(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: -)
فوائد أبي يعلى الخليلي القسم: كتب السنة
الكتاب: فوائد أبي يعلى الخليلي
المؤلف: أبو يعلى الخليلي، خليل بن عبد الله بن أحمد بن إبراهيم بن الخليل القزويني (ت 446هـ)
دراسة وتحقيق: أبي مصعب طلعت بن فؤاد الحلواني
الناشر: دار ماجد عسيري، جدة - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2001 م
عدد الصفحات: 69
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু ইয়ালা আল-খালিলীর ফাওয়াইদ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু ইয়ালা আল-খালিলীর ফাওয়াইদ
লেখক: আবু ইয়ালা আল-খালিলী, খলীল বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইবরাহীম বিন আল-খালীল আল-কাযভীনি (মৃত্যু ৪৪৬ হি.)
গবেষণা ও সম্পাদনা: আবু মুসআব তালাত বিন ফুয়াদ আল-হালওয়ানি
প্রকাশক: দার মাজিদ আসিরি, জেদ্দা - সৌদি আরব সাম্রাজ্য
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরী - ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৯
[কিতাবের পৃষ্ঠা বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ قَاضِي الْقُضَاةِ نِظُامُ الدِّينِ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ الْإِمَامِ قَاضِي الْقُضَاةِ تَقِيُّ الدِّينِ أَبِي إِسْمَاعِيلَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُفْلِحٍ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُحِبِّ إِجَازَةً، وَأَنَا فِي الْخَامِسَةِ قَالَ: أَخْبَرَتْنَا الشَّيْخَةُ الْمُسْنِدَةُ الصَّالِحَةُ أُمِّ مُحَمَّدٍ سِتُّ الْفُقَهَاءِ بِنْتُ الشَّيْخِ تَقِيِّ الدِّينِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَضْلٍ الْوَاسِطِيِّ سَمَاعًا عَلَيْهَا قَالَتْ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الْهَمَدَانِيُّ إِجَازَةً: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ السَّلَفِيُّ الْأَصْبَهَانِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ فِي يَوْمِ السَّبْتِ الرَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ مُحَرَّمِ سَنَةِ اثْنَيْنِ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ بِالْإِسْكَنْدَرِيَّةِ قَالَ: أَخْبَرَنِي الْقَاضِي أَبُو الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَالِكِيُّ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ فِي صَفَرَ سَنَةَ إِحْدَى وَخَمْسِمِائَةٍ قَالَ: ⦗ص: 36⦘ أبنا أَبُو يَعْلَى الْخَلِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْخَلِيلِيُّ الْحَافِظُ قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِمْرَانَ بْنِ الْجَنَدِيِّ بِبَغْدَادَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْعِرْنِينِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: لَمَّا ثَقُلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ: «ائْتِنِي بِلَوْحٍ أَكْتُبُ لِأَبِي بَكْرٍ كِتَابًا لَا يُخْتَلَفُ عَلَيْهِ» ، قَالَتْ: فَلَمَّا ذَهَبَ لِيَقُومَ قَالَ: «أَبَى اللَّهُ وَالْمُؤْمِنُونَ أَنْ يُخْتَلَفَ عَلَيْكَ يَا أَبَا بَكْرٍ» لَمْ يَرْوِهِ إِلَّا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَهُوَ ثِقَةٌ، مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
১ - আমাদের অবহিত করেছেন শাইখ, ইমাম, প্রধান বিচারপতি নিযামুদ্দীন আবু হাফস উমর বিন ইমাম প্রধান বিচারপতি তাকিউদ্দীন আবি ইসমাঈল ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন মুফলিহ আল-মাকদিসী আল-হাম্বলী, তিনি বলেন: ইমাম হাফিয আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আল-মুহিব্ব ইজাযাতান (অনুমতিক্রমে) আমাদের অবহিত করেছেন—তখন আমার বয়স ছিল পাঁচ বছর—তিনি বলেন: শাইখা, মুসনিদাহ (সনদ সংরক্ষণকারী), পুণ্যবতী উম্মে মুহাম্মদ সিত্তুল ফু কাহা বিনতে শাইখ তাকিউদ্দীন ইবরাহীম বিন আলী বিন আহমদ বিন ফজল আল-ওয়াসিতী তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: শাইখ আবু আল-ফজল জাফর বিন আলী বিন হিবাতুল্লাহ আল-হামদানী ইজাযাতান আমাদের অবহিত করেছেন: হাফিয আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সালাফী আল-আসবাহানী ৫৭২ হিজরী সনের ২৪শে মুহাররম শনিবার আলেকজান্দ্রিয়ায় তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: কাযী আবুল ফাতহ ইসমাঈল বিন আব্দুল জাব্বার বিন মুহাম্মদ আল-মালিকী ৫০১ হিজরী সনের সফর মাসে তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে শ্রবণের ভিত্তিতে আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ আমাদের অবহিত করেছেন আবু ইয়ালা আল-খলীল বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-খলীলী আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইমরান বিন আল-জানাদী ৩৮৮ হিজরীতে বাগদাদে, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাবী, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মানী‘, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন আবিল ইরনীন, তিনি ইবনে আবী মুলাইকা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অসুস্থতা প্রবল হলো, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবু বকরকে বললেন: “আমার কাছে একটি ফলক নিয়ে এসো যেন আমি আবু বকরের জন্য একটি লিপি লিখে দিতে পারি যাতে তাঁর ব্যাপারে কোনো মতভেদ না হয়।” আয়েশা (রা.) বলেন: অতঃপর তিনি যখন দাঁড়াতে উদ্যত হলেন, তখন নবীজি বললেন: “আল্লাহ এবং মুমিনগণ আপনার ব্যাপারে মতভেদ করতে অস্বীকার করেন, হে আবু বকর।” এটি কেবল আবু মুয়াবিয়াই বর্ণনা করেছেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য, (তাঁর নির্ভরযোগ্যতার বিষয়ে) সকলে একমত।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
2 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ لَالٍ الْحَافِظُ بِهَمْدَانَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ جُمْهُورٍ، بِبَغْدَادَ، ثنا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ النُّمَيْرِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَفْضَلُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ» هَذَا غَلَطٌ فَاحِشٌ جِدًّا مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ، وَإِنَّمَا ⦗ص: 38⦘ رَوَى عَبْدُ الرَّحْمَنِ هَذَا عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَابْنُ جُمْهُورٍ هَذَا ضَعِيفٌ جِدًّا، سَأَلْتُ عَنْهُ ابْنَ أَبِي زُرْعَةَ وَابْنَ لَالٍ، وَرَوَيَا عَنْهُ فَضَعَّفَاهُ جِدًّا، فَأَمَّا مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، فَتَفَرَّدَ بِهِ مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ الْقَصَّارُ الْكُوفِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَاهُ جَدِّي وَالْقَاسِمُ بْنُ عَلْقَمَةَ الْأَبْهَرِيُّ، قَالَا: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ الرَّازِيُّ، ثنا زَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّائِغُ بِبَغْدَادَ، ثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ بِهِ. وَيُقَالُ: إِنَّ مُعَاوِيَةَ أَخْطَأَ فِيهِ، وَتَابَعَهُ نَصْرُ بْنُ مُزَاحِمٍ وَهُوَ لَيِّنٌ، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِيهِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ لَالٍ الْحَافِظُ بِهَمْدَانَ، ثنا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ بِأَرْدَبِيلَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ الْعَامِرِيُّ بِالْكُوفَةِ، ثنا نَصْرُ بْنُ مُزَاحِمٍ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
২ - আমাদের নিকট হামাদানে আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন লাল আল-হাফিয বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাগদাদে আহমাদ বিন আলী বিন জুমহুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমর বিন শাব্বাহ আন-নুমাইরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন মাহদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি থেকে, তিনি উসমান বিন আফফান (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অন্যকে শিক্ষা দেয়» এটি আব্দুর রহমানের সুফিয়ান থেকে বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুতর ভুল। মূলত ⦗পৃষ্ঠা: ৩৮⦘ আব্দুর রহমান এটি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আলকামাহ বিন মারসাদ থেকে, তিনি আবু আব্দুর রহমান থেকে। আর এই ইবনে জুমহুর অত্যন্ত দুর্বল; আমি তাঁর সম্পর্কে ইবনে আবি যুরআহ এবং ইবনে লালকে জিজ্ঞাসা করেছি এবং তাঁরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ও তাঁকে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন। আর সুফিয়ানের আব্দুল মালিক থেকে বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে মুয়াবিয়া বিন হিশাম আল-কাসসার আল-কুফি সুফিয়ান থেকে এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন। এটি আমাদের নিকট আমার দাদা এবং আল-কাসিম বিন আলকামাহ আল-আবহারি বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন আবি হাতিম আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাগদাদে জায়েদ বিন ইসমাইল আস-সাইগ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুয়াবিয়া বিন হিশাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে এই সনদে। এবং বলা হয় যে, মুয়াবিয়া এতে ভুল করেছেন। নাসর বিন মুযাহিমও তাঁর অনুসরণ করেছেন এবং তিনি শিথিল, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি আমার নিকট হামাদানে আহমাদ বিন আলী বিন লাল আল-হাফিয বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আরদাবিলে হাফস বিন উমর আল-হাফিয বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কুফায় মুহাম্মদ বিন আলী বিন আফফান আল-আমিরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট নাসর বিন মুযাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরি বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক থেকে তাঁর সনদের অনুরূপ।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبِي رَجَاءٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ جُمُعَةَ بْنِ زُهَيْرٍ، ثنا هَارُونُ بْنُ هَزَارِيٍّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَزَّةَ، قَالَ: " أَوْصَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ حُمْرَانَ، فَقَالَ: يَا حُمْرَانُ لَا تُنْكِرْ وَلَدًا لَكَ فِي الدُّنْيَا فَيَفْضَحَكَ اللَّهُ عَلَى رُءُوسِ الْأَشْهَادِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَا تَلْقَ اللَّهَ بِأَمَانَةٍ لَيْسَ عِنْدَكَ أَدَاؤُهَا، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَكَ حَسَنَاتٌ أُخِذَ مِنْ سَيِّئَاتِ هَذَا فَجُعِلَتْ عَلَى سَيِّئَاتِكَ، وَلَا تَدَعَنَّ رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ، فَإِنَّ فِيهَا الرَّغَائِبَ "
৩ - আহমাদ ইবনে আলী ইবনে উমর ইবনে আবি রাজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে জুমুআ ইবনে জুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে হাজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে দীনার থেকে, আল-কাসিম ইবনে আবি বাজযাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আবদুল্লাহ ইবনে উমর হুমরানকে উপদেশ প্রদান করে বললেন: হে হুমরান! দুনিয়াতে তোমার কোনো সন্তানকে অস্বীকার করো না, অন্যথায় কিয়ামতের দিন আল্লাহ তোমাকে সকল সাক্ষীর সামনে লাঞ্ছিত করবেন। আর এমন কোনো আমানত নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করো না যা আদায় করার সক্ষমতা তোমার নেই; কেননা যদি তোমার কোনো নেকি না থাকে, তবে এই ব্যক্তির গুনাহসমূহ গ্রহণ করে তোমার গুনাহের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হবে। আর ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) কখনো ত্যাগ করো না, কারণ তাতে রয়েছে কাঙ্ক্ষিত মহান প্রতিদান।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪০)
4 - حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ السَّرِيِّ بْنِ سَهْلٍ الْفَقِيهُ الْهَمْدَانِيُّ بِقَزْوِينَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْيَدَ الْبَلْخِيُّ الْفَقِيهُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْقَطَّانُ التَّنُوخِيُّ، بِدِمَشْقَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُشَيْرِيُّ، ثنا مِسْعَرٌ، ثنا سَعِيدُ الْمَقْبُرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا جَامَعَ أَحَدُكُمْ أَهْلَهُ فَلَا يَنْظُرْ إِلَى الْفَرْجِ؛ فَإِنَّهُ يُورِثُ الْعَمَى، وَإِذَا جَامَعَ أَحَدُكُمْ فَلَا يُكْثِرِ الْكَلَامَ فَإِنَّهُ يُورِثُ الْخَرَسَ» لَمْ يَرْوِهِ عَنْ مِسْعَرٍ إِلَّا مُحَمَّدٌ هَذَا، وَهُوَ شَامِيٌّ يَأْتِي بِالْمَنَاكِيرِ عَنْهُ، وَعَنْ غَيْرِهِ
৪ - কাজভিনে আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন সহল বিন আস-সারী বিন সহল আল-ফকীহ আল-হামদানী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন হাসান বিন আহইয়াদ আল-বালখী আল-ফকীহ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন দামেস্কে মুহাম্মদ বিন সহল বিন আবি সাঈদ আল-কাত্তান আত-তানূখী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-কুশায়রী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মিসআর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ আল-মাকবুরী, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, তখন সে যেন লজ্জাস্থানের দিকে না তাকায়; কারণ তা অন্ধত্ব সৃষ্টি করে। আর যখন তোমাদের কেউ সহবাস করে, তখন সে যেন অধিক কথা না বলে; কারণ তা নির্বাকতা (বোবা হওয়া) তৈরি করে।» এই মুহাম্মদ ব্যতীত আর কেউ মিসআর থেকে এটি বর্ণনা করেননি, তিনি একজন শামী (সিরীয়) এবং তিনি তাঁর থেকে ও অন্যদের থেকে মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) বর্ণনা নিয়ে আসেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪১)
5 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مَخْلَدٍ الصُّوفِيُّ، ثنا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْعَدْلُ جَدِّي مِنْ أُمِّي قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَاتِمٍ الرَّازِيَّ، يَقُولُ: كَانَ حَرْمَلَةُ سَمِعَ مِنَ الشَّافِعِيِّ، غَيْرَ أَنَّهُ كَانَ يَمُرُّ إِلَى مَالِكٍ، فَمَرَّ يَوْمًا بِالرَّبِيعِ، فَقَالَ الرَّبِيعُ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيُّ الْمُطَّلِبِيُّ الْقُرَشِيُّ ابْنُ عَمِّ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، فَمَرَّ حَرْمَلَةُ وَلَمْ يَلْتَفِتْ إِلَيْهِ، فَلَقِيتُ حَرْمَلَةَ بَعْدَ ذَلِكَ، فَقَالَ لِي: رَأَيْتَ مَا فَعَلَ؟ قُلْتُ: مَا قَالَ بَأْسًا، وَلَمْ يَقُلْ إِلَّا حَقًّا "
৫ - আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে মাখলাদ আস-সুফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু দাউদ সুলায়মান ইবনে ইয়াযিদ ইবনে সুলায়মান আল-আদল বর্ণনা করেছেন—যিনি আমার মাতামহ ছিলেন—তিনি বলেন: আমি আবু হাতিম আর-রাজিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: হারমালা আশ-শাফেয়ীর নিকট থেকে শ্রবণ করতেন, তবে তিনি ইমাম মালিকের নিকটও যাতায়াত করতেন। একদিন তিনি রবী‘-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন রবী‘ বললেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ী আল-মুত্তালিবি আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, যিনি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচাতো ভাই। তখন হারমালা তাঁর দিকে কোনো প্রকার ভ্রূক্ষেপ না করেই অতিক্রম করে চলে গেলেন। এরপর আমি হারমালার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আমাকে বললেন: আপনি কি দেখেছেন তিনি কী করলেন? আমি বললাম: তিনি তো মন্দ কিছু বলেননি এবং সত্য বৈ কিছুই বলেননি।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪২)
6 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ زَاذَانَ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ بِخَطِّ أَبِيهِ: ثنا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكَيْسَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ الْوَاسِطِيُّ، ثنا سَلْمُ بْنُ سَلَّامٍ أَبُو الْمُسَيِّبِ الْوَاسِطِيُّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ سُهَيْلٍ، وَأَخِيهِ صَالِحِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِمَا، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَسْلَمَ: أَنَّهُ لُدِغَ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَشَكَا ذَلِكَ فَقَالَ: " أَمَا لَوْ قُلْتَ حِينَ أَمْسَيْتَ: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ لَمْ تَضُرَّكَ " غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ صَالِحٍ، لَمْ يَرْوِهِ غَيْرُ سَلْمٍ، وَلَا عَنْهُ إِلَّا مُحَمَّدٌ وَهُوَ ثِقَةٌ، وَلِسُهَيْلٍ أَخٌ آخَرُ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ، لَهُ رِوَايَةٌ
৬ - আমি আবু বকর আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহর নিকট তাঁর পিতার হস্তাক্ষরে লিখিত তাঁর শ্রবণের মূল পাণ্ডুলিপি থেকে পাঠ করেছি: ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ আল-কায়সানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম ইবনে সাল্লাম আবুল মুসাইয়িব আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুহাইল ও তাঁর ভাই সালিহ ইবনে আবি সালিহ থেকে, তাঁরা তাঁদের পিতা থেকে, তিনি আসলাম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যে: তাকে কোনো বিষধর প্রাণী দংশন করেছিল, ফলে সে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে সে বিষয়ে অভিযোগ পেশ করল। তিনি বললেন: "জেনে রাখো! তুমি যদি সন্ধ্যায় উপনীত হওয়ার সময় বলতে: ‘আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি’, তবে তা তোমার কোনো ক্ষতি করত না।" সালিহ থেকে শুবার হাদিস হিসেবে এটি গারিব; সালম ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি, এবং তাঁর থেকে মুহাম্মদ ব্যতীত কেউ এটি বর্ণনা করেননি, আর তিনি নির্ভরযোগ্য। সুহাইলের আব্দুল্লাহ নামে আরও এক ভাই আছেন, যাঁর বর্ণনা রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بَكْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْبَغْدَادِيِّ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي عِمَارَةَ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا هَارُونُ بْنُ هَزَارِيٍّ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ، سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّا لَا نُورَثُ مَا تَرَكْنَا فَهُوَ صَدَقَةٌ» صَحِيحٌ مُخَرَّجٌ، رَوَاهُ الْخَلْقُ عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَهُوَ حَسَنٌ مِنْ حَدِيثِ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْهُ، وَعَمْرٌو أَكْبَرُ مِنَ الزُّهْرِيِّ سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، وَابْنَ عَبَّاسٍ، وَمَاتَ قَبْلَهُ بِسَنَةٍ
৭ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম বকর বিন আহমদ বিন উমর আল-বাগদাদী তিনশত সাতাত্তর হিজরী সালে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন হাসান বিন আবু ইমারা আল-কাযউইনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হারুন বিন হাযারী আল-কাযউইনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি মালিক বিন আওস বিন আল-হাদাসান থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই আমাদের কোনো উত্তরাধিকারী রাখা হয় না, আমরা যা রেখে যাই তা সাদাকাহ। এটি একটি সহীহ ও সংকলিত হাদীস, বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী এটি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং যুহরীর সূত্রে বর্ণিত আমর বিন দীনারের হাদীস হিসেবে এটি হাসান তাঁর থেকে; আর আমর ছিলেন যুহরীর চেয়ে বয়সে বড়, তিনি ইবনে উমর ও ইবনে আব্বাস থেকে হাদীস শুনেছেন এবং যুহরীর এক বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
8 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حَلْبَسِ بْنِ حَمُّوَيْهِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفَرَائِضِيُّ، بِبَغْدَادَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْقَوَارِيرِيُّ، ثنا أَبِي، عَنْ جَدِّي، أَنَّ النَّبَطِيَّ، رَأْسُهُ قَتَبٌ، وَعُنُقُهُ عَصَبٌ، وَكَلَامُهُ صَخَبٌ، وَمِشْيَتُهُ خَبَبٌ، فَالْهَرَبَ الْهَرَبَ إِذَا تَهَجَّى وَكَتَبَ
৮ - আল-হুসাইন ইবনে হালবাস ইবনে হাম্মুওয়াইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ফারাইদি বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে সুলাইমান আল-কাওয়ারিরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে— নাবাতি (নাবাতিয়ান), তার মাথা উটের জিনের মতো উঁচু, তার ঘাড় রগবহুল, তার কথা শোরগোলপূর্ণ এবং তার হাঁটা দ্রুতগামী; সুতরাং পালিয়ে যাও, পালিয়ে যাও যখন সে বানান করে এবং লিখে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
9 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ حَمْدَانَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ، قَالَ: أَبنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ خَيْثَمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: أَخٌ لَكَ كُلَّمَا لَقِيَكَ ذَكَّرَكَ بِحَظِّكَ مِنَ اللَّهِ خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَخٍ كُلَّمَا لَقِيَكَ وَضَعَ فِي كَفِّكِ دِينَارًا
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে হামদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল মুমিন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুয়াবিয়া, আ’মাশ থেকে, খাইসামা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: তোমার এমন এক ভাই যে যখনই তোমার সাথে সাক্ষাৎ করে তোমাকে আল্লাহর নিকট তোমার প্রাপ্য অংশ সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয়, সে তোমার জন্য ওই ভাইয়ের চেয়ে উত্তম যে যখনই তোমার সাথে সাক্ষাৎ করে তোমার হাতের তালুতে একটি দিনার তুলে দেয়।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
10 - حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ الْحُسَيْنُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ حَمْشَاذٍ الْفَقِيهُ مِنْ أَصْلِ كِتَابِهِ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْرَوَيْهِ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا السَّلِيلُ بْنُ مُوسَى بْنِ السَّلِيلِ، عَنْ بِشْرِ بْنِ رَافِعٍ النَّجْرَانِيِّ، بِصَنْعَاءَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَمِّهِ الْقَطَّامِيِّ بْنِ بِشْرِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا عِزَّ لِأَحَدٍ أَدْخَلَهُ عِزُّهُ النَّارَ، وَلَا ذُلَّ لِأَحَدٍ أَدْخَلَهُ ذُلُّهُ الْجَنَّةَ، الْمَوْتُ الْأَحْمَرُ الْحَاجَةُ بَعْدَ الْغِنَى» وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «هَؤُلَاءِ الْكَلِمَاتُ مَكْتُوبَةٌ فِي التَّوْرَاةِ» لَيْسَ لَهُ إِسْنَادٌ غَيْرُهُ
১০ - আবু বকর আল-হুসাইন ইবনুল হুসাইন ইবনে হামশাদ আল-ফকিহ্ আমাকে তাঁর মূল কিতাব থেকে বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহরাওয়াইহ আল-কাযউইনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আস-সালীল ইবনে মুসা ইবনুস সালীল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সানআয় বিশর ইবনে রাফে‘ আল-নাজরানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তাঁর চাচা আল-কাত্তামী ইবনে বিশর ইবনে রাফে‘ থেকে, ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, আবু সালামাহ থেকে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «এমন ব্যক্তির কোনো সম্মান নেই যাকে তার সম্মান জাহান্নামে প্রবেশ করায়, আর এমন ব্যক্তির কোনো হীনতা নেই যাকে তার হীনতা জান্নাতে প্রবেশ করায়। লাল মৃত্যু (চরম দুর্দশা) হলো সচ্ছলতার পর মুখাপেক্ষী হওয়া» এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «এই বাক্যগুলো তাওরাত কিতাবে লিখিত রয়েছে»। এটি ব্যতীত এর অন্য কোনো সনদ নেই।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
11 - حَدَّثَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى الْقَاضِي الْفَقِيهُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُعَلَّى الْقَاضِي الْحَافِظُ، بِالرَّيِّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَرْوَانَ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ، ثنا حُصَيْنُ بْنُ مُخَارِقٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ فَقَالَ: مَا جَاءَ بِكَ؟ قُلْتُ: جِئْتُ أَطْلُبُ الْعِلْمَ، قَالَ: فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَضَعُ أَجْنِحَتَهَا لِطَالِبِ الْعِلْمِ رِضَاءً بِمَا يَفْعَلُهُ، فَعَنْ أَيِّ شَيْءٍ تَسْأَلُ؟ قُلْتُ: عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ؟ قَالَ: كُنَّا إِذَا كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَتَوَضَّأْنَا أَجَزَأَنَا الْمَسْحُ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ، وَثَلَاثَ لَيَالٍ هَذَا حَدِيثٌ لِجَمْعٍ مِنْ رُوَاةٍ، عَنْ عَاصِمٍ، وَهُوَ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ حُصَيْنِ بْنِ مُخَارِقٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَيْمُونٍ الصَّبَّاغِ الْكُوفِيِّ، وَهُوَ مِنَ الْمُقِلِّينَ عَزِيزُ الْحَدِيثِ، وَلَمْ يَرْوِهِ عَنْهُ إِلَّا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ السُّدِّيُّ، وَضَعَّفُوهُ
১১ - আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-কাজী আল-ফকিহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুআল্লা আল-কাজী আল-হাফিয রায় শহরে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসহাক ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে তাঁর পিতা তাঁকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে মুখারিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ ইবনে মায়মুন থেকে, তিনি আসিম ইবনে আবি আন-নাজুদ থেকে, তিনি যির ইবনে হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সাফওয়ান ইবনে আসসালের নিকট আসলাম। তিনি বললেন: তোমার আগমনের কারণ কী? আমি বললাম: আমি ইলম অন্বেষণ করতে এসেছি। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই ফেরেশতারা ইলম অন্বেষণকারীর কাজে সন্তুষ্ট হয়ে তার জন্য তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়। তুমি কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে চাও? আমি বললাম: চামড়ার মোজার ওপর মাসাহ করা সম্পর্কে? তিনি বললেন: আমরা যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে থাকতাম এবং ওযু করতাম, তখন তিন দিন ও তিন রাত মাসাহ করা আমাদের জন্য যথেষ্ট হতো। এটি আসিম থেকে একদল বর্ণনাকারীর বর্ণিত হাদীস, তবে ইউসুফ ইবনে মায়মুন আস-সাব্বাগ আল-কুফি থেকে হুসাইন ইবনে মুখারিকের বর্ণনায় এটি গারীব। তিনি অল্প হাদীস বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁর হাদীস বিরল। আর মুহাম্মাদ ইবনে মারওয়ান আস-সুদ্দী ব্যতীত অন্য কেউ এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি এবং মুহাদ্দিসগণ তাঁকে দুর্বল বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْخَضِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْخَضِرِ الْفَقِيهُ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ الرَّازِيُّ، ثنا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ بْنِ عُبَيْدَةَ النُّمَيْرِيُّ الْبَصْرِيُّ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، (ح) وَحَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ زِيَادٍ السَّنَدِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّرْقِيُّ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، وَأَبُو الْأَزْهَرِ، قَالُوا: ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ:
أَصَبْتُ شَارِفًا مِنْ مَغْنَمٍ مِنْ بَدْرٍ، وَأَعْطَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم شَارِفًا، فَأَنَخْتُهُمَا عَلَى بَابِ رَجُلٍ مِنَ الْأَنْصَارِ، وَمَعَ حَمْزَةَ قَيْنَةٌ تُغَنِّيهِ، وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ أَحْمِلَ عَلَيْهَا إِذْخِرًا أَسْتَعِينُ بِهِ عَلَى وَلِيمَةِ فَاطِمَةَ، فَقَالَتْ:
[البحر الوافر]
أَلَا يَا حَمْزُ لِلشُّرُفِ النِّوَاءِ،
فَقَامَ إِلَيْهِمَا بِالسَّيْفِ فَجَبَّ أَسْنِمَتَهُمَا، وَأَخَذَ خَوَاصِرَهُمَا، وَأَخَذَ مِنْ أَكْبَادِهِمَا، قَالَ: فَقُلْتُ لَهُ: فَالسَّنَامُ؟ قَالَ: أَخَذَهُ كُلَّهُ قَالَ: فَجِئْتُ فَنَظَرْتُ إِلَى مَنْظَرٍ فَظَعَنِي، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
⦗ص: 49⦘ وَمَعَهُ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ، فَقَامَ يَمْشِي وَمَعَهُ زَيْدٌ، فَقَامَ عَلَيْهِمَا فَتَغَيَّظَ عَلَيْهِ، وَحَمْزَةُ مُنَكِّسٌ رَأْسَهُ، فَرَفَعَ رَأْسَهُ وَقَالَ: وَهَلْ أَنْتُمْ إِلَّا عَبِيدُ آبَائِي؟ قَالَ: فَرَجَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُقَهْقِرُ. قَالَ أَبُو عَاصِمٍ: يَعْنِي: يَتَرَاجَعُ. قَالَ أَبُو عَاصِمٍ: وَهُوَ كَمَا قَالَ الشَّاعِرُ:
قَدْ كُنْتُ أَمْشِي بَطَرًا
… وَالْيَوْمَ أَمْشِي الْقَهْقَرَى
حَدِيثٌ كَبِيرٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، وَعَنْ عَبْدَانَ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَعَنْ أَحْمَدَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ عَنْبَسَةَ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ. وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، وَعَنْ عَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، وَعَنِ الصَّغَانِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُفَيْرٍ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ
১২ - আমাদের নিকট আবু আলী আল-খাদির বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-খাদির আল-ফকিহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন আবি হাতেম আল-রাজি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উমর বিন শাব্বাহ বিন উবাইদাহ আন-নুমাইরি আল-বাসরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আসিম বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, (হ) এবং আমার নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন জিয়াদ আস-সানাদি আন-নাইসাবুরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ আশ-শারকি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন বিশর এবং মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আয-যুহলি ও আবু আল-আযহার বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে জুরাইজ বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি আলী বিন হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী বিন আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি বদরের যুদ্ধলব্ধ সম্পদ থেকে একটি বৃদ্ধ উটনী পেয়েছিলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আরও একটি বৃদ্ধ উটনী দান করেছিলেন। আমি সেই উটনী দুটিকে জনৈক আনসারী ব্যক্তির দরজায় বসিয়ে রেখেছিলাম। তখন হামজার সাথে একজন গায়িকা ছিল যে তাকে গান গেয়ে শোনাচ্ছিল। আমি চাচ্ছিলাম উট দুটির ওপর ‘ইযখির’ (এক প্রকার সুগন্ধি ঘাস) বহন করে নিয়ে আসতে যা দিয়ে আমি ফাতিমার ওলিমার (বিয়ের ভোজ) কাজে সহযোগিতা পাব। তখন সেই গায়িকা বলল:
[বাহর আল-ওয়াফির]
ওহে হামজা! এই নাও মোটাতাজা বৃদ্ধ উটনীগুলো,
তখন তিনি (হামজা) তরবারি নিয়ে উট দুটির দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তাদের কুঁজ কেটে ফেললেন, তাদের পাঁজরের চামড়া চিরে ফেললেন এবং তাদের কলিজা বের করে নিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তবে কুঁজের কী হলো? তিনি বললেন: তিনি তার পুরোটাই নিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি বলেন: আমি এসে যখন এই দৃশ্য দেখলাম তখন আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়লাম। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম
⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘ এবং তাঁর সাথে যায়েদ বিন হারিসাহ ছিলেন। তিনি যায়েদকে সাথে নিয়ে হেঁটে আসলেন এবং উট দুটির সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর (হামজার) ওপর রাগ প্রকাশ করলেন। তখন হামজা মাথা নিচু করে ছিলেন, এরপর তিনি তাঁর মাথা তুললেন এবং বললেন: তোমরা কি আমার পূর্বপুরুষদের দাস ছাড়া আর কিছু? তিনি (আলী) বলেন: তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছু হটে ফিরে আসলেন। আবু আসিম বলেন: অর্থাৎ তিনি পেছনে ফিরে আসলেন। আবু আসিম বলেন: এটি যেমনটি কবি বলেছেন:
আমি গর্বভরে পথ চলতাম … আর আজ আমি পিছু হটে পথ চলছি।
এটি একটি দীর্ঘ হাদিস যা ইমাম বুখারি ইবরাহিম বিন মুসা হতে, হিশাম হতে, ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া আবদান হতে, ইবনুল মুবারক হতে, ইউনুস হতে, যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আহমদ বিন সালেহ হতে, আনবাসাহ হতে, ইউনুস হতে, যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া হতে, হাজ্জাজ হতে, ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আবদ বিন হুমাইদ হতে, আবদুর রাজ্জাক হতে, ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া সাগানী হতে, সাঈদ বিন উফাইর হতে, ইবনে ওয়াহাব হতে, ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫০)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ رَجَاءُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ يَزِيدَ الْفَامِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ الْمُسْتَمْلِي، ثنا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: أَبنا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، ثنا حُمَيْدُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَحْبِبْ حَبِيبَكَ هَوْنًا مَا عَسَى أَنْ يَكُونَ بَغِيضَكَ يَوْمًا مَا، وَابْغُضْ بَغِيضَكَ هَوْنًا مَا عَسَى أَنْ يَكُونَ حَبِيبَكَ يَوْمًا مَا»
১৩ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ রাজা ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহিম আল-কাযউইনি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে ইয়াজিদ আল-ফামি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আল-মুস্তামলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম ইবনে সালিহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্বাদ ইবনুল আওয়াম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে যাইদ, ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমার প্রিয়জনকে পরিমিতভাবে ভালোবাসো, কারণ সম্ভবত সে একদিন তোমার অপছন্দের পাত্র হয়ে যেতে পারে; এবং তোমার অপছন্দের ব্যক্তিকে পরিমিতভাবে ঘৃণা করো, কারণ সম্ভবত সে একদিন তোমার প্রিয়পাত্র হয়ে যেতে পারে।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫১)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الزُّبَيْرِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْرَوَيْهِ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا أَبُو هَارُونَ مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ الْجُدِّيُّ بِمَدِينَةِ السِّرَّيْنِ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجُدِّيُّ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ: «أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ، وَيُوتِرَ الْإِقَامَةَ» وَلَمْ يَرْوِهِ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ عَنْ قَتَادَةَ إِلَّا الْجُدِّيُّ، وَإِنَّمَا الْمَحْفُوظُ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، وَأَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَنَسٍ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ مِنْ طَرِيقٍ غَيْرِ مُعْتَبَرٍ
১৪ - আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ যুবাইর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আল-যুবাইরী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাহরাওয়াইহ আল-কাসভিনি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু হারুন মুসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আল-জুদ্দি আস-সিররাইন শহরে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল মালিক ইবনে ইব্রাহিম আল-জুদ্দি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন কাতাদা থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «বিলালকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তিনি আযান জোড়ায় জোড়ায় (দুইবার করে) দেন এবং ইকামত বেজোড় (একবার করে) দেন»। আর আল-জুদ্দি ব্যতীত অন্য কেউ শু'বাহর সূত্রে কাতাদা থেকে এটি বর্ণনা করেননি। শু'বাহর হাদীস থেকে মূলত যা সংরক্ষিত তা হলো শু'বাহর সেই হাদীস যা খালিদ আল-হাজ্জা এবং আইয়ুব বর্ণনা করেছেন আবু কিলাবা থেকে, তিনি আনাস থেকে। আর আম্মার ইবনে আব্দুল জাব্বারের সূত্রে শু'বাহ থেকে, কাতাদা থেকে একটি অনির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমেও এটি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫২)
15 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ سَعِيدٍ الْفَامِيُّ، ثنا يَزْدَاذُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَاتِبُ، بِبَغْدَادَ، ثنا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ الْأَرْقَمِ رضي الله عنه قَالَ: عَلِيٌّ أَوَّلُ مَنْ أَسْلَمَ. قَالَ عَمْرٌو: فَذَكَرْتُهُ لِإِبْرَاهِيمَ فَقَالَ: أَوَّلُ مَنْ أَسْلَمَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا
১৫ - আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে জাফর ইবনে সাঈদ আল-ফামী হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বাগদাদে ইয়াজদায ইবনে আবদুর রহমান আল-কাতিব হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু সাঈদ আল-আশাজ্জ হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে ইদরিস হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আবু হামযাহ আল-আনসারী থেকে, তিনি যায়দ ইবনে আরকাম (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী হলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আমর বলেন: আমি বিষয়টি ইবরাহীমের নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী হলেন আবু বকর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হন)।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ شُعَيْبُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ الْبَيْهَقِيُّ بِنَيْسَابُورَ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْأَزْهَرِ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانَ الْعَدَنِيُّ، بِعَدَنَ، ثنا أَبِي، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما: هَلْ رَأَى مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم رَبَّهُ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ عِكْرِمَةُ: فَقُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ: أَلَيْسَ اللَّهُ يَقُولُ {لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الْأَبْصَارَ} [الأنعام: 103] قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: لَا أُمَّ لَكَ، ذَاكَ نُورُهُ إِذَا تَجَلَّى لَهُ لَمْ يَسْتَقِمْ لَهُ شَيْءٌ تَابَعَهُ حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْعَدَنِيُّ، وَغَيْرُهُ عَنِ الْحَكَمِ، وَتَابَعَ الْحَكَمَ مَيْمُونٌ الْعَدَنِيُّ عَنْ عِكْرِمَةَ
১৬ - নিসাবুরে আবু সালিহ শুআইব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শুআইব আল-বাইহাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে আল-আযহার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আদানে ইবরাহীম ইবনুল হাকাম ইবনে আবান আল-আদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা ইকরিমা থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো: মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তাঁর রবকে দেখেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। ইকরিমা বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বললাম: আল্লাহ কি বলেননি {দৃষ্টিসমূহ তাঁকে আয়ত্ত করতে পারে না, অথচ তিনি সকল দৃষ্টিকে আয়ত্ত করেন} [আল-আনআম: ১০৩] ইবনে আব্বাস বললেন: তোমার মা তোমার অভাব বোধ করুক, তা ছিল তাঁর নূর; যখন তিনি সেটির প্রকাশ ঘটান, তখন কোনো কিছুই তাঁর সামনে স্থির থাকতে পারে না। হাফস ইবনে উমর আল-আদানি এবং অন্যান্যরা হাকাম থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন এবং মাইমুন আল-আদানি ইকরিমা থেকে হাকামের অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
17 - سَمِعْتُ شُعَيْبَ بْنَ عَلِيِّ بْنِ شُعَيْبٍ الْقَاضِي، بِهَمْدَانَ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَوْسٍ الْمُقْرِئُ، يَقُولُ: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثنا مَهْدِيُّ بْنُ أَبِي مَهْدِيٍّ، ثنا عَبْدُ الْمَلِكِ الذِّمَارِيُّ، ثنا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: سَمِعْتُ وَهْبًا، يَقُولُ: مَكْتُوبٌ فِي الْإِنْجِيلِ: الرِّشْوَةُ تُعْمِي عَيْنَيِ الْحَكِيمِ، فَكَيْفَ مَبْلَغُهَا مِنَ الْجَاهِلِ؟
১৭ - আমি হামাদানে শুআইব বিন আলি বিন শুআইব আল-কাদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আওস আল-মুকরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মাহদি বিন আবি মাহদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল মালিক আদ-যিমারি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট খালিদ বিন ইয়াজিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ওয়াহাবকে বলতে শুনেছি: ইঞ্জিলে লিখিত আছে: ঘুস প্রাজ্ঞ ব্যক্তির দুই চোখকে অন্ধ করে দেয়, তাহলে মূর্খের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কেমন হবে?
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ الْفُرُوخِ الْإِمَامُ الْحَافِظُ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نُوحٍ الْعَسْكَرِيُّ بِبَغْدَادَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ بَكَّارٍ الْقَنَوِيُّ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ الْأَعْمَشُ، وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، (ح) وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْأَنْصَارِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عُمَارَةَ، بِغَلَافِقَةَ قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ الرَّزَّاقِ بْنِ هَمَّامٍ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ زَاذَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ فِي الْأَرْضِ يُبَلِّغُونِي عَنْ أُمَّتِي السَّلَامَ» لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْأَعْمَشِ إِلَّا أَبُو إِسْحَاقُ، وَأَمَّا عَنْ سُفْيَانَ، رَوَاهُ عَنْهُ الْخَلْقُ
১৮ - ইমাম হাফিয আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল ফারাজ ইবনুল ফুরুখ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাগদাদে আবুল হাসান আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন নূহ আল-আসকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবন বাক্কার আল-কানাভী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আল-ফাযারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান আল-আমাশ ও সুফিয়ান আস-সাওরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন আস-সাইব থেকে। (হ) এবং আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, বসরায় আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ঈসা আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, গালাফিকায় হাসান ইবন উমারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক ইবন হাম্মামের নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আস-সাইব থেকে, তিনি যাদান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলার জমিনে বিচরণকারী এমন কিছু ফেরেশতা রয়েছে যারা আমার নিকট আমার উম্মতের পক্ষ থেকে সালাম পৌঁছে দেয়।» আমাশ থেকে আবু ইসহাক ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, আর সুফিয়ানের নিকট থেকে এটি বহু সংখ্যক লোক বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
19 - أَنْشَدَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي زُرْعَةَ الْحَافِظُ قَالَ: أَنْشَدَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّحْوِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا ابْنُ كَيْسَانَ النَّحْوِيُّ:
[البحر السريع]
لَوْلَا بُنَيَّاتٌ كَزُغْبِ الْقَطَا … رُدِدْنَ مِنْ بَعْضٍ إِلَى بَعْضِلَكَانَ لِي مُضْطَرِبٌ وَاسِعٌ … أَقُومُ بِالطُّولِ وَبِالْعَرْضِ
وَإِنَّمَا أَوْلَادُنَا بَيْنَنَا
… أَكْبَادُنَا تَمْشِي عَلَى الْأَرْضِ
১৯ - হাফেজ আবদুল্লাহ বিন আবু যুরআ আমাদের শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আন-নাহবী আমাদের শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে কায়সান আন-নাহবী আমাদের শুনিয়েছেন:
[ছন্দ: আস-সারী]
কাতা পাখির কচি ছানাদের মতো আমার ছোট ছোট কন্যারা যদি না থাকত … যারা একে অপরের প্রতি মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে,তবে আমার বিচরণের জন্য প্রশস্ত স্থান থাকত … যেখানে আমি দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ জুড়ে বিচরণ করতে পারতাম।
আমাদের সন্তানরা তো আমাদের মাঝে
… আমাদের কলিজার টুকরো, যারা যমীনের ওপর হেঁটে বেড়ায়।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
20 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ الْيَمَانِ بْنِ سُلَيْمَانَ الشُّرُوطِيُّ، بِقَرْمِيسِينَ أَبُو مُحَمَّدٍ ثنا عُمَرُ بْنُ سَهْلٍ الْحَافِظُ، إِمْلَاءً مِنْ كِتَابِهِ، ثنا زَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّائِغُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: أَتَى رِبْعِيُّ بْنُ حِرَاشٍ فَقِيلَ: قَدْ مَاتَ أَخُوكَ، فَذَهَبَ مُسْتَعْجِلًا حَتَّى جَلَسَ عِنْدَ رَأْسِهِ يَدْعُو لَهُ وَيَسْتَغْفِرُ لَهُ، فَكَشَفَ عَنْ وَجْهِهِ فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكَ، إِنِّي قَدِمْتُ عَلَى رَبِّي جَلَّ وَعَزَّ بَعْدَكَ فَتُلِقَّيْتُ بِرَوْحٍ وَرَيْحَانٍ وَرَبٍّ غَيْرِ غَضْبَانَ، وَكَسَانِي ثِيَابَ سُنْدُسٍ وَإِسْتَبْرَقٍ، وَإِنِّي وَجَدْتُ الْأَمْرَ أَهْوَنَ مِمَّا تَظُنُّونَ وَلَكِنْ لَا تَتَّكِلُوا، احْمِلُونِي فَإِنِّي قَدْ وَعَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ لَا يَبْرَحَ حَتَّى أَلْقَاهُ
২০ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে সা’দ ইবনুল ইয়ামান ইবনে সুলাইমান আশ-শুরুতী কারমীসীনে আবু মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট উমর ইবনে সাহল আল-হাফিয তাঁর কিতাব হতে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট যায়দ ইবনে ইসমাঈল আস-সাইগ বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি বলেন: রিবঈ ইবনে হিরাশ আসলেন এবং তাঁকে বলা হলো: আপনার ভাই মারা গেছেন। তখন তিনি দ্রুত বেগে গেলেন এমনকি তাঁর শিয়রে বসলেন এবং তাঁর জন্য দুআ ও ক্ষমা প্রার্থনা করতে লাগলেন। অতঃপর তিনি (মৃত ভাই) তাঁর মুখমণ্ডল উন্মোচন করে বললেন: তোমার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। তোমার পরে আমি আমার সুমহান ও মহাপরাক্রমশালী রবের নিকট উপস্থিত হয়েছি এবং আমাকে আরামদায়ক হাওয়া, সুগন্ধি ও এমন এক রবের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে যিনি রাগান্বিত নন। তিনি আমাকে পাতলা ও পুরু রেশমের পোশাক পরিয়েছেন। আমি বিষয়টিকে তোমাদের ধারণার চেয়েও অনেক সহজ পেয়েছি, তবে তোমরা কেবল এর ওপরই ভরসা করে থেকো না। আমাকে নিয়ে চলো, কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ না করা পর্যন্ত তিনি প্রস্থান করবেন না।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
21 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْفَتْحِ الصَّفَّارُ، ثنا يَحْيَى بْنُ صَاعِدٍ، ثنا أَبُو بُجَيْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَابِرٍ الْمُحَارِبِيُّ بِالْكُوفَةِ، ثنا يَحْيَى بْنُ يَعْلَى بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا يَتَقَدَّمَنَّ أَحَدُكُمْ بِصِيَامِ يَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ قَبْلَ رَمَضَانَ إِلَّا أَنْ يَكُونَ صِيَامًا كَانَ يَصُومُهُ» ⦗ص: 59⦘ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الْأَنْصَارِيُّ، بِالرَّيِّ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيٍّ الْحَسَّانَيُّ، بِبَغْدَادَ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ بَحِيرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَابِرٍ الْمُحَارِبِيُّ بِالْكُوفَةِ، ثنا أَبِي فَذَكَرَ، مِثْلَهُ
২১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হাসান বিন ফাতহ আস-সাফফার, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সায়িদ, তিনি বলেন কুফায় আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বুজাইর মুহাম্মদ বিন জাবির আল-মুহারিবী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন ইয়ালা বিন আল-হারিস, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি বকর বিন ওয়াইল থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবু আরুবাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবু কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যেন রমজানের একদিন বা দুই দিন আগে রোজা না রাখে, তবে যদি সে এমন রোজা রাখে যা সে (নিয়মিত) পালন করে থাকে» ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ আমাদের নিকট রায় শহরে আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-আনসারী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ বিন আলী আল-হাসসানী, তিনি বলেন কুফায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম বাহীর বিন মুহাম্মদ বিন জাবির আল-মুহারিবী, তিনি বলেন আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬০)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ الشَّيْبَانِيُّ الْفَقِيهُ وَيَعْرِفُ بِالْآدَمِيِّ بِهَمَذَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْحَنَاجِرِ التَّمِيمِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ الْحَكَمِ، ثنا مِسْعَرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا» صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مِسْعَرٍ عَنْهُ لَمْ أَكْتُبْهُ إِلَّا عَنْهُ
22 - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নাসর আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াজিদ আশ-শায়বানি আল-ফকিহ, যিনি হামাদানে আল-আদামি নামে পরিচিত; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে আলি ইবনে আবিল হানাজির আত-তামিমি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে খালাফ আজ-জা’ফারানি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম ইবনুল হাকাম; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মিসআর; তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরোহণ করে এবং পায়ে হেঁটে কুবায় আসতেন।» এটি আবদুল্লাহ ইবনে দিনারের হাদীস হিসেবে সহিহ, মিসআরের বর্ণনা হিসেবে এটি গারিব, যা আমি তাঁর মাধ্যম ব্যতীত লিখিনি তাঁর থেকে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬১)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عِيسَى الْمُزَكِّي الدَّاوُدِيُّ، بِهَمْدَانَ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدَانَ الْجَلَّابُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الْأَشَجُّ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ حَسَّانَ، ثنا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه قَالَ: " عُرَى الْإِسْلَامِ أَرْبَعَةٌ: إِقَامُ الصَّلَاةِ لِمِيقَاتِهَا، وَأَدَاءُ الزَّكَاةِ طَيِّبَةً بِهَا نَفْسُهُ، وَصِلَةُ الرَّحِمِ، وَإِيفَاءُ الْعَهْدِ، فَمَنْ تَرَكَ مِنْهُنَّ شَيْئًا تَرَكَ عُرْوَةً مِنَ الْإِسْلَامِ " عَزِيزٌ مِنْ حَدِيثِ الثَّوْرِيِّ، وَلَمْ يَرْوِهِ إِلَّا عَبْدُ الصَّمَدِ عَنْ فُضَيْلٍ
২৩ - হামাদানে আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন ঈসা আল-মুযাক্কি আদ-দাউদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুর রহমান বিন হামদান আল-জাল্লাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুস সামাদ বিন হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফুযাইল বিন ইয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি উমারা বিন আল-কাক্কা থেকে, তিনি আবু যুরআ বিন আমর বিন জারীর থেকে, তিনি উমর বিন আল-খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: " ইসলামের হাতলসমূহ চারটি: নির্ধারিত সময়ে সালাত কায়েম করা, সন্তুষ্ট চিত্তে যাকাত প্রদান করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং অঙ্গীকার পূর্ণ করা; সুতরাং যে ব্যক্তি এর কোনো একটি ছেড়ে দিল, সে ইসলামের একটি হাতল ছেড়ে দিল।" এটি সাওরী-র হাদীস হিসেবে আযীয পর্যায়ের, আর আব্দুস সামাদ ব্যতীত আর কেউ এটি ফুযাইল থেকে বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬২)
24 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ السَّلَامِ الْمَالِكِيُّ الْأَبْهَرِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاهِرِ بْنِ حَاتِمٍ الطَّائِيُّ الزَّاهِدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الْقُرَشِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ الْعَوَقِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، قَالَ: قَالَ لِي شُعْبَةُ: اكْتُبْ عَنْ زِيَادِ بْنِ مِخْرَاقٍ، فَإِنَّهُ رَجُلٌ مُوسِرٌ لَا يَكْذِبُ فِي الْحَدِيثِ
২৪ - আমাদের নিকট আবু সাঈদ আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আব্দুস সালাম আল-মালিকি আল-আবহরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে তাহের ইবনে হাতেম আত-তাঈ আয-যাহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস আল-কুরাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সিনান আল-আওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে উলাইয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বা আমাকে বলেছেন: তুমি যিয়াদ ইবনে মিখরাক থেকে (হাদিস) লেখো, কেননা তিনি একজন সচ্ছল ব্যক্তি, তিনি হাদিস বর্ণনায় মিথ্যা বলেন না।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
25 - حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْقَزْوِينِيُّ، ثنا أَبُو عَمْرٍو سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ الْهَمَذَانِيُّ بِقَزْوِينَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعُمَرِيُّ، بِالرَّمْلَةِ، ثنا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، ثنا خَالِي مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْوَاقِدِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عُمَرُ سِرَاجُ أَهْلِ الْجَنَّةِ» لَمْ نَكْتُبْهُ مِنْ حَدِيثِ مَالِكٍ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ، وَالْمَحْفُوظُ مِنْ هَذَا حَدِيثُ الْغِفَارِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ
২৫ - আমাকে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-কাযভিনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-হামদানি কাযভিনে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-উমারি রামলায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার মামা মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিদি, মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «উমর হলেন জান্নাতবাসীদের প্রদীপ» আমরা এটি মালিকের হাদীস হিসেবে শুধুমাত্র এই সনদেই লিপিবদ্ধ করেছি, আর এ বিষয়ে সংরক্ষিত হলো আল-গিফারির হাদীস, যা আব্দুর রহমান ইবনে যায়িদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
26 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ أَحْمَدَ الْخَوْلَانِيُّ الْحَافِظُ، بِالرَّيِّ، ثنا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا أَبُو عُتْبَةَ، ثنا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَعَظَ النَّاسَ فِي الضَّرْطَةِ: «عَلَامَ يَضْحَكُ أَحَدُكُمْ مِمَّا يَصْنَعُ مِثْلَهُ» حَدَّثَنَاهُ عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمَقْدِسِيُّ بِبَغْدَادَ فَذَكَرَ مِثْلَهُ سَوَاءً، هَذَا مِمَّا تَفَرَّدَ بِهِ ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، وَالْمَحْفُوظُ عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَمْعَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. هَكَذَا رَوَاهُ مَالِكُ مِنْ بَعْدِهِ عَنْ هِشَامٍ، وَابْنِ أَبِي فُدَيْكٍ ثِقَةٌ
২৬ - রাই নগরে হাফেজ আবদুস সামাদ ইবনে আহমদ আল-খাওলানি আমাকে বর্ণনা করেছেন, খাইসামা ইবনে সুলায়মান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু উতবা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি ফুদাইক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়ু ত্যাগ করার বিষয়ে মানুষকে উপদেশ দিয়ে বলেছেন: “তোমাদের কেউ এমন বিষয়ে কেন হাসে যা সে নিজেও করে থাকে?” বাগদাদে উমর ইবনে ইবরাহিম আল-মাকদিসি আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ঠিক একই রকম উল্লেখ করেছেন; এটি এমন সব বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত যাতে ইবনে আবি ফুদাইক এককভাবে হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর হিশাম থেকে তার পিতার সূত্রে সংরক্ষিত বর্ণনাটি হলো আবদুল্লাহ ইবনে জামআ থেকে, যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। এভাবেই মালিক তাঁর পরে হিশাম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, আর ইবনে আবি ফুদাইক একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
27 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الْمُزَكِّي بِنَيْسَابُورَ قَالَ: أَبنا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ الشَّرْقِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيُّ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبَانَ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ الرَّجُلُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِصَلَاتِهِ» الْحَدِيثُ غَرِيبٌ عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ دَاوُدَ، لَمْ يَرْوِهِ عَنْهُ إِلَّا عَبْدُ الْعَزِيزِ، وَلَا عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْكُوفِيِّ إِلَّا إِبْرَاهِيمُ، وَهُوَ ثِقَةٌ، رَوَى عَنْهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ، وَالْمَشْهُورُ هَذَا مِنْ حَدِيثِ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ، رَوَاهُ الْخَلْقُ عَنْهُ
২৭ - আমাদের নিকট নিশাপুরে আবুল হাসান আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুযাক্কি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-হাফিজ আশ-শারকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আবান, সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি যুরারাহ ইবনে আওফা থেকে, তিনি তামীম আদ-দারি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «কিয়ামতের দিন মানুষের সর্বপ্রথম যে বিষয়ের হিসাব নেওয়া হবে তা হলো তার সালাত»। হাদিসটি সুফিয়ান থেকে দাউদের সূত্রে গারিব (একক), এটি তার থেকে আব্দুল আজিজ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি, আর কুফী আব্দুল আজিজ থেকে ইব্রাহিম ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, ইমাম বুখারী তাঁর থেকে 'সহীহ' গ্রন্থে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আর এই হাদিসটি দাউদ থেকে হাম্মাদ ইবনে সালামাহ-এর বর্ণনা হিসেবেই প্রসিদ্ধ, তাঁর থেকে বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
28 - سَمِعْتُ الْفَضْلَ بْنَ جَعْفَرِ بْنِ زَنْجَلَةَ الْأَصْبَهَانِيُّ، بِالرَّيِّ يَقُولُ: سَمِعْتُ جُمَحَ بْنَ الْقَاسِمِ، بِدِمَشْقَ، ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْحَوَارِي، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سُلَيْمَانَ الدَّارَانِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْأَشْهَبِ بِعَبَّادَانَ وَهُوَ يَقُولُ: أَوْحَى اللَّهُ تَعَالَى إِلَى دَاوُدَ: يَا دَاوُدُ، حَذِّرْ وَأَنْذِرْ أَصْحَابَكَ كُلَّ الشَّهَوَاتِ؛ فَإِنَّ الْقُلُوبَ الْمُعَلَّقَةَ بِشَهَوَاتِ الدُّنْيَا عُقُولُهَا عَنِّي مَحْجُوبَةٌ
২৮ - আমি রাই শহরে আল-ফজল ইবনে জাফর ইবনে জানজালাহ আল-আসবাহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি দামেস্কে জুমাহ ইবনুল কাসিমকে বলতে শুনেছি, আমাদের নিকট আবদুস সামাদ ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবিল হাওয়ারি থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু সুলায়মান আদ-দারানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবাদানে আবু আল-আশহাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আল্লাহ তাআলা দাউদ (আ.)-এর প্রতি ওহি অবতীর্ণ করেছেন: হে দাউদ, তোমার সঙ্গীদের সকল প্রকার কুপ্রবৃত্তি থেকে সতর্ক ও সাবধান করো; কেননা যে অন্তরগুলো দুনিয়ার প্রবৃত্তির সাথে লিপ্ত, তাদের বিবেকসমূহ আমার থেকে পর্দার অন্তরালে রয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়াইদু আবি ইয়ালা আল-খালীলী
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
29 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْقَاسِمِ الشُّرُوطِيُّ، بِالرَّيِّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ الْمُظَفَّرِ الصَّيْرَفِيُّ الرَّازِيُّ، ثنا مُوسَى بْنُ نَصْرٍ، ثنا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يُؤْمِنَ بِأَرْبَعٍ: يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ بَعَثَنِي بِالْحَقِّ، وَيُؤْمِنَ بِالْبَعْثِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَيُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ "
২৯ - আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আশ-শুরুতি রায় শহরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনুল মুজাফফর আস-সাইরাফি আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারির ইবনে আব্দুল হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি রিবঈ ইবনে হিরাশ থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না সে চারটি বিষয়ের প্রতি ঈমান আনে: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল যাকে তিনি সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, এবং মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের প্রতি ঈমান রাখা এবং ভাগ্যের প্রতি ঈমান রাখা।"