(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: -)
تفسير ابن كثير - ت السلامة القسم: التفسير
الكتاب: تفسير القرآن العظيم
المؤلف: أبو الفداء إسماعيل بن عمر بن كثير القرشي الدمشقي (700 - 774 هـ)
المحقق: سامي بن محمد السلامة
(تم فيها استدراك السقط الحاصل بالمجلد الأول من طبعة الشعب)
الناشر: دار طيبة للنشر والتوزيع، الرياض - السعودية
الطبعة: الثانية، 1420 هـ - 1999 م
عدد الأجزاء: 8
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তফসীর ইবনে কাসীর - আস-সালামাহ তাহকীক বিভাগ: তফসীর
গ্রন্থ: তাফসীরুল কুরআনিল আযীম
লেখক: আবুল ফিদা ইসমাইল ইবনে উমর ইবনে কাসীর আল-কুরাশী আদ-দিমাশকী (৭০০ - ৭৭৪ হিজরী)
গবেষক: সামী বিন মুহাম্মদ আস-সালামাহ
(এতে আশ-শা'ব সংস্করণের প্রথম খণ্ডে থাকা বাদ পড়া অংশগুলো সংশোধন ও সংযোজন করা হয়েছে)
প্রকাশক: দার তাইয়িবাহ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, রিয়াদ - সৌদি আরব
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪২০ হিজরী - ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৮
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٧)
مقدمة التحقيقإنَّ الحَمْدَ لله، نَحْمَدُه، ونستعينُه، ونستغفرُهُ، ونعوذُ به مِن شُرُورِ أنفُسِنَا، وَمِنْ سيئاتِ أعْمَالِنا، مَنْ يَهْدِه الله فَلا مُضِلَّ لَهُ، ومن يُضْلِلْ، فَلا هَادِي لَهُ.
وأَشْهَدُ أنْ لا إلَهَ إلا اللهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، وأشهدُ أنَّ مُحَمَّدًا عبْدُه ورَسُولُه.
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102].
{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} [النساء: 1].
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلا سَدِيدًا * يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: 70، 71].
أما بعد:
فهذا هو كِتَاب تَفْسِير القرآن العظيم، للإمام العلامة، المُفَسِّر، المُؤرِّخ، الحُجَّةِ الحَافِظِ إسْماعيلَ بْنِ عُمَرَ بْنِ ضَوْءِ بْنِ كَثيرٍ القُرَشِيِّ الشَّافِعِيِّ الدّمَشْقِيِّ رحمه الله-أُقَدِّمُه لِقُرَّاء العَرَبِيَّةِ والعَالَم الإسْلامِيِّ، بَعْدَ مُضيِّ قَرْنٍ من الزمان على طبعته الأولَى تقريبًا، كادتْ -خِلال هذه الفَتْرَةِ-أن تُخْفى مَعَالِمُهُ، وتَنمَحِي مُمَيِّزَاتُهُ مِنْ جَرَّاء عَبَثِ الوَرَّاقِين، ومُمَارسَاتِ المتأكِّلِين مِنْ صَحفيّينَ وَكَتْبِيين.
أقدِّمُه بَعْد أن قُمْتُ بِأعْبَاءِ تَحْقِيقِهِ وضَبْط نَصِّهِ، وتَخْرِيجِ أحَادِيثهِ والتَّعْلِيق عَلَيْهِ، عَلَى نَحْوٍ يُيَسِّر الفَائِدةَ مِنْهُ، ويُحقِّقُ رَغْبَةَ أهْل العِلْم الذين طالما تَمَنَّوْا أنْ يُنْشَرَ هَذَا الْكِتَابُ نَشْرَةً عِلْمِيَّةً مُوَثَّقةً، خَالِيةً مِنَ التَّحْريفِ، والسَّقْط والتَّصْحِيفِ.
وتَفْسير ابن كثير رحمه الله-من أعْظَم وأجَلِّ كُتُبِ التفسير، أمْضَى فيه مُؤَلِّفهُ رحمه الله-عُمُراً طويلا وهو يُقلِّبُ فيه بين الفَيْنَةِ والأخرى، مُحَلِّيًا إيَّاه بِفَائِدةٍ تَخْطُر له، أو حكاية قولٍ أزْمَعَ تَحْقِيقهُ.
وقد احْتَوَى تَفْسيرُهُ على الكثير من الأحَاديثِ والآثارِ من مصادر شَتَّى، حتى أتَى على مُسْنَدِ الإمام أحمد فَكَادَ يَسْتَوْعِبه، كما نَقَل عن مصادر لا ذِكْرَ لها في عَالَمِ المخطوطات، كتفسير الإمام أبي بَكْر بن مَرْدُويه، وتفسير الإمام عَبْد بْنِ حُمَيْدٍ، وتفسير الإمام ابن المنْذِر، وغيرها كثير.
كما تَضَمَّنَ تفسيرُ ابن كثير-رحمه الله-بَعْضَ المباحِثِ الفِقْهيَّةِ والمسائل اللُّغَوِيَّةِ، وقد قال الإمام
সম্পাদকের ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য; আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, তাকে বিভ্রান্ত করার কেউ নেই; আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
{হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং আত্মসমর্পণকারী (মুসলিম) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আলে ইমরান: ১০২]
{হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের উভয় থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু নর ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা একে অপরের কাছে কিছু চাও এবং রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখেন।} [নিসা: ১]
{হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তাহলে তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করল।} [আহযাব: ৭০-৭১]
অতঃপর:
এটি ইমাম, প্রাজ্ঞ আলিম, মুফাসসির, ইতিহাসবিদ, অকাট্য দলীল ও হাফিয ইসমাইল ইবনে উমর ইবনে দাউ ইবনে কাসীর আল-কুরাশী আশ-শাফিয়ী আদ-দিমাশকী (রহিমাহুল্লাহ) বিরচিত 'তাফসীরুল কুরআনিল আযীম'। এর প্রথম মুদ্রণের প্রায় এক শতাব্দী পর আমি এটি আরবি ভাষার পাঠক ও মুসলিম বিশ্বের সামনে পেশ করছি। এই দীর্ঘ সময়ে পাণ্ডুলিপি নকলকারী ও স্বার্থান্বেষী প্রকাশক ও বিক্রেতাদের অনধিকার চর্চার ফলে কিতাবটির প্রকৃত রূপ ও বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রায় বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
আমি কিতাবটির সম্পাদনা, মূল পাঠের বিশুদ্ধিকরণ, হাদীসসমূহের উৎস নির্দেশ (তাখরীজ) এবং প্রয়োজনীয় টীকা সংযোজনের গুরুদায়িত্ব পালন করার পর এটি উপস্থাপন করছি। আমি এটি এমনভাবে সম্পন্ন করেছি যাতে এর থেকে উপকৃত হওয়া সহজ হয় এবং ইলম অন্বেষীদের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়, যারা দীর্ঘকাল ধরে এই কিতাবটির একটি নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক সংস্করণ প্রত্যাশা করছিলেন—যা বিকৃতি, বিচ্যুতি ও মুদ্রণজনিত ভুল থেকে মুক্ত হবে।
ইমাম ইবনে কাসীর (রহিমাহুল্লাহ)-এর তাফসীর গ্রন্থটি তাফসীর শাস্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুমহান কিতাব। এর সম্মানিত লেখক তাঁর জীবনের এক দীর্ঘ সময় এতে ব্যয় করেছেন। তিনি সময়ে সময়ে এর বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করেছেন, যখনই কোনো নতুন সূক্ষ্ম জ্ঞান তাঁর হৃদয়ে উদিত হয়েছে বা কোনো মতের সত্যতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা দিয়ে তিনি একে অলঙ্কৃত করেছেন।
তাঁর এই তাফসীর গ্রন্থটি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত অসংখ্য হাদীস ও আছারে (সাহাবী-তাবেয়ীদের বর্ণনা) সমৃদ্ধ। এমনকি এটি ইমাম আহমদের 'মুসনাদ' কিতাবটিকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে। এছাড়াও তিনি এমন সব উৎস থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন যেগুলোর পাণ্ডুলিপি বর্তমানে পৃথিবীতে বিরল বা দুষ্প্রাপ্য, যেমন: ইমাম আবু বকর ইবনে মারদাওয়াইহ-এর তাফসীর, ইমাম আবদ ইবনে হুমাইদ-এর তাফসীর, ইমাম ইবনুল মুনযির-এর তাফসীর এবং আরও অনেক কিতাব।
ইবনে কাসীর (রহিমাহুল্লাহ)-এর এই তাফসীর কিছু ফিকহী গবেষণা এবং ভাষাগত মাসআলাও অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইমাম—
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٨)
السُّيُوطِيُّ: لم يُؤلَّف على نَمَطٍ مِثْلُه.
والطَّرِيقةُ التي اتَّبَعَها الحافظُ ابنُ كَثِيرٍ في كِتَابِهِ أن يَذْكُرَ الآيةَ، ثم يَذْكُر مَعْناها العام، ثم يُورِدُ تَفْسيرَها من القُرْآنِ أو من السُّنَّةِ أو من أقوال الصَّحَابِة والتَّابِعينَ، وأحْيانًا يَذْكُرُ كُلَّ ما يَتعلَّقُ بالآيةِ من قَضَايا أو أحْكَامٍ، ويَحْشُد لذلك الأدِلةَ من الكِتَابِ والسُّنةِ، وَيذْكرُ أقْوَالَ المذاهبِ الفِقْهِيَّةِ وأدِلتَهَا والتَّرْجِيحَ بَيْنَها.
وقد أبَانَ الحافظُ ابنُ كَثير عَنْ طَرِيقَتِهِ في مُقدِّمةِ تَفْسِيرِه، قال: "فَإنْ قَالَ قَائِلٌ: فمَا أحْسَنُ طُرُقِ التَّفْسِيرِ؟ فَالْجوابُ: إنَّ أصَحَّ الطُّرُقِ في ذلك أنْ يُفَسَّرَ القرآنُ بالقرآنِ، فما أُجْمِلَ في مكَانٍ فإنه قد بُسِطَ في مَوْضِعٍ آخرَ، فإن أعْياكَ فَعَلَيْكَ بالسُّنَّة؛ فإنها شَارِحةٌ للقُرْآنِ وَمُوَضِّحةٌ له، وحِينَئذٍ إذا لم نَجِدِ التفْسِيرَ فِي القُرآنِ ولا في السُّنةِ رَجَعْنا في ذلك إلى أَقْوالِ الصَّحابةِ؛ فإنهم أدْرَى بذلك لما شَاهَدُوا من القَرائِنِ والأحْوالِ التي اخْتُصُّوا بها، ولِما لهم مِنَ الفَهْمِ التَّامِ والعِلْم الصَّحِيح والعَمَلِ الصَّالِحِ، لاسيَّما عُلَماءَهُم وكُبَراءَهُمْ كالأئمَّةِ الأربعةِ الخُلَفاءِ الرّاشِدين، والأئمة المهتدِينَ الْمهدِيِّينَ، وعَبْدَ الله بن مَسْعودٍ رضي الله عنهم أجمعين-وإذا لم تَجِدِ التفْسِيرَ في القُرآنِ ولا في السُّنةِ ولا وَجَدْتَهُ عنِ الصَّحابةِ فقد رَجَعَ كَثير من الأئمةِ في ذلك إلى أقوالِ التَّابِعينَ".
طَبَعاتُ الكتابِ:
وقد طُبِعَ هذا التفسيرُ لأوَّلِ مرة في المطْبَعَةِ الأمِيريَّة من سنة 1300 هـ إلى سنة 1302 هـ بهامش تفسير "فَتْح البَيَان" لِصدّيقِ حَسَن خَان، ثم طَبَعهُ الشيخُ رَشِيد رِضَا رحمه الله-ومعه تَفْسيرُ البَغَوِيِّ في تِسْعَةِ مُجلَّداتٍ بأمر جَلالِة الملِكِ عبدِ الْعَزيزِ بْنِ عبدِ الرَّحْمنِ آلِ سُعُود-رحمه الله-من سنة 1343 هـ إلى سنة 1347 هـ، واجْتَهدَ رحمه الله-في تَصحِيحهِ ما اسْتَطَاعَ، ولكن فَاتَهُ الشَّيْءُ الكَثِيرُ.
ثُمَّ تَدَاولتِ المطَابِعُ طَبْعَهُ طبعاتٍ تِجاريَّة، ليس فيها تَصْحِيح ولا تَحْقيقٌ وَلا مُراجَعَةٌ، وإنما اعْتَمَدُوا طَبْعَة "المنار"، فأخذوها بما فيها من أغْلاطٍ، ثم زادوها ما استطاعوا من غَلَط أو تَحْريفٍ.
فَكَانَ انتفاعُ النَّاسِ بهذا التفْسيرِ انتفاعًا قاصرًا؛ لما امتلأتْ بِهِ طَبَعاتُهُ مِنْ غَلَطٍ وَتَحْريفٍ، يَجِبُ معهما أن يُعادَ طَبْعُهُ طبعةً عِلْمِيةً مُحَقَّقةً، ويُرجَعُ فيها إلى النُّسَخِ المخْطُوطةِ منه ما أمْكَنَ، ثم الرجوع إلى مصادر السُّنَّةِ الَّتِي يَنْقِلُ عنها الحافظُ ابْنُ كَثيرٍ، وإلى كُتُبِ رِجَالِ الحديثِ والتَّراجِمِ لتَصْحِيحِ أسْماءِ الرجالِ في الأسانيدِ، وهم شَيءٌ كثيرٌ وعدَدٌ ضَخْمٌ
(1).
حتى جاءت سنة 1390 هـ فَخَرجتْ طَبعةٌ جَديدةٌ لهذا التَّفْسير من دار الشَّعْبِ بتَحْقيقِ الأساتذةِ:
--------------------------------------------
আস-সুয়ূতী বলেন: এর সমতুল্য কোনো গ্রন্থ আজ পর্যন্ত রচিত হয়নি।
হাফেজ ইবনে কাসীর তাঁর গ্রন্থে যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন তা হলো, প্রথমে তিনি আয়াতটি উল্লেখ করেন, এরপর তার সাধারণ অর্থ বর্ণনা করেন। অতঃপর তিনি পবিত্র কুরআন, সুন্নাহ অথবা সাহাবী ও তাবিঈগণের বক্তব্য থেকে এর ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। কখনো কখনো তিনি আয়াত সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় বা আহকাম বর্ণনা করেন এবং তার সপক্ষে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে দলিল সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি তিনি ফিকহী মাজহাবসমূহের মতামত, সেগুলোর দলিল এবং তাদের মধ্যে প্রাধান্যপ্রাপ্ত মতটি উল্লেখ করেন।
হাফেজ ইবনে কাসীর তাঁর তাফসীরের ভূমিকায় নিজের পদ্ধতিটি স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন: "যদি কেউ প্রশ্ন করে: তাফসীরের সর্বোত্তম পদ্ধতি কোনটি? তবে উত্তর হলো: এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশুদ্ধ পদ্ধতি হলো কুরআনের ব্যাখ্যা কুরআনের মাধ্যমে করা। কারণ যা এক স্থানে সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে, অন্য স্থানে তা বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে। যদি এটি আপনাকে অপারগ করে (অর্থাৎ সেখানে না পান), তবে আপনি সুন্নাহর শরণাপন্ন হোন; কারণ সুন্নাহ হলো কুরআনের ব্যাখ্যাকারী ও বিশদ বর্ণনাকারী। অতঃপর যখন আমরা কুরআন বা সুন্নাহতে তাফসীর পাব না, তখন আমরা সাহাবীগণের বক্তব্যের দিকে প্রত্যাবর্তন করব। কারণ তাঁরা এ বিষয়ে অধিক অবগত ছিলেন; যেহেতু তাঁরা সেই সকল পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও প্রেক্ষাপট প্রত্যক্ষ করেছেন যা তাঁদের জন্য বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিল এবং যেহেতু তাঁদের ছিল পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধি, সঠিক জ্ঞান ও নেক আমল। বিশেষ করে তাঁদের মধ্যে যারা আলেম ও প্রবীণ ছিলেন, যেমন চার খলিফা তথা খুলাফায়ে রাশেদীন, হিদায়াতপ্রাপ্ত ইমামগণ এবং আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাঈন)। আর যখন কুরআন, সুন্নাহ বা সাহাবীগণের নিকট থেকে তাফসীর পাওয়া যাবে না, তখন অনেক ইমাম তাবিঈগণের বক্তব্যের দিকে প্রত্যাবর্তন করেছেন।"
গ্রন্থটির সংস্করণসমূহ:
এই তাফসীরটি প্রথমবারের মতো ১৩০০ হিজরী থেকে ১৩০২ হিজরী পর্যন্ত আমিরিয়া প্রেসে সিদ্দিক হাসান খানের "ফাতহুল বায়ান" তাফসীরের পার্শ্বটীকায় মুদ্রিত হয়। পরবর্তীতে শেখ রশিদ রিদা (রহ.) বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল রহমান আল সৌদের (রহ.) নির্দেশে ১৩৪৩ হিজরী থেকে ১৩৪৭ হিজরীর মধ্যে এটি তাফসীরে বাগাভীসহ নয় খণ্ডে মুদ্রণ করেন। তিনি সাধ্যমতো এর সংশোধনে শ্রম দিলেও অনেক কিছুই তাঁর অগোচরে থেকে যায়।
অতঃপর বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে এটি বাণিজ্যিক সংস্করণ হিসেবে মুদ্রিত হতে থাকে, যেগুলোতে কোনো সংশোধন, তাহকীক বা পর্যালোচনা ছিল না। বরং তারা "আল-মানার" সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছে এবং এর ভুলত্রুটিগুলোসহই তা গ্রহণ করেছে, উপরন্তু সাধ্যমতো আরও ভুল ও বিকৃতি এতে যুক্ত করেছে।
ফলে মানুষের জন্য এই তাফসীর থেকে উপকৃত হওয়া ছিল সীমিত; যেহেতু এর সংস্করণগুলো ভুল ও বিকৃতিতে পূর্ণ ছিল। এমতাবস্থায় পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করে এর একটি তাহকীককৃত বৈজ্ঞানিক সংস্করণ পুনরায় প্রকাশ করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। সাথে সাথে হাফেজ ইবনে কাসীর যেসব সুন্নাহর উৎস থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন সেগুলোর দিকে এবং সনদের বর্ণনাকারীদের নাম সংশোধনের জন্য রিজাল ও জীবনীগ্রন্থগুলোর দিকে প্রত্যাবর্তন করা প্রয়োজন ছিল, কারণ এসব নামের সংখ্যা বিশাল।
(১)অবশেষে ১৩৯০ হিজরীতে দারুশ শা'ব থেকে এই তাফসীরের একটি নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হয়, যা বিশিষ্ট উস্তাদগণের সম্পাদনায় প্রস্তুত হয়েছে:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٩)
عبد العزيز غُنَيم، ومُحمَّد أحمد عاشور، ومحمد إبراهيم البَنَّا.
لكنهم اعْتَمَدوا على نُسخةِ الأزْهرِ، وهي نسخةٌ قديمةٌ وجَيِّدةٌ، لكن بمقارنتها بِبَقِيَّةِ النُّسَخِ فإنَّهَا يَكْثُر فيها السَّقْطُ والتَّصْحِيفُ
(1).
وقد تَعَقَّبَ الدكتورُ إسماعيلُ عبد العالِ هذه الطَّبْعَة في كتابه "ابن كَثيرٍ ومنْهَجهُ في التَّفْسيرِ"
(2) ثُمَّ قَالَ:
"وأرَى مِنْ الواجبِ عَلَى مَنْ يَتصدَّى لتحقيقِ تفسيرِ ابْنِ كثيرِ-تحقيقًا عِلْميا دَقِيقًا سَلِيمًا مِنَ المآخِذ-ألا يَعْتمِد عَلَى نُسْخَةٍ واحِدَةٍ، بل عليه أن يَجْمَعَ كُلَّ النُّسَخِ المخطوطةِ والمطبوعةِ، ويُوازِنَ بينها مع إثباتِ الزِّيادةِ والنَقْصِ، والتَّحريفِ والتَّصحيفِ".
وكُنْتُ مُنْذُ خَمْسِ سَنَواتٍ قد بَدَأتُ الْعَمَلَ عَلَى تَحْقِيقِ هَذَا الْكِتابِ بِجَمْعِ مَخْطوطاتِهِ، وَتَوْثِيقِ نُصُوصِهِ وإصْلاحِ ما وَقَعَ في طَبَعاتهِ السَّابقةِ مِنْ تَحْريفٍ ونَقْصٍ، حتى خَرَجَ في هَيْئةٍ أحْسَبُ أنها أقْرَبُ ما تَكُونُ إلى ما أرَادَهُ المُصَنِّفُ رحمه الله.
وقد سَاعَدنِي في كثيرٍ مِنَ مراحلِ الْعَملِ إخْوةٌ أفَاضِلُ، فَلَهُمْ مِنِّي خَالصُ الدُّعاءِ وجَزِيلُ الشُّكْرِ.
وبعد:
فقد مَرَّتْ عليَّ أثناء الْعَملِ في هذا الكِتابِ سُنونَ شَديدةٌ، اللهُ وحدَهُ بها عَلِيمٌ، قَاسَيتُ فيها شَدائدَ، وواجَهْتُ فيها عَقَباتٍ، إلا أنَّ هِمَّتِي أَبَتْ إلا إتْمامَهُ، ونَفْسِي تَاقتْ إلى التَّشَرُّفِ بخِدْمَتِهِ.
وقد كَابدتُ في هَذا الكتابِ جَهْدِي، وبَذَلْتُ فيه مَالِي، واسْتنفَقْتُ له وَقْتِي، فكَمْ من لَيالٍ أنْفقتُهَا في تَصْويبِ تَحْريفٍ، أو تَقْويمِ تَصْحيفٍ.
أقولُ ذلك ملتمِسًا العُذْرَ مِنْ عالِمٍ سَقَط عَلَى زَلَلٍ، أو قارئٍ وَقَعَ على خَطَأ، فَمِثْلُ هذَا العَمَلِ الكبِيرِ لا بُدَّ أنْ تَظْهرَ فيهِ بَعْضُ الأخطاءِ المطبعيةِ، والأوْهامِ الْيَسِيرةِ، وصَدَقَ المُزَنيُّ رحمه الله-حين قال: "لَوْ عُورضَ كتابٌ سَبْعينَ مرةً لَوُجِدَ فيه خَطَأ، أبَى اللهُ أن يكون صَحِيحًا غَيْر كِتابِهِ"، فالمرْجُو من أهْلِ العِلْمِ أن يُرْسِلُوا لِي ما لَدَيْهِم من مُلاحظاتٍ أو اسْتِدْراكٍ أو تَعْقِيبٍ حتى أتدَاركَ ذلك في الطبعةِ اللاحقةِ إن شَاءَ اللهُ.
ولا أنْسَى في خِتَامِ كَلِمَتي أنْ أرْفَعَ شُكْرِي إلى مَقَامِ والديَّ الَّلذَيْنِ كان لهما الفَضْلُ في تَنْشِئَتِي، وإرْشَادِي إلى العِلْمِ وحُبِّهِ، والاجْتِهادِ فِي طَلَبِهِ: {رَبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَنْ دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلا تَبَارًا} [نوح: 28].
--------------------------------------------
আব্দুল আজিজ গুনাইম, মুহাম্মাদ আহমাদ আশুর এবং মুহাম্মাদ ইব্রাহিম আল-বান্না।
তবে তাঁরা আজহারের পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন, যা একটি প্রাচীন ও উত্তম পাণ্ডুলিপি; কিন্তু অন্যান্য পাণ্ডুলিপির সাথে তুলনা করলে দেখা যায় যে, এতে প্রচুর পরিমাণে তথ্য বিলুপ্তি (সাক্বত) এবং বর্ণগত বিকৃতি (তাসহিফ) রয়েছে
(১)।
ডক্টর ইসমাইল আব্দুল আল তাঁর "ইবনে কাসির ও তাঁর তাফসির পদ্ধতি"
(২) নামক গ্রন্থে এই সংস্করণটি পর্যালোচনা করেছেন এবং পরবর্তীতে বলেছেন:
"আমি মনে করি, যিনি ইবনে কাসিরের তাফসির সম্পাদনার (তাহকিক) দায়িত্ব গ্রহণ করবেন—এমন এক বৈজ্ঞানিক ও সূক্ষ্ম সম্পাদনা যা সকল ত্রুটিমুক্ত হবে—তাঁর জন্য কেবল একটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করা সমীচীন নয়; বরং তাঁর উচিত সকল পাণ্ডুলিপি ও মুদ্রিত সংস্করণগুলো সংগ্রহ করা এবং সেগুলোর মধ্যে তুলনা করা, আর সাথে সাথে অতিরিক্ত ও ঘাটতি অংশ এবং শব্দ ও বর্ণগত বিকৃতিগুলো চিহ্নিত করা।"
আজ থেকে পাঁচ বছর আগে আমি এই কিতাবটির পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ, মূল পাঠ্যের প্রামাণ্যতা যাচাই এবং পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোতে বিদ্যমান বিকৃতি ও ঘাটতি সংশোধনের মাধ্যমে এর সম্পাদনার কাজ শুরু করেছিলাম; পরিশেষে এটি এমন এক রূপে প্রকাশিত হয়েছে যা আমার ধারণা মতে গ্রন্থকারের (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) অভিপ্রায়ের নিকটতম।
এই কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কতিপয় পুণ্যবান ভাই আমাকে সাহায্য করেছেন, তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক দুয়া ও গভীর কৃতজ্ঞতা রইল।
অতঃপর:
এই কিতাবের কাজ চলাকালীন আমার ওপর দিয়ে অনেক কঠিন বছর অতিবাহিত হয়েছে, যার খবর কেবল আল্লাহই জানেন। আমি এতে অনেক প্রতিকূলতা সহ্য করেছি এবং বহু বাধার সম্মুখীন হয়েছি, কিন্তু আমার উদ্যম কাজটির সমাপ্তি ছাড়া অন্য কিছু মেনে নেয়নি এবং আমার মন এর খিদমতের সম্মানে ধন্য হতে ব্যাকুল ছিল।
আমি এই কিতাবের জন্য আমার সর্বোচ্চ শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছি এবং সময় উৎসর্গ করেছি। কত রাত যে আমি কোনো বিকৃতি সংশোধন বা ভুল সংশোধনের পেছনে ব্যয় করেছি!
কোনো আলেম যদি কোনো বিচ্যুতি খুঁজে পান কিংবা কোনো পাঠক যদি কোনো ভুল লক্ষ্য করেন, তবে আমি এই কথাগুলো তাঁদের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা হিসেবে পেশ করছি। কারণ, এমন বিশাল কর্মযজ্ঞে কিছু মুদ্রণজনিত ত্রুটি বা সামান্য বিভ্রম থাকা স্বাভাবিক। আর ইমাম মুজানি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) সত্যই বলেছেন: "যদি কোনো কিতাব সত্তর বারও সংশোধন করা হয়, তবুও তাতে ভুল থেকে যাবে; কারণ আল্লাহ তাঁর কিতাব (আল-কুরআন) ছাড়া অন্য কোনো কিতাবকে সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত রাখতে অস্বীকার করেছেন।" সুতরাং বিজ্ঞজনদের প্রতি আমার সবিনয় অনুরোধ, তাঁরা যেন তাঁদের পর্যবেক্ষণ বা সংশোধনমূলক কোনো মন্তব্য আমাকে জানান, যাতে আমি ইনশাআল্লাহ পরবর্তী সংস্করণে তা সংশোধন করে নিতে পারি।
আমার আলোচনার শেষে আমি আমার শ্রদ্ধেয় মাতাপিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলব না, আমার গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এবং ইলমের প্রতি অনুরাগ ও তা অর্জনে পরিশ্রমের দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য: {হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং যারা ঈমানদার হয়ে আমার ঘরে প্রবেশ করবে তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন এবং মুমিন নর-নারীদেরও ক্ষমা করুন, আর জালিমদের জন্য ধ্বংস ছাড়া আর কিছু বৃদ্ধি করবেন না} [সূরা নূহ: ২৮]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
وأشْكُرُ الأستاذَ الفاضِلَ/ سعد بن صالح الطويل، وكيلَ عِمادةِ شُؤون المكتبات بجَامِعَةِ الإمامِ محمد بن سعود الإسلامية سَابِقًا، والأستاذ الفاضل/ صالح الحجي، مُدِير قِسْمِ المخطوطات بجامعة الملك سُعُود، وأشْكُرُ كُلّ أخٍ ساعدنِي أو شَجَّعنِي لمواصلة طريقِي.
واللهَ أسْألُ أنْ يَنْفعَ به الجميعَ، وأنْ يجْعَلَهُ خالصًا لِوجْهِهِ الْكَرِيم، وأنْ يَكُونَ من الثَّلاث التي يَنْقطِعُ عَمَلُ ابْنِ آدمَ إذا مات إلا مِنْها، وأنْ يكْتُبَ لجميع من أسْهَمَ فيه الأجْرَ والمثوبَةَ، إنه وَلِيُّ ذلك والقادِرُ عليه، وصَلَّى اللهُ وسَلَّمَ على نَبِيِّنا مُحَمَّدٍ وعَلَى آلِهِ وصَحْبِه أجْمَعينَ.
وكتبه:
سامي بن محمد بن عبد الرحمن بن سلامة
الرياض: 5/ 5/ 1417 هـ
আমি ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি বিষয়ক অনুষদের প্রাক্তন উপ-ডিন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সা'দ বিন সালেহ আত-তাবিল এবং কিং সউদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি বিভাগের পরিচালক শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সালেহ আল-হাজ্জিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সেইসাথে আমি আমার সেই সকল ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যারা আমাকে আমার এই পথ চলায় সাহায্য করেছেন অথবা উৎসাহ জুগিয়েছেন।
আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন এর মাধ্যমে সকলকে উপকৃত করেন এবং এটিকে একমাত্র তাঁর মহান সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত হিসেবে কবুল করেন। এটি যেন সেই তিনটি আমলের অন্তর্ভুক্ত হয়, আদম সন্তান মৃত্যুবরণ করলে যেগুলোর সওয়াব ব্যতিত অন্য সকল আমল বন্ধ হয়ে যায়। আর যারা এতে অবদান রেখেছেন, আল্লাহ যেন তাদের সকলকে উত্তম প্রতিদান ও সওয়াব দান করেন; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং সর্ববিষয়ে ক্ষমতাধর। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
লিখিত:
সামি বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন সালামাহ
রিয়াদ: ৫/ ৫/ ১৪১৭ হিজরি
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١١)
القسم الأول
الدراسة
وقد اشتمل على مبحثين:
المبحث الأول: ترجمة الحافظ ابن كثير.
المبحث الثاني: كتاب تفسير القرآن العظيم.
প্রথম অংশ
গবেষণা
এটি দুটি পরিচ্ছেদ সম্বলিত:
প্রথম পরিচ্ছেদ: হাফিয ইবনে কাসীরের জীবনী।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাফসীরুল কুরআনিল আযীম গ্রন্থটি।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
المبحث الأولترجمة الحافظ ابن كثير
1 - نسبه وميلاده:هو الإمام الحافظ، المحدث، المؤرخ، عماد الدين، أبو الفداء إسماعيل بن عمر بن كثير بن ضوء بن كثير بن ضوء بن درع القرشي الدمشقي الشافعي.
ولد بقرية "مِجْدَل" من أعمال بصرى، وهي قرية أمه، سنة سبعمائة للهجرة أو بعدها بقليل.
2 - نشأته:نشأ الحافظ ابن كثير في بيت علم ودين، فأبوه عمر بن حفص بن كثير أخذ عن النواوي والفزاري وكان خطيب قريته، وتوفى أبوه وعمره ثلاث سنوات أو نحوها، وانتقلت الأسرة بعد موت والد ابن كثير إلى دمشق في سنة (707 هـ)، وخلف والده أخوه عبد الوهاب، فقد بذل جهدًا كبيرًا في رعاية هذه الأسرة بعد فقدها لوالدها، وعنه يقول الحافظ ابن كثير: "وقد كان لنا شقيقا، وبنا رفيقًا شفوقًا، وقد تأخرت وفاته إلى سنة (750 هـ) فاشتغلت على يديه في العلم فيسر الله منه ما تيسر وسهل منه ما تعسر"
(1)
3 - شيوخه:1 - شيخ الإسلام أبو العباس أحمد بن تيمية، رحمه الله.
2 - الحافظ أبو الحجاج يوسف المزي، رحمه الله.
3 - الحافظ أبو عبد الله محمد بن أحمد الذهبي، رحمه الله.
4 - الشيخ أبو العباس أحمد الحجار الشهير بـ "ابن الشحنة".
5 - الشيخ أبو إسحاق إبراهيم الفزاري، رحمه الله.
6 - الحافظ كمال الدين عبد الوهاب الشهير بـ "ابن قاضي شهبة".
7 - الإمام كمال الدين أبو المعالي محمد بن الزملكاني، رحمه الله.
8 - الإمام محيي الدين أبو زكريا يحيى الشيباني، رحمه الله.
9 - الإمام علم الدين محمد القاسم البرزالي، رحمه الله.
10 - الشيخ شمس الدين أبو نصر محمد الشيرازي، رحمه الله.
11 - الشيخ شمس الدين محمود الأصبهاني، رحمه الله.
12 - عفيف الدين إسحاق بن يحيى الآمدي الأصبهاني، رحمه الله.
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদহাফিজ ইবনে কাসিরের জীবনী
১ - তাঁর বংশপরিচয় ও জন্ম:তিনি হলেন ইমাম, হাফিজ, মুহাদ্দিস, ঐতিহাসিক, ইমাদুদ্দীন আবুল ফিদা ইসমাঈল ইবনে উমর ইবনে কাসির ইবনে দাও ইবনে কাসির ইবনে দাও ইবনে দির' আল-কুরাশি আদ-দিমাশকি আশ-শাফিঈ।
তিনি হিজরি সাতশ সাল অথবা তার কিছুকাল পরে বোসরা অঞ্চলের "মিজদাল" নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, যা ছিল তাঁর মাতার গ্রাম।
২ - তাঁর শৈশব ও বেড়ে ওঠা:হাফিজ ইবনে কাসির একটি দ্বীনি ও ইলমি পরিবারে লালিত-পালিত হন। তাঁর পিতা উমর ইবনে হাফস ইবনে কাসির ইমাম নববী ও ফাজারি রহ.-এর নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছিলেন এবং তিনি নিজ গ্রামের খতিব ছিলেন। তাঁর পিতার মৃত্যুকালে ইবনে কাসিরের বয়স ছিল মাত্র তিন বছর বা এর কাছাকাছি। পিতার ইন্তেকালের পর ৭০৭ হিজরিতে তাঁদের পরিবার দামেস্কে স্থানান্তরিত হয়। তাঁর পিতার স্থলাভিষিক্ত হন তাঁর বড় ভাই আব্দুল ওয়াহাব। পিতার অভাবের পর এই পরিবারের দেখাশোনার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত শ্রম দান করেন। তাঁর সম্পর্কে হাফিজ ইবনে কাসির বলেন: "তিনি আমাদের জন্য আপন সহোদরের মতো ছিলেন এবং আমাদের প্রতি অত্যন্ত দয়াপরবশ ও সহমর্মী বন্ধুসুলভ ছিলেন। তিনি ৭৫০ হিজরি পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। তাঁর তত্ত্বাবধানেই আমি ইলম চর্চায় আত্মনিয়োগ করি; ফলে আল্লাহ তাআলা আমার জন্য ইলমের কঠিন পথগুলো সহজ করে দেন এবং যা অস্পষ্ট ছিল তা স্পষ্ট করে দেন।"
(১)
৩ - তাঁর শিক্ষকবৃন্দ:১ - শায়খুল ইসলাম আবু আব্বাস আহমদ ইবনে তাইমিয়্যাহ, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
২ - হাফিজ আবু হাজ্জাজ ইউসুফ আল-মিযযী, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৩ - হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আয-যাহাবী, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৪ - শায়খ আবু আব্বাস আহমদ আল-হাজ্জার, যিনি "ইবনুল শুহনা" নামে প্রসিদ্ধ।
৫ - শায়খ আবু ইসহাক ইবরাহিম আল-ফাজারি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৬ - হাফিজ কামালুদ্দীন আব্দুল ওয়াহাব, যিনি "ইবনে কাজি শুহবা" নামে প্রসিদ্ধ।
৭ - ইমাম কামালুদ্দীন আবু মাআলি মুহাম্মদ ইবনুল যামলকানি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৮ - ইমাম মুহিউদ্দীন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া আশ-শাইরানি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
৯ - ইমাম আলামুদ্দীন মুহাম্মদ আল-কাসিম আল-বিরজালি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
১০ - শায়খ শামসুদ্দীন আবু নাসর মুহাম্মদ আশ-শিরাজি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
১১ - শায়খ শামসুদ্দীন মাহমুদ আল-আসফাহানি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
১২ - আফিফুদ্দীন ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আল-আমিদি আল-আসফাহানি, রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - الشيخ بهاء الدين القاسم بن عساكر، رحمه الله.
14 - أبو محمد عيسى بن المطعم، رحمه الله.
15 - عفيف الدين محمد بن عمر الصقلي، رحمه الله.
16 - الشيخ أبو بكر محمد بن الرضى الصالحي، رحمه الله.
17 - محمد بن السويدي، بارع في الطب.
18 - الشيخ أبو عبد الله بن محمد بن حسين بن غيلان، رحمه الله.
19 - الحافظ أبو محمد عبد المؤمن الدمياطي، رحمه الله.
20 - موسى بن علي الجيلي، رحمه الله.
21 - جمال الدين سليمان بن الخطيب، قاضي القضاة.
22 - محمد بن جعفر اللباد، شيخ القراءات.
23 - شمس الدين محمد بن بركات، رحمه الله.
24 - شمس الدين أبو محمد عبد الله المقدسي، رحمه الله.
25 - الشيخ نجم الدين بن العسقلاني.
26 - جمال الدين أبو العباس أحمد بن القلانسي، رحمه الله.
27 - الشيخ عمر بن أبي بكر البسطي، رحمه الله.
28 - ضياء الدين عبد الله الزربندي النحوي، رحمه الله.
29 - أبو الحسن علي بن محمد بن المنتزه، رحمه الله.
30 - الشيخ محمد بن الزراد، رحمه الله.
4 - تلاميذه:1 - الحافظ علاء الدين بن حجي الشافعي، رحمه الله.
2 - محمد بن محمد بن خضر القرشي، رحمه الله.
3 - شرف الدين مسعود الأنطاكي النحوي، رحمه الله.
4 - محمد بن أبي محمد بن الجزري، شيخ علم القراءات، رحمه الله.
5 - ابنه محمد بن إسماعيل بن كثير، رحمه الله.
6 - الإمام ابن أبي العز الحنفي، رحمه الله.
7 - الحافظ أبو المحاسن الحسَيني، رحمه الله.
১৩ - শায়খ বাহাউদ্দিন আল-কাসিম বিন আসাকির, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
১৪ - আবু মুহাম্মদ ঈসা বিন আল-মুতিম, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
১৫ - আফিফউদ্দিন মুহাম্মদ বিন উমর আস-সিকিল্লি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
১৬ - শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ বিন আর-রিদা আস-সালিহি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
১৭ - মুহাম্মদ বিন আস-সুওয়াইদি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ পারদর্শী।
১৮ - শায়খ আবু আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হুসাইন বিন গায়লান, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
১৯ - আল-হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন আদ-দিমইয়াতি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২০ - মুসা বিন আলী আল-জিলি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২১ - জামালুদ্দিন সুলাইমান বিন আল-খাতিব, প্রধান বিচারপতি।
২২ - মুহাম্মদ বিন জাফর আল-লাব্বাদ, কিরাত শাস্ত্রের শায়খ।
২৩ - শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন বারাকাত, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২৪ - শামসুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২৫ - শায়খ নাজমুদ্দিন বিন আল-আসকালানি।
২৬ - জামালুদ্দিন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-কালানিসি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২৭ - শায়খ উমর বিন আবু বকর আল-বাসতি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২৮ - জিয়াউদ্দিন আব্দুল্লাহ আজ-জারবান্দি আন-নাহবি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২৯ - আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুনতাহাহ, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৩০ - শায়খ মুহাম্মদ বিন আজ-জাররাদ, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৪ - তাঁর ছাত্রবৃন্দ:১ - আল-হাফিজ আলাউদ্দিন বিন হাজ্জি আশ-শাফিয়ি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
২ - মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন খিদর আল-কুরাশি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৩ - শরাফউদ্দিন মাসউদ আল-আনতাকি আন-নাহবি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৪ - মুহাম্মদ বিন আবি মুহাম্মদ বিন আল-জাজারি, কিরাত শাস্ত্রের শায়খ, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৫ - তাঁর পুত্র মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন কাসির, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৬ - ইমাম ইবনুল আবিজ আল-হানাফি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
৭ - আল-হাফিজ আবু আল-মাহাসিন আল-হুসাইনি, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
5 - مؤلفاته:
أ-في علوم القرآن:1 - تفسير القرآن العظيم: وسيأتي الكلام عليه في المبحث الثاني إن شاء الله تعالى.
2 - فضائل القرآن: وهو ملحق بالتفسير في النسخة البريطانية، والنسخة المكية، وقد اعتمدت إلحاقه بالتفسير لقرب موضوعه من التفسير؛ ولأن هاتين النسختين هما آخر عهد ابن كثير لتفسيره.
وقد طبعت مفردة بتحقيق الأستاذ محمد البنا في مؤسسة علوم القرآن ببيروت.
ب-في السنة وعلومها:3 - أحاديث الأصول.
4 - شرح صحيح البخاري.
5 - التكميل في الجرح والتعديل ومعرفة الثقات والمجاهيل: منه نسخة بدار الكتب المصرية برقم (24227) في مجلدين، وهي ناقصة ولديَّ مصورة عنها.
6 - اختصار علوم الحديث: نشر بمكة المكرمة سنة (1353 هـ) بتحقيق الشيخ محمد عبد الرزاق حمزة، ثم شرحه الشيخ أحمد شاكر، رحمه الله، وطبع بالقاهرة سنة (1355 هـ).
7 - جامع المسانيد والسنن الهادي لأقوم سنن: منه نسخة بدار الكتب المصرية برقم (184) حديث، ونشره مؤخرًا الدكتور عبد المعطي أمين قلعجي، وطبع بدار الكتب العلمية ببيروت.
8 - مسند أبي بكر الصديق، رضي الله عنه.
9 - مسند عمر بن الخطاب، رضي الله عنه: نشره الدكتور عبد المعطي أمين قلعجي، وطبع بدار الوفاء بمصر.
10 - الأحكام الصغرى في الحديث.
11 - تخريج أحاديث أدلة التنبيه في فقه الشافعية.
12 - تخريج أحاديث مختصر ابن الحاجب: طبع مؤخرًا بتحقيق الكبيسي، ونشر في مكة.
13 - مختصر كتاب "المدخل إلى كتاب السنن" للبيهقي.
14 - جزء في حديث الصور.
15 - جزء في الرد على حديث السجل.
16 - جزء في الأحاديث الواردة في فضل أيام العشرة من ذي الحجة.
17 - جزء في الأحاديث الواردة في قتل الكلاب.
18 - جزء في الأحاديث الواردة في كفارة المجلس.
৫ - তাঁর রচনাবলি:
ক- কুরআন বিষয়ক বিদ্যায়:১ - তাফসীরুল কুরআনিল আযীম: ইনশাআল্লাহ দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে এটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
২ - ফাযাইলুল কুরআন (কুরআনের ফযীলতসমূহ): এটি ব্রিটিশ পাণ্ডুলিপি এবং মক্কী পাণ্ডুলিপিতে তাফসীরের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যতা থাকায় এবং এই দুটি পাণ্ডুলিপি ইবনে কাসীরের তাফসীরের সর্বশেষ সংস্করণ হওয়ায় আমিও এটিকে তাফসীরের সাথে যুক্ত করার বিষয়টি গ্রহণ করেছি।
এটি বৈরুতের মুয়াসসাসাতু উলূমিল কুরআনে উস্তাদ মুহাম্মদ আল-বান্নার সম্পাদনায় পৃথকভাবেও মুদ্রিত হয়েছে।
খ- সুন্নাহ এবং সংশ্লিষ্ট জ্ঞানবিজ্ঞানে:৩ - আহাদীসুল উসূল।
৪ - শারহু সহীহিল বুখারী।
৫ - আত-তাকমীল ফীল জারহি ওয়াত তাদীল ওয়া মারিফাতিস সিকতি ওয়াল মাজাহীল: মিশরের দারুল কুতুব-এ (২৪২২৭) নম্বরে দুই খণ্ডে এর একটি পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে। এটি অসম্পূর্ণ এবং আমার কাছে এর একটি অনুলিপি রয়েছে।
৬ - ইখতিসারু উলূমিল হাদীস: এটি ১৩৫৩ হিজরীতে শায়খ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক হামজার সম্পাদনায় মক্কা মুকাররমায় প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে শায়খ আহমদ শাকির (রাহিমাহুল্লাহ) এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেন এবং এটি ১৩৫৫ হিজরীতে কায়রোতে মুদ্রিত হয়।
৭ - জামিউল মাসানিদ ওয়াস সুনান আল-হাদি লি-আকওয়ামি সুনান: মিশরের দারুল কুতুব-এ ‘হাদীস’ বিভাগে (১৮৪) নম্বরে এর একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে। সম্প্রতি ড. আব্দুল মুতী আমীন কালআজি এটি সম্পাদনা করেছেন এবং বৈরুতের দারুল কুতুবিল ইলমিয়া থেকে এটি মুদ্রিত হয়েছে।
৮ - মুসনাদু আবি বকর সিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।
৯ - মুসনাদু উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু): এটি ড. আব্দুল মুতী আমীন কালআজি সম্পাদনা করেছেন এবং মিশরের দারুল ওয়াফা থেকে মুদ্রিত হয়েছে।
১০ - আল-আহকামুস সুগরা ফিল হাদীস।
১১ - তাখরীজু আহাদীসি আদিল্লাতিত তানবীহ ফী ফিকহিশ শাফিইয়্যাহ।
১২ - তাখরীজু আহাদীসি মুখতাসারি ইবনিল হাজিব: এটি আল-কুবাইসির সম্পাদনায় সম্প্রতি মুদ্রিত হয়ে মক্কায় প্রকাশিত হয়েছে।
১৩ - ইমাম বাইহাকী রচিত ‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিস সুনান’-এর সংক্ষিপ্তসার।
১৪ - ‘হাদীসুস সূর’ (শিঙায় ফুৎকার বিষয়ক হাদীস) সংক্রান্ত পুস্তিকা।
১৫ - ‘হাদীসুস সিজিল’ এর প্রত্যুত্তরে রচিত পুস্তিকা।
১৬ - যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ফযীলত বিষয়ক হাদীসসমূহের সংকলন।
১৭ - কুকুর নিধন সংক্রান্ত হাদীসসমূহের সংকলন।
১৮ - কাফ্ফারায়ে মজলিস (মজলিস সমাপ্তির দুআ) বিষয়ক হাদীসসমূহের সংকলন।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
جـ -في الفقه وأصوله:19 - الأحكام الكبرى.
20 - كتاب الصيام.
21 - أحكام التنبيه.
22 - جزء في الصلاة الوسطى.
23 - جزء في ميراث الأبوين مع الإخوة.
24 - جزء في الذبيحة التي لم يذكر اسم الله عليها.
25 - جزء في الرد على كتاب الجزية.
26 - جزء في فضل يوم عرفة.
27 - المقدمات في أصول الفقه.
د-في التاريخ والمناقب:28 - البداية والنهاية: مطبوع عدة طبعات في مصر وبيروت، أحسنها الطبعة التي حققها الدكتور علي عبد الستار وآخرون.
والنهاية مطبوع في مصر بتحقيق أحمد عبد العزيز.
29 - جزء مفرد في فتح القسطنطينية.
30 - السيرة النبوية: مطبوع باسم الفصول في سيرة الرسول بدمشق.
31 - طبقات الشافعية: منه نسخة في شستربيتى بإيرلندا، وقد طبع مؤخرًا في مصر.
32 - الواضح النفيس في مناقب محمد بن إدريس: منه نسخة في شستربيتى بإيرلندا.
33 - مناقب ابن تيمية.
34 - مقدمة في الأنساب.
6 - ثناء العلماء عليه:كان ابن كثير، رحمه الله، من أفذاذ العلماء في عصره، أثنى عليه معاصروه ومن بعدهم الثناء الجم:
فقد قال الحافظ الذهبي في طبقات شيوخه: "وسمعت مع الفقيه المفتي المحدِّث، ذى الفضائل، عماد الدين إسماعيل بن عمر بن كثير البصروي الشافعي .. سمع من ابن الشحنة وابن الزراد وطائفة، له عناية بالرجال والمتون والفقه، خرَّج وناظر وصنف وفسر وتقدم"
(1).
وقال عنه أيضًا في المعجم المختص: "الإمام المفتي المحدِّث البارع، فقيه متفنن، محدث متقن، مفسر نقال"
(2).
--------------------------------------------
গ- ফিকহ ও উসূলে ফিকহ শাস্ত্রে:১৯ - আল-আহকামুল কুবরা।
২০ - কিতাবুছ ছিয়াম।
২১ - আহকামুত তানবীহ।
২২ - সালাতুল উসতা বিষয়ক পুস্তিকা।
২৩ - ভাই-বোনদের উপস্থিতিতে পিতা-মাতার মীরাস (উত্তরাধিকার) বিষয়ক পুস্তিকা।
২৪ - যে পশুর জবেহতে আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি সে সম্পর্কিত পুস্তিকা।
২৫ - কিতাবুল জিযইয়ার জবাবে রচিত পুস্তিকা।
২৬ - আরাফার দিনের ফযিলত বিষয়ক পুস্তিকা।
২৭ - আল-মুকাদ্দিমাত ফী উসূলিল ফিকহ (উসূলে ফিকহের ভূমিকা)।
ঘ- ইতিহাস ও মানাকিব (মর্যাদা) শাস্ত্রে:২৮ - আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: এটি মিশর ও বৈরুতে কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে, যার মধ্যে ডক্টর আলী আব্দুল সাত্তার ও অন্যদের তাহকীককৃত সংস্করণটি সর্বোত্তম।
এবং 'আন-নিহায়া' অংশটি আহমদ আব্দুল আজিজের তাহকীকে মিশরে মুদ্রিত হয়েছে।
২৯ - কনস্টান্টিনোপল বিজয় নিয়ে স্বতন্ত্র একটি পুস্তিকা।
৩০ - আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ: এটি দামেস্কে 'আল-ফুসুল ফী সীরাতির রাসূল' নামে মুদ্রিত।
৩১ - তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ: এর একটি পাণ্ডুলিপি আয়ারল্যান্ডের চেস্টার বিটি লাইব্রেরিতে রয়েছে এবং সম্প্রতি এটি মিশরে মুদ্রিত হয়েছে।
৩২ - আল-ওয়াদিহুন নাফীস ফী মানাকিবি মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস: এর একটি পাণ্ডুলিপি আয়ারল্যান্ডের চেস্টার বিটি লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত।
৩৩ - মানাকিবু ইবনে তাইমিয়্যাহ (ইবনে তাইমিয়্যাহর মর্যাদা)।
৩৪ - মুকাদ্দিমাতুন ফিল আনসাব (বংশবিদ্যা বিষয়ক ভূমিকা)।
৬ - তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:ইবনে কাসীর রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর যুগের অনন্যসাধারণ আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর সমসাময়িক এবং পরবর্তী আলেমগণ তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন:
হাফেজ যাহাবী তাঁর 'তাবাকাতু শুয়ূখিহি' গ্রন্থে বলেন: "আমি ফকীহ, মুফতী, মুহাদ্দিস, বহু গুণের অধিকারী ইমাদুদ্দীন ইসমাঈল ইবনে উমর ইবনে কাসীর আল-বসরি আশ-শাফিয়ীর সাথে (হাদিস) শ্রবণ করেছি... তিনি ইবনে আশ-শুহনা, ইবনে আয-যাররাদ এবং একদল আলেমের নিকট থেকে শুনেছেন। ইলমুর রিজাল (বর্ণনাকারী শাস্ত্র), মতন (মূল পাঠ) এবং ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল। তিনি হাদিস চয়ন করেছেন, বিতর্ক করেছেন, গ্রন্থ রচনা করেছেন, তাফসীর করেছেন এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।"
(১)তিনি 'আল-মু'জামুল মুখতাস' গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে আরও বলেন: "তিনি ছিলেন ইমাম, মুফতী, পারদর্শী মুহাদ্দিস, বহু শাস্ত্রে অভিজ্ঞ ফকীহ, অত্যন্ত দক্ষ মুহাদ্দিস এবং (বর্ণনা সম্বলিত) শক্তিশালী মুফাসসির।"
(২)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
وقال تلميذه الحافظ أبو المحاسن الحسيني: "صاهر شيخنا أبا الحجاج المزي فأكثر، وأفتى ودرس وناظر، وبرع في الفقه والتفسير والنحو وأمعن النظر في الرجال والعلل"
(1).
