(খণ্ড: ১) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: -)
الثالث والثمانون من الفوائد الأفراد   (الدارقطني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثالث والثمانون من الفوائد الأفراد (ضمن مجموع طُبع باسم «الفوائد» لابن منده!)

المؤلف: أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود بن النعمان بن دينار البغدادي الدارقطني (ت 385هـ)

المحقق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-ফাওয়াইদুল আফরাদ থেকে ৮৩তম অংশ   (আদ-দারাকুতনি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-ফাওয়াইদুল আফরাদ থেকে ৮৩তম অংশ (ইবনু মান্দাহর «আল-ফাওয়াইদ» নামে মুদ্রিত একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত!)

লেখক: আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী ইবনে মাসউদ ইবনে নুমান ইবনে দীনার আল-বাগদাদী আদ-দারাকুতনি (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি)

তাহকীক: খাল্লাফ মাহমুদ আবদুস সামী'

প্রকাশক: দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ١٤٧)
الثالث والثمانون من الفوائد الأفراد

تخريج أبي الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود الدارقطني الحافظ

رواية أبي طالب محمد بن علي بن الفتح بن محمد بن الفتح العشاري عنه

رواية أبي أحمد عبد الوهاب بن علي بن علي بن سكينة

رواية أبي بكر محمد بن عبد الباقي بن محمد الأنصاري البزاز عنه

رواية أبي الفرج عبد اللطيف بن عبد المنعم الحراني عنه

رواية فاطمة بنت أبي الوليد محمد بن محمد بن جبريل الدربندي عنه

رواية أبي الفرج عبد الرحمن بن أحمد بن المبارك الغزي عنها

رواية الحافظ أبي الفضل أحمد بن علي بن محمد بن محمد بن حجر العسقلاني وشمس الدين محمد بن عمر بن عمر بن حصن الملتوتي كلاهما عنه

رواية أبي المحاسن يوسف بن شاهين سبط ابن حجر عنهما
আল-ফাওয়ায়িদুল আফরাদ-এর তিরাশিতম অংশ

হাফিজ আবুল হাসান আলি বিন উমর বিন আহমাদ বিন মাহদি বিন মাসউদ আদ-দারাকুতনি-এর সংকলিত (তাখরিজ)

তাঁর থেকে আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-ফাতহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাতহ আল-উশারির বর্ণনা

আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলি বিন আলি বিন সাকিনার বর্ণনা

তাঁর থেকে আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি আল-বাযযাযের বর্ণনা

তাঁর থেকে আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনয়িম আল-হাররানির বর্ণনা

তাঁর থেকে ফাতিমা বিনতে আবিল ওয়ালিদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জিবরিল আদ-দারবান্দির বর্ণনা

তাঁর থেকে আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন আল-মুবারক আল-গাযযির বর্ণনা

হাফিজ আবুল ফজল আহমাদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হাজার আল-আসকালানি এবং শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন উমর বিন হিসন আল-মালতুতী—তাঁদের উভয়ের বর্ণনা তাঁর থেকে

তাঁদের উভয়ের থেকে ইবনে হাজারের দৌহিত্র আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন শাহিনের বর্ণনা
(খণ্ড: ١) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ١٤٩)
بسم الله الرحمن الرحيم

رب أعن ويسر يا كريم

أخبرنا الشيخ شمس الدين محمد بن عمر بن عمر بن حصن الملتوتي، بقراءتي عليه في أول رمضان سنة 868، قلت له: أخبرك المسند أبو الفرج عبد الرحمن بن أحمد بن المبارك الغزي سماعا عليه لنصفه الأخير وإجازة لسائره: أخبرتنا أم الحسن فاطمة بنت الشيخ أبي الوليد محمد بن محمد بن جبريل الدربندي أبوها سماعا عليها في يوم عاشوراء من سنة 730: أخبرنا الشيخ الأجل المسند نجيب الدين أبو الفرج عبد اللطيف ابن الإمام العالم المحدث نجم الدين أبي محمد عبد المنعم بن علي الحراني سماعا عليه بقراءة الشيخ الإمام العلامة قاضي القضاة أبي الفتح محمد بن الإمام أبي الحسن علي بن وهب بن مطيع ابن أبي الطاعة القشيري عليه من أصله: أخبرنا الشيخ الإمام ضياء الدين أبو أحمد عبد الوهاب بن علي بن علي بن سكينة قراءة عليه وأنا أسمع في رجب سنة 599: أخبرنا القاضي أبو بكر محمد بن عبد الباقي بن محمد البزاز قراءة عليه، فأقر به، وذلك في يوم السبت ثامن رجب سنة 533: أخبرنا الشيخ أبو طالب محمد بن علي بن الفتح بن محمد بن الفتح المعروف بالعشاري فأقر به، وهو ينظر في أصل سماعه: أخبرنا أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود الدارقطني الحافظ قراءة عليه وأنا أسمع:

(1) حدثنا أبو القاسم عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي إملاء: حدثنا محمد بن سليمان لوين: حدثنا محمد بن جابر، عن عبد الملك بن عمير، عن عمارة بن روبية، عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال: سمعته أذناي ووعاه قلبي من النبي صلى الله عليه وسلم: الناس تبع لقريش، صالحهم تبع لصالحهم، وشرارهم تبع لشرارهم. هذا حديث غريب من حديث عمارة بن روبية عن علي بن أبي طالب، تفرد به / عبد الملك بن عمير عنه، وتفرد به محمد بن جابرعن عبد الملك.

(2) حدثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز: حدثنا محمد بن زنبور المكي أبو صالح: حدثنا محمد بن جابر، عن سماك بن حرب، عن النعمان بن بشير، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: إن في الإنسان لمضغة إذا صلحت صلح سائر الجسد، وإذا فسدت فسد سائر الجسد وهي القلب.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে রব, আপনি সাহায্য করুন এবং সহজ করে দিন, হে মহানুভব।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে উমর ইবনে হিসন আল-মালতুতী, ৮৬৮ হিজরি সনের রমজান মাসের শুরুতে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বলেছি: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-মুসনিদ আবুল ফারাজ আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুবারক আল-গাজ্জী, তাঁর নিকট থেকে অর্ধাংশ শ্রবণের মাধ্যমে এবং অবশিষ্ট অংশ ইজাজতের মাধ্যমে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল হাসান ফাতিমা বিনতে শাইখ আবুল ওয়ালিদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিবরীল আদ-দারবান্দী—তাঁর পিতা ৭৩০ হিজরি সনের আশুরার দিনে তাঁর নিকট শ্রবণ করেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান শাইখ আল-মুসনিদ নাজিবুদ্দিন আবুল ফারাজ আবদুল লতিফ ইবনুল ইমাম আল-আলিম আল-মুহাদ্দিস নাজমুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুল মুন'িম ইবনে আলী আল-হাররানী, তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, আর এটি পাঠ করেছিলেন শাইখ ইমাম আল্লামা কাযিল কুযাত আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনুল ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে ওয়াহাব ইবনে মুতি' ইবনে আবিত ত্বাআহ আল-কুশাইরী তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম যিয়াউদ্দিন আবু আহমদ আবদুল ওয়াহাব ইবনে আলী ইবনে আলী ইবনে সাকিনাহ, ৫৯৯ হিজরির রজব মাসে তাঁর নিকট পাঠের সময় আমি তা শ্রবণ করেছি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকী ইবনে মুহাম্মদ আল-বাযযায তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, আর তা ছিল ৫৩৩ হিজরি সনের ৮ই রজব, শনিবার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-ফাতহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ফাতহ, যিনি আল-উশশারী নামে পরিচিত, তিনি তা স্বীকার করেছেন যখন তিনি তাঁর মূল শ্রবণকৃত পাণ্ডুলিপির দিকে লক্ষ্য করছিলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনে মাহদী ইবনে মাসউদ আদ-দারা কুতনী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যা আমি শ্রবণ করেছি:

(১) আমাদের নিকট আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাবী শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান লুওয়াইন বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জাবির বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি আম্মারা ইবনে রুওয়ায়বা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এটি আমার দুই কানে শুনেছি এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষণ করেছে: "মানুষ কুরাইশদের অনুসারী; তাদের সৎকর্মশীলরা তাদের সৎকর্মশীলদের অনুসারী এবং তাদের মন্দরা তাদের মন্দদের অনুসারী।" আম্মারা ইবনে রুওয়ায়বার সূত্রে আলী ইবনে আবি তালিব থেকে এটি একটি গরিব (বিরল) হাদিস; এটি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে আম্মারা থেকে আবদুল মালিক ইবনে উমাইর একক হয়ে গেছেন এবং আবদুল মালিক থেকে মুহাম্মদ ইবনে জাবির একক হয়ে গেছেন।

(২) আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে যানবুর আল-মাক্কী আবু সালিহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জাবির বর্ণনা করেছেন সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি নুমান ইবনে বশীর থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই মানুষের শরীরের ভেতরে একটি মাংসপিণ্ড আছে; যখন তা সুস্থ ও সঠিক থাকে, তখন সমগ্র শরীর সুস্থ থাকে, আর যখন তা কলুষিত হয়, তখন সমগ্র শরীর কলুষিত হয়ে যায়; আর সেটি হলো অন্তর।"
(খণ্ড: ١) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ١٥٠)
هذا حديث غريب من حديث سماك بن حرب، عن النعمان بن بشير، تفرد به محمد بن جابر عنه.

(3) حدثنا أبو محمد يحيى بن محمد بن صاعد رحمه الله: حدثنا محمد بن عوف الحمصي: حدثنا علي بن عياش الحمصي: حدثنا إسماعيل بن أبي عياش، عن جعفر بن الحارث وهو أبو الأشهب: حدثني محمد بن إسحاق، عن عبيد الله بن طلحة بن كريز الخزاعي قال: إني لعند الحسن إذ جاءه رجل من أهل الشام فقال: الطاعة الطاعة، فقال الشامي: أين الطاعة، أين الطاعة؟ قال: إنكم قد أبيتم إلا أن أحدث، حدثني جندب بن عبد الله البجلي، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: يؤتى يوم القيامة بالقاتل والمقتول والآمر، فيقول الله عز وجل للقاتل: لم قتلته؟ فيقول: أمرني فلان، فيقول: تعست. قال الحسن: فما ظنكم به؟ تعس والله في النار تعسة لا يرتفع منها أبدا. هذا حديث غريب من حديث الحسن عن جندب البجلي، تفرد به محمد بن إسحاق، واختلف عنه فرواه أبو الأشهب عنه بهذا الإسناد، وخالفه محمد بن سلمة الحراني، فرواه عن ابن إسحاق عن عمرو بن عبيد عن الحسن.

(4) حدثناه أبو محمد بن صاعد: حدثنا سليمان بن سيف الحراني: حدثنا أبو الأصبغ عبد العزيز بن يحيى الحراني: حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن عمرو بن عبيد، عن الحسن، عن جندب بن عبد الله قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: يؤتى بالقاتل والمقتول يوم القيامة، فيقول للقاتل: لم قتلته؟ فيقول: أي رب أمرني فلان، فيقول الله عز وجل: تعست، فيتعسه والله في النار تعسة لا (يستقيل؟) منها أبدا.

(5) حدثنا أبو محمد بن صاعد رحمه الله: حدثنا سعيد بن يحيى بن سعيد الأموي: حدثني أبي: حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن عمر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام قال: دخل عمار بن ياسر المسجد فصلى فيه ركعتين خفيفتين، فقال له / عبد الرحمن بن الحارث: لقد خففتهما، فقال: إني بادرت السهو، إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن أحدكم يصلي، ثم لا يكون له من صلاته عشرها، ولا تسعها، ولا ثمنها، ولا سبعها، ولا سدسها، حتى انتهى في العدد.
এটি সিমাক বিন হারবের সূত্রে নুমান বিন বশীরের বর্ণিত একটি বিরল (গরীব) হাদিস, যা তার থেকে এককভাবে মুহাম্মদ বিন জাবির বর্ণনা করেছেন।

(৩) আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সায়েদ (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আউফ আল-হিমসি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আলী বিন আইয়াশ আল-হিমসি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইসমাঈল বিন আবি আইয়াশ বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন হারিস থেকে, আর তিনি হলেন আবু আশহাব: আমার নিকট মুহাম্মদ বিন ইসহাক বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন তালহা বিন কুরাইজ আল-খুজায়ি থেকে, তিনি বলেন: আমি হাসানের নিকটে ছিলাম এমন সময় শাম দেশের এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বললেন: আনুগত্য, আনুগত্য! তখন শামী লোকটি বলল: আনুগত্য কোথায়, আনুগত্য কোথায়? তিনি (হাসান) বললেন: তোমরা তো হাদিস বর্ণনা করা ছাড়া কিছুতেই মানছ না; আমার নিকট জুনদুব বিন আব্দুল্লাহ আল-বাজালি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: কিয়ামতের দিন হত্যাকারী, নিহত ব্যক্তি এবং আদেশদাতাকে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল হত্যাকারীকে বলবেন: তুমি তাকে কেন হত্যা করেছ? সে বলবে: অমুক ব্যক্তি আমাকে আদেশ করেছিল। তখন তিনি বলবেন: তুমি ধ্বংস হয়েছ। হাসান বললেন: এ ব্যাপারে তোমাদের ধারণা কী? আল্লাহর কসম, সে জাহান্নামে এমন ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে যেখান থেকে কখনো উঠতে পারবে না। এটি জুনদুব আল-বাজালি থেকে বর্ণিত হাসানের একটি বিরল (গরীব) হাদিস, যা মুহাম্মদ বিন ইসহাক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনায় দ্বিমত রয়েছে; আবু আশহাব তাঁর থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মদ বিন সালামাহ আল-হাররানি তাঁর বিরোধিতা করেছেন, তিনি ইবনে ইসহাক থেকে আমর বিন উবাইদের সূত্রে হাসানের বরাতে বর্ণনা করেছেন।

(৪) আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ বিন সায়েদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুলাইমান বিন সাইফ আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবুল আসবাগ আব্দুল আজিজ বিন ইয়াহইয়া আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন সালামাহ বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে, তিনি আমর বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি জুনদুব বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: কিয়ামতের দিন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর হত্যাকারীকে বলা হবে: তুমি তাকে কেন হত্যা করেছ? সে বলবে: হে আমার রব! অমুক আমাকে আদেশ করেছিল। তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল বলবেন: তুমি ধ্বংস হয়েছ। আল্লাহর কসম, এরপর তাকে জাহান্নামে এমনভাবে ধ্বংস করবেন যেখান থেকে সে কখনো (নিষ্কৃতি পাবে না?)।

(৫) আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ বিন সায়েদ (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সাঈদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-উমাবি বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন উমর বর্ণনা করেছেন, নাফে থেকে, তিনি উমর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আম্মার বিন ইয়াসির মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্তভাবে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস তাঁকে বললেন: আপনি তো সালাত সংক্ষেপ করেছেন। তিনি বললেন: আমি অমনোযোগিতাকে দ্রুত কাটিয়েছি (বা ভুল এড়াতে দ্রুত করেছি)। আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, কিন্তু তার সালাতের সওয়াবের কেবল দশভাগের একভাগ লিখা হয়, কিংবা নয়ভাগের একভাগ, আটভাগের একভাগ, সাতভাগের একভাগ অথবা ছয়ভাগের একভাগ—এভাবে তিনি গণনা শেষ করলেন।
(খণ্ড: ١) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ١٥١)
تفرد به يحيى الأموي عن عبيد الله عن نافع.

(6) حدثنا أبو محمد بن صاعد: حدثنا قطن بن إبراهيم: حدثنا حفص بن عبد الله: حدثنا إبراهيم بن طهمان، عن الحجاج بن الحجاج، عن قتادة، عن العلاء بن زياد، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن منزل المؤمن في الجنة مسيره للراكب ثلاث ليال. تفرد به إبراهيم بن طهمان عن الحجاج بن الحجاج عن قتادة.

(7) حدثنا أبو محمد بن صاعد وأحمد بن محمد بن أبي شيبة: حدثنا قطن بن إبراهيم: حدثنا الحسين بن الوليد، حدثنا حماد بن سلمة، عن عطاء بن السائب، عن مجاهد، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: وفد الله عز وجل ثلاثة: الحاج والمعتمر والغازي في سبيل الله، دعاهم الله فأجابوه، وسألوه فأعطاهم. هذا حديث غريب من حديث عطاء بن السائب عن مجاهد عن ابن عمر، تفرد به الحسين بن الوليد عن حماد بن سلمة عنه.

(8) أخبرنا علي بن عمر الدارقطني: حدثنا أبو عبد الله أحمد بن محمد بن المغلس: حدثنا أحمد بن منيع: حدثنا علي بن هاشم، عن الأعمش، عن أبي إسحاق، عن وهب بن جابر، عن عبد الله بن عمرو قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: كفى بالمرء إثما أن يضيع من يقوت. هذا حديث صحيح من حديث الأعمش عن أبي إسحاق، وهو غريب من حديث علي بن هاشم بن البريد، عنه.

(9) حدثنا أحمد بن محمد بن المغلس: حدثنا إبراهيم بن عبد الله الواسطي: حدثنا خالد بن مخلد: حدثنا عمر بن قيس، عن نافع، عن ابن عمر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: الملائكة لا تصحب العير فيها الجرس.
ইয়াহইয়া আল-উমাবী এটি উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফি থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক।

(৬) আবু মুহাম্মদ বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: কুতন বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাফস বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম বিন তাহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-আলা বিন যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: জান্নাতে মুমিনের আবাসস্থল একজন আরোহীর জন্য তিন রাতের পথের দূরত্ব। ইব্রাহিম বিন তাহমান এটি হাজ্জাজ বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক।

(৭) আবু মুহাম্মদ বিন সাঈদ এবং আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি শাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: কুতন বিন ইব্রাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হুসাইন বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা বিন আস-সাইব থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর মেহমান হলো তিন প্রকার: হজ্জকারী, উমরাহকারী এবং আল্লাহর পথে জিহাদকারী। আল্লাহ তাদের ডেকেছেন আর তারা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছে, এবং তারা তাঁর নিকট প্রার্থনা করেছে আর তিনি তাদের দান করেছেন। মুজাহিদ থেকে ইবনে উমরের সূত্রে আতা বিন আস-সাইব বর্ণিত এই হাদীসটি গরীব; হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে আল-হুসাইন বিন আল-ওয়ালিদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৮) আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনি আমাদের অবহিত করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুগাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন মানি' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আলী বিন হাশিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি ওয়াহাব বিন জাবির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: কোনো ব্যক্তির পাপী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যাদের ভরণপোষণ করে তাদের সে নষ্ট (অযত্ন) করে। আবু ইসহাক থেকে আল-আমাশের সূত্রে এই হাদীসটি সহীহ, এবং এটি আলী বিন হাশিম বিন আল-বারীদের সূত্রে গরীব।

(৯) আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুগাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: খালিদ বিন মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমর বিন কায়েস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ফেরেশতারা এমন কাফেলার সঙ্গী হয় না যাতে ঘণ্টা থাকে।
(খণ্ড: ١) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ١٥٢)
تفرد به عمر بن قيس عن نافع عن ابن عمر، وخالفه عبيد الله بن عمر وغيره فرووه عن نافع عن سالم عن أبي الجراح عن أم حبيبة، وهو الصحيح.

(10) حدثنا أحمد.. .. .. .. (1)

--------------------------------------------

(1) الورقة التي بعده ليست من كتاب الأفراد، وإنما هي ورقة من مسند عثمان بن عفان للبغوي. والتكملة التي تأتي بعده هي من آخر المخطوط (ورقة) ، وهي تتمة لهذا الجزء كما جاء في السماعات: وسمع جميع هذا الجزء وهو الثالث والثمانون من أفراد الدارقطني.. .
ওমর বিন কাইস এটি নাফে'র সূত্রে ইবনে ওমর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং উবায়দুল্লাহ বিন ওমর ও অন্যান্যরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তাঁরা এটি নাফে'র সূত্রে সালেম থেকে, তিনি আবুল জাররাহ থেকে এবং তিনি উম্মে হাবিবা থেকে বর্ণনা করেছেন—আর এটিই সঠিক।

(১০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ... ... ... ... (১)

--------------------------------------------

(১) এর পরবর্তী পৃষ্ঠাটি 'কিতাবুল আফরাদ'-এর অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি বাগাওয়ী সংকলিত 'মুসনাদে উসমান বিন আফফান'-এর একটি পৃষ্ঠা। এর পরে আসা পরিশিষ্টটি পাণ্ডুলিপির শেষ অংশ (পৃষ্ঠা) থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি এই খণ্ডেরই পরিপূরক—যেমনটি শ্রবণ-সনদে (সামা'আত) উল্লেখ রয়েছে: এই সম্পূর্ণ খণ্ডটি শ্রবণ করা হয়েছে, যা দারাকুতনী সংকলিত 'আফরাদ'-এর ৮৩তম খণ্ড...।
(খণ্ড: ১) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: -)
الثالث والثمانون من الفوائد الأفراد   (الدارقطني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثالث والثمانون من الفوائد الأفراد (ضمن مجموع طُبع باسم «الفوائد» لابن منده!)

المؤلف: أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود بن النعمان بن دينار البغدادي الدارقطني (ت 385هـ)

المحقق: خلاف محمود عبد السميع

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1423 هـ - 2002 م

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-ফাওয়া'িদ আল-আফরাদ-এর তিরাশিতম অংশ   (আদ-দারা কুতনী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-ফাওয়া'িদ আল-আফরাদ-এর তিরাশিতম অংশ (যা ইবনে মানদাহ-এর «আল-ফাওয়া'িদ» নামে মুদ্রিত একটি সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত!)

লেখক: আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আহমদ বিন মাহদী বিন মাসউদ বিন আন-নুমান বিন দিনার আল-বাগদাদী আদ-দারা কুতনী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী)

তাহকীককারী: খাল্লাফ মাহমুদ আবদুস সামী

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ، বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৩ হিজরী - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ২

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥١)
(11) .. … .... ..../ ابن رافع، عن أبيه رفاعة وكان ممن بايع تحت الشجرة قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رأى الهلال كبر، ثم قال: هلال خير ورشد، آمنت بخالقك. يقول ذلك ثلاثا. غريب تفرد به عمر بن سهل المازني عن عبد العزيز بن الحصين بهذا الإسناد.

(12) حدثنا أبو بكر النيسابوري: حدثنا عبد الله بن محمد بن زياد: حدثنا حاجب بن سليمان: حدثنا محمد بن مصعب: حدثنا مندل، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن أفضل صلاة الرجل صلاته في بيته، يعني التطوع. هذا حديث غريب من حديث الأعمش عن أبي سفيان عن جابر، تفرد به مندل بن علي عنه، ولا نعلم حدث به عنه غير محمد بن مصعب.

 

(13) أخبرنا علي بن عمر الدارقطني: حدثنا إسماعيل بن العباس الوراق: حدثنا حمدون بن عباد الفرغاني البزار: حدثنا علي بن عاصم: أخبرنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق، عن عائشة رضي الله عنها أم المؤمنين قالت: افترض الله الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم بمكة ركعتين ركعتين، إلا صلاة المغرب فإنها وتر النهار، فلما هاجر قدم المدينة فاتخذها دار هجرته وأقام بها، فزاد النبي صلى الله عليه وسلم في كل ركعتين ركعتين، إلا صلاة المغرب فإنها وتر النهار، وإلا صلاة الغداة لطول القراءة، وإلا
(11) .. … .... ..../ ইবনে রাফি তার পিতা রিফাআ থেকে বর্ণনা করেছেন—যিনি বৃক্ষের নিচে (বায়াতুর রিদওয়ান) শপথ গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন তাকবীর দিতেন। এরপর বলতেন: ‘হে কল্যাণ ও হিদায়াতের চাঁদ, আমি তোমার স্রষ্টার ওপর ঈমান আনলাম।’ তিনি এটি তিনবার বলতেন। এটি একটি গরিব হাদিস, এই সনদে আব্দুল আজিজ ইবনুল হুসাইন থেকে উমর বিন সাহল আল-মাযিনি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

(12) আবু বকর আন-নিসাবুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাজিব বিন সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন মুসআব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মানদাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই ব্যক্তির সর্বোত্তম সালাত হলো তার ঘরে আদায়কৃত সালাত, অর্থাৎ নফল সালাত। জাবির থেকে আবু সুফিয়ানের সূত্রে আমাশের বর্ণিত এই হাদিসটি গরিব; মানদাল বিন আলী এটি তার থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আমরা জানি না যে মুহাম্মদ বিন মুসআব ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

(13) আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইসমাইল বিন আল-আব্বাস আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হামদুন বিন আব্বাদ আল-ফারগানি আল-বাযযার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আলী বিন আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: দাউদ বিন আবি হিন্দ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শাবি থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ মক্কায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সালাত দুই রাকাত দুই রাকাত করে ফরজ করেছিলেন, তবে মাগরিবের সালাত ব্যতীত, কেননা তা দিনের বিতর (বিজোড়)। অতঃপর যখন তিনি হিজরত করে মদিনায় আসলেন এবং একে নিজের হিজরতভূমি হিসেবে গ্রহণ করলেন ও সেখানে বসবাস শুরু করলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি দুই রাকাতে আরও দুই রাকাত বৃদ্ধি করলেন; তবে মাগরিবের সালাত ব্যতীত—কেননা তা দিনের বিতর—এবং ফজরের সালাত ব্যতীত কিরাআত দীর্ঘ হওয়ার কারণে, এবং...
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٢)
الجمعة للخطبة، فافترضها الله على الناس، فكان إذا سافر صلى الصلاة التي افترضها، وإذا قام صلى أولئك ركعتين ركعتين، وافترضها على الناس. تفرد به علي بن عاصم عن داود بهذا الإسناد.

(14) حدثنا إسماعيل بن العباس: حدثنا القاسم بن العباس المعشري: حدثنا إسماعيل بن أمية: حدثنا حماد بن سلمة: حدثنا داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن مسروق قال: قال عبد الله بن مسعود: إن النبي صلى الله عليه وسلم آلى من نسائه وحرم، فأما الحرام فأحله الله، وأما الإيلاء فأمره بكفارة اليمين. تفرد به إسماعيل بن أمية، عن حماد، أسنده عن ابن مسعود.

(15) حدثنا علي بن محمد بن أحمد الواعظ: حدثنا محمد بن أحمد بن عياض بن أبي طيبة أبو علاثة / الفرضي: حدثنا محمد بن سلمة المرادي: حدثنا يونس بن تميم، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من ألبسه الله عز وجل نعمة فليكثر من الحمد، ومن كثرت همومه فليستغفر الله عز وجل، ومن أبطأ عنه الرزق فليكثر من لا حول ولا قوة إلا بالله، ومن نزل مع قوم فلا يصم إلا بإذنهم، ومن دخل دار قوم فليجلس حيث أمروه، فإن القوم أعلم بعورة دارهم، وإن من الذنب المسخوط على صاحبه الحضر (1) في الحسد، والكسل عن العبادة، والضنك في المعيشة. تفرد به يونس بن تميم عن الأوزاعي، وتفرد به عنه محمد بن سلمة المرادي.

(16) حدثنا علي بن محمد بن أحمد الواعظ: حدثنا أبو علاثة محمد بن أحمد بن عياض: حدثنا إسماعيل بن يحيى المزني: حدثني سليمان بن الجنيد، عن إبراهيم بن أبي يحيى، عن صالح مولى التوأمة، عن عبد الله بن عباس قال: كان فرس رسول الله صلى الله عليه وسلم

--------------------------------------------

(1) هكذا في الأصل، وفي المعجم الأوسط والمجمع: الحقد.
জুমুআ খুতবার জন্য নির্ধারিত, যা আল্লাহ মানুষের ওপর ফরজ করেছেন। তিনি যখন সফরে থাকতেন তখন তিনি (সফরকালীন) ফরজ নামাজ আদায় করতেন। আর যখন অবস্থান করতেন তখন তারা দুই রাকাত দুই রাকাত করে নামাজ পড়তেন এবং তিনি তা মানুষের ওপর ফরজ করেছিলেন। আলী ইবনু আসিম দাউদ থেকে এই সনদে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(১৪) আমাদের কাছে ইসমাইল ইবনুল আব্বাস বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে কাসিম ইবনুল আব্বাস আল-মাশারি বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে ইসমাইল ইবনু উমাইয়্যাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে হাম্মাদ ইবনু সালামাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে দাউদ ইবনু আবি হিন্দ শা'বি থেকে, তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ বলেছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের সাথে ঈলা (সহবাস না করার শপথ) করেছিলেন এবং (কিছু বিষয় নিজের ওপর) হারাম করেছিলেন। অতঃপর যা হারাম করেছিলেন তা আল্লাহ হালাল করে দিলেন, আর ঈলার ব্যাপারে তাকে কসমের কাফফারা আদায়ের নির্দেশ দিলেন। এটি ইসমাইল ইবনু উমাইয়্যাহ হাম্মাদ থেকে এবং তিনি ইবনু মাসউদ থেকে মারফু হিসেবে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(১৫) আমাদের কাছে আলী ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আহমাদ আল-ওয়াইজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনু আহমাদ ইবনু ইয়াদ ইবনু আবি তাইবাহ আবু উলাসাহ / আল-ফারদি বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনু সালামাহ আল-মুরাদি বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে ইউনুস ইবনু তামীম আওযায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা যাকে কোনো নেয়ামত দান করেছেন সে যেন অধিক পরিমাণে আল্লাহর প্রশংসা করে। যার চিন্তা ও উদ্বেগ বেড়ে যায় সে যেন আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লার কাছে অধিক পরিমাণে ক্ষমা প্রার্থনা করে। যার রিজিক আসতে বিলম্ব হয় সে যেন অধিক পরিমাণে 'লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ' পাঠ করে। আর যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের সাথে মেহমান হিসেবে অবস্থান করে, সে যেন তাদের অনুমতি ছাড়া রোজা না রাখে। যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের ঘরে প্রবেশ করে, সে যেন সেখানেই বসে যেখানে তারা তাকে বসতে বলে, কারণ গৃহকর্তারা তাদের ঘরের গোপনীয়তা সম্পর্কে অধিক অবগত। আর যেসব গুনাহের কারণে তার অধিকারীর ওপর আল্লাহর অসন্তুষ্টি অবতীর্ণ হয় তা হলো— হিংসা করা, ইবাদতে অলসতা করা এবং জীবনযাপনে সংকীর্ণতা। ইউনুস ইবনু তামীম আওযায়ি থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মদ ইবনু সালামাহ আল-মুরাদি তার থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(১৬) আমাদের কাছে আলী ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আহমাদ আল-ওয়াইজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবু উলাসাহ মুহাম্মদ ইবনু আহমাদ ইবনু ইয়াদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে ইসমাইল ইবনু ইয়াহইয়া আল-মুযানী বর্ণনা করেছেন: আমার কাছে সুলাইমান ইবনুল জুনাইদ ইবরাহিম ইবনু আবি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি সালেহ মাওলা আত-তাওআমাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘোড়া ছিল...

