(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: -)
ذم الكذب - من الصمت وآداب اللسان القسم: كتب السنة
الكتاب: ذم الكذب - من الصمت وآداب اللسان
قال المحقق أنه أفرد هذه الرسالة من كتاب (الصمت وآداب اللسان) لابن أبي الدنيا. . فهو جزء من كتاب وليس كتابا مستقلا
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
المحقق: محمد غسان نصوح عزقول
الناشر: دار السنابل، سوريا - دمشق
عام النشر: 1993 هـ
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 59
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মিথ্যার নিন্দা - নীরবতা ও জিহ্বার আদব থেকে বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: মিথ্যার নিন্দা - নীরবতা ও জিহ্বার আদব থেকে
গবেষক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ইবনে আবি আদ-দুনিয়ার (নীরবতা ও জিহ্বার আদব) নামক গ্রন্থ থেকে এই পুস্তিকাটি পৃথক করেছেন। . সুতরাং এটি একটি গ্রন্থের অংশ মাত্র, স্বতন্ত্র কোনো গ্রন্থ নয়।
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন সুফিয়ান বিন কায়েস আল-বাগদাদী আল-উমাবী আল-কুরাশী, যিনি ইবনে আবি আদ-দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
গবেষক/সম্পাদনা: মুহাম্মদ গাসসান নাসুহ আজকুল
প্রকাশক: দার আস-সানাবিল, সিরিয়া - দামেস্ক
প্রকাশকাল: ১৯৯৩ হিজরি
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: -)
قال المحقق أنه أفرد هذه الرسالة من كتاب (الصمت وآداب اللسان) لابن أبي الدنيا
فهو جزء من كتاب وليس كتابا مستقلا
গবেষক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি এই পুস্তিকাটি ইবনে আবিদ দুনিয়ার (আস-সামত ওয়া আদাবুল লিসান) গ্রন্থ থেকে পৃথক করেছেন।
সুতরাং এটি একটি গ্রন্থের অংশ মাত্র এবং কোনো স্বতন্ত্র গ্রন্থ নয়।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
ذم الكذب وأهله
মিথ্যা ও মিথ্যাবাদীদের নিন্দাবাদ
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
1 - حدثنا علي بن الجعد، أنبأنا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سليم بن عامر، يحدث عن أوسط بن إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَوْسَطَ،: سَمِعَ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ رضي الله عنه بعد ما قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِسَنَةٍ قَالَ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ أَوَّلٍ مَقَامِي هَذَا، ثُمَّ بكى، ثم [قال صلى الله عليه وسلم] : (إِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّهُ مَعَ الْفُجُورِ، وَهُمَا فِي النار) .
১ - আলী বিন আল-জা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াযীদ বিন খুমাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি সুলাইম বিন আমিরকে আওসাত বিন ইসমাঈল বিন আওসাত থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি: তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের এক বছর পর আবু বকর আস-সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গত বছর আমার এই দাঁড়ানোর স্থানে দাঁড়িয়েছিলেন, অতঃপর তিনি কেঁদে ফেললেন। এরপর [তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন]: (তোমরা মিথ্যা বলা থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তা পাপাচারের সাথে থাকে এবং তারা উভয়ই জাহান্নামে।)
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
2 - حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (إِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ، وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَكْذِبُ حَتَّى يُكْتَبَ عِنْدَ اللَّهِ كَذَّابًا) .
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর, মানসুর থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (নিশ্চয়ই মিথ্যা পাপাচারের দিকে ধাবিত করে, আর পাপাচার আগুনের দিকে ধাবিত করে। আর মানুষ মিথ্যা বলতে থাকে যতক্ষণ না আল্লাহর নিকট তাকে মহা-মিথ্যাবাদী হিসেবে লিখে নেওয়া হয়)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
3 - حدثنا علي بن الجعد، أنبأنا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ مُرَّةَ، قَالَ: سَمِعْتُ مُرَّةَ الْهَمْدَانِيَّ،: قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ رضي الله عنه، يَقُولُ: إِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّهُ يَهْدِي إِلَى النَّارِ، وَمَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَكْذِبُ حَتَّى يكذب عِنْدَ اللَّهِ كَذَّابًا، وَيَثْبُتَ الْفُجُورُ فِي قَلْبِهِ، فَلَا يَكُونُ لِلْبِرِّ مَوْضِعُ إِبْرَةٍ يَسْتَقِرُّ فِيهَا.
৩ - আলী ইবনুল জা'দ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর ইবনে মুররাহ আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুররাহ আল-হামদানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলতেন: তোমরা মিথ্যা হতে বেঁচে থাকো, কেননা তা জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে। আর মানুষ অনবরত মিথ্যা বলতে থাকে যতক্ষণ না আল্লাহর নিকট সে চরম মিথ্যাবাদী হিসেবে গণ্য হয় এবং তার অন্তরে পাপাচার বদ্ধমূল হয়ে যায়, ফলে সেখানে পুণ্যের জন্য একটি সুঁই পরিমাণ জায়গাও অবশিষ্ট থাকে না যেখানে তা স্থির হতে পারে।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الصَّيْرَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي مَنْصُورٌ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه،: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: (آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلَاثٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ) .
৪ - আমাদের নিকট আবু হাফস আস-সাইরাফি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাকে মানসুর সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমি আবু ওয়াইলকে বলতে শুনেছি, তিনি আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (মুনাফিকের আলামত তিনটি: যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে; যখন সে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা ভঙ্গ করে; এবং যখন তার নিকট আমানত রাখা হয়, সে খেয়ানত করে)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ، حَدَّثَنَا الْعَلَاءُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه،: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلَاثٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ) .
৫ - আমাদের নিকট আবু হাফস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু কাইস বর্ণনা করেছেন, তিনি আল-আলা ইবনু আবদুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: (মুনাফিকের আলামত তিনটি: যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে; যখন সে অঙ্গীকার করে, তা ভঙ্গ করে; এবং যখন তার নিকট আমানত রাখা হয়, সে খেয়ানত করে)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
6 - حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما،: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (أَرْبَعٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ كَانَ مُنَافِقًا خَالِصًا، وَإِنْ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنْهُنَّ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنَ النِّفَاقِ، حَتَّى يَدَعَهَا: إِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا خَاصَمَ فَجَرَ، وَإِذَا عَاهَدَ غدر) .
৬ - যুহায়র ইবনে হারব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াকী‘ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আ‘মাশ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুররা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (চারটি বৈশিষ্ট্য এমন, যার মধ্যে সেগুলো থাকবে সে খাঁটি মুনাফিক হিসেবে গণ্য হবে। আর যার মধ্যে এগুলোর কোনো একটি বৈশিষ্ট্য থাকবে, তার মধ্যে নিফাকের একটি বৈশিষ্ট্য থাকবে যতক্ষণ না সে তা ত্যাগ করে: যখন সে প্রতিশ্রুতি দেয় তখন তা ভঙ্গ করে, যখন কথা বলে তখন মিথ্যা বলে, যখন বিবাদে লিপ্ত হয় তখন অশ্লীল গালাগালি করে এবং যখন অঙ্গীকার করে তখন বিশ্বাসঘাতকতা করে)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
7 - حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ هَاشِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْأَعْمَشَ ذَكَرَهُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، رضي الله عنه،: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (عَلَى كُلِّ خَلَّةٍ يُطْبَعُ، أَوْ يُطْوَى عَلَيْهَا الْمُؤْمِنُ، إِلَّا الْخِيَانَةَ والكذب) .
৭ - দাউদ ইবন রুশায়দ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আলী ইবন হাশিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-আ’মাশকে এটি উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি মুসআব ইবন সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন: তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: (খিয়ানত এবং মিথ্যাচার ব্যতীত প্রতিটি স্বভাবের ওপরই একজন মুমিন গড়ে উঠতে পারে অথবা সে তাতে অভ্যস্ত হতে পারে)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
8 - حَدَّثَنَا سَوَّارُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بن مخلد، عن ابْنُ عَجْلَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه،: قَالَ: قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: (ثَلَاثَةٌ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: الشَّيْخُ [الزَّانِي] ، وَالْإِمَامُ الْكَذَّابُ، وَالْعَائِلُ الْمَزْهُوُّ) .
৮ - সাওয়ার ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইবনে আজলান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (তিন শ্রেণির লোক এমন রয়েছে যাদের দিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকাবেন না: ব্যভিচারী বৃদ্ধ, মিথ্যাবাদী শাসক এবং অহঙ্কারী দরিদ্র ব্যক্তি)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
9 - حدثنا إسماعيل بن خالد، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْأَشْدَقِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَرَادٍ،: قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه: يارسول الله، هل يكذب المؤمن؟ قال [صلى الله عليه وسلم] : (لايؤمن بِاللَّهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآخِرِ، [مَنْ حَدَّثَ فَكَذَبَ) .
৯ - আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবনে খালিদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়ালা ইবনে আল-আশদাক হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে জারাদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: হে আল্লাহর রাসূল! মুমিন কি মিথ্যা বলতে পারে? তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন: (সে আল্লাহ এবং পরকালের প্রতি ঈমান আনেনি, [যে কথা বলে আর মিথ্যা বলে])।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
10 - حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أبي خالد، وبيان، سَمِعَا قَيْسَ بْنَ أَبِي حَازِمٍ، سَمِعَ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ رضي الله عنه،: يَقُولُ: أَيُّهَا النَّاسُ، إِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّهُ مُجَانِبُ الْإِيمَانِ.
১০ - ইসহাক বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন আবি খালিদ ও বায়ান হতে, তাঁরা কায়েস বিন আবি হাযিমকে বলতে শুনেছেন, যিনি আবু বকর আল-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলছেন: হে লোকসকল, তোমরা মিথ্যা থেকে বেঁচে থাকো; কেননা তা ঈমানের পরিপন্থী।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
11 - حدثنا علي بن الجعد، أنبأنا نَصْرُ بْنُ طَرِيفٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنه،: قَالَتْ: مَا كَانَ مِنْ خُلُقٍ أَشَدَّ عِنْدَ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْكَذِبِ، وَلَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَطَّلِعُ عَلَى الرَّجُلِ مِنْ أَصْحَابِهِ عَلَى الْكَذِبِ، فَمَا يَنْحَلُّ مِنْ صَدْرِهِ حَتَّى يَعْلَمَ أَنَّهُ قَدْ أَحْدَثَ لِلَّهِ مِنْهَا توبة.
১১ - আলী ইবনুল জা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাসর বিন তরীফ আল-বাহিলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহীম বিন মাইসারাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ বিন সা'দ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের নিকট মিথ্যার চেয়ে অধিক ঘৃণিত আর কোনো স্বভাব ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখনই তাঁর কোনো সাহাবীর মিথ্যার বিষয়ে অবগত হতেন, তখন ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর অন্তর থেকে তা দূর হতো না, যতক্ষণ না তিনি জানতে পারতেন যে সে এর জন্য আল্লাহর নিকট তওবা করেছে।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৯)
12 - حَدَّثَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ الْمُخَرِّمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ هَارُونَ أَبُو هِشَامٍ الْغَسَّانَيُّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما،: رفعه فقال: (إِنَّ الْعَبْدَ لَيَكْذِبُ الْكَذِبَةَ، فَيَتَبَاعَدُ الْمَلَكُ مِنْهُ مِيلًا أَوْ مِيلَيْنِ مِمَّا جَاءَ بِهِ) .
১২ - আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আইয়ুব আল-মুখাররিমি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুর রহিম ইবনে হারুন আবু হিশাম আল-গাসসানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনে আবি রাওয়াদ থেকে, তিনি নাফি থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি হাদিসটিকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করে বলেন: (নিশ্চয়ই বান্দা যখন কোনো মিথ্যা কথা বলে, তখন তার সেই কৃতকর্মের কারণে ফেরেশতা তার থেকে এক মাইল বা দুই মাইল দূরে সরে যান।)
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ১৯)
13 -[حدثني] عبد العزيز بن بحر، أنبأنا أَبُو عَقِيلٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ نُعَيْمٍ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ جَدِّهِ عَلِيٍّ رضي الله عنه،: قَالَ: أَعْظَمُ الْخَطَايَا عِنْدَ اللَّهِ: اللِّسَانُ الْكَذُوبُ، وَشَرُّ النَّدَامَةِ: نَدَامَةُ يوم القيامة.
১৩ -[আমার কাছে বর্ণনা করেছেন] আবদুল আজিজ বিন বাহর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আকিল, মুহাম্মদ বিন নুআইম থেকে—যিনি উমর ইবনুল খাত্তাবের মুক্তদাস, তিনি মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আবু তালিব থেকে, তিনি তাঁর দাদা আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ হলো চরম মিথ্যাবাদী জিহ্বা এবং নিকৃষ্টতম অনুশোচনা হলো কিয়ামত দিবসের অনুশোচনা।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২০)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَابِسٍ، حَدَّثَنِي نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه،: أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ: شَرُّ الرَّوَايَا رَوَايَا الْكَذِبِ، وَأَعْظَمُ الْخَطَايَا اللِّسَانُ الْكَذُوبُ.
১৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন ইবরাহীম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন মাহদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন আবিস, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সাথীদের অন্তর্ভুক্ত একদল লোক: তিনি তাঁর খুতবায় বলতেন: নিকৃষ্টতম বর্ণনা হলো মিথ্যার বর্ণনা, এবং সবচেয়ে বড় গুনাহ হলো মিথ্যাবাদী জিহ্বা।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২০)
15 -[حَدَّثَنِي] يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جعفر، [أخبرني] أبو سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة رضي الله عنه،: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلَاثٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خان) .
১৫ -[আমার নিকট বর্ণনা করেছেন] ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে জাফর, [আমাকে সংবাদ দিয়েছেন] আবু সুহাইল, তাঁর পিতা থেকে, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: (মুনাফিকের নিদর্শন তিনটি: যখন সে কথা বলে মিথ্যা বলে, যখন সে ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার নিকট আমানত রাখা হয় সে খেয়ানত করে)।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২০)
16 - حدثني أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الْأَزْرَقُ، عَنْ عَوْفٍ، عَنِ الْحَسَنِ رضي الله عنه،: قَالَ: يعد من النفاق: اختلاف وَالْعَمَلِ، وَاخْتِلَافُ السِّرِّ وَالْعَلَانِيَةِ، وَالْمَدْخَلِ وَالْمَخْرَجِ، وَأَصْلُ النِّفَاقِ، وَالَّذِي بُنِيَ عَلَيْهِ النِّفَاقُ: الْكَذِبُ.
১৬ - আহমদ ইবন ইবরাহীম আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইসহাক আল-আযরাক আমাদের বর্ণনা করেছেন আওফ থেকে, তিনি হাসান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নিফাকের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়: কথা ও কাজের ভিন্নতা, গোপন ও প্রকাশের ভিন্নতা এবং প্রবেশ ও প্রস্থানের (ভেতর ও বাইরের) ভিন্নতা। আর নিফাকের মূল এবং যার ওপর নিফাক প্রতিষ্ঠিত তা হলো: মিথ্যা।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২০)
17 - حَدَّثَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ السَّكَنِ بْنِ أَبِي السَّكَنِ، حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مَيْمُونٍ الْحَضْرَمِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ إِيَاسَ بْنَ مُعَاوِيَةَ رحمه الله،: يَقُولُ: إِنَّ الْكَذِبَ عِنْدِي: مَنْ يَكْذِبُ فِيمَا لَا يَضُرُّهُ وَلَا يَنْفَعُهُ، فَأَمَّا رجل كذب كذبة يرد عَنْ نَفْسِهِ بِهَا بَلِيَّةً، أَوْ يَجُرُّ إِلَى نفسه بها معروفا فليس عندي بكذاب.
১৭ - হুসাইন ইবনুল সাকান ইবনু আবি সাকান আমাকে বর্ণনা করেছেন, মুয়াল্লা ইবনু আসাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, হাসান ইবনু মাইমুন আল-হাদরামি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াস ইবনু মুআবিয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: আমার নিকট মিথ্যা হলো সেই ব্যক্তি যে এমন বিষয়ে মিথ্যা বলে যাতে তার কোনো ক্ষতিও নেই এবং কোনো উপকারও নেই। পক্ষান্তরে কোনো ব্যক্তি যদি এমন মিথ্যা বলে যার মাধ্যমে সে নিজের থেকে কোনো বিপদ দূর করে অথবা নিজের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনে, তবে সে আমার নিকট মিথ্যাবাদী নয়।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২১)
18 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ النِّيلِيُّ، [حَدَّثَنَا] الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مالك بن أنس رضي الله عنه،: قال: قال عمر بن عبد العزيز عَنْهُ: مَا كَذَبْتُ كَذْبَةً مُنْذُ شَدَدْتُ عَلَيَّ إزاري.
১৮ - আমাকে মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন, আমাদেরকে মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আন-নীলি বর্ণনা করেছেন, [আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন] আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, মালিক ইবনে আনাস (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন: আমি যখন থেকে আমার ইজার (লুঙ্গি) শক্ত করে বেঁধেছি, তখন থেকে আর কখনো মিথ্যা বলিনি।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২১)
19 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، [حَدَّثَنَا] أَبِي، [حَدَّثَنِي] عِيسَى بْنُ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ،: قَالَ: قَالَ: عُمَرُ رضي الله عنه: أَحَبُّكُمْ إِلَيْنَا مَا لَمْ نَرَكُمْ، أَحْسَنُكُمُ اسْمًا، فَإِذَا رَأَيْنَاكُمْ، فَأَحَبُّكُمْ إِلَيْنَا أَحْسَنُكُمْ خُلُقًا، فَإِذَا اخْتَبَرْنَاكُمْ، فَأَحَبُّكُمْ إِلَيْنَا أَصْدَقُكُمْ حَدِيثًا، وَأَعْظَمُكُمْ أَمَانَةً.
১৯ - মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস আমাকে বর্ণনা করেছেন, মাহমুদ বিন খালিদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, [আমাদের বর্ণনা করেছেন] আমার পিতা, [আমাকে বর্ণনা করেছেন] ঈসা বিন আল-মুসাইয়্যিব, আদী বিন সাবিত থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন: উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে আমাদের কাছে সবচাইতে প্রিয় সেই ব্যক্তি—যতক্ষণ আমরা তোমাদের দেখিনি—যার নাম সবচাইতে সুন্দর। অতঃপর যখন আমরা তোমাদের দেখি, তখন তোমাদের মধ্যে আমাদের কাছে সবচাইতে প্রিয় সেই ব্যক্তি যার চরিত্র সবচাইতে সুন্দর। অতঃপর যখন আমরা তোমাদের পরীক্ষা করি, তখন তোমাদের মধ্যে আমাদের কাছে সবচাইতে প্রিয় সেই ব্যক্তি যে কথায় সবচাইতে সত্যবাদী এবং আমানতদারিতে সবচাইতে শ্রেষ্ঠ।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২২)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ علي بن الحسن بن [شقيق] المروزي، أنبأنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْأَشْعَثِ، [حَدَّثَنَا] الْفُضَيْلُ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَرْوَانَ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ هُزَيْلِ بْنِ شُرَحْبِيلَ رحمه الله،: قال: قال موسى عليه [الصلاة و] السلام: رب أي عبادكك خَيْرٌ عَمَلًا؟ قَالَ: مَنْ لَا يَكْذِبُ لِسَانُهُ، وَلَا يَفْجُرُ قَلْبُهُ، وَلَا يَزْنِي فَرْجُهُ.
২০ - আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবন আলী ইবন হাসান ইবন [শাকীক] আল-মারওয়াযী বর্ণনা করেছেন, আমাদেরকে ইবরাহীম ইবনুল আশ'আছ সংবাদ দিয়েছেন, [আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন] আল-ফুদায়ল, লায়ছ ইবন আবী সুলাইম থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন ছারওয়ান আবূ কায়েস থেকে, তিনি হুযায়ল ইবন শুরাহবীল (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: মূসা (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বললেন: হে আমার রব, আপনার বান্দাদের মধ্যে কর্মের দিক থেকে কে সর্বোত্তম? তিনি (আল্লাহ) বললেন: যার জিহ্বা মিথ্যা বলে না, যার অন্তর পাপাচার করে না এবং যার লজ্জাস্থান ব্যভিচার করে না।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا القعنبي، حدثنا أبو مروان البزار،: قَالَ: جَاءَنَا سَالِمٌ يَطْلُبُ ثَوْبًا سُبَاعِيًّا، فَنَشَرْتُ عَلَيْهِ ثَوْبًا سُبَاعِيًا، فَذَرَعَهُ فَإِذَا هُوَ أَقَلُّ مِنْ سُبَاعِيٍّ، فَقَالَ: أَلَيْسَ قُلْتُ: سُبَاعِيٍّ؟ قُلْتُ: كَذَلِكَ: نُسَمِّيهَا، قَالَ: كَذَلِكَ يَكُونُ الْكَذِبُ.
২১ - আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে ইয়াজিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কা’নাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মারওয়ান আল-বায্যার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালিম আমাদের নিকট একটি সাত-হাতি কাপড় খুঁজতে আসলেন। তখন আমি তার সামনে একটি সাত-হাতি কাপড় মেলে ধরলাম। তিনি সেটি মেপে দেখলেন এবং দেখা গেল সেটি সাত হাতের চেয়ে কম। তখন তিনি বললেন: আপনি কি বলেননি এটি সাত-হাতি? আমি বললাম: আমরা এগুলোকে এভাবেই নামকরণ করে থাকি। তিনি বললেন: এভাবেই মিথ্যার সৃষ্টি হয়।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو حُذَيْفَةَ الْفَزَارِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَسْعُودٍ [الزُّجَاجُ] الْمَوْصِلِيُّ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ موسى بن شيبة رحمه الله.
: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَدَّ شَهَادَةَ رَجُلٍ فِي كَذْبَةٍ.
২২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুযাইফা আল-ফাযারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন মাসউদ [আয-যুজ্জাজ] আল-মাওসিলি, তিনি মামার থেকে, তিনি মুসা বিন শাইবা (আল্লাহ তাঁর ওপর দয়া করুন) থেকে বর্ণনা করেন।
: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি মিথ্যার কারণে জনৈক ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
23 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَامِرِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه،: قَالَ: كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، يَقُولُ فِي خُطْبَتِهِ: لَيْسَ فِيمَا دُونَ الصِّدْقِ مِنَ الْحَدِيثِ خَيْرٌ، مَنْ يَكْذِبْ يَفْجُرْ، وَمَنْ يفجر يهلك.
২৩ - মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আমিরী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে সা’দ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি ইবনে শিহাবের ভ্রাতুষ্পুত্র থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর খুতবায় বলতেন: সত্যের নিম্নপর্যায়ের কোনো কথায় কোনো কল্যাণ নেই। যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে সে পাপাচার করে, আর যে পাপাচার করে সে ধ্বংস হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
24 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ، أَنْبأنَأَ عَبْدُ اللَّهِ بن المبارك، أنبأنا الْأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ،: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، قَالَ: لَا تجد المؤمن كذابا.
২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে জামিল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আওযাঈ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাসসান ইবনে আতিয়্যাহ: নিশ্চয়ই উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: আপনি মুমিনকে মিথ্যাবাদী হিসেবে পাবেন না।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
25 - حدثنا ابن جميل، أنبأنا عبد الله، أنبأنا سفيان وشعبة، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ رضي الله عنه،: قَالَ: كُلُّ الْخِلَالِ يُطْبَعُ عَلَيْهَا الْمُؤْمِنُ، إِلَّا الْخِيَانَةَ والكذب.
২৫ - ইবন জামিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান ও শু’বা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সালামা ইবন কুহাইল থেকে, তিনি মুসআব ইবন সা’দ থেকে এবং তিনি সা’দ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: মুমিন ব্যক্তির প্রকৃতিতে সকল স্বভাবই থাকতে পারে, কেবল খেয়ানত ও মিথ্যা ছাড়া।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَمِيلٍ، أَنْبأنَأَ عَبْدُ اللَّهِ، أنبأنا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه،: قَالَ: كُلُّ الْخِلَالِ يُطْوَى عَلَيْهَا الْمُؤْمِنُ، إِلَّا الْخِيَانَةَ وَالْكَذِبَ.
২৬ - আহমদ ইবন জামিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মানসুর থেকে, তিনি মালিক ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন ইয়াজিদ থেকে এবং তিনি ইবন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: মুমিন ব্যক্তির চরিত্রে সকল প্রকার স্বভাব থাকতে পারে, কেবল খিয়ানত ও মিথ্যাচার ব্যতীত।
(খণ্ড: ১)
যাম্মুল কাযিব - মিনাস সামতি ওয়া আদাবিল লিসান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هارون، أنبأنا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَنِي أَسَدٍ،: قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ رضي الله عنه: إِنَّ الْمُبَارِزَ لِلَّهِ [تَعَالَى] بِالْمَعْصِيَةِ، [كَمَنْ] حَلَفَ بِاسْمِهِ كَاذِبًا، وَإِنَّ الْكَذِبَةَ لَتُفْطِرُ الصَّائِمَ.
২৭ - আহমাদ বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মাসউদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বনু আসাদ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: নিশ্চয়ই পাপাচারের মাধ্যমে যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে তাঁর নামে মিথ্যা শপথ করল। আর নিশ্চয়ই মিথ্যা কথা রোজা পালনকারীর রোজা ভঙ্গ করে দেয়।