(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: -)
حديث أبي الفضل الزهري القسم: كتب السنة
الكتاب: حديث الزهري
المؤلف: عبيد الله بن عبد الرحمن بن محمد بن عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف العوفي، الزهري، القرشي، أبو الفضل البغدادي (ت 381هـ)
دراسة وتحقيق: الدكتور حسن بن محمد بن علي شبالة البلوط
الناشر: أضواء السلف، الرياض
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1998 م
عدد الصفحات: 671
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 15 صفر 1433
হাদীসে আবু ফাদল আল-জুহরী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: হাদীসে আল-জুহরী
লেখক: উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন সা'দ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ আল-আউফী، আল-জুহরী، আল-কুরাশী، আবু ফাদল আল-বাগদাদী (মৃত্যু ৩৮১ হিজরী)
গবেষণা ও সম্পাদনা: ডক্টর হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন আলী শাবালাহ আল-বালুত
প্রকাশক: আদওয়াউস সালাফ، রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৮ হিজরী - ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৭১
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির সাথে মিল রেখে]
শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ১৫ সফর ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨١)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِي الْمُقَنَّعِي فِيْمَا قَرَأَهُ عَلَيْهِ ظَاهِرُ النَّيْسَابُورِي بِبَغْدَادَ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، وَهُوَ يَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ فِي شَعْبَانَ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعْمَائَةٍ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِي صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ حَاضِرٌ تَسْمَعُ قَالَ: نا أَبُو بَكْرٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْمُسْتَفَاضِ الْفِرْيَابِيُّ، سَنَةَ ⦗ص: 82⦘ ثَمَانٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَوَّلُ زُمْرَةٍ مِنْ أُمَّتِي تَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَلَى مِثْلِ صُورَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ، ثُمَّ الثَّانِيَةُ عَلَى أَشَدِّ نَجْمٍ فِي السَّمَاءِ إِضَاءَةً، أَمْشَاطُهُمُ الذَّهَبُ، وَمَجَامِرُهُمُ الْأَلُوَّةُ، وَرَشْحُهُمُ الْمِسْكُ، أَخْلَاقُهُمْ عَلَى خُلُقِ رَجُلٍ وَاحِدٍ، لَا يَتَغَوَّطُونَ، وَلَا يَبُولُونَ، وَلَا يَمْتَخِطُونَ، وَلَا يَتْفُلُونَ ، عَلَى صُورَةِ أَبِيهِمْ آدَمَ عليه السلام سِتِّينَ ذِرَاعًا»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য শায়খ আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আল-জাওহারী আল-মুকান্নাই। জাহির আন-নায়সাবুরী বাগদাদে তাঁর নিকট এটি পাঠ করেছেন আর আমি উপস্থিত থেকে তা শুনছিলাম এবং তিনিও শ্রবণ করছিলেন। অতঃপর তিনি ৪৫৪ হিজরি সালের শাবান মাসে এটি স্বীকার ও সত্যায়ন করেছেন। তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে সা’দ ইবনে ইবরাহীম ইবনে সা’দ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আওফ আজ-জুহরী—যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী ছিলেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এমতাবস্থায় যে তুমি উপস্থিত ছিলে এবং শুনছিলে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-মুস্তাফাদ আল-ফিরয়াবী, ২৯৮ সালে। ⦗পৃষ্ঠা: ৮২⦘ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মিনজাব ইবনুল হারিস। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে মুসহির, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রাহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মতের প্রথম দলটি যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তারা হবে পূর্ণিমার রাতের চাঁদের আকৃতিতে। অতঃপর দ্বিতীয় দলটি হবে আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো জ্যোতির্ময়। তাদের চিরুনি হবে স্বর্ণের, তাদের ধুনুচি হবে সুগন্ধি অগুরু কাঠের, এবং তাদের শরীরের ঘাম হবে কস্তুরীর সুবাসিত। তাদের স্বভাব-চরিত্র হবে হুবহু এক ব্যক্তির ন্যায়। তারা মলত্যাগ করবে না, মূত্রত্যাগ করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থুতু ফেলবে না। তারা তাদের পিতা আদম আলাইহিস সালাম-এর আকৃতিতে হবে, যার উচ্চতা হবে ষাট হাত।»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٣)
2 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ الْفِرْيَابِيُّ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا أَبُو أُسَامَةَ، نا زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «الْجَنَّةُ سَجْسَجٌ لَا حَرَّ فِيهَا وَلَا قَرَّ»
২ - আবু আল-ফাদল আয-যুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আল-ফিরইয়াবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়া ইবনে আবি যাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আওসাজাহ থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «জান্নাত হলো নাতিশীতোষ্ণ, সেখানে কোনো প্রখর উত্তাপ নেই এবং কোনো কনকনে শীতও নেই»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٤)
3 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، نا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، نا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ، وَأَبِي الْيَمَانِ الْهَوْزَنِيِّ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى وَعَدَنِي أَنْ يَدْخُلَ الْجَنَّةَ مِنْ أُمَّتِي سَبْعِينَ أَلْفًا بِغَيْرِ حِسَابٍ». فَقَالَ يَزِيدُ بْنُ الْأَخْنَسِ: وَاللَّهِ مَا أُولَئِكَ فِي أُمَّتِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِلَّا كَالذُّبَابِ الْأَصْهَبِ فِي الذُّبَابِ