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে এভাবেই আছে, তবে আল-মুজামুল আওসাত এবং আল-মাজমা গ্রন্থে এটি 'আল-হিকদ' (বিদ্বেষ) হিসেবে এসেছে।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٣)
يقال له السكب، وناقته القصواء، وجمله (المدل؟) ، وحماره يعفور، وبغلته دلدل، وسوطه مليس، وسنانه بركة، وغلامه أنجشة، وخادمه بريرة، وعصاه نبعة، وقدحه الغمر، ولواؤه (الزيتون؟) ، وعمامته السحاب، ورايته العقاب، وسيفه ذو الفقار، ودرعه ذو الفضول، وقلنسوته الواصلة، ونعله (اليافعة؟) ، وكانت مخصرة لها زمامان. تفرد به أبو إبراهيم المزني عن شيخه هذا بهذا الإسناد.

(17) حدثنا أبو إسحاق إبراهيم بن حماد بن إسحاق: حدثنا زيد بن أخزم: حدثنا أبو أحمد: أخبرنا حبيب بن أبي حبيب، عن عمرو بن هرم، عن عكرمة وسعيد بن جبير، عن ابن عباس قال: أرادت ضباعة الحج، فأمرها رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تشترط، ففعلت ذلك عن أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم. تفرد به حبيب بن أبي حبيب عن عمرو بن هرم.

(18) حدثنا إبراهيم بن حماد: حدثنا حميد بن الربيع: حدثنا أبو سفيان المعمري، عن معمر، / عن أيوب وكثير بن كثير بن المطلب بن أبي وداعة يزيد أحدهما عن الآخر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: رحم الله أم إسماعيل، لو تركت زمزم - أو قال: لم تغرف من الماء - لكانت زمزم عينا معينا. لم يجمع بينهما غير معمر.

(19) حدثنا أحمد بن موسى بن العباس بن مجاهد: حدثنا إبراهيم بن راشد: حدثنا أبو داود بن مهران: حدثنا أبو هشام الكرماني حسان بن إبراهيم، عن إبراهيم الصائغ، عن عطاء ونافع، عن ابن عمر قال: كانت تلبية النبي صلى الله عليه وسلم: لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك. تفرد به حسان بن إبراهيم عن إبراهيم الصائغ.
তাকে আস-সাকব (ঘোড়া) বলা হতো, তাঁর উষ্ট্রী ছিল আল-কাসওয়া, তাঁর উট (আল-মাদল?), তাঁর গাধা ইয়াফুর, তাঁর খচ্চর দুলদুল, তাঁর চাবুক মুলাইস, তাঁর বর্শার ফলক বারাকাহ, তাঁর খাদেম আনজাশাহ, তাঁর পরিচারিকা বারীরাহ, তাঁর লাঠি নাব’আহ, তাঁর পেয়ালা আল-গামর, তাঁর পতাকা (আয-যাইতুন?), তাঁর পাগড়ি আস-সাহাব, তাঁর নিশান আল-উক্বাব, তাঁর তলোয়ার যুল-ফিকার, তাঁর বর্ম যুল-ফুদুল, তাঁর টুপি আল-ওয়াসিলাহ, তাঁর জুতো (আল-ইয়াফিআহ?), এবং তাঁর একটি লাঠি ছিল যার দুটি ফিতা ছিল। আবু ইবরাহিম আল-মুযানী তাঁর এই উস্তাদ থেকে এই সনদে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(১৭) আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে হাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যাইদ ইবনে আখযাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাবিব ইবনে আবি হাবিব আমাদের নিকট খবর দিয়েছেন, আমর ইবনে হারাম থেকে, তিনি ইকরিমাহ এবং সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দুবাআহ হজ করার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (ইহরামে) শর্ত আরোপ করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ অনুযায়ী তাই করলেন। হাবিব ইবনে আবি হাবিব আমর ইবনে হারাম থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(১৮) ইবরাহিম ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হুমাইদ ইবনে আর-রাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু সুফিয়ান আল-মামারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’মার থেকে, / আইয়ুব এবং কাসীর ইবনে কাসীর ইবনে মুত্তালিব ইবনে আবি ওয়াদাআহ থেকে, তাঁদের একজন অন্যজন থেকে বৃদ্ধি করে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তাআলা ইসমাইলের জননীর ওপর রহম করুন, তিনি যদি যমযমকে ছেড়ে দিতেন—অথবা বললেন: তিনি যদি পানি থেকে অঞ্জলি না নিতেন—তবে যমযম একটি বহমান ঝরনা হতো। মা’মার ছাড়া অন্য কেউ এই দুই রাবীকে একত্রিত করেননি।

(১৯) আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে আব্বাস ইবনে মুজাহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবরাহিম ইবনে রাশিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু দাউদ ইবনে মিহরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু হিশাম আল-কিরমানি হাসসান ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আস-সায়িগ থেকে, তিনি আতা এবং নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তালবিয়া ছিল: আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ! আমি উপস্থিত। আমি উপস্থিত, আপনার কোনো শরীক নেই, আমি উপস্থিত। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা, নেয়ামত এবং রাজত্ব আপনারই; আপনার কোনো শরীক নেই। হাসসান ইবনে ইবরাহিম ইবরাহিম আস-সায়িগ থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٤)
(20) حدثنا أبو حامد محمد بن هارون: حدثنا محمد بن هشام بن عيسى المرُّوذي: حدثنا محمد بن ربيعة: حدثنا يزيد بن زياد بن أبي الجعد، عن عاصم الجحدري، عن عقبة بن ظهير، عن علي بن أبي طالب في قوله عز وجل: فصل لربك وانحر، قال: وضع اليمين على الشمال في الصلاة.

(21) حدثنا محمد بن منصور بن أبي الجهم: حدثنا النضر بن إسماعيل: حدثنا أبي: حدثنا أبو بلال الأشعري: حدثنا حفص بن سليمان، عن كثير بن شنظير، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تقوم الساعة حتى يرفع العلم، ويظهر الجهل، وتكثر الفواحش والهرج، قيل: يا أبا هريرة، وما الهرج؟ قال: القتل. هذا حديث غريب من حديث كثير بن شنظير عن المقبري، تفرد به حفص بن سليمان المقرئ (1) عنه.

(22) حدثنا محمد بن نوح الجنديسابوري: حدثنا عبد القدوس بن محمد بن عبد الكبير بن شعيب بن الحبحاب: حدثنا عبد الله بن داود، عن عُريف بن درهم، عن جبلة بن سحيم، عن ابن عمر في المسح على الخفين، قال: وقت لنا ثلاثة أيام ولياليهن للمسافر، ويوم وليلة للمقيم. هذا حديث غريب من حديث جبلة بن سحيم، عن ابن عمر، تفرد به عُريف بن درهم، ويكنى أبا هريرة.

(23) / حدثنا محمد بن جعفر المطيري: حدثنا محمد بن سعد بن محمد العوفي قال: وجدت في كتاب أبي عن روح بن مسافر، عن أبي إسحاق، عن مسروق بن الأجدع والأسود بن يزيد وعمرو بن ميمون، أنهم زعموا أن عائشة رضي الله عنها قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر ركعتين وإنه كان يصليهما حتى قبضه الله عز وجل.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: المقبري.
(২০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন হারুন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন ঈসা আল-মারওয়াযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন রাবীআহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন যিয়াদ বিন আবু আল-জাদ, আসিম আল-জাহদারী থেকে, তিনি উকবাহ বিন যুহাইর থেকে, তিনি আলী বিন আবু তালিব (রা.) থেকে আল্লাহর এই বাণীর ব্যাপারে বর্ণনা করেছেন: "অতএব আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কোরবানি করুন", তিনি বলেন: সালাতে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখা।

(২১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মানসুর বিন আবু আল-জাহম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নদর বিন ইসমাঈল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিলাল আল-আশআরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন সুলাইমান, কাসীর বিন শানযীর থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবু সাঈদ আল-মাকবরী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না ইলম (জ্ঞান) উঠিয়ে নেয়া হবে, মূর্খতা প্রকাশ পাবে এবং অশ্লীলতা ও হারজ বৃদ্ধি পাবে।" জিজ্ঞেস করা হলো: "হে আবু হুরায়রা, হারজ কী?" তিনি বললেন: "হত্যা।" এটি কাসীর বিন শানযীর সূত্রে আল-মাকবরী থেকে বর্ণিত একটি গারীব হাদীস, ক্বারী হাফস বিন সুলাইমান এটি তার থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন (১)।

(২২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন নূহ আল-জুন্দিসাবুরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল কুদ্দুস বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল কাবীর বিন শুআইব বিন আল-হাবহাব: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন দাউদ, উরাইফ বিন দিরহাম থেকে, তিনি জাবালা বিন সুহাইম থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে চামড়ার মোজার উপর মাসাহ করার ব্যাপারে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের জন্য মুসাফিরের জন্য তিন দিন তিন রাত এবং মুকীমের জন্য এক দিন এক রাত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি জাবালা বিন সুহাইম সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণিত একটি গারীব হাদীস, উরাইফ বিন দিরহাম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, যার উপনাম আবু হুরায়রা।

(২৩) / আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-মুতাইরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সা’দ বিন মুহাম্মদ আল-আওফী, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার কিতাবে রূহ বিন মুসাফিরের সূত্রে পেয়েছি, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি মাসরুক বিন আল-আজদা, আল-আসওয়াদ বিন ইয়াযীদ এবং আমর বিন মাইমুন থেকে বর্ণনা করেন যে, তারা বর্ণনা করেছেন যে আয়েশা (রা.) বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন এবং মহান আল্লাহ তাঁর জান কবজ করা পর্যন্ত তিনি এই দুই রাকাত নিয়মিত আদায় করতেন।

--------------------------------------------

(১) মূলে রয়েছে: আল-মাকবরী।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٥)
تفرد به روح بن مسافر عن أبي إسحاق عن الثلاثة عن عائشة، وتفرد به سعد بن محمد العوفي عنه.

(24) حدثنا أبو العباس محمد بن موسى بن علي بن عيسى الدولابي: حدثنا محمد بن إشكاب: حدثنا جعفر بن عون: حدثنا أبو عميس: أخبرناه عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه قال: جاء قوم إلى عمر يشكون الجهد، فأرسل عينيه بأربع، ثم رفع يديه، ثم قال: اللهم لا تجعل هلكتهم على يدي، ثم أمر لهم بطعام. تفرد به أبوعميس، عن عون.

(25) أخبرنا علي بن عمر الدارقطني: حدثنا محمد بن موسى بن علي: حدثنا محمد بن إشكاب: حدثنا جعفر بن عون: حدثنا أبو عميس، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، أنه سمع عليا رضي الله عنه يقول: خير هذه الأمة أبو بكر وعمر، ثم الله أعلم بخياركم. تفرد به جعفر بن عون، عن أبي عميس.

(26) حدثنا عبد الملك بن أحمد الدقاق: حدثنا يونس بن عبد الأعلى: حدثنا سعيد بن عفير، عن ابن لهيعة، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: نعم الإدام الخل. تفرد به ابن عفير، عن ابن لهيعة.

(27) حدثنا علي بن محمد بن أحمد الواعظ: حدثنا أحمد بن محمد بن رشدين: حدثنا سعيد بن عفير: حدثنا ابن لهيعة، عن أبي الأسود، عن عروة، عن عائشة وأبي واقد الليثي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى بالناس يوم الفطر والأضحى، فكبر في الأولى سبعا، وفي الآخرة خمسا.
এটি আবু ইসহাক থেকে রুহ ইবনে মুসাফির এককভাবে বর্ণনা করেছেন, যা তিনি তিন ব্যক্তির মাধ্যমে আয়িশাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং সাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আওফি এটি তার থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(২৪) আমাদের নিকট আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা আদ-দুলাবি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইশকাব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট জাফর ইবনে আওন বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু উমাইস বর্ণনা করেছেন: তিনি আওন ইবনে আবি জুহাইফাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদল লোক ওমরের নিকট অভাব-অনটনের অভিযোগ নিয়ে এল, তখন তাঁর দুচোখ বেয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল, এরপর তিনি তাঁর দুই হাত তুললেন, অতঃপর বললেন: হে আল্লাহ, তাদের ধ্বংস আমার হাতে দিও না, তারপর তিনি তাদের জন্য খাবারের নির্দেশ দিলেন। আবু উমাইস এটি আওন থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(২৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ওমর আদ-দারাকুতনি: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইশকাব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট জাফর ইবনে আওন বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু উমাইস বর্ণনা করেছেন, তিনি আওন ইবনে আবি জুহাইফাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন: এই উম্মতের মধ্যে আবু বকর এবং ওমর শ্রেষ্ঠ, এরপর আপনাদের মধ্যে কারা শ্রেষ্ঠ তা আল্লাহই ভালো জানেন। জাফর ইবনে আওন এটি আবু উমাইস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(২৬) আমাদের নিকট আব্দুল মালিক ইবনে আহমাদ আদ-দাক্কাক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে আবদিল আলা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে উফাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি আবু জুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: সিরকা কতই না চমৎকার সালন। ইবনে উফাইর এটি ইবনে লাহিয়াহ থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(২৭) আমাদের নিকট আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-ওয়াইজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রুশদিন বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে উফাইর বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইবনে লাহিয়াহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশাহ ও আবু ওয়াকিদ আল-লায়সী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, তাতে তিনি প্রথম রাকাতে সাতটি এবং শেষ রাকাতে পাঁচটি তাকবীর প্রদান করলেন।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٦)
(28) وبهذا الإسناد، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم / قرأ في الركعة الأولى من صلاة العيد: ق والقرآن المجيد [ق: 1] ، وفي الآخرة: اقتربت الساعة وانشق القمر [القمر: 1] . تفرد به ابن لهيعة عن أبي الأسود.

