القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: بغية الملتمس في تاريخ رجال أهل الأندلس
المؤلف: أحمد بن يحيى بن أحمد بن عميرة، أبو جعفر الضبي (ت 599هـ)
الناشر: دار الكاتب العربي - القاهرة
عام النشر: 1967 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 547
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমষ্টি
বই: আন্দালুসবাসীদের জীবন ইতিহাসে প্রার্থীর আকাঙ্ক্ষা
লেখক: আহমাদ বিন ইয়াহইয়া বিন আহমাদ বিন আমিরা, আবু জাফর আদ-দাব্বি (মৃত্যু ৫৯৯ হিজরি)
প্রকাশক: দারুল কাতিব আল-আরাবি - কায়রো
প্রকাশকাল: ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৪৭
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
কর্ডোবা থেকে তার প্রস্থান এবং তাদের নিকট আগমনের পর তারা তার দুই পুত্র এবং তাদের সাথে থাকা বার্বারদের বহিষ্কার করে এবং শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। তারা শহরের শায়খ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্য থেকে তিনজনকে নিজেদের নেতা হিসেবে নিযুক্ত করে। তাদের মধ্যে প্রধান ছিলেন আবু আল-কাসিম মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আব্বাদ আল-লাখমি, মুহাম্মদ বিন বুরাইম আল-ইলহামি এবং মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আজ-জুবাইদি। তারা কিছুদিন শহরের রাজনীতি ও ব্যবস্থাপনায় অংশীদার হিসেবে অবস্থান করেন, অতঃপর কাজী আবু আল-কাসিম বিন আব্বাদ এককভাবে শাসনক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং প্রশাসনিক বিষয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন, আর বাকি দুই ব্যক্তি সাধারণ জনগণের কাতারে শামিল হয়ে যান। কাসিম শেরিশে গমন করেন এবং বার্বাররা তার ভ্রাতুষ্পুত্র ইয়াহইয়াকে নেতৃত্বের জন্য মনোনীত করার ব্যাপারে একমত হয়। তারা কাসিমের অভিমুখে অগ্রসর হয়ে তাকে অবরোধ করে এবং শেষ পর্যন্ত তিনি তার ভ্রাতুষ্পুত্র ইয়াহইয়ার হস্তগত হন। ইয়াহইয়া এককভাবে বার্বারদের কর্তৃত্ব লাভ করেন এবং কাসিম তার কাছে এবং তার পরবর্তীতে তার ভাই ইদ্রিসের কাছে বন্দী হিসেবে থাকেন। ইদ্রিসের মৃত্যুর পর চারশ একত্রিশ হিজরি সালে কাসিমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। তাকে আল-জাজিরায় তার পুত্র মুহাম্মদ বিন কাসিমের নিকট নিয়ে যাওয়া হয় এবং তিনি তাকে সেখানেই দাফন করেন। কর্ডোবায় খিলাফতের নাম গ্রহণ করা থেকে শুরু করে তার ভ্রাতুষ্পুত্রের হাতে বন্দী হওয়া পর্যন্ত কাসিমের শাসনকাল ছিল ছয় বছর। এরপর তিনি তার ভ্রাতুষ্পুত্রের নিকট ষোলো বছর বন্দী অবস্থায় ছিলেন, অবশেষে চারশ একত্রিশ হিজরি সালের শুরুতে তাকে হত্যা করা হয়—যেমনটি আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল আশি বছর। তার সন্তানদের মধ্যে ছিলেন মুহাম্মদ ও হাসান; তাদের মাতা ছিলেন আমিরা বিনতুল হাসান বিন কানুন বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন ইদ্রিস বিন ইদ্রিস বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আবি তালিব।