(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: -)
أمالي الباغندي   (الباغندي الكبير)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أمالي الباغندي

المؤلف: الباغندي الكبير محمد بن سليمان بن الحارث الواسطي، أبو بكر الباغَندي، والد الحافظ محمد بن محمد الباغَندي (ت 283هـ)

تحقيق: أشرف صلاح علي

الناشر: مؤسسة قرطبة، مصر

الطبعة: الأولى، 1417 هـ - 1997 م

عدد الصفحات: 89

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 15 صفر 1433

আমালি আল-বাগান্দি   (আল-বাগান্দি আল-কাবির)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আমালি আল-বাগান্দি

লেখক: আল-বাগান্দি আল-কাবির মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন আল-হারিস আল-ওয়াসিতি, আবু বকর আল-বাগান্দি, হাফেজ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাগান্দির পিতা (মৃত্যু ২৮৩ হিজরি)

তাহকিক: আশরাফ সালাহ আলি

প্রকাশক: মুয়াসসাসাতু কুরতুবা, মিশর

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৯

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ সফর ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ১৩)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الهَمْدَانِيُّ الْمُقْرِئُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ ثَامِنَ عَشََرَ جُمَادَى الْآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَثَلَاثِينَ وَسِتِّمِائَةِ بِالْجَامِعِ الْمُظَفَّرِيِّ بِسَفْحِ جَبَلِ كَاسَيُونَ ظَاهِرِ دِمَشْقَ قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ الشَّيْخُ الْعَالِمُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السَّلَفِيُّ الْأَصْبَهَانِيُّ فِي جُمَادَى الْأُولَى سَنَةَ سَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ بِالْأَسْكَنْدَرِيَّةِ، ثنا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ أَحْمَدُ الْبَاقِلَّانِي ببغداد سَنَةَ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَِ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، أنبأ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّارُ، أنبأ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْخَالِقِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ مَرْزُوقِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ بُزَيْغٍ السَّقَطِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْحَارِثِ الْبَاغِنْدِيُّ الْوَاسِطِيُّ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ الشَّيْبَانِيُّ ، ثنا بَهْزُ بْنُ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ النَّاسَ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَهُمْ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ»

⦗ص: 14⦘

2 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا سُفْيَانُ عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ الْقُشَيْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِهِ
১ - আবু ফযল জাফর বিন আলী বিন হিবাতুল্লাহ আল-হামদানি আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম ৬৩৫ হিজরি সনের ১৮ই জুমাদাল আখিরাত জুমাবার দিনে দামেস্কের উপকণ্ঠে কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে আল-জামে আল-মুজাফফারিতে। তাঁকে বলা হয়েছে: শাইখ, আলেম, হাফিজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানি ৫৭০ হিজরি সনের জুমাদাল উলা মাসে আলেকজান্দ্রিয়ায় আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন। আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আহমাদ আল-বাকিলানি ৪৯৪ হিজরি সনে বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান আল-বাযযার। সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল খালিক বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন নাসর বিন মারযুক বিন আব্দুর রহমান বিন বুযাইগ আস-সাকতি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন আল-হারিস আল-বাগান্দি আল-ওয়াসিতি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ আশ-শায়বানি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহয বিন হাকিম বিন মুয়াবিয়া আল-কুশাইরি, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ধ্বংস সেই ব্যক্তির জন্য যে মানুষকে হাসানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা কথা বলে, ধ্বংস তার জন্য, ধ্বংস তার জন্য»

⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘

২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি বাহয বিন হাকিম আল-কুশাইরি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ১৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُثَنَّى بْنِ أَنَسٍ، ثنا أَشْعَثُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-মুসান্না ইবনে আনাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আশ'আস বর্ণনা করেছেন, তিনি হাসান থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়িদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «শিঙা প্রয়োগকারী এবং যার শিঙা প্রয়োগ করা হয়েছে, উভয়েরই রোজা ভেঙে গিয়েছে।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২২)
4 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أنبأ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ خَبَّابِ بْنِ الْأَرَتِّ، قَالَ: شَكَوْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُتَوَسِّدٌ بُرْدَةً لَهُ عِنْدَ الْكَعْبَةِ أَنْ يَدْعُوَ اللَّهَ لَنَا، قُلْنَا: أَلَا تَسْتَنْصِرُ لَنَا؟ قَالَ: فَجَلَسَ مُغْضَبًا مُحْمَرًّا وَجْهُهُ فَقَالَ: «كَانَ الرَّجُلُ مِنْ قَبْلِكُمْ يُؤْخَذُ فَيُوضَعُ الْمِنْشَارُ عَلَى مَفْرِقِ رَأْسِهِ فَيُشَقُّ بِاثْنَيْنِ مَا يَصْرِفُهُ ذَلِكَ عَنْ دِينِهِ، وَيُمْشَطُ بِأَمْشَاطِ الْحَدِيدِ مَا دُونَ عَظْمِهِ مِنْ لَحْمٍ أَوْ عَصَبٍ، وَلَيُتِمَّنَّ اللَّهُ هَذَا الدِّينَ حَتَّى يَسِيرَ الرَّاكِبُ مِنْ صَنْعَاءَ إِلَى حَضْرَمَوْتَ لَا يَخَافُ إِلَّا اللَّهَ أَوِ الذِّئْبَ فِي غَنَمِهِ وَلَكِنَّكُمْ تَعْجَلُونَ»
৪ - উবায়দুল্লাহ ইবনে মূসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ থেকে, তিনি কায়স ইবনে আবু হাযিম থেকে, তিনি খাব্বাব ইবনুল আরত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে অভিযোগ করলাম, তখন তিনি কাবার ছায়ায় তাঁর একটি চাদরে হেলান দিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমরা বললাম: "আপনি কি আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবেন না? আপনি কি আমাদের জন্য দুআ করবেন না?" তিনি রাগান্বিত অবস্থায় উঠে বসলেন এবং তাঁর চেহারা লাল হয়ে গেল। অতঃপর তিনি বললেন: "তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলোর মধ্যে এমন লোক ছিল, যাকে পাকড়াও করা হতো এবং করাত এনে তার মাথার সিঁথিতে রেখে তাকে দুই খণ্ড করে ফেলা হতো, কিন্তু এই চরম নির্যাতনও তাকে তার দ্বীন থেকে বিচ্যুত করতে পারত না। লোহার চিরুনি দিয়ে তার হাড়ের ওপর থেকে গোশত ও রগ আঁচড়ে আলাদা করে দেওয়া হতো, কিন্তু তা তাকে তার দ্বীন থেকে ফেরাতে পারত না। আল্লাহর কসম! আল্লাহ অবশ্যই এই দ্বীনকে পূর্ণতা দান করবেন, এমনকি একজন আরোহী সানআ থেকে হাজরামাউত পর্যন্ত ভ্রমণ করবে অথচ সে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় পাবে না অথবা তার মেষপালের জন্য নেকড়ের ভয় ছাড়া অন্য কোনো ভয় থাকবে না। কিন্তু তোমরা বড্ড তাড়াহুড়া করছ।"
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২২)
5 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أنبأ مِسْعَرٌ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ: عَادَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَبَّابَ بْنَ الْأَرَتِّ وَقَدِ اكْتَوَى فِي بَطْنِهِ سَبْعًا، فَقَالُوا: أَبْشِرْ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ تَرِدُ عَلَى إِخْوَانِكَ، قَالَ: «سَمَّيْتُمُوهُمْ إِخْوَانًا أُولَئِكَ قَوْمٌ قَدْ مَضَوْا بِأُجُورِهِمْ لَمْ تَنْقُصْهُمُ الدُّنْيَا وَإِنَّا نَخَافُ أَنْ نَكُونَ مَا أُوتِينَا ثَوَابَ ذَلِكَ»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মূসা, তিনি সংবাদ দিয়েছেন মিসআর থেকে, তিনি কায়স বিন মুসলিম থেকে, তিনি তারিক বিন শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে একদল লোক খাব্বাব বিন আল-আরাতকে দেখতে গেলেন, এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর পেটে সাতবার সেঁক নিয়েছিলেন। তাঁরা বললেন: "হে আবু আব্দুল্লাহ, সুসংবাদ গ্রহণ করুন! আপনি আপনার ভাইদের সাথে মিলিত হবেন।" তিনি বললেন: "তোমরা তাঁদেরকে ভাই বলে সম্বোধন করলে? তাঁরা এমন এক সম্প্রদায় ছিলেন যারা তাঁদের প্রতিদানসহ গত হয়েছেন, দুনিয়া তাঁদের (পুরস্কারের) কিছুই হ্রাস করতে পারেনি। আর আমরা আশঙ্কা করছি যে, আমাদের যা কিছু দেওয়া হয়েছে তা যেন আমাদের সেই আমলের প্রতিদান হয়ে থাকে।"
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২২)
6 - حَدَّثَنَا عَارِمٌ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، ⦗ص: 23⦘ قَالَ: " قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَ بِفِنَاءِ الْكَعْبَةِ فَدَعَا عُثْمَانَ بْنَ طَلْحَةَ بِالْمِفْتَاحِ، فَفَتَحَ الْبَابَ فَدَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبِلَالٌ وَأُسَامَةُ وَعُثْمَانُ بْنُ طَلْحَةَ فَأَغْلَقَ الْبَابَ، فَلَبِثُوا فِيهِ مَلِيًّا، ثُمَّ إِنَّ الْبَابَ فُتِحَ، فَاسْتَقْبَلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَارِجًا وَاسْتَقْبَلَنِي بِلَالٌ فَسَأَلْتُهُ أَصَلَّى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: نَعَمْ، بَيْنَ الْعَمُودَيْنِ مِنْ تِلْقَاءِ وَجْهِهِ "، قَالَ ابْنُ عُمَرَ: «عَجَزْتُ أَلَّا أَكُونَ سَأَلْتُهُ لِمَ صَلَّى»؟
৬ - আমাদের নিকট আরিম বর্ণনা করেছেন, তিনি হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ২৩⦘ তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করলেন এবং কাবার প্রাঙ্গণে অবতরণ করলেন। অতঃপর তিনি উসমান ইবনে তালহাকে চাবি নিয়ে আসার জন্য ডাকলেন। তিনি দরজাটি খুলে দিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, বিলাল, উসামাহ ও উসমান ইবনে তালহা ভেতরে প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি দরজা বন্ধ করে দিলেন। তাঁরা সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করলেন। এরপর দরজাটি খোলা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে আসার সময় আমার সামনে আসলেন এবং বিলালও আমার সামনে আসলেন। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি ভেতরে সালাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন: ‘হ্যাঁ, তাঁর সম্মুখস্থ দুই স্তম্ভের মাঝে’।" ইবনে উমর বলেন: "আমি আক্ষেপ করলাম যে কেন আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম না যে তিনি কেন সালাত আদায় করলেন?"
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৩)
7 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ أَبِي نُعَيْمٍ، ثنا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا أَبُو وَاقِدٍ، شَيْخٌ مِنْ بَنِي لَيْثٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَضَرَ إِمَامًا فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ»
৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনু মূসা ইবনু আবি নুআইম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উহাইব ইবনু খালিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বনু লাইস গোত্রের একজন শায়খ আবু ওয়াকিদ বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনু উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো ইমামের উপস্থিতিতে থাকবে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৩)
8 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَشَّارٍ الرَّمَادِيُّ، ثنا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، ثنا بُرَيْدُ بْنُ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: «قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ خَيْبَرَ أَسْهَمَ لِي، وَلَمْ يُسْهِمْ لِأَحَدٍ لَمْ يَشْهَدِ الْفَتْحَ غَيْرِي»
৮ - ইবরাহীম ইবনে বাশার আর-রামাদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে গিয়াস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বুরায়দ ইবনে আবু বুরদাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «খাইবার বিজয়ের দিন আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে গনীমতের অংশ প্রদান করলেন, এবং আমি ব্যতীত এমন আর কাউকে তিনি অংশ দেননি যে উক্ত বিজয়ে উপস্থিত ছিল না।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৩)
9 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَشَّارٍ الرَّمَادِيُّ الْجَرْجَرَائِيُّ، ثنا الصُّغْدِيُّ بْنُ سِنَانٍ، ثنا ⦗ص: 24⦘ أَبُو سِنَانٍ الْقَسْمَلِيُّ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عَرْزبٍ الْأَشْعَرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى الْجَوْرَبَيْنِ وَالنَّعْلَيْنِ»
৯ - ইবরাহীম ইবনে বাশশার আর-রামাদী আল-জারজারাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুগদী ইবনে সিনান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ⦗পৃষ্ঠা: ২৪⦘ আবু সিনান আল-কাসমালী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাহহাক ইবনে আরজাব আল-আশআরী থেকে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «অজু করেছেন এবং মোজা ও জুতার ওপর মাসাহ করেছেন»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৪)
10 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْأَزْدِيُّ، ثنا هِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ، ثنا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ «قَطَعَ فِي مِجَنٍّ قِيمَتُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ»
১০ - আমাদের নিকট মুসলিম ইবনে ইবরাহিম আল-আযদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আইয়ুব বর্ণনা করেছেন নাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি একটি ঢালের কারণে (হাত) কেটেছিলেন যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৪)
11 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا هِشَامٌ، ثنا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ نَبِيذِ الْجَرِّ، فَقَالَ: «حَرَّمَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم» فَقُلْتُ: أَيُّ جَرٍّ؟، فَقَالَ: «شَيْءٌ يُصْنَعُ مِنَ الْمَدَرِ»
১১ - আমাদের নিকট মুসলিম ইবনে ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হিশাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আইয়ুব বর্ণনা করেছেন নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে মাটির পাত্রের নাবিয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: «নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটি হারাম করেছেন»। আমি বললাম: «কোন ধরনের মাটির পাত্র?» তিনি বললেন: «যা কাদা-মাটি দিয়ে তৈরি করা হয়»।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৫)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ، ثنا أَيُّوبُ، ثنا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ تَرَكْنَا هَذَا الْبَابَ لِلنِّسَاءِ». قَالَ نَافِعٌ: فَلَمْ يَدْخُلْ فِيهِ ابْنُ عُمَرَ حَتَّى مَاتَ
12 - আবু মা'মার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল ওয়ারিস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, নাফি' ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যদি আমরা এই দরজাটি মহিলাদের জন্য ছেড়ে দিতাম»। নাফি' বলেন: ফলে ইবনে উমর মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত আর কখনও সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করেননি।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ২৬)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ، ثنا أَيُّوبُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «عَقَّ عَنِ الْحَسَنِ كَبْشًا وَعَنِ الْحُسَيْنِ كَبْشًا»
১৩ - আবু মা'মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসানের পক্ষ থেকে একটি ভেড়া এবং হুসাইনের পক্ষ থেকে একটি ভেড়া আকিকা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩২)
14 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: خَرَجْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي طَائِفَةٍ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ حَتَّى أَتَى سُوقَ بَنِي قَيْنُقَاعٍ لَا يُكَلِّمُنِي وَلَا أُكَلِّمُهُ، ثُمَّ أَتَى فِنَاءَ عَائِشَةَ - أَوْ قَالَ: فِنَاءَ فَاطِمَةَ - فَقَالَ: «أَثَمَّ حَسَنٌ» فَظَنَنْتُ أَنَّ أُمَّهُ حَبَسِتْهُ تَغْسِلُهُ أَوْ تُلْبِسُهُ سِخَابًا فَلَمْ يَلْبَثْ أَنْ طَلَعَ الْحَسَنُ نَحْوِي فَاعْتَنَقَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أُحِبُّهُ فَأَحِبَّهُ وَأَحِبَّ مَنْ أَحَبَّهُ»
১৪ - আব্দুল্লাহ ইবনে আজ-জুবাইর আল-হুমায়দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আবি ইয়াজিদ থেকে, তিনি নাফে ইবনে জুবাইর থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুহাজিরদের একটি দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে বের হলাম, এমনকি তিনি বনু কায়নুকার বাজারে আসলেন। তিনি আমার সাথে কথা বলছিলেন না এবং আমিও তাঁর সাথে কথা বলছিলাম না। এরপর তিনি আয়েশার প্রাঙ্গণে—অথবা তিনি বলেছিলেন: ফাতিমার প্রাঙ্গণে—আসলেন এবং বললেন: "হাসান কি সেখানে আছে?" আমি ধারণা করলাম যে, তার মা তাকে গোসল করানোর জন্য অথবা তাকে হারের মালা পরানোর জন্য আটকে রেখেছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই হাসান বের হয়ে আমার দিকে আসলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আলিঙ্গন করলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি তাকে ভালোবাসি, সুতরাং আপনিও তাকে ভালোবাসুন এবং যে তাকে ভালোবাসে তাকেও ভালোবাসুন।"
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩২)
15 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ جَابِرٍ، أَنَّ أَبَاهُ، أَرْسَلَ مَوْلَاةً لَهُ إِلَى الْحَسَنِ أوِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، شَكَّ عُبَيْدُ اللَّهِ، قَالَتْ: فَرَأَيْتُهُ تَوَضَّأَ ثُمَّ أَخَذَ خِرْقَةً نَشَّفَ بِهَا وَجْهَهُ، قَالَتْ: فَمَقَتُّهُ فِي نَفْسِي، فَرَأَيْتُ مِنَ اللَّيْلِ أَنِّي أَقِيءُ كَبِدِي، فَقُلْتُ: مَا هَذَا إِلَّا مَا وَجَدْتُ لِلْحَسَنِ أَوِ الْحُسَيْنِ "
১৫ - উবাইদুল্লাহ বিন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন আবি খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাকিম বিন জাবির হতে বর্ণিত যে, তাঁর পিতা তাঁর এক দাসীকে হাসান অথবা হুসাইন বিন আলী (রা.)-এর নিকট প্রেরণ করেছিলেন — উবাইদুল্লাহ সন্দেহ পোষণ করেছেন — তিনি (দাসী) বললেন: আমি তাঁকে অযু করতে দেখলাম, তারপর তিনি এক টুকরো কাপড় নিলেন এবং তা দিয়ে নিজের মুখমণ্ডল মুছলেন। তিনি বলেন: তখন আমি মনে মনে তাঁর প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করলাম। অতঃপর রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি আমার কলিজা বমি করছি। তখন আমি বললাম: হাসান অথবা হুসাইন (রা.)-এর প্রতি আমি যে বিরূপ মনোভাব পোষণ করেছিলাম, এটি কেবল তারই ফল।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩২)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ الْحَوْضِيُّ، ثنا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلًا، وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا»
১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর আল-হাওদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, তিনি মূসা ইবনে আনাস থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই কম হাসতে এবং বেশি কাঁদতে।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩২)
17 - حَدَّثَنَا الْهُذَيْلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْمَازِنِيُّ الْجُمَّانِيُّ وَكَانَ صَاحِبَ جُمَّةٍ، ثنا ⦗ص: 33⦘ عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ وَهُوَ جَدُّ أَبِي غَسَّانَ - عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুযাইল ইবন ইব্রাহিম আল-মাযিনি আল-জুম্মানি, তিনি বাবরি চুলের অধিকারী ছিলেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ⦗পৃষ্ঠা: ৩৩⦘ উসমান ইবন আবদুর রহমান, তিনি হাম্মাদ ইবন আবি সুলায়মান থেকে—যিনি আবু গাসসানের দাদা—তিনি আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ (অপরিহার্য কর্তব্য)»।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ مُحَمَّدُ بْنُ أَيُّوبَ، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعُمَرِيِّ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، قَالَ: رَأَى ابْنُ عُمَرَ، شَكَّ أَبُو مُعَاوِيَةَ، فِي جَبْهَتِهِ أَثَرَ السُّجُودِ، قَالَ: «صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَعَ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ فَلَمْ يُرَ فِي جَبْهَتِي مِنْ هَذَا شَيْءٌ»
১৮ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হুরায়রা মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে কায়স, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল উমারি থেকে, তিনি ওয়াহাব ইবনে কায়সান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবনে উমর—আবু মুয়াবিয়া এ বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেছেন—এক ব্যক্তির কপালে সিজদাহর চিহ্ন দেখলেন। তিনি বললেন: «আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু বকর, উমর ও উসমানের সাথে সালাত আদায় করেছি, অথচ আমার কপালে এর কিছুই দেখা যায়নি»।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
19 - حَدَّثَنَا عَامِرُ بْنُ الْحُسَيْنِ الدِّبَاغُ، ثنا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ وَمَا أُرَاهُ أَنَّهَا تَبْلُغُ حَيْثُ بَلَغَتْ فَيَهْوِي بِهَا إِلَى النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا»
১৯ - আমাদের নিকট আমির ইবনুল হুসাইন আদ-দিবাগ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জারীর ইবনে হাযিম হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি এমন কথা বলে ফেলে যার পরিণাম সম্পর্কে সে ধারণাও করতে পারে না যে তা কতদূর পর্যন্ত গড়াবে, অথচ সেই কথার কারণেই সে সত্তর বছর পর্যন্ত জাহান্নামের আগুনে পতিত হতে থাকে।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৩৯)
20 - حَدَّثَنَا قُطْبَةُ بْنُ الْعَلَاءِ بْنِ الْمِنْهَالِ الْغَنَوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ هِشَامٍ، ⦗ص: 40⦘ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ طَلَبَ مَحَامِدَ النَّاسِ بِمَعْصِيَةِ اللَّهِ عَادَ حَامِدُهُ لَهُ ذَامًّا»
২০ - কুতবাহ ইবনুল আলা ইবনুল মিনহাল আল-গানাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম থেকে, ⦗পৃষ্ঠা: ৪০⦘ তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতার মাধ্যমে মানুষের প্রশংসা কামনা করে, তার প্রশংসাকারী ব্যক্তিই তার নিন্দাকারীতে পরিণত হয়।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪১)
21 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، قَالَ: قُلْنَا لِخَبَّابٍ: أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ؟ قَالَ: «نَعَمْ». قُلْنَا: بِأَيِّ شَيْءٍ كُنْتُمْ تَعْرِفُونَ قِرَاءَتَهُ؟ قَالَ: «بِاضْطِرَابِ لِحْيَتِهِ»
২১ - আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ ইবনে মূসা বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উমারা ইবনে উমায়র থেকে, তিনি আবু মা’মার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা খাব্বাবকে জিজ্ঞাসা করলাম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি যোহর ও আসরের সালাতে কিরাত পাঠ করতেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ»। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: কীসের মাধ্যমে আপনারা তাঁর কিরাত পাঠ বুঝতে পারতেন? তিনি বললেন: «তাঁর দাড়ির নড়াচড়া দেখে»।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪১)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَى الْيَدِ مَا أَخَذَتْ حَتَّى تُؤَدِّيَهُ»
২২ - মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি সামুরা ইবনে জুনদুব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «হাত যা গ্রহণ করেছে তার দায়ভার তার ওপরই বর্তাবে যতক্ষণ না সে তা আদায় করে»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪২)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ، أَنَّ أَبَا مُوسَى الْأَشْعَرِيَّ، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِطَسٍّ فِيهِ نَبِيذٌ يَنِشُّ فَقَالَ: «اضْرِبْ بِهَذَا الْحَائِطَ فَإِنَّهُ لَا يَشْرَبُ هَذَا مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ»
২৩ - আবু আসিম আদ-দাহহাক বিন মাখলাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-আওযায়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবি মুসা থেকে, তিনি আল-কাসিম বিন মুখাইমিরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু মুসা আল-আশআরী নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি পাত্র নিয়ে আসলেন যাতে নাবীয ছিল যা থেকে বুদবুদ উঠছিল। তখন তিনি বললেন: "এটি এই দেয়ালে ছুঁড়ে মারো; কেননা যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে এটি পান করে না।"
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪২)
24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، ثنا الْأَعْمَشُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ ⦗ص: 43⦘ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رضي الله عنه: وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ، وَبَرَأَ النَّسَمَةَ إِنَّهُ لَعَهْدُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «أَلَّا يُحِبَّكَ إِلَّا مُؤْمِنٌ، وَلَا يُبْغِضَكَ إِلَّا مُنَافِقٌ»
২৪ - আবদুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আদি ইবনে সাবিত থেকে, তিনি ⦗পৃষ্ঠা: ৪৩⦘ যির ইবনে হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: সেই সত্তার শপথ যিনি বীজ বিদীর্ণ করেছেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেছেন, নিশ্চয়ই এটি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক)-এর অঙ্গীকার: «মুমিন ব্যতীত কেউ তোমাকে ভালোবাসবে না এবং মুনাফিক ব্যতীত কেউ তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না।»
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪৩)
25 - حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، ثنا الثَّوْرِيُّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «تَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً وَنَضَحَ»
২৫ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কাবিছাহ ইবনুল উকবাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাওরী, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার একবার করে ওযু করেছেন এবং পানি ছিটিয়ে দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪৪)
26 - حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، وَخَلَّادُ بْنُ يَحْيَى، قَالَا: ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْمَرَ الدِّيلِيِّ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «الْحَجُّ عَرَفَاتٌ»
২৬ - আমাদের নিকট কুবাইসাহ এবং খাল্লাদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান আস-সাওরী বর্ণনা করেছেন বুকাইর ইবনে আতা হতে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে ইয়ামুর আদ-দীলী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হজ হলো আরাফাহ»।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
27 - حَدَّثَنَا خَلَّادُ بْنُ يَحْيَى، ثنا دَلْهَمُ بْنُ صَالِحٍ الْكِنْدِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ عِكْرِمَةَ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ مَا أَمْرُهُ؟ قَالَ: " أَذْنَبَتْ قُرَيْشٌ ذَنْبًا فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَعَظُمَ فِي صُدُورِهِمْ، فَسَأَلُوا مَا تَبْرِئَتُهُمْ مِنْهُ؟ قَالُوا: صَوْمُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ يَوْمَ عَشْرٍ مِنَ الْمُحَرَّمِ " فَقُلْتُ لِعِكْرِمَةَ: فَحَقٌّ صَوْمُهُ عَلَى النَّاسِ؟ قَالَ: «لَا ، مَحَى رَمَضَانُ كُلَّ صَوْمٍ كَانَ قَبْلَهُ»
২৭ - খাল্লাদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, দালহাম ইবনে সালিহ আল-কিন্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইকরিমাহকে আশুরার দিনের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, এর বিধান কী? তিনি বললেন: "জাহেলিয়াত যুগে কুরাইশরা একটি গুনাহ করেছিল যা তাদের অন্তরে অনেক বড় হয়ে দেখা দিয়েছিল। অতঃপর তারা জিজ্ঞাসা করল যে, তা থেকে তাদের দায়মুক্তির উপায় কী? তারা বলল: আশুরার দিনের রোজা, যা মহররমের দশম তারিখ।" অতঃপর আমি ইকরিমাহকে বললাম: "তবে কি মানুষের ওপর এই রোজা রাখা আবশ্যক?" তিনি বললেন: "না, রমজান তার পূর্ববর্তী সকল রোজা (র বিধান)-কে মিটিয়ে দিয়েছে।"
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪৫)
28 - حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ السُّوَائِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ سَعِيدٍ الثَّوْرِيُّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ الْأَعْرَجِ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ صَوْمِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ؟ قَالَ: «إِذَا رَأَيْتَ هِلَالَ الْمُحَرَّمِ فَاعْدُدْ تِسْعًا، ثُمَّ أَصْبِحْ صَائِمًا» قَالَ: وَأَخْبَرَنِي ابْنُ أَخِي الْحَكَمُ بْنُ الْأَعْرَجِ، قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ: فَعَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: «نَعَمْ»
২৮ - কাবিছাহ বিন উকবা আস-সুওয়াই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন সাঈদ আস-সাওরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাকাম বিন আল-আরাজ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে আশুরার দিনের রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "যখন তুমি মহররমের চাঁদ দেখবে, তখন থেকে গণনা শুরু করবে এবং নয় দিন পূর্ণ করবে, এরপর সকালে রোজা রাখবে।" তিনি বলেন: আমার ভাতিজা হাকাম বিন আল-আরাজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বললাম: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি এটি করেছেন? তিনি বললেন: "হ্যাঁ"।
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪৭)
‌‌مَجْلِسٌ ثَانٍ لِلْبَاغَنْدِيِّ
আল-বাগান্দীর দ্বিতীয় মজলিস
(খণ্ড: ১) আমালিল বাগীন্দী (পৃষ্ঠা: ৪৭)
29 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: «أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَوْمِ عَاشُورَاءَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ رَمَضَانُ، فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ لَمْ نُؤْمَرْ بِهِ، وَلَمْ نُنْهَ عَنْهُ، وَنَحْنُ نَفْعَلُهُ»
২৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, তিনি সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি আল-কাসিম ইবনে মুখাইমিরাহ থেকে, তিনি আবু আম্মার থেকে, তিনি কাইস ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান (মাসের রোজা) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে আমাদের আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। অতঃপর যখন রমজান অবতীর্ণ হলো, তখন আমাদের আর এটি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়নি এবং তা থেকে নিষেধও করা হয়নি, আর আমরা তা পালন করতাম।»