(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: -)
تحريم النرد والشطرنج والملاهي للآجري   (الآجري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: تحريم النرد والشطرنج والملاهي

المؤلف: أبو بكر محمد بن الحسين بن عبد الله الآجُرِّيُّ البغدادي (ت 360هـ)

دراسة وتحقيق واستدراك: محمد سعيد عمر إدريس

الطبعة: الأولى، 1402 هـ - 1982 م

عدد الصفحات: 219

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-আজুরি কর্তৃক নার্দ (পাশা খেলা), দাবা এবং আমোদ-প্রমোদের নিষিদ্ধকরণ   (আল-আজুরি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নার্দ, দাবা এবং আমোদ-প্রমোদের নিষিদ্ধকরণ

লেখক: আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ আল-আজুরি আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৩৬০ হিজরি)

গবেষণা, তাহকিক ও ইস্তিদরাক: মুহাম্মদ সাঈদ উমর ইদরিস

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০২ হিজরি - ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২১৯

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৪)
تَحْرِيمُ النَّرْدِ وَالشَّطْرَنْجِ وَالْمَلَاهِي لِلْآجُرِّيِّ

بسم الله الرحمن الرحيم

وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

أَخْبَرَنَا الشيخ الْإِمَامُ الْعَدْلُ أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَبْدِ السَّلَامِ بْنِ سُلْطَانَ الْبَيِّعُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قُلْتُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ فَأَقَرَّ بِهِ، أَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْوَاعِظُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْآجُرِّيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي ذِي الْقِعْدَةِ مِنْ سَنَةِ ثَلَاثٍ وَخَمْسِينَ وَثَلَاثِمِائَةٍ قَالَ:

 

الْحَمْدُ للَّهِ وَحْدَهُ ، الْحَمْدُ للَّهِ الَّذِي بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ ، الْحَمْدُ للَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ ، وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ. أَمَّا بَعْدُ: فَإِنْ سَائِلًا سَأَلَ عَنْ هَذِهِ الْمَلَاهِي الَّتِي يَلْهُو بِهَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ وَيَلْعَبُوا بِهَا ، مِثْلُ: النَّرْدِ وَالشِّطْرَنَجِ وَالزُّمَّارَةِ وَالصُّفَّارَةِ وَالصَّنْجِ وَالطَّبْلِ وَالْعُودِ وَالطُّنْبُورِ ، وَأَشْبَاهِ ذَلِكَ مِنَ الْقِمَارِ مِمَّا قَدِ افْتَتَنَ كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ ، فَقَالَ لَهُ السَّائِلُ: هَلْ فِي شَيْءٍ مِمَّا ذَكَرْتُ رُخْصَةً لِمَنِ اسْتَمَعَ إِلَيْهِ وَلِمَنْ لَعِبَ
আল-আজুররি কর্তৃক নার্দ (পাশা খেলা), দাবা ও বাদ্যযন্ত্রের নিষিদ্ধকরণ

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (গুনাহ থেকে বাঁচার) কোনো উপায় নেই এবং (নেক কাজ করার) কোনো শক্তি নেই

ন্যায়নিষ্ঠ ইমাম শায়খ আবুল ফজল আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আব্দুল সালাম ইবনে সুলতান আল-বাইয়ি' আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি বললাম: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল-মুকারি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বললেন: আমার দাদা আবু মানসুর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী আল-মুকারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বললেন: আবুল কাসিম আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান আল-ওয়ায়েজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বললেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আজুররি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ৩৫৩ হিজরি সালের জিলকদ মাসে তাঁর সামনে পাঠ করার সময়, তিনি বলেন:

 

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যাঁর অনুগ্রহে নেক কাজসমূহ পূর্ণতা পায়। সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা। আল্লাহ মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। অতঃপর: জনৈক প্রশ্নকারী সেইসব ক্রীড়া-কৌতুক ও বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন যা দ্বারা অনেক মানুষ আনন্দ-প্রমোদ করে এবং খেলাধুলা করে, যেমন: নার্দ (পাশা খেলা), দাবা, বাঁশি, সানাই, করতাল, ঢোল, উদ (তন্তুবাদী যন্ত্র), তানপুরা এবং জুয়া সদৃশ এই জাতীয় অন্যান্য বিষয় যা দ্বারা অনেক মানুষ ফিতনায় লিপ্ত হয়েছে। অতঃপর প্রশ্নকারী তাঁকে বললেন: আমি যা উল্লেখ করেছি তার কোনোটিতে কি এমন ব্যক্তির জন্য কোনো অনুমতি বা অবকাশ আছে যে তা শোনে অথবা যে তা খেলে?
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৫)
بِهِ؟ وَهَلْ لِأَحَدٍ أَنْ يَسْتَمِعَ الْغِنَى مِنْ مُغَنٍ أَوْ من جَارِيَةٍ أَوْ مِنِ امْرَأَةٍ حُرَّةٍ؟ . أَحَبَّ السَّائِلُ أَنْ يَعْلَمَ الْجَوَابَ فِي ذَلِكَ كُلِّهِ. الْجَوَابُ وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ: جَمِيعُ مَا سَأَلَ عَنْهُ السَّائِلُ وَالْعَمَلُ بَاطِلٌ وَحَرَامٌ الْعَمَلُ ، وَحَرَامٌ اسْتِمَاعُهُ بِدَلِيلٍ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عز وجل ، وَسُنَنِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَقَوْلِ الصَّحَابَةِ رضي الله عنهم ، وَقَوْلِ الْكَثِيرِ مِنْ عُلَمَاءِ الْمُسْلِمِينَ ، فَأَمَّا تَحْرِيمُ اسْتِمَاعِ المَغْنَى فَقَدْ رَسَمْنَا فِيهِ جُزْء قَبْلَ هَذَا بَيَّنَّا فِيهِ تَحْرِيمَ اسْتِمَاعِ الْغِنَاءِ مِنْ مُغَنٍّ أَوْ مِنْ جَارِيَةٍ ، وَتَحْرِيمُ بَيْعِ الْمُغَنِّيَاتِ وَتَحْرِيمُ التِّجَارَةِ فِيهِنَّ مِنَ الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ ، وَقَوْلُ أَئِمَّةِ الْمُسْلِمينَ ، فَلَيْسَ بِنَا حَاجَةٌ إِلَى ذِكْرِهِ هَاهُنَا ، وَنَذْكُرُ بَقِيَّةَ مَا سَأَلَ عَنْهُ السَّائِلُ وَنُخْبِرُهُ أَنَّهُ كُلَّهُ حَرَامٌ ، فَإِنْ قَالَ: فَيَجُوزُ لِلْمُسْلِمِينَ أَنْ يَلْهُوا بِشَيْءٍ؟ قِيلَ لَهُ: نَعَمْ يَجُوزُ ، فَإِنْ قَالَ بِمَاذَا؟ قِيلَ لَهُ: مِمَّا أَبَاحَهُ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، ثُمَّ قَالَ: فِيمَا سِوَاهُ أَنَّهُ بَاطِلٌ ، وَسَأَبْدَأُ بِذِكْرِهِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
তাতে কি? আর কারো জন্য কি কোনো গায়ক, দাসী কিংবা কোনো স্বাধীন মহিলার গান শোনা বৈধ? প্রশ্নকারী এই সবকিছুর উত্তর জানতে চেয়েছেন। উত্তর এবং আল্লাহর সাহায্যেই তাওফিক লাভ হয়: প্রশ্নকারী যা কিছু জিজ্ঞাসা করেছেন এবং সেই অনুযায়ী আমল করা বাতিল ও হারাম, আর তা শ্রবণ করাও হারাম; যা মহান আল্লাহর কিতাব, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ, সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) বক্তব্য এবং বহু মুসলিম উলামার মতামতের দলিল দ্বারা প্রমাণিত। গায়কের গান শোনার হারামের বিষয়ে এর আগে আমরা একটি অধ্যায় লিখেছি, যেখানে কোনো গায়ক বা দাসীর গান শোনার হারামের বিধান এবং গায়িকাদের কেনাবেচা ও তাদের নিয়ে ব্যবসা করার হারামের বিষয়টি কুরআন, সুন্নাহ এবং মুসলিম ইমামদের বক্তব্যের আলোকে স্পষ্ট করেছি; তাই এখানে তা পুনরায় উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। আমরা প্রশ্নকারীর অবশিষ্ট প্রশ্নগুলো উল্লেখ করব এবং তাকে অবহিত করব যে, তার সবটুকুই হারাম। যদি সে প্রশ্ন করে: তবে কি মুসলিমদের জন্য কোনো কিছু দ্বারা বিনোদন লাভ করা বৈধ? তাকে বলা হবে: হ্যাঁ, বৈধ। এরপর সে যদি জিজ্ঞাসা করে কিসের মাধ্যমে? তবে তাকে বলা হবে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা তার জন্য বৈধ করেছেন তার মাধ্যমে। অতঃপর তিনি এ ছাড়া বাকি সব কিছু সম্পর্কে বলেছেন যে তা বাতিল। ইনশাআল্লাহ আমি তা উল্লেখ করা শুরু করব।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৬)
‌‌الْبَابُ الْأَوَّلُ
প্রথম অধ্যায়
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৬)
‌‌بَابُ مَا يَجُوزُ أَنْ يَلْهُوَ بِهِ الْمُسْلِمُ وَمَا سِوَاهُ بَاطِلٌ مِنْ سَائِرِ الْمَلَاهِي
পরিচ্ছেদ: একজন মুসলিমের জন্য যেসব বিনোদন গ্রহণ করা বৈধ এবং এ ছাড়া অন্যান্য সকল প্রকার আমোদ-প্রমোদ যা বাতিল হিসেবে গণ্য
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৬)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِي مُزَاحِمٍ ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ ، أَنَّ أَبَا سَلَّامٍ ، حَدَّثَهُ: قَالَ حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ ، قَالَ: " كَانَ عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ يَأْتِينِي كُلَّ يَوْمٍ فَيَقُولُ: اخْرُجْ بِنَا نَرْمِي فَأَبْطَأْتُ عَلَيْهِ ذَاتَ يَوْمٍ أَوْ تَثَاقَلْتُ. فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " لَيْسَ مِنَ اللَّهْوِ إِلَّا ثَلَاثَةٌ: مُلَاعَبَةُ الرَّجُلِ أَهْلَهُ ، وَتَأْدِيبُهُ فَرَسَهُ وَرَمْيُهُ بِقَوْسِهِ " وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