وقال العلامة ابن ناصر الدين: "الشيخ الإمام العلامة الحافظ عماد الدين، ثقة المحدثين، عمدة المؤرخين، علم المفسرين"
(2).
وقال ابن تغري بردي: "لازم الاشتغال، ودأب وحصل وكتب وبرع في الفقه والتفسير والفقه والعربية وغير ذلك، وأفتى ودرس إلى أن توفى"
(3).
وقال ابن حجر العسقلاني: "كان كثير الاستحضار، حسن المفاكهة، سارت تصانيفه في البلاد في حياته، وانتفع الناس بها بعد وفاته"
(4).
وقال ابن حبيب: "إمام روى التسبيح والتهليل، وزعيم أرباب التأويل، سمع وجمع وصنف، وأطرب الأسماع بالفتوى وشنف، وحدث وأفاد، وطارت أوراق فتاويه إلى البلاد، واشتهر بالضبط والتحرير، وانتهت إليه رياسة العلم في التاريخ، والحديث والتفسير"
(5).
وقال العيني: "كان قدوة العلماء والحفاظ، وعمدة أهل المعاني والألفاظ، وسمع وجمع وصنف، ودرس، وحدث، وألف، وكان له اطلاع عظيم في الحديث والتفسير والتاريخ، واشتهر بالضبط والتحرير، وانتهى إليه رياسة علم التاريخ والحديث والتفسير وله مصنفات عديدة مفيدة"
(6).
وقال تلميذه ابن حجي: "أحفظ من أدركناه لمتون الأحاديث، وأعرفهم بجرحها ورجالها وصحيحها وسقيمها، وكان أقرانه وشيوخه يعترفون له بذلك، وكان يستحضر شيئا كثيرا من الفقه والتاريخ، قليل النسيان، وكان فقيها جيد الفهم، ويشارك في العربية مشاركة جيدة، ونظم الشعر، وما أعرف أني اجتمعت به على كثرة ترددي إليه إلا واستفدت منه"
(7).
وقال الداودي: "أقبل على حفظ المتون، ومعرفة الأسانيد والتعلل والرجال والتاريخ حتى برع في ذلك وهو شاب"
(8).
7 - وفاته ورثاؤه:في يوم الخميس السادس والعشرين من شهر شعبان سنة أربع وسبعين وسبعمائة توفي الحافظ ابن كثير بدمشق، ودفن بمقبرة الصوفية عند شيخه ابن تيمية، رحمه الله.
وقد ذكر ابن ناصر الدين أنه "كانت له جنازة حافلة مشهودة، ودفن بوصية منه في تربة شيخ الإسلام ابن تيمية بمقبرة الصوفية".
وقد قيل في رثائه، رحمه الله:
لفقدك طلاب العلوم تأسفوا
… وجادوا بدمع لا يبير غزير
ولو مزجوا ماء المدامع بالدما
… لكان قليلا فيك يا بن كثير
--------------------------------------------
তাঁর ছাত্র হাফিজ আবু المحাসন আল-হুসাইনি বলেন: "তিনি আমাদের শায়খ আবু হাজ্জাজ আল-মিজ্জির জামাতা ছিলেন এবং তাঁর সাথে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন। তিনি ফতোয়া প্রদান করেছেন, শিক্ষকতা করেছেন এবং বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। তিনি ফিকহ, তাফসির ও নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন এবং রিজাল (বর্ণনাকারী) ও ইলাল (সূক্ষ্ম ত্রুটি) শাস্ত্রে গভীর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিলেন"
(১).
আল্লামা ইবনে নাসিরুদ্দিন বলেন: "তিনি হলেন শায়খ, ইমাম, আল্লামা, হাফিজ ইমাদুদ্দিন; মুহাদ্দিসগণের নিকট নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব, ঐতিহাসিকগণের প্রধান অবলম্বন এবং মুফাসসিরগণের শিরোমণি"
(২).
ইবনে তাগরি বারদি বলেন: "তিনি নিরন্তর জ্ঞানচর্চায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন, জ্ঞান আহরণ করেছেন, কিতাব রচনা করেছেন এবং ফিকহ, তাফসির, আরবি সাহিত্য ও অন্যান্য শাস্ত্রে দক্ষতা অর্জন করেছেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি ফতোয়া প্রদান ও শিক্ষকতায় নিয়োজিত ছিলেন"
(৩).
ইবনে হাজার আল-আসকালানি বলেন: "তিনি প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন এবং তাঁর কথোপকথন ছিল অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। তাঁর জীবদ্দশাতেই তাঁর রচনাবলি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তাঁর মৃত্যুর পর মানুষ সেগুলো থেকে প্রভূত উপকৃত হয়েছে"
(৪).
ইবনে হাবিব বলেন: "তিনি এমন এক ইমাম যিনি তাসবিহ ও তাহলিল (আল্লাহর মহিমা) বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ব্যাখ্যাকারগণের প্রধান নেতা ছিলেন। তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন, সংগ্রহ করেছেন এবং কিতাব সংকলন করেছেন। তাঁর ফতোয়াগুলো মানুষের কর্ণকুহরে সুমধুর ঝংকারের মতো প্রবেশ করত। তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং জ্ঞান বিতরণ করেছেন। তাঁর ফতোয়ার পাণ্ডুলিপিগুলো বিভিন্ন জনপদে ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি নির্ভুলতা ও সুসংহত লেখনীর জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন এবং ইতিহাস, হাদিস ও তাফসির শাস্ত্রের নেতৃত্বের শীর্ষস্থান তাঁর কাছে এসেই সমাপ্ত হয়েছে"
(৫).
আল-আইনি বলেন: "তিনি ছিলেন আলেম ও হাফিজগণের আদর্শ এবং শব্দ ও অর্থের নিগুঢ় তত্ত্বজ্ঞানীগণের প্রধান অবলম্বন। তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন, সংগ্রহ করেছেন, সংকলন করেছেন, পাঠদান করেছেন, হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং কিতাব রচনা করেছেন। হাদিস, তাফসির ও ইতিহাস শাস্ত্রে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল। তিনি নির্ভুলতা ও সুসংহত লেখনীর জন্য সুপরিচিত ছিলেন এবং ইতিহাস, হাদিস ও তাফসির শাস্ত্রের নেতৃত্ব তাঁর মাধ্যমেই পূর্ণতা পায়। তাঁর রচিত বহু উপকারী গ্রন্থ রয়েছে"
(৬).
তাঁর ছাত্র ইবনে হাজ্জি বলেন: "আমাদের সময়ে হাদিসের মতন (মূল পাঠ) হেফজ করার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ হাফিজ। হাদিসের সমালোচনা (জারহ), বর্ণনাকারী (রিজাল) এবং সহিহ ও জয়িফ (সবল ও দুর্বল) হাদিস সম্পর্কে তিনি আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী ছিলেন। তাঁর সমসাময়িক আলেম ও উস্তাদগণও তাঁর এই শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করতেন। ফিকহ ও ইতিহাসের বহু বিষয় তাঁর নখদর্পণে থাকত। তাঁর বিস্মৃতি ছিল যৎসামান্য। তিনি ছিলেন গভীর সমঝদার একজন ফকিহ এবং আরবি সাহিত্যেও তাঁর চমৎকার দখল ছিল। তিনি কবিতা রচনা করেছেন। তাঁর কাছে আমার ঘনঘন যাতায়াত সত্ত্বেও এমন কোনো মজলিস হয়নি যেখান থেকে আমি নতুন কিছু শিখতে পারিনি"
(৭).
আদ-দাউদি বলেন: "তিনি হাদিসের মতন মুখস্থ করা এবং সনদ, সূক্ষ্ম ত্রুটি (ইলাল), বর্ণনাকারী ও ইতিহাসের জ্ঞানে মনোনিবেশ করেন এবং যৌবনেই তিনি এসব শাস্ত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠেন"
(৮).
৭ - তাঁর মৃত্যু ও শোকগাথা:৭৭৪ হিজরি সালের ২৬শে শাবান বৃহস্পতিবার হাফিজ ইবনে কাসির দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে তাঁর উস্তাদ ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর কবরের পাশে সুফিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ইবনে নাসিরুদ্দিন উল্লেখ করেছেন যে, "তাঁর জানাজায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল এবং তাঁর ওসিয়ত অনুযায়ী তাঁকে সুফিয়া কবরস্থানে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর কবরের পাশেই সমাহিত করা হয়।"
তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন:
হে ইবনে কাসির! আপনার বিদায়ে জ্ঞানপিপাসুরা শোকার্ত
… তাদের দুচোখ বেয়ে বইছে অশ্রুর অবিরাম ধারা।
যদি তারা অশ্রুজলের সাথে রক্তও মিশিয়ে দিত
… তবে আপনার বিয়োগব্যথায় তাও সামান্যই হতো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
المبحث الثانيكتاب تفسير القرآن العظيم
1 - تاريخ كتابته:لم يحدد الحافظ ابن كثير، رحمه الله، تاريخ بدايته في كتابة هذا التفسير ولا تاريخ انتهائه منه، لكن ثمة دلائل تدل على تاريخ انتهائه منه، فإنه ذكر عند تفسير سورة الأنبياء شيخه المزي ودعا له بطول العمر مما يفهم منه أنه قد ألف أكثر من نصف التفسير في حياة شيخه المزي المتوفى سنة (742 هـ).
واقتبس منه الإمام الزيلعي في كتابه تخريج أحاديث الكشاف (2 - 180) والزيلعي توفي سنة (762 هـ)، مما يدل على أن كتاب الحافظ ابن كثير انتشر في هذه الفترة.
هذا وتعتبر النسخة المكية أقدم النسخ التي وقعت بأيدينا، وقد جاء بآخرها: "آخر كتاب فضائل القرآن وبه تم التفسير للحافظ العلامة الرحلة الجهبذ مفيد الطالبين الشيخ عماد الدين إسماعيل الشهير بابن كثير، على يد أفقر العباد إلى الله الغني محمد بن أحمد بن معمر المقري البغدادي، عفا الله عنه ونفعه بالعلم، ووفقه للعمل به آمين .... بتاريخه يوم الجمعة عاشر جمادى الآخرة من سنة تسع وخمسين وسبعمائة هلالية هجرية".
2 - أهميته:يعد تفسير الحافظ ابن كثير، رحمه الله، من الكتب التي كتب الله لها القبول والانتشار، فلا تكاد تخلو منه اليوم مكتبة سواء كانت شخصية أو عامة.
وقد نهج الحافظ ابن كثير فيه منهجًا علميًا أصيلا وساقه بعبارة فصيحة وجمل رشيقة، وتتجلى لنا أهمية تفسير الحافظ ابن كثير، رحمه الله، في النقاط التالية:
1 - ذكر الحديث بسنده.
2 - حكمه على الحديث في الغالب.
3 - ترجيح ما يرى أنه الحق، دون التعصب لرأي أو تقليد بغير دليل.
4 - عدم الاعتماد على القصص الإسرائيلية التي لم تثبت في كتاب الله ولا في صحيح سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وربما ذكرها وسكت عليها، وهو قليل.
5 - تفسيره ما يتعلق بالأسماء والصفات على طريقة سلف الأمة، رحمهم الله، من غير تحريف ولا تأويل ولا تشبيه ولا تعطيل.
6 - استيعاب الأحاديث التي تتعلق بالآية، فقد استوعب، رحمه الله، الأحاديث الواردة في عذاب القبر ونعيمه عند قوله تعالى: {يُثَبِّتُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا بِالْقَوْلِ الثَّابِتِ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الآخِرَةِ}
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদতাফসিরুল কুরআনিল আজিম গ্রন্থ
১ - এটি রচনার ইতিহাস:হাফিজ ইবনে কাসির (রহিমাহুল্লাহ) এই তাফসির গ্রন্থটি রচনার শুরু বা সমাপ্তির কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেননি। তবে এর সমাপ্তির সময়কাল নির্দেশকারী কিছু প্রমাণ বিদ্যমান রয়েছে। তিনি সূরা আল-আম্বিয়ার তাফসিরের সময় তাঁর উস্তাদ আল-মিজ্জির কথা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেছেন, যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি তাঁর উস্তাদ আল-মিজ্জি (মৃত্যু: ৭৪২ হিজরি)-এর জীবদ্দশাতেই এই তাফসিরের অর্ধেকেরও বেশি অংশ রচনা করেছিলেন।
ইমাম আয-যাইলায়ী তাঁর 'তাখরিজু আহাদিসিল কাশশাফ' গ্রন্থে (২/১৮০) এই তাফসির থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। যাইলায়ী ৭৬২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, যা প্রমাণ করে যে হাফিজ ইবনে কাসিরের কিতাবটি এই সময়ের মধ্যেই সুধীসমাজে প্রচার ও প্রসার লাভ করেছিল।
আমাদের হস্তগত পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে মক্কী পাণ্ডুলিপিটি প্রাচীনতম বলে গণ্য হয়। এর শেষে লিখিত রয়েছে: "ফাযায়িলুল কুরআন অধ্যায় সমাপ্ত এবং এর মাধ্যমেই হাফিজ, আল্লামা, দেশভ্রমণকারী, সুনিপুণ পণ্ডিত, তালিবে ইলমদের পরম হিতৈষী শায়খ ইমাদুদ্দিন ইসমাইল—যিনি ইবনে কাসির নামে প্রসিদ্ধ—কর্তৃক রচিত তাফসির সম্পন্ন হলো। এটি অনুলিখন করেছেন আল্লাহর মুখাপেক্ষী দরিদ্র বান্দা মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুয়াম্মার আল-মুকরি আল-বাগদাদি; আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁকে ইলম দ্বারা উপকৃত করুন এবং তদানুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন, আমিন... তারিখ: শুক্রবার, ১০ই জুমাদাল আখিরাহ, হিজরি ৭৫৯ সাল"।
২ - এর গুরুত্ব:হাফিজ ইবনে কাসির (রহিমাহুল্লাহ)-এর তাফসির সেই সব কিতাবের অন্তর্ভুক্ত যার জন্য আল্লাহ তাআলা বিশেষ কবুলিয়ত ও প্রসার নির্ধারিত করে রেখেছেন। বর্তমান যুগে ব্যক্তিগত বা গণগ্রন্থাগারগুলোর মধ্যে এমন কোনো লাইব্রেরি পাওয়া দুষ্কর যেখানে এই গ্রন্থটি বিদ্যমান নেই।
হাফিজ ইবনে কাসির এতে এক মৌলিক জ্ঞানতাত্ত্বিক পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন এবং তা সাবলীল ভাষা ও চমৎকার বাক্যশৈলীর মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। হাফিজ ইবনে কাসির (রহিমাহুল্লাহ)-এর তাফসিরের গুরুত্ব আমাদের কাছে নিচের পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে সুস্পষ্ট হয়:
১ - হাদিসকে তার সনদসহ উল্লেখ করা।
২ - অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাদিসের মানের ওপর হুকুম বা মন্তব্য প্রদান করা।
৩ - কোনো মতের প্রতি অন্ধ গোঁড়ামি বা দলিলবিহীন অনুকরণ না করে যাকে তিনি সত্য ও সঠিক মনে করেছেন তাকেই প্রাধান্য দান করা।
৪ - এমন সব ইসরায়েলি বর্ণনার ওপর নির্ভর না করা যা আল্লাহর কিতাব কিংবা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহিহ সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। কখনো কখনো তিনি সেগুলো উল্লেখ করে নীরব থেকেছেন, তবে এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য।
৫ - আসমা ও সিফাত (আল্লাহর নাম ও গুণাবলি) সংক্রান্ত বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা উম্মতের সালফে সালেহিন (রহিমাহুমুল্লাহ)-এর তরিকায় প্রদান করা; কোনো প্রকার বিকৃতি (তাহরিফ), অপব্যাখ্যা (তাউইল), সাদৃশ্য প্রদান (তাশবিহ) বা অস্বীকার (তা’তিল) ছাড়াই।
৬ - কোনো আয়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট হাদিসগুলোর ব্যাপক সমাবেশ ঘটানো। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) মহান আল্লাহর এই বাণীর অধীনে: "আল্লাহ মুমিনদেরকে দুনিয়ার জীবনে ও আখেরাতে সুদৃঢ় বাণীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত রাখেন"—কবরের আজাব ও নেয়ামত সম্পর্কিত বর্ণিত হাদিসগুলোর পূর্ণাঙ্গ সমাবেশ ঘটিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
وكذا استوعب أحاديث الإسراء والمعراج عند قوله تعالى: {سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَى بِعَبْدِهِ لَيْلا مِنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ} وكذا الأحاديث الواردة في الصلاة على النبي عند قول الله تعالى: {إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ} وكذا الأحاديث الواردة في فضل أهل البيت عند تفسير قوله تعالى: {إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا} وغير هذا كثير
(1).
وقد قال السيوطي في ترجمة الحافظ ابن كثير: "له التفسير الذي لم يؤلف على نمط مثله".
وقال الشوكاني: "وله تصانيف، منها التفسير المشهور وهو في مجلدات، وقد جمع فيه فأوعى، ونقل المذاهب والأخبار والآثار، وتكلم بأحسن كلام وأنفسه، وهو من أحسن التفاسير إن لم يكن أحسنها".
3 - مصادره:أما مصادر الحافظ ابن كثير في تفسيره فقد سردها الدكتور إسماعيل عبد العال في كتابه " ابن كثير ومنهجه في التفسير" أنقلها هنا حسب ترتيب المواضيع:
أولا الكتب السماوية:1 - القرآن الكريم.
2 - التوراة، وأشار أنه نقل من نسختين.
3 - الإنجيل.
ثانيا: في التفسير وعلوم القرآن:
أ-في التفسير:4 - تفسير آدم بن أبي إياس، المتوفى سنة / 220 هـ أو 221 هـ.
5 - تفسير أبي بكر بن المنذر، المتوفى سنة / 318 هـ.
6 - تفسير ابن أبي حاتم، المتوفى سنة /223 هـ/. (ط) قسم منه.
7 - تفسير أبو مسلم الأصبهاني (محمد بن بحر)، المتوفى سنة /322 هـ، واسم كتابه: "جامع التأويل لمحكم التنزيل".
8 - تفسير ابن أبي نجيح (عبد الله بن يسار الأعرج المكي مولى ابن عمر).
9 - تفسير البغوي (أبو محمد الحسن بن مسعود بن محمد الفراء)، المتوفى سنة 516، واسم كتابه (معالم التنزيل). (ط).
10 - تفسير ابن تيمية (تقي الدين أبي العباس أحمد بن عبد الحليم)، المتوفى سنة 728 هـ، وهو جزء في تفسير قوله تعالى: {ذَلِكَ لِيَعْلَمَ أَنِّي لَمْ أَخُنْهُ بِالْغَيْبِ} (ط).
--------------------------------------------
একইভাবে তিনি ইসরা ও মিরাজ সংক্রান্ত হাদীসসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন মহান আল্লাহর এই বাণীর অধীনে: {পবিত্র সেই সত্তা যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে মাসজিদুল হারাম থেকে মাসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছিলেন, যার চারপাশকে আমি বরকতময় করেছি}। অনুরূপভাবে নবীজির প্রতি দরুদ পাঠ সংক্রান্ত হাদীসসমূহ উল্লেখ করেছেন আল্লাহর এই বাণীর তাফসীরে: {নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন}। তেমনিভাবে আহলুল বাইত বা নবী-পরিবারের শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ক হাদীসসমূহ বর্ণনা করেছেন মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যায়: {আল্লাহ তো কেবল এটাই চান যে, হে আহলুল বাইত! তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করতে}। এছাড়া আরও অনেক বিষয় এতে রয়েছে
(১)।
হাফেজ ইবনে কাসীরের জীবনী আলোচনায় ইমাম সুয়ূতী বলেছেন: "তাঁর এমন একটি তাফসীর গ্রন্থ রয়েছে, যার অনুরূপ রীতিতে আর কোনো গ্রন্থ রচিত হয়নি।"
ইমাম শাওকানী বলেছেন: "তাঁর বহু রচনা রয়েছে, তন্মধ্যে এই বিখ্যাত তাফসীরটি অন্যতম যা কয়েক খণ্ডে সমাপ্ত। তিনি এতে প্রচুর তথ্য একত্র করেছেন এবং সবিস্তারে বর্ণনা করেছেন। তিনি এতে বিভিন্ন মাযহাব, ইতিহাস ও আসার (বর্ণনা) উদ্ধৃত করেছেন এবং অত্যন্ত চমৎকার ও মূল্যবান আলোচনা করেছেন। এটি শ্রেষ্ঠ তাফসীর গ্রন্থগুলোর একটি, যদি শ্রেষ্ঠতম না-ও হয়।"
৩ - তাঁর উৎসসমূহ:হাফেজ ইবনে কাসীর তাঁর তাফসীরে যেসব উৎসের সাহায্য নিয়েছেন, তা ডক্টর ইসমাঈল আব্দুল আল তাঁর "ইবনে কাসীর ও তাঁর তাফসীর পদ্ধতি" নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। বিষয়বস্তুর বিন্যাস অনুযায়ী আমি তা নিচে উল্লেখ করছি:
প্রথমত: আসমানী কিতাবসমূহ:১ - পবিত্র কুরআন।
২ - তাওরাত; তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি তিনি দুটি সংস্করণ থেকে উদ্ধৃত করেছেন।
৩ - ইঞ্জিল।
দ্বিতীয়ত: তাফসীর ও কুরআন সংশ্লিষ্ট শাস্ত্র:
ক- তাফসীর শাস্ত্রে:৪ - আদম বিন আবি ইয়াস-এর তাফসীর (মৃত্যু: ২২০ হিজরী বা ২২১ হিজরী)।
৫ - আবু বকর ইবনুল মুনযির-এর তাফসীর (মৃত্যু: ৩১৮ হিজরী)।
৬ - ইবনে আবি হাতিম-এর তাফসীর (মৃত্যু: ৩২৭ হিজরী)। এর কিছু অংশ মুদ্রিত।
৭ - আবু মুসলিম আল-ইসফাহানী (মুহাম্মদ বিন বাহর)-এর তাফসীর (মৃত্যু: ৩২২ হিজরী), তাঁর কিতাবের নাম: "জামেউত তাবীল লি মুহকামিত তানজীল"।
৮ - ইবনে আবি নাজীহ-এর তাফসীর (আব্দুল্লাহ বিন ইয়াসার আল-আরাজ আল-মাক্কী, যিনি ইবনে উমরের মুক্তদাস ছিলেন)।
৯ - ইমাম বাগভী-এর তাফসীর (আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মাসউদ বিন মুহাম্মদ আল-ফাররা), মৃত্যু ৫১৬ হিজরী; তাঁর কিতাবের নাম (মাআলিমুত তানজীল), যা মুদ্রিত।
১০ - ইবনে তাইমিয়া-এর তাফসীর (তাকিউদ্দীন আবি আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল হালীম), মৃত্যু ৭২৮ হিজরী। এটি মহান আল্লাহর বাণী: {যাতে তিনি জানতে পারেন যে, আমি অগোচরে তাঁর বিশ্বাসভঙ্গ করিনি} - এর ব্যাখ্যার ওপর একটি ক্ষুদ্র অংশ, যা মুদ্রিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
11 - تفسير الثعلبي (أحمد بن محمد بن إبراهيم أبو إسحاق النيسابوري)، المتوفى سنة 427 هـ (مخطوط) في المكتبة المحمودية.
12 - تفسير الجبائي (أبي علي) المتوفى سنة 303 هـ.
13 - تفسير ابن الجوزي (عبد الرحمن بن علي)، المتوفى سنة 597 هـ، واسم الكتاب (زاد المسير في علم التفسير) وهو مخطوط بدار الكتب تحت رقم 123 تفسير في أربعة مجلدات. (ط).
14 - تفسير ابن دحيم (أبي إسحاق إبراهيم بن عبد الرحمن بن إبراهيم بن دحيم)، المتوفى سنة 319 هـ.
15 - تفسير الرازي (محمد بن عمر بن الحسن بن الحسين التيمي البكري أبو عبد الله المشهور بفخر الدين الرازي)، المتوفى سنة 606 هـ، وكتابه يسمى "التفسير الكبير" المشهور بمفاتيح الغيب. (ط).
16 - تفسير الزمخشري (جار الله أبي القاسم محمود بن عمر الخوارزمي)، المتوفى سنة 538 هـ وكتابه يدعى (الكشاف عن حقائق التنزيل، وعيون الأقاويل في وجوه التأويل). (ط).
17 - تفسير السدي الكبير، المتوفى سنة 137 هـ-745 م.
18 - تفسير سنيد بن داود، المتوفى سنة 226 هـ.
19 - تفسير شجاع بن مخلد، المتوفى سنة 235 هـ.
20 - تفسير الطبري، المتوفى سنة 310 هـ (ط).
21 - تفسيرعبد بن حميد، المتوفى سنة 249 هـ.
22 - تفسير عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، المتوفى سنة 182 هـ.
23 - تفسير عبد الرزاق الصنعاني، المتوفى سنة 211 هـ. (ط).
24 - تفسير ابن عطية العوفي، المتوفى سنة 111 هـ.
25 - تفسير القرطبي (أبي عبد الله محمد بن أحمد الأنصاري القرطبي)، المتوفى سنة 671 هـ، وتفسيره يسمى "الجامع لأحكام القرآن الكريم". (ط).
26 - تفسير مالك بن أنس إمام دار الهجرة، وهو جزء مجموع له.
27 - تفسير الماوردي (أبي الحسن علي بن محمد بن حبيب)، المتوفى سنة 450 هـ، واسم تفسيره "النكت والعيون".
28 - تفسير ابن مردويه.
29 - تفسير الواحدي (علي بن أحمد بن محمد بن علي أبي الحسن)، المتوفى سنة 468 هـ. (ط) الوسيط.
30 - تفسير وكيع بن الجراح، المتوفى سنة 197 هـ.
১১ - তাফসীরে ছা'লাবী (আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আবু ইসহাক আল-নায়সাবুরী), মৃত্যু ৪২৭ হিজরি, মাহমুদীয়া লাইব্রেরিতে (পাণ্ডুলিপি) সংরক্ষিত।
১২ - তাফসীরে জুব্বায়ী (আবু আলী), মৃত্যু ৩০৩ হিজরি।
১৩ - তাফসীরে ইবনুল জাওযী (আবদুর রহমান বিন আলী), মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি। কিতাবটির নাম (যাদুল মাসীর ফী ইলমিত তাফসীর); এটি 'দারুল কুতুব'-এ ১২৩ নম্বর তাফসীর হিসেবে চার খণ্ডে পাণ্ডুলিপি আকারে সংরক্ষিত। (মুদ্রিত)।
১৪ - তাফসীরে ইবনে দুহাইম (আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন আবদুর রহমান বিন ইবরাহীম বিন দুহাইম), মৃত্যু ৩১৯ হিজরি।
১৫ - তাফসীরে রাযী (মুহাম্মাদ বিন উমর বিন হাসান বিন হুসাইন আত-তাইমী আল-বাকরী আবু আব্দুল্লাহ, যিনি ফখরুদ্দীন রাযী নামে প্রসিদ্ধ), মৃত্যু ৬০৬ হিজরি। তাঁর কিতাবটি "আত-তাফসীরুল কাবীর" নামে পরিচিত, যা "মাফাতিহুল গায়েব" নামে প্রসিদ্ধ। (মুদ্রিত)।
১৬ - তাফসীরে যামাখশারী (জারুল্লাহ আবুল কাসেম মাহমুদ বিন উমর আল-খাওয়ারিযমী), মৃত্যু ৫৩৮ হিজরি। তাঁর কিতাবটি (আল-কাশশাফ আন হাকায়িকিত তানযীল ওয়া উয়ুনিল আকাবীল ফী উজুহিত তাবীল) নামে অভিহিত। (মুদ্রিত)।
১৭ - তাফসীরে সুদ্দী আল-কাবীর, মৃত্যু ১৩৭ হিজরি - ৭৪৫ খ্রিস্টাব্দ।
১৮ - তাফসীরে সুনাইদ বিন দাউদ, মৃত্যু ২২৬ হিজরি।
১৯ - তাফসীরে শুজা বিন মাখলাদ, মৃত্যু ২৩৫ হিজরি।
২০ - তাফসীরে তাবারী, মৃত্যু ৩১০ হিজরি (মুদ্রিত)।
২১ - তাফসীরে আবদ বিন হুমাইদ, মৃত্যু ২৪৯ হিজরি।
২২ - তাফসীরে আবদুর রহমান বিন যাইদ বিন আসলাম, মৃত্যু ১৮২ হিজরি।
২৩ - তাফসীরে আবদুর রাযযাক আস-সানআনী, মৃত্যু ২১১ হিজরি। (মুদ্রিত)।
২৪ - তাফসীরে ইবনে আতিয়্যাহ আল-আউফী, মৃত্যু ১১১ হিজরি।
২৫ - তাফসীরে কুরতুবী (আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমদ আল-আনসারী আল-কুরতুবী), মৃত্যু ৬৭১ হিজরি। তাঁর তাফসীরটি "আল-জামে লি-আহকামিল কুরআনিল কারীম" নামে পরিচিত। (মুদ্রিত)।
২৬ - ইমাম দারুল হিজরাহ মালিক বিন আনাস-এর তাফসীর; এটি তাঁর থেকে সংকলিত একটি অংশ।
২৭ - তাফসীরে মাওয়ারদী (আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন হাবীব), মৃত্যু ৪৫০ হিজরি। তাঁর তাফসীরের নাম "আল-নুয়াকাত ওয়াল উয়ুন"।
২৮ - তাফসীরে ইবনে মারদুওয়াইহ।
২৯ - তাফসীরে ওয়াহিদী (আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আবুল হাসান), মৃত্যু ৪৬৮ হিজরি। (মুদ্রিত) আল-ওয়াসীত।
৩০ - তাফসীরে ওয়াকী বিন জাররাহ, মৃত্যু ১৯৭ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
ب-في علوم القرآن:31 - "البيان" لأبي عمرو الداني (الحافظ أبي عمرو عثمان بن سعيد بن عثمان بن سعيد المعروف بالداني (371 - 444 هـ)، وهو حافظ محدث مفسر، واسم الكتاب "جامع البيان في القراءات السبع" وهو من أحسن مصنفاته يشتمل على نيف وخمسمائة رواية وطريق، قيل: إنه جمع فيه كل مايعلمه في هذا العلم.
32 - "التبيان" لأبي زكريا النواوي (محيي الدين يحيى بن شرف النووي المتوفى سنة 677 هـ)، أما اسم الكتاب فهو "التبيان في آداب حملة القرآن"، وقد رتب على عشرة أبواب ثم اختصره، وسماه "مختار التبيان" (ط).
33 - جزء فيمن جمع القرآن من المهاجرين للحافظ ابن السمعاني القاضي أبي سعيد عبد الكريم بن أبي بكر، محمد بن أبي المظفر المنصور التميمي المروزي، المتوفى سنة 512 هـ.
34 - جميع مصاحف الأئمة.
35 - شرح الشاطبية للشيخ شهاب الدين أبي شامة (عبد الرحمن بن إسماعيل المقدسي الدمشقي المتوفى سنة 665 هـ).
36 - فضائل القرآن لأبي عبيد القاسم بن سلام، المتوفى سنة 224 هـ. (ط).
37 - مصحف أبيّ بن كعب، وهو أحد الأربعة الذين جمعوا القرآن (زيد بن ثابت، ومعاذ بن جبل، وأبو زيد الأنصاري)، وقد توفى أبيّ سنة 19 هـ وقيل 20 أو 22 أو 23.
38 - معاني القرآن للزجاج (أبي إسحاق إبراهيم بن السري الزجاج المتوفى سنة 311 هـ). (ط).
39 - الناسخ والمنسوخ لأبي عبيد القاسم بن سلام. (ط).
ثالثا: كتب السنة وعلوم الحديث وشروحه:
أ-الكتب الستة مضافًا إليها مسند أحمد بن حنبل:40 - الجامع الصحيح للإمام البخاري. (ط).
41 - صحيح مسلم للإمام أبي الحسين مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، المتوفى سنة (261 هـ-875 م). (ط).
42 - سنن أبي داود (سليمان بن الأشعث الأزدي السجستاني)، المتوفى سنة (275 هـ 889 م). (ط).
43 - سنن الترمذي (الجامع) لأبي عيسى محمد بن عيسى بن سورة الترمذي، المتوفى (279 هـ-892 م). (ط).
44 - سنن النسائي (أبي عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي)، المتوفى سنة 303 هـ، 915 م. (ط).
45 - سنن ابن ماجه (أبي عبد الله محمد بن يزيد بن ماجه القزويني)، المتوفى سنة 273 هـ-886 م. (ط).
খ- কুরআন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানসমূহ:৩১ - আবু আমর আদ-দানীর "আল-বায়ান" (হাফিজ আবু আমর উসমান ইবনে সাইদ ইবনে উসমান ইবনে সাইদ, যিনি আদ-দানী নামে পরিচিত [৩৭১ - ৪৪৪ হি.]। তিনি একজন হাফিজ, মুহাদ্দিস ও মুফাসসির। কিতাবটির পূর্ণ নাম "জামেউল বায়ান ফিল কিরাআতিল সাবআ"। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ সংকলনগুলোর একটি, যাতে পাঁচ শতাধিক বর্ণনা ও সূত্র বিদ্যমান। বলা হয় যে, এই শাস্ত্রে তাঁর জানা সমস্ত বিষয় তিনি এতে একত্রিত করেছেন।)
৩২ - আবু জাকারিয়া আন-নওয়াবীর "আত-তিবিয়ান" (মুহিউদ্দিন ইয়াহইয়া ইবনে শরাফ আন-নওয়াবী, মৃত্যু ৬৭৭ হি.)। কিতাবটির পূর্ণ নাম "আত-তিবিয়ান ফি আদাবি হামালাতিল কুরআন"। এটি দশটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত, পরবর্তীতে তিনি এটি সংক্ষেপ করেন এবং তার নাম দেন "মুখতাসারুত তিবিয়ান" (মুদ্রিত)।
৩৩ - মুহাজিরদের মধ্যে যারা কুরআন সংকলন করেছিলেন তাদের নিয়ে হাফিজ ইবনে সাম'ানীর একটি পুস্তিকা। লেখক হলেন বিচারক আবু সাইদ আব্দুল কারীম ইবনে আবি বকর মুহাম্মদ ইবনে আবি মুযাফফর আল-মানসুর আত-তামিমি আল-মারওয়াজি, মৃত্যু ৫১২ হি.।
৩৪ - ইমামগণের সকল মাসহাফসমূহ।
৩৫ - শায়খ শিহাবুদ্দিন আবু শামার "শারহুশ শাতিবিয়্যাহ" (আব্দুর রহমান ইবনে ইসমাইল আল-মাকদিসি আদ-দিমাশকি, মৃত্যু ৬৬৫ হি.)।
৩৬ - আবু উবায়েদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লামের "ফাদায়িলুল কুরআন", মৃত্যু ২২৪ হি. (মুদ্রিত)।
৩৭ - উবাই ইবনে কা'বের মাসহাফ। তিনি সেই চারজনের একজন যারা কুরআন সংকলন করেছিলেন (যায়েদ ইবনে সাবিত, মুয়াজ ইবনে জাবাল এবং আবু যায়েদ আল-আনসারি)। উবাই ১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কারো মতে তা ২০, ২২ অথবা ২৩ হিজরি।
৩৮ - আজ-যাজ্জাজের "মা'য়ানিল কুরআন" (আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আস-সাররি আজ-যাজ্জাজ, মৃত্যু ৩১১ হি.) (মুদ্রিত)।
৩৯ - আবু উবায়েদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লামের "আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ" (মুদ্রিত)।
তৃতীয়: সুন্নাহর কিতাবসমূহ, হাদিস শাস্ত্র ও এর ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ:
ক- কুতুবে সিত্তা (ছয়টি কিতাব) এবং এর সাথে মুসনাদে আহমাদ ইবনে হাম্বল:৪০ - ইমাম বুখারীর "আল-জামেউস সহীহ" (মুদ্রিত)।
৪১ - ইমাম আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আল-কুশাইরি আন-নিশাবুরীর "সহীহ মুসলিম", মৃত্যু (২৬১ হি.-৮৭৫ খ্রি.) (মুদ্রিত)।
৪২ - সুনানে আবু দাউদ (সুলাইমান ইবনুল আশ'াস আল-আযদি আস-সিজিস্তানি), মৃত্যু (২৭৫ হি.-৮৮৯ খ্রি.) (মুদ্রিত)।
৪৩ - আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সাওরা আত-তিরমিযীর "সুনানে তিরমিযী" (আল-জামে'), মৃত্যু (২৭৯ হি.-৮৯২ খ্রি.) (মুদ্রিত)।
৪৪ - সুনানে নাসাঈ (আবু আব্দুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব আন-নাসাঈ), মৃত্যু ৩০৩ হি.-৯১৫ খ্রি. (মুদ্রিত)।
৪৫ - সুনানে ইবনে মাজাহ (আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে মাজাহ আল-কাযভিনি), মৃত্যু ২৭৩ হি.-৮৮৬ খ্রি. (মুদ্রিত)।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
46 - مسند الإمام أحمد بن حنبل (أبي عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل الشيباني الذهلي)، المتوفى 241 هـ-855 م، وصاحب المذهب الحنبلي المشهور. (ط).
ب-بقية كتب السنة وعلوم الحديث وشروحه:47 - أحاديث الأصول للحافظ ابن كثير.
48 - الأحوذي في شرح الترمذي للإمام أبي بكر محمد بن العربي، المتوفى سنة 543 هـ، واسم الكتاب (عارضة الأحوذي في شرح الترمذي). (ط).
49 - الأسماء والصفات للبيهقي (أبي بكر أحمد بن الحسين بن علي البيهقي)، المتوفى سنة 453 هـ، والكتاب يتضمن الأحاديث الواردة في أسماء الله تعالى وصفاته وهو مطبوع بمطبعة أنوار أحمدي بالهند سنة 1313 هـ.
50 - الأربعين الطائية لأبي الفتوح محمد بن محمد بن علي الطائي الهمداني، المتوفى سنة 555 هـ. وقد ذكر فيه أنه أملى أربعين حديثا من مسموعاته عن أربعين شيخا، كل حديث عن واحد من الصحابة، فذكر ترجمته وفضائله، وأورد عقيب كل حديث بعض ما اشتمل عليه من الفوائد، وشرح غريبه وأتبع بكلمات مستحسنة وسماه (الأربعين في إرشاد السائرين إلى منازل اليقين).
51 - الأطراف لأبي الحجاج المزي. (ط) باسم تحفة الأشراف.
52 - الأفراد للدارقطني (أبي الحسن علي بن عمر الدارقطني الشافعي) المولود في دار قطن من محال بغداد (306 هـ-918 م) والمتوفى (385 هـ-995 م) أما اسم الكتاب فهو: (فوائد الأفراد).
53 - الأمالي لأحمد بن سليمان النجاد (أبي بكر أحمد بن سليمان بن الحسن الحنبلي المعروف بالنجاد، فقيه محدث)، توفى 348 هـ-960 م، ويبدو أن كتابه هذا هو ما أملاه في دروسه التي كان يعقدها بعد صلاة الجمعة (وكانت له حلقتان في جامع المنصور: حلقة قبل الصلاة للفتوى على مذهب الإمام أحمد، وبعد الصلاة لإملاء الحديث، واتسعت رواياته وانتشرت أحاديثه ومصنفاته، وكان رأسا في الفقه رأسا في الحديث).
54 - الأنواع والتقاسيم في الحديث لابن حبان (الحافظ محمد بن أحمد بن حبان البستي) المولود في بست من نواحي سجستان بين هراه وغزنة، والمتوفى (354 هـ 965 م) (ط) بترتيب الفارسي.
55 - الثقات لابن حبان. (ط).
56 - جامع الأصول لابن الأثير (المبارك بن محمد بن محمد بن عبد الكريم الشيباني الجزري المتوفى 606 هـ) أما الكتاب فهو (جامع الأصول من أحاديث الرسول) جمع فيه ابن الأثير الأصول الستة: البخاري، ومسلم، والموطأ، وأبو داود، والنسائي، والترمذي، وله مختصر يسمى (تيسير الوصول إلى جامع الأصول) لابن الديبع الشيباني، المتوفى سنة 944 هـ وهو مطبوع بالمكتبة التجارية بتحقيق الشيخ حامد الفقي، وبتحقيق الشيخ عبد القادر الأرناؤوط.
৪৬ - ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের মুসনাদ (আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল আশ-শায়বানি আদ-দুহলি), মৃত্যু ২৪১ হিজরি-৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ, এবং তিনি বিখ্যাত হাম্বলি মাযহাবের ইমাম। (মুদ্রিত)।
খ- সুন্নাহর অবশিষ্ট কিতাবসমূহ এবং হাদীস বিজ্ঞান ও এর ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ:৪৭ - হাফেজ ইবনে কাসীরের ‘আহাদীসুল উসুল’।
৪৮ - ইমাম আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল আরাবি (মৃত্যু ৫৪৩ হিজরি) রচিত তিরমিযীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘আল-আহওয়াযী’, গ্রন্থটির মূল নাম হলো ‘আরজাতুল আহওয়াযী ফি শারহিত তিরমিযী’। (মুদ্রিত)।
৪৯ - বায়হাকীর (আবু বকর আহমাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আলী আল-বায়হাকী, মৃত্যু ৪৫৩ হিজরি) রচিত ‘আল-আসমা ওয়াস সিফাত’। কিতাবটিতে মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী সম্পর্কিত হাদীসসমূহ রয়েছে এবং এটি ভারতের আনওয়ারে আহমাদী প্রেস থেকে ১৩১৩ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে।
৫০ - আবু আল-ফুতুহ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আত-তাঈ আল-হামাদানী (মৃত্যু ৫৫৫ হিজরি) রচিত ‘আল-আরবাঈন আত-তাঈয়্যাহ’। এতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তার শ্রুত হাদীসসমূহ থেকে চল্লিশজন শায়খের সূত্রে চল্লিশটি হাদীস বর্ণনা করেছেন, যার প্রতিটি হাদীস একজন করে সাহাবীর মাধ্যমে বর্ণিত। তিনি সাহাবীদের জীবনী ও ফযীলত উল্লেখ করেছেন এবং প্রতিটি হাদীসের পরে তার অন্তর্ভুক্ত কিছু উপকারিতা বর্ণনা করেছেন। তিনি এর কঠিন শব্দগুলোর ব্যাখ্যা করেছেন এবং কিছু পছন্দনীয় কথা সংযুক্ত করেছেন। তিনি গ্রন্থটির নাম রেখেছেন ‘আল-আরবাঈন ফি ইরশাদিস সায়িরীন ইলা মানাযিলিল ইয়াকীন’।
৫১ - আবুল হাজ্জাজ আল-মিযযীর ‘আল-আতরাফ’। এটি ‘তুহফাতুল আশরাফ’ নামে মুদ্রিত।
৫২ - আদ-দারাকুতনীর (আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী আশ-শাফিয়ী, জন্ম বাগদাদের দারা কুতন মহল্লায় ৩০৬ হিজরি-৯১৮ খ্রিস্টাব্দ এবং মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি-৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ) রচিত ‘আল-আফরাদ’। কিতাবটির পূর্ণ নাম হলো: ‘ফাওয়ায়িদুল আফরাদ’।
৫৩ - আহমাদ ইবনে সুলাইমান আন-নাজ্জাদের (আবু বকর আহমাদ ইবনে সুলাইমান ইবনুল হাসান আল-হাম্বলী, যিনি নাজ্জাদ নামে পরিচিত, একজন ফকীহ ও মুহাদ্দিস, মৃত্যু ৩৪৮ হিজরি-৯৬০ খ্রিস্টাব্দ) ‘আল-আমালী’। প্রতীয়মান হয় যে, এই কিতাবটি সেই সব দারসের সংকলন যা তিনি জুমার নামাযের পর প্রদান করতেন (জামে আল-মানসুরে তার দুটি মাহফিল ছিল: একটি নামাযের আগে ইমাম আহমদের মাযহাব অনুযায়ী ফতোয়া প্রদানের মাহফিল এবং অন্যটি নামাযের পরে হাদীস শ্রুতলিপি প্রদানের মাহফিল; তার বর্ণনা ও হাদীস এবং গ্রন্থসমূহ ব্যাপক প্রচার ও প্রসার লাভ করেছিল। তিনি ফিকহ ও হাদীস উভয় শাস্ত্রেই শীর্ষস্থানীয় ইমাম ছিলেন)।
৫৪ - ইবনে হিব্বানের (হাফেজ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হিব্বান আল-বুসতী, জন্ম সিজিস্তানের হেরাত ও গজনি মধ্যবর্তী বুসত অঞ্চলে এবং মৃত্যু ৩৫৪ হিজরি ৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ) হাদীস বিষয়ক গ্রন্থ ‘আল-أنواع والتقاسيم’ (আল-আনওয়া ওয়াল তাকাসিম)। এটি ফারসীর বিন্যাস অনুযায়ী মুদ্রিত।
৫৫ - ইবনে হিব্বানের ‘আত-সিকাত’। (মুদ্রিত)।
৫৬ - ইবনুল আসীরের (আল-মুবারক ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল কারীম আশ-শায়বানী আল-জাযারী, মৃত্যু ৬০৬ হিজরি) ‘জামেউল উসুল’। কিতাবটির পূর্ণ নাম হলো ‘জামেউল উসুল মিন আহাদীসির রাসূল’। এতে ইবনুল আসীর ছয়টি মূল গ্রন্থ একত্রিত করেছেন: বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা, আবু দাউদ, নাসাঈ এবং তিরমিযী। ইবনে দাইবা আশ-শায়বানী (মৃত্যু ৯৪৪ হিজরি) এর ‘তয়সীরুল উসুল ইলা জামেউল উসুল’ নামক একটি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, যা শেখ হামিদ আল-ফিকী এবং শেখ আব্দুল কাদির আল-আরনাউতের তাহকীকে মাকতাবা তিজারিয়া থেকে মুদ্রিত।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
57 - جامع الثوري (سفيان بن سعيد بن مسروق الثوري)، المتوفى سنة 161 هـ وجامعه يسمى (الجامع الكبير) يجرى مجرى الحديث رواه عنه جماعة منهم يزيد بن أبي حكيم وعبد الله بن الوليد، وله أيضًا (كتاب الجامع الصغير وكتاب الفرائض).
58 - الجامع لآداب الراوي والسامع: للخطيب البغدادي (أبي أحمد بن علي بن ثابت المعروف بالخطيب)، البغدادي والمتوفى سنة 463 هـ. (ط).
59 - جامع المسانيد لابن الجوزي.
60 - الجرح والتعديل لابن أبي حاتم. (ط).
61 - جزء في الأحاديث التي تنهى عن إتيان النساء في أدبارهن للذهبي.
62 - جزء في الأحاديث الواردة في الاستغفار للدارقطني.
63 - جزء في الأحاديث الواردة في فضل الأيام العشرة من ذي الحجة لابن كثير.
64 - جزء في الأحاديث الواردة في كفارة المجلس لابن كثير.
65 - جزء في حديث الصور لابن كثير أيضًا.
66 - جزء في الرد على حديث السجل لابن كثيركذلك.
67 - الخلافيات للبيهقي. قال السبكي في طبقات الشافعية: (وأما كتاب الخلافيات فلم يسبق إلى نوعه، ولم يصنف مثله، وهو طريقة مستقلة حديثة لا يقدر عليها إلا مبرز في الفقه والحديث قيم بالنصوص). (ط).
68 - دلائل النبوة لأبي زرعة الرازي (عبيد الله بن عبد الكريم بن يزيد فروخ الرازي (أبي زرعة) محدث حافظ، توفى (264 هـ-878 م).
69 - دلائل النبوة لأبي نعيم الأصبهاني (أحمد بن عبد الله الأصبهاني)، المتوفى سنة 420 هـ، صاحب حلية الأولياء، وكتابه ذاك ثلاثة أجزاء، ذكر منها مؤلفها الأحاديث الواردة في شأن النبي صلى الله عليه وسلم وما يتعلق بحياته ونشأته وبعثته وزواجه وغزواته إلخ. وهو مطبوع بمطبعة دائرة المعارف النظامية بحيدر آباد الدكن بالهند سنة 1320 هـ.
70 - دلائل النبوة للبيهقي، وموضوعه كسالفه. (ط).
71 - السنة للطبراني، (أبي القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب الطبراني) صاحب المعاجم الثلاثة (الكبير والأوسط والأصغر) (260 - 360 هـ).
72 - السنن لأبي بكر بن عاصم (الحافظ أحمد بن عمر الشيباني)، المتوفى 287 هـ. (ط).
73 - سنن أبي بكر الأثرم، (من أصحاب أحمد بن حنبل واسمه أحمد بن محمد بن هاني ويكنى أبا بكر)، له من الكتب كتاب السنن في الفقه على مذهب أحمد وشواهده من الحديث، وكتاب التاريخ وكتاب العلل وكتاب الناسخ والمنسوخ في الحديث.
74 - سنن أبي بكر البيهقي. (ط).
৫৭ - জামে আস-সাওরি (সুফিয়ান ইবনে সাঈদ ইবনে মাসরুক আস-সাওরি), মৃত্যু ১৬১ হিজরি। তাঁর সংকলিত জামে গ্রন্থটি 'আল-জামে আল-কাবির' নামে পরিচিত, যা হাদিসের রীতিতে রচিত। একদল বর্ণনাকারী তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাকিম এবং আবদুল্লাহ ইবনে আল-ওয়ালিদ। তাঁর আরও রয়েছে 'কিতাব আল-জামে আস-সাগির' এবং 'কিতাব আল-ফারায়েদ'।
৫৮ - আল-জামে লি আদাবুর রাওয়ি ওয়াস সামি: আল-খতিব আল-বাগদাদি (আবু আহমদ ইবনে আলি ইবনে সাবিত, যিনি আল-খতিব নামে পরিচিত) প্রণীত। তিনি বাগদাদের অধিবাসী এবং ৪৬৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (মুদ্রিত)।
৫৯ - ইবনুল জাওযি রচিত জামেউল মাসানিদ।
৬০ - ইবনে আবি হাতিম রচিত আল-জারহু ওয়াত-তাদিল। (মুদ্রিত)।
৬১ - নারীদের পশ্চাৎপথে সহবাস নিষিদ্ধ হওয়া সংক্রান্ত হাদিসসমূহের ওপর আয-যাহাবি রচিত একটি জুয (পুস্তিকা)।
৬২ - ইস্তিগফার সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহের ওপর আদ-দারা কুতনি রচিত একটি জুয।
৬৩ - জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহের ওপর ইবনে কাসির রচিত একটি জুয।
৬৪ - মজলিসের কাফফারা সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহের ওপর ইবনে কাসির রচিত একটি জুয।
৬৫ - অনুরূপভাবে শিঙ্গায় ফুঁৎকার (আল-সুর) বিষয়ক হাদিস সম্পর্কে ইবনে কাসির রচিত একটি জুয।
৬৬ - একইভাবে 'হাদিসুস সিজিল'-এর খণ্ডনের ওপর ইবনে কাসির রচিত একটি জুয।
৬৭ - আল-বায়হাকি রচিত আল-খিলাফিয়্যাত। আস-সুবকি 'তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ' গ্রন্থে বলেছেন: (আর 'আল-খিলাফিয়্যাত' গ্রন্থটির ক্ষেত্রে বলা যায় যে, এর আগে এই ধরণের কোনো কাজ হয়নি এবং এর মতো কোনো গ্রন্থ রচিত হয়নি। এটি একটি স্বতন্ত্র আধুনিক পদ্ধতি, যা ফিকহ ও হাদিসশাস্ত্রে পারদর্শী এবং মূল পাঠের (নুসুস) ওপর গভীর জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ রচনা করতে সক্ষম নয়)। (মুদ্রিত)।
৬৮ - আবু জুরআ আর-রাজি রচিত দালায়েলুন নুবুওয়াহ। আবু জুরআ (উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে ইয়াজিদ ফারুখ আর-রাজি) ছিলেন একজন হাদিস বিশারদ ও হাফেজ; তিনি ২৬৪ হিজরি/৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
৬৯ - আবু নুআইম আল-আসফাহানি (আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আসফাহানি) রচিত দালায়েলুন নুবুওয়াহ। তিনি 'হিলয়াতুল আউলিয়া' গ্রন্থের লেখক এবং ৪২০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই গ্রন্থটি তিন খণ্ডে বিভক্ত। এতে লেখক নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মর্যাদা এবং তাঁর জীবন, শৈশব, নবুওয়াত প্রাপ্তি, বিবাহ, যুদ্ধ-বিগ্রহ ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহ উল্লেখ করেছেন। এটি ভারতের হায়দ্রাবাদ দাক্ষিণাত্যের দাইরাতুল মাআরিফ আন-নিজামিয়া প্রেস থেকে ১৩২০ হিজরিতে মুদ্রিত হয়েছে।
৭০ - আল-বায়হাকি রচিত দালায়েলুন নুবুওয়াহ; এর বিষয়বস্তু পূর্বোক্ত গ্রন্থের অনুরূপ। (মুদ্রিত)।
৭১ - আত-তাবারানি রচিত আস-সুন্নাহ। তিনি (আবু আল-কাসিম সুলায়মান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি) প্রসিদ্ধ তিন মু'জাম (আল-কাবির, আল-আওসাত এবং আস-সাগির)-এর রচয়িতা (২৬০ - ৩৬০ হিজরি)।
৭২ - আবু বকর ইবনে আসিম (হাফেজ আহমদ ইবনে উমর আশ-শাইবানি) রচিত আস-সুনান, যিনি ২৮৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (মুদ্রিত)।
৭৩ - আবু বকর আল-আছরাম রচিত সুনান। তিনি ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের অন্যতম সঙ্গী ছিলেন, তাঁর নাম আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হানি এবং উপনাম আবু বকর। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে ইমাম আহমদের মাজহাব অনুযায়ী ফিকহশাস্ত্রের ওপর 'কিতাবুস সুনান', যেখানে হাদিসের প্রমাণাদি বিধৃত হয়েছে। এছাড়াও তাঁর 'কিতাবুত তারিখ', 'কিতাবুল ইলাল' এবং হাদিসের 'নাসিখ ও মানসুখ' বিষয়ক গ্রন্থ রয়েছে।
৭৪ - আবু বকর আল-বায়হাকি রচিত সুনান। (মুদ্রিত)।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
75 - سنن الدارقطني. (ط).
76 - سنن سعيد بن منصور الخراساني، المتوفى 227 هـ، وله تفسير كما ذكر الثعلبي في الكشف (ط) قسم منه.
77 - شرح البخاري للحافظ ابن كثير، وهو من الكتب المفقودة.
78 - شرح مسلم للنووي. (ط).
79 - صحيح ابن خزيمة (محمد بن إسحاق النيسابوري)، المتوفى سنة 311 هـ. (ط). قسم منه.
80 - علل الخلال (أبي بكر أحمد بن محمد بن هارون البغدادي الحنبلي المعروف بالخلال)، المتوفى 311 هـ. (ط).
81 - المحدث الفاصل بين الراوي والواعي للرامهرمزي (الحافظ أبي محمد الحسن بن عبد الرحمن بن خلاد الرامهرمزي)، المتوفى 0 26 هـ 971 م. (ط).
82 - المختارة للضياء المقدسي، واسمه "الأحاديث المختارة" يقول ابن كثير في كتابه (اختصار علوم الحديث): (وقد جمع الشيخ ضياء الدين محمد بن عبد الواحد المقدسي في ذلك كتابا سماه (المختارة)، ولم يتم، وكان بعض الحفاظ من مشايخنا يرجحه على مستدرك الحاكم والله أعلم)، وعلق الشيخ شاكر على هذا فقال: كأنه يعني شيخه الحافظ ابن تيمية، رحمه الله، وقال السيوطي في اللآلئ: (ذكر الزركشي في تخريج الرافعي أن تصحيحه أعلى مزية من تصحيح الترمذي وابن حبان) وقال ابن كثير في البداية والنهاية: (وهي أجود من مستدرك الحاكم لو كمل). (ط) قسم منه.
83 - المراسيل لأبي داود. (ط).
84 - المستخرج على البخاري للحافظ أبي بكر البرقاني (أحمد بن محمد بن أحمد بن غالب الخوارزمي)، المتوفى 425 هـ.
85 - المستخرج على الصحيحين للضياء المقدسي.
86 - مستدرك الحاكم للنيسابوري (أبي عبد الله محمد بن عبد الله بن حمد بن نعيم الضبي النيسابوري الشهير بالحاكم وبابن البيع)، المتوفى 404 هـ، وكتابه يسمى (المستدرك على الصحيحين)، وفيه يدافع الحاكم عن كثير من الأحاديث التي لم يدخلها البخاري ومسلم في صحيحيهما ويبرهن على أنها مستكملة لشروطهما تمامًا وإن عدلا عن ضمها إلى كتابيهما. (ط).
87 - مسند أبي بكر البزار (أحمد بن عمرو البصري البزار)، المتوفى 291 هـ أو 292. (ط). قسم منه.
88 - مسند أبي بكر الحميدي (الحافظ عبد الله بن الزبير المكي)، المتوفى 219 هـ. (ط).
89 - مسند أبي بكر الصديق لابن كثير.
৭৫ - সুনান আদ-দারাকুতনী। (মুদ্রিত)।
৭৬ - সুনান সাঈদ ইবনে মানসুর আল-খুরাসানি, মৃত্যু ২২৭ হিজরি; তাঁর একটি তাফসিরও রয়েছে যেমনটি আস-সালাবি ‘আল-কাশফ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন (মুদ্রিত) এর একটি অংশ।
৭৭ - হাফেজ ইবনে কাসির রচিত শরহে বুখারি, এটি একটি হারানো (অপ্রাপ্য) কিতাব।
৭৮ - ইমাম নববী রচিত শরহে মুসলিম। (মুদ্রিত)।
৭৯ - সহিহ ইবনে খুজাইমাহ (মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আন-নিশাপুরি), মৃত্যু ৩১১ হিজরি। (মুদ্রিত)। এর একটি অংশ।
৮০ - ইলালুল খাল্লাল (আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-বাগদাদি আল-হানবালি, যিনি আল-খাল্লাল নামে পরিচিত), মৃত্যু ৩১১ হিজরি। (মুদ্রিত)।
৮১ - আর-রামাহুরমুজি রচিত ‘আল-মুহাদ্দিসুল ফাসিল বাইনার রাওয়ি ওয়াল ওয়ায়ি’ (হাফেজ আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আবদুর রহমান ইবনে খাল্লাদ আর-রামাহুরমুজি), মৃত্যু ২৬০ হিজরি / ৯৭১ খ্রিস্টাব্দ। (মুদ্রিত)।
৮২ - দিয়া আল-মাকদিসি রচিত ‘আল-মুখতারা’, যার নাম ‘আল-আহাদিস আল-মুখতারা’। ইবনে কাসির তাঁর ‘ইখতিসার উলুমিল হাদিস’ কিতাবে বলেন: (শায়খ দিয়াউদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি এ বিষয়ে একটি কিতাব সংকলন করেছেন যার নাম দিয়েছেন ‘আল-মুখতারা’, তবে এটি পূর্ণাঙ্গ হয়নি। আমাদের উস্তাদদের মধ্যে কোনো কোনো হাফেজ একে হাকেমের মুস্তাদরাকের ওপর প্রাধান্য দিতেন, আল্লাহই ভালো জানেন)। শায়খ শাকির এর ওপর মন্তব্য করে বলেন: মনে হয় তিনি তাঁর উস্তাদ হাফেজ ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-কে বুঝিয়েছেন। আস-সুয়ুতি ‘আল-লাআলি’ গ্রন্থে বলেন: (যারকাসি ‘তাখরিজুল রাফেয়ি’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এর সহিহকরণের মর্যাদা তিরমিযী এবং ইবনে হিব্বানের সহিহকরণের চেয়েও ঊর্ধ্বে)। ইবনে কাসির ‘আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’ গ্রন্থে বলেন: (যদি এটি পূর্ণাঙ্গ হতো, তবে এটি হাকেমের মুস্তাদরাকের চেয়েও উৎকৃষ্ট হতো)। (মুদ্রিত) এর একটি অংশ।
৮৩ - আবু দাউদ রচিত ‘আল-মারাসিল’। (মুদ্রিত)।
৮৪ - হাফেজ আবু বকর আল-বারকানি (আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে গালিব আল-খাওয়ারিজমি) রচিত ‘আল-মুস্তাখরাজ আলাল বুখারি’, মৃত্যু ৪২৫ হিজরি।
৮৫ - দিয়া আল-মাকদিসি রচিত ‘আল-মুস্তাখরাজ আলাস সহিহাইন’।
৮৬ - নিশাপুরি রচিত ‘মুস্তাদরাকে হাকেম’ (আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হামদ ইবনে নুয়াইম আদ-দব্বি আন-নিশাপুরি, যিনি হাকেম এবং ইবনুল বাইয়ি নামে প্রসিদ্ধ), মৃত্যু ৪০৪ হিজরি। তাঁর কিতাবটির নাম ‘আল-মুস্তাদরাক আলাস সহিহাইন’। এতে হাকেম এমন অনেক হাদিসের পক্ষ সমর্থন করেছেন যা ইমাম বুখারি ও মুসলিম তাঁদের সহিহ গ্রন্থদ্বয়ে অন্তর্ভুক্ত করেননি এবং তিনি প্রমাণ করেছেন যে, ঐ হাদিসগুলো পুরোপুরিভাবে তাঁদের (বুখারি ও মুসলিমের) শর্তাবলি পূরণ করে, যদিও তাঁরা সেগুলো তাঁদের কিতাবভুক্ত করা থেকে বিরত ছিলেন। (মুদ্রিত)।
৮৭ - মুসনাদে আবু বকর আল-বাযযার (আহমদ ইবনে আমর আল-বাসরি আল-বাযযার), মৃত্যু ২৯১ বা ২৯২ হিজরি। (মুদ্রিত)। এর একটি অংশ।
৮৮ - মুসনাদে আবু বকর আল-হুমাইদি (হাফেজ আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের আল-মাক্কি), মৃত্যু ২১৯ হিজরি। (মুদ্রিত)।
৮৯ - ইবনে কাসির রচিত ‘মুসনাদে আবু বকর আস-সিদ্দিক’।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
90 - مسند أبي داود الطيالسي، سليمان بن داود بن الجارود الطيالسي الفارسي مولى بني الزبير المتوفى 202 هـ، وقيل 204 هـ، والكتاب مطبوع بحيدر آباد بالهند سنة 1321 هـ.
91 - مسند أبي يعلى الموصلي (الحافظ أحمد بن علي بن المثنى الموصلي)، المتوفى 307 هـ-918 م. (ط).
92 - مسند الحارث بن أبي أسامة (أبي محمد الحارث بن محمد بن أبي أسامة التهيمي البغدادي) 186 - 282 هـ.
93 - مسند الدارمي (عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي السمرقندي، شيخ مسلم وأبي داود والترمذي)، المتوفى 255 هـ-869 م، وقد نشر الكتاب في حيدر آباد سنة 1309 هـ، وفي دلهى سنة 1337 هـ.
94 - مسند الشافعي (الإمام الكبير صاحب المذهب المعروف باسمه محمد بن إدريس الشافعي) المولود (150 هـ-767 م) والمتوفى (204 هـ-820 م) (ط).
95 - مسند ابن عباس رضي الله عنه، الجزء الثاني منه للحافظ أبي يعلى الموصلي.
96 - مسند عبد بن حميد.
97، 98 - مسند عمر بن الخطاب للحافظ ابن كثير. (ط).
99 - المسند الكبير لابن كثير (واسمه جامع المسانيد والسنن الهادي لأقوم سنن). (ط).
100 - مسند محمد بن يحيى العبدي (الحافظ أبي عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد بن يحيى بن منده بن الوليد العبدي)، المتوفى 395 هـ-1005 م.
101 - مسند الهيثم بن كليب (ابن شريح الشاشي أبي سعيد)، المتوفى 335 هـ-945 م وكتابه يسمى (المسند الكبير في الحديث) في مجلدين. (ط) قسم منه.
102 - مشكل الحديث لأبي جعفر الطحاوي (أحمد بن محمد بن سلامة الأزدي المصري الطحاوي)، المتوفي 321، وقيل: 322 هـ. (ط).
103 - مشكل الحديث لابن قتيبة (عبد الله بن مسلم بن قتيبة الدينوري أبي محمد)، المتوفى 213 - 276 هـ. (ط).
104 - مصنف عبد الرزاق الصنعاني. (ط).
105 - المطولات للطبراني. (ط).
106 - معجم أبي العباس الدغولي، المتوفى (325 هـ-937 م) (أبي العباس محمد بن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله السرخسي الدغولي).
107 - معجم أبي القاسم البغوي (عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي، ويعرف بابن بنت منيع) المتوفى 317 هـ، وله المعجم الكبير والمعجم الصغير وكتاب السنن على مذاهب الفقهاء.
108 - المعجم الكبير للطبراني. (ط).
90 - মুসনাদ আবি দাউদ আত-তায়ালিসি, সুলাইমান বিন দাউদ বিন আল-জারুদ আত-তায়ালিসি আল-ফারিসি, বনু জুবাইরের মুক্তদাস, মৃত্যু ২০২ হিজরি, মতান্তরে ২০৪ হিজরি। গ্রন্থটি ১৩২১ হিজরিতে ভারতের হায়দ্রাবাদে মুদ্রিত হয়েছে।
91 - মুসনাদ আবি ইয়ালা আল-মাওসিলি (আল-হাফিজ আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না আল-মাওসিলি), মৃত্যু ৩০৭ হিজরি-৯১৮ খ্রিষ্টাব্দ। (মুদ্রিত)।
92 - মুসনাদ আল-হারিস বিন আবি উসামা (আবু মুহাম্মদ আল-হারিস বিন মুহাম্মদ বিন আবি উসামা আত-তামিমি আল-বাগদাদি) ১৮৬ - ২৮২ হিজরি।
93 - মুসনাদ আদ-দারিমি (আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আদ-দারিমি আস-সামারকান্দি, ইমাম মুসলিম, আবু দাউদ ও তিরমিজির উস্তাদ), মৃত্যু ২৫৫ হিজরি-৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দ। গ্রন্থটি ১৩০৯ হিজরিতে হায়দ্রাবাদে এবং ১৩৩৭ হিজরিতে দিল্লিতে প্রকাশিত হয়েছে।
94 - মুসনাদ আশ-শাফিঈ (বিখ্যাত মাজহাবের ইমাম ও প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফিঈ), জন্ম (১৫০ হিজরি-৭৬৭ খ্রিষ্টাব্দ) এবং মৃত্যু (২০৪ হিজরি-৮২০ খ্রিষ্টাব্দ) (মুদ্রিত)।
95 - মুসনাদ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু), এর দ্বিতীয় খণ্ড হাফিজ আবু ইয়ালা আল-মাওসিলির সংকলিত।
96 - মুসনাদ আবদ বিন হুমাইদ।
97, 98 - হাফিজ ইবনে কাসির সংকলিত মুসনাদ ওমর বিন আল-খাত্তাব। (মুদ্রিত)।
99 - ইবনে কাসিরের আল-মুসনাদ আল-কাবির (যার নাম জামিউল মাসানিদ ওয়াস সুনান আল-হাদি লি-আকওয়ামি সুনান)। (মুদ্রিত)।
100 - মুসনাদ মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-আবদি (আল-হাফিজ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ বিন আল-ওয়ালিদ আল-আবদি), মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি-১০০৫ খ্রিষ্টাব্দ।
101 - মুসনাদ আল-হাইসাম বিন কুলাইব (ইবনে শুরাইহ আশ-শাশী আবু সাঈদ), মৃত্যু ৩৩৫ হিজরি-৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দ। তাঁর গ্রন্থটির নাম 'আল-মুসনাদ আল-কাবির ফিল হাদিস', যা দুই খণ্ডে সমাপ্ত। এর একটি অংশ (মুদ্রিত)।
102 - আবু জাফর আত-তাহাবীর মুশকিলুল হাদিস (আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সালামা আল-আজদি আল-মিসরি আত-তাহাবী), মৃত্যু ৩২১ হিজরি, মতান্তরে ৩২২ হিজরি। (মুদ্রিত)।
103 - ইবনে কুতায়বার মুশকিলুল হাদিস (আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতায়বা আদ-দিনাওয়ারি আবু মুহাম্মদ), মৃত্যু ২১৩ - ২৭৬ হিজরি। (মুদ্রিত)।
104 - মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক আস-সানআনি। (মুদ্রিত)।
105 - তাবারানির আল-মুতাত্তওয়ালাত। (মুদ্রিত)।
106 - মুজাম আবি আল-আব্বাস আদ-দাগুলি, মৃত্যু (৩২৫ হিজরি-৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দ) (আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আস-সারখাসি আদ-দাগুলি)।
107 - মুজাম আবি আল-কাসিম আল-বাগাওয়ী (আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, যিনি ইবনে বিন্তি মানি' নামে পরিচিত), মৃত্যু ৩১৭ হিজরি। তাঁর 'আল-মুজাম আল-কাবির', 'আল-মুজাম আস-সাগির' এবং ফকিহগণের মাজহাব অনুযায়ী 'কিতাবুস সুনান' নামক গ্রন্থ রয়েছে।
108 - তাবারানির আল-মুজাম আল-কাবির। (মুদ্রিত)।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
109 - الموضوعات لأبي الفرج الجوزي. قال ابن كثير عنه: (وقد صنف الشيخ أبو الفرج الجوزي كتابًا حافلا في الموضوعات غير أنه أدخل فيه ما ليس منه وخرج عنه ما كان يلزمه ذكره فسقط عليه ولم يهتد إليه). (ط) الصغرى منه.
110 - الموطأ للإمام مالك. (ط).
111 - نوادر الأصول للترمذي واسم الكتاب كاملا (نوادر الأصول في معرفة أخبار الرسول) لأبي عبد الله محمد بن علي الحكيم الترمذي. (ط). مجردا عن الأسانيد.
رابعا: مصادره في الفقه وأصوله:112 - الأحكام الكبرى للحافظ ابن كثير.
113 - الإرشاد في أصول الفقه لإمام الحرمين الجويني أبي المعالى عبد الملك بن عبد الله بن يوسف المتوفى 478 هـ. (ط).
114 - الاستذكار لأبي عمر بن عبد البر (يوسف بن عبد البر النمري القرطبي الأندلسي)، المتوفى 463. (ط).
115 - الإملاء للإمام الشافعي.
116 - الأم للإمام الشافعي. (ط).
117 - الأموال الشرعية وبيان جهاتها ومصارفها لأبي عبيد القاسم بن سلام. (ط).
118 - الإيجاز في علم الفرائض لابن اللبان (أبي الحسين محمد بن عبد الله بن اللبان المصري)، المتوفى 402 هـ.
119 - الإيضاح لأبي علي الطبري (أبي علي الحسن بن القاسم الطبري الشافعي)، المتوفى 305 هـ، واسم الكتاب (الإيضاح في الفروع).
120 - الحواشي للمنذري (للحافظ عبد العظيم بن عبد العظيم بن عبد القوي بن عبد الله المنذري زكي الدين أبي محمد محدث فقيه).
121 - جزء في تطهير المساجد لابن كثير.
122 - جزء في الذبيحة التي لم يذكر اسم الله عليها.
123 - جزء في فضل يوم عرفة لابن كثير.
124 - جزء في الميراث لابن كثير.
125 - الشامل للصباغ (واسمه الشامل في فروع الشافعية) لأبي نصر عبد السيد بن محمد المعروف بابن الصباغ الشافعي، المتوفى 477 هـ، قال ابن خلكان: وهو من أجود كتب الشافعية وأصحها نقلا.
126 - شرح المهذب للنووي. قال ابن كثير: (اعتنى -النووي-بالتصنيف فجمع شيئًا كثيرًا، منها ما أكمله، ومنها ما لم يكمله، فما كمل شرح مسلم والروضة، والمنهاج، والرياض، والأذكار،
১০৯ - আবু আল-ফারাজ আল-জাওযী রচিত 'আল-মাওদুআত'। ইবনে কাসীর তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: (শায়খ আবু আল-ফারাজ আল-জাওযী জাল হাদীস বা মাওদুআত বিষয়ে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থ রচনা করেছেন; তবে তিনি এতে এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা এর অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এমন কিছু বাদ দিয়েছেন যা উল্লেখ করা তাঁর জন্য আবশ্যক ছিল, ফলে তা তাঁর নজর এড়িয়ে গেছে এবং তিনি তার সন্ধান পাননি)। (মুদ্রিত) এর সংক্ষিপ্ত সংস্করণ।
১১০ - ইমাম মালিক রচিত 'আল-মুওয়াত্তা'। (মুদ্রিত)।
১১১ - তিরমিযী রচিত 'নাওয়াদিরুল উসুল' এবং গ্রন্থটির পূর্ণ নাম হলো (নাওয়াদিরুল উসুল ফী মা'রিফাতি আখবারির রাসূল), যা আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী আল-হাকিম আত-তিরমিযী কর্তৃক রচিত। (মুদ্রিত)। এটি সনদসমূহ বর্জিত।
চতুর্থত: ফিকহ এবং উসুলে ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর উৎসসমূহ:১১২ - হাফিজ ইবনে কাসীর রচিত 'আল-আহকামুল কুবরা'।
১১৩ - ইমামুল হারামাইন আল-জুওয়াইনী আবু আল-মা'আলী আবদুল মালিক বিন আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ (মৃত্যু ৪৭৮ হি.) রচিত উসুলে ফিকহ বিষয়ক গ্রন্থ 'আল-ইরশাদ'। (মুদ্রিত)।
১১৪ - আবু উমর ইবনে আবদিল বার (ইউসুফ বিন আবদিল বার আন-নামরী আল-কুরতুবী আল-আন্দালুসী, মৃত্যু ৪৬৩ হি.) রচিত 'আল-ইসতিযকার'। (মুদ্রিত)।
১১৫ - ইমাম শাফেয়ী রচিত 'আল-ইমলা'।
১১৬ - ইমাম শাফেয়ী রচিত 'আল-উম্ম'। (মুদ্রিত)।
১১৭ - আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম রচিত 'আল-আমওয়ালুশ শারইয়্যাহ ওয়া বায়ানু জিহাতিহা ওয়া মাসারিফিহা'। (মুদ্রিত)।
১১৮ - ইবনুল লাব্বান (আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-লাব্বান আল-মিসরী, মৃত্যু ৪০২ হি.) রচিত ফারায়িদ শাস্ত্রের গ্রন্থ 'আল-ঈজায'।
১১৯ - আবু আলী আত-তাবারী (আবু আলী আল-হাসান বিন আল-কাসিম আত-তাবারী আশ-শাফেয়ী, মৃত্যু ৩০৫ হি.) রচিত 'আল-ঈদাহ'; গ্রন্থটির পূর্ণ নাম হলো (আল-ঈদাহ ফিল ফুরূ)।
১২০ - আল-মুনযিরী (হাফিজ আবদুল আযীম বিন আবদুল আযীম বিন আবদুল কাভী বিন আবদুল্লাহ আল-মুনযিরী যাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ, যিনি একজন মুহাদ্দিস ও ফকীহ ছিলেন) রচিত 'আল-হাওয়াশী'।
১২১ - ইবনে কাসীর রচিত মসজিদসমূহ পবিত্রকরণ বিষয়ক পুস্তিকা।
১২২ - যে জবেহকৃত পশুর ওপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি সে বিষয়ক পুস্তিকা।
১২৩ - ইবনে কাসীর রচিত আরাফার দিনের ফযীলত বিষয়ক পুস্তিকা।
১২৪ - ইবনে কাসীর রচিত উত্তরাধিকার আইন বিষয়ক পুস্তিকা।
১২৫ - আস-সাব্বাগ রচিত 'আশ-শামিল' (এর পূর্ণ নাম আশ-শামিল ফী ফুরূইশ শাফেয়্যিয়্যাহ), যা আবু নাসর আবদুস সায়্যিদ বিন মুহাম্মদ, যিনি ইবনুস সাব্বাগ আশ-শাফেয়ী নামে পরিচিত (মৃত্যু ৪৭৭ হি.), কর্তৃক রচিত। ইবনে খাল্লিকান বলেন: এটি শাফেয়ী মাযহাবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বর্ণনার দিক থেকে সবচেয়ে নির্ভুল গ্রন্থ।
১২৬ - নববী রচিত 'শারহুল মুহাযযাব'। ইবনে কাসীর বলেন: (নববী গ্রন্থ রচনার প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন এবং প্রচুর কাজ সংগ্রহ করেছেন; এর মধ্যে কিছু তিনি সম্পন্ন করেছেন, আর কিছু অসম্পূর্ণ রেখেছেন। যা তিনি সম্পন্ন করেছেন তার মধ্যে রয়েছে শারহ মুসলিম, আল-রাওদাহ, আল-মিনহাজ, আল-রিয়াদ এবং আল-আযকার,)
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
والتبيان، وتحرير التنبيه وتصحيحه وتهذيب الأسماء واللغات وطبقات الفقهاء وغير ذلك. ومما لم يتمه -ولو كمل لم يكن له نظير في بيان: شرح المهذب الذي سماه (المجموع) وصل فيه إلى كتاب الربا فأبدع فيه وأجاد، وأفاد وأحسن الانتقاء وحرر الفقه فيه في المذهب وغيره وحرر الحديث على ما ينبغي. (ط).
127 - الشرح الكبير للرافعي (أبي القاسم عبد الكريم بن محمد بن عبد الكريم القزويني الرافعي)، المتوفى سنة 623 هـ، وكتابه يسمى: (العزيز في شرح الوجيز) وله أيضًا الشرح الصغير) و (المحرر) و (شرح مسند الشافعي). (ط).
128 - الصلاة للمروزي (أبي عبد الله محمد بن نصر المروزي) كان من أشهر المحدثين في زمانه)، توفى 294 هـ-906 م. (ط).
129 - الصيام لابن كثير.
130 - العبادة للكامل الهذلي (أبي القاسم يوسف بن علي بن جبارة بن محمد الهذلي المغربي المتوفى 465 هـ-1074 م).
131 - العدة للرافعي.
132 - فضائل الأوقات للبيهقي.
133 - فضائل الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم لأحمد بن فارس اللغوي، أبي الحسين القزويني، المتوفى (395 هـ-1004) م.
134 - فضل الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم للقاضي إسماعيل بن إسحاق بن إسماعيل الأذري أبي إسحاق، المتوفى 282 هـ-896 م. (ط).
135 - كتاب جمعه الذهبي في الكبائر. (ط).
136 - كتاب لابن تيمية في إبطال التحليل تضمن النهي عن تعاطي الوسائل المفضية إلى كل باطل. (ط). ضمن الفتاوى.
137 - كشف الغطا في تبيين الصلاة الوسطى للحافظ أبي محمد عبد المؤمن بن خلف الدمياطي.
138 - المحلى لابن حزم (أبي محمد بن حزم علي الظاهري)، المتوفى 456 هـ. (ط).
139 - المختصر للإمام الشافعي.
140 - مصنف للإمام أبي عبد الله البخاري في مسألة القراءة خلف الإمام. (ط).
141 - المقدمات لابن كثير.
142 - النهاية للإمام الجويني، واسم الكتاب (نهاية المطلب في دراية المذهب).
143 - الياسق لجنكيزخان المتوفى (624 هـ) والكتاب عبارة عن أحكام اقتبست من شرائع شتى من اليهودية والنصرانية والإسلام وغير ذلك وكان دستور التتار.
...এবং আত-তিবইয়ান, তাহরিরুত তানবিহ ওয়া তাসহিহুহু, তাহজিবুল আসমা ওয়াল লুগাত, তাবাকাতুল ফুকাহা এবং আরও অনেক। আর তাঁর অসম্পূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে একটি—যা সম্পন্ন হলে বর্ণনার চমৎকারিত্বে এর কোনো নজির থাকতো না—তা হলো শারহুল মুহাজ্জাব যার নাম তিনি দিয়েছিলেন 'আল-মাজমু'; এতে তিনি কিতাবুর রিবা (সুদ অধ্যায়) পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন। তিনি এতে অপূর্ব সৃজনশীলতা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করেছেন, অনেক উপকৃত করেছেন, চমৎকার চয়ন করেছেন এবং স্বীয় মাযহাব ও অন্যান্য মাযহাবের ফিকহ সুসংহত করেছেন এবং যথাযথভাবে হাদিসসমূহ যাচাই-বাছাই করেছেন। (মুদ্রিত)।
১২৭ - রাফিয়ি-এর (আবুল কাসিম আবদুল কারিম বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল কারিম আল-কাযউইনি আর-রাফিয়ি) আশ-শারহুল কাবির, মৃত্যু ৬২৩ হিজরি। তাঁর কিতাবটির নাম: 'আল-আযিয ফি শারহিল ওয়াজিজ'। তাঁর আরও রয়েছে 'আশ-শারহুস সাগির', 'আল-মুহাররার' এবং 'শারহু মুসনাদিশ শাফিয়ি'। (মুদ্রিত)।
১২৮ - আল-মারওয়াযি-এর (আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন নাসর আল-মারওয়াযি) আস-সালাত; তিনি তাঁর সময়ের অন্যতম প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস ছিলেন, মৃত্যু ২৯৪ হিজরি - ৯০৬ খ্রিস্টাব্দ। (মুদ্রিত)।
১২৯ - ইবনে কাসিরের আস-সিয়াম।
১৩০ - আল-কামিল আল-হুযালি-এর (আবু কাসিম ইউসুফ বিন আলী বিন জাব্বারাহ বিন মুহাম্মদ আল-হুযালি আল-মাগরিবি, মৃত্যু ৪৬৫ হিজরি - ১০৭৪ খ্রিস্টাব্দ) আল-ইবাদাহ।
১৩১ - রাফিয়ি-এর আল-উদ্দাহ।
১৩২ - বায়হাকির ফাদায়িলুল আওকাত।
১৩৩ - ভাষাবিদ আহমদ বিন ফারিস, আবুল হুসাইন আল-কাযউইনি-এর (মৃত্যু ৩৯৫ হিজরি - ১০০৪ খ্রিস্টাব্দ) ফাদায়িলুস সালাতি আলান নাবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
১৩৪ - কাজী ইসমাইল বিন ইসহাক বিন ইসমাইল আল-আযারি আবু ইসহাক-এর (মৃত্যু ২৮২ হিজরি - ৮৯৬ খ্রিস্টাব্দ) ফাদলুস সালাতি আলান নাবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। (মুদ্রিত)।
১৩৫ - আল-কাবায়ির (কবিরা গুনাহ) বিষয়ে ইমাম যাহাবি সংকলিত একটি কিতাব। (মুদ্রিত)।
১৩৬ - ইবনে তাইমিয়ার একটি কিতাব যা 'ইবতালুত তাহলিল' (হিলা বিয়ে বাতিলকরণ) বিষয়ে, যা মূলত সকল বাতিল বা অসত্যের দিকে ধাবিতকারী মাধ্যমসমূহ অবলম্বনে নিষেধ করা নিয়ে রচিত। (মুদ্রিত)। এটি ফাতাওয়া সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
১৩৭ - হাফেজ আবু মুহাম্মদ আবদুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতির 'কাশফুল গিতা ফি তাবিইনিস সালাতিল উসতা'।
১৩৮ - ইবনে হাজম-এর (আবু মুহাম্মদ বিন হাজম আলী আজ-জহিরি) আল-মুহাল্লা, মৃত্যু ৪৫৬ হিজরি। (মুদ্রিত)।
১৩৯ - ইমাম শাফিয়ি-এর আল-মুখতাসার।
১৪০ - ইমাম আবু আবদুল্লাহ বুখারি কর্তৃক ইমামের পেছনে কিরাত পাঠের মাসআলা সংক্রান্ত একটি সংকলন। (মুদ্রিত)।
১৪১ - ইবনে কাসিরের আল-মুকাদ্দিমাত।
১৪২ - ইমাম জুওয়াইনি-এর আন-নিহায়াহ, কিতাবটির পূর্ণ নাম হলো: 'নিহায়াতুল মাতলাব ফি দিরায়াতিল মাযহাব'।
১৪৩ - চেঙ্গিস খানের (মৃত্যু ৬২৪ হিজরি) আল-ইয়াসাক; কিতাবটি মূলত ইহুদি, খ্রিস্টান, ইসলাম এবং অন্যান্য বিভিন্ন শরিয়ত থেকে গৃহীত বিধানের সমষ্টি এবং এটি তাতারীদের সংবিধান ছিল।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
خامسا: في التاريخ والسير والتراجم:144 - الاستيعاب في معرفة الأصحاب لابن عبد البر. (ط).
145 - أسد الغابة في معرفة الصحابة لابن الأثير. (ط).
146 - أسماء الصحابة للحافظ أبي نعيم الأصبهاني.
147 - الإكليل للهمذاني (أبي محمد الحسن بن أحمد بن يعقوب الهمذاني اليمني)، المتوفى سنة 334 هـ، والكتاب يسمى "الأكامل في أنساب حمير وأيام ملوكها" وهو كتاب عظيم الفائدة يتم في عشر مجلدات، ويشتمل على عشرة متون.
148 - البداية والنهاية لابن كثير. (ط).
149 - تاريخ الخطيب للبغدادي. (ط).
150 - تاريخ ابن عساكر (علي بن الحسن)، المتوفى سنة 571 هـ. (مخطوط).
151 - التاريخ الكبير للإمام البخاري. (ط).
152 - تاريخ مكة للأزرقي (أبي الوليد محمد بن عبد الله الأزرقي)، توفى بعد سنة 244 هـ بقليل. (ط).
153 - تهذيب الأسماء واللغات للنووي "جمع فيه الأسماء والألفاظ الموجودة في كتب: مختصر أبي إبراهيم المزني، والمهذب، والتنبيه، والوسيط، والوجيز، والروضة، وهو الكتاب الذي اختصرته من شرح الوجيز للإمام أبي القاسم الرافعي". (ط).
154 - التنوير في مولد السراج المنير للحافظ أبي الخطاب عمر بن دحية (عمر بن الحسن بن علي بن محمد بن دحية الكلبي الأندلسي الظاهري المذهب "مجد الدين-أبي الخطاب-أبي الفضل-أبي حفص"، المحدث الحافظ، المتوفى 632 هـ-1235 م).
155 - جزء في فتح القسطنطينية للحافظ ابن كثير.
156 - الروض الأنف للسهيلي (عبد الرحمن بن عبد الله السهيلي)، المتوفى 581 هـ-1185 م، وكتابه يدعى "الروض الأنف الباسم" في شرح السيرة. (ط).
157 - سيرة عمر بن الخطاب لابن كثير.
158، 159 - السيرة لابن كثير (مطولة وموجزة). (ط).
160 - سيرة الفقهاء للفقيه يحيى بن إبراهيم بن مزين الطليطلي أبي زكريا من أهل قرطبة بالأندلس.
161 - الشفاء للقاضي عياض اليحصبي، المتوفى (544 هـ-1149 م). (ط).
162 - الطبقات الكبرى لابن سعد (أبي عبد الله محمد بن سعد بن منيع) تلميذ الواقدي ومساعده، فلقب من أجل ذلك، كاتب الواقدي توفي (0 23 هـ 845 م). (ط).
163 - معرفة الصحابة لابن منده (أبي عبد الله محمد بن إسحاق بن محمد المعروف بابن منده، حفيد أبي عبد الله محمد بن يحيى).
পঞ্চম: ইতিহাস, সীরাত ও জীবনী প্রসঙ্গে:১৪৪ - ইবনে আবদিল বার রচিত ‘আল-ইস্তিআব ফী মা’রিফাতিল আসহাব’। (মুদ্রিত)।
১৪৫ - ইবনুল আসীর রচিত ‘উসদুল গাবাহ ফী মা’রিফাতিল সাহাবাহ’। (মুদ্রিত)।
১৪৬ - হাফেজ আবু নুআইম আল-আসফাহানী রচিত ‘আসমাউস সাহাবাহ’।
১৪৭ - হামদানী (আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াকুব আল-হামদানী আল-ইয়ামানী, মৃত্যু ৩৩৪ হিজরী) রচিত ‘আল-ইকলীল’। গ্রন্থটি ‘আল-আকামিল ফী আনসাবি হিমইয়ার ওয়া আইয়ামি মুলুকিহা’ নামেও পরিচিত; এটি অত্যন্ত উপকারী একটি কিতাব যা দশ খণ্ডে সমাপ্ত এবং দশটি মূলপাঠ (মতন) সমৃদ্ধ।
১৪৮ - ইবনে কাসীর রচিত ‘আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’। (মুদ্রিত)।
১৪৯ - আল-খতিব আল-বাগদাদী রচিত ‘তারীখ’। (মুদ্রিত)।
১৫০ - ইবনে আসাকির (আলী ইবনুল হাসান, মৃত্যু ৫৭১ হিজরী) রচিত ‘তারীখ’। (পাণ্ডুলিপি)।
১৫১ - ইমাম বুখারী রচিত ‘আত-তারীখুল কবীর’। (মুদ্রিত)।
১৫২ - আল-আজরাকী (আবু ওয়ালিদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আজরাকী, মৃত্যু ২৪৪ হিজরীর কিছুকাল পরে) রচিত ‘তারীখে মক্কা’। (মুদ্রিত)।
১৫৩ - আন-নববী রচিত ‘তাহযীবুল আসমা ওয়াল লুগাত’। এতে তিনি নিম্নোক্ত গ্রন্থসমূহে বিদ্যমান নাম ও শব্দসমূহ সংকলন করেছেন: আবু ইব্রাহিম আল-মুযানী রচিত ‘মুখতাসার’, ‘আল-মুহাযযাব’, ‘আত-তানবীহ’, ‘আল-ওয়াসীত’, ‘আল-ওয়াজীয়’ এবং ‘আর-রাওদাহ’। এটি সেই কিতাব যা আমি ইমাম আবুল কাসিম আর-রাফেয়ী রচিত ‘শারহুল ওয়াজীয়’ থেকে সংক্ষেপ করেছি। (মুদ্রিত)।
১৫৪ - হাফেজ আবু আল-খাত্তাব উমর ইবনে দিহইয়া (উমর ইবনুল হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দিহইয়া আল-কালবী আল-আন্দালুসী আয-যাহেরী মাযহাবভুক্ত, ‘মাজদুদ্দীন-আবু আল-খাত্তাব-আবু ফাদল-আবু হাফস’, মুহাদ্দিস ও হাফেজ, মৃত্যু ৬৩২ হিজরী - ১২৩৫ খ্রিষ্টাব্দ) রচিত ‘আত-তানবীর ফী মাওলিদিস সিরাজিল মুনীর’।
১৫৫ - হাফেজ ইবনে কাসীর রচিত ‘জুযউ ফী ফাতহিল কুসতুনতিনিয়া’ (কনস্টান্টিনোপল বিজয় সংক্রান্ত পুস্তিকা)।
১৫৬ - আস-সুহাইলি (আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সুহাইলি, মৃত্যু ৫৮১ হিজরী - ১১৮৫ খ্রিষ্টাব্দ) রচিত ‘আর-রাওদুল উনুফ’। তার কিতাবটি সীরাতের ব্যাখ্যাগ্রন্থ হিসেবে ‘আর-রাওদুল উনুফুল বাসিম’ নামে পরিচিত। (মুদ্রিত)।
১৫৭ - ইবনে কাসীর রচিত ‘সীরাতে উমর ইবনুল খাত্তাব’।
১৫৮, ১৫৯ - ইবনে কাসীর রচিত ‘আস-সীরাহ’ (বিস্তারিত ও সংক্ষিপ্ত)। (মুদ্রিত)।
১৬০ - আন্দালুসের কর্ডোভার অধিবাসী ফকীহ ইয়াহিয়া ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুজাইন আত-তুলাইতালী আবু জাকারিয়া রচিত ‘সীরাতুল ফুকাহা’।
১৬১ - কাজী আইয়াজ আল-ইয়াহসুবি (মৃত্যু ৫৪৪ হিজরী - ১১৪৯ খ্রিষ্টাব্দ) রচিত ‘আশ-শিফা’। (মুদ্রিত)।
১৬২ - ইবনে সাদ (আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সাদ ইবনে মানী’) রচিত ‘আত-তাবাকাতুল কুবরা’। তিনি আল-ওয়াকিদীর ছাত্র ও সহকারী ছিলেন, এ কারণে তিনি ‘কাতিবুল ওয়াকিদী’ (ওয়াকিদীর লেখক) হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন, মৃত্যু (২৩০ হিজরী - ৮৪৫ খ্রিষ্টাব্দ)। (মুদ্রিত)।
১৬৩ - ইবনে মানদাহ (আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ, যিনি ইবনে মানদাহ নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়ার পৌত্র) রচিত ‘মা’রিফাতুস সাহাবাহ’।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
164 - معرفة الصحابة للموصلي (الحافظ أبي يعلى الموصلي).
165 - مغازي الأموي سعيد بن يحيى الأموي.
166 - مغازي عبد الله بن لهيعة، المتوفى (174 هـ 790 م).
167 - المغازي لمحمد بن إسحاق بن يسار، صاحب السيرة، المتوفى (150 أو؟ هـ). (ط) قسم منه.
168 - المغازي لموسى بن عقبة بن أبي العباس الأسدي، المتوفى سنة 141 هـ.
169 - (نهاية البداية والنهاية) لابن كثير، وقد ذكره بقوله (كتاب في التحذير من الفتن). (ط).
سادسا: في علوم اللغة:170 - الجمل لابن القاسم عبد الرحمن بن إسحاق الزجاجي.
171 - الزاهر لابن الأنباري (أبي بكر محمد بن القاسم بن محمد بن بشار المشهور بابن الأنباري المتوفى 228 هـ). (ط).
172 - الصحاح لأبي نصر إسماعيل بن حماد الجوهري، المتوفى 393 هـ وقيل: 398 أو 400 هـ. (ط).
173 - الغريب لأبي عبيد القاسم بن سلام. (ط).
هذه أربعة كتب في علوم اللغة، منها ما ذكر مرة واحدة "كالزاهر" لابن الأنباري، ومنها ما ذكر كثيرًا كالغريب والصحاح: أما "الجمل" فكان يرجع إليه ابن كثير إذا احتاج إليه في مسألة نحوية أو تركيب لغوي.
سابعا: مصادر في موضوعات مختلفة:174 - إثبات عذاب القبر للبيهقي.
175 - الأذكار للنسائي.
176 - الأذكار للنووي. (ط).
177 - الأذكار للمعري (الحسن بن علي بن شبيب من المحدثين الفقهاء).
178 - الأذكار وفضائل الأعمال للحافظ ابن كثير.
179 - الأشراف على مذاهب الأشراف للوزير أبي المظفر يحيى بن محمد بن هبيرة، المتوفى 560 هـ-1165 م.
180 - الاعتقاد للبيهقي. (ط).
181 - الأنباه على ذكر أصول القبائل الرواة لابن عبد البر.
182 - الأهوال لابن أبي الدنيا (أبي بكر عبد الله أو عبد الله بن محمد بن أبي الدنيا القرشي بالولاء)، المتوفى 281 هـ-894 م. (ط).
183 - التذكرة للقرطبي. (ط).
184 - التفكر والاعتبار لابن أبي الدنيا.
১৬৪ - আল-মাওসিলির 'মারিফাতুস সাহাবা' (হাফিজ আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি)।
১৬৫ - আল-উমাওয়ি সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমাওয়ির 'মাগাজি'।
১৬৬ - আবদুল্লাহ ইবনে লাহিয়ার 'মাগাজি', মৃত্যু (১৭৪ হিজরি ৭৯০ খ্রিস্টাব্দ)।
১৬৭ - সিরাতকার মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসারের 'আল-মাগাজি', মৃত্যু (১৫০ বা? হিজরি)। (মুদ্রিত) এর একাংশ।
১৬৮ - মুসা ইবনে উকবা ইবনে আবিল আব্বাস আল-আসাদির 'আল-মাগাজি', মৃত্যু ১৪১ হিজরি।
১৬৯ - ইবনে কাসিরের 'নিহায়াতুল বিদায়া ওয়ান নিহায়া', যা তিনি এই বলে উল্লেখ করেছেন (ফিতনা সম্পর্কে সতর্কীকরণের বই)। (মুদ্রিত)।
ষষ্ঠত: ভাষা বিজ্ঞানে:১৭০ - ইবনুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে ইসহাক আজ-জাজ্জাজির 'আল-জুমাল'।
১৭১ - ইবনুল আম্বারির 'আয-যাহির' (আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাশার, যিনি ইবনুল আম্বারি নামে পরিচিত, মৃত্যু ২২৮ হিজরি)। (মুদ্রিত)।
১৭২ - আবু নাসর ইসমাইল ইবনে হাম্মাদ আল-জাওহারির 'আস-সিহাহ', মৃত্যু ৩৯৩ হিজরি; বলা হয়: ৩৯৮ বা ৪০০ হিজরি। (মুদ্রিত)।
১৭৩ - আবু উবাইদ কাসিম ইবনে সাল্লামের 'আল-গারিব'। (মুদ্রিত)।
এগুলো ভাষা বিজ্ঞানের চারটি বই, যার মধ্যে ইবনুল আম্বারির "আয-যাহির" একবার উল্লেখ করা হয়েছে এবং "আল-গারিব" ও "আস-সিহাহ"-এর মতো বইগুলো বারবার উল্লেখ করা হয়েছে। আর "আল-জুমাল"-এর ক্ষেত্রে ইবনে কাসির যখনই কোনো ব্যাকরণগত সমস্যা বা ভাষাগত কাঠামোর প্রয়োজন বোধ করতেন, তখন এর শরণাপন্ন হতেন।
সপ্তমত: বিভিন্ন বিষয়ের উৎসসমূহ:১৭৪ - বায়হাকির 'ইসবাতু আজাবিল কবর'।
১৭৫ - নাসায়ির 'আল-আযকার'।
১৭৬ - নববীর 'আল-আযকার'। (মুদ্রিত)।
১৭৭ - আল-মা'ররির 'আল-আযকার' (হাসান ইবনে আলী ইবনে শাবিব, মুহাদ্দিস ও ফকিহগণের অন্তর্ভুক্ত)।
১৭৮ - হাফিজ ইবনে কাসিরের 'আল-আযকার ওয়া ফাদাইলুল আমাল'।
১৭৯ - উজির আবু মুজাফফর ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হুবায়রার 'আল-ইশরাফ আলা মাযাহিবিল আশরাফ', মৃত্যু ৫৬০ হিজরি-১১৬৫ খ্রিস্টাব্দ।
১৮০ - বায়হাকির 'আল-ই'তিকাদ'। (মুদ্রিত)।
১৮১ - ইবনে আবদিল বাররের 'আল-ইনবাহ আলা জিকরি উসুলিল কাবাইলির রুওয়াত'।
১৮২ - ইবনে আবিদ দুনিয়ার 'আল-আহওয়াল' (আবু বকর আবদুল্লাহ বা আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশি বিল-ওয়ালা), মৃত্যু ২৮১ হিজরি-৮৯৪ খ্রিস্টাব্দ। (মুদ্রিত)।
১৮৩ - কুরতুবির 'আত-তাযকিরা'। (মুদ্রিত)।
১৮৪ - ইবনে আবিদ দুনিয়ার 'আত-তাফাক্কুর ওয়াল ইতিবার'।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
185 - التقوى لابن أبي الدنيا.
186 - التوحيد للإمام ابن إسحاق بن خزيمة.
187 - جزء في الإسراء والمعراج للحسن بن عرفة بن يزيد العبدي البغدادي (أبي علي)، المحدث.
188 - جزء في دخول مؤمن الجن الجنة لابن كثير.
189 - جزء مجموع في الجراد لابن عساكر.
190 - خطبة لمروان بن الحكم.
191 - الخمول والتواضع لابن أبي الدنيا. (ط).
192 - ذم الطفيليين للخطيب البغدادي.
193 - ذم المسكر لابن أبي الدنيا. (ط).
194 - الرد على الجهمية للإمام أحمد بن حنبل. (ط).
195 - الرد على الجهمية للدارمي (عثمان بن سعيد بن خالد التميمي الدارمي (أبي سعيد) المتوفى 280 هـ-894 م). (ط).
196 - الزهد لعبد الله بن المبارك، ويكنى أبا عبد الرحمن، المتوفى سنة 181 هـ. (ط).
197 - السابق واللاحق للخطيب البغدادي.
198 - السر المكتوم في مخاطبة الشمس والنجوم، المنسوب لأبي عبد الله الرازي.
199 - صفة أهل الجنة للحافظ أبي عبد الله المقدسي.
200 - صفة العرش لمحمد بن عثمان بن أبي شيبة، المتوفى سنة 297 هـ.
201 - صفة النار للحافظ ابن كثير.
202 - العجائب الغريبة للحافظ محمد بن المنذر (أبي عبد الرحمن محمد بن المنذر بن سعيد بن عثمان السلمي المعروف بشكر).
203 - الفكاهة للزبير بن بكار (أبي عبد الله الزبير بن بكار بن أحمد بن مصعب بن ثابت بن عبد الله بن الزبير)، المتوفى 256 هـ-870 م.
204 - القبور لابن أبي الدنيا.
205 - القصد والأمم بمعرفة أصول أنساب العرب لابن عبد البر.
206 - كتاب في الروح للحافظ أبي عبد الله بن منده.
207 - ما قررته المجامع النصرانية سنة 400 هـ نقلا عن سعيد بن بطريق، يعد من علماء النصارى.
208 - مسانيد الشعراء لابن مردويه.
209 - مساوئ الأخلاق (الجزء الثاني منه) لأبي بكر الخرائطي (محمد بن جعفر بن سهل الخرائطي)، المتوفى 327 هـ-938 م. (ط).
210 - المستقصى للحافظ البهائي.
১৮৫ - আত-তাকওয়া — ইবনে আবিদ দুনিয়া।
১৮৬ - আত-তাওহীদ — ইমাম ইবনে ইসহাক বিন খুজাইমাহ।
১৮৭ - আল-ইসরা ওয়াল মিরাজ বিষয়ক একটি পুস্তিকা — আল-হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াজিদ আল-আবদি আল-বাগদাদী (আবু আলী), মুহাদ্দিস।
১৮৮ - মুমিন জিনদের জান্নাতে প্রবেশ বিষয়ক একটি পুস্তিকা — ইবনে কাসীর।
১৮৯ - পঙ্গপাল সম্পর্কিত একটি সংকলিত পুস্তিকা — ইবনে আসাকির।
১৯০ - মারওয়ান ইবনুল হাকামের একটি খুতবা।
১৯১ - আল-খুমুল ওয়াত তাওয়াদু (অখ্যাতি ও বিনয়) — ইবনে আবিদ দুনিয়া। (মুদ্রিত)।
১৯২ - যাম্মুত তুফাইলিয়্যিন (অযাচিত মেহমানদের নিন্দা) — খতীব আল-বাগদাদী।
১৯৩ - যাম্মুল মুসকির (মাদকদ্রব্যের নিন্দা) — ইবনে আবিদ দুনিয়া। (মুদ্রিত)।
১৯৪ - আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ (জাহমিয়াদের খণ্ডন) — ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল। (মুদ্রিত)।
১৯৫ - আর-রাদ্দু আলাল জাহমিয়্যাহ — আদ-দারিমী (উসমান বিন সাঈদ বিন খালিদ আত-তামিমী আদ-দারিমী (আবু সাঈদ), মৃত্যু ২৮০ হিজরী-৮৯৪ খ্রিষ্টাব্দ)। (মুদ্রিত)।
১৯৬ - আয-যুহদ — আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, তাঁর উপনাম আবু আবদির রহমান, মৃত্যু ১৮১ হিজরী। (মুদ্রিত)।
১৯৭ - আস-সাবিক ওয়াল লা হিক — খতীব আল-বাগদাদী।
১৯৮ - আস-সিররুল মাকতুুম ফি মুখাতাবাতুশ শামসি ওয়ান নুজুম (সূর্য ও নক্ষত্রের সম্বোধনে গুপ্ত রহস্য), যা আবু আবদুল্লাহ আর-রাজীর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করা হয়।
১৯৯ - সিফাতু আহলিল জান্নাহ (জান্নাতবাসীদের বিবরণ) — হাফেজ আবু আবদুল্লাহ আল-মাকদিসী।
২০০ - সিফাতুল আরশ (আরশের বিবরণ) — মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবি শাইবাহ, মৃত্যু ২৯৭ হিজরী।
২০১ - সিফাতুন নার (জাহান্নামের বিবরণ) — হাফেজ ইবনে কাসীর।
২০২ - আল-আজায়িবুল গারিবাহ (বিস্ময়কর আজব বিষয়সমূহ) — হাফেজ মুহাম্মদ বিন আল-মুনযির (আবু আবদির রহমান মুহাম্মদ বিন আল-মুনযির বিন সাঈদ বিন উসমান আস-সুলামী, যিনি 'শুকর' নামে পরিচিত)।
২০৩ - আল-ফুকাহাহ (রসিকতা) — আয-যুবাইর বিন বাক্কার (আবু আবদুল্লাহ আয-যুবাইর বিন বাক্কার বিন আহমাদ বিন মুসআব বিন সাবিত বিন আবদুল্লাহ বিন আয-যুবাইর), মৃত্যু ২৫৬ হিজরী-৮৭০ খ্রিষ্টাব্দ।
২০৪ - আল-কুবুর (কবরসমূহ) — ইবনে আবিদ দুনিয়া।
২০৫ - আল-কাসদ ওয়াল আমাম বিমা’রিফাতি উসুলি আনসাবিল আরাব (আরবদের বংশপরিচয়ের মূলনীতি বিষয়ক গ্রন্থ) — ইবনে আবদিল বার।
২০৬ - রুহ (আত্মা) বিষয়ক একটি গ্রন্থ — হাফেজ আবু আবদুল্লাহ বিন মানদাহ।
২০৭ - ৪০০ হিজরীতে খ্রিস্টান ধর্মীয় সভাগুলোর সিদ্ধান্তসমূহ, যা সাঈদ বিন বাত্রিক থেকে উদ্ধৃত এবং তিনি খ্রিস্টান পণ্ডিতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
২০৮ - মাসানিদুশ শুয়ারা (কবিদের মাসানিদ) — ইবনে মারদাওয়াইহ।
২০৯ - মাসাউইল আখলাক (এর দ্বিতীয় খণ্ড) — আবু বকর আল-খারায়িতী (মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাহল আল-খারায়িতী), মৃত্যু ৩২৭ হিজরী-৯৩৮ খ্রিষ্টাব্দ। (মুদ্রিত)।
২১০ - আল-মুস্তাকসা — হাফেজ আল-বাহায়ী।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
211 - المشهور في أسماء الأيام والشهور للشيخ علم الدين السخاوي. (علي بن محمد بن عبد الرحمن الهمذاني شيخ القراء بدمشق المتوفى 643 هـ).
