(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: -)
الإمام الجعبري شيخ قراء زمانه القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: ترجمة برهان الدين إبراهيم بن عمر بن إبراهيم الجعبري (ت 732 هـ)
المؤلف: محمد عبد الله إبراهيم البركاتي
(وهو مبحث من رسالة الماجستير للمؤلف في شرح منظومة روضة الطائف للجعبري)
عدد الصفحات: 41
[كتاب إلكتروني بترقيم الشاملة]
تاريخ النشر بالشاملة: 13 رمضان 1443
ইমাম আল-জা'বারী তাঁর সময়ের ক্বারীগণের শায়খ বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: বুরহানুদ্দীন ইবরাহীম বিন উমর বিন ইবরাহীম আল-জা'বারীর (মৃত্যু ৭৩২ হিজরী) জীবনী (মৃত্যু ৭৩২ হি.)
লেখক: মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবরাহীম আল-বারাকাতী
(এটি জা'বারীর 'রাওদাতুত তায়িফ' কাব্যগ্রন্থের ব্যাখ্যা বিষয়ে লেখকের মাস্টার্স থিসিসের একটি গবেষণা অংশ)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১
[শামেলা নাম্বারিং অনুসারে ই-বুক]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ১৩ রমজান ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১)
ترجمة الإمام الجعبري
توطئةالإمام الجعبريُّ رحمه الله أستاذٌ محققٌ، وشيخ القراء في زمانه، انتشر صيته في الآفاق، فلا عجب أن يلتفت الطلاب إليه، ويتسابقوا للاستفادة من علمه، ونيل الإجازة منه، ويترجموا له في مصنفاتهم، وهم بين مقلٍّ ومكثرٍ في ذلك.
وقد ذكر الدكتور حسن بن محمد مقبولي الأهدل (ت: 1436 هـ) الكتب التي ترجمت للناظم فبلغت - حسب إحصائه - (34) كتابًا
(1).
ثم أضاف إليها الدكتور أحمد اليزيدي (ت: 1424 هـ) كتابين آخرين فصارت (36) كتابًا
(2)، وقد حاولا -رحمهما الله- أن يستوعبا كل هذه الكتب، لتخرج ترجمةً كاملةً جامعةً للناظم.
وجاء بعدهما الدكتور محمد ايت عمران في رسالته للدكتوراه (شرح عقود الجمان في تجويد القرآن)
(3) فكتب ترجمةً للناظم استدرك فيها ما فات سابقيه.
ثم جاء بعدهما - أخيرًا - أحد أحفاد الناظم وهو المهندس عيسى خيري الجعبري - وفقه الله- فكتب ترجمةً موسعةً لِجَدِّهِ - وأهداني نسخة منه - في كتاب سمَّاه (الإمام برهان الدين الجعبري شيخ القراء وشيخ حرم الخليل عليه السلام حياته وآثاره)
(4) استغرقت من الصفحات (240) صفحة تقريبًا.
وها أنا - بحول الله وقوته - أكتب ما تيسَّر لي من ترجمةٍ للناظم، بعد اطلاعي على ما ذكرته سابقًا، فنسأل الله التيسير والإعانة.
--------------------------------------------
ইমাম আল-জা'বারীর জীবনীভূমিকাইমাম আল-জা'বারী (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন একজন গবেষক উস্তাদ এবং তাঁর সময়ের ক্বারীগণের প্রধান শায়খ। দিগন্তজুড়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল, তাই শিক্ষার্থীরা তাঁর দিকে মনোনিবেশ করবে, তাঁর জ্ঞান থেকে উপকৃত হতে ও তাঁর কাছ থেকে ইজাযত লাভের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হবে এবং তাদের গ্রন্থাবলীতে তাঁর জীবনী বর্ণনা করবে—এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই; আর এ জীবনী বর্ণনায় কেউ ছিলেন সংক্ষিপ্ত আবার কেউ ছিলেন বিস্তারিত।
ডক্টর হাসান বিন মুহাম্মদ মাকবুলি আল-আহদাল (মৃত: ১৪৩৬ হিজরি) সেই গ্রন্থগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন যেগুলোতে এই কাব্যকার (নাযিম)-এর জীবনী বর্ণিত হয়েছে, যা তাঁর গণনা অনুযায়ী ৩৪টি গ্রন্থে পৌঁছেছে
(১)।
অতঃপর ডক্টর আহমদ আল-ইয়াযিদী (মৃত: ১৪২৪ হিজরি) এর সাথে আরও দুটি গ্রন্থ যুক্ত করেন, ফলে তা ৩৬টি গ্রন্থে উন্নীত হয়
(২)। তাঁরা উভয়েই—আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন—এই সমস্ত গ্রন্থগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছেন যাতে কাব্যকারের একটি পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক জীবনী ফুটে ওঠে।
তাঁদের পরে ডক্টর মুহাম্মদ আইত ইমরান তাঁর ডক্টরেট থিসিস 'শারহু উকুদিল জুমান ফি তাজওয়িদিল কুরআন'-এ
(৩) কাব্যকারের এমন এক জীবনী লিখেছেন যাতে তিনি তাঁর পূর্ববর্তীদের থেকে বাদ পড়া বিষয়গুলোর ঘাটতি পূরণ করেছেন।
অতঃপর সবশেষে তাঁদের পরে আসলেন কাব্যকারের এক বংশধর, তিনি হলেন প্রকৌশলী ঈসা খাইরি আল-জা'বারী—আল্লাহ তাঁকে তাওফিক দিন। তিনি তাঁর দাদার এক বিস্তারিত জীবনী লিখেছেন—এবং আমাকে তার একটি অনুলিপি উপহার দিয়েছেন—'আল-ইমাম বুরহানুদ্দীন আল-জা'বারী শায়খুল কুররা ওয়া শায়খু হারামি আল-খালীল আলাইহিস সালাম: হায়াতুহু ওয়া আসারুহু' (ইমাম বুরহানুদ্দীন আল-জা'বারী: ক্বারীগণের শায়খ এবং হারামে খলীল (আ.)-এর শায়খ: তাঁর জীবন ও কর্ম)
(৪) নামক গ্রন্থে, যা প্রায় ২৪০ পৃষ্ঠা ব্যাপী বিস্তৃত।
আর এই আমি—আল্লাহর শক্তি ও সামর্থ্যের ওপর ভরসা করে—পূর্বে যা উল্লেখ করেছি তা পর্যালোচনার পর কাব্যকারের জীবনী থেকে যা আমার জন্য সহজসাধ্য হয়েছে তা লিখছি। আমরা আল্লাহর কাছে বিষয়টি সহজ করা এবং তাঁর সাহায্যের প্রার্থনা করছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২)
المبحث الأول: اسمه، ولقبه، وكنيته، ونسبه.
اسمُه:هو: الإمام العلامة الأستاذ
(1) إبراهيم بن عمر بن إبراهيم بن خليل بن أبي العباس
(2)، الرَّبَعِيُّ، الجَعْبَرِيُّ، السَّلَفِيُّ، الشَّافِعِيُّ.
لَقَبُهُ:لُقِّبَ في بغداد بـ (تقيِّ الدين) وفي غيرها بـ (برهان الدين)
(3)، وَلُقِّبَ بـ (رضي الدين)
(4).
كنيتُه: كُنِّيَ الناظم بأبي محمد
(5)، وكُنِّيَ بشيخ الخليل
(6) بعد وفاة والده، وَكُنِّيَ بأبي إسحاق
(7)، جريًا على عادة الناس فيمن اسمه إبراهيم، كما أَنَّهُ أَيضًا كُنِّيَ بِأَبِي العبَّاسِ
(8)، ودُعِيَ بابنِ السراج
(9)، وابن مؤذن جعبر
(10).
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম, উপাধি, কুনিয়াত (উপনাম) এবং বংশপরিচয়.
তাঁর নাম:তিনি হলেন: ইমাম, আল্লামা, উস্তাদ
(১) ইবরাহিম ইবনে উমর ইবনে ইবরাহিম ইবনে খলিল ইবনে আবুল আব্বাস
(২), আর-রাবায়ি, আল-জাবারী, আস-সালাফি, আশ-শাফিয়ি।
তাঁর উপাধি:বাগদাদে তাঁকে (তাকিউদ্দীন) এবং বাগদাদের বাইরে (বুরহানুদ্দীন)
(৩) উপাধিতে ভূষিত করা হতো। এছাড়াও তাঁকে (রাজিউদ্দীন)
(৪) উপাধিও দেওয়া হয়েছিল।
তাঁর কুনিয়াত: রচয়িতাকে আবু মুহাম্মাদ
(৫) কুনিয়াত দেওয়া হয়েছিল। তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তাঁকে শায়খুল খলিল
(৬) কুনিয়াতে ডাকা হতো। ইবরাহিম নামধারীদের ক্ষেত্রে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তাঁকে আবু ইসহাক
(৭) কুনিয়াতেও ডাকা হতো। এছাড়াও তাঁকে আবুল আব্বাস
(৮) কুনিয়াতে ডাকা হতো। তাঁকে ইবনুস সিরাজ
(৯) এবং ইবনু মুয়াজ্জিনে জাবার
(১০) বলেও ডাকা হতো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৩)
نسبه:انحصرت أنساب الناظم في خمسة، وهي كالتالي:
1 - (الرَّبَعِيُّ)
(1): بفتح الراء والباء المنقوطة بواحدة وفي آخرها العين المهملة، واختلف في سبب النسبة إليها، فقيل: لأنه يرجع في نسبه إلى: ربيعة بن نزار بن معد بن عدنان
(2)، فعلى هذا: هو عَرَبِيُّ الأصل ينحدر نسبه الأعلى من عائلة عربية
(3).
وقيل: نسبةً إلى إحدى قرى سوريا تعرف بربيعة
(4).
2 - (الجَعْبَرِيُّ): نسبةً إلى جَعْبَرْ، والجَعْبَرْ لغةً: القصير الغليظ، وهو بفتح الجيم وسكون العين المهملة وبعدها باء موحدة مفتوحة ثم راء. قيل: نسبة إلى جده الأعلى الذي نزل القلعة (الدَّوْسَرِيَّة) قديمًا، والتي تنسب إلى (دَوْسَرْ) غلام النعمان بن المنذر ملك الحيرة، في آخر القرن الخامس الهجري، والتي سُمِّيَتْ فيما بعد بـ (قلعة جَعْبَرْ) نسبةً إلى: جعبر بن سابق بن مالك، رجل من بني قشير بن كعب بن ربيعة، نزل هذه المنطقة المذكورة، واستولى عليها ولقب نفسه بالأمير سابق الدين الجعبري
(5).
وقيل: نسبةً إلى قلعة جعبر التي وُلِدَ بها
(6).
ويُنسَبُ إلى هذه القلعة جماعة من أهل العلم
(7)، ومنهم الناظم.
3 - (الخليليُّ) نسبةً إلى بلد الخليل - إبراهيم عليه السلام بفلسطين، لأنها موطنه الأخير الذي استقر فيه، وأخذ منصب القضاء فيه، وعاش فيه بضعًا وأربعين عامًا حتى الوفاة
(8).
4 - (السَّلَفَيُّ): نسبةً إلى طريقة السَّلَفِ أيضًا
(9)، لأنه سَلَفِيُّ المعتقد
(10).
5 - (الشَّافِعِيُّ): نسبةً إلى مذهب الإمام الشافعي
(11)، لكونه من فقهاء الشافعية
(12).
--------------------------------------------
তাঁর বংশপরিচয়:গ্রন্থকারের (নাজিম) বংশপরিচয় পাঁচটি নিসবত বা সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ, যা নিম্নরূপ:
১ - (আর-রাবাঈ): 'রা' এবং এক নুকতাহবিশিষ্ট 'বা' বর্ণের ফাতহাহ (যবর) সহকারে এবং শেষে 'আইন' বর্ণ। এই নিসবতের কারণ সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে: কারণ তাঁর বংশধারা রাবিআহ ইবনে নিযার ইবনে মা'দ ইবনে আদনানের দিকে ফিরে যায়। এই অনুযায়ী, তিনি মূলত আরব বংশোদ্ভূত এবং তাঁর ঊর্ধ্বতণ বংশধারা একটি আরব পরিবার থেকে উৎসারিত।
বলা হয়েছে: এটি সিরিয়ার রাবিআহ নামক একটি গ্রামের সাথে সম্পর্কিত নিসবত।
২ - (আল-জা'বারী): 'জা'বার' (جعبر) এর দিকে নিসবত করে। আভিধানিক অর্থে জা'বার হলো বেঁটে ও স্থূলকায়। এটি 'জিম' বর্ণের ফাতহাহ (যবর), 'আইন' বর্ণের সুকুন এবং এরপর এক নুকতাহবিশিষ্ট 'বা' এর ফাতহাহ ও তারপর 'রা' বর্ণ যোগে গঠিত। বলা হয়েছে: এটি তাঁর সেই ঊর্ধ্বতণ পিতামহের সাথে সম্পর্কিত যিনি প্রাচীনকালে 'দাওসারিয়্যাহ' দুর্গে অবস্থান করেছিলেন। এই দুর্গটি হিরার রাজা নুমান ইবনুল মুনযিরের গোলাম 'দাওসার'-এর নামে পরিচিত ছিল। পঞ্চম হিজরি শতকের শেষের দিকে এই দুর্গের নাম হয় 'ক্বালআত জা'বার' (জা'বার দুর্গ)। এই নামকরণ করা হয় জা'বার ইবনে সাবিক ইবনে মালিকের নামানুসারে, যিনি বনু কুশাইর ইবনে কাব ইবনে রাবিআহ গোত্রের এক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি উক্ত অঞ্চলে অবস্থান করেন, তা জয় করেন এবং নিজেকে 'আমির সাবিকুদ্দীন আল-জা'বারী' উপাধিতে ভূষিত করেন।
আবার বলা হয়েছে: এটি জা'বার দুর্গের দিকে নিসবত করে যেখানে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
একদল আলিম এই দুর্গের দিকে সম্পৃক্ত হয়ে পরিচিতি লাভ করেছেন, গ্রন্থকার তাঁদেরই একজন।
৩ - (আল-খালিলি): ফিলিস্তিনের খলিল (ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের শহর)-এর দিকে নিসবত করে। কারণ এটি ছিল তাঁর শেষ আবাসস্থল যেখানে তিনি থিতু হয়েছিলেন, সেখানে বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানে চল্লিশ বছরেরও কিছু বেশি সময় বসবাস করেছিলেন।
৪ - (আস-সালাফি): এটি সালফে সালেহীনের মানহাজ বা পথের দিকেও একটি নিসবত, কারণ তিনি আকিদাগতভাবে সালাফি ছিলেন।
৫ - (আশ-শাফিঈ): ইমাম শাফিঈর মাযহাবের দিকে নিসবত করে, যেহেতু তিনি শাফিঈ ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৪)
المبحث الثاني: مولده، ونشأته، ورحلاتُهُ وطلبُهُ للعلم.
مولدُه:ولد الناظم رحمه الله في قلعة جعبر
(1) في حدود سنة: (640 هـ)، أو قبلها بقليل
(2).
قال الناظم:
وَخُذْ مَوْلِدِي فِي أَرْبَعِينَ مُقَرَّبًا
… وَسِتِّ مِئَاتٍ أَوْ مَئِينٍ عَلَى الرَّسْمِ
(3)
نشأتُه:نشأ الإمام برهان الدين الجعبري نشأةً علميةً، وَتَرَبَّي تربيةً إسلاميةً سليمةً في أسرةٍ كريمةٍ مشهورةٍ بالعلمِ.
ولم تذكر لنا كتب التراجم شيئًا كثيرًا عن حياة والده العلمية ونشأته ولا تاريخ ولادته ولا وفاته، وإنما ذكرت ما يلي:
1 - اشتهر بمؤذن جعبر، قال الذهبي (ت: 748 هـ): «المؤذن والده»
(4).
2 - سمع الحديث عن: أبي الحجاج يوسف بن خليل بن قُرَاجَا بن عبد الله الدمشقي الأَدَمِيُّ، أبو الحجاج الحافظ (ت: 648 هـ)
(5)، قال الناظم عنه في عوالي مشيخته: «الشيخ شمس الدين أبو الحجاج يوسف بن خليل الدمشقي، محدثٌ مجيدٌ، سمع والدي عليه جزء ابن عرفة، وأجازناه»
(6)، وذكر البِرْزَالِيُّ (ت: 739 هـ) إجازته للناظم، فقال: «ووقفت على إجازته له بخطه على نسخة بـ «جزء ابن عرفة»
(7).
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা, সফর এবং ইলম অন্বেষণ.
তাঁর জন্ম:নাজিম (রহিমাহুল্লাহ) ৬৪০ হিজরী সালের আশেপাশে অথবা তার সামান্য কিছুকাল পূর্বে কাল'আ জাবার
(১) নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন
(২)।
নাজিম বলেন:
আর আমার জন্ম সালকে ধরুন ছয়শ চল্লিশের কাছাকাছি
... প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ছয়শ বা শতকের হিসেবে।
(৩) তাঁর বেড়ে ওঠা:ইমাম বুরহানুদ্দীন আল-জাবারী একটি জ্ঞানতাত্ত্বিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন এবং ইলমের জন্য সুপরিচিত এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে সঠিক ইসলামী লালন-পালন লাভ করেন।
জীবনীগ্রন্থগুলো আমাদের কাছে তাঁর পিতার ইলমী জীবন, বেড়ে ওঠা, জন্ম তারিখ বা মৃত্যু তারিখ সম্পর্কে খুব বেশি কিছু উল্লেখ করেনি। বরং কেবল নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে:
১ - তিনি জাবারের মুয়াযযিন হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন। আয-যাহাবী (মৃ: ৭৪৮ হি.) বলেছেন: "মুয়াযযিন হলেন তাঁর পিতা।"
(৪)২ - তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন: আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে খলিল ইবনে কুরাজা ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকী আল-আদামী, আবুল হাজ্জাজ আল-হাফিজ (মৃ: ৬৪৮ হি.) এর নিকট থেকে
(৫)। নাজিম তাঁর 'আওয়ালি মাশইয়াত'-এ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "শাইখ শামসুদ্দীন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে খলিল আদ-দিমাশকী একজন বিজ্ঞ মুহাদ্দিস। আমার পিতা তাঁর নিকট 'জুয ইবনে আরাফাহ' শ্রবণ করেছেন এবং তিনি আমাদেরকে ইজাযত দিয়েছেন।"
(৬) আর আল-বিরযালী (মৃ: ৭৩৯ হি.) নাজিমকে দেওয়া তাঁর ইজাযত সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেছেন: "আমি 'জুয ইবনে আরাফাহ'-এর একটি পাণ্ডুলিপিতে তাঁর স্বহস্তে নাজিমকে দেওয়া ইজাযতটি প্রত্যক্ষ করেছি।"
(৭)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৫)
3 - قال الناظم في ترجمة الشيخ كمال الدين أبو عبد الله محمد بن الحسن المسحي
(1): «قاضينا، روى في رحلته إلى بغداد عن محيي الدين يوسف ابن الجوزي
(2)، وقرأ عليه جزء ابن عرفة
(3)، وسمعته ووالدي عليه، وأحكام عبد الحق الصغرى
(4)، كنت أحضر درسه وأنا ذو عشر، فلما تولَّاها الشيخ شمس الدين الأصفهاني
(5) نزَّلني بها، وأثنى على اشتغالي»
(6).
--------------------------------------------
৩ - নাজিম (ছন্দকার) শেখ কামালুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-মাসহি
(১)-এর জীবনীতে বলেছেন: «আমাদের বিচারক, তিনি বাগদাদে তাঁর সফরকালে মুহিউদ্দীন ইউসুফ ইবনুল জাওযী
(২) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর নিকট ‘জুয ইবনে আরাফাহ’
(৩) পাঠ করেছেন; আমি ও আমার পিতা তাঁর নিকট তা এবং আব্দুল হকের ‘আহকামুস সুগরা’
(৪) শুনেছি। আমি দশ বছর বয়সে তাঁর দরসে উপস্থিত থাকতাম। অতঃপর যখন শেখ শামসুদ্দীন আল-আসফাহানী
(৫) এর দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন, তিনি আমাকে সেখানে পদায়ন করলেন এবং আমার অধ্যবসায়ের প্রশংসা করলেন»
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৬)
4 - ذكر الناظم أنَّ والده قرأ على الحافظ مجد الدين أبي البركات عبد السلام بن تيمية الحراني (ت: 652 هـ)
(1)، كتابه "المنتقى من أحاديث الأحكام"
(2)، وأجازهما به، وأجازهم كذلك بكتاب ابن عمِّهِ فخر الدين
(3) "ديوان الخطب"
(4).
5 - قال الناظم في عوالي مشيخته في ترجمة الشيخ نجم الدين عبد الله البَادَرَائِيُّ (ت: 655 هـ)
(5): «سمعت ووالدي عليه جزءًا عند عبوره علينا في رسالة الخليفة»
(6).
--------------------------------------------
৪ - নাযিম উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর পিতা হাফিয মাজদুদ্দীন আবুল বারাকাত আবদুস সালাম ইবনে তাইমিয়্যাহ আল-হাররানী (মৃত্যু: ৬৫২ হি.)
(১)-এর নিকট তাঁর কিতাব "আল-মুনতাকা মিন আহাদীসিল আহকাম"
(২) পাঠ করেছেন। তিনি তাঁদের উভয়কে এর ইজাযত প্রদান করেছেন এবং একইভাবে তাঁর চাচাতো ভাই ফখরুদ্দীনের
(৩) কিতাব "দীওয়ানুল খুতাব"
(৪)-এরও ইজাযত দিয়েছেন।
৫ - নাযিম তাঁর 'আওয়ালী মাশয়াখাহ' গ্রন্থে শায়খ নাজমুদ্দীন আব্দুল্লাহ আল-বাদারাঈ (মৃত্যু: ৬৫৫ হি.)
(৫)-এর জীবনীতে বলেছেন: «খলীফার দূত হয়ে আমাদের পথ অতিক্রম করার সময় আমি এবং আমার পিতা তাঁর নিকট একটি জুয (পুস্তিকা) শ্রবণ করেছি»
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - قال علم الدين القاسم بن محمد البرزالي (ت: 739 هـ): «والذي يغلب على الظنِّ أنَّ والد الشيخ برهان الدين الذي استجاز لولده من جماعةٍ ممن أدركهم، فإنه كان من طلبة الحديث، وله اعتناءٌ بذلك، ولكن ذهبت الكتب والأوراق لما خَرِبَتِ البلادُ ودخلها التتار»
(1).
7 - وُجِدَتْ سماعات على الشيخ الإمام العالم الوحيد الحافظ شيخ الإسلام شمس الدين أبي الحجَّاج يوسف بن خليل بن عبد الله الدمشقيّ (ت: 648 هـ)، لكتاب المسند المستخرج على صحيح الإمام مسلم لأبي نعيم الأصبهاني (ت: 430 هـ): وكان ممن سمعه عليه (أبو حفص عمر بن إِبراهيم بن خليل المؤذِّن الجعبري)، وهو والد الناظم، وكانت هذه السماعات بحلب
(2).
8 - وهناك قراءة على مخطوطةٍ للناظم، وهو: «رسوم التحديث في علوم الحديث
(3)»، من أحد تلاميذه، وكاتبه: يحيى بن إبراهيم بن يحيى الغزي الشافعي
(4)، قال فيه: «أما بعد: حمدا لله الذي علم بالقلم وفضل من بالعلم اتسم فقد قرأت جميع هذا المصنف الملقب بـ «رسوم التحديث في علوم الحديث» على مؤلفه الشيخ الإمام العالم العامل الصدر الكامل الورع العلامة مفتي المسلمين لسان المتكلمين فريد دهره، ووحيد عصره والمنفرد بعلوم الفنون في هذا العصر والسنين برهان الدين أبو محمد إبراهيم بن الشيخ الإمام العالم العامل العدل المرتضى
… سراج الدين أبي حفص عمر بن الشيخ الإمام العالم العلامة برهان الدين الرَّبَعِي الجعبري المتصدر للإقراء بحرم خليل الله إبراهيم صلوات الله وسلامه عليه
… »
(5).
فهذا السَّمَاع فيه دلالةٌ على أنَّ والد الناظم وَجَدِّهِ أيضًا، كانت لهما مشاركة في العلم. والله أعلم.
--------------------------------------------
৬ - ইলমুদ্দিন আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-বারজালি (মৃত্যু: ৭৩৯ হি.) বলেন: “প্রবল ধারণা এই যে, শাইখ বুরহানুদ্দিনের পিতা—যিনি তার পুত্রের জন্য যাদের সাক্ষাৎ তিনি পেয়েছিলেন এমন একদল লোকের কাছ থেকে ইজাযত গ্রহণ করেছিলেন—তিনি ইলমে হাদিসের ছাত্র ছিলেন এবং এ বিষয়ে তার বিশেষ যত্ন ছিল। কিন্তু যখন দেশ বিধ্বস্ত হলো এবং তাতাররা সেখানে প্রবেশ করল, তখন কিতাবপত্র ও নথিপত্রসমূহ হারিয়ে যায়”
(১).
৭ - শাইখ, ইমাম, অদ্বিতীয় আলিম, হাফিজ, শাইখুল ইসলাম শামসুদ্দিন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল বিন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি (মৃত্যু: ৬৪৮ হি.)-এর নিকট আবু নুয়াইম আল-আসবাহানি (মৃত্যু: ৪৩০ হি.) রচিত ‘আল-মুসনাদ আল-মুস্তাখরাজ আলা সহিহ আল-ইমাম মুসলিম’ কিতাবটির শ্রবণের প্রমাণ (সামা’আত) পাওয়া যায়। যারা তার নিকট এটি শ্রবণ করেছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন (আবু হাফস উমর বিন ইব্রাহিম বিন খলিল আল-মুআজ্জিন আল-জাবারী), যিনি এই গ্রন্থকারের (নাজিম) পিতা। এই শ্রবণগুলো আলেপ্পোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল
(২).
৮ - এছাড়া নাজিমের একটি পাণ্ডুলিপির ওপর পাঠের রেকর্ড রয়েছে, যা হলো: ‘রুসুমুত তাহদিস ফি উলুমিল হাদিস’
(৩)। এটি তার জনৈক ছাত্র পাঠ করেছেন এবং এর লেখক হলেন: ইয়াহইয়া বিন ইব্রাহিম বিন ইয়াহইয়া আল-গাজ্জি আশ-শাফিঈ
(৪)। তিনি তাতে বলেন: “অতঃপর: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন এবং যাকে জ্ঞান দ্বারা ভূষিত করেছেন তাকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। আমি এই পূর্ণাঙ্গ কিতাবটি—যার শিরোনাম ‘রুসুমুত তাহদিস ফি উলুমিল হাদিস’—তার রচয়িতার নিকট পাঠ করেছি, যিনি হলেন শাইখ, ইমাম, আলিম, আমলকারী, পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব, পরহেজগার, আল্লামা, মুসলিমদের মুফতি, মুতাকাল্লিমদের কণ্ঠস্বর, আপন যুগের অদ্বিতীয় ও সময়ের একক ব্যক্তিত্ব, এই যুগে এবং সময়ে বিভিন্ন শাস্ত্রে পারদর্শী বুরহানুদ্দিন আবু মুহাম্মদ ইব্রাহিম বিন শাইখ ইমাম আলিম আমলকারী আদিল আল-মুরতাজা... সিরাজুদ্দিন আবু হাফস উমর বিন শাইখ ইমাম আলিম আল্লামা বুরহানুদ্দিন আর-রাবায়ি আল-জাবারি, যিনি আল্লাহর খলিল ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম)-এর হারামে কিরাত পাঠের প্রধান ছিলেন...”
(৫).
এই শ্রবণ বা সামা’আত থেকে প্রমাণিত হয় যে, নাজিমের পিতা এবং তার দাদাও ইলমের সাথে যুক্ত ছিলেন। আল্লাহই ভালো জানেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৮)
وللناظم أخٌ -أصغر منه سنًّا- يُدعى: أبا عبد الله محمد بن عمر بن إبراهيم الجعبري، ولد سنة: (642 هـ). تقريبًا، وأجاز له يوسف بن خليل (ت: 648 هـ)، وَأَخَذَ عنه البرزالي (ت: 739 هـ)، وقال: «شيخٌ مباركٌ، مقيمٌ بمشهد جعفر الطيار، بالقرب من الكَرَكْ
(1) أكثر من عشرين سنة، وثقُلَ سمعُهُ، قرأت عليه سنة: (728 هـ) ـ»
(2).
وقد أخبرنا الناظم عن نفسه بأنه بَدَأَ بالقراءة والسماع على علماء بلده وهو في التاسعة من عمره، أي في عام: (649 هـ)
(3).
وسمع - كذلك - من أخيه الحافظ إبراهيم بن خليل بن عبد الله الدمشقي الأَدَمِيُّ (ت: 658 هـ)
(4).
قال الأسنوي (ت: 772 هـ) في ترجمة الناظم: «قرأ على ابن يونس (ت: 671 هـ)، صاحب "التعجيز"، وسَمِعَ عليه كتابه، وصنَّف تصانيف كثيرة، منها: "تكملة شرح التعجيز"، فإنَّ مصنِّفه وصل فيه إلى أثناء الجنايات»
(5).
فأسرةٌ هذا تاريخها، تعتبر من أهم المقومات الكفيلة ببناء شخصية الناظم، وتفوقه العلمي على نظرائه وقرنائه.
--------------------------------------------
গ্রন্থকারের একজন ছোট ভাই ছিলেন—যিনি বয়সে তাঁর চেয়ে ছোট—তাঁর নাম: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে ইবরাহীম আল-জা’বারী। তিনি আনুমানিক ৬৪২ হিজরী সনে জন্মগ্রহণ করেন। ইউসুফ ইবনে খলীল (মৃত্যু: ৬৪৮ হিজরী) তাঁকে ইজাযাহ প্রদান করেন। তাঁর নিকট থেকে আল-বারযালী (মৃত্যু: ৭৭৯ হিজরী) ইলম গ্রহণ করেছেন এবং তিনি বলেছেন: «তিনি একজন বরকতময় শাইখ, যিনি কারাক-এর নিকটবর্তী জা’ফর আত-তৈয়্যারের মাশহাদে (সমাধিস্থলে) বিশ বছরেরও বেশি সময় অবস্থান করেছেন। তাঁর শ্রবণশক্তি ভারী হয়ে গিয়েছিল। আমি ৭২৮ হিজরী সনে তাঁর নিকট পাঠ করেছি—»।
গ্রন্থকার নিজের সম্পর্কে আমাদের জানিয়েছেন যে, তিনি নয় বছর বয়স থেকেই তাঁর শহরের আলেমদের নিকট পাঠ গ্রহণ এবং শ্রবণ (সামা’) শুরু করেন, অর্থাৎ ৬৪৯ হিজরী সনে।
একইভাবে তিনি তাঁর ভাই হাফেজ ইবরাহীম ইবনে খলীল ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দামেশকী আল-আদামী (মৃত্যু: ৬৫৮ হিজরী) এর নিকট থেকেও শ্রবণ করেছেন।
আল-আসনাবী (মৃত্যু: ৭৭২ হিজরী) গ্রন্থকারের জীবনীতে বলেন: «তিনি 'আত-তা’জীর' গ্রন্থের প্রণেতা ইবনে ইউনুস (মৃত্যু: ৬৭১ হিজরী) এর নিকট পাঠ করেছেন এবং তাঁর নিকট তাঁর গ্রন্থটি শ্রবণ করেছেন। তিনি অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো: 'তাকমিলাতু শারহিত তা’জীর'; কেননা এর মূল গ্রন্থকার উক্ত কিতাবে কেবল জিনায়াত (অপরাধ) অধ্যায়ের মধ্যভাগ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন»।
সুতরাং এমন ইতিহাস সমৃদ্ধ একটি পরিবার গ্রন্থকারের ব্যক্তিত্ব গঠন এবং তাঁর সমসাময়িক ও সমকক্ষদের তুলনায় তাঁর জ্ঞানগত শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে গণ্য হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ৯)
رحلاتُهُ وطلبُهُ للعلم:رحل الناظم إلى عددٍ من البلدان الإسلامية طلبًا للعلم ولقاء المشائخ والأخذ عنهم مباشرةً.
1 - سَمِعَ وَأُجِيزَ فِي صِبَاهُ وذلك بواسطة والده من الحافظ أبي الحجاج يوسف بن خليل (ت: 648 هـ)
(1)، وذلك في شعبان سنة: (647 هـ)
(2)، قال الذهبي (ت: 748 هـ): «وله إجازة من المحدِّث يوسف بن خليل»
(3)، وقال ابن الوردي (ت: 749 هـ): «وقرأ التعجيز على مُصَنِّفِهِ بالموصل»
(4)، وذكر الدكتور الأهدل (ت: 1436 هـ) أنه كانت له
رحلة إلى حلب ثم إلى الموصل مع والده وهو صبيٌّ، ونفى هذه الرحلة محقق عقود الجمان في تجويد القرآن
(5).
2 - الرحلة إلى بغداد.
ولم يُعرف وقت هذه الرحلة ومغادرته مسقط رأسه تحديدًا، ولا سبب الرحلة، وإنما كانت بعد سنة: (660 هـ)
(6)، واشتغل الناظم بالتلقي عن علماءها، وأخذ علم القراءات بالسبع وبالعشر عن كبار المقرئين، والتحق بالمدرسة النظامية
(7)، وأخذ الفقه عن أبي العز محمد بن عبد الله البصري الشافعي
(8) المدرِّس بالمدرسة النظامية
(9)، وحضر الدروس بالمدرسة المستنصرية
(10).
وحفظ كتاب "التيسير في القراءات"
(11)، وحفظ "غاية الاختصار في الفقه"
(12)، وكتاب "التعجيز في مختصر الوجيز"
(13)، وَعَرَضَهُ حِفْظًا على مؤلفه
(14) تاج الدين ابن يونس الموصلي الشافعي (ت: 671 هـ)
(15).
--------------------------------------------
তাঁর সফরসমূহ ও ইলম অর্জন:গ্রন্থকার ইলম অর্জন, শাইখদের সাথে সাক্ষাৎ এবং তাঁদের নিকট থেকে সরাসরি শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে বেশ কিছু ইসলামী দেশ সফর করেন।
১ - শৈশবেই তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলিল (ওফাত: ৬৪৮ হিজরী) থেকে শ্রবণ করেন এবং অনুমতি (ইজাযাত) প্রাপ্ত হন
(১)। এটি ছিল ৬৪৭ হিজরী সালের শাবান মাসে
(২)। ইমাম যাহাবী (ওফাত: ৭৪৮ হিজরী) বলেছেন: «মুহাদ্দিস ইউসুফ বিন খলিল থেকে তাঁর ইজাযাত রয়েছে»
(৩)। ইবনুল ওয়ারদী (ওফাত: ৭৪৯ হিজরী) বলেছেন: «তিনি মুসিলে (আত-তাজিজ) কিতাবটি এর লেখকের নিকট পাঠ করেছেন»
(৪)। ডক্টর আল-আহদাল (ওফাত: ১৪৩৬ হিজরী) উল্লেখ করেছেন যে, শৈশবে তাঁর পিতার সাথে তাঁর একটি
আলেপ্পো এবং তারপর মুসিল সফর হয়েছিল, তবে ‘উকুুদ আল-জুমান ফি তাজউয়িদ আল-কুরআন’ গ্রন্থের মুহাক্কিক এই সফরের কথা অস্বীকার করেছেন
(৫)।
২ - বাগদাদ সফর।
এই সফরের সুনির্দিষ্ট সময় এবং তাঁর জন্মস্থান ত্যাগের সঠিক তারিখ কিংবা সফরের কারণ জানা যায়নি; তবে এটি ৬৬০ হিজরীর পরের ঘটনা
(৬)। গ্রন্থকার সেখানকার ওলামায়ে কেরামের নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি বড় বড় ক্বারীগণের নিকট থেকে সাত ও দশ ক্বিরাআতের ইলম গ্রহণ করেন এবং মাদরাসা নিযামিয়াতে যোগদান করেন
(৭)। তিনি মাদরাসা নিযামিয়ার শিক্ষক
(৯) আবু আল-ইযয মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বসরী আল-শাফিঈর
(৮) নিকট ফিকহ শিক্ষা করেন এবং মাদরাসা মুস্তানসিরিয়ার
(১০) দরসসমূহে উপস্থিত হন।
তিনি ‘আত-তaysir ফিল ক্বিরাআত’
(১১) কিতাবটি হিফজ করেন, এছাড়া ‘গয়অতুল ইখতিসার ফিল ফিকহ’
(১২) এবং ‘আত-তাজিজ ফি মুখতাসার আল-ওয়াজিজ’
(১৩) কিতাবটি মুখস্থ করেন এবং মুখস্থ শুনিয়ে তা এর লেখক
(১৪) তাজউদ্দীন ইবনে ইউনুস আল-মুসিলী আল-শাফিঈর (ওফাত: ৬৭১ হিজরী)
(১৫) নিকট পেশ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১০)
قال الناظم: «وقرأته عليه عرضًا وبحثًا، و (النبيه)
(1)، و (نهاية النفاسة)، و (الدوحة)، و (مقدمة في الجدل)، و (مختصر المحصول)
(2)، و (إرشاد الحربي)، و (درة العزايمي)، وشَرَحَ (الوجيز) و (التعجيز)، و (إرشاد العميدي)، وكان الشَّاِرمْسِاحِي
(3) أورد على تعجيزه مآخذ، فأجبت عنها
(4)، فلمَّا ورد بغداد طلبني بالجزء، ولما حضرت مجلسه بدار الحديث المستنصرية، قرأ الجزء، فرأى موضعًا قد أَوْرَدَهُ على نفسه، وأجاب عنه في تطريزه، فعجب ومن حضر من هذه المُوًارَدَةِ، وَقَرَّبَنِي منه وأجاز لي إجازة مالك للشافعي»
(5).
وعنه أخذ الفقه، قال الإمام الذهبي (ت: 748 هـ) في ترجمة ابن يونس الموصلي (ت: 671 هـ): «وممن أخذ عنه الفقه شيخنا البرهان الجعبري»
(6).
وقال ابن قاضي شهبة (ت: 851 هـ): «وسمع ببغداد من جماعة، وسمع التعجيز، وعرضه على مُصَنِّفِهِ، وأخذ عنه الفقه»
(7).
وجمع وحصَّل، وَعُدَّ من علمائها، واطلع على كتبهم، ثُمَّ إِنَّ الناظم ابتدأ التأليف في علم القراءات، فألَّف كتابه «نزهة البررة في مذاهب القراء العشرة وكتابه «عقود الجمان، في تجويد القرآن»
(8)، وعَرَضَهُمَا على شيخه منتجب الدين التكريتي (ت: 688 هـ)
(9)، وهو الذي تَخَرَّجَ عليه في القراءات وسمع منه، وقرأ عليه بعض الكتب، وحثَّه على التحصيل، قال الناظم: «فلما رأى نجابتي حثني على تحصيل الفقه»
(10).
وبعد انتهائه من «نزهة البررة في مذاهب القراء العشرة» نَظَمَ «روضة الطرائف في رسم المصاحف»، وبيَّن سبب نظمها بقوله:
وَحَيْثُ تَمَّ نِظَامُ الْعَشْرِ وَافْتَقَرَ الرْ
… رَاوِي إِلَى الرَّسْمِ تَفْصِيلًا لِيَكْتَمِلَا
وبيَّن مكان نظمها بقوله:
بَدِيعِةُ الْحُسْنِ بَغْدَاذِيَّةٌ جَمَعَتْ
… نَفَائِسًا نَفَسَتْ مِنْ حُلْيِها عُطُلَا
وفي بغداد أيضًا نظم «المرصاد الفارق بين الظاء والضاد»، وذلك سنة: (680 هـ) تقريبًا، وقد ذكر هذا في شرح هذا النظم الذي سمَّاه: «الإرصاد في شرح المرصاد الفارق بين الظاء والضاد»
(11).
--------------------------------------------
নাজিম (গ্রন্থকার) বলেন: «আমি এটি তাঁর নিকট উপস্থাপন ও পর্যালোচনার মাধ্যমে পাঠ করেছি, এবং (আন-নাবিহ)
(১), (নিহায়াতুন নাফাসাহ), (আদ-দাওহাহ), (মুকাদ্দিমা ফিল জাদাল) এবং (মুখতাসারুল মাহসুল)
(২), (ইরশাদুল হারবি), (দুররাতুল আজাইমি) পাঠ করেছি; তিনি (আল-ওয়াজিজ), (আত-তাজিজ) এবং (ইরশাদুল আমিদি)-এর ব্যাখ্যা করেছেন। আশ-শারমাসাহি
(৩) তাঁর 'তাজিজ' গ্রন্থের ওপর কিছু আপত্তি উত্থাপন করেছিলেন, আমি সেগুলোর উত্তর দিয়েছিলাম
(৪)। অতঃপর তিনি যখন বাগদাদে আসলেন, তখন তিনি আমার কাছে সেই অংশটি চাইলেন। আমি যখন দারুল হাদিস আল-মুস্তানসিরিয়্যাহ-তে তাঁর মজলিসে উপস্থিত হলাম, তিনি অংশটি পাঠ করলেন এবং এমন একটি স্থান দেখতে পেলেন যা তিনি নিজের ওপর আপত্তি হিসেবে উত্থাপন করেছিলেন এবং নিজের টীকায় তার উত্তর দিয়েছিলেন। এতে তিনি এবং সেখানে উপস্থিত সকলে এই মিল দেখে বিস্মিত হলেন। তিনি আমাকে তাঁর নিকটবর্তী করলেন এবং আমাকে এমনভাবে ইজাজত (অনুমতি) প্রদান করলেন, যেমনটি ইমাম মালিক ইমাম শাফিয়ীকে প্রদান করেছিলেন»
(৫)।
তাঁর নিকট থেকেই তিনি ফিকহ অর্জন করেন। ইমাম আয-যাহাবি (মৃ: ৭৪৮ হিজরি) ইবনে ইউনুস আল-মাওসিলি (মৃ: ৬৭১ হিজরি)-এর জীবনীতে বলেন: «যাঁরা তাঁর নিকট ফিকহ অর্জন করেছেন, তাঁদের মধ্যে আমাদের শায়খ বুরহান আল-জাবারি অন্যতম»
(৬)।
ইবনে কাদি শুহবাহ (মৃ: ৮৫১ হিজরি) বলেন: «তিনি বাগদাদে একদল আলেমের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন, 'আত-তাজিজ' গ্রন্থটি শ্রবণ করেছেন এবং তা এর লেখকের নিকট পেশ করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে ফিকহ অর্জন করেছেন»
(৭)।
তিনি জ্ঞান আহরণ ও অর্জন করেন এবং সে সময়ের আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হন এবং তাঁদের কিতাবসমূহ অধ্যয়ন করেন। অতঃপর নাজিম (গ্রন্থকার) কিরাত শাস্ত্রের ওপর লেখালেখি শুরু করেন। তিনি তাঁর গ্রন্থ «নুযহাতুল বারারাতি ফি মাযাহিবিল কুররাইল আশারা» এবং «উকুদুল জুমান ফি তাজউয়িদিল কুরআন»
(৮) রচনা করেন এবং তা তাঁর শায়খ মুনতাজিবুদ্দিন আত-তিকরিতি (মৃ: ৬৮৮ হিজরি)
(৯)-এর নিকট পেশ করেন। তাঁর নিকট থেকেই তিনি কিরাত শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি লাভ করেন ও কিরাত শ্রবণ করেন এবং তাঁর নিকট কিছু কিতাব পাঠ করেন। তিনি তাঁকে জ্ঞান অর্জনে উৎসাহিত করতেন। নাজিম বলেন: «যখন তিনি আমার মেধা ও যোগ্যতা দেখলেন, তখন তিনি আমাকে ফিকহ অর্জনে উৎসাহিত করলেন»
(১০)।
«নুযহাতুল বারারাতি ফি মাযাহিবিল কুররাইল আশারা» সমাপ্ত করার পর তিনি «রাওদাতুত তারায়েফ ফি রাসমিল মাসাহিফ» কাব্যাকারে রচনা করেন এবং এটি রচনার কারণ বর্ণনা করে বলেন:
যখন দশ কিরাতের বিন্যাস সম্পন্ন হলো এবং বর্ণনাকারী
… পূর্ণতার জন্য বিস্তারিত লিখনশৈলীর মুখাপেক্ষী হলো।
এবং এটি রচনার স্থান সম্পর্কে বলেন:
অপূর্ব সৌন্দর্যের এই বাগদাদী রচনাটি এমন সব
… মূল্যবান বিষয়কে একত্রিত করেছে যা অলঙ্কারহীনদের এর অলঙ্কার দ্বারা সুশোভিত করেছে।
বাগদাদেই তিনি «আল-মিরসাদুল ফারিগ বাইনায যা-ই ওয়াদ দাদ» কাব্যটি রচনা করেন, যা আনুমানিক ৬৮০ হিজরি সালের ঘটনা। তিনি নিজেই এই কাব্যের ব্যাখ্যাগ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন যার নাম দিয়েছেন: «আল-ইরশাদ ফি শারহিল মিরসাদিল ফারিগ বাইনায যা-ই ওয়াদ দাদ»
(১১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১১)
3 - الرحلة إلى دمشق.
ولا يُعْرَفُ أيضًا تاريخ مغادرته بغداد تحديدًا، وإنما كانت بعد سنة: (680 هـ)، قلت هذا اعتمادًا على قول تلميذه الحافظ الذهبي (ت: 748 هـ): «وقدومه إلى الشام سنة نَيِّفٍ وثمانين»
(1)، وذلك بعد وفاة شيخه تاج الدين ابن يونس (ت: 671 هـ)، فَنَزَلَ بِالسُّمَيْسَاطِيَّة
(2)، وَأَعَادَ بِالغَزَّالِيَّةِ
(3)، وسكن بها مدَّةً
(4)، وسمع من كبار الحفاظ، وباحَثَ وناظَرَ، واستفاد منه الطلبة.
4 - الرحلة الثالثة والأخيرة إلى الخليل في فلسطين.
ولا يُعرف أيضًا تاريخ هذه الرحلة وإنما كانت قبل سنة: (688 هـ)
(5)، وعاش فيها أكثر من أربعين عامًا
(6)، ورحل الناس إليه
(7)، وصنَّف التصانيف، واشتهر ذكره، وبَعُدَ صيته
(8)، وصار مقصدًا لطلاب العلم الذين رحلوا للسَّمَاع منه والقراءة عليه
(9)، وَتَقَلَّدَ فيها مشيخة الحرم الإبراهيمي، وتولى بها الإفتاء والقضاء والخطابة والتدريس
(10)، بعد الشيخ بديع الدين علي بن محمد بن علي بن بركات الأنصاري المصري (ت: 686 هـ)
(11)، وأدرك أحفاده، وأجاز بعضهم، وما زالت هذه الأسرة في الخليل إلى اليوم.
--------------------------------------------
৩ - দামেস্কে সফর.
তার বাগদাদ ত্যাগের সুনির্দিষ্ট তারিখও জানা যায় না, তবে তা ৬৮০ হিজরির পরবর্তী সময়ের ঘটনা। আমি এটি তার ছাত্র হাফেজ আয-যাহাবির (মৃত্যু: ৭৪৮ হি.) এই বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে বলছি: "এবং সিরিয়ায় (শাম) তার আগমন আশির দশকের কিছু পরে।" এটি তার উস্তাদ তাজউদ্দীন ইবনে ইউনুসের (মৃত্যু: ৬৭১ হি.) ইন্তেকালের পরের ঘটনা। এরপর তিনি সুমাইসাতিয়্যাহ খানকাহে অবস্থান করেন এবং গাজ্জালিয়্যাহ মাদরাসায় পাঠদান পুনরাবৃত্তি করেন এবং সেখানে কিছুকাল বসবাস করেন। তিনি বড় বড় হাফেজদের থেকে (হাদিস) শ্রবণ করেন, বিভিন্ন বিষয়ে বাহাস ও মুনাজারা করেন এবং শিক্ষার্থীরা তার থেকে উপকৃত হন।
৪ - ফিলিস্তিনের আল-খলিলে (হেব্রন) তৃতীয় ও শেষ সফর.
এই সফরের তারিখও সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায় না, তবে তা ৬৮৮ হিজরির পূর্বের ঘটনা। সেখানে তিনি চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত করেন এবং মানুষ তার নিকট (ইলম অন্বেষণে) সফর করে আসত। তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা করেন, তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে এবং তার সুনাম সুদূরপ্রসারী হয়। তিনি ইলম অন্বেষণকারীদের গন্তব্যস্থলে পরিণত হন, যারা তার থেকে (হাদিস) শ্রবণ এবং তার নিকট পাঠ গ্রহণের উদ্দেশ্যে সফর করত। শেখ বদিউদ্দীন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে বারাকাত আল-আনসারী আল-মিসরির (মৃত্যু: ৬৮৬ হি.) পর তিনি সেখানে হারাম আল-ইবরাহিমির প্রধান শায়খ পদ লাভ করেন এবং সেখানে ইফতা, বিচার বিভাগ, খুতবা ও অধ্যাপনার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তার (বদিউদ্দীনের) নাতি-পুতিদের সান্নিধ্য পেয়েছেন এবং তাদের কয়েকজনকে ইজাজত প্রদান করেছেন। এই পরিবারটি আজও আল-খলিলে বিদ্যমান রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১২)
وذكر الدكتور الأهدل (ت: 1436 هـ) في مقدمة تحقيقه
(1) لكتاب رسوخ الأحبار في منسوخ الأخبار للناظم، أنَّ الناظم رحل إلى المدينة عام: (688 هـ)، وهذا لا يَصِحُّ، وقد أحال رحمه الله إلى نسخة مخطوطة للناظم لكتابه (خلاصة الأبحاث في شرح نهج القراءات الثلاث)
(2)، والصواب أَنَّ في آخرها ما نصه: «وهذا آخر ما يسر الله تعالى من إملاء شرح النهج، كمل بمدينة أبي الأنبياء إبراهيم الخليل على نبينا محمد وعليه أفضل الصلاة والسلام، وذلك في شعبان المبارك، سنة ثمان وثمانين وستمائة». انتهى.
إذن، وبعد الرجوع إلى المخطوط تبين أنه كتب بالخليل وليس بالمدينة المنورة، كما ذكر رحمه الله وجميع موتى المسلمين.
ولا يبعد أَنّ الناظم قد زار المدينة المنورة وحج بيت الله الحرام، ولكنَّ أحدًا لم يذكر ذلك، وخاصةً أَنَّ له مؤلفًا في (مناسك الحج)
(3)، وله مؤلفًا آخر سمَّاه (محرك الغرام الساكن إلى أشرف المساكن)
(4)، واستنتج اليزيدي (ت: 1424 هـ) أنه قدم الخليل قبل سفره للمدينة بسنة أو قبل السنة
(5). والله أعلم.
وذكر الدكتور الأهدل (ت: 1436 هـ) أيضًا في مقدمة تحقيقه
(6) لكتاب رسوخ الأحبار في منسوخ الأخبار للناظم، أنه رحل إلى مصر، وذلك أنه قرأ في مقدمة كتاب (الجميلة شرح العقيلة) قول الإمام السخاوي
(7) - الشارح -: «ومما رأيت أنا من ذلك على قبر ابن عبادة
(8) بمصر رحمه الله:
يَا مَاشِيًا بِالقُبُورِ زَهْوًا
… لَمْ تَنتَبِهْ لِلْمنُونِ رِيحُ
عَرِّجْ قَلِيلًا عَلَى غَرِيبٍ
… قَدْ ضَمَّهُ مُفْرَدًا ضَرِيحُ
بَيْتٌ تَسَاوَى الْأَنَامُ فِيهِ
… الْعَبْدُ وَالسَّيِّدُ الصَّرِيحُ
وَقِفْ عَلَيْهِ وَجُدْ بِرُحْمَى
… لَعَلَّهُ فِيهِ يَسْتَرِيحُ
وهذه الرحلة لا تصحُّ -كذلك - والرَّدُّ على هذه والتي قبلها بوجهين:
--------------------------------------------
ডক্টর আল-আহদাল (মৃ: ১৪৩৬ হি.) নাযিমের 'রুসুখুল আহবার ফী মানসুখিল আখবার' গ্রন্থের তার সম্পাদিত ভূমিকায়
(১) উল্লেখ করেছেন যে, নাযিম ৬৮৮ হিজরি সালে মদিনায় সফর করেছিলেন। কিন্তু এটি সঠিক নয়। তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) নাযিমের 'খুলাসাতুল আবহাছ ফী শারহি নাহজিল কিরাআতিল ছালাছ'
(২) গ্রন্থের একটি পাণ্ডুলিপির উদ্ধৃতি দিয়েছেন। অথচ সঠিক বিষয় হলো, সেই পাণ্ডুলিপির শেষে নিম্নোক্ত কথাটি রয়েছে: «নাহজ-এর শারহ (ব্যাখ্যা) শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা যা সহজ করে দিয়েছেন এটিই তার শেষ অংশ; এটি নবীকুল শিরোমণি ইব্রাহিম আল-খলিলের শহরে সম্পন্ন হয়েছে, আমাদের নবী মুহাম্মদ ও তাঁর ওপর শ্রেষ্ঠ সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক। আর তা ছিল ৬৮৮ হিজরি সনের মুবারক শাবান মাসে।» সমাপ্ত।
অতএব, পাণ্ডুলিপিটি পর্যালোচনা করার পর এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, এটি মদিনা মুনাওয়ারায় নয় বরং খলিলে (হেবরন) লেখা হয়েছে, যেমনটি তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) এবং সকল মৃত মুসলিমদের জন্য উল্লেখ করা হয়েছে।
এটি অসম্ভব নয় যে নাযিম মদিনা মুনাওয়ারা যিয়ারত করেছেন এবং আল্লাহর পবিত্র ঘরে হজ পালন করেছেন, তবে কেউ তা উল্লেখ করেননি। বিশেষ করে যেহেতু হজ পালনের নিয়মাবলি (মানাসিকুল হজ)
(৩) বিষয়ে তাঁর একটি রচনা রয়েছে এবং 'মুহাররিকুল গারাম আস-সাকিন ইলা আশরাফিল মাসাকিন'
(৪) নামে তাঁর আরও একটি গ্রন্থ রয়েছে। আল-ইয়াযিদী (মৃ: ১৪২৪ হি.) এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, তিনি মদিনা সফরের এক বছর আগে বা তার কিছুকাল আগে খলিলে আগমন করেছিলেন
(৫)। আল্লাহই ভালো জানেন।
ডক্টর আল-আহদাল (মৃ: ১৪৩৬ হি.) নাযিমের 'রুসুখুল আবহার ফী মানসুখিল আখবার' গ্রন্থের তাঁর সম্পাদিত ভূমিকায়
(৬) আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি মিশরে সফর করেছিলেন। এর কারণ হলো, তিনি 'আল-জমিলা শারহুল আকিলা' গ্রন্থের ভূমিকায় ব্যাখ্যাকার ইমাম সাখাভী
(৭)-এর উক্তি পড়েছেন: «আমি মিশরে ইবনে উবাদাহ
(৮)-এর কবরের ওপর যা দেখেছি তা হলো (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন):
হে কবরের পাশ দিয়ে অহংকারের সাথে পথচারী
… মউতের হাওয়া সম্পর্কে কি তুমি সচেতন নও?
একটু থামো এই প্রবাসীর পাশে
… যাকে একাকী কবরে রাখা হয়েছে।
এমন এক ঘর যেখানে সকল মানুষ সমান
… দাস এবং অভিজাত উচ্চবংশীয় ব্যক্তিও।
তার পাশে দাঁড়াও এবং রহমতের প্রার্থনা করো
… সম্ভবত এর মাধ্যমে সে শান্তি পাবে।
এই সফরটিও সঠিক নয়—অনুরূপভাবে—এবং এই দাবি ও পূর্বের দাবির উত্তর দুইভাবে দেওয়া যায়:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الأول: أنه لا يوجد أحد ممن ترجم للناظم ذكر هاتين الرحلتين له، سواءٌ ممن عاصره في حياته من تلاميذه، أو ممن ترجم له بعد وفاته.
غير أني وَجَدتُّ تقي الدين المقريزي (ت: 845 هـ) قال في ترجمته للناظم: «
… ، وقدم إلى دمشق فنزل بِالسُّمْسِيَاطِيَّة، وأعاد بالغَزَّالِيَّة، وباحث وناظر، وقدم إلى القاهرة ثم عاد إلى دمشق،
… »
(1). والعلم عند الله تعالى.
الثاني - وهو خاصٌّ بالرحلة الثانية -: ظنَّ - الدكتور الأهدل (ت: 1436 هـ) رحمه الله أَنَّ هذه الأبيات من قول الناظم
(2)، وإنما هي من قول الإمام السخاوي - الشارح-.
وبقي أن أذكر أَنَّهُ في سنة: (690 هـ) وُلِدَ ابنه محمد بن إبراهيم في بلد الخليل
(3)، وأخذ المشيخة بعد وفاة والده.
--------------------------------------------
প্রথমত: নাযিম (কবিতা রচয়িতা)-এর জীবনী যারা লিখেছেন, তাদের কেউই তাঁর এই দুটি সফরের কথা উল্লেখ করেননি; চাই তিনি বেঁচে থাকতে তাঁর সমসাময়িক ছাত্ররা হোক, কিংবা তাঁর মৃত্যুর পর যারা তাঁর জীবনী লিখেছেন।
তবে আমি তাক্বীউদ্দীন আল-মাক্বরিযীকে (মৃত্যু: ৮৪৫ হি.) নাযিমের জীবনীতে বলতে দেখেছি: «
… , তিনি দামেস্কে আসলেন এবং সুমসিয়াতীয়ায় অবস্থান করলেন, আল-গাযযালীয়ায় পাঠদান করলেন এবং সেখানে গবেষণা ও বিতর্কে লিপ্ত হলেন। এরপর তিনি কায়রোতে আসলেন এবং পরবর্তীতে পুনরায় দামেস্কে ফিরে গেলেন,
… »
(১)। আর প্রকৃত জ্ঞান আল্লাহ তাআলার কাছেই।
দ্বিতীয়ত—যা মূলত দ্বিতীয় সফরের সাথে সংশ্লিষ্ট—ডক্টর আল-আহদাল (মৃত্যু: ১৪৩৬ হি.) রাহিমাহুল্লাহ মনে করেছেন যে, এই পংক্তিগুলো নাযিমের উক্তি
(২), অথচ এগুলো মূলত ব্যাখ্যাকার ইমাম আস-সাখাওয়ীর উক্তি।
পরিশেষে এটি উল্লেখ করা বাকি যে, ৬৯০ হিজরী সনে খলিল (হেব্রন) শহরে তাঁর পুত্র মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম জন্মগ্রহণ করেন
(৩) এবং তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তিনি শায়খ পদভার গ্রহণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৪)
المبحث الثالث: شيوخه، وتلاميذه.
شيوخُه:أخذ الناظم على عدد كبير من علماء عصره، بلغوا المائتين، كما ذكر ذلك في عوالي مشيخته، حيث قال: «والشيوخ الذين رويت عنهم العلوم الشريفة مائتا شيخ من شيوخ الآفاق من المشرق والمغرب، وهذه أسماء شيوخي العوالي سندًا أو علمًا، الذين رويت عنهم قراءةً عليهم، أو سماعًا منهم أو إجازة»
(1)، وذكر منهم في هذه المشيخة واحدًا وعشرين شيخًا.
وقد أخذ الناظم عن بعضهم في بلده الذي نشأ فيه (قلعة جعبر)، وهؤلاء ذكرتهم في مبحث (نشأته).
وسأذكر أبرز العلماء الذين أخذ عنهم علم القراءات سواء في العشر أو السبع في أثناء رحلته الأولى إلى: بغداد، أو رحلته الثانية إلى: دمشق مقتصرًا عليهم
(2)، وقد قمت بترتيبهم حسب وفياتهم، فأقول مستعينًا بالله تعالى:
1 - له إجازة بالقراءات العشر من الروايتين إجازةً لا تلاوةً
(3)، عن الشريف الداعي شمس الدين أبي البدر محمد بن عمر بن القاسم العباسي الرشيدي الواسطي (ت: 668 هـ)
(4). قال الإمام الذهبي (ت: 748 هـ) في ترجمته: «وَحَمَلَ عَنْهُ جَمَاعَةٌ القراءات،
… ، وبالإجازة شيخنا البرهان الجعبري»
(5).
2 - قرأ القراءات السبع، سنة: (670 هـ) على شمس الدين أبي الحسن على بن عثمان بن محمود بن عبد الغفار الوجوهي الحنبلي البغدادي (ت: 672 هـ)
(6)، قال الناظم في عوالي مشيخته: «قرأت عليه [تجويد]-والصواب [تجريد]
(7) - ابن الفحام
(8) بسنده إليه، وسمعنا عليه الوقف والابتداء لابن عباد
(9)»
(10). وعليه تَخَرَّجَ في القراءات.
--------------------------------------------
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর উস্তাদগণ ও ছাত্রগণ.
তাঁর উস্তাদগণ:নাজিম (কবিতা রচয়িতা) তাঁর সমসাময়িক বিপুল সংখ্যক আলেমদের থেকে ইলম অর্জন করেছেন, যাদের সংখ্যা দুইশতে পৌঁছেছে। যেমনটি তিনি তাঁর 'আওয়ালি মাশইয়্যাখা' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন: "যেসব উস্তাদ থেকে আমি পবিত্র জ্ঞানসমূহ বর্ণনা করেছি, তাঁরা হলেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের পূর্ব ও পশ্চিমের দুইশ জন উস্তাদ। আর এগুলি হলো আমার উস্তাদদের নাম, যারা সনদ বা জ্ঞানের দিক থেকে উচ্চমর্যাদার, যাদের কাছে আমি পাঠ করেছি অথবা শ্রবণ করেছি কিংবা অনুমতি (ইজাযাহ) লাভ করেছি।"
(১) তিনি এই মাশইয়্যাখায় তাদের মধ্য থেকে একুশ জন উস্তাদের কথা উল্লেখ করেছেন।
নাজিম তাঁদের কারো কারো থেকে ইলম অর্জন করেছেন তাঁর নিজ শহর (কালআত জা'বার)-এ যেখানে তিনি বেড়ে উঠেছেন। আমি তাঁদের কথা 'তাঁর বেড়ে ওঠা' পরিচ্ছেদে আলোচনা করেছি।
আমি এখানে প্রধানত সেই আলেমদের কথা উল্লেখ করব যাঁদের কাছ থেকে তিনি তাঁর প্রথম বাগদাদ সফর অথবা দ্বিতীয় দামেস্ক সফরে দশ কিরাআত বা সাত কিরাআতের ইলম গ্রহণ করেছেন এবং শুধুমাত্র তাঁদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকব
(২)। আমি তাঁদের মৃত্যুসন অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে বলছি:
১ - শারিফ আদ-দায়ি শামসুদ্দিন আবুল বদর মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনুল কাসিম আল-আব্বাসি আর-রাশিদি আল-ওয়াসিতি (ওফাত: ৬৬৮ হিজরি)
(৪) থেকে তাঁর দশ কিরাআতের উভয় রেওয়ায়েতের ইজাযাহ রয়েছে, যা কেবল ইজাযাহ হিসেবেই প্রাপ্ত, তিলাওয়াত হিসেবে নয়
(৩)। ইমাম জাহাবি (ওফাত: ৭৪৮ হিজরি) তাঁর জীবনীতে বলেছেন: "একদল লোক তাঁর থেকে কিরাআত গ্রহণ করেছেন, ... এবং ইজাযাহর মাধ্যমে গ্রহণ করেছেন আমাদের শায়খ বুরহান আল-জা'বারি।"
(৫)।
২ - তিনি ৬৭০ হিজরি সনে শামসুদ্দিন আবুল হাসান আলী ইবনে উসমান ইবনে মাহমুদ ইবনে আব্দুল গাফফার আল-উজোহি আল-হানবালি আল-বাগদাদি (ওফাত: ৬৭২ হিজরি)
(৬)-র নিকট সাত কিরাআত পাঠ করেছেন। নাজিম তাঁর 'আওয়ালি মাশইয়্যাখা' গ্রন্থে বলেছেন: "আমি তাঁর নিকট ইবনুল ফাহহামের
(৮) [তাজরিদ] - সঠিক হলো [তাজরিদ]
(৭) - তাঁর সনদসহ পাঠ করেছি এবং আমরা তাঁর কাছে ইবনে আব্বাদের
(৯) ওয়াকফ ওয়াল ইবতিদা শ্রবণ করেছি"
(১০)। তাঁর কাছেই তিনি কিরাআত শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তি লাভ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৫)
3 - قرأ الشاطبية
(1) ببغداد على شيخ القراء، مجد الدين أبي أحمد عبد الصمد بن أحمد بن عبد القادر بن أبي الجيش البغدادي الحنبلي، الإمام المقرئ المجود الزاهد (ت: 676 هـ)
(2).
4 - له إجازة بالشاطبية
(3) من العلامة عبد الله بن إبراهيم بن محمود بن رَفِيعَا الجزريُّ الموصليُّ (ت: 679 هـ)
(4).
5 - قرأ القراءات، وأخذ علم العدد
(5) عن شيخه يوسف بن جامع البغدادي (ت: 682 هـ)
(6)، قال الناظم عنه في عوالي مشيخته: «الشيخ جمال الدين يوسف الحنبليُّ القُفْصِيُّ
(7)، جَمَّاعَةً لعلوم القراءات، قرأت عليه (المصباح)
(8)، ورواه، و (التذكرة)
(9)، و (وَقْفَ ابن الأنباريِّ)
(10)، و (اللباب)
(11) عن مؤلِّفِهِ أبي البقاءِ النَّحويِّ العكبريِّ
… »
(12).
--------------------------------------------
৩ - তিনি বাগদাদে শায়খুল কুররা (ক্বারীগণের প্রধান) মাজদুদ্দীন আবি আহমাদ আবদুস সামাদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল কাদির বিন আবিল জাইশ আল-বাগদাদি আল-হানবালি-এর নিকট আশ-শাতিবিয়্যাহ
(১) পাঠ করেন, যিনি একজন ইমাম, মুকরি (কিরাআত শিক্ষক), সুনিপুণ কারী এবং যাহেদ বা দুনিয়াবিমুখ ব্যক্তি ছিলেন (ওফাত: ৬৭৬ হিজরি)
(২)।
৪ - আল্লামা আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন মাহমুদ বিন রাফিয়া আল-জাজারি আল-মাউসিলি (ওফাত: ৬৭৯ হিজরি)
(৪) থেকে তাঁর 'আশ-শাতিবিয়্যাহ'-এর উপর একটি ইজাজত (সনদ) রয়েছে
(৩)।
৫ - তিনি কিরাআতসমূহ পাঠ করেন এবং তাঁর শায়খ ইউসুফ বিন জামে আল-বাগদাদি (ওফাত: ৬৮২ হিজরি)
(৬) থেকে ইলমুল আদাদ (আয়াত গণনা বিদ্যা)
(৫) অর্জন করেন। গ্রন্থকার (নাযিম) তাঁর 'আওয়ালি মাশয়াখাহ' গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেন: «শায়খ জামালুদ্দীন ইউসুফ আল-হানবালি আল-কুফসি
(৭) ছিলেন কিরাআত শাস্ত্রের বিভিন্ন ইলমের সংকলক। আমি তাঁর নিকট (আল-মিসবাহ)
(৮) পাঠ করেছি এবং তিনি এটি বর্ণনা করেছেন, এছাড়া (আত-তাযকিরাহ)
(৯), (ওয়াকফু ইবনিল আম্বারি)
(১০) এবং এর লেখক আবু আল-বাকা আন-নাহবি আল-উকবারির সূত্রে (আল-লুবাব)
(১১) পাঠ করেছি...»
(১২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৬)
6 - قرأ القراءات العشر
(1) على وحيد عصره في علم القراءات منتجب الدين أبي علي الحسين بن الحسن بن أبي السعادات التكريتي (ت: 688 هـ)، قال الذهبي (ت: 748 هـ) في ترجمته: «تلا عليه بالعشر شيخنا برهان الدين الجعبري ببغداد بعد السبعين وستمائة»
(2)، وقال الناظم في عوالي مشيخته: «وعليه تَخَرَّجْتُ،
… ، قرأت عليه من حفظي: (درر الأفكار في العشرة)
(3)، ثم قرأ عليَّ من حفظه: (نزهة البررة) ثم (عقود الجمان)»
(4).
هؤلاء هم أبرز شيوخ الناظم الذين وقف عليهم، ممن أخذ عنهم علوم القراءات، وقد أخذ العلم والإجازات العلمية عن علماء آخرين غير من ذكرناهم.
تلاميذه:للناظم كثير من التلاميذ الذين أخذوا عنه وتتلمذوا عليه في كافة أنواع العلوم الشرعية والعربية والقراءات والفقه والحديث، وغيرها.
وكان تلامذته من الطلاب النجباء الذين صاروا أعلامًا بعد ذلك في تخصصاتٍ عِدَّةٍ، فمن أبرز من دَرَسَ على يدي الناظم وأخذ العلم عنه:
1 - أبو محمد علم الدين القاسم بن محمد بن يوسف البِرْزَالِيُّ الإشبيليُّ الدمشقيُّ، أخذ عن الناظم، وقرأ عليه المشيخة البغدادية، عِدَّةَ مرَّاتٍ، وَخَرَّجَ له «المشيخة الشامية»
(5)، بتكليفٍ منه، قال في مقدمة المشيخة الشامية: «فأحبَّ - نفع الله به - أن يُخَرَّجَ له عن الشِّيوخ الشَّاميِّين (مشيخة) أخرى، ليَكْثُرَ مروياته وشيوخه،
… ، وَكَتَبَ إِلَىَّ في ذلك»
(6)، (ت: 739 هـ) محرمًا في ذي الحجة، في خليص قرب مكة
(7).
--------------------------------------------
৬ - তিনি কিরাতশাস্ত্রে তাঁর যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী পণ্ডিত মুন্তাজাবুদ দীন আবু আলি আল-হুসাইন ইবনুল হাসান ইবনে আবিল সা’আদাত আত-তিকরিতি (মৃত্যু: ৬৮৮ হি.)-এর নিকট দশ কিরাত
(১) পাঠ করেন। ইমাম আয-যাহাবি (মৃত্যু: ৭৪৮ হি.) তাঁর জীবনীতে বলেন: "আমাদের শাইখ বুরহানুদ্দীন আল-জা’বারি বাগদাদে ৬৭০ হিজরির পর তাঁর কাছে দশ কিরাত তিলাওয়াত করেছেন।"
(২) নাযিম (মূল রচয়িতা) তাঁর 'আওয়ালি মাশইয়াখা' গ্রন্থে বলেন: "তাঁর কাছেই আমি শিক্ষা সমাপ্ত করেছি, ... আমি আমার মুখস্থ থেকে তাঁর কাছে পাঠ করেছি: (দুরারুল আফকার ফিল আশারাহ)
(৩), এরপর তিনি তাঁর মুখস্থ থেকে আমার কাছে পাঠ করেছেন: (নুযহাতুল বারারাহ) এরপর (উকুদুল জুমান)"
(৪)।
এঁরাই হলেন নাযিমের প্রধান শাইখগণ যাঁদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে, যাঁদের নিকট থেকে তিনি কিরাতশাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করেছেন। তবে আমরা যাদের উল্লেখ করেছি তারা ছাড়াও তিনি অন্যান্য আলেমদের কাছ থেকে জ্ঞান ও ইলমি ইজাযত লাভ করেছেন।
তাঁর ছাত্রগণ:নাযিমের অনেক ছাত্র ছিলেন যারা তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন এবং শরয়ী ও আরবি জ্ঞান, কিরাত, ফিকহ, হাদিসসহ যাবতীয় জ্ঞানে তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন।
তাঁর ছাত্ররা ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র, যারা পরবর্তীতে বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্রে বরেণ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। নাযিমের কাছে যারা অধ্যয়ন করেছেন এবং জ্ঞান অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
১ - আবু মুহাম্মদ আলামুদ্দীন আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-বিরজালি আল-ইশবিলি আদ-দিমাশকি। তিনি নাযিমের নিকট শিক্ষা লাভ করেন এবং তাঁর নিকট কয়েকবার 'মাশইয়াখা বাগদাদিয়া' পাঠ করেন। তিনি (নাযিম) তাকে দায়িত্ব প্রদান করায় তিনি তাঁর জন্য 'মাশইয়াখা শামিয়া'
(৫) সংকলন করেন। তিনি 'মাশইয়াখা শামিয়া'-এর ভূমিকায় বলেন: "তিনি (নাযিম) পছন্দ করেছেন - আল্লাহ তাঁর দ্বারা উপকার করুন - যেন শামি শাইখদের সূত্রে তাঁর জন্য অন্য একটি (মাশইয়াখা) সংকলন করা হয়, যাতে তাঁর বর্ণিত রেওয়ায়েত এবং শাইখদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, ... এবং তিনি এই বিষয়ে আমাকে লিখেছিলেন"
(৬)। তিনি (আল-বিরজালি) ৭৩৯ হিজরির জিলহজ মাসে মক্কার নিকটবর্তী খুলাইস নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তেকাল করেন
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৭)
2 - شهاب الدين أحمد بن إبراهيم بن صارو، البعليُّ ثم الحمويُّ، تلا بالسبع على الجعبري، (ت: 747 هـ) بحماة
(1).
وهو الذي أجازه الناظم بِنَظْمِهِ هذا - روضة الطرائف في رسم المصاحف - وهذا نص الإجازة -كما وجدتها في مقدمة المخطوط: «قرأ عليَّ هذه روضة الطرائف في رسم المصاحف الشيخ العالم العامل الفاضل الأديب الفقيه المقرئ شهاب الدين أحمد بن إبراهيم بن صَالُر البعليُّ، قراءةً جيدةً، وأجزته روايتها بشرطها عند ناظمها. إبراهيم بن عمر بن إبراهيم الجعبري والخليلي حامدًا ومصلِّيًا». وهي النسخة التي رمزت لها بالرمز: (ب)
(2).
3 - الحافظ أبو عبد الله شمس الدين محمد بن أحمد بن عثمان الذهبي (ت: 748 هـ)، قرأ عليه كتابه (نزهة البررة في مذاهب القراء العشرة)، وغيره من الكتب، قال في ترجمة الناظم: «وقرأت عليه نزهة البررة في العشرة، وغير ذلك»
(3).
4 - شمس الدين محمد بن جابر بن محمد القيسيُّ الوادي آشيُّ الأندلسيُّ التونسيُّ، سمع من الناظم بالخليل، قال في ترجمته: «حضرت مجلس إقرائه التفسير والفقه الشافعي، ورويت عنه الحديث والقراءات وغيرهما»
(4)، وأجازه بـ «كنز المعاني»، و «جميلة أرباب المراصد»
(5)، (ت: 749 هـ) في تونس
(6).
5 - أبو بكر عبد الله بن أيدغدي بن عبد الله، الشمسيُّ، الشهير بابن الجندي، (ت: 769 هـ)
(7)، قرأ القراءات العشر على الناظم
(8).
6 - تقي الدين محمد بن رافع بن هجرس بن محمد بن شافع السَّلَّاميُّ الصُّمَيْدِيُّ الأصل، المصريُّ المولد والنشأة، ثم الدمشقيُّ، (ت: 774 هـ) بدمشق
(9).
7 - أبو المعالي محمد بن أحمد بن علي ابن اللبان الدمشقيُّ (ت: 776 هـ)، قال ابن الجزري (ت: 833 هـ): «رحل إلى الخليل سنة: (727 هـ)، وقرأ على الجعبريِّ نصف حزبٍ جمعًا للسبعة»
(10).
8 - حسن المعروف بالحسام المصري، قال ابن الجزري: «قرأ بالخليل على الشيخ برهان الدين إبراهيم بن عمر الجعبري، وأخذ عنه شرحه قراءة
… وبلغني أنه مات سنة خمس وستين وسبعمائة»
(11).
--------------------------------------------
২ - শিহাবউদ্দীন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন সারু, আল-বালি অতপর আল-হামাভি; তিনি আল-জা’বারির নিকট সাত কিরাতে তিলাওয়াত করেছেন, (মৃত্যু: ৭৪৭ হি.) হামাহ-তে
(১)।
তিনিই সেই ব্যক্তি যাকে নাযিম (মূল রচয়িতা) তাঁর এই কাব্য—রওদাতুত তারায়েফ ফি রাসমিল মাসাহিফ—এর ইজাজত প্রদান করেছেন। পাণ্ডুলিপির ভূমিকায় আমি ইজাজতের যে পাঠটি পেয়েছি তা হলো: «আলিম, আমলকারী, ফাজিল, সাহিত্যিক, ফকিহ ও মুকরি শেখ শিহাবউদ্দীন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন সালুর আল-বালি আমার নিকট এই ‘রওদাতুত তারায়েফ ফি রাসমিল মাসাহিফ’ গ্রন্থটি উত্তমরূপে পাঠ করেছেন। আমি তাঁকে এর নাযিমের পক্ষ থেকে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে এটি বর্ণনা করার অনুমতি (ইজাজত) প্রদান করলাম। ইতি— ইব্রাহিম বিন উমর বিন ইব্রাহিম আল-জা’বারি আল-খালিিলি, আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ পাঠান্তে।» এটি সেই পাণ্ডুলিপি যাকে আমি (ব) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি
(২)।
৩ - হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উসমান আদ-দাহাবি (মৃত্যু: ৭৪৮ হি.); তিনি তাঁর (নাযিমের) নিকট তাঁর রচিত কিতাব ‘নুযহাতুল বারারা ফি মাজাহিবিল কুররাইল আশারা’ এবং অন্যান্য কিতাব পাঠ করেছেন। নাযিমের জীবনীতে তিনি বলেছেন: «আমি তাঁর নিকট কিরাআতে আশারা বিষয়ক কিতাব ‘নুযহাতুল বারারা’ এবং অন্যান্য কিতাব পাঠ করেছি»
(৩)।
৪ - শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন জাবির বিন মুহাম্মাদ আল-কায়সি আল-ওয়াদি আশি আল-আন্দালুসি তিউনিসি; তিনি খলিল (হেব্রন) শহরে নাযিমের নিকট শ্রবণ করেছেন। তাঁর জীবনীতে তিনি বলেছেন: «আমি তাঁর তাফসির ও শাফেয়ী ফিকহ পাঠের মজলিসে উপস্থিত হয়েছি এবং তাঁর নিকট থেকে হাদিস, কিরাত ও অন্যান্য বিষয় বর্ণনা করেছি»
(৪)। তিনি তাঁকে ‘কানজুল মাআনি’ এবং ‘জামিলাতু আরবাবিল মারাসিদ’ কিতাবদ্বয়ের ইজাজত প্রদান করেছেন
(৫)। তিনি (মৃত্যু: ৭৪৯ হি.) তিউনিসিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন
(৬)।
৫ - আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন আইদুগদি বিন আব্দুল্লাহ, আশ-শামসি, যিনি ইবনুল জুন্দি নামে পরিচিত, (মৃত্যু: ৭৬৯ হি.)
(৭)। তিনি নাযিমের নিকট দশ কিরাত পাঠ করেছেন
(৮)।
৬ - তাকিউদ্দীন মুহাম্মাদ বিন রাফি বিন হাজরাস বিন মুহাম্মাদ বিন শাফি আস-সাল্লামি আস-সুমাইদি (মূলত), মিশরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা, অতপর দামেস্কি, (মৃত্যু: ৭৭৪ হি.) দামেস্কে
(৯)।
৭ - আবুল মাআলি মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আলি ইবনুল লাব্বান আদ-দামেস্কি (মৃত্যু: ৭৭৬ হি.)। ইবনুল জাজারি (মৃত্যু: ৮৩৩ হি.) বলেছেন: «তিনি ৭২৭ হিজরিতে খলিল (হেব্রন) সফর করেন এবং আল-জা’বারির নিকট সাত কিরাতের সমন্বয়ে অর্ধেক হিযব পাঠ করেন»
(১০)।
৮ - হাসান, যিনি আল-হুসাম আল-মাসরি নামে পরিচিত। ইবনুল জাজারি বলেছেন: «তিনি খলিল শহরে শেখ বুরহানুদ্দীন ইব্রাহিম বিন উমর আল-জা’বারির নিকট কিরাত পাঠ করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে তাঁর রচিত শারহ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থ গ্রহণ করেছেন... আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি সাতশত পঁয়ষট্টি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন»
(১১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৮)
المبحث الرابع: مؤلفاته.
أولًا: مؤلفاته في علم القراءات:1 - كنز المعاني في شرح حرز الأماني ووجه التهاني، وهو شرح للمنظومة الشاطبية في القراءات السبع، وقد وصفه الإمام شمس الدين الذهبي (ت: 748 هـ)، وهو من تلاميذ الناظم، فقال: «شَرَح الشاطبية في ثلاث مجلدات كبار، فأتى فيه ببدائع ونفائس»
(1)، ووصفه الإمام القسطلاني (ت: 911 هـ) فقال عنه: «شرح عظيم لم يؤلف مثله»
(2)، وعندما ذكر حاجي خليفة (ت: 1067 هـ) شروح منظومة (حرز الأماني ووجه التهاني) - وهي المشهورة بالشاطبية - قال: «وله شروح كثيرة، أحسنها وأدقها شرح الشيخ برهان الدين إبراهيم بن عمر الجعبري، (ت: 732 هـ)، وهو شرح، مفيد، مشهور»
(3). وهذا الشرح مطبوع
(4)، وقد تم تحقيقه في عدة رسائل دكتوراه وماجستير في جامعة الأزهر
(5)، وفي الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة
(6)، وفي جامعة القرويين بالمملكة المغربية
(7).
--------------------------------------------
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তাঁর রচনাবলী.
প্রথমত: কিরাআত বিজ্ঞানে তাঁর রচনাবলী:১ - কানজুল মাআনি ফি শারহি হিরজিল আমানি ওয়া ওয়াজহিত তাহানি। এটি সাত কিরাআতের ওপর রচিত মানজুমা আশ-শাতিবিয়্যাহ-এর একটি শরাহ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)। ইমাম শামসুদ্দিন আজ-জাহাবি (মৃত: ৭৪৮ হি.), যিনি গ্রন্থকারের ছাত্রদের একজন ছিলেন, এর বর্ণনা দিয়ে বলেন: «তিনি তিন বৃহৎ খণ্ডে শাতিবিয়্যাহ-এর শরাহ করেছেন এবং এতে অভিনব ও মূল্যবান অনেক কিছু নিয়ে এসেছেন»
(১)। ইমাম আল-কাসতালানি (মৃত: ৯১১ হি.) এর বর্ণনা দিয়ে বলেন: «এটি একটি মহান শরাহ, যার সমতুল্য আর কিছু রচিত হয়নি»
(২)। আর হাজি খলিফা (মৃত: ১০৬৭ হি.) যখন (হিরজুল আমানি ওয়া ওয়াজহিত তাহানি) - যা শাতিবিয়্যাহ নামে প্রসিদ্ধ - এর শরাহসমূহের উল্লেখ করেন, তখন বলেন: «এর অনেকগুলো শরাহ রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও সূক্ষ্ম হলো শেখ বুরহানুদ্দিন ইব্রাহিম বিন উমর আল-জা'বারি (মৃত: ৭৩২ হি.)-এর শরাহটি; এটি একটি অত্যন্ত উপকারী ও প্রসিদ্ধ শরাহ»
(৩)। এই শরাহটি মুদ্রিত হয়েছে
(৪)। এটি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু ডক্টরেট ও মাস্টার্স থিসিসে সম্পাদনা ও গবেষণা করা হয়েছে
(৫), মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে
(৬) এবং মরক্কো রাজত্বের কারাউইয়্যিন বিশ্ববিদ্যালয়েও
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ১৯)
2 - نزهة البررة في مذاهب القراء العشرة
(1).
3 - خلاصة الأبحاث في شرح نهج القراءات الثلاث، وهو شرح لمنظومة اسمها (نهج الدماثة في قراءات الثلاثة
(2)، وقد تم تحقيق هذا الكتاب ثلاث مرات:
أ - تحقيق الباحث/ قارئ محمد إبراهيم بن حافظ محمد عبد الله الباكستاني، في رسالة ماجستير من الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة، شعبة التفسير، سنة: (1408 هـ-1988 م).
ب - تحقيق الباحث/ عبد الفتاح أبو سنة، في رسالته للماجستير في جامعة الأزهر، وذلك سنة: (1990 م).
ت - تحقيق الباحث/ أبو عاصم المراغي إبراهيم بن نجم الدين بن محمود أحمد، وصدرت الطبعة الأولى عن دار الفاروق للنشر والتوزيع في القاهرة، وذلك سنة: (1427 هـ-2006 م).
4 - تذهيب الأمنية في تهذيب الشاطبية
(3).
5 - أحكام الهمزة لهشام وحمزة
(4)، وقد ألف الناظم هذ النظم قبل أن يؤلف كتابه (كنز المعاني في شرح حرز الأماني ووجه التهاني)، فقال في كتابه كنز المعاني: «وقد نظمت فيه قصيدًا، سميته أحكام الهمزة لهشام وحمزة»
(5).
6 - إسناد قراءتي بمذهب الأئمة العشرة
(6).
--------------------------------------------
২ - নুযহাতুল বারারা ফি মাযাহিবিল কুররাউল আশারা
(১)।
৩ - খুলাসাতুল আবহাস ফি শারহি নাহজিল কিরাআতিল সালাস; এটি একটি কাব্যগ্রন্থের ব্যাখ্যা যার নাম (নাহজুদ দামাসা ফি কিরাআতিল সালাসা)
(২)। এই বইটি তিনবার সম্পাদিত হয়েছে:
ক - গবেষক কারী মুহাম্মদ ইব্রাহিম বিন হাফিজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-পাকিস্তানি কর্তৃক সম্পাদিত, মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের তাফসির বিভাগ থেকে মাস্টার্স থিসিস হিসেবে, সন: (১৪০৮ হিজরি-১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ)।
খ - গবেষক আবদ আল-ফাত্তাহ আবু সুন্নাহ কর্তৃক সম্পাদিত, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মাস্টার্স থিসিসে, সন: (১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ)।
গ - গবেষক আবু আসিম আল-মারগি ইব্রাহিম বিন নাজমুদ্দিন বিন মাহমুদ আহমাদ কর্তৃক সম্পাদিত, এবং এর প্রথম সংস্করণ কায়রোর দার আল-ফারুক পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে, সন: (১৪২৭ হিজরি-২০০৬ খ্রিস্টাব্দ)।
৪ - তাযহিবুল উমনিয়্যাহ ফি তাহযিবিল শাতিবিয়্যাহ
(৩)।
৫ - হিশাম ও হামযাহ-এর জন্য আহকামুল হামযাহ
(৪)। কাব্যকার তার ‘কানযুল মাআনি ফি শারহি হিরযিল আমানি ওয়া ওয়াজহিত তাহানি’ গ্রন্থটি রচনার পূর্বে এই কাব্যটি রচনা করেছেন। তিনি তার ‘কানযুল মাআনি’ গ্রন্থে বলেছেন: «আমি এই বিষয়ে একটি কাসিদা রচনা করেছি, যার নাম দিয়েছি আহকামুল হামযাহ লি হিশাম ওয়া হামযাহ»
(৫)।
৬ - ইসনাদু কিরাআতি বি-মাযহাবিল আইম্মাতিল আশারা
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২০)
ثانيًا: مؤلفاته في علم التجويد:1 - عقود الجمان في تجويد القرآن
(1).
2 - حدود الإتقان في تجويد القرآن
(2).
3 - القيود الواضحة في تجويد الفاتحة، وشرحها: الإمام ابن أُم قاسم المرادي (ت: 749 هـ)، وهو من أهم شروحها، وهو مطبوعٌ محققٌ مرتين:
- تحقيق الدكتور/ عبد الهادي الفضلي، طبع بدار القلم، بيروت: لبنان.
- تحقيق الأستاذ/ فرغلي سيد عرباوي، طبع بمكتبة أولاد الشيخ للتراث بطنطا (2007 م).
ولها عدة شروح أخرى مخطوطة
(3).
4 - تحقيق التعليم في الترقيق والتفخيم
(4).
5 - الإرصاد في شرح المرصاد الفارق بين الظاء والضاد
(5)، والكتاب شرح لمنظومة ألفها النَّاظم وسمَّاها (المرصاد الفارق بين الظاء والضاد)
(6).
6 - حقيقة الوقوف على مخارج الحروف
(7).
7 - المنّة في تحقيق الغنة
(8).
--------------------------------------------
দ্বিতীয়ত: তাজবিদ শাস্ত্রে তাঁর রচনাবলি:১ - উকুদুল জুমান ফি তাজবিদিল কুরআন।
(১).
২ - হুদুদুল ইতকান ফি তাজবিদিল কুরআন।
(২).
৩ - আল-কুয়ুদুল ওয়াদিহাহ ফি তাজবিদিল ফাতিহা এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ: ইমাম ইবন উম্ম কাসিম আল-মুরাদি (মৃত্যু: ৭৪৯ হি.), যা এর অন্যতম প্রধান ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এটি দুবার সম্পাদিত হয়ে মুদ্রিত হয়েছে:
- ড. আবদুল হাদি আল-ফাদলির সম্পাদনায়, দারুল কলাম, বৈরুত: লেবানন থেকে প্রকাশিত।
- উস্তাদ ফারগালি সাইয়িদ আরবাউয়ির সম্পাদনায়, তানতার মাকতাবাতু আওলাদ আল-শায়খ লিত-তুরাস থেকে প্রকাশিত (২০০৭ খ্রিষ্টাব্দ)।
এর আরও বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি আকারে থাকা ব্যাখ্যাগ্রন্থ রয়েছে।
(৩).
৪ - তাহকিকুত তালিম ফিত তারকিক ওয়াত তাফখিম।
(৪).
৫ - আল-ইরসাদ ফি শারহিল মিরসাদ আল-ফারিক বাইনায যা-ই ওয়ায দদ।
(৫) এবং গ্রন্থটি লেখকের রচিত একটি পদ্যের ব্যাখ্যা, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন (আল-মিরসাদ আল-ফারিক বাইনায যা-ই ওয়ায দদ)।
(৬).
৬ - হাকিকাতুল উকুফ আলা মাখারিজিল হুরুফ।
(৭).
৭ - আল-মিননাহ ফি তাহকিকিল গুন্নাহ।
(৮).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২১)
ثالثًا: مؤلفاته في علم الرسم:1 - جميلة أرباب المراصد في شرح عقيلة أتراب القصائد أو (الأبحاث الجميلة في شرح العقيلة)، وهو شرح لمنظومة الإمام الشاطبي (ت: 590 هـ)
(1)، المُسَمَّاة (عقيلة أتراب القصائد) في رسم المصحف، وَشَرَحَهَا بَعْدَ فَرَاغِهِ من شرحِهِ على الشاطبيةِ، قال الناظم في مقدمة شرحه: «فَلَمَّا يَسَّرَ الله تعالى إكمال كتاب (كنز المعاني في شرح حرز الأماني) مختصر (التيسير)، وكنت أَجْمَلْتُ فيهِ مسائلَ من الرَّسْمِ، إحالةً لتفصيلها على الفَنِّ المتكفِّل بتحصيلها، شَفَعْتُ وِتْرَهُ الوَحِيد، وَآنَسْتُ رَبْعَهُ الفريد، بكتاب (جميلة أرباب المراصد في شرح عقيلة أتراب القصائد)»
(2).
وطبع الكتاب بتحقيقين:
أ - تحقيق د. محمد خضير الزوبعي، وصدر عن دار الغوثاني للدراسات القرآنية في دمشق، سنة: (1431 هـ-2010 م).
ب - تحقيق د. محمد إلياس محمد أنور، وصدر عن الجمعية العلمية السعودية للقرآن الكريم وعلومه بالتعاون مع دار كنوز إشبيليا بالرياض، وصدرت طبعة أخرى نشرها: برنامج الكراسي البحثية بجامعة طيبة، سنة: (1438 هـ-2017 م).
وحقق الكتاب/ المصطفى البحياوي، في رسالة علمية لنيل درجة الدبلوم في الدراسات العليا، كلية الآداب- جامعة الرباط، بإشراف د. أحمد أبو زيد، عام: 1993 م
(3).
وهناك مختصر لمؤلف مجهول يسمى: (تغريد الجميلة لمنادمة العقيلة في رسم القرآن)
(4).
2 - روضة الطرائف في رسم المصاحف
(5).
--------------------------------------------
তৃতীয়: ইলমুর রাস্ম (কুরআন লিখনরীতি) বিষয়ে তাঁর রচনাবলি:১ - জামিলাতু আরবাবিল মারাসিদ ফি শারহি আকীলাতি আত্রাবিল কাসায়িদ অথবা (আল-আবহাসুল জামিলাহ ফি শারহিল আকীলাহ), এটি ইমাম শাতবি (ওফাত: ৫৯০ হি.)-এর কবিতাগ্রন্থের একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ
(১), যার নাম 'আকীলাতু আত্রাবিল কাসায়িদ', যা মুসহাফের লিখনরীতি (রাস্ম) বিষয়ক। তিনি শাতবিয়্যাহ-এর ব্যাখ্যা সম্পন্ন করার পর এটি ব্যাখ্যা করেন। গ্রন্থকার তাঁর ব্যাখ্যার ভূমিকায় বলেছেন: «যখন আল্লাহ তাআলা (আত-তৈসির) গ্রন্থের সংক্ষিপ্তসার (কানযুল মাআনি ফি শারহি হিরযিল আমানি) কিতাবটি পূর্ণ করার তাওফিক দিলেন, যাতে আমি রাস্ম বা লিখনরীতির কিছু মাসআলা সংক্ষেপে উল্লেখ করেছিলাম—কারণ এগুলোর বিস্তারিত আলোচনার দায়িত্ব এই শাস্ত্র সংশ্লিষ্ট অন্য কিতাবের ওপর ন্যস্ত ছিল—তখন আমি সেই অনন্য এককের সাথে এর জোড়া মেলালাম এবং এর বিজন প্রাঙ্গণে হৃদ্যতা আনলাম (জামিলাতু আরবাবিল মারাসিদ ফি শারহি আকীলাতি আত্রাবিল কাসায়িদ) কিতাবটির মাধ্যমে»
(২)।
কিতাবটি দুটি তাহকীকসহ মুদ্রিত হয়েছে:
ক - ড. মুহাম্মদ খুদাইর আয-যাওবাঈ-এর তাহকীক, এটি দামেস্কের দারুল গাওসানি ফর কুরআন স্টাডিজ থেকে ১৪৩১ হি.-২০১০ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
খ - ড. মুহাম্মদ ইলিয়াস মুহাম্মদ আনোয়ার-এর তাহকীক, এটি রিয়াদের দারু কুনূজি ইশবিলিয়ার সহযোগিতায় সৌদি সায়েন্টিফিক সোসাইটি ফর দ্য হোলি কুরআন অ্যান্ড ইটস সায়েন্সেস থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এর আরেকটি সংস্করণ তাইবাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ চেয়ার প্রোগ্রাম থেকে ১৪৩৮ হি.-২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
এবং আল-মুস্তাফা আল-বাহয়াবি এই কিতাবটি তাহকীক করেছেন, যা ১৯৯৩ সালে রাবাত বিশ্ববিদ্যালয়ের আদাব অনুষদে ড. আহমদ আবু যাইদ-এর তত্ত্বাবধানে উচ্চতর ডিপ্লোমা ডিগ্রির জন্য একটি গবেষণাপত্র ছিল
(৩)।
জনৈক অজ্ঞাত লেখকের একটি সংক্ষিপ্তসারও রয়েছে যার নাম: (তাগরিদুল জামিলাহ লি-মুনাদামাতি আকীলাহ ফি রাস্মিল কুরআন)
(৪)।
২ - রওদাতুত তারায়েফ ফি রাস্মিল মাসাহিফ
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২২)
رابعًا: مؤلفاته في علم العدد:1 - حسن المدد في معرفة فن العدد
(1).
2 - عقد الدرر في عد آي السور
(2).
3 - حديقة الزهر في عد آي السور
(3).
خامسًا: مؤلفاته في علوم القرآن:1 - وصف الاهتداء في الوقف والابتداء
(4)، وقد تم تحقيق الكتاب مرتين، في رسالتي ماجستير، وهما:
أ - تحقيق الدكتور الصافي صلاح الصافي رحومة في رسالته في جامعة الأزهر، كلية القرآن الكريم، وقد نوقشت سنة: (2006 م).
ب - تحقيق الدكتور نواف بن معيض الحارثي، في رسالته في جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، سنة: (1427 هـ-2006 م)
(5).
2 - غايات البيان في معرفة ماءات القرآن، وقد تم تحقيقه عدة مرات:
أ - تحقيق الدكتور محمد خضير الزوبعي، وصدر عن دار الغوثاني للدراسات القرآنية في دمشق، سنة: (1431 هـ-2010 م).
ب - تحقيق الباحث عبد الرحمن بن عيسى بن علي الحازمي، في رسالة الماجستير من قسم اللغويات في كلية اللغة العربية، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة، سنة: (1414 هـ)، وكانت بعنوان (جهود إبراهيم الجعبري اللغوية مع تحقيق كتابه غايات البيان في معرفة ماءات القرآن).
ت - تحقيق الباحث عبد الحميد محمود الوكيل، ونشرته دار أبو المجد في القاهرة سنة: (1410 هـ-1990 م).
ث - دراسة وتحقيق الباحث عباس حميد سلطان، في رسالته للدكتوراه في اللغة والنحو من كلية الآداب، في الجامعة العراقية، سنة (2011 م).
--------------------------------------------
চতুর্থ: ইলমে আদাদ (সংখ্যা বিজ্ঞান) শাস্ত্রে তাঁর রচনাবলি:১ - হুসনুল মদদ ফি মারিফাতি ফান্নিল আদাদ
(১)।
২ - ইবদুদ্দুরার ফি আদ্দি আয়িস সুওয়ার
(২)।
৩ - হাধিকাতুয যাহর ফি আদ্দি আয়িস সুওয়ার
(৩)।
পঞ্চম: উলূমুল কুরআন (কুরআন সংশ্লিষ্ট জ্ঞান) শাস্ত্রে তাঁর রচনাবলি:১ - ওয়াসফুল ইহতিদা ফিল ওয়াকফি ওয়াল ইবতিদা
(৪)। কিতাবটি দুইবার মাস্টার্স থিসিসের অধীনে সম্পাদিত হয়েছে, যা হলো:
ক - আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কুল্লিয়াতুল কুরআনুল কারীমে ড. আস-সাফী সালাহ আস-সাফী রাহুমার গবেষণা পত্রের সম্পাদনা, যা ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে আলোচিত (উপস্থাপিত) হয়েছে।
খ - জামিআতুল ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ আল-ইসলামিয়াতে ড. নাওয়াফ বিন মুইদ আল-হারিসির গবেষণা পত্রের সম্পাদনা, সাল: ১৪২৭ হিজরি - ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ
(৫)।
২ - গায়াতুল বায়ান ফি মারিফাতি মাআতিল কুরআন। এটি কয়েকবার সম্পাদিত হয়েছে:
ক - ড. মুহাম্মদ খুদাইর আয-যাওবাঈ-এর সম্পাদনা। এটি দামেস্কের দারুল গাওসানী লিদ দিরাসাতিল কুরআনিয়া থেকে ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়েছে।
খ - মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুল্লিয়াতুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ-এর ভাষাতত্ত্ব বিভাগের মাস্টার্স থিসিসে গবেষক আব্দুর রহমান বিন ঈসা বিন আলী আল-হাযিমীর সম্পাদনা, সাল: ১৪১৪ হিজরি। থিসিসটির শিরোনাম ছিল: "জুহুদু ইবরাহিম আল-জাবারি আল-লুগাবিয়্যাহ মাআ তাহকীক কিতাবিহি গায়াতুল বায়ান ফি মারিফাতি মাআতিল কুরআন" (ইবরাহিম আল-জাবারির ভাষাতাত্ত্বিক প্রচেষ্টা এবং তাঁর ‘গায়াতুল বায়ান ফি মারিফাতি মাআতিল কুরআন’ কিতাবের সম্পাদনা)।
গ - গবেষক আব্দুল হামিদ মাহমুদ আল-ওয়াকিলের সম্পাদনা। এটি কায়রোর দারু আবু আল-মাজদ থেকে ১৪১০ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘ - ইরাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ভাষা ও ব্যাকরণ বিভাগের ডক্টরেট থিসিসে গবেষক আব্বাস হামিদ সুলতানের পর্যালোচনা ও সম্পাদনা, সাল: ২০১১ খ্রিস্টাব্দ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
3 - نفيس الإجزاء في رؤوس الأجزاء، أو [الإجزاء في معرفة الأجزاء]، وتحقيقاته:
أ - تحقيق الشيخ إبراهيم عطوة (ت: 1417 هـ)، وقد نشر الكتاب في سلسلة مقالات في مجلة الأزهر (نور الإسلام)، في القاهرة، وذلك في سنة: (1983 م)، عدد السنة (56).
ب - تحقيق الشيخ السيد عبد الغني مبروك، وقد نشرته دار عمار، في عمان، الأردن، سنة: (1439 هـ-2018 م).
ت - وصدرت طبعة أخرى له عن المكتبة الخيرية بالاشتراك مع عالم الثقافة، وذلك سنة: (1440 هـ-2019 م).
4 - رسالة الخل الناصح في حل المشكل الواضح
(1).
5 - تذكرة الحفاظ في مشتبه الألفاظ
(2).
6 - بدائع إفهام الألباب في نسخ الشرائع [الشريعة] والأحكام أو [والأفهام] والأسباب
(3).
7 - مختصر أسباب النزول للواحدي
(4)، وهو اختصار لكتاب (أسباب النزول) للإمام أبي الحسن الواحدي النيسابوري (ت: 468 هـ).
8 - أسماء الرواة المذكورين في الشاطبية
(5).
9 - اعتبار السُّماة في أسماء الرواة
(6).
10 - تقريب المأمول في ترتيب النزول
(7).
11 - رسالة في سور المكي والمدني
(8).
12 - منظومة في اختيارات الرواة خلافًا لأئمتهم
(9).
13 - غاية البيان في معرفة هاءات القرآن
(10).
--------------------------------------------
৩ - নাফীসুল ইজযা ফী রুউসিল আজযা, অথবা [আল-ইজযা ফী মা’রিফাতিল আজযা], এবং এর তাহকীকসমূহ:
ক - শাইখ ইবরাহীম আতওয়াহ (মৃ: ১৪১৭ হি.)-এর তাহকীক; গ্রন্থটি কায়রোর মাজাল্লাতুল আযহার (নূরুল ইসলাম) পত্রিকার একটি নিবন্ধমালায় প্রকাশিত হয়েছে, যা ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ৫৬তম বর্ষ সংখ্যায় মুদ্রিত হয়।
খ - শাইখ সাইয়্যেদ আব্দুল গনি মবরূকের তাহকীক; যা জর্ডানের আম্মানের দারু আম্মার থেকে ১৪৩৯ হি.-২০১৮ খ্রি. সালে প্রকাশিত হয়েছে।
ত - এর আরেকটি সংস্করণ মাকতাবাতুল খায়রিয়্যাহ ও আলিমুস সাকাফাহ-এর যৌথ উদ্যোগে ১৪৪০ হি.-২০১৯ খ্রি. সালে প্রকাশিত হয়েছে।
৪ - রিসালাতুল খল্লিন নাসিহ ফী হাল্লিল মুশকিলিল ওয়াদিহ
(১)।
৫ - তাযকিরাতুল হুফফাজ ফী মুশতাবিহিল আলফাজ
(২)।
৬ - বাদায়ি’উ ইফহামিল আলবাব ফী নাসখিশ শারায়ি’ [আশ-শারীয়াহ] ওয়াল আহকাম অথবা [ওয়াল আফহাম] ওয়াল আসবাব
(৩)।
৭ - ওয়াহিদী রচিত আসবাবুন নুযুলের সংক্ষিপ্তসার
(৪); এটি ইমাম আবুল হাসান আল-ওয়াহিদী আন-নিসাবুরী (মৃ: ৪৬৮ হি.) রচিত ‘আসবাবুন নুযুল’ গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত রূপ।
৮ - আশ-শাতবিইয়াহ-তে উল্লিখিত রাবীদের নামসমূহ
(৫)।
৯ - ইতিবারুস সুমাহ ফী আসমাইর রুওয়াত
(৬)।
১০ - তাকরীবুল মামূল ফী তারতীবিন নুযুল
(৭)।
১১ - মাক্কী ও মাদানী সূরা বিষয়ক পুস্তিকা
(৮)।
১২ - ইমামদের মতের বিপরীতে রাবীদের ইখতিয়ার (পছন্দ) বিষয়ক কাব্য
(৯)।
১৩ - গায়াতুল বায়ান ফী মা’রিফাতি হাআতিল কুরআন
(১০)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
سادسًا: مؤلفاته في علوم الحديث:1 - رسوخ الأحبار في منسوخ الأخبار، وللكتاب طبعتان محققتان:
الأولى: تحقيق د. حسن محمد مقبولي الأهدل (ت: 1436 هـ)، وأصلها تحقيقه للكتاب في رسالته للدكتوراه من الجامعة الإسلامية في المدينة المنورة، وذلك في سنة (1405 هـ-1985 م)، وقد صدرت عن مؤسسة الكتب الثقافية في بيروت - لبنان، وعن مكتبة الجيل الجديد في صنعاء - اليمن، سنة (1988 م).
الثانية: تحقيق د. بهاء محمد الشاهد، وقد صدرت هذه الطبعة عن مكتبة الإمام الشافعي، الرياض، سنة: (1410 هـ-1989 م).
2 - رسوم التحديث في علوم الحديث، وهو اختصار لكتاب (علوم الحديث) للإمام ابن الصلاح (ت: 643 هـ)، وقد قام عدد من الباحثين بتحقيق هذا الكتاب:
أ - حققه الباحث/ محمد بن عبد الله الخضير، في شهادته للماجستير من جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، سنة: (1407 هـ-1986 م).
ب - حققه الباحث/ أحمد بن لطفي فتح الله، في رسالته للماجستير في الجامعة الأردنية، سنة: (1414 هـ-1994 م).
ج- حققه وعلق عليه الأستاذ/ ياسين بن محمود الخطيب، وقد نشرته دار البشائر في دمشق، سنة (1420 هـ-2000 م).
د - حققه الباحث/ إبراهيم بن شريف الميلي، ونشرته في طبعته الأولى دار ابن حزم في بيروت، سنة: (1421 هـ-2000 م).
هـ - حققه الباحث/ أحمد المحني، في رسالته للماجستير في جامعة أم درمان، كلية أصول الدين، سنة: (1423 هـ-1999 م)، وقد نشرته دار النهضة للطباعة والنشر والتوزيع سنة: (1431 هـ-2010 م).
و - نشره/ جمال السيد رفاعي، ضمن كتاب بعنوان (ثلاثة كتب من المصنفات الجعبريات)، وطبعته مكتبة أولاد الشيخ للتراث، القاهرة، سنة: (1425 هـ-2005 م).
3 - الإفصاح بمراتب الصحاح
(1).
4 - مجمع البحرين العذبين في جمع متون الصحيحين
(2).
5 - الأربعين في الأحكام لنفع الأنام
(3).
6 - المشيخة الشامية
(4).
--------------------------------------------
ষষ্ঠত: হাদিসশাস্ত্রে তাঁর রচনাবলি:১ - রুসুখুল আহবার ফি মানসুখিল আখবার; বইটির দুটি সম্পাদিত সংস্করণ রয়েছে:
প্রথমটি: ড. হাসান মুহাম্মদ মকবুলি আল-আহদালের (মৃত্যু: ১৪৩৬ হি.) সম্পাদনা। এটি মূলত মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পিএইচডি থিসিস (১৪০৫ হি.-১৯٨৫ খ্রি.)। এটি লেবাননের বৈরুতের মুয়াসসাসাতুল কুতুব আস-সাকাফিয়্যাহ এবং ইয়েমেনের সানার মাকতাবাতুল জিল আল-জাদিদ থেকে প্রকাশিত হয়েছে (১৯৮৮ খ্রি.)।
দ্বিতীয়টি: ড. বাহাউ মুহাম্মদ আশ-শাহিদের সম্পাদনা। এই সংস্করণটি রিয়াদের মাকতাবাতুল ইমাম আশ-শাফিয়ি থেকে প্রকাশিত হয়েছে (১৪১০ হি.-১৯৮৯ খ্রি.)।
২ - রুসুমুত তাহদিস ফি উলুমিল হাদিস; এটি ইমাম ইবনুস সালাহ (মৃত্যু: ৬৪৩ হি.) রচিত ‘উলুমুল হাদিস’ গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত রূপ। বেশ কয়েকজন গবেষক এই বইটি সম্পাদনা করেছেন:
ক - গবেষক মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-খুদাইর এটি সম্পাদনা করেছেন; এটি ইমাম মুহাম্মদ বিন সউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর মাস্টার্স থিসিস (১৪০৭ হি.-১৯৮৬ খ্রি.)।
খ - গবেষক আহমদ বিন লুতফি ফাতহুল্লাহ এটি সম্পাদনা করেছেন; এটি জর্ডান ইউনিভার্সিটিতে তাঁর মাস্টার্স থিসিস (১৪১৪ হি.-১৯৯৪ খ্রি.)।
গ- উস্তাদ ইয়াসিন বিন মাহমুদ আল-খতিব এটি সম্পাদনা ও টীকা প্রদান করেছেন; এটি দামেস্কের দারুল বাশায়ির থেকে প্রকাশিত হয়েছে (১৪২০ হি.-২০০০ খ্রি.)।
ঘ - গবেষক ইবরাহিম বিন শরিফ আল-মিলি এটি সম্পাদনা করেছেন এবং বৈরুতের দারু ইবনি হাজম থেকে এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে (১৪২১ হি.-২০০০ খ্রি.)।
ঙ - গবেষক আহমদ আল-মাহনি এটি সম্পাদনা করেছেন; এটি উমদুরমান ইউনিভার্সিটির উসুলুদ্দিন অনুষদে তাঁর মাস্টার্স থিসিস (১৪২৩ হি.-১৯৯৯ খ্রি.) এবং দারুন নাহদাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে (১৪৩১ হি.-২০১০ খ্রি.)।
চ - জামাল সাইয়িদ রিফায়ি এটি ‘সালাসাতু কুতুবিন মিনাল মুসান্নাফাতিল জা’বারিয়্যাত’ নামক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করে প্রকাশ করেছেন; এটি কায়রোর মাকতাবাতু আওলাদ আশ-শাইখ লিত-তুরাস থেকে মুদ্রিত হয়েছে (১৪২৫ হি.-২০০৫ খ্রি.)।
৩ - আল-ইফসাহ বি মারাতিবিস সিহাহ
(১)।
৪ - মাজমাউল বাহরাইনিল আদবাইনি ফি জাময়ি মুতুনিল সহিহাইন
(২)।
৫ - আল-আরবাউন ফিল আহকাম লিনাফয়িল আনাম
(৩)।
৬ - আল-মাশইয়িখাতুশ শামিয়্যাহ
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
سابعًا: مؤلفاته في الفقه:1 - تتمة التطريز في شرح التعجيز، أو [تكملة شرح التعجيز]
(1) وهو تكملة لشرح شيخه الإمام تاج الدين ابن يونس (ت: 671 هـ)، (التطريز في شرح التعجيز)
(2)، لكتابه (التعجيز في اختصار الوجيز) في الفقه الشافعي.
2 - رسالة وضح الإنصاف في رفع الخلاف
(3).
3 - نظم الفرائض، أو [نظم اللآلئ]
(4).
--------------------------------------------
সপ্তম: ফিকহ শাস্ত্রে তাঁর রচনাবলি:১ - তাতিম্মাতুত তাতরিজ ফি শারহিল তা'জিজ, অথবা [তাকমিলাতু শারহিল তা'জিজ]। এটি তাঁর শাইখ ইমাম তাজউদ্দীন ইবনে ইউনুস (মৃত্যু: ৬৭১ হি.)-এর শাফেয়ী ফিকহ শাস্ত্রের গ্রন্থ (আল-তা'জিজ ফি ইখতিসারিল ওয়াজিজ)-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ (তাতরিজ ফি শারহিল তা'জিজ)-এর একটি সম্পূরক অংশ বা পরিশিষ্ট।
২ - রিসালাতু ওয়াদহিল ইনসাফ ফি রাফ'ইল খিলাফ।
৩ - নাজমুল ফারায়েজ, অথবা [নাজমুল লাআলি]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
ثامنًا: مؤلفاته في علوم اللغة العربية:1 - تدميث التذكير في التأنيث والتذكير
(1)، وقد حُقِّقَتْ هذه المنظومة ونشرت أكثر من مرة، ومن ذلك:
أ - طبعة باللغة الفرنسية للأديب الجزائري المحقق/ محمد بن العربي بن محمد بن أبي شنب (ت: 1347 هـ)
(2).
ب - حقق النظم وشرحه/ د. محمد عامر حسن
(3).
ت - حقق النظم فقط/ محمد شايب شريف الجزائري
(4).
2 - الضوابط للتعريف في إيجاز الكافية والتصريف
(5)، وهو اختصار لـ (كافية ذوي الأرب في معرفة كلام العرب)، للإمام ابن الحاجب المالكي (ت: 646 هـ)، وامتدح اختصاره الزركلي (ت: 1396 هـ): فقال: «وناهيك بمن اختصر مثل الكافية»
(6).
3 - السبيل الأحمد في علم الخليل بن أحمد
(7).
4 - الترصيع في صناعة أو [علم] البديع
(8).
5 - المغرب أو [المعرب] أو [المعرف] في مثلثة أو [مثلث] قطرب
(9).
--------------------------------------------
অষ্টম: আরবি ভাষা বিজ্ঞানে তাঁর রচনাবলি:১ - তদমীসুত তাজকীর ফিত তানীস ওয়াত তাজকীর
(১), এই কাব্যগ্রন্থটি সম্পাদিত হয়েছে এবং একাধিকবার প্রকাশিত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে:
ক - আলজেরীয় সাহিত্যিক ও গবেষক মুহাম্মদ বিন আল-আরবি বিন মুহাম্মদ বিন আবি শানাব (মৃত্যু: ১৩৪৭ হিজরি) কর্তৃক ফরাসি ভাষায় একটি সংস্করণ
(২)।
খ - কাব্যটি সম্পাদনা ও ব্যাখ্যা করেছেন ড. মুহাম্মদ আমির হাসান
(৩)।
গ - শুধুমাত্র কাব্যটি সম্পাদনা করেছেন মুহাম্মদ শায়েব শরীফ আল-জাজায়েরি
(৪)।
২ - আদ-দাওয়াবিত লিত-তা'রিফ ফি ইজাযিল কাফিয়া ওয়াত তাসরিফ
(৫), এটি ইমাম ইবনুল হাজিব আল-মালিকি (মৃত্যু: ৬৪৬ হিজরি) এর 'কাফিয়াতু যাবিল আরাব ফি মা'রিফাতি কালামিল আরাব' এর সংক্ষিপ্তসার। আয-যিরিকলি (মৃত্যু: ১৩৯৬ হিজরি) এই সংক্ষিপ্তকরণের প্রশংসা করে বলেছেন: "কাফিয়ার মতো কিতাবকে যিনি সংক্ষিপ্ত করতে পারেন, তিনিই আপনার জন্য যথেষ্ট।"
(৬)।
৩ - আস-সাবিলুল আহমাদ ফি ইলমিল খালিল বিন আহমাদ
(৭)।
৪ - আত-তারসী' ফি সিনাআতি বা [ইলমুল] বদি'
(৮)।
৫ - আল-মুগরিব বা [আল-মু'রাব] বা [আল-মুআররিফ] ফি মুসাল্লাসতি বা [মুসাল্লাস] কুতরুব
(৯)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
تاسعًا: مؤلفاته في علوم السيرة والتاريخ والتراجم:1 - موعد الكرام في مولد النبي عليه السلام
(1).
2 - مواهب الوفي في مناقب الشافعي
(2).
3 - عوالي مشيخة برهان الدين الجعبري
(3).
4 - أعلام الظرفا في أيام الخلفا
(4).
5 - مواليد أئمة المسانيد
(5).
6 - صوائب الإفصاح بمراتب الصحاح
(6).
7 - ذكر أحوال الشيوخ المخبرين في إجازة الشيخ برهان الدين الجعبري
(7).
--------------------------------------------
নবম: সিরাত, ইতিহাস এবং জীবনী অভিধান বিজ্ঞানে তাঁর রচনাবলি:১ - মাওইদুল কিরাম ফি মাওলিদিন নাবি আলাইহিস সালাম।
(১)২ - মাওয়াহিবুল ওয়াফি ফি মানাকিবিশ শাফিয়ি।
(২)৩ - আওয়ালি মাশায়িখা বুরহানুদ্দিন আল-জা'বারি।
(৩)৪ - আলামুজ জুরফা ফি আইয়ামিল খুলাফা।
(৪)৫ - মাওয়ালিদু আইম্মাতিল মাসানিদ।
(৫)৬ - সাওয়ায়িবুল ইফসাহ বি-মারাতিবিস সিহাহ।
(৬)৭ - যিকরু আহওয়ালিশ শুয়ুখিল মুখবিরিনা ফি ইজাযাতিশ শাইখ বুরহানুদ্দিন আল-জা'বারি।
(৭)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
عاشرًا: مؤلفاته في علوم أخرى متفرقة:1 - اليواقيت في علم المواقيت، أو [يواقيت المواقيت]
(1)، (نظم).
2 - معرفة الكرة والعمل بها
(2).
3 - الهبات الهنيات في المصنفات الجعبريات، وهذه الرسالة ذكر فيها الناظم مؤلفاته التي صنفها في أنواع العلوم المختلفة، وقد ذكر في مقدمتها أنه ذكر فيها مؤلفاته حتى سنة: (725 هـ)، أي قبل وفاته بنحو (7) سنوات.
أ - اعتمدها د. حسن محمد مقبولي الأهدل (ت: 1436 هـ) في ذكر مؤلفاته في مقدمة تحقيقه لكتاب (رسوخ الأحبار في منسوخ الأخبار).
ب - نشر الباحث/ جمال بن السيد رفاعي الشَّايب، الرسالة ضمن كتاب سماه (ثلاث رسائل للإمام الجعبري تطبع لأول مرة)، ونشرته مكتبة السنة سنة: (1425 هـ-2004 م). (من ص: 13 إلى ص: 34).
ت - نشرتها كذلك د. ظمياء محمد عباس السامرائي في (مجلة معهد المخطوطات العربية)، العدد: 54، الجزء: 2، سنة: (1431 هـ-2010 م).
حادي عشر: مؤلفات منسوبة للناظم:1 - تفسير سورة الفاتحة وسورة البروج والغاشية
(3).
2 - من كلام الجعبري
(4).
3 - سفر الشَّفيع إلى مكة
(5).
4 - رسم البرهان في هجاء القرآن
(6)، أو رسالة في رسم المصاحف العثمانية
(7).
5 - منظومة في رسم المصحف، أو [هجاء المصحف]
(8).
6 - الإدغام الكبير
(9).
7 - الثمرات الربانية لمن يريد ختم الفوائد القاسمية
(10).
8 - رساله ميمية
(11).
9 - الوصول في الكلام على الأصول
(12).
10 - أبيات شعرية
(13).
--------------------------------------------
দশম: অন্যান্য বিবিধ বিষয়ে তাঁর রচনাবলি:১ - আল-ইয়াওয়াকিত ফি ইলমিল মাওয়াকিত, অথবা [ইয়াওয়াকিতুল মাওয়াকিত]
(১), (কাব্যগ্রন্থ)।
২ - গোলক জ্ঞান এবং এর প্রয়োগ পদ্ধতি
(২)।
৩ - আল-হিবাতুল হানিয়্যাহ ফিল মুসান্নাফাতিল জা’বারিয়্যাহ; এই রিসালায় গ্রন্থকার বিভিন্ন শাস্ত্রে তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি এর ভূমিকায় উল্লেখ করেছেন যে, এতে তিনি ৭২৫ হিজরি সাল পর্যন্ত তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর বিবরণ দিয়েছেন, যা তাঁর ইন্তেকালের প্রায় ৭ বছর পূর্বের সময়।
ক - ড. হাসান মুহাম্মদ মাকবুলি আল-আহদাল (মৃত্যু: ১৪৩৬ হি.) তাঁর সম্পাদিত ‘রাসুখুল আহবার ফি মানসুখিল আখবার’ গ্রন্থের ভূমিকায় লেখকের রচনাবলির বর্ণনায় এই রিসালাটির ওপর নির্ভর করেছেন।
খ - গবেষক জামাল বিন সাইয়্যেদ রিফায়ি আল-শায়েব ‘ইমাম জা’বারীর তিনটি রিসালা যা প্রথমবার মুদ্রিত হচ্ছে’ নামক গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত করে এটি প্রকাশ করেছেন; এটি আল-সুন্নাহ লাইব্রেরি থেকে ১৪২৫ হি.-২০০৪ খ্রি. সালে প্রকাশিত হয়। (পৃষ্ঠা: ১৩ থেকে ৩৪)।
গ - ড. যামইয়াহ মুহাম্মদ আব্বাস আল-সামাররাই-ও এটি ‘মাজাল্লাতু মাহাদিল মাখতুতাতিল আরাবিয়্যাহ’ (আরবি পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউট সাময়িকী), সংখ্যা: ৫৪, খণ্ড: ২, বছর: ১৪৩১ হি.-২০১০ খ্রি.-এ প্রকাশ করেছেন।
একাদশ: কবির (নাজিম) প্রতি সোপর্দকৃত রচনাবলি:১ - সূরা আল-ফাতিহা, সূরা আল-বুরূজ এবং সূরা আল-গাশিয়াহ-এর তাফসীর
(৩)।
২ - জা’বারীর কথামালা থেকে সংগৃহীত
(৪)।
৩ - মক্কার পথে শাফি’র সফরনামা
(৫)।
৪ - রাসমুল বুরহান ফি হিজাইল কুরআন
(৬), অথবা উসমানী মুসহাফের লিখনশৈলী বিষয়ক রিসালা
(৭)।
৫ - মুসহাফের লিখনশৈলী বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ, অথবা [মুসহাফের বানানরীতি]
(৮)।
৬ - আল-ইদগাম আল-কাবীর
(৯)।
৭ - আল-সামারাতুর রব্বানিয়্যাহ লিমান ইউরিদু খাতমাল ফাওয়াইদিল কাসিমিয়্যাহ
(১০)।
৮ - রিসালাহ মীমীয়্যাহ (মীম বর্ণ ভিত্তিক পত্র বা কবিতা)
(১১)।
৯ - আল-উসুল শাস্ত্রের আলোচনায় লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানো
(১২)।
১০ - কাব্যগাথা
(১৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-ইমামুল জা’বারী শাইখু কুররায়ি যামানিহী
(পৃষ্ঠা: ২৯)
11 - نصيحة الجعبري
(1).
12 - ألغاز شعرية وأجوبتها
(2).
ثاني عشر: مؤلفاته المفقودة:للناظم الكثير من الكتب التي فقدت نسخها المخطوطة، وبقيت أسماؤها مذكورة في كتابه (الهبات الهنيات في المصنفات الجعبريات)، أو في كتب التراجم التي ترجمت للناظم.
وقد يظهر بعضها مستقبلًا -بإذن الله- عندما تتم فهرسة بقية مكتبات المخطوطات في العالم الإسلامي، ومن هذه الكتب المفقودة:
أ - مؤلفات في علوم القرآن:1 - البرهة في حواشي النزهة
(3).
2 - المفيد في شرح القصيد
(4).
3 - الإغراب في الإعراب
(5).
4 - النكات في معنى الأبيات
(6).
5 - المكنوز في حل الرموز
(7).
6 - الإيضاح الأعلى في الاصطلاح والأولى
(8).
7 - التنويه في التوجيه
(9).
8 - التكميل في التذييل
(10).
9 - شرعة الأوام في قراءة السبعة الكرام
(11)، أو [الشرعة في القراءات السبعة]
(12).
10 - اللمعة في حواشي الشرعة
(13).
11 - منح النضيد على فتح الوصيد
(14).
12 - القلائد في الياءات الزوائد
(15).
13 - المفرد الناجم في قراءة الإمام عاصم
(16).
14 - إتمام التبيين في أحكام النون الساكنة والتنوين
(17).
--------------------------------------------
১১ - জাবারীর উপদেশ
(১).
১২ - কাব্যিক ধাঁধা এবং সেগুলোর উত্তর
(২).
দ্বাদশ: তাঁর হারানো রচনাবলি:নাজিমের (কাব্য রচয়িতা) এমন অনেক বই রয়েছে যার পাণ্ডুলিপিগুলো হারিয়ে গেছে, তবে সেগুলোর নাম তাঁর ‘আল-হিবাত আল-হানিয়্যাত ফিল মুসান্নাফাত আল-জা‘বারিয়্যাত’ গ্রন্থে অথবা তাঁর জীবনী বর্ণনাকারী গ্রন্থগুলোতে উল্লিখিত রয়েছে।
আল্লাহর ইচ্ছায় ভবিষ্যতে সেগুলোর কিছু প্রকাশিত হতে পারে—যখন মুসলিম বিশ্বের অবশিষ্ট পাণ্ডুলিপি পাঠাগারগুলোর তালিকাভুক্তিকরণ সম্পন্ন হবে। এই হারানো বইগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ক - কুরআনুল কারীমের উলূম (শাস্ত্রসমূহ) বিষয়ক রচনাবলি:১ - আল-বুরহা ফি হাশিয়াতিন নুযহা
(৩).
২ - আল-মুফিদ ফি শারহিল কাসিদ
(৪).
৩ - আল-ইগরাব ফিল ই‘রাব
(৫).
৪ - আন-নুকাত ফি মা‘নাল আবইয়াত
(৬).
৫ - আল-মাকনূয ফি হাল্লির রূমূয
(৭).
৬ - আল-ঈযাহুল আ‘লা ফিল ইসতিলাহ ওয়াল আওলা
(৮).
৭ - আত-তানবীহ ফিত তাওজীহ
(৯).
৮ - আত-তাকমীল ফিত তাযয়ীল
(১০).
৯ - শির‘আতুল আওয়াম ফি কিরাআতিস সাব‘আতিল কিরাম
(১১), অথবা [আশ-শির‘আ ফিল কিরাআতিস সাব‘আ]
(১২).
১০ - আল-লুম‘আ ফি হাশিয়াতুশ শির‘আ
(১৩).
১১ - মিনহুন নাযীদ ‘আলা ফাতহিল ওয়াসীয়াদ
(১৪).
১২ - আল-কালাইদ ফিল ইয়াআতিল যাওয়াইদ
(১৫).
১৩ - আল-মুফরাদুন নাজিম ফি কিরাআতিল ইমাম আসিম
(১৬).
১৪ - ইতামুত তাবয়ীন ফি আহকামিন নূনিল সাকিনা ওয়াত তানবীন
(১৭).
--------------------------------------------