(29) حدثنا أحمد بن محمد بن مسعدة: حدثنا محمد بن عمران بن جندب الهمداني: حدثنا القاسم بن الحكم: حدثنا الحسن بن عمارة، عن أبي الزبير، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، وعن عمرو بن دينار، عن طاوس وسعيد بن جبير، عن ابن عباس قال: جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم بين الظهر والعصر، وبين المغرب والعشاء، بالمدينة من غير خوف (خافه؟) ولا مطر. قال أبو الزبير: سألت سعيد بن جبير: لم فعل ذلك؟ فقال: سألت ابن عباس، فقال: لكيلا يحرج أمته. تفرد به الحسن بن عمارة عن عمرو بن دينار عن طاوس.

(30) حدثنا أحمد بن محمد بن مسعدة: حدثنا محمد بن المغيرة الهمداني: حدثنا القاسم بن الحكم: حدثنا الحسن بن عمارة، عن عبد الله بن أبي بكر، عن عمرة، عن عائشة قالت: كان أكثر انصراف رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى حجرة عائشة عن يساره.

(31) حدثنا أحمد: حدثنا محمد بن المغيرة: حدثنا القاسم بن الحكم: حدثنا
(28) এবং এই একই সনদে উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঈদের নামাজের প্রথম রাকাতে পাঠ করতেন: 'ক্বাফ। শপথ মহিমান্বিত কুরআনের' [ক্বাফ: ১], এবং পরবর্তী রাকাতে: 'কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে' [আল-ক্বামার: ১]। এটি ইবনে লাহিয়াহ এককভাবে আবু আল-আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

(29) আমাদের নিকট আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাসআদাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইমরান বিন জুনদুব আল-হামদানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-কাসিম বিন আল-হাকাম বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-হাসান বিন উমারাহ বর্ণনা করেছেন আবু যুবাইর থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে; এবং আমর বিন দীনার থেকে, তিনি তাউস ও সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তাঁরা ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনায় কোনো প্রকার ভয়-ভীতি বা বৃষ্টি ছাড়াই যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করেছেন। আবু যুবাইর বলেন: আমি সাঈদ বিন জুবাইরকে জিজ্ঞাসা করলাম: তিনি কেন এটি করেছিলেন? তিনি বললেন: আমি ইবনে আব্বাসকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বললেন: যাতে তিনি তাঁর উম্মতকে কোনো সংকটে বা কষ্টে না ফেলেন। হাসান বিন উমারাহ এককভাবে এটি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি তাউস থেকে বর্ণনা করেছেন।

(30) আমাদের নিকট আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মাসআদাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আল-মুগীরাহ আল-হামদানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-কাসিম বিন আল-হাকাম বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-হাসান বিন উমারাহ বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর থেকে, তিনি আমরাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামাজ শেষে অধিকাংশ সময় তাঁর বাম দিকে আয়েশার কক্ষের অভিমুখে ফিরতেন।

(31) আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আল-মুগীরাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আল-কাসিম বিন আল-হাকাম বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٧)
الحسن بن عمارة، عن يعلى بن عطاء، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: اللهم بارك لأمتي في بكورها. تفرد به الحسن بن عمارة عن يعلى بن عطاء بهذا الإسناد، والمحفوظ عن يعلى بن عطاء، عن عمارة بن حديد، عن صخر الغامدي.

(32) حدثنا أحمد (1) : حدثنا محمد بن المغيرة: حدثنا القاسم بن الحكم: حدثنا الحسن بن عمارة، عن نعيم بن أبي هند، عن ربعي، عن حذيفة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لم يبق من النبوة الأولى إلا: إذا لم تستحيي فاصنع ما شئت.

(33) وبإسناده عن حذيفة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من أخلاق النبوة تعجيل الإفطار، وتأخير السحور، ووضع الأيدي في الصلاة. تفرد بهما الحسن بن عمارة عن نعيم بن أبي هند.

(34) / حدثنا علي بن عمر الدارقطني: حدثنا أبو محمد يحيى بن محمد بن صاعد: حدثنا عقبة بن مكرم العمي: حدثنا أبو عامر العقدي: حدثنا زمعة، عن ابن أبي مليكة، أن أم سلمة سمعت الصرخة على عائشة فقالت لجاريتها: اذهبي فانظري، فقالت: قبضت، فقالت: والذي نفسي بيده، لقد كانت أحب الناس إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم. هذا حديث غريب من حديث عبد الله بن أبي مليكة عن أم سلمة، تفرد به زمعة بن صالح عنه.

(35) حدثنا محمد بن منصور بن أبي الجهم الشيعي: حدثنا أبي منصور بن النضر بن إسماعيل قال: حدثنا أبو بلال: حدثنا قبيس بن الربيع، عن عبد الله بن عمران المدائني، عن عمرو بن عبيد البصري، عن الحسن البصري قال: قال علي بن أبي طالب: قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم: أي شيء خير للمرأة؟ قال: فلم يكن عندنا لذلك جواب، فلما رجعت إلى فاطمة عليها السلام قلت: يا بنت محمد، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم سألنا عن مسألة فلم ندر كيف نجيبه، فقالت: وعن أي شيء سألكم؟ فقلت: قال: أي شيء خير للمرأة؟ فقالت: فلم تدروا ما الجواب؟ فقلت لها: لا، فقالت: ليس خير للمرأة من أن لا ترى رجلا ولا يراها، فلما كان العشي جلسنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت له: يا رسول الله، إنك سألتنا عن مسألة فلم نجبك فيها، قال: فقلت له: ليس للمرأة شيء خير من أن لا ترى رجلا ولا يراها، فقال: ومن قال ذلك؟ فقلت:

--------------------------------------------

(1) تكررت هذه العبارة في الأصل مرتين، والصواب حذفها كما في الأسانيد السابقة.
হাসান ইবনে আমারা, ইয়ালা ইবনে আতা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: হে আল্লাহ, আপনি আমার উম্মতের জন্য তাদের ভোরের কাজে বরকত দান করুন। হাসান ইবনে আমারা এই সনদে ইয়ালা ইবনে আতা থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়ালা ইবনে আতা থেকে সংরক্ষিত বর্ণনাটি হলো—তিনি উমারা ইবনে হাদিদ থেকে, আর তিনি সাখর আল-গামিদি থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৩২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ (১): আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুগীরা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসেম ইবনে আল-হাকাম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আমারা, নুআইম ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি রিবয়ী থেকে, তিনি হুজাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: পূর্ববর্তী নবুওয়াতের শিক্ষা থেকে কেবল এটিই অবশিষ্ট আছে যে—যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তবে যা ইচ্ছে তা করো।

(৩৩) এবং এই সনদেই হুজাইফা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নবুওয়াতের আখলাকের অন্তর্ভুক্ত হলো দ্রুত ইফতার করা, সেহরি দেরিতে খাওয়া এবং সালাতে হাত রাখা। হাসান ইবনে আমারা নুআইম ইবনে আবি হিন্দ থেকে এই দুটি হাদিস এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৩৪) / আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে উমর আদ-দারা কুতনী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উকবা ইবনে মুকরাম আল-আম্মী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির আল-আকাদী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জামআহ, ইবনে আবি মুলাইকা থেকে যে, উম্মে সালামাহ আয়িশার মৃত্যুর শোকধ্বনি শুনে তাঁর দাসীকে বললেন: যাও এবং দেখে এসো। সে এসে বলল: তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তখন উম্মে সালামাহ বললেন: সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকা থেকে উম্মে সালামাহর সূত্রে এটি একটি বিরল হাদিস, জামআহ ইবনে সালেহ এটি তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৩৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মনসুর ইবনে আবি আল-জাহম আল-শিয়ী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা মনসুর ইবনে আন-নাদর ইবনে ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিলাল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুবাইস ইবনে আর-রাবী, আবদুল্লাহ ইবনে ইমরান আল-মাদায়িনী থেকে, তিনি আমর ইবনে উবাইদ আল-বাসরি থেকে, তিনি হাসান বসরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবি তালিব বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আমাদের জিজ্ঞেস করলেন: নারীর জন্য সর্বোত্তম বিষয় কী? আলী বলেন: আমাদের কাছে এর কোনো উত্তর ছিল না। আমি যখন ফাতিমা আলাইহাস সালামের কাছে ফিরে গেলাম, তখন বললাম: হে মুহাম্মদের কন্যা, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের একটি প্রশ্ন করেছেন কিন্তু আমরা জানতাম না কীভাবে তাঁর উত্তর দেব। তিনি বললেন: তিনি তোমাদের কী জিজ্ঞাসা করেছেন? আমি বললাম: তিনি বলেছেন: নারীর জন্য সর্বোত্তম বিষয় কী? তিনি বললেন: তোমরা কি এর উত্তর জাননি? আমি তাঁকে বললাম: না। তখন তিনি বললেন: নারীর জন্য এর চেয়ে উত্তম আর কিছু নেই যে, সে কোনো পরপুরুষকে দেখবে না এবং কোনো পরপুরুষও তাকে দেখবে না। যখন সন্ধ্যা হলো, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিসে বসলাম, তখন আমি তাঁকে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমাদের একটি প্রশ্ন করেছিলেন যার উত্তর আমরা আপনাকে দিতে পারিনি। আলী বলেন: আমি তাঁকে বললাম: নারীর জন্য কোনো কিছুই এর চেয়ে উত্তম নয় যে, সে কোনো পুরুষকে দেখবে না এবং কোনো পুরুষও তাকে দেখবে না। তখন তিনি বললেন: এ কথা কে বলেছে? আমি বললাম:

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এই বাক্যটি দুইবার এসেছে, সঠিক হলো পূর্ববর্তী সনদগুলোর ন্যায় এটি বাদ দেওয়া।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٨)
فاطمة عليها السلام، فقال: صدقت، إنها بضعة مني. هذا حديث غريب من حديث الحسن البصري عن علي عن فاطمة عليهما السلام، تفرد به أبو بلال الأشعري عن قيس، بهذا الإسناد.

(36) حدثنا القاضي أبو جعفر أحمد بن إسحاق بن البهلول، حدثني أبي: حدثنا زيد بن الحباب: حدثنا كامل بن العلاء، عن حبيب بن أبي ثابت، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول بين السجدتين: اللهم اغفر لي وارحمني / واهدني وعافني وارزقني واجبرني. تفرد به كامل بن العلاء عن حبيب بن [أبي] (1) ثابت.

(37) حدثنا القاضي أحمد بن إسحاق بن البهلول: حدثني أبي: حدثني أبي، عن عمران بن أبي عثمان العدوي، عن ثابت، عن أنس بن مالك قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في دعائه: اللهم خذ بنواصي هذه الأمة إلى طاعتك وطاعة رسولك، وحط من ورائهم برحمتك. هذا حديث غريب من حديث ثابت عن أنس، تفرد به عمران بن أبي عثمان، ولم يروه عنه غير البهلول بن حسان.

(38) حدثنا القاضي أحمد بن إسحاق بن البهلول: حدثني أبي رحمه الله مناولة، عن المسيب بن شريك، عن دهثم، عن يحيى بن أبي كثير، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: لا تنبذوا التمر والزبيب جميعا، ولا البسر والرطب جميعا، وانبذوا كل واحد منهما على حدة.

--------------------------------------------

(1) ساقطة من الأصل.
ফাতিমা (আলাইহাস সালাম), তিনি বললেন: আপনি সত্য বলেছেন, তিনি আমারই অংশ। হাসান বসরী হতে বর্ণিত আলী ও ফাতিমার (আলাইহিমাস সালাম) সূত্রে এটি একটি গারীব হাদিস। এই সনদে আবু বিলাল আল-আশআরি কায়স থেকে এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।

(৩৬) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আবু জাফর আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাইদ ইবনুল হুবাব: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কামিল ইবনুল আলা, হাবিব ইবনে আবু সাবিত থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই সিজদার মাঝখানে বলতেন: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার ওপর দয়া করুন, আমাকে হেদায়েত দান করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন, আমাকে রিজিক দান করুন এবং আমার ক্ষতি পূরণ করে দিন। হাবিব ইবনে [আবু] (১) সাবিত হতে কামিল ইবনুল আলা এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।

(৩৭) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: আমার দাদা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইমরান ইবনে আবু উসমান আল-আদাওয়ী থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দোয়ায় বলতেন: হে আল্লাহ! এই উম্মতের কপালগুলো আপনার আনুগত্য ও আপনার রাসূলের আনুগত্যের দিকে ধাবিত করুন এবং আপনার রহমতের মাধ্যমে তাদের চারপাশ বেষ্টন করে রক্ষা করুন। সাবিত হতে আনাস (রা.)-এর সূত্রে এটি একটি গারীব হাদিস। ইমরান ইবনে আবু উসমান এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন এবং বাহলুল ইবনে হাসসান ছাড়া আর কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেননি।

(৩৮) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল: আমার পিতা (রাহিমাহুল্লাহ) হস্তান্তরের মাধ্যমে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুসাইয়িব ইবনে শারিক থেকে, তিনি দাহসাম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতে শুনেছেন: তোমরা শুকনো খেজুর ও কিশমিশ একত্রে মিশিয়ে নাবিয তৈরি করো না, এবং কাঁচা খেজুর ও পাকা খেজুরও একত্রে মিশিও না। বরং তোমরা তাদের প্রত্যেকটি আলাদাভাবে ভেজাও।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٥٩)
هذا حديث صحيح من حديث يحيى بن أبي كثير، وهو غريب من حديث دهثم بن قُران عنه، تفرد به المسيب بن شريك عنه.

(39) حدثنا أبو شيبة عبد العزيز بن جعفر بن بكر الخوارزمي: حدثنا العباس بن يزيد: حدثنا عمر بن عمران قال: حدثنا دهثم بن قران، عن يحيى بن أبي كثير، عن عمرو بن عثمان، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من كان عليه دين فقضي دينه، فقد أجزأ عنه، وقال في الحج والصيام مثل ذلك. تفرد به دهثم عن يحيى بن أبي كثير، ولم يروه عنه غير عمر بن عمران الطفاوي.

(40) حدثنا محمد بن أحمد بن صالح الأزدي وأبو شيبة عبد العزيز بن جعفر قالا: حدثنا العباس بن يزيد البحراني: حدثنا عمر بن عمران: حدثنا دهثم بن قران، عن يحيى بن أبي كثير، عن عمرو بن عثمان، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: الاستئذان ثلاث، فالأولى يستمعون، والثانية يستصلحون، والثالثة: يأذنون أو يردون. تفرد به دهثم بن قران عن يحيى بن أبي كثير.

(41) حدثنا أبو شيبة: حدثنا عمرو بن علي: حدثنا عبد الأعلى: حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الطائفي، / عن عبد ربه بن الحكم، عن عثمان بن بشر: سمعت عثمان بن أبي العاص يقول: شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم نسيان القرآن فضرب صدري وقال: يا شيطان، اخرج من صدر عثمان. قال: فما نسيت شيئا قط بعد. تفرد به عبد الله بن عبد الرحمن بن يعلى الطائفي.

