(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: -)
الرقة والبكاء لابن أبي الدنيا   (ابن أبي الدنيا)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الرقة والبكاء

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)

تحقيق: محمد خير رمضان يوسف

دار النشر: دار ابن حزم، بيروت - لبنان

الطبعة: الثالثة، 1419 هـ - 1998 م

عدد الصفحات: 280

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আবিদ দুনিয়া রচিত কোমলতা ও ক্রন্দন   (ইবনে আবিদ দুনিয়া)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


কিতাব: আর-রিক্কাহ ওয়াল বুকা (কোমলতা ও ক্রন্দন)

লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)

তাহকিক (সম্পাদনা): মুহাম্মদ খায়র রামাদান ইউসুফ

প্রকাশনী: দার ইবনে হাজম, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: তৃতীয়, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৮০

[বইটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٣٩)
‌‌ذِكْرُ الْبُكَاءِ مِنِ خَشْيَةِ اللَّهِ وَثَوَابِهِ
আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন এবং এর প্রতিদানের আলোচনা
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤١)
1 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبَانَ الَأَصْبَهَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ سُفْيَانَ الْقُرَشِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَيْرَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَلِجُ النَّارَ مَنْ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ حَتَّى يَعُودَ اللَّبَنُ فِي الضَّرْعِ، وَلَا يَجْتَمِعُ غُبَارٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدُخَانُ جَهَنَّمَ فِي مَنْخَرَيْ عَبْدٍ أَبَدًا»
১ - আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন আবান আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন সুফিয়ান আল-কুরাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন খাইরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মাসউদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান থেকে, তিনি ঈসা বিন তালহা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আল্লাহর ভয়ে যে ব্যক্তি ক্রন্দন করে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ না দুধ স্তনে ফিরে যায়। আর আল্লাহর পথের ধূলিবালি এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কোনো বান্দার নাসারন্ধ্রে কখনোই একত্রিত হবে না।’
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٢)
2 - حَدَّثَنِي ابْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ سَلَّامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ عَبْدٍ مُؤْمِنٍ يَخْرُجُ مِنْ عَيْنَيْهِ دُمُوعٌ وَإِنْ كَانَ مِثْلَ رَأْسِ الذُّبَابِ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ، ثُمَّ تُصِيبُ شَيْئًا مِنْ حُرِّ وَجْهِهِ، إِلَّا حَرَّمَهُ اللَّهُ عَلَى النَّارِ»
২ - ইবনে আইয়ুব আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসআব ইবনে সাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবি হুমাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আউন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো মুমিন বান্দার চোখ থেকে যদি আল্লাহর ভয়ে মাছির মাথার সমানও চোখের পানি নির্গত হয়, এরপর তা তার চেহারার কোনো অংশে পৌঁছে, তবে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেন।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٢)
3 - حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ مَوْلَى الْأَنْصَارِ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ شُرَيْحٍ الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُمَيْرٍ الرُّعَيْنِيُّ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ التُّجِيبِيِّ، عَنْ أَبِي رَيْحَانَةَ ⦗ص: 43⦘ صَاحِبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «لَا تَرَى النَّارَ عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ، وَلَا عَيْنٌ سَهِرَتْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»
৩ - আনসারগণের মুক্তদাস যায়িদ ইবনে ইসমাঈল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট যায়িদ ইবনুল হুবাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আব্দুর রহমান ইবনে শুরাইহ আল-ইসকান্দারানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সুমায়র আর-রুআইনি বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু আলী আত-তুজিবি থেকে, তিনি নবী ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী আবু রাইহানা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে তা জাহান্নামের আগুন দেখবে না, এবং যে চোখ আল্লাহর পথে বিনিদ্র রাত কাটিয়েছে তাও নয়।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٣)
4 - حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ الْكِنْدِيُّ، قَالَ: أَنْبَأَنَا يُوسُفُ بْنُ الْغَرِقِ، عَنْ أَيُّوبَ الْحَبَطِيِّ، عَنْ نُفَيْعِ بْنِ الْحَارِثِ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، بِمَ أَتَّقِي النَّارَ؟ قَالَ: «بِدُمُوعِ عَيْنَيْكَ؛ فَإِنَّ عَيْنًا بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ لَا تَمَسُّهَا النَّارُ أَبَدًا»
৪ - আবু জাফর আল-কিন্দি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইউসুফ ইবনে আল-গারিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব আল-হাবাতি থেকে, তিনি নুফাই ইবনে আল-হারিস আল-হামদানি থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, কিসের মাধ্যমে আমি জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা করব? তিনি বললেন: «তোমার দুই চোখের অশ্রুর মাধ্যমে; কারণ যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, জাহান্নামের আগুন তাকে কখনোই স্পর্শ করবে না।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٤)
5 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ زَكَرِيَّا الْقُرَشِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ ، لَا تَمَسُّهَا النَّارُ أَبَدًا»
৫ - মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে যাকারিয়া আল-কুরাশি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে, আগুন তাকে কখনোই স্পর্শ করবে না»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٤)
6 - وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ فُضَيْلٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ قَطْرَةٍ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ مِنْ قَطْرَةٍ مِنْ دَمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَقَطْرَةِ دُمُوعٍ قُطِرَتْ مِنْ عَيْنِ رَجُلٍ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ»
৬ - এবং মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যাকারিয়া ইবনে আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে ফুদায়েল থেকে, তিনি আল-আলা ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে, তিনি হাসান বসরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর নিকট কোনো ফোঁটাই আল্লাহর পথে (ঝরানো) রক্তের ফোঁটা এবং আল্লাহর ভয়ে গভীর রাতে কোনো ব্যক্তির চোখ থেকে নির্গত অশ্রুর ফোঁটা অপেক্ষা অধিক প্রিয় নয়।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٥)
7 - حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَبِي الْجَلْدِ، قَالَ: قَرَأْتُ فِي مَسْأَلَةِ دَاوُدَ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِلَهِي ، مَا جَزَاءُ مَنْ بَكَى مِنْ خَشْيَتِكَ حَتَّى تَسِيلَ دُمُوعُهُ عَلَى وَجْنَتَيْهِ؟ قَالَ: جَزَاؤُهُ أَنْ أُحَرِّمَ وَجْهَهَ عَلَى لَفْحِ النَّارِ، وَأَنْ أُؤَمِّنَهُ يَوْمَ الْفَزَعِ "
৭ - আমাদের নিকট খালিদ ইবনে খিদাশ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ আল-মুররি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইমরান আল-জাওনি থেকে, তিনি আবু আল-জালদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি দাউদ আলাইহিস সালামের প্রার্থনায় পড়েছি যে তিনি বলেছিলেন: "হে আমার ইলাহ, আপনার ভয়ে যে ব্যক্তি ক্রন্দন করে এমনকি তার অশ্রু গন্ডদেশ বেয়ে প্রবাহিত হয়, তার প্রতিদান কী?" তিনি (আল্লাহ) বললেন: "তার প্রতিদান হলো আমি তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের জন্য হারাম করে দেব এবং মহাভীতির দিনে তাকে নিরাপত্তা দান করব।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٥)
8 - حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَوْنُ بْنُ عُمَارَةَ، عَنْ أَيُّوبَ وَهُوَ أَبُو أُمَيَّةَ، عَنْ زِيَادٍ الْعَنْبَرِيِّ، " أَنَّ اللَّهَ تبارك وتعالى قَالَ: وَعِزَّتِي ، لَا يَبْكِي عَبْدٌ مِنْ خَشْيَتِي ، إِلَّا أَجَرْتُهُ مِنْ نِقْمَتِي، وَعِزَّتِي ، لَا يَبْكِي عَبْدٌ مِنْ خَشْيَتِي إِلَّا أَبْدَلْتُهُ ضَحِكًا فِي نُورِ قُدُسِي "
৮ - আলী ইবনে মুসলিম আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আউন ইবনে উমারা আমাকে বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে—আর তিনি হলেন আবু উমাইয়াহ—তিনি জিয়াদ আল-আনবারি থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেছেন: "আমার ইজ্জতের শপথ, কোনো বান্দা আমার ভয়ে কাঁদলে আমি তাকে আমার শাস্তি থেকে সুরক্ষা দান করি। আমার ইজ্জতের শপথ, কোনো বান্দা আমার ভয়ে কাঁদলে আমি অবশ্যই তাকে আমার পবিত্র নূরের মাঝে হাসি দ্বারা বিনিময় দান করি।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٥)
9 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَيُّوبُ بْنُ عُثْمَانَ الْأَزْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَصْرَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: ⦗ص: 46⦘ «إِنَّ الْعَيْنَيْنِ لَتَبْكِيَانِ، وَإِنَّ الْقَلْبَ لَيَشْهَدُ عَلَيْهِمَا بِالْكَذِبِ، وَلَوْ بَكَى عَبْدٌ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ لَرُحِمَ مَنْ حَوْلَهُ ، وَلَوْ كَانُوا عِشْرِينَ أَلْفًا»
৯ - আমাদের নিকট হাসান ইবনে ইউসুফ ইবনে ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আইয়ুব ইবনে উসমান আল-আজদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আবু বাসরাহ বর্ণনা করেছেন, হাসানের সূত্রে, তিনি বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ «নিশ্চয়ই দুই চোখ অশ্রু বিসর্জন দেয়, অথচ হৃদয় সে দুটির ব্যাপারে মিথ্যার সাক্ষ্য দেয়। আর যদি কোনো বান্দা আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, তবে তার চারপাশের লোকদের প্রতি দয়া করা হয়, এমনকি তারা সংখ্যায় বিশ হাজার হলেও।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٦)
10 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ الزَّهْرَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ التَّمِيمِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «بَلَغَنَا أَنَّ الْبَاكِيَ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ لَا يَقْطُرُ مِنْ دُمُوعِهِ قَطْرَةٌ عَلَى الْأَرْضِ حَتَّى تُعْتَقَ رَقَبَتُهُ مِنَ النَّارِ ، وَلَوْ أَنَّ بَاكِيًا بَكَى فِي مَلَأٍ مِنَ الْمَلَأِ لَرُحِمُوا جَمِيعًا بِبُكَائِهِ، وَ. . . . لَهُ وَزْنٌ ، إِلَّا الْبُكَاءُ ، فَإِنَّهُ لَا يُوزَنُ»
১০ - মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনু উমর আয-যাহরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ আত-তামিমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারীর চোখের পানির একটি ফোঁটাও জমিনে পড়ার আগেই তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। আর যদি কোনো ক্রন্দনকারী কোনো একদল মানুষের মধ্যে ক্রন্দন করে, তবে তার ক্রন্দনের কারণে তাদের সকলের প্রতি রহম করা হয়। আর . . . . সবকিছুরই ওজন রয়েছে, কেবল ক্রন্দন ব্যতীত; কেননা তা ওজন করা যায় না।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٦)
11 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ الضَّرِيرُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَصَمُّ، قَالَ: سَمِعْتُ فَرْقَدًا السَّبَخِيَّ، يَقُولُ: «بَلَغَنَا أَنَّ الْأَعْمَالَ كُلَّهَا تُوزَنُ ، إِلَّا الدَّمْعَةَ تَخْرُجُ مِنْ عَيْنِ الْعَبْدِ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ فَإِنَّهُ لَيْسَ لَهَا وَزْنٌ وَلَا قَدْرٌ؛ وَإِنَّهُ لَيُطْفَأُ بِالدَّمْعَةِ الْبُحُورُ مِنَ النَّارِ»
১১ - মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু উমর আদ-দারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উতবাহ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি ফারকাদ আস-সাবাখীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, নিশ্চয়ই সমস্ত আমল ওজন করা হবে, কেবল আল্লাহর ভয়ে বান্দার চোখ থেকে নির্গত অশ্রুবিন্দু ব্যতীত; কেননা এর কোনো ওজন বা পরিমাপ নেই। আর নিশ্চয়ই সেই অশ্রুবিন্দুর মাধ্যমে জাহান্নামের আগুনের সমুদ্রসমূহ নির্বাপিত হয়ে যায়।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٦)
12 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو حَفْصٍ الْحَبَطِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُرْعَةُ الْأَعْشَى، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ قَالَ: «الْبُكَاءُ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ تَعَالَى مَثَاقِيلُ بِرٍّ ، لَيْسَ ثَوَابُهُ وَزْنًا، إِنَّمَا يُعْطَى الْبَاكِي مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ ، وَالصَّابِرُ عَلَى طَاعَةِ اللَّهِ أَجْرَهُمْ بِغَيْرِ حِسَابٍ»
১২ - মুহাম্মদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু হাফস আল-হাবাতি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: জুরআহ আল-আশা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «আল্লাহ তাআলার ভয়ে ক্রন্দন করা হলো পুণ্যের ওজনসমূহ, যার সওয়াব ওজনের পরিমাপে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আল্লাহ তাআলার ভয়ে ক্রন্দনকারী এবং আল্লাহর আনুগত্যে ধৈর্য ধারণকারীকে তাদের প্রতিদান হিসাবহীনভাবে প্রদান করা হবে।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٧)
13 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ ثَوْرِ بْنِ أَبِي الْخَلَّالِ الْعَتَكِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَوَادَةُ بْنُ أَبِي الْأَسْوَدِ، قَالَ: سَمِعْتُ شَهْرَ بْنَ حَوْشَبٍ، يَقُولُ: «لَوْ أَنَّ عَبْدًا بَكَى فِي مَلَأٍ مِنَ النَّاسِ لَرُحِمُوا بِبُكَائِهِ»
১৩ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে থাওর ইবনে আবিল খাল্লাল আল-আতাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাওয়াদা ইবনে আবিল আসওয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শাহর ইবনে হাওশাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: «যদি কোনো বান্দা একদল মানুষের উপস্থিতিতে ক্রন্দন করে, তবে তার ক্রন্দনের কারণে তাদের প্রতি দয়া করা হবে»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٧)
14 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ وَهُوَ غَيْرُ التَّيْمِيِّ، عَنْ عُبَيْدَةَ بْنِ حَسَّانَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ سَعِيدٍ، رَفَعَهُ قَالَ: «مَا اغْرَوْرَقَتْ عَيْنَا عَبْدٍ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ إِلَّا حَرَّمَ اللَّهُ جَسَدَهَا عَلَى النَّارِ ، فَإِنْ فَاضَتْ عَلَى خَدِّهِ لَمْ يَرْهَقْ وَجْهَهُ قَتَرٌ وَلَا ذِلَّةٌ ، وَلَوْ أَنَّ عَبْدًا بَكَى فِي أُمَّةٍ مِنَ الْأُمَمِ ، لَأَنْجَى اللَّهُ بِبُكَاءِ ذَلِكَ الْعَبْدِ تِلْكَ الْأُمَّةَ مِنَ النَّارِ ، وَمَا مِنْ عَمِلٍ إِلَّا لَهُ وَزْنٌ أَوْ ثَوَابٌ ، إِلَّا الدُّمُوعُ؛ فَإِنَّهَا تُطْفِئُ بُحُورًا مِنَ النَّارِ»
১৪ - মুহাম্মদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান—যিনি তাইমি নন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি উবাইদাহ বিন হাসসান থেকে, তিনি নযর বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, যা মারফু সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "আল্লাহর ভয়ে কোনো বান্দার দুই চোখ যখনই অশ্রুসজল হয়, আল্লাহ তার শরীরকে জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেন। অতঃপর যদি সেই অশ্রু তার গাল বেয়ে পড়ে, তবে তার চেহারাকে কোনো কালিমা বা লাঞ্ছনা আচ্ছন্ন করবে না। যদি কোনো উম্মতের মধ্যে একজন বান্দাও কান্নাকাটি করে, তবে সেই বান্দার কান্নার কারণে আল্লাহ সেই উম্মতকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন। আর প্রতিটি আমলের জন্যই ওজন বা সওয়াব রয়েছে, কেবল চোখের পানি ব্যতীত; কেননা তা জাহান্নামের আগুনের সমুদ্রসমূহকে নিভিয়ে দেয়।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٨)
15 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، قَالَ: «إِنَّ الدَّمْعَةَ لَتُطْفِئُ الْبُحُورَ مِنَ النِّيرَانِ، فَإِنْ سَالَتْ عَلَى خَدِّ بَاكِيهَا لَمْ يَرَ ذَلِكَ الْوَجْهُ النَّارَ ، وَمَا بَكَى عَبْدٌ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ إِلَّا خَشَعَتْ لِذَلِكَ جَوَارِحُهُ، وَكَانَ مَكْتُوبًا فِي الْمَلَأِ الْأَعْلَى بِاسْمِهِ وَاسْمِ أَبِيهِ، مُنَوَّرًا قَلْبُهُ بِذِكْرِ اللَّهِ»
১৫ - মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাওর ইবনে ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে মাদান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই অশ্রুবিন্দু আগুনের সমুদ্রসমূহকে নির্বাপিত করে দেয়। অতঃপর তা যদি ক্রন্দনকারীর গণ্ডদেশ বেয়ে প্রবাহিত হয়, তবে সেই চেহারা আর জাহান্নামের আগুন দেখবে না। আর কোনো বান্দা যখন আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করে, তখন তার কারণে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ বিনীত হয়ে পড়ে এবং ঊর্ধ্বলোকে তার নাম ও তার পিতার নামসহ তাকে লিপিবদ্ধ করা হয়, আর আল্লাহর জিকিরে তার অন্তর আলোকিত হয়ে যায়।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٨)
16 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ السَّرَّاجُ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ الْحَسَنِ يَوْمًا وَهُوَ يَعِظُ، فَانْتَحَبَ رَجُلٌ مِنْ نَاحِيَةِ الْمَجْلِسِ، فَقَالَ الْحَسَنُ: «أَيُّهَا الْبَاكِي اشْدُدْ» ، أَوْ قَالَ: «احْدُدْ فَإِنَّهُ بَلَغَنَا أَنَّ الْبَاكِيَ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ مَرْحُومٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
১৬ - মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আসিম আন-নাবিল আদ-দাহহাক ইবন মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন আবি সাঈদ আস-সাররাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা একদিন হাসানের নিকট উপস্থিত ছিলাম যখন তিনি নসিহত করছিলেন, তখন মজলিসের এক পাশ থেকে একজন লোক উচ্চস্বরে কেঁদে উঠল। হাসান বললেন: "হে ক্রন্দনকারী, দৃঢ় হও", অথবা তিনি বললেন: "সংযত হও; কেননা আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারী ব্যক্তি কিয়ামতের দিন রহমতপ্রাপ্ত হবে।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٨)
17 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ هِلَالٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ سُلَيْمَانَ، قَالَ: وَعَظَ مَالِكُ بْنُ دِينَارٍ يومًا فَتَكَلَّمَ، فَبَكَى حَوْشَبٌ، فَضَرَبَ مَالِكٌ ⦗ص: 49⦘ بِيَدِهِ عَلَى مَنْكِبِهِ وَقَالَ: «ابْكِ يَا أَبَا بِشْرٍ، فَإِنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّ الْعَبْدَ لَا يَزَالُ يَبْكِي حَتَّى يَرْحَمَهُ سَيِّدُهُ ، فَيُعْتِقَهُ مِنَ النَّارِ»
১৭ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিব্বান বিন হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জা'ফর বিন সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মালিক বিন দিনার একদিন নসিহত করছিলেন ও কথা বলছিলেন, তখন হাউশাব কেঁদে ফেললেন। তখন মালিক ⦗পৃ: ৪৯⦘ তাঁর হাত দিয়ে তাঁর কাঁধে মৃদু আঘাত করলেন এবং বললেন: «হে আবু বিশর, তুমি ক্রন্দন করো; কেননা আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত ক্রন্দন করতে থাকে যতক্ষণ না তার মনিব তার প্রতি দয়া করেন এবং তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٩)
18 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ خَالِدٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ فَرْقَدًا السَّبَخِيَّ، يَقُولُ: قَرَأْتُ فِي بَعْضِ الْكُتُبِ: " قُلْ لِلْبَكَّائِينَ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ: أَبْشِرُوا فَإِنَّكُمْ أَوَّلُ مَنْ تَنْزِلُ عَلَيْهِ الرَّحْمَةُ إِذَا نَزَلَتْ "
১৮ - মুহাম্মাদ আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন ইসহাক আল-হাদরামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইমরান ইবন খালিদ আল-খুযাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ফারকাদ আস-সাবাখীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি কোনো এক কিতাবে পড়েছি: "আল্লাহর ভয়ে রোদনকারীদের বলে দাও: তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো; কেননা রহমত যখন অবতীর্ণ হয়, তখন তোমরাই প্রথম ব্যক্তি যাদের ওপর তা অবতীর্ণ হয়।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٩)
19 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَكِيمُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ طَلِيقٍ، عَنْ أَبِي مَيْمُونٍ الْبَرَّادِ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِلْحَسَنِ: أَوْصِنِي ، قَالَ: «رَطِّبْ لِسَانَكَ بِذِكْرِ اللَّهِ، وَنَدِّ جُفُونَكَ بِالدُّمُوعِ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ، فَقَلَّ مَنْ طَلَبْتَ لَدَيْهِ خَيْرًا فَلَمْ تُدْرِكْهُ»
১৯ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হাকিম ইবনে জাফর আমাকে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে তালীক থেকে, তিনি আবু মাইমুন আল-বাররাদ থেকে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি হাসানকে বললেন: আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: «তোমার জিহ্বাকে আল্লাহর যিকির দ্বারা সিক্ত রাখো, এবং আল্লাহর ভয়ে চোখের অশ্রু দিয়ে তোমার চোখের পাতাগুলোকে ভেজাও; কারণ খুব কমই এমন ব্যক্তি আছে যে তাঁর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করেছে অথচ তা লাভ করতে পারেনি।’
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٩)
20 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي شُعَيْثُ بْنُ مُحْرِزٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، قَالَ: بَلَغَنِي عَنْ كَعْبٍ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «مَنْ بَكَى خَوْفًا مِنْ ذَنْبٍ غُفِرَ لَهُ، وَمَنْ بَكَى اشْتِيَاقًا إِلَى اللَّهِ أَبَاحَهُ النَّظَرَ إِلَيْهِ تبارك وتعالى ، يَرَاهُ مَتَى شَاءَ»
২০ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুআইস ইবনে মুহরিজ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিহ আল-মুররি আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাব থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি বলতেন: “যে ব্যক্তি কোনো পাপের ভয়ে কাঁদবে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে, আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ব্যাকুলতায় কাঁদবে, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তাকে তাঁর দিকে তাকানোর অনুমতি দেবেন, সে তাঁকে যখন ইচ্ছা দেখবে।”
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٤٩)
21 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنِي النَّضْرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عِيسَى الْمُعَلِّمُ، عَنْ زَاذَانَ أَبِي عُمَرَ، قَالَ: ⦗ص: 50⦘ «بَلَغَنَا أَنَّهُ مَنْ بَكَى خَوْفًا مِنَ النَّارِ أَعَاذَهُ اللَّهُ مِنْهَا، وَمَنْ بَكَى شَوقًا إِلَى الْجَنَّةِ أَسْكَنَهُ اللَّهُ إِيَّاهَا»
২১ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যাকারিয়া ইবনে আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নজর ইবনে ইসমাঈল আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আল-মুআল্লিম আমাকে বর্ণনা করেছেন, জাযান আবু উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ «আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি জাহান্নামের ভয়ে রোদন করে, আল্লাহ তাকে তা হতে আশ্রয় দান করেন; আর যে ব্যক্তি জান্নাতের আকাঙ্ক্ষায় রোদন করে, আল্লাহ তাকে সেখানেই বসবাস করতে দেন।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥٠)
22 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبَى بُكَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ زَاذَانَ الصَّيْدَلَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنِ أَبَانَ الرَّقَاشِيَّ، يَقُولُ: «بَلَغَنِي أَنَّهُ مَنْ بَكَى عَلَى ذَنْبٍ مِنْ ذُنُوبِهِ نُسِّيَ حَافِظَاهُ ذَلِكَ الذَّنْبَ ، وَمَنْ فَاضَتْ عَيْنَاهُ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ أُعْطِيَ الْأَمَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
২২ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উমারাহ ইবনে যাযান আস-সাইদালানি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি ইয়াযিদ ইবনে আবান আর-রাক্কাশিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি তার কোনো গুনাহের জন্য রোদন করবে, তার (আমলনামা হিফাযতকারী) দুই ফেরেশতাকে সেই গুনাহটির কথা ভুলিয়ে দেওয়া হবে; আর আল্লাহর ভয়ে যার দুই চোখ দিয়ে অশ্রু প্রবাহিত হবে, তাকে কিয়ামতের দিন নিরাপত্তা দান করা হবে।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥٠)
23 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ جَرِيرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا طَالِبٍ الْقَاصَّ، يُحَدِّثُ عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، قَالَ: «بَلَغَنِي أَنَّهُ مَنْ بَكَى عَلَى خَطِيئَتِهِ مُحِيَتْ عَنْهُ» ،

 

24 - قَالَ عَمْرٌو: وَحَدَّثَنِي الْأَشْجَعِيُّ، عَنْ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، قَالَ: «وَكُتِبَتْ لَهُ حَسَنَةٌ»
২৩ - মুহাম্মদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু তালিব আল-কাসকে আতিয়্যাহ আল-আওফী থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: «আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি তার পাপের জন্য ক্রন্দন করে, তা তার থেকে মুছে ফেলা হয়।» ,

 

২৪ - আমর বলেন: আল-আশজাঈ আমাকে আবু তালিব থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «এবং তার জন্য একটি নেকি লেখা হয়।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥٠)
25 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الْقَرَنِيُّ، ⦗ص: 51⦘ عَنَ خَازِمِ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: «الْبُكَاءُ عَلَى الْخَطِيئَةِ يَحُطُّ الذُّنُوبَ ، كَمَا تَحُطُّ الرِّيحُ الْوَرَقَ الْيَابِسَ»
২৫ - মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবন ইয়াজিদ আল-কারানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, [পৃষ্ঠা: ৫১] খাযিম ইবন হুসাইন থেকে বর্ণিত, তিনি মালিক ইবন দিনার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "গুনাহের জন্য ক্রন্দন করা পাপসমূহকে ঝরিয়ে দেয়, যেমনভাবে বাতাস শুকনো পাতাকে ঝরিয়ে ফেলে।"
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥١)
26 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ ضَيْغَمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ بَكْرَ بْنَ مَصَادٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْوَاحِدِ بْنَ زَيْدٍ، يَقُولُ: يَا إِخْوَتَاهْ أَلَا تَبْكُونَ شَوقًا إِلَى اللَّهِ؟ أَلَا إِنَّهُ مَنْ بَكَى شَوقًا إِلَى سَيِّدِهِ لَمْ يَحْرِمْهُ النَّظَرَ إِلَيْهِ. يَا إِخْوَتَاهْ أَلَا تَبْكُونَ خَوْفًا مِنَ النَّارِ؟ أَلَا إِنَّهُ مَنْ بَكَى خَوْفًا مِنَ النَّارِ أَعَاذَهُ اللَّهُ مِنْهَا ، يَا إِخْوَتَاهْ أَلَا تَبْكُونَ خَوْفًا مِنَ الْعَطَشِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ أَلَا إِنَّهُ مَنْ بَكَى خَوْفًا مِنْ ذَلِكَ سُقِيَ عَلَى رُءُوسِ الْخَلَائِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، يَا إِخْوَتَاهْ أَلَا تَبْكُونَ؟ بَلَى، فَابْكُوا عَلَى الْمَاءِ الْبَارِدِ أَيَّامَ الدُّنْيَا ، لَعَلَّهُ أَنْ يَسْقِيكُمُوهُ فِي حَظَائِرِ الْقُدُسِ مَعَ خَيْرِ النُّدَمَاءِ وَالْأَصْحَابِ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ ، وَحَسُنَ أُولَئِكَ رَفِيقًا. ثُمَّ جَعَلَ يَبْكِي حَتَّى غُشِيَ عَلَيْهِ "
২৬ - মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে দাইগাম আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বকর ইবনে মাসাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যাইদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: হে আমার ভাইয়েরা! তোমরা কি আল্লাহর প্রতি ব্যাকুলতায় কাঁদবে না? জেনে রেখো, যে ব্যক্তি তার মালিকের প্রতি ব্যাকুলতায় কাঁদে, তিনি তাকে তাঁর দিকে তাকানো থেকে বঞ্চিত করবেন না। হে আমার ভাইয়েরা! তোমরা কি জাহান্নামের আগুনের ভয়ে কাঁদবে না? জেনে রেখো, যে ব্যক্তি আগুনের ভয়ে কাঁদে, আল্লাহ তাকে তা থেকে আশ্রয় দান করেন। হে আমার ভাইয়েরা! তোমরা কি কিয়ামতের দিনের তৃষ্ণার ভয়ে কাঁদবে না? জেনে রেখো, যে ব্যক্তি সেই ভয়ে কাঁদে, কিয়ামতের দিন সকল সৃষ্টির সামনে তাকে পানীয় পান করানো হবে। হে আমার ভাইয়েরা! তোমরা কি কাঁদবে না? হ্যাঁ, তোমরা দুনিয়ার দিনগুলোতে শীতল পানির জন্য কাঁদো, সম্ভবত তিনি পবিত্র উদ্যানে নবীগণ, সত্যবাদীগণ, শহীদগণ ও নেককারদের মতো সর্বোত্তম সঙ্গী ও বন্ধুদের সাথে তোমাদের তা পান করাবেন; আর সঙ্গী হিসেবে তাঁরা কতই না চমৎকার! তারপর তিনি কাঁদতে শুরু করলেন, এমনকি তিনি মূর্ছিত হয়ে পড়লেন।
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥١)
27 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ سَهْلٍ الْأُرْدُنِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِهِ، قَالَ: قَرَأْتُ فِي ⦗ص: 52⦘ بَعْضِ الْكُتُبِ: «قُلْ لِلْمُؤَيَّدِينَ مِنْ عِبَادِي ، فَلْيُجَالِسُوا الْبَكَّائِينَ مِنْ خَشْيَتِي، لَعَلِّي أُصِيبُهُمْ بِرَحْمَتِي إِذَا أَنَا رَحِمْتُ الْبَكَّائِينَ»
২৭ - মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন সাহল আল-উর্দুননি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রিশদিন বিন সাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর জনৈক সাথী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ কোনো এক কিতাবে পাঠ করেছি: «তুমি আমার বান্দাদের মধ্য হতে সাহায্যপ্রাপ্তদের বলো, তারা যেন আমার ভয়ে ক্রন্দনকারীদের সাথে মজলিসে বসে; যেন আমি যখন ক্রন্দনকারীদের প্রতি দয়া করি, তখন আমার রহমত দ্বারা তাদেরও সিক্ত করি।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥٢)
28 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمٍ مَوْلَى بَنِي لَيْثٍ، قَالَ: سَمِعْتُ هَارُونَ بْنَ رِئَابٍ، قَالَ: «بَلَغَنِي أَنَّ الْبُكَاءَ مَثَاقِيلُ لَوْ وُزِنَ بِالْمِثْقَالِ الْوَاحِدِ مِنْهُ مِثْلُ جِبَالِ الدُّنْيَا» ، أَوْ قَالَ: «جِبَالِ الْأَرْضِ رَجَحَ الْبُكَاءُ، وَإِنَّ الدَّمْعَةَ لَتَنْحَدِرُ فَتُطْفِئُ الْبُحُورَ مِنَ النَّارِ، وَمَا بَكَى عَبْدٌ لِلَّهِ مُخْلِصًا فِي مَلَأٍ مِنَ الْمَلَأِ إِلَّا غُفِرَ لَهُمْ جَمِيعًا بِبَرَكَةِ بُكَائِهِ»
২৮ - মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: বনু লাইস গোত্রের মুক্ত দাস মুহাম্মাদ বিন সুলাইম আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি হারুন বিন রিয়াবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কান্নার ওজন অত্যন্ত ভারি; যদি তার এক মিসকাল পরিমাণকে দুনিয়ার পাহাড়সমূহের ন্যায় ওজন করা হয়» — অথবা তিনি বলেছেন: «জমিনের পাহাড়সমূহের ন্যায় — তবে কান্নার পাল্লাই ভারি হবে। আর নিশ্চয়ই অশ্রুবিন্দু যখন গড়িয়ে পড়ে, তখন তা আগুনের সমুদ্রসমূহকে নির্বাপিত করে দেয়। আর কোনো বান্দা যখন কোনো জনসমষ্টির মধ্যে নিষ্ঠার সাথে আল্লাহর জন্য কাঁদে, তখন তার কান্নার বরকতে তাদের সকলকেই ক্ষমা করে দেওয়া হয়।»
(খণ্ড: ১) আর রিক্কাতু ওয়াল বুকাউ লিবনি আবিদ দুনিয়া (পৃষ্ঠা: ٥٢)
29 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُسَيْنُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ الْقَاصُّ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ ذَرٍّ: ⦗ص: 53⦘ «مَا رَأَيْتُ بَاكِيًا قَطُّ إِلَّا خُيِّلَ إِلَيَّ أَنَّ الرَّحْمَةَ قَدْ تَنَزَّلَتْ عَلَيْهِ»
২৯ - মুহাম্মাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবনে মুসা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল মুগিরা আল-কাস আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে যারর বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ «আমি যখনই কোনো ক্রন্দনরত ব্যক্তিকে দেখেছি, তখনই আমার মনে হয়েছে যে, নিশ্চয়ই তার ওপর রহমত অবতীর্ণ হয়েছে।»