(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: -)
تاريخ داريا - عبد الجبار الخولاني   (عبد الجبار الخولاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: تاريخ داريا

المؤلف: القاضي عبد الجبار الخولاني

بعناية: سعيد الأفغاني [ت 1417 هـ]

الناشر: المجمع العلمي العربي بدمشق

طبع: مطبعة الترقي بدمشق

الطبعة: [الأولى] 1369 هـ - 1950 م

عدد الصفحات: 128

تنبيه: نَص هذه النسخة الإلكترونية مأخوذ عن الطبعة الثانية للمُحقق، وهي أتم وأصح؛ لمقابلتها على نسخة خطية أخرى، وتوزيع صفحاتها مختلف

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

দারাইয়ার ইতিহাস - আব্দুল জব্বার আল-খাওলানি   (আব্দুল জব্বার আল-খাওলানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: দারাইয়ার ইতিহাস

লেখক: কাজি আব্দুল জব্বার আল-খাওলানি

সম্পাদনায়: সাঈদ আল-আফগানি [মৃ. ১৪১৭ হি.]

প্রকাশক: দামেস্কের আরবি একাডেমি

মুদ্রণ: আত-তারাফি প্রেস, দামেস্ক

সংস্করণ: [প্রথম] ১৩৬৯ হি. - ১৯৫০ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮

সতর্কবার্তা: এই ইলেকট্রনিক কপির মূল পাঠ্যটি সম্পাদকের দ্বিতীয় সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে, যা অধিক পূর্ণাঙ্গ এবং নির্ভুল; কারণ এটি অন্য একটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং এর পৃষ্ঠা বিন্যাস ভিন্ন

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার প্রকাশকাল: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: -)
أَخْبَرَنَا الشُّيُوخُ أَبُو إِبْرَاهِيمَ شَعْبَانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَالِبِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الْحِمْصِيُّ الْأَصْلِ، وَأَبُو حُمَيْدِ بْنُ خُضَيْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَمْزَةَ، وَأَبُو زُهَيْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ زُهَيْرِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِدَارِيَّا فِي سَنَةِ. . .
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখগণ—আবু ইব্রাহিম শাবান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে তালিব ইবনে আবিল ফাদল আল-হিমসি আল-আসল, আবু হুমাইদ ইবনে খুদাইর ইবনে আবদুর রহমান ইবনে হামযা এবং আবু জুহাইর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে জুহাইর ইবনে আবদুল আজিজ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম দারিয়া নামক স্থানে ... সনে।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٢٨)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَكْفَانِيُّ رضي الله عنه: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَتَّانِيُّ مِنْ لَفْظِهِ فِي جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ ثَمَانٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طَوْقٍ الطَّبَرَانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدَارِيَّا قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْخَوْلَانِيُّ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ خَمْسٍ وَسِتِّينَ وثَلَاَثِمِائَةٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ حَبِيبِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، يَعْنِي: عَبْدَ الْأَعْلَى بْنَ مُسْهِرٍ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، يَقُولُ: كَانَ يُقَالُ: «مَنْ أَرَادَ الْعِلْمَ فَلْيَنْزِلْ بَيْنَ عَنْسٍ وَخَوْلَانَ بِدَارِيَّا»

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-আকফানি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন): আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-কাত্তানি চারশত আটান্ন হিজরির জুমাদাল উলা মাসে তাঁর নিজ মৌখিক উচ্চারণে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন তওক আত-তাবারানি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে দারিয়া নামক স্থানে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আব্দুল জাব্বার বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহিম আল-খাওলানি তিনশত পঁয়ষট্টি হিজরির মুহাররম মাসে: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাসান বিন হাবিব বিন আব্দুল মালিক: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুস সামাদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুসহির, অর্থাৎ: আব্দুল আ'লা বিন মুসহির: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সদাকা বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমি আব্দুর রহমান বিন ইয়াজিদ বিন জাবিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "বলা হতো যে, যে ব্যক্তি ইলম (জ্ঞান) অর্জন করতে চায়, সে যেন দারিয়ার আনস ও খাওলান গোত্রদ্বয়ের মাঝে অবস্থান গ্রহণ করে।"

(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٢٨)
‌‌ذِكْرُ مَنْ نَزَلَ دَارِيَّا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ، وَتَابِعِي التَّابِعِينَ، وَأَهْلِ الْعِلْمِ عَلَى طَبَقَاتِهِمْ وَأَزْمَانِهِمْ، وَذِكْرُ وَفَاتِهِمْ، وَمَنْ أَعْقَبَ مِنْهُمْ، وَمَنْ لَمْ يُعْقِبْ، إِلَى وَقْتِنَا هَذَا، وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ, তাবিঈগণ, তাবি-তাবিঈগণ এবং ইলম অন্বেষণকারী আলিমগণের মধ্যে যারা দারিয়্যাতে বসবাস করেছেন তাদের আলোচনা, তাদের স্তর ও যুগ অনুযায়ী; এবং তাদের মৃত্যু, তাদের মধ্যে যারা বংশধর রেখে গেছেন এবং যারা রেখে যাননি তাদের উল্লেখ আমাদের বর্তমান সময় পর্যন্ত; আর আল্লাহর নিকটই তাওফিক।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
‌‌ذِكْرُ بِلَالٍ مُؤَذِّنُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ مُوَلَّدًا، يَعْنِي: مِنْ مُوَلِّدِي جُمَحَ، فَاشْتَرَاهُ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه وَأَعْتَقَهُ سَكَنَ دَارِيَّا وَتَزَوَّجَ امْرَأَةً مِنْ أَهْلِهَا يُقَالُ لَهَا: هِنْدُ الْخَوْلَانِيَّةُ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুআযযিন বিলালের বর্ণনা; তিনি ছিলেন মুওয়াল্লাদ, অর্থাৎ তিনি জুমাহ গোত্রের মুওয়াল্লাদদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতঃপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে ক্রয় করেন এবং মুক্ত করে দেন। তিনি দারিয়াতে বসবাস করতেন এবং সেখানকার অধিবাসীদের মধ্য থেকে হিন্দ আল-খাওলানিয়্যাহ নাম্নী এক নারীকে বিবাহ করেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
قَالَ أَبُو عَلِيٍّ: أَخْبَرَهُمْ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَيُّوبَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي رُوَيْمٍ، قَالَ: «كَانَتِ امْرَأَةُ بِلَالٍ رضي الله عنه لَيْلَى الْخَوْلَانِيَّةَ وَالصَّحِيحُ أَنَّهَا هِنْدُ الْخَوْلَانِيَّةُ»
আবু আলী বলেন: আহমাদ বিন সুলাইমান বিন আইয়ুব তাঁদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে: ইয়াযিদ বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি রুওয়াইম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "বিলাল রাদিআল্লাহু আনহু-এর স্ত্রী ছিলেন লায়লা আল-খাওলানিয়্যাহ; তবে সঠিক মত হলো যে তিনি ছিলেন হিন্দ আল-খাওলানিয়্যাহ।"
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: " قَبْرُ بِلَالٍ بِدِمَشْقَ، قَالَ: وَيُقَالُ بِدَارِيَّا أَنْكَحَ هِنْدَ الْخَوْلَانِيَّةَ "

আহমাদ বিন সুলাইমান আল-কাজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুরআ বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "বিলালের কবর দামেস্কে; তিনি বলেন: এবং বলা হয় দারিয়্যাতে; তিনি হিন্দা আল-খাওলানিয়াকে বিবাহ করেছিলেন।"

(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٢٩)
قَالَ وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الرَّوَّاسِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ مَرْوَانَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يَقُولُ: «مَاتَ بِلَالٌ رحمه الله فِي دَارِيَّا، وَحُمِلَ فَقُبِرَ فِي بَابِ الصَّغِيرِ»

⦗ص: 30⦘ وَقَدْ أَدْرَكْتُ جَمَاعَةً مِنْ خَوْلَانَ مِنْ شُيُوخِهِمْ وَذَوِي الْفَضْلِ مِنْهُمْ يَقُولُونَ: إِنَّ قَبْرَ بِلَالٍ فِي دَارِيَّا فِي مَقْبَرَةِ خَوْلَانَ وَقَدْ قِيلَ: إِنَّ قَبْرَ بِلَالٍ رحمه الله بِحَلَبَ
তিনি বলেন এবং আমাদের নিকট আলী ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনুর রাওয়াস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে আবিল হাওয়ারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মারওয়ান ইবনে মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি: «বিলাল (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) দারাইয়ায় ইন্তেকাল করেছেন এবং তাঁকে বহন করে বাবুস সাগীরে সমাহিত করা হয়েছে»।

⦗পৃষ্ঠা: ৩০⦘ আর আমি খাওলান গোত্রের একদল শায়খ এবং তাদের মধ্যকার মর্যাদাবান ব্যক্তিদের পেয়েছি যারা বলতেন: বিলালের কবর দারাইয়ায় খাওলান গোরস্থানে। এবং বলা হয়ে থাকে যে: বিলালের (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) কবর হালাবে।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٠)
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ الْحَلَبِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، «أَنَّ بِلَالًا رحمه الله مَاتَ بِحَلَبَ، فَدُفِنَ عِنْدَ بَابِ الْأَرْبَعِينَ» وَقَدْ قِيلَ: إِنَّ الَّذِي بِحَلَبَ قَبْرُ خَالِدِ بْنِ رَبَاحٍ أَخِي بِلَالٍ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ وَقِيلَ أَيْضًا: إِنَّ قَبْرَ بِلَالٍ بِعَمَوَاسَ، وَالَّذِي بِعَمَوَاسَ قَبْرُ بِلَالٍ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ. وَكَانَتْ كُنْيَتُهُ: أَبَا عَبْدِ اللَّهِ

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা আল-হালাবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ, আদী ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত যে, "নিশ্চয়ই বিলাল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) হালাব শহরে ইন্তেকাল করেছেন এবং তাঁকে বাবুল আরবাঈন-এর নিকটে দাফন করা হয়েছে।" আরও বলা হয়ে থাকে যে, হালাব শহরে যে কবরটি রয়েছে তা বিলালের ভাই খালিদ ইবনে রাবাহ-এর কবর, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ। আরও বলা হয়েছে যে, বিলালের কবর আমওয়াস নামক স্থানে, আর আমওয়াসে যে কবরটি আছে সেটিই বিলালের কবর, আল্লাহই ভালো জানেন। তাঁর উপনাম ছিল আবু আবদুল্লাহ।

(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٠)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَبِي مُسْهِرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، قَالَ: نَظَرَ رَجُلٌ إِلَى بِلَالٍ فِي أَرْضِ الرُّومِ وَهُوَ عَلَى تَلٍّ، فَقَالَ: أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، أَيْنَ نَزَلَ النَّاسُ؟ قَالَ: «حَيْثُ وَضَعُوا رِحَالَهُمْ» ، وَكَانَتْ وَفَاتُهُ بِدَارِيَّا فِي سَنَةِ عِشْرِينَ
আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে সুলাইমান আল-কাদি, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদিস সামাদ, আবু মুশহির থেকে বর্ণিত, আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন সাঈদ, তিনি বলেন: রোম ভূমিতে এক ব্যক্তি বিলালের দিকে তাকালেন যখন তিনি একটি টিলার ওপর ছিলেন। সে বলল: হে আবু আবদুল্লাহ, লোকজন কোথায় অবতরণ করেছে? তিনি বললেন: "যেখানে তারা তাদের আসবাবপত্র রেখেছে।" আর তাঁর মৃত্যু হয়েছিল বিশ হিজরি সনে দারিয়ায়।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣١)
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا عَوْنُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَوْنٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعُمَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْوَاقِدِيُّ، قَالَ: «مَاتَ بِلَالٌ بِدِمَشْقَ، وَقُبِرَ فِي مَقْبَرَةِ بَابِ الصَّغِيرِ سَنَةَ عِشْرِينَ، وَهُوَ ابْنُ بِضْعٍ وَسِتِّينَ سَنَةً»
তিনি বলেন: আউন ইবনুল হাসান ইবনে আউন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-উমারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকর ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিদি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "বেলাল দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন এবং বিশ হিজরি সনে বাবুস সাগির কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়; সে সময় তাঁর বয়স ছিল ষাট বছরের কিছু বেশি।"
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣١)
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا عَوْنُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي بَكْرٌ، عَنِ الْوَاقِدِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَكْحُولٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَنْ رَأَى بِلَالًا، قَالَ: «كَانَ رَجُلًا آدَمَ شَدِيدَ الْأَدَمَةِ، نَحِيفًا طُوَالًا أَجْنَى، لَهُ شَعْرٌ كَثِيرٌ، وَكَانَ لَا يُغَيِّرُ» ⦗ص: 32⦘ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: سَمِعْتُ شُعَيْبَ بْنَ طَلْحَةَ مِنْ وَلَدِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ قَالَ: كَانَ بِلَالٌ تِرْبَ أَبِي بَكْرٍ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِمَا. قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: فَإِنْ كَانَ هَذَا هَكَذَا، وَقَدْ تُوُفِّيَ أَبُو بَكْرٍ سَنَةَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ وَهُوَ ابْنُ ثَلَاثٍ وَسِتِّينَ، فَبَيْنَ هَذَا وَبَيْنَ مَا رُوِيَ لَنَا سَبْعُ سِنِينَ، وَشُعَيْبُ بْنُ طَلْحَةَ أَعْلَمُ بِمِيلَادِ بِلَالٍ حِينَ يَقُولُ: هُوَ تِرْبُ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنهم، وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِهَذَا كُلِّهِ
তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আউন ইবনুল হাসান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ, তিনি বলেন: বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকিদী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আব্দুল আযীয থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি বিলালকে দেখেছেন তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "তিনি ছিলেন অত্যন্ত শ্যামবর্ণের এক ব্যক্তি, হালকা-পাতলা গড়ন, দীর্ঘদেহী এবং কিঞ্চিৎ ঝুঁকে চলা স্বভাবের, তাঁর মাথায় প্রচুর চুল ছিল এবং তিনি বার্ধক্যের শুভ্রতা পরিবর্তন (কলপ ব্যবহার) করতেন না।" ⦗পৃষ্ঠা: ৩২⦘ আবু আব্দুল্লাহ বলেন: আমি আবু বকর সিদ্দিকের বংশধর শুআইব ইবনে তালহার নিকট শুনেছি, তিনি বলেন: বিলাল ছিলেন আবু বকরের সমবয়সী, তাঁদের উভয়ের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: যদি বিষয়টি এরূপ হয়ে থাকে—অথচ আবু বকর তেরো হিজরীতে তেষট্টি বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন—তবে এই বর্ণনা এবং আমাদের কাছে বর্ণিত অন্য বর্ণনার মধ্যে সাত বছরের ব্যবধান থেকে যায়। আর শুআইব ইবনে তালহা বিলালের জন্ম সম্পর্কে অধিক অবগত যখন তিনি বলেন যে, তিনি আবু বকরের সমবয়সী ছিলেন (আল্লাহ তাঁদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন); আর আল্লাহই এই সবকিছু সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٢)
‌‌ذِكْرُ مَنْ رَوَى عَنْ بِلَالٍ مِنْ أَهْلِ دَارِيَّا أَبُو مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيُّ، وَأَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيُّ، وَأَبُو قِلَابَةَ الْجَرْمِيُّ، وَهِنْدُ الْخَوْلَانِيَّةُ زَوْجَةُ بِلَالٍ وَلَوْ ذَهَبْنَا إِلَى ذِكْرِ أَحَادِيثِهِمْ وَمَا رَوَوْا عَنْهُ لَاتَّسَعَ الْكِتَابُ وَطَالَ بِهِ الشَّرْحُ، وَلَكِنَّا اخْتَصَرْنَا هَذَا الْكَلَامَ لِشُهْرَةِ ذَلِكَ، وَصِحَّةُ الرَّاوِيَةِ عَنْهُ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ بِالرِّوَايَةِ تُغْنِي عَنْ ذِكْرِهِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
দারিয়্যা বাসীদের মধ্যে যারা বিলাল থেকে বর্ণনা করেছেন তাদের আলোচনা: আবু মুসলিম আল-খাওলানী, আবু ইদ্রিস আল-খাওলানী, আবু কিলাবা আল-জারমী এবং বিলালের স্ত্রী হিন্দ আল-খাওলানিয়্যাহ। যদি আমরা তাদের হাদীসসমূহ এবং তারা তাঁর থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা উল্লেখ করতে যাই, তবে কিতাবটি অনেক বড় হয়ে যাবে এবং এর ব্যাখ্যা দীর্ঘায়িত হবে। তবে বিষয়টি প্রসিদ্ধ হওয়ার কারণে আমরা এই আলোচনা সংক্ষেপ করেছি। আর তাঁর থেকে বর্ণিত বর্ণনার বিশুদ্ধতা রেওয়ায়েত শাস্ত্রের পণ্ডিতদের নিকট থাকা জ্ঞান তা উল্লেখ করা থেকে অমুখাপেক্ষী করে দেয়, ইনশাআল্লাহ।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٣)
‌‌ذِكْرُ أَبِي رَاشِدٍ الْخَوْلَانِيِّ سَمَّاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَكَنَّاهُ، وَمِنْ وَلَدِهِ جَمَاعَةٌ بِدَارِيَّا إِلَى الْيَوْمِ
আবু রাশিদ আল-খাওলানি-এর আলোচনা; নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নাম ও উপনাম নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এবং তাঁর বংশধরদের একটি দল আজ পর্যন্ত দারাইয়াতে বিদ্যমান রয়েছে।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٣)
قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْفَضْلِ بْنِ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْقَيُّومِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي رَاشِدٍ، أَنَّهُ وَفَدَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ لَهُ: «مَا اسْمُكَ؟» قَالَ: قُلْتُ: عَبْدُ الْعُزَّى أَبُو مُغْوِيَةَ، قَالَ: «بَلْ أَنْتَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ أَبُو رَاشِدٍ» ، قَالَ: «فَمَنْ هَذَا مَعَكَ؟» قُلْتُ: مَوْلَايَ، قَالَ: «مَا اسْمُهُ» ؟ قُلْتُ: قَيُّومٌ، قَالَ: «كَلَّا، وَلَكِنَّهُ عَبْدُ الْقَيُّومِ أَبُو عُبَيْدٍ» وَأَبُو رَاشِدٍ هَذَا هُوَ مِنْ وَلَدِ رُحْبِ بْنِ بَكْرِ بْنِ حُلْوَانَ، وَلَيْسَ بِداريَا رُحْبِيُّ غَيْرَهُ وَوَلَدَهُ
তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে উমাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল জাব্বার ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল ফাদল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল কাইয়ূম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আবু রাশিদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রতিনিধি হিসেবে আসলেন। তখন তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন: «তোমার নাম কী?» তিনি বললেন: আমি বললাম: আবদুল উজ্জা আবু মুগউইয়াহ। তিনি বললেন: «বরং তুমি হলে আবদুর রহমান আবু রাশিদ।» তিনি জিজ্ঞেস করলেন: «তোমার সাথে এই ব্যক্তি কে?» আমি বললাম: আমার মুক্ত দাস। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: «তার নাম কী?» আমি বললাম: কাইয়ূম। তিনি বললেন: «না, বরং সে হলো আবদুল কাইয়ূম আবু উবাইদ।» আর এই আবু রাশিদ ছিলেন রুহব ইবনে বকর ইবনে হুলওয়ানের বংশধর; এবং দারায়ায় তিনি ও তাঁর সন্তান ব্যতীত অন্য কোনো রুহবী বংশের লোক ছিল না।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٤)
‌‌ذِكْرُ أَسْوَدَ بْنِ أَصْرَمَ الْمُحَارِبِيِّ وَالدَّلِيلُ عَلَى نُزُولِهِ دَارِيَّا قَطَائِعُ لَهُ بِهَا، تُعْرَفُ بِهِ إِلَى الْيَوْمِ رَوَى عَنْهُ سُلَيْمَانُ بْنُ حَبِيبٍ الْمُحَارِبِيُّ قَاضِي الْخُلَفَاءِ، وَهُوَ مِمَّنْ نَزَلَ دَارِيَّا وَلَهُ بِهَا أَوْقَافٌ تَجْرِي عَلَى مَسَاكِينِهَا إِلَى وَقْتِنَا هَذَا
আসওয়াদ ইবন আসরাম আল-মুহারিবীর আলোচনা এবং দরিয়াতে তাঁর বসতি স্থাপনের প্রমাণ; সেখানে তাঁর এমন কিছু জায়গির রয়েছে যা আজও তাঁর নামে পরিচিত। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন খুলাফাদের বিচারক সুলাইমান ইবন হাবিব আল-মুহারিবী, যিনি দরিয়াতে বসতি স্থাপনকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং সেখানে তাঁর এমন কিছু ওয়াকফ রয়েছে যা আমাদের বর্তমান সময় পর্যন্ত সেখানকার অভাবীদের কল্যাণে চলমান আছে।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٤)
قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَارِثِ أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْبَرْقِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَسْوَدُ بْنُ أَصْرَمَ الْمُحَارِبِيُّ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَوْصِنِي قَالَ: «تَمْلُكْ يَدَيْكَ؟» ، قَالَ: قُلْتُ: فَمَاذَا أَمْلِكُ إِذَا لَمْ أَمْلِكْ يَدَيَّ؟ قَالَ: «تَمْلِكُ لِسَانَكَ؟» قُلْتُ: فَمَاذَا أَمْلِكُ إِذَا لَمْ أَمْلِكْ لِسَانِي؟ قَالَ: «فَلَا تَبْسِطْ يَدَكَ إِلَّا إِلَى خَيْرٍ، وَلَا تَقُلْ بِلِسَانِكَ إِلَّا مَعْرُوفًا» قَالَ أَبُو عَلِيٍّ: وَأَقُولُ: إِنِّي مَا عَلِمْتُ لِأَسْوَدَ بْنِ أَصْرَمَ مِنْ حَدِيثٍ مُسْنَدٍ غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ، وَلَا عَلِمْتُ أَنَّ أَحَدًا مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ رَوَى عَنْهُ غَيْرَ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ الْمُحَارِبِيَّ، ⦗ص: 35⦘ وَاللَّهُ أَعْلَمُ
তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-হারিস আহমদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহিম আল-বারকি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমর বিন আবি সালামা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাদাকাহ বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, উবাইদুল্লাহ বিন আলী থেকে, তিনি সুলাইমান বিন হাবিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আসওয়াদ বিন আসরাম আল-মুহারিবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: «তুমি কি তোমার হাত দুটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পার?» তিনি বলেন: আমি বললাম: আমি যদি আমার হাত দুটিকেই নিয়ন্ত্রণ না করি তবে আর কিসের মালিক হলাম? তিনি বললেন: «তুমি কি তোমার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পার?» আমি বললাম: আমি যদি আমার জিহ্বাকেই নিয়ন্ত্রণ না করি তবে আর কিসের মালিক হলাম? তিনি বললেন: «অতএব তুমি কল্যাণের কাজ ছাড়া তোমার হাত প্রসারিত করবে না এবং তোমার জিহ্বা দিয়ে সৎ কথা ছাড়া আর কিছু বলবে না।» আবু আলী বলেন: আর আমি বলছি: আসওয়াদ বিন আসরামের এই হাদিসটি ছাড়া অন্য কোনো মুসনাদ হাদিস সম্পর্কে আমি অবগত নই, এবং আমি জানি না যে জ্ঞানীদের মধ্যে সুলাইমান বিন হাবিব আল-মুহারিবি ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৫⦘ এবং আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٥)
‌‌ذِكْرُ قَيْسِ بْنِ عَبَايَةَ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عُبَيْدٍ الْخَوْلَانِيِّ مِنْ خَوْلَانَ قُضَاعَةَ، حَلِيفُ بَنِي حَارِثَةَ بْنِ الْحَارِثِ مِنَ الْأَوْسِ: شَهِدَ بَدْرًا وَهُوَ حَدَثُ السِّنِّ، وَشَهِدَ فُتُوحَ الشَّامِ مَعَ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ وَهُوَ كَهْلٌ يَسْتَشِيرُهُ أَبُو عُبَيْدَةَ فِي أُمُورِهِ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ: هُوَ قَيْسُ بْنُ عَبَايَةَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْبَدْرِيُّ، تُوُفِّيَ فِي إِمَارَةِ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
খাওলান কুযাআহ গোত্রের কায়স ইবনে আবায়াহ ইবনে উবায়দ ইবনে আল-হারিস ইবনে উবায়দ আল-খাওলানি-এর বিবরণ, যিনি আওস গোত্রের বনু হারিসাহ ইবনে আল-হারিসের মিত্র ছিলেন: তিনি অল্প বয়সে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রৌঢ় বয়সে আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ-এর সাথে সিরিয়া বিজয়ে উপস্থিত ছিলেন; আবু উবায়দাহ তাঁর সাথে নিজের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করতেন। আবদুর রহমান ইবনে ইবরাহিম বলেন: তিনি হলেন কায়স ইবনে আবায়াহ আবু মুহাম্মাদ আল-বাদরি; তিনি মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনকালে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٥)
قَالَ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ سَهْلٍ الْخَرَايِطِيُّ، حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عَبَايَةَ، عَنِ ابْنٍ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، قَالَ: ⦗ص: 36⦘ سَمِعَنِي أَبِي وَأَنَا أَقْرَأُ: {بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ} [الفاتحة: 1] فَقَالَ: " أَيْ بُنَيَّ، إِنِّي صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ، فَلَمْ أَسْمَعْ أَحَدًا يَقْرَأُ بِهَا، إِذَا أَنْتَ قَرَأْتَ فَقُلِ: {الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ} [الفاتحة: 2] " قَالَ: وَمِنْ وَلَدِ قَيْسِ بْنِ عَبَايَةَ جَمَاعَةٌ بِدَارِيَّا إِلَى يَوْمِنَا هَذَا
তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন জাফর ইবন সাহল আল-খারাইতি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সা’দান ইবন নাসর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন উলাইয়্যাহ আল-জুরায়রী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি কায়স ইবন আবায়াহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফালের এক পুত্র থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ আমার পিতা আমাকে শুনলেন যখন আমি পাঠ করছিলাম: {বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম} [আল-ফাতিহা: ১], তখন তিনি বললেন: "হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর এবং উমরের সাথে সালাত আদায় করেছি, কিন্তু আমি তাঁদের কাউকে এটি (উচ্চস্বরে) পাঠ করতে শুনিনি। সুতরাং তুমি যখন পাঠ করবে, তখন বলবে: {আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন} [আল-ফাতিহা: ২]।" তিনি বলেন: আর কায়স ইবন আবায়াহ-র বংশধরদের একটি দল আজ অবধি দারিয়া অঞ্চলে বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٦)
‌‌ذِكْرُ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ وَاسْمُهُ جُرْثُومُ بْنُ نَاشِرٍ وَالدَّلِيلُ عَلَى نُزُولِهِ دَارِيَّا وَمُقَامِهِ بِهَا
আবু সা’লাবা আল-খুশানীর বিবরণ, তাঁর নাম জুরসুম ইবন নাশির এবং দারায়াতে তাঁর আগমন ও সেখানে তাঁর অবস্থানের প্রমাণ
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٦)
حَدِيثُ ابْنِ جَابِرٍ، عَنْ عُمَيْرِ بْنِ هَانِئٍ الْعَنْسِيِّ حَيْثُ يَقُولُ: ⦗ص: 37⦘ " كُنَّا بِدَارِيَّا فِي الْمَسْجِدِ مَعَنَا أَبُو ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيُّ صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، مَعَ مَنْ رَوَى عَنْهُ مِنْ أَهْلِ دَارِيَّا
ইবনে জাবিরের হাদীস, উমায়ের ইবনে হানি আল-আনসী হতে বর্ণিত, যেখানে তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ "আমরা দারিয়ায় মসজিদে ছিলাম, আমাদের সাথে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী আবু ছালাবা আল-খুশানি ছিলেন এবং তাদের সাথে তারা ছিলেন যারা দারিয়ার অধিবাসীদের মধ্য থেকে তাঁর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।"
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٧)
وَأَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: «غَزَا أَبُو ثَعْلَبَةَ الْقُسْطَنْطِينِيَّةَ مَعَ يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ» وَقِيلَ: إِنَّ أَبَا ثَعْلَبَةَ كَانَ يَسْكُنُ بِقَرْيَةِ الْبَلَاطِ وَأَنَّ مِنْ وَلَدِهِ " ⦗ص: 38⦘

قَوْمًا بِهَا إِلَى هَذَا الْيَوْمِ. قَالَ أَبُو عَلِيٍّ: وَأَرَى أَنَّ وَلَدَهُ انْتَقَلُوا مِنْ دَارِيَّا فَسَكَنُوا الْبَلَاطَ، لِأَنَّ حَدِيثَ ابْنِ جَابِرٍ، عَنْ عُمَيْرِ بْنِ هَانِئٍ مَشْهُورٌ مَعْرُوفٌ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
এবং আমাদেরকে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর সংবাদ দিয়েছেন, আবু যুরআ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আবু সা'লাবা পঞ্চান্ন হিজরি সনে ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার সাথে কনস্টান্টিনোপল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।" এবং বলা হয়েছে যে, আবু সা'লাবা বালাত গ্রামে বসবাস করতেন এবং তাঁর সন্তানদের মধ্য হতে ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘

একদল লোক আজ অবধি সেখানে বিদ্যমান। আবু আলী বলেন: আমি মনে করি তাঁর সন্তানেরা দারিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে বালাতে বসতি স্থাপন করেছিলেন, কারণ উমায়ের ইবনে হানি থেকে বর্ণিত ইবনে জাবিরের হাদিসটি আলেমদের নিকট অত্যন্ত প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٨)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: سَأَلْتُ بَعْضَ وَلَدِ أَبِي ثَعْلَبَةَ عَنِ اسْمِ أَبِي ثَعْلَبَةَ، فَقَالَ: «نَاشِرُ بْنُ جُرْثُومٍ»
আহমদ বিন সুলাইমান আল-কাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সা’লাবার জনৈক সন্তানকে আবু সা’লাবার নাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: «নাশির বিন জুরসুম»।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٨)
‌‌ذِكْرُ بَكْرِ بْنِ زُرْعَةَ الْخَوْلَانِيِّ مِنْ أَهْلِ دَارِيَّا
দারিয়ার অধিবাসী বকর ইবনে জুরআহ আল-খাওলানির বর্ণনা
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٨)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَنْسِيُّ الدَّارَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَوْفٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ بَكْرِ بْنِ زُرْعَةَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَزْدِيِّ، قَالَ: جَاءَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ قُرْطٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا اسْمُكَ؟» قَالَ: شَيْطَانُ بْنُ قُرْطٍ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَنْتَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ قُرْطٍ»
মুহাম্মাদ বিন হারুন বিন আব্দুর রহমান আল-আনসি আদ-দারানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুসা বিন মুহাম্মাদ বিন আবি আউফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমার পিতা বকর বিন যুরআহ আল-খাওলানি থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসলিম বিন আব্দুল্লাহ আল-আযদি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন কুরত নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন: «তোমার নাম কী?» তিনি বললেন: শয়তান বিন কুরত। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: «তুমি আব্দুল্লাহ বিন কুরত»।
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٨)
‌‌ذِكْرُ كُلْثُومِ بْنِ زِيَادٍ الْمُحَارِبِيِّ
কুলসুম ইবনে যিয়াদ আল-মুহারিবীর বর্ণনা
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٨)
قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ شُعَيْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ ⦗ص: 39⦘ حَمَّادٍ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْخَلِيلِ الْخُشَنِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يَحْيَى الْخُشَنِيُّ، حَدَّثَنَا كُلْثُومُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيِّ، قَالَ: «مَنْ صَبَرَ نَفْسَهُ عَلَى الْأَذَى لَمْ يَجِدْ لِلْأَذَى مَسًّا»
তিনি বললেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন হারুন বিন শুআইব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট মুহাম্মদ বিন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৯⦘ হাম্মাদ আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট মুহাম্মদ বিন আল-খালিল আল-খুশানি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হাসান বিন ইয়াহইয়া আল-খুশানি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট কুলসুম বিন জিয়াদ বর্ণনা করেছেন, আবু মুসলিম আল-খাওলানি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি কষ্টের ওপর নিজেকে ধৈর্যশীল রাখে, সে কষ্টের স্পর্শ অনুভব করবে না।"
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٩)
قَالَ: وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْخَلِيلٍ الْخُشَنِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يَحْيَى الْخُشَنِيُّ، حَدَّثَنَا كُلْثُومُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيِّ، قَالَ: «نَوْمُ الصَّائِمِ تَسْبِيحٌ، وَأَيْنَ الصَّائِمُ إِلَّا مَنْ لَزِمَ الصَّمْتَ وَأَقَلَّ مِنْ فُضُولِ الْكَلَامِ؟»
তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন হারুন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন হাম্মাদ আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনুল খলীল আল-খুশানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন ইয়াহইয়া আল-খুশানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুলসুম ইবন যিয়াদ, আবু মুসলিম আল-খাওলানি হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: «রোজাদারের ঘুম হলো তাসবীহ, আর সেই ব্যক্তি ব্যতীত প্রকৃত রোজাদার আর কে আছে যে নীরবতা অবলম্বন করে এবং অনর্থক কথাবার্তা কমিয়ে দেয়?»
(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٣٩)
قَالَ: حَدَّثَنَا عَوْنُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا كُلْثُومُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: خَرَجْتُ غَازِيًا، فَلَمَّا مَرَرْتُ بِحِمْصَ دَخَلْتُ إِلَى سُوقِهَا أَشْتَرِي مَا لَا غِنًى بِالْمُسَافِرِ عَنْهُ، فَلَمَّا نَظَرْتُ إِلَى بَابِ الْمَسْجِدِ قُلْتُ: لَوْ أَنِّي دَخَلْتُ فَرَكَعْتُ رَكْعَتَيْنِ، فَلَمَّا دَخَلْتُ نَظَرْتُ إِلَى ثَابِتِ بْنِ مَعْبَدٍ، وَابْنِ أَبِي زَكَرِيَّا، وَمَكْحُولٍ - وَلَيْسَ مَكْحُولَنَا هَذَا ⦗ص: 40⦘ فِي نَفَرٍ مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ، فَلَمَّا رَأَيْتُهُمْ أَتَيْتُهُمْ فَجَلَسْتُ إِلَيْهِمْ، فَتَحَدَّثْنَا شَيْئًا، ثُمَّ قَالُوا: إِنَّا نُرِيدُ أَبَا أُمَامَةَ، فَقَامُوا وَقُمْتُ مَعَهُمْ حَتَّى دَخَلْنَا عَلَيْهِ، فَإِذَا شَيْخٌ قَدْ رَقَّ وَكَبِرَ، فَإِذَا عَقْلُهُ وَمَنْطِقُهُ أَفْضَلُ مِمَّا تَرَى مِنْ مَنْظَرِهِ، فَقَالَ فِي أَوَّلِ مَا حَدَّثَنَا: " إِنَّ مَجْلِسَكُمْ هَذَا مِنْ بَلَاغِ اللَّهِ إِيَّاكُمْ وَحُجَّتِهِ عَلَيْكُمْ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ بَلَّغَ مَا أُرْسِلَ بِهِ، وَإِنَّ أَصْحَابَهُ قَدْ بَلَّغُوا مَا سَمِعُوا، فَبَلِّغُوا مَا تَسْمَعُونَ: ثَلَاثَةٌ كُلُّهُمْ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ حَتَّى يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ يُرْجِعَهُ بِمَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ وَغَنِيمَةٍ: فَاصِلٌ فَصَلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ حَتَّى يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ يُرْجِعَهُ بِمَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ وَغَنِيمَةٍ، وَرَجُلٌ تَوَضَّأَ ثُمَّ عَمَدَ إِلَى الْمَسْجِدِ فَهُوَ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ حَتَّى يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ يُرْجِعَهُ بِمَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ وَغَنِيمَةٍ، وَرَجُلٌ دَخَلَ بَيْتَهُ بِسَلَامٍ " قَالَ: ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ فِي جَهَنَّمَ جِسْرًا لَهُ سَبْعُ قَنَاطِرَ، عَلَى أَوْسَطِهِنَّ الْقَضَاءُ، فَيُجَاءُ بِالْعَبْدِ حَتَّى إِذَا انْتُهِيَ إِلَى الْقَنْطَرَةِ الْوُسْطَى» قِيلَ لَهُ: مَاذَا عَلَيْكَ مِنَ ⦗ص: 41⦘ الدَّيْنِ؟ قَالَ: " فَيَحْبِسُهُ، ثُمَّ تَلَا هَذِهِ الْآيَةَ: {وَلَا يَكْتُمُونَ اللَّهَ حَدِيثًا} [النساء: 42] "، قَالَ: " فَيَقُولُ: يَا رَبِّ، عَلَيَّ كَذَا وَكَذَا، قَالَ: " فَيُقَالُ: اقْضِ دَيْنَكَ "، قَالَ: " فَيَقُولُ: مَا لِي شَيْءٌ، مَا أَدْرِي مَا أَقْضِي بِهِ "؟ قَالَ: " فَيُقَالُ: خُذُوا مِنْ حَسَنَاتِهِ "، قَالَ: " فَمَا يَزَالُ يُؤْخَذُ مِنْ حَسَنَاتِهِ حَتَّى مَا يَبْقَى لَهُ حَسَنَةٌ، فَإِذَا فَنِيَتْ حَسَنَاتُهُ قِيلَ لَهُ: قَدْ فَنِيَتْ حَسَنَاتُكَ "، قَالَ: " فَيُقَالُ: خُذُوا مِنْ سَيِّئَاتِ مَنْ يَطْلُبُهُ فَرَكِّبُوا عَلَيْهِ "، قَالَ: «فَلَقَدْ بَلَغَنِي أَنَّ رِجَالًا يَجِيئُونَ بِأَمْثَالِ الْجِبَالِ مِنَ الْحَسَنَاتِ، فَمَا يَزَالُ يُؤْخَذُ لِمَنْ يَطْلُبُهُمْ حَتَّى مَا يَبْقَى لَهُمْ حَسَنَةٌ» ، قَالَ: «ثُمَّ تُرَكَّبُ عَلَيْهِمْ سَيِّئَاتُ مَنْ يَطْلُبُهُمْ حَتَّى يُرَدَّ عَلَيْهِمْ أَمْثَالُ الْجِبَالِ» ، قَالَ: " وَسَمِعْتُهُ يَوْمَئِذٍ يَتَقَدَّمُ فِي الْكَذِبِ تَقَدُّمًا مَا سَمِعْتُ وَاعِظًا قَطُّ يَتَقَدَّمَهُ، حَتَّى إِنْ كُنْتُ لَأَقُولُ: لَقَدْ بَلَغَ هَذَا الشَّيْخُ مِنْ كَذِبِ النَّاسِ شَيْئًا مَا أَدْرِي مَا هُوَ "، ثُمَّ قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ، وَالْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ، وَعَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ، وَالْبِرَّ يَهْدِي إِلَى ⦗ص: 42⦘ الْجَنَّةِ» قَالَ: فَبَيْنَمَا هُوَ يُحَدِّثُنَا إِذْ عَقَدَ ثُمَّ قَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ، لَأَنْتُمْ أَضَلُّ مِنْ أَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ، إِنَّ اللَّهَ جَعَلَ لِأَحَدِكُمُ الدِّينَارَ يُنْفِقُهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ جَلَّ وَعَزَّ بِسَبْعِمِائَةِ دِينَارٍ، وَالدِّرْهَمُ بِسَبْعِمِائَةِ دِرْهَمٍ، ثُمَّ إِنَّكُمْ صَارُّونَ مُمْسِكُونَ أَمَا وَاللَّهِ لَقَدْ فُتِحَتِ الْفُتُوحُ بِسُيُوفٍ مَا حِلْيَتُهَا الذَّهَبُ وَالْفِضَّةُ، وَلَكِنْ حِلْيَتُهَا الْعَلَابِيُّ وَالْآنُكُ وَالْحَدِيدُ» وَكُلْثُومُ بْنُ زِيَادٍ كَانَ كَاتِبًا لِسُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ الْمُحَارِبِيِّ، وَلِيَ الْقَضَاءَ بَعْدَ مَوْتِ سُلَيْمَانَ، وَكَانَ فَاضِلًا خِيَارًا

তিনি বলেন: আউন ইবনুল হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বকর বিন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুলসুম বিন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন হাবিব থেকে, তিনি বলেন: আমি যোদ্ধা হিসেবে বের হলাম। যখন আমি হিমস অতিক্রম করছিলাম, তখন তার বাজারে প্রবেশ করলাম এমন কিছু কিনতে যা একজন মুসাফিরের জন্য অপরিহার্য। যখন আমি মসজিদের দরজার দিকে তাকালাম, মনে মনে বললাম: যদি আমি প্রবেশ করে দুই রাকাত নামাজ পড়তাম! যখন আমি প্রবেশ করলাম, আমি সাবিত বিন মাবাদ, ইবনে আবি জাকারিয়া এবং মাকহুলকে দেখতে পেলাম - এই মাকহুল আমাদের মাকহুল নন ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ - দামেস্কের একদল লোকের সাথে। আমি যখন তাদের দেখলাম, তাদের নিকট আসলাম এবং তাদের সাথে বসলাম। আমরা কিছুক্ষণ কথা বললাম, তারপর তারা বলল: আমরা আবু উমামার নিকট যেতে চাই। তারা উঠে দাঁড়াল এবং আমিও তাদের সাথে দাঁড়ালাম, যতক্ষণ না আমরা তাঁর কাছে প্রবেশ করলাম। দেখলাম তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ, শরীর জীর্ণ ও বার্ধক্যে উপনীত হয়েছেন, তবে তাঁর প্রজ্ঞা এবং কথা তাঁর বাহ্যিক অবয়ব অপেক্ষা অধিক শ্রেষ্ঠ ছিল। তিনি আমাদের কাছে যা বর্ণনা করলেন তাঁর শুরুতে বললেন: "তোমাদের এই মজলিস আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট পৌঁছে দেওয়া একটি বার্তা এবং তোমাদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রমাণ (হুজ্জাত)। কারণ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছিলেন তা পৌঁছে দিয়েছেন, এবং তাঁর সাহাবীগণ যা শুনেছিলেন তা পৌঁছে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যা শুনছ তা পৌঁছে দাও: তিনজন ব্যক্তি এমন যাদের প্রত্যেকেই আল্লাহর জিম্মায় রয়েছেন, যতক্ষণ না তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান অথবা তাকে যা সওয়াব ও গনিমত সে অর্জন করেছে তা সহ ফিরিয়ে দেন: এমন এক ব্যক্তি যে আল্লাহর পথে বের হয়েছে, সে আল্লাহর জিম্মায় রয়েছে যতক্ষণ না তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান অথবা তাকে যা সওয়াব ও গনিমত সে অর্জন করেছে তা সহ ফিরিয়ে দেন। এমন এক ব্যক্তি যে অজু করেছে তারপর মসজিদের দিকে ইচ্ছা করেছে, সে আল্লাহর জিম্মায় রয়েছে যতক্ষণ না তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান অথবা তাকে যা সওয়াব ও গনিমত সে অর্জন করেছে তা সহ ফিরিয়ে দেন। আর এমন এক ব্যক্তি যে সালামের সাথে নিজ ঘরে প্রবেশ করল।" তিনি বলেন: এরপর তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই জাহান্নামে একটি সেতু রয়েছে যার সাতটি খিলান আছে। তাদের মধ্যবর্তী খিলানে রয়েছে ফয়সালা (বিচার)। সুতরাং বান্দাকে আনা হবে এবং যখন সে মধ্যবর্তী খিলানের নিকট পৌঁছাবে" তাকে বলা হবে: ⦗পৃষ্ঠা: ৪১⦘ তোমার ওপর ঋণের কী দায় রয়েছে? তিনি বললেন: "অতঃপর তাকে আটকে দেওয়া হবে, তারপর তিনি এই আয়াত তেলাওয়াত করলেন: {এবং তারা আল্লাহর নিকট কোনো কথা গোপন করতে পারবে না} [সূরা নিসা: ৪২]"। তিনি বললেন: "সে বলবে: হে আমার রব, আমার ওপর অমুক অমুক ঋণ রয়েছে। তিনি বললেন: তখন বলা হবে: তোমার ঋণ শোধ করো। তিনি বললেন: তখন সে বলবে: আমার তো কিছু নেই, আমি জানি না কী দিয়ে শোধ করব? তিনি বললেন: তখন বলা হবে: তার নেক আমল থেকে নিয়ে নাও। তিনি বললেন: ক্রমাগত তার নেক আমল থেকে নেওয়া হতে থাকবে যতক্ষণ না তার কোনো নেক আমল অবশিষ্ট থাকবে। যখন তার নেক আমল শেষ হয়ে যাবে, তাকে বলা হবে: তোমার নেক আমল শেষ হয়ে গেছে।" তিনি বললেন: "অতঃপর বলা হবে: যারা তার পাওনাদার তাদের গুনাহগুলো নাও এবং তার ওপর চাপিয়ে দাও।" তিনি বললেন: "আমার কাছে পৌঁছেছে যে, কিছু লোক পাহাড় পরিমাণ নেক আমল নিয়ে আসবে, অতঃপর তাদের পাওনাদারদের জন্য তাদের থেকে নিতে থাকা হবে যতক্ষণ না তাদের কোনো নেক আমল অবশিষ্ট থাকবে।" তিনি বললেন: "অতঃপর তাদের ওপর তাদের পাওনাদারদের গুনাহগুলো চাপিয়ে দেওয়া হবে, এমনকি শেষ পর্যন্ত পাহাড়ের ন্যায় গুনাহ তাদের ওপর চাপিয়ে ফেরত দেওয়া হবে।" তিনি বলেন: "সেদিন আমি তাকে মিথ্যা বলার বিরুদ্ধে এমন কঠোর হুশিয়ারি দিতে শুনেছি যা আগে কখনও কোনো ওয়ায়েজ বা উপদেশদাতার কাছ থেকে শুনিনি। এমনকি আমি মনে মনে বলছিলাম: এই বৃদ্ধ মানুষটি মানুষের মিথ্যার বিষয়ে এমন কিছু জানেন যা আমি জানি না।" অতঃপর তিনি বললেন: "তোমরা মিথ্যা থেকে বেঁচে থাকো, কেননা মিথ্যা পাপাচারের দিকে নিয়ে যায় এবং পাপাচার আগুনের (জাহান্নামের) দিকে নিয়ে যায়। আর তোমরা সত্যকে আঁকড়ে ধরো, কেননা সত্য নেক কাজের দিকে নিয়ে যায় এবং নেক কাজ ⦗পৃষ্ঠা: ৪২⦘ জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়।" তিনি বলেন: যখন তিনি আমাদের সাথে কথা বলছিলেন, তখন তিনি একটি গিঁট পাকালেন এবং বললেন: "হে লোকসকল! তোমরা তো জাহেলিয়াতের যুগের লোকদের চেয়েও বেশি পথভ্রষ্ট। আল্লাহ তোমাদের কাউকে একটি দিনার দিয়েছেন যা সে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পথে ব্যয় করলে সাতশ দিনারের সওয়াব পাবে, আর একটি দিরহামের বিনিময়ে সাতশ দিরহাম। এরপরও তোমরা তা শক্ত করে ধরে রাখো এবং কৃপণতা করো। সাবধান! আল্লাহর কসম, বিজয়সমূহ অর্জিত হয়েছিল এমন সব তরবারির মাধ্যমে যার অলঙ্কার সোনা বা রুপা ছিল না, বরং তার কারুকাজ ছিল পশুর চামড়া, সীসা এবং লোহার।" আর কুলসুম বিন যিয়াদ ছিলেন সুলায়মান বিন হাবিব আল-মুহারিবির লেখক। সুলায়মানের মৃত্যুর পর তিনি বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ ও নেককার ব্যক্তি ছিলেন।

(খণ্ড: ১) তারিখু দারিয়া - আব্দুল জাব্বার আল খাওলানি (পৃষ্ঠা: ٤٢)
‌‌ذِكْرُ الْأَسْوَدِ بْنِ بِلَالٍ الْمُحَارِبِيِّ
আল-আসওয়াদ ইবনে বিলাল আল-মুহারিবির বর্ণনা