212 - المعارف لابن قتيبة. (ط).
213 - مقدمة في الأنساب لابن كثير.
214 - مقصورة ابن دريد (أبي بكر محمد بن الحسن بن دريد المتوفى سنة 321 هـ).
215 - مكارم الأخلاق للخرائطي. (ط).
216 - النسب للزبير بن بكار. (ط).
217 - نوادر الأصول للقرطبي.
هذه مصادر ابن كثير، رحمه الله، في تفسيره، ومن خلال هذا العدد الهائل من المصادر يتضح لنا الجهد العظيم الذي بذله الحافظ ابن كثير، رحمه الله، في إخراج كتابه.
4 - رأيه في الإسرائيليات:الحافظ ابن كثير، رحمه الله له كلمات قوية في شأن الإسرائيليات وروايتها، وتفسيره يعد من الكتب الخالية من الإسرائيليات، اللهم إلا القليل الذي يحكيه ثم ينبه عليه، والنادر الذي يسكت عنه، وقد نبهت عليه في الحاشية.
ومن كلماته في الإسرائيليات
(1)قال في مقدمة تفسيره -بعد أن ذَكر حديثَ "بلّغُوا عنِّي ولو آيةً، وحدِّثوا عن بني إسرائيل ولا حَرَجَ، ومن كذب عليّ متعمدًا فليتبوأْ مقعده من النار"-: "ولكن هذه الأحاديث الإسرائيلية تُذكر للاستشهاد، لا للاعتضاد. فإنها على ثلاثة أقسام: أحدها: ما علمنا صحتَه مما بأيدينا مما نشهدُ له بالصدق، فذاك صحيح. والثاني: ما علمنا كذبَه بما عندنا مما يخالفه. والثالث: ما هو مسكوت عنه، لا من هذا القبيل ولا من هذا القبيل، فلا نؤمِنُ به ولا نكذّبه، وتجوزُ حكايتُه لما تقدّم. وغالبُ ذلك مما لا فائدة فيه تعودُ إلى أمرٍ دينيّ. ولهذا يختلف علماء أهل الكتاب في مثل هذا كثيرًا، ويأتي عن المفسرين خلافٌ بسبب ذلك. كما يَذكرون في مثل أسماء أصحاب الكهف ولون كلبهم وعِدّتهم، وعصا موسى من أيِّ شجر كانت؟ وأسماء الطيور التي أحياها الله لإبراهيم، وتعيين البعض الذي ضُرِبَ به القتيلُ من البقرة، ونوع الشجرة التي كلَّم الله منها موسى إلى غير ذلك مما أبهمه الله تعالى في القرآن، مما لا فائدة في تعيينه تعود على المكلفين في دنياهم ولا دينهم. ولكن نقلُ الخلاف عنهم في ذلك جائز. كما قال تعالى: {سَيَقُولُونَ ثَلاثَةٌ رَابِعُهُمْ كَلْبُهُمْ} إلى آخر الآية [الكهف: 22].
وقال عند تفسير الآية: (50) من سورة الكهف-بعد أن ذكر أقوالا في "إبليس" واسمه ومن أيّ قبيلٍ هو؟! -: "وقد رُوى في هذا آثار كثيرة عن السلف، وغالبُها من الإسرائيليات التي تُنقل ليُنْظَر فيها، والله أعلم بحال كثير منها، ومنها ما قد يُقْطَع بكذبه، لمخالفته للحقّ الذي بأيدينا.
--------------------------------------------
২১১ - শায়খ আলম উদ্দিন আস-সাখাভী রচিত ‘আল-মাশহুর ফি আসমায়িল আইয়্যাম ওয়াশ শুহুর’ (দিন ও মাসের নামসমূহের প্রসিদ্ধ বর্ণনা)। (আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-হামদানি, দামেস্কের কারীগণের প্রধান, মৃত্যু ৬৪৩ হিজরী)।
২১২ - ইবনে কুতায়বাহ রচিত ‘আল-মাআরিফ’। (মুদ্রিত)।
২১৩ - ইবনে কাসীর রচিত ‘মুকাদ্দিমাহ ফিল আনসাব’ (বংশলতিকার ভূমিকা)।
২১৪ - ইবনে দুরাইদের ‘মাকসুরাহ’ (আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন দুরাইদ, মৃত্যু ৩২১ হিজরী)।
২১৫ - আল-খারাইতি রচিত ‘মাকারিমুল আখলাক’ (উত্তম চারিত্রিক গুণাবলী)। (মুদ্রিত)।
২১৬ - যুবায়ের বিন বাক্কার রচিত ‘আন-নাসাব’ (বংশ পরিচয়)। (মুদ্রিত)।
২১৭ - আল-কুরতুবী রচিত ‘নাওয়াদিরুল উসুল’।
এগুলো হলো হাফেজ ইবনে কাসীর (রহিমাহুল্লাহ)-এর তাফসিরের উৎসসমূহ। বিপুল সংখ্যক এই উৎসগুলো থেকে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় যে, হাফেজ ইবনে কাসীর (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর কিতাবটি সংকলনে কত বিশাল পরিশ্রম করেছেন।
৪ - ইসরাঈলিয়াত সম্পর্কে তাঁর অভিমত:হাফেজ ইবনে কাসীর (রহিমাহুল্লাহ) ইসরাঈলিয়াত বর্ণনা ও এর স্বরূপ সম্পর্কে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তাঁর তাফসির এমন একটি কিতাব যা ইসরাঈলিয়াত থেকে মুক্ত বলে গণ্য হয়; অবশ্য অল্প কিছু বর্ণনা তিনি উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোর ব্যাপারে সতর্ক করেছেন, আর খুবই বিরল কিছু বর্ণনার ব্যাপারে তিনি নীরব থেকেছেন, যা আমি পাদটীকায় উল্লেখ করেছি।
ইসরাঈলিয়াত সম্পর্কে তাঁর কিছু বক্তব্য নিচে দেওয়া হলো:
(১)তিনি তাঁর তাফসিরের ভূমিকায়—"আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও যদিও তা একটি আয়াত হয়, আর বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো তাতে কোনো দোষ নেই, এবং যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়"—এই হাদিসটি উল্লেখ করার পর বলেন: "তবে এই ইসরাঈলি বর্ণনাগুলো সাক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা যায়, একক ভিত্তি হিসেবে নয়। কেননা এগুলো তিন প্রকার: প্রথমত: যেগুলোর সত্যতা আমাদের কাছে থাকা তথ্যের মাধ্যমে প্রমাণিত, যা সেগুলোর সত্যতার সাক্ষ্য দেয়; সুতরাং তা সঠিক। দ্বিতীয়ত: যেগুলোর মিথ্যা হওয়া আমাদের কাছে থাকা তথ্যের মাধ্যমে প্রমাণিত যা সেটির বিরোধী। তৃতীয়ত: যেগুলোর ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করা হয়েছে, যা এই দুই প্রকারের কোনোটির মধ্যেই পড়ে না; সুতরাং আমরা এগুলোতে বিশ্বাসও করব না, আবার মিথ্যাও বলব না। তবে পূর্বোক্ত হাদিসের আলোকে এগুলো বর্ণনা করা বৈধ। আসলে এগুলোর অধিকাংশ বর্ণনাই এমন যেগুলোর কোনো ধর্মীয় উপকারিতা নেই। এ কারণেই কিতাবধারীদের (আহলে কিতাব) আলেমদের মধ্যে এই জাতীয় বিষয়ে অনেক মতভেদ দেখা যায় এবং এর ফলে মুফাসসিরদের বর্ণনায় মতপার্থক্য তৈরি হয়। যেমন তারা আসহাবে কাহাফের নাম, তাদের কুকুরের রঙ ও তাদের সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করেন; মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর লাঠি কোন গাছের ছিল; ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)-এর জন্য আল্লাহ যে পাখিগুলোকে জীবিত করেছিলেন সেগুলোর নাম; গাভীর কোন অংশ দিয়ে মৃত ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়েছিল তার নির্ধারণ; এবং কোন গাছের আড়াল থেকে আল্লাহ তাআলা মুসা (আলাইহিস সালাম)-এর সাথে কথা বলেছিলেন—এমন আরও অনেক বিষয় যা আল্লাহ তাআলা কুরআনে অস্পষ্ট রেখেছেন। এগুলোর সুনির্দিষ্ট বর্ণনায় মুকাল্লাফ (শরীয়তের বিধান মানতে দায়বদ্ধ) বান্দাদের দুনিয়া বা দ্বীনি জীবনে কোনো ফায়দা নেই। তবে তাদের থেকে এই মতভেদগুলো বর্ণনা করা জায়েজ। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {তারা বলবে তারা ছিল তিনজন, চতুর্থটি তাদের কুকুর...} আয়াতের শেষ পর্যন্ত [সূরা কাহাফ: ২২]।"
তিনি সূরা আল-কাহাফের ৫০ নম্বর আয়াতের তাফসিরে—'ইবলিস' সম্পর্কে বিভিন্ন মত, তার নাম এবং সে কোন জাতির অন্তর্ভুক্ত ছিল তা উল্লেখ করার পর—বলেন: "এই বিষয়ে সালাফদের থেকে অনেক বর্ণনা পাওয়া যায়, যার অধিকাংশই ইসরাঈলিয়াত থেকে গৃহীত যা কেবল পর্যালোচনার জন্য উদ্ধৃত করা হয়। এগুলোর অনেকগুলোর প্রকৃত অবস্থা আল্লাহই ভালো জানেন। আবার এমন কিছু বর্ণনাও আছে যেগুলোর মিথ্যা হওয়া নিশ্চিত, কারণ সেগুলো আমাদের কাছে থাকা মহাসত্যের পরিপন্থী।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
وفي القرآن غُنْيَةٌ عن كلّ ما عداه من الأخبار المتقدمة؛ لأنها لا تكاد تخلو من تبديل وزيادة ونقصان، وقد وُضِعَ فيها أشياء كثيرة. وليس لهم من الحفّاظ المُتْقِنين الذين يَنْفُون عنها تحريفَ الغَالِين وانتحال المبطلين، كما لهذه الأمة من الأئمة والعلماء، والسادة والأتقياء، والبررة والنجباء، من الجهابذة النقّاد، والحُفَّاظ الجياد، الذين دَوَّنوا الحديث وحَرَّرُوه، وبيَّنوا صحيحَه من حَسَنه من ضعيفه، من منكَره وموضوعه ومتروكه ومكذوبه، وعرفوا الوضَّاعِين والكذّابين والمجهولين، وغير ذلك من أصناف الرجال. كلُّ ذلك صيانةً للجناب النبويّ والمقام المحمديّ، خاتم الرسل وسيد البشر، صلى الله عليه وسلم -أن يُنْسَب إليه كذبٌ أو يُحَدَّثَ عنه بما ليس منه. فرضي الله عنهم وأرضاهم، وجَعَل جنّاتِ الفردوس مأواهم. وقد فَعَلَ".
وقال عند تفسير الآيات (51 - 56) من سورة الأنبياء، بعد إشارته إلى حال إبراهيم، عليه السلام، مع أبيه، ونظره إلى الكواكب والمخلوقات -: "وما قَصَّه كثيرٌ من المفسّرين وغيرهم، فعَامّتُها أحاديثُ بني إسرائيل. فما وافقَ منها الحقّ مما بأيدينا عن المعصوم قَبِلْناه، لموافقته الصحيح، وما خالف منها شيئًا من ذلك ردَدْناه، وما ليس فيه موافقةٌ ولا مخالفةٌ، لا نصدّقه ولا نكذّبه، بل نجعله وَقْفًا. وما كان من هذا الضَّرْبِ منها فقد رخَّص كثير من السلف في روايته. وكثيرٌ من ذلك مما لا فائدة فيه، ولا حاصلَ له مما يُنْتَفَع به في الدّين. ولو كانت فائدتُه تعود على المكلَّفين في دينهم لبيَّنَتْه هذه الشريعةُ الكاملةُ الشاملةُ. والذي نَسْلُكُه في هذا التفسير الإعراضُ عن كثير من الأحاديث الإسرائيلية، لما فيها من تضييع الزمان، ولما اشتَمل عليه كثيرٌ منها من الكذب المُرَوَّج عليهم. فإنهم لا تَفْرِقَةَ عندهم بين صحيحها وسقيمها. كما حَرّره الأئمةُ الحُفّاظ المُتْقِنُون من هذه الأمة".
وقال عند تفسير الآية: (102) من سورة البقرة: "وقد رُوي في قصة هاروتَ وماروتَ عن جماعة من التابعين، كمجاهد والسُّدي والحسن البصري وقتادة وأبي العالية والزهري والرَّبيع بن أنس ومقاتل ابن حيّان وغيرهم، وقصَّها خلقٌ من المفسّرين، من المتقدّمين والمتأخرين. وحاصلُها راجع في تفصيلها إلى أخبار بني إسرائيل، إذ ليس فيها حديثٌ مرفوع صحيح متّصلُ الإسناد إلى الصادق المصدوق المعصوم الذي لا ينطق عن الهوى. وظاهرُ سياق القرآن إجمالُ القصة من غير بسْطٍ ولا إطنابٍ فيها، فنحن نؤمِن بما ورد في القرآن على ما أراده الله تعالى، والله أعلم بحقيقة الحال".
وقال في أول سورة ق: "وقد رُوي عن بعض السلف أنهم قالوا: ق، جبل مُحيطٌ بجميع الأرض، يقال له جبل قاف!!! وكأنّ هذا -والله أعلم-من خرافات بني إسرائيل التي أخذها عنهم بعضُ الناس، لِمَا رأَى من جواز الرواية عنهم مما لا يصدَّق ولا يُكَذَّب. وعندي أن هذا وأمثالَه وأشباهَه من اختلاقِ بعض زنادقتهم، يَلْبِسُون به على الناس أمرَ دينهم. كما افْتُريَ في هذه الأمة -مع جلالة قدر علمائها وحُفّاظها وأئمتها-أحاديثُ عن النبي صلى الله عليه وسلم، وما بالعَهْدِ من قِدَمٍ. فكيف بأمةِ بني إسرائيل، مع طول المَدَى، وقلة الحُفَّاظ النُّقَّاد فيهم، وشربهم الخمور، وتحريف علمائِهم الكلمَ عن مَوَاضعه وتبديلِ كُتُب الله وآياتِه. وإنما أباح الشارعُ الروايةَ عنهم في قوله: "وحدثوا عن بني إسرائيل ولا حرج" فيما قد يُجَوِّزُه العقل. فأما فيما تحِيلُه العقول، ويُحْكَم فيه بالبُطلان، ويَغْلبُ على الظنون كذبُه، فليس من هذا القبيل".
পূর্ববর্তী সকল সংবাদের বিপরীতে কুরআনই সকল অভাব মোচনের জন্য যথেষ্ট; কারণ সেই সকল সংবাদ পরিবর্তন, পরিবর্ধন এবং পরিমার্জন থেকে প্রায় মুক্ত নয় এবং সেখানে অনেক ভিত্তিহীন বিষয় অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে। পূর্ববর্তী জাতিদের মাঝে এমন কোনো সুদক্ষ সংরক্ষণকারী (হাফেজ) ছিলেন না, যারা চরমপন্থীদের বিকৃতি এবং বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচারকে প্রতিহত করতে পারতেন, যেমনটি এই উম্মতের মাঝে বিদ্যমান রয়েছে এমন সব ইমাম, আলেম, নেতৃস্থানীয় ও ধর্মভীরু ব্যক্তিবর্গ, যারা প্রখর ধীশক্তিসম্পন্ন সমালোচক ও শ্রেষ্ঠ মুখস্থকারী। তাঁরা হাদীস সংকলন করেছেন এবং তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করেছেন। তাঁরা হাদীসের সহীহ, হাসান, যয়ীফ, মুনকার, মাউযু, মাতরুক ও বানোয়াট প্রকারভেদসমূহ সুস্পষ্ট করেছেন। তাঁরা বর্ণনাকারীদের মধ্যে মিথ্যাবাদী, জালিয়াত ও অজ্ঞাত ব্যক্তিদের শনাক্ত করেছেন এবং পুরুষানুক্রমিক বর্ণনাকারীদের অন্যান্য শ্রেণিও বিন্যস্ত করেছেন। এসব কিছু করা হয়েছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মর্যাদা ও সম্মানের সুরক্ষায়—যিনি রসূলগণের মোহর এবং মানবকুলের শ্রেষ্ঠ—যাতে তাঁর প্রতি কোনো মিথ্যা আরোপ করা না হয় অথবা তাঁর নামে এমন কিছু বর্ণনা করা না হয় যা তাঁর আদর্শভুক্ত নয়। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাদের জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন। আর নিশ্চয়ই তিনি তা কবুল করেছেন।
সূরা আম্বিয়ার ৫১-৫৬ নম্বর আয়াতের তাফসীরে ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের তাঁর পিতার সাথে অবস্থা এবং নক্ষত্র ও সৃষ্টিজগত নিয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণের প্রতি ইঙ্গিত করার পর তিনি বলেন: "অনেক মুফাসসির যা বর্ণনা করেছেন তার অধিকাংশ হলো বনী ইসরাঈলের বর্ণনা। এগুলোর মধ্যে যা আমাদের কাছে রক্ষিত নিষ্পাপ (মাসুম) নবী বর্ণিত সত্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তা সঠিক হওয়ার কারণে আমরা গ্রহণ করি। আর যা তার কোনো অংশের পরিপন্থী হয়, তা আমরা প্রত্যাখ্যান করি। আর যে বিষয়ে কোনো মিল বা অমিল পাওয়া যায় না, তাকে আমরা সত্যও বলি না আবার মিথ্যাও বলি না, বরং সে বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখি। এই প্রকারের বর্ণনার ক্ষেত্রে অনেক সালাফ বর্ণনার সুযোগ দিয়েছেন। তবে এর অধিকাংশ বিষয়ই এমন যাতে কোনো প্রকৃত ফায়দা নেই এবং দীনের ক্ষেত্রেও তা কোনো ফল বয়ে আনে না। যদি এর কোনো কল্যাণ মুকাল্লাফ বা শরীয়তের বিধান পালনে দায়বদ্ধ ব্যক্তিদের দীনের জন্য প্রয়োজন হতো, তবে এই পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপক শরীয়ত অবশ্যই তা সবিস্তারে বর্ণনা করত। এই তাফসীরে আমরা অনেক ইসরাঈলী বর্ণনা এড়িয়ে চলার নীতি অবলম্বন করেছি, কারণ এতে সময়ের অপচয় হয় এবং এগুলোর অনেকগুলোর মাঝে তাদের প্রচলিত মিথ্যা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কেননা তাদের কাছে সহীহ ও যয়ীফের মাঝে পার্থক্য করার কোনো মানদণ্ড নেই, যেমনটি এই উম্মতের দক্ষ ও সংরক্ষণকারী ইমামগণ সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছেন।"
সূরা বাকারার ১০২ নম্বর আয়াতের তাফসীরে তিনি বলেন: "হারুত ও মারুতের কাহিনীতে তাবেয়ীদের একটি দল থেকে বর্ণনা পাওয়া যায়, যেমন মুজাহিদ, সুদ্দী, হাসান বসরী, কাতাদাহ, আবু আলিয়া, যুহরী, রাবী ইবনে আনাস, মুকাতিল ইবনে হাইয়ান এবং অন্যান্যরা। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অনেক মুফাসসিরও এটি বর্ণনা করেছেন। তবে এর বিস্তারিত বিবরণের সারমর্ম ইসরাঈলী সংবাদের দিকেই ধাবিত হয়। কেননা এ বিষয়ে সাদিক ও মাসুম (সত্যবাদী ও নিষ্পাপ) নবী—যিনি প্রবৃত্তি তাড়িত হয়ে কোনো কথা বলেন না—তাঁর থেকে কোনো সহীহ ও নিরবচ্ছিন্ন সনদে মারফূ হাদীস বর্ণিত হয়নি। কুরআনের প্রসঙ্গের বাহ্যিক রূপ হলো কাহিনীটি সংক্ষেপে বর্ণনা করা, কোনো দীর্ঘ আলোচনা বা অতিশয়োক্তি ছাড়াই। সুতরাং আমরা আল্লাহর উদ্দেশ্য অনুযায়ী কুরআনে বর্ণিত বিষয়ের ওপর ঈমান রাখি, আর প্রকৃত রহস্য আল্লাহই ভালো জানেন।"
সূরা ক্বাফের শুরুতে তিনি বলেন: "কোনো কোনো সালাফ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁরা বলেছেন: 'ক্বাফ' হলো একটি পাহাড় যা সমগ্র পৃথিবীকে পরিবেষ্টন করে রেখেছে, যাকে বলা হয় ক্বাফ পাহাড়!!! সম্ভবত—আল্লাহই ভালো জানেন—এটি বনী ইসরাঈলের সেই সব রূপকথার অন্তর্ভুক্ত যা কিছু লোক তাদের থেকে গ্রহণ করেছে। কারণ তারা মনে করেছিল যে, তাদের থেকে এমন বিষয় বর্ণনা করা বৈধ যা সত্য বা মিথ্যা কোনোটিই নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। আমার মতে, এগুলো এবং এই জাতীয় বিষয়গুলো তাদের কিছু ধর্মদ্রোহীদের (যিনদীক) মনগড়া আবিষ্কার, যা দিয়ে তারা মানুষের কাছে তাদের দীনের বিষয়গুলোকে বিভ্রান্তিকর করে তোলে। যেমনটি এই উম্মতের মাঝেও—তাদের আলেম, হাফেজ ও ইমামগণের সুউচ্চ মর্যাদা থাকা সত্ত্বেও—রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামে মিথ্যা হাদীস জাল করা হয়েছিল, অথচ তখন পর্যন্ত সুদীর্ঘ কাল অতিবাহিত হয়নি। তাহলে বনী ইসরাঈল জাতির অবস্থা কেমন হতে পারে, যেখানে দীর্ঘ সময় পার হয়েছিল, সূক্ষ্মদর্শী হাফেজের অভাব ছিল, তারা মদ্যপানে নিমজ্জিত ছিল এবং তাদের আলেমগণ আল্লাহর কালামকে বিকৃত করত ও তাঁর কিতাব ও আয়াতসমূহ বদলে ফেলত। শরীয়ত প্রণেতা তাদের থেকে বর্ণনার যে অনুমতি দিয়েছেন তাঁর এই বাণীতে: 'বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো, এতে কোনো দোষ নেই'—তা কেবল সেই বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা যুক্তিগ্রাহ্য হতে পারে। কিন্তু যা বিবেক অসম্ভব মনে করে, যা বাতিল বলে সাব্যস্ত হয় এবং যেগুলোর মিথ্যা হওয়ার প্রবল ধারণা জন্মে, তা এই অনুমতির অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
وقال عند تفسير الآيات (41 - 44) من سورة النمل -وقد ذكر في قصة ملكة سبأ أثرًا طويلا عن ابن عباس، وَصَفَه بأنه "منكر غريب جدًا"-ثم قال: "والأقربُ في مثل هذه السياقات أنها متلقَّاةٌ عن أهل الكتاب، مما وُجد في صُحُفهم، كروايات كعب ووَهْب، سامحهما الله فيما نقلاه إلى هذه الأمة من أخبار بني إسرائيل، من الأوابد والغرائب والعجائب، مما كان وما لم يكن، ومما حُرِف وبدِّل ونُسِخَ. وقد أغنانا الله سبحانه عن ذلك بما هو أصحُّ منه وأنفعُ وأوضحُ وأبلغُ. ولله الحمد والمنة".
وقال عند تفسير الآية: (46) من سورة العنكبوت-بعد أن رَوَى الحديث: "إذا حدثكم أهل الكتاب فلا تصدقوهم ولا تكذبوهم"-قال: "ثم ليُعلم أن أكثر ما يتحدثون به غالبه كذب وبهتان لأنه قد دخله تحريف وتبديل وتغيير وتأويل وما أقل الصدق فيه، ثم ما أقل فائدته".
وقال عند تفسير قوله تعالى: {وَلِيَ فِيهَا مَآرِبُ أُخْرَى} [طه: 18]: "أي مصالح ومنافع وحاجات أخرى غير ذلك، وقد تكلف بعضهم لذكر شيء من تلك المآرب التي أبهمته، فقيل: كانت تضيء له بالليل، وتحرس له الغنم إذا نام، ويغرسها فتصير شجرة تظله، وغير ذلك من الأمور الخارقة للعادة، والظاهر أنها لم تكن كذلك، ولو كانت كذلك لما استنكر موسى، عليه الصلاة والسلام، صيرورتها ثعبانًا، فما كان يفر منها هاربًا، ولكن كل ذلك من الأخبار الإسرائيلية".
5 - العنوان والتوثيق:إن صحة نسبة كتاب التفسير للحافظ ابن كثير أمر مقطوع به، ولولا أن الباحثين اعتادوا ذكر هذا الفصل وإلا لما ذكرته لشهرة هذا التفسير.
وممن ذكر هذا التفسير وعزاه لمؤلفه:
1 - الزيلعي في تخريج أحاديث الكشاف.
2 - الحافظ ابن حجر في فتح الباري.
3 - ابن أبي العز في شرح العقيدة الطحاوية.
4 - السيوطي في الدر المنثور.
5 - الشوكاني في فتح القدير.
6 - الشيخ سليمان بن عبد الله بن الشيخ محمد بن عبد الوهاب في تيسير العزيز الحميد.
7 - الشيخ عبد الرحمن بن حسن بن الشيخ محمد بن عبد الوهاب في فتح المجيد.
وأما عنوانه، فالمشهور "تفسير القرآن العظيم"، وجاء ذلك على طرة النسخة "ط"، وبعض النسخ تسميه: "تفسيرابن كثير".
6 - نسخ الكتاب:يعتبر تفسير القرآن العظيم للحافظ ابن كثير من الكتب التي انتشرت في خزائن المكتبات الإسلامية، فقد وجدت نسخه في مكة والرياض ومصر واسطنبول والهند والمغرب وإيرلندا وباريس.
তিনি সূরা আন-নামলের ৪১-৪৪ নং আয়াতের তাফসীর করতে গিয়ে বলেন—সেখানে সাবার রানীর কাহিনীতে তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে একটি দীর্ঘ বর্ণনা উল্লেখ করেছেন, যাকে তিনি "চরম আপত্তিকর ও অদ্ভুত" হিসেবে অভিহিত করেছেন—অতঃপর তিনি বলেন: "এই ধরণের প্রেক্ষাপটে নিকটতর কথা হলো যে, এগুলো আহলে কিতাবদের থেকে গ্রহণ করা হয়েছে, যা তাদের কিতাবসমূহে পাওয়া গেছে। যেমন কাব ও ওয়াহাবের বর্ণনাগুলো—আল্লাহ তাদের উভয়কে ক্ষমা করুন তারা বনী ইসরাঈলের সংবাদ থেকে যা কিছু এই উম্মতের কাছে বর্ণনা করেছেন যেমন বিচিত্র ও অদ্ভুত বিষয়াবলী, যার কিছু বাস্তবসম্মত আর কিছু অবাস্তব, এবং যার কিছু বিকৃত, পরিবর্তিত ও রহিত করা হয়েছে। অথচ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সেইসবের পরিবর্তে আমাদেরকে এমন কিছু দান করে অমুখাপেক্ষী করেছেন যা অধিকতর বিশুদ্ধ, উপকারী, স্পষ্ট ও ফলপ্রসূ। সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা কেবল আল্লাহরই প্রাপ্য" ।
তিনি সূরা আল-আনকাবূতের ৪৬ নং আয়াতের তাফসীর করতে গিয়ে—"যখন আহলে কিতাবরা তোমাদের কাছে কোনো কথা বর্ণনা করে, তখন তোমরা তাদের সত্যবাদী বলো না আবার মিথ্যাবাদীও বলো না"—এই হাদীসটি বর্ণনা করার পর বলেন: "অতঃপর জেনে রাখা উচিত যে, তারা যা বর্ণনা করে তার অধিকাংশ সাধারণত মিথ্যা ও অপবাদ, কারণ তাতে বিকৃতি, পরিবর্তন, রদবদল ও অপব্যাখ্যা প্রবেশ করেছে এবং তাতে সত্যের পরিমাণ খুবই নগণ্য। তদুপরি, এর উপকারিতাও অত্যন্ত সীমিত" ।
তিনি আল্লাহ তাআলার বাণী: {এবং এতে আমার আরও অনেক প্রয়োজন রয়েছে} [ত্বহা: ১৮]-এর তাফসীরে বলেন: "অর্থাৎ এগুলো ছাড়া আরও বিবিধ স্বার্থ, উপকারিতা ও প্রয়োজন রয়েছে। কেউ কেউ এই অস্পষ্ট রাখা প্রয়োজনগুলোর বর্ণনায় অহেতুক কষ্টসাধ্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। বলা হয়েছে: লাঠিটি তার জন্য রাতে আলো দিতো, তিনি যখন ঘুমাতেন তখন তার বকরিগুলো পাহারা দিতো, তিনি সেটি রোপণ করলে তা গাছে পরিণত হয়ে তাকে ছায়া দিতো—ইত্যাদি অলৌকিক বিষয়াবলী। অথচ স্পষ্ট বিষয় হলো যে, লাঠিটি তেমন ছিল না। যদি তা-ই হতো, তবে মূসা (আলাইহিস সালাম) লাঠিটি সাপে পরিণত হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করতেন না এবং তিনি তা থেকে পলায়নও করতেন না। বরং এসবই হলো ইসরাঈলী বর্ণনা" ।
৫ - শিরোনাম ও নির্ভরযোগ্যতা:হাফেজ ইবনে কাসীরের দিকে এই তাফসীর গ্রন্থের সম্পৃক্ততা একটি অকাট্য বিষয়। গবেষকরা সাধারণত এই পরিচ্ছেদটি উল্লেখ করে থাকেন, অন্যথায় এই তাফসীরের প্রসিদ্ধির কারণে আমি এটি উল্লেখ করতাম না।
যারা এই তাফসীরের কথা উল্লেখ করেছেন এবং এর লেখকের প্রতি সম্পৃক্ত করেছেন, তারা হলেন:
১ - আয-যাইলায়ী, 'তাখরীজু আহাদীষিল কাশশাফ' গ্রন্থে।
২ - হাফেজ ইবনে হাজার, 'ফাতহুল বারী' গ্রন্থে।
৩ - ইবনে আবিল ইয, 'শারহুল আকীদাহ আত-তাহাবিয়্যাহ' গ্রন্থে।
৪ - আস-সুয়ূতী, 'আদ-দুররুল মানসূর' গ্রন্থে।
৫ - আশ-শাওকানী, 'ফাতহুল কাদীর' গ্রন্থে।
৬ - শাইখ সুলায়মান বিন আবদুল্লাহ বিন শাইখ মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব, 'তায়সীরুল আযীযিল হামীদ' গ্রন্থে।
৭ - শাইখ আবদুর রহমান বিন হাসান বিন শাইখ মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব, 'ফাতহুল মাজীদ' গ্রন্থে।
আর এর শিরোনামের ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ হলো "তাফসীরুল কুরআনিল আযীম", যা পাণ্ডুলিপি "ত্ব"-এর প্রচ্ছদে লিখিত রয়েছে। কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে একে "তাফসীর ইবনে কাসীর" নামেও অভিহিত করা হয়েছে।
৬ - গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিসমূহ:হাফেজ ইবনে কাসীরের 'তাফসীরুল কুরআনিল আযীম' ইসলামী লাইব্রেরিগুলোর ভাণ্ডারে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে থাকা গ্রন্থগুলোর অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত। মক্কা, রিয়াদ, মিশর, ইস্তাম্বুল, ভারত, মরক্কো, আয়ারল্যান্ড এবং প্যারিসে এর পাণ্ডুলিপি পাওয়া গেছে।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
والاختلاف بين هذه النسخ اختلاف كبير، فالنسخ التي في الرياض مثلا يغلب عليها الاختصار وحذف الأسانيد والتصرف في الكتاب، هذا في الغالب فلا يستغرب، أو أقول: لا يعتمد أن توجد نسخة ليس فيها قصة العتبي المذكورة في سورة النساء؛ لأن هذه النسخة حديثة جدًا مع ما ذكرت من المنهج في النسخ الموجودة في نجد وغيرها من النسخ المعتمدة ذكر هذه القصة، وقد نبهت عليها في موضعها.
وكم يجد الباحث نفسه متحيرًا أمام إثبات نص ثبت في نسخة ولم يثبت في الأخرى، لذلك فقد حاولت قدر المستطاع جمع مخطوطات الكتاب لكي تزول هذه العقبة فوقع لي -والحمد لله-قدر منها، وإليك وصفها:
1 - النسخة الأزهرية (هـ):وأحيانًا أطلق عليها الأصل.
وهي نسخة محفوظة بمكتبة الأزهر برقم (168) تفسير، وتحتوي على الكتاب كاملا في سبعة مجلدات، وفي المجلد الثالث منها خروم.
وصفها الشيخ أحمد شاكر بأنها: نسخة يغلب عليها الصحة، والخطأ فيها قليل.
وطبعت بدار الشعب سنة (1390 هـ) بتحقيق عبد العزيز غنيم، ومحمد أحمد عاشور، ومحمد إبراهيم البنا.
وبالتتبع فإنها نسخة جيدة، لكنها لا توصف بأنها أصح النسخ، بل غيرها أفضل منها لو كمل. وقد اعتمدت على طبعة دار الشعب المأخوذة عن هذه النسخة لأمرين:
الأول: أني حاولت الحصول على مصورة لهذه النسخة فلم أستطع، فأرسلت إلى المكتبة طلبًا للتصوير، ثم أرسلت الطلب بصورة رسمية عن طريق جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، ثم علمت بعد ذلك أن هذا دأب هذه المكتبة، وأخبرت عن طرق لاستخراج المخطوطة من هذه المكتبة لكن هذه الطرق ليست موافقة لعملي.
الثاني: أن عمل الأخوة في طبعة الشعب عمل جيد في إخراج النص حسب ما ورد في المخطوطة، ولهم اجتهادات أصابوا في بعضها وأخطؤوا في بعضها، فأقررتهم على ما أصابوا فيه، ولم أوافقهم على ما أخطئوا فيه، وقد اعتمدت إشاراتهم إلى المخطوطة في الهامش، فاستفدت منها وسلكت في ذلك مسلكًا جيدًا حتى كأن العمل على المخطوطة لا المطبوعة.
الناسخ: محمد بن علي الصوفي.
تاريخ النسخ: فرغ الكاتب من نسخها في العاشر من جمادى الأولى سنة (825 هـ).
عدد الأوراق: 2195.
2 - نسخة تشستربتي (ط):وهي نسخة محفوظة بمكتبة تشستربتي بإيرلندا برقم (3430)، وتحتوي على الجزء الأول ويبدأ
এই পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে পার্থক্য অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ, রিয়াদে প্রাপ্ত অনুলিপিগুলোতে সংক্ষেপণ, সনদ বর্জন এবং গ্রন্থের বিন্যাসে পরিবর্তনের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়। এটিই সাধারণ অবস্থা, তাই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। অথবা আমি এভাবে বলতে পারি: সূরা আন-নিসাতে বর্ণিত আল-উতবি’র সেই কাহিনীটি নেই এমন কোনো পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করা যায় না; কারণ এই পাণ্ডুলিপিটি অত্যন্ত আধুনিক। পক্ষান্তরে নজদ ও অন্যান্য স্থানে বিদ্যমান নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপিগুলোতে এই কাহিনীটি বর্ণিত হয়েছে এবং আমি যথাস্থানে এ ব্যাপারে সতর্ক করেছি।
একজন গবেষক যখন দেখেন যে একটি পাঠ এক পাণ্ডুলিপিতে সাব্যস্ত আছে কিন্তু অন্যটিতে নেই, তখন তিনি বেশ বিভ্রান্তির সম্মুখীন হন। তাই আমি এই বাধা দূর করার জন্য যথাসম্ভব গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপিসমূহ সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি। আল্লাহর প্রশংসায়, আমি এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি। নিচে সেগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো:
১ - আল-আযহারি পাণ্ডুলিপি (হা):মাঝে মাঝে আমি একে 'আসল' বা মূল পাণ্ডুলিপি বলে অভিহিত করেছি।
এটি আল-আযহার লাইব্রেরিতে 'তাফসির' বিভাগে ১৬৮ নম্বরে সংরক্ষিত আছে। এটি সাত খণ্ডে পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটি ধারণ করে, তবে এর তৃতীয় খণ্ডে কিছু কর্তিত বা নষ্ট অংশ রয়েছে।
শাইখ আহমাদ শাকির এর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন: এটি এমন এক পাণ্ডুলিপি যেখানে সঠিকতা প্রবল এবং ভুলের পরিমাণ খুব কম।
এটি ১৩৯০ হিজরিতে আব্দুল আজিজ গুনাইম, মুহাম্মাদ আহমাদ আশুর এবং মুহাম্মাদ ইব্রাহিম আল-বান্না-এর সম্পাদনায় 'দারুশ শাব' থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এটি একটি মানসম্মত পাণ্ডুলিপি, তবে একে সবচেয়ে নির্ভুল পাণ্ডুলিপি বলা যায় না; বরং অন্য কিছু পাণ্ডুলিপি পূর্ণাঙ্গ থাকলে এর চেয়েও শ্রেষ্ঠ হতো। আমি দুটি কারণে এই পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত দারুশ শাব-এর সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি:
প্রথমত: আমি এই পাণ্ডুলিপির একটি অনুলিপি বা ছবি পাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু সফল হইনি। আমি লাইব্রেরিতে ছবি তোলার আবেদন পাঠিয়েছিলাম, এরপর ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে দাপ্তরিকভাবে আবেদন জানাই। পরে জানতে পারি যে এটিই এই লাইব্রেরির সাধারণ নিয়ম। এই লাইব্রেরি থেকে পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের কিছু উপায়ের কথা আমাকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু সেই পদ্ধতিগুলো আমার কাজের ধরনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
দ্বিতীয়ত: পাণ্ডুলিপিতে যেভাবে পাঠ্য বিদ্যমান ছিল, তা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে দারুশ শাব সংস্করণের সম্পাদকদের কাজ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ছিল। তাদের কিছু গবেষণামূলক সিদ্ধান্ত ছিল, যার কিছু সঠিক এবং কিছু ভুল। আমি তাদের সঠিক সিদ্ধান্তগুলো বহাল রেখেছি এবং ভুলের ক্ষেত্রে তাদের সাথে একমত হইনি। আমি পাদটীকায় পাণ্ডুলিপির প্রতি তাদের দেওয়া সংকেতগুলোর ওপর নির্ভর করেছি, যা থেকে আমি উপকৃত হয়েছি এবং এমন এক উত্তম পন্থা অবলম্বন করেছি যাতে মনে হয় কাজটি মুদ্রিত কপির ওপর নয় বরং মূল পাণ্ডুলিপির ওপরই হয়েছে।
অনুলিপিকার: মুহাম্মাদ বিন আলি আস-সুফি।
অনুলিপির তারিখ: লেখক ৮২৫ হিজরির ১০ই জুমাদাল উলা তারিখে এটি অনুলিপি করার কাজ শেষ করেন।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১৯৫।
২ - চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি (ত্বা):এটি আয়ারল্যান্ডের চেস্টার বিটি লাইব্রেরিতে ৩৪৩০ নম্বরে সংরক্ষিত আছে। এটি প্রথম খণ্ডটি ধারণ করে এবং শুরু হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
من أول التفسير وينتهي بتفسير الآية {إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَالَّذِينَ هَاجَرُوا وَجَاهَدُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ} الآية: [البقرة: 218]، وهو آخر الجزء التاسع من أجزاء المؤلف، وفيها سقط وبها حواش من خط المؤلف وعليها تصحيحات، وهي من مصورات جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، وهي في غاية الدقة والحسن لو كملت.
الناسخ: أحمد بن محمد بن المحب، المتوفى سنة (776 هـ)، وله ترجمة في الدرر الكامنة (1\ 244).
تاريخ النسخ: يظهر أنها كتبت في عهد المؤلف، فيها حواش بخطه، وكاتبها توفى سنة (776 هـ) أي بعد وفاة الحافظ ابن كثير بعامين.
عدد الأوراق: 224 مقاس 18.3 × 26.7 سم.
عدد الأسطر: 27 سطرا.
الخط: نسخ معتاد ممتاز.
3 - نسخة تشستربتي (ب):وهي نسخة محفوظة بمكتبة تشستربتي بإيرلندا برقم (4052)، وتحتوي على الجزء الأول -ناقص بشيء يسير من المقدمة-ويبدأ بـ "فإن قال قائل: فما أحسن طرق التفسير؟ " وينتهي بتفسير الآية: (47) من سورة البقرة وهي قوله تعالى {يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اذْكُرُوا نِعْمَتِيَ الَّتِي أَنْعَمْتُ عَلَيْكُمْ}
بها حواش كثيرة وتصحيحات، والحبر منتشر على بعض الصفحات.
وهي من مصورات جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية.
الناسخ: لم يعرف، والظاهر أنه معاصر للمؤلف.
تاريخ النسخ: كتبت في القرن الثامن تقديرًا، أي: في عهد المؤلف، رحمه الله.
عدد الأوراق: 177 مقاس 15.5 × 22 سم.
عدد الأسطر: 19 سطرا.
الخط: نسخ معتاد جيد.
4 - نسخة الحرم المكي (جـ):وهي نسخة محفوظة بمكتبة الحرم المكى بمكة المكرمة برقم (91) وتحتوي على الجزء الأول، ويبدأ بأول التفسير، وينتهي عند قوله تعالى {إِنْ تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ} الآية [النساء: 31].
وكأن النسخة ملفقة من نسختين، فإن الخط يستمر نسخًا معتادًا إلى الآية (255) من سورة البقرة ثم خط مغاير وهو أقدم من الأول ويستمر إلى الآية المذكورة.
وعلى النسخ أثر البلل في كثير من أوراقه.
الناسخ: لم يعرف.
তাফসীরের শুরু হতে শুরু হয়ে সূরা বাকারার ২১৮ নম্বর আয়াতের {নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং যারা হিজরত করেছে ও আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে...} তাফসীর পর্যন্ত এর সমাপ্তি ঘটেছে, যা গ্রন্থকারের নির্ধারিত খণ্ডসমূহের নবম খণ্ডের শেষাংশ। এতে কিছু স্থান বিলুপ্ত রয়েছে এবং এতে গ্রন্থকারের হস্তলিপি সম্বলিত পার্শ্বটীকা ও সংশোধন বিদ্যমান। এটি ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি থেকে গৃহীত প্রতিলিপি, যা পূর্ণাঙ্গ থাকলে অত্যন্ত নিখুঁত ও চমৎকার হতো।
লিপিকার: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুহিব্ব, মৃত্যু বছর (৭৭৬ হিজরি), এবং 'আদ-দুরার আল-কামিনা' গ্রন্থে (১/ ২৪৪) তাঁর জীবনী রয়েছে।
অনুলিপির তারিখ: প্রতীয়মান হয় যে এটি গ্রন্থকারের জীবদ্দশায় অনুলিপি করা হয়েছে, এতে তাঁর নিজ হাতের পার্শ্বটীকা রয়েছে; আর এর লিপিকার ৭৭৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন অর্থাৎ হাফেজ ইবনে কাসিরের ইন্তেকালের দুই বছর পর।
পাতার সংখ্যা: ২২৪টি, আকার ১৮.৩ × ২৬.৭ সেমি।
লাইনের সংখ্যা: ২৭টি।
লিপি: মানসম্মত চমৎকার নাসখ লিপি।
৩ - চেস্টার বিটি পাণ্ডুলিপি (খ):এটি আয়ারল্যান্ডের চেস্টার বিটি লাইব্রেরিতে (৪০৫২) নম্বর সিরিয়ালে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপি। এতে প্রথম খণ্ড রয়েছে—ভূমিকার সামান্য কিছু অংশ অনুপস্থিত—এবং এটি "যদি কেউ প্রশ্ন করে: তাফসীরের সর্বোত্তম পদ্ধতি কোনটি?" এখান থেকে শুরু হয়ে সূরা বাকারার ৪৭ নম্বর আয়াত অর্থাৎ মহান আল্লাহর বাণী: {হে বনী ইসরাঈল! তোমরা আমার সেই নেয়ামতের কথা স্মরণ করো, যা আমি তোমাদের দান করেছি} এর তাফসীর পর্যন্ত সমাপ্ত হয়েছে।
এতে প্রচুর পার্শ্বটীকা ও সংশোধন রয়েছে এবং কিছু পাতায় কালি ছড়িয়ে পড়েছে।
এটি ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহ থেকে গৃহীত প্রতিলিপি।
লিপিকার: অজ্ঞাত, তবে প্রতীয়মান হয় যে তিনি গ্রন্থকারের সমসাময়িক ছিলেন।
অনুলিপির তারিখ: আনুমানিক অষ্টম হিজরি শতকে অনুলিপি করা হয়েছে, অর্থাৎ গ্রন্থকারের (রাহিমাহুল্লাহ) জীবদ্দশায়।
পাতার সংখ্যা: ১৭৭টি, আকার ১৫.৫ × ২২ সেমি।
লাইনের সংখ্যা: ১৯টি।
লিপি: মানসম্মত ভালো নাসখ লিপি।
৪ - হারাম মাক্কী পাণ্ডুলিপি (গ):এটি মক্কা মুকাররমার মাকতাবাতুল হারাম আল-মাক্কীতে (৯১) নম্বর সিরিয়ালে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপি। এতে প্রথম খণ্ড রয়েছে, যা তাফসীরের শুরু থেকে শুরু হয়ে মহান আল্লাহর বাণী {যদি তোমরা সেই বড় গুনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকো যা তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে} আয়াত: [নিসা: ৩১] পর্যন্ত শেষ হয়েছে।
পাণ্ডুলিপিটি দেখে মনে হয় এটি দুটি পৃথক পাণ্ডুলিপির সংমিশ্রণ, কারণ সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত পর্যন্ত লিখনশৈলী সাধারণ নাসখ লিপিতে অব্যহত রয়েছে, এরপর লিপি পরিবর্তিত হয়ে যায় যা প্রথমটির চেয়েও প্রাচীন এবং উল্লিখিত আয়াত পর্যন্ত তা বিদ্যমান থাকে।
পাণ্ডুলিপির অনেক পাতায় পানির আর্দ্রতার চিহ্ন রয়েছে।
লিপিকার: অজ্ঞাত।
(খণ্ড: ১)
তাফসীর ইবনে কাছীর - ত আস-সালামাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
تاريخ النسخ: جاء بعد تفسير الآية (255) من سورة البقرة وهو نهاية الخط الأول: "وكان الفراغ من نسخ هذا الجزء يوم السبت المبارك في ثمانية وعشرين مضين من شهر جمادى الآخر من شهور سنة ستة وعشرين ومائتين وألف من الهجرة النبوية"، والخط الآخر لعله من خطوط القرن العاشر.
عدد الاوراق: 411 مقاس 29 ×20 سم.
عدد الأسطر: 20 - 25 سطرًا.
5 - نسخة الحميدية (أ):وهي نسخة محفوظة بالمكتبة الحميدية بتركيا، وتحتوي على الكتاب كاملا وخطها دقيق ومزينة بالذهب، وهي حديثة ومنقولة عن نسخة معتمدة.
الناسخ: لم يعرف.
تاريخ النسخ: كتبت سنة (؟).
عدد الأسطر: 35 - 40 سطرا.
6 - نسخة الحرم المكي (ف):وهي نسخة محفوظة بمكتبة الحرم المكي بمكة المكرمة برقم (91) وتحتوي على تفسير أول سورة النمل إلى نهاية تفسير سورة الأحزاب.
وهي نسخة رديئة وخطها متحد مع خط القسم الثاني من النسخة (ج)، وبها أثر الرطوبة.
الناسخ: لم يعرف.
تاريخ النسخ: لعله من خطوط القرن العاشر.
عدد الأوراق: 236 مقاس 29 × 20 سم.
عدد الأسطر: 37 سطرًا.
7 - نسخة الحرم المكي (ك):وهي نسخة محفوظة بمكتبة الحرم المكي بمكة برقم (91)، وتبدأ من أول سورة الأعراف، وتنتهي بنهاية تفسير سورة التوبة.
والنسخة جيدة، وعليها تصويبات وتقييدات بالهامش وفيها أثر رطوبة.
الناسخ: لم يعرف.
تاريخ النسخ: كتبت سنة (780 هـ).
عدد الأوراق: 228 مقاس 27× 18 سم.
عدد الأسطر: 26 سطرًا.
الخط: نسخ معتاد قديم.
অনুলিপির তারিখ: সূরা আল-বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতের তাফসীরের শেষে প্রথম হস্তাক্ষরের সমাপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে: "এই খণ্ডটির অনুলিপি সম্পন্ন হয়েছে জুমাদাল আখিরা মাসের আটাশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বরকতময় শনিবার দিনে, নবুওয়াতী হিজরীর এক হাজার দুইশত ছাব্বিশ সালে", এবং অপর হস্তাক্ষরটি সম্ভবত দশম শতাব্দীর হস্তাক্ষর।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১১টি, আকার ২৯ × ২০ সেমি।
পঙক্তি সংখ্যা: ২০ - ২৫টি পঙক্তি।
৫ - হামিদিয়্যাহ পাণ্ডুলিপি (আলিফ):এটি তুরস্কের হামিদিয়্যাহ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপি। এতে পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটি বিদ্যমান। এর হস্তাক্ষর সূক্ষ্ম এবং স্বর্ণখচিত অলংকরণে সজ্জিত। এটি আধুনিক সময়ের এবং একটি নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপিকৃত।
অনুলিপিকারক: অজ্ঞাত।
অনুলিপির তারিখ: (?) সালে লিখিত।
পঙক্তি সংখ্যা: ৩৫ - ৪০টি পঙক্তি।
৬ - মক্কা হারাম শরীফ পাণ্ডুলিপি (ফা):এটি পবিত্র মক্কার মাকতাবাতুল হারাম আল-মাক্কীতে ৯১ নম্বর সিরিয়ালে সংরক্ষিত এবং এতে সূরা আন-নামলের শুরু থেকে সূরা আল-আহযাবের শেষ পর্যন্ত তাফসীর রয়েছে।
এটি একটি নিম্নমানের পাণ্ডুলিপি এবং এর হস্তাক্ষর (জীম) পাণ্ডুলিপির দ্বিতীয় অংশের হস্তাক্ষরের সাথে অভিন্ন। এতে আর্দ্রতার চিহ্ন রয়েছে।
অনুলিপিকারক: অজ্ঞাত।
অনুলিপির তারিখ: সম্ভবত দশম শতাব্দীর হস্তাক্ষর।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩৬টি, আকার ২৯ × ২০ সেমি।
পঙক্তি সংখ্যা: ৩৭টি পঙক্তি।
৭ - মক্কা হারাম শরীফ পাণ্ডুলিপি (কাফ):এটি মক্কার মাকতাবাতুল হারাম আল-মাক্কীতে ৯১ নম্বর সিরিয়ালে সংরক্ষিত। এটি সূরা আল-আ’রাফের শুরু থেকে শুরু হয়ে সূরা আত-তাওবার তাফসীরের শেষে সমাপ্ত হয়েছে।
পাণ্ডুলিপিটি উন্নত মানের, এর পার্শ্বটীকায় সংশোধনী ও টীকা রয়েছে এবং এতে আর্দ্রতার চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়।
অনুলিপিকারক: অজ্ঞাত।
অনুলিপির তারিখ: এটি ৭৮০ হিজরী সালে লিখিত।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২৮টি, আকার ২৭ × ১৮ সেমি।
পঙক্তি সংখ্যা: ২৬টি পঙক্তি।
হস্তাক্ষর: প্রাচীন সাধারণ নাসখ লিপি।