0/0
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: -)
التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع - مع حواشي التنقيح   (المرداوي - الحجاوي)

القسم: الفقه الحنبلي


الكتاب: التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع

المؤلف: علاء الدين أبي الحسن علي بن سليمان ابن أحمد السعدي المرداوي الحنبلي (ت 885 هـ)

وبهامشه: «حاشية التنقيح» للحجاوي (ت 968 هـ)

و: «حاشية التنقيح» لمؤلفه المرداوي

المحقق: الدكتور ناصر بن سعود بن عبد الله السلامة

الناشر: مكتبة الرشد ناشرون، السعودية - الرياض

الطبعة: الأولى، 1425 هـ - 2004 م

عدد الصفحات: 516

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 27 ذو الحجة 1442

আত-তানকিহ আল-মুশবি' ফি তাহরিরি আহকামিল মুকনি' - আত-তানকিহ-এর টীকাখণ্ডসহ   (আল-মারদাভি - আল-হিজ্জাভি)

বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ


গ্রন্থ: আত-তানকিহ আল-মুশবি' ফি তাহরিরি আহকামিল মুকনি'

লেখক: আলাউদ্দিন আবুল হাসান আলী বিন সুলাইমান ইবনে আহমদ আস-সা'দি আল-মারদাভি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৮৮৫ হি.)

এবং এর পার্শ্বটীকায়: «হাশিয়া আত-তানকিহ» আল-হিজ্জাভি রচিত (মৃত্যু ৯৬৮ হি.)

এবং: «হাশিয়া আত-তানকিহ» এর লেখক আল-মারদাভি রচিত

সম্পাদক: ডক্টর নাসির বিন সাউদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সালামাহ

প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ নাশিরুন, সৌদি আরব - রিয়াদ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৫ হি. - ২০০৪ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫১৬

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৭ জিলহজ ১৪৪২

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ২)
التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع

تأليف

علاء الدين أبي الحسن علي بن سليمان

ابن أحمد السعدي المرداوي الحنبلي

المتوفى سنة 885 هـ

 

وبهامشه

حاشية التنقيح

تأليف

شرف الدين أبي النجا موسى بن

أحمد بن سالم الحجاوي الحنبلي

المتوفى سنة 968 هـ

 

وبهامشه

حاشية التنقيح

تأليف

علاء الدين أبي الحسن علي بن سليمان بن أحمد السعدي المرداوي الحنبلي

المتوفى سنة 885 هـ

 

تحقيق

الدكتور ناصر بن سعود بن عبد الله السلامة

القاضي بمحكمة عفيف

مكتبة الرشد
আল-মুকনি‘-এর বিধানাবলি বিন্যাসে আত-তানকীহুল মুশবি‘

রচনা

আলাউদ্দিন আবুল হাসান আলী বিন সুলাইমান

ইবনে আহমদ আস-সা‘দী আল-মারদাবী আল-হাম্বলী

মৃত্যু ৮৮৫ হিজরী

 

এবং এর পার্শ্বটীকা হিসেবে রয়েছে

হাশিয়াতুত তানকীহ

রচনা

শারাফুদ্দিন আবুন্নাজা মুসা বিন আহমদ বিন সালিম আল-হিজজাবী আল-হাম্বলী

মৃত্যু ৯৬৮ হিজরী

 

এবং এর পার্শ্বটীকা হিসেবে রয়েছে

হাশিয়াতুত তানকীহ

রচনা

আলাউদ্দিন আবুল হাসান আলী বিন সুলাইমান বিন আহমদ আস-সা‘দী আল-মারদাবী আল-হাম্বলী

মৃত্যু ৮৮৫ হিজরী

 

তাহকীক ও সম্পাদনা

ডক্টর নাসির বিন সাউদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সালামাহ

আফীফ আদালতের বিচারক

মাকতাবাতুর রুশদ
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩)
جَميع الحقُوق محفوظة لِلمحقِّق

الطّبعة الأولى

1425 هـ - 2004 م

 

مكتبة الرشد - ناشرون

المملكة العربية السعودية - الرياض
সকল স্বত্ব সম্পাদকের জন্য সংরক্ষিত

প্রথম প্রকাশ

১৪২৫ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ

 

মাকতাবাতুর রুশদ - প্রকাশকবৃন্দ

সৌদি আরব রাজ্য - রিয়াদ
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৪)
بسم الله الرحمن الرحيم

(ح) ناصر بن سعود بن عبد الله السلامة، 1425 هـ.

فهرسة مكتبة الملك فهد الوطنية أثناء النشر

المرداوى، علي بن سليمان

التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع/ علي بن سليمان

المرداوى؛ ناصر بن سعود السلامة - الرياض، 1425 هـ

ص؛ .. سم

ردمك: 3 - 531 - 44 - 9960

(1 - الفقه الحنبلي أ. السلامة، ناصر بن سعود (محقق) ب. العنوان)

ديوي 4. 258 … 699/ 1425

رقم الإيداع: 699/ 1425

ردمك: 3 - 531 - 44 - 9960
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

(স্বত্ব) নাসের বিন সাউদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সালামাহ, ১৪২৫ হিজরি।

প্রকাশনাকালীন কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি ক্যাটালগিং

আল-মারদাউয়ি, আলি বিন সুলাইমান

আত-তানকিহ আল-মুশবি' ফি তাহরির আহকাম আল-মুকনি' / আলি বিন সুলাইমান

আল-মারদাউয়ি; নাসের বিন সাউদ আস-সালামাহ - রিয়াদ, ১৪২৫ হিজরি

পৃষ্ঠা; .. সে.মি.

আইএসবিএন: ৩ - ৫৩১ - ৪৪ - ৯৯৬০

(১- হাম্বলি ফিকহ ক. আস-সালামাহ, নাসের বিন সাউদ (সম্পাদক) খ. শিরোনাম)

ডিউই ৪. ২৫৮ … ৬৯৯/ ১৪২৫

জমাদান নম্বর: ৬৯৯/ ১৪২৫

আইএসবিএন: ৩ - ৫৩১ - ৪৪ - ৯৯৬০
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌مقدمة المحقق

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله رب العالمين، نحمد ونستعينه، ونستغفره، ونتوب إليه، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله. اللهم صل وسلم وبارك عليه وعلى آله وصحبه ومن تبعه بإحسان إلى يوم الدين، وسلم تسليما كثيرا.

أما بعد:

فهذا الكتاب "التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع" تأليف الإمام العلّامة مصحح المذهب الحنبلي ومنقحه علاء الدين أبي الحسن علي بن سليمان بن أحمد بن محمد السعدي المرداوي، ثم الدمشقي الصالحي الحنبلي، المتوفى سنة 885 هـ يُطبع على نسخة بخط مؤلفه، وذلك لأول مرة، وسبق أن طُبع طبعتين عن نسخة منقولة عن نسخة المؤلف بدون حواشي، أما هذه الطبعة فقد جعلبت بهامشه: "حاشية التنقيح" تأليف العلّامة شرف الدين أبي النجا موسى بن أحمد بن سالم الحجاوي المقدسي الصالحي الحنبلي المتوفى سنة 968 هـ التي استدرك فيها على المؤلف في بعض المسائل، وبهامشه - أيضا -: "حاشية على التنقيح لمؤلفه المرداوي حيث جعل على كتابه: "التنقيح" حاشية على هامش نسخته، وقد قمت بتجريد حاشيته من هامش نسخته وجعلتها في هامش هذا الكتاب [*] في أسفل كل صفحة حيث رمزت لها بـ (ح)، حيث قمت بوضع رقم في التنقيح ثم اجعل في الهامش الرقم وبعده الرمز (ح) ثم أذكر حاشية المؤلف، أما حاشية الحجاوي فقد جعلتها تحت "التنقيح" وفصلت بينهما بخط.

وكتاب "التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع" صحح فيه المؤلف الروايات المطلقة في كتاب "المقنع" لابن قدامة، وقد قام بتهذيب كتاب "المقنع" ومزجه بالتنقيح ليكون كالكتاب المستقل، وكتاب "التنقيح" من الكتب المهمة في المذهب الحنبلي، وقد كان عمل الحنابلة عليه حتى ألف تقي الدين ابن النجار "منتهى الإرادات"

--------------------------------------------

[*] تعليق الشاملة: سقط من الطباعة الرمز لبعض حواشي المرداوي بـ (ح) في بضعة مواضع، وقد أثبتنا الرمز عندها بين [معقوفين] بعد مراجعة هذه المواضع على نفس المخطوطة التي اعتمدها المحقق.

সম্পাদকের ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই, তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর নিকট তওবা করি। আর আমরা আমাদের নফসের মন্দ দিক ও আমাদের আমলসমূহের অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দান করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই; আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক এবং তাঁর কোনো অংশীদার নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। হে আল্লাহ! আপনি তাঁর ওপর, তাঁর পরিবার-পরিজন, তাঁর সাহাবীগণ এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবে, তাঁদের সকলের ওপর অজস্র রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষণ করুন।

অতঃপর:

এই কিতাবটি হলো "আত-তানকীহুল মুশবি' ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি'"। এটি হাম্বলী মাযহাবের সংশোধনকারী ও পরিমার্জনকারী ইমাম আল্লামা আলাউদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন সুলাইমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সাদী আল-মারদাওয়ী, অতঃপর আদ-দিমাশকী আস-সালিহী আল-হাম্বলী (মৃত্যু ৮৮৫ হি.)-এর রচনা। কিতাবটি এই প্রথমবারের মতো লেখকের নিজস্ব হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে মুদ্রিত হচ্ছে। ইতিপূর্বে লেখকের পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধৃত কিন্তু পার্শ্বটীকা বিহীন একটি অনুলিপি থেকে এটি দুইবার মুদ্রিত হয়েছিল। তবে বর্তমান এই সংস্করণের পার্শ্বটীকায় যুক্ত করা হয়েছে: "হাশিয়াতুত তানকীহ", যা আল্লামা শরাফুদ্দীন আবু নাজা মুসা বিন আহমদ বিন সালিম আল-হিজ্জাভী আল-মাকদিসী আস-সালিহী আল-হাম্বলী (মৃত্যু ৯৬৮ হি.)-এর রচনা। তিনি এই হাশিয়ায় কিতাবের কিছু মাসআলার ক্ষেত্রে লেখকের ওপর সংশোধনমূলক আলোকপাত করেছেন। এছাড়া পার্শ্বটীকায় কিতাবের লেখক মারদাওয়ীর নিজস্ব টীকাও (হাশিয়া আলাত তানকীহ) রয়েছে; কেননা তিনি তাঁর কিতাব "তানকীহ"-এর নিজস্ব পাণ্ডুলিপির মার্জিনে কিছু টীকা লিখেছিলেন। আমি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির মার্জিন থেকে সেই টীকাগুলো সংগ্রহ করে এই কিতাবের পাদটীকায় [*] প্রতিটি পৃষ্ঠার নিচে স্থান দিয়েছি এবং সেগুলোকে (ح) [হা] প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি। আমি "তানকীহ"-এর মূল পাঠে একটি সংখ্যা দিয়েছি এবং পাদটীকায় সেই সংখ্যার পাশে (ح) প্রতীক বসিয়ে লেখকের টীকাটি উল্লেখ করেছি। আর আল্লামা হিজ্জাভী-র হাশিয়াটি আমি "তানকীহ"-এর মূল পাঠের নিচেই রেখেছি এবং উভয়ের মাঝে একটি রেখা টেনে পৃথক করে দিয়েছি।

"আত-তানকীহুল মুশবি' ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি'" কিতাবটিতে লেখক ইবনে কুদামা রচিত "আল-মুকনি'" কিতাবের অনির্ধারিত বর্ণনাগুলোকে (রেওয়ায়েত) সংশোধন করেছেন। তিনি "আল-মুকনি'" কিতাবটিকে পরিমার্জিত করেছেন এবং একে "তানকীহ"-এর সাথে এমনভাবে সংমিশ্রিত করেছেন যাতে এটি একটি স্বতন্ত্র কিতাবের রূপ পায়। "তানকীহ" কিতাবটি হাম্বলী মাযহাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কিতাব। তাকিউদ্দীন ইবনুন নাজ্জার "মুনতাহাল ইরাদাত" রচনা করার পূর্ব পর্যন্ত হাম্বলী ফকীহদের সকল কর্মতৎপরতা এই কিতাবের ওপরই নির্ভরশীল ছিল।

--------------------------------------------

[*] শামেলা-র মন্তব্য: মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে মারদাওয়ীর কিছু হাশিয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি স্থানে (ح) প্রতীকটি বাদ পড়ে গিয়েছিল; গবেষক যে পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন, সেই একই পাণ্ডুলিপি পুনরায় পর্যালোচনার পর আমরা সেই স্থানগুলোতে [তৃতীয় বন্ধনী]-র মাঝে প্রতীকটি যুক্ত করে দিয়েছি।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৬)
فعكف الناس عليه. قاله ابن بدران في المدخل ص 221.

هذا وقد فرغ مؤلفه المرداوي من تأليفه في 9/ 2/878 هـ، ثم أخذ مؤلفه يطالعه ويقابله مرة بعد أخرى، وقد أرخ مطالعته ومقابلته للمرة الرابعة بتاريخ 3/ 11/881 هـ، وقد طُبع كتاب "التنقيح" في المكتبة السلفية بالقاهرة الطبعة الأولى سنة 1373 هـ على نسخة منقولة عن نسخة المؤلف بدون حاشية المؤلف، ثم أعيدت طباعته عام 1406 هـ.

أما "حاشية التنقيح" للحجاوي فقد قام بتحقيقها د. يحيى بن أحمد بن يحيى الجردي الأستاذ بالجامعة الإسلامية بالمدينة النبوية، والطبعة الأولى عام 1412 هـ ونشرتها دار المنار بالقاهرة، كما نشرتها دار البخاري للنشر والتوزيع بالمدينة النبوية الطبعة الثانية عام 1416 هـ.

أسأل الله العظيم رب العرش العظيم أن يجزي المؤلف والمحقق وجميع من سعى في نشره الأجر العظيم وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.

حرر قُبيل أذان المغرب من يوم الجمعة 14/ 11/1423 هـ بمنزلي بمدينة الرياض حي شبرا.

 

كتبه أبو عبد الله ناصر بن سعود بن عبد الله السلامة القضاعي الحوطي النجدي الحنبلي

القاضي بمحكمة محافظة عفيف

المندوب بإدارة البحوث بوزارة العدل الرياض
মানুষ এটির প্রতি নিবিষ্ট হয়েছে। ইবনে বদরান তার 'আল-মাদখাল' গ্রন্থের ২২১ পৃষ্ঠায় এটি উল্লেখ করেছেন।

এর লেখক আল-মারদাউয়ি ৯/২/৮৭৮ হিজরিতে এর রচনা সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি বারবার এটি পাঠ ও নিরীক্ষণ করতে থাকেন। তিনি তার চতুর্থবারের পাঠ ও নিরীক্ষণ ৩/১১/৮৮১ হিজরিতে তারিখভুক্ত করেন। 'আত-তানকিহ' গ্রন্থটি ১৩৭৩ হিজরিতে কায়রোর আল-মাকতাবা আস-সালাফিয়া থেকে প্রথমবার মুদ্রিত হয়। এটি লেখকের পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপিকৃত একটি কপির ওপর ভিত্তি করে ছাপা হয়েছিল যেখানে লেখকের নিজস্ব টীকা (হাশিয়া) ছিল না। পরবর্তীতে ১৪০৬ হিজরিতে এটি পুনর্মুদ্রিত হয়।

আল-হিজ্জাউয়ির 'হাশিয়াতুত তানকিহ'-এর কথা বলতে গেলে, এটি সম্পাদনা করেছেন মদিনা নববীয়ার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া বিন আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আল-জারদি। এর প্রথম সংস্করণ ১৪১২ হিজরিতে কায়রোর দার আল-মানার থেকে প্রকাশিত হয় এবং দ্বিতীয় সংস্করণ ১৪১৬ হিজরিতে মদিনা নববীয়ার দার আল-বুখারি পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন থেকে প্রকাশিত হয়।

আমি মহান আল্লাহর কাছে—যিনি মহান আরশের রব—প্রার্থনা করি তিনি যেন লেখক, সম্পাদক এবং এটি প্রকাশের পেছনে যারা শ্রম দিয়েছেন তাদের সকলকে মহান প্রতিদান দান করেন। আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার-পরিজন এবং তাঁর সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

এটি ১৪/১১/১৪২৩ হিজরি শুক্রবার মাগরিবের আজানের কিছু আগে রিয়াদের শুবরা এলাকার নিজ বাসভবনে লিখিত হয়েছে।

 

এটি লিখেছেন আবু আব্দুল্লাহ নাসের বিন সাউদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সালামাহ আল-কুযায়ি আল-হাউতি আন-নাজদি আল-হাম্বলি

আফিফ প্রদেশ আদালতের বিচারক

রিয়াদ বিচার মন্ত্রণালয়ের গবেষণা বিভাগের প্রতিনিধি
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৭)
‌‌ترجمة المؤلف المرداوي (1)

*‌‌ اسمه ونسبه:

هو علي بن سليمان بن أحمد بن محمد السعدي المرداوي ثم الدمشقي الصالحي الحنبلي. ويسميه جمهور المتأخرين: "القاضي".

وكنيته: أبو الحسن. ولقبه: علاء الدين.

 

*‌‌ مولده ونشأته:

وُلِدَ المرداوي في بلدة "مردا" بفلسطين سنة 817 هـ، ونشأ بها ثم خرج في شبيبته إلى مدينة الخليل بفلسطين، فأقام في زاوية الشيخ عمر المجرد، وقرأ بها القرآن، وقد شرع في طلب العلم على فقيه "مردا" الشيخ الشهاب أحمد بن يوسف المرداوي، ثم رحل إلى دمشق سنة 838 هـ، ونزل في مدرسة الشيخ أبي عمر في صالحية دمشق، ثم جد في طلب العلم على مشايخ دمشق في تحصيل العلوم الشرعية من عقيدة وفقه وحديث وتفسير ونحوه، وق حج عام 855 هـ وجاور بمكة وأخذ من علماء مكة، ثم عاد إلى دمشق، ثم في عام 867 هـ رحل إلى القاهرة والتقى بالقاضي عز الدين الكناني الحنبلي، وأثنى عليه وأكرمه، وأشار على أصحابه بالأخذ عن المرداوي، وفوض إليه نيابة الحكم فباشره مدة إقامته بالقاهرة، وقد قرأ المرداوي على بعض علماء القاهرة ثم عاد إلى دمشق، ثم حج عام 875 هـ، وجاور بمكة، ثم عاد إلى دمشق وكان قد ولي نيابة القضاء بدمشق، ثم تركها سنة 883 هـ وقد مكث بدمشق حتى توفي في 6/ 6/885 هـ.

--------------------------------------------

(1) انظر ترجمة المؤلف المرداوي في الكتب التالية: الجوهر المنضد ص 99، والمنهج الأحمد للعليمي 5/ 290، والدر المنضد للعليمي 2/ 682، والسحب الوابلة 2/ 739، ورفع النقاب ص 347، ومختصر الشطي ص 86، وتسهيل السابلة 3/ 1413، والأعلام 4/ 292، ومعجم المؤلفين 2/ 447، والضوء اللامع للسخاوي 5/ 225 - 227، 10/ 62، والبدرالطالع للشوكاني 1/ 446، وشذرات الذهب 7/ 340 - 341.

গ্রন্থকার আল-মারদাভীর জীবনী(১)

*‌তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:

তিনি হলেন আলী বিন সুলাইমান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সাদী আল-মারদাভী, অতঃপর আদ-দামেশকী আস-সালেহী আল-হাম্বলী। পরবর্তী যুগের অধিকাংশ আলিম তাঁকে "আল-কাজী" (বিচারক) নামে অভিহিত করেন।

তাঁর কুনিয়া (উপনাম): আবুল হাসান। তাঁর লকব (উপাধি): আলাউদ্দীন।

 

*‌তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা:

আল-মারদাভী ৮১৭ হিজরীতে ফিলিস্তিনের "মারদা" জনপদে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। অতঃপর যৌবনকালে তিনি ফিলিস্তিনের আল-খালিল (হেব্রন) শহরে গমন করেন এবং শাইখ উমর আল-মুজাররাদের খানকায় অবস্থান করেন ও সেখানে কুরআন পাঠ করেন। তিনি মারদার ফকীহ শাইখ শিহাব আহমদ বিন ইউসুফ আল-মারদাভীর নিকট ইলম অর্জন শুরু করেন। এরপর ৮৩৮ হিজরীতে তিনি দামেশকে সফর করেন এবং দামেশকের সালেহিয়া এলাকার শাইখ আবু উমর মাদরাসায় অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি দামেশকের শাইখদের নিকট আকীদাহ, ফিকহ, হাদীস, তাফসীর ও সমজাতীয় শরয়ী জ্ঞান অর্জনে কঠোর সাধনা করেন। তিনি ৮৫৫ হিজরীতে হজ সম্পাদন করেন এবং মক্কায় অবস্থান করে সেখানকার আলিমদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেন। অতঃপর দামেশকে ফিরে আসেন। এরপর ৮৬৭ হিজরীতে তিনি কায়রো সফর করেন এবং কাজী ইযযুদ্দীন আল-কিনানী আল-হাম্বলীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি তাঁর প্রশংসা করেন ও তাঁকে সম্মানিত করেন এবং তাঁর সাথীদেরকে আল-মারদাভীর নিকট থেকে ইলম অর্জনের পরামর্শ দেন। তিনি তাঁকে বিচারকার্যের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং কায়রো অবস্থানকালে তিনি সেই দায়িত্ব পালন করেন। আল-মারদাভী কায়রোর কিছু আলিমের নিকট পড়াশোনা করেন এবং পুনরায় দামেশকে ফিরে আসেন। অতঃপর ৮৭৫ হিজরীতে তিনি পুনরায় হজ করেন ও মক্কায় অবস্থান করেন। এরপর তিনি দামেশকে ফিরে আসেন এবং সেখানে বিচারপতির প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হন। অতঃপর ৮৮৩ হিজরীতে তিনি সেই পদ ত্যাগ করেন এবং দামেশকেই অবস্থান করেন, অবশেষে ৬/৬/৮৮৫ হিজরীতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

--------------------------------------------

(১) নিম্নোক্ত গ্রন্থসমূহে গ্রন্থকার আল-মারদাভীর জীবনী দেখুন: আল-জাওহারুল মুনাদদাদ পৃষ্ঠা ৯৯, আল-উলাইমীর আল-মানহাজুল আহমাদ ৫/২৯০, আল-উলাইমীর আদ-দুররুল মুনাদদাদ ২/৬৮২, আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ ২/৭৩৯, রাফ'উল নিকাব পৃষ্ঠা ৩৪৭, মুখতাসারুশ শাত্তি পৃষ্ঠা ৮৬, তাস্হিলুস সাবিলাহ ৩/১৪১৩, আল-আ'লাম ৪/২৯২, মু'জামুল মুয়াল্লিফীন ২/৪৪৭, সাখাভীর আদ-দাওউল লামি ৫/২২৫-২২৭, ১০/৬২, শাওকানির আল-বাদরুত তালি ১/৪৪৬, এবং শাযারাতুয যাহাব ৭/৩৪০-৩৪১।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৮)
*‌‌ شيوخ المرداوي:

لقد تتلمذ المرداوي على عدد من العلماء في فنون عديدة، منهم:

1 - العلّامة المحدث الفقيه علي بن حسين بن عروة الدمشقي الحنبلي، المتوفى سنة 837 هـ، وقد أخذ عنه الحديث.

2 - الحافظ محمد بن عبد الله بن محمد القيسي الدمشقي الشافعي المتوفى سنة 842 هـ، وقد أخذ عنه الحديث.

3 - الفقيه المحدث المفسر العلّامة عبد الرحمن بن سليمان بن أبي الكرم المقدسي الحنبلي، المعروف بأبي شعر، المتوفى سنة 844 هـ. أخذ عنه التفسير، والحديث، والفقه، والنحو.

4 - المحدث عبد الرحمن بن يوسف بن أحمد بن الطحان الصالحي الحنبلي المتوفى سنة 845 هـ، أخذ عنه الحديث.

5 - الفقيه شهاب الدين أحمد بن يوسف المرداوي الحنبلي المتوفى سنة 850 هـ، تفقه عليه المرداوي.

6 - المحدث محمد بن أحمد بن معتوق الكركي ثم الدمشقي الصالحي الحنبلي المتوفى سنة 851 هـ، قرأ عليه المرداوي صحيح البخاري.

7 - المحدث الفقيه أحمد بن حسن بن أحمد بن عبد الهادي القرشي العمري المقدسي الدمشقي الحنبلي، المتوفى سنة 856 هـ. سمع منه المرداوي في الحديث.

8 - الفقيه الأصولي محمد بن محمد بن محمد بن علي النويري القاهري ثم المكي المالكي، المتوفى سنة 857 هـ. قرأ عليه المرداوي في أصول الفقه.

9 - المحدث المقرئ المفسر حسن بن إبراهيم الصفدي الحنبلي، المعروف بالخياط، المتوفى سنة 858 هـ، أخذ عنه المرداوي علم النحو والصرف.

10 - المحدث الفقيه محمد بن أبي بكر بن الحسين بن عمر المراغي الشافعي، المتوفى سنة 859 هـ، سمع منه المرداوي الحديث في مكة.
মারদাভীর শিক্ষকগণ:

মারদাভী বিভিন্ন শাস্ত্রের বহু সংখ্যক আলেম বা বিশেষজ্ঞের নিকট শিক্ষা লাভ করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

১ - আল্লামা মুহাদ্দিস ফকিহ আলি বিন হুসাইন বিন উরওয়াহ আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৩৭ হিজরি। তিনি তাঁর নিকট হাদিস শিক্ষা লাভ করেছেন।

২ - হাফেজ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কায়সি আদ-দিমাশকি আশ-শাফিঈ, মৃত্যু ৮৪২ হিজরি। তিনি তাঁর নিকট হাদিস শিক্ষা লাভ করেছেন।

৩ - ফকিহ মুহাদ্দিস মুফাসসির আল্লামা আব্দুর রহমান বিন সুলাইমান বিন আবিল কারাম আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি, যিনি আবু শা'র নামে পরিচিত, মৃত্যু ৮৪৪ হিজরি। তিনি তাঁর নিকট তাফসির, হাদিস, ফিকহ ও নাহু শাস্ত্রের পাঠ গ্রহণ করেছেন।

৪ - মুহাদ্দিস আব্দুর রহমান বিন ইউসুফ বিন আহমদ বিন আত-তাহহান আস-সালিহি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৪৫ হিজরি। তিনি তাঁর নিকট হাদিস শিক্ষা করেছেন।

৫ - ফকিহ শিহাবুদ্দিন আহমদ বিন ইউসুফ আল-মারদাভী আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৫০ হিজরি। মারদাভী তাঁর নিকট ফিকহ শাস্ত্রের উচ্চতর পাঠ গ্রহণ করেছেন।

৬ - মুহাদ্দিস মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মা'তুক আল-কারাকি অতঃপর আদ-দিমাশকি আস-সালিহি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৫১ হিজরি। মারদাভী তাঁর নিকট সহিহুল বুখারি পাঠ করেছেন।

৭ - মুহাদ্দিস ফকিহ আহমদ বিন হাসান বিন আহমদ বিন আব্দুল হাদি আল-কুরাশি আল-উমারি আল-মাকদিসি আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৫৬ হিজরি। মারদাভী তাঁর নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।

৮ - ফকিহ উসুলবিদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আন-নুওয়াইরি আল-কাহিরি অতঃপর আল-মাক্কি আল-মালিকি, মৃত্যু ৮৫৭ হিজরি। মারদাভী তাঁর নিকট উসুলুল ফিকহ পাঠ করেছেন।

৯ - মুহাদ্দিস ক্বারী মুফাসসির হাসান বিন ইবরাহিম আস-সাফাদি আল-হাম্বলি, যিনি আল-খাইয়াত নামে পরিচিত, মৃত্যু ৮৫৮ হিজরি। মারদাভী তাঁর নিকট নাহু ও সরফ শাস্ত্র শিক্ষা করেছেন।

১০ - মুহাদ্দিস ফকিহ মুহাম্মদ বিন আবি বকর বিন আল-হুসাইন বিন উমর আল-মারাগি আশ-শাফিঈ, মৃত্যু ৮৫৯ হিজরি। মারদাভী মক্কায় তাঁর নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৯)
11 - الفقيه أبو بكر بن إبراهيم بن يوسف بن قندس البعلي ثم الدمشقي الحنبلي المتوفى سنة 861 هـ. أخذ عنه المرداوي الفقه وأصوله، والعربية.

12 - الفقيه عبد الرحمن بن إبراهيم بن الحبال الطرابلسي الحنبلي، المتوفى سنة 866 هـ، أخذ عنه المرداوي الفقه والنحو.

13 - المحدث المفسر النحوي أحمد بن محمد بن محمد بن علي الشمني المصري الحنفي، المتوفى سنة 872 هـ، أخذ عنه المرداوي أصول الفقه.

14 - العلاّمة الفقيه أحمد بن إبراهيم العسقلاني الحنبلي المعروف بعز الدين الكناني القاضي، المتوفى سنة 876 هـ، قرأ عليه المرداوي أثناء وجود المرداوي بالقاهرة.

15 - الفقيه محمد بن محمد السيلي الحنبلي، المتوفى سنة 879 هـ. أخذ عنه المرداوي الفقه والحساب.

16 - المقرئ الفقيه الأصولي أبو بكر بن محمد بن شاذي الحصني الشافعي، المتوفى سنة 881 هـ. قرأ عليه المرداوي في أصول الفقه.

17 - الفقيه الأصولي إبراهيم بن محمد بن عبد الله بن مفلح الدمشقي الحنبلي، قاضي الحنابلة بدمشق المتوفى سنة 884 هـ، قرأ عليه المرداوي في بعض العلوم الشرعية.

18 - الفقيه أحمد بن عبيد الله بن محمد السجيني ثم القاهري المصري الشافعي المتوفى سنة 885 هـ. قرأ عليه المرداوي شيئاً من الفرائض والحساب.

19 - الفقيه النحوي عيسى أبو الروح البغدادي الفلوجي الحنفي. أخذ عنه المرداوي النحو والصرف.

 

*‌‌ تلاميذ المرداوي:

وقد تلقى العلم على المرداوي عدد من العلماء الذين برزوا في أنواع العلم، منهم:

1 - أبو بكر بن محمد العجلوني الحنبلي، المتوفى سنة 899 هـ.
১১ - ফকিহ আবু বকর বিন ইবরাহিম বিন ইউসুফ বিন কুন্দুস আল-বালি অতঃপর আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৬১ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট থেকে ফিকহ, এর উসুল এবং আরবি ভাষা শিক্ষা লাভ করেন।

১২ - ফকিহ আবদুর রহমান বিন ইবরাহিম বিন আল-হাব্বাল আত-তারাবুলুসি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৬৬ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট ফিকহ ও নাহু (ব্যাকরণ) অধ্যয়ন করেন।

১৩ - মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও নাহুবিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আশ-শুমুন্নি আল-মিসরি আল-হানাফি, মৃত্যু ৮৭২ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট উসুলুল ফিকহ শিক্ষা করেন।

১৪ - আল্লামা ফকিহ আহমদ বিন ইবরাহিম আল-আসকালানি আল-হাম্বলি, যিনি ইজ্জুদ্দিন আল-কিনানি আল-কাদি নামে পরিচিত, মৃত্যু ৮৭৬ হিজরি। কায়রোতে অবস্থানকালে আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট পাঠ গ্রহণ করেন।

১৫ - ফকিহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আস-সাইলি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৭৯ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট ফিকহ ও হিসাব (গণিতশাস্ত্র) শিক্ষা করেন।

১৬ - মুকরি, ফকিহ ও উসুলি আবু বকর বিন মুহাম্মদ বিন শাজি আল-হিসনি আশ-শাফিয়ি, মৃত্যু ৮৮১ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট উসুলুল ফিকহ অধ্যয়ন করেন।

১৭ - ফকিহ ও উসুলি ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন মুফলিহ আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি, দামেস্কের হাম্বলিদের প্রধান বিচারপতি, মৃত্যু ৮৮৪ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট কিছু শরয়ি বিজ্ঞান পাঠ করেন।

১৮ - ফকিহ আহমদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস-সুজাইনি অতঃপর আল-কাহিরি আল-মিসরি আশ-শাফিয়ি, মৃত্যু ৮ street ৮৫ হিজরি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) এবং হিসাবের কিছু অংশ পাঠ করেন।

১৯ - ফকিহ ও নাহুবিদ ঈসা আবুুর রুহ আল-বাগদাদি আল-ফালুজি আল-হানাফি। আল-মারদাউয়ি তাঁর নিকট নাহু ও সরফ (রূপান্তর শাস্ত্র) শিক্ষা লাভ করেন।

 

*‌‌ আল-মারদাউয়ির ছাত্রগণ:

আল-মারদাউয়ির নিকট থেকে অনেক আলেম জ্ঞান অর্জন করেছেন যারা জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারদর্শী ছিলেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

১ - আবু বকর বিন মুহাম্মদ আল-আজলুনি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৯৯ হিজরি।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১০)
2 - أحمد بن حسن بن أحمد بن حسن بن عبد الهادي المقدسي الحنبلي، المتوفى سنة 895 هـ.

3 - أحمد بن عبد الله بن أحمد العسكري الصالحي الحنبلي، المتوفى سنة 910 هـ.

4 - أحمد بن علي بن زهرة الحنبلي.

5 - أحمد بن علي بن أحمد الشيشيني الأصل القاهري الميداني الحنبلي القاضي، المتوفى سنة 919 هـ.

6 - أحمد بن يحيى بن عطوة بن زيد التميمي النجدي الحنبلي، المتوفى سنة 948 هـ.

7 - حسن بن علي بن عبيد بن أحمد بن عبيد بن إبراهيم السعدي المرداوي المقدسي الحنبلي، المتوفى سنة 910 هـ.

8 - سليمان بن صدقة بن عبد الله المرداوي الصالحي.

9 - عبد الله بن محمد الأخصاصي، المتوفى سنة 931 هـ.

10 - عبد القادر بن عبد اللطيف بن محمد بن أحمد الحسني الفاسي الأصل المكي الحنبلي، المتوفى سنة 898 هـ.

11 - عبد الكريم بن عبد الرحمن بن أبي بكر بن ظهيرة القرشي المكي الحنبلي، المتوفى سنة 899 هـ.

12 - عبد الوهاب بن أحمد بن عبد الوهاب الطرابلسي ثم الدمشقي الحنبلي القاضي، المتوفى سنة 921 هـ.

13 - محمد بن أحمد بن عبد العزيز المرداوي الحنبلي، المتوفى بصالحية دمشق سنة 894 هـ.

14 - محمد بن أحمد بن محمد بن عبد القادر حسن الموصلي ثم الدمشقي ثم القاهري الحنبلي، المتوفى سنة 872 هـ.

15 - محمد بن محمد بن أبي بكر بن خالد السعدي المصري الحنبلي قاضي الحنابلة
2 - আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল হাদি আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৯৫ হিজরি।

3 - আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল-আসকারি আস-সালিহি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৯১০ হিজরি।

4 - আহমাদ ইবনে আলি ইবনে জাহরা আল-হাম্বলি।

5 - আহমাদ ইবনে আলি ইবনে আহমাদ আশ-শাশিনি আল-আসলি আল-কাহিরি আল-মাইদানি আল-হাম্বলি আল-কাদি (বিচারক), মৃত্যু ৯১৯ হিজরি।

6 - আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আতওয়া ইবনে যাইদ আত-তামিমি আন-নাজদি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৯৪৮ হিজরি।

7 - হাসান ইবনে আলি ইবনে উবাইদ ইবনে আহমাদ ইবনে উবাইদ ইবনে ইবরাহিম আস-সাদি আল-মারদাউয়ি আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৯১০ হিজরি।

8 - সুলাইমান ইবনে সাদাকা ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মারদাউয়ি আস-সালিহি।

9 - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আখসাসি, মৃত্যু ৯৩১ হিজরি।

10 - আব্দুল কাদির ইবনে আব্দুল লতিফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-হাসানি আল-ফাসি আল-আসলি আল-মাক্কি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৯৮ হিজরি।

11 - আব্দুল কারিম ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবি বকর ইবনে জুহাইরা আল-কুরাশি আল-মাক্কি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৯৯ হিজরি।

12 - আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আত-তারাবলুসি অতঃপর আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি আল-কাদি (বিচারক), মৃত্যু ৯২১ হিজরি।

13 - মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-মারদাউয়ি আল-হাম্বলি, দামেস্কের সালিহিয়াতে মৃত্যু ৮৯৪ হিজরি।

14 - মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল কাদির হাসান আল-মাওসিলি অতঃপর আদ-দিমাশকি অতঃপর আল-কাহিরি আল-হাম্বলি, মৃত্যু ৮৭২ হিজরি।

15 - মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর ইবনে খালিদ আস-সাদি আল-মিসরি আল-হাম্বলি, হাম্বলিদের বিচারক।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১১)
بمصر بعد العز الكناني، المتوفى سنة 902 هـ.

16 - محمد بن محمد بن عبد القادر الجعفري النابلسي، المعروف بابن قاضي نابلس، المتوفى سنة 889 هـ.

17 - موسى بن أحمد بن موسى بن عبد الله الكناني المقدسي الدمشقي الحنبلي، المتوفى سنة 926 هـ.

18 - يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن بن عبد الهادي القرشي العمري المقدسي الأصل الدمشقي الحنبلي، المعروف بابن المبرد، المتوفى سنة 909 هـ.

19 - يوسف بن محمد الكفرسي ثم الصالحي الحنبلي، المتوفى سنة 892 هـ.

 

*‌‌ مؤلفاته:

ألف المرداوي عدداً من الكتب المهمة النافعة وهذا بيانها:

(1) الأدعية المطلقة المأثورة:

نقل السخاوي في الضوء اللامع 5/ 227 عن المرداوي أنه قال: "إنه جمع منها فوق مائة حديث".

(2) الإِنصاف في معرفة الراجح من الخلاف:

وهو من أنفس كُتب المذهب الحنبلي؛ لأنه صار مغنياً عن كثير من كتب المذهب ومصححاً لمعظمها ومبيناً المذهب عند الحنابلة في حالة اختلاف الروايات عن الإمام أحمد وأقوال أئمة المذهب، وقد طُبع عام 1347 هـ في اثني عشر مجلدة بتحقيق محمد حامد فقي، ثم أعيدت طباعته بالتصوير، ثم قام بتحقيقه معالي الشيخ د. عبد الله بن عبد المحسن التركي ومعه المقنع والشرح الكبير في اثنين وثلاثين مجلدة عام 1417 هـ.

(3) التحبير شرح التحرير:

وهو شرح لكتابه: "تحرير المنقول وتهذيب الأصول" وهو كتاب في أصول
মিশরে আল-ইয আল-কিনানির পরে, যিনি ৯০২ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

১৬ - মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কাদির আল-জাফারি আন-নাবুলুসি, ইবনে কাজি নাবুলুস হিসেবে পরিচিত, যিনি ৮৮৯ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

১৭ - মুসা বিন আহমদ বিন মুসা বিন আব্দুল্লাহ আল-কিনানি আল-মাকদিসি আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি, যিনি ৯২৬ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

১৮ - ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমদ বিন হাসান বিন আব্দুল হাদি আল-কুরাশি আল-উমারি, মূল নিবাস মাকদিস, দিমাশকি আল-হাম্বলি, ইবনুল মুবাররাদ হিসেবে পরিচিত, যিনি ৯০৯ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯ - ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-কুফরুসি অতঃপর আস-সালিহি আল-হাম্বলি, যিনি ৮৯২ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

 

*‌‌ তাঁর রচনাবলি:

আল-মারদাউয়ি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী কিতাব রচনা করেছেন, যার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

(১) আল-আদইয়াহ আল-মুতলাকাহ আল-মাসুরাহ (বর্ণিত সাধারণ দোয়াসমূহ):

আস-সাখাভি আদ-দাও আল-লামি ৫/২২৭-এ আল-মারদাউয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আমি এর মধ্যে একশটিরও বেশি হাদিস জমা করেছি।"

(২) আল-ইনসাফ ফি মারিফাতিল রাজিহ মিনাল খিলাফ:

এটি হাম্বলি মাজহাবের অন্যতম মূল্যবান কিতাব; কারণ এটি মাজহাবের অন্যান্য অনেক কিতাবের প্রয়োজনীয়তা দূর করেছে, সেগুলোর অধিকাংশকে সংশোধন করেছে এবং ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণিত বর্ণনাসমূহ ও মাজহাবের ইমামদের বক্তব্যের ভিন্নতার ক্ষেত্রে হাম্বলিদের নিকট সঠিক মাজহাবটি স্পষ্ট করেছে। এটি ১৩৪৭ হিজরিতে মুহাম্মদ হামিদ ফিকির সম্পাদনায় বারো খণ্ডে মুদ্রিত হয়েছে, এরপর এটি পুনরায় ফটোকপি করে ছাপা হয়। পরবর্তীতে মহামান্য শায়খ ডক্টর আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কি এটি সম্পাদনা করেন এবং এর সাথে আল-মুকনি ও আশ-শারহুল কাবির সংযুক্ত করে ১৪১৭ হিজরিতে বত্রিশ খণ্ডে প্রকাশিত হয়।

(৩) আত-তাহবির শারহুত তাহরির:

এটি তাঁর নিজ কিতাব: "তাহরিরুল মানকুল ওয়া তাহজিবুল উসুল"-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা উসুলের ওপর একটি কিতাব।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১২)
الفقه، وقد طُبع عام 1421 هـ بتحقيق ودراسة د. عبد الرحمن بن عبد الله الجبرين، ود. عوض بن محمد القرني، ود. أحمد بن محمد السراح، ويقع في ست مجلدات، وقد نشرته مكتبة الرشد بالرياض.

(4) تحرير المنقول وتهذيب الأصول:

وهو كتاب في أصول الفقه، وقد حقق رسالة علمية بالجامعة الإِسلامية بالمدينة المنورة.

(5) تصحيح الفروع:

المراد: تصحيح فروع ابن مفلح، وقد سماه السخاوي: "الدر المنتقى والجوهر المجموع في معرفة الراجح من الخلاف المطلق في الفروع". وقد طُبع مع الفروع بهامشه سنة 1345 هـ، ثم طُبع في سنة 1379 هـ بإشراف الشيخ عبد اللطيف السبكي، ثم صور بعد ذلك بالأوفست.

(6) التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع:

وهو كتاب في الفقه صحح فيه الروايات المطلقة في المقنع. وهو كتابنا هذا.

(7) شرح الآداب:

وهو شرح لمنظومة الآداب لابن عبد القوي الحنبلي.

(8) شرح مختصر الطوفي:

وهو كتاب في أصول الفقه، قال السخاوي في الضوء اللامع 5/ 226: "وشرح فيه قطعة من مختصر الطوفي".

(9) الكنوز - أو الحصون - المعدة الواقية من كل شدة:

وهو كتاب في الأدعية والأوراد. نقل السخاوي في الضوء اللامع 5/ 227 عن المرداوي قوله: "إنه جمع فيه قريباً من ستمائة حديث، منها الأحاديث الواردة في اسم الله الأعظم".
আল-ফিকহ; এটি ১৪২১ হিজরি সনে ড. আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল-জিবরীন, ড. আওয়াদ বিন মুহাম্মদ আল-কারনী এবং ড. আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সাররাহ-এর তাহকীক ও গবেষণায় মুদ্রিত হয়েছে। এটি ছয় খণ্ডে সমাপ্ত এবং রিয়াদের মাকতাবাতুর রুশদ এটি প্রকাশ করেছে।

(৪) তাহরীরুল মানকুল ওয়া তাহযীবুল উসুল:

এটি উসুলুল ফিকহ-এর একটি কিতাব। এটি মদিনা মুনাওয়ারার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বৈজ্ঞানিক থিসিস হিসেবে তাহকীক করা হয়েছে।

(৫) তাছহীহুল ফুরু:

এর অর্থ হলো: ইবনুল মুফলিহ-এর 'আল-ফুরু' গ্রন্থের সংশোধন। সাখাভী এর নামকরণ করেছেন: "আদ-দুররুল মুনতাকা ওয়াল জাওহারুল মাজমু ফি মারিফাতিল রাজিহ মিনাল খিলাফিল মুতলাক ফিল ফুরু"। এটি ১৩৪৫ হিজরিতে 'আল-ফুরু' এর পার্শ্বটীকায় মুদ্রিত হয়েছিল, এরপর ১৩৭৯ হিজরিতে শায়খ আব্দুল লতিফ আস-সুবকীর তত্ত্বাবধানে মুদ্রিত হয় এবং পরবর্তীতে অফসেট পদ্ধতিতে পুনর্মুদ্রিত হয়।

(৬) আত-তানকীহুল মুশবিয়া ফি তাহরীরি আহকামিল মুকনি:

এটি ফিকহ শাস্ত্রের একটি কিতাব যাতে তিনি 'আল-মুকনি' গ্রন্থের অনির্ধারিত বর্ণনাগুলোকে সংশোধন করেছেন। এটিই আমাদের এই বর্তমান কিতাব।

(৭) শারহুল আদাব:

এটি ইবনুল আব্দুল কাভী আল-হাম্বলীর 'মানযুমাতুল আদাব'-এর একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ।

(৮) শারহু মুখতাসারিত তুফী:

এটি উসুলুল ফিকহ-এর একটি কিতাব। সাখাভী 'আদ-দাওউল লামি' ৫/২২৬ গ্রন্থে বলেছেন: "এতে তিনি মুখতাসারিত তুফী-এর একটি অংশের ব্যাখ্যা করেছেন।"

(৯) আল-কুনুজ—অথবা আল-হুসুন—আল-মুআদ্দাতুল ওয়াকিয়াহ মিন কুল্লি শিদ্দাহ:

এটি দুআ এবং জিকির-আযকারের একটি কিতাব। সাখাভী 'আদ-দাওউল লামি' ৫/২২৭ গ্রন্থে মারদাভী থেকে উদ্ধৃত করেছেন: "নিশ্চয়ই তিনি এতে প্রায় ছয়শ হাদিস সংগ্রহ করেছেন, যার মধ্যে আল্লাহর ইসমে আযম সম্পর্কিত হাদিসগুলোও রয়েছে।"
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৩)
(10) المنهل العذب الغزير في مولد الهادي البشير صلى الله عليه وسلم:

وهو كتاب في السيرة النبوية.

تنبيه: ذكر فهرس مخطوطات الفقه الحنبلي بمعهد البحوث العلمية بكلية الشريعة بجامعة أم القرى كتاب: عمدة الطالب ومقنع الراغب تأليف علي بن سليمان المرداوي محفوظ برقم (70) ويقع في (130) ورقة مصور عن مكتبة المتحف العراقي، وقد تلفت الصفحة الأولى من المخطوط، وقد حصلت على صورة منه فوجدته كتاب "التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع".

 

*‌‌ الوظائف التي تولاها المرداوي:

تولى المرداوي الوظائف التالية:

(1) التدريس: فقد تولى هذه الوظيفة في سن مبكرة، فقد درس عليه جماعة من العلماء في الفقه.

(2) الإِفتاء: فقد مارس الإِفتاء قديماً، قال السخاوي في الضوء اللامع 5/ 226: "إنه تصدى للإِفتاء قبل ذهابه للقاهرة ببلده وغيرها"، وقد وصف بأنه مفتي الحنابلة.

(3) القضاء: فقد تولى نيابة القضاء في القاهرة عن قاضي الحنابلة عز الدين الكناني، وكذلك ناب في القضاء في دمشق عن ابن مفلح.

(4) التأليف: وقد مرت معنا مؤلفاته في الفقه وأصوله والأذكار.

 

*‌‌ وفاته:

بعد حياة حافلة بالتعلم والتعليم والإِفتاء والتأليف، توفى الله المرداوي في يوم الجمعة السادس من شهر جمادى الأولى من سنة 885 هـ، وصلي عليه في جامع الحنابلة المسمى بالجامع المظفري، ودفن في سفح قاسيون رحمه الله رحمة واسعة.
(১০) আল-মানহালুল আযবুল গাযীর ফী মাওলিদিল হাদিল বাশীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম:

এটি নবীজীর সীরাত বিষয়ক একটি গ্রন্থ।

দ্রষ্টব্য: উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীয়াহ অনুষদের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউটের হাম্বলী ফিকহ পাণ্ডুলিপির তালিকায় একটি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: উমদাতুত তালিব ওয়া মুকনিউর রাগিব, লেখক আলী বিন সুলাইমান আল-মারদাওয়ী। এটি ৭০ নম্বর ক্রমিকে সংরক্ষিত এবং ১৩০টি পত্র বিশিষ্ট, যা ইরাকি মিউজিয়াম লাইব্রেরি থেকে ছায়ালিপি (ফটোস্ট্যাট) করা। পাণ্ডুলিপিটির প্রথম পৃষ্ঠাটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আমি এটির একটি কপি সংগ্রহ করার পর দেখতে পেলাম যে, এটি মূলত "আত-তানকীহুল মুশবিয়ু ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনিউ" নামক গ্রন্থ।

 

*‌‌ আল-মারদাওয়ী যেসব দায়িত্ব পালন করেছেন:

আল-মারদাওয়ী নিম্নোক্ত দায়িত্বসমূহ পালন করেছেন:

(১) অধ্যাপনা: তিনি অল্প বয়সেই এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একদল আলেম তাঁর কাছে ফিকহ অধ্যয়ন করেছেন।

(২) ইফতা (ফতোয়া প্রদান): তিনি অনেক আগে থেকেই ফতোয়া প্রদানের কাজ শুরু করেন। সাখাওয়ী 'আদ-দাওউল লামি' গ্রন্থের ৫/২২৬ পৃষ্ঠায় বলেছেন: "তিনি কায়রো যাওয়ার আগে তাঁর নিজ শহর ও অন্যান্য স্থানে ফতোয়া প্রদানের দায়িত্ব পালন করেন।" তাঁকে হাম্বলীদের মুফতী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

(৩) বিচারিক দায়িত্ব (কাযা): তিনি হাম্বলী বিচারক ইযযুদ্দীন আল-কিনানীর পক্ষ থেকে কায়রোতে বিচারকের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একইভাবে তিনি দামেস্কে ইবনে মুফলিহের পক্ষ থেকে বিচারকের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

(৪) গ্রন্থ রচনা: ফিকহ, উসূলে ফিকহ এবং যিকর বিষয়ক তাঁর গ্রন্থসমূহ আমাদের সামনে অতিক্রান্ত হয়েছে।

 

*‌‌ তাঁর মৃত্যু:

শিক্ষা গ্রহণ, শিক্ষাদান, ফতোয়া প্রদান এবং গ্রন্থ রচনার এক কর্মমুখর জীবন অতিবাহিত করার পর, ৮৮৫ হিজরী সালের ৬ই জুমাদাল উলা রোজ শুক্রবার আল্লাহ তাআলা আল-মারদাওয়ীকে মৃত্যু দান করেন। জামে আল-মুজাফফরী নামক হাম্বলী জামে মসজিদে তাঁর জানাযার নামাজ পড়ানো হয় এবং কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে তাঁকে দাফন করা হয়। আল্লাহ তাঁর ওপর ব্যাপক রহমত বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৪)
* ثناء العلماء عليه:

لقد أثنى عدد من العلماء على المرداوي، وإليك بعض ما قيل فيه:

قال العليمي في المنهج الأحمد 5/ 290 عنه: "وهو الشيخ الإِمام، العالم العامل العلاّمة، المحقق، المتفنن، أعجوبة الدهر، شيخ المذهب وإمامه ومصححه، ومنقحه، بل شيخ الإِسلام على الإِطلاق، ومحرر العلوم بالاتفاق، فقيه عصرنا وعمدته … ".

وقال عنه تلميذه ابن عبد الهادي في الجوهر المنضد ص 100 - 101: "الإِمام الفقيه الأصولي النحوي الفرضي المحدث المقرئ".

وقال عنه السخاوي في الضوء اللامع 5/ 227: "كان فقيهاً حافظاً لفروع المذهب".
ওলামায়ে কেরামের প্রশংসা:

বহু আলেম আল-মারদাউয়ীর প্রশংসা করেছেন, তাঁর সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার কিয়দাংশ নিম্নরূপ:

আল-উলাইমি 'আল-মানহাজুল আহমাদ' (৫/২৯০) গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি হলেন শায়খ, ইমাম, আমলকারী আলেম, মহাজ্ঞানী (আল্লামা), গবেষক (মুহাক্কিক), বহুমুখী শাস্ত্রবিদ, যুগের বিস্ময়, মাযহাবের শায়খ, ইমাম, সংশোধনকারী ও পরিমার্জনকারী; বরং তিনি নিরঙ্কুশভাবে শায়খুল ইসলাম এবং সর্বসম্মতভাবে শাস্ত্রসমূহের বিশ্লেষক, আমাদের যুগের ফকিহ ও প্রধান অবলম্বন … "।

তাঁর ছাত্র ইবনে আব্দুল হাদি 'আল-জাওহারুল মুনাসসাদ' (পৃ. ১০০-১০১) গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি ইমাম, ফকিহ, উসুলবিদ, ব্যাকরণবিদ, উত্তরাধিকার শাস্ত্রবিদ (ফারায়িযি), মুহাদ্দিস ও ক্বারী।"

আস-সাখাভী 'আদ-দাওউল লামি' (৫/২২৭) গ্রন্থে তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি একজন ফকিহ এবং মাযহাবের শাখা-প্রশাখার (ফুরুআ) মাসআলাসমূহের হাফেজ ছিলেন।"
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৫)
‌‌ترجمة الحجاوي صاحب حاشية التنقيح*(1)

* هو الشيخ الإِمام العالم العلاّمة الحبر البحر الفهامة، المعوَّل عليه في الفقه بالديار الشامية، مفتي الحنابلة بدمشق، وشيخ الإِسلام بها، شرف الدين أبو النجا موسى بن أحمد بن موسى بن سالم بن عيسى بن سالم الحجاوي المقدسي ثِم الصالحيّ الدمشقي.

والحجّاوي: نسبة إلى (حجّة) بفتح الحاء المهملة وبعدها جيم مشددة وآخرها هاء تأنيث، من قرى نابلس(2).

والمقدسي: بفتح الميم وسكون القَاف وكسر الدال والسين المهملتين - نسبة إلى بيت المقدس، وهي البلدة المشهورة التي ذكرها الله تعالى في القرآن في غير موضع، وفيها المسجد الأقصى(3).

--------------------------------------------

* أُخذت هذه الترجمة بحواشيها من مقدمة تحقيق كتاب "كشاف القناع" الذي شاركْت في تحقيقه مع لجنة من وزارة العدل بالمملكة من بداية المجلد الرابع الذي يبدأ بكتاب الجنائز، وقد وصلت إلى بداية المجلد السابع الذي يبدأ بكتاب البيوع.

(1) انظر ترجمته في:

[1] ذخائر القصر لابن طولون/ ورقة (105 - 106).

[2] الكواكب السائرة (3/ 215).

[3] شذرات الذهب (8/ 327) الطبعة الجديدة (10/ 472).

[4] النعت الأكمل ص 124.

[5] عنوان المجد (2/ 304).

[6] السحب الوابلة (3/ 1134).

[7] هدية العارفين (6/ 481).

[8] المدخل لابن بدران (ص / 441 و 483).

[9] رفع النقاب عن تراجم الأصحاب (ص/ 353).

[10] مختصر طبقات الحنابلة (ص/ 94).

[11] الأعلام للزركلي (7/ 320).

[12] معجم المؤلفين (13/ 34).

[13] المدخل المفصّل إلى فقه الإمام أحمد بن حنبل (2/ 764).

(2) السحب الوابلة (3/ 1134).

(3) الأنساب للسمعاني (11/ 439).

‌হাশিয়াতুত তানকীহ-এর রচয়িতা আল-হাজ্জাওয়ীর জীবনী*(১)

তিনি হলেন ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, সুপণ্ডিত, অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ও প্রাজ্ঞ শায়খ, সিরীয় ভূখণ্ডের ফিকহ শাস্ত্রের প্রধান অবলম্বন, দামেস্কের হাম্বলি মুফতি এবং সেখানকার শাইখুল ইসলাম, শারাফুদ্দীন আবু নাজা মুসা বিন আহমদ বিন মুসা বিন সালিম বিন ঈসা বিন সালিম আল-হাজ্জাওয়ী আল-মাকদিসী, অতঃপর আস-সালিহী আদ-দিমাশকী।

আল-হাজ্জাওয়ী: এটি (হাজ্জাহ) গ্রামের দিকে সম্বন্ধযুক্ত নাম, যা নুকতাহীন 'হা' বর্ণে ফাতহা (যবর) এবং এরপর 'জিম' বর্ণে তাশদিদ ও শেষে 'হা' যোগে গঠিত। এটি নাবলুসের একটি গ্রাম।(২)

আল-মাকদিসী: 'মিম' বর্ণে ফাতহা, 'ক্বাফ' বর্ণে সুকুন এবং 'দাল' ও 'সিন' বর্ণে কাসরা (যের) যোগে পঠিত—এটি বায়তুল মাকদিসের দিকে সম্বন্ধযুক্ত নাম। এটি সেই প্রসিদ্ধ জনপদ যার কথা আল্লাহ তাআলা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখ করেছেন এবং যাতে মসজিদুল আকসা অবস্থিত।(৩)

--------------------------------------------

* এই জীবনী ও এর টীকাগুলো 'কাশশাফুল কিনা' গ্রন্থের সম্পাদনা পর্বের ভূমিকা থেকে নেওয়া হয়েছে, যে গ্রন্থের সম্পাদনায় আমি সৌদি আরবের বিচার মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির সাথে চতুর্থ খণ্ড (জানাজা অধ্যায়) থেকে সপ্তম খণ্ডের শুরু (ব্যবসা-বাণিজ্য অধ্যায়) পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেছি।

(১) তাঁর জীবনী দেখুন:

[১] ইবনে তুলুন রচিত যাখাইরুল কাসর/ পৃষ্ঠা (১০৫ - ১০৬)।

[২] আল-কাওয়াকিব আস-সাইয়িরাহ (৩/ ২১৫)।

[৩] শাযারাতুয যাহাব (৮/ ৩২৭) নতুন সংস্করণ (১০/ ৪৭২)।

[৪] আন-না'তুল আকমাল, পৃষ্ঠা ১২৪।

[৫] উনওয়ানুল মাজদ (২/ ৩০৪)।

[৬] আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (৩/ ১১৩৪)।

[৭] হাদিয়াতুল আরিফীন (৬/ ৪৮১)।

[৮] ইবনে বদরান রচিত আল-মাদখাল (পৃষ্ঠা/ ৪৪১ ও ৪৮৩)।

[৯] রাফউল নিকাব আন তরাজিমিল আসহাব (পৃষ্ঠা/ ৩৫৩)।

[১০] মুখতাসার তাবাকাতিল হানাবিলাহ (পৃষ্ঠা/ ৯৪)।

[১১] আল-আ'লাম লিয-যিরিকলী (৭/ ৩২০)।

[১২] মু'জামুল মুয়াল্লিফীন (১৩/ ৩৪)।

[১৩] আল-মাদখালুল মুফাসসাল ইলা ফিকহিল ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (২/ ৭৬৪)।

(২) আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (৩/ ১১৩৪)।

(৩) সামআনী রচিত আল-আনসাব (১১/ ৪৩৯)।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৬)
والصالحي: نسبة إلى (الصالحية) وهي قرية كبيرة ذات أسواق وجامع في لِحف(1) جبل قاسيون من غوطة دمشق … وأكثر أهلها ناقلة البيت المقدس على مذهب أحمد بن حنبل(2)، وهي حي من أحياء مدينة دمشق.

 

*‌‌ مولده: وُلِدَ بقرية (حجّة) من قرى نابلس سنة (895 هـ)

*‌‌ نشأته: نشأ في قرية (حجّة)، وقرأ القرآن وأوائل الفنون، وأقبل على الفقه إقبالاً كلياً، ثم ارتحل إلى دمشق، فسكن في مدرسة شيخ الإسلام أبي عمر، وقرأ على مشايخ عصره، ولازم العلاّمة الشويكي في الفقه إلى أن تمكَّن فيه تمكّناً تاماً، وانفرد في عصره بتحقيق مذهب الإمام أحمد، وصار إليه المرجع، وأم بالجامع المظفّري عدة سنين، واشتغل عديه جمع من الفضلاء ففاقوا، كما تولّى التدريس بالجامع الأموي، وتدريس الحنابلة في مدرسة الشيخ أبي عمر.

*‌‌ مشايخه: أخذ الحجاوي العلم عن جماعة من علماء عصره، منهم:

(1) العلّامة الشيخ محب الدين أبو بكر أحمد بن محمد بن محمد بن أحمد بن محمد القرشي الهاشمي العقيلي النويري المكي الشافعي، خطيب الخطباء بالمسجد الحرام، المتوفى سنة (916 هـ)(3) - رحمه الله تعالى -.

(2) الشيخ نجم الدين أبو حفص عمر بن إبراهيم بن محمد بن مفلح الصالحي، المتوفى سنة (919 هـ)(4) - رحمه الله تعالى -.

(3) العلّامة الشيخ شهاب الدين أبو الفضل أحمد بن محمد بن أحمد بن عمر بن أحمد بن أبي بكر بن أحمد العلوي الشويكي النابلسي الصالحي، صاحب كتاب: (التوضيح في الجمع بين المقنع والتنقيح)، المتوفى سنة (933 هـ)(5) رحمه الله.

--------------------------------------------

(1) اللحف: بالكسر أصل الجبل. القاموس المحيط (ص/ 1102).

(2) معجم البلدان (3/ 390).

(3) شذرات الذهب (10/ 106).

(4) الكواكب السائرة (1/ 285)، شذرات الذهب (10/ 142)، النعت الأكمل (ص/ 92).

(5) النعت الأكمل (ص/ 105)، السحب الوابلة (1/ 215).

আস-সালিহি: এটি (আস-সালিহিয়াহ) এর সাথে সম্পর্কিত, যা দামেস্কের গুতার কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে(১) অবস্থিত বাজার ও জামে মসজিদ সমৃদ্ধ একটি বড় গ্রাম … এর অধিকাংশ অধিবাসী ইমাম আহমদ বিন হাম্বলের মাযহাব অনুসারী এবং তারা বাইতুল মুকাদ্দাস থেকে আগত(২)। বর্তমানে এটি দামেস্ক শহরের অন্যতম একটি এলাকা।

 

*‌‌ জন্ম: তিনি ৮৯৫ হিজরিতে নাবলুসের অন্তর্ভুক্ত (হিজ্জাহ) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

*‌‌ প্রাথমিক জীবন: তিনি (হিজ্জাহ) গ্রামে বেড়ে ওঠেন, সেখানে কুরআন এবং প্রাথমিক জ্ঞানসমূহ অর্জন করেন। তিনি ফিকহ শাস্ত্রের প্রতি পূর্ণ মনোনিবেশ করেন। এরপর তিনি দামেস্কে পাড়ি জমান এবং শায়খুল ইসলাম আবু উমর মাদরাসায় বসবাস করেন। তিনি তার যুগের প্রথিতযশা শায়খদের নিকট পাঠ গ্রহণ করেন এবং আল্লামা শুওয়াইকির সান্নিধ্যে থেকে ফিকহ শাস্ত্রে পূর্ণ ব্যুৎপত্তি ও দক্ষতা অর্জন করেন। তিনি নিজ যুগে ইমাম আহমদের মাযহাবের তাহকিক বা গবেষণায় অনন্য হয়ে ওঠেন এবং মাযহাবের প্রধান নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিতে পরিণত হন। তিনি দীর্ঘ বছর জামে মুজাফফারিতে ইমামতি করেন এবং একদল গুণী ব্যক্তি তার নিকট জ্ঞান অর্জন করে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেন। এছাড়াও তিনি জামে উমায়ী এবং শায়খ আবু উমর মাদরাসায় হাম্বলিদের অধ্যাপনার দায়িত্ব পালন করেন।

*‌‌ শিক্ষকগণ: আল-হিজ্জাবি তার যুগের একদল ওলামায়ে কেরামের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন হলেন:

(১) আল্লামা শায়খ মুহিব্বুদ্দীন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-কুরাশি আল-হাশেমি আল-উখাইলি আন-নুওয়াইরি আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ, তিনি মাসজিদুল হারামের খতিবদের প্রধান ছিলেন, মৃত্যু (৯১৬ হিজরি)(৩) - রহমাতুল্লাহি তাআলা -।

(২) শায়খ নাজমুদ্দীন আবু হাফস উমর বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন মুফলিহ আস-সালিহি, মৃত্যু (৯১৯ হিজরি)(৪) - রহমাতুল্লাহি তাআলা -।

(৩) আল্লামা শায়খ শিহাবুদ্দীন আবু ফাদল আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উমর বিন আহমদ বিন আবি বকর বিন আহমদ আল-আলাওয়ি আশ-শুওয়াইকি আন-নাবলুসি আস-সালিহি, যিনি 'আত-তাওদিহ ফি আল-জাম বায়না আল-মুকনি ওয়াত-তানকিহ' গ্রন্থের রচয়িতা, মৃত্যু (৯৩৩ হিজরি)(৫) রহমাতুল্লাহ।

--------------------------------------------

(১) আল-লিহফ: 'লাম' অক্ষরে কাসরা (ই-কার) সহকারে, এর অর্থ পাহাড়ের পাদদেশ। আল-কামুস আল-মুহিত (পৃষ্ঠা ১১০২)।

(২) মুজামুল বুলদান (৩/ ৩৯০)।

(৩) শাযারাতুয যাহাব (১০/ ১০৬)।

(৪) আল-কাওয়াকিবুস সাইয়িরাহ (১/ ২৮৫), status: শাযারাতুয যাহাব (১০/ ১৪২), আন-নাতুল আকমাল (পৃষ্ঠা ৯২)।

(৫) আন-নাতুল আকমাল (পৃষ্ঠা ১০৫), আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (১/ ২১৫)।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
(4) أجاز له الشيخ كمال الدين محمد بن حمزة بن أحمد بن علي بن محمد بن علي بن الحسن بن حمزة الحسيني الدمشقي الشافعي، المتوفى سنة (933 هـ)(1) - رحمه الله تعالى -.

(5) الشيخ شمس الدين أبو عبد الله بن محمد بن علي بن محمد، الشهير بابن طولون الدمشقي الصالحي الحنفي، صاحب المؤلفات الكثيرة، ومنها (ذخائر القصر في تراجم نبلاء العصر)، المتوفى سنة (953 هـ)(2) - رحمه الله تعالى.

 

*‌‌ تلاميذه: أخذ عنه العلم جماعة من أبناء بلده وغيرهم، منهم:

(1) ابنه الشيخ المسند المحدّث الفرضي الفقيه يحيى بن موسى الحجاوي، المتوفى بالقاهرة بين سنة إحدى وألف وخمس وعشرين وألف للهجرة(3) - رحمه الله تعالى -.

(2) الشيخ محمد بن إبراهيم بن محمد بن أبي حميدان المشهور بـ (أبي جدة) النجدي الأشيقري مولداً وموطناً، رحل إلى الشام ولازم الحجاوي سبع سنين ملازمة تامة وتوفي آخر القرن العاشر(4)، - رحمه الله تعالى -.

(3) الشيخ زامل بن سلطان بن زامل الخطيب، من آل يزيد من بني حنيفة، المقرني النجدي، قاضي الرياض، المتوفى في النصف الأخير من القرن العاشر(5)، - رحمه الله تعالى -.

(4) الشيخ القاضي شمس الدين محمد بن محمد بن أحمد بن عمر بن شمس الدين بن محمد بن علي بن عمر سبط الرجيحي، قاضي الحنابلة ومرجعهم بدمشق، المتوفى سنة (1002)(6)، - رحمه الله تعالى -.

--------------------------------------------

(1) الكواكب السائرة (1/ 40)، شذرات الذهب (10/ 271).

(2) الكواكب السائرة (2/ 52)، شذرات الذهب (8/ 298).

(3) النعت الأكمل (ص/ 182)، مختصر طبقات الحنابلة (ص/ 105).

(4) علماء نجد (5/ 481).

(5) عنوان المجد (2/ 304)، علماء نجد خلال ثمانية قرون (2/ 197).

(6) لطف السمر (1/ 26)، خلاصة الأثر (4/ 143)، النعت الأكمل (ص/ 160)، السحب الوابلة (3/ 108).

(৪) তাঁকে ইজাযত দিয়েছেন শায়খ কামালুদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে হামযাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে হামযাহ আল-হুসাইনী আদ-দিমাশকী আশ-শাফিঈ, যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন (৯৩৩ হি.) সনে(১) - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

(৫) শায়খ শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ, যিনি ইবনে তুলুন আদ-দিমাশকী আস-সলিহী আল-হানাফী নামে পরিচিত, বহু গ্রন্থের রচয়িতা, যার মধ্যে রয়েছে (যখাইরুল কসর ফী তারাজিম নুবালাউল আসর), যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন (৯৫৩ হি.) সনে(২) - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

 

*‌‌ তাঁর ছাত্রবৃন্দ: তাঁর নিকট থেকে তাঁর নিজ দেশীয় ও অন্যান্য দেশের একদল লোক ইলম অর্জন করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

(১) তাঁর পুত্র শায়খ আল-মুসনিদ আল-মুহাদ্দিস আল-ফারযী আল-ফকীহ ইয়াহইয়া ইবনে মুসা আল-হাজ্জাবী, যিনি কায়রোতে এক হাজার এক হিজরী থেকে এক হাজার পঁচিশ হিজরীর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন(৩) - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

(২) শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবী হুমাইদান, যিনি (আবু জাদদাহ) নামে পরিচিত, জন্ম ও আবাসের দিক থেকে আন-নাজদী আল-উশাইকিরী; তিনি শামের সফর করেন এবং দীর্ঘ সাত বছর পূর্ণাঙ্গভাবে হাজ্জাবীর সান্নিধ্যে থাকেন এবং দশম হিজরী শতাব্দীর শেষে মৃত্যুবরণ করেন(৪), - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

(৩) শায়খ যামিল ইবনে সুলতান ইবনে যামিল আল-খাতীব, বনু হানিফার আল-ইয়াযীদ বংশোদ্ভূত, আল-মুকরিনী আন-নাজদী, রিয়াদের বিচারক, যিনি দশম হিজরী শতাব্দীর শেষার্ধে মৃত্যুবরণ করেছেন(৫), - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

(৪) শায়খ কাযী শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে শামসুদ্দীন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে উমর সিবত আর-রাজীহী, দামেস্কে হাম্বলীগণের বিচারক ও তাঁদের প্রধান নির্ভরযোগ্য আলেম, যিনি (১০০২) সনে মৃত্যুবরণ করেছেন(৬), - আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।

--------------------------------------------

(১) আল-কাওয়াকিবুস সাইয়িরাহ (১/৪০), শাযারাতুয যাহাব (১০/২৭১)।

(২) আল-কাওয়াকিবুস সাইয়িরাহ (২/৫২), শাযারাতুয যাহাব (৮/২৯৮)।

(৩) আন-নাতুল আকমাল (পৃ./১৮২), মুখতাসার তাবাকাতিল হানাবিলাহ (পৃ./১০৫)।

(৪) উলামাউ নাজদ (৫/৪৮১)।

(৫) উনওয়ানুল মাজদ (২/৩০৪), উলামাউ নাজদ খিলালা সামানিয়াতি কুরুনি (২/১৯৭)।

(৬) লুতফুস সামার (১/২৬), খুলাসাতুল আসার (৪/১৪৩), আন-নাতুল আকমাল (পৃ./১৬০), আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (৩/১০৮)।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৮)
(5) الشيخ شهاب الدين أحمد بن محمد بن أحمد أبو العباس الشويكي الحنبلي، المتوفى في التاسع من ذي الحجة سنة (1007 هـ)(1)، - رحمه الله تعالى -.

(6) الشيخ إبراهيم بن محمد المعروف بابن الأحدب الزبداني الأصل، الشافعي، الرحلة المعمّر المتوفى سنة (1010 هـ)(2)، - رحمه الله تعالى -.

(7) الشيخ أبو بكر بن زيتون الصالحي الحنبلي، المتوفى سنة (1012 هـ)(3)، - رحمه الله تعالى -.

(8) الشيخ أحمد بن محمد بن مشرف بن عمر بن معضاد الوهيبي التميمي الحنبلي، قاضي أشيقر، ولد في بلدة أشيقر، وقرأ على علمائها، ثم سافر إلى دمشق، ولازم الشيخ الحجاوي ملازمة تامة، ثم عاد إلى نجد وولي قضاء أشيقر، وبقي فيها حتى توفي سنة 1012 هـ(4)، - رحمه الله تعالى -.

(9) الشيخ العلّامة شهاب. الدين أحمد بن أبي الوفاء بن مفلح الوفائي الدمشقي الحنبلي، من بني مفلح، البيت المشهور بالعلم والرياسة بالشام، المتوفى سنة (1038 هـ)(5)، - رحمه الله تعالى -.

(10) الشيخ أبو النور عثمان بن محمد بن إبراهيم، الشهير بأبي جدة(6)، - رحمه الله تعالى -.

(11) الشيخ القاضي شمس الدين ابن ظريف(6)، - رحمه الله تعالى -.

--------------------------------------------

(1) اختلفت المراجع في نسبته وسنة وفاته، ففي "تراجم الأعيان" و "لطف السمر" أنه الشويكي بياء مثناة من تحت، وفي "خلاصة الأثر" ومختصر طبقات الحنابلة" أنه "الشويكي" بياء موحدة من تحت، واتفقوا على أن سنة وفاته هي (1007 هـ)، عدا "تراجم الأعيان" ففيه أنها (1006 هـ)، "تراجم الأعيان" (1/ 51)، "لطف السمر" (1/ 267)، "خلاصة الأثر" (1/ 80)، "مختصر طبقات الحنابلة" (ص / 102).

(2) لطف السمر (1/ 241)، خلاصة الأثر (1/ 36).

(3) لطف السمر (1/ 257).

(4) عنوان المجد (2/ 303)، علماء نجد (1/ 539).

(5) تراجم الأعيان (1/ 48)، خلاصة الأثر (1/ 165)، النعت الأكمل (ص/ 198)، السحب الوابلة (116/ 1).

(6) مختصر طبقات الحنابلة (ص/ 94).

(৫) শাইখ শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আবুল আব্বাস আশ-শুওয়াইকী আল-হাম্বলী, যিনি ৯ই জিলহজ ১০০৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন(১), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

(৬) শাইখ ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ, যিনি ইবনে আল-আহদাব আল-যাবদানী নামে পরিচিত, আদি নিবাস যাবদান, শাফেয়ী মাজহাবের অনুসারী, দীর্ঘজীবী পরিব্রাজক, যিনি ১০১০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন(২), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

(৭) শাইখ আবু বকর ইবনে যাইতুন আস-সালিহী আল-হাম্বলী, যিনি ১০১২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন(৩), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

(৮) শাইখ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুশরিফ ইবনে উমর ইবনে মা'দাদ আল-উহাইবী আত-তামীমী আল-হাম্বলী, উশাইকিরের কাজী। তিনি উশাইকির শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানকার আলেমদের কাছে পড়াশোনা করেন, এরপর দামেস্কে সফর করেন এবং শাইখ আল-হিজ্জাবীর সান্নিধ্যে পূর্ণ সময় অতিবাহিত করেন। অতঃপর তিনি নজদে ফিরে আসেন এবং উশাইকিরের বিচারপতির (কাজী) দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ১০১২ হিজরিতে মৃত্যু পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন(৪), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

(৯) শাইখ আল্লামা শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনে আবিল ওয়াফা ইবনে মুফলিহ আল-ওয়াফায়ী আদ-দিমাশকী আল-হাম্বলী। তিনি বনু মুফলিহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, যা সিরিয়ায় জ্ঞান ও নেতৃত্বের জন্য সুপরিচিত একটি পরিবার। তিনি ১০৩৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন(৫), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

(১০) শাইখ আবুল নূর উসমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম, যিনি আবু জাদ্দাহ নামে পরিচিত(৬), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

(১১) শাইখ কাজী শামসুদ্দীন ইবনে যরীফ(৬), -রাহিমাহুল্লাহু তাআলা-।

--------------------------------------------

(১) তার বংশীয় পরিচয় এবং মৃত্যুর বছর নিয়ে সূত্রগুলোতে ভিন্নমত পাওয়া যায়। "তারাজিমুল আ'ইয়ান" এবং "লুতফুস সামার" গ্রন্থে এসেছে যে, তিনি 'আশ-শুওয়াইকী' (নিচে দুই নকতা বিশিষ্ট ইয়া-সহ)। আর "খুলাসাতুল আসার" এবং "মুখতাসারু তাবাকাতিল হানাবিলা" গ্রন্থে এসেছে যে, তিনি 'আশ-শুওয়াইকী' (নিচে এক নকতা বিশিষ্ট বা-সহ)। তার মৃত্যুর বছর ১০০৭ হিজরি হওয়ার ব্যাপারে সবাই একমত, কেবল "তারাজিমুল আ'ইয়ান" ব্যতীত, সেখানে তা ১০০৬ হিজরি বলা হয়েছে। "তারাজিমুল আ'ইয়ান" (১/ ৫১), "লুতফুস সামার" (১/ ২৬৭), "খুলাসাতুল আসার" (১/ ৮০), "মুখতাসারu তাবাকাতিল হানাবিলা" (পৃষ্ঠা/ ১০২)।

(২) লুতফুস সামার (১/ ২৪১), খুলাসাতুল আসার (১/ ৩৬)।

(৩) লুতফুস সামার (১/ ২৫৭)।

(৪) উনওয়ানুল মাজদ (২/ ৩০৩), উলামাউ নজদ (১/ ৫৩৯)।

(৫) তারাজিমুল আ'ইয়ান (১/ ৪৮), খুলাসাতুল আসার (১/ ১৬৫), আন-নাতুল আকমাল (পৃষ্ঠা/ ১৯৮), আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (১/ ১১৬)।

(৬) মুখতাসারু তাবাকাতিল হানাবিলা (পৃষ্ঠা/ ৯৪)।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ১৯)
(12) وأجاز للشيخ شمس الدين محمد بن ابن الشيخ شهاب الدين أحمد بن محمد المرداوي المقدسي الشهير بابن الديوان(1)، - رحمه الله تعالى -.

 

*‌‌ مؤلفاته:

(1) "الإِقناع لطالب الانتفاع"، وهو متن مشهور طُبع عدة طبعات آخرها بتحقيق الدكتور عبد الله التركي بالتعاون مع دار هجر بالقاهرة.

(2) "زاد المستنقع في اختصار المقنع"، وهو متن مشهور، انتفع به المتأخرون من الحنابلة.

طُبعَ عدة مرات، وشرحه الشيخ منصور بن يونس البهوتي في كتابه (الروض المربع)، وعلى الشرح المذكور عّدة حواش وتعليقات معروفة.

(3) "حاشية التنقيح"، والمراد بالتنقيح هنا: "التنقيح المشبع في تحرير أحكام المقنع" للعلاّمة شيخ المذهب في وقته: علاء الدين أبي الحسن علي بن سليمان المرداوي، المتوفى سنة (885 هـ) - رحمه الله تعالى - وقد طبعت هذه الحاشية باسم (حواشي التنقيح في الفقه على مذهب الإمام أحمد بن حنبل)، بتحقيق ودراسة الدكتور يحيى بن أحمد بن يحيى الجردي، الطبعة الأولى سنة (1412 هـ)، نشر دار المنار للطبع والنشر والتوزيع بالقاهرة، في مجلد واحد.

(4) "منظومة الآداب الشرعية وشرحها"(2).

(5) "شرح منظومة الآداب لابن مفلح"(3).

(6) "منظومة الكبائر"(2).

(7) "حاشية على الفروع "(3).

(8) "شرح المفردات"(3).

--------------------------------------------

(1) خلاصة الأثر (3/ 356).

(2) السحب الوابلة (3/ 1134).

(3) شذرات الذهب (10/ 472).

(১২) এবং তিনি শায়খ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে ইবনুল শায়খ শিহাবুদ্দিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মারদাউয়ি আল-মাকদিসিকে অনুমতি (ইজাজাহ) প্রদান করেন, যিনি ইবনুদ দিওয়ান(১) নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন - আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন।

 

*‌‌ তাঁর রচনাবলী:

(১) "আল-ইকনা লি তালিবিল ইনতিফা", এটি একটি প্রসিদ্ধ মতন (মূল পাঠ), যা কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে। এর সর্বশেষ সংস্করণটি কায়রোর দারু হাজার-এর সহযোগিতায় ডক্টর আবদুল্লাহ আল-তুর্কির তাহকিকে প্রকাশিত হয়েছে।

(২) "যাদুল মুসতাকনি ফি ইখতিসারিল মুকনি", এটি একটি প্রসিদ্ধ মতন, যা থেকে পরবর্তী প্রজন্মের হাম্বলিগণ উপকৃত হয়েছেন।

এটি কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে। শায়খ মনসুর বিন ইউনুস আল-বাহুতি তাঁর "আর-রওদুল মুরবি" গ্রন্থে এটির ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। উক্ত ব্যাখ্যাগ্রন্থের ওপর বেশ কিছু পরিচিত টীকা ও মন্তব্য (হাশিয়া) রয়েছে।

(৩) "হাশিয়াতুত তানকিহ"; এখানে 'তানকিহ' বলতে উদ্দেশ্য হলো তৎকালীন মাযহাবের শ্রেষ্ঠ আলিম আল্লামা আলাউদ্দিন আবুল হাসান আলী বিন সুলাইমান আল-মারদাউয়ি (মৃত্যু ৮৮৫ হিজরি) - আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন - রচিত "আত-তানকিহুল মুশবি ফি তাহরিরে আহকামিল মুকনি"। এই হাশিয়াটি "হাওয়াশিত তানকিহ ফিল ফিকহি আলা মাযহাবিল ইমাম আহমদ বিন হাম্বল" নামে ডক্টর ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন ইয়াহইয়া আল-জারদির তাহকিক ও গবেষণায় কায়রোর দারুল মানার প্রকাশনী থেকে এক খণ্ডে ১৪১২ হিজরিতে প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।

(৪) "মানযুমাতুল আদাব আশ-শারইয়্যাহ ওয়া শারহুহা"(২)।

(৫) "ইবনে মুফলিহ-এর মানযুমাতুল আদাবের ব্যাখ্যাগ্রন্থ"(৩)।

(৬) "মানযুমাতুল কাবায়ের"(২)।

(৭) "আল-ফুরু-এর ওপর হাশিয়া"(৩)।

(৮) "শারহুল মুফরাদাহ"(৩)।

--------------------------------------------

(১) খুলাসাতুল আসার (৩/ ৩৫৬)।

(২) আস-সুহুবুল ওয়াবিলাহ (৩/ ১১৩৪)।

(৩) শাযারাতুয যাহাব (১০/ ৪৭২)।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ২০)
(9) "شرح غريب لغات الإقناع"(1).

وله من النظم قوله في شروط الإِمامة:

وهاك شروطاً للإمامة إنَّها … لتبلغٌ في تعدادها اثنين مع عشرِ

عدالتُه، إسلامُهُ، ثم نطقُه … طهارتُهُ مع آدمى كذا مُقري

بلوغٌ لفرضٍ قادرٌ لقيامِهِ … سوى راتبٍ يرجى شفاهُ من الضُّر

وليسَ بِه عجزٌ عن الذكرِ يا فتى … وليسَ لهُ من بولهِ سلسٌ يجري

وصحَّ منَ المعذورِ فيه إمامةٌ … بمشبهه إلا بأَخرسَ للعذر

ولا بدَّ من عقلٍ كذاك ذكورةٌ … فخذها هداك الله واعملْ بها تدري(2)

 

*‌‌ وفاته:

اختلف في سنة وفاته، فقيل إنه توفي سنة (960 هـ)، ذكر ذلك صاحب الشذرات، فقال في حوادث سنة (960 هـ): وتوفي يوم الخميس، الثاني والعشرين من ربيع الأول ودفن بأسفل الروضة(3).

وقيل: إنه توفي سنة (968 هـ)، وذلك يوم الخميس سابع عشر ربيع الأول منه، ذكر ذلك غالب من ترجم له(4).

وقيل: إنه توفي سنة (948 هـ)، ذكر بعضهم هذا القول بناءً على خطأ وقع في طبعة لكتاب "عنوان المجد لابن بشر"(5) حيث إنه في أثناء كلامه على سابقة في سنة

--------------------------------------------

(1) المدخل لابن بدران (ص / 441، 483).

(2) النعت الأكمل (ص/ 125).

(3) شذرات الذهب (10/ 372).

(4) الكواكب السائرة (3/ 215)، عنوان المجد (2/ 304)، المدخل لابن بدران (ص/ 441)، مختصر طبقات الحنابلة. ص/ 94).

(5) عنوان المجد (1/ 22) نشر مكتبة الرياض الحديثة، دون تاريخ.

(৯) "শারহু গারিবিল লুগাতিল ইকনা" (আল-ইকনা গ্রন্থের কঠিন শব্দাবলির ব্যাখ্যা)(১)।

ইমামতির শর্তাবলি সম্পর্কে তাঁর একটি কাব্য রয়েছে:

ইমামতির এই শর্তগুলো গ্রহণ করো, যা গণনা করলে বারোটিতে পৌঁছায় …

তাঁর ন্যায়পরায়ণতা, তাঁর ইসলাম, অতঃপর তাঁর কথা বলার সক্ষমতা … তাঁর পবিত্রতা, সেই সাথে মানুষ হওয়া এবং সুন্দর তিলাওয়াতকারী হওয়া।

ফরজ সালাতের জন্য প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া এবং তা আদায়ের জন্য দাঁড়াতে সক্ষম হওয়া … কেবল সেই স্থায়ী ইমাম ব্যতীত যার রোগমুক্তির আশা করা যায়।

হে যুবক, তাঁর যেন জিকির (স্মরণ) করতে কোনো অক্ষমতা না থাকে … এবং তাঁর যেন নিরবচ্ছিন্ন প্রস্রাব ঝরার রোগ না থাকে।

ওজরগ্রস্ত ব্যক্তির ইমামতি তাঁর মতো ওজরগ্রস্তের জন্য সহীহ হবে … তবে ওজরের কারণে কথা বলতে অক্ষম (মূক) ব্যক্তির ইমামতি ব্যতীত।

অবশ্যই বিবেক-বুদ্ধি এবং পুরুষ হওয়া আবশ্যক … আল্লাহ তোমাকে সঠিক পথ দেখান, এগুলো গ্রহণ করো এবং আমল করো, তবেই তুমি জানতে পারবে।(২)

 

*‌‌ তাঁর মৃত্যু:

তাঁর মৃত্যু সাল নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে যে, তিনি ৯৬০ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। 'শাজারাত' গ্রন্থের লেখক এটি উল্লেখ করেছেন এবং ৯৬০ হিজরির ঘটনাবলির বর্ণনায় বলেছেন: তিনি ২২শে রবিউল আউয়াল বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন এবং রাওজার নিম্নভাগে সমাহিত হন।(৩)

আবার বলা হয়েছে যে, তিনি ৯৬৮ হিজরি সনের ১৭ই রবিউল আউয়াল বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর অধিকাংশ জীবনীকার এটিই উল্লেখ করেছেন।(৪)

আরও বলা হয়েছে যে, তিনি ৯৪৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে বিশর রচিত "উনওয়ানুল মাজদ" গ্রন্থের একটি সংস্করণে ঘটা ভুলের ওপর ভিত্তি করে কেউ কেউ এই মতটি উল্লেখ করেছেন।(৫) সেখানে তিনি বিগত বছরের আলোচনার এক পর্যায়ে...

--------------------------------------------

(১) ইবনে বদরান রচিত আল-মাদখাল (পৃষ্ঠা/ ৪৪১, ৪৮৩)।

(২) আন-নাতুল আকমাল (পৃষ্ঠা/ ১২৫)।

(৩) শাজারাতুজ জাহাব (১০/ ৩৭২)।

(৪) আল-কাওয়াকিব আস-সাইয়িরাহ (৩/ ২১৫), উনওয়ানুল মাজদ (২/ ৩০৪), ইবনে বদরান রচিত আল-মাদখাল (পৃষ্ঠা/ ৪৪১), মুখতাসার তাবাকাতিল হানাবিলা (পৃষ্ঠা/ ৯৪)।

(৫) উনওয়ানুল মাজদ (১/ ২২), মাকতাবাতুর রিয়াদ আল-হাদিসা থেকে প্রকাশিত, তারিখবিহীন।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ২১)
(948 هـ) ذكر في آخرها: (وفيها توفي الشيخ العالم … إلخ). وسقط من هذه الطبعة جملة: (وفي ثمان وستين وتسعمائة توفي الشيخ العَالِم … إلخ(1).

وكانت جنازته حافلة، حضرها الأكابر والأعيان، وتأسّف عليه الناس(2)، - رحمه الله تعالى -.

--------------------------------------------

(1) عنوان المجد (2/ 304).

(2) الكواكب السائرة (3/ 216).

(৯৪৮ হিজরি) এর শেষে উল্লেখ করা হয়েছে: (এবং এই বছরে আলেম শায়খ … প্রমুখ মৃত্যুবরণ করেন)। আর এই সংস্করণ থেকে এই বাক্যটি বাদ পড়েছে: (এবং নয়শ আটষট্টি হিজরিতে আলেম শায়খ … প্রমুখ মৃত্যুবরণ করেন)(১).

তাঁর জানাজা ছিল জনাকীর্ণ, যাতে গণ্যমান্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং মানুষ তাঁর জন্য শোক প্রকাশ করেছিল(২), - আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন -.

--------------------------------------------

(১) উনওয়ানুল মাজদ (২/ ৩০৪)।

(২) আল-কাওয়াকিবুস সাইয়িরাহ (৩/ ২১৬)।

(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌النسخ المعتمدة في التحقيق

(1) اعتمدت في تحقيق كتاب "التنقيح المشبع في تحريم أحكام المقنع" على نسخة المؤلف المرداوي التي كتبها بخطه، وهذه النسخة محفوظة في مكتبة جامعة برنستون بأمريكا مجموعة يهودا رقم (1) تحت رقم (3810) وعدد أوراقها (110 ورقات) (220 صفحة)، وعدد أسطر كل صفحة (23 سطراً)، وعدد كلمات كل سطر من 10 - 13 كلمة تقريباً. ناسخها المؤلف. تاريخ الانتهاء من النسخ 9/ 2/ 878 هـ. وتوجد لها صورة بمكتبة الملك فهد الوطنية بالرياض تحت رقم (3810) مجموعة برنستون يهودا رقم (1) وعنها حصلت على صورة من هذه النسخة.

(2) اعتمدت في تحقيق: "حاشية التنقيح" تأليف العلّامة شرف الدين أبي النجا موسى بن أحمد بن سالم الحجاوي المتوفى سنة 968 هـ على النسة المحفوظة بمكتبة الموسوعة الفقهية بوزارة الأوقاف والشؤون الإِسلامية بدولة الكويت، والمحفوظة فيها تحت رقم (خ 1020)، وناسخها العلاّمة عبد الله بن عبد الرحمن أبابطين النجدي الحنبلي، المتوفئ سنة 1282 هـ، وعدد أوراقها (39) ورقة (88 صفحة)، عدد الأسطر في كل صفحة (21 سطراً)، وعدد كل كلمة في كل سطر من 12 - 14 كلمة تقريباً، وليس عليها تاريخ نسخ، وقد زودني بصورة منها فضيلة الشيخ فيصل بن يوسف العلي المستشار بوزارة الشؤون الإسلامية بدولة الكويت، فجزاه الله خيراً.

(3) اعتمدت في تحقيق "حاشية التنقيح" لمؤلفه المرداوي على النسخة المكتوبة بخطه سالفة الذكر، حيث جعل حاشتيه على التنقيح بهامش نسخته، وقد جردتها من حواشي نسخته، وجعلتها في هامش هذا الكتاب.
সম্পাদনায় নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপিসমূহ

(১) "আল-তানক্বিহ আল-মুশবি' ফি তাহরিম আহকাম আল-মুক্বনি'" গ্রন্থের সম্পাদনায় আমি লেখক আল-মারদাউয়ির স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি। এই পাণ্ডুলিপিটি আমেরিকার প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরিতে ইহুদা সংগ্রহ নং (১)-এর অধীনে ৩৮১০ নম্বরে সংরক্ষিত আছে। এর পত্র সংখ্যা ১১০টি (২২০ পৃষ্ঠা), প্রতি পৃষ্ঠার পঙক্তি সংখ্যা ২৩টি এবং প্রতি পঙক্তির শব্দ সংখ্যা প্রায় ১০-১৩টি। এর লিপিকার স্বয়ং লেখক। অনুলিপি সম্পন্ন হওয়ার তারিখ ৯/২/৮৭৮ হিজরি। রিয়াদের কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে প্রিন্সটন ইহুদা সংগ্রহ নং (১)-এর অধীনে ৩৮১০ নম্বরে এর একটি প্রতিলিপি রয়েছে এবং সেখান থেকেই আমি এই পাণ্ডুলিপির একটি প্রতিলিপি সংগ্রহ করেছি।

(২) ৯৬৮ হিজরিতে ইন্তেকালকারী আল্লামা শরাফুদ্দিন আবু নাজা মুসা ইবনে আহমাদ ইবনে সালিম আল-হিজ্জাউয়ি বিরচিত "হাশিয়াতুত তানক্বিহ" গ্রন্থের সম্পাদনায় আমি কুয়েত রাষ্ট্রের ওয়াকফ ও ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ফিকহ বিশ্বকোষ লাইব্রেরিতে (খ ১০২০) নম্বরে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি। এর লিপিকার হলেন ১২৮২ হিজরিতে ইন্তেকালকারী আল্লামা আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আবাবুতাইন আল-নাজদি আল-হাম্বলি। এর পত্র সংখ্যা ৩৯টি (৮৮ পৃষ্ঠা), প্রতি পৃষ্ঠার পঙক্তি সংখ্যা ২১টি এবং প্রতি পঙক্তির শব্দ সংখ্যা প্রায় ১২-১৪টি। এতে অনুলিপির কোনো তারিখ নেই। কুয়েত রাষ্ট্রের ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শ্রদ্ধেয় শায়খ ফয়সাল বিন ইউসুফ আল-আলি আমাকে এর একটি প্রতিলিপি দিয়ে সহায়তা করেছেন, আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন।

(৩) আল-মারদাউয়ি রচিত "হাশিয়াতুত তানক্বিহ" সম্পাদনায় আমি তার পূর্বোল্লিখিত স্বহস্তে লিখিত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, কারণ তিনি তার পাণ্ডুলিপির মার্জিনে "তানক্বিহ"-এর ওপর তার হাশিয়া বা টীকা যুক্ত করেছিলেন। আমি তার পাণ্ডুলিপির টীকাগুলো সেখান থেকে পৃথক করেছি এবং এই কিতাবের টীকায় স্থান দিয়েছি।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ২৩)
‌‌نماذج من صور المخطوط
পাণ্ডুলিপির চিত্রসমূহের কিছু নমুনা
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
مقدمة

بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله الذي علم ووفق، وألهم وفهّم وحقق، وجاد وتلطف وترفق، ومنَّ علينا بما لا يحصى وتصدق، والصلاة والسلام على أعلم خلق الله وأصدق، وعلى آله وأصحابه الذين كل منهم مسدَّد موفق.

أما بعد: فقد سنح* بالبال** أن أقتضب***(1) ما في كتابي (الإنصاف) من تصحيح ما أطلق الشيخ الموفق في "المقنع" من الخلاف، وما لم يفصح فيه بتقديم حكم، وأن أتكلم على ما قطع به، أو قدمه، أو صححه، أو ذكر أنه المذهب، وهو غير الراجح في المذهب، وما أخل به من قيد أو شرط صحيح في المذهب، وما حصل في عبارته من خلل، أو إيهام، أو عموم، أو إطلاق. وأما ما قطع به، أو قدمه، أ، صححه، أو ذكر أنه المذهب، أو كان مفهوم كلامه مخالفا لمنطوقه(2)، وكان موافقًا للصحيح من المذهب فإني لا أتعرض إليه غالبًا. إذا علمت ذلك فما أطلق فيه الخلاف أو كان في معناه فإني أقتصر منه على القول الصحيح بلفظ المصنف غالبًا، وأما ما قطع به، أو قدَّمه، أو صححه، أو ذكر أنه المذهب والمشهور خلافه، فإني آتي مكانه بالصحيح من المذهب، وما أخل به من قيد أو شرط، فإن كان الشرط


 

بسم الله الرحمن الرحيم

عونك يارب.

* قوله: (سنح) أي: عرض.

** قوله: (بالبال) أي: بالقلب، تقول: ما خطر فلان ببالي. قاله الجوهري.

*** قوله: (أن أقتضب) أي: أقتطع، وهذه العبارة أخذها المنقح من أول "قواعد ابن رجب".


 

(1) (ح): انتخب.

(2) (ح): أي في الحكم.
ভূমিকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি জ্ঞান দান করেছেন ও তাওফিক দিয়েছেন, ইলহাম দান করেছেন, বোধগম্যতা দান করেছেন ও সত্যে উপনীত করেছেন; যিনি পরম দানশীলতা, দয়া ও কোমলতা প্রদর্শন করেছেন এবং আমাদের ওপর অগণিত অনুগ্রহ ও দান করেছেন। আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী ও সত্যবাদী সত্তার ওপর, এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর, যাঁদের প্রত্যেকেই সঠিক পথে পরিচালিত ও সফল।

অত:পর: আমার মনে এই চিন্তার উদয় হয়েছে যে, আমি আমার গ্রন্থ 'আল-ইনসাফ'-এর সেই বিষয়গুলোকে সংক্ষেপ করব যেখানে শাইখ আল-মুওয়াফফাক 'আল-মুকনি' গ্রন্থে বিভিন্ন মতভেদের যে বর্ণনা কোনো নির্দিষ্ট ফয়সালা ছাড়া ছেড়ে দিয়েছেন তার সঠিক সমাধান দেওয়া হয়েছে, এবং যে বিষয়গুলোতে তিনি কোনো বিধানকে প্রাধান্য দিয়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি। আর আমি সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব যেগুলোকে তিনি সুনিশ্চিত বলেছেন, অথবা প্রাধান্য দিয়েছেন, অথবা সঠিক বলেছেন, অথবা মাযহাব হিসেবে উল্লেখ করেছেন অথচ তা মাযহাবের অগ্রগণ্য (রাজীহ) মত নয়; এছাড়া মাযহাবের সঠিক মতানুযায়ী যে সকল শর্ত বা বিধিনিষেধ তিনি উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন, এবং তাঁর বক্তব্যে যে ধরনের ত্রুটি, অস্পষ্টতা, সাধারণ বা নিঃশর্ত বর্ণনা পরিলক্ষিত হয়েছে, তাও আলোচনা করব। আর যে বিষয়গুলো তিনি সুনিশ্চিত করেছেন, প্রাধান্য দিয়েছেন, সঠিক বলেছেন কিংবা মাযহাব হিসেবে উল্লেখ করেছেন, অথবা তাঁর বক্তব্যের পরোক্ষ অর্থ যদি প্রত্যক্ষ অর্থের বিরোধী হয়, অথচ তা মাযহাবের সঠিক মতের অনুকূলে থাকে, তবে সাধারণত আমি সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব না। আপনি যখন এটি জানলেন, তবে (মনে রাখুন) যে বিষয়গুলোতে মতভেদকে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই রাখা হয়েছে বা সেই অর্থের অন্তর্ভুক্ত, সেক্ষেত্রে আমি সাধারণত মূল গ্রন্থকারের শব্দেই কেবল সