(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: -)
العمدة من الفوائد والآثار الصحاح في مشيخة شهدة القسم: كتب السنة
الكتاب: العمدة من الفوائد والأثار الصحاح والغرائب في مشيخة شهدة
المؤلف: شُهْدة بِنْت أحمد بْن الفرج بْن عُمَر الإبري فخر النساء بِنْت أَبِي نصر الدينوري الأصل البغدادي الكاتبة (ت 574هـ)
تحقيق: فوزي عبد المطلب
الناشر: مكتبة الخانجي بالقاهرة
الطبعة: الأولى، 1415هـ - 1994م
عدد الصفحات: 176
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
শুহদাহ-র মাশয়াখা (শিক্ষক-তালিকা) সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য ফাওয়াইদ ও সহিহ আসারসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: শুহদাহ-র মাশয়াখা (শিক্ষক-তালিকা) সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য ফাওয়াইদ, সহিহ এবং বিরল আসারসমূহ
লেখক: শুহদাহ বিনতে আহমদ বিন আল-ফারাজ বিন উমর আল-ইবরি, ফাখরুন নিসা, আবু নসরের কন্যা, আদি নিবাস দিনাওয়ার, বাগদাদী, লিপিকার (মৃত্যু ৫৭৪ হিজরি)
সম্পাদনা: ফাওজি আব্দুল মুত্তালিব
প্রকাশক: মাকতাবাতুল খানজি, কায়রো
সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৫ হিজরি - ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭৬
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٥)
مقدمات
مقدمة الكتاب…بسم الله الرحمن الرحيم
مقدمة:
الحمد لله رب العالمين، حمدًا كثيرًا طبيًا طاهرًا مباركًا فيه، سبحانك لا نحصي ثناء عليك أنت كما أثنيتَ على نفسك، تباركتَ تعاليتَ، ذا الجلال والإكرام.
لك الحمد الدائم السرمد، حمدًا لا يحصيه العدد، ولا يقطعه الأبد، كما ينبغي لك أن تحمد، وكما أنت له أهل، وكما هو لك علينا حق.
اللهم صلِّ على محمد وعلى آل محمد، كما صليتَ على إبراهيم وعلى آل إبراهيم، إنك حميد مجيد، اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على إبراهيم وعلى آل إبراهيم، إنك حميد مجيد، وسلِّم تسليمًا كثيرًا.
وبعد
…فهذا كتاب "العمدة" في مشخية شُهْدَة بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ الديِّنَوَرِي الإِبَرِي، وكما قال الذهبي: الجِهَة، المُعَمَّرة، الكاتبة، مسندة العراق فخر النساء1.
وهذا الكتاب -كما يبدو من قراءته- يهدف إلى أمور هامة، بعضها عام، بعضها خاص:
1- فهو في حديث رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم في جملته وتبليغه، تيمنًا بقول الرسول صلى الله عليه وسلم: "نضر الله امرءًا سمع منا شيئًا، فبلغه كما سمع، فربَّ مُبَلَّغ أوعى من سامع" 2.
--------------------------------------------
ভূমিকা
গ্রন্থের ভূমিকা…পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
উপস্থাপনা:
সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য; প্রচুর, পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা। আপনি পবিত্র, আমরা আপনার প্রশংসা গণনা করে শেষ করতে পারব না; আপনি তেমনই যেমনটি আপনি নিজের প্রশংসা নিজে করেছেন। আপনি বরকতময় ও সুউচ্চ, আপনি মহিমা ও সম্মানের অধিকারী।
আপনারই জন্য চিরন্তন ও শাশ্বত প্রশংসা; এমন প্রশংসা যা সংখ্যায় গণনা করা যায় না এবং যা কখনো শেষ হবে না। আপনার যেমন প্রশংসা হওয়া উচিত এবং আপনি যার যোগ্য, এবং যা আপনার প্রতি আমাদের উপর পাওনা হক।
হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইবরাহিম ও ইবরাহিমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও অত্যন্ত মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইবরাহিম ও ইবরাহিমের পরিবারের ওপর বরকত দান করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত ও অত্যন্ত মহিমান্বিত। এবং আপনি প্রচুর পরিমাণে শান্তি বর্ষণ করুন।
অতঃপর
…এটি শুহদাহ বিনতে আহমাদ ইবনুল ফারাজ আদ-দিনাওয়ারি আল-ইবারির মাশয়াখাহ (শিক্ষক তালিকা) বিষয়ক গ্রন্থ "আল-উমদাহ"। ইমাম আয-যাহাবি তার সম্পর্কে যেমন বলেছেন: সম্মানিত নারী, দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত, লেখিকা, ইরাকের সনদ বর্ণনাকারী এবং নারীদের গৌরব।১
এই গ্রন্থটি—এটি পাঠ করলে যেমনটি স্পষ্ট হয়—কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের লক্ষ্য রাখে, যার কিছু সাধারণ এবং কিছু বিশেষ:
১- এটি সামগ্রিকভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস বর্ণনা ও প্রচারের উদ্দেশ্যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই বাণীর বরকত হাসিলের জন্য: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো কিছু শুনেছে, অতঃপর তা ঠিক সেভাবেই পৌঁছে দিয়েছে যেভাবে শুনেছে। কারণ অনেক সময় যাকে পৌঁছানো হয় সে শ্রবণকারীর চেয়ে বেশি সংরক্ষণকারী হয়ে থাকে।" ২
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٦)
2- وهو -وهذا خاص- في بيان ما روته هذه المحدِّثة الفضلى عن بعض شيوخها، وهذا ما يسمى "بالمشيخة"، وإذا كانت هذه المشيخات كثيرة للرجال؛ كمشيخة ابن طهمان، ومشيخة ابن الجوزي وغيرهما، فمشيخات النساء المحدِّثات قليلة؛ بل نادرة، وهذا الكتاب منها.
والمشيخات تدل على مدى العناية بحديث رَسُولُ اللَّهِ -صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ سلم- وهي تدل كذلك على اتصال الأسانيد في كل عصر؛ في الحديث عامة، وفي الكتب خاصة؛ إذ يُنْقَل هذا وذاك جيلًا عن جيل؛ بحيث تستمر هذه الخصيصة للأمة المحمدية؛ اتصال أسانيد علمها وعلمائها.
والمشيخات مظهر من مظاهر هذا الاتصال، وقد قامت صاحبة هذه المشيخة بجهد وافر في هذين المجالين:
فالشيوخ الذين روت عنهم شُهْدَة هم من أصحاب المصنفات، وقد أعطتنا في هذه المشيخة نماذج من حديث هؤلاء الذي أودعوه في كتبهم.
3- ومن فوائد هذا الكتاب وأهدافه: تقديم الأسانيد العالية، فشهدة قد عُمِّرت حتى قاربت المائة -كما يقول الذهبي وغيره- حتى ألحقت الصغار بالكبار؛ أي: تساوى الصغار مع الكبار في أخذ الأحاديث عن الشيوخ نتيجة لعلو أسانيدها1.
وما من شيخ من الشيوخ الذين أخذت عنهم إلا وعُمِّر في الغالب الأعم، وكانت تبين هذا في إثبات التاريخ الذي أخذه الشيخ عن الآخر، فهذه زيادة توثيق، وهو أيضًا بيان لعلو الإسناد.
ومن أمثلة علو الإسناد في هذه المشيخة أن إسناد شهدة علا حتى تساوى
--------------------------------------------
২- আর এটি - এবং এটি একটি বিশেষ দিক - এই মহীয়সী নারী হাদীসবিশারদ তাঁর কিছু উস্তাদ থেকে যা বর্ণনা করেছেন তার বর্ণনায় নিহিত; আর একেই "মাশয়াখা" বলা হয়। যদি পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাশয়াখাগুলো অনেক বেশি হয়ে থাকে; যেমন ইবনে তাহমানের মাশয়াখা, ইবনে শাওজির মাশয়াখা এবং আরও অনেকের, তবে নারী হাদীসবিশারদদের মাশয়াখা খুবই কম, বরং বিরল; আর এই বইটি তারই অন্তর্ভুক্ত।
এই মাশয়াখাগুলো আল্লাহর রাসূল -তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক- এর হাদীসের প্রতি গভীর যত্নের প্রমাণ বহন করে। এটি একইভাবে প্রত্যেক যুগে সনদের ধারাবাহিকতারও প্রমাণ দেয়; সাধারণভাবে হাদীসের ক্ষেত্রে এবং বিশেষভাবে গ্রন্থসমূহের ক্ষেত্রে; কেননা এগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্থানান্তরিত হয়ে আসছে, যাতে মুহাম্মাদী উম্মতের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি স্থায়ী থাকে; আর তা হলো তাদের ইলম এবং উলামাদের সনদের অবিচ্ছিন্নতা।
মাশয়াখাগুলো এই ধারাবাহিকতারই একটি বহিঃপ্রকাশ, এবং এই মাশয়াখার লেখিকা এই উভয় ক্ষেত্রে প্রচুর পরিশ্রম করেছেন:
শুহদাহ যে সকল উস্তাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা ছিলেন গ্রন্থ সংকলক। তিনি এই মাশয়াখার মধ্যে সেই সকল হাদীসের নমুনা পেশ করেছেন যা তাঁরা তাঁদের গ্রন্থসমূহে লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
৩- এই কিতাবের উপকারিতা ও উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে: উচ্চমানের সনদ উপস্থাপন করা। শুহদাহ দীর্ঘায়ু লাভ করেছিলেন এমনকি তাঁর বয়স একশ বছরের কাছাকাছি হয়েছিল - যেমনটি যাহাবী ও অন্যান্যরা বলেছেন - যার ফলে তিনি ছোটদেরকে বড়দের স্তরে পৌঁছিয়ে দিয়েছিলেন; অর্থাৎ তাঁর সনদের উচ্চতার কারণে উস্তাদদের থেকে হাদীস গ্রহণের ক্ষেত্রে ছোটরা বড়দের সমান হয়ে গিয়েছিল১।
তিনি যে সকল উস্তাদ থেকে হাদীস গ্রহণ করেছেন, তাঁদের প্রায় প্রত্যেকেই দীর্ঘায়ু লাভ করেছিলেন। তিনি একজন উস্তাদ অপরজন থেকে হাদীস গ্রহণের তারিখ বর্ণনার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট করতেন। এটি যেমন নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করে, তেমনি এটি সনদের উচ্চতারও প্রমাণ।
এই মাশয়াখায় সনদের উচ্চতার অন্যতম উদাহরণ হলো যে, শুহদাহর সনদ এতোটাই উন্নত হয়েছিল যে তা সমান হয়ে গিয়েছিল
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٧)
بمسلم -رحمة الله عليه- وهو في القرن الثالث، وهي في القرن السادس. "انظر رقم 43 من هذه المشيخة".
وكانت تبين ذلك أحيانًا وتترك للقارئ -وهو متخصص غالبًا- أن يتنبه إلى ذلك.
والإسناد العالي إذا كان رواته موثَّقين -ورجال شهدة كذلك- فيه شرف الاقتراب من رسول لله صلى الله عليه وسلم وكثير من الفوائد الأخرى التي بينتها كتب علوم الحديث.
4- ومن أهداف هذه المشيخة وفوائدها: تقديم طائفة من العلم النبوي الشريف، من حديث رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فغالب أحاديث هذا الكتاب صحيحة، وهي إما متفق عليها؛ أخرجها الشيخان أو أخرجها أحدهما، أو هي على شرط أحدهما.
وهي تبين ذلك في آخر كل حديث، وتبين من الفوائد الحديثية التي تكون في الإسناد أو المتن.
ترجمة شُهْدَة:
ويجدر بنا أن نقدم ترجمة لهذه العالمة الفضلى تضفي عليها وعلى كتابها هذا وضوحًا وبيانًا:
هي -كما قال الذهبي- بنت المحدث أبي نصر أحمد بن الفجر الدينوري الإبَرِيّ "نسبة إلى عمل الإبر"1، وهو من مشاهير بغداد ومحدثيها2، وقد قدمنا له ترجمة في التعليق على الحديث رقم "102".
وأبوها له تأثير واضح على شهدة؛ فقد أسمعها الحديث وهي بنت ثماني سنوات، فهي تقول في الحديث رقم "102": إنه أسمعها في سنة تسعين وأربعمائة، وهي قد ولدت ببغداد سنة "482هـ"، فتكون سنها حنيئذ ثماني سنوات؛ بل وقد أجيز لها وهي أقل من هذه السن "انظر رقم 96".
--------------------------------------------
ইমাম মুসলিম -তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক- এবং তিনি ছিলেন তৃতীয় শতাব্দীর, আর তিনি (শুহদাহ) ছিলেন ষষ্ঠ শতাব্দীর। "এই মাশইয়াখাহ-এর ৪৩ নম্বরটি দেখুন।"
তিনি কখনও কখনও এটি স্পষ্ট করতেন এবং কখনও কখনও পাঠকের জন্য ছেড়ে দিতেন—যিনি সাধারণত একজন বিশেষজ্ঞ—যাতে তিনি সে বিষয়ে সচেতন হতে পারেন।
উচ্চ সনদ (আল-ইসনাদ আল-আলি), যদি তার বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য হন—এবং শুহদাহ্-এর বর্ণনাকারীরাও তদ্রূপ—তাতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সান্নিধ্য লাভের মর্যাদা এবং আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে যা উলুমুল হাদিসের গ্রন্থসমূহে বর্ণিত হয়েছে।
৪- এই মাশইয়াখাহ-এর অন্যতম লক্ষ্য ও উপকারিতা হলো: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস থেকে একগুচ্ছ মহান নববী ইলম উপস্থাপন করা। কারণ এই গ্রন্থের অধিকাংশ হাদিসই সহিহ; সেগুলো হয় মুত্তাফাকুন আলাইহি (অর্থাৎ দুই শাইখ তা বর্ণনা করেছেন), অথবা তাদের কোনো একজন তা বর্ণনা করেছেন, অথবা সেগুলো তাদের কোনো একজনের শর্ত অনুযায়ী সহিহ।
আর তিনি প্রতিটি হাদিসের শেষে তা উল্লেখ করেছেন এবং সনদ বা মতনের মধ্যে বিদ্যমান হাদিস শাস্ত্রীয় উপকারিতাগুলো বর্ণনা করেছেন।
শুহদাহ্-এর জীবনী:
আমাদের জন্য এই মহীয়সী নারী আলেমার একটি জীবনী উপস্থাপন করা সমীচীন, যা তাঁর এবং তাঁর এই গ্রন্থের ওপর অধিকতর স্পষ্টতা ও আলোকপাত করবে:
তিনি হলেন—যেমনটি যাহাবি বলেছেন—মুহাদ্দিস আবু নাসর আহমদ বিন আল-ফজর আদ-দিনাওয়ারি আল-ইবারির কন্যা (সুঁই তৈরির কাজের সাথে সম্পৃক্ততার কারণে এই নিসবত)১, যিনি বাগদাদের বিখ্যাত ব্যক্তি ও মুহাদ্দিসগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন২। আমরা ইতিপূর্বে ১০২ নম্বর হাদিসের টীকায় তাঁর জীবনী উপস্থাপন করেছি।
শুহদাহর ওপর তাঁর পিতার স্পষ্ট প্রভাব ছিল; তিনি তাকে হাদিস শ্রবণ করিয়েছিলেন যখন তার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। তিনি ১০২ নম্বর হাদিসে বলেছেন যে, তাঁর পিতা তাকে ৪৯০ হিজরি সনে হাদিস শ্রবণ করান, অথচ তিনি ৪৮২ হিজরি সনে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সুতরাং সেই সময় তাঁর বয়স ছিল আট বছর; এমনকি এর চেয়ে কম বয়সেও তাকে ইজাজাহ (বর্ণনার অনুমতি) প্রদান করা হয়েছিল (৯৬ নম্বর দেখুন)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٨)
وبفضل دعائه لها، وبركته -كما تقول- وعت في هذه السن، وسجلت كثيرًا من السماعات في مشيختها هذه في تلك السن.
وما زالت تَسْمَعُ وتُسْمِعُ إلى أن توفيت سنة "574"1، وقد قاربت المائة.
سمعت من: أبي الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ البَطِر2 القارئ المحدث "494هـ"، وأبي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بن طلحة النَّعَّالي، وطِرَاد بن محمد الزينبي -وهو أكثير شيوخها رواية في هذه المشيخة وقد ابتدأت به- وغيرهم مثل: أبي الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أيوب، وأبي الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْقَادِرِ بن يوسف، وفخر الإسلام أبي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الحسين الشاشي، وطلحة بن محمد الزينبي، وثابت بن بندار، وجعفر السَّرَّاج، وغيرهم كثيرًا، مما هو ثابت في هذه المشيخة وما ليس فيها، وكل هؤلاء من أكابر علماء عصرها.
وحدث عنها: ابن عساكر، والسمعاني، وابن الجوزي، وعبد الغني المقدسي، وعبد القادر الرهاوي، وابن الأخضر - مُخَرِّج هذه المشيخة- والشيخ الموفق، والشيخ العماد، الشهاب بن راجح، والبهاء بن عبد الرحمن، والفخر الإربِلِي، وتاج الدين عبد الله بن حَمُّويه، وأعز بن العُلَّيْق، وإبراهيم بن الخَيِّر، وبهاء الدين بن الجميزي، ومحمد بن المنِّي، وأبو القاسم بن قميرة، وخلق كثير3، وآخر من رَوى عنها ابن قميرة، وتوفي سنة ستين وخمسمائة؛ أي: بين وفاتيهما ستة وثمانون عامًا4.
--------------------------------------------
তাঁর জন্য তাঁর দুআ এবং তাঁর বরকতের বদৌলতে—যেমনটি তিনি বলেন—তিনি এই বয়সে বোধশক্তি লাভ করেন এবং সেই বয়সেই তাঁর এই মাশইয়াখাহ-তে অনেক শ্রবণ (সামাআত) লিপিবদ্ধ করেন।
তিনি শ্রবণ করা ও অন্যকে শোনানো অব্যাহত রাখেন যতক্ষণ না তিনি ৫৭৪ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন১, যখন তাঁর বয়স প্রায় একশ বছর হয়েছিল।
তিনি শ্রবণ করেছেন: আবুল খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ বিন আল-বাত্বির২ কারী ও মুহাদ্দিস (৪৯৪ হি.), আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন তালহা আন-নিআলী, ত্বিরাদ বিন মুহাম্মাদ আজ-জাইনাবী—যিনি এই মাশইয়াখাহ-তে তাঁর বর্ণনাকৃত শায়খদের মধ্যে অধিক বর্ণনাকারী এবং তিনি তাঁকে দিয়েই শুরু করেছেন—এবং আরও অন্যান্যদের থেকে, যেমন: আবুল হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন আইয়ুব, আবুল হুসাইন আহমাদ বিন আব্দুল কাদির বিন ইউসুফ, ফখরুল ইসলাম আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন আশ-শাশী, তালহা বিন মুহাম্মাদ আজ-জাইনাবী, সাবিত বিন বুন্দার, জাফর আস-সাররাজ এবং আরও অনেকে, যাদের নাম এই মাশইয়াখাহ-তে সাব্যস্ত রয়েছে এবং যাদের নাম এতে নেই; আর তারা সকলেই ছিলেন তাঁর যুগের বড় বড় আলেমদের অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: ইবন আসাকির, আস-সামআনী, ইবনুল জাওযী, আব্দুল গনী আল-মাকদিসী, আব্দুল কাদির আর-রুহাবী, ইবনুল আখদার—এই মাশইয়াখাহ-এর সংকলক—এবং শায়খ আল-মুওয়াফফাক, শায়খ আল-ইমাদ, আশ-শিহাব বিন রাজেহ, আল-বাহা বিন আব্দুর রহমান, আল-ফখর আল-ইরবিলী, তাজউদ্দীন আব্দুল্লাহ বিন হাম্মুওয়াহ, আআজ্জ বিন আল-উল্লাইক্ব, ইব্রাহিম বিন আল-খাইর, বাহাউদ্দীন বিন আল-জুমাইযী, মুহাম্মাদ বিন আল-মান্নী, আবুল কাসিম বিন কুমাইরা এবং আরও অনেকে৩। তাঁর থেকে সর্বশেষ যিনি বর্ণনা করেছেন তিনি হলেন ইবন কুমাইরা, যিনি ৬৬০ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন; অর্থাৎ তাঁদের উভয়ের মৃত্যুর ব্যবধান হলো ছিয়াশি বছর৪।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٩)
مكانتها:
وأثنَى عليها العلماء كمحدِّثة عالمة، قال ابن نقطة: سماعها صحيح1.
وقال الشيخ الموفق: انتهى إليها إسناد بغداد، وعُمِّرَت حتى ألحقت الصغار بالكبار "أي: بأسانيدها العالية".
وقال ابن الجوزي: عاشت مخالطة العلماء. وقرئ عليها الحديث سنين2.
ولقبها الذهبي "بمسندة العراق"، وابن الدبيثي "بأسند أهل زمانها"، وقال: وكان سماعها صحيحًا.
وقال ابن العماد: "المُسْنِدَة، فخر النساء، كانت ديِّنَة عابدة صالحة، سمعها أبوها الكثير، وصارت مسندة العراق"3.
ومن مكانتها عند العلماء أنهم اعتمدوا عليها في رواية الكتب؛ ومن ذلك كتاب "الأموال لأبي عُبيد"؛ ففي أوله: "قرئ على الشيخة الصالحة الكاتبة فخر النساء شهدة بنت أبي نصر أحمد بن الفرج عن عمر الإبري الدينوري بمنزلها ببغداد في الحادي عشر من شعبان سنة أربع ستين وخمسمائة، أخبركم النقيب الكامل أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بن علي الزينبي في ثاني ذِي الْحِجَّةِ مِنْ سَنَةِ تِسْعِينَ وأربعمائة"4.
وهذه هي السنة التي أسمعها أبوها الحديث، وكان عندها ثماني سنوات من عمرها، ثم سُمِعَ منها بعد أربع وسبعين سنة من سماعها له من شيخها طراد، وهذا ما يؤدي إلى العلو في الإسناد، وإلحاق الصغار بالكبار، كما قال العلماء عنها.
كما روت كتبًا لابن أبي الدنيا؛ منها كتاب الشكر له، ففيه: "حدثنا الشيخ الفقيه الإمام الأجل العالم العامل، الصالح المتقن، بقية السلف الصالح،
--------------------------------------------
তাঁর মর্যাদা:
ওলামায়ে কেরাম তাঁকে একজন বিজ্ঞ নারী মুহাদ্দিস হিসেবে প্রশংসা করেছেন। ইবনু নুকতাহ বলেন: "তাঁর শ্রুতি বিশুদ্ধ ছিল।" ১।
শায়খ আল-মুওয়াফফাক বলেন: "বাগদাদের সনদসমূহ তাঁর নিকট এসে সমাপ্ত হয়েছে। তিনি দীর্ঘায়ু লাভ করেছিলেন, এমনকি তিনি ছোটদেরকে বড়দের কাতারে শামিল করে দিয়েছেন (অর্থাৎ তাঁর উচ্চাঙ্গের সনদের মাধ্যমে)।"
ইবনুল জাওযী বলেন: "তিনি আলেমদের সান্নিধ্যে জীবন অতিবাহিত করেছেন এবং বছরের পর বছর ধরে তাঁর নিকট হাদিস পাঠ করা হয়েছে।" ২।
আয-যাহাবী তাঁকে 'ইরাকের মুসনিদাহ' (সর্বোচ্চ সনদধারী নারী) উপাধিতে ভূষিত করেছেন এবং ইবনু আদ-দুবাইসি তাঁকে 'তৎকালীন সময়ের সর্বোচ্চ সনদধারী' হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন: "তাঁর শ্রুতি বিশুদ্ধ ছিল।"
ইবনুল ইমাদ বলেন: "তিনি ছিলেন মুসনিদাহ, ফখরুন নিসা। তিনি ছিলেন দ্বীনদার, ইবাদতগুজার ও পুণ্যবতী। তাঁর পিতা তাঁকে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করিয়েছেন এবং তিনি ইরাকের মুসনিদাহ হয়েছিলেন।" ৩।
ওলামায়ে কেরামের নিকট তাঁর মর্যাদার অন্যতম প্রমাণ হলো যে, তাঁরা গ্রন্থ বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁর ওপর নির্ভর করতেন; এর একটি উদাহরণ হলো আবু উবাইদের "কিতাবুল আমওয়াল"; এর শুরুতে বর্ণিত হয়েছে: "পুণ্যবতী শায়খাহ, লেখিকা ফখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আবু নাসর আহমাদ ইবনুল ফারাজ ইবনে উমর আল-ইবরি আদ-দিনাওয়ারির নিকট তাঁর বাগদাদের বাসভবনে ৫৬৪ হিজরির ১১ই শাবান তারিখে পাঠ করা হয়েছে। (শুহদাহ বলেন:) পূর্ণাঙ্গ নকিব আবুল ফাওয়ারিস ত্বরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আয-যাইনাবি ৪৯০ হিজরির ২রা জিলহজ তারিখে আপনাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন।" ৪।
এটি ছিল সেই বছর যখন তাঁর পিতা তাঁকে হাদিস শ্রবণ করিয়েছিলেন এবং তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র আট বছর। অতঃপর তাঁর শায়খ ত্বরাদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণের চুয়াত্তর বছর পর তাঁর কাছ থেকে তা শোনা হয়েছে। এটিই সনদের উচ্চতা (উলুও) এবং ছোটদেরকে বড়দের সাথে যুক্ত করার কারণ, যেমনটি আলেমগণ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন।
একইভাবে তিনি ইবনে আবিদ দুনিয়ার গ্রন্থসমূহও বর্ণনা করেছেন; এর মধ্যে তাঁর 'কিতাবুল শুকর' অন্যতম। সেখানে রয়েছে: "আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শায়খ, ফকিহ, অত্যন্ত সম্মানিত ইমাম, বিজ্ঞ আমলকারী, নেককার ও নিপুণ ব্যক্তিত্ব, সালাফে সালেহীনের উত্তরসূরি..."
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
أبو الحسن علي بن خلف بن معزوز بن فتوح المالكي التلمساني، المعروف بالكومي -أدام الله توفيقه- قراءة مني عليه بمصر
… قال الكومي: وقرئ على الشيخة العالمة فخر النساء شهدة بن أبي نصر أَحْمَد بْن الفرج بْن عمر الإبري رضي الله عنها وأنا أسمع أخبركم أبو الحسن أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْقَادِرِ بْنِ محمد بن يوسف في رمضان سنة تسعين وأربعمائة
… "1.
ويلاحظ أنها سمعت هذا الكتاب أيضًا وهي بنت ثماني سنوات تقريبًا، وهي السنة نفسها التي سمعت فيها من أبيها، والتي سمعت فيها كتاب الأموال لأبي عبيد.
وروت أيضًا كتاب الصمت وآداب اللسان له. ففي إسناده: "أخبرنا الشيخ الصالح المُعَمَّر أبو الحسن بن أبي عبد الله بن المقَيِّر البغدادي الحنبلي، قراءة عليه، وأنا أسمع، قيل له: أخبرتكم الشيخة الكاتبة فخر النساء شهدة بنت أبي نصر أحمد بن أبي الفرج الإبري قراءة عليها وأنت تسمع"2.
ويقول ابن نقطة: ولها رواية في مسند مُسدَّد عن ثابت بن بندار3.
وروت أيضًا مصارع العشاق لابن السراج، وذم المسكر، واليقين، وكتاب محاسبة النفس والإزراء، والفرج بعد الشدة، وكلها لابن أبي الدنيا.
وروت وسمعت من أبي الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ علي الزينبي كتاب الوجد والوجل والتوثق بالعمل لابن أبي الدنيا، وستة مجالس من أمالي أبي جعفر البختري، والجزء الأول من الفوائد المنتقاة والغرائب الحسان العوالي تخريج أبي الفتح بن أبي الفوارس.
وروت وسمعت من الحسين بن أحمد بن طلحة النعالي الجزء الثاني والرابع من أمالي الحسين بن إسماعيل المحاملي، والجزء الثالث من كتاب الديباج لإسحاق بن إبراهيم الختلي، والجزء الأول من كتاب الجامع عن عبد الرزاق بن همام الصنعاني، وروت عن الحسين بن أحمد الباقلاني الجزء الثاني والخامس من
--------------------------------------------
আবুল হাসান আলি বিন খালাফ বিন মা'যূয বিন ফুতূহ আল-মালিকি আত-তিলিমসানি, যিনি আল-কুমি নামে পরিচিত -আল্লাহ তার তাওফিক অব্যাহত রাখুন- মিশরে আমি তার কাছে পাঠ করার সময়
… কুমি বলেন: আর শায়খা আলিমা ফখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ বিন আল-ফারাজ বিন উমার আল-ইবরি (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-র নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম, আবুল হাসান আহমাদ বিন আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ চারশত নব্বই হিজরি সালের রমজান মাসে তোমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন
… "১.
আরও লক্ষ্য করা যায় যে, তিনি এই কিতাবটিও শুনেছিলেন যখন তার বয়স ছিল প্রায় আট বছর, আর এটি ছিল সেই একই বছর যে বছর তিনি তার পিতার কাছ থেকে শ্রবণ করেছিলেন এবং যে বছর তিনি আবু উবাইদ-এর 'কিতাবুল আমওয়াল' শ্রবণ করেছিলেন।
তিনি তার (ইবনে আবিদ দুনইয়ার) 'কিতাবুস সামত ওয়া আদাবুল লিসান'-ও বর্ণনা করেছেন। এর সনদে রয়েছে: "নেককার দীর্ঘজীবী শায়খ আবুল হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আল-মুকায়্যির আল-বাগদাদি আল-হাম্বলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার কাছে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তাকে বলা হলো: লেখিকা শায়খা ফখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আবি নাসর আহমাদ বিন আবিল ফারাজ আল-ইবরি আপনাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন" ২।
ইবনু নুকতাহ বলেন: মুসাদ্দাদ-এর মুসনাদ গ্রন্থে সাবিত বিন বুন্দার থেকে তার বর্ণনা রয়েছে ৩।
তিনি ইবনুস সাররাজ-এর 'মাসারিউল উশাক', এবং ইবনে আবিদ দুনইয়ার 'যাম্মুল মুসকির', 'আল-ইয়াকিন', 'কিতাবু মুহাসাবাতিন নাফসি ওয়াল ইযরা' এবং 'আল-ফারাজু বা'দাশ শিদ্দাহ'ও বর্ণনা করেছেন।
তিনি আবুল ফাওয়ারিস তাররাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আজ-জাইনাতি থেকে ইবনে আবিদ দুনইয়ার 'কিতাবুল ওয়াজদি ওয়াল ওয়াজালি ওয়াত তাওসুকি বিল আমাল', আবু জাফর আল-বাখতারির 'আমালি' থেকে ছয়টি মাজলিস এবং আবুল ফাতাহ বিন আবিল ফাওয়ারিসের তাখরিজকৃত 'আল-ফাওয়াইদুল মুনতাকাহ ওয়াল গারায়িবুল হিসানিল আওয়ালি'-র প্রথম অংশ বর্ণনা করেছেন এবং শুনেছেন।
তিনি আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন তালহা আন-নাআলি থেকে আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলির 'আমালি'-র দ্বিতীয় ও চতুর্থ খণ্ড, ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-খুত্তালির 'কিতাবুদ দিবায'-এর তৃতীয় খণ্ড এবং আব্দুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম আস-সানআনি থেকে 'কিতাবুল জামি'-র প্রথম খণ্ড বর্ণনা করেছেন ও শুনেছেন। তিনি আল-হুসাইন বিন আহমাদ আল-বাকিল্লানি থেকে বর্ণনা করেছেন দ্বিতীয় ও পঞ্চম খণ্ড...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١١)
منتقى حديث الحسين بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَاذَانَ.
وسمعت من الحسن بن أحمد الدقاق الجزء الأول من غرائب حديث مالك بن أنس. وروت عن جعفر بن أحمد السراج جزءًا من كرامات الأولياء للحسن الخلال، وحضرت على إبراهيم بن عثمان بن يوسف الكاشغري الجزء الثالث والرابع من مشيخة يعقوب بن سفيان.
وروت وسمعت من أبي المعالي ثابت بن بندار البقال جزءًا فيه قراءات النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وقطعة من كتاب الخيل. وسمعت من أبي الخطاب نصر بن أحمد البطرواني الجزء السادس من أمالي المحاملي.
وروت الجزء الرابع من حديث أبي سهل أحمد القطان عن الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بن شاذان عن العلاف كتاب التصديق بالنظر إلى الله عز وجل وما أعد لأوليائه لمحمد الآجري، وعن عبد الرحمن بن نجم الحنبلي الجزء الثاني من حديث المحاملي.
وروى عنها ابن الجوزي كتاب التصديق بالنظر إلى الله -عز جل- وما أعد لأوليائه لمحمد الآجري، وسمع منها علي بن هبة الله الشافعي الجزء الأول من غرائب حديث مالك بن أنس، وعبد الله بن عمر بن أبي بكر المقدسي الجزء الخامس من المنتقى من حديث ابن شاذان، والحسن بن عمر بن نصر الجزء الأول والرابع من أمالي المحاملي، وروى عنها عبد الرحمن بن عبد الوهاب الحنبلي الجزء الرابع من أمالي المحاملي. وسمع عليها يونس بن سعيد بن مسافر بن جميل القطان المقري كتاب محاسبة النفس لابن أبي الدنيا. ويحيى بن أبي السعود بن القميرة التاجر كتاب الفرج بعد الشدة لابن أبي الدنيا. وروى عنها عبد اللطيف بن محمد سبط التعاويذي ستة مجالس من أمالي البختري وضوء الصباح عجيبة بنت الباقداري كتاب الوجد والوجل لابن أبي الدنيا. وسمع منها بهاء الدين عبد الرحمن بن إبراهيم المقدسي كتاب ذم المسكر لابن أبي الدنيا، وعثمان بن أبي نصر بن منصور الواعظ المسعودي، ومحمد بن إبراهيم الإربلي جزءًا من حديث القطان، وأبو بكر عبد الله الرياني المتوفَّى سنة 627هـ.
وروت كتاب المحبة لله سبحانه وتعالى لإبراهيم بن عبد لله بن الجنيد
হুসাইন ইবন আহমাদ ইবন ইব্রাহিম ইবনুল হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন শাযানের হাদিসের সংকলন।
আর আমি হাসান ইবন আহমাদ আদ-দাক্কাকের নিকট থেকে মালিক ইবন আনাসের গারাইব হাদিসের প্রথম খণ্ড শ্রবণ করেছি। তিনি জাফর ইবন আহমাদ আস-সাররাজের সূত্রে হাসান আল-খাল্লাল রচিত কারামাতুল আউলিয়া-এর একটি অংশ বর্ণনা করেছেন। আর আমি ইব্রাহিম ইবন উসমান ইবন ইউসুফ আল-কাশগারির নিকট ইয়াকুব ইবন সুফিয়ানের মাশাইখাতের তৃতীয় ও চতুর্থ খণ্ডে উপস্থিত ছিলাম।
তিনি বর্ণনা করেছেন এবং আবুল মাআলি সাবিত ইবন বুন্দার আল-বাক্কালের নিকট থেকে এমন একটি অংশ শ্রবণ করেছেন যাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কিরাতসমূহ এবং কিতাবুল খাইল-এর একটি অংশ রয়েছে। আর আমি আবুল খাত্তাব নাসর ইবন আহমাদ আল-বাতরুয়ানির নিকট থেকে আল-মুহামিলির আমালির ষষ্ঠ খণ্ড শ্রবণ করেছি।
তিনি হাসান ইবন আহমাদ ইবন ইব্রাহিম ইবন শাযানের সূত্রে আবু সাহল আহমাদ আল-কাত্তানের হাদিসের চতুর্থ খণ্ড বর্ণনা করেছেন; তিনি আল-আল্লাফের সূত্রে মুহাম্মদ আল-আজুরি রচিত আল্লাহর প্রতি তাকানোর সত্যায়ন এবং তিনি তাঁর বন্ধুদের জন্য যা প্রস্তুত রেখেছেন সেই সংক্রান্ত গ্রন্থ বর্ণনা করেছেন। আর তিনি আবদুর রহমান ইবন নাজমু আল-হাম্বলির সূত্রে মুহামিলির হাদিসের দ্বিতীয় খণ্ড বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল জাওযি তাঁর সূত্রে মুহাম্মদ আল-আজুরি রচিত আল্লাহর প্রতি তাকানোর সত্যায়ন এবং তিনি তাঁর বন্ধুদের জন্য যা প্রস্তুত রেখেছেন সেই সংক্রান্ত গ্রন্থ বর্ণনা করেছেন। আলি ইবন হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিয়ি তাঁর নিকট থেকে মালিক ইবন আনাসের গারাইব হাদিসের প্রথম খণ্ড শ্রবণ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর ইবন আবু বকর আল-মাকদিসি ইবন শাযানের হাদিসের নির্বাচিত সংকলন (মুনতাকা) থেকে পঞ্চম খণ্ড শ্রবণ করেছেন। হাসান ইবন উমর ইবন নাসর আল-মুহামিলির আমালির প্রথম ও চতুর্থ খণ্ড শ্রবণ করেছেন। আর আবদুর রহমান ইবন আবদুল ওয়াহহাব আল-হাম্বলি তাঁর সূত্রে আল-মুহামিলির আমালির চতুর্থ খণ্ড বর্ণনা করেছেন। ইউনুস ইবন সাঈদ ইবন মুসাফির ইবন জামিল আল-কাত্তান আল-মুকারি তাঁর কাছে ইবন আবিদ দুনিয়া রচিত নফসের হিসাব গ্রহণ সংক্রান্ত গ্রন্থ শ্রবণ করেছেন। ব্যবসায়ী ইয়াহইয়া ইবন আবুস সউদ ইবনুল কুমাইরা তাঁর কাছে ইবন আবিদ দুনিয়া রচিত বিপদের পর মুক্তি সংক্রান্ত গ্রন্থ শ্রবণ করেছেন। আবদুল লতিফ ইবন মুহাম্মদ সিবতুত তায়াবিযি তাঁর সূত্রে আল-বখতারির আমালির ছয়টি মজলিস বর্ণনা করেছেন। দ্বাউস সাবাহ আজিবা বিনতে আল-বাকদারি ইবন আবিদ দুনিয়া রচিত কিতাবুল ওয়াজদি ওয়াল ওয়াজাল বর্ণনা করেছেন। বাহাউদ্দিন আবদুর রহমান ইবন ইব্রাহিম আল-মাকদিসি তাঁর নিকট থেকে ইবন আবিদ দুনিয়া রচিত নেশাদ্রব্যের নিন্দা সংক্রান্ত গ্রন্থ শ্রবণ করেছেন। উসমান ইবন আবু নাসর ইবন মনসুর আল-ওয়ায়িজ আল-মাসউদি এবং মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম আল-ইরবিলি আল-কাত্তানের হাদিসের একটি অংশ শ্রবণ করেছেন। এবং আবু বকর আবদুল্লাহ আর-রাইয়ানি, যিনি ৬২৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন।
তিনি ইব্রাহিম ইবন আবদুল্লাহ ইবনুল জুনাইদ রচিত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জন্য ভালোবাসা সংক্রান্ত গ্রন্থটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٢)
الختلي، والجزء التاسع من فوائد عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الله الدقاق، والجزء الثاني من حديث محمد بن عبد بن خلف الدقاق عن شيوخه، وحديث الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ القطان عن شيوخه.
كما روت مشيخة ابن شاذان الكبرى، وهو الحافظ أبو علي الحسين بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شاذان البزاز، وهي ترويها عن أبي غالب محمد بن الحسن الباقلاني، عن أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بن إبراهيم بن شاذان، وقد سجلت منها بعض هذه المرويات في هذا الكتاب "67-70"1.
وكل هذا وغيره يعطينا مدى إسهامها في أداء حديث رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كما يعطينا هنا مدى ثقة العلماء بها، وبما عندها من العلم، فنقلوه عنها.
ونلحظ هنا أنها لقبت بالكاتبة، وكما يقول ابن الجوزي: كان لها خط حسن2، وتحلت مع ذلك بالدين والصلاح والأخلاق الفاضلة والأعمال البارَّة الخيِّرة. قال ابن الجوزي: كان لها بِرٌّ وخير3. وقال ابن الدبيثي: امرأة جليلة صالحة، ذات دين وورع وعبادة4.
وظلت كذلك إلا أن توفيت ببغداد سنة أربع وسبعين وخمسمائة، في ليلة الإثنين رابع عشر المحرم كما أرَّخ ذلك لها تلميذها أبو الفرج بن الجوزي، وقال: وصلى عليها بجامع القصر، وأزيل شباك المقصورة لأجلها، وحضرها خلق كثير، وعامة العلماء، ودفنت بمقبرة باب أبرز5.
والمُحَدِّثة العالمة شهدة وغيرها يعطين مثلًا رائعًا وقدوة حسنة صالحة للسيدات المسلمات؛ كي يسهمن في رواية الحديث النبوي، ونقل العلم الإلهي، مثلهن في ذلك مثل الرجال سواء بسواء؛ كي تستقيم الحياة بما يحملن من هدى
--------------------------------------------
আল-খাতালি, এবং উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাকের 'ফাওয়ায়িদ'-এর নবম খণ্ড, এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দ ইবনে খালাফ আদ-দাক্কাকের তাঁর শায়খদের সূত্রে বর্ণিত হাদিসের দ্বিতীয় খণ্ড, এবং আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ আল-কাত্তানের তাঁর শায়খদের সূত্রে বর্ণিত হাদিস।
যেমন তিনি ইবনে শাযানের বড় 'মাশয়াখা' বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন হাফেজ আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে শাযান আল-বাযযায। তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে হাসান আল-বাকিল্লানি থেকে, তিনি আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে শাযান থেকে। এই কিতাবে আমি এই বর্ণনার কিছু অংশ লিপিবদ্ধ করেছি "৬৭-৭০"১।
এই সমস্ত কিছু এবং আরও অনেক কিছু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস বর্ণনায় তাঁর অবদানের মাত্রা আমাদের কাছে স্পষ্ট করে। পাশাপাশি এটি আমাদের দেখায় যে উলামায়ে কেরাম তাঁর প্রতি এবং তাঁর ইলমের প্রতি কতটা আস্থাশীল ছিলেন, তাই তাঁরা তাঁর কাছ থেকে ইলম গ্রহণ করেছেন।
আমরা এখানে লক্ষ্য করি যে তাঁকে 'আল-কাতিবাহ' (লেখিকা) উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। যেমনটি ইবনে আল-জাওযী বলেন: তাঁর হাতের লেখা অত্যন্ত সুন্দর ছিল২। এর পাশাপাশি তিনি দীনদারি, নেক আমল, উত্তম চরিত্র এবং সৎ ও কল্যাণকর কাজে ভূষিত ছিলেন। ইবনে আল-জাওযী বলেন: তাঁর মধ্যে ছিল সততা ও কল্যাণ৩। আর ইবনে আদ-দুবাইসি বলেন: তিনি ছিলেন একজন মহীয়সী ও পুণ্যবতী নারী, দীনদারি, তাকওয়া ও ইবাদতগুজারিতে অনন্য৪।
তিনি এভাবেই জীবন অতিবাহিত করেন যতক্ষণ না পাঁচশত চুয়াত্তর হিজরি সালের চৌদ্দই মহরম সোমবার রাতে বাগদাদে ইন্তেকাল করেন। যেমনটি তাঁর ছাত্র আবুল ফারাজ ইবনে আল-জাওযী তারিখ লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন: জামে কসরে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং তাঁর জানাজার সম্মানে মাকসুরার জালি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। অসংখ্য মানুষ এবং সাধারণ আলেমরা তাঁর জানাজায় উপস্থিত হয়েছিলেন। তাঁকে বাব আবরায গোরস্থানে দাফন করা হয়৫।
মুহাদ্দিসা এবং বিদুষী নারী শুহদাহ ও অন্যান্যরা মুসলিম নারীদের জন্য এক চমৎকার দৃষ্টান্ত এবং উত্তম আদর্শ স্থাপন করেছেন; যাতে করে তাঁরাও নববী হাদিস বর্ণনা এবং খোদায়ী ইলম হস্তান্তরের ক্ষেত্রে পুরুষদের মতোই সমানভাবে অবদান রাখতে পারেন; যাতে তাঁদের বহন করা হিদায়াতের মাধ্যমে জীবন সুশৃঙ্খল ও সঠিক পথে পরিচালিত হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
نبوي كريم للنشء والأجيال، فتأثيرهن كبير في هذا الشأن.
تعريف بالكتاب:
والكتاب -كما قلنا- هو في مشيختها، خرَّجه في حياتها تلميذها عبد العزيز بن محمود بن المبارك بن الأخضر أبو محمد الحافظ، وهو من الحفاظ المكثرين الأثبات المأمونين، وهو واسع الرواية، صحيح الأصول، بيَّن ذلك ابن نُقْطَة، ثم قال: منه تعلمنا واستفدنا وما رأينا مثله1.
وكان مولده سنة أربع وعشرين وخمسمائة، وتوفي في سادس شوال من سنة إحدى عشرة وستمائة.
وكان هذا التخريج في حياة شهدة بدليل أن الكتاب سمع عليها ونقله غير ابن الأخضر -كما يتضح من الإسناد- ومن صفحة العنوان: رواية شمس الدين عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّشِيدِ بْنِ علي بن بُنيمان "548-624" فقد قرأه عليها في حياتها، وكما يتضح من السماع بآخر هذه المشيخة.
وتبلغ هذه المشيخة "114" رواية، جُلُّها أحاديث مرفوعة، والقليل منها موقوف على الصحابة، أو بعض التابعين، أو تابعي التابعين.
وتأتي لكل شيخ من شيوخها بروايات تختلف قلة وكثرة من شيخ إلى شيخ، وأكثر الروايات عن طِرَاد الزينبي التي ابتدأت به؛ إذ بلغت الروايات عنه إحدى عشرة رواية.
ومجموع شيوخها هنا "27" شيخًا.
وغالبًا ما تعقب على الحديث بذكر من أخرجه من الصحيحين، أو تبين درجته وعلو إسناده.
والمخطوط الذي اعتمدت عليه في تحقيق الكتاب هو في مكتبة كوبريلي
--------------------------------------------
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মানিত সুন্নাহ নতুন প্রজন্ম ও উত্তরসূরিদের জন্য, আর এই বিষয়ে তাদের (নারীদের) প্রভাব অত্যন্ত ব্যাপক।
গ্রন্থ পরিচিতি:
আমরা যেমনটি বলেছি, এই গ্রন্থটি হলো তার মাশায়িখদের (শিক্ষকদের) তালিকা সংবলিত। এটি তার জীবদ্দশাতেই তার ছাত্র হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইবন মাহমুদ ইবনুল মুবারক ইবনুল আখদার সংকলন করেছেন। তিনি ছিলেন অধিক বর্ণনাকারী, নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত। তার বর্ণনার পরিধি ছিল বিশাল এবং মূল উৎসগুলো ছিল নির্ভুল। ইবনে নুকতাহ এ বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন এবং তারপর বলেছেন: "তার কাছ থেকে আমরা শিখেছি ও উপকৃত হয়েছি এবং তার মতো আর কাউকে দেখিনি"১।
তার জন্ম ছিল ৫২৪ হিজরি সনে এবং তিনি ৬১১ হিজরি সনের ৬ই শাওয়াল মৃত্যুবরণ করেন।
এই সংকলনটি শাহদাহ-র জীবদ্দশাতেই সম্পন্ন হয়েছিল, যার প্রমাণ হলো যে কিতাবটি তার কাছে পাঠ করে শোনা হয়েছে এবং ইবনুল আখদার ছাড়াও অন্যরাও এটি বর্ণনা করেছেন—যেমনটি সনদ থেকে স্পষ্ট হয়। শিরোনামের পৃষ্ঠা থেকেও জানা যায়: এটি শামসুদ্দিন আলি ইবন আব্দির রশিদ ইবন আলি ইবন বুনিমান (৫৪৮-৬২৪) এর বর্ণনা, তিনি তার জীবদ্দশাতেই এটি তার কাছে পাঠ করেছিলেন, যা এই মাশয়াখাহর শেষে শ্রবণ সংক্রান্ত টিকা থেকে স্পষ্ট হয়।
এই মাশয়াখাহ বা শিক্ষক-তালিকায় ১১৪টি বর্ণনা রয়েছে, যার অধিকাংশই মারফূ হাদিস এবং সামান্য কিছু সাহাবায়ে কেরাম, কিছু তাবেয়ি অথবা তাবে-তাবেয়িদের ওপর মাউকুফ (তাদের কথা বা কাজ হিসেবে বর্ণিত)।
তিনি তার প্রত্যেক শিক্ষকের সূত্রে বিভিন্ন বর্ণনা উপস্থাপন করেছেন, যার সংখ্যা এক শিক্ষক থেকে অন্য শিক্ষকের ক্ষেত্রে কম-বেশি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বর্ণনা এসেছে তিরাদ আজ-জায়নাবীর সূত্রে, যাকে দিয়ে তিনি শুরু করেছেন; তার থেকে বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা ১১টি।
এখানে তার মোট শিক্ষকের সংখ্যা ২৭ জন।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি হাদিসের শেষে বুখারি ও মুসলিমের মধ্যে কে তা বর্ণনা করেছেন তা উল্লেখ করেছেন, অথবা হাদিসের মান ও সনদের উচ্চ মর্যাদা (উলুউ) বর্ণনা করেছেন।
কিতাবটির তাহকিকের (সম্পাদনা) ক্ষেত্রে আমি যে পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, তা কোপরুলু লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
بتركيا، ويتكون من "36" لوحة ومسطرته "17" سطرًا، وفي كل سطر ثنتا عشرة كلمة تقريبًا، وهو بخط النسخ.
وفي الصفحة الأولى من المخطوط بعد العنوان ما يبين أن هذه النسخة هي ملك لأبي محمد عبد الرحيم بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الزجاج المقري عفيف الدين1، وكانت قراءته لها على أبي مظفر النهراوني بحضور جماعة في يوم الأحد ثالث عشر من جمادى الآخرة من سنة سبع وأربعين وستمائة بمسجد الشيخ بالمأمونية.
هذا يوضح أن هذه النسخة كُتبت في حياة هذا الشيخ أو قبله، وهو عاش ما بين "612-685"، ولا يستبعد أنها كتبت في حياة شهدة نفسها. والله أعلم.
وفي هذا المخطوط ما يدل على صحة نسبته إلى شهدة، فقد روت شهدة معظم نسخة جعفر بن نسطور الرومي في هذه المشيخة "أرقام 96-101". وقال ابن حجر في الإصابة عندما تكلم عن هذه النسخة: "وسمعت من حديثه أيضًا -أي: حديث جعفر بن نسطور- في آخر مشيخة شهدة بنت الإبري" "الإصابة 1/ 551". وكذلك ذكرها في لسان الميزان، وساق حديث جعفر الذي يرويه منها.
وقد ذكر الشيخ عبد الحي الكتاني هذا الكتاب وسنده إليه، فقال: "مشيخة شهدة الكاتبة: هي ست الكتبة بنت أحمد، تخريج أبي محمد بن الأخضر، به -أي: بسنده الذي ذكره في أول كتاب فهرس الفهارس- إلى السيوطي، عن البُلْقِيني، عن أبي إسحاق التنوخي، عن المزي، عن ست الأهل بنت علوان، عن البهاء عبد الرحمن بن إبراهيم المقدسي، عن شهدة بنت أحمد بن عمر. "ح" وبأسانيدنا إلى الحجار، عن أبي الفضل عبد العزيز بن داود الزاهد عنها "فهرس الفهارس 2/ 655".
أقول: أروي عن الشيخ عبد الحي الكتاني هذا الكتاب وغيره بالإجازة عن
--------------------------------------------
তুরস্কে [রয়েছে], এটি ৩৬টি পাতা (ফলক) নিয়ে গঠিত এবং এর প্রতি পৃষ্ঠায় ১৭টি লাইন রয়েছে। প্রতি লাইনে প্রায় বারোটি করে শব্দ আছে এবং এটি নাসখ লিপিতে লিখিত।
পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠায় শিরোনামের পরে যা উল্লেখ রয়েছে তা থেকে স্পষ্ট হয় যে, এই অনুলিপিটি আবু মুহাম্মদ আবদুর রহিম বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আজ-জাজ্জাজ আল-মুকরি আফিফ উদ্দিনের১ মালিকানাধীন ছিল। তিনি এটি আবু মুজাফফর আন-নাহরাওয়ানির কাছে একদল লোকের উপস্থিতিতে ৬৪৭ হিজরি সালের ১৩ই জুমাদাল আখিরা, রবিবার মামুনিয়ার শাইখ মসজিদে পাঠ করেছিলেন।
এটি স্পষ্ট করে যে, এই অনুলিপিটি এই শাইখের জীবদ্দশায় বা তার আগে লেখা হয়েছে। তিনি ৬১২ থেকে ৬৮৫ হিজরির মধ্যে জীবিত ছিলেন। এটি অসম্ভব নয় যে, অনুলিপিটি খোদ শাহদাহর জীবদ্দশায়ই লেখা হয়েছিল। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
এই পাণ্ডুলিপিতে এমন কিছু রয়েছে যা শাহদাহর প্রতি এর নিসবত বা সম্পৃক্ততার বিশুদ্ধতা প্রমাণ করে। শাহদাহ এই মাশয়াখাহ-তে জাফর বিন নাসতুর আর-রুমির অনুলিপির অধিকাংশ বর্ণনা করেছেন (নম্বর ৯৬-১০১)। ইবনে হাজার আল-ইসাবাহ গ্রন্থে এই অনুলিপি সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন: "আমি তার হাদিস থেকেও শুনেছি—অর্থাৎ জাফর বিন নাসতুরের হাদিস—শাহদাহ বিনত আল-ইবরির মাশয়াখাহ-এর শেষে" (আল-ইসাবাহ ১/৫৫১)। একইভাবে তিনি এটি লিসানুল মিযান গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন এবং জাফরের হাদিসটি সেখান থেকে বর্ণনা করেছেন।
শাইখ আব্দুল হাই আল-কাত্তানি এই কিতাব এবং এর প্রতি তার সনদের কথা উল্লেখ করে বলেছেন: "মাশয়াখাহ শাহদাহ আল-কাতিবাহ: তিনি হলেন সিত্তুল কাতাবাহ বিনত আহমদ, এটি আবু মুহাম্মদ বিন আল-আখদারের তাখরিজকৃত। এর মাধ্যমে—অর্থাৎ তার সেই সনদের মাধ্যমে যা তিনি ফিহরিসুল ফাহারিস কিতাবের শুরুতে উল্লেখ করেছেন—সুয়ুতি পর্যন্ত, তিনি বুলকিনি থেকে, তিনি আবু ইসহাক আত-তানুখি থেকে, তিনি আল-মিযযি থেকে, তিনি সিত্তুল আহল বিনত আলওয়ান থেকে, তিনি আল-বাহা আবদুর রহমান বিন ইবরাহিম আল-মাকদিসি থেকে, তিনি শাহদাহ বিনত আহমদ বিন উমর থেকে। 'হ' (রূপান্তর) এবং আল-হাজ্জারের প্রতি আমাদের সনদের মাধ্যমে, তিনি আবুল ফজল আবদুল আজিজ বিন দাউদ আজ-জাহিদ থেকে, তিনি তার (শাহদাহ) থেকে" (ফিহরিসুল ফাহারিস ২/৬৫৫)।
আমি বলছি: আমি শাইখ আব্দুল হাই আল-কাত্তানি থেকে এই কিতাব এবং অন্যান্য কিতাব ইজাজতের মাধ্যমে বর্ণনা করছি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
شيخي محمد الحافظ بن عبد اللطيف، عنه، وعن غيره عنه. والله الموفق.
عملي في هذا المخطوط:
واتبعتُ في تحقيق هذا المخطوط الخطوات التالية:
1- نسخت المخطوط ورقَّمت رواياته، وقد بلغت "114" رواية كما ذكرت.
2- خرجت هذه الروايات بقدر الطاقة، وقد روعي في هذا التخريج أن يتبين منه ما إذا كان الحديث صحيحًا أو غير صحيح، وبحمد الله تعالى فإن معظم الأحاديث في البخاري ومسلم أو في أحدهما.
3- قد تكون الرواية التي ساقتها شهدة مختصرة، فأجتهد في إثباتها كاملة من كتب التخريج، وأثبت ذلك في الهامش بطبيعة الحال.
4- أُعقِّب بشرح للحديث أو بيان أحكامه بقدر الطاقة تتميمًا لفائدة الكتاب -إن شاء الله تعالى- وذلك من كتب شروح الحديث وغيرها.
هذا وقد ساق الله عز وجل نسخة أخرى لهذه المشيخة؛ ولكنها منقولة عن أصل لا أعرف مصدره وكثيرة الأخطاء وناقصة قليلًا من أولها وكثيرًا من آخرها؛ ولكنها أفادت في التنبيه على بعض ما أبهم في النسخة الأصل، ورمزت لها بـ"ب".
نسأل الله تعالى أن يوفقنا إلى ما فيه رضاه، وأن يغفر زلاتنا، ويقيل عثراتنا، وأن يجعل هذا العمل خالصًا لوجهه الكريم.
وصلى الله تعالى وسلم وبارك على سيدنا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين، والحمد لله رب العالمين.
القاهرة في: 25 من ربيع أول 1414هـ
12 من سبتمبر 1993م
الدكتور رفعت فوزي عبد المطلب
أبو شهبة
আমার শাইখ মুহাম্মাদ আল-হাফিয বিন আব্দুল লতিফ, তাঁর থেকে এবং তাঁর মাধ্যমে অন্যদের থেকে। আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।
এই পাণ্ডুলিপিতে আমার কাজ:
এই পাণ্ডুলিপির সম্পাদনায় আমি নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ অনুসরণ করেছি:
১- আমি পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করেছি এবং এর বর্ণনাগুলোকে ক্রমিক নম্বর প্রদান করেছি; আমি যেমনটি উল্লেখ করেছি যে তা ১১৪টি বর্ণনায় পৌঁছেছে।
২- আমি সাধ্যমতো এই বর্ণনাগুলোর তাখরীজ বা উৎস অনুসন্ধান করেছি। এই তাখরীজের ক্ষেত্রে হাদীসটি সহীহ নাকি সহীহ নয় তা স্পষ্ট করার প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়েছে। আল্লাহ তাআলার প্রশংসায়, অধিকাংশ হাদীস বুখারী ও মুসলিম অথবা এই দুইটির কোনো একটিতে রয়েছে।
৩- শুহদাহ কর্তৃক বর্ণিত বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হয়ে থাকলে আমি তা তাখরীজের কিতাবসমূহ থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এবং স্বাভাবিকভাবেই তা টীকায় উল্লেখ করেছি।
৪- বইটির উপযোগিতা পূর্ণ করার লক্ষ্যে—ইনশাআল্লাহ—আমি সাধ্যমতো হাদীসের ব্যাখ্যা বা এর বিধানসমূহ বর্ণনার মাধ্যমে সংযোজন করেছি, যা হাদীসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ও অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া হয়েছে।
আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এই মাশয়াখার (শাইখদের তালিকা) জন্য অন্য একটি পাণ্ডুলিপি মিলিয়ে দিয়েছেন; তবে সেটি এমন একটি মূল কপি থেকে উদ্ধৃত যার উৎস আমার জানা নেই এবং এতে প্রচুর ভুল রয়েছে। এর শুরুর দিক থেকে সামান্য এবং শেষ দিক থেকে অনেকখানি অপূর্ণতা রয়েছে; তবে মূল পাণ্ডুলিপির কিছু অস্পষ্ট বিষয় চিহ্নিত করতে এটি সাহায্য করেছে এবং আমি একে "ব" সংকেত দ্বারা চিহ্নিত করেছি।
আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের তাঁর সন্তুষ্টির পথে চলার তাওফীক দান করেন, আমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা করেন, আমাদের পদস্খলন মার্জনা করেন এবং এই কাজকে একমাত্র তাঁর মহান সত্তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত করেন।
আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর দরুদ, সালাম ও বরকত বর্ষিত হোক। আর সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
কায়রো: ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪১৪ হিজরি
১২ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ
ডক্টর রিফাত ফাওজি আব্দুল মুত্তালিব
আবু শুহবাহ
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
المخطوطات:
পাণ্ডুলিপিসমূহ:
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
بسم الله الرحمن الرحيم
[1] أخبرنا القاضي الإمام العالم أَقْضَى الْقُضَاةِ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّشِيدِ بن علي بُنَيْمَان1 بِالْمَوْصِلِ، قَدِمَ عَلَيْنَا رَسُولا فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ بَعْدَ الصَّلاةِ سَلْخَ شهر الله رجب من سنة ستمائة، قراءة عليه هو يَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَتْكُمْ شُهدة بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ الإِبَرِيُّ.
[الشيخ الأول] :قَالَتْ: أنا الشَّرِيفُ أَبُو الْفَوَارِسِ طَرَّادُ بْنُ مُحَمَّدِ بن علي الزَّيْنَبي2 بقراءة
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
[১] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক ইমাম আলিম, প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দিন আবুল হাসান আলী ইবনে আব্দুর রশিদ ইবনে আলী বুনাইমান ১ মসুলে, তিনি আমাদের কাছে দূত হিসেবে এসেছিলেন ছয়শ হিজরি সনের আল্লাহর মাস রজবের শেষ শুক্রবারে জুমার সালাতের পর। তার উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা শ্রবণ করেছেন। তাকে বলা হয়েছে: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন শুহদাহ বিনতে আহমাদ ইবনুল ফারাজ আল-ইবারি।
[প্রথম শাইখ] :তিনি বললেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শরীফ আবুল ফাওয়ারিস ত্বরাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আজ-জায়নাবি ২ পাঠ করার মাধ্যমে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
الْبَلْخِيِّ، وَأَجَازَ لِي فِي سَنَةِ تسعين وأربعمائة، وَأَنَا أَسْمَعُ، أنا الشَّرِيفُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ بْنِ عِيسَى بْنِ مُوسَى بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قِرَاءَةً فِي شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ سنة إحدى عشرة وأربعمائة، ثنا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الدَّقَّاقُ إِمْلاءً، نا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَنْصُورٍ الْحَارِثِيُّ، سَنَةَ إِحْدَى وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، ثنا الأَعْمَشُ، نا زَيْدُ1 بْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه سلم- وهو الصادق المصدوق2:
--------------------------------------------
আল-বালখী, এবং তিনি চারশ নব্বই হিজরি সনে আমাকে ইজাজত দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শরীফ আবু আল-হাসান আলী বিন আবদুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন দাউদ বিন ঈসা বিন মুসা বিন আলী বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব, চারশ এগারো হিজরি সনের রমজান মাসে পাঠের মাধ্যমে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ আদ-দাক্কাক শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আব্দুর রহমান বিন মানসুর আল-হারিসী, দুইশ একাত্তর হিজরি সনে। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জায়েদ বিন ওয়াহাব, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল—তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন সত্যবাদী ও সত্যপ্রত্যায়িত:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
"إِنَّ أَحَدَكُمْ يُجمع خلقُه فِي بَطْنِ أُمِّهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا -أَوْ قَالَ: أَرْبَعِينَ لَيْلَةً- ثُمَّ يَكُونُ عَلَقَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يَكُونُ مُضْغَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يُرسِل اللَّهُ عز وجل الملَك، فَيُؤْمَرُ بِأَرْبَعِ كَلِمَاتٍ".
قَالَ: "فَيُكْتَبُ رِزْقُهُ، وَأَجَلُهُ، وَعَمَلُهُ، وَشَقِيٌّ أَوْ سَعِيدٌ، ثُمَّ يُنْفَخُ فِيهِ الرُّوحُ، فَوَالَّذِي لا إِلَهَ غَيْرُهُ إِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ الْجَنَّةِ، حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلا ذِرَاعٌ، فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ، فيُختم لَهُ بِعَمَلِ النَّارِ، فَيَكُونُ مِنْ أَهْلِ النَّارِ، وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ النَّارِ، حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إِلا ذِرَاعٌ، فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ، فيُختم لَهُ بِعَمَلِ الْجَنَّةِ، فيكون من أهلها"1.
--------------------------------------------
"নিশ্চয়ই তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন -অথবা তিনি বলেছেন: চল্লিশ রাত- একত্রিত করা হয়, তারপর অনুরূপ সময় ধরে তা রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়, এরপর অনুরূপ সময় ধরে তা মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়, এরপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা একজন ফেরেশতা পাঠান এবং তাকে চারটি বিষয় লিখে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।"
তিনি বললেন: "অতঃপর তার রিযিক, তার আয়ুষ্কাল, তার আমল এবং সে কি দুর্ভাগা না সৌভাগ্যবান - তা লিখে দেওয়া হয়। এরপর তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয়। সুতরাং সেই সত্তার কসম, যিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই, নিশ্চয়ই তোমাদের কেউ জান্নাতবাসীদের আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, তখন তার ওপর তাকদীরের লিখন প্রবল হয়ে যায় এবং সে জাহান্নামীদের আমল করে বসে, ফলে সে জাহান্নামী হয়। আর তোমাদের কেউ জাহান্নামীদের আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, তখন তার ওপর তাকদীরের লিখন প্রবল হয়ে যায় এবং সে জান্নাতবাসীদের আমল করে বসে, ফলে সে জান্নাতী হয়"১।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ الأَعْمَشِ عَنْ زَيْدٍ أَبِي سُلَيْمَانَ الجهني.
--------------------------------------------
বুখারি ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আ’মাশ থেকে, তিনি যায়িদ আবু সুলায়মান আল-জুহানি থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣١)
[2] أَخْبَرَنَا طِرَاد، نا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَان السُّكَّرِي المُعَدِّل، أنا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّار قِرَاءَةً في سنة ست وثلاثين وثلاثمائة، أنا أحمد بن منصور، ونا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ هَمَّامٍ، ثنا مَعْمَرٌ، عَنْ هِشَامِ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إني بَنِي أَبِي سَلَمَةَ فِي حَجْرِي1، ليس لَهُمْ شَيْءٌ إِلا مَا أَنْفَقْتُ عَلَيْهِمْ، وَلَسْتُ بِتَارِكَتِهِمْ، أَفَلِي أَجْرٌ إِنْ أَنْفَقْتُ عَلَيْهِمْ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "أَنْفِقِي عَلَيْهِمْ؛ فَإِنَّ لَكِ أَجْرَ مَا أَنْفَقْتِ عَلَيْهِمْ".
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهَوَيْهِ، وَعَنْ عَبْدِ الرزاق.
--------------------------------------------
[২] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিরাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন বিশরান আস-সুক্কারি আল-মুয়াদ্দিল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাফ্ফার ৩৩৬ হিজরিতে পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মনসুর, এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক বিন হাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি যায়নাব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি উম্মু সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছিলেন: হে আল্লাহর রাসুল, আবু সালামাহর সন্তানরা আমার কোলে রয়েছে, আমি তাদের জন্য যা ব্যয় করি তা ছাড়া তাদের কাছে আর কিছুই নেই, এবং আমি তাদের ছেড়ে চলেও যেতে পারি না। আমি যদি তাদের জন্য ব্যয় করি, তবে কি আমি প্রতিদান পাব? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "তুমি তাদের জন্য ব্যয় করো; কারণ তুমি তাদের জন্য যা ব্যয় করবে তার প্রতিদান তুমি পাবে।"
ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক বিন রাহওয়াইহ এবং আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
[3] أَخْبَرَنَا طَرَّادُ، نا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ1 قَالَ: أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَرْبٍ، نا عَلِيُّ بن حرب، نا سفيان ابن عُيَيْنَةَ2، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بن جبير بن مُعْطِم، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "إِنِّي أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَنَا أَحْمَدُ، وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يُمحى بِي الكفر، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي أَحْشُرُ النَّاسَ، وأنا العاقب 3 الذي ليس بعده نَبِيٌّ".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ.
[4] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رزق البزاز4 في شهر
--------------------------------------------
[৩] তাররাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিজকুওয়াইহ ১ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ ২ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতয়িম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি মুহাম্মদ, আমি আহমদ, আমি আল-মাহীর (বিদূরণকারী), যার মাধ্যমে আল্লাহ কুফরকে বিদূরিত করেন, আমি আল-হাশির (একত্রকারী), যার পদতলে মানুষকে সমবেত করা হবে, এবং আমি আল-আকিব ৩ (সর্বশেষ আগমনকারী), যার পরে আর কোনো নবী নেই।"
এটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম যুহরীর হাদীস থেকে, মুহাম্মদ থেকে, তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
[৪] তাররাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রিজক আল-বাযযার ৪ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন... মাসে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
رمضان سنة إحدى عشرة وأربعمائة، نا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ، سنة تسع وثلاثين وثلاثمائة، نا جَدِّي عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ، نا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "إِنَّ بِلالا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى تَسْمَعُوا آذَانَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ.
[5] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ، أنا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ بن
--------------------------------------------
চারশত এগারো হিজরীর রমজান মাস। আমাদের জানিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া তিনশত উনচল্লিশ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে, আমাদের বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আলী ইবনে হারব, আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই বিলাল রাতে আযান দেয়, তাই তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না ইবনে উম্মে মাকতূমের আযান শুনতে পাও।"
ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম এটি যুহরীর হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন।
[৫] আমাদের জানিয়েছেন তাররাদ, আমাদের জানিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে সা’দান ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَاهَوَيْهِ بْنِ مِهْيَارِ بْنِ الْمَرْزُبَانِ الكَسْكَرِي1، قِرَاءَةً، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ قِرَاءَةً، فِي رَجَبٍ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وثلاثين وثلاثمائة، ثنا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ يَوْمَ الاثْنَيْنِ لَسِتٍّ خَلَوْنَ مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ تِسْعٍ وَأَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ رَجُلا أَتَى الْمَسْجِدَ، وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "أَصَلَّيْتَ يَا فُلانُ؟ " قَالَ: لا، قال: "قم فَارْكَعْ".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ حَمَّادٍ وَغَيْرِهِ عَنْ عَمْرٍو.
--------------------------------------------
আবদুর রহমান বিন মাহাওয়াইহ বিন মিহইয়ার বিন আল-মারযুবান আল-কাসকারি, পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান, পাঠ করার মাধ্যমে, ৩৩২ হিজরীর রজব মাসে, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল আশআস আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি, ২৪৯ হিজরীর শাওয়াল মাসের ছয় দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সোমবার দিনে, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়িদ, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমার দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: "হে অমুক, তুমি কি সালাত আদায় করেছ?" সে বলল: না। তিনি বললেন: "দাঁড়াও এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করো।"
ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম হাম্মাদ ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত আমরের হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
[6] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ، أنا هِلالٌ، أنا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، ثنا أَبُو دَاوُدَ، ثنا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ صَالِحٍ أَبِي الْخَلِيلِ، عَنْ عَبْدِ الله بن الحارث،
--------------------------------------------
[৬] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাররাদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিলাল, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুসলিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি সালিহ আবু আল-খালিল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "وَالبَّيِّعَانِ بِالْخِيَارِ مَا لَمْ يَتَفَرَّقَا، فَإِنْ صَدَقَا وبيَّنا بُورك لَهُمَا فِي بَيْعِهِمَا، وَإِنْ كَتَمَا مُحق بَرَكَةُ بَيْعِهِمَا".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ مِنْ حَدِيثِ هَمَّامٍ وَغَيْرِهِ عَنْ قَتَادَةَ.
[7] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ، أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عُمَرَ بْنِ بَرْهَان الغزَّال1 الشَّيْخُ الصَّالِحُ، ثنا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ إِمْلاءً، نا أَبُو قِلابَةَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّقَاشِيُّ، ثنا أَزْهَرُ بْنُ سَعْدٍ السَّمَّانُ، ثنا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبِيدَة، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "خَيْرُ النَّاسِ قَرْنِي 2، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ، ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ" 3.
وَلا أَدْرِي أَذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ قَرْنِهِ قَرْنَيْنِ أَوْ ثَلاثَةً.
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَوْنٍ وَغَيْرِهِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ.
[8] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ، ثنا أَبُو الْفَرَجِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْحَسَنِ بن
--------------------------------------------
হাকিম ইবনে হিজাম (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ক্রেতা ও বিক্রেতা যতক্ষণ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন না হয়, ততক্ষণ তাদের (চুক্তি বহাল রাখা বা বাতিলের) ইখতিয়ার থাকে। যদি তারা সত্য কথা বলে এবং (পণ্যের ত্রুটি-বিচ্যুতি) স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে, তবে তাদের কেনা-বেচায় বরকত দেওয়া হয়। আর যদি তারা সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা বলে, তবে তাদের কেনা-বেচার বরকত মিটিয়ে দেওয়া হয়।"
ইমাম বুখারী এটি কাতাদাহ থেকে হাম্মাম ও অন্যদের বর্ণিত হাদীস থেকে সংকলন করেছেন।
[৭] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাররাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উমর ইবনে বারহান আল-গাজ্জাল (১), যিনি একজন সৎ শাইখ ছিলেন। তিনি বলেন: আমাদের কাছে শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন আবু আমর উসমান ইবনে আহমাদ আদ-দাক্কাক। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু কিলাবাহ আব্দুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আর-রাকাশি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আযহার ইবনে সা’দ আস-সাম্মান। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনু আউন, ইবরাহীম থেকে, তিনি উবাইদাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম হলো আমার যুগের মানুষ (২), তারপর যারা তাদের পরবর্তী, তারপর যারা তাদের পরবর্তী (৩)।"
আর আমি জানি না যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর যুগের পরে দুই যুগ নাকি তিন যুগের কথা উল্লেখ করেছেন।
ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি ইবনু আউন ও অন্যদের বর্ণিত ইবরাহীম থেকে হাদীস হিসেবে সংকলন করেছেন।
[৮] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাররাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল ফারাজ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাসান ইবনে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
الْمُسْلِمَة الْمُعَدِّل1 قِرَاءَةً فِي سَنَةِ اثنتي عشرة وأربعمائة، ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يوسف بن خَلادٌ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ، ثنا عَفَّانُ، ثنا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ أَنَّ عَوْنًا وَسَعِيدَ بْنَ أَبِي بُرْدة حدثاه أَنَّهُمَا شَهِدَا أَبَا بُرْدَةَ يُحَدِّثُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "لا يَمُوتُ رَجُلٌ مُسْلِمٌ إِلا أَدْخَلَ اللَّهُ تبارك وتعالى مَكَانَهُ النَّارَ يَهُودِيًّا أَوْ نَصْرَانِيًّا".
قَالَ: فَاسْتَحْلَفَهُ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ2 بِاللَّهِ الَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ عَنْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: فَحَلَفَ لَهُ. فَلَمْ يُحَدِّثْنِي سَعِيدٌ أَنَّهُ اسْتَحْلَفَهُ، وَلَمْ ينكر على عون قوله.
--------------------------------------------
আল-মুসলিমা আল-মুয়াদদিল চারশত বারো হিজরিতে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-হারিস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি উসামা আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আফফান আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাম্মাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, কাতাদা থেকে বর্ণিত যে, আউন এবং সাঈদ ইবনে আবি বুরদাহ তাকে বর্ণনা করেছেন যে, তারা উভয়ে আবু বুরদাহকে উমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে তার পিতার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতে দেখেছেন যে, তিনি বলেছেন: "কোনো মুসলিম ব্যক্তি মারা গেলে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তার পরিবর্তে জাহান্নামে একজন ইহুদি বা নাসারাকে প্রবেশ করান।"
তিনি বলেন: তখন উমর ইবনে আব্দুল আজিজ তাকে সেই আল্লাহর নামে তিনবার শপথ করালেন যার কোনো ইলাহ নেই, যেন তার পিতা তাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন: তখন তিনি তার কাছে শপথ করলেন। সাঈদ আমাকে বর্ণনা করেননি যে তিনি তাকে শপথ করিয়েছেন, তবে তিনি আউনের বর্ণনার প্রতিবাদ করেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَفَّانَ، وَمِنْ طَرِيقٍ آخَرَ عَنْ هَمَّامٍ.
[9] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السُّكَّرِيُّ قِرَاءَةً، أنا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصفَّار، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الرَّمَادي، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثنا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَعْطَى رِجَالا، وَلَمْ يعطِ رِجَالا، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَعْطَيْتَ فُلانًا، وَتَرَكْتَ فُلانًا، فَلَمْ تُعْطِهِ، وَهُوَ مُؤْمِنٌ، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: "أَوَ مُسْلِمٌ؟ ". فَأَعَدْتُهَا ثَلاثًا، وَهُوَ يَقُولُ: "أَوَ مُسْلِمٌ؟ ". قَالَ: "إِنِّي لأُعْطِي رجالًا وأدع من أهو أَحَبُّ إليَّ مِنْهُمْ 1 مَخَافَةَ أَنْ يُكَبُّوا فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ"، أو قال: "على مناخرهم" 2.
--------------------------------------------
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন, আবু বকর থেকে, তিনি আফফান থেকে; এবং অন্য সূত্রে হাম্মাম থেকে।
[৯] তাররাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল জব্বার আস-সুকারি আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আলী ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আহমাদ ইবনে মানসুর আর-রামানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যুহরি থেকে, তিনি আমির ইবনে সাদ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু লোককে দান করলেন এবং কিছু লোককে দান করলেন না। তখন আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসুল! আপনি অমুককে দিলেন, কিন্তু অমুককে বাদ দিলেন এবং তাকে কিছুই দিলেন না, অথচ সে একজন মুমিন।" তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "নাকি মুসলিম?" আমি কথাটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করলাম এবং তিনি প্রতিবারই বলছিলেন: "নাকি মুসলিম?" এরপর তিনি বললেন: "আমি কোনো কোনো লোককে দান করি অথচ অন্যদের ছেড়ে দেই যারা আমার কাছে তাদের চেয়েও বেশি প্রিয়। এটি এই ভয়ে যে, পাছে তারা তাদের চেহারার ওপর আগুনের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হয়," অথবা তিনি বলেছিলেন: "তাদের নাসারন্ধ্রের ওপর।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
الشَّيْخُ الصَّالِحُ قِرَاءَةً، أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ البَخْتَرِي الرَّزَّاز1 إِمْلاءً....
"ح" وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْبُنْدَارُ قِرَاءَةً فِي سَنَةِ اثْنَتَيْنِ وتسعين وأربعمائة، أَنْبَأَ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السُّكَّرِيُّ2 قِرَاءَةً فِي رَبِيعِ الأَوَّلِ سنة اثنتي عشرة وأربعمائة قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ صَالِحٍ الصفَّار فِي الْمُحَرَّمِ سنة إحدى وأربعين وثلاثمائة قَالا: ثنا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْبَزَّازُ.
"ح" وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَيُّوبَ قراءة في سنة تسعين وأربعمائة، أَنْبَأَ أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ المؤدِّب بِقِرَاءَةِ ابْنِ النَّحْوِيِّ فِي سَنَةَ ثمان وعشرين وأربعمائة، أنبا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن الحسن بن إسحاق الصواف قراءة في منزله، ثنا أَبُو عَلِيٍّ بِشْرُ بْنُ مُوسَى بْنِ صَالِحِ بْنِ شَيْخِ بْنِ عُمَيْرَةَ3، ثنا الْحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ
--------------------------------------------
সৎ শাইখ পাঠের মাধ্যমে (শুনেছেন), আমাকে আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আমর বিন বাখতারি আর-রাজজাজ ১ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে (পড়িয়েছেন)....
"হ" এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবিল কাসিম আলি বিন আহমাদ আল-বুন্দার চারশত বিরানব্বই হিজরি সালে পাঠের মাধ্যমে, সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল জব্বার আস-সুক্কারি ২ চারশত বারো হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন সালেহ আস-সাফফার-এর নিকট তিনশত একচল্লিশ হিজরি সালের মহররম মাসে পাঠ করা হয়েছিল। তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান বিন নাসর বিন মানসুর আল-বাজজাজ।
"হ" এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল হাসান আলি বিন আল-হুসাইন বিন আলি বিন আইয়ুব চারশত নব্বই হিজরি সালে পাঠের মাধ্যমে, সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-মুয়াদ্দিব ইবনুন নাহভির পাঠের মাধ্যমে চারশত আটাশ হিজরি সালে, সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন ইসহাক আস-সাওয়াফ তাঁর নিজ বাসভবনে পাঠের মাধ্যমে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলি বিশর বিন মুসা বিন সালেহ বিন শাইখ বিন উমাইরা ৩, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি আবদুল্লাহ বিন আজ-জুবাইর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, ... হতে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
الشَّيْخُ الصَّالِحُ قِرَاءَةً، أنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ البَخْتَرِي الرَّزَّاز1 إِمْلاءً....
"ح" وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْبُنْدَارُ قِرَاءَةً فِي سَنَةِ اثْنَتَيْنِ وتسعين وأربعمائة، أَنْبَأَ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ السُّكَّرِيُّ2 قِرَاءَةً فِي رَبِيعِ الأَوَّلِ سنة اثنتي عشرة وأربعمائة قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ صَالِحٍ الصفَّار فِي الْمُحَرَّمِ سنة إحدى وأربعين وثلاثمائة قَالا: ثنا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ الْبَزَّازُ.
"ح" وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَيُّوبَ قراءة في سنة تسعين وأربعمائة، أَنْبَأَ أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ المؤدِّب بِقِرَاءَةِ ابْنِ النَّحْوِيِّ فِي سَنَةَ ثمان وعشرين وأربعمائة، أنبا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بن الحسن بن إسحاق الصواف قراءة في منزله، ثنا أَبُو عَلِيٍّ بِشْرُ بْنُ مُوسَى بْنِ صَالِحِ بْنِ شَيْخِ بْنِ عُمَيْرَةَ3، ثنا الْحُمَيْدِيُّ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ
--------------------------------------------
নেককার শায়খ পাঠের মাধ্যমে আমাদের শুনিয়েছেন, আমার কাছে আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আল-বাখতারি আর-রাজজাজ
১ তা শ্রুতিলিখনের (ইমলা) মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন....
(বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আবিল কাসিম আলি ইবনে আহমাদ আল-বুন্দার চারশত বিরানব্বই হিজরি সনে পাঠের মাধ্যমে; আমাদের জানিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল জব্বার আস-সুক্কারি
২ চারশত বারো হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবু আলি ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে সালিহ আস-সাফফারের নিকট তিনশত একচল্লিশ হিজরি সনের মহররম মাসে পাঠ করা হয়েছিল। তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মনসুর আল-বাজজাজ।
(বর্ণনাসূত্র পরিবর্তন) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হাসান আলি ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলি ইবনে আইয়ুব চারশত নব্বই হিজরি সনে পাঠের মাধ্যমে; আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহের আব্দুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মুয়াদ্দিব ইবনুন নাহভির পাঠের মাধ্যমে চারশত আটাশ হিজরি সনে; আমাদের জানিয়েছেন আবু আলি মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে ইসহাক আস-সাওয়াফ তাঁর বাড়িতে পাঠের মাধ্যমে; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আলি বিশর ইবনে মুসা ইবনে সালিহ ইবনে শায়খ ইবনে উমাইরা
৩; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদি আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়ের; আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٤١)
الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبِ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّهَا أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زينب زوج النبي قالت: اسْتَيْقَظَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنْ نَوْمٍ مُحْمَرٌّ وَجْهُهُ وهو يقول: "لا إلله إِلا اللَّهُ" ثَلاثَ مَرَّاتٍ "وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ 1، فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ 2 مِثْلَ هَذِهِ"، وَحَلَّقَ حَلَقَةً3. قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَنَهْلَكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟ 4 قَالَ: "نَعَمْ، إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ" 5.
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ وَهُوَ مِنْ عزيز المُدَبَّج6 ومحاسنه، وأربع صَحَابِيَّاتٍ: رَبِيبَتَانِ وَزَوْجَتَانِ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَرْوِي بَعْضُهُنَّ عَنْ بَعْضٍ7.
[11] أَخْبَرَنَا طَرَّادٌ بِانْتِقَاءِ الشَّيْخِ أَبِي عَلِيٍّ الْبَرَدَانِيُّ رحمهم الله، أنا
--------------------------------------------
যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নাব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি হাবীবা থেকে, তিনি তাঁর মা উম্মু হাবীবা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী যয়নাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুম থেকে লাল বর্ণ মুখমণ্ডল নিয়ে জাগ্রত হলেন এবং তিনি তিনবার বলছিলেন: "আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আরবের জন্য ধ্বংস সেই অমঙ্গল থেকে যা নিকটবর্তী হয়েছে, আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গেছে," এবং তিনি (আঙুল দিয়ে) একটি বৃত্ত তৈরি করলেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মাঝে নেককার লোকজন থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে।"
এটি বুখারী ও মুসলিম যুহরীর হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি বিরল 'মুদাব্বাজ' (সহকর্মীদের পরস্পরের থেকে বর্ণনা) ও এর সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। এতে চারজন নারী সাহাবী রয়েছেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দুইজন লালিত কন্যা এবং দুইজন স্ত্রী, যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।
[১১] শায়খ আবু আলী আল-বারদানী (রহিমাহুমুল্লাহ)-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে তাররাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ يَعْقُوبَ الْقَطَّانُ "ح".
وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أحمد بن محمد بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ النَّعَّالي بقراء إِسْمَاعِيلَ السَّمَرْقَنْدِيُّ فِي جُمَادَى الآخِرَةِ سنة تسعين وأربعمائة، أنا الشَّيْخَانِ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ رِزْقَوَيْهِ، وَأَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ.
"ح" وَأَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ خُشَيْش قِرَاءَةً، وَأَنْبَأَ أَبُو الْحَسَنِ1 مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَخْلَدٍ؛ أَرْبَعَتُهُمْ قَالُوا: أَنْبَأَ أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصفَّار2 قَالَ ابْنُ الْفَضْلِ: فِي مَنْزِلِهِ قَطِيعَةَ بَنِي خُزَيْمَةَ سنة أربعين وثلاثمائة مِنْ آخِرِهَا، نا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ الْعَبْدِيُّ3 أَبُو عَلِيٍّ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ فِي ذِي الْحِجَّةِ سَنَةَ خَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ الله بن الْبَجَلِيِّ قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَطَلَعَ الْقَمَرُ لَيْلَةَ الْبَدْرِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "أَمَا إِنَّكُمْ تَرَوْنَ رَبَّكُمْ عز وجل كَمَا تَرَوْنَ هَذَا الْقَمَرَ، لا تُضَامُون 4 فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنْ قَدرتُم أَلا تُغْلَبوا 5 عَنْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ.
--------------------------------------------
আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল বিন ইয়াকুব আল-কাত্তান।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন তালহা আল-নাআলি, যা ইসমাঈল আস-সামারকান্দি চারশ নব্বই হিজরির জুমাদাল আখিরাহ মাসে পাঠ করেছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন রিজকওয়াইহ এবং আবু আল-হুসাইন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান।
এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারিম বিন খুশাইশ পাঠের মাধ্যমে, এবং সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাখলাদ; তারা চারজনই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার। ইবনুল ফাদল বলেন: তিনশ চল্লিশ হিজরির শেষভাগে বনু খুজাইমার কাতিআতে তার নিজ বাড়িতে; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান বিন আরাফাহ আল-আবদি, দুইশ পঞ্চাশ হিজরির যিলহজ মাসের মঙ্গলবার; আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, ইসমাঈল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি কাইস বিন আবি হাযিম থেকে, তিনি জারির বিন আব্দুল্লাহ আল-বাজালি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বসা ছিলাম, তখন পূর্ণিমার রাতে চাঁদ উদিত হলো। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "জেনে রেখো, তোমরা তোমাদের মহান রবকে দেখতে পাবে যেমনটি তোমরা এই চাঁদকে দেখছো। তাঁকে দেখার ক্ষেত্রে তোমরা কোনো ভিড় বা কষ্টের সম্মুখীন হবে না। সুতরাং তোমরা যদি সক্ষম হও যে ফজরের পূর্বের দুই রাকাত নামাজের ক্ষেত্রে পরাজিত হবে না (অর্থাৎ তা আদায় করতে সক্ষম হও), তবে তা করো।"
ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম ইসমাঈলের হাদীস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উমদাতু মিনাল ফাওয়াইদি ওয়াল আছারিস সিহাহ ফী মাশয়াখাতি শাহদাহ
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
[الشيخ الثاني] :[12] أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الأَنْصَارِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ من سنة تسع وتسعين وأربعمائة، أَنْبَأَ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، قِرَاءَةً، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَاتِي2 فِي مَنْزِلِهِ برَبَضِ حُمَيْدٍ سَنَةَ أربع وأربعين وثلثمائة يَوْمَ الاثْنَيْنِ لأَرْبَعَ عَشْرَةَ لَيْلَةً بَقِيَتْ مِنْ رَجَبٍ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَبْسِيُّ3، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "يُدعى نُوحٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيُقَالُ لَهُ: هَلْ بَلَّغَتْ؟ فَيَقُولُ: نَعَمْ، فيُدعى قَوْمُهُ، فَيُقَالُ لَهُمْ: هَلْ بلَّغكم؟، فَيَقُولُونَ: مَا أَتَانَا مِنْ نَذِيرٍ، وَمَا أَتَانَا مِنْ أَحَدٍ"، قَالَ: "فَيُقَالُ لِنُوحٍ: مَن يَشْهَدُ لَكَ؟ فَيَقُولُ: مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ"، قَالَ: "فَذَلِكَ قَوْلُهُ: {وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا} "، قال: "والوسط العدل 4 ".
--------------------------------------------
[দ্বিতীয় শায়খ] :[১২] আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আশ-শরিফ আবুল ফজল মুহাম্মাদ ইবন আবদুস সালাম ইবন আহমাদ ইবন উমর আল-আনসারী, ৪৯৯ হিজরী সালের রবিউল আউয়াল মাসে তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আহমাদ ইবন ইবরাহিম ইবন শাযান, পাঠ করার মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আলী ইবন আবদুর রহমান ইবন মাতি, ৩৪৪ হিজরীর রজব মাসের অবশিষ্ট চৌদ্দ রাত থাকতে (অর্থাৎ ১৬ই রজব) সোমবার দিন রাবদে হুমাইদে তাঁর নিজ বাসভবনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবন আবদুল্লাহ আল-আবসী; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকি ইবনুল জাররাহ, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সলিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কিয়ামতের দিন নূহ (আ.)-কে ডাকা হবে। অতঃপর তাঁকে বলা হবে: 'আপনি কি (বার্তা) পৌঁছে দিয়েছেন?' তিনি বলবেন: 'হ্যাঁ'। এরপর তাঁর কওমকে ডাকা হবে এবং তাদেরকে বলা হবে: 'তিনি কি তোমাদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন?' তারা বলবে: 'আমাদের কাছে কোনো সতর্ককারী আসেনি এবং আমাদের কাছে কেউ আসেনি'।" তিনি (রাসূলুল্লাহ) বলেন: "অতঃপর নূহ (আ.)-কে বলা হবে: 'কে আপনার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে?' তিনি বলবেন: 'মুহাম্মাদ ও তাঁর উম্মত'।" তিনি (রাসূলুল্লাহ) বলেন: "আর এটাই হলো মহান আল্লাহর বাণী: {আর এভাবেই আমি তোমাদেরকে এক মধ্যপন্থী উম্মত বানিয়েছি}।" তিনি বলেন: "আর ওয়াসাত (وسط) অর্থ হলো ন্যায়নিষ্ঠ।"
--------------------------------------------