(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: -)
تخريج حديث لا يرث المسلم الكافر   (عبد الله بن يحيى العوبل)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: تخريج حديث لا يرث المسلم الكافر

المؤلف: عبد الله بن يحيى العوبل

الناشر: بدون

عدد الصفحات: 71

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 4 شوّال 1443

'একজন মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না' হাদীসের তাখরীজ   (আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-আওবাল)

বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ


বই: 'একজন মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না' হাদীসের তাখরীজ

লেখক: আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-আওবাল

প্রকাশক: নেই

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭১

[বইটির সংখ্যায়ন মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ শাওয়াল ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌مقدمة

الحمد لله حق حمده، والصلاة والسلام على أشرف أنبيائه ورسله، وخيرته من خلقه، محمد بن عبد الله، وعلى آله وصحبه ومن والاه.

أما بعد ..

فإن أحد أشهر مَنْ تدور عليهم الأسانيد، وتُروى عنهم الأخبار، وانتشر حديثه في الأمصار والأقطار، وتداعت همم رواة الحديث ورجاله على الأخذ منه: الإمامُ الحافظ الكبير محمد بن مسلم بن شهابٍ الزُّهري (ت 124 هـ) رحمه الله.

الذي قال عنه ابن حبان (ت 354 هـ): «كان أحفظ أهل زمانه للسُّنن، وأحسنهم لها سياقًا»(1).

وهو ممن عليه مدار الحديث في وقته، حتى إن الإمام الناقد علي بن المديني (ت 234 هـ) ابتدأ بذكره في أوّل حرفٍ في كتابه فقال: «نظرتُ فإذا

--------------------------------------------

(1) مشاهير علماء الأمصار لابن حبان (444).
ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর যথাযথ প্রশংসার হকদার; আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবীদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ও তাঁর রাসূলগণের ওপর, এবং তাঁর সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ ও যারা তাঁকে অনুসরণ করেছে তাদের ওপর।

অতঃপর...

নিশ্চয়ই যাদেরকে কেন্দ্র করে সনদসমূহ আবর্তিত হয়, যাদের থেকে সংবাদসমূহ বর্ণিত হয়, শহর ও জনপদে যাদের হাদীস ছড়িয়ে পড়েছে এবং হাদীস বর্ণনাকারী ও বিশেষজ্ঞগণ যাদের থেকে জ্ঞান অর্জনে একনিষ্ঠ হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব হলেন: মহান হাফিয ইমাম মুহাম্মদ ইবন মুসলিম ইবন শিহাব আয-যুহরী (মৃত ১২৪ হি.), আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।

যাঁর সম্পর্কে ইবন হিব্বান (মৃত ৩৫৪ হি.) বলেছেন: «তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের মানুষের মধ্যে সুন্নাহর সর্বশ্রেষ্ঠ হাফিয এবং সুন্নাহ বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর বিন্যাসকারী»(১)।

তিনি এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যাঁর ওপর তাঁর সমসাময়িক হাদীস শাস্ত্র আবর্তিত হতো, এমনকি হাদীস বিশারদ ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী (মৃত ২৩৪ হি.) তাঁর কিতাবের একেবারে শুরুতে তাঁর আলোচনার মাধ্যমে শুরু করেছেন এবং বলেছেন: «আমি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি যে...

--------------------------------------------

(১) ইবন হিব্বান রচিত মাশাহীরু উলামাউল আমসার (৪৪৪)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৪)
الإسناد يدور على ستة: فلأهل المدينة: ابن شهاب؛ وهو محمد بن مسلم بن عبد الله بن شهاب … )(1).

وكانت له اليد الطولى في المراحل الأولى المتسمة بالشموليّة لجمع الأخبار وتدوينها، ونشرها وتفرُّقها في البلدان والأمصار، وتَتَابَعَ الكبارُ على الرواية والأخذ عنه.

وكان من أوثق الرواة عنه وأثبتهم وأجلِّهم: نجمُ السنن ومستودعُ العلوم وإمام دار الهجرة؛ الإمام مالك بن أنس (ت 179 هـ) رحمه الله.

وهو في الطبقة الأولى من أصحابه والآخذين عنه، ونصّ جماهيرُ النُّقّاد على أنه أثبتُ مَنْ يروي عن الزهري(2).

--------------------------------------------

(1) علل الحديث لعلي بن المديني (86).

(2) قدَّمَهُ جماهير النُقّاد على أصحاب الزهري:

فقال يحيى بن إسماعيل الواسطي: سمعتُ يحيى بن سعيد القطان (ت 198 هـ) وذكر يومًا أصحاب الزهري فبدأ بمالك في أولهم ..

وقال عبد الله بن أحمد: قلت له (يعني: لأبيه): أيُّما أثبت أصحاب الزهري؟ فقال: (لكل واحدٍ منهم عِلّةٌ، إلا أن يونس وعُقيلًا يؤديان الألفاظ، وشُعيب بن أبي حمزة، وليس هم مثل معمر، معمرٌ يقاربهم في الإسناد). قلت: فمالك؟ قال: (مالك أثبت في كل شيء .. ) ا. هـ. وعند ابن هانئ: قيل له: فأيُّ أصحاب الزهري أحب إليك؟ قال: (مالكٌ أحبهم إليَّ في قلة روايته، وبعده معمر .. )، وقال أبوطالبٍ: قال أبوعبدالله: (ومالكٌ أثبت في حديث الزهري من جميع من روى عنه).

وقال يحيى بن معين (ت 233 هـ) -عَقِبَ تعداده لأصحاب الزهري-: (ذاك أرفعهم)، وقال: (مالكٌ أكبر الناس كلِّهم في الزهري وأثبتهم عندي).

وقال عمرو الفلّاس (ت 249 هـ): (أثبت من روى عن الزهري ممن لا يختلف عنه: مالك بن أنس).

وقال إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني (ت 259 هـ): (مالكٌ من أثبت الناس فيه).

وقال أبوحاتم الرازي (ت 277 هـ): (هو أثبتُ أصحاب الزهري).

وقال النسائي (ت 303 هـ): (أثبتُ الناس في ابن شهابٍ الزُهري: مالك بن أنس، وزياد بن سعد الخراساني).

انظر: العلل ومعرفة الرجال للإمام أحمد رواية ابنه عبدالله (2543)، ومسائل ابن هانئ (2128) و (2273)، والمعرفة والتاريخ للفسوي (2/ 201)، ومشيخة النسائي (77)، وسؤالات ابن الجُنيد (156) و (545)، وتاريخ ابن معين برواية ابن طهمان (138) و (400)، ومعرفة الرجال لابن محرز (1/ 120)، والجرح والتعديل لابن أبي حاتم (8/ 205)، وشرح علل الترمذي لابن رجب (2/ 671).
সনদের ভিত্তি ছয়জন ব্যক্তির ওপর; মদীনার অধিবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে শিহাব; তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন আব্দুল্লাহ বিন শিহাব … )(১)।

সংবাদ সংগ্রহ, সংকলন, প্রচার এবং বিভিন্ন জনপদ ও শহরে তা ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে ব্যাপকতা সমৃদ্ধ প্রাথমিক ধাপগুলোতে তাঁর বিশেষ শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রভাব ছিল। প্রবীণ আলেমগণ তাঁর থেকে বর্ণনা ও গ্রহণের ক্ষেত্রে পরস্পর অনুসরণ করেছেন।

তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ় এবং মর্যাদাবান ছিলেন: সুন্নাহর নক্ষত্র, জ্ঞানের আধার এবং দারুল হিজরাতের ইমাম; ইমাম মালিক বিন আনাস (মৃত্যু ১৭৯ হি.) আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।

তিনি তাঁর সাথী ও তাঁর নিকট থেকে গ্রহণকারীদের প্রথম স্তরের অন্তর্ভুক্ত। অধিকাংশ হাদীস সমালোচক এই মর্মে স্পষ্ট উক্তি করেছেন যে, তিনি জুহরী থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে সবচেয়ে সুদৃঢ়(২)।

--------------------------------------------

(১) আলী ইবনুল মাদীনীর ‘ইলালুল হাদীস’ (৮৬)।

(২) অধিকাংশ সমালোচক তাঁকে জুহরীর অন্যান্য সাথীদের ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন:

ইয়াহইয়া বিন ইসমাঈল আল-ওয়াসিতী বলেছেন: আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তানকে (মৃত্যু ১৯৮ হি.) বলতে শুনেছি, একদিন তিনি জুহরীর সাথীদের কথা উল্লেখ করলেন এবং তাদের শুরুতে মালিককে দিয়ে আরম্ভ করলেন...

আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বলেছেন: আমি তাঁকে (অর্থাৎ তাঁর পিতা আহমাদ বিন হাম্বলকে) জিজ্ঞাসা করলাম: জুহরীর সাথীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বেশি সুদৃঢ়? তিনি বললেন: (তাদের প্রত্যেকেরই কোনো না কোনো ত্রুটি রয়েছে, তবে ইউনুস ও উকাইল শব্দগুলো হুবহু আদায় করেন, আর শুআইব বিন আবু হামজাহ-ও; তারা মা’মারের মতো নন, মা’মার সনদে তাদের কাছাকাছি)। আমি বললাম: তবে মালিকের অবস্থান কী? তিনি বললেন: (মালিক সব কিছুতেই সবচেয়ে বেশি সুদৃঢ়...) সমাপ্ত। ইবনে হানির বর্ণনায় আছে: তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: জুহরীর সাথীদের মধ্যে আপনার কাছে কে বেশি প্রিয়? তিনি বললেন: (বর্ণনার স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও মালিক আমার কাছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়, এরপর মা’মার...), আবু তালিব বলেন: আবু আব্দুল্লাহ (আহমাদ বিন হাম্বল) বলেছেন: (জুহরীর হাদীসের ক্ষেত্রে মালিক তাঁর থেকে বর্ণনাকারী সবার চেয়ে বেশি সুদৃঢ়)।

ইয়াহইয়া বিন মাঈন (মৃত্যু ২৩৩ হি.) জুহরীর সাথীদের গণনা করার পর বলেছেন: (তিনিই তাদের মধ্যে সবচেয়ে উচ্চে), তিনি আরও বলেছেন: (জুহরীর বিষয়ে মালিক সব মানুষের মধ্যে বড় এবং আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে সুদৃঢ়)।

আমর আল-ফাল্লাস (মৃত্যু ২৪৯ হি.) বলেছেন: (জুহরী থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে যারা তাঁর বর্ণনায় ভিন্নমত করেন না, তাদের মধ্যে সবচেয়ে সুদৃঢ় হলেন মালিক বিন আনাস)।

ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযাজানী (মৃত্যু ২৫৯ হি.) বলেছেন: (মালিক তাঁর বিষয়ে সবচেয়ে সুদৃঢ় ব্যক্তিদের অন্যতম)।

আবু হাতিম আর-রাযী (মৃত্যু ২৭৭ হি.) বলেছেন: (তিনিই জুহরীর সাথীদের মধ্যে সবচেয়ে সুদৃঢ়)।

আন-নাসায়ী (মৃত্যু ৩০৩ হি.) বলেছেন: (ইবনে শিহাব আল-জুহরীর বিষয়ে সবচেয়ে সুদৃঢ় ব্যক্তি হলেন মালিক বিন আনাস এবং যিয়াদ বিন সা’দ আল-খুরাসানী)।

দেখুন: ইমাম আহমাদের 'আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল', তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহর বর্ণনা (২৫৪৩); মাসাইলু ইবনি হানি (২১২৮) ও (২২৭৩); ফাসাওয়ীর 'আল-মা'রিফাতু ওয়াত তারিখ' (২/২০১); নাসায়ীর 'মাশয়াখাহ' (৭৭); ইবনুল জুনাইদের 'সুয়ালাত' (১৫৬) ও (৫৪৫); ইবনে তাহমানের বর্ণনায় ইবনে মাঈনের 'তারিখ' (১৩৮) ও (৪০০); ইবনু মুহরিযের 'মা'রিফাতুর রিজাল' (১/১২০); ইবনু আবু হাতিমের 'আল-জারহু ওয়াত তা'দীল' (৮/২০৫); ইবনু রাজাবের 'শারহু ইলালিত তিরমিযী' (২/৬৭১)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৫)
بل ورد الثناءُ الباذخ والمدح الرفيع لَهُ من شيخه ابن شهابٍ في قصّةٍ جرت له معه:

حيثُ قال له الزهري وقد حدَّثه ببضعَةَ عشر حديثًا: «ما ينفعك أني أُحدِّثُك ولا تكتب؟»، قلت: إن شئت رددتها عليك. قال: «ردها»، فرددتها عليه، فقال: «نِعْمَ مُستودع العلم أنت!»(1).

--------------------------------------------

(1) إكمال تهذيب الكمال لعلاء الدين مُغلطاي (11/ 31).
বরং তার প্রতি তার উস্তাদ ইবনে শিহাবের পক্ষ থেকে সুউচ্চ প্রশংসা ও প্রভূত গুণকীর্তন বর্ণিত হয়েছে এমন একটি ঘটনায়, যা তার সাথে ঘটেছিল:

যেখানে আয-যুহরী তাকে দশের অধিক কিছু হাদিস বর্ণনা করার পর বলেছিলেন: "আমি তোমার কাছে হাদিস বর্ণনা করছি আর তুমি তা লিখছ না, এতে তোমার কী ফায়দা হবে?", আমি বললাম: "আপনি চাইলে আমি সেগুলো আপনাকে শুনিয়ে দিতে পারি।" তিনি বললেন: "শুনাও", অতঃপর আমি সেগুলো তাকে শুনিয়ে দিলাম, তখন তিনি বললেন: "জ্ঞানের কী চমৎকার আধার তুমি!"(১).

--------------------------------------------

(১) আলাউদ্দিন মুগলাতাই প্রণীত ইকমালু তাহযীবিল কামাল (১১/ ৩১)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৬)
وإن من أشهر الأخبار التي اختُلف فيها على ابن شهابٍ الزهري:

حديثُ أسامة بن زيد رضي الله عنه؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يرث المسلم الكافر».

ويتركّزُ الاختلاف على تسمية راويه عن أسامة بن زيدٍ؛ هل هو: «عَمرو بن عثمان»، أو «عُمر بن عثمان»؟ وكلاهما من ولد عثمان بن عفان رضي الله عنه:

فرواه أصحاب الزهري بتسمية راويه «عَمرًا»، وخالفهم مالكٌ فأسماهُ: «عُمر»، وأخطأ فيه.

وكما قال ابن عبدالبر (ت 463 هـ): «ومالكٌ ممن لا يكاد يُقاس به غيره حفظًا وإتقانًا، لكن الغلط لا يسلم منه أحد»(1).

والشأن في جَمع الطرق والروايات بيانُ مواضع الاتفاق فيها والاختلاف، مع الإبراز والاستثمار لصنيع الأئمة وتصرُّفاتهم وطرائقهم في روايتها، والنظر في مدلولات سياقاتها الواردة فيها.

وحديث الباب هو من أشهر ما يُستدل به على اعتناء الأئمة النُّقاد ببيان أخطاء المحدِّثين الثقات وتصويبها؛ حيث نرى تتابع الأئمة والرواة على بيان الخطأ في تسمية راويه، وتنصيصهم على وجه الصواب فيه(2).

--------------------------------------------

(1) التمهيد: (9/ 160).

(2) وقد ذكره أبو عمرو ابن الصلاح (ت 643 هـ) في مُقدِّمته (ص 88) مثالًا للمُنكر من الحديث الذي يُخالف فيه الثقة حديث الثقات، ولم أر في كلام من تقدم وصفًا لرواية مالكٍ بالنكارة، والذي يظهر لي أن وسمها بالمخالفة أو الغرابة أولى وأحرى من وصفها وإدراجها في أبواب النكارة، سيّما على الاصطلاح الذي استقرّ للمُنكر عند المتأخرين.
ইবনে শিহাব আল-জুহরি থেকে বর্ণিত যে সকল প্রসিদ্ধ হাদিসে মতভেদ দেখা দিয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো:

উসামা ইবনে যায়েদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদিস; যেখানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।"

উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনাকারীর নামকরণের ক্ষেত্রেই মূলত মতভেদটি কেন্দ্রীভূত; তিনি কি "আমর ইবনে উসমান", নাকি "উমর ইবনে উসমান"? তাঁরা উভয়েই উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বংশধর:

জুহরির ছাত্ররা বর্ণনাকারীর নাম "আমর" হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে ইমাম মালিক তাঁদের বিরোধিতা করে একে "উমর" নাম দিয়েছেন এবং তিনি এতে ভুল করেছেন।

যেমনটি ইবনে আব্দুল বার (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি) বলেছেন: "স্মৃতিশক্তি ও সূক্ষ্মতার ক্ষেত্রে ইমাম মালিক এমন একজন যার সাথে অন্য কাউকে তুলনা করা দুষ্কর, তবে ভুল থেকে কেউ মুক্ত নয়"(১)।

হাদিসের বিভিন্ন সূত্র ও বর্ণনাগুলো একত্রিত করার উদ্দেশ্যই হলো সেগুলোর ঐকমত্য ও মতভেদের জায়গাগুলো স্পষ্ট করা; এর পাশাপাশি ইমামদের কর্মপদ্ধতি ও বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁদের অনুসৃত পন্থাগুলোকে ফুটিয়ে তোলা ও সেগুলোর সদ্ব্যবহার করা এবং সেগুলোতে বর্ণিত প্রেক্ষাপটের মর্মার্থসমূহ পর্যালোচনা করা।

আলোচ্য হাদিসটি নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিসদের ভুলগুলো স্পষ্ট করা এবং সেগুলো সংশোধনের ক্ষেত্রে সমালোচক ইমামদের বিশেষ যত্নের এক অতি প্রসিদ্ধ প্রমাণ; যেখানে আমরা বর্ণনাকারীর নামকরণের ভুলটি স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে ইমাম ও বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিক প্রয়াস এবং সঠিক বিষয়টি বর্ণনায় তাঁদের সুস্পষ্ট বক্তব্য দেখতে পাই(২)।

--------------------------------------------

(১) আল-তামহিদ: (৯/ ১৬০)।

(২) আবু আমর ইবনুস সালাহ (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি) তাঁর মুকাদ্দিমায় (পৃষ্ঠা ৮৮) এটিকে 'মুনকার' হাদিসের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যেখানে একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী অন্য নির্ভরযোগ্যদের বিরোধিতা করেন। তবে আমি পূর্ববর্তী কারো বক্তব্যে ইমাম মালিকের বর্ণনাটিকে 'নাকারা' হিসেবে অভিহিত করতে দেখিনি। আমার কাছে যা প্রতীয়মান হয় তা হলো, একে 'বিরোধিতা' (মুখালাফাত) বা 'বিচিত্রতা' (গারাবাত) হিসেবে চিহ্নিত করা 'মুনকার'-এর অন্তর্ভুক্ত করার চেয়ে অধিক যুক্তিযুক্ত; বিশেষ করে পরবর্তীকালের আলেমদের নিকট 'মুনকার'-এর যে সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার নিরিখে।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৭)
وهذا جُزءٌ مختصرٌ في جمع طُرُقِه ورواياتِهِ والكلام عليها(1)، مع التركيز على استثمار سياقاته الواردة فيها، والتنبيه على ما وقع في بعض المصادر من اختلافٍ في نقله مع استظهارٍ للصواب.

ومن الله أستمد العون والسداد، وأسأله نيل السؤل والمراد؛ إنه ولي ذلك والقادر عليه.

 

(مكة) 1441 هـ

--------------------------------------------

(1) وهو مُستلٌّ من رسالتي للماجستير: «الأحاديث التي أعلّها الإمام النسائي في السنن الكبرى، دراسةٌ استقرائيةٌ»، وقد رُتِّب الكلامُ عليه في أصله على السياق الوارد فيه عند النسائي، فأعدتُّ ترتيبه هنا على طريقة اللف والنشر المرتب، مع الإشارة والإفادة من دلالات سياقه الذي ورد فيه.
এটি এর সূত্রসমূহ ও বর্ণনাগুলো একত্রিত করা এবং সেগুলোর ওপর পর্যালোচনার একটি সংক্ষিপ্ত সংকলন(১), যেখানে এর বর্ণিত প্রেক্ষাপটগুলোর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং কিছু উৎসে এর বর্ণনায় যে মতভেদ ঘটেছে সে বিষয়ে সতর্ক করার পাশাপাশি সঠিক পাঠটি স্পষ্ট করার প্রয়াস চালানো হয়েছে।

আমি আল্লাহর নিকট সাহায্য ও সঠিক পথের তাওফিক প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট আবেদন করছি আমার চাওয়া ও উদ্দেশ্য যেন পূরণ হয়; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর সক্ষম।

 

(মক্কা) ১৪৪১ হিজরি

--------------------------------------------

(১) এটি আমার মাস্টার্স থিসিস থেকে সংগৃহীত: ‘আস-সুনানুল কুবরা-তে ইমাম নাসাঈ কর্তৃক ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করা হাদিসসমূহ: একটি আরোহী গবেষণা’। মূল গবেষণায় এর আলোচনা ইমাম নাসাঈর বিন্যাস অনুযায়ী সাজানো হয়েছিল, তবে এখানে আমি এটি পুনরায় বিন্যস্ত করেছি সুশৃঙ্খল বিবরণশৈলী (আল-লাফ্ফু ওয়ান-নাশরুল মুরাততাব) অনুযায়ী, এবং এটি যে প্রেক্ষাপটে বর্ণিত হয়েছে তার অর্থ ও তাৎপর্যগুলো থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌نصُّ الحديث:

عن أُسامة بن زيدٍ رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يرثُ المسلمُ الكافرَ، ولا الكافرُ المسلمَ».

 

‌‌التخريج:

* هذا الحديث رواه ابن شهابٍ الزُهري، واختُلف عليه على أربعة أوجه:

 

‌‌الوجه الأول: رواه جمهور أصحابه:

عنهُ، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان(1)، عن أسامة بن زيدٍ، قال:

--------------------------------------------

(1) عَمرو بن عثمان بن عفَّان: من التابعين الكبار، قال مُصعب الزبيري- وهو أحدُ رواة حديث الباب عن مالك-: (كان عمرو بن عثمان أكبر ولد عثمان الذين أعقبوا) ا. هـ، وقال ابن سعد: (روى عمرو عن أبيه، وعن أسامة بن زيد، وكان ثقةً له أحاديث)، وقال العجلي: (مدنيٌّ تابعيٌّ ثقة، من كبار التابعين)، وذكره ابن حبّان في ثقاته وقال: (يروي عن أبيه وأسامة بن زيدٍ، روى الزهري عن علي بن حسين عنه)، وهو صهر معاوية بن أبي سفيان على ابنته رملة، وروى له الستةُ.

ملاحظة: ورد قول مصعب الزبيري عند المزِّي والسخاوي، منسوبًا للزبير بن بكّار، والوجه في ذلك أن الزبيرَ بنى كتابه على كتاب عمّه وزاد عليه.

انظر: الطبقات الكبرى لابن سعد: (7/ 149)، ونسب قريش لمصعب الزبيري (ص 105)، ومعرفة الثقات للعجلي: 2/ 180 (1396)، والثقات لابن حبان (5/ 168)، وتهذيب الكمال (22/ 155)، والتحفة اللطيفة (5/ 253).
হাদীসের মূল পাঠ:

উসামা ইবনে যায়েদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কোনো মুসলিম কাফেরের উত্তরাধিকারী হবে না এবং কোনো কাফেরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হবে না।"

 

‌হাদীসের উৎস ও সূত্র বিশ্লেষণ:

* এই হাদীসটি ইবনে শিহাব আয-যুহরী বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে এটি বর্ণনার ক্ষেত্রে চারটি পদ্ধতি নিয়ে মতভেদ হয়েছে:

 

‌প্রথম পদ্ধতি: তাঁর অধিকাংশ ছাত্র এটি বর্ণনা করেছেন:

তাঁর থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান(১) থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) আমর ইবনে উসমান ইবনে আফফান: তিনি প্রবীণ তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত। মুসআব আয-যুবাইরী—যিনি ইমাম মালিকের সূত্রে এই অনুচ্ছেদের হাদীসটির অন্যতম বর্ণনাকারী—বলেছেন: (আমর ইবনে উসমান ছিলেন উসমানের সন্তানদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতম যাদের বংশধারা অব্যাহত ছিল)। উদ্ধৃতি সমাপ্ত। ইবনে সাদ বলেছেন: (আমর তাঁর পিতা থেকে এবং উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন এবং তাঁর থেকে বর্ণিত হাদীস রয়েছে)। আল-ইজলী বলেছেন: (মাদানী, তাবেয়ী, নির্ভরযোগ্য, প্রবীণ তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত)। ইবনে হিব্বান তাঁকে তাঁর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: (তিনি তাঁর পিতা ও উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন; যুহরী আলী ইবনুল হুসাইন থেকে এবং তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন)। তিনি তাঁর কন্যা রামলার মাধ্যমে মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ানের জামাতা ছিলেন এবং প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদীস গ্রন্থের সংকলকগণ তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

দ্রষ্টব্য: মুসআব আয-যুবাইরীর উক্তিটি আল-মিযযী এবং আস-সাখাবীর নিকট যুবাইর ইবনে বাক্কারের নামে উল্লেখিত হয়েছে। এর কারণ হলো, যুবাইর তাঁর গ্রন্থটি তাঁর চাচার গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে রচনা করেছেন এবং তাতে সংযোজন করেছেন।

দেখুন: ইবনে সাদের আত-তাবাকাতুল কুবরা: (৭/ ১৪৯), মুসআব আয-যুবাইরীর নাসাবু কুরাইশ (পৃ. ১০৫), আল-ইজলীর মারিফাতুস সিকাত: ২/ ১৮০ (১৩৯৬), ইবনে হিব্বানের আস-সিকাত (৫/ ১৬৮), তাহযিবুল কামাল (২২/ ১৫৫), এবং আত-তুহফাতুল লতিফাহ (৫/ ২৫৩)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৯)
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يرث المسلم الكافر».

وقد رواهُ عنهُ من أصحابه:

(سفيان بن عُيينة، وعبدالملك بن جُريج، ويزيد بن الهاد، ومعمر بن راشد الأزدي، وعُقيل بن خالد، ويونس بن يزيد، وعبد الله بن بُديل، وأسامة بن زيد الليثي، ويحيى بن سعيد الأنصاري، ومحمد بن أبي حفصة، وزمعة بن صالح).

 

‌‌الوجه الثاني: رواه مالكُ بن أنسٍ:

واختُلف عنه على ثلاثة أوجه:

الأول: رواه جمعٌ من أصحاب مالك، عنهُ، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عُمر بن عثمان(1)، عن أسامة بن زيد، به، مرفوعًا.

--------------------------------------------

(1) عُمر بن عثمان بن عفَّان: من التابعين، روى عن أبيه، قال ابن سعد: (روى عنه الزهري، وله دارٌ بالمدينة، وكان قليل الحديث)، وقال البخاري: (سمع عثمان رضي الله عنه؛ قاله إبراهيم بن عمر بن أبان، عن أبيه، في إسناده شيءٌ)، قال ابن عبدالبر: (أما أهل النسب فلا يختلفون أن لعثمان بن عفان ابنًا يُسمى عمر، وله أيضًا ابن يسمى عَمرًا)، وذكره ابن حبان في الثقات، ورَمَز المزّيُّ لرواية النسائي له لوروده في حديث مالكٍ، ولم أقف له على روايةٍ غيرها.

انظر: الطبقات الكبرى لابن سعد (7/ 150)، والتاريخ الكبير للبخاري (6/ 178)، والجامع الكبير للترمذي (2107)، والثقات لابن حبان (5/ 146)، والتمهيد لابن عبدالبر (9/ 160)، وتهذيب الكمال للمزي (21/ 458).
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।»

তাঁর থেকে তাঁর সাথীদের মধ্যে যারা এটি বর্ণনা করেছেন:

(সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আব্দুল মালিক ইবনে জুরাইজ, ইয়াজিদ ইবনুল হাদ, মা'মার ইবনে রাশিদ আল-আজদি, উকাইল ইবনে খালিদ, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, আব্দুল্লাহ ইবনে বুদাইল, উসামাহ ইবনে জাইদ আল-লাইসি, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি, মুহাম্মাদ ইবনে আবি হাফসাহ এবং জামআহ ইবনে সালিহ)।

 

‌‌দ্বিতীয় পদ্ধতি: এটি মালেক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন:

তাঁর থেকে এটি তিনটি পদ্ধতিতে বর্ণিত হওয়ার ক্ষেত্রে মতভেদ হয়েছে:

প্রথম: মালেকের একদল সাথী তাঁর থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি উমর ইবনে উসমান(১) থেকে, তিনি উসামাহ ইবনে জাইদ থেকে, মারফু' হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) উমর ইবনে উসমান ইবনে আফফান: তিনি তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে সা'দ বলেন: (যুহরি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, মদিনায় তাঁর একটি ঘর ছিল এবং তিনি অল্প হাদিস বর্ণনা করেছেন)। বুখারি বলেন: (তিনি উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে শুনেছেন; ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আবান তাঁর পিতা থেকে এটি বলেছেন, এর সনদে কিছু কথা আছে)। ইবনে আব্দুল বার বলেন: (বংশবিদদের মতে উসমান ইবনে আফফানের উমর নামে এক পুত্র ছিল এবং আমর নামেও তাঁর এক পুত্র ছিল—এ বিষয়ে তাদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই)। ইবনে হিব্বান তাকে আস-সিকাত গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। মালেকের হাদিসে আসার কারণে মিজ্জি নাসায়ির বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করেছেন, তবে আমি এটি ছাড়া তাঁর আর কোনো বর্ণনা পাইনি।

দেখুন: ইবনে সা'দের আত-তাবাকাতুল কুবরা (৭/ ১৫০), বুখারির আত-তারিখুল কাবির (৬/ ১৭৮), তিরমিজির আল-জামি'উল কাবির (২১০৭), ইবনে হিব্বানের আস-সিকাত (৫/ ১৪৬), ইবনে আব্দুল বারের আত-তামহিদ (৯/ ১৬০) এবং মিজ্জির তাহজিবুল কামাল (২১/ ৪৫৮)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১০)
الثاني: رواه آخرون عنه، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، به، مرفوعًا، بمثل رواية جمهور أصحاب الزهري في الوجه الأول؛ بتسمية راويه «عَمْرًا»(1).

الثالث: رواه ابن بُكير عنهُ، على الشك؛ فقال: «عمرو بن عثمان، أو عمر بن عثمان».

 

‌‌الوجه الثالث عن الزهري: رواه عبدالله بن عيسى:

عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن أسامة بن زيدٍ، به، مرفوعًا.

 

‌‌الوجه الرابع عن الزهري: رواه هُشيم بن بشير:

بلفظ: «لايتوارث أهلُ ملّتين شتى»، وقد اختُلف عليه في إسناده على وجهين:

الأول: رواهُ مسعود بن جويرية، عنه، عن الزهري، عن علي بن الحسين، وأبان بن عثمان، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيدٍ، به.

فزاد في إسناده «أبان بن عثمان».

--------------------------------------------

(1) وسيأتي بيانُ مخالفة هذا الوجه لصوابِ المروي عن الإمام مالك من خلال واقع الرواية؛ إذ المحفوظ عنه والذي نقله جمعٌ من أصحابه؛ وتوارد الأئمة على التنصيص على روايته وخطئه فيه هو الوجه الأول.
দ্বিতীয়: এটি অন্য রাবিগণ তাঁর থেকে, যুহরী থেকে, আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, আমর ইবনে উসমান থেকে, উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, মারফু সূত্রে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, যা প্রথম সূত্রের যুহরীর অধিকাংশ ছাত্রের বর্ণনার মতো; যেখানে বর্ণনাকারীর নাম 'আমর' উল্লেখ করা হয়েছে(১).

তৃতীয়: ইবনে বুকাইর তাঁর থেকে সন্দেহের সাথে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: "আমর ইবনে উসমান, অথবা উমর ইবনে উসমান"।

 

‌‌যুহরী থেকে বর্ণিত তৃতীয় সূত্র: এটি আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন:

যুহরী থেকে, আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, মারফু সূত্রে।

 

‌‌যুহরী থেকে বর্ণিত চতুর্থ সূত্র: এটি হুশাইম ইবনে বাশির বর্ণনা করেছেন:

শব্দাবলী হলো: "ভিন্ন দুই ধর্মের অনুসারীরা একে অপরের উত্তরাধিকারী হবে না", এবং তাঁর থেকে এর সনদে দুইভাবে মতভেদ করা হয়েছে:

প্রথমটি: মাসউদ ইবনে জুওয়াইরিয়াহ তাঁর থেকে, যুহরী থেকে, আলী ইবনুল হুসাইন ও আবান ইবনে উসমান থেকে, আমর ইবনে উসমান থেকে, উসামা ইবনে যায়েদ থেকে মারফু সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

ফলে তিনি এর সনদে "আবান ইবনে উসমান"-কে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) বর্ণনার বাস্তবতার আলোকে ইমাম মালিক থেকে বর্ণিত সঠিক ভাষ্যের সাথে এই সূত্রের বৈপরীত্যের বর্ণনা সামনে আসবে; কেননা তাঁর নিকট থেকে যা সংরক্ষিত এবং যা তাঁর একদল ছাত্র বর্ণনা করেছেন এবং ইমামগণ তাঁর বর্ণনা ও তাতে তাঁর ভুলের বিষয়টি যে বিষয়ে একমত হয়ে উল্লেখ করেছেন, তা হলো প্রথম সূত্রটি।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১১)
والثاني: رواه عنه جمعٌ من أصحابه دون ذكر «أبانٍ» في إسناده.
দ্বিতীয়টি: তাঁর একদল সঙ্গী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যেখানে এর সনদে ‘আবান’-এর উল্লেখ নেই।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১২)
‌‌الوجه الأول: عن الزهري بتسمية راويه «عمرو بن عثمان»

وقد رواه جماهير أصحاب ابن شهابٍ وهم:

 

‌‌1 - سفيان بن عيينة:

رواه أحمد في المسند: (21747)، والحُميدي في مسنده: (551)، والشافعي في الرسالة: (ص 167) والأم (4/ 75) و (4/ 87) و (7/ 383) و (1/ 300)، وابن أبي شيبة في المُصنّف(1): (32088) - وعنهُ ابن أبي

عاصم في الآحاد والمثاني: (454) - ومسلمٌ في صحيحه: (1614)، وأبو داود في

السنن: (2909)، والترمذي في الجامع: (2107)، وابن ماجه: (2729)، والنسائي في السنن الكبرى: (6550)، والدارمي في مُسنده: (3044)، والبزَّار في

مسنده: (2581)، وابن حبان في صحيحه: (6033)، وابن الجارود في المُنتقى من السنن المسندة: (954)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414)، وغيرهم=

--------------------------------------------

(1) وقد انفرد ابن أبي شيبة في مُصنفه بروايته عن ابن عيينة بلفظ: «لا يتوارث الملتان المختلفتان»، ولعلَّهُ رواه بمعناه حيثُ بوَّب عليه بقوله: «من قال: لا يرث المسلم الكافر»، وخالفه بقية أصحاب ابن عيينة، يربو عددهم على العشرين راويًا، وقد رواه ابن أبي شيبة في مُسنده: (144) - ومن طريقه ابن أبي عاصم في الآحاد والمثاني: (454) - وغيره من طريق ابن عُيينة بمثل لفظ الجماعة.
প্রথম দিক: আয-যুহরী থেকে তাঁর রাবীর নাম «আমর বিন উসমান» উল্লেখপূর্বক

ইবনে শিহাবের অধিকাংশ সাথীবৃন্দ এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা হলেন:

 

‌১ - সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ:

আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন আল-মুসনাদ-এ: (২১৭৪৭), আল-হুমাইদী তাঁর মুসনাদে: (৫৫১), আশ-শাফিঈ আর-রিসালাহ-তে: (পৃ. ১৬৭) ও আল-উম্ম-এ (৪/ ৭৫) ও (৪/ ৮৭) ও (৭/ ৩৮৩) ও (১/ ৩০০), ইবনে আবী শায়বাহ আল-মুসান্নাফ-এ(১): (৩২০৮৮) - তাঁর সূত্র ধরে ইবনে আবী আসিম আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি-তে: (৪৫৪) - মুসলিম তাঁর সহীহ-তে: (১৬১৪), আবু দাউদ আস-সুনান-এ: (২৯০৯), আত-তিরমিযী আল-জামি-তে: (২১০৭), ইবনে মাজাহ: (২৭২৯), আন-নাসাঈ আস-সুনানুল কুবরা-তে: (৬৫৫০), আদ-দারিমি তাঁর মুসনাদে: (৩০৪৪), আল-বাযযার তাঁর মুসনাদে: (২৫৮১), ইবনে হিব্বান তাঁর সহীহ-তে: (৬০৩৩), ইবনে আল-জারুদ আল-মুন্তাকা মিনাস সুনানিল মুসনাদাহ-তে: (৯৫৪), আত-তাবারানী আল-মু'জামুল কাবীর-এ: ১/ ১৬৯ (৪১৪) এবং অন্যান্যরা=

--------------------------------------------

(১) ইবনে আবী শায়বাহ তাঁর মুসান্নাফ-এ এককভাবে ইবনে উয়াইনাহ থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «ভিন্ন দুই ধর্মের অনুসারীরা একে অপরের উত্তরাধিকারী হয় না», সম্ভবত তিনি এটি মর্মার্থ অনুযায়ী বর্ণনা করেছেন, কারণ তিনি এর উপর পরিচ্ছেদ দিয়েছেন এই বলে: «যে ব্যক্তি বলেছেন: মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না», আর ইবনে উয়াইনাহর অন্যান্য সাথীরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন, যাঁদের সংখ্যা বিশের অধিক রাবী। ইবনে আবী শায়বাহ তাঁর মুসনাদে এটি বর্ণনা করেছেন: (১৪৪) - এবং তাঁর সূত্র ধরে ইবনে আবী আসিম আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি-তে: (৪৫৪) - এবং অন্যান্যরা ইবনে উয়াইনাহর সূত্রে জামা'আতের (অধিকাংশের) শব্দের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌2 - عبد الملك بن جُريج:

رواه عبدالرزَّاق في المُصنف: (9852) -وعنه أحمد في مسنده: (21808)، وابن المُنذر في الأوسط: (9669) - والبخاري في صحيحه: (6764)، والبزَّار في مسنده: (2585) =

 

‌‌3 - يزيد بن الهاد:

رواه النسائي في الكبرى: (6551)، وابن المُنذر في الأوسط: (9668)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =

 

‌‌4 - معمر بن راشد الأزدي (1):

رواه أحمد في المسند: (21808)، والدارمي في مسنده: (3041)، والنسائي في الكبرى: (6553)، وابن المُنذر في الأوسط: (6860) =

 

‌‌5 - عُقيل بن خالد:

رواه النسائي في الكبرى: (6552)، وأبو عوانة في مستخرجه: (5594)،

--------------------------------------------

(1) وقد جاءت رواية معمرٍ هنا بالاقتصار على لفظ حديث الجماعة: «لا يرث المسلم الكافر» رواها عنه (عبدالرزّاق، وعبدالأعلى بن عبدالأعلى، ويزيد بن زُريع)، ورواه أُخرى بزيادةٍ في متنه كما سيأتي الكلام عنه مُلحقًا في آخر هذا الوجه.
২ - আব্দুল মালিক ইবনে জুরাইজ:

এটি আব্দুর রাজ্জাক আল-মুসান্নাফে (৯৮৫২) বর্ণনা করেছেন - এবং তাঁর থেকে আহমাদ তাঁর মুসনাদে (২১৮০৮), ইবনুল মুনযির আল-আওসাতে (৯৬৬৯) - এবং আল-বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থে (৬৭৬৪), আল-বাযযার তাঁর মুসনাদে (২৫৮৫) বর্ণনা করেছেন =

 

‌৩ - ইয়াজিদ ইবনে আল-হাদ:

এটি আন-নাসায়ী আল-কুবরা গ্রন্থে (৬৫৫১), ইবনুল মুনযির আল-আওসাতে (৯৬৬৮), এবং আত-তাবারানী আল-মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) বর্ণনা করেছেন =

 

‌৪ - মা'মার ইবনে রাশিদ আল-আযদি (১):

এটি আহমাদ আল-মুসনাদে (২১৮০৮), আদ-দারিমী তাঁর মুসনাদে (৩০৪১), আন-নাসায়ী আল-কুবরা গ্রন্থে (৬৫৫৩), এবং ইবনুল মুনযির আল-আওসাতে (৬৮৬০) বর্ণনা করেছেন =

 

‌৫ - উকাইল ইবনে খালিদ:

এটি আন-নাসায়ী আল-কুবরা গ্রন্থে (৬৫৫২), এবং আবু আওয়ানা তাঁর মুস্তাখরাজ গ্রন্থে (৫৫৯৪) বর্ণনা করেছেন,

--------------------------------------------

(১) এখানে মা'মারের বর্ণনাটি কেবল জামাআতের বর্ণিত হাদিসের শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ হয়ে এসেছে: "মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না"। এটি তাঁর থেকে (আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল আ'লা ইবনে আব্দুল আ'লা এবং ইয়াজিদ ইবনে যুরাই') বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি অন্যভাবে মূল পাঠে (মতন) অতিরিক্ত অংশসহ বর্ণনা করেছেন, যা সম্পর্কে এই পরিচ্ছেদের শেষে পরিশিষ্টে আলোচনা করা হবে।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৪)
والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =

 

‌‌6 - يونس بن يزيد:

رواه النسائي في السنن الكبرى: (6554)، وابن ماجه في سننه: (2730)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =

 

‌‌7 - عبدالله بن بُديل:

رواه الطيالسي في مسنده: (665)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =

 

‌‌8 - أسامة بن زيد الليثي:

ذكره ابن أبي عاصم في الآحاد والمثاني: (454)، ولم يُسنده=

 

‌‌9 و 10 - معمر وابن جريج-مقرونين-:

رواه عبدالرزّاق في المصنف: (19304) =

 

‌‌11 - يحيى بن سعيد الأنصاري:

رواه الطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414)، وأبو نُعيم في الحلية: (3/ 144) =
এবং তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =

 

‌‌৬ - ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ:

বর্ণনা করেছেন নাসাঈ আস-সুনান আল-কুবরাতে: (৬৫৫৪), ইবনে মাজাহ তার সুনানে: (২৭৩০) এবং তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =

 

‌‌৭ - আব্দুল্লাহ ইবনে বুদাইল:

বর্ণনা করেছেন তায়ালিসি তার মুসনাদে: (৬৬৫) এবং তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =

 

‌‌৮ - উসামা ইবনে জাইদ আল-লাইসি:

ইবনে আবি আসিম এটি আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি গ্রন্থে (৪৫৪) উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি এর সনদ বর্ণনা করেননি=

 

‌‌৯ ও ১০ - মা'মার এবং ইবনে জুরাইজ —একত্রে—:

বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক আল-মুসান্নাফ গ্রন্থে: (১৯৩০৪) =

 

‌‌১১ - ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি:

বর্ণনা করেছেন তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) এবং আবু নুয়াইম আল-হিলইয়াহ গ্রন্থে: (৩/ ১৪৪) =
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌12 - محمد بن أبي حفصة:

رواه البخاري في صحيحه: (4282) وأحمد في المسند: (21752)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =

 

‌‌13 - زمعة بن صالح:

رواه الطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =

كلهم: (سُفيان بن عيينة، ومعمر بن راشد، وعبد الملك بن جريج، ويزيد بن الهاد، وعُقيل بن خالد، ويونس بن يزيد، وعبدالله بن بُديل، وأسامة بن زيد الليثي، ويحيى بن سعيد الأنصاري، ومحمد بن أبي حفصة، وزمعة بن صالح) -:

رووه عن: الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يرث المسلم الكافر».
১২ - মুহাম্মাদ বিন আবি হাফসাহ:

এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারি তার সহিহ গ্রন্থে: (৪২৮২) এবং আহমাদ আল-মুসনাদ গ্রন্থে: (২১৭৫২), আর আত-তাবারানি আল-মু'জামুল কাবির গ্রন্থে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =

 

১৩ - যাম'আহ বিন সালিহ:

এটি বর্ণনা করেছেন আত-তাবারানি আল-মু'জামুল কাবির গ্রন্থে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =

তারা সবাই: (সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, মা'মার বিন রাশিদ, আব্দুল মালিক বিন জুরাইজ, ইয়াযিদ বিন আল-হাদ, উকাইল বিন খালিদ, ইউনুস বিন ইয়াযিদ, আব্দুল্লাহ বিন বুদাইল, উসামাহ বিন যাইদ আল-লাইসি, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারি, মুহাম্মাদ বিন আবি হাফসাহ এবং যাম'আহ বিন সালিহ) -:

তারা এটি বর্ণনা করেছেন: আয-যুহরি থেকে, তিনি আলি বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি আমর বিন উসমান থেকে, তিনি উসামাহ বিন যাইদ থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «কোনো মুসলিম কোনো কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।»
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌مُلحقٌ:

(في الاختلاف على الأوزاعي ومعمر)

* أولاً: حديثُ الأوزاعي، وقد اختُلف عليه في حديث الباب على وجهين:

الوجه الأول: روي عنه، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة رضي الله عنه بلفط: «نحن نازلون غدًا بخيف بني كنانة … ».

