(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: -)
الحث على التجارة - من «الجامع» للخلال - ت العوضي القسم: كتب السنة
الكتاب: الحث على التجارة والصناعة والعمل، والإنكار على من يدعي التوكل في ترك العمل والحجة عليهم في ذلك
المؤلف: أبو بكر أحمد بن محمد بن هارون الخلّال
المحقق: د. فواز محمد العوضي
الناشر: بدون ناشر (على نفقة المحقق)
بلد النشر: الكويت
الطبعة: الأولى، 1443 هـ - 2022 م
عدد الصفحات: 60
[ترقيم صفحات الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 رمضان 1443
ব্যবসায়ে উদ্বুদ্ধকরণ - আল-খাল্লাল রচিত «আল-জামি» হতে - তাহকিক: আল-আওয়াদী বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: ব্যবসা, শিল্প ও কর্মে উদ্বুদ্ধকরণ; এবং যারা কর্ম ত্যাগ করে তাওয়াক্কুলের দাবি করে তাদের প্রতিবাদ ও তাদের বিরুদ্ধে দলিল পেশ
লেখক: আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হারুন আল-খাল্লাল
গবেষক: ড. ফাওয়াজ মুহাম্মদ আল-আওয়াদী
প্রকাশক: কোনো নির্দিষ্ট প্রকাশক নেই (গবেষকের নিজস্ব অর্থায়নে)
প্রকাশের দেশ: কুয়েত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪৩ হিজরি - ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬০
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৪ রমজান ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١)
كتاب الحث على التجارة والصناعة والعملوالإنكار على من يدّعي التوكل في ترك العملوالحجة عليهم في ذلك تصنيف أبي بكر أحمد بن محمد بن هارون الخلال رحمه الله
من مسائل الإمام المبجل أبي عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل رضي الله عنه وأرضاه
(234 - 311 هـ)
اعتنى به
فواز محمد العوضي
ব্যবসা, শিল্প ও কর্মে উৎসাহ প্রদানএবং যারা কর্ম ত্যাগ করে তাওয়াক্কুলের দাবি করে তাদের প্রতিবাদএবং এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপনের কিতাবআবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-খাল্লাল (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক সংকলিত
সম্মানিত ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর মাসআলাসমূহ হতে সংগৃহীত
(২৩৪ - ৩১১ হিজরি)
সম্পাদনায়
ফাওয়াজ মুহাম্মদ আল-আওয়াদি
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢)
حقوق الطبع محفوظة
الطبعة الأولى
14 رجب 1443 هـ
15/ 2/ 2022
للتواصل: fmd 1430@gmail.com
ردمك:
ISBN: 978 - 9921 - 0 - 2135 - 6
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪ রজব ১৪৪৩ হিজরি
১৫/ ০২/ ২০২২
যোগাযোগের জন্য: fmd 1430@gmail.com
আইএসবিএন:
আইএসবিএন: ৯৭৮ - ৯৯২১ - ০ - ২১৩৫ - ৬
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين، وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
وبعد ..
فهذا كتاب الخلال رحمه الله تعالى ذكر فيه الأحاديث والآثار عن الصحابة رضي الله عنهم والتابعين ومن جاء بعدهم فيما يتعلق بالحث على كسب الرزق والنهي عن سؤال الناس، وردّ فيه على المتصوفة والمتزهدة والمتعبدة الذين انحرفوا عن هدي النبي صلى الله عليه وسلم وهدي الصحابة رضي الله عنهم في فهم حقيقة ما بعث الله به نبيه صلى الله عليه وسلم في حثه على الكسب وطلب الرزق، وتحذيره من سؤال الناس.
وقد بايع النبي صلى الله عليه وسلم الصحابة رضي الله عنهم على أن لايسألوا الناس شيئًا
(1) وما من نبي من الأنبياء إلا ويقول لقومه: {وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَى رَبِّ الْعَالَمِينَ} [الشعراء: 145]، فلا يطلبون من الناس أجورًا وأموالًا بل يطلبون منهم الاهتداء.
وقد انحرف في هذا الفهم طوائف، منهم من سلك سبيل أكل أموال الناس بالباطل في صورة التبرعات والصدقات، كما قال الله تعالى: {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ كَثِيرًا مِنَ الْأَحْبَارِ وَالرُّهْبَانِ لَيَأْكُلُونَ أَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ} [التوبة: 34]، قال شيخ الإسلام
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর।
অতঃপর...
এটি আল-খাল্লাল (রাহিমাহুল্লাহ)-এর একটি গ্রন্থ, যেখানে তিনি রিযিক অন্বেষণে উৎসাহ প্রদান এবং মানুষের কাছে হাত পাতা বা যাঞ্চা করার নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সাহাবী (রাযিয়াল্লাহু আনহুম), তাবিঈ এবং তাঁদের পরবর্তীগণের হাদীস ও আছারসমূহ (বর্ণনা) উল্লেখ করেছেন। এতে তিনি ঐসব সুফি, সংসারবিরাগী ও ইবাদতগুজারদের প্রতিবাদ করেছেন যারা উপার্জন ও রিযিক অন্বেষণে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উৎসাহ প্রদান এবং মানুষের কাছে হাত পাতার ব্যাপারে তাঁর সতর্কবাণীর প্রকৃত মর্ম অনুধাবনের ক্ষেত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও সাহাবী (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে।
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে এই মর্মে বাইআত গ্রহণ করেছিলেন যে, তাঁরা মানুষের কাছে কোনো কিছু চাইবেন না
(১) এবং এমন কোনো নবী নেই যিনি তাঁর কওমকে বলেননি যে: {আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো প্রতিদান চাই না; আমার প্রতিদান তো কেবল বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট আছে} [আশ-শুআরা: ১৪৫]। সুতরাং তাঁরা মানুষের কাছে কোনো প্রতিদান বা ধন-সম্পদ চাইতেন না, বরং তাঁরা চাইতেন মানুষ যেন হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়।
এই বুঝের ক্ষেত্রে অনেক দল বিচ্যুত হয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ অনুদান ও সদকার আবরণে মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করার পথ বেছে নিয়েছে, যেমনটি মহান আল্লাহ বলেছেন: {হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই অনেক আহবার (ধর্মীয় পণ্ডিত) ও রাহিব (সংসারবিরাগী সন্ন্যাসী) মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে এবং আল্লাহর পথ থেকে বিমুখ করে} [আত-তাওবাহ: ৩৪]। শাইখুল ইসলাম বলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٤)
ابن تيمية رحمه الله في تفسير هذه الآية: وبهذا يتبيَّن أن كثيرًا من الأحبار والرهبان والعلماء والعُبَّاد يأكلون أموالَ الناسِ بالباطل، ويَصدُّون عن سبيل الله، وأن العالم الذي يعتقد الاعتقادَ في المسائل الخبرية والعلمية والعابد الذي يتعبَّدُ لنفسه إن لم يَسلُكا السبيلَ المشروعة وإلّا كان كلٌّ منهما متبعًا لهواه
(1).
ولهذا قال سفيان بن عيينة: كانوا يقولون من فسد من علمائنا ففيه شبه من اليهود، ومن فسد من عبادنا ففيه شبه من النصارى
(2).
ولذا تجد كثيرًا من هذه الجماعات الحركية الإسلامية السياسية يتنافسون في جمع الصدقات، وقد أفتوا بفتاوى باطلة، فمنهم من يُجيز الاستثمار في الزكاة، ومنهم من يجيز دفع الزكاة للانتخابات، ومنهم من يجيز بناء المساجد والمدارس بأموال الزكاة، وهناك من العلماء من ينتظر نسبته المالية من جمع الصدقات.
ومن تلك الطوائف أناس سلكوا مسلك طلب العلم وتركوا طلب الرزق ظنًا منهم بأن طلب الرزق يعارض طلب العلم، أو فيه تنقص في وصف طالب العلم، أو يعتقدون أن لهم حق في أموال الناس، فينتظرون من يتصدق عليهم.
وهؤلاء أشبه بالعُبّاد المتصوفة، فمن نظر إلى حال الصحابة رضي الله عنهم عرف بطلان ما عليه هؤلاء.
--------------------------------------------
ইবনে তাইমিয়াহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) এই আয়াতের তাফসীরে বলেন: এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে, অনেক ধর্মযাজক, সন্ন্যাসী, আলেম এবং ইবাদতকারী মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে এবং আল্লাহর পথ থেকে বাধা প্রদান করে। সংবাদ সংক্রান্ত ও ইলমী মাসআলাসমূহে বিশ্বাস পোষণকারী আলেম এবং নিজ আত্মিক উন্নতির জন্য ইবাদতকারী ব্যক্তি যদি শরীয়তসম্মত পথ অবলম্বন না করে, তবে তারা প্রত্যেকেই নিজ প্রবৃত্তির অনুসারী হিসেবে গণ্য হবে
(১).
এই কারণেই সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না বলেছেন: তারা বলতেন, আমাদের আলেমদের মধ্যে যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে তাদের মধ্যে ইহুদিদের সাদৃশ্য রয়েছে, আর আমাদের ইবাদতকারীদের মধ্যে যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে তাদের মধ্যে খ্রিস্টানদের সাদৃশ্য রয়েছে
(২).
এই কারণে আপনি এই সমস্ত রাজনৈতিক ইসলামি আন্দোলনভিত্তিক দলগুলোর অনেককে সাদাকা বা দান সংগ্রহে প্রতিযোগিতা করতে দেখবেন। তারা বিভিন্ন বাতিল ফতোয়া প্রদান করেছে; তাদের কেউ কেউ জাকাতের অর্থ বিনিয়োগ করা বৈধ মনে করে, কেউ নির্বাচনের কাজে জাকাত প্রদান বৈধ বলে, আবার কেউ জাকাতের টাকা দিয়ে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ করা জায়েজ মনে করে। এমনকি কিছু আলেম এমনও আছেন যারা সংগৃহীত সাদাকা থেকে তাদের নিজস্ব আর্থিক লভ্যাংশের অপেক্ষায় থাকেন।
ঐ সকল দলের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা ইলম অন্বেষণের পথ বেছে নিয়েছে এবং জীবিকা অন্বেষণ ত্যাগ করেছে এই ধারণায় যে, জীবিকা অন্বেষণ ইলম অন্বেষণের পরিপন্থী, অথবা এটি একজন ইলম অন্বেষণকারীর মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে। অথবা তারা মনে করে যে মানুষের সম্পদে তাদের অধিকার রয়েছে, ফলে তারা কেউ তাদের দান করবে সেই অপেক্ষায় থাকে।
এরা সুফি ইবাদতকারীদের সদৃশ। সুতরাং যে ব্যক্তি সাহাবায়ে কেরামের (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হন) অবস্থার দিকে তাকাবে, সে এদের এই অবস্থানের অসারতা বুঝতে পারবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٥)
فهذا المحدث الملهم أمير المؤمنين عمر بن الخطاب رضي الله عنه يتناوب هو والأنصاري في طلب الرزق
(1).
وهذا عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه وهو أحد العشرة المبشرين بالجنة يقول: دلوني على السوق
(2).
فمن أخذ بسنن النبي صلى الله عليه وسلم واهتدى بهدي الصحابة رضي الله عنهم في طلب الرزق والتجارة أغناه الله تعالى عمّا في أيدي الناس.
ولشيخنا محمد العنجري حفظه الله ووفقه إلى كل خير جهود كبيرة في إبراز هذا الموضوع، وله شرحٌ على هذه الرسالة.
فنسأل الله تعالى أن يُغنينا بحلاله عن حرامه وبفضله عمن سواه، وأن يُبصّرنا أمر ديننا، ويهدينا إلى صراطه المستقيم.
وصف النسخ الخطية:
الأولى: نسخة واضحة ضمن مجموع من المكتبة الظاهرية برقم (3854) أوراقها (25 - 40) برواية موفق الدين ابن قدامة المقدسي سُمعت منه سنة 614 هـ وهي من أصح النسخ، وعليها سماعات كثيرة، وهي نسخة كاملة، فكان الاعتماد عليها. ولدى وزارة الأوقاف الكويتية صورة منها برقم (69447/ 7) ورمزتها بالأصل.
--------------------------------------------
এই হলেন সেই ইলহামপ্রাপ্ত মুহাদ্দিস আমিরুল মুমিনীন উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যিনি এবং একজন আনসারী সাহাবী পালাক্রমে রিযিকের সন্ধানে যেতেন
(১)।
আর এই হলেন জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজনের অন্যতম আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যিনি বলেছিলেন: আমাকে বাজারের পথ দেখিয়ে দাও
(২)।
সুতরাং যে ব্যক্তি রিযিক অন্বেষণ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতসমূহ গ্রহণ করবে এবং সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) হেদায়েতের পথ অনুসরণ করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে মানুষের নিকট যা আছে তা থেকে অমুখাপেক্ষী করে দেবেন।
আমাদের শাইখ মুহাম্মদ আল-আনজারী (হাফিযাহুল্লাহ ও আল্লাহ তাঁকে সকল কল্যাণের তাওফীক দান করুন)-এর এই বিষয়টি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশাল প্রচেষ্টা রয়েছে এবং এই রিসালাহ (পুস্তিকা)-টির ওপর তাঁর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থও রয়েছে।
আমরা আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করি যে, তিনি যেন আমাদের তাঁর হারামের পরিবর্তে তাঁর হালাল দ্বারা এবং তিনি ব্যতীত অন্য সবার থেকে তাঁর অনুগ্রহ দ্বারা অমুখাপেক্ষী করে দেন। আর তিনি যেন আমাদের দ্বীনের বিষয়ে বিচক্ষণতা দান করেন এবং আমাদের তাঁর সরল পথে পরিচালিত করেন।
পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণ:
প্রথমটি: জাহিরিয়া লাইব্রেরির একটি সংকলনের অন্তর্গত একটি সুস্পষ্ট পাণ্ডুলিপি, যার নম্বর (৩৮৫৪), পৃষ্ঠা সংখ্যা (২৫ - ৪০)। এটি মুয়াফফাকুদ্দিন ইবনে কুদামা আল-মাকদিসীর বর্ণনাকৃত যা তাঁর থেকে ৬১৪ হিজরীতে শ্রুত হয়েছে। এটি অত্যন্ত বিশুদ্ধ পাণ্ডুলিপিগুলোর অন্যতম এবং এর ওপর অনেক শ্রবণ সনদ (সামা’আত) রয়েছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি, তাই এর ওপরই নির্ভর করা হয়েছে। কুয়েত আওকাফ মন্ত্রণালয়ের কাছে এর একটি অনুলিপি রয়েছে যার নম্বর (৬৯৪৪৭/ ৭) এবং আমি একে 'মূল' (আসল) হিসেবে চিহ্নিত করেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٦)
الثانية: نسخة واضحة ضمن مجموع من المكتبة الظاهرية برقم (3852) أوراقها (101 - 113) برواية عبد الغني بن عبد الواحد بن سرور المقدسي، سمعها عبد الغني من عبد الله بن منصور الموصلي في سنة 564 هـ، وقد سقط منها اللوحة الأخيرة من الرسالة، ولدى وزارة الأوقاف الكويتية صورة منها برقم (69445/ 6) ورمزتها بـ (ظ). وقد جاء في عنوان الرسالة لفظ (الرد) بدل (الإنكار).
الثالثة: نسخة واضحة ضمن مجموع مصورة من وزارة الأوقاف الكويتية برقم (345/ 6) ونسخة كاملة كتبت سنة 1333 هـ. وفي اسم المؤلف زيادة لفظ (الإمام المبجل).
الرابعة: نسخة واضحة مصورة من مكتبة برلين برقم (1807) وهي نسخة كاملة كتبت سنة 1335 هـ. وفيها أخطاء وسقط.
الخامسة: نسخة ضمن مجموع مصورة من جامعة الملك سعود بالرياض برقم (1928) وهي نسخة كتبت سنة 1339 هـ، وهي نسخة كاملة، وفيها طمس كثير.
وهذه النسخ الثلاث الأخيرة تم نسخها من نسخة الأولى برواية ابن قدامة.
وسوف أشير إلى الزيادات المهمة وتغاير النسخ إذا احتيج إلى ذلك.
وهناك طبعتان للرسالة: طبعة العاصمة سنة 1407 هـ، ودار البشائر الإسلامية سنة 1415 هـ، نبهت على بعض الأخطاء الواقعة فيهما.
وترجمت لبعض الرواة مما يحتاج إلى معرفتهم.
দ্বিতীয়: যাহিরিয়া লাইব্রেরির একটি সংকলনের (মাজমু’) অন্তর্ভুক্ত একটি স্পষ্ট পাণ্ডুলিপি, যার নম্বর (৩৮৫২)। এর পৃষ্ঠা সংখ্যা (১০১ - ১১৩)। এটি আব্দুল গনি ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে সুরুর আল-মাকদিসির বর্ণনা অনুযায়ী। আব্দুল গনি এটি ৫৬৪ হিজরি সনে আব্দুল্লাহ ইবনে মানসুর আল-মাওসিলির নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন। এই পাণ্ডুলিপি থেকে পুস্তিকাটির শেষ পাতাটি হারিয়ে গেছে। কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের কাছে এর একটি অনুলিপি রয়েছে যার নম্বর (৬৯৪৪৫/৬) এবং আমি এটিকে (ظ) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি। পুস্তিকাটির শিরোনামে ‘আল-ইনকার’ শব্দের পরিবর্তে ‘আর-রাদ’ শব্দটি এসেছে।
তৃতীয়: কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে সংগৃহীত একটি ছায়াচিত্র সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি স্পষ্ট পাণ্ডুলিপি, যার নম্বর (৩৪৫/৬)। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি যা ১৩৩৩ হিজরি সনে লিখিত হয়েছে। এতে লেখকের নামের সাথে ‘আল-ইমাম আল-মুবাজ্জাল’ শব্দবন্ধটি অতিরিক্ত রয়েছে।
চতুর্থ: বার্লিন লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত একটি স্পষ্ট ছায়াচিত্র অনুলিপি, যার নম্বর (১৮০৭)। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি যা ১৩৩৫ হিজরি সনে লিখিত হয়েছে। তবে এতে কিছু ভুল এবং বাদ পড়া অংশ রয়েছে।
পঞ্চম: রিয়াদের বাদশাহ সৌদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগৃহীত একটি ছায়াচিত্র সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি পাণ্ডুলিপি, যার নম্বর (১৯২৮)। এই পাণ্ডুলিপিটি ১৩৩৯ হিজরি সনে লিখিত হয়েছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি, তবে এতে অনেক অস্পষ্ট বা মুছে যাওয়া অংশ রয়েছে।
শেষোক্ত এই তিনটি পাণ্ডুলিপি ইবনে কুদামার বর্ণনা সম্বলিত প্রথম পাণ্ডুলিপিটি থেকে নকল করা হয়েছে।
প্রয়োজন সাপেক্ষে আমি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন এবং পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যকার পাঠান্তর নির্দেশ করব।
পুস্তিকাটির দুটি মুদ্রিত সংস্করণ রয়েছে: ১৪০৭ হিজরি সনে আল-আসিমা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত সংস্করণ এবং ১৪১৫ হিজরি সনে দারুল বাশায়ের আল-ইসলামিয়্যাহ থেকে প্রকাশিত সংস্করণ। আমি এ দুটি সংস্করণে বিদ্যমান কিছু ভুলের ব্যাপারে সতর্ক করেছি।
এবং আমি কয়েকজন বর্ণনাকারীর জীবনী উল্লেখ করেছি যাদের সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٧)
وما كان من حديث أو أثر صحابي جاء في الرسالة فقد بينت حكمه من حيث إسناده.
[صورة الصفحة الأولى من النسخة الخطية الأولى (الأصل)]
এই পত্রে যে সকল হাদিস বা সাহাবীর আছার বর্ণিত হয়েছে, আমি সেগুলোর সনদের বিচারে সেগুলোর হুকুম স্পষ্ট করেছি।
[প্রথম পাণ্ডুলিপির (মূল কপি) প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র]
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٨)
[صورة الصفحة الأولى من النسخة الخطية الثانية (ظ)]
[দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপির (যা) প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র]
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٩)
[صورة الصفحة الأولى من النسخة الخطية الخامسة (جامعة الملك سعود)]
[পঞ্চম পাণ্ডুলিপি সংস্করণের প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র (বাদশাহ সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়)]
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
[صورة الصفحة الأولى من النسخة الخطية الرابعة (برلين)]
[চতুর্থ পাণ্ডুলিপির (বার্লিন) প্রথম পৃষ্ঠার ছবি]
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١١)
بسم الله الرحمن الرحيم
1 - أخبرنا جدِّي الإمامُ الأوحدُ العالم الموفَّق أبو محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسيُّ رضي الله عنه، قراءةً عليه وأنا أسمع غيرَ مرة بظاهر دمشق، في سنة أربعَ عشرة ثم في سنة عشرين وست مائة، قال: أنا أبو محمد عبد الله بن منصور بن هبة الله الموصلي في ذي القعدة من سنة أربع وستين وخمسمائة، أنا أبو الحسين المبارك بن عبد الجبار بن أحمد القاسم الصيْرَفي قراءةً عليه وأنا أسمع أنا أبو القاسم عبد العزيز بن علي بن أحمد بن الفضل الآزجي في جمادى الآخرة من سنة ثلاث وأربعين وأربعمائة أنا: أبو بكر عبد العزيز بن جعفر بن أحمد بن يَزْدَادَ بن معروف، والفقيه المعروف بغُلام الخلال إجازة قال الآزجي: وقُرِئ على أبي القاسم إبراهيم بن محمد بن جعفر الساجي وأنا أسمع، ثنا أبو بكر عبد العزيز قال ثنا أبو بكر أحمد بن محمد بن هارون الخلال ثنا أبو بكر المروذي
(1) قال: سمعتُ رجلًا يقول لأبي عبد الله رحمه الله: إني في كفاية فقال: «الزَم السُّوق، تصلُ به الرَّحِمَ وتَعودُ به»
(2).
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
১ - আমার দাদা, একক ইমাম, বিজ্ঞ ও সফল আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা তাঁকে পড়ে শুনানোর মাধ্যমে এবং আমি একাধিকবার দামেস্কের উপকণ্ঠে থাকাকালীন তা শুনেছি, ৬১৪ হিজরিতে এবং পরবর্তীতে ৬২০ হিজরিতে। তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মানসুর ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-মাওসিলি ৫৬৪ হিজরির জিলকদ মাসে বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে আবু আল-হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে আহমদ আল-কাসিম আস-সাইরাফি তাঁকে পড়ে শুনানোর মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম এমন অবস্থায় বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে আবু আল-কাসিম আব্দুল আজিজ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে আল-ফাদল আল-আজজি ৪৪৩ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসে বর্ণনা করেছেন। আমাদের কাছে আবু বকর আব্দুল আজিজ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াজদাদ ইবনে মারুফ এবং গোলাম আল-খাল্লাল নামে পরিচিত ফকিহ ইজাজতসূত্রে বর্ণনা করেছেন। আল-আজজি বলেন: আবু আল-কাসিম ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আস-সাজি-কে পড়ে শুনানো হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম। আবু বকর আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-খাল্লাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু বকর আল-মাররুজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এক ব্যক্তিকে আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমদ) রহ.-কে বলতে শুনেছি: "আমি সচ্ছল আছি (আমার উপার্জনের প্রয়োজন নেই)।" তিনি বললেন: "বাজারের সাথেই লেগে থাকো (ব্যবসায় মনোনিবেশ করো), এর মাধ্যমে তুমি আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারবে এবং অসুস্থদের দেখাশোনা করতে পারবে।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
2 - (حدثنا عبد العزير بن جعفر، قال حدثنا الخلال)
(1) وأخبرنا أبوبكر (المروذي)
(2) قال: قال رجل لأبي عبد الله رحمه الله من أصحاب ابن أسلم: ترى أن أعمل؟ قال: «نعم، وتصدق بالفضل على قرابتك»
(3).
3 - وأخبرنا أبو بكر المروذي، قال: سمعتُ أبا عبد الله رحمه الله، يقول: قد أمرتُهم يعني لِوَلَدِهِ أن يختلفوا إلى السوق، وأن يَتَعَرَّضُوا للتجارة، وقال: قد رُوي عن عائشة رضي الله تعالى عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: «إنَّ أطيَبَ ما أكَلَ الرجلُ من كسبِه»
(4).
4 - أخبرني محمد بن الحسين، أن الفضل بن زياد حدثهم قال: سمعتُ أبا عبد الله يأمُرُ بالسوقِ ويقول: «ما أحسَنَ الاستغناءَ عن الناس»
(5).
--------------------------------------------
২ - (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ বিন জাফর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-খাল্লাল)
(১) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর (আল-মারওয়াযি)
(২) তিনি বলেন: ইবন আসলামের সঙ্গীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি আবু আবদুল্লাহ (ইমাম আহমাদ) রহি মাহুল্লাহকে বললেন: আপনি কি মনে করেন যে আমি কাজ করব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, এবং অতিরিক্ত অংশ তোমার আত্মীয়-স্বজনের জন্য সদকা করো»
(৩).
৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মারওয়াযি, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহ রহি মাহুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি তাদের নির্দেশ দিয়েছি—অর্থাৎ তাঁর সন্তানদের—যেন তারা বাজারে যাতায়াত করে এবং ব্যবসায় নিয়োজিত হয়। তিনি আরও বলেন: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই মানুষের গ্রহণকৃত খাবারের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তার নিজস্ব উপার্জনের খাবার»
(৪).
৪ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন যে, আল-ফাদল বিন যিয়াদ তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বাজারের (কাজ করার) নির্দেশ দিতে শুনেছি এবং তিনি বলতেন: «মানুষের নিকট থেকে অমুখাপেক্ষী হওয়া কতই না উত্তম»
(৫).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
5 - أخبرني محمد بن موسى قال: سمعتُ علي بن جعفر قال: مَضَى أبي إلى أبي عبد الله رحمه الله وذهب بي معه، فقال له: يا أبا عبد الله، هذا ابني، فدعا لي، وقال لأبي: «أَلزِمْه السُّوق، وجَنِّبْه أقرانَه»
(1).
6 - أخبرني زكريا بن يحيى أبو يحيى الناقد قال: سألت أبا عبد الله رحمه الله قلتُ: إني أعمَلُ بِكِريّ، وأبوايَ يُريدونِي على أَخْذِ دُكَّانٍ لنفسي، قال: «فخُذْ دُكَّانًا، تكونُ جنازة، يكون مريضٌ» قلت: هو عَمَلٌ شاق، والشريكُ أعني لا يقوم، قال: «فترجعه». قال زكريا بنُ يحيى: يعني في هذا كلِّه أنه يَحُثُّ على العملِ والتجارةِ.
7 - أخبرني عبد الملك الميموني، أن أبا عبد الله رحمه الله قال: «قال رجل للسرِيّ بن يحيى وكان يتَّجِرُ في البحرِ: ترْكَبُ البحر في طلب الدنيا؟! قال: أُحِبُّ أن أستغنيَ عن ضربِكَ
(2) من الناس»
(3).
8 - أخبرني يوسف بن موسى، قال: قيل لأبي عبد الله رحمه الله: قال طاووس: اللهم امنعني المالَ والولدَ
(4)، قال: «قد رُوي هذا
--------------------------------------------
৫ - মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আলি ইবনে জাফরকে বলতে শুনেছি: আমার পিতা আবু আব্দুল্লাহর (রহিমাহুল্লাহ) কাছে গেলেন এবং আমাকেও সাথে নিলেন। তিনি তাঁকে বললেন: হে আবু আব্দুল্লাহ, এটি আমার ছেলে। তিনি আমার জন্য দোয়া করলেন এবং আমার পিতাকে বললেন: «তাকে বাজারে (কাজে) লাগিয়ে দাও এবং তার সমবয়সীদের থেকে তাকে দূরে রাখো»
(১)।
৬ - জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া আবু ইয়াহইয়া আল-নাক্কাদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে (রহিমাহুল্লাহ) জিজ্ঞাসা করলাম, আমি বললাম: আমি মজুরিতে কাজ করি, কিন্তু আমার পিতামাতা চাচ্ছেন আমি নিজের জন্য একটি দোকান নিই। তিনি বললেন: «তাহলে একটি দোকান নাও, যাতে জানাজায় উপস্থিত হওয়া এবং অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া সম্ভব হয় (অর্থাৎ কাজে স্বাধীনতা থাকে)»। আমি বললাম: এটি একটি কঠিন কাজ, আর আমার অংশীদার—অর্থাৎ সে একাকী সামলাতে পারবে না। তিনি বললেন: «তাহলে তুমি তা ফিরিয়ে দাও (অর্থাৎ সেই প্রস্তাব বাদ দাও)»। জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া বলেন: এর মাধ্যমে তিনি মূলত এই সবকিছুর দ্বারা কাজ এবং ব্যবসার প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
৭ - আব্দুল মালিক আল-মায়মুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: «জনৈক ব্যক্তি সারি ইবনে ইয়াহইয়াকে বললেন—যিনি সমুদ্রে ব্যবসা করতেন—: আপনি দুনিয়া অন্বেষণে সমুদ্রে পাড়ি দিচ্ছেন?! তিনি বললেন: আমি তোমার মতো লোকেদের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে বেঁচে থাকতে পছন্দ করি»
(২)(৩)।
৮ - ইউসুফ ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহকে (রহিমাহুল্লাহ) বলা হলো: তাউস বলেছিলেন: হে আল্লাহ, আমাকে সম্পদ ও সন্তান থেকে বিরত রাখুন
(৪)। তিনি বললেন: «এটি বর্ণিত হয়েছে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
عن طاووس؛ من كان مثل طاووس؟» ثم قال: «الغنى من العافية»
(1).
9 - أخبرني يعقوب بن يوسف (أبو بكر)
(2) المطوعي، قال: سمعتُ أبا بكر بن (جناد)
(3)، يقول: سمعتُ الجصاصي
(4)، قال: سألت أحمدَ بن حنبل رحمه الله فقلت: أربعةُ دراهم: درهمٌ من تجارةٍ بَرَّةٍ، ودرهمٌ من صلةِ الإخوان، ودرهمٌ من أجرة التعليم
(5)، ودرهمٌ من غَلَّة ِ بغداد؟ فقال: أَحَبّها إليَّ من تجارةٍ بَرَّةٍ، وأكرَهُها عندي الذي من صلة الإخوان، وأما أجرة (التعليم)
(6)؛ فإن احتاج فليأخُذْه
(7)، وأما غلَّةُ بغداد فأنت تَعرِفُها، ايش تسألني عنها؟
(8).
10 - أخبرني عبد الملك الميموني، قال: قال لي أبو عبد الله رحمه الله، وحَثَّني على (لزوم)
(9) الضَّيْعَةِ، وقال: «ما أضيَعَ الضيعةَ إذا لم يكن
--------------------------------------------
তাউস থেকে বর্ণিত; তাউসের মতো আর কে ছিল?" অতঃপর তিনি বললেন: "সুস্থতাই হলো সচ্ছলতা"
(১)।
৯ - ইয়াকুব বিন ইউসুফ (আবু বকর) আল-মুতাউয়ি’ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকর বিন (জুনাদ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-জাসসাসি-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: চারটি দিরহাম: একটি দিরহাম সৎ ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত, একটি দিরহাম ভাইদের সুসম্পর্ক (উপহার) থেকে প্রাপ্ত, একটি দিরহাম শিক্ষার পারিশ্রমিক থেকে প্রাপ্ত এবং একটি দিরহাম বাগদাদের উৎপন্ন ফসল থেকে প্রাপ্ত? তিনি বললেন: এগুলোর মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো সৎ ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত দিরহাম, আর আমার কাছে সবচেয়ে অপছন্দনীয় হলো যা ভাইদের সুসম্পর্ক থেকে প্রাপ্ত। আর শিক্ষার পারিশ্রমিকের ব্যাপারে কথা হলো; যদি কেউ অভাবী হয় তবে সে তা গ্রহণ করতে পারে। আর বাগদাদের ফসলের ব্যাপারে তো তুমি নিজেই জানো, সে সম্পর্কে আমাকে কী জিজ্ঞাসা করছ?
(৮)।
১০ - আব্দুল মালিক আল-মাইমুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে বললেন এবং তিনি আমাকে ভূসম্পত্তি (বা ব্যবসা) দেখাশোনার ব্যাপারে উৎসাহিত করলেন এবং বললেন: "সম্পদ বা ভূসম্পত্তি কতই না শোচনীয়ভাবে বিনষ্ট হয় যদি না সেখানে..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
صاحبُها يقربها» قلت: إني لم أعمر ضيعتي منذ فارقتك فرارًا من السلطان وكراهيةً له، وشَكَيتُ
(1) له بعض ما عرفته من الدَّيْنِ والضيق
(2)، فقال لي: «كيف تَصنعُ إذا لم يكن لك منه بُدّ؟» ثم قال لي: «ليس هاهنا إلا أنك تدعو له» قلتُ: فمِن ذلك
(3) بُدّ؟ قال: «فكيف تصنع؟» ورأيت
(4) أكثرَ أمرِهِ التسهيلَ فيه والرخصة.
قال: وقال أبو عبد الله رحمه الله يومًا مبتدئًا: «يا أبا الحسن، استغْنِ عن الناس بجهدك، فَلَمْ أرَ مثل الغِنَى عن
(5) الناس» قلتُ: ولِمَ ابتدأتَني بهذا؟ قال: «لأنه إن كان لك شيء تُصلِحُه وتكونُ فيه، وتُصلِحُه وتستغني به عن الناس، فإن الغنى من العافية».
فحثَّني غيرَ مرةٍ على الإصلاح، والاستغناء بإصلاح ما رُزقتُ عن الناس، فإن الغنى من العافية، وأقبل يُغَلِّظُ الحاجةَ إلى الناس. قلتُ: إن ضَيعتَنا من الرقة على أيام، وفيها دَيْرُ نصارى مُعتَزِلٌ من الناس، ليس فيه إلا نفرٌ يسير من النصارى وبقربه مدينة، فقال: «أي مدينة هي؟» قلتُ: فإن لها مؤذنا، قال: «من الشام؟» قلتُ: لا، من الجزيرةِ ناحيةَ رأس العَين، قال: «فذا موضعٌ صالح يعني الدير». قلتُ: إنما شغل قلبي بشيء واحد، أنَّ الدير
(6) معتزلٌ عن الناس، وأنا إنما أُحِبُّ العُزلة، وليس فيه إلا نصارى، وإنما كرهتُ
--------------------------------------------
এর মালিক সেটিকে নিকটে নিয়ে আসে।" আমি বললাম: "সুলতানের ভয়ে পলায়নপর অবস্থায় এবং তার প্রতি অনীহা হেতু আপনার নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকে আমি আমার কৃষিজমি আবাদ করিনি।" আমি তাঁর কাছে আমার ঋণ এবং জীবনযাপনের সংকীর্ণতার কিছু বিষয় যা আমি অনুভব করছিলাম তা ব্যক্ত করলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন: "তুমি কী করবে যদি তোমার জন্য এটি ছাড়া গত্যন্তর না থাকে?" এরপর তিনি আমাকে বললেন: "এখানে কেবল তোমার জন্য তাঁর নিকট দোয়া করার অবকাশ আছে।" আমি বললাম: "তা থেকেও কি কোনো অব্যাহতি আছে?" তিনি বললেন: "তবে তুমি কী করবে?" আর আমি লক্ষ্য করলাম যে তাঁর অধিকাংশ সিদ্ধান্তই ছিল এ বিষয়ে সহজীকরণ এবং শিথিলতার অনুকূলে।
তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) একদিন স্বতঃস্ফূর্তভাবে বললেন: "হে আবুল হাসান, তোমার সাধ্যমতো মানুষের থেকে অমুখাপেক্ষী থাকো, কেননা মানুষের থেকে অমুখাপেক্ষিতা বা অমুখাপেক্ষী হওয়ার মতো কল্যাণকর কিছু আমি দেখিনি।" আমি বললাম: "আপনি কেন আমাকে দিয়ে এ প্রসঙ্গের অবতারণা করলেন?" তিনি বললেন: "কারণ তোমার যদি এমন কিছু থাকে যা তুমি আবাদ করো এবং তাতে অবস্থান করো, আর তা আবাদের মাধ্যমে মানুষের থেকে অমুখাপেক্ষী হতে পারো, তবে নিশ্চয়ই অমুখাপেক্ষিতা সুস্থতা ও নিরাপত্তার অন্তর্ভুক্ত।"
তিনি আমাকে বারবার আবাদ বা সংস্কার করার জন্য এবং আমাকে যা রিজিক দেওয়া হয়েছে তা আবাদ করার মাধ্যমে মানুষের থেকে অমুখাপেক্ষী হওয়ার প্রতি উৎসাহিত করলেন; কেননা অমুখাপেক্ষিতা সুস্থতার অংশ। আর তিনি মানুষের মুখাপেক্ষী হওয়া বা মানুষের কাছে অভাবী হওয়ার বিষয়টি কঠোরভাবে বর্ণনা করতে লাগলেন। আমি বললাম: "আমাদের কৃষিজমিটি 'রুক্কা' থেকে কয়েক দিনের দূরত্বে অবস্থিত, সেখানে লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন খ্রিস্টানদের একটি মঠ রয়েছে, যেখানে অল্প কিছু সংখ্যক খ্রিস্টান ছাড়া আর কেউ নেই এবং তার নিকটেই একটি শহর রয়েছে।" তিনি বললেন: "সেটি কোন শহর?" আমি বললাম: "সেখানে একজন মুয়াজ্জিন রয়েছেন।" তিনি বললেন: "এটি কি শামের অন্তর্গত?" আমি বললাম: "না, এটি জাজিরা অঞ্চলের 'রাসুল আইন' প্রান্তের দিকে।" তিনি বললেন: "তবে সেটি একটি উত্তম স্থান—অর্থাৎ সেই মঠটি।" আমি বললাম: "আমার মনে কেবল একটি বিষয় খটকা দিচ্ছে যে, সেই মঠটি লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন, আর আমি নির্জনতা পছন্দ করি; কিন্তু সেখানে কেবল খ্রিস্টানরা রয়েছে, আর আমি অপছন্দ করেছি—"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
فيه
(1) أن إذا أردتُ أن أصلِّي لم أجد أحدًا أُصلي معه، قال لي: «فإذا حضَرت الصلاةُ فأذِّن وأقِم، فإن جاءك أحدٌ وإلاَّ فصلِّ».
قال عبد الملك: فاستحسن أبو عبد الله رحمه الله هذا الموضع واشتهاه لي، ورأيتُ السرور فيه بيِّنا لما وصفتُ له من ذلك ومن عُزلته. قلتُ: فإنَّ المدينةَ مني على رأس ميل يمكنني الدخول إلى الجمعةِ والصلوات في سائر الأيام في الدّير، فقال لي: «في هذا الموضع إذا لم يكن لك من يصلي معك؛ فما تصنع؟ فأذِّن وأقِم وصلِّ وحدَك»
قال عبد الملك: وكنتُ أَرَى أبا عبد الله يقومُ ويَعملُ بِيَدِهِ الشيء
(2)، ويُصلِحُهُ ويَتَعَاهَدُ مَنازِلَهُ قال: ودخلتُ على أبي عبد الله رحمه الله مرارًا بيتًا، فرأيتُه ضَرَبَ بيده إلى أرضه، فَسوى
(3) تُرَابَهُ بيده.
11 - أخبرني محمد بن موسى، قال: سمعتُ أحمدَ بن عبد الرحمن البزوري
(4) يقول: قال لي أبو عبد الله رحمه الله تعالى سنةَ
(5) تسع عَشْرَةَ، حين قَدِمَ المعتصمُ، أتيتُهُ وهو يعملُ بيده شيئًا يرمه بِطِين أي
(6) هذا ويشير إلى السكان
(7)، كأنه يعني يرمه للكري.
12 - أخبرني زهير بن صالح بن أحمد بن حنبل رضي الله عنه قال:
--------------------------------------------
इसमें
(১) রয়েছে যে, যখন আমি সালাত আদায় করতে চাইতাম এবং আমার সাথে সালাত আদায় করার জন্য কাউকে পেতাম না, তিনি আমাকে বললেন: «যখন সালাতের সময় হবে, তখন আযান ও একামত দাও। যদি কেউ আসে (তবে জামাতে পড়), অন্যথায় তুমি (একাই) সালাত আদায় করো।»
আব্দুল মালিক বলেন: আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ) এই বিষয়টি পছন্দ করলেন এবং আমার জন্য এটি কামনা করলেন। আমি যখন তাঁর কাছে সেই নির্জনতার কথা এবং যা বর্ণনা করলাম, তখন আমি তাঁর মধ্যে স্পষ্ট আনন্দ দেখতে পেলাম। আমি বললাম: শহরটি আমার থেকে এক মাইলের মাথায় অবস্থিত, আমি জুমুআ এবং অন্যান্য দিনগুলোতে 'দাইর' (মঠ/আশ্রয়স্থল)-এ সালাত আদায় করতে প্রবেশ করতে পারি। তিনি আমাকে বললেন: «এই অবস্থায় যদি তোমার সাথে সালাত আদায় করার মতো কেউ না থাকে, তবে তুমি কী করবে? আযান ও একামত দাও এবং একাই সালাত আদায় করো।»
আব্দুল মালিক বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে দাঁড়িয়ে নিজের হাতে কিছু কাজ করতে দেখতাম
(২), তিনি তা সংশোধন করতেন এবং তাঁর ঘরগুলোর দেখাশোনা করতেন। তিনি বলেন: আমি কয়েকবার আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর ঘরে প্রবেশ করেছি, তখন আমি তাকে নিজের হাত দিয়ে মাটির দিকে হাত বাড়াতে দেখেছি, অতঃপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে সেখানকার মাটি সমান
(৩) করছিলেন।
১১ - মুহাম্মদ বিন মুসা আমাকে খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-বাজুরিকে
(৪) বলতে শুনেছি: আবু আব্দুল্লাহ (রহিমাহুল্লাহ তা'আলা) ১৯ হিজরী
(৫) সনে যখন মুতাসিম আসলেন তখন আমাকে বললেন; আমি তাঁর কাছে আসলাম যখন তিনি নিজের হাতে কাদা দিয়ে কিছু মেরামত করছিলেন, অর্থাৎ
(৬) এটি এবং তিনি বাসস্থানের
(৭) দিকে ইশারা করছিলেন, যেন তিনি তা ভাড়ার জন্য মেরামত করছিলেন।
১২ - যুহাইর বিন সালেহ বিন আহমদ বিন হাম্বল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমাকে খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
سمعتُ أبي قال: «كان ربما أخذ القدومَ وخرج إلى دارِ السكَّان يَعملُ الشيء بيده».
13 - أخبرني محمد بن أبي هارون
(1)، أن إسحاق بن إبراهيم بن هانئ حَدَّثَهُم قال: قال لي أبو عبد الله رحمه الله: «قليلُ المالِ تُصلِحُهُ فَيَبْقَى
(2)، ولا يَبْقَى الكثيرُ مع الفَسَادِ».
14 - أخبرنا هارون بن زياد
(3)، ثنا ابن أبي عمر، ثنا سفيان، عن مسعر، عن سعد بن إبراهيم، عن حميد بن عبد الرحمن، أن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال: «الخُرق في المعيشة أخوف عندي عليكم من العوز، لا يقل شيء مع الإصلاح ولا يبقى شيء مع
(4) الفساد»
(5).
15 - أخبرني حربُ بن إسماعيل، ثنا المسيب بن واضح، قال: قال أشعث
(6) يعني ابن شعبة، قلتُ لإبراهيم بن أدهم: أَكْرِي نفسي في السوق وتَفُوتُنِي الصلاةُ في الجماعة، قال: «اكْرِ نفسَك إلى حين
(7)، واستغْنِ عن الناس، وصلِّ الصلوات للوقت».
--------------------------------------------
আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: «মাঝে মাঝে তিনি সম্ভবত বাশিলা গ্রহণ করতেন এবং বাসিন্দাদের ঘরে বের হতেন এবং নিজের হাতে কিছু কাজ করতেন»।
১৩ - মুহাম্মদ ইবনে আবি হারুন
(১) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনে হানি তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি আমাকে বলেছেন: «অল্প সম্পদ যদি তুমি সংশোধন করো তবে তা টিকে থাকে
(২), আর বিশৃঙ্খলার সাথে অধিক সম্পদও টিকে থাকে না»।
১৪ - হারুন ইবনে যিয়াদ
(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে আবি উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিসআর থেকে, তিনি সাদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: «জীবনযাপনে অদক্ষতা আমার কাছে তোমাদের জন্য অভাবের চেয়েও বেশি আশঙ্কাজনক। সংশোধনের সাথে কোনো কিছুই কমে যায় না এবং বিশৃঙ্খলা বা অপচয়ের সাথে
(৪) কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকে না»
(৫)।
১৫ - হারব ইবনে ইসমাইল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুসাইয়িব ইবনে ওয়াজিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আশআস
(৬) অর্থাৎ ইবনে শুবা বলেছেন, আমি ইবরাহিম ইবনে আদহামকে বললাম: আমি বাজারে নিজেকে মজুরি খাটাই এবং এতে আমার জামাতে সালাত ছুটে যায়। তিনি বললেন: «তুমি নির্দিষ্ট সময়
(৭) পর্যন্ত নিজেকে মজুরি খাটাও, মানুষের থেকে অমুখাপেক্ষী হও এবং সময়মতো সালাতসমূহ আদায় করো»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
16 - أخبرنا أبو بكر المَرُّوذي قال: سمعتُ أبا جعفر الخراساني
(1) قال: سمعتُ شُعَيبًا يقول: قلتُ لسفيان الثوري: ما تقول في رجلٍ قَصَّارٍ، إذا اكتَسَبَ الدرهمَ - كان في الدرهمِ ما يَقُوتُهُ ويَقُوتُ عِيَالَه - لم يدرك الصلاةَ في جماعةٍ، فإذا اكتسب أربعة دوانيق، أدركَ الصلاةَ في جماعةٍ، ولم يكن في الأربعة دوانيق ما يَقُوتُهُ ويقوت
(2) عِيالَه، فأَيُّهَما أَفْضَلُ؟ قال: «يَكْسِبُ الدرهمَ ويُصَلِّي وحدَهُ أفضَل»
(3).
17 - أخبرني أبو بكر المَرُّوذي قال: قلتُ لأبي عبد الله: سفيانُ الثَّورِي في أيِّ شيءٍ خَرَجَ إلى اليمن؟ قال: «خَرَجَ للتجارةِ وللقي مَعْمَر» قالوا: كان له مائة دينار، قال: «أما سبعون فصحيحة»
(4).
18 - أخبرنا يحيى بن أبي طالب الأنطاكي
(5)، ثنا المسيب بن واضح قال: قال لي يوسف بن أسباط: «مات سفيانُ الثوري وخلَّفَ مائتي دينار» قلتُ له: ومن أين كان له مائتي دينار وهو كان
(6) زاهد العلماء؟
--------------------------------------------
১৬ - আবু বকর আল-মাররুজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আল-খুরাসানি
(১) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শুয়াইবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সুফইয়ান আস-সাওরিকে বললাম: আপনি এমন একজন ধোপা সম্পর্কে কী বলেন, যে যদি এক দিরহাম উপার্জন করে—আর সেই দিরহামে তার এবং তার পরিবারের অন্নসংস্থান হয়—তাহলে সে জামাতে সালাত পায় না; পক্ষান্তরে যদি সে চার দানিং উপার্জন করে, তবে সে জামাতে সালাত পায়, কিন্তু সেই চার দানিং-এ তার এবং তার পরিবারের ভরণপোষণের ব্যবস্থা হয় না, এমতাবস্থায় এই দুটির মধ্যে কোনটি উত্তম? তিনি বললেন: «সে এক দিরহাম উপার্জন করবে এবং একা সালাত আদায় করবে, এটাই অধিক উত্তম»
(৩)।
১৭ - আবু বকর আল-মাররুজি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: সুফইয়ান আস-সাওরি কী কারণে ইয়ামেনে গিয়েছিলেন? তিনি বললেন: «তিনি ব্যবসার প্রয়োজনে এবং মা'মারের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন।» তারা বলল: তার নিকট একশত দিনার ছিল। তিনি বললেন: «সত্তর দিনারের কথা তো সঠিক»
(৪)।
১৮ - ইয়াহইয়া ইবনে আবি তালিব আল-আনতাকি
(৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-মুসাইয়িব ইবনে ওয়াদিহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে আসবাত আমাকে বলেছেন: «সুফইয়ান আস-সাওরি ইন্তেকাল করেছেন এবং তিনি দুইশত দিনার রেখে গেছেন।» আমি তাকে বললাম: তার নিকট দুইশত দিনার কোথা থেকে এল, অথচ তিনি ছিলেন আলেমদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দুনিয়াবিমুখ (জাহেদ) ব্যক্তি?
(৬)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
قال: «كان يضعُ
(1) الشيءَ بعدَ الشيءِ مع إخوانه، فبُورِكَ له فيه». قال: وكان سفيانُ الثورِي يقول: «ما كانت القُوَّةُ مُنذ بَعَثَ الله عز وجل محمدًا صلى الله عليه وسلم أنفَعَ لأهلها منها في هذا الزمان»
(2).
19 - أخبرني محمد بن عمرو بن مكرم قال: سمعتُ أبا الحسن الزاهد يقول: قال رجلٌ لسفيان بن عيينة: يكونُ الرجلُ زاهدًا وعنده مائةُ دينار؟ قال: «نعم» قال: وكيف ذلك؟ قال: «إن نَقَصَتْ لم يَغتَم
(3)، وإن زَادَت لم يَفْرَح، ولا يَكْرَهُ الموتَ لفراقها»
(4).
20 - أخبرني عليُّ بن الحسن
(5) بن هارون، حدثني محمد العطار
(6) قال: وذَكَرَ حسينُ بن علي بن الأسود، عن عبيد الله
(7) بن موسى قال: سمعتُ سفيان الثورِي يقول: «المالُ في هذا الزمانِ سِلاحٌ»
(8).
21 - أخبرني الحسن
(9) بن عبد الوهاب، نا أبو بكر يعني ابن
--------------------------------------------
তিনি বলেন: «তিনি তাঁর ভাইদের সাথে একটির পর একটি জিনিস জমা করতেন, ফলে তাতে বরকত দান করা হয়েছিল।» তিনি বলেন: সুফিয়ান সাওরী বলতেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠানোর পর থেকে শক্তি তার অধিকারীদের জন্য বর্তমান সময়ের চেয়ে অধিক উপকারী আর কখনো ছিল না»
(২)।
১৯ - মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন মাকরাম আমাকে খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল হাসান যাহেদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি সুফিয়ান ইবন উয়ায়নাহকে জিজ্ঞেস করলেন: কোনো ব্যক্তির নিকট একশ দিনার থাকা সত্ত্বেও কি সে যাহেদ (দুনিয়াবিমুখ) হতে পারে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ»। লোকটি জিজ্ঞেস করল: তা কীভাবে? তিনি বললেন: «যদি তা কমে যায় তবে সে দুঃখিত হয় না
(৩), আর যদি বৃদ্ধি পায় তবে সে আনন্দিত হয় না, এবং সেগুলোর বিচ্ছেদের ভয়ে মৃত্যুকে অপছন্দ করে না»
(৪)।
২০ - আলী ইবনুল হাসান
(৫) ইবন হারুন আমাকে খবর দিয়েছেন, মুহাম্মদ আল-আত্তার
(৬) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবন আলী ইবনুল আসওয়াদ উবায়দুল্লাহ
(৭) ইবন মূসা থেকে উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান সাওরীকে বলতে শুনেছি: «বর্তমান সময়ে সম্পদ হলো একটি অস্ত্র»
(৮)।
২১ - হাসান
(৯) ইবন আব্দুল ওয়াহহাব আমাকে খবর দিয়েছেন, আবু বকর অর্থাৎ ইবন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
حمَّاد المُقرئ، حدثنا أحمد بن يعقوب، حدثنا أبو الفتح قال: «عَابَ سفيانُ على هؤلاءِ الذين لا يَرَون العَمَل». قال: «ورأى أبو بكر يعني الصديق شابًا يسألُ فَوَاجَرَهُ نَفْسَهُ».
22 - أخبرنا أحمد بن منصور الرَّمَادي، حدثنا عبد الرزاق، ثنا محمد بن ثور قال: كان سفيانُ الثورِي يَمُرُّ بنا ونحن جلوس في المسجد الحرام، فيقول: «ما يُجلسكم؟» فنقول: فما نصنع؟ قال: «اطلبُوا من فضلِ الله، ولا تكونُوا عِيَالًا على المسلمين
(1)»
(2).
23 - حدثنا عبد الله بن أحمد بن محمد بن حنبل رضي الله عنهما قال: حدثني مُهَنَّا،: حدثني أبو حازم شيخٌ كان عندنا بعَكَّا، قال: قال سفيانُ الثورِي: «يجبُ على الرجلِ طلبُ العلم إذا كان عنده مِلء كَفِّه طعامًا»
(3). وسمعتُ محمد بن إسحاق يذكُرُ عن عبد الله بن سعيد
(4)، عن ابن أبي غنية
(5)، عن سفيان الثورِي يقول: «إن كان عندك بُرٌّ فتَعَبَّدْ، وإلا فاطلُبْه يعني من حِلِّه».
--------------------------------------------
হাম্মাদ আল-মুকরি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন ইয়াকুব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল ফাতহ, তিনি বলেন: «সুফইয়ান ওই সকল ব্যক্তিদের সমালোচনা করেছেন যারা আমল করাকে আবশ্যক মনে করে না।» তিনি বলেন: «এবং আবু বকর অর্থাৎ আস-সিদ্দিক এক যুবককে দেখতে পেলেন যে মানুষের কাছে সাহায্য চাচ্ছে, তখন তিনি তাকে নিজের কর্মসংস্থানের প্রতি মনোযোগী হতে বললেন (অথবা তাকে ভর্ৎসনা করলেন)»।
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন মানসুর আর-রামারি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন সাওর, তিনি বলেন: সুফইয়ান আস-সাওরি আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতেন যখন আমরা মসজিদে হারামে বসে থাকতাম, তখন তিনি বলতেন: «তোমাদের কিসে বসিয়ে রেখেছে?» আমরা বলতাম: তবে আমরা কী করব? তিনি বলতেন: «তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণ করো এবং মুসলিমদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থেকো না
(১)»
(২)।
২৩ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন হাম্বল (আল্লাহ তাদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন), তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহান্না: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু হাযিম, যিনি আক্কায় আমাদের কাছে একজন শাইখ ছিলেন, তিনি বলেন: সুফইয়ান আস-সাওরি বলেছেন: «একজন ব্যক্তির জন্য ইলম অন্বেষণ করা আবশ্যক যখন তার কাছে অন্তত এক অঞ্জলি পরিমাণ খাদ্য থাকে»
(৩)। এবং আমি মুহাম্মদ ইবন ইসহাককে আবদুল্লাহ ইবন সাঈদ থেকে উল্লেখ করতে শুনেছি
(৪), তিনি ইবন আবি গুনইয়াহ থেকে
(৫), তিনি সুফইয়ান আস-সাওরি থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন: «যদি তোমার কাছে গম থাকে তবে ইবাদত করো, অন্যথায় তা অন্বেষণ করো অর্থাৎ হালাল পন্থায় উপার্জন করো»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
24 - أخبرنا أبو بكر المروذي قال: سمعتُ أبا جعفر الخراساني، ثنا أبو صالح، قال: سمعتُ يوسف بن أسباط يقول لشُعيب بن حرب: «أَشَعَرْتَ أنَّ طلَبَ الحلال فريضة؟» قال: «نعم»
(1).
25 - أخبرنا أبو بكر المروذي، عن أبي عبد الله
(2)، عن أبي جعفر الحذاء
(3)، عن شُعيب بن حرب قال: «لا تَحْقِرَنَّ فلسًا يُطِيعُ الله في كسبه، ليس الفلس يُرادُ، إنَّما الطاعةُ تُرادُ، عَسَى أن تشتريَ به بَقْلًا فلا يَسْتَقِرّ في جوفك حتى يُغْفرَ لك»
(4).
26 - أخبرني محمد بن عبد الصمد المُقرئ
(5)، ثنا يوسف بن مسلم قال: سمعتُ علي بن بكار يقولُ: «كان إبراهيم بن أدهم يُؤجِرُ نفسَه، وكان سليمان الخَوَّاصُ يَلْقُط، وكان حذيفة يَضرِبُ اللَّبِنَ».
27 - أخبرنا أحمد بن الفرج أبو عتبة
(6) الحمصي، ثنا بَقِيَّة قال: «كان إبراهيم بن أدهم إذا قِيل له: كيف أنتَ؟ قال: بخيرٍ ما لم يَتَحَمَّلْ مُؤْنتي غيرِي»
(7).
--------------------------------------------
২৪ - আবু বকর আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আল-খুরাসানীকে বলতে শুনেছি, আবু সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইউসুফ ইবনে আসবাতকে শুআইব ইবনে হারবকে উদ্দেশ্য করে বলতে শুনেছি: «আপনি কি জানেন যে হালাল অন্বেষণ করা একটি ফরয কাজ?» তিনি বললেন: «হ্যাঁ»
(১).
২৫ - আবু বকর আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আবদুল্লাহ
(২) থেকে, তিনি আবু জাফর আল-হাদ্দাহ
(৩) থেকে, তিনি শুআইব ইবনে হারব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «তুমি এমন কোনো পয়সাকে তুচ্ছজ্ঞান করো না যা উপার্জনের ক্ষেত্রে আল্লাহর আনুগত্য করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ওই পয়সা নয়, বরং উদ্দেশ্য হলো আনুগত্য। হতে পারে তুমি তা দিয়ে কোনো শাকসবজি কিনলে, আর তা তোমার পেটে স্থির হওয়ার আগেই তোমাকে ক্ষমা করে দেওয়া হলো»
(৪).
২৬ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সামাদ আল-মুকরী
(৫) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনে বাক্কারকে বলতে শুনেছি: «ইব্রাহিম ইবনে আদহাম নিজেকে শ্রমিক হিসেবে ভাড়া দিতেন, সুলায়মান আল-খাওওয়াস (শস্যের অবশিষ্টাংশ) কুড়িয়ে নিতেন এবং হুযাইফা ইট তৈরি করতেন»।
২৭ - আহমদ ইবনে আল-ফারাজ আবু উতবাহ
(৬) আল-হিমসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «ইব্রাহিম ইবনে আদহামকে যখন জিজ্ঞেস করা হতো: আপনি কেমন আছেন? তিনি বলতেন: ভালো আছি যতক্ষণ আমার বোঝা অন্য কেউ বহন না করে»
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
28 - أخبرنا حرب بن إسماعيل، ثنا المسيب بن واضح قال: ثنا أشعث بن شعبة
(1)، عن إبراهيم بن أدهم أنه قال لبعض إخوانِه: «لا تَدَعْ أن تَحترِف، فإنك إذا احترفتَ اشتغلتَ وإذا لم تَحترِفْ عُرفتَ».
29 - أخبرنا محمد بن أحمد بن القاسم الأَزْدِي، ثنا طاهر بن محمد التميمي، ثنا الفيض بن إسحاق قال: سألتُ الفُضَيلَ بن عِيَاض قلتُ: لو أنَّ رجلًا قَعَدَ في بيته، زَعَم أنه يَثِقُ بالله فيأتِيه بِرزقِه؟ قال: «يعني إذا وَثقَ به حتى يعلمَ أنه قد وَثِقَ به، لم يمنعه شيء أراده، ولكن لم يفعل هذا الأنبياءُ ولا غيرُهم، وقد كانت الأنبياءُ يُؤاجرون أنفسَهم، وكان النبي صلى الله عليه وسلم أجرَ نفسَه، وأبو بكر وعُمَر رضي الله عنهما، ولم يقولوا: نقعُدُ حتى يرزُقَ الله عز وجل، وقد قال الله في كتابه: {وابْتَغُوا من فضل الله}
(2)، ولا بُدَّ من طلَبِ المعيشة»
(3).
30 - أخبرني عُمَرُ بنُ علي، ثنا هارون بن سفيان المستملي قال: سمعتُ أسود بن سالم قال: «اشْتَر وبِعْ ولو برأسِ المال»
(4).
31 - أخبرني عبد الملك الميموني حدثني أبو العباس صاحب أبي عُتبَة
(5) قال: سألتُ بِشْرَ بن الحارث عن الاكتساب فقال: «بَلَى لعمرِي»، قال: وكأنه يقول: أني لا أرَى غيرَه، وقال: «ينبغي للإنسان
--------------------------------------------
২৮ - হারব ইবন ইসমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুসাইয়্যাব ইবন ওয়াদিহ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আশ’আস ইবন শু’বাহ
(১) আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম ইবন আদহাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর এক ভাইকে বলেছিলেন: «তুমি পেশা গ্রহণ করা ত্যাগ করো না, কারণ তুমি যখন কোনো পেশায় নিয়োজিত হবে তখন তুমি ব্যস্ত থাকবে, আর যদি তুমি পেশা গ্রহণ না করো তবে তুমি (মানুষের কাছে হাত পাতার কারণে) পরিচিত হয়ে পড়বে»।
২৯ - মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবনুল কাসিম আল-আযদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাহির ইবন মুহাম্মাদ আত-তামিমি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ফায়দ ইবন ইসহাক আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ফুদাইল ইবন ইয়াদকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি বললাম: যদি কোনো ব্যক্তি তার ঘরে বসে থাকে এবং দাবি করে যে সে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, ফলে আল্লাহ তার কাছে তার রিযিক পৌঁছে দেবেন (তবে তা কেমন হবে)? তিনি বললেন: «অর্থাৎ যখন সে আল্লাহর ওপর এমনভাবে ভরসা করবে যে আল্লাহ জানবেন যে সে প্রকৃতপক্ষে তাঁর ওপর ভরসা করেছে, তখন আল্লাহ যা ইচ্ছা করবেন তা থেকে কোনো কিছুই তাকে বাধা দিতে পারবে না। কিন্তু আম্বিয়াগণ বা অন্য কেউ এমনটি করেননি। আম্বিয়াগণ নিজেদের পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নিয়োজিত করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেকে পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নিয়োজিত করেছিলেন, এবং আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমাও কাজ করেছেন। তাঁরা বলেননি যে: আমরা বসে থাকব যতক্ষণ না আল্লাহ আযযা ওয়া জাল রিযিক দান করেন। আল্লাহ তাঁর কিতাবে বলেছেন: {আর তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণ করো}
(২), সুতরাং জীবিকা অন্বেষণ করা অপরিহার্য»
(৩)।
৩০ - উমর ইবন আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হারুন ইবন সুফিয়ান আল-মুস্তামলি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আসওয়াদ ইবন সালিমকে বলতে শুনেছি: «ক্রয় ও বিক্রয় করো, যদিও তা কেবল মূলধনের বিনিময়ে (লাভ ছাড়া) হয়»
(৪)।
৩১ - আব্দুল মালিক আল-মাইমুনি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু উতবাহ-এর সাথী আবুল আব্বাস
(৫) আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বিশর ইবনুল হারিসকে জীবিকা উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেন: «হ্যাঁ, আমার জীবনের কসম (অবশ্যই করবে)», বর্ণনাকারী বলেন: যেন তিনি বলছিলেন যে আমি জীবিকা উপার্জন ছাড়া অন্য কিছু দেখি না। তিনি বললেন: «মানুষের জন্য উচিত...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
أن يَنظُرَ في مكسبِه ومطعمِه ومسكنِه، ينبغي للإنسان أن يَتَحرى
(1) تجارته». ثم قال: «ولولا أني أنا ليس عليَّ عيالٌ لعملتُ واكتسبتُ»
(2).
32 - أخبرنا أحمد بن محمد بن خالد البراثي
(3) قال: قال لي بشرُ بن الحارث لما بَلَغَه ما أُنفِقَ علينا من تَرِكَةِ أبينا: «قد غَمَّنِي ما أُنفِقَ عليكم من هذا المال
(4)، فعليكم بالرِّفقِ والاقتصادِ في النفقة، فلأن تَبِيتُوا جِياَعًا ولكم مال أعجبُ إليَّ من أن تّبِيتُوا شِبَاعًا وليس لكم مال». وقال لي بِشْرٌ موصولًا بكلامِه ومسائِله
(5): «قد بَلَغني أنك لا تَلزَمُ السوق، فالزَم السوقَ» ثم دار بيني وبينه كلام، فأعاد عليَّ: «الزَم السوق وإن لَم» فوقع في قلبي: أراد: وإنْ لم تَرْبَح، وقال لي: «اقرأْ والدتِك السلام وقُل لها: عليكِ بالرفق والاقتصاد في النفقة»
(6).
33 - أخبرني أبو بكر المروذي قال: سمعتُ بعضَ المَشْيَخة يقولُ: سمعتُ أبا يوسف الغَسُولي يقولُ: «إنَّه ليكفيني في السنة اثنَا عشرَ درهمًا، في كلِّ شَهْرٍ درهم، وما يَحمِلُني على العمل إلا ألْسنةُ هؤلاء القُرَّاء يقولون: أبو يوسف من أين يأكل؟»
(7).
--------------------------------------------
সে যেন তার উপার্জন, খাদ্য এবং বাসস্থানের প্রতি লক্ষ্য রাখে। মানুষের উচিত তার ব্যবসার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া
(১)। এরপর তিনি বললেন: «আমার যদি কোনো পরিবার-পরিজন না থাকত, তবে আমি অবশ্যই কাজ করতাম এবং উপার্জন করতাম»
(২)।
৩২ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খালিদ আল-বারাসি
(৩) আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনুল হারিস যখন আমাদের পিতার পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে আমাদের ওপর হওয়া ব্যয়ের সংবাদ পেলেন, তখন তিনি আমাকে বললেন: «তোমাদের ওপর এই অর্থ থেকে যা ব্যয় হয়েছে তা আমাকে ব্যথিত করেছে
(৪), সুতরাং তোমরা ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোমলতা ও মিতব্যয়িতা অবলম্বন করো। কারণ আমার কাছে তোমাদের ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাত কাটানো অথচ হাতে সম্পদ থাকাটা বেশি পছন্দনীয় এর চেয়ে যে, তোমরা তৃপ্ত হয়ে রাত কাটালে অথচ তোমাদের কোনো সম্পদ অবশিষ্ট রইল না»। বিশর তাঁর কথা ও আলোচনার ধারা বজায় রেখে আমাকে আরও বললেন
(৫): «আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে তুমি বাজারে সময় দাও না, সুতরাং বাজারে সময় দাও (ব্যবসা করো)»। এরপর আমার ও তাঁর মধ্যে কিছু কথা বিনিময় হলো, তখন তিনি পুনরায় আমাকে বললেন: «বাজারে সময় দাও, যদিও না—» তখন আমার অন্তরে উদিত হলো যে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন: «যদিও তুমি লাভ না করো»। আর তিনি আমাকে বললেন: «তোমার মাকে সালাম দিয়ো এবং তাঁকে বলো: আপনি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোমলতা ও মিতব্যয়িতা অবলম্বন করুন»
(৬)।
৩৩ - আবু বকর আল-মাররুজি আমাকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমি কয়েকজন শায়খকে বলতে শুনেছি, তাঁরা আবু ইউসুফ আল-গাসুলিকে বলতে শুনেছেন: «বছরে আমার জন্য মাত্র বারো দিরহাম যথেষ্ট, প্রতি মাসে এক দিরহাম। আর কেবল এই ক্বারিদের মুখই আমাকে কাজ করতে বাধ্য করে, যারা বলে: আবু ইউসুফ কোথা থেকে খায়?»
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
34 - وأخبرني أبو بكر قال: سمعتُ حرمي بن يونس
(1) قال: سمعتُ أبا يوسف الغسولي يقولُ: «أنا أتَفَقَّهُ في مطعمي من سِتين سنة»
(2).
35 - أخبرني أبو بكر المروذي قال: سمعت إسحاق بن داود قال: سمعتُ الحسن بن الربيع يقولُ: «لأن أكسِبَ قِيراطًا أحَبُّ إليَّ من أن يَصِلَنِي أحدٌ
(3) بعشرَةِ دراهم».
36 - وأخبرني أبو بكر قال: سمعتُ محمد بن مُقَاتِل يقول: «ينبغي للرجل أن يَنظُرَ رغيفَه
(4)؛ من أين هو؟ وينظر دِرهَمه؛ من أين هو؟ قال سفيان: اعمَلْ عَمَلَ الأبطال؛ يعني كسب الحلال»
(5).
37 - أخبرنا أبو بكر المروذي أنه قرأ على أبي عبد الله رحمه الله: ابن مهدي
(6)، عن سفيان، عن
--------------------------------------------
34 - আবু বকর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি হারামি ইবনে ইউনুস
(১) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু ইউসুফ আল-গাসুলিকে বলতে শুনেছি: «আমি ষাট বছর যাবৎ আমার খাবারের বিষয়ে সূক্ষ্ম বিচার-বিশ্লেষণ করছি»
(২)।
35 - আবু বকর আল-মারওয়াযি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইসহাক বিন দাউদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাসান ইবনুর রাবিকে বলতে শুনেছি: «একটি কিরাত উপার্জন করা আমার নিকট কারো থেকে দশ দিরহাম উপহার পাওয়ার
(৩) চেয়ে অধিক প্রিয়»।
36 - আবু বকর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে মুকাতিলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: «একজন ব্যক্তির উচিত তার রুটির
(৪) দিকে লক্ষ্য করা; তা কোথা থেকে এসেছে? এবং তার দিরহামের দিকে লক্ষ্য করা; তা কোথা থেকে এসেছে? সুফইয়ান বলেছেন: বীরদের মতো আমল করো; অর্থাৎ হালাল উপার্জন করো»
(৫)।
37 - আবু বকর আল-মারওয়াযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু আব্দুল্লাহর (রহিমাহুল্লাহ) নিকট পাঠ করেছেন: ইবনে মাহদি
(৬) থেকে, সুফইয়ান থেকে, ... থেকে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
عَمْرو بن قيس، عن عاصم، عن أبي وائل قال: «درهمٌ من تجارة أحَبُّ إلي من عَشْرةٍ من عطائي»
(1).
38 - أخبرني حرب، قال حدثنا محمد بن عبد الرحمن الجُعْفِي، ثنا أبو أسامة، عن يزيد بن إبراهيم التُسْتَرِي، عن الحسن قال: «مَطْعَمَانِ طيِّبانِ: حَمْلُ الرجلِ على ظهره، وعمله بيده»
(2).
39 - أخبرني محمد بن إبراهيم بن مَهْدي
(3)، ثنا عبد الله بن محمد بن ربيعة
(4)، ثنا ابن المبارك
(5) ثنا سفيان، عن عَمْرو بن قيس، عن عاصم بن أبي النُّجُود، عن أبي وائل هذا الحديث.
40 - وأخبرنا محمد قال أنا وكيع، عن سفيان، عن عَمْرو بن قيس، عن عاصم بن أبي النُّجُود، عن أبي وائل قال: «درهمٌ من تجارةٍ أحبُّ إليَّ من عشرةٍ من عطائي
(6)».
41 - أخبرنا الحسن بن عَرَفة، قال: حدثني قُدَامة بن شهاب المازني البصري، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن وبرة عن ابن عمر
(7)--------------------------------------------
আমর বিন কায়স, আসিম থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «ব্যবসার এক দিরহাম আমার নিকট আমার ভাতার দশ দিরহামের চেয়েও বেশি প্রিয়»
(১).
৩৮ - হারব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-জু'ফী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু উসামাহ আমাদের নিকট ইয়াজিদ বিন ইবরাহীম আত-তুস্তারি থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «উত্তম আহার্য দুটি: মানুষের নিজ পিঠে (বোঝা) বহন করা এবং নিজ হাতে কাজ করা»
(২).
৩৯ - মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন মাহদী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন
(৩), আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন রাবিআহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন
(৪), ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন
(৫), সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর বিন কায়স থেকে, তিনি আসিম বিন আবিন নুজুদ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে এই একই হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৪০ - এবং মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন ওয়াকী' সুফিয়ান থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আমর বিন কায়স থেকে, তিনি আসিম বিন আবিন নুজুদ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «ব্যবসার এক দিরহাম আমার নিকট আমার ভাতার দশ দিরহামের চেয়েও বেশি প্রিয়
(৬)»।
৪১ - হাসান বিন আরাফাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কুদামা বিন শিহাব আল-মাযিনী আল-বাসরি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি ওয়াবরা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে
(৭)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
قال: سُئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أطيَبِ الكسب فقال: «عملُ الرجلِ بِيَدِهِ وكلُّ بيعٍ مبرور»
(1).
42 - أخبرني أحمد بن الفرج أبو عُتبة الحِمْصِي قال ثنا بَقِيَّةُ، عن شعبة، عن الحكم، وحدثنا أحمد
(2)، أخبرنا الحسن
(3)، ثنا يحيى بن آدم
(4)، قال ثنا عبد السلام، وابن المبارك، عن شعبة، عن الحكم، عن مجاهد في قوله: «كُلُوا من طيِّبَات ما رزقناكم
(5)» قال: «التجارة».
43 - وأخبرنا الحسن بن علي، ثنا يحيى بن آدم، ثنا ورقاء، عن ابن أبي نجيح
(6)، عن مجاهد في قوله: {أنفِقُوا مِن طَيِّبَاتِ ما كَسَبتُم} قال: «من التجارة»
(7).
--------------------------------------------
তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সর্বোত্তম উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: "এক ব্যক্তির নিজ হাতে করা কাজ এবং প্রতিটি কবুলযোগ্য (হালাল) ব্যবসা"
(১).
৪২ - আমাকে আহমদ বিন আল-ফারাজ আবু উতবা আল-হিমসি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, শু'বা থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ
(২), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান
(৩), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম
(৪), তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সালাম ও ইবনুল মুবারক, শু'বা থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: "আমি তোমাদের যে পবিত্র রিযিক দিয়েছি তা থেকে আহার করো
(৫)", তিনি (মুজাহিদ) বলেন: "(এখানে পবিত্র রিযিক অর্থ) ব্যবসা।"
৪৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, ইবনে আবি নাজিহ
(৬) থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে বর্ণনা করেন: {তোমরা যা উপার্জন করেছ তা থেকে পবিত্র বস্তুসমূহ ব্যয় করো}, তিনি বলেন: "ব্যবসা থেকে"
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
44 - أخبرنا أبو بكر المروذي، ثنا الوَرَكاني
(1)، قال ثنا المُعَافَى بن عِمران، عن سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم قال: «كان يقال: التاجر خير من الجالس».
45 - أخبرنا عبد الله بن أحمد بن حنبل، حدثني أبي رحمه الله، ثنا سفيان، عن أبي إسحاق، قال: «كانوا يَرَوْنَ السَّعَةَ عَوْنًا على الدين» قيل لسفيان: سفيانُ الثوري ذكره؟ قال: «نعم».
46 - أخبرنا محمد بن مَهْدِي بن جعفر الصوري بصور قال: سمعتُ أبي يقول: كنتُ بطَرَسُوس عند قدوم المأمونِ إلى طَرَسُوس ومعه أحمد بن حنبل رحمه الله وابن نوح، وكان هو وابنُ نوح مقيَّدَينِ قال: فكتبَ إليَّ أحمد بن حنبل رحمه الله رُقعةً: قد علمتَ ما نحن فيه، ولولا ذلك لجئناك، فإن رأيتَ أن تَصِيرَ إلينا صِرتَ، فصرتُ إليهم حتى حدَّثتُهم. فكان فيما كَتَبَ عنِّي أحمد بن حنبل رحمه الله تعالى: ثنا ضَمْرَة، عن رجاء بن أبي سَلَمَة، عن عبدِ رَبّه بن سليمان بن زيتون
(2)، عن ابن مُحيريز قال: «ما مِن طعامٍ أملأُ به ما بين جنبيَّ بعدَ سعيي، يُعَدُّ فيه بين الأسود والأحمر أحبّ إليَّ من طعامِ تاجرٍ صدوق».
47 - وكَتَبَ إليَّ بِشْرُ بن موسى الأسدِي، قال ثنا عبد الله بن صالح العجْلِي، قال ثنا إسرائيل، عن أبي حَمْزة قال: سألتُ إبراهيمَ عن رجلٍ يَتْرُكُ التجارة، يعني ويُقْبِلُ على العمل والصلاة، يعني
--------------------------------------------
৪৪ - আবু বকর আল-মারওয়াযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-ওয়ারাকানী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-মুয়াফা ইবনে ইমরান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «বলা হতো: ব্যবসায়ী হাত গুটিয়ে বসে থাকা ব্যক্তির চেয়ে উত্তম।»
৪৫ - আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা (রহিমাহুল্লাহ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি বলেন: «তারা সচ্ছলতাকে দ্বীনের জন্য সহায়ক মনে করতেন।» সুফিয়ানকে জিজ্ঞেস করা হলো: সুফিয়ান আস-সাওরী কি এটি উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেন: «হ্যাঁ।»
৪৬ - মুহাম্মদ ইবনে মাহদী ইবনে জাফর আস-সূরী সূর নামক স্থানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আল-মামুন যখন তারসূসে আগমন করেন, তখন আমি সেখানে ছিলাম। তাঁর সাথে আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) এবং ইবনে নুহ ছিলেন এবং তাঁরা দুজনেই শৃঙ্খলিত ছিলেন। তিনি (পিতা) বলেন: আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) আমার কাছে একটি চিরকুট লিখলেন: «আমরা যে পরিস্থিতির মধ্যে আছি তা আপনি জানেন, তা না হলে আমরাই আপনার কাছে আসতাম। আপনি যদি আমাদের কাছে আসা সমীচীন মনে করেন তবে আসুন।» ফলে আমি তাঁদের কাছে গেলাম এবং তাঁদের কাছে হাদীস বর্ণনা করলাম। আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) আমার নিকট থেকে যা লিখে নিয়েছিলেন তার মধ্যে ছিল: দামরা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাজা ইবনে আবি সালামাহ থেকে, তিনি আবদে রাব্বিহি ইবনে সুলাইমান ইবনে যাইতুন থেকে, তিনি ইবনে মুহাইরিয থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «পরিশ্রমের পর এমন কোনো খাদ্য নেই যা দিয়ে আমি আমার উদর পূর্ণ করি—যা আরব-অনারব সবার নিকট (উৎকৃষ্ট) গণ্য হয়—তা একজন সত্যবাদী ব্যবসায়ীর খাবারের চেয়ে আমার কাছে অধিক প্রিয় নয়।»
৪৭ - বিশর ইবনে মুসা আল-আসাদী আমার কাছে লিখেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-ইজলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইসরাঈল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু হামযাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিমকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে ব্যবসা ছেড়ে দেয়—অর্থাৎ সে ইবাদত ও সালাতের দিকে মনোনিবেশ করতে চায়—অর্থাৎ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
ورجل يَشْتَغِلُ بالتجارةِ أيُّهُمَا أفضَل؟ قال: «التاجر الأمين».
48 - أخبرنا الحسن بن علي بن عفان، قال ثنا يحيى بن آدم، ثنا قيس، عن عبد الله بن عطاء، عن أبي جعفر قال: «ما قُتِلَ ابنُ عَفَّان حتى بَلَغَتْ غَلَّةُ نَخْلِي
(1) مائة ألف».
49 - أخبرنا العباس بن محمد الدوري، أنا سألتُه، حدثنا جعفر بن عون، ثنا الأعمش، عن سلمة
(2)، عن أبي ظبيان قال: قال عمر: «يا أبا ظبيان، (إن)
(3) اتخذ مالا»
(4).
50 - أخبرنا أحمدُ بن منصورٍ زاج المروزي، أنا النضر بن شميل، ثنا شعبة بن الحجاج قال: سمعتُ قتادة قال: سمعتُ مُطرِّف بن عبد الله بن الشِّخِّير، عن حكيم بن قيس عن عاصم، عن أبيه، أنه
--------------------------------------------
এবং এক ব্যক্তি যে ব্যবসায় লিপ্ত, তাদের মধ্যে কোনটি উত্তম? তিনি বললেন: «আমানতদার ব্যবসায়ী»।
৪৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন আলী বিন আফফান, তিনি বলেন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আদম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কায়স, আবদুল্লাহ বিন আতা থেকে, আবু জাফর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «ইবনে আফফান (উসমান রা.) নিহত হননি যতক্ষণ না আমার খেজুর বাগানের আয়
(১) এক লক্ষে পৌঁছেছিল»।
৪৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্বাস বিন মুহাম্মদ আদ-দুরি, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জাফর বিন আওন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-আমশ, সালামাহ
(২) থেকে, আবু জাবিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর (রা.) বলেছেন: «হে আবু জাবিয়ান, (নিশ্চয়ই) তুমি সম্পদ আহরণ করো»
(৪)।
৫০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মনসুর জাজ আল-মারওয়াযি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাদর বিন শুমাইল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন শু’বাহ বিন আল-হাজ্জাজ, তিনি বলেন: আমি কাতাদাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুতাররিফ বিন আবদুল্লাহ বিন আশ-শিখখিরকে হাকিম বিন কায়স থেকে, আসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-হাছছু আলাত তিজারা - মিনাল জামি লিল খাল্লাল - তাহকীক আল-আওয়াদী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
أوصَى بَنِيه فقال: «عليكم بالمالِ واصطناعهِ، فإنه مَنْبَهَةُ
(1) الكريمِ، ويستغنى به عن اللئِيم، وإيَّاكم والمسألة، فإنها آخِرُ كَسْبِ الرجلِ، فإذا مَا مِتُّ فلا تَنُوحُوا عليَّ، فإنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يُنح عليه»
(2).
51 - أخبرنا حرب بن إسماعيل الكرماني، ثنا بشار بن موسى ثنا عباد، ثنا يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المُسيَّب، قال: «لا خيرَ فيمن لا يَطلب المالَ يقضِي به دَيْنَه، ويَصون به عرضه ويقضي به ذمامه، وإن مات تركه ميراثا لمن بعدهُ».
52 - أخبرنا محمد بن إسماعيل الأحمسي
(3)، أنبأ وكيع، عن سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المُسيَّب، أنه تَرَكَ دنانير فقال: «اللهم إنك تعلمُ أنِّي لَمْ أجمعها إلاَّ لِأَصُونَ بها دِينِي وحَسَبي، لا خيرَ فيمن لا يَجمعُ المالَ فيقضِي
(4) دَيْنَه، ويَكُفُّ به وَجْهَهُ».
53 - أخبرنا حرب بن إسماعيل، ثنا أبو معن الرَّقَاشِي، أنبأ عُمَر بن ذر، عن مجاهد قال: سمعتُه يقولُ: «إذا رَزَقَ الله أحدَكُم ألفَ درهم فلا يُنْفِقْهَا ويقولُ: إنَّ الله عز وجل سيَرزُقُنِي، ولكن يبتغي فيها من فَضْلِ الله».
--------------------------------------------
তিনি তাঁর সন্তানদের উপদেশ দিয়ে বললেন: «তোমরা ধন-সম্পদ অর্জন এবং তা বৃদ্ধি করার প্রতি যত্নবান হও, কারণ এটি সম্মানীর মর্যাদা বৃদ্ধি করে
(১) এবং এর মাধ্যমে নীচ ব্যক্তির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে বেঁচে থাকা যায়। আর তোমরা যাচ্ঞা করা (ভিক্ষাবৃত্তি) থেকে বেঁচে থাকো, কারণ এটি মানুষের উপার্জনের সর্বশেষ পথ। আর আমি যখন মারা যাব তখন তোমরা আমার জন্য বিলাপ করো না, কেননা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর বিলাপ করা হয়নি»
(২).
৫১ - হারব বিন ইসমাইল আল-কিরমানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাশশার বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «ঐ ব্যক্তির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই যে সম্পদ অন্বেষণ করে না, যা দ্বারা সে তার ঋণ পরিশোধ করবে, তার মর্যাদা রক্ষা করবে এবং তার দায়বদ্ধতা পূর্ণ করবে; আর যদি সে মারা যায় তবে তা তার পরবর্তী উত্তরাধিকারীদের জন্য রেখে যাবে»।
৫২ - মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-আহমাসি
(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ওয়াকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুফিয়ান থেকে, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত যে, তিনি কিছু দিনার রেখে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: «হে আল্লাহ! আপনি জানেন যে, আমি এগুলো কেবল আমার দ্বীন এবং আমার মর্যাদা রক্ষার জন্যই জমা করেছি। ঐ ব্যক্তির মাঝে কোনো কল্যাণ নেই যে সম্পদ জমা করে না যা দ্বারা সে তার ঋণ পরিশোধ করবে
(৪) এবং এর মাধ্যমে অন্যের কাছে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচাবে»।
৫৩ - হারব বিন ইসমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মা'ন আর-রাকাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর বিন যার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: «যখন আল্লাহ তোমাদের কাউকে এক হাজার দিরহাম দান করেন, তখন সে যেন তা খরচ করে না ফেলে এবং বলে: নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আমাকে পুনরায় দান করবেন; বরং সে যেন এর মাধ্যমে আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করে»।
--------------------------------------------