১ - আবু বকর জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মানসুর বিন আবি মুযাহিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন হামযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন ইয়াযিদ বিন জাবির থেকে যে, আবু সাল্লাম তাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: তিনি বলেন, খালিদ বিন ইয়াযিদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "উকবাহ বিন আমির প্রতিদিন আমার কাছে আসতেন এবং বলতেন: আমাদের সাথে তীর নিক্ষেপ করতে বের হও। একদিন আমি তাঁর কাছে যেতে দেরি করলাম অথবা অলসতা দেখালাম। তখন তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "তিনটি বিষয় ব্যতীত কোনো বিনোদন নেই: ব্যক্তির তার স্ত্রীর সাথে খেলাধুলা করা, তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তার ধনুক দিয়ে তীর নিক্ষেপ করা।" এবং তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৯)
2 - حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ هَارُونُ بْنُ يُوسُفَ ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ الْعَدَنِيُّ يَعْنِي مُحَمَّدًا ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ ، عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتُوَائِيِّ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ ، قَالَ: حَدِيثُ أَبِي سَلَّامٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَزْرَقِ ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ يُدْخِلُ بِالسَّهْمِ الْوَاحِدِ ثَلَاثَةً الْجَنَّةَ» ذَكَرَ الْحَدِيثَ
২ - আবু আহমাদ হারুন ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আবু উমার আল-আদানি অর্থাৎ মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ী হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবু কাসীর হতে, তিনি বলেন: আবু সাল্লামের হাদিস, আবদুল্লাহ ইবনুল আযরাক হতে, তিনি উকবাহ ইবনে আমির আল-জুহানি হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ একটি তীরের উসিলায় তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন» তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ৯৯)
3 - وَقَالَ فِيهِ: «كُلُّ شَيْءٍ يَلْهُو بِهِ ابْنُ آدَمَ بَاطِلٌ ⦗ص: 100⦘ إِلَّا رَمْيَهُ بِقَوْسِهِ أَوْ تَأْدِيبَهُ فَرَسَهُ أَوْ مُلَاعَبَتَهُ امْرَأَتَهُ»
৩ - এবং তিনি এতে বলেছেন: «আদম সন্তান যা কিছু নিয়ে আমোদ-প্রমোদ করে তার সবই অসার ⦗পৃষ্ঠা: ১০০⦘ তবে তার ধনুক দিয়ে তীর নিক্ষেপ করা, তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়া অথবা তার স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করা ব্যতীত।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০০)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ ، قَالَ: ابْنُ أَبِي دَاوُدَ: وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، جَمِيعًا عَنْ هِشَامٍ ، يَعْنِي الدَّسْتُوَائِيَّ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ ، عَنْ أَبِي سَلَّامٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ الْأَزْرَقِ ⦗ص: 101⦘ ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ شَيْءٍ يَلْهُو بِهِ الرَّجُلُ بَاطِلٌ غَيْرَ رَمْيِ الرَّجُلِ بِقَوْسِهِ وَتَأْدِيبِهِ فَرَسَهُ وَمُلَاعَبَتِهِ امْرَأَتَهُ فَإِنَّهُنَّ مِنَ الْحَقِّ» قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ: فَهَذَا الَّذِي أُبِيحَ لِلْمُسْلِمِ أَنْ يَلْهُوَ بِهِ قُرْبَةً إِلَى اللَّهِ تَعَالَى وَطَاعَةً ، أَمَّا رَمْيُهُ بِقَوْسِهِ فَيَتَعَلَّمُ الرَّمْيَ يُجَاهِدُ بِهِ الْعَدُوَّ ، قَالَ اللَّهُ عز وجل: {وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ وَمِنْ رِبَاطِ الْخَيْلِ} [الأنفال: 60]⦗ص: 102⦘ فَالْقُوَّةُ هِيَ الرَّمْيُ. فَالرَّجُلُ يَرْمِي بِأَسْهُمِهِ لَهْوٌ حَسَنٌ يُرِيدُ بِهِ اللَّهَ عز وجل فَهُوَ مُبَاحٌ ، وتَأْدِيبُهُ لِفَرَسِهِ رِيَاضَةٌ مِنْهُ لَهُ وَتَعْلِيمُهُ إِيَّاهُ الْحَرْبَ ، فَكُلُّ فَرَسٍ لَمْ يُرَاضَ وَلَمْ يُعَلَّمْ لَا يُنْتَفَعُ بِهِ ، فَإِذَا أَدَّبَهُ صَاحِبُهُ لَهَانَ وَفَرِحَ فَصَلَحَ هَذَا الْفَرَسُ الْمُؤَدَّبُ لِلطَّلَبِ وَالَهْرَبِ. وَكَذَا مُلَاعَبَةُ الرَّجُلِ لِزَوْجَتِهِ أَوْ لِأَمَتِهِ لَهُ ثَوَابٌ فِي مُلَاعَبَتِهِ إِيَّاهَا تَعْلَمُ أَنَّهُ يَوَدُّهَا فَسُرَّتْ بِذَلِكَ وَسُرَّ أَهْلُهَا. ⦗ص: 103⦘ فَفِيهِ ثَوَابٌ عَظِيمٌ. قَدْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، يُلَاعِبُ أَزْوَاجَهُ بِأُمُورٍ حَسَنَةٍ شَرِيفَةٍ ، وَقَدْ كَانَ يَحُثُّ أَصْحَابَهُ عَلَى أَنْ يُلَاعِبُوا نِسَاءَهُمْ
৪ - আবু বকর ইবনে আবি দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবি আদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইবনে আবি দাউদ বলেন: এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াহাব ইবনে জারির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই হিশাম থেকে—অর্থাৎ আদ-দাস্তুওয়ায়ী—তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সাল্লাম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ আল-আজরাক থেকে ⦗পৃষ্ঠা: ১০১⦘ , তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষ যা কিছু নিয়ে খেল-তামাশা করে তার সবই বৃথা, তবে তার ধনুক দিয়ে তীর নিক্ষেপ করা, তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তার স্ত্রীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করা ব্যতীত; কেননা এগুলো সত্যের অন্তর্ভুক্ত।» মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন বলেন: এটিই সেই বিষয় যা একজন মুসলিমের জন্য আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য ও আনুগত্য লাভের উদ্দেশ্যে খেল-তামাশা হিসেবে বৈধ করা হয়েছে। আর তার ধনুক দিয়ে তীর নিক্ষেপের বিষয়টি হলো—সে তীর নিক্ষেপ শেখে যাতে এর মাধ্যমে শত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদ করতে পারে। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: {তোমরা তাদের মোকাবিলার জন্য তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শক্তি ও ঘোড়া প্রস্তুত রাখো} [আল-আনফাল: ৬০] ⦗পৃষ্ঠা: ১০২⦘ এখানে শক্তি বলতে তীর নিক্ষেপকে বোঝানো হয়েছে। সুতরাং একজন ব্যক্তি যখন তার তীরের সাহায্যে নিক্ষেপ করে, তখন তা এক উত্তম খেল-তামাশা যার মাধ্যমে সে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা-এর সন্তুষ্টি কামনা করে, তাই এটি বৈধ। আর তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলো তার পক্ষ থেকে ঘোড়াটির জন্য কসরত এবং তাকে যুদ্ধবিদ্যা শেখানো। কারণ যে ঘোড়াকে কসরত করানো হয়নি এবং শিক্ষা দেওয়া হয়নি, তা থেকে উপকৃত হওয়া যায় না। যখন তার মালিক তাকে প্রশিক্ষণ দেয়, তখন সে অনুগত হয় এবং প্রফুল্ল হয়, ফলে এই প্রশিক্ষিত ঘোড়াটি শত্রুকে ধাওয়া করতে এবং পশ্চাদপসরণ করতে উপযুক্ত হয়। একইভাবে একজন ব্যক্তির তার স্ত্রী বা দাসীর সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করার মধ্যে সওয়াব রয়েছে; এই ক্রীড়া-কৌতুকের মাধ্যমে স্ত্রী বুঝতে পারে যে স্বামী তাকে ভালোবাসে, ফলে সে আনন্দিত হয় এবং তার পরিবারের লোকজনও আনন্দিত হয়। ⦗পৃষ্ঠা: ১০৩⦘ এতে মহান প্রতিদান রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের সাথে সুন্দর ও সম্মানজনক পন্থায় ক্রীড়া-কৌতুক করতেন এবং তিনি তাঁর সাহাবীদেরকেও তাঁদের স্ত্রীদের সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতে উৎসাহিত করতেন।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০৩)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ الْبُخَارِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلَاءِ ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ عُمَرَ ، يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ ، سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ ، يَقُولُ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَلْ تَزَوَّجْتَ يَا جَابِرُ» ؟ قُلْتُ: نَعَمْ ، قَالَ: " فَمَاذَا ، بِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا؟ قُلْتُ: لَا بَلْ ثَيِّبًا قَالَ: فَهَلَّا جَارِيَةً تُلَاعِبُهَا وَتُلَاعِبُكَ "
৫ - আমাদের নিকট আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আল-বুখারী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল জব্বার বিন আল-আলা বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের অবহিত করেছেন আমর থেকে—অর্থাৎ ইবনে দীনার থেকে—তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: "হে জাবির, তুমি কি বিবাহ করেছ?" আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: "তবে কুমারী না কি অকুমারী?" আমি বললাম: না, বরং অকুমারী। তিনি বললেন: "তবে কেন তুমি কোনো কুমারী মেয়েকে (বিবাহ করলে না), যার সাথে তুমি আমোদ-প্রমোদ করতে এবং সেও তোমার সাথে আমোদ-প্রমোদ করত?"
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০৪)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الْعُكْبَرِيُّ ، حَدَّثَنَا سَمَاعَةُ بْنُ حَمَّادٍ الْأَوَانِيُّ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ عَمْرٍو ، وَابْنِ الْمُنْكَدِرِ ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَلْ نَكَحْتَ» ؟ ⦗ص: 105⦘ قُلْتُ: نَعَمْ ، قَالَ: «بِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا» ؟ قُلْتُ ثَيِّبًا. قَالَ: «فَهَلَّا جَارِيَةً تُلَاعِبُهَا أَوْ تُلَاعِبُكَ» وَذَكَرَ الْحَدِيثَ
৬ - আমাদের নিকট আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল-উকবারী হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সামাআ ইবনে হাম্মাদ আল-আওয়ানী হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনা হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ও ইবনুল মুনকাদির থেকে এবং তাঁরা জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন: "তুমি কি বিবাহ করেছ?" ⦗পৃষ্ঠা: ১০৫⦘ আমি বললাম: "হ্যাঁ"। তিনি বললেন: "কুমারী নাকি অকুমারী (পূর্বে বিবাহিতা)?" আমি বললাম: "অকুমারী"। তিনি বললেন: "তবে কেন কোনো কুমারী মেয়েকে বিবাহ করলে না, যার সাথে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করত?" এবং তিনি হাদিসটি পূর্ণ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০৫)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ اللَّيْثِ الْجَوْهَرِيُّ ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ الزِّبْرِقَانِ ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ كَعْبِ بْنِ أَبِي كَعْبِ عَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ: «كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَعَرَّسْتُ ذَاتَ لَيْلَةٍ ثُمَّ غَدَوْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» فَجَعَلَ يَسْأَلُ رَجُلًا رَجُلًا أَتَزَوَّجْتَ يَا فُلَانُ أَتَزَوَّجْتَ يَا فُلَانُ "؟ ⦗ص: 106⦘ ثُمَّ قَالَ: أَتَزَوَّجْتَ يَا كَعْبُ؟ قُلْتُ: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ: «أَبِكْرًا أَمْ ثَيِّبًا» ؟ قُلْتُ: بَلْ ثَيِّبًا ، قَالَ «فَهَلَّا بِكْرًا تَعَضُّهَا وَتَعَضُّكَ» ؟ ⦗ص: 107⦘ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ: فَهَذَا الَّذِي يَلْهُو بِهِ الْمُسْلِمُ الْعَاقِلُ الْأَدِيبُ قَدْ ذَكَرْتُهُ ، وَمَا سِوَى هَذَا فَبَاطِلٌ كَمَا قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَ بُطْلَانِهِ فَهُوَ مُنْكَرٌ يَجِبُ عَلَى جَمِيعِ مَنْ فَعَلَهُ أَنْ يُنْكِرَ عَلَيْهِ وَعَلَى السُّلْطَانِ أَنْ يُنْكِرَهُ وَيُعَاقِبَ فَاعِلَهُ. وَاللَّهُ الْعَظِيمُ سَائِلُهُ إِنْ لَمْ يُنْكِرْهُ وَيَمْحَقْهُ وَيُبْطِلْهُ
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল লাইস আল-জাওহারী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনুয যিবরিকান, তিনি মালিক ইবনে মিগওয়াল থেকে, তিনি রাবী ইবনে কাব ইবনে আবি কাব থেকে, তিনি কাব ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি এক সফরে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। এক রাতে আমি শেষ প্রহরে যাত্রাবিরতি করলাম, তারপর সকালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম।» তখন তিনি প্রত্যেক ব্যক্তিকে একে একে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, "হে অমুক, তুমি কি বিয়ে করেছ? হে অমুক, তুমি কি বিয়ে করেছ?" ⦗পৃষ্ঠা: ১০৬⦘ এরপর তিনি বললেন: "হে কাব, তুমি কি বিয়ে করেছ?" আমি বললাম: হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: «কুমারী নাকি বিবাহিতা (বিধবা/তালাকপ্রাপ্তা)?» আমি বললাম: বরং বিবাহিতা। তিনি বললেন: «তবে কেন কুমারী নয়? তুমি তাকে কামড়াতে এবং সে তোমাকে কামড়াত (অর্থাৎ খেলাধুলা/আদর করতে)?» ⦗পৃষ্ঠা: ১০৭⦘ মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন বলেন: একজন বুদ্ধিমান ও শিষ্টাচারসম্পন্ন মুসলিম যে বিনোদনে লিপ্ত হতে পারে তা আমি উল্লেখ করেছি। আর এর বাইরে যা কিছু আছে তা বাতিল, যেমনটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। বাতিল হওয়ার পাশাপাশি তা অত্যন্ত গর্হিত (মুনকার); যারা এটি করে তাদের প্রত্যেকের প্রতিবাদ করা ওয়াজিব। আর শাসকের দায়িত্ব হলো তা নিষিদ্ধ করা এবং এর কর্তাকে শাস্তি দেওয়া। মহান আল্লাহ অবশ্যই তাকে (শাসককে) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন যদি তিনি তা দমন না করেন এবং তা নির্মূল ও বাতিল না করেন।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০৭)
‌‌الْبَابُ الثَّانِي تَحْرِيمُ اللَّعِبِ بِالنَّرْدِ
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: পাশা খেলা হারাম হওয়া
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০৭)
بَابُ ذِكْرِ تَحْرِيمِ اللَّعِبِ بِالنَّرْدِ وَشِدَّةِ التَّغْلِيظِ عَلَى مَنْ لَعِبَ بِهَا قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ: وَاللَّاعِبُ بِهَذِهِ النَّرْدِ مِنْ غَيْرِ قِمَارٍ عَاصٍ للَّهِ عز وجل يَجِبُ عَلَيْهِ أَنْ يَتُوبَ إِلَى اللَّهِ عز وجل ⦗ص: 108⦘ َ مِنْ لَهْوِهِ بِهَا ، فَإِنْ لَعِبَ بِهَا وَقَامَرَ فَهُوَ أَعْظَمُ لِأَنَّهُ أَكْلُ الْمَيْسِرِ وَهُوَ الْقِمَارُ وَقَدْ نَهَى اللَّهُ عز وجل عَنِ الْمَيْسِرِ وَاللَّعِبِ بِالنَّرْدِ فَهُوَ الْمَيْسِرُ لَا يَخْتَلِفُ الْعُلَمَاءُ فِيهِ. قُلْتُ: وَسَأَذْكُرُ السُّنَنَ فِيمَا قُلْتُهُ لِيَرْتَدِعَ مَنْ لَعِبِ بِالنَّرْدِ وَيَتُوبَ إِلَى اللَّهِ عز وجل. فَإِنْ لَمْ يَتُبْ فَمَا أَسْوَأَ حَالِهِ؟
পাশা খেলা হারাম হওয়া এবং যে ব্যক্তি তা খেলে তার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি উল্লেখ করার অধ্যায়। মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন বলেন: জুয়া ছাড়াও এই পাশা খেলুড়ে ব্যক্তি মহান আল্লাহর অবাধ্য; তার ওপর আবশ্যক হলো সে যেন তার এই ক্রীড়া-কৌতুক থেকে মহান আল্লাহর নিকট তাওবা করে ⦗পৃষ্ঠা: ১০৮⦘। আর যদি সে এটি খেলে এবং তাতে জুয়াও ধরে, তবে তা আরও গুরুতর; কারণ এটি হলো 'মাইসির' তথা জুয়ার সম্পদ ভক্ষণ করা। অথচ মহান আল্লাহ জুয়া নিষিদ্ধ করেছেন। আর পাশা খেলা মূলত জুয়া—এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। আমি বলছি: আমি যা বলেছি তার সপক্ষে অচিরেই সুন্নাহর দলিলসমূহ বর্ণনা করব, যাতে পাশা খেলুড়েরা এ থেকে বিরত হয় এবং মহান আল্লাহর নিকট তাওবা করে। অতঃপর সে যদি তাওবা না করে, তবে তার অবস্থা কতই না মন্দ হবে!
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১০৮)
8 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي حَسَّانَ الْأَنْمَاطِيُّ ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ ، حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَطْمِيُّ ، أَنَّهُ سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ كَعْبٍ ، يَسْأَلُ أَبَاهُ فِي شَأْنِ الْمَيْسِرِ فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: " مَنْ لَعِبَ بِالْمَيْسِرِ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ الَّذِي يَتَوَضَّأُ بِالْقَيْحِ وَدَمِ الْخِنْزِيرِ. أَفَتَقُولُ: يَقْبَلُ اللَّهُ صَلَاتَهُ "
৮ - ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আবু হাসসান আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন আম্মার আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাতিম বিন ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন আব্দুর রহমান আল-খাতমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মুহাম্মদ বিন কাবকে তার পিতাকে জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি জুয়া খেলল এবং তারপর সালাত আদায় করতে দাঁড়াল, তার উদাহরণ সেই ব্যক্তির ন্যায় যে পুঁজ এবং শূকরের রক্ত দিয়ে অজু করে। তুমি কি মনে করো আল্লাহ তার সালাত কবুল করবেন?"
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১১০)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي دَاوُدَ بْنِ أَبِي نَاجِيَةَ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ ، يَعْنِي ابْنَ بِلَالٍ ، قَالَ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخَطْمِيُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيُّ ، أَنَّهُ سَأَلَ أَبَاهُ عَنِ الْمَيْسِرِ ، فَقَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ أَنَّ رَجُلًا قَامَ فَتَوَضَّأَ بِقَيْحٍ وَدَمِ الْخِنْزِيرِ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي مَا سَعَى ذَلِكَ مِنْ صَلَاتِهِ فَإِنَّ كَذَلِكَ لُعْبَتَيِ النَّرْدِ»
৯ - আবু বকর ইবনে আবি দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবি দাউদ ইবনে আবি নাজিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান—অর্থাৎ ইবনে বিলাল—আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা ইবনে আবদুর রহমান আল-খাতমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে কা'ব আল-কুরাযি থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর পিতাকে জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, অতঃপর তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যদি কোনো ব্যক্তি উঠে শুকরের পুঁজ ও রক্ত দিয়ে ওযু করে, অতঃপর সালাত আদায় করতে দাঁড়ায়, তবে তার সেই সালাত কোনো উপকারে আসবে না; আর পাশা খেলার বিষয়টিও ঠিক তদ্রূপ।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১১০)
10 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَيُّوبَ السَّقَطِيُّ ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ الْقَوَارِيرِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ ، ⦗ص: 111⦘ عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَكَأَنَّمَا صَبَغَ يَدَهُ فِي لَحْمِ الْخِنْزِيرِ»
১০ - আমাদের নিকট উমর ইবন আইয়ুব আস-সাকাতি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ আল-কাওয়ারীরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবন মাহদী সুফিয়ান হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি আলকামা ইবন মারসাদ হতে, ⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘ তিনি ইবন বুরায়দাহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি পাশা (নর্দ) দিয়ে খেলল, সে যেন তার হাত শূকরের মাংসের মধ্যে রঞ্জিত করল (বা ডুবাল)»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১১২)
11 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بَكَّارٍ الْقَافِلَائِيُّ أَبُو حَفْصٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدَشِيرِ فَكَأَنَّمَا غَمَسَ يَدَهُ فِي لَحْمِ الْخِنْزِيرِ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাক্কার আল-কাফিলাঈ আবু হাফস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানী, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে মূসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আলক্বামা ইবনে মারসাদ হতে, ইবনে বুরাইদাহ হতে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি নারদাশির (পাশা খেলা) দ্বারা খেলল, সে যেন তার হাত শূকরের গোশতে ডুবালো»।
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১১৪)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ ، قَاسِمُ بْنُ الْمُطَرِّزِ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى بْنِ مَاسِرْجِسَ ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ ، أَخْبَرَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ ، عَنْ أَبِي مُرَّةَ ، مَوْلَى عَقِيلٍ ⦗ص: 115⦘ فِيمَا أَعْلَمُ عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর কাসিম ইবনুল মুতাররিজ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে ঈসা ইবনে মাসিরজিস, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসামা ইবনে যায়েদ, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি হিন্দ, তিনি আবু মুররাহ থেকে—যিনি আকীলের মুক্তদাস ছিলেন— ⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘ আমার জানামতে আবু মুসা আল-আশআরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি পাশা খেলল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলো।’»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১১৬)
13 - حَدَّثَنَا أَيْضًا قَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا الْمُطَرِّزُ ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بُكَيْرٍ ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي حَازِمٍ ، عَنْ مُوسَى بْنِ مَيْسَرَةَ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ ضَرَبَ بِالْكِعَابِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
১৩ - আমাদের নিকট আরও বর্ণনা করেছেন কাসিম বিন যাকারিয়া আল-মুতাররিয, আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন বুকাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি হাযিম, তিনি মুসা বিন মায়সারা থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি হিন্দ থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি পাশা খেলল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করল।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১১৭)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَاصِمٍ الدِّمَشْقِيُّ ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ ، أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ ، يَعْنِي ابْنَ خَالِدٍ ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْعَاتِكَةِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: «اجْتَنِبُوا هَذِهِ الْكِعَابَ الْمَوْسُومَةَ الَّتِي تَزْجُرُ النَّاسَ زَجْرًا فَإِنَّهَا مِنَ الْمَيْسِرِ»
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ জাফর ইবন আহমদ ইবন আসিম আদ-দিমাশকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন আম্মার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাদাকাহ — অর্থাৎ ইবন খালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবন আবিল আতিকাহ, আলি ইবন যায়দ থেকে, আল-কাসিম থেকে, আবু উমামাহ থেকে, আবু মুসা আল-আশআরি থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলতেন: «তোমরা এই চিহ্নিত ছক্কাগুলো বর্জন করো যা মানুষকে (সঠিক পথ হতে) কঠোরভাবে বিমুখ করে; কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২২)
15 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الْجَرْمِيُّ ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ ، جَمِيعًا قَالَا: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
১৫ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন মূসা আল-জারমী হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইউসুফ ইবন মূসা আল-কাত্তান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ ইবন মূসা এবং মুহাম্মদ ইবন উবাইদুল্লাহ উভয়ই হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ ইবন উমর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবী হিন্দ থেকে, আর তিনি আবু মূসা আল-আশআরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি পাশা খেলল, সে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করল।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২৩)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ الْمُجَدَّرِ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى بْنِ شَيْبَةَ ، أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ صِرْمَةَ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ سُوَيْدٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ ، عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ ، عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ ، عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ مَنْ ضَرَبَ بِكَعْبَيْهِ يَلْعَبُ بِهِمَا»
১৬ - আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনুল মুজাদ্দার বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে মুসা ইবনে শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনে সিরমাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুসা ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে সুওয়াইদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করল—যে ব্যক্তি তার দুই ছক্কা (বা পাশা) দিয়ে খেলল।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২৫)
17 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَيُّوبَ السَّقَطِيُّ ، أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ أَبِي الْحُرِّ ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِيَّاكُمْ وَهَذِهِ الْكِعَابَ الْمَوْسُومَةَ الَّتِي تُزْجَرُ زَجْرًا فَإِنَّهُنَّ مِنَ الْمَيْسِرَ»
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনুল আইয়ুব আস-সাকাতী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনু আবি শাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান ইবনু মুসা ইবনু আব্দুল মালিক ইবনু উমাইর, তিনি হুসাইন ইবনু আবিল হুর হতে, তিনি সামুরাহ ইবনু জুনদুব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা এই চিহ্নিত পাশাগুলো হতে সতর্ক থাকো যেগুলোকে (খেলার উদ্দেশ্যে) নিক্ষেপ করা হয়; কেননা এগুলো জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।’»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২৬)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أبي دَاوُدَ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَامِرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْأَصْبَهَانِيُّ ، عَنْ أَبِيهِ عَامِرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، أَخْبَرَنَا نَهْشَلُ بْنُ سَعِيدٍ ، عَنِ الضَّحَّاكِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «اتَّقُوا الْكَعْبَتَيْنِ فَإِنَّهُمَا مِنَ الْمَيْسِرِ»
১৮ - আমাদের নিকট আবু বকর ইবন আবি দাউদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন আমির ইবন ইবরাহিম আল-আসবাহানি বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা আমির ইবন ইবরাহিম থেকে, আমাদের নিকট নাহশাল ইবন সাঈদ সংবাদ দিয়েছেন দাহহাক থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা দুটি কাব (পাশা) থেকে বেঁচে থাকো, কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২৭)
19 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ ، أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ ، أَخْبَرَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، يَعْنِي ابْنَ مَسْعُودٍ ، قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَهَاتَيْنِ الْكَعْبَتَيْنِ الْمَوْسُومَتَيْنِ اللَّتَيْنِ تُزْجَرَانِ زَجْرًا فَإِنَّهُمَا مِنَ الْمَيْسِرِ»
19 - আবু বকর বিন আবি দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ বিন আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুতামির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ অর্থাৎ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «তোমরা চিহ্নিত এই ঘুঁটি দুটি থেকে বেঁচে থাকো যে দুটিকে সজোরে চালনা করা হয়; কেননা নিশ্চয়ই এ দুটি জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২৯)
20 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى ، حَدَّثَنَا ابْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَهَذِهِ الْكِعَابَ الْمَوْسُومَةَ الَّتِي تُزْجَرُ زَجْرًا فَإِنَّهَا مِنَ الْمَيْسِرِ»
২০ - আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন মূসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইবন মূসা আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ওয়াকী' বর্ণনা করেছেন, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবন উমাইর থেকে, তিনি আবু আহওয়াস থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «তোমরা এই চিহ্নিত পাশাগুলো থেকে সতর্ক থাকো যা চালার সময় হাঁকডাক করা হয়, কেননা তা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত।»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১২৯)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَاجِيَةَ ، أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ الْوَاسِطِيُّ ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ ، يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْوَاسِطِيَّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى ، عَنِ الْحَكَمِ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: «الْمَيْسِرُ قِدَاحُ الْعَرَبِ وَكِعَابُ فَارِسَ»
২১ - আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন নাজিয়াহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াহাব বিন বাকিয়্যাহ আল-ওয়াসিতী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন খালিদ—অর্থাৎ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াসিতী—মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, আর তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "মাইসির (জুয়া) হলো আরবদের (লটারির) তীর এবং পারস্যদের ছক্কা।"
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১৩১)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ ، أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ بَيَانٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، أَخْبَرَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ ، عَنْ نَافِعٍ ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ: «النَّرْدُ مِنَ الْمَيْسِرِ»
২২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি দাউদ, আমাদের অবহিত করেছেন ওয়াহাব ইবনে বায়ান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, আমাদের অবহিত করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি নাফি’ থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলতেন: «পাশা খেলা জুয়ার অন্তর্ভুক্ত»
(খণ্ড: ১) তাহরীমুন নারদি ওয়াশ শাতারাঞ্জি ওয়াল মালাহী লিল আজুররী (পৃষ্ঠা: ১৩২)
‌‌بَابُ ذِكْرِ تَحْرِيمِ الشِّطْرَنْجِ وَفَسَادِ أَهْلِهَا
দাবা নিষিদ্ধকরণ এবং এর অনুসারীদের ভ্রষ্টতা বর্ণনার পরিচ্ছেদ