(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: -)
منهج الإمام أحمد في إعلال الأحاديث   (بشير علي عمر)

القسم: علوم الحديث


الكتاب: منهج الإمام أحمد في إعلال الأحاديث

المؤلف: بشير علي عمر

أصل الكتاب: أطروحة دكتوراة، قسم علوم الحديث بكلية الحديث والدراسات الإسلامية - الجامعة الإسلامية بالمدينة النبوية 1425 هـ

الناشر: وقف السلام الخيري

الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2005 هـ

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাদীস ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্তকরণে ইমাম আহমাদ-এর পদ্ধতি   (বশীর আলী উমর)

বিভাগ: হাদীস শাস্ত্র


গ্রন্থ: হাদীস ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্তকরণে ইমাম আহমাদ-এর পদ্ধতি

লেখক: বশীর আলী উমর

গ্রন্থের মূল: ডক্টরেট থিসিস, হাদীস শাস্ত্র বিভাগ, হাদীস ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদ - মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪২৫ হি.

প্রকাশক: ওয়াকফ আস-সালাম আল-খাইরি

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হি. - ২০০৫ খ্রি.

খণ্ড সংখ্যা: ২

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌المقدمة

إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ به من شرور أنفسنا وسيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضلّ له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه أجمعين.

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102].

{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيراً وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيباً} [النساء: 1].

{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلاً سَدِيداً، يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزاً عَظِيماً} [الأحزاب: 70 - 71].

أما بعد: فإن أعظم نعم الله تعالى على البشرية نعمة النبوة والرسالة، بها أنقذهم من الضيق في هذه الحياة والدنيا والهلاك والخذلان في العقبى، وهداهم بها إلى الحياة الطيبة في الأولى، والسعادة الأبدية في الأخرى. قال تعالى: {فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلا يَضِلُّ وَلا يَشْقَى، وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكاً وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى} [طه: 123 - 124].
উপস্থাপনা

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের মন্দ দিক এবং আমাদের কর্মসমূহের অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁর উপর, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সকল সাহাবীর উপর দরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন।

{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম (আত্মসমর্পণকারী) না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আলে ইমরান: ১০২]।

{হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যার নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচ্ঞা করো এবং রক্ত-সম্পর্কীয় আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} [নিসা: ১]।

{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, সে অবশ্যই মহা সফলতা লাভ করবে।} [আহযাব: ৭০ - ৭১]।

অতঃপর: মানবজাতির প্রতি মহান আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত হলো নবুওয়াত ও রিসালাতের নেয়ামত, যার মাধ্যমে তিনি তাদের দুনিয়ার জীবনের সংকীর্ণতা এবং আখিরাতের ধ্বংস ও লাঞ্ছনা থেকে রক্ষা করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি তাদের ইহকালে পবিত্র জীবন এবং পরকালে চিরন্তন সুখের পথ দেখিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেছেন: {অতঃপর যে আমার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ট হবে না এবং দুর্ভাগাও হবে না। আর যে আমার স্মরণ থেকে বিমুখ হবে, তার জীবন হবে সংকীর্ণ এবং কিয়ামতের দিন আমি তাকে অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব।} [ত্বহা: ১২৩ - ১২৪]।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৬)
وقد أتم الله هذه النعمة ببعثة خاتم النبيين وإمام المرسلين وخليله وخيرته من خلقه محمد بن عبد الله عليه أفضل الصلاة وأتم التسليم، فأكمل به الدين وأتمّ به النعمة، وقضى جلّ في عُلاه بحكمته ولطفه وكرمه ألا ينقطع فضلُه ومنُّه على عباده، فتكفل سبحانه بحفظ ذلك النور الذي أرسله به، فببقائه تبقى النعمة وتزول النقمة، فحفظ الكتاب في الصدور والصحف {لا يَأْتِيهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ وَلا مِنْ خَلْفِهِ تَنْزِيلٌ مِنْ حَكِيمٍ حَمِيدٍ} [فصلت: 42]. وقيض للأمة من يحفظ السنة من الحملة الصادقين الموثوقين والعلماء الربانيين المؤيدين بالتأييد الرباني، الذين رزقهم من الحفظ والذكاء ما مكنهم به من حفظ السنة النبوية وتدوينها، ووضْعِ سياجٍ عليها يصونها من أن تكون فريسةً لأباطيل من رام الخلط على الأمة في سنة نبيها من الوضّاعين والملاحدة، أو لأوهامِ وأغلوطاتِ من لم يُحكم ضبطَ المرويات. وقد بذل هؤلاء الجهابذةُ من العلماء أقصى الجُهد في وضع علم هو من مبتكرات هذه الأمة وخاصيتها التي خصها الله بها، ألا وهو علم الحديث رواية ودراية، فرد الله بهؤلاء الفرسان وبسهام هذا العلم الذي ابتكروه أعنف غارة عرفها تاريخ البشرية، فردوا كيد الكائدين وحُفظتْ سنةُ سيد المرسلين.

والغاية القُصوى من هذا العلم هي معرفة صحة الحديث وسقمه، وجميع فنونه ومباحثه مسخرة لتحصيل هذه الغاية، واستمداده من نقد العلماء الجهابذة للمرويات ولنقلة الأخبار بما خصهم الله به من فضيلة المعرفة والعدالة والورع، وهؤلاء العلماء لم يزالوا في كل دهر وزمان، من لدن عهد الصحابة إلى أن دونت السنن وتم وضع معالم علم السنة رواية ودراية. فصحابة رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لهم قصب السبق في نقد المرويات والرواة، ومواقف أم المؤمنين عائشة رضي الله عنها في نقدها
আর আল্লাহ এই নিয়ামতকে পূর্ণ করেছেন সর্বশেষ নবী, রাসূলদের ইমাম, তাঁর বন্ধু এবং তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহর (তাঁর ওপর সর্বোত্তম দরুদ ও পূর্ণাঙ্গ সালাম বর্ষিত হোক) প্রেরণের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে তিনি দ্বীনকে পূর্ণ করেছেন এবং নিয়ামত সম্পন্ন করেছেন। আর মহান আল্লাহ তাঁর সুউচ্চ মর্যাদায় তাঁর হিকমত, অনুগ্রহ ও দয়ার মাধ্যমে ফয়সালা করেছেন যে, তাঁর বান্দাদের ওপর তাঁর অনুগ্রহ ও দান নিরবচ্ছিন্ন থাকবে। তাই তিনি সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সেই নূরকে সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন যার মাধ্যমে তিনি তাঁকে পাঠিয়েছেন। সুতরাং এই নূরের অস্তিত্বের মাধ্যমেই নিয়ামত অবশিষ্ট থাকে এবং বিপদ-আপদ দূরীভূত হয়। তিনি কিতাবকে অন্তরসমূহে এবং পাণ্ডুলিপিগুলোতে সংরক্ষণ করেছেন, {মিথ্যা এতে প্রবেশ করতে পারে না এর সামনে থেকে কিংবা এর পেছন থেকে; এটি প্রজ্ঞাময়, পরম প্রশংসিতের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ} [ফুসসিলাত: ৪২]। আর তিনি এই উম্মতের জন্য এমন সত্যবাদী ও নির্ভরযোগ্য বহনকারী এবং রব্বানী আলেমদের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যারা ঐশ্বরিক সাহায্যে সাহায্যপ্রাপ্ত, যাদের তিনি এমন মুখস্থ শক্তি ও মেধা দান করেছেন যার মাধ্যমে তারা সুন্নতে নববী সংরক্ষণ ও সংকলন করতে সক্ষম হয়েছেন। আর এর চারপাশে এমন এক সুরক্ষা প্রাচীর তৈরি করেছেন যা একে রক্ষা করে যাতে এটি সেই সব জালিয়াত ও নাস্তিকদের মিথ্যাচারের শিকারে পরিণত না হয় যারা উম্মতের জন্য তাদের নবীর সুন্নাহর মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে চেয়েছিল, অথবা সেই সব ব্যক্তিদের বিভ্রম ও ভুলের শিকার না হয় যারা বর্ণনাগুলো যথাযথভাবে আয়ত্ত করতে পারেনি। আর এই সুবিজ্ঞ পণ্ডিতগণ এমন একটি শাস্ত্র উদ্ভাবনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করেছেন যা এই উম্মতের অন্যতম মৌলিক উদ্ভাবন এবং অনন্য বৈশিষ্ট্য যা দিয়ে আল্লাহ তাদের ভূষিত করেছেন; আর তা হলো বর্ণনা ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ভিত্তিক হাদিস শাস্ত্র। এই বীর যোদ্ধাদের মাধ্যমে এবং তাদের উদ্ভাবিত এই শাস্ত্রের তীরের সাহায্যে আল্লাহ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণ প্রতিহত করেছেন। ফলে তারা ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন এবং রাসূলদের সরদারের সুন্নাহ সংরক্ষিত হয়েছে।

আর এই শাস্ত্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো হাদিসের বিশুদ্ধতা ও ত্রুটি সম্পর্কে অবগত হওয়া। এর সকল শাখা ও আলোচ্য বিষয় এই লক্ষ্য অর্জনের জন্যই নিবেদিত। আর এর ভিত্তি হলো বর্ণনা এবং সংবাদ বহনকারীদের ওপর বিজ্ঞ পণ্ডিতদের সেই সমালোচনা, যা আল্লাহ তাদের বিশেষ ইলম, ন্যায়পরায়ণতা ও তাকওয়ার যে মর্যাদা দান করেছেন তার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এই আলেমগণ প্রতিটি যুগে ও সময়ে বিদ্যমান ছিলেন, সাহাবীগণের যুগ থেকে শুরু করে সুন্নাহ সংকলিত হওয়া এবং বর্ণনা ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ভিত্তিক সুন্নাহ শাস্ত্রের রূপরেখা তৈরি হওয়া পর্যন্ত। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বর্ণনা ও বর্ণনাকারীদের সমালোচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। আর বর্ণনার সমালোচনায় উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার অবস্থানসমূহ...
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৭)
لمنقول أقرانها من الصحابة معروفة، وكذلك طلبها لعرض مرويات الراوي عليه من حين إلى آخر لاختبار حفظه وضبطه وسلامة مرويه من زيادة أو نقصان(1)، وهذا ابن عباس رضي الله عنه لما فطن لوقوع الكذب على رسول الله يدع رواية أهل التهمة والريبة، وكذلك نقده للمروي عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه من القضاء والعلم ورده للأباطيل المروية عنه في ذلك أيضاً معروف ومشهور(2). وقد درج على هذا النهج أئمة التابعين، فتابعيهم، فتبع أتباعهم إلى أن شب هذا العلم وترعرع.

ومن أهم مباحث هذا العلم وأشدها تعلقاً بتحصيل الغاية المنشودة من علم الحديث معرفة علل الأحاديث، وهو فن دقيق إذ به ينكشف مداخل الوهم والخطأ في مرويات الثقات الغالب على منقولهم السلامة والاستقامة، ولدقته لم يتحقق إلا لزمرة يسيرة من العلماء صاروا بذلك أئمة يقتدى بهم، وحجة يرجع إليهم. وإن استمداد هذا العلم الشريف من كلام هؤلاء الأئمة ومناهجهم، وبمطالعة ذلك وتدبّره يحصل لطالب علم الحديث أهلية الكلام في هذا الفن الدقيق. قال الحافظ ابن رجب رحمه الله: "ولا بدّ في هذا العلم من طول ممارسة، وكثرة المذاكرة، فإذا عدمت المذاكرة به فليكثر طالبه المطالعة في كلام الأئمة العارفين، كيحيى القطان، ومن تلقى عنه كأحمد، وعلي بن المديني وغيرهما، فمن رزق مطالعة ذلك وفهمه، وفقُهتْ نفسُه فيه، وصارت له قوةُ نفسٍ وملَكةٌ، صلُح له أن يتكلّم فيه"(3).

وإن من جهابذة هذا العلم بلا نزاع ومحققيه بلا مِراء الإمام أبا عبد الله أحمد بن محمد بن حنبل الشيباني، وكلامه في الإعلال ومسالك العلة مبثوث فيما نقل عنه في كتب شتى ككتابه العلل ومعرفة الرجال، وبعض كتب مسائله،

--------------------------------------------

(1) انظر: صحيح البخاري 13/ 282 مع فتح الباري.

(2) صحيح مسلم 1/ 13 - 14.

(3) شرح علل الترمذي 2/ 664.
তাঁর সমসাময়িক সাহাবীদের থেকে বর্ণিত সংবাদের সমালোচনা সুপরিচিত, অনুরূপভাবে বর্ণনাকারীর হিফজ (স্মরণশক্তি), দবত (সংরক্ষণ ক্ষমতা) এবং তাঁর বর্ণিত বিষয়গুলো কোনো ধরনের বৃদ্ধি বা হ্রাস থেকে মুক্ত কি না তা পরীক্ষা করার জন্য মাঝেমধ্যে তাঁর সামনে সেই বর্ণনাগুলো পেশ করার জন্য তাঁর দাবিও সুবিদিত(১)। আর এই ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু), যখন তিনি রাসূলুল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপের বিষয়টি বুঝতে পারলেন, তখন তিনি অভিযুক্ত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বর্ণনা ত্যাগ করতে শুরু করলেন। একইভাবে বিচারকার্য ও ইলমের ক্ষেত্রে আলী বিন আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত বিষয়গুলোর ওপর তাঁর সমালোচনা এবং সে বিষয়ে তাঁর প্রতি আরোপিত বাতিল বর্ণনাগুলো প্রত্যাখ্যান করাও সুপরিচিত ও প্রসিদ্ধ(২)। তাবেয়ীগণের ইমামগণ এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন, তারপর তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম এবং তাঁদের অনুসারীগণ, যতক্ষণ না এই ইলম বিকশিত ও পূর্ণতা লাভ করেছে।

এই ইলমের (হাদিস শাস্ত্রের) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং হাদিস বিজ্ঞানের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত বিষয় হলো হাদিসের ইল্লাত (সূক্ষ্ম ত্রুটি) সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। এটি একটি সূক্ষ্ম শিল্প, যার মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় নিহিত বিভ্রম ও ভুলের উৎসগুলো উন্মোচিত হয়, যাদের বর্ণিত সংবাদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো নির্ভুলতা ও সঠিকতা। এর সূক্ষ্মতার কারণে এটি কেবল একদল অল্পসংখ্যক ওলামার পক্ষেই অর্জিত হয়েছে, যার মাধ্যমে তাঁরা অনুসরণীয় ইমাম এবং নির্ভরযোগ্য দলিলে পরিণত হয়েছেন। এই মহান ইলমের উৎস হলো এই ইমামদের কথা ও তাঁদের কর্মপদ্ধতি; এবং এটি অধ্যয়ন ও গভীরভাবে চিন্তা করার মাধ্যমেই হাদিস শাস্ত্রের ছাত্রের এই সূক্ষ্ম শিল্প সম্পর্কে কথা বলার যোগ্যতা অর্জিত হয়। হাফেজ ইবনে রজব (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "এই বিদ্যায় দীর্ঘ অনুশীলন এবং প্রচুর পর্যালোচনার বিকল্প নেই। যদি পর্যালোচনার সুযোগ না থাকে, তবে শিক্ষার্থীর উচিত বিজ্ঞ ইমামদের বক্তব্যের অধিকতর অধ্যয়ন করা, যেমন ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং যাঁরা তাঁর থেকে শিক্ষা নিয়েছেন যেমন আহমদ, আলী ইবনুল মাদীনী ও অন্যান্যগণ। সুতরাং যাঁকে এটি অধ্যয়ন ও অনুধাবনের তাওফিক দেওয়া হয়েছে, যাঁর প্রজ্ঞা এতে পরিপক্ক হয়েছে এবং যাঁর মধ্যে এ বিষয়ে এক প্রকার মানসিক শক্তি ও সহজাত দক্ষতা তৈরি হয়েছে, তাঁর পক্ষেই এই বিষয়ে কথা বলা সংগত"(৩)।

নিঃসন্দেহে এই ইলমের অন্যতম প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞ এবং অবিসংবাদিত গবেষক হলেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল আশ-শাইবানী। ইল্লাত শনাক্তকরণ এবং এর পদ্ধতি সম্পর্কে তাঁর বক্তব্যসমূহ তাঁর থেকে বর্ণিত বিভিন্ন কিতাবে ছড়িয়ে রয়েছে, যেমন তাঁর রচিত 'আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল' এবং তাঁর মাসায়েল সংক্রান্ত কিছু গ্রন্থ,

--------------------------------------------

(১) দেখুন: সহীহ বুখারী ১৩/ ২৮২, ফাতহুল বারী সহ।

(২) সহীহ মুসলিম ১/ ১৩ - ১৪।

(৩) শারহু ইলালিত তিরমিযী ২/ ৬৬৪।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৮)
وكتب تلاميذه في العلل، ككتاب العلل عن الإمام أحمد للحافظ أبي بكر الخلال وغير ذلك من الكتب الكثيرة. ولما رأيت شخصية هذا الإمام العَلم في هذا العِلم، وموقع كلامه في باب إعلال الأحاديث، وما لمعرفة منهجه في هذا العلم من أهمية، اخترت أن يكون موضوع بحثي في أطروحة الدكتوراه دراسة الأحاديث التي تكلم عليها هذا الإمام بالإعلال، ودراسة كلامه في مسالك الإعلال لاستخلاص منهجه في العلل، وبالله تعالى أستعين وعليه التكلان. وجعلت عنوان البحث: منهج الإمام أحمد في إعلال الأحاديث.

 

‌‌أهمية الموضوع والسبب في اختياره:

فأهمية هذا الموضوع والسبب في اختياري له يرجع إلى أمور هي:

1 - شخصية الإمام أحمد في علم الحديث عموماً وفي علم علل الحديث خصوصاً، فقد كان من أكثر الأئمة كلاماً في إعلال الأحايث.

2 - أهمية معرفة مناهج الأئمة في باب العلل، ولقلة معرفة بعض المعاصرين لمنهاجهم اضطربوا في باب التصحيح والتضعيف، فيصححون ما قد أجمع الأئمة على إعلاله، أو يضعفون بعلة قد اطلع الأئمة عليها ولم يروها قادحة.

3 - كون هذا الإمام الكبير مع شهرته وتقدمه في هذا العلم لم يفرد منهجه في باب إعلال الأحاديث بالدراسة حسب علمي.

4 - إيجاد خدمة علمية بإبراز الأحاديث المعلّة عند هذا الإمام.

5 - إن دراسة منهج هذا الإمام تبرز دقة هذا العلم وما يحتاج إليه دارسه من سعة المعرفة، فيكون في ذلك إسهام في تنبيه الباحثين المشتغلين بهذا العلم على أهمية التروي وطول النظر قبل إصدار الحكم على الأحاديث.
তাঁর ছাত্ররা হাদিসের ত্রুটি (ইল্লাত) বিষয়ে অনেক কিতাব লিখেছেন, যেমন হাফেজ আবু বকর আল-খাল্লালের সংকলিত ইমাম আহমদের 'কিতাবুল ইলাল' এবং আরও অনেক কিতাব। যখন আমি এই ইলমে (হাদিস শাস্ত্রে) এই মহান ইমামের ব্যক্তিত্ব এবং হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্যের গুরুত্ব প্রত্যক্ষ করলাম, এবং এই ইলমে তাঁর কর্মপদ্ধতি (মানহাজ) জানার গুরুত্ব উপলব্ধি করলাম, তখন আমি আমার পিএইচডি থিসিসের বিষয় হিসেবে এমন হাদিসগুলো অধ্যয়ন করার সিদ্ধান্ত নিলাম যেগুলোতে এই ইমাম ত্রুটি নির্দেশ করেছেন। এছাড়া ত্রুটি নির্ণয়ের পদ্ধতিসমূহে তাঁর বক্তব্যের আলোচনার মাধ্যমে 'ইল্লাত' শাস্ত্রে তাঁর মানহাজ বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং তাঁর ওপরই ভরসা করছি। আমি গবেষণার শিরোনাম নির্ধারণ করেছি: হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ে ইমাম আহমদের মানহাজ।

 

‌‌বিষয়ের গুরুত্ব এবং তা নির্বাচনের কারণ:

এই বিষয়ের গুরুত্ব এবং এটি নির্বাচনের কারণগুলো নিম্নরূপ:

১ - সাধারণভাবে হাদিস শাস্ত্রে এবং বিশেষভাবে 'ইল্লাতুল হাদিস' শাস্ত্রে ইমাম আহমদের ব্যক্তিত্ব। কেননা তিনি হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ে সর্বাধিক কথা বলা ইমামদের একজন ছিলেন।

২ - 'ইল্লাত' বা হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ইমামদের মানহাজ জানার গুরুত্ব। বর্তমান সময়ের কিছু গবেষকদের মাঝে তাঁদের মানহাজ সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব থাকায় তারা হাদিস সহিহ বা জইফ সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলার শিকার হয়েছেন। ফলে তারা এমন হাদিসকে সহিহ বলছেন যা ইমামরা ত্রুটিপূর্ণ বলে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, অথবা এমন কোনো কারণ দেখিয়ে জইফ বলছেন যে কারণ সম্পর্কে ইমামরা অবগত ছিলেন কিন্তু সেটিকে তাঁরা হাদিসের দোষ হিসেবে গণ্য করেননি।

৩ - এই মহান ইমামের প্রসিদ্ধি ও এই শাস্ত্রে অগ্রগামী হওয়া সত্ত্বেও, আমার জানামতে হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাঁর মানহাজ নিয়ে কোনো স্বতন্ত্র গবেষণা হয়নি।

৪ - এই ইমামের দৃষ্টিতে ত্রুটিপূর্ণ হাদিসগুলো প্রকাশ করার মাধ্যমে একটি ইলমি খিদমত আঞ্জাম দেওয়া।

৫ - এই ইমামের মানহাজ অধ্যয়ন করলে এই শাস্ত্রের সূক্ষ্মতা এবং এর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় গভীর জ্ঞানের বিষয়টি ফুটে উঠবে। এর মাধ্যমে এই শাস্ত্রে নিয়োজিত গবেষকদের কোনো হাদিসের ওপর হুকুম প্রদানের আগে ধীরস্থিরতা এবং দীর্ঘ পর্যালোচনার গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করার ক্ষেত্রে অবদান রাখা সম্ভব হবে।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৯)
6 - إن تتبع كلام الأئمة في علم العلل ودراسة مناهجهم هو أفضل طريق إلى اكتساب المعرفة بهذا العلم كما تقدم قول الحافظ ابن رجب رحمه الله في ذلك.

 

‌‌خطة البحث:

جعلت البحث في مقدمة، وأربعة أبواب، وخاتمة.

المقدمة: وفيها بيان أهمية الموضوع، والسبب في اختياره، وذكر خطة البحث ومنهجه.

الباب الأول: التعريف الموجز بالإمام أحمد وببعض الكتب التي اعتنت بتدوين كلامه في علل الحديث، وفيه فصلان:

الفصل الأول: التعريف الموجز بالإمام أحمد، وفيه خمسة مباحث.

المبحث الأول: اسمه، ونسبه، وأسرته، ومولده، ونشأته.

المبحث الثاني: حياته العلمية ـ طلبه للعلم، أشهر شيوخه، وأشهر تلاميذه.

المبحث الثالث: إمامته ومكانته عند علماء الحديث.

المبحث الرابع: آثاره العلمية.

المبحث الخامس: وفاته.

الفصل الثاني: التعريف ببعض الكتب التي اعتنت بتدوين كلام الإمام أحمد في العلل، وفيه ستة مباحث:

المبحث الأول: كتاب العلل ومعرفة الرجال ـ رواية عبد الله.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث الثاني: كتاب العلل ومعرفة الرجال ـ رواية المروذي وغيره.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.
৬ - ইলাল শাস্ত্রের (ইলমুল ইলাল) ইমামগণের বক্তব্য অনুসরণ এবং তাঁদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে পড়াশোনা করা এই শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জনের সর্বোত্তম মাধ্যম, যেমনটি ইতিপূর্বে হাফেয ইবনে রজব (রহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্যে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

‌‌গবেষণার রূপরেখা:

আমি এই গবেষণাকে একটি ভূমিকা, চারটি অধ্যায় এবং একটি উপসংহারে বিন্যস্ত করেছি।

ভূমিকা: এতে বিষয়ের গুরুত্ব, তা নির্বাচনের কারণ এবং গবেষণার রূপরেখা ও কর্মপদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম অধ্যায়: ইমাম আহমাদ এবং হাদীসের ইলাল শাস্ত্রে তাঁর বক্তব্যসমূহ সংকলনে গুরুত্ব প্রদানকারী কতিপয় গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি; এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি; এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম অনুচ্ছেদ: তাঁর নাম, বংশ পরিচয়, পরিবার, জন্ম এবং বেড়ে ওঠা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তাঁর ইলমি জীবন—ইলম অর্জন, তাঁর প্রসিদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ এবং তাঁর প্রসিদ্ধ ছাত্রবৃন্দ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: হাদীস বিশারদগণের নিকট তাঁর ইমামত ও মর্যাদা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: তাঁর জ্ঞানগত অবদান।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: তাঁর মৃত্যু।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইলাল শাস্ত্রে ইমাম আহমাদের বক্তব্যসমূহ সংকলনে গুরুত্ব প্রদানকারী কতিপয় গ্রন্থের পরিচিতি; এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: কিতাবুল ইলাল ওয়া মা’রিফাতুর রিজাল—আবদুল্লাহর বর্ণনা।

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাধারা সমূহ।

দ্বিতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে ইলমি উপাদান উপস্থাপনের পদ্ধতি।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: কিতাবুল ইলাল ওয়া মা’রিফাতুর রিজাল—আল-মারূযী ও অন্যদের বর্ণনা।

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাধারা সমূহ।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১০)
المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث الثالث: كتاب مسائل الإمام أحمد برواية ابنه عبد الله.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث الرابع: كتاب مسائل الإمام أحمد برواية أبي داود السجستاني.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث الخامس: كتاب مسائل الإمام أحمد برواية ابنه صالح.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث السادس: كتاب مسائل الإمام أحمد برواية ابن هانئ.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث السابع: سؤالات أبي داود للإمام أحمد بن حنبل في جرح الرواة وتعديلهم.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.

المبحث الثامن: المنتخب من العلل للخلال.

المطلب الأول: موضوعه، وخصائصه، وقيمته عند العلماء، ورواياته.

المطلب الثاني: منهج عرض المادة العلمية في الكتاب.
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমদের পুত্র আবদুল্লাহর বর্ণনায় তাঁর মাসায়েল গ্রন্থ।

প্রথম অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাপরম্পরা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: আবু দাউদ আস-সিজিস্তানির বর্ণনায় ইমাম আহমদের মাসায়েল গ্রন্থ।

প্রথম অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাপরম্পরা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমদের পুত্র সালেহর বর্ণনায় তাঁর মাসায়েল গ্রন্থ।

প্রথম অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাপরম্পরা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: ইবনে হানির বর্ণনায় ইমাম আহমদের মাসায়েল গ্রন্থ।

প্রথম অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাপরম্পরা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: বর্ণনাকারীদের জারহ ও তাদিল (দোষ-গুণ বিচার) সংক্রান্ত বিষয়ে ইমাম আহমদ বিন হাম্বলের প্রতি আবু দাউদের প্রশ্নাবলী।

প্রথম অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাপরম্পরা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: আল-খাল্লালের 'আল-ইলাল' গ্রন্থ থেকে নির্বাচিত অংশ।

প্রথম অনুচ্ছেদ: এর বিষয়বস্তু, বৈশিষ্ট্য, আলেমদের নিকট এর গুরুত্ব এবং এর বর্ণনাপরম্পরা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: গ্রন্থে শিক্ষাগত বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১১)
الباب الثاني: إعلال الأحاديث بالطعن في رواتها، وفيه ثلاثة فصول:

الفصل الأول: الإعلال بالطعن في الراوي بالجهالة، وفيه خمسة مباحث:

المبحث الأول: ضابط الجهالة عند الإمام أحمد.

المبحث الثاني: جهالة الصحابي لا تضر.

المبحث الثالث: رواية الراوي المجهول حديثاً مخالفاً للثابت المعروف.

المبحث الرابع: نماذج من إعلال الإمام أحمد للأحاديث بجهالة بعض رواتها.

المبحث الخامس: إعلال حديث الراوي المكثر من الرواية عن المجهولين.

الفصل الثاني: الإعلال بالطعن في الراوي بما يخل بعدالته، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: الإعلال بالطعن في الراوي بالكذب أو التهمة به، وفيه سبعة مطالب:

المطلب الثاني: إثبات الوضع بقرائن تعود إلى حال المروي.

المطلب الثالث: لا منافاة بين ثقة الراوي والحكم على حديثه بالوضع.

المطلب الرابع: تعدد طرق الحديث المعل بكذب راويه.

المطلب الخامس: بعض مصطلحات الإمام أحمد في الحكم على حديث الراوي المطعون بالكذب.

المطلب السادس: موقف الإمام أحمد من الرواية عن الكذّابين والمتهمين بالكذب.

المطلب السابع: مخالفة حكمِه حكمَ غيره في آحاد المسائل في هذا الباب.

المبحث الثاني: الإعلال بالطعن في الراوي ببدعة فيه، وفيه مطلبان.

المطلب الأول: التمييز بين البدعة التي ترد معها رواية الراوي المتصف بها من غيرها.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বর্ণনাকারীদের ওপর আপত্তির মাধ্যমে হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়, এতে তিনটি অধ্যায় রয়েছে:

প্রথম অধ্যায়: বর্ণনাকারীর পরিচয়হীনতা (জাহালাত)-জনিত আপত্তির মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়, এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট ‘জাহালাত’ বা পরিচয়হীনতার মানদণ্ড।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: সাহাবীর পরিচয়হীনতা ক্ষতিকর নয়।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: সুপরিচিত ও সাব্যস্ত বর্ণনার বিপরীতে অপরিচিত বর্ণনাকারীর হাদিস বর্ণনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: কিছু বর্ণনাকারীর পরিচয়হীনতার কারণে ইমাম আহমাদ কর্তৃক হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ের কতিপয় উদাহরণ।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: অপরিচিতদের থেকে অধিক বর্ণনাকারী ব্যক্তির হাদিসে ত্রুটি নির্ণয়।

দ্বিতীয় অধ্যায়: বর্ণনাকারীর ন্যায়পরায়ণতা (আদালত) ক্ষুণ্নকারী বিষয়ের মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর মিথ্যাচার বা মিথ্যাচারের অপবাদের কারণে ত্রুটি নির্ণয়, এতে সাতটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বর্ণিত বিষয়ের অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট আলামতের মাধ্যমে হাদিস জাল হওয়া প্রমাণ করা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা এবং তার বর্ণিত হাদিসকে ‘জাল’ হিসেবে হুকুম দেওয়ার মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর মিথ্যাচারের কারণে ত্রুটিযুক্ত হাদিসের একাধিক সনদ থাকা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত বর্ণনাকারীর হাদিস সম্পর্কে ইমাম আহমাদের ব্যবহৃত কিছু পরিভাষা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: মিথ্যাবাদী এবং মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্তদের থেকে বর্ণনার বিষয়ে ইমাম আহমাদের অবস্থান।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: এই অধ্যায়ের বিশেষ কিছু মাসআলায় অন্যদের সিদ্ধান্তের সাথে তার (ইমাম আহমাদের) মতভিন্নতা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর বিদআতের কারণে ত্রুটি নির্ণয়, এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম পরিচ্ছেদ: যে বিদআতের কারণে সংশ্লিষ্ট বর্ণনাকারীর বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং যা প্রত্যাখ্যাত হয় না—এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১২)
المطلب الثاني: موقف الإمام أحمد من الرواية عمن أجاب في محنة خلق القرآن.

الفصل الثالث: الإعلال بالطعن في الراوي بما يخل بضبطه، وفيه ثمانية مباحث:

المبحث الأول: الإعلال بسوء الحفظ الملازم للراوي، وفيه ستة مطالب:

المطلب الأول: سوء الحفظ المطلق والإعلال به عند الإمام أحمد.

المطلب الثاني: الحالات التي لا يعلّ بها حديث الراوي المتصف بسوء الحفظ.

المطلب الثالث: سوء الحفظ المقيد برواية الراوي عن بعض شيوخه والإعلال به عند الإمام أحمد.

المطلب الرابع: سوء الحفظ المقيد برواية الراوي عن أهل بعض البلدان والإعلال به عند الإمام أحمد.

المطلب الخامس: سوء الحفظ المقيد برواية الراوي إذا جمع الشيوخ في الإسناد والإعلال به عند الإمام أحمد.

المطلب السادس: سوء الحفظ المقيد برواية الراوي حين يروي بالمعنى.

المبحث الثاني: الإعلال بسوء الحفظ الطارئ على الراوي، وفيه ثلاثة مطالب.

المطلب الأول: الإعلال باختلاط الراوي لكبر سنه، فرعان لهذا المطلب:

الفرع الأول: من كان صحيح السماع عن المختلط يحمل خطأ روايته على أمر آخر غير الاختلاط.

الفرع الثاني: ما حدث به المختلط من كتاب لا يدخله الإعلال بالاختلاط.

المطلب الثاني: الإعلال بما يلحق بالاختلاط بسبب ذهاب بصر الراوي.

المطلب الثالث: الإعلال بما يلحق بالاختلاط بسب ذهاب كتب الراوي بسبب من الأسباب.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: কুরআন সৃষ্টির ফিতনায় (মাহনা) যারা সাড়া দিয়েছিলেন, তাদের নিকট থেকে বর্ণনা গ্রহণের ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের অবস্থান।

তৃতীয় অধ্যায়: বর্ণনাকারীর নির্ভরযোগ্যতা (জবত) ক্ষুণ্ণকারী ত্রুটির মাধ্যমে বর্ণনার ত্রুটি নির্ণয় (ইলাল), এবং এতে আটটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর স্থায়ী মুখস্থশক্তির দুর্বলতাজনিত ত্রুটি নির্ণয়, এবং এতে ছয়টি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ঢালাওভাবে মুখস্থশক্তির দুর্বলতা এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যেসব ক্ষেত্রে দুর্বল মুখস্থশক্তির বর্ণনাকারীর হাদিসকে ত্রুটিপূর্ণ গণ্য করা হয় না।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: নির্দিষ্ট কিছু উস্তাদের নিকট থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে মুখস্থশক্তির দুর্বলতা এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের অধিবাসীদের নিকট থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে মুখস্থশক্তির দুর্বলতা এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: সনদে একাধিক উস্তাদকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীর মুখস্থশক্তির দুর্বলতা এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: মর্মার্থ বর্ণনা (রিওয়ায়াত বিল মানা) করার ক্ষেত্রে বর্ণনাকারীর মুখস্থশক্তির দুর্বলতা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর ওপর আপতিত সাময়িক মুখস্থশক্তির দুর্বলতাজনিত ত্রুটি নির্ণয়, এবং এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম পরিচ্ছেদ: বার্ধক্যজনিত কারণে বর্ণনাকারীর স্মৃতিভ্রম (ইখতিলাত) জনিত ত্রুটি নির্ণয়, এই পরিচ্ছেদের দুটি শাখা রয়েছে:

প্রথম শাখা: যার শ্রবণ স্মৃতিভ্রম ঘটার আগে সঠিক ছিল, তার বর্ণনার ভুলকে স্মৃতিভ্রম ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ের ওপর আরোপ করা হবে।

দ্বিতীয় শাখা: স্মৃতিভ্রম হওয়া ব্যক্তি যখন তার কিতাব দেখে বর্ণনা করেন, তখন তাতে স্মৃতিভ্রমজনিত ত্রুটি প্রবেশ করবে না।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বর্ণনাকারীর দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়ার কারণে স্মৃতিভ্রমের অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদির মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কোনো কারণে বর্ণনাকারীর কিতাবসমূহ হারিয়ে যাওয়ার ফলে স্মৃতিভ্রমের অন্তর্ভুক্ত বিষয়াদির মাধ্যমে ত্রুটি নির্ণয়।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৩)
المبحث الثالث: الإعلال بالطعن في الراوي بشدة الغفلة وعدم التيقظ.

المبحث الرابع: ما يخل بضبط الراوي بسبب طريقة التحمل.

المبحث الخامس: الإعلال بالطعن في الراوي بما يخل بضبطه لكتابه، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: أهمية حفظ الكتاب وتقديمه على حفظ الصدر عند الإمام أحمد:

المطلب الثاني: من كانت كتبه غير منقوطة ولا مشكولة:

المطلب الثالث: من وقف على لَحَقٍ في كتابه:

المبحث السادس: من لا يحدّث من كتابه فيهِم في حديثه:

المبحث السابع: من حدّث في مكان لم تكن معه كتبه فوهِم، وحدّث في مكان آخر كانت معه كتبه فضبط:

المبحث الثامن: من لم يضبط أهل إقليم حديثه:

الباب الثالث: إعلال الأحاديث بما يخل باتصال أسانيدها، وفيه فصلان

الفصل الأول: ما يثبت به الاتصال، وفيه ثلاثة مباحث:

المبحث الأول: اشتراط ثبوت السماع بين الرواة عند الإمام أحمد لثبوت الاتصال، وفيه مطلبان:

المطلب الأول: الأدلة على أن الإمام أحمد يشترط ثبوت السماع للحكم باتصال الإسناد المعنعن.

المطلب الثاني: ما يدل على اكتفاء الإمام أحمد بالمعاصرة وإمكان السماع والجواب عنه.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: রাবীর চরম অসতর্কতা এবং সচেতনতার অভাবের কারণে দোষারোপের মাধ্যমে হাদীসকে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: হাদীস গ্রহণের পদ্ধতির কারণে রাবীর হেফজ বা নির্ভুল বর্ণনক্ষমতায় (জব্ত) বিঘ্ন সৃষ্টিকারী বিষয়সমূহ।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: রাবীর কিতাব বা পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণে বিঘ্ন ঘটায় এমন দোষারোপের মাধ্যমে হাদীসকে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করা; এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট কিতাব বা পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের গুরুত্ব এবং মুখস্থ রাখার (হিফজে সদর) ওপর একে প্রাধান্য দেওয়া:

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: যাদের কিতাবসমূহ নুকতা এবং হরকত (স্বরচিহ্ন) বিহীন ছিল:

第三 অনুচ্ছেদ: যিনি নিজের কিতাবে অতিরিক্ত সংযোজনের (লাহাক) সম্মুখীন হয়েছেন:

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: যিনি নিজের কিতাব দেখে হাদীস বর্ণনা করেন না, ফলে তিনি তার বর্ণিত হাদীসে বিভ্রমের শিকার হন:

সপ্তম পরিচ্ছেদ: যিনি এমন স্থানে হাদীস বর্ণনা করেছেন যেখানে তার কিতাবসমূহ সাথে ছিল না, ফলে তিনি ভুল করেছেন; এবং অন্য স্থানে বর্ণনা করেছেন যেখানে তার কিতাবসমূহ সাথে ছিল, ফলে তিনি নির্ভুলভাবে বর্ণনা করেছেন:

অষ্টম পরিচ্ছেদ: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের অধিবাসী কর্তৃক যাদের হাদীস নির্ভুলভাবে সংরক্ষিত হয়নি:

তৃতীয় অধ্যায়: হাদীসের সনদের ধারাবাহিকতায় (ইত্তেসাল) বিঘ্ন ঘটায় এমন বিষয়ের মাধ্যমে হাদীসকে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করা; এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম পরিচ্ছেদ: যার মাধ্যমে সনদের ধারাবাহিকতা সাব্যস্ত হয়; এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: সনদের ধারাবাহিকতা সাব্যস্ত হওয়ার জন্য ইমাম আহমাদের নিকট রাবীদের মধ্যে শ্রবণ (সামা) সাব্যস্ত হওয়ার শর্তারোপ; এতে দুটি উপ-অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-অনুচ্ছেদ: ‘আ’ন’ শব্দযুক্ত (মু’আন’আন) সনদের ধারাবাহিকতার হুকুম দেওয়ার জন্য ইমাম আহমদ কর্তৃক শ্রবণ সাব্যস্ত হওয়ার শর্তারোপের দলীলসমূহ।

দ্বিতীয় উপ-অনুচ্ছেদ: ইমাম আহমদ কেবল সমসাময়িক হওয়া এবং শ্রবণের সম্ভাবনা থাকাকেই যথেষ্ট মনে করেন—এমন বক্তব্যের সপক্ষে যা কিছু পেশ করা হয় এবং তার উত্তর।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৪)
المبحث الثاني: وسيلة إثبات السماع وذكر شروطها وموانعها عند الإمام أحمد، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: طريق إثبات السماع بالتصريح به في السند.

المطلب الثاني: شروط قبول التصريح بالسماع في السند.

المطلب الثالث: قرائن تمنع من الحكم بثبوت السماع.

المبحث الثالث: صيغ الأداء وعلاقتها بإثبات الاتصال.

الفصل الثاني: الإعلال بما يخل باتصال الأسانيد، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: الإرسال والإعلال به، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: معنى الإرسال عند الإمام أحمد.

المطلب الثاني: الإعلال بإسقاط الصحابي، وفيه أربع مسائل:

المسألة الأولى: الصحبة وما تثبت به عند الإمام أحمد.

المسألة الثانية: ما يقدح في ثبوت الصحبة.

المسألة الثالثة: التفريق بين الصحبة المقترنة بالرواية عن النبي صلى الله عليه وسلم والمجردة منها.

المسألة الرابعة: ما أعله بعدم ثبوت صحبة راويه عن النبي صلى الله عليه وسلم.

المطلب الثالث: الإرسال الخفي والإعلال به عند الإمام أحمد.

المطلب الرابع: المزيد في متصل الأسانيد والإعلال به عند الإمام أحمد.

المبحث الثاني: التدليس والإعلال به عند الإمام أحمد، وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: التعريف بالتدليس والمدلسين عند الإمام أحمد.

المطلب الثاني: وجوه الإعلال بالتدليس عند الإمام أحمد.

الوجه الأول: عدم تصريح المدلس بالسماع في السند.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: শ্রবণ (সামা) সাব্যস্ত করার উপায় এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর শর্তাবলি ও প্রতিবন্ধকসমূহের বর্ণনা, এতে তিনটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: সনদে শ্রবণের স্পষ্ট উল্লেখের মাধ্যমে তা সাব্যস্ত করার পদ্ধতি।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সনদে শ্রবণের স্পষ্ট উল্লেখ গ্রহণযোগ্য হওয়ার শর্তাবলি।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: শ্রবণ সাব্যস্ত হওয়ার হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক আলামতসমূহ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: বর্ণনাভঙ্গি এবং সূত্র সাব্যস্ত করার সাথে এর সম্পর্ক।

দ্বিতীয় অধ্যায়: সনদের সূত্রকে বিঘ্নিতকারী বিষয়ের মাধ্যমে ত্রুটি (ইলাল) চিহ্নিত করা, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইরসাল এবং এর মাধ্যমে ত্রুটি চিহ্নিতকরণ, এতে চারটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট ইরসালের অর্থ।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সাহাবীর নাম বাদ পড়ার কারণে ত্রুটি চিহ্নিতকরণ, এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: সাহাবিয়াত এবং ইমাম আহমাদের নিকট তা কীসের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়।

দ্বিতীয় মাসআলা: যা সাহাবিয়াত সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটি সৃষ্টি করে।

তৃতীয় মাসআলা: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা সংবলিত সাহাবিয়াত এবং তা ব্যতিরেকে শুধু সাহাবিয়াতের মধ্যে পার্থক্য করা।

চতুর্থ মাসআলা: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনাকারীর সাহাবিয়াত সাব্যস্ত না হওয়ার কারণে তিনি যেটিকে ত্রুটিপূর্ণ বলেছেন।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ইরসালে খাফি এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি চিহ্নিতকরণ।

চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: মাজিদ ফি মুত্তাসিলিল আসানিদ এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি চিহ্নিতকরণ।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাদলিস এবং ইমাম আহমাদের নিকট এর মাধ্যমে ত্রুটি চিহ্নিতকরণ, এতে তিনটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট তাদলিস ও মুদাল্লিসগণের পরিচয়।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট তাদলিসের মাধ্যমে ত্রুটি চিহ্নিতকরণের দিকসমূহ।

প্রথম দিক: সনদে মুদাল্লিস কর্তৃক শ্রবণের স্পষ্ট উল্লেখ না থাকা।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৫)
الوجه الثاني: رواية الحديث عن الراوي المدلس من وجه آخر بالتصريح بالواسطة بينه وبين شيخه.

الوجه الثالث: أن يذكر الراوي أنه لم يسمع الحديث من شيخه الذي روى عنه.

الوجه الرابع: تنصيص الإمام على عدم سماع الراوي لحديث معين من شيخه.

الوجه الخامس: تنصيص الإمام على عدم سماع المدلس من شيخه إلا أحاديث معينة.

الوجه السادس: الإعلال بالنكارة التي سببها التدليس.

المطلب الثالث: كشف من كان يدلس الأسماء تدليس الشيوخ.

الباب الرابع: إعلال الأحاديث بالشذوذ وبالعلل الخفية، وفيه فصلان

الفصل الأول: الإعلال بالتفرد والمخالفة، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: التفرد والإعلال به عند الإمام أحمد، وفيه سبعة مطالب:

المطلب الأول: معنى التفرد والغرابة عند الإمام أحمد.

المطلب الثاني: حد المنكر عند الإمام أحمد، وفيه أربع مسائل:

المسألة الأولى: حد المنكر لغة.

المسألة الثانية: إطلاقات المنكر عند الإمام أحمد.

المسألة الثالثة: تفسير بعض أهل العلم لمعنى المنكر عند الإمام أحمد.

المسألة الرابعة: التعريف الإصطلاحي للمنكر عند الإمام أحمد.

المطلب الثالث: موقف الإمام أحمد من تفرد الراوي الثقة.

المطلب الرابع: موقف الإمام أحمد من زيادات الثقات.
দ্বিতীয় দিক: মুদাল্লিস বর্ণনাকারী থেকে অন্য একটি সূত্রে তার ও তার শায়খের মধ্যবর্তী মাধ্যম স্পষ্ট উল্লেখ করার মাধ্যমে হাদিস বর্ণনা করা।

তৃতীয় দিক: বর্ণনাকারী কর্তৃক এটি উল্লেখ করা যে, তিনি তার সেই শায়খ থেকে হাদিসটি শোনেননি যার থেকে তিনি বর্ণনা করছেন।

চতুর্থ দিক: ইমাম কর্তৃক কোনো বর্ণনাকারী তার শায়খ থেকে নির্দিষ্ট একটি হাদিস শোনেননি বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা।

পঞ্চম দিক: ইমাম কর্তৃক এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা যে, মুদাল্লিস ব্যক্তি তার শায়খ থেকে নির্দিষ্ট কয়েকটি হাদিস ছাড়া আর কিছু শোনেননি।

ষষ্ঠ দিক: 'নাকারা' (অস্বাভাবিকতা) এর মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা, যার কারণ হলো তাদলীস।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: যারা শায়খদের নামের ক্ষেত্রে তাদলীস (তাদলীসুশ শুয়ূখ) করতেন তাদের উন্মোচন করা।

চতুর্থ অধ্যায়: শুযূয (বিচ্যুতি) এবং সূক্ষ্ম ত্রুটির মাধ্যমে হাদিসকে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা, এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

প্রথম পরিচ্ছেদ: একক বর্ণনা এবং বিরোধিতার মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট একক বর্ণনা এবং এর মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা, এতে সাতটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট 'তাফাররুদ' (একক বর্ণনা) এবং 'গারাবাহ' (বিরলতা) এর অর্থ।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট 'মুনকার' এর সংজ্ঞা, এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথম মাসআলা: আভিধানিক অর্থে 'মুনকার' এর সংজ্ঞা।

দ্বিতীয় মাসআলা: ইমাম আহমাদের নিকট 'মুনকার' শব্দের বিভিন্ন প্রয়োগ।

তৃতীয় মাসআলা: ইমাম আহমাদের নিকট 'মুনকার' এর অর্থের ব্যাপারে কতিপয় জ্ঞানীর ব্যাখ্যা।

চতুর্থ মাসআলা: ইমাম আহমাদের নিকট 'মুনকার' এর পারিভাষিক সংজ্ঞা।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর একক বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের অবস্থান।

চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অতিরিক্ত বর্ণনার (যিয়াদাতুত সিকাত) ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের অবস্থান।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৬)
المطلب الخامس: موقف الإمام أحمد من تفرد الراوي الصدوق الذي خف ضبطه.

المطلب السادس: موقف الإمام أحمد من تفرد الراوي الموصوف بسوء الحفظ.

المطلب السابع: موقف الإمام أحمد من تفرد الراوي المجهول.

المبحث الثاني: الإعلال بالمخالفة عند الإمام أحمد، وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: مخالفة الراوي لرواية الأحفظ.

المطلب الثاني: مخالفة الراوي لرواية الأكثر عدداً.

المطلب الثالث: إعلال حديث الراوي إذا روى ما يخالف رأيه.

المطلب الرابع: نماذج من نقد الإمام أحمد للمتون لمخالفتها للثابت المعروف.

الفصل الثاني: الإعلال بالعلل الخفية، وفيه مبحثان:

المبحث الأول: نماذج من الأخطاء الواقعة في أحاديث الثقات، وفيه سبعة مطالب:

المطلب الأول: أخطاء الحفاظ في الأسماء.

المطلب الثاني: أخطاء الثقات في الألفاظ.

المطلب الثالث: التصحيف.

المطلب الرابع: القلب.

المطلب الخامس: رفع الموقف ووصل المرسل.

المطلب السادس: الإدراج.

المطلب السابع: ذكر بعض القرائن يتوصل بها إلى معرفة أخطاء الثقات في الأحايث كما وردت عن الإمام أحمد.

المبحث الثاني: طبقات الرواة عن الأعلام والترجيح بينهم عند الاختلاف.
পঞ্চম অনুচ্ছেদ: সেই সদুক বর্ণনাকারীর একাকী বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের অবস্থান যার মুখস্থশক্তি কিছুটা শিথিল বা দুর্বল।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: মন্দ মুখস্থশক্তির অধিকারী হিসেবে পরিচিত বর্ণনাকারীর একাকী বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের অবস্থান।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: অজ্ঞাত (মাজহুল) বর্ণনাকারীর একাকী বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের অবস্থান।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের নিকট বিরোধিতার কারণে হাদিসকে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা, এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: অধিক প্রখর মুখস্থশক্তির অধিকারীর বর্ণনার বিপরীতে বর্ণনাকারীর বিরোধিতা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: অধিক সংখ্যক বর্ণনাকারীর বর্ণনার বিপরীতে বর্ণনাকারীর বিরোধিতা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: বর্ণনাকারী যখন নিজের মতের বিরোধী কিছু বর্ণনা করেন, তখন তার হাদিসকে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: সুপ্রতিষ্ঠিত ও প্রসিদ্ধ বিষয়ের বিরোধী হওয়ার কারণে হাদিসের মূল পাঠের (মতন) ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের সমালোচনার কিছু নমুনা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: সূক্ষ্ম কারণের ভিত্তিতে হাদিসকে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করা, এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের হাদিসে সংঘটিত ভুলসমূহের কিছু নমুনা, এতে সাতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: নামসমূহের ক্ষেত্রে হাফেজদের ভুলসমূহ।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: শব্দাবলির ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের ভুলসমূহ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: তাশহিফ (শব্দগত বিকৃতি)।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: কলব (উলটপালট করা)।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: মাওকুফ হাদিসকে মারফু হিসেবে এবং মুরসাল হাদিসকে মুত্তাসিল হিসেবে বর্ণনা করা।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: ইদরাজ (সংযোজন)।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের হাদিসের ভুলগুলো চিহ্নিত করার কিছু সহায়ক আলামত, যা ইমাম আহমদ থেকে বর্ণিত হয়েছে।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বিশিষ্ট ইমামদের থেকে বর্ণনাকারীদের স্তরসমূহ এবং মতভেদের সময় তাদের মধ্যে অগ্রাধিকার নির্ধারণ।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৭)
الخاتمة: وفيها ذكر أبرز سمات منهج الإمام أحمد في إعلال الأحاديث والأصول التي بنى عليها كلامه في الإعلال، وهي خلاصة البحث.

الفهارس العلمية، وتتضمن ما يلي:

1 - فهرس الآيات القرآنية.

2 - فهرس الأحاديث المرفوعة.

3 - فهرس الآثار الموقوفة والمقطوعة.

4 - فهرس الرجال المترجم لهم.

5 - قائمة المصادر والمراجع.

6 - فهرس الموضوعات.
উপসংহার: এতে হাদিসের ত্রুটি নির্ণয়ে ইমাম আহমদের পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং সেই মূলনীতিসমূহের উল্লেখ রয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে তিনি হাদিসের ত্রুটি নির্ণয় সংক্রান্ত আলোচনা করেছেন, যা এই গবেষণার সারসংক্ষেপ।

গবেষণাভিত্তিক সূচিপত্রসমূহ, যা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:

১ - কুরআনের আয়াতসমূহের সূচি।

২ - মারফূ হাদিসসমূহের সূচি।

৩ - মাওকূফ ও মাকতূ আছারসমূহের সূচি।

৪ - যে সকল ব্যক্তির জীবনী আলোচনা করা হয়েছে তাদের সূচি।

৫ - উৎস ও তথ্যসূত্র তালিকা।

৬ - বিষয়সূচি।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌منهج البحث:

ويتلخص منهجي في هذا البحث في النقاط التالية:

1. جمع الأحاديث التي أعلها الإمام أحمد، وأقواله في الرجال مما لها صلة بالإعلال ووجوهه من خلال كتاب "العلل ومعرفة الرجال" ـ رواية عبد الله، ورواية المروذي وغيره ـ وكتب مسائله المطبوعة، وهي: رواية عبد الله، وأبي داود، وصالح، وابن هانئ، ومن كتاب "سؤالات أبي داود للإمام أحمد في جرح الرواة وتعديلهم"، وكتاب "المنتخب من العلل للخلال" ـ انتخاب ابن قدامة المقدسي ـ. وهذه المصادر هي التي اعتمدتها بالأصالة لجمع المادة العلمية للموضوع، وإنما اعتمدتها بالأصالة لكون موضوع كل واحد من هذه الكتب أقوال الإمام أحمد مجردة عن أقوال غيره من أئمة الحديث، وقد حوت على جملة كثيرة من كلام هذا الإمام في العلل وفي جرح الرواة وتعديلهم.

2. تتبعت كلام الإمام أحمد في الإعلال من مصادر ثانوية نقلت كلام الإمام أحمد مع كلام غيره، أو نقلت كلامه من مصادر أصلية هي الآن في حكم المفقود مثل مسائل الأثرم في العلل والجرح والتعديل، وكتاب العلل للخلال، ومن هذه المصادر الثانوية: "التاريخ" لأبي زرعة عبد الرحمن بن عمرو الدمشقي، فقد سمع من أحمد مسائل في الحديث وعلم الرجال وذكر بعضها في هذا الكتاب. ومنها ما رواه أبو بكر الأثرم عن الإمام أحمد، ومسائله في حكم المفقود إلا الجزء الصغير في مسائله للإمام أحمد في الفقه. وقد نقلت مما رواه عن الإمام أحمد في العلل وعلم الرجال من كتاب "تاريخ بغداد"، وكتاب "التمهيد" لابن عبد البر، ومن "تهذيب الكمال". ونقلت من كتاب "الكامل في ضعفاء الرجال" لابن عدي ما رواه أبو طالب أحمد بن حميد عن أحمد، ومن كتاب "المعرفة والتاريخ" للفسوي ما رواه الفضل بن زياد عن أحمد. ومن
গবেষণার পদ্ধতি:

এই গবেষণায় আমার পদ্ধতিটি নিম্নলিখিত পয়েন্টগুলোতে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

১. ইমাম আহমাদ যে হাদীসগুলোকে ত্রুটিযুক্ত (মুআল্লাল) হিসেবে চিহ্নিত করেছেন সেগুলো সংগ্রহ করা এবং বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে তাঁর সেইসব বক্তব্যগুলো একত্র করা যেগুলোর সম্পর্ক হাদীসের ত্রুটি (ইলাল) ও এর বিভিন্ন দিকগুলোর সাথে রয়েছে। এটি করা হয়েছে "আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল" গ্রন্থ —আবদুল্লাহর বর্ণনা, আল-মারওয়াযীর বর্ণনা ও অন্যান্যদের বর্ণনা— এবং তাঁর মুদ্রিত 'মাসায়েল' (জিজ্ঞাসাবলী) গ্রন্থসমূহ থেকে; যেগুলো হলো: আবদুল্লাহ, আবু দাউদ, সালিহ এবং ইবনে হানি-এর বর্ণনা। এছাড়া "সুয়ালাতু আবি দাউদ লিল ইমাম আহমাদ ফী জারহির রুওয়াত ওয়া তা'দীলিহিম" এবং আল-খাল্লালের "আল-মুন্তাখাব মিনাল ইলাল" (ইবনে কুদামা আল-মাকদিসীর চয়নকৃত) গ্রন্থ থেকেও তথ্য নেয়া হয়েছে। এই উৎসগুলোকেই আমি মূলত এই বিষয়ের তাত্ত্বিক উপাদান সংগ্রহের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছি। এগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার কারণ হলো, এই গ্রন্থগুলোর প্রতিটির মূল বিষয়বস্তু হলো অন্যান্য হাদীস ইমামদের বক্তব্য বাদ দিয়ে কেবল ইমাম আহমাদের একক বক্তব্যসমূহ উপস্থাপন করা। এছাড়া এই গ্রন্থগুলো হাদীসের ত্রুটি (ইলাল) এবং বর্ণনাকারীদের জারহ ও তা'দীল (ত্রুটি অন্বেষণ ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই) সম্পর্কে এই ইমামের প্রচুর বক্তব্য ধারণ করে আছে।

২. আমি মাধ্যমিক উৎসগুলো থেকেও হাদীসের ত্রুটি (ইলাল) সম্পর্কে ইমাম আহমাদের বক্তব্যগুলো অনুসন্ধান করেছি, যা ইমাম আহমাদের বক্তব্যের পাশাপাশি অন্যদের বক্তব্যও উদ্ধৃত করেছে, অথবা এমন সব মূল উৎস থেকে তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করেছে যেগুলো বর্তমানে নিখোঁজ হিসেবে গণ্য। যেমন: ইলাল এবং জারহ ও তা'দীলের বিষয়ে 'মাসায়েলুল আসারাম' এবং আল-খাল্লালের 'কিতাবুল ইলাল'। এসব মাধ্যমিক উৎসের মধ্যে রয়েছে: আবু যুরআ আবদুর রহমান বিন আমর আদ-দিমাশকীর "আত-তারিখ"; তিনি ইমাম আহমাদ থেকে হাদীস এবং ইলমুর রিজাল (বর্ণনাকারী বিজ্ঞান) বিষয়ে বিভিন্ন মাসায়েল শুনেছেন এবং তার কিছু অংশ এই গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছে যা আবু বকর আল-আসারাম ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন; ফিকহ বিষয়ে ইমাম আহমাদের কাছে করা তাঁর মাসায়েলের একটি ছোট অংশ ব্যতীত বাকি সব নিখোঁজ হিসেবে গণ্য। আমি "তারিখে বাগদাদ", ইবনে আব্দুল বার-এর "আত-তামহীদ" এবং "তাহযীবুল কামাল" গ্রন্থ থেকে ইলাল এবং ইলমুর রিজাল বিষয়ে ইমাম আহমাদ থেকে তাঁর বর্ণিত অংশগুলো উদ্ধৃত করেছি। ইবনে আদীর "আল-কামিল ফী দুয়াফাউর রিজাল" গ্রন্থ থেকে আবু তালিব আহমাদ বিন হুমায়দ-এর বর্ণিত অংশ এবং ফাসাওয়ীর "আল-মা'রিফাতু ওয়াত তারিখ" গ্রন্থ থেকে ফাদল বিন যিয়াদ-এর বর্ণিত অংশ উদ্ধৃত করেছি।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ১৯)
المصادر الثانوية التي استفدت منها وأخذت منها مادة الموضوع: كتاب "تنقيح التحقيق" للحافظ ابن عبد الهادي، وكتاب "فتح الباري شرح صحيح البخاري" للحافظ ابن رجب ـ رحمة الله عليهم أجمعين، فقد تتبعت ما في الكتابين من كلام الإمام أحمد في الأحاديث. وأما مسند الإمام أحمد فلم أجد فيه إلا بضعة وعشرين نصاً يتعلق بموضوع الإعلال، ولم أقف على الرسالة التي ذكرها د. علي بن عبد الله الصباح في "الأحاديث التي أعلها الإمام أحمد في مسنده" في مقاله المنشور في مجلة "البيان" عدد 176 ربيع الآخر 1423 هـ.

1. تخريج الأحاديث ودراستها بما يفي بمقصود البحث.

2. الاستعانة بأقوال الإمام أحمد في الرجال ذات الصلة بموضوع الإعلال.

3. مقارنة كلامه بكلام غيره من خلال دراسة الأحايث والأقوال.

4. استخلاص منهج الإمام أحمد من خلال دراسة الأحاديث التي أعلها وأقواله في الرجال. واستخلاص المنهج يتطلب الاستقراء التام لأقوال الإمام، وهو أمر لست أدّعيه، بل يقصر عن بلوغه من كان مثلي في قلة البضاعة وقصر الباع في هذا المجال بالرغم من المحاولة التي بذلتها في الاستقصاء في الجمع والدراسة لما جمعت، ولكن هذا لا يشكل خللاً في العمل الذي قمت به، فقد اعتمدت على كلام أهل الاستقراء التام في رسم أبرز معالم منهج الإمام أحمد، وعلى مقدمة هؤلاء العلماء الحافظ أبي الفرج عبد الرحمن بن أحمد بن رجب الحنبلي رحمة الله عليه، فقد كان من أهل الاستقراء التام حقاً لكلام الإمام أحمد في علم العلل وعلم الجرح والتعديل، ويشهد لذلك كتاباه "شرح علل الترمذي"، و"فتح الباري شرح صحيح البخاري". وقد أفدت من الكتابين كثيراً، كما أفدت من كلام شيخ الإسلام ابن تيمية في "المسودة في أصول الفقة" في كثير من مسائل أصول الحديث وتحرير موقف الإمام أحمد منها،
আমি যে মাধ্যমিক উৎসগুলো থেকে উপকৃত হয়েছি এবং বিষয়ের উপকরণ গ্রহণ করেছি তা হলো: হাফেজ ইবনে আব্দুল হাদির রচিত 'তানকিহুত তাহকিক' এবং হাফেজ ইবনে রজবের রচিত 'ফাতহুল বারি শারহু সহিহিল বুখারি'—আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। আমি এই দুই কিতাবে হাদিসের বিষয়ে ইমাম আহমাদের যা কিছু বক্তব্য রয়েছে তা অনুসরণ করেছি। আর ইমাম আহমাদের মুসনাদ গ্রন্থে আমি ইল্লাল (হাদিসের ত্রুটি) সংক্রান্ত মাত্র বিশটির কিছু বেশি বর্ণনা পেয়েছি। ড. আলি বিন আব্দুল্লাহ আস-সাব্বাহ তাঁর 'আল-আহাদিসুল্লাতি আল্লাহা আল-ইমাম আহমাদ ফি মুসনাদিহি' শীর্ষক প্রবন্ধে যে অভিসন্দর্ভের কথা উল্লেখ করেছেন, যা ১৪২৩ হিজরির রবিউস সানি মাসের ১৭৬তম 'আল-বায়ান' সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে, সেটি আমি দেখার সুযোগ পাইনি।

1. গবেষণার উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে হাদিসগুলোর তাখরিজ ও বিশ্লেষণ করা।

2. ইল্লাল বা হাদিসের ত্রুটি বিষয়ক বর্ণনাকারীদের (রিজাল) সম্পর্কে ইমাম আহমাদের বক্তব্যের সহায়তা গ্রহণ করা।

3. হাদিস ও বক্তব্যের পর্যালোচনার মাধ্যমে তাঁর বক্তব্যের সাথে অন্যদের বক্তব্যের তুলনা করা।

4. ইমাম আহমাদ কর্তৃক ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্তকৃত হাদিসসমূহ এবং বর্ণনাকারীদের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পর্যালোচনার মাধ্যমে তাঁর মানহাজ বা কর্মপন্থা আহরণ করা। আর মানহাজ আহরণের জন্য ইমামের বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান প্রয়োজন, যা আমি দাবি করছি না। বরং এই ক্ষেত্রে আমার মতো স্বল্প ইলম ও সীমাবদ্ধ যোগ্যতার অধিকারীদের পক্ষে তা অর্জন করা অসম্ভব, যদিও আমি সংগ্রহ ও পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার চেষ্টা করেছি। তবে এটি আমার সম্পাদিত কর্মে কোনো ত্রুটি সৃষ্টি করে না; কারণ আমি ইমাম আহমাদের মানহাজের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো চিহ্নিত করতে তাঁদের বক্তব্যের ওপর নির্ভর করেছি যারা পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান করেছেন। এসকল আলেমদের অগ্রভাগে রয়েছেন হাফেজ আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ ইবনে রজব আল-হাম্বলি (রহমতুল্লাহি আলাইহি)। তিনি ইলমে ইলাল এবং ইলমে জারহ ওয়াত-তাদিলের ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের বক্তব্যের প্রকৃত অর্থেই পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানকারী ছিলেন। তাঁর 'শারহু ইলালিত তিরমিজি' এবং 'ফাতহুল বারি শারহু সহিহিল বুখারি' কিতাব দুটি এর প্রমাণ দেয়। আমি এই কিতাব দুটি থেকে প্রচুর উপকৃত হয়েছি। তদ্রূপ উসুলে হাদিসের অনেক বিষয়ে এবং সেগুলোতে ইমাম আহমাদের অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর 'আল-মুসাউয়াদাহ ফি উসুলিল ফিকহ' গ্রন্থের বক্তব্য থেকেও উপকৃত হয়েছি।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২০)
وقد كان رحمه الله أيضاً من أهل الاستقراء التام لمنهج الإمام أحمد. وقد أفدت أيضاً من بعض الدراسات التي سبقت في بعض الجزئيات المتعلقة بهذا الموضوع، ومن أهمها رسالة: "موقف الإمامين البخاري ومسلم من اشتراط اللقيا والسماع في السند المعنعن بين المتعاصرين"، للشيخ خالد منصور عبد الله الدريس، ورسالة: "منهج المتقدمين في التدليس" للشيخ ناصر بن حمد الفهد.

وصلى الله وسلم على عبده ورسوله محمد وعلى آله وصحبه أجمعين.
এবং তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর দয়া করুন) ইমাম আহমাদ-এর মানহাজের (পদ্ধতি) পূর্ণ পর্যালোচনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আমি এই বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কিছু গবেষণা থেকেও উপকৃত হয়েছি, যার মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো শাইখ খালিদ মানসুর আব্দুল্লাহ আদ-দুরাইস লিখিত গবেষণাপত্র: "সমসাময়িক রাবীদের মধ্যে 'আন' যুক্ত (মুআনআন) সনদে সাক্ষাত এবং শ্রবণের শর্তারোপের বিষয়ে ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিমের অবস্থান", এবং শাইখ নাসির বিন হামাদ আল-ফাহাদ লিখিত গবেষণাপত্র: "তাদলিসের ক্ষেত্রে পূর্বসূরিদের (মুতাকাদ্দিমীন) পদ্ধতি"।

আর আল্লাহ তাঁর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর ওপর দরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২১)
‌‌كلمة شكر وتقدير:

الحمد لله على نعمة الإسلام وكفى بها نعمة، وصلى الله على عبده ورسوله نبينا محمد الذي أنقذنا به من الضلالة وأبصرنا به سبل النجاة والسعادة، وعلى آله وصحبه وسلم تسليماً.

وبعد، فأحمد الله سبحانه وتعالى وأشكره على ما منّ عليّ من إتمام كتابة هذه الرسالة، وما كان ذلك ليتم لولا التيسير والتوفيق من المولى عز وجل، فله الحمد أولاً وآخراً وظاهراً وباطناً حمداً يوافي نعمه ويكافئ مزيده وكما يحب ربُّنا ويرضا.

ثم انطلاقاً من قول الرسول صلى الله عليه وسلم: "لا يشكر اللهَ من لا يشكر الناسَ"، يحق لي في هذا الموضع أن أتوجه بالشكر الجزيل والثناء الجميل لمن جعله الله سبباً في إنجاز عملي هذا، وذلك ابتداء بالجامعة الإسلامية على ما أتاحت لي من فرصة الدراسة فيها، والاستفادة من جهودها المبذولة في بث علوم الكتاب والسنة على نهج سلف الأمة، فجزى الله القائمين عليها خير الجزاء، وأجزل لهم المثوبة والعطاء.

كما أتوجه بالشكر وخالص الامتنان إلى فضيلة شيخي ومشرفي على هذه الرسالة الأستاذ الدكتور محمد بن مطر الزهراني، الذي قد تتلمذت عليه من أول قدومي إلى هذا الصرخ العلمي، وأشرف علي في رسالة الماجستير. وقد تجشَّم عناءَ المتابعة الدؤوبة حتى تم عملي هذا في هذه المرحلة العلمية، ولم يأل جهداً في إرشادي وتوجيهي ومتابعتي في جميع خطوات عملي، ولقد استفدت من توجيهاته وآرائه القيمة مما كان له أثر كبير في مباحث هذه الرسالة، وتعلمت من أدبه وخلقه وكرمه قبل علمه وفهمه، وعاملني بصدر رحب وخُلُق كريم عال، ولم يقيدني بوقت ولا زمن، فأسأل الله العلي القدير أن يجزيه عني خير الخزاء وأن يبارك له في علمه وعمره وعقبه، وأن ينفع به المسلمين وينصر به الدين، إنه قريب مجيب.
কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদের বাণী:

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য ইসলামের নিয়ামতের কারণে, আর নিয়ামত হিসেবে এটিই যথেষ্ট। আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর বান্দা ও রাসূল আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি, যাঁর মাধ্যমে তিনি আমাদের পথভ্রষ্টতা থেকে রক্ষা করেছেন এবং নাজাত ও সৌভাগ্যের পথ দেখিয়েছেন; আরও বর্ষিত হোক তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের প্রতি এবং তাঁদের ওপর অবারিত শান্তি বর্ষিত হোক।

অতঃপর, আমি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার প্রশংসা করছি এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যে, তিনি আমাকে এই গবেষণাপত্রটি সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেছেন। মহান রবের পক্ষ থেকে সহজসাধ্যতা ও তাওফিক না থাকলে এটি সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না। সুতরাং শুরু ও শেষে, প্রকাশ্যে ও গোপনে সব প্রশংসা তাঁরই; এমন প্রশংসা যা তাঁর নিয়ামতসমূহের অনুকূল এবং তাঁর অতিরিক্ত অনুগ্রহের সমতুল্য, আর যেভাবে আমাদের রব পছন্দ করেন এবং যাতে তিনি সন্তুষ্ট হন।

এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী: "যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ হয় না"-এর আলোকে এই স্থানে আমার জন্য সমীচীন হলো সেই সত্তাকে অশেষ ধন্যবাদ ও সুন্দর প্রশংসা জ্ঞাপন করা, যাঁকে আল্লাহ আমার এই কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যম বানিয়েছেন। শুরুতেই আমি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যারা আমাকে সেখানে অধ্যয়ন করার এবং উম্মতের সালাফদের মানহাজ অনুযায়ী কুরআন ও সুন্নাহর ইলম প্রচারে তাদের ব্যয়িত প্রচেষ্টা থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আল্লাহ এর সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তাঁদের সওয়াব ও পুরস্কারকে বর্ধিত করুন।

একইভাবে আমি আমার শ্রদ্ধেয় শাইখ এবং এই গবেষণাপত্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মাদ বিন মাতার আয-যাহরানীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যাঁর কাছে আমি এই ইলমি অঙ্গনে আসার শুরু থেকেই ছাত্রত্ব গ্রহণ করেছি এবং তিনি আমার মাস্টার্স থিসিসেও তত্ত্বাবধান করেছিলেন। এই শিক্ষা স্তরে আমার এই কাজটি সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত তিনি নিরলসভাবে পর্যবেক্ষণের কষ্ট সহ্য করেছেন এবং আমার কাজের প্রতিটি পদক্ষেপে আমাকে দিকনির্দেশনা প্রদান, উপদেশ ও তদারকি করতে কোনো ত্রুটি করেননি। আমি তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনা ও মতামত থেকে উপকৃত হয়েছি, যা এই গবেষণাপত্রের আলোচনাগুলোতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। আমি তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আগে তাঁর আদব, আখলাক ও উদারতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছি। তিনি আমার সাথে অত্যন্ত প্রশস্ত হৃদয়ে এবং সুউচ্চ উন্নত চরিত্রের সাথে আচরণ করেছেন এবং আমাকে নির্দিষ্ট কোনো সময়ের সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ করেননি। আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমার পক্ষ থেকে তাঁকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন, তাঁর ইলম, হায়াত ও বংশধরের মধ্যে বরকত দান করেন এবং তাঁর মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করেন ও দ্বীনকে সাহায্য করেন। নিশ্চয়ই তিনি অতি নিকটে ও দুআ কবুলকারী।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২২)
كما أتوجه بالشكر إلى سائر المشايخ الذين تعلمت منهم، وبخاصة أساتذتي في كلية الحديث التي كانت هي المَورِد الذي عَللتُ منه عللاً بعد نهلٍ، وأشكرهم وجميع القائمين عليها وأسأل الله العظيم أن يجزيهم خير الجزاء ويجعل عملهم في ميزان حسناتهم.

ولا يفوتني في هذا الموضع أن أتوجه إلى الله تعالى بأسمائه الحسنى وصفاته العلى أن يتغمد برحمته الواسعة شيخنا الدكتور عبد العزيز بن محمد بن إبراهيم آل عبد اللطيف رحمه الله، وأن يغفر له ويرفع في المهديين منزلته وأن يفسح له في قبره وينور له فيه، فقد استفدت منه في وضع أولى لبنات هذا العمل قبل أن ينزل به ما كتب الله عليه من عناء المرض ثم حالت المنية بيننا وبينه، فرحمة الله عليه رحمة واسعة.

ثم أتوجّه بالشكر إلى صاحبي الفضيلة: شيخنا الدكتور وصي الله بن محمد عباس، وشيخنا الدكتور مرزوق بن هياس الزهراني حفظهما الله على ما حظيَت به رسالتي منهما من آراء قيمة وملحوظات علمية مسددة أثْرَت مادة البحث وقوّمت اعواجاجَه، فأسأل الله تبارك وتعالى أن يجزيهما عني خير الجزاء، وأن يُبارك لهما في حياتهما وذرياتهما، وأن يجعل عملهما في ميزان حسانتهما.

وختاماً أسأل الله العظيم أن يكتب القبول لعملي هذا، وأن ينفعني به وينفع به المسلمين، وقد بذلت فيه قصارى جهدي ـ وإن كان جُهدَ المُقلّ ـ وأتيت فيه بمبلغ علمي، فما أصبت فيه فبمحض الفضل والتوفيق من الله، وما أخطأت فيه، فأسأل الله أن يتجاوز عني ويغفر لي زلتي وهو أهل التقوى وأهل المغفرة.

وصلى الله على سيدنا ونبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم تسليماً كثيراً.
সেই সাথে আমি আমার সকল শায়খদের কৃতজ্ঞতা জানাই যাদের কাছ থেকে আমি শিক্ষা লাভ করেছি, বিশেষভাবে হাদীস অনুষদে আমার উস্তাদদের প্রতি, যা ছিল এমন এক প্রস্রবণ যেখান থেকে আমি তৃপ্তিসহকারে পান করার পর বারবার পান করেছি। আমি তাঁদের এবং এর সকল দায়িত্বরতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন তাঁদেরকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন এবং তাঁদের আমলসমূহকে তাঁদের নেক আমলের পাল্লায় জমা করেন।

এই পর্যায়ে আমি মহান আল্লাহর নিকট তাঁর সুন্দরতম নামসমূহ এবং সুউচ্চ গুণাবলির মাধ্যমে প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন আমাদের শায়খ ডক্টর আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল আব্দুল লতিফ (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন)-কে তাঁর প্রশস্ত রহমত দিয়ে আবৃত করেন, তাঁকে ক্ষমা করেন, হেদায়েতপ্রাপ্তদের মাঝে তাঁর মর্যাদা সমুন্নত করেন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করেন এবং তাতে আলো দান করেন। এই কাজের প্রথম ভিত্তি স্থাপনে আমি তাঁর নিকট থেকে উপকৃত হয়েছি, তাঁর ওপর আল্লাহর নির্ধারিত অসুস্থতার কষ্ট আসার পূর্ব পর্যন্ত, অতঃপর মৃত্যু আমাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেয়। সুতরাং তাঁর ওপর আল্লাহর প্রশস্ত রহমত বর্ষিত হোক।

অতঃপর আমি দুই মহোদয় ব্যক্তি: আমাদের শায়খ ডক্টর অসিউল্লাহ বিন মুহাম্মদ আব্বাস এবং আমাদের শায়খ ডক্টর মারজুক বিন হাইয়াস আল-জাহরানি (আল্লাহ তাঁদের হেফাজত করুন)-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার এই অভিসন্দর্ভটি তাঁদের নিকট থেকে যে মূল্যবান মতামত এবং সঠিক ইলমি পর্যবেক্ষণ লাভ করেছে, তা গবেষণার বিষয়বস্তুকে সমৃদ্ধ করেছে এবং এর অসংগতিসমূহ দূর করেছে। আমি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলার নিকট প্রার্থনা করছি যেন তিনি তাঁদেরকে আমার পক্ষ থেকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করেন, তাঁদের জীবন ও বংশধরদের মধ্যে বরকত দান করেন এবং তাঁদের এই কাজকে তাঁদের নেক আমলের পাল্লায় স্থান দেন।

পরিশেষে, আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমার এই কাজটিকে কবুল করেন এবং এর মাধ্যমে আমাকে ও মুসলিমদের উপকৃত করেন। আমি এতে আমার সাধ্যমতো সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি—যদিও তা ছিল এক সামর্থ্যহীনের প্রচেষ্টা—এবং আমার ইলমের শেষ সীমা পর্যন্ত কাজ করেছি। এতে আমি যা কিছু সঠিক করেছি তা কেবল আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাওফিকে হয়েছে, আর যা কিছু ভুল করেছি তার জন্য আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমাকে মার্জনা করেন ও আমার পদস্খলন ক্ষমা করেন। তিনিই তাকওয়ার অধিকারী এবং ক্ষমা করার অধিকারী।

আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা ও নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীবর্গের ওপর অজস্র সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌الباب الأول: التعريف الموجز بالإمام أحمد وببعض الكتب التي اعتنت بتدوين كلامه في إعلال الأحاديث

وفيه فصلان:

الفصل الأول: التعريف الموجز بالإمام أحمد.

الفصل الثاني: التعريف الموجز ببعض الكتب التي اعتنت بتدوين كلام الإمام أحمد في العلل.
প্রথম অধ্যায়: ইমাম আহমাদ এবং হাদীসের ত্রুটি নির্ণয় সংক্রান্ত তাঁর বক্তব্যসমূহ লিপিবদ্ধ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপকারী কিতাবসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘ইলাল’ (হাদীসের গূঢ় ত্রুটি) শাস্ত্রে ইমাম আহমাদের বক্তব্যসমূহ সংকলনের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপকারী কিতাবসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌الفصل الأول: التعريف الموجز بالإمام أحمد.
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইমাম আহমাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌المبحث الأول: اسمه ونسبه وأسرته ومولده ونشأته.

هو الإمام حقاًّ وشيخ الإسلام صدقاً(1) أبو عبد الله أحمد بن محمّد بن حنبل ابن هلال بن أسد بن إدريس بن عبد الله بن حيان بن عبد الله ابن يروي بن عوف ابن قاسط بن مازن بن شيبان بن ذهل بن ثعلبة بن عكابة بن صعب بن علي بن بكر وائل الذهلي الشيباني المروزي، ثم البغدادي، أحد الأئمة الأعلام.

هكذا ساق نسبه ولده عبد الله، واعتمده أبو بكر الخطيب في تاريخه(2) وغيره.

 

‌‌ولادته:

كانت ولادة الإمام أحمد رحمه الله على الصحيح المشهور في ربيع الأول سنة (164) هـ، قدمت أمه بغداد وهي حامل، وولد بها(3).

قال صالح بن أحمد: سمعت أبي يقول: "ولدت في سنة أربع وستين ومائة، في أولها، في ربيع الأول، وجي به حمل من مرو"(4).

وقال عبد الله بن أحمد: سمعت أبي يقول: "ولدت في شهر ربيع الأول سنة أربع وستين ومائة … "(5).

كان أبوه من أجناد مرو، مات شابا له ثلاثون سنة، ونشأ الإمام أحمد تحت رعاية والدته وتربيتها(6).

--------------------------------------------

(1) حلاّه بذلك الحافظُ الذهبي 11 لتلتبحلاة بذلك الحافظ الذهبي رحمه الله في سير أعلام النبلاء 11/ 177.

(2) تاريخ بغداد 4/ 414.

(3) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله ـ رواية عبد الله 1/ 518 رقم 1217، وتاريخ بغداد 4/ 412، مناقب الإمام أحمد لابن الجوزي ص 24 - 35.

(4) سيرة الإمام أحمد، لابنه صالح ص 29.

(5) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله 3/ 266/رقم 5178.

(6) تاريخ بغداد 4/ 415، وسير أعلام النبلاء 11/ 179.
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাঁর নাম, বংশপরিচয়, পরিবার, জন্ম ও লালন-পালন.

তিনি হলেন প্রকৃতপক্ষে ইমাম এবং সত্যনিষ্ঠ শাইখুল ইসলাম(১) আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদ্রিস বিন আবদুল্লাহ বিন হাইয়ান বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়ারউই বিন আউফ বিন কাসিত বিন মাজিন বিন শায়বান বিন যুহল বিন সা'লাবা বিন উকাবা বিন সাব বিন আলী বিন বকর ওয়ায়েল আদ-যুহলী আশ-শায়বানী আল-মারওয়াযী, অতঃপর আল-বাগদাদী, অন্যতম প্রখ্যাত ইমাম।

এভাবেই তাঁর পুত্র আবদুল্লাহ তাঁর বংশপরিচয় বর্ণনা করেছেন এবং আবু বকর আল-খতিব তাঁর ইতিহাসে(২) ও অন্যান্যরা এটি গ্রহণ করেছেন।

 

‌‌তাঁর জন্ম:

ইমাম আহমদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর জন্ম বিশুদ্ধ ও প্রসিদ্ধ মতানুযায়ী ১৬৪ হিজরী সালের রবিউল আউয়াল মাসে হয়েছিল। তাঁর মা গর্ভবতী অবস্থায় বাগদাদে এসেছিলেন এবং সেখানেই তিনি জন্মগ্রহণ করেন(৩)।

সালিহ বিন আহমদ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: "আমি একশত চৌষট্টি সালের শুরুতে রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেছি, এবং আমাকে মার্ভ থেকে গর্ভস্থ অবস্থায় আনা হয়েছিল"(৪)।

এবং আবদুল্লাহ বিন আহমদ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: "আমি একশত চৌষট্টি সালের রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেছি..."(৫)।

তাঁর পিতা মার্ভের সৈন্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি ত্রিশ বছর বয়সে যুবক অবস্থায় মারা যান এবং ইমাম আহমদ তাঁর মায়ের তত্ত্বাবধানে ও লালন-পালনে বেড়ে ওঠেন(৬)।

--------------------------------------------

(১) হাফিজ আয-যাহাবী (রাহিমাহুল্লাহ) 'সিয়ারু আলামিন নুবালা' ১১/১৭৭-এ তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছেন।

(২) তারিখু বাগদাদ ৪/৪১৪।

(৩) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল - আবদুল্লাহর বর্ণনা ১/৫১৮, নম্বর ১২১৭; তারিখু বাগদাদ ৪/৪১২; মানাকিবুল ইমাম আহমদ (ইবনুল জাওযী), পৃষ্ঠা ২৪-৩৫।

(৪) সিরাতুল ইমাম আহমদ, তাঁর পুত্র সালিহ রচিত, পৃষ্ঠা ২৯।

(৫) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল - আবদুল্লাহর বর্ণনা ৩/২৬৬, নম্বর ৫১৭৮।

(৬) তারিখু বাগদাদ ৪/৪১৫ এবং সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/১৭৯।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌المبحث الثاني: حياته العلمية.

‌‌بداية طلبه للعلم:

بَكَّر الإمام أحمد رحمه الله في الطّلب، وقد بدأ بالاختلاف إلى الكُتّاب، ثم إلى الدّيوان وهو لم يتجاوز الخامسة عشر من عمره، وطلب الحديث وأكثر منه.

قال المرّوذي: قال لي أبو عبد الله: "اختلفت إلى الكتّاب ثم اختلفت إلى الديوان، وأنا ابن أربع عشرة سنة"(1).

قال عبد الله بن أحمد رحمه الله: "وأول شيء طلب الحديث في سنة تسع وسبعين، في السنة التي مات فيها مالك وحماد بن زيد"(2).

وقال المرّوذي: "طلبت الحديث سنة تسع وسبعين، فسمعت بموت حماد بن زيد وأنا في مجلس هشيم، وقال: سمعت من علي بن هاشم بن البريد(3) سنة تسع وتسعين(4) في أول سنة طلبت الحديث".

وكذلك كتب في هذه السنة عن علي بن ثابت الجزري(5)، فقد قال عبد الله ابنه: سمعت أبي يقول في سنة تسع وعشرين ومائتين: "كتب عن علي بن ثابت منذ خمسين سنة"(6).

--------------------------------------------

(1) سير أعلام النبلاء 11/ 185.

(2) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله ـ رواية عبد الله ـ 1/ 518/رقم 1217.

(3) علي بن هاشم بن البريد ـ بفتح الموحدة وبعد الراء تحتانية ساكنة - أبو الحسن الخزاز الكوفي. قال الحافظ ابن حجر: صدوق يتشيع، من صغار الثامنة. وقال الإمام أحمد: مات سنة 189 هـ التاريخ الكبير 6/ 300، تقريب التهذيب ترحمة 4844.

(4) وانظر أيضا: العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله ـ رواية عبد الله 1/ 518 رقم 1217.

(5) هو أبو أحمد الهاشمي مولاهم. وثقه الإمام أحمد وغيره انظر: تهذيب الكمال 20/ 337.

(6) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله 2/ 362 رقم 2606.
‌‌দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তাঁর জ্ঞানগত জীবন.

‌‌জ্ঞান অন্বেষণের সূচনা:

ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) খুব অল্প বয়সেই ইলম অন্বেষণে সচেষ্ট হন। তিনি প্রথমে মক্তবে যাতায়াত শুরু করেন, এরপর পনের বছর বয়সে পদার্পণ করার আগেই দিওয়ানে (রাষ্ট্রীয় দফতর) যেতে শুরু করেন। তিনি হাদীস অন্বেষণ শুরু করেন এবং প্রচুর হাদীস সংগ্রহ করেন।

মাররুযী বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আমাকে বলেছেন: "আমি মক্তবে যাতায়াত করতাম, এরপর চৌদ্দ বছর বয়স থেকে দিওয়ানে যেতে শুরু করি"(১)।

আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: "তিনি সর্বপ্রথম ১৭৯ হিজরীতে হাদীস অন্বেষণ শুরু করেন; যে বছর ইমাম মালিক এবং হাম্মাদ বিন যায়েদ মৃত্যুবরণ করেন"(২)।

মাররুযী বলেন: "আমি ১৭৯ হিজরীতে হাদীস অন্বেষণ শুরু করি, তখন আমি হুশাইমের মজলিসে থাকাবস্থায় হাম্মাদ বিন যায়েদের মৃত্যুর সংবাদ শুনি। তিনি (ইমাম আহমাদ) বলেন: আমি আলি বিন হাশিম বিন আল-বারীদ(৩) থেকে ৯৯ হিজরীতে(৪) হাদীস শুনেছি, যা আমার হাদীস অন্বেষণের প্রথম বছর ছিল।"

অনুরূপভাবে তিনি এই বছর আলি বিন সাবিত আল-জাযারী(৫) থেকেও হাদীস লিপিবদ্ধ করেন। তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ বলেন: আমি আমার পিতাকে ২২৯ হিজরীতে বলতে শুনেছি: "তিনি পঞ্চাশ বছর পূর্ব থেকে আলি বিন সাবিত থেকে হাদীস লিখছেন"(৬)।

--------------------------------------------

(১) সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ১১/১৮৫।

(২) আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল - আব্দুল্লাহর বর্ণনা - ১/৫১৮/ নম্বর ১২১৭।

(৩) আলি বিন হাশিম বিন আল-বারীদ - 'বা' বর্ণে ফাতহা এবং 'রা' বর্ণের পর সুকুনযুক্ত 'ইয়া' - আবু আল-হাসান আল-খাযযায আল-কুফি। হাফিজ ইবনে হাজার বলেন: তিনি সত্যবাদী, তবে শিয়া ভাবাপন্ন ছিলেন, অষ্টম স্তরের কনিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত। ইমাম আহমাদ বলেন: তিনি ১৮৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আত-তারিখুল কাবির ৬/৩০০, তাকরিবুত তাহযিব, জীবনী নম্বর ৪৮৪৪।

(৪) আরও দেখুন: আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল - আব্দুল্লাহর বর্ণনা ১/৫১৮ নম্বর ১২১৭।

(৫) তিনি হলেন আবু আহমাদ আল-হাশিমি, তাঁদের আযাদকৃত দাস। ইমাম আহমাদ ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) হিসেবে অভিহিত করেছেন। দেখুন: তাহযিবুল কামাল ২০/৩৩৭।

(৬) আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল - আব্দুল্লাহর বর্ণনা ২/৩৬২ নম্বর ২৬০৬।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌رحلاته العلمية:

لقد كان من نشاط الإمام أحمد في طلب العلم رحلاتٌ علميةٌ إلى عديد من البلدان الإسلامية آنذاك، والتي عرفت بأنها ملتقى لكبار المحدثين وفطاحل الفقهاء، وأول رحلاته كانت داخل بلاده العراق؛ فقد رحل إلى الكوفة سنة ثلاث وثمانين، وعمره تسع عشرة سنة، بعد موت شيخه هشيم بن بشير الواسطي؛ وكان هدفه السماع من عيسى بن يونس بن أبي إسحاق السبيعي، لكنه لم يظفر ببغيته؛ إذ كان عيسى حاجاً في تلك السنة، وأصيب الإمام أحمد بمرض ألجأه للعودة إلى بغداد، قال رحمه الله: "حج عيسى بن يونس سنة ثلاث وثمانين في السنة التي مات فيها هشيم، … وخرجت إلى الكوفة في تلك السنة، فمرضت ورجعت، وقدم عيسى الكوفة بعد ذلك بأيام ولم أسمع منه، ولم يحج عيسى بعد تلك السنة، وعاش بعد ذلك سنين"(1).

كما كانت أولى رحلاته إلى البصرة في رجب سنة ست وثمانين ومائتين، وهو في الثانية والعشرين من عمره، ثم خرج منها في رمضان من تلك السنة، وسمع من سهل بن يوسف الأنماطي بها(2)، ثم عاد إليها في ذي القعدة سنة أربع وتسعين ومائتين، وهو في الثلاثين من عمره، فأقام عند يحيى بن سعيد القطان ستة أشهر، وخرج منها سنة خمس وتسعين، ثم رجع إليها أيضا وهو في السادسة والثلاثين من عمره في سنة مائتين، وحضر عدة مجالس للحديث، سمع من كبار علمائها، وهي آخر مرة يدخل فيها البصرة، وفي هذا السياق يقول:

"دخلت البصرة في أول رجب سنة ست وثمانين ومائة، ومات المعتمر في سنة سبع وثمانين في أولها، ودخلت الثانية سنة تسعين، ودخلت الثالثة في سنة

--------------------------------------------

(1) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله 1/ 559 رقم 1334.

(2) المصدر نفسه 2/ 184 رقم 1944، والتاريخ الكبير 4/ 102.
তাঁর শিক্ষা সফর:

জ্ঞান অন্বেষণে ইমাম আহমাদের তৎপরতার অংশ হিসেবে তৎকালীন অসংখ্য মুসলিম দেশে তাঁর শিক্ষা সফর ছিল উল্লেখযোগ্য, যেগুলো সমকালীন বড় বড় মুহাদ্দিস ও প্রথিতযশা ফকিহদের মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত ছিল। তাঁর প্রথম সফরগুলো ছিল নিজ দেশ ইরাকের অভ্যন্তরে; তিনি তাঁর উস্তাদ হুশাইম ইবনে বাশির আল-ওয়াসিতির মৃত্যুর পর একশ তিরাশি হিজরি সনে উনিশ বছর বয়সে কুফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ঈসা ইবনে ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক আস-সাবিঈর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করা, কিন্তু তিনি তাঁর সেই লক্ষ্য হাসিল করতে পারেননি; কারণ সেই বছর ঈসা হজে গিয়েছিলেন। ইমাম আহমাদ অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাগদাদে ফিরে আসতে বাধ্য হন। তিনি (রহ.) বলেন: “হুশাইম যে বছর মারা যান, অর্থাৎ একশ তিরাশি হিজরি সনে ঈসা ইবনে ইউনুস হজ পালন করেন, … এবং আমি সেই বছর কুফায় গমন করি, ফলে অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং ফিরে আসি। এর কিছুদিন পর ঈসা কুফায় আসেন কিন্তু আমি তাঁর থেকে হাদিস শুনতে পারিনি। সেই বছরের পর ঈসা আর হজ করেননি এবং এরপর তিনি আরও কয়েক বছর জীবিত ছিলেন।”(১).

অনুরূপভাবে তাঁর প্রথম বসরা সফর ছিল দুইশ ছিয়াশি হিজরির রজব মাসে যখন তাঁর বয়স ছিল বাইশ বছর। এরপর তিনি সেই বছরের রমজান মাসে সেখান থেকে প্রস্থান করেন এবং সেখানে সাহল ইবনে ইউসুফ আল-আনমাতির নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন(২)। এরপর তিনি দুইশ চুরানব্বই হিজরির জিলকদ মাসে সেখানে পুনরায় যান যখন তাঁর বয়স ছিল ত্রিশ বছর এবং ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তানের সান্নিধ্যে ছয় মাস অবস্থান করেন। এরপর তিনি দুইশ পঁচানব্বই হিজরি সনে সেখান থেকে বের হন। পুনরায় তিনি দুইশ হিজরি সনে ছত্রিশ বছর বয়সে সেখানে ফিরে যান এবং বেশ কিছু হাদিসের মজলিসে উপস্থিত হয়ে সেখানকার প্রথিতযশা আলেমদের নিকট থেকে শ্রবণ করেন। এটিই ছিল তাঁর শেষবার বসরায় প্রবেশ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন:

“আমি একশ ছিয়াশি হিজরির রজব মাসের শুরুতে বসরায় প্রবেশ করি। মুতামির একশ সাতাশি হিজরির শুরুর দিকে মারা যান। দ্বিতীয়বার আমি একশ নব্বই সনে প্রবেশ করি এবং তৃতীয়বার প্রবেশ করি ... সনে।”

--------------------------------------------

(১) আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল - আবদুল্লাহর বর্ণনা ১/ ৫৫৯, নম্বর: ১৩৩৪।

(২) প্রাগুক্ত ২/ ১৮৪, নম্বর: ১৯৪৪, এবং আত-তারিখুল কাবির ৪/ ১০২।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩১)
أربع وتسعين وخرجت في سنة خمس وتسعين، أقمت على يحيى بن سعيد ستة أشهر، ودخلت سنة مائتين ولم أدخلها بعد ذلك وقدمت البصرة سنة أربع وتسعين وقد مات غندر بلغني أن غندر مات سنة ثلاث وتسعين والثقفي عبد الوهاب وابن أبي عدي سنة أربع وتسعين"(1).

وكان يقول أيضا: "قدمت في السنة الثالثة في سنة أربع وتسعين في ذي القعدة فأقمت على يحيى بن سعيد إلى سنة خمس فأقمت بقية ذي القعدة وذي الحجة والمحرم وصفر وشهر ربيع الأول وشهر ربيع الآخر وخرجت في جمادى الأولى في آخرها … وقد مات محمد بن جعفر غندر وابن أبي عدي والثقفي قبل أن أقدم، فأخبرت أن محمد بن جعفر مات سنة ثلاث وتسعين، ومات ابن أبي عدي وعبد الوهاب الثقفي سنة أربع وتسعين قبل أن أقدم … وقدمت في السنة الرابعة سنة مائتين، فأقمنا على أبي داود(2) وكان يحدث مجالس، ثم تحولنا إلى عبد الصمد، وكنا نختلف أيضا إلي البرساني، وقد سمعت منه قبل ذلك في سنة أربع وتسعين، ما أردت من حديث ابن جريج، وكنت أختلف إلى عبد الرحمن وبهز وأنا مقيم على يحيى بن سعيد وكنت أختلف إلى عثمان بن عمر سنة مائتين … "(3).

 

‌‌وأمّا رحلاته خارج العراق فقد كان منها:

- رحلته إلى مكة شرفها الله تعالى لأداء شعائر حجته الأولى ولقاء العلماء بها، ثم توالت حججه بعدها، فحج خمس مرات ثلاث منها ماشيا على رجليه(4)،

--------------------------------------------

(1) العلل ومعرفة الرجال ـ برواية عبد الله 1/ 174/رقم 118، وانظر أيضا: العلل ومعرفة الرجال ـ برواية عبد الله 1/ 561/رقم 1339.

(2) هو سليمان بن داود أبو داود الطيالسي.

(3) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله 3/ 448/رقم 5904، 5905، 5906.

(4) انظر: تقدمة الجرح والتعديل ص 304، وحلية الأولياء 9/ 183.
চুরানব্বই সালে এবং আমি বের হয়েছিলাম পঁচানব্বই সালে। আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের নিকট ছয় মাস অবস্থান করেছিলাম। আমি দুইশ হিজরী সালে (বসরায়) প্রবেশ করেছিলাম এবং এরপর আর সেখানে যাইনি। আমি চুরানব্বই সালে বসরায় আসি, তখন গুন্দার ইন্তেকাল করেছেন। আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, গুন্দার তেরানব্বই সালে এবং আস-সাকাফী আব্দুল ওয়াহহাব ও ইবনে আবি আদি চুরানব্বই সালে ইন্তেকাল করেছেন।(১)

তিনি আরও বলতেন: "আমি তৃতীয়বার চুরানব্বই সালের জিলকদ মাসে এসেছিলাম। অতঃপর আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের নিকট পঁচানব্বই সাল পর্যন্ত অবস্থান করি। আমি জিলকদ মাসের অবশিষ্টাংশ, জিলহজ, মহররম, সফর, রবিউল আউয়াল মাস ও রবিউস সানী মাস অবস্থান করি এবং জমাদিউল আউয়াল মাসের শেষে বের হই... আমি আসার আগেই মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার, ইবনে আবি আদি ও আস-সাকাফী ইন্তেকাল করেছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছে যে, মুহাম্মদ ইবনে জাফর তেরানব্বই সালে মারা গেছেন এবং ইবনে আবি আদি ও আব্দুল ওয়াহহাব আস-সাকাফী আমি আসার আগে চুরানব্বই সালে মারা গেছেন... আমি চতুর্থবার দুইশ হিজরী সালে এসেছিলাম, তখন আমরা আবু দাউদের(২) নিকট অবস্থান করি, তিনি আমাদের মজলিসে হাদিস শোনাতেন। এরপর আমরা আব্দুল সামাদের নিকট চলে যাই। আমরা আল-বুরসানির কাছেও যাতায়াত করতাম, ইতিপূর্বে চুরানব্বই সালে আমি তার থেকে ইবনে জুরাইজের হাদিস যা চেয়েছিলাম তা শুনেছিলাম। আমি আব্দুর রহমান ও বাহজের কাছেও যাতায়াত করতাম যখন আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের নিকট অবস্থান করছিলাম। আর আমি দুইশ হিজরী সালে উসমান ইবনে উমরের কাছেও যাতায়াত করতাম..."(৩)

 

‌আর ইরাকের বাইরে তার সফরসমূহের মধ্যে ছিল:

- প্রথম হজ পালন ও সেখানকার আলেমদের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে মক্কা (আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন)-এর দিকে তার সফর। এরপর ধারাবাহিকভাবে তিনি আরও হজ করেন। তিনি মোট পাঁচবার হজ পালন করেন, যার মধ্যে তিনবার তিনি পায়ে হেঁটে সম্পাদন করেন(৪)।

--------------------------------------------

(১) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল — আব্দুল্লাহর বর্ণনা ১/ ১৭৪/ নং ১১৮, আরও দেখুন: আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল — আব্দুল্লাহর বর্ণনা ১/ ৫৬১/ নং ১৩৩৯।

(২) তিনি হলেন সুলাইমান ইবনে দাউদ আবু দাউদ আত-তায়ালিসি।

(৩) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল - আব্দুল্লাহর বর্ণনা ৩/ ৪৪৮/ নং ৫৯০৪, ৫৯০৫, ৫৯০৬।

(৪) দেখুন: তাকাদ্দুমাতুল জারহি ওয়াত তাদিল পৃষ্ঠা ৩০৪, এবং হিলইয়াতুল আউলিয়া ৯/ ১৮৩।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩২)
يلتقي بسفيان بن عيينة في أربعة مواسم منها، وقد أقام عنده سنة في أول حجّته وكان ذلك في سنة (187) هـ وعمره لم يتجاوز ثلاثا وعشرين سنة؛ وفاته السماع من فضيل بن عياض؛ إذ مات فضيل قبل وصوله مكة؛ قال عبد الله ابنه: سمعته يقول: "وافيت سفيان أربعة مواسم، كل ذلك أسمع منه، وأقمت بمكة سنة، وأول سنة حججت سنة سبع وثمانين سنة مات فضيل، قدمنا وقد مات فضيل، والثانية سنة إحدى وتسعين ومائة"(1).

وكان في أمنيته أن يدخل المدينة في أول عام يحج فيه، ويسمع من علمائها، وقد جاء ومعه أطراف أحاديث أبي علقمة الفروي لعرضها عليه، وسماعها منه لكن لم يكتب الله له ذلك؛ وكان يقول: "أول سنة حججت سنة سبع وثمانين، كنت أمشي ولم يقدر لي دخول المدينة يعني تلك السنة، وكانت معي أطراف لأبي علقمة الفروي(2)، فلم يقدر أن أسمع منه شيئا"(3).

كما رحل أيضا إلى اليمن للقاء عبد الرزاق بن همام الصنعاني سنة تسع وتسعين، وجاءهم نعي القطان وابن مهدي وهم عند عبد الرزاق الصنعاني، قال رحمه الله: " … وجاءنا موت سفيان بن عيينة ونحن عند عبد الرزاق في سنة ثمان وتسعين ومات يحيى بن سعيد وعبد الرحمن ونحن عند عبد الرزاق سنة ثمان وتسعين"(4).

كما كانت له الرحلة إلى عديد من بلاد الشام سمع خلالها من محدثيها الكبار، قال ابن عساكر: "كان قد خرج إلى الشام قاصدا لمحمد بن يوسف

--------------------------------------------

(1) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله ـ رواية عبد الله ـ 3/ 139/رقم 4611. وانظر أيضا المصدر نفسه 1/ 561/رقم 1338.

(2) هو عبد الله بن محمد بن عبد الله بن أبي فروة الأموي مولاهم، أبو علقمة الفروي المدني. صدوق من الثامنة، مات سنة 190 تقريب التهذيب 3612.

(3) المصدر نفسه 1/ 560/رقم 1338.

(4) المصدر نفسه 3/ 448/رقم 5904، 5905، 5906.
তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নার সাথে চারটি মৌসুমে সাক্ষাৎ করেন, এবং তার প্রথম হজের সময় তার নিকট এক বছর অবস্থান করেন। এটি ছিল ১৮৭ হিজরিতে এবং তখন তার বয়স তেইশ বছরের বেশি ছিল না। ফুদাইল ইবনে ইয়াদ থেকে শোনার (হাদিস গ্রহণের) সুযোগ তার হাতছাড়া হয়; কারণ তিনি মক্কায় পৌঁছানোর আগেই ফুদাইল মারা গিয়েছিলেন। তার পুত্র আবদুল্লাহ বলেন: আমি তাকে বলতে শুনেছি: "আমি চারটি মৌসুমে সুফিয়ানের সাথে সাক্ষাৎ করেছি, যার প্রত্যেকটিতেই আমি তার নিকট থেকে শুনেছি (হাদিস গ্রহণ করেছি)। আমি মক্কায় এক বছর অবস্থান করেছি। আমি প্রথম যে বছর হজ করেছি, সেটি ছিল সাতাশি (১৮৭) সাল, সে বছরই ফুদাইল মারা যান। আমরা যখন পৌঁছালাম, তখন ফুদাইল মারা গিয়েছিলেন। আর দ্বিতীয়বার ছিল একশত একানব্বই (১৯১) সালে"(১).

তার আকাঙ্ক্ষা ছিল যে বছর তিনি প্রথম হজ করবেন সে বছরই মদিনায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানকার আলেমদের থেকে (হাদিস) শুনবেন। তিনি আবু আলকামা আল-ফারউয়ির হাদিসসমূহের সূচিপত্র (আতরাফ) সাথে নিয়ে এসেছিলেন যাতে তা তার কাছে পেশ করতে পারেন এবং তার থেকে শুনতে পারেন, কিন্তু আল্লাহ তার ভাগ্যে তা লিখে রাখেননি। তিনি বলতেন: "আমি প্রথম যে বছর হজ করেছি সেটি ছিল সাতাশি সাল, আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম কিন্তু সে বছর মদিনায় প্রবেশ করা আমার ভাগ্যে জোটেনি। আমার সাথে আবু আলকামা আল-ফারউয়ির(২) সূচিপত্র ছিল, কিন্তু তার থেকে কিছু শোনার সুযোগ আমার হয়ে ওঠেনি"(৩).

একইভাবে তিনি নিরানব্বই (১৯৯) সালে আবদুর রাজ্জাক ইবনে হাম্মাম আস-সান'আনির সাথে সাক্ষাৎ করতে ইয়েমেনে সফর করেন। তারা যখন আবদুর রাজ্জাক আস-সান'আনির নিকট ছিলেন তখন তাদের কাছে আল-কাত্তান এবং ইবনে মাহদির মৃত্যুর সংবাদ আসে। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: " … আমরা যখন আবদুর রাজ্জাকের নিকট ছিলাম, তখন আমাদের কাছে আটানব্বই (১৯৮) সালে সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নার মৃত্যুর সংবাদ আসে। আর আমরা যখন আবদুর রাজ্জাকের নিকট ছিলাম, তখন আটানব্বই সালে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ও আবদুর রহমান মারা যান"(৪).

এছাড়াও তার শামের (সিরিয়া অঞ্চল) বিভিন্ন শহরে সফর ছিল, যে সময়ে তিনি সেখানকার বড় বড় মুহাদ্দিসদের থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। ইবনে আসাকির বলেন: "তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফের উদ্দেশ্যে শামের দিকে বের হয়েছিলেন।

--------------------------------------------

(১) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল - আবদুল্লাহর বর্ণনা - ৩/ ১৩৯/ নং ৪৬১১। আরও দেখুন উক্ত উৎস ১/ ৫৬১/ নং ১৩৩৮।

(২) তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়া আল-উমাইয়ি তাদের মাওলা, আবু আলকামা আল-ফারউয়ি আল-মাদানি। তিনি অষ্টম স্তরের একজন সত্যবাদী (সদুক) রাবি, ১৯০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাকরিবুত তাহজিব ৩৬১২।

(৩) উক্ত উৎস ১/ ৫৬০/ নং ১৩৩৮।

(৪) উক্ত উৎস ৩/ ৪৪৮/ নং ৫৯০৪, ৫৯০৫, ৫৯০৬।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৩)
الفريابي، إلى قيسارية، فبلغته وفاته في الطريق، فعدل إلى حمص، فسمع بها أبا اليمان الحكم بن نافع، ويزيد بن عبد ربه، وبشر بن شعيب بن حمزة … واجتاز بدمشق، وسمع من أهل دمشق؛ من الوليد بن مسلم، وزيد بن يحيى بن عبيد"(1).

وقال الإمام أحمد: "كتبت عن مبشر الحلبي، خمسة أحاديث بمسجد حلب، كنا خرجنا إلى طَرسوس، على أرجلنا"(2).

وكان خروجه إلى طَرَسوس(3) ماشياً(4) للرباط بثغورها، بصحبة خَلَف المخرّمي(5)؛ قال عبد الله بن محمود بن الفرج: سمعت عبد الله بن أحمد يقول: "خرج أبي إلى طَرَسُوس، ورابط بها وغزا، ثم قال أبي: رأيت العلم بها يموت"(6).

 

‌‌شيوخه وتلاميذه:

كتب الإمام أحمد بن حنبل رحمه الله عن خلق كثير من الشيوخ، وتخرج على أيدي كبار المحدثين وأئمة أعلام، اعتنى غير واحد ممن ترجم له بذكرهم كابن الجوزي، والخطيب البغدادي، وقال هذا الأخير بعد ذكر جملة كبيرة منهم: "وخلق سواهم يطول ذكرهم ويشق إحصاء أسمائهم"(7)، كما عدّ له المزي في "تهذيب الكمال" سبعة وعشرين ومائة شيخٍ(8).

--------------------------------------------

(1) تاريخ دمشق 5/ 253.

(2) سير أعلام النبلاء 11/ 308.

(3) طرسوس: بفتح أوله وثانيه، وسينين مهملتين، بينمهما واو ساكنة، بلدة مشهورة بثغور الشام بين أنطاكية وحلب وبلاد الروم. انظر: معجم البلدان 4/ 31.

(4) انظر: حلية الأولياء 9/ 183.

(5) انظر: السنة للخلال 3/ 503 - 504/رقم 805.

(6) سير أعلام النبلاء 11/ 311.

(7) تاريخ بغداد 4/ 413.

(8) تهذيب الكمال 1/ 437 - 440.
আল-ফিরইয়াবি, কায়সারিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন, কিন্তু পথে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছালে তিনি হিমসের দিকে মোড় নিলেন। সেখানে তিনি আবু আল-ইয়ামান আল-হাকাম বিন নাফি, ইয়াজিদ বিন আবদ রাব্বিহি এবং বিশর বিন শুআইব বিন হামযাহর নিকট … (হাদিস) শ্রবণ করেন এবং দামেস্ক অতিক্রম করেন। দামেস্কের অধিবাসীদের নিকট থেকেও তিনি (হাদিস) শ্রবণ করেন; যেমন ওয়ালিদ বিন মুসলিম এবং যায়েদ বিন ইয়াহইয়া বিন উবাইদ"(১)।

ইমাম আহমাদ বলেন: "আমি মুবাশশির আল-হালাবির নিকট থেকে হালবের মসজিদে পাঁচটি হাদিস লিপিবদ্ধ করেছি। আমরা পায়ে হেঁটে তারসুসের উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলাম"(২)।

তারসুসের(৩) সীমান্ত পাহারার উদ্দেশ্যে তিনি খালাফ আল-মুখাররামির(৫) সাথে পায়ে হেঁটে(৪) সেখানে গমন করেছিলেন। আব্দুল্লাহ বিন মাহমুদ বিন আল-ফারাজ বলেন: আমি আব্দুল্লাহ বিন আহমাদকে বলতে শুনেছি: "আমার পিতা তারসুসে গিয়েছিলেন, সেখানে তিনি সীমান্ত পাহারা দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। অতঃপর আমার পিতা বলেন: আমি দেখলাম সেখানে ইলম (জ্ঞান) বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে"(৬)।

 

‌‌তাঁর শিক্ষক ও ছাত্রগণ:

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) অসংখ্য শিক্ষকের নিকট থেকে (হাদিস) লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি বড় বড় মুহাদ্দিস ও প্রখ্যাত ইমামগণের অধীনে শিক্ষা লাভ করেন। তাঁর জীবনীকারদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি তাঁদের নাম উল্লেখ করার ব্যাপারে বিশেষ যত্ন নিয়েছেন, যেমন ইবনুল জাওযি এবং আল-খতিব আল-বাগদাদি। পরবর্তী ব্যক্তি (খতিব বাগদাদি) তাঁদের এক বিশাল দলের কথা উল্লেখ করার পর বলেন: "তাঁরা ছাড়াও এমন আরও অনেক রয়েছেন যাদের নাম উল্লেখ করা দীর্ঘ হবে এবং গণনা করা কঠিন হবে"(৭), যেমনটি আল-মিযযি তাঁর "তহযীবুল কামাল" গ্রন্থে তাঁর একশত সাতাশ জন শিক্ষকের নাম গণনা করেছেন(৮)।

--------------------------------------------

(১) তারিখে দামেশক ৫/ ২৫৩।

(২) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ৩০৮।

(৩) তারসুস: প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণে ফাতহা, এবং মাঝখানে ওয়াও সাকিনসহ দুটি সিন; এটি শামের সীমান্ত অঞ্চলের একটি বিখ্যাত শহর যা আনতাকিয়া, হালব ও রোম সাম্রাজ্যের মাঝে অবস্থিত। দেখুন: মুজামুল বুলদান ৪/ ৩১।

(৪) দেখুন: হিলইয়াতুল আউলিয়া ৯/ ১৮৩।

(৫) দেখুন: আল-খলাল রচিত আস-সুন্নাহ ৩/ ৫০৩ - ৫০৪/ নম্বর ৮০৫।

(৬) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ৩১১।

(৭) তারিখে বাগদাদ ৪/ ৪১৩।

(৮) তহযীবুল কামাল ১/ ৪৩৭ - ৪৪০।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৪)
قال الحافظ الذهبي رحمه الله: "فعدة شيوخه الذين روى عنهم في "المسند" مائتان وثمانون ونيف"(1).

وقد كان الإمام أحمد ملازما لبعض شيوخه أكثر من غيرهم، وحافظاً لأحاديث بعضهم أكثر من حفظه لأحاديث غيره، كما أن له اختصاصا في كثرة الرواية عن بعضهم، فمن هؤلاء:

1) هشيم بن بشير الواسطي ت (183) هـ كان من شيوخه الأوائل الذين أخذ عنهم الحديث(2)، وقد لازمه نحوا من أربع سنين؛ وأكثر عنه وجوّد(3). قال صالح بن أحمد، عن أبيه: "أول سماعي من هشيم، سنة تسع وسبعين … إلا أني لم أعتمد بعض سماعي، ولزمناه سنة ثمانين، وإحدى وثمانين، وثنتين، وثلاث، ومات في سنة ثلاث ثمانين، فكتبنا عنه كتاب الحج، نحو من ألف حديث، وبعض التفسير، والقضاء، وكتباً صغاراً. قلت: يكون ثلاثة آلاف؟ قال: أكثر"(4).

2) عبد الرحمن بن مهدي ت (198) هـ، فقد أخذ عنه وأكثر، حتى قال هو بنفسه: "يكون ما كتبنا عن عبد الرحمن مع ما عرضت عليه من حديث مالك عشرة آلاف أو أكثر"(5).

3) وكيع بن الجراح الرؤاسي الكوفي ت (197) هـ، فقد كتب عنه وأكثر، بل كان يقول: "ما كتبت عن أحد أكثر من وكيع"(6).

--------------------------------------------

(1) سير أعلام النبلاء 11/ 181.

(2) انظر: حلية الأولياء 9/ 162، 163، وتاريخ بغداد 4/ 416.

(3) كما قال الحافظ الذهبي في سير أعلام النبلاء 11/ 180.

(4) سيرة الإمام أحمد لابن صالح ص 33.

(5) العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله 2/ 98/رقم 1686.

(6) سير أعلام النبلاء 11/ 207.
হাফেজ যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "তাঁর 'মুসনাদ'-এ যে সকল শায়খদের থেকে তিনি বর্ণনা করেছেন তাঁদের সংখ্যা দুইশত আশিরও কিছু বেশি"(১)।

ইমাম আহমাদ তাঁর কিছু শায়খের সাথে অন্যদের তুলনায় বেশি সময় অবস্থান করেছিলেন এবং অন্যদের তুলনায় তাঁদের বর্ণিত হাদিসগুলো অধিক পরিমাণে হেফজ করেছিলেন। তেমনিভাবে তাঁদের কারো কারো থেকে হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ আধিক্য ছিল। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

১) হুশাইম বিন বাশির আল-ওয়াসিতি (মৃ. ১৮৩ হি.), তিনি ছিলেন তাঁর প্রাথমিক শায়খদের একজন যাদের থেকে তিনি হাদিস গ্রহণ করেছিলেন(২)। তিনি প্রায় চার বছর তাঁর সাথে নিবিড়ভাবে ছিলেন; তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন এবং তা নিপুণভাবে আয়ত্ত করেছিলেন(৩)। সালিহ বিন আহমাদ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন: "আমি হুশাইম থেকে প্রথম হাদিস শুনি ১৭৯ সনে ... তবে আমি আমার কিছু শোনা হাদিসের ওপর নির্ভর করিনি। আমরা ১৮০, ১৮১, ১৮২ এবং ১৮৩ সনে তাঁর সাথে নিবিড়ভাবে ছিলাম। তিনি ১৮৩ সনে মৃত্যুবরণ করেন। আমরা তাঁর নিকট থেকে 'কিতাবুল হাজ্জ' লিখেছিলাম যা প্রায় এক হাজার হাদিস সম্বলিত ছিল, এছাড়াও কিছু তাফসির, কাজা (বিচার ব্যবস্থা) এবং কিছু ছোট ছোট কিতাব লিখেছিলাম। আমি বললাম: এগুলো কি তিন হাজার হবে? তিনি বললেন: তার চেয়েও বেশি"(৪)।

২) আব্দুর রহমান বিন মাহদি (মৃ. ১৯৮ হি.), তাঁর নিকট থেকে তিনি হাদিস গ্রহণ করেছেন এবং প্রচুর বর্ণনা করেছেন, এমনকি তিনি নিজেই বলেছেন: "আমি আব্দুর রহমানের নিকট থেকে যা লিখেছি এবং ইমাম মালিকের হাদিস থেকে তাঁর কাছে যা পেশ করেছি, সব মিলিয়ে দশ হাজার বা তারও বেশি হবে"(৫)।

৩) ওয়াকি' বিন আল-জাররাহ আর-রুয়াসি আল-কুফি (মৃ. ১৯৭ হি.), তাঁর থেকে তিনি হাদিস লিখেছিলেন এবং প্রচুর বর্ণনা করেছিলেন; বরং তিনি বলতেন: "আমি ওয়াকি'র চেয়ে বেশি আর কারো থেকে লিখিনি"(৬)।

--------------------------------------------

(১) সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ১১/ ১৮১।

(২) দেখুন: হিলয়াতুল আউলিয়া ৯/ ১৬২, ১৬৩ এবং তারিখু বাগদাদ ৪/ ৪১৬।

(৩) যেমনটি হাফেজ যাহাবী সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ১১/ ১৮০-তে বলেছেন।

(৪) সীরাতুল ইমাম আহমাদ, ইবনে সালিহ রচিত, পৃষ্ঠা ৩৩।

(৫) আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল - আবদুল্লাহর বর্ণনা অনুযায়ী ২/ ৯৮/ নং ১৬৮৬।

(৬) সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ১১/ ২০৭।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৫)
وقال عبد الله بن أحمد: قال لي أبي: "خذ أي كتاب شئت من كتب وكيع من المصنف، فإن شئت أن تسألني عن الكلام حتى أخبرك بالإسناد، وإن شئت بالإسناد حتى أخبرك أنا بالكلام"(1).

1) إسماعيل بن إبراهيم بن علية البصريّ ت (193) هـ، كتب عنه الإمام أحمد في حياة هشيم ثم لزمه بعد موت هشيم عشر سنين؛ وكان يقول: "لزمنا ابن علية بعد موت هشيم عشر سنين، إلا أن تغيب إلى موضع، ومات هشيم سنة ثلاث وثمانين، ومات إسماعيل سنة ثلاث وتسعين، وكتبنا عنه أيضا في حياة هشيم"(2).

2) عفان بن مسلم الصفّار البصريّ ت (220) هـ، وقد لزمه أيضا عشر سنين؛ قال عبد الله: سمعت أبي يقول: "لزمنا عفان عشر سنين ـ يعني ببغداد"(3).

3) يحيى بن سعيد القطان البصري ت (198) هـ قال الحافظ الذهبي معدداً مَن سمع منهم من شيوخه: " … ويحيى القطان، فبالغ"(4). وقد حزن يحيى القطان يوم خرج الإمام أحمد من البصرة، وتوجه إلى واسط للسماع من يزيد بن هارون، قال عبد الله بن أحمد: سمعت أبي يقول: "شق على يحيى

ابن سعيد يوم خرجت من البصرة ـ يعني اغتم بخروجه من عنده ـ قال: وسأل يحيى بن سعيد عني وأنا بواسط مقيم على يزيد بن هارون، فقالوا: هو بواسط، فقال: أَيْشٍ يصنع بواسط؟ فقالوا: عند يزيد بن هارون، فقال: وَأَيْشٍ يصنع عند يزيد بن هارون؟ " أو كما قال أبي(5).

--------------------------------------------

(1) سير أعلام النبلاء 11/ 186.

(2) العلل ومعرفة الرجال ـ برواية عبد الله 2/ 363/رقم 2608.

(3) العلل ومعرفة الرجال ـ برواية عبد الله 3/ 435/رقم 5848.

(4) سير أعلام النبلاء 11/ 180.

(5) العلل ومعرفة الرجال ـ برواية عبد الله 2/ 302/رقم 2339. وليس في كلام القطان هذا غمز ليزيد بن هارون، وإنما فيه تأسفه على فراق الإمام أحمد.
এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ বলেছেন: আমার পিতা আমাকে বললেন: "ওয়াকি-এর মুসান্নাফ গ্রন্থগুলো থেকে তোমার ইচ্ছা মতো যেকোনো গ্রন্থ নাও। তুমি চাইলে আমাকে পাঠ্য (মতন) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারো যাতে আমি তোমাকে সেটির সনদ (সূত্র) জানিয়ে দেই, আর চাইলে সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারো যাতে আমি তোমাকে সেটির পাঠ্য জানিয়ে দেই"(১).

১) ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম ইবনে উলাইয়্যাহ আল-বাসরী, মৃত্যু (১৯৩) হিজরী। ইমাম আহমদ হুশাইমের জীবদ্দশায় তাঁর কাছ থেকে হাদীস লিখেছেন, অতঃপর হুশাইমের মৃত্যুর পর দশ বছর তাঁর সান্নিধ্যে ছিলেন। তিনি বলতেন: "হুশাইমের মৃত্যুর পর আমরা ইবনে উলাইয়্যাহর সাথে দশ বছর ছিলাম, তবে তিনি যখন কোথাও অনুপস্থিত থাকতেন সেই সময়টুকু বাদে। হুশাইম একশত তিরাশি সালে মারা যান এবং ইসমাইল একশত তিরানব্বই সালে মারা যান। আমরা হুশাইমের জীবদ্দশায়ও তাঁর কাছ থেকে হাদীস লিখেছি"(২).

২) আফফান ইবনে মুসলিম আস-সাফফার আল-বাসরী, মৃত্যু (২২০) হিজরী। তিনি তাঁর সান্নিধ্যেও দশ বছর ছিলেন। আব্দুল্লাহ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: "আমরা আফফানের সাথে দশ বছর ছিলাম—অর্থাৎ বাগদাদে"(৩).

৩) ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান আল-বাসরী, মৃত্যু (১৯৮) হিজরী। হাফেজ আয-যাহাবী তাঁর শিক্ষকদের তালিকা করতে গিয়ে—যাঁদের থেকে তিনি শুনেছেন—বলেন: " … এবং ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, তিনি প্রচুর (শুনেছেন)"(৪)। ইয়াহইয়া আল-কাত্তান সেদিন অত্যন্ত দুঃখিত হয়েছিলেন যেদিন ইমাম আহমদ বসরা ছেড়ে ইয়াজিদ ইবনে হারুনের কাছ থেকে শোনার জন্য ওয়াসিতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি: "ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের জন্য সেদিনটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল

যেদিন আমি বসরা ত্যাগ করলাম—অর্থাৎ তাঁর সান্নিধ্য ছেড়ে আমার চলে যাওয়ায় তিনি শোকাহত হয়েছিলেন—তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যখন আমি ওয়াসিতে ইয়াজিদ ইবনে হারুনের কাছে অবস্থান করছিলাম। লোকেরা বলল: সে তো ওয়াসিতে আছে। তিনি বললেন: সে ওয়াসিতে কী করছে? তারা বলল: ইয়াজিদ ইবনে হারুনের কাছে আছে। তিনি বললেন: ইয়াজিদ ইবনে হারুনের কাছে সে কী করছে?" অথবা আমার পিতা যেমনটি বলেছেন(৫).

--------------------------------------------

(১) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ১৮৬।

(২) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল — আব্দুল্লাহর বর্ণনা ২/ ৩৬৩/ নম্বর ২৬০৮।

(৩) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল — আব্দুল্লাহর বর্ণনা ৩/ ৪৩৫/ নম্বর ৫৮৪৮।

(৪) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ১৮০।

(৫) আল-ইলাল ওয়া মারিফাতুর রিজাল — আব্দুল্লাহর বর্ণনা ২/ ৩০২/ নম্বর ২৩৩৯। কাত্তানের এই বক্তব্যের মাঝে ইয়াজিদ ইবনে হারুনের প্রতি কোনো অবজ্ঞা নেই, বরং এতে ইমাম আহমদের বিচ্ছেদে তাঁর আক্ষেপ প্রকাশ পেয়েছে।
(খণ্ড: ১) মানহাজুল ইমাম আহমাদ ফী ইলালিল আহাদিস (পৃষ্ঠা: ৩৬)
1) سفيان بن عيينة أبو محمد الهلالي المكي ثم الكوفي ت (198) هـ، وافاه الإمام أحمد مكة في أربعة مواسم للسماع منه والأخذ عنه(1).

2) محمد بن جعفر غندر البصري ت (193) هـ فقد كتب الكثير عنه على الوجه ونسخ عدة من نسخ كتبه(2).

 

‌‌وأما تلاميذه، فمن البَدهي في حق إمام مثل أحمد بن حنبل الذي سمع وأكثر وجوّد أن يتاكثر عليه القاصدون، وأن يسعى للسماع منه الداني والقاصي، فقد كتب وسمع عنه عدد لا يكاد يأتي عليه إحصاء أو يحويهم استقصاء، بل ذُكر أنه يجتمع في مجلس من مجالسه العلمية زهاء خمسة آلاف أو يزيدون، خمسمائة يكتبون، والباقون يتعلمون منه حسن الأدب والسمت(3).

وقد جمع الخلال جزءًا في تسمية الرواة عنه قال الحافظ الذهبي: "سمعناه من الحسن بن علي، عن جعفر، عن السلفي، عن السراج، عنه، فعد فيهم: وكيعَ ابن الجراح، ويحيى بن آدم"(4).

وهذان من شيوخه، وقد سمع منه أيضا من شيوخه: عبد الرزاق والحسن بن موسى الأشيب، وأبو عبد الله الشافعي لكنه لم يسمه بل قال: حدثني الثقة(5).

كما سمع منه من أقرانه: علي بن المديني، ويحيى بن معين، وغيرهما.

--------------------------------------------

(1) انظر: العلل ومعرفة الرجال - برواية عبد الله 3/ 139/رقم 4611.

(2) سير أعلام النبلاء 11/ 308.

(3) سير أعلام النبلاء 11/ 316.

(4) سير أعلام النبلاء 11/ 183.

(5) انظر: سير أعلام النبلاء 11/ 189.
১) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আবু মুহাম্মদ আল-হিলালি আল-মাক্কি অতঃপর আল-কুফি (মৃত্যু ১৯৮ হিজরি), ইমাম আহমাদ তাঁর থেকে শোনার এবং ইলম অর্জনের জন্য মক্কায় চারটি মৌসুমে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন(১)।

২) মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার আল-বাসরি (মৃত্যু ১৯৩ হিজরি), তিনি তাঁর থেকে সরাসরি অনেক কিছু লিখেছেন এবং তাঁর কিতাবসমূহের বেশ কিছু অনুলিপি তৈরি করেছেন(২)।

 

‌‌আর তাঁর ছাত্রগণ সম্পর্কে, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের মতো একজন ইমামের ক্ষেত্রে এটি স্বতঃসিদ্ধ—যিনি প্রচুর পরিমাণে হাদিস শুনেছেন এবং তা সুনিপুণভাবে আয়ত্ত করেছেন—যে তাঁর কাছে জ্ঞানপিপাসুদের ভিড় হবে এবং নিকট ও দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ তাঁর কাছে শোনার জন্য প্রচেষ্টা চালাবে। অসংখ্য মানুষ তাঁর থেকে লিখেছেন এবং শুনেছেন যাদের সংখ্যা গণনা করা বা পূর্ণ পরিসংখ্যানে নিয়ে আসা প্রায় অসম্ভব। বরং বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁর ইলমি মজলিসগুলোর কোনো একটিতে প্রায় পাঁচ হাজার বা তাঁর চেয়েও বেশি মানুষ সমবেত হতো; তাদের মধ্যে পাঁচশ জন লিখতেন এবং বাকিরা তাঁর থেকে উত্তম শিষ্টাচার ও আচার-আচরণ শিখতেন(৩)।

আল-খাল্লাল তাঁর থেকে বর্ণনাকারীদের নাম নিয়ে একটি সংকলন তৈরি করেছেন। হাফেজ আয-যাহাবি বলেছেন: "আমরা এটি হাসান ইবনে আলী থেকে, তিনি জাফর থেকে, তিনি আস-সালাফি থেকে, তিনি আস-সাররাজ থেকে এবং তিনি তাঁর (খাল্লাল) থেকে শুনেছেন। তিনি তাঁদের মধ্যে ওয়াকি ইবনুল জাররাহ এবং ইয়াহইয়া ইবনে আদমকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন"(৪)।

আর এই দুজন ছিলেন তাঁর শিক্ষকগণের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর শিক্ষকগণের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক, হাসান ইবনে মুসা আল-আশিব এবং আবু আব্দুল্লাহ আশ-শাফিঈও তাঁর থেকে শুনেছেন। তবে তিনি তাঁর নাম উল্লেখ না করে বরং বলেছেন: "আমার কাছে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন"(৫)।

তেমনিভাবে তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে আলী ইবনুল মাদিনি, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন এবং আরও অনেকে তাঁর থেকে শুনেছেন।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: আল-ইলাল ওয়া মা'রিফাতুর রিজাল - আব্দুল্লাহর বর্ণনা ৩/ ১৩৯/ নম্বর ৪৬১১।

(২) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ৩০৮।

(৩) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ৩১৬।

(৪) সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ১৮৩।

(৫) দেখুন: সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/ ১৮৯।