(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: -)
حاشية مقدمة التفسير لابن قاسم القسم: علوم القرآن وأصول التفسير
الكتاب: حاشية مقدمة التفسير (المقدمة والحاشية كلاهما للشيخ ابن قاسم رحمه الله)
المؤلف: عبد الرحمن بن محمد بن قاسم العاصمي القحطاني الحنبلي النجدي (ت 1392هـ)
الناشر: بدون ناشر
الطبعة: الثانية، 1410 هـ - 1990 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 162
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে কাসিম রচিত মুকাদ্দিমাতুত তাফসিরের হাশিয়া বিভাগ: উলূমুল কুরআন ও তাফসিরের মূলনীতি (أصول التفسير)
কিতাব: হাশিয়াতু মুকাদ্দিমাতিত তাফসির (মুকাদ্দিমা এবং হাশিয়া উভয়ই শাইখ ইবনে কাসিম রাহিমাহুল্লাহর)
লেখক: আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাসিম আল-আসিমী আল-কাহতানী আল-হানবালী আন-নাজদী (ওফাত: ১৩৯২ হিজরি)
প্রকাশক: কোনো প্রকাশক নেই
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪১০ হিজরি - ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬২
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩)
بقلم
الفقير إلى الله تعالى
عبد الرحمن بن محمد بن قاسم
الحنبلي النجدي
رحمه الله تعالى
(1312-1392 هـ)
রচনায়
মহান আল্লাহর প্রতি মুখাপেক্ষী
আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম
আল-হাম্বলী আন-নাজদী
আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন
(১৩১২-১৩৯২ হিজরি)
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله الذي أرسل رسوله بالهدى ودين الحق ليظهره على الدين كله ولو كره المشركون، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وسبحان الله رب العرش عما يصفون، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله الصادق المأمون، صَلَّى اللهُ عَليهِ وَعَلى آلِهِ وأَصحابِهِ والتَّابعينَ الذين هم بهديه متمسكون وسلم تسليمًا كثيرًا.
أما بعد: فحيث إن كتاب الله وبيانه أهم ما يهتم به، فهذه حاشية على المقدمة في تفسيره، توضح المقاصد، وتعين مريد معرفة معانيه، كأصل يتوصل بها إلى المراد منه، على ما كان عليه السلف الصالح، الله ولي التوفيق.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর রাসূলকে হিদায়াত এবং সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন যাতে তিনি একে সকল দ্বীনের ওপর বিজয়ী করেন, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই; আরশের রব আল্লাহ পবিত্র, তারা যা বর্ণনা করে তা থেকে তিনি উর্ধ্বে। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর বান্দা এবং সত্যবাদী (الصادق) ও বিশ্বস্ত (المأمون) রাসূল। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীগণ এবং ঐ সমস্ত অনুসারীদের ওপর অগণিত সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক যারা তাঁর হিদায়াতকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরেছেন।
অতঃপর: যেহেতু আল্লাহর কিতাব ও তার বর্ণনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাই এটি তাঁর তাফসীর বিষয়ক মুকাদ্দিমা (المقدمة)-এর ওপর একটি টীকা (حاشية), যা লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহকে স্পষ্ট করে এবং এর অর্থসমূহ জানতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে সাহায্য করে; একটি মূলনীতি (أصل) হিসেবে যার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত অর্থে পৌঁছানো যায়, সেই আদর্শ অনুযায়ী যার ওপর সালাফে সালেহীন (পুণ্যবান পূর্বসূরিগণ) ছিলেন। আল্লাহই তাওফিক দানকারী।
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم (1)
الحمدُ للهِ الذي أنزَلَ الكتابَ تِبياناً لِكُلِّ شيء وهدى للمتقين (2) .
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (১)
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি কিতাব অবতীর্ণ করেছেন সবকিছুর বিশদ বর্ণনাস্বরূপ এবং মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াত হিসেবে (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৮)
وأشهد أن لا إله إلا الله الملك الحق المبين (1) .
--------------------------------------------
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, যিনি রাজাধিরাজ (الملك), পরম সত্য (الحق) এবং সুপ্রকাশিত (المبين) (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৯)
وأَشهدُ أنَّ محمداً عَبدُهُ ورَسولُهُ الصَّادقُ الأَمينُ (1) صَلَّى اللهُ عَليهِ وَعَلى آلِهِ وأَصحابِهِ والتَّابعينَ (2) وسلم تسليمًا كثيرًا (3) .
--------------------------------------------
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল, যিনি সত্যবাদী (الصادق) ও বিশ্বস্ত (الأمين) (১)। আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, তাঁর সাহাবীগণ ও তাবেয়ীগণের ওপর (২), আর বর্ষিত হোক অবারিত শান্তি (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১০)
أَمَّا بَعدُ: فَهذهِ مُقدِّمَةٌ في التَّفسيرِ (1) تُعينُ على فهم القرآن العظيم (2)
--------------------------------------------
অতঃপর (أما بعد): এটি তাফসির (تفسير) বিষয়ে একটি ভূমিকা (مقدمة) (১) যা মহান কুরআন অনুধাবনে সহায়তা করে (২)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১১)
الجديرِ بأنْ تُصرَفَ لَهُ الهِمَمَ ففيهِ الهُدى والنُّورُ (1) ومَن أَخَذَ بِهِ هُدِيَ إِلى صِراطٍ مستقيم (2) .
--------------------------------------------
এটিই সেই বিষয় যার প্রতি একাগ্রতা নিবদ্ধ করা সমীচীন; কারণ এতেই রয়েছে হিদায়াত ও আলো (১) এবং যে ব্যক্তি একে অবলম্বন করবে সে সরল পথের দিশা পাবে (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১৩)
تنزيل القرآن (1)
أَجمَعوا: على أنَّ القُرآنَ كلامُ اللهِ حَقيقَةً منزل غير مخلوق (2) .
--------------------------------------------
কুরআন অবতীর্ণ হওয়া (১)
তাঁরা সকলে ঐক্যমত (أجمعوا) পোষণ করেছেন: যে কুরআন প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর বাণী (كلام الله), এটি অবতীর্ণ (منزل), অসৃষ্ট (غير مخلوق) (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১৪)
سَمِعَهُ جِبريلٌ مِن اللهِ (1) وَسَمِعَهُ مُحمَّدٌ مِن جبريل (2) .
--------------------------------------------
জিবরাঈল (আ.) তা আল্লাহর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন (১) এবং মুহাম্মাদ (সা.) তা জিবরাঈলের নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وسَمِعَهُ الصَّحابَةُ مِن مُحمَّدٍ صلى الله عليه وسلم (1) .
--------------------------------------------
সাহাবায়ে কেরাম এটি মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শ্রবণ করেছেন (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وَهُوَ الذي نَتلُوهُ بِأَلسِنَتِنا (1) وفِيما بَينَ الدَّفتَينِ (2) وما في صدورنا (3) مسموعا ومكتوبا ومحفوظا (4) وكل حرف منه،
--------------------------------------------
এটি তাই যা আমরা আমাদের জিহ্বা দ্বারা তিলাওয়াত করি (১), যা দুই মলাটের (মুসহাফের) অভ্যন্তরে বিদ্যমান (২), যা আমাদের অন্তরে সংরক্ষিত (৩); যা শ্রুত, লিখিত ও হিফজকৃত (৪) এবং এর প্রতিটি অক্ষর...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১৮)
كالباءِ والتَّاءِ، كلامُ اللهِ غيرُ مَخلوقٍ (1) مِنهُ بدأ وإليه يعود (2) .
--------------------------------------------
যেমন 'বা' এবং 'তা'; আল্লাহর বাণী অসৃষ্ট (غير مخلوق) (১), তাঁর থেকেই এর সূচনা এবং তাঁর দিকেই এটি ফিরে যাবে (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ১৯)
وهُو كلامُ اللهِ حُروفُهُ ومَعانيهِ ليسَ الحروفُ دون المعاني، ولا المعاني دون الحروف (1) .
--------------------------------------------
এটি আল্লাহর কালাম, এর অক্ষরসমূহ এবং এর অর্থসমূহ (উভয়ই); শুধু অর্থ ব্যতীত কেবল অক্ষর নয়, আর অক্ষর ব্যতীত কেবল অর্থও নয় (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২০)
وبدعوا من قال: إنه فاض على نفس النبي، مِنَ العَقلِ الفَعَّالِ، أو غَيرِهِ كالفَلاسِفَةِ والصَّابِئِيَّةِ (1) .
--------------------------------------------
এবং তারা সেই ব্যক্তিকে বিদআতী (مبتدع) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন যে বলেছে: এটি (কুরআন) সক্রিয় বুদ্ধি অথবা অন্য কিছু থেকে নবিজির আত্মার ওপর বিচ্ছুরিত হয়েছে, যেমনটি দার্শনিক ও সাবিয়্যাহ সম্প্রদায় বলে থাকে (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২১)
أَوْ أنَّهُ مَخلوقٌ في جِسمٍ مِنَ الأَجسامِ كالمعتزلة والجهمية (1) .
--------------------------------------------
অথবা তা কোনো বস্তুর অভ্যন্তরে সৃষ্ট (مخلوق), যেমন মুতাজিলা এবং জাহমিয়্যাহদের অভিমত (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২২)
أو في جِبريلَ، أو مُحمّدٍ، أو جِسمٍ آخرَ غيرهما، كالكلابية والأشعرية (1) .
--------------------------------------------
أو في جِبريلَ، أو مُحمّدٍ، أو جِسمٍ آخرَ غيرهما، كالكلابية والأشعرية (1) .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২৪)
أَو أنَّهُ حُروفٌ وأَصواتٌ، قَديمةٌ أَزَلِيَّةٌ كَالكَلاميَّةِ (1)
--------------------------------------------
অথবা তা হলো বর্ণ (حروف) ও ধ্বনি (أصوات), যা কালামিয়্যাগণের (الكلامية) ন্যায় অনাদি (قديمة) ও চিরন্তন (أزلية) (১)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২৫)
أَو أنَّهُ حادِثٌ قائِمٌ بِذاتِ اللهِ، مُمتَنِعٌ في الأزل، كالهاشمية والكرامية (1) .
--------------------------------------------
অথবা এটি আল্লাহর সত্তায় উদ্ভূত (حادث) একটি বিষয়, যা অনাদিকাল থেকে বিদ্যমান থাকা অসম্ভব (ممتنع), যেমন হাশেমিয়া ও কাররামিয়াদের মত (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২৬)
ومَن قالَ: لَفظِي بِالقُرآنِ مَخلوقٌ فَجَهمِيٌّ، أَو غير مخلوق فمبتدع (1) .
--------------------------------------------
এবং যে ব্যক্তি বলবে: ‘আমার কুরআনের উচ্চারণ সৃষ্টি (مخلوق)’, সে একজন জাহমি; অথবা ‘সৃষ্টি নয়’, তবে সে একজন নব উদ্ভাবনকারী (مبتدع) (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ২৯)
مواضع نزوله (1) .
أجمعوا على أن القرآن مائة وأربع عشرة سورة (2) .
--------------------------------------------
অবতরণের স্থানসমূহ (১)।
তাঁরা একমত হয়েছেন (أجمعوا) যে, কুরআন একশত চৌদ্দটি সূরা (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩০)
والمشهور: سبع وعشرون مدني (1) وباقيه مكي، واستنثي آيات (2) .
--------------------------------------------
এবং প্রসিদ্ধ (المشهور) মতানুসারে: সাতাশটি মাদানি (مدني) (১) এবং অবশিষ্টগুলো মক্কি (مكي), আর কিছু আয়াত (الآية) এর ব্যতিক্রম (২) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩১)
ومنه: النهاري، والليلي والصيفي والشتائي (1) .
--------------------------------------------
ومنه: দিবাভাগে অবতীর্ণ (النهاري), নৈশকালীন (الليلي), গ্রীষ্মকালীন (الصيفي) এবং শীতকালীন (الشتائي) (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وأَوَّل ما أُنزِلَ: اقْرَأ ثُمَّ الْمُدَّثِّرْ (1) وآخِرُهُ: المائدة وبراءة
--------------------------------------------
সর্বপ্রথম যা অবতীর্ণ হয়েছে তা হলো: ‘ইকরা’ (সূরা আল-আলাক), অতঃপর ‘আল-মুদ্দাসসির’ (১) এবং এর সর্বশেষ হলো: সূরা আল-মায়িদাহ ও বারাআত (আত-তাওবাহ)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
والفتح وآية الكلالة، والربا والدين (1) .
--------------------------------------------
এবং আল-ফাতহ (বিজয়), কালালাহ বিষয়ক আয়াত, রিবা (সুদ) এবং ঋণ (১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
إنزاله (1)
أُنزِلَ القُرآن جُملةً في لَيلَةِ القَدرِ، إلى بيتِ العِزَّةِ، في السَّماءِ الدّنيا (2) وأُنزِلَ مُنَجَّماً بحسب الوقائع (3) .
--------------------------------------------
এর অবতরণ (১)
লাইলাতুল কদরে কুরআনকে একত্রে (جملة) দুনিয়ার আকাশের বাইতুল ইজ্জতে অবতীর্ণ করা হয়েছে (২) এবং ঘটনাক্রম অনুযায়ী তা পর্যায়ক্রমে (منجما) অবতীর্ণ করা হয়েছে (৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
يُلقيهِ جِبريلُ، إلى النَّبي صلى الله عليه وسلم في مثل صلصلة الجرس، وهو أشده عليه (1) .
--------------------------------------------
জিবরাঈল (আ.) এটি নবি (সা.)-এর নিকট ঘণ্টার শব্দের ন্যায় পৌঁছে দিতেন, যা তাঁর জন্য ছিল সবচেয়ে কষ্টকর (১) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
ويأتيه في مثل صورة الرجل يكلمه (1) وثبت أنه أنزل على سبعة أحرف (2) .
--------------------------------------------
এবং তিনি (জিবরীল) তাঁর নিকট পুরুষের আকৃতিতে আসতেন এবং তাঁর সাথে কথা বলতেন (১), এবং এটি প্রমাণিত (ثبت) যে তা (কুরআন) সাতটি হরফে (سبعة أحرف) অবতীর্ণ হয়েছে (২) ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
قيل: المعاني المتفقة بألفاظ مختلفة كهلم وأقبل (1) وكتب في الرقاع وغيرها في عهد النبوة (2) .
--------------------------------------------
বলা হয়েছে: অভিন্ন অর্থ কিন্তু ভিন্ন শব্দ, যেমন ‘হালুম্মা’ (এসো) এবং ‘আকবিল’ (এগিয়ে এসো) (১); এবং নবুয়তের যুগে তা চামড়ার টুকরো ও অন্যান্য জিনিসের ওপর লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল (২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাশিয়াতু মুকাদ্দামাতিত তাফসীর লি ইবনু কাসিম
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
ثُمَّ في الصُّحُفِ، في عَهدِ أَبي بَكرٍ (1) .
--------------------------------------------
এরপর সহীফাসমূহে (সংকলিত হয়েছে), আবু বকর (রা.)-এর যুগে (১) ।
--------------------------------------------