(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: -)
مكائد الشيطان (ابن أبي الدنيا)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مكائد الشيطان
المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن عبيد بن سفيان بن قيس البغدادي الأموي القرشي المعروف بابن أبي الدنيا (ت 281هـ)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 97
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
শয়তানের চক্রান্তসমূহ (ইবন আবিদ দুনিয়া)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: শয়তানের চক্রান্তসমূহ
লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে কাইস আল-বাগদাদি আল-উমাবি আল-কুরাশি, যিনি ইবন আবিদ দুনিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৮১ হিজরি)
[গ্রন্থের সংখ্যাবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৭
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
مكائد الشيطانباب أصناف الجن
শয়তানের চক্রান্তসমূহজিনের প্রকারভেদ সংক্রান্ত অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
1 - حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الأَسْوَدِ الْعِجْلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ أَبُو فَرْوَةَ الرُّهَاوِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُنِيبٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ:: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: خَلَقَ اللَّهُ تَعَالَى الْجِنَّ ثلاثة أصناف: صنف حيات، وعقارب وخشاش الأرض، وصنف كالريح في الهواء، وصنف عَلَيْهِمُ الْحِسَابُ وَالْعِقَابُ.
১ - হোসাইন ইবন আলী ইবন আল-আসওয়াদ আল-ইজলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবন সিনান আবু ফারওয়া আর-রুহাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুনীব আল-হিমসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসীর থেকে বর্ণিত, আবু সালামাহ ইবন আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: মহান আল্লাহ জিনদের তিনটি শ্রেণীতে সৃষ্টি করেছেন: এক শ্রেণী হলো সাপ, বিচ্ছু এবং ভূমির কীটপতঙ্গ; এক শ্রেণী বাতাসের মতো শূন্যে বিচরণকারী; আর এক শ্রেণী যাদের ওপর হিসাব ও শাস্তি রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
تَطَوُّرُ الْجِنِّ وَتَشَكُّلِهِمْ
জিনদের রূপান্তর ও তাদের বিভিন্ন রূপ ধারণ
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
2 - رَوَى أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا فَقَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عن يسير بن عمرو قا ل: ذَكَرْنَا الْغِيلانَ عِنْدَ عُمَرَ فَقَالَ:: إِنَّ أَحَدًا لا يَسْتَطِيعُ أَنْ يَتَغَيَّرَ عَنْ صُورَتِهِ الَّتِي خلقه الله تعالى عليه، وَلَكِنْ لَهُمْ سَحَرَةٌ كَسَحَرَتِكُمْ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ مِنْ ذلك شيئا فآذنوه.
2 - আবু বকর ইবনে আবিদ দুনইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু খাইসামাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন শায়বানি থেকে, তিনি ইয়াসীর ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা উমরের নিকট গীলানদের কথা আলোচনা করলাম, তখন তিনি বললেন:: নিশ্চয়ই কেউ তার সেই রূপ পরিবর্তন করতে সক্ষম নয় যে রূপে আল্লাহ তাআলা তাকে সৃষ্টি করেছেন। তবে তোমাদের জাদুকরদের ন্যায় তাদেরও জাদুকর রয়েছে। সুতরাং তোমরা যখন এর কোনো কিছু দেখবে, তখন আজান দাও।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الآدَمِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِيسَى، عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ:: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عن الغيلان؟ قال: هم سحرة الجن.
৩ - মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-আদামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা'ন বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারীর বিন হাজিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন উবায়দ বিন উমায়ের থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গীলান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: তারা হলো জিনের জাদুকর।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
مَسَاكِنُ الْجِنِّ وَطَعَامُهُمْ
জিনদের আবাসস্থল ও তাদের খাদ্য
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
4 - قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ عُبَيْدٍ: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ أَبِي السَّائِبِ الْقُرَشِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ قَالَ:: مَا مِنْ أَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ إِلا وَفِي سَقْفِ بَيْتِهِمْ مِنَ الْجِنِّ مِنَ المسلمين، إذا وضع غذائهم نَزَلُوا فَتَغَدَّوْا مَعَهُمْ، وَإِذَا وَضَعُوا عَشَاءَهُمْ نَزَلُوا فَتَعَشَّوْا مَعَهُمْ، يَدْفَعُ اللَّهُ بِهِمْ عَنْهُمْ.
৪ - আবু বকর ইবনে উবাইদ বলেছেন: হিশাম ইবনুল কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে আবিস সাইব আল-কুরায়শী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:: মুসলিমদের এমন কোনো পরিবার নেই যাদের ঘরের ছাদে মুসলিম জিনদের মধ্য হতে কেউ বসবাস করে না। যখন তাদের দুপুরের খাবার রাখা হয়, তারা নিচে নেমে আসে এবং তাদের সাথে দুপুরের খাবার খায়; আর যখন তারা রাতের খাবার রাখে, তারা নিচে নেমে আসে এবং তাদের সাথে রাতের খাবার খায়। আল্লাহ তাদের মাধ্যমে তাদের থেকে (ক্ষয়ক্ষতি) প্রতিহত করেন।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
فِرَاشُ إِبْلِيسَ لَعَنَهُ اللَّهُ
ইবলিসের বিছানা, আল্লাহ তাকে লানত করুন
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
5 - قَالَ الْقُرَشِيُّ: حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ قَالَ:: مَا مِنْ فِرَاشٍ يَكُونُ فِي بَيْتٍ مَفْرُوشًا لا يَنَامُ عَلَيْهِ أَحَدٌ إِلا نَامَ عَلَيْهِ الشَّيْطَانُ.
৫ - কুরাশী বলেছেন: আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাইল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়েস বিন আবি হাজিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:: ঘরে বিছানো অবস্থায় রয়েছে এমন কোনো বিছানা নেই যাতে কোনো মানুষ শয়ন করে না, বরং তাতে শয়তান শয়ন করে।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
مَنْعُ بَعْضِ الْجِنِّ بَعْضًا مِنَ التَّعَرُّضِ لِنِسَاءِ الإنس
একদল জিন কর্তৃক অন্য জিনকে মানব নারীদের উত্যক্ত করা থেকে বিরত রাখা
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
6 - قَالَ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْمَدِينِيُّ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَسَنٍ، حَدَّثَنِي إِبْرِاهِيمُ بْنُ هَارُونَ بْنِ مُوسَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِيَاسِ بْنِ الْبُكَيْرِ اللَّيْثِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ حَسَنِ بْنِ حَسَنٍ قَالَ:: دَخَلْتُ عَلَى الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوَّذِ بْنِ عَفْرَاءَ أَسْأَلُهَا عَنْ بَعْضِ الشَّيْءِ، فَقَالَتْ: بَيْنَمَا أَنَا فِي مَجْلِسِي إِذِ انْشَقَّ سَقْفُ بَيْتِي، فَهَبَطَ عَلَيَّ مِنْهُ أَسْوَدُ، مِثْلُ الْجَمَلِ، أَوْ مِثْلُ الْحِمَارِ، لَمْ أَرَ مِثْلَ سَوَادِهِ، وَخَلْقِهِ، وَفَظَاعَتِهِ، قَالَتْ: فَدَنَا مِنِّي يُرِيدُنِي، وَتَبِعَتْهُ صَحِيفَةٌ صَغِيرَةٌ فَفَتَحْتُهَا فَقَرَأْتُهَا فَإِذَا فِيهَا: مِنْ رَبِّ عكب إِلَى عكب، أَمَّا بَعْدُ فَلا سَبِيلَ لَكَ إِلَى الْمَرْأَةِ الصَّالِحَةِ بِنْتِ الصَّالِحِينَ.قَالَ: فَرَجَعَ مِنْ حَيْثُ جَاءَ، وَأَنَا أَنْظُرُ إِلَيْهِ، قَالَ حَسَنُ بْنُ حَسَنٍ: فَأَرَتْنِي الْكِتَابَ، وَكَانَ عِنْدَهُمْ.
৬ - কুরাশী বলেছেন, আবু সাঈদ আল-মাদিনী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন হাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন হারুন বিন মুসা বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াস বিন আল-বুকাইর আল-লাইসি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:: আমি রুবাই বিনতে মুআউবিয বিন আফরা-এর নিকট তাকে কিছু বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন: একদা আমি আমার বসার স্থানে ছিলাম, এমতাবস্থায় হঠাৎ আমার ঘরের ছাদ বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং সেখান থেকে উট বা গাধার ন্যায় বিশাল কৃষ্ণবর্ণের একটি আকৃতি আমার ওপর নেমে এল। আমি ইতিপূর্বে এমন কুচকুচে কালো বর্ণ, এমন দৈহিক গঠন এবং এমন ভয়াবহ আর কিছু দেখিনি। তিনি বললেন: সেটি আমার দিকে অগ্রসর হতে চাইল, এমতাবস্থায় একটি ছোট লিপি তাকে অনুসরণ করল। আমি সেটি খুললাম এবং পাঠ করলাম, তাতে লেখা ছিল: ‘উকুব’-এর রবের পক্ষ থেকে ‘উকুব’-এর প্রতি; অতঃপর কথা এই যে, পুণ্যবানদের কন্যা এই পুণ্যবতী মহিলার ওপর তোমার কোনো কর্তৃত্ব নেই।তিনি বলেন: অতঃপর সেটি যেখান থেকে এসেছিল সেখানেই ফিরে গেল এবং আমি সেটির দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হাসান বিন হাসান বলেন: অতঃপর তিনি আমাকে সেই লিপিটি দেখালেন, যা তাঁদের নিকট সংরক্ষিত ছিল।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
7 - حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرِاهِيمُ بْنُ صِرْمَةَ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ قَالَ:: لَمَّا حَضَرَتْ عَمْرَةَ بِنْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْوَفَاةُ اجْتَمَعَ عِنْدَهَا أُنَاسٌ مِنَ التَّابِعِينَ، فِيهِمْ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، وَالْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، فَبَيْنَا هُمْ عِنْدَهَا وَقَدْ أُغْمِيَ عَلَيْهَا، إِذْ سَمِعُوا نَقِيضًا مِنَ السَّقْفِ إذ ثُعْبَانٌ أَسْوَدُ قَدْ سَقَطَ كَأَنَّهُ جِذْعٌ عَظِيمٌ، فَأَقْبَلَ يَهْوِي نَحْوَهَا إِذْ سَقَطَ رِقٌّ أَبْيَضُ، مَكْتُوبٌ فِيهِ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، مِنْ رَبِّ عكب إِلَى عكب، لَيْسَ لَكَ عَلَى بَنَاتِ الصَّالِحِينَ سَبِيلٌ، فَلَمَّا نَظَرَ إِلَى الْكِتَابِ سَمَا حَتَّى خَرَجَ مِنْ حَيْثُ نَزَلَ.
৭ - আবু জাফর আল-কিন্দি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনে সিরমাহ আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:: যখন আমরাহ বিনতে আবদুর রহমানের অন্তিম সময় উপস্থিত হলো, তখন তাঁর নিকট একদল তাবেয়ি সমবেত হলেন, যাঁদের মধ্যে উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর, কাসিম ইবনে মুহাম্মদ এবং আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান ছিলেন। এমতাবস্থায় তাঁরা যখন তাঁর নিকট অবস্থান করছিলেন এবং তিনি সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিলেন, তখন তাঁরা ছাদ থেকে একটি মড়মড় শব্দ শুনতে পেলেন। হঠাৎ একটি কালো সাপ নিচে পড়ল যা দেখতে একটি বিশাল বৃক্ষকাণ্ডের ন্যায় ছিল। সেটি যখন তাঁর দিকে ধাবিত হচ্ছিল, তখন একটি সাদা পার্চমেন্ট নিচে পড়ল যাতে লেখা ছিল: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে; উকাবের রবের পক্ষ থেকে উকাবের প্রতি, পুণ্যবতী নারীদের ওপর তোমার কোনো আধিপত্য নেই। অতঃপর যখন সে (সাপটি) সেই লিপির দিকে তাকাল, তখন সে উপরে উঠে গেল এবং যেদিক দিয়ে নেমেছিল সেদিক দিয়েই প্রস্থান করল।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৮)
8 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ الْيَمَامِيُّ الْحَنَفِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ قَالَ:: كَانَتِ ابْنَةُ عَوْفِ بْنِ عَفْرَاءَ مُسْتَلْقِيَةً عَلَى فِرَاشِهَا، فَمَا شَعَرَتْ إِلا بِزِنْجِيٍّ قَدْ وَثَبَ عَلَى صَدْرِهَا، وَوَضَعَ يَدَهُ فِي حَلْقِهَا، فَإِذَا صَحِيفَةٌ صَفْرَاءُ تَهْوِي بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ حَتَّى وَقَعَتْ عَلَى صَدْرِي، فَأَخَذَهَا فَقَرَأَهَا فَإِذَا فِيهَا: مِنْ رَبِّ لكين إِلَى لكين: اجْتَنِبِ ابنة العبد الصالح، فإنه لاسبيل لَكَ عَلَيْهَا، فَقَامَ وَأَرْسَلَ بِيَدِهِ مِنْ حَلْقِي، وضرب بيده على ركبيت فستورمت حَتَّى صَارَتْ مِثْلَ رَأْسِ الشَّاةِ، قَالَتْ: فَأَتَيْتُ عَائِشَةَ رضي الله عنها فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهَا فقالت: يا ابنة أَخِي إِذَا خِفْتِ، فَاجْمَعِي عَلَيْكِ ثِيَابَكِ، فَإِنَّهُ لَنْ يَضُرَّكِ إِنْ شَاءَ اللَّهُ.قَالَ: فَحَفِظَهَا اللَّهُ بِأَبِيهَا فَإِنَّهُ كَانَ قُتِلَ يَوْمَ بَدْرٍ شهيدا.
৮ - মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা আমাকে বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে ইউনুস আল-ইয়ামামী আল-হানাফী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইকরিমাহ ইবনে আম্মার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:: আউফ ইবনে আফরা-এর কন্যা তার বিছানায় শুয়ে ছিলেন। তিনি হঠাৎ অনুভব করলেন যে জনৈক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি তার বুকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল এবং তার হাত তার কণ্ঠনালীতে রাখল। এমতাবস্থায় আসমান ও জমিনের মাঝখান থেকে একটি হলুদ লিপি পতিত হলো এবং তা আমার বুকের ওপর পড়ল। সে (জ্বিনটি) তা গ্রহণ করল এবং পাঠ করল; তাতে লেখা ছিল: "লাকিনের রবের পক্ষ হতে লাকিনের প্রতি: এই নেককার বান্দার কন্যাকে পরিহার করো, কেননা তার ওপর তোমার কোনো কর্তৃত্ব নেই।" এরপর সে উঠে দাঁড়াল এবং আমার কণ্ঠনালী থেকে তার হাত সরিয়ে নিল। সে তার হাত দিয়ে আমার হাঁটুতে আঘাত করল, ফলে তা ফুলে গেল এবং তা ছাগলের মাথার মতো হয়ে গেল। তিনি (আউফের কন্যা) বললেন: এরপর আমি আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট আসলাম এবং তাঁর কাছে বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: "হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্রী, যখন তুমি ভীত হও, তখন তোমার কাপড়গুলো নিজের গায়ে জড়িয়ে নিয়ো; ইনশাআল্লাহ সে তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।"তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আল্লাহ তাআলা তাকে তার পিতার কারণে রক্ষা করেছেন, কেননা তিনি বদরের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
العاصم مِنْ مَكَائِدِ الشَّيْطَانِ.
শয়তানের চক্রান্ত থেকে রক্ষাকারী
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
9 - حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْجَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ قَالَ:: قَدِمَ رَجُلانِ مِنْ أَشْجَعَ إِلَى عَرُوسٍ لَهُمَا، حَتَّى إِذَا كَانَا مِنْ نَاحِيَةِ كَذَا بِمَوْضِعٍ ذكره إذا امرأة قَالَتْ: مَا تُرِيدَانِ؟ قَالا: عَرُوسًا لَنَا نُجَهِّزُهَا، قَالَتْ: إِنَّ لِي بِأَمْرِهَا كُلِّهِ عِلْمًا فَإِذَا فَرَغْتُمَا فَمُرَّا عَلَيَّ.فَلَمَّا فَرَغَا مَرَّا عَلَيْهَا.قالت: فإني متبعتكما فحملاها على أحد بعيرهما، وَجَعَلا يَتَعَاقَبَانِ الآخَرَ حَتَّى أَتَوْا كَثِيبًا مِنَ الرَّمْلِ.فَقَالَتْ: إِنَّ لِي حَاجَةً فَأَنَاخَا بِهَا فَانْتَظَرَاهَا سَاعَةً فَأَبْطَأَتْ فَذَهَبَ أَحَدُهُمَا فِي أَثَرِهَا فَأَبْطَأَ.قَالَ: فَخَرَجْتُ أَطْلُبُهُ فَإِذَا أَنَا بِهَا عَلَى بَطْنِهِ تَأْكُلُ كَبِدَهُ.فَلَمَّا رَأَيْتُ ذَلِكَ رَجَعْتُ فَرَكِبْتُ وَأَخَذْتُ طَرِيقًا وَأَسْرَعْتُ فَاعَتَرَضَتْ لِي.فَقَالَتْ: لَقَدْ أَسْرَعْتَ.قُلْتُ: رَأَيْتُكَ أَبْطَأْتِ فَارْكَبِي فرأتني أزفر.فقالت: مالك؟ قُلْتُ: إِنَّ بَيْنَ أَيْدِينَا سُلْطَانًا ظَالِمًا جَائِرًا.قَالَتْ: أَفَلا أُخْبِرُكَ بِدُعَاءٍ إِنْ دَعَوْتَ بِهِ عَلَيْهِ أَهْلَكْتَهُ وَأَخَذَ لَكَ حَقَّكَ مِنْهُ؟ قُلْتُ: مَا هُوَ؟ قَالَتْ: قُلِ اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَمَا أَظَلَّتْ، وَرَبَّ الأَرْضِينَ وَمَا أَقَلَّتْ، وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا أَذْرَتْ، وَرَبَّ الشَّيَاطِينِ وَمَا أَضَلَّتْ، أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيعُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ، ذُو الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ، تَأْخُذُ لِلْمَظْلُومِ مِنَ الظَّالِمِ حَقَّهُ، فَخُذْ لِي حَقِّي مِنْ فُلانٍ فَإِنَّهُ ظَلَمَنِي.قُلْتُ: فَرَدِّدِيهَا عَلَيَّ فَجَعَلَتْ تُرَدِّدُهَا عَلَيَّ حَتَّى إِذَا أَحْصَاهَا دَعَا بِهَا عَلَيْهَا.قَالَ: اللَّهُمَّ إِنَّهَا ظَلَمَتْنِي، وَأَكَلَتْ أَخِي.قَالَ: فَنَزَلَتْ نَارٌ مِنَ السماء في سوأتها فَشَقَّتْهَا اثْنَتَيْنِ، فَوَقَعَتْ شِقَّةٌ هَهُنَا وَشِقَّةٌ هَهُنَا.قَالَ: وَهِيَ السَّعلي تَأْكُلُ النَّاسَ، وَأَمَّا الْغُولُ فمن الجن تبطل، وتلعب بالناس، وتضرط لاتزيد على ذلك.
৯ - আল-হাসান বিন আব্দুল আজিজ আল-জারাবী আমাকে বর্ণনা করেছেন, হারিস বিন মিসকীন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবন ওয়াহব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান বিন যাইদ বিন আসলাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:আশজা গোত্রের দুইজন লোক তাদের এক কনের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। পথিমধ্যে তারা যখন একটি নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাল যা তিনি উল্লেখ করেছেন, তখন এক নারী তাদের জিজ্ঞাসা করল: "তোমরা কী চাও?" তারা বলল: "আমাদের এক কনে, যাকে আমরা প্রস্তুত করছি।" সে বলল: "তার সমস্ত বিষয় সম্পর্কে আমার পূর্ণ জ্ঞান রয়েছে। যখন তোমাদের কাজ শেষ হবে, তখন আমার কাছে এসো।"যখন তারা কাজ শেষ করল, তখন তারা তার পাশ দিয়ে অতিক্রম করল।সে বলল: "আমি তোমাদের অনুগমন করব।" তখন তারা তাকে তাদের একটি উটের ওপর আরোহণ করাল এবং তারা অন্য উটটিতে পালাক্রমে সওয়ার হতে লাগল, যতক্ষণ না তারা একটি বালুস্তূপের কাছে পৌঁছাল।সে বলল: "আমার একটি প্রয়োজন রয়েছে।" তারা তার জন্য উটটি বসাল এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল। কিন্তু সে দেরি করল। তখন তাদের একজন তাকে খুঁজতে তার পেছনে গেল এবং সেও দেরি করতে লাগল।তিনি বলেন: আমি তাকে খুঁজতে বের হলাম এবং হঠাৎ দেখলাম সে তার (সাথীর) পেটের ওপর বসে তার কলিজা খাচ্ছে।যখন আমি এটি দেখলাম, আমি ফিরে আসলাম এবং উটে চড়ে দ্রুত পথ চলতে লাগলাম। তখন সে আমার সামনে এসে পথরোধ করল।সে বলল: "তুমি তো খুব দ্রুত চলছ।"আমি বললাম: "আমি দেখলাম তুমি দেরি করছ, তাই তুমি সওয়ার হও।" সে আমাকে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে দেখল।সে বলল: "তোমার কী হয়েছে?" আমি বললাম: "আমাদের সামনে একজন অত্যাচারী ও জালিম শাসক রয়েছে।"সে বলল: "আমি কি তোমাকে এমন এক দুআ শিখিয়ে দেব না, যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে দুআ করলে তুমি তাকে ধ্বংস করে দেবে এবং সে তোমার কাছ থেকে তোমার প্রাপ্য অধিকার আদায় করে দেবে?" আমি বললাম: "সেটি কী?" সে বলল: "বলো: হে আল্লাহ! আসমানসমূহের রব এবং তা যা কিছুকে ছায়া দেয়, জমিনসমূহের রব এবং তা যা কিছু বহন করে, বাতাসসমূহের রব এবং তা যা কিছু উড়িয়ে নিয়ে যায়, শয়তানদের রব এবং তারা যাদের পথভ্রষ্ট করে। আপনি পরম দাতা, আসমানসমূহ ও জমিনের অভিনব স্রষ্টা, মহিমা ও সম্মানের অধিকারী, আপনি অত্যাচারীর কাছ থেকে মজলুমের অধিকার আদায় করে দেন, সুতরাং অমুকের কাছ থেকে আমার অধিকার আদায় করে দিন, কারণ সে আমার ওপর জুলুম করেছে।"আমি বললাম: "এটি আমার কাছে পুনরায় বলো।" সে আমার কাছে এটি বারবার আওড়াতে লাগল যতক্ষণ না তিনি তা মুখস্থ করলেন এবং তার বিরুদ্ধেই সেই দুআ করলেন।তিনি বললেন: "হে আল্লাহ! সে আমার ওপর জুলুম করেছে এবং আমার ভাইকে খেয়ে ফেলেছে।"তিনি বলেন: তখন আকাশ থেকে তার লজ্জাস্থানে আগুন নেমে এল এবং তাকে দুই টুকরো করে দিল। এক টুকরো এখানে পড়ল আর এক টুকরো ওখানে পড়ল।তিনি বলেন: এটি হলো 'সি’লা' যারা মানুষকে খায়। আর 'গুল' হলো জিনের অন্তর্ভুক্ত যারা আত্মপ্রকাশ করে বিভ্রান্ত করে এবং মানুষের সাথে তামাশা করে ও শব্দ করে বায়ু ত্যাগ করে, এর বেশি কিছু করে না।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩০)
ماذا تَفْعَلُ عِنْدَ رُؤْيَةِ الْغِيلانِ.
ঘুল দেখার সময় আপনার করণীয়
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩০)
10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ:: أَمَرَنَا إِذَا رَأَيْنَا الْغُولَ أَنْ نُنَادِيَ بِالصَّلاةِ.
১০ - মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু শিহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:আমাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, যখন আমরা 'গুল' (বিপথগামী জিন) দেখতে পাই, তখন যেন আমরা সালাতের জন্য আহ্বান (আজান) করি।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
11 - قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ أَبِي فَاطِمَةَ الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ نُفَيْلٍ الْعجلِيُّ قَالَ:: كُنْتُ عِنْدَ عَنْبَسَةَ بْنِ سَعِيدٍ قَاضِي الرَّيِّ فَدَخَلَ عَلَيْهِ ثَعْلَبَةُ بْنُ سُهَيْلٍ فَقَالَ لَهُ عَنْبَسَةُ: مَا أَعْجَبُ مَا رَأَيْتَ؟ قَالَ: كنت أضع شرابا فِي السَّحَرِ، فَإِذَا جَاءَ السَّحَرُ جِئْتُ فَلَمْ أَجِدْ مِنْهُ شَيْئًا، فَوَضَعْتُ شَرَابًا وَقَرَأْتُ عَلَيْهِ يس، فَلَمَّا كَانَ السَّحَرُ جِئْتُهُ فَرَأَيْتُهُ عَلَى حَالِهِ، وَإِذَا الشَّيْطَانُ أَعْمَى يَدُورُ حَوْلَ الْبَيْتِ.
১১ - আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইদরিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা ইবনে আবি ফাতিমা আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া ইবনে নুফাইল আল-ইজলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:: আমি রাই শহরের বিচারক আনবাসা ইবনে সাঈদের নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় তাঁর নিকট সালাবা ইবনে সুহাইল প্রবেশ করলেন। তখন আনবাসা তাঁকে বললেন: আপনার দেখা সবচাইতে বিস্ময়কর বিষয় কী? তিনি বললেন: আমি শেষ রাতে পানীয় প্রস্তুত করে রাখতাম, কিন্তু যখন সাহরির সময় হতো এবং আমি আসতাম, তখন তার কিছুই পেতাম না। এরপর আমি পানীয় রাখলাম এবং তার ওপর সূরা ইয়াসিন পাঠ করলাম। অতঃপর যখন সাহরির সময় হলো, আমি এসে সেটি যথাবস্থায় দেখতে পেলাম এবং দেখলাম একটি শয়তান অন্ধ হয়ে ঘরের চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
آيَةُ الْكُرْسِيِّ تَعْصِمُ مِنَ الشَّيْطَانِ.
আয়াতুল কুরসি শয়তান থেকে রক্ষা করে.
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
12 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ إِبْرِاهِيمَ الْبَارُودِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ الْقَصَّارُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ قَالَ:: قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: إِنَّ الْغُولَ تَدْخُلُ عَلَيَّ مِنْ سَهْوَةٍ لِي؟ قَالَ: إِذَا رَأَيْتَهَا فَقُلْ: أَجِيبِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.فَقَالَ فَرَأَيْتُهَا فَأَخَذْتُهَا فَخَدَعَتْنِي، وَقَالَتْ: لا أَعُودُ فَخَلَّيْتُهَا فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم.فَقَالَ: مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ؟ فَقُلْتُ: أَخْلَيْتُهَا حَلَفَتْ لِي أَنْ لا تَعُودَ، فَقَالَ: كَذَبَتْ وَهِيَ مُعَاوِدَةٌ لِلْكَذِبِ.فَأَخَذَهَا مرة أخرى فحلفت أن لاتعود، فخليتها فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم.فَقَالَ: مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ؟ فَقُلْتُ: أَخَذْتُهَا فَحَلَفَتْ أَنْ لا تَعُودَ فَخَلَّيْتُهَا، قَالَ: كَذَبَتْ سَتَعُودُ.فَعَادَتْ فَأَخَذْتُهَا.فَقَالَتْ خَلِّ عَنِّي وَأُخْبِرُكَ بِشَيْءٍ إِذَا قُلْتَهُ لَمْ يَقْرَبْكَ شَيْطَانٌ فَخَلَّيْتُهَا.فَقَالَتِ: اقْرَأْ آيَةَ الْكُرْسِيِّ.قَالَ: فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ؟ فَأَخْبَرْتُهُ.فَقَالَ: صَدَقَتْ وَهِيَ كَذُوبٌ.
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন ইব্রাহিম আল-বারুদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন হিশাম আল-কাসসার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম: একটি ঘুল (জিন) আমার ছোট কামরায় প্রবেশ করে। তিনি বললেন: যখন তুমি তাকে দেখবে তখন বলবে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ডাকে সাড়া দাও।অতঃপর তিনি বললেন, আমি তাকে দেখলাম এবং পাকড়াও করলাম। তখন সে আমাকে ধোঁকা দিল এবং বলল: আমি আর আসব না। তাই আমি তাকে ছেড়ে দিলাম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম।তিনি বললেন: তোমার বন্দি কী করেছে? আমি বললাম: আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি, সে আমার নিকট কসম করেছে যে সে আর আসবে না। তিনি বললেন: সে মিথ্যা বলেছে এবং সে আবারও মিথ্যা বলতে আসবে।অতঃপর আমি তাকে আবারও পাকড়াও করলাম এবং সে কসম করল যে আর আসবে না, তাই আমি তাকে ছেড়ে দিলাম এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম।তিনি বললেন: তোমার বন্দি কী করেছে? আমি বললাম: আমি তাকে ধরেছিলাম, সে কসম করেছে যে আর আসবে না, তাই আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তিনি বললেন: সে মিথ্যা বলেছে, সে আবারও আসবে।অতঃপর সে আবারও আসল এবং আমি তাকে পাকড়াও করলাম।সে বলল, আমাকে ছেড়ে দিন এবং আমি আপনাকে এমন কিছু বলে দেব যা পাঠ করলে কোনো শয়তান আপনার নিকটবর্তী হবে না। তখন আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।সে বলল: আপনি আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন।তিনি বলেন: অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি বললেন: তোমার বন্দি কী করেছে? আমি তাঁকে বিষয়টি জানালাম।তিনি বললেন: সে সত্য বলেছে, যদিও সে চরম মিথ্যাবাদী।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩২)
13 - حَدَّثَنَا إِبْرِاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ أَبِي أُمِّي مَالِكِ بْنِ حَمْزَةَ بْنِ أَبِي أُسَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ أَبِي أُسَيْدٍ السَّاعِدِيِّ الْخَزْرَجِيِّ:: أَنَّهُ قَطَعَ ثَمَرَةَ حَائِطِهِ فَجَعَلَهُ فِي غُرْفَةٍ فَكَانَتِ الْغُولُ تُخَالِفُهُ إِلَى مَشْرَبَتِهِ، فَتَسْرِقُ ثَمَرَهُ وَتُفْسِدُ عَلَيْهِ، فَشَكَا ذَلِكَ إِلَى النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: تِلْكَ الْغُولُ فَاسْتَمِعْ مِنْهَا فَإِذَا سَمِعْتَ اقْتِحَامَهَا [قَالَ: يَعْنِي وَجْبَهَا فَقُلْ: بِاسْمِ الله أجيب رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَفَعَلَ.فقالت: ياأسيد إِنْ تُكَلِّفْنِي أَذْهَبُ إِلَى نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأُعْطِيكَ مَوْثِقًا مِنَ اللَّهِ تَعَالَى لا أُخَالِفُكَ إِلَى بَيْتِكَ، وَلا أَسْرِقُ ثَمَرَكَ، وَأَدُلُّكَ عَلَى آيَةٍ تَقْرَؤُهَا عَلَى بَيْتِكَ فَلا تُخَالِفُ أَهْلَكَ، وَتَقْرَؤُهَا عَلَى إِنَائِكَ فَلا يكشف غطاؤه.قال: فأعطته الْمَوْثِقَ الَّذِي رَضِيَ بِهِ مِنْهَا، وَقَالَ الآيَةَ التي قالت: أدلك على آيَةَ الْكُرْسِيِّ.ثُمَّ حَلَّتْ اسْتِهَا تَضْرُطُ.فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَصَّ عَلَيْهِ قصتها حين ولت وله ضَرِيطٌ.قَالَ: صَدَقَتْ وَهِيَ كَذُوبٌ.
১৩ - আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবন আব্দুল্লাহ আল-হারাউয়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবন উসমান ইবন ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার মাতামহ মালিক ইবন হামযাহ ইবন আবু উসাইদ থেকে শুনেছি, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আবু উসাইদ আস-সা'ইদি আল-খাযরাজি থেকে বর্ণনা করেছেন:: তিনি তাঁর বাগানের ফল সংগ্রহ করে একটি কক্ষে রাখলেন। তখন একটি ঘুল (জিন) গোপনে তাঁর ভাণ্ডারে প্রবেশ করত এবং তাঁর ফল চুরি করত ও তা নষ্ট করত। তিনি এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করলেন। তিনি বললেন: "সেটি হলো ঘুল। তুমি তার প্রতি লক্ষ্য রাখো। যখন তুমি তার প্রবেশের শব্দ শুনবে [তিনি বলেন: অর্থাৎ তার সজোরে পড়ার শব্দ], তখন বলবে: আল্লাহর নামে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ডাকে সাড়া দাও।" তিনি তাই করলেন।তখন সে বলল: "হে উসাইদ, আপনি যদি আমাকে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে যাওয়ার কষ্ট না দেন, তবে আমি আপনাকে আল্লাহর নামে এই মর্মে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আমি আর কখনও আপনার ঘরে আসব না এবং আপনার ফল চুরি করব না। আর আমি আপনাকে এমন একটি আয়াতের কথা বলে দেব যা আপনি আপনার ঘরের ওপর পাঠ করলে আপনার পরিবারের কোনো অনিষ্ট হবে না এবং আপনার পাত্রের ওপর পাঠ করলে তার ঢাকনা খোলা হবে না।"তিনি বলেন: এরপর সে তাঁকে এমন প্রতিশ্রুতি দিল যাতে তিনি সন্তুষ্ট হলেন। আর সে যে আয়াতের কথা বলেছিল তা হলো: "আমি আপনাকে আয়াতুল কুরসি শিখিয়ে দিচ্ছি।"এরপর সে সশব্দে বায়ু ত্যাগ করতে করতে প্রস্থান করল।অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং তার প্রস্থানকালে বায়ু ত্যাগের শব্দসহ পুরো ঘটনাটি তাঁর নিকট বর্ণনা করলেন।তিনি বললেন: "সে সত্য বলেছে, যদিও সে চরম মিথ্যাবাদী।"
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
14 - قَالَ أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ الْحُبَابِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَالِدٍ الْحَنَفِيُّ مِنْ أَهْلِ مَرْوَ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ الأَسْلَمِيُّ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ الدُّؤَلِيِّ قَالَ:: قُلْتُ لِمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ: أَخْبِرْنِي عَنْ قِصَّةِ الشَّيْطَانِ حِينَ أَخَذْتَهُ فَقَالَ: جَعَلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى صَدَقَةِ الْمُسْلِمِينَ فَجَعَلْتُ التَّمْرَ فِي غُرْفَةٍ.قَالَ: فَوَجَدْتُ فِيهِ نقاصا، فَأَخْبَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ، فَقَالَ: هَذَا الشَّيْطَانُ يَأْخُذُهُ.فَدَخَلْتُ الْغُرْفَةَ وَأَغْلَقْتُ الْبَابَ فَجَاءَتْ ظُلْمَةٌ عَظِيمَةٌ فَغَشِيَتِ الْبَابَ، ثُمَّ تُصُوِّرَ فِي صُورَةٍ، ثُمَّ تُصُوِّرَ فِي صُورَةٍ أُخْرَى فَدَخَلَ مِنْ شِقِّ الْبَابِ فَشَدَدْتُ إِزَارِي عَلَيَّ، فَجَعَلَ يَأْكُلُ مِنَ التَّمْرِ فَوَثَبْتُ عَلَيْهِ فَضَبَطْتُهُ فَالْتَفَّتْ يَدَايَ عَلَيْهِ، فَقُلْتُ: يَا عَدُوَّ اللَّهِ.فَقَالَ: خَلِّ عَنِّي، فَإِنِّي كَبِيرٌ، ذُو عِيَالٍ وَأَنَا فَقِيرٌ، وَأَنَا مِنْ جِنِّ نَصِيبِينَ، وَكَانَتْ لَنَا هَذِهِ الْقَرْيَةُ قَبْلَ أَنْ يُبْعَثَ صَاحِبُكُمْ، فَلَمَّا بُعِثَ أُخْرِجْنَا مِنْهَا فَخَلِّ عَنِّي، فَلَنْ أَعُودَ إِلَيْكَ فَخَلَّيْتُهُ، وَجَاءَ جِبْرِيلُ عليه السلام فَأَخْبَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَا كَانَ، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ فَنَادَى مُنَادِيهِ: أين معاذ بن جبل؟ فقمت إليه، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ؟ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ: أَمَا إِنَّهُ سَيَعُودُ فَعُدْ، قَالَ: فَدَخَلْتُ الْغُرْفَةَ، وَأَغْلَقْتُ عَلَيَّ الْبَابَ، فَجَاءَ فَدَخَل مِنْ شِقِّ الْبَابِ، فَجَعَلَ يَأْكُلُ مِنَ التَّمْرِ، فَصَنَعْتُ بِهِ كَمَا صَنَعْتُ فِي الْمَرَّةِ الأُولَى فَقَالَ: خَلِّ عَنِّي، فَإِنِّي لَنْ أَعُودَ إِلَيْكَ.فَقُلْتُ: يَا عَدُوَّ اللَّهِ أَلَمْ تَقُلْ: إِنَّكَ لَنْ تَعُودَ؟ قَالَ: فَإِنِّي لَنْ أَعُودَ وَآيَةُ ذَلِكَ: أَنَّهُ لا يَقْرَأُ أَحَدٌ مِنْكُمْ خَاتِمَةَ الْبَقَرَةِ، فَيَدْخُلُ أَحَدٌ مِنَّا فِي بَيْتِهِ تِلْكَ اللَّيْلَةَ.
১৪ - আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি যায়েদ বিন আল-হুবাব থেকে, তিনি বলেন, আমার নিকট মার্ভের অধিবাসী আব্দুল মুমিন বিন খালিদ আল-হানাফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদাহ আল-আসলামি বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:: আমি মুয়াজ বিন জাবালকে বললাম: শয়তানকে ধরার সেই ঘটনাটি আমাকে বলুন। তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে মুসলিমদের সাদাকার দায়িত্বে নিয়োজিত করেছিলেন, তখন আমি খেজুরগুলো একটি কক্ষে রাখতাম।তিনি বললেন: আমি সেখানে কিছু ঘাটতি দেখতে পেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তা জানালাম। তিনি বললেন: এটি শয়তান, সে-ই তা নিচ্ছে।অতঃপর আমি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দিলাম। তখন এক বিশাল অন্ধকার আসল এবং দরজাকে আচ্ছন্ন করে ফেলল। এরপর সে একটি রূপ ধারণ করল, তারপর অন্য একটি রূপ ধারণ করল এবং দরজার ফাটল দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করল। আমি আমার লুঙ্গি শক্ত করে বাঁধলাম। সে খেজুর খেতে শুরু করল। তখন আমি তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম এবং তাকে জাপটে ধরলাম, আমার দুই হাত তাকে পেঁচিয়ে ধরল। আমি বললাম: হে আল্লাহর শত্রু!সে বলল: আমাকে ছেড়ে দিন, আমি বৃদ্ধ, পরিবার-পরিজন আছে এবং আমি অভাবী। আমি নাসিবিনের জিনদের অন্তর্ভুক্ত। তোমাদের এই সাথী (রাসূল) প্রেরিত হওয়ার আগে এই জনপদটি আমাদেরই ছিল। যখন তিনি প্রেরিত হলেন, আমাদের এখান থেকে বের করে দেওয়া হল। সুতরাং আমাকে ছেড়ে দিন, আমি আর আপনার কাছে আসব না। তখন আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। এদিকে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যা ঘটেছে তা জানিয়ে দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফজরের সালাত আদায় করলেন, তখন তাঁর ঘোষক ঘোষণা দিল: মুয়াজ বিন জাবাল কোথায়? আমি তাঁর দিকে উঠে দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমার বন্দীর কী খবর? আমি তাঁকে সব জানালাম। তিনি বললেন: সাবধান, সে আবারও ফিরে আসবে, তাই তুমিও ফিরে যাও। তিনি (মুয়াজ) বললেন: আমি কক্ষে প্রবেশ করলাম এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলাম। সে আসল এবং দরজার ফাটল দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করল। এরপর সে খেজুর খেতে শুরু করল। আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করলাম যা প্রথমবার করেছিলাম। সে বলল: আমাকে ছেড়ে দিন, আমি আর আপনার কাছে আসব না।আমি বললাম: হে আল্লাহর শত্রু! তুমি কি বলনি যে তুমি আর আসবে না? সে বলল: আমি আর আসব না। আর এর নিদর্শন হলো: তোমাদের কেউ যদি সূরা বাকারার শেষ অংশ পাঠ করে, তবে সেই রাতে আমাদের মধ্য থেকে কেউ তার ঘরে প্রবেশ করবে না।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
15 - قَالَ أَبُو بَكْرٍ الْقُرَشِيُّ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ:: خَرَجَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ إِلَى حَائِطٍ لَهُ فَسَمِعَ فِيهِ جَلَبَةً فَقَالَ: مَا هَذَا؟ قَالَ رَجُلٌ مِنَ الْجِنِّ: أَصَابَتْنَا السَّنَةُ فَأَرَدْنَا أَنْ نُصِيبَ مِنْ ثِمَارِكُمْ أَفَتَطِيبُونَهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، ثُمَّ خَرَجَ الليلة التالية، فسمع فيه أيضا جَلَبَةً، فَقَالَ: مَا هَذَا؟ قَالَ: رَجُلٌ مِنَ الْجِنِّ أَصَابَتْنَا السَّنَةُ فَأَرَدْنَا أَنْ نُصِيبَ مِنْ ثِمَارِكُمْ أَفَتَطِيبُونَهُ؟ قَالَ: نَعَمْ، فَقَالَ لَهُ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ: أَلا تُخْبِرُنِي مَا الَّذِي يُعِيذُنَا منكم؟ قال: آية الكرسي.
১৫ - আবু বকর আল-কুরাশী বলেন: ইসহাক ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ থেকে বর্ণিত, আবু ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:: যায়েদ ইবনে সাবিত তার একটি বাগানে বের হলেন এবং সেখানে শোরগোল শুনতে পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এটি কী? জিনের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল: আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছি, তাই আমরা আপনার ফল থেকে কিছু অংশ গ্রহণ করতে চেয়েছিলাম; আপনি কি তা আমাদের জন্য বৈধ করবেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি পরবর্তী রাতে বের হলেন এবং সেখানে পুনরায় শোরগোল শুনতে পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এটি কী? সে বলল: জিনের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি; আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছি, তাই আমরা আপনার ফল থেকে কিছু অংশ গ্রহণ করতে চেয়েছিলাম; আপনি কি তা আমাদের জন্য বৈধ করবেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর যায়েদ ইবনে সাবিত তাকে বললেন: আপনি কি আমাকে বলবেন না যে, কোনটি আমাদেরকে আপনাদের থেকে রক্ষা করবে? সে বলল: আয়াতুল কুরসি।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
آيَةُ الْكُرْسِيِّ دَوَاءٌ لِلْمَرْضَى
আয়াতুল কুরসি অসুস্থদের জন্য আরোগ্য
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
16 - وَحَدَّثَنَا إِبْرِاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بن عثمان اللاحقي، حدثتني عُبَيْدَةُ بِنْتُ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنِ الْوَلِيدِ أَبِيهَا: أَنَّ رَجُلا أَتَى شَجَرَةً أَوْ نَخْلَةً فَسَمِعَ فِيهَا حَرَكَةً فَتَكَلَّمَ فَلَمْ يُجَبْ، فَقَرَأَ آيَةَ الْكُرْسِيِّ، فَنَزَلَ إِلَيْهِ فَقَالَ: إِنَّ لَنَا مَرِيضًا فَبِمَ تُدَاوِيهِ؟ قَالَ: بِالَّذِي أَنْزَلْتَنِي بِهِ من الشجرة.
১৬ - এবং ইব্রাহীম ইবনে সাঈদ আল-জাওহারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে উসমান আল-লাহিকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবাইদাহ বিনতে আল-ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা আল-ওয়ালীদ থেকে বর্ণনা করেন: যে এক ব্যক্তি একটি গাছ অথবা একটি খেজুর গাছের নিকট আসলেন এবং তাতে কোনো নড়াচড়া শুনতে পেলেন। তিনি কথা বললেন কিন্তু কোনো উত্তর দেওয়া হলো না। অতঃপর তিনি আয়াতুল কুরসী পাঠ করলেন। তখন (সেখান থেকে কেউ একজন) তাঁর নিকট নেমে আসল এবং বলল: আমাদের একজন অসুস্থ ব্যক্তি আছে, আপনি তাকে কী দিয়ে চিকিৎসা করবেন? তিনি বললেন: যা দিয়ে আপনি আমাকে গাছ থেকে নিচে নামিয়েছেন (অর্থাৎ আয়াতুল কুরসী) তা দিয়ে।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
17 - قَالَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، حُدِّثْتُ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرِاهِيمَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُنِيبٍ، عَنِ السَّرِيِّ بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِي الْمُنْذِرِ قَالَ:: حَجَجْنَا فَنَزَلْنَا فِي أَصْلِ جَبَلٍ عَظِيمٍ، فَزَعَمَ النَّاسُ أَنَّ الْجِنَّ تَسْكُنُهُ فَإِذَا شَيْخٌ قَدْ أَقْبَلَ مِنَ الماء فقلت: يَا أَبَا شُمَيْرٍ مَا تَذْكُرُونَ مِنْ جَبَلِكُمْ هَذَا؟ هَلْ رَأَيْتَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا قَطُّ؟ قَالَ: نَعَمْ أَخَذْتُ يَوْمًا قَوْسًا لِي وَأَسْهُمًا فَصَعِدْتُ الْجَبَلَ عَلَى وَجَلٍ فَابْتَنَيْتُ بَيْتًا مِنْ شَجَرَةٍ عِنْدَ عَيْنِ مَاءٍ، فَمَكَثْتُ فِيهِ فَإِذَا الأَرْوَى قَدْ أَقْبَلَتْ، نزيل لا تَخَافُ شَيْئًا فَشَرِبَتْ مِنْ تِلْكَ الْعَيْنِ وَرَبَضَتْ حَوْلَهَا، فَرَمَيْتُ كَبْشًا مِنْهَا فَمَا أَخْطَأْتُ قَلْبَهُ، فَصَاحَ صَائِحٌ فَمَا بَقِيَ فِي الْجَبَلِ شَيْءٌ إِلا ذَهَبَ يَعْدُو عَلَى خَيَالِهِ وَقَدْ أُخِيفَ وَعِيرًا أَوْرَدَهَا حَبْسُ الطَّيْرِ عَلَى أَبِي شُمَيْرٍ فَوَقَّ لَهُ سَهْمًا مِثْلَ السَّيْرِ أَبْيَضَ بَرَّاقَ الْعَيْنِ فَقِيلَ ابْنُ الأُصْبُعِ.فَقَالَ لَهُ قَائِلٌ: وَيْلَكَ أَلا تَقْتُلُهُ.قَالَ: وَيْلَكَ لا أَسْتَطِيعُ.قَالَ: وَيْلَكَ لِمَ؟ قَالَ: لأَنَّهُ تَعَوَّذَ بِاللَّهِ حِينَ أَسْنَدَ إِلَى الْجَبَلِ.فَلَمَّا سَمِعَتْ ذَلِكَ اطْمَأَنَّتْ.
১৭ - ইবনে আবিদ দুনিয়া বলেন, আমাকে ইসহাক বিন ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করা হয়েছে, মুহাম্মদ বিন মুনিব আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আস-সারী বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবুল মুনযির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:: আমরা হজ্জ পালন করতে গেলাম এবং একটি বিশাল পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান নিলাম। লোকেরা ধারণা করত যে সেখানে জিনরা বসবাস করে। এমতাবস্থায় পানির দিক থেকে একজন বৃদ্ধ লোক এগিয়ে এলেন। আমি বললাম: হে আবু শুমায়র, আপনারা আপনাদের এই পাহাড় সম্পর্কে কী আলোচনা করেন? আপনি কি কখনো তেমন কিছু দেখেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, একদিন আমি আমার একটি ধনুক ও কিছু তীর নিলাম এবং ভয়ের সাথে পাহাড়ে আরোহণ করলাম। একটি পানির ঝরনার কাছে গাছের ডালপালা দিয়ে একটি ঘর তৈরি করলাম এবং সেখানে অবস্থান করতে লাগলাম। হঠাৎ বুনো ছাগলের পাল এগিয়ে এল; তারা নির্ভয়ে অবতরণ করল এবং সেই ঝরনা থেকে পানি পান করে তার চারপাশে বিশ্রাম নিতে লাগল। আমি তাদের মধ্য থেকে একটি মদ্দা ছাগলকে লক্ষ্য করে তীর ছুড়লাম এবং সেটি সরাসরি তার হৃদপিণ্ডে বিদ্ধ হলো। তখন এক চিৎকারকারী চিৎকার করে উঠল, ফলে পাহাড়ে যা কিছু ছিল সব ভয়ে পালাতে লাগল। আবু শুমায়রের দিকে একটি বন্য গাধা পাঠানো হলো যাকে পাখিরা ঘিরে রেখেছিল, সে তার দিকে চামড়ার ফিতার মতো একটি তীর তাক করল, যার চোখ ছিল সাদা ও উজ্জ্বল। তখন বলা হলো, ইবনুল উসবু (আঙুলের পুত্র)।অতঃপর তাকে একজন প্রশ্নকারী বলল: তোমার ধ্বংস হোক! তুমি তাকে হত্যা করছ না কেন?সে বলল: তোমার ধ্বংস হোক! আমি তা করতে পারছি না।সে বলল: তোমার ধ্বংস হোক! কেন? সে বলল: কারণ সে যখন পাহাড়ের সাথে হেলান দিয়েছিল, তখন সে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেছিল।যখন তারা তা শুনল, তখন আশ্বস্ত হলো।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৪০)
مِنْ آثَارِ الْقُرْآنِ عَلَى الشَّيْطَانِ
শয়তানের ওপর কুরআনের প্রভাবসমূহ
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৪০)
18 - قَالَ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ الْبَجَلِيُّ وَحَاتِمُ بْنُ أَبِي حَوْثَرَةَ، عَنِ ابْنِ لَهِيعَةَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ الْحَجَّاجِ قَالَ:: قَالَ شَيْطَانِي: دَخَلْتُ فيك وأنا مثل الجذور، وَأَنَا فِيكَ الْيَوْمَ مِثْلُ الْعُصْفُورِ.قَالَ: قُلْتُ: وَلِمَ ذَاكَ؟ قَالَ: تُذِيبُنِي بِكِتَابِ اللَّهِ عز وجل.
১৮ - ইবনুল আবিদ দুনইয়া বলেন, মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে ইসহাক আল-বাজালি এবং হাতিম ইবনে আবি হাওসারা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহিয়াহ থেকে, কায়েস ইবনুল হাজ্জাজ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:: আমার শয়তান (সহচর জিন) বলল: আমি যখন তোমার মধ্যে প্রবেশ করেছিলাম তখন আমি শিকড়ের মতো (মজবুত) ছিলাম, আর আজ আমি তোমার মধ্যে চড়ুই পাখির মতো (ক্ষুদ্র ও দুর্বল) হয়ে গেছি।তিনি বলেন: আমি জিজ্ঞাসা করলাম: তা কেন? সে বলল: তুমি মহান আল্লাহর কিতাব পাঠের মাধ্যমে আমাকে গলিয়ে দিচ্ছ।
(খণ্ড: ১)
মাকায়িদুশ শাইতান
(পৃষ্ঠা: ৪১)
شَيْطَانُ الْمُؤْمِنِ مَهْزُولٌ
মুমিনের শয়তান জীর্ণ-শীর্ণ