(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: -)
الإيمان - ابن أبي شيبة   (أبو بكر بن أبي شيبة)

القسم: العقيدة


الكتاب: كتاب الإيمان

المؤلف: أبو بكر عبد الله بن محمد بن أبي شيبة (195 - 235 هـ)

حققه وقدم له وخرج أحاديثه وعلق عليه: محمد ناصر الدين الألباني

الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت

الطبعة: الثانية، 1403 هـ - 1983 م

عدد الصفحات: 49

تنبيه: انتهى المحقق منه سنة 1385 هـ - 1966 م، ضِمن مجموع مِن أربع رسائل طُبِع في حينه تحت عنوان «مِن كنوز السنة» في المطبعة العمومية بدمشق (وصَوّرَتْه دارُ الأرقم بالكويت)، ثم أعاد المكتبُ الإسلامي نشرَ الرسائل مفردة بحرفٍ جديد، وعنه أعادتْ صَفّه مكتبة المعارف بالرياض

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-ঈমান - ইবনে আবী শায়বাহ   (আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ)

বিভাগ: আকীদা


গ্রন্থ: কিতাবুল ঈমান

লেখক: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবী শায়বাহ (১৯৫ - ২৩৫ হি.)

সম্পাদনা, ভূমিকা, হাদীস বিশ্লেষণ ও টীকা: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী

প্রকাশক: আল-মাকতাব আল-ইসলামী - বৈরুত

সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪০৩ হি. - ১৯৮৩ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৯

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সম্পাদক এটি ১৩৮৫ হিজরী - ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে সম্পন্ন করেন। এটি তখন দামেস্কের আল-মাতবাআ আল-উমুমিয়্যাহ থেকে «মিন কুনুযিস সুন্নাহ» (সুন্নাহর ভাণ্ডার থেকে) শিরোনামে মুদ্রিত চারটি রিসালার একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত ছিল (এবং কুয়েতের দারুল আরকাম এটির অনুলিপি তৈরি করেছিল), পরবর্তীতে আল-মাকতাব আল-ইসলামী রিসালাগুলো পৃথকভাবে নতুন হরফে পুনরায় প্রকাশ করে এবং তা থেকে রিয়াদের মাকতাবাতুল মাআরিফ পুনরায় বিন্যাস (কম্পোজ) করে।

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة الناشر

إن الحمد لله نحمده ونستعينه، ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.

أما بعد

فإننا نقدم للقارئ الكريم رسالة الإيمان للإمام ابن أبي شيبة في هذه الطبعة الجديدة بتحقيق أستاذنا المحدث الجليل الشيخ محمد ناصر الدين الألباني.

وقد سبق طبعها في دمشق منذ عشرين سنة تقريبًا مع:

- "الإيمان ومعالمه وسننه" للإمام أبي عبيد القاسم بن سلّام.

- و "العلم" لأبي خيثمة زهير بن حرب النسائي.

- و "اقتضاء العلم العمل" للخطيب البغدادي، ضمن مجموع سمِّي: (من كنوز السنة)، بطلب من العالم الكريم المصلح الشيخ محمد نصيف رحمه الله رحمة واسعة(1).

--------------------------------------------

(1) كانت وفاته سنة 1391 هـ في الطائف.

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌প্রকাশকের ভূমিকা

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল।

অতঃপর,

আমরা সম্মানিত পাঠকের সামনে ইমাম ইবনে আবি শায়বার 'রিসালাতুল ইমান' গ্রন্থটি এই নতুন সংস্করণে উপস্থাপন করছি, যা আমাদের উস্তাদ, মহান মুহাদ্দিস শাইখ মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি কর্তৃক সম্পাদিত।

এটি প্রায় বিশ বছর আগে দামেস্কে নিম্নোক্ত গ্রন্থগুলোর সাথে প্রকাশিত হয়েছিল:

- ইমাম আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবন সাল্লাম রচিত 'আল-ইমান ওয়া মাআলিমুহু ওয়া সুনানুহু'।

- আবু খাইসামা জুহাইর ইবন হারব আন-নাসায়ি রচিত 'আল-ইলম'।

- খতিব আল-বাগদাদি রচিত 'ইকতিদাউল ইলমিল আমল'। এই গ্রন্থগুলো 'মিন কুনুযিস সুন্নাহ' নামক একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা মহৎ আলিম ও সংস্কারক শাইখ মুহাম্মদ নাসিফ (আল্লাহ তাঁকে প্রশস্ত রহমতে সিক্ত করুন)-এর অনুরোধে প্রকাশিত হয়েছিল(১)।

--------------------------------------------

(১) তাঁর মৃত্যু ১৩৯১ হিজরি সালে তায়েফে হয়েছিল।

(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
وقد قمنا منذ زمن طويل بإفراد كتاب "اقتضاء العلم العمل" وطبعته مرات. وكثرت علينا الطلبات لباقي رسائل هذا المجموع، فرجوت أستاذنا الشيخ ناصر أن يعيد النظر في رسائله للزيادة والتنقيح والنفع، فقام حفظه الله بذلك خير قيام.

وقد قمت بتقسيم المجموع إلى رسائل مفردة، وأعدت صفه وطباعته على أحسن ما وصلت إليه فنون الطباعة. كما قمت بوضع الفهارس لكل نسخة على حدة.

والله أسأل، أن ينفعنا فيها علَّمنا وأن يزدنا علمًا وأن يكفنا شرَّ من لا يراقبون في حق الله وحقوق إخوانهم إلًّا ولا ذمةً.

وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين.

 

بيروت غرة ربيع الثاني 1403

15/ 1/ 1983

زهير الشاويش
আমরা দীর্ঘকাল পূর্বে 'ইক্তিদাউল ইলমিল আমল' কিতাবটি পৃথকভাবে প্রকাশ করেছি এবং এটি কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে। এই সংকলনের অবশিষ্ট রিসালাহগুলোর জন্য আমাদের নিকট প্রচুর আবেদন এসেছিল। তাই আমি আমাদের উস্তাদ শায়খ নাসিরকে অনুরোধ করেছিলাম যেন তিনি পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও উপকারের লক্ষ্যে তাঁর রিসালাহসমূহ পুনরায় নিরীক্ষণ করেন। আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন, তিনি অত্যন্ত উত্তমরূপে তা সম্পন্ন করেছেন।

আমি এই সংকলনটিকে পৃথক পৃথক রিসালাহতে বিভক্ত করেছি এবং মুদ্রণ শিল্পের আধুনিক ও সর্বোত্তম মান বজায় রেখে পুনরায় এর বিন্যাস ও মুদ্রণ সম্পন্ন করেছি। এছাড়া আমি প্রতিটি কপির জন্য পৃথক নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করেছি।

আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন যা আমাদের শিখিয়েছেন তার মাধ্যমে আমাদের উপকৃত করেন, আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি করেন এবং আমাদের তাদের অনিষ্ট হতে রক্ষা করেন যারা আল্লাহর হক এবং তাদের ভাইদের হকের ব্যাপারে কোনো আত্মীয়তা বা চুক্তির পরোয়া করে না।

আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

 

বৈরুত, ১লা রবিউস সানি ১৪০৩

১৫/ ১/ ১৯৮৩

জুহাইর আশ-শাভিশ
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة المحقق

الحمد لله رب العالمين، وصلاته وسلامه، على خاتم أنبيائه، وأفضل رسله محمد، وعلى آله وأصحابه الطيبين الطاهرين، وإخوانه إلى يوم الدين.

أما بعد فهذه أربع رسائل من آثار سلفنا الصالح، وأئمتنا المحدثين، أزمعنا على نشرها بعد أن يسر الله تبارك وتعالى لها من ينفق على طبعها من ذوي الكرم والشرف، ويعود الفضل في البدء بذلك إلى فضيلة الشيخ محمد نصيف السلفي الشهير(1)، فهو الذي كان كتب إلي سنة (1383) - وأنا يومئذ في المدينة المنورة - أن اختار له بعض الرسائل المخطوطة التي لم يسبق أن نشرت من قبل، فانتقيت له من فهرستي التي كنت جمعت فيها أسماء كتب الحديث المحفوظة في المكتبة الظاهرية بدمشق(2) الرسائل المشار إليها، وهي لبعض الأئمة المعروفين بالحفظ والعلم والعقيدة الصحيحة، وأرسلت بأسمائها إليه وهي:

1 - كتاب الإيمان. للحافظ أبي بكر بن أبي شيبة. (159 - 235).

2 - كتاب الإيمان. للإمام أبي عبيد القاسم بن سلام (159 - 224).

3 - كتاب العلم. للحافظ أبي خيثمة زهير بن حرب (160 - 234).

--------------------------------------------

(1) كان رحمه الله عالمًا فاضلًا، خيّرًا كريمًا، أنفق أموالًا طائلة في نشر الكتب السلفية وتوزيعها مجانًا لوجه الله تعالى، وكانت داره في (جدة) موئلًا للناس، ومنزلًا للقاصي والداني من الحجاج على اختلاف مذاهبهم، وتباين بلادهم، مات سنة (1391) هجرية.

(2) وقد تم طبعه بالمجمع العلمي العربي بدمشق.

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

 

‌‌সম্পাদকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং তাঁর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর শেষ নবী ও শ্রেষ্ঠ রাসূল মুহাম্মাদের ওপর, এবং তাঁর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন পরিবারবর্গ ও সহচরগণের ওপর, এবং বিচার দিবস পর্যন্ত আগত তাঁর ভাইদের ওপর।

অত:পর, এগুলি আমাদের সালাফে সালেহীন (সৎকর্মশীল পূর্বসূরি) এবং ইমাম মুহাদ্দিসগণের রেখে যাওয়া চারটি পুস্তিকা। আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা যখন তাঁর অনুগ্রহে এই পুস্তকগুলো মুদ্রণের জন্য এমন উচ্চমনা ও দানশীল ব্যক্তিদের ব্যবস্থা করে দিলেন যারা এর ব্যয়ভার বহন করবেন, তখন আমরা এগুলি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কাজের সূচনার কৃতিত্ব মূলত প্রখ্যাত শায়খ মুহাম্মাদ নাসিফ আস-সালাফী (১)-এর। তিনি ১৩৮৩ হিজরীতে — যখন আমি মদীনা মুনাওয়ারায় ছিলাম — আমাকে লিখেছিলেন যেন আমি তাঁর জন্য এমন কিছু পান্ডুলিপি নির্বাচন করি যা ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়নি। তখন আমি দামেস্কের যাহিরিয়া লাইব্রেরিতে (২) সংরক্ষিত হাদীসের কিতাবসমূহের তালিকা থেকে, যা আমি নিজেই সংকলন করেছিলাম, উল্লিখিত পুস্তিকাগুলো তাঁর জন্য বাছাই করি। এই পুস্তিকাগুলো এমন সব ইমামদের লেখা যারা হিফয (স্মৃতিশক্তি), ইলম ও সঠিক আকিদার জন্য সুপরিচিত। আমি তাঁর কাছে এগুলোর নাম পাঠিয়েছিলাম, যা হলো:

১ - কিতাবুল ঈমান। হাফেজ আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ (১৫৯ - ২৩৫)।

২ - কিতাবুল ঈমান। ইমাম আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম (১৫৯ - ২২৪)।

৩ - কিতাবুল ইলম। হাফেজ আবু খাইসামাহ যুহাইর বিন হারব (১৬০ - ২৩৪)।

--------------------------------------------

(১) তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) একজন বিদগ্ধ আলেম, কল্যাণকামী ও দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সালাফী কিতাবসমূহ প্রকাশ এবং তা বিনামূল্যে বিতরণের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করেছেন। জেদ্দায় তাঁর ঘরটি ছিল মানুষের আশ্রয়স্থল এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মাযহাব ও অঞ্চলের হাজীদের আবাসস্থল। তিনি ১৩৯১ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।

(২) এটি দামেস্কের ‘আল-মাজমাউল ইলমী আল-আরাবী’ থেকে মুদ্রিত হয়েছে।

(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
4 - كتاب اقتضاء العلم العمل. للخطيب البغدادي (392 - 463)

ثم جاءني من فضيلته خطاب، يكلفني فيه أن أصور هذه الرسائل له، إذا ما عدت إلى دمشق، في العطلة الصيفية، ففعلت، وأرسلت إليه بمصوراتها.

ومن نحو أربعة أشهر، كتب فضيلته إلينا برغبته في أن نقوم بطبعها في دمشق مع التعليق عليها، فاستجبت لرغبته، وشرعت في إعداد الرسائل الأربع للطبع، فاستنسختها وقابلتها بالأصول ثم علقت عليها تعليقات مختصرة مفيدة، بعضها في شرح المفردات الغريبة، وتوضيح بعض الجمل التي قد تخفى على بعض الناس.

وأضفت إلى ذلك بيان حال أحاديثها المرفوعة، صحة أو ضعفا، وكذلك بينت حال بعض الآثار الموقوفة، إذا كان لها أهمية خاصة في نظري. وإنما فعلت ذلك لأن أحاديث هذه الرسائل، قد ساقها مؤلفوها بأسانيدها إلى منتهاها باستثناء أبي عبيد، قلما يفعل ذلك، بل هو على الغالب يعلقها تعليقا بدون إسناد، وتلك هي طريقة المحدثين من علمائنا رحمة الله عليهم، أن يرووا الأحاديث بأسانيدها، ليتمكن الواقف عليها من الحكم عليها بما تستحقه من صحة أو ضعف، على ضوء علم مصطلح الحديث وتراجم رواته، وهذه هي الوسيلة الوحيدة التي بها يمكن للعالم أن يعرف ما قاله عليه الصلاة والسلام مما لم يقله، ولما كان عامة الناس - إلا قليلًا منهم - لا يعرفون، وبعضهم لا يتمكنون من استعمال هذه الوسيلة والاستفادة منها لمعرفة ذلك، كان لا بد للمتمكن من هذا العلم أن يبين ذلك للناس نصحًا لهم في دينهم، وليس يكفي فيها نحن فيه، ما جرى عليه عامة المخرجين والمعلقين قديمًا وحديثًا - إلا من عصم الله - من الاقتصار على قولهم: رواه فلان وفلان من حديث فلان وفلان! دون أن يبينوا حال أسانيدها، وقد يكون في رواتها بعض الضعفاء والمتروكين، أو الكذابين الوضاعين، فإن مثل هذا التخريج لا يفيد جماهير الناس أصلًا، بل إنه كثيرًا
৪ - কিতাব ইক্তিজাউল ইলমিল আমল (জ্ঞানের দাবি আমল)। খতিব আল-বাগদাদি (৩৯২ - ৪৬৩ হিজরি)

অতঃপর তাঁর মহোদয়ের পক্ষ থেকে আমার কাছে একটি পত্র আসে, যেখানে তিনি আমাকে অনুরোধ করেন যেন আমি গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে দামেস্কে ফিরে গেলে এই পুস্তিকাগুলোর অনুলিপি তৈরি করি। আমি তা করেছি এবং তাঁর কাছে সেগুলোর অনুলিপি পাঠিয়ে দিয়েছি।

প্রায় চার মাস আগে তাঁর মহোদয় আমাদের কাছে এই ইচ্ছা ব্যক্ত করে লিখেছিলেন যে, আমরা যেন টীকাসহ দামেস্কে এগুলো মুদ্রণের ব্যবস্থা করি। আমি তাঁর ইচ্ছায় সাড়া দিয়েছি এবং এই চারটি পুস্তিকা মুদ্রণের জন্য প্রস্তুত করতে শুরু করেছি। আমি সেগুলোর প্রতিলিপি তৈরি করেছি এবং মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখেছি। এরপর সেগুলোর ওপর সংক্ষিপ্ত ও উপকারী টীকা লিখেছি; যার কিছু অংশ ছিল অপরিচিত শব্দাবলির ব্যাখ্যায় এবং কিছু অস্পষ্ট বাক্যের স্পষ্টীকরণে যা হয়তো কিছু মানুষের কাছে অস্পষ্ট মনে হতে পারে।

এর সাথে আমি এগুলোর মারফু হাদিসগুলোর সহিহ বা জয়িফ হওয়ার অবস্থা বর্ণনা করেছি এবং একইভাবে কিছু মাওকুফ আছারের অবস্থাও স্পষ্ট করেছি, যদি আমার দৃষ্টিতে সেগুলোর বিশেষ গুরুত্ব থেকে থাকে। আমি এটি করেছি কারণ এই পুস্তিকাগুলোর লেখকগণ আবু উবায়দ ব্যতীত হাদিসগুলোকে সনদসহ শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবু উবায়দ) খুব কমই এমনটা করেন, বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিনি সনদ ছাড়াই তা উল্লেখ করেন। আর এটিই ছিল আমাদের মুহদ্দিস উলামায়ে কেরাম (আল্লাহ তাঁদের ওপর রহম করুন)-এর পদ্ধতি যে, তাঁরা হাদিসগুলোকে সনদসহ বর্ণনা করতেন, যাতে করে পাঠক ইলমে মুসতালাহুল হাদিস এবং রাবিদের জীবনীর আলোকে সেগুলোর সহিহ বা জয়িফ হওয়ার বিষয়ে যথাযথ হুকুম প্রদান করতে সক্ষম হন। আর এটিই একমাত্র মাধ্যম যার মাধ্যমে একজন আলেম জানতে পারেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন আর কী বলেননি। যেহেতু সাধারণ মানুষ—অল্প কিছু লোক বাদে—এটি জানেন না এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মাধ্যমটি ব্যবহার করতে ও তা থেকে জ্ঞান লাভে সক্ষম নন, তাই এই বিদ্যায় পারদর্শীদের জন্য এটি আবশ্যক যে তাঁরা দ্বীনের হিতাকাঙ্ক্ষী হিসেবে মানুষের কাছে তা বর্ণনা করবেন। আর আমরা যে বিষয়ের মধ্যে আছি, তাতে প্রাচীন ও বর্তমান কালের সাধারণ তাখরিজকারী ও টীকাকারদের (আল্লাহ যাঁদের রক্ষা করেছেন তারা ব্যতীত) অনুসৃত পদ্ধতিটি যথেষ্ট নয়, যা কেবল এটি বলার মধ্যে সীমাবদ্ধ যে: "অমুক এবং অমুক এটি অমুক ও অমুক ব্যক্তির হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন!" অথচ তাঁরা সনদের অবস্থা বর্ণনা করেন না। অথচ সেগুলোর বর্ণনাকারীদের মধ্যে কেউ কেউ দুর্বল, পরিত্যক্ত, এমনকি মিথ্যাবাদী ও জালিয়াতও থাকতে পারে। কারণ এ ধরণের তাখরিজ সাধারণ জনগণের কোনো উপকারে আসে না, বরং তা প্রায়শই...
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
ما يكون سببًا لتوهمهم أن الحديث ثابت، لأنهم -لجهلهم بهذا العلم- يظنون أن مجرد قول العالم في حديث ما "رواه الطبراني"، مثلًا، إنما هو تصحيح للحديث، وقد يكون في إسناده كذاب أو وضاع كما ذكرنا، وإنما يفيد ذلك الخواص من أهل العلم، الذين يستعينون بالتخريج على الرجوع إلى أصول الأحاديث ليدرسوا أسانيدها، ولكن التعليقات والتخريجات لا توضع عادة لأمثال هؤلاء، وإنما للجماهير، ولذلك جريت -والفضل لله وحده- في كل ما أؤلف أو أعلق عليه من الكتب أن أبين درجات الأحاديث وما صح منها وما لم يصح، لأني أعتقد أن كتمان ذلك مما لا يجوز. والله المستعان.
যা তাদের মনে হাদীসটি প্রমাণিত হওয়ার বিষয়ে এই ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি করে, কারণ তারা—এই শাস্ত্র সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতার দরুন—মনে করে যে কোনো হাদীসের ক্ষেত্রে কোনো আলিমের কেবল এই কথা বলা যে, উদাহরণস্বরূপ "তাবারানি এটি বর্ণনা করেছেন", তা হাদীসটির বিশুদ্ধতা প্রমাণের নামান্তর। অথচ এর সনদে কোনো চরম মিথ্যাবাদী কিংবা হাদীস জালকারী থাকতে পারে যেমনটি আমরা আগে উল্লেখ করেছি। মূলত এটি কেবল ইলমের ক্ষেত্রে পারদর্শী বিশেষ ব্যক্তিদেরই উপকারে আসে, যারা হাদীসসমূহের মূল উৎসের দিকে ফিরে গিয়ে সেগুলোর সনদগুলো পর্যালোচনার জন্য তাখরীজের সহায়তা নেন। কিন্তু টীকা ও তাখরীজসমূহ সাধারণত কেবল এই শ্রেণির মানুষের জন্য করা হয় না, বরং সর্বসাধারণের জন্য করা হয়। এই কারণেই আমি—আর যাবতীয় অনুগ্রহ কেবল আল্লাহরই—আমার প্রতিটি রচনা কিংবা টীকাযুক্ত কিতাবসমূহে হাদীসগুলোর স্তর এবং কোনটি সহীহ আর কোনটি সহীহ নয় তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করার নীতি অবলম্বন করেছি; কেননা আমি বিশ্বাস করি যে তা গোপন করা জায়েয নয়। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌وَصفُ الأصول

‌‌1 - وقد اعتمدت في طبع الرسالة الأولى "الإيمان لابن أبي شيبة":

على نسخة مخطوطة جيدة كتبها الشيخ أبو العباس أحمد بن أبي الفضائل بن أبي المجد الدخميسي، كما جاء في آخرها، في سماع بخط الحافظ محمد بن يوسف بن محمد البرزالي الإشبيلي" كتبه سنة ثلاث وعشرين وستمائة.

وقرأها الحافظ محمد بن المحب المقدسي على الحافظ الذهبي، كتب ذلك الحافظ المقدسي على الوجه الأول منها بخطه الدقيق كما ستراه في الصورة المطبوعة على الصفحة (ن) في الزاوية الشمالية منها.

وقد أصاب الماء جانبًا منها، ولكنه لم يؤثر عليها إلا قليلا.

ومع ذلك، فقد وقع فيها بعض الأخطاء اليسيرة، وقليل من السقط استدركناه من "كتاب الإيمان" الذي هو كتاب من كتب ديوان المؤلف العظيم المعروف بـ "المصنف" وهو لا يختلف كثيرًا عن كتابنا هذا، إلا في الترتيب، وفي أنه أقل مادة منه بشيء يسير. وهو يقع في السفر الثاني عشر من "المصنف" (ق 77 - 85) من مخطوطة الظاهرية، كتبها عبد الله بن محمد بن إبراهيم المهندس.

 

‌‌2 - وأما الرسالة الثانية "الإيمان لأبي عبيد":

فإنما اعتمدنا فيها على نسخة قديمة وحيدة(4)، كتبت سنة ثمان وثمانين وأربعمائة من نسخة الشيخ العفيف أبي محمد عثمان بن أبي نصر بـ (مصر). وهي نسخة ليست بالجيدة، فإنها مع كونها مقابلة بالأصل كما جاء في خاتمتها، وتراه في الوجه الأخير مصورًا على الصفحة الآتية (52) فقد وقع فيها أخطاء كثيرة، وسقطٌ في غير ما موضع،

--------------------------------------------

(4) لم يذكر بروكلمن سواها.

মূল পাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণ

১ - প্রথম রিসালাহ "ইবন আবি শায়বাহ-র আল-ঈমান" মুদ্রণের ক্ষেত্রে আমি নির্ভর করেছি:

একটি উত্তম পাণ্ডুলিপির ওপর, যা শেখ আবু আব্বাস আহমদ বিন আবি আল-ফাজায়িল বিন আবি আল-মাজদ আদ-দাখমিসি লিখেছেন। যেমনটি এর শেষে উল্লেখ করা হয়েছে, হাফেজ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-বারজালি আল-ইশবিলি-র হস্তাক্ষরে একটি শ্রবণলিপি (সামা') অনুযায়ী, যা তিনি ৬২৩ হিজরিতে লিখেছেন।

আর হাফেজ মুহাম্মদ বিন আল-মুহিব আল-মাকদিসি এটি হাফেজ আয-যাহাবির নিকট পাঠ করেছেন। হাফেজ মাকদিসি পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠায় তাঁর সূক্ষ্ম হস্তাক্ষরে এটি লিপিবদ্ধ করেছেন, যা আপনি (ন) পৃষ্ঠায় মুদ্রিত ছবির উত্তর দিকের কোণে দেখতে পাবেন।

পাণ্ডুলিপির এক পাশ পানি লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তবে তা এর ওপর সামান্যই প্রভাব ফেলেছে।

তা সত্ত্বেও, এতে সামান্য কিছু ভুল এবং অল্প কিছু পাঠ্য বিচ্যুতি ঘটেছিল, যা আমরা লেখকের মহান সংকলন "আল-মুসান্নাফ"-এর অন্তর্ভুক্ত "কিতাবুল ঈমান" থেকে সংশোধন করে নিয়েছি। এটি আমাদের বর্তমান কিতাবটি থেকে বিন্যাসের দিকটি ছাড়া খুব বেশি ভিন্ন নয়, তবে এতে বিষয়বস্তুর পরিমাণ সামান্য কম। এটি জাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপিতে "আল-মুসান্নাফ"-এর দ্বাদশ খণ্ডে (পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫) অবস্থিত, যা আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-মুহান্দিস অনুলিপি করেছেন।

 

২ - আর দ্বিতীয় রিসালাহ "আবু উবায়দ-এর আল-ঈমান" সম্পর্কে:

আমরা এতে একটিমাত্র প্রাচীন পাণ্ডুলিপির(৪) ওপর নির্ভর করেছি, যা ৪৮৮ হিজরিতে (মিসরে) শেখ আল-আফিফ আবু মুহাম্মদ উসমান বিন আবি নাসর-এর পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা হয়েছে। এটি খুব একটা ভালো পাণ্ডুলিপি নয়; কারণ এর সমাপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি মূল কপির সাথে মিলিয়ে দেখা (মুকাবালাহ) হয়েছে—যা আপনি পরবর্তী পৃষ্ঠা (৫২)-এ মুদ্রিত ছবির শেষ পৃষ্ঠায় দেখতে পাবেন—তা সত্ত্বেও এতে প্রচুর ভুল এবং অনেক স্থানে পাঠ্য বিচ্যুতি রয়ে গেছে,

--------------------------------------------

(৪) ব্রোকলম্যান এটি ছাড়া অন্য কোনোটির উল্লেখ করেননি।

(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
وقد اجتهدت، فصححت من ذلك ما أمكنني تصحيحه، وأشرت إلى ذلك في التعليق، وما عجزت عنه نبهت عليه في التعليق غالبًا.

وهي إلى ذلك سيئة الخط، كما يبدو لمن نظر في الصورتين اللتين تمثلان الوجه الأول والأخير منها.

 

‌‌3 - وأما الرسالة الثالثة: "العلم لأبي خيثمة"

فاعتمدنا فيها على نسخة جيدة كتبها الشيخ أبو أحمد بوران(5) بن سنقر بن عبد الله الرومي. وفي آخرها سماع لجماعة منهم الكاتب، على الشيخ أبي الحسن علي بن محمد بن عبد الكريم الجزري بن الأثير المؤرخ الشهير، كتبه علي بن محمد بن عبد الكريم سنة أربع عشرة وستمائة.

وقابلتها بنسخة أخرى أقدم من هذه، وأصح، كتبها عبد السلام بن أبي بكر بن أحمد الدمشقي الشافعي سنة ثلاث وثمانين وخمسمائة.

وكل من النسختين يتصل إسنادها بالشيخ أبي الفرج يحيى بن محمود بن سعد الأصبهاني، وقد وصفه الحافظ الذهبي في "سير النبلاء " (13/ 30 / 2) بـ "الشيخ المسند الجليل العالم" (414 - 584).

وهو عن الشيخ أبي الفتح إسماعيل بن الفضل بن أحمد بن الأخشيد السراج، قال الذهبي (12/ 126/ 2):

"الشيخ الأمين المسند الكبير أبو سعد، ويكنى أيضًا أبا الفتح، وبها كناه السمعاني، وكناه بأبي سعد أبو طاهر السلفي، ووثقه (436 - 524) ".

ويبدو أنه يكنى بأبي الفضل أيضًا، فقد كني بها في أول الكتاب في النسخة الأخرى كما نبهت عليه فيما يأتي (ص 109) من هذه المجموعة.

وهو عن أبي حفص عمر بن إبراهيم بن أحمد الكتاني المقريء، وصفه الذهبي بقوله (10/ 267/ 2).

"الإمام المحدث الثقة بقية المسندين الأصبهاني الكاتب، قال يحيى بن منده:

--------------------------------------------

(5) كذا الأصل بإهمال الحرف الأول، وهو اسم أعجمي، وفيهم من يسمى "بوران" بالباء الموحدة ومن يسمى "توران" بالتاء المثناة من فوق. انظر حاشية "المشتبه للذهبي".

আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি এবং এর মধ্য থেকে যতটুকু সংশোধন করা সম্ভব ছিল তা সংশোধন করেছি, এবং টীকাতে সেদিকে ইঙ্গিত করেছি। আর যা আমি করতে সক্ষম হইনি, সে সম্পর্কেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে টীকাতে সতর্ক করেছি।

এর পাশাপাশি এর হস্তলিপিও মন্দ (অস্পষ্ট), যা পাণ্ডুলিপিটির প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠার ছবি দুটির দিকে লক্ষ্য করলে যে কারো কাছে স্পষ্ট হবে।

 

‌‌৩ - আর তৃতীয় রিসালাহটি হলো: আবু খাইসামাহ-এর "আল-ইলম"

এতে আমরা শাইখ আবু আহমাদ বুরান(৫) বিন সুনকুর বিন আব্দুল্লাহ আর-রুমীর লিখিত একটি উন্নত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি। এর শেষে একটি শ্রবণলিপি (সামা') রয়েছে যা লেখকসহ একদল লোকের। তাঁরা এটি প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ শাইখ আবু হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম আল-জাযারি ইবনুল আসিরের কাছে শ্রবণ করেছেন। আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল কারিম এটি ৬১৪ হিজরীতে লিখেছেন।

আমি এটিকে এর চেয়েও প্রাচীনতর এবং অধিকতর বিশুদ্ধ অন্য একটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়েছি, যা আবদুস সালাম বিন আবু বকর বিন আহমাদ আদ-দিমাশকি আশ-শাফেয়ি ৫৮৩ হিজরীতে লিখেছেন।

এই উভয় পাণ্ডুলিপির সনদই শাইখ আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ বিন সাদ আল-আসবাহানির সাথে যুক্ত। হাফিজ আয-যাহাবি "সিয়ারু আলামিন নুবালা"-তে (১৩/ ৩০ / ২) তাকে "সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী মুসনিদ ও আলেম শাইখ" (৪১৪ - ৫৮৪) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি শাইখ আবুল ফাতহ ইসমাইল বিন আল-ফাযল বিন আহমাদ বিন আল-আখশীদ আস-সাররাজ থেকে বর্ণনা করেছেন। আয-যাহাবি (১২/ ১২৬/ ২) বলেন:

"আমানতদার শাইখ ও বড় মুসনিদ আবু সাদ। তার উপনাম আবুল ফাতহ-ও ছিল, এবং আস-সামআনি তাকে এই উপনামেই ডেকেছেন। আর আবু তাহির আস-সিলাফি তাকে আবু সাদ উপনামে ডেকেছেন এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৪৩৬ - ৫২৪)।"

মনে হয় তাকে আবুল ফাযল উপনামেও ডাকা হতো, কারণ অন্য পাণ্ডুলিপিটির শুরুতে এই উপনামেই তাকে সম্বোধন করা হয়েছে, যেমনটি আমি এই সংকলনের পরবর্তী অংশে (পৃষ্ঠা ১০৯) উল্লেখ করেছি।

তিনি আবু হাফস উমর বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ আল-কাত্তানি আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন। আয-যাহাবি তার সম্পর্কে (১০/ ২৬৭/ ২) বলেছেন:

"ইমাম, মুহাদ্দিস, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি এবং আসবাহানি লেখকদের মধ্য থেকে অবশিষ্ট বড় মুসনিদ। ইয়াহইয়া বিন মানদাহ বলেন:

--------------------------------------------

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে প্রথম বর্ণের নোকতা ছাড়াই এভাবেই রয়েছে। এটি একটি অনারব নাম। তাদের মধ্যে কারো নাম এক নোকতাওয়ালা 'বা' দিয়ে "বুরান" হয়, আবার কারো নাম দুই নোকতাওয়ালা 'তা' দিয়ে "তুরান" হয়। দেখুন: আয-যাহাবিকৃত "আল-মুশতাবিহ"-এর টীকা।

(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
"ثقة"، وقال عبد الغافر النخشبي: "لم يحدث في وقته أوثق منه". مات سنة خمس وأربعين وأربعمائة".

وهو عن أبي حفص عمر بن إبراهيم بن أحمد الكتاني المقري، وصفه الذهبي بقوله (10/ 267/ 2).

"الإمام المقريء المحدث المعمر".

وترجمه الخطيب في "تاريخ بغداد" وقال (11/ 269):

"وكان ثقة، ذكره محمد بن أبي الفوارس فقال: كان لا بأس به، ولد في سنة ثلاثمائة، وتوفي سنة تسعين وثلاثمائة".

وأما أبو القاسم علي بن عبد العزيز البغوي راوي الكتاب عن المؤلف رحمه الله تعالى، فهو حافظ ثقة مشهور، مترجم في "تذكرة الحفاظ" (2/ 178/ 179)، فمن شاء زيادة المعرفة، فليرجع إليه.

ومما سبق يتبين للقراء الكرام أن هذه الرسالة صحيحة الإسناد إلى مؤلفها، رواها علماء أجلاء بعضهم عن بعض، حتى وصلت إلينا في كتاب بخط العلماء الثقات وإسماعهم، فهي حري بالوثوق بها، والاعتماد عليها، وقد ذكرها كاتب جلبي في "كشف الظنون"، كما ذكر سائر الرسائل الأربع.

 

فخذها -أيها القاريء الكريم- رسائل ثلاثًا، مصححة منقحة، معلقة مخرجة، مطبوعة طبعًا متقنًا، ولا تنس من دعائك الصالح مؤلفيها ومن كان له الفضل في السعي لطبعها، والإنفاق عليها، ومن قام على تحقيقها، وتخريج أحاديثها.

والله تعالى هو المسؤول أن يجزي من ذكرنا خير ما يجزي من يسعى لنشر دينه، وحفظ سنة نبيه صلى الله عليه وسلم، ويجعله لهم أجرًا مستمرًا إلى يوم الدين، {يَوْمَ لَا يَنْفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ (88) إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ}. والحمد لله رب العالمين.

 

دمشق في 24 رمضان سنة 1385

محمد ناصر الدين الألباني
"নির্ভরযোগ্য", এবং আব্দুল গাফির আন-নাখশাবি বলেছেন: "তাঁর সময়ে তাঁর চেয়ে অধিক নির্ভরযোগ্য কেউ হাদীস বর্ণনা করেননি।" তিনি চারশ পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি আবু হাফস উমর ইবনে ইবরাহীম ইবনে আহমাদ আল-কাত্তানি আল-মুকরির সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যাঁকে আয-যাহাবি এভাবে বর্ণনা করেছেন (১০/২৬৭/২):

"ইমাম, ক্বারী, মুহাদ্দিস, দীর্ঘজীবী।"

আল-খতীব 'তারিখে বাগদাদ'-এ তাঁর জীবনী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন (১১/২৬৯):

"তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন, মুহাম্মদ ইবনে আবিল ফাওয়ারিস তাঁর উল্লেখ করে বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না, তিনি তিনশ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনশ নব্বই হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।"

আর লেখকের (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) নিকট থেকে গ্রন্থটির বর্ণনাকারী আবুল কাসিম আলী ইবনে আব্দুল আজীজ আল-বাগাভী হলেন একজন প্রসিদ্ধ নির্ভরযোগ্য হাফেজ, যাঁর জীবনী 'তাযকিরাতুল হুফফাজ' (২/১৭৮/১৭৯) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে; সুতরাং যে ব্যক্তি এ বিষয়ে অধিক জ্ঞান অর্জন করতে চায়, সে যেন সেটির দিকে প্রত্যাবর্তন করে।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে সম্মানিত পাঠকদের কাছে এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, এই পুস্তিকাটি এর লেখকের পর্যন্ত সহীহ সনদে সাব্যস্ত। একে উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন উলামায়ে কেরাম একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন, এমনকি তা নির্ভরযোগ্য আলেমদের হস্তাক্ষর ও শ্রবণ-স্মারক সংবলিত পাণ্ডুলিপি হিসেবে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। অতএব এটি নির্ভরযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করার এবং এর ওপর নির্ভর করার যোগ্য। কাতিব চালাবি 'কাশফুয যুনুন'-এ এর উল্লেখ করেছেন, যেমনটি তিনি বাকি চারটি পুস্তিকার ক্ষেত্রেও করেছেন।

 

অতএব হে সম্মানিত পাঠক, এই তিনটি পুস্তিকা গ্রহণ করুন যা সংশোধিত, পরিমার্জিত, টীকা ও তথ্যসূত্রযুক্ত এবং অত্যন্ত নিপুণভাবে মুদ্রিত। আর আপনার নেক দোয়া থেকে এর লেখকগণ এবং যাঁদের অবদানে এটি মুদ্রণের প্রচেষ্টা, ব্যয় নির্বাহ এবং এর তাহকীক ও হাদীসগুলোর তথ্যসূত্র বিশ্লেষণ সম্পন্ন হয়েছে, তাঁদেরকে ভুলে যাবেন না।

আর আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা, তিনি যেন আমরা যাঁদের কথা উল্লেখ করেছি তাঁদেরকে সেই সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন যা তিনি তাঁর দ্বীন প্রচার এবং তাঁর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাহ সংরক্ষণে প্রচেষ্টাকারীদের প্রদান করেন। আর একে কেয়ামত পর্যন্ত তাঁদের জন্য একটি চলমান সওয়াব হিসেবে গণ্য করেন, "যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোনো উপকারে আসবে না (৮৮), কেবল সেই ব্যক্তি ব্যতীত যে আল্লাহর কাছে বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে উপস্থিত হবে।" সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

 

দামেস্ক, ২৪ রমজান, ১৩৮৫ হিজরী

মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌ترجمة المصنف

الإمام ابن ابي شيبة

هو أبو بكر عبد الله بن محمد بن أبي شيبة: إبراهيم بن عثمان العبسي مولاهم الكوفي، صاحب التصانيف الكبار، مثل "المصنف" و "المسند" وغيرهما.

ولد سنة تسع وخمسين ومائة، وسمع الحديث من من جماعة من ثقات الأئمة، منهم سفيان بن عيينة، وعبد الله بن المبارك، وعبد الرحمن بن مهدي.

وروى عنه الإمام أحمد وابنه عبد الله، وهو من شيوخ الأئمة: البخاري ومسلم وأبي داود وابن ماجه.

قال أبو عبيد القاسم بن سلام:

"ربانيو الحديث أربعة، فأعلمهم بالحلال والحرام أحمد بن حنبل، وأحسنهم سياقة وأداءً له علي بن المديني، وأحسنهم وضعًا لكتاب ابن أبي شيبة، وأعلمهم بصحيح الحديث وسقيمه يحيى بن معين".

وقال أيضًا:

"انتهى الحديث إلى أربعة، إلى أبي بكر بن أبي شيبة، وأحمد بن حنبل، ويحيى بن معين، وعلي بن المديني، فأبو بكر أسردهم له، وأحمد أفقههم فيه، ويحيى أجمعهم له، وعلي أعلمهم به".

وقال العجلي: "ثقة حافظ".

وقال الخطيب البغدادي: "كان متقنًا حافظًا مكثرًا، صنف "المسند"
গ্রন্থকারের জীবনী

ইমাম ইবনে আবি শাইবাহ

তিনি হলেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শাইবাহ: ইব্রাহিম ইবনে উসমান আল-আবসি আল-কুফি (তাদের মুক্তদাস)। তিনি 'আল-মুসান্নাফ' ও 'আল-মুসনাদ' এবং এ জাতীয় অন্যান্য বৃহৎ গ্রন্থাবলির রচয়িতা।

তিনি একশত উনষাট হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং একদল নির্ভরযোগ্য ইমামের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক এবং আবদুর রহমান ইবনে মাহদি।

তাঁর নিকট থেকে ইমাম আহমাদ ও তাঁর পুত্র আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি ইমাম বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ-এর মতো প্রথিতযশা ইমামদের অন্যতম উস্তাদ ছিলেন।

আবু উবায়েদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম বলেছেন:

"হাদিস বিশারদদের মধ্যে রব্বানি (প্রাজ্ঞ) হলেন চারজন। তাঁদের মধ্যে হালাল ও হারাম সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হলেন আহমাদ ইবনে হাম্বল, হাদিস বর্ণনা ও উপস্থাপনে সবচেয়ে উত্তম হলেন আলি ইবনুল মাদিনি, কিতাব বিন্যাসে সবচেয়ে সুন্দর হলেন ইবনে আবি শাইবাহ এবং হাদিসের বিশুদ্ধতা ও দুর্বলতা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হলেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন।"

তিনি আরও বলেছেন:

"হাদিসের ইলম চার ব্যক্তিতে গিয়ে সমাপ্ত হয়েছে: আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, আহমাদ ইবনে হাম্বল, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন এবং আলি ইবনুল মাদিনি। তাঁদের মধ্যে আবু বকর হাদিস বর্ণনায় সবচেয়ে সাবলীল, আহমাদ সবচেয়ে বড় ফকিহ, ইয়াহইয়া সবচেয়ে বড় সংগ্রহকারী এবং আলি হাদিসের ইলমে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী ছিলেন।"

আল-ইজলি বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য হাফেজ ছিলেন।"

আল-খতিব আল-বাগদাদি বলেছেন: "তিনি ছিলেন অত্যন্ত নিপুণ, হাফেজ এবং বিপুল হাদিসের অধিকারী। তিনি 'আল-মুসনাদ' সংকলন করেছেন।"
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
"والأحكام" و "التفسير"، مات سنة خمس وثلاثين ومائتين".

ووصفه الحافظ الذهبي بـ: "الحافظ عديم النظير، الثبت النحرير".

توفي رحمه الله تعالى وله ست وسبعون سنة.

 

وكتابه "المصنف" يوجد منه في المكتبة الظاهرية المجلدات الآتية بخطوط مختلفة:

المجلد الأول. حديث 278 (ق 1 - 128).

نسخة ثانية منه محرومة. حديث 290 (ق 1 - 210).

المجلد الثاني. نسخة ثالثة محرومة حديث 422 (1 - 230).

المجلد السابع والثامن. نسخة رابعة. حديث 288 (ق 1 - 209)

المجلد الحادي عشر والثاني عشر: النسخة ذاتها. حديث 289 (ق 1 - 208).

وله في المكتبة "كتاب الأدب" على نحو "الأدب المفرد" للبخاري، الجزء الأول والثاني. مجموع 78 (137 - 183). ويفهم من بعض السماعات التي عليه أن تمامه بالجزء الثالث، وهو غير موجود في المكتبة، فإذا وجد في بعض المكاتب الأخرى فاني أقترح على بعض أهل الفضل أن يسعوا لنشره فإنه نفيس. والله الموفق.
"আল-আহকাম" এবং "আত-তাফসির", তিনি দুইশত পঁয়ত্রিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

হাফেজ আয-যাহাবি তাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন: "তিনি ছিলেন এক অতুলনীয় হাফেজ, অত্যন্ত সুদৃঢ় ও অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী বিশেষজ্ঞ"।

আল্লাহ তাআলা তার ওপর রহমত বর্ষণ করুন; তিনি যখন মৃত্যুবরণ করেন তখন তার বয়স ছিল ছিয়াত্তর বছর।

 

এবং জাহিরিয়া লাইব্রেরিতে তার "আল-মুসান্নাফ" কিতাবের নিম্নোক্ত খণ্ডগুলো বিভিন্ন হাতের লেখায় সংরক্ষিত আছে:

প্রথম খণ্ড। হাদিস নং ২৭৮ (পত্র ১ - ১২৮)।

এর দ্বিতীয় একটি অপূর্ণাঙ্গ কপি। হাদিস নং ২৯০ (পত্র ১ - ২১০)।

দ্বিতীয় খণ্ড। তৃতীয় একটি অপূর্ণাঙ্গ কপি। হাদিস নং ৪২২ (১ - ২৩০)।

সপ্তম ও অষ্টম খণ্ড। চতুর্থ কপি। হাদিস নং ২৮৮ (পত্র ১ - ২০৯)

একাদশ ও দ্বাদশ খণ্ড: একই কপি। হাদিস নং ২৮৯ (পত্র ১ - ২০৮)।

উক্ত লাইব্রেরিতে তার "কিতাবুল আদব" নামক একটি গ্রন্থও রয়েছে যা বুখারির "আল-আদাবুল মুফরাদ"-এর অনুরূপ, এর প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড বিদ্যমান। মাজমুআ নং ৭৮ (১৩৭ - ১৮৩)। কিতাবটির ওপর লিখিত কিছু শ্রবণ-অনুমতিপত্র (সামা'আত) থেকে বোঝা যায় যে এটি তৃতীয় খণ্ডের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে, যা এই লাইব্রেরিতে নেই। যদি এটি অন্য কোনো লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়, তবে আমি গুণীজনদের প্রতি এটি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছি, কেননা এটি একটি মূল্যবান গ্রন্থ। আল্লাহই তাওফিকদাতা।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
صورة الوجه الأول من الأصل المخطوط
মূল পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
صورة الوجه الأخير من الأصل المخطوط
মূল পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠার চিত্র।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

صلى الله على محمد وآله وسلم.

 

أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ الزَّاهِدُ وَالْوَرِعُ أَبُو عَلِيٍّ حَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يُوْسُفَ الْأُوقِيُّ(1) الصُّوفِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْأَرْبِعَاءِ سَادِسَ عَشْرَ رَبِيعٍ الْأَوَّل سَنَةَ ثَلاثٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّمِائَةٍ قِيْلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ الْإِمَامُ الصَّالِحُ أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ بْنِ مُحَمَّدٍ الرَّحَبِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ، وَذَلِكَ فِي الثَّامِنِ مِنْ رَجَبٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ بِـ (فُسْطَاطِ مِصْرَ) فَأَقَرَّ بِهِ وَقَالَ: نَعَمْ قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ الشَّيْخُ أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ قَاسِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَزَّازُ الْمَدَنِيُّ بِـ (فُسْطَاطٍ) فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخرِ سَنَةَ خَمْسَةَ عَشْرَةَ وَخَمْسِمِائَةٍ فَأَقَرَّ بِهِ، وِقَالَ: نَعَمْ أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عِيسَى الْفَارِسِيُّ الْفَسَوِيُّ(2) قِرَاءَةً عَلَيْهِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي التَّاسِعِ عَشَرَ مِنْ شَوَّالٍ مِنْ سَنَةِ إِحْدَى وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنُ رَشِيقٍ الْعَسْكَرِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، نَا أَبُو الْعَلاءِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ الْوَكِيعِيُّ الْكُوفِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَذَلِكَ فِي يَوْمِ السَّبْتِ لِسَبْعِ لَيَالٍ بَقِينَ مِنْ صَفَرِ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، نَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ الْكُوفِيُّ قَالَ:

--------------------------------------------

(1) لم أر هذه النسبة في شيء من كتب الأنساب.

(2) نسبة إلى (فسا) مدينة في بلاد فارس.
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আল্লাহ মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

 

বিরাগভাজন ও মুত্তাকী ইমাম আবু আলী হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইউসুফ আল-উকী(১) আস-সূফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শ্রবণরত ছিলাম ৬২৩ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের ১৬ তারিখ বুধবার। তাঁকে বলা হলো: নেককার ইমাম আবু উবাইদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আর-রাহাবী কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর কাছে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আপনি শ্রবণরত ছিলেন? আর তা ছিল ৫৭৫ হিজরির ৮ই রজব তারিখে মিশরের (ফুসতাত)-এ; অতঃপর তিনি তা স্বীকার করলেন এবং বললেন: হ্যাঁ। তাঁকে বলা হলো: শাইখ আবু সাদিক মুরশিদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে কাসিম ইবনে আলী আল-বায্যায আল-মাদানী কি (ফুসতাত)-এ ৫১৫ হিজরির রবিউস সানী মাসে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? অতঃপর তিনি তা স্বীকার করলেন এবং বললেন: হ্যাঁ। আমি আবু আল-কাসিম আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে ঈসা আল-ফারিসী আল-ফাসাবী(২) এর নিকট ৪৪১ হিজরির ১৯শে শাওয়াল জুমুআর দিনে পাঠকালে তিনি সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে রাশি আল-আসকারী তাঁর নিকট পাঠকালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আলা মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে জাফর আল-ওয়াকী আল-কুফী তাঁর নিকট পাঠকালে, আর তা ছিল ২৯৭ হিজরির সফর মাসের সাত রাত বাকি থাকতে শনিবার দিনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শাইবা আল-কুফী, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) আমি বংশবিদ্যার কোনো গ্রন্থে এই নিসবতটি (বংশনাম) দেখিনি।

(২) পারস্যের একটি শহর (ফাসা)-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
‌‌مَا ذُكِرَ فِي الْإِيمَانِ
ঈমান প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
1 - حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، قَالَ: سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ النَّزَّالِ يُحَدِّثُ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ:

"أَقْبَلْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَزْوَةِ تَبُوكَ، فَلَمَّا رَأَيْتُهُ خَالِيًا قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ، قَالَ: "بَخْ(3) لَقَدْ سَأَلْتَ عَنْ عَظِيمٍ، وَهُوَ يَسِيرٌ عَلَى مَنْ يَسَّرَهُ اللَّهُ، تُقِيمُ الصَّلَاةَ الْمَكْتُوبَةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ الْمَفْرُوضَةَ، وَتَلْقَى اللَّهَ لَا تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، أَوَلَا أَدُلُّكَ عَلَى رَأْسِ الْأَمْرِ وَعَمُودِهِ وَذُرْوَةِ سِنَامِهِ؟ وَأَمَّا رَأْسُ الْأَمْرِ فَالْإِسْلَامُ، مَنْ أَسْلَمَ سَلِمَ، وَأَمَّا عَمُودُهُ فَالصَّلَاةُ، وَأَمَّا ذُرْوَةُ سِنَامِهِ فَالْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ"(4).

 

2 - حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبِيبٍ، عَنْ مُعَاذٍ، قَالَ:

"خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ"، ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ.

--------------------------------------------

(3) كلمة تقال عند المدح والرضى بالشيء وتكرر للمبالغة. وهي مبنية على السكون، فإن وصلت جرت ونونت فقلت: بخٍ بخ وربما شددت.

(4) حديث صحيح بالطريق التي بعده، ورجاله ثقات رجال الشيخين غير عروة بن النزال، وثقه ابن حبان (1/ 158) فقط. وأخرجه الترمذي من طريق أبي وائل عن معاذ وقال: حديث حسن صحيح.
১ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন গুন্দার, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি বলেন: আমি উরওয়াহ ইবনুন নাজ্জালকে মু'আয ইবনে জাবাল থেকে হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন:

"আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তাবুক যুদ্ধ থেকে ফিরছিলাম। যখন আমি তাঁকে একা পেলাম, তখন বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে এমন একটি আমল সম্পর্কে বলুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। তিনি বললেন: "বাহ্‌(৩)! তুমি একটি মহৎ বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছ, আর এটি তার জন্য সহজ যার জন্য আল্লাহ একে সহজ করে দেন। তুমি ফরযকৃত সালাত কায়েম করবে, নির্ধারিত যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরীক না করে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে। আমি কি তোমাকে দ্বীনের মূল বিষয়, তার স্তম্ভ এবং তার সর্বোচ্চ চূড়া সম্পর্কে অবগত করব না? দ্বীনের মূল বিষয় হলো ইসলাম, যে আত্মসমর্পণ করে সে নিরাপদ থাকে। আর এর স্তম্ভ হলো সালাত এবং এর সর্বোচ্চ চূড়া হলো আল্লাহর পথে জিহাদ।"(৪).

 

২ - আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন উবাইদাহ ইবনে হুমাইদ, তিনি আল-আ'মাশ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি মাইমুন ইবনে আবি শাবীব থেকে, তিনি মু'আয থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

"আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তাবুক যুদ্ধে বের হয়েছিলাম", এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করলেন।

--------------------------------------------

(৩) এটি প্রশংসা এবং কোনো বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশের সময় বলা হয় এবং আধিক্য বুঝাতে পুনরাবৃত্তি করা হয়। এটি সুকুন বা স্থির চিহ্ন ভিত্তিক, তবে মিলিয়ে পড়লে কাসরা ও তানভীন যুক্ত হয় এবং তখন 'বাখিন বাখ' বলা হয়; কখনো কখনো এটি তাশদীদ বা দ্বিত্ব বর্ণ সহযোগেও উচ্চারিত হয়।

(৪) পরবর্তী সূত্রের মাধ্যমে এটি একটি সহীহ হাদিস। উরওয়াহ ইবনুন নাজ্জাল ব্যতীত এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য এবং শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর বর্ণনাকারী। কেবল ইবনে হিব্বান (১/১৫৮) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি আবু ওয়াইল-এর সূত্রে মু'আয থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান সহীহ হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ بَنِي أَسَدٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

"أَرْبَعٌ لَنْ يَجِدَ رَجُلٌ طَعْمَ الْإِيمَانِ حَتَّى يُؤْمِنَ بِهِنَّ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ بَعَثَنِي بِالْحَقِّ، وَبِأَنَّهُ مَيِّتٌ ثُمَّ مَبْعُوثٌ مِنْ بَعْدِ الْمَوْتِ، وَيُؤْمِنُ بِالْقَدَرِ كُلِّهِ"(5).

--------------------------------------------

(5) رجاله ثقات، غير الرجل الأسدي فإنه لم يسمَّ، وقد أخرجه ابن حبان في "صحيحه" (23 - موارد) من طريق سفيان عن منصور عن ربعي عن علي، فأسقط الرجل، ورواه =
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, মানসুর থেকে, তিনি রিবঈ থেকে, তিনি বনু আসাদ গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"চারটি বিষয় এমন যে, কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের স্বাদ পাবে না যতক্ষণ না সে এগুলোর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক; এবং আমি আল্লাহর রাসূল, তিনি আমাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন; এবং সে অবশ্যই মৃত্যুবরণ করবে অতঃপর মৃত্যুর পর পুনরুত্থিত হবে; এবং সে ভাগ্যের ভালো-মন্দের সবকিছুর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করবে।"(৫).

--------------------------------------------

(৫) এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে বনু আসাদের সেই ব্যক্তি ছাড়া, কারণ তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। ইবনে হিব্বান এটি তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থে (২৩ - মাওয়ারিদ) সুফিয়ান-এর সূত্রে মানসুর থেকে, তিনি রিবঈ থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, সেখানে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে বাদ দিয়েছেন। এবং এটি বর্ণনা করেছেন =
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
4 - حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنِ ابْنِ

 

⦗ص: 17⦘

عَبَّاسٍ، قَالَ:

"جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ(6) صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا غُلَامَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ! فَقَالَ: "وَعَلَيْكَ" قَالَ: إِنِّي رَجُلٌ مِنْ أَخْوَالِكَ مِنْ بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ، وَأَنَا رَسُولُ قَوْمِي إِلَيْكَ وَوَافِدُهُمْ، وَأَنَا سَائِلُكَ فَمُشِيدُ(7) مَسْأَلَتِي إِيَّاكَ، وَمُنَاشِدُكَ فَمُشِيدُ مُنَاشَدَتِي إِيَّاكَ، قَالَ: "خُذْ عَلَيْكَ يَا أَخَا بَنِي سَعْدٍ، قَالَ: مَنْ خَلَقَكَ وَمَنْ هُوَ خَالِقُ مَنْ قَبْلَكَ وَمَنْ هُوَ خَالِقُ مَنْ بَعْدَكَ؟ قَالَ: "اللَّهُ"، قَالَ: فَنَشَدْتُكَ بِاللَّهِ أَهُوَ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: "نَعَمْ" قَالَ: مَنْ خَلَقَ السَّمَوَاتِ السَّبْعَ وَالْأَرَضِينَ السَّبْعَ، وَأَجْرَى بَيْنَهُمَا الرِّزْقَ؟ قَالَ: "اللَّهُ" قَالَ: فَأَنْشَدْتُكَ بِاللَّهِ أَهُوَ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: "نَعَمْ" قَالَ: فَإِنَّا وَجَدْنَا فِي كِتَابِكَ، وَأَمَرَتْنَا رُسُلُكَ أَنْ نُصَلِّيَ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ خَمْسَ صَلَوَاتٍ لِمَوَاقِيتِهَا، فَنَشَدْتُكَ بِاللَّهِ أَهُوَ أَمَرَكَ؟ قَالَ: "نَعَمْ" قَالَ: فَإِنَّا وَجَدْنَا فِي كِتَابِكَ وَأَمَرَتْنَا رُسُلُكَ، أَنْ نَأْخُذَ مِنْ حَوَاشِي(8) أَمْوَالِنَا فَنَرُدَّهُ عَلَى فُقَرَائِنَا، فَنَشَدْتُكَ بِاللَّهِ أَهُوَ أَمَرَكَ؟ قَالَ: "نَعَمْ"، قَالَ: ثُمَّ قَالَ: أَمَّا الْخَامِسَةُ فَلَسْتُ بِسَائِلِكَ عَنْهَا، وَلَا إِرْبَ لِي فيها، قَالَ: ثُمَّ قَالَ: أَمَا وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَأَعْمَلَنَّ بِهَا وَمَنْ أَطَاعَنِي مِنْ قَوْمِي، ثُمَّ رَجَعَ، فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ وَقَالَ: "وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَئِنْ صَدَقَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ"(9).

--------------------------------------------

= الترمذي على الوجهين ورجح الآخر، وكذا الحاكم وصححه على شرط الشيخين، ووافقه الذهبي.

(6) الأصل "رسول الله" وفوقها لفظ "النبي" كأن الناسخ يشير بذلك إلى أنها نسخة، فآثرناها لموافقتها لنسخة "المصنف" (12/ 2/8).

(7) أي مذيع، في "النهاية": يقال: أشاده، وأشاد إذا أشاعه ورفع ذكره.

(8) هي صغار الإبل، كابن المخاض وابن اللبون، واحدها (حاشية)، وحاشية كل شيء جانبه، وطرفه، وهو كالحديث الآخر: اتق كرائم أموالهم. "نهاية".

(9) حديث صحيح، ورجاله كلهم ثقات رجال البخاري، وله شاهد في "الصحيحين" من حديث أنس، وهو الآتي بعبده.
৪ - ইবনে ফুযাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা বিন আস-সাইব থেকে, তিনি সালিম বিন আবিল জাদ থেকে, তিনি ইবনে

 

⦗পৃষ্ঠা: ১৭⦘

আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

"একজন বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে বনি আবদিল মুত্তালিবের যুবক! আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। তিনি বললেন: 'এবং তোমার ওপরও।' সে বলল: আমি আপনার মামাতো গোষ্ঠী বনি সাদ বিন বকরের একজন লোক। আমি আপনার নিকট আমার কওমের প্রতিনিধি ও দূত হিসেবে এসেছি। আমি আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করব এবং আমার জিজ্ঞাসাকে গুরুত্ব দেব, আর আপনাকে কসম দেব এবং আমার কসমকে জোরালো করব। তিনি বললেন: 'হে বনি সাদের ভাই, তোমার যা চাওয়ার তা পেশ করো।' সে বলল: কে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনার পূর্ববর্তীদের ও আপনার পরবর্তীদের স্রষ্টা কে? তিনি বললেন: 'আল্লাহ'। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তিনিই কি আপনাকে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ'। সে বলল: কে সাত আসমান ও সাত যমিন সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয়ের মাঝে রিযিকের প্রবাহ চালিয়েছেন? তিনি বললেন: 'আল্লাহ'। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তিনিই কি আপনাকে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ'। সে বলল: আমরা আপনার কিতাবে পেয়েছি এবং আপনার প্রেরিত দূতেরা আমাদের আদেশ করেছেন যেন আমরা দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত তার নির্দিষ্ট সময়ে আদায় করি। আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তিনিই কি আপনাকে এই নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ'। সে বলল: আমরা আপনার কিতাবে পেয়েছি এবং আপনার প্রেরিত দূতেরা আমাদের আদেশ করেছেন যেন আমরা আমাদের সম্পদের প্রান্তিক বা অতিরিক্ত অংশগুলো গ্রহণ করি এবং তা আমাদের দরিদ্রদের মাঝে ফিরিয়ে দিই। আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তিনিই কি আপনাকে এই নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ'। তারপর সে বলল: পঞ্চম বিষয়টি সম্পর্কে আমি আপনাকে প্রশ্ন করব না এবং তাতে আমার কোনো প্রয়োজন নেই। অতঃপর সে বলল: সেই সত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি অবশ্যই এর ওপর আমল করব এবং আমার কওমের যারা আমার আনুগত্য করবে তারাও করবে। এরপর সে ফিরে গেল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হেসে দিলেন এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশিত হয়ে পড়ল এবং তিনি বললেন: 'সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, সে যদি সত্য বলে থাকে তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে'।"

--------------------------------------------

= আত-তিরমিযী উভয়ভাবে এটি উল্লেখ করেছেন এবং পরেরটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। অনুরূপভাবে হাকেম এটি বর্ণনা করেছেন এবং বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী একে সহীহ বলেছেন, আর যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে "রাসূলুল্লাহ" ছিল এবং তার উপরে "নবী" শব্দটি ছিল, যেন লেখক এর মাধ্যমে ইশারা করেছেন যে এটি একটি ভিন্ন পাঠান্তর। আমরা "মুসান্নাফ" (১২/ ২/৮) এর কপির সাথে মিল থাকায় একেই গ্রহণ করেছি।

(৭) অর্থাৎ প্রচারকারী। 'আন-নিহায়াহ' গ্রন্থে আছে: 'আশাদাহু' এবং 'আশাদা' বলা হয় যখন কেউ কোনো কিছু প্রচার করে এবং তার চর্চা বৃদ্ধি করে।

(৮) এগুলো হলো উটের ছোট বাচ্চা, যেমন ইবনুল মাখায এবং ইবনুল লাবুন। এর একবচন হলো (হাশিয়াহ)। প্রতিটি বস্তুর 'হাশিয়াহ' হলো তার কিনারা বা একপাশ। এটি অন্য একটি হাদীসের মতো: "তাদের উৎকৃষ্ট সম্পদ গ্রহণ করা থেকে বেঁচে থাকো।" (নিহায়াহ)।

(৯) হাদীসটি সহীহ। এর সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য এবং ইমাম বুখারীর বর্ণনাকারী। আনাস (রাযি.)-এর সূত্রে বুখারী ও মুসলিম শরীফে এর একটি সমর্থক বর্ণনা রয়েছে যা সামনে আসবে।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
5 - حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: " كُنَّا قَدْ نُهِينَا أَنْ نَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ شَيْءٍ وَكَانَ يُعْجِبُنَا أَنْ يَجِيءَ

 

⦗ص: 18⦘

الرَّجُلُ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ الْعَاقِلُ فَيَسْأَلُهُ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، فَجَاءَهُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، أَتَى رَسُولُكَ فَزَعَمَ أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ اللَّهَ أَرْسَلَكَ، فَقَالَ: "صَدَقَ" قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ السَّمَاءَ؟ قَالَ: "اللَّهُ" قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ الْأَرْضَ؟ قَالَ: "اللَّهُ" قَالَ: فَمَنْ نَصَبَ هَذِهِ الْجِبَالَ؟ قَالَ: "اللَّهُ" قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَاءَ، وَخَلَقَ الْأَرْضَ، وَنَصَبَ الْجِبَالَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: "نَعَمْ" قَالَ: زَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي يَوْمِنَا، قَالَ: "صَدَقَ". قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَوَاتِ، وَخَلَقَ الْأَرْضَ، وَنَصَبَ الْجِبَالَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: "نَعَمْ". قَالَ: زَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ شَهْرٍ فِي سَنَتِنَا، قَالَ: "صَدَقَ". قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَاءَ، وَخَلَقَ الْأَرْضَ، وَنَصَبَ الْجِبَالَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: "نَعَمْ". قَالَ: زَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا الْحَجَّ مِنَ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا، قَالَ: "صَدَقَ". قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَاءَ، وَخَلَقَ الْأَرْضَ، وَنَصَبَ الْجِبَالَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: "نَعَمْ". فَقَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَزِيدُ عَلَيْهِ شَيْئًا، وَلَا أُنْقِصُ مِنْهُ شَيْئًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "إِنْ صَدَقَ دَخَلَ الْجَنَّةَ"(10).

--------------------------------------------

(10) إسناده صحيح على شرط الشيخين، وقد أخرجاه من طرق أخرى عن سليمان بن المغيرة.
৫ - শাবাবাহ বিন সাওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন আল-মুগীরা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তাই মরুভূমি থেকে কোনো বুদ্ধিমান লোক এসে তাঁকে প্রশ্ন করবে আর আমরা তা শুনব—এটি আমাদের নিকট খুব প্রিয় ছিল। একদা জনৈক মরুবাসী লোক তাঁর নিকট এসে বলল: হে মুহাম্মাদ, আপনার প্রেরিত দূত আমাদের নিকট এসেছিলেন এবং তিনি দাবি করেছেন যে, আপনি নাকি দাবি করেন যে আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: 'তিনি সত্য বলেছেন।' লোকটি বলল: তবে আকাশ কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: 'আল্লাহ।' সে বলল: তবে পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: 'আল্লাহ।' সে বলল: তবে এই পাহাড়সমূহ কে স্থাপন করেছেন? তিনি বললেন: 'আল্লাহ।' সে বলল: তবে যিনি আকাশ সৃষ্টি করেছেন, পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন—তাঁর কসম করে বলছি, আল্লাহই কি আপনাকে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ।' সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে আমাদের ওপর দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ। তিনি বললেন: 'তিনি সত্য বলেছেন।' সে বলল: তবে যিনি আকাশসমূহ সৃষ্টি করেছেন, পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন—তাঁর কসম করে বলছি, আল্লাহই কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ।' সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে আমাদের ওপর বছরে এক মাস রোজা রাখা ফরজ। তিনি বললেন: 'তিনি সত্য বলেছেন।' সে বলল: তবে যিনি আকাশ সৃষ্টি করেছেন, পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন—তাঁর কসম করে বলছি, আল্লাহই কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ।' সে বলল: আপনার দূত দাবি করেছেন যে আমাদের মধ্যে যার সামর্থ্য আছে তার ওপর হজ করা ফরজ। তিনি বললেন: 'তিনি সত্য বলেছেন।' সে বলল: তবে যিনি আকাশ সৃষ্টি করেছেন, পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন—তাঁর কসম করে বলছি, আল্লাহই কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: 'হ্যাঁ।' তখন সে বলল: সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি এর ওপর কোনো কিছু বৃদ্ধি করব না এবং তা থেকে কোনো কিছু হ্রাসও করব না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: 'যদি সে সত্য বলে থাকে তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে'(১০)।

--------------------------------------------

(১০) এর সনদ শায়খায়নের (বুখারী ও মুসলিম) শর্ত অনুযায়ী সহীহ, এবং তাঁরা সুলাইমান বিন আল-মুগীরা থেকে অন্যান্য সূত্রেও এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
6 - حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مَسْعَدَةَ، نا قَتَادَةُ، نا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

"الْإِسْلَامُ عَلَانِيَةٌ، وَالْإِيمَانُ فِي الْقَلْبِ ثُمَّ يُشِيرُ بِيَدِهِ إِلَى صَدْرِهِ: التَّقْوَى هَاهُنَا، التَّقْوَى هَاهُنَا"(11).

--------------------------------------------

(11) ضعيف السند من أجل علي بن مسعدة فهو سيء الحفظ، وقال عبد الحق الإشبيلي في "أحكامه" (رقم 10 بتحقيقي): "حديث غير محفوظ".
৬ - আমাদের নিকট যায়িদ ইবনুল হুবাব বর্ণনা করেছেন, তিনি আলী ইবনে মাসআদাহ থেকে, আমাদের নিকট কাতাদাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আনাস ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"ইসলাম প্রকাশ্য এবং ঈমান হৃদয়ে। এরপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে নিজের বুকের দিকে ইশারা করে বললেন: তাকওয়া এখানে, তাকওয়া এখানে।"(১১).

--------------------------------------------

(১১) আলী ইবনে মাসআদাহর কারণে এর সনদটি দুর্বল, কেননা তিনি মন্দ মুখস্থ শক্তির অধিকারী ছিলেন। আব্দুল হক আল-ইশবীলী তাঁর "আল-আহকাম" গ্রন্থে (আমার তাহকীক অনুযায়ী ১০ নং) বলেছেন: "হাদীসটি সংরক্ষিত নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
7 - حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ، نا أَبُو هِلَالٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

"لَا إِيمَانَ لِمَنْ لَا أَمَانَةَ لَهُ"(12).

--------------------------------------------

(12) حديث صحيح، وإسناده حسن، أخرجه أحمد من طرق أخرى عن أبي هلال به، وله عنده (3/ 251) طريق ثانية عن أنس، وعند ابن حبان (47) طريق ثالثة عنه وفي كلها زيادة "ولا دين لمن لا عهد له".
৭ - মুসাব ইবনুল মিকদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

"যার আমানতদারি নেই, তার কোনো ঈমান নেই।"(১২).

--------------------------------------------

(১২) হাদিসটি সহীহ এবং এর বর্ণনাসূত্র হাসান; ইমাম আহমাদ এটি আবু হিলাল থেকে অন্যান্য সূত্রে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর নিকট (৩/ ২৫১) আনাস (রা.) থেকে দ্বিতীয় একটি সূত্র রয়েছে, এবং ইবনে হিব্বানের নিকট (৪৭) তাঁর থেকে তৃতীয় একটি সূত্র রয়েছে; আর সবকটি বর্ণনায় এই অতিরিক্ত অংশটি রয়েছে: "আর যার প্রতিশ্রুতি রক্ষা নেই, তার কোনো দ্বীন নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، نا عَوْفٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ هِنْدٍ الْجَمَلِيِّ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رضي الله عنه:

"الْإِيمَانُ يَبْدَأُ لُمْظَةٌ(13) بَيْضَاءُ فِي الْقَلْبِ، كُلَّمَا ازْدَادَ الْإِيمَانُ، ازْدَادَتْ بَيَاضًا، حَتَّى يَبْيَضَّ الْقَلْبُ كُلُّهُ، وَإِنَّ النِّفَاقَ يَبْدَأُ لُمْظَةٌ سَوْدَاءُ فِي الْقَلْبِ فَكُلَّمَا ازْدَادَ النِّفَاقُ ازْدَادَتْ حَتَّى يَسْوَدَّ الْقَلْبُ كُلُّهُ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ شَقَقْتُمْ عَنْ قَلْبِ مُؤْمِنٍ وَجَدْتُمُوهُ أَبْيَضَ الْقَلْبِ، وَلَوْ شَقَقْتُمْ عَنْ قَلْبِ مُنَافِقٍ وَجَدْتُمُوهُ أَسْوَدَ الْقَلْبِ".

--------------------------------------------

زيادة " ولا دين لمن لا عهد له ".

(13) اللمظة بالضم مثل النكتة من البياض: وكذا وقع في "كتاب الإيمان" لأبي عبيد (رقم التعليق (35)، ووقع في "المصنف": "نقطة"! ثم إن هذا الأثر منقطع الإسناد؛ بين عبد الله وعلي كما في "التقريب" و "الخلاصة".
৮ - আমাদের নিকট আবু উসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি আউফ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে হিন্দ আল-জামালি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন:

"ঈমান হৃদয়ে একটি সাদা বিন্দুর(১৩) মতো শুরু হয়। ঈমান যত বৃদ্ধি পায়, শুভ্রতাও তত বৃদ্ধি পায়, এমনকি পুরো অন্তর সাদা হয়ে যায়। আর নিফাক হৃদয়ে একটি কালো বিন্দুর মতো শুরু হয়, অতঃপর নিফাক যত বৃদ্ধি পায় সেই কালো দাগও তত বৃদ্ধি পায়, এমনকি পুরো অন্তর কালো হয়ে যায়। সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ, তোমরা যদি কোনো মুমিনের অন্তর চিরে দেখতে তবে তার অন্তর সাদা পেতে, আর যদি কোনো মুনাফিকের অন্তর চিরে দেখতে তবে তার অন্তর কালো পেতে।"

--------------------------------------------

অতিরিক্ত বর্ণনা: "আর যার প্রতিশ্রুতি নেই তার কোনো দ্বীন নেই।"

(১৩) 'আল-লুমজাহ' (লাম বর্ণে পেশসহ) হলো সাদা বিন্দুর মতো। আবু উবাইদ কৃত 'কিতাবুল ঈমান'-এ (আছার নং ৩৫) এভাবেই এসেছে, আর 'আল-মুসান্নাফ'-এ এসেছে 'নুকতাহ' (বিন্দু) শব্দে। তাছাড়া এই আছারের সনদ বিচ্ছিন্ন; আবদুল্লাহ এবং আলীর মাঝে (সূত্র বিচ্ছিন্ন), যেমনটি 'আত-তাকরীব' ও 'আল-খুলাসা' গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
9 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ: نا الْأَعْمَشُ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مَسِيرَةَ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ:

"إِنَّ الرَّجُلَ لَيُذْنِبُ الذَّنْبَ فَيُنْكَتُ فِي قَلْبِهِ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ، ثُمَّ يُذْنِبُ الذَّنْبَ فَتُنْكَتُ أُخْرَى حَتَّى يَصِيرَ لَوْنَ قَلْبِهِ لَوْنَ الشَّاةِ الرَّبْدَاءِ"(14).

--------------------------------------------

(14) في "النهاية": "وقيل الربدة لون بين السواد والغبرة". وفي "القاموس": "والربداء المنكرة، ومن المعز السوداء المنقطة بحمرة" والمعنى الأول هنا أقرب أي الشاة ذات اللون بين السواد والغبرة.

وهذا الأثر عن ابن مسعود صحيح الإسناد.
৯ - ওয়াকী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আল-আমাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন মাসিরাহ থেকে, তিনি তারিক বিন শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বলেছেন:

"নিশ্চয়ই মানুষ যখন কোনো পাপ করে, তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। এরপর সে যখন পুনরায় পাপ করে, তখন আরেকটি দাগ পড়ে; এভাবে হতে হতে তার অন্তরের রং ছাই-কালো বর্ণের ভেড়ার রঙের মতো হয়ে যায়।"(১৪).

--------------------------------------------

(১৪) 'আন-নিহায়া' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "বলা হয়ে থাকে যে, 'রুবদাহ' হলো কালো এবং ধুলোটে রঙের মধ্যবর্তী একটি রং।" এবং 'আল-কামুস' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "আর 'রাবদা' হলো কদাকার বা সংমিশ্রিত রং, আর ছাগলের ক্ষেত্রে তা হলো সেই কালো ছাগল যার শরীরে লালচে বিন্দুর ছাপ রয়েছে।" তবে এখানে প্রথম অর্থটিই অধিকতর নিকটবর্তী, অর্থাৎ কালো ও ধুলোটে রঙের মধ্যবর্তী রঙের ভেড়া।

ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত এই আসারটির সনদ সহিহ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
10 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: قَالَ هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ:

"مَا نَقَصَتْ أَمَانَةُ عَبْدٍ قَطُّ إِلَّا نَقَصَ إِيمَانُهُ".
১০ - ওয়াকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি বলেন, হিশাম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

"কোনো বান্দার আমানতদারী যখনই হ্রাস পায়, তখনই তার ঈমানও হ্রাস পায়।"
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
11 - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ:

"الْإِيمَانُ هَيُوبٌ"(15).

--------------------------------------------

(15) أي يهاب أهله، فعول بمعنى مفعول، فالناس يهابون أهل الإيمان لأنهم يهابون الله تعالى ويخافونه، وقيل: هو فعول، بمعنى فاعل، أي أن المؤمن يهاب الذنوب فيتقيها، نهاية.
১১ - সুফিয়ান ইবন উয়ায়না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর থেকে, তিনি উবায়দ ইবন উমায়র থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

"ঈমান হলো অত্যন্ত গাম্ভীর্যপূর্ণ ও সমীহ জাগানিয়া।"(১৫).

--------------------------------------------

(১৫) অর্থাৎ এর অধিকারীদের (মুমিনদের) সমীহ করা হয়; এখানে 'ফাউল' শব্দটি 'মাফউল'-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ফলে মানুষ ঈমানদারদের সমীহ ও শ্রদ্ধা করে, কারণ তারা মহান আল্লাহকে সমীহ ও ভয় করে। আবার বলা হয়েছে: এটি 'ফাউল' শব্দটি 'ফায়েল'-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ মুমিন ব্যক্তি গুনাহকে ভয় করে এবং তা থেকে বেঁচে থাকে; 'নিহায়াহ'।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
12 - حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ:

 

⦗ص: 20⦘

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ بِشْرَ بْنَ سُحَيْمٍ الْغِفَارِيَّ يَوْمَ النَّحْرِ يُنَادِي فِي مِنًى: أَنَّهُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلَّا نَفْسٌ مُؤْمِنَةٌ "(16).

--------------------------------------------

(16) حديث صحيح، وصله الشيخان عن ابن مسعود وغيره.
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে উয়াইনাহ, আমর থেকে, তিনি নাফি ইবনে জুবায়ের থেকে:

 

⦗পৃষ্ঠা: ২০⦘

নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন বিশর ইবনে সুহাইম আল-গিফারিকে মিনায় এই ঘোষণা দেওয়ার জন্য পাঠালেন যে: "মুমিন ব্যক্তি ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।"(১৬).

--------------------------------------------

(১৬) হাদীসটি সহীহ, শায়খাইন এটি ইবনে মাসউদ ও অন্যান্যদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
13 - حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ:

"لَا يَغُرَّنَّكُمْ صَلَاةُ امْرِئٍ وَلَا صِيَامُهُ، مَنْ شَاءَ صَامَ، وَمَنْ شَاءَ صَلَّى، لَا دِينَ لِمَنْ لَا أَمَانَةَ لَهُ".
১৩ - ওয়াকী‘ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

"কোনো ব্যক্তির সালাত এবং তার সিয়াম যেন তোমাদেরকে প্রবঞ্চিত না করে। যে চায় সে সিয়াম পালন করে এবং যে চায় সে সালাত আদায় করে। যার আমানতদারী নেই, তার কোনো দ্বীন নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
14 - حَدَّثَنَا عَفَّانُ: نا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْخَطْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ عُمَيْرِ بْنِ حَبِيبِ بْنِ خُمَاشَةَ(17) أَنَّهُ قَالَ:

"الْإِيمَانُ يَزِيدُ وَيَنْقُصُ، فَقِيلَ فَمَا زِيَادَتُهُ؟ وَمَا نُقْصَانُهُ؟ قَالَ: إِذَا ذَكَرْنَا رَبَّنَا وَخَشَيْنَاهُ فَذَلِكَ زِيَادَتُهُ، وَإِذَا غَفَلْنَا وَنَسِينَا وَضَيَّعْنَا فَذَلِكَ نُقْصَانُهُ".

--------------------------------------------

(17) بضم المعجمة وتخفيف الميم، صحابي من أصحاب الشجرة، وليس له رواية لكن ابنه واسمه يزيد بن عمير. لم أجد له ترجمة.
১৪ - আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আল-খাতমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা উমাইর ইবনে হাবীব ইবনে খুমাশাহ(১৭) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:

"ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং হ্রাস পায়। জিজ্ঞেস করা হলো: এর বৃদ্ধি কী এবং এর হ্রাস কী? তিনি বললেন: যখন আমরা আমাদের রবকে স্মরণ করি এবং তাঁকে ভয় করি, তখন তা এর বৃদ্ধি। আর যখন আমরা গাফেল হই, ভুলে যাই এবং (আমল) নষ্ট করি, তখন তা এর হ্রাস।"

--------------------------------------------

(১৭) প্রথম বর্ণে পেশ এবং মীম বর্ণটি তাশদীদবিহীন উচ্চারণে। তিনি বৃক্ষের নিচে বায়আত গ্রহণকারী সাহাবীদের (আসহাবুশ শাজারাহ) অন্তর্ভুক্ত একজন সাহাবী। তাঁর কোনো বর্ণনা নেই, তবে তাঁর পুত্র যার নাম ইয়াযীদ ইবনে উমাইর, তাঁর বর্ণনা রয়েছে। আমি তাঁর কোনো জীবনবৃত্তান্ত খুঁজে পাইনি।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
15 - حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ:

"اللَّهُمَّ لَا تَنْزِعْ مِنِّي الْإِيمَانَ كَمَا أَعْطَيْتَنِيهِ"(18).

--------------------------------------------

(18) هذا موقوف صحيح الإسناد، ومثله الذي بعده.
১৫ - ইবনু নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনু উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন:

“হে আল্লাহ, আপনি আমাকে যেভাবে ঈমান দান করেছেন, তা আমার থেকে ছিনিয়ে নেবেন না”(১৮)।

--------------------------------------------

(১৮) এটি সহীহ সনদে বর্ণিত একটি মাওকুফ (সাহাবীর উক্তি) বর্ণনা, এবং এর পরবর্তীটিও এর অনুরূপ।
(খণ্ড: ১) আল-ঈমান - ইবনে আবি শাইবাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
16 - حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ الْعَوَّامِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُدْرِكٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ:

"الْإِيمَانُ نَزِهٌ(19)، فَمَنْ زَنَا فَارَقَهُ الْإِيمَانُ، فَمَنْ لَامَ نَفْسَهُ وَرَاجَعَ رَاجَعَهُ الْإِيمَانُ".

--------------------------------------------

(19) أي بعيد عن المعاصي.
১৬ - ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওয়াম থেকে, তিনি আলী ইবনে মুদরিক থেকে, তিনি আবু যুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

"ঈমান হলো পাপাচারমুক্ত(১৯); সুতরাং যে ব্যক্তি ব্যভিচার করল, ঈমান তাকে ত্যাগ করল। অতঃপর যে ব্যক্তি নিজেকে ভর্ৎসনা করল এবং ফিরে এল, ঈমান তার নিকট ফিরে এল।"

--------------------------------------------

(১৯) অর্থাৎ পাপাচার থেকে দূরে।