(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: -)
تخريج حديث لا يرث المسلم الكافر القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: تخريج حديث لا يرث المسلم الكافر
المؤلف: عبد الله بن يحيى العوبل
الناشر: بدون
عدد الصفحات: 71
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 شوّال 1443
'একজন মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না' হাদীসের তাখরীজ বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ
বই: 'একজন মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না' হাদীসের তাখরীজ
লেখক: আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আল-আওবাল
প্রকাশক: নেই
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭১
[বইটির সংখ্যায়ন মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ শাওয়াল ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৩)
مقدمةالحمد لله حق حمده، والصلاة والسلام على أشرف أنبيائه ورسله، وخيرته من خلقه، محمد بن عبد الله، وعلى آله وصحبه ومن والاه.
أما بعد ..
فإن أحد أشهر مَنْ تدور عليهم الأسانيد، وتُروى عنهم الأخبار، وانتشر حديثه في الأمصار والأقطار، وتداعت همم رواة الحديث ورجاله على الأخذ منه: الإمامُ الحافظ الكبير محمد بن مسلم بن شهابٍ الزُّهري (ت 124 هـ) رحمه الله.
الذي قال عنه ابن حبان (ت 354 هـ): «كان أحفظ أهل زمانه للسُّنن، وأحسنهم لها سياقًا»
(1).
وهو ممن عليه مدار الحديث في وقته، حتى إن الإمام الناقد علي بن المديني (ت 234 هـ) ابتدأ بذكره في أوّل حرفٍ في كتابه فقال: «نظرتُ فإذا
--------------------------------------------
ভূমিকাসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর যথাযথ প্রশংসার হকদার; আর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নবীদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ও তাঁর রাসূলগণের ওপর, এবং তাঁর সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ ও যারা তাঁকে অনুসরণ করেছে তাদের ওপর।
অতঃপর...
নিশ্চয়ই যাদেরকে কেন্দ্র করে সনদসমূহ আবর্তিত হয়, যাদের থেকে সংবাদসমূহ বর্ণিত হয়, শহর ও জনপদে যাদের হাদীস ছড়িয়ে পড়েছে এবং হাদীস বর্ণনাকারী ও বিশেষজ্ঞগণ যাদের থেকে জ্ঞান অর্জনে একনিষ্ঠ হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব হলেন: মহান হাফিয ইমাম মুহাম্মদ ইবন মুসলিম ইবন শিহাব আয-যুহরী (মৃত ১২৪ হি.), আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
যাঁর সম্পর্কে ইবন হিব্বান (মৃত ৩৫৪ হি.) বলেছেন: «তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের মানুষের মধ্যে সুন্নাহর সর্বশ্রেষ্ঠ হাফিয এবং সুন্নাহ বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর বিন্যাসকারী»
(১)।
তিনি এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যাঁর ওপর তাঁর সমসাময়িক হাদীস শাস্ত্র আবর্তিত হতো, এমনকি হাদীস বিশারদ ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী (মৃত ২৩৪ হি.) তাঁর কিতাবের একেবারে শুরুতে তাঁর আলোচনার মাধ্যমে শুরু করেছেন এবং বলেছেন: «আমি পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি যে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৪)
الإسناد يدور على ستة: فلأهل المدينة: ابن شهاب؛ وهو محمد بن مسلم بن عبد الله بن شهاب
… )
(1).
وكانت له اليد الطولى في المراحل الأولى المتسمة بالشموليّة لجمع الأخبار وتدوينها، ونشرها وتفرُّقها في البلدان والأمصار، وتَتَابَعَ الكبارُ على الرواية والأخذ عنه.
وكان من أوثق الرواة عنه وأثبتهم وأجلِّهم: نجمُ السنن ومستودعُ العلوم وإمام دار الهجرة؛ الإمام مالك بن أنس (ت 179 هـ) رحمه الله.
وهو في الطبقة الأولى من أصحابه والآخذين عنه، ونصّ جماهيرُ النُّقّاد على أنه أثبتُ مَنْ يروي عن الزهري
(2).
--------------------------------------------
সনদের ভিত্তি ছয়জন ব্যক্তির ওপর; মদীনার অধিবাসীদের মধ্যে রয়েছেন: ইবনে শিহাব; তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন আব্দুল্লাহ বিন শিহাব
… )
(১)।
সংবাদ সংগ্রহ, সংকলন, প্রচার এবং বিভিন্ন জনপদ ও শহরে তা ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে ব্যাপকতা সমৃদ্ধ প্রাথমিক ধাপগুলোতে তাঁর বিশেষ শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রভাব ছিল। প্রবীণ আলেমগণ তাঁর থেকে বর্ণনা ও গ্রহণের ক্ষেত্রে পরস্পর অনুসরণ করেছেন।
তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ় এবং মর্যাদাবান ছিলেন: সুন্নাহর নক্ষত্র, জ্ঞানের আধার এবং দারুল হিজরাতের ইমাম; ইমাম মালিক বিন আনাস (মৃত্যু ১৭৯ হি.) আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
তিনি তাঁর সাথী ও তাঁর নিকট থেকে গ্রহণকারীদের প্রথম স্তরের অন্তর্ভুক্ত। অধিকাংশ হাদীস সমালোচক এই মর্মে স্পষ্ট উক্তি করেছেন যে, তিনি জুহরী থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে সবচেয়ে সুদৃঢ়
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৫)
بل ورد الثناءُ الباذخ والمدح الرفيع لَهُ من شيخه ابن شهابٍ في قصّةٍ جرت له معه:
حيثُ قال له الزهري وقد حدَّثه ببضعَةَ عشر حديثًا: «ما ينفعك أني أُحدِّثُك ولا تكتب؟»، قلت: إن شئت رددتها عليك. قال: «ردها»، فرددتها عليه، فقال: «نِعْمَ مُستودع العلم أنت!»
(1).
--------------------------------------------
বরং তার প্রতি তার উস্তাদ ইবনে শিহাবের পক্ষ থেকে সুউচ্চ প্রশংসা ও প্রভূত গুণকীর্তন বর্ণিত হয়েছে এমন একটি ঘটনায়, যা তার সাথে ঘটেছিল:
যেখানে আয-যুহরী তাকে দশের অধিক কিছু হাদিস বর্ণনা করার পর বলেছিলেন: "আমি তোমার কাছে হাদিস বর্ণনা করছি আর তুমি তা লিখছ না, এতে তোমার কী ফায়দা হবে?", আমি বললাম: "আপনি চাইলে আমি সেগুলো আপনাকে শুনিয়ে দিতে পারি।" তিনি বললেন: "শুনাও", অতঃপর আমি সেগুলো তাকে শুনিয়ে দিলাম, তখন তিনি বললেন: "জ্ঞানের কী চমৎকার আধার তুমি!"
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৬)
وإن من أشهر الأخبار التي اختُلف فيها على ابن شهابٍ الزهري:
حديثُ أسامة بن زيد رضي الله عنه؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يرث المسلم الكافر».
ويتركّزُ الاختلاف على تسمية راويه عن أسامة بن زيدٍ؛ هل هو: «عَمرو بن عثمان»، أو «عُمر بن عثمان»؟ وكلاهما من ولد عثمان بن عفان رضي الله عنه:
فرواه أصحاب الزهري بتسمية راويه «عَمرًا»، وخالفهم مالكٌ فأسماهُ: «عُمر»، وأخطأ فيه.
وكما قال ابن عبدالبر (ت 463 هـ): «ومالكٌ ممن لا يكاد يُقاس به غيره حفظًا وإتقانًا، لكن الغلط لا يسلم منه أحد»
(1).
والشأن في جَمع الطرق والروايات بيانُ مواضع الاتفاق فيها والاختلاف، مع الإبراز والاستثمار لصنيع الأئمة وتصرُّفاتهم وطرائقهم في روايتها، والنظر في مدلولات سياقاتها الواردة فيها.
وحديث الباب هو من أشهر ما يُستدل به على اعتناء الأئمة النُّقاد ببيان أخطاء المحدِّثين الثقات وتصويبها؛ حيث نرى تتابع الأئمة والرواة على بيان الخطأ في تسمية راويه، وتنصيصهم على وجه الصواب فيه
(2).
--------------------------------------------
ইবনে শিহাব আল-জুহরি থেকে বর্ণিত যে সকল প্রসিদ্ধ হাদিসে মতভেদ দেখা দিয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো:
উসামা ইবনে যায়েদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদিস; যেখানে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।"
উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনাকারীর নামকরণের ক্ষেত্রেই মূলত মতভেদটি কেন্দ্রীভূত; তিনি কি "আমর ইবনে উসমান", নাকি "উমর ইবনে উসমান"? তাঁরা উভয়েই উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বংশধর:
জুহরির ছাত্ররা বর্ণনাকারীর নাম "আমর" হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে ইমাম মালিক তাঁদের বিরোধিতা করে একে "উমর" নাম দিয়েছেন এবং তিনি এতে ভুল করেছেন।
যেমনটি ইবনে আব্দুল বার (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি) বলেছেন: "স্মৃতিশক্তি ও সূক্ষ্মতার ক্ষেত্রে ইমাম মালিক এমন একজন যার সাথে অন্য কাউকে তুলনা করা দুষ্কর, তবে ভুল থেকে কেউ মুক্ত নয়"
(১)।
হাদিসের বিভিন্ন সূত্র ও বর্ণনাগুলো একত্রিত করার উদ্দেশ্যই হলো সেগুলোর ঐকমত্য ও মতভেদের জায়গাগুলো স্পষ্ট করা; এর পাশাপাশি ইমামদের কর্মপদ্ধতি ও বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁদের অনুসৃত পন্থাগুলোকে ফুটিয়ে তোলা ও সেগুলোর সদ্ব্যবহার করা এবং সেগুলোতে বর্ণিত প্রেক্ষাপটের মর্মার্থসমূহ পর্যালোচনা করা।
আলোচ্য হাদিসটি নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিসদের ভুলগুলো স্পষ্ট করা এবং সেগুলো সংশোধনের ক্ষেত্রে সমালোচক ইমামদের বিশেষ যত্নের এক অতি প্রসিদ্ধ প্রমাণ; যেখানে আমরা বর্ণনাকারীর নামকরণের ভুলটি স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে ইমাম ও বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিক প্রয়াস এবং সঠিক বিষয়টি বর্ণনায় তাঁদের সুস্পষ্ট বক্তব্য দেখতে পাই
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৭)
وهذا جُزءٌ مختصرٌ في جمع طُرُقِه ورواياتِهِ والكلام عليها
(1)، مع التركيز على استثمار سياقاته الواردة فيها، والتنبيه على ما وقع في بعض المصادر من اختلافٍ في نقله مع استظهارٍ للصواب.
ومن الله أستمد العون والسداد، وأسأله نيل السؤل والمراد؛ إنه ولي ذلك والقادر عليه.
(مكة) 1441 هـ
--------------------------------------------
এটি এর সূত্রসমূহ ও বর্ণনাগুলো একত্রিত করা এবং সেগুলোর ওপর পর্যালোচনার একটি সংক্ষিপ্ত সংকলন
(১), যেখানে এর বর্ণিত প্রেক্ষাপটগুলোর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এবং কিছু উৎসে এর বর্ণনায় যে মতভেদ ঘটেছে সে বিষয়ে সতর্ক করার পাশাপাশি সঠিক পাঠটি স্পষ্ট করার প্রয়াস চালানো হয়েছে।
আমি আল্লাহর নিকট সাহায্য ও সঠিক পথের তাওফিক প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট আবেদন করছি আমার চাওয়া ও উদ্দেশ্য যেন পূরণ হয়; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর সক্ষম।
(মক্কা) ১৪৪১ হিজরি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৮)
نصُّ الحديث:عن أُسامة بن زيدٍ رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يرثُ المسلمُ الكافرَ، ولا الكافرُ المسلمَ».
التخريج:* هذا الحديث رواه ابن شهابٍ الزُهري، واختُلف عليه على أربعة أوجه:
الوجه الأول: رواه جمهور أصحابه:عنهُ، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان
(1)، عن أسامة بن زيدٍ، قال:
--------------------------------------------
হাদীসের মূল পাঠ:উসামা ইবনে যায়েদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কোনো মুসলিম কাফেরের উত্তরাধিকারী হবে না এবং কোনো কাফেরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হবে না।"
হাদীসের উৎস ও সূত্র বিশ্লেষণ:* এই হাদীসটি ইবনে শিহাব আয-যুহরী বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে এটি বর্ণনার ক্ষেত্রে চারটি পদ্ধতি নিয়ে মতভেদ হয়েছে:
প্রথম পদ্ধতি: তাঁর অধিকাংশ ছাত্র এটি বর্ণনা করেছেন:তাঁর থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান
(১) থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৯)
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يرث المسلم الكافر».
وقد رواهُ عنهُ من أصحابه:
(سفيان بن عُيينة، وعبدالملك بن جُريج، ويزيد بن الهاد، ومعمر بن راشد الأزدي، وعُقيل بن خالد، ويونس بن يزيد، وعبد الله بن بُديل، وأسامة بن زيد الليثي، ويحيى بن سعيد الأنصاري، ومحمد بن أبي حفصة، وزمعة بن صالح).
الوجه الثاني: رواه مالكُ بن أنسٍ:واختُلف عنه على ثلاثة أوجه:
الأول: رواه جمعٌ من أصحاب مالك، عنهُ، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عُمر بن عثمان
(1)، عن أسامة بن زيد، به، مرفوعًا.
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।»
তাঁর থেকে তাঁর সাথীদের মধ্যে যারা এটি বর্ণনা করেছেন:
(সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আব্দুল মালিক ইবনে জুরাইজ, ইয়াজিদ ইবনুল হাদ, মা'মার ইবনে রাশিদ আল-আজদি, উকাইল ইবনে খালিদ, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, আব্দুল্লাহ ইবনে বুদাইল, উসামাহ ইবনে জাইদ আল-লাইসি, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি, মুহাম্মাদ ইবনে আবি হাফসাহ এবং জামআহ ইবনে সালিহ)।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: এটি মালেক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন:তাঁর থেকে এটি তিনটি পদ্ধতিতে বর্ণিত হওয়ার ক্ষেত্রে মতভেদ হয়েছে:
প্রথম: মালেকের একদল সাথী তাঁর থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি উমর ইবনে উসমান
(১) থেকে, তিনি উসামাহ ইবনে জাইদ থেকে, মারফু' হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১০)
الثاني: رواه آخرون عنه، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، به، مرفوعًا، بمثل رواية جمهور أصحاب الزهري في الوجه الأول؛ بتسمية راويه «عَمْرًا»
(1).
الثالث: رواه ابن بُكير عنهُ، على الشك؛ فقال: «عمرو بن عثمان، أو عمر بن عثمان».
الوجه الثالث عن الزهري: رواه عبدالله بن عيسى:عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن أسامة بن زيدٍ، به، مرفوعًا.
الوجه الرابع عن الزهري: رواه هُشيم بن بشير:بلفظ: «لايتوارث أهلُ ملّتين شتى»، وقد اختُلف عليه في إسناده على وجهين:
الأول: رواهُ مسعود بن جويرية، عنه، عن الزهري، عن علي بن الحسين، وأبان بن عثمان، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيدٍ، به.
فزاد في إسناده «أبان بن عثمان».
--------------------------------------------
দ্বিতীয়: এটি অন্য রাবিগণ তাঁর থেকে, যুহরী থেকে, আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, আমর ইবনে উসমান থেকে, উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, মারফু সূত্রে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, যা প্রথম সূত্রের যুহরীর অধিকাংশ ছাত্রের বর্ণনার মতো; যেখানে বর্ণনাকারীর নাম 'আমর' উল্লেখ করা হয়েছে
(১).
তৃতীয়: ইবনে বুকাইর তাঁর থেকে সন্দেহের সাথে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: "আমর ইবনে উসমান, অথবা উমর ইবনে উসমান"।
যুহরী থেকে বর্ণিত তৃতীয় সূত্র: এটি আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন:যুহরী থেকে, আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, মারফু সূত্রে।
যুহরী থেকে বর্ণিত চতুর্থ সূত্র: এটি হুশাইম ইবনে বাশির বর্ণনা করেছেন:শব্দাবলী হলো: "ভিন্ন দুই ধর্মের অনুসারীরা একে অপরের উত্তরাধিকারী হবে না", এবং তাঁর থেকে এর সনদে দুইভাবে মতভেদ করা হয়েছে:
প্রথমটি: মাসউদ ইবনে জুওয়াইরিয়াহ তাঁর থেকে, যুহরী থেকে, আলী ইবনুল হুসাইন ও আবান ইবনে উসমান থেকে, আমর ইবনে উসমান থেকে, উসামা ইবনে যায়েদ থেকে মারফু সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
ফলে তিনি এর সনদে "আবান ইবনে উসমান"-কে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১১)
والثاني: رواه عنه جمعٌ من أصحابه دون ذكر «أبانٍ» في إسناده.
দ্বিতীয়টি: তাঁর একদল সঙ্গী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যেখানে এর সনদে ‘আবান’-এর উল্লেখ নেই।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১২)
الوجه الأول: عن الزهري بتسمية راويه «عمرو بن عثمان»وقد رواه جماهير أصحاب ابن شهابٍ وهم:
1 - سفيان بن عيينة:رواه أحمد في المسند: (21747)، والحُميدي في مسنده: (551)، والشافعي في الرسالة: (ص 167) والأم (4/ 75) و (4/ 87) و (7/ 383) و (1/ 300)، وابن أبي شيبة في المُصنّف
(1): (32088) - وعنهُ ابن أبي
عاصم في الآحاد والمثاني: (454) - ومسلمٌ في صحيحه: (1614)، وأبو داود في
السنن: (2909)، والترمذي في الجامع: (2107)، وابن ماجه: (2729)، والنسائي في السنن الكبرى: (6550)، والدارمي في مُسنده: (3044)، والبزَّار في
مسنده: (2581)، وابن حبان في صحيحه: (6033)، وابن الجارود في المُنتقى من السنن المسندة: (954)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414)، وغيرهم=
--------------------------------------------
প্রথম দিক: আয-যুহরী থেকে তাঁর রাবীর নাম «আমর বিন উসমান» উল্লেখপূর্বকইবনে শিহাবের অধিকাংশ সাথীবৃন্দ এটি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা হলেন:
১ - সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ:আহমাদ এটি বর্ণনা করেছেন আল-মুসনাদ-এ: (২১৭৪৭), আল-হুমাইদী তাঁর মুসনাদে: (৫৫১), আশ-শাফিঈ আর-রিসালাহ-তে: (পৃ. ১৬৭) ও আল-উম্ম-এ (৪/ ৭৫) ও (৪/ ৮৭) ও (৭/ ৩৮৩) ও (১/ ৩০০), ইবনে আবী শায়বাহ আল-মুসান্নাফ-এ
(১): (৩২০৮৮) - তাঁর সূত্র ধরে ইবনে আবী আসিম আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি-তে: (৪৫৪) - মুসলিম তাঁর সহীহ-তে: (১৬১৪), আবু দাউদ আস-সুনান-এ: (২৯০৯), আত-তিরমিযী আল-জামি-তে: (২১০৭), ইবনে মাজাহ: (২৭২৯), আন-নাসাঈ আস-সুনানুল কুবরা-তে: (৬৫৫০), আদ-দারিমি তাঁর মুসনাদে: (৩০৪৪), আল-বাযযার তাঁর মুসনাদে: (২৫৮১), ইবনে হিব্বান তাঁর সহীহ-তে: (৬০৩৩), ইবনে আল-জারুদ আল-মুন্তাকা মিনাস সুনানিল মুসনাদাহ-তে: (৯৫৪), আত-তাবারানী আল-মু'জামুল কাবীর-এ: ১/ ১৬৯ (৪১৪) এবং অন্যান্যরা=
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৩)
2 - عبد الملك بن جُريج:رواه عبدالرزَّاق في المُصنف: (9852) -وعنه أحمد في مسنده: (21808)، وابن المُنذر في الأوسط: (9669) - والبخاري في صحيحه: (6764)، والبزَّار في مسنده: (2585) =
3 - يزيد بن الهاد:رواه النسائي في الكبرى: (6551)، وابن المُنذر في الأوسط: (9668)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =
4 - معمر بن راشد الأزدي (1):
رواه أحمد في المسند: (21808)، والدارمي في مسنده: (3041)، والنسائي في الكبرى: (6553)، وابن المُنذر في الأوسط: (6860) =
5 - عُقيل بن خالد:رواه النسائي في الكبرى: (6552)، وأبو عوانة في مستخرجه: (5594)،
--------------------------------------------
২ - আব্দুল মালিক ইবনে জুরাইজ:এটি আব্দুর রাজ্জাক আল-মুসান্নাফে (৯৮৫২) বর্ণনা করেছেন - এবং তাঁর থেকে আহমাদ তাঁর মুসনাদে (২১৮০৮), ইবনুল মুনযির আল-আওসাতে (৯৬৬৯) - এবং আল-বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থে (৬৭৬৪), আল-বাযযার তাঁর মুসনাদে (২৫৮৫) বর্ণনা করেছেন =
৩ - ইয়াজিদ ইবনে আল-হাদ:এটি আন-নাসায়ী আল-কুবরা গ্রন্থে (৬৫৫১), ইবনুল মুনযির আল-আওসাতে (৯৬৬৮), এবং আত-তাবারানী আল-মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) বর্ণনা করেছেন =
৪ - মা'মার ইবনে রাশিদ আল-আযদি (১):
এটি আহমাদ আল-মুসনাদে (২১৮০৮), আদ-দারিমী তাঁর মুসনাদে (৩০৪১), আন-নাসায়ী আল-কুবরা গ্রন্থে (৬৫৫৩), এবং ইবনুল মুনযির আল-আওসাতে (৬৮৬০) বর্ণনা করেছেন =
৫ - উকাইল ইবনে খালিদ:এটি আন-নাসায়ী আল-কুবরা গ্রন্থে (৬৫৫২), এবং আবু আওয়ানা তাঁর মুস্তাখরাজ গ্রন্থে (৫৫৯৪) বর্ণনা করেছেন,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৪)
والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =
6 - يونس بن يزيد:رواه النسائي في السنن الكبرى: (6554)، وابن ماجه في سننه: (2730)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =
7 - عبدالله بن بُديل:رواه الطيالسي في مسنده: (665)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =
8 - أسامة بن زيد الليثي:ذكره ابن أبي عاصم في الآحاد والمثاني: (454)، ولم يُسنده=
9 و 10 - معمر وابن جريج-مقرونين-:
رواه عبدالرزّاق في المصنف: (19304) =
11 - يحيى بن سعيد الأنصاري:رواه الطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414)، وأبو نُعيم في الحلية: (3/ 144) =
এবং তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =
৬ - ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ:বর্ণনা করেছেন নাসাঈ আস-সুনান আল-কুবরাতে: (৬৫৫৪), ইবনে মাজাহ তার সুনানে: (২৭৩০) এবং তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =
৭ - আব্দুল্লাহ ইবনে বুদাইল:বর্ণনা করেছেন তায়ালিসি তার মুসনাদে: (৬৬৫) এবং তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =
৮ - উসামা ইবনে জাইদ আল-লাইসি:ইবনে আবি আসিম এটি আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি গ্রন্থে (৪৫৪) উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি এর সনদ বর্ণনা করেননি=
৯ ও ১০ - মা'মার এবং ইবনে জুরাইজ —একত্রে—:
বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক আল-মুসান্নাফ গ্রন্থে: (১৯৩০৪) =
১১ - ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি:বর্ণনা করেছেন তাবারানি আল-মুজাম আল-কাবিরে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) এবং আবু নুয়াইম আল-হিলইয়াহ গ্রন্থে: (৩/ ১৪৪) =
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৫)
12 - محمد بن أبي حفصة:رواه البخاري في صحيحه: (4282) وأحمد في المسند: (21752)، والطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =
13 - زمعة بن صالح:رواه الطبراني في المعجم الكبير: 1/ 169 (414) =
كلهم: (سُفيان بن عيينة، ومعمر بن راشد، وعبد الملك بن جريج، ويزيد بن الهاد، وعُقيل بن خالد، ويونس بن يزيد، وعبدالله بن بُديل، وأسامة بن زيد الليثي، ويحيى بن سعيد الأنصاري، ومحمد بن أبي حفصة، وزمعة بن صالح) -:
رووه عن: الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يرث المسلم الكافر».
১২ - মুহাম্মাদ বিন আবি হাফসাহ:এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারি তার সহিহ গ্রন্থে: (৪২৮২) এবং আহমাদ আল-মুসনাদ গ্রন্থে: (২১৭৫২), আর আত-তাবারানি আল-মু'জামুল কাবির গ্রন্থে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =
১৩ - যাম'আহ বিন সালিহ:এটি বর্ণনা করেছেন আত-তাবারানি আল-মু'জামুল কাবির গ্রন্থে: ১/ ১৬৯ (৪১৪) =
তারা সবাই: (সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, মা'মার বিন রাশিদ, আব্দুল মালিক বিন জুরাইজ, ইয়াযিদ বিন আল-হাদ, উকাইল বিন খালিদ, ইউনুস বিন ইয়াযিদ, আব্দুল্লাহ বিন বুদাইল, উসামাহ বিন যাইদ আল-লাইসি, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারি, মুহাম্মাদ বিন আবি হাফসাহ এবং যাম'আহ বিন সালিহ) -:
তারা এটি বর্ণনা করেছেন: আয-যুহরি থেকে, তিনি আলি বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি আমর বিন উসমান থেকে, তিনি উসামাহ বিন যাইদ থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «কোনো মুসলিম কোনো কাফিরের উত্তরাধিকারী হবে না।»
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৬)
مُلحقٌ:(في الاختلاف على الأوزاعي ومعمر)* أولاً: حديثُ الأوزاعي، وقد اختُلف عليه في حديث الباب على وجهين:
الوجه الأول: روي عنه، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة رضي الله عنه بلفط: «نحن نازلون غدًا بخيف بني كنانة
… ».
والوجه الثاني: روي عنه، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله، أين تنزل غدا؟ وذلك في حجة النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «وهل ترك لنا عقيل بن أبي طالب منزلا؟»، ثم قال: «لا يرث المسلم الكافر، ولا الكافر المسلم»، ثم قال: «نحن نازلون غدا بخيف بني كنانة، حيث قاسمت قريش على الكفر».
(1) أما الوجه الأول، فقد رواه:
أحمد في المسند (7240)، والبخاري في صحيحه (1590) عن الحُميدي، ومسلمٌ في صحيحه (1314) عن زهير بن حرب، وابن خُزيمة في صحيحه (2981) عن الحسين بن حُريث- ومن طريقه أبو نعيم في مستخرجه (3028) - والسرّاج في حديثه بتخريج الشحامي 2/ 361 (1495) عن محمد بن الصبّاح، وابن أخي ميمي الدقاق في
পরিশিষ্ট:(আওযাঈ ও মা’মারের বর্ণনায় মতপার্থক্য প্রসঙ্গে)* প্রথমত: আওযাঈ-এর হাদীস; এই পরিচ্ছেদের হাদীসে তাঁর থেকে দুইভাবে বর্ণিত হয়েছে:
প্রথম সূত্র: তাঁর সূত্রে ইমাম যুহরী, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এই পাঠে বর্ণনা করেছেন: «আমরা আগামীকাল বনী কিনানাহ-এর খীফ উপত্যকায় অবস্থান করব
… »।
দ্বিতীয় সূত্র: তাঁর সূত্রে ইমাম যুহরী, তিনি আলী বিন হুসাইন থেকে, তিনি আমর বিন উসমান থেকে, তিনি উসামাহ বিন যায়েদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আগামীকাল আপনি কোথায় অবস্থান করবেন? এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হজ্জের সময়কার ঘটনা। তখন তিনি বললেন: «আকীল বিন আবী তালিব কি আমাদের জন্য কোনো ঘর অবশিষ্ট রেখেছে?», অতঃপর তিনি বললেন: «মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না এবং কাফিরও মুসলিমের উত্তরাধিকারী হয় না», এরপর বললেন: «আমরা আগামীকাল বনী কিনানাহ-এর খীফ উপত্যকায় অবস্থান করব, যেখানে কুরাইশরা কুফরীর ওপর পরস্পর শপথ করেছিল»।
(১) প্রথম সূত্রটি বর্ণনা করেছেন:
আহমাদ তাঁর মুসনাদ-এ (৭২৪০), বুখারী তাঁর সহীহ-এ (১৫৯০) হুমায়দী থেকে, মুসলিম তাঁর সহীহ-এ (১৩১৪) যুহাইর বিন হারব থেকে, ইবনে খুযাইমাহ তাঁর সহীহ-এ (২৯৮১) হুসাইন বিন হুরাইস থেকে—এবং তাঁর মাধ্যমেই আবু নুআঈম তাঁর মুসতাখরাজ-এ (৩০২৮)—এবং আস-সাররাজ তাঁর হাদীস গ্রন্থে শাহামীয়ার তাখরীজে ২/৩৬১ (১৪৯৫) মুহাম্মাদ বিন আস-সাব্বাহ থেকে এবং ইবনে আখি মীমি আদ-দাক্কাক...
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৭)
الفوائد (351) عن أبي القاسم البغوي، عن داود بن رشيد، وأبو نعيم في مستخرجه (3028) عن أبي علي محمد بن أحمد، عن أبي شعيب الحرّاني، عن علي بن المديني، ح، وعن محمد بن إبراهيم عن عبدالله بن محمد بن سلم عن دُحيم عبدالرحمن بن إبراهيم: كلهم (أحمد بن حنبل، والحُميدي، وزهير بن حرب، وعلي بن المديني، ومحمد بن الصبّاح، وداود بن رشيد، والحسين بن حُريث، ودُحيم)
(1)، رووه عن الوليد بن مسلم=
وأحمد في المسند (10969)، والفاكهي في أخبار مكة (2405) عن العبّاس الدوري، والمحاملي في الأمالي رواية ابن مهدي (32) - ومن طريقه الخطيب في الفصل (2/ 695)، وأبو نعيم الحداد في جامع الصحيحين (3686) - عن سعيد بن بحر؛ ثلاثتهم (أحمد بن حنبل، وعباس الدوري، وسعيد بن بحر) رووه عن محمد بن مصعب=
--------------------------------------------
আল-ফাওয়ায়িদ (৩৫১) আবু আল-কাসিম আল-বাগাভী থেকে, তিনি দাউদ ইবনে রাশিদ থেকে; এবং আবু নুআইম তার মুস্তাখরাজ-এ (৩০২৮) আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ থেকে, তিনি আবু শুআইব আল-হাররানী থেকে, তিনি আলী ইবনুল মাদিনী থেকে; (সূত্র পরিবর্তন) এবং মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালাম থেকে, তিনি দুহাইম আবদুর রহমান ইবনে ইবরাহিম থেকে: তারা সকলেই (আহমাদ ইবনে হাম্বল, আল-হুমাইদী, যুহাইর ইবনে হারব, আলী ইবনুল মাদিনী, মুহাম্মদ ইবনাস সাব্বাহ, দাউদ ইবনে রাশিদ, আল-হুসাইন ইবনে হুরাইস এবং দুহাইম)
(১) এটি আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আহমাদ আল-মুসনাদ-এ (১০৯৬৯); আল-ফাকিহী আখবারু মক্কাহ-তে (২৪০৫) আব্বাস আদ-দাওরী থেকে; আল-মুহামিলি আল-আমালী-তে ইবনে মাহদীর বর্ণনা (৩২) থেকে - এবং তার সূত্রে আল-খাতিব আল-ফাসল-এ (২/৬৯৫) এবং আবু নুআইম আল-হাদ্দাদ জামিউস সহিহাইন-এ (৩৬৮৬) - সাঈদ ইবনে বাহর থেকে; তারা তিনজনই (আহমাদ ইবনে হাম্বল, আব্বাস আদ-দাওরী এবং সাঈদ ইবনে বাহর) এটি মুহাম্মদ ইবনে মুসআব থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وأبو داود في السنن (2011)، والنسائي في السنن الكبرى (4396)، عن محمود بن خالد، عن عمر بن عبدالواحد السلمي، وابن خُزيمة في صحيحه (2982) عن يونس بن عبدالأعلى، وبحر بن نصر عن بشر بن بكر، والبيهقي في السنن الكبرى (5/ 160) عن إسحاق بن محمد، عن أبي العباس محمد بن يعقوب، عن العباس بن الوليد، عن أبيه الوليد بن مزيد، وأبوعوانة في مستخرجه- كما في إتحاف المهرة (20485) - عن أبي أمية عن محمد بن مصعب، ويحيى بن الضحّاك، وإسماعيل بن عبدالله بن سماعة- أشار لروايتهما الخطيب في الفصل (2/ 697) ولم يسندها- كلهم (الوليد بن مسلم، ومحمد بن مصعب، وعمر بن عبدالواحد، وبشر بن بكر، والوليد بن مزيد، ويحيى بن الضحاك، وإسماعيل بن سماعة) =
رووه عن الأوزاعي، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم من الغد يوم النحر، وهو بمنى: «نحن نازلون غداً بخيف بني كنانة
… ».
وقد اتفق الشيخان على رواية حديث الأوزاعي على هذا النحو، واعتنى الأئمة وأصحاب المصنفات بروايتها ونقلها، وتابعه عليها جمعٌ من أصحاب ابن شهاب
(1).
--------------------------------------------
এবং আবু দাউদ তাঁর আস-সুনান গ্রন্থে (২০১১), আন-নাসায়ী আস-সুনান আল-কুবরা গ্রন্থে (৪৩৯৬), মাহমুদ বিন খালিদ হতে, তিনি উমর বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সুলামী হতে, এবং ইবনে খুজাইমা তাঁর সহীহ গ্রন্থে (২৯৮২), ইউনুস বিন আব্দুল আ’লা হতে এবং বাহর বিন নাসর, বিশর বিন বকর হতে, এবং আল-বায়হাকী আস-সুনান আল-কুবরা গ্রন্থে (৫/ ১৬০), ইসহাক বিন মুহাম্মদ হতে, তিনি আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব হতে, তিনি আব্বাস বিন আল-ওয়ালিদ হতে, তিনি তাঁর পিতা ওয়ালিদ বিন মাজীদ হতে, এবং আবু আওয়ানা তাঁর মুসতাখরাজ গ্রন্থে—যেমনটি ইতহাফ আল-মাহারা (২০৪৮৫)-তে বর্ণিত হয়েছে—আবু উমাইয়া হতে, তিনি মুহাম্মদ বিন মুসআব, ইয়াহইয়া বিন আদ-দাহহাক এবং ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন সামাআ হতে বর্ণনা করেছেন—আল-খতীব আল-ফাসল (২/ ৬৯৭) গ্রন্থে তাঁদের দুজনের বর্ণনার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন কিন্তু এর কোনো সনদ উল্লেখ করেননি—তাঁদের সকলেই (ওয়ালিদ বিন মুসলিম, মুহাম্মদ বিন মুসআব, উমর বিন আব্দুল ওয়াহিদ, বিশর বিন বকর, ওয়ালিদ বিন মাজীদ, ইয়াহইয়া বিন আদ-দাহহাক এবং ইসমাইল বিন সামাআ) =
তাঁরা আল-আওজায়ী হতে, তিনি আজ-জুহরী হতে, তিনি আবু সালামা হতে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নহরের দিন (কুরবানির দিন) এর পরবর্তী দিন মিনায় থাকাকালীন বলেছিলেন: «আমরা আগামীকাল বনু কিনানার খাইফে (উপত্যকায়) অবতরণ করব
… »।
এবং শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) আল-আওজায়ীর হাদিসটি এভাবে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একমত হয়েছেন। ইমামগণ এবং হাদীস গ্রন্থ প্রণেতারা এটি বর্ণনা ও হস্তান্তরের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন এবং ইবনে শিহাবের একদল ছাত্র এক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ করেছেন
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ১৯)
(2) وأما الوجه الثاني:
فقد رواه: عبدالرزّاق في المُصنّف (9851) - ومن طريقه النسائي في الكُبرى (4451) مختصراً، وأبوعوانة في مستخرجه (5597) - عن معمر والأوزاعي- مقرونين- عن الزهري، عن علي بن الحُسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد رضي الله عنه، به.
وقد أعلّه النسائي فقال: «وحديث الأوزاعي غيرُ محفوظ»، أي: من مسند أسامة رضي الله عنه.
حيثُ خالف عبدالرزّاق في حديثه حديثَ الجماعة، وحمل حديث الأوزاعي على حديث معمر الذي رواه من مسند أسامة رضي الله عنه.
والصواب في حديثه أنه من مسند أبي هريرة رضي الله عنه، كما رواه أصحاب الوجه الأول بلفظ: «نحن نازلون غداً بخيف بني كنانة
… ».
(২) আর দ্বিতীয় দিকটি হলো:
এটি বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রাজ্জাক আল-মুসান্নাফ গ্রন্থে (৯৮৫১) - এবং তাঁর সূত্রে আন-নাসাঈ আল-কুবরা গ্রন্থে (৪৪৫১) সংক্ষিপ্তভাবে, এবং আবু আওয়ানা তাঁর মুস্তাখরাজ গ্রন্থে (৫৫৯৭) - মা'মার এবং আল-আওযাঈ থেকে—একত্রে—তাঁরা আয-যুহরী থেকে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
আন-নাসাঈ একে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করেছেন এবং বলেছেন: «আল-আওযাঈর হাদীসটি সংরক্ষিত (মাহফুয) নয়», অর্থাৎ: উসামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ হিসেবে।
যেহেতু আব্দুর রাজ্জাক তাঁর হাদীসে জামাতের (অধিকাংশ বর্ণনাকারীর) হাদীসের বিরোধিতা করেছেন এবং আল-আওযাঈর হাদীসটিকে মা'মারের হাদীসের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন, যা তিনি উসামা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ থেকে বর্ণনা করেছিলেন।
আর তাঁর হাদীসের ক্ষেত্রে সঠিক হলো যে, এটি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ থেকে, যেমনটি প্রথম দিকের বর্ণনাকারীগণ এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: «আমরা আগামীকাল বনী কিনানার খায়েফ নামক স্থানে অবতরণ করব
… »।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২০)
* ثانيًا: حديثُ معمر، وقد روي عنه مختصرًا ومطولاً:
الأول: بالاقتصار على لفظ حديث الجماعة: «لا يرث المسلم الكافر، ولا الكافر المسلم».
رواهُ عنهُ: (عبدالرزّاق، وعبدالأعلى بن عبدالأعلى، ويزيد بن زُريع)، وتقدمت الإشارة لروايتهم.
والثاني: رواه عنه (عبدالرزّاق) عن معمر بإسناده إلى أسامة بن زيدٍ رضي الله عنه، قال: قلت: يا رسول الله، أين ننزل غدا؟ في حجته، قال: «وهل ترك لنا عَقِيل منزلا؟»، ثم قال: «نحن نازلون غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة»، ثم قال عند ذلك: «لا يرث الكافر المسلم، ولا المسلم الكافر».
- وقد رواه: أحمد في المُسند (21766) - ومن طريقه أبوداود في السنن (2010)، و (2910)، والمزي في تهذيب الكمال (22/ 156) - والبخاري (3058) عن محمود بن غيلان، ومسلمٌ (1351) عن محمد بن مهران الرازي، وابن أبي عمر، وعبد بن حُميد، وأبو عوانة في مستخرجه (5596) عن محمد بن إسحاق بن الصبّاح، وحمدان السُّلمي، وابنُ خزيمة في صحيحه (2985)، والبغوي في شرح السنة (2747)، والعلائي في بُغية الملتمس (187)، بإسنادهما إلى ابن معقل الميداني؛ كلاهما (ابن خزيمة، وابن معقل) روياه عن محمد بن يحيى الذُهلي=
والطبراني في المعجم الكبير 1/ 168 (413) عن إبراهيم بن سويد، والبيهقي
দ্বিতীয়ত: মামারের হাদিস, এবং এটি তাঁর থেকে সংক্ষিপ্ত ও দীর্ঘ উভয় ভাবেই বর্ণিত হয়েছে:
প্রথমটি: জামাতের হাদিসের শব্দের ওপর সীমাবদ্ধ থাকার মাধ্যমে: "মুসলিম কাফিরের ওয়ারিশ হবে না এবং কাফিরও মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।"
এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: (আবদুর রাজ্জাক, আবদাল আ’লা ইবনে আবদাল আ’লা এবং ইয়াযিদ ইবনে যুরাই), আর তাঁদের বর্ণনার দিকে ইতিপূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
এবং দ্বিতীয়টি: তাঁর থেকে (আবদুর রাজ্জাক) বর্ণনা করেছেন মামার থেকে তাঁর সনদে উসামা ইবনে যায়েদ (রা.) হতে, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল, আগামীকাল আমরা কোথায় অবতরণ করব? তাঁর হজের সময়। তিনি বললেন: "আকিল কি আমাদের জন্য কোনো ঘর বাকি রেখেছে?", অতঃপর তিনি বললেন: "আগামীকাল ইনশাআল্লাহ আমরা বনী কেনানার খায়ফ নামক স্থানে অবতরণ করব", তখন তিনি বললেন: "কাফির মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং মুসলিমও কাফিরের ওয়ারিশ হবে না।"
- এটি বর্ণনা করেছেন: আহমাদ আল-মুসনাদে (২১৭৬৬) - এবং তাঁর সূত্রে আবু দাউদ আস-সুনানে (২০১০) ও (২৯১০), এবং আল-মিযযি তাহযীবুল কামালে (২২/ ১৫৬) - এবং বুখারি (৩০৫৮) মাহমুদ ইবনে গায়লান থেকে, মুসলিম (১৩৫১) মুহাম্মদ ইবনে মিহরান আর-রাযি, ইবনে আবু উমর, আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, এবং আবু আওয়াআনা তাঁর আল-মুসতাখরাজে (৫৫৯৬) মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে আস-সাব্বাহ ও হামদান আস-সুলামি থেকে, এবং ইবনে খুযাইমা তাঁর আস-সহিহ-তে (২৯৮৫), এবং আল-বাগাওয়ি শারহুস সুন্নাহ-তে (২৭৪৭), এবং আল-আলায়ি বুগইয়াতুল মুলতামিস-এ (১৮৭), ইবনে মাকিল আল-মাইদানির নিকট তাঁদের উভয়ের সনদে; তাঁরা উভয়েই (ইবনে খুযাইমা এবং ইবনে মাকিল) মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আয-যুহলি থেকে বর্ণনা করেছেন=
এবং আত-তাবারানি আল-মুজামুল কবিরে ১/ ১৬৮ (৪১৩) ইব্রাহিম ইবনে সুওয়াইদ থেকে, এবং আল-বায়হাকি
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২১)
في الكبرى (5/ 160) عن أبي الحسن المهرجاني، عن بشر بن أحمد، عن أحمد بن الحسين بن الحذّاء، عن علي بن المديني، وغيرهم؛
كلهم: (أحمد بن حنبل، ومحمود بن غيلان، ومحمد بن مهران، وابن أبي عمر، وعبد بن حميد، ومحمد بن الصبّاح، وحمدان السُلمي، ومحمد بن يحيى، وإبراهيم بن سويد، وعلي بن المديني):
رووه عن عبدالرزّاق، عن معمرٍ، به
(1).
--------------------------------------------
আল-কুবরা গ্রন্থে (৫/ ১৬০) আবুল হাসান আল-মাহরাজানি থেকে, তিনি বিশর বিন আহমাদ থেকে, তিনি আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাদ্দা থেকে, তিনি আলী বিন আল-মাদিনি এবং অন্যদের থেকে;
তাঁরা সকলে: (আহমাদ বিন হাম্বল, মাহমুদ বিন গায়লান, মুহাম্মাদ বিন মেহরান, ইবনে আবি উমর, আবদ বিন হুমাইদ, মুহাম্মাদ বিন আস-সাব্বাহ, হামদান আস-সুলামি, মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া, ইব্রাহিম বিন সুওয়াইদ এবং আলী বিন আল-মাদিনি):
তাঁরা এটি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে, উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২২)
ذكرُ ما ورد من الاختلاف في متنه:* حديثُ معمر مما اختلفت فيه أقوال النُظّار وأئمة النقد:
1 - حيثُ نصّ علي بن المديني على أن قوله: «نحن نازلون غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة»، مُدرجٌ من معمر في حديث أسامة بن زيد رضي الله عنه، والصواب أنه من مسند أبي هريرة رضي الله عنه.
وتبعه عليه ابن خُزيمة، والخطيب البغدادي.
قال علي بن المديني: «حديثُ أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «منزلنا غدًا إن شاء الله بالخيف عند الضحى» رواه الزهري، فاختلف على الزهري في إسناده:
فرواه الأوزاعي، وإبراهيم بن سعد، والنعمان بن راشد، وإبراهيم بن إسماعيل بن مجمِّع؛ كلهم عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة
(1).
إلا أن معمرًا أدرجه في حديث علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيدٍ: «وهل ترك لي عقيلٌ منزلاً»، فأدرج الكلام فيه: «منزلنا غدًا».
وقد رواه محمد بن أبي حفصة، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة، ولم يذكر فيه: «ومنزلنا بالخيف»»
(2).
--------------------------------------------
এর মতন (মূল পাঠ)-এ যে মতভেদ বর্ণিত হয়েছে তার উল্লেখ:* মামারের হাদীস সেই বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত যাতে গবেষক এবং সমালোচনা শাস্ত্রের ইমামগণের বক্তব্যে মতভেদ রয়েছে:
১ - যেখানে আলী ইবনুল মাদীনী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর কথা: «ইনশাআল্লাহ আগামীকাল আমরা বনী কেনানার খাইফ নামক স্থানে অবতরণ করব», এটি উসামা বিন যায়িদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাদীসে মামারের পক্ষ থেকে অনুপ্রবেশকৃত (মুদরাজ), এবং সঠিক বিষয় হলো এটি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মুসনাদ হতে বর্ণিত।
এবং ইবনে খুযাইমাহ ও খতীব আল-বাগদাদী এ বিষয়ে তাঁকে অনুসরণ করেছেন।
আলী ইবনুল মাদীনী বলেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত আবু হুরায়রার হাদীস: “ইনশাআল্লাহ আগামীকাল চাশতের সময় খাইফ নামক স্থানে আমাদের অবস্থান হবে” এটি যুহরী বর্ণনা করেছেন, তবে এর সনদের ক্ষেত্রে যুহরীর বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে:
আওযাঈ, ইবরাহীম ইবনে সা’দ, নুমান ইবনে রাশিদ এবং ইবরাহীম ইবনে ইসমাঈল ইবনে মুজাম্মি; তাঁরা সকলেই যুহরী হতে, তিনি আবু সালামাহ হতে এবং তিনি আবু হুরায়রা হতে এটি বর্ণনা করেছেন
(১)।
কিন্তু মামার এটিকে আলী বিন হুসাইন হতে, তিনি আমর বিন উসমান হতে এবং তিনি উসামা বিন যায়িদ হতে বর্ণিত হাদীস: “আকীল কি আমার জন্য কোনো ঘর অবশিষ্ট রেখেছেন?”-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত (মুদরাজ) করে দিয়েছেন; অতঃপর তিনি এতে এই কথাটি ঢুকিয়ে দিয়েছেন: “আগামীকাল আমাদের অবস্থানস্থল”।
মুহাম্মাদ ইবনে আবি হাফসাহ এটি যুহরী হতে, তিনি আলী বিন হুসাইন হতে, তিনি আমর বিন উসমান হতে এবং তিনি উসামা হতে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু সেখানে তিনি এটি উল্লেখ করেননি: “এবং খাইফ নামক স্থানে আমাদের অবস্থান হবে”»
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৩)
2 - واتفق الشيخان على رواية طريق معمر من مُسند أسامة بن زيدٍ رضي الله عنه، باللفظ المذكور، كما تقدم الإشارة إليه.
واعتنى أصحاب عبدالرزّاق بروايته، وفيهم الأكابر من أصحابه.
وقد نصّ الدارقطني على أن اللفظ المذكور محفوظٌ من كلا الحديثين
(1).
--------------------------------------------
২ - উসামা ইবনে যায়েদ (রা.)-এর মুসনাদ থেকে মা'মার-এর সূত্রে উল্লিখিত শব্দে বর্ণিত হাদিসটির ব্যাপারে শাইখান (বুখারি ও মুসলিম) ঐকমত্য পোষণ করেছেন, যেমনটি পূর্বে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
আব্দুর রাজ্জাকের ছাত্রগণ তাঁর বর্ণনার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং তাদের মধ্যে তাঁর বিশিষ্ট ও বড় পর্যায়ের ছাত্রগণও রয়েছেন।
ইমাম দারাকুতনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, উল্লিখিত শব্দগুচ্ছ উভয় হাদিস থেকেই সংরক্ষিত (মাহফুজ)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الوجه الثاني (عن الزهري): رواية مالك بن أنس* رواه مالك بن أنس، واختلف عنهُ أصحابه على ثلاثة أوجه:
الوجه الأول: رواه عنه جمعٌ بتسمية راويه: «عُمَر بن عثمان»، وهم:
(محمد بن إدريس الشافعي، وخالد بن مخلد القَطَواني، وعبد الله بن وهب، ومصعب بن عبد الله الزبيري، ومحمد بن الحسن الشيباني، وعبد الرحمن بن مهدي، وعبد الله بن مسلمة القعنبي، وأحمد بن إسماعيل المدني السهمي).
والوجه الثاني: رواه عنه جمعٌ بتسمية راويه «عَمرو بن عثمان»، وهم:
(عبدالله بن المُبارك، وأبو مصعب الزهري، وزيد بن الحباب، ومعاوية بن هشام القصّار، ويحيى بن يحيى الليثي، وإبراهيم بن طهمان، وعبدالرحمن بن القاسم).
والوجه الثالث: رواه يحيى بن بُكير، عن مالكٍ على الشك، فقال فيه: «عن عمرو أو عُمر».
দ্বিতীয় পদ্ধতি (যুহরী থেকে): মালিক ইবনে আনাসের বর্ণনাএটি মালিক ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর ছাত্রগণ তিনটি পদ্ধতিতে মতভেদ করেছেন:
প্রথম পদ্ধতি: তাঁর থেকে একদল রাবী এটি বর্ণনা করেছেন বর্ণনাকারীর নাম ‘উমর ইবনে উসমান’ উল্লেখ করে; তাঁরা হলেন:
(মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আশ-শাফিঈ, খালিদ ইবনে মাখলাদ আল-কাতাওয়ানী, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, মুসআব ইবনে আবদুল্লাহ আয-যুবাইরী, মুহাম্মদ ইবনে হাসান আশ-শাইবানী, আবদুর রহমান ইবনে মাহদী, আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আল-কা'নাবী এবং আহমাদ ইবনে ইসমাঈল আল-মাদানী আস-সাহমী)।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: তাঁর থেকে একদল রাবী এটি বর্ণনা করেছেন বর্ণনাকারীর নাম ‘আমর ইবনে উসমান’ উল্লেখ করে; তাঁরা হলেন:
(আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুবারক, আবু মুসআব আয-যুহরী, যাইদ ইবনে আল-হুবাব, মুআবিয়া ইবনে হিশাম আল-কাসসার, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আল-লাইসী, ইবরাহীম ইবনে তাহমান এবং আবদুর রহমান ইবনে আল-কাসিম)।
তৃতীয় পদ্ধতি: ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর এটি মালিক থেকে সন্দেহের সাথে বর্ণনা করেছেন, তিনি এতে বলেছেন: ‘আমর অথবা উমর থেকে’।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الوجه الأول (عن مالك)* رواه عنه جمعٌ من أصحابه بتسمية راويه: «عُمَر»:
وقد رواه: الشافعي في الأم: (4/ 75)، وأحمد في المسند: (21813) عن ابن مهدي- ومن طريقه العلائي في بُغية الملتمس: (ص 180) - ومحمد بن الحسن الشيباني في موطئه: (728)، وعبدالله بن مسلمة القعنبي في موطئه (مخطوطٌ بخط الجَرهي: (أ/ 91)) - ومن طريقه الجوهري في مسند الموطأ (210)، وأبو بكر الشافعي في الغيلانيات: (36) - وابن أبي خيثمة في التاريخ (السفر الثاني): 2/ 905 (3840) - ومن طريقه ابن عبدالبر في التمهيد (9/ 162) - عن مصعب بن عبدالله، وأبو طاهر المُخلِّصُ في الفوائد الغرائب المنتقاة من المُخلِّصيَّات لَهُ: 2/ 33 (958) -ومن طريقه ابن عساكر في التاريخ: (46/ 290) - عن أحمد بن بجير، عن علي بن نُفيل، قال: حدثنا خالد بن مخلد القطواني، والمحاملي في الأمالي (رواية ابن مهدي): (336) - ومن طريقه سليم الرازي في عوالي مالك: 1/ 278 (181) - عن أحمد بن إسماعيل المدني، والطحاوي في شرح معاني الآثار: (3/ 265) عن يونس- ومن طريقه الجوهري في مسند الموطأ (210) - عن عبدالله بن وهب-:
كلهم: (محمد بن إدريس الشافعي
(1)،
--------------------------------------------
প্রথম দিক (মালিক থেকে বর্ণিত)* তাঁর (ইমাম মালিকের) একদল ছাত্র তাঁর থেকে বর্ণনাকারীর নাম ‘উমর’ উল্লেখ করে এটি বর্ণনা করেছেন:
এটি বর্ণনা করেছেন: আল-শাফিঈ ‘আল-উম্ম’ গ্রন্থে: (৪/ ৭৫), আহমাদ ‘আল-মুসনাদ’ গ্রন্থে: (২১৮১৩) ইবনে মাহদি থেকে—এবং তাঁর সূত্রে আল-আলাঈ ‘বুগইয়াতুল মুলতামিস’ গ্রন্থে: (পৃ. ১৮০)—এবং মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-শায়বানি তাঁর ‘মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে: (৭২৮), আব্দুল্লাহ বিন মাসলামাহ আল-কা’নাবি তাঁর ‘মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে (আল-জারহির হস্তলিপি সম্বলিত পাণ্ডুলিপি: (ক/ ৯১))—এবং তাঁর সূত্রে আল-জাওহারি ‘মুসনাদুল মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে (২১০), আবু বকর আল-শাফিঈ ‘আল-গাইলানিয়্যাত’ গ্রন্থে: (৩৬)—ইবনে আবি খাইসামাহ ‘আল-তারিখ’ গ্রন্থে (দ্বিতীয় খণ্ড): ২/ ৯০৫ (৩৮৪০)—এবং তাঁর সূত্রে ইবনে আব্দুল বার ‘আল-তামহিদ’ গ্রন্থে (৯/ ১৬২)—মুসআব বিন আব্দুল্লাহ থেকে, এবং আবু তাহির আল-মুখাল্লিস তাঁর জন্য নির্বাচিত ‘আল-ফাওয়াইদুল গারাইব’ (যা আল-মুখাল্লিসিয়্যাত থেকে সংকলিত) গ্রন্থে: ২/ ৩৩ (৯৫৮)—এবং তাঁর সূত্রে ইবনে আসাকির ‘আল-তারিখ’ গ্রন্থে: (৪৬/ ২৯০)—আহমাদ বিন বুজাইর থেকে, তিনি আলি বিন নুফাইল থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন মাখলাদ আল-কাতওয়ানি, এবং আল-মাহামিলি ‘আল-আমালি’ গ্রন্থে (ইবনে মাহদির বর্ণনা): (৩৩৬)—এবং তাঁর সূত্রে সালিম আল-রাজি ‘আওয়ালি মালিক’ গ্রন্থে: ১/ ২৭৮ (১৮১)—আহমাদ বিন ইসমাইল আল-মাদানি থেকে, এবং আল-তাহাবি ‘শারহু মাআনিল আসার’ গ্রন্থে: (৩/ ২৬৫) ইউনুস থেকে—এবং তাঁর সূত্রে আল-জাওহারি ‘মুসনাদুল মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে (২১০)—আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব থেকে—:
তাঁরা সকলেই: (মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস আল-শাফিঈ
(১),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وخالد بن مخلد القَطَواني
(1)، وعبد الله بن وهب
(2)، ومصعب بن عبدالله
--------------------------------------------
খালেদ ইবন মাখলাদ আল-কাতাওয়ানি
(১), এবং আবদুল্লাহ ইবন ওয়াহাব
(২), এবং মুসআব ইবন আবদুল্লাহ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৭)
الزبيري، ومحمد بن الحسن الشيباني، وعبدالرحمن بن مهدي
(1)، وعبدالله بن
--------------------------------------------
জুবাইরি, মুহাম্মাদ বিন হাসান আল-শাইবানি, আব্দুর রহমান বিন মাহদি
(১) এবং আব্দুল্লাহ বিন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৮)
مسلمة القعنبي
(1)، وأحمد بن إسماعيل المدني السهمي
(2) =
--------------------------------------------
মুসলিমা আল-কানাবি
(১) এবং আহমাদ বিন ইসমাইল আল-মাদানি আস-সাহমি
(২) =
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ২৯)
رووه عن مالك، عن الزهري، عن علي بن الحسين، عن عمر بن عثمان، عن أسامة بن زيد، به، مرفوعًا.
وهو الصواب في المروي عن مالك، ورواه عنه أصحابه المتقدم ذكرهم على الوجه، والموافق لتنصيص الأئمة على أن مالكًا رواه على هذا النحو، وأنه خالف فيه بقيَّةَ أصحابِ الزُّهري.
তারা এটি মালিক থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আলি ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি উমর ইবনু উসমান থেকে এবং তিনি উসামা ইবনু জায়েদ থেকে মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
মালিক থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে এটিই সঠিক। তাঁর যে সকল সঙ্গীদের কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, তারা তাঁর থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। আর এটি ইমামগণের এই সুস্পষ্ট বক্তব্যের সাথে সংগতিপূর্ণ যে, মালিক এটি এই পদ্ধতিতেই বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এতে জুহরির অন্যান্য অনুসারীদের থেকে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৩০)
• وقد تابع مالكًا عليه: أبو أويس المدني
(1):
قال يحيى بن محمد بن يحيى الذُهلي: قيل (لأبي أويس)
(2): يقولون: عَمرو بن عثمان؟ قال: «لا، هو عُمر بن عثمان، نحنُ أعلم؛ هذه داره»، وذكر هذا عقب حديث: «لا يرث المسلم الكافر» ا. هـ
ولم أقف على حديثه مسندًا، وقد أعلَّه علي بن المديني والبزَّار، ونصّوا على أن سماع أبي أويس ومالك واحدٌ عن الزُهري
(3).
--------------------------------------------
• মালিকের অনুসরণ করেছেন: আবু উওয়াইস আল-মাদানী
(১):
ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আদ-দুহলী বলেন: (আবু উওয়াইসকে) বলা হয়েছিল
(২): তারা কি বলে: আমর বিন উসমান? তিনি বললেন: «না, তিনি উমর বিন উসমান, আমরাই অধিক পরিজ্ঞাত; এটি তাঁরই বাড়ি», এবং তিনি এটি «মুসলিম কাফিরের উত্তরাধিকারী হয় না» হাদিসটির পরে উল্লেখ করেছেন। (সমাপ্ত)
আর আমি তাঁর এই হাদিসটি মুসনাদ হিসেবে পাইনি, তবে আলী বিন আল-মাদিনী এবং আল-বাযযার একে ত্রুটিযুক্ত বলেছেন, এবং তাঁরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে যুহরী থেকে আবু উওয়াইস এবং মালিকের শ্রবণ একই ছিল
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাখরীজু হাদীসি লা ইয়ারিসুল মুসলিমুল কাফির
(পৃষ্ঠা: ৩১)
كلام الأئمة عن خطأ مالك في إسناد هذا الحديث:نصَّ جمعٌ غفيرٌ من الأئمة النُقَّاد على خطأ مالك في تسمية راويه، وبعضهم من أقرانه وأصحابه؛ إلا أنه ثبت على قوله وقال: «هذه دارُهُ»، ولم يرجع عنه
(1)، وفيما
--------------------------------------------
এই হাদিসের সনদে মালিকের ভুলের বিষয়ে ইমামগণের বক্তব্য:এক বিশাল সংখ্যক পারদর্শী ইমাম এই হাদিসের বর্ণনাকারীর নামকরণে ইমাম মালিকের ভুলের ব্যাপারে স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন, এবং তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন তাঁর সমসাময়িক এবং সহচর; তবে তিনি তাঁর বক্তব্যে অটল ছিলেন এবং বলেছিলেন: «এটি তাঁর ঘর», এবং তিনি তা থেকে ফিরে আসেননি, আর যার মধ্যে
--------------------------------------------