(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: -)
غرائب مالك بن أنس لابن المظفر القسم: كتب السنة
الكتاب: غرائب حديث الإمام مالك بن أنس رضي الله عنه
المؤلف: محمد بن المظفر بن موسى بن عيسى، أبو الحسين البزاز البغدادي (ت 379هـ)
تحقيق: أبي عبد الباري رضا بن خالد الجزائري
الناشر: دار السلف، الرياض - السعودية
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1997 م
عدد الصفحات: 251
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 15 صفر 1433
ইবনুল মুজাফ্ফর কর্তৃক ইমাম মালিক বিন আনাসের বিরল হাদিসসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: ইমাম মালিক বিন আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বিরল হাদিসসমূহ
লেখক: মুহাম্মদ বিন আল-মুজাফ্ফর বিন মুসা বিন ঈসা، আবু আল-হুসাইন আল-বাযযায আল-বাগদাদী (মৃত্যু ৩৭৯ হিজরি)
তাহকিক: আবু আবদিল বারী রিদা বিন খালিদ আল-জাযায়িরী
প্রকাশক: দারুস সালাফ، রিয়াদ - সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯7 খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৫১
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৫ সফর ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أنا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمُعَدِّلُ، إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، أنا الْقَاضِي أَبُو الْعَلَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ الْوَاسِطِيُّ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِيسَى الْحَافِظُ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، نا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ طَالِبٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَسَّانَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي دَاوُدَ، نا مَالِكُ بْنُ ⦗ص: 36⦘ أَنَسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ حَنْطَبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «صَيْدُ الْبَرِّ لَكُمْ حَلَالٌ، إِلَّا فِي الْإِحْرَامِ وَمَا صِدْتُمْ وَمَا صِيدَ لَكُمْ» قَالَ أَبُو الْحُسَيْنِ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، عَنْ مَالِكٍ، وَالْمَحْفُوظُ عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ، وَيَعْقُوبَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ⦗ص: 37⦘ وَيَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবন আবদিল বাকি ইবন আহমদ ইবন সুলাইমান, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আহমদ ইবন হাসান ইবন খাইরুন ইবন ইবরাহিম আল-মুআদ্দিল, ইজাযত হিসেবে যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবুল আলা মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইয়াকুব আল-ওয়াসিতি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আল-মুজাফ্ফর ইবন মুসা ইবন ঈসা আল-হাফিজ আল-বাযযায, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন নাসর ইবন তালিব, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন হাসান, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান ইবন আবি দাউদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন মালিক ইবন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৬⦘ আনাস, আমর ইবন আবি আমর থেকে, তিনি মুত্তালিব ইবন হানতাব থেকে, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «স্থলভাগের শিকার তোমাদের জন্য হালাল, তবে ইহরাম অবস্থায় নয়, এবং যা তোমরা নিজেরা শিকার করেছ কিংবা তোমাদের জন্য যা শিকার করা হয়েছে (তা ব্যতীত)»। আবুল হুসাইন বলেন: এটি মালিক থেকে বর্ণিত একটি গরীব হাদিস, আর এটি ইবন আবিয যিনাদ ও ইয়াকুব ইবন আবদির রহমান, ⦗পৃষ্ঠা: ৩৭⦘ এবং ইয়াহইয়া ইবন আবদুল্লাহ ইবন সালিম কর্তৃক আমর ইবন আবি আমর-এর সূত্রে সংরক্ষিত (মাহফুজ) হিসেবে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَجَّاجِ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، نا عَمِّي، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَيَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو مَوْلَى الْمُطَّلِبِ، أَخْبَرَهُمَا عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَحْمُ الصَّيْدِ حَلَالٌ لِلْمُحْرِمِ مَا لَمْ يَصِدْهُ أَوْ يُصَدْ لَهُ»
২ - আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ বিন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ ও ইয়াকুব বিন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, আমর বিন আবি আমর (যিনি আল-মুত্তালিবের মুক্তদাস) থেকে, তিনি তাঁদের উভয়কে আল-মুত্তালিব বিন আব্দুল্লাহ বিন হানতাব থেকে সংবাদ দিয়েছেন, জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «শিকারকৃত পশুর গোশত ইহরামকারীর জন্য হালাল, যতক্ষণ না সে নিজে তা শিকার করে অথবা তার জন্য তা শিকার করা হয়»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، قُرِئَ عَلَى سُوَيْدٍ، عَنْ مَالِكٍ ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا أَبُو مُوسَى الْأَنْصَارِيُّ، نا مَعْنٌ، نا مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: " رَأَيْتُ ثَلَاثَةَ أَقْمَارٍ يَسْقُطْنَ فِي حِجْرِي، فَقَصَصْتُ عَلَى أَبِي بَكْرٍ ، فَلَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ ⦗ص: 39⦘ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهَا أَبُو بَكْرٍ: هَذَا أَحَدُ أَقْمَارِكِ وَهُوَ خَيْرُهَا "
৩ - মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যা সুওয়াইদের নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি মালিক থেকে; (হ) এবং মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুসা আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'ন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আমি তিনটি চাঁদকে আমার কোলে পড়তে দেখেছি। আমি এটি আবু বকরের নিকট বর্ণনা করলাম। যখন রাসূলুল্লাহ ⦗পৃ: ৩৯⦘ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন, তখন আবু বকর তাকে বললেন: এটি তোমার চাঁদগুলোর মধ্যে একটি এবং তিনি সেগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ।"
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪০)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا الْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قَالَ: نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ قَيْسٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ،: " أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي كِنَانَةَ يُدْعَى الْمُخْدَجِيَّ، سَمِعَ رَجُلًا بِالشَّامِ يُدْعَى أَبَا مُحَمَّدٍ يَقُولُ: إِنَّ الْوِتْرَ لَوَاجِبٌ عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ الْمُخْدَجِيُّ: فَرُحْتُ إِلَى عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، فَاعْتَرَضْتُ لَهُ وَهُوَ رَائِحٌ الْمَسْجِدَ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ، فَقَالَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ: كَذَبَ أَبُو مُحَمَّدٍ ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «خَمْسُ صَلَوَاتٍ كَتَبَهُنَّ اللَّهُ عَلَى الْعِبَادِ ، فَمَنْ جَاءَ بِهِنَّ لَمْ يُضَيِّعْ مِنْهُنَّ شَيْئًا اسْتِخْفَافًا بِحَقِّهِنَّ كَانَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ لَمْ يَأْتِ بِهِنَّ، فَلَيْسَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ ، إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ، وَإِنْ شَاءَ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ»
৪ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে সুলায়মান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারিস ইবনে মিসকিন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে কায়স আল-আনসারী থেকে, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বান থেকে, ইবনে মুহাইরিজ থেকে: "বনু কিনানাহ গোত্রের আল-মুখদাজী নামক এক ব্যক্তি সিরিয়ার আবু মুহাম্মদ নামক এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলেন যে: বিতর সালাত মানুষের ওপর ওয়াজিব। আল-মুখদাজী বলেন: এরপর আমি উবাদাহ ইবনুস সামিতের নিকট গেলাম এবং তিনি যখন মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন তখন তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করে আবু মুহাম্মদ যা বলেছে তা তাঁকে জানালাম। উবাদাহ ইবনুস সামিত বললেন: আবু মুহাম্মদ ভুল বলেছে; আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ বান্দাদের ওপর ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি সেগুলো আদায় করবে এবং সেগুলোর হকের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে এর কোনো কিছুই নষ্ট করবে না, আল্লাহর নিকট তার জন্য অঙ্গীকার রয়েছে যে তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি সেগুলো আদায় করবে না, আল্লাহর নিকট তার কোনো অঙ্গীকার নেই; তিনি চাইলে তাকে শাস্তি দেবেন এবং চাইলে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪২)
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، نا خَلَفُ بْنُ سَالِمٍ الْمُخَرِّمِيُّ، نا مَعْنُ بْنُ عِيسَى، نا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ فَاتَتْهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ ⦗ص: 43⦘ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلُهُ وَمَالُهُ»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল জব্বার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালাফ ইবনে সালিম আল-মুখাররিমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন ইবনে ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে হিশাম থেকে, তিনি নওফাল ইবনে মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: «যার আসরের সালাত ছুটে গেল ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ সে যেন তার পরিবার ও সম্পদ হারিয়ে ফেলল।»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، نا جَدِّي، نا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ⦗ص: 44⦘ نا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ فَاتَتْهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلُهُ وَمَالُهُ» قَالَ أَبُو الْحُسَيْنِ: وَرَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ فَزَادَ فِي إِسْنَادِهِ رَجُلًا
৬ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দাদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ৪৪⦘ আমাদের নিকট ইবনে আবি জিব বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি নাওফাল ইবনে মুআবিয়া থেকে বর্ণনা করেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "যার আসরের সালাত ছুটে গেল, সে যেন তার পরিবার ও সম্পদ হারাল।" আবু আল-হুসাইন বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে ইসহাক এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বৃদ্ধি করেছেন তার সানাদে একজন ব্যক্তিকে।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
7 - حَدَّثَنَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، نا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ ⦗ص: 45⦘ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُطِيعٍ، عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ مِنَ الصَّلَوَاتِ صَلَاةً؛ مَنْ فَاتَتْهُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلُهُ وَمَالُهُ»
৭ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট খালিদ ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুর রহমান অর্থাৎ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আবু বকর ⦗পৃষ্ঠা: ৪৫⦘ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আল-হারিস ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মুতি' থেকে, তিনি নাওফাল ইবনে মুয়াবিয়া থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই সালাতসমূহের মধ্যে এমন একটি সালাত রয়েছে; যার সেই সালাতটি ছুটে গেল, সে যেন তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ থেকে রিক্ত বা বঞ্চিত হলো।»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
8 - حَدَّثَنَاهُ أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ الصَّقْرِ بْنِ الصَّلْتِ، نا أَبُو الشَّرِيفِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا خَالِدُ بْنُ نِزَارٍ، نا الْقَاسِمُ بْنُ مَبْرُورٍ، قَالَ: قَالَ عَبَّادُ بْنُ إِسْحَاقَ: وَحَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُطِيعٍ، عَنْ نَوْفَلِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مِنَ ⦗ص: 46⦘ الصَّلَوَاتِ صَلَاةٌ مَنْ فَاتَتْهُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلُهُ وَمَالُهُ - يَعْنِي صَلَاةَ الْعَصْرِ -»
৮ - আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল জাফর বিন আস-সকর বিন আস-সলত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুশ শরীফ ইব্রাহিম বিন সুলায়মান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন নিযার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন মাবরুর, তিনি বলেন: আব্বাদ বিন ইসহাক বলেছেন: এবং আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরী, আবু বকর থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন মুতী' থেকে, তিনি নাওফাল বিন মুয়াবিয়া থেকে, যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নামাজসমূহের মধ্যে ⦗পৃষ্ঠা: ৪৬⦘ এমন একটি নামাজ রয়েছে, যার থেকে তা ছুটে গেল, সে যেন তার পরিবার ও ধন-সম্পদ থেকে রিক্ত হলো - অর্থাৎ আসরের নামাজ -»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، نا مَعْنٌ، نا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ، فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلُهُ وَمَالُهُ» قَالَ الشَّيْخُ: وَهَكَذَا هُوَ فِي الْمُوَطَّأِ
৯ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইসহাক ইবনে ঈসা হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মা'ন হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মালিক হাদীস বর্ণনা করেছেন নাফি' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যার আসরের সালাত ছুটে যায়, সে যেন তার পরিবারবর্গ ও ধন-সম্পদ থেকে বঞ্চিত হলো।» শাইখ বলেন: আর এভাবেই এটি বর্ণিত হয়েছে আল-মুয়াত্তায়।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ الضَّحَّاكِ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ الْحُبَيْرِيُّ، نا أَبُو دَاوُدَ، نا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: صَلِّيَ عَلَى ابْنِ بَيْضَاءَ فِي الْمَسْجِدِ ، فَقَالَ رَجُلٌ لِعَبْدِ الْعَزِيزِ، فَإِنَّ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ يَقُولُ فِي الْحَدِيثِ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا
⦗ص: 48⦘ صَلِّيَ عَلَى ابْنِ بَيْضَاءَ فِي الْمَسْجِدِ» فَقَالَ: إِنَّ مَالِكًا - وَاللَّهِ - أَعْلَمُ بِالْحَدِيثِ مِنِّي مُنْذُ نَشَأَ، وَاللَّهِ مَا عَلِمْنَا إِلَّا عَامِلًا صَالِحًا ".
⦗ص: 49⦘11 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، سَمِعْتُ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ: «أَقَمْتُ عَلَى مَالِك
⦗ص: 50⦘ ٍ سَنَتَيْنِ، قَالَ الشَّافِعِيُّ، وَكَانَ عِنْدَهُ مِائَتَا حَدِيثٍ سَمِعَهَا لَفْظًا، فَكَانَ الْيَوْمَ الَّذِي يُحَدِّثُ عَنْ مَالِكٍ يَجْمَعُ فِي الدَّارِ وَيَمْتَلِئُ ، وَيَوْمَ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ إِنَّمَا يَجِيئُهُ نَفَرٌ يَسِيرٌ» قَالَ: فَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ: " أَنْتُمْ تَزْرُونَ عَلَى صَاحِبِكُمْ
⦗ص: 51⦘ قَالَ: قُلْتُ: الشَّافِعِيُّ مَا رَأَى مُحَمَّدَ بْنَ الْحَسَنِ مِثْلَ مَالِكٍ "
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، نا أَبُو زُرْعَةَ، نا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، مَوْلًى لِابْنِ الْمُبَارَكِ قَالَ: " وَسَمِعْتُ ابْنَ الْمُبَارَكِ، وَقِيلَ لَهُ: " كَيْفَ كَانَ حَفْظُ مَالِكٍ؟ قَالَ: وَمَنْ يَتَمَكَّنْ مِنْ مَالِكٍ حَتَّى يَعْرِفَ حِفْظَهُ؟
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনুল দাহহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আল-হুবাইরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আবু সালামা, তিনি সালেম আবু আন-নাদর থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "ইবনে বাইদার জানাজার নামাজ মসজিদে আদায় করা হয়েছিল।" তখন এক ব্যক্তি আব্দুল আজিজকে বললেন, মালিক ইবনে আনাস তো হাদিসে বলেন যে: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ ইবনে বাইদার জানাজার নামাজ মসজিদে পড়েননি।" তখন তিনি (আব্দুল আজিজ) বললেন: "আল্লাহর কসম, মালিক বড় হওয়ার পর থেকেই হাদিস সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক বিজ্ঞ। আল্লাহর কসম, আমরা তাকে একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি হিসেবেই জেনেছি।"
⦗পৃষ্ঠা: ৪৯⦘১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শাফেয়ীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল হাসান বলেছেন: "আমি মালিকের কাছে
⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ দুই বছর অবস্থান করেছি।" শাফেয়ী বলেন: "তার নিকট দুইশত হাদিস ছিল যা তিনি সরাসরি শব্দে শব্দে (মালিকের নিকট থেকে) শুনেছিলেন। যেদিন তিনি মালিকের সূত্রে হাদিস বর্ণনা করতেন, সেদিন ঘর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যেত। আর যেদিন তিনি আবু হানিফার সূত্রে বর্ণনা করতেন, সেদিন কেবল গুটিকয়েক লোক আসত।" তিনি বলেন: তখন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান বললেন: "তোমরা তোমাদের সঙ্গীর প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছ।"
⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি বললাম: শাফেয়ী বলতেন যে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান মালিকের মতো কাউকে দেখেননি।
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারকের মুক্তদাস হাসান ইবনে ঈসা, তিনি বলেন: "আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: 'মালিকের হিফজ (স্মৃতিশক্তি) কেমন ছিল?' তিনি বললেন: 'মালিকের সমপর্যায়ে পৌঁছানোর ক্ষমতা কার আছে যে সে তার স্মৃতিশক্তি সম্পর্কে পরিমাপ করতে পারবে?'"
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫১)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا أَبُو الطَّاهِرِ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، نا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَا: نا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَيُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ ⦗ص: 52⦘ الْوَلِيمَةِ، يُدْعَا لَهَا الْأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْمَسَاكِينُ، وَمَنْ لَمْ يَأْتِ الدَّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
১৩ - আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু তাহের বর্ণনা করেছেন, (হ) এবং আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে আবদিল আ'লা বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের নিকট ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমর ইবনে হারিস, মালিক ইবনে আনাস এবং ইউনুস বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে হুরমুজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন: «নিকৃষ্টতম খাদ্য হলো ⦗পৃষ্ঠা: ৫২⦘ ওলীমার খাদ্য, যাতে ধনীদের দাওয়াত দেওয়া হয় এবং মিসকীনদের বর্জন করা হয়। আর যে ব্যক্তি দাওয়াত গ্রহণ করল না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলো»।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫২)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رُوزْبَهِ، نا إِسْحَاقُ بْنُ دَاوُدَ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنِي مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، ⦗ص: 53⦘ نا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: «بِئْسَتِ الْوَلِيمَةُ الطَّعَامُ يُدْعَى لَهَا الْأَغْنِيَاءُ، وَيُتْرَكُ الْفُقَرَاءُ، وَمَنْ لَمْ يُجِبْ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আবদুস সামাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইসমাঈল ইবনে রুজবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে দাউদ আস-সাওয়াফ, মাহমুদ ইবনে গাইলান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৩⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনুল কাসিম, মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, তিনি আরায থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: “সেই ওয়ালিমা বা ভোজের খাবার সবচাইতে নিকৃষ্ট যাতে ধনীদের দাওয়াত দেওয়া হয় এবং দরিদ্রদের বর্জন করা হয়। আর যে দাওয়াত কবুল করল না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অবাধ্যতা করল।”
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
15 - قَالَ: وَحَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ» ⦗ص: 55⦘ قَالَ الشَّيْخُ: فِي الْمُوَطَّأِ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ
১৫ - তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধযুক্ত» ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ শায়খ বলেন: মুয়াত্তায় এটি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
16 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا الْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ، نا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ، نا إِسْحَاقُ بْنُ الْفُرَاتِ، نا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আহমাদ ইবন সুলাইমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবন মিসকিন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন আল-কাসিম। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন আল-ফুরাত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধিময় বা উত্তম।»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَصْرَمَ الْكُوفِيُّ، بِهَا ، نا أَبُو سَبْرَةَ، نا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، سُئِلَ عَنِ الْبِتْعِ؟ فَقَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ» ⦗ص: 57⦘ قَالَ الشَّيْخُ: فِي الْمُوَطَّأِ عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ
১৭ - আমাদের নিকট আহমদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসরাম আল-কুফি সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবু সাবরাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুতাররিফ ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন মালেক থেকে, তিনি ওমর ইবনে উবায়দুল্লাহর মুক্তদাস আবু আন-নাদর থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে 'বিত' (মধুর পানীয়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: «প্রত্যেক পানীয় যা নেশা সৃষ্টি করে তা হারাম» ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ শায়খ বলেন: মুয়াত্তায় মালেক থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে (বর্ণিত হয়েছে)।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الطَّائِيُّ بِحِمْصَ، نا سَعْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَيْرُوتِيُّ،: قَرَأْتُ فِي نُسْخَةِ ابْنِ الْأَوْزَاعِيِّ: عَطَاءُ بْنُ أَبِي ⦗ص: 58⦘ الْعِشْرِينَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ، رضي الله عنها تَقُولُ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِتْعِ؟ فَقَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ»
১৮ - আমাদের নিকট হিমসে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আত-তায়ি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সা’দ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাইরুতি বর্ণনা করেছেন: আমি ইবনুল আওযায়ি-এর পাণ্ডুলিপিতে পড়েছি: আতা ইবনে আবি ⦗পৃষ্ঠা: ৫৮⦘ আল-ঈশরীন থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে 'বিত্' (মধু থেকে তৈরি পানীয়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: «প্রত্যেক পানীয় যা নেশাগ্রস্ত করে, তা হারাম»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُصْعَبٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ ⦗ص: 59⦘ الْحُسَيْنِ، نا أَبِي، عَنْ خَارِجَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْبِتْعِ؟ فَقَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ»
১৯ - আহমদ ইবনে আমর ইবনে মুসআব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ হুসাইন থেকে, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খারিজাহ থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘বিত’ (মধুর পানীয়) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় পানীয়ই হারাম।»"
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬০)
20 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زِيَادٍ، نا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، نا أَبِي، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ»
২০ - আমাদের নিকট আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে যিয়াদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে হাফস হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহীম ইবনে তাহমান আমাদের নিকট মালেক ইবনে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় পানীয়ই হারাম»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬১)
21 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، وَزَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، قَالَا: نا مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: كَانَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ يَقُولُ: «أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقَتْلِ الْوَزَغِ» ⦗ص: 62⦘ قَالَ الشَّيْخُ: فِي الْمُوَطَّأِ مَالِكٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعْدٍ
২১ - মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবু শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে মাখলাদ এবং যায়েদ ইবনুল হুবাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, আমির ইবনে সাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস বলতেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম টিকটিকি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন» ⦗পৃষ্ঠা: ৬২⦘ শায়খ বলেন: মুয়াত্তায় মালিক বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি সাদ থেকে।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَبَّانَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، نا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: «مَنْ سَأَلَهُ جَارُهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَهُ فِي جِدَارِهِ، فَلَا يَمْنَعْهُ» قَالَ اللَّيْثُ: هَذَا أَوَّلُ مَا لِمَالِكٍ عِنْدَنَا وَآخِرُهُ
২২ - মুহাম্মদ ইবনে জাব্বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে রুমহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস থেকে, ইবনে শিহাব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান আল-আরাজ থেকে, আবু হুরায়রা থেকে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «যার কাছে তার প্রতিবেশী তার দেয়ালে কাঠ বসাতে চায়, সে যেন তাকে বাধা না দেয়।» লাইস বলেন: আমাদের নিকট এটিই মালিকের (বর্ণিত হাদিসের) শুরু এবং শেষ।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
23 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا الْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، نا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، كَانَتْ تَقُولُ: «كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ»
২৩ - আমাদের নিকট আলী ইবনে আহমদ ইবনে সুলায়মান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হারিস ইবনে মিসকিন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে কাসিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন: «আমি এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একই পাত্র থেকে গোসল করতাম»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
24 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ الضَّحَّاكِ، نا الْحَسَنُ بْنُ قَزَعَةَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، نا أَيُّوبُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ: «أَنَّهَا كَانَتْ تَغْتَسِلُ هِيَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، فَكَانَ يَبْدَأَ فَيَغْسِلُ رَأْسَهُ، وَيَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ، ثُمَّ يُخَلِّلُ رَأْسَهُ مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ يُفْرِغُ عَلَيْهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى جَسَدِهِ فَضْلَ مَا فِيهِ»
২৪ - আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আদ-দাহহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে কাযা'আ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন: «তিনি এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একই পাত্র থেকে গোসল করতেন। তিনি প্রথমে তাঁর মাথা ধৌত করার মাধ্যমে শুরু করতেন, সালাতের ন্যায় উযু করতেন, এরপর তাঁর মাথায় দুইবার খিলাল করতেন, অতঃপর তার ওপর তিনবার পানি ঢালতেন, এরপর পাত্রে অবশিষ্ট থাকা পানি তাঁর দেহের ওপর ঢেলে দিতেন।»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَبَّاسِ الطَّيَالِسِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مِرْدَاسٍ، نا أَبُو خَلْفٍ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عِيسَى، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، ⦗ص: 67⦘ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ: «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ خَلَّلَ لِحْيَتَهُ وَرَأْسَهُ بِالْمَاءِ»
২৫ - আবদুল্লাহ ইবনুল আব্বাস আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মিরদাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খালাফ অর্থাৎ আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে উবায়েদ থেকে বর্ণিত, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণিত, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৭⦘ তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন গোসল করতেন, তখন পানি দিয়ে তাঁর দাড়ি ও মাথা খিলাল করতেন (আঙুল দ্বারা ঘষতেন)।»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
26 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ، بْنِ رُكَيْزٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدِ بْنِ نَجِيحٍ، نا حَبِيبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، نا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ،: ⦗ص: 68⦘ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الدِّينَارُ بِالدِّينَارِ وَفَضْلُ مَا بَيْنَهُمَا رِبًا، وَالْبُرُّ بِالْبُرِّ، وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ، مَنْ زَادَ أَوِ ازْدَادَ فَقَدْ أَرْبَى»
২৬ - আমাদের নিকট আলী ইবনে আহমদ ইবনে রুকাইয বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে নাজীহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবনে ইব্রাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে: ⦗পৃষ্ঠা: ৬৮⦘ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «দীনারের বিনিময়ে দীনার এবং এ দুইয়ের মধ্যবর্তী অতিরিক্ত অংশ সুদ; গমের বিনিময়ে গম, যবের বিনিময়ে যব; যে ব্যক্তি বেশি দিল বা বেশি নিল সে অবশ্যই সুদে লিপ্ত হলো»
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
27 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا الْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ: " خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ⦗ص: 69⦘ بَعْضِ أَسْفَارِهِ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ، أَوْ بِذَاتِ الْجَيْشِ انْقَطَعَ عِقْدٌ لِي، فَأَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْتِمَاسِهِ، وَأَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ. فَأَتَى النَّاسُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه فَقَالُوا: أَلَا تَرَى مَا صَنَعَتْ عَائِشَةُ؟ أَقَامَتْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبِالنَّاسِ وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ؟ فَجَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ وَاضِعٌ رَأْسَهُ عَلَى فَخِذِي قَدْ نَامَ فَقَالَ: حَبَسْتِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالنَّاسَ وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ؟ قَالَتْ عَائِشَةُ: فَعَاتَبَنِي أَبُو بَكْرٍ وَقَالَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ ، وَأَخَذَ يَطْعَنُ بِيَدِهِ فِي خَاصِرَتِي ، فَلَا يَمْنَعُنِي مِنَ التَّحَرُّكِ إِلَّا مَكَانُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى فَخِذِي. فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَصْبَحَ عَلَى غَيْرِ مَاءٍ ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى آيَةَ التَّيَمُّمِ " قَالَ أُسَيْدُ بْنُ الْحُضَيْرِ: مَا هِيَ بِأَوَّلِ بَرَكَتِكُمْ يَا آلَ أَبِي بَكْرٍ. قَالَ: فَبَعَثْنَا الْبَعِيرَ الَّذِي رَكِبْتُ عَلَيْهِ فَوَجَدْنَا الْعِقْدَ تَحْتَهُ "
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন আহমদ বিন সুলাইমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারিস বিন মিসকিন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন কাসেম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, আবদুর রহমান বিন কাসেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে তাঁর কোনো এক সফরে বের হলাম। এমনকি যখন আমরা ⦗পৃষ্ঠা: ৬৯⦘ বায়দা অথবা জাতুল জায়শ নামক স্থানে পৌঁছালাম, তখন আমার একটি হার ছিঁড়ে হারিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি খোঁজার জন্য সেখানে অবস্থান করলেন এবং লোকজনও তাঁর সাথে অবস্থান করল। তারা কোনো পানির উৎসের কাছে ছিল না এবং তাদের সাথেও কোনো পানি ছিল না। তখন লোকজন আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে বলল: আপনি কি দেখছেন না আয়িশা কী করেছেন? তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং লোকজনকে নিয়ে আটকে পড়েছেন, অথচ তারা কোনো পানির কাছে নেই এবং তাদের সাথেও কোনো পানি নেই। অতঃপর তিনি (আবু বকর) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন, এমতাবস্থায় যে তিনি আমার উরুর ওপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তিনি বললেন: তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং লোকজনকে আটকে রেখেছ অথচ তারা কোনো পানির কাছে নেই এবং তাদের সাথেও কোনো পানি নেই? আয়িশা বলেন: তখন আবু বকর আমাকে তিরস্কার করলেন এবং আল্লাহ যা চাইলেন তিনি আমাকে তাই বললেন। আর তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার পাঁজরের পাশে গুঁতো দিতে লাগলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উরুর ওপর থাকায় কেবল তাঁর অবস্থানের কারণেই আমি নড়াচড়া করা থেকে বিরত ছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমালেন এবং সকালে উঠলেন এমতাবস্থায় যে কোনো পানি ছিল না। তখন আল্লাহ তাআলা তায়াম্মুমের আয়াত নাজিল করলেন। উসাইদ বিন হুদাইর বললেন: হে আবু বকরের পরিবার! এটিই আপনাদের প্রথম বরকত নয়। আয়িশা বলেন: অতঃপর আমরা সেই উটটিকে দাড়া করালাম যাতে আমি সওয়ার ছিলাম, তখন আমরা সেটির নিচেই হারটি খুঁজে পেলাম।"
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৭০)
28 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْقَاضِي، نا يَاسِينُ بْنُ عَبْدِ الْأَحَدِ أَبُو زُرَارَةَ، حَدَّثَنِي جَدِّي لَيْثُ بْنُ عَاصِمٍ، نا عُثْمَانُ بْنُ الْحَكَمِ الْجُذَامِيُّ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ، حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْبَيْدَاءِ، أَوْ بِذَاتِ الْجَيْشِ، انْقَطَعَ عِقْدٌ لِعَائِشَةَ. فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى أَثَرِهِ، وَأَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ، وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ، وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ. فَأَتَى النَّاسُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ فَقَالُوا: أَلَا تَرَى مَا صَنَعَتْ عَائِشَةُ أَقَامَتْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبِالنَّاسِ وَلَيْسُوا عَلَى مَاءٍ وَلَيْسَ مَعَهُمْ مَاءٌ؟ قَالَتْ عَائِشَةُ: فَجَاءَ أَبُو بَكْرٍ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاضِعٌ رَأْسَهُ عَلَى فَخِذِي فَعَاتَبَنِي أَبُو بَكْرٍ وَقَالَ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ ، وَجَعَلَ ⦗ص: 71⦘ يَطْعَنُ يَدَهُ فِي خَاصِرَتِي وَلَا يَمْنَعُنِي مِنَ التَّحَرُّكِ إِلَّا مَكَانُ رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى فَخِذِي ، فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَصْبَحَ عَلَى غَيْرِ مَاءٍ ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى آيَةَ التَّيَمُّمِ. قَالَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ: مَا هِيَ بِأَوَّلِ بَرَكَتِكُمْ يَا آلَ أَبِي بَكْرٍ. قَالَتْ عَائِشَةُ: فَبَعَثْنَا الْبَعِيرَ الَّذِي كُنْتُ عَلَيْهِ فَوَجَدْنَا الْعِقْدَ تَحْتَهُ "
২৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-কাদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াসিন বিন আব্দুল আহাদ আবু জুরারাহ, তিনি বলেন আমাকে আমার দাদা লাইস বিন আসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন হাকাম আল-জুযামি, তিনি বলেন আমাকে উবায়দুল্লাহ বিন উমর বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুর রহমান বিন কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাঁর কোনো এক সফরে বের হলাম। পরিশেষে যখন আমরা বাইদা অথবা যাতুল জাইশ নামক স্থানে পৌঁছালাম, তখন আয়েশার একটি হার ছিঁড়ে হারিয়ে গেল। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটির সন্ধানে সেখানে অবস্থান করলেন এবং লোকেরাও তাঁর সাথে অবস্থান করল। অথচ তারা পানির কোনো উৎসের নিকট ছিলেন না এবং তাদের সাথে পানিও ছিল না। তখন লোকেরা আবু বকরের নিকট এসে বলল: আপনি কি দেখছেন না আয়েশা কী করেছেন? তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এবং লোকজনকে আটকে ফেলেছেন, অথচ তারা কোনো পানির নিকট নেই এবং তাদের সাথে পানিও নেই। আয়েশা (রা.) বলেন: অতঃপর আবু বকর আসলেন এমতাবস্থায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উরুর ওপর তাঁর মাথা রেখে ঘুমাচ্ছিলেন। তখন আবু বকর আমাকে তিরস্কার করলেন এবং আল্লাহ যা চাইলেন তিনি (রাগান্বিত হয়ে) আমাকে তাই বললেন। এবং তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৭১⦘ তাঁর হাত দিয়ে আমার পাঁজরে গুতো দিতে লাগলেন। আমার উরুর ওপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাথার অবস্থানের কারণেই কেবল আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়ে থাকলেন, এমনকি ভোর হয়ে গেল এমতাবস্থায় যে সেখানে কোনো পানি ছিল না। তখন মহান আল্লাহ তায়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ করলেন। উসাইদ বিন হুদাইর (রা.) বললেন: হে আবু বকরের পরিবার! এটিই আপনাদের প্রথম বরকত নয়। আয়েশা (রা.) বলেন: অতঃপর আমরা সেই উটটিকে দণ্ডায়মান করলাম যার ওপর আমি সওয়ার ছিলাম, তখন আমরা হারটি তার নিচেই পেয়ে গেলাম।"
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৭১)
29 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ زُكَيْرٍ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدِ بْنِ نَجِيحٍ، نا حَبِيبُ بْنُ رُزَيْقٍ، - كَاتَبُ مَالِكٍ نا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَكَلَ مِنْ هَذِهِ الْبَقْلَةِ الْخَبِيثَةِ، فَلَا يَقْرَبْنَا فِي مَسَاجِدِنَا» لَيْسَ هَذَا فِي الْمُوَطَّأِ
২৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে যুকাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে নাজিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাবীব ইবনে রুযাইক —মালিকের লিপিকার— আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি এই দুর্গন্ধযুক্ত উদ্ভিদ থেকে আহার করে, সে যেন আমাদের মসজিদগুলোতে আমাদের নিকটবর্তী না হয়।» এটি মুওয়াত্তা গ্রন্থে নেই।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৭২)
30 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، وَأَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَامَةَ بِحِمْصَ، قَالَا: نا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دَاوُدَ، نا سَعِيدُ بْنُ دَاوُدَ الزُّنبرِيُّ، نا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، نا ثَوْرُ بْنُ زَيْدٍ الدِّيلِيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَا مِنْ نَفَقَةٍ بَعْدَ صِلَةِ الرَّحِمِ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ عز وجل مِنْ هِرَاقَةِ دَمٍ» ⦗ص: 73⦘ لَيْسَ هَذَا فِي «الْمُوَطَّأِ»
৩০ - আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর এবং আবু জাফর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালামা হিমসে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে দাউদ আয-যুনবারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, থাওর ইবনে যায়িদ আদ-দীলি ইকরামা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার পর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো ব্যয় নেই» ⦗পৃষ্ঠা: ৭৩⦘ এটি «আল-মুয়াত্তা» গ্রন্থে নেই।
(খণ্ড: ১)
গারাইবু মালিক বিন আনাস লি-ইবনিল মুজাফফর
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
31 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَابِرٍ الرَّمْلِيُّ، نا عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، نا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: قُلْتُ لِمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، قَدْ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، فَحَدَّثَنَا عَنِ الثَّوْرِيِّ عَنْكَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ قُسَيْطٍ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّ عُمَرَ، وَعُثْمَانَ، رضي الله عنهما قَضَيَا فِي الْمِلْطَاةِ وَهِيَ السِّمْحَاقِ بِنِصْفِ الْمُوضِحَةِ " ثُمَّ قَدِمَ الثَّوْرِيُّ فَحَدَّثَنَا عَنْكَ فَقَالَ: صَدَقَ. قُلْتُ: فَأَخْبِرْنِي بِهِ. ⦗ص: 74⦘ قَالَ: لَا، قُلْتُ: لِمَ؟ قَالَ: لَيْسَ الْعَمَلُ عِنْدَنَا عَلَيْهِ. وَلَيْسَ رَجُلُهُ عِنْدَنَا بِذَاكَ "
৩১ - আবু বকর আহমদ ইবনে আমর ইবনে জাবির আল-রামলি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসকে বললাম, ইবনে জুরাইজ আমাদের নিকট সাওরির সূত্রে আপনার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজিদ ইবনে কুসাইত থেকে এবং তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উমর ও উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) 'মিলতাহ' নামক জখম—যা মূলত 'সিমহাক' (হাড়ের ওপরের পাতলা পর্দা)—সে বিষয়ে 'মুদিহাহ' (হাড় প্রকাশকারী জখম)-এর অর্ধেক দিয়ত বা রক্তপণের ফয়সালা দিয়েছিলেন। অতঃপর সাওরি আসলেন এবং আমাদের নিকট আপনার উদ্ধৃতি দিয়ে এটি বর্ণনা করলেন। তিনি (মালিক) বললেন: সে সত্য বলেছে। আমি বললাম: তাহলে আমাকে এ সম্পর্কে সংবাদ দিন । ⦗পৃষ্ঠা: ৭৪⦘ তিনি বললেন: না। আমি বললাম: কেন? তিনি বললেন: আমাদের নিকট এর ওপর আমল নেই। আর এর বর্ণনাকারী ব্যক্তি আমাদের নিকট সেই পর্যায়ের (নির্ভরযোগ্য) নন।