(খণ্ড: ১) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: -)
المهروانيات   (المهرواني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: المهروانيات = الفوائد المنتخبة الصحاح والغرائب

المؤلف: أبو القاسم يوسف بن محمد بن أحمد بن محمد بن أحمد المهرواني، الهمذاني (المتوفى: 468 هـ)

تخريج: الشّيخ الإمام أبي بكر أحمد بن عليّ بن ثابت الخطيب البغداديّ رحمه الله (المتوفى: 463 هـ)

دراسة وتحقيق: د. سعود بن عيد بن عمير بن عامر الجربوعي

أصل التحقيق: رسالة ماجستير - كلية الحديث الشريف والدراسات الإسلامية، الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة - نوقشت في شعبان 1418 هـ

الناشر: الجامعة الإسلامية بالمدينة المنورة - عمادة البحث العلمي

الطبعة: الأولى، 1422 هـ - 2002 م

عدد المجلدات: 3 (متسلسلة الترقيم)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মাহরওয়ানিয়াত   (আল-মাহরওয়ানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মাহরওয়ানিয়াত = আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাখাবাতুস সিহাহ ওয়াল গরাইব

লেখক: আবু কাসিম ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-মাহরওয়ানি، আল-হামদানি (মৃত্যু: ৪৬৮ হিজরি)

তাখরিজ: শায়খ ইমাম আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন সাবিত আল-খতিব আল-বাগদাদি রাহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৪৬৩ হিজরি)

অধ্যয়ন ও তাহকিক: ড. সাউদ বিন ঈদ বিন উমাইর বিন আমির আল-জারবুয়ি

তাহকিকের মূল ভিত্তি: মাস্টার্স থিসিস - হাদিস শরিফ ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদ، মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় - ১৪১৮ হিজরির শাবান মাসে এটি উপস্থাপিত হয়েছে

প্রকাশক: মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় - বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিভাগ

সংস্করণ: প্রথম، ১৪২২ হিজরি - ২০০২ খ্রিষ্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৩ (ধারাবাহিক সংখ্যায়িত)

[কিতাবের পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٥٥)
‌‌الجُزء الخَامِس مِن الفوائِد المُنْتَخبة الصِّحاح وَالغَرائب

تخريج الشّيخ الإِمام أَبي بكر أَحمد بن عليّ بن ثابت الخطيب رضي الله عنه.

للشيخ أَبي القاسم يوسف بْنُ محمَّد بْنِ أَحمد بْنِ المهروانيّ الهمذانيّ رضي الله عنه. رواية القاضي أَبي الفضل محمَّد بن عمر بن يوسف الأُرمويّ رحمه الله عنه، رواية الشّيخ الإِمام عفيف الدين أَبي المعالي نصر الله بن سلامة بن سالم المقرئ الهيتيّ أَيّده الله عنه، سماع منه للفقير إِلى رحمة الله تعالى محمَّد بن أَحمد الهكّاريّ عفا الله عنه.

وَالحمد لله ربّ العَالمين./ (أ [53/أ] )
আল-ফাওয়াইদুল মুনতাখাবাতুস সিহাহ ওয়াল গারায়েব-এর পঞ্চম খণ্ড

শাইখ, ইমাম আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে সাবিত আল-খতিব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর তাখরিজ (সংকলন)।

শাইখ আবুল কাসিম ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মাহরুওয়ানি আল-হামাদানি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর। এটি বর্ণনা করেছেন কাজি আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে ওমর ইবনে ইউসুফ আল-উরমুওয়ি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন শাইখ, ইমাম আফিফ উদ্দিন আবুল মাআলি নাসরুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে সালিম আল-মুকরি আল-হিতি (আল্লাহ তাঁকে সাহায্য করুন), এবং তাঁর নিকট থেকে এটি শ্রবণ করেছেন আল্লাহর রহমতের ভিখারি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাক্কারি (আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন)।

এবং সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।/ (ক [৫৩/ক] )
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٥٧)
بسم الله الرحمن الرحيم

وَبه نَسْتعين

الحمد لله حَقَّ حمده، وصلوات الله على سيّدنا محمَّد النَّبيِّ، وعلى آله وسلّم(1)

[140]- أَخبرنا الشَّيخ، العالم، الثّقة، الصّدوق، عفيف الدّين أَبو المعالي نصر الله بن سلامة بن سالم المقرئ الهيتيّ(2) بالمَوْصِل(3) ، بدار الحديث المُظَفّريّة(4) ، قراءة عليه، وأنا حَاضر أسمع، فأَقرَّ به، في شهر الله رجب، سنة اثنتين وتسعين وخمسمائة قال: أَخبرنا القاضي أَبو الفضل محمَّد بن عمر بن يوسف الأُرمويّ بقراءتي عليه في دراه، في صفر سنة: ستّ وأربعين وخمسمائة قلت له: أَخبركم الشّيخ الصّالح الجليل أَبو القاسم يُوسف بن محمَّد بن أحمد المِهْرَوانيّ قراءة عليه في شهر ربيع الأوّل سنة: أربع وستّين وأربعمائة قال: حدَّثنا أَبو أَحمد عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محمَّد بْنِ أَحمد بْنِ أَبي مُسْلم الْفَرَضِيُّ قَالَ: ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسماعيل الْمَحَامِلِيُّ قَالَ: ثنا يُوسف بْنُ مُوْسى(5) قَالَ: ثنا جَرِير عَنِ سُهَيل بن أبي

--------------------------------------------

(1) من قوله: "وبه نستعين" إلى قوله: "وسلّم" ليس في: (ج) .

(2) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/407.

(3) تقدّم التّعريف بها.. . انظر ص/491.

(4) تقدّم التّعريف بها أيضا.. . انظر ص/407.

(5) هو: ابن القطّان، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/525.
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।

এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যা তাঁর যথার্থ প্রাপ্য; আর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর।(১)

[১৪০]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, আলিম, নির্ভরযোগ্য, সত্যবাদী, আফীফুদ্দীন আবুল মাআলি নাসরুল্লাহ বিন সালামাহ বিন সালিম আল-মুকরি আল-হিতি(২) মসুলে(৩), দারুল হাদিস আল-মুজাফফারিয়্যাহ-তে(৪)। তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনে তা প্রত্যক্ষ করেছি। অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। এটি ছিল আল্লাহর মাস রজব, পাঁচশত বিরানব্বই হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন উমর বিন ইউসুফ আল-উরমুভি, তাঁর গৃহে আমার পাঠ করার মাধ্যমে, সফর মাসে, পাঁচশত ছেচল্লিশ হিজরি সনে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের কি সংবাদ দিয়েছেন নেককার ও মহান শাইখ আবুল কাসিম ইউসুফ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-মিহরাওয়ানি, রবিউল আউয়াল মাসে তাঁর কাছে পাঠ করার মাধ্যমে, চারশত চৌষট্টি হিজরি সনে? তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আবি মুসলিম আল-ফারাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ইসমাঈল আল-মাহামিলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন মুসা(৫), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর, সুহাইল বিন আবি এর সূত্রে...

--------------------------------------------

(১) 'এবং আমরা তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করি' থেকে 'সালাম' পর্যন্ত অংশটি (জ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) তাঁর জীবনী ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা: ৪০৭।

(৩) এর পরিচয় ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা: ৪৯১।

(৪) এর পরিচয়ও ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা: ৪০৭।

(৫) তিনি হলেন: ইবনুল কাত্তান, তাঁর জীবনীও ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা: ৫২৫।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٥٨)
صَالِحٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَسَار أَبي الحُبَاب مَوْلَى بَنِي النَّجَّارِ(1) عَنْ زَيْد بْنِ خَالِدٍ الجُهَنيّ عَنْ أَبي طَلْحة قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْليما يَقُولُ: "لَا تَدْخُلُ المَلَائِكَةُ بَيْتَا فِيْهِ كَلْبٌ، أَوْ فِيْهِ تِمْثَالٌ".

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "اتَّفَقَ البخاريُّ، وَمُسْلِمٌ عَلَى إِخراج هَذَا الْحَدِيثِ فِي صَحِيحَيْهِمَا مِنْ رِوَايَةِ بُسْر بْنِ سَعِيدٍ عن زَيْد بن خالد.

--------------------------------------------

(1) وقيل: مولى ميمونة زوج النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وقيل: مولى شقران مولى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وقيل: مولى الحسن بن عليّ ثقة، متقن. روى له: ع. ومات سنة: سبع عشرة ومائة وقيل: قبلها بسنة.

انظر: الطّبقات الكبرى لابن سعد (5/284) ، وتهذيب الكمال (11/120) ت/2385، والتّقريب (ص/243) ت/2423.
সালেহ বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে ইয়াসার আবু আল-হুবাব থেকে, যিনি বনু নাজ্জারের মুক্তদাস(১), তিনি জায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানি থেকে, তিনি আবু তালহা থেকে, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "ফেরেশতারা এমন কোনো ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে কুকুর অথবা কোনো প্রতিকৃতি থাকে।"

শাইখ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "বুখারি এবং মুসলিম তাদের উভয় সহীহ গ্রন্থে বুসর ইবনে সাঈদের বর্ণনা থেকে জায়েদ ইবনে খালিদ হতে এই হাদিসটি সংকলন করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।"

--------------------------------------------

(১) এবং বলা হয়েছে: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী মায়মুনার মুক্তদাস, আবার বলা হয়েছে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস শুকরানের মুক্তদাস, আবার বলা হয়েছে: হাসান ইবনে আলীর মুক্তদাস; তিনি নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়। তার থেকে বর্ণনা করেছেন: ছয় ইমাম (ছয়টি প্রধান হাদিস গ্রন্থের সংকলকগণ)। তিনি একশত সতেরো হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন, আবার বলা হয়েছে: এর এক বছর পূর্বে।

দেখুন: ইবনে সা'দ কৃত আত-তাবাকাত আল-কুবরা (৫/২৮৪), তাহজিব আল-কামাল (১১/১২০) নং/২৩৮৫ এবং আত-তাকরিব (পৃষ্ঠা/২৪৩) নং/২৪২৩।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٥٩)
[وَانْفَرَدَ مُسْلم بِإِخْرَاجِهِ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، فَرَوَاهُ عَنْ إِسحاق بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ جَرِيرٍ،](1) فكأنَّ شَيْخَنَا أَبَا أَحْمَدَ سَمِعَهُ مِنْ مُسْلم".

[141]- أَخبرنا أَبو أَحمد عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ محمَّد الْفَرَضِيُّ قَالَ: ثنا الحُسين بْنُ إِسماعيل قَالَ: ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ قَالَ: ثنا أَبو

--------------------------------------------

(1) لحق بحاشية (أ) .
[ইমাম মুসলিম এককভাবে এই সূত্র থেকে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি ইসহাক ইবন ইব্রাহিম থেকে, তিনি জারির থেকে বর্ণনা করেছেন,](১) ফলে মনে হচ্ছে যেন আমাদের শায়খ আবু আহমদ এটি ইমাম মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছেন।"

[১৪১]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ উবাইদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-ফারাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আব্বাস ইবন ইয়াজিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু

--------------------------------------------

(১) এটি পাণ্ডুলিপি (আলিফ)-এর পার্শ্বটীকায় সংযুক্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٠)
مُعَاوية عَنِ الأَعْمَش عَنْ إِبراهيم عَنْ عَلْقَمة قَالَ: كُنْتُ أَمشي مَعَ عَبْدِ اللهِ(1) بِمنىً(2) ، فَلَقِيَهُ/ (ج [46/ب] ) عُثمان، فَقَامَ مَعَهُ يُحدِّثه، فَقَالَ لَهُ عُثمان: يَا أَبا عَبْدِ الرحمن، ألا نُزَوِّجُك شَابّة لعلّها أَنْ تذكّركَ مَا مَضَى مِنْ زَمَانِكَ؟

فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: أَما لئِن قلتَ ذلك، لَقَدْ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْليما:

--------------------------------------------

(1) هو: ابن مسعود رضي الله عنه.

(2) بكسر الميم، والتّنوين مشعر الحجّ المعروف، سُمّي بذلك لما يمنى أي: يُراق فيه من الدّماء.

انظر: معجم البلدان (5/198) ، ومعجم معالم الحجاز للبلاديّ (8/268) ، والمعالم الأثيرة لمحمد شُرَّاب (ص/279) .
মুয়াবিয়া আল-আমাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহর(১) সাথে মিনা(২) প্রান্তরে হাঁটছিলাম, এমতাবস্থায় তাঁর সাথে উসমানের দেখা হলো (খণ্ড [৪৬/খ])। তিনি তাঁর সাথে কথা বলতে দাঁড়ালেন। অতঃপর উসমান তাকে বললেন: হে আবু আবদুর রহমান, আমি কি আপনার সাথে এমন একজন তরুণীর বিয়ে দেব না, যে হয়তো আপনাকে আপনার বিগত সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে?

অতঃপর আবদুল্লাহ বললেন: আপনি যেহেতু এ কথা বললেন, (তবে শুনুন) আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বলেছিলেন:

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু।

(২) মিম অক্ষরে কাসরা (জের) এবং তানভীনসহ; এটি হজের একটি সুপরিচিত নিদর্শন। একে এই নামে নামকরণ করা হয়েছে কারণ সেখানে রক্ত প্রবাহিত (ইউমনা) করা হয়।

দেখুন: মু'জামুল বুলদান (৫/১৯৮), আল-বিলাদির মু'জামু মা'আলিমিল হিজাজ (৮/২৬৮) এবং মুহাম্মদ শুরাবের আল-মা'আলিমুল আসিরা (পৃষ্ঠা/২৭৯)।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦١)
"يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ، مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيِتَزَوَّجْ؛ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ. وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَلْيَصُمْ؛ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ ".
হে যুবক সম্প্রদায়, তোমাদের মধ্যে যার বিবাহের সামর্থ্য আছে সে যেন বিবাহ করে; কেননা তা দৃষ্টিকে অধিক অবনতকারী এবং লজ্জাস্থানকে অধিক হেফাযতকারী। আর যে সামর্থ্য রাখে না সে যেন রোজা রাখে; কারণ তা তার জন্য প্রবৃত্তি দমনকারী ঢালস্বরূপ।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٢)
قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "أَخرجه البخاريُّ مِنْ حَدِيثِ أَبي حَمْزَة السُّكّريّ، وحَفْص بْنِ غِيَاثٍ عَنِ الأَعمش.

وَرَوَاهُ مُسْلم عَنْ يَحْيى بْنِ يَحْيى، وأَبي كُرَيب، وأَبي بَكْرِ بْنِ أَبي شَيْبة، ثَلَاثَتُهُمْ عَنْ أَبي مُعَاوية، فكأَنَّ شَيْخَنَا سَمِعَهُ مِنْ
শায়খ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "আল-বুখারি এটি আবু হামযা আস-সুক্কারি এবং হাফস ইবনে গিয়াস হতে, আল-আ’মাশের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি মুসলিম ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া, আবু কুরাইব এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বা হতে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা তিনজনই আবু মুয়াবিয়া হতে বর্ণনা করেছেন; ফলে মনে হয় যেন আমাদের শায়খ এটি তাঁর থেকে শুনেছেন..."
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٣)
مُسْلم".

[142]- أَخبرنا أَبو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيى بْنِ زَكَرِيَّا الْبَيِّعُ قَالَ: ثنا الْقَاضِي أَبو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسماعيل الْمَحَامِلِيُّ(1) قَالَ: ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوْسى قَالَ: ثنا جَرِير(2) عَنِ المُغيرة(3) عَنْ إِبراهيم قَالَ: "أَتى عَلْقَمَةُ الشَّأمَ، فَدَخَلَ مَسْجِدًا يُصَلِّيَ فِيْهَ. قَاْلَ: ثُمَّ جَاْءَ حَلْقَةً، فَجَلَسَ فِيْهَا، فَجَاْءَ رَجُلٌ، فَعَرَفْتُ فِي تَحَوُّشِ(4)

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/492.

(2) هو: ابن عبد الحميد الضّبّيّ.

(3) ابن مِقْسَم بكسر الميم الضّبّيّ، مولاهم، أبو هشام، الكوفيّ، الضّرير. ثقة، متقن إلاّ أنّه كان يدلّس، لا سيّما عن إبراهيم.

روى له: ع. ومات سنة: ستّ وثلاثين ومائة على الصّحيح.

انظر: سؤالات الآجرّيّ أبا داود (3/172- 173) ، والمعرفة (2/679، 3/14- 15) ، والتّقريب (ص/543) ت/6851.

(4) بمثنّاة مفتوحة في أوّله، وحاء مهملة، وواو مشدّدة، وشين معجمة أي: انقباضهم، أو تنحّيهم عنه. ويحتمل أن يريد: الفطنة والذّكاء، يقال: "رجل حوشي الفؤاد" أي: حديده. انظر: مشارق الأنوار (2/106) ، والنّهاية (باب: الحاء مع الواو) 1/461، وشرح مسلم للنّوويّ (6/109- 110) .
মুসলিম।".

[১৪২]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া আল-বায়য়ি'; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি(১); তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন মুসা; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারির(২), মুগিরা(৩) থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আলকামা শাম দেশে আসলেন এবং সেখানে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি মসজিদে প্রবেশ করলেন। তিনি বলেন: এরপর তিনি একটি মজলিসে আসলেন এবং সেখানে বসলেন। তখন জনৈক ব্যক্তি আসলেন, আমি তাদের সরে যাওয়ার(৪) ধরণ দেখে তাকে চিনতে পারলাম...

--------------------------------------------

(১) তার জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৪৯২।

(২) তিনি হলেন: ইবন আব্দুল হামিদ আদ-দব্বি।

(৩) ইবন মিকসাম (মিম-এ কাসরাসহ) আদ-দব্বি, তাদের আযাদকৃত গোলাম, আবু হিশাম, আল-কুফি, দৃষ্টিহীন। তিনি নির্ভরযোগ্য এবং অত্যন্ত নিপুণ, তবে তিনি তাদলিস করতেন, বিশেষ করে ইবরাহিম থেকে।

সকল প্রধান হাদিস সংকলকগণ তার থেকে বর্ণনা করেছেন। বিশুদ্ধ মতানুযায়ী তিনি ১৩৬ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

দেখুন: সুয়ালাত আল-আজুররি লি-আবি দাউদ (৩/১৭২- ১৭৩), আল-মা'রিফাহ (২/৬৭৯, ৩/১৪- ১৫), আত-তাকরিব (পৃষ্ঠা/৫৪৩) অনুবাদ/৬৮৫১।

(৪) শব্দের শুরুতে 'তা' জবরযুক্ত, এরপর 'হা', এরপর 'ওয়াও' তাসদিদযুক্ত এবং 'শিন' বর্ণসহ; এর অর্থ হলো: তাদের গুটিয়ে যাওয়া বা তার থেকে দূরে সরে যাওয়া। আবার এটিও হতে পারে যে এর দ্বারা মেধা ও বুদ্ধিমত্তা বুঝানো হয়েছে, যেমন বলা হয়: "তীক্ষ্ণ হৃদয়ের লোক" অর্থাৎ প্রখর মেধাবী। দেখুন: মাশরিকুল আনওয়ার (২/১০৬), আন-নিহায়াহ (হা এবং ওয়াও অধ্যায়) ১/৪৬১, এবং নববী কর্তৃক শরহু মুসলিম (৬/১০৯- ১১০)।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٤)
الْقَوْمِ وَهَيْئَتِهِ أَنَّهُ. قَاْلَ: فَجَلَسَ إِلَى جَنْبِي، فَقُلْتُ: الْحَمْدُ للهِ إِنِّي لأَرْجُو أَنْ يَكُوْنَ اللهُ عز وجل قَدِ اسْتَجَابَ دَعْوَتِي. قَاْلَ: وَذَلِكَ الرَّجُلُ أَبُو الدَّرْدَاءِ. قَاْلَ: فَقَاْلَ: وَمَا ذَاكَ؟

قَاْلَ عَلْقَمَةُ: دَعَوْتُ اللهَ أَنْ يَرْزُقَنِي جَلِيْسَا صَالِحَا/ (ج [47/أ] ) ، فَأَرْجُوَ أَنْ تَكُوْنَ [أَنْتَ] . فَقَاْلَ: مِمَّنْ أَنْتِ؟ / (أ [54/أ] ) قَاْلَ: فَقُلْتُ: مِنْ أَهْلِ الْكُوْفَةِ أَوْ مِنْ أَهْلِ الْعِرَاقِ، ثُمَّ مِنْ أَهْلِ الْكُوْفَةِ. قَاْلَ: فَقَاْلَ أَبُو الدَّرْدَاء: أَوَ لَمْ يَكُنْ فِيْكُمْ صَاحِبُ النَّعْلَيْنِ وَالْوِسَاْدِ
সম্প্রদায়ের এবং তার অবয়ব যে তিনি। তিনি বললেন: এরপর তিনি আমার পাশে বসলেন, তখন আমি বললাম: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমি আশা করছি যে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছেন। তিনি বললেন: আর সেই ব্যক্তিটি ছিলেন আবু আদ-দারদা। তিনি বললেন: অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন: সেটি কী?

আলকামা বললেন: আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলাম যেন তিনি আমাকে একজন নেককার সঙ্গী দান করেন / (জিম [৪৭/আ]), তাই আমি আশা করি যে [আপনিই] তিনি হবেন। অতঃপর তিনি বললেন: তুমি কোন জায়গার লোক? / (আলিফ [৫৪/আ]) তিনি বললেন: আমি বললাম: কুফাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত অথবা ইরাকবাসীদের অন্তর্ভুক্ত, অতঃপর কুফাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি বললেন: তখন আবু আদ-দারদা বললেন: তোমাদের মধ্যে কি জুতো জোড়া ও বালিশের অধিকারী ব্যক্তিটি নেই?
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٥)
أَوْ السِّوَاكِ، شَكَّ يُوْسُفُ السِّوَاك، وَالْمِطْهَرَةِ، أَوَ لَمْ يَكُنْ فِيْكُمْ الَّذِي أُجِيْرَ مِنَ الشَّيْطَانِ عَلَى لِسَانِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيْمَا؟ قَاْلَ: يَعْنِي: عَمَّارَ بنَ يَاسِرٍ، وَيَعْنِي صَاحِبَ النَّعْلَيْنِ وَالْوِسَادِ وَالسِّوَاكِ وَالْمِطْهَرَةِ: عَبْدَ اللهِ بنَ مَسْعُوْدٍ. قَاْلَ: أَوَلَمْ يَكُنْ فِيْكُمْ صَاحِبُ السِّرِّ الَّذِي لَا يَعْلَمُهُ غَيْرُهُ أَوْ أَحَدٌ غَيْرُهُ. قَاْلَ: يَعْنِي: حُذَيْفَةَ. ثُمَّ قَاْلَ: تَحْفَظُ كَيْفَ كَاْنَ عَبْدُ اللهِ(1) يَقْرَأُ؟ قَاْلَ: قُلْتُ: نَعمْ، قَاْلَ: {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى} . قَاْلَ عَلْقَمَةُ: فَقُلْتُ: {وَالْذَّكَرِ وَالأُنْثَى} . قَاْلَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: وَاللهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلاَّ هُوَ لَهَكَذَا أَقْرَأَنِي رَسُوْلُ اللهِ

--------------------------------------------

(1) هو: ابن مسعود رضي الله عنه.
অথবা মেসওয়াক—ইউসুফ মেসওয়াক সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন—এবং অজুর পাত্র। তোমাদের মাঝে কি এমন কেউ নেই যাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবানে শয়তান থেকে নিরাপত্তা দান করা হয়েছে? তিনি বললেন: অর্থাৎ আম্মার বিন ইয়াসির। এবং (তোমাদের মাঝে কি নেই) জুতো, বালিশ, মেসওয়াক ও অজুর পাত্রের অধিকারী ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ। তিনি বললেন: তোমাদের মাঝে কি সেই গোপন বিষয়ের অধিকারী ব্যক্তি নেই যা তিনি ছাড়া অন্য কেউ জানে না? তিনি বললেন: অর্থাৎ হুজাইফা। এরপর তিনি বললেন: আব্দুল্লাহ(১) কীভাবে পাঠ করতেন তা কি তোমার মুখস্থ আছে? তিনি বললেন: আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি পাঠ করলেন: {শপথ রাতের যখন তা আচ্ছন্ন হয় এবং দিনের যখন তা উদ্ভাসিত হয়}। আলকামা বললেন: তখন আমি বললাম: {এবং নর ও নারীর}। আবু দারদা বললেন: আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এভাবেই পাঠ করিয়েছিলেন।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٦)
صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيْما مِنْ فِيْهِ إِلَى فِيَّ، فَمَا زَاْلَ هَؤْلَاءِ حَتَّى كَاْدُوا يَرُدُّوْنِي عَنْهَا".

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "انْفَرَدَ مُسْلم بإِخراجه فِي صَحِيحِهِ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، فَرَوَاهُ عَنْ قُتَيبة بْنِ سَعيد عَنْ جَرير، فكأَنَّ شَيْخَنَا أَبا محمَّد سَمِعَهُ مِنْهُ.

وأَخرجه البخاريُّ مِنْ حَدِيثِ [إِسرائيلَ] ،

وشُعْبة، وأَبي عَوَانَةَ(1) عَنْ مُغِيْرة بْنِ مِقْسَم الضَّبِّيِّ، وَمن

--------------------------------------------

(1) الصّحيح (كتاب: المناقب، أبواب: فضائل أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، باب: مناقب عمّار وحذيفة) 5/104 ورقمه/249 عن موسى (هو: ابن إسماعيل) عنه به، بأخصر من هذا.
"আল্লাহ তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন—তাঁর মুখ থেকে সরাসরি আমার মুখে (এসেছে); কিন্তু এই লোকেরা বিরতিহীনভাবে চেষ্টা করছিল যাতে তারা আমাকে তা থেকে বিরত রাখতে পারে।"

শাইখ ইমাম আবু বকর আল-খাতিব বলেন: "ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে এই সূত্র থেকে এটি বর্ণনায় একক ছিলেন। তিনি এটি কুতায়বা ইবনে সাঈদ থেকে এবং তিনি জারির থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে মনে হচ্ছে যেন আমাদের শাইখ আবু মুহাম্মদ এটি তাঁর নিকট থেকে সরাসরি শুনেছেন।

এবং ইমাম বুখারি এটি [ইসরাঈল]-এর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন,

এবং শু’বাহ ও আবু আওয়ানা(১) মুগীরা ইবনে মিকসাম আদ-দাব্বী থেকে এবং যাঁর থেকে...

--------------------------------------------

(১) আস-সহিহ (কিতাব: আল-মানাকিব, পরিচ্ছেদসমূহ: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের ফজিলত, অধ্যায়: আম্মার ও হুযাইফার মর্যাদা) ৫/১০৪ এবং হাদিস নম্বর ২৪৯; এটি মূসা (যিনি ইবনে ইসমাইল) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর সূত্রে এটি এই বর্ণনার চেয়েও সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٧)
حديث الأَعْمَش عن إِبراهيم(1) ./ (جـ[47/ب] )

[143]- أَخبرنا(2) عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيى(3) قَالَ: ثنا الحُسين بْنُ إِسماعيل(4) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ أَحمد الجَوَاربِيّ(5) قَالَ: ثنا يَزِيدُ(6) قَالَ: ثنا شُعْبة عَنِ المُغَيرة(7) عَنْ إِبراهيم(8) عَنْ عَلْقمة(9) : "أَنَّهُ قَدِمَ الشَّأْمَ، فَدَخَلَ مَسْجِدَ دِمَشْقٍ(10) ، فَصَلَّى فِيْهِ رَكْعَتَيْنِ،

--------------------------------------------

(1) الصّحيح (كتاب: التّفسير، باب: {وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى} ) 6/296 ورقمه/439 عن قبيصة بن عقبة عن سفيان (هو: الثّوريّ) ، و: (باب: {وَمَا خَلَقَ الذَّكَرَ والأُنثَى} ) ورقمه/440 عن عمر بن حفص عن أبيه، كلاهما عن الأعمش به، بنحوه، مختصرًا.

(2) في: (ج) : "أخبرناه"، وهذا خطأ، وما أثبتّه من (أ) ، وهو الصّواب؛ إذ إن عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، وهو: ابن البيّع ليس من شيوخ الخطيب، فليتنبّه لهذا.

وانظر: تأريخ بغداد (10/39) ت/5162.

(3) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/52.

(4) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/492.

(5) بفتح الجيم، والواو، وكسر الرّاء، وفي آخرها الباء الموحدة أبو الحسن، الواسطيّ.. ثقة. مات سنة: خمس وقيل: ثمان وخمسين ومئتين. انظر: تأريخ واسط (ص/211) ، وتأريخ بغداد (11/314) ت/6117، والأنساب (2/102) .

(6) ابن هارون، السّلميّ، أبو خالد، الواسطيّ.. ثقة ثبت، عابد. روى له: ع. ومات سنة: ستّ ومئتين. انظر: الجرح والتعديل (9/295) ت/1257، والتّقريب (ص/606) ت/7789.

(7) هو: ابن مقسم، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/963.

(8) هو: النّخعيّ، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/715.

(9) هو: ابن قيس، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/960.

(10) ويقال أيضا: جامع دمشق، وَ: جامع بني أميّة، وَ: الجامع الأمويّ، وَ: الجامع المعمور … بناه الخليفة: الوليد بن عبد الملك، سنة: ثمان وثمانين من الهجرة.

انظر: المعارف (ص/203) ، وتأريخ الطبريّ (6/496) ، والدّارس للنّعيميّ (2/285) .
ইব্রাহীম থেকে আ’মাশ-এর হাদীস(১) ./ (পৃষ্ঠা [৪৭/খ] )

[১৪৩]- আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদিল্লাহ ইবন ইয়াহইয়া(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবন ইসমাঈল(৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন আহমদ আল-জাওয়ারিবী(五) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযীদ(৬) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বা মুগীরা(৭) থেকে, তিনি ইব্রাহীম(৮) থেকে এবং তিনি আলকামাহ(৯) থেকে বর্ণনা করেন: "তিনি সিরিয়ায় আগমন করলেন, অতঃপর দামেস্কের মসজিদে(১০) প্রবেশ করে সেখানে দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন...

--------------------------------------------

(১) সহীহ (কিতাব: তাফসীর, পরিচ্ছেদ: {শপথ দিবসের যখন তা প্রকাশিত হয়} ) ৬/২৯৬ এবং নম্বর/৪৩৯; কাবীসাহ ইবন উকবাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান (তিনি হলেন: সাওরী) থেকে; এবং: (পরিচ্ছেদ: {আর সেই সত্তার শপথ যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন} ) নম্বর/৪৪০; উমর ইবন হাফস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, উভয়ই আ’মাশ থেকে এর অনুরূপ সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

(২) পাণ্ডুলিপি (জ)-তে রয়েছে: "তিনি আমাদের নিকট তা বর্ণনা করেছেন", যা ভুল। আমি (আ) পাণ্ডুলিপি থেকে যা সাব্যস্ত করেছি তা-ই সঠিক; কারণ আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদিল্লাহ, যিনি ইবনুল বাইয়ি’ নামে পরিচিত, তিনি আল-খতীবের উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত নন, সুতরাং এ বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।

আরও দেখুন: তারিখ বাগদাদ (১০/৩৯), অনুবাদ/৫১৬২।

(৩) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে.. দেখুন পৃ/৫২।

(৪) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে.. দেখুন পৃ/৪৯২।

(৫) জীম এবং ওয়াও-এর ফাতহাহ এবং র-এর কাসরাহ সহকারে, এবং এর শেষে বা রয়েছে; আবু আল-হাসান, আল-ওয়াসিতী.. নির্ভরযোগ্য। তিনি দুইশত পঞ্চান্ন বা মতান্তরে দুইশত আটান্ন হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: তারিখ ওয়াসিত (পৃ/২১১), তারিখ বাগদাদ (১১/৩১৪), অনুবাদ/৬১১৭ এবং আল-আনসাব (২/১০২)।

(৬) ইবন হারুন, আস-সুলামী, আবু খালিদ, আল-ওয়াসিতী.. নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী, ইবাদতগুজার। তাঁর থেকে সিহাহ সিত্তার সকল ইমাম বর্ণনা করেছেন। তিনি দুইশত ছয় হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: আল-জারহু ওয়াত-তাদীল (৯/২৯৫), অনুবাদ/১২৫৭ এবং আত-তাকরীব (পৃ/৬০৬), অনুবাদ/৭৭৮৯।

(৭) তিনি হলেন: ইবন মিকসাম, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে.. দেখুন পৃ/৯৬৩।

(৮) তিনি হলেন: আন-নাখঈ, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে.. দেখুন পৃ/৭১৫।

(৯) তিনি হলেন: ইবন কাইস, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে.. দেখুন পৃ/৯৬০।

(১০) একে দামেস্ক জামে মসজিদও বলা হয়, এবং বনু উমাইয়া জামে মসজিদ, উমাইয়া জামে মসজিদ এবং আল-জামে আল-মামুরও বলা হয়... খলীফা ওয়ালিদ ইবন আব্দুল মালিক ৮৮ হিজরীতে এটি নির্মাণ করেন।

দেখুন: আল-মাআরিফ (পৃ/২০৩), তারিখ আত-তাবারী (৬/৪৯৬) এবং আন-নুয়াইমী রচিত আদ-দারিস (২/২৮৫)।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٨)
/أ [54/ب] ثُمَّ قَاْلَ: اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي جَلِيْسَا صَاْلِحَا، فَجَلَسَ إِلَى أَبِي الدَّرْدَاءِ. فَقَاْلَ لَهُ أَبُو الدَّرْدَاءِ: مِمَّنْ أَنْتَ؟ قَاْلَ: مِنْ أَهْلِ الْكُوْفَةِ. قَاْلَ: كَيْفَ سَمِعْتَ ابنَ أُمَّ عَبْدٍ(1) يَقْرَأُ: {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى} ؟ فَقَاْلَ عَلْقَمَةُ: {وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى وَالنَّهَارِ إَذَا تَجَلَّى وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى} . فَقَاْلَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: لقَدْ حَفِظْتُهَا عنْ رَسوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيْما فَمَا زَاْلَ بِي هَؤُلَاءِ حَتَّى شَكَّكُوْنِي. ثُمَّ قَاْلَ: أَلَمْ يَكْفِكُمْ صَاحِبُ الْوِسَادِ، وَصَاحِبُ السِّرِّ الَّذِي لَا يَعْلَمُهُ أَحَدٌ غَيرُهُ، وَالَّذِي أُجِيْرَ مِنَ الشَّيْطَانِ عَلَى لِسَانِ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيْما".

صَاحِبُ الْوِسَادِ: ابْنُ مَسْعُودٍ، وَصَاحِبُ السِّرِّ: حُذَيْفَة، وَالَّذِي

--------------------------------------------

(1) هو: ابن مسعود رضي الله عنه.
/أ [৫৪/ব] এরপর তিনি বললেন: “হে আল্লাহ! আমাকে একজন নেককার সঙ্গী দান করুন”, অতঃপর তিনি আবু আদ-দারদার পাশে বসলেন। আবু আদ-দারদা তাকে জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি কোন জায়গার লোক?” তিনি বললেন: “আমি কুফার অধিবাসীদের একজন।” তিনি বললেন: “তুমি ইবনে উম্মে আবদকে(১) কীভাবে পড়তে শুনেছ: {শপথ রাতের যখন তা আচ্ছন্ন হয়}?” আলকামা বললেন: {শপথ রাতের যখন তা আচ্ছন্ন হয়, শপথ দিনের যখন তা উদ্ভাসিত হয় এবং শপথ পুরুষ ও নারীর}। তখন আবু আদ-দারদা বললেন: “আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে এভাবেই এটি মুখস্থ করেছি, কিন্তু এই লোকগুলো আমার পিছু ছাড়েনি যতক্ষণ না তারা আমাকে সংশয়ে ফেলে দিয়েছিল।” এরপর তিনি বললেন: “তোমাদের মাঝে কি বালিশের অধিকারী ব্যক্তি, এবং সেই গোপন রহস্যের অধিকারী ব্যক্তি যাকে তিনি ছাড়া আর কেউ জানে না, এবং সেই ব্যক্তি যাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভাষায় শয়তান থেকে রক্ষা করা হয়েছে—তারা কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট নন?”

বালিশের অধিকারী ব্যক্তি হলেন: ইবনে মাসউদ; আর গোপন রহস্যের অধিকারী ব্যক্তি হলেন: হুযায়ফা; আর সেই ব্যক্তি যাকে...

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٦٩)
أُجِيْرَ مِنَ الشَّيْطَانِ: عَمَّارُ بنَ يَاْسِرٍ.

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الخطيب: "رَوَاهُ البخاريُّ عَنْ يَحْيى بْنِ جَعْفر(1) عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ(2) ، فكأَنَّ شَيْخَنَا أَبا محمَّد سَمِعَهُ مِنْهُ".

[144]- أَخبرنا أَبو عَبْدِ اللَّهِ أَحمد بْنُ محمَّد بْنِ يُوسُفَ بْنِ دُوْست الْبَزَّازُ(3) قَالَ: أَنا محمَّد بْنُ جَعْفَرٍ المَطِيْريّ(4) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْب(5) قَالَ: ثنا أَبو مُعَاوِيَةَ(6) قَالَ: ثنا / (ج [48/أ] ) الأَعمش عَنْ أَبي صَالِحٍ(7) عَنْ أَبي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيمًا: "لَعَنَ اللهُ السَّارِقَ يَسْرِقُ البَيْضَةَ فَتُقْطَعُ يَدُهُ، وَيَسْرِقُ الْحَبْلَ(8)

--------------------------------------------

(1) ابن أَعْيَن، الأزديّ، أبو زكريّا، البخاريّ … ثقة. روى له: خ. ومات سنة: ثلاث وأربعين ومئتين. انظر: الثّقات لابن حبّان (9/268) ، والسّير (12/100) ، والتّقريب (ص/588) ت/7521.

(2) صحيح البخاريّ (كتاب: الاستئذان، باب: من ألقى له وسادة) 8/112 ورقمه/51 بنحوه.

(3) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/50.

(4) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/506.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/296.

(6) هو: محمَّد بن خازم، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/519.

(7) هو: ذكوان بن عبد الله، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/634.

(8) اختلف أهل العلم في المراد من البيضة، والحبل هنا … فمنهم من أمرّ الحديث على ظاهره، وقال: البيضة بيضة الدّجاجة ونحوها، والحبل أيّ حبل دون تمييز بين الجليل، والحقير. ومنهم من رأى أنّ المراد جنس البيضة، والحبل ممّا تبلغ قيمته النّصاب الّذي تقطع فيه اليد.

ومنهم من تأوّل البيضة ببيضة الحديد الّتي تجعل على الرّأس في الحرب، والحبل هو الحبل الّذي يساوي عدّة دراهم كحبال السّفن، ونحو ذلك.

وقد ردّ جمع من أهل العلم التّأويل المذكور، ورأوا أنّه غير مطابق لظاهر الحديث، ومخرج الكلام فيه؛ لأنّ هذا ليس موضع تكثير لما يأخذه السّارق، إنّما هو موضع تقليل، فإنّه لا يقال مثلاً: "قبّح الله فلانا، تعرضّ لقطع يده في جراب من المسك، أو عقد من الجوهر" إنّما يقال: "لعنه الله، تعرّض لقطع يده في حبل رثّ، أو رداء خلق" أو نحو ذلك.

والأخذ بظاهر الحديث، ومخرج الكلام فيه هو الأولى، ويكون وجه الحديث على هذا: ذمّ السّرقة، وتهجين أمرها فيما قلّ أو كثر من المال، وأنّه إن لم يقطع السّارق في هذا القدر القليل جرّته عادته إلى ما هو أكثر منه حتى يبلغ قدر ما تقطع فيه اليد، فتقطع يده والله تعالى أعلم.

انظر: المُعْلِم للمازريّ (2/254) ، والنّهاية (باب: الباء مع الياء) 1/172، ولفتح (12/84- 85) .
শয়তান থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে: আম্মার ইবনে ইয়াসিরকে।

শাইখ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর(১) থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন(২) থেকে, ফলে মনে হচ্ছে আমাদের শাইখ আবু মুহাম্মদ এটি তাঁর নিকট থেকেই শুনেছেন।"

[১৪৪]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে দুস্ত আল-বাজ্জাজ(৩) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মাতীরি(৪) তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব(৫) তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া(৬) তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন / (খণ্ড [৪৮/অ]) আল-আমাশ, তিনি আবু সালিহ(৭) থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহ চোরকে লানত করেন, যে একটি ডিম চুরি করে ফলে তার হাত কাটা হয়, এবং সে একটি দড়ি চুরি করে...(৮)

--------------------------------------------

(১) ইবনে আয়ান, আল-আযদি, আবু জাকারিয়া, আল-বুখারি... বিশ্বস্ত। বুখারি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৪৩ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ইবনে হিব্বানের 'আস-সিকাত' (৯/২৬৮), 'আস-সিয়ার' (১২/১০০), এবং 'আত-তাক্বরীব' (পৃ. ৫৮৮), ক্রমিক নং ৭৫২১।

(২) সহীহ বুখারি (কিতাব: আল-ইসতিযান, অধ্যায়: যাকে বালিশ দেওয়া হয়েছে) ৮/১১২ এবং হাদীস নং ৫১, অনুরূপ।

(৩) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃ. ৫০।

(৪) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃ. ৫০৬।

(৫) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃ. ২৯৬।

(৬) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে খাযিম, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃ. ৫১৯।

(৭) তিনি হলেন: যাকওয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে... দেখুন পৃ. ৬৩৪।

(৮) এখানে 'ডিম' এবং 'দড়ি' দ্বারা কী উদ্দেশ্য, সে সম্পর্কে আলেমগণ মতভেদ করেছেন... তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাদীসটিকে এর বাহ্যিক অর্থের ওপর রেখেছেন এবং বলেছেন: ডিম বলতে মুরগির ডিম বা অনুরূপ কিছু বুঝায়, আর দড়ি বলতে যেকোনো দড়ি বুঝায়—চাই তা তুচ্ছ হোক বা মূল্যবান। আবার কেউ কেউ মনে করেন যে, এখানে ডিম এবং দড়ি দ্বারা এমন জাতীয় বস্তু বুঝানো হয়েছে যার মূল্য নেসাব (হাত কাটার জন্য নির্ধারিত নূন্যতম পরিমাণ) পর্যন্ত পৌঁছে।

আবার কেউ কেউ ডিমের ব্যাখ্যা করেছেন যুদ্ধের শিরস্ত্রাণ (হেলমেট) হিসেবে যা মাথায় পরা হয়, আর দড়ি হলো এমন দড়ি যার মূল্য কয়েক দিরহামের সমান, যেমন জাহাজের দড়ি বা অনুরূপ কিছু।

আলেমদের একটি দল উক্ত ব্যাখ্যাসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং মনে করেন যে এটি হাদীসের বাহ্যিক অর্থ এবং এর বাচনভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ এটি চোর যা গ্রহণ করে তার আধিক্য বর্ণনার স্থান নয়, বরং তা তুচ্ছ করার বা কমানোর স্থান। কেননা এটি বলা হয় না যে: "আল্লাহ অমুককে কদর্য করুন, সে এক থলে কস্তুরী বা এক ছড়া জহরত চুরি করে নিজের হাত কাটার উপক্রম করেছে," বরং বলা হয়: "আল্লাহ তাকে লানত করুন, সে একটি জীর্ণ দড়ি বা একটি পুরাতন চাদরের বিনিময়ে নিজের হাত কাটার উপক্রম করেছে" বা অনুরূপ কিছু।

হাদীসের বাহ্যিক অর্থ এবং এর বাচনভঙ্গি গ্রহণ করাই অধিক উত্তম। আর এমতাবস্থায় হাদীসের মর্মার্থ হবে: চুরির নিন্দা করা এবং মালের পরিমাণ কম হোক বা বেশি হোক—চুরির বিষয়টিকে ঘৃণ্য হিসেবে তুলে ধরা। আর চোর যখন এই সামান্য পরিমাণে (হাত কাটার শাস্তি থেকে) রেহাই পায়, তখন তার অভ্যাস তাকে আরও বড় চুরির দিকে ধাবিত করে, যতক্ষণ না সে এমন পরিমাণে পৌঁছে যেখানে হাত কাটা আবশ্যক হয়, তখন তার হাত কাটা হয়। আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন।

দেখুন: মাযেরীর 'আল-মু'লিম' (২/২৫৪), 'আন-নিহায়া' (অধ্যায়: বা-এর সাথে ইয়া) ১/১৭২, 'আল-ফাতহ' (১২/৮৪-৮৫)।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٠)
فُتُقْطَعُ يَدُهُ".

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الخطيب: "أَخرجه البخاريُّ مِنْ رِوَايَةِ شُعْبة(1) ، وحَفْص بْنِ غِيَاثٍ(2) ، وَعَبْدِ الْوَاحِدِ بن زياد(3) عن الأَعْمَش.

--------------------------------------------

(1) لم أقف عليه في الصّحيح من رواية شعبة والله تعالى أعلم.

(2) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/897.

والحديث في الصّحيح في: (كتاب: الحدود، باب: لعن السّارق إذا لم يُسَمّ) 8/285 ورقمه/12 بمثله.

(3) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/758.

وحديثه في الصّحيح في الكتاب المتقدّم نفسه (باب: قول الله تعالى: {وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا} ، وفي كم يقطع) 8/289 ورقمه/29، بمثله أيضا.
...তাই তার হাত কাটা হবে।"

শায়খ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন শু'বাহ(১), হাফস ইবনে গিয়াস(২) এবং আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ(৩) এর সূত্রে আমাশ থেকে।"

--------------------------------------------

(১) আমি সহিহ গ্রন্থে শু'বাহর বর্ণনা থেকে এটি খুঁজে পাইনি এবং মহান আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

(২) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে.. . দেখুন পৃষ্ঠা/৮৯৭।

হাদিসটি সহিহ গ্রন্থে রয়েছে: (কিতাব: হুদুদ, অনুচ্ছেদ: চোরকে লানত করা যখন তার নাম উল্লেখ করা হয় না) ৮/২৮৫ এবং হাদিস নম্বর/১২, এর অনুরূপ।

(৩) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে.. . দেখুন পৃষ্ঠা/৭৫৮।

এবং তাঁর বর্ণিত হাদিসটি সহিহ গ্রন্থে পূর্বোক্ত কিতাবেই রয়েছে (অনুচ্ছেদ: মহান আল্লাহর বাণী: {চোর পুরুষ ও চোর নারী, তোমরা তাদের হাত কেটে দাও}, এবং কতটুকু মালের জন্য হাত কাটা হবে) ৮/২৮৯ এবং হাদিস নম্বর/২৯, এটিও অনুরূপ।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧١)
وَرَوَاهُ مُسْلم عَنْ أَبي بَكْرِ بْنِ أَبي شَيْبة، وأَبي كُرَيب مُحَمَّدِ بْنِ العلاءِ(1) عَنْ أَبي مُعَاوِيَةَ(2) ، فكأَنَّ شَيْخَنَا أَبَا عَبْدِ الله سمعه من مُسلم"./ (أ [55/أ] )

[145]- أَخبرنا أَحمد بْنُ محمَّد بْنِ يوسف(3) قَالَ: أَنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفر المَطِيْريّ(4) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْب(5) قَالَ: ثنا أَبو مُعَاوية(6) قَالَ: ثنا الأَعمش عَنْ أَبي صَالح(7) عَنْ أَبي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْليما: "لَيْسَ مَوْلُوْدٌ يُوْلَدُ إِلاَّ هَذِهِ المِلَّةِ حَتَّى يُبَيِّنَ عَنْهُ لِسَانُهُ، فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ، أَوْ يُنَصِّرَانِهِ، أَوْ يُشَرِّكَانِهِ". قَالُوا: يَا رسول الله، فكيف [بما](8) كان قبل ذلك(9) ؟

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/522.

(2) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/519.

وحديثه في صحيح مسلم في: (كتاب: الحدود، باب: حدّ السّرقة، ونصابها) 3/1314 ورقمه/1687.

(3) هو: ابن دوست، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/50.

(4) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/506.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/296.

(6) هو: محمَّد بن خازم، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/519.

(7) هو: ذكوان بن عبد الله، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/634.

(8) ساقطة من: (أ) ، ومثبتة في: (ج) .

(9) أي: كيف بمن مات من أولادهم صغيرًا، قبل تغيّر فطرته الّتي فطره الله عليها، كما جاء ذلك مبيّنا في: رواية همّام عن أبي هريرة في صحيح البخاريّ (8/220- 221) ، وصحيح مسلم (4/4048) .

وَرواية جرير عن الأعمش عند مسلم في صحيحه (4/4048) أيضا.
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবা এবং আবু কুরাইব মুহাম্মদ ইবনুল আলা(১) থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া(২) থেকে। ফলে মনে হচ্ছে আমাদের শাইখ আবু আব্দুল্লাহ এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন। / (আলিফ [৫৫/আলিফ])

[১৪৫]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ(৩), তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মাতীরি(৪), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব(৫), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া(৬), তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ, আবু সালেহ(৭) থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "এমন কোনো নবজাতক নেই যে এই মিল্লাত (স্বভাবজাত ধর্ম)-এর ওপর জন্মগ্রহণ করে না, যতক্ষণ না তার জিহ্বা তার পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। অতঃপর তার পিতামাতা তাকে ইহুদি বানায়, অথবা খ্রিষ্টান বানায়, অথবা মুশরিক বানায়।" তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তাহলে তাদের (শিশুদের) কী হবে যারা এর আগে [অর্থাৎ শৈশবে](৮) মারা গেছে(৯)?

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/৫২২।

(২) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/৫১৯।

এবং তাঁর বর্ণিত হাদিসটি সহিহ মুসলিমের: (কিতাবুল হুদুদ, বাবু হাদ্দিস সারিকা ওয়া নিসাবিহা) ৩/১৩১৪, নম্বর/১৬৮৭।

(৩) তিনি হলেন: ইবনে দোস্ত, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/৫০।

(৪) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/৫০৬।

(৫) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/২৯৬।

(৬) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে খাযিম, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/৫১৯।

(৭) তিনি হলেন: যাকওয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃ/৬৩৪।

(৮) এটি (আলিফ) পাণ্ডুলিপি থেকে পড়ে গেছে এবং (জিম) পাণ্ডুলিপিতে সাব্যস্ত আছে।

(৯) অর্থাৎ: তাদের সন্তানদের মধ্যে যারা ছোট অবস্থায় মারা গেছে তাদের কী অবস্থা হবে, আল্লাহ তাদের যে স্বভাবজাত ধর্মের (ফিতরাত) ওপর সৃষ্টি করেছেন তা পরিবর্তিত হওয়ার পূর্বে; যেমনটি সহিহ বুখারিতে (৮/২২০-২২১) আবু হুরাইরা থেকে হাম্মামের বর্ণনায় এবং সহিহ মুসলিমে (৪/৪০৪৮) স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।

এবং সহিহ মুসলিমে (৪/৪০৪৮) আমাশ থেকে জারীরের বর্ণনাতেও এটি রয়েছে।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٢)
قَالَ: "اللهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا عَامِلِيْنَ".

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "رَوَاهُ مُسْلم فِي كِتَابِهِ عَنْ أَبي بَكْرِ بْنِ أَبي شَيْبة، وأَبي كُرَيب مُحَمَّدِ ابن العلاءِ(1) عَنْ أَبي مُعَاوية(2) ، فكأَنَّ شَيْخَنَا أَبا عَبْدِ اللَّهِ سَمِعَهُ من مُسْلم"./ (ج [48/ب] )

[146]- أَخبرنا أَبو عُمَر عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ محمَّد بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ(3) قَالَ: ثنا الْقَاضِي أَبو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسماعيل المحامليّ(4)

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/522.

(2) والحديث في صحيح مسلم في: (كتاب: القدر، باب: معنى كل مولود يولد على الفطرة، وحكم موت أطفال الكفّار، وأطفال المسلمين) 4/2048.

ورواه البخاريّ في: صحيحه (كتاب: الجنائز، باب: إذا أسلم الصّبيّ فمات هل يصلّى عليه؟ وهل يعرض على الصّبيّ الإسلام؟) 2/198 رقم/114، وَ: (كتاب: التّفسير، باب: لا تبديل لخلق الله) 6/207 ورقمه/268 عن عبدان عن عبد الله (هو: ابن المبارك) عن يونس (هو ابن يزيد) ،

وَفي: (كتاب: الجنائز، باب: ما قيل في أولاد المشركين) 2/208 ورقمه/139 عن آدم عن ابن أبي ذئب، كلاهما عن الزُّهريّ،

وَفي: (كتاب: القدر، باب: الله أعلم بما كانوا عاملين) 8/220- 221 ورقمه/6 عن إسحاق بن إبراهيم عن عبد الرّزّاق عن معمر عن همّام، كلاهما (الزُّهريّ، وهمّام) عن أبي هريرة به، بنحوه.

(3) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/54.

(4) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/492.
তিনি বললেন: "তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে আল্লাহ অধিক অবগত।"

ইমাম শায়খ আবু বকর আল-খতিব বলেন: "এটি মুসলিম তাঁর কিতাবে আবু বকর ইবনে আবি শায়বা এবং আবু কুরাইব মুহাম্মাদ ইবনুল আলা(১) থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া(২) থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে মনে হচ্ছে আমাদের শায়খ আবু আব্দুল্লাহ এটি মুসলিমের নিকট থেকে শুনেছেন।" / (খণ্ড [৪৮/খ])

[১৪৬]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাহদী(৩) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি(৪)

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫২২।

(২) হাদীসটি সহীহ মুসলিমে রয়েছে: (তাকদীর অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: প্রতিটি নবজাতক স্বভাবজাত ধর্মের ওপর জন্মগ্রহণ করার অর্থ এবং কাফির ও মুসলিমদের শিশুদের মৃত্যুর বিধান) ৪/২০৪৮।

এবং বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন তাঁর সহীহ গ্রন্থে: (জানাজা অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: শিশু যদি ইসলাম গ্রহণ করার পর মারা যায় তবে কি তার জানাজা পড়া হবে? এবং শিশুর নিকট কি ইসলাম পেশ করা হবে?) ২/১৯৮, নম্বর/১১৪; এবং: (তাফসীর অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: আল্লাহর সৃষ্টির কোনো পরিবর্তন নেই) ৬/২০৭, নম্বর/২৬৮; আবদান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (তিনি হলেন ইবনুল মুবারক) থেকে, তিনি ইউনুস (তিনি হলেন ইবনে ইয়াজিদ) থেকে।

এবং: (জানাজা অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে যা বলা হয়েছে) ২/২০৮, নম্বর/১৩৯; আদম থেকে, তিনি ইবনে আবি যিব থেকে, তাঁরা উভয়ে জুহরী থেকে।

এবং: (তাকদীর অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: তারা কী আমল করত সে সম্পর্কে আল্লাহ অধিক অবগত) ৮/২২০-২২১, নম্বর/৬; ইসহাক বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে; তাঁরা উভয়ে (জুহরী এবং হাম্মাম) আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

(৩) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫৪।

(৪) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৪৯২।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٣)
إِملاءً قَالَ: ثنا أَحمد بْنُ إِسماعيل(1) قَالَ: ثنا مَالِكٌ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيد بْنِ عَبْدِ الرَّحمن بْنِ عَوْف(2) عَنْ أَبي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْليما قَالَ: "مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ فِي سَبِيْلِ اللهِ نُوْدِيَ فِي الْجَنَّةِ: يَا عَبْدَ اللهِ، هَذَا خَيْرٌ، فَمَنْ كَاْنَ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ دُعِيَ مِنْ بَاْبِ الصَّلَاةِ، وَمَنْ كَاْنَ مِنْ أَهْلِ الْجِهَادِ دُعِيَ مِنْ بَاْبِ الْجِهَادِ، وَمَنْ كَاْنَ مِنْ أَهْلِ الصَّدَقَةِ دُعِيَ مِنْ بَاْبِ الصَّدَقَةِ، وَمَنْ كَاْنَ مِنْ أَهْلِ الصِّيَامِ دُعِيَ مِنْ بَاْبِ الرَّيَّانِ".

فَقَالَ أَبو بكرٍ: بأَبي أَنت وأَمّي يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَا عَلَى أَحد مِمَّنْ دُعي مِنْ تِلْكَ الأَبواب مِنْ ضَرُورَةٍ، فَهَلْ يُدعى أَحد مِنْ تِلْكَ [الأَبواب](3) / (أ [55/ب] ) كُلِّهَا؟ قَالَ: "نَعَمْ، وَأَرْجو أَنْ تَكُوْنَ منهمْ".

قَالَ الشَّيخ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "انْفَرَدَ البخاريُّ بإِخراجه فِي صحيحه دون مُسْلم، فرواه

--------------------------------------------

(1) ابن محمَّد القرشيّ، أبو حذافة، المدنيّ، نزيل العراق … سمع الموطّأ من مالك، وأدخلت عليه أحاديث في غيره عن مالك فقبلها، ولم يكن ممن يتعمّد. روى له: ق. ومات سنة: تسع وخمسين ومئتين. انظر: تأريخ بغداد (4/22) ت/1620، وتهذيب الكمال (1/266) ت/10، والكاشف (1/190) ت/8.

(2) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/919.

(3) لحق بحاشية: (أ) .
শ্রুতলিপি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইসমাঈল(১), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ(২) থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কোনো জিনিসের জোড়া ব্যয় করবে, তাকে জান্নাত থেকে ডাকা হবে: হে আল্লাহর বান্দা, এটি উত্তম। অতএব যে ব্যক্তি সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, তাকে সালাতের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে ব্যক্তি জিহাদকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে ব্যক্তি দান-সদকাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, তাকে সদকাহর দরজা থেকে ডাকা হবে। আর যে ব্যক্তি রোজা পালনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, তাকে রাইয়্যান দরজা থেকে ডাকা হবে।"

তখন আবু বকর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, যাদেরকে এসব দরজার কোনো একটি থেকে ডাকা হবে, তাদের তো কোনো অসুবিধা বা ক্ষতি নেই। তবে কি এমন কেউ আছে যাকে এ সবকটি [দরজা](৩) / (আ [৫৫/ব]) থেকেই ডাকা হবে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, আর আমি আশা করি তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।"

শায়খ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, মুসলিম তা বর্ণনা করেননি। তিনি এটি বর্ণনা করেছেন..."

--------------------------------------------

(১) ইবনে মুহাম্মদ আল-কুরাশি, আবু হুযাফা, আল-মাদানি, ইরাকে বসবাসকারী … তিনি মালিকের নিকট থেকে মুওয়াত্তাহ শুনেছেন। তবে তাঁর নিকট মালিকের সূত্রে অন্যান্য হাদিসও পেশ করা হয়েছিল যা তিনি গ্রহণ করেছিলেন, যদিও তিনি তা ইচ্ছাকৃতভাবে করেননি। তাঁর থেকে ইমাম ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৫৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: তারিখ বাগদাদ (৪/২২) জীবনী/১৬২০, তাহযিবুল কামাল (১/২৬৬) জীবনী/১০, এবং আল-কাশিফ (১/১৯০) জীবনী/৮।

(২) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে.. . দেখুন পৃষ্ঠা/৯১৯।

(৩) পাণ্ডুলিপি (আ)-এর পার্শ্বটীকায় এটি যুক্ত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٤)
عَنْ إِبراهيم بْنِ الْمُنْذِرِ(1) عَنْ مَعن بْنِ عِيسَى(2) عَنْ مَالِكٍ(3) ،/ (ج [49/أ] ) فَيَكُونُ شَيْخُنَا أَبو عُمَرَ بْنُ مَهْدِيٍّ بِمَنْزِلَةِ الْبُخَارِيِّ".

[147]- أَخبرنا أَبو عُمر بن مَهْديّ(4) قال: أَنا أَبو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مخلد العطّار(5) قال: نا مُحَمَّدُ بْنُ عُثمان بْنِ كَرَامة(6) قال: ثنا

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/861.

(2) ابن يحيى، القزّاز، أبو يحيى، المدنيّ.. ثقة ثبت، كثير الحديث. روى له: ع. ومات سنة: ثمان وتسعين ومائة. انظر: الطّبقات الكبرى (5/437) ، وسؤالات ابن الجنيد لابن معين (ص/382) ت/442، والتّقريب (ص/542) ت/6820.

(3) صحيح البخاريّ (كتاب: الصّيام، باب: الرّيّان للصّائمين) 3/59 رقم الحديث/7 بنحوه.

ورواه أيضا في: (كتاب: الجهاد والسّير، باب: فضل النّفقة في سبيل الله) 4/86 ورقمه/56 عن سعد بن حفص،

وَ: (كتاب: بدء الخلق، باب: ذكر الملائكة صلوات الله عليهم) 4/232 ورقمه/26 عن آدم، كلاهما عن شيبان عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن أبي هريرة، ببعضه مختصرًا.

وَ: (كتاب: المناقب، أبواب: فضائل أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم باب كذا دون ترجمة) 5/69- 70 ورقمه/166 عن أبي اليمان عن شعيب عن الزُّهريّ به، بنحوه.

والحديث رواه مسلم في: صحيحه: (كتاب: الزّكاة، باب: من جمع الصّدقة وأعمال البرّ) 2/711- 712 ورقمه/1027 بنحوه.

(4) هو: عبد الواحد، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/54.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/540.

(6) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/628.
ইবরাহীম ইবনুল মুনযির(১) থেকে, মা'ন ইবনে ঈসা(২) থেকে, মালিক(৩) থেকে বর্ণিত, / (খণ্ড [৪৯/অ]) ফলে আমাদের শায়খ আবু উমর ইবনে মাহদী বুখারীর মর্যাদাপ্রাপ্ত বা সমপর্যায়ের হলেন।

[১৪৭]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর ইবনে মাহদী(৪) তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ আল-আত্তার(৫) তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে কারামাহ(৬) তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন...

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৮৬১।

(২) ইবনে ইয়াহইয়া, আল-কাযযায, আবু ইয়াহইয়া, আল-মাদানি। তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় হাফেজ, প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী। 'আইন' (ছয়টি কুতুবে সিত্তার লেখকগণ) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি একশত আটানব্বই হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আত-তাবাকাতুল কুবরা (৫/৪৩৭), ইবনুল জুনাইদ কর্তৃক ইবনে মাঈনের নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (পৃষ্ঠা/৩৮২) নং/৪৪২, আত-তাক্বরীব (পৃষ্ঠা/৫৪২) নং/৬৮২০।

(৩) সহীহ বুখারী (অধ্যায়: সিয়াম, পরিচ্ছেদ: রোজাদারদের জন্য রাইয়ান দরজা) ৩/৫৯ হাদিস নম্বর/৭ এর অনুরূপ।

এবং তিনি এটি আরও বর্ণনা করেছেন: (অধ্যায়: জিহাদ ও সফর, পরিচ্ছেদ: আল্লাহর পথে ব্যয়ের ফযিলত) ৪/৮৬ এবং নম্বর/৫৬-তে সা'দ ইবনে হাফস থেকে,

এবং: (অধ্যায়: সৃষ্টির সূচনা, পরিচ্ছেদ: ফেরেশতাগণের আলোচনা) ৪/২৩২ এবং নম্বর/২৬-এ আদম থেকে, তাঁরা উভয়ে শায়বান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এর কিছু অংশ সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

এবং: (অধ্যায়: মানাকিব, পরিচ্ছেদসমূহ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মর্যাদা, শিরোনামহীন পরিচ্ছেদ) ৫/৬৯-৭০ এবং নম্বর/১৬৬-তে আবু ইয়ামান থেকে, তিনি শুআইব থেকে, তিনি যুহরী থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং হাদিসটি মুসলিম তাঁর সহীহ-তে বর্ণনা করেছেন: (অধ্যায়: জাকাত, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি সাদাকা ও নেক আমলসমূহ একত্রিত করে) ২/৭১১-৭১২ এবং নম্বর/১০২৭ এর অনুরূপ।

(৪) তিনি হলেন: আব্দুল ওয়াহিদ, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫৪।

(৫) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫৪০।

(৬) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৬২৮।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٥)
أَبو أُسامة(1) عَنْ هِشَامٍ يَعْنِي: ابْنَ عُرْوة قَالَ: حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتِ المُنْذِر(2) عَنْ أَسماءَ بِنْتِ أَبي بكرٍ قَالَتْ: دخلتُ عَلَى عائِشة رضي الله عنها وَالنَّاسُ يُصلّون، فقلتُ لَهَا: مَا شَأْنُ النَّاس يُصلّون؟ فَقُلْتُ: آيَةٌ؟ فأَشارت برأْسِها أَيْ: نَعَمْ.

فأَطالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيمًا جِدًّا حَتَّى تَجَلاَّنِي(3) الْغَشْيُ(4) . قالت: وإِلى جنبي قِرْبَةٌ فِيهَا مَاءٌ، فَفَتَحْتُهَا، فَجَعَلْتُ أَصبُّ مِنْهَا عَلَى رأْسي. فَانْصَرَفَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيمًا وَقَدْ تَجَلَّتِ الشّمسُ(5) ، فخطبَ النَّاسَ، فَحَمِدَ اللَّهَ، وأَثْنَى عَلَيْهِ بِمَا هُوَ أَهْلُه، ثُمّ

--------------------------------------------

(1) هو: حمّاد بن أسامة، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/632.

(2) تقدّمت ترجمتها أيضا.. . انظر ص/768.

(3) أي: غطّاني، وغشّاني. ويجوز أن يكون معناه: ذهب الغشي بقوّتي، وصبري. انظر: معجم المقاييس (باب: الغين والشّين وما يثلّثهما) ص/848، والنّهاية (باب: الجيم مع اللاّم) 1/291.

(4) ضرب من الإغماء إلاّ أنّه دونه، يعرض من طول التّعب، والوقوف.

الفتح (1/347) .

(5) أي: انكشفت، وخرجت من الكسوف.

انظر: معجم المقاييس (باب: الجيم واللاّم وما يثلّثهما) ص/220، والنّهاية (باب: الجيم مع اللاّم) 1/290.
আবু উসামা(১) হিশাম থেকে অর্থাৎ: ইবনে উরওয়াহ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ফাতিমা বিনতে মুনযির(২) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আসমা বিনতে আবু বকর থেকে, তিনি বলেন: আমি আয়েশার (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) নিকট প্রবেশ করলাম এমতাবস্থায় যে মানুষ সালাত আদায় করছিল। আমি তাঁকে বললাম: মানুষের কী হলো যে তারা সালাত আদায় করছে? আমি বললাম: (এটি কি কোনো) নিদর্শন? তিনি তাঁর মাথা দিয়ে ইশারা করলেন অর্থাৎ: হ্যাঁ।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) অত্যন্ত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করলেন যতক্ষণ না মূর্ছাচ্ছন্নতা আমাকে আচ্ছন্ন করল(৩)(৪)। তিনি বলেন: আমার পাশে পানির একটি মশক ছিল, আমি সেটি খুললাম এবং তা থেকে আমার মাথায় পানি ঢালতে লাগলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) প্রস্থান করলেন (সালাত শেষ করলেন) এমতাবস্থায় যে সূর্য উদ্ভাসিত হয়ে গিয়েছিল(৫), এরপর তিনি মানুষের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং তাঁর যথাযোগ্য গুণগান বর্ণনা করলেন যা তাঁর জন্য উপযুক্ত, এরপর...

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: হাম্মাদ বিন উসামা, তাঁর জীবনীও ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৬৩২।

(২) তাঁর জীবনীও ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৭৬৮।

(৩) অর্থাৎ: আমাকে ঢেকে ফেলেছিল এবং আচ্ছন্ন করেছিল। এর অর্থ এও হতে পারে যে: মূর্ছাচ্ছন্নতা আমার শক্তি ও ধৈর্য কেড়ে নিয়েছিল। দেখুন: মু'জামুল মাকায়িস (অধ্যায়: গাইন ও শিন এবং এর ত্রি-অক্ষরীয় মূল) পৃষ্ঠা/৮৪৮, এবং আন-নিহায়া (অধ্যায়: জিম এবং লাম) ১/২৯১।

(৪) এটি এক প্রকার বেহুঁশ হওয়া তবে তার চেয়ে সামান্য কম, যা দীর্ঘ ক্লান্তি এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার ফলে ঘটে থাকে।

আল-ফাতহ (১/৩৪৭)।

(৫) অর্থাৎ: উন্মুক্ত হয়েছে এবং গ্রহণ থেকে মুক্ত হয়েছে।

দেখুন: মু'জামুল মাকায়িস (অধ্যায়: জিম ও লাম এবং এর ত্রি-অক্ষরীয় মূল) পৃষ্ঠা/২২০, এবং আন-নিহায়া (অধ্যায়: জিম এবং লাম) ১/২৯০।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٦)
قَالَ: "أَمَّا بَعْدُ". قَالَتْ(1) : وَلَغَطَ(2) نِسْوَةٌ مِنَ الأنْصَار، فانْكَفَأْتُ إِليهنَّ(3) لأُسكتَهنَّ. فَقُلْتُ لِعَائِشَةَ: مَا قَالَ؟ قالت: [قال](4) : "مَا مِنْ شَيْء لَمْ أَكُنْ رَأَيْتُهُ إِلاَّ قَدْ رَأَيْتُهُ فِي مَقَامَي هَذَا حَتَّى الْجَنَّةَ، وَالنَّارَ وَإِنَّهُ قَدْ أُوْحِيِ إِلَّيَ أَنَّكُمْ تُفْتَنُوْنَ فِي الْقُبُوْرِ مِثْلَ أَوْ قَرِيْبَا مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الْدَّجَّالِ، يُؤْتَى أَحَدُكُمْ/ (ج [49/ب] ) فَيُقَالُ لَهُ: مَا عِلْمُكَ بِهَذَا الرَّجُلِ؟ فَأَمَّا الْمُؤْمِنُ أَوْ قَاْلَ: الْمُنَافِقُ(5) (شَكَّ هِشَامٌ) / (أ [56/أ] ) فَيَقُوْلُ: هُوَ رَسُوْلُ اللهِ، هُوَ مُحَمَّدٌ، جَاءَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى، فَآمَنَّا، وَصَدَّقْنَا، وَأَجَبْنَا، وَصَدَّقْنَا. فَيُقَاْلُ: نَمْ صَاْلِحا، قَدْ كُنَّا نَعْلَمُ أَنَّكَ إِنْ كُنْتَ لَمُؤْمِنَا بِهِ.

--------------------------------------------

(1) في: (أ) : (قال) ، وما أثبتّه من: (ج) .

(2) اللّغط: صوت، وضجّة لا يفهم معناها.

النّهاية (باب: اللاّم مع الغين) 4/257.

(3) أي: ملت، وانقلبت إليهنّ. انظر: النّهاية (باب: الكاف مع الفاء) 4/183، والقاموس المحيط (باب: الهمزة، فصل: الكاف) ص/64.

(4) ساقطة من: (أ) ، ومثبتة في: (ج) .

(5) هكذا في النّسختين، وكتب في حاشية: (ج) : "صوابه الموقن"، وهو الصّحيح.
তিনি বললেন: "অতঃপর।" তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন(১): আনসারদের কিছু নারী শোরগোল(২) করছিল, তাই আমি তাদের শান্ত করার জন্য তাদের দিকে ফিরে গেলাম(৩)। এরপর আমি আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলাম: তিনি কী বললেন? তিনি বললেন: [তিনি বললেন](৪): "এমন কোনো কিছু নেই যা আমি আগে দেখিনি, যা আমি আমার এই অবস্থানে থেকে দেখিনি, এমনকি জান্নাত এবং জাহান্নামও। আর আমার প্রতি এই মর্মে ওহী পাঠানো হয়েছে যে, তোমাদের কবরে মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার মতো বা তার কাছাকাছি ফিতনার মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। তোমাদের কাউকে যখন আনা হবে/ (জ [৪৯/খ] ) তখন তাকে বলা হবে: এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার জ্ঞান কী? তখন মুমিন অথবা তিনি বলেছেন: মুনাফিক(৫) (হিশাম সন্দেহ করেছেন) / (আ [৫৬/ক] ) বলবে: তিনি আল্লাহর রাসূল, তিনি মুহাম্মদ, তিনি আমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণাদি ও হিদায়াত নিয়ে এসেছেন, ফলে আমরা ঈমান এনেছি, তাঁকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছি, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং তাঁকে সত্য বলে মেনে নিয়েছি। তখন তাকে বলা হবে: পুণ্যবানের ন্যায় ঘুমাও, আমরা জানতাম যে তুমি তাঁর প্রতি নিশ্চিতভাবেই বিশ্বাসী ছিলে।"

--------------------------------------------

(১) 'আলিফ' পাণ্ডুলিপিতে আছে: (তিনি বললেন), আর আমি যা এখানে সাব্যস্ত করেছি তা 'জীম' পাণ্ডুলিপি থেকে গৃহীত।

(২) আল-লাগত: এমন শব্দ বা শোরগোল যার অর্থ স্পষ্ট নয়।

আন-নিহায়াহ (অধ্যায়: লাম এর সাথে গাইন) ৪/২৫৭।

(৩) অর্থাৎ: আমি তাদের দিকে ঝুঁকে পড়লাম বা ফিরে গেলাম। দেখুন: আন-নিহায়াহ (অধ্যায়: কাফ এর সাথে ফা) ৪/১৮৩, এবং আল-কামুস আল-মুহিত (অধ্যায়: হামযাহ, পরিচ্ছেদ: কাফ) পৃষ্ঠা: ৬৪।

(৪) এটি 'আলিফ' পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে, তবে 'জীম' পাণ্ডুলিপিতে সাব্যস্ত আছে।

(৫) উভয় পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে 'জীম' পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকা বা হাশিয়ায় লেখা আছে: "সঠিক হলো 'আল-মুকিন' (দৃঢ় বিশ্বাসী)", আর সেটিই সঠিক।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٧)
وَأَمَّا الْمُنَافِقُ أَوِ الْمُرْتَابُ (شَكَّ هِشَامٌ) فَيُقَاْلُ لَهُ: مَا عِلْمُكَ فِي هَذَا الرَّجُلِ؟ فَيَقُوْلُ: لَا أَدْرِي، سَمِعْتُ النَّاسَ يَقُوْلُوْنَ شَيْئَا، فَقُلْتُهُ".

قَالَ هِشام: فَلَقَدْ قالتْ لِي فَاطِمَةُ: فأوْعيتُهُ(1) ، غَيْرَ أَنَّها ذكرت ما يغلَّظ عليّ(2) .

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "أَخرجه البخاريُّ فِي صَحِيحِهِ، فَقَالَ: "وَقَالَ مَحْمُودٌ(3) : ثنا أَبو أُسامة"(4) .

--------------------------------------------

(1) أي: أدخلته في وعاء قلبي. يقال: "أوعيت الشّيء في الوعاء" إذا أدخلته فيه. والمراد: حفظته.

انظر: أدب الكاتب لابن قتيبة (ص/358، 437) ، والنّهاية (باب: الواو مع العين) 5/207.

وانظر: المجموع المغيث لأبي موسى المدينيّ (باب: الواو مع العين) 3/435.

(2) في: (ج) : "عليه"، وهي كذلك في: صحيح البخاريّ (2/42- 43) رقم الحديث/45.

(3) هو: ابن غيلان، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/588.

قال الحافظ في: (الفتح 2/470) : "وذكره هنا عن محمود وهو: ابن غيلان أحد شيوخه بصيغة: (قال محمود) وكلام أبي نعيم في المستخرج يشعر بأنّه قال: (حدَّثنا محمود) "اهـ.

(4) الصّحيح (كتاب: الجمعة، باب: من قال بعد الثّناء: أمّا بعد) 2/4243 رقم الحديث/45.

ورواه أيضا في: (كتاب: الصّلاة، أبواب: العمل في الصّلاة، باب: الإشارة في الصّلاة) 2/155 ورقمه/259 عن يحيى بن سليمان عن ابن وهب عن الثّوريّ،

وفي: (كتاب: العلم، باب: من أجاب الفتيا بإشارة اليد والرّأس) 1/53- 54 ورقمه/28 عن موسى بن إسماعيل عن وهيب،

ورواه في: (كتاب: الكسوف، باب: صلاة النّساء مع الرّجال في الكسوف) 2/93- 94 ورقمه/91 عن عبد الله بن يوسف، وفي: (كتاب: الاعتصام، باب: الإقتداء بسنن رسول الله صلى الله عليه وسلم 9/169- 170 ورقمه/58 عن عبد الله بن مسلمة، وفي: (كتاب: الوضوء، باب: من لم يتوضّأ إلاّ من الغشي المثقل) 1/95- 96 ورقمه/48 عن إسماعيل (هو: ابن أبي أويس) ، ثلاثتهم (عبد الله بن يوسف، وابن مسلمة، وإسماعيل) عن مالك، ثلاثتهم (الثّوريّ، ووهيب، ومالك) عن هشام به، مطوّلاً، ومختصرًا.
আর মুনাফিক বা সংশয়বাদী (হিশাম এটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন) তাকে বলা হবে: "এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমার জ্ঞান কী?" সে বলবে: "আমি জানি না, আমি মানুষকে কিছু বলতে শুনেছি, তাই আমিও তা-ই বলেছি।"

হিশাম বলেন: ফাতেমা আমাকে বলেছেন: "অতঃপর আমি তা আয়ত্ত করেছি(১), তবে তিনি এমন কিছু বিষয় উল্লেখ করেছেন যা আমার উপর কঠোরতা নির্দেশ করে(২)।"

শাইখ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "এটি বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: 'মাহমুদ(৩) বলেছেন: আবু উসামা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন(৪)'।"

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: আমি একে আমার হৃদয়ের পাত্রে প্রবেশ করিয়েছি। বলা হয়: "আমি পাত্রে বস্তুটি প্রবেশ করিয়েছি" যখন আপনি তা ভেতরে রাখেন। আর এর উদ্দেশ্য হলো: আমি তা মুখস্থ করেছি বা সংরক্ষণ করেছি।

দেখুন: ইবনে কুতায়বার আদাবুল কাতিব (পৃষ্ঠা/৩৫৮, ৪৩৭), এবং আন-নিহায়াহ (বাব: ওয়াও-এর সাথে আইন) ৫/২০৭।

আরও দেখুন: আবু মুসা আল-মাদীনীর আল-মাজমু' আল-মুগিস (বাব: ওয়াও-এর সাথে আইন) ৩/৪৩৫।

(২) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে "আলাইহি" (তার উপর) রয়েছে এবং সহিহ বুখারিতেও (২/৪২-৪৩) হাদিস নং ৪৫-এ এমনটিই রয়েছে।

(৩) তিনি হলেন: ইবনে গায়লান, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫৮৮।

হাফেজ (ইবনে হাজার) ফাতহুল বারিতে (২/৪৭০) বলেন: "এখানে তিনি মাহমুদের সূত্রে এটি উল্লেখ করেছেন এবং তিনি হলেন ইবনে গায়লান, তাঁর অন্যতম শিক্ষক, 'মাহমুদ বলেছেন' এই শব্দে। আর আল-মুস্তাখরাজ গ্রন্থে আবু নুআইমের বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয় যে তিনি 'আমাদের কাছে মাহমুদ বর্ণনা করেছেন' বলেছেন।" সমাপ্ত।

(৪) সহিহ (জুমুআ অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি প্রশংসার পর 'আম্মা বাদ' বলে) ২/৪২-৪৩, হাদিস নং ৪৫।

এটি আরও বর্ণিত হয়েছে: (সালাত অধ্যায়, সালাতের মধ্যে কাজ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদসমূহ, পরিচ্ছেদ: সালাতে ইশারা করা) ২/১৫৫, হাদিস নং ২৫৯, ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইমানের সূত্রে ইবনে ওয়াহাব থেকে সওরীর মাধ্যমে।

এবং (ইলম অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি হাত ও মাথার ইশারায় ফতোয়া দেয়) ১/৫৩-৫৪, হাদিস নং ২৮, মুসা ইবনে ইসমাইলের সূত্রে ওহাইব থেকে।

এবং (কুসুফ অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: কুসুফের সালাতে পুরুষদের সাথে নারীদের সালাত) ২/৯৩-৯৪, হাদিস নং ৯১, আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ থেকে। এবং (ইতিসাম অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর অনুসরণ) ৯/১৬৯-১৭০, হাদিস নং ৫৮, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা থেকে। এবং (ওজু অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি অজ্ঞান হওয়ার পর ওজু করেনি) ১/৯৫-৯৬, হাদিস নং ৪৮, ইসমাইল (তিনি হলেন ইবনে আবি উয়াইস) থেকে। এই তিনজন (আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ, ইবনে মাসলামা এবং ইসমাইল) ইমাম মালিক থেকে, আর তাঁরা তিনজনই (সওরী, ওহাইব এবং মালিক) হিশামের সূত্রে দীর্ঘ এবং সংক্ষিপ্ত উভয়ভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٨)
وَرَوَاهُ مُسْلم عَنْ أَبي بَكْرِ بْنِ أَبي شَيْبَةَ، وأَبي كُرَيب(1) عَنْ أَبي أُسامة(2) ، فكأَنَّ شَيْخَنَا أَبا عُمَر سَمِعَهُ مِنَ البخاريِّ، ومُسْلم جَمِيعًا".

[148]- أَخبرنا أَبو الْحَسَنِ أَحمد بْنُ محمَّد بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُوسَى بْنِ هَارُونَ بْنِ الصَّلْتِ الأَهوازيّ(3) قَالَ: ثنا أَبو بَكْرٍ محمَّد بْنُ جَعْفر المَطِيْريّ(4) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْب(5) قَالَ: ثنا سُفيان بْنُ عُيَينة عن

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/522.

(2) صحيح مسلم (كتاب: الكسوف، باب: ما عرض عَلَيَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم في صلاة الكسوف من أمر الجنّة والنّار) 2/624- 625.

(3) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/53.

(4) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/506.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/296.
এবং এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বাহ ও আবু কুরাইব(১) থেকে, আবু উসামার(২) সূত্রে। সুতরাং মনে হচ্ছে আমাদের শাইখ আবু উমর এটি বুখারি এবং মুসলিম উভয়ের থেকেই শুনেছেন।"

[১৪৮]- আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুসা বিন হারুন বিন আস-সলত আল-আহওয়াজি(৩) তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-মাতিরি(৪) তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব(৫) তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ... থেকে।

--------------------------------------------

(১) তার জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫২২।

(২) সহীহ মুসলিম (কিতাব: আল-কুসুফ, পরিচ্ছেদ: সূর্যগ্রহণের সালাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে জান্নাত ও জাহান্নামের যে বিষয়গুলো পেশ করা হয়েছে) ২/৬২৪-৬২৫।

(৩) তার জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫৩।

(৪) তার জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫০৬।

(৫) তার জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/২৯৬।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٧٩)
/ (ج [50/أ] ) الزُّهريّ عَنْ عُبيد اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ(1) عَنِ ابْنِ عبَّاس عَنْ مَيْمُونة أَنَّ فَأْرَةً وَقَعَتْ فِي سَمْنٍ عَلَى عَهْد النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَسليماً فَقَالَ: "أَلْقُوْهَا، وَمَا حَوْلَهَا، ثُمَّ كُلُوهُ".

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "رَوَاهُ البخاريُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبير الْحُمَيْدِيِّ عَنْ سُفْيان(2) ، فكأَنَّ شَيْخَنَا سَمِعَهُ مِنْهُ".

[149]- أَخبرنا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ الصَّلْتِ(3) قَالَ: ثنا محمَّد بْنُ جَعْفر المَطِيْريّ(4) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْب(5) قَالَ: ثنا أَبو مُعَاوية(6)

--------------------------------------------

(1) هو: ابن عتبة بن مسعود.

(2) صحيح البخاريّ (كتاب: الذّبائح والصّيد، باب: إذا وقعت الفأرة في السّمن الجامد، أو الذّائب) 7/176- 177 رقم الحديث/69.

ورواه أيضا في: (كتاب: الوضوء، باب: ما يقع من النّجاسات في السّمن أو الماء) 1/114 ورقمه/98 عن إسماعيل (هو: ابن أبي أويس) ،

وفي الموضع نفسه من (كتاب: الذّبائح والصّيد) 7/177 ورقمه/71 عن عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، كلاهما عن مالك، ورواه في الباب نفسه من (كتاب: الوضوء) ورقمه/99 عن عليّ بن عبد الله عن معن،

وفي الباب نفسه من (كتاب: الذّبائح والصّيد) أيضا ورقمه/70 عن عبدان عن عبد الله (هو: ابن المبارك) عن يونس (هو: ابن يزيد) ، ثلاثتهم (مالك، ومعن، ويونس) عن ابن شهاب، به، بنحوه.

(3) هو: أحمد بن محمَّد الأهوازيّ، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/53.

(4) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/506.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/296.

(6) هو: محمَّد بن خازم، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/519.
(খণ্ড [৫০/ক]) যুহরী উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ(১) হতে, তিনি ইবনে আব্বাস হতে, তিনি মায়মুনা হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে ঘিয়ের মধ্যে একটি ইঁদুর পড়েছিল। তখন তিনি বললেন: "তোমরা ওটি এবং এর চারপাশের অংশ ফেলে দাও, অতঃপর তা খাও।"

শায়খ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "আল-বুখারী এটি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়ের আল-হুমাইদী হতে, তিনি সুফিয়ান(২) হতে বর্ণনা করেছেন, ফলে মনে হচ্ছে যেন আমাদের শায়খ এটি তাঁর নিকট হতে শুনেছেন।"

[১৪৯]- আবুল হাসান ইবনে আস-সলত(৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মাতিরি(৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে হারব(৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া(৬) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ।

(২) সহীহ আল-বুখারী (অধ্যায়: জবাই ও শিকার, পরিচ্ছেদ: যখন জমে যাওয়া বা তরল ঘিয়ের মধ্যে ইঁদুর পড়ে) ৭/১৭৬-১৭৭, হাদীস নং ৬৯।

তিনি এটি আরও বর্ণনা করেছেন: (অধ্যায়: ওযু, পরিচ্ছেদ: ঘি বা পানিতে যেসব অপবিত্রতা পড়ে) ১/১১৪, হাদীস নং ৯৮, ইসমাইল (তিনি হলেন: ইবনে আবি উওয়াইস) হতে।

এবং একই স্থানে (অধ্যায়: জবাই ও শিকার) ৭/১৭৭, হাদীস নং ৭১, আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ হতে, তাঁরা উভয়েই মালিক হতে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি এটি একই পরিচ্ছেদে (অধ্যায়: ওযু) হাদীস নং ৯৯-এ আলী ইবনে আব্দুল্লাহ হতে, তিনি মা'ন হতে বর্ণনা করেছেন।

এবং একই পরিচ্ছেদে (অধ্যায়: জবাই ও শিকার) হাদীস নং ৭০-এ আবদান হতে, তিনি আব্দুল্লাহ (তিনি হলেন: ইবনুল মুবারক) হতে, তিনি ইউনুস (তিনি হলেন: ইবনে ইয়াযীদ) হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনই (মালিক, মা'ন এবং ইউনুস) ইবনে শিহাব হতে, একইভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৩) তিনি হলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আহওয়াজী, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃ. ৫৩।

(৪) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃ. ৫০৬।

(৫) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃ. ২৯৬।

(৬) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে খাযিম, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃ. ৫১৯।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٨٠)
قَالَ: ثنا الأَعمش عَنْ أَبي سُفيان(1) عَنْ جَابر قَالَ: أَتَي النُّعْمَانُ بنُ قَوْقَلٍ، فَقَالَ: يَا رسول الله،/ (أ [56/ب] ) أَرأَيتَ إِنْ صلّيتُ الْمَكْتُوبَاتِ، وأَحللتُ الحلالَ، وحرَّمتُ الحرامَ، أَدخل الْجَنَّةَ؟ قَالَ: "نَعَمْ".

قَالَ الشَّيْخُ الإِمام أَبو بَكْرٍ الْخَطِيبُ: "رَوَاهُ مُسْلم عَنْ أَبي بَكْرِ بْنِ أَبي شَيْبة، وأَبي كُرَيب(2) عَنْ أَبي مُعَاوية(3) ، فكأَنَّ شَيْخَنَا سَمِعَهُ مِنْهُ".

[150]- أَخبرنا الْقَاضِي أَبو الْحُسَيْنِ محمَّد بْنُ أَحمد بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ إِسماعيل الضَّبِّيُّ الْمَحَامِلِيُّ(4) قَالَ: ثنا أَبُو جَعْفَرٍ محمَّد بْنُ يَحْيى بْنِ عُمَر بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَرْب الطّائِيّ(5) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْب(6) قَالَ: ثنا سُفيان

--------------------------------------------

(1) هو: طلحة بن نافع الواسطيّ ويقال: المكّيّ الإسكاف … صدوق، من الرّابعة. روى له: ع.

انظر: العلل ومعرفة الرجال (2/475) رقم النّص/3113، والكاشف (1/514- 515) ت/481، والتّقريب (ص/283) ت/3035.

(2) هو: محمَّد بن العلاء، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/522.

(3) هو: محمَّد بن خازم، تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/519.

والحديث في صحيح مسلم في: (كتاب: الإيمان، باب: بيان الإيمان الّذي يدخل به الجنّة … ) 1/44 رقم الحديث/15.

(4) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/50.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/506.

(6) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/296.
তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমাশ, তিনি আবু সুফিয়ান(১) থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নুমান ইবনে কাওকাল আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল!/ (ক [৫৬/খ]) আপনি কি মনে করেন, আমি যদি ফরজ সালাতগুলো আদায় করি, হালালকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করি এবং হারামকে হারাম হিসেবে বর্জন করি, তবে কি আমি জান্নাতে প্রবেশ করব? তিনি বললেন: "হ্যাঁ"।

শায়খ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন: "এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শায়বা ও আবু কুরাইব(২) থেকে, তারা আবু মুয়াবিয়া(৩) থেকে; ফলে মনে হচ্ছে আমাদের শায়খ এটি তাঁর থেকে শুনেছেন।"

[১৫০]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবুল হোসেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন কাসিম বিন ইসমাইল আদ-দব্বী আল-মাহামিলি(৪), তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন আলী বিন হারব আত-তাঈ(৫), তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব(৬), তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: তালহা বিন নাফে আল-ওয়াসিতি, তাঁকে মাক্কি আল-ইস্কাফও বলা হয়... তিনি সদুক (সত্যবাদী), চতুর্থ স্তরের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর থেকে ছয়টি কিতাবের সংকলকগণ বর্ণনা করেছেন।

দেখুন: আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল (২/৪৭৫) পাঠ নম্বর/৩১১৩, এবং আল-কাশিফ (১/৫১৪-৫১৫) জীবনী নম্বর/৪৮১, এবং আত-তাক্বরীব (পৃষ্ঠা/২৮৩) জীবনী নম্বর/৩০৩৫।

(২) তিনি হলেন: মুহাম্মদ বিন আলা, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা/৫২২।

(৩) তিনি হলেন: মুহাম্মদ বিন খাযিম, তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা/৫১৯।

হাদিসটি সহিহ মুসলিমে রয়েছে: (কিতাবুল ঈমান, জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম হিসেবে ঈমানের বর্ণনা অধ্যায়...) ১/৪৪ হাদিস নম্বর/১৫।

(৪) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা/৫০।

(৫) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা/৫০৬।

(৬) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে... দেখুন পৃষ্ঠা/২৯৬।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٨١)
عَنِ الزُّهريّ عَنْ حُمَيْد بْنِ عبد الرّحمن(1) / (ج [50/ب] ) عَنْ أَبي هُرَيْرَةَ قَالَ: جاءَ رَجُلٌ(2) إِلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم تَسْليمًا، فَقَالَ: هَلَكتُ. قَالَ: "وَما أَهْلَكَك"؟ قَالَ: وقعتُ عَلَى أَهلي فِي شَهْر رَمَضَانَ. قَالَ: "عِنْدَكَ مَا تُعْتِقُ رَقَبَةً"؟ قَالَ: لَا. قَالَ: "هَلْ تَسْتَطِيْعُ أَنْ تَصُوْمَ شَهْرَيْنَ مُتَتَابِعَيْنِ"؟ قَالَ: لَا. قَالَ: "فَهَلْ(3) تَسْتَطِيْعُ أَنْ تُطْعِمَ سَتِّيْنَ مِسْكِيْنا"؟ قَالَ: لَا.

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/919.

(2) قال الحافظ في (الفتح) : "لم أقف على تسميته".

ثمّ ذكر أنّ بعض أهل العلم سمّاه: سليمان أو: سلمة بن صخر البَيَاضيّ استنادًا إلى حديث رواه ابن أبي شيبة فيه نحو قصّة هذا الحديث، وحقّق رحمه الله أنّهما واقعتان مختلفتان، ثمّ ذكر أنّه وقع في شرح ابن الحاجب ما يوهم أنّ الرجل هو: أبو بردة بن يسار، وقال: "وهو وهم". والصّحيح عدم معرفة عين الرّجل كما قال الحافظ والله تعالى أعلم.

انظر: الفتح (4/194- 196) .

وانظر: الغوامض لابن بشكوال (1/238) ، والمستفاد لابن العراقيّ (1/531) رقم النّص/199، وتنبيه المُعْلم لسبط ابن العجميّ (ص/202) رقم النّص/441.

(3) في (ج) : "هل".
জুহরি থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান(১) / (জিম [৫০/খ]) থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: "আমি ধ্বংস হয়ে গেছি।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "কিসে তোমাকে ধ্বংস করেছে?" তিনি বললেন: "আমি রমজান মাসে আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমার কি কোনো দাস মুক্ত করার সামর্থ্য আছে?" তিনি বললেন: "না।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কি টানা দুই মাস রোজা রাখতে সক্ষম?" তিনি বললেন: "না।" তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তবে কি(৩) তুমি ষাটজন মিসকিনকে খাওয়াতে সক্ষম?" তিনি বললেন: "না।"

--------------------------------------------

(১) তার জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৯১৯।

(২) হাফিজ (ইবনে হাজার) ‘আল-ফাতহ’ গ্রন্থে বলেছেন: "আমি তার নাম জানতে পারিনি।"

অতঃপর তিনি উল্লেখ করেছেন যে, কিছু আলেম তাকে সুলাইমান অথবা সালামা ইবনে সাখর আল-বায়াদি হিসেবে অভিহিত করেছেন ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণিত একটি হাদিসের ওপর ভিত্তি করে যাতে এই হাদিসের ঘটনার অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে। তিনি (হাফিজ) রহমতুল্লাহি আলাইহি এটি যাচাই করে সাব্যস্ত করেছেন যে, এ দুটি ভিন্ন ঘটনা। এরপর তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইবনুল হাজিব-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে এমন বিষয় এসেছে যা এই ধারণা দেয় যে লোকটি ছিলেন আবু বুরদাহ ইবনে ইয়াসার; এ বিষয়ে তিনি বলেছেন: "এটি একটি ভ্রম।" আর সঠিক কথা হলো লোকটির পরিচয় নিশ্চিতভাবে জানা না থাকা, যেমনটি হাফিজ বলেছেন। আর আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

দেখুন: আল-ফাতহ (৪/১৯৪-১৯৬)।

আরও দেখুন: ইবনে বাশকুয়ালের আল-গাওয়ামিদ (১/২৩৮), ইবনুল ইরাকির আল-মুস্তাফাদ (১/৫৩১) নং ১৯৯, সিবত ইবনুল আজমির তানবিহুল মুআল্লিম (পৃষ্ঠা ২০২) নং ৪৪১।

(৩) (জিম) পাণ্ডুলিপিতে কেবল "কি" (হাল) শব্দ রয়েছে।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٨٢)
قال: "اجْلِسْ". [قال:](1) فأُتِيَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم تَسْليما بعَرَقٍ(2) فِيهِ تَمْرٌ، قَالَ: "خُذْ هَذَا فَتَصَدَّقْ بِهِ عَلَى الْمَسَاكِيْنِ". قَالَ: عَلَى أَفقر منَّا، فما بين لابتيها(3) أَهلُ بيت هو أَفقر مِنَّا. قَالَ: فَضَحِكَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم تَسْلِيمًا حتَّى بدت نَواجِذُهُ، ثُمَّ قال: "خُذْهُ [، واذهب فأطمعه عِيَالَكَ](4) ".

قَالَ الشَّيخ الإِمام أَبو بكر الخطيب:

--------------------------------------------

(1) زيادة من: (ج) .

(2) بفتح المهملة والرّاء، بعدها قاف وقيل: (بإسكان الرّاء) ، والأوّل هو الصّحيح.

والمراد: المكتل بكسر الميم، وسكون الكاف، وفتح المثنّاة، بعدها لام

ورد مفسّرًا بذلك في بعض روايات الحديث في الصّحيحين، انظر: مثلاً: صحيح البخاريّ (3/73) رقم الحديث/43، (8/43- 44) رقم الحديث/112، وصحيح مسلم (2/782) .

ويسمّى أيضا: الزَّبيل. انظر: غريب الحديث لأبي عبيد (1/105) ، والنّهاية (باب: العين مع الرّاء) 3/219.

(3) أي: حرّتيها حرّة واقم، وتسمّي: الشّرقيّة، وحرّة الوبرة بفتحات ثلاث متوالية، وجوّز بعضهم تسكين الباء الموحدة وهي الّتي تطلّ على وادي العقيق، وتسمّى: الغربيّة.

انظر: معجم البلدان (5/3) ، والمعالم الأثيرة لحسن شراب (ص/100، 235) ، ومعجم جبال الجزيرة لعبد الله بن خميس (1/77- 80،81) .

(4) لحق بحاشية: (أ) .
তিনি বললেন: "বসুন।" [তিনি বললেন:](১) অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট খেজুর ভর্তি একটি বড় ঝুড়ি(২) আনা হলো। তিনি বললেন: "এটি নাও এবং মিসকিনদের মাঝে দান করে দাও।" তিনি বললেন: আমাদের চেয়ে বেশি অভাবী কাউকে? এই দুই পাথুরে পাহাড়ের(৩) মধ্যবর্তী স্থানে আমাদের চেয়ে বেশি অভাবী কোনো পরিবার নেই। তিনি বললেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে হাসলেন যে তাঁর মাড়ির দাঁত প্রকাশিত হয়ে পড়ল। অতঃপর তিনি বললেন: "এটি নাও [, এবং যাও তোমার পরিবার-পরিজনকে এটি খাওয়াও]"(৪)।

শায়খ ইমাম আবু বকর আল-খতিব বলেন:

--------------------------------------------

(১) (জিম) পাণ্ডুলিপি থেকে বর্ধিত।

(২) ‘আইন’ এবং ‘রা’ বর্ণে জবরসহ, এরপর ‘কাফ’। কেউ কেউ বলেছেন: (রা বর্ণে সাকিনসহ), তবে প্রথমটিই সঠিক।

আর এর অর্থ হলো: ‘মিকতাল’ (বড় ঝুড়ি), যা ‘মীম’ বর্ণে যের, ‘কাফ’ বর্ণে সাকিন এবং ‘তা’ বর্ণে জবরসহ, এরপর ‘লাম’ বর্ণ রয়েছে।

সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর হাদিসের কিছু বর্ণনায় বিষয়টি এভাবেই ব্যাখ্যাত হয়েছে, দেখুন: উদাহরণস্বরূপ: সহীহ বুখারী (৩/৭৩) হাদিস নম্বর ৪৩, (৮/৪৩- ৪৪) হাদিস নম্বর ১১২ এবং সহীহ মুসলিম (২/৭৮২)।

একে ‘জাবীল’ নামেও অভিহিত করা হয়। দেখুন: আবু উবাইদ কৃত গারীবুল হাদিস (১/১০৫) এবং আন-নিহায়া (আইন ও রা অধ্যায়) ৩/২১৯।

(৩) অর্থাৎ: মদিনার দুই পাথুরে ভূমি; যার একটি হাররাহ ওয়াকিম, একে বলা হয় ‘শারকিয়্যাহ’ (পূর্বাঞ্চলীয়), এবং অন্যটি হাররাহ আল-ওয়াবরাহ—তিনটি বর্ণেই পরপর জবরসহ, তবে কেউ কেউ ‘বা’ বর্ণে সাকিন পড়ার অনুমতি দিয়েছেন—যা ওয়াদি আল-আক্বীক্বের দিকে অবস্থিত এবং একে বলা হয় ‘গারবিয়্যাহ’ (পশ্চিমাঞ্চলীয়)।

দেখুন: মু'জামুল বুলদান (৫/৩), হাসান শারাব কৃত আল-মাআলিমুল আসীরাহ (পৃষ্ঠা ১০০, ২৩৫) এবং আব্দুল্লাহ ইবনে খামিস কৃত মু'জামু জিবারিল জাযীরাহ (১/৭৭- ৮০, ৮১)।

(৪) (আলিফ) পাণ্ডুলিপির টীকা থেকে সংযোজিত।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٨٣)
"اتَّفَقَ الشّيخانِ عَلَى إِخراج هَذَا الْحَدِيثِ فِي كِتَابَيْهِمَا، فَرَوَاهُ البخاريُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ(1) ، وَعبد الله بن مسلمة القعنبيّ(2) .

--------------------------------------------

(1) صحيح البخاريّ (كتاب: كفّارات الأيمان، باب: قوله تعالى: {قَدْ فَرَضَ اللهُ لَكُمْ تَحِلَّةَ أَيْمَانِكِمْ وَاللهُ مَوْلَاكُمْ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْحَكِيم} ) 8/258- 259 رقم الحديث/2.

(2) أبو عبد الرّحمن، البصريّ.. ثقة، عابد. روى له: خ، م، د، ت، س. ومات سنة: إحدى وعشرين ومئتين. انظر: التّقريب (ص/323) ت/3620.

وحديثه في الصحيح في الكتاب المتقدّم نفسه (باب: يعطي في الكفّارة عشرة مساكين قريبا كان، أو بعيدًا) 8/259 260 ورقمه/4.

ورواه أيضا في: (كتاب: الصّيام، باب: إذا جامع في رمضان، ولم يكن له شيء، فتصدّق عليه، فليكفّر) 3/74 ورقمه/43 عن أبي اليمان عن شعيب،

وفي: (باب: المجامع في رمضان) 3/74 ورقمه/44 عن عثمان ابن أبي شيبة عن جرير عن منصور (هو: ابن المعتمر) ،

وفي: (كتاب: الهبة، باب: إذا وهب هبة، فقبضها الآخر، ولم يقل: قبلت) 3/318 ورقمه/34، وَ (كتاب: كفّارات الأيمان، باب: من أعان المعسر على الكفّارة) 8/259 ورقمه/3 عن محمَّد بن محبوب عن عبد الواحد عن معمر،

وفي (كتاب: النّفقات، باب: نفقة المعسر على أهله) 7/118 119 ورقمه/103 عن أحمد بن يونس، وفي: (كتاب: الأدب، باب: التّبسّم والضّحك) 8/43 44 ورقمه/112 عن موسى (هو: ابن إسماعيل) كلاهما عن إبراهيم بن سعد، وفي: (كتاب: الأدب أيضا باب: ما جاء في قول الرّجل: ويلك) 8/70 71 ورقمه/187 عن محمَّد بن مقاتل عن عبد الله (هو: ابن المبارك) عن الأوزاعيّ،

وفي: (كتاب: المحاربين من أهل الكفر والرّدّة، باب: من أصاب ذنبا دون الحدّ، فأخبر الإمام فلا عقوبة عليه بعد التّوبة إذا جاء مستفتيا) 8/297 ورقمه/19 عن قتيبة عن اللّيث، ستّتهم عن الزُّهريّ به، بنحوه.
দুই শাইখ তাঁদের গ্রন্থদ্বয়ে এই হাদিসটি বর্ণনা করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন। ইমাম বুখারি এটি আলি ইবনুল মাদিনি(১) এবং আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামা আল-কা’নাবি(২) থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) সহিহ আল-বুখারি (অধ্যায়: শপথের কাফফারা, পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহর বাণী: {আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের শপথ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করেছেন; আল্লাহ তোমাদের অভিভাবক এবং তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়}) ৮/২৫৮-২৫৯, হাদিস নম্বর/২।

(২) আবু আবদুর রহমান, আল-বাসরি... নির্ভরযোগ্য, ইবাদতগুজার। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসায়ি। তিনি দুইশত একুশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আত-তাকরিব (পৃষ্ঠা/৩২৩), জীবনী নম্বর/৩৬২০।

তাঁর বর্ণিত হাদিসটি সহিহ বুখারির পূর্বে উল্লেখিত একই অধ্যায়ে রয়েছে (পরিচ্ছেদ: কাফফারায় দশজন মিসকিনকে খাবার দেওয়া হবে, তারা নিকটাত্মীয় হোক বা দূরবর্তী হোক) ৮/২৫৯-২৬০, এবং এর নম্বর/৪।

তিনি আরও এটি বর্ণনা করেছেন: (অধ্যায়: সাওম, পরিচ্ছেদ: রমজানে যদি কেউ সহবাস করে এবং তার কাছে [কাফফারা দেওয়ার মতো] কিছু না থাকে, অতঃপর তাকে সদকা করা হয়, তবে সে যেন তা কাফফারা হিসেবে প্রদান করে) ৩/৭৪, নম্বর/৪৩, আবুল ইয়ামান থেকে, তিনি শুআইব থেকে,

এবং: (পরিচ্ছেদ: রমজানে সহবাসকারী) ৩/৭৪, নম্বর/৪৪, উসমান ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি জারির থেকে, তিনি মনসুর (তিনি হলেন ইবনুল মু’তামির) থেকে,

এবং: (অধ্যায়: দান, পরিচ্ছেদ: যখন কেউ কোনো কিছু দান করে এবং অপরজন তা গ্রহণ করে, কিন্তু সে ‘আমি গ্রহণ করলাম’ বলেনি) ৩/৩১৮, নম্বর/৩৪; এবং (অধ্যায়: শপথের কাফফারা, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি অসচ্ছল ব্যক্তিকে কাফফারা আদায়ে সাহায্য করে) ৮/২৫৯, নম্বর/৩, মুহাম্মদ ইবনে মাহবুব থেকে, তিনি আবদুল ওয়াহিদ থেকে, তিনি মা’মার থেকে,

এবং: (অধ্যায়: ভরণপোষণ, পরিচ্ছেদ: পরিবারের ওপর অসচ্ছল ব্যক্তির ব্যয়) ৭/১১৮-১১৯, নম্বর/১০৩, আহমদ ইবনে ইউনুস থেকে; এবং: (অধ্যায়: শিষ্টাচার, পরিচ্ছেদ: মুচকি হাসি ও হাস্যোজ্জ্বলতা) ৮/৪৩-৪৪, নম্বর/১১২, মুসা (তিনি হলেন ইবনে ইসমাইল) থেকে, তাঁরা উভয়ে ইব্রাহিম ইবনে সা’দ থেকে; এবং: (পুনরায় অধ্যায়: শিষ্টাচার, পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তির ‘তোমার ধ্বংস হোক’ বলা প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে) ৮/৭০-৭১, নম্বর/১৮৭, মুহাম্মদ ইবনে মুকাতিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (তিনি হলেন ইবনুল মুবারক) থেকে, তিনি আওজায়ি থেকে,

এবং: (অধ্যায়: কুফর ও ধর্মত্যাগীদের মধ্যে যারা যুদ্ধরত, পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি হদ বা নির্ধারিত শাস্তির নিচে কোনো পাপে লিপ্ত হয় এবং ইমামকে তা জানায়, তবে তাওবার পর এবং মাসআলা জিজ্ঞেস করতে আসার পর তার ওপর কোনো শাস্তি নেই) ৮/২৯৭, নম্বর/১৯, কুতাইবা থেকে, তিনি লাইস থেকে—তাঁরা ছয়জনই যুহরি থেকে অনুরূপ অর্থবোধক বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٣) আল-মাহরুওয়ানিয়াত (পৃষ্ঠা: ٩٨٤)
وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيى بْنِ يَحْيى(1) ، وَأَبي بَكْرِ بْنِ أَبي شَيْبة، / (أ [57/أ] ) وَزُهير بْنِ حَرْب(2) ، وَمحمّد بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَير(3) ، سِتَّتُهم عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيينة، فكأَنَّ الْقَاضِي أَبا الْحُسَيْنِ سَمِعَهُ مِنْ البخاريِّ، ومُسْلم".

[151]- أَخبرنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحمد بْنِ الْقَاسِمِ(4) قَالَ: ثنا محمّد ابن يَحْيَى بْنِ عُمر(5) قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْب(6) قَالَ: ثنا سُفيان عن الزّهريّ/ (ج [51/أ] ) عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْر(7) عَنْ أَبيه قَالَ: قَالَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم تَسْليما: "إِنِّي أَنَا مُحَمَّدٌ، وَأَنَا أَحْمَدُ، وَأَنَا الْمَاحِي الَّذِي يُمْحَى بَي الْكُفْرَ، وَأَنَا الْحَاشِرُ الَّذِي أَحْشُرُ النَّاسَ، وَأَنَا الْعَاقِبُ الَّذِي لَيْسَ بَعْدِي نَبِيٌّ".

--------------------------------------------

(1) تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/604.

(2) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/512.

(3) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/508.

وحديثهم في صحيح مسلم في: (كتاب: الصّيام، باب: تغليظ تحريم الجماع في نهار رمضان على الصّائم … ) 2/781 782 ورقمه/1111.

(4) هو: المحامليّ، تقدّمت ترجمته.. . انظر ص/50.

(5) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/506.

(6) تقدّمت ترجمته أيضا.. . انظر ص/296.

(7) ابن مطعم بن عديّ القرشيّ، أبو سعيد، المدنيّ … تابعيّ، ثقة، قليل الحديث. روى له: ع. ومات على رأس المائة.

انظر: الطّبقات الكبرى (5/205) ، وتأريخ الثّقات للعجليّ (ص/401) ت/1441، والتّقريب (ص/471) ت/5780.
এবং এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া(১), আবু বকর ইবনে আবি শাইবা, / (আ [৫৭/আ] ) এবং জুহাইর ইবনে হারব(২) ও মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর(৩) থেকে; তাঁরা ছয়জনই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে মনে হচ্ছে যেন কাজী আবুল হুসাইন এটি বুখারি ও মুসলিম থেকে সরাসরি শুনেছেন।

[১৫১]- আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল কাসিম(৪), তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর(৫), তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে হারব(৬), তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি যুহরি থেকে / (জি [৫১/আ] ), তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর(৭) থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহি (বিমোচনকারী)—যার দ্বারা কুফরকে মিটিয়ে দেওয়া হয়; আমি আল-হাশির (একত্রকারী)—যে মানুষকে একত্রিত করবে; এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ)—যার পরে আর কোনো নবী নেই।"

--------------------------------------------

(১) তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৬০৪।

(২) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫১২।

(৩) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫০৮।

এবং তাঁদের বর্ণিত হাদিসটি সহিহ মুসলিমের: (কিতাব: আস-সিয়াম, অধ্যায়: রমজানের দিনে রোজাদারের জন্য সহবাসের কঠোর নিষেধাজ্ঞা … ) ২/৭৮১-৭৮২, হাদিস নং/১১১১।

(৪) তিনি হলেন: আল-মাহামিলি, তাঁর জীবনী পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫০।

(৫) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/৫০৬।

(৬) তাঁর জীবনীও পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। দেখুন পৃষ্ঠা/২৯৬।

(৭) ইবনে মুতঈম ইবনে আদি আল-কুরাশি, আবু সাঈদ, মাদানি … তাবেয়ি, নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), অল্প হাদিস বর্ণনাকারী। তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে: ‘আইন’ (অর্থাৎ ছয় কিতাব সংকলকগণ)। তিনি হিজরি ১০০ সনের শুরুর দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

দেখুন: আত-তাবাকাতুল কুবরা (৫/২০৫), ইজলি রচিত মারিফাতুস সিকাত (পৃষ্ঠা/৪০১) ক্রমিক/১৪৪১ এবং আত-তাকরিব (পৃষ্ঠা/৪৭১) ক্রমিক/৫৭৮০।