(খণ্ড: ১) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
ذيل تاريخ بغداد - ابن النجار - ط العلمية   (محب الدين ابن النجار)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: ذيل تاريخ بغداد

[التاريخ المجدد لمدينة السلام وأخبار فضائلها الأعلام، ومن وردها من الأعلام]

المؤلف: محب الدين أبو عبد الله محمد بن محمود بن الحسن بن هبة الله بن محاسن، المعروف بابن النجار البغدادي (ت 643 هـ)

تنبيه: [الكتاب يغطي الفترة (463 - 643 هـ) وهو في ثلاثين مجلدا، وصلتنا أجزاء يسيرة منه فقط]

دراسة وتحقيق: مصطفى عبد القادر عطا

مطبوع بذيل: تاريخ بغداد (جـ 16 - 20)

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

عدد الأجزاء: 5 (جـ 16 - 20 من تاريخ بغداد وذيوله ط العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

জায়লু তারিখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ইলমিয়্যাহ সংস্করণ   (মুহিব্বুদ্দিন ইবনুন নাজ্জার)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


বই: জায়লু তারিখি বাগদাদ

[মাদিনাতুস সালাম (বাগদাদ)-এর আধুনিক ইতিহাস, এর বিশিষ্ট গুণাবলির সংবাদ এবং এখানে আগমনকারী বরণীয় ব্যক্তিবর্গের বিবরণ]

লেখক: মুহিব্বুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ বিন হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহাসিন, যিনি ইবনুন নাজ্জার আল-বাগদাদি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৬৪৩ হি.)

সতর্কবার্তা: [বইটি ৪৬৩ থেকে ৬৪৩ হিজরি পর্যন্ত সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং এটি ত্রিশ খণ্ডে রচিত, তবে এর সামান্য কিছু অংশই আমাদের নিকট পৌঁছেছে]

গবেষণা ও সম্পাদনা: মুস্তফা আব্দুল কাদির আতা

যার পরিশিষ্ট হিসেবে মুদ্রিত: তারিখু বাগদাদ (খণ্ড ১৬ - ২০)

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

খণ্ড সংখ্যা: ৫ (তারিখু বাগদাদ ও এর পরিশিষ্টসমূহের ইলমিয়্যাহ সংস্করণের ১৬ - ২০ খণ্ড)

[বইটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١)
- أ -

 

بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة التحقيق

الحمد لله رب العالمين الذي هدانا لهذا وما كنا لنهتدي لولا أن هدانا الله.

وصلى الله على خيرته المصطفى، المنتخب لرسالته، المفضل على جميع خلقه بفتح رحمته، وختم نبوته، وأعم ما أرسل به مرسل قبله، المرفوع ذكره مع ذكره في الأولى، الشافع المشفع في الأخرى، أفضل خلقه نفسا، وأجمعهم لكل خلق رضيه في دين ودنيا وخيرهم نسبا ودارا: محمد عبده ورسوله، وعلى آله محمد وصحبه والتابعين لهم بإحسان إلى يوم الدين.

وبعد: فإن الحمد لله أن أعاننا على إخراج كتاب «تاريخ بغداد» للخطيب البغدادي في صورة أحسب أن تكون لائقة به وبأهميته التاريخية العظيمة. ثم كانت الخطوة التالية هي إخراج الذيول التي ذيلت عليه، فقمنا بجمع شتاتها من هنا ومن هناك.

ولعل من أهم هذه الذيول هي «التاريخ المجدد لمدينة السلام وأخبار فضائلها الأعلام ومن وردها من الأعلام». لمحب الدين محمد بن محمود ابن النجار المتوفى سنة 643 هـ.

وتأتي أهميته من أنه قد جمع بين «ذيل تاريخ بغداد» لأبي سعد عبد الكريم بن السمعاني المتوفى سنة 562 هـ وبين «ذيل تاريخ بغداد» لأبي عبد الله محمد بن سعيد ابن الدبيثي المتوفى سنة 637 هـ.

فقد وضع ابن النجار على عاتقه إخراج تاريخ أوسع نطاقا من سابقيه، إذ حاول التعرف على أفاضل الناس ممن اشتهروا بالتحديث والدين كان من بينهم علماء وجهاء: حفاظ وقراء وواعظ وخطباء وشيوخ وأئمة وأمراء وخلفاء وأصحاب المناصب ممن شهد لهم الخاصة والعامة بتبحرهم في العلم.
- অ -

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

 

‌‌সম্পাদকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের এই পথে হেদায়েত করেছেন; আল্লাহ আমাদের হেদায়েত না করলে আমরা হেদায়েত পেতাম না।

আল্লাহ সালাত বর্ষণ করুন তাঁর মনোনীত সর্বোত্তম রাসূলের ওপর, যাঁকে তাঁর বাণীর জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, যাঁর রহমতের দ্বার উন্মোচনের মাধ্যমে এবং নবুওয়াতের পরিসমাপ্তির মাধ্যমে যাকে সকল সৃষ্টির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছে, যাঁর দাওয়াত তাঁর পূর্ববর্তী যে কোনো রাসূলের চেয়ে ব্যাপকতর ছিল, দুনিয়াতে যাঁর নাম আল্লাহর নামের সাথে উচ্চকিত করা হয়েছে এবং আখেরাতে যিনি হবেন সুপারিশকারী ও যাঁর সুপারিশ কবুল করা হবে। তিনি আত্মার দিক থেকে সৃষ্টির সেরা এবং দ্বীন ও দুনিয়ার সকল পছন্দনীয় চরিত্রের আধার, বংশ ও বাসস্থানের দিক থেকে সর্বোত্তম: তিনি হলেন আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মদ। এবং তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সঙ্গী-সাথী (সাহাবী) এবং কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসারীদের ওপরও (আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)।

অতঃপর: আল্লাহর প্রশংসা যে তিনি আমাদের খতীব আল-বাগদাদী রচিত «তারীখে বাগদাদ» গ্রন্থটি এমন এক আঙ্গিকে প্রকাশ করতে সাহায্য করেছেন যা এর মর্যাদা ও সুমহান ঐতিহাসিক গুরুত্বের সাথে মানানসই হবে বলে আমি মনে করি। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল এর ওপর রচিত পরিশিষ্টগুলো (যাইলসমূহ) প্রকাশ করা, তাই আমরা বিভিন্ন স্থান থেকে এর বিক্ষিপ্ত অংশগুলো সংগ্রহ করেছি।

সম্ভবত এই পরিশিষ্টগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো মুহিব্বুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে মাহমুদ ইবনে আল-নাজ্জার (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরী) রচিত «আত-তারীখ আল-মুজাদ্দাদ লি মদিনাতিস সালাম ওয়া আখবারু ফাদায়িলিহাল আলাম ওয়া মান ওয়ারাদাহা মিনাল আলাম»।

এর গুরুত্ব এই যে, এটি আবু সাদ আব্দুল কারীম ইবনে আস-সামআনী (মৃত্যু ৫৬২ হিজরী) রচিত «যাইলু তারীখে বাগদাদ» এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আদ-দুবাইসী (মৃত্যু ৬৩৭ হিজরী) রচিত «যাইলু তারীখে বাগদাদ»—এই উভয় গ্রন্থের সমন্বয় ঘটিয়েছে।

ইবনে নাজ্জার তাঁর পূর্বসূরিদের তুলনায় আরও বিস্তৃত পরিসরে একটি ইতিহাস গ্রন্থ প্রকাশের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। তিনি এমন সব বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন যারা হাদীস বর্ণনা ও দ্বীনদারির জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মর্যাদাবান আলেম: হাফেজে হাদীস, ক্বারী, ওয়ায়েজ, খতীব, শায়েখ, ইমাম, আমির, খলিফা এবং পদস্থ ব্যক্তিবর্গ, যাঁদের জ্ঞানের গভীরতার কথা বিশিষ্ট ও সাধারণ নির্বিশেষে সকলেই স্বীকার করেছেন।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢)
- ب -

 

وقد وصل إلينا بعضه حيث تبدأ مخطوطة المكتبة الظاهرية بترجمة: عبد المغيث بن زهير.

ولقد اختلفت الآراء حول عدد مجلدات «تاريخ ابن النجار» فذكر الذهبي في تذكرة الحفاظ (4/ 212) وابن العماد في شذرات الذهب (5/ 226): أنه خطط في ستة عشر جزءا. وذكر السبكى في طبقات الشافعية (5/ 41) والصفدي في الوافي بالوفيات (5/ 10) والكتبي في فوات الوفيات (2/ 522) أنه خطط في ثلاثين جزءا.

ومهما كانت أجزائه فإن ما وصل إلينا يدل على سعة علم المؤلف وتبحره. وفيما يلي نتناول التعريف بابن النجار في عجالة سريعة.

 

‌‌الحافظ محب الدين ابن النجار:

هو محب الدين أبو عبد الله محمد بن أبي الفضل محمود بن أبي محمد الحسن بن هبة الله بن محاسن بن هبة الله البغدادي المعروف بابن النجار. ولد ليلة الثالث والعشرين من ذي القعدة سنة 578 هـ ببغداد. وكانت وفاته في الخامس من شعبان سنة 643 هـ. ودفن بمقابر الشهداء بباب حرب.

سمع الحديث في صغره من عمه أبي القاسم علي بن الحسن الحافظ بعد وفاة والده. وأخذ عن شيوخه في بغداد والذين وردت أسماؤهم في ثنايا الكتاب.

رحل إلى بلاد الشام ومصر والحجاز وأصبهان وخراسان ومرو ونيسابور. وسمع الكثيرين من محدثي عصره على مدى فترة رحلاته التي دامت سبعا وعشرين سنة.

زار دمشق ثم حلب ومنها قصد أصبهان وبعدها رحل إلى هراة ثم مرو، وبعد ذلك أمضى زمنا في خراسان ومنها قصد مصر حيث نزل بالإسكندرية، ثم عاد إلى بغداد وعزم على الاستقرار بها فبقي بها حتى وفاته في الخامس من شعبان سنة 643 هـ.

والجدير بالذكر أن ابن النجار قد ذاعت شهرته في التحديث فقصده الكثيرون فأصبحت مشيخته تشمل ثلاثة آلاف شيخ وأربعمائة امرأة.

وخلال حياته أثرى المكتبة الإسلامية بالعديد من المصنفات والتي نذكر منها:

1 - التاريخ المجدد لمدينة السلام وأخبار فضائلها.

2 - القمر المنير في المسند الكبير.
- খ -

 

এর কিছু অংশ আমাদের নিকট পৌঁছেছে, যেখানে জাহিরিয়া লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপিটি আব্দুল মুগীস বিন জুহাইর-এর জীবনী দিয়ে শুরু হয়েছে।

‘তারিখে ইবনে আন-নাজ্জার’-এর খণ্ড সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। আল-যাহাবি ‘তাযকিরাতুল হুফফাজ’ (৪/২১২) গ্রন্থে এবং ইবনুল ইমাদ ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৫/২২৬) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এটি ১৬ খণ্ডে বিন্যস্ত করা হয়েছিল। আস-সুবকি ‘তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ’ (৫/৪১) গ্রন্থে, আস-সাফাদি ‘আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত’ (৫/১০) গ্রন্থে এবং আল-কুতুবি ‘ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত’ (২/৫২২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, এটি ৩০ খণ্ডে বিন্যস্ত করা হয়েছিল।

এর খণ্ড সংখ্যা যাই হোক না কেন, যা আমাদের নিকট পৌঁছেছে তা লেখকের জ্ঞানের বিশালতা ও পাণ্ডিত্যের প্রমাণ দেয়। নিচে আমরা সংক্ষেপে ইবনে আন-নাজ্জারের পরিচয় তুলে ধরছি।

 

‌‌আল-হাফিজ মুহিব্বুদ্দিন ইবনে আন-নাজ্জার:

তিনি হলেন মুহিব্বুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবি আল-ফজল মাহমুদ বিন আবি মুহাম্মাদ আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহাসিন বিন হিবাতুল্লাহ আল-বাগদাদি, যিনি ইবনে আন-নাজ্জার নামে পরিচিত। তিনি ৫৭৮ হিজরির ২৩শে যিলকদ রাতে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন। ৬৪৩ হিজরির ৫ই শাবান তার মৃত্যু হয় এবং তাকে বাব হারব-এর শুহাদা গোরস্থানে দাফন করা হয়।

পিতার মৃত্যুর পর শৈশবেই তিনি তার চাচা আবুল কাসিম আলী বিন আল-হাসান আল-হাফিজের নিকট হাদিস শ্রবণ করেন। এছাড়া তিনি বাগদাদের সেই সব শাইখদের নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন যাদের নাম এই বইয়ের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি শাম, মিশর, হিজাজ, ইসফাহান, খোরাসান, মার্ভ এবং নিশাপুর সফর করেন। সাতাশ বছরব্যাপী দীর্ঘ শিক্ষা সফরে তিনি তার সমসাময়িক বহু মুহাদ্দিসের নিকট থেকে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেন।

তিনি দামেস্ক এবং এরপর আলেপ্পো সফর করেন, সেখান থেকে ইসফাহান এবং পরে হেরাত ও মার্ভ ভ্রমণ করেন। এরপর তিনি কিছুকাল খোরাসানে অবস্থান করে মিশরের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি বাগদাদে ফিরে আসেন এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। ৬৪৩ হিজরির ৫ই শাবান মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেখানেই অবস্থান করেন।

উল্লেখ্য যে, হাদিস বর্ণনায় ইবনে আন-নাজ্জারের খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং বহু শিক্ষার্থী তার নিকট আসত। তার শাইখ বা উস্তাদদের সংখ্যা ছিল তিন হাজার পুরুষ এবং চারশত নারী।

কর্মজীবনে তিনি ইসলামি জ্ঞানভাণ্ডারকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১ - আত-তারিখুল মুজাদ্দিদ লি মদিনাতিস সালাম ওয়া আখবারু ফাদায়িলিহা।

২ - আল-কামারুল মুনীর ফিল মুসনাদিল কাবীর।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٣)
- ت -

 

3 - المختلف والمؤتلف. ذيل للكامل لابن ماكولا.

4 - كنز الإمام في معرفة السنن والأحكام.

5 - المتفق والمفترق.

6 - نسب المحدثين إلى الآباء والبلدان.

7 - العوالي.

8 - معجم الشيوخ.

9 - جنة الناظرين في معرفة التابعين.

10 - العقد الفائق في عيون أخبار الدنيا.

11 - الدرة الثمينة في أخبار المدينة.

12 - نزهة الورى في أخبار أم القرى.

13 - روضة الأولياء في مسجد إيليا.

14 - الأزهار في أنواع الأشعار.

15 - أنواع الزهر في محاسن شعر شعراء العصر.

16 - سلوة الوحيد.

17 - غرر الفوائد.

18 - مناقب الإمام الشافعي.

19 - الكمال في معرفة الرجال.

20 - نشوار المحاضرة.

21 - مجموع غرر الفوائد ومنثور درر القلائد.

22 - نزهة الطرف في أخبار أهل الظرف.

23 - إخبار المشتاق إلى أخبار العشاق.

24 - الشافي في الطب.
- তা -

 

3 - আল-মুখতালিফ ওয়াল মু'তালিফ। ইবনে মাকুলার 'আল-কামিল' গ্রন্থের পরিশিষ্ট।

4 - সুন্নাহ ও বিধিবিধান পরিচিতিতে ইমামের ভাণ্ডার।

5 - আল-মুত্তাফিক ওয়াল মুফতারিক।

6 - পিতা ও দেশ অনুযায়ী মুহাদ্দিসগণের বংশপরিচয়।

7 - আল-আওয়ালি।

8 - শিক্ষকদের অভিধান (মু'জামুশ শুয়ুখ)।

9 - তাবিঈগণের পরিচিতিতে দর্শকদের জান্নাত।

10 - পৃথিবীর সংবাদ সংকলনে শ্রেষ্ঠ হার।

11 - মদিনার সংবাদ বিষয়ক মূল্যবান মুক্তা।

12 - উম্মুল কুরার (মক্কা) সংবাদে সৃষ্টির বিনোদন।

13 - ইলিয়া (জেরুজালেম) মসজিদে ওলিগণের উদ্যান।

14 - বিভিন্ন প্রকার কবিতার পুষ্পরাজি।

15 - সমকালীন কবিদের কবিতার সৌন্দর্যে পুষ্পের প্রকারভেদ।

16 - একাকী ব্যক্তির সান্ত্বনা।

17 - শ্রেষ্ঠ ফায়দাহসমূহ।

18 - ইমাম শাফিঈর গুণাবলি।

19 - বর্ণনাকারী পরিচিতিতে পূর্ণাঙ্গতা।

20 - আলোচনা সভার অবশিষ্টাংশ।

21 - শ্রেষ্ঠ ফায়দাহসমূহের সংকলন এবং মণিহারের বিক্ষিপ্ত মুক্তাসমূহ।

22 - সুচতুর ব্যক্তিদের সংবাদে দৃষ্টির বিনোদন।

23 - প্রেমিকদের সংবাদের প্রতি আগ্রহীদের তথ্যপ্রদান।

24 - চিকিৎসাবিজ্ঞানে আরোগ্য দানকারী।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤)
- ث -

 

‌‌الكتاب ومنهج التحقيق:

- قمنا بنسخ الكتاب وتخليصه من الأخطاء التي علقت به من مطبوعته الوحيدة ثم راجعنا المتن على المصادر التي نقل عنها المؤلف والمصادر التي نقلت من المؤلف كلما أمكن ذلك للوقوف على نص أكثر صحة.

- قمنا بمراجعة النص على مصورة مخطوطة المكتبة الظاهرية والتي جعلناها أصل، وأفدنا من المقارنات التي بالمطبوعة والتي ذكرت بهامشها مقارنات ببعض النسخ فأبقينا على المهم منها.

- رمزنا لمخطوطة الظاهرية ب (الأصل) وما أفدناه من المطبوعة فرمزنا لمخطوطة بودلين بجامعة أكسفورد بالرمز (ب) ولنسخة جامعةكمبريج (ج).

- خرجنا ما استطعنا من تراجم الكتاب على المصادر التي ترجمت للعلم.

- علقنا بعض التعليقات الهامة كلما أمكن.

- قدمنا للكتاب بمقدمة مختصرة للكتاب.

والله أرجو أن يجعله في صالح أعمالنا، والحمد لله رب العالمين.
- থা -

 

‌‌গ্রন্থ ও সম্পাদনা পদ্ধতি:

- আমরা গ্রন্থটি প্রতিলিপি করেছি এবং এর একমাত্র মুদ্রিত সংস্করণে যেসব ভুলত্রুটি যুক্ত হয়েছিল তা থেকে একে মুক্ত করেছি। এরপর আমরা মূল পাঠটি (মতন) লেখক যেসব উৎস থেকে তথ্য গ্রহণ করেছেন এবং যেসব উৎস লেখকের থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেছে, সেগুলোর সাথে যথাসম্ভব মিলিয়ে দেখেছি যাতে আরও নির্ভুল একটি পাঠ নিশ্চিত করা যায়।

- আমরা ‘আল-মাকতাবাতুজ জাহিরিয়্যাহ’-র পাণ্ডুলিপির ছায়ালিপির (ফটোকপি) ওপর ভিত্তি করে পাঠটি পর্যালোচনা করেছি এবং একেই মূল পাঠ হিসেবে গণ্য করেছি। এছাড়া মুদ্রিত কপির টীকায় বিভিন্ন পাণ্ডুলিপির যে তুলনামূলক পাঠান্তর উল্লেখ করা হয়েছিল, আমরা সেগুলো থেকে উপকৃত হয়েছি এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো বহাল রেখেছি।

- আমরা জাহিরিয়্যাহ-র পাণ্ডুলিপিকে ‘মূল’ (আসল) হিসেবে চিহ্নিত করেছি। আর মুদ্রিত কপি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বোডলিয়ান পাণ্ডুলিপিকে (ব) এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপিকে (জ) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি।

- গ্রন্থে বর্ণিত ব্যক্তিদের জীবনীসমূহ আমরা সংশ্লিষ্ট জীবনীগ্রন্থগুলো হতে যথাসম্ভব উদ্ধৃত করেছি।

- যখনই সম্ভব হয়েছে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ টীকা সংযোজন করেছি।

- আমরা গ্রন্থের শুরুতে একটি সংক্ষিপ্ত ভূমিকা প্রদান করেছি।

আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন একে আমাদের নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত করেন। আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
ذيل تاريخ بغداد - ابن النجار - ط العلمية   (محب الدين ابن النجار)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: ذيل تاريخ بغداد

[التاريخ المجدد لمدينة السلام وأخبار فضائلها الأعلام، ومن وردها من الأعلام]

المؤلف: محب الدين أبو عبد الله محمد بن محمود بن الحسن بن هبة الله بن محاسن، المعروف بابن النجار البغدادي (ت 643 هـ)

تنبيه: [الكتاب يغطي الفترة (463 - 643 هـ) وهو في ثلاثين مجلدا، وصلتنا أجزاء يسيرة منه فقط]

دراسة وتحقيق: مصطفى عبد القادر عطا

مطبوع بذيل: تاريخ بغداد (جـ 16 - 20)

الناشر: دار الكتب العلمية، بيروت - لبنان

عدد الأجزاء: 5 (جـ 16 - 20 من تاريخ بغداد وذيوله ط العلمية)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

জাইলু তারিখি বাগদাদ - ইবনে আন-নাজ্জার - ইলমিয়্যাহ সংস্করণ   (মুহিব্বুদ্দিন ইবনে আন-নাজ্জার)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমষ্টি


গ্রন্থ: জাইলু তারিখি বাগদাদ

[মাদিনাতুস সালামের (বাগদাদ) পুনর্লিখিত ইতিহাস, এর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের শ্রেষ্ঠত্ব এবং সেখানে আগত প্রথিতযশা ব্যক্তিদের সংবাদ]

লেখক: মুহিব্বুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহাসিন, ইবনে আন-নাজ্জার আল-বাগদাদি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি)

সতর্কবার্তা: [গ্রন্থটি ৪৬৩ থেকে ৬৪৩ হিজরি পর্যন্ত সময়কালকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং এটি ত্রিশ খণ্ডে রচিত, যার সামান্য কিছু অংশই আমাদের কাছে পৌঁছেছে]

গবেষণা ও সম্পাদনা: মুস্তফা আব্দুল কাদির আতা

পরিশিষ্ট হিসেবে মুদ্রিত: তারিখু বাগদাদ (খণ্ড ১৬ - ২০)

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - লেবানন

খণ্ড সংখ্যা: ৫ (তারিখু বাগদাদ ও এর পরিশিষ্টসমূহের ইলমিয়্যাহ সংস্করণের ১৬ - ২০ খণ্ড)

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم

وما توفيقي إلا بالله عليه توكلت(1)

ذكر إلينا الحافظ أبو عبد الله محمد بن محمود بن الحسن بن هبة الله [بن محاسن](2) ابن النجار البغدادي منها قال:

 

‌‌1 - عبد المغيث بن زهير(3) بن علوي، أبو العز بن أبي حرب (4):

من أهل الحربية، سمع الحديث الكثير، وطلب بنفسه ببغداد، وقرأ على المشايخ، وحصل الأصول(5)، ولم يزل يفيد الناس إلى حين وفاته، وكان متدينا(6) صالحا، صدوقا، أمينا، حسن الطريقة، جميل السيرة، حميد الأخلاق.

