(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: -)
السيرة النبوية عند الهيثمي في كتابه مجمع الزوائد ومنبع الفوائد القسم: السيرة النبوية
الكتاب: السيرة النبوية عند الهيثمي في كتابه مجمع الزوائد ومنبع الفوائد
(ضمن أبحاث ندوة عناية السعودية بالسنة والسيرة النبوية)
المؤلف: د سليمان بن عبد الله السويكت
الناشر: مجمع الملك فهد لطباعة المصحف الشريف بالمدينة المنورة
عدد الصفحات: 57
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-হাইসামীর ‘মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ’ গ্রন্থে সীরাতুন নবী বিভাগ: সীরাতুন নবী
কিতাব: আল-হাইসামীর ‘মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ’ গ্রন্থে সীরাতুন নবী
(সুন্নাহ ও সীরাতুন নবীর প্রতি সৌদি আরবের যত্নের বিষয়ে আয়োজিত সিম্পোজিয়ামের গবেষণাপত্র সমূহের অন্তর্ভুক্ত)
লেখক: ড. সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আস-সুওয়াইকিত
প্রকাশক: মদীনা মুনাওয়ারায় পবিত্র কুরআন মুদ্রণের জন্য কিং ফাহদ কমপ্লেক্স
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৭
[কিতাবের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১)
السيرة النبوية عند الهيثمي في كتابه مجمع الزوائد ومنبع الفوائد
تأليف: أ. د. سليمان بن عبد الله السويكت
ال
مقدمة:إن الحمد لله تعالى، نحمده ونستعينه ونستغفره ونستهديه، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، وسيئات أعمالنا، من يهده الله تعالى فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله صلى الله عليه وسلم، أما بعد:
فإن سيرة رسولنا الحبيب صلى الله عليه وسلم تعد منبعاً ثراً، ومورداً لا ينضب، من الحكمة والهدى والنور والعبرة، لمن رام الاستقامة من أمته صلى الله عليه وسلم على الحياة الفاضلة الكريمة في حياته الخاصة أو العامة.
ومن مزايا هذه السيرة العطرة تنوُّع مادتها، وتنوع مصادرها؛ ويأتي على رأس قائمة هذه المصادر كتاب الله الكريم، ثم ما أثر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أو عن صحابته الكرام مما دُوِّن في كتب الحديث.
ولا ريب أن معظم المصنفات في علم الحديث؛ متقدمها ومتأخرها، تؤلف رافداً مهماً من روافد بناء سيرته الكريمة صلى الله عليه وسلم؛ وذلك أن علماءنا رحمهم الله تعالى عندما بدؤوا يجمعون حديث رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم ويؤلفون فيه، رأوا ضرورة جمع كل ما يتصل بحياته صلى الله تعالى عليه وسلم الخاصة والعامة وسائر أحواله، لأنها تؤلف جزءاً من هذا الدين. ثم رأوا أنه لابد أيضاً من جمع سير الصحابة الذين كانوا معه في غزواته وحروبه والذين شاركوا معه في تبليغ دعوته وبيان مناقبهم، وأفردت لهذه الموضوعات وغيرها مساحات مناسبة في تلك المصنفات، وقد كان لبعض أبناء الصحابة روايات في المغازي والسير، وتابع العلماء عبر القرون السالفة التأليف في هذا العلم ورسخوا قواعده.
আল-হাইসামির নিকট সীরাতুন্নবী: তাঁর 'মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ' গ্রন্থ অবলম্বনে
রচনায়: প্রফেসর ড. সুলাইমান বিন আবদুল্লাহ আস-সুওয়াইকিত
ভূমিকা
:নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য চাই, তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁরই নিকট হিদায়াত কামনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। মহান আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর:
আমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সীরাত (জীবনচরিত) হলো হিকমত, হিদায়াত, নূর এবং উপদেশের এক সমৃদ্ধ উৎস ও অফুরন্ত প্রস্রবণ; তাঁর উম্মতের মধ্য থেকে যারা তাদের ব্যক্তিগত বা সামাজিক জীবনে একনিষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পথে পরিচালিত হতে চায় তাদের জন্য।
এই সুগন্ধিময় সীরাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য এবং এর উৎসের বহুমুখিতা। এই উৎসগুলোর তালিকার শীর্ষে রয়েছে মহান আল্লাহর কিতাব, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীস অথবা তাঁর সম্মানিত সাহাবীগণ থেকে বর্ণিত সেই সকল বিবরণ যা হাদীসের গ্রন্থসমূহে লিপিবদ্ধ হয়েছে।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, হাদীস শাস্ত্রের প্রাচীন ও পরবর্তীকালের অধিকাংশ সংকলনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মহান সীরাত পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত। এর কারণ হলো, আমাদের আলিমগণ (আল্লাহ তাঁদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন) যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস সংগ্রহ ও সংকলন শুরু করেন, তখন তাঁরা তাঁর ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন এবং তাঁর সকল অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট সবকিছু সংকলন করা আবশ্যক মনে করেন; কেননা তা এই দ্বীনেরই একটি অংশ। অতঃপর তাঁরা সেই সকল সাহাবীদের জীবনী সংগ্রহ করাকেও প্রয়োজনীয় মনে করেন যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বিভিন্ন যুদ্ধ ও অভিযানে শরিক ছিলেন এবং যারা তাঁর দাওয়াত প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন, সেই সাথে তাঁদের মর্যাদাও বর্ণনা করা হয়েছে। ঐ সকল সংকলনসমূহে এই সব বিষয় ও অন্যান্য প্রসঙ্গের জন্য পর্যাপ্ত স্থান রাখা হয়েছে। সাহাবীগণের কোনো কোনো সন্তান থেকেও মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) ও সীরাত সংক্রান্ত বর্ণনা এসেছে। বিগত শতাব্দীগুলোতে আলিমগণ এই শাস্ত্রের ওপর লেখালেখি অব্যাহত রেখেছেন এবং এর মূলনীতিসমূহকে সুদৃঢ় করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২)
وتبرز قيمة هذا الموضوع الذي نحن بصدده من قيمة الكتاب مناط البحث، ومن مكانة مؤلفه العلمية؛ فقد استخرج الهيثمي -رحمه الله تعالى- كتابه هذا من عدد من كتب الحديث المتقدمة، في محاولة لحصر - أو تمييز - الأحاديث الزائدة عن ما في الكتب الستة في مؤلف مستقل؛ ولهذا فإذا ضممنا ما لدينا في هذا الكتاب من أحاديث السيرة النبوية إلى ما في الكتب الستة من أحاديث تتعلق بها، يصبح بين أيدينا مادة كبيرة جداً من الأحاديث، هي التي يتألف منها بناء الهيكل العام للسيرة النبوية.
والهيثمي رحمه الله تعالى هو: أبو الحسن نور الدين علي بن أبي بكر، أحد أعلام الحديث في القرن الثامن الهجري (ت 807) ، وكان كتابه (مجمع الزوائد ومنبع الفوائد) ثمرة جهود متواصلة من التأليف في فن الزوائد لعدد من الكتب، سَبَكَها كلها في إطار واحد تحت مسمى هذا الكتاب بعد تهذيب وترتيب علمي سديد؛ ولذلك فقد جاء من أنفس الكتب في بابه، وأجمعها، وأوعبها، وكل كتب الزوائد من بعده استفادت منه، لكنها لم تبلغ شأوه ولا شهرته. وهذا الكتاب مرتب على كتبٍ وأبوابٍ تحتها، يخصُّ جانبَ السيرة منها كتابان؛ هما: كتاب المغازي والسير، وكتاب علامات النبوة. وقد استعرضتُ ما فيهما من أبواب، ثم أوضحت منهج المؤلف من خلالهما في تدوين السيرة النبوية، وأوردت نماذج من نصوص الأحاديث والمرويات فيهما، تشير إلى أبرز ملامح ذلك المنهج. وكنت قد كتبت في أول البحث ترجمة عامة عن المؤلف؛ عرجت فيها على نشأته، ورحلاته، وأبرز شيوخه، ومكانته العلمية، وأبرز تلامذته، ومصنفاته، ثم وقفت عند الكتاب موضوع الدراسة للتعريف به، وبيان قيمته العلمية، ومنهجه فيه، وأوردت ملخصاً لما توصلت إليه من أقوال أهل العلم فيما يوضح معالم منهج الهيثمي في نقد
আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি, তার গুরুত্ব নির্ভর করছে গবেষণার মূল উৎস এই বইটির গুরুত্ব এবং এর লেখকের ইলমি মর্যাদার ওপর। হাইসামি —রাহিমাহুল্লাহ তাআলা— তাঁর এই গ্রন্থটি পূর্ববর্তী বেশ কিছু হাদিস গ্রন্থ থেকে সংকলন করেছেন। এখানে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল কুতুবে সিত্তা বা ছয়টি হাদিস গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদিসগুলোকে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থে সীমাবদ্ধ বা পৃথক করা। এই কারণে, যদি আমরা এই গ্রন্থে বিদ্যমান সিরাতে নববীর হাদিসগুলোকে কুতুবে সিত্তায় থাকা সিরাত সংক্রান্ত হাদিসগুলোর সাথে যুক্ত করি, তবে আমাদের হাতে হাদিসের এক বিশাল ভাণ্ডার জমা হবে, যা মূলত সিরাতে নববীর সাধারণ কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
হাইসামি (রাহিমাহুল্লাহ তাআলা) হলেন: আবুল হাসান নূরুদ্দীন আলি ইবনে আবি বকর। তিনি অষ্টম হিজরি শতাব্দীর (মৃত্যু ৮০৭ হি.) অন্যতম প্রসিদ্ধ হাদিস বিশারদ। তাঁর 'মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ' গ্রন্থটি ছিল জাওয়াইদ শাস্ত্রের ওপর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার ফসল। তিনি এই সমস্ত গ্রন্থকে অত্যন্ত সুনিপুণ ও বৈজ্ঞানিক বিন্যাস এবং পরিমার্জনের পর এই শিরোনামে একটি একক কাঠামোর মধ্যে একত্রিত করেছেন। ফলে এটি স্বীয় বিষয়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, সমৃদ্ধ এবং ব্যাপকতম গ্রন্থে পরিণত হয়েছে। তাঁর পরবর্তী জাওয়াইদ বিষয়ক প্রতিটি গ্রন্থই এটি থেকে উপকৃত হয়েছে, তবে কোনোটিই এর উচ্চতা কিংবা খ্যাতির সমান পৌঁছাতে পারেনি। এই গ্রন্থটি বিভিন্ন কিতাব এবং তার অধীনে বিভিন্ন অধ্যায়ে বিন্যস্ত। এর মধ্যে সিরাত সংক্রান্ত দুটি কিতাব রয়েছে; সেগুলো হলো: কিতাবুল মাগাজি ওয়াস সিয়ার এবং কিতাবুন আলামাতিন নুবুওয়াহ। আমি এই কিতাব দুটিতে থাকা অধ্যায়গুলো পর্যালোচনা করেছি, অতঃপর সিরাতে নববী সংকলনের ক্ষেত্রে এগুলোর মাধ্যমে লেখকের মানহাজ বা পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেছি। এছাড়া সেই পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরার জন্য আমি সেখানে বর্ণিত হাদিস ও বর্ণনাসমূহের কিছু নমুনা পেশ করেছি। গবেষণার শুরুতে আমি লেখকের একটি সাধারণ জীবনী লিখেছিলাম; যেখানে আমি তাঁর বেড়ে ওঠা, ইলমি সফর, প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, ইলমি মর্যাদা, প্রখ্যাত ছাত্রবৃন্দ এবং তাঁর রচনাবলি সম্পর্কে আলোকপাত করেছি। এরপর আমি পর্যালোচনার মূল বিষয়বস্তু অর্থাৎ গ্রন্থটি নিয়ে আলোচনা করেছি যাতে এর পরিচয়, ইলমি গুরুত্ব এবং এতে লেখকের অনুসৃত পদ্ধতি তুলে ধরা যায়। পরিশেষে হাইসামির সমালোচনা পদ্ধতির স্বরূপ স্পষ্ট করার লক্ষ্যে আলেমগণের বক্তব্যের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেছি।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৩)
الرجال والأسانيد، وذكرت نماذج من العلماء الذين استفادوا من كتاب الهيثمي. وأسأل الله الكريم أن يهديني وسائر المسلمين إلى الصواب في القول والعمل، وصلى الله تعالى وسلم على عبده وحبيبه وآله وصحبه.
বর্ণনাকারী ও সনদসমূহ, এবং আমি এমন কিছু আলেমদের দৃষ্টান্ত উল্লেখ করেছি যারা আল-হাইসামীর কিতাব থেকে উপকৃত হয়েছেন। আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে এবং সমস্ত মুসলিমকে কথা ও কাজে সঠিক পথ প্রদর্শন করেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দা ও প্রিয়তম এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর দরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
ترجمة الهيثمينشأته وحياته:
هو علي بن أبي بكر بن سليمان بن أبي بكر بن عمر بن صالح، الشيخ المحدث الحافظ أبو الحسن نور الدين الهيثمي المصري الشافعي (1) .
ولد في شهر رجب من سنة خمس وثلاثين وسبعمائة (2) ، بدأ بقراءة القرآن الكريم (3) وحفظه، وذلك قبل أن يتوجه لطلب الحديث؛ لأن من عادة العلماء أنهم لا يبدؤون بالاشتغال بالحديث إلا بعد أن يتموا القرآن الكريم حفظاً.
قضى حياته رحمه الله تعالى منشغلاً بالعلم والعبادة، وكان عجباً في الدين والتقوى، مع التعفف والورع، والزهد والتقشف والاقتصاد، متواضعاً، هيناً، ليناً، خيراً، صيناً، سليم الفطرة، شديد الإنكار للمنكر، كثير الاحتمال، محباً للطلبة والغرباء وأهل الدين والعلم والحديث، كثير التودد إلى الناس، وعدم مخالطتهم في شيء من الأمور، كثير التلاوة بالليل والتهجد والقيام (4) . قال السخاوي: "والثناء على دينه وزهده وورعه ونحو ذلك كثير جداً، بل هو في
--------------------------------------------
আল-হাইসামীর জীবনীতাঁর বেড়ে ওঠা এবং জীবন:
তিনি হলেন আলী বিন আবি বকর বিন সুলাইমান বিন আবি বকর বিন উমর বিন সালিহ, শাইখ, মুহাদ্দিস, হাফিজ আবুল হাসান নূরুদ্দিন আল-হাইসামি আল-মিসরি আশ-শাফিঈ (১)।
তিনি সাতশত পঁয়ত্রিশ হিজরির রজব মাসে জন্মগ্রহণ করেন (২), পবিত্র কুরআন পাঠ (৩) ও তা হিফয করার মাধ্যমে তিনি তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু করেন। আর এটি ছিল হাদিস অন্বেষণের দিকে মনোনিবেশ করার পূর্বের কথা; কারণ আলেমদের রীতি ছিল যে, তাঁরা পবিত্র কুরআন হিফয সম্পন্ন করার আগে হাদিস চর্চায় লিপ্ত হতেন না।
তিনি (আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রতি রহম করুন) ইলম ও ইবাদতে নিমগ্ন থেকে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেছেন। দীনদারি ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন এক বিস্ময়কর ব্যক্তিত্ব। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন নির্লোভ, পরহেজগার, দুনিয়াবিমুখ, অনাড়ম্বর ও মিতব্যয়ী। তিনি ছিলেন বিনয়ী, নম্র, কোমল হৃদয়ের অধিকারী, কল্যাণকামী, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এবং সুস্থ স্বভাবের অধিকারী। তিনি অন্যায় কাজের কঠোর প্রতিবাদকারী এবং অত্যন্ত ধৈর্যশীল ছিলেন। তিনি ছাত্র, মুসাফির, ধার্মিক ব্যক্তি এবং ইলম ও হাদিস চর্চাকারীদের ভালোবাসতেন। মানুষের সাথে তিনি অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ আচরণ করতেন, তবে পার্থিব কোনো বিষয়ে তাদের সাথে মেলামেশা করতেন না। তিনি রাতে প্রচুর তিলাওয়াত করতেন এবং তাহাজ্জুদ ও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে ইবাদত (কিয়ামুল লাইল) করতেন (৪)। সাখাওয়ী বলেন: "তাঁর দীনদারি, দুনিয়াবিমুখতা, পরহেজগারিতা এবং এ জাতীয় গুণাবলির প্রশংসা অনেক বেশি; বরং তিনি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ذلك كلمة اتفاق" (1) .
كان آية في الأدب مع مشايخه، ولا سيما مع شيخه الحافظ العراقي احتراماً وتقديراً وخدمة؛ فقد كان لا يسأم ولا يضجر من خدمة الشيخ، كثير الاحتمال له ولأولاده ولمن حوله (2) ، ويقرر ابن حجر رحمه الله تعالى ذلك قائلاً: "رأيت من خدمة الشيخ نور الدين هذا [يعني الهيثمي] لشيخنا [يعني العراقي] وتأدُّبِه معه من غير تكلف لذلك مالم أره لغيره، ولا أظن أحداً يقوى عليه" (3) ، ولذلك فقد أحبه الشيخ كثيراً (4) ، وكان لا يثق بأحد في أمر طهارته ووضوئه وثيابه - بعد نفسه - إلا على الشيخ نور الدين (5) .
شيوخه:
تتلمذ الهيثمي على معظم علماء مصر والشام وبلاد الحرمين الذين أدركهم وقت وروده على بلادهم، وعلى رأس هؤلاء الشيوخ:
1- عبد الرحيم بن الحسين، أبو الفضل زين الدين العراقي، (ت 806هـ) ، أبرز شيوخه على الإطلاق، لازمه وسمع جميع مسموعاته تقريباً، وكتب الكثير من تصانيفه، وقرأ عليه أكثرها (6) ، وكتب عنه جميع مجالس إملائه (7) ، ونفعه الله به نفعاً عظيماً.
--------------------------------------------
এটি একটি সর্বসম্মত কথা (১)।
তিনি তাঁর উস্তাদদের প্রতি আদব প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এক অনন্য নিদর্শন ছিলেন, বিশেষত তাঁর শায়খ হাফিজ ইরাকির প্রতি সম্মান, কদর ও খিদমতের দিক দিয়ে। তিনি শায়খের খিদমতে কখনো ক্লান্ত বা বিরক্ত হতেন না; বরং শায়খ, তাঁর সন্তানসন্ততি এবং তাঁর চারপাশের লোকদের প্রতি তিনি অত্যন্ত সহনশীল ছিলেন (২)। ইবনে হাজার (রহিমাহুল্লাহ) বিষয়টি এভাবে ব্যক্ত করেছেন: "আমি আমাদের শায়খের [অর্থাৎ ইরাকি] প্রতি শায়খ নূরুদ্দিনের [অর্থাৎ হাইসামি] এই খিদমত এবং কোনো প্রকার কৃত্রিমতা ছাড়াই তাঁর সাথে যে শিষ্টাচার দেখেছি, তা অন্য কারও মাঝে দেখিনি; আমার মনে হয় না অন্য কেউ এটি করতে সক্ষম হবে" (৩)। এই কারণেই শায়খ তাঁকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন (৪)। শায়খ নিজের পর পবিত্রতা, অজু ও পোশাক-পরিচ্ছদের বিষয়ে শায়খ নূরুদ্দিন ছাড়া আর কাউকেও আশ্বস্ত মনে করতেন না (৫)।
তাঁর উস্তাদগণ:
হাইসামি মিসর, শাম ও হারামাইন শরিফাইনের অধিকাংশ আলেমদের কাছে ছাত্রত্ব গ্রহণ করেছেন যাদের সান্নিধ্য তিনি দেশগুলো ভ্রমণের সময় পেয়েছিলেন। এই উস্তাদদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন:
১- আব্দুর রহিম বিন আল-হুসাইন, আবু আল-ফজল যাইনুদ্দিন আল-ইরাকি (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি)। তিনি ছিলেন তাঁর উস্তাদদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বিশিষ্ট। তিনি দীর্ঘ সময় তাঁর সান্নিধ্যে ছিলেন এবং তাঁর পঠিত প্রায় সমস্ত কিতাবই শ্রবণ করেছেন, তাঁর অনেকগুলো রচনা নিজে হাতে লিখেছেন এবং অধিকাংশ কিতাব তাঁর কাছে পাঠ করেছেন (৬)। তিনি তাঁর সমস্ত ইলমি মজলিসের বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেছেন (৭) এবং আল্লাহ তাঁকে এর মাধ্যমে ব্যাপক উপকৃত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
2- عبد العزيز بن بدر محمد بن إبراهيم بن جماعة، (ت 767هـ) ، قرأ عليه موارد الظمآن، ومسند أبي يعلى عالياً، ومسند البزار (1) .
3-م حمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن سالم الأنصاري الخزرجي العبادي، أبوعبد الله الدمشقي، المعروف بابن الخباز (ت756هـ) سمع منه بدمشق، مسند الإمام أحمد، وصحيح مسلم (2) .
4- محمد بن محمد بن إبراهيم الميدومي، الخطيب أبو الفتح (ت754هـ) سمع منه سنن أبي داود، ومسند البزار عالياً، والمعجم الكبير (3) .
5- محمد بن محمد بن يحيى بن عبد الكريم القرشي، أبو المظفر مظفر الدين العطار (ت 807هـ) سمع منه صحيح البخاري (4) .
مكانته العلمية وحفظه:
تبوأ الهيثمي مكانة سامقة في العلم والحفظ، بعد أن قضى حياته كلها في التحصيل والطلب، وحفظ المتون والآثار (5) ، وملازمة أئمة العلماء ورواد الصنعة الحديثية في عصره، وبخاصة الحافظ زين الدين العراقي الذي تخرج على
--------------------------------------------
২- আব্দুল আজিজ বিন বদর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন জামাআহ, (মৃত্যু ৭৬৭ হিজরি), তাঁর নিকট তিনি মাওয়ারিদুজ জামআন, উচ্চ সনদে মুসনাদে আবি ইয়ালা এবং মুসনাদে আল-বাযযার পাঠ করেছেন (১)।
৩- মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন সালিম আল-আনসারি আল-খাযরাজি আল-আব্বাদি, আবু আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি, যিনি ইবনুল খাব্বায (মৃত্যু ৭৫৬ হিজরি) নামে পরিচিত; তিনি তাঁর নিকট দামেস্কে মুসনাদে ইমাম আহমাদ এবং সহিহ মুসলিম শ্রবণ করেছেন (২)।
৪- মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-মাইদুমি, আল-খতিব আবুল ফাতহ (মৃত্যু ৭৫৪ হিজরি); তিনি তাঁর নিকট সুনানে আবু দাউদ, উচ্চ সনদে মুসনাদে আল-বাযযার এবং আল-মু'জামুল কাবির শ্রবণ করেছেন (৩)।
৫- মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল কারিম আল-কুরাশি, আবু আল-মুজাফ্ফর মুজাফ্ফরুদ্দিন আল-আত্তার (মৃত্যু ৮০৭ হিজরি); তিনি তাঁর নিকট সহিহ আল-বুখারি শ্রবণ করেছেন (৪)।
তাঁর ইলমি মাকাম ও মুখস্থশক্তি:
আল-হাইসামি জ্ঞান অর্জন ও মুখস্থ করার ক্ষেত্রে এক সুউচ্চ মর্যাদা লাভ করেছিলেন। তিনি তাঁর পুরো জীবন ইলম অন্বেষণ ও অর্জনে, বিভিন্ন মূল পাঠ (মুতুন) ও বর্ণনা (আসার) মুখস্থকরণে (৫) এবং তাঁর যুগের শ্রেষ্ঠ আলেম ও হাদিস শাস্ত্রের বিশারদদের সান্নিধ্যে অতিবাহিত করেছিলেন। বিশেষ করে হাফেজ যাইনুদ্দিন আল-ইরাকি, যাঁর নিকট তিনি শিক্ষা লাভ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
يديه في الحديث (1) .
سَمِعَ وسَمَّع وكتبَ وحدَّثَ بالكثير، ووُصِفَ بقوة الحفظ وسرعة البديهة في الإجابة عند السؤال والاستحضار للمتون، حتى قال الحافظ برهان الدين سبط ابن العجمي: "حفاظ مصر أربعة أشخاص، وهم من مشايخي: البلقيني، وهو أحفظهم لأحاديث الأحكام، والعراقي، وهو أعلمهم بالصنعة، والهيثمي، وهو أحفظهم للأحاديث من حيث هي، وابن الملقن، وهو أكثرهم فوائد في الكتابة على الحديث" (2) . والهيثمي رحمه الله تعالى يعد من رواد المؤلفين في علم زوائد الحديث (3) ، والمُقَعِّدين له عملياً، وكُتب لأكثر مصنفاته فيه البقاء والذكر الحسن، خاصة كتابه الكبير (مجمع الزوائد ومنبع الفوائد) ؛ الذي هو بمنزلة العمدة لكتب الزوائد بعده.
أشهر تلاميذه:
1- إبراهيم بن محمد بن سبط العجمي الطرابلسي، برهان الدين أبو الوفا الحلبي (ت841هـ) (4) .
2- أحمد بن أبي بكر بن إسماعيل بن سليم، الشهاب أبو العباس الكتاني البوصيري (ت840هـ) (5) .
--------------------------------------------
হাদীসশাস্ত্রে তাঁর কৃতিত্ব (১)।
তিনি প্রচুর শ্রবণ করেছেন, পাঠ করিয়েছেন, লিখেছেন এবং অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তি, প্রশ্নের উত্তরে উপস্থিত বুদ্ধি এবং হাদীসের মূলপাঠ (মতন) স্মরণে রাখার পারদর্শিতার প্রশংসা করা হয়েছে। এমনকি হাফিজ বুরহানুদ্দীন সিবত ইবনুল আজমী বলেছেন: "মিসরের হাফিজগণ চারজন এবং তাঁরা আমার শায়খদের অন্তর্ভুক্ত: আল-বুলকিনী, যিনি বিধান (আহকাম) সংক্রান্ত হাদীসসমূহের সবচেয়ে বড় হাফিজ; আল-ইরাকী, যিনি হাদীস শাস্ত্রের কারিগরি বিষয়ে (সনআহ) সবচেয়ে বিজ্ঞ; আল-হাইতামী, যিনি হাদীসের মূলপাঠ সংরক্ষণে সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে বড় হাফিজ; এবং ইবনুল মুলাক্কিন, যিনি হাদীস রচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানগর্ভ তথ্য প্রদানকারী" (২)। আল-হাইতামী (রাহিমাহুল্লাহ) 'ইলমে জাওয়ায়েদুল হাদীস'-এর (৩) পথিকৃৎ রচয়িতাদের অন্যতম এবং এর প্রায়োগিক নিয়ম সংস্থাপনকারী হিসেবে গণ্য হন। এই বিষয়ে তাঁর অধিকাংশ রচনাই স্থায়ী এবং সুখ্যাতি লাভ করেছে, বিশেষ করে তাঁর বিশাল গ্রন্থ 'মাজমাউজ জাওয়ায়েদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ'; যা পরবর্তীকালের জাওয়ায়েদ শাস্ত্রের গ্রন্থাবলির জন্য মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
তাঁর প্রসিদ্ধ ছাত্রগণ:
১- ইব্রাহীম বিন মুহাম্মদ বিন সিবত আল-আজমী আত-তরাবুলুসী, বুরহানুদ্দীন আবু ওয়াফা আল-হালাবী (মৃত্যু ৮৪১ হিজরী) (৪)।
২- আহমদ বিন আবি বকর বিন ইসমাইল বিন সালিম, শিহাবুদ্দীন আবুল আব্বাস আল-কিত্তানী আল-বুসীরী (মৃত্যু ৮৪০ হিজরী) (৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
3- أحمد بن علي بن حجر العسقلاني، شهاب الدين أبو الفضل (ت 852هـ) الحافظ المعروف (1) .
مصنفاته:
جاءت مصنفات الهيثمي رحمه الله تعالى على ضربين: قسم اهتم فيه بتخريج الزوائد (2) من كتب المسانيد والمعاجم على الكتب الستة، وهذا النوع من أكثر كتبه فائدة ونفعاً؛ فمعظم من جاء بعده من أهل الحديث استفاد منها، أما القسم الثاني من مصنفاته فقد انصب جهده فيها على إعادة التبويب، والترتيب للمادة العلمية فيها؛ حتى يسهل الكشف عنها والرجوع إليها لمن رام ذلك من الباحثين.
وأهم هذه المؤلفات:
--------------------------------------------
৩- আহমদ বিন আলী বিন হাজার আল-আসকালানী, শিহাবুদ্দীন আবুল ফজল (মৃত্যু ৮৫২ হি.) সুপরিচিত হাফেজ (১)।
তাঁর রচনাবলি:
আল-হাইতামী রহমাতুল্লাহি আলাইহির রচনাবলি দুই প্রকারের: এক প্রকার হলো যাতে তিনি মাসানিদ এবং মা'আজিম গ্রন্থসমূহ থেকে কুতুবে সিত্তাহর (ছয়টি কিতাব) উপর অতিরিক্ত হাদীসসমূহ (যাওয়ায়েদ) (২) চয়ন করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন। এই প্রকারটি তাঁর বইগুলোর মধ্যে সর্বাধিক উপকারী ও ফলপ্রসূ; তাই তাঁর পরবর্তী অধিকাংশ হাদীস বিশারদগণ এগুলো থেকে উপকৃত হয়েছেন। আর তাঁর রচনাবলির দ্বিতীয় প্রকার হলো যাতে তাঁর শ্রম ব্যয় হয়েছে বৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তুগুলোকে পুনরায় অধ্যায় বিন্যাস এবং সাজানোর কাজে; যাতে গবেষকদের মধ্যে যারা এটি অনুসন্ধান করতে এবং এর দিকে প্রত্যাবর্তন করতে চান তাদের জন্য তা সহজ হয়।
এবং এই গ্রন্থগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
1- غاية المقصد في زوائد المسند (1) ، وهو زوائد مسند الإمام أحمد (ت 241هـ) على الكتب الستة، في مجلدين، قال عنه الحافظ ابن حجر: "كثير الجدوى" (2) .
2- كشف الأستار عن زوائد البزار (3) ، وهو زوائد مسند البزار (ت 292هـ) ، في مجلد ضخم (4) .
3- المقصد العلي في زوائد أبي يعلى الموصلي (5) ، وهو زوائد أبي يعلى (ت307هـ) ، في مجلد واحد (6) .
4- البدر المنير في زوائد المعجم الكبير، وهو زوائد معجم الطبراني - (ت360هـ) - الكبير، في ثلاثة مجلدات (7) .
5- مجمع البحرين في زوائد المعجمين، وهو زوائد المعجمين الأوسط
--------------------------------------------
১- গয়্যাতুল মাকসাদ ফি যাওয়াইদিল মুসনাদ (১), এটি ইমাম আহমদের (মৃত্যু ২৪১ হিজরি) মুসনাদে ছয়টি কিতাবের অতিরিক্ত হাদিসসমূহ নিয়ে সংকলিত, দুই খণ্ডে। হাফেজ ইবনে হাজার এটি সম্পর্কে বলেছেন: "অত্যন্ত ফলপ্রসূ" (২)।
২- কাশফুল আস্তার আন যাওয়াইদিল বাজার (৩), এটি মুসনাদে বাজারের (মৃত্যু ২৯২ হিজরি) অতিরিক্ত হাদিসসমূহের সংকলন, একটি বিশাল খণ্ডে (৪)।
৩- আল-মাকসাদুল আলি ফি যাওয়াইদি আবি ইয়ালা আল-মাওসিলি (৫), এটি আবু ইয়ালার (মৃত্যু ৩০৭ হিজরি) অতিরিক্ত হাদিসসমূহের সংকলন, এক খণ্ডে (৬)।
৪- আল-বাদরুল মুনীর ফি যাওয়াইদিল মুজামিল কাবীর, এটি তাবারানির (মৃত্যু ৩৬০ হিজরি) 'আল-মুজামুল কাবীর'-এর অতিরিক্ত হাদিসসমূহের সংকলন, তিন খণ্ডে (৭)।
৫- মাজমাউল বাহরাইন ফি যাওয়াইদিল মুজামাইন, এটি দুই মুজামের অর্থাৎ আল-মুজামুল আওসাতের অতিরিক্ত হাদিসসমূহ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
والصغير للطبراني، في مجلدين (1) .
6- مجمع الزوائد ومنبع الفوائد في زوائد الكتب الستة، وهي الكتب الخمسة المتقدمة، جَمَعَها في هذا الكتاب. وهو موضوع الدراسة.
7- بغية الباحث عن زوائد مسند الحارث (282هـ) ، مرتب على كتب الفقه، في مجلدين (2) .
8- موارد الظمآن إلى زوائد ابن حبان (354هـ) ، مرتب على كتب الفقه، وهو المعروف بـ زوائد صحيح ابن حبان على الصحيحين، في مجلد واحد (3) .
إلى غير ذلك من كتبه ومصنفاته الكثيرة النافعة.
وفاته:
ظل الهيثمي على هذه الطريق حتى وافاه حِمامُه في ليلة الثلاثاء، التاسعة والعشرين من شهر رمضان، سنة سبع وثمانمائة (4) ، ودفن في القاهرة خارج باب البرقوقية (5) ، عن عمرٍ يناهز الثانية والسبعين. رحمنا الله تعالى وإياه وجميع المسلمين.
--------------------------------------------
তাবারানির আস-সাগীর, দুই খণ্ডে (১)।
৬- মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ ফি যাওয়াইদিল কুতুবিল সিত্তা; এটি পূর্বোল্লিখিত পাঁচটি কিতাবের অতিরিক্ত হাদিসগুলোর সংকলন, যা তিনি এই গ্রন্থে একত্র করেছেন। আর এটিই বর্তমান অধ্যয়নের বিষয়।
৭- বুগইয়াতুল বাহিস আন যাওয়াইদি মুসনাদিল হারিস (২৮২ হি.), ফিকহি অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত, দুই খণ্ডে (২)।
৮- মাওয়ারিদুয যামআন ইলা যাওয়াইদি ইবনে হিব্বান (৩৫৪ হি.), ফিকহি অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত, যা সহীহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এর অতিরিক্ত সহীহ ইবনে হিব্বানের হাদিস সংকলন হিসেবে পরিচিত, এক খণ্ডে (৩)।
এছাড়াও তাঁর আরও অনেক উপকারী গ্রন্থ ও রচনা রয়েছে।
তাঁর মৃত্যু:
হাইসামি এই পথেই অবিচল ছিলেন যতক্ষণ না তাঁর মৃত্যু উপস্থিত হলো ৮০৭ হিজরি সালের ২৯শে রমজান, মঙ্গলবার রাতে (৪)। তাঁকে কায়রোর বাবুল বারকুাকিয়্যাহর বাইরে দাফন করা হয় (৫)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় বাহাত্তর বছর। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি, আমাদের প্রতি এবং সকল মুসলিমের প্রতি রহম করুন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
تعريف بكتاب مجمع الزوائد، وبيان قيمته، ومنهج المؤلف فيهبعد أن فرغ الهيثمي من تصنيف كتب الزوائد الخمسة المذكورة في أول مصنفاته، اقترح عليه شيخه العراقي أن يضمها كلها في مؤلف واحد، بعد أن يحذف أسانيدها، ويرتبها لتجتمع أحاديثُ كل باب منها في باب واحد، فاستجاب الهيثمي لذلك، وشرع في هذا العمل العظيم حتى أتمه، ثم سماه كذلك بالاسم الذي اقترحه عليه الشيخ؛ وهو "مجمع الزوائد ومنبع الفوائد" (1) فانتقاؤه للزوائد في هذا الكتاب محصور في الزوائد على الكتب الستة، " واعتمد كتاب المزي (تحفة الأشراف في معرفة الأطراف) أصلاً في دلالته على وجود الحديث في تلك الكتب، ثم يعود على تلك الكتب ليتأكد من ذلك، فإن لم يجد الحديث في المصدر الذي عزاه إليه صاحب الأطراف وضع الحديث، ثم أشار إلى ذلك، تنبيهاً على متابعته وتدقيقه " (2) .
وقد رتب الهيثمي مُصَنَّفَه مجمعَ الزوائد على كتبٍ هي على النحو الآتي:
كتاب الإيمان، كتاب العلم، كتاب الطهارة، كتاب الصلاة، كتاب الجنائز -وفيه ما يتعلق بالمرض وثوابه، وعيادة المريض ونحو ذلك، كتاب الزكاة- وفيه صدقة التطوع، كتاب الصيام، كتاب الحج، كتاب الأضاحي والصيد والذبائح والوليمة والعقيقة وما يتعلق بالمولود، كتاب البيوع، كتاب الأيمان والنذور، كتاب الأحكام، كتاب الوصايا، كتاب الفرائض، كتاب العتق، كتاب النكاح، كتاب الطلاق، كتاب الأطعمة، كتاب الأشربة، كتاب
--------------------------------------------
মাজমাউজ যাওয়াইদ গ্রন্থের পরিচিতি, এর গুরুত্বের বর্ণনা এবং এতে লেখকের অনুসৃত পদ্ধতিহাইসামি তাঁর সংকলনসমূহের শুরুতে উল্লেখিত পাঁচটি যাওয়াইদ গ্রন্থ রচনার কাজ সমাপ্ত করার পর, তাঁর শাইখ ইরাকি তাঁকে পরামর্শ দেন যে, তিনি যেন এই সবগুলো গ্রন্থকে একটি রচনায় একত্রিত করেন। এক্ষেত্রে তিনি সনদসমূহ বাদ দেবেন এবং সেগুলোকে বিন্যস্ত করবেন যাতে প্রতিটি পরিচ্ছেদের হাদিসগুলো এক স্থানে সংগৃহীত হয়। হাইসামি তাতে সাড়া দেন এবং এই মহান কাজ শুরু করে তা সম্পন্ন করেন। এরপর শাইখ যে নাম প্রস্তাব করেছিলেন সেই নামেই এর নামকরণ করেন; আর তা হলো "মাজমাউজ যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ" (১)। এই গ্রন্থে তাঁর যাওয়াইদ নির্বাচন 'কুতুবে সিত্তা' বা ছয়টি কিতাবের অতিরিক্ত হাদিসসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ। "তিনি সেসব কিতাবে হাদিসের উপস্থিতির নির্দেশক হিসেবে আল-মিজ্জির কিতাব (তুহফাতুল আশরাফ ফি মা'রিফাতিল আতরাফ)-কে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এরপর তিনি নিশ্চিত হওয়ার জন্য পুনরায় সেই কিতাবগুলোর দিকে ফিরে যেতেন। যদি তিনি সেই হাদিসটি 'আতরাফ' রচয়িতা যে উৎসের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন সেখানে না পেতেন, তবে তিনি হাদিসটি উল্লেখ করতেন এবং তাঁর পর্যবেক্ষণ ও সূক্ষ্ম যাচাইয়ের বিষয়ে সতর্ক করার জন্য তা নির্দেশ করতেন।" (২)।
হাইসামি তাঁর সংকলন 'মাজমাউজ যাওয়াইদ'-কে নিম্নোক্ত অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন:
ঈমান অধ্যায়, ইলম অধ্যায়, পবিত্রতা অধ্যায়, সালাত অধ্যায়, জানাজা অধ্যায়—এবং এতে অসুস্থতা ও তার সওয়াব, রোগী দেখা এবং এই সংক্রান্ত বিষয়াদি রয়েছে, জাকাত অধ্যায়—এবং এতে নফল সদকা রয়েছে, রোজা অধ্যায়, হজ অধ্যায়, কুরবানি, শিকার, জবেহ, ওয়ালিমা, আকিকা এবং নবজাতক সংক্রান্ত অধ্যায়, ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়, শপথ ও মানত অধ্যায়, বিচার ও বিধান অধ্যায়, অসিয়ত অধ্যায়, উত্তরাধিকার অধ্যায়, দাসমুক্তি অধ্যায়, বিবাহ অধ্যায়, তালাক অধ্যায়, খাদ্যদ্রব্য অধ্যায়, পানীয় দ্রব্য অধ্যায়, অধ্যায়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
الطب، كتاب اللباس والزينة، كتاب الخلافة، كتاب الجهاد، كتاب المغازي والسير، كتاب قتال أهل البغي وأهل الردة، كتاب الحدود والديات، كتاب التفسير – وفيه ما يتعلق بقراءة القرآن وثوابه، وعلى كم أنزل القرآن من حرف، كتاب التعبير، كتاب القدر، كتاب الفتن، كتاب الأدب، كتاب البر والصلة، كتاب فيه ذكر الأنبياء عليهم السلام، كتاب علامات النبوة، كتاب المناقب، كتاب التوبة والاستغفار، كتاب الأذكار، كتاب الأدعية، كتاب الزهد – وفيه المواعظ، كتاب البعث، كتاب صفة النار، كتاب صفة الجنة (1) .
ويقع الكتاب في عشرة مجلدات (2) ، سلكَ الهيثميُّ فيه منهجاً مميزاً؛ في طريقةِ استخراجه للأحاديث، وفي ترتيبه للكتاب وتبويبه، وبذل فيه قصارى جهده، وغاية وسعه، وخلاصة فكره، وأكثر وقته، ولذلك فقد جاء من أنفس الكتب التي تقدمته في بابه، وأجمعها، وأوعبها، وأطنبها، وكل كتب الزوائد من بعده لم تبلغ شأوه ولا مقداره، ولذلك فهو كتاب غزير الفوائد، لا يستغني عنه طالب علم (3) . ومما يؤكد ذلك ما ذكرَ السخاويُّ (4) من أن الحافظ الزين العراقي استروَحَ واغتبطَ بهذا العمل المميز والجهد الكبير من أخص تلاميذه وأقربهم إليه.
أثنى على هذا الكتاب ومؤلفه كثيرون من أهل العلم قديماً وحديثاً؛ فالهيثمي
--------------------------------------------
চিকিৎসা, পোশাক ও সাজসজ্জা বিষয়ক অধ্যায়, খিলাফত বিষয়ক অধ্যায়, জিহাদ বিষয়ক অধ্যায়, মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) ও সীরাত (জীবনী) বিষয়ক অধ্যায়, বিদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিষয়ক অধ্যায়, হুদুদ (নির্ধারিত শাস্তি) ও দিয়াত (রক্তপণ) বিষয়ক অধ্যায়, তাফসীর বিষয়ক অধ্যায় – এতে কুরআন তিলাওয়াত ও এর সওয়াব সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি এবং কুরআন কয়টি হরফে (রীতিতে) অবতীর্ণ হয়েছে তা রয়েছে, স্বপ্নের ব্যাখ্যা বিষয়ক অধ্যায়, তাকদীর বিষয়ক অধ্যায়, ফিতনা বিষয়ক অধ্যায়, আদব (শিষ্টাচার) বিষয়ক অধ্যায়, সদ্ব্যবহার ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা বিষয়ক অধ্যায়, আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের আলোচনা সম্বলিত অধ্যায়, নবুওয়াতের নিদর্শনসমূহ বিষয়ক অধ্যায়, মানাকিব (মর্যাদা ও গুণাবলি) বিষয়ক অধ্যায়, তাওবা ও ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) বিষয়ক অধ্যায়, আযকার (যিকিরসমূহ) বিষয়ক অধ্যায়, দুআসমূহ বিষয়ক অধ্যায়, যুহদ (দুনিয়াবিমুখতা) বিষয়ক অধ্যায় – এতে রয়েছে ওয়াজ-নসীহত, পুনরুত্থান বিষয়ক অধ্যায়, জাহান্নামের বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায়, জান্নাতের বর্ণনা বিষয়ক অধ্যায় (১)।
গ্রন্থটি দশ খণ্ডে বিন্যস্ত (২), আল-হাইতামী এতে একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন; হাদীসসমূহ চয়ন করার ক্ষেত্রে এবং গ্রন্থের বিন্যাস ও অধ্যায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে। তিনি এতে তাঁর সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা, সামর্থ্যের শেষ সীমা, চিন্তার নির্যাস এবং সময়ের অধিকাংশ ব্যয় করেছেন। ফলে এটি তাঁর পূর্ববর্তী এই বিষয়ের গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম মূল্যবান, সংকলিত, ব্যাপক ও বিস্তারিত গ্রন্থে পরিণত হয়েছে। তাঁর পরবর্তী ‘যাওয়ায়েদ’ বিষয়ক কোনো গ্রন্থই এর উচ্চতা ও মানে পৌঁছাতে পারেনি। এই কারণে এটি প্রচুর উপকারী একটি গ্রন্থ, কোনো ইলম অন্বেষণকারীই এর থেকে অমুখাপেক্ষী হতে পারেন না (৩)। এর সত্যতার প্রমাণ মেলে আল-সাখাভীর (৪) সেই বক্তব্যে, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, হাফেজ যায়নুল ইরাকী তাঁর অন্যতম বিশেষ ও ঘনিষ্ঠ ছাত্রের এই অসাধারণ কাজ এবং বিশাল প্রচেষ্টায় অত্যন্ত প্রশান্তি ও আনন্দ লাভ করেছিলেন।
প্রাচীন ও আধুনিক কালের অনেক আলিম এই গ্রন্থ এবং এর লেখকের প্রশংসা করেছেন; আল-হাইতামী
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
من أوائل من قدَّم للأمة الإسلامية ما عرف بالزوائد (1) ؛ والكتاب من أهم كتب السنن بعد الأصول الستة، ومَنْ يطَّلع عليه يعترف بمكانة مؤلفه في الحديث (2) ، بل قيل عنه: إنه يأتي في المرتبة الأولى بعد الكتب الستة من حيث الجمع والترتيب والتنسيق (3) وقال عنه الكتاني: "وهو من أنفع كتب الحديث، بل لم يوجد مثله كتاب ولا صنف نظيره في هذا الباب" (4) ، وهو فعلاً ثمرة جهود متواصلة من البحث والتدقيق والتأليف.
ومع هذا فإنه يظل عملاً بشرياً يعتوره النقص، ولذلك نجد عدداً من أهل الاختصاص في القديم والحديث يتتبعون أوهامه ويستدركون عليه؛ كالحافظ ابن حجر (5) ، والسيوطي (6) ، ومن المُحْدَثِيْنَ: الشيخ الدرويش (7) والشيخ علوش (8) ، والشيخ الدعيس (9) ،
--------------------------------------------
তিনি ছিলেন মুসলিম উম্মাহর কাছে 'যাওয়াইদ' (১) হিসেবে পরিচিত জ্ঞানধারা উপস্থাপনকারী প্রথম ব্যক্তিদের একজন; আর এই কিতাবটি 'উসূল সিত্তা' (ছয়টি মূল গ্রন্থ)-এর পরে সুনান বিষয়ক গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। যে ব্যক্তিই এটি পাঠ করেন, তিনি হাদিসশাস্ত্রে এর লেখকের সুউচ্চ মর্যাদা স্বীকার করেন (২)। এমনকি এটি সম্পর্কে বলা হয়েছে: সংগ্রহ, বিন্যাস ও সমন্বয়ের দিক থেকে কুতুব সিত্তাহর পরেই এটি প্রথম স্তরের কিতাব (৩)। কাত্তানি এটি সম্পর্কে বলেছেন: "এটি হাদিসের সর্বাধিক উপকারী কিতাবগুলোর অন্যতম, বরং এই বিষয়ে এর মতো কোনো কিতাব পাওয়া যায় না এবং এই আঙ্গিকে এর সমতুল্য কোনো গ্রন্থ রচিত হয়নি" (৪)। প্রকৃতপক্ষে এটি নিরন্তর গবেষণা, যাচাই-বাছাই এবং রচনারই ফসল।
তা সত্ত্বেও এটি একটি মানবিক কাজ হিসেবে অসম্পূর্ণতা থেকে মুক্ত নয়। এ কারণে আমরা প্রাচীন ও আধুনিক যুগের অনেক বিশেষজ্ঞকে তাঁর ভুলগুলো চিহ্নিত করতে এবং এর ওপর সংশোধনী দিতে দেখি; যেমন হাফেজ ইবনে হাজার (৫), সুয়ূতী (৬) এবং আধুনিকদের মধ্যে: শেখ আদ-দারবীশ (৭), শেখ আল্লুশ (৮) ও শেখ আদ-দুআইস (৯),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
والشيخ القريوتي (1) ، ذكرَ كلُّ هؤلاء نماذجَ لبعضِ أوهامٍ وتساهلاتٍ ظهرت في الكتاب، وقد تمثلت تلكم الاستدراكات في أمرين (2) :
الأول: في كلامه على الرجال، والحكم على الأسانيد، والرواة.
الثاني: في إيراد أحاديث ظنها ليست في الكتب الستة أو أحدها، وهي فيها.
قال الهيثمي في بيان منهجه في الكتاب عامة: "وما تكلمتُ عليه من الحديث من تصحيح أو تضعيف، وكان من حديث صحابي واحد، ثم ذكرت له متناً بنحوه، فإني أكتفي بالكلام عقب الحديث الأول، إلا أن يكون المتن الثاني أصح من الأول. وإذا روى الحديث الإمام أحمد وغيره، فالكلام على رجاله - يعني رجال أحمد - إلا أن يكون إسناد غيره أصح. وإذا كان للحديث سند واحد صحيح، اكتفيت به من غير نظر إلى بقية الأسانيد وإن كانت ضعيفة. ومن كان من مشايخ الطبراني في الميزان نبهت على ضعفه، ومن لم يكن في الميزان ألحقته بالثقات الذين بعده. والصحابة لا يشترط فيهم أن يخرج لهم أهل الصحيح فإنهم عدول، وكذلك شيوخ الطبراني الذين ليسوا في الميزان" (3) .
وقد وفَّى الهيثمي رحمه الله تعالى بما اشترطه على نفسه هنا، والتزم به في غالب الأحيان، وكان متشدداً في إخراج الحديث في الزوائد -أي مهما كان الاختلاف بسيطاً-، وهذا التشدد مما يرفع من قدر الكتاب، ويُنبئ عن دقة حفظ مُخَرِّجه واستحضاره، وتتبعه للفوائد دقيقها وجليلها، وكان الهيثمي متقناً لهذا إتقاناً بيناً، يفرح له الفقهاء، ويستفيدون منه في تقرير الأحكام الشرعية (4) .
--------------------------------------------
এবং শায়খ আল-কারিইউতি (১), এঁরা সকলেই এই কিতাবে প্রকাশ পাওয়া কিছু ভ্রম ও শিথিলতার উদাহরণ উল্লেখ করেছেন। এই সংশোধনীগুলো মূলত দুটি বিষয়ে উপস্থাপিত হয়েছে (২):
প্রথমত: বর্ণনাকারীদের (রিজাল) সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য এবং সনদ ও রাবীদের ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে।
দ্বিতীয়ত: এমন কিছু হাদিস উল্লেখ করার ক্ষেত্রে যেগুলোকে তিনি কুতুবে সিত্তাহ (ছয়টি কিতাব) বা তার কোনো একটিতে নেই বলে ধারণা করেছিলেন, অথচ সেগুলো সেখানে বিদ্যমান ছিল।
হাইসামি এই কিতাবে তাঁর সাধারণ কর্মপদ্ধতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: "আমি হাদিসের সহিহ বা জইফ হওয়ার ব্যাপারে যা কিছু বলেছি, আর তা যদি একজন সাহাবীর হাদিস হয় এবং এরপর আমি সেই একই অর্থবোধক অন্য একটি মতন (মূল পাঠ) উল্লেখ করি, তবে আমি প্রথম হাদিসের পরেই মন্তব্য করতে যথেষ্ট মনে করি; যদি না দ্বিতীয় মতনটি প্রথমটির চেয়ে অধিক সহিহ হয়। যখন ইমাম আহমদ এবং অন্য কেউ হাদিসটি বর্ণনা করেন, তখন মন্তব্য হয় তাঁর বর্ণনাকারীদের ওপর—অর্থাৎ আহমদের বর্ণনাকারীদের ওপর—যদি না অন্য কারো সনদ অধিক সহিহ হয়। যদি কোনো হাদিসের একটি সনদ সহিহ হয়, তবে অন্য সনদগুলো জইফ হওয়া সত্ত্বেও আমি তাতেই ক্ষান্ত হই। তাবারানির উস্তাদদের মধ্যে যারা 'মিজান' (আল-মিজানু ফি নাকদির রিজাল) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত, তাদের দুর্বলতার ব্যাপারে আমি সতর্ক করেছি। আর যারা 'মিজান'-এ নেই, আমি তাদেরকে পরবর্তী নির্ভরযোগ্যদের (সিক্বাহ) অন্তর্ভুক্ত করেছি। আর সাহাবীদের ক্ষেত্রে 'আহলুস সহিহ' (বুখারি ও মুসলিম) তাঁদের থেকে হাদিস বর্ণনা করা শর্ত নয়, কেননা তাঁরা সকলেই ন্যায়পরায়ণ (আদল)। একইভাবে তাবারানির সেই সব উস্তাদও (ন্যায়পরায়ণ), যারা 'মিজান'-এ নেই" (৩)।
হাইসামি (রহিমাহুল্লাহ তাআলা) এখানে নিজের জন্য যে শর্তারোপ করেছিলেন তা পূর্ণ করেছেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা মেনে চলেছেন। তিনি যাওয়ায়েদ (অতিরিক্ত হাদিস) সংকলনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন—অর্থাৎ পার্থক্য সামান্য হলেও তা উল্লেখ করেছেন। এই কঠোরতা কিতাবটির মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং সংকলকের স্মৃতিশক্তির প্রখরতা, উপস্থিত বুদ্ধি এবং সূক্ষ্ম ও বৃহৎ উপকারিতাগুলো অনুসরণের প্রমাণ দেয়। হাইসামি এ কাজে অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন, যা ফকিহদের আনন্দিত করে এবং তাঁরা এর মাধ্যমে শরয়ি হুকুম আহকাম নির্ধারণে উপকৃত হন (৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
مادة السيرة النبوية في الكتاب، ومنهج المؤلف في تدوينهاجاءت معظم أحاديث السيرة النبوية التي استخرجها الهيثمي في مجمع الزوائد ومروياتها ضمن كتابين جامعين؛ الأول بعنوان (كتاب المغازي والسير) (1) ، والثاني بعنوان (كتاب علامات النبوة) (2) ، فأما الكتاب الأول فقد بلغ مجموع أبوابه ثمانية وسبعين باباً، وبلغ مجموع أحاديثه ورواياته أربعة وتسعين وخمسمائة حديث أو رواية.
ويلاحظ عليه ما يأتي:
- أنه أدرج في آخره أبواباً ليست من السيرة النبوية بمعناها الدقيق، غير أنها تندرج تحت المعنى العام للمغازي والسِّيَر، وعددها تسعة أبواب، وهي على النحو الآتي: باب في يوم ذي قار، باب في قتال فارس والروم وعداوتهم، باب فيمن قتل بالشام، باب في وقعة القادسية ونهاوند وغير ذلك، باب فيمن قتل يوم الجسر، باب وقعة الإسكندرية، باب فتح القسطنطينية ورومية، باب قتال أهل الردة، باب فيمن استشهد يوم اليمامة، وبلغ مجموع أحاديثها ثمانية وثلاثين حديثاً أو رواية.
- عناوين الأبواب الخاصة بالسيرة النبوية المدرجة تحت هذا الكتاب تمثل عناوين بارزة في أحداث السيرة، أو موضوعات ذات علاقة بها، بلغ عددها تسعة وستين باباً، وأحاديثها ستة وخمسون وخمسمائة حديث أو رواية.
--------------------------------------------
গ্রন্থে সিরাতুন নববী বিষয়ক উপাদান এবং তা সংকলনে লেখকের পদ্ধতিহাইসামি 'মাজমাউয যাওয়াইদ' গ্রন্থে সিরাতুন নববীর যে সব হাদিস ও বর্ণনা নিরূপণ করেছেন, তার অধিকাংশ দুটি বৃহৎ কিতাবের অন্তর্ভুক্ত; প্রথমটি (কিতাবুল মাগাজি ওয়াস সিয়ার) (১) শিরোনামে এবং দ্বিতীয়টি (কিতাব আলামাতুন নুবুওয়াহ) (২) শিরোনামে। প্রথম কিতাবটির মোট পরিচ্ছেদ সংখ্যা আঠাত্তরটি এবং এতে মোট হাদিস ও বর্ণনার সংখ্যা পাঁচশত চুরানব্বইটি।
এতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য করা যায়:
- তিনি এর শেষ দিকে এমন কিছু পরিচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করেছেন যা সূক্ষ্ম অর্থে সিরাতুন নববীর অংশ নয়, তবে তা মাগাজি ও সিয়ারের সাধারণ সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। এগুলোর সংখ্যা নয়টি এবং সেগুলো নিম্নরূপ: যি-ক্বার দিবসের পরিচ্ছেদ, পারস্য ও রোমের সাথে যুদ্ধ এবং তাদের শত্রুতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ, শামে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিচ্ছেদ, কাদিসিয়া ও নেহাওয়ান্দ যুদ্ধ এবং অন্যান্য যুদ্ধ বিষয়ক পরিচ্ছেদ, জিসর (সেতু) এর যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিচ্ছেদ, আলেকজান্দ্রিয়া যুদ্ধ বিষয়ক পরিচ্ছেদ, কনস্টান্টিনোপল ও রোম বিজয় বিষয়ক পরিচ্ছেদ, মুরতাদদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিষয়ক পরিচ্ছেদ, ইয়ামামার যুদ্ধে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের পরিচ্ছেদ। আর এই পরিচ্ছেদগুলোর মোট হাদিস ও বর্ণনার সংখ্যা আটত্রিশটি।
- এই কিতাবের অধীনে অন্তর্ভুক্ত সিরাতুন নববী বিষয়ক পরিচ্ছেদগুলোর শিরোনামগুলো সিরতের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি বা তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলিকে প্রতিনিধিত্ব করে। এগুলোর সংখ্যা ঊনসত্তরটি এবং এর হাদিস সংখ্যা পাঁচশত ছাপ্পান্নটি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
- يخصُّ المرحلةَ المكيةَ منها ثلاثة عشر باباً، وثمانية وعشرون ومائة حديث أو رواية.
ومن أبرز الموضوعات التي تناولها في هذه المرحلة، ما يأتي:
* تبليغ الرسول صلى الله عليه وسلم الرسالة وصبره على ذلك، وأورد فيه سبعة وعشرين حديثاً أو رواية
* الهجرة إلى الحبشة، وذكر فيها أحد عشر حديثاً أو رواية، لكن معظمها طوال.
* خروج النبي صلى الله عليه وسلم إلى الطائف وعرضه نفسه على القبائل، وذكر فيه خمسة أحاديث أو روايات.
* بيعتا العقبة الأولى والثانية، وأورد فيهما حوالي أربعة وأربعين حديثاً أو رواية.
* الهجرة إلى المدينة، وجاء فيها سبعة وعشرون حديثاً أو رواية، بعضها طوال.
* افتتح أبواب هذه المرحلة بباب عنونه بقوله: (باب علو الإسلام على كل دين خالفه وظهوره عليه) ، واختتمها بباب يشبهه، وهو: (باب علو أمره على من عاداه) ، وذكر في الأول أحاديث تدل على ظهور الإسلام على كل الأديان والأمم، وفي الثاني تدل على ظهور أمر الرسول صلى الله عليه وسلم وتمكنه. وكرر في كل منهما حديث زياد بن جَهْوَر، الذي يذكر فيه كتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه، وفيه: "أما بعد: فليوضعن كل دين دان به الناس إلا الإسلام، فاعلم ذلك" (1) ، وكأنه يشير بذلك إلى أن ما وعد الله تعالى به في أول الإسلام من النصر والتمكين قد تحقق ببيعتي العقبة، وهجرة الرسول صلى الله عليه وسلم، وقيام دولة الإسلام
--------------------------------------------
মক্কী পর্যায়ের সাথে তেরোটি অধ্যায় এবং একশত আটাশটি হাদীস বা বর্ণনা সংশ্লিষ্ট।
এই পর্যায়ে তিনি যেসব প্রধান বিষয়গুলো আলোচনা করেছেন, তা হলো নিম্নরূপ:
* রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর রিসালাত প্রচার এবং এ ক্ষেত্রে তাঁর ধৈর্যধারণ; এতে তিনি সাতাশটি হাদীস বা বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।
* হাবশায় হিজরত; এতে তিনি এগারোটি হাদীস বা বর্ণনা উল্লেখ করেছেন, তবে সেগুলোর অধিকাংশই দীর্ঘ।
* নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তায়েফ গমন এবং বিভিন্ন গোত্রের কাছে নিজেকে পেশ করা; এতে তিনি পাঁচটি হাদীস বা বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।
* প্রথম ও দ্বিতীয় বায়আতে আকাবাহ; এতে তিনি প্রায় চুয়াল্লিশটি হাদীস বা বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।
* মদীনায় হিজরত; এতে সাতাশটি হাদীস বা বর্ণনা এসেছে, যার কিছু কিছু দীর্ঘ।
* তিনি এই পর্যায়ের অধ্যায়সমূহ এমন একটি শিরোনামের মাধ্যমে শুরু করেছেন যাতে তিনি বলেছেন: (অধ্যায়: সত্য বিমুখ সকল দ্বীনের ওপর ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও বিজয়), এবং এর সমাপ্তি ঘটিয়েছেন অনুরূপ একটি অধ্যায় দিয়ে, যা হলো: (অধ্যায়: শত্রুদের ওপর তাঁর প্রভাবের শ্রেষ্ঠত্ব)। প্রথমটিতে তিনি এমন সব হাদীস উল্লেখ করেছেন যা সকল ধর্ম ও জাতির ওপর ইসলামের বিজয়ের প্রমাণ দেয়, আর দ্বিতীয়টিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রভাবের বিজয় ও সুদৃঢ় অবস্থানের প্রমাণ দেয়। তিনি উভয় অধ্যায়ে যিয়াদ বিন জাহওয়ার-এর হাদীসটি পুনরাবৃত্তি করেছেন, যাতে তাঁর কাছে লেখা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পত্রের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে: "অতঃপর: ইসলাম ব্যতীত মানুষ যে সকল দ্বীন পালন করে তার সবই অবশ্যই মিটিয়ে দেওয়া হবে, সুতরাং তা জেনে রাখো।" (১), এর মাধ্যমে তিনি যেন ইঙ্গিত করছেন যে, ইসলামের সূচনালগ্নে আল্লাহ তাআলা সাহায্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত করার যে ওয়াদা দিয়েছিলেন, তা বায়আতে আকাবাহদ্বয়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হিজরত এবং ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
واقعاً على الأرض.
- ويخصُّ المرحلةَ المدنيةَ ستةٌ وخمسون باباً، وتسعةٌ وعشرون وأربعمائة حديث أو رواية، وقد جاءت الأحاديث والروايات فيها مستوفية بصورة شبه كاملة لمعظم أحداث المرحلة، يتضح ذلك من خلال مسرد أبواب الكتاب الذي سأثبته بعد قليل - بإذن الله تعالى -.
* مما يلفت النظرَ أنه قد ورد في غزوة بدر وما يتعلق بها من أبواب قرابةُ ثمانية عشر ومائة حديث أو رواية.
* بينما جاء في غزوة أحد ثمانيةٌ وستون حديثاً أو رواية.
* أما غزوة الخندق وبني قريظة فلم يرد فيها إلا خمسةٌ وثلاثون حديثاً أو رواية.
* وذُكر في غزوة خيبر خمسةٌ وعشرون حديثاً أو رواية.
* وفي كلٍّ من غزوتي: الفتح، وحنين والطائف ستةٌ وثلاثون حديثاً أو رواية.
* أما غزوة تبوك فلم يرد فيها سوى تسعة عشر حديثاً أو رواية.
* وبعد أن فرغ من الحديث عن (الغزوات) على نحو عام، انتقل إلى (السرايا والبعوث) فعقد لها أبواباً، بلغ عددُها أربعة عشر باباً، كان آخرها عن مجموعة من السرايا غير المشتهرة بأسماء معينة، ووصلت الأحاديث والمرويات فيها إلى واحد وثلاثين.
- وهذا مسرد للأبواب التي أدخلها الهيثمي تحت (كتاب المغازي والسير) :
বাস্তবে জমিনের ওপর।
- মাদানি পর্যায়ের জন্য ছাপ্পান্নটি অধ্যায় এবং চারশত ঊনত্রিশটি হাদিস বা বর্ণনা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই হাদিস ও বর্ণনাগুলো উক্ত পর্যায়ের অধিকাংশ ঘটনাকে প্রায় পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত হয়েছে। বিষয়টি কিতাবের অধ্যায়গুলোর সূচিপত্র থেকে স্পষ্ট হয়, যা আমি অচিরেই—আল্লাহ তাআলা চাইলে—উপস্থাপন করব।
* লক্ষ্যণীয় যে, বদর যুদ্ধ এবং এ সংক্রান্ত অধ্যায়গুলোতে প্রায় একশত আঠারোটি হাদিস বা বর্ণনা এসেছে।
* অন্যদিকে ওহুদ যুদ্ধে আটষট্টিটি হাদিস বা বর্ণনা এসেছে।
* খন্দক যুদ্ধ এবং বনু কুরাইজা প্রসঙ্গে মাত্র পঁয়ত্রিশটি হাদিস বা বর্ণনা বর্ণিত হয়েছে।
* খয়বর যুদ্ধে পঁচিশটি হাদিস বা বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে।
* মক্কা বিজয়, হুনায়ন এবং তায়েফ যুদ্ধের প্রত্যেকটিতে ছত্রিশটি করে হাদিস বা বর্ণনা রয়েছে।
* তাবুক যুদ্ধে মাত্র উনিশটি হাদিস বা বর্ণনা এসেছে।
* সাধারণভাবে (যুদ্ধাভিযান) সংক্রান্ত আলোচনা শেষ করার পর তিনি (ছোট যুদ্ধ অভিযান ও প্রতিনিধি দল) প্রসঙ্গের দিকে অগ্রসর হয়েছেন এবং এ জন্য কিছু অধ্যায় বিন্যস্ত করেছেন, যার সংখ্যা চৌদ্দটি। এর সর্বশেষটি ছিল নির্দিষ্ট নামহীন একদল ছোট যুদ্ধ অভিযান সম্পর্কে, এবং এতে হাদিস ও বর্ণনার সংখ্যা একত্রিশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
- এটি সেই অধ্যায়গুলোর একটি তালিকা যা হাইসামি (কিতাবুল মাগাজি ওয়াস সিয়ার)-এর অধীনে অন্তর্ভুক্ত করেছেন:
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
أبواب المرحلة المكية:
- باب علو الإسلام على كل دين خالفه، وظهوره عليه.
- باب تبليغ النبي صلى الله عليه وسلم ما أرسل به، وصبره على ذلك.
- باب تكسير الأصنام.
- باب الهجرة إلى الحبشة.
- باب خروج النبي صلى الله عليه وسلم إلى الطائف، وعرضه نفسه على القبائل.
- باب البيعة على الإسلام التي تسمى بيعة النساء.
- باب بيعة من لم يحتلم.
- باب ابتداء أمر الأنصار، والبيعة على الحرب.
- باب قوله: بعثت بين يدي الساعة بالسيف.
- باب فيمن شهد العقبة.
- باب الهجرة إلى المدينة.
- باب فيمن اختار الهجرة.
- باب علو أمره على من عاداه.
أبواب المرحلة المدنية:
- باب نصره بالريح والرعب.
- باب الغزو في الشهر الحرام.
- باب في أول أمير كان في الإسلام.
- باب سرية حمزة رضي الله عنه.
- باب ما جاء في غزوة الأبواء.
- باب غزوة بدر..
- باب ما جاء في الأسرى
মক্কী পর্যায়ের অধ্যায়সমূহ:
- পরিচ্ছেদ: ইসলামের বিরুদ্ধাচরণকারী সকল দ্বীনের ওপর ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব এবং তার ওপর বিজয়।
- পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছেন তা পৌঁছে দেওয়া এবং সে বিষয়ে তাঁর ধৈর্য।
- পরিচ্ছেদ: প্রতিমা চূর্ণ করা।
- পরিচ্ছেদ: আবিসিনিয়ায় হিজরত।
- পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তায়েফে গমন এবং গোত্রসমূহের নিকট নিজেকে পেশ করা।
- পরিচ্ছেদ: ইসলামের ওপর বায়আত যাকে 'নারীদের বায়আত' বলা হয়।
- পরিচ্ছেদ: যে সাবালক হয়নি তার বায়আত।
- পরিচ্ছেদ: আনসারদের বিষয়ের সূচনা এবং যুদ্ধের ওপর বায়আত।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর বাণী: কিয়ামতের প্রাক্কালে আমাকে তলোয়ার সহকারে প্রেরণ করা হয়েছে।
- পরিচ্ছেদ: যারা আকাবায় উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁদের সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: মদিনায় হিজরত।
- পরিচ্ছেদ: যারা হিজরত বেছে নিয়েছেন তাঁদের সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর শত্রুদের ওপর তাঁর বিষয়ের শ্রেষ্ঠত্ব।
মাদানী পর্যায়ের অধ্যায়সমূহ:
- পরিচ্ছেদ: বায়ু এবং ভীতির মাধ্যমে তাঁর সাহায্যপ্রাপ্তি।
- পরিচ্ছেদ: নিষিদ্ধ মাসে যুদ্ধ করা।
- পরিচ্ছেদ: ইসলামের প্রথম আমীর সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: হামযাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর সারিয়া।
- পরিচ্ছেদ: আল-আবওয়া যুদ্ধ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
- পরিচ্ছেদ: বদর যুদ্ধ..
- পরিচ্ছেদ: যুদ্ধবন্দীদের সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
- باب فيمن قتل من المسلمين يوم بدر
- باب فيمن قتل من المشركين يوم بدر.
- بابٌ (1) .
- باب فيمن حمل لواء يوم بدر.
- باب في أي شهر كانت وقعة بدر، وعدة من شهدها.
- وقد حضر بدراً جماعة.
- باب فضل أهل بدر.
- باب غزوة أحد..
- باب فيما رآه النبي صلى الله عليه وسلم في المنام مما يتعلق بأحد.
- باب فيمن استصغر يوم أحد.
- باب منه في وقعة أحد.
- باب مقتل حمزة رضي الله عنه.
- باب منه في وقعة أحد.
- باب في دعائه صلى الله عليه وسلم بأحد.
- باب فيمن خسف به من الكفار يوم أحد.
- باب فيمن أحسن القتال يوم أحد.
- باب فيمن استشهد يوم أحد.
- باب تاريخ وقعة أحد.
- باب غزوة بني النضير.
- باب غزوة بئر معونة.
--------------------------------------------
- বদরের যুদ্ধে যে সকল মুসলিম শাহাদাত বরণ করেছেন তাঁদের পরিচ্ছেদ
- বদরের যুদ্ধে যে সকল মুশরিক নিহত হয়েছে তাদের পরিচ্ছেদ
- পরিচ্ছেদ (১) .
- বদরের দিন যারা পতাকা বহন করেছিলেন তাঁদের পরিচ্ছেদ
- বদরের যুদ্ধ কোন মাসে সংঘটিত হয়েছিল এবং কতজন তাতে অংশগ্রহণ করেছিলেন সে সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
- বদরের যুদ্ধে একটি দল উপস্থিত হয়েছিল।
- বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের মর্যাদার পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধের পরিচ্ছেদ..
- উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নে যা দেখেছিলেন সে বিষয়ের পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধের দিন যাদের অল্পবয়স্ক হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল তাঁদের পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কিত আরেকটি পরিচ্ছেদ
- হামযাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর শাহাদাতের পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধ সম্পর্কিত আরেকটি পরিচ্ছেদ
- উহুদ প্রান্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দোয়ার পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধের দিন কাফিরদের মধ্যে যাদের ভূগর্ভে প্রোথিত করা হয়েছিল তাদের পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধের দিন যারা বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধ করেছিলেন তাঁদের পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধের দিন যারা শাহাদাত বরণ করেছিলেন তাঁদের পরিচ্ছেদ
- উহুদ যুদ্ধের তারিখ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
- বনু নাযীর যুদ্ধের পরিচ্ছেদ
- বি’রে মাউনা যুদ্ধের পরিচ্ছেদ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
- باب فيمن استشهد يوم بئر معونة.
- باب غزوة الخندق وقريظة.
- باب فيمن استشهد يوم الخندق.
- باب تاريخ الخندق.
- باب غزوة المريسيع، وهي غزوة بني المصطلق.
- باب غزوة ذي قرد.
- باب الحديبية وعمرة القضاء.
- باب غزوة خيبر.
- باب غزوة مؤتة.
- باب غزوة الفتح.
- باب غزوة حنين.
- باب ما جاء في غنائم هوازن وسبيهم.
- باب فيمن استشهد يوم حنين.
- باب غزوة الطائف.
- باب غزوة تبوك.
- باب السرايا والبعوث.
- باب قتل كعب بن الأشرف.
- باب قتل ابن أبي الحقيق.
- باب سرية عبد الله بن جحش.
- باب في يوم الرجيع.
- باب في سرية إلى أبي سفيان بن الحارث
- باب في سرية إلى ابن الملوح.
- পরিচ্ছেদ: বীর মাউনার দিনে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন।
- পরিচ্ছেদ: খন্দক ও কুরাইজা যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: খন্দক যুদ্ধে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন।
- পরিচ্ছেদ: খন্দক যুদ্ধের তারিখ।
- পরিচ্ছেদ: মুরাইসী’র যুদ্ধ, যা বনু মুস্তালিকের যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: যু-কারাদ-এর যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: হুদাইবিয়া ও উমরাতুল কাযা।
- পরিচ্ছেদ: খাইবারের যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: মুতা যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: মক্কা বিজয় যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: হুনাইন যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: হাওয়াযিন গোত্রের যুদ্ধলব্ধ সম্পদ ও যুদ্ধবন্দীদের বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে।
- পরিচ্ছেদ: হুনাইন যুদ্ধে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন।
- পরিচ্ছেদ: তায়েফ যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: তাবুক যুদ্ধ।
- পরিচ্ছেদ: সারিয়া (অভিযান) ও প্রতিনিধিদলসমূহ।
- পরিচ্ছেদ: কাব বিন আশরাফকে হত্যা।
- পরিচ্ছেদ: ইবনে আবিল হুকাইককে হত্যা।
- পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ বিন জাহশের সারিয়া (অভিযান)।
- পরিচ্ছেদ: রাজী’-এর দিন প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: আবু সুফিয়ান বিন হারিসের প্রতি প্রেরিত সারিয়া প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: ইবনে মুল্লাওয়াহর প্রতি প্রেরিত সারিয়া প্রসঙ্গে।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
- باب قتل خالد بن سفيان الهذلي.
- باب في سرية إلى رعية السحيمي.
- باب سرية بكر بن وائل.
- باب في سرية إلى نجد.
- باب في سرية إلى بلاد طيء.
- باب في سرية إلى جفينة.
- باب في سرية إلى ضاحية مضر.
- باب في سراياه.
أبواب ليست من السيرة وردت ضمن كتاب المغازي:
- باب في يوم ذي قار.
- باب في قتال فارس والروم، وعداوتهم.
- باب فيمن قتل بالشام.
- باب في وقعة القادسية، ونهاوند، وغير ذلك.
- باب فيمن قتل يوم الجسر.
- باب وقعة الإسكندرية.
- باب فتح القسطنطينية، ورومية.
- باب قتال أهل الردة.
- باب فيمن استشهد يوم اليمامة.
أما الكتاب الثاني (كتاب علامات النبوة) فهو يتحدث في مجمله عن شمائل الرسول صلى الله عليه وسلم، وصفاته، وخصائصه، ودلائل نبوته صلى الله عليه وسلم، وقد بلغ مجملُ أبوابه ستة وسبعين باباً، أما أحاديثُه فوصلت إلى تسعة وستين وأربعمائة حديث أو رواية، لكنْ ورد في أوله أبواب تتصل في معظمها بحياته وأحواله
- পরিচ্ছেদ: খালিদ বিন সুফিয়ান আল-হুযালীকে হত্যা করা।
- পরিচ্ছেদ: রাইয়াহ আস-সুহাইমীর নিকট প্রেরিত সেনাদল সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: বাকর বিন ওয়াইল গোত্রের নিকট প্রেরিত সেনাদল।
- পরিচ্ছেদ: নাজদ অভিমুখে প্রেরিত সেনাদল সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: তাই গোত্রের ভূখণ্ডের দিকে প্রেরিত সেনাদল সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: জুফাইনা অভিমুখে প্রেরিত সেনাদল সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: মুদারের প্রান্তিক অঞ্চলের দিকে প্রেরিত সেনাদল সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর প্রেরিত বিভিন্ন সেনাদল সম্পর্কে।
সীরাত (জীবনচরিত) বিষয়ক নয় এমন কিছু পরিচ্ছেদ যা কিতাবুল মাগাযীর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে:
- পরিচ্ছেদ: যী কারের যুদ্ধ দিবস সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: পারস্য ও রোমের সাথে যুদ্ধ এবং তাদের শত্রুতা সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: শামে (সিরিয়া অঞ্চলে) যারা নিহত হয়েছেন তাদের সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: কাদিসিয়া, নাহাওয়ান্দ এবং অন্যান্য যুদ্ধ ঘটনা সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: জাসরের যুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন তাদের সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: আলেকজান্দ্রিয়া বিজয় অভিযান সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: কনস্টান্টিনোপল এবং রোম বিজয় সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: ধর্মত্যাগীদের (মুরতাদদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।
- পরিচ্ছেদ: ইয়ামামার যুদ্ধে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের সম্পর্কে।
আর দ্বিতীয় গ্রন্থটি (নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী গ্রন্থ) মূলত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শামায়িল (শারীরিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য), তাঁর গুণাবলি, বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং তাঁর নবুওয়াতের প্রমাণাদি নিয়ে আলোচনা করে। এর মোট পরিচ্ছেদ সংখ্যা ছিয়াত্তরটি। আর এর হাদিস বা বর্ণনা সংখ্যা চারশত উনসত্তরটিতে পৌঁছেছে। তবে এর শুরুতে এমন কিছু পরিচ্ছেদ এসেছে যা মূলত তাঁর জীবন ও অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
ومرحلة دعوته في الفترة المكية، تبلغ أحاديثها ثمانية وأربعين ومائة حديث أو رواية تقريباً.
ويظهر من خلال هذه الأبواب الأخيرة المدرجة في هذا الباب مدى دقة الهيثمي، وحسِّه التاريخي المرهف؛ إذ هي تقترب في بعض تفصيلاتها أو جزئياتها إلى معنى الكتاب العام (علامات النبوة) ؛ كما في باب المولد، والرضاع، وشق صدره، وعصمته، وعلم أهل الكتاب بأمر نبوته، وإيمان الجن به، وسلام الشجر والحجر عليه
…أما أبواب المرحلة المكية المذكورة في الكتاب الأول (كتاب المغازي والسير) فهي أقرب إلى فحواه وألصق به؛ كما في الأبواب التي تتحدث عن تبليغ الرسالة، وتحمل أعبائها، والصبر على الأذى فيها، والهجرة في سبيلها، وتكبد المشاق في ذلك، والبحث عن مناصرين لها، وعقد العهود معهم، ومبايعتهم على حمايتها والذب عنها، وقتال من يقف في سبيلها
…وهذا مسرد للأبواب التي وردت في (كتاب علامات النبوة) :
- باب في كرامة أصله صلى الله عليه وسلم.
- باب ما جاء في مولده ورضاعه وشرح صدره صلى الله عليه وسلم.
- باب في أول أمره وشرح صدره أيضاً صلى الله عليه وسلم.
- باب قدم نبوته صلى الله عليه وسلم.
- باب ختانه صلى الله عليه وسلم.
- بابٌ (1) .
- باب عصمته صلى الله عليه وسلم من القرين.
--------------------------------------------
এবং মক্কী যুগে তাঁর দাওয়াতী পর্যায়ের হাদীস বা বর্ণনার সংখ্যা প্রায় একশত আটচল্লিশটি।
এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত শেষোক্ত পরিচ্ছেদগুলোর মাধ্যমে হাইসামীর সূক্ষ্মতা এবং তাঁর প্রখর ঐতিহাসিক বোধ ফুটে ওঠে; কেননা এগুলোর কিছু বিস্তারিত বিবরণ বা অংশবিশেষ মূল গ্রন্থের (নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী) সাধারণ অর্থের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত; যেমন—জন্মগ্রহণ, দুগ্ধপান, বক্ষ বিদীর্ণ করা, তাঁর সুরক্ষা (নিষ্পাপতা), তাঁর নবুওয়াত সম্পর্কে আহলে কিতাবদের জ্ঞান, তাঁর প্রতি জিনদের ঈমান আনা এবং গাছ ও পাথরের পক্ষ থেকে তাঁকে সালাম জানানো সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
…আর প্রথম গ্রন্থে (মাগাজি ও সিরাত গ্রন্থ) উল্লিখিত মক্কী জীবনের পরিচ্ছেদগুলো সেই বিষয়ের সাথেই অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সম্পৃক্ত; যেমন—রিসালাত প্রচার, এর দায়ভার বহন, এতে কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণ, আল্লাহর পথে হিজরত, সেই লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম, দ্বীনের সাহায্যকারীদের অনুসন্ধান, তাদের সাথে অঙ্গীকার করা এবং তা রক্ষা ও প্রতিরক্ষার জন্য তাদের বায়আত গ্রহণ করা এবং এর পথে বাধাদানকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
…আর এটি হলো (নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী গ্রন্থ)-এ বর্ণিত পরিচ্ছেদগুলোর একটি তালিকা:
- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বংশমর্যাদা বিষয়ক পরিচ্ছেদ।
- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম, দুগ্ধপান এবং বক্ষ বিদীর্ণ করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার পরিচ্ছেদ।
- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াতের শুরুর দিক এবং পুনরায় বক্ষ বিদীর্ণ করা বিষয়ক পরিচ্ছেদ।
- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াতের অনাদিত্ব বিষয়ক পরিচ্ছেদ।
- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খতনা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
- পরিচ্ছেদ (১)।
- কারীন বা সহচর শয়তান থেকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুরক্ষা বিষয়ক পরিচ্ছেদ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
- باب عصمته صلى الله عليه وسلم من الباطل.
- باب عصمته صلى الله عليه وسلم ممن أراد قتله.
- باب تأييده صلى الله عليه وسلم على أعدائه من الإنس والجن.
- باب ما كان يدعى به صلى الله عليه وسلم قبل البعثة.
- بابٌ (1) .
- باب ما كان عند أهل الكتاب من أمر نبوته صلى الله عليه وسلم.
- باب منه (2) .
- باب فيمن أخبر بنبوته صلى الله عليه وسلم.
- باب عظم قدره صلى الله عليه وسلم.
- باب ما جاء في بعثتهصلى الله عليه وسلم وعمومها ونزول الوحي.
- باب عموم بعثته صلى الله عليه وسلم.
- باب تسليم الحجر والشجر عليه صلى الله عليه وسلم.
- باب في مثله ومثل من أطاعه صلى الله عليه وسلم.
- باب فيمن سمع به ولم يؤمن به صلى الله عليه وسلم.
- باب وجوب اتباعه صلى الله عليه وسلم على من أدركه.
- باب تبلغ بعثته صلى الله عليه وسلم كل أحد.
- باب قوله صلى الله عليه وسلم أنا مبلغ والله يهدي.
- باب لا نبي بعدي.
- باب فيما أوتي من العلم.
--------------------------------------------
- পরিচ্ছেদ: বাতিল (ভ্রান্তি) থেকে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুরক্ষিত থাকা প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: যারা তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যা করার ইচ্ছা পোষণ করেছিল, তাদের থেকে তাঁর সুরক্ষিত থাকা প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: মানব ও জিন জাতির মধ্য হতে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শত্রুদের বিরুদ্ধে তাঁকে সাহায্য ও সমর্থন প্রদান প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: নবুওয়াত লাভের পূর্বে তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে নামে বা যেভাবে ডাকা হতো।
- পরিচ্ছেদ (১)।
- পরিচ্ছেদ: আহলে কিতাবদের নিকট তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াতের বিষয়াদি যা বিদ্যমান ছিল।
- পরিচ্ছেদ: এরই অংশ (২)।
- পরিচ্ছেদ: যারা তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াতের সংবাদ প্রদান করেছিলেন।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুমহান মর্যাদা প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াত লাভ, এর সর্বজনীনতা এবং ওহী অবতীর্ণ হওয়া প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াতের সর্বজনীনতা প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: পাথর ও বৃক্ষ কর্তৃক তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম প্রদান প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর উদাহরণ এবং যে ব্যক্তি তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনুগত্য করেছে তার উদাহরণ প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তাঁর সম্পর্কে শুনেছে অথচ তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওপর ঈমান আনেনি তার পরিণাম প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়কাল পেয়েছে, তার ওপর তাঁর অনুসরণ আবশ্যক হওয়া প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: প্রত্যেকের নিকট তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রিসালাতের বাণী পৌঁছানো প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর বাণী: "আমি কেবল প্রচারকারী, আর আল্লাহই হেদায়েত দান করেন"।
- পরিচ্ছেদ: "আমার পরে কোনো নবী নেই" তাঁর এই বাণী প্রসঙ্গে।
- পরিচ্ছেদ: তাঁকে যে জ্ঞান দান করা হয়েছে সে প্রসঙ্গে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
- باب ما جاء في الخصائص.
- باب ما جاء في دعائه واشتراطه فيه صلى الله عليه وسلم.
- باب بركة دعائه صلى الله عليه وسلم.
- باب فيمن دعا له صلى الله عليه وسلم.
- باب فيما خص به عمن تقدمه.
- باب منه في الخصائص.
- باب منه.
- بابٌ (1) .
- باب صفته صلى الله عليه وسلم.
- باب منه في صفته وطيب رائحته صلى الله عليه وسلم.
- باب في سره وعلانيته صلى الله عليه وسلم.
- باب في أسمائه.
- باب إخباره صلى الله عليه وسلم بالمغيبات.
- باب إخبار الذئب بنبوته صلى الله عليه وسلم
- باب سؤال الذئب القوت.
- باب شهادة الشجر بنبوته صلى الله عليه وسلم.
- باب شهادة الضب بنبوته صلى الله عليه وسلم.
- باب حديث الظبية.
- باب ما جاء في الشاة المسمومة.
- باب حبس الشمس له صلى الله عليه وسلم.
--------------------------------------------
- স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যাবলি সংক্রান্ত অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুআ এবং তাতে তাঁর শর্তারোপ করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুআর বরকত বিষয়ক অধ্যায়।
- তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাঁদের জন্য দুআ করেছেন তাঁদের বিষয়ক অধ্যায়।
- তাঁর পূর্ববর্তীদের ওপর তাঁকে যে বিষয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করা হয়েছে তার অধ্যায়।
- স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যাবলি সংক্রান্ত একই প্রসঙ্গের একটি অধ্যায়।
- একই প্রসঙ্গের একটি অধ্যায়।
- অধ্যায় (১)।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৈশিষ্ট্য বিষয়ক অধ্যায়।
- তাঁর বৈশিষ্ট্য এবং সুগন্ধি সংক্রান্ত একই প্রসঙ্গের অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গোপন ও প্রকাশ্য অবস্থা বিষয়ক অধ্যায়।
- তাঁর নামসমূহ বিষয়ক অধ্যায়।
- অদৃশ্য বিষয়াদি সম্পর্কে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংবাদ প্রদান বিষয়ক অধ্যায়।
- নেকড়ে বাঘ কর্তৃক তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াতের সংবাদ প্রদান বিষয়ক অধ্যায়।
- নেকড়ে বাঘের খাদ্য প্রার্থনা বিষয়ক অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াত সম্পর্কে বৃক্ষের সাক্ষ্য প্রদান বিষয়ক অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নবুওয়াত সম্পর্কে ঘুইসাপের সাক্ষ্য প্রদান বিষয়ক অধ্যায়।
- হরিণী সংক্রান্ত হাদিসের অধ্যায়।
- বিষযুক্ত বকরি সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তার অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য সূর্যকে আটকে রাখা বিষয়ক অধ্যায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
- باب رده البصر صلى الله عليه وسلم.
- باب شفاء السلعة.
- باب شفاء الجرح.
- باب تسبيح الحصى.
- باب معجزاته صلى الله عليه وسلم في الماء ونبعه من بين أصابعه.
- باب معجزته صلى الله عليه وسلم في الطعام وبركته فيه.
- باب قوله صلى الله عليه وسلم ناولني الذراع.
- باب من أكل من فيه شيئاً.
- باب بركته صلى الله عليه وسلم في اللبن وآيته فيه.
- باب قدوم وفد الجن وطاعتهم لهصلى الله عليه وسلم.
- باب منه في طاعتهم.
- باب منه.
- باب أدب الحيوانات معه صلى الله عليه وسلم.
- باب في معجزاته صلى الله عليه وسلم في الحيوانات والشجر وغير ذلك.
- باب في حديث جابر في قصة بعيره.
- باب في شجاعته صلى الله عليه وسلم.
- باب في جوده صلى الله عليه وسلم.
- باب في حسن خلقه وحياته وحسن معاشرته.
- باب منه.
- باب في تواضعه صلى الله عليه وسلم.
- باب فيمن خدمه صلى الله عليه وسلم.
- باب في مرضه ووفاته صلى الله عليه وسلم وما أطلعه الله تعالى عليه من ذلك.
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়া।
- পরিচ্ছেদ: টিউমার নিরাময় হওয়া।
- পরিচ্ছেদ: ক্ষত আরোগ্য হওয়া।
- পরিচ্ছেদ: কঙ্করের তাসবিহ পাঠ।
- পরিচ্ছেদ: পানির ক্ষেত্রে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজিজাসমূহ এবং তাঁর আঙুলের মাঝখান থেকে পানি নির্গত হওয়া।
- পরিচ্ছেদ: খাবারের ক্ষেত্রে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজিজা এবং তাতে বরকত।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাণী: "আমাকে বাহুটি এগিয়ে দাও।"
- পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তাঁর পবিত্র মুখনিসৃত কিছু আহার করেছে।
- পরিচ্ছেদ: দুগ্ধে তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বরকত এবং এতে তাঁর নিদর্শন।
- পরিচ্ছেদ: জিনের প্রতিনিধি দলের আগমন এবং তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি তাদের আনুগত্য।
- পরিচ্ছেদ: তাদের আনুগত্য বিষয়ক আলোচনা।
- পরিচ্ছেদ: এই বিষয়ক।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি পশুদের শিষ্টাচার।
- পরিচ্ছেদ: পশু, বৃক্ষ এবং অন্যান্য বিষয়ে তাঁর (সাল্লাল্লাহu আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুজিজাসমূহ।
- পরিচ্ছেদ: জাবিরের উটের কাহিনী সংক্রান্ত হাদিস।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বীরত্ব।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উদারতা।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর উত্তম চরিত্র, জীবন এবং সুন্দর সামাজিক আচরণ।
- পরিচ্ছেদ: এই সংক্রান্ত।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিনয়।
- পরিচ্ছেদ: যারা তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেবা করেছেন।
- পরিচ্ছেদ: তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসুস্থতা ও ইন্তেকাল এবং এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা তাঁকে যা অবহিত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
- باب في رؤيا العباس.
- باب في تخييره صلى الله عليه وسلم بين الدنيا والآخرة.
- باب ما يحصل لأمته صلى الله عليه وسلم من استغفاره بعد (1) وفاته.
- باب في وداعه.
- باب (2) .
- باب تمني رؤيته صلى الله عليه وسلم.
- باب فيما تركه صلى الله عليه وسلم.
وفيما عدا هذين الكتابين توجد مادة يسيرة متفرقة ذات صلة بالسيرة النبوية؛ ففي (كتاب الإيمان) توجد ثلاثة أبواب عن الإسراء به صلى الله عليه وسلم، ورد فيها ثمانية عشر حديثاً، بعضها طوال جداً (3) . وفي (كتاب العلم) ، باب التاريخ، جاءت أحاديث قصيرة متفرقة عن قدومه إلى المدينة، وتاريخ مولده، ووفاته، وعمره عند وفاته، في حدود أحد عشر حديثاً (4) . وفي (كتاب الجهاد) ، باب
--------------------------------------------
- আব্বাসের স্বপ্ন বিষয়ক অধ্যায়।
- দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্য থেকে তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ প্রদান সংক্রান্ত অধ্যায়।
- তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওফাতের পর (১) তাঁর ক্ষমা প্রার্থনা থেকে উম্মতের যা অর্জিত হয় সে সংক্রান্ত অধ্যায়।
- তাঁর বিদায় গ্রহণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
- অধ্যায় (২)।
- তাঁকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দেখার আকাঙ্ক্ষা পোষণ সংক্রান্ত অধ্যায়।
- তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা রেখে গিয়েছেন সে সংক্রান্ত অধ্যায়।
এই দুটি কিতাব ছাড়াও সীরাতে নববী সংশ্লিষ্ট কিছু বিক্ষিপ্ত ও সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু বিদ্যমান রয়েছে; যেমন (ঈমান অধ্যায়ে) তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসরা (নৈশ ভ্রমণ) সম্পর্কে তিনটি অধ্যায় রয়েছে, যেখানে আঠারোটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি অত্যন্ত দীর্ঘ (৩)। এবং (ইলম অধ্যায়ে) ইতিহাস পরিচ্ছেদে তাঁর মদীনায় আগমন, তাঁর জন্মের তারিখ, তাঁর ওফাত এবং ওফাতকালীন তাঁর বয়স সম্পর্কে প্রায় এগারোটি বিক্ষিপ্ত সংক্ষিপ্ত হাদীস বর্ণিত হয়েছে (৪)। এবং (জিহাদ অধ্যায়ে), অধ্যায়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
خيل النبي صلى الله عليه وسلم، ذكر فيه ثلاثة أحاديث عن أسمائها (1) . وفي (كتاب التعبير) باب فيما رآه النبي صلى الله عليه وسلم في المنام، ثلاثة أحاديث فقط، عن أحد بعوثه، ورؤياه يوم أحد (2) .
ويستنتج مما سبق ما يلي:
- تبلغ الأبواب المعنونة الخاصة بالسيرة النبوية المدرجة في الكتاب كله حوالي خمسين ومائة باب.
- يبلغ مجموع الأحاديث والروايات المضمنة تحت الأبواب السابقة في حدود ستين وألف حديث أو رواية.
- تبلغ مرويات المرحلة المكية سبعاً وتسعين ومائتي رواية أو حديث تقريباً.
- تبلغ مرويات المرحلة المدنية أربعين وأربعمائة حديث أو رواية تقريباً.
- وصل عدد المرويات المتعلقة بعلامات النبوة إلى حوالي ثلاثة وعشرين وثلاثمائة حديث أو رواية.
- يؤلف مجموع ما ورد من الأحاديث والمرويات في موضوع السيرة النبوية في كتاب مجمع الزوائد ومنبع الفوائد مادة علمية غزيرة جداً لا يوجد ما يماثلها في المصادر الحديثية الأخرى - فيما أعلم -.
- استخراج هذه المادة من الكتاب وتحريرها، يضع بين أيدي الباحثين فرصاً جيدة للتحليل والدراسة والمقارنة مع مرويات السيرة النبوية في المصادر الأخرى.
- سار الهيثمي في منهجه في تدوين أحاديث ومرويات السيرة النبوية وفق
--------------------------------------------
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোড়াগুলো; এতে সেগুলোর নাম সম্পর্কে তিনটি হাদিস উল্লেখ করা হয়েছে (১)। এবং (কিতাবুত তাবি'র) বা স্বপ্নযোগ অধ্যায়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বপ্নে যা দেখেছেন সেই অনুচ্ছেদে কেবল তিনটি হাদিস রয়েছে, যা তাঁর প্রেরিত একটি বাহিনী এবং উহুদ যুদ্ধের দিনের স্বপ্ন সম্পর্কে (২)।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিরূপিত হয়:
- সমগ্র গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত সীরাতুন্নবী সংক্রান্ত শিরোনামযুক্ত অধ্যায়ের সংখ্যা প্রায় একশত পঞ্চাশটি।
- পূর্বোক্ত অধ্যায়গুলোর অধীনে অন্তর্ভুক্ত মোট হাদিস ও বর্ণনার সংখ্যা প্রায় এক হাজার ষাটটি হাদিস বা বর্ণনা।
- মক্কী জীবনের বর্ণনাসমূহের সংখ্যা প্রায় দুইশত সাতানব্বইটি বর্ণনা বা হাদিস।
- মাদানী জীবনের বর্ণনাসমূহের সংখ্যা প্রায় চারশত চল্লিশটি হাদিস বা বর্ণনা।
- নবুওয়াতের নিদর্শন সংক্রান্ত বর্ণনার সংখ্যা প্রায় তিনশত তেইশটি হাদিস বা বর্ণনায় পৌঁছেছে।
- 'মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ' গ্রন্থে সীরাতুন্নবী বিষয়ে বর্ণিত মোট হাদিস ও বর্ণনাসমূহ একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ বৈজ্ঞানিক উপাদান তৈরি করে, যার সমকক্ষ অন্য কোনো হাদিস গ্রন্থে নেই - আমার জানামতে।
- গ্রন্থটি থেকে এই উপাদানগুলো নিষ্কাশন ও সম্পাদনা করা গবেষকদের জন্য বিশ্লেষণ, অধ্যয়ন এবং অন্যান্য উৎসে বর্ণিত সীরাতুন্নবীর বর্ণনার সাথে তুলনার এক চমৎকার সুযোগ তৈরি করে দেয়।
- আল-হাইসামী সীরাতুন্নবীর হাদিস ও বর্ণনাসমূহ সংকলনে তাঁর পদ্ধতিতে অনুসরণ করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
طريقته التي سار عليها في عامة الكتاب، من حيث الترتيب والحكم على الأسانيد.
- يتميز الهيثمي عمن جاء بعده، باعتنائه بتخريج الزوائد، واهتمامه بإيراد ما يجده زائداً على ما في الكتب الستة، من كتب الزوائد التي خرجها فيلتقط ما فيها من معلومات تاريخية أو فوائد، ومن ذلك اهتمامه بتخريج ما وجده في معجم الطبراني الكبير من تراجم الصحابة رضي الله عنهم على الرغم من كثرتها (1) .
- توافر من خلال عمل الهيثمي للباحثين في السيرة النبوية مادةٌ محكومٌ عليها حديثياً، إلى حد كبير، سهلةُ التوظيف والمأخذ، مرتبةُ الأبواب.
--------------------------------------------
বিন্যাস এবং সনদের ওপর হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে তিনি এই কিতাবটিতে যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন।
- আল-হাইসামি তাঁর পরবর্তী লেখকদের তুলনায় বিশেষ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, আর তা হলো 'জাওয়ায়েদ' (অতিরিক্ত হাদিস) সংকলনে তাঁর বিশেষ যত্ন এবং কুতুবে সিত্তাহর অতিরিক্ত যা কিছু তিনি পেয়েছেন তা উল্লেখ করার প্রতি তাঁর বিশেষ মনোযোগ। যে সকল 'জাওয়ায়েদ' গ্রন্থ তিনি সংকলন করেছেন, তা থেকে তিনি ঐতিহাসিক তথ্য ও ফায়দাগুলো চয়ন করেছেন। এরই অংশ হিসেবে তাবারানির 'আল-মু'জামুল কাবির'-এ সাহাবিদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) যে জীবনীগুলো তিনি পেয়েছেন, তা অধিক হওয়া সত্ত্বেও সংকলন করার প্রতি তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন (১)।
- আল-হাইসামির এই কর্মের মাধ্যমে সিরাত গবেষকদের জন্য এমন সব উপাদান সহজলভ্য হয়েছে যা হাদিসশাস্ত্রীয় মানদণ্ডে বহুলাংশে যাচাইকৃত, সহজে ব্যবহারযোগ্য ও গ্রহণীয় এবং অধ্যায় অনুযায়ী সুবিন্যস্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ ইনদাল হাইছামি ফি কিতাবিহি মাজমাউজ জাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
معالم من منهج الهيثمي في نقد الرجال والأحاديث.
طُبع أكثرُ كتب الهيثمي، وتناول محققو هذه الكتب منهج الهيثمي النقدي فيها، وسأثبت هنا موجزاً لبعض ما ذُكر عن منهجه، ولاسيما أن من تحدثوا عنه هم من المتخصصين في علم الحديث النبوي الشريف؛ فمن أبرز المسائل التي أثيرت في هذا الصدد:
- أنه تكونت لديه المقدرة على النقد، والتمييز بين الرجال، من كثرة الممارسة، لكن لم تكن دائرة معرفته بعلم الرجال واسعة جداً (1) .
- من مزاياه التدقيق فيما ينقله من مصادره (2) .
- محاولته الانعتاق من إسار القيود التي وضعها على نفسه في عدم إصدار أحكام ذاتية (3) .
- له عبارات لطيفة في نقد الرجال، ومقدرة على معرفة العلل الظاهرة والخفية، ولم يبلغ ذلك الشأو الذي بلغه غيره (4) .
- من منهج الهيثمي عدم الحكم الصريح على الحديث النبوي تصحيحاً أو تضعيفاً، كأن يقول: "هذا إسناد صحيح "، أو " هذا إسناد ضعيف " إلا في حالات قليلة جداً، ومدار حكمه على رجال الأسانيد، وأيضاً في الغالب، اعتماداً على كلام من سبقه من رجال الجرح والتعديل والنقاد الذين مارسوا هذا الفن وسبروا أغواره، فيقول مثلاً: " رجاله ثقات"، "رجاله رجال الصحيح"، "فيه فلان ضعيف، وبقية رجاله ثقات"، "رجاله رجال الشيخين"،
--------------------------------------------
রাবী এবং হাদীস সমালোচনায় ইমাম হাইসামী (রহ.)-এর মানহাজের বৈশিষ্ট্যসমূহ.
ইমাম হাইসামী (রহ.)-এর অধিকাংশ কিতাবই মুদ্রিত হয়েছে এবং এই কিতাবগুলোর মুহাক্কিকগণ তাতে তাঁর সমালোচনামূলক মানহাজ নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমি এখানে তাঁর মানহাজ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরব, বিশেষত যারা এ বিষয়ে কথা বলেছেন তারা পবিত্র হাদীস শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ। এ প্রসঙ্গে উত্থাপিত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অত্যধিক অনুশীলনের ফলে তাঁর মধ্যে সমালোচনা এবং রাবীদের মাঝে পার্থক্য করার সক্ষমতা তৈরি হয়েছিল, তবে রিজাল শাস্ত্র (বর্ণনাকারী বিষয়ক জ্ঞান) সম্পর্কে তাঁর জ্ঞানের পরিধি খুব বেশি বিস্তৃত ছিল না (১)।
- তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তিনি তাঁর উৎসসমূহ থেকে যা কিছু উদ্ধৃত করেন তাতে গভীর অনুসন্ধান পরিচালনা করেন (২)।
- ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বা হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি নিজের ওপর যে সীমাবদ্ধতাগুলো আরোপ করেছিলেন, তা থেকে মুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা তাঁর মধ্যে লক্ষ্য করা যায় (৩)।
- রাবীদের সমালোচনার ক্ষেত্রে তাঁর কিছু সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি রয়েছে এবং বাহ্যিক ও গোপন ত্রুটি (ইলাল) চিহ্নিত করার সক্ষমতা তাঁর ছিল, তবে তিনি এ ক্ষেত্রে অন্যদের মতো উচ্চ শিখরে পৌঁছাতে পারেননি (৪)।
- হাইসামী (রহ.)-এর মানহাজের অন্যতম দিক হলো খুব অল্প সংখ্যক ক্ষেত্র ছাড়া হাদীসের বিশুদ্ধতা (সহীহ হওয়া) বা দুর্বলতা (যঈফ হওয়া) সম্পর্কে সরাসরি কোনো হুকুম না দেওয়া। যেমন তাঁর পক্ষ থেকে "এই সনদটি সহীহ" বা "এই সনদটি যঈফ" এমন উক্তি খুব কমই পাওয়া যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁর হুকুমের মূল ভিত্তি হলো সনদের রাবীগণ। এটিও সাধারণত তাঁর পূর্ববর্তী জারহ-ওয়াত-তা'দীল এবং সমালোচক ইমামদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করেই হয়ে থাকে, যারা এই শাস্ত্রে দক্ষ এবং এর গভীরতা সম্পর্কে অবগত ছিলেন। উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন: "এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য", "এর রাবীগণ সহীহ গ্রন্থের রাবী", "এতে অমুক ব্যক্তি দুর্বল, তবে অবশিষ্ট রাবীগণ নির্ভরযোগ্য", "এর রাবীগণ শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর রাবী",
--------------------------------------------