(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
التوكل على الله لابن أبي الدنيا القسم: كتب السنة
الكتاب: مجموعة رسائل بان أبي الدنيا كتاب التوكل على الله
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
دراسة وتحقيق: مصطفى عبد القادر عطا
الناشر: مؤسسة الكتب الثقافية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1993 م
عدد الصفحات: 76
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আবিদ দুনিয়ার কিতাব: আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
বই: ইবনে আবিদ দুনিয়ার রিসালাহসমষ্টি - আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল কিতাব
লেখক: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
গবেষণা ও তাহকিক: মুস্তফা আব্দুল কাদির আতা
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুল কুতুব আস-সাকাফিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হিজরি - ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৬
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে মিল রেখে করা হয়েছে]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْأَعْظَمُ شَيْخُ الْإِسْلَامِ فَخْرُ الْأَئِمَّةِ بَقِيَّةُ السَّلَفِ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّلَفِيُّ الْأَصْفَهَانِيُّ رضي الله عنه، فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سِتٍّ وَسِتِّينَ وَخَمْسُمِائَةٍ بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ قَالَ: نا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَطِرِ الْقَارِيُّ، فِيمَا قَرَأْتُ عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَشْرِانَ السُّكَرِيُّ الْمُعَدِّلُ، أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْدَعِيُّ، نا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا الْقُرَشِيُّ،
1 - ذَكَرَ مَهْدِيُّ بْنُ حَفْصٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، ح
⦗ص: 44⦘ وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِيُ، نا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَمْرٍو الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هُبَيْرَةَ، عَنْ أَبِي تَمِيمٍ الْجَيْشَانِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ:
«لَوْ أَنَّكُمْ تَوَكَّلْتُمْ عَلَى اللَّهِ حَقَّ تَوَكُّلِهِ لَرَزَقَكُمْ كَمَا يَرْزُقُ الطَّيْرَ تَغْدُو خِمَاصًا وَتَرُوحُ بِطَانًا»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মহান ইমাম, শাইখুল ইসলাম, আইম্মাহদের গৌরব, পূর্বসূরীদের অবশিষ্টাংশ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আস-সিলাফী আল-আসফাহানী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), পাঁচশত ছেষট্টি হিজরীর মুহাররম মাসে ইসকান্দারিয়া নগরীতে। তিনি বলেন: আবু আল-খাত্তাব নাসরুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বাত্বির আল-ক্বারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—যা আমি চারশত তিরানব্বই হিজরীর শাওয়াল মাসে বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করেছি: আবু আল-হুসাইন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আস-সুকারী আল-মুআদ্দিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আলী আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আল-বারদাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,
১ - মাহদী বিন হাফস উল্লেখ করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হায়ওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে,
⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, ইসহাক বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন ইয়াযীদ আল-মুক্বরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হায়ওয়াহ বিন শুরাইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকর বিন আমর আল-মাআফিরী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন হুবাইরাহ থেকে, তিনি আবু তামীম আল-জাইশানী থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূলকে (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলতে শুনেছি:
«যদি তোমরা আল্লাহর ওপর সঠিক ও যথাযথভাবে ভরসা করতে, তবে তিনি তোমাদেরকে অবশ্যই এমনভাবে রিযিক দান করতেন যেভাবে তিনি পাখিকে রিযিক দান করেন; তারা সকালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় বের হয় এবং সন্ধ্যায় তৃপ্ত বা ভরা পেটে ফিরে আসে।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ الْمَرْوَزِيُّ، نا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، نا أَبِي: سَمِعْتُ حُسَيْنًا الْمُعَلِّمَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، نا يَحْيَى بْنُ يَعْمُرَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ: ⦗ص: 46⦘ «اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، أَعُوذُ بِعِزَّتِكَ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْحَيُّ الَّذِي لَا يَمُوتُ، وَالْجِنُّ وَالْإِنْسُ يَمُوتُونَ»
২ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, মাহমুদ ইবনে গাইলান আল-মারওয়াজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন: আমি হুসাইন আল-মুয়াল্লিমকে বলতে শুনেছি, আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ «হে আল্লাহ! আমি আপনারই নিকট আত্মসমর্পণ করেছি, আপনার প্রতিই ঈমান এনেছি, আপনার ওপরই ভরসা করেছি, আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন করেছি এবং আপনার সাহায্যেই বিতর্ক করেছি। আমি আপনার প্রতাপের আশ্রয় প্রার্থনা করছি, আপনি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, যিনি চিরঞ্জীব এবং যাঁর মৃত্যু নেই; অথচ জিন ও মানুষ সকলেই মৃত্যুবরণ করবে।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
3 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عُمَرَ الثَّقَفِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ النَّضْرِ الْحَارِثِيِّ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: كَانَ مِنْ دُعَاءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ التَّوْفِيقَ لِمَحَابِّكَ مِنَ الْأَعْمَالِ، وَصِدْقَ التَّوَكُّلِ عَلَيْكَ، وَحُسْنَ الظَّنِّ بِكَ»
3 - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবন আলী আল-জু'ফী, ইয়াহইয়া ইবন উমর আস-সাকাফী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন আন-নাদর আল-হারিসি থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম দু'আ ছিল: «হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আপনার পছন্দনীয় আমলসমূহ করার তাওফীক, আপনার ওপর যথাযথ তাওয়াক্কুল এবং আপনার প্রতি উত্তম ধারণার প্রার্থনা করছি।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
4 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قال: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، ذَكَرَ بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ، نا خَالِدُ بْنُ مَحْدُوجٍ أَبُو رَوْحٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي دُعَائِهِ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِمَّنْ تَوَكَّلَ عَلَيْكَ فَكَفَيْتَهُ، وَاسْتَهْدَاكَ فَهَدَيْتَهُ، وَاسْتَنْصَرَكَ فَنَصَرْتَهُ»
৪ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি উল্লেখ করেছেন, আমাদের নিকট আবু রাওহ খালিদ ইবনে মাহদুজ বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবনে মালিক (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দোয়ায় বলতেন: «হে আল্লাহ! আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা আপনার ওপর ভরসা করেছে এবং আপনি তাদের জন্য যথেষ্ট হয়েছেন, আপনার নিকট হিদায়াত চেয়েছে এবং আপনি তাদের হিদায়াত দান করেছেন, এবং আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছে ও আপনি তাদের সাহায্য করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا جَرِيرٌ، ⦗ص: 48⦘ عَنْ ضِرَارِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: «التَّوَكُّلُ عَلَى اللَّهِ جِمَاعُ الْإِيمَانِ»
৫ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট জারীর বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ যিরার ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করাই হলো ঈমানের সমষ্টি»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، ذَكَرَ ابْنُ قُسَيْمٍ قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ ابْنِ شُبْرُمَةَ، فَقَالَ رَجُلٌ: أَلَا أُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ بَلَغَنِي عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ ابْنُ شُبْرُمَةَ: هَاتِ، رُبَّ حَدِيثٍ حَسَنٍ جِئْتَ بِهِ. قَالَ: «أَرْبَعٌ لَا يُعْطِيهِنَّ اللَّهُ إِلَّا مَنْ أَحَبَّ» . قَالَ ابْنُ شُبْرُمَةَ: مَا هُنَّ؟ قَالَ: «الصَّمْتُ، وَهُوَ أَوَّلُ الْعِبَادَةِ، وَالتَّوَكُّلُ عَلَى اللَّهِ، وَالتَّوَاضُعُ، وَالزُّهْدُ فِي الدُّنْيَا»
৬ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার নিকট আব্দুর রহমান ইবন সালিহ বর্ণনা করেছেন, ইবন কুসাইম উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি ইবন শুবরুমার নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি বলল: আমি কি আপনাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমার নিকট পৌঁছানো কোনো হাদিস বর্ণনা করব না? ইবন শুবরুমা বললেন: তা পেশ করো, হতে পারে তুমি কোনো উত্তম হাদিস নিয়ে এসেছ। তিনি বললেন: «চারটি বিষয় আল্লাহ কেবল তাকেই দান করেন যাকে তিনি ভালোবাসেন»। ইবন শুবরুমা বললেন: সেগুলো কী? তিনি বললেন: «মৌনতা, আর তা ইবাদতের সূচনা, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা, বিনয় এবং দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি»।
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
7 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قال: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ، نا زَافِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْمُحَارِبِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ حَسَّانَ، وَسَمِعَهُ مُوسَى، مِنَ الْمُحَارِبِيِّ قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: " يَا أَيُّهَا النَّاسُ، تَوَكَّلُوا عَلَى اللَّهِ، وَثِقُوا بِهِ؛ فَإِنَّهُ يَكْفِي مِمَّنْ سِوَاهُ
7 - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইদরীস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফির ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহারিবী থেকে, তিনি উমর ইবনে হাসান থেকে বর্ণনা করেন এবং মুসা তা মুহারিবী থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন: আলী (রা.) বলেছেন: "হে লোকসকল, তোমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করো এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখো; কেননা তিনি ব্যতীত অন্য সকলের মোকাবিলায় তিনিই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي شُرَيْحُ بْنُ يُونُسَ، نا عَبْدُ الْقُدُّوسِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ خُنَيْسٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: قَالَ لُقْمَانُ لِابْنِهِ: «يَا بُنَيَّ، الدُّنْيَا بَحْرٌ غَرِقَ فِيهِ أُنَاسٌ كَثِيرٌ، فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَكُونَ سَفِينَتُكَ فِيهَا الْإِيمَانَ بِاللَّهِ، وَحَشْوُهَا الْعَمَلَ بِطَاعَةِ اللَّهِ عز وجل، وَشِرَاعُهَا التَّوَكُّلَ عَلَى اللَّهِ؛ لَعَلَّكَ تَنْجُو»
৮ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুরাইহ ইবনে ইউনুস আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবদুল কুদ্দুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর ইবনে খুনাইস থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লোকমান তাঁর পুত্রকে বললেন: «হে বৎস, দুনিয়া একটি সমুদ্র যাতে বহু মানুষ নিমজ্জিত হয়েছে। সুতরাং তুমি যদি সক্ষম হও তবে এতে তোমার নৌকা যেন হয় আল্লাহর প্রতি ঈমান, আর তার ভেতরের রসদ যেন হয় মহান আল্লাহর আনুগত্যের আমল, এবং তার পাল যেন হয় আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল; সম্ভবত তুমি মুক্তি পাবে।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الرَّبِيعِ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَسَدِيُّ، نا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ زَيْدٍ الْعَمِّيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ⦗ص: 50⦘ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَكُونَ أَقْوَى النَّاسِ، فَلْيَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ»
৯ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন রবী‘ আবু আবদুর রহমান আল-আসাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহীম বিন যায়দ আল-আম্মী তাঁর পিতা থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন কা‘ব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পছন্দ করে, সে যেন আল্লাহর ওপর ভরসা করে।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫০)
10 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الْعَامِرِيُّ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنا عَوْنُ بْنُ مُوسَى، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، لَقِيَ نَاسًا مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ، فَقَالَ: مَنْ أَنْتُمْ؟ قَالُوا: نَحْنُ الْمُتَوَكِّلُونَ. قَالَ: بَلْ أَنْتُمُ الْمُتَّكِلُونَ، إِنَّمَا «الْمُتَوَكِّلُ الَّذِي يُلْقِي حَبَّهُ فِي الْأَرْضِ، وَيَتَوَكَّلُ عَلَى اللَّهِ»
১০ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল হুসাইন আল-আমিরী আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আউন ইবনে মূসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ থেকে যে, উমর ইবনুল খাত্তাব ইয়ামেনবাসীদের কিছু লোকের সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তোমরা কারা? তারা বলল: আমরা তাওয়াক্কুলকারী (আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল)। তিনি বললেন: বরং তোমরা পরনির্ভরশীল। প্রকৃতপক্ষে «তাওয়াক্কুলকারী তো সেই ব্যক্তি, যে জমিনে বীজ বপন করে এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করে»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫০)
11 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا أَبُو حَفْصٍ الصَّيْرَفِيُّ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ⦗ص: 51⦘ نا الْمُغِيرَةُ بْنُ أَبِي قُرَّةَ السَّدُوسِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَعْقِلُهَا وَأَتَوَكَّلُ، أَمْ أُطْلِقُهَا وَأَتَوَكَّلُ؟ قَالَ: «اعْقِلْهَا وَتَوَكَّلْ»
১১ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হাফস আস-সাইরাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ আল-মুগীরাহ ইবনে আবু কুররাহ আস-সাদূসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি এটি বাঁধব এবং ভরসা করব, নাকি এটি ছেড়ে দেব এবং ভরসা করব? তিনি বললেন: «এটি বাঁধো এবং ভরসা করো»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫১)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، نا جَرِيرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: الْتَقَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ وَسَلْمَانُ، فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِصَاحِبِهِ: إِنْ مُتَّ قَبْلِي فَالْقَنِي، فَأَخْبِرْنِي مَا لَقِيتَ مِنْ رَبِّكَ، وَإِنْ مُتُّ قَبْلَكَ لَقِيتُكَ، فَأَخْبَرْتُكَ. فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِلْآخَرِ: أَوَ تَلْقَى الْأَمْوَاتُ الْأَحْيَاءَ؟ ⦗ص: 52⦘ قَالَ: نَعَمْ، أَرْوَاحُهُمْ تَذْهَبُ فِي الْجَنَّةِ حَيْثُ شَاءَتْ. قَالَ: فَمَاتَ فُلَانٌ، فَلَقِيَهُ فِي الْمَنَامِ، فَقَالَ: «تَوَكَّلْ وَأَبْشِرْ، فَلَمْ أَرَ مِثْلَ التَّوَكُّلِ قَطُّ، تَوَكَّلْ وَأَبْشِرْ، فَلَمْ أَرَ مِثْلَ التَّوَكُّلِ قَطُّ»
১২ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে বর্ণিত, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন সালাম এবং সালমান (পরস্পর) সাক্ষাৎ করলেন। তখন তাঁদের একজন তাঁর সঙ্গীকে বললেন: যদি আপনি আমার আগে মারা যান, তবে আমার সাথে সাক্ষাৎ করবেন এবং আপনার রবের পক্ষ থেকে কী লাভ করেছেন তা আমাকে জানাবেন। আর যদি আমি আপনার আগে মারা যাই, তবে আমি আপনার সাথে সাক্ষাৎ করে আপনাকে জানাব। তাঁদের একজন অপরজনকে বললেন: মৃতরা কি জীবিতদের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারে? ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ তিনি বললেন: হ্যাঁ, তাঁদের রূহসমূহ জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা বিচরণ করে। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তাঁদের একজন মারা গেলেন এবং অপরজন স্বপ্নে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি বললেন: «তাওয়াক্কুল করুন এবং সুসংবাদ গ্রহণ করুন, কারণ আমি তাওয়াক্কুলের মতো আর কিছুই কখনো দেখিনি; তাওয়াক্কুল করুন এবং সুসংবাদ গ্রহণ করুন, কারণ আমি তাওয়াক্কুলের মতো আর কিছুই কখনো দেখিনি।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، نا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ذَكَرَ يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَصَرِيُّ: حَدَّثَتْنِي امْرَأَةُ خُلَيْدٍ الْعَصَرِيِّ، عَنْ خُلَيْدٍ، قَالَتْ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: " مَا مِنْ عَبْدٍ أَلْجَأَتْهُ حَاجَةٌ، فَأَخَذَ بِأَمَانَتِهِ تَوَكُّلًا عَلَى رَبِّهِ، ثُمَّ أَنْفَقَهُ عَلَى أَهْلِهِ فِي غَيْرِ إِسْرَافٍ، فَأَدْرَكَهُ الْمَوْتُ وَلَمْ يَقْضِهِ، إِلَّا قَالَ اللَّهُ تبارك وتعالى لِمَلَائِكَتِهِ: عَبْدِي هَذَا أَلْجَأَتْهُ حَاجَةٌ، فَأَخَذَ بِأَمَانَتِهِ تَوَكُّلًا عَلَيَّ، وَثِقَةً بِي، فَأَنْفَقَهُ عَلَى أَهْلِهِ فِي غَيْرِ سَرَفٍ، أُشْهِدُكُمْ أَنِّي قَدْ قَضَيْتُ عَنْهُ دَيْنَهُ، وَأَرْضَيْتُ هَذَا مِنْ حَقِّهِ "
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি মারইয়াম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন খিদাশ, ইয়াহইয়া বিন আবদুর রহমান আল-আসারী উল্লেখ করেছেন যে: খুলাইদ আল-আসারীর স্ত্রী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি খুলাইদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (স্ত্রী) বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: "এমন কোনো বান্দা নেই যাকে কোনো প্রয়োজন (ঋণ গ্রহণে) বাধ্য করেছে, অতঃপর সে তার রবের ওপর ভরসা করে আমানত হিসেবে তা গ্রহণ করেছে, তারপর তা তার পরিবারের জন্য অপচয়হীনভাবে ব্যয় করেছে, অতঃপর তাকে মৃত্যু গ্রাস করেছে অথচ সে তা পরিশোধ করতে পারেনি, তবে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা তাঁর ফেরেশতাদের বলেন: 'আমার এই বান্দা, তাকে প্রয়োজন বাধ্য করেছিল, ফলে সে আমার ওপর তাওয়াক্কুল করে এবং আমার প্রতি আস্থা রেখে তা আমানত হিসেবে গ্রহণ করেছিল, অতঃপর সে তা তার পরিবারের জন্য অপব্যয় ছাড়াই ব্যয় করেছিল। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি তার পক্ষ থেকে তার ঋণ পরিশোধ করে দিলাম এবং একে (পাওনাদারকে) তার হকের বিনিময়ে সন্তুষ্ট করে দিলাম।'"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫২)
14 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ذَكَرَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ غَالِبٍ مَوْلَى الرَّبِيعِ بْنِ صَبِيحٍ: نا الرَّبِيعُ بْنُ صَبِيحٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: ⦗ص: 53⦘ «الْعِزُّ وَالْغِنَى يَجُولَانِ فِي طَلَبِ التَّوَكُّلِ، فَإِذَا ظَفِرَا أَوْطَنَا»
১৪ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, রাবী ইবনে সবিহ-এর মুক্তদাস আব্দুল্লাহ ইবনে গালিব উল্লেখ করেছেন: রাবী ইবনে সবিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান (বসরী) থেকে, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ «সম্মান ও প্রাচুর্য তাওয়াক্কুলের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়, অতঃপর যখন তারা তা লাভ করে, তখন সেখানেই আবাস গেড়ে নেয়»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
15 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا الْحَسَنُ بْنُ مَحْبُوبٍ، نا الْفَيْضُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: قُلْتُ لِلْفُضَيْلِ: " تَحُدُّ لِي التَّوَكُّلَ؟ قَالَ: آهٍ، كَيْفَ تَتَوَكَّلُ عَلَيْهِ، وَأَنْتَ يَخْتَارُ لَكَ، فَتَسْخَطُ قَضَاءَهُ، أَرَأَيْتَ لَوْ دَخَلْتَ بَيْتَكَ، فَوَجَدْتَ امْرَأَتَكَ قَدْ عَمِيَتْ، وَابْنَتُكَ قَدْ أُقْعِدَتْ، وَأَنْتَ قَدْ أَصَابَكَ الْفَالِجُ، كَيْفَ كَانَ رِضَاكَ بِقَضَائِهِ؟ قُلْتُ: كُنْتُ أَخَافُ أَلَّا أَصْبِرَ. قَالَ: فَكَيْفَ لَا، حَتَّى يَكُونَ عِنْدَكَ وَاحِدًا تَرْضَى بِكُلِّ مَا صَنَعَ فِي الْعَافِيَةِ وَالْبَلَاءِ، لَا تَسْخَطُ عَلَى مَا زَوَى عَنْكَ، وَتَثِقُ بِمَا آتَاكَ. قَالَ: ثُمَّ ذَكَرَ رَجُلًا قَدْ سَمَّاهُ قَالَ: إِنِّي لَأَكْرَهُ أَنْ أَقُولَ فِي سُجُودِي: اللَّهُمَّ عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ "
১৫ - আব্দুল্লাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে মাহবুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-ফায়জ ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ফুযাইলকে বললাম: "আপনি কি আমার জন্য তাওয়াক্কুলের (নির্ভরতা) সংজ্ঞা দেবেন? তিনি বললেন: আহ! তুমি কীভাবে তাঁর ওপর তাওয়াক্কুল করবে, অথচ তিনি তোমার জন্য যা নির্বাচন করেন তুমি তাঁর সেই ফয়সালায় অসন্তুষ্ট হও? তুমি কি ভেবে দেখেছ, যদি তুমি তোমার ঘরে প্রবেশ করো এবং দেখতে পাও যে তোমার স্ত্রী অন্ধ হয়ে গেছে, তোমার কন্যা পঙ্গু হয়ে গেছে এবং তুমি নিজে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়েছ, তবে তাঁর ফয়সালার প্রতি তোমার সন্তুষ্টি কেমন হবে? আমি বললাম: আমি ভয় পাচ্ছিলাম যে আমি হয়তো ধৈর্য ধরতে পারব না। তিনি বললেন: তবে তা কীভাবে হবে? যতক্ষণ না তোমার নিকট উভয়ই সমান হয় যে, তিনি সুস্থতা ও বিপদ—সব অবস্থায় যা করেন তাতে তুমি সন্তুষ্ট থাকবে, যা তিনি তোমার থেকে সরিয়ে নিয়েছেন তাতে অসন্তুষ্ট হবে না এবং যা তিনি তোমাকে দিয়েছেন তাতে আস্থা রাখবে। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তারপর তিনি একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন যার নাম তিনি নিয়েছিলেন এবং বললেন: "আমি আমার সিজদায় এ কথা বলতে অপছন্দ করি যে: হে আল্লাহ, আমি আপনার ওপর তাওয়াক্কুল করলাম।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
16 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، نا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مَسْعُودٍ، عَنْ مَعْنٍ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: بَيْنَا رَجُلٌ فِي بُسْتَانٍ بِمِصْرَ ⦗ص: 54⦘ فِي فِتْنَةِ ابْنِ الزُّبَيْرِ مُكْتَئِبًا، مَعَهُ شَيْءٌ يَنْكُتُ بِهِ فِي الْأَرْضِ، إِذْ رَفَعَ رَأْسَهُ، فَسَنَحَ لَهُ صَاحِبُ مِسْحَاةٍ، فَقَالَ لَهُ: يَا هَذَا، مَا لِي أَرَاكَ مُكْتَئِبًا حَزِينًا؟ قَالَ: فَكَأَنَّهُ ازْدَرَاهُ. فَقَالَ: لَا شَيْءَ. فَقَالَ صَاحِبُ الْمِسْحَاةِ: أَلِلدُّنْيَا؟ فَإِنَّ " الدُّنْيَا عَرَضٌ حَاضِرٌ، يَأْكُلُ مِنْهَا الْبَرُّ وَالْفَاجِرُ، وَالْآخِرَةُ أَجْلٌ صَادِقٌ، يَحْكُمُ فِيهَا مَلِكٌ قَادِرٌ، يَفْصِلُ بَيْنَ الْحَقِّ وَالْبَاطِلِ، حَتَّى ذَكَرَ أَنَّ لَهَا مَفَاصِلَ كَمَفَاصِلِ اللَّحْمِ، مَنْ أَخْطَأَ شَيْئًا أَخْطَأَ الْحَقَّ. فَلَمَّا سَمِعَ ذَلِكَ مِنْهُ كَأَنَّهُ أَعْجَبَهُ. قَالَ: فَقَالَ لِمَا فِيهِ الْمُسْلِمُونَ. قَالَ: فَإِنَّ اللَّهَ سَيُنَجِّيكَ بِشَفَقَتِكَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، وَسَلْ، فَمَنْ ذَا الَّذِي سَأَلَ اللَّهَ فَلَمْ يُعْطِهِ، وَدَعَاهُ فَلَمْ يُجِبْهُ، وَتَوَكَّلَ عَلَيْهِ فَلَمْ يَكْفِهِ، أَوْ وَثِقَ بِهِ فَلَمْ يُنَجِّهِ. قَالَ: فَعَلَّقْتُ الدُّعَاءَ: اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي، وَسَلِّمْ مِنِّي، فَتَجَلَّتْ، وَلَمْ تُصِبْ مِنْهُ أَحَدًا "
১৬ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসহাক বিন ইসমাইল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু উসামাহ বর্ণনা করেছেন, মাসউদ থেকে বর্ণিত, মা'ন থেকে বর্ণিত, আউন বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনে যুবাইরের ফিতনার সময় মিশরের এক বাগানে এক ব্যক্তি বিষণ্ণ অবস্থায় ছিলেন ⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘, তাঁর সাথে একটি বস্তু ছিল যা দিয়ে তিনি মাটিতে আঁচড় কাটছিলেন। হঠাৎ তিনি মাথা তুললেন এবং এক কোদালধারী ব্যক্তি তাঁর সামনে উপস্থিত হলেন। তিনি তাঁকে বললেন: হে ব্যক্তি, আমি কেন তোমাকে বিষণ্ণ ও চিন্তিত দেখছি? তিনি বলেন: মনে হলো তিনি তাঁকে তুচ্ছজ্ঞান করলেন। অতঃপর বললেন: কিছু না। কোদালধারী ব্যক্তি বললেন: দুনিয়ার জন্য? কেননা " দুনিয়া হচ্ছে এক উপস্থিত নশ্বর সামগ্রী, যা থেকে নেককার ও বদকার উভয়েই ভক্ষণ করে। আর আখিরাত হচ্ছে সত্য প্রতিশ্রুতি, সেখানে জনৈক শক্তিশালী বাদশাহ বিচার করবেন, যিনি পার্থক্য করবেন সত্য ও মিথ্যার মাঝে, এমনকি তিনি উল্লেখ করলেন যে, এর সংযোগস্থল রয়েছে যেমন গোশতের জোড়া থাকে। যে ব্যক্তি এর সামান্য কিছুও ভুল করল, সে সত্যকে হারালো। যখন তিনি তাঁর থেকে এই কথা শুনলেন, তখন বিষয়টি তাঁকে মুগ্ধ করল। তিনি বললেন: মুসলিমরা যে সংকটের মধ্যে রয়েছে সেই কারণে (আমি বিষণ্ণ)। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ মুসলিমদের প্রতি তোমার এই সহমর্মিতার কারণে তোমাকে মুক্তি দেবেন। আর তুমি প্রার্থনা করো; কারণ এমন কে আছে যে আল্লাহর কাছে চেয়েছে অথচ তিনি তাকে দেননি, তাঁকে ডেকেছে অথচ তিনি সাড়া দেননি, তাঁর ওপর ভরসা করেছে অথচ তিনি তার জন্য যথেষ্ট হননি, অথবা তাঁর ওপর আস্থা রেখেছে অথচ তিনি তাকে মুক্তি দেননি? তিনি বলেন: এরপর আমি এই দোয়াটি আঁকড়ে ধরলাম: হে আল্লাহ, আমাকে শান্তিতে রাখুন এবং আমার থেকে অন্যদের শান্তিতে রাখুন। অতঃপর সেই সংকট দূরীভূত হলো এবং তা তাদের কাউকেও আক্রান্ত করল না।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
17 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا أَبُو إِسْحَاقَ الطَّلَقَانِيُّ، أنا زَافِرٌ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ، قَالَ: سُئِلَ الْحَسَنُ عَنِ التَّوَكُّلِ، فَقَالَ: «الرِّضَا عَنِ اللَّهِ»
১৭ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবন ইবরাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আত-তালাকানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রাজা হতে, তিনি আব্বাদ ইবন মানসুর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হাসানকে তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর ভরসা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: «আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকা»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
18 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، نا مُعْتَمِرُ بْنُ ⦗ص: 55⦘ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الْجَلِيلِ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ، يَقُولُ: إِنَّ «مِنْ تَوَكُّلِ الْعَبْدِ أَنْ يَكُونَ اللَّهُ هُوَ ثِقَتَهُ»
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুয়াইদ ইবন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবন ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ সুলায়মান, আবদিল জলীল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: «নিশ্চয়ই বান্দার তাওয়াক্কুলের অন্তর্ভুক্ত হলো আল্লাহই তার একমাত্র নির্ভরযোগ্য হওয়া।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
19 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا عَلِيُّ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ عَبَّادٍ، قَالَ: قِيلَ لِبَعْضِ الرُّهْبَانِ: " مَنِ الْمُتَوَكِّلُ؟ قَالَ: مَنْ لَمْ يَسْخَطْ حُكْمَ اللَّهِ عز وجل عَلَى كُرْهٍ أَوْ مَحَبَّةٍ "
১৯ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি আলী ইবনে আবি মারইয়াম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি মুগীরা ইবনে আব্বাদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: জনৈক সন্ন্যাসীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: " তাওয়াক্কুলকারী কে? তিনি বললেন: সেই ব্যক্তি, যে পছন্দনীয় কিংবা অপছন্দনীয়—উভয় ক্ষেত্রেই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ফয়সালায় অসন্তুষ্ট হয় না। "
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
20 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الْقُرَشِيُّ، أنا أَبِي، أنا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَنْ قَالَ: بِاسْمِ اللَّهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، فَيُقَالُ لَهُ ⦗ص: 56⦘ حِينَئِذٍ: كُفِيتَ، وَوُقِيتَ، وَتَنَحَّى لَهُ الشَّيْطَانُ "
২০ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাঈদ বিন ইয়াহইয়া আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবনু জুরাইজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবি তালহা থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলবে: আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম, আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই, তখন তাকে বলা হয় ⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ সেই মুহূর্তে: তোমার জন্য যথেষ্ট হয়েছে এবং তোমাকে রক্ষা করা হয়েছে, আর শয়তান তার থেকে দূরে সরে যায়।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، نا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ضَمْرَةَ، قَالَ: قَالَ كَعْبٌ: " إِذَا خَرَجَ الرَّجُلُ مِنْ بَيْتِهِ، فَقَالَ: بِاسْمِ اللَّهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، قَالَ الْمَلَكُ: هُدِيتَ، وَحُفِظْتَ، وَكُفِيتَ. قَالَ: فَتَجِيءُ الشَّيَاطِينُ، فَيَقُولُونَ: مَا تُرِيدُونَ إِلَى عَبْدٍ قَدْ هُدِيَ وَكُفِيَ وَحُفِظَ؟ "
২১ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালাফ ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর থেকে, মুজাহিদ থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে দামরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: কাব বলেছেন: " যখন কোনো ব্যক্তি তার ঘর থেকে বের হয় এবং বলে: আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সামর্থ্য ও শক্তি নেই; তখন ফেরেশতা বলেন: তোমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করা হয়েছে, তোমাকে রক্ষা করা হয়েছে এবং তোমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হয়েছেন। তিনি বলেন: অতঃপর শয়তানরা আসে এবং তারা বলে: তোমরা এমন একজন বান্দার কী ক্ষতি করতে পারবে যাকে পথ প্রদর্শন করা হয়েছে, যার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট হয়েছেন এবং যাকে রক্ষা করা হয়েছে?"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
22 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ، نا أَبُو الْأَحْوَصِ، ⦗ص: 57⦘ عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: كَانَ يُقَالُ: إِذَا خَرَجَ الرَّجُلُ مِنَ الْمَسْجِدِ فَلْيَقُلْ: «بِاسْمِ اللَّهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا خَرَجْتُ إِلَيْهِ»
২২ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালফ বিন হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ মানসুর থেকে বর্ণিত, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: বলা হতো: যখন কোনো ব্যক্তি মসজিদ থেকে বের হয়, তখন সে যেন বলে: «আল্লাহর নামে, আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। হে আল্লাহ, আমি যার অভিমুখে বের হয়েছি তার অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
23 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْيَشْكُرِيُّ، نا يَعْقُوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، نا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: ⦗ص: 58⦘ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ قَالَ: «بِاسْمِ اللَّهِ، وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، التُّكْلَانُ عَلَى اللَّهِ»
২৩ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আলী বিন ইবরাহীম আল-ইয়াশকারী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াকুব বিন মুহাম্মদ আয-যুহরী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হাতিম বিন ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন হুসাইন বিন আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবী সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁর ঘর থেকে বের হতেন, তখন বলতেন: «আল্লাহর নামে, আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো শক্তি নেই, আল্লাহর ওপরই পূর্ণ ভরসা»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ مُوسَى، نا زَافِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، {إِنَّهُ لَيْسَ لَهُ سُلْطَانٌ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ} [النحل: 99] قَالَ: أَنْ يَحْمِلَهُمْ عَلَى ذَنْبٍ لَا يُغْفَرُ "
২৪ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফির ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে বর্ণনা করেছেন, "{নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের রবের ওপর ভরসা করে, তাদের ওপর তার (শয়তানের) কোনো আধিপত্য নেই} [আন-নাহল: ৯৯] তিনি বলেন: অর্থাৎ শয়তান তাদের এমন কোনো পাপে লিপ্ত করতে পারবে না যা ক্ষমা করা হয় না।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا أَبُو خَيْثَمَةَ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي سَبْعُونَ أَلْفًا بِغَيْرِ حِسَابٍ، لَا يَكْتَوُونَ، وَلَا يَسْتَرْقُونَ، وَلَا يَتَطَيَّرُونَ، وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ» ، فَقَامَ عُكَّاشَةُ بْنُ مِحْصَنٍ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ، ⦗ص: 59⦘ فَقَالَ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ مِنْهُمْ» ، فَقَامَ آخَرُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ، فَقَالَ: «قَدْ سَبَقَكَ بِهَا عُكَّاشَةُ»
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি আমাদের নিকট আবু খাইসামা থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে, তিনি হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার ব্যক্তি বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে; তারা শরীরে দাগ দিয়ে সেঁক নেয় না, তারা ঝাড়ফুঁক বা মন্ত্রের আশ্রয় চায় না, তারা কোনো কিছুকে কুলক্ষণ বা অশুভ মনে করে না এবং তারা কেবল তাদের রবের ওপরই ভরসা করে»। অতঃপর উক্কাশাহ ইবনে মিহসান দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর নিকট দুআ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ তিনি বললেন: «হে আল্লাহ! তাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন»। অতঃপর অন্য একজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর নিকট দুআ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন: «উক্কাশাহ এ বিষয়ে তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে»।
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
26 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، نا الْخَلِيلُ بْنُ أَبِي الْخَلِيلِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ شُعَيْبٍ، قَالَ: أَوْحَى اللَّهُ عز وجل إِلَى عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عليه السلام: «أَنْزِلْنِي مِنْ نَفْسِكَ كَهَمِّكَ، وَاجْعَلْنِي ذُخْرًا لَكَ فِي مَعَادِكَ، وَتَقَرَّبْ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ أُدْنِكَ، وَتَوَكَّلْ عَلَيَّ أَكْفِكَ، وَلَا تَولَّ غَيْرِي فَأَخْذُلَكَ»
২৬ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-হাকাম ইবনে মূসা থেকে, তিনি আল-খালিল ইবনে আবি আল-খালিল থেকে, তিনি সালেহ ইবনে শুআইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মহান আল্লাহ ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালামের প্রতি ওহী প্রেরণ করেছেন: «তোমার অন্তরে আমাকে তোমার প্রধান চিন্তার ন্যায় স্থান দাও, তোমার পরকালের জন্য আমাকে তোমার পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করো, নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করো, আমি তোমাকে নিকটবর্তী করব, আর আমার ওপর ভরসা করো, আমিই তোমার জন্য যথেষ্ট হব, এবং আমি ব্যতীত অন্য কারও দিকে ফিরে যেও না, অন্যথা আমি তোমাকে অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দেব।’
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
27 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، نا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سُلَيْمَانَ الدَّارَانِيَّ، يَقُولُ: ⦗ص: 60⦘ «إِذَا بَلَغَ غَايَةً مِنَ الزُّهْدِ أَخْرَجَهُ ذَلِكَ إِلَى التَّوَكُّلِ»
২৭ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ বিন আবিল হাওয়ারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সুলাইমান আদ-দারানীকে বলতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ «যখন কেউ দুনিয়াবিমুখতার (যুহদ) চরম সীমায় পৌঁছায়, তখন তা তাকে আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরশীলতার (তাওয়াক্কুল) দিকে ধাবিত করে»
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৬০)
28 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، نا مُوسَى بْنُ أَيُّوبَ، نا بَقِيَّةُ، عَنْ زُرْعَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَرِيزٍ، قَالَ: كَتَبَ عَامِلُ إِفْرِيقِيَّةَ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ يَشْكُو إِلَيْهِ الْهَوَامَّ وَالْعَقَارِبَ، فَكَتَبَ إِلَيْهِ: " وَمَا عَلَى أَحَدِكُمْ إِذَا أَمْسَى وَأَصْبَحَ أَنْ يَقُولَ: {وَمَا لَنَا أَلَّا نَتَوَكَّلَ عَلَى اللَّهِ} [إبراهيم: 12] " قَالَ زُرْعَةُ: «وَهِيَ تَنْفَعُ مِنَ الْبَرَاغِيثِ»
২৮ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইদরীস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মূসা বিন আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যুরআহ বিন আব্দুল্লাহ আয-যুবাইদী থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ বিন কারীয থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইফ্রিকিয়ার গভর্নর উমর বিন আব্দুল আজিজের নিকট কীট-পতঙ্গ ও বিচ্ছু সম্পর্কে অভিযোগ করে চিঠি লিখলেন। প্রতিউত্তরে তিনি তাকে লিখলেন: " তোমাদের কারো সকাল ও সন্ধ্যায় এই কথাটি বলতে কী বাধা যে: {আমাদের কী হয়েছে যে আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা করব না?} [ইবরাহীম: ১২] " যুরআহ বলেন: "এটি মাছির ক্ষেত্রেও উপকারে আসে।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওয়াক্কুলু আলাল্লাহি লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ৬০)
29 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ أَبُو نَشِيطٍ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَبُو أَيُّوبَ، نا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، قَالَ: ⦗ص: 61⦘ " لَمَّا أُلْقِيَ يُوسُفُ فِي الْجُبِّ قَالَ: حَسْبِيَ اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ. وَكَانَ الْمَاءُ آجِنًا فَصَفَا، وَكَانَ مَالِحًا فَعَذُبَ "
২৯ - আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন হারুন আবু নাশিত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবন আবদুর রহমান আবু আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব ইবন সুওয়াইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন শাওযাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৬১⦘ " যখন ইউসুফকে কূপে নিক্ষেপ করা হলো, তখন তিনি বললেন: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক। কূয়ার পানি ছিল বিস্বাদ ও পঙ্কিল, অতঃপর তা স্বচ্ছ হয়ে গেল এবং তা ছিল লোনা অতঃপর তা মিষ্টি হয়ে গেল।"