(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: -)
أغلو في بعض القرابة وجفاء في الأنبياء والصحابة   (عبد المحسن العباد)

القسم: العقيدة


الكتاب: أغلو في بعض القرابة وجفاء في الأنبياء والصحابة

المؤلف: عبد المحسن بن حمد بن عبد المحسن بن عبد الله بن حمد العباد البدر

الناشر: دار المغني، الرياض، المملكة العربية السعودية

الطبعة: الأولى، 1425هـ/2004م

عدد الصفحات: 47

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

কতিপয় আত্মীয়ের প্রতি বাড়াবাড়ি এবং নবী ও সাহাবীগণের প্রতি অবজ্ঞা   (আব্দুল মুহসিন আল-আব্বাদ)

বিভাগ: আকীদা


গ্রন্থ: কতিপয় আত্মীয়ের প্রতি বাড়াবাড়ি এবং নবী ও সাহাবীগণের প্রতি অবজ্ঞা

লেখক: আব্দুল মুহসিন বিন হামাদ বিন আব্দুল মুহসিন বিন আব্দুল্লাহ বিন হামাদ আল-আব্বাদ আল-বাদর

প্রকাশক: দারুল মুগনী، রিয়াদ، সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২৫ হিজরী/২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৭

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা’য় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৩)
‌‌أَغلُوٌّ في بعض القرابة وجفاء في الأنبياء والصحابة؟!

إعداد: عبد المحسن بن حمد العباد البدر

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله ربِّ العالَمين، وصلى الله وسلم وبارك على نبيِّنا محمد وعلى آله وأصحابه أجمعين، ومَن تبعهم بإحسان إلى يوم الدِّين.

أمَّا بعد، فقد اطَّلعتُ على تفريغ لشريطٍ لرجلٍ من الكويت ممتلئ قلبه حقداً على خير هذه الأمَّة بعد النَّبيِّين والمرسَلين أبي بكر وعمر رضي الله عنهما،‌‌ يُدعَى ياسر الحبيب، وليس له من اسمه نصيب، بل هو عاسر بغيض، تفوَّه فيه بكلام من أقبح الكلام في الغلوِّ في بعض أهل البيت، والجفاء في الأنبياء وفي أبي بكر وعمر وغيرهما من الصحابة، ولا أريد بهذه الكتابة الرد عليه؛ فإنَّ مجرَّد حكاية كلامه القبيح يُغني عن الردِّ عليه، وهو من النماذج الواضحة الجليَّة لزيغ القلوب وعمى البصائر، فأنا أذكر كارهاً مضطرًّا نماذج من كلامه وكلام مَن سبقه من أسلافه؛ لنشر خزيهم
কিছু আত্মীয়ের প্রতি অতিভক্তি এবং নবী ও সাহাবীগণের প্রতি চরম অবজ্ঞা?

প্রস্তুতকরণ: আব্দুল মুহসিন বিন হামদ আল-আব্বাদ আল-বদর

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর সালাত, সালাম ও বরকত নাযিল হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সকল সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে তাদের ওপর।

অতঃপর, আমি কুয়েতের এক ব্যক্তির একটি অডিও ক্যাসেটের অনুলিখন দেখেছি, যার অন্তর নবী ও রাসূলগণের পর এই উম্মতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি আবু বকর ও উমর (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর প্রতি বিদ্বেষে পরিপূর্ণ। তাকে ইয়াসির আল-হাবীব বলা হয়, অথচ তার নামের সাথে তার চরিত্রের কোনো মিল নেই; বরং সে একজন কঠোর ও ঘৃণ্য ব্যক্তি। সে সেখানে আহলে বাইতের কতিপয় সদস্যের ব্যাপারে অতিরঞ্জন এবং নবীগণ ও আবু বকর, উমর ও অন্যান্য সাহাবীগণের প্রতি বিদ্বেষমূলক অত্যন্ত জঘন্য কিছু কথা বলেছে। আমি এই লেখার মাধ্যমে তাকে খণ্ডন করতে চাই না; কেননা তার এই কদর্য কথাগুলো কেবল উদ্ধৃত করাই তাকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য যথেষ্ট। সে হচ্ছে অন্তরের বক্রতা এবং অন্তর্দৃষ্টিহীনতার এক সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত। তাই আমি অনিচ্ছাসত্ত্বেও বাধ্য হয়ে তার এবং তার পূর্বসূরিদের বক্তব্যের কিছু নমুনা উল্লেখ করছি, যাতে তাদের লাঞ্ছনা ও অপদস্থতা প্রকাশ পায়।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৪)
في هذه الحياة الدنيا، وبيان اشتعال الحقد في قلوبهم على الصحابة الكرام، مع الغلوِّ المتناهي في بعض أهل البيت، مع تعليقات يسيرة والإشارة إلى مقارنة بينهم وبين أهل السنَّة في العقيدة في الصحابة والقرابة، وقد استمعت إلى بعض ما اشتمل عليه الشريط، فوجدتُه مطابقاً للتفريغ، وما أوردته منه هنا من كلام هذا الحاقد الجديد مطابق لِمَا في الشريط.

ومن كلامه الذي غلا فيه في علي وفاطمة والحسن والحسين رضي الله عنهم، وتسعة من أولاد الحسين، وهم الأئمة الاثنا عشر عندهم، ففضَّلهم على الأنبياء والمرسَلين، وفي مقدِّمتهم إبراهيم الخليل عليه الصلاة والسلام، قوله: "نحن الشيعة نعتقد بأنَّ أفضل أولياء الله عز وجل بعد المعصومين الأربعة عشر عليهم الصلاة والسلام هو سيدنا إبراهيم الخليل صلوات الله عليه، حسب تحقيق العلماء فإنَّ أفضل الخلق هو نبيُّنا صلى الله عليه وآله، ثم أمير المؤمنين والزهراء
এই পার্থিব জীবনে, এবং সম্মানিত সাহাবায়ে কেরামের প্রতি তাদের অন্তরে প্রজ্বলিত বিদ্বেষের বর্ণনা, সাথে আহলে বাইতের কতিপয় সদস্যের ক্ষেত্রে তাদের চরম বাড়াবাড়ি, এবং সাহাবী ও আত্মীয়দের ব্যাপারে তাদের ও আহলে সুন্নাতের আকিদার মাঝে তুলনামূলক আলোচনার প্রতি ইঙ্গিতসহ কিছু সংক্ষিপ্ত মন্তব্য। আমি ক্যাসেটে ধারণকৃত বক্তব্যের কিছু অংশ শুনেছি এবং তা প্রতিলিপির সাথে হুবহু সামঞ্জস্যপূর্ণ পেয়েছি। আর এই নতুন বিদ্বেষ পোষণকারীর যে কথাগুলো আমি এখানে উল্লেখ করেছি, তা ক্যাসেটে যা আছে তার সাথে সম্পূর্ণ অভিন্ন।

আলি, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এবং হুসাইনের নয়জন সন্তানের ব্যাপারে তার সেই বাড়াবাড়িপূর্ণ কথার মধ্যে—যারা তাদের নিকট বারো ইমাম হিসেবে গণ্য এবং যাদেরকে তিনি নবী ও রাসূলগণের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন, এমনকি যাদের অগ্রভাগে রয়েছেন ইব্রাহিম খলিল (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)—তার বক্তব্য হলো: "আমরা শিয়ারা বিশ্বাস করি যে, চৌদ্দজন মাসুম (আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম) এর পর আল্লাহ তায়ালার ওলিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলেন আমাদের নেতা ইব্রাহিম খলিল (সালাওয়াতুল্লাহি আলাইহি)। আলেমদের গবেষণা অনুযায়ী, সৃষ্টির সেরা হলেন আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি), তারপর আমিরুল মুমিনিন এবং যাহরা..."
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৫)
صلوات الله وسلامه عليهما في مرتبة واحدة، ثم الحسن، ثم الحسين، ثم مولانا الإمام المهدي صلوات الله عليه، ثم الأئمَّة من ذريَّة الحسين، من السجاد إلى العسكري في مرتبة واحدة، ثم إبراهيم الخليل صلوات الله عليهم!!! ".

وكلامُه هذا شبيه بكلام زعيمهم في هذا العصر الخميني، فقد قال في كتابه "الحكومة الإسلامية" (ص 52) من منشورات المكتبة الإسلامية الكبرى بطهران: "وثبوت الولاية والحاكمية للإمام (ع) لا تعني تجرّده عن منزلته التي هي له عند الله، ولا تجعله مثل مَن عداه من الحكام؛ فإنَّ للإمام مقاماً محموداً ودرجة سامية وخلافة تكوينية تخضع لولايتها وسيطرتها جميع ذرَّات هذا الكون، وإنَّ من ضروريات مذهبنا أنَّ لأئمَّتنا مقاماً لا يبلغه ملكٌ مقرَّب ولا نبي مرسَل، وبموجب ما لدينا من الروايات والأحاديث، فإنَّ الرسول الأعظم (ص) والأئمة (ع) كانوا قبل هذا
তাদের উভয়ের ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম একই স্তরে, এরপর হাসান, তারপর হুসাইন, তারপর আমাদের নেতা ইমাম মাহদী (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক), তারপর হুসাইনের বংশধরদের মধ্য থেকে ইমামগণ—সাজ্জাদ থেকে আসকারী পর্যন্ত সকলে একই স্তরে, তারপর ইবরাহীম খলীল (তাঁদের সকলের ওপর আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক)!!!

এবং তাঁর এই কথাটি বর্তমান যুগে তাদের নেতা খোমেইনীর বক্তব্যের অনুরূপ। তিনি তেহরানের আল-মাকতাবা আল-ইসলামিয়্যাহ আল-কুবরা থেকে প্রকাশিত তাঁর "আল-হুকুমা আল-ইসলামিয়্যাহ" (পৃষ্ঠা ৫২) গ্রন্থে বলেছেন: "ইমামের (আ.) জন্য বেলায়েত ও সার্বভৌমত্ব সাব্যস্ত হওয়ার অর্থ এই নয় যে, তিনি আল্লাহর নিকট তাঁর যে মর্যাদা রয়েছে তা থেকে বিচ্যুত হয়ে যাবেন, এবং এটি তাঁকে অন্যান্য সাধারণ শাসকদের মতো করে দেয় না; কেননা ইমামের রয়েছে একটি প্রশংসিত স্থান, উচ্চমর্যাদা এবং একটি সৃষ্টিগত প্রতিনিধিত্ব যার কর্তৃত্ব ও শাসনের নিকট এই মহাবিশ্বের প্রতিটি অণু অনুগত। আর আমাদের মাযহাবের অত্যাবশ্যকীয় বিষয়সমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো যে, আমাদের ইমামগণের এমন এক উচ্চমর্যাদা রয়েছে যেখানে কোনো নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা কিংবা প্রেরিত নবীও পৌঁছাতে পারেন না। আমাদের কাছে বিদ্যমান বর্ণনা ও হাদীসসমূহের দাবি অনুযায়ী, নিশ্চয়ই মহান রাসূল (সা.) এবং ইমামগণ (আ.) এর আগে ছিলেন..."
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৬)
العالم أنواراً، فجعلهم الله بعرشه محدقين، وجعل لهم من المنزلة والزلفى ما لا يعلمه إلَاّ الله، وقد قال جبرائيل كما ورد في روايات المعراج: لو دنوت أنملة لاحترقت، وقد ورد عنهم (ع) : إنَّ لنا مع الله حالات لا يسعها ملَك مقرَّب ولا نبي مرسَل"!!!

ومِن المعلوم أنَّ تفضيلَ أحد من البشر على الأنبياء والمرسَلين جفاء فيهم.

ومن غلوِّهم في أئمَّتهم الاثني عشر ما جاء في كتاب "أصول الكافي" للكليني، وهو من كتبهم المعتمدة، وقد اشتمل على أبواب تشتمل على أحاديث من أحاديثهم، ومن هذه الأبواب قوله:

ـ باب: أنَّ الأئمة عليهم السلام خلفاء الله عز وجل في أرضه، وأبوابُه التي منها يُؤتى (1/193) .

ـ باب: أنَّ الأئمة عليهم السلام هم العلامات التي ذكرها عز وجل في كتابه (1/206) :

وفي هذا الباب ثلاثة أحاديث من أحاديثهم تشتمل
বিশ্বজগতকে আলোকমালা হিসেবে (সৃজন করেছেন), ফলে আল্লাহ তাঁদের তাঁর আরশের চারপাশে পরিবেষ্টনকারী করে দিয়েছেন এবং তাঁদের জন্য এমন মর্যাদা ও নৈকট্য নির্ধারণ করেছেন যা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। জিবরাঈল মিরাজের বর্ণনাসমূহে যেমনটি বলেছেন: 'যদি আমি এক আঙ্গুল পরিমাণও নিকটবর্তী হতাম, তবে অবশ্যই দগ্ধ হতাম।' এবং তাঁদের (আলাইহিমুস সালাম) পক্ষ থেকে বর্ণিত হয়েছে: "আল্লাহর সাথে আমাদের এমন কিছু অবস্থা থাকে যা কোনো নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতা কিংবা প্রেরিত নবীও ধারণ করতে পারে না"!!!

আর এটি সুপরিচিত যে, সাধারণ কোনো মানুষকে নবী ও রাসূলগণের ওপর প্রাধান্য দেওয়া তাঁদের শানে এক প্রকার ধৃষ্টতা ও অবিচার।

তাঁদের বারো ইমামের ব্যাপারে তাঁদের অতিরঞ্জনের (গুলু) একটি দৃষ্টান্ত হলো কুলাইনীর 'উসুলুল কাফি' কিতাবে যা বর্ণিত হয়েছে, আর এটি তাঁদের অন্যতম নির্ভরযোগ্য কিতাব। এতে এমন কিছু অধ্যায় রয়েছে যা ইমামদের কথিত হাদীসসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর মধ্যে একটি অধ্যায় হলো তাঁর (কুলাইনীর) এই উক্তি:

— অধ্যায়: ইমামগণ (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) আল্লাহর যমীনে মহান আল্লাহর খলীফা বা প্রতিনিধি এবং তাঁর সেই প্রবেশদ্বার যার মাধ্যমেই তাঁর নিকট আসতে হয় (১/১৯৩)।

— অধ্যায়: ইমামগণ (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) হলেন সেই নিদর্শনাবলি যা মহান আল্লাহ তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন (১/২০৬):

এবং এই অধ্যায়ে তাঁদের বর্ণনা থেকে তিনটি হাদীস রয়েছে যা অন্তর্ভুক্ত করে—
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
على تفسير قوله تعالى: {وَعَلامَاتٍ وَبِالنَّجْمِ هُمْ يَهْتَدُونَ} ، بأنَّ النَّجمَ: رسول الله صلى الله عليه وآله، وأن العلامات الأئمَّة.

ـ باب: أنَّ الأئمَّة عليهم السلام نور الله عز وجل (1/194) .

ويشتمل على أحاديث من أحاديثهم، منها حديث ينتهي إلى أبي عبد الله (وهو جعفر الصادق) في تفسير قول الله عز وجل: {اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ} قال ـ كما زعموا ـ: " {مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ} : فاطمة عليها السلام، {فِيهَا مِصْبَاحٌ} : الحسن، {الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ} : الحسين، {الزُّجَاجَةُ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ} : فاطمة كوكب دُرِيٌّ بين نساء أهل الدنيا، {يُوقَدُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ} : إبراهيم عليه السلام، {زَيْتُونَةٍ لا شَرْقِيَّةٍ وَلا غَرْبِيَّةٍ} : لا يهودية ولا نصرانية، {يَكَادُ زَيْتُهَا يُضِيءُ} : يكاد العلم ينفجر بها، {وَلَوْ لَمْ تَمْسَسْهُ نَارٌ نُورٌ عَلَى نُورٍ} : إمام منها بعد
মহান আল্লাহর বাণী: {এবং অনেক চিহ্নসমূহ ও নক্ষত্রের সাহায্যে তারা পথনির্দেশ লাভ করে} -এর তাফসীরে যে, নক্ষত্র হলেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) এবং চিহ্নসমূহ হলেন ইমামগণ।

— পরিচ্ছেদ: ইমামগণ (তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) হলেন মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নূর (১/১৯৪)।

এবং এতে তাদের বর্ণিত হাদীসসমূহের কিছু অংশ রয়েছে, যার মধ্যে একটি হাদীস আবু আব্দুল্লাহ (যিনি জাফর আস-সাদিক) পর্যন্ত পৌঁছেছে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর এই বাণীর তাফসীরে: {আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিনের নূর}। তিনি বলেছেন — যেমনটি তারা দাবি করে —: "{তাঁর জ্যোতির উপমা যেন একটি কুলুঙ্গি}: ফাতেমা (তার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), {তাতে রয়েছে একটি প্রদীপ}: হাসান, {প্রদীপটি একটি কাঁচের পাত্রে}: হুসাইন, {কাঁচের পাত্রটি যেন একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র}: ফাতেমা হলেন জগতের নারীদের মধ্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, {যা প্রজ্বলিত হয় একটি বরকতময় বৃক্ষ থেকে}: ইব্রাহিম (তার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), {এমন এক যয়তুন বৃক্ষ যা না পূর্বের আর না পশ্চিমের}: যা ইহুদিও নয় এবং খ্রিস্টানও নয়, {তার তৈল যেন স্বয়ং উজ্জ্বলতা ছড়াবে}: জ্ঞান যেন তার থেকে বিচ্ছুরিত হওয়ার উপক্রম হবে, {যদিও আগুন তাকে স্পর্শ না করে, জ্যোতির ওপর জ্যোতি}: তার মধ্য থেকে একের পর এক ইমাম।"
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৮)
إمام، {يَهْدِي اللَّهُ لِنُورِهِ مَنْ يَشَاءُ} : يهدي الله للأئمَّة مَن يشاء … ".

ـ باب: أنَّ الآيات التي ذكرها الله عز وجل في كتابه هم الأئمَّة (1/207) .

وفي هذا الباب تفسير قول الله عز وجل: {وَمَا تُغْنِي الآياتُ وَالنُّذُرُ عَنْ قَوْمٍ لا يُؤْمِنُونَ} بأنَّ الآيات: الأئمَّة!!

وفيه تفسير قوله تعالى: {كَذَّبُوا بِآياتِنَا كُلِّهَا} بأنَّ الآيات: الأوصياء كلُّهم!!!

ومعنى ذلك أنَّ العقابَ الذي حلَّ بآل فرعون سببُه تكذيبهم بالأوصياء الذين هم الأئمَّة!!

ـ باب: أنَّ أهلَ الذِّكر الذين أمر اللهُ الخلقَ بسؤالِهم هم الأئمَّة عليهم السلام (1/210) .

ـ باب: أنَّ القرآن يهدي للإمام (1/216) .

وفي هذا الباب تفسير قول الله عز وجل: {إِنَّ
ইমাম, {আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাঁর নূরের দিকে হেদায়াত দান করেন} : আল্লাহ যাকে ইচ্ছা ইমামগণের দিকে হেদায়াত দান করেন … "।

— পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহ তাঁর কিতাবে যেসব নিদর্শনের কথা উল্লেখ করেছেন সেগুলো হলো ইমামগণ (১/২০৭)।

এবং এই পরিচ্ছেদে মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যা করা হয়েছে: {আর নিদর্শনসমূহ ও সতর্ককারীগণ এমন সম্প্রদায়ের কোনো উপকারে আসে না যারা ঈমান আনে না} এই মর্মে যে, এখানে নিদর্শনসমূহ হলো ইমামগণ!!

এবং এতে মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যা রয়েছে: {তারা আমাদের সকল নিদর্শনকে অস্বীকার করেছিল} এই মর্মে যে, এখানে নিদর্শনসমূহ হলো সকল স্থলাভিষিক্ত (আওসিয়া)!!!

আর এর অর্থ হলো, ফেরাউনের অনুসারীদের ওপর যে আজাব আপতিত হয়েছিল তার কারণ ছিল তাদের সেই স্থলাভিষিক্তদের প্রতি মিথ্যারোপ করা, যারা মূলত ইমামগণ!!

— পরিচ্ছেদ: জিকিরের অধিকারী (আহলে জিকর) যাদেরকে জিজ্ঞাসা করার জন্য আল্লাহ সৃষ্টিজগতকে নির্দেশ দিয়েছেন, তারা হলেন ইমামগণ আলাইহিমুস সালাম (১/২১০)।

— পরিচ্ছেদ: কুরআন ইমামের দিকে পথপ্রদর্শন করে (১/২১৬)।

এবং এই পরিচ্ছেদে মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যা রয়েছে: {নিশ্চয়...
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
هَذَا الْقُرْآنَ يَهْدِي لِلَّتِي هِيَ أَقْوَمُ} بأنَّه يهدي إلى الإمام!!

وفيه تفسيرُ قول الله عز وجل: {وَالَّذِينَ عَقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ} بأنَّه إنَّما عنى بذلك الأئمَّة عليهم السلام، بهم عقَّد الله عز وجل أيمانكم!!

ـ باب: أنَّ النِّعمة التي ذكرها الله عز وجل في كتابه الأئمَّة عليهم السلام (1/217) .

وفيه تفسير قول الله عز وجل: {أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ بَدَّلُوا نِعْمَتَ اللَّهِ كُفْراً} بالزعم بأنَّ عليًّا رضي الله عنه قال: "نحن النِّعمة التي أنعم الله بها على عباده، وبنا يفوز مَن فاز يوم القيامة"!!

وفيه تفسير قول الله عز وجل في سورة الرحمن: {فَبِأَيِّ آلاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ} ، قال: "أبالنَّبِيِّ أم بالوصيِّ تكذِّبان؟!! ".

ـ باب: عرض الأعمال على النَّبِيِّ صلى الله عليه وآله، والأئمَّة عليهم السلام (1/219) .
{এই কুরআন এমন পথ প্রদর্শন করে যা অত্যন্ত সুদৃঢ়} - এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, এটি ইমামের দিকে পথ প্রদর্শন করে!!

এতে মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার বাণী: {আর যাদের সাথে তোমাদের ডান হাত অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছে} এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, এর দ্বারা কেবল ইমামগণ আলাইহিমুস সালামকে বোঝানো হয়েছে, তাঁদের মাধ্যমেই মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তোমাদের অঙ্গীকারসমূহ সুদৃঢ় করেছেন!!

— পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর কিতাবে যে নিআমতের কথা উল্লেখ করেছেন তা হলো ইমামগণ আলাইহিমুস সালাম (১/২১৭)।

এতে মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার বাণী: {তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করোনি যারা আল্লাহর নিআমতকে কুফরিতে পরিবর্তিত করেছে} এর ব্যাখ্যায় এই দাবি করা হয়েছে যে, আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: "আমরাই সেই নিআমত যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের দান করেছেন এবং আমাদের মাধ্যমেই কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সফল হবে যে সফল হবে"!!

এতে সূরা আর-রাহমানে মহান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার বাণী: {সুতরাং তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিআমতকে অস্বীকার করবে?}, বলা হয়েছে: "তোমরা কি নবীকে নাকি ওয়াসিকে অস্বীকার করবে?!!"

— পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এবং ইমামগণ আলাইহিমুস সালামের নিকট আমলসমূহ পেশ করা (১/২১৯)।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
ـ باب: أنَّ الأئمَّة عليهم السلام عندهم جميع الكتب التي نزلت من عند الله عز وجل، وأنَّهم يعرفونها على اختلاف ألسنتِها (1/227) .

ـ باب: أنَّه لَم يجمع القرآنَ كلَّه إلَاّ الأئمَّة عليهم السلام، وأنَّهم يعلَمون علمَه كلَّه (1/228) .

ـ باب: أنَّ الأئمَّة عليهم السلام يعلمون جميعَ العلوم التي خرجت إلى الملائكة والأنبياء والرُّسل عليهم السلام (1/255) .

ـ باب: أنَّ الأئمَّة عليهم السلام يعلمون متى يموتون وأنَّهم لا يموتون إلَاّ باختيارٍ منهم. (1/258) .

ـ باب: أنَّ الأئمَّة عليهم السلام يعلمون علمَ ما كان وما يكون، وأنَّه لا يخفى عليهم الشيءُ صلوات الله عليهم (1/260) .

ـ باب: أنَّ الله عز وجل لَم يُعلِّم نبيَّه علماً إلَاّ أمره أن يُعلِّمَه أمير المؤمنين عليه السلام، وأنَّه كان شريكَه في العلم (1/263) .
ـ পরিচ্ছেদ: ইমামগণের (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) নিকট মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ সকল কিতাব রয়েছে এবং তাঁরা সেই কিতাবসমূহকে তাদের বিভিন্ন ভাষা অনুযায়ী জানেন (১/২২৭) ।

ـ পরিচ্ছেদ: ইমামগণ (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) ব্যতীত অন্য কেউ পূর্ণ কুরআন সংকলন করেনি এবং তাঁরা এর পূর্ণ জ্ঞান রাখেন (১/২২৮) ।

ـ পরিচ্ছেদ: ফেরেশতা, নবী এবং রাসূলগণের (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) নিকট প্রেরিত সকল জ্ঞান সম্পর্কে ইমামগণ (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) অবগত (১/২৫৫) ।

ـ পরিচ্ছেদ: ইমামগণ (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) জানেন তাঁরা কখন মৃত্যুবরণ করবেন এবং তাঁরা স্বীয় ইচ্ছা ব্যতিরেকে মৃত্যুবরণ করেন না (১/২৫৮) ।

ـ পরিচ্ছেদ: ইমামগণ (তাঁদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) যা ঘটেছে এবং যা ঘটবে সেই বিষয়ক জ্ঞান রাখেন এবং কোনো কিছুই তাঁদের নিকট গোপন নয় (১/২৬০) ।

ـ পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহ তাঁর নবীকে এমন কোনো জ্ঞান শিক্ষা দেননি যা আমিরুল মুমিনীনকে (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) শিক্ষা দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দেননি, এবং তিনি (আমিরুল মুমিনীন) জ্ঞানের ক্ষেত্রে তাঁর অংশীদার ছিলেন (১/২৬৩) ।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১১)
ـ باب: أنَّه ليس شيءٌ من الحقِّ في يد الناسِ إلَاّ ما خرج من عند الأئمَّة عليهم السلام، وأنَّ كلَّ شيء لم يخرج من عندهم فهو باطلٌ (1/399) .

وهذه الأبوابُ تشتمل على أحاديث من أحاديثهم، وهي منقولةٌ من طبعة الكتاب، نشر مكتبة الصدوق بطهران، سنة (1381هـ) .

ويُعتبَرُ الكتابُ مِن أجَلِّ كتبِهم إن لَم يكن أجَلَّها، وفي مقدِّمة الكتاب ثناءٌ عظيمٌ على الكتاب وعلى مؤلِّفِه، وكانت وفاتُه سنة (329هـ) ، وهذا الذي نقلتُه منه نماذج من غلوِّ متقدِّميهم في الأئمَّة.

وأكثرُ كلام هذا الحاقد الجديد المسجَّل في هذا الشريط في ذمِّ أبي بكر وعمر رضي الله عنهما، وهو ذمٌّ بوقاحة وخسَّة، دون حياء من الله ومن الناس، ومنه قوله: "أفضلُ أنواع الانتقام في هذا العصر

هو الانتقام الإعلامي، أبو بكر وعمر ـ لعنة الله
পরিচ্ছেদ: মানুষের হাতে সত্যের যা কিছু রয়েছে তা কেবল ইমামগণের (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) নিকট থেকেই নির্গত হয়েছে, আর যা কিছু তাঁদের নিকট থেকে নির্গত হয়নি তা বাতিল (১/৩৯৯)।

এই পরিচ্ছেদগুলো তাঁদের বর্ণিত কতিপয় হাদিসকে শামিল করে, যা ১৩৮১ হিজরি সালে তেহরানের মাকতাবাতুস সাদুক কর্তৃক প্রকাশিত গ্রন্থের সংস্করণ থেকে সংগৃহীত হয়েছে।

গ্রন্থটি তাঁদের শ্রেষ্ঠতম গ্রন্থগুলোর অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয়, যদি এটি শ্রেষ্ঠতম না-ও হয়ে থাকে। গ্রন্থের ভূমিকায় গ্রন্থ এবং গ্রন্থকারের ভূয়সী প্রশংসা রয়েছে। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ৩২৯ হিজরিতে। আমি যা এখান থেকে উদ্ধৃত করেছি তা হলো ইমামদের সম্পর্কে তাঁদের পূর্বসূরিদের অতিরঞ্জনের কিছু নমুনা।

এই ফিতায় ধারণকৃত এই আধুনিক বিদ্বেষী ব্যক্তির অধিকাংশ কথা আবু বকর ও উমর (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর কুৎসা রটনা বিষয়ক। এটি আল্লাহ ও মানুষের প্রতি কোনো প্রকার লজ্জা ছাড়াই অত্যন্ত নির্লজ্জ ও হীনভাবে করা নিন্দা। তাঁর উক্তির মধ্যে রয়েছে: "এই যুগে প্রতিশোধ গ্রহণের সর্বোত্তম প্রকার হলো...

তা হলো প্রচারমাধ্যমের প্রতিশোধ; আবু বকর ও উমর—আল্লাহর লানত (অভিশাপ)
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১২)
عليهما!! ـ مقدَّسان في أعين هؤلاء الجهلة وفي أذهانهم، مقدَّسان يُؤخذ منهم الشرع، تُطبَّق أقوالهم، تطبَّق تعاليمهم ويُمجَّدون، تُرفع أسماؤهم ويُرفع ذكرُهم على المنابر وفي وسائل الإعلام، وتُسمَّى الشوارع والمؤسسات والمباني والأفراد بأسمائهم، ذِكرُهم مخلَّد شئنا أم أبينا، صحيح هم ظلمة، وصحيح أنَّهم قتلة ومجرمون، ولكن ذكرهم مخلَّد مع الأسف، ولكن هذين الملعونين أساس الظلم لا يزالان واقعان يعيشان بيننا، أبو بكر وعمر لَم ينتهيا، صحيح هما الآن في عالَم البرزخ، أو في جهنَّم يذوقان من العذاب ما لا يمكن وصفه، ولكن بالنتيجة العالم يهتف باسميهما مع الأسف الشديد، ومع الأسف الشديد، ومع حرقة القلب أيضاً أنَّ مجرمين كهؤلاء يُهتف باسمهما!! نحن جئنا ونسأل من الله عز وجل أن نكون من هؤلاء المنتقمين، الذين يحرقون ذكر أبي بكر وعمر، ويُعيدون الناسَ إلى صوابهم!!! ".
তাদের উভয়ের ওপর!! — এই সকল মূর্খদের চোখে এবং তাদের চিন্তায় তারা পবিত্র; তারা পবিত্র যাদের নিকট হতে শরিয়ত গ্রহণ করা হয়, তাদের কথাগুলো বাস্তবায়িত হয়, তাদের শিক্ষাগুলো প্রয়োগ করা হয় এবং তাদের মহিমান্বিত করা হয়; মিম্বরসমূহে এবং গণমাধ্যমে তাদের নাম উচ্চকিত করা হয় এবং তাদের আলোচনা সমুন্নত রাখা হয়; রাস্তাঘাট, প্রতিষ্ঠান, ভবন এবং ব্যক্তিদের তাদের নামে নামকরণ করা হয়। আমরা চাই বা না চাই, তাদের স্মরণ চিরস্থায়ী হয়ে আছে। এটা সত্য যে তারা অত্যাচারী, এবং এটাও সত্য যে তারা হত্যাকারী ও অপরাধী, কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে তাদের স্মরণ অমর হয়ে আছে। তবে জুলুমের মূল ভিত্তি এই অভিশপ্ত দুইজন এখনও বাস্তবে আমাদের মাঝেই বিদ্যমান। আবু বকর ও উমর নিঃশেষ হয়ে যাননি; এটা সত্য যে তারা এখন বরজখের জগতে কিংবা জাহান্নামে এমন শাস্তি ভোগ করছেন যা বর্ণনা করা অসম্ভব, কিন্তু চূড়ান্ত বিচারে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে, বিশ্ব আজও তাদের নামে স্লোগান দিচ্ছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এবং হৃদয়ের দহন নিয়ে বলতে হয় যে, এ ধরণের অপরাধীদের নামে স্লোগান দেওয়া হয়!! আমরা এসেছি এবং আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও সুমহানের নিকট প্রার্থনা করছি যেন আমরা সেই প্রতিশোধ গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারি, যারা আবু বকর ও উমরের স্মৃতি ভস্মীভূত করবে এবং মানুষকে তাদের সঠিক চেতনার দিকে ফিরিয়ে আনবে!!!
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
وقوله: "هذا، ومع أنَّ كلَّ جرائم صدام لا تأتي عشر معشار جرائم أبي بكر وعمر في الواقع!!! ".

وقوله: "ولكن في الواقع، الذين لا يريدون أن ينتقموا من أبي بكر وعمر، أو من ذولَا اللِّي ما ندري إيش نسميهم، أو اللِّي يترحَّمون على أبي بكر وعمر يترضون عليهم، هذا إنسان التشيع لم يدخل قلبه، بأي عنوان خصوصاً في هذا الزمان يقول لك: تقية ما تقية، كله باطل، كله كذب في كذب، لا تقية في هذا الزمن!!! ".

وقوله: "لدينا في بعض الروايات أنَّ الإمام أمير المؤمنين صلوات الله عليه قال لسلمان المحمدي، قال له: أتريد أن أريك أبو بكر الآن؟ قال: إيه! بطريقة معينة كما هو وارد في الرواية، والإمام أشار بطريقة، فانكشفت الحجب، وإذا بأبو بكر في أغلال، وفي قعر جهنَّم، هنا قال له أبو بكر: يا أمير المؤمنين! أرجِعني
এবং তাঁর উক্তি: "এই যে, বাস্তবে সাদ্দামের সকল অপরাধ আবু বকর ও উমরের অপরাধের এক দশমাংশের দশমাংশও নয়!!! "।

এবং তাঁর উক্তি: "কিন্তু বাস্তবে, যারা আবু বকর ও উমর থেকে প্রতিশোধ নিতে চায় না, অথবা ঐসব লোক যাদের আমরা জানি না কী বলে সম্বোধন করব, অথবা যারা আবু বকর ও উমরের জন্য রহমতের দোয়া করে এবং তাদের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, এই মানুষের অন্তরে শিয়া মতাদর্শ প্রবেশ করেনি, যে কোনো শিরোনামেই হোক; বিশেষ করে বর্তমান সময়ে সে আপনাকে বলে: তাকিয়া অমুক তাকিয়া, এসবই বাতিল, এসবই মিথ্যার ওপর মিথ্যা, এই যুগে কোনো তাকিয়া নেই!!! "।

এবং তাঁর উক্তি: "আমাদের কিছু বর্ণনায় রয়েছে যে, ইমাম আমিরুল মুমিনীন (সালাওয়াতুল্লাহি আলাইহি) সালমান আল-মুহাম্মদীকে বলেছিলেন, তিনি তাঁকে বললেন: তুমি কি চাও আমি তোমাকে এখন আবু বকরকে দেখাই? তিনি বললেন: হ্যাঁ! বর্ণনায় যেভাবে বর্ণিত হয়েছে সেই বিশেষ পদ্ধতিতে, ইমাম একটি ইশারা করলেন, অমনি পর্দা উন্মোচিত হলো, আর দেখা গেল আবু বকর শিকলবদ্ধ অবস্থায় জাহান্নামের তলদেশে রয়েছেন। তখন আবু বকর তাঁকে বললেন: হে আমিরুল মুমিনীন! আমাকে ফিরিয়ে নিন..."
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
إلى الدنيا وسأعترف بولايتك، وأُرجِع الحق لك، وأعترف على نفسي، وأقول: أنا ظالم، حتى عموم المسلمين كلهم هاذولا اللِّي الآن يتبعونك، ويعرفون أنَّني كنت ظالم، وهذا الحكم كان حكم غير شرعي، وأنَّني قتلت امرأتك، وأنَّني كذا وكذا وكذا، فأمير المؤمنين عليه السلام التفت إلى الملَكين اللَّذين هما موَكّلان بتعذيب أبي بكر، وقال لهما: ضاعفَا عليه العذاب؛ ولو رددناه لازداد غيًّا، كذاب!!

وفي الواقع إذا سألتم أنفسَكم: لماذا أبو بكر وعمر في الواقع أخبث الخبثاء، وأكبر المخلوقات إجراماً وكفراً ونفاقاً؟ لأنَّهما بقية ظلمة الأنبياء، فرعون، النمرود، وغيرهم، هؤلاء كانوا إلى حد ما هو يشعر بأنَّه كافر، وأنَّه يعمل ضد الله عز وجل، لكن عنده نسبة من تأنيب الضمير التي جعلت فرعون حينما رأى برهان ربِّه يؤمن، صحيح وإلَاّ لا؟ فرعون حينما انطبق البحر عليه تشهَّد، ثق تماماً أنَّ عمر وأبو بكر لو
...দুনিয়াতে, এবং আমি আপনার বেলায়েত স্বীকার করব, আপনার অধিকার আপনার কাছে ফিরিয়ে দেব, এবং নিজের বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তি দিয়ে বলব: আমি অত্যাচারী; এমনকি সাধারণ মুসলমান যারা এখন আপনাকে অনুসরণ করছে, তারা সবাই জানবে যে আমি অত্যাচারী ছিলাম, এবং এই শাসনটি ছিল একটি অবৈধ শাসন, আর আমি আপনার স্ত্রীকে হত্যা করেছি, এবং আমি এই এই কাজ করেছি। অতঃপর আমিরুল মুমিনীন (আলাইহিস সালাম) আবু বকরকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নিযুক্ত দুই ফেরেশতার দিকে তাকালেন এবং তাদের বললেন: তার ওপর আজাব দ্বিগুণ করে দাও; যদি তাকে ফিরিয়েও দিতাম তবে সে তার ভ্রষ্টতায় আরও বেড়ে যেত, সে এক চরম মিথ্যাবাদী!!

বাস্তবে আপনারা যদি নিজেদের জিজ্ঞাসা করেন: কেন আবু বকর এবং উমর বাস্তবে নিকৃষ্টতম পাপিষ্ঠ এবং সকল সৃষ্টির মধ্যে অপরাধ, কুফরি ও নিফাকের দিক থেকে জঘন্যতম? কারণ তারা হলেন নবীগণের শত্রু প্রাচীন জালিমদের—ফেরাউন, নমরুদ এবং অন্যদের উত্তরসূরি। তারা (ফেরাউন ও নমরুদ) অন্তত কিছুটা অনুভব করত যে সে কাফের এবং সে মহান আল্লাহর বিরুদ্ধে কাজ করছে, কিন্তু তার মধ্যে বিবেকের দংশন কিছুটা অবশিষ্ট ছিল যা ফেরাউনকে তার রবের নিদর্শন দেখার পর ঈমান আনতে উদ্বুদ্ধ করেছিল, ঠিক কি না? ফেরাউন যখন সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছিল তখন সে শাহাদাহ পাঠ করেছিল। আপনি পুরোপুরি নিশ্চিত থাকুন যে, উমর এবং আবু বকর যদি...
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
كانا في ذلك الموضع لَما تشهَّدا، ولَما ألانا أبداً؛ والدليل أيضاً لدينا في الروايات: عمر وهو على فراش الهلاك ـ لعنة الله عليه ـ طلب من ابنه أن يستدعي أمير المؤمنين صلوات الله عليه، بأي طريقة ائتني بأبي الحسن، ذهب هذا ابنُ عمر طلب من أمير المؤمنين عليه السلام أنَّه عمر يريد أن يراك وهو على فراش الاحتضار، أمير المؤمنين عليه السلام قَبِل، قَبِل للغاية، وهو أنَّه يصل هذا الخبر إلينا، وإلَاّ أمير المؤمنين لا يُلبي دعوة هذا النجس، وصل إليه، فقال له: يا علي! اغفر لي، أنا أتوب إلى الله عز وجل، فاسأل من الله عز وجل أن يتوب عليَّ؛ فإنِّي أرى النارَ أمامي، عمر وهو على فراش الموت، الله عز وجل كشف عن الحجب أمامه، فكان يرى الملائكة وموضعه في جهنَّم، كلهم مستعدين، يقولون: هيَّا تعال! فشاف، يعني رأى برهان ربِّه، شوف تخيل، ولذلك استدعى أمير المؤمنين حتى يتوب، وإلَاّ ما كان يستدعيه، صحيح وإلَاّ لا؟
তারা যখন সেই স্থানে সাক্ষ্য দিয়েছিল তখন তারা কখনোই নমনীয় হয়নি; আমাদের নিকট বর্ণনাগুলোর মাঝে এর প্রমাণও বিদ্যমান: ওমর যখন তার ধ্বংসের শয্যায় ছিল —তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ হোক— সে তার পুত্রকে অনুরোধ করেছিল যেন সে যেকোনো উপায়ে আমিরুল মুমিনিনকে (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) ডেকে আনে; সে বলেছিল, 'যেকোনো উপায়ে আবুল হাসানকে আমার কাছে নিয়ে এসো'। ওমরের এই পুত্র আমিরুল মুমিনিন (আলাইহিস সালাম)-এর নিকট গিয়ে আবেদন করল যে ওমর তার অন্তিম শয্যায় থাকা অবস্থায় আপনাকে দেখতে চায়। আমিরুল মুমিনিন (আলাইহিস সালাম) সম্মত হলেন; তিনি মূলত এই সংবাদটি আমাদের নিকট পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই সম্মত হয়েছিলেন, অন্যথায় আমিরুল মুমিনিন এই অপবিত্র ব্যক্তির আহ্বানে সাড়া দিতেন না। তিনি তার নিকট পৌঁছালে সে তাকে বলল: হে আলী! আমাকে ক্ষমা করুন, আমি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট তওবা করছি, সুতরাং আপনি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন যেন তিনি আমার তওবা কবুল করেন; কেননা আমি আমার সম্মুখে অগ্নি দেখতে পাচ্ছি। ওমর যখন মৃত্যুশয্যায় ছিল, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তার সম্মুখ হতে পর্দাগুলো উন্মোচন করে দিয়েছিলেন, ফলে সে ফেরেশতাদের এবং জাহান্নামে তার নির্ধারিত স্থান দেখতে পাচ্ছিল; তারা সকলে প্রস্তুত ছিল এবং বলছিল: 'দ্রুত এসো!' সে প্রত্যক্ষ করল, অর্থাৎ সে তার রবের নিদর্শন প্রত্যক্ষ করল। দেখুন, কল্পনা করুন, এই কারণেই সে আমিরুল মুমিনিনকে ডেকে পাঠিয়েছিল যেন সে তওবা করতে পারে, অন্যথায় সে তাকে আহ্বান করত না। এটি সঠিক কি না?
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
أمير المؤمنين عليه السلام قال له: نعم، أغفر لك وأشفع لك عند الله بشرط واحد، الآن تقف بالمسجد وتعلن أمام الناس أنَّك ظلمتنا أهل البيت … فكَّر عمر، شوف تخيَّل، الإنسان يرى جهنَّم أمامه، بما فيها من العذاب وموضعه، وكل الملائكة والموكَّلين بتعذيبه، كلهم منتظرينه، يقولون: تعال! خلاص على مقربة من العذاب … ما فيه حل، وهو في الساعات الأخيرة من حياته، فكر شوي، وإلَاّ يقول: لا! لولا أن يُقال أنَّ ابن الخطاب رضخ، أن يُقال أنَّه اعتذر (النار ولا العار) بالضبط، شوف الخبث والدهاء، إنسان، بل ليس إنسان، سافل إلى أبعد درجة، وضيع، لهذا ثق تَماماً أنَّه لو كان في ذلك الموضع أحد ظلمة الأنبياء لكان تاب، ولذلك أبو بكر وعمر هما أنجس وأخسُّ ملعونين، ولذلك حتى إبليس ـ كما عندنا في الروايات ـ في جهنَّم، جهنَّم طبقات ومراتب، إبليس في المرتبة التي أعلا من أبو بكر وعمر، إبليس الذي أغوى الناس
আমিরুল মুমিনীন (আলাইহিস সালাম) তাকে বললেন: হ্যাঁ, আমি তোমাকে ক্ষমা করব এবং আল্লাহর কাছে তোমার জন্য সুপারিশ করব একটি শর্তে; এখন তুমি মসজিদে দাঁড়াবে এবং মানুষের সামনে ঘোষণা করবে যে তুমি আমাদের আহলে বাইতের ওপর জুলুম করেছ … উমর চিন্তা করল; দেখুন, কল্পনা করুন—মানুষ তার সামনে জাহান্নাম দেখতে পাচ্ছে, তার যাবতীয় আজাব ও স্থানসহ, এবং তাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নিয়োজিত সকল ফেরেশতা তার অপেক্ষায় আছে, তারা বলছে: এসো! আজাবের একেবারে সন্নিকটে … কোনো উপায় নেই, সে তার জীবনের শেষ মুহূর্তগুলোতে রয়েছে, সে কিছুক্ষণ চিন্তা করল এবং বলল: না! পাছে লোকে যেন এ কথা না বলে যে ইবনে খাত্তাব নতি স্বীকার করেছে, যেন না বলা হয় যে সে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে (অপমানের চেয়ে আগুনই শ্রেয়); ঠিক তাই। দেখুন তার নীচতা ও ধূর্ততা; এক মানুষ—বরং সে মানুষ নয়—চরম পর্যায়ের হীন ও নীচ। এ কারণে পূর্ণ বিশ্বাস রাখুন যে, যদি নবীদের ওপর জুলুমকারী অন্য কেউ সেই অবস্থানে থাকত, তবে সে অবশ্যই তওবা করত। এ কারণেই আবু বকর ও উমর হলো সর্বাপেক্ষা অপবিত্র ও নিকৃষ্ট অভিশপ্ত। এমনকি আমাদের বর্ণনা অনুযায়ী ইবলিসও—জাহান্নামের বিভিন্ন স্তর ও পর্যায় রয়েছে—ইবলিস আবু বকর ও উমরের চেয়ে উপরের স্তরে থাকবে; সেই ইবলিস যে মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছিল।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
وضلل الناس هذا إبليس نفسه، هذا المخلوق فوق مرتبة أبو بكر وعمر، أبو بكر وعمر في قعر قعر جهنَّم، وأبو بكر وعمر هما أسوأ مخلوقين في الكون منذ بدء الخليقة، مش كذا؟ إحنا عندنا أشرف المخلوقات هم محمد وآله، اللهمَّ صل على محمد وعلى آل محمد، أبو بكر وعمر هم أسوأ المخلوقات، أعدا أعداء الله، يعني مقابل الله مَن؟ إبليس؟ ما هو إبليس، مقابل الله: أبو بكر وعمر، بَعْدِين إبليس تلميذهم!!! ".

هذه مقاطع من كلام هذا العاسر البغيض، أثبتها كما هي بلحنها وإحَنِها، وعُجرها وبُجرها، وغيظها وأضغانها، وحقدها وإلحادها، وظُلمها وظلامها، ولو فتَّش مفتِّش عن كلام يطابق هذيان المجانين لم يجد أقربَ من هذه الكلمات وما اشتملت عليه من الروايات، وإنَّ كتباً تشتمل على مثل هذه الروايات المكذوبة حقيقةٌ بالإتلاف والإحراق، وإنَّ عقيدة تُبنى على مثل هذه الأساطير والخرافات جديرةٌ أن يتبرَّأ
আর সে মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে, সে স্বয়ং ইবলিস। এই সৃষ্টিটি আবু বকর এবং উমরের মর্যাদার ঊর্ধ্বে। আবু বকর এবং উমর জাহান্নামের অতল গহ্বরে রয়েছেন। সৃষ্টিজগতের সূচনালগ্ন থেকে আবু বকর এবং উমর মহাবিশ্বের নিকৃষ্টতম দুই সৃষ্টি, তাই নয় কি? আমাদের কাছে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠতম হলেন মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার। হে আল্লাহ, মুহাম্মদ এবং মুহাম্মদের পরিবারের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন। আবু বকর এবং উমর হলেন নিকৃষ্টতম সৃষ্টি, আল্লাহর পরম শত্রু। অর্থাৎ আল্লাহর বিপরীতে কে? ইবলিস? ইবলিস নয়, আল্লাহর বিপরীতে হলেন আবু বকর এবং উমর; অতঃপর ইবলিস হলো তাদের ছাত্র!!!

এগুলো সেই ঘৃণ্য হতভাগার বক্তব্যের কিছু অংশ। আমি এগুলোকে অবিকল সেভাবেই তুলে ধরেছি—এর ভুলভ্রান্তি ও বিদ্বেষসহ, এর প্রকাশ্য ও গোপন ত্রুটিসহ, এর ক্ষোভ ও শত্রুতাকে সঙ্গে নিয়ে এবং এর ঘৃণা, নাস্তিকতা, জুলুম ও অন্ধকারসহ। যদি কোনো অনুসন্ধানকারী উন্মাদদের প্রলাপের সাথে মিলে যায় এমন কোনো কথা খুঁজতেন, তবে তিনি এই শব্দগুলো এবং এতে অন্তর্ভুক্ত বর্ণনাগুলোর চেয়ে নিকটতর আর কিছু পেতেন না। প্রকৃতপক্ষে যেসব গ্রন্থে এই জাতীয় মিথ্যা বর্ণনা থাকে, সেগুলো ধ্বংস ও পুড়িয়ে ফেলার যোগ্য। আর যেসব আকিদা বা বিশ্বাস এই ধরণের উপকথা ও কুসংস্কারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তা থেকে দায়মুক্ত হওয়া উচিত।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
منها مَن وفَّقهم الله من أصحابها، وأن ينبذوها رغبة عنها نبذ النواة، ولا شكَّ أنَّ الأئمَّة الذين افتُري عليهم مثل هذه الروايات بريئون منها ومِمَّن افتراها أو تابَع مَن افتراها.

ومِمَّن وفَّقهم الله للتخلص من الابتلاء ببغض الصحابة وذمِّهم، والظَّفَر بسلامة القلوب والألسنة من ذلك، ومحبَّتهم والثناء عليهم: الشريف أبو طالب بن عمر العلوي، فقد ذكر أبو طاهر السِّلفي في المشيخة البغدادية عند ذكر شيخه الشريف أبي منصور أحمد بن عبد الله بن الدَّبخ الهاشمي، عن شيخه الشريف أبي عبد الله محمد بن علي بن الحسن العلوي: أنَّ أبا طالب بن عمر العلوي كان على سبِّ الصحابة رافضيًّا، فتاب وأناب إلى الله تعالى مِمَّا سبق، وقال: "عشتُ أربعين سنة أسبُّ الصحابةَ، أشتهي أن أعيش مثلها حتى أذكرَهم بخير".
তাদের মধ্যে এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যাদের আল্লাহ তাওফিক দান করেছেন এবং তারা একে (ভ্রান্ত আকিদাকে) ঘৃণাভরে বর্জন করেছেন যেভাবে ফলের আঁটি ছুড়ে ফেলা হয়। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যেসব ইমামদের নামে এই ধরনের বর্ণনাগুলো মিথ্যাভাবে আরোপ করা হয়েছে, তারা এসব থেকে এবং যারা এগুলো উদ্ভাবন করেছে কিংবা উদ্ভাবনকারীদের অনুসরণ করেছে, তাদের থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।

সাহাবায়ে কেরামের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ ও তাদের নিন্দা করার পরীক্ষা থেকে মুক্তি পেতে এবং এর পরিবর্তে অন্তর ও জিহ্বাকে কলুষমুক্ত রেখে তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ও প্রশংসা জ্ঞাপনে সফলকাম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম হলেন: আশ-শরীফ আবু তালিব বিন উমর আল-আলাভি। আবু তাহির আস-সিলাফি তার 'আল-মাশইয়াখাহ আল-বাগদাদিয়্যাহ' গ্রন্থে তার উস্তাদ আশ-শরীফ আবু মানসুর আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আদ-দাবখ আল-হাশিমির সূত্রে এবং তিনি তার উস্তাদ আশ-শরীফ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-হাসান আল-আলাভি থেকে বর্ণনা করেছেন যে: আবু তালিব বিন উমর আল-আলাভি সাহাবায়ে কেরামকে গালিগালাজকারী একজন রাফেযি ছিলেন। অতঃপর তিনি তার অতীত কর্মের জন্য মহান আল্লাহর কাছে তওবা করেন ও ফিরে আসেন এবং বলেন: "আমি চল্লিশ বছর সাহাবায়ে কেরামকে গালি দিয়েছি; এখন আমার আকাঙ্ক্ষা এই যে, আমি যদি আরও চল্লিশ বছর বেঁচে থাকতে পারতাম তবে আমি তাঁদের কল্যাণের সাথে স্মরণ করতাম।"
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
ومَن لم يهتد من هؤلاء، وتعدَّى على جَناب أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولا سيما الشيخين أبي بكر وعمر رضي الله عنهما، كهذا الحاقد الجديد، فلَن يجد أمامه إلَاّ إظهار خزيه ودحض باطله؛ انتصاراً للصحابة الكرام رضي الله عنهم وأرضاهم، الذين هم الواسطة بين الناس وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم، فما عرف الناسُ الكتابَ والسنة والهدى والضلال إلَاّ عن طريق أصحابه رضي الله عنهم وأرضاهم، والقدح في الناقل قدحٌ في المنقول، كما قال أبو زرعة الرازي رحمه الله: "إذا رأيت الرجلَ ينتقصُ أحداً من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعلم أنَّه زنديقٌ؛ وذلك أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم عندنا حقٌّ والقرآن حقٌّ، وإنَّما أدَّى إلينا هذا القرآنَ والسننَ أصحابُ رسول الله صلى الله عليه وسلم، وإنَّما يريدون أن يجرحوا شهودَنا ليُبطلوا الكتاب والسنَّة، والجرحُ بهم أولى، وهم زنادقةٌ"، أورده عنه الخطيب البغدادي بإسناده إليه في كتابه الكفاية (ص 49) .

আর এদের মধ্যে যারা হেদায়াত পায়নি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের উচ্চ মর্যাদার অবমাননা করেছে, বিশেষ করে শাইখাইন আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর ব্যাপারে—যেমন এই নতুন বিদ্বেষী ব্যক্তি—তবে সে তার সামনে কেবল নিজের লাঞ্ছনা প্রকাশ এবং তার বাতিলের খণ্ডনই দেখতে পাবে; যা করা হয়েছে সম্মানিত সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আরদাহুম) পক্ষ অবলম্বনের উদ্দেশ্যে, যারা মানুষ এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মধ্যে মাধ্যম। সুতরাং মানুষ কিতাব, সুন্নাহ, হেদায়াত ও গোমরাহি সম্পর্কে তাঁর সাহাবীগণের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আরদাহুম) মাধ্যম ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে জানতে পারেনি। আর বর্ণনাকারীর প্রতি কটাক্ষ করা স্বয়ং বর্ণিত বিষয়ের ওপরই কটাক্ষ করার নামান্তর। যেমনটি আবু যুরআ আর-রাযী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন: "যখন তুমি কাউকে দেখবে যে সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের মধ্য থেকে কারো প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে, তবে জেনে রেখো যে সে একজন যিনদীক (ধর্মদ্রোহী)। কারণ, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য এবং কুরআন সত্য। আর আমাদের কাছে এই কুরআন ও সুন্নাহসমূহ পৌঁছে দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ। প্রকৃতপক্ষে তারা আমাদের সাক্ষীদের ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণ করতে চায় যাতে তারা কিতাব ও সুন্নাহকে বাতিল করতে পারে। অথচ তারাই ত্রুটিযুক্ত হওয়ার অধিক উপযুক্ত এবং তারা যিনদীক।" খতীব আল-বাগদাদী তাঁর 'আল-কিফায়া' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ৪৯) নিজের সনদসহ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২০)
ولا أدري هل فكَّر هذا الحاقد أو لم يفكِّر أنَّ خزيَه هذا لن يُنشر، وأنَّه سيبقى سبَّة عليه، وعلى كلِّ مَن كان على شاكلته من متقدِّمي أسلافه ومتأخريهم، وسواء فكَّر أو لم يفكِّر، فإنَّ هذيانه هذا من أعظم الإجرام، وفَقْدُ الحياء يُؤدِّي إلى كلِّ بلاء، وقد قال الرسول الكريم صلى الله عليه وسلم: "إنَّ مِمَّا أدرك الناس من كلام النبوة الأولى: إذا لَم تستح فاصنع ما شئت" رواه البخاري (3483) ، وإذا لَم يهتد قبل الموت هذا المجرم الأفَّاك الذي يزعم أنَّ أبا بكر رضي الله عنه في النار، وأنَّه أشدُّ من إبليس عذاباً في نار جهنَّم، فسيجمع الله له إلى خزي الدنيا عذاب الآخرة.

وأمَّا عثمان بن عفان رضي الله عنه فلَم يسلم من حاقد آخر جديد من القطيف يُدعى حسن الصفار، فقد قال في شريط له: "فإذا أوَّل سمة من سمات التاريخ الشيعي هي سمة العطاء، هي سمة العمل، هي سمة النشاط، وكان الشيعة في كلِّ العصور في عصور
আমি জানি না এই বিদ্বেষী ব্যক্তি ভেবেছে কি ভাবেনি যে, তার এই লাঞ্ছনা প্রকাশিত হবে না এবং এটি তার জন্য ও তার সমমনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য একটি কলঙ্ক হয়ে থাকবে। সে ভাবুক বা না ভাবুক, তার এই প্রলাপ চরম অপরাধসমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর লজ্জাহীনতা সকল বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যায়। সম্মানিত রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মানুষ পূর্ববর্তী নবুওয়াতের বাণী থেকে যা লাভ করেছে তার মধ্যে একটি হলো: যখন তোমার লজ্জা থাকবে না, তখন তুমি যা ইচ্ছা তা-ই করো।" বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন (৩৪৮৩)। এই চরম মিথ্যাবাদী অপরাধী—যে দাবি করে যে আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জাহান্নামে আছেন এবং জাহান্নামের আগুনে তিনি ইবলিসের চেয়েও কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হবেন—সে যদি মৃত্যুর আগে হিদায়াত না পায়, তবে আল্লাহ তার জন্য দুনিয়ার লাঞ্ছনার সাথে আখিরাতের আযাবকেও একত্রিত করবেন।

আর উসমান বিন আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কাতিফ অঞ্চলের হাসান আল-সাফফার নামক জনৈক নতুন বিদ্বেষীর হাত থেকে রক্ষা পাননি। সে তার একটি অডিও ক্যাসেটে বলেছে: "শিয়া ইতিহাসের প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো উৎসর্গ, এটি হলো কর্মতৎপরতা ও সক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য। শিয়ারা সকল যুগে এবং কালের আবর্তে..."
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২১)
الخلفاء حتى في عهد الخليفة أبي بكر وعمر، لم يكن الشيعة جامدين وإنَّما كانوا يعملون حتى استطاعوا أن يفجروا الثورة الكبرى في عهد عثمان، وأن يأخذوا الخلافة والحكم إلى الإمام علي، في مشكلة … كثير من الناس لا يعرفون أنَّ الثورةَ التي حدثت على الخليفة عثمان إنَّما كانت بتخطيط شيعي، وقد شارك فيها عمار بن ياسر، بل كان هو المخطِّط لها عمار بن ياسر، إنَّما لأنَّ معاوية جعل مقتل عثمان كالقميص ضد الإمام علي، وحارب الإمام علي بتهمة قتل عثمان.

الإمام علي بشكل طبيعي ما كان إِلُهْ يد مباشرة في العمل في مقتل عثمان، لذلك الشيعة يتبرَّؤون من هذه القضية حتى لا يأخذ أهل السنة مستمسك عليهم، وإلَاّ فالشيعة هم الذين قتلوا عثمان جزاهم الله خيراً، فكان عندهم عمل، في عهد بني أمية، كان عندهم عمل، كان عندهم عمل في عهد بني العباس، كان عندهم عمل، ثورات متتالية، متتابعة كانت في تاريخ
খলিফাদের যুগে, এমনকি খলিফা আবু বকর ও উমরের শাসনামলেও শিয়াগণ স্থবির ছিলেন না, বরং তারা কাজ করে যাচ্ছিলেন যতক্ষণ না তারা উসমানের যুগে মহা বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হন এবং খেলাফত ও শাসনভার ইমাম আলীর কাছে নিয়ে যান। এমন এক সমস্যার মধ্যে যে ... অনেক মানুষ জানে না যে খলিফা উসমানের বিরুদ্ধে যে বিপ্লব ঘটেছিল তা মূলত শিয়াদের পরিকল্পনাতেই হয়েছিল। আম্মার বিন ইয়াসির এতে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বরং আম্মার বিন ইয়াসিরই ছিলেন এর পরিকল্পনাকারী। তবে যেহেতু মুয়াবিয়া উসমানের হত্যাকাণ্ডকে ইমাম আলীর বিরুদ্ধে একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন এবং উসমানকে হত্যার অভিযোগে ইমাম আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।

স্বাভাবিকভাবেই ইমাম আলীর উসমান হত্যাকাণ্ডের কর্মকাণ্ডে সরাসরি কোনো হাত ছিল না, তাই শিয়ারা এই বিষয় থেকে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে যাতে আহলে সুন্নাত তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না পায়। অন্যথায় শিয়ারাই উসমানকে হত্যা করেছিল—আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন। উমাইয়াদের যুগেও তাদের তৎপরতা ছিল, আব্বাসীয়দের যুগেও তাদের তৎপরতা ছিল; ইতিহাসে একের পর এক ধারাবাহিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২২)
الشيعة.. هذه السمة الأولى العطاء"!!!

وقد ذكر هذا الحاقد أنَّ الشيعة فجَّروا الثورة الكبرى في عهد عثمان، وأنَّهم قتلوه، ودعا لهم على قتلهم إيَّاه، وأنَّ هذا من عطائهم، وأمَّا عمار بن ياسر رضي الله عنه فهو بريء مِمَّا نسبه إليه براءة الذئب من دم يوسف عليه الصلاة والسلام.

وهذا العاسر البغيض التائه الذي شوى الحقدُ قلبَه وأحرق فؤادَه حتى كاد يتميز من الغيظ على أبي بكر وعمر رضي الله عنهما له أسلافٌ تفوَّهوا بمثل كلامه القبيح، منهم نعمة الله بن عبد الله بن محمد بن حسين الحسيني الجزائري (من جزائر البصرة) ، ذكره صاحب معجم المؤلفين (13/110) ، وكانت وفاته سنة (1112هـ) ، فقد جاء في كتابه الأنوار النعمانية، طبعة مطبعة شركة جاب تبريز بإيران، من الجفاء في أبي بكر
শিয়া... এটিই হলো প্রথম বৈশিষ্ট্য 'দান'!!!

এই বিদ্বেষী ব্যক্তি উল্লেখ করেছেন যে, শিয়ারা উসমানের (রা.) শাসনামলে মহা বিপ্লবের সূত্রপাত করেছিল এবং তারা তাঁকে হত্যা করেছিল। সে তাঁকে হত্যার জন্য তাদের পক্ষে দুআ করেছে এবং বলেছে যে এটি তাদের পক্ষ থেকে এক মহা দান। আর আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা.)-এর প্রতি যা আরোপ করা হয়েছে তা থেকে তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত, যেমন ইউসুফ (আ.)-এর রক্ত থেকে নেকড়ে মুক্ত ছিল।

এই ঘৃণ্য, পথভ্রষ্ট ও দুর্ভাগা ব্যক্তি, যার অন্তরকে বিদ্বেষ দগ্ধ করেছে এবং তার কলিজাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে, এমনকি আবু বকর ও উমর (রা.)-এর প্রতি প্রচণ্ড ক্রোধে সে ফেটে পড়ার উপক্রম হয়েছে—তার এমন পূর্বসূরি রয়েছে যারা তার মতোই কুরুচিপূর্ণ কথা বলেছে। তাদের মধ্যে একজন হলো নেয়ামতউল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আল-হুসাইনি আল-জাজাইরি (বসরার জাজায়ির অঞ্চলের অধিবাসী)। 'মুজামুল মুআল্লিফিন' (১৩/১১০) গ্রন্থের লেখক তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ১১১২ হিজরি সনে। ইরানের তাবরিজের কোম্পানি মুদ্রণালয় থেকে প্রকাশিত তাঁর 'আল-আনওয়ার আন-নুমানিয়্যাহ' নামক কিতাবে আবু বকর (রা.)-এর প্রতি চরম ধৃষ্টতা ও কটূক্তি প্রকাশ পেয়েছে...
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
وعمر رضي الله عنهما قوله: (1/81 ـ 82) : "وإنَّما الإشكال في تزويج علي عليه السلام أم كلثوم لعمر ابن الخطاب وقت تخلفه؛ لأنَّه ظهرت منه المناكير، وارتدَّ عن الدِّين ارتداداً أعظم من كلِّ مَن ارتدَّ، حتى إنَّه قد وردت روايات الخاصة أنَّ الشيطان يغل بسبعين غلاًّ من حديد جهنَّم، ويُساق إلى المحشر، فينظر ويرى رجلاً أمامه تقوده ملائكة العذاب، وفي عنقه مائة وعشرون غلاًّ من أغلال جهنَّم، فيدنو الشيطان إليه، ويقول: ما فعل الشقي حتى زاد عليَّ في العذاب، وإنَّما أغويت الخلق وأوردتهم موارد الهلاك؟! فيقول عمر للشيطان: ما فعلتُ شيئاً سوى أنِّي غصبت خلافة علي بن أبي طالب!!

والظاهر أنَّه استقلَّ سبب شقاوته ومزيد عذابه، ولم يعلم أنَّ كلَّ ما وقع في الدنيا إلى يوم القيامة من الكفر والطغيان واستيلاء أهل الجور والظلم، إنَّما هو من فَعْلَته هذه!!! ".
এবং উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তাঁর উক্তি (১/৮১-৮২): "প্রকৃতপক্ষে আলী (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) কর্তৃক উমর ইবনুল খাত্তাবের নিকট উম্মে কুলসুমকে বিবাহ দেওয়ার বিষয়টি তাঁর বিচ্যুতির সময়ের জটিলতা; কেননা তাঁর থেকে নানাবিধ গর্হিত বিষয় প্রকাশ পেয়েছিল এবং তিনি দ্বীন থেকে এমন গুরুতরভাবে বিচ্যুত হয়েছিলেন যা অন্য যেকোনো ধর্মত্যাগকারীর চেয়েও অধিক। এমনকি বিশিষ্ট বর্ণনাসমূহে এসেছে যে, শয়তানকে জাহান্নামের লোহার সত্তরটি শিকল দিয়ে বাঁধা হবে এবং হাশরের ময়দানের দিকে চালিত করা হবে; তখন সে তার সামনে এমন একজনকে দেখতে পাবে যাকে আযাবের ফেরেশতারা টেনে নিয়ে যাচ্ছে এবং যার গলায় জাহান্নামের একশ বিশটি শিকল রয়েছে। তখন শয়তান তার নিকটবর্তী হয়ে বলবে: এই হতভাগা কী এমন করেছে যে তার শাস্তি আমার চেয়েও বেড়ে গেল, অথচ আমিই সৃষ্টিজগতকে পথভ্রষ্ট করেছি এবং তাদের ধ্বংসের গহ্বরে নিপতিত করেছি?! তখন উমর শয়তানকে বলবে: আমি আলী ইবনে আবি তালিবের খেলাফত জবরদখল করা ব্যতীত আর কিছুই করিনি!!

প্রতীয়মান হয় যে, সে তার দুর্ভাগ্যের কারণ ও বর্ধিত শাস্তিকে সামান্য মনে করেছে এবং সে অবগত ছিল না যে, কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে কুফরি, সীমালঙ্ঘন এবং অত্যাচারী ও যালিমদের আধিপত্য বিস্তারের যা কিছু ঘটবে, তা মূলত তার এই কর্মেরই ফল!!!"
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৪)
وأفحشُ من ذلك وأقبح قوله (2/278) : "ووجه آخر لهذا، لا أعلم إلَاّ أنِّي رأيته في بعض الأخبار، وحاصله أنَّا لم نجتمع معهم على إله، ولا على نبي، ولا على إمام؛ وذلك أنَّهم يقولوا (كذا) : إنَّ ربَّهم هو الذي كان محمد صلى الله عليه وآله نبيَّه، وخليفته بعده أبو بكر، ونحن لا نقول بهذا الربِّ، ولا بذلك النبي، بل نقول: إنَّ الربَّ الذي خليفةُ نبيِّه أبو بكر ليس ربنا، ولا ذلك النَّبي نبينا!!! ".

وهذا الكلام من هذا الجزائري لَم يَدَع فيه مجالاً للقائلين منهم عند لقائهم بعض أهل السنَّة: كلُّنا مسلمون، الرَّبُّ واحد، والنَّبيُّ واحد، والقبلة واحدة، والمذهب الجعفري كالحنفي والمالكي والشافعي والحنبلي!

وقد أثنى يوسف بن أحمد البحراني على هذا الجزائري وكتابه، فقال في كتابه لؤلؤة البحرين في
এর চেয়েও জঘন্য ও নিকৃষ্ট হলো তার (২/২৭৮) এই বক্তব্য: "এর আরেকটি দিক হলো—যা আমি কেবল কিছু বর্ণনায় দেখেছি—তার সারকথা হলো, আমরা তাদের সাথে কোনো ইলাহ, কোনো নবী বা কোনো ইমামের বিষয়ে একমত নই। কারণ তারা বলে: তাদের রব হলেন তিনি, যাঁর নবী ছিলেন মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি) এবং তাঁর পরে তাঁর খলিফা ছিলেন আবু বকর। আমরা এই রবে বিশ্বাস করি না এবং সেই নবীতেও নয়। বরং আমরা বলি: যে রবের নবীর খলিফা হলেন আবু বকর, তিনি আমাদের রব নন এবং সেই নবীও আমাদের নবী নন!!!"

এই আল-জাযাইরির এই বক্তব্য তাদের মধ্যে যারা আহলে সুন্নাতের সাথে সাক্ষাতের সময় বলে থাকে—"আমরা সবাই মুসলিম, রব এক, নবী এক, কিবলা এক এবং জাফরি মাযহাব হানাফি, মালিকি, শাফিঈ ও হাম্বলি মাযহাবের মতোই"—তাদের জন্য আর কোনো অবকাশ রাখেনি।

ইউসুফ বিন আহমদ আল-বাহরানি এই আল-জাযাইরি এবং তাঁর গ্রন্থের প্রশংসা করেছেন। তিনি তাঁর 'লুলুয়াতুল বাহরাইন' গ্রন্থে বলেছেন:
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
الإجازات وتراجم رجال الحديث (ص 111) نشر دار الأضواء ببيروت: "وكان هذا السيِّد فاضلاً محدِّثاً مدقِّقاً، واسع الدائرة في الاطِّلاع على أخبار الإمامية، وتتبع الآثار المعصومية!! "، ووَصَف كتابه الأنوار النعمانية بأنَّه كبير مشتمل على كثير من العلوم والتحقيقات!!

وقد وُصف هذا البحراني على طرة كتابه بالعلَاّمة المحدِّث الشهير!

وفي ترجمة الجزائري المذكورة في مقدمة كتابه الأنوار النعمانية (صفحة: ي ـ ل) ثناء سبعة من علمائهم عليه، آخرهم هذا البحراني.

ومنهم كاظم الأزري وهو من علمائهم بين القرن الثاني عشر والثالث عشر الهجري، فقد أنشأ قصيدة هائية طويلة تبلغ ألف بيت، فيها غلوٌّ في بعض أهل البيت، وجفاء في الصحابة الكرام رضي الله عنهم
আল-ইজাযাত ওয়া তারাজিমু রিজালিল হাদিস (পৃষ্ঠা ১১১), বৈরুতের দারুল আদওয়া কর্তৃক প্রকাশিত: "এই সৈয়দ ছিলেন একজন গুণী, সূক্ষ্মদর্শী মুহাদ্দিস, ইমামিয়াদের সংবাদ সম্পর্কে বিস্তৃত জ্ঞানের অধিকারী এবং মাসুমদের (নিষ্পাপ ইমামদের) আসার বা নিদর্শনসমূহ অনুসন্ধানে নিবিষ্ট!!" এবং তিনি তাঁর ‘আল-আনওয়ারুন নুমানিয়া’ গ্রন্থটিকে একটি বৃহৎ গ্রন্থ হিসেবে বর্ণনা করেছেন যা অনেক ইলম ও তাহকিক (গবেষণা) সমৃদ্ধ!!

এবং এই বাহরানিকে তাঁর গ্রন্থের প্রচ্ছদে ‘প্রখ্যাত আল্লামা মুহাদ্দিস’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে!

আর জাযাইরির জীবনীতে—যা তাঁর ‘আল-আনওয়ারুন নুমানিয়া’ গ্রন্থের মুখবন্ধে (পৃষ্ঠা: ইয়া-লাম) বর্ণিত হয়েছে—তাঁদের সাতজন আলেম তাঁর প্রশংসা করেছেন, যাঁদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি হলেন এই বাহরানি।

তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন কাজিম আল-আযরি, যিনি হিজরি দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ের তাঁদের একজন আলেম। তিনি এক হাজার পংক্তির একটি দীর্ঘ ‘হায়িয়া’ (হা বর্ণমালার অন্তমিলযুক্ত) কাসিদা বা কবিতা রচনা করেছেন, যার মধ্যে আহলে বাইতের কোনো কোনো সদস্যের ব্যাপারে অতিরঞ্জন এবং সাহাবায়ে কেরাম (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর প্রতি অবজ্ঞা ও রূঢ়তা বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
عموماً، وفي الشيخين الجليلين والخليفتين الراشدين أبي بكر وعمر رضي الله عنهما خصوصاً، وقد وقفت على أبيات من هذه القصيدة في كتاب الأستاذ محمود الملَاّح، وعنوانه: "الرزية في القصيدة الأزرية"، وله تعليقات جيدة على ما أورده من أبياتها، فجزاه الله خيراً، وقد قال (ص 32) : "القصيدة الأزرية الهائية، التي تستحق أن تسمى بـ (هاء) الهاوية، معروفة في الأوساط المختلفة، كنَّا نسمع منها نبذاً منبوذة، وطالَما تشوَّقنا إلى لقائها الكريه! فنزلت في هذه الأيام إلى الأسواق سافرة غير محتجبة، كما نزل غيرها من الموبقات السافرة! وهي مِمَّا نشرته المطبعة الحيدرية في النجف، وهي إحدى المطابع التي أخذت على عاتقها تحقيق منهاج معيَّن، ينكشف لنا أوَّلاً فأولاً! وكان طبعها سنة (1370هـ") .

وذكر أنَّ لها مقدمة بقلم محمد رضا المظفر، وقال: "ومِمَّا جاء في المقدمة قوله في صفحة (40) : (وكان
সাধারণত, এবং বিশেষভাবে দুই মহান শায়খ ও খোলাফায়ে রাশেদিন আবু বকর ও উমর (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এর ক্ষেত্রে। আমি উস্তাদ মাহমুদ আল-মাল্লাহর কিতাবে এই কাসিদার কিছু পঙক্তি সম্পর্কে অবগত হয়েছি, যার শিরোনাম: "আর-রাজিয়্যাহ ফিল কাসিদাহ আল-আজরিয়্যাহ", এবং তিনি যে পঙক্তিগুলো সেখানে উল্লেখ করেছেন তার ওপর তাঁর চমৎকার কিছু মন্তব্য রয়েছে, আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। তিনি বলেছেন (পৃষ্ঠা ৩২): "কাসিদায়ে আজরিয়্যাহ আল-হাইয়্যাহ, যা 'জাহান্নামের হা' নামে অভিহিত হওয়ার যোগ্য, বিভিন্ন মহলে পরিচিত। আমরা এর কিছু বর্জনীয় অংশ শুনতাম এবং দীর্ঘকাল এর ঘৃণ্য রূপ দেখার অপেক্ষায় ছিলাম! অতঃপর এই দিনগুলোতে তা কোনো আবরণ ছাড়াই বাজারে এসেছে, ঠিক যেভাবে অন্যান্য প্রকাশ্য ধ্বংসাত্মক বিষয়গুলো প্রকাশিত হয়! এটি নাজাফের আল-মাতবাআহ আল-হায়দারিয়্যাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, যা এমন একটি ছাপাখানা যারা একটি নির্দিষ্ট কর্মপন্থা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছে, যা আমাদের কাছে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। এর মুদ্রণকাল ছিল ১৩৭০ হিজরি।"

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এর মুহাম্মদ রেজা আল-মুজাফফরের লিখিত একটি ভূমিকা রয়েছে এবং তিনি বলেছেন: "সেই ভূমিকার ৪০ নম্বর পৃষ্ঠায় বর্ণিত তাঁর কথার অংশবিশেষ হলো: (এবং ছিল
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
لدى علماء عصره مبجَّلاً محترَماً، لا سيما عند السيد بحر العلوم، وتُنقل إلى اليوم على ألسنة الناس مبالغات في احترامه وتقدير ألفيته، خاصة لدى العلماء! حتى يُنقل عن الشيخ صاحب الجواهر أنَّه كان يتمنَّى أن تكتب في ديوان أعماله القصيدة الأزرية مكان كتابه جواهر الكلام") .

إلى أن قال صاحب المقدمة: "وهي ينبغي أن تُعدَّ كتاباً دينيًّا لا قصيدة؛ فإنَّها تُمثِّل رأي الإمامية في النبوة والإمامة، وفيه كثير من المباحث الكلامية وإقامة الحجج عليها، تغني بجملتها عن مجلدات ضخمة!! ".

وهذا الشاعر كاظم بن محمد بن مراد بن المهدي التميمي الأزري البغدادي، ذكره صاحب معجم المؤلفين (8/139) ، وذكر أنَّ وفاته سنة (1212هـ) ، ومِمَّا جاء في قصيدته الأزرية في الجفاء في الصحابة عموماً البيت في (ص 45) :
তিনি তাঁর সমসাময়িক আলেমদের কাছে সম্মানিত ও সমাদৃত ছিলেন, বিশেষ করে সাইয়্যেদ বাহরুল উলুমের নিকট। আজও মানুষের মুখে মুখে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা এবং তাঁর আলফিয়্যার মূল্যায়নের বিষয়ে অতিরঞ্জিত বর্ণনা প্রচলিত রয়েছে, বিশেষ করে আলেমদের মাঝে! এমনকি ‘জাওয়াহির’ গ্রন্থের রচয়িতা শেখ সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তিনি কামনা করতেন যেন তাঁর আমলনামায় ‘জাওয়াহিরুল কালাম’ গ্রন্থের পরিবর্তে ‘কাসিদা আল-আজরিইয়্যাহ’ লিপিবদ্ধ করা হতো।)

যতক্ষণ না মুখবন্ধের লেখক বলেছেন: "আর এটিকে কেবল একটি কবিতা নয় বরং একটি ধর্মীয় গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা উচিত; কারণ এটি নবুওয়াত ও ইমামত সম্পর্কে ইমামিয়াদের মতাদর্শকে তুলে ধরে। এতে অনেক কালামশাস্ত্রীয় আলোচনা ও সেগুলোর স্বপক্ষে প্রমাণাদি উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে বিশাল বিশাল খণ্ডগুলোর অভাব পূরণ করে!!"

এই কবি হলেন কাজিম বিন মুহাম্মদ বিন মুরাদ বিন আল-মাহদি আল-তামিমি আল-আজরি আল-বাগদাদি। 'মু’জামুল মুয়াল্লিফিন' (৮/১৩৯) গ্রন্থের লেখক তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং জানিয়েছেন যে তাঁর মৃত্যু ১২১২ হিজরি সনে হয়েছিল। সাহাবায়ে কেরামের প্রতি সাধারণভাবে রূঢ়তা ও বিদ্বেষ প্রদর্শনের বিষয়ে তাঁর 'আজরিইয়্যাহ' কবিতায় যা এসেছে তার মধ্যে একটি পংক্তি (পৃষ্ঠা ৪৫) হলো:
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
أنَبيٌّ بلا وصي؟!! تعالى اللـ … ـه عمَّا يقوله سفهاها!!!

ويعني بالسفهاء أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأهل السنَّة الذين ساروا على نهجهم!

وأسوأ من ذلك البيت في (ص 51) :

أهم خير أمَّة أخرجت للنَّا … س؟! هيهات ذاك بل أشقاها!!!

فهو يُنكر أن يكون الصحابة خير أمَّة أُخرجت للناس، ويزعم أنَّهم شرُّ أمَّة أُخرجت للناس، وفي هذا مقابلة ومعارضة ومناقضة لقول الله عز وجل: {كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ} ، وقد نطق هذا الأزري بالوزر العظيم وصرَّح بما أشار إليه ابن أبي العز الحنفي في شرح الطحاوية بقوله (ص 469) : "فمَن أضلُّ مِمَّن يكون في قلبه غِلٌّ على خيار المؤمنين وسادات أولياء الله تعالى بعد النَّبيِّين، بل قد فضَلهم اليهود والنصارى بخصلة، قيل لليهود: مَن خير أهل ملَّتكم؟ قالوا: أصحاب موسى، وقيل للنصارى: مَن
একজন নবী কি কোনো উত্তরসূরি ছাড়াই?! আল্লাহ তা থেকে কতই না ঊর্ধ্বে … তাদের নির্বোধরা যা বলে সে ব্যাপারে!!!

আর 'নির্বোধ' বলতে সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ এবং আহলে সুন্নাতকে উদ্দেশ্য করেছে যারা তাদের পথে চলেছেন!

আর এর চেয়েও জঘন্য হলো ৫১ নং পৃষ্ঠার সেই পঙক্তিটি:

তারাই কি শ্রেষ্ঠ উম্মত যাদের মানবজাতির জন্য … বের করা হয়েছে?! কতই না অসম্ভব তা, বরং তারা তো সর্বাপেক্ষা দুর্ভাগা!!!

সে সাহাবীগণের শ্রেষ্ঠ উম্মত হওয়াকে অস্বীকার করেছে এবং দাবি করছে যে তারা হচ্ছে মানবজাতির জন্য বের হওয়া সর্বনিকৃষ্ট উম্মত। আর এটি মহান আল্লাহর বাণীর সরাসরি বিরোধিতা ও বৈপরীত্য: "তোমরাই হলে শ্রেষ্ঠ উম্মত যাদের মানবজাতির জন্য বের করা হয়েছে।" এই আজরি এক জঘন্য পাপের কথা উচ্চারণ করেছে এবং তা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছে যার প্রতি ইবন আবিল ইয আল-হানাফী 'শারহুত ত্বাহাবীয়্যাহ' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ৪৬৯) ইঙ্গিত করে বলেছেন: "তার চেয়ে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে হতে পারে যার অন্তরে শ্রেষ্ঠ মুমিন এবং নবীদের পর আল্লাহর সর্বপ্রধান ওলিদের প্রতি বিদ্বেষ ও ঘৃণা রয়েছে? বরং ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানরা একটি গুণে তাদের চেয়েও শ্রেষ্ঠ হয়েছে; ইয়াহুদীদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: তোমাদের ধর্মাদর্শের শ্রেষ্ঠ লোক কারা? তারা বলেছিল: মূসার সাথীরা। আর খ্রিষ্টানদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: কারা
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
خير أهل ملَّتكم؟ فقالوا: أصحاب عيسى، وقيل للرافضة: مَن شرُّ أهل ملَّتكم؟ فقالوا: أصحاب محمد، ولم يستثنوا منهم إلَاّ القليل، وفيمَن سبُّوهم مَن هو خير مِمَّن استثنوهم بأضعاف مضاعفة".

ومن جفائه في أبي بكر رضي الله عنه البيتان في (ص 47، 79) :

أولا ينظرون ماذا دهتهم … قصة الغار من مساوي دهاها

وكذا في براءة لَم يبسمل … حيث جلت بذكره بلواها

فإنَّ هذا التائه جعل منقبة أبي بكر رضي الله عنه في دخوله الغار مع النَّبي صلى الله عليه وسلم مذمَّة، وأسوأ من ذلك زعم هذا الأفَّاك أنَّ سورةَ براءة خلت من البسملة؛ لأنَّ أبا بكر رضي الله عنه ذكِر فيها، وأنَّ هذا الذِّكر عظمت به المصيبة وجلَّت به البلوى!!

ومِن ذمِّه أبا بكر وعمر رضي الله عنهما وجفائه فيهما البيتان في (ص 52) :
...তোমাদের মিল্লাতের শ্রেষ্ঠ লোক কারা? তারা বলল: ঈসার সাথীবর্গ। আর রাফিযিদের বলা হলো: তোমাদের মিল্লাতের নিকৃষ্টতম লোক কারা? তারা বলল: মুহাম্মাদের সাথীবর্গ। তারা তাদের মধ্য থেকে খুব সামান্য সংখ্যক ব্যতীত কাউকেই বাদ দেয়নি। অথচ যাদের তারা গালি দিচ্ছে, তারা যাদের বাদ দিয়েছে তাদের চেয়ে বহুগুণ শ্রেষ্ঠ।

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি তার ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের বহিঃপ্রকাশ হলো ৪৭ ও ৭৯ পৃষ্ঠার এই দুটি পঙক্তি:

তারা কি লক্ষ্য করে না যে তাদের ওপর কী আপদ নেমে এসেছে … গুহার কাহিনীটি তার অশুভ পরিণতিরই অংশ!

তেমনিভাবে সূরা বারাআতে বিসমিল্লাহ নেই … কারণ সেখানে তার উল্লেখের মাধ্যমে বিপদ প্রকট হয়েছে!

নিশ্চয়ই এই পথভ্রষ্ট ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর গুহায় প্রবেশের যে মর্যাদা, তাকে নিন্দার বিষয়ে পরিণত করেছে। আর এর চেয়েও জঘন্য বিষয় হলো এই চরম মিথ্যাবাদীর দাবি যে, সূরা বারাআতে বিসমিল্লাহ নেই কারণ তাতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর উল্লেখ রয়েছে এবং এই উল্লেখের কারণেই নাকি মুসিবত ও বিপদ গুরুতর রূপ ধারণ করেছে!!

আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর নিন্দা ও তাদের প্রতি ধৃষ্টতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ৫২ পৃষ্ঠার এই দুটি পঙক্তিতে:
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
أي مرقى من الفخار قديماً … وحديثاً أصابه شيخاها؟!

أي أكرومة ولو أنَّها قلـ … ـت ودقَّت إليهما منتماها

وفي مقابل هذا الجفاء في أبي بكر وعمر رضي الله عنهما يأتي بالغلو الشديد في علي رضي الله عنه، مع جفاء في الرسل والأنبياء، ومنه هذه الأبيات في (ص 34، 35، 36) .

وهو الآية المحيطة في الكو … ن ففي عين كلِّ شيء تراها

الفريد الذي مفاتيح علم الـ … واحد الفرد غيره ما حواها

واسأل الأنبياء تنبيك عنه … إنَّه سرُّها الذي نبَّاها

جمع الله فيه جامعة الرسـ … ـل وآتاه فوق ما آتاها!

لك كف من أبحر الله تجري … أنهر الأنبياء من مجراها!

ورأت قسوراً لو اعترضته الـ … إنس والجن في وغى أفناها!

وتعليقي على هذه الأبيات التي هي غاية في الغلو، أقول: إنَّه يصدق عليها الوصف المشهور: يضحك النمل في قراها، والنحل في خلاياها!
প্রাচীনকালে বা আধুনিককালে গৌরবের এমন কোনো সুউচ্চ শিখর আছে কি … যা তার দুই নেতা অর্জন করেননি?!

যেকোনো সম্মানজনক গুণ, তা যতই সামা … ন্য বা সূক্ষ্ম হোক না কেন, তার উৎস তাদের দুজনের দিকেই ধাবিত হয়।

আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর প্রতি এই অবজ্ঞা ও রূঢ় আচরণের বিপরীতে তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ব্যাপারে চরম বাড়াবাড়ি করেছেন, যা রাসুল ও নবীদের প্রতিও অবজ্ঞার শামিল। এরই অংশ হলো (৩৪, ৩৫, ৩৬ নং পৃষ্ঠার) এই পঙক্তিগুলো:

তিনিই মহাবিশ্বের সেই পরিব্যপ্ত নিদ … र্শন, যাকে প্রতিটি বস্তুর সারসত্তার মাঝে তুমি দেখতে পাও।

সেই অনন্য সত্তা, যাঁর নিকট একক ও অদ্বিতীয় আল্লাহর ইল … মের চাবিকাঠি রয়েছে; যা তিনি ছাড়া অন্য কেউ আয়ত্ত করতে পারেনি।

নবীদের জিজ্ঞেস করো, তাঁরা তোমাকে তাঁর সংবাদ দেবেন … তিনিই তাঁদের সেই রহস্য, যা তাঁদের নবুওয়াত দান করেছে।

আল্লাহ তাঁর মধ্যে সকল রাসুল … দের গুণাবলি একত্রিত করেছেন এবং তাঁদের যা দিয়েছেন, তাঁকে তার চেয়েও বেশি দান করেছেন!

তোমার রয়েছে আল্লাহর সমুদ্ররাজির এক হাত, যেখান থেকে … নবীদের নদীসমূহ তাদের গতিপথে প্রবাহিত হয়!

তিনি এমন এক বীর সিংহকে দেখেছেন যে, যদি মা … নুষ ও জিন জাতি কোনো যুদ্ধে তাঁর সামনে দাঁড়াত, তবে তিনি তাদের সমূলে ধ্বংস করে দিতেন!

চরম অতিরঞ্জিত এই পঙক্তিগুলোর ব্যাপারে আমার মন্তব্য হলো: এগুলোর ক্ষেত্রে সেই বিখ্যাত উক্তিটিই প্রযোজ্য— ‘গ্রামের পিঁপড়েরা এবং মৌচাকের মৌমাছিরাও (এ কথা শুনে) হাসবে!’
(খণ্ড: ১) গুলুউ ফি বাদিল কুরাবাহ ওয়া জাফাউন ফিল আম্বিয়া ওয়াস সাহাবাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
وبعد أن أوردتُّ كارهاً مضطرًّا فيما تقدَّم من كلام هذا الحاقد الجديد وبعض أسلافه من المتقدِّمين والمتأخرين كلماتٍ مظلمة موحشة في الغلوِّ في بعض القرابة والجفاء في الأنبياء والصحابة، وعلى الأخصِّ أبي بكر وعمر رضي الله عنهما، فإنِّي أوردُ هنا كلمات مشرقة مضيئة مُؤنسة من كلام خير الصحابة والقرابة بعضهم في بعض.

فمِمَّا قاله خيرُ القرابة وأفضل هذه الأمَّة بعد الخلفاء الثلاثة قبله علي بن أبي طالب رضي الله عنه في أبي بكر وعمر رضي الله عنهما:

1 ـ روى البخاري في صحيحه (3671) بإسناده عن محمد بن الحنفية ـ وهو محمد بن علي بن أبي طالب ـ قال: "قلت لأبي: أيُّ الناس خير بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قال: أبو بكر، قلت: ثمَّ مَن؟ قال: ثم عمر، وخشيت أن يقول: عثمان، قلت: ثم أنت؟ قال: ما أنا إلَاّ رجل من المسلمين".
ইতিপূর্বে এই আধুনিক বিদ্বেষী এবং তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কিছু উত্তরসূরির বক্তব্য থেকে আমি অনিচ্ছা সত্ত্বেও এবং বাধ্য হয়ে কিছু অন্ধকার ও বিভীষিকাময় কথা উল্লেখ করেছি, যাতে কতিপয় নিকটাত্মীয়ের ব্যাপারে অতিরঞ্জন এবং নবীগণ ও সাহাবায়ে কেরামের ব্যাপারে রুক্ষতা প্রকাশ পেয়েছে, বিশেষ করে আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর ব্যাপারে। তাই এখন আমি এখানে সর্বোত্তম সাহাবী ও নিকটাত্মীয়দের পক্ষ থেকে একে অপরের প্রশংসায় কিছু উজ্জ্বল, দীপ্তিময় ও হৃদয়গ্রাহী কথা উল্লেখ করব।

নিকটাত্মীয়দের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তাঁর পূর্ববর্তী তিন খলীফার পর এই উম্মতের সর্বোত্তম ব্যক্তি আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্পর্কে যা বলেছেন তার মধ্য থেকে কিছু নিম্নরূপ:

১ — ইমাম বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থে (৩৬৭১) তাঁর সনদসহ মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ—যিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব—থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পর মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কে? তিনি বললেন: আবু বকর। আমি বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: তারপর উমর। আমি এই আশঙ্কায় ছিলাম যে তিনি হয়তো উসমানের কথা বলবেন, তাই আমি বললাম: এরপর কি আপনি? তিনি বললেন: আমি তো মুসলমানদের মধ্য থেকে সাধারণ একজন মানুষ বৈ কিছু নই।"