(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: -)
تكملة إكمال الإكمال - ابن الصابوني - ط العراق   (جمال الدين ابن الصابوني)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: تكملة إكمال الإكمال في الأنساب والأسماء والألقاب

(تكملة كتاب «إكمال الإكمال» لابن نقطة)

المؤلف: جمال الدين أبو حامد محمد بن علي المحمودي المعروف بـ ابن الصابوني (ت 680 هـ)

حققه وعلق عليه: الدكتور مصطفى جواد

الناشر: مطبعة المجمع العلمي العراقي

عام النشر: 1377 هـ - 1957 م

عدد الصفحات: 375

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 17 رمضان 1443

তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুল সাবুনি - ইরাকি সংস্করণ   (জামালুদ্দিন ইবনুল সাবুনি)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ: তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল ফি আল-আনসাব ওয়াল-আসমা ওয়াল-আলকাব

(ইবনু নুকতাহ-এর «ইকমালুল ইকমাল» গ্রন্থের পরিশিষ্ট)

লেখক: জামালুদ্দিন আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন আলী আল-মাহমুদি, যিনি ইবনুল সাবুনি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৬৮০ হিজরি)

সম্পাদনা ও টীকা প্রদান: ডক্টর মুস্তফা জাওয়াদ

প্রকাশক: ইরাকি বৈজ্ঞানিক একাডেমি প্রেস

প্রকাশের বছর: ১৩৭৭ হিজরি - ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৭৫

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৭ রমজান ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

الحمد لله العلي العظيم، الرءوف الرحيم، العطوف الكريم، الجواد الحليم، أحمده على إنعامه العميم، وأشكره على إحسانه الجسيم، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، شهادة تبوِّئ قائلها دار النعيم، وتنجيه غدا من عذاب الجحيم، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله، أرسله بالدين القويم، والمنهج المستقيم صلى الله عليه وسلم أفضل الصلاة والتسليم- ما أقبل النهار وأدبر الليل البهيم.

وبعد فإني لما وقفت على كتاب "إكمال الإكمال" الذي صنفه الحافظ أبو بكر محمد بن عبد الغني بن أبي بكر بن نقطة البغدادي رحمه الله مذيلا به على كتاب
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

সকল প্রশংসা সুউচ্চ ও সুমহান আল্লাহর জন্য, যিনি পরম মমতাশীল ও অত্যন্ত দয়ালু, দয়াপরবশ ও পরম দাতা, মহানুভব ও পরম ধৈর্যশীল। আমি তাঁর ব্যাপক নেয়ামতের জন্য তাঁর প্রশংসা করি এবং তাঁর বিশাল অনুগ্রহের জন্য তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; এমন এক সাক্ষ্য যা এর প্রবক্তাকে নেয়ামতপূর্ণ জান্নাতে স্থান করে দেয় এবং পরকালে তাকে জাহান্নামের আজাব থেকে মুক্তি দেয়। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, যাকে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন ও সরল সঠিক পথ দিয়ে প্রেরণ করেছেন। তাঁর ওপর আল্লাহর সর্বোত্তম রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—যতক্ষণ দিনের আগমন ঘটবে এবং অন্ধকার রাতের প্রস্থান হবে।

অতঃপর, আমি যখন হাফেজ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল গনি ইবনে আবি বকর ইবনে নুকতাহ আল-বাগদাদী (রহিমাহুল্লাহ) সংকলিত "ইকমালুল ইকমাল" নামক গ্রন্থটি অবগত হলাম, যা তিনি নিম্নোক্ত কিতাবের পরিশিষ্ট হিসেবে রচনা করেছেন—
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢)
الأمير أبي نصر علي بن هبة الله بن علي المعروف بابن ماكولا رحمه الله وبلغه الله نهاية الآمال- وجدته أحسن فيه الجمع، وأجاد المقال، ونبه على فوائد كثيرة، سمعها في رحلته من أفواه الرجال، وأخذها عن أولي الحفظ والترحال، بيد أنه أغفل ذكر جماعة في بعض التراجم، يلزمه ذكرهم من هذا المثال، وجماعة لم يقعوا له ولا خطروا منه على بال، فأحببت أن أنبه عليهم وأنسج على هذا المنوال. وليس الغرض في ذلك سوى الانتماء إلى هذه الطائفة والتشبه بهم في القول والفعال، فاستخرت الله سبحانه الكبير المتعال، وذكرت ما وقع إليَّ من ذلك لتتم به الفائدة ويحصل النفع في غالب الأحوال، وما توفيقي إلا بالله، وإياه أسأل أن يجعل ذلك خالصا لوجهه الكريم، ويعصمنا من الخطأ والخطل فإنه لما يشاء فعال.

 

‌‌حرف الهمزة:

ذكر [أبو بكر بن نقطة] في باب "ابنه" و"أبِيْه" جماعة، وأغفل في باب "أبيه" شيخنا:
আমির আবু নাসর আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন আলী, যিনি ইবনে মাকুলা (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁকে তাঁর সর্বোচ্চ আকাঙ্ক্ষায় পৌঁছে দিন) নামে পরিচিত—আমি তাঁকে এ কাজে চমৎকার সংকলক হিসেবে পেয়েছি, তিনি তাঁর বক্তব্যকে সুনিপুণ করেছেন এবং অনেক জ্ঞানগর্ভ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, যা তিনি তাঁর দেশভ্রমণকালে বিজ্ঞজনদের মুখ থেকে সরাসরি শ্রবণ করেছেন এবং যারা মুখস্থবিদ্যায় পারদর্শী ও পরিব্রাজক ছিলেন তাঁদের নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন। তবে তিনি কিছু জীবনীর আলোচনায় এমন একদল লোকের নাম উল্লেখ করতে উপেক্ষা করেছেন, যাদের কথা এই দৃষ্টান্ত অনুযায়ী উল্লেখ করা তাঁর জন্য আবশ্যক ছিল; এবং এমন একদল লোকের কথা তিনি উল্লেখ করেননি যারা তাঁর নজরে আসেননি কিংবা তাঁর মনেও আসেনি। তাই আমি তাঁদের বিষয়ে অবগত করতে এবং এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে চেয়েছি। এর উদ্দেশ্য এই জামাতের অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং কথা ও কাজে তাঁদের সদৃশ হওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। অতঃপর আমি মহান ও সুউচ্চ আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করেছি এবং আমার কাছে যা পৌঁছেছে তা উল্লেখ করেছি যাতে এর মাধ্যমে উপকারিতা পূর্ণতা পায় এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সুফল অর্জিত হয়। আমার তাওফিক কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকেই। আমি তাঁর নিকট প্রার্থনা করছি তিনি যেন এই কাজটিকে কেবল তাঁর মহান চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করেন এবং আমাদের ভুল ও ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে রক্ষা করেন, কেননা তিনি যা ইচ্ছা তা-ই করেন।

 

‌‌হামযাহ বর্ণ:

[আবু বকর ইবনে নুকতাহ] "তার ছেলে" ও "তার বাবা" পরিচ্ছেদে একদল লোকের কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি "তার বাবা" পরিচ্ছেদে আমাদের শাইখকে উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন:
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٣)
‌‌1 - عبد العزيز بن محمد بن علي الصالحي

المعروف بابن أبِيْه بتقديم الباء الموحدة على الياء المعجمة باثنتين من تحتها، ويعرف أيضا بابن الدجاجيّة. شيخ صالح، دمشقي المولد، سمع من الحافظ المؤرخ أبي القاسم علي بن الحسن بن عساكر الكبير، ومن الإمام أبي المفاخر علي بن محمد بن المستوفي البيهقي، وحدث عنهما. سمعت منه وسألته عن مولده فلم يحقه، وتوفي رحمه الله في الخامس والعشرين من المحرم سنة "أربعين وستمائة" بدمشق. ومن حديثه:

أخبرنا أبو محمد عبد العزيز بن محمد بن علي بن أبيه الصالحي، قراءة عليه وأنا أسمع بدمشق، قيل له حدثكم الحافظ أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله [ابن عساكر] الشافعي رحمه الله إملاء من لفظه بجامع دمشق قال أنبأنا أبو غالب أحمد بن الحسن بن أحمد ببغداد. وأخبرني أبو حفص عمر بن محمد بن طبرزد، إجازة، عن أبي غالب أحمد بن الحسن بن البناء، أنبأنا أبو الحسين محمد بن أحمد بن محمد
১ - আব্দুল আজীজ ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী আস-সালেহী

তিনি ইবনে আবিহি নামে পরিচিত, যেখানে এক নকতাযুক্ত 'বা' বর্ণটি নিচে দুই নকতাযুক্ত 'ইয়া' বর্ণের পূর্বে এসেছে। তিনি ইবনুদ্দাজাজিয়া নামেও পরিচিত। তিনি একজন পুণ্যবান শাইখ, জন্মগতভাবে দামেস্কী। তিনি হাফেয ও ইতিহাসবিদ আবুল কাসেম আলী ইবনুল হাসান ইবনে আসাকির আল-কাবীর এবং ইমাম আবুল মাফাখির আলী ইবন মুহাম্মদ ইবনুল মুস্তাওফী আল-বাইহাকী থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন এবং তাদের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি তাঁর থেকে হাদীস শুনেছি এবং আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি কিন্তু তিনি তা সুনিশ্চিত করতে পারেননি। তিনি রহমাতুল্লাহি আলাইহি দামেস্কে ৬৪০ হিজরীর ২৫শে মুহররম ইন্তেকাল করেন। তাঁর বর্ণিত হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হলো:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজীজ ইবন মুহাম্মদ ইবন আলী ইবনে আবিহি আস-সালেহী; এটি তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি দামেস্কে তা শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হয়েছিল যে, হাফেয আবুল কাসেম আলী ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ [ইবনে আসাকির] আশ-শাফিঈ রহমাতুল্লাহি আলাইহি দামেস্কের জামে মসজিদে তাঁর নিজ মুখে উচ্চারিত শব্দ থেকে ইমলা (শ্রুতিলিপি) হিসেবে আপনাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: বাগদাদে আবু গালিব আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং আবু হাফস উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন তাবারজাদ ইজাযাত স্বরূপ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনুল বান্না থেকে, তিনি বলেছেন: আবু হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٤)
بن حسنون النرسيّ، أنبأنا أبو الحسن علي بن عمر بن محمد الختلي الحربي أنبأنا القاضي أبو عبيد الله محمد بن عبيدة بن حرب، إملاء، أنبأنا إبراهيم بن الحجاج أنبأنا عبد العزيز بن المختار أنبأنا سهل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: "تفتح أبواب السماء -أو قال- أبواب الجنة كل يوم اثنين وخميس، فيغفر في ذلك اليوم لكل عبد لا يشرك بالله شيئا، إلا من كان بينه وبين أخيه شحناء، فيقول: أنظروا هذين حتى يصطلحا"، رواه مسلم في صحيحه عن قتيبة، وأحمد بن عبدة الضبيّ عن عبد العزيز عن سهيل.

 

وذكر في باب "الأثِير" بفتح الهمزة وكسر الثاء المثلثة وبعدها ياء معجمة باثنتين من تحتها وآخره راء مهملة، جماعة منهم الأخوان الفاضلان "أبو السعادات المبارك وأبو الحسن علي ابنا محمد بن محمد بن عبد الكريم الجزري، وأغفل ذكر أخيهما:

 

‌‌2 - الوزير الفاضل أبي الفتح نصر الله: [بن الأثير]

فإنه كان فريد دهره، ووجيه عصره، في صناعة الكتابة والإنشاء، وله التصانيف البديعة، والرسائل الصنيعة، ختم به هذا الشأن، وسار ذكره في جميع الأقطار
ইবনে হাসানুন আন-নারসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-খাতলি আল-হারবি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন উবাইদাহ বিন হারব (শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন হাজ্জাজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আজিজ বিন আল-মুখতার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাহল বিন আবি সালিহ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "আসমানের দরজাগুলো—অথবা তিনি বলেছেন—জান্নাতের দরজাগুলো প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার খুলে দেওয়া হয়। অতঃপর সেই দিনে এমন প্রত্যেক বান্দাকে ক্ষমা করা হয় যে আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক করে না; তবে সেই ব্যক্তি ব্যতীত যার ও তার ভাইয়ের মধ্যে শত্রুতা রয়েছে। তখন বলা হয়: 'এই দুইজনকে অবকাশ দাও যতক্ষণ না তারা আপস-মীমাংসা করে'।" এটি মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে কুতাইবা থেকে এবং আহমাদ বিন আবদাহ আদ-দব্বি আব্দুল আজিজ থেকে তিনি সুহাইল থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

এবং 'আল-আছীর' (হামযাহ-তে যবর, ছা-তে যের, এরপর নিচে দুই নুক্তাবিশিষ্ট ইয়া এবং শেষে র-সহ) পরিচ্ছেদে একদল লোকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন দুই ফাযেল ভাই 'আবুস সাআদাত আল-মুবারক এবং আবুল হাসান আলী, তাঁরা মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম আল-জাযারির পুত্র'। তবে তিনি তাঁদের অপর ভাইয়ের কথা উল্লেখ করতে ছেড়ে দিয়েছেন:

 

‌‌২ - ফাযেল উজির আবুল ফাতহ নাসরুল্লাহ: [ইবনুল আছীর]

কেননা তিনি লিখনশৈলী ও রচনাশিল্পে তাঁর সময়ের অনন্য এবং তাঁর যুগের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর বহু চমৎকার গ্রন্থ এবং সুনিপুণ পত্রাবলি রয়েছে। এই শাস্ত্রটি তাঁর মাধ্যমেই পূর্ণতা পেয়েছে এবং তাঁর খ্যাতি পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٥)
والبلدان، مولده في أواخر شعبان سنة "ثمان وخمسين وخمسمائة" بجزيرة ابن عمر، وتوفي ببغداد يوم الاثنين التاسع من ربيع الآخر من سنة سبع وثلاثين وستمائة وصلي عليه بجامع القصر، ودفن بمقابر قريش، ذكر ذلك الحافظ أبو عبد الله محمد بن النجار البغدادي رحمه الله، في تاريخه، وأجاز لي جميع

এবং শহরসমূহ; তাঁর জন্ম পাঁচশত আটান্ন হিজরি সনের শাবান মাসের শেষাংশে জাযিরা ইবনে উমরে। তিনি ছয়শত সাঁইত্রিশ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের নয় তারিখ সোমবার দিনে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন। জামিউল কসরে তাঁর জানাজার নামাজ পড়া হয় এবং তাঁকে মাকাবিরে কুরাইশে দাফন করা হয়। হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুন নাজ্জার আল-বাগদাদি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং তিনি আমাকে তাঁর সকল বিষয়ের ইজাজত প্রদান করেছেন।

(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٦)
مسموعه ومنثوره ومنظومه.

 

‌‌3 - والأثير أبي المحاسن المشرف بن المؤيد بن علي الهمذاني الصوفي المعروف بابن الحاجب:

سمع بهمذان من أبي بكر هبة الله بن الفرج بن الفرج "كذا" بن أخت الطويل، وابي الفتوح محمد بن محمد الطائي، وبدمشق من الوزير أبي المظفر سعيد بن سهل بن محمد الفلكي، وبمصر من الشيخ الصالح علي بن إبراهيم بن المسلم الأنصاري المعروف بابن بنت أبي سعد وغيره، وبالإسكندرية من الحافظ أبي طاهر السلفي، وسمع من الحافظ أبي مسعود عبد الجليل بن محمد الأصفهاني المعروف بكوتاه، وأبي منصور شهردار بن شيرويه، وأبي بكر محمد بن علي بن ياسر الجياني،
তাঁর শ্রুত বিষয়াবলি, গদ্য এবং পদ্য।

 

‌‌৩ - এবং আল-আসির আবু আল-মাহাসিন আল-মুশাররফ বিন আল-মুআইয়িদ বিন আলী আল-হামদানি আল-সুফি, যিনি ইবনুল হাজিব নামে পরিচিত:

তিনি হামাদানে আবু বকর হিবাতুল্লাহ বিন আল-ফারাজ বিন আল-ফারাজ "এরূপই উল্লিখিত" বিন উখতুত তওয়িল এবং আবু আল-ফুতুহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-তাইয়ি-এর নিকট শ্রবণ করেছেন; এবং দামেস্কে উজির আবু আল-মুজাফফর সাঈদ বিন সাহল বিন মুহাম্মদ আল-ফালাকি-এর নিকট; এবং মিশরে নেককার শায়খ আলী বিন ইব্রাহিম বিন আল-মুসলিম আল-আনসারি, যিনি ইবনে বিন্তে আবু সা’দ নামে পরিচিত, এবং অন্যদের নিকট; এবং আলেকজান্দ্রিয়ায় হাফেজ আবু তাহের আস-সিলাফি-এর নিকট; এবং তিনি হাফেজ আবু মাসউদ আব্দুল জলিল বিন মুহাম্মদ আল-ইসফাহানি, যিনি কুতাহ নামে পরিচিত, আবু মনসুর শাহরদার বিন শিরওয়াইহ এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইয়াসির আল-জাইয়ানি-এর নিকট শ্রবণ করেছেন,
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٧)
والشريف أبي المناقب محمد بن حمزة بن إسماعيل العلوي الحسني، وأبي عبد الله الحسين بن نصر بن خميس الموصلي، وأبي بكر عبد الجبار بن ملكداد الشرواني، وحدث بدمشق ومصر، روى عنه الشيخ الصالح أبو علي الحسن بن أحمد بن يوسف الأوقي الصوفي بالبيت المقدس والشيخ أبو الحسن علي بن عبد الرحمن بن فارس بن بركات السعدي وتوفي يوم الأحد الثامن من جمادى الأولى سنة "خمس وثمانين وخمسمائة" بالقاهرة ودفن من يومه بسفح المقطم.

أخبرنا الشيخ أبو الحسن علي بن عبد الرحمن بن فارس السعدي، بقراءتي عليه بمسجده بالقاهرة، قلت له: أخبركم الشيخ الزاهد الأثير أبو المحاسن المشرف بن المؤيد بن علي الهمذاني الصوفي، قراءة عليه وأنت تسمع في صفر سنة تسع وسبعين وخمسمائة، فأقرّ به قلت: وأخبرنا الإمام أبو الفضل عبد الرحمن بن عبد الوهاب بن صالح بن محمد بن زيد الهمذاني المعروف بابن المعزِّم، في كتابة إليّ من همذان، قالا أنبأنا أبو بكر هبة الله بن الفرج بن الفرج بن أخت الطويل، قراءة عليه ونحن نسمع في يوم الجمعة الخامس من صفر سنة سبع وثلاثين وخمسمائة بجامع همذان، قال أنبأنا أبو
এবং আশ-শরিফ আবুল মানাকিব মুহাম্মদ বিন হামজা বিন ইসমাইল আল-আলাউয়ি আল-হাসানি, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন নাসর বিন খামিস আল-মাওসিলি, এবং আবু বকর আব্দুল জব্বার বিন মালিকদাদ আশ-শারওয়ানি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি দামেস্ক ও মিশরে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন পুণ্যবান শাইখ আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইউসুফ আল-আউকি আস-সুফি বাইতুল মাকদিসে এবং শাইখ আবুল হাসান আলী বিন আব্দুর রহমান বিন ফারিস বিন বারাকাত আস-সাদি। তিনি পাঁচশত পঁচাশি হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসের আট তারিখ রবিবার কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন এবং ওই দিনই তাঁকে মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে সমাহিত করা হয়।

শাইখ আবুল হাসান আলী বিন আব্দুর রহমান বিন ফারিস আস-সাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—কায়রোতে তাঁর মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: পুণ্যবান ও বিশিষ্ট শাইখ আবু আল-মাহাসিন আল-মুশাররাফ বিন আল-মুয়াইয়াদ বিন আলী আল-হামাদানি আস-সুফি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—পাঁচশত উনআশি হিজরি সনের সফর মাসে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আপনি শুনছিলেন? তখন তিনি তা স্বীকার করেন। আমি বললাম: এবং ইমাম আবুল ফজল আব্দুর রহমান বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সালিহ বিন মুহাম্মদ বিন যাইদ আল-হামাদানি, যিনি ইবনুল মুয়াজ্জিম নামে পরিচিত, তিনি হামাদান থেকে আমার কাছে লিখিত পত্রে সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর হিবাতুল্লাহ বিন আল-ফারাজ বিন আল-ফারাজ বিন উখতুত তওয়ীল—পাঁচশত সাইত্রিশ হিজরি সনের সফর মাসের পাঁচ তারিখ শুক্রবার হামাদান জামে মসজিদে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমরা শুনছিলাম। তিনি বললেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু...
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٨)
الفضل محمد بن عثمان القوْمَساني أنبأنا عمّي أبو منصور محمد بن أحمد القومساني أنبأنا أبو بكر محمد بن يحيى بن أبي زكريا الفقيه، أنبأنا أبو يعلى أحمد بن علي الموصلي أنبأنا يحيى الحماني أنبأنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم عن أبيه عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "ليس على أهل لا إله إلا الله وحشة في قبورهم ولا منشرهم ولا محشرهم، وكأني بأهل لا إله إلا الله ينفضون التراب عن رءوسهم ويقولون: الحمد لله الذي أذهب عنا الحزن".

 

‌‌4 - وأبي جعفر عبد الله بن المظفر بن هبة الله بن المظفر بن علي بن الحسن
আল-ফজল মুহাম্মদ বিন উসমান আল-কাওমাসানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার চাচা আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-কাওমাসানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবু জাকারিয়া আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলি আল-মাউসিলি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া আল-হিমানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন জাইদ বিন আসলাম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-র অনুসারীদের জন্য তাদের কবরে, তাদের পুনরুত্থানে এবং তাদের হাশরের ময়দানে কোনো আতঙ্ক নেই। আমি যেন দেখতে পাচ্ছি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-র অনুসারীরা তাদের মাথা থেকে মাটি ঝাড়ছেন এবং বলছেন: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের থেকে দুঃখ দূর করে দিয়েছেন।"

 

‌‌৪ - এবং আবু জাফর আবদুল্লাহ বিন আল-মুজাফ্ফর বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-মুজাফ্ফর বিন আলি বিন আল-হাসান
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٩)
بن أحمد بن محمد بن عمر بن الحسن بن رئيس الرؤساء: أبي القاسم بن المسلمة المعروف بالأثير.

من بيت مشهور بالرئاسة والتقدم، وفيه فضل وكتابة، سمع من جماعة منهم أبو الحسن محمد بن أحمد بن محمد بن عبد الجبار بن توبة، وأبو منصور محمد بن عبد الملك بن خيرون، وأبو سعد أحمد بن محمد البغدادي، وغيرهم، وحدث باليسير. سمع منه الحافظ أبو المحاسن عمر بن علي القرشي الدمشقي، والحافظ أبو الحجاج
বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আল-হাসান বিন রাইসুল রুয়াসা: আবুল কাসিম বিন আল-মুসলিমা, যিনি আল-আসির নামে পরিচিত।

তিনি নেতৃত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বের জন্য প্রসিদ্ধ এক পরিবারভুক্ত ছিলেন, আর তাতে বিদ্যমান ছিল মর্যাদা ও পাণ্ডিত্য। তিনি একদল উলামার নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল জাব্বার বিন তাওবাহ্, আবু মানসুর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল মালিক বিন খাইরুন, আবু সা’দ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগদাদি এবং অন্যান্যরা। তিনি অল্প কিছু (হাদিস) বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন হাফেজ আবুল মাহাসিন উমর বিন আলী আল-কুরাশি আদ-দিমাশকি এবং হাফেজ আবুল হাজ্জাজ।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٠)
يوسف بن خليل الدمشقي، وذكراه في معجميهما، وأبو الفضل إلياس بن جامع الإربلي. روى لنا عنه أبو الحجاج يوسف بن خليل في معجمه. مولده سنة تسع عشرة وخمسمائة وتوفي في تاسع عشر صفر سنة اثنتين وتسعين وخمسمائة.

 

‌‌5 - والقاضي الأثير أبي القاسم عبد الكريم بن القاضي أبي الحسن علي بن الحسن بن الحسن بن أحمد بن الفرج بن أحمد اللخمي البيساني:

العسقلاني المولد المصري الدار والوفاة، وهو أخو القاضي الفاضل. مولده في يوم الثلاثاء تاسع جمادى الآخرة سنة "سبع وثلاثين وخمسمائة" بعسقلان، سمع بالإسكندرية الحافظ أبا طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي، ومن الشريفين أبي محمد عبد الله وأبي الطاهر إسماعيل ابني أبي الفضل عبد الرحمن بن يحيى العثماني الديباجي وغيرهم. وأجاز له جماعة من الشاميين والمصريين، وحدث بمصر، وكان كثير الرغبة في تحصيل الكتب وجمعها، مبالغا في ذلك وتوفي في ليلة الثالث عشر من المحرم سنة "إحدى وعشرين وستمائة" بالقاهرة، ودفن من الغد بسفح المقطم. وأجاز لي جميع مسموعاته ومجازاته وما تجوز له روايته أخبرنا القاضي الأثير أبو القاسم عبد الكريم بن علي بن الحسن البيساني، إجازة، والمشايخ الستة: أبو الحسن مرتضى بن حاتم بن المسلم
ইউসুফ বিন খলিল আদ-দিমাশকী, এবং তারা তাদের উভয় অভিধানে তার উল্লেখ করেছেন, এবং আবু আল-ফাদল ইলিয়াস বিন জামি আল-ইরবিলি। আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল তার অভিধানে আমাদের নিকট তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার জন্ম পাঁচশত ঊনিশ হিজরিতে এবং তিনি পাঁচশত বিরানব্বই হিজরির ১৯শে সফর ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌৫ - এবং আল-কাজী আল-আসির আবুল কাসিম আব্দুল করিম বিন আল-কাজী আবুল হাসান আলী বিন আল-হাসান বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন আহমাদ আল-লাখমী আল-বায়সানি:

আসকালানে জন্মগ্রহণকারী, মিশরে বসবাসকারী ও মৃত্যুবরণকারী, এবং তিনি আল-কাজী আল-ফাদিলের ভাই। তার জন্ম আসকালানে পাঁচশত সাঁইত্রিশ হিজরির নয়ই জুমাদাল আখিরা মঙ্গলবার। তিনি আলেকজান্দ্রিয়ায় হাফেজ আবু তাহের আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সিলাফি থেকে এবং দুই শরিফ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ও আবু তাহের ইসমাইল—আবু আল-ফাদল আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-উসমানি আদ-দিবাজির দুই পুত্র—ও অন্যদের থেকে শ্রবণ করেছেন। সিরীয় ও মিশরীয়দের একটি দল তাকে ইজাজাহ দিয়েছেন এবং তিনি মিশরে হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিতাব সংগ্রহ ও তা একত্রিত করার ব্যাপারে তার প্রবল আগ্রহ ছিল এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক শ্রম ব্যয় করতেন। তিনি ছয়শত একুশ হিজরির তেরোই মুহাররম রাতে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন এবং পরদিন মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে তাকে দাফন করা হয়। তিনি আমাকে তার সমস্ত শ্রুত ও অনুমোদিত বিষয়াদি এবং যা কিছু তার পক্ষ থেকে বর্ণনা করা বৈধ সেগুলোর ইজাজাহ দিয়েছেন। আল-কাজী আল-আসির আবুল কাসিম আব্দুল করিম বিন আলী বিন আল-হাসান আল-বায়সানি ইজাজাহ হিসেবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং ছয়জন শায়েখ: আবুল হাসান মুরতাজা বিন হাতিম বিন আল-মুসলিম
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١١)
الحوفي، وأبو الفضل يوسف بن عبد المعطي بن منصور بن نجا بن المخيلي، وأبو الحسن علي بن مختار بن نصر بن طغان المحلي وأبو محمد عبد الوهاب بن ظافر بن علي الرواجي، وأبو القاسم عبد الرحمن بن مكي بن عبد الرحمن الطرابلسي، وأبو علي الحسن بن إبراهيم بن هبة الله المصري، بقراءتي عليهم، قالوا:

أنبأنا الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد السلفي الأصفهاني، قراءة عليه ونحن نسمع
আল-হাউফী, এবং আবু আল-ফজল ইউসুফ বিন আবদ আল-মু'তী বিন মানসুর বিন নাজা বিন আল-মুখাইলী, এবং আবু আল-হাসান আলী বিন মুখতার বিন নাসর বিন তুগান আল-মাহাল্লী, এবং আবু মুহাম্মদ আবদ আল-ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলী আল-রাওয়াজী, এবং আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন মক্কী বিন আবদুর রহমান আল-তরাবুলসী, এবং আবু আলী আল-হাসান বিন ইবরাহীম বিন হিবাতুল্লাহ আল-মিসরী; তাদের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তারা বলেছেন:

হাফিয আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফী আল-আসফাহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٢)
في تواريخ مختلفة، قال أنبأنا الرئيس أبو عبد الله القاسم بن الفضل بن أحمد بن أحمد بن محمود الثقفي، قراءة عليه وأنا أسمع، قال أنبأنا أبو عبد الله الحسين بن الحسن بن محمد الغضائري، قراءة عليه، ببغداد في شهر ربيع الآخر سنة ثلاث عشرة وأربعمائة أنبأنا أبو بكر محمد بن يحيى الصولي سنة أربع وثلاثين وثلاثمائة، حدثنا إبراهيم بن فهد أنبأنا سعيد بن أبي السمان أنبأنا عنبسة القطان أنبأنا شهر بن حوشب حدثتني أم الدرداء عن أبي الدرداء أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "أفضل عمل يوضع يوم القيامة في ميزان العبد حسن الخلق".

 

‌‌حرف الألف:

وذكر في حرف الألف في باب "الأُنْديّ، والأُبَّذيّ" فقال: أما الأول بضم الهمزة وسكون النون وكسر الدال المهملة. وذكر جماعة ثم قال: وأما "الأُبَّذيّ" بضم الهمزة وبعدها باء معجمة بواحدة مفتوحة مشددة وكسر الذال المعجمة وذكر رجلا واحدا، قلت: وفاته في باب "الأُبَّذيّ":

 

‌‌6 - الشيخ أبو إبراهيم إسماعيل بن محمد بن يوسف بن عبد الله الأنصاري الأُبَّذيّ الأندلسي:

رجل فاضل صالح، سمع أبا حفص بن طبرزد بدمشق، وبمكة جماعة، وسكت
বিভিন্ন তারিখে, তিনি বলেছেন যে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাইস আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনে আল-ফাদল ইবনে আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি, তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন যে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-গাদাইরি, তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে, বাগদাদে চারশত তের হিজরি সনের রবিউল আখের মাসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুলি তিনশত চৌত্রিশ হিজরি সনে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে ফাহাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে আবি আস-সাম্মান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনবাসা আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাহর ইবনে হাওশাব, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন উম্মুদ দারদা, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: "কিয়ামতের দিন বান্দার মিজানে রাখা সর্বশ্রেষ্ঠ আমল হলো উত্তম চরিত্র।"

 

‌‌আলিফ বর্ণ:

এবং তিনি আলিফ বর্ণের অধীনে "আল-উনদি এবং আল-উব্বাজি" অনুচ্ছেদে উল্লেখ করে বলেছেন: প্রথমটি হলো হামযাহ-তে যম্মাহ (পেশ), নুন-এ সুকুন এবং দাল মুহমালা-তে কাসরাহ (জের) সহকারে। তিনি একটি দল সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: আর "আল-উব্বাজি" হলো হামযাহ-তে যম্মাহ এবং এরপর এক নুকতা বিশিষ্ট বা-তে ফাতহাহ (যবর) ও তাশদিদ এবং যাল মু'জামাহ-তে কাসরাহ সহকারে। তিনি একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: তিনি "আল-উব্বাজি" অনুচ্ছেদে যা বাদ দিয়েছেন:

 

‌‌৬ - শায়খ আবু ইব্রাহিম ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আল-উব্বাজি আল-আন্দালুসি:

একজন বিদগ্ধ ও পুণ্যবান ব্যক্তি, তিনি দামেস্কে আবু হাফস ইবনে তাবারজাদ এবং মক্কায় একটি দলের কাছে শুনেছেন, এবং তিনি নীরব থেকেছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٣)
البيت المقدس مدة وأمَّ بالصخرة الشريفة، اجتمعت به بحرم المسجد الأقصى وكتبت عنه شيئا من نظمه، وتوفي في المحرم سنة "ست وخمسين وستمائة" بالبيت المقدس. أنشدني لنفسه:

ديار القدس سقيت حيا … برمادك أكحلُ من رَمَدي

يخلو مغناك وقد يحلو … مَعْناك على طول الأبدِ

 

وذكر في باب "الأصبغ" و"الأصمع" فقال: أما الأول بالباء المعجمة بواحدة والغين المعجمة فجماعة، وأما الثاني بعد الصاد المهملة الساكنة ميم مفتوحة وعين مهملة. فذكره، وفاته في هذه الترجمة "الإصبع" بكسر الهمزة والباء الموحدة والعين المهملة وهو:

 

‌‌7 - الأديب الفاضل أبو محمد عبد العظيم بن عبد الواحد بن ظافر بن عبد الله المعروف بابن أبي الإصبع:

شاعر مفلق مشهور، له مصنفات في الأدب مفيدة. كتبتُ عنه جملة من نظمه
বায়তুল মাকদিসে তিনি একটি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন এবং পবিত্র সাখরা প্রাঙ্গণে ইমামতি করেন। মসজিদুল আকসার হারাম চত্বরে তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং আমি তাঁর কিছু কবিতা লিখে নিয়েছিলাম। ৬৬৬ হিজরির মুহররম মাসে বায়তুল মাকদিসে তাঁর ইন্তেকাল হয়। তিনি আমাকে নিজের রচিত এই কবিতাটি পাঠ করে শুনিয়েছেন:

হে কুদসের জনপদ, তুমি সজীব বৃষ্টিতে সিক্ত হও … তোমার ভস্ম দ্বারা আমি আমার চোখের রোগের চিকিৎসা করি (সুরমা লাগাই)।

তোমার আবাসস্থল জনশূন্য হয়ে পড়ে, অথচ তোমার তাৎপর্য চিরকাল অম্লান ও মধুর থাকে।

 

তিনি 'আল-আসবাহ' এবং 'আল-আসমাহ' অধ্যায়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন: প্রথমটি এক নুকতাযুক্ত 'বা' এবং এক নুকতাযুক্ত 'গাইন' সহযোগে একটি দল; আর দ্বিতীয়টি নুকতাহীন সুকুনযুক্ত 'সদ'-এর পরে ফাতহাযুক্ত 'মিম' ও নুকতাহীন 'আইন' সহযোগে গঠিত। তিনি এটি বর্ণনা করেছেন, তবে এই জীবনীতে তিনি 'আল-ইসবাহ' শব্দটি উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন, যা হামযার নিচে কাসরা, এক নুকতাযুক্ত 'বা' এবং নুকতাহীন 'আইন' সহযোগে গঠিত। আর তিনি হলেন:

 

‌‌৭ - প্রাজ্ঞ সাহিত্যিক আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আজিম ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন জাফির ইবন আব্দুল্লাহ, যিনি ইবন আবিল ইসবাহ নামে পরিচিত:

তিনি একজন প্রখ্যাত ও প্রতিভাবান কবি ছিলেন। সাহিত্যের উপর তাঁর বেশ কিছু তথ্যবহুল ও উপকারী গ্রন্থ রয়েছে। আমি তাঁর কবিতার এক বিশাল অংশ লিপিবদ্ধ করেছি।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٤)
وسألته عن مولده فكتبه لي بخطه، بعدما أجاز لي ما سمعه وقاله وما تجوز له روايته بشرطه فقال: "مولدي غرة المحرم سنة "خمس وتسعين وخمسمائة" بمصر المحروسة". وتوفي يوم الاثنين الثالث والعشرين من شوال سنة "أربع وخمسين وستمائة" بمصر. أنشدنا أبو محمد عبد العظيم المذكور لنفسه بالقاهرة المعِزية:

فوضت أمري للرحمن مصطبرا … وراضيا بالذي يجري به القدر

وما الذي يصنع العبد الضعيف إذا … قضي عليه بما يقضيه مقتدر

وما له حيلة تجدي عليه ولا … عون يعين على البلوى ولا وزر

إن يصطبر طائعا يؤجر وإن جزعت … حوباؤه فهو حتف الأنف يصطبر

 

وذكر في مشتبه النسبة من هذا الحرف في باب "الإبريّ" و"الأثريّ" جماعة وأغفل ذكر من هو مشهور بهذه النسبة ومعاصره ومصاحبه ومعاشره، معروف بالطلب، مشتغل بالحديث والأدب هو:

 

‌‌8 - أبو محمد عبد الكريم بن منصور بن أبي بكر بن علي الموصلي الشافعي الأثري:

كذا كان يكتب بخطه في الطباق والإجازات. سمع ببغداد من جماعة ودخل
আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, অতঃপর তিনি তাঁর নিজ হাতে তা আমার জন্য লিখে দেন, যখন তিনি আমাকে যা শুনেছেন ও বলেছেন এবং যা বর্ণনা করার তাঁর বৈধ অনুমতি রয়েছে তা শর্তসাপেক্ষে ইজাজাহ প্রদানের পর। তিনি বললেন: "আমার জন্ম পাঁচশত পঁচানব্বই হিজরি সালের পহেলা মহরম সুরক্ষিত মিশরে।" আর তিনি ছয়শত চুয়ান্ন হিজরি সালের তেইশে শাওয়াল সোমবার মিশরে মৃত্যুবরণ করেন। উল্লেখিত আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম আল-মুয়িজ্জিয়া কায়রোতে নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:

আমি ধৈর্য ধারণ করে আমার সব বিষয় দয়াময় আল্লাহর নিকট সোপর্দ করেছি … এবং তাকদিরে যা ঘটছে তাতে সন্তুষ্ট রয়েছি

আর দুর্বল বান্দা কী-ই বা করতে পারে যখন … তার উপর এমন ফয়সালা জারি করা হয় যা সর্বশক্তিমান আল্লাহ নির্ধারণ করেন

তার কোনো কার্যকর কৌশল নেই এবং … বিপদে সাহায্য করার মতো কোনো সাহায্যকারী বা আশ্রয়স্থল নেই

যদি সে আনুগত্যের সাথে ধৈর্য ধরে তবে সে পুরস্কৃত হবে, আর যদি তার প্রাণ অস্থির হয়ে ওঠে … তবে সে অনিচ্ছাসত্ত্বেও ধৈর্য ধরবে

 

তিনি এই বর্ণের সদৃশ নিসবতসমূহের বর্ণনায় "আল-ইবরি" এবং "আল-আসারি" অনুচ্ছেদে একদল ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু এমন একজনের কথা উল্লেখ করতে ভুলে গেছেন যিনি এই নিসবতের জন্য সুপরিচিত এবং তাঁর সমসাময়িক, সঙ্গী ও সহচর, যিনি জ্ঞান অন্বেষণের জন্য প্রসিদ্ধ এবং হাদিস ও সাহিত্যের চর্চায় নিয়োজিত, তিনি হলেন:

 

‌‌৮ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল কারীম বিন মনসুর বিন আবু বকর বিন আলী আল-মাওসিলি আশ-শাফেয়ি আল-আসারি:

তিনি শ্রবণলিপি এবং অনুমতিপত্রসমূহে নিজের হাতে এভাবেই লিখতেন। তিনি বাগদাদে একদল উস্তাদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং প্রবেশ করেছেন
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٥)
دمشق وسمع بها من والدي رحمه الله ومن غيره وتوفي سنة "إحدى وخمسين وستمائة" ولعله في شوال منها ببغداد، وله نظم حسن، فمنه ما أنشد في مدح الأئمة الثلاثة: أبي عبد الله مالك بن أنس الأصبحي ومحمد بن إدريس المطلبي وأحمد بن محمد بن أحمد الشيباني -رحمة الله عليهم- وأذن لي في روايته ونقلته من خطه:

وقائل عبد الكريم مالكا … لا تمدح الحبر الإمام مالكا

وتمدح المطلبي بعده … وابن هلال أحمد المباركا

قلت له فاسمع مديحي فيهم … فإنني لست لذاك تاركا

وكيف لا أمدح أشياخ الهدى … وكلهم للحق كان سالكا

أما الإمام الأصبحي مالك … فحبه للقلب أمسى مالكا

فقيه دار الهجرة المفتي بها … ناهيك من فخر له بذلكا

نجم الرواة ذو الوقار لا يرى … في مجلس العلم لديه ضاحكا

طوبى له من رجل مؤيد … بالحق قوال به طوبى لكا

والشافعي لست أنسى ذكره … ألق لمديحه خليلي بالكا

ذاك الإمام العالم الحبر الذي … مع العلوم كان برا ناسكا

حوى التقى والعلم غير زائغ … عن سنة المختار فاعلم ذلكا

جزاه ربي الخير عن صنيعه … وعظم الأجر له هنالكا

والثالث ابن حنبل أكرم به … قدوة أهل الحق لن يشاركا

في محنة القرآن والضرب الذي … لجسمه في الله أضحى ناهكا

لو أنه أجابهم في قولهم … تبدل الإسلام كفرا حالكا
দামেস্ক; তিনি সেখানে আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) এবং অন্যদের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি সম্ভবত ৬ ৫১ (ছয়শ একান্ন) হিজরী সনের শাওয়াল মাসে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর চমৎকার কাব্যরচনা ছিল, যার মধ্যে তিনটি ইমাম তথা—আবু আব্দুল্লাহ মালিক বিন আনাস আল-আসবাহি, মুহাম্মদ বিন ইদরিস আল-মুত্তালিবি এবং আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আশ-শাইবানি (আল্লাহ তাঁদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন)—এর প্রশংসায় তিনি যা আবৃত্তি করেছিলেন তা উল্লেখযোগ্য। তিনি আমাকে এটি বর্ণনার অনুমতি দিয়েছেন এবং আমি তাঁর হস্তলিখন থেকে তা নকল করেছি:

জনৈক ব্যক্তি বলল, হে আব্দুল কারীম! মালিকের বিষয়ে... … সেই বিজ্ঞ পণ্ডিত ইমাম মালিকের প্রশংসা করো না।

অথচ তুমি তাঁর পরে মুত্তালিবির প্রশংসা করছ … এবং হিলাল-পুত্র বরকতময় আহমাদেরও।

আমি তাকে বললাম, তবে তাদের বিষয়ে আমার প্রশংসা শ্রবণ করো … কেননা আমি তা বর্জনকারী নই।

কীভাবে আমি হিদায়াতের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের প্রশংসা করব না … যেখানে তাঁরা সকলেই সত্যের পথযাত্রী ছিলেন?

ইমাম আল-আসবাহি মালিকের কথা যদি বলি … তবে তাঁর ভালোবাসা আমার হৃদয়ে পূর্ণ কর্তৃত্ব লাভ করেছে।

তিনি হিজরতের আবাসভূমির (মদিনা) ফকীহ ও তথাকার মুফতি … তাঁর জন্য এই গৌরবই কি তোমার নিকট যথেষ্ট নয়?

তিনি বর্ণনাকারীদের নক্ষত্র এবং এমন গাম্ভীর্যের অধিকারী যে … তাঁর ইলমের মজলিসে কাউকে হাসতে দেখা যেত না।

সেই সত্যের দ্বারা সাহায্যপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ … যিনি সর্বদা সত্য বলতেন; আপনার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ!

আর আশ-শাফেয়ী, আমি তাঁর কথা কখনো বিস্মৃত হব না … হে বন্ধু! তুমি তাঁর প্রশংসার প্রতি মনোযোগী হও।

তিনি সেই ইমাম, আলিম ও বিজ্ঞ পণ্ডিত যিনি … জ্ঞানের পাশাপাশি অত্যন্ত পুণ্যবান ও ইবাদতগুজার ছিলেন।

তিনি তাকওয়া ও জ্ঞানকে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন যে বিচ্যুত হননি … মনোনীত রাসূলের সুন্নাহ থেকে, তুমি তা জেনে রাখো।

আমার প্রতিপালক তাঁকে তাঁর কর্মের জন্য উত্তম প্রতিদান দান করুন … আর সেখানে তাঁর পুরস্কারকে মহান করুন।

তৃতীয় জন হলেন ইবনে হাম্বল, কতই না মহান তিনি … সত্যপন্থীদের আদর্শ, যাঁর কোনো সমকক্ষ নেই।

বিশেষ করে কুরআনের ফিতনা (সৃষ্টিতত্ত্বের পরীক্ষা) ও সেই প্রহারের বিষয়ে … যা আল্লাহর সন্তুষ্টির তরে তাঁর শরীরকে জীর্ণ করে দিয়েছিল।

যদি তিনি তাদের দাবিতে সায় দিতেন … তবে ইসলাম নিকষ কালো কুফরে পরিবর্তিত হয়ে যেত।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٦)
قام مقاما لم يقمه غيره … وناصح الله الكريم المالكا

فأعظم اللهم في جواركا … في جنة الخلد له ثوابكا

وبلغ اللهم عنا أحمدا … نبينا وآله سلامكا

وصحبه والتابعين بعدهم … وكل عبد كان من عبادكا

واغفر لي اللهم ذنبي كله … إن لم تجُد كنتُ بجرمي هالكا

وشيخنا:

 

‌‌9 - أبو محمد عبد المحسن بن أبي العلاء مرتفع بن حسن بن عبد الله الخثعمي المصري الشافعي الأثري السراج:

سمع من أبي القاسم عبد الرحمن بن محمد السبييّ، والفقيه أبي الفضل محمد بن يوسف بن علي الغزنوي وأبي الحسن علي بن إبراهيم بن نجا الأنصاري الدمشقي الواعظ وغيرهم، وحدث، ولقيته بمصر، وسمعت منه وهو آخر من حدث عن السبيي سماعا، فيما أعلم، مولده بالجيزة في سنة "اثنتين
তিনি এমন এক মর্যাদাপূর্ণ স্থানে দণ্ডায়মান হয়েছিলেন যেখানে অন্য কেউ হয়নি … এবং তিনি মহানুভব মালিক আল্লাহর একনিষ্ঠ হিতাকাঙ্ক্ষী ছিলেন।

অতএব হে আল্লাহ! আপনার সান্নিধ্যে তাকে মহান মর্যাদা দিন … জান্নাতুল খুলদে তাঁর জন্য রয়েছে আপনার পক্ষ থেকে প্রতিদান।

হে আল্লাহ! আমাদের পক্ষ থেকে আহমাদকে পৌঁছে দিন … আমাদের নবী ও তাঁর পরিবারবর্গের প্রতি আপনার সালাম।

এবং তাঁর সাহাবীগণ ও তাঁদের পরবর্তী তাবিঈগণকে … এবং আপনার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেক বান্দাকে।

হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন … যদি আপনি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমি আমার অপরাধের কারণে ধ্বংস হয়ে যাব।

এবং আমাদের শাইখ:

 

‌‌৯ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুহসিন বিন আবিল আলা মুরতাফি’ বিন হাসান বিন আব্দুল্লাহ আল-খাছআমি আল-মিসরি আশ-শাফিঈ আল-আসারি আস-সাররাজ:

তিনি আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ আস-সুবায়ই, ফকিহ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন আলী আল-গজনভী এবং ওয়ায়েজ আবু হাসান আলী বিন ইবরাহিম বিন নাজা আল-আনসারী আদ-দিমাশকী ও অন্যান্যদের নিকট থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন। তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমি মিশরে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছি এবং তাঁর থেকে (হাদিস) শুনেছি। আমার জানামতে, আস-সুবায়ই থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে তিনিই সর্বশেষ ব্যক্তি। তাঁর জন্ম গিজায় "দুই... সনে।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٧)
وستين وخمسمائة" وتوفي في ليلة التاسع عشر من صفر سنة "ست وخمسين وستمائة" بمصر، ودفن في الغد بتربة الحافظ عبد الغني المقدسي بسفح المقطم. وكان يكتب في الإجازات "الأثَري" شاهدته كذلك.

 

‌‌حرف الباء:

وذكر في حرف الباء في باب "بابُويه" بفتح الباء الموحدة، وبعد الألف "باء" أخرى مثلها مضمومة، جماعة، وأغفل ذكر:

 

‌‌10 - الإمام أبي الحسن علي بن الحسين بن بابُويه الرازي:

روى لنا عنه الشيخ أبو المجد محمد بن الحسين بن أحمد القزويني الصوفي أربعين حديثا في الرباعي عن الأربعين من تخريجه، بسماعه منه، ولم يكن عندي بها
৫৬০" এবং তিনি ৬৫৬ হিজরি সালের ১৯শে সফর রাতে মিসরে মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন মুকাত্তাম পাহাড়ের পাদদেশে হাফেজ আব্দুল গনি আল-মাকদিসির সমাধিস্থলে তাকে দাফন করা হয়। তিনি ইজাজতসমূহে (অনুমতিপত্র) নিজেকে "আল-আছারি" লিখতেন, আমিও তাকে সেভাবেই দেখেছি।

 

‌‌বা বর্ণ:

তিনি বা বর্ণের অধীনে 'বাবওয়াইহি' পরিচ্ছেদে (একক বা বর্ণের ওপর জবর এবং আলিফের পর অনুরূপ আরেকটি বা বর্ণের ওপর পেশ যোগে) একদল ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, তবে নিম্নোক্ত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে বাদ পড়েছেন:

 

‌‌১০ - ইমাম আবুল হাসান আলি ইবনে আল-হুসাইন ইবনে বাবওয়াইহি আর-রাজি:

আমাদের নিকট তার পক্ষ থেকে শায়খ আবু আল-মাজদ মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আহমাদ আল-কাজভিনি আস-সুফি তার স্বীয় সংকলিত চল্লিশ হাদিস গ্রন্থ থেকে উচ্চ সনদভিত্তিক (রুবাই) চল্লিশটি হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা তিনি সরাসরি তার নিকট থেকে শুনেছেন। তবে আমার নিকট তা নেই।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٨)
يومئذ نسخة حافظة، لكن الغرض ذكر هذا الشيخ لتتم به الفائدة.

وفاته هذه الترجمة وهي "بَتِنَّه" و"ثَنِيّة" أما الأول فهو بكسر الباء الموحدة وبعدها تاء مكسورة معجمة باثنتين من فوقها ونون مفتوحة مشددة وهو:

 

‌‌11 - أبو محمد عبد الملك بن الحسن بن بتنة الأنصاري:

سمع أبا القاسم علي بن الحسين بن محمد بن عبد الرحيم الفسوي، وعبد العزيز بن بندار الشيرازي وعبد الرحمن بن أحمد بن الحسن الأصبهاني وأبا بكر الأردستاني وغيرهم. سمع منه الحافظ أبو طاهر السلفي بمكة وذكره في "معجم السفر" وأنه حج سبعا وسبعين حجة، وزار النبي صلى الله عليه وسلم أربع عشرة مرة، وله في كل سنة مائة "كذا" عمرة يعتمرها على رجليه في رجب وشعبان ورمضان وأول ذي الحجة.

والثاني بالثاء المثلثة المفتوحة بعدها نون مكسورة وياء مفتوحة مشددة معجمة باثنتين من تحتها، فهو:

 

‌‌12 - أبو بكر عبد الله بن محمد بن الحسن بن أحمد بن ثنية المقرئ:

قرأ القرآن بدمشق على أبي الوحش صاحب أبي علي الأهوازي، وببغداد
সেই সময় একটি সংরক্ষিত অনুলিপি ছিল, তবে উদ্দেশ্য হলো এই শায়খের আলোচনা করা যাতে এর দ্বারা উপকার পূর্ণ হয়।

এই জীবনবৃত্তান্তের বিষয় হলো "বাতিন্নাহ" এবং "থানিয়্যাহ"। প্রথমটি হলো এক নুকতাহ বিশিষ্ট 'বা' বর্ণে কাসরা (জের), এরপর উপরে দুই নুকতাহ বিশিষ্ট 'তা' বর্ণে কাসরা এবং 'নুন' বর্ণে ফাতহা (জবর) ও তাশদীদ যুক্ত। তিনি হলেন:

 

‌‌১১ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান বিন বাতিন্নাহ আল-আনসারী:

তিনি আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল রহীম আল-ফাসাবী, আব্দুল আজিজ বিন বুন্দার আল-শিরাজী, আব্দুল রহমান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-আসফাহানী, আবু বকর আল-আরদাস্তানী এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। তার থেকে হাফেজ আবু তাহের আল-সিলাফী মক্কায় শ্রবণ করেছেন এবং তার কথা "মু'জাম আস-সাফর" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি সাতাত্তর বার হজ পালন করেছেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা চৌদ্দ বার জিয়ারত করেছেন। প্রতি বছর তার একশতটি (অনুরূপই বর্ণিত) ওমরাহ ছিল, যা তিনি রজব, শাবান, রমজান এবং জিলহজ মাসের শুরুতে পায়ে হেঁটে সম্পাদন করতেন।

আর দ্বিতীয়টি হলো তিন নুকতাহ বিশিষ্ট 'ছা' বর্ণে ফাতহা (জবর), এরপর 'নুন' বর্ণে কাসরা (জের) এবং নিচে দুই নুকতাহ বিশিষ্ট 'ইয়া' বর্ণে ফাতহা ও তাশদীদ যুক্ত। তিনি হলেন:

 

‌‌১২ - আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন থানিয়্যাহ আল-মুকরী:

তিনি দামেস্কে আবু আলী আল-আহওয়াজীর ছাত্র আবু আল-ওয়াহশের নিকট এবং বাগদাদে কুরআন পাঠ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ١٩)
على المبارك الغسال وذكره الحافظ أبو طاهر السلفي أيضا في "معجم السفر" وكتب عنه شيئا من نظمه بدمشق وقال: سمع معنا على أبي طاهر الحنائي وأبي الحسن الموازيني وغيرهما وكان يقرئ في جامع دمشق.

وذكر في باب "بَرّاد" بالباء الموحدة بعدها راء، جماعة، قلت: وفاته ذكر شيخنا:

 

‌‌13 - أبي الحسين عبد الخالق بن عبد الله بن ملهم بن عبدة بن العبوس بن عبد الله الكناني المصري البراد الأديب:

سمع أبا القاسم هبة الله بن علي البوصيري، وأبا عبد الله بن حمد الأرتاحي وحدث
আলী আল-মুবারাক আল-গাসসাল। হাফিজ আবু তাহির আস-সিলাফিও তাঁর কথা 'মু'জাম আস-সাফার'-এ উল্লেখ করেছেন এবং দামেস্কে তাঁর কিছু কাব্য রচনা লিখে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন: তিনি আমাদের সাথে আবু তাহির আল-হিন্নাই, আবু আল-হাসান আল-মাওয়াজিনি এবং অন্যদের নিকট শ্রবণ করেছেন এবং তিনি দামেস্কের জামে মসজিদে পাঠদান করতেন।

আর তিনি 'বাররাদ' (এক নুকতা বিশিষ্ট বা-এর পর রা) পরিচ্ছেদে একদল ব্যক্তির উল্লেখ করেছেন। আমি বলছি: যা আমাদের শাইখ উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন:

 

‌‌১৩ - আবুল হুসাইন আব্দুল খালিক বিন আব্দুল্লাহ বিন মুলহিম বিন আবদাহ বিন আল-আব্বুস বিন আব্দুল্লাহ আল-কিনানি আল-মিসরি আল-বাররাদ আল-আদিব:

তিনি আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী আল-বুসিরি এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন হামাদ আল-আরতাহির নিকট শ্রবণ করেছেন এবং হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٠)
عنهما، قرأت عليه أحاديث من الصحيح لأبي عبد الله البخاري، وكتبت عنه أبياتا من نظمه، وسألته عن مولده فأخبرني أنه في أحد الربيعين من سنة "خمس وسبعين وخمسمائة". وتوفي يوم الأربعاء السادس والعشرين من ذي القعدة من سنة "سبع وأربعين وستمائة" بالقاهرة.

وأغفل هذه الترجمة وهي "البُوْمة" و"التُوْمَة" و"النُوْمة". أما الأول بالباء الموحدة المضمومة فهو:

 

‌‌14 - أبو عبد الله محمد بن سليمان بن داود الحرّاني:

يُلقّب بالبُومة وأغفله الأمير [أبو نصر بن ماكولا] أيضا، روى عن أبيه. روى عنه أبو داود سليمان بن سيف. توفي سنة "ثلاث عشرة ومائتين". أخبرنا القاضي أبو القاسم عبد الصمد بن محمد، قراءة عليه وأنا أسمع غير مرة بدمشق، أنبأنا طاهر بن سهل بن بشر الأسفراييني قراءة عليه وأنا أسمع أنبأنا أبو الحسين محمد بن مكي
তাদের উভয়ের নিকট হতে (বর্ণিত); আমি তাঁর নিকট আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারীর সহীহ থেকে কিছু হাদিস পাঠ করেছি এবং তাঁর স্বরচিত কিছু কাব্য পঙ্ক্তি লিখে নিয়েছি। আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে জানালেন যে, তা ৫৭৫ হিজরী সালের দুই রবীউ (রবীউল আউয়াল বা রবীউস সানি) মাসের কোনো একটিতে ছিল। তিনি ৬৪৭ হিজরী সালের ২৬শে যিলকদ বুধবার কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন।

আর তিনি এই জীবনীগুলো তথা "আল-বুমাহ", "আত-tumah" এবং "আন-নুমাহ" বাদ দিয়েছেন। প্রথমটি তথা পেশযুক্ত একক 'বা' বর্ণ দিয়ে গঠিত নাম হলো:

 

‌‌১৪ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন দাউদ আল-হাররানি:

তাঁকে 'আল-বুমাহ' উপাধিতে ডাকা হতো এবং আমির [আবু নাসর বিন মাকুলা] তাঁকেও বাদ দিয়েছেন। তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আবু দাউদ সুলাইমান বিন সাইফ বর্ণনা করেছেন। তিনি ২১৩ হিজরী সালে মৃত্যুবরণ করেন। কাযী আবু আল-কাসিম আব্দুল সামাদ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি দামেস্কে একাধিকবার তাঁর নিকট পাঠ করার সময় শ্রবণ করেছি—তাহের বিন সাহল বিন বিশর আল-ইসফারায়িনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি তাঁর নিকট পাঠ করার সময় শ্রবণ করেছি যে, আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন মক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢١)
بن عثمان الأزدي المصري، قدم علينا دمشق، أخبرنا القاضي أبو الحسن علي بن محمد بن إسحاق الحلبي حدثني جدي إسحاق بن محمد بن يزيد أنبأنا أبو داود -يعني سليمان بن سيف- أنبأنا محمد بن سليمان أنبأنا أبي عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: "إذا عطس أحدكم فليشمته جليسه، فإن زاد على ثلاث فهو مزكوم، ولا يشمت بعد ثلاث" غريب من حديث الزهري عن سعيد بن المسيب، تفرد به سليمان بن داود الحراني لا أعلم [أحدا] حدث به غير محمد بن سليمان ويعرف بالبُومَة.

وأما "التُوْمة" بالتاء المضمومة المعجمة باثنتين من فوقها فهو:

 

‌‌15 - أبو السعادات المبارك بن بقا المقري الخباز:

من أهل باب البصرة، يعرف بتُوْمة، سمع أبا السعود أحمد بن علي بن المجلي، وروى عنه، ذكر أبو بكر محمد بن المبارك بن مشق أنه سمع منه وأنه توفي يوم الجمعة ثالث شهر ربيع الآخر سنة "سبعين وخمسمائة". ذكره الحافظان أبو عبد الله بن سعيد بن الدبيثي، ومحمد بن محمود بن النجار في كتابيهما.

وأما "النُوْمة" بالنون المضمومة فهو:

 

‌‌16 - أبو محمد عبد القادر بن علي بن الفضل بن سعد بن نومة الواسطي الأديب الشاعر:
বিন উসমান আল-আযদি আল-মিসরি, তিনি আমাদের নিকট দামেস্কে আগমন করেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবুল হাসান আলি বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল-হালাবি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা ইসহাক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াজিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ—অর্থাৎ সুলাইমান বিন সাইফ—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন তার সঙ্গীর উচিত তার হাঁচির উত্তর দেওয়া; যদি তা তিন বারের বেশি হয় তবে সে ব্যক্তি সর্দিজ্বরগ্রস্ত, আর তিন বারের পর আর হাঁচির উত্তর দেওয়া হবে না।" সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে জুহরির বর্ণিত এই হাদিসটি গরিব (সূত্রগতভাবে একক)। এটি বর্ণনায় সুলাইমান বিন দাউদ আল-হাররানি একক হয়ে গেছেন। মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর তিনি 'আল-বুমাহ' নামে পরিচিত।

আর যা "তূমাহ", যা উপরে দুই নুকতা বিশিষ্ট পেশযুক্ত 'তা' বর্ণ দিয়ে গঠিত, তা হলো:

 

‌‌১৫ - আবুস সা’আদাত আল-মুবারক বিন বাকা আল-মুকরি আল-খাব্বাজ:

তিনি বাবু বাসরার অধিবাসী ছিলেন, 'তূমাহ' নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি আবুস সুউদ আহমদ বিন আলি বিন আল-মুজাল্লি থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আল-মুবারক বিন মাশাক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তার থেকে শুনেছেন এবং তিনি পাঁচশত সত্তর হিজরি সনের রবিউল আখের মাসের তিন তারিখ, জুমাবার দিন ইন্তেকাল করেন। হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ ইবনুল দুবাইসি এবং মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ ইবনুন নাজ্জার তাদের গ্রন্থদ্বয়ে এটি উল্লেখ করেছেন।

আর যা "নূমাহ", যা পেশযুক্ত 'নুন' বর্ণ দিয়ে গঠিত, তা হলো:

 

‌‌১৬ - আবু মুহাম্মাদ আব্দুল কাদির বিন আলি বিন আল-ফাদল বিন সাদ বিন নূমাহ আল-ওয়াসিতি, সাহিত্যিক ও কবি:
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٢)
قدم بغداد في صباه وجالس الشريف أبا السعادات بن الشجري وأبا منصور موهوب بن أحمد بن الجواليقي، وقال الشعر ومدح الإمام المقتفي ومن بعده من الخلفاء، وكان حسن النظم ذكره أبو المعالي الحظيري في كتابه المسمى "بزينة الدهر في ذكر شعراء أهل العصر". وذكره أيضا الحافظ أبو عبد الله بن
তিনি তাঁর শৈশবে বাগদাদে আসেন এবং শরীফ আবু আল-সাআদাত ইবনুল শাজারী ও আবু মানসুর মাওহুব ইবনে আহমদ ইবনুল জাওয়ালিকীর সান্নিধ্য লাভ করেন। তিনি কবিতা রচনা করতেন এবং ইমাম আল-মুকতাফী ও তাঁর পরবর্তী খলীফাদের প্রশংসা করতেন। তাঁর কাব্যশৈলী ছিল চমৎকার। আবু আল-মাআলী আল-হাযীরী তাঁর 'যীনাতুদ দাহর ফী যিকরি শুআরাই আহলিল আসর' নামক গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন। হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ ইবনেও তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٣)
الدبيثي في "مذيّله" وقال: خرج عبد القادر بن نُومة من واسط مسافرا في صفر سنة "ست وسبعين وخمسمائة" فغاب خبره، ولم يظهر أثره، وقال الحافظ أبو عبد الله بن النجا في تاريخه بعدما ذكره ونقل ما ذكره ابن الدبيثي في وفاته "وقيل: توفي بمصر سنة سبع وسبعين وخمسمائة". كتب إلي الحافظ أبو عبد الله محمد بن سعيد بن الدبيثي من بغداد غير مرة يخبرني أن أبا الحسن ثعلب بن عثمان الشاعر أنشده قال: أنشدني أبو محمد عبد القادر بن علي بن نومة لنفسه، فيما ذكر ثعلب، وأظنها لغيره:

أصيبَ ببلوى الجسم أيوبُ فاغتدى … به تُضرب الأمثال إذ يذكر الصبرُ

فلما انتهت بلواه من بعد جسمه … إلى القلب نادى معلنا مسني الضر

وكل بلائي عند قلبي ولم أبُحْ … بشكوى الذي ألقى ولم يظهر السرُّ

وذكر في باب "بندار" من الآباء جماعة وأغفل ذكر:
আদ-দুবাইসি তাঁর "মুযাইল" গ্রন্থে বলেছেন: আবদুল কাদির বিন নূমাহ পাঁচশ ছিয়াত্তর হিজরি সনের সফর মাসে ওয়াসিত থেকে পর্যটক হিসেবে বের হন, এরপর তাঁর সংবাদ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তাঁর কোনো চিহ্ন প্রকাশ পায়নি। হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ বিন আন-নাজ্জা তাঁর ইতিহাসে তাঁকে উল্লেখ করার পর এবং ইবনুল দুবাইসি তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন তা উদ্ধৃত করে বলেছেন, "বলা হয়ে থাকে: তিনি পাঁচশ সাতাত্তর হিজরি সনে মিশরে মৃত্যুবরণ করেছেন।" হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সাঈদ বিন আদ-দুবাইসি বাগদাদ থেকে আমাকে একাধিকবার লিখে পাঠিয়েছেন যে, কবি আবু হাসান সা’লাব বিন উসমান তাঁকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল কাদির বিন আলী বিন নূমাহ তাঁর নিজের রচিত কবিতা আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন—যেমনটি সা’লাব উল্লেখ করেছেন, তবে আমার ধারণা এটি অন্য কারো রচনা:

শরীরের পরীক্ষায় আইয়ুব নিপতিত হয়েছিলেন, ফলে … ধৈর্যের বর্ণনায় তাঁরই উদাহরণ দেওয়া হয়ে থাকে।

অতঃপর যখন তাঁর সেই পরীক্ষা শরীরের গণ্ডি পেরিয়ে … অন্তরে গিয়ে উপনীত হলো, তখন তিনি উচ্চস্বরে আহ্বান করে বললেন, "আমি কষ্টে নিপতিত হয়েছি।"

আমার সকল পরীক্ষা আমার হৃদয়ের গহীনেই বিদ্যমান, আমি যা সহ্য করছি … তা নিয়ে কোনো অভিযোগ প্রকাশ করিনি এবং গোপন রহস্যও প্রকাশ পায়নি।

এবং তিনি "বুন্দার" অধ্যায়ে পিতৃপুরুষদের একটি দলের নাম উল্লেখ করেছেন এবং নিম্নোক্ত নামটি উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন:
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٤)
‌‌17 - الإمام رئيس الأصحاب أبي المحاسن يوسف بن عبد الله بن بندار الدمشقي الفقيه الشافعي مدرس النظامية:

وشهرته تغني عن الإطناب، وفضله لا شك فيه ولا ارتياب، قدم بغداد في صباه، قبل العشرين وخمسمائة، وتفقه بها على أسعد الميهني ولازمه حتى برع في المذهب والخلاف، وسافر معه إلى خراسان، وتكلم بين يديه في المسائل، وكان حسن العبارة كثير المحفوظ ذا لسَن وفصاحة، سليم الباطن، متدينا سمع الحديث من أبي البركات
১৭ - ইমাম, আসহাবদের প্রধান, আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ বিন বুন্দার আদ-দিমাশকি, শাফিঈ ফকিহ এবং নিযামিয়া মাদরাসার শিক্ষক:

তাঁর প্রসিদ্ধি দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন রাখে না এবং তাঁর শ্রেষ্ঠত্বে কোনো সন্দেহ বা সংশয় নেই। তিনি তাঁর শৈশবে পাঁচশত বিশ হিজরির পূর্বে বাগদাদে আসেন এবং সেখানে আসআদ আল-মিহানির নিকট ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি তাঁর সান্নিধ্যে থাকেন যতক্ষণ না মাযহাব ও ইখতিলাফি মাসআলায় ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। তিনি তাঁর সাথে খুরাসানে সফর করেন এবং তাঁর সম্মুখে বিভিন্ন মাসআলা নিয়ে আলোচনা করতেন। তিনি ছিলেন সুন্দর প্রকাশভঙ্গি ও অধিক মুখস্থ শক্তির অধিকারী এবং বাগ্মী ও প্রাঞ্জলভাষী। তিনি ছিলেন নিষ্কলুষ অন্তরের অধিকারী ও ধর্মপ্রাণ। তিনি আবুল বারাকাতের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٥)
بن البخاري، وأبي بكر محمد بن عبد الباقي الأنصاري، وأبي منصور عبد الرحمن بن محمد القزاز وغيرهم، وحدث باليسير، سمع منه القاضي أبو المحاسن عمر بن علي الدمشقي، وذكر أن مولده سنة "تسعين وأربعمائة" ووفاته في ثامن عشر شوال سنة ""ثلاث" وستين وخمسمائة" ببغداد. ومن حديثه ما أخبرنا القاضي أبو العلاء أحمد بن أبي اليسر شاكر بن عبد الله بن محمد بن سليمان التنوخي المعري، قراءة عليه وأنا أسمع بدمشق، أنبأنا الإمام أبو المحاسن يوسف بن عبد الله بن بندار الدمشقي في كتابه إلي من بغداد سنة ثمان وخمسين وخمسمائة، وأنبأنا أبو منصور عبد الرحمن بن محمد بن عبد الواحد القزاز، أنبأنا الإمام أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت الخطيب أنبأنا أبو عمر عبد الواحد بن محمد بن عبد الله بن مهدي أنبأنا محمد بن مخلد العطار أنبأنا أحمد بن إبراهيم أبو الفضل البوشجي أنبأنا أبو ضمرة عن سهيل عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: "من صام يوما في سبيل الله زحزح الله وجهه عن النار بذلك اليوم سبعين خريفا".

وذكر في مشتبه النسبة من هذا الحرف في باب "البادرائي" بفتح الباء الموحدة
আল-বুখারির পুত্র, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি আল-আনসারি, আবু মানসুর আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাযযায এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে তিনি শ্রবণ করেছেন এবং সামান্য পরিমাণ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কাজি আবুল মাহাসিন উমর ইবনে আলি আদ-দিমাশকি তাঁর থেকে হাদিস গ্রহণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর জন্ম চারশত নব্বই হিজরি সনে এবং মৃত্যু পাঁচশত তেষট্টি হিজরি সনের আঠারোই শাওয়াল বাগদাদে। তাঁর বর্ণিত হাদিসের অন্তর্ভুক্ত হলো যা আমাদের জানিয়েছেন কাজি আবুল আলা আহমদ ইবনে আবিল ইয়াসার শাকির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আত-তানুখি আল-মাআরি, যা দামেস্কে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করার সময় আমি শ্রবণ করেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল মাহাসিন ইউসুফ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুন্দার আদ-দিমাশকি পাঁচশত আটান্ন হিজরি সনে বাগদাদ থেকে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর পত্রে। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-কাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে আলি ইবনে সাবিত আল-খাতিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাহদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে ইবরাহিম আবুল ফদল আল-বুশাঞ্জি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দামরাহ, সুহাইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ সেই দিনের বিনিময়ে তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে সত্তর বছরের পথ দূরে সরিয়ে দেবেন।"

এবং এই বর্ণের সাদৃশ্যপূর্ণ নিসবতের বর্ণনায় 'আল-বাদরাঈ' পরিচ্ছেদে একক নুকতাযুক্ত 'বা' বর্ণে ফাতহা (জবর) সহযোগে এটি উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٦)
وبعدها دال مهملة مفتوحة وراء بعدها ألف وياء آخر الحروف، رجلين، وأغفل ذكر:

 

‌‌18 - أبي التمام كامل بن الفتح بن ثابت بن سابور البادرائي الضرير:

سكن بغداد وأقام بها إلى حين وفاته، وكان أديبا فاضلا، يسكن بباب الأزج، وصاهر بني زهمويه الكتاب له ترسل وشعر حسن، وقد سمع شيئا من الحديث
এবং এরপর একটি জবরযুক্ত দাল, অতঃপর রা, এরপর একটি আলিফ এবং বর্ণমালার শেষ অক্ষর ইয়া, দুই ব্যক্তি, এবং তিনি যার উল্লেখ করা বাদ দিয়েছেন:

 

‌‌১৮ - আবুল তাম্মাম কামিল বিন আল-ফাতহ বিন সাবিত বিন সাবুর আল-বাদরাঈ আদ-দারীর:

তিনি বাগদাদে বসবাস করতেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেছেন। তিনি একজন গুণী সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি বাবুল আজাজ এলাকায় বসবাস করতেন এবং লিপিকার বনু যাহমুইয়ার সাথে বৈবাহিক আত্মীয়তা স্থাপন করেছিলেন। তাঁর চমৎকার গদ্য ও পদ্য রয়েছে এবং তিনি কিছু হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٧)
من أبي الفتح علي بن علي بن زهمويه وغيره، كتب الناس عنه أدبا كثيرا، ويقال عنه إنه كان فيه تسامح في الأمور الدينية، ذكره الحافظ أبو عبد الله بن الدبيثي في تاريخه وقال: ومن شعره ما أنشدت عنه -وأجازه لي ابن الدبيثي-:

وفي الأوانس من بغداد آنسة … لها من القلب ما تهوى وتختارُ

ساومتُها نفثة من ريقها بدمي … وليس إلا خفي الطرف سمسارُ

عند العذول اعتراضات ولائمة … وعند قلبي جوابات وأعذار

ذكر أبو عبد الله بن الدبيثي في كتابه: توفي كامل هذا ليلة الثلاثاء ثامن عشر جمادى الآخرة من سنة "ست وتسعين وخمسمائة" ودفن يوم الثلاثاء بباب حرب.

 

‌‌19 - والشيخ الفقيه رئيس الأصحاب أبي محمد عبد الله بن أبي الوفاء محمد بن أبي محمد الحسن البادرائي الشافعي رحمه الله:

ويتعين عليه ذكره لشهرته، ودينه وفضيلته، وكرمه وتواضعه ومكارم أخلاقه، مع ما كان فيه من الرئاسة وعلو الشأن. ولي التدريس بالمدرسة النظامية، ونشر بها العلوم الدينية، قدم إلى دمشق رسولا من الديوان العزيز مرات
আবু ফাতহ আলী বিন আলী বিন যাহমুওয়াইহ এবং অন্যান্যদের থেকে (তিনি বর্ণনা করেছেন); মানুষ তাঁর নিকট থেকে প্রচুর সাহিত্য লিপিবদ্ধ করেছে। তাঁর সম্পর্কে বলা হয় যে, ধর্মীয় বিষয়ে তাঁর মধ্যে শিথিলতা ছিল। হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ বিন আদ-দুবাইসি তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর কবিতার মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা আমি তাঁর থেকে পাঠ করেছি - এবং ইবনুল দুবাইসি আমাকে এর অনুমতি দিয়েছেন -:

বাগদাদের তরুণীদের মধ্যে এমন এক তরুণী রয়েছে … হৃদয়ের যা কিছু সে কামনা করে এবং পছন্দ করে, তা তাঁরই তরে

আমি আমার রক্তের বিনিময়ে তাঁর মুখের এক বিন্দু লালার জন্য দরদাম করেছি … আর চোখের ইশারা ছাড়া অন্য কোনো মধ্যস্থতাকারী ছিল না

নিন্দুকের নিকট রয়েছে আপত্তি ও তিরস্কার … আর আমার হৃদয়ের নিকট রয়েছে উত্তর ও অজুহাত

আবু আব্দুল্লাহ বিন আদ-দুবাইসি তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: এই কামেল ৫৯৬ হিজরি সনের ১৮ই জামাদিউল আখিরা মঙ্গলবার রাতে ইন্তেকাল করেন এবং মঙ্গলবার দিনই বাবুল হারবে তাঁকে দাফন করা হয়।

 

‌‌১৯ - এবং শায়খ, ফকিহ, রঈসুল আসহাব আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন আবি আল-ওয়াফা মুহাম্মাদ বিন আবি মুহাম্মাদ আল-হাসান আল-বাদারায়ী আশ-শাফিয়ি আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন:

তাঁর প্রসিদ্ধি, দ্বীনদারি, ফজিলত, উদারতা, বিনয় ও মহৎ চরিত্রের কারণে তাঁর কথা উল্লেখ করা অপরিহার্য, সেইসাথে তাঁর মধ্যে নেতৃত্ব ও উচ্চ মর্যাদা বিদ্যমান ছিল। তিনি নিযামিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখানে ধর্মীয় জ্ঞান প্রচার করেন। তিনি বহুবার দিওয়ানে আজিজ (রাজকীয় দরবার) থেকে দূত হিসেবে দামেস্কে আগমন করেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٨)
متعددة ثم إلى الديار المصرية في مصالح الدين، وجمع كلمة ملوك المسلمين، إلى أن انتظم منهم الاتفاق، وحصل الود بينهم والوفاق، وذلك بحسن نيته، وكرم طويته، فجزاه الله -تعالى- خيرا عن المسلمين وجمع بيننا وبينه في مستقر رحمته، إنه أرحم الراحمين. سمع ببغداد من جماعة من الشيوخ منهم أبو محمد عبد العزيز بن معالي بن منيْنا، وأبو الحسن علي بن محمد بن علي الموصلي وغيرهما، وحدَّث ببغداد وحلب ودمشق ومصر وبالبلاد الوارد إليها، والمجتاز عليها، سألته عن مولده فذكر لي أنه في آخر يوم من

المحرم "سنة أربع وتسعين وخمسمائة". وتوفي رحمه الله عشية يوم السبت ودفن بعد الغروب السادس عشر من ذي القعدة سنة "خمس وخمسين وستمائة" ببغداد، بعد أن ولي قضاءها عند عوده إليها، وكان به ضعف من وعك السفر، فألزم بالحكم على تلك الحالة، فحكم يوما واحدا، وانقطع في بيته إلى حين وفاته. أخبرنا الشيخ الفقيه أبو محمد عبد الله بن محمد "البادرائي" بقراءتي
একাধিকবার, অতঃপর দ্বীনের স্বার্থে এবং মুসলিম সম্রাটদের ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষে মিসর অভিমুখে (যাত্রা করেন), পরিশেষে তাঁদের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তাঁদের মাঝে সৌহার্দ্য ও সংহতি অর্জিত হয়। এটি সম্ভব হয়েছিল তাঁর সদিচ্ছা ও উন্নত চরিত্রের গুণে। আল্লাহ তাআলা মুসলিমদের পক্ষ থেকে তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং আমাদের ও তাঁকে তাঁর রহমতের আবাসস্থলে একত্রিত করুন। নিশ্চয়ই তিনি দয়ালুদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু। তিনি বাগদাদে একদল শাইখের নিকট ইলম অর্জন করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ ইবনে মাআলি ইবনে মুনাইনা এবং আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মাওসিলি প্রমুখ। তিনি বাগদাদ, হালাব, দামেস্ক, মিসর এবং যেসব জনপদে তিনি আগমন করেছেন বা অতিক্রম করেছেন, সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে জানান যে, তাঁর জন্ম ছিল শেষ দিনে

মহররম মাসের "পাঁচশ চুরানব্বই হিজরি সনে"। তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) "ছয়শ পঞ্চান্ন হিজরি সনের" ১৬ই জিলকদ শনিবার সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেন এবং সূর্যাস্তের পর বাগদাদে তাঁকে দাফন করা হয়; সেখানে প্রত্যাবর্তনের পর সেখানকার বিচারকের দায়িত্বভার গ্রহণের পর। সফরের ক্লান্তির কারণে তিনি তখন শারীরিকভাবে দুর্বল ছিলেন, কিন্তু সেই অবস্থাতেই তাঁকে বিচারকার্য পরিচালনায় বাধ্য করা হয়। ফলে তিনি মাত্র একদিন বিচারকার্য পরিচালনা করেন এবং ইন্তেকাল পর্যন্ত নিজ গৃহেই অবস্থান করেন। শাইখ ফকিহ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ "আল-বাদারাঈ" আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) তাকমিলাতু ইকমালিল ইকমাল - ইবনুস সাবুনী - ত্বা আল-ইরাক (পৃষ্ঠা: ٢٩)
عليه بدمشق قلت له: أخبركم الشيخ أبو محمد عبد العزيز بن معالي بن غنيمة بن منينا البغدادي، قراءة عليه وأنت تسمع. فأقر به. قلت: وأخبرنا أبو محمد بن منينا وأبو حفص عمر بن محمد بن معمر بن طبرزد الدارقزيّ والحافظ أبو محمد عبد العزيز بن محمود بن المبارك بن الأخضر والإمام أبو اليمن
দামেস্কে তাঁর নিকট; আমি তাঁকে বললাম: শাইখ আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজিজ বিন মাআলি বিন গানিমাহ বিন মুনাইনা আল-বাগদাদি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন। অতঃপর তিনি তা স্বীকার করলেন। আমি বললাম: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ বিন মুনাইনা, আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মাদ বিন মুআম্মার বিন তাবারযাদ আদ-দারাকযি, হাফিজ আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজিজ বিন মাহমুদ বিন আল-মুবারক বিন আল-আখদার এবং ইমাম আবু আল-ইয়ামান।