(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: -)
التوبة لابن أبي الدنيا (ابن أبي الدنيا)
القسم: كتب السنة
اسم الكتاب: كتاب التوبة.
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
تحقيق وتعليق: مجدي السيد إبراهيم.
دار النشر: مكتبة القرآن، مصر
عدد الصفحات: 147
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে আবিদ দুনিয়া রচিত আত-তাওবাহ (ইবনে আবিদ দুনিয়া)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাবুর নাম: কিতাবুত তাওবাহ।
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন সুফিয়ান বিন কায়েস আল-বাগদাদী আল-উমাবী আল-কুরাশী, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
তাহকীক ও তালীক: মাজদী আস-সাইয়্যিদ ইবরাহীম।
প্রকাশনী: মাকতাবাতুল কুরআন، মিশর
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৭
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
الشَّيْطَانُ دَاعٍ إِلَى الْمَعْصِيَةِ
শয়তান অবাধ্যতার দিকে আহ্বানকারী
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ الزَّاهِدُ مُوَفَّقُ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ قُدَامَةَ الْمَقْدِسِيُّ أَدَامَ اللَّهُ تَوْفِيقَهُ، قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ الْفَقِيهِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جَامِعِ بْنِ غُنَيْمَةَ بْنِ الْبَنَّا بِبَغْدَادَ فِي رَجَبٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ أَبُو السَّعَادَاتِ أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمُتَوَكِّلِىُّ فَأَقَرَّ بِهِ قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخَطِيبُ، أَنْبَأَ أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ بْنِ شَاذَانَ الصَّيْرَفِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَصْفَهَانِيُّ الصَّفَّارُ، أَنْبَأَ أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْقُرَشِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي الدُّنْيَا، 1 - حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، ثنا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجُعْفِيُّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمْدَانِيِّ، قَالَ: سَأَلْتُ قَتَادَةَ عَنْ قَوْلِهِ: {وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ} [البقرة: 168] قَالَ: «كُلُّ مَعْصِيَةٍ لِلَّهِ فَهِيَ مِنْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ»
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ, ইমাম, আলেম, যাহিদ মুওয়াফফাকুদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর তাওফিক অব্যাহত রাখুন), তিনি বলেন: আমি বাগদাদে ৫৬৩ হিজরি সনের রজব মাসে ফকিহ শাইখ আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান ইবনে জামি ইবনে গুনাইমাহ ইবনুল বান্নার নিকট পাঠ করেছি, এমতাবস্থায় তিনি বলেছিলেন, আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শারিফ আবুস সাআদাত আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মুতাওয়াক্কিলি এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খতিব, সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মাদ ইবনে মুসা ইবনুল ফাদল ইবনে শাযান আস-সাইরাফি, ৪১৫ হিজরি সনে নিশাপুরে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার সময় তিনি বলেছিলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানি আস-সাফফার, সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ আল-কুরাশি, যিনি ইবনে আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত, ১ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আলী আল-জু’ফি, তিনি কাসিম ইবনুল ওয়ালিদ আল-হামদানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি: {আর তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না} [বাকারা: ১৬৮], তিনি বলেন: "আল্লাহর প্রতিটি অবাধ্যতাই শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণের অন্তর্ভুক্ত।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
الذَّنْبُ لَا يُنْسَى
পাপ বিস্মৃত হয় না
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَرُزِّيُّ، ثنا حَجَّاجٌ الْأَعْوَرُ، عَنِ مُبَارَكٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: إِذَا رَأَيْتَ فِيَ وَلَدِكَ مَا تَكْرَهُ فَاعْتِبِ اللَّهَ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْءٌ "
২ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আরুযযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আল-আওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুবারক থেকে বর্ণিত, হাসান (রহ.) বলেন: "যখন তুমি তোমার সন্তানের মাঝে এমন কিছু দেখবে যা তুমি অপছন্দ করো, তখন তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করো (তওবা করো), কেননা তা কেবল একটি বিষয় (যা তোমারই কোনো ত্রুটির প্রতি ইশারা)।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
احْذَرْ صَغَائِرَ الذُّنُوبِ
ক্ষুদ্র গুনাহসমূহ থেকে সতর্ক থাকুন
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣١)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْآدَمَيُّ، ثنا أَبُو ضَمْرَةَ ⦗ص: 32⦘ أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ أَبَى حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِيَّاكُمْ وَمُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ فَإِنَّ مَثَلَ مُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ كَمَثَلِ قَوْمٍ نَزَلُوا بَطْنَ وَادٍ، فَجَاءَ ذَا بِعُودٍ، وَجَاءَ ذَا بِعُودٍ حَتَّى أَنْتَجُوا خُبْزًا لَهُمْ إِنَّ مُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ مَتَى يُؤْخَذْ بِهَا صَاحِبُهَا يَهْلِكْ»
৩ - আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-আদামি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু দামরা ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ আনাস বিন ইয়াজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু হাজিম থেকে বর্ণিত, সাহল বিন সা'দ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা তুচ্ছ মনে করা গুনাহসমূহ থেকে বেঁচে থাকো। কেননা তুচ্ছ মনে করা গুনাহের উদাহরণ হলো এমন একদল কওমের মতো যারা কোনো এক উপত্যকার নিম্নদেশে অবতরণ করল। অতঃপর একজন একটি কাঠ নিয়ে এল এবং অন্যজন আরেকটি কাঠ নিয়ে এল, এভাবে তারা তাদের রুটি তৈরির প্রয়োজনীয় আগুন জ্বালাতে সক্ষম হলো। নিশ্চয়ই তুচ্ছ মনে করা গুনাহসমূহ যখন তার কর্তাকে পাকড়াও করবে, তখন তা তাকে ধ্বংস করে ফেলবে।’»
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
مَنْ سَرَّهَ أَنْ يَسْبِقَ
যে অগ্রগামী হতে পছন্দ করে
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
4 - حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ ⦗ص: 33⦘ يُوسُفَ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَسْبِقَ الدَّائِبَ الْمُجْتَهِدَ فَلْيَكُفَّ عَنِ الذُّنُوبِ»
৪ - সুওয়াইদ বিন সাঈদ আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, আলী বিন মুশহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ ইউসুফ বিন মাইমুনের সূত্রে, আতার সূত্রে, আয়িশা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইবাদতে অবিচল ও কঠোর পরিশ্রমী ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে যেতে পছন্দ করে, সে যেন পাপকাজ থেকে বিরত থাকে।’»
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
التَّوْبَةُ تُخَلِّصُكَ مِنْ عِقَابِ اللَّهِ
তওবা আপনাকে আল্লাহর শাস্তি হতে পরিত্রাণ দান করে
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
5 - حَدَّثَنِي أَبُو حَفْصٍ النَّجَّارِيِّ، أَنَّهُ حُدِّثَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُلَاثَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى ⦗ص: 34⦘ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَهُوَ فِي مَسْجِدِ دَارِهِ، وَكُنْتُ لَهُ نَاصِحًا، وَكَانَ مِنِّي مُسْتَمِعًا، فَقَالَ: " يَا إِبْرَاهِيمُ بَلَغَنِي أَنَّ مُوسَى قَالَ: " إِلَهِي، مَا الَّذِي يُخَلِّصُنِي مِنْ عِقَابِكَ، وَيُبَلِّغُنِي رِضْوَانَكَ وَيُنْجِينِي مِنْ سَخَطِكَ؟ قَالَ: الِاسْتِغْفَارُ بِاللِّسَانِ، وَالنَّدَمُ بِالْقَلْبِ، وَالتَّرْكُ بِالْجَوَارِحِ "
৫ - আমার কাছে আবু হাফস আন-নাজ্জারি বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উলাসা থেকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে, তিনি ইবরাহীম ইবন আবি আবলাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ⦗পৃষ্ঠা: ৩৪⦘ উমর ইবন আব্দুল আজিজ-এর নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি তাঁর গৃহের মসজিদে ছিলেন। আমি তাঁর প্রতি হিতাকাঙ্ক্ষী ছিলাম এবং তিনি আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। তখন তিনি বললেন: "হে ইবরাহীম, আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, মুসা (আলাইহিস সালাম) বলেছিলেন: 'হে আমার ইলাহ, কোন বিষয়টি আমাকে আপনার শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে, আপনার সন্তুষ্টি পর্যন্ত পৌঁছে দেবে এবং আপনার ক্রোধ থেকে আমাকে নাজাত দেবে?' তিনি (আল্লাহ) বললেন: 'জিহ্বা দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা, অন্তরে অনুতপ্ত হওয়া এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারা (পাপ) বর্জন করা'।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
هَلِ النَّدَمُ تَوْبَةٌ؟
অনুশোচনা কি তাওবাহ?
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
6 - وَحَدَّثَنِي أَبُو حَفْصٍ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَشْعَثَ بْنِ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنِي الْحَارِثُ بْنُ عُبَيْدٍ الْإِيَادِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: إِنِّي لَأَرْجُو أَنْ يَكُونَ، تَوْبَةُ الْعَبْدِ مِنْ ذَنْبِهِ نَدَامَتَهُ عَلَيْهِ "
6 - এবং আবু হাফস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আশআছ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবনে উবায়েদ আল-ইয়াদি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সাবিত আল-বুনানি থেকে বর্ণিত, তিনি মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিব বলেছেন: "আমি নিশ্চয়ই আশা করি যে, বান্দার তার পাপের জন্য অনুশোচনাই যেন তার তাওবা হয়।"
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
الْحَجَّاجُ يَتَحَدَّثُ عَنِ التَّوْبَةِ
তওবা সম্পর্কে হাজ্জাজের বক্তব্য
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
7 - حَدَّثَنِي أَبُو حَفْصٍ النَّجَّارِيُّ، ثنا الْمُنْذِرُ بْنُ الْوَلِيدِ الْجَارُودِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ بَزِيعٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَوْدُودٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَجَّاجَ، يَوْمًا وَهُوَ يَقُولُ: «امْرَءًا عَقِلَ عَنِ اللَّهِ أَمْرَهُ، امْرَءًا أَفَاقَ وَاسْتفَاقَ وَأَبْغَضَ الْمَعَاصِيَ وَالنِّفَاقَ، وَكَانَ إِلَى مَا عِنْدَ اللَّهِ بِالْأَشْوَاقِ»
৭ - আবু হাফস আন-নাজ্জারি আমাকে বর্ণনা করেছেন, আল-মুনজির ইবনুল ওয়ালিদ আল-জারুদি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনে বাজি' আমাদের বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে মাওদুদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি একদিন হাজ্জাজকে বলতে শুনেছি: «সেই ব্যক্তি [ধন্য] যে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর আদেশ উপলব্ধি করেছে; সেই ব্যক্তি যে জাগ্রত ও সচেতন হয়েছে, পাপাচার ও মুনাফিকিকে ঘৃণা করেছে এবং আল্লাহর কাছে যা রয়েছে তার প্রতি অনুরাগী হয়েছে»
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
حَدِيثُ الشُّعَرَاءِ عَنِ التَّوْبَةِ
তওবা সম্পর্কে কবিদের আলোচনা
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
8 - حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَزْدِيُّ، عَنْ عَبْدَانَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، أَنَّهُ كَانَ يَتَمَثَّلُ: ⦗ص: 36⦘[البحر الوافر] وَكَيْفَ تُحِبَّ أَنْ تُدْعَى حَكِيمًا … وَأَنْتَ لِكُلِّ مَا تَهْوَى رَكُوبُوَتَضْحَكُ دَائِبًا ظَهْرًا لِبَطْنٍ … وَتَذَكَّرْ مَا عَمِلْتَ فَلَا تَذُوبُ.
৮ - আবু আবদুর রহমান আল-আযদি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদান ইবনে উসমান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি কবিতা আবৃত্তি করতেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘[আল-ওয়াফির ছন্দ] আর তুমি কীভাবে প্রজ্ঞাবান হিসেবে অভিহিত হতে পছন্দ করো … অথচ তুমি তোমার প্রতিটি কুপ্রবৃত্তিরই অনুগামী?তুমি সর্বদা অট্টহাসিতে ফেটে পড়ো … আর তুমি যা করেছ তা স্মরণ করার পরও (অনুতাপে) গলে যাও না।
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
رُكُوبُ الذُّنُوبِ يُمِيتُ الْقُلُوبَ
পাপাচারে লিপ্ত হওয়া অন্তরসমূহকে মৃত করে দেয়
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
9 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ عِيسَى الْأَهْوَازِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، أَنَّهُ كَانَ يَتَمَثَّلُ:[البحر المتقارب] رُكُوبُ الذُّنُوبِ يُمِيتُ الْقُلُوبَ … وَقَدْ يُوَرِّثُ الذُّلَّ إِدْمَانُهَاوَتَرْكُ الذُّنُوبِ حَيَاةُ الْقُلُوبِ … وَخَيْرٌ لِنَفْسِكَ عِصْيَانُهَا.
৯ - আহমদ ইবনে ইসহাক ইবনে ঈসা আল-আহওয়াজি আমাকে বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি আমাকে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণিত যে, তিনি এই পঙ্ক্তিগুলো আবৃত্তি করতেন:[মুতাক্বারিব ছন্দ] পাপাচারে লিপ্ত হওয়া অন্তরকে মৃত করে দেয় … আর পাপের প্রতি আসক্তি লাঞ্ছনা বয়ে আনেপাপ বর্জন করাই হলো অন্তরের জীবন … আর তোমার প্রবৃত্তির অবাধ্য হওয়া তোমার নিজের জন্যই মঙ্গলজনক।
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
يَا مُدْمِنَ الذَّنْبِ
হে পাপে আসক্ত ব্যক্তি
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
10 - حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ ذُكِرَ أَنَّهُ مِنْ وَلَدِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ: كَانَ ابْنُ السَّمَّاكِ يَتَمَثَّلُ:[البحر السريع] يَا مُدْمِنَ الذَّنْبِ أَمَا تَسْتَحْيِي … اللَّهَ فِي الْخَلْوَةِ ثَانِيكَاغَرَّكَ مِنْ رَبِّكَ إِمْهَالُهُ … وَسَتْرُهُ طُولَ مَسَاوِيكَا
১০ - কুরাইশ বংশীয় এক ব্যক্তি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, যাঁর সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর বংশধর। তিনি বলেন: ইবনুল সাম্মাক নিম্নোক্ত কবিতাটি আবৃত্তি করতেন:[আল-বাহর আস-সারি ছন্দ] হে পাপে আসক্ত ব্যক্তি! তুমি কি লজ্জা বোধ করো না? … নির্জনে আল্লাহ তোমার দ্বিতীয় (সঙ্গী)।তোমার রবের দেওয়া অবকাশ তোমাকে ধোঁকায় ফেলেছে … এবং তোমার দীর্ঘদিনের মন্দ কর্মের ওপর তাঁর দেওয়া গোপন রাখার আবরণ।
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
11 - أَنْشَدَنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَزْدِيُّ قَوْلَهُ:[البحر المنسرح]" مَآثِمُ الْمُذْنِبِينَ لَا تَنْقَضِي … آخِرَ الدَّهْرِ أَوْ يَحِلُّوا اللُّحُودَاوَحَقِيقٌ بِأَنْ يَنُوحُوا وَيَبْكُوا … إِذْ عَصَوْا مَاجِدًا رَءُوفًا وَدُودَاابْتَدَأَهُمْ بِالْفَضْلِ مِنْهُ امْتِنَانًا … وَإِذَا شَاءَ أَنْجَزَ الْمَوْعُودَاكُلُّ ثَكْلَى أَحْزَانُهَا لِنَفَادٍ … وَلَنَا الْحُزْنُ قَدْ نَرَاهُ جَدِيدَاكَيْفَ تَفْنَى أَحْزَانُ مَنْ عَاهَدَ اللَّهَ … مِرَارًا وَخَانَ مِنْهُ الْعُهُودَا؟وَيْحَ نَفْسِي مَاذَا أَقُولُ إِذَا مَا … أَحْضَرَ اللَّهُ رُسُلَهُ لِي شُهُودًاثُمَّ قَالَ:أَقِرَّ مَا عَمِلْتَ وَجَاوَزْتَ بِمَا … كَانَ مِنْكَ فِيهِ الْحُدُودَالَمْ تَخَفْنِي لَمَّا اسْتَتَرْتَ مِنَ الْخَلْقِ … وَبَارَزْتَنِي وَكُنْتُ شَهِيدَاوَبِنَعْمَائِي كَانَ مِنْكَ الْمَعَاصِي … لَمْ تَخَفْ سَطْوَتِي وَتَخْشَى الْعَبِيدَا. "
১১ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আযদি আমাকে তাঁর এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:[মুনসারিহ ছন্দ]" গুনাহগারদের পাপরাশি শেষ হয় না … মহাকালের শেষ অবধি কিংবা তারা কবরে প্রবেশ করা পর্যন্ত।আর তাদের জন্য বিলাপ করা ও কান্না করাই সমীচীন … যেহেতু তারা এক মহান, দয়াবান ও পরম প্রিয় সত্তার অবাধ্যতা করেছে।তিনি নিজ অনুগ্রহে দান স্বরূপ তাদের নেয়ামত দেওয়া শুরু করেছেন … আর তিনি যখন ইচ্ছা করেন, তাঁর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেন।প্রত্যেক শোকাতুরা নারীর শোক এক সময় শেষ হয়ে যায় … কিন্তু আমাদের শোক তো আমরা সর্বদা নতুন রূপেই দেখতে পাই।সেই ব্যক্তির শোক কীভাবে শেষ হবে যে আল্লাহর সাথে বারবার অঙ্গীকার করেছে … অতঃপর তাঁর সাথে করা সেই সব অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে?হায় আমার নফস! আমি তখন কী বলব যখন … আল্লাহ তাঁর রাসূলদেরকে আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করবেন?অতঃপর তিনি বলেন:তুমি যা করেছ এবং তোমার পক্ষ থেকে সীমালঙ্ঘনের যে বাড়াবাড়ি হয়েছে … তা স্বীকার করে নাও।তুমি আমাকে ভয় পাওনি যখন তুমি সৃষ্টিজগত থেকে আত্মগোপন করেছিলে … অথচ তুমি প্রকাশ্যে আমার অবাধ্যতা করেছিলে এবং আমি ছিলাম তার প্রত্যক্ষদর্শী।আর আমার দেওয়া নেয়ামত ভোগ করেই তুমি পাপে লিপ্ত হয়েছিলে … তুমি আমার প্রতাপকে ভয় পাওনি, অথচ তুমি বান্দাদের ভয় পেতে। "
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
أَوْصَى اللَّهُ إِلَى دَاوُدَ
আল্লাহ দাউদকে নির্দেশ দিলেন
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا الْمُحَارِبِيُّ، عَنِ الْعَلَاءِ ⦗ص: 38⦘ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: " أَوْحَى اللَّهُ إِلَى دَاوُدَ: «اتَّقِ ، لَا يَأْخُذْكَ اللَّهُ عَلَى ذَنْبٍ، لَا يَنْظُرْ إِلَيْكَ فِيهِ فَتَلْقَاهُ حِينَ تَلْقَاهُ وَلَيْسَ لَكَ حُجَّةٌ»
১২ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব, তিনি আল-মুহারিবি থেকে, তিনি আল-আলা ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আল্লাহ দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর প্রতি ওহী প্রেরণ করেছেন: «তুমি তাকওয়া অবলম্বন করো, আল্লাহ যেন তোমাকে এমন কোনো পাপের কারণে পাকড়াও না করেন যে ব্যাপারে তিনি তোমার দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না; ফলে যখন তুমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে তখন তোমার নিকট কোনো অজুহাত থাকবে না»"
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
وَصِيَّةُ أَبَى هُرَيْرَةَ لِلْفَرَزْدَقِ عَنِ التَّوْبَةِ
তাওবা সম্পর্কে ফারাযদাককে আবু হুরায়রার ওসিয়ত
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
13 - حُدِّثْتُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ مُكْرَمٍ الْعَمَيِّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ الْأَشْعَثِ، قَالَ: دَخَلْتُ السِّجْنَ فَإِذَا الْفَرَزْدَقُ ⦗ص: 39⦘ فِي السِّجْنِ وإذا هُوَ يَقْرِضُ شِعْرًا، فَقَالَ: إِنِّي لَقِيتُ أَبَا هُرَيْرَةَ فَقَالَ: «يَا فَرَزْدَقُ، إِنِّي أَرَاكَ صَغِيرَ الْقَدَمَيْنِ، فَالْتَمِسْ لَهُمَا مَوْضِعًا عِنْدَ الْحَوْضِ» ، فَقُلْتُ: إِنِّي قَدْ عَمِلْتُ كَذَا، وَعَمِلْتُ كَذَا فَقَالَ: «إِنَّ التَّوْبَةَ لَا تَزَالُ تُقْبَلُ مَا لَمْ تَطْلُعِ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا عَمِلَ عَبْدٌ مَا عَمِلَ مِنْ شَيْءٍ»
১৩ - উকবাহ বিন মাকরাম আল-আম্মি থেকে আমার নিকট বর্ণিত হয়েছে, মুহাম্মদ বিন আবি আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আশআস থেকে, তিনি বললেন: আমি কারাগারে প্রবেশ করলাম এবং সেখানে আল-ফারাযদাককে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ দেখতে পেলাম। সে তখন কবিতা রচনা করছিল। সে বলল: আমি আবু হুরায়রা (রাযি.)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছি, তখন তিনি বললেন: «হে ফারাযদাক, আমি তোমাকে ছোট দুই পায়ের অধিকারী দেখছি, সুতরাং এই পা দুটির জন্য হাউযের নিকট একটি স্থান অন্বেষণ করো», আমি বললাম: আমি তো এই এই কাজ করেছি এবং সেই সেই কাজ করেছি। তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তাওবা ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হতে থাকে যতক্ষণ না সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হয়; বান্দা যাই আমল করে থাকুক না কেন»।
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
رُؤْيَةُ الْمُؤْمِنِ وَالْمُنَافِقِ لِذُنُوبِهِمَا
মু’মিন ও মুনাফিকের নিজ নিজ গুনাহকে দেখা
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، ثنا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ ⦗ص: 40⦘ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ أَعُودُهُ وَهُوَ مَرِيضٌ، فَحَدَّثَنَا بِحَدِيثَيْنِ: حَدِيثٍ عَنْ نَفْسِهِ وَحَدِيثٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ يَرَى ذُنُوبَهُ كَأَنَّهُ فِي أَصْلِ جَبَلٍ يَخَافُ أَنْ يَقَعَ عَلَيْهِ، وَإِنَّ الْفَاجِرَ يَرَى ذُنُوبَهُ مِثْلَ ذُبَابٍ عَلَى أَنْفِهِ فَذَبَّهُ عَنْهُ»
১৪ - আবু খাইসামা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ’মাশ থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ উমারা ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি হারিস ইবনে সুওয়াইদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহর নিকট তাকে দেখতে গেলাম যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন। অতঃপর তিনি আমাদের নিকট দু’টি হাদীস বর্ণনা করলেন: একটি হাদীস তাঁর নিজের পক্ষ থেকে এবং অন্যটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই মুমিন ব্যক্তি তার গুনাহসমূহকে এমন মনে করে যেন সে একটি পাহাড়ের পাদদেশে উপবিষ্ট আছে এবং সে আশঙ্কা করছে যে তা তার উপর পতিত হবে। আর পাপাচারী ব্যক্তি তার গুনাহসমূহকে তার নাকের উপর বসা একটি মাছির মতো মনে করে, যাকে সে কেবল হাত দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।»
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٤١)
عَظَمَةُ رَحْمَةِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
বিশ্বজগতের রবের রহমতের মহানুভবতা
(খণ্ড: ১)
আত তাওবা লিবনি আবিদ দুনিয়া
(পৃষ্ঠা: ٤١)
15 - قَالَ: وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " لَلَّهُ أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ الْمُؤْمِنِ مِنْ رَجُلٍ فِي أَرْضٍ دَوِّيَّةٍ مُهْلِكَةٍ مَعَهُ رَاحِلَتُهُ عَلَيْهَا طَعَامُهُ وَشَرَابُهُ فَنَامَ، فَاسْتَيْقَظَ وَقَدْ ذَهَبَتْ فَقَامَ يَطْلُبُهَا فَطَلَبَهَا حَتَّى أَدْرَكَهُ الْعَطَشُ، ثُمَّ قَالَ: أَرْجِعُ إِلَى مَكَانِي الَّذِي كُنْتُ فِيهِ حَتَّى أَمُوتَ، قَالَ: فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى سَاعِدِهِ لَيَمُوتَ فَاسْتَيْقَظَ وَعِنْدَهُ رَاحِلَتُهُ عَلَيْهَا زَادُهُ، وَطَعَامُهُ، وَشَرَابُهُ، فَاللَّهُ أَشَدُّ فَرَحًا بِتَوْبَةِ عَبْدِهِ مِنْ هَذَا بِرَاحِلَتِهِ وَزَادِهِ "
১৫ - তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ তাঁর মুমিন বান্দার তওবায় সেই ব্যক্তির তুলনায় অধিক আনন্দিত হন, যে এক ধ্বংসাত্মক বিজন মরুভূমিতে ছিল এবং তার সাথে ছিল তার সওয়ারী যার ওপর ছিল তার খাবার ও পানীয়। অতঃপর সে ঘুমিয়ে পড়ল এবং জেগে উঠে দেখল সেটি চলে গেছে। তখন সে সেটি খুঁজতে লাগল যতক্ষণ না সে পিপাসার্ত হয়ে পড়ল। এরপর সে বলল: আমি আমার সেই স্থানেই ফিরে যাই যেখানে আমি ছিলাম, যাতে সেখানে মৃত্যুবরণ করতে পারি। রাবী বলেন: এরপর সে মরার জন্য তার হাত তার বাহুর ওপর রাখল, এমতাবস্থায় সে সজাগ হয়ে দেখল যে তার কাছেই তার সওয়ারীটি উপস্থিত এবং তাতে তার পাথেয়, খাবার ও পানীয় রয়েছে। সুতরাং আল্লাহ তাঁর বান্দার তওবায় এই ব্যক্তির নিজ সওয়ারী ও পাথেয় ফিরে পাওয়ার আনন্দের চেয়েও অধিক আনন্দিত হন।"