سمع أبا القاسم هبة الله بن محمد بن الحصين وأبا العز أحمد بن عبيد الله بن كادش وأبا غالب أحمد وأبا عبد الله يحيى ابني أبي علي ابن البناء وأبا الحسين محمد بن محمد ابن الحسين بن الفراء وأبوي بكر محمد بن الحسين المزرقي(7) ومحمد بن عبد الباقي الأنصاري وأبا القاسم هبة الله بن أحمد بن عمر الحريري وأبا القاسم إسماعيل بن أحمد ابن عمر السمرقندي وأبا منصور عبد الرحمن بن محمد بن عبد الواحد القزاز(8) وأبا

--------------------------------------------

(1) العبارة في الأصل، (ج) فقط.

(2) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ.

(3) في الأصل، (ب): «ابن زهير بن زهير».

(4) انظر: البداية والنهاية 12/ 328. وشذرات الذهب 4/ 275. والعبر 4/ 249. والأعلام 4/ 300.

(5) «سمع الحديث الكثير، وطلب بنفسه ببغداد، وقرأ على المشايخ وحصل الأصول» ساقطة من (ج).

(6) في الأصل: «مستدينا».

(7) في (ب): «المررنى» تصحيف.

(8) في الأصل: «الغر». وفي (ب): «الفزاز». وفي (ج): «الفراء» والتصحيح من تذكرة الحفاظ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

আমার তাওফীক কেবল আল্লাহর সাহায্যেই, আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি।(১)

হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বিন হাসান বিন হিবাতুল্লাহ [বিন মাহাসিন] ইবনে নাজ্জার আল-বাগদাদী আমাদের নিকট উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন:

 

‌‌১ - আব্দুল মুগীস বিন জুহাইর(৩) বিন আলাউয়ী, আবুল ইজ্জ বিন আবি হারব (৪):

তিনি হারবিয়্যাহর অধিবাসী ছিলেন, প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন, বাগদাদে নিজেই ইলম অন্বেষণ করেছেন, মাশায়েখদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেছেন এবং মূল পাণ্ডুলিপিগুলো সংগ্রহ করেছেন(৫)। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি অবিরত মানুষকে উপকৃত করে গেছেন। তিনি দ্বীনদার(৬), নেককার, সত্যবাদী, আমানতদার, উত্তম পন্থার অনুসারী, সুন্দর জীবনচরিত্র ও প্রশংসনীয় আখলাকের অধিকারী ছিলেন।

তিনি শ্রবণ করেছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন, আবুল ইজ্জ আহমদ বিন উবায়দুল্লাহ বিন কাদিশ, আবু গালিব আহমদ এবং আবু আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া—যাঁরা আবু আলী ইবনুল বান্নার দুই পুত্র, আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন বিন আল-ফাররা, দুই আবু বকর—মুহাম্মদ বিন হুসাইন আল-মাযরকী(৭) এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকী আল-আনসারী, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন উমর আল-হারীরী, আবুল কাসিম ইসমাইল বিন আহমদ ইবনে উমর আস-সামারকান্দী, আবু মনসুর আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-কাযযায(৮) এবং আবু...

--------------------------------------------

(১) এই বাক্যটি মূল পাণ্ডুলিপিতে কেবল (জিম) কপিতে রয়েছে।

(২) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাযকিরাতুল হুফফায থেকে বর্ধিত।

(৩) মূলে এবং (বা) কপিতে: "ইবনে জুহাইর বিন জুহাইর"।

(৪) দেখুন: আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১২/৩২৮; শাযারাতুয যাহাব ৪/২৭৫; আল-ইবার ৪/২৪৯; আল-আলাম ৪/৩০০।

(৫) "প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন, বাগদাদে নিজেই ইলম অন্বেষণ করেছেন, মাশায়েখদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেছেন এবং মূল পাণ্ডুলিপিগুলো সংগ্রহ করেছেন" অংশটুকু (জিম) কপি থেকে বাদ পড়েছে।

(৬) মূলে রয়েছে: "মুস্তাদীনান"।

(৭) (বা) কপিতে রয়েছে: "আল-মাররানী", যা একটি অনুলিখন প্রমাদ।

(৮) মূলে রয়েছে: "আল-গুর"। (বা) কপিতে: "আল-ফাযযায"। (জিম) কপিতে: "আল-ফাররা"। সংশোধনটি তাযকিরাতুল হুফফায থেকে নেওয়া।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٤)
الحسن علي بن هبة الله بن عبد السلام وأبا البركات(1) عبد الوهاب بن المبارك الأنماطي وخلقا كثيرا غيرهم.

ولم يزل يسمع حتى سمع من أقرانه، وبورك له حتى حدّث بجميع مروياته، وسمع منه الكبار، وحدّثنا عنه(2) جماعة.

أخبرنا أبو الفتوح داود بن معمر بن عبد الواحد بن الفاخر القرشي بأصبهان قال:

أنبأنا عبد المغيث بن أبي حرب بن زهير الحربي بقراءتي عليه وأنا أسمع في داره بالحربية من غربي بغداد في ذي القعدة سنة ثمان وخمسين وخمسمائة قال: أنبأنا أبو بكر بن الحسين الفرضي.

وأنبأنا أبو أحمد عبد الوهاب بن علي الأمين، أنبأنا أبو منصور عبد الرحمن بن محمد بن عبد الواحد القزاز(3) قالا: أنبأنا أبو جعفر ابن المسلمة، أنبأنا أبو القاسم عيسى بن علي، أنبأنا القاضي أبو عبيد علي(4) بن الحسين بن حرب، حدثنا أبو السكين البلدي، حدّثني محمد بن سكين مؤذن بني شقرة(5)، حدّثني عبد الله بن بكير الغنوي(6) عن محمد بن سوقة عن محمد بن المنكدر عن جابر بن عبد الله قال: تخلف قوم عن صلاة العشاء الآخرة فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما خلفكم؟» قال: فسكتوا فأعاد عليهم، فقالوا: يا رسول الله! وقع بيننا(7) لحاء(8) وكلام، فقالرسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا صلاة لمن سمع النداء ولم يأته إلا من علة»(9).

سمعت أبا عبد الله محمد بن سعيد الحافظ يقول: تساءلت عبد المغيث بن زهير

--------------------------------------------

(1) في الأصل، (ب) «وأبى البركات».

(2) في (ب): «وحد عنه».

(3) في الأصل: «الفزاز» وفي (ب) بلا نقط.

(4) في (ج): «أبو عبيد بن على».

(5) في الأصل، (ج): «بنى شفرة». وفي (ب): «بنى سفرة». والتصحيح من الجرح والتعديل.

(6) في الأصل: «الغزي». وفي (ب)، (ج): «العنزي»، والتصحيح من الجرح والتعديل.

(7) في (ب): «نسمع بيننا». ومكانها بياض في الأصل.

(8) في (ب): «لحا» ومكانها بياض في الأصل.

(9) - انظر الحديث في: سنن الدارقطنيّ (1/ 420). والأحاديث الضعيفة (183). والتاريخ الكبير (1/ 111). وكنز العمال (20363)، (20364).
আল-হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন আবদুস সালাম এবং আবুল বারাকাত(১) আবদুল ওয়াহহাব বিন আল-মুবারক আল-আনমাতি এবং তাদের ব্যতীত আরও বহু লোক থেকে (হাদীস শ্রবণ করেছেন)।

তিনি ক্রমাগত হাদীস শ্রবণ করতে থাকেন এমনকি তিনি তার সমসাময়িকদের থেকেও শুনেছেন, এবং তার জন্য এতে বরকত দান করা হয়েছিল এমনকি তিনি তার বর্ণিত সকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার নিকট থেকে বড় বড় আলেমরাও শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তার থেকে একদল(২) (রাবী) বর্ণনা করেছেন।

ইসফাহানে আবুল ফুতুহ দাউদ বিন মুয়াম্মার বিন আবদুল ওয়াহিদ বিন আল-ফাখির আল-কুরাশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

আবদুল মুগীস বিন আবি হারব বিন জুহায়ের আল-হারবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম বাগদাদের পশ্চিমে আল-হারবিয়াতে তার বাড়িতে যিলকদ মাসে ৫৫৮ হিজরি সনে, তিনি বলেন: আবু বকর বিন আল-হুসাইন আল-ফারদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আবু আহমাদ আবদুল ওয়াহহাব বিন আলী আল-امین আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ আল-কাযযাঘ(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তারা উভয়ে বলেন: আবু জাফর ইবনুল মুসলিমাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-কাসিম ঈসা বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাজী আবু উবাইদ আলী(৪) বিন আল-হুসাইন বিন হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাকিন আল-বালাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বনু শাকরার(৫) মুয়াজ্জিন মুহাম্মদ বিন সাকিন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন বুকাইর আল-গানাওয়ী(৬) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন সাওকাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আল-মুনকাদির থেকে, তিনি জাবীর বিন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদল লোক এশার শেষ নামাযে পিছিয়ে পড়ল, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: «কিসে তোমাদের পিছিয়ে রাখল?» বর্ণনাকারী বলেন: তারা চুপ রইল, তখন তিনি পুনরায় তাদের নিকট সেই প্রশ্ন করলেন, তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে ঝগড়া(৭)(৮) ও কথা কাটাকাটি হয়েছিল, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «যে আযান শুনেছে অথচ তাতে (জামাতে) উপস্থিত হয়নি, তার কোনো নামায নেই, ওজর ব্যতীত»(৯)।

আমি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-হাফিযকে বলতে শুনেছি: আমি আবদুল মুগীস বিন জুহায়েরকে জিজ্ঞাসা করেছি—

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে, (খ) সংস্করণে: «ওয়া আবাল বারাকাত»।

(২) (খ) সংস্করণে: «ওয়া হাদ্দা আনহু»।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে: «আল-ফাযযাঘ» এবং (খ) সংস্করণে নুকতা ছাড়া।

(৪) (গ) সংস্করণে: «আবু উবাইদ বিন আলী»।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে ও (গ) সংস্করণে: «বনু শাফরাহ»। (খ) সংস্করণে: «বনু সাফরাহ»। আল-জারহু ওয়াত-তাদিল থেকে সঠিকটি গৃহীত।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে: «আল-গাযযি»। (খ) ও (গ) সংস্করণে: «আল-আনাযি»। আল-জারহু ওয়াত-তাদিল থেকে সঠিকটি গৃহীত।

(৭) (খ) সংস্করণে: «আমাদের মধ্যে শোনা যাচ্ছিল»। মূল পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানটি শূন্য।

(৮) (খ) সংস্করণে: «লিহা» এবং মূল পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানটি শূন্য।

(৯) - হাদীসটি দেখুন: সুনানে দারাকুতনী (১/৪২০), আল-আহাদিস আদ-দাইফাহ (১৮৩), আত-তারিখ আল-কবীর (১/১১১), এবং কানযুল উম্মাল (২০৩৬৩, ২০৩৬৪)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٥)
الحربي عن مولده، فقال: في سنة خمسمائة- إن شاء الله.

وتوفي يوم الأحد ثالث عشري محرم سنة ثلاث وثمانين وخمسمائة، وصلى عليه الخلق الكثير في اليوم المذكور بالحربية، ودفن بدكة(1) أبي عبد الله أحمد بن حنبل مع الشيوخ الكبار.

 

‌‌2 - عبد المغيث بن عبد العزيز بن عبد المغيث بن أحمد بن المغيث، أبو الحسن التنوخي:

من أهل الأنبار، قدم بغداد وسمع بها القاضي أبا القاسم(2) على بن المحسن التنوخي وغيره، ثم قدمها بعد خلو سنة(3) وحدّث بها(4) في شهر ربيع الأول سنة ست وتسعين وأربعمائة، فسمع منه أبو نصر محمود بن الفضل وأبو طاهر السلفي الأصبهانيان وأبو عبد الله البلخي وهزارست(5) بن عوض الهروي وأبو الفضائل(6) ابن الخاضبة.

قرأت على المرتضى بن حاتم بمصر عن أبي طاهر أحمد بن محمد السلفي قال: أنبأنا أبو الحسن عبد المغيث بن عبد العزيز التنوخي الأنباري- قدم علينا بغداد- بقراءتي عليه، حدثنا أبو القاسم علي بن المحسن التنوخي- إملاء، وأنبأنا أبو علي بن أبي القاسم بن أبي علي وأبو حامد عبد الله بن أبي عبد الله الوكيل قالا: أنبأنا محمد بن عبد الباقي البزاز، أنبأنا الحسن بن علي الجوهري قالا: أنبأنا أبو الحسن علي بن محمد ابن أحمد بن كيسان النحوي، حدثنا يوسف بن يعقوب القاضي، حدثنا عبد الواحد، حدثنا حماد بن سلمة، أنبأنا أبو قزعة الباهلي عن حكيم بن معاوية عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «ما من مولى يأتي مولى له فيسأله(7) من فضل ما عنده فيتجهه إلا جعل

--------------------------------------------

(1) في الأصل، (ب) بدون نقط.

(2) في (ب): «أبو القاسم».

(3) في (ب): «بعد علو سنة».

(4) في الأصل: «وحدثه بها».

(5) في (ب) بلا نقط.

(6) في الأصل: «وهو الفضائل».

(7) في (ب): «مولى له فيسا من فضل».
আল-হারবী তার জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে বললেন: ইনশাআল্লাহ পাঁচশ হিজরিতে।

তিনি পাঁচশ তিরাশি হিজরির তেইশে মহররম রবিবার ইন্তেকাল করেন। উল্লিখিত দিনে হারবিয়াতে বিপুল সংখ্যক মানুষ তার জানাজায় অংশগ্রহণ করে এবং তাকে বড় বড় শায়খদের সাথে আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে হাম্বলের চত্বরে(১) দাফন করা হয়।

 

‌‌২ - আব্দুল মুগিস ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল মুগিস ইবনে আহমদ ইবনুল মুগিস, আবুল হাসান আত-তানুখী:

তিনি আনবারের অধিবাসী ছিলেন। বাগদাদে এসে তিনি সেখানে কাজী আবুল কাসেম(২) আলী ইবনুল মুহসিন আত-তানুখী ও অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। অতঃপর এক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর(৩) পুনরায় সেখানে আসেন এবং চারশ ছিয়ানব্বই হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন(৪)। তার নিকট থেকে আবু নাসর মাহমুদ ইবনুল ফজল ও আবু তাহের আস-সিলাফি আল-আসবেহানীদ্বয়, আবু আব্দুল্লাহ আল-বালখী, হাজারাসত(৫) ইবনে আওয়াদ আল-হারাবী এবং আবুল ফাযায়েল(৬) ইবনুল খাদেবা হাদিস শ্রবণ করেছেন।

আমি মিসরে আল-মুরতাজা ইবনে হাতেমের নিকট আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সিলাফির সূত্রে পড়েছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুল মুগিস ইবনে আব্দুল আজিজ আত-তানুখী আল-আনবারী—তিনি আমাদের নিকট বাগদাদে এসেছিলেন—তার নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল কাসেম আলী ইবনুল মুহসিন আত-তানুখী শ্রুতিলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইবনে আবিল কাসেম ইবনে আবি আলী এবং আবু হামিদ আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আব্দুল্লাহ আল-ওয়াকিল, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি আল-বাযযায, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে কায়সান আন-নাহবী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাজী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাযাআহ আল-বাহিলী, হাকীম ইবনে মুয়াবিয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোনো ব্যক্তি যদি তার কোনো আত্মীয়ের কাছে আসে এবং তার নিকট থাকা অতিরিক্ত সম্পদ থেকে প্রার্থনা করে, আর সে তাকে বিমুখ করে দেয়, তবে আল্লাহ সেটিকে সাব্যস্ত করবেন...”

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে, (খ) সংস্করণে নুকতাহীন।

(২) (খ) সংস্করণে: «আবু কাসেম»।

(৩) (খ) সংস্করণে: «এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পর»।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে: «তাকে সেখানে হাদিস বর্ণনা করেছেন»।

(৫) (খ) সংস্করণে নুকতাহীন।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে: «তিনি হলেন আল-ফাযায়েল»।

(৭) (খ) সংস্করণে: «তার এক আত্মীয়ের কাছে, অতঃপর সে অতিরিক্ত থেকে চাইল»।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٦)
الله له شجاعا يوم القيامة ينهشه قبل القضاء»(1).

قال السلفي: عبد المغيث هذا كان من أعيان أهل بلده ومتميزهم موقرا بينهم لصلاحه وديانته(2)، ووفور عقله، وقد سمع ببغداد التنوخي وغيره.

 

‌‌3 - عبد الملك بن إبراهيم بن أحمد، أبو الفضل(3) الفرضي المقرئ المعروف بالمقدسي (4):

من أهل همدان، سكن بغداد إلى حين وفاته، وكان يتولى(5) بقطيعة الكرخ، وكان فقيها فاضلا على مذهب الشافعي، وإماما في الفرائض والحساب وقسمة التركات، وإليه مرجوع الناس في ذلك وعليه معتمدهم، وكان من الصلاح والعبادة والنسك والزهد والورع والعفة والنزاهة على طريقة اشتهر بها وعرفها الخاص والعام، وأريد على أن يلي قضاء القضاة فامتنع.

سمع بهمدان أبا نصر عبد الواحد بن هبيرة بن عبد الله العجلي، وأبا الفضل(6) عبد الله بن عبدان الفقيه، وبآمل طبرستان أبا محمد عبد الرحمن بن أحمد الروياني(7) المفسر وأبا محمد عبد الله بن جعفر الحنازي(8) وأبا سعيد(9) الحسن بن علي بن أحمد ابن إبراهيم بن بحر السقطي، وبالبصرة أبا علي الحسن بن علي(10) بن محمد بن موسى الشاموخي، وحدّث باليسير، روى عنه أبو القاسم بن السمرقندي، وعبد الوهاب الأنماطي، وأبو منصور بن الرزاز(11).

--------------------------------------------

(1) انظر الحديث في: مسند الإمام أحمد (5/ 3). والمعجم الكبير للطبراني (19/ 425)، (427).

(2) في كل النسخ: «لصلاحه وديانه».

(3) في (ج): «بن الفضل».

(4) انظر: لسان الميزان 4/ 57.

(5) في الأصل: «وكان يقول». وفي (ب): «وكان يتول».

(6) في (ب): «وأبا الفضا».

(7) في الأصل، (ب) بلا نقط.

(8) في (ب): «الحنارى».

(9) في كل النسخ: «وأبا أحمد» والتصحيح من الأنساب للسمعاني.

(10) «الحسن بن على» سقط من (ج).

(11) في الأصل بلا نقط.
আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার জন্য একটি বিষধর সাপ নিযুক্ত করবেন, যা বিচারের পূর্বে তাকে দংশন করতে থাকবে।(১)

আস-সালাফি বলেন: এই আব্দুল মুগীস ছিলেন তার শহরের গণ্যমান্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একজন; তার নেক আমল ও ধার্মিকতার কারণে এবং তার প্রখর বুদ্ধিমত্তার জন্য তিনি তাদের মাঝে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন।(২) তিনি বাগদাদে আত-তানূখী এবং অন্যদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।

 

‌‌৩ - আব্দুল মালিক বিন ইব্রাহিম বিন আহমাদ, আবু আল-ফাদল(৩) আল-ফারাদি আল-মুকরি, যিনি আল-মাকদিসি নামে পরিচিত (৪):

তিনি হামাদানের অধিবাসী ছিলেন, মৃত্যু পর্যন্ত বাগদাদে বসবাস করেছেন। তিনি কারখ-এর কাতিআহ নামক স্থানে দায়িত্ব পালন করতেন।(৫) তিনি শাফিঈ মাযহাবের একজন বিদগ্ধ ফকিহ ছিলেন এবং ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন), গণিত ও সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে ইমাম ছিলেন। এই বিষয়ে মানুষ তার দিকেই প্রত্যাবর্তন করত এবং তার ওপরই নির্ভর করত। তিনি নেক আমল, ইবাদত, সাধনা, দুনিয়াবিমুখতা, পরহেজগারি, পবিত্রতা ও সততার এমন এক পথে ছিলেন যা সর্বসাধারণ ও বিশিষ্টজনদের নিকট সুপরিচিত ছিল। তাকে প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

তিনি হামাদানে আবু নাসর আব্দুল ওয়াহিদ বিন হুবাইরা বিন আব্দুল্লাহ আল-ইজলি এবং ফকিহ আবু আল-ফাদল(৬) আব্দুল্লাহ বিন আবদানের নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাবারস্তানের আমুলে তিনি মুফাসসির আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ আর-রুয়ানি(৭), আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-হানাজি(৮) এবং আবু সাঈদ(৯) আল-হাসান বিন আলী বিন আহমাদ ইবনে ইব্রাহিম বিন বাহর আস-সাকাতি-এর নিকট শ্রবণ করেছেন। বসরার আবু আলী আল-হাসান বিন আলী(১০) বিন মুহাম্মদ বিন মুসা আশ-শামুখির নিকটও শ্রবণ করেছেন। তিনি অল্প কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার নিকট থেকে আবু আল-কাসিম বিন আস-সামারকান্দি, আব্দুল ওয়াহাব আল-আনমাতি এবং আবু মনসুর বিন আর-রাজ্জাজ(১১) বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) হাদিসটি দেখুন: মুসনাদে ইমাম আহমাদ (৫/৩) এবং তাবারানির আল-মু'জামুল কাবির (১৯/৪২৫), (৪২৭)।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «তার নেক আমল ও দ্বীনের জন্য (لصلاحه وديانه)»।

(৩) (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «ইবনুল ফাদল»।

(৪) দেখুন: লিসানুল মিজান ৪/৫৭।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে আছে: «তিনি বলতেন»। এবং (ব) পাণ্ডুলিপিতে আছে: «তিনি দায়িত্ব পালন করতেন»।

(৬) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আবু আল-ফাদা»।

(৭) মূল এবং (ব) পাণ্ডুলিপিতে নুকতাহীন।

(৮) (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আল-হানারি»।

(৯) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আবু আহমাদ», আর সংশোধনী নেওয়া হয়েছে সামআনির আল-আনসাব থেকে।

(১০) «আল-হাসান বিন আলী» অংশটুকু (জ) পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

(১১) মূলে নুকতাহীন।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
أخبرنا أبو الحسن علي بن محمد بن علي الخياط، أنبأنا أبو منصور سعيد بن محمد ابن عمر الرزاز الفقيه [قال: حدّثنا الإمام-(1)] الزاهد أبو الفضل عبد الملك بن إبراهيم بن أحمد المقدسي المعروف بالهمداني من لفظه في شهر رمضان من سنة ست وثمانين وأربعمائة قال: حدّثنا أبو سعيد الحسن بن علي بن أحمد بن إبراهيم بن بحر السقطي بتستر في صفر سنة ثلاث وثلاثين وأربعمائة، حدثنا أبو الحسن علي بن عبد الله بن إدريس بن بحر بن سختويه إملاء سنة خمس وسبعين وثلاثمائة(2) حدّثنا أبو سعيد الحسن بن عثمان، حدثنا أبو مسلم عبد الرحمن بن واقد، حدّثنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم عن أبيه عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليس على أهل لا إله إلا الله وحشة في قبورهم ولا في محشرهم ولا في منشرهم، وكأني بأهل لا إله إلا الله وقد خرجوا من قبورهم ينفضون التراب عن رءوسهم ويقولون (الحمد لله الذي أذهب عنا الحزن إن ربنا لغفور شكور)(3).

أخبرني شهاب الحاتمي بهراة قال: سمعت أبا سعد [عبد الكريم(4)] بن [محمد ابن منصور](5) السمعاني يقول: سمعت أبا العباس الخضر بن مروان الفارقي يقول:

سمعت أبا الحسن أحمد بن عبد الله الآبنوسي يقول: سمعت شيخي أبا الفضل الهمداني يقول: خرجت من همدان ولم أخلّف بها أحدا أعرف بالفرائض بجلال قدرهم وغزارة علمهم، ثم(6) قال ابن الآبنوسي: وكان الهمداني ينسب إلى الاعتزال والنصرة لرأيهم.

كتب إليّ أبو مسلم أحمد بن شيرويه بن شهردار بن شيرويه بن شهر دار الديلمي قال: أنبأنا جدي أبو منصور شهردار [بن شيرويه](7)، أنبأنا والدي في كتاب

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفتين سقط من الأصل، وأثبت من (ب)، (ج).

(2) «وثلاثمائة». سقط من (ج).

(3) انظر الحديث في: كشف الخفا 2/ 240. ومجمع الزوائد 10/ 82، 333. وإتحاف السادة المتقين 5/ 10.

(4) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ.

(5) ما بين المعقوفتين زيادة تذكرة الحفاظ.

(6) «ثم» ليس في (ج).

(7) ما بين المعقوفتين سقط من الأصل، (ب).
আবু হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-খাইয়াত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ওমর আর-রাযযায আল-ফকিহ আমাদের জানিয়েছেন [তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইমাম-(১)] যাহেদ আবু ফজল আব্দুল মালিক ইবনে ইবরাহীম ইবনে আহমদ আল-মাকদিসী, যিনি আল-হামদানী নামে পরিচিত। তিনি ৪৮৬ হিজরীর রমজান মাসে তাঁর নিজের মুখে উচ্চারিত শব্দ থেকে এটি আমাদের শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে বাহর আস-সাকাতী তুসতারে ৪৩৩ হিজরীর সফর মাসে। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হাসান আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস ইবনে বাহর ইবনে সাখতুওয়াইহ ৩৭৫ হিজরীতে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে(২)। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-হাসান ইবনে উসমান। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আব্দুর রহমান ইবনে ওয়াকিদ। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: «লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর অনুসারীদের জন্য তাদের কবরে, হাশরের ময়দানে কিংবা পুনরুত্থানের দিনে কোনো একাকীত্ব বা ভীতি নেই। আমি যেন দেখতে পাচ্ছি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর অনুসারীরা যখন তাদের কবর থেকে বের হবে, তখন তারা তাদের মাথা থেকে মাটি ঝাড়তে ঝাড়তে বলবে: (সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের থেকে দুঃখ-কষ্ট দূর করেছেন। নিশ্চয়ই আমাদের রব অত্যন্ত ক্ষমাশীল, গুণগ্রাহী)»(৩)।

হিরাতে শিহাব আল-হাতিমী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সা'দ [আব্দুল কারীম(৪)] ইবনে [মুহাম্মদ ইবনে মনসুর](৫) আস-সামআনীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আব্বাস আল-খিদর ইবনে মারওয়ান আল-ফারিকীকে বলতে শুনেছি:

আমি আবু হাসান আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আবনূসীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার শাইখ আবু ফজল আল-হামদানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হামদান থেকে এমন অবস্থায় বের হয়েছি যে, সেখানে আমার জানামতে উত্তরাধিকার আইন (ফরায়েজ) বিষয়ে পারদর্শী এবং ইলমের গভীরতায় সমৃদ্ধ এমন কাউকে আমি রেখে আসিনি। অতঃপর(৬) ইবনুল আবনূসী বলেন: আল-হামদানীকে মুতাজিলা মতবাদের অনুসারী হিসেবে গণ্য করা হতো এবং তিনি তাদের মতবাদকে সমর্থন করতেন।

আবু মুসলিম আহমদ ইবনে শিরুওয়াইহ ইবনে শাহরদার ইবনে শিরুওয়াইহ ইবনে শাহরদার আদ-দাইলামী আমার কাছে লিখেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবু মনসুর শাহরদার [ইবনে শিরুওয়াইহ](৭), আমাদের জানিয়েছেন আমার পিতা এক কিতাবে...

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই, (খ) ও (গ) পাণ্ডুলিপি থেকে সংযোজিত।

(২) «এবং তিনশত» কথাটি (গ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) হাদীসটি দেখুন: কাশফুল খাফা ২/২৪০; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ১০/৮২, ৩৩৩; এবং ইতহাফুস সাদাতিল মুত্তাকিন ৫/১০।

(৪) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাযকিরাতুল হুফফায থেকে বর্ধিত।

(৫) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাযকিরাতুল হুফফায থেকে বর্ধিত।

(৬) «অতঃপর» শব্দটি (গ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৭) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু মূল পাণ্ডুলিপি এবং (খ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
«طبقات الهمدانيين» له قال: عبد الملك بن إبراهيم بن أحمد الفقيه الفرضي أبو الفضل المعروف بالمقدسي سكن بغداد، سمعت منه وكان إماما زاهدا.

قرأت في كتاب «الفنون» لأبي الوفاء علي بن عقيل الفقيه بخطه قال(1): أبو الفضل الهمداني كان شيخا عالما في فنون اللغة والعربية والفرائض والحساب، وأكبر(2) علمه الفقه، وكان على طريقة السلف، زاهدا ورعا، متدينا، وكان شافعيا.

أخبرنا جعفر بن علي الهمداني بالإسكندرية قال: أنبأنا أبو طاهر أحمد بن محمد السلفي قال: سألت أبا غالب شجاع بن فارس الذهلي عن أبي الفضل الهمداني فقال: إمام، مدرس، عارف بالفقه والفرائض، وله تصنيف في الفرائض، كتب عنه الناس، وكان يذهب إلى الاعتزال(3)، حضرته وعلقت عنه شيئا من الفقه.

ذكر أبو الحسن محمد بن عبد الملك بن إبراهيم الهمداني في تاريخه أن والده توفي في ثامن عشر شهر رمضان سنة تسع وثمانين وأربعمائة، قال: وكان يدرّس العلوم الشرعية والأدبية، ومما انتشرت تصانيفه فيه تعلّم الفرائض والحساب، ومن جملة ما كان على حفظه مجمل اللغة لابن فارس وغريب الحديث لأبي عبيد، وتوفي وقد قارب الثمانين، ولم يكن يخبر بمولده، ولم نعرف أنه اغتاب أحدا قط أو ذكره بما يستحي منه، وكان الوزير أبو شجاع(4) لما نص على والدي في أن يلي(5) قضاء القضاة امتنع(6) من الدخول في ذلك، واعتذر بالعجز وعلو السن، وقال: لو كانت ولايتي متقدمة لاستعفيت منه(7) اليوم، وأنشد:

إذا المرء أعيته(8) السيادة ناشئا … فمطلبها كهلا عليه شديد

--------------------------------------------

(1) «قال» تكررت في (ب).

(2) في (ب): «وأكثر علمه الفقه».

(3) في (ب): «وكان يذهب إلى اعتزال».

(4) في هامش (ب): «أبو شجاع محمد بن الحسين بن عبد الله».

(5) في (ج): «في أن تلى قضاء».

(6) في كل النسخ: «فامتنع».

(7) في (ج): «لاستعفيت منها».

(8) في (ب): «إذا المرء عيقه».
«তাবাকাতুল হামাদানিয়্যিন» গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে: আবদুল মালিক বিন ইবরাহিম বিন আহমদ আল-ফকিহ আল-ফারজি আবু আল-ফাদল, যিনি আল-মাকদিসি নামে পরিচিত। তিনি বাগদাদে বসবাস করতেন। আমি তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছি এবং তিনি একজন জাহিদ ইমাম ছিলেন।

আমি ফকিহ আবু আল-ওয়াফা আলি বিন আকিলের স্বহস্তে লিখিত «আল-ফুনুন» কিতাবে পড়েছি, তিনি বলেছেন(১): আবু আল-ফাদল আল-হামাদানি ভাষা বিজ্ঞান, আরবি সাহিত্য, ফরায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) এবং গণিতশাস্ত্রে একজন বিজ্ঞ শাইখ ছিলেন। তবে তাঁর জ্ঞানের বড় অংশ(২) জুড়ে ছিল ফিকহ। তিনি সালাফদের আদর্শে অটল, অত্যন্ত দুনিয়াবিমুখ, পরহেজগার ও ধর্মপ্রাণ ছিলেন এবং তিনি শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন।

আলেকজান্দ্রিয়ায় জাফর বিন আলি আল-হামাদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সিলাফি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু গালিব শুজা বিন ফারিস আদ-দুহলিকে আবু আল-ফাদল আল-হামাদানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি উত্তরে বললেন: তিনি একজন ইমাম, শিক্ষক এবং ফিকহ ও ফরায়েজ শাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন। ফরায়েজ শাস্ত্রের ওপর তাঁর একটি গ্রন্থ রয়েছে। মানুষ তাঁর নিকট থেকে ইলম লিপিবদ্ধ করেছে। তিনি মুতাজিলা মতবাদের দিকে ঝুঁকেছিলেন(৩)। আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হয়েছি এবং তাঁর কাছ থেকে ফিকহের কিছু বিষয় গ্রহণ করেছি।

আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আবদুল মালিক বিন ইবরাহিম আল-হামাদানি তাঁর ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর পিতা ৪৮৯ হিজরি সনের আঠারোই রমজান ইন্তেকাল করেন। তিনি বলেছেন: তিনি শরয়ি ও সাহিত্য বিষয়ক ইলম শিক্ষা দিতেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে ফরায়েজ ও গণিত শিক্ষা ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর মুখস্থ থাকা কিতাবসমূহের মধ্যে ছিল ইবন ফারিসের 'মুজমালুল লুগাহ' এবং আবু উবাইদের 'গারিবুল হাদিস'। তিনি প্রায় আশি বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি নিজের জন্ম তারিখ জানাতেন না। আমরা জানতে পারিনি যে তিনি কখনো কারো গিবত (পরনিন্দা) করেছেন বা কারো এমন কিছু উল্লেখ করেছেন যাতে সে লজ্জিত হয়। যখন উজির আবু শুজা(৪) আমার পিতাকে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালনের(৫) নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান(৬)। তিনি অক্ষমতা ও বার্ধক্যের ওজর পেশ করেন এবং বলেন: যদি আমার এই দায়িত্ব গ্রহণ আগে হতো, তবে আজ আমি এ থেকে অব্যাহতি চাইতাম(৭)। অতঃপর তিনি আবৃত্তি করেন:

যদি কোনো ব্যক্তি যুবক অবস্থায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে অক্ষম হয়ে পড়ে … তবে বার্ধক্যে তার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা অত্যন্ত কঠিন।

--------------------------------------------

(১) (ب) পাণ্ডুলিপিতে «কলা» (তিনি বলেছেন) শব্দটি দুবার এসেছে।

(২) (ب) পাণ্ডুলিপিতে আছে: «তাঁর অধিকাংশ ইলম ছিল ফিকহ শাস্ত্রের ওপর»।

(৩) (ب) পাণ্ডুলিপিতে আছে: «তিনি ইতিজালের দিকে ঝুঁকেছিলেন»।

(৪) (ب) পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় আছে: «আবু শুজা মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ»।

(৫) (ج) পাণ্ডুলিপিতে আছে: «বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে»।

(৬) সকল পাণ্ডুলিপিতে আছে: «অতঃপর তিনি অস্বীকৃতি জানালেন»।

(৭) (ج) পাণ্ডুলিপিতে আছে: «সেটি থেকে অব্যাহতি চাইতাম»।

(৮) (ب) পাণ্ডুলিপিতে আছে: «যদি কোনো ব্যক্তি বাধাগ্রস্ত হয়»।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
قرأت بخط أبي علي أحمد بن محمد البرداني قال: مات الشيخ أبو الفضل عبد الملك ابن أحمد المقدسي، المعروف بالهمداني الفقيه الشافعي في ليلة الأربعاء التاسع عشر من شهر رمضان من سنة تسع وثمانين وأربعمائة، ودفن في مقبرة الشونيزي- رضي الله عنه وكرم وجهه، وكان زاهدا صالحا إماما في علم الفرائض والمواريث والفقه وخلاف الفقهاء.

 

‌‌4 - عبد الملك بن أحمد بن الحسن بن جعفر بن رجاء، أبو طاهر السيوري:

سمع القاضي أبا عبد الله الحسين بن علي بن بطحا وأبا بكر أحمد بن محمد بن الصقر المعروف بابن النمط الزاهد وأبا عبد الله أحمد بن محمد بن كردي وأبا عبد الله أحمد بن عبد الله بن الحسين المحاملي وأبا علي الحسن بن أحمد بن عثمان الصّيرفي وعبيد الله بن أحمد بن عبد الأعلى الرقي الفقيه وأبا عمرو عثمان بن محمد بن يوسف ابن دوست العلاف والقاضي أبا العلاء محمد بن علي بن يعقوب الواسطي وأبا بكر(1) محمد بن عمر بن بكير النجار ومحمد بن عمر بن القاسم النّرسيّ وأبا طاهر عبد الغفار بن محمد بن جعفر المؤدب وأبا محمد(2) الحسن بن محمد الخلال وعبد الملك بن عمر بن خلف الرزاز والقاضي أبا يعلى محمد بن الحسين بن الفراء، وأبا بكر محمد بن علي بن موسى الخياط المقرئ وغيرهم، وخرّج له أبو الفضل أحمد بن الحسن ابن خيرون فوائد عن شيوخه وحدّث بها، فسمعها منه أبو بكر بن الخاضبة وعبد الجليل بن محمد الساوي، وروى عنه عبد الوهاب الأنماطي وأبو محمد عبد الله بن علي بن أحمد المقرئ، وكان شيخا صالحا.

أخبرنا عبد الوهاب بن علي الأمين قال: أنبأنا أبو محمد عبد الله بن علي بن محمد المقرئ، أنبأنا أبو طاهر عبد الملك بن أحمد بن الحسن السيوري، أنبأنا أبو محمد الحسن ابن محمد(3) الخلال، حدثنا أبو القاسم عبد العزيز بن عبد الله الفقيه الداركي إملاء من كتابه قال: حدّثنا جدي أبو علي الحسن بن محمد الداركي، حدّثنا محمد بن حميد

--------------------------------------------

(1) في كل النسخ: «وأبوى طالب» والتصحيح من تذكرة الحفاظ.

(2) في كل النسخ: «وأبوى محمد». والتصحيح من تذكرة الحفاظ.

(3) «الحسن بن محمد». ساقطة من (ب).
আমি আবু আলি আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-বারদানি-এর হস্তাক্ষরে পড়েছি, তিনি বলেছেন: শায়খ আবুল ফজল আব্দুল মালিক ইবনে আহমদ আল-মাকদিসি, যিনি আল-হামদানি শাফেয়ী ফকিহ নামে পরিচিত, চারশ ঊননব্বই হিজরি সালের রমজান মাসের উনিশ তারিখ বুধবার রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাকে শুনিজি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে—আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাঁর চেহারাকে সম্মানিত করুন। তিনি ছিলেন একজন অতি দুনিয়াবিমুখ, নেককার এবং ফারায়েয (উত্তরাধিকার আইন), মীরাস, ফিকহ ও ফকিহদের মতভেদবিষয়ক ইলমে ইমাম।

 

‌‌৪ - আব্দুল মালিক বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন জাফর বিন রাজা, আবু তাহির আস-সিউরি:

তিনি শ্রবণ করেছেন কাজি আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলি বিন বাথা, আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাকর যিনি ইবনুন নামাত আল-যাহিদ নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন কুরদি, আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-মাহামিলি, আবু আলি আল-হাসান বিন আহমদ বিন উসমান আস-সায়রাফি, উবাইদুল্লাহ বিন আহমদ বিন আব্দুল আলা আর-রাক্কি আল-ফকিহ, আবু আমর উসমান বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ ইবনে দাওস আল-আল্লাফ, কাজি আবুল আলা মুহাম্মদ বিন আলি বিন ইয়াকুব আল-ওয়াসিতি, আবু বকর(১) মুহাম্মদ বিন উমর বিন বুকাইর আন-নাজ্জার, মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-কাসিম আন-নারসি, আবু তাহির আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ বিন জাফর আল-মুয়াদ্দিব, আবু মুহাম্মদ(২) আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল, আব্দুল মালিক বিন উমর বিন খালাফ আর-রাযযায, কাজি আবু ইয়ালা মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাররা এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুসা আল-খাইয়াত আল-মুকরি ও অন্যদের থেকে। আবু ফজল আহমদ বিন আল-হাসান ইবনে খাইরুন তাঁর জন্য তাঁর শিক্ষকদের থেকে প্রাপ্ত শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ চয়ন করেছেন এবং সেগুলো বর্ণনা করেছেন। আবু বকর বিন আল-খাদিবা এবং আব্দুল জলিল বিন মুহাম্মদ আস-সাভি তাঁর থেকে তা শুনেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব আল-আনমাতি এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আলি বিন আহমদ আল-মুকরি। তিনি ছিলেন একজন নেককার শায়খ।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলি আল-আমিন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আলি বিন মুহাম্মদ আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আব্দুল মালিক বিন আহমদ বিন আল-হাসান আস-সিউরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন মুহাম্মদ(৩) আল-খাল্লাল, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আল-ফকিহ আদ-দারাকি তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতলিপি হিসেবে, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবু আলি আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আদ-দারাকি, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হুমাইদ...

--------------------------------------------

(১) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "এবং আবু তালিব", আর সংশোধন নেওয়া হয়েছে তাজকিরাতুল হুফফাজ থেকে।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "এবং আবু মুহাম্মদ", আর সংশোধন নেওয়া হয়েছে তাজকিরাতুল হুফফাজ থেকে।

(৩) "আল-হাসান বিন মুহাম্মদ" অংশটি (ব) পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
الرازي، حدثنا إسحاق بن سليمان أبو يحيى الرازي، حدّثنا الجراح الكندي، عن علقمة بن مرثد، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفضلكم من تعلّم القرآن وعلّمه»(1).

قرأت في كتاب أبي غالب شجاع بن فارس الذهلي بخطه قال: مات أبو طاهر عبد الملك بن أحمد السيوري في يوم الخميس الخامس والعشرين من جمادى الآخرة سنة إحدى وثمانين وأربعمائة ودفن في مقبرة باب الدير.

 

‌‌5 - عبد الملك بن أحمد بن الحسين بن علي بن عثمان بن قريش، أبو سعد القزاز (2).

من النصرية من أولاد المحدثين، تقدم ذكر أبيه وجده، سمع الشريف أبا الغنائم عبد الصمد بن علي بن المأمون وأبا محمد عبد الله بن محمد الصريفيني وأبا القاسم علي بن أحمد بن البسري وغيرهم، وحدّث باليسير، روى عنه جماعة.

أنبأنا ذاكر بن كامل بن أبي غالب الخفاف قال أنبأنا أبو سعد(3) عبد الملك بن أحمد بن الحسين بن قريش بقراءة أخي أبي بكر المبارك عليه وأنا أسمع، وأخبرنا عبد الرحمن بن محمد بن هبة الله البواب قال: أنبأنا أبو غالب أحمد بن الحسن بن البناء وأبو الحسن علي بن عبيد الله بن [نصر](4) الزاغوني، وأنبأنا عمر بن محمد المؤدب، أنبأنا أبو الحسن بن الزاغوني، وأنبأنا عبد الوهاب بن علي الأمين، أنبأنا عبد الرحمن ابن محمد أبو منصور القزاز، قالوا جميعا: أنبأنا عبد الصمد بن علي بن المأمون، أنبأنا أبو الحسن الحربي، حدّثنا أحمد بن الحسن، حدّثنا محمد بن عباد المكي، حدثنا حاتم ابن إسماعيل، عن عبد الرحمن، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، عن أبيه قال: قال

--------------------------------------------

(1) انظر الحديث في: سنن الترمذي 2908. وسنن ابن ماجة 211، 212. ومسند أحمد 1/ 57، 69. ومصنف عبد الرزاق 5995.

(2) في الأصل، (ج) «بن السرى» تحريف، والتصحيح من الأنساب للسمعاني.

(3) في الأصل: «أبو سيد» تحريف.

(4) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ
আল-রাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে সুলাইমান আবু ইয়াহইয়া আল-রাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-জাররাহ আল-কিন্দি, আলকামা ইবনে মারসাদ থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামি থেকে, তিনি উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা শিক্ষা দেয়»(১)।

আমি আবু গালিব শুজা ইবনে ফারিস আদ-দুহালির কিতাবে তার স্বহস্তে লিখিত অবস্থায় পড়েছি, তিনি বলেন: আবু তাহির আবদুল মালিক ইবনে আহমাদ আস-সায়ুরি চারশত একাশি হিজরি সনের পঁচিশে জুমাদাল আখিরা, বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে বাবুদ দাইর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

 

‌‌৫ - আবদুল মালিক ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে উসমান ইবনে কুরাইশ, আবু সাদ আল-কাযযায (২)।

তিনি নাসরিয়া এলাকার অধিবাসী এবং মুহাদ্দিসগণের বংশধর, তার পিতা ও দাদার কথা ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আশ-শরিফ আবু আল-গানায়িম আবদুল সামাদ ইবনে আলী ইবনে আল-মামুন, আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সারিফিনি, আবু আল-কাসিম আলী ইবনে আহমাদ ইবনে আল-বুসরি এবং আরও অনেকের নিকট (হাদিস) শ্রবণ করেছেন। তিনি অল্প কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং একদল (রাবি) তার থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাকির ইবনে কামিল ইবনে আবু গালিব আল-খাফফাফ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ(৩) আবদুল মালিক ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে কুরাইশ—আমার ভাই আবু বকর আল-মুবারক তার সামনে পাঠ করছিলেন এবং আমি তা শুনছিলাম। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হিবাতুল্লাহ আল-বাওয়াব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-বান্না এবং আবু আল-হাসান আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে [নাসর](৪) আল-যাগুনি। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুয়াদ্দিব, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান ইবনে আল-যাগুনি। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল ওয়াহাব ইবনে আলী আল-امین, (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আবু মানসুর আল-কাযযায। তারা সকলে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল সামাদ ইবনে আলী ইবনে আল-মামুন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আল-হারবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ আল-মাক্কি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম ইবনে ইসমাইল, তিনি আবদুর রহমান থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন

--------------------------------------------

(১) হাদিসটি দেখুন: সুনান আত-তিরমিজি ২৯০৮, সুনান ইবনে মাজাহ ২১১, ২১২, মুসনাদে আহমাদ ১/৫৭, ৬৯ এবং মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক ৫৯৯৫।

(২) মূলে এবং (জিম) পাণ্ডুলিপিতে "ইবনুল সাররি" রয়েছে যা ভুল লিখন, সংশোধন করা হয়েছে সামআনির আল-আনসাব থেকে।

(৩) মূলে রয়েছে: "আবু সাইয়িদ" যা ভুল লিখন।

(৪) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাযকিরাতুল হুফফাজ থেকে সংযোজন।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أخاف أهل المدينة أخافه الله»(1).

قرأت في كتاب أبي بكر المبارك بن كامل بن أبي غالب الخفاف بخطه قال: توفى أبو سعد عبد الملك بن أحمد بن قريش في رجب سنة إحدى وعشرين وخمسمائة، ودفن في [مقبرة](2) باب حرب(3).

 

‌‌6 - عبد الملك بن أحمد بن عبد الله بن أحمد بن الشوكي، أبو الخطاب (4):

كان خطيبا بالمحول، سمع أبا القاسم عبد الرحمن بن عبيد الله بن محمد الحرقي وأبا عبد الله الحسين بن محمد بن جعفر الخالع، وحدّث باليسير، روى عنه أبو الفضل محمد بن عبد الله بن المهتدي(5) [بالله](6) الخطيب وأبو القاسم بن السمرقندي.

حدّثنا عبد العزيز بن محمود بن الأخضر من لفظه قال: أنبأنا(7) أبو القاسم إسماعيل ابن أحمد بن عمر السمرقندي قراءة عليه قال: أنبأنا عبد الملك بن أحمد بن عبد الله الخطيب، أنبأنا الحسين- وهو ابن محمد بن جعفر الخالع- أنبأنا محمد- وهو ابن عمران المرزباني- حدثنا أبو بكر محمد- وهو ابن الحسن بن دريد- حدّثنا السكن بن سعيد، عن محمد بن عباد، عن ابن الكلبي قال: أوصى عمير بن حبيب الخطمي- وكانت له صحبة- ابنه فقال: «يا بني إياك ومجالسة السفهاء، فإن مجالستهم داء، إنه من يحلم عن السفيه يسر بحلمه(8)، ومن يحبه يندم، ومن لم يفز بقليل ما يأتي به السفيه يفز(9) بكثيره، ومن يصبر على ما يكره يدرك ما يحب، وإذا أراد

--------------------------------------------

(1) انظر الحديث في: مسند أحمد (3/ 393)، (4/ 55). ومعجم الطبرانيّ الكبير (7/ 169)، (171). وصحيح ابن حبان (1039). والترغيب والترهيب (2/ 232).

(2) ما بين المعقوفتين زيادة من معجم البلدان.

(3) في كل النسخ: «باب خرب» تحريف.

(4) انظر: الأنساب، للسمعاني 5/ 26.

(5) «عبد الله بن المهتدى» سقطت من (ج).

(6) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ، والأنساب.

(7) في (ج): «أنبا» في كل المواضع.

(8) في (ج): «يسر بحمله».

(9) (ج): «ما يأتى به السفيه يفر بكثيره» في الموضعين.
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি মদিনাবাসীকে ভীত করবে, আল্লাহ তাকে ভীত করবেন»(১).

আমি আবু বকর আল-মুবারক ইবনে কামিল ইবনে আবি গালিব আল-খাফফাফের কিতাবে তাঁর নিজ হাতের লেখায় পড়েছি যে, তিনি বলেছেন: আবু সাদ আব্দুল মালিক ইবনে আহমদ ইবনে কুরাইশ ৫২১ হিজরীর রজব মাসে ইন্তেকাল করেছেন এবং তাঁকে বাবু হারব নামক [কবরস্থানে](২) দাফন করা হয়েছে(৩).

 

‌‌৬ - আব্দুল মালিক ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আশ-শাওকি, আবু আল-খাত্তাব (৪):

তিনি আল-মুহাওওয়ালের খতিব ছিলেন। তিনি আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-হারকি এবং আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-খালা-এর নিকট হাদিস শুনেছেন এবং অল্প কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-মুহতাদি(৫) [বিল্লাহ](৬) আল-খতিব এবং আবু আল-কাসিম ইবনে আস-সামারকান্দি বর্ণনা করেছেন।

আব্দুল আজিজ ইবনে মাহমুদ ইবনে আল-আখদার মৌখিকভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আস-সামারকান্দি আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আব্দুল মালিক ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খতিব, আমাদের খবর দিয়েছেন আল-হুসাইন—যিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-খালা—আমাদের খবর দিয়েছেন মুহাম্মদ—যিনি ইমরান আল-মারজুবানি—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ—যিনি আল-হাসান ইবনে দুরাইদ—আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আস-সাকান ইবনে সাঈদ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি ইবনুল কালবি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: উমায়ের ইবনে হাবিব আল-খাতমি—যিনি একজন সাহাবী ছিলেন—তাঁর পুত্রকে অসিয়ত করে বলেন: «হে বৎস, নির্বোধদের সাথে উঠাবসা করা থেকে বেঁচে থাকো, কারণ তাদের সাথে উঠাবসা করা একটি ব্যাধি। নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি নির্বোধের প্রতি ধৈর্য ধারণ করে সে তার ধৈর্যের কারণে আনন্দিত হয়(৮), আর যে তাকে পছন্দ করে সে লজ্জিত হয়। যে ব্যক্তি নির্বোধের উপস্থাপিত সামান্য মন্দ বিষয় থেকে মুক্ত হতে পারে না, সে তার অধিক মন্দের শিকার হয়(৯)। আর যে ব্যক্তি অপছন্দনীয় বিষয়ের ওপর ধৈর্য ধারণ করে সে তার প্রিয় বস্তু লাভ করে। আর যখন সে ইচ্ছা করে...

--------------------------------------------

(১) হাদিসটি দেখুন: মুসনাদে আহমদ (৩/৩৯৩), (৪/৫৫)। তাবারানি কৃত আল-মু’জামুল কাবীর (৭/১৬৯), (১৭১)। সহিহ ইবনে হিব্বান (১০৩৯)। আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব (২/২৩২)।

(২) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু মু’জামুল বুলদান থেকে বর্ধিত।

(৩) সকল পাণ্ডুলিপিতে আছে: «বাবু খারব», যা মূলত লিখন-ভ্রম।

(৪) দেখুন: আস-সামআনি কৃত আল-আনসাব ৫/২৬।

(৫) «আব্দুল্লাহ ইবনুল মুহতাদি» অংশটুকু (জ) পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

(৬) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাজকিরাতুল হুফফাজ এবং আল-আনসাব থেকে বর্ধিত।

(৭) (জ) পাণ্ডুলিপিতে সব স্থানে «আনবা» (সংক্ষিপ্ত রূপ) রয়েছে।

(৮) (জ) পাণ্ডুলিপিতে: «يسر بحمله» (তার বোঝা বহনে আনন্দিত হয়)।

(৯) (জ) পাণ্ডুলিপিতে উভয় স্থানে: «যা নির্বোধ নিয়ে আসে, সে তার অধিক থেকে পলায়ন করে»।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
أحد(1) أن يأمر بالمعروف أو ينهى عن المنكر فليوطن نفسه على الأذى(2) وليوقن بالثواب».

أنبأنا أبو القاسم الأزجي، عن أبي بكر محمد بن علي بن ميمون المقرئ قال: أنبأنا أبو الفضل أحمد بن الحسن بن [أحمد بن](3) خيرون العدل قال: مات أبو الخطاب عبد الملك بن الشوكي خطيب المحول في ليلة السبت ودفن يوم السبت سلخ شهر رمضان سنة ست وسبعين وأربعمائة، وكان ستّيرا(4)، ذكر غيره أنه دفن بالمحول.

 

‌‌7 - عبد الملك بن أحمد بن عصام، أبو نصر المقرئ:

قرأ القرآن على أبي بكر أحمد بن موسى بن [العباس بن] مجاهد [العطشي](5) وروى عنه، قرأ عليه أبو الحسن علي بن طلحة بن محمد البصري المالكي وأبو الحسن أحمد بن محمد العتيقي وأبو بكر محمد بن محمد بن إسماعيل الطاهري، ورواه عنه، وذكر المالكي أنه قرأ عليه في سنة تسع وستين وثلاثمائة في مشرعة الزوايا درب فياض.

 

‌‌8 - عبد الملك بن أحمد بن علي بن فتحان(6) بن منصور الشهرزوري، أبو البركات بن أبي بكر بن أبي الحسن المقرئ(7):

من ساكني درب نصير، وهو أخو أبي نصر الحسن الذي تقدم ذكره، سمع أباه والقاضي أبا العلاء محمد بن علي بن يعقوب الواسطي، وأبا طالب بن غيلان، وأبا محمد الخلال، وأبا الحسين أحمد بن علي التوزي، وأبا القاسم عبيد الله بن عمر بن أحمد بن شاهين، وأبا الحسن علي بن أحمد بن حامد البزاز، وأبا علي الحسن بن علي

--------------------------------------------

(1) زيد في النسخ كلها: «عمر».

(2) في النسخ كلها: «عن الأذى».

(3) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ.

(4) في الأصل، (ب): «وكان سترا».

(5) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ (3/ 820).

(6) في الأصل بلا نقط، وفي (ب): «فنحان».

(7) - انظر: لسان الميزان (1/ 310).
...কেউ যদি(১) সৎকাজের আদেশ দিতে বা অসৎকাজে বাধা দিতে চায়, তবে সে যেন নিজেকে কষ্টের ওপর ধৈর্য ধারণে অভ্যস্ত করে(২) এবং সওয়াবের ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-আযজি, আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাইমুন আল-মুকরি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আহমাদ বিন আল-হাসান বিন [আহমাদ বিন] খাইরুন আল-আদল, তিনি বলেন: আল-মুহাওওয়ালের খতিব আবু আল-খাত্তাব আব্দুল মালিক বিন আশ-শাওকি ৪৭৬ হিজরি সনের রমজান মাসের শেষ দিনে শনিবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন এবং শনিবার দিনই তাকে দাফন করা হয়। তিনি অত্যন্ত সচ্চরিত্রবান ও নিভৃতচারী ছিলেন(৪); অন্য বর্ণনাকারী উল্লেখ করেছেন যে তাকে মুহাওওয়ালে দাফন করা হয়েছে।

 

‌‌৭ - আব্দুল মালিক বিন আহমাদ বিন ইসাম, আবু নাসর আল-মুকরি:

তিনি আবু বকর আহমাদ বিন মুসা বিন [আল-আব্বাস বিন] মুজাহিদ [আল-আতাশি]-এর নিকট(৫) কুরআন পাঠ করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার নিকট কিরাত পাঠ করেছেন আবু আল-হাসান আলী বিন তালহা বিন মুহাম্মাদ আল-বাসরি আল-মালিকি, আবু আল-হাসান আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আতিকি এবং আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আত-তাহিরি; তারা তার থেকে বর্ণনাও করেছেন। আল-মালিকি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তার নিকট ৩৬৯ হিজরি সনে মাশরাআত আল-যাওয়াওয়া সংলগ্ন দারবে ফায়্যাযে কিরাত পাঠ করেছেন।

 

‌‌৮ - আব্দুল মালিক বিন আহমাদ বিন আলী বিন ফাতহান(৬) বিন মানসুর আশ-শাহরাযুরি, আবু আল-বারাকাত বিন আবি বকর বিন আবি আল-হাসান আল-মুকরি(৭):

তিনি দারবে নাসিরের অধিবাসী এবং ইতিপূর্বে বর্ণিত আবু নাসর আল-হাসানের ভাই। তিনি তার পিতা, কাজী আবু আল-আলা মুহাম্মাদ বিন আলী বিন ইয়াকুব আল-ওয়াসিতি, আবু তালিব বিন গাইলান, আবু মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল, আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন আলী আত-তূজি, আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন উমর বিন আহমাদ বিন শাহীন, আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ বিন হামিদ আল-বায্যায এবং আবু আলী আল-হাসান বিন আলীর নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন...

--------------------------------------------

(১) সকল পাণ্ডুলিপিতে ‘উমর’ শব্দটি অতিরিক্ত এসেছে।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ‘কষ্ট থেকে’।

(৩) তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যবর্তী অংশটুকু তাযকিরাত আল-হুফফায থেকে সংযোজিত।

(৪) মূলে এবং (ব) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ‘তিনি একজন আবরণ স্বরূপ ছিলেন’।

(৫) তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যবর্তী অংশটুকু তাযকিরাত আল-হুফফায (৩/৮২০) থেকে সংযোজিত।

(৬) মূলে নুকতাহীনভাবে রয়েছে এবং (ব) পাণ্ডুলিপিতে ‘ফানহান’ রয়েছে।

(৭) - দেখুন: লিসান আল-মিযান (১/৩১০)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
[ابن محمد](1) بن المذهب، وأبا طاهر محمد بن علي بن العلاف، وأبا الحسن علي ابن عمر القزويني، وأبا الحسن علي بن محمد بن فرح، وأبا نصر أحمد بن مسرور صاحب أبي الحسين بن سمعون الواعظ، وأبا محمد الحسن بن علي الجوهري، وأبا الحسن علي بن أحمد الملطي وغيرهم.

وجمع فضائل العباس بن عبد المطلب رضي الله عنه في جزء وحدّث به، سمع منه أبو بكر محمد بن طرخان(2) بن بلتكين بن مبارز(3) التركي، وأبو الحسن(4) مكي بن عبد السلام الرميلي، وأبو نصر أحمد بن عمر الغازي.

قرأت على أبي بكر محمد بن حامد الضرير بأصبهان، عن أبي نصر أحمد بن عمر الغازي قال: أنبأنا أبو البركات عبد الملك بن أحمد بن علي الفامي ويعرف «بابن الشهرزوري» بقراءتي عليه.

وأنبأنا عبد الوهاب بن علي الأمين قال: أنبأنا هبة الله بن محمد بن الحصين قالا:

أنبأنا أبو طالب محمد بن محمد بن غيلان، حدّثنا أبو بكر محمد بن عبد الله بن إبراهيم الشافعي، حدّثنا أحمد بن الحسين الصوفي أبو الحسن، حدّثنا محمد بن حرب(5) النشائي، حدّثنا إسحاق الأزرق(6) حدثنا مسعر، عن حبيب بن أبي ثابت، عن طاوس، عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلاة الليل مثنى مثنى، فإذا خفت الصبح فأوتر بركعة»(7).

قرأت في كتاب أبي نصر الغازي بخطه قال: مولد أبي البركات بن الشهرزوري في

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفتين زيادة من لسان الميزان، وشذرات الذهب.

(2) في الأصل، (ج): «بن طرحان».

(3) في الأصل: «بحكم» وفي (ب)، (ج): «لحكم» والتصحيح من العبر (4/ 30).

(4) هكذا في كل النسخ، وفي الشذرات، والأنساب، والعبر: «أبو القاسم» وفي التذكرة: «أبو العباس».

(5) في الأصل: «بن خرب» وفي (ب)، (ج): «بن خرب» والتصحيح من التذكرة، والتهذيب.

(6) في (ج): «الأرزق» تصحيف.

(7) - انظر الحديث في: سنن الترمذي (597). وسنن النسائي (3/ 228)، وسنن ابن ماجة (1219)، ومسند أحمد (2/ 30)، (33)، (40)، (49)، (66)، (71)، (77)، (79)، (81)، (83)، (119)، (133)، (134)، (141)، (148)، (153)، (4/ 167)، (387).
[ইবনে মুহাম্মদ](১) বিন আল-মুযহিব, আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আল্লাফ, আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আল-কাযওয়িনি, আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন ফারাহ, আবু নসর আহমদ বিন মাসরুর—যিনি ওয়ায়েয আবু আল-হুসাইন বিন সামউনের সাথী ছিলেন, আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারি, এবং আবুল হাসান আলী বিন আহমদ আল-মালতি ও অন্যান্যরা।

তিনি আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাযিয়াল্লাহু আনহুর ফযিলতসমূহ একটি খণ্ডে সংকলন করেছেন এবং তা বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে শ্রবণ করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন তর্খান(২) বিন বেলতেকিন বিন মুবারিজ(৩) আল-তুর্কি, আবুল হাসান(৪) মক্কি বিন আব্দুস সালাম আল-রুমাইলি এবং আবু নসর আহমদ বিন উমর আল-গাযি।

আমি ইসফাহানে আবু বকর মুহাম্মদ বিন হামিদ আদ-দারীর-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু নসর আহমদ বিন উমর আল-গাযি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবুল বারাকাত আব্দুল মালিক বিন আহমদ বিন আলী আল-ফামি—যিনি 'ইবনে শাহরাযুরি' নামে পরিচিত—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী আল-আমিন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-حصين (হুসাইন); তাঁরা উভয়েই বলেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন গাইলান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-শাফিঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আল-হুসাইন আস-সুফি আবুল হাসান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হারব(৫) আল-নাশাঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক আল-আযরাক(৬), আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর, হাবীব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি তাউস থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «রাতের সালাত দুই রাকাত দুই রাকাত করে। অতঃপর যখন তুমি ভোরের আশঙ্কা করবে, তখন এক রাকাত বিতর পড়ে নাও»(৭)।

আমি আবু নসর আল-গাযির কিতাবে তাঁর নিজ হাতের লেখায় পড়েছি, তিনি বলেন: আবু আল-বারাকাত বিন আল-শাহরাযুরির জন্ম...

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু লিসানুল মিযান এবং শাযারাতুয যাহাব থেকে বর্ধিত।

(২) মূলে এবং (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «বিন ত্বরহান»।

(৩) মূলে রয়েছে: «বিহুকম» এবং (ব), (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «লিহুকম»; সংশোধনটি আল-ইবার (৪/৩০) থেকে নেওয়া।

(৪) সকল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে শাযারাত, আনসাব এবং ইবারে রয়েছে: «আবু আল-কাসিম» এবং তাযকিরাতে রয়েছে: «আবু আল-আব্বাস»।

(৫) মূলে রয়েছে: «বিন খারাব» এবং (ব), (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «বিন খারাব»; সংশোধনটি তাযকিরাহ এবং তাহযীব থেকে নেওয়া।

(৬) (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আল-আরযাক», যা একটি লিখনপ্রমাদ।

(৭) - হাদীসটি দেখুন: সুনানে তিরমিযী (৫৯৭), সুনানে নাসাঈ (৩/২২৮), সুনানে ইবনে মাজাহ (১২১৯), মুসনাদে আহমদ (২/৩০), (৩৩), (৪০), (৪৯), (৬৬), (৭১), (৭৭), (৭৯), (৮১), (৮৩), (১১৯), (১৩৩), (১৩৪), (১৪১), (১৪৮), (১৫৩), (৪/১৬৭), (৩৮৭)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
سنة أربع وأربعمائة، قرأت بخط أبي عبد الله الحسين بن محمد بن خسرو البلخي قال:

مات أبو البركات عبد الملك بن أحمد بن الشهرزوري(1) المقرئ يوم الأربعاء، ودفن يوم الخميس الثالث والعشرين من شعبان سنة سبع وسبعين وأربعمائة.

 

‌‌9 - عبد الملك بن أزاروه بن عبد الله، أبو(2) المظفر الشاعر:

ذكره أبو الفتوح عبد السلام بن يوسف الدمشقي في كتاب «أنموذج الأعيان» من جمعه، فقال: ديّن، أديب، شاعر، شافعي المذهب، بغدادي، توفي سنة اثنتين وعشرين أو أربع وعشرين وخمسمائة، ودفن بباب حرب(3)، فمن شعره:

فاض دمعي حتى إذا نفذ الدمع … جرى القلب في مجاري الدموع

لا تلمني فدمع عيني جرى … شوقا وقلبي من خيفة(4) التوديع

قال: ومنه:

نظرت من قد صبغ(5) في لونه … شمسا وبدل من غرته(6)

فحار قلبي عند تشبيهه … فلم أقسه بسوى صورته

قال: ومنه:

أشارت بألطاف لطاف وأومأت … بأنملة من ماء قلبي خضابها

وأرخت نقابا بين طرفي وجهها … فخلت بأن الشمس تحت نقابها

 

‌‌10 - عبد الملك بن جعفر بن الحسين، أبو العباس (7):

من أهل سامراء، حدّث عن أبي علي الحسن بن عرفة العبدي بحديث منكر، رواه عنه علي بن عمرو بن سهل الحريري.

--------------------------------------------

(1) في كل النسخ: «الشهزورى» تصحيف.

(2) في (ج): «بن المظفر».

(3) في (ب): «حزب» وفي الأصل، (ج): «خرب».

(4) في (ج): «من حتفه» تصحيف.

(5) في الأصل: «قد ضنع» وفي (ب)، (ج): «صنع» وما أثبتناه أقرب للمعنى.

(6) بياض في الأصل مكان «بدل».

(7) - انظر: لسان الميزان 4/ 58. وميزان الاعتدال 2/ 652 (5192).
চারশত চার হিজরি সন, আমি আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন খুসরো আল-বালখির হস্তাক্ষরে পড়েছি, তিনি বলেছেন:

আবু আল-বারাকাত আব্দুল মালিক বিন আহমাদ বিন আশ-শাহরাজুরি(১) আল-মুকরি বুধবার মৃত্যুবরণ করেন এবং চারশত ৭৭ হিজরি সনের ২৩শে শাবান বৃহস্পতিবার তাকে দাফন করা হয়।

 

‌‌৯ - আব্দুল মালিক বিন আজারুহ বিন আব্দুল্লাহ, আবু(২) আল-মুজাফফর আশ-শা'য়ির (কবি):

আবু আল-ফুতুহ আব্দুস সালাম বিন ইউসুফ আদ-দিমাশকি তার সংকলিত 'উম্মুজাজুল আ'য়ান' কিতাবে তার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: তিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ, সাহিত্যিক, কবি, শাফেয়ি মাযহাব অনুসারী এবং বাগদাদী। তিনি পাঁচশত বাইশ অথবা চব্বিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে বাবুল হারব(৩) নামক স্থানে দাফন করা হয়। তার কিছু কবিতা হলো:

আমার অশ্রু প্রবাহিত হলো যতক্ষণ না অশ্রু শেষ হয়ে গেল … অতঃপর হৃদয়ে অশ্রুর ঝর্ণাধারায় বইতে লাগল

আমাকে তিরস্কার করো না, কেননা আমার চোখের অশ্রু বয়ে গেছে … আকাঙ্ক্ষায়, আর বিদায়ের ভয়ে(৪) আমার হৃদয় কম্পমান

তিনি বলেন: আরও রয়েছে:

আমি এমন একজনকে দেখলাম যার রঙে সূর্যের আভা লেগেছে(৫) … এবং যার কপালে ছিল আলোর দ্যুতি(৬)

তার সাদৃশ্য দিতে গিয়ে আমার হৃদয় বিমোহিত হলো … তাই আমি তাকে তার নিজের ছবি ছাড়া অন্য কিছুর সাথে তুলনা করিনি

তিনি বলেন: আরও রয়েছে:

সে তার কোমল হাত নেড়ে ইশারা করল এবং ইঙ্গিত করল … এমন এক আঙ্গুল দিয়ে যা আমার হৃদয়ের রক্তে রাঙানো

সে তার মুখের ওপর নেকাব ঝুলিয়ে দিল … তখন আমার মনে হলো সূর্য যেন তার নেকাবের নিচে ঢাকা পড়েছে

 

‌‌১০ - আব্দুল মালিক বিন জাফর বিন আল-হুসাইন, আবু আল-আব্বাস (৭):

তিনি সামাররার অধিবাসী ছিলেন। তিনি আবু আলি আল-হাসান বিন আরাফাহ আল-আবদি থেকে একটি মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে এটি আলি বিন আমর বিন সাহল আল-হারিরি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) সকল পাণ্ডুলিপিতে: 'আশ-শাহজুরি' এটি একটি লিখনগত ত্রুটি।

(২) (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'বিন আল-মুজাফফর'।

(৩) (বা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'হাজব', মূলকপি ও (জ) তে রয়েছে: 'খারাব'।

(৪) (জ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'তার মৃত্যু থেকে', এটি একটি লিখনগত ত্রুটি।

(৫) মূল কপিতে রয়েছে: 'কাদ দনা' এবং (বা), (জ) তে রয়েছে: 'সানা'। আমরা যা স্থির করেছি তা অর্থের বেশি নিকটবর্তী।

(৬) মূল কপিতে 'বাদাল' শব্দের স্থানে ফাঁকা জায়গা রয়েছে।

(৭) - দেখুন: লিসানুল মিজান ৪/৫৮ এবং মিজানুল ইতিদাল ২/৬৫২ (৫১৯২)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
أنبأنا عبد الوهاب بن علي الأمين، عن محمد بن عبد الباقي الشاهد قال: أنبأنا الحسن بن علي الجوهري إذنا، عن أبي بكر أحمد بن إبراهيم [بن الحسين](1) بن شاذان قال: حدّثني أبو الحسن علي بن عمرو بن سهل الحريري قال: حدثني أبو العباس عبد الملك بن جعفر بن الحسين: لقيته بتكريت وهو منحدر من الثغر يريد العراق وأنا مصعد أريد(2) الجزيرة وسألته عن مولده فذكر أن مولده لثلاث خلون من شهر ربيع الآخر من سنة إحدى وعشرين ومائتين بسرّ من رأى. قال: حدّثنا أبو علي الحسن العبدي بسرّ من رأى قديما، حدثنا يزيد بن هارون الواسطي، عن حميدالطويل، عن أنس بن مالك قال: أهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم زبد وعسل، فجاء على بن أبي طالب فجلس، فقدمه النبي صلى الله عليه وسلم إليه فقال: «كل يا سيدي»(3)

- وذكر الحديث بتمامه.

 

‌‌11 - عبد الملك بن حبيب، أبو القاسم البزاز الحنبلي:

من ساكني سوق السلاح، حدث عن أبي بكر أحمد بن إبراهيم بن شاذان، روى عنه أبو علي بن البناء في مشيخته.

أنبأنا أبو الفرج الحراني، عن يحيى بن عثمان بن الشؤا(4) قال: أنبأنا أبو علي الحسن بن أحمد بن البناء قراءة عليه قال: أنبأنا أبو القاسم عبد الملك بن حبيب البزاز جارنا بسوق السلاح، أنبأنا أبو بكر أحمد بن إبراهيم بن شاذان، حدثنا جبير بن محمد الواسطي، حدثنا محمد بن صالح البغدادي بن أبي السري، حدثنا عمر بن عبد الواحد(5) حدثنا إسحاق بن عبد الله، عن عدي بن ثابت، عن البراء بن عازب قال:

قال النبي صلى الله عليه وسلم: «من صام رمضان وستة أيام من شوال كان كصيام السنة كلها، الحسنة بعشر أمثالها»(6).

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفتين زيادة تذكرة الحفاظ 3/ 1017.

(2) في كل النسخ: «نريد الجزيرة».

(3) انظر الحديث في: تنزيه الشريعة (1/ 405).

(4) هكذا في الأصل، (ج) وفي (ب): «السؤا».

(5) في الأصل، (ب): «عبد الواحد».

(6) انظر الحديث في: صحيح البخاري 822. وفتح الباري (4/ 223).
আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী আল-আমিন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি আল-শাহেদ থেকে, তিনি বলেন: হাসান বিন আলী আল-জাওহারী আমাদের অনুমতিক্রমে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন ইব্রাহিম [বিন আল-হুসাইন](১) বিন শাযান থেকে, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন আমর বিন সাহল আল-হারীরি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আব্দুল মালিক বিন জাফর বিন আল-হুসাইন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: আমি তাঁর সাথে তিকরিত শহরে সাক্ষাৎ করেছি যখন তিনি সীমান্ত অঞ্চল থেকে ইরাকের দিকে যাচ্ছিলেন এবং আমি জাজিরার দিকে যেতে চাচ্ছিলাম(২)। আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি উল্লেখ করেন যে, তাঁর জন্ম ২২১ হিজরি সালের রবিউস সানি মাসের তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সুররা মান রাআ শহরে হয়েছিল। তিনি বলেন: আবু আলী হাসান আল-আবদি অনেক আগে সুররা মান রাআ শহরে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযিদ বিন হারুন আল-ওয়াসিতি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট মাখন ও মধু উপহার পাঠানো হলো। অতঃপর আলী বিন আবি তালিব আসলেন এবং বসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা তাঁর সামনে পেশ করলেন এবং বললেন: «হে আমার সর্দার, আহার করুন»(৩)

- এবং তিনি সম্পূর্ণ হাদিসটি উল্লেখ করেন।

 

‌‌১১ - আব্দুল মালিক বিন হাবিব, আবুল কাসিম আল-বাযযায আল-হাম্বলি:

তিনি সুক আস-সিলাহ (অস্ত্রের বাজার)-এর অধিবাসী ছিলেন। তিনি আবু বকর আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আবু আলী বিন আল-বান্না তাঁর মাশইয়াহাতে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবুল ফারাজ আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন উসমান বিন আশ-শুআ(৪) থেকে, তিনি বলেন: আবু আলী হাসান বিন আহমদ বিন আল-বান্না তাঁর সামনে পাঠ করার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুক আস-সিলাহ-এ আমাদের প্রতিবেশী আবুল কাসিম আব্দুল মালিক বিন হাবিব আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, জুবায়ের বিন মুহাম্মাদ আল-ওয়াসিতি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-বাগদাদি বিন আবি আস-সারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, উমর বিন আব্দুল ওয়াহিদ(৫) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আদী বিন সাবিত থেকে, তিনি বারা ইবনে আযিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এবং এর সাথে শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, তা যেন পুরো বছর রোজা রাখার সমান হলো; প্রতিটি নেক কাজের দশ গুণ সওয়াব রয়েছে»(৬)।

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশটি তাজকিরাতিল হুফফাজ ৩/১০১৭-এর সংযোজন।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আমরা জাজিরার ইচ্ছা পোষণ করছি»।

(৩) হাদিসটি দেখুন: তানযিহুশ শরীয়াহ (১/৪০৫)।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপি এবং (জিম) কপিতে এভাবেই রয়েছে, আর (বা) কপিতে রয়েছে: «আস-সুআ»।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপি এবং (বা) কপিতে রয়েছে: «আব্দুল ওয়াহিদ»।

(৬) হাদিসটি দেখুন: সহিহ বুখারি ৮২২ এবং ফাতহুল বারি (৪/২২৩)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
‌‌12 - عبد الملك بن الحسن بن محمد بن إسحاق بن الأزهر بن عبد الله، أبو نعيم بن أبي محمد الأزهري (1):

من أهل أسفرايين، سمع خال والده أبا عوانة يعقوب بن إسحاق بن إبراهيم بن يزيد الأسفراييني، وروى عنه كتاب «المسند» من جمعه، روى عنه أبو محمد عبد الحميد بن عبد الرحمن بن محمد بن أحمد البحيري(2) وغيره، وقدم بغداد حاجا وحدث بها، روى عنه أبو عبد الله محمد بن أحمد بن إبراهيم بن ماسك(3) الأرجاني في معجم شيوخه.

قرأت في كتاب «المعجم» لأبي عبد الله الأرجاني قال:

أنبأنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن بن محمد الأسفراييني- قدم بغداد حاجّا- وأخبرنا أبو بكر القاسم بن عبد الله ابن عمر بن أحمد بن الصفار بقراءتي عليه بنيسابور قال: أنبأنا أبو الأسعد هبة الرحمن(4) بن عبد الواحد(5) بن عبد الكريم بن هوازن القشيري قراءة عليه، أنبأنا عبد الحميد بن عبد الرحمن البحيري(6)، أنبأنا أبو نعيم عبد الملك بن الحسن الأزهري، حدثنا أبو عوانة يعقوب بن إسحاق الأسفراييني، حدثنا العباس بن محمد، حدثنا روح ابن عبادة، حدثنا سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لو أهدي إليّ ذراع لقبلت ولو دعيت إليه لأجبت»(7).

أنبأنا أبو أحمد الأمين عن السيد أبي الغنائم الحسني قال: أنبأنا أبو عبد الرحمن الشاذياخي قال: سمعت الحاكم [أبا](8) عبد الله النيسابوري يقول: توفي أبو نعيم ابن أبي محمد الحسن بن محمد ابن أخت أبي عوانة الأسفراييني بأسفرايين يوم الاثنين

--------------------------------------------

(1) انظر: شذرات الذهب (3/ 159).

(2) في الأصل: «البحري» ومطموس في باب (ب).

(3) في كل النسخ بلا نقط، والتصحيح من الأنساب.

(4) في كل النسخ: «عبد الرحمن» والتصحيح من كتب الرجال.

(5) في كل النسخ: «عبد الواحد» والتصحيح من تذكرة الحفاظ 4/ 1309.

(6) في الأصل «البحري».

(7) - انظر الحديث في صحيح البخاري (3/ 201)، (32). وسنن الترمذي (1338). ومسند أحمد (2/ 479)، (481)، (512). وفتح الباري (5/ 199)، (9/ 246).

(8) ما بين المعقوفتين سقط من كل الأصول.
১২ - আব্দুল মালিক ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে আল-আজহার ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু নুয়াইম ইবনে আবি মুহাম্মদ আল-আজহারী (১):

তিনি আসফারায়িনের অধিবাসী। তিনি তার পিতার মামা আবু আওয়ানা ইয়াকুব ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াজিদ আল-আসফারায়িনীর নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং তার সংকলিত ‘আল-মুসনাদ’ গ্রন্থটি তার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বুহাইরি(২) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি হজ্জ পালনকারী হিসেবে বাগদাদে আগমন করেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মাসিক(৩) আল-আরজানি তার ‘মুজামু শুয়ুখ’-এ তার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আমি আবু আব্দুল্লাহ আল-আরজানির ‘আল-মুজাম’ গ্রন্থে পড়েছি, তিনি বলেছেন:

আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-আসফারায়িনি—যিনি হজ্জ পালনকারী হিসেবে বাগদাদে এসেছিলেন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আর আবু বকর আল-কাসিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনে আস-সাফফার নাইশাপুরে আমার নিকট তার পাঠের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-আসআদ হিবাতুর রহমান(৪) ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ(৫) ইবনে আব্দুল কারিম ইবনে হাওয়াজিন আল-কুশায়রী তার নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-বুহাইরি(৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুয়াইম আব্দুল মালিক ইবনে আল-হাসান আল-আজহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানা ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-আসফারায়িনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাওহ ইবনে উবাদাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যদি আমাকে একটি (ছাগলের) সামনের পা-ও উপহার দেওয়া হতো, তবে আমি তা গ্রহণ করতাম; আর যদি আমাকে তার জন্য দাওয়াত দেওয়া হতো, তবে আমি তাতে সাড়া দিতাম।”(৭)।

আবু আহমদ আল-আমিন আমাদের সায়্যিদ আবু আল-গানাইম আল-হাসানি থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুর রহমান আশ-শাযিয়াখি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আল-হাকিম [আবু](৮) আব্দুল্লাহ আল-নাইশাপুরিকে বলতে শুনেছি: আবু নুয়াইম ইবনে আবি মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ—যিনি আবু আওয়ানা আল-আসফারায়িনির ভাগ্নে ছিলেন—সোমবার দিন আসফারায়িনে মৃত্যুবরণ করেন।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: শাজারাতুজ জাহাব (৩/১৫৯)।

(২) মূলে: ‘আল-বাহরি’ এবং (খ) অধ্যায়ে এটি অস্পষ্ট।

(৩) সকল পাণ্ডুলিপিতে নুকতাহীন, সংশোধন ‘আল-আনসাব’ থেকে।

(৪) সকল পাণ্ডুলিপিতে: ‘আব্দুর রহমান’, সংশোধন রিজাল শাস্ত্রের গ্রন্থসমূহ থেকে।

(৫) সকল পাণ্ডুলিপিতে: ‘আব্দুল ওয়াহিদ’, সংশোধন ‘তাযকিরাতুল হুফফাজ’ ৪/১৩০৯ থেকে।

(৬) মূলে ‘আল-বাহরি’।

(৭) - হাদিসটি দেখুন: সহিহ বুখারি (৩/২০১), (৩২)। সুনানে তিরমিজি (১৩৩৮)। মুসনাদে আহমদ (২/৪৭৯), (৪৮১), (৫১২)। ফাতহুল বারি (৫/১৯৯), (৯/২৪৬)।

(৮) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু সকল মূল কপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
الثامن عشر من شهر ربيع الأول سنة أربعمائة.

 

‌‌13 - عبد الملك بن الحسن [بن أحمد](1) بن خيرون بن إبراهيم الدبّاس، أبو القاسم المقرئ:

من ساكني درب نصير، والد أبي منصور محمد، وأخو أبي الفضل أحمد المقدم ذكرهما، كان مقرئا، مجوّدا، حسن الصوت بالقرآن، وكان صالحا، متدينا، متعففا.

سمع أبا علي الحسن بن أحمد بن شاذان وأبا بكر أحمد بن محمد بن غالب البرقاني وأبوي القاسم عبد الرحمن بن عبيد الله الحرفي وعبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران، وحدث باليسير، روى عنه ابنه أبو منصور محمد بن عبد الملك بن خيرون(2).

أنبأنا عبد الله بن أحمد بن أبي المجد الحربي وعبد العزيز بن أزهر الوكيل قالا: أنبأنا عبد الوهاب [بن](3) المبارك الأنماطي قراءة عليه قال: أنبأنا أبو القاسم عبد الملك بن محمد بن عبد الله بن بشران إملاء أنبأنا أبو الحسن أحمد بن إسحاق بن نيخاب(4) الطيبي، حدثنا الحسن بن علي بن زياد التستري(5)، حدثنا محمد بن يوسف الزبيدي، أنبأنا أبو قرة موسى بن طارق عن الثوري عن أبي عباد(6) عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنكم لا تسعون الناس بأموالكم ولكن يسعهم منكم بسط الوجه وحسن الخلق»(7).

أخبرناه عاليا أبو الفضل محمد بن أبي نصر بن غانم بن خالد بن عبد الواحد(8)

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ 4/ 1207.

(2) في كل النسخ: «أبو منصور محمد بن عبد الوهاب الأنماطى، والتصحيح من تذكرة الحفاظ (4/ 1207).

(3) ما بين المعقوفتين سقط من كل النسخ، وهو زيادة من تذكرة الحفاظ (4/ 1282).

(4) في كل النسخ «بن تيحان» والتصحيح من تذكرة الحفاظ.

(5) في الأصل: «التسترى».

(6) في الأصل: «عن أبى عياذ» تحريف.

(7) - انظر الحديث في: المستدرك (1/ 124). وكشف الخفا (1/ 252). والأحاديث الضعيفة (634). وحلية الأولياء. (1/ 25). وتاريخ أصبهان (1/ 72). وميزان الاعتدال (4353).

(8) في الأصل: بن عبد الواحد.
৪০০ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের আঠারো তারিখ।

 

‌‌১৩ - আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান [বিন আহমদ](১) বিন খাইরুন বিন ইবরাহিম আদ-দাব্বাস, আবুল কাসিম আল-মুকরি:

তিনি নাসীর গলির অধিবাসী ছিলেন, তিনি আবু মানসুর মুহাম্মাদের পিতা এবং পূর্বে বর্ণিত আবু ফাদল আহমদের ভাই ছিলেন। তিনি একজন মুকরি (কুরআন পাঠক), তাজবিদবিদ ও কুরআনের সুমিষ্ট কণ্ঠের অধিকারী ছিলেন এবং তিনি একজন নেককার, ধর্মপ্রাণ ও সংযমী ব্যক্তি ছিলেন।

তিনি আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন শাযান, আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন গালিব আল-বারকানি এবং দুই আবুল কাসিম—আব্দুর রহমান বিন উবাইদুল্লাহ আল-হারফি ও আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরানের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন। তিনি অল্প সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে তার পুত্র আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক বিন খাইরুন বর্ণনা করেছেন(২)।

আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আবিল মাজদ আল-হারবি এবং আব্দুল আজিজ বিন আযহার আল-ওয়াকিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: আব্দুল ওয়াহহাব [বিন](৩) আল-মুবারক আল-আনমাতি পাঠের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন যে, আবুল কাসিম আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল হাসান আহমদ বিন ইসহাক বিন নিখাব(৪) আত-তিবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান বিন আলী বিন জিয়াদ আত-তুসতারি(৫) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আজ-যুবাইদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু কুররাহ মুসা বিন তারিক আমাদের সাওরি থেকে, তিনি আবু আব্বাদ(৬) থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা তোমাদের সম্পদ দিয়ে মানুষকে বেষ্টন (সন্তুষ্ট) করতে পারবে না, বরং তোমাদের প্রফুল্ল মুখমণ্ডল ও উত্তম চরিত্র দিয়ে তাদের সন্তুষ্ট করতে পারবে»(৭)।

আমাদের কাছে উচ্চ সনদে এটি সংবাদ দিয়েছেন আবু ফাদল মুহাম্মদ বিন আবি নাসর বিন গানিম বিন খালিদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ(৮)

--------------------------------------------

(১) থার্ড ব্র্যাকেটের অংশটি তাজকিরাতুল হুফফাজ ৪/১২০৭ থেকে সংযোজিত।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে আছে: ‘আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আল-আনমাতি’, সংশোধনটি তাজকিরাতুল হুফফাজ (৪/১২০৭) থেকে গৃহীত।

(৩) থার্ড ব্র্যাকেটের অংশটি সকল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে, এটি তাজকিরাতুল হুফফাজ (৪/১২৮২) থেকে সংযোজিত।

(৪) সকল পাণ্ডুলিপিতে ‘বিন তাইহান’ রয়েছে এবং সংশোধনটি তাজকিরাতুল হুফফাজ থেকে গৃহীত।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে: ‘আত-তুসতারি’।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে: ‘আবু আইয়ায থেকে’ যা একটি লিখনভ্রান্তি।

(৭) - হাদীসটি দেখুন: আল-মুস্তাদরাক (১/১২৪), কাশফুল খাফা (১/২৫২), আল-আহাদিস আদ-দায়িফাহ (৬৩৪), হিলইয়াতুল আউলিয়া (১/২৫), তারিখু আসবাহান (১/৭২) এবং মিজানুল ইতিদাল (৪৩৫৩)।

(৮) মূল পাণ্ডুলিপিতে: বিন আব্দুল ওয়াহিদ।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
التاجر بأصبهان قال: أنبأنا جدي غانم قراءة عليه، أنبأنا أبو الطيب عبد الرزاق بن عمر التاجر، أنبأنا أبو بكر محمد بن إبراهيم بن علي بن المقرئ، أنبأنا أبو سعيد المفضل ابن محمد [بن إبراهيم](1) الجندي قال: ثنا أبو حمّة(2) محمد بن يوسف الزبيدي فذكره.

أنبأنا أبو القاسم الأزجي عن أبي بكر محمد بن علي بن ميمون قال: أنبأنا أبو الفضل أحمد بن الحسن بن خيرون قراءة عليه قال: توفي أبو القاسم عبد الملك في ليلة السبت، ودفن يوم السبت الثامن والعشرين من ذي الحجة سنة ثمانين وأربعمائة عن ثمانين سنة ودفن بباب حرب(3).

 

‌‌14 - عبد الملك بن الحسين بن أحمد بن خيران(4)، أبو نصر المقرئ الشافعي.

من أهل الحريم الطاهري(5)، كان شيخا صالحا، ملازما للصيام وتلاوة القرآن، سمع أبا بكر أحمد بن عمر بن أحمد بن الإسكاف العتابي وأبا الحسن محمد بن طلحة النعال، وحدث باليسير، روى عنه محمد بن أحمد بن الحسن بن الطويل وأحمد بن الحسين بن أحمد القطان المقدسي.

أنبأنا عبد الوهاب بن علي الأمين قال: أنبأنا أبو علي الحسن(6) بن أحمد بن محبوب إذنا قال: أنبأنا أبو بكر أحمد بن محمد بن الحسن بن الطويل الصياد، أنبأنا أبو نصر عبد الملك بن الحسين بن خيران، أنبأنا أبو بكر أحمد بن عمر بن أحمد المعروف بابن الإسكاف قراءة عليه وأنا أسمع في شهر ربيع الأول سنة خمس عشرة وأربعمائة بشارع العتابيين، قال: حدثنا عثمان بن أحمد بن عبد الله الدقاق، حدثنا الحسن بن سلام السواق، حدثنا محمد بن مقاتل، حدثنا خالد بن عبد الرحمن المخزومي عن

--------------------------------------------

(1) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ 2/ 756.

(2) في الأصل: «أبو جمة» تصحيف.

(3) في كل النسخ: «بباب خرب».

(4) في (ج) «بن حيران».

(5) في كل النسخ: «الظاهري» تصحيف.

(6) في (ج): «الحسين».
ইস্পাহানের বণিক বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা গানিম তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাইয়্যেব আবদুর রাজ্জাক বিন উমর আল-তাজির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলি বিন আল-মুকরি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-মুফাদদাল ইবনে মুহাম্মদ [বিন ইবরাহিম](১) আল-জুন্দি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাম্মাহ(২) মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-জুবাইদি, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-আযজি, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আলি বিন মাইমুন থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাদল আহমদ বিন আল-হাসান বিন খাইরুন তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আব্দুল মালিক শনিবার রাতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে শনিবার আটাশ জিলহজ চারশ আশি হিজরি সনে আশি বছর বয়সে সমাহিত করা হয়। তাঁকে বাবে হারবে(৩) দাফন করা হয়।

 

‌‌১৪ - আব্দুল মালিক বিন আল-হুসাইন বিন আহমদ বিন খাইরান(৪), আবু নাসর আল-মুকরি আল-শাফিঈ।

তিনি হারিমুত তাহিরির(৫) অধিবাসী ছিলেন। তিনি একজন নেককার শায়খ ছিলেন, যিনি নিয়মিত রোজা রাখতেন এবং কুরআন তিলাওয়াত করতেন। তিনি আবু বকর আহমদ বিন উমর বিন আহমদ বিন আল-ইস্কাফ আল-ইত্তাবি এবং আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন তালহা আল-নি’আলের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন এবং অল্প কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আল-তবিল এবং আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমদ আল-কাত্তান আল-মাকদিসি।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলি আল-আমিন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান(৬) বিন আহমদ বিন মাহবুব অনুমতিক্রমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আল-তবিল আল-সাইয়্যাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আব্দুল মালিক বিন আল-হুসাইন বিন খাইরান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন উমর বিন আহমদ—যিনি ইবনুল ইস্কাফ নামে পরিচিত—তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমি চারশ পনেরো হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে শারিউল ইত্তাবিয়্যিন নামক স্থানে শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সালাম আস-সাওয়াক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুকাতিল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাখজুমি... থেকে।

--------------------------------------------

(১) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাযকিরাতুল হুফফাজ ২/৭৫৬ থেকে বর্ধিত।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে: «আবু জুম্মাহ», যা একটি লিখনপ্রমাদ।

(৩) সকল পাণ্ডুলিপিতে: «বাবে খারবে»।

(৪) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে: «বিন হাইরান»।

(৫) সকল পাণ্ডুলিপিতে: «আল-জাহিরি», যা একটি লিখনপ্রমাদ।

(৬) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে: «আল-হুসাইন»।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
سفيان الثوري عن عاصم عن علي رضي الله عنه قال: عادني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال:

«ما من مريض لم يحضر أجله تعوّذ(1) بهذه الكلمات إلا خفف الله عنه «بسم الله العظيم، أسأل الله العظيم، رب العرش العظيم أن يشفيه»(2)

سبع مرات.

أنبأنا أبو القاسم الأزجي عن أبي بكر محمد بن علي بن ميمون الدباس قال: أنبأنا أبو الفضل أحمد بن الحسن بن خيرون العدل(3) قراءة عليه قال: توفي أبو نصر عبد الملك بن خيران(4) في ليلة الخميس التاسع من جمادى الأولى سنة اثنتين وسبعين وأربعمائة، ودفن يوم الخميس بباب حرب(5)، وكان من أهل القرآن والدين، قيل: إنه كان يسرد الصوم، وإنه كان يختم في كل يوم ختمة.

 

‌‌15 - عبد الملك بن الحسين بن علي بن الخليل، أبو عبد الله.

سمع أبا القاسم عبد الباقي بن محمد بن أحمد الطحان، وحدث باليسير، روى عنه أبو القاسم بن السمرقندي.

كتب إلى أبو الفتح الخطيب قال: أنبأنا أبو سعد بن السمعاني قراءة عليه،

أنبأنا إسماعيل بن أحمد بن عمر الحافظ، أنبأنا عبد الملك بن الحسين الخليلي، أنبأنا عبد الباقي بن محمد بن أحمد الطحان قراءة عليه وأنا أسمع، أنبأنا أبو علي محمد بن أحمد بن الحسن الصواف، حدثنا [أبو جعفر](6) محمد بن عثمان العبسي، حدثنا عمي القاسم، حدثنا المعلّى بن عبد الرحمن بن عبد الحميد(7) بن جعفر عن يزيد بن أبي حبيب عن مرثد بن عبد الله اليزني(8) عن عقبة بن عامر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يرى امرؤ من أخيه عورة فيسترها إلا أدخله الله الجنة»(9).

--------------------------------------------

(1) في الأصل: «يعوذ».

(2) انظر الحديث في: كشف الخفا 1/ 137. وكنز العمال 25695، 28408.

(3) في (ج): «المعدل».

(4) في (ج): «بن حيران».

(5) في كل النسخ: «بباب خرب».

(6) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ وغيره.

(7) في (ج): «المعلى بن عبد الرحمن بن عبد الحميد».

(8) في (ب): «مريد عن عبد الله البرني» تحريف. وفي (ج) والأصل: «مرثد عن عبد الله البرني» تحريف. وما أثبتناه من تذكرة الحفاظ وغيره.

(9) انظر الحديث في: المعجم الكبير للطبراني (17/ 288). وكنز العمال (6397). ومجمع الزوائد (6/ 446).
সুফিয়ান আস-সাওরি আসিম থেকে, তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে দেখতে এলেন এবং বললেন:

«যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি, যার মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়নি, সে যদি এই বাক্যগুলোর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করে(১), তবে আল্লাহ তার কষ্ট লাঘব করবেন: "মহান আল্লাহর নামে, আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, যিনি মহান আরশের রব, যেন তিনি তাকে আরোগ্য দান করেন"»(২)

সাতবার।

আবুল কাসিম আল-আজাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মাইমুন আদ-দাব্বাস থেকে, তিনি বলেন: আবুল ফজল আহমদ ইবনে হাসান ইবনে খাইরুন আল-আদল তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নাসর আব্দুল মালিক ইবনে খাইরান(৪) ৪৭২ হিজরি সালের জুমাদাল উলা মাসের নয় তারিখ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইন্তেকাল করেন এবং বৃহস্পতিবার 'বাবে হারব'-এ(৫) দাফন করা হয়। তিনি কুরআন ও দ্বীনদারির অনুসারী ছিলেন। বলা হয় যে, তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে রোজা রাখতেন এবং প্রতিদিন একবার কুরআন খতম করতেন।

 

‌‌১৫ - আব্দুল মালিক ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আল-খালীল, আবু আব্দুল্লাহ।

তিনি আবুল কাসিম আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আত-তাহহান থেকে শ্রবণ করেছেন এবং অল্প কিছু বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবুল কাসিম ইবনে আস-সামারকান্দি বর্ণনা করেছেন।

আবুল ফাতহ আল-খতিব আমার কাছে লিখেছেন, তিনি বলেন: আবু সাদ ইবনে আস-সামআনি তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন,

হাফেজ ইসমাইল ইবনে আহমদ ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল মালিক ইবনে আল-হুসাইন আল-খালিলালি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আত-তাহহান তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আস-সাউওয়াফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, [আবু জাফর](৬) মুহাম্মদ ইবনে উসমান আল-আবসি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার চাচা আল-কাসিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-মুআল্লা ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল হামিদ(৭) ইবনে জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি মারসাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ইয়াজানি(৮) থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি যদি তার ভাইয়ের কোনো গোপন ত্রুটি দেখে তা গোপন রাখে, তবে আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন»(৯)।

--------------------------------------------

(১) মূলে রয়েছে: "ইয়াউজু" (সে আশ্রয় প্রার্থনা করে)।

(২) হাদীসটি দেখুন: কাশফুল খাফা ১/১৩৭, এবং কানজুল উম্মাল ২৫৬৯৫, ২৮৪০৮।

(৩) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-মুআদ্দাল"।

(৪) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "ইবনে হাইরান"।

(৫) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "বাবে খারব"।

(৬) তৃতীয় বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু তাজকিরাতুল হাফ্ফাজ ও অন্যান্য উৎস থেকে সংযোজিত।

(৭) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আল-মুআল্লা ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল হামিদ"।

(৮) (বা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "মুরিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বারনি"—এটি বিকৃতি। (জিম) এবং মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "মারসাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বারনি"—এটিও বিকৃতি। আমরা তাজকিরাতুল হাফ্ফাজ ও অন্যান্য উৎস থেকে সঠিকটি লিখেছি।

(৯) হাদীসটি দেখুন: তাবারানির আল-মুজামুল কাবীর (১৭/২৮৮), কানজুল উম্মাল (৬৩৯৭), এবং মাজমাউয যাওয়াইদ (৬/৪৪৬)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
قرأت في كتاب أبي غالب شجاع بن فارس الذهلي بخطه قال: مات أبو عبد الله عبد الملك بن علي بن الخليل في المحرم سنة إحدى وتسعين وأربعمائة.

 

‌‌16 - عبد الملك بن الحسين الورّاق:

ذكر أبو طاهر أحمد بن الحسن الكرخي في تاريخه- ونقلته من خطه- أنه مات في يوم الجمعة لعشر بقين من شهر رمضان سنة سبعين وأربعمائة، ودفن من يومه بباب حرب(1).

 

‌‌17 - عبد الملك بن حميد، مولى حاتم بن النعمان الباهلي (2):

من أهل حران، كان كاتبا متقدما، قلده المنصور كتابته ودواوينه، وكانت له عنده منزلة رفيعة، ولما بنى مدينة السلام قسمها أرباعا، فجعل الربع منها إلى عبد الملك بن حميد الكاتب، ولعبد الملك قطيعة وربض يعرف به في الجانب الغربي، ولم يزل على حاله(3) إلى أن لحقته علة من نقرس لحقه(4) فلزم منزله.

يحكى أن أبا دلامة لما أنشد المنصور أبياته التي يقول فيها:

هبّت تعاتبني من بعد رقدتها … أم الدلامة لما هاجها الجزع(5)

قالت تبغ لنا نخلا ومزدرعا … كما لجيرتنا نخل ومزدرع

خادع خليفتنا عنها بمسألة … إن الخليفة للسؤال ينخدع

--------------------------------------------

(1) وقع في كل النسخ: «بباب خرب».

(2) انظر: معجم البلدان 2/ 232.

(3) في (ب): «على نكاله» تحريف.

(4) في (ب): «من نقرس لحقة».

(5) في الأصول: «لما جاءها» والتصحيح من كتاب الوزراء، ص 96. والبيت في الأغانى (10/ 237) مختلف عنه. انظر الأبيات في الأغانى 10/ 237، 238
আমি আবু গালিব শুজা ইবনে ফারিস আদ-দুহলির কিতাবে তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে পড়েছি, তিনি বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আব্দুল মালিক ইবনে আলী ইবনুল খালিল ৪৯১ হিজরির মহররম মাসে মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

‌‌১৬ - আব্দুল মালিক ইবনুল হুসাইন আল-ওয়াররাক:

আবু তাহের আহমদ ইবনুল হাসান আল-কারখি তাঁর ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন—এবং আমি এটি তাঁর হস্তাক্ষর থেকে অনুলিপি করেছি—যে তিনি ৪৭০ হিজরির রমজান মাসের দশ দিন অবশিষ্ট থাকতে শুক্রবার মৃত্যুবরণ করেন এবং ওই দিনই তাঁকে বাবু হারবে(১) দাফন করা হয়।

 

‌‌১৭ - আব্দুল মালিক ইবনে হুমাইদ, হাতিম ইবনে নুমান আল-বাহিলির মুক্তদাস (২):

তিনি হাররানের অধিবাসী ছিলেন, তিনি একজন অগ্রগণ্য লেখক ছিলেন। আল-মানসুর তাঁকে তাঁর সচিবালয় ও দিওয়ানসমূহের দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন এবং তাঁর কাছে তাঁর উচ্চ মর্যাদা ছিল। যখন তিনি মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) নির্মাণ করলেন, তখন তিনি এটিকে চার ভাগে ভাগ করেন এবং তার এক-চতুর্থাংশ লেখক আব্দুল মালিক ইবনে হুমাইদের দায়িত্বে দেন। আব্দুল মালিকের জন্য পশ্চিম দিকে একটি ভূখণ্ড ও শহরতলি রয়েছে যা তাঁর নামেই পরিচিত। তিনি তাঁর অবস্থানে বহাল ছিলেন(৩) যতক্ষণ না তিনি গেঁটেবাতের ব্যথায় আক্রান্ত হন(৪), যার ফলে তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করতে বাধ্য হন।

বর্ণিত আছে যে, আবু দুলামাহ যখন আল-মানসুরের সামনে তাঁর কবিতাগুলো আবৃত্তি করেছিলেন যাতে তিনি বলছিলেন:

উম্মে দুলামাহ ঘুম থেকে জেগে আমাকে তিরস্কার করতে শুরু করল … যখন অস্থিরতা তাকে উত্তেজিত করল(৫)

সে বলল, আমাদের জন্য কিছু খেজুর গাছ এবং আবাদি জমি অনুসন্ধান করো … যেমন আমাদের প্রতিবেশীদের খেজুর গাছ ও আবাদি জমি রয়েছে

আমাদের খলিফাকে এই চাওয়ার মাধ্যমে কৌশল করো … নিশ্চয়ই খলিফা প্রার্থনার দ্বারা প্রভাবিত হন

--------------------------------------------

(১) সমস্ত পাণ্ডুলিপিতে ‘বাবু খারব’ এসেছে।

(২) দেখুন: মুজামুল বুলদান ২/২৩২।

(৩) পাণ্ডুলিপি (বা)-তে রয়েছে: ‘তার শাস্তির ওপর’, যা একটি বিকৃতি।

(৪) পাণ্ডুলিপি (বা)-তে রয়েছে: ‘বাতের ব্যথার কারণে’।

(৫) মূল পাঠগুলোতে রয়েছে: ‘যখন তাঁর কাছে এল’, এবং সংশোধনটি কিতাবুল উযারা, পৃ. ৯৬ থেকে নেওয়া হয়েছে। আল-আগানি (১০/২৩৭)-তে এই পঙ্ক্তিটি ভিন্নভাবে এসেছে। দেখুন: আল-আগানি ১০/২৩৭, ২৩৮।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
فأمر المنصور عبد الملك بن حميد أن يقطعه خمسمائة جريب عامرة(1) وخمسمائة جريب(2) غامرة(3)، فقال أبو دلامة: أما العامر(4) فقد عرفته فما الغامر؟ قال: ما لا يدركه الماء إلا بمشقة، ولا يسقى إلا بالمئونة والكلفة، فقال أبو دلامة: أشهد أمير المؤمنين ومن حضر أني قد أقطعت عبد الملك بادية بني أسد كلها، [فضحك المنصور وقال: اجعلها يا عبد الملك عامرة كلها](5)، فقال أبو دلامة لأبي جعفر: تأذن(6) لي في تقبيل يدك، فلم يفعل ومنعه، فقال: ما منعني(7) شيئا أقل ضررا على عيالي من هذا.

ذكر هذا كله محمد بن عبدوس الجهشياري في «كتاب الوزراء» من جمعه.

 

‌‌18 - عبد الملك بن رافع بن محمد الهروي الشيباني، أبو المعالي، القاضي:

سمع أبا محمد عبد الله بن محمد بن عبد الله الصريفيني، وحدث بيسير، سمع منه أبو عبد الله الحسين بن محمد بن خسرو البلخي وأبو بكر المبارك بن [كامل](8) الخفّاف وسعد الله بن محمد بن طاهر الدقاق.

وذكر ابن كامل فيما نقلته من خطه أنه مات ليلة الجمعة ثاني شهر ربيع الأول سنة ثلاث عشرة وخمسمائة.

 

‌‌19 - عبد الملك بن روح بن أحمد بن محمد بن أحمد بن صالح الحديثي(9)، أبو المعالي بن قاضي القضاة أبي طاهر(10):

--------------------------------------------

(1) في كل النسخ: «غامرية». والتصحيح من الأغانى.

(2) «جريب» سقطت من (ب).

(3) في كل النسخ: «غامر».

(4) في كل النسخ: «الغامر» والتصحيح من الأغانى.

(5) ما بين المعقوفتين زيادة من الأغانى وتاريخ بغداد.

(6) في (ب): «فأذن لي» وفي كتاب الوزراء: «أتأذن لي».

(7) في الأصل، (ج): «ما منعتني».

(8) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ (4/ 1297).

(9) - انظر: معجم البلدان 3/ 236.

(10) في كل النسخ هكذا، وفي معجم البلدان «أبى طالب».
অতঃপর আল-মনসুর আব্দুল মালিক বিন হামিদকে আদেশ দিলেন যাতে তিনি তাকে পাঁচশত জেরিব(১) আবাদি জমি এবং পাঁচশত জেরিব(২) অনাবাদী(৩) জমি বরাদ্দ দেন। তখন আবু দুলামা বললেন: আবাদি জমি(৪) তো আমি চিনি, কিন্তু অনাবাদী জমি কী? তিনি বললেন: যে জমিতে অনেক কষ্ট ছাড়া পানি পৌঁছায় না এবং যা অধিক ব্যয় ও শ্রম ছাড়া সেচ করা যায় না। তখন আবু দুলামা বললেন: আমি আমিরুল মুমিনীন এবং উপস্থিত সকলকে সাক্ষী রাখছি যে, আমি আব্দুল মালিককে বনু আসাদের পুরো মরুভূমি এলাকা বরাদ্দ দিয়ে দিলাম। [এতে আল-মনসুর হাসলেন এবং বললেন: হে আব্দুল মালিক, এর পুরোটাই আবাদি করে দাও](৫)। এরপর আবু দুলামা আবু জাফরকে বললেন: আপনি কি আমাকে আপনার হাত চুম্বনের অনুমতি দেবেন?(৬) কিন্তু তিনি তা করলেন না এবং তাকে বিরত রাখলেন। তখন তিনি বললেন: আপনি আমার পরিবারের জন্য এর চেয়ে কম ক্ষতিকারক কোনো কিছু থেকে আমাকে বাধা দেননি(৭)।

মুহাম্মদ বিন আবদুস আল-জাহশিয়ারি তাঁর সংকলিত «কিতাবুল উযারা» গ্রন্থে এই পুরো বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌১৮ - আব্দুল মালিক বিন রাফে বিন মুহাম্মদ আল-হেরাভি আশ-শায়বানি, আবুল মাআলি, আল-কাদি:

তিনি আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সারিফিনি থেকে শ্রবণ করেছেন এবং সামান্য হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন খুসরাউ আল-বালখি, আবু বকর আল-মুবারক বিন [কামিল](৮) আল-খাফফাফ এবং সা’দ উল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন তাহির আদ-দাক্কাক।

ইবন কামিল তাঁর স্বহস্তে লিখিত বর্ণনা থেকে যা আমি উদ্ধৃত করেছি তাতে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ৫১৩ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের দ্বিতীয় তারিখ শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন।

 

‌‌১৯ - আব্দুল মালিক বিন রুহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন সালিহ আল-হাদিসি(৯), প্রধান বিচারপতি আবু তাহিরের পুত্র আবুল মাআলি(১০):

--------------------------------------------

(১) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «গামিরিয়্যাহ»। আল-আগানি থেকে এটি সংশোধন করা হয়েছে।

(২) পাণ্ডুলিপি (বা) থেকে «জেরিব» শব্দটি বাদ পড়েছে।

(৩) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «গামির»।

(৪) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «আল-গামির» এবং আল-আগানি থেকে এটি সংশোধন করা হয়েছে।

(৫) তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যবর্তী অংশটুকু আল-আগানি এবং তারিখু বাগদাদ থেকে অতিরিক্ত সংযোজন।

(৬) পাণ্ডুলিপি (বা)-তে রয়েছে: «অতঃপর আমাকে অনুমতি দিলেন», আর কিতাবুল উযারা-তে রয়েছে: «আপনি কি আমাকে অনুমতি দেবেন?»।

(৭) মূল পাণ্ডুলিপি এবং (জিম)-এ রয়েছে: «আপনি আমাকে বাধা দেননি»।

(৮) তৃতীয় বন্ধনীর মধ্যবর্তী অংশটুকু তাযকিরাতুল হুফফায (৪/১২৯৭) থেকে সংযোজন।

(৯) - দেখুন: মু'জামুল বুলদান ৩/২৩৬।

(১০) সকল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে মু'জামুল বুলদানে রয়েছে «আবু তালিব»।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
تقدم ذكر(1) والده، شهد عند أبيه في اليوم الثاني من ولايته لقضاء القضاة، وهو يوم السبت الثاني والعشرون(2) من ربيع الآخر من سنة ست وستين وخمسمائة، ثم استنابه والده على الحكم والقضاء لحريم(3) دار الخلافة، فبقى على ذلك مدة ولاية أبيه، وجرت أموره على السداد والاستقامة، وكان حسن الطريقة، جميل السيرة، مرضي الأفعال، زاهدا، عابدا، عفيفا، نزها، ورعا، متدينا، تاركا للتكلف، متواضعا في جميع أحواله.

سمع الحديث من جده أبي نصر أحمد، ومن أبي عبد الله محمد بن محمد بن أحمد ابن السلال الوراق، وأبي القاسم علي بن عبد السيد بن محمد ابن الصباغ، وأبي بكر أحمد بن علي بن عبد الواحد الدلال، وأبي الفضل محمد بن عمر بن يوسف الأرموي، وأبي عبد الله محمد بن عبد الله بن نصر بن الزاغوني، وأبي منصور أبو شبكين(4) ابن عبد الله الرضواني، وأبي الفضل محمد بن ناصر الحافظ وأبي الفتح عبد الملك بن أبي القاسم بن أبي سهل الكروخي وغيرهم، انتقى(5) له الشريف أبو الحسن علي بن أحمد الزيدي جزء من مسموعاته، وأسمعه منه(6) ومعه صبيح الحبشي، وروى عنه شيخنا عبد الملك بن أبي محمد البرداني.

أخبرني أبو عبد الله محمد بن سعيد الحافظ قال: أنبأنا عبد الملك بن أبي محمد بن أبي الغنائم بن البرداني الصوفي، أنبأنا القاضي أبو المعالي عبد الملك بن روح بن الحديثي ببغداد، أنبأنا أبو عبد الله محمد بن محمد بن أحمد بن السلال، أنبأنا أبو بكر أحمد بن محمد بن سياوش.

وأنبأنا أبو كليد عبد الله بن مسلم بن ثابت البزاز، أنبأنا أبو المكارم أحمد بن عبد

--------------------------------------------

(1) في كل النسخ: «تقدم ذكره» تحريف.

(2) هكذا في كل النسخ، ومقتضى السياق يجب أن يكون الثاني عشر، (راجع معجم البلدان (3/ 236).

(3) في الأصل: «لجريم دار الخلافة» تصحيف.

(4) هكذا في جميع النسخ.

(5) في الأصل، (ج): «انتفا».

(6) في الأصل، (ب): «وسمعه منه».
তাঁর পিতার আলোচনা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে(১)। তিনি তাঁর পিতার প্রধান বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণের দ্বিতীয় দিনে তাঁর নিকট সাক্ষ্য প্রদান করেন, যা ছিল ৫৬৬ হিজরি সনের ২২শে রবিউস সানি, শনিবার(২)। অতঃপর তাঁর পিতা তাঁকে খিলাফত প্রাসাদের সংরক্ষিত এলাকার(৩) শাসন ও বিচারকার্যে নিজের স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করেন। তিনি তাঁর পিতার দায়িত্বকাল পর্যন্ত সেই পদে বহাল থাকেন এবং তাঁর সকল বিষয় সততা ও নিষ্ঠার সাথে পরিচালিত হতো। তিনি ছিলেন উত্তম জীবনপদ্ধতি ও সুন্দর চরিত্রের অধিকারী এবং তাঁর কার্যাবলি ছিল সন্তোষজনক। তিনি ছিলেন দুনিয়াবিমুখ, ইবাদতগুজার, চারিত্রিক পবিত্রতাসম্পন্ন, কলুষমুক্ত, আল্লাহভীরু ও ধার্মিক। তিনি কৃত্রিমতা বর্জন করতেন এবং তাঁর সকল অবস্থায় বিনয়ী ছিলেন।

তিনি তাঁর দাদা আবু নাসর আহমাদ, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ ইবনুল সাল্লাল আল-ওয়াররাক, আবু আল-কাসিম আলি বিন আবদুস সাইয়্যিদ বিন মুহাম্মাদ ইবনুল সাব্বাগ, আবু বকর আহমাদ বিন আলি বিন আবদুল ওয়াহিদ আদ-দাল্লাল, আবু আল-ফজল মুহাম্মাদ বিন উমর বিন ইউসুফ আল-আরমাউয়ি, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন নাসর বিন আজ-জাগুনি, আবু মানসুর আবু শাবাকিন(৪) বিন আবদুল্লাহ আর-রিদওয়ানি, আবু আল-ফজল মুহাম্মাদ বিন নাসির আল-হাফিজ, আবু আল-ফাতহ আবদুল মালিক বিন আবুল কাসিম বিন আবু সাহল আল-কুরুখি এবং অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। শরিফ আবু আল-হাসান আলি বিন আহমাদ আজ-জাইদি তাঁর শ্রুত বিষয়গুলো থেকে একটি অংশ নির্বাচন(৫) করেছেন এবং সাবীহ আল-হাবাশির উপস্থিতিতে সেটি তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন(৬)। আর আমাদের শায়খ আবদুল মালিক বিন আবু মুহাম্মাদ আল-বারদানি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন সাঈদ আল-হাফিজ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল মালিক বিন আবু মুহাম্মাদ বিন আবুল গানায়িম বিন আল-বারদানি আস-সুফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাগদাদে কাজি আবু আল-মাআলি আবদুল মালিক বিন রুহ আল-হাদিসি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ ইবনুল সাল্লাল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সিয়াউশ বর্ণনা করেছেন।

এবং আমাদের নিকট আবু কুলাইদ আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন সাবিত আল-বাজজাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আল-মাকারিম আহমাদ বিন আবদ...

--------------------------------------------

(১) সকল পাণ্ডুলিপিতে: "তাঁর আলোচনা অতিক্রান্ত হয়েছে" যা একটি বিকৃতি।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে প্রসঙ্গের দাবি অনুযায়ী এটি ১২ই (রবিউস সানি) হওয়া উচিত, (দ্রষ্টব্য: মুজামুল বুলদান ৩/২৩৬)।

(৩) মূলে রয়েছে: "খিলাফত প্রাসাদের অপরাধের জন্য" যা একটি অনুলিখনের ভুল।

(৪) সকল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে।

(৫) মূল এবং (জ) পাণ্ডুলিপিতে: "ইনতাফা"।

(৬) মূল এবং (ব) পাণ্ডুলিপিতে: "এবং তিনি সেটি তাঁর নিকট থেকে শুনেছেন"।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
الباقي بن منازل الشيباني وأبو يوسف بن المبارك بن كامل الخفاف، أنبأنا أبو محمد المبارك بن أحمد بن بركة الكندي قالا: أنبأنا أبو الحسين عاصم(1) بن الحسن بن عاصم.

وأنبأنا أبو روح عبد المعز بن محمد الصوفي بهراة، أنبأنا أبو القاسم زاهر بن طاهر ابن محمد الشحامي، أنبأنا أبو عمرو المسيب بن محمد الأرغياني(2).

وأنبأنا أبو بكر أحمد بن سعيد الصوفي بأصبهان، أنبأنا أبو بكر محمد بن أحمد بن الباغبان(3)، أنبأنا أبو القاسم عبد الرحمن بن محمد بن [إسحاق بن محمد بن يحيى](4) ابن مندة(5)، قال ابن سياوش وعاصم والمسيب وابن مندة: أنبأنا أبو عمر عبد الواحد [ابن محمد](6) بن عبد الله بن مهدي الفارسي، حدثنا الحسين بن إسماعيل المحاملي، حدثنا محمد بن عبد الملك بن زنجويه(7) حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا الثوري، حدثنا الأعمش عن مسلم البطين عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من أيام أحب(8) إلى الله فيهن العمل- أو قال: أفضل فيهن العمل-[من](9) أيام العشر»، قيل: يا رسول الله! ولا الجهاد في سبيل الله؟ قال: «ولا الجهاد في سبيل الله، إلا رجل خرج بماله ونفسه فلا يرجع من ذلك بشيء»(10).

سمعت أبا الحسن علي بن أحمد بن محمد بن ملاعب القواس جارنا يقول: كان القاضي عبد الملك بن الحديثي يخرج من دار والده قاضي القضاة راكبا بالعمامة الكبيرة والقميص والطيلسان، والوكلاء والركابية بين يدي فرسه إلى باب منزله، فإذا

--------------------------------------------

(1) «عاصم بن» ساقطة من (ج)، وفي الأصل بياض مكان «عاصم».

(2) في كل النسخ «الأرعيانى» تصحيف.

(3) في الأصل: «الناغبان».

(4) ما بين المعقوفتين من تذكرة الحفاظ، ومكانه بياض في الأصل، (ج).

(5) في الأصل، (ج): «بن مسنده».

(6) ما بين المعقوفتين زيادة من تذكرة الحفاظ.

(7) في كل النسخ: «بن زنجرى» تصحيف.

(8) في كل النسخ: «ما من أيام العمل أحب» وليست في البخاري.

(9) ما بين المعقوفتين زيادة من البخاري.

(10) - انظر الحديث في: مسند أحمد (2/ 161). والمعجم الكبير للطبراني (2/ 13).
আল-বাকী ইবনে মানাজিল আশ-শাইবানী এবং আবু ইউসুফ ইবনুল মুবারক ইবনে কামিল আল-খাফফাফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-মুবারক ইবনে আহমদ ইবনে বারাকাহ আল-কিন্দি; তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আসিম(১) ইবনুল হাসান ইবনে আসিম।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু রুহ আব্দুল মুয়িজ ইবনে মুহাম্মদ আস-সুফি হিরাতে, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম জহির ইবনে তাহির ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাহামি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর আল-মুসাইয়্যিব ইবনে মুহাম্মদ আল-আরগিয়ানি(২)।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু بকর আহমদ ইবনে সাঈদ আস-সুফি ইসফাহানে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল বাগবান(৩), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে [ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া](৪) ইবনে মানদাহ(৫), ইবনে সিয়াউশ, আসিম, আল-মুসাইয়্যিব এবং ইবনে মানদাহ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ [ইবনে মুহাম্মদ](৬) ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাহদি আল-ফারিসি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল আল-মাহামিলি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে জানজুওয়াইহ(৭), আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আস-সাওরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, তিনি মুসলিম আল-বাতিন থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «এমন কোনো দিন নেই যাতে আমল করা আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়(৮)—অথবা তিনি বলেছেন: আমল করা অধিক উত্তম—[জিলহজের] দশ দিনের চেয়ে»(৯)। বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর পথে জিহাদও কি নয়? তিনি বললেন: «আল্লাহর পথে জিহাদও নয়, তবে সেই ব্যক্তির কথা ভিন্ন যে তার সম্পদ ও প্রাণ নিয়ে বের হয়েছে এবং এর কোনো কিছু নিয়েই ফিরে আসেনি»(১০)।

আমি আমাদের প্রতিবেশী আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুলাইব আল-কাওয়াসকে বলতে শুনেছি: কাজী আব্দুল মালিক ইবনুল হাদিসি তাঁর পিতা প্রধান বিচারপতির ঘর থেকে বড় পাগড়ি, কামিস এবং তাইলাসান (চাদর) পরিহিত অবস্থায় সওয়ার হয়ে বের হতেন, এবং তাঁর ঘোড়ার সামনে উকিল ও পদাতিক বাহিনী থাকত তাঁর বাড়ির দরজা পর্যন্ত, এরপর যখন

--------------------------------------------

(১) «আসিম ইবনে» (গ) পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে, এবং মূলে «আসিম»-এর স্থলে শূন্যস্থান রয়েছে।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে «আল-আরইয়ানি» রয়েছে যা মুদ্রণপ্রমাদ।

(৩) মূলে রয়েছে: «আল-নাগবান»।

(৪) বন্ধনীভুক্ত অংশটি তাজকিরাতুল হুফফাজ থেকে নেওয়া হয়েছে, এবং এর স্থানে মূলে ও (গ)-তে শূন্যস্থান রয়েছে।

(৫) মূলে এবং (গ)-তে রয়েছে: «ইবনে মুসনাদাহ»।

(৬) বন্ধনীভুক্ত অংশটি তাজকিরাতুল হুফফাজ থেকে বর্ধিত।

(৭) সকল পাণ্ডুলিপিতে «ইবনে জানজারি» রয়েছে যা মুদ্রণপ্রমাদ।

(৮) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «এমন কোনো দিন নেই যাতে আমল অধিক প্রিয়», আর এটি বুখারীতে নেই।

(৯) বন্ধনীভুক্ত অংশটি বুখারী থেকে বর্ধিত।

(১০) - হাদীসটি দেখুন: মুসনাদে আহমদ (২/১৬১) এবং তাবারানির আল-মু'জামুল কাবীর (২/১৩)।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
نزل ودخل داره ذهبت الجماعة، وخرج هو من منزله ماشيا وعليه ثياب قصيرة مختصرة صغيرة الأكمام وعمامة لطيفة والمصلى على كتفه(1)، حتى يأتي مسجده بالسوق فيقف على بابه ويؤذن بالصلاة، ثم يدخل المسجد فيصلي التحية والسنّة، ثم يخرج وقيم الصّلاة ويصلي بالناس إماما، وكان يسحر الناس في ليالي شهر رمضان، وكانت له معرفة حسنة بالمواقيت.

بلغنا أن القاضي عبد الملك بن الحديثي خرج إلى الحج في سنة تسع وستين وخمسمائة فحج وعاد إلى بغداد في سنة سبعين، ودخلها في صفر وقد توفي والده قاضي القضاة، [فعرض عليه منصب قضاء القضاة](2) فلم يجب واعتذر، وتردد الكلام في ذلك أياما، ومرض وتوفي في يوم الأحد الرابع والعشرين من صفر [من سنة سبعين](3) ودفن عند والده بحاج ظفر- رحمة الله عليهما.

 

‌‌20 - عبد الملك بن شجاع بن إبراهيم بن عبد العزيز بن المرزبان(4) البغويّ، أبو محمد الشاهد المعروف بابن الخراساني:

نسيب أبي القاسم البغويّ المحدث، كان من الشهود ببغداد، ومن بيت(5) الحديث والرواية، ولم يبلغني له رواية، كان مولده في سنة إحدى وستين ومائتين، وتوفي ليلة الجمعة لإحدى عشرة ليلة بقيت من شهر رجب سنة تسع وأربعين وثلاثمائة.

ذكره القاضي أبو العباس أحمد بن بختيار بن الماندائي(6) الواسطي في كتاب «تاريخ القضاة والحكام» من جمعه.

--------------------------------------------

(1) في (ب): «على كيفية» تحريف.

(2) ما بين المعقوفتين زيادة في المطبوعة.

(3) ما بين المعقوفتين سقط من الأصل.

(4) في (ب): «بن المرزمان».

(5) في (ج): «ومن ثبت الحديث». وفي (ب): «من بيت الحديث».

(6) في كل النسخ: «المانداى». والتصحيح من «المشتبه» (2/ 624).
তিনি অবতরণ করলেন এবং নিজ গৃহে প্রবেশ করলেন, জামাত চলে গেল। আর তিনি তার ঘর থেকে পায়ে হেঁটে বের হলেন, তার পরিধানে ছিল সংক্ষিপ্ত ও ছোট হাতা বিশিষ্ট পোশাক এবং একটি সূক্ষ্ম পাগড়ি, আর তার কাঁধে ছিল জায়নামাজ(১)। এভাবে তিনি বাজারের কাছে অবস্থিত তার মসজিদে আসতেন, এর দরজায় দাঁড়াতেন এবং সালাতের আযান দিতেন। অতঃপর মসজিদে প্রবেশ করে তাহিয়্যাতুল মসজিদ ও সুন্নাত সালাত আদায় করতেন। এরপর তিনি বের হয়ে ইকামত দিতেন এবং ইমাম হিসেবে লোকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি রমজান মাসের রাতগুলোতে সাহরির সময় লোকদের জাগাতেন, আর নামাযের ওয়াক্ত বা সময় সম্পর্কে তার উত্তম জ্ঞান ছিল।

আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাযী আব্দুল মালিক ইবনুল হাদিসি ৫৬৯ হিজরি সনে হজের উদ্দেশ্যে বের হন, অতঃপর হজ পালন শেষে ৫৭০ সনে বাগদাদে ফিরে আসেন। তিনি সফর মাসে বাগদাদে প্রবেশ করেন, তখন তার পিতা প্রধান বিচারপতি ইন্তেকাল করেছিলেন। [অতঃপর তাকে প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়](২), কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি এবং ওজর পেশ করেন। এ বিষয়ে কয়েকদিন কথাবার্তা বিনিময় হয়। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং [৫৭০ সনের](৩) ২৪শে সফর রবিবার ইন্তেকাল করেন। তাকে হাজ জাফর নামক স্থানে তার পিতার পাশে দাফন করা হয়—তাদের উভয়ের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

 

‌‌২০ - আব্দুল মালিক বিন শুজা বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল আজিজ বিন আল-মারযুবান(৪) আল-বাগাভী, আবু মুহাম্মদ আশ-শাহিদ, যিনি ইবনে আল-খুরাসানি নামে পরিচিত:

মুহাদ্দিস আবু আল-কাসিম আল-বাগাভীর আত্মীয়, তিনি বাগদাদের সাক্ষীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং হাদিস ও বর্ণনাকারী পরিবারের(৫) সদস্য ছিলেন। তার পক্ষ থেকে কোনো বর্ণনা আমার নিকট পৌঁছেনি। তার জন্ম হয়েছিল ২৬১ হিজরি সনে এবং তিনি ৩৪৯ হিজরি সনের রজব মাসের এগারো দিন অবশিষ্ট থাকতে শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন।

কাযী আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন বাখতিয়ার বিন আল-মানদায়ী(৬) আল-ওয়াসিতি তার সংকলিত ‘তারিখুল কুযাত ওয়াল হুক্কাম’ গ্রন্থে তার উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) (খ) পাণ্ডুলিপিতে: ‘আলা কাইফিয়্যাতি’, যা একটি পাঠ্যবিকৃতি।

(২) বন্ধনীভুক্ত অংশটি মুদ্রিত সংস্করণের সংযোজন।

(৩) বন্ধনীভুক্ত অংশটি মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

(৪) (খ) পাণ্ডুলিপিতে: ‘বিন আল-মারযুমান’।

(৫) (গ) পাণ্ডুলিপিতে: ‘এবং যার হাদিস সাব্যস্ত’। আর (খ) পাণ্ডুলিপিতে: ‘হাদিস পরিবার থেকে’।

(৬) সকল পাণ্ডুলিপিতে: ‘আল-মানদায়ী’। সঠিক পাঠ ‘আল-মুশতাবিহ’ (২/৬২৪) থেকে সংগৃহীত।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
‌‌21 - عبد الملك بن صالح بن علي بن عبد الله بن العباس بن عبد المطلب، أبو عبد الرحمن الهاشمي (1):

أخو عبد الله بن صالح الذي ذكره الخطيب في التاريخ، كان من رجالات قريش وكفاتهم(2)، ولى المدينة والصوائف(3) في أيام الرشيد، ثم ولاه دمشق بعد السندي ابن شاهك، ثم حبسه حبسة لوثوبه(4) على الخلافة، ثم أطلقه الأمين وولاه الشام والجزيرة، روى عنه أبيه وعمه سليمان بن علي ومالك بن أنس الفقيه، روى عنه ابنه علي وفليح بن سليمان وعبد الله بن عمرو الأسدي وعبد الملك بن قريب الأصمعي.

قال أبو بكر الصولي: كان عبد الملك أفصح الناس وأخطبهم، ولم يكن في دهره مثله في فصاحته وصيانته وجلالته، وله شعر ليس بالكثير، وأخبار حسان.

قرأت على المتوكلي عن محمد بن عبيد الله أن(5) علي بن أحمد أخبره عن أبي أحمد الفرضي عن الصولي قال: حدثنا الغلابي(6) حدثنا عبد الله بن الضحاك عن الهيثم بن عدي قال: لما ولى الرشيد عبد الملك بن صالح المدينة، فقيل ليحيى بن خالد:

كيف ولاه(7) المدينة من بين عماله(8)؟ قال: أحب أن يباهى به(9) قريشا ويعلمهم(10) أن في بني العباس مثله.

--------------------------------------------

(1) انظر: النجوم الزاهرة (2/ 90)، (151). وتاريخ ابن خلدون (3/ 236). والكامل لابن الأثير (6/ 85). وفوات الوفيات (2/ 27). وزبدة الحلب (1/ 64). ورغبة الآمل (5/ 125). والأعلام (4/ 304).

وفي كل النسخ زيادة نصها: «أخو عبد الله بن العباس بن عبد المطلب أبو عبد الرحمن الهاشمي». سبق نظر.

(2) في كل النسخ: «حالات قريش وكفانهم وما أثبتناه من المطبوعة.

(3) في (ج): «الطوائف» تصحيف.

(4) في كل النسخ: «ثم حبسه حبسة وتوّبه». وما أثبتناه من المطبوعة.

(5) في (ج): «بن على».

(6) في الأصل، (ب): «الغلانى» تصحيف.

(7) في (ب)، (ج): «كيف ولاة»

(8) في كل النسخ: «من بين أعماله» والتصحيح من الأعلام.

(9) في (ب)، (ج): «أن يتباهى به».

(10) في (ج): «وتعلمهم».
২১ - আবদুল মালিক ইবনে সালেহ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব, আবু আবদুর রহমান আল-হাশিমী (১):

তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সালেহের ভাই, যাঁর কথা খতিব বাগদাদী ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন। তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ও যোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (২)। হারুনুর রশীদের শাসনামলে তিনি মদিনা ও গ্রীষ্মকালীন যুদ্ধাভিযানের (৩) দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর সিন্দী ইবনে শাহিকের পর রশীদ তাঁকে দামেস্কের গভর্নর নিযুক্ত করেন। পরবর্তীতে খিলাফত দখলের অপচেষ্টার (৪) অভিযোগে তাঁকে কারারুদ্ধ করেন। এরপর আল-আমিন তাঁকে মুক্তি দেন এবং শাম ও আল-জাজিরার দায়িত্ব প্রদান করেন। তিনি তাঁর পিতা, চাচা সুলাইমান ইবনে আলী এবং ফকিহ মালিক ইবনে আনাসের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আলী, ফালিহ ইবনে সুলাইমান, আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল-আসাদী এবং আবদুল মালিক ইবনে কুরাইব আল-আসমাঈ বর্ণনা করেছেন।

আবু বকর আস-সুলি বলেছেন: আবদুল মালিক ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বাকপটু ও বাগ্মী। তাঁর যুগে বাগ্মিতা, আত্মমর্যাদা এবং গাম্ভীর্যের ক্ষেত্রে তাঁর সমকক্ষ কেউ ছিল না। তাঁর কিছু কাব্যকর্ম রয়েছে যা পরিমাণে খুব বেশি নয়, এবং তাঁর সম্পর্কে অনেক সুন্দর সুন্দর বর্ণনা রয়েছে।

আমি আল-মুতাওয়াক্কিলির নিকট পাঠ করেছি, তিনি মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, (৫) আলী ইবনে আহমদ তাঁকে আবু আহমদ আল-ফারদি থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আস-সুলি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-গালাবি (৬) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে দাহহাক হাইসাম ইবনে আদি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন হারুনুর রশীদ আবদুল মালিক ইবনে সালেহকে মদিনার গভর্নর নিযুক্ত করেন, তখন ইয়াহইয়া ইবনে খালিদকে জিজ্ঞাসা করা হলো:

তাঁর সকল কর্মচারীদের মধ্য থেকে কেন তিনি তাঁকে (৭) মদিনার গভর্নর নিযুক্ত করলেন (৮)? তিনি বললেন: তিনি চেয়েছিলেন তাঁর মাধ্যমে কুরাইশদের সামনে গর্ব করতে (৯) এবং তাদের জানাতে (১০) যে, বনু আব্বাসের মাঝেও তাঁর মতো ব্যক্তিত্ব রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: আন-নুজুম আয-যাহিরাহ (২/ ৯০), (১৫১); তারিখ ইবনে খালদুন (৩/ ২৩৬); আল-কামিল লি-ইবনিল আসির (৬/ ৮৫); ফাওয়াতুল ওয়াফায়াত (২/ ২৭); জুবদাতুল হালাব (১/ ৬৪); রাগবাতুল আমিল (৫/ ১২৫); এবং আল-আ'লাম (৪/ ৩০৪)। সকল পাণ্ডুলিপিতে একটি অতিরিক্ত অংশ রয়েছে যার পাঠ্য: "আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের ভাই, আবু আবদুর রহমান আল-হাশিমী"। এটি একটি দৃষ্টিবিভ্রম বা ভুল।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "কুরাইশদের অবস্থা এবং তাদের কাফন", আমরা মুদ্রিত সংস্করণ থেকে সঠিকটি গ্রহণ করেছি।

(৩) 'জিম' পাণ্ডুলিপিতে "আত-তাওয়াইফ" রয়েছে, যা একটি মুদ্রণপ্রমাদ।

(৪) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "অতঃপর তাকে কারারুদ্ধ করেন এবং তাকে তওবা করান", আমরা মুদ্রিত সংস্করণ থেকে সঠিকটি গ্রহণ করেছি।

(৫) 'জিম' পাণ্ডুলিপিতে "ইবনে আলী" রয়েছে।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপি এবং 'বা' পাণ্ডুলিপিতে "আল-ঘালানি" রয়েছে, যা একটি মুদ্রণপ্রমাদ।

(৭) 'বা' ও 'জিম' পাণ্ডুলিপিতে "কাইফা উলাত" রয়েছে।

(৮) সকল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "তাঁর কাজের মধ্য থেকে", আল-আ'লাম গ্রন্থ থেকে সংশোধন করা হয়েছে।

(৯) 'বা' ও 'জিম' পাণ্ডুলিপিতে "যাতে গর্ব করতে পারেন" রয়েছে।

(১০) 'জিম' পাণ্ডুলিপিতে "এবং তুমি তাদের জানাবে" রয়েছে।
(খণ্ড: ١٦) যাইলু তারীখি বাগদাদ - ইবনুন নাজ্জার - ত্বা আল-ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
قرأت على المتوكلي عن محمد بن عبيد الله قال: أنبأنا أبو نصر النديم قال: أنبأنا أبو عبد الله المرزباني(1) إذنا قال: أنبأنا هارون بن علي بن المنجم، أنبأنا عبيد الله بن أحمد بن أبي طاهر، أنبأنا أبي قال: حدثني رجل من قريش قال: سمعت يزيد بن عقال قال: أراد عبد الملك بن صالح أنيغتال(2) ملك الروم الضواحي بمكيدة من مكايده، وكان من دهاة بني هاشم، فدخلت عليه وعنده رجال في صنيعته، فتشاوروا في ذلك، فأشاروا عليه أن يشرف بنفسه على الروم من الثغور ويمضي أمره وإرادته، فقال: إن من(3) حزم الوالي الشهم أن لا يتبذل مهابة نفسه وجلالة قدره فيما إن استكفاه رجلا من صنيعته كفاه إياه، وقام به لما في ضبط صنيعته لما استكفاه وأسند إليه من رفيع الذكر وسناء الشرف، وما عليه في تقصيره ووهنه في ذلك من شين العيب وصغير الوهن، وإنما اصطنعت الولاة الرجال ليصرفوا به مهجهم في الحروب ومهابة أنفسهم وجلالة أقدارهم عن التبذل لرغبتهم، وكذلك يجب على الوالي اللبيب الأريب(4) أن يتخير الرجال لصنيعته لأن صنيعة الوالي جنته(5) في حربه ووجهه(6) في سلمه، وقد تعرف الرعية الوالي وقلّته بصنيعته، ثم تمثل:

وبعثت من ولد الأعز المعتب(7) … صقرا يلوذ حمامة بالعوسج

فإذا طبخت(8) بناره أنضجتها … وإذا طبخت بغيرها لم ينضج

وهو الهمام إذا أراد فريسة … لم ينجها منه صريخ الهجهج

وبه قال: أنبأنا عبيد الله بن أحمد بن أبي طاهر، أنبأنا أبي قال: وحدثني يحيى بن أبي نصر، حدثني إبراهيم بن السندي قال: أتيت عبد الملك مسلّما، فشكى إليّ

--------------------------------------------

(1) في الأصل، (ب): «الرزيانى» وفي (ج): «الرزمانى» تحريف. والتصحيح من الأنساب.

(2) في كل النسخ: «عبد الملك بن صالح بن بغتال».

(3) في (ب): «فقال: من حزم».

(4) في (ب): «الأريبان» تصحيف.

(5) في (ج): «سنة».

(6) في كل النسخ: «وجهة».

(7) في الأصل، (ب): «معتب».

(8) في الأصل: «فإذا طحنت».
আমি আল-মুতাওয়াক্কিলির নিকট মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহর সূত্রে পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আন-নাদিম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-মারযুবানি(১) অনুমতিক্রমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারুন ইবনে আলী ইবনুল মুনাজ্জিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আবি তাহির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমার নিকট কুরাইশ বংশীয় এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াযিদ ইবনে ইক্বালকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আব্দুল মালিক ইবনে সালিহ তার কোনো এক কৌশলের মাধ্যমে রোমান সম্রাটের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অতর্কিত আক্রমণ(২) করতে চেয়েছিলেন; তিনি বনু হাশিমের অন্যতম বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ ব্যক্তি ছিলেন। আমি তার নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তার কাছে তার অনুগত একদল লোক উপস্থিত ছিল। তারা এ বিষয়ে পরামর্শ করল এবং তারা তাকে পরামর্শ দিল যে, তিনি যেন নিজেই সীমান্ত এলাকা থেকে রোমানদের তদারকি করেন এবং নিজের আদেশ ও ইচ্ছা বাস্তবায়ন করেন। তখন তিনি বললেন: "একজন সাহসী ও দৃঢ়চেতা শাসকের(৩) দূরদর্শিতা হলো নিজের ব্যক্তিত্বের গাম্ভীর্য ও মর্যাদাকে এমন কাজে বিলিয়ে না দেওয়া, যা তার কোনো অনুগত ব্যক্তিকে দিয়ে করালে সে-ই তা সম্পাদনে সক্ষম হতো। এবং সেই অনুগত ব্যক্তিটি এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে উচ্চ মর্যাদা ও সুখ্যাতি অর্জন করতে পারত যা তাকে অর্পণ করা হয়েছিল। আর সেই কাজে অবহেলা বা দুর্বলতার কারণে তার ওপর যে দোষ বা সামান্য ত্রুটি আসত [তা শাসকের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করত না]। শাসকরা মূলত একারণেই অনুগত ব্যক্তিদের প্রস্তুত করেন যাতে যুদ্ধের ময়দানে তাদের জীবনের ঝুঁকি নেওয়া এবং শাসকের ব্যক্তিত্ব ও উচ্চ মর্যাদাকে তুচ্ছ বিষয়ের জন্য বিলিয়ে দেওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তেমনিভাবে একজন বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ(৪) শাসকের উচিত তার অনুগত লোক নির্বাচনে সতর্ক হওয়া; কেননা শাসকের অনুগতরাই হলো যুদ্ধে তার ঢাল(৫) এবং শান্তিকালীন সময়ে তার পরিচয়(৬)। প্রজাসাধারণ শাসকের সামর্থ্য ও সীমাবদ্ধতা তার অনুগতদের মাধ্যমেই চিনে থাকে।" অতঃপর তিনি উদাহরণস্বরূপ এই কবিতা আবৃত্তি করলেন:

আমি অত্যন্ত সম্মানিত ও মর্যাদাবান বংশের এক সন্তানকে(৭) পাঠিয়েছি … এক বাজপাখি যে কাঁটাযুক্ত ঝোপের আড়ালে থাকা কবুতরকে আক্রমণ করে।

যখন তুমি তার আগুনে রান্না করবে(৮), তুমি তা সুসিদ্ধ করবে … কিন্তু যদি অন্য আগুনে রান্না করো, তবে তা সিদ্ধ হবে না।

সে এমন এক সাহসী বীর যে যখন কোনো শিকারের ইচ্ছা করে … তখন চিৎকারকারী বা বাধা প্রদানকারীর চিৎকারও তাকে রক্ষা করতে পারে না।

একই সনদে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আবি তাহির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবি নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে আস-সিন্দি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল মালিকের কাছে অভিবাদন জানাতে গেলাম, তখন তিনি আমার কাছে অভিযোগ করলেন—

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপি ও (খ)-তে: «আল-রাযইয়ানি» এবং (গ)-তে: «আল-রাযমানি» যা লিখনশৈলীর বিকৃতি। আল-আনসাব গ্রন্থ থেকে সংশোধন করা হয়েছে।

(২) সকল পাণ্ডুলিপিতে: «আব্দুল মালিক ইবনে সালিহ ইবনে বাগতাল»।

(৩) (খ)-তে: «তিনি বললেন: দূরদর্শিতা হলো...»।

(৪) (খ)-তে: «আল-আরীবান» লিখনশৈলীর ত্রুটি।

(৫) (গ)-তে: «সুন্নাহ»।

(৬) সকল পাণ্ডুলিপিতে: «ওয়াজহাহ»।

(৭) মূল পাণ্ডুলিপি ও (খ)-তে: «মুয়াত্তিব»।

(৮) মূল পাণ্ডুলিপিতে: «যখন তুমি পিষবে»।