهَادِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنِ الْقَاسِمِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِنْ كَانَ رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي وَإِنِّي لَمُعْتَرِضَةٌ بَيْنَ يَدَيْهِ اعْتِرَاضَ الْجَنَازَةِ حَتَّى إذا أراد أن يوتر مسني برجله]
২০-[মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হাকাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুয়াইব থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি বলেন ইবনুল হাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন কাসেম থেকে, তিনি কাসেম থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায় করতেন এমতাবস্থায় যে আমি তাঁর সামনে জানাযার মতো আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতাম; অতঃপর যখন তিনি বিতর আদায় করতে চাইতেন, তখন তিনি তাঁর পা দিয়ে আমাকে স্পর্শ করতেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৫)
21-[أنا أحمد بن محمد بن المغيرة قال نا عُثْمَانُ عَنْ شُعَيْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي عبد الله بن أبي بكر بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ يقول وذكر مَرْوَانُ فِي إِمَارَتِهِ عَلَى الْمَدِينَةِ أَنَّهُ يُتَوَضَّأُ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ إِذَا أَفْضَى إِلَيْهِ الرَّجُلُ بِيَدِهِ فَأَنْكَرْتُ ذَلِكَ وَقُلْتُ لَا وُضُوءَ عَلَى مَنْ مَسَّهُ فَقَالَ مَرْوَانُ أَخْبَرَتْنِي بُسْرَةُ بِنْتُ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذكر ما يتوضأ مِنْهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وتوضأ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ قَالَ عُرْوَةُ: فَلَمْ أَزَلْ أُمَارِي مَرْوَانَ حَتَّى دَعَا رَجُلًا مِنْ حَرَسِهِ فأرسله إلى بسرة فسألها عما حدثت من ذلك فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهِ بُسْرَةُ بِمِثْلِ الَّذِي حَدَّثَنِي عَنْهَا مروان]
২১-[আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল মুগীরাহ, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন উসমান, শুয়াইব হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি বলেন: আমাকে আব্দুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন হাযম সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি উরওয়াহ ইবনুল যুবায়রকে বলতে শুনেছেন—মারওয়ান মদীনায় তার শাসনকালে উল্লেখ করেছিলেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি তার হাত দিয়ে লিঙ্গ স্পর্শ করে তবে তাকে উযু করতে হবে। তখন আমি তা অস্বীকার করলাম এবং বললাম: যে ব্যক্তি তা স্পর্শ করবে তার ওপর উযু নেই। তখন মারওয়ান বললেন: আমাকে বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন বিষয়ের কথা উল্লেখ করতে শুনেছেন যা থেকে উযু করতে হয়; আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "এবং লিঙ্গ স্পর্শ করলে উযু করো।" উরওয়াহ বলেন: আমি মারওয়ানের সাথে বিতর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলাম, যতক্ষণ না তিনি তার দেহরক্ষীদের একজনকে ডেকে বুসরাহর নিকট পাঠালেন যেন সে বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় যা তিনি বর্ণনা করেছিলেন। অতঃপর বুসরাহ তার নিকট অনুরূপ বর্ণনা পাঠালেন যা মারওয়ান আমার নিকট তার পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছিলেন।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৫)
22-[أَخْبَرَنِي الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ قَالَ نا إِسْحَاقُ بْنُ بَكْرِ بْنِ مُضَرَ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قَارِظٍ قَالَ رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَتَوَضَّأُ عَلَى ظَهْرِ الْمَسْجِدِ فَقَالَ: أَكَلْتُ أَثْوَارَ أَقِطٍ فَتَوَضَّأْتُ مِنْهَا، إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم يأمرنا بالوضوء مما مست النار]
২২-[রাবী ইবনে সুলায়মান ইবনে দাউদ আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, ইসহাক ইবনে বাকর ইবনে মুদার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা জাফর ইবনে রাবিয়াহ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বাকর ইবনে সাওয়াদাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি উমর ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম ইবনে কারিজ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে মসজিদের ছাদে অজু করতে দেখলাম। তখন তিনি বললেন: আমি পনিরের কিছু টুকরো খেয়েছিলাম, তাই তা থেকে অজু করলাম। নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমাদের সেই বস্তু থেকে অজু করার নির্দেশ দিতে শুনেছি যা আগুন স্পর্শ করেছে।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৫)
23-[أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ قَالَ حدثني أَبِي عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عمرو يعني الْأَوْزَاعِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ الْمُطَّلِبَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ يَقُولُ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَتَوَضَّأُ مِنْ طَعَامٍ أَجِدُهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ حَلَالًا لأن النار مسته فجمع أبو هريرة حصا فَقَالَ أَشْهَدُ عَدَدَ هَذَا الْحَصَى أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ تَوَضَّئُوا مما مست النار]
২৩-[ইবরাহীম ইবন ইয়াকুব ইবন ইসহাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুস সামাদ ইবন আবদুল ওয়ারিস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইয়াহইয়া ইবন আবি কাসীর আবদুর রহমান ইবন আমর অর্থাৎ আল-আওযাঈ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মুত্তালিব ইবন আবদুল্লাহ ইবন হানতাবকে বলতে শুনেছেন: ইবন আব্বাস বলেছেন, ‘আমি কি এমন খাবার গ্রহণের কারণে অজু করব যা আল্লাহর কিতাবে হালাল হিসেবে পাই, শুধুমাত্র আগুন তা স্পর্শ করার কারণে?’ তখন আবু হুরায়রা কিছু পাথরকুচি একত্র করলেন এবং বললেন, ‘আমি এই পাথরকুচিগুলোর সংখ্যার সমান সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা আগুন স্পর্শ করেছে এমন খাবার থেকে অজু করো।’]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৫)
24-[قال أخبرني هارون بن عبد الله قال نا حرمي بن عمارة قال نا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ عَنِ ابن شهاب عن ابن أَبِي طَلْحَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قال: توضئوا مما أنضجت النار]
২৪-[তিনি বলেন, হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হারামী ইবনে উমারা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, শু'বা আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে হাফস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনে আবু তালহা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: আগুন দ্বারা রান্না করা জিনিসের কারণে তোমরা ওযু করো।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৬)
25-[أَخْبَرَنِي الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ قَالَ نا إسحاق بن بكر قَالَ حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ الْأَخْنَسِ أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قالت – وَشَرِبَ سَوِيقًا – يَا ابْنَ أُخْتِي تَوَضَّأْ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يقول: توضئوا مما مست النار]
২৫-[রাবী বিন সুলাইমান বিন দাউদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইসহাক বিন বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, বকর বিন মুদার আমার নিকট জাফর বিন রাবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বকর বিন সাওয়াদা থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন শিহাব থেকে, তিনি আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান বিন সাঈদ বিন আল-আখনাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মু হাবীবা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন—সে সময় তিনি ছাতু পান করেছিলেন—হে আমার ভাগ্নে! ওযু করো; কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: আগুন যা স্পর্শ করেছে তা থেকে তোমরা ওযু করো।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৬)
26-[أنا محمد بن مسلمة وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ وَاللَّفْظُ لَهُ عَنْ ابْنِ الْقَاسِمِ قَالَ حَدَّثَنِي مالك عن يحي بْنِ سَعِيدٍ عَنْ بُشير بْنِ يَسَارٍ مَوْلَى بَنِي حَارِثَةَ أَنَّ سُوَيْدَ بْنَ النُّعْمَانِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ خَرَجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ خَيْبَرَ حَتَّى إِذَا كَانُوا بِالصَّهْبَاءِ وَهِيَ مِنْ أَدْنَى خَيْبَرَ صَلَّى الْعَصْرَ ثم دعا بالأزواد فلم يؤت إلا بسويق فَأَمَرَ بِهِ فَثُرِّيَ فَأَكَلَ وَأَكَلْنَا ثُمَّ قَامَ إلى المغرب فمضمض ومضمضنا ثم صلى ولم يتوضأ]
২৬-[আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামাহ এবং হারিস ইবনে মিসকিন—তাঁকে পড়ে শোনানো হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম, আর শব্দসমূহ তাঁরই—ইবনুল কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাকে মালিক বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি বনু হারিসার মুক্তদাস বুশাইর ইবনে ইয়াসার থেকে, নিশ্চয়ই সুওয়াইদ ইবনে নু'মান তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি খায়বারের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বের হয়েছিলেন। অবশেষে যখন তাঁরা আস-সাহবা নামক স্থানে পৌঁছালেন—যা খায়বারের নিকটবর্তী একটি স্থান—তখন তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি পাথেয় বা খাবারের তলব করলেন, তখন কেবল ছাতু ছাড়া আর কিছুই আনা হলো না। তিনি তা (ভিজানোর) নির্দেশ দিলেন এবং তা ভেজানো হলো। অতঃপর তিনি খেলেন এবং আমরাও খেলাম। এরপর তিনি মাগরিবের সালাতের জন্য দাঁড়ালেন। তখন তিনি কুলি করলেন এবং আমরাও কুলি করলাম। এরপর তিনি সালাত আদায় করলেন এবং (নতুন করে) অজু করলেন না।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৬)
27-[أنا محمد بن المثنى عن محمد قال نا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ سَمِعْتُ نَاجِيَةَ بن كعب عن علي أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: إِنَّ أَبَا طَالِبٍ مَاتَ فَقَالَ اذْهَبْ فَوَارِهِ قَالَ إِنَّهُ مَاتَ مُشْرِكًا، قَالَ اذْهَبْ فواره فلما واريته رجعت اليه فقال اغتسل]
২৭-[আমার নিকট মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ থেকে, তিনি বলেন আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি বলেন আমি নাজিয়াহ বিন কা’ব থেকে শুনেছি, তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: নিশ্চয়ই আবু তালিব মারা গিয়েছেন। তিনি বললেন: যাও এবং তাকে দাফন করো। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই সে মুশরিক অবস্থায় মারা গিয়েছে। তিনি বললেন: যাও এবং তাকে দাফন করো। অতঃপর যখন আমি তাকে দাফন করে তাঁর নিকট ফিরে আসলাম, তখন তিনি বললেন: গোসল করো।]
(খণ্ড: ১)
মিআতু হাদীছিন সাকিতাতিন মিন সুনানিন নাসায়ী আল কুবরা আল মাতবু
(পৃষ্ঠা: ৬)
28-[أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أُمِّ سلمة أنّ - تعني - امْرَأَةً كَانَتْ تُهَرَاقُ الدَّمَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَفْتَتْ لَهَا أُمُّ سَلَمَةَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فقال لتنظر عدة اللَّيَالِي وَالْأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُ مِنَ الشَّهْرِ قَبْلَ أَنْ يُصِيبَهَا الَّذِي أَصَابَهَا فَلْتَتْرُكِ الصَّلَاةَ قَدْرَ ذَلِكَ مِنَ الشَّهْرِ فَإِذَا خَلَّفَتْ ذَلِكَ فلتغتسل ثم لتستثفر بثوب ثم لتصلي]
২৮-[কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক থেকে, তিনি নাফি’ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে এবং তিনি উম্মে সালামাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে—অর্থাৎ—জনৈক মহিলার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তখন উম্মে সালামাহ তার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফতোয়া চাইলেন। তিনি বললেন: সে যেন প্রতি মাসের সেই দিন ও রাতের সংখ্যার প্রতি লক্ষ্য করে যখন সে এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বে ঋতুবতী হতো। সে যেন মাসের সেই পরিমাণ সময় সালাত বর্জন করে। যখন সে ওই সময় অতিবাহিত করবে, তখন সে গোসল করবে এবং কাপড়ের টুকরো দিয়ে পট্টি বাঁধবে, অতঃপর সালাত আদায় করবে।]