والوجه الثاني: روي عنه، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله، أين تنزل غدا؟ وذلك في حجة النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «وهل ترك لنا عقيل بن أبي طالب منزلا؟»، ثم قال: «لا يرث المسلم الكافر، ولا الكافر المسلم»، ثم قال: «نحن نازلون غدا بخيف بني كنانة، حيث قاسمت قريش على الكفر».

(1) أما الوجه الأول، فقد رواه:

أحمد في المسند (7240)، والبخاري في صحيحه (1590) عن الحُميدي، ومسلمٌ في صحيحه (1314) عن زهير بن حرب، وابن خُزيمة في صحيحه (2981) عن الحسين بن حُريث- ومن طريقه أبو نعيم في مستخرجه (3028) - والسرّاج في حديثه بتخريج الشحامي 2/ 361 (1495) عن محمد بن الصبّاح، وابن أخي ميمي الدقاق في
‌‌পরিশিষ্ট:

(আওযাঈ ও মা’মারের বর্ণনায় মতপার্থক্য প্রসঙ্গে)

* প্রথমত: আওযাঈ-এর হাদীস; এই পরিচ্ছেদের হাদীসে তাঁর থেকে দুইভাবে বর্ণিত হয়েছে:

প্রথম সূত্র: তাঁর সূত্রে ইমাম যুহরী, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এই পাঠে বর্ণনা করেছেন: «আমরা আগামীকাল বনী কিনানাহ-এর খীফ উপত্যকায় অবস্থান করব … »।

দ্বিতীয় সূত্র: তাঁর সূত্রে ইমাম যুহরী, তিনি আলী বিন হুসাইন থেকে, তিনি আমর বিন উসমান থেকে, তিনি উসামাহ বিন যায়েদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আগামীকাল আপনি কোথায় অবস্থান করবেন? এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হজ্জের সময়কার ঘটনা। তখন তিনি বললেন: «আকীল বিন আবী তালিব কি আমাদের জন্য কোনো ঘর অবশিষ্ট রেখেছে?», অতঃপর তিনি বললেন: «মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না এবং কাফিরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হয় না», এরপর বললেন: «আমরা আগামীকাল বনী কিনানাহ-এর খীফ উপত্যকায় অবস্থান করব, যেখানে কুরাইশরা কুফরীর ওপর পরস্পর শপথ করেছিল»।

(১) প্রথম সূত্রটি বর্ণনা করেছেন:

আহমাদ তাঁর মুসনাদ-এ (৭২৪০), বুখারী তাঁর সহীহ-এ (১৫৯০) হুমায়দী থেকে, মুসলিম তাঁর সহীহ-এ (১৩১৪) যুহাইর বিন হারব থেকে, ইবনে খুযাইমাহ তাঁর সহীহ-এ (২৯৮১) হুসাইন বিন হুরাইস থেকে—এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু নুআঈম তাঁর মুসতাখরাজ-এ (৩০২৮)—এবং আস-সাররাজ তাঁর হাদীস গ্রন্থে শাহামীয়ার তাখরীজে ২/৩৬১ (১৪৯৫) মুহাম্মাদ বিন আস-সাব্বাহ থেকে এবং ইবনে আখি মীমি আদ-দাক্কাক...
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৭)
الفوائد (351) عن أبي القاسم البغوي، عن داود بن رشيد، وأبو نعيم في مستخرجه (3028) عن أبي علي محمد بن أحمد، عن أبي شعيب الحرّاني، عن علي بن المديني، ح، وعن محمد بن إبراهيم عن عبدالله بن محمد بن سلم عن دُحيم عبدالرحمن بن إبراهيم: كلهم (أحمد بن حنبل، والحُميدي، وزهير بن حرب، وعلي بن المديني، ومحمد بن الصبّاح، وداود بن رشيد، والحسين بن حُريث، ودُحيم)(1)، رووه عن الوليد بن مسلم=

وأحمد في المسند (10969)، والفاكهي في أخبار مكة (2405) عن العبّاس الدوري، والمحاملي في الأمالي رواية ابن مهدي (32) - ومن طريقه الخطيب في الفصل (2/ 695)، وأبو نعيم الحداد في جامع الصحيحين (3686) - عن سعيد بن بحر؛ ثلاثتهم (أحمد بن حنبل، وعباس الدوري، وسعيد بن بحر) رووه عن محمد بن مصعب=

--------------------------------------------

(1) وقد خالفهم في إسناده ومتنه: إسماعيل بن حفص بن عمر بن دينار كما عند البزّار في مسنده (2582)

حيث رواه عن الوليد بن مسلم عن الأوزاعي عن الزهري عن علي بن الحسين عن عمرو بن عثمان عن أسامة مرفوعاً بلفظ: «إنا نازلون غدًا بخيف بني كنانة»، و «وهل ترك لنا عقيل منزلاً».

والصواب في رواية الوليد بن مسلم هو مارواهُ عنهُ الجماعة وفيهم الأكابر من الأئمة كالحميدي وأحمد وابن المديني.

وإسماعيلُ بن حفص: روى له النسائي وابن ماجه، ونقل ابن أبي حاتم عن أبيه أنه قال: (كتبت عنه وعن أبيه، وكان أبوه يكذب، وهو بخلاف أبيه) قلت: لا بأس به؟ قال: لا يمكننى أن أقول: لابأس به)، وقال النسائي (أرجوا أن لايكون به بأسٌ)، ووثقه ابن حبان، الجرح والتعديل (2/ 166)، والثقات (8/ 102)، وتهذيب التهذيب (1/ 146)
আল-ফাওয়ায়িদ (৩৫১) আবু আল-কাসিম আল-বাগাভী থেকে, তিনি দাউদ ইবনে রাশিদ থেকে; এবং আবু নুআইম তার মুস্তাখরাজ-এ (৩০২৮) আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ থেকে, তিনি আবু শুআইব আল-হাররানী থেকে, তিনি আলী ইবনুল মাদিনী থেকে; (সূত্র পরিবর্তন) এবং মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালাম থেকে, তিনি দুহাইম আবদুর রহমান ইবনে ইবরাহিম থেকে: তারা সকলেই (আহমাদ ইবনে হাম্বল, আল-হুমাইদী, যুহাইর ইবনে হারব, আলী ইবনুল মাদিনী, মুহাম্মদ ইবনাস সাব্বাহ, দাউদ ইবনে রাশিদ, আল-হুসাইন ইবনে হুরাইস এবং দুহাইম)(১) এটি আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আহমাদ আল-মুসনাদ-এ (১০৯৬৯); আল-ফাকিহী আখবারু মক্কাহ-তে (২৪০৫) আব্বাস আদ-দাওরী থেকে; আল-মুহামিলি আল-আমালী-তে ইবনে মাহদীর বর্ণনা (৩২) থেকে - এবং তার সূত্রে আল-খাতিব আল-ফাসল-এ (২/৬৯৫) এবং আবু নুআইম আল-হাদ্দাদ জামিউস সহিহাইন-এ (৩৬৮৬) - সাঈদ ইবনে বাহর থেকে; তারা তিনজনই (আহমাদ ইবনে হাম্বল, আব্বাস আদ-দাওরী এবং সাঈদ ইবনে বাহর) এটি মুহাম্মদ ইবনে মুসআব থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আর ইসমাঈল ইবনে হাফস ইবনে উমর ইবনে দীনার এর সনদ ও মতন (মূল পাঠ) বর্ণনায় তাদের বিরোধিতা করেছেন, যেমনটি আল-বাযযার তার মুসনাদ-এ (২৫৮২) উল্লেখ করেছেন।

যেখানে তিনি এটি আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আল-আওযায়ী থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান থেকে, তিনি উসামাহ থেকে মারফু সূত্রে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «আমরা আগামীকাল বনু কিনানাহর খায়ফে অবতরণ করব», এবং «আকীল কি আমাদের জন্য কোনো ঘরবাড়ি বাকি রেখেছে?»।

আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিমের বর্ণনায় সঠিক হলো সেই বর্ণনাটি যা একদল রাবী তার থেকে বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে আল-হুমাইদী, আহমাদ এবং ইবনুল মাদিনীর মতো বরেণ্য ইমামগণ রয়েছেন।

আর ইসমাঈল ইবনে হাফস: তার থেকে আন-নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন; ইবনে আবু হাতিম তার পিতা থেকে নকল করেছেন যে তিনি বলেছেন: (আমি তার থেকে এবং তার পিতা থেকে লিখেছি; তার পিতা মিথ্যা বলত, কিন্তু সে ছিল তার পিতার বিপরীত)। আমি জিজ্ঞেস করলাম: সে কি নির্দোষ (লা বা’সা বিহি)? তিনি বললেন: আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয় যে সে নির্দোষ। আর আন-নাসায়ী বলেছেন (আমি আশা করি তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই), এবং ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-জারহু ওয়াত তাদীল (২/১৬৬), আস-সিকাত (৮/১০২) এবং তাহযীবুত তাহযীব (১/১৪৬)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৮)
وأبو داود في السنن (2011)، والنسائي في السنن الكبرى (4396)، عن محمود بن خالد، عن عمر بن عبدالواحد السلمي، وابن خُزيمة في صحيحه (2982) عن يونس بن عبدالأعلى، وبحر بن نصر عن بشر بن بكر، والبيهقي في السنن الكبرى (5/ 160) عن إسحاق بن محمد، عن أبي العباس محمد بن يعقوب، عن العباس بن الوليد، عن أبيه الوليد بن مزيد، وأبوعوانة في مستخرجه- كما في إتحاف المهرة (20485) - عن أبي أمية عن محمد بن مصعب، ويحيى بن الضحّاك، وإسماعيل بن عبدالله بن سماعة- أشار لروايتهما الخطيب في الفصل (2/ 697) ولم يسندها- كلهم (الوليد بن مسلم، ومحمد بن مصعب، وعمر بن عبدالواحد، وبشر بن بكر، والوليد بن مزيد، ويحيى بن الضحاك، وإسماعيل بن سماعة) =

رووه عن الأوزاعي، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم من الغد يوم النحر، وهو بمنى: «نحن نازلون غداً بخيف بني كنانة … ».

وقد اتفق الشيخان على رواية حديث الأوزاعي على هذا النحو، واعتنى الأئمة وأصحاب المصنفات بروايتها ونقلها، وتابعه عليها جمعٌ من أصحاب ابن شهاب(1).

--------------------------------------------

(1) منهم: إبراهيم بن سعد: رواه أحمد (7580)، والبخاري (3882)، و (4285)، وشُعيب بن أبي حمزة: رواه البخاري (1589)، و (7479)، ويونس بن يزيد: رواه البخاري (7479)، ومسلم (3153)، وعُقيل بن خالد: رواه ابن خزيمة (2984).
এবং আবু দাউদ তাঁর আস-সুনান গ্রন্থে (২০১১), আন-নাসায়ী আস-সুনান আল-কুবরা গ্রন্থে (৪৩৯৬), মাহমুদ বিন খালিদ হতে, তিনি উমর বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সুলামী হতে, এবং ইবনে খুজাইমা তাঁর সহীহ গ্রন্থে (২৯৮২), ইউনুস বিন আব্দুল আ’লা হতে এবং বাহর বিন নাসর, বিশর বিন বকর হতে, এবং আল-বায়হাকী আস-সুনান আল-কুবরা গ্রন্থে (৫/ ১৬০), ইসহাক বিন মুহাম্মদ হতে, তিনি আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব হতে, তিনি আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ হতে, তিনি তাঁর পিতা ওয়ালিদ বিন মাজীদ হতে, এবং আবু আওয়ানা তাঁর মুসতাখরাজ গ্রন্থে—যেমনটি ইতহাফ আল-মাহারা (২০৪৮৫)-তে বর্ণিত হয়েছে—আবু উমাইয়া হতে, তিনি মুহাম্মদ বিন মুসআব, ইয়াহইয়া বিন আদ-দাহহাক এবং ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন সামাআ হতে বর্ণনা করেছেন—আল-খতীব আল-ফাসল (২/ ৬৯৭) গ্রন্থে তাঁদের দুজনের বর্ণনার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন কিন্তু এর কোনো সনদ উল্লেখ করেননি—তাঁদের সকলেই (ওয়ালিদ বিন মুসলিম, মুহাম্মদ বিন মুসআব, উমর বিন আব্দুল ওয়াহিদ, বিশর বিন বকর, ওয়ালিদ বিন মাজীদ, ইয়াহইয়া বিন আদ-দাহহাক এবং ইসমাইল বিন সামাআ) =

তাঁরা আল-আওজায়ী হতে, তিনি আজ-জুহরী হতে, তিনি আবু সালামা হতে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নহরের দিন (কুরবানির দিন) এর পরবর্তী দিন মিনায় থাকাকালীন বলেছিলেন: «আমরা আগামীকাল বনু কিনানার খাইফে (উপত্যকায়) অবতরণ করব … »।

এবং শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) আল-আওজায়ীর হাদিসটি এভাবে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন। ইমামগণ এবং হাদীস গ্রন্থ প্রণেতারা এটি বর্ণনা ও হস্তান্তরের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন এবং ইবনে শিহাবের একদল ছাত্র এক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ করেছেন(১)।

--------------------------------------------

(১) তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইবরাহিম বিন সাদ: এটি আহমাদ (৭৫৮০), বুখারী (৩৮৮২) ও (৪২৮৫) বর্ণনা করেছেন; শুআইব বিন আবু হামজাহ: এটি বুখারী (১৫৮৯) ও (৭৪৭৯) বর্ণনা করেছেন; ইউনুস বিন ইয়াজিদ: এটি বুখারী (৭৪৭৯) ও মুসলিম (৩১৫৩) বর্ণনা করেছেন; এবং উকাইল বিন খালিদ: এটি ইবনে খুজাইমা (২৯৮৪) বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ১৯)
(2) وأما الوجه الثاني:

فقد رواه: عبدالرزّاق في المُصنّف (9851) - ومن طريقه النسائي في الكُبرى (4451) مختصراً، وأبوعوانة في مستخرجه (5597) - عن معمر والأوزاعي- مقرونين- عن الزهري، عن علي بن الحُسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد رضي الله عنه، به.

وقد أعلّه النسائي فقال: «وحديث الأوزاعي غيرُ محفوظ»، أي: من مسند أسامة رضي الله عنه.

حيثُ خالف عبدالرزّاق في حديثه حديثَ الجماعة، وحمل حديث الأوزاعي على حديث معمر الذي رواه من مسند أسامة رضي الله عنه.

والصواب في حديثه أنه من مسند أبي هريرة رضي الله عنه، كما رواه أصحاب الوجه الأول بلفظ: «نحن نازلون غداً بخيف بني كنانة … ».
(২) আর দ্বিতীয় দিকটি হলো:

এটি বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রাজ্জাক আল-মুসান্নাফ গ্রন্থে (৯৮৫১) - এবং তাঁর সূত্রে আন-নাসাঈ আল-কুবরা গ্রন্থে (৪৪৫১) সংক্ষিপ্তভাবে, এবং আবু আওয়ানা তাঁর মুস্তাখরাজ গ্রন্থে (৫৫৯৭) - মা'মার এবং আল-আওযাঈ থেকে—একত্রে—তাঁরা আয-যুহরী থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আন-নাসাঈ একে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করেছেন এবং বলেছেন: «আল-আওযাঈর হাদীসটি সংরক্ষিত (মাহফুয) নয়», অর্থাৎ: উসামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ হিসেবে।

যেহেতু আব্দুর রাজ্জাক তাঁর হাদীসে জামাতের (অধিকাংশ বর্ণনাকারীর) হাদীসের বিরোধিতা করেছেন এবং আল-আওযাঈর হাদীসটিকে মা'মারের হাদীসের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন, যা তিনি উসামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ থেকে বর্ণনা করেছিলেন।

আর তাঁর হাদীসের ক্ষেত্রে সঠিক হলো যে, এটি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ থেকে, যেমনটি প্রথম দিকের বর্ণনাকারীগণ এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «আমরা আগামীকাল বনী কিনানার খায়েফ নামক স্থানে অবতরণ করব … »।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২০)
* ثانيًا: حديثُ معمر، وقد روي عنه مختصرًا ومطولاً:

الأول: بالاقتصار على لفظ حديث الجماعة: «لا يرث المسلم الكافر، ولا الكافر المسلم».

رواهُ عنهُ: (عبدالرزّاق، وعبدالأعلى بن عبدالأعلى، ويزيد بن زُريع)، وتقدمت الإشارة لروايتهم.

والثاني: رواه عنه (عبدالرزّاق) عن معمر بإسناده إلى أسامة بن زيدٍ رضي الله عنه، قال: قلت: يا رسول الله، أين ننزل غدا؟ في حجته، قال: «وهل ترك لنا عَقِيل منزلا؟»، ثم قال: «نحن نازلون غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة»، ثم قال عند ذلك: «لا يرث الكافر المسلم، ولا المسلم الكافر».

- وقد رواه: أحمد في المُسند (21766) - ومن طريقه أبوداود في السنن (2010)، و (2910)، والمزي في تهذيب الكمال (22/ 156) - والبخاري (3058) عن محمود بن غيلان، ومسلمٌ (1351) عن محمد بن مهران الرازي، وابن أبي عمر، وعبد بن حُميد، وأبو عوانة في مستخرجه (5596) عن محمد بن إسحاق بن الصبّاح، وحمدان السُّلمي، وابنُ خزيمة في صحيحه (2985)، والبغوي في شرح السنة (2747)، والعلائي في بُغية الملتمس (187)، بإسنادهما إلى ابن معقل الميداني؛ كلاهما (ابن خزيمة، وابن معقل) روياه عن محمد بن يحيى الذُهلي=

والطبراني في المعجم الكبير 1/ 168 (413) عن إبراهيم بن سويد، والبيهقي
দ্বিতীয়ত: মামারের হাদিস, এবং এটি তাঁর থেকে সংক্ষিপ্ত ও দীর্ঘ উভয় ভাবেই বর্ণিত হয়েছে:

প্রথমটি: জামাতের হাদিসের শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ থাকার মাধ্যমে: "মুসলিম কাফিরের ওয়ারিশ হবে না এবং কাফিরও মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।"

এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: (আবদুর রাজ্জাক, আবদাল আ’লা ইবনে আবদাল আ’লা এবং ইয়াযিদ ইবনে যুরাই), আর তাঁদের বর্ণনার দিকে ইতিপূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

এবং দ্বিতীয়টি: তাঁর থেকে (আবদুর রাজ্জাক) বর্ণনা করেছেন মামার থেকে তাঁর সনদে উসামা ইবনে যায়েদ (রা.) হতে, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, আগামীকাল আমরা কোথায় অবতরণ করব? তাঁর হজের সময়। তিনি বললেন: "আকিল কি আমাদের জন্য কোনো ঘর বাকি রেখেছে?", অতঃপর তিনি বললেন: "আগামীকাল ইনশাআল্লাহ আমরা বনী কেনানার খায়ফ নামক স্থানে অবতরণ করব", তখন তিনি বললেন: "কাফির মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং মুসলিমও কাফিরের ওয়ারিশ হবে না।"

- এটি বর্ণনা করেছেন: আহমাদ আল-মুসনাদে (২১৭৬৬) - এবং তাঁর সূত্রে আবু দাউদ আস-সুনানে (২০১০) ও (২৯১০), এবং আল-মিযযি তাহযীবুল কামালে (২২/ ১৫৬) - এবং বুখারি (৩০৫৮) মাহমুদ ইবনে গায়লান থেকে, মুসলিম (১৩৫১) মুহাম্মদ ইবনে মিহরান আর-রাযি, ইবনে আবু উমর, আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, এবং আবু আওয়াআনা তাঁর আল-মুসতাখরাজে (৫৫৯৬) মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে আস-সাব্বাহ ও হামদান আস-সুলামি থেকে, এবং ইবনে খুযাইমা তাঁর আস-সহিহ-তে (২৯৮৫), এবং আল-বাগাওয়ি শারহুস সুন্নাহ-তে (২৭৪৭), এবং আল-আলায়ি বুগইয়াতুল মুলতামিস-এ (১৮৭), ইবনে মাকিল আল-মাইদানির নিকট তাঁদের উভয়ের সনদে; তাঁরা উভয়েই (ইবনে খুযাইমা এবং ইবনে মাকিল) মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আয-যুহলি থেকে বর্ণনা করেছেন=

এবং আত-তাবারানি আল-মুজামুল কবিরে ১/ ১৬৮ (৪১৩) ইব্রাহিম ইবনে সুওয়াইদ থেকে, এবং আল-বায়হাকি
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২১)
في الكبرى (5/ 160) عن أبي الحسن المهرجاني، عن بشر بن أحمد، عن أحمد بن الحسين بن الحذّاء، عن علي بن المديني، وغيرهم؛

كلهم: (أحمد بن حنبل، ومحمود بن غيلان، ومحمد بن مهران، وابن أبي عمر، وعبد بن حميد، ومحمد بن الصبّاح، وحمدان السُلمي، ومحمد بن يحيى، وإبراهيم بن سويد، وعلي بن المديني):

رووه عن عبدالرزّاق، عن معمرٍ، به(1).

--------------------------------------------

(1) وليس في رواية الشيخين وأبي داود والطبراني والبيهقي قوله: «لايرث المسلم الكافر».
আল-কুবরা গ্রন্থে (৫/ ১৬০) আবুল হাসান আল-মাহরাজানি থেকে, তিনি বিশর বিন আহমাদ থেকে, তিনি আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাদ্দা থেকে, তিনি আলী বিন আল-মাদিনি এবং অন্যদের থেকে;

তাঁরা সকলে: (আহমাদ বিন হাম্বল, মাহমুদ বিন গায়লান, মুহাম্মাদ বিন মেহরান, ইবনে আবি উমর, আবদ বিন হুমাইদ, মুহাম্মাদ বিন আস-সাব্বাহ, হামদান আস-সুলামি, মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া, ইব্রাহিম বিন সুওয়াইদ এবং আলী বিন আল-মাদিনি):

তাঁরা এটি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে, উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন(১)।

--------------------------------------------

(১) আর দুই শাইখ, আবু দাউদ, তাবারানি এবং বায়হাকির বর্ণনায় তাঁর এই উক্তিটি নেই: "মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।"
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌ذكرُ ما ورد من الاختلاف في متنه:

* حديثُ معمر مما اختلفت فيه أقوال النُظّار وأئمة النقد:

1 - حيثُ نصّ علي بن المديني على أن قوله: «نحن نازلون غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة»، مُدرجٌ من معمر في حديث أسامة بن زيد رضي الله عنه، والصواب أنه من مسند أبي هريرة رضي الله عنه.

وتبعه عليه ابن خُزيمة، والخطيب البغدادي.

قال علي بن المديني: «حديثُ أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «منزلنا غدًا إن شاء الله بالخيف عند الضحى» رواه الزهري، فاختلف على الزهري في إسناده:

فرواه الأوزاعي، وإبراهيم بن سعد، والنعمان بن راشد، وإبراهيم بن إسماعيل بن مجمِّع؛ كلهم عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة(1).

إلا أن معمرًا أدرجه في حديث علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيدٍ: «وهل ترك لي عقيلٌ منزلاً»، فأدرج الكلام فيه: «منزلنا غدًا».

وقد رواه محمد بن أبي حفصة، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة، ولم يذكر فيه: «ومنزلنا بالخيف»»(2).

--------------------------------------------

(1) وهو الوجه الأول من حديث الأوزاعي، وقد تقدم.

(2) علل الحديث لابن المديني (122)، وصحيح ابن خزيمة (2984)، والفصل للوصل المدرج في المتن (75).
এর মতন (মূল পাঠ)-এ যে মতভেদ বর্ণিত হয়েছে তার উল্লেখ:

* মামারের হাদীস সেই বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত যাতে গবেষক এবং সমালোচনা শাস্ত্রের ইমামগণের বক্তব্যে মতভেদ রয়েছে:

১ - যেখানে আলী ইবনুল মাদীনী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর কথা: «ইনশাআল্লাহ আগামীকাল আমরা বনী কেনানার খাইফ নামক স্থানে অবতরণ করব», এটি উসামা বিন যায়িদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসে মামারের পক্ষ থেকে অনুপ্রবেশকৃত (মুদরাজ), এবং সঠিক বিষয় হলো এটি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ হতে বর্ণিত।

এবং ইবনে খুযাইমাহ ও খতীব আল-বাগদাদী এ বিষয়ে তাঁকে অনুসরণ করেছেন।

আলী ইবনুল মাদীনী বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত আবু হুরায়রার হাদীস: “ইনশাআল্লাহ আগামীকাল চাশতের সময় খাইফ নামক স্থানে আমাদের অবস্থান হবে” এটি যুহরী বর্ণনা করেছেন, তবে এর সনদের ক্ষেত্রে যুহরীর বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে:

আওযাঈ, ইবরাহীম ইবনে সা’দ, নুমান ইবনে রাশিদ এবং ইবরাহীম ইবনে ইসমাঈল ইবনে মুজাম্মি; তাঁরা সকলেই যুহরী হতে, তিনি আবু সালামাহ হতে এবং তিনি আবু হুরায়রা হতে এটি বর্ণনা করেছেন(১)।

কিন্তু মামার এটিকে আলী বিন হুসাইন হতে, তিনি আমর বিন উসমান হতে এবং তিনি উসামা বিন যায়িদ হতে বর্ণিত হাদীস: “আকীল কি আমার জন্য কোনো ঘর অবশিষ্ট রেখেছেন?”-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত (মুদরাজ) করে দিয়েছেন; অতঃপর তিনি এতে এই কথাটি ঢুকিয়ে দিয়েছেন: “আগামীকাল আমাদের অবস্থানস্থল”।

মুহাম্মাদ ইবনে আবি হাফসাহ এটি যুহরী হতে, তিনি আলী বিন হুসাইন হতে, তিনি আমর বিন উসমান হতে এবং তিনি উসামা হতে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু সেখানে তিনি এটি উল্লেখ করেননি: “এবং খাইফ নামক স্থানে আমাদের অবস্থান হবে”»(২)।

--------------------------------------------

(১) আর এটি আওযাঈ-এর হাদীসের প্রথম দিক, যা পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।

(২) ইবনুল মাদীনীর ‘ইলালুল হাদীস’ (১২২), সহীহ ইবনে খুযাইমাহ (২৯৮৪) এবং ‘আল-ফাসলু লিল ওয়াসলিল মুদরাজ ফিল মাতন’ (৭৫)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৩)
2 - واتفق الشيخان على رواية طريق معمر من مُسند أسامة بن زيدٍ رضي الله عنه، باللفظ المذكور، كما تقدم الإشارة إليه.

واعتنى أصحاب عبدالرزّاق بروايته، وفيهم الأكابر من أصحابه.

وقد نصّ الدارقطني على أن اللفظ المذكور محفوظٌ من كلا الحديثين(1).

--------------------------------------------

(1) العلل (1738).
২ - উসামা ইবনে যায়েদ (রা.)-এর মুসনাদ থেকে মা'মার-এর সূত্রে উল্লিখিত শব্দে বর্ণিত হাদিসটির ব্যাপারে শাইখান (বুখারি ও মুসলিম) ঐকমত্য পোষণ করেছেন, যেমনটি পূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

আব্দুর রাজ্জাকের ছাত্রগণ তাঁর বর্ণনার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং তাদের মধ্যে তাঁর বিশিষ্ট ও বড় পর্যায়ের ছাত্রগণও রয়েছেন।

ইমাম দারাকুতনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, উল্লিখিত শব্দগুচ্ছ উভয় হাদিস থেকেই সংরক্ষিত (মাহফুজ)।

--------------------------------------------

(১) আল-ইলাল (১৭৩৮)।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌الوجه الثاني (عن الزهري): رواية مالك بن أنس

* رواه مالك بن أنس، واختلف عنهُ أصحابه على ثلاثة أوجه:

الوجه الأول: رواه عنه جمعٌ بتسمية راويه: «عُمَر بن عثمان»، وهم:

(محمد بن إدريس الشافعي، وخالد بن مخلد القَطَواني، وعبد الله بن وهب، ومصعب بن عبد الله الزبيري، ومحمد بن الحسن الشيباني، وعبد الرحمن بن مهدي، وعبد الله بن مسلمة القعنبي، وأحمد بن إسماعيل المدني السهمي).

والوجه الثاني: رواه عنه جمعٌ بتسمية راويه «عَمرو بن عثمان»، وهم:

(عبدالله بن المُبارك، وأبو مصعب الزهري، وزيد بن الحباب، ومعاوية بن هشام القصّار، ويحيى بن يحيى الليثي، وإبراهيم بن طهمان، وعبدالرحمن بن القاسم).

والوجه الثالث: رواه يحيى بن بُكير، عن مالكٍ على الشك، فقال فيه: «عن عمرو أو عُمر».
দ্বিতীয় পদ্ধতি (যুহরী থেকে): মালিক ইবনে আনাসের বর্ণনা

এটি মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর ছাত্রগণ তিনটি পদ্ধতিতে মতভেদ করেছেন:

প্রথম পদ্ধতি: তাঁর থেকে একদল রাবী এটি বর্ণনা করেছেন বর্ণনাকারীর নাম ‘উমর ইবনে উসমান’ উল্লেখ করে; তাঁরা হলেন:

(মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আশ-শাফিঈ, খালিদ ইবনে মাখলাদ আল-কাতাওয়ানী, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, মুসআব ইবনে আবদুল্লাহ আয-যুবাইরী, মুহাম্মদ ইবনে হাসান আশ-শাইবানী, আবদুর রহমান ইবনে মাহদী, আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আল-কা'নাবী এবং আহমাদ ইবনে ইসমাঈল আল-মাদানী আস-সাহমী)।

দ্বিতীয় পদ্ধতি: তাঁর থেকে একদল রাবী এটি বর্ণনা করেছেন বর্ণনাকারীর নাম ‘আমর ইবনে উসমান’ উল্লেখ করে; তাঁরা হলেন:

(আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক, আবু মুসআব আয-যুহরী, যাইদ ইবনে আল-হুবাব, মুআবিয়া ইবনে হিশাম আল-কাসসার, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসী, ইবরাহীম ইবনে তাহমান এবং আবদুর রহমান ইবনে আল-কাসিম)।

তৃতীয় পদ্ধতি: ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর এটি মালিক থেকে সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছেন, তিনি এতে বলেছেন: ‘আমর অথবা উমর থেকে’।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌الوجه الأول (عن مالك)

* رواه عنه جمعٌ من أصحابه بتسمية راويه: «عُمَر»:

وقد رواه: الشافعي في الأم: (4/ 75)، وأحمد في المسند: (21813) عن ابن مهدي- ومن طريقه العلائي في بُغية الملتمس: (ص 180) - ومحمد بن الحسن الشيباني في موطئه: (728)، وعبدالله بن مسلمة القعنبي في موطئه (مخطوطٌ بخط الجَرهي: (أ/ 91)) - ومن طريقه الجوهري في مسند الموطأ (210)، وأبو بكر الشافعي في الغيلانيات: (36) - وابن أبي خيثمة في التاريخ (السفر الثاني): 2/ 905 (3840) - ومن طريقه ابن عبدالبر في التمهيد (9/ 162) - عن مصعب بن عبدالله، وأبو طاهر المُخلِّصُ في الفوائد الغرائب المنتقاة من المُخلِّصيَّات لَهُ: 2/ 33 (958) -ومن طريقه ابن عساكر في التاريخ: (46/ 290) - عن أحمد بن بجير، عن علي بن نُفيل، قال: حدثنا خالد بن مخلد القطواني، والمحاملي في الأمالي (رواية ابن مهدي): (336) - ومن طريقه سليم الرازي في عوالي مالك: 1/ 278 (181) - عن أحمد بن إسماعيل المدني، والطحاوي في شرح معاني الآثار: (3/ 265) عن يونس- ومن طريقه الجوهري في مسند الموطأ (210) - عن عبدالله بن وهب-:

كلهم: (محمد بن إدريس الشافعي(1)،

--------------------------------------------

(1) وقع في مطبوعات الأُم للشافعي: «عمرو». انظر: ط. بولاق الأولى 1322 هـ (4/ 2)، وط. النجَّار (4/ 72)، وطبعة دار الوفاء (5/ 148).

- والذي أستظهره أن في الإسناد تحريفًا تتابعت عليه طبعات الكتاب، وأن الصواب في رواية الشافعي: «عُمر»؛ لثلاثة أمور:

الأول: نصَّ الشافعي على أن الذي في رواية مالك: «عمر»، وخطّأه فيه، وذلك فيما رواه ابن أبي حاتم وابن خزيمة عن المُزني، أنه قال: سمعت الشافعي يقول: (صحَّف مالكٌ في عمر بن عثمان، وإنما هو: عمرو بن عثمان). انظر: آداب الشافعي لابن أبي حاتم (ص 172)، وبيان خطأ من أخطأ على الشافعي للبيهقي: (ص 202)، ومناقب الشافعي للبيهقي: (1/ 491).

فيَبعُد معه أن ينص عليه، ثُمَّ يرويه عنه كرواية الجمهور على الصواب، والأئمة على شبه إجماعٍ أن الذي في رواية مالك: «عمر».

الثاني: أن الشافعي روى الحديث قبل روايته لحديث مالك بسطرين تقريبًا، من طريق ابن عيينة عن الزهري به، وفيه: «عمرو»، كبقية رواية أصحاب الزهري، ثُمَّ ساق حديث مالكٍ بعدَهُ، فلعلَّ الطابع ظن أنهما بإسنادٍ واحد فرسمها: «عمرو» كسابقه.

الثالث: أن الظاهر في سياق الشافعي لحديث مالك إنما هو لبيان الإعلال؛ بدليل أنه روى الحديث من طريق ابن عيينة وكرره في الأم في أكثر من أربعة مواضع؛ بخلاف حديث مالك، فقد ساقه مرةً بعد حديث ابن عيينة في كتاب الفرائض. والله أعلم.
প্রথম দিক (মালিক থেকে বর্ণিত)

* তাঁর (ইমাম মালিকের) একদল ছাত্র তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর নাম ‘উমর’ উল্লেখ করে এটি বর্ণনা করেছেন:

এটি বর্ণনা করেছেন: আল-শাফিঈ ‘আল-উম্ম’ গ্রন্থে: (৪/ ৭৫), আহমাদ ‘আল-মুসনাদ’ গ্রন্থে: (২১৮১৩) ইবনে মাহদি থেকে—এবং তাঁর সূত্রে আল-আলাঈ ‘বুগইয়াতুল মুলতামিস’ গ্রন্থে: (পৃ. ১৮০)—এবং মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-শায়বানি তাঁর ‘মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে: (৭২৮), আব্দুল্লাহ বিন মাসলামাহ আল-কা’নাবি তাঁর ‘মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে (আল-জারহির হস্তলিপি সম্বলিত পাণ্ডুলিপি: (ক/ ৯১))—এবং তাঁর সূত্রে আল-জাওহারি ‘মুসনাদুল মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে (২১০), আবু বকর আল-শাফিঈ ‘আল-গাইলানিয়্যাত’ গ্রন্থে: (৩৬)—ইবনে আবি খাইসামাহ ‘আল-তারিখ’ গ্রন্থে (দ্বিতীয় খণ্ড): ২/ ৯০৫ (৩৮৪০)—এবং তাঁর সূত্রে ইবনে আব্দুল বার ‘আল-তামহিদ’ গ্রন্থে (৯/ ১৬২)—মুসআব বিন আব্দুল্লাহ থেকে, এবং আবু তাহির আল-মুখাল্লিস তাঁর জন্য নির্বাচিত ‘আল-ফাওয়াইদুল গারাইব’ (যা আল-মুখাল্লিসিয়্যাত থেকে সংকলিত) গ্রন্থে: ২/ ৩৩ (৯৫৮)—এবং তাঁর সূত্রে ইবনে আসাকির ‘আল-তারিখ’ গ্রন্থে: (৪৬/ ২৯০)—আহমাদ বিন বুজাইর থেকে, তিনি আলি বিন নুফাইল থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন মাখলাদ আল-কাতওয়ানি, এবং আল-মাহামিলি ‘আল-আমালি’ গ্রন্থে (ইবনে মাহদির বর্ণনা): (৩৩৬)—এবং তাঁর সূত্রে সালিম আল-রাজি ‘আওয়ালি মালিক’ গ্রন্থে: ১/ ২৭৮ (১৮১)—আহমাদ বিন ইসমাইল আল-মাদানি থেকে, এবং আল-তাহাবি ‘শারহু মাআনিল আসার’ গ্রন্থে: (৩/ ২৬৫) ইউনুস থেকে—এবং তাঁর সূত্রে আল-জাওহারি ‘মুসনাদুল মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে (২১০)—আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব থেকে—:

তাঁরা সকলেই: (মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস আল-শাফিঈ(১),

--------------------------------------------

(১) আল-শাফিঈর ‘আল-উম্ম’ গ্রন্থের মুদ্রিত সংস্করণগুলোতে ‘আমর’ শব্দ পাওয়া যায়। দেখুন: বুলাক প্রথম মুদ্রণ ১৩২২ হিজরি (৪/ ২), নাজ্জার মুদ্রণ (৪/ ৭২), এবং দারুল ওয়াফা মুদ্রণ (৫/ ১৪৮)।

- আমার কাছে যা স্পষ্ট হচ্ছে তা হলো, সনদে একটি শব্দগত বিকৃতি ঘটেছে যা বইটির মুদ্রিত সংস্করণগুলোতে ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে, এবং আল-শাফিঈর বর্ণনায় সঠিক শব্দ হলো: ‘উমর’; তিনটি কারণে:

প্রথমত: আল-শাফিঈ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে ইমাম মালিকের বর্ণনায় যা আছে তা হলো ‘উমর’, এবং তিনি একে ভুল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এটি ইবনে আবি হাতিম এবং ইবনে খুযাইমাহ আল-মুযানি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি আল-শাফিঈকে বলতে শুনেছি: (মালিক ‘উমর বিন উসমান’ নামের ক্ষেত্রে ভুল করেছেন, আসলে এটি হবে: ‘আমর বিন উসমান’)। দেখুন: ইবনে আবি হাতিমের ‘আদাবুশ শাফিঈ’ (পৃ. ১৭২), আল-বাইহাকির ‘বায়ানু খাতা মান আখতাআ আলাশ শাফিঈ’: (পৃ. ২০২), এবং আল-বাইহাকির ‘মানাকিবুশ শাফিঈ’: (১/ ৪৯১)।

সুতরাং এটি অসম্ভব যে তিনি স্পষ্টভাবে ভুল নির্দেশ করবেন এবং পরে নিজেই একে জমহুরের (সংখ্যাগরিষ্ঠের) বর্ণনার মতো সঠিকভাবে বর্ণনা করবেন। অথচ ইমামগণ এ ব্যাপারে প্রায় একমত যে ইমাম মালিকের বর্ণনায় যা আছে তা হলো ‘উমর’।

দ্বিতীয়ত: আল-শাফিঈ ইমাম মালিকের হাদিসটি বর্ণনা করার প্রায় দুই লাইন আগে ইবনে উয়াইনাহ থেকে যুহরি সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন, যাতে ‘আমর’ শব্দটি রয়েছে, যা যুহরির অন্যান্য ছাত্রদের বর্ণনার মতোই। এরপর তিনি ইমাম মালিকের হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। সম্ভবত মুদ্রণকারী ভেবেছিলেন যে দুটি বর্ণনার সনদ একই, তাই তিনি পূর্বেরটির মতো এটিকেও ‘আমর’ হিসেবে লিখে দিয়েছেন।

তৃতীয়ত: আল-শাফিঈর প্রেক্ষাপটে ইমাম মালিকের হাদিসটি উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো বর্ণনার ত্রুটি (ইল্লাত) স্পষ্ট করা; এর প্রমাণ হলো তিনি ইবনে উয়াইনাহর সূত্রে হাদিসটি ‘আল-উম্ম’ গ্রন্থে চারটিরও বেশি স্থানে বর্ণনা করেছেন এবং পুনরাবৃত্তি করেছেন; পক্ষান্তরে মালিকের হাদিসটি তিনি ‘কিতাবুল ফারায়েদ’-এ ইবনে উয়াইনাহর হাদিসের পর মাত্র একবার উল্লেখ করেছেন। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৬)
وخالد بن مخلد القَطَواني(1)، وعبد الله بن وهب(2)، ومصعب بن عبدالله

--------------------------------------------

(1) وقد فصَّل خالدٌ روايته، فقال فيها: (عن عُمر بن عثمان ولم يقل: عَمرو بن عثمان، قال: هو معروف بالمدينة وداره بها) ا. هـ

(2) اختلفت المصادر في تسمية الراوي في الإسناد في رواية ابن وهب على ضربين:

الأول: أنه (عمرو): رواه الطحاوي في شرح معاني الآثار: (3/ 265)، وهو المثبتُ في شرحه للعيني: (12/ 424).

الثاني: أنه (عُمر): رواه الجوهري من طريق يونس عن ابن وهب، ثُمَّ قال: (ح)، ثُمَّ ساق الحديث من طريق القعنبي؛ كلاهما (ابن وهب، والقعنبي) عن مالك … وفيه: (عمر)، والمعروف في رواية القعنبي: (عمر).

وقد نصَّ ابن عبدالبر على أن الذي في رواية ابن وهب: (عمر)، حيثُ رواه مرةً، عن مالك، عن الزهري، وفيه: (عمر)، ومرةً عن يونس، عن الزهري، وفيه: (عمرو)، قال ابن عبدالبر: (ولقد أحسن ابنُ وهبٍ في هذا الحديث؛ رواه عن يونس ومالكٍ جميعًا، وقال: قال مالك: عمر، وقال يونس: عمرو) ا. هـ من التمهيد: ط. المغرب (9/ 162)، وط. مركز هجر (13/ 472). وهو الصواب، والله أعلم.
খালেদ ইবন মাখলাদ আল-কাতাওয়ানি(১), এবং আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহাব(২), এবং মুসআব ইবন আবদুল্লাহ

--------------------------------------------

(১) খালেদ তার বর্ণনা বিস্তারিত করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন: (উমর ইবন উসমান থেকে, তিনি আমর ইবন উসমান বলেননি। তিনি বলেছেন: তিনি মদিনায় সুপরিচিত এবং সেখানে তার বাড়ি রয়েছে)। সমাপ্ত।

(২) ইবন ওয়াহাবের বর্ণনার সনদে বর্ণনাকারীর নামকরণের ক্ষেত্রে উৎসসমূহে দুই ধরনের মতপার্থক্য দেখা যায়:

প্রথমটি: সেটি হলো (আমর): এটি ইমাম তাহাবি 'শারহু মাআনিল আসার' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন: (৩/২৬৫), এবং আইনি তার শরহ-এ এটিই সাব্যস্ত করেছেন: (১২/৪২৪)।

দ্বিতীয়টি: সেটি হলো (উমর): এটি জাওহারি ইউনুসের সূত্রে ইবন ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি বলেছেন: (হা), তারপর তিনি হাদিসটি আল-কা'নাবির সূত্রে উল্লেখ করেছেন; তারা উভয়েই (ইবন ওয়াহাব ও আল-কা'নাবি) মালিক থেকে... এবং সেখানে রয়েছে: (উমর), আর আল-কা'নাবির বর্ণনায় সুপরিচিত হলো: (উমর)।

ইবন আবদিল বার স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ইবন ওয়াহাবের বর্ণনায় যা আছে তা হলো: (উমর)। তিনি এটি একবার মালিক থেকে, যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে রয়েছে: (উমর), আর একবার ইউনুস থেকে, যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে রয়েছে: (আমর)। ইবন আবদিল বার বলেন: (ইবন ওয়াহাব এই হাদিসে অত্যন্ত সুন্দর কাজ করেছেন; তিনি এটি ইউনুস ও মালিক উভয় থেকেই বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: মালিক বলেছেন: উমর, আর ইউনুস বলেছেন: আমর)। সমাপ্ত - 'আত-তামহিদ' থেকে: মাগরিব সংস্করণ (৯/১৬২), এবং মারকাজ হাজার সংস্করণ (১৩/৪৭২)। আর এটিই সঠিক, এবং আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৭)
الزبيري، ومحمد بن الحسن الشيباني، وعبدالرحمن بن مهدي(1)، وعبدالله بن

--------------------------------------------

(1) الذي في المسند من طريق ابن مهدي: (عُمر)، وهذا هو المثبت في نشرة الرسالة (21813) والمكنز: (22228) وعالم الكتب: (22157)، ورواه من طريق ابن مهدي أيضًا: ابن المظفر البزاز في غرائب مالك: (62)، والعلائي في بغية الملتمس: (ص 180)، وفيه: (عُمَر).

ومما يؤكده ما رواه ابن المظفر البزاز في غرائب مالك: (63) بإسناده، عن يحيى بن معين، أنه قال: قال لي عبد الرحمن بن مهدي: قال لي مالك بن أنس: (تُراني لا أعرف عمر من عمرو؟ هذه دار عمر، وهذه دار عمرو)، فقلت له: فكيف حدثكم؟ قال: كان يقول: عمر ا. هـ، وهذا النصُّ فصلٌ في رواية ابن مهدي.

تنبيه: روى كلام ابن معين الجوهري في مسند الموطأ (200) - بنفس إسناد ابن المظفر- وفيه: (قلتُ: فكيف حدثكم معن؟ قال: كان يقول: عمر) ا. هـ.

وقد استظهر محقق أطراف الموطأ للداني (2/ 18) د/ رضا بو شامة، أن ذكر معن عند الجوهري زيادةٌ وخطأ، وأن الصواب في القصة ما ذكر عند ابن المظفر في غرائب مالك.

ومعن هو ابنُ عيسى القزَّاز، من مشاهير أصحاب مالك، ولو لم يكن لابن مهدي رواية عن مالك مباشرة بتسمية راويه: (عُمَر)، كما ورد عند أحمد وابن المظفر والعلائي؛ لكان الاحتمال قائمًا أن ابن مهدي نزل في روايته ورواه عن معن- وهو من أقرانه- على الصواب، فتكون النتيجة في هذا الاختلاف صحة ما ذهب إليه محقق الأطراف. والله أعلم.

وقد ورد في أطراف المسند لابن حجر: (111) رَسمُهُ في الإسناد: (عمرو)، وساقه في حديث عمرو بن عثمان عن أسامة، وهو خطأ.
জুবাইরি, মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-শাইবানি, আব্দুর রহমান বিন মাহদি(১) এবং আব্দুল্লাহ বিন

--------------------------------------------

(১) মুসনাদে ইবনে মাহদির সূত্রে যা আছে তা হলো: (উমর), এবং এটিই রিসালাহ প্রকাশনী (২১৮১৩), আল-মাকনাজ (২২২২৮) এবং আলমুল কুতুব (২২১৫৭)-এর সংস্করণে সাব্যস্ত করা হয়েছে। ইবনে মাহদির সূত্রে এটি আরও বর্ণনা করেছেন: ইবনুল মুজাফফর আল-বাজ্জাজ 'গারাইবে মালিক'-এ (৬২), এবং আল-আলাই 'বুগইয়াতুল মুলতামিস'-এ (পৃ. ১৮০), আর এতে রয়েছে: (উমর)।

একে আরও নিশ্চিত করে যা ইবনুল মুজাফফর আল-বাজ্জাজ 'গারাইবে মালিক'-এ (৬৩) তাঁর সনদে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মাইন থেকে, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন মাহদি আমাকে বলেছেন: মালিক বিন আনাস আমাকে বলেছেন: (তুমি কি মনে করো যে আমি উমর এবং আমরের মধ্যে পার্থক্য বুঝি না? এটি উমরের ঘর, আর এটি আমরের ঘর), আমি তাঁকে বললাম: তিনি আপনাদের কাছে কীভাবে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: তিনি উমর বলতেন। ইতি। আর এই পাঠটি ইবনে মাহদির বর্ণনার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ফয়সালা।

সতর্কতা: ইবনে মাইন-এর কথাটি আল-জাওহারি 'মুসনাদুল মুয়াত্তা'য় (২০০) বর্ণনা করেছেন - ইবনুল মুজাফফরের একই সনদে - যাতে রয়েছে: (আমি বললাম: মা’ন আপনাদের কাছে কীভাবে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: তিনি উমর বলতেন)। ইতি।

আদ-দানির 'আতরাফুল মুয়াত্তা'-এর মুহাক্কিক (২/১৮) ড. রিদা বু শামা এটি স্পষ্ট করেছেন যে, জাওহারির বর্ণনায় মা’ন-এর উল্লেখ অতিরিক্ত ও ভুল, আর এই ঘটনার সঠিক বর্ণনা হলো সেটি যা ইবনুল মুজাফফরের 'গারাইবে মালিক'-এ উল্লেখ করা হয়েছে।

আর মা’ন হলেন ইবনে ঈসা আল-কাযযায, ইমাম মালিকের প্রসিদ্ধ সাথীদের একজন। যদি ইবনে মাহদির সরাসরি মালিক থেকে রাবির নাম (উমর) উল্লেখ করে কোনো বর্ণনা না থাকত, যেমনটি আহমদ, ইবনুল মুজাফফর এবং আল-আলাইয়ের কাছে বর্ণিত হয়েছে; তবে এই সম্ভাবনা থেকে যেত যে ইবনে মাহদি তাঁর বর্ণনায় নিচে নেমেছেন এবং মা’ন থেকে বর্ণনা করেছেন - যিনি তাঁর সমসাময়িকদের একজন - সঠিকভাবে। ফলে এই মতভেদের ফলাফল হতো আতরাফ-এর মুহাক্কিক যা বেছে নিয়েছেন তার সঠিক হওয়া। আল্লাহই ভালো জানেন।

ইবনে হাজারের 'আতরাফুল মুসনাদ'-এ (১১১) সনদে তাঁর নাম লেখা হয়েছে: (আমর), এবং তিনি একে উসামা থেকে আমর বিন উসমানের হাদিস হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা ভুল।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৮)
مسلمة القعنبي(1)، وأحمد بن إسماعيل المدني السهمي(2) =

--------------------------------------------

(1) هذا هو المُثبتُ في مخطوطة الموطأ برواية القعنبي والتي بخط الجَرهي (ت 828 هـ) (أ/ 91): (عمر)، ومن طريقه الجوهري في مُسند الموطأ: (210)، وأبو بكر الشافعي في الغيلانيات: (36)، ومن طريق أبي بكر الشافعي رواه المزي في تهذيب الكمال: 4412 (22/ 154).

ونصَّ عليه ابن عبدالبر فقال: (والثابت عن مالك عمر بن عثمان، كما روى يحيى وتابعه القعنبي) ا. هـ من التمهيد: ط. المغرب (9/ 160)، وط. مركز هجر (13/ 471).

وورد في تاريخ دمشق لابن عساكر: (46/ 286): أنه (عمرو)، ولعلَّهُ مما تصحَّف.

والصواب في رواية القعنبي: أنه (عمر) لما سبق ذكره.

- وكتاب الفرائض ساقطٌ من نشرة دار الغرب لرواية القعنبي.

* وأما الجرهي فهو: عبد الرحيم بن عبد الكريم بن نصر الله الجرهي المدني، تلمذ على الشهاب النويري والزين العراقي والفيروزابادي، وتلمذ عليه التقي بن فهد وأبناؤه، وكان يُذكر بالعبادة والصلاح، توفي عام (828 هـ). انظر: التحفة اللطيفة للسخاوي: 4/ 337 (2419).

(2) اختلفت المصادر في تسمية الراوي في الإسناد في رواية السهمي على ضربين:

الأول: أنه (عُمر)، كما رواه عبد الواحد بن مهدي عن المحاملي في الأمالي: (336)، ورواه من طريق ابن مهدي جمعٌ وهم:

1. سليم الرازي (ت 447 هـ)، في عوالي مالك: 1/ 278 (308).

2. عبد الخالق بن أسد الحنفي (ت 564 هـ)، في معجمه: (181).

3. شُهدة الدينورية (ت 574 هـ)، في مشيختها: (23) - تنبيه: وقع في المطبوع: (عمرو)، وأشار المحقق إلى أنه المثبت في المخطوط، وأن بدر الدين ابن جماعة رواه من طريق شُهدة من كتابها بخطِّها وفيه: (عُمر). انظر مشيخة قاضي القضاة (1/ 181).

4. الذهبي (ت 748 هـ)، في سير أعلام النبلاء: (4/ 400)؛ رواه من طريق شُهدة الدينورية.

5. العلائي (ت 761 هـ)، في بُغية الملتمس في سباعيات حديث الإمام مالك بن أنس: (ص 180)

6. ابن طولون (ت 953 هـ)، في الأحاديث المئة: (87).

الثاني: أنه (عَمرو)، فيما رواه الخطيب البغدادي في عوالي مالك: 1/ 318 (341)، وابن عساكر في تاريخ دمشق (46/ 290)، وابن النجار في ذيله على تاريخ بغداد: (2/ 157)؛ ثلاثتهم من طريق ابن مهدي بتسميته: (عمرو).

والأقرب للصواب في رواية السهمي هو الأول، حيثُ اتفقت مطبوعة الأمالي وعدد من المصادر التي روت الحديث من طريق ابن مهدي، على تسميته: (عُمر)، والله أعلم.
মুসলিমা আল-কানাবি(১) এবং আহমাদ বিন ইসমাইল আল-মাদানি আস-সাহমি(২) =

--------------------------------------------

(১) এটিই আল-জারহির (মৃত্যু ৮২৮ হিজরি) হস্তলিপিতে আল-কানাবির বর্ণনায় মুওয়াত্তার পাণ্ডুলিপিতে লিপিবদ্ধ রয়েছে (ক/ ৯১): (উমর), এবং তার সূত্রে আল-জাওহারি ‘মুসনাদুল মুওয়াত্তা’-এ: (২১০), এবং আবু বকর আশ-শাফিয়ি ‘আল-গাইলানিয়্যাত’-এ: (৩৬) উল্লেখ করেছেন। আর আবু বকর আশ-শাফিয়ির সূত্রে আল-মিজ্জি এটি ‘তাহযিবুল কামাল’-এ বর্ণনা করেছেন: ৪৪১২ (২২/ ১৫৪)।

ইবনে আব্দুল বার এর ওপর সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন, তিনি বলেন: (মালিক থেকে সাব্যস্ত হলো উমর বিন উসমান, যেমনটি ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন এবং আল-কানাবি তার অনুসরণ করেছেন)। সমাপ্ত। ‘আত-তামহিদ’ থেকে: মরক্কো সংস্করণ (৯/ ১৬০), এবং হাজার সেন্টার সংস্করণ (১৩/ ৪৭১)।

ইবনে আসাকিরের ‘তারিখে দামেস্ক’-এ এসেছে (৪৬/ ২৮৬): যে তিনি (আমর), সম্ভবত এটি লিপিকর প্রমাদের অন্তর্ভুক্ত।

আর আল-কানাবির বর্ণনায় সঠিক হলো: তিনি (উমর), যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে তার কারণে।

- আর দারুল গারব প্রকাশিত আল-কানাবির বর্ণনায় ‘কিতাবুল ফারায়েজ’ অংশটি বাদ পড়েছে।

* আর আল-জারহি হলেন: আব্দুর রাহিম বিন আব্দুল কারিম বিন নাসরুল্লাহ আল-জারহি আল-মাদানি। তিনি শিহাব আন-নুওয়াইরি, যয়ন আল-ইরাকি এবং আল-ফাইরুযাবাদির নিকট শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন এবং তাকি বিন ফাহাদ ও তার পুত্রগণ তার নিকট শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি ইবাদত ও নেককার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি (৮২৮ হিজরি) সালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আস-সাখাভির ‘আত-তুহফাতুল লাতিফাহ’: ৪/ ৩৩৭ (২৪১৯)।

(২) আস-সাহমির বর্ণনায় সনদের মধ্যে বর্ণনাকারীর নামকরণের ক্ষেত্রে উৎসসমূহ দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে:

প্রথমত: তিনি (উমর), যেমনটি আব্দুল ওয়াহিদ বিন মাহদি ‘আল-আমালি’-তে আল-মুহামিলি থেকে বর্ণনা করেছেন: (৩৩৬), এবং ইবনে মাহদির সূত্রে একদল এটি বর্ণনা করেছেন, তারা হলেন:

১. সুলিম আর-রাজি (মৃত্যু ৪৪৭ হিজরি), ‘আওয়ালি মালিক’-এ: ১/ ২৭৮ (৩০৮)।

২. আব্দুল খালিক বিন আসাদ আল-হানাফি (মৃত্যু ৫৬৪ হিজরি), তার ‘মুজাম’-এ: (১৮১)।

৩. শুহদাহ আদ-দিনাওয়ারিয়্যাহ (মৃত্যু ৫৭৪ হিজরি), তার ‘মাশইয়াখাহ’-এ: (২৩) - সতর্কতা: মুদ্রিত সংস্করণে (আমর) এসেছে, তবে সম্পাদক ইঙ্গিত করেছেন যে পাণ্ডুলিপিতে (উমর)-ই লিপিবদ্ধ রয়েছে এবং বদর উদ্দিন ইবনে জামাআহ শুহদাহর কিতাব থেকে তার নিজ হস্তলিপিতে এটি বর্ণনা করেছেন যেখানে (উমর) রয়েছে। দেখুন ‘মাশইয়াখাতু কাজিল কুজাত’ (১/ ১৮১)।

৪. আয-যাহাবি (মৃত্যু ৭৪৮ হিজরি), ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’-এ: (৪/ ৪০০); তিনি এটি শুহদাহ আদ-দিনাওয়ারিয়্যাহর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

৫. আল-আলাই (মৃত্যু ৭৬১ হিজরি), ‘বুগইয়াতুল মুলতামিস ফি সুবায়িয়্যাতি হাদিসিল ইমাম মালিক বিন আনাস’-এ: (পৃষ্ঠা ১৮০)।

৬. ইবনে তুলুন (মৃত্যু ৯৫৩ হিজরি), ‘আল-আহাদিসুল মিয়াহ’-এ: (৮৭)।

দ্বিতীয়ত: তিনি (আমর), যা খতিব আল-বাগদাদি ‘আওয়ালি মালিক’-এ: ১/ ৩১৮ (৩৪১), ইবনে আসাকির ‘তারিখে দামেস্ক’-এ (৪৬/ ২৯০) এবং ইবনে নাজ্জার তার ‘যাইলু তারিখি বাগদাদ’-এ: (২/ ১৫৭) বর্ণনা করেছেন; এই তিনজনই ইবনে মাহদির সূত্রে তার নাম (আমর) উল্লেখ করেছেন।

আর আস-সাহমির বর্ণনায় সত্যের অধিক নিকটবর্তী হলো প্রথমটি, যেহেতু ‘আল-আমালি’র মুদ্রিত সংস্করণ এবং ইবনে মাহদির সূত্রে যারা হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এমন বহু উৎস তাকে (উমর) নামে নামকরণের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ২৯)
رووه عن مالك، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمر بن عثمان، عن أسامة بن زيد، به، مرفوعًا.

وهو الصواب في المروي عن مالك، ورواه عنه أصحابه المتقدم ذكرهم على الوجه، والموافق لتنصيص الأئمة على أن مالكًا رواه على هذا النحو، وأنه خالف فيه بقيَّةَ أصحابِ الزُّهري.
তারা এটি মালিক থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আলি ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি উমর ইবনু উসমান থেকে এবং তিনি উসামা ইবনু জায়েদ থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

মালিক থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে এটিই সঠিক। তাঁর যে সকল সঙ্গীদের কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা তাঁর থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। আর এটি ইমামগণের এই সুস্পষ্ট বক্তব্যের সাথে সংগতিপূর্ণ যে, মালিক এটি এই পদ্ধতিতেই বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এতে জুহরির অন্যান্য অনুসারীদের থেকে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৩০)
• وقد تابع مالكًا عليه: أبو أويس المدني(1):

قال يحيى بن محمد بن يحيى الذُهلي: قيل (لأبي أويس)(2): يقولون: عَمرو بن عثمان؟ قال: «لا، هو عُمر بن عثمان، نحنُ أعلم؛ هذه داره»، وذكر هذا عقب حديث: «لا يرث المسلم الكافر» ا. هـ

ولم أقف على حديثه مسندًا، وقد أعلَّه علي بن المديني والبزَّار، ونصّوا على أن سماع أبي أويس ومالك واحدٌ عن الزُهري(3).

--------------------------------------------

(1) هو عبدالله بن عبدالله بن أويس، أبو أويس المدني الأصبحي، والد إسماعيل بن أبي أويس، وصهر الإمام مالك على أخته.

قال أحمد: (ليس به بأس)، أو قال: (ثقة)، وقال: (صالح)، وقال ابن معين: (ضعيف الحديث)، وقال الفلَّاس: (فيه ضعف، وهو عندهم من أهل الصدق)، وقال أبو داود: (صالح الحديث)، وقال يعقوب بن شيبة: (صدوق، وصالح الحديث، وإلى الضعف ما هو)، وقال النسائي: (أبو أويس ضعيف، وإسماعيل ابنه أضعف منه)، وقال: (ليس بالقوي)، روى له مسلمٌ والأربعة.

انظر: سؤالات أبي داود: (203)، والسنن الكبرى للنسائي: (7044)، والضعفاء والمتروكين للنسائي: (674)، وتاريخ مدينة السلام: (11/ 173).

(2) روى القصة ابن عساكر في تاريخ دمشق: (46/ 290)، والمزي في تهذيب الكمال (22/ 155).

وقد ورد في المصدرين تسميته: (ابن أبي أويس!)، والصواب ما أُثبت، فهو الذي وافق مالكًا، ونصَّ علي بن المديني والبزّار على متابعته لمالك، وورد تصريح الأئمة بأن سماعه من الزهري كسماع مالك، بخلاف ابن أبي أويس فقد نقل عنه أبو حاتم الرازي إعلاله لحديث خاله الإمام مالك، وقد تقدم.

(3) قال أحمد بن حنبل: (زعموا أن سماع أبي أويس، وسماع مالك، كان شيئًا واحدًا) ا. هـ من سؤالات أبي داود للإمام أحمد: (203)، ونقل البرقاني عن الدارقطني أنه قال: (سماعه مع مالك عن الزهري، قلت: كيف حديثه عن الزهري؟ قال: في بعضها شيء) ا. هـ من تأريخ مدينة السلام: (11/ 173)، وممن نصَّ عليه علي بن المديني والبزَّار، وسيأتي كلامهما في سياق إعلالهما لرواية مالك، وتنصيصهما على كون سماعهما من الزهري واحدًا، لا يراد منه أن الخطأ من ابن شهاب، بل الصواب- والله أعلم- أن أبا أويس تابع مالكًا على الوهم في إسناده.
• মালিকের অনুসরণ করেছেন: আবু উওয়াইস আল-মাদানী(১):

ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আদ-দুহলী বলেন: (আবু উওয়াইসকে) বলা হয়েছিল(২): তারা কি বলে: আমর বিন উসমান? তিনি বললেন: «না, তিনি উমর বিন উসমান, আমরাই অধিক পরিজ্ঞাত; এটি তাঁরই বাড়ি», এবং তিনি এটি «মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না» হাদিসটির পরে উল্লেখ করেছেন। (সমাপ্ত)

আর আমি তাঁর এই হাদিসটি মুসনাদ হিসেবে পাইনি, তবে আলী বিন আল-মাদিনী এবং আল-বাযযার একে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন, এবং তাঁরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে যুহরী থেকে আবু উওয়াইস এবং মালিকের শ্রবণ একই ছিল(৩)।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন আবদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উওয়াইস, আবু উওয়াইস আল-মাদানী আল-আসবাহী, ইসমাঈল বিন আবু উওয়াইসের পিতা, এবং ইমাম মালিকের বোনের স্বামী।

আহমদ বলেছেন: (তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই), অথবা বলেছেন: (নির্ভরযোগ্য), এবং বলেছেন: (সৎ/যোগ্য), ইবনে মাঈন বলেছেন: (হাদিসে দুর্বল), আল-ফাল্লাস বলেছেন: (তাঁর মধ্যে দুর্বলতা আছে, তবে তিনি তাঁদের কাছে সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত), আবু দাউদ বলেছেন: (হাদিসে যোগ্য), ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেছেন: (সত্যবাদী, হাদিসে যোগ্য, তবে তাঁর অবস্থা দুর্বলতার দিকেই বেশি), আন-নাসায়ী বলেছেন: (আবু উওয়াইস দুর্বল, আর তাঁর ছেলে ইসমাঈল তাঁর চেয়েও অধিক দুর্বল), এবং তিনি বলেছেন: (তিনি শক্তিশালী নন), মুসলিম এবং সুনান চতুষ্টয়ের সংকলকগণ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

দেখুন: সুয়ালাতু আবি দাউদ: (২০৩), আন-নাসায়ীর আস-সুনান আল-কুবরা: (৭০৪৪), আন-নাসায়ীর আদ-দুয়াফা ওয়াল-মাত্রুকিন: (৬৭৪), এবং তারীখু মাদিনাতিস সালাম: (১১/ ১৭৩)।

(২) ইবনে আসাকির ‘তারীখে দিমাশক’ (৪৬/ ২৯০) এবং আল-মিযযী ‘তাহযীবুল কামাল’ (২২/ ১৫৫) গ্রন্থে এই ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন।

উভয় উৎসেই তাঁর নাম ‘ইবনে আবু উওয়াইস!’ হিসেবে এসেছে, তবে যা (মূল পাঠে) স্থির করা হয়েছে সেটিই সঠিক। কেননা তিনিই মালিকের সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন এবং আলী বিন আল-মাদিনী ও আল-বাযযার মালিকের সাথে তাঁর অনুকূল বর্ণনার কথা উল্লেখ করেছেন। আইম্মায়ে কেরাম স্পষ্টভাবে বলেছেন যে যুহরী থেকে তাঁর শ্রবণ মালিকের শ্রবণের মতোই ছিল; পক্ষান্তরে ইবনে আবু উওয়াইস সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী তাঁর মামা ইমাম মালিকের হাদিসের ত্রুটি বর্ণনার কথা উল্লেখ করেছেন, যা পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।

(৩) আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: (তারা মনে করেন যে আবু উওয়াইস এবং মালিকের শ্রবণ একই ছিল)। সমাপ্ত—ইমাম আহমদের প্রতি আবু দাউদের প্রশ্নাবলী (২০৩) থেকে। আল-বারকানী আদ-দারা কুতনী থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: (যুহরী থেকে তাঁর শ্রবণ মালিকের সাথেই ছিল। আমি বললাম: যুহরী থেকে তাঁর হাদিস কেমন? তিনি বললেন: কোনো কোনো বর্ণনায় কিছু একটা (সমস্যা) আছে)। সমাপ্ত—তারীখু মাদিনাতিস সালাম: (১১/ ১৭৩) থেকে। যারা এই কথাটি উল্লেখ করেছেন তাদের মধ্যে আলী বিন আল-মাদিনী এবং আল-বাযযারও রয়েছেন। মালিকের বর্ণনার ত্রুটি বর্ণনার প্রেক্ষাপটে তাঁদের বক্তব্য সামনে আসবে। তাদের শ্রবণ যুহরী থেকে এক হওয়ার অর্থ এই নয় যে ভুলটি ইবনে শিহাবের পক্ষ থেকে হয়েছে, বরং সঠিক হলো—আল্লাহই ভালো জানেন—আবু উওয়াইস তাঁর সনদের বিভ্রান্তিতে মালিকের অনুসরণ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌كلام الأئمة عن خطأ مالك في إسناد هذا الحديث:

نصَّ جمعٌ غفيرٌ من الأئمة النُقَّاد على خطأ مالك في تسمية راويه، وبعضهم من أقرانه وأصحابه؛ إلا أنه ثبت على قوله وقال: «هذه دارُهُ»، ولم يرجع عنه(1)، وفيما

--------------------------------------------

(1) وأبعد أبو العبَّاس الداني (ت 532 هـ) فنسب إلى مالكٍ الرجوع إلى الصواب في تسمية راويه وموافقته للجمهور، فقال: (ثُمَّ رجع بأخرةٍ فقال: (عَمرو)؛ تابع الجماعة، هكذا ثبت في الموطأ في رواية يحيى بن يحيى صاحبنا، وابن القاسم، وسماعهما متأخر) ا. هـ من الإيماء: (2/ 19).

إذ لم يُنقل رجوع مالكٍ في تسمية راويه عنه، وهو متنافٍ مع تصريح من عاصره من الأئمة المُؤكد على أن الذي في روايته: (عُمر)، منهم الشافعي وابن مهدي وغيرهما، ولو ثبت رجوعُه لنُقل، لتوافُر الهمم عادةً في مثل هذه المسألة.

والذي يظهر من كلام الداني أنه استظهارٌ من روايتي ابن القاسم ويحيى، بكونهما متأخرين في الأخذ.

وتتابُع الأئمةِ على بيان خطأ مالكٍ مع عدم نقلهم رجوعه يدل على نفيه.

والأقرب أنه خطأٌ من ابن القاسم ويحيى، بدليل تصريح الأئمة- كابن أبي عاصم والترمذي والنسائي والدارقطني والجوهري وابن عبدالبر وغيرهم- بأن الصحيح في رواية مالك: (عُمر).

قُلت: ورواية الليثي على هذا النحو هي من فوات كتاب (التتبع لأوهام يحيى بن يحيى الليثي في روايته للموطأ) الصادر بأَخَرةٍ، والذي كتبه وحرّره الشيخ الفاضل/ عبدالسلام الشويعر جزاه الله خيرًا، وهو من الأبحاث الجادّة المتميزة التي يعز نظيرها في وقتنا.
এই হাদিসের সনদে মালিকের ভুলের বিষয়ে ইমামগণের বক্তব্য:

এক বিশাল সংখ্যক পারদর্শী ইমাম এই হাদিসের বর্ণনাকারীর নামকরণে ইমাম মালিকের ভুলের ব্যাপারে স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন, এবং তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন তাঁর সমসাময়িক এবং সহচর; তবে তিনি তাঁর বক্তব্যে অটল ছিলেন এবং বলেছিলেন: «এটি তাঁর ঘর», এবং তিনি তা থেকে ফিরে আসেননি, আর যার মধ্যে

--------------------------------------------

(১) আবু আব্বাস আদ-দানি (মৃত্যু ৫৩২ হি.) অনেক দূর গিয়ে বর্ণনাকারীর নামকরণে ইমাম মালিকের সঠিক মতের দিকে ফিরে আসা এবং জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথে একমত হওয়ার বিষয়টি তাঁর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন: (অতঃপর তিনি শেষের দিকে ফিরে আসেন এবং বলেন: ‘আমর’; তিনি জামাআতের অনুসরণ করেছেন। আমাদের সাথী ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং ইবনুল কাসিমের বর্ণনায় মুওয়াত্তায় এভাবেই সাব্যস্ত হয়েছে এবং তাঁদের শ্রবণ ছিল শেষের দিকে।) আল-ইমা: (২/১৯) থেকে সমাপ্ত।

কেননা বর্ণনাকারীর নামকরণের ক্ষেত্রে ইমাম মালিকের ফিরে আসা তাঁর থেকে বর্ণিত হয়নি। এটি তাঁর সমসাময়িক ইমামদের স্পষ্ট বক্তব্যের পরিপন্থী, যাঁরা নিশ্চিত করেছেন যে তাঁর বর্ণনায় ‘উমর’ রয়েছে; তাঁদের মধ্যে ইমাম শাফিঈ, ইবনে মাহদি এবং অন্যান্যরা রয়েছেন। যদি তাঁর ফিরে আসা সাব্যস্ত হতো, তবে অবশ্যই তা বর্ণিত হতো; কারণ সাধারণত এই ধরনের বিষয়ে আলোচনার গুরুত্বের কারণে তা বর্ণিত হওয়ার কথা ছিল।

আর আদ-দানির বক্তব্য থেকে যা প্রতীয়মান হয় তা হলো, এটি ইবনুল কাসিম ও ইয়াহইয়ার দুটি বর্ণনা থেকে একটি অনুমান মাত্র, যেহেতু তাঁরা (মালিকের কাছ থেকে হাদিস) গ্রহণের দিক থেকে শেষের দিকে ছিলেন।

ইমামগণের নিরবচ্ছিন্নভাবে মালিকের ভুল বর্ণনা করা এবং তাঁর ফিরে আসার বিষয়টি বর্ণনা না করা এর অস্বীকৃতিকেই প্রমাণ করে।

আর অধিকতর নিকটবর্তী কথা হলো, এটি ইবনুল কাসিম ও ইয়াহইয়ার ভুল। এর দলিল হলো ইমামগণের স্পষ্ট বক্তব্য—যেমন ইবনে আবি আসিম, তিরমিজি, নাসায়ি, দারা কুতনি, জওহরি, ইবনে আবদিল বার এবং অন্যান্যরা—যে ইমাম মালিকের বর্ণনায় ‘উমর’ নামটিই সাব্যস্ত।

আমি বলি: এই পদ্ধতিতে লাইসির বর্ণনাটি ‘আত-তাতাব্বু লি-আওহামি ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসি ফি রিওয়াযাতিহি লিল-মুওয়াত্তা’ (মুওয়াত্তার বর্ণনায় ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসির ভুলসমূহ অনুসন্ধান) নামক বইটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে বাদ পড়ে গেছে, যা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে এবং যেটি লিখেছেন ও সম্পাদনা করেছেন সম্মানিত শায়খ আব্দুল সালাম আশ-শুওয়াইয়ির (আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দিন)। এটি বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত নিবিড় ও অনন্য গবেষণা যার নজির মেলা ভার।