(42) أخبرنا أبو شيبة: حدثنا عمرو بن علي: حدثنا أبو داود: حدثنا الحكم بن عطية، عن ثابت، عن أنس قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم يخرج إلى المسجد والمهاجرون والأنصار ما منهم أحد يرفع رأسه عن حبوته إلا أبو بكر وعمر، فإنه كان يتبسم إليهما
এটি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসিরের সূত্রে একটি সহিহ হাদিস, যা দাহসাম ইবনে কুরানের বর্ণনায় গরিব (অল্পসংখ্যক সূত্রে বর্ণিত), মুসাইয়িব ইবনে শারিক এটি তার থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন।

(৩৯) আমাদের নিকট আবু শায়বা আব্দুল আজিজ ইবনে জাফর ইবনে বকর আল-খাওয়ারিজমি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্বাস ইবনে ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উমর ইবনে উমরান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট দাহসাম ইবনে কুরান বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যার ওপর ঋণ ছিল এবং তার পক্ষ থেকে সেই ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে, তা তার পক্ষ থেকে যথেষ্ট হয়েছে।" হজ এবং রোজা সম্পর্কেও তিনি একই কথা বলেছেন। দাহসাম এটি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন এবং উমর ইবনে উমরান আল-তাফাওয়ি ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে এটি বর্ণনা করেননি।

(৪০) আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সালিহ আল-আজদি এবং আবু শায়বা আব্দুল আজিজ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন: আমাদের নিকট আব্বাস ইবনে ইয়াজিদ আল-বাহরানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উমর ইবনে উমরান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট দাহসাম ইবনে কুরান বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "অনুমতি প্রার্থনা তিনবার; প্রথমবার তারা শোনার জন্য, দ্বিতীয়বার তারা নিজেদের প্রস্তুত করার জন্য এবং তৃতীয়বার তারা অনুমতি দেবে অথবা ফিরিয়ে দেবে।" দাহসাম ইবনে কুরান এটি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন।

(৪১) আমাদের নিকট আবু শায়বা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে আলি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল আলা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আল-তায়েফি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাব্বিহ ইবনে আল-হাকাম থেকে, তিনি উসমান ইবনে বিশর থেকে বর্ণনা করেন: আমি উসমান ইবনে আবিল আসকে বলতে শুনেছি: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কুরআন ভুলে যাওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ করলাম। তখন তিনি আমার বুকে আঘাত করলেন এবং বললেন: "হে শয়তান! উসমানের বুক থেকে বের হয়ে যাও।" তিনি (উসমান) বলেন: এরপর আমি আর কখনো কিছু ভুলিনি। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ইয়ালি আল-তায়েফি এটি একাকী বর্ণনা করেছেন।

(৪২) আমাদের নিকট আবু শায়বা খবর দিয়েছেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে আলি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হাকাম ইবনে আতিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মসজিদের দিকে বের হতেন, তখন মুহাজির ও আনসারদের মাঝে এমন কেউ ছিল না যে তার উবু হয়ে বসা অবস্থা (হাবওয়া) থেকে মাথা তুলত, কেবল আবু বকর ও উমর ব্যতীত; কেননা তিনি তাদের দেখে মুচকি হাসতেন।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٠)
ويتبسمان إليه. تفرد به الحكم بن عطية عن ثابت عن (1) أنس.

(43) حدثنا أبو شيبة: حدثنا علي بن مسلم: حدثنا خالد بن مخلد: حدثنا يحيى بن عمير، عن المقبري، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يأخذ الرجل أحبله وفأسه - أو فأسه وأحبله - فيذهب فيأتي الجبل فيحتطب خير له من أن يسأل بني آدم. تفرد به يحيى بن عمير المدني، عن سعيد المقبري.

(44) حدثنا أبو عبيد القاسم بن إسماعيل: حدثنا زيد بن أخزم: حدثنا عبد الصمد: حدثني أبي: حدثنا داود بن أبي هند، عن عاصم وهو الأحول، عن صفوان بن محرز، عن أبي موسى أنه قال: أبرؤ إليك ممن برئ منه رسول الله صلى الله عليه وسلم، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم برئ ممن حلق وسلق وخرق. هذا حديث غريب من حديث داود بن أبي هند عن عاصم بن سليمان الأحول، تفرد به عبد الوارث بن سعيد عنه.

(45) حدثنا أحمد بن إبراهيم بن حبيب الزراد: حدثنا يوسف بن سعيد بن مسلم: حدثنا عباس بن طالب أبو عمرو: حدثنا الليث: حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تقوم الساعة حتى تخرج نار من اليمن تضيء لها أعناق الإبل ببصرى. / هذا حديث غريب من حديث الزهري عن عروة عن عائشة، تفرد به عباس بن طالب عن الليث عن عقيل.

(46) حدثنا عبيد الله بن عبد الصمد بن المهتدي بالله: حدثنا الحسن بن علي بن خلف الدمشقي: حدثنا سليمان بن عبد الرحمن: حدثنا عبد الملك بن محمد الصنعاني: حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة

--------------------------------------------

(1) تحرف في الأصل إلى: بن.
এবং তারা উভয়ে তাঁর দিকে মৃদু হাসবেন। হাকাম ইবনে আতিয়্যাহ এটি সাবিত থেকে, তিনি (১) আনাস (রা.) থেকে একাই বর্ণনা করেছেন।

(৪৩) আবু শাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আলী ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: খালিদ ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে উমাইর আমাদের নিকট মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কোনো ব্যক্তি তার রশি ও কুড়াল—অথবা কুড়াল ও রশি—নিয়ে পাহাড়ে গিয়ে কাঠ সংগ্রহ করা তার জন্য আদম সন্তানের কাছে হাত পাতার চেয়ে উত্তম। ইয়াহইয়া ইবনে উমাইর আল-মাদানি এটি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে একাই বর্ণনা করেছেন।

(৪৪) আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যাইদ ইবনে আখযাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: দাউদ ইবনে আবি হিন্দ আমাদের নিকট আসিম—যিনি আল-আহওয়াল—থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে মুহরিয থেকে, তিনি আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন, আমিও তার থেকে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিচ্ছি; নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তি থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন যে (বিপদে) মাথা মুণ্ডন করে, উচ্চৈঃস্বরে বিলাপ করে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। এটি আসিম ইবনে সুলাইমান আল-আহওয়াল থেকে দাউদ ইবনে আবি হিন্দের বর্ণিত একটি গরীব হাদিস; আবদুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ তাঁর থেকে এটি একাই বর্ণনা করেছেন।

(৪৫) আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে হাবিব আজ-যাররাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইউসুফ ইবনে সাঈদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্বাস ইবনে তালিব আবু আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উকাইল আমার নিকট ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না ইয়ামান থেকে এমন এক অগ্নি নির্গত হবে যার ফলে বুসরার উটগুলোর ঘাড় আলোকিত হয়ে যাবে। / এটি উরওয়াহ থেকে যুহরির বর্ণিত, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে—একটি গরীব হাদিস; আব্বাস ইবনে তালিব এটি লাইস থেকে, তিনি উকাইল থেকে একাই বর্ণনা করেছেন।

(৪৬) উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুস সামাদ ইবনে আল-মুহতাদি বিল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে আলী ইবনে খালাফ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুলাইমান ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আস-সানআনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাঈদ ইবনে আবদুল আজিজ আমাদের নিকট যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'ইবনে' (بن) হিসেবে বিকৃত হয়েছে।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦١)
قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: استحيوا فإن الله عز وجل لا يستحيي من الحق، لا تأتوا النساء في أدبارهن. غريب من حديث الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة، وهو غريب من حديث سعيد بن عبد العزيز عن الزهري، تفرد به سليمان بن عبد الرحمن عن عبد الملك بن محمد عنه.

(47) حدثنا عبيد الله بن عبد الصمد: حدثنا طاهر بن عيسى التميمي: حدثنا زهير بن عباد: حدثنا مصعب بن ماهان، عن سفيان الثوري عن ابن أبي ذئب ومحمد بن عمرو بن علقمة، عن نافع بن أبي نافع، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا سبق إلا في خف أو حافر أو نصل. هذا حديث غريب من حديث محمد بن عمرو، عن نافع بن أبي نافع، تفرد الثوري عنه، وتفرد به مصعب بن ماهان عن الثوري.

(48) حدثنا محمد بن جعفر بن أحمد الصيرفي: حدثنا بكر بن محمود بن مكرم: حدثنا إبراهيم بن نافع: حدثنا عمر بن موسى بن وجيه، عن أيوب بن موسى، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: السجود على الجبهة والكفبين والركبتين وصدور القدمين، من لم يمكن (1) شيئا منه من الأرض أحرقه الله بالنار. هذا حديث غريب، تفرد به عمر بن موسى عن أيوب بن موسى عن نافع.

(49) حدثنا أحمد بن محمد بن مسعدة: حدثنا أبو الحسين محمد بن عبيد البلخي: حدثنا سعيد بن يعقوب: حدثنا ابن المبارك، عن سفيان، عن يحيى بن عبيد الله، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: أول ما يرفع عن هذه الأمة الخشوع.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: يكن.
তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: তোমরা লজ্জা বোধ করো, কেননা আল্লাহ মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী সত্য প্রকাশে লজ্জা করেন না। তোমরা নারীদের গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করো না। এটি যুহরী থেকে আবু সালামা, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত সূত্রে একটি গরীব (বিরল) হাদীস। এটি সাঈদ বিন আব্দুল আযীয থেকে যুহরী সূত্রেও গরীব। সুলায়মান বিন আব্দুর রহমান এটি আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মাদ থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন।

(৪৭) উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুস সামাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: তাহির বিন ঈসা আত-তামীমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: যুহাইর বিন আব্বাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মুসআব বিন মাহান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি ইবনে আবি যিব এবং মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আলকামা থেকে, তিনি নাফে বিন আবি নাফে থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর উপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উট দৌড়, ঘোড় দৌড় বা তীর নিক্ষেপ প্রতিযোগিতা ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রে পুরস্কার বা বাজি রাখা বৈধ নয়। এটি মুহাম্মাদ বিন আমর থেকে নাফে বিন আবি নাফে সূত্রে বর্ণিত একটি গরীব হাদীস। সাওরী এটি তাঁর থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন এবং মুসআব বিন মাহান এটি সাওরী থেকে একাকী বর্ণনা করেছেন।

(৪৮) মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন আহমাদ আস-সাইরাফী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: বাকর বিন মাহমুদ বিন মাকরাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইবরাহিম বিন নাফে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: উমর বিন মুসা বিন ওয়াজিহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আইয়ুব বিন মুসা থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর উপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সেজদা করতে হবে কপাল, দুই হাতের তালু, দুই হাঁটু এবং দুই পায়ের পাতার অগ্রভাগের ওপর। যে ব্যক্তি এর কোনো অংশ জমিনে স্থিরভাবে স্থাপন করবে না (১), আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ করবেন। এটি একটি গরীব হাদীস, উমর বিন মুসা এটি আইয়ুব বিন মুসা থেকে নাফে সূত্রে একাকী বর্ণনা করেছেন।

(৪৯) আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাসআদা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ আল-বালখী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: সাঈদ বিন ইয়াকুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইবনুল মুবারক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (আল্লাহর শান্তি ও আশীর্বাদ তাঁর উপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: এই উম্মত থেকে সর্বপ্রথম যে জিনিসটি উঠিয়ে নেওয়া হবে, তা হলো খুশু (বিনয় ও একাগ্রতা)।

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে রয়েছে: يكن (হওয়া)।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٢)
هذا حديث غريب من حديث الثوري عن يحيى بن عبيد الله، ما كتبته إلا عنه.

(50) حدثنا الحسن بن إبراهيم بن عبد المجيد المقرئ من أصله: حدثنا العباس بن محمد: حدثنا أبو النضر: حدثنا الأشجعي، عن سفيان، عن يحيى بن عبيد الله، عن أبيه، عن أبي / هريرة قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: ما خلا يهوديان بمسلم إلا هما بقتله. هذا حديث غريب من حديث الثوري عن يحيى بن عبيد الله، ما كتبته إلا عن هذا الشيخ، وغيره لا يذكر فيه الثوري.

(51) حدثنا إبراهيم بن خنيس بن دينار المعدل من كتابه: حدثنا محمد بن خلف المروزي: حدثنا إسحاق بن بشير الكاهلي: حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم، عن زر، عن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن الله تبارك وتعالى عفى لأمتي عن ثلاث: عن الخطأ، والنسيان، وما استكرهوا عليه. هذا حديث غريب من حديث عاصم، عن زر عن عبد الله، تفرد به إسحاق بن بشر الكاهلي عن أبي بكر بن عياش، وما كتبته إلا عن هذا الشيخ.

(52) حدثنا علي بن عبد الله بن عبد البر الفرغاني: حدثنا أبو طالب عبد الله بن أحمد بن محمد بن سوادة القطان: حدثنا عبد الله بن خُبيق: حدثنا يوسف بن أسباط: حدثنا سفيان الثوري، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر، عن عبد الله قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من لم يصل فلا دين له. هذا حديث غريب من حديث الثوري، عن عاصم، ما كتبته مرفوعا إلا عن هذا الشيخ.

(53) حدثنا علي بن عبد الله بن عبد البر: حدثنا أبو طالب عبد الله بن أحمد: حدثنا عبد الله بن حسن: حدثنا يوسف بن أسباط: حدثنا سفيان الثوري، عن محمد بن جحادة، عن قتادة، عن أنس، عن عائشة قالت: ما رأيت فرج رسول الله صلى الله عليه وسلم قط. كذا قال لنا الثوري، وما كتبته إلا عنه.
এটি সাওরির বর্ণনায় ইয়াহইয়া ইবনে উবাইদুল্লাহর সূত্রে একটি গরীব হাদিস, যা আমি কেবল তাঁর নিকট থেকেই লিখেছি।

(৫০) আল-হাসান ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুল মাজীদ আল-মুকারি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু আন-নাদর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-আশজায়ি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দুইজন ইহুদি কোনো মুসলিমের সাথে একান্তে মিলিত হলে তারা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এটি সাওরির বর্ণনায় ইয়াহইয়া ইবনে উবাইদুল্লাহর সূত্রে একটি গরীব হাদিস, যা আমি কেবল এই শাইখের নিকট থেকেই লিখেছি; অন্য কেউ এতে সাওরির নাম উল্লেখ করেননি।

(৫১) ইবরাহিম ইবনে খুনায়স ইবনে দিনার আল-মুআদ্দাল তাঁর কিতাব থেকে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আল-মারওয়াযি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইসহাক ইবনে বাশির আল-কাহিলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা আমার উম্মতের জন্য তিনটি বিষয় ক্ষমা করেছেন: ভুলবশত কাজ, বিস্মৃতি এবং যার ওপর তাদের বাধ্য করা হয়েছে। আসিমের বর্ণনায় যির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহর সূত্রে এটি একটি গরীব হাদিস; ইসহাক ইবনে বাশির আল-কাহিলি এককভাবে এটি আবু বকর ইবনে আইয়াশ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আমি এটি কেবল এই শাইখের নিকট থেকেই লিখেছি।

(৫২) আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল বার আল-ফারগানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু তালিব আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাওয়াদাহ আল-কাত্তান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে খুবাওয়াইক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইউসুফ ইবনে আসবাত আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসিম ইবনে আবিন নাজুদ্ থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে সালাত আদায় করে না তার কোনো দ্বীন নেই। সাওরির বর্ণনায় আসিম থেকে এটি একটি গরীব হাদিস, আমি এটি কেবল এই শাইখের নিকট থেকেই মারফু হিসেবে লিখেছি।

(৫৩) আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল বার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু তালিব আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: ইউসুফ ইবনে আসবাত আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে জুহাদাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর লজ্জাস্থান দেখিনি। সাওরি আমাদের এভাবেই বলেছেন এবং আমি কেবল তাঁর নিকট থেকেই এটি লিখেছি।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٣)
(54) وبإسناده عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يطوف على نسائه هذه ثم هذه.

(55) حدثنا عبد الصمد بن علي المكرمي: حدثنا الفضل بن العباس الصواف: حدثنا عبد الوهاب بن إبراهيم: حدثنا أيوب بن سليمان أبو اليسع: حدثنا زكريا بن حكيم، عن الشعبي، عن أنس بن مالك قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: نعم الإدام الخل.

(56) وعن الشعبي، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تغسلوا صبيانكم / بالماء الذي يسخن بالشمس، فإنه يورث البرص.

(57) وعن الشعبي، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: خير ثيابكم البياض، فألبسوها أحياءكم وكفنوا بها موتاكم. تفرد بهذه الأحاديث زكريا بن حكيم عن الشعبي، ولم يروها عنه غير أبي اليسع أيوب بن سليمان.

(58) حدثنا أبو بكر: حدثنا أحمد بن حفص بن عبد الله: حدثنا إبراهيم بن طهمان، عن مسلم الأعور، عن مجاهد، عن ابن عباس قال: أتى نفر من اليهود رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالوا: إن أخبرنا عما نسأل عنه فإنه نبي، فقالوا: من أين يكون الشبه يا محمد؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: نطفة الرجل بيضاء غليظة، ونطفة المرأة صفراء رقيقة، فأيه ماغلبت صاحبتها فالشبه له، فإن اجتمعتا كان منها ومنه، قالوا: صدقت فأخبرنا
(৫৪) এবং তাঁর সানাদে আনাস থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের নিকট পর্যায়ক্রমে যাতায়াত করতেন।

(৫৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ ইবনে আলী আল-মুকাররামি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফাদল ইবনুল আব্বাস আস-সাউওয়াফ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়াহহাব ইবনে ইবরাহিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবনে সুলাইমান আবুল ইয়াসা‘: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাকারিয়া ইবনে হাকিম, তিনি আশ-শা‘বি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: সিরকা কতই না চমৎকার ব্যঞ্জন।

(৫৬) এবং আশ-শা‘বি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমরা তোমাদের শিশুদের রোদে উত্তপ্ত পানি দিয়ে গোসল করিও না, কেননা তা ধবল রোগ সৃষ্টি করে।

(৫৭) এবং আশ-শা‘বি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের পোশাকের মধ্যে সাদা রঙ সর্বোত্তম, সুতরাং তোমাদের জীবিতদের তা পরিধান করাও এবং তোমাদের মৃতদের তা দ্বারা কাফন দাও। জাকারিয়া ইবনে হাকিম আশ-শা‘বি থেকে এই হাদিসগুলো বর্ণনায় একক ছিলেন, এবং আবুল ইয়াসা‘ আইয়ুব ইবনে সুলাইমান ব্যতীত আর কেউ তাঁর থেকে এগুলো বর্ণনা করেননি।

(৫৮) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাফস ইবনে আবদুল্লাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে তাহমান, তিনি মুসলিম আল-আওয়ার থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: একদল ইহুদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আগমন করল এবং তারা বলল: তিনি যদি আমাদের জিজ্ঞাসিত বিষয়ে সংবাদ দিতে পারেন তবে তিনি নবী। তারা বলল: হে মুহাম্মদ, সাদৃশ্য কীভাবে তৈরি হয়? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: পুরুষের বীর্য সাদা ও ঘন, আর নারীর বীর্য হলুদ ও পাতলা; এ দুটির মধ্যে যেটি অপরটির ওপর প্রবল হয়, সাদৃশ্য তারই হয়। আর যদি উভয়টি সমানভাবে মিলিত হয়, তবে সাদৃশ্য উভয়ের থেকেই হয়। তারা বলল: আপনি সত্য বলেছেন, এবার আমাদের সংবাদ দিন...
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٤)
عن الروح؟ قال: ذلك جنود من جنود الله، ليسوا بملائكة، لهم رؤوس وأيد وأرجل يأكلون الطعام، ثم قرأ: يوم يقوم الروح والملائكة صفا لا يتكلمون إلا من أذن له الرحمن وقال صوابا [النبأ: 38] ، وقال: هؤلاء جند وهؤلاء جند. تفرد به مسلم الأعور عن مجاهد عن ابن عباس، ولم يروه عنه غير إبراهيم بن طهمان.

(59) حدثنا حمزة بن القاسم الهاشمي: حدثنا عيسى بن أبي حرب: حدثنا يحيى بن أبي بكير: حدثنا أبو الأحوص، عن طلحة بن يحيى، عن موسى بن طلحة، عن أبيه قال: كنت أمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأتاه أعرابي بأرنب قد شواها، فقال: هلم، قال: إني صائم قال: هلا أيام البيض. هذا حديث غريب من حديث موسى بن طلحة عن أبيه، تفرد به أبو الأحوص عن طلحة بن يحيى، وتفرد به عيسى بن أبي حرب، عن يحيى بن أبي بكير.

(60) حدثنا علي بن محمد بن أحمد الواعظ: حدثنا أحمد بن محمد بن نافع: حدثنا عبيد الله بن عبد الله بن المنكدر: حدثني ابن أبي فديك، عن سليمان بن داود بن قيس، عن أبيه، عن موسى بن عقبة، عن الزهري، عن عيسى بن طلحة، عن عبد الله بن عمرو، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب القوم يوم النحر فقال: لتأخذ أمتي مناسكها، / فإني لا أدري لعلي غير حاج بعد عامي. هذا حديث غريب من حديث الزهري، ومن حديث موسى بن عقبة عنه، تفرد به سليمان بن داود بن قيس عن أبيه، وتفرد به عبيد الله بن المنكدري عن ابن أبي فديك.

(61) حدثنا أحمد بن محمد بن مسعدة: حدثنا مورع بن عبد الله بن صفرة أبو ذهيل: حدثنا عمر بن يزيد السياري: حدثنا عثام بن علي، عن الأعمش، عن زياد بن علاقة، عن جرير، وحدثنا عثام بن علي، عن إسماعيل، عن قيس، عن جرير قال: بايعت النبي صلى الله عليه وسلم على إقام الصلاة وإيتاء الزكاة والنصح لكل مسلم. هذا حديث غريب من حديث الأعمش عن زياد بن علاقة، تفرد به عثام بن علي عنه.
রূহ সম্পর্কে? তিনি বললেন: তারা আল্লাহর বাহিনীসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি বাহিনী, তারা ফেরেশতা নন, তাদের মাথা, হাত ও পা রয়েছে এবং তারা খাদ্য গ্রহণ করে। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: "যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, দয়াময় যাকে অনুমতি দেবেন সে ছাড়া কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সঠিক কথা বলবে" [আন-নাবা: ৩৮]। তিনি বললেন: এরা এক বাহিনী এবং ওরা এক বাহিনী। মুসলিম আল-আ'ওয়ার এটি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন, আর ইব্রাহিম বিন তাহমান ব্যতীত অন্য কেউ এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেনি।

(৫৯) হামযা ইবনুল কাসিম আল-হাশিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ঈসা বিন আবি হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন আবি বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আল-আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তালহা বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মুসা বিন তালহা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হাঁটছিলাম, তখন জনৈক বেদুঈন তাঁর নিকট একটি ভূনা করা খরগোশ নিয়ে এল। তিনি বললেন: এগিয়ে এসো (খাও)। সে বলল: আমি রোযা রেখেছি। তিনি বললেন: তুমি আইয়ামে বিযের (চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের) রোযা কেন রাখলে না? মুসা বিন তালহা কর্তৃক তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত এটি একটি গরীব হাদিস। আবু আল-আহওয়াস এটি তালহা বিন ইয়াহইয়া থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং ঈসা বিন আবি হারব এটি ইয়াহইয়া বিন আবি বুকাইর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৬০) আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-ওয়াইয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন নাফে' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুনকাদির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি ফুদাইক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন দাউদ বিন কায়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি ঈসা বিন তালহা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানির দিনে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: আমার উম্মত যেন তাদের হজের নিয়মাবলী গ্রহণ করে নেয়, কারণ আমি জানি না সম্ভবত এই বছরের পরে আমি আর হজ করতে পারব না। যুহরীর হাদিস হিসেবে এবং মুসা বিন উকবা কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত এটি একটি গরীব হাদিস। সুলাইমান বিন দাউদ বিন কায়াস এটি তাঁর পিতা থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং উবাইদুল্লাহ বিন আল-মুনকাদরি এটি ইবনে আবি ফুদাইক থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৬১) আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মাসআদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুওয়াররে' বিন আব্দুল্লাহ বিন সুফরা আবু দুহাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমর বিন ইয়াযিদ আস-সাইয়্যারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আসসাম বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি যিয়াদ বিন ইলাকাহ থেকে, তিনি জারীর থেকে। এবং আসসাম বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল থেকে, তিনি কায়াস থেকে, তিনি জারীর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা এবং প্রত্যেক মুসলমানের কল্যাণ কামনা করার ওপর বায়আত গ্রহণ করেছি। যিয়াদ বিন ইলাকাহ থেকে আমাশের বর্ণনা হিসেবে এটি একটি গরীব হাদিস, আসসাম বিন আলী এটি তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٥)
(62) حدثنا أحمد بن عبد الله بن محمد الوكيل: حدثنا محمد بن شعبة بن جُوَان: حدثنا أبو عاصم، عن محمد بن بشر: حدثنا زياد بن علاقة: حدثنا أسامة بن شريك: سمعت النبي صلى الله عليه وسلم والناس يسألونه، فقال رجل: ذبحت قبل أن أحلق؟ قال: لا حرج، وكان يقول: لا حرج، فقال رجل: يا رسول الله ما خير ما أعطى الناس؟ قال: خلق حسن، قالوا: أنتداوى؟ قال: نعم، إن الله عز وجل لم ينزل داء إلا أنزل له شفاء غير السام. تفرد به أبو عاصم عن محمد بن بشر بن بشير الأسلمي.

(63) حدثنا أحمد بن عبد الله بن محمد الوكيل: حدثنا محمد بن شعبة بن جُوَان: حدثنا أبو عاصم: حدثنا سفيان الثوري، عن زيد بن أسلم، عن رجل من بني سليم، عن أبيه، عن جده، أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم بفضة من معدن، فقال: إنها ستكون معادن يأتيها شرار الناس. تفرد به الثوري عن زيد بن أسلم بهذا الإسناد، وخالفه سعير بن الخمس فرواه عن زيد بن أسلم عن ابن عمر، وقول الثوري أصح.

(64) حدثنا القاسم بن إسماعيل أبو عبيد وعبد الله بن محمد بن إسحاق المروزي قالا: حدثنا خلف بن محمد بن عيسى: حدثنا معلى بن عبد الرحمن: حدثنا سفيان، عن خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أرحم أمتي أبو بكر، وأشدهم في دين الله عمر، وأصدقهم حياء عثمان، وأعلمهم بالفرائض زيد بن ثابت، وأقرؤهم أبي بن كعب، وأعلمهم بالحلال والحرام معاذ بن جبل، وإن لكل أمة أمينا، وأمين هذه الأمة أبو عبيدة بن الجراح.

(65) / حدثنا أبو عبيد وأبو القاسم المروزي قالا: حدثنا خلف بن محمد: أخبرنا المعلى: حدثنا سفيان، عن عاصم الأحول، عن أبي قلابة، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله. تفرد به معلى عن الثوري عن خالد عن أبي قلابة عن ابن عمر، وخالفه قبيصة فرواه عن الثوري عن خالد، وعاصم عن أبي قلابة عن أنس.

(66) حدثنا به إسماعيل بن العباس الوراق: حدثنا عباس بن محمد: حدثنا قبيصة، عن الثوري بذلك.

(67) حدثنا أبو عبيد وأبو القاسم عبد الله بن محمد بن إسحاق قالا: حدثنا خلف بن محمد:
(৬২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াকিল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে শুবা ইবনে জুওয়ান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, মুহাম্মাদ ইবনে বিশর থেকে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ ইবনে ইলাকাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসামা ইবনে শারীক: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যখন মানুষ তাঁকে প্রশ্ন করছিল, তখন এক ব্যক্তি বলল: আমি কি মাথার চুল মুণ্ডানোর আগেই যবেহ করে ফেলেছি? তিনি বললেন: কোনো অসুবিধা নেই। তিনি বলতেন: কোনো অসুবিধা নেই। এরপর এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল, মানুষকে দান করা বিষয়গুলোর মধ্যে সর্বোত্তম কোনটি? তিনি বললেন: উত্তম চরিত্র। তারা বলল: আমরা কি চিকিৎসা গ্রহণ করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ এমন কোনো রোগ নাযিল করেননি যার নিরাময় তিনি নাযিল করেননি, মৃত্যু ব্যতীত। আবু আসিম এককভাবে এটি মুহাম্মাদ ইবনে বিশর ইবনে বিশীর আল-আসলামী থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৬৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াকিল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে শুবা ইবনে জুওয়ান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, বনু সুলাইমের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি খনি থেকে প্রাপ্ত কিছু রূপা নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তখন তিনি বললেন: অচিরেই এমন সব খনি হবে যেখানে নিকৃষ্ট প্রকৃতির লোকরা আসবে। সাওরী এই সনদে এটি এককভাবে যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে সুআইর ইবনে আল-খুমুস তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তিনি এটি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর সাওরীর বর্ণনাটিই অধিক বিশুদ্ধ।

(৬৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসিম ইবনে ইসমাঈল আবু উবায়েদ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াযী, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআল্লা ইবনে আব্দুর রহমান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, খালিদ আল-হায্যাম থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমার উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু হলেন আবু বকর, আল্লাহর দ্বীনের ব্যাপারে সবচেয়ে কঠোর হলেন উমর, লজ্জাশীলতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সত্যনিষ্ঠ হলেন উসমান, উত্তরাধিকার আইন সম্পর্কে সবচেয়ে জ্ঞানী হলেন যায়েদ ইবনে সাবিত, কুরআনের শ্রেষ্ঠ ক্বারী হলেন উবাই ইবনে কাব, এবং হালাল ও হারাম সম্পর্কে সবচেয়ে জ্ঞানী হলেন মুআয ইবনে জাবাল। আর প্রত্যেক উম্মতের একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকে, এই উম্মতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হলেন আবু উবাইদাহ ইবনে আল-জাররাহ।

(৬৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবায়েদ এবং আবু আল-কাসিম আল-মারওয়াযী, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে মুহাম্মাদ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুআল্লা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মুআল্লা এককভাবে এটি সাওরী থেকে, তিনি খালিদ থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে কাবিসাহ তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তিনি এটি সাওরী থেকে, তিনি খালিদ থেকে এবং আসিম আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৬৬) আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আল-আব্বাস আল-ওয়াররাক: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাবিসাহ, সাওরী থেকে সেই সূত্রেই।

(৬৭) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উবায়েদ এবং আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে মুহাম্মাদ:
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٦)
حدثنا معلى: حدثنا سفيان، عن موسى بن عبيدة الربذي، عن القاسم بن مهران، عن عمران بن حصين قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن الله عز وجل يحب عبده المؤمن الفقير المتعفف أبا العيال. تفرد به معلى بن عبد الرحمن عن الثوري عن موسى بن عبيدة.

(68) حدثنا أبو ذر أحمد بن محمد بن أبي بكر الباغندي من كتابه: حدثنا أحمد بن الحسين بن عباد النسائي: حدثنا أحمد بن منصور بن إسماعيل الحراني: حدثنا إسماعيل بن عياش، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يكبر في العيدين في الأولى سبعا قبل القراءة، وفي الآخرة خمسا قبل القراءة. قال إسماعيل: قلت لعبيد الله: يا أبا عبد الرحمن إنما يروى هذا عن ابن عمر من فعله؟ فقال: حدثني نافع، قال: سألت ابن عمر، فقال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكبر. هذا حديث غريب من حديث عبيد الله بن عمر إن كان محفوظا، تفرد به أحمد بن منصور الحراني (1) عن إسماعيل بن عياش عنه.

(69) حدثنا أبو سعيد الإصطخري القاضي: حدثنا أحمد بن حازم بن أبي غرزة: حدثنا عبيد الله بن موسى: أخبرنا حريث بن أبي مطر، عن عامر، عن فاطمة بنت قيس قالت: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن خاتم الذهب وفي يدي قلب من ذهب، قالت: فرميت به من يدي فرأيته بعد ذلك مطروحا في المسجد لا يأخذه أحد. تفرد به حريث بن أبي مطر عن الشعبي بهذه الألفاظ.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: العلى.
মুআল্লা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে উবাইদাহ আর-রাবাজি থেকে, তিনি কাসিম ইবনে মিহরান থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাঁর এমন মুমিন বান্দাকে ভালোবাসেন যে অভাবী হওয়া সত্ত্বেও পবিত্রতা বজায় রাখে (কারও কাছে হাত পাতে না) এবং সন্তান-সন্ততি সম্পন্ন।" মুআল্লা ইবনে আবদুর রহমান আস-সাওরি থেকে এবং তিনি মুসা ইবনে উবাইদাহ থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৬৮) আবু যার আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর আল-বাগান্দি তাঁর কিতাব থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আব্বাদ আন-নাসায়ি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনে মানসুর ইবনে ইসমাইল আল-হাররানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই ঈদের প্রথম রাকাতে কিরাআতের আগে সাতবার তাকবির দিতেন এবং দ্বিতীয় রাকাতে কিরাআতের আগে পাঁচবার তাকবির দিতেন। ইসমাইল বলেন: আমি উবাইদুল্লাহকে বললাম: হে আবু আবদুর রহমান, এটি কি ইবনে উমরের নিজস্ব আমল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে? তিনি বললেন: নাফে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি ইবনে উমরকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকবির দিতেন। উবাইদুল্লাহ ইবনে উমরের হাদিস হিসেবে এটি একটি গরিব (বিরল) হাদিস যদি তা সংরক্ষিত হয়ে থাকে; আহমদ ইবনে মানসুর আল-হাররানি (১) ইসমাইল ইবনে আইয়াশ থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৬৯) আবু সাঈদ আল-ইসতাখরি আল-কাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনে হাযিম ইবনে আবি গারজাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: হুরাইস ইবনে আবি মাতার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমির থেকে, তিনি ফাতিমা বিনতে কাইস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোনার আংটি পরতে নিষেধ করেছেন, আর তখন আমার হাতে একটি সোনার কঙ্কণ ছিল। তিনি বলেন: আমি তা হাত থেকে ছুড়ে ফেলে দিলাম, এরপর আমি সেটিকে মসজিদের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখলাম যা কেউ গ্রহণ করছিল না। হুরাইস ইবনে আবি মাতার আশ-শাবি থেকে এই শব্দপ্রয়োগে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল-উলা।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٧)
(70) حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي الشوك الزيات: حدثنا أحمد بن العلاء بن هلال / أبو عبد الرحمن أخو هلال بن العلاء: حدثنا عبيد بن جناد: حدثنا يوسف بن محمد بن المنكدر، عن صالح مولى التوأمة قال: سمعت أبا هريرة يقول: الحمد لله الذي هداني للإسلام، الحمد لله الذي علمني القرآن، الحمد لله الذي رحمني بمحمد صلى الله عليه وسلم، الحمد لله الذي أطعمني الخبز بعد الشعير، وزوجني بنت عتبة بن غزوان بعد أن كنت لها أجيرا، ويل للعرب من شر قد اقترب. تفرد به يوسف بن محمد بن المنكدر، عن صالح بن أبي صالح مولى التوأمة.

(71) حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي الشوك: حدثنا أحمد بن العلاء: حدثنا عبيد بن جناد، عن إسماعيل بن عياش، عن إسماعيل بن أبي رافع، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: المشاؤون في الظلمات إلى المسجد هم الخواضون في رحمة الله عز وجل. تفرد به إسماعيل بن أبي رافع عن المقبري.

(72) حدثنا أبو محمد بن أبي الشوك: حدثنا أحمد بن العلاء: حدثنا سعيد بن عبد الملك: حدثنا محمد بن حمران، عن ابن جريج، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقتص من جرح حتى يبرأ منه صاحبه. تفرد به محمد بن حمران، عن ابن جريج.

(73) حدثنا ابن أبي الشوك: حدثنا أحمد بن العلاء: حدثنا إسماعيل بن عبد الله بن زرارة: حدثنا سلام بن أبي خُبزة: حدثنا أبان بن تغلب، عن صلة بن زفر، عن شتير بن شكل، عن علي بن أبي طالب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: المسح على الخفين ثلاثة أيام ولياليهن للمسافر، ويوم وليلة للمقيم.
(৭০) হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আবুশ শাওক আল-জায়্যাত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনুল আলা ইবনে হিলাল / আবু আবদুর রহমান, হিলাল ইবনুল আলার ভাই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবাইদ ইবনে জুনাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ—যিনি তাওয়ামাহর আযাদকৃত গোলাম—থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে ইসলামের দিকে হেদায়েত করেছেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে আমার ওপর দয়া করেছেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাকে যবের পর রুটি খাইয়েছেন এবং আমাকে উতবাহ ইবনে গাযওয়ানের কন্যার সাথে বিবাহ দিয়েছেন অথচ এর পূর্বে আমি তার মজুর ছিলাম; নিকটবর্তী অনিষ্টের কারণে আরবদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য। ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির এককভাবে সালিহ ইবনে আবু সালিহ—যিনি তাওয়ামাহর আযাদকৃত গোলাম—থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৭১) হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আবুশ শাওক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবাইদ ইবনে জুনাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবনে আইয়্যাশ থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে আবু রাফি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: অন্ধকারের মধ্যে যারা মসজিদের দিকে হেঁটে যায় তারা মহান আল্লাহর রহমতের মধ্যে অবগাহনকারী। ইসমাইল ইবনে আবু রাফি এককভাবে এটি মাকবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৭২) আবু মুহাম্মদ ইবনে আবুশ শাওক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাঈদ ইবনে আব্দুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে হামরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো যখমের কিসাস (প্রতিশোধ) নিতে নিষেধ করেছেন যতক্ষণ না যখমপ্রাপ্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠে। মুহাম্মদ ইবনে হামরান এককভাবে এটি ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৭৩) ইবনে আবুশ শাওক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যুরারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাল্লাম ইবনে আবু খুবযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবান ইবনে তাগলিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিলাহ ইবনে যুফার থেকে, তিনি শুতাইর ইবনে শাকল থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: চামড়ার মোজার ওপর মাসেহ করার সময়সীমা মুসাফিরের জন্য তিন দিন তিন রাত এবং মুকিমের জন্য একদিন এক রাত।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٨)
غريب من حديث شتير بن شكل عن علي، وغريب من حديث أبان بن تغلب، تفرد به إسماعيل بن زرارة عن سلام بن أبي خبزة عنه.

(74) حدثنا أبو محمد بن أبي الشوك: حدثنا هلال بن العلاء أبو عمر، حدثني أبي أَمَلَّهُ عَليَّ وحدى من حفظه: حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن أبي إسحاق، عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن علي بن أبي طالب عليه السلام، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: إن الله عز وجل يقول: الصوم لي وأنا أجزي به، / وللصائم فرحتان: عند الفطر، وحين يلقى ربه عز وجل، والذي نفس محمد بيده، لخلوف فم الصائم أطيب عند الله عز وجل من ريح المسك. هذا حديث غريب من حديث أبي إسحاق السبيعي عن عبد الله بن الحارث عن علي، تفرد به العلاء بن هلال، عن عبيد الله بن عمرو عن زيد بن أبي أنيسة، وتفرد به زيد بن أبي أنيسة عن أبي إسحاق.

(75) حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي الشوك: حدثنا أبو فروة الرهاوي يزيد بن محمد: حدثنا عثمان بن عبد الرحمن أبو عبد الرحمن الحراني: حدثنا محمد بن هلال، عن سعد بن إسحاق بن كعب بن عجرة أن أباه حدثه عن كعب بن عجرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أحضروا المنبر، فلما ارتقى درجة قال: آمين، ثم ارتقى الثانية فقال: آمين، ثم ارتقى الثالثة فقال: آمين، فلما نزل عن المنبر قلنا: يا رسول الله، سمعنا منك اليوم شيئا لم تفعله قبل اليوم، قال: وقد سمعتموه؟ قلنا: نعم، قال: إن جبريل عرض لي حين ارتقيت الدرجة الأولى فقال: بعد يا محمد من أدرك رمضان فمات فلم يدخل الجنة، ثم ارتقيت الثانية فقال: بعد [من] (1) أدرك عنده أبواه أو أحدهما فمات فلم يدخل الجنة، فلما ارتقيت الثالثة قال: بعدا لمن ذكرت عنده فلم يصل عليك.

--------------------------------------------

(1) ساقط من الأصل.
শুতাইর ইবনে শাকল সূত্রে আলী থেকে বর্ণিত হাদিসটি বিরল, এবং আবান ইবনে তাগলিব সূত্রে বর্ণিত হাদিসটিও বিরল; এটি ইসমাইল ইবনে জুরারাহ, সাল্লাম ইবনে আবি খুবজাহ থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৭৪) আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ ইবনে আবিশ শাওক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হিলাল ইবনে আলা আবু উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা তাঁর স্মৃতি থেকে এককভাবে এটি আমার নিকট শ্রুতিলিপি হিসেবে প্রদান করেছেন: আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন যাইদ ইবনে আবি আনিসাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে নাওফাল থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল বলেন: রোজা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব; আর রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি ইফতারের সময়, আর অন্যটি যখন সে তার রব আযযা ওয়া জাল্ল-এর সাথে সাক্ষাৎ করবে। যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ তাঁর কসম, রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়। এটি আবদুল্লাহ ইবনে হারিস সূত্রে আলী থেকে বর্ণিত আবু ইসহাক আস-সাবিঈর একটি বিরল হাদিস। উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর সূত্রে যাইদ ইবনে আবি আনিসাহ থেকে এটি আলা ইবনুল হিলাল এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং যাইদ ইবনে আবি আনিসাহ এটি আবু ইসহাক থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৭৫) আমাদের নিকট হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আবিশ শাওক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু ফারওয়াহ আর-রুহাবি ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উসমান ইবনে আবদুর রহমান আবু আবদুর রহমান আল-হাররানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হিলাল বর্ণনা করেছেন সাদ ইবনে ইসহাক ইবনে কাব ইবনে উজরাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, আর তার পিতা কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা মিম্বরের কাছে উপস্থিত হও। অতঃপর যখন তিনি প্রথম ধাপে আরোহণ করলেন, বললেন: আমিন। এরপর যখন দ্বিতীয় ধাপে আরোহণ করলেন, বললেন: আমিন। এরপর যখন তৃতীয় ধাপে আরোহণ করলেন, বললেন: আমিন। যখন তিনি মিম্বর থেকে নামলেন, আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আজ আমরা আপনার নিকট থেকে এমন কিছু শুনলাম যা এর আগে কখনও শুনিনি। তিনি বললেন: তোমরা কি তা শুনতে পেয়েছ? আমরা বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: আমি যখন প্রথম ধাপে আরোহণ করলাম তখন জিবরাইল আমার নিকট আবির্ভূত হয়ে বললেন: সে ধ্বংস হোক যে রমজান পেল অথচ মারা গেল কিন্তু জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। এরপর আমি যখন দ্বিতীয় ধাপে আরোহণ করলাম, তিনি বললেন: সে ধ্বংস হোক যার নিকট তার পিতা-মাতা বা তাদের একজন থাকল অথচ সে মারা গেল কিন্তু জান্নাতে প্রবেশ করতে পারল না। এরপর যখন আমি তৃতীয় ধাপে আরোহণ করলাম, তিনি বললেন: সে ধ্বংস হোক যার নিকট আপনার উল্লেখ করা হলো অথচ সে আপনার প্রতি দরুদ পাঠ করল না।

--------------------------------------------

(১) মূল কপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٦٩)
هذا حديث غريب من حديث كعب بن عجرة، تفرد به محمد بن هلال المدني عن سعد بن إسحاق عن أبيه عن جده.

(76) حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي الشوك: حدثنا أبو فروة يزيد بن محمد بن يزيد بن سنان: حدثنا أبي، عن أبيه: حدثنا يحيى بن أبي كثير، حدثني يحيى بن سعيد، أن نافعا حدثه قال: سمعت عبد الله بن عمر يقول: قام رجل فقال: يا رسول الله، من أين أهل؟ قال: مهل أهل المدينة من العقيق، ومهل أهل الشام من الجحفة، ومهل أهل نجد قرن. هذا حديث غريب من حديث يحيى بن أبي كثير عن يحيى بن سعيد الأنصاري، تفرد به يزيد بن سنان عنه، ولم يروه عنه غير أبيه محمد بن يزيد.

(77) حدثنا أبو بكر النيسابوري: حدثنا أحمد بن منصور بن راشد (1) : حدثنا علي بن الحسن / بن شقيق: حدثنا الحسين بن واقد: حدثنا سماك بن حرب، عن النعمان بن بشير قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من منح ورقا أو ذهبا أو هدى زقاقا فهو كعدل رقبة. تفرد به الحسين بن واقد عن سماك.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: بن أبي راشد.
এটি কাব বিন উজরাহ বর্ণিত একটি গরীব হাদীস, মুহাম্মদ বিন হিলাল আল-মাদানি এককভাবে এটি সা’দ বিন ইসহাক থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৭৬) হাসান বিন আহমদ বিন আবিশ শাওক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবু ফারওয়া ইয়াযিদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ বিন সিনান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা তার পিতা থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, নাফি’ তাকে বলেছেন: আমি আবদুল্লাহ বিন উমরকে বলতে শুনেছি: এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কোথা থেকে ইহরাম বাঁধব? তিনি বললেন: মদিনাবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান আল-আকিক, সিরিয়াবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান আল-জুহফাহ এবং নজদবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান কারন। এটি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর কর্তৃক ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারী থেকে বর্ণিত একটি গরীব হাদীস, ইয়াযিদ বিন সিনান এককভাবে এটি তার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার পিতা মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ ছাড়া অন্য কেউ এটি তার থেকে বর্ণনা করেননি।

(৭৭) আবু বকর আন-নাইসাবুরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন মানসুর বিন রাশিদ (১) : আলী বিন হাসান বিন শাকিক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: হুসাইন বিন ওয়াকিদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সিমাক বিন হারব নুমান বিন বশির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি রূপা বা সোনা দান করে অথবা পথপ্রদর্শন করে, তা একটি গোলাম আজাদ করার সমতুল্য। হুসাইন বিন ওয়াকিদ এককভাবে সিমাক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে: বিন আবি রাশিদ।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٧٠)
(78) حدثنا أبو بكر النيسابوري: حدثنا أحمد بن منصور بن راشد: حدثنا علي بن الحسن: حدثنا الحسين بن واقد: حدثنا سماك بن حرب، عن النعمان بن بشير قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إن الله وملائكته يصلون على الصف الأول، أو الصفوف الأوَل. تفرد به الحسين بن واقد عن سماك.

(79) حدثنا أبو بكر النيسابوري: حدثنا أحمد بن منصور بن راشد: حدثنا علي بن الحسن: أخبرنا الحسين بن واقد: سمعت سماك بن حرب: سمعت النعمان بن بشير يخطب على هذا المنبر فقال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: إنما المؤمنون كرجل واحد، إذا اشتكى عضو من أعضائه اشتكى جسده أجمع، وإذا اشتكى مؤمن اشتكى المؤمنون. تفرد به الحسين بن واقد عن سماك.

(80) حدثنا عبد الله بن محمد بن زياد النيسابوري: حدثنا أحمد بن منصور المروزي: حدثنا علي بن الحسن: أخبرنا الحسين بن واقد: حدثني سماك بن حرب: حدثني النعمان بن بشير قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسوي الصف حتى يدعه مثل القدح أو الرمح، قال: فرأى صدر رجل ناتئا من الصف، فقال: عباد الله لتسون صفوفكم في صلاتكم أو ليخالفن الله بين وجوهكم.

(81) أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز: حدثنا داود بن رشيد: حدثنا مروان بن معاوية: حدثنا دهثم بن قران: حدثنا عقيل بن دينار مولى جارية بن ظفر، عن جارية بن ظفر، أن دارا كانت بين أخوين، فخطوا (1) خطا في وسطها (2) ، ثم هلكا وترك كل واحد منهما عقبا، فادعى عقب كل واحد منهما أن الحظار له من دون صاحبه، فاختصم عقباهما إلى النبي صلى الله عليه وسلم، / فأرسل حذيفة بن اليمان فقضى بالحظار لمن وجد معاقد القمط تليه، ثم رجع، فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: أصبت، قال دهثم: أو قال: أحسنت. تفرد به دهثم بن قران، ورواه أبو بكر بن عياش عنه فخالف مروان في إسناده.

(82) حدثنا محمد بن أحمد بن أبي الثلج: حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي: حدثنا أبو بكر بن عياش: حدثنا دهثم بن قران، عن نمران بن جارية، عن أبيه، أن قوما اختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم في خص كان بينهم، فبعث حذيفة يقضي بينهم، فقضى للذي

--------------------------------------------

(1) في الهامش: فحطّا.

(2) في الأصل بعدها: خطا.
(৭৮) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আন-নিসাবুরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর বিন রাশিদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সিমাক বিন হারব, নু'মান বিন বাশির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণ প্রথম কাতারের উপর, অথবা প্রথম কাতারসমূহের উপর রহমত বর্ষণ করেন। আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ এককভাবে এটি সিমাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৭৯) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আন-নিসাবুরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর বিন রাশিদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ: আমি সিমাক বিন হারবকে বলতে শুনেছি: আমি নু'মান বিন বাশির (রা.)-কে এই মিম্বরের উপর খুতবা দিতে শুনেছি, তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: মুমিনগণ তো একজন ব্যক্তির ন্যায়; যখন তার কোনো একটি অঙ্গ ব্যথিত হয়, তখন তার পুরো শরীরই ব্যথিত হয়। আর যখন কোনো মুমিন ব্যথিত হয়, তখন সমস্ত মুমিনরাই ব্যথিত হয়। আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ এককভাবে এটি সিমাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৮০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আন-নিসাবুরী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর আল-মারওয়াযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সিমাক বিন হারব: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন নু'মান বিন বাশির (রা.), তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাতার এমনভাবে সোজা করতেন যেন তিনি তা দিয়ে তীরের কাঠের ন্যায় সোজা করছেন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি এক ব্যক্তির বুক কাতার থেকে বের হয়ে থাকতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারগুলো সোজা করবে, অন্যথায় আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের চেহারাসমূহের মধ্যে বৈপরীত্য ও বিভেদ সৃষ্টি করে দেবেন।

(৮১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রুশাইদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাহসাম বিন কুররান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারিয়া বিন জাফরের মুক্তদাস উকাইল বিন দীনার, জারিয়া বিন জাফর থেকে বর্ণিত যে, একটি বাড়ি দুই ভাইয়ের মালিকানাধীন ছিল। তারা তার মাঝখানে একটি রেখা টেনেছিল (১), অতঃপর তারা উভয়েই মারা গেল এবং প্রত্যেকেই উত্তরাধিকারী রেখে গেল। তখন তাদের প্রত্যেকের উত্তরাধিকারীরা দাবি করল যে, বেড়াটি তাদেরই, অন্যের নয়। তাদের উত্তরসূরিরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বিবাদ নিয়ে গেল। তিনি হুজাইফা বিন আল-ইয়ামান (রা.)-কে পাঠালেন। হুজাইফা (রা.) বেড়াটির মালিকানা তার পক্ষেই ফয়সালা করলেন যার দিকে বাঁধনের গিঁটগুলো ছিল। অতঃপর তিনি ফিরে এসে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অবহিত করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: তুমি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছ। দাহসাম বলেন: অথবা তিনি বলেছিলেন: তুমি খুব ভালো করেছ। দাহসাম বিন কুররান এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তবে আবু বকর বিন আইয়াশ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে এর সনদে মারওয়ানের বিরোধিতা করেছেন।

(৮২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবুস সালজ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম আদ-দাওরাকী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আইয়াশ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাহসাম বিন কুররান, নিমরান বিন জারিয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একদল লোক তাদের মধ্যকার একটি বেড়া নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বিবাদে লিপ্ত হলো। তিনি তাদের মাঝে ফয়সালা করার জন্য হুজাইফাকে পাঠালেন, অতঃপর তিনি তার পক্ষেই ফয়সালা করলেন যে...

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: তারা রেখা টেনেছিল।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এরপরে রয়েছে: একটি রেখা।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٧١)
يليهم القمط، فلما رجع إلى النبي صلى الله عليه وسلم أخبره، فقال: أصبت، أو أحسنت.

(83) أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز: حدثنا داود بن رشيد: حدثنا مروان: حدثنا دهثم: حدثنا نمران بن جارية بن ظفر، عن أبيه، أنه هاج بينه وبين رجل من بني عمه يقال له: حنظلة بن قيس قتال في مسرح (كذا؟) ، وأن حنظلة قطع يد جارية بن ظفر من وسط ذراعه اليمنى، فاختصما فيها إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو بالمدينة، فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم جارية أن يهب له يده، فقال: يا رسول الله إنها يميني، قال: خذ ديتها بورك لك فيها، قال: فلما اصطلحا قال جارية للنبي صلى الله عليه وسلم: ما ترى في غلام ابتعته من سبي (العنبر؟) لم ألتمس (بأمه؟) (1) لأتكثر من القوم حيث كان بيني وبين حنظلة الذي كان، فادعيت أنه ابني، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أرى أن تنحله وتحسن نحله وتعتقه، فإن مات ورثته، وإن مت ورثك، قال: ففعل، أعتقه ونحله. تفرد به دهثم بن قران، ورواه أبو بكر بن عياش مختصرا.

(84) حدثنا به محمد بن أحمد بن أبي الثلج: حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي: حدثنا أبو بكر بن عياش: حدثنا دهثم بن قران: حدثني نمران بن جارية، عن أبيه، أن رجلا ضرب رجلا بالسيف على ساعده فقطعها من غير مفصل، فاستعدى عليه النبي / صلى الله عليه وسلم فأمر له بالدية، فقال: يا رسول الله إني أريد القصاص، قال: خذ الدية بارك الله لك فيها، ولم يقض له بالقصاص.

(85) حدثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز: حدثنا داود بن رشيد: حدثنا مروان، عن دهثم بن قران اليمامي، عن نمران بن جارية بن ظفر، عن أبيه، أن عبدا مملوكا خرج فلقي رجلا فقطع يده، ثم لقي آخر فشجه، فاختصم مولى العبد والمقطوع والمشجوج إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فبدأ المقطوع فتكلم، فأخذ النبي صلى الله عليه وسلم العبد فدفعه إلى المقطوع، ثم استعدى المشجوج فأخذ النبي صلى الله عليه وسلم العبد من المقطوع فدفعه إلى المشجوج، فذهب المشجوج بالعبد ورجع المقطوع لا شيء له. تفرد به دهثم بن قران بهذا الإسناد.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: بأمته.
তাদের পরেই রয়েছে আল-কামত, যখন সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং তাঁকে সংবাদ দিল, তখন তিনি বললেন: তুমি সঠিক করেছ, অথবা (বলেছেন) তুমি উত্তম কাজ করেছ।

(৮৩) আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: দাউদ ইবনে রাশিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মারওয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: দেহসাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: নিমরান ইবনে জারিয়াহ ইবনে জাফার আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তার পিতা থেকে যে, তার ও তার এক চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায় যাকে হানজালা ইবনে কাইস বলা হত এক চারণভূমিতে। হানজালা জারিয়াহ ইবনে জাফারের ডান হাতের কব্জির মাঝখান থেকে হাত কেটে ফেলেন। তারা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফয়সালার জন্য আসলেন যখন তিনি মদীনায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জারিয়াহর কাছে আবেদন করলেন যেন তিনি তার হাতটি (কিসাসের অধিকার) দান করে দেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এটি আমার ডান হাত। তিনি বললেন: এর রক্তপণ গ্রহণ করো, এতে তোমার জন্য বরকত দেওয়া হবে। বর্ণনাকারী বলেন: যখন তারা উভয়ে মীমাংসা করে নিলেন, জারিয়াহ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন: আপনি ঐ গোলামটির ব্যাপারে কী বলেন যাকে আমি (আল-আনবার?) এর যুদ্ধবন্দীদের থেকে ক্রয় করেছি, আমি (তার মায়ের মাধ্যমে?) (১) সেই কওমের মধ্যে সংখ্যা বৃদ্ধি করতে চাইনি যখন আমার ও হানজালার মাঝে যা ঘটার তা ঘটেছিল, তাই আমি দাবি করেছিলাম যে সে আমার সন্তান। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমি মনে করি তুমি তাকে দান করবে, উত্তম দান করবে এবং তাকে মুক্ত করে দিবে। যদি সে মারা যায় তবে তুমি তার উত্তরাধিকারী হবে, আর যদি তুমি মারা যাও তবে সে তোমার উত্তরাধিকারী হবে। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি তাই করলেন, তাকে মুক্ত করে দিলেন এবং তাকে দান করলেন। এটি কেবল দেহসাম ইবনে কুররান বর্ণনা করেছেন এবং আবু বকর ইবনে আইয়াশ এটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

(৮৪) মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবুত থালজ আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন: ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম আদ-দাওরাকী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: দেহসাম ইবনে কুররান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: নিমরান ইবনে জারিয়াহ আমার নিকট হাদীস শুনিয়েছেন তার পিতা থেকে যে, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে তরবারি দিয়ে তার বাহুতে আঘাত করে এবং কোনো জোড়া ছাড়াই তা বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিচারপ্রার্থী হলো। তিনি তার জন্য রক্তপণের নির্দেশ দিলেন। সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কিসাস (প্রতিশোধ) চাই। তিনি বললেন: রক্তপণ গ্রহণ করো, আল্লাহ এতে তোমার জন্য বরকত দান করুন। তিনি তার জন্য কিসাসের ফয়সালা দেননি।

(৮৫) আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: দাউদ ইবনে রাশিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: মারওয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন দেহসাম ইবনে কুররান আল-ইয়ামামী থেকে, তিনি নিমরান ইবনে জারিয়াহ ইবনে জাফার থেকে, তিনি তার পিতা থেকে যে, এক ক্রীতদাস বের হয়ে এক লোকের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তার হাত কেটে ফেলে। এরপর অন্য এক লোকের সাথে দেখা করে তার মাথায় ক্ষত সৃষ্টি করে। ক্রীতদাসের মালিক, যার হাত কাটা গেছে এবং যার মাথায় আঘাত করা হয়েছে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ নিয়ে আসলেন। যার হাত কাটা গিয়েছিল সে প্রথমে কথা বলা শুরু করল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গোলামটিকে নিলেন এবং তাকে হাত কাটা ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করলেন। এরপর যার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল সে বিচার চাইল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গোলামটিকে প্রথম ব্যক্তির নিকট থেকে নিয়ে তাকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করলেন। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি গোলামটিকে নিয়ে চলে গেল এবং হাত কাটা ব্যক্তি কিছুই পেল না। এই সনদে এটি কেবল দেহসাম ইবনে কুররান বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: তার দাসীর মাধ্যমে।
(খণ্ড: ٢) আস-সালিসু ওয়াস সামানূনা মিনাল ফাওয়াইদিল আফরাদ (পৃষ্ঠা: ٣٧٢)
(86) حدثنا أبو محمد بن صاعد: حدثنا محمد بن زنبور: حدثنا فضيل بن عياض، عن ليث بن أبي سليم وفطر، عن مجاهد، عن ابن عباس، أنه كان يسجد في الآية الآخرة من حم السجدة.

 

‌‌آخر الجزء

الحمد لله وحده

صلى الله على سيدنا محمد وآله وصحبه وسلم

حسبنا الله ونعم الوكيل
(৮৬) আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে জানবুর বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ফুদাইল ইবনে ইয়াদ বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে আবি সুলাইম ও ফিতর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি হা-মীম আস-সাজদাহর শেষ আয়াতে সিজদাহ করতেন।

 

‌‌অংশের সমাপ্তি

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য

আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক