(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: -)
البعث لابن أبي داود   (ابن أبي داود)

القسم: كتب السنة


الكتاب: البعث

المؤلف: أبو بكر بن أبي داود، عبد الله بن سليمان بن الأشعث الأزدي السجستاني (ت 316هـ)

تحقيق: خادم السنة المطهرة أبو هاجر محمد السعيد بن بسيوني زغلول

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

الطبعة: الأولى، 1407 هـ - 1987 م

عدد الصفحات: 65

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবন আবি দাউদ রচিত আল-বা'স   (ইবন আবি দাউদ)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: আল-বা'স

গ্রন্থকার: আবু বকর ইবন আবি দাউদ, আব্দুল্লাহ ইবন সুলাইমান ইবনুল আশ'আস আল-আযদি আস-সিজিস্তানি (মৃত্যু ৩১৬ হিজরি)

সম্পাদনা: পবিত্র সুন্নাহর সেবক আবু হাজার মুহাম্মদ আস-সাঈদ বিন বাসইউনি যাগলুল

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭ হিজরি - ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৫

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٣)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْبَنَّا مَحْمُودُ بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ أَبِي طَاهِرٍ اللَّبَّانِ، وَأَبُو مَنْصُورٍ مُسْلِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَلِيمٍ السَّبَخِيُّ قِرَاءَةً عَلَيهِمَا قَالَا جَمِيعًا: أنا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَمِيسٍ الْمَوْصِلِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ قَالَ: ثنا وَالِدِي الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ خَلَفٍ الْمَعْرُوفِ بِابْنِ زُنْبُورٍ الْوَرَّاقِ وَأَنَا أَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ وَذَلِكَ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْآخِرِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ، قَالَ: وَأَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ عَفِيفُ الدِّينِ أَبُو الْمَعَالِي نَصْرُ اللَّهِ بْنُ سَلَّامَةَ بْنِ سَالِمٍ الْهَيتِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ يَوْمَ الثُّلَاثَاءِ سَابِعِ رَجَبٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ بِالْمَوْصِلِ فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ: أنا الْقَاضِي أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْأَرْمَوِيُّ، قَالَ: أنا الشَّرِيفُ أَبُو نَصْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ خَلَفٍ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ زُنْبُورٍ الوَرَّاقُ عَنْ مُؤَلِّفِهِ أَبِي بَكْرٍ السِّجِسْتَانِيِّ، ⦗ص: 14⦘ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَيَّاضٍ الزِّمَّانِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى السَّامِيُّ، قَالَ: ثنا حُمَيْدُ بْنُ بكَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: ‌‌«مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ» قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا مِنَّا مِنْ أَحَدٍ إِلَّا وَهُوَ يَكْرَهُ الْمَوْتَ قَالَ: «إِنَّهُ لَيْسَ كَرَاهِيَتَكُمُ الْمَوْتَ ، وَلَكِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا جَاءَهُ الْبَشِيرُ مِنَ اللَّهِ عز وجل، لَمْ يَكُنْ شَيْءٌ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ لِقَاءِ اللَّهِ عز وجل، فَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا احْتُضِرَ جَاءَهُ مَا يَكْرَهُ، فَكَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ، فَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু আল-বান্না মাহমুদ ইবনে আবি মানসুর ইবনে আবি তাহির আল-লাব্বান এবং আবু মানসুর মুসলিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালিম আস-সাবখি, তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে নাসর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খামিস আল-মাওসিলি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমরা তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শাইখ আবু আল-হুসাইন আহমাদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা শাইখ আবু আল-কাসিম আব্দুল কাদির ইবনে ইউসুফ। তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আলি ইবনে খালাফ, যিনি ইবনে জুনবুর আল-ওয়াররাক নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করে নিয়েছেন; আর তা ছিল ৩৯৪ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে আবি দাউদ আস-সিজিস্তানি। তিনি বলেন: এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আফিফুদ্দীন আবু আল-মা'আলি নাসরুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে সালিম আল-হাইতি, ৫৯৩ হিজরি সনের ৭ই রজব মঙ্গলবার মাওসিল শহরে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-আরমাওয়ি। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শরিফ আবু নাসর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আজ-জয়নাবি। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে খালাফ, যিনি ইবনে জুনবুর আল-ওয়াররাক নামে পরিচিত, এর রচয়িতা আবু বকর আস-সিজিস্তানি থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘ তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ফায়য়াদ আজ-জিমানি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আ'লা ইবনে আব্দুল আ'লা আস-সামি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে বকর ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু রাফি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করে, আল্লাহ তার সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করে, আল্লাহ তার সাথে সাক্ষাৎ করা অপছন্দ করেন।’ তিনি বলেন: বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে মৃত্যুকে অপছন্দ করে না। তিনি বললেন: ‘এটি তোমাদের মৃত্যুকে অপছন্দ করার মতো নয়; বরং মুমিন ব্যক্তির কাছে যখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদদাতা আসে, তখন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করার চেয়ে প্রিয় তার কাছে আর কিছু থাকে না, ফলে আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ করা পছন্দ করেন। আর কাফিরের যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়, তখন তার কাছে এমন কিছু আসে যা সে অপছন্দ করে, ফলে সে আল্লাহর সাক্ষাৎকে অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎকে অপছন্দ করেন।’
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٤)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ، قَالَ: ثنا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، قَالَ: ثنا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: ⦗ص: 15⦘ ‌‌«مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ» . قُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، أَكَرَاهِيَةُ الْمَوْتِ؟ قَالَ: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا حَضَرَهُ الْمَوْتُ بُشِّرَ بِرَحْمَةِ اللَّهِ وَرِضْوَانِهِ وَجَنَّتِهِ، فَأَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ، وَأَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ، وَأَمَّا الْكَافِرُ إِذَا حَضَرَهُ الْمَوْتُ، بُشِّرَ بِعَذَابِ اللَّهِ وَسَخَطِهِ، فَكَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ، فَكَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ»
২ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনুল মিকদাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ ইবনুল হারিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সাঈদ বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি যুরারাহ ইবনে আওফা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘ «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।’ আমি বললাম: হে আল্লাহর নবী, এটি কি মৃত্যুর প্রতি অনীহা? তিনি বললেন: ‘নিশ্চয়ই মুমিনের নিকট যখন মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন তাকে আল্লাহর রহমত, সন্তুষ্টি ও জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়; ফলে সে আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর কাফিরের নিকট যখন মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন তাকে আল্লাহর আযাব ও তাঁর ক্রোধের সংবাদ দেওয়া হয়; ফলে সে আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।’»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٥)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ أَبِي نَاجِيَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي ضِمَامُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ ⦗ص: 16⦘ مُوسَى بْنِ وَرْدَانَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: «يَا بَنِي هَاشِمٍ، يَا بَنِي قُصَيٍّ، يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافٍ‌‌ أَنَا النَّذِيرُ، وَالْمَوْتُ الْمُغِيرُ، وَالسَّاعَةُ الْمَوْعِدُ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে দাউদ ইবনে আবি নাজিয়াহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন দ্বিমাম ইবনে ইসমাইল, ⦗পৃষ্ঠা: ১৬⦘ মুসা ইবনে ওয়ারদান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «হে বনু হাশিম, হে বনু কুসাই, হে বনু আবদে মানাফ‌‌ আমি সতর্ককারী, মৃত্যু অতর্কিত আক্রমণকারী এবং কিয়ামত হলো প্রতিশ্রুত সময়।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٦)
4 - حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ مُحَمَّدٍ أَبُو عُمَيْرٍ الرَّمْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ،: {وَمَا نُرْسِلُ بِالْآيَاتِ إِلَّا تَخْوِيفًا} [الإسراء: 59] قَالَ: ‌‌«الْمَوْتُ مِنْ ذَلِكَ»
৪ - আমাদের নিকট ঈসা ইবনে মুহাম্মদ আবু উমাইর আর-রামলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট দামরাহ বর্ণনা করেছেন, ইবনে শাওযাব থেকে, কাতাদাহ থেকে, জাবির ইবনে যায়িদ থেকে: {আর আমি নিদর্শনসমূহ কেবল ভীতি প্রদর্শনের জন্যই প্রেরণ করি} [আল-ইসরা: ৫৯] তিনি বলেন: «মৃত্যুও তার অন্তর্ভুক্ত»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٦)
5 - حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ ⦗ص: 17⦘ مُحَمَّدٍ الْوَزَّانُ، قَالَ: ثنا مَرْوَانُ، قَالَ: ثنا الرَّبِيعُ بْنُ سَعْدٍ الْجُعْفِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَابِطٍ، قَالَ: ثنا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، - أُرَاهُ - عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: "‌‌ أَنَّ نَفَرًا مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ خَرَجُوا يَمْشُونَ فِي الْأَرْضِ، وَيُفَكِّرُونَ فِيهَا حَتَّى انْتَهَوْا إِلَى مَقْبَرَةٍ، فَسَأَلُوا اللَّهَ عز وجل أَنْ يُخْرِجَ إِلَيْهِمْ مَيِّتًا مِنْ أَهْلِهَا، فَيَسْأَلُونَهُ عَنِ الْمَوْتِ، فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ رَجُلٌ بَيْنَ عَيْنَيْهِ أَثَرُ السُّجُودِ، فَقَالَ: أَيْ قَوْمِ ، مَاذَا أَرَدْتُمْ؟ فَقَالُوا: دَعَوْنَا اللَّهَ أَنْ يُخْرِجَ إِلَيْنَا مَيِّتًا نَسْأَلُهُ عَنِ الْمَوْتِ، كَيْفَ هُوَ؟ قَالَ: قَدْ رَكِبْتُمْ مِنِّي أَمْرًا عَظِيمًا، لَقَدْ وَجَدْتُ طَعْمَ الْمَوْتِ مِائَةَ عَامٍ، فَدَعَوْتُمُ اللَّهَ وَقَدْ سَكَنَ عَنِّي، فَادْعُوا اللَّهَ أَنْ يُعِيدَنِي كَمَا كُنْتُ. قَالَ: فَدَعَوُا اللَّهَ، فَأَعَادَهُ كَمَا كَانَ " قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ: لَمْ أَفْهَمْ مِنْ أَيُّوبَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
৫ - আইয়ুব ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘ মুহাম্মাদ আল-ওয়াজজান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মারওয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আর-রাবি ইবনে সাদ আল-জু'ফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে সাবিত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আমি মনে করি তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম থেকে (বর্ণনা করেছেন): "‌‌ বনী ইসরাঈলের এক দল লোক বের হয়ে জমিনে ভ্রমণ করছিল এবং তারা তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করছিল, এমনকি তারা একটি কবরস্থানে গিয়ে পৌঁছাল। অতঃপর তারা প্রার্থনা করল মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট যেন তিনি তাদের সামনে সেই কবরবাসীর মধ্য থেকে একজন মৃত ব্যক্তিকে বের করে আনেন, যাতে তারা তাকে মৃত্যু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারে। তখন তাদের সামনে একজন লোক বের হয়ে এল যার দুই চোখের মাঝখানে সিজদার চিহ্ন ছিল। সে বলল: হে সম্প্রদায়! তোমরা কী চাও? তারা বলল: আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেছি যেন তিনি আমাদের সামনে একজন মৃত ব্যক্তিকে বের করে আনেন যাকে আমরা মৃত্যু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব—তা কেমন ছিল? সে বলল: তোমরা আমার নিকট এক কঠিন বিষয়ে আবেদন করেছ। আমি একশ বছর যাবত মৃত্যুর স্বাদ অনুভব করছি। অতঃপর তোমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেছ যখন তা আমার থেকে প্রশমিত হয়েছিল। সুতরাং তোমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করো যেন তিনি আমাকে পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে দেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তারা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করল এবং তিনি তাকে পূর্বের ন্যায় করে দিলেন।" আবু বকর ইবনে আবি দাউদ বলেন: আমি আইয়ুবের নিকট থেকে এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সূত্রে (সুস্পষ্টভাবে) বুঝতে পারিনি।
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٧)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ⦗ص: 18⦘ عَبْدِ اللَّهِ الْمُخَرِّمِيُّ، قَالَ: ثنا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رَفَعَهُ: «إِنَّ‌‌ الْمَيِّتَ لَيَسْمَعُ خَفْقَ نِعَالِهِمْ إِذَا وَلَّوْا مُدْبِرِينَ»
৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন ⦗পৃষ্ঠা: ১৮⦘ আবদুল্লাহ আল-মুখাররিমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ওয়াকি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আস-সুদ্দি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, যিনি এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: «নিশ্চয়ই‌‌ মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে চলে যায়।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ١٨)
7 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ⦗ص: 19⦘ إِسْمَاعِيلَ الْأَحْمَسِيُّ، قَالَ: ثنا مُفَضَّلٌ يَعْنِي ابْنَ صَالِحِ أَبَا جَمِيلَةَ ، قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ أَبِي شَهْرٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، رضي الله عنه قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ‌‌«كَيْفَ أَنْتَ إِذَا كُنْتَ فِي أَرْبَعَةِ أَذْرُعٍ فِي ذِرَاعَيْنِ ، وَرَأَيْتَ مُنْكَرًا وَنَكِيرًا؟» قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَمَا مُنْكَرٌ وَنَكِيرٌ؟ قَالَ: «فَتَّانَا الْقَبْرِ، يَبْحَثَانِ الْأَرْضَ بِأَنْيَابِهِمَا، وَيَطَآنِ فِي أَشْعَارِهِمَا ، أَصْوَاتُهُمْ كَالرَّعْدِ الْقَاصِفِ، وَأَبْصَارُهُمَا كَالْبَرْقِ الْخَاطِفِ، مَعَهُمَا مِرْزَبَّةُ لَوِ اجْتَمَعَ عَلَيْهَا أَهْلُ مِنًى، لَمْ يُطِيقُوا رَفْعَهَا، هِيَ أَيْسَرُ عَلَيْهِمَا مِنْ عَصَاتِي هَذِهِ» قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَأَنَا عَلَى حَالِي هَذِهِ؟ ⦗ص: 20⦘ قَالَ: «نَعَمْ» ، قُلْتُ: إِذَنْ أَكْفِيكَهُمَا
৭ - মুহাম্মদ ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১৯⦘ ইসমাঈল আল-আহমাসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুফাদদাল—অর্থাৎ ইবনে সালিহ আবু জামিলা—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু শাহর থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন: «তোমার অবস্থা কেমন হবে যখন তুমি চার হাত দৈর্ঘ্য ও দুই হাত প্রস্থের (কবরে) থাকবে এবং মুনকার ও নাকিরকে দেখতে পাবে?» তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আর মুনকার ও নাকির কারা? তিনি বললেন: «তারা কবরের দুই পরীক্ষক, যারা তাদের দাঁত দিয়ে মাটি খুঁড়বে এবং তাদের লম্বা চুলের উপর দিয়ে হেঁটে আসবে। তাদের আওয়াজ প্রচণ্ড বজ্রধ্বনির মতো এবং তাদের দৃষ্টি চমকপ্রদ বিদ্যুতের মতো। তাদের সাথে একটি মুগুর থাকবে, যদি মিনার অধিবাসীরা তা উঠানোর জন্য একত্রিত হয়, তবে তারা তা উঠাতে সক্ষম হবে না। এটি তাদের কাছে আমার এই লাঠির চেয়েও সহজ হবে।’ তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তখন আমার এই বর্তমান অবস্থার ন্যায় থাকব? ⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘ তিনি বললেন: «হ্যাঁ», আমি বললাম: তবে আমি আপনার পক্ষ থেকে তাদের দুজনের জন্য যথেষ্ট হব।
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
8 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ ⦗ص: 21⦘ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: ثنا سَعْدٌ، قَالَ: ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: تُوُفِّيَتْ زَيْنَبُ بِنْتُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم فَخَرَجَ بِجِنَازَتِهَا، وَخَرَجْنَا مَعَهُ، فَرَأَيْنَاهُ كَئِيبًا حَزِينًا، ثُمَّ دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وآله وسلم قَبْرَهَا، فَخَرَجَ مُلْتَمِعَ اللَّوْنِ، فَسَأَلْنَاهُ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: «إِنَّهَا‌‌ كَانَتِ امْرَأَةٌ مِسْقَامًا، فَذَكَرْتُ شِدَّةَ الْمَوْتِ، وَضَغْطَةَ الْقَبْرِ، فَدَعَوْتُ اللَّهَ، فَخَفَّفَ عَنْهَا»
৮ - ইসহাক ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ২১⦘ ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের কন্যা যয়নব ইন্তেকাল করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর জানাযা নিয়ে বের হলেন এবং আমরাও তাঁর সাথে বের হলাম। আমরা তাঁকে অত্যন্ত বিমর্ষ ও শোকাতুর অবস্থায় দেখলাম। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কবরে প্রবেশ করলেন এবং উজ্জ্বল চেহারায় বের হয়ে আসলেন। আমরা তাঁকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: «সে ছিল একজন রুগ্ন নারী, তাই আমি মৃত্যুর কঠোরতা ও কবরের চাপের কথা স্মরণ করলাম। অতঃপর আমি আল্লাহর নিকট দুআ করলাম, ফলে তিনি তার জন্য তা লাঘব করে দিলেন।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢١)
9 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ أُمِّ خَالِدٍ بِنْتِ خَالِدٍ، قَالَتْ: «كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وآله وسلم‌‌ يَتَعَوَّذُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ» قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ: هَذِهِ أُمُّ خَالِدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ رَوَتْ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ حَدِيثَيْنِ: هَذَا وَآخَرَ
৯ - হারুন ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে রাজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা ইবনে উকবা থেকে, তিনি উম্মে খালিদ বিনতে খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।» আবু বকর ইবনে আবি দাউদ বলেন: ইনি হলেন উম্মে খালিদ বিনতে সাঈদ ইবনুল আস, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন: এটি এবং অন্যটি।
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢١)
10 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مَعْبَدٍ، قَالَ: ثنا الْأَصْمَعِيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ أُمِّ خَالِدٍ بِنْتِ خَالِدٍ، قَالَتْ: ‌‌«أَبِي أَوَّلُ مَنْ كَتَبَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ»
১০ - সুলায়মান ইবনে মা’বাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আসমা’য়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবিয যিনাদ হতে, তিনি ইবরাহীম ইবনে উকবাহ হতে, তিনি উম্মু খালিদ বিনতে খালিদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ‌‌«আমার পিতা প্রথম ব্যক্তি যিনি ‘পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে’ লিখেছিলেন»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
11 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ مَزْيَدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ الْأَيْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِمَا تَقُولُ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، فَخَطَبَنَا، فَذَكَرَ الْفِتْنَةَ الَّتِي يُفْتَنُ فِيهَا الْمَرْءُ فِي قَبْرِهِ، فَلَمَّا ذَكَرَ ذَلِكَ ضَجَّ النَّاسُ ضَجَّةً حَالَتْ بَيْنِي وَبَيْنَ أَنْ أَفْهَمَ آخِرَ كَلَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، فَلَمَّا سَكَنَتْ ضَجَّتُهُمْ، قُلْتُ لِرَجُلٍ قَرِيبٍ مِنِّي: أَيْ بَارَكَ اللَّهُ فِيكَ، مَاذَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم فِي آخِرِ قَوْلِهِ؟ قَالَ: قَالَ: ‌‌«أُوحِيَ إِلَيَّ أَنَّكُمْ تُفْتَنُونَ فِي قُبُورِكُمْ قَرِيبًا مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে মাজইয়াদ, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন আওযায়ী থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ আল-আইলি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উরওয়া ইবনুয যুবাইর, তিনি আসমা বিনতে আবু বকর আস-সিদ্দিক (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-কে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। তাতে তিনি কবরের সেই ফিতনার কথা উল্লেখ করলেন যার মাধ্যমে মানুষকে তার কবরে পরীক্ষা করা হয়। যখন তিনি তা উল্লেখ করলেন, তখন লোকেরা এমনভাবে শোরগোল করে উঠল যা আমার এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর শেষ কথাগুলো বোঝার মাঝখানে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াল। যখন তাদের শোরগোল থেমে গেল, তখন আমি আমার নিকটবর্তী এক ব্যক্তিকে বললাম: হে আল্লাহর বরকতপ্রাপ্ত ব্যক্তি, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর শেষ কথায় কী বলেছেন? তিনি বললেন: তিনি বলেছেন: ‌‌“আমার প্রতি ওহী করা হয়েছে যে, তোমাদেরকে তোমাদের কবরে দাজ্জালের ফিতনার কাছাকাছি পর্যায়ের ফিতনার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে।”
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
12 - حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الْأَيْلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ نِزَارٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْقَاسِمُ بْنُ مَبْرُورٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُرْوَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ، تَقُولُ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم خَطِيبًا، فَذَكَرَ الْفِتْنَةَ الَّتِي يُفْتَنُ فِيهَا الْمَرْءُ فِي قَبْرِهِ، فَلَمَّا ذَكَرَ ذَلِكَ ضَجَّ الْمُسْلِمُونَ ضَجَّةً حَالَتْ بَيْنِي وَبَيْنَ أَنْ أَفْهَمَ آخِرَ كَلَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم، فَلَمَّا سَكَنَتْ ضَجَّتُهُمْ، قُلْتُ لِرَجُلٍ قَرِيبٍ مِنِّي: أَيْ بَارَكَ اللَّهُ ⦗ص: 23⦘ فِيكَ، مَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم فِي آخِرِ قَوْلِهِ؟ فَقَالَ: قَالَ: ‌‌«قَدْ أُوحِيَ إِلَيَّ أَنَّكُمْ تُفْتَنُونَ فِي قُبُورِكُمْ قَرِيبًا مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ» قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ: وَعِنْدَ هَارُونَ الْحَدِيثُ الْآخَرُ، عَنْ خَالِدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ، فَلَمْ أَسْأَلْهُ عَنْ ذَلِكَ؛ لِأَنَّهُ مَشْهُوَرٌ، وَسَأَلْنَاهُ عَنْ هَذَا
১২ - হারুন ইবনে সাঈদ ইবনুল হাইসাম আল-আইলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ ইবনে নিযার আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: কাসিম ইবনে মাবরুর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে উরওয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আসমা বিনতে আবি বকরকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম খুতবা প্রদানের জন্য দাঁড়ালেন, অতঃপর তিনি সেই ফিতনা বা পরীক্ষার কথা উল্লেখ করলেন কবরে মানুষকে যার সম্মুখীন হতে হবে। যখন তিনি তা উল্লেখ করলেন, তখন মুসলিমগণ এমন উচ্চৈঃস্বরে শোরগোল করে উঠলেন যা আমার ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লামের শেষ কথাটি বোঝার মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াল। যখন তাদের শোরগোল প্রশমিত হলো, তখন আমি আমার নিকটবর্তী এক ব্যক্তিকে বললাম: আল্লাহ আপনার মাঝে ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ বারাকাত দান করুন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কথার শেষে কী বলেছেন? তিনি বললেন: তিনি বলেছেন: ‌‌“নিশ্চয়ই আমার কাছে ওহী পাঠানো হয়েছে যে, তোমরা তোমাদের কবরে দাজ্জালের ফিতনার কাছাকাছি পরীক্ষার সম্মুখীন হবে।” আবু বকর ইবনে আবি দাউদ বলেন: হারুনের নিকট অন্য একটি হাদীসও বিদ্যমান রয়েছে—খালিদ থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আসমা থেকে বর্ণিত; তবে আমি তাঁকে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিনি, কারণ তা প্রসিদ্ধ; আর আমরা তাঁকে এই হাদীসটি সম্পর্কেই জিজ্ঞাসা করেছি।
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
13 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْخَصِيبِ، قَالَ: ثنا عَمْرٌو الْعَنْقَزِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم حَرْثًا لِبَنِي النَّجَّارِ، فَسَمِعَ أَصْوَاتَهُمْ يُعَذَّبُونَ فِي قُبُورِهِمْ، فَخَرَجَ مَذْعُورًا، فَقَالَ: ‌‌«اسْتَعِيذُوا بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ»
১৩ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিল খাসীব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর আল-আনকাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বনু নাজ্জারের একটি বাগানে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি তাদের চিৎকার শুনতে পেলেন যাদেরকে তাদের কবরে আজাব দেওয়া হচ্ছিল। অতঃপর তিনি আতঙ্কিত হয়ে বেরিয়ে আসলেন এবং বললেন: «তোমরা কবরের আজাব থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
14 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْخَصِيبِ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ: ثنا قَاسِمٌ الرَّحَّالُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم حَرْثًا لِبَنِي النَّجَّارِ، فَقَضَى مِنْ حَاجَتِهِ، فَخَرَجَ ⦗ص: 24⦘ مَذْعُورًا، وَقَالَ: ‌‌«لَوْلَا أَنْ لَا تَدَافَنُوا، لَسَأَلْتُ اللَّهَ أَنْ يُسْمِعَكُمْ مَا أَسْمَعَنِي مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ»
১৪ - আমাদের নিকট আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিল খাসীব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কাসেম আর-রাহহাল বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বনী নাজ্জারের একটি বাগানে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করলেন। অতঃপর তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ আতঙ্কিত অবস্থায় বের হয়ে আসলেন এবং বললেন: «তোমরা একে অপরকে দাফন করা ছেড়ে দেবে—এই আশঙ্কা যদি না থাকত, তবে আমি অবশ্যই আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতাম যেন তিনি তোমাদেরকে কবরের আযাব শোনান যা তিনি আমাকে শুনিয়েছেন।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
15 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى السُّوسِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَهَّابِ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم دَخَلَ نَخْلًا لِبَنِي النَّجَّارِ، فَسَمِعَ صَوْتًا، فَفَزِعَ، فَقَالَ: «مَنْ أَصْحَابُ هَذِهِ الْقُبُورِ؟» قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، نَاسٌ مَاتُوا فِي الْجَاهِلِيَّةِ. قَالَ: ‌‌«تَعَوَّذُوا بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ» . قَالَ: قَالُوا: وَمَا ذَاكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: " إِنَّ هَذِهِ الْأُمَّةَ تُبْتَلَى فِي قُبُورِهَا، وَإِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا وُضِعَ فِي قَبْرِهِ أَتَاهُ مَلَكٌ، فَسَأَلَهُ: مَا كُنْتَ تَعْبُدُ؟ فَإِنِ اللَّهُ هَدَاهُ قَالَ: كُنْتُ أَعْبُدُ اللَّهَ، قَالَ: فَيُقَالُ لَهُ: مَا كُنْتَ تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ؟ فَيَقُولُ: هُوَ عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ. قَالَ: فَمَا يُسْأَلُ عَنْ شَيْءٍ بَعْدَهَا، فَيَنْطَلِقُ إِلَى بَيْتٍ كَانَ ⦗ص: 25⦘ فِي النَّارِ، فَيُقَالُ: هَذَا بَيْتُكَ إِنَّ فِي النَّارِ، وَلَكِنَّ اللَّهَ عَصَمَكَ، وَرَحِمَكَ، فَأَبْدَلَكَ بِهِ بَيْتًا فِي الْجَنَّةَ، فَيَقُولُ: دَعُونِي حَتَّى أَذْهَبَ فَأُبَشِّرَ أَهْلِي، فَيُقَالُ لَهُ: اسْكُنْ، وَإِنَّ الْكَافِرَ إِذَا وُضِعَ فِي قَبْرِهِ، أَتَاهُ مَلَكٌ فَيَنْتَهِرُهُ، فَيَقُولُ لَهُ: مَا كُنْتَ تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ؟ فَيَقُولُ: كُنْتُ أَقُولُ مَا يَقُولُ النَّاسُ ، فَيَضْرِبُهُ بِمِطْرَاقٍ مِنْ حَدِيدٍ بَيْنَ أُذُنَيْهِ ، فَيَصِيحُ صَيْحَةً يَسْمَعُهَا الْخَلْقُ غَيْرَ الثَّقَلَيْنِ "
১৫ - আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-সূসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বনু নাজ্জারের একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি একটি শব্দ শুনতে পেলেন এবং ভীত হলেন। তিনি বললেন: «এই কবরবাসীরা কারা?» তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তারা এমন এক দল লোক যারা জাহেলিয়াতের যুগে মারা গিয়েছিল। তিনি বললেন: ‌‌«তোমরা কবরের আজাব, আগুনের আজাব এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো।’ তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তা কীসের জন্য? তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই এই উম্মত তাদের কবরে পরীক্ষিত হবে। মুমিন ব্যক্তিকে যখন তার কবরে রাখা হয়, তখন একজন ফেরেশতা তার কাছে আসেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করেন: তুমি কার ইবাদত করতে? যদি আল্লাহ তাকে হেদায়েত দান করে থাকেন, তবে সে বলে: আমি আল্লাহর ইবাদত করতাম। তিনি বললেন: এরপর তাকে বলা হয়: এই ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কী বলতে? সে বলে: তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। তিনি বললেন: এরপর তাকে আর কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয় না। অতঃপর তাকে জাহান্নামের একটি ঘরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় যা ⦗পৃষ্ঠা: ২৫⦘ সেখানে ছিল, এবং তাকে বলা হয়: এটি জাহান্নামে তোমার ঘর ছিল, কিন্তু আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করেছেন এবং তোমার প্রতি দয়া করেছেন এবং এর পরিবর্তে তোমাকে জান্নাতে একটি ঘর দান করেছেন। তখন সে বলে: আমাকে ছেড়ে দাও যাতে আমি গিয়ে আমার পরিবারকে সুসংবাদ দিতে পারি। তখন তাকে বলা হয়: তুমি শান্ত হয়ে অবস্থান করো। আর কাফের ব্যক্তিকে যখন তার কবরে রাখা হয়, তখন একজন ফেরেশতা তার কাছে আসেন এবং তাকে ধমক দেন। অতঃপর তাকে বলেন: এই ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কী বলতে? সে বলে: মানুষ যা বলত আমিও তাই বলতাম। তখন ফেরেশতা তার দুই কানের মাঝে লোহার একটি হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন, ফলে সে এমন জোরে চিৎকার করে ওঠে যা জিন ও মানুষ ব্যতীত সমস্ত সৃষ্টিজগত শুনতে পায়।"
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
16 - حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ثنا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ قُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ‌‌«ذَرَارِيُّ الْمُسْلِمِينَ يَكْفُلُهُمْ إِبْرَاهِيمُ»
১৬ - আমাদের নিকট আবদাহ ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট যাইদ ইবনে হুবাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে সাবিত ইবনে সাওবান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আতা ইবনে কুররাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দামরাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «মুসলিমদের সন্তানদের ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম) লালন-পালন করবেন»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: ثنا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ دَرَّاجًا أَبَا ⦗ص: 26⦘ السَّمْحِ، حَدَّثَهُ ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: ‌‌«يَأْكُلُ التُّرَابُ كُلَّ شَيْءٍ فِي الْإِنْسَانِ إِلَّا عَجْبَ ذَنَبِهِ» قِيلَ: وَمَا هُوَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «مِثْلُ حَبَّةِ خَرْدَلٍ، مِنْهُ تُنْشِئُونَ»
১৭ - আহমদ ইবনে সাঈদ আল-হামদানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, দাররাজ আবু ⦗পৃষ্ঠা: ২৬⦘ সামহ তাকে আবুল হাইসাম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "মাটি মানুষের শরীরের সবকিছুই খেয়ে ফেলে, কেবল তার মেরুদণ্ডের শেষ হাড়টি ব্যতীত।" জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী? তিনি বললেন: "সরিষা দানার মতো, যা থেকে তোমাদের পুনরায় সৃষ্টি করা হবে।"
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
18 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ الطُّوسِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَبِي زُهَيْرٍ، أَنَّ رَوْحَ بْنَ عُبَادَةَ أَخْبَرَهُمْ ، عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمَّارٍ الدُّهْنِيِّ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ‌‌«كَيْفَ أَنْعَمُ وَصَاحِبُ الصُّورِ قَدِ الْتَقَمَ الصُّورَ يَنْتَظِرُ مَتَى يُؤْمَرُ أَنْ يَنْفُخَ، فَيَنْفُخَ» ، قَالُوا: وَمَاذَا نَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «قُولُوا حَسْبُنَا اللَّهُ ، وَنِعْمَ الْوَكِيلُ»
১৮ - মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর আত-তুসী এবং মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রাহীম ইবনে আবী যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাওহ ইবনে উবাদাহ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি আম্মার আদ-দুহনী থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমি কীভাবে সুখে-স্বস্তিতে থাকব অথচ শিঙ্গাধারী (ফেরেশতা) শিঙ্গাটি মুখে তুলে নিয়েছেন এবং অপেক্ষা করছেন কখন তাঁকে ফুঁ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে, যেন তিনি ফুঁ দিতে পারেন?» তাঁরা বললেন: আর আমরা কী বলব হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন: «তোমরা বলো: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
19 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ ⦗ص: 27⦘ يَحْيَى بْنِ كَثِيرٍ، قَالَ: ثنا أَبِي قَالَ،: ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَخْضَرَ، عَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: "‌‌ يُنَادِي مُنَادٍ بَيْنَ يَدَيِ الصَّيْحَةِ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، أَتَتْكُمُ السَّاعَةُ - وَمَدَّ بِهَا التَّيْمِيُّ صَوْتَهُ - قَالَ: فَيَسْمَعُهُ الْأَحْيَاءُ وَالْأَمْوَاتُ، وَيَنْزِلُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا، ثُمَّ يُنَادِي مُنَادٍ: لِمَنِ الْمُلْكُ الْيَوْمَ؟ لِلَّهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ "
১৯ - হাসান ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ২৭⦘ ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আখদার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আত-তাইমী থেকে, তিনি আবু নাদরা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "‌‌মহা-চিৎকারের পূর্বে একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: হে লোকসকল, কিয়ামত তোমাদের নিকট উপস্থিত হয়েছে - এবং আত-তাইমী এটি বলার সময় তার কণ্ঠস্বর দীর্ঘ করলেন - তিনি বললেন: অতঃপর জীবিত ও মৃত সকলে তা শুনতে পাবে, এবং আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করবেন, তারপর একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: আজ রাজত্ব কার? আল্লাহরই, যিনি এক, পরাক্রমশালী।"
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
20 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُهْزَاذَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، قَالَ: ثنا أَبِي قَالَ،: ثنا يَزِيدُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: {وَشَاهِدٍ وَمَشْهُوَدٍ} [البروج: 3] قَالَ: "‌‌ الشَّاهِدُ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وآله وسلم، وَالْمَشْهُوَدُ: يَوْمُ الْقِيَامَةِ " فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى: {فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيدٍ} [النساء: 41]
20 - মুহাম্মাদ ইবনে কুহজাদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আলী ইবনুল হুসাইন আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন: {শপথ সাক্ষীর এবং যা প্রত্যক্ষ করা হবে তার} [বুরুজ: ৩] তিনি বলেছেন: "‌‌সাক্ষী হলেন মুহাম্মাদ (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর বর্ষিত হোক), আর যা প্রত্যক্ষ করা হবে তা হলো কিয়ামতের দিন।" এটিই হলো মহান আল্লাহর বাণী: {সুতরাং তখন কেমন হবে, যখন আমরা প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব} [নিসা: ৪১]
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
21 - حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ آدَمَ، قَالَ: ثنا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالَ: ثنا مُصْعَبُ بْنُ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ: " {فَإِذَا هُمْ بِالسَّاهِرَةِ} [النازعات: 14] قَالَ:‌‌ أَرْضٌ بَيْضَاءُ، عَفْرَاءُ، كَالْخُبْزَةِ مِنَ النَّقِيِّ "
২১ - মাহমুদ ইবনে আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে আস-সারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসআব ইবনে সাবিত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাজিম থেকে, তিনি সাহল ইবনে সা'দ আস-সা'ইদী থেকে বর্ণনা করেছেন: " {অতঃপর তারা হঠাৎ এক উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হবে} [আন-নাযিআত: ১৪] তিনি বলেন: (এটি হবে) একটি শুভ্র ধবল ভূমি, যা দেখতে পরিচ্ছন্ন আটার রুটির মতো। "
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ السَّدُوسِيُّ، قَالَ: ثنا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، حَدَّثَنِي أَوْسُ بْنُ أَبِي أَوْسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَرْفَعُهُ قَالَ: "‌‌ يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى ثَلَاثةِ أَثْلَاثٍ: ثُلُثٍ عَلَى الدَّوَابِّ، وَثُلُثٍ يَنْسِلُونَ عَلَى أَقْدَامِهِمْ نَسْلًا، وَثُلُثٍ عَلَى وُجُوهِهِمْ "
২২ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আস-সাদূসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে যাইদ-এর সূত্রে, তিনি বলেন: আমাকে আউস ইবনে আবী আউস বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা থেকে, তিনি এটি মারফু হিসেবে বর্ণনা করে বলেন: "‌‌ কিয়ামতের দিন মানুষকে তিন ভাগে একত্রিত করা হবে: এক-তৃতীয়াংশ বাহনের ওপর আরোহী অবস্থায়, এক-তৃতীয়াংশ তাদের পায়ের ওপর দ্রুত হেঁটে চলা অবস্থায়, এবং এক-তৃতীয়াংশ তাদের মুখের ওপর ভর করে।"
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
23 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفَّى، عَنْ بَقِيَّةَ بْنِ الْوَلِيدِ، قَالَ: ثنا الزُّبَيْدِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ ⦗ص: 29⦘ عَائِشَةَ، رضي الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: ‌‌«يُبْعَثُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حُفَاةً عُرَاةً غُرْلًا» ، فَقَالَتْ لَهُ عَائِشَةُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَكَيْفَ بِالْعَوْرَاتِ؟ فَقَالَ: " {لِكُلِّ امْرِئٍ مِنْهُمْ يَوْمَئِذٍ شَأْنٌ يُغْنِيهِ} [عبس: 37] "
২৩ - মুহাম্মদ ইবনু মুসাফ্ফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আজ-যুবায়দী, আজ-জুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ২৯⦘ আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কিয়ামতের দিন মানুষকে নগ্নপদ, উলঙ্গ ও খাতনাবিহীন অবস্থায় পুনরুত্থিত করা হবে।» তখন আয়িশাহ তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তবে লজ্জাস্থানগুলোর (পরস্পর দেখার) কী হবে? তিনি বললেন: " {সেদিন তাদের প্রত্যেকের এমন অবস্থা হবে যা তাকে অন্য সবার থেকে বিমুখ করে রাখবে।} [আবাসা: ৩৭] "
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
24 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْخَصِيبِ، قَالَ: ثنا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ النُّعْمَانِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم بِمَوْعِظَةٍ، فَقَالَ: " إِنَّكُمْ‌‌ مَحْشُورُونَ عُرَاةً، غُرْلًا، فَأَوَّلُ الْخَلَائِقِ يُكْسَى إِبْرَاهِيمُ، ثُمَّ يُجَاءُ بِرِجَالٍ مِنْكُمْ، فَيُؤْخَذُ بِهِمْ ذَاتَ الشِّمَالِ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ ، أَصْحَابِي، فَيُقَالُ: إِنَّكَ لَا تَدْرِي مَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ، فَأَقُولُ كَمَا قَالَ الْعَبْدُ الصَّالِحُ: {وَكُنْتُ عَلَيْهِمْ ⦗ص: 30⦘ شَهِيَدًا مَا دُمْتُ فِيهِمْ، فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِي كُنْتَ أَنْتَ الرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ} [المائدة: 117] " حَتَّى قَرَأَ الْآيَةَ قَالَ ابْنُ أَبِي دَاوُدَ: لَمْ أَكْتُبْهُ إِلَّا عَنْهُ، وَهُوَ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مِسْعَرٍ
২৪ - আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিল খাসিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওকী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআরের সূত্রে, তিনি মুগীরা ইবনে নুমান থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে একটি নসিহত পেশ করতে দাঁড়ালেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই তোমাদেরকে উলঙ্গ ও খতনাবিহীন অবস্থায় হাশরের ময়দানে সমবেত করা হবে। সৃষ্টিকূলের মাঝে সর্বপ্রথম ইবরাহীম (আ.)-কে পোশাক পরানো হবে। অতঃপর তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোককে আনা হবে এবং তাদেরকে বাম দিকে নিয়ে যাওয়া হবে, তখন আমি বলব: হে আমার রব! এরা তো আমার সাথী! তখন বলা হবে: নিশ্চয়ই আপনি জানেন না আপনার পরে তারা কী সব নতুনের উদ্ভব ঘটিয়েছিল। তখন আমি তেমনই বলব যেমন নেককার বান্দা বলেছিলেন: {এবং আমি তাদের ওপর ⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ সাক্ষী ছিলাম যতক্ষণ আমি তাদের মাঝে অবস্থান করেছি। অতঃপর যখন আপনি আমাকে উঠিয়ে নিলেন, তখন আপনিই ছিলেন তাদের ওপর পর্যবেক্ষণকারী} [আল-মায়িদাহ: ১১৭]।" যতক্ষণ না তিনি পুরো আয়াতটি পাঠ করলেন। ইবনে আবু দাউদ বলেন: আমি এটি কেবল তাঁর নিকট থেকেই লিখেছি এবং মিসআরের বর্ণনা হিসেবে এটি একটি ‘গরীব’ হাদীস।
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
25 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ شَاهِينَ، قَالَ: ثنا خَالِدٌ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ‌‌«يَجِيئُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى أَفْوَاهِهِمُ الْفِدَامُ، فَأَوَّلُ مَا يَتَكَلَّمُ مِنَ الْعَبْدِ فَخِذُهُ وَيَدُهُ»
২৫ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে শাহীন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ বর্ণনা করেছেন, আল-জুরায়রী থেকে, তিনি হাকীম ইবনে মুয়াবিয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কিয়ামতের দিন তারা এমন অবস্থায় আসবে যে তাদের মুখের উপর পটি লাগানো থাকবে। অতঃপর বান্দার শরীর থেকে সর্বপ্রথম যা কথা বলবে তা হলো তার উরু এবং তার হাত।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
26 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ الْيَمَانِ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ ⦗ص: 31⦘ فُلْفُلٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: ‌‌«يَجِيءُ النَّبِيُّ وَمَعَهُ رَجُلٌ ، وَيَجِيءُ النَّبِيُّ وَمَعَهُ الرَّجُلَانِ، وَأَنَا أَكْثَرُ الْأَنْبِيَاءِ تَبَعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
২৬ - আমাদের কাছে আলী বিন হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বিন আল-য়ামান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে সুফিয়ান বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আল-মুখতার বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩১⦘ ফুলফুল থেকে, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «কোনো নবী আসবেন যাঁর সাথে থাকবে মাত্র একজন লোক, আবার কোনো নবী আসবেন যাঁর সাথে থাকবে দুইজন লোক, আর কিয়ামতের দিন আমিই হবো নবীদের মধ্যে সর্বাধিক অনুসারীর অধিকারী ।»
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٣١)
27 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: ثنا بَقِيَّةُ، قَالَ: حَدَّثَنِي الزُّبَيْدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم قَالَ: ‌‌«يُحْشَرُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَأَكُونُ أَنَا وَأُمَّتِي عَلَى تَلٍّ، فَيَكْسُونِي رَبِّي عز وجل حُلَّةً خَضْرَاءَ، ثُمَّ يُؤْذَنُ لِي، فَأَقُولُ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ أَقُولَ، فَذَلِكَ الْمَقَامُ الْمَحْمُودُ»
২৭ - আমর ইবনু উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জুবায়দী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যুহরী আমাকে অবহিত করেছেন, আবদুর রহমান ইবনু কা'ব হতে, তিনি কা'ব ইবনু মালিক হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক এবং তাঁর পরিবারের উপরও) বলেছেন: «কিয়ামতের দিন মানুষকে একত্রিত করা হবে, তখন আমি ও আমার উম্মত একটি টিলার উপর থাকব। অতঃপর আমার প্রতিপালক (যিনি মহাপরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) আমাকে একটি সবুজ পোশাক পরিধান করাবেন, এরপর আমাকে অনুমতি প্রদান করা হবে, তখন আল্লাহ আমাকে যা বলানোর ইচ্ছা করবেন আমি তা-ই বলব; আর এটাই হলো মাকামে মাহমুদ (প্রশংসিত স্থান)।’
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٣١)
28 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ ⦗ص: 32⦘ الْمُنْذِرِ، قَالَ: ثنا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْجَعِيِّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وآله وسلم: "‌‌ يَجْمَعُ اللَّهُ النَّاسَ ، فَيَقُومُ الْمُؤْمِنُونَ حِينَ تُزْلَفُ الْجَنَّةُ ، فَيَأْتُونَ آدَمَ، فَيَقُولُونَ: يَا أَبَانَا اسْتَفْتِحْ لَنَا الْجَنَّةَ، فَيَقُولُ: وَهَلْ أَخْرَجَكُمْ مِنَ الْجَنَّةِ إِلَّا خَطِيئَةُ أَبِيكُمْ آدَمَ؟ لَسْتُ بِصَاحِبِ ذَلِكَ، تَعَمَّدُوا إِلَى إِبْرَاهِيمَ خَلِيلِ رَبِّهِ، فَيَقُولُ إِبْرَاهِيمُ: لَسْتُ بِصَاحِبِ ذَلِكَ، إِنَّمَا كُنْتُ خَلِيلًا مِنْ وَرَاءِ وَرَاءٍ، اعْمِدُوا إِلَى نَبِيِّ اللَّهِ مُوسَى الَّذِي كَلَّمَهُ اللَّهُ تَكْلِيمًا، فَيَأْتُونَ مُوسَى، فَيَقُولُ: لَسْتُ بِصَاحِبِ ذَلِكَ، اعْمِدُوا إِلَى كَلِمَةِ اللَّهِ وَرُوحِهِ عِيسَى قَالَ: فَيَقُولُ عِيسَى: لَسْتُ بِصَاحِبِ ذَلِكَ، فَيَأْتُونَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وآله وسلم فَيَقُومُ، فَيُؤْذَنُ لَهُ، وَتُرْسَلُ مَعَهُ الْأَمَانَةُ وَالرَّحِمُ، فَيَقِفَانِ بِالصِّرَاطِ يَمِينَهُ وَشِمَالَهُ، فَيَمُرُّ أَوَّلُكُمْ كَمَرِّ الْبَرْقِ، قُلْتُ: بِأَبِي وَأُمِّي أَيُّ شَيْءٍ مَرُّ الْبَرْقِ؟ قَالَ: أَلَمْ تَرَ إِلَى الْبَرْقِ كَيْفَ يَمُرُّ فَيَرْجِعُ فِي طَرْفَةٍ؟ ثُمَّ كَمَرِّ الرِّيحِ، وَمَرِّ الطَّيْرِ، وَشَدِّ الرِّجَالِ تَجْرِي بِهِمْ أَعْمَالُهُمْ، وَنَبِيُّهُمْ قَائِمٌ عَلَى الصِّرَاطِ، فَيَقُولُ: سَلِّمْ سَلِّمْ، حَتَّى تَعْجِزَ أَعْمَالُ النَّاسِ، حَتَّى يَجِيءَ الرَّجُلُ فَلَا يَسْتَطِيعُ أَنْ يَمُرَّ إِلَّا زَحْفًا. قَالَ: وَفِي حَافَتَيِ الصِّرَاطِ كَلَالِيبُ مُعَلَّقَةٌ مَأْمُورَةٌ بِأَخْذِ مَنْ أُمِرَتْ، فَمَخْدُوشٌ نَاجٍ، وَمُكَرْدَسٌ فِي النَّارِ، وَالَّذِي نَفْسُ أَبِي هُرَيْرَةَ بِيَدِهِ إِنَّ قَعْرَ جَهَنَّمَ لَسَبْعُونَ خَرِيفًا "
২৮ - আমাদের নিকট আলী ইবন ⦗পৃ: ৩২⦘ আল-মুনজির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবন ফুদাঈল বর্ণনা করেছেন আবু মালিক আল-আশজাঈ থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং রিবঈ ইবন হিরাশ থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ আল্লাহ মানুষকে সমবেত করবেন, অতঃপর যখন জান্নাত নিকটবর্তী করা হবে তখন মুমিনগণ দাঁড়িয়ে থাকবে। তারা আদমের নিকট আসবে এবং বলবে: হে আমাদের পিতা, আমাদের জন্য জান্নাত খুলে দেওয়ার আবেদন করুন। তখন তিনি বলবেন: তোমাদের পিতা আদমের ভুল ছাড়া আর কোন বিষয়টি কি তোমাদের জান্নাত থেকে বের করেছিল? আমি এর যোগ্য নই। তোমরা আল্লাহর খলীল ইব্রাহিমের নিকট যাও। তখন ইব্রাহিম বলবেন: আমি এর যোগ্য নই, আমি তো কেবল অনেক দূরবর্তী বন্ধু ছিলাম; তোমরা আল্লাহর নবী মুসার নিকট যাও যাঁর সাথে আল্লাহ সরাসরি কথা বলেছেন। অতঃপর তারা মুসার নিকট আসবে, তখন তিনি বলবেন: আমি এর যোগ্য নই, তোমরা আল্লাহর কালিমা ও তাঁর রূহ ঈসার নিকট যাও। তিনি (ঈসা) বলবেন: আমি এর যোগ্য নই। অতঃপর তারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসবে, তখন তিনি দাঁড়াবেন এবং তাঁকে অনুমতি প্রদান করা হবে। আমানত ও আত্মীয়তার বন্ধন (রাহিম) পাঠানো হবে এবং তারা সিরাতের ডানে ও বামে অবস্থান নেবে। তোমাদের প্রথম ব্যক্তি বিদ্যুতের গতির ন্যায় পার হবে।" আমি বললাম: "আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, বিদ্যুতের গতির ন্যায় বিষয়টি কী?" তিনি বললেন: "তোমরা কি বিদ্যুৎ দেখনি যে তা চোখের পলকে কীভাবে চলে যায় ও ফিরে আসে? তারপর বাতাসের গতির ন্যায়, পাখির ওড়ার ন্যায় এবং তেজি মানুষের দৌড়ানোর ন্যায়; তাদের আমলসমূহ তাদের নিয়ে চলবে। আর তোমাদের নবী সিরাতের ওপর দাঁড়িয়ে বলবেন: হে রব, সালামত দিন, সালামত দিন। এমনকি মানুষের আমলসমূহ যখন দুর্বল হয়ে পড়বে, তখন এমন এক ব্যক্তি আসবে যে হামাগুড়ি দেওয়া ছাড়া চলতে পারবে না। তিনি বললেন: সিরাতের দুই পাশে ঝুলন্ত হুক থাকবে, যাদেরকে পাকড়াও করার নির্দেশ দেওয়া হবে তাদের ধরার জন্য সেগুলো আদিষ্ট থাকবে। ফলে কেউ ক্ষতবিক্ষত হয়ে মুক্তি পাবে, আর কাউকে উপুড় করে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করা হবে। যাঁর হাতে আবু হুরায়ারার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ, নিশ্চয়ই জাহান্নামের গভীরতা সত্তর বছরের পথ।"
(খণ্ড: ১) আল বাসু লিবনি আবি দাউদ (পৃষ্ঠা: ٣٣)
29 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ، قَالَ: ثنا فُلَيْحُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْيَمَانِي، قَالَ: ثنا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ: {إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُونَ، ثُمَّ إِنَّكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عِنْدَ رَبِّكُمْ تَخْتَصِمُونَ} [الزمر: 31] . قَالَ الزُّبَيْرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، يُكَرَّرُ عَلَيْنَا مَا كَانَ بَيْنَنَا فِي الدُّنْيَا مَعَ خَوَاصِّ الذُّنُوبِ؟ قَالَ: «نَعَمْ،‌‌ حَتَّى يُؤَدَّى إِلَى كُلِّ ذِي حَقٍّ حَقُّهُ» قَالَ الزُّبَيْرُ: إِنَّ الْأَمْرَ إِذًا لَشَدِيدٌ
২৯ - উমর ইবনে শাব্বাহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফুলাইহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ইয়ামানি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাতিম ইবনে ইসমাঈল মুহাম্মাদ ইবনে আমর থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে হাতিব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের থেকে, তিনি যুবায়ের (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন এই আয়াতটি নাযিল হলো: {নিশ্চয়ই তুমি মৃত্যুবরণ করবে এবং তারাও মৃত্যুবরণ করবে। অতঃপর কিয়ামতের দিন তোমরা তোমাদের রবের নিকট বিবাদে লিপ্ত হবে} [যুমার: ৩১]। তখন যুবায়ের (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, দুনিয়াতে আমাদের মধ্যে যা ঘটেছিল, বিশেষ করে গুনাহের বিষয়গুলো কি আমাদের সামনে পুনরাবৃত্তি করা হবে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, এমনকি প্রত্যেক হকদারের হক আদায় না হওয়া পর্যন্ত (বিচার চলবে)»। যুবায়ের বললেন: তাহলে তো বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন।