(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: -)
التذييل على تهذيب التهذيب القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: التذييل على كتاب تهذيب التهذيب للحافظ ابن حجر العسقلاني
المؤلف: محمد بن طلعت
الناشر: مكتبة أضواء السلف، الرياض - السعودية
الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 512
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 رمضان 1443
তাহযীবুত তাহযীবের পরিশিষ্ট বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
বই: হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী রচিত তাহযীবুত তাহযীব গ্রন্থের পরিশিষ্ট
লেখক: মুহাম্মাদ বিন তালাত
প্রকাশক: মাকতাবাতু আদওয়াউস সালাফ, রিয়াদ - সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫১২
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রমজান ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمةإن الحمد للَّه نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ باللَّه من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهد اللَّه فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادى له. وأشهد أن لا إله إلا اللَّه وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله صلى الله عليه وسلم.
أما بعد: فإن كتاب "تهذيب التهذيب" للحافظ ابن حجر العسقلاني رحمه الله من أهم كتب الرجال.
وقد بذل الحافظ جَهْدًا كبيرًا فيه يَدُلٌّ على قوّته ورُسُوخه في علم الرجال إلا أن هناك تراجم لم يُورِد الحافظ فيها جميع أقوال علماء الجرح والتعديل الواردة فيها، فربما فاته قول أو قولان أو أكثر، فقمت بجمع هذه الأقوال في كتابي هذا.
ومنهجي في هذا الكتاب يتلخص في: قراءة الكتب التي تتكلَّم عن الرجال كتابًا كتابًا، وحيثما وقفت على قول في راوٍ لأحد العلماء أَنْظُر هل هذا الراوي مُتَرْجَم له في "التهذيب" أم لا؟!
* فإن كان مُتَرْجم له نظرت هل هذا القول الذي وقفت عليه أَوْرَدَهُ الحافظ في ترجمة الرَّاوي أم لا؟
* فإن كان لم يُورده أَوْرَدته ولم ألتزم إيراد كل قول فات الحافظ، إنما أُورد الأقوال التي أظن أن لها نفعًا.
* فإذا كان الراوي متفقًا على توثيقه، وَثَّقه أحمد وابن معين وغيرهما، ثم وَقَفْتُ على توثيق أخر لهذا الرَّاوي فإني لا أورده؛ لأن إِيراده
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকানিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে বিভ্রান্ত করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে বিভ্রান্ত করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
অতঃপর: হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহিমাহুল্লাহ) রচিত "তহজীবুত তহজীব" কিতাবটি রিজাল শাস্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
হাফেজ এতে ব্যাপক শ্রম ব্যয় করেছেন যা রিজাল শাস্ত্রে তাঁর শক্তি ও গভীর পাণ্ডিত্যের প্রমাণ দেয়। তবে এমন কিছু জীবনী রয়েছে যেখানে হাফেজ 'জারহ ও তাদীল' (সমালোচনা ও প্রশংসা) ইমামদের বর্ণিত সকল উক্তি উল্লেখ করেননি; সম্ভবত তাঁর থেকে একটি, দুটি বা তার অধিক উক্তি বাদ পড়ে গেছে। তাই আমি আমার এই কিতাবে সেই উক্তিগুলো সংকলন করেছি।
এই কিতাবে আমার কর্মপদ্ধতির সারসংক্ষেপ হলো: রিজাল শাস্ত্র বিষয়ক গ্রন্থসমূহ একে একে পাঠ করা, এবং যখনই আমি কোনো রাবী সম্পর্কে কোনো আলেমের কোনো উক্তি পেয়েছি, তখন আমি লক্ষ্য করেছি যে এই রাবীর জীবনী "তহজীব" কিতাবে আছে কি না?!
* যদি তার জীবনী সেখানে থাকে, তবে আমি লক্ষ্য করেছি যে আমি যে উক্তিটি পেয়েছি তা হাফেজ সেই রাবীর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন কি না?
* যদি তিনি তা উল্লেখ না করে থাকেন, তবে আমি তা উল্লেখ করেছি। তবে হাফেজ থেকে বাদ পড়া প্রতিটি উক্তি উল্লেখ করার আবশ্যকতা আমি গ্রহণ করিনি, বরং আমি কেবল সেই উক্তিগুলোই উল্লেখ করেছি যা আমি মনে করেছি যে ফলপ্রসূ হবে।
* সুতরাং যদি কোনো রাবীর নির্ভরযোগ্যতার (তাওসিক) ব্যাপারে ঐকমত্য থাকে, যেমন আহমাদ, ইবনে মাঈন ও অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, এরপর আমি সেই রাবী সম্পর্কে অন্য কোনো নির্ভরযোগ্যতার উক্তি পাই, তবে আমি তা উল্লেখ করি না; কারণ সেটি উল্লেখ করা...
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٦)
ليس له كبير فائدة.
* وكذلك إذا أجمع العلماء على أن راويًا متروكٌ أو كذابٌ ووجدت قولًا يُوافق ذلك فإني لا أورده.
* أما إذا اختلفوا فمنهم مَن قال عن الرَّاوي "ثقة" ومنهم مَن قال "صدوق" فإني أُرد ما أَقِفُ عليه مِن أقوال.
انظر -مثلًا-: ترجمة "جعفر بن عون" و"الأخضر بن عجلان"
* وكذلك إذا اختلفوا فمنهم مَن قال عن الرَّاوي "ضعيف" ومنهم من قال "متروك" فإني أُورد ما أقف عليه مِن أقوال.
انظر -مثلًا-: ترجمة "الأحوص بن حكيم" و"أزهر بن سنان" و"إسماعيل بن مسلم البصري المكي" و"بكر بن بكار" و"جابر بن نوح الحماني" و"الحسن بن أبي جعفر الجفري" و"ثوير بن أبي فاختة" و"حجاج بن نصير" و"أسيد بن زيد الجمال" و"ثابت بن أبي صفية".
* والناظر في معظم من ترجم لهم في هذا الكتاب يجدهم في الرواة الذين قال عنهم الحافظ: صَدُوق ربما وَهِم، أو صدُوق يهم، أو صدوق ربما أخطأ، أو صدوق يخطئ، أو صدوق يخطئ كثيرًا، أو صدوق فيه لِين.
فهؤلاء الرُّواة قد اختلف فيهم الأئمة المتقدمون؛ فمنهم مَن قوَّى حديثهم، وعنهم مَن ضعَّفهُ.
فأُورد ما أقف عليه من أقوال تُقَوِّي رأي من قال بتضعيف هذا الرَّاوي، أو تُقوّي رأي من قال بقبول حديثه.
وإذا كان الراوي مختلفًا في صحبته فإني أورد ما أقف عليه مِن أقوال.
وأحيانًا تقع تصحيفات في كلام الحافظ ابن حجر في الطبعة التي اعتمدت عليها فأُصَوِّبها.
এর বিশেষ কোনো উপকারিতা নেই।
* অনুরূপভাবে, যদি উলামায়ে কেরাম ঐক্যমত পোষণ করেন যে কোনো বর্ণনাকারী মাতরুক (পরিত্যক্ত) বা কাজ্জাব (মিথ্যাবাদী) এবং আমি যদি এমন কোনো উক্তি পাই যা এর সাথে একমত পোষণ করে, তবে আমি তা উল্লেখ করি না।
* তবে যদি তারা মতভেদ করেন, তাদের মধ্যে কেউ বর্ণনাকারী সম্পর্কে "সিকাহ" (নির্ভরযোগ্য) এবং কেউ "সদুক" (সত্যবাদী) বলেন, তবে আমি যেসকল উক্তি পাই তা উল্লেখ করি।
উদাহরণস্বরূপ দেখুন: "জাফর বিন আউন" এবং "আল-আখদার বিন আজলান"-এর জীবনী।
* তেমনিভাবে যদি তারা মতভেদ করেন, তাদের মধ্যে কেউ বর্ণনাকারী সম্পর্কে "যয়ীফ" (দুর্বল) এবং কেউ "মাতরুক" (পরিত্যক্ত) বলেন, তবে আমি যেসকল উক্তি পাই তা উল্লেখ করি।
উদাহরণস্বরূপ দেখুন: "আল-আহওয়াস বিন হাকিম", "আজহার বিন সিনান", "ইসমাইল বিন মুসলিম আল-বাসরি আল-মাক্কি", "বকর বিন বাক্কার", "জাবির বিন নূহ আল-হিমানি", "আল-হাসান বিন আবি জাফর আল-জুফরি", "সুওয়াইর বিন আবি ফাখতাহ", "হাজ্জাজ বিন নাসির", "উসাইদ বিন যাইদ আল-জাম্মাল" এবং "সাবিত বিন আবি সাফিয়্যাহ"-এর জীবনী।
* আর এই গ্রন্থে যাদের জীবনী আলোচনা করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রে পাঠক দেখতে পাবেন যে তারা এমন সব বর্ণনাকারী যাদের সম্পর্কে হাফেজ (ইবনে হাজার) বলেছেন: সদুক রুব্বামা ওয়াহিম (সত্যবাদী, সম্ভবত বিভ্রান্ত হয়েছেন), অথবা সদুক ইয়াহিম (সত্যবাদী, বিভ্রান্ত হন), অথবা সদুক রুব্বামা আখতা (সত্যবাদী, সম্ভবত ভুল করেছেন), অথবা সদুক ইউখতি (সত্যবাদী, ভুল করেন), অথবা সদুক ইউখতিউ কাসিরান (সত্যবাদী, অধিক ভুল করেন), অথবা সদুক ফিহি লিন (সত্যবাদী, তার মধ্যে দুর্বলতা আছে)।
এসকল বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে পূর্ববর্তী ইমামগণ মতভেদ করেছেন; তাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের হাদিসকে শক্তিশালী বলেছেন এবং কেউ কেউ তা দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন।
অতএব, আমি যেসকল উক্তি পাই তা উল্লেখ করি যা এই বর্ণনাকারীকে দুর্বল বলার মতকে শক্তিশালী করে, অথবা তার হাদিস কবুল করার মতকে শক্তিশালী করে।
আর যদি বর্ণনাকারীর সাহাবি হওয়ার ব্যাপারে মতভেদ থাকে, তবে আমি এ বিষয়ে যেসকল উক্তি পাই তা উল্লেখ করি।
আর মাঝে মাঝে আমি যে সংস্করণের ওপর নির্ভর করেছি তাতে হাফেজ ইবনে হাজারের কথায় কিছু শব্দগত ভুল (তাসহিফ) পরিলক্ষিত হয়, আমি তা সংশোধন করে দিয়েছি।
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٧)
انظر: ترجمة "إسحاق بن إبراهيم بن العلاء" و"إسماعيل بن زكريا" و"أشهل بن حاتم" و"بكير بن مسمار" و"أحمد بن شبيب بن سعد".
وقد قمت بترجمة مُستفيضة لمحمد بن عجلان، أَثْبَتُّ فيها أنه يُسْقِط بين سعيد المقبري وأبي هريرة رواةً غير والد سعيد.
والرواة الذين وقفت عليهم الذين يُسقطهم محمد بن عجلان مِن بين سعيد المقبري وأبي هريرة هم: عباد بن أبى سعيد المقبري أخو سعيد المقبري، وأبو إسحاق مولى عبد اللَّه بن الحارث، وعبد الرحمن بن مهران، وبشير بن المحرر. وقد قال الحافظ في كل راوٍ منهم في التقريب: مقبول.
وقد قمت أيضًا بترجمة مُسْتفيضة لعبد اللَّه بن لهيعة، ومحمد بن إسحاق بن يسار، وأبي حنيفة النعمان بن ثابت.
وقد اعتمدت في كتابي هذا على أكثر من ستين مصدرًا في تراجم الرواة كما يظهر من قائمة مصادر الكتاب.
واللَّه أسأل أن يتقبل مني هذا العمل، وأن ينفعني به والمسلمين، إنه بكل جميل كفيل وهو نعم المولى ونعم النصير.
مصر - المحلة الكبرى
5 شوال 1424
وكتبه محمد بن طلعت غفر اللَّه له
দেখুন: "ইসহাক ইবনে ইবরাহিম ইবনুল আলা", "ইসমাইল ইবনে জাকারিয়া", "আশহাল ইবনে হাতিম", "বুকাইর ইবনে মিসমার" এবং "আহমদ ইবনে শাবিব ইবনে সাদ"-এর জীবনী।
আমি মুহাম্মদ ইবনে আজলানের একটি বিস্তারিত জীবনী লিখেছি, যেখানে আমি প্রমাণ করেছি যে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি এবং আবু হুরাইরাহ-এর মাঝখানে সাঈদের পিতা ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীদের বাদ দিয়েছেন।
সাঈদ আল-মাকবুরি এবং আবু হুরাইরাহ-এর মাঝখান থেকে মুহাম্মদ ইবনে আজলান যাদেরকে বাদ দিয়েছেন, আমি এমন যেসব বর্ণনাকারীদের পেয়েছি তারা হলেন: আব্বাদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি (সাঈদ আল-মাকবুরির ভাই), আবু ইসহাক (আবদুল্লাহ ইবনুল হারিসের মুক্তদাস), আবদুর রহমান ইবনে মিহরান এবং বাশির ইবনুল মুহাররার। হাফিজ (ইবনে হাজার) 'তাকরিব' গ্রন্থে তাদের প্রত্যেকের সম্পর্কে বলেছেন: মাকবুল (গ্রহণযোগ্য)।
এছাড়াও আমি আবদুল্লাহ ইবনে লাহিয়াহ, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার এবং আবু হানিফা আন-নুমান ইবনে সাবিতের বিস্তারিত জীবনী লিখেছি।
আমি আমার এই গ্রন্থে বর্ণনাকারীদের জীবনীর ক্ষেত্রে ষাটেরও বেশি উৎসের ওপর নির্ভর করেছি, যা বইটির উৎসতালিকা থেকেই স্পষ্ট হয়।
আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমার এই কাজ কবুল করেন এবং এর মাধ্যমে আমাকে ও মুসলিমদের উপকৃত করেন। নিশ্চয়ই তিনি সমস্ত কল্যাণের জিম্মাদার এবং তিনি কতই না উত্তম অভিভাবক ও কতই না উত্তম সাহায্যকারী।
মিশর - আল-মাহাল্লা আল-কুবরা
৫ শাওয়াল ১৪২৪
লিখেছেন: মুহাম্মদ ইবনে তালাত, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٩)
حرف الألف
1 - أحمد بن إسماعيل بن محمد أبو حذافة السهميقال البرقاني: قال الدارقطني: أبو حذافة قوي السماع عن مالك. قال لنا المحاملي: سألت أبي عنه، فقال: سألت أبا مصعب عنه، فقال: كان يحضر العرض معنا على مالك.
قال أبو الحسن: إلا أنه قد لحقته غفلة، قرأت عليه أحاديث ليست عنده
(1).
2 - أحمد بن بديل قاضي الكوفةقال الخليلي: أحمد بن بديل الكوفي قلد قضاء همدان، عالم فاضل روى عن أبي بكر بن عياش، وحفص بن غياث، وأقرانهما، صدوق صالح، أقام سنتين ثم استعفى
(2).
3 - أحمد بن بشير المخزوميقال السلمي: سألت الدارقطني عن أحمد بن بشير الذي يروي عن مسعر؟ فقال: لا بأس به
(3).
4 - أحمد بن الخليل القومسيقال أبو زرعة: أحمد بن الخليل القومسي كذاب
(4).
--------------------------------------------
বর্ণ 'আলিফ'
১ - আহমদ বিন ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আবু হুজাফাহ আস-সাহমীবারকানী বলেন: দারা কুতনী বলেছেন: আবু হুজাফাহ ইমাম মালিকের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ছিলেন। মুহামিলী আমাদের বলেন: আমি আমার পিতাকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বললেন: আমি আবু মুসআবকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বললেন: তিনি আমাদের সাথে ইমাম মালিকের নিকট হাদিস উপস্থাপনের মজলিসে উপস্থিত থাকতেন।
আবু হাসান বলেন: তবে পরবর্তীকালে তিনি অসতর্কতার শিকার হয়েছিলেন; আমি তাকে এমন কিছু হাদিস পড়ে শুনিয়েছিলাম যা তার সংগ্রহে ছিল না
(১)।
২ - আহমদ বিন বুদাইল, কুফার বিচারকখলীলী বলেন: আহমদ বিন বুদাইল আল-কুফীকে হামাদানের বিচারকের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল; তিনি ছিলেন একজন গুণী আলেম, যিনি আবু বকর বিন আইয়াশ, হাফস বিন গিয়াস এবং তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি অত্যন্ত সত্যবাদী ও নেককার ছিলেন। তিনি দুই বছর বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন অতঃপর অব্যাহতির আবেদন করেন
(২)।
৩ - আহমদ বিন বশীর আল-মাখজুমীসুলামী বলেন: আমি দারা কুতনীকে আহমদ বিন বশীর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যিনি মিসআর থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই
(৩)।
৪ - আহমদ বিন আল-খলীল আল-কূমাসীআবু যুরআহ বলেন: আহমদ বিন আল-খলীল আল-কূমাসী একজন চরম মিথ্যাবাদী
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٠)
5 - أحمد بن شبيب بن سعيد الحبطيقال أبو حاتم: أحمد بن شبيب بن سعيد ثقة
(1).
6 - أحمد بن شيبان الرمليقال الحاكم: أحمد بن شيبان الرملي ثقة، وأحمد أجل وأوثق
(2).
7 - أحمد بن عبد الجبارقال أبو سعيد السجزي: أخبرنا الحاكم أبو عبد اللَّه، قال: سمعت القاضي محمد بن صالح يحكي الحكاية على وجهها، عن أبي الطيب ابن الحسين بن حميد بن الربيع، ويذكر عن شيوخه أنهم لم يشكوا في صدق أحمد بن عبد الجبار
(3).
8 - أحمد بن عبد الرحمن بن وهبقال البرذعي: وحملت معي من مصر جزءًا بخطى مما أنكرته من حديث أحمد بن عبد الرحمن بن أخي ابن وهب أبي عبيد اللَّه ومما لديهم من الأسانيد والمتون، فدفعت الجزء إلى أبي زرعة، وكان علان ابن عبد الرحمن المصري أعطاني حديث موسى بن يعقوب عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن إسحاق ابن عبد اللَّه أبي طلحة، عن أنس "من كذب علي" ذكر أن ابن وهب حدثهم قال: نا موسى بن يعقوب أعطاني علان ذلك، فدفعه بخط ابن أخي ابن وهب، قال لي علان: كتب لي ذلك ابن أخي ابن وهب بخطه وقرأه علي، وحديث الزهري عن سحيم في الخسف، عن ابن وهب،
--------------------------------------------
৫ - আহমাদ ইবনে শাবিব ইবনে সাঈদ আল-হাবাতিআবু হাতিম বলেছেন: আহমাদ ইবনে শাবিব ইবনে সাঈদ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)
(১)।
৬ - আহমাদ ইবনে শাইবান আর-রামলিআল-হাকিম বলেছেন: আহমাদ ইবনে শাইবান আর-রামলি নির্ভরযোগ্য, আর আহমাদ (ইবনে শাইবান) অধিক মর্যাদাবান ও অধিক নির্ভরযোগ্য
(২)।
৭ - আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বারআবু সাঈদ আস-সিজজি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমি কাজি মুহাম্মদ ইবনে সালিহকে ঘটনাটি যথাযথভাবে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবুল তাইয়িব ইবনুল হুসাইন ইবনে হুমাইদ ইবনুর রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি তার শিক্ষকদের থেকে উল্লেখ করেছেন যে, তারা আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বারের সত্যবাদিতার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেননি
(৩)।
৮ - আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ওয়াহাবআল-বারযাঈ বলেছেন: আমি মিশর থেকে আমার নিজের হাতের লেখায় এমন একটি পাণ্ডুলিপি সাথে এনেছি যা আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ওয়াহাবের (ইবনে ওয়াহাবের ভাতিজা আবু উবায়দুল্লাহ) হাদিস এবং তাদের কাছে থাকা সনদ ও মতনের মধ্য থেকে আমি আপত্তিজনক মনে করেছিলাম। আমি সেই অংশটি আবু যুরআর নিকট পেশ করলাম। আল্লান ইবনে আব্দুর রহমান আল-মিসরি আমাকে মুসা ইবনে ইয়াকুবের হাদিসটি দিয়েছিলেন যা তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ আবু তালহা থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন— "যে ব্যক্তি আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে..."। তিনি উল্লেখ করেছেন যে ইবনে ওয়াহাব তাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুসা ইবনে ইয়াকুব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; আল্লান আমাকে সেটি দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি সেটি ইবনে ওয়াহাবের ভাতিজার হাতের লেখায় পেশ করলেন। আল্লান আমাকে বলেছেন: ইবনে ওয়াহাবের ভাতিজা নিজের হাতে আমার জন্য এটি লিখেছিলেন এবং আমাকে পড়ে শুনিয়েছিলেন। আর যুহরি থেকে সুহাইমের মাধ্যমে ভূমিধস সংক্রান্ত হাদিসটিও ইবনে ওয়াহাবের মাধ্যমে বর্ণিত...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١١)
عن يونس، فدفعت الرقعة أيضًا إلى أبي زرعة فجعل يقرأ ما في الكتاب ويتعجب، ثم قال لي أبو زرعة: لا أرى ظهر بمصر منذ دهر أوضع للحديث، وأجسر على الكذب من هذا، وكان مما كتبت في الجزء ما أنكرت من رواياته عن عمه، عن إبراهيم ابن سعد، عن الزهري، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "من أكل من هذه الشجرة" فقال لي أبو زرعة: أي شيء أنكرت من هذا؟ قلت: أنكرته أنه إنما هو عن سعيد بن المسيب وحده ليس أبو سلمة.
فقال لي: أصبت، ما هذا من حديث أبي سلمة، وأزيدك مما لست أراك أنك تهتدي إليه، قلت: لا أعلم إلا أفي أنكرت فيه زيادته فيه، عن أبي سلمة لأن الحديث رواه جماعة عن إبراهيم بن سعد، فقال لي: رواه جماعة، وابن وهب لا أعلمه حدث عن إبراهيم بن سعيد شيئًا أصلًا، ثم قال لي أبي زرعة: كان أبو حاتم يلقى إلى عنه أحاديث كنت أستحسنها، مثل حديث أبي الزعراء وغيره، فإذا هو آفة من الآفات قلت: فتكتب بخطك إلى أصحابنا بمصر، فكتبت بخطه كلامًا غليظًا يأمر بهجرانه، ومباينته، ونسبه إلى الكذب المصرح وكتب نحو ذلك أبو عبد اللَّه محمد بن مسلم، وأبو حاتم، فانفذت خطوطهم إلى علان، وإبراهيم ابن الأصم ثم قال لي أبو حاتم: شعرت أن ابن أخي ابن وهب كتب إلي وأنت بمصر يشكوك ويقول: إنك تعتب عليه، وكتبت إلي في كتابه حدثنا عمي قال: نا عمر بن محمد، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "لو بغى جبل عن جبل إلا ذل اللَّه الباغي منهما" فلما خرج ابني عبد الرحمن كتبت له إلى يونس، وابن عبد الحكم، ولم أكتب إليه. وقلت لعبد الرحمن: قل له كتبت إلي في أمر البرذعي بما كفيتني مؤنة نفسك عندما ذكرت عن عمك، عن عمر بن محمد حديثًا لا أصل له بهذا الإسناد، فورد كتاب ابن أخي ابن وهب على أبي حاتم بعد أن ابني كتب إليك بهذا الحديث وغلط
ইউনুস থেকে বর্ণিত, আমি চিরকুটটি আবু জুরআহর কাছেও পেশ করলাম। তিনি কিতাবে যা আছে তা পড়তে লাগলেন এবং অবাক হতে লাগলেন। অতঃপর আবু জুরআহ আমাকে বললেন: "আমি মনে করি না যে দীর্ঘকাল ধরে মিশরে এর চেয়ে হাদীসের জন্য অধিক অবমাননাকর এবং মিথ্যার ওপর অধিক সাহসী আর কেউ আবির্ভূত হয়েছে।" আমি সেই অংশে যা লিখেছিলাম তার মধ্যে তার চাচা থেকে ইব্রাহিম ইবনে সা’দ, তাঁর থেকে জুহরি এবং তাঁর থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে বর্ণিত একটি বর্ণনাও ছিল যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছিলাম: "যে ব্যক্তি এই গাছ থেকে খাবে।" আবু জুরআহ আমাকে বললেন: "তুমি এতে কী প্রত্যাখ্যান করেছ?" আমি বললাম: "আমি এটি প্রত্যাখ্যান করেছি কারণ এটি কেবলমাত্র সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, এতে আবু সালামাহ নেই।"
তিনি আমাকে বললেন: "তুমি সঠিক বলেছ, এটি আবু সালামাহর হাদীস নয়। আমি তোমাকে এমন কিছু অতিরিক্ত বলব যা আমি মনে করি না যে তুমি জানো।" আমি বললাম: "আমি কেবলমাত্র এতে আবু সালামাহর সূত্রে তাঁর অতিরিক্ত বর্ণনার বিষয়টিই প্রত্যাখ্যান করেছি, কারণ একদল রাবী এটি ইব্রাহিম ইবনে সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন।" তিনি আমাকে বললেন: "এটি একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে ওয়াহাব সম্পর্কে আমি জানি না যে তিনি ইব্রাহিম ইবনে সা’দ থেকে আদৌ কিছু বর্ণনা করেছেন।" অতঃপর আবু জুরআহ আমাকে বললেন: "আবু হাতিম আমার কাছে তাঁর সূত্রে এমন কিছু হাদীস পেশ করতেন যা আমি পছন্দ করতাম, যেমন আবু জা’রা ও অন্যদের হাদীস। কিন্তু দেখা গেল যে সে বড় আপদগুলোর মধ্যে অন্যতম।" আমি বললাম: "তবে আপনি মিশরে আমাদের সাথীদের কাছে আপনার নিজ হাতে লিখে পাঠান।" অতঃপর তিনি তাঁর নিজ হাতে কঠোর কিছু কথা লিখলেন যাতে তাকে বর্জন ও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে প্রকাশ্য মিথ্যার সাথে সম্পর্কিত করলেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুসলিম এবং আবু হাতিমও অনুরূপ লিখলেন। অতঃপর আমি তাঁদের লেখাগুলো আল্লান এবং ইব্রাহিম ইবনুল আসামের কাছে পাঠিয়ে দিলাম। অতঃপর আবু হাতিম আমাকে বললেন: "আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি যখন মিশরে ছিলে তখন ইবনে ওয়াহাবের ভাতিজা আমার কাছে লিখে তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল এবং বলেছিল যে তুমি তাকে তিরস্কার করছ। সে তার চিঠিতে লিখেছিল: আমার চাচা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ওমর বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট নাফে’র সূত্রে, তিনি ইবনে ওমরের সূত্রে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: 'যদি এক পাহাড় অন্য পাহাড়ের ওপর সীমালঙ্ঘন করত, তবে আল্লাহ অবশ্যই তাদের মধ্যে সীমালঙ্ঘনকারীকে লাঞ্ছিত করতেন'।" যখন আমার পুত্র আব্দুর রহমান বের হলো, আমি তার মাধ্যমে ইউনুস এবং ইবনে আব্দুল হাকামের কাছে চিঠি পাঠালাম, কিন্তু তার কাছে কোনো চিঠি লিখলাম না। আমি আব্দুর রহমানকে বললাম: "তাকে বলো, তুমি বারযা’য়ীর বিষয়ে আমার কাছে যা লিখেছিলে, তাতে তুমি নিজেই আমার পরিশ্রম কমিয়ে দিয়েছ যখন তুমি তোমার চাচার সূত্রে ওমর বিন মুহাম্মদের থেকে এমন একটি হাদীস উল্লেখ করেছ যার এই সনদে কোনো ভিত্তি নেই।" অতঃপর ইবনে ওয়াহাবের ভাতিজার চিঠি আবু হাতিমের কাছে পৌঁছাল যখন আমার পুত্র তোমার কাছে এই হাদীসটি লিখে পাঠিয়েছিল এবং সে ভুল করেছিল।
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٢)
في إسناده، وليس هو من حديثي، وأنا أستغفر اللَّه، وما حدثت بهذا الحديث أو نحو ذلك كلام هذا معناه أخبرني به أبو حاتم، وقال لي ألا ترى ما كتب به ابن أخي ابن وهب، وكان معي فضل الصائغ عندما قال لي أبو حاتم هذه المقالة، فقال الفضل فيما أحسب أنه حدثني بهذا الحديث، عن عمه، عن عمر بن محمد، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم، منذ كذا وكذا، وكان الفضل هناك مع أحمد بن صالح، ثم انصرف الفضل إلى منزله فعاد إلي ومعه كتابه، كتاب عتيق كتبه بمصر عنه فلم نلق هذا الحديث في أصل كتابه.
وقد كان أبو حاتم كتب إليه معي بلغني أنك رويت عن عمك، عن عيسى بن يونس، حديث عوف بن مالك "تفترق أمتي" وليس هذا من حديث عمك، ولا روى هذا عن عيسى أحد، غير نعيم بن حماد، وكتب إلي أيضًا كهل كان بمصر من أصحابنا يقال له أبو الحسين الأصبهاني، وكان من أصحاب الشافعي، فصرت أنا وأبو الحسن الأصبهاني إلى ابن أخي ابن وهب بكتاب أبي حاتم فقرأه، وقال: جزى اللَّه أبا حاتم خيرًا لقد نصح فوعظته أنا، وقلت له: هذا بحر بن نصر قد رفعه اللَّه بمقدار عشرة آلاف حديث عنده عن عمك، فاتق اللَّه.
فقال لي: ما حدثت بهذا الحديث قط، وأنا أعقله، وليس هذا الحديث من حديثي، ولا حديث عمي، وإنما وضعه لي أصحاب الحديث، ولست أعود إلى روايته حتى ألقى اللَّه، وأنا تائب إلى اللَّه أو نحو ما قال.
فقلت له: ها هنا أحاديث عن هذا قال: فاجمعها، وآتني بها حتى أرجع عنها، فما مضى بي إلا عام، وكنت على أن أعود إليه، ومعي ما ينكر من حديثه حتى أتاني قوم ثقات من أصحابنا فحدثوني أنهم شهدوه في ذلك اليوم يحدث بحديث عيسى بن يونس الدي قال لي ما قال، عن عمه فقصدت الرجل الذي قيل له أنه قرأ عليه الحديث، وكان جرجاني صديق
তার সনদে, এবং এটি আমার বর্ণিত হাদিসের অন্তর্ভুক্ত নয়, আর আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি এই হাদিস বা অনুরূপ কিছু বর্ণনা করিনি—এমন অর্থবোধক কথা আমাকে আবু হাতিম জানিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, "তুমি কি দেখছ না ইবনে ওহাবের ভ্রাতুষ্পুত্র কী লিখেছে?" আমার সাথে ফজল আস-সাইগ ছিলেন যখন আবু হাতিম আমাকে এই কথাগুলো বলছিলেন। ফজল বললেন, "আমার ধারণা মতে সে (ইবনে ওহাবের ভ্রাতুষ্পুত্র) তার চাচার সূত্রে, ওমর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এতদিন আগে এই হাদিসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছিল।" ফজল তখন আহমদ ইবনে সালেহর সাথে সেখানে ছিলেন। এরপর ফজল তার বাড়িতে ফিরে গেলেন এবং তার কিতাব নিয়ে আমার কাছে আসলেন। এটি একটি প্রাচীন কিতাব ছিল যা তিনি মিশরে তার থেকে লিখেছিলেন। কিন্তু আমরা তার মূল কিতাবে এই হাদিসটি খুঁজে পাইনি।
আবু হাতিম আমার মাধ্যমে তার কাছে লিখেছিলেন যে, "আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে আপনি আপনার চাচার সূত্রে ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে আউফ ইবনে মালেকের বর্ণিত 'আমার উম্মত বিভক্ত হবে' হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। অথচ এটি আপনার চাচার হাদিস নয় এবং নুয়াইম ইবনে হাম্মাদ ছাড়া অন্য কেউ এটি ঈসা থেকে বর্ণনা করেনি।" মিশরে অবস্থানরত আমাদের সাথীদের মধ্য থেকে আবু আল-হুসাইন আল-আসবাহানি নামে একজন বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তিও আমাকে লিখেছিলেন, তিনি ইমাম শাফিঈর অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আমি এবং আবু আল-হাসান আসবাহানি আবু হাতিমের চিঠি নিয়ে ইবনে ওহাবের ভ্রাতুষ্পুত্রের কাছে গেলাম। তিনি সেটি পাঠ করলেন এবং বললেন: "আল্লাহ আবু হাতিমকে উত্তম প্রতিদান দান করুন, তিনি নসিহত করেছেন।" তখন আমি তাকে উপদেশ দিলাম এবং বললাম: "ইনি হচ্ছেন বাহর ইবনে নাসর, যার কাছে আপনার চাচার দশ হাজার হাদিস সংরক্ষিত থাকার কারণে আল্লাহ তাকে উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন। সুতরাং আপনি আল্লাহকে ভয় করুন।"
তিনি আমাকে বললেন: "আমি সচেতন অবস্থায় এই হাদিসটি কখনোই বর্ণনা করিনি। এটি আমার বর্ণিত হাদিস নয় এবং আমার চাচার বর্ণিত হাদিসও নয়। বরং হাদিস অন্বেষণকারীরা এটি আমার নামে চালিয়ে দিয়েছে। আল্লাহর সাথে সাক্ষাত না করা পর্যন্ত আমি আর কখনো এটি বর্ণনা করব না। আমি আল্লাহর কাছে তওবা করছি"—অথবা এই জাতীয় কিছু তিনি বলেছিলেন।
আমি তাকে বললাম: "এখানে এই বিষয়ে আরও কিছু হাদিস আছে।" তিনি বললেন: "সেগুলো একত্রিত করুন এবং আমার কাছে নিয়ে আসুন যাতে আমি সেগুলো থেকে প্রত্যাবর্তন করতে পারি।" মাত্র এক বছর পার হয়েছিল এবং আমি তার কাছে পুনরায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম—আমার সাথে তার বর্ণিত সেই সব হাদিস ছিল যা বর্জনীয়। এমতাবস্থায় আমাদের সাথীদের মধ্য থেকে একদল নির্ভরযোগ্য লোক আমার কাছে আসলেন। তারা আমাকে জানালেন যে, তারা সেদিন তাকে সেই ঈসা ইবনে ইউনুসের হাদিসটি বর্ণনা করতে দেখেছেন (যেটির ব্যাপারে তিনি আমাকে যা বলার বলেছিলেন) তার চাচার সূত্রে। তখন আমি সেই ব্যক্তির সন্ধানে গেলাম যার সম্পর্কে বলা হয়েছিল যে তিনি তার কাছে হাদিসটি পাঠ করেছেন, তিনি একজন জুরজানি বন্ধু ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٣)
لي فقلت له ابن أخي ابن وهب قرأ عليك حديث عيسى بن يونس؟ فقال لي: نعم، أخذ درهمين، وقرأه علي
(1).
قال النسائي: أحمد بن عبد الرحمن ابن أخي ابن وهب كذاب
(2).
قال ابن حبان: أحمد بن عبد الرحمن بن وهب يروى عن عمه، حدثنا عنه شيوخنا ابن خزيمة وغيره، وكان يحدث بالأشياء المستقيمة قديمًا حيث كتب عنه ابن خزيمة وذووه، ثم جعل يأتي عن عمه بما لا أصل له، كان الأرض أخرجت له أفلاذ كبدها، روى عمه عن مالك عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: "إن اللَّه زادكم صلاة إلى صلاتكم وهي الوتر" فيما يشبه هذا مما لا خفاء على من كتب حديث ابن وهب من رواية الثقات
(3).
قال الحاكم: أحمد بن عبد الرحمن بن وهب المصري روى عنه مسلم أحاديث كثيرة احتج بها في المسند الصحيح. قلت لأبي عبد اللَّه محمد بن يعقوب الحاكم: إنه يحدث عن أحمد بن عبد الرحمن؟ فقال: إن أحمد بن عبد الرحمن ابتلى بعد خروج مسلم من مصر، فأما أحمد بن عبد الرحمن ابن أخي ابن وهب فأنا لا أشك في اختلاطه بعد الخمسين وهو بعد خروج مسلم من مصر، والدليل عليه أحاديث جمعت عليه بمصر لا يكاد يقبلها العقل وأهل الصنعة من تأملها علم أنها مخلوقة أدخلت عليه فقبلها. ثم ذكر خمسة مها.
وقد عرض عليه أبو بكر محمد بن إسحاق منها عدة وأنكر بعضها وأقر له بالبعض.
فأما أبو حاتم الرازي محمد بن إدريس -رحمنا اللَّه وإياه- فحدثونا عن أبيه
--------------------------------------------
...আমার নিকট। আমি তাঁকে বললাম, "ইবনে ওয়াহবের ভ্রাতুষ্পুত্র কি আপনার কাছে ঈসা ইবনে ইউনুসের হাদিস পাঠ করেছিলেন?" তিনি আমাকে বললেন, "হ্যাঁ, তিনি দুই দিরহাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তা আমার কাছে পাঠ করেছিলেন"
(১)।
নাসাঈ বলেন: ইবনে ওয়াহবের ভ্রাতুষ্পুত্র আহমাদ ইবনুল আবদুর রহমান একজন মিথ্যাবাদী
(২)।
ইবনে হিব্বান বলেন: আহমাদ ইবনুল আবদুর রহমান ইবনে ওয়াহব তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেন। আমাদের শায়খ ইবনে খুযাইমা ও অন্যরা তাঁর সূত্রে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি আগে সঠিক বিষয়াদি বর্ণনা করতেন যখন ইবনে খুযাইমা ও তাঁর সঙ্গীরা তাঁর থেকে হাদিস লিখেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি তাঁর চাচার পক্ষ থেকে এমন সব বিষয় বর্ণনা করতে শুরু করেন যার কোনো ভিত্তি নেই; মনে হয় যেন জমিন তার কলিজার টুকরোগুলো (মূল্যবান সম্পদ) তাঁর জন্য বের করে দিয়েছে। তিনি তাঁর চাচার সূত্রে, মালিক থেকে, নাফে থেকে, ইবনে উমর থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের সালাতের সাথে আরও একটি সালাত বৃদ্ধি করেছেন, আর তা হলো বিতর।" এই জাতীয় বর্ণনার বিষয়টি তাদের কাছে অস্পষ্ট নয় যারা নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের সূত্রে ইবনে ওয়াহবের হাদিস লিপিবদ্ধ করেছেন
(৩)।
হাকিম বলেন: আহমাদ ইবনুল আবদুর রহমান ইবনে ওয়াহব আল-মিসরী, ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন যা তিনি তাঁর 'মুসনাদ সহীহ'-এ দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব হাকিমকে জিজ্ঞেস করলাম: তিনি কি আহমাদ ইবনুল আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: মিশর থেকে মুসলিমের প্রস্থানের পর আহমাদ ইবনুল আবদুর রহমান পরীক্ষায় পতিত হয়েছিলেন। আর ইবনে ওয়াহবের ভ্রাতুষ্পুত্র আহমাদ ইবনুল আবদুর রহমানের ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, পঞ্চাশ (হিজরির) পর তাঁর মস্তিষ্ক বিকৃতি (ইখতিলাত) ঘটেছিল, আর তা ছিল মিশর থেকে মুসলিমের প্রস্থানের পরবর্তী সময়ে। এর প্রমাণ হলো মিশরে তাঁর নামে এমন কিছু হাদিস একত্রিত করা হয়েছে যা সাধারণ বিবেক ও হাদিস শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞগণ গ্রহণ করতে পারেন না। যে ব্যক্তি এগুলি নিয়ে চিন্তা করবে সে বুঝতে পারবে যে এগুলি বানোয়াট বিষয় যা তাঁর মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি তা গ্রহণ করে নিয়েছেন। অতঃপর তিনি এর মধ্য থেকে পাঁচটি বর্ণনা উল্লেখ করেন।
আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক তাঁর কাছে এর মধ্য থেকে কয়েকটি বর্ণনা পেশ করেছিলেন; তিনি এর কিছু অস্বীকার করেন এবং কিছু স্বীকার করে নেন।
আর আবু হাতেম রাজী মুহাম্মাদ ইবনে ইদরীস —আল্লাহ আমাদের ও তাঁর প্রতি রহম করুন— এর ব্যাপারে তাঁর পিতার সূত্রে আমাদের কাছে বর্ণনা করা হয়েছে:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٤)
أن محمدًا عرض كتاب أبيه إليه على أحمد بن عبد الرحمن يسأله الرجوع عن أحاديث منها، فثبت عليه ولم يرجع عنه.
فما يشبه حال مسلم معه إلا حال المقدمين من أصحاب سعيد بن أبي عروبة
(1).
9 - أحمد بن عيسى بن حسان التستريقال ابن حبان: أحمد بن عيسى التستري كان متقنًا
(2).
10 - أحمد بن عيسى بن زيد الخشاب التنيسيقال ابن عدي: أحمد بن عيسى بن زيد الخشاب التنيسي ذكر عنه غير حديث لا يحدث به عن عمرو بن أبي سلمة غيره. ثم أورد له حديثًا وقال: وهذا حديث باطل بهذا الإسناد مع أحاديث أخر يرويها عن عمرو ابن أبي سلمة بواطيل
(3).
11 - أحمد بن محمد بن أيوب صاحب المغازيقال ابن معين: أحمد بن محمد بن أيوب صاحب مغازي إبراهيم بن سعد لص كذاب، ما سمع هذه الكتب قط
(4).
قال ابن عدي: حدثنا أحمد بن محمد بن موسى العراد، حدثنا يعقوب ابن شيبة قال: سمعت إبراهيم بن هاشم يقول: قلت ليعقوب بن إبراهيم ابن سعد كيف سمعت المغازي؟ قال: قرأها علي أبي، وعلى أخي سعد ابن إبراهيم، وقال: يا بني ما قرأتها على أحد.
حدثنا أحمد بن محمد بن موسى بن العراد، حدثنا يعقوب بن شيبة قال:
--------------------------------------------
মুহাম্মদ তাঁর পিতার কিতাব আহমাদ বিন আবদুর রহমানের কাছে উপস্থাপন করেন এবং তাঁকে এর অন্তর্ভুক্ত কিছু হাদীস থেকে ফিরে আসার (তথা প্রত্যাহার করার) অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি সেগুলোর ওপর অটল থাকেন এবং তা থেকে ফিরে আসেননি।
সুতরাং তাঁর সাথে ইমাম মুসলিমের অবস্থা সাঈদ বিন আবি আরুবার সেই সকল অগ্রগামী সাথীদের অবস্থার মতোই।
(১).
৯ - আহমাদ বিন ঈসা বিন হাসান আত-তুস্তারিইবনে হিব্বান বলেছেন: আহমাদ বিন ঈসা আত-তুস্তারি হাদীস বর্ণনায় অত্যন্ত সুনিপুণ ছিলেন।
(২).
১০ - আহমাদ বিন ঈসা বিন যাইদ আল-খাশ্শাব আত-তিন্নিসিইবনে আদি বলেছেন: আহমাদ বিন ঈসা বিন যাইদ আল-খাশ্শাব আত-তিন্নিসি সম্পর্কে একের অধিক হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে যা তিনি ছাড়া অন্য কেউ আমর বিন আবি সালামাহ থেকে বর্ণনা করেননি। অতঃপর তিনি তাঁর একটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেন: এই সনদটিসহ এই হাদীসটি বাতিল, সেই সাথে আমর বিন আবি সালামাহ থেকে বর্ণিত তাঁর অন্যান্য হাদীসগুলোও বাতিল।
(৩).
১১ - আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব, যিনি মাগাযি-এর বর্ণনাকারীইবনে মাঈন বলেছেন: ইব্রাহিম বিন সা'দ-এর মাগাযি-এর বর্ণনাকারী আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব একজন চোর ও চরম মিথ্যাবাদী; সে কস্মিনকালেও এই কিতাবগুলো শ্রবণ করেনি।
(৪).
ইবনে আদি বলেছেন: আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা আল-আররাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াকুব বিন শাইবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম বিন হাশিমকে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন: আমি ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন সা'দকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কীভাবে মাগাযি শ্রবণ করেছেন? তিনি বললেন: আমার পিতা আমার নিকট এবং আমার ভাই সা'দ বিন ইব্রাহিমের নিকট এটি পাঠ করেছেন। আর তিনি বলেছিলেন: হে বৎস, আমি এটি অন্য কারও নিকট পাঠ করিনি।
আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-আররাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াকুব বিন শাইবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٥)
سمعت إسحاق بن أبي إسرائيل يقول: أتيت أحمد بن محمد بن أيوب وأنا أريد أن أسمعها منه -يعني المغازي- فقلت له: كيف أخذتها سماعًا أو عرضًا؟
قال: فقال لي: سمعتها، فاستحلفته فحلف لي فسمعتها منه، ثم رأيت شيئًا أطلعت منه فيه على سماعه فيما أدعى، فتركتها فلست أحدث عنه شيئًا
(1).
12 - آدم بن علي العجليقال أبو حاتم: آدم بن علي العجلي شيخ
(2).
13 - أبان بن عبد اللَّه العجلي البجليقال البخاري: أبان بن عبد اللَّه صدوق الحديث
(3).
قال الداقطني: أبان بن عبد اللَّه العجلي ضعيف
(4).
14 - إبراهيم بن إسماعيل بن أبي حبيبةقال ابن معين: إبراهيم بن إسماعيل بن أبي حبيبة لا بأس به، وفي رواية: صالح
(5).
15 - إبراهيم بن إسماعيل بن مجمعقال العقيلي: حدثنا آدم بن موسى، قال: سمعت البخاري يقول: إبراهيم بن إسماعيل بن مجمع يروي عنه، وهو كثير الوهم، يروي عنه
--------------------------------------------
আমি ইসহাক বিন আবু ইসরাঈলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুবের কাছে আসলাম, আমি তাঁর কাছ থেকে এটি—অর্থাৎ আল-মাগাজি—শুনতে চেয়েছিলাম। আমি তাঁকে বললাম: আপনি এটি কীভাবে গ্রহণ করেছেন, শোনার মাধ্যমে নাকি পেশ করার মাধ্যমে?
তিনি বললেন: তিনি আমাকে বললেন: "আমি এটি শুনেছি"। এরপর আমি তাঁকে শপথ করতে বললাম, তিনি আমার কাছে শপথ করলেন, তখন আমি তাঁর কাছ থেকে এটি শুনলাম। এরপর আমি এমন একটি বিষয় দেখতে পেলাম যার মাধ্যমে তাঁর দাবিকৃত শোনার বিষয়টি সম্পর্কে আমি প্রকৃত অবস্থা অবগত হলাম, তাই আমি তা বর্জন করলাম এবং আমি তাঁর থেকে কিছুই বর্ণনা করি না।
(১).
১২ - আদম বিন আলী আল-ইজলিআবু হাতিম বলেন: আদম বিন আলী আল-ইজলি হলেন একজন শায়খ
(২).
১৩ - আবান বিন আব্দুল্লাহ আল-ইজলি আল-বাজালিবুখারি বলেন: আবান বিন আব্দুল্লাহ হাদিসের ক্ষেত্রে সত্যবাদী
(৩).
দারাকুতনি বলেন: আবান বিন আব্দুল্লাহ আল-ইজলি দুর্বল
(৪).
১৪ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন আবু হাবিবাইবনে মাঈন বলেন: ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন আবু হাবিবা-র মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, এবং অন্য এক বর্ণনায় (রয়েছে): তিনি যোগ্য
(৫).
১৫ - ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন মাজমাউকাইলি বলেন: আদম বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বুখারিকে বলতে শুনেছি: ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন মাজমা তাঁর থেকে বর্ণনা করা হয়, অথচ তিনি প্রচুর ভুল করেন, তাঁর থেকে বর্ণনা করা হয়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٦)
الزهري، وعمرو بن دينار، يكتب حديثه
(1).
قال الدراقطني: إبراهيم بن إسماعيل بن مجمع متروك
(2).
16 - إبراهيم بن الحكم بن أبانقال العقيلي: حدثنا أحمد بن علي الأبار، قال: قلت لمحمد بن رافع: إبراهيم بن الحكم؟ قال: بعهدنا لم يكن به بأس ولكن اختلط بعد
(3).
17 - إبراهيم بن حمزة بن محمد المديني الزبيريقال ابن محرز: قال ابن معين: إبراهيم بن حمزة المديني الزبيري ثقة. وقال: ما بالمدينة أحد إلا ذاك الفتى
(4).
18 - إبراهيم بن سالم بن أبي أمية بردانقال ابن معين: إبراهيم بن سالم بن أبي أمية ثقة، وفي رواية: ليس به بأس
(5).
قال ابن المديني: إبراهيم بن أبي النضر المديني لقبه بردان كان عند أصحابنا ثقة
(6).
19 - إبراهيم بن طهمانقال ابن معين: إبراهيم بن طهمان ثقة
(7).
--------------------------------------------
যুহরী এবং আমর ইবনে দীনার থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন, তার হাদিস লিপিবদ্ধ করা হয়
(১)।
দারাকুতনী বলেছেন: ইব্রাহিম বিন ইসমাইল বিন মাজমা' পরিত্যক্ত (মাতরুক)
(২)।
১৬ - ইব্রাহিম বিন আল-হাকাম বিন আবানউকায়লী বলেছেন: আহমাদ বিন আলী আল-আব্বারা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ বিন রাফে'কে ইব্রাহিম বিন আল-হাকাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আমাদের সময়কালে তার মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বিভ্রান্ত (ইখতিলাত) হয়ে পড়েছিলেন
(৩)।
১৭ - ইব্রাহিম বিন হামজা বিন মুহাম্মাদ আল-মাদিনী আজ-জুবাইরিইবনে মুহরিজ বলেছেন: ইবনে মাঈন বলেছেন: ইব্রাহিম বিন হামজা আল-মাদিনী আজ-জুবাইরি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। তিনি আরও বলেছেন: মদিনায় ওই যুবক ব্যতীত আর কেউ (যোগ্য) ছিল না
(৪)।
১৮ - ইব্রাহিম বিন সালিম বিন আবি উমাইয়্যাহ বারদানইবনে মাঈন বলেছেন: ইব্রাহিম বিন সালিম বিন আবি উমাইয়্যাহ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), এবং অন্য এক বর্ণনায়: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই
(৫)।
ইবনুল মাদিনী বলেছেন: ইব্রাহিম বিন আবিন নাজর আল-মাদিনী, যার উপাধি ছিল বারদান, আমাদের সাথীদের নিকট তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন
(৬)।
১৯ - ইব্রাহিম বিন তাহমানইবনে মাঈন বলেছেন: ইব্রাহিম বিন তাহমান নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٧)
20 - إبراهيم بن عبد الملك أبو إسماعيل القنادقال علي بن المديني: إبراهيم بن عبد الملك أبي إسماعيل القناد ضعيف. وقال أيضًا: ضعيفًا ليس بشيء
(1).
21 - إبراهيم بن عطاء بن أبي ميمونةقال أبو داود: إبراهيم بن عطاء بن أبي ميمونة ليس به بأس هو مولى عمران بن حصين
(2).
22 - إبراهيم بن العلاء المعروف بابن زبريققال الآجري: سألت أبا داود عن إبراهيم بن زبريق، فقال: ليس بشيء
(3).
قال أبو داود: إبراهيم بن العلاء ثقة، كتبت عنه
(4).
23 - إبراهيم بن عيينةقال المروذي: قال أحمد: إبراهيم بن عيينة حدث بأحاديث أنكرها، ولين القول فيه
(5).
قال ابن معين: إبراهيم بن عيينة لم يكن بذاك، كان ضعيف، وفي رواية: كان صدوق
(6).
قال أبو زرعة: إبراهيم بن عيينة ضعيف الحديث
(7).
--------------------------------------------
২০ - ইব্রাহিম বিন আব্দুল মালিক আবু ইসমাইল আল-কান্নাদআলী বিন আল-মাদিনী বলেন: ইব্রাহিম বিন আব্দুল মালিক আবু ইসমাইল আল-কান্নাদ যয়ীফ (দুর্বল)। তিনি আরও বলেন: তিনি দুর্বল, উল্লেখযোগ্য কিছু নন
(১).
২১ - ইব্রাহিম বিন আতা বিন আবি মাইমুনাহআবু দাউদ বলেন: ইব্রাহিম বিন আতা বিন আবি মাইমুনাহর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি ইমরান বিন হুসাইনের আযাদকৃত গোলাম
(২).
২২ - ইব্রাহিম বিন আল-আলা, যিনি ইবনে জাবরিক নামে পরিচিতআল-আজুরি বলেন: আমি আবু দাউদকে ইব্রাহিম বিন জাবরিক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কিছু নন
(৩).
আবু দাউদ বলেন: ইব্রাহিম বিন আল-আলা সিকাহ (নির্ভরযোগ্য), আমি তাঁর নিকট থেকে হাদীস লিখেছি
(৪).
২৩ - ইব্রাহিম বিন উয়াইনাহআল-মাররুযী বলেন: আহমাদ বলেন: ইব্রাহিম বিন উয়াইনাহ এমন কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন যা প্রত্যাখ্যাত (মুনকার), এবং তিনি তাঁর ব্যাপারে শিথিল মন্তব্য করেছেন (দুর্বল বলেছেন)
(৫).
ইবনে মাঈন বলেন: ইব্রাহিম বিন উয়াইনাহ তেমন উচ্চপর্যায়ের কেউ ছিলেন না, তিনি যয়ীফ (দুর্বল) ছিলেন; অন্য এক বর্ণনায় এসেছে: তিনি সদুক (সত্যবাদী) ছিলেন
(৬).
আবু যুরআহ বলেন: ইব্রাহিম বিন উয়াইনাহ হাদীস বর্ণনায় যয়ীফ (দুর্বল)
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٨)
24 - إبراهيم بن المختارقال ابن عدي: إبراهيم بن المختار ما أقل من روى عنه غير ابن حميد، وأنه من مجهولي مشايخه، وهو ممن يكتب حديثه
(1).
25 - إبراهيم بن مهاجر بن جابر البجليقال العقيلي: حدثنا محمد بن عيسى، قال: حدثنا عمرو بن علي، قال: قال عبد الرحمن بن مهدي: إبراهيم بن المهاجر لا بأس به
(2).
قال عبد اللَّه بن أحمد: سئل أى عن أبي معشر وإبراهيم بن مهاجر، فقال: أبو معشر أجل في قلبي من إبراهيم بن مهاجر
(3).
قال عبد اللَّه بن أحمد: سألت أبي عن إبراهيم بن المهاجر، قال: ليس به بأس، هو كذا وكذا
(4).
قال ابن عدي: أنبأنا عبد اللَّه بن أبي سفيان قال: سمعت محمد بن إسحاق الصغاني يقول: سألت أحمد بن حنبل عن إبراهيم بن مهاجر فقال: كان يقول فيه ضعف
(5).
قال يعقوب بن سفيان: إسماعيل بن إبراهيم بن المهاجر ليسا بالقويين ولا بالمتروكين هما بين ذلك
(6).
--------------------------------------------
২৪ - ইব্রাহিম বিন আল-মুখতারইবনে আদী বলেন: ইব্রাহিম বিন আল-মুখতার—ইবনে হুমাইদ ব্যতীত খুব কম লোকই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি তাঁর অজ্ঞাত শায়খদের অন্তর্ভুক্ত, এবং তিনি এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের হাদিস লিখে রাখা হয়
(১).
২৫ - ইব্রাহিম বিন মুহাজির বিন জাবির আল-বাজালিআল-উকাইলি বলেন: মুহাম্মাদ বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন মাহদী বলেছেন: ইব্রাহিম বিন আল-মুহাজিরের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই
(২).
আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমার পিতাকে আবু মা'শার এবং ইব্রাহিম বিন মুহাজির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেন: আমার নিকট ইব্রাহিম বিন মুহাজিরের চেয়ে আবু মা'শার অধিক মর্যাদাপূর্ণ
(৩).
আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমি আমার পিতাকে ইব্রাহিম বিন আল-মুহাজির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বলেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তিনি এমন ও এমন
(৪).
ইবনে আদী বলেন: আবদুল্লাহ বিন আবি সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আস-সাগানিকে বলতে শুনেছি: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে ইব্রাহিম বিন মুহাজির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তখন তিনি বলেন: তিনি এতে দুর্বলতা রয়েছে বলতেন
(৫).
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন: ইসমাঈল ও ইব্রাহিম বিন আল-মুহাজির—তারা উভয়ে খুব শক্তিশালীও নন আবার পরিত্যক্তও নন, বরং তারা এই দুইয়ের মাঝামাঝি পর্যায়ের
(৬).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ١٩)
26 - إبراهيم بن ميمون النحاس مولى لآل سمرة كوفيقال يعقوب بن سفيان: إبراهيم بن ميمون كوفي مولى لآل سمرة ثقة
(1).
27 - أبي بن العباس بن سهلقال الدارفطني: أبي العباس بن سهل بن سعد لا بأس به، وفي رواية: ضعيف. وفي رواية أخرى: تكلموا فيه
(2).
28 - أحزاب بن أسيد أبو رهمقال ابن معين: أبو رهم السمعي مصري ليس له صحبة
(3).
29 - الأحوص بن جوابقال ابن معين: أحوص بن جواب ما أرى كان به بأس
(4).
قال يعقوب بن سفيان: حدثنا الحسين بن الحسن عن أبي جواب كوفي ثقة يتشيع
(5).
30 - الأحوص بن حكيمقال ابن أبي حاتم: نا أبي نا سريج بن يونس نا سفيان عن الأحوص بن حكيم - وكان ثقة
(6).
--------------------------------------------
২৬ - ইবরাহিম বিন মাইমুন আন-নাহহাস, সামুরা পরিবারের আযাদকৃত দাস, কুফিইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন: ইবরাহিম বিন মাইমুন কুফি, সামুরা পরিবারের আযাদকৃত দাস, নির্ভরযোগ্য
(১)।
২৭ - উবাই বিন আব্বাস বিন সাহলদারাকুতনি বলেন: উবাই আব্বাস বিন সাহল বিন সা’দ-এর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, অন্য বর্ণনায়: তিনি দুর্বল। আর এক বর্ণনায় রয়েছে: তাঁর সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে
(২)।
২৮ - আহযাব বিন আসিদ আবু রুহমইবনে মাঈন বলেন: আবু রুহম আস-সামঈ মিসরীয়, তিনি সাহাবি নন
(৩)।
২৯ - আল-আহওয়াস বিন জওয়াবইবনে মাঈন বলেন: আহওয়াস বিন জওয়াব, আমি তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা দেখি না
(৪)।
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন: হুসাইন বিন হাসান আমাদের নিকট আবু জওয়াব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি কুফি, নির্ভরযোগ্য এবং তাঁর মধ্যে শিয়া মনোভাব ছিল
(৫)।
৩০ - আল-আহওয়াস বিন হাকিমইবনে আবি হাতিম বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুরাইজ বিন ইউনুস থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি আহওয়াস বিন হাকিম থেকে—আর তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
قال العقيلي: حدثني محمد بن عبد الرحيم، قال: حدثني الميموني قال: سمعت أبا عبد اللَّه يقول: الأحوص بن حكيم واهٍ
(1).
قال ابن هانئ: قال أحمد: الأحوص بن حكيم ضعيف، لا يسوى حديثه شيئًا.
قال أبو عبد اللَّه: قال أبو بكر بن عياش: قال الأحوص بن حكيم: هذه الأحاديث التي يوقفها الناس ليس بشيء، الحديث، الحديث، كله عن النبي صلى الله عليه وسلم
(2).
قال الدارقطني: الأحوص بن حكيم منكر الحديث
(3).
31 - الأخضر بن عجلانقال أحمد: الأخضر بن عجلان ما أرى به بأس
(4).
قال ابن معين: الأخضر بن عجلان ثقة
(5).
قال أبو داود: الأخضر بن عجلان ليس به بأس
(6).
قال يعقوب بن سفيان: أخضر بن عجلان ثقة
(7).
32 - أخنس بن خليفةذكر أبو زرعة الرازي أخنس الذي سمع من ابن مسعود في كتاب الضعفاء
(8).
--------------------------------------------
আল-উকায়লী বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আবদুর রহিম আমাকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: আল-মায়মুনি আমাকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আল-আহওয়াস বিন হাকিম অত্যন্ত দুর্বল
(১).
ইবনে হানি বলেছেন: আহমাদ বলেছেন: আল-আহওয়াস বিন হাকিম দুর্বল, তার বর্ণিত হাদিস কোনো মূল্য রাখে না।
আবু আবদুল্লাহ বলেছেন: আবু বকর বিন আইয়াশ বলেছেন: আল-আহওয়াস বিন হাকিম বলেছেন: মানুষ যে হাদিসগুলোকে মাকুফ হিসেবে থামিয়ে দেয় সেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই; হাদিস, মূল হাদিস তো সবই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত
(২).
আদ-দারা কুতনী বলেছেন: আল-আহওয়াস বিন হাকিম মুনকারুল হাদিস
(৩).
৩১ - আল-আখদার বিন আজলানআহমাদ বলেছেন: আল-আখদার বিন আজলান সম্পর্কে আমি কোনো সমস্যা দেখি না
(৪).
ইবনে মাঈন বলেছেন: আল-আখদার বিন আজলান নির্ভরযোগ্য
(৫).
আবু দাউদ বলেছেন: আল-আখদার বিন আজলান সম্পর্কে কোনো সমস্যা নেই
(৬).
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেছেন: আখদার বিন আজলান নির্ভরযোগ্য
(৭).
৩২ - আখনেস বিন খলিফাআবু জুরআ আর-রাজি ‘আদ-দুয়াফা’ গ্রন্থে আখনেস-এর কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি ইবনে মাসউদ থেকে হাদিস শুনেছেন
(৮).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢١)
33 - أزهر بن سنانقال الآجري: قلت لأبي داود: روى أزهر بن سنان عن سالم، قال: أزهر ليس بشيء
(1).
قال ابن حبان: الأزهر بن سنان القرشي أبو خالد قليل الحديث، منكر الرواية في قلته، لم يتابع الثقات فيما رواه، وهو الذي روى عن محمد بن واسع قال: دخلت على بلال بن أبي بردة فقلت: يا بلال إن أباك حدثني عن جدك قال: قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم:
"إن في جهنم واديًّا، وفي الوادي جبًا يقال له هبهب حق على اللَّه أن يسكنها كل جبار، فاتق اللَّه لا تسكنها" هذا متن لا أصل له
(2).
34 - أسامة بن زيد بن أسلمقال ابن معين: بنو زيد بن أسلم، عبد الرحمن وعبد اللَّه، كلهم ليس فيهم ثقة، أسامة بن زيد أثبت منهم
(3).
قال علي بن المديني: أسامة بن زيد بن أسلم هو عندنا ثقة، وليس بالقوي، وقد أنكر أصحابنا عليه أحاديث، وبنو زيد بن أسلم منهم عبد الرحمن، وغيره، وبنو زيد كلهم ليسوا بالأقوياء
(4).
قال البخاري: أسامة وعبد اللَّه ابنا زيد بن أسلم لا بأس بهما وذكرهما علي بن عبد اللَّه بخير
(5).
قال يعقوب بن سفيان: أسامة بن زيد بن أسلم لا يكتب حديثه إلا
--------------------------------------------
৩৩ - আজহার বিন সিনানআল-আজ্জুরি বলেন: আমি আবু দাউদকে বললাম: আজহার বিন সিনান সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: আজহার উল্লেখযোগ্য কেউ নন
(১)।
ইবনে হিব্বান বলেন: আল-আজহার বিন সিনান আল-কুরাশি আবু খালিদ স্বল্প হাদিস বর্ণনাকারী, তার বর্ণনার সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো মুনকার (অস্বীকৃত); তিনি যা বর্ণনা করেছেন তাতে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অনুসরণ করেননি। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি মুহাম্মদ বিন ওয়াসি' থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বিলাল বিন আবি বুরদার কাছে প্রবেশ করলাম এবং বললাম: হে বিলাল, তোমার পিতা তোমার দাদা থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
"নিশ্চয়ই জাহান্নামে একটি উপত্যকা রয়েছে, আর সেই উপত্যকায় একটি কূপ রয়েছে যাকে 'হাবহাব' বলা হয়; আল্লাহর ওপর এটি অবধারিত যে তিনি সেখানে প্রত্যেক অহংকারীকে বসবাস করাবেন। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো, সেখানে যেন বসবাস করতে না হয়।" এটি এমন একটি পাঠ (মাতন) যার কোনো ভিত্তি নেই
(২)।
৩৪ - উসামা বিন যাইদ বিন আসলামইবনে মাঈন বলেন: যাইদ বিন আসলামের পুত্রগণ—আবদুর রহমান ও আবদুল্লাহ—তাদের কেউই নির্ভরযোগ্য নন; উসামা বিন যাইদ তাদের চেয়ে অধিক মজবুত
(৩)।
আলি বিন আল-মাদিনি বলেন: উসামা বিন যাইদ বিন আসলাম আমাদের নিকট নির্ভরযোগ্য, তবে তিনি শক্তিশালী নন। আমাদের সাথীরা তার কিছু হাদিসকে অস্বীকার করেছেন। যাইদ বিন আসলামের সন্তানদের মধ্যে আবদুর রহমান ও অন্যরা রয়েছেন; যাইদের সন্তানদের কেউই শক্তিশালী নন
(৪)।
বুখারি বলেন: উসামা এবং আবদুল্লাহ—যাইদ বিন আসলামের এই দুই ছেলের বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই এবং আলি বিন আবদুল্লাহ তাদের প্রশংসা করেছেন
(৫)।
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন: উসামা বিন যাইদ বিন আসলামের হাদিস লেখা যাবে না কেবল
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
للمعرفة، ولا يحتج بروايته
(1).
قال ابن عدي: كتب إلي محمد بن الحسن البري، حدثنا عمرو بن علي، سمعت عبد الرحمن يحدث عن عبد اللَّه بن زيد، وأسامة بن زيد أخوه، ولم أسمعه يحدث عن عبد الرحمن بن زيد.
قال الشيخ: وبنو زيد بن أسلم على أن القول فيهم أنهم ضعفاء، إنهم يكتب حديثهم، ولكل واحد منهم من الأخبار غير ما ذكرت ويقرب بعضهم من بعض في باب الروايات.
قال الشيخ: ولم أجد لأسامة بن زيد حديثًا منكرًا جدًّا لا إسنادًا ولا متنًا، وأرجو أنه صالح
(2).
35 - أسامة بن زيد الليثيقال أحمد: أسامة بن زيد عليه عام الناس، قد رووا عنه، إلا يحيى بن سعيد تركه
(3).
قال الميموني: قلت لأحمد: أسامة بن زيد يروي عن القاسم؟ قال: وهذا أيضًا يحتمله الناس، إلا أن يحيى القطان تركه
(4).
قال عبد اللَّه بن أحمد: قيل لأبي: حاتم بن أبي صغيرة، فقال: ثقة. سئل عن أسامة بن زيد الليثي؟ فقال: هو دونه وحرك يده
(5).
قال ابن معين: أسامة بن زيد الليثي مديني صالح، ليس بذاك
(6).
--------------------------------------------
জানার জন্য, তবে তাঁর বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না
(১)।
ইবনে আদি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-বাররি আমার কাছে লিখেছেন, আমর ইবনে আলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আবদুর রহমানকে আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ এবং তাঁর ভাই উসামাহ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, কিন্তু আমি তাঁকে আবদুর রহমান ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করতে শুনিনি।
শায়খ বলেন: যায়েদ ইবনে আসলামের সন্তানদের ব্যাপারে বক্তব্য হলো তারা দুর্বল; তবে তাদের হাদিস লিখে রাখা হয়। তাদের প্রত্যেকেরই আমার উল্লিখিত বর্ণনার বাইরে আরও বর্ণনা রয়েছে এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে তারা একে অপরের কাছাকাছি।
শায়খ বলেন: আমি উসামাহ ইবনে যায়েদের এমন কোনো হাদিস পাইনি যা সনদ বা মতন কোনো দিক থেকেই অত্যন্ত মুনকার (অস্বীকৃত)। আমি আশা করি তিনি সালেহ (যোগ্য)
(২)।
৩৫ - উসামাহ ইবনে যায়েদ আল-লাইসিআহমাদ বলেন: সাধারণ মানুষ উসামাহ ইবনে যায়েদের ওপর নির্ভর করেছেন, তারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ তাঁকে বর্জন করেছেন
(৩)।
আল-মাইমুনি বলেন: আমি আহমাদকে জিজ্ঞেস করলাম: উসামাহ ইবনে যায়েদ কি কাসেম থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: এটিও মানুষ গ্রহণ করে থাকে, তবে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান তাঁকে বর্জন করেছেন
(৪)।
আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ বলেন: আমার পিতাকে হাতিম ইবনে আবি সাগিরা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তিনি সেকাহ (নির্ভরযোগ্য)। তাঁকে উসামাহ ইবনে যায়েদ আল-লাইসি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তিনি তাঁর নিচের স্তরের এবং তিনি (ইঙ্গিত করতে) হাত নাড়ালেন
(৫)।
ইবনে মায়িন বলেন: উসামাহ ইবনে যায়েদ আল-লাইসি মদিনাবাসী সালেহ (যোগ্য), তবে তিনি তেমন (উচ্চমানের) নন
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
قال ابن معين: كان يحيى بن سعيد القطان يكره لأسامة أنه حدث عن عطاء، عن جابر، أن رجلًا قال: يا رسول اللَّه: حلقت قبل أن أنحر، وإنما هو عن عطاء مرسل
(1).
قال ابن سعد: أسامة بن زيد الليثي كان كثير الحديث يستضعف
(2).
قال علي بن المديني: أسامة بن زيد الليثي ثقة
(3).
قال يعقوب بن سفيان: ثنا عبيد اللَّه بن موسى عن أسامة بن زيد الليثي وهو ثقة مديني، وكان يحيى غلط عليه فأمسك عن حديثه، وليس هو كما توهم يحيى
(4).
وقال يعقوب بن سفيان أيضًا: أسامة بن زيد الليثي قد تكلم فيه يحيى القطان وأمسك عن حديثه، وهو عند أهل المدينة وأصحابنا ثقة مأمون
(5).
وقال يعقوب أيضًا: حدثنا عبيد اللَّه بن موسى ثنا أسامة بن زيد عن عطاء عن جابر أن رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم رمى، ثم جلس، فجاءه رجل فقال: يا رسول اللَّه إني حلقت قبل أن أنحر، قال: "لا حرج" ثم جاءه آخر فقال: حلقت قبل أن أرمي؟ قال: "لا حرج" قال فما سئل عن شيء إلا قال: "لا حرج". ثم قال رسول اللَّه صلى الله عليه وسلم: "كل عرفة موقف، وكل مزدلفة موقف، ومنى كلها منحر، وكل فجاج مكة طريق ومنحر".
وكان يحيى القطان أنكر هذا الحديث، فتكلم في أسامة لهذا الحديث، وأسامة عند أهل بلدة بالمدينة ثقة مأمون. وكان يجب على يحيى غير ما قال لأن قيس بن سعد قد روى بعض هذا عن عطاء عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم
--------------------------------------------
ইবনে মাঈন বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান উসামার এই বিষয়টিকে অপছন্দ করতেন যে, তিনি আতা থেকে, জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসুল! আমি কুরবানি করার আগে মাথা মুণ্ডন করে ফেলেছি। অথচ এটি কেবল আতা থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত
(1)।
ইবনে সা’দ বলেন: উসামা ইবনে যাইদ আল-লাইসি অধিক হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন, তাকে দুর্বল গণ্য করা হয়
(2)।
আলী ইবনুল মাদিনী বলেন: উসামা ইবনে যাইদ আল-লাইসি নির্ভরযোগ্য
(3)।
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন: ওবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট উসামা ইবনে যাইদ আল-লাইসি থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি একজন মদিনাবাসী নির্ভরযোগ্য রাবি। ইয়াহইয়া তার ব্যাপারে ভুল করেছিলেন ফলে তার হাদিস বর্ণনা করা বর্জন করেছিলেন; অথচ বিষয়টি তেমন নয় যেমনটি ইয়াহইয়া ধারণা করেছিলেন
(4)।
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আরও বলেন: উসামা ইবনে যাইদ আল-লাইসির ব্যাপারে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান সমালোচনা করেছেন এবং তার হাদিস বর্ণনা করা বর্জন করেছেন, তবে মদিনাবাসী এবং আমাদের সাথীদের নিকট তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত
(5)।
ইয়াকুব আরও বলেন: ওবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উসামা ইবনে যাইদ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কঙ্কর নিক্ষেপ করলেন, তারপর বসলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে বলল: হে আল্লাহর রাসুল! আমি কুরবানি করার আগে মাথা মুণ্ডন করে ফেলেছি। তিনি বললেন: "কোনো অসুবিধা নেই।" তারপর অন্য একজন এসে বলল: আমি কঙ্কর নিক্ষেপের আগে মাথা মুণ্ডন করেছি? তিনি বললেন: "কোনো অসুবিধা নেই।" বর্ণনাকারী বলেন, তাকে যে বিষয় সম্পর্কেই জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, তিনি কেবল বলেছেন: "কোনো অসুবিধা নেই।" তারপর আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "পুরো আরাফা অবস্থানের স্থান, পুরো মুযদালিফা অবস্থানের স্থান, মিনার সম্পূর্ণ অংশই কুরবানির জায়গা এবং মক্কার প্রতিটি অলিগলিই পথ ও কুরবানির স্থান।"
ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এই হাদিসটিকে অস্বীকার করেছিলেন এবং এই হাদিসের কারণেই উসামার সমালোচনা করেছিলেন। অথচ উসামা তার নিজ শহর মদিনার অধিবাসীদের নিকট নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। ইয়াহইয়ার জন্য তিনি যা বলেছেন তা বাদে অন্য কিছু বলা উচিত ছিল, কারণ কায়স বিন সা’দও এর কিছু অংশ আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
حدثنا أبو طاهر بن السرح قال: ثنا ابن وهب عن أسامة بن زيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول: لا ربا إلا فيما كيل أو وزن، فيما أكل أو شرب. قال ابن وهب: لم يسمع أسامة إلا هذا الحديث وحده عن سعيد ابن المسيب
(1).
36 - أسباط بن محمدقال أبو داود: أسباط بن محمد ثقة
(2).
37 - أسباط بن نصرقال عبد اللَّه بن أحمد: حدثني حسن بن عيسى قال: سألت ابن المبارك عن أسباط ومحمد بن فضيل بن غزوان فكست، فلما كان بعد أيام رآني فقال لي: يا حسن صاحباك لا أرى أصحابنا يرضونهما
(3).
قال ابن أبي حاتم: حدثني أبي نا محمد بن مهران الجمال قال سألت: أبا نعيم عن أسباط بن نصر فقال: لم يكن به بأس غير أنه أهوج
(4).
قال عبد اللَّه بن أحمد: سألت أبي عن أسباط بن نصر، فقال: ما كتبت من حديثه عن أحد شيئًا، ولم أره عرفه، ثم قال: وكيع وأبو نعيم يحدثان عن مشايخ الكوفة ولم أرهما يحدثان عنه
(5).
قال البرذعي: قال أبو زرعة الرازي: أسباط بن نصر أما حديثه فيعرف وينكر، وأما في نفسه فلا بأس به.
حدثنا محمد قال: سمعت أبا جعفر الجمال يذكر عن أبي نعيم، قال: ذكر
--------------------------------------------
আবু তাহের বিন আস-সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওসামা বিন যায়েদ থেকে যে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিবকে বলতে শুনেছেন: "পরিমাপ বা ওজনে বিক্রি করা হয় এমন আহার্য বা পানীয় দ্রব্য ব্যতীত অন্য কিছুতে সুদ নেই।" ইবনে ওয়াহাব বলেন: ওসামা সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব থেকে কেবল এই একটি হাদিসই শুনেছেন
(১).
৩৬ - আসবাত বিন মুহাম্মদআবু দাউদ বলেন: আসবাত বিন মুহাম্মদ নির্ভরযোগ্য
(২).
৩৭ - আসবাত বিন নাসরআবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: হাসান বিন ঈসা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে আসবাত এবং মুহাম্মদ বিন ফুদায়েল বিন গাযওয়ান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি চুপ থাকলেন। কয়েক দিন পর তিনি আমাকে দেখে বললেন: হে হাসান, তোমার ওই দুই সাথী সম্পর্কে আমি আমাদের সাথীদের (মুহাদ্দিসদের) সন্তুষ্ট হতে দেখছি না
(৩).
ইবনে আবি হাতিম বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মেহরান আল-জাম্মাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু নুয়াইমকে আসবাত বিন নাসর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: তার মধ্যে কোনো দোষ ছিল না, তবে তিনি কিছুটা অবিবেচক ছিলেন
(৪).
আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমি আমার পিতাকে আসবাত বিন নাসর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: আমি কারো থেকে তার কোনো হাদিস লিখিনি, আর আমি তাকে (পিতাকে) তাকে চিনতে দেখিনি। এরপর তিনি বললেন: ওয়াকি' এবং আবু নুয়াইম কুফার শায়খদের থেকে বর্ণনা করেন, কিন্তু আমি তাদের তার থেকে বর্ণনা করতে দেখিনি
(৫).
আল-বারযাঈ বলেন: আবু যুরআ আর-রাজি বলেছেন: আসবাত বিন নাসরের হাদিসের ক্ষেত্রে কিছু পরিচিত এবং কিছু বর্জনীয় বিষয় পাওয়া যায়, তবে ব্যক্তিগতভাবে তার মধ্যে কোনো দোষ নেই।
মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর আল-জাম্মালকে আবু নুয়াইম থেকে উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বলেন: তিনি উল্লেখ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
له أسباط بن نصر، فقال: هالك هو
(1).
38 - إسحاق بن إبراهيم بن سعيد المدنيذكر ابن حبان إسحاق بن إبراهيم بن سعيد المدني في الثقات وقال: كان يخطئ
(2).
39 - إسحاق بن إبراهيم بن العلاء بن زبريققال ابن أبي حاتم: سمعت أبي يقول: سمعت يحيى بن معين وأثنى على إسحاق بن الزبريق خيرًا وقال: الفتى لا بأس به ولكنهم يحسدونه، قال: وسئل أبي عن إسحاق بن إبراهيم بن العلاء فقال: شيخ
(3).
40 - إسحاق بن حازم المدني البزازقال أبو حاتم: إسحاق بن حازم صالح الحديث
(4).
41 - إسحاق بن راشد الجزريقال أحمد: إسحاق بن راشد ثقة
(5).
قال الدراقطني: إسحاق بن راشد الجزري تكلموا في سماعه من الزهري، وقالوا: إنه وجده في كتاب، والقول عندي قول مسلم بن الحجاج فيه
(6).
--------------------------------------------
তাঁর নিকট আসবাত বিন নাসর সম্পর্কে (জিজ্ঞাসা করা হলে), তিনি বলেন: সে ধ্বংসপ্রাপ্ত।
(১).
৩৮ - ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন সাঈদ আল-মাদানিইবনে হিব্বান ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন সাঈদ আল-মাদানিকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের (সিকাহ) তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি ভুল করতেন।
(২).
৩৯ - ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন আল-আলা বিন জুবরিকইবনে আবি হাতিম বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: আমি ইয়াহইয়া বিন মাইনকে ইসহাক বিন জুবরিক সম্পর্কে উত্তম প্রশংসা করতে শুনেছি এবং তিনি বলেছেন: এই যুবকটির মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু তারা তাকে হিংসা করে। তিনি বলেন: আমার পিতাকে ইসহাক বিন ইবরাহিম বিন আল-আলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: শায়খ।
(৩).
৪০ - ইসহাক বিন হাজিম আল-মাদানি আল-বাজ্জাজআবু হাতিম বলেন: ইসহাক বিন হাজিম সালিহুল হাদিস (হাদিসের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য)।
(৪).
৪১ - ইসহাক বিন রাশিদ আল-জাজারিআহমদ বলেন: ইসহাক বিন রাশিদ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।
(৫).
দারাকুতনি বলেন: ইসহাক বিন রাশিদ আল-জাজারি যুহরি থেকে সরাসরি শ্রবণ করেছেন কি না সে বিষয়ে সমালোচনা করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, তিনি এটি কিতাবে পেয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে আমার নিকট মুসলিম বিন হাজ্জাজের বক্তব্যই গ্রহণযোগ্য।
(৬).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
42 - إسحاق بن الربيع أبو حمزة العطارقال البزار: أبو حمزة العطار لا بأس به
(1).
قال أبو أحمد الحاكم: أبو حمزة إسحاق بن الربيع العطار البصري ليس بالمتين عندهم
(2).
43 - إسحاق بن الربيع العصفري الكوفيذكر ابن حبان إسحاق بن الربيع في الثقات وقال: شيخ بصري يروي عن داود ابن أبي هند ويغرب، روى عنه عبد اللَّه بن أبي زياد القطواني
(3).
44 - إسحاق بن سعيد بن عمرو بن سعيد بن العاصقال ابن معين: إسحاق بن سعيد بن عمرو بن سعيد ثقة
(4).
45 - إسحاق بن سليمان بن أبي سليمان الشيبانيقال طارق بن محمد: قال البرقاني عن الدارقطني: إسحاق بن سليمان ابن أبي سليمان الشيباني ئقة كوفي. وقال الخطيب البغدادي في غنية الملتمس إيضاح الملتبس: لا أعلمه روى إلا عن أبيه
(5).
46 - إسحاق بن الصباح الكوفيقال الخلال: أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا إسحاق بن الصباح - ثقة
(6).
--------------------------------------------
৪২ - ইসহাক বিন আল-রাবি আবু হামজা আল-আত্তারআল-বজ্জার বলেছেন: আবু হামজা আল-আত্তার-এর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই
(১)।
আবু আহমদ আল-হাকিম বলেছেন: আবু হামজা ইসহাক বিন আল-রাবি আল-আত্তার আল-বসরী তাদের নিকট সুদৃঢ় নন
(২)।
৪৩ - ইসহাক বিন আল-রাবি আল-আসফারী আল-কুফীইবনে হিব্বান ‘আল-সিকাত’ গ্রন্থে ইসহাক বিন আল-রাবিকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি একজন বসরী শায়খ, তিনি দাউদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে বর্ণনা করেন এবং অদ্ভুত বর্ণনা নিয়ে আসেন, তার থেকে আব্দুল্লাহ বিন আবি জিয়াদ আল-কাতাওয়ানী বর্ণনা করেছেন
(৩)।
৪৪ - ইসহাক বিন সাঈদ বিন আমর বিন সাঈদ বিন আল-আসইবনে মাঈন বলেছেন: ইসহাক বিন সাঈদ বিন আমর বিন সাঈদ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)
(৪)।
৪৫ - ইসহাক বিন সুলাইমান বিন আবি সুলাইমান আল-শাইবানীতারিক বিন মুহাম্মদ বলেছেন: আল-বারকানী আদ-দারাকুতনী থেকে বর্ণনা করেছেন: ইসহাক বিন সুলাইমান বিন আবি সুলাইমান আল-শাইবানী নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) কুফী। আল-খতিব আল-বাগদাদী ‘গুনিয়াতুল মুলতামিস ইদাহুল মুলতাবিস’ গ্রন্থে বলেছেন: আমি জানি না যে তিনি তার পিতা ছাড়া অন্য কারো থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন
(৫)।
৪৬ - ইসহাক বিন আল-সাব্বাহ আল-কুফীআল-খাল্লাল বলেছেন: আবু দাউদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইসহাক বিন আল-সাব্বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন - তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
47 - إسحاق بن عيسى أبو هاشم القشيريقال أبو حاتم: إسحاق بن عيسى أبو هاشم شيخ
(1).
48 - إسحاق بن محمد بن إسماعيل الفرويقال الدراقطني: إسحاق بن محمد الفروي ضعيف، تكلموا فيه، قالوا فيه كل قول
(2).
ذكر ابن حبان إسحاق بن محمد بن إسماعيل بن أبي فروة في الثقات وقال: يغرب ويتفرد
(3).
49 - إسحاق بن يحيى بن علقمة العوصيقال ابن معين: إسحاق بن يحيى العوصي يحدث عن الزهري لا أعرفه
(4).
50 - أسد بن موسىقال أبو داود: سمعت أحمد ذكر أسد بن موسى، فذكره بخير
(5).
51 - إسرائيل بن موسى أبو موسى البصريقال أحمد: إسرائيل البصري أبو موسى مقارب الحديث
(6).
قال ابن محرز: وسمعت أبا بكر بن أبي شيبة وذكر أبا موسى -يعني إسرائيل بن موسى- فقال: كان ثقة
(7).
--------------------------------------------
৪৭ - ইসহাক বিন ঈসা আবু হাশিম আল-কুশায়রীআবু হাতিম বলেন: ইসহাক বিন ঈসা আবু হাশিম একজন শায়খ
(১)।
৪৮ - ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ফারভীদারাকুতনী বলেন: ইসহাক বিন মুহাম্মদ আল-ফারভী দুর্বল, তাঁর সম্পর্কে সমালোচনা করা হয়েছে, তাঁরা তাঁর ব্যাপারে সব ধরণের (নেতিবাচক) কথা বলেছেন
(২)।
ইবনে হিব্বান তাঁর 'আস-সিকাত' গ্রন্থে ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আবি ফারওয়ার নাম উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি বিরল হাদীস বর্ণনা করেন এবং বর্ণনায় একক হয়ে যান
(৩)।
৪৯ - ইসহাক বিন ইয়াহইয়া বিন আলকামা আল-আওসীইবনে মাঈন বলেন: ইসহাক বিন ইয়াহইয়া আল-আওসী যুহরী থেকে বর্ণনা করেন, আমি তাকে চিনি না
(৪)।
৫০ - আসাদ বিন মুসাআবু দাউদ বলেন: আমি আহমদকে আসাদ বিন মুসার কথা উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি প্রশংসার সাথে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন
(৫)।
৫১ - ইসরাইল বিন মুসা আবু মুসা আল-বসরীআহমদ বলেন: ইসরাইল আল-বসরী আবু মুসা মধ্যম মানের হাদীস বর্ণনাকারী
(৬)।
ইবনে মুহরিজ বলেন: আমি আবু বকর বিন আবি শায়বাহকে আবু মুসা—অর্থাৎ ইসরাইল বিন মুসা—সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি বললেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন
(৭)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
52 - إسرائيل بن يونس بن أبي إسحاققال ابن أبي حاتم: نا عبد اللَّه بن أحمد بن حنبل فيما كتب إلي، نا أبو بكر بن أبي شيبة، سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول: كان إسرائيل في الحديث لصًّا -يعني أنه يتلقف العلم تلقفًا
(1).
قال عبد اللَّه بن أحمد: حدثني أبو بكر بن أبي شيبة قال: سمعت عبد الرحمن بن مهدي يقول: كان إسرائيل في الحديث لصًّا.
قال ابن أبي شيبة: لم يرد أن يذمه
(2).
53 - أسعد بن سهل بن حنيف أبو أمامةقال ابن أبي حاتم: أبو أمامة بن سهل بن حنيف ليست له صحبة، لأبيه صحبة
(3).
54 - أسلم بن يزيد أبو عمران التجيبيذكر يعقوب بن سفيان أبو عمران أسلم التجيبي في ثقات المصريين
(4).
55 - أسماء بن الحكم الفزاريقال ابن الجنيد: وسمعت يحيى بن معين يقول في حديث علي، حدثني أبو بكر وصدق أبو بكر: أسماء أو ابن أسماء. قال يحيى بن معين: هذا
--------------------------------------------
৫২ - ইসরাইল ইবন ইউনুস ইবন আবি ইসহাকইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন হাম্বল আমাকে যা লিখেছেন তাতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু বকর ইবন আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবন মাহদিকে বলতে শুনেছি: হাদিসের ক্ষেত্রে ইসরাইল একজন ‘চোর’ ছিলেন—অর্থাৎ তিনি ইলম বা জ্ঞানকে অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে লুফে নিতেন।
আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ বলেছেন: আবু বকর ইবন আবি শাইবাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবন মাহদিকে বলতে শুনেছি: হাদিসের ক্ষেত্রে ইসরাইল একজন ‘চোর’ ছিলেন।
ইবন আবি শাইবাহ বলেছেন: তিনি এর মাধ্যমে তাঁর নিন্দা করতে চাননি।
৫৩ - আসআদ ইবন সাহল ইবন হুনাইফ আবু উমামাহইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আবু উমামাহ ইবন সাহল ইবন হুনাইফ সাহাবি ছিলেন না, তবে তাঁর পিতার সাহচর্য (সাহাবি হওয়া) সাব্যস্ত।
৫৪ - আসলাম ইবন ইয়াজিদ আবু ইমরান আত-তুজিবিইয়াকুব ইবন সুফিয়ান আবু ইমরান আসলাম আত-তুজিবিকে নির্ভরযোগ্য মিসরীয়দের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।
৫৫ - আসমা ইবনুল হাকাম আল-ফাজারিইবনুল জুনাইদ বলেছেন: আমি ইয়াহইয়া ইবন মাঈনকে আলীর বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে বলতে শুনেছি—আবু বকর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন এবং আবু বকর সত্য বলেছেন—আসমা অথবা ইবনে আসমা। ইয়াহইয়া ইবন মাঈন বলেছেন: এটি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
رجل لا يعرف
(1).
56 - أسماء بن عبيدقال ابن سعد: أسماء بن عبيد ثقة إن شاء اللَّه
(2).
57 - إسماعيل بن إبراهيم بن عقبةقال علي بن المديني: إسماعيل بن إبراهيم بن عقبة ثقة
(3).
58 - إسماعيل بن إبراهيم بن المهاجرقال يعقوب بن سفيان: إسماعيل بن إبراهيم بن المهاجر ليسا بالقويين ولا بالمتروكين هما بين ذلك
(4).
59 - إسماعيل بن إبراهيم الأحول التيميقال البخاري: إسماعيل بن إبراهيم التيمي ذاهب الحديث
(5).
60 - إسماعيل بن حماد بن أبي سليمانقال ابن رجب: قال أحمد في رواية حنبل: إسماعيل بن حماد بن أبي سليمان ليس به بأس، ولا أعرف أبا خالد - يعني أنه غير الوالبي
(6).
قال البزار: إسماعيل بن حماد بن أبي سليمان ليس بالقوي في الحديث
(7).
--------------------------------------------
একজন ব্যক্তি যাকে চেনা যায় না
(১).
৫৬ - আসমা বিন উবাইদইবনে সাদ বলেছেন: আসমা বিন উবাইদ ইনশাআল্লাহ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)
(২).
৫৭ - ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন উকবাহআলী ইবনুল মাদিনী বলেছেন: ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন উকবাহ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)
(৩).
৫৮ - ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন আল-মুহাজিরইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেছেন: ইসমাইল বিন ইবরাহিম এবং ইবরাহিম বিন আল-মুহাজির—তারা উভয়ে শক্তিশালী নন, আবার বর্জনীয়ও নন; তারা এর মাঝামাঝি পর্যায়ের
(৪).
৫৯ - ইসমাইল বিন ইবরাহিম আল-আহওয়াল আত-তাইমিবুখারী বলেছেন: ইসমাইল বিন ইবরাহিম আত-তাইমি হাদিসের ক্ষেত্রে বর্জনীয় (যাহাবুল হাদিস)
(৫).
৬০ - ইসমাইল বিন হাম্মাদ বিন আবি সুলায়মানইবনে রজব বলেছেন: আহমাদ হানবালের বর্ণনায় বলেছেন: ইসমাইল বিন হাম্মাদ বিন আবি সুলায়মানের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, তবে আমি আবু খালিদকে চিনি না—অর্থাৎ তিনি আল-ওয়ালিবি নন
(৬).
আল-বাযযার বলেছেন: ইসমাইল বিন হাম্মাদ বিন আবি সুলায়মান হাদিসে শক্তিশালী নন
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
61 - إسماعيل بن خليفة أبو إسرائيل الملائيقال عبد اللَّه بن أحمد: سألت أو عن أبي إسرائيل الملائي فقال: هو كذا، قلت: ما شأنه؟ قال: خالف الناس في أحاديث، وكأنه عنده، ثم قال: حدث عن سفيان الثوري باليمن، أملى عليهم ذلك الحديث، قلت: ما هو؟ قال: حديث الفضيل بن عمرو عن سعيد بن جبير عن ابن عباس أو عن الفضل عن النبي صلى الله عليه وسلم: "من أراد الحج فليتنعم". قلت: إن بعض من قال هو ضعيف؟ قال: لا، خالف فى أحاديث
(1).
قال ابن معين: إسماعيل بن خليفة ثقة، وفي رواية: لا بأس به
(2).
ذكر أبو زرعة الرازي إسماعيل بن أبي إسحاق الملائي يعني أبا إسرائيل في كتاب الضعفاء
(3).
قال يعقوب بن سفيان: أبي إسرائيل الملائي اسمه إسماعيل بن أبي إسحاق ثقة
(4).
قال البزار: أبو إسرائيل الملائي قد تكلم فيه أهل العلم، وضعفوه، وروى عنه الثوري، فمن دونه، واحتمل الناس حديثه على ما فيه
(5).
قال الدراقطني: أبو إسرائيل الملائي إسماعيل بن أبي إسحاق ضعيف
(6).
62 - إسماعيل بن زكريا الخلقانيقال ابن أبي حاتم: نا عبد اللَّه بن أحمد بن حنبل فيما كتب إلي قال: قال
--------------------------------------------
৬১ - ইসমাঈল বিন খলীফা আবু ইসরাঈল আল-মালাইআব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমি আমার পিতাকে আবু ইসরাঈল আল-মালাই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: সে তো এইরকমই। আমি বললাম: তার অবস্থা কী? তিনি বললেন: সে হাদিসের বর্ণনায় লোকজনের বিরোধিতা করেছে, আর এটি যেন তার নিজের পক্ষ থেকেই হয়েছে। তারপর তিনি বললেন: সে ইয়েমেনে সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে হাদিস বর্ণনা করেছে, সে তাদের কাছে এই হাদিসটি শ্রুতিলিপি হিসেবে লিখিয়েছে। আমি বললাম: সেটি কোনটি? তিনি বললেন: ফুদাইল বিন আমর থেকে বর্ণিত হাদিস, যা সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে অথবা ফদল থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "যে ব্যক্তি হজ্জ করার ইচ্ছা করে, সে যেন স্বাচ্ছন্দ্য গ্রহণ করে।" আমি বললাম: কেউ কেউ তো বলেছে যে সে দুর্বল? তিনি বললেন: না, তবে সে কিছু হাদিসে অন্যদের বিরোধিতা করেছে।
ইবনে মাঈন বলেন: ইসমাঈল বিন খলীফা নির্ভরযোগ্য, আর এক বর্ণনায় আছে: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।
আবু যুরআ আর-রাযী দুর্বল বর্ণনাকারীদের গ্রন্থে ইসমাঈল বিন আবু ইসহাক আল-মালাই অর্থাৎ আবু ইসরাঈলের কথা উল্লেখ করেছেন।
ইয়াকুব বিন সুফিয়ান বলেন: আবু ইসরাঈল আল-মালাই, যার নাম ইসমাঈল বিন আবু ইসহাক; তিনি নির্ভরযোগ্য।
আল-বাযযার বলেন: আবু ইসরাঈল আল-মালাই সম্পর্কে জ্ঞানবানগণ সমালোচনা করেছেন এবং তাকে দুর্বল বলেছেন। তার থেকে সাওরী এবং তার পরবর্তী পর্যায়ের বর্ণনাকারীরা বর্ণনা করেছেন। তার হাদিসে যা (ত্রুটি) আছে তা সত্ত্বেও মানুষ তা গ্রহণ করেছে।
আদ-দারা কুতনী বলেন: আবু ইসরাঈল আল-মালাই ইসমাঈল বিন আবু ইসহাক দুর্বল।
৬২ - ইসমাঈল বিন যাকারিয়া আল-খালকানীইবনে আবি হাতিম বলেন: আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল আমার কাছে লিখিত পত্রে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٣١)
أبي: إسماعيل بن زكريا الخلقاني حديثه حديث مقارب.
قال أبو محمد: سمعت أبي يقول: إسماعيل بن زكريا صالح
(1).
63 - إسماعيل بن سلمان بن أبي المغيرةقال البزار: إسماعيل بن سلمان كوفي يحدث بأحاديث مناكير
(2).
64 - إسماعيل بن عبد اللَّه أبو عبد اللَّه بن أبي أويسقال ابن معين: إسماعيل بن أبي أويس ضعيف أضعف الناس، لا يحل لمسلم أن يحدث عنه بشيء
(3).
قال البرذعي: وقال لي محمد بن إدريس: قال ابن أبي أويس: أخذت أنا وأيوب بن سليمان من أخي ألفًا ومائتي ورقة مناولة، فعارضنا بها. قال أبو حاتم: فزهدت فيها، ولم أسمعها من واحد منهما إلا ما كان يمر لغيري فأكتبه
(4).
قال يعقوب بن سفيان: حدثني الفضل قال: سمعت أبا عبد اللَّه قيل له: من بالمدينة اليوم؟ قال: ابن أبي أويس هو عالم كثير العلم أو نحو هذا.
قال: وسمعت سلمة قال: حضرت ابن أبي أويس تعرض عليه مسائل مالك فقرئ عليه شك ابن وهب أو كلام إلى هذا، ابن أبي أويس ثقة وقد قام في أمر المحنة مقامًا محمودًا منه
(5).
--------------------------------------------
আমার পিতা: ইসমাঈল ইবনে যাকারিয়া আল-খালকানি, তাঁর বর্ণিত হাদিস গ্রহণযোগ্যতার কাছাকাছি।
আবু মুহাম্মদ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: ইসমাঈল ইবনে যাকারিয়া সৎ (সালিহ)
(১)।
৬৩ - ইসমাঈল ইবনে সালমান ইবনে আবি আল-মুগিরাবাজ্জার বলেন: ইসমাঈল ইবনে সালমান একজন কুফি বর্ণনাকারী, তিনি বর্জনীয় (মুনকার) হাদিস বর্ণনা করেন
(২)।
৬৪ - ইসমাঈল ইবনে আব্দুল্লাহ আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আবি উওয়াইসইবনে মাঈন বলেন: ইসমাঈল ইবনে আবি উওয়াইস দুর্বল, মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্বল; কোনো মুসলিমের জন্য তার পক্ষ থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করা বৈধ নয়
(৩)।
বারযাঈ বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইদরিস আমাকে বলেছেন: ইবনে আবি উওয়াইস বলেছেন: আমি এবং আইয়ুব ইবনে সুলাইমান আমার ভাইয়ের কাছ থেকে এক হাজার দুইশত পাণ্ডুলিপি মুনাওয়ালাহ (হস্তান্তর) পদ্ধতিতে গ্রহণ করেছি, অতঃপর আমরা তা দিয়ে মুকাবিলা (মূল কপির সাথে তুলনা) করেছি। আবু হাতিম বলেন: তাই আমি সেগুলোর ব্যাপারে অনাগ্রহী ছিলাম এবং তাদের কারো কাছ থেকে তা শুনিনি, তবে যা অন্যের জন্য পাঠ করা হতো আমি কেবল তা লিখে নিতাম
(৪)।
ইয়াকুব ইবনে সুফিয়ান বলেন: ফাদল আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: আজ মদিনায় (যোগ্য ব্যক্তি) কে আছেন? তিনি বললেন: ইবনে আবি উওয়াইস; তিনি একজন আলিম, প্রচুর ইলমের অধিকারী অথবা এই জাতীয় কিছু বলেছেন।
তিনি বলেন: আমি সালামাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে আবি উওয়াইসের কাছে উপস্থিত ছিলাম যখন তাঁর কাছে ইমাম মালিকের মাসআলাগুলো পেশ করা হচ্ছিল, তখন তাঁর সামনে ইবনে ওয়াহাবের সন্দেহ অথবা এই জাতীয় কোনো বক্তব্য পাঠ করা হয়। ইবনে আবি উওয়াইস নির্ভরযোগ্য এবং তিনি ফিতনার (মিহনা) দিনগুলোতে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
قال النسائي: أبو أويس ضعيف. وإسماعيل ابنه أضعف منه
(1).
قال الدراقطني: حدثني الوزير أبو الفضل جعفر بن الفضل، قال: سمعت أبا بكر محمد بن موسى المأمون الهاشمي يقول: سمعت رجلًا يسأل أبا عبد الرحمن ما عندك في سهيل بن أبي صالح؟ فقال له أبو عبد الرحمن: سهيل خير من فليح، وإسماعيل بن أبي أويس، وحبيب المعلم، وأبو اليمان، وذكر حكاية في إسماعيل ابن أبي أويس بغيضة لا ينبغي أنا تذكر، فإنها بغيضة
(2).
قال الدارقطني: إسماعيل بن عبد اللَّه بن عبد اللَّه بن أبي أويس ضعيف رماه النسائي، فلا يحتج بروايته إذا انفرد عن سليمان ولا عن غيره
(3).
65 - إسماعيل بن عبد الرحمن بن أبي كريمة السديقال العقيلي: حدثني محمد بن عيسى، قال: حدثنا عمر بن شبة، قال: حدثنا أبو بكر بن خلاد، قال: سمعت المعتمر بن سليمان يقول: إن بالكوفة كذابين: الكلبي، والسدي.
حدثني الخضر بن داود، قال: حدثنا أحمد بن محمد قال: قلت لأبي عبد اللَّه: السدي كيف هو؟ قال: أخبرك أن حديثه لمقارب وأنه لحسن الحديث إلا أن هذا المفسير الذي يجيء به أسباط عنه فجعل يستعظمه، قلت: ذاك إنما يرجع إلى قول السدي، فقال: من أين وقد جعل له أسانيد ما أدري ما ذاك
(4).
قال الترمذي: إسماعيل بن عبد الرحمن السدي وثقه شعبة، وسفيان
--------------------------------------------
নাসাঈ বলেন: আবু উওয়াইস দুর্বল। আর তার ছেলে ইসমাঈল তার চেয়েও বেশি দুর্বল।
(১).
দারাকুতনী বলেন: উজির আবুল ফজল জাফর বিন ফজল আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুসা আল-মামুন আল-হাশিমীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এক ব্যক্তিকে আবু আব্দুর রহমানকে জিজ্ঞেস করতে শুনেছি যে, সুহাইল বিন আবি সালেহ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তখন আবু আব্দুর রহমান তাকে বললেন: সুহাইল হলেন ফুলইহ, ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস, হাবিব আল-মুয়াল্লিম এবং আবু আল-ইয়ামান অপেক্ষা উত্তম। আর তিনি ইসমাঈল বিন আবি উওয়াইস সম্পর্কে একটি অত্যন্ত আপত্তিকর ঘটনা উল্লেখ করেছেন যা বর্ণনা করা সমীচীন নয়, কেননা তা ঘৃণ্য।
(২).
দারাকুতনী বলেন: ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি উওয়াইস দুর্বল, নাসাঈ তাকে দুর্বল হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন। সুতরাং সে যদি সুলাইমান বা অন্য কারও থেকে এককভাবে বর্ণনা করে, তবে তার বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না।
(৩).
৬৫ - ইসমাঈল বিন আব্দুর রহমান বিন আবি কারীমা আস-সুদ্দীউকাইলী বলেন: মুহাম্মদ বিন ঈসা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর বিন শাব্বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন খাল্লাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুতামির বিন সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: নিশ্চয়ই কুফায় দুইজন চরম মিথ্যাবাদী রয়েছে: কালবী এবং সুদ্দী।
খিজর বিন দাউদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: সুদ্দী কেমন? তিনি বললেন: আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে, তার হাদীস গ্রহণযোগ্য পর্যায়ের এবং তিনি হাসানুল হাদীস (সুন্দর হাদীস বর্ণনাকারী), তবে এই তাফসীর যা আসবাত তার থেকে বর্ণনা করে—এই কথা বলে তিনি বিষয়টিকে গুরুতর মনে করতে লাগলেন। আমি বললাম: ওটা তো কেবল সুদ্দীর বক্তব্যের দিকেই ফিরে যায়। তিনি বললেন: সেটা কীভাবে সম্ভব? অথচ সে এর জন্য এমন সব সনদ তৈরি করেছে যা সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।
(৪).
তিরমিযী বলেন: ইসমাঈল বিন আব্দুর রহমান আস-সুদ্দীকে শু'বাহ এবং সুফিয়ান নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
الثوري، وزائدة، ووثقه يحيى بن سعيد القطان
(1).
66 - إسماعيل بن عبد الملك بن أبي الصغيرقال ابن معين: إسماعيل بن عبد الملك بن أبي الصغير الذي حدث عنه سفيان الثوري وغيره صالح
(2).
ذكر أبو زرعة الرازي إسماعيل بن عبد الملك بن أبي الصغير في كتاب الضعفاء
(3).
67 - إسماعيل بن عياشقال البخاري: حديث إسماعيل بن عياش عن أهل العراق وأهل الحجاز كأنه شبه لا شيء
(4).
قال الترمذي: إسماعيل بن عياش يروي عن أهل الحجاز وأهل العراق أحاديث مناكير. كأنه ضعف روايته عنهم فيما ينفرد به. وقال: إنما حديث إسماعيل عن أهل الشام
(5).
68 - إسماعيل بن مجالد بن سعيدقال الحاكم: قال إبراهيم بن يعقوب: إسماعيل بن مجالد بن سعيد ليس بالقوي
(6).
--------------------------------------------
আস-সাওরি এবং যাইদাহ; এবং ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন
(১).
৬৬ - ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবি আস-সগিরইবনে মাঈন বলেছেন: ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবি আস-সগির, যার থেকে সুফিয়ান আস-সাওরি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন, তিনি 'সালিহ' (ভালো)
(২).
আবু জুরআ আর-রাজি তার দুর্বল বর্ণনাকারীদের গ্রন্থে (কিতাবুদ দুয়াফা) ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবি আস-সগিরকে উল্লেখ করেছেন
(৩).
৬৭ - ইসমাঈল ইবনে আইয়াশইমাম বুখারি বলেছেন: ইরাক এবং হিজাজের অধিবাসীদের থেকে ইসমাঈল ইবনে আইয়াশের বর্ণিত হাদিসগুলো যেন কিছুই নয়
(৪).
ইমাম তিরমিজি বলেছেন: ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ হিজাজ ও ইরাকের অধিবাসীদের থেকে 'মুনকার' (অপ্রসিদ্ধ/অগ্রহণযোগ্য) হাদিসসমূহ বর্ণনা করেন। মনে হয় তিনি সে সকল বর্ণনায় তাকে দুর্বল গণ্য করেছেন যেখানে তিনি একক হয়ে গেছেন। এবং তিনি বলেছেন: ইসমাঈলের বর্ণিত হাদিস মূলত সিরিয়ার (শাম) অধিবাসীদের থেকে
(৫).
৬৮ - ইসমাঈল ইবনে মুজালিদ ইবনে সাঈদআল-হাকিম বলেছেন: ইব্রাহিম ইবনে ইয়াকুব বলেছেন: ইসমাঈল ইবনে মুজালিদ ইবনে সাঈদ শক্তিশালী (বর্ণনাকারী) নন
(৬).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তাযয়ীল আলা তাহযীবিত তাহযীব
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
69 - إسماعيل بن مسلم البصري المكيقال أحمد: إسماعيل بن مسلم البصري الذي روى عن الحسن والزهري منكر الحديث جدًّا، أهل البصرة تركوا حديثه، يحيى لم يحدث عنه
(1).
قال العقيلي: حدثنا الخضر قال: حدثنا أحمد بن محمد، قال: قلت لأبي عبد اللَّه: إسماعيل بن مسلم المكي ترك حديثه لقدر، أو من أجل حديثه، قال: لا حديثه كما رأيت عن عمرو بن دينار والزهري. قلت: وعن الحسن ومحمد بن المنكدر؟ قال: نعم عجائب
(2).
قال الترمذي: ضعف محمد إسماعيل بن مسلم المكي جدًّا
(3).
قال أبو داود: إسماعيل بن مسلم يحدث عن الحسن، ضعيف كان يتفقه
(4).
70 - إسماعيل بن مسلم المخزومي مولاهم المكيقال أحمد: إسماعيل المكي روى عن مجاهد وعطاء، ليس به بأس
(5).
71 - إسماعيل بن موسى الفزاريقال ابن عدي: إسماعيل بن موسى الفزاري قد أوصل عن مالك حديثين، وقد تفرد عن شريك بأحاديث، وإنما أنكروا عليه الغلو في التشيع، وأما في الرواية فقد احتمله الناس ورووا عنه
(6).
--------------------------------------------
৬৯ - ইসমাঈল ইবন মুসলিম আল-বাসরী আল-মাক্কীআহমাদ বলেন: ইসমাঈল ইবন মুসলিম আল-বাসরী, যিনি হাসান এবং যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি অত্যন্ত মুনকারুল হাদীস; বসরার অধিবাসীরা তার হাদীস বর্জন করেছেন, ইয়াহইয়া তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেননি
(১)।
উকায়লী বলেন: খাযির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: ইসমাঈল ইবন মুসলিম আল-মাক্কীর হাদীস কি তাকদীরের কারণে বর্জন করা হয়েছে, নাকি তার হাদীসের কারণে? তিনি বললেন: না, বরং তার হাদীসগুলো যেমনটি আপনি দেখেছেন আমর ইবন দীনার ও যুহরীর সূত্রে। আমি বললাম: এবং হাসান ও মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে তার বর্ণনার বিষয়ে কী বলবেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, সেগুলো তো বিস্ময়কর সব (অদ্ভুত) বর্ণনা
(২)।
তিরমিযী বলেন: মুহাম্মদ (ইমাম বুখারী) ইসমাঈল ইবন মুসলিম আল-মাক্কীকে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন
(৩)।
আবু দাউদ বলেন: ইসমাঈল ইবন মুসলিম হাসান থেকে বর্ণনা করেন; তিনি দুর্বল, তবে তিনি ফিকহ চর্চা করতেন
(৪)।
৭০ - ইসমাঈল ইবন মুসলিম আল-মাখযূমী (তাদের মুক্তদাস) আল-মাক্কীআহমাদ বলেন: ইসমাঈল আল-মাক্কী মুজাহিদ ও আতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই
(৫)।
৭১ - ইসমাঈল ইবন মূসা আল-ফাযারীইবন আদী বলেন: ইসমাঈল ইবন মূসা আল-ফাযারী মালেক থেকে দুটি হাদীস সংযুক্ত (মুত্তাসিল) হিসেবে বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি শারীক থেকে কিছু হাদীস বর্ণনায় একক হয়ে পড়েছেন। মূলত লোকেরা তার চরম শিয়াপ্রীতির কারণে তার সমালোচনা করেছেন; আর বর্ণনার ক্ষেত্রে লোকেরা তাকে গ্রহণ করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন
(৬)।
--------------------------------------------