৩ - আবুল ফজল আজ-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর ইবন মুহাম্মদ আল-ফিরিয়াবি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবন ইবরাহিম আদ-দিমাশকি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ ইবন মুসলিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান ইবন আমর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুলাইম ইবন আমির ও আবুল ইয়ামান আল-হাওজানি থেকে বর্ণিত, আবু উমামা আল-বাহিলি থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আমাকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, আমার উম্মতের সত্তর হাজার ব্যক্তি বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন ইয়াজিদ ইবনুল আখরাস বললেন: আল্লাহর কসম, আপনার উম্মতের মধ্যে তারা তো হে আল্লাহর রাসূল! মাছিদের মধ্যে লালচে মাছির মতোই।»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٥)
4 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا أَبُو جَعْفَرٍ النُّفَيْلِيُّ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى مَعْقِلِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: «أَدْنَى وَقْتِ الْحَيْضِ يَوْمٌ»
৪ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু জাফর আন-নুফাইলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মাকিল ইবনে উবাইদুল্লাহর নিকট পাঠ করেছি, আতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «ঋতুস্রাবের সর্বনিম্ন সময় একদিন»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٥)
5 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ الدَّامِغَانِيُّ، حَدَّثَنِي عَنْبَسَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَاذَانَ، عَنْ أُمِّ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبَيْنَ يَدَيْهِ كَاتَبٌ يَكْتُبُ، فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: «ضَعِ الْقَلَمَ عَلَى أُذُنِكَ فَإِنَّهُ أَذَكَرَ لِلْمَالِيِّ»
৫ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস আদ-দামিঘানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনবাসাহ ইবনে আবদুর রহমান আল-কুরাশি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাযান থেকে, তিনি উম্মে সাদ থেকে, তিনি জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁর সামনে একজন লেখক লিখছিলেন, তখন আমি তাঁকে বলতে শুনলাম: «কলমটি তোমার কানের উপর রাখো, কারণ এটি স্মরণে রাখার জন্য অধিক কার্যকর»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٦)
6 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، نا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «يُدْنِي رَأْسَهُ مِنِّي، وَهُوَ مُجَاوِرٌ فِي الْمَسْجِدِ، وَأَنَا حَائِضٌ فِي حُجْرَتِي فَأُرَجِّلُهُ»
৬ - আবু আল-ফাদল আয-যুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুশহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «আমার নিকট তাঁর মাথা বাড়িয়ে দিতেন এমতাবস্থায় যে তিনি মসজিদে অবস্থানরত ছিলেন, আর আমি আমার কক্ষে ঋতুমতী থাকা অবস্থায় তাঁর চুল আঁচড়ে দিতাম»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٧)
7 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: دَخَلَتْ هِنْدُ بِنْتُ عُتْبَةَ امْرَأَةُ أَبِي سُفْيَانَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ لَا يُعْطِينِي مِنَ النَّفَقَةِ مَا يَكْفِينِي وَيَكْفِي بَنِيَّ إِلَّا مَا أَخَذْتُ مِنْ مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمِهِ، فَهَلْ عَلَيَّ فِي ذَلِكَ مِنْ جُنَاحٍ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «خُذِي بِالْمَعْرُوفِ مَا يَكْفِيكِ وَيَكْفِي بَنِيكِ»
৭ - আবু আল-ফাদল আল-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরিয়াবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনজাব বিন আল-হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলি বিন মুসহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দ বিনত উতবাহ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নিশ্চয়ই আবু সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি, তিনি আমাকে এবং আমার সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত ভরণপোষণ দেন না, কেবল আমি তাঁর অজান্তে তাঁর সম্পদ থেকে যা গ্রহণ করি তা ব্যতীত। এমতাবস্থায় আমার ওপর কি কোনো পাপ হবে? তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তুমি ন্যায়সংগতভাবে ততটুকু গ্রহণ করো যা তোমার এবং তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٨)
8 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الْأَنْصَارِيُّ، نا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ فَحَدَّثَهُ أَنَّ أُمَّ مُعَاوِيَةَ رضي الله عنها جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبَا سُفْيَانَ رَجُلٌ شَحِيحٌ، وَإِنَّهُ لَا يُعْطِينِي مَا يَكْفِينِي وَوَلَدِي إِلَّا مَا أَخَذْتُ مِنْهُ سِرًّا، وَهُوَ لَا يَعْلَمُ ، فَهَلْ عَلَيَّ فِي ذَلِكَ مِنْ شَيْءٍ؟ فَقَالَ: «خُذِي مَا يَكْفِيكِ وَوَلَدَكِ بِالْمَعْرُوفِ»
9 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، نا هِشَامٌ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ هِنْدَ بِنْتَ عُتْبَةَ،
⦗ص: 89⦘ قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ
10 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها قَالَتْ: جَاءَتْ هِنْدُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. فَذَكَرَ الْحَدِيثَ نَحْوَهُ
8 - আবু আল-ফজল আল-জুহরী তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসহাক বিন মুসা আল-আনসারী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আনাস বিন ইয়াদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তাঁর পিতা থেকে, আয়েশার (রা.) বর্ণিত হাদীস হতে, তিনি তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, উম্মে মুআবিয়া (রা.) আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর নিকট এলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নিশ্চয়ই আবু সুফিয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি, এবং তিনি আমাকে ও আমার সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ (ভরণপোষণ) প্রদান করেন না, কেবল যতটুকু আমি তাঁর অজান্তে গোপনে গ্রহণ করি তা ছাড়া, অথচ তিনি তা জানেন না। তবে কি এ বিষয়ে আমার কোনো গুনাহ হবে? তিনি বললেন: "তুমি তোমার এবং তোমার সন্তানদের জন্য ন্যায়সঙ্গতভাবে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু গ্রহণ করো।"
9 - আবু আল-ফজল আল-জুহরী তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমর বিন আলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হিশাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আয়েশা (রা.) থেকে যে, হিন্দা বিনতে উতবাহ,
⦗পৃষ্ঠা: ৮৯⦘ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এরপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করলেন।
10 - আবু আল-ফজল আল-জুহরী তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উসমান বিন আবি শায়বাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ওকী’ বিন আল-জাররাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হিন্দা আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর নিকট এলেন। এরপর তিনি অনুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٨٩)
11 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلَا حَدَاثَةُ عَهْدِ قَوْمِكِ بِالْكُفْرِ لَنَقَضْتُ الْكَعْبَةَ، ثُمَّ بَنَيْتُهَا عَلَى أُسِّ إِبْرَاهِيمَ عليه السلام، وَإِنَّ قُرَيْشًا حِينَ بَنَتِ اسْتَقْصَرَتْ وَجَعَلَتْ لَهَا حَلْقًا» قَالَ ابْنُ مُسْهِرٍ: ⦗ص: 90⦘ يَعْنِي بَابًا
১১ - আবু আল-ফজল আজ-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তার উপর বর্ষিত হোক) আমাকে বলেছেন: «যদি তোমার কওমের কুফর ত্যাগের সময়টি নিকটবর্তী না হতো, তবে আমি কাবা ভেঙে ফেলতাম, অতঃপর ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ভিত্তির ওপর তা নির্মাণ করতাম। আর নিশ্চয়ই কুরাইশরা যখন এটি নির্মাণ করেছিল তখন তারা তা সংকুচিত করেছিল এবং এর জন্য একটি প্রবেশপথ রেখেছিল» ইবনে মুসহির বলেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৯০⦘ অর্থাৎ একটি দরজা।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٠)
12 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:
«إِنَّ قَوْمَكِ لَمَّا بَنَوُا الْكَعْبَةَ اسْتَقْصَرُوا، وَلَوْلَا أَنَّهُمْ حَدِيثُو عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ لَهَدَمْتُهَا وَجَعَلْتُهَا عَلَى أَسَاسِ إِبْرَاهِيمَ عليه السلام،
⦗ص: 91⦘ وَجَعَلْتُ لَهَا بَابَيْنِ»
13 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، نا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى، نا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ نَحْوَهُ
১২ - আবু আল-ফজল আজ-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবি শায়বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«তোমার সম্প্রদায় যখন কাবা নির্মাণ করেছিল, তখন তারা এর দৈর্ঘ্য কমিয়ে দিয়েছিল। তারা যদি জাহিলিয়াতের যুগের নিকটবর্তী না হতো, তবে আমি অবশ্যই এটি ভেঙে ফেলতাম এবং একে ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)-এর ভিত্তির ওপর স্থাপন করতাম, ⦗পৃষ্ঠা: ৯১⦘ এবং এর জন্য দুটি দরজা বানিয়ে দিতাম।»
১৩ - আবু আল-ফজল আজ-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফিরিয়াবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে, অতঃপর তিনি অনুরূপ হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩١)
14 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا مُزَاحِمُ بْنُ سَعِيدٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ المُبَارَكٍ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: «مَا ضَرَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَدًا مِنْ نِسَائِهِ قَطُّ، وَلَا ضَرَبَ خَادِمًا لَهُ قَطُّ، وَلَا ضَرَبَ بِيَدِهِ شَيْئًا قَطُّ إِلَّا أَنْ يُجَاهِدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل، وَمَا نِيلَ مِنْهُ شَيْءٌ قَطُّ فَانْتَقَمَ لِنَفْسِهِ إِلَّا أَنْ تُنْتَهَكَ مَحَارِمُ اللَّهِ عز وجل، فَيَنْتَقِمُ لَهَا، وَمَا خُيِّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ أَمْرَيْنِ قَطُّ، أَحَدُهُمَا أَيْسَرُ مِنَ الْآخَرِ إِلَّا اخْتَارَ أَيْسَرَهُمَا إِلَّا أَنْ يَكُونَ إِثْمًا، فَإِذَا كَانَ إِثْمًا كَانَ أَبْعَدَ النَّاسِ مِنْهُ»
১৪ - আবু আল-ফজল আজ-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুজাহিম ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো তাঁর কোনো স্ত্রীকে প্রহার করেননি, কখনো কোনো সেবককে প্রহার করেননি এবং নিজের হাত দিয়ে কখনো কোনো কিছুকে আঘাত করেননি, তবে মহান আল্লাহর পথে জিহাদ করা ব্যতীত। তাঁর কোনো ক্ষতি করা হলে তিনি কখনো নিজের জন্য প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি, তবে আল্লাহর পবিত্র বিধানসমূহ লঙ্ঘিত হলে তিনি তার জন্য প্রতিশোধ নিতেন। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যখনই দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো একটি বেছে নেওয়ার এখতিয়ার দেওয়া হতো—যার একটি অন্যটির চেয়ে সহজ—তখন তিনি সহজটিই গ্রহণ করতেন, যদি না তা কোনো পাপের কাজ হতো। আর যদি তা পাপের কাজ হতো, তবে তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে তা থেকে সর্বাপেক্ষা দূরবর্তী ব্যক্তি।»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٢)
15 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتِ: اسْتَأْذَنَ عَلَيَّ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ أَخُو أَبِي الْقُعَيْسِ، فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ حَتَّى اسْتَأْذَنَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ اسْتَأْذَنَ عَلَيَّ، فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ حَتَّى أَسْتَأْمِرَكَ، قَالَ: «فَأْذَنِي لَهُ إِنَّهُ عَمُّكِ» قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ، وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ ، فَقَالَ: «ائْذَنِي لَهُ فَإِنَّهُ عَمُّكِ» وَكَانَتْ عَائِشَةُ رضي الله عنها تَقُولُ: يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعِ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلَادَةَ
১৫ - আবুল ফজল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আলী ইবনে মুশহির হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দুধ-চাচা, যিনি আবুল কুয়াইসের ভাই, আমার কাছে আসার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত তাঁকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। অতঃপর আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমার দুধ-চাচা আমার কাছে আসার অনুমতি চেয়েছেন, কিন্তু আমি আপনার নির্দেশ না নেওয়া পর্যন্ত তাঁকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছি। তিনি বললেন: «তাঁকে অনুমতি দাও, কেননা তিনি তোমার চাচা»। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে তো নারী দুধ পান করিয়েছে, পুরুষ তো আমাকে দুধ পান করায়নি। তিনি বললেন: «তাঁকে অনুমতি দাও কেননা তিনি তোমার চাচা»। আর আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলতেন: বংশগত জন্মের কারণে যা কিছু হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٣)
16 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى، نا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " جَاءَ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ بَعْدَ مَا ضُرِبَ عَلَيْنَا الْحِجَابُ، فَقُلْتُ: وَاللَّهِ ، لَا آذَنُ لَهُ حَتَّى يَأْتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَأَسْتَأْذِنَ، فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَتْ لَهُ: جَاءَ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ ، فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ لَهُ حَتَّى أَسْتَأْذِنَكَ. قَالَ لَهَا:
«فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ عَمُّكِ». فَقَالَتْ: إِنَّمَا أَرْضَعَتْنِي الْمَرْأَةُ ، وَلَمْ يُرْضِعْنِي الرَّجُلُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّهُ عَمُّكِ فَلْيَلِجْ عَلَيْكِ» ، وَكَانَتْ تَقُولُ: «يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلَادَةِ»
⦗ص: 94⦘17 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، نا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: " جَاءَ عَمِّي مِنَ الرَّضَاعَةِ يَسْتَأْذِنُ. فَذَكَرَ الْحَدِيثَ نَحْوَهُ
১৬ - আবূ আল-ফজল আয-যুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জা’ফর আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবন মূসা আমাদের বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবন ইয়াদ হিশাম থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমাদের ওপর পর্দার বিধান অর্পিত হওয়ার পর আমার দুগ্ধ-সম্পর্কীয় চাচা আসলেন। আমি বললাম: আল্লাহর শপথ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসা পর্যন্ত আমি তাঁকে অনুমতি দেব না যাতে আমি তাঁর অনুমতি গ্রহণ করতে পারি। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন: আমার দুগ্ধ-সম্পর্কীয় চাচা এসেছিলেন, তাই আপনার অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত আমি তাঁকে ভেতরে আসার অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। তিনি তাঁকে বললেন:
«তোমার চাচা যেন তোমার নিকট প্রবেশ করে»। তখন তিনি বললেন: আমাকে তো কেবল মহিলাই দুধ পান করিয়েছে, পুরুষটি তো আমাকে দুধ পান করায়নি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «তিনি তোমার চাচা, সুতরাং তিনি যেন তোমার নিকট প্রবেশ করেন»। আর তিনি বলতেন: «জন্মসূত্রে যা কিছু হারাম হয়, দুগ্ধ পান করার কারণেও তা হারাম হয়»।
⦗পৃষ্ঠা: ৯৪⦘১৭ - আবূ আল-ফজল আয-যুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জা’ফর ইবন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবী আমাদের বর্ণনা করেছেন, আমর ইবন আলী আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবন উরওয়াহ বলেন: আমার পিতা আমার নিকট আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমার দুগ্ধ-সম্পর্কীয় চাচা অনুমতি প্রার্থনা করতে আসলেন।" এরপর তিনি অনুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٤)
18 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: " أُدْرِجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يُمْنَةٍ كَانَتْ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، ثُمَّ نُزِعَتْ عَنْهُ، وَكُفِّنَ فِي أَثْوَابٍ سُحُولٍ يَمَانِيَةٍ، لَيْسَ فِيهَا عِمَامَةٌ وَلَا قَمِيصٌ، فَرَفَعَ عَبْدُ اللَّهِ الْحُلَّةَ ، فَقَالَ: أُكَفَّنُ فِيهَا ، ثُمَّ قَالَ: لَمْ يُكَفَّنْ فِيهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَأُكَفَّنُ فِيهَا ⦗ص: 95⦘ فَتَصَدَّقَ بِهَا "
১৮ - আবুল ফজল আল-জুহরী তোমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুসহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: "আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে একটি ইয়ামানি চাদরে জড়ানো হয়েছিল যা আব্দুল্লাহ ইবনে আবু বকরের ছিল, এরপর সেটি তাঁর দেহ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং তাঁকে কাফন দেওয়া হয় সুহুল নামক ইয়ামানি পোশাকে, যার মধ্যে কোনো পাগড়ি বা কামিজ ছিল না। এরপর আব্দুল্লাহ সেই চাদরটি সরিয়ে নিলেন এবং বললেন: আমি এটি দিয়ে কাফন গ্রহণ করব। পুনরায় তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এতে কাফন দেওয়া হয়নি, আর আমি এতে কাফন গ্রহণ করব? ⦗পৃষ্ঠা: ৯৫⦘ অতঃপর তিনি সেটি দান করে দিলেন।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٥)
19 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ الْفِرْيَابِيُّ، نا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى، نا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، قَالَ: نا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: " كُفِّنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ثَوْبَيْنِ حِبَرَةٍ ، كَانَا لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، ثُمَّ نُزِعَا عَنْهُ ، فَكَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ قَدْ أَمْسَكَ الْحُلَّةَ لِنَفْسِهِ لِيُكَفَّنَ فِيهَا ، ثُمَّ ⦗ص: 96⦘ قَالَ بَعْدَ أَنْ أَمْسَكَهَا زَمَانًا: مَا كُنْتُ لِأَمْسِكَ لِنَفْسِي شَيْئًا مَنَعَهُ اللَّهُ عز وجل رَسُولَهُ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُكَفَّنَ فِيهِ، فَتَصَدَّقَ بِهَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ "
১৯ - আবু আল-ফজল আল-জুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আল-ফিরইয়াবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস ইবনে ইয়াজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে হিবারা (কারুকার্যখচিত ইয়ামানি) কাপড়ের দুইটি চাদরে কাফন দেওয়া হয়েছিল, যা আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকরের ছিল, অতঃপর তা তাঁর থেকে খুলে নেওয়া হয়েছিল", এরপর আব্দুর রহমান সেই চাদর জোড়াটি নিজের জন্য রেখে দিয়েছিলেন যাতে তাঁকে তাতে কাফন দেওয়া হয়। অতঃপর ⦗পৃষ্ঠা: ৯৬⦘ দীর্ঘকাল তা নিজের কাছে রাখার পর তিনি বললেন: "আল্লাহ আজ্জা ওয়াজাল্লা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে যে কাপড়ে কাফন পরানো হতে বিরত রেখেছেন, আমি তা নিজের জন্য রেখে দেওয়ার কেউ নই।" অতঃপর আব্দুর রহমান সেটি দান করে দিলেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٦)
20 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ النَّرْسِيُّ، نا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها أَنَّ أَبَا بَكْرٍ رضي الله عنه، قَالَ لِعَائِشَةَ رضي الله عنها: " فِي أَيِّ يَوْمٍ مَاتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم؟ فَقَالَتْ: يَوْمَ الِاثْنَيْنِ قَالَ أَيَّ يَوْمٍ هَذَا؟ قَالَتْ: يَوْمَ الِاثْنَيْنِ قَالَ: مَا شَاءَ اللَّهُ، أَرْجُو فِيمَا بَيْنِي وَبَيْنَ اللَّيْلِ، ثُمَّ قَالَ لَهَا: فِيمَا كَفَّنْتُمُوهُ؟ قَالَتْ: فِي ثَلَاثَةِ أَثْوَابٍ سُحُولِيٍّ يَمَانِيَةٍ بِيضٍ لَيْسَ فِيهَا قَمِيصٌ وَلَا عِمَامَةٌ. فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: اغْسِلِي ثَوْبِي - وَبِهِ رَدْعُ زَعْفَرَانَ أَوْ مَشْقٍ - وَاجْعَلُوا مَعَهُ ثَوْبَيْنِ آخَرَيْنَ. فَقَالَتْ عَائِشَةُ: ⦗ص: 97⦘ يَا أَبَهْ، هَذَا خَلِقٌ. فَقَالَ: إِنَّ الْحَيَّ أَحَقُّ بِالْجَدِيدِ. وَقَالَ: إِنَّمَا هُوَ لِلْمُهْلَةِ، وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ أَعْطَاهُمْ حُلَّةً حِبَرَةً فَأُدْرِجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا ثُمَّ أُخْرِجَ مِنْهَا فَكُفِّنَ فِي ثَلَاثَةِ أَثْوَابٍ سُحُولِيٍّ يَمَانِيَةٍ بِيضٍ، فَأَخَذَ عَبْدُ اللَّهِ الْحُلَّةَ، فَقَالَ: لَأُكَفِّنَنَّ نَفْسِي فِي شَيْءٍ مَسَّ جِلْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ بَعْدَ ذَلِكَ: لَا وَاللَّهِ لَا أُكَفِّنُ نَفْسِي فِي شَيْءٍ مَنَعَهُ اللَّهُ عز وجل رَسُولَهُ أَنْ يُكَفَّنَ فِيهِ، فَمَاتَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه لَيْلَةَ الثُّلَاثَاءِ، فَدُفِنَ لَيْلًا رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَرَضِيَ عَنْهُ "
২০ - আবুল ফজল আয-যুহরী তোমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন: জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাস ইবনুল ওয়ালীদ আন-নারসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন দিন ইন্তেকাল করেছিলেন? তিনি বললেন: সোমবার। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আজ কোন দিন? তিনি বললেন: সোমবার। তিনি বললেন: আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন; আমি আশা করি (আমার মৃত্যু) আজকের দিন ও রাতের মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যেই হবে। এরপর তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: তোমরা তাঁকে কয়টি কাপড়ে কাফন দিয়েছিলে? তিনি বললেন: তিনটি সাদা সাহুলী ইয়ামানী কাপড়ে, যাতে কোনো জামা বা পাগড়ি ছিল না। তখন আবূ বকর বললেন: আমার এই কাপড়টি ধুয়ে দাও—এতে জাফরান বা লালের দাগ রয়েছে—এবং এর সাথে আরও দুটি কাপড় যুক্ত করো। আয়েশা বললেন: ⦗পৃষ্ঠা: ৯৭⦘ হে আব্বাজান, এটি তো পুরাতন। তিনি বললেন: জীবিতরাই নতুন কাপড়ের বেশি হকদার। তিনি আরও বললেন: এটি তো কেবল (লাশের) পচন ও নিঃসরণের জন্য। আব্দুল্লাহ ইবনে আবী বকর তাঁদেরকে একটি হিবারাহ (ডোরাকাটা) চাদর দিয়েছিলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রথমে তাতে জড়ানো হয়েছিল, পরে তা থেকে বের করে তাঁকে তিনটি সাদা সাহুলী ইয়ামানী কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়। তখন আব্দুল্লাহ সেই চাদরটি নিয়ে নিলেন এবং বললেন: আমি অবশ্যই নিজেকে এমন কিছু দিয়ে কাফন দেব যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চামড়া স্পর্শ করেছে। এরপর তিনি বললেন: না, আল্লাহর কসম! আমি নিজেকে এমন কিছু দিয়ে কাফন দেব না যা মহান আল্লাহ তাঁর রাসূলের কাফন হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত রেখেছেন। অতঃপর আবূ বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মঙ্গলবার রাতে ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে রাতেই দাফন করা হয়; তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক এবং আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٨)
21 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، نا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، أَنَّ حَمْزَةَ بْنَ عَمْرٍو الْأَسْلَمِيَّ، سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: إِنِّي أَسْرُدُ الصَّوْمَ، أَفَأَصُومُ فِي السَّفَرِ؟ فَقَالَ: «إِنْ شِئْتَ فَصُمْ، وَإِنْ شِئْتَ فَأفْطِرْ»
২১ - আবুল ফজল আজ-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন উমর আল-কাওয়ারিরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তার পিতার নিকট থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, হামজাহ বিন আমর আল-আসলামি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: আমি তো বিরতিহীন রোজা রাখি, আমি কি সফর অবস্থায় রোজা রাখব? তিনি বললেন: «তুমি চাইলে রোজা রাখো, আর চাইলে রোজা ভঙ্গ করো»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ٩٩)
22 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، نا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: «إِنَّ يَوْمَ عَاشُورَاءَ يَوْمٌ كَانَتْ قُرَيْشٌ تَصُومُهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُهُ، فَلَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ صَامَهُ، وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَبْلَ أَنْ يُفْرَضَ رَمَضَانُ، حَتَّى إِذَا فُرِضَ رَمَضَانُ كَانَ الْفَرِيضَةَ، وَتَرَكَ عَاشُورَاءَ، فَمَنْ شَاءَ صَامَهُ، وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ»
২২ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি আপনাদের জানিয়েছেন, জাফর আমাদের জানিয়েছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের জানিয়েছেন, আলী ইবনে মুসহির আমাদের জানিয়েছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নিশ্চয় আশুরার দিন এমন একটি দিন ছিল যাতে জাহেলিয়াত যুগে কুরাইশরা রোজা রাখত এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দিনে রোজা রাখতেন, অতঃপর যখন তিনি মদিনায় আগমন করলেন, তখন তিনি এ দিনে রোজা রাখলেন এবং রমজান ফরজ হওয়ার পূর্বে এই রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। পরিশেষে যখন রমজান ফরজ হলো, তখন সেটিই ফরজ সাব্যস্ত হলো এবং তিনি আশুরার রোজা (আবশ্যকতা) ত্যাগ করলেন। সুতরাং যার ইচ্ছা সে রোজা রাখত, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত।»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٠)
23 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى، نا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ ، قَالَ هِشَامٌ: أنا عَنُ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ:
«كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ يَوْمًا تَصُومُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُهُ، فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ صَامَهُ ، وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ حَتَّى إِذَا فُرِضَ رَمَضَانُ كَانَ رَمَضَانُ هُوَ الْفَرِيضَةَ ، وَتَرَكَ عَاشُورَاءَ ، فَمَنْ شَاءَ صَامَهُ، وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ»
24 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ،. وَذَكَرَ الْحَدِيثَ نَحْوَهُ.
25 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، عَنْ جَعْفَرٍ، نا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ: «كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ يَوْمًا تَصُومُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ». . الْحَدِيثَ
২৩ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস বিন ইয়াজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বলেছেন: তিনি উরওয়াহ থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:
«জাহিলিয়াতের যুগে কুরাইশরা আশুরার দিনে রোজা পালন করত এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এই রোজা পালন করতেন। অতঃপর যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় আগমন করলেন, তখনও তিনি এই রোজা পালন করলেন এবং অন্যদেরও রোজা পালনের নির্দেশ দিলেন। পরিশেষে যখন রমজানের রোজা ফরজ করা হলো, তখন রমজানের রোজা পালনই ফরজ হিসেবে নির্ধারিত হলো এবং আশুরার বিষয়টি ঐচ্ছিক করে দেওয়া হলো; সুতরাং যার ইচ্ছা সে রোজা রাখত এবং যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিতো।»
২৪ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন আবু শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহিম বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি অনুরূপ হাদিস উল্লেখ করেছেন।
২৫ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর থেকে, আমর বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ বলেছেন: আমার পিতা আমাকে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: «জাহিলিয়াতের যুগে কুরাইশরা আশুরার দিনে রোজা পালন করত...» হাদিসের অবশিষ্টাংশ।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٠)
26 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: قَدِمَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أُنَاسٌ مِنَ الْأَعْرَابِ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنْهُمْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَاللَّهِ لَقَدْ بَلَغَنِي أَنَّكُمْ لَتُقَبِّلُونَ الصِّبْيَانَ وَاللَّهِ مَا نَفْعَلُهُ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «فَمَا أَمْلِكُ إِنْ كَانَ اللَّهُ تَعَالَى نَزَعَ مِنْكَ الرَّحْمَةَ»
27 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ
⦗ص: 101⦘ الْفِرْيَابِيُّ، أنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَوْمٌ ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنْهُمْ. . فَذَكَرَ مِثْلَهُ
26 - আবু আল-ফজল আল-জুহরী তোমাদের জানিয়েছেন, জাফর আমাদের জানিয়েছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের জানিয়েছেন, আলী ইবনে মুসহির আমাদের জানিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কিছু পল্লীবাসী লোক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তাদের মধ্যে একজন লোক তাকে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর কসম! আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে আপনারা শিশুদের চুম্বন করেন, আল্লাহর কসম আমরা তা করি না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: «যদি মহান আল্লাহ তোমার থেকে দয়া ছিনিয়ে নেন, তবে আমার করার কী আছে?»
27 - আবু আল-ফজল আল-জুহরী তোমাদের জানিয়েছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ
⦗পৃষ্ঠা: ১০১⦘ আল-ফিরইয়াবী আমাদের জানিয়েছেন, উসমান ইবনে আবু শায়বাহ আমাদের জানিয়েছেন, আবদাহ ইবনে সুলায়মান আমাদের জানিয়েছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একদল লোক আসলেন, তখন তাদের মধ্যকার একজন লোক তাঁকে বলল... অতঃপর তিনি পূর্বের ন্যায় অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠١)
28 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: " دَخَلَ أَعْرَابِيُّ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: إِنَّكُمْ تُقَبِّلُونَ الصِّبْيَانَ، مَا نُقَبِّلُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا ذَنْبِي إِنْ كَانَ اللَّهُ تَعَالَى نَزَعَ الرَّحْمَةَ مِنْ قَلْبِكَ»
29 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحَرَّانِيُّ، نا عِيسَى بْنُ مُوسَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
২৮ - আবু আল-ফজল আল-জুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান বিন ইবরাহিম আদ-দিমাশকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবী আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "একজন গ্রাম্য ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: আপনারা শিশুদের চুম্বন করেন, কিন্তু আমরা তো করি না। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «আমার কী করার আছে যদি আল্লাহ তাআলা তোমার অন্তর থেকে দয়া কেড়ে নিয়ে থাকেন?»"
২৯ - আবু আল-ফজল আল-জুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুস সালাম বিন আবদুল হামিদ আল-হাররানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা বিন মুসা আমাদের নিকট হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি উক্ত সনদে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠١)
30 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ ⦗ص: 102⦘ لِعَائِشَةَ رضي الله عنها: " مَا أَرَى عَلَيَّ جُنَاحًا إِنْ لَمْ أَتَطَوَّفْ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ. فَقَالَتْ: وَلِمَ؟ قُلْتُ: لِأَنِّي سَمِعْتُ اللَّهَ يَقُولُ: {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ} [البقرة: 158] حَتَّى بَلَغَ {فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ} [البقرة: 158] قَالَتْ: أَفَتَجِدُ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَلَّا يَطَّوَّفَ بِهِمَا؟ قُلْتُ: لَا قَالَتْ: لَيْسَ كَمَا قُلْتَ ، لَوْ كَانَ كَمَا قُلْتَ لَكَانَ فَلَا جُنَاحَ أَلَّا يَطَّوَّفَ بِهِمَا، وَلَعَمْرِي مَا أَتَمَّ اللَّهُ حَجَّ مَنْ لَا يَطَّوَّفُ بِهِمَا؛ لِأَنَّهُمَا مِنَ الشَّعَائِرِ، وَإِنَّمَا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ فِي الْأَنْصَارِ ، كَانُوا فِي الْجَاهِلِيَّةِ إِذَا أَحْرَمُوا أَحْرَمُوا مِنْ مِنًى ، لَا يَحِلَّ لَهُمْ أَنْ يَطَّوَّفُوا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ، فَلَمَّا قَدِمُوا ذَكَرُوا ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ} [البقرة: 158] إِلَى قَوْلِهِ: {فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ} [البقرة: 158] "
৩০ - আবু আল-ফজল আল-জুহরি তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে মুশহির আমাদের জানিয়েছেন হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ⦗পৃষ্ঠা: ১০২⦘ আয়েশা (রা.)-কে বললাম: "সাফা ও মারওয়ার মাঝে সায়ি না করলে আমার ওপর কোনো গুনাহ হবে বলে আমি মনে করি না।" তিনি বললেন: "কেন?" আমি বললাম: "কারণ আমি আল্লাহকে বলতে শুনেছি: {নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত} [সূরা বাকারাহ: ১৫৮] শেষ পর্যন্ত {নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি গুণগ্রাহী, সর্বজ্ঞ} [সূরা বাকারাহ: ১৫৮] পর্যন্ত।" তিনি বললেন: "তবে কি তুমি আয়াতে এমনটি পাচ্ছ যে, ‘অতঃপর তার কোনো গুনাহ নেই যে সে উভয়ের মাঝে সায়ি করবে না’? আমি বললাম: না। তিনি বললেন: তুমি যেমনটি বলেছ বিষয়টি তেমন নয়; যদি তেমন হতো যেমনটি তুমি বলেছ, তবে তো আয়াতটি হতো ‘উভয়ের মাঝে সায়ি না করলে কোনো গুনাহ নেই’। আমার জীবনের কসম! আল্লাহ তার হজ পূর্ণ করেন না যে ব্যক্তি এই দুইটির (সাফা ও মারওয়া) মাঝে সায়ি করে না; কারণ এই দুইটি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। মূলত এই আয়াতটি আনসারদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। জাহেলি যুগে তারা যখন ইহরাম বাঁধত, তখন মিনা থেকে ইহরাম বাঁধত; সাফা ও মারওয়ার মাঝে সায়ি করাকে তারা নিজেদের জন্য বৈধ মনে করত না। অতঃপর যখন তারা (ইসলাম গ্রহণের পর) এল, তখন বিষয়টি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করল। ফলে আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করলেন: {নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত} [সূরা বাকারাহ: ১৫৮] তাঁর এই বাণী পর্যন্ত: {নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি গুণগ্রাহী, সর্বজ্ঞ} [সূরা বাকারাহ: ১৫৮]।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
31 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، نا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: ذَكَرْتُ لِعَائِشَةَ أَنَّ قَوْمًا يَقُولُونَ: إِنَّ الطَّوافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ تَطَوُّعٌ ، فَقَالتَ: يَا ابْنَ أُخْتِي، إِنَّمَا قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا} [البقرة: 158] وَلَمْ يَقُلْ: فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لَا يَطَّوَّفَ بِهِمَا
৩১ - তোমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আল-জুহরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতায়বাহ বিন সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রা.)-এর নিকট উল্লেখ করলাম যে, একদল লোক বলছে: সাফা ও মারওয়ার মাঝে তওয়াফ (সায়ি) করা একটি নফল কাজ। তখন তিনি বললেন: হে আমার বোনপো, আল্লাহ তাআলা তো কেবল বলেছেন: {তবে তাদের উভয়ের মাঝে তওয়াফ করায় তার কোনো গুনাহ নেই} [আল-বাক্বারাহ: ১৫৮] এবং তিনি এটি বলেননি যে: ‘তবে তার কোনো গুনাহ নেই যদি সে তাদের উভয়ের মাঝে তওয়াফ না করে’।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
32 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ لِعَائِشَةَ رضي الله عنها: " مَا أَرَى عَلَيَّ جُنَاحًا أَنْ لَا أَطَّوَّفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ نَحْوَ حَدِيثِ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ
৩২ - আবু আল-ফজল আল-জুহরী তোমাদের জানিয়েছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-কে বললাম: "সাফা ও মারওয়ার মাঝে প্রদক্ষিণ না করলে আমি আমার ওপর কোনো পাপ দেখি না। অতঃপর তিনি আলী ইবনে মুশহির-এর হাদিসের অনুরূপ হাদিস উল্লেখ করেন।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٣)
33 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، نا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: «لَا وَاللَّهِ، مَا أَتَمَّ اللَّهُ حَجَّ رَجُلٍ ، وَلَا ⦗ص: 104⦘ عُمْرَتَهُ لَمْ يَطُفْ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ» فَذَكَرَ الْحَدِيثَ
৩৩ - আবুল ফজল আল-জুহরী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «না, আল্লাহর কসম! আল্লাহ কোনো ব্যক্তির হজ পূর্ণ করবেন না এবং তার ⦗পৃষ্ঠা: ১০৪⦘ উমরাহও নয়, যদি সে সাফা ও মারওয়ার মাঝে তওয়াফ (সাঈ) না করে» অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٤)
34 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها قَالَتْ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ،
إِنَّ أُمِّي افْتُلِتَتْ نَفْسُهَا ، وَأَظُنُّ أَنَّهَا لَوْ تَكَلَّمَتْ لَتَصَدَّقَتْ، فَهَلْ لَهَا مِنْ أَجْرٍ إِنْ تَصَدَّقْتُ عَنْهَا؟ قَالَ: «نَعَمْ».
35 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ،
⦗ص: 105⦘ نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، فَذَكَرْتُ نَحْوَهُ.
36 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، فَذَكَرَ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
৩৪ - আবু আল-ফাদল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের বলেছেন, মিনজাব ইবনুল হারিস আমাদের বলেছেন, আলি ইবনে মুশহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসুল,
আমার মা হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেছেন। আমার ধারণা, তিনি যদি কথা বলতে পারতেন তবে দান-সদকা করতেন। আমি যদি তাঁর পক্ষ থেকে দান করি, তবে কি তিনি এর সওয়াব পাবেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ"।
৩৫ - আবু আল-ফাদল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের বলেছেন, আমর ইবনে আলি আমাদের বলেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের বলেছেন হিশাম থেকে, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৩৬ - আবু আল-ফাদল আল-জুহরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, জাফর আমাদের বলেছেন, উসমান ইবনে আবু শায়বাহ আমাদের বলেছেন, জারির আমাদের বলেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, অতঃপর তিনি তাঁর সনদে অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٥)
37 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، رضي الله عنه، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُنْتَبَذَ فِي الدُّبَّاءِ وَالْمُزَفَّتِ»
৩৭ - আবু আল-ফজল আল-জুহরী আপনাদের জানিয়েছেন, জাফর আমাদের জানিয়েছেন, উসমান ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের জানিয়েছেন, জারীর আমাদের জানিয়েছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহীম আত-তাইমী থেকে, তিনি আল-হারিস ইবনে সুওয়াইদ থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কদু বা লাউয়ের শুকনো খোল এবং আলকাতরা মাখানো পাত্রে পানীয় তৈরি করতে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٥)
38 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، ⦗ص: 106⦘ نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «نَهَى عَنِ الدُّبَّاءِ، وَالْمُزَفَّتِ»
৩৮ - আবু আল-ফাদল আজ-জুহরী তোমাদের অবহিত করেছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, সুলায়মান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আত-তায়মী থেকে, আল-হারিস বিন সুওয়াইদ থেকে, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «দুব্বা (শুকনো লাউয়ের পাত্র) এবং মুজাফফাত (পিচ মাখানো পাত্র) ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবিল ফজল আয-জুহরী
(পৃষ্ঠা: ١٠٦)
39 - أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ الزُّهْرِي، نا جَعْفَرٌ، نا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، نا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «لَا تَشْرَبْ نَبِيذَ الْجَرِّ ، وَإِنْ كَانَ أَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ»
৩৯ - আবু আল-ফাদল আল-জুহরি আপনাদের অবহিত করেছেন, জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জামরা থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: «তুমি মাটির পাত্রে প্রস্তুতকৃত নাবিয পান করো না, যদিও তা মধুর চেয়েও অধিক মিষ্টি হয়।»