(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: -)
الصبر والثواب عليه لابن أبي الدنيا القسم: كتب السنة
الكتاب: الصبر والثواب عليه
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
المتوفى 281 هـ
تحقيق: محمد خير رمضان يوسف
الناشر: دار ابن حزم، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1997 م
عدد الصفحات: 132
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ধৈর্য এবং তার প্রতিদান - ইবন আবিদ দুনইয়া বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ধৈর্য এবং তার প্রতিদান
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবন আবিদ দুনইয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
মৃত্যু ২৮১ হিজরি
তাহকিক: মুহাম্মদ খাইর রামাদান ইউসুফ
প্রকাশক: দার ইবনে হাজম، বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩২
[কিতাবের নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٧)
1 - حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ قَالَ: قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: أَخْبَرَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ الْجُنْدَعِيُّ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ يَصْبِرْ يُصَبِّرْهُ اللَّهُ، وَلَمْ يُعْطَوْا عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ»
১ - যুহায়র ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিহ ইবনে কায়সান থেকে, তিনি বলেন: ইবনে শিহাব বলেছেন: আতা ইবনে ইয়াযিদ আল-জুন্দাঈ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু সাঈদ আল-খুদরী তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণের চেষ্টা করে, আল্লাহ তাকে ধৈর্য দান করেন। আর ধৈর্যের চেয়ে উত্তম ও অধিক প্রশস্ত কোনো দান কাউকে প্রদান করা হয়নি»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ١٨)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ الْمَرْوَزِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا عُتْبَةُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ جَارِيَةَ اللَّخْمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو أُمَيَّةَ الشَّعْبَانِيُّ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ⦗ص: 19⦘ «إِنَّ مِنْ وَرَائِكُمْ أَيَّامَ الصَّبْرِ، صَبْرٌ فِيهِنَّ مِثْلُ قَبْضٍ عَلَى الْجَمْرِ لِلْعَامِلِ فِيهِنَّ مِثْلُ أَجْرِ خَمْسِينَ يَعْمَلُونَ مِثْلَ عَمَلِهِ» وَزَادَنِي غَيْرُهُ: ⦗ص: 20⦘ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَجْرُ خَمْسِينَ مِنْهُمْ؟ قَالَ: «أَجْرُ خَمْسِينَ مِنْكُمْ»
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে জামিল আল-মারওয়াযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উতবাহ ইবনে আবি হাকিম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে জারিয়া আল-লাখমী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইয়া আশ-শা’বানী, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাহাবী আবু সা’লাবা আল-খুশানী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ “নিশ্চয়ই তোমাদের পশ্চাতে রয়েছে ধৈর্যের দিনগুলো। সে সময়ে ধৈর্য ধারণ করা হচ্ছে জ্বলন্ত কয়লা মুষ্টিবদ্ধ করে রাখার মতো। সে সময়ে আমলকারীর জন্য রয়েছে পঞ্চাশ জনের সমান সওয়াব, যারা তার ন্যায় আমল করবে।” এবং অন্য রাবী আমার নিকট অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, তাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের সওয়াব? তিনি বললেন: “বরং তোমাদের মধ্য থেকে পঞ্চাশ জনের সওয়াব।”
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
3 - حَدَّثَنَا ابْنُ جَمِيلٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْأَنْصَارِ: «إِنَّكُمْ سَتَجِدُونَ أَثَرَةً شَدِيدَةً فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوَا اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَإِنِّي عَلَى الْحَوْضِ» قَالُوا: سَنَصْبِرُ
৩ - ইবনু জামিল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যুহরী থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনু মালিক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের উদ্দেশ্যে বলেছেন: "নিশ্চয়ই তোমরা তীব্র বৈষম্যের সম্মুখীন হবে, সুতরাং তোমরা ধৈর্য ধারণ করো যতক্ষণ না তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে সাক্ষাৎ করো; কারণ আমি হাউজের নিকট থাকব।" তারা বলল: আমরা ধৈর্য ধারণ করব।
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢١)
4 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الْحَنْظَلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ زَائِدَةَ يُحَدِّثُ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ الْحَجَّاجَ فَقَالَ: «اتَّقُوا اللَّهَ وَاصْبِرُوا، فَإِنَّهُ لَيْسَ مِنْ عَامٍ إِلَّا وَالَّذِي بَعْدَهُ أَشَدُّ مِنْهُ، حَتَّى تَقُومَ السَّاعَةُ» . ⦗ص: 22⦘ قَالَ عُثْمَانُ: فَسَمِعْتُ مِسْعَرًا يُحَدِّثُ عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: سَمِعْتُ ذَلِكَ مِنْ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
৪ - মুহাম্মাদ বিন ইদরীস আল-হানযালী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আল-ওয়ালীদ আত-তায়ালিসী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি উসমান বিন যায়িদাহকে যুবাইর বিন আদী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমরা আনাস বিন মালিকের নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁর কাছে হাজ্জাজ সম্পর্কে অভিযোগ করলাম। তখন তিনি বললেন: «তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্য ধারণ করো; কারণ এমন কোনো বছর আসবে না যার পরবর্তী বছরটি তার চেয়ে অধিক কঠিন হবে না, যতক্ষণ না কিয়ামত সংঘটিত হয়।’ ⦗পৃষ্ঠা: ২২⦘ উসমান বলেন: অতঃপর আমি মিসআরকে যুবাইর বিন আদী থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে এটি শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
5 - حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُطَرِّفِ مُغِيرَةُ الشَّامِيُّ، عَنِ الْعَرْزَمِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ⦗ص: 23⦘ " إِذَا جَمَعَ اللَّهُ الْخَلَائِقَ نَادَى مُنَادٍ: أَيْنَ أَهْلُ الصَّبْرِ؟ " قَالَ: " فَيَقُومُ نَاسٌ وَهُمْ يَسِيرٌ فَيَنْطَلِقُونَ سِرَاعًا إِلَى الْجَنَّةِ، فَيَلْقَاهُمُ الْمَلَائِكَةُ فَيَقُولُونَ: إِنَّا نَرَاكُمْ سِرَاعًا إِلَى الْجَنَّةِ فَمَنْ أَنْتُمْ؟ فَيَقُولُونَ: نَحْنُ أَهْلُ الصَّبْرِ، فَيَقُولُونَ: وَمَا كَانَ صَبْرُكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: كُنَّا نَصْبِرُ عَلَى طَاعَةِ اللَّهِ، وَكُنَّا نَصْبِرُ عَنْ مَعَاصِي اللَّهِ، فَيُقَالُ لَهُمُ: ادْخُلُوا الْجَنَّةَ فَنِعْمَ أَجْرُ الْعَامِلِينَ "
৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে হিশাম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল মুতাররিফ মুগিরাহ আশ-শামি, আল-আরযামি থেকে, তিনি আমর ইবনে শুয়াইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ "যখন আল্লাহ সৃষ্টির সকলকে একত্রিত করবেন, তখন একজন ঘোষণাকারী আহ্বান করবেন: ধৈর্যশীলরা কোথায়?" তিনি বলেন: "অতঃপর অল্প কিছু লোক দাঁড়িয়ে যাবে এবং তারা দ্রুত জান্নাতের দিকে অগ্রসর হবে। ফেরেশতারা তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন এবং বলবেন: আমরা তোমাদের দ্রুত জান্নাতের দিকে যেতে দেখছি, তোমরা কারা? তারা বলবে: আমরা ধৈর্যশীল সম্প্রদায়। ফেরেশতারা বলবেন: তোমাদের ধৈর্য কেমন ছিল? তারা বলবে: আমরা আল্লাহর আনুগত্যের ওপর ধৈর্য ধারণ করতাম এবং আল্লাহর নাফরমানি থেকে বিরত থাকতে ধৈর্য ধারণ করতাম। তখন তাদের বলা হবে: তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো; সুতরাং কতই না চমৎকার প্রতিদান আমলকারীদের!"
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
6 - وَحُدِّثْتُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْأَنْمَاطِيِّ، حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، ⦗ص: 24⦘ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: «إِنَّ أَفْضَلَ عَيْشٍ أَدْرَكْنَاهُ بِالصَّبْرِ، وَلَوْ أَنَّ الصَّبْرَ كَانَ مِنَ الرِّجَالِ كَانَ كَرِيمًا»
৬ - আমার নিকট মুহাম্মদ বিন মুআবিয়া আল-আনমাতি হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালাফ বিন খলিফা বর্ণনা করেছেন লায়স হতে, তিনি আবু ইসহাক হতে, তিনি আবু উবাইদাহ হতে, ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমরা ধৈর্যের মাধ্যমেই আমাদের সর্বোত্তম জীবন লাভ করেছি; আর ধৈর্য যদি কোনো পুরুষ মানুষ হতো, তবে সে অবশ্যই অত্যন্ত সম্মানিত হতো।»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
7 - حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا الْأَصْمَعِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: «لَوْ كَانَ الصَّبْرُ وَالشُّكْرُ بَعِيرَيْنِ، مَا بَالَيْتُ أَيُّهُمَا رَكِبْتُ»
৭ - আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন: «যদি ধৈর্য এবং কৃতজ্ঞতা দুটি উট হতো, তবে আমি পরোয়া করতাম না যে আমি কোনটির ওপর আরোহণ করেছি»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ عَاصِمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ السَّرِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه: " أَلَا إِنَّ الصَّبْرَ مِنَ الْإِيمَانِ بِمَنْزِلَةِ الرَّأْسِ مِنَ الْجَسَدِ، فَإِذَا قُطِعَ الرَّأْسُ بَادَ الْجَسَدُ، ثُمَّ رَفَعَ صَوْتَهُ فَقَالَ: أَلَا إِنَّهُ لَا إِيمَانَ لِمَنْ لَا صَبْرَ لَهُ "
৮ - আমাদের নিকট আবু বিশর আসিম ইবন উমর ইবন আলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন আস-সারী ইবন ইসমাইল থেকে, তিনি আশ-শা’বি থেকে, তিনি মাসরুক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলি ইবন আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: "জেনে রাখো, ঈমানের ক্ষেত্রে ধৈর্যের স্থান শরীরের জন্য মাথার মতো। সুতরাং যখন মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, শরীর ধ্বংস হয়ে যায়। অতঃপর তিনি তাঁর কণ্ঠস্বর উঁচু করে বললেন: জেনে রেখো, যার ধৈর্য নেই তার কোনো ঈমান নেই।"
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
9 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ عَوَانَةَ، حَدَّثَنَا عُتْبَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه: " الصَّبْرُ عَلَى أَرْبَعِ شِعْبٍ: عَلَى الشَّوْقِ، وَالشَّفَقِ، وَالزَّهَادَةِ، وَالتَّرَقُّبِ. فَمَنِ اشْتَاقَ إِلَى الْجَنَّةِ سَلَا عَنِ الشَّهَوَاتِ، وَمَنْ أَشْفَقَ مِنَ النَّارِ رَجَعَ عَنِ الْمُحَرَّمَاتِ. وَمَنْ زَهِدَ فِي الدُّنْيَا تَهَاوَنَ بِالْمُصِيبَاتِ. وَمَنِ ارْتَقَبَ الْمَوْتَ تَسَارَعَ إِلَى الْخَيْرَاتِ "
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইসমাইল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনুল হাকাম ইবনে আওয়ানাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উতবাহ ইবনে হুমাইদ, তিনি তাঁর নিকট বর্ণনাকারীর সূত্রে কাবিদাহ ইবনে জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: " ধৈর্য চারটি শাখার ওপর প্রতিষ্ঠিত: আকাঙ্ক্ষা, ভীতি, দুনিয়াবিমুখতা এবং প্রতীক্ষা। সুতরাং যে ব্যক্তি জান্নাতের আকাঙ্ক্ষা করে, সে বিমুখ হয় প্রবৃত্তি থেকে, যে ব্যক্তি জাহান্নামকে ভয় করে, সে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ থেকে ফিরে আসে, যে ব্যক্তি দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত হয়, সে বিপদ-আপদকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এবং যে ব্যক্তি মৃত্যুর প্রতীক্ষা করে, সে দ্রুত নেক আমলের দিকে ধাবিত হয়।"
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
10 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيِّ قَالَ: سَمِعْتُ يُسَيْرَ بْنَ عَمْرٍو، أَنَّ أَبَا مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيَّ، لَمَّا قُتِلَ عُثْمَانُ رضي الله عنه احْتَجَبَ فِي بَيْتِهِ، فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ، فَسَأَلْتُهُ، أَوْ قَالَ: فَسَأَلَ عَنْ أَمْرِ ⦗ص: 26⦘ النَّاسِ، فَقَالَ: «عَلَيْكَ بِالْجَمَاعَةِ، فَإِنَّ اللَّهَ لَنْ يَجْمَعَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم عَلَى ضَلَالَةٍ، وَاصْبِرْ حَتَّى يَسْتَرِيحَ بَرٌّ، وَيُسْتَرَاحَ مِنْ فَاجِرٍ»
১০ - আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান আশ-শায়বানী থেকে, তিনি বলেন: আমি ইউসাইর ইবনে আমরকে বলতে শুনেছি যে, আবু মাসউদ আল-আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যখন উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নিহত হলেন, তখন তিনি নিজ ঘরে নিভৃতবাস গ্রহণ করলেন। অতঃপর আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, অথবা বর্ণনাকারী বলেন: মানুষের বিষয়াদি সম্পর্কে ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি বললেন: «তুমি জামাতকে আঁকড়ে ধরো, কেননা আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতকে কখনো ভ্রষ্টতার ওপর ঐক্যবদ্ধ করবেন না। আর ধৈর্য ধারণ করো যতক্ষণ না প্রশান্তি লাভ করে কোনো পুণ্যবান ব্যক্তি এবং কোনো পাপাচারী থেকে মুক্তি পাওয়া যায়»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
11 - حَدَّثَنِي بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَاصِمٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا حَوْشَبٌ قَالَ: كَانَ الْحَسَنُ يَقُولُ: «ابْنَ آدَمَ لَا تُؤْذِ وَإِنْ أُوذِيتَ فَاصْبِرْ»
১১ - বিশ্র ইবন মুআয আল-আকাদী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন আসিম আল-আবদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাওশাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান বলতেন: «হে আদম সন্তান, কষ্ট দিও না, আর যদি তোমাকে কষ্ট দেওয়া হয় তবে ধৈর্য ধারণ করো।»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ الْوَكِيعِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ ضِرَارِ بْنِ مُرَّةَ أَبِي سِنَانٍ قَالَ: كَانَ يُقَالُ: يَا دُنْيَا أَمِرِّي عَلَى الْمُؤْمِنِ يَصْبِرْ عَلَيْكِ، لَا تَحَوَّلِي لَهُ فَتَفْتِنِيهِ
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন উমর আল-ওয়াকিঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন ইয়ামান, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি দিরার ইবন মুররাহ আবু সিনান থেকে; তিনি বলেন: বলা হতো: হে দুনিয়া! মুমিনের নিকট তিক্ত হও যেন সে তোমার ওপর ধৈর্য ধারণ করতে পারে; তার জন্য নিজেকে পরিবর্তন করো না, পাছে তাকে তুমি ফিতনায় ফেলবে।
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
13 - حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنِ الْفَرَجِ بْنِ مَزْيَدٍ قَالَ: مَكْتُوبٌ فِي بَعْضِ الْحِكْمَةِ: «طُوبَى لِمَنْ غَلَبَ بِتَقْوَاهُ هَوَاهُ، وَبِصَبْرِهِ الشَّهَوَاتِ»
১৩ - দাউদ বিন রুশাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ফারাজ বিন মাজীদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: প্রজ্ঞার কোনো কোনো বাণীতে লিখিত রয়েছে: «সুসংবাদ সেই ব্যক্তির জন্য, যে তার তাকওয়ার দ্বারা নিজের প্রবৃত্তিকে এবং ধৈর্যের দ্বারা কামনা-বাসনাকে জয় করেছে»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو لَيْلَى، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ: «إِنَّ الْكِرَامَ الْكَاتِبِينَ رُبَّمَا شَكَوْا إِلَى اللَّهِ مِنْ صَاحِبِهِمُ الَّذِي يَكُونُونَ مَعَهُ أَنَّ مِنْ أَمْرِهِ إِنَّ إِنَّ، فَيُؤْمَرُونَ بِالصَّبْرِ»
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু লায়লা, আদী ইবনে সাবিত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই সম্মানিত লেখক ফেরেশতাগণ কখনো কখনো আল্লাহর কাছে তাদের সেই সঙ্গীর ব্যাপারে অভিযোগ করেন যার সাথে তারা থাকেন যে, তার কাজ এমন এমন, তখন তাদের আদেশ দেওয়া হয় ধৈর্য ধারণের»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
15 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ رَبِيعَةَ الْجُرَشِيِّ قَالَ: «لَوْ كَانَ الصَّبْرُ مِنَ الرِّجَالِ لَكَانَ كَرِيمًا»
১৫ - আবদুর রহমান বিন সালিহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আদম আমাদেরকে হাদীস শুনিয়েছেন ইসরাঈল থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি রাবিয়াহ আল-জুরাশি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «ধৈর্য যদি কোনো পুরুষ হতো, তবে সে অবশ্যই একজন সম্মানিত ব্যক্তি হতো»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
16 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ الْحُبَابِ، حَدَّثَنِي مُرَجَّى بْنُ وَدَاعٍ، عَنْ غَالِبٍ الْقَطَّانِ قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ، يَقُولُ: ⦗ص: 28⦘ «الصَّبْرُ كَنْزٌ مِنْ كُنُوزِ الْخَيْرِ، لَا يُعْطِيهِ اللَّهُ إِلَّا لِعَبْدٍ كَرِيمٍ عَلَيْهِ»
১৬ - আলী ইবনুল হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনুল হুবাব থেকে, তিনি মুরাজ্জা ইবনু ওয়াদা থেকে, তিনি গালিব আল-কাত্তান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ «ধৈর্য হলো কল্যাণের ভাণ্ডারসমূহের মধ্য হতে একটি ভাণ্ডার, আল্লাহ তা কেবল তাঁর নিকট সম্মানিত বান্দাকেই দান করেন।»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
17 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ مُوسَى بْنِ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي غَنِيَّةَ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي سَعِيدٍ، سَمِعَ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيَّ، يَقُولُ: «مَا مِنْ عَبْدٍ وَهَبَ اللَّهُ لَهُ صَبْرًا عَلَى الْأَذَى، وَصَبْرًا عَلَى الْبَلَاءِ، وَصَبْرًا عَلَى الْمَصَائِبِ، إِلَّا وَقَدْ أُوتِيَ أَفْضَلَ مَا أُوتِيهِ أَحَدٌ، بَعْدَ الْإِيمَانِ بِاللَّهِ»
১৭ - আলি ইবনুল হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনে দাউদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবি গানিয়্যাহ থেকে, তিনি সালিম আবু সাঈদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম আত-তাইমিকে বলতে শুনেছেন: «এমন কোনো বান্দা নেই যাকে আল্লাহ যাতনার ওপর ধৈর্য, পরীক্ষার ওপর ধৈর্য এবং বিপদের ওপর ধৈর্য দান করেছেন, তাকে অবশ্যই প্রদান করা হয়েছে শ্রেষ্ঠতম বস্তু যা কাউকে দেওয়া হয়েছে, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার পর।»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
18 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ الزِّمِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمَلِيحِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ قَالَ: ⦗ص: 29⦘ «الصَّبْرُ صَبْرَانِ، الصَّبْرُ عَلَى الْمُصِيبَةِ حَسَنٌ، وَأَفْضَلُ مِنْ ذَلِكَ الصَّبْرُ عَنِ الْمَعَاصِي»
১৮ - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে ইউসুফ আজ-জিম্মি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল মালিহ বর্ণনা করেছেন, মাইমুন ইবনে মিহরান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ «ধৈর্য দুই প্রকার; বিপদে ধৈর্য ধারণ করা উত্তম, আর তার চেয়েও অধিক শ্রেষ্ঠ হলো পাপাচার হতে বিরত থাকতে ধৈর্য ধারণ করা»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
19 - قَالَ يَحْيَى: وَحَدَّثَنَا أَبُو الْمَلِيحِ، عَنْ مَيْمُونٍ قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «مَا نَالَ أَحَدٌ شَيْئًا مِنْ جَسِيمِ الْخَيْرِ، نَبِيٌّ فَمَنْ دُونَهُ، إِلَّا بِالصَّبْرِ»
১৯ - ইয়াহইয়া বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-মালিহ বর্ণনা করেছেন মায়মুন থেকে, তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: «কোনো ব্যক্তিই মহান কল্যাণের কোনো কিছু লাভ করতে পারেননি—তিনি নবী হোন কিংবা তাঁর নিচের স্তরের কেউ—ধৈর্য ধারণ ব্যতীত।»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
20 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَوْحٍ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَ: سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ بْنَ الْقَاسِمِ، يَقُولُ: " كُلُّ عَمَلٍ يُعْرَفُ ثَوَابُهُ إِلَّا الصَّبْرَ. قَالَ اللَّهُ عز وجل: {إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ} [الزمر: 10] قَالَ: كَالْمَاءِ الْمُنْهَمِرِ "
২০ - মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আমাকে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন রওহ আল-মিসরি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-কাসিম বিন কাসির আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুলাইমান বিন আল-কাসিমকে বলতে শুনেছি: "ধৈর্য ব্যতীত প্রতিটি আমলের সওয়াব জানা যায়। আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত বলেছেন: {নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের তাদের প্রতিদান প্রদান করা হবে কোনো হিসাব ছাড়াই} [যুমার: ১০] তিনি বলেন: তা প্রবহমান পানির মতো।"
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
21 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَدْرٍ شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ مَيْمُونٍ، يَقُولُ: {إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ} [الزمر: 10] قَالَ: فَقَالَ بِيَدَيْهِ هَكَذَا - وَبَسَطَهُمَا -: غَرْفًا غَرْفًا
২১ - মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আবু বদর শুজা ইবনুল ওয়ালীদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে মাইমুনকে বলতে শুনেছি: "{ধৈর্যশীলদেরকেই তাদের প্রতিদান পূর্ণরূপে প্রদান করা হবে কোনো হিসাব ছাড়াই}" [আয-যুমার: ১০]। তিনি তার হাত দুটি দিয়ে এভাবে ইশারা করলেন—এবং হাত দুটি প্রসারিত করলেন—: অঞ্জলি ভরে ভরে অঞ্জলি ভরে ভরে।
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
22 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ: " مَا أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ نِعْمَةً فَانْتَزَعَهَا مِنْهُ، فَعَاضَهُ مَكَانَ مَا انْتَزَعَ مِنْهُ الصَّبْرَ، إِلَّا كَانَ مَا عَوَّضَهُ خَيْرًا مِمَّا انْتَزَعَ مِنْهُ، ثُمَّ قَرَأَ: {إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ} [الزمر: 10] "
২২ - মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, সাঈদ বিন আমির আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আমর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি উমর বিন আব্দুল আজিজকে মিম্বরের ওপর বলতে শুনেছি: " আল্লাহ কোনো বান্দাকে এমন কোনো নিয়ামত দান করেন না যা তিনি পুনরায় তার থেকে ছিনিয়ে নেন, অতঃপর সেই ছিনিয়ে নেওয়া জিনিসের বিনিময়ে তাকে ধৈর্য দান করেন, তবে তাকে যা বিনিময় হিসেবে দেওয়া হয়েছে তা অবশ্যই তার থেকে যা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে তার চেয়ে উত্তম। তারপর তিনি পাঠ করলেন: {নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের তাদের পুরস্কার পূর্ণরূপে প্রদান করা হবে কোনো হিসাব ছাড়াই} [আয-যুমার: ১০] "
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
23 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، أَخْبَرَنِي جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، فِي قَوْلِ اللَّهِ عز وجل: {سَلَامٌ عَلَيْكُمْ بِمَا صَبَرْتُمْ} [الرعد: 24] قَالَ: «عَلَى دِينِكُمْ، فَنِعْمَ مَا أَعْقَبْتُكُمْ مِنَ الدُّنْيَا الْجَنَّةُ»
২৩ - আল-হাসান ইবনুল সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়দ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে সুলাইমান আমাকে অবহিত করেছেন, আবু ইমরান আল-জাওনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত-এর বাণী: “তোমাদের সবরের (ধৈর্যের) কারণে তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক” [আর-রাদ: ২৪] প্রসঙ্গে তিনি বলেন: “(অর্থাৎ) তোমাদের দ্বীনের ওপর সবরের কারণে। সুতরাং দুনিয়ার পরিবর্তে আমি তোমাদের যা প্রতিদান হিসেবে দিয়েছি, সেই জান্নাত কতই না চমৎকার!”
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
24 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ الطَّائِفِيُّ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي ⦗ص: 31⦘ طَالِبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " الصَّبْرُ ثَلَاثٌ: فَصَبْرٌ عَلَى الْمُصِيبَةِ، وَصَبْرٌ عَلَى الطَّاعَةِ، وَصَبْرٌ عَنِ الْمَعْصِيَةِ، فَمَنْ صَبَرَ عَلَى الْمُصِيبَةِ حَتَّى يَرُدَّهَا بِحُسْنِ عَزَائِهَا كَتَبَ اللَّهُ لَهُ ثَلَاثَمِائَةِ دَرَجَةٍ بَيْنَ الدَّرَجَةِ إِلَى الدَّرَجَةِ كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ، وَمَنْ صَبَرَ عَلَى الطَّاعَةِ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ سِتَّمِائَةِ دَرَجَةٍ، مَا بَيْنَ الدَّرَجَةِ إِلَى الدَّرَجَةِ كَمَا بَيْنَ تُخُومِ الْأَرْضِ إِلَى مُنْتَهَى الْعَرْشِ، وَمِنْ صَبَرَ عَنِ الْمَعْصِيَةِ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ تِسْعَمِائَةِ دَرَجَةٍ، مَا بَيْنَ الدَّرَجَةِ إِلَى الدَّرَجَةِ كَمَا بَيْنَ تُخُومِ الْأَرْضِ إِلَى مُنْتَهَى الْعَرْشِ مَرَّتَيْنِ "
২৪ - ইসহাক ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইম আত-তায়েফী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে ইউনুস আমার নিকট এমন ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি আলী ইবনে আবী ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "ধৈর্য তিন প্রকার: বিপদে ধৈর্য ধারণ করা, আনুগত্যের কাজে ধৈর্য ধারণ করা এবং নাফরমানি থেকে বিরত থাকতে ধৈর্য ধারণ করা। অতঃপর যে ব্যক্তি বিপদে ধৈর্য ধারণ করে যতক্ষণ না সে যথাযথ সান্ত্বনার মাধ্যমে তা কাটিয়ে দেয়, আল্লাহ তার জন্য তিনশত মর্যাদা লিখে দেন, যার এক মর্যাদা থেকে অন্য মর্যাদার দূরত্ব আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান। আর যে ব্যক্তি আনুগত্যের কাজে ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তার জন্য ছয়শত মর্যাদা লিখে দেন, যার এক মর্যাদা থেকে অন্য মর্যাদার দূরত্ব জমিনের শেষ সীমা থেকে আরশের শেষ সীমা পর্যন্ত। আর যে ব্যক্তি নাফরমানি থেকে বিরত থাকতে ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তার জন্য নয়শত মর্যাদা লিখে দেন, যার এক মর্যাদা থেকে অন্য মর্যাদার দূরত্ব জমিনের শেষ সীমা থেকে আরশের শেষ সীমা পর্যন্ত দূরত্বের দ্বিগুণ।"
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
25 - حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ قَالَ: كَانَ صَالِحٌ الْمُرِّيُّ يَدْعُو: «اللَّهُمَّ ارْزُقْنَا صَبْرًا عَلَى طَاعَتِكَ، وَارْزُقْنَا صَبْرًا عَنْ مَعْصِيَتِكَ، وَارْزُقْنَا صَبْرًا عَلَى مَا تُحِبُّ، وَارْزُقْنَا صَبْرًا عَلَى مَا نَكْرَهُ، وَارْزُقْنَا صَبْرًا ⦗ص: 32⦘ عِنْدَ عَزَائِمِ الْأُمُورِ»
২৫ - যিয়াদ ইবনে আইয়ুব আমাকে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আমির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালেহ আল-মুররি দোয়া করতেন: «হে আল্লাহ, আমাদের আপনার আনুগত্যের ওপর ধৈর্য দান করুন, আপনার অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকতে আমাদের ধৈর্য দান করুন, আপনি যা পছন্দ করেন তার ওপর আমাদের ধৈর্য দান করুন, এবং আমাদের দান করুন যা আমরা অপছন্দ করি তার ওপর ধৈর্য, এবং আমাদের ধৈর্য দান করুন ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহের সংকল্পের সময়।»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
26 - حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ التَّمِيمِيُّ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ قَالَ: قُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ: الشُّكْرُ أَفْضَلُ أَمِ الصَّبْرُ؟ قَالَ: «الصَّبْرُ، وَالْعَافِيَةُ أَحَبُّ إِلَيَّ»
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে আবদুল্লাহ আত-তামিমি, তিনি বর্ণনা করেছেন কাবিছাহ ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি হাবিব ইবনে আবি ছাবিত থেকে, তিনি মুসলিম আল-বাতিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনে জুবায়েরকে জিজ্ঞেস করলাম: কৃতজ্ঞতা কি উত্তম নাকি ধৈর্য? তিনি বললেন: ‘ধৈর্য; তবে সুস্থতা আমার নিকট অধিক প্রিয়।’
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
27 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ قَالَ: «الْحِلْمُ زَيْنٌ، وَالتُّقَى كَرَمٌ، وَالصَّبْرُ خَيْرُ مَرَاكِبِ الصَّعْبِ»
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ইয়ামান, তিনি আবু বকর ইবন আবু মারইয়াম থেকে, তিনি দামরা ইবন হাবীব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «সহনশীলতা হলো সৌন্দর্য, তাকওয়া হলো আভিজাত্য এবং ধৈর্য হলো কঠিন পরিস্থিতির সর্বোত্তম বাহন»
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
28 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ ⦗ص: 33⦘ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: {أُولَئِكَ يُجْزَوْنَ الْغُرْفَةَ بِمَا صَبَرُوا} [الفرقان: 75] قَالَ: " {الْغُرْفَةَ} [الفرقان: 75] : الْجَنَّةَ، {بِمَا صَبَرُوا} [الإنسان: 12] : عَلَى الْفَقْرِ "
২৮ - ইবরাহীম ইবনে সাঈদ আল-জাওহারী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সা’দ ইবনে আবদুল হামীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হামযাহ থেকে বর্ণিত, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ মুহাম্মদ ইবনে আলী মহান আল্লাহর বাণী: {তাদেরকে তাদের ধৈর্যের প্রতিফল স্বরূপ জান্নাতের সুউচ্চ কক্ষ প্রদান করা হবে} [আল-ফুরকান: ৭৫] প্রসঙ্গে বলেছেন: " {সুউচ্চ কক্ষ} [আল-ফুরকান: ৭৫]: জান্নাত, {যেহেতু তারা ধৈর্য ধারণ করেছে} [আল-ইনসান: ১২]: দারিদ্র্যের ওপর "
(খণ্ড: ১)
আস-সবরু ওয়াস-সওয়াবু আলাইহি লি-ইবনি আবিদ দুনইয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
29 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مَحْبُوبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو يَزِيدَ الرَّقِّيُّ الْفَيْضُ بْنُ إِسْحَاقَ قَالَ: سَأَلْتُ الْفُضَيْلَ عَنْ قَوْلِهِ: {سَلَامٌ عَلَيْكُمْ بِمَا صَبَرْتُمْ} [الرعد: 24] فَقَالَ: " صَبَّرُوا أَنْفُسَهُمْ عَلَى مَا أَمَرَهُمْ بِهِ مِنْ طَاعَتِهِ، وَصَبَّرُوا أَنْفُسَهُمْ عَمَّا نَهَاهُمْ عَنْهُ مِنْ مَعْصِيَتِهِ، فَقَالَتْ لَهُمُ الْمَلَائِكَةُ حِينَ أَكْرَمُهُمُ اللَّهُ: {سَلَامٌ عَلَيْكُمْ بِمَا صَبَرْتُمْ فَنِعْمَ عُقْبَى الدَّارِ} [الرعد: 24] "
২৯ - হাসান ইবনে মাহবুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াজিদ আর-রাক্কি আল-ফায়দ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আল-ফুদাইলকে আল্লাহর এই বাণী: {তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, যেহেতু তোমরা ধৈর্য ধারণ করেছ} [আর-রাদ: ২৪] সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: " তারা তাদের নফসকে আল্লাহর আনুগত্যের সেই সব বিষয়ের ওপর ধৈর্যশীল করেছিল যা তিনি তাদের আদেশ করেছিলেন, এবং তারা তাদের নফসকে সেই সব পাপাচার থেকে বিরত থাকতে ধৈর্যধারণ করিয়েছিল যা থেকে তিনি তাদের নিষেধ করেছিলেন। অতঃপর ফেরেশতারা তাদের বলেছিল যখন আল্লাহ তাদের সম্মানিত করেছিলেন: {তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, যেহেতু তোমরা ধৈর্য ধারণ করেছ; কতই না চমৎকার এই পরকালীন আবাস!} [আর-রাদ: ২৪]"