(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: -)
السابق واللاحق في تباعد ما بين وفاة راويين عن شيخ واحد القسم: علوم الحديث
الكتاب: السابق واللاحق في تباعد ما بين وفاة راويين عن شيخ واحد
المؤلف: أبو بكر أحمد بن علي الخطيب البغدادي (ت 463 هـ)
المحقق: د محمد بن مطر الزهراني [ت 1427 هـ]
أصل التحقيق: رسالة ماجستير من قسم الدراسات العليا بالجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة، 1401 هـ
الناشر: دار الصميعي، الرياض - السعودية
الطبعة: الثانية، 1421 هـ - 2000 م
تنبيه: سقطت الصفحات 261 - 290 من طبعة الصميعي هذه؛ إذ تكرر مكانها غيرها؛ فأثبتنا الساقط من طبعة طيبة
عدد الصفحات: 347
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক: এক শাইখের নিকট থেকে বর্ণনাকারী দুই রাবীর মৃত্যুর সময়ের ব্যবধান সম্পর্কে বিভাগ: উলুমুল হাদিস
কিতাব: আস-সাবিক ওয়াল লাহিক: এক শাইখের নিকট থেকে বর্ণনাকারী দুই রাবীর মৃত্যুর সময়ের ব্যবধান সম্পর্কে
লেখক: আবু বকর আহমদ বিন আলী আল-খতিব আল-বাগদাদি (মৃ. ৪৬৩ হি.)
তাহকিক: ড. মুহাম্মদ বিন মাতার আল-জাহরানি [মৃ. ১৪২৭ হি.]
মূল তাহকিক: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা বিভাগের স্নাতকোত্তর থিসিস, ১৪০১ হি.
প্রকাশক: দারুস সুমাইয়ি, রিয়াদ - সৌদি আরব
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪২১ হি. - ২০০০ খ্রি.
সতর্কতা: দারুস সুমাইয়ির এই মুদ্রণে ২৬১ - ২৯০ পৃষ্ঠাগুলো বাদ পড়েছে; কারণ এগুলোর জায়গায় অন্য পৃষ্ঠাগুলোর পুনরাবৃত্তি হয়েছে; তাই আমরা দারুত তাইয়িবা সংস্করণ থেকে সেই বাদ পড়া অংশগুলো যুক্ত করেছি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪৭
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة الطبعة الثانيةالحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على خاتم الأنبياء والمرسلين، وبعد:
فهذه هي الطبعة الثانية من كتاب "السابق واللاحق في تباعد ما بين وفاة راويين عن شيخ واحد" للحافظ أبي بكر أحمد بن علي بن ثابت، مؤرخ بغداد ومحدثها المعروف بالخطيب البغدادي المتوفى سنة 463 هـ رحمه الله.
ونظرًا لنفاسة هذا الكتاب وتفرده في فنه أحببت أن أقدمه لإخواني طلبة العلم في طبعة جديدة، بعد أن مضى على الطبعة الأولى أكثر من سبعة عشر عامًا.
وكنت أود إخراج هذه الطبعة قبل الآن، لكن حالت بعض الأسباب دون ذلك، لعل من أهمها: أنني عزمت على إعادة النظر في كثير من التعليقات في الطبعة السابقة وكذلك في إخراجها أيضًا، وموجب ذلك أمران:
الأول: الأخطاء المطبعية التي كثرت في الطبعة الأولى، لأنني لم أتمكن من تصحيح بروفاتها بنفسي، بل تولى تصحيحها الطابع بنفسه فلم يوفق في ذلك.
والثاني: أنه حصل في الطبعة الأولى - في نظري - شيء من تكبير حجم الكتاب بما لا حاجة إليه، ولعل ذلك حصل بسببين: إحداهما: ما كان من إخراج الطابع حيث ترك أوراق وفراغات بين الأبواب والفصول ما كان لها من حاجة، وثانيها: توسعي في التعليق في الحواشي، حيث كنت أترجم لكل علَمٍ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
দ্বিতীয় সংস্করণের ভূমিকাসকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বশেষ নবী ও রাসুলগণের ওপর। অতপর:
এটি হলো হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত রচিত "আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওফাত রাউইয়াইন আন শায়খ ওয়াহিদ" (একই শায়খ থেকে বর্ণনা করেছেন এমন দুজন বর্ণনাকারীর মৃত্যুর মধ্যবর্তী দীর্ঘ ব্যবধান) কিতাবটির দ্বিতীয় সংস্করণ। তিনি বাগদাদের ঐতিহাসিক ও মুহাদ্দিস, যিনি খতিব আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৪৬৩ হিজরি) নামে পরিচিত, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
এই কিতাবটির গুরুত্ব এবং নিজ বিষয়ে এর অনন্যতার কারণে, আমি এটি আমার ইলম অন্বেষণকারী ভাইদের জন্য একটি নতুন সংস্করণে উপস্থাপন করতে চেয়েছি, যখন প্রথম সংস্করণ প্রকাশের পর সতেরো বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে।
আমি এই সংস্করণটি এর আগেই বের করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কিছু কারণ তাতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সম্ভবত তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো: আমি পূর্ববর্তী সংস্করণের অনেক টীকা এবং এর বিন্যাসের ওপর পুনরায় নজর দেওয়ার সংকল্প করেছিলাম। এর পেছনে দুটি কারণ ছিল:
প্রথম: প্রথম সংস্করণে মুদ্রণজনিত ত্রুটি অনেক বেশি ছিল, কারণ আমি নিজে সেগুলোর প্রুফ সংশোধন করার সুযোগ পাইনি, বরং মুদ্রক নিজেই তা সংশোধনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং তিনি তাতে সফল হতে পারেননি।
দ্বিতীয়: আমার দৃষ্টিতে, প্রথম সংস্করণে বইটির কলেবর অপ্রয়োজনীয়ভাবে বড় করা হয়েছিল। সম্ভবত এর দুটি কারণ ছিল: এক, মুদ্রকের বিন্যাস পদ্ধতি, যেখানে তিনি অধ্যায় ও অনুচ্ছেদগুলোর মাঝে অপ্রয়োজনীয় পাতা ও ফাঁকা জায়গা রেখেছিলেন। দুই, পাদটীকায় আমার টীকা প্রদানের বিস্তৃতি, যেখানে আমি প্রত্যেক ব্যক্তির জীবনী...
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
يمر في السند أو المتن وغير ذلك من التعليقات التي رأيت فيما بعد أن لا حاجة إليها، ولعل عذري في ذلك الوقت أنني تقدمت بتحقيق هذا الكتاب لنيل الماجستير من قسم السنة بالدراسات العليا بالجامعة الإسلامية بالمدينة النبوية، وذلك يتطلب أمورًا قد لا يحتاج إليها كثير من القراء.
لهذا وذاك أعدت النظر في الكتاب، فقمت بإعادة قراءة النص المخطوط ومقابلته، ثم حذفت كثيرًا من التعليقات التي رأيت أنها ليست ضرورية، ثم صححت الأخطاء، كما أنني أضفت بعض التعليقات التي لها فائدة في خدمة النص، وزدت في ضبط المشكل في النص والتعليقات، وتقييد المهمل، وتبيين المبهم.
هذا ما أدى إليه اجتهادي وحسبي أنني قصدت بذلك تقريب الكتاب إلى إخواني طلبة العلم بحجمه الجديد، ثم أتقدم بالشكر الجزيل لكل من أسدى إلي نصحًا أو نبهني على خطأ مما حصل في الطبعة الأولى فجزا الله الجميع عني خير الجزاء.
وأسأل الله لي ولإخواني من طلبة العلم أن يرزقنا العلم النافع والعمل الصالح، وأن يوفقنا للحق ويثبتنا عليه، وصلى الله وسلم على سيدنا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
وكتبه
محمد بن مطر الزهراني
بطيبة الطيبة قبل عصر يوم الجمعة
الموافق يوم عرفة من ذي الحجة سنة 1419 هـ
যা সনদ বা মতন এবং অন্যান্য টীকা-মন্তব্যের মধ্যে এসেছে, যা আমি পরবর্তীতে উপলব্ধি করেছি যে সেগুলোর প্রয়োজন ছিল না। সম্ভবত সে সময়ে আমার অজুহাত ছিল এই যে, আমি এই কিতাবটি তাহকীক করার মাধ্যমে মদীনা নববী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর শিক্ষা বিভাগের সুন্নাহ বিভাগ হতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের জন্য পেশ করেছিলাম। আর এতে এমন কিছু বিষয়ের প্রয়োজন হয় যা অধিকাংশ পাঠকের নিকট প্রয়োজনীয় নাও হতে পারে।
এই কারণে আমি কিতাবটির ওপর পুনরায় দৃষ্টিপাত করেছি। আমি পাণ্ডুলিপিটি নতুন করে পাঠ এবং তা যাচাই-বাছাই করেছি। অতঃপর আমি এমন অনেক টীকা বাদ দিয়েছি যেগুলোকে আমি অপ্রয়োজনীয় মনে করেছি এবং ভুলগুলো সংশোধন করেছি। পাশাপাশি আমি এমন কিছু মন্তব্য যোগ করেছি যা মূল পাঠের (নস) ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়। আমি মূল পাঠ ও টীকাগুলোর জটিল শব্দগুলোর উচ্চারণ সুনির্দিষ্ট করেছি, অনির্দিষ্ট বিষয়গুলো নির্দিষ্ট করেছি এবং অস্পষ্ট বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেছি।
এটিই আমার ইজতিহাদের ফলাফল এবং আমার জন্য এটিই যথেষ্ট যে আমি এর মাধ্যমে কিতাবটিকে এর নতুন কলেবরে আমার জ্ঞানান্বেষী ভাইদের নিকট সহজবোধ্য করতে চেয়েছি। অতঃপর আমি তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে কোনো নসীহত করেছেন অথবা প্রথম সংস্করণে ঘটে যাওয়া কোনো ভুল সম্পর্কে আমাকে সতর্ক করেছেন। আল্লাহ তাদের সকলকে আমার পক্ষ থেকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
আমি আল্লাহর নিকট আমার নিজের জন্য এবং আমার জ্ঞানান্বেষী ভাইদের জন্য উপকারী ইলম ও নেক আমলের প্রার্থনা করছি এবং তিনি যেন আমাদের সত্যের তাওফীক দান করেন ও তার ওপর অটল রাখেন। আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সঙ্গীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
এটি লিখেছেন
মুহাম্মদ বিন মাতার আল-জাহরানী
পবিত্র মদীনাতে, জুমার দিন আসরের পূর্বে
যিলহজ মাসের আরাফাতের দিনে, যা ১৪১৯ হিজরী সনের সাথে সংগতিপূর্ণ।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
المقدمة
أولًا: ترجمة موجزة للمؤلف (1):
هو أبو بكر أحمد بن علي بن ثابت بن أحمد البغدادي - من أصل عربي - ولد سنة 392 هـ.
ونشأ في قرية درزيجان الواقعة جنوب غربي بغداد، حيث كان والده يتولى خطبة وإمامة جامعها لمدة عشرين سنة
(2).
وكانت نشأت الخطيب البغدادي في بيت من بيوت العلم والصلاح فكان والده رجلًا صالحًا محبًا للعلم والعلماء، فلذلك حرص على تنشئة ابنه تنشئة علمية قوية مبنية على تقوى الله وطلب العلم لوجهه تعالى، فأخذه منذ صغره إلى مؤدب يؤدبه ويقرؤه القرآن ثم أخذ بعد ذلك يوجهه إلى حلقات العلم ومجالس العلماء.
حتى أصبح بعد ذلك من العلماء المشهورين، توفي سنة 463 هـ.
طلبه للعلم ورحلته:بدأ الخطيب الجلوس إلى حلقات العلم في وقت مبكر وأخذ ينتقل من حلقة إلى حلقة هذا يسمع من الشيخ ويصغي إلى ذاك الشيخ فسمع الحديث وأخذ.
--------------------------------------------
ভূমিকা
প্রথমত: লেখকের সংক্ষিপ্ত জীবনী (১):
তিনি হলেন আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত ইবনে আহমদ আল-বাগদাদী—আরব বংশোদ্ভূত—জন্ম ৩৯২ হিজরি সনে।
তিনি বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দারজিজান গ্রামে বেড়ে ওঠেন, যেখানে তাঁর পিতা দীর্ঘ বিশ বছর ধরে সেখানকার জামে মসজিদের খুতবা প্রদান ও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন
(২)।
খতীব আল-বাগদাদীর বেড়ে ওঠা জ্ঞান ও তাকওয়ার এক পরিবারে হয়েছিল। তাঁর পিতা ছিলেন একজন পুণ্যবান ব্যক্তি, যিনি জ্ঞান ও জ্ঞানীদের ভালোবাসতেন। তাই তিনি তাঁর সন্তানকে আল্লাহর তাকওয়া এবং কেবলমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জ্ঞান অর্জনের ওপর ভিত্তি করে একটি শক্তিশালী জ্ঞানভিত্তিক পরিবেশে গড়ে তুলতে সচেষ্ট ছিলেন। শৈশব থেকেই তিনি তাঁকে একজন আদব শিক্ষকের কাছে নিয়ে যেতেন, যিনি তাঁকে শিষ্টাচার শিক্ষা দিতেন এবং কুরআন পাঠ করাতেন। এরপর তিনি তাঁকে বিভিন্ন ইলমী হালকাহ ও আলেমদের মজলিসের দিকে পরিচালিত করেন।
পরবর্তীতে তিনি প্রখ্যাত আলেমদের অন্তর্ভুক্ত হন; তিনি ৪৬৩ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁর জ্ঞান অর্জন ও সফরসমূহ:খতীব অত্যন্ত অল্প বয়সেই ইলমী হালকাহগুলোতে বসতে শুরু করেন এবং এক হালকাহ থেকে অন্য হালকাহে যাতায়াত করতে থাকেন। তিনি কোনো শাইখের নিকট থেকে শ্রবণ করতেন তো কোনো শাইখের বক্তব্যের প্রতি মনোনিবেশ করতেন। এভাবেই তিনি হাদীস শ্রবণ ও গ্রহণ করতে থাকেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
الفقه وغيرهما على كبار علماء بغداد في عصره حتى إذا ما بدأ يصلب عوده أخذ يتطلع إلى السماع من العلماء المقيمين خارج بغداد وبدأ رحلته حيث رحل في طلب العلم وسماع العلماء - وخاصة علماء الحديث - فرحل إلى الحجاز ومصر والشام والمشرق وبعض هذه البلدان كرر رحلته إليها واهتم الخطيب بالرحلة في طلب العلم فألف كتابًا في ذلك
(1).
أشهر شيوخه وتلاميذه:أفاد الخطيب كثيرًا من علماء بغداد، وكان يحث طلبة العلم باستنفاد حديث أهل بلدهم قبل الرحلة في طلبه من علماء البلدان الأخرى
(2)، وقد طبق ذلك فبدأ بالتحمل عن كبار شيوخ بغداد في زمانه ومن أشهر من استفاد منهم من شيوخ بغداد:
1 - أبو الحسن محمد بن أحمد بن رزق.
2 - أبو بكر أحمد بن محمد البرقاني.
3 - أبو القاسم عبيد الله بن أحمد الأزهري.
4 - أبو الحسن أحمد بن محمد العتيقي.
5 - أبو الحسين محمد بن الحسين بن الفضل القطان.
6 - أبو علي الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن شاذان، وغيرهم من علماء بغداد وغيرها خلق كثير
(3).
--------------------------------------------
ফিকহ ও অন্যান্য বিষয়ে তাঁর সময়ের বাগদাদের শ্রেষ্ঠ আলেমদের নিকট থেকে (শিক্ষা অর্জন করেন), এমনকি যখন তিনি পূর্ণতা অর্জন করলেন তখন বাগদাদের বাইরে অবস্থানরত আলেমদের নিকট থেকে শোনার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠলেন এবং তাঁর জ্ঞান অন্বেষণের সফর শুরু করলেন। তিনি ইলম তলবে এবং আলেমদের—বিশেষ করে মুহাদ্দিসগণের—নিকট থেকে শোনার জন্য সফর করেন। তিনি হিজাজ, মিসর, শাম ও প্রাচ্য দেশে সফর করেন এবং এর মধ্যে কিছু দেশে একাধিকবার গমন করেন। খতিব ইলম অর্জনে সফরের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতেন, তাই তিনি এ বিষয়ে একটি গ্রন্থ রচনা করেন
(১).
তাঁর প্রসিদ্ধ উস্তাদ ও ছাত্রগণ:খতিব বাগদাদের বহু আলেমের নিকট থেকে উপকৃত হয়েছেন। তিনি ইলম অন্বেষীদের উৎসাহিত করতেন যেন তারা অন্য দেশে ইলম অন্বেষণে যাওয়ার পূর্বে নিজ দেশের আলেমদের নিকট থাকা হাদিসসমূহ সংগ্রহ করে শেষ করে
(২)। তিনি নিজেও তা অনুসরণ করেন এবং তাঁর সমকালীন বাগদাদের বড় বড় শায়খদের নিকট থেকে হাদিস গ্রহণ শুরু করেন। বাগদাদের যেসব শায়খদের নিকট থেকে তিনি উপকৃত হয়েছেন তাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হলেন:
১ - আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে রিযক।
২ - আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বারকানি।
৩ - আবু কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল-আযহারি।
৪ - আবু হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আতিকি।
৫ - আবু হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনে হুসাইন ইবনুল ফাযল আল-কাত্তান।
৬ - আবু আলি হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে শাযান, এবং বাগদাদ ও অন্যান্য শহরের অসংখ্য আলেম
(৩)。
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
ومن أشهر تلاميذه:1 - أبو الفضل بن خيرون.
2 - الأمير أبو النصر بن ماكولا.
3 - عبد الله بن أحمد السمرقندي.
4 - محمد بن الحسين بن علي الشيباني.
5 - هبة الله بن عبد الله بن أحمد الشروطي الواسطي، وغيرهم خلق كثير
(1).
مكانته بين العلماء (2):
وثقه العلماء من معاصريه ومن أتى بعدهم فممن وثقه: عبد العزيز الكتاني، وابن ماكولا، وابن الأكفاني وغيرهم وقد أشادوا بعلمه وفضله كثيرًا، وممن أشاد بذلك السمعاني والسبكي وابن النجار وابن عساكر، وقد اعتبروه خاتمة الحفاظ، قال ابن حجر: كل الناس بعد الخطيب عيال عليه في الحديث
(3) إلا أنه لا يخلو كل إنسان من حساد، فقد اتهمه ابن الجوزي بالتعصب ضد الحنابلة وعاب عليه الاحتجاج بالأحاديث الموضوعة في كتبه ودفاعه عن بعض المبتدعة
(4)، واتهمه الأحناف بالتعصب. ضد مذهبهم وكل
--------------------------------------------
এবং তাঁর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন:১ - আবু আল-ফাদল বিন খাইরুন।
২ - আমির আবু আন-নাসর বিন মাকুলা।
৩ - আবদুল্লাহ বিন আহমাদ আস-সামারকান্দি।
৪ - মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী আশ-শায়বানি।
৫ - হিবাতুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ আশ-শুরুতি আল-ওয়াসিতি এবং তাঁদের ব্যতীত আরও অসংখ্য ব্যক্তি
(১)।
আলেমদের নিকট তাঁর মর্যাদা (২):
তাঁর সমসাময়িক এবং পরবর্তী আলেমগণ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। যাঁরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: আব্দুল আজিজ আল-কাত্তানি, ইবনে মাকুলা, ইবনে আল-আকফানি এবং অন্যান্যরা। তাঁরা তাঁর জ্ঞান ও শ্রেষ্ঠত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আস-সামআনি, আস-সুবকি, ইবনে আন-নাজ্জার এবং ইবনে আসাকিরও তাঁর প্রশংসা করেছেন এবং তাঁরা তাঁকে হাফেজদের সর্বশেষ ব্যক্তিত্ব (খাতিমাতুল হুফফাজ) হিসেবে গণ্য করেছেন। ইবনে হাজার বলেছেন: খতিব (বাগদাদি)-এর পরে আগত হাদিস শাস্ত্রের সকল মানুষই তাঁর ওপর নির্ভরশীল
(৩)। তবে কোনো মানুষই হিংসুকদের হাত থেকে মুক্ত নয়। ইবনে আল-জাওজি তাঁর বিরুদ্ধে হাম্বলিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করার অভিযোগ এনেছেন এবং তাঁর কিতাবসমূহে জাল হাদিস দ্বারা দলিল পেশ করা ও কিছু বিদআতিদের পক্ষ অবলম্বন করার কারণে তাঁর সমালোচনা করেছেন
(৪)। হানাফিগণও তাঁর বিরুদ্ধে তাঁদের মাযহাবের প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগ এনেছেন এবং প্রতিটি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
من ترجم للخطيب رد هذه التهم.
عقيدته ومذهبه:كان الخطيب سلفي العقيدة أي أنه ينتحل مذهب أهل السنة والجماعة في العقيدة بما في ذلك الأسماء والصفات وقد نص على ذلك ابن القيم في "اجتماع الجيوش الإسلامية"، والذهبي في "العلو للعلي الغفار"، وله رسالة في العقيدة في موضوع الأسماء والصفات محفوظة بالظاهرية، ومما قال فيها:
"أما الكلام في الصفات، فأما ما روي منها في السنن الصحاح فمذهب السلف إثباته وإجراؤها على ظواهرها، ونفي الكيفية والتشبيه عنها".
والأصل في هذا أن الكلام في الصفات فرع عن الكلام في الذات، ونحتذي في ذلك حذوه وأمثاله، وإذا كان معلومًا أن إثبات رب العالمين، إنما هو إثبات وجود، لا إثبات تحديد وكيفية، فكذلك إثبات صفاته، إنما هو إثبات وجود لا إثبات تحديد وكيفية
(1)، أما مذهبه في الفروع فإنه كان شافعيًا.
ذكر بعض كتبه:الخطيب ممن أكثر من التأليف في جميع الفنون فلم يقتصر على فن دون فن، ولكن تجده في علم الحديث أكثر تأليفًا من غيره، حتى إنه أفرد أكثر فنون المصطلح كل فن في كتاب مستقل، ومن ذلك كتابنا الذي نقدمه بهذه المقدمة.
وسأكتفي بذكر بعض كتبه في علم الرجال خاصة لصلتها بالسابق
--------------------------------------------
যারা আল-খাতীবের জীবনী লিখেছেন তারা এই অভিযোগগুলো খণ্ডন করেছেন।
তাঁর আকীদা ও মাযহাব:আল-খাতীব সালাফী আকীদার অনুসারী ছিলেন, অর্থাৎ তিনি আসমা ওয়াস-সিফাত (নাম ও গুণাবলি) সহ আকীদার ক্ষেত্রে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের মাযহাব অবলম্বন করতেন। ইবনুল কায়্যিম 'ইজতিমাউল জুইউশ আল-ইসলামিয়্যাহ' গ্রন্থে এবং আয-যাহাবী 'আল-উলুউ লিল আলিয়্যিল গাফফার' গ্রন্থে এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। আসমা ওয়াস-সিফাত বিষয়ে আকীদা সংক্রান্ত তাঁর একটি পুস্তিকা রয়েছে যা যাহিরিয়া লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। সেখানে তিনি যা বলেছেন তার মধ্যে রয়েছে:
"গুণাবলি (সিফাত) সম্পর্কে আলোচনার ক্ষেত্রে সহীহ সুনান গ্রন্থসমূহে যা বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর ব্যাপারে সালাফদের মাযহাব হলো তা সাব্যস্ত করা এবং সেগুলোকে সেগুলোর প্রকাশ্য অর্থের ওপর রাখা, আর এগুলোর ধরণ (কাইফিয়াত) এবং সাদৃশ্য (তাশবীহ) দেওয়া বর্জন করা।"
এক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, গুণাবলি সম্পর্কিত আলোচনা মূলত আল্লাহর সত্তা সম্পর্কিত আলোচনার একটি শাখা। আমরা এক্ষেত্রে তাঁর এবং তাঁর মতো অনুসরণীয়দের পদাঙ্ক অনুসরণ করি। আর যেহেতু এটি সুপরিচিত যে, রব্বুল আলামীনকে সাব্যস্ত করা কেবল তাঁর অস্তিত্বকে সাব্যস্ত করা, কোনো সীমা নির্ধারণ বা ধরণ সাব্যস্ত করা নয়; ঠিক তেমনিভাবে তাঁর গুণাবলিকে সাব্যস্ত করাও কেবল সেগুলোর অস্তিত্ব সাব্যস্ত করা, কোনো সীমা নির্ধারণ বা ধরণ সাব্যস্ত করা নয়
(১)। আর ফিকহী মাসআলার ক্ষেত্রে তাঁর মাযহাব ছিল শাফেয়ী।
তাঁর কতিপয় গ্রন্থের উল্লেখ:আল-খাতীব সেই সমস্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা সকল শাস্ত্রে প্রচুর রচনা করেছেন। তিনি কেবল একটি শাস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি, তবে আপনি তাঁকে ইলমে হাদীসের ক্ষেত্রে অন্য যে কোনো শাস্ত্রের তুলনায় অধিক রচনার অধিকারী পাবেন। এমনকি তিনি হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষার অধিকাংশ বিষয়কে পৃথক পৃথক স্বতন্ত্র গ্রন্থে সংকলন করেছেন। যার মধ্যে আমাদের এই কিতাবটিও রয়েছে যা আমরা এই ভূমিকার মাধ্যমে উপস্থাপন করছি।
আমি এখানে বিশেষ করে ইলমুর রিজাল শাস্ত্রে তাঁর কতিপয় গ্রন্থের উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হব, কারণ পূর্বালোচনার সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
واللاحق، ولأن كل من كتب في الخطيب ذكر مصنفاته بالتفصيل:
1 - الأسماء المبهمة في الأنباء المحكمة.
2 - الأسماء المتواطئة والأنساب المتكافئة.
3 - تلخيص المتشابه في الرسم.
4 - تمييز المزيد في متصل الأسانيد.
5 - تاريخ بغداد.
6 - الرواة عن شعبة.
7 - الرواة عن مالك.
8 - المتفق والمفترق.
9 - غنية الملتمس في إيضاح الملتبس.
وغيرها كثير.
এবং পরবর্তীগণ, আর যেহেতু যারাই খতিব সম্পর্কে লিখেছেন তারা বিস্তারিতভাবে তাঁর রচনাবলির উল্লেখ করেছেন:
১ - আল-আনবা আল-মুহকামা গ্রন্থে বর্ণিত অস্পষ্ট নামসমূহ।
২ - অভিন্ন নামসমূহ এবং সমজাতীয় বংশপরিচয়সমূহ।
৩ - লিখনশৈলীতে সাদৃশ্যপূর্ণ বর্ণনার সারসংক্ষেপ।
৪ - নিরবচ্ছিন্ন সনদসমূহে অতিরিক্ত বর্ণনাকারীর পৃথকীকরণ।
৫ - বাগদাদের ইতিহাস।
৬ - শু'বাহ থেকে বর্ণনাকারীবৃন্দ।
৭ - মালিক থেকে বর্ণনাকারীবৃন্দ।
৮ - সমরূপ অথচ ভিন্ন বর্ণনাকারী (আল-মুত্তাফিক ওয়াল-মুফতারিক)।
৯ - অস্পষ্ট বিষয় ব্যাখ্যায় অনুসন্ধানকারীর পাথেয়।
এবং এ ছাড়াও আরও অনেক।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
ثانيًا: دراسة الكتاب:
1 - تعريف السابق واللاحق وصلته بكتب الوفيات:لم أقف على من عرف بالسابق واللاحق قبل الخطيب البغدادي فيما اطلعت عليه من كتب المصطلح.
قال الخطيب في كتاب السابق واللاحق - ص 2 - : "ضمنته ذكر من اشترك في الرواية عنه من تباين وقت وفاتيهما تباينًا شديدًا، وتأخر موت أحدهما عن الآخر تأخرًا بعيدًا، وسميته السابق واللاحق".
وقال أبو عمرو بن الصلاح في تعريف السابق واللاحق: "معرفة من اشترك في الرواية عنه راويان متقدم ومتأخر تباين وقت وفاتيهما تباينًا شديدًا فحصل بينهما أمد بعيد، وإن كان المتأخر منهما غير معدود من معاصري الأول وذوي طبقته"
(1).
وقال العراقي في الألفية:
وصنفوا في سابق ولاحق
… وهو اشتراك راويين سابق
موتا كزهري وذي تدارك
… كابن دويد رويا عن مالك
سبع ثلاثين وقرن وافي
… آخر كالجعفي والخفاف
وقال في شرحه للألفية: وموضوعه "أن يشترك راويان في الرواية عن شخص واحد وأحد الراويين متقدم والآخر متأخر بحيث يكون بين وفاتيهما أمد بعيد".
(2)--------------------------------------------
দ্বিতীয়ত: গ্রন্থ পরিচিতি:
১ - আস-সাবিক ওয়াল লাহিক-এর সংজ্ঞা এবং মৃত্যু সংক্রান্ত গ্রন্থসমূহের সাথে এর সম্পর্ক:মুস্তালাহ (হাদিস পরিভাষা) শাস্ত্রের যে সকল গ্রন্থ আমি পর্যালোচনা করেছি, তাতে আল-খতিব আল-বাগদাদির পূর্বে কাউকে ‘আস-সাবিক ওয়াল লাহিক’ পরিভাষাটি সংজ্ঞায়িত করতে দেখিনি।
আল-খতিব তার ‘আস-সাবিক ওয়াল লাহিক’ গ্রন্থে (পৃষ্ঠা: ২) বলেছেন: "আমি এই গ্রন্থে এমন বর্ণনাকারীদের কথা উল্লেখ করেছি যারা একই ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে অংশীদার, কিন্তু তাদের দুইজনের মৃত্যুর সময়ের মধ্যে চরম ব্যবধান রয়েছে এবং একজনের মৃত্যু অন্যজনের থেকে অনেক পরে সংঘটিত হয়েছে। আর আমি এর নামকরণ করেছি ‘আস-সাবিক ওয়াল লাহিক’ (পূর্ববর্তী ও পরবর্তী)।"
আবু আমর ইবনুস সালাহ ‘আস-সাবিক ওয়াল লাহিক’-এর সংজ্ঞায় বলেছেন: "এমন ব্যক্তিদের চেনা যাদের থেকে দুইজন বর্ণনাকারী বর্ণনা করার ক্ষেত্রে অংশীদার—যাদের একজন অগ্রগামী এবং অন্যজন পরবর্তী; তাদের মৃত্যুর সময়ের মধ্যে ব্যবধান অত্যন্ত প্রকট, ফলে তাদের মাঝে দীর্ঘ সময়ের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। যদিও পরবর্তী বর্ণনাকারী প্রথমজনের সমসাময়িক বা সমপর্যায়ের স্তরের অন্তর্ভুক্ত নন"
(১)।
আল-ইরাকি তার ‘আলফিয়্যাহ’ গ্রন্থে বলেছেন:
তারা ‘সাবিক’ এবং ‘লাহিক’ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন
… আর তা হলো এমন দুই বর্ণনাকারীর অংশগ্রহণ যাদের একজন অগ্রগামী
মৃত্যুবরণে যেমন যুহরি এবং তার নাগাল পাওয়া ব্যক্তি
… যেমন ইবনু দুওয়াইদ, তারা উভয়ে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন
একশ সাইত্রিশ বছর পূর্ণ সময়ের ব্যবধান
… শেষের জন যেমন আল-জু’ফি এবং আল-খাফফাফ
তিনি ‘আলফিয়্যাহ’-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলেন: এর আলোচ্য বিষয় হলো "একই ব্যক্তি থেকে হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে দুইজন বর্ণনাকারী অংশীদার হওয়া, যাদের একজন অগ্রগামী এবং অন্যজন পরবর্তী, যাতে তাদের দুইজনের মৃত্যুর মধ্যে সুদীর্ঘ সময়ের ব্যবধান থাকে।"
(২)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
والناظر في هذه التعريفات يجدها متقاربة جدًّا بل متحدة، ويجد أن من جاء بعد الخطيب لم تختلف تعاريفهم عن تعريف الخطيب وأن جميع هذه التعريفات تنص على إلحاق الراوي المتأخر بالمتقدم الذي شاركه في الرواية عن شيخه وإن لم يكونا متعاصرين.
وكل من جاء بعد العراقي وابن الصلاح لم يضف شيئًا في تعريف السابق واللاحق إلى تعريف من سبقه.
هذا وقد نصوا على أن من فوائد ضبطه ما يلي:
1 - الأمن من ظن سقوط شيء في إسناد المتأخر.
2 - تفقه الطالب في معرفة العالي والنازل.
3 - معرفة الأقدم من الرواة عن الشيخ ومن به ختم حديثه.
4 - تقرير حلاوة علو الإسناد في القلوب
(1).
وقد رد السخاوي على ابن كثير في قوله: "وهو مما يتحلى به كثير من المحدثين وليس من المهمات فيه .... "
(2) قال السخاوي: "وهو متعقب بأولى فوائده".
أما صلة هذا الفن بكتب الوفيات، فواضحة وبينة، إذ أن هذا الفن موضوعه البحث في وفاة الراويين عن هذا الشيخ، ويزيد على ذلك بتأكيد كونهما رويا عنه وهذا الأخير هو الذي من أجله يبحث عن وفاة الراوي ومعرفة ما إذا كان أدرك هذا الشيخ الذي يروي عنه وسمع منه أو لا.
--------------------------------------------
এই সংজ্ঞাগুলোর প্রতি দৃষ্টিপাতকারী দেখতে পাবেন যে এগুলো অত্যন্ত নিকটবর্তী বরং অভিন্ন। তিনি দেখতে পাবেন যে আল-খাতীবের পরে যারা এসেছেন, তাদের সংজ্ঞাগুলো আল-খাতীবের সংজ্ঞা থেকে ভিন্ন নয় এবং এই সমস্ত সংজ্ঞাগুলো এই বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করে যে, পরবর্তী রাবীকে ওই পূর্ববর্তী রাবীর সাথে যুক্ত করা হবে যিনি একই শাইখের নিকট থেকে বর্ণনায় তার সাথে অংশীদার ছিলেন, যদিও তারা সমসাময়িক না হন।
আল-ইরাকী এবং ইবনুস সালাহ-এর পরে যারা এসেছেন, তাদের কেউই ‘সাবিক ও লাহিক’ (পূর্ববর্তী ও পরবর্তী)-এর সংজ্ঞায় তাদের পূর্ববর্তীদের সংজ্ঞার সাথে নতুন কিছু যোগ করেননি।
এটি সুসংজ্ঞায়িত করার উপকারিতা সম্পর্কে তারা যা উল্লেখ করেছেন তা নিম্নরূপ:
১ - পরবর্তী বর্ণনাকারীর সনদে কোনো কিছু বাদ পড়ার সংশয় থেকে নিরাপদ থাকা।
২ - শিক্ষার্থীর উচ্চ সনদ (আলী) ও নিম্ন সনদ (নাযিল) সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করা।
৩ - শাইখ থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে প্রাচীন এবং কার মাধ্যমে তাঁর হাদিস বর্ণনার সমাপ্তি ঘটেছে তা জানতে পারা।
৪ - অন্তরে উচ্চ সনদের মাধুর্য প্রতিষ্ঠিত করা
(১)।
আস-সাখাভী ইবনু কাসীর-এর এই উক্তির প্রতিবাদ করেছেন: "এটি এমন একটি বিষয় যা দ্বারা অনেক মুহাদ্দিস সৌন্দর্য মণ্ডিত হন, তবে এটি এই শাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত নয় ...."
(২) আস-সাখাভী বলেন: "এর প্রথম উপকারিতা দ্বারাই তাঁর এই উক্তি খণ্ডন করা হয়েছে।"
মৃত্যু বিষয়ক গ্রন্থগুলোর সাথে এই শাস্ত্রের সম্পর্ক অত্যন্ত স্পষ্ট ও সুপ্রকাশিত। কারণ এই শাস্ত্রের আলোচ্য বিষয় হলো একই শাইখের নিকট থেকে বর্ণনাকারী দুইজন রাবীর মৃত্যু নিয়ে অনুসন্ধান করা। এছাড়া তারা যে শাইখ থেকে বর্ণনা করেছেন তা নিশ্চিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত। আর এই শেষোক্ত কারণটির জন্যই রাবীর মৃত্যু সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হয় এবং তিনি যার থেকে বর্ণনা করছেন সেই শাইখকে পেয়েছিলেন কি না এবং তাঁর থেকে শুনেছেন কি না তা জানার চেষ্টা করা হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
ولذا نرى الخطيب يعتمد في كتابه "السابق واللاحق" على كتب التاريخ والتراجم التي تعتني بالوفيات اعتمادًا كبيرًا، فقد نقل عن وفيات ابن قانع وحده أكثر من "48" نصًا، كما سنفصل ذلك في جريدة مصادره في السابق واللاحق، في هذه المقدمة.
وإنما كان هذا الفن نمط خاص من الوفيات، ولم يسبق الخطيب - فيما أعلم - إلى هذا الفن من التأليف، وإنما كان من قبله يؤلف في الوفيات على ترتيب السنين أو المعاجم أو التاريخ العام ونحو ذلك، أما الخطيب فقد اعتنى بهذا الفن من فنون المصطلح وأفرده في كتاب خاص وجمعه على نمط خاص، وقد تيسر له جمع عدد من الرواة غير يسير في كتابه هذا.
وقد ذكر السخاوي وزين الدين العراقي وزكريا بن محمد الأنصاري وابن العماد وغيرهم أن الذهبي قد تابع الخطيب في هذا النمط التأليف، فألف في من هذا الفن كتابًا سماه "التلويح بمن سبق ولحق"
(1) ولم أقف على ذكر من ألف في هذا الفن غير الخطيب والذهبي.
2 - توثيق نسبة الكتاب إلى الخطيب:وقد اعتمدت في ذلك ما يلي:
أ - أسانيد الكتاب تبدأ بشيوخ الخطيب البغدادي، وهذا دليل قوي على أن الكتاب له، وقد أشرت إلى ذلك عند ذكر مشائخ الخطيب في هذه المقدمة.
--------------------------------------------
এ কারণেই আমরা দেখি যে, খতিব তাঁর 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক' গ্রন্থে ইতিহাস এবং জীবনীমূলক গ্রন্থসমূহের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করেছেন, যা মৃত্যুর তারিখ বা ওফাত সংক্রান্ত তথ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে। তিনি শুধুমাত্র ইবনে কানি'-এর 'ওফায়াত' থেকেই ৪৮টিরও বেশি উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন, যার বিস্তারিত বিবরণ আমরা এই ভূমিকার 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক'-এর উৎস তালিকার অংশে প্রদান করব।
প্রকৃতপক্ষে, ইলমের এই শাখাটি ওফাত বা মৃত্যুর তারিখ বিষয়ক রচনার একটি বিশেষ ধরণ। আমার জানা মতে, রচনার এই শৈলীতে খতিবের পূর্বে কেউ কিতাব সংকলন করেননি। তাঁর পূর্ববর্তীগণ সাধারণত বছরের ক্রমানুসারে, বর্ণমালা ক্রমে (মু'জাম) অথবা সাধারণ ইতিহাসের ধারায় ওফাত বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করতেন। পক্ষান্তরে খতিব হাদীসশাস্ত্রের পরিভাষার (মুসতালাহ) অন্তর্ভুক্ত এই শাখাটির প্রতি বিশেষ যত্ন নিয়েছেন এবং একে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থে একটি বিশেষ পদ্ধতিতে সংকলিত করেছেন। তিনি এই গ্রন্থে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাবী বা বর্ণনাকারীকে একত্র করতে সক্ষম হয়েছেন।
সাখাভী, যয়নুদ্দীন ইরাকী, যাকারিয়া ইবনে মুহাম্মদ আনসারী, ইবনুল ইমাদ এবং অন্যান্যগণ উল্লেখ করেছেন যে, আয-যাহাবী এই রচনাশৈলীতে খতিবের অনুসরণ করেছেন। ফলে তিনি এই শাস্ত্রের ওপর 'আত-তালওয়ীহ বিমান সাবাকা ওয়া লাহাকা' নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন।
(১) খতিব এবং যাহাবী ব্যতীত এই শাস্ত্রে অন্য কেউ গ্রন্থ রচনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
২ - খতিবের প্রতি গ্রন্থটির সম্পৃক্ততার প্রামাণিকতা:এ বিষয়ে আমি নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করেছি:
ক - গ্রন্থের সনদসমূহ খতিব আল-বাগদাদীর শিক্ষকগণের (শায়খ) মাধ্যমে শুরু হয়েছে, যা এই গ্রন্থটি তাঁর হওয়ার একটি শক্তিশালী প্রমাণ। এই ভূমিকায় খতিবের শায়খদের আলোচনা করার সময় আমি বিষয়টি উল্লেখ করেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
ب - ذكر كتب المصطلح والكتب التي ترجت للخطيب أن من بين مؤلفاته كتاب السابق واللاحق.
فمن كتب المصطلح التي نصت على ذلك:
1 - علوم الحديث لابن الصلاح (ص: 286).
2 - شرح التبصرة والتذكرة للعراقي (3/ 101).
3 - فتح الباقي على ألفية العراقي (3/ 101).
4 - فتح المغيث (3/ 183).
5 - تدريب الراوي (2/ 262).
وغيرها من كتب المصطلح التي نصت على ذلك.
ومن الكتب التي ترجت للخطيب وذكرت من مؤلفاته السابق واللاحق:
1 - فهرست محمد بن أحمد المالكي، انظر: يوسف العش - الخطيب البغدادي (ص: 131).
2 - المنتظم لابن الجوزي (8/ 266).
3 - تذكرة الحفاظ للذهبي (3/ 1139).
4 - البداية والنهاية (12/ 102).
5 - كشف الظنون (2/ 973).
وكل من ترجم للخطيب وذكر مصنفاته ضمنها كتاب السابق واللاحق.
ج - تطابق النصوص التي نقلتها الكتب اللاحقة به منه وقد نصت على اسم الكتاب.
وهذا من أقوى الأدلة على صحة نسبة الكتاب إليه.
খ - হাদিস শাস্ত্রের পরিভাষা বিষয়ক গ্রন্থ এবং খতীবের জীবনীকারদের উল্লেখ, যারা তাঁর রচনাবলির মধ্যে 'আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক' কিতাবটি অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
হাদিস শাস্ত্রের পরিভাষা বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে যেগুলো এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে:
১ - ইবনুস সালাহ-এর উলূমুল হাদিস (পৃ: ২৮৬)।
২ - আল-ইরাকীর শারহুত তাবসিরাহ ওয়াত তাযকিরাহ (৩/ ১০১)।
৩ - ফাতহুল বাকী আলা আলফিয়্যাতিল ইরাকী (৩/ ১০১)।
৪ - ফাতহুল মুগীস (৩/ ১৮৩)।
৫ - তাদরীবুররাবী (২/ ২৬২)।
এবং পরিভাষা বিষয়ক অন্যান্য গ্রন্থসমূহ যা এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে।
আর খতীবের জীবনী বিষয়ক যে সকল গ্রন্থ তাঁর রচনাবলির মধ্যে 'আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক' উল্লেখ করেছে:
১ - মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-মালিকীর ফিহরিস্ট, দেখুন: ইউসুফ আল-ইশ - আল-খতীব আল-বাগদাদী (পৃ: ১৩১)।
২ - ইবনুল জাওযীর আল-মুনতাযাম (৮/ ২৬৬)।
৩ - আয-যাহাবীর তাযকিরাতুল হুফফায (৩/ ১১৩৯)।
৪ - আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (১২/ ১০২)।
৫ - কাশফুয যুনুন (২/ ৯৭৩)।
যারা খতীবের জীবনী আলোচনা করেছেন এবং তাঁর রচনাবলির উল্লেখ করেছেন, তারা সকলেই এর মধ্যে 'আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক' কিতাবটিকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
গ - পরবর্তী গ্রন্থসমূহে এই কিতাবটি থেকে উদ্ধৃত পাঠ্যের সাথে এর সামঞ্জস্যতা এবং সেখানে কিতাবটির নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকা।
আর এটি তাঁর প্রতি কিতাবটির সম্পৃক্ততা সঠিক হওয়ার অন্যতম শক্তিশালী প্রমাণ।
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ومن هذه الكتب:
1 - طبقات الحنابلة (1/ 139، 327).
2 - الروض الأنف (2/ 187).
3 - فتاوي ابن تيمية (4/ 324).
4 - تهذيب الكمال للمزي (1 / ق 6، ق 27).
5 - الميزان (1/ 37)، (3/ 675)
… وغير ذلك
6 - ابن كثير في التفسير (4/ 159 - 160) - سورة التوبة: 113.
7 - تهذيب التهذيب (1/ 122، 102، 291)
… وغير ذلك.
وهناك كتب أخرى نقلت عنه والخوف الإطالة أكتفي بهذا.
3 - موارد الخطيب في السابق واللاحق:يمكن تقسيم موارد الخطيب في هذا الكتاب إلى قسمين:
1 - كتب الحديث.
2 - كتب التاريخ والتراجم.
وبما أن طبيعة مادة الكتاب هي في تراجم الرجال فلذا نلحظ أن موارده الرئيسية هي كتب التاريخ والتراجم، فقد استقى معلوماته من أكثر من "27" مصنفًا في هذا الفن بينما نجد موارده من كتب الحديث لا يتجاوز ثمانية مصادر تقريبًا.
أ - كتب الحديث:
لم يبين الخطيب أسماء المصنفات التي اعتمد عليها في رواية الأحاديث والآثار في السابق واللاحق ويبدو أنه أخذ معظمها من كتب معاجم الشيوخ والأجزاء، ولم يأخذها من كتب الحديث المشهورة كالستة وموطأ مالك - هذا باستثناء نص واحد ورد عن البخاري ونص آخر عن ابن ماجة - وهذه عادته في
এবং এই বইগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১ - তাবাকাতুল হানাবিলাহ (১/ ১৩৯, ৩২৭)।
২ - আর-রাওদুল উনুফ (২/ ১৮৭)।
৩ - ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ (৪/ ৩২৪)।
৪ - মিযযি-র তাহযিবুল কামাল (১/ পত্র ৬, পত্র ২৭)।
৫ - আল-মিযান (১/ ৩৭), (৩/ ৬৭৫)
… এবং এর বাইরে আরও
৬ - তাফসিরে ইবনে কাসির (৪/ ১৫৯ - ১৬০) - সূরা আত-তাওবাহ: ১১৩।
৭ - তাহযিবুত তাহযিব (১/ ১২২, ১০২, ২৯১)
… এবং এর বাইরে আরও।
আরও অন্যান্য বই আছে যা তাঁর থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছে, তবে দীর্ঘ হওয়ার ভয়ে আমি এখানেই ক্ষান্ত হচ্ছি।
৩ - আস-সাবিক ওয়াল লাহিক গ্রন্থে আল-খাতিবের উৎসসমূহ:এই গ্রন্থে আল-খাতিবের উৎসসমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে:
১ - হাদিসের কিতাবসমূহ।
২ - ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থসমূহ।
যেহেতু এই গ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু হলো বর্ণনাকারীদের জীবনী, তাই আমরা লক্ষ্য করি যে এর প্রধান উৎসগুলো হলো ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থসমূহ; তিনি এই শাস্ত্রের "২৭"টিরও বেশি গ্রন্থ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন, যেখানে হাদিসের কিতাব থেকে তাঁর সংগৃহীত উৎস প্রায় আটটির বেশি নয়।
ক - হাদিসের কিতাবসমূহ:
আল-খাতিব 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক' গ্রন্থে হাদিস ও আসার বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি যে গ্রন্থগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন সেগুলোর নাম স্পষ্ট করেননি। প্রতীয়মান হয় যে, তিনি এগুলোর অধিকাংশ 'মুজামুশ শুয়ুখ' এবং 'জুয' (হাদিসের ক্ষুদ্র সংকলন) গ্রন্থসমূহ থেকে গ্রহণ করেছেন; তিনি এগুলো কুতুবে সিত্তাহ (প্রসিদ্ধ ছয়টি গ্রন্থ) বা ইমাম মালিকের মুওয়াত্তার মতো প্রসিদ্ধ হাদিস গ্রন্থগুলো থেকে গ্রহণ করেননি—বুখারি থেকে বর্ণিত একটি পাঠ এবং ইবনে মাজাহ থেকে বর্ণিত আরেকটি পাঠ ব্যতিরেকে—আর এটিই ছিল তাঁর সাধারণ রীতি...
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
مصنفاته وخاصة التي في علم الرجال كتاريخ بغداد مثلًا
(1).
وبتتبع أسانيده اهتديت إلى معرفة بعض هذه الكتب، والذي تمكنت من الوقوف عليه قابلت النص والسند وأشرت إلى موضعه منه أثناء التحقيق، وما لم أقف عليه أولم أجزم به لوجود بعض الاختلاف في السند أو المتن أشرت إليه بعبارة الاحتمال، أو اكتفيت بذكره في المقدمة.
1 - الجامع الصحيح للبخاري:
محمد بن إسماعيل أبو عبد الله المتوفى سنة 256 هـ.
اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق نصًا واحدًا فقط.
وذلك من طريق:
1 - إسماعيل بن أحمد بن عبد الله النيسابوري، الحسين بن عثمان الشيرازي - كلاهما - عن محمد بن مكي الكشميهني عن بن مكي الكشميهني عن محمد بن يوسف الفربري عنه.
2 - أبو عبد الله الحسين بن محمد الخلال عن إسماعيل بن محمد بن حاجب الكشاني عن الفربري عنه.
2 - جزء حديث ابن عرفه
(2):
الحسن بن عرفة العبدي المتوفى سنة 257 هـ.
اقتبس منه الخطيب هنا نصًا واحدًا، وذلك من طريق أبي الحسن أحمد بن
--------------------------------------------
তাঁর রচনাবলী, বিশেষ করে ইলমুর রিজাল (বর্ণনাকারী পরিচিতি শাস্ত্র) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ যেমন ‘তারিখে বাগদাদ’
(১)।
তাঁর সনদসমূহ (সূত্র পরম্পরা) অনুসরণের মাধ্যমে আমি এই বইগুলোর কিছু সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আমি যা যা খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছি, সেগুলোর মূল পাঠ ও সনদ তুলনা করেছি এবং তাহকিকের (গবেষণা ও সম্পাদনা) সময় এর উৎসের প্রতি ইঙ্গিত করেছি। আর যা আমি খুঁজে পাইনি অথবা সনদ বা মতনে (মূল পাঠে) কিছু পার্থক্যের কারণে নিশ্চিত হতে পারিনি, সেক্ষেত্রে সম্ভাব্যতার কথা উল্লেখ করেছি অথবা ভূমিকায় তার আলোচনা সীমাবদ্ধ রেখেছি।
১ - বুখারীর আল-জামি আস-সহিহ:
মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আবু আব্দুল্লাহ, মৃত্যু ২৫৬ হিজরি।
খতিব তাঁর ‘আস-সাবিক ওয়াল লাহিক’ গ্রন্থে এখান থেকে মাত্র একটি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন।
আর তা নিম্নোক্ত সূত্রের মাধ্যমে:
১ - ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নিশাপুরী এবং হুসাইন ইবনে উসমান আশ-শিরাজী—উভয়েই—মুহাম্মদ ইবনে মাক্কি আল-কুশমিহানী থেকে, তিনি ইবনে মাক্কি আল-কুশমিহানী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরাবরী থেকে, তিনি তাঁর থেকে।
২ - আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-খাল্লাল, ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাজিব আল-কাশানি থেকে, তিনি আল-ফিরাবরী থেকে, তিনি তাঁর থেকে।
২ - জুযউ হাদিসি ইবনি আরাফাহ
(২):
হাসান ইবনে আরাফাহ আল-আবদী, মৃত্যু ২৫৭ হিজরি।
খতিব এখানে একটি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, আর তা আবুল হাসান আহমদ ইবনে... এর সূত্রের মাধ্যমে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
محمد الواعظ عن يوسف بن يعقوب بن إسحاق بن بهلول التنوخي عنه فلعله، من هذا الجزء.
3 - السنن لابن ماجة:
محمد بن يزيد بن ماجة القزويني المتوفى سنة 273 هـ.
اقتطف منه الخطيب نصًا واحدًا من طريق أبي القاسم عبد الرحمن بن أحمد بن إبراهيم القزويني عن علي بن إبراهيم بن سلمة القطان عن صالح بن محمد بن مهران عنه.
4 - جزء حديث أبي علي الصفار
(1):
إسماعيل بن محمد الصفار المتوفي سنة 341 هـ.
اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق نصًا واحدًا، من طريق أبي القاسم الحسن بن الحسين بن المنذر القاضي عنه .. لعله من هذا الجزء.
5 - جزء حديث أبي سهل القطان
(2):
أحمد بن محمد بن عبد الله بن زياد القطان المتوفى سنة 350 هـ.
اقتبس منه الخطيب نصًا واحدًا، من طريق أبي الحسن علي بن أحمد بن محمد بن داود الرزاز عنه فلعل هذا النص مقتبس من هذا الجزء.
--------------------------------------------
মুহাম্মদ আল-ওয়ায়েজ ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে বাহলুল আত-তানুখীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, সম্ভবত এটি এই খণ্ড থেকে।
৩ - সুনানে ইবনে মাজাহ:
মুহাম্মদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মাজাহ আল-কাযউইনী, মৃত্যু ২৭৩ হিজরি।
খতিব আল-বাগদাদি এটি থেকে একটি পাঠ গ্রহণ করেছেন আবুল কাসেম আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম আল-কাযউইনী-এর সূত্রে, তিনি আলি ইবনে ইব্রাহিম ইবনে সালামা আল-কাত্তান থেকে, তিনি সালিহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মিহরান থেকে, তিনি তাঁর সূত্রে।
৪ - আবু আলি আস-সাফফারের হাদিসের খণ্ড (জুয)
(১):
ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, মৃত্যু ৩৪১ হিজরি।
খতিব তাঁর 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক' গ্রন্থে তাঁর থেকে একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন আবুল কাসেম আল-হাসান ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আল-মুনজির আল-কাদি-এর সূত্রে তাঁর থেকে... সম্ভবত এটি এই খণ্ড থেকে।
৫ - আবু সাহল আল-কাত্তানের হাদিসের খণ্ড (জুয)
(২):
আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যিয়াদ আল-কাত্তান, মৃত্যু ৩৫০ হিজরি।
খতিব তাঁর থেকে একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন আবুল হাসান আলি ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাউদ আর-রাযযায-এর সূত্রে তাঁর থেকে, সম্ভবত এই পাঠটি এই খণ্ড থেকেই উদ্ধৃত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
6 - حديث الإمام مالك لأبي بكر الشافعي
(1):
محمد بن عبد الله الشافعي البزاز المتوفى سنة 354 هـ.
أورد الخطيب من طريقه نصين وذلك من طريق أبي علي الحسن بن أبي بكر بن شاذان عنه ..
وأحد هذين النصين حديث فلعله من جزئه هذا والآخر في وفاة موسى بن سهل الوشاء ولم أقف على من ذكر له كتاب في التاريخ أو التراجم.
7 - المعجم الصغير للطبراني:
سليمان بن أحمد الطبراني المتوفى سنة 360 هـ.
اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق نصًا واحدًا من طريق الحسين بن على الطناجيري عن كوشيار بن لياليزور عن الحسين بن عيسى بن مهدي الختلي عن، أبي نعيم عنه وبعد المقارنة تبين لي إنه من المعجم الصغير.
هذا وهناك نصوص حديثية أخرى يرويها الخطيب عن مشائخه بلفظ قرأت في أصل كتاب فلان، أو بلفظ قال وذكر، وسمعت
… ، ولم أجد في أسانيدها أسماء أحد من الذين لهم مصنفات معروفة فيما أعلم.
ب - كتب التاريخ والتراجم:
اعتمد الخطيب في استقاء معلوماته في السابق واللاحق على كتب الرجال اعتمادًا كبيرًا وخصوصًا التي تهتم بذكر الوفيات.
وتتنوع مصادر الخطيب هذه، فمنها كتب الوفيات، ومنها كتب التاريخ
--------------------------------------------
৬ - আবু বকর আশ-শাফিয়ীর নিকট বর্ণিত ইমাম মালিকের হাদিস
(১):
মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাফিয়ী আল-বাযযার, মৃত্যু ৩৫৪ হিজরি।
আল-খতিব তাঁর সূত্রে দু’টি উদ্ধৃতি উল্লেখ করেছেন, আর তা আবু আলী আল-হাসান ইবনে আবু বকর ইবনে শাযানের মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণিত...
এই দুই উদ্ধৃতির একটি হলো হাদিস, সম্ভবত তা তাঁর এই অংশ (জুয) থেকে গৃহীত, এবং অপরটি মুসা ইবনে সাহল আল-ওয়াশশার মৃত্যু প্রসঙ্গে। ইতিহাস বা জীবনী সাহিত্যে তাঁর কোনো কিতাব রয়েছে এমন কারো উল্লেখ আমি পাইনি।
৭ - আত-তাবারানির আল-মু'জাম আস-সাগির:
সুলাইমান ইবনে আহমাদ আত-তাবারানি, মৃত্যু ৩৬০ হিজরি।
আল-খতিব 'আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক' গ্রন্থে এখান থেকে আল-হুসাইন ইবনে আলী আত-তানাযিরি-এর সূত্রে একটি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, যা কুশইয়ার ইবনে লায়ালিযুর থেকে, তিনি আল-হুসাইন ইবনে ঈসা ইবনে মাহদি আল-খুতালি থেকে, তিনি আবু নুআইম থেকে বর্ণনা করেছেন। তুলনামূলক পর্যালোচনার পর আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, এটি 'আল-মু'জাম আস-সাগির' থেকে নেওয়া।
এছাড়াও আরও কিছু হাদিসের উদ্ধৃতি রয়েছে যা আল-খতিব তাঁর শাইখদের থেকে 'আমি অমুকের মূল কিতাবে পড়েছি' অথবা 'তিনি বলেছেন ও উল্লেখ করেছেন' এবং 'আমি শুনেছি...' এই শব্দে বর্ণনা করেছেন। আমার জানামতে এগুলোর সনদে এমন কারো নাম আমি পাইনি যাদের কোনো প্রসিদ্ধ রচনা রয়েছে।
খ - ইতিহাস ও জীবনীগ্রন্থসমূহ:
আল-খতিব 'আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক' গ্রন্থে তথ্য আহরণে রিজাল শাস্ত্রের কিতাবসমূহের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করেছেন, বিশেষ করে সেগুলোর ওপর যা মৃত্যু তারিখ বর্ণনার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করে।
আল-খতিবের এই উৎসগুলো বৈচিত্র্যময়, যার মধ্যে রয়েছে মৃত্যু তারিখ বিষয়ক গ্রন্থসমূহ এবং ইতিহাস গ্রন্থসমূহ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
العام، ومنها معاجم الشيوخ وغيرها كما سنرى فيما يلي: وهذا يدل دلالة واضحة على سعة اطلاع الخطيب البغدادي، وتذوقه للمادة العلمية.
وفيما يلي سرد للمؤلفين الذين نقل عن مؤلفاتهم:
1 - الهيثم بن عدي (ت 207 هـ):
ذكرت المصادر له كتاب "طبقات الفقهاء والمحدثين"
(1).
وقد اقتبس منه الخطيب نصًا واحدًا، وذلك بلفظ قال ابن عدي مما يدل على أنه من كتاب فلعله منه.
2 - أبو نعيم الفضل بن دكين (ت 219 هـ):
له كتاب "التاريخ" أو "تاريخ الكوفة"
(2).
اقتطف منه الخطيب في "7" مواضع، بلفظ قال: أبو نعيم
… وكلها في الوفيات.
3 - محمد بن سعد كاتب الواقدي (230 هـ):
له كتاب "الطبقات الكبرى" وهو مطبوع.
اقتبس منه الخطيب أكثر من 18 نصًا، وذلك من أربعة طرق، أشهرها والذي يتكرر كثيرًا علي بن محمد بن عبد الله بن بشران - الحسين بن صفوان - أبو بكر بن أبي الدنيا
… عنه.
وتدل المقارنة في جميع النصوص المقتبسة عن ابن سعد في السابق واللاحق
--------------------------------------------
সাধারণ, এবং এর মধ্যে মাশায়েখদের অভিধানসমূহ ও অন্যান্য গ্রন্থও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যেমনটি আমরা সামনে দেখতে পাব: এটি খতীব আল-বাগদাদীর ব্যাপক পাণ্ডিত্য এবং ইলমি উপাদানের প্রতি তাঁর সুগভীর রুচিবোধের এক স্পষ্ট প্রমাণ।
নিম্নে সেই লেখকদের একটি তালিকা প্রদান করা হলো যাদের গ্রন্থাবলি থেকে তিনি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন:
১ - আল-হাইসাম বিন আদি (ওফাত ২০৭ হিজরি):
উৎসসমূহে তাঁর "তাবাকাতুল ফুকাহা ওয়াল মুহাদ্দিসীন" নামক গ্রন্থের কথা উল্লেখ করা হয়েছে
(১)।
খতীব এটি থেকে একটি পাঠ্য উদ্ধৃত করেছেন, এবং তা 'ইবনে আদি বলেছেন' এই শব্দে, যা নির্দেশ করে যে এটি একটি গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, সম্ভবত এটি সেই গ্রন্থ থেকেই।
২ - আবু নুয়াইম আল-ফাদল ইবন দুকাইন (ওফাত ২১৯ হিজরি):
তাঁর "আত-তারিখ" বা "তারিখুল কুফা" নামক গ্রন্থ রয়েছে
(২)।
খতীব এখান থেকে "৭"টি স্থানে উদ্ধৃতি চয়ন করেছেন, "আবু নুয়াইম বলেছেন..." এই শব্দে এবং এর সবকটিই মৃত্যু তারিখ সংক্রান্ত।
৩ - মুহাম্মদ বিন সাদ, ওয়াকিদীর লেখক (২৩০ হিজরি):
তাঁর "আত-তাবাকাতুল কুবরা" নামক গ্রন্থ রয়েছে এবং এটি মুদ্রিত।
খতীব এখান থেকে ১৮টিরও বেশি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, যা চারটি সূত্রে বর্ণিত। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং যা বারবার এসেছে তা হলো: আলী বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বিশরান - আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান - আবু বকর বিন আবিদ দুনিয়া... তাঁর সূত্রে।
ইবনে সাদের উদ্ধৃত পূর্বাপর সকল পাঠের তুলনা এটিই নির্দেশ করে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
أنها من الطبقات الكبرى.
4 - يحيى بن عبد الله بن بكير (ت 231 هـ):
ذكرت له المصادر كتاب "التاريخ"
(1) وهو مفقود.
اقتبس منه الخطيب نصين فقط تتعلق بالوفيات وذلك من طريق: أبي حازم عمر بن أحمد بن إبراهيم العبدي - القاسم بن غانم بن حمويه الصيدلاني - محمد بن إبراهيم اليوشنجي عنه.
5 - يحيى بن معين (ت 233 هـ):
له كتاب "التاريخ" مطبوع.
اقتبس منه الخطيب نصًا واحدًا بلفظ قال ابن معين: .. وذلك في الوفيات، فلعله منه.
6 - محمد بن عبد الله بن نمير (ت 234 هـ):
نقل عنه الخطيب بلفظ قال: مما يدل على أنه من كتاب، وطبيعة المادة التي ينقلها عنه في وفيات الرواة، فلعل له كتاب في تراجم الرواة أو وفياتهم ولم أجد من نص على ذكر ذلك إلا ما ذكره ابن زبر الربعي في مصادر كتابه "تاريخ مولد العلماء ووفياتهم"
(2).
--------------------------------------------
এটি বড় তবকা সমূহের অন্তর্ভুক্ত।
৪ - ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন বুকাইর (মৃত্যু ২৩১ হিজরি):
উৎসসমূহ তাঁর "আত-তারিখ"
(১) নামক গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছে এবং এটি বর্তমানে নিখোঁজ।
খতিব এটি থেকে মৃত্যুর তারিখ সংক্রান্ত মাত্র দুটি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, যা বর্ণিত হয়েছে: আবু হাযিম উমর বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম আল-আবদি - আল-কাসিম বিন গানিম বিন হামুয়াহ আস-সাইদালানি - মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-ইউশাঞ্জি-এর সূত্রে তাঁর থেকে।
৫ - ইয়াহইয়া বিন মাঈন (মৃত্যু ২৩৩ হিজরি):
তাঁর "আত-তারিখ" নামক গ্রন্থটি মুদ্রিত রয়েছে।
খতিব এটি থেকে "ইবনে মাঈন বলেছেন" শব্দে একটি মাত্র উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন: .. এবং সেটি মৃত্যুর তারিখ সংক্রান্ত বিষয়ে, তাই সম্ভবত এটি সেই গ্রন্থ থেকেই নেওয়া হয়েছে।
৬ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর (মৃত্যু ২৩৪ হিজরি):
খতিব তাঁর থেকে "তিনি বলেছেন" শব্দে বর্ণনা করেছেন: যা প্রমাণ করে যে এটি কোনো গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। বর্ণনাকারীদের মৃত্যুর তারিখ সম্পর্কে তিনি যে ধরণের বিষয়বস্তু তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে সম্ভবত রাবিদের জীবনী বা তাঁদের মৃত্যুর তারিখ নিয়ে তাঁর কোনো গ্রন্থ রয়েছে। আমি ইবনে জিবর আল-রিবঈ তাঁর "তারিখু মাওলিদিল উলামা ওয়া ওয়াফায়াতিহিম" নামক গ্রন্থের উৎসসমূহে যা উল্লেখ করেছেন তা ব্যতীত অন্য কোথাও এর স্পষ্ট উল্লেখ পাইনি
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
7 - علي بن عبد الله المديني (ت 234 هـ):
ذكرت المصادر أن له كتاب "التاريخ"
(1) وكتاب "العلل ومعرفة الرجال" مطبوع.
وقد اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق" 7" نصوص من طريق منصور بن ربيعة الزهري الخطيب - علي بن أحمد بن علي بن راشد - أحمد بن يحيى بن الجارود عنه
… ، وأحيانًا يروي عنه بلفظ قال علي بن المديني
…وطبيعة مادة ما نقله عنه الخطيب تتعلق بأحوال الرواة ووفياتهم، وقد وجدت بعضها في كتاب "العلل ومعرفة الرجال"، وأشرت إلى مواضعها أثناء التحقيق، وبعضها لم أجده فلعله من كتاب التأريخ وهو مفقود.
8 - خليفة بن خياط (ت 240 هـ):
له كتاب "الطبقات"، و "التاريخ"، مطبوعان.
اقتبس الخطيب من خليفة "10" نصوص، وذلك من طريق أبي سعيد بن حسنويه الكاتب - أبي محمد عبد الله بن محمد بن جعفر بن حيان عمر بن أحمد الأهوازي - عنه
… ، ويروي عنه أحيانًا بلفظ قال:
وبعد المقارنة ظهر لي أن هذه النصوص التي أوردها الخطيب في السابق واللاحق عن خليفة هي من كتاب "الطبقات"
(2) وتتضمن المعلومات التي ينقلها الخطيب عن خليفة أخبار الرواة وأحوالهم ووفياتهم.
--------------------------------------------
৭ - আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-মাদিনী (মৃত্যু ২৩৪ হিজরি):
উৎসসমূহে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁর "আত-তারিখ"
(১) নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে এবং "আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল" গ্রন্থটি মুদ্রিত।
খতীব (আল-বাগদাদি) তাঁর "আস-সাবিক ওয়াল লাহিক" গ্রন্থে মানসুর বিন রাবিয়াহ আয-যুহরী - খতীব - আলী বিন আহমাদ বিন আলী বিন রাশিদ - আহমাদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-জারুদ সূত্রে তাঁর থেকে ৭টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন
... , এবং কখনো কখনো তিনি তাঁর থেকে "আলী বিন আল-মাদিনী বলেছেন" শব্দে বর্ণনা করেন
...খতীব তাঁর থেকে যা নকল করেছেন তার বিষয়বস্তু মূলত বর্ণনাকারীদের অবস্থা ও তাঁদের মৃত্যু সম্পর্কিত। আমি এর কিছু অংশ "আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল" গ্রন্থে পেয়েছি এবং সম্পাদনার (তাহকিক) সময় সেগুলোর স্থান নির্দেশ করেছি। আর কিছু অংশ আমি খুঁজে পাইনি, সম্ভবত সেগুলো তাঁর "আত-তারিখ" গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে যা বর্তমানে নিখোঁজ।
৮ - খলিফা বিন খাইয়াত (মৃত্যু ২৪০ হিজরি):
তাঁর "আত-তাবাকাত" এবং "আত-তারিখ" নামক দুটি গ্রন্থ রয়েছে, যা মুদ্রিত।
খতীব খলিফা থেকে "১০টি" উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, যা আবু সাঈদ বিন হাসনুওয়াইহ আল-কাতিব - আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন হাইয়ান - উমর বিন আহমাদ আল-আহওয়াযী সূত্রে তাঁর থেকে
... বর্ণিত, এবং তিনি কখনো কখনো তাঁর থেকে "তিনি বলেছেন" শব্দে বর্ণনা করেন।
তুলনামূলক পর্যালোচনার পর আমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে যে, খতীব "আস-সাবিক ওয়াল লাহিক" গ্রন্থে খলিফা থেকে যে উদ্ধৃতিগুলো উল্লেখ করেছেন তা মূলত তাঁর "আত-তাবাকাত"
(২) গ্রন্থ থেকে নেওয়া। খতীব খলিফা থেকে যে তথ্যগুলো বর্ণনা করেছেন তাতে বর্ণনাকারীদের সংবাদ, তাঁদের অবস্থা ও তাঁদের মৃত্যু সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
9 - الإمام أحمد بن محمد بن حنبل (ت 241 هـ):
ذكرت المصادر أن له كتاب "التأريخ" وكتاب "العلل والرجال"، والأول مفقود والثاني طبع منه المجلد الأول
(1).
اقتطف منه الخطيب في السابق واللاحق نصًا واحدًا ورواه عنه بلفظ: قال الإمام أحمد مما يدل على أنه من كتاب.
وموضوع النص الذي استقاه الخطيب عن أحمد هو في وفاة أبي إسحاق إبراهيم بن محمد الفزاري فلعله من أحد كتابيه هذين.
10 - عمرو بن علي الفلاس المدني (ت 249 هـ):
له كتاب "التأريخ" وهو مفقود.
اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق أكثر من "5" نصوص.
ويروي عنه الخطيب من طريق علي بن أحمد بن محمد بن الرزاز - محمد بن أحمد بن الحسن الصواف - بشر بن موسى عنه.
وطبيعة المادة التي اقتطفها الخطيب من الفلاس تتضمن وفيات وأحوال الرواة فلعلها من تاريخه.
11 - أبو موسى محمد بن المثنى العنزي الزمن (ت 252 هـ):
ذكرت المصادر له كتاب "التاريخ"
(2): اقتبس منه الخطيب "11" نصًا، وذلك من طريق أبي القاسم الأزهري - محمد بن العباس الخزاز - إبراهيم بن محمد الكندي عنه
… وأحيانًا يروي عنه بلفظ قال:
…--------------------------------------------
৯ - ইমাম আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল (মৃত্যু ২৪১ হিজরি):
উৎসসমূহ উল্লেখ করেছে যে, তাঁর "আত-তারিখ" এবং "আল-ইলাল ওয়ার-রিজাল" নামক গ্রন্থ রয়েছে; প্রথমটি নিখোঁজ এবং দ্বিতীয়টির প্রথম খণ্ড মুদ্রিত হয়েছে
(১)।
খতিব "আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক" গ্রন্থে তা থেকে একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন এবং তাঁর থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: "ইমাম আহমাদ বলেছেন", যা নির্দেশ করে যে এটি কোনো গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
খতিব আহমাদ থেকে যে পাঠটি গ্রহণ করেছেন তার বিষয়বস্তু হলো আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফাজারির মৃত্যু প্রসঙ্গে, তাই সম্ভবত এটি তাঁর এই দুই গ্রন্থের কোনো একটি থেকে নেওয়া হয়েছে।
১০ - আমর ইবনে আলী আল-ফাল্লাস আল-মাদানি (মৃত্যু ২৪৯ হিজরি):
তাঁর "আত-তারিখ" নামে একটি গ্রন্থ রয়েছে এবং তা নিখোঁজ।
খতিব "আস-সাবিক ওয়াল-লাহিক" গ্রন্থে তা থেকে "৫"-টিরও বেশি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
খতিব তাঁর থেকে আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুর রাজজাজ - মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান আস-সাওয়াফ - বিশর ইবনে মুসা-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
খতিব আল-ফাল্লাস থেকে যে উপাদানগুলো উদ্ধৃত করেছেন তার প্রকৃতি হলো বর্ণনাকারীদের মৃত্যু এবং জীবনবৃত্তান্ত সম্পর্কিত, সুতরাং সম্ভবত এগুলো তাঁর "তারিখ" গ্রন্থ থেকে নেওয়া।
১১ - আবু মুসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আল-আনাজি আজ-জামান (মৃত্যু ২৫২ হিজরি):
উৎসসমূহ তাঁর "আত-তারিখ" গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছে
(২): খতিব তা থেকে "১১"টি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন, আর তা আবুল কাসিম আল-আজহারি - মুহাম্মাদ ইবনুল আব্বাস আল-খাজজাজ - ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ আল-কিন্দি-এর সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন
... এবং কখনো কখনো তিনি তাঁর থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেন: "তিনি বলেছেন":
...--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
12 - محمد بن إسماعيل البخاري (ت 256 هـ):
"التاريخ الكبير" مطبوع - اقتبس منه الخطيب "4" نصوص من طريق محمد بن الفضل القطان - علي إبراهيم المستملي - محمد بن سليمان بن فارس عنه ..
13 - أبو علي حنبل بن إسحاق بن حنبل الشيباني (273 هـ):
له كتاب "التاريخ".
اقتبس منه الخطيب "9" نصوص من طريق محمد بن أحمد بن رزق - عثمان بن أحمد الدقاق عنه ..
14 - يعقوب بن سفيان الفسوي (ت 277 هـ):
"المعرفة والتاريخ"، مطبوع.
اقتبس منه الخطيب "13" نصًا من طريق محمد بن الحسين بن الفضل القطان - عبد الله بن جعفر بن درستويه عنه
…15 - أبو العباس أحمد بن علي الأبار (ت 290 هـ):
ذكرت له المصادر كتاب "التاريخ"
(1).
اقتبس منه الخطيب "5" نصوص، وذلك بلفظ قال:
…16 - محمد بن عبد الله بن سليمان الحضرمي "مطين" (ت 297 هـ):
له كتاب "التاريخ"
(2).
--------------------------------------------
১২ - মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী (ওফাত ২৫৬ হিজরি):
‘আত-তারিখ আল-কাবীর’ মুদ্রিত - আল-খাতিব তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-কাত্তান - আলী ইবরাহিম আল-মুস্তামলি - মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন ফারিস-এর সূত্রে ‘৪’টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন...
১৩ - আবু আলী হানবাল বিন ইসহাক বিন হানবাল আল-শায়বানী (২৭৩ হিজরি):
তাঁর ‘আত-তারিখ’ নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে।
আল-খাতিব তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন রিজক - উসমান বিন আহমদ আদ-দাক্কাক-এর সূত্রে ‘৯’টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন...
১৪ - ইয়াকুব বিন সুফিয়ান আল-ফাসাওয়ী (ওফাত ২৭৭ হিজরি):
‘আল-মা’রিফা ওয়াত তারিখ’, মুদ্রিত।
আল-খাতিব তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফজল আল-কাত্তান - আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন দুরুস্তাওয়াইহ-এর সূত্রে ‘১৩’টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন
…১৫ - আবু আব্বাস আহমদ বিন আলী আল-আব্বার (ওফাত ২৯০ হিজরি):
উৎসসমূহ তাঁর ‘আত-তারিখ’
(১) নামক গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছে।
আল-খাতিব তাঁর থেকে ‘৫’টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, আর তা এই শব্দে: তিনি বলেছেন:
…১৬ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি ‘মুতাইন’ (ওফাত ২৯৭ হিজরি):
তাঁর ‘আত-তারিখ’
(২) নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
اقتبس منه الخطيب "7" نصوص، من طريق محمد بن الحسين بن الفضل القطان - جعفر بن محمد الخلدي.
17 - أبو عروبة الحسين بن محمد بن مودود الحراني (318 هـ):
ذكرت له المصادر كتاب "التاريخ أو تاريخ حران"
(1).
اقتبس منه الخطيب نصًا واحدًا من طريق البرقاني، والباقرحي عن أبي بكر الأبهري عنه.
18 - محمد بن مخلد الدوري العطار (ت 331 هـ):
له "معجم شيوخ"
(2).
اقتبس منه الخطيب "3" نصوص من طريق عمر بن إبراهيم الفقيه - محمد بن العباس الخزاز عنه، وأحيانًا يقول قرأت في كتاب محمد بن مخلد
…19 - أبو العباس أحمد بن محمد بن سعيد بن عقدة (ت 332 هـ):
ذكرت المصادر له كتاب "الوفيات".
اقتبس منه الخطيب نصًا واحدًا من طريق أحمد بن علي التوزي - أحمد بن الفرج الوراق - عنه.
20 - أحمد بن محمد بن ياسين الحداد الهروي (ت 334 هـ):
له "تاريخ هراة"
(3).
--------------------------------------------
আল-খতিব তা থেকে ৭টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফজল আল-কাত্তান - জাফর ইবনু মুহাম্মদ আল-খুলদি-এর সূত্রে।
১৭ - আবু আরুবা আল-হুসাইন ইবনু মুহাম্মদ ইবনু মাওদুদ আল-হাররানি (৩১৮ হি.):
উৎসসমূহ তাঁর "আত-তারিখ" বা "তারিখু হাররান"
(১) গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছে।
আল-খতিব তা থেকে আল-বারকানি এবং আল-বাকিরহি-এর সূত্রে একটি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, তারা আবু বকর আল-আবহরি থেকে এবং তিনি তাঁর (গ্রন্থকার) থেকে বর্ণনা করেছেন।
১৮ - মুহাম্মদ ইবনু মাখলাদ আদ-দাওরি আল-আত্তার (ওফাত ৩৩১ হি.):
তাঁর "মু'জামু শুইউখ"
(২) রয়েছে।
আল-খতিব তা থেকে উমর ইবনু ইবরাহিম আল-ফকিহ - মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস আল-খাজ্জাজ-এর সূত্রে তাঁর থেকে ৩টি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন এবং মাঝে মাঝে তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনু মাখলাদ-এর কিতাবে পড়েছি
…১৯ - আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু সাঈদ ইবনু উকদাহ (ওফাত ৩৩২ হি.):
উৎসসমূহ তাঁর "আল-ওয়াফায়াত" নামক গ্রন্থের উল্লেখ করেছে।
আল-খতিব তা থেকে আহমাদ ইবনু আলী আত-তাওজি - আহমাদ ইবনুল ফারাজ আল-ওয়াররাক-এর সূত্রে তাঁর থেকে একটি উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন।
২০ - আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু ইয়াসিন আল-হাদ্দাদ আল-হারাউয়ি (ওফাত ৩৩৪ হি.):
তাঁর "তারিখু হারাত"
(৩) রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
اقتبس منه الخطيب نصًا واحدًا من طريق أبي محمد الخلال - عثمان الدقاق - علي البلخي - أحمد بن محمد بن بن رمح - عنه.
21 - أبو الحسين أحمد بن جعفر بن محمد بن المناوي (ت 336 هـ): له كتاب "التاريخ"
(1).
اقتبس منه الخطيب نصين فقط من طريق محمد بن عبد الواحد الأكبر - محمد بن العباس الخزاز - عنه.
22 - أبو سعيد عبد الرحمن بن أحمد بن يونس المصري (347 هـ):
له كتاب "تاريخ مصر، كتاب الغرباء"
(2).
يروي عنه الخطيب من طريق أحمد بن محمد الماليني - عبد الواحد بن محمد بن مسرور عنه.
اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق نصًا واحدًا.
23 - أبو محمد إسماعيل بن علي الخطمي (ت 350 هـ):
له "تاريخ الخلفاء"
(3).
اقتبس منه الخطيب "3" نصوص من طريق محمد بن أحمد بن رزق عنه.
24 - عبد الباقي بن قانع (ت 351 هـ):
له كتاب "الوفيات"
(4).
--------------------------------------------
আল-খতিব তার থেকে আবু মুহাম্মদ আল-খাল্লাল - উসমান আদ-দাক্কাক - আলী আল-বালখি - আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন রুমহ - তার সূত্রে একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
২১ - আবুল হুসাইন আহমাদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুনাভি (মৃত্যু ৩৩৬ হি.): তার "আত-তারিখ" নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে
(১)।
আল-খতিব তার থেকে মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-আকবার - মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস আল-খাজ্জাজ - তার সূত্রে মাত্র দুটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
২২ - আবু সাঈদ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন ইউনুস আল-মিসরি (৩৪৭ হি.):
তার "তারিখু মিসর" এবং "কিতাবুল গুরাবা" নামক গ্রন্থ রয়েছে
(২)।
আল-খতিব তার থেকে আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-মালিনি - আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুর - তার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
আল-খতিব 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক' গ্রন্থে তার থেকে একটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
২৩ - আবু মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আলী আল-খুতমি (মৃত্যু ৩৫০ হি.):
তার "তারিখুল খুলাফা" গ্রন্থটি রয়েছে
(৩)।
আল-খতিব মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন রিজক - তার সূত্রে তার থেকে "৩টি" পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
২৪ - আব্দুল বাকি বিন কানি' (মৃত্যু ৩৫১ হি.):
তার "আল-ওয়াফায়াত" নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
اقتبس منه الخطيب في السابق واللاحق "48" نصًا من طريق السمسار - الصفار عنه
…25 - عبد الله بن محمد بن جعفر بن حيان أبو الشيخ (369 هـ): له "طبقات المحدثين بأصبهان"
(1).
اقتبس منه الخطيب نصين من طريق أبي نعيم الأصبهاني.
26 - أبو حفص عمر بن بن شاهين (ت 385 هـ):
له كتاب "الثقات"، التاريخ"
(2).
اقتبس منه الخطيب نصين من طريق الحسين بن علي الطناجيري عنه.
وبعد الرجوع إلى "الثقات" لم أجدها فيه فلعله نقل ذلك من "التاريخ" وهو مفقود.
27 - أبو نعيم أحمد بن عبد الله الأصبهاني (430 هـ):
له كتاب "أخبار أصبهان" مطبوع.
اقتبس منه الخطيب "9" نصوص وهو يروي عنه مباشرة بلفظ قال أو سمعت أو نحو ذلك.
--------------------------------------------
আল-খাতিব 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক' গ্রন্থে তাঁর থেকে সিমসার-সাফ্ফার-এর সূত্রে ৪৮টি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন
…২৫ - আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান আবুশ শায়খ (৩৬৯ হিজরি): তাঁর 'তাবাকাতুল মুহাদ্দিসিন বি-আসবাহান' নামক গ্রন্থ রয়েছে
(১)।
আল-খাতিব আবু নুআইম আল-আসবাহানির সূত্রে তাঁর থেকে দুটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
২৬ - আবু হাফস উমর ইবনে শাহিন (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরি):
তাঁর 'আস-সিকাত' এবং 'আত-তারিখ' নামক গ্রন্থ রয়েছে
(২)।
আল-খাতিব আল-হুসাইন ইবনে আলি আত-তানাজিরির সূত্রে তাঁর থেকে দুটি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন।
'আস-সিকাত' গ্রন্থটি পর্যালোচনা করার পর আমি তাতে এগুলো পাইনি; সম্ভবত তিনি এটি 'আত-তারিখ' থেকে বর্ণনা করেছেন, যা বর্তমানে বিলুপ্ত।
২৭ - আবু নুআইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আসবাহানি (৪৩০ হিজরি):
তাঁর 'আখবার আসবাহান' গ্রন্থটি মুদ্রিত।
আল-খাতিব তাঁর থেকে ৯টি পাঠ উদ্ধৃত করেছেন এবং তিনি তাঁর থেকে সরাসরি 'তিনি বলেছেন' বা 'আমি শুনেছি' বা এজাতীয় শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
4 - منهج الخطيب في كتاب السابق واللاحق:
قلنا فيما مضى أن الخطيب ابتكر هذا النوع من التأليف إذ لم يسبق إليه فيما نعلم وقد أشار مؤلفه في المقدمة إلى أنه ضمنه ذكر من اشترك في الرواية عنه من تباين وقت وفاتيهما تباينًا شديدًا وتأخر أحدهما عن الآخر تأخرًا شديدًا.
(1)وقد جعل اعتبار أقل فرق بين وفاة الراويين مدة ستين سنة فإن قل الفرق عن ذلك أهمله وهذا هو شرطه
(2)، ورتب أسماء المذكورين على حروف المعجم من أوائل أسمائهم، وأورد لكل من الشيخين الراويين عن شيخ واحد رواية ثم يذكر سنتي وفاتيهما والمدة بينهما، لكنه عدل عن طريقته في منتصف
(3) الكتاب تقريبًا فلم يعد يستعمل الأسانيد عند ذكر تواريخ الوفيات ولا الاستشهاد بروايات الراويين عن شيخ واحد، إلا نادرًا، بل اكتفى بذكر اسميهما ومدة ما بين وفاتيهما، ثم يقول: توفي فلان سنة كذا وكذا أو بلغني أن فلان توفي سنة كذا وكذا بدون ذكر للإسناد.
وفي آخر الكتاب أكثر من الإحالات على ما سبق في ذكر وفاة الرواة، وأحيانًا يبين الباب الذي تقدم فيه والترجمة وأحيانًا يقتصر على قوله تقدم ذكر
--------------------------------------------
৪ - আস-সাবিক ওয়াল লাহিক গ্রন্থে খতিবের কর্মপদ্ধতি:
আমরা ইতিপূর্বে বলেছি যে, খতিব এই ধরণের গ্রন্থনা উদ্ভাবন করেছেন, কারণ আমাদের জানামতে তাঁর পূর্বে কেউ এটি করেননি। এর লেখক ভূমিকায় ইঙ্গিত করেছেন যে, তিনি এতে এমন বর্ণনাকারীদের উল্লেখ অন্তর্ভুক্ত করেছেন যারা একই শাইখের নিকট থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে অংশীদার ছিলেন, অথচ তাঁদের মৃত্যুর সময়ের মধ্যে ব্যাপক ব্যবধান ছিল এবং একজনের মৃত্যু অন্যজনের থেকে অনেক পরে হয়েছিল।
(১)তিনি দুইজন বর্ণনাকারীর মৃত্যুর মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যবধান ষাট বছর নির্ধারণ করেছেন; যদি ব্যবধান এর চেয়ে কম হয় তবে তিনি তা বর্জন করেছেন এবং এটাই তাঁর শর্ত
(২)। তিনি উল্লিখিত ব্যক্তিদের নাম তাঁদের নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী অভিধানিক ক্রমে বিন্যস্ত করেছেন। তিনি একই শাইখের নিকট থেকে বর্ণনাকারী দুইজন শাইখের প্রত্যেকের জন্য একটি করে বর্ণনা উল্লেখ করেছেন এবং এরপর তাঁদের উভয়ের মৃত্যুসন ও মধ্যবর্তী সময়ের উল্লেখ করেছেন। তবে বইটির প্রায় মাঝামাঝি
(৩) এসে তিনি তাঁর এই পদ্ধতি পরিবর্তন করেছেন, এরপর থেকে তিনি মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করার সময় আর সনদ ব্যবহার করেননি এবং বিরল ক্ষেত্র ব্যতীত একই শাইখ থেকে দুই বর্ণনাকারীর বর্ণনার উদ্ধৃতিও দেননি। বরং তিনি শুধু তাঁদের নাম এবং তাঁদের মৃত্যুর মধ্যবর্তী সময়ের উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন। এরপর তিনি বলেন: অমুক ব্যক্তি অমুক অমুক সালে মৃত্যুবরণ করেছেন অথবা আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে অমুক ব্যক্তি অমুক অমুক সালে মৃত্যুবরণ করেছেন—কোনো সনদ উল্লেখ করা ছাড়াই।
বইটির শেষ দিকে তিনি বর্ণনাকারীদের মৃত্যুর বর্ণনায় পূর্বে যা অতিক্রান্ত হয়েছে তার দিকে প্রচুর উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। কখনো তিনি সেই অধ্যায় ও জীবনী উল্লেখ করে দেন যা পূর্বে গত হয়েছে, আবার কখনো শুধু এইটুকু বলেই সীমাবদ্ধ থাকেন যে "পূর্বে এর উল্লেখ হয়েছে"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وفاة فلان.
(1)5 - وهذه جريدة بأسماء شيوخ الخطيب الذين روى عنهم في السابق واللاحق وبالمقارنة مع الشيوخ الذين أخذ عنهم العلم والذين نص على ذكرهم في مشائخه كل من ترجم له نجد هؤلاء الموجودين هنا هم أنفسهم أولئك وبهذا يتأكد نسبة الكتاب إليه.
هذا وقد اكتفيت في ترتيبهم على حسب تسلسل ورودهم في الكتاب فذكرت الصفحة - من المخطوط - التي ذكر فيها أول مرة فقط ولم أذكر الصفحات التي تكرر فيها.
الرقم
… الاسم
… الصفحة
1 - أبو بكر أحمد بن محمد بن غالب البرقاني 3
2 - أحمد بن محمد بن حسنون النرسي 3
3 - علي بن محمد بن عبد الله بن بشران المعدل 4
4 - أبو بكر أحمد بن الحسن بن أحمد الحرشي الحيري 4
5 - أبو سعيد إسماعيل بن علي الاستراباذي 4
6 - أبو سعد محمد بن موسى بن الفضل بن شاذان الصيرفي 5
7 - أبو الفضل علي بن الحسين الفلكي 5
8 - أبو القاسم عبيد الله بن أبي الفتح الأزهري 5
--------------------------------------------
অমুকের মৃত্যু।
(১)৫ - এটি খতিব (আল-বাগদাদী)-এর সেই সকল শায়েখদের নামের একটি তালিকা যাদের থেকে তিনি 'আস-সাবিক ওয়াল লাহিক' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। যারা তাঁর জীবনী লিখেছেন তাদের উল্লিখিত শায়েখদের সাথে এখানে বিদ্যমান ব্যক্তিদের তুলনা করলে দেখা যায় যে তাঁরা একই ব্যক্তি; আর এর মাধ্যমেই কিতাবটি তাঁর হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এক্ষেত্রে আমি তাঁদের ক্রমবিন্যাসে বইটিতে তাঁদের উল্লেখের ধারাবাহিকতা অনুসরণ করেছি এবং পাণ্ডুলিপির কেবল সেই পৃষ্ঠা নম্বরটি উল্লেখ করেছি যেখানে তাঁদের নাম প্রথমবার এসেছে; যেসব পৃষ্ঠায় নামের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে তা আমি উল্লেখ করিনি।
নম্বর
… নাম
… পৃষ্ঠা
১ - আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন গালিব আল-বারকানি ৩
২ - আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাসনুন আল-নারসি ৩
৩ - আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান আল-মুয়াদ্দিল ৪
৪ - আবু বকর আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ আল-হিরাশি আল-হিরি ৪
৫ - আবু সাঈদ ইসমাইল বিন আলী আল-আস্তারাবাদি ৪
৬ - আবু সাদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফদল বিন শাযান আস-সাইরাফি ৫
৭ - আবু আল-ফদল আলী বিন আল-হুসাইন আল-ফালাকি ৫
৮ - আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন আবি আল-ফাতহ আল-আজহারি ৫
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
الرقم
… الاسم
… الصفحة
9 - أبو الحسن علي بن محمد بن الحسن السمسار 5
10 - أبو الحسين محمد بن الحسين بن محمد بن الفضل القطان 6
11 - أبو طالب يحيى بن علي بن الطيب العجلي الدسكري 7
12 - أبو الفتح عبد الملك بن عمر بن خلف الرزاز 7
13 - أبو علي الحسن بن علي بن عبد الله المقرئ 7
14 - أبو الحسن أحمد بن محمد أبو جعفر القطيعي العتيقي 7
15 - محمد بن أحمد بن يعقوب المعدل 8
16 - أبو الحسن محمد بن أحمد بن رزق البزار 8
17 - حمزة بن محمد بن طاهر الدقاق 9
18 - إسماعيل بن أحمد بن عبد الله النيسابوري 10
19 - أبو سعد الحسين بن عثمان الشيرازي 10
20 - أبو عبد الله الحسين بن محمد أخو أبي محمد الخلال 10
21 - أبو الحسن أحمد محمد بن موسى الصلت الأهوازي 10
22 - إبراهيم بن بن جعفر المعدل 10
23 - هلال محمد بن بن جعفر الحفار 10
24 - الحسن بن علي الجوهري 11
25 - أبو عمر عبد الواحد بن محمد بن مهدي 12
26 - أبو نعيم أحمد بن عبد الله الأصبهاني 14
27 - أبو الحسين محمد بن عبد الله المقرئ 14
নম্বর
… নাম
… পৃষ্ঠা
৯ - আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আস-সিমসার ৫
১০ - আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-কাত্তান ৬
১১ - আবু তালিব ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আত-তাইয়িব আল-ইজলি আদ-দাওসাকারি ৭
১২ - আবুল ফাতহ আব্দুল মালিক বিন উমর বিন খালাফ আর-রাজজাজ ৭
১৩ - আবু আলী হাসান বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-মুকরি ৭
১৪ - আবুল হাসান আহমাদ বিন মুহাম্মদ আবু জাফর আল-কাতীঈ আল-আতীকী ৭
১৫ - মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ইয়াকুব আল-মুয়াদদিল ৮
১৬ - আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন রিজক আল-বাজজার ৮
১৭ - হামজাহ বিন মুহাম্মদ বিন তাহের আদ-দাক্কাক ৯
১৮ - ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আন-নায়সাবুরি ১০
১৯ - আবু সাদ আল-হুসাইন বিন উসমান আশ-শিরাজি ১০
২০ - আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ, আবু মুহাম্মদ আল-খাল্লালের ভাই ১০
২১ - আবুল হাসান আহমাদ মুহাম্মদ বিন মুসা আস-সালত আল-আহওয়াজি ১০
২২ - ইবরাহিম বিন বিন জাফর আল-মুয়াদদিল ১০
২৩ - হিলাল মুহাম্মদ বিন বিন জাফর আল-হাফফার ১০
২৪ - আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারি ১১
২৫ - আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন মাহদি ১২
২৬ - আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসবাহানি ১৪
২৭ - আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুকরি ১৪
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الرقم
… الاسم
… الصفحة
28 - أبو الفتح أحمد بن علي الأيادي 14
29 - هبة الله بن أحمد المأموني 14
30 - أبو بكر محمد بن علي الحراني 14
31 - أحمد بن علي بن حسين التوزي 15
32 - الحسن بن علي بن عبد الله المغربي 15
33 - الحسن بن علي بن أحمد بن بشار النيسابوري 15
34 - أبو محمد الحسن بن محمد الخلال 16
35 - أبو الفرج حسين بن علي الطناجيري 17
36 - الحسن بن أبي بكر بن شاذان 18
37 - محمد بن محمد بن علي النيسابوري 20
38 - الحسن بن الحسين بن المنذر القاضي 20
39 - علي بن أحمد الرزاز 21
40 - الحسن بن أبي طالب 22
41 - عمر بن أحمد بن إبراهيم العبدوي 22
42 - أحمد بن علي بن الحسين البادا 23
43 - إسحاق بن إبراهيم بن مخلد الفارسي 23
44 - أبو القاسم علي بن المحسن التنوخي 23
45 - محمد بن محمد بن عثمان السواق 24
46 - أبو الحسن محمد بن عبد الواحد 25
ক্রমিক নম্বর
… নাম
… পৃষ্ঠা
28 - আবুল ফাতহ আহমাদ বিন আলী আল-আয়াদী ১৪
29 - হিবাতুল্লাহ বিন আহমাদ আল-মামুনী ১৪
30 - আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আলী আল-হাররানী ১৪
31 - আহমাদ বিন আলী বিন হুসাইন আত-তাওযী ১৫
32 - আল-হাসান বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-মাগরিবী ১৫
33 - আল-হাসান বিন আলী বিন আহমাদ বিন বাশশার আন-নিসাবুরী ১৫
34 - আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল ১৬
35 - আবুল ফারাজ হুসাইন বিন আলী আত-তানাজীরী ১৭
36 - আল-হাসান বিন আবী বকর বিন শাযান ১৮
37 - মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আন-নিসাবুরী ২০
38 - আল-হাসান বিন আল-হুসাইন বিন আল-মুনযির আল-কাদী ২০
39 - আলী বিন আহমাদ আর-রাযযায ২১
40 - আল-হাসান বিন আবী তালিব ২২
41 - উমর বিন আহমাদ বিন ইবরাহীম আল-আবদুওয়ী ২২
42 - আহমাদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন আল-বাদা ২৩
43 - ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন মাখলাদ আল-ফারিসী ২৩
44 - আবুল কাসিম আলী বিন আল-মুহসিন আত-তানূখী ২৩
45 - মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন উসমান আস-সাওয়াক ২৪
46 - আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ ২৫
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
الرقم
… الاسم
… الصفحة
47 - أحمد بن محمد بن أحمد الواعظ 25
48 - علي بن محمد بن أحمد بن عثمان الطرازي 28
49 - أبو عبد أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد 29
50 - عبد الرحمن بن أحمد بن إبراهيم القزويني 33
51 - عبد الله بن يحيى بن عبد الجبار السكري 36
52 - محمد بن محمد بن إبراهيم بن مخلد البزار 36
53 - أحمد بن علي بن يزداد القارئ 37
54 - أبو نصر أحمد بن علي بن عبدوس الجصاص الأهوازي 38
55 - أبو عبد الله الحسين بن عمر بن برهان الغزال 39
56 - القاضي أبو محمد يوسف بن رباح بن علي المقرئ 40
57 - علي بن أحمد بن محمد بن داود الرزاز 41
58 - علي بن محمد بن عبد الله المقرئ الحذاء 44
59 - منصور بن ربيعة الزهري الخطيب الدنيوري 51
60 - أبو سعد أحمد بن محمد أحمد الماليني الهروي 53
61 - أبو الفرج عبد السلام بن عبد الوهاب القرشي 59
62 - أبو سعيد الحسن بن محمد بن حسنويه الكاتب 87
63 - أبو أحمد بن محمد بن أبي جعفر الأخرم 97
নম্বর
… নাম
… পৃষ্ঠা
৪৭ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-ওয়ায়েজ ২৫
৪৮ - আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে উসমান আত-তারাজি ২৮
৪৯ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ২৯
৫০ - আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম আল-কাজউইনি ৩৩
৫১ - আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল জব্বার আস-সুক্কারি ৩৬
৫২ - মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মাখলাদ আল-বায্যার ৩৬
৫৩ - আহমাদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াজদাদ আল-কারি ৩৭
৫৪ - আবু নাসর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুস আল-জাসসাস আল-আহওয়াজি ৩৮
৫৫ - আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উমর ইবনে বুরহান আল-গাজ্জাল ৩৯
৫৬ - আল-কাদি আবু মুহাম্মাদ ইউসুফ ইবনে রাবাহ ইবনে আলী আল-মুকরি ৪০
৫৭ - আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ আর-রাযযায ৪১
৫৮ - আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুকরি আল-হাদ্দা ৪৪
৫৯ - মানসুর ইবনে রাবিআ আজ-জুহরি আল-খাতিব আদ-দুনাইওয়ারি ৫১
৬০ - আবু সাদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আহমাদ আল-মালিনি আল-হারাউই ৫৩
৬১ - আবুল ফারাজ আব্দুস সালাম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আল-কুরাশি ৫৯
৬২ - আবু সাঈদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাসানওয়াইহ আল-কাতিব ৮৭
৬৩ - আবু আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি জাফর আল-আখরাম ৯৭
(খণ্ড: ১)
আস-সাবিক ওয়াল লাহিক ফি তাবাদু মা বাইনা ওয়াফাতি রাউইয়াইন আন শাইখিন ওয়াহিদ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
6 - منهجي في التحقيق:
أولًا: قمت بتحقيق النص وقراءته قراءة صحيحة حسب الإمكان، فضححت ما صحف وأكملت ما سقط على حسب الاستطاعة.
ثانيًا: اكتفيت في التراجم - غالبًا - بتراجم من تكلم فيهم فقط ولو بجرح بسيط، وكذلك تقييد المهمل وتبيين المبهم مع الضبط بالشكل ما أمكن ونحو ذلك.
ثالثًا: خرجت الأحاديث الواردة في الكتاب مكتفيًا بعزوها إلى مصادرها ولم أتكلم على الحديث صحة وضعفًا إلا يسيرًا، وقد بلغ عددها ما يقارب سبعين حديثًا وأثرًا.
رابعا: عرّفت بالغريب وأسماء الأماكن وما أشكل من النص حسب الاستطاعة.
خامسًا: عزوت النصوص التي اقتبسها الخطيب من: الكتب السابقة إلى مصادرها وحصرتها بين علامتي تنصيص.
وكذلك النصوص التي اقتبسها منه المصنفون اللاحقون له أشرت إلى مواضعها هناك.
سادسًا: وضعت فهرسًا للأحاديث، وآخر للأعلام الذين عرفت بهم في الحواشي.
هذا وقد اكتفيت في التعريف بالعلم في الحاشية بذكر أقوال أشهر النقاد فيه جرحًا وتعديلًا ولم أقتصر على التقريب وحده وإن كنت حرصت كثيرًا على ذكر قول ابن حجر في ختام الأقوال في الراوي، وقد اعتمدت في الوقوف على
৬ - সম্পাদনা ও গবেষণায় আমার কর্মপদ্ধতি:
প্রথমত: আমি মূল পাঠটি (মতন) যথাসম্ভব নির্ভুলভাবে সম্পাদনা ও পাঠ করেছি। যেখানে শব্দে পরিবর্তন বা বিকৃতি (তাসহিফ) হয়েছিল তা সংশোধন করেছি এবং সাধ্যমতো বিলুপ্ত অংশগুলো পূর্ণ করেছি।
দ্বিতীয়ত: জীবনী আলোচনার ক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমি কেবল তাঁদের জীবনীই উল্লেখ করেছি যাদের সম্পর্কে সমালোচনা (জারহ) রয়েছে, যদিও তা সামান্য হয়। সেই সাথে অস্পষ্ট নামগুলো নির্দিষ্ট করেছি, অস্পষ্ট বিষয়গুলো স্পষ্ট করেছি এবং যথাসম্ভব হরকত (শব্দবিন্যাস) প্রদানের চেষ্টা করেছি ইত্যাদি।
তৃতীয়ত: কিতাবে বর্ণিত হাদিসগুলোর উৎস নির্দেশ (তাখরিজ) করেছি, তবে কেবল মূল উৎসের উদ্ধৃতি দেওয়ার ওপরই নির্ভর করেছি। হাদিসের বিশুদ্ধতা বা দুর্বলতা নিয়ে খুব সামান্যই আলোচনা করেছি। হাদিস ও আসার (সাহাবী বা তাবেয়ীদের বর্ণনা) মিলিয়ে এর সংখ্যা প্রায় সত্তরটি।
চতুর্থত: সাধ্যমতো দুর্লভ শব্দাবলি, স্থানের নাম এবং মূল পাঠের জটিল অংশগুলোর ব্যাখ্যা প্রদান করেছি।
পঞ্চমত: খাতিব বাগদাদী পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহ থেকে যেসকল উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছেন, সেগুলোকে আমি মূল উৎসের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছি এবং সেগুলোকে উদ্ধৃতি চিহ্নের মাঝে সীমাবদ্ধ করেছি।
অনুরূপভাবে, পরবর্তী লেখকগণ তাঁর থেকে যেসকল উদ্ধৃতি নিয়েছেন, সেই স্থানগুলোও আমি সেখানে নির্দেশ করেছি।
ষষ্ঠত: আমি হাদিসের একটি নির্ঘণ্ট (ইনডেক্স) এবং টীকায় উল্লিখিত ব্যক্তিদের একটি নির্ঘণ্ট যুক্ত করেছি।
উল্লেখ্য যে, টীকায় কোনো ব্যক্তির পরিচয় প্রদানের ক্ষেত্রে আমি কেবল ‘জারহ ও তাদীল’ (সমালোচনা ও গুণাবলি) বিষয়ক প্রখ্যাত ইমামদের উক্তি উল্লেখ করার ওপর নির্ভর করেছি এবং শুধু ‘তাকরীব’ কিতাবের ওপর সীমাবদ্ধ থাকিনি। যদিও বর্ণনাকারীর ব্যাপারে বর্ণিত উক্তিগুলোর শেষে ইবনে হাজারের অভিমত উল্লেখ করার ব্যাপারে আমি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছি। আমি আরও নির্ভর করেছি...