(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: -)
سبعة مجالس من أمالي أبي طاهر المخلص القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء فيه سبعة مجالس من أمالي أبي طاهر المخلص
المؤلف: محمد بن عبد الرحمن بن العباس بن عبد الرحمن بن زكريا البغدادي المخَلِّص (ت 393هـ)
قابله بأصله وخرج أحاديثه: محمد بن ناصر العجمي
الناشر: دار البشائر الأسلامية، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 100
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু তাহির আল-মখলিস-এর আমালি থেকে সংকলিত সাতটি মাজলিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু তাহির আল-মখলিস-এর আমালি থেকে সংকলিত সাতটি মাজলিস সম্বলিত একটি পুস্তিকা (জুয)
লেখক: মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস বিন আব্দুর রহমান বিন যাকারিয়া আল-বাগদাদি আল-মখলিস (মৃত্যু ৩৯৩ হিজরি)
মূল পান্ডুলিপির সাথে তুলনা এবং হাদিসের উৎস বিশ্লেষণ করেছেন: মুহাম্মদ বিন নাসের আল-আজমি
প্রকাশক: দারুল বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০০
[বইটির পৃষ্ঠাক্রম মুদ্রণ কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الْإِمَامُ الْعَالِمُ الْحَافِظُ الثِّقَةُ بَهَاءُ الدِّينِ شَمْسُ الْحُفَّاظِ، نَاصِرُ السُّنَّةِ، مُحَدِّثُ الشَّامِ، أَبُو مُحَمَّدٍ الْقَاسِمُ ابْنُ الْإِمَامِ الْعَالِمِ الْحَافِظِ ثِقَةِ الدِّينِ شَيْخِ الْإِسْلَامِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ. قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، يَوْمَ الْإِثْنَيْنِ الثَّانِيَ عَشَرَ مِنْ ذِي الْقِعْدَةِ سَنَةَ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الدُّرِّ يَاقُوتُ بْنُ عَبدِ اللَّهِ الرُّومِيُّ التَّاجِرُ مَوْلَى ابْنِ الْبُخَارِيِّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الثُّلَاثَاءِ السَّادِسِ وَعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الْآخِرَةِ ، سَنَةَ ثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ ، وَمَرَّةً أُخْرَى فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ ، ثَالِثِ وَعِشْرِينَ صَفَرٍ سَنَةَ سِتٍّ وَثَلَاثِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ ، قَالَ: ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّرِيفِينِيُّ الْخَطِيبُ ، قِرَاءَةً عَلَيهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، قَالَ: ثنا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ ، إِمْلَاءً يَوْمَ الْجُمُعَةِ السَّادِسَ عَشَرَ مِنْ رَجَبٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَتِسْعِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ قَالَ: ⦗ص: 48⦘ ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ إِمْلَاءً فِي صَفَرٍ لِسِتٍّ خَلَوْنَ مِنْهُ، سَنَةَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلِ بْنِ هِلَالِ بْنِ أَسَدٍ الشَّيْبَانِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو جَمْرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ: قَدِمَ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم" فَأَمَرَهُمْ بِالْإِيمَانِ بِاللَّهِ عز وجل، ثُمَّ قَالَ: «أَتَدْرُونَ مَا الْإِيمَانُ بِاللَّهِ؟» قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «شَهَادَةُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامُ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَصَوْمُ رَمَضَانَ، وَأَنْ تُعْطُوا الْخُمْسَ مِنَ الْمَغْنَمِ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ফকীহ, ইমাম, আলিম, হাফিয, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব বাহাউদ্দীন শামসুল হুফফায, নাসিরুস সুন্নাহ, মুহাদ্দিসুশ শাম আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে আল-ইমাম আল-আলিম আল-হাফিয সিকাতুদ্দীন শায়খুল ইসলাম আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী। তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, পাঁচশত পঁচানব্বই হিজরী সালের যিলকদ মাসের বারো তারিখ সোমবার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-দুর ইয়াকুত বিন আব্দুল্লাহ আর-রূমী আত-তাজির, যিনি ইবনুল বুখারীর আযাদকৃত দাস, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে পাঁচশত তেত্রিশ হিজরী সালের জুমাদাল আখিরাহ মাসের ছাব্বিশ তারিখ মঙ্গলবার এবং আরও একবার পাঁচশত ছত্রিশ হিজরী সালের সফর মাসের তেইশ তারিখ শুক্রবার। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সারিফীনী আল-খাতীব, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-আব্বাস আল-মুখাল্লিস, তিনশত তিরানব্বই হিজরী সালের রজব মাসের ষোল তারিখ শুক্রবার শ্রুতলিখন হিসেবে। তিনি বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৪৮⦘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাভী, তিনশত তেরো হিজরী সালের সফর মাসের ছয় দিন অতিবাহিত হওয়ার পর শ্রুতলিখন হিসেবে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ আশ-শায়বানী। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, শু'বাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু জামরাহ, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি যে, আব্দুল কায়সের প্রতিনিধি দল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলেন। তখন তিনি তাঁদেরকে মহামহিম আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: «তোমরা কি জানো আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা কী?» তাঁরা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন: «এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, রমাদানের রোজা রাখা এবং যুদ্ধলব্ধ গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ দান করা।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْأَقْمَرِ، عَنْ أَبِي حُذَيْفَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: حَكَيْتُ إِنْسَانًا ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَا يَسُرُّنِي أَنِّي حَكَيْتُ إِنْسَانًا وَأَنَّ لِي كَذَا وَكَذَا»
২ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনুল আকমার থেকে, তিনি আবু হুজাইফা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এক ব্যক্তির অনুকরণ (নকল) করেছিলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আমি কারো অনুকরণ করা পছন্দ করি না, যদিও বিনিময়ে আমাকে অমুক অমুক সম্পদ প্রদান করা হয়।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ أَبُو عُثْمَانَ الصَّيْرَفِيُّ، ثنا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «اكْفُلُوا لِي بِسِتٍّ أَكْفُلْ لَكُمْ بِالْجَنَّةِ، إِذَا حَدَّثَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَكْذِبْ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ فَلَا يَخُنْ، وَإِذَا وَعَدَ فَلَا يُخْلِفْ، غُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালুত ইবনে আব্বাদ আবু উসমান আস-সাইরাফী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফায্যাল ইবনে জুবাইর, তিনি বলেন: আমি আবু উমামা আল-বাহিলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «তোমরা আমাকে ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদারী দাও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব; যখন তোমাদের কেউ কথা বলে তখন সে যেন মিথ্যা না বলে, যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় তখন সে যেন খিয়ানত না করে, যখন সে ওয়াদা করে তখন সে যেন তা ভঙ্গ না করে, তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখো, তোমাদের হাতকে বিরত রাখো এবং তোমাদের লজ্জাস্থানকে হেফাজত করো।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
4 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ إِمْلَاءً فِي يَوْمِ الِإثْنَيْنِ لِسِتٍّ خَلَوْنَ مِنْ صَفَرٍ سَنَةَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، ثنا كَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ أَبُو يَحْيَى الْجَحْدَرِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ خَالِدٍ الحَذَّاءِ ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ شَقِيقٍ ، عَنِ ابْنِ أَبِي الْجَدْعَاءِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ: مَتَى كُتِبْتَ ⦗ص: 50⦘ نَبِيًّا؟ قَالَ: «إِذْ آدَمُ بَيْنَ الرُّوحِ وَالْجَسَدِ»
৪ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী ৩১৩ হিজরি সনের সফর মাসের ছয় দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সোমবার দিন আমাদের কাছে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, কামিল ইবনে তালহা আবু ইয়াহইয়া আল-জাহদারি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, খালিদ আল-হাজ্জা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে শাকিক থেকে, তিনি ইবনে আবি আল-জাদআ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে কখন ⦗পৃষ্ঠা: ৫০⦘ নবী হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল? তিনি বললেন: "যখন আদম রুহ ও শরীরের মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
5 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أثنا فَرَجُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ لُقْمَانَ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا كَانَ بُدُوُّ أَمْرِكَ؟ قَالَ: «دَعْوَةُ أَبِي إِبْرَاهِيمَ، وَبُشْرَى عِيسَى، وَرَأَتْ أُمِّي خَرَجَ مِنْهَا نُورٌ أَضَاءَتْ لَهُ قُصُورُ الشَّامِ»
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাভী, তাঁর নিকট পঠিত অবস্থায় এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-জাদ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফারাজ বিন ফাদালাহ, তিনি লুকমান বিন আমির থেকে, তিনি আবু উমামা আল-বাহিলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নবুওয়াতের সূচনা কীভাবে হয়েছিল? তিনি বললেন: «আমি আমার পিতা ইব্রাহীমের দোয়া, ঈসার সুসংবাদ এবং আমার মায়ের দেখা সেই নূর যা তাঁর থেকে নির্গত হয়েছিল এবং যার মাধ্যমে শামের প্রাসাদসমূহ আলোকিত হয়ে গিয়েছিল।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْأَشْعَثِ السِّجِسْتَانِيُّ رحمه الله، ثنا أَحْمَدُ - يَعْنِي: ابْنَ صَالِحٍ، ثنا ⦗ص: 51⦘ ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا شِبْلُ بْنُ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمْ أَمْرًا فَلْيَقُلِ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ، وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلَا أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلَا أَعْلَمُ ، وَأَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوبِ، اللَّهُمَّ إِنْ كَانَ - كَذَا وَكَذَا - خَيْرًا لِي فِي دِينِي، وَخَيْرًا لِي فِي مَعِيشَتِي، وَخَيْرًا لِي فِي عَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لِي، وَبَارِكْ لِي فِيهِ، وَإِنْ كَانَ غَيْرُ ذَلِكَ خَيْرًا لِي فَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ، وَرَضِّنِي بِهِ "
৬ - আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে আবি দাউদ আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস আস-সিজিস্তানি (আল্লাহ তাঁর ওপর দয়া করুন) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ - অর্থাৎ ইবনে সালিহ - বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ৫১⦘ ইবনে আবি ফুদাইক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শিবল ইবনুল আলা ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন কোনো বিষয়ের ইচ্ছা করে, তখন সে যেন বলে: হে আল্লাহ! আমি আপনার ইলমের ওসিলায় আপনার নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করছি, আপনার কুদরতের ওসিলায় আপনার নিকট সামর্থ্য প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট আপনার মহান অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা আপনি সামর্থ্য রাখেন অথচ আমি সামর্থ্য রাখি না, আপনি জানেন অথচ আমি জানি না এবং আপনিই অদৃশ্য বিষয়সমূহের পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! যদি এই বিষয়টি - অমুক অমুক - আমার জন্য আমার দ্বীনের ক্ষেত্রে, আমার জীবন যাপনের ক্ষেত্রে এবং আমার কাজের পরিণতির ক্ষেত্রে কল্যাণকর হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন এবং এতে আমার জন্য বরকত দান করুন। আর যদি এছাড়া অন্য কোনো কিছু আমার জন্য অধিক কল্যাণকর হয়, তবে কল্যাণ যেখানেই থাকুক আপনি তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন এবং আমাকে তার প্রতি সন্তুষ্ট করে দিন।"
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥١)
7 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ أَبُو مُحَمَّدٍ إِمْلَاءً، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زُنْبُورٍ الْمَكِّيُّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ عُمَيْرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَصَدَّقُوا؛ فَإِنَّ الصَّدَقَةَ فِكَاكُكُمْ مِنَ النَّارِ»
7 - আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়িদ আবু মুহাম্মাদ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে যুনবুর আল-মাক্কি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হারিস ইবনে উমাইর বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা সদকা করো; কেননা নিশ্চয়ই সদকা হলো জাহান্নাম থেকে তোমাদের মুক্তির উপায়।’»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ قِرَاءَةً عَلَيْنَا مِنْ لَفْظِهِ فِي رَجَبٍ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، ثنا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلَاءِ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ السَّكْسَكِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ خِيَارَ عِبَادِ اللَّهِ الَّذِينَ يُرَاعُونَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ وَالْأَظِلَّةَ لِذِكْرِ اللَّهِ عز وجل»
8 - আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ ৩১৫ হিজরী সনের রজব মাসে আমাদের নিকট নিজ শব্দে পাঠ করে শুনিয়েছেন, আব্দুল জব্বার বিন আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর থেকে বর্ণিত, ইবরাহিম আস-সাকসাকি থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা, যারা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর যিকিরের জন্য সূর্য, চন্দ্র ও ছায়ার প্রতি লক্ষ্য রাখে»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي مَنْزِلِهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا عِيسَى بْنُ مُسَاوِرٍ، ثنا يَغْنَمُ بْنُ سَالِمِ بْنِ قَنْبَرٍ خَادِمُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: قَالَ لِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ: قَالَ: لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَادَ أَعْمًى أَرْبَعِينَ خُطْوَةً، لَمْ تَمَسَّ وَجْهَهُ النَّارُ»
৯ - আবূ হামিদ মুহাম্মাদ বিন হারূন বিন আবদুল্লাহ আল-হাদরামী আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর বাসভবনে তাঁর উপস্থিতিতে এটি পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: ঈসা বিন মুসাওয়ির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আলী বিন আবী তালিবের খাদেম ইয়াগনাম বিন সালিম বিন কানবার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আনাস বিন মালিক আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো অন্ধ ব্যক্তিকে চল্লিশ কদম পথ পরিচালনা করবে, জাহান্নামের আগুন তার চেহারা স্পর্শ করবে না।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
10 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ مُجَاشِعٍ الْخُتُلِّيُّ، ثنا رَجَاءُ بْنُ سَهْلٍ الصَّاغَانِيُّ، ثنا وَهْبُ بْنُ وَهْبٍ أَبُو الْبَخْتَرِيِّ الْقَاضِي، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: إِنَّ أَوَّلَ سُورَةٍ تَعَلَّمْتُهَا مِنَ الْقُرْآنِ طه، فَكُنْتُ إِذَا قُلْتُ: {طه مَا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لِتَشْقَى} [طه: 2] قَالَ صلى الله عليه وسلم: «لَا شَقِيتِ يَا عَائِشُ»
১০ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ জাফর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে মুজাশে আল-খুতুল্লি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন রাজা ইবনে সাহল আস-সাগানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াহাব ইবনে ওয়াহাব আবু আল-বাখতারি আল-কাদি, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কুরআনের প্রথম যে সূরাটি আমি শিখেছিলাম তা হলো ত্বহা। আমি যখন পাঠ করতাম: {ত্বহা, আমি আপনার প্রতি কুরআন এই জন্য অবতীর্ণ করিনি যে আপনি কষ্ট পাবেন} [ত্বহা: ২], তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: «হে আয়েশ, তুমি যেন কখনো কষ্টে না পড়ো (দুর্ভাগা না হও)»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ الْخَلِيلِ الْجَلَّابُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ - يَعْنِي ابْنَ: عَسْكَرٍ، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ هَمَّامٍ، ثنا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: لَمَّا مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحِجْرِ قَالَ: «لَا تَدْخُلُوا مَسَاكِنَ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ إِلَّا أَنْ تَكُونُوا بَاكِينَ، وَلَا تَدْخُلُوا عَلَيْهِمْ فَيُصِيبَكُمْ مِثْلُ مَا أَصَابَهُمْ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াকুব ইসহাক বিন আল-খলিল আল-জাল্লাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সাহল - অর্থাৎ ইবনে আসকার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিজর অঞ্চল অতিক্রম করছিলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুমকারী ব্যক্তিদের বাসস্থানে প্রবেশ করো না, তবে যদি তোমরা ক্রন্দনরত থাকো (তবে ভিন্ন কথা)। তোমরা তাদের নিকট প্রবেশ করো না, পাছে তাদের যা গ্রাস করেছিল তোমাদেরকেও যেন তা গ্রাস না করে বসে।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
12 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ الْبُهْلُولِ أَمْلَاهُ عَلَيْنَا مِنْ لَفْظِهِ وَكِتَابِهِ، فِي رَجَبٍ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي كُرَيْبٍ وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَكُمْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، ⦗ص: 54⦘ عَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ضَرَبَ وَغَرَّبَ، وَأَنَّ أَبَا بَكْرٍ ضَرَبَ وَغَرَّبَ، وَأَنَّ عُمَرَ ضَرَبَ وَغَرَّبَ فَأَقَرَّ بِهِ "
১২ - আমাদের নিকট কাযী আবু জাফর আহমদ বিন ইসহাক বিন আল-বুহলুল বর্ণনা করেছেন, তিনি ৩১৫ হিজরীর রজব মাসে তাঁর মৌখিক শব্দে এবং কিতাব থেকে আমাদের নিকট এটি শ্রুতিলিপি করিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু কুরাইবের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বিন ইদরিস তোমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন ওমর থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৫৪⦘ ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ব্যভিচারের দণ্ড হিসেবে) বেত্রাঘাত করেছেন ও নির্বাসিত করেছেন, এবং আবু বকর বেত্রাঘাত করেছেন ও নির্বাসিত করেছেন, এবং ওমর বেত্রাঘাত করেছেন ও নির্বাসিত করেছেন এবং তিনি তা বহাল রেখেছেন।
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
13 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ إِمْلَاءً فِي صَفَرٍ سَنَةَ سِتَّ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، ثنا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ هِشَامِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ دَلْهَمٍ، ثنا أَبُو قَطَنٍ عَمْرُو بْنُ الْهَيْثَمِ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ مُوسَى، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِي الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي إِلَيْهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ»
১৩ - বিচারপতি আবু উমর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ ৩১৬ হিজরীর সফর মাসে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আমর উসমান বিন হিশাম বিন আল-ফাদল বিন দালহাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ক্বাতান আমর বিন আল-হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আযীয বিন আবু সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুদামা বিন মুসা থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সালিহ আস-সাম্মান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন: «হে আল্লাহ! আমার জন্য আমার দ্বীনকে সংশোধন করে দিন যা আমার সকল কাজের সুরক্ষা, আমার দুনিয়াকে সংশোধন করে দিন যাতে আমার জীবনোপকরণ রয়েছে, আমার আখিরাতকে সংশোধন করে দিন যেখানে আমার প্রত্যাবর্তনস্থল, এবং জীবনকে আমার জন্য প্রতিটি কল্যাণে প্রবৃদ্ধি দানকারী করুন এবং মৃত্যুকে আমার জন্য প্রতিটি অনিষ্ট থেকে স্বস্তিদায়ক করুন»।
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
14 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ بُجَيْرٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ، ثنا حَاجِبٌ - يَعْنِي: ابْنَ سُلَيْمَانَ الْمَنْبِجِيَّ، ثنا ابْنُ أَبِي دَاوُدَ، ثنا مَرْوَانُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَوَّلَ مَا يُجَازَى بِهِ ⦗ص: 55⦘ الْمُؤْمِنُ بَعْدَ مَوْتِهِ أَنْ يُغْفَرَ لِجَمِيعِ مَنْ يَتْبَعُ جَنَازَتَهُ»
১৪ - কাজী আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে নাসর ইবনে বুজাইর আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। হাজিব—অর্থাৎ ইবনে সুলাইমান আল-মানবিজি—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান ইবনে সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে আবি সুলাইমান থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মুমিন ব্যক্তিকে তাঁর মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যে পুরস্কারটি প্রদান করা হয় ⦗পৃষ্ঠা: ৫৫⦘ তা হলো, তাঁর জানাযার অনুসরণকারী সকলকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
15 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ الشَّيْخُ الصَّالِحُ، ثنا يَحْيَى بْنُ عَيَّاشٍ، ثنا عُمَرُ بْنُ حَبِيبٍ، ثنا ابْنُ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَنَامُ عَيْنَايَ وَلَا يَنَامُ قَلْبِي»
১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারপতি আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন হাম্মাদ বিন ইসহাক বিন ইসমাঈল বিন হাম্মাদ বিন যায়েদ—যিনি একজন নেককার শায়খ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন হাবীব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আজলান, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার চোখ দুটি ঘুমায়, কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না»।
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
16 - حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَيْفٍ أَبُو بَكْرٍ السِّجِسْتَانِيُّ، ثنا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، ثنا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي طَلْحَةُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَقَدْ أَسْرَعَ إِلَيْكَ الشَّيْبُ؟ قَالَ: «أَجَلْ، لَقَدْ شَيَّبَتْنِي هُودٌ وَأَخَواتُهَا» ⦗ص: 56⦘ قَالَ عَطَاءٌ: أَخَوَاتُهَا: اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ عُرْفًا وَإِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন পুণ্যবান শাইখ আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাইফ আবু বকর আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আব্দুল আ'লা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন ওয়াহাব, তিনি বলেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তালহা বিন আমর, আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার তো দ্রুত চুল পেকে গিয়েছে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, সূরা হুদ এবং এর সদৃশ সূরাগুলো আমাকে বৃদ্ধ করে দিয়েছে (আমার চুল পাকিয়ে দিয়েছে)» ⦗পৃষ্ঠা: ৫৬⦘ আতা বলেন: এর সদৃশ সূরাগুলো হলো: ‘ইকতারাবাতুস সা-আহ’ (সূরা আল-কামার), ‘উরফান’ (সূরা আল-মুরসালাত) এবং ‘ইযাশ শামসু কুউয়িরাত’ (সূরা আত-তাকভীর)।
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
17 - حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ الْفَاضِلُ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ سَنَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ وَثَلَاثِمِائَةٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدَكَ، ثنا حَجَّاجٌ وَهُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ، ثنا زِيَادٌ يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ، أَنَّ صَالِحًا، مَوْلَى التَّوْأَمَةِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قَعَدَ الْقَوْمُ فِي الْمَجْلِسِ ثُمَّ قَامُوا لَمْ يَذْكُرُوا اللَّهَ عز وجل فِيهِ، كَانَتْ حَسْرَةً عَلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
১৭ - আমাদের নিকট তিনশত সতেরো হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন সৎ ও মহৎ শায়খ আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল মুহতাদী বিল্লাহ। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদাক। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ—যিনি ইবনে মুহাম্মদ। তিনি বলেন, ইবনে জুরাইজ বলেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যিয়াদ—অর্থাৎ ইবনে সাদ—যে, তাওআমার মুক্ত দাস সালিহ তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন কোনো জনসমষ্টি কোনো মজলিসে উপবেশন করে, অতঃপর সেখানে মহান আল্লাহর যিকির না করেই তারা উঠে যায়, তবে কিয়ামতের দিন তা তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হবে»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا عُثْمَانُ يَعْنِي ابْنَ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا نُعَيْمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ كَتَبَ إِلَى ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ: ⦗ص: 57⦘ مِنْ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ إِلَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، سَلَامٌ عَلَيْكَ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، وَأُوصِيكَ بِتَقْوَى اللَّهِ عز وجل؛ فَإِنَّكَ إِنِ اتَّقَيْتَ اللَّهَ عز وجل كَفَاكَ النَّاسَ، وَإِنِ اتَّقَيْتَ النَّاسَ فَلَنْ يُغْنُوا عَنْكَ مِنَ اللَّهِ عز وجل شَيْئًا، فَعَلَيْكَ بِتَقْوَى اللَّهِ " ، أَمَّا بَعْدُ
১৮ - আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যখন তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: উসমান অর্থাৎ ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু নুয়াইমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান আস-সাওরিকে ইবনে আবি যিবের নিকট এই মর্মে লিখতে শুনেছি: ⦗পৃষ্ঠা: ৫৭⦘ সুফিয়ান ইবনে সাঈদের পক্ষ থেকে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমানের প্রতি, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি আপনার নিকট সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি যিনি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই। আমি আপনাকে মহান আল্লাহর তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জনের উপদেশ দিচ্ছি; কেননা আপনি যদি মহান আল্লাহকে ভয় করেন, তবে মানুষের মোকাবিলায় তিনিই আপনার জন্য যথেষ্ট হবেন। আর যদি আপনি মানুষকে ভয় করেন, তবে তারা আল্লাহর বিপরীতে আপনার কোনো উপকারে আসবে না। অতএব আপনার ওপর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করা আবশ্যক। অতঃপর...
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
الْمَجْلِسُ الثَّانِي بَعْدَهُ
তৎপরবর্তী দ্বিতীয় মজলিস
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
19 - حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخْلِصُ إِمْلَاءً ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ السَّادِسَ عَشَرَ مِنْ رَجَبٍ سَنَةَ ثَلَاثٍ وَتِسْعِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، ثنا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ بَذِيمَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ حَبْتَرٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ»
১৯ - আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুল আব্বাস আল-মুখলিস ৩৯৩ হিজরি সনের ১৬ই রজব শুক্রবার শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আহমাদ আজ-জুবাইরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে বাযিমাহ থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট ইবনে হাবতার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম (নিষিদ্ধ)»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
20 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، وَأَبُو نَصْرٍ التَّمَّارُ، وَكَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ، وَعَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ الْعَيْشِيُّ، قَالُوا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي الْعُشَرَاءِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَمَا تَكُونُ الذَّكَاةُ إِلَّا فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ؟ ⦗ص: 59⦘ قَالَ: «لَوْ طَعَنْتَ فِي فَخِذِهَا لَأَجْزَأَكَ»
২০ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাভী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন আল-জা'দ, আবু নাসর আত-তাম্মার, কামিল বিন তালহা, আবদ আল-আ'লা বিন হাম্মাদ এবং উবাইদুল্লাহ আল-আইশী বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ বিন সালামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবি আল-উশারা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, জবেহ কি কেবল কণ্ঠনালী এবং গলার নিচের অংশেই সীমাবদ্ধ? ⦗পৃষ্ঠা: ৫৯⦘ তিনি বললেন: «তুমি যদি তার উরুতেও আঘাত করতে, তবে তা তোমার জন্য যথেষ্ট হতো।’»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ الْبَزَّارُ سَنَةَ سِتٍّ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ نَحْفِرُ الْخَنْدَقَ وَنَنْقِلُ التُّرَابَ عَلَى أَكْتَافِنَا، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ لَا عَيْشَ إِلَّا عَيْشُ الْآخِرَةِ، فَاغْفِرْ لِلْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ»
২১ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট খালাফ বিন হিশাম আল-বাযযার দুইশত ছাব্বিশ সালে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন আবি হাযিম তাঁর পিতার সূত্রে সাহল বিন সা'দ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—এমতাবস্থায় যখন আমরা পরিখা খনন করছিলাম এবং আমাদের কাঁধে মাটি বহন করছিলাম—তখন তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! আখিরাতের জীবন ব্যতীত প্রকৃত কোনো জীবন নেই, অতএব আপনি মুহাজির এবং আনসারদের ক্ষমা করুন।"
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ وَاضِحٍ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «بَايَعْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى إِقَامِ الصَّلَاةِ، ⦗ص: 60⦘ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ»
২২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন আবি দাউদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাইয়্যাব ইবন ওয়াদিহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-ফাযারি, তিনি ইসমাইল ইবন আবি খালিদ হতে, তিনি কায়স ইবন আবি হাযিম হতে, তিনি জারির ইবন আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমরা আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট সালাত কায়েম করা, ⦗পৃষ্ঠা: ৬০⦘ জাকাত প্রদান করা এবং প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণ কামনার ওপর বায়াত গ্রহণ করেছি।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ، أثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أثنا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: مَا ضَرَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ أَحَدًا مِنْ نِسَائِهِ قَطُّ، وَلَا ضَرَبَ خَادِمًا بِيَدِهِ قَطُّ، وَلَا ضَرَبَ بِيَمِينِهِ شَيْئًا قَطُّ، إِلَّا أَنْ يُجَاهِدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل، وَمَا نِيلَ مِنْهُ شَيْءٌ قَطُّ فَانْتَقَمَ لِنَفْسِهِ، إِلَّا أَنْ تُنْتَهَكَ مَحَارِمُ اللَّهِ عز وجل فَيَنْتَقِمَ لَهَا، وَمَا خُيِّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ أَمْرَيْنِ قَطُّ، إِلَّا اخْتَارَ أَيْسَرَهُمَا، إِلَّا أَنْ يَكُونَ إِثْمًا، فَإِنْ كَانَ إِثْمًا كَانَ أَبْعَدَ النَّاسِ مِنْهُ صلى الله عليه وسلم "
23 - আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনুল হাসান আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ তাঁর পিতা হতে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত দ্বারা তাঁর কোনো স্ত্রীকে কখনোই প্রহার করেননি এবং তাঁর হাত দ্বারা কোনো খাদেমকেও কখনো প্রহার করেননি, আর তিনি তাঁর ডান হাত দ্বারা অন্য কোনো কিছুকেও কখনো আঘাত করেননি, তবে আল্লাহর পথে জিহাদ করার ক্ষেত্র ব্যতীত। তাঁর প্রতি কোনো অন্যায় করা হলে তিনি কখনো নিজের জন্য প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি, তবে মহান আল্লাহর পবিত্র বিধানসমূহ লঙ্ঘিত হলে তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তার প্রতিশোধ নিতেন। আর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে যখনই দুটি বিষয়ের মধ্যে বেছে নেওয়ার ইখতিয়ার দেওয়া হয়েছে, তিনি সর্বদা সহজতরটিই গ্রহণ করেছেন, যদি না তা কোনো পাপের কাজ হতো। আর যদি তা পাপের কাজ হতো, তবে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মানুষের মাঝে তা থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করতেন। "
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
24 - حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ: ثنا عِيسَى يَعْنِي ابْنَ مُسَاوِرٍ، قَالَ: ثنا يَغْنَمُ بْنُ سَالِمٍ، ثنا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طُوبَى لِمَنْ رَآنِي وَآمَنَ بِي، وَمَنْ رَأَى مَنْ رَآنِي، وَمَنْ رَأَى مَنْ رَأَى مَنْ رَآنِي»
২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-হাদরামি, তাঁর নিকট পাঠ করা হলে তিনি তা স্বীকার করে নেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা—অর্থাৎ ইবনে মুসাওয়ির—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াগনাম ইবনে সালিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সুসংবাদ তার জন্য যে আমাকে দেখেছে এবং আমার প্রতি ঈমান এনেছে, এবং তার জন্য যে তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে, এবং তার জন্য যে তাকে দেখেছে যে তাকে দেখেছে যে আমাকে দেখেছে»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٦١)
25 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَيْرُوزَ الْأَنْمَاطِيُّ، ثنا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ثنا سُفْيَانُ، ثنا مَنْصُورٌ، عَنْ تَمِيمِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ يُحْرَمِ الرِّفْقَ يُحْرَمِ الْخَيْرَ»
২৫ - আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে নাইরুজ আল-আনমাতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মানসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি তামিম ইবনে সালামাহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে হিলাল থেকে, তিনি জারির থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যাকে নম্রতা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাকে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত করা হয়।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٦١)
26 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْوَرَّاقُ، ثنا حَفْصٌ يَعْنِي: ابْنَ عَمْرٍو الرَّبَالِيَّ، ثنا أَبُو سُحَيْمٍ الْمُبَارَكُ بْنُ سُحَيْمٍ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا يَزْدَادُ الزَّمَانُ إِلَّا شِدَّةً، وَلَا يَزْدَادُ النَّاسُ إِلَّا شُحًّا، وَلَا تَقُومُ السَّاعَةُ إِلَّا عَلَى شِرَارِ النَّاسِ»
২৬ - আমাদের নিকট আবু আলী ইসমাঈল ইবনুল আব্বাস আল-ওয়াররাক বর্ণনা করেছেন, হাফস অর্থাৎ ইবনে আমর আর-রাবালী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু সুহাইম আল-মুবারক ইবনে সুহাইম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কাল বা সময় কেবল কঠিনই হতে থাকবে, আর মানুষের মাঝে কেবল কৃপণতাই বৃদ্ধি পাবে এবং নিকৃষ্টতম মানুষের ওপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে।»
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
27 - حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى بْنِ السُّكَيْنِ الْبَلَدِيُّ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ رُزَيْقٍ، ثنا مَخْلَدٌ - يَعْنِي: ابْنَ يَزِيدَ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: لَمَّا اسْتَوَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، قَالَ: «اجْلِسُوا» فَسَمِعَ ذَلِكَ ابْنُ مَسْعُودٍ فَجَلَسَ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ فَرَآهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «تَعَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ»
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে ঈসা ইবনুস সুকাইন আল-বালাদি, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে রুজাইক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ—অর্থাৎ ইবনে ইয়াজিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু জুরাইজ, আতা থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জুমার দিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মিম্বারের ওপর উঠলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমরা বসো»। ইবনে মাসউদ তা শুনতে পেয়ে মসজিদের দরজার কাছে বসে পড়লেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে দেখতে পেলেন এবং বললেন: «হে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, এদিকে এসো»।
(খণ্ড: ১)
সাবআতু মাজালিস মিন আমালী আবি তাহির আল-মুখলিস
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
28 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ مَرَّتَيْنِ إِمْلَاءً وَقِرَاءَةً، قَالَ: ثنا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحِمَّانِيُّ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَبُو بَكْرٍ فِي الْجَنَّةِ، وَعُمَرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعُثْمَانُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَلِيٌّ فِي الْجَنَّةِ، وَطَلْحَةُ فِي الْجَنَّةِ، وَالزُّبَيْرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فِي الْجَنَّةِ، وَسَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ فِي الْجَنَّةِ، ⦗ص: 63⦘ وَسَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ فِي الْجَنَّةِ، وَأَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ فِي الْجَنَّةِ» رضي الله عنهم أَجْمَعِينَ
২৮ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাবী আমাদের নিকট দুইবার বর্ণনা করেছেন—শ্রুতিলিপি এবং পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আল-হিম্মানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দারাওয়ার্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আব্দুর রহমান ইবনে আউফ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আবু বকর জান্নাতি, উমর জান্নাতি, উসমান জান্নাতি, আলী জান্নাতি, তালহা জান্নাতি, যুবাইর জান্নাতি, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ জান্নাতি, সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস জান্নাতি, ⦗পৃষ্ঠা: ৬৩⦘ সাঈদ ইবনে যাইদ জান্নাতি এবং আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ জান্নাতি» তাঁদের সবার প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন।