(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: -)
حديث الجويباري في مسائل عبد الله بن سلام للبيهقي القسم: كتب السنة
الكتاب: حديث أَحْمَد بن عبد الله بن خالد الجويباري في مسائل عبد الله بن سلام
المؤلف: أحمد بن الحسين بن علي بن موسى الخُسْرَوْجِردي الخراساني، أبو بكر البيهقي (ت 458هـ)
المحقق: مشهور بن حسن آل سلمان
الناشر: دار ابن حزم - بيروت [طبع ضمن مجموعة أجزاء حديثية]
الطبعة: الأولى، 2001 م
عدد الصفحات: 240
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
أعده للشاملة: أحمد الخضري (نسخ) ، ويا باغي الخير أقبل (مقابلة)
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবদুল্লাহ ইবনে সালামের মাসআলাসমূহ নিয়ে বাইহাকির বর্ণনায় আল-জুওয়াইবানির হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: আবদুল্লাহ ইবনে সালামের মাসআলাসমূহ নিয়ে আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ আল-জুওয়াইবানির হাদিস
লেখক: আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন মুসা আল-খুসরাওজিরদি আল-খুরাসানি, আবু বকর আল-বাইহাকি (মৃত্যু ৪৫৮ হি.)
সম্পাদক: মাশহুর বিন হাসান আল সালমান
প্রকাশক: দার ইবনে হাজম - বৈরুত [হাদিসের সংকলনের অংশ হিসেবে মুদ্রিত]
সংস্করণ: প্রথম, ২০০১ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪০
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলা সংস্করণের জন্য প্রস্তুত করেছেন: আহমদ আল-খুদারি (অনুলিখন) , এবং ইয়া বাগিয়াল খাইর আকবিল (তদারকি)
শামেলা সংস্করণে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১১)
بسم الله الرحمن الرحيم
[وَبِهِ الْعَوْنُ]
أَخْبَرنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ [أَبُو بَكْر] مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَبِيبٍ الْعَامِرِيُّ أَيَّدَهُ اللَّهُ قال: أخبرنا أَبُو [عَلِيٍّ] إِسْمَاعِيلُ بْنُ [أَحْمَدَ] الْبَيْهَقِيُّ قَالَ: حدثنا وَالِدِي رحمه الله قَالَ:
1- رَوَى أَحْمَد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ [خَالِدٍ الْجُوَيْبَارِيُّ] الْهَرَوِيُّ عَنْ مُحَمَّد
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
[এবং তাঁর নিকটই সাহায্য প্রার্থনা করছি]
শাইখ ইমাম হাফিজ [আবু বকর] মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাবীব আল-আমিরী (আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু [আলী] ইসমাঈল বিন [আহমাদ] আল-বায়হাকী, তিনি বলেছেন: আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
১- আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন [খালিদ আল-জুয়াইবাড়ী] আল-হারাবী মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১২)
بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْفِلَسْطِينِيُّ عَنْ جُوَيْبِرٍ عَنِ [الضَّحَّاكِ عَنِ] ابْنِ عَبَّاسٍ فَذَكَرَ مَسَائِلَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَحْوًا مِنْ أَلْفِ مَسْأَلَةٍ أَوْ أَكْثَرَ.
2- وَقَدْ أَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ [مُحَمَّد بْنُ] عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ رضي الله عنه أَخْبَرنَا أَبُو بَكْر مُحَمَّد بْنُ الْمُؤَمَّلِ بْنِ الحَسَن [بن عيسى] حَدَّثَنا الفضل بن
...বিন আব্দুল্লাহ আল-ফিলিস্তিনি, জুওয়াইবির থেকে, [আদ-দাহহাক থেকে], ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন। অতঃপর তিনি আব্দুল্লাহ বিন সালাম কর্তৃক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসিত প্রায় এক হাজার বা তারও অধিক মাসআলা (বিষয়) উল্লেখ করেন।
২- আর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ [মুহাম্মদ বিন] আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ রাদিয়াল্লাহু আনহু, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-মুআম্মাল বিন আল-হাসান [বিন ঈসা], আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল বিন...
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৩)
مُحَمَّد الشعراني حَدَّثَنا أحمد بن حنبل حَدَّثَنا أبو داود حدثنا [شُعْبة عَنْ] مُشَاشٍ قَالَ سَأَلْتُ الضَّحَّاكَ لَقِيتَ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ لا.
[وَعَنْ شُعْبَةَ] عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ قَالَ الضَّحَّاكُ لَمْ يلق
মুহাম্মদ আশ-শা’রানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [শুবা, মুশাশ থেকে], তিনি বলেন: আমি আদ-দাহহাককে জিজ্ঞাসা করেছি, আপনি কি ইবনে আব্বাসের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন? তিনি বললেন: না।
[এবং শুবা থেকে বর্ণিত] আব্দুল মালিক বিন মাইসারা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আদ-দাহহাক সাক্ষাৎ করেননি।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৪)
ابْنَ عَبَّاسٍ [إِنَّمَا لَقِيَ] سَعِيد بْنَ جُبَيْر بِالرَّيِّ فَأَخَذَ عَنْهُ التَّفْسِيرَ [فَظَهَرَ بِهَذَا أَنَّ الضَّحَّاكَ بْنَ مُزَاحِمٍ] لَمْ يَلْقَ ابْنَ عَبَّاسٍ وَلَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ شَيْئًا وَأَنَّ هَذَا الْحَدِيثَ لا يثبت عنه ابْنِ عَبَّاسٍ [وَأَمَّا جُوَيْبِرُ بْنُ] سَعِيدٍ هَذَا فَإِنَّهُ لَيْسَ بِشَيْءٍ فَقَدْ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَيَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَعَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدِينِيُّ ومُحَمَّد بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ وَهُمُ الأَئِمَّةُ الْمُقْتَدَى بِهِمْ.
3- كَمَا أَخْبَرنَا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الحافظ قراءةً عليه حَدَّثَنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّد بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ قَالَ: سَمِعْتُ الْعَبَّاسَ بْنَ مُحَمَّد الدُّورِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مَعِينٍ يَقُولُ جُوَيْبِرٌ لَيْسَ بِشَيْءٍ.
4- أَخْبَرنَا الشَّيْخُ الزَّكِيُّ أَبُو سَهْلٍ أَحْمَد بْنُ مُحَمَّد بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مِهْرَانَ رحمه الله حَدَّثَنا أَبُو الحُسَيْن مُحَمَّد بْنُ أَحْمَد بْنِ حَامِدِ بْنِ مَحْمُودٍ الْعَطَّارُ أَخْبَرَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ مُحَمَّد النَّحْوِيُّ الرَّاوَسَانِيُّ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنَ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبُخَارِيَّ رحمه الله يَقُولُ جُوَيْبِرُ بْنُ سَعِيدٍ الْبَلْخِيُّ عَنِ الضَّحَّاكِ قَالَ عَلِيٌّ عَنْ يَحْيَى كُنْتُ أَعْرِفُ جُوَيْبِرًا
ইবনে আব্বাস [প্রকৃতপক্ষে] রায় শহরে সাঈদ বিন জুবাইরের সাক্ষাৎ লাভ করেন এবং তাঁর নিকট থেকে তাফসীর গ্রহণ করেন। [এর দ্বারা এটি স্পষ্ট হলো যে, যাহহাক বিন মুজাহিম] ইবনে আব্বাসের সাক্ষাৎ পাননি এবং তাঁর থেকে কিছুই শোনেননি। আর এই হাদীসটি ইবনে আব্বাস থেকে প্রমাণিত নয়। [আর এই জুবাইর বিন] সাঈদের বিষয়টি হলো, সে নির্ভরযোগ্য কেউ নয়; ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান, ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-মাদিনী এবং মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন, আর তাঁরাই হলেন অনুসরণীয় ইমাম।
3- যেমনটি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ, তিনি বলেন: আমি আব্বাস বিন মুহাম্মদ আদ-দুরীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে বলতে শুনেছি যে, জুবাইর উল্লেখযোগ্য কেউ নয়।
4- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পবিত্র শায়খ আবু সাহল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন মিহরান (রহিমাহুল্লাহ), আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামিদ বিন মাহমুদ আল-আত্তার, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আন-নাহবী আর-রাওয়াসানি, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম আল-বুখারী (রহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যাহহাকের সূত্রে জুবাইর বিন সাঈদ আল-বালখী সম্পর্কে আলী ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমি জুবাইরকে চিনতাম।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৫)
بِحَدِيثَيْنِ ثُمَّ أَخْرَجَ هَذِهِ الأَحَادِيثَ بَعْدُ فَضَعَّفَهُ.
وَأَمَّا مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْفِلَسْطِينِيُّ هَذَا فَلَسْتُ أَعْرِفُهُ وَلَسْتُ [أَجِدُ اسْمَهُ] فِي التَّوَارِيخِ الَّتِي عِنْدِي وَإِنَّمَا هُوَ شَيْخٌ مَجْهُولٌ وَالْجَهَالَةُ عَيْنُ الْجَرْحِ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ.
وَأَمَّا أَحْمَد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْجُوَيْبَارِيُّ [الْهَرَوِيُّ] فَإِنِّي أَعْرِفُهُ حَقَّ الْمَعْرِفَةِ بِوَضْعِ الْحَدِيثِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَدْ وَضَعَ عَلَيْهِ أَكْثَرَ مِنْ أَلْفِ حَدِيثٍ، وَهَذَا الْحَدِيثُ مِنْ جُمْلَتِهِ.
5- سَمِعْتُ الْحَاكِمَ الإِمَامَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ رضي الله عنه فِي كِتَابِ الْمَدْخَلِ إِلَى مَعْرِفَةِ الصَّحِيحِ مِنَ السَّقِيمِ يَقُولُ أَحْمَد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بن خالد الجويباري الهروي كذاب خبيث قد وَضَعَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَادِيثَ كَثِيرَةً فِي فَضَائِلِ الأَعْمَالِ وَغَيْرِهَا لا يَحِلُّ كِتَابَةُ حَدِيثِهِ وَلا رِوَايَتُهُ بِوَجْهٍ.
6- وَأَخْبَرنا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه فِي كِتَابِ الْمَدْخَلِ إِلَى مَعْرِفَةِ كِتَابِ الإِكْلِيلِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ وَمِنْ هَذِهِ الطَّبَقَةِ جَمَاعَةٌ وَضَعُوا الْحَدِيثَ حِسْبَةً كَمَا زَعَمُوا يَدْعُونَ النَّاسِ إِلَى فَضَائِلِ الأَعْمَالِ مِثْلَ أَبِي عِصْمَةَ نُوحِ بْنِ أَبِي مَرْيم الْمَرْوَزِيِّ ومُحَمَّد بْنِ [عكاشة الكرماني]
দুটি হাদিস দ্বারা, তারপর তিনি পরবর্তীতে এই হাদিসগুলো বের করেছেন এবং তাকে দুর্বল বলেছেন।
আর এই মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ ফিলিস্তিনি সম্পর্কে আমি জানি না এবং আমার কাছে থাকা ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে আমি [তার নাম খুঁজে পাচ্ছি না]। তিনি স্রেফ একজন অজ্ঞাত শাইখ, আর হাদিস বিশারদদের নিকট এই অজ্ঞাত থাকাটাই হলো দোষের মূল কারণ।
আর আহমাদ বিন আবদুল্লাহ আল-জুয়াইবারি [আল-হারাউয়ি] সম্পর্কে বলতে গেলে, আমি তাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর হাদিস জাল করার কারণে খুব ভালোভাবেই চিনি। সে তাঁর ওপর এক হাজারেরও বেশি হাদিস জাল করেছে এবং এই হাদিসটিও সেগুলোর অন্তর্ভুক্ত।
৫- আমি হাফেজ ইমাম হাকিম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহুকে তাঁর 'আল-মাদখাল ইলা মা'রিফাতিস সহিহ মিনাস সাকিম' কিতাবে বলতে শুনেছি: আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ আল-জুয়াইবারি আল-হারাউয়ি একজন নিকৃষ্ট মিথ্যাবাদী। সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে ফাযায়েলুল আমল এবং অন্যান্য বিষয়ে অনেক হাদিস জাল করেছে। তার হাদিস লেখা এবং কোনোভাবেই তা বর্ণনা করা বৈধ নয়।
৬- এবং হাকিম আবু আবদুল্লাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু তাঁর 'আল-মাদখাল ইলা মা'রিফাতি কিতাবিল ইকলিল' কিতাব থেকে আমাদের পড়ে শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: এবং এই স্তরের একদল লোক রয়েছে যারা সওয়াবের আশায় হাদিস জাল করত—যেমনটি তারা দাবি করে—লোকদের ফাযায়েলুল আমলের দিকে আহ্বান করার জন্য; যেমন আবু ইসমাহ নুহ বিন আবি মারইয়াম আল-মারওয়াজি এবং মুহাম্মদ বিন [উকাশাহ আল-কিরমানি]।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৬)
وأَحْمَد بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْجُوَيْبَارِيِّ ومُحَمَّد بْنِ الْقَاسِمِ الطَّايكَانِيِّ وَمَأْمُونِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيِّ وَغَيْرِهِمْ.
7- وَسَمِعْتُ الْحَاكِمَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ اخْتَلَفَ النَّاسُ فِي سَمَاعِ الحَسَن الْبَصْرِيِّ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فَقَالَ قَوْمٌ سَمِعَ مِنْهُ وَقَالَ قَوْمٌ لَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ فَحُكِيَ لَنَا أَنَّهُ ذُكِرَ ذَلِكَ بَيْنَ يَدَيْ أَحْمَد بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجُوَيْبَارِيِّ الْهَرَوِيِّ فَرَوَى حَدِيثًا
এবং আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুয়াইবারি, মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম আল-তায়কানি, মামুন বিন আব্দুল্লাহ আল-হারায়ি এবং অন্যদের থেকে।
৭- আমি আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, হাসান বসরী আবু হুরায়রা থেকে হাদিস শুনেছেন কি না, এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। একদল বলেছেন যে তিনি তাঁর থেকে শুনেছেন এবং অন্য একদল বলেছেন যে তিনি তাঁর থেকে শুনেননি। আমাদের কাছে বর্ণিত হয়েছে যে, আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুয়াইবারি আল-হারায়ির সামনে বিষয়টি আলোচিত হলে তিনি একটি হাদিস বর্ণনা করেন...
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৭)
بِإِسْنَادِهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعَ الحَسَن مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
قُلْتُ فَمَنْ كَانَتْ هَذِهِ حَالَتُهُ وَهَذَا مَبْلَغُ عِلْمِهِ فَكَيْفَ يَسْتَحِلُّ مُسْلِمٌ رِوَايَةَ حَدِيثِهِ فَإِنَّ الرَّاوِيَ لِحَدِيثِهِ بَعْدَ الْمَعْرِفَةِ بِحَالِهِ دَاخِلٌ فِي قَوْلِ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم.
8- مَنْ حَدَّثَ بِحَدِيثٍ وَهُوَ يَرَى أَنَّهُ كَذِبٌ فَهُوَ أَحَدُ الكاذبين.
তাঁর সনদে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হাসান আবু হুরায়রা থেকে শুনেছেন।
আমি বললাম, যার অবস্থা এরূপ এবং যার জ্ঞানের পরিধি এই পরিমাণ, তবে তার বর্ণিত হাদীস বর্ণনা করা একজন মুসলিমের জন্য কীভাবে বৈধ হতে পারে? কেননা তার অবস্থা জানার পর যে ব্যক্তি তার বর্ণিত হাদীস বর্ণনা করবে, সে মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই বাণীর অন্তর্ভুক্ত হবে:
৮- যে ব্যক্তি এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করে যা সে মিথ্যা বলে মনে করে, তবে সে মিথ্যাবাদীদের একজন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৮)
9- كَمَا أَخْبَرَنَا الأُسْتَاذُ الإِمَامُ أَبُو بَكْر مُحَمَّد بْنُ الحَسَن بْنِ فُورَكٍ الأَشْعَرِيُّ رضي الله عنه قراءةً عليه أَخْبَرنَا عبد الله بن جعفر الأصبهاني حَدَّثَنا يونس بن حبيب حَدَّثَنا أبو داود الطيالسي حدثنا شُعْبة عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ قَالَ: سَمِعْتُ مَيْمُونَ بْنَ أَبِي شَبِيبٍ يُحَدِّثُ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ رَوَى عَنِّي حَدِيثًا وَهُوَ يَرَى أَنَّهُ كَذِبٌ فَهُوَ أَحَدُ الْكَذَّابِينَ.
৯- যেমন আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন উস্তাদ ইমাম আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে ফুরাক আল-আশআরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আল-আসবাহানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে হাবিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মাইমুন ইবনে আবি শাবিবকে আল-মুগিরা ইবনে শু'বাহ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে কোনো হাদিস বর্ণনা করে অথচ সে মনে করে যে সেটি মিথ্যা, তবে সে মিথ্যাবাদীদের একজন।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২১৯)
هَكَذَا ، فِي هَذَا الْحَدِيثِ.
قُلْتُ فَالْوَيْلُ لِمَنْ كَانَ شَرِيكًا لِلْكَذَّابِينَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
10- فَقَدْ أَخْبَرنَا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ قراءةً عليه حَدَّثَنا مُحَمَّد بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَد بْنِ مُوسَى المزكي حَدَّثَنا مُحَمَّد بن إبراهيم العبدي حَدَّثَنا ابن بكير حَدَّثَنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ الْهَادِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ
এভাবেই, এই হাদিসে।
আমি বললাম, তবে ধ্বংস তাদের জন্য যারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর মিথ্যাচারকারীদের অংশীদার হয়েছে।
১০- আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে মুসা আল-মুযাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট ইবনুল হাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবাইর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি শুনেছেন
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২০)
رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَنْ حَدَّثَ عَنِّي كَذِبًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
قَالَ الْحَاكِمُ رضي الله عنه فَفِي قَوْلِهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ حَدَّثَ عَنِّي كَذِبًا وَعِيدٌ لِلْمُحَدِّثِ إِذَا حَدَّثَ بِمَا يعلم أنه كذب عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَإِنْ لَمْ يَكُنْ هُوَ الْكَاذِبُ فِي رِوَايَتِهِ.
قُلْتُ وَقَدْ رَوَى أَبُو هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ:
11- كَفَى بِالْمَرْءِ إِثْمًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ.
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: "যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা বর্ণনা করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।"
আল-হাকিম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর এই বাণী—"যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে কোনো মিথ্যা বর্ণনা করবে"—এর মধ্যে ওই হাদিস বর্ণনাকারীর প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি রয়েছে যখন সে এমন কিছু বর্ণনা করে যা সে জানে যে তা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর এক মিথ্যা অপবাদ, যদিও সে নিজে ওই বর্ণনার ক্ষেত্রে মূল মিথ্যাবাদী না হয়।
আমি বলছি, আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন:
১১- কোনো ব্যক্তির পাপী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তাই (যাচাই না করে) বর্ণনা করে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২২)
12- ورى أَبُو غَالِبٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَفَى بِالْمَرْءِ مِنَ الْكَذِبِ أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ.
فَكَيْفَ بِمَنْ يَنْظُرُ فِي الْكُتُبِ الْعَتِيقَةِ لِلْمُوَافِقِ وَالْمُخَالِفِ وَيُحَدِّثُ بِجَمِيعِ مَا فِيهَا وَلا يتأمل فِيهَا وَلا يَتَأَمَّلُ فِيهِ حَتَّى يَعْلَمَ أَمَوْضُوعٌ هو أو سقيم أو صحيح، لَمْ يَكُنْ عَلَى هَذَا أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَنْ بَعْدَهُمْ.
১২- আবু গালিব আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: একজন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তার সবকিছুই বলে বেড়ায়।
সুতরাং সেই ব্যক্তির অবস্থা কেমন হবে, যে (নিজের মতের) অনুকূল কিংবা প্রতিকূল প্রাচীন গ্রন্থসমূহ পর্যবেক্ষণ করে এবং তাতে যা কিছু আছে তার সবকিছুই বর্ণনা করে দেয়, অথচ সে বিষয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করে না যতক্ষণ না সে জানতে পারে যে তা জাল, নাকি ত্রুটিপূর্ণ অথবা বিশুদ্ধ? আল্লাহর রসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীগণ এবং তাঁদের পরবর্তীগণ এই নীতির উপর ছিলেন না।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৩)
13- فَقَدْ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الحُسَين بْنُ مُحَمَّد بْنِ مُحَمَّد بْنِ عَلِيٍّ الرُّوذْبَارِيُّ الْفَقِيهُ رحمه الله بطوس أَخْبَرنَا أَبُو بَكْر مُحَمَّد بْنُ بَكْرٍ التَّمَّارُ بِالْبَصْرَةِ حَدَّثَنا أبو داود السجستاني حَدَّثَنا عمرو بن عون (ح) .
قال: وَحَدَّثَنا مسدد حَدَّثَنا خَالِدٌ الْمَعْنِيُّ عَنْ بَيَانِ بْنِ بِشْرٍ قَالَ مُسَدَّدٌ أَبُو بِشْرٍ عَنْ وَبَرَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ لِلزُّبَيْرِ مَا يَمْنَعُكَ أَنْ تُحَدِّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَمَا يُحَدِّثُ عَنْهُ أَصْحَابُكَ قَالَ أَمَا وَاللَّهِ لَقَدْ كَانَ لِي مِنْهُ وَجْهٌ وَمَنْزِلَةٌ وَلَكِنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ: مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
১৩- আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন ফকীহ আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-রুজবারী (রহিমাহুল্লাহ) তুস নগরীতে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে বকর আত-তাম্মার বসরা নগরীতে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আওন (হ)।
তিনি (আবু দাউদ) বলেন: এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-মানী, বায়ান ইবনে বিশর থেকে; মুসাদ্দাদ বলেন আবু বিশর থেকে, তিনি ওবারাহ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আমির ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (আব্দুল্লাহ) বলেন: আমি যুবায়েরকে বললাম, আপনার অন্যান্য সাথীরা যেভাবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করেন, আপনাকে তা থেকে কিসে বাধা দেয়? তিনি বললেন: শোনো, আল্লাহর কসম! তাঁর নিকট আমার বিশেষ মর্যাদা ও অবস্থান ছিল, কিন্তু আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে নিজের ঠিকানা বানিয়ে নেয়।"
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৪)
وَكَيْفَ لا يَقُولُ هَكَذَا حَوَارِيُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ بَيَّنَ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم أَنَّ الْكَذِبَ عَلَيْهِ لَيْسَ كَالْكَذِبِ فِيمَا بَيْنَ النَّاسِ فِي الإِثْمِ كَمَا.
14- أَخْبَرنَا الْحَاكِمُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ رضي الله عنه قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الحَسَن عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّد بن سختويه العدل حَدَّثَنا زياد بن الخليل حَدَّثَنا عبيد الله بن مُحَمَّد بن عائشة حَدَّثَنا عبد الواحد بن زياد حَدَّثَنا
আর কেনই বা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাওয়ারি এমন বলবেন না, অথচ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করা পাপের ক্ষেত্রে মানুষের একে অপরের প্রতি মিথ্যারোপ করার মতো নয়, যেমন।
১৪- আল-হাকিম আল-ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাখতুয়াইহ আল-আদল আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবনে আল-খালীল আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আইশা আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৫)
صَدَقَةُ بْنُ الْمُثَنَّى أَخْبَرنَا رِيَاحُ بْنُ الْحَارِثِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِنَّ كَذِبًا عَلَيَّ لَيْسَ كَكَذِبٍ عَلَى أَحَدٍ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
15- وَقَدْ قَالَ صلى الله عليه وسلم فِي رِوَايَةِ عُثْمَانَ بْنِ عفان عنه:
সাদাকা ইবনুল মুসান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রিয়াহ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে যায়েদ ইবনে আমর ইবনে নুফাইল থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, "নিশ্চয়ই আমার নামে মিথ্যা বলা অন্য কারো নামে মিথ্যা বলার মতো নয়। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যারোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়।"
১৫- আর উসমান ইবনে আফফানের সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৬)
مَنْ قَالَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ.
فَهَذِهِ الأَخْبَارُ وَمَا وَرَاهَا تَدُلُّ عَلَى أَنْ لَيْسَ لِلإِنْسَانِ أَنْ يُحَدِّثَ إِلا بِمَا سَمِعَ وَيَدُلُّ عَلَى ذَلِكَ أَيْضًا.
যে ব্যক্তি আমার ওপর এমন কিছু আরোপ করল যা আমি বলিনি, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।
এই সংবাদসমূহ এবং এর পশ্চাতে যা রয়েছে তা একথাই প্রমাণ করে যে, একজন মানুষের জন্য কেবল তাই বর্ণনা করা সমীচীন যা সে শুনেছে, এবং এটিও সে বিষয়েরই প্রমাণ বহন করে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৭)
16- الْحَدِيثُ الَّذِي رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي السُّنَنِ فِي كِتَابِ الْعِلْمِ بِإِسْنَادٍ لَهُ عَنْ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ جُنْدُبٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ قَالَ فِي كِتَابِ اللَّهِ بِرَأْيِهِ فَأَصَابَ فَقَدْ أَخْطَأَ.
فَزَجَرَ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْخَبَرِ عَنِ الْكَلامِ فِي كِتَابِ اللَّهِ بِالرَّأْيِ وَسُنَّتُهُ صلى الله عليه وسلم مقِيسَةٌ عَلَيْهِ حَتَّى لا يَحِلَّ لأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلا بَعْدَ التَّثَبُّتِ وَالْعِلْمِ بِهِ كَمَا لا يَحِلُّ لأَحَدٍ أَنْ يَقُولَ فِي كِتَابِ اللَّهِ
১৬- সেই হাদিস যা আবু দাউদ তাঁর 'সুনান'-এর 'জ্ঞান অধ্যায়ে' তাঁর নিজস্ব সনদে আবু ইমরান থেকে, তিনি জুনদুব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে নিজ অভিমত অনুযায়ী কথা বলল এবং তা সঠিকও হলো, তবুও সে ভুল করল।"
মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই বর্ণনার মাধ্যমে আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে নিজ অভিমত দিয়ে কথা বলতে বারণ করেছেন। আর তাঁর সুন্নাহকেও এর ওপর কিয়াস বা তুলনা করা হবে, যাতে কারও জন্য এটি বলা বৈধ না হয় যে "আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন", যতক্ষণ না সে বিষয়টি নিশ্চিত করবে এবং সে সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবে; ঠিক যেমন আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে (না জেনে) কিছু বলা কারও জন্য বৈধ নয়।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৮)
بِرَأْيِهِ إِلا بَعْدَ الْمَعْرِفَةِ بِهِ وَسَمَاعٍ مِمَّنْ يَعْرِفُهُ فَقَدْ:
17- أَخْبَرنَا الْحَاكِمُ الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ وَأَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّد بْنُ مُوسَى الصَّيْرَفِيُّ فِي الْجُزْءِ [الرابع] الثلاثين من الفوائد الكبير لأبي العباس قالا حَدَّثَنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّد بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ حَدَّثَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَد بْنِ حَنْبَلٍ حَدَّثَنِي أبي حَدَّثَنا أَبُو الْجَهْمِ عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ بَكْرِ بْنِ خُنَيْسٍ عَنْ مُحَمَّد بْنِ النَّضْرِ الْحَارِثِيِّ كَانَ يُقَالُ أَوَّلُ الْعِلْمِ الإِنْصَاتُ لَهُ ثُمَّ الاسْتِمَاعُ لَهُ ثُمَّ حِفْظُهُ ثُمَّ الْعَمَلُ بِهِ ثُمَّ بَثُّهُ.
وَقَدْ صَرَّحَ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم بِمَا ذَكَرْتُ فِي الْحَدِيثِ الَّذِي:
18- أَخْبَرنَاه الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ الله الحافظ حَدَّثَنا
নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে নয়, বরং সেটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং যিনি তা জানেন তাঁর থেকে শ্রবণের মাধ্যমেই তা সম্ভব। সুতরাং:
১৭- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাকিম ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয এবং আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন মুসা আস-সাইরাফি—আবু আব্বাসের 'আল-ফাওয়াইদ আল-কাবীর' এর চৌত্রিশতম অংশে—তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল জাহম আব্দুল কুদ্দুস বিন বকর বিন খুনাইস, তিনি মুহাম্মাদ বিন আন-নাযর আল-হারিসী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: বলা হতো, ইলম বা জ্ঞানের প্রথম ধাপ হলো নীরবতা অবলম্বন করা, অতঃপর তা মনোযোগ দিয়ে শোনা, অতঃপর তা মুখস্থ রাখা, অতঃপর সে অনুযায়ী আমল করা এবং পরিশেষে তা প্রচার করা।
আমি যা উল্লেখ করেছি, মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই হাদিসে তা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন যেটিতে:
১৮- আমাদের তা সংবাদ দিয়েছেন হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২২৯)
أبو العباس مُحَمَّد بن يعقوب حَدَّثَنا أبو عتبة أَحْمَد بن الفرج حَدَّثَنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ أَبِي الْعَلاءِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَلا وَإِنَّ هلاك أمتي بالعصبية والقدرية والراية عَنْ غَيْرِ ثَبْتٍ.
আবু আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উতবাহ আহমদ ইবনে ফারাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়াহ ইবনুল ওয়ালিদ আবুল আলা থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সাবধান! নিশ্চয়ই আমার উম্মতের বিনাশ নিহিত রয়েছে গোত্রবাদ, ক্বাদারিয়া মতবাদ এবং ভিত্তিহীন পতাকার অনুসরণে।”
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩১)
أَعَاذَنَا اللَّهُ مِنَ الْكَلامِ فِي كِتَابِهِ بِالرَّأْيِ أَوْ رِوَايَةِ أَحَادِيَثِ رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ ثَبْتٍ لِئَلا نَكُونَ دَاخِلِينَ فِي قَوْلِهِ صلى الله عليه وسلم.
19- مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلا عَدْلٌ.
فِي رِوَايَةِ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أبيه ، عن جده عنه.
وقوله:
20- اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عَلَى مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا أَوْ أَتَى الْبَهَائِمَ مِنْ رِوَايَةِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْهُ.
21- وَقَوْلُهُ صلى الله عليه وسلم فِي رِوَايَةِ شُعْبَةَ عَنْ مَنْصُور عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه:
لا تَكْذِبُوا عَلَيَّ فَإِنَّهُ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ يَلِجُ النَّارَ.
আল্লাহ আমাদের তাঁর কিতাব সম্পর্কে নিজ মত (রায়) অনুযায়ী কথা বলা অথবা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস কোনো সুদৃঢ় প্রমাণ ছাড়াই বর্ণনা করা থেকে রক্ষা করুন, যাতে আমরা তাঁর (রাসূলের) এই বাণীর অন্তর্ভুক্ত না হই।
১৯- যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের অভিশাপ। তার কোনো নফল বা ফরজ ইবাদত কবুল করা হবে না।
এটি বাহয বিন হাকিমের সূত্রে তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং তাঁর বাণী:
২০- যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে অথবা পশুর সাথে মৈথুন করে, তার ওপর আল্লাহর ক্রোধ অত্যন্ত কঠোর। এটি জাবির বিন আব্দুল্লাহর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত।
২১- এবং শু'বা কর্তৃক মানসুর থেকে, তিনি রিবয়ী বিন হিরাশ থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী:
তোমরা আমার ওপর মিথ্যা বলবে না, কেননা যে ব্যক্তি আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩২)
فَأَقُولُ وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ:
إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلامٍ رضي الله عنه أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم في مَقْدَمَهُ عليه السلام الْمَدِينَةَ وَسَأَلَهُ عَنْ ثَلاثِ مَسَائِلَ كَمَا:
22- أَخْبَرنَا الأُسْتَاذُ الإِمَامُ أَبُو الطَّاهِرِ مُحَمَّد بْنُ مُحَمَّد بْنِ مَحْمِشٍ الزِّيَادِيُّ قِرَاءَةً عليه حَدَّثَنا أَبُو الْفَضْلِ عُبْدُوسُ بْنُ الحُسَين بْنِ مَنْصُور السمسار حَدَّثَنا أبو حاتم الرازي حَدَّثَنا مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُثَنَّى الأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ جَاءَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَقْدَمَهُ الْمَدِينَةَ فَقَالَ إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ ثَلاثٍ لا يَعْلَمُهُنَّ إِلا نَبِيٌّ.
قَالَ مَا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ وَمَا أَوَّلُ طَعَامٍ يَأْكُلُهُ أَهْلُ الْجَنَّةِ [وَالْوَلَدُ
আমি বলছি, আর আল্লাহর সাহায্যেই তৌফিক লাভ হয়:
নিশ্চয়ই আব্দুল্লাহ বিন সালাম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট তাঁর মদিনায় আগমনের সময় উপস্থিত হলেন এবং তাঁকে তিনটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যেমনটি:
২২- উস্তায ইমাম আবু তাহের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাহমিশ আয-যিয়াদি তাঁর নিকট পঠিত হওয়ার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফযল আবদুস বিন আল-হুসাইন বিন মানসুর আস-সিমসার আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু হাতিম আর-রাযী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুসান্না আল-আনসারী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুমাইদ আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মদিনায় আগমনের সময় তাঁর নিকট এলেন এবং বললেন: আমি আপনাকে এমন তিনটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব যা নবী ব্যতীত কেউ জানে না।
তিনি বললেন: কিয়ামতের প্রথম আলামত কী? এবং জান্নাতবাসীরা সর্বপ্রথম কোন খাদ্য গ্রহণ করবে? [এবং সন্তান...
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৩)
يَنْزِعُ] إِلَى أَبِيهِ وَإِلَى أُمِّهِ.
قَالَ أَخْبَرَنِي بِهِنَّ جِبْرِيلُ [آنِفًا] [قَالَ] عَبْدُ اللَّهِ ذَاكَ عَدُوُّ الْيَهُودِ مِنَ الْمَلائِكَةِ قَالَ: أَمَّا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ فَنَارٌ تَحْشُرُهُمْ مِنَ الْمَشْرِقِ إِلَى المغرب و [أما أَوَّلُ] طَعَامٍ يَأْكُلُهُ أَهْلُ الْجَنَّةِ فَزِيَادَةُ كَبِدِ حُوتٍ، وَأَمَّا الْوَلَدُ فَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الرَّجُلِ نَزَعَهُ ، وَإِذَا سَبَقَ مَاءُ الْمَرْأَةِ نَزَعَهُ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ
[সন্তান] তার পিতার সদৃশ হয় অথবা তার মাতার সদৃশ হয়।
তিনি বললেন: "জিবরীল আমাকে [এইমাত্র] এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জানিয়েছেন।" আব্দুল্লাহ [বললেন]: "ফেরেশতাদের মধ্যে তিনিই ইহুদিদের শত্রু।" তিনি বললেন: "কিয়ামতের আলামতসমূহের মধ্যে প্রথমটি হলো একটি আগুন, যা মানুষকে পূর্ব থেকে পশ্চিমের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে একত্রিত করবে। আর জান্নাতিরা প্রথম যে খাবারটি খাবে, তা হলো মাছের কলিজার অতিরিক্ত অংশ। আর সন্তানের বিষয়টি হলো, যখন পুরুষের বীর্য অগ্রগামী হয় তখন সন্তান তার সদৃশ হয়, আর যখন মহিলার বীর্য অগ্রগামী হয় তখন সন্তান তার সদৃশ হয়।" অতঃপর তিনি বললেন: "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই..."
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৪)
إِلا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ ، ثُمَّ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ الْيَهُودَ قَوْمٌ بُهْتٌ فَإِنْ عَلِمُوا بِإِسْلامِي قَبْلَ أَنْ تَسْأَلَهُمْ عَنِّي بَهَتُونِي عِنْدَكَ فَجَاءَ الْيَهُودَ فَقَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم.
أَيُّ رَجُلٍ عَبْدُ اللَّهِ فِيكُمْ قَالُوا خَيْرُنَا وَابْنُ خَيْرِنَا وَسَيِّدُنَا وَابْنُ سَيِّدِنَا وَأَعْلَمُنَا وَابْنُ أَعْلَمِنَا قَالَ أَرَأَيْتُمْ إِذَا أَسْلَمَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ قَالُوا أَعَاذَهُ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ فَقَالَ أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالُوا شَرُّنَا وَابْنُ شَرِّنَا وَانْتَقَصُوهُ فَقَالَ هَذَا مَا كُنْتُ أَخَافُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوْ كُنْتُ أَحْذَرُ.
رَوَاهُ مُحَمَّد بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ فِي التَّفْسِيرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُنِيرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَكْرٍ السَّهْمِيِّ.
وَفِي (خَلْقِ آدَمَ) عَنْ مُحَمَّد بْنِ سَلامٍ عَنْ مَرْوَانَ الْفَزَارِيِّ.
...আল্লাহ ছাড়া (অন্য কোনো সত্য ইলাহ নেই), এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি আল্লাহর রাসূল। অতঃপর তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), নিশ্চয়ই ইহুদিরা এক অপবাদকারী জাতি। আপনি আমার সম্পর্কে তাদের জিজ্ঞাসা করার আগেই যদি তারা আমার ইসলাম গ্রহণের কথা জেনে যায়, তবে তারা আপনার কাছে আমার নামে অপবাদ দিবে। অতঃপর ইহুদিরা আসলো এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বললেন।
“তোমাদের মধ্যে আবদুল্লাহ কেমন ব্যক্তি?” তারা বলল, “তিনি আমাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং শ্রেষ্ঠ ব্যক্তির পুত্র, আমাদের নেতা এবং নেতার পুত্র, এবং আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বিজ্ঞ ও বিজ্ঞতম ব্যক্তির পুত্র।” তিনি বললেন, “তোমরা কী মনে করো যদি আবদুল্লাহ ইবনে সালাম ইসলাম গ্রহণ করেন?” তারা বলল, “আল্লাহ তাকে এ থেকে রক্ষা করুন।” অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে সালাম তাদের সামনে বেরিয়ে আসলেন এবং বললেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।” তখন তারা বলল, “সে আমাদের মধ্যে নিকৃষ্টতম এবং নিকৃষ্টতম ব্যক্তির পুত্র” এবং তারা তার মানহানি করতে লাগল। তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল, এটিই ছিল সেই বিষয় যা আমি ভয় পাচ্ছিলাম বা যা নিয়ে আমি শঙ্কিত ছিলাম।”
এটি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থের তাফসীর অধ্যায়ে আবদুল্লাহ ইবনে মুনীর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে বাকর আস-সাহমী থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ‘আদম সৃষ্টি’ অধ্যায়ে মুহাম্মাদ ইবনে সালাম থেকে, তিনি মারওয়ান আল-ফাযারী থেকে (বর্ণনা করেছেন)।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৫)
وَفِي هِجْرَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَنْ حَامِدِ بْنِ عُمَرَ عَنْ بِشْرِ بْنِ الْمُفَضَّلِ كُلُّهُمْ عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِك بِهَذَا.
فَأَمَّا الْحَدِيثُ الطَّوِيلُ فَإِنِّي أَشْهَدُ بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ أَنَّهُ مَوْضُوعٌ وَمَنْ حَدَّثَ بِهِ كَانَ كَاذِبًا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقَوْلِهِ مَنْ رَوَى حَدِيثًا وَهُوَ يَرَى أَنَّهُ كَذِبٌ فَهُوَ أَحَدُ الْكَاذِبِينَ، وَلا أَقُولُهُ تَقْلِيدًا بَلْ أَقُولُهُ بِالْحُجَجِ الَّتِي ظَهَرَتْ لِي مِنْهَا أَنَّ الضَّحَّاكَ بْنَ مُزَاحِمٍ لَمْ يَسْمَعْ مِنَ ابْنِ عَبَّاسٍ حَرْفًا، وَهَذَا الْحَدِيثُ عَنْهُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হিজরত সম্পর্কে হামেদ বিন উমর থেকে, তিনি বিশর বিন মুফাদ্দাল থেকে, তাঁরা সকলে হুমাইদ আত-তবীল থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে এই বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন।
তবে দীর্ঘ হাদীসটির ব্যাপারে আমি আল্লাহর দুই হাতের সামনে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এটি বানোয়াট। যে ব্যক্তি এটি বর্ণনা করবে সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর মিথ্যা আরোপকারী হিসেবে গণ্য হবে, কারণ তাঁর বাণী হলো: "যে ব্যক্তি এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করল যা সে মিথ্যা বলে জানে, তবে সে মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত একজন।" আর আমি এটি অন্ধ অনুকরণের ভিত্তিতে বলছি না, বরং সেই সকল প্রমাণের ভিত্তিতে বলছি যা আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে; যার মধ্যে একটি হলো, দাহহাক বিন মুজাহিম ইবনে আব্বাস থেকে একটি অক্ষরও শোনেননি, অথচ এই হাদীসটি তাঁর সূত্রে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৬)
وَمِنْهَا أَنَّ جُوَيْبِرَ بْنَ سَعِيدٍ الرَّاوِي لِهَذَا الْحَدِيثِ عَنِ الضَّحَّاكِ لَيْسَ بِشَيْءٍ فَقَدْ ضَعَّفَهُ الأَئِمَّةُ الْمُقْتَدَى بِهِمْ كَمَا قَدَّمْتُ ذِكْرَهُ.
وَمِنْهَا أن مُحَمَّد بن عبد الله الفلسطيني الرواي لِهَذَا الْحَدِيثِ عَنْ جُوَيْبِرٍ مَجْهُولٌ لا يُعْرَفُ وَالْجَهَالَةُ عَيْنُ الْجَرْحِ.
وَمِنْهَا أَنَّ أَحْمَد بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْجُوَيْبَارِيَّ الْهَرَوِيَّ الْمُنْفَرِدَ بِهَذَا الْحَدِيثِ مُفْرَدٌ مِنْ بَيْنِ أَقْرَانِهِ الْكَذَّابِينَ عَلَى سَيِّدِ الْعَالَمِينَ بِالْجَهْلِ وَسُوءِ الْمَذْهَبِ وَالزِّيَادَةُ هِيَ الْوَضْعُ كَمَا قَدَّمْتُ ذِكْرَهَا، وَكُلُّ مَنْ تَابَعَهُ عَلَى راوية هَذَا الْحَدِيثِ فَهُوَ كَذَّابٌ خَبِيثٌ مِثْلَهُ فَيَكُونُ هُوَ الْوَاضِعُ لَهُ وَهَذَا السَّارِقُ مِنْهُ وَمَنْ حَدَّثَ بِهِ الرَّاوِي لِلْكَذِبِ وَالْمَوْضُوعِ وَوَيْلٌ لِلْكَذَّابِينَ عَلَى رَسُولِ [رَبِّ الْعَالَمِينَ بَعْدَ قَوْلِهِ] صلى الله عليه وسلم:
23- بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً وَحَدِّثُوا عَنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلا حَرَجَ وَحَدِّثُوا عني ولا تكذبو عَلَيَّ فَمَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ من النار.
এর মধ্যে একটি হলো যে, দাহহাক থেকে এই হাদিসটি বর্ণনাকারী জুওয়াইবির ইবনে সাঈদ ধর্তব্য কেউ নন; অনুসরণীয় ইমামগণ তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন, যেমনটি আমি ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি।
এর মধ্যে আরেকটি হলো, জুওয়াইবির থেকে বর্ণিত এই হাদিসের বর্ণনাকারী মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-ফিলিস্তিনি হলেন মাজহুল (অপরিচিত), তাকে চেনা যায় না; আর অজ্ঞাত হওয়া জারহ বা অযোগ্যতারই স্পষ্ট দলিল।
এর মধ্যে আরও রয়েছে যে, আহমদ বিন আবদুল্লাহ আল-জুওয়াইবারি আল-হারাউই, যিনি এই হাদিসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বিশ্বজাহানের সরদারের ওপর মিথ্যারোপকারী সমসাময়িকদের মধ্যে মূর্খতা ও ভ্রান্ত আকিদার কারণে অনন্য। আর এই অতিরিক্ত অংশটি মূলত বানোয়াট, যেমনটি আমি ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। যে ব্যক্তিই এই হাদিস বর্ণনায় তার অনুসরণ করেছে, সেও তার মতোই এক নিকৃষ্ট মিথ্যাবাদী; এমতাবস্থায় সে-ই হবে এর জালকারী আর এটি তার থেকে চুরি করা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই মিথ্যা ও বানোয়াট হাদিস বর্ণনা করবে (সেও এর অন্তর্ভুক্ত হবে)। সুতরাং বিশ্বজগতের রবের রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর মিথ্যারোপকারীদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য, বিশেষ করে তাঁর এই বাণীর পর:
২৩- আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও যদিও তা একটি আয়াত হয়। বনী ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করো, তাতে কোনো দোষ নেই। আমার পক্ষ থেকে বর্ণনা করো এবং আমার নামে মিথ্যা বলো না। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যারোপ করল, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল বানিয়ে নিল।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৭)
وَلَعَلَّ قَائِلا يَقُولُ إِنَّ الْكَلامَ فِي هَؤُلاءِ الرُّوَاةِ غِيبَةٌ وَالْغِيبَةُ مُحَرَّمَةٌ فِي أَخْبَارٍ كَثِيرَةٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَائِلُ هَذَا يَخُوضُ فِيمَا لَيْسَ مِنْ صِنَاعَتِهِ فَقَدْ أَجْمَعَ الْمُسْلِمُونَ بِلا اخْتِلافٍ بَيْنَهُمْ أَنَّهُ لا يَجُوزُ الاحْتِجَاجُ فِي أَحْكَامِ الشَّرِيعَةِ إِلا بِحَدِيثِ الصَّدُوقِ الْعَاقِلِ فَفِي هَذَا الإِجْمَاعِ دَلِيلٌ عَلَى إِبَاحَةِ جَرْحِ مَنْ لَيْسَ هَذِهِ صِفَتُهُ.
24- وَقَدْ أَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ رضي الله عنه قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ أَحْمَد بْنَ كَامِلٍ الْقَاضِيَ يَقُولُ:
সম্ভবত কোনো বক্তা বলতে পারেন যে, এই বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করা হলো গীবত (পরনিন্দা), আর আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর শান্তি ও রহমত বর্ষণ করুন) থেকে বর্ণিত বহু বর্ণনায় গীবতকে হারাম করা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ কথা বলেন, তিনি এমন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছেন যা তাঁর শাস্ত্র বা দক্ষতার অন্তর্ভুক্ত নয়। কেননা মুসলিমগণ এ বিষয়ে কোনো মতভেদ ছাড়াই ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, শরীয়তের বিধানসমূহের ক্ষেত্রে কেবল সত্যবাদী ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির হাদীস দ্বারাই দলীল গ্রহণ করা বৈধ। সুতরাং এই ঐকমত্যের মধ্যেই এমন ব্যক্তির দোষত্রুটি বর্ণনা করার বৈধতার প্রমাণ রয়েছে, যার মধ্যে এই গুণাবলী বিদ্যমান নেই।
২৪- হাকেম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু বকর আহমদ বিন কামিল আল-কাযীকে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৮)
سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ يَحْيَى بْنَ مَنْصُور الْهَرَوِيَّ يَذْكُرُ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ خَلادٍ قَالَ قُلْتُ لِيَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَمَا تَخْشَى أَنْ يَكُونَ هَؤُلاءِ الَّذِينَ تَرَكْتَ حَدِيثَهُمْ خُصَمَاءَكَ عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
فَقَالَ لأَنْ يَكُونَ هَؤُلاءِ خُصَمَائِي أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ يَكُونَ خَصْمِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِمَ حَدَّثْتَ عَنِّي [حَدِيثًا تَرَى أَنَّهُ] كَذِبٌ.
وَمِنَ الدَّلِيلِ الْوَاضِحِ عَلَى أَنَّ الْحَدِيثَ الطَّوِيلَ [بِرِوَايَةِ أَحْمَدَ] بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيِّ بَاطِلٌ فِي مَتْنِهِ أَشْيَاءُ هِيَ أَلْيَقُ بِكَلامِ أَحْمَد [بْنِ عَبْدِ اللَّهِ] مِنْ كَلامِ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم يَعْرِفُهَا كُلُّ مَنْ يَرْجِعُ إِلَى أَدْنَى مَعْرِفَةٍ، وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ لِلصَّوَابِ وَهُوَ حَسْبِي وَنِعْمَ الْوَكِيلُ.
قَالَ [لَنَا] الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو بَكْر وَجَدْتُ عَلَى ظَهْرِ الْجُزْءِ الَّذِي
আমি আবু সাঈদ ইয়াহইয়া বিন মানসুর আল-হারাওয়ীকে আবু বকর বিন খাল্লাদ থেকে উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদকে বললাম, আপনি কি ভয় পান না যে, যাদের হাদীস আপনি ত্যাগ করেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে তারা আপনার বিরুদ্ধে বাদী হবে?
তখন তিনি বললেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বিপক্ষবাদী হওয়ার চেয়ে এই লোকেরা আমার বিপক্ষবাদী হওয়া আমার কাছে অধিক প্রিয়; যখন তিনি বলবেন, কেন তুমি আমার পক্ষ থেকে এমন হাদীস বর্ণনা করলে যা তুমি মিথ্যা বলে বুঝতে পেরেছিলে?”
আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হারাওয়ীর বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসটি যে বাতিল, তার একটি স্পষ্ট প্রমাণ হলো এর মূল পাঠে (মতনে) এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীর চেয়ে আহমদ বিন আব্দুল্লাহর কথার সাথেই বেশি মানানসই। সামান্যতম জ্ঞানসম্পন্ন যে কেউ তা বুঝতে পারবে। আল্লাহই সঠিক পথের তাওফীকদাতা, তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
শেখ ইমাম আবু বকর আমাদের বলেন, আমি সেই পাণ্ডুলিপির খণ্ডের পৃষ্ঠদেশে পেয়েছি যা...
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৩৯)
نَقَلْتُ مِنْهُ الْكَلامَ عَلَى الْحَدِيثِ الَّذِي رَوَاهُ الْجُوَيْبَارِيُّ مِنَ الأَلْفِ سُؤَالٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ سَلامٍ بِخَطِّ الْحَاكِمِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظِ رحمه الله حَيْثُ عُرِضَ عَلَيْهِ كَلامُ الشَّيْخِ أَحْمَد عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ قَدْ تَأَمَّلْتُ الرِّوَايَاتِ عَنِّي فِي هَذَا الْجُزْءِ مِنْ رِوَايَاتِي عَنْ شُيُوخِي رضي الله عنهم وَسَائِرَ مَا فِيهِ مِنْ كَلامِي فِي التَّعْدِيلِ وَالْجَرْحِ فَوَجَدْتُ جَمِيعَ ذَلِكَ عَلَى مَا أَخْرَجْتُهُ فِي مُصَنَّفَاتِي الْمَقْبُولَةِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ وَكَتَبَهُ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بِخَطِّهِ قَالَ [لَنَا] وَوَجَدْتُ فِي آخِرِ هَذَا الْجُزْءِ فُتْيَا اسْتَفْتَيْتُهَا الْحَاكِمَ فِيهِ وَصُورَتُهَا:
بسم الله الرحمن الرحيم
مَا يَقُولُ الْحَاكِمُ الإِمَامُ رضي الله عنه وَعَنْ وَالِدَيْهِ فِي إِسْنَادِ مَسَائِلِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ رضي الله عنه الَّتِي تُرْوَى عَنْ أَحْمَد بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجُوَيْبَارِيِّ عَنْ مُحَمَّد بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْفِلَسْطِينِيُّ عَنْ جُوَيْبِرٍ عَنِ الضَّحَّاكِ عَنِ ابن عباس رضي الله عنهما نَحْوًا مِنْ أَلْفِ مَسْأَلَةٍ أَوْ أَكْثَرَ فَبَيَّنَ لما وَهُوَ مَأْجُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى وَصُورَةُ خَطِّ الْحَاكِمِ تَحْتَهَا:
قَدْ صَحَّتِ الرِّوَايَةُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلامٍ رضي الله عنه جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَأَلَهُ عَنْ ثَلاثِ مَسَائِلَ فَأَمَّا حَدِيثُ أَحْمَد بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجُوَيْبَارِيِّ فَغَيْرُ مُحْتَجٍّ بِهِ وَلِحَدِيثِهِ هَذَا أَخَوَاتٌ كَثِيرَةٌ مَوْضُوعَةٌ.
وَكَتَبَهُ مُحَمَّد بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بِخَطِّهِ قَالَ وَوَجَدْتُ تَحْتَ خَطِّ الْحَاكِمِ هَذَا خَطَّ الأُسْتَاذِ الإِمَامِ أَبِي إِسْحَاقَ الإِسْفَرَايِينِيِّ الْمَرْجِعُ فِي الْجَرْحِ وَتَصْحِيحِ
আমি সেখান থেকে আব্দুল্লাহ বিন সালাম (রা.)-এর এক হাজার প্রশ্ন সম্বলিত যে হাদিসটি আল-জুওয়াইবারি বর্ণনা করেছেন, তার ওপর হাফেজ হাকিম আবু আব্দুল্লাহর (রহ.) হস্তাক্ষরে লিখিত আলোচনাটি উদ্ধৃত করছি, যেখানে তাঁর নিকট এই হাদিস সম্পর্কে শায়খ আহমদের বক্তব্য পেশ করা হয়েছিল। আমি আমার শায়খদের (রা.) নিকট থেকে আমার বর্ণিত এই পুস্তিকাভুক্ত বর্ণনাগুলো এবং এতে বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা ও অযোগ্যতা (জারহ ও তাদিল) সম্পর্কে আমার সকল বক্তব্য গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। অতঃপর আমি সেগুলোর সবটুকুই আলেমদের নিকট গ্রহণযোগ্য আমার কিতাবসমূহে যেমনটি উল্লেখ করেছি তেমনই পেয়েছি। মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ এটি স্বহস্তে লিখেছেন। তিনি [আমাদের] বলেন: আমি এই পুস্তিকার শেষে একটি ফতোয়া পেয়েছি যা আমি হাকিমের কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এবং তার বিবরণটি হলো:
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
ইমাম হাকিম (আল্লাহ তাঁর ও তাঁর পিতামাতার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আব্দুল্লাহ বিন সালামের (রা.) সেই মাসআলাসমূহের সনদ সম্পর্কে কী বলেন যা আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুওয়াইবারি, তিনি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-ফিলিস্তিনি, তিনি জুওয়াইবির, তিনি যাহহাক এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে প্রায় এক হাজার বা তারও বেশি মাসআলা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে? সুতরাং আমাদের জন্য তা স্পষ্ট করুন, আল্লাহ চাহেন তো আপনি সওয়াবপ্রাপ্ত হবেন। হাকিমের হস্তাক্ষরটি এর নিচে নিম্নরূপ ছিল:
আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি বিশুদ্ধ যে, আব্দুল্লাহ বিন সালাম (রা.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসেছিলেন এবং তাঁকে তিনটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। আর আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জুওয়াইবারির বর্ণিত হাদিসটি দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় এবং তার বর্ণিত এই হাদিসের অনুরূপ আরও অনেক জাল হাদিস রয়েছে।
মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ এটি স্বহস্তে লিখেছেন। তিনি বলেন: আমি হাকিমের এই হস্তাক্ষরের নিচে উস্তাদ ইমাম আবু ইসহাক আল-ইসফরাইয়িনির হস্তাক্ষর পেয়েছি, যিনি বর্ণনাকারীদের ত্রুটি নির্ণয় ও হাদিস বিশুদ্ধকরণের ক্ষেত্রে অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি।
(খণ্ড: ১)
হাদীসুল জুওয়াইবারী ফী মাসাইলি আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম লিল বায়হাকী
(পৃষ্ঠা: ২৪০)
الأَخْبَارِ وَمَا يُقْبَلُ مِنْهَا وَمَا يُرَدُّ مِنْ طَرِيقِ الرِّجَالِ إِلَى الْحَاكِمِ الْفَاضِلِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ.
وَكَتَبَهُ إِبْرَاهِيمُ بِخَطِّهِ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِمَا وَعَلَى جَمِيعِ أَئِمَّةِ أَهْلِ السُّنَّةِ وَعَلَيْنَا مَعَهُمْ.
وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَصَلَوَاتُهُ وَسَلامُهُ عَلَى سَيِّدِ الْمُرْسَلِينَ وَعَلَى آلِهِ وَأَصْحَابِهِ وَأَزْوَاجِهِ أَجْمَعِينَ.
انتهى جزء الجويباري.
সংবাদসমূহ এবং যা তার মধ্য হতে গৃহীত হয় এবং যা বর্জিত হয়, বর্ণনাকারীদের পরম্পরায় বিদগ্ধ বিচারক আবু আব্দুল্লাহ পর্যন্ত।
এবং ইবরাহীম এটি স্বহস্তে লিখেছেন, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর, আহলুস সুন্নাহর সকল ইমামগণের ওপর এবং তাঁদের সাথে আমাদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং তাঁর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের সরদার এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ ও সকল পুতপবিত্র স্ত্রীগণের ওপর।
জুয়াইবাড়ীর অংশ সমাপ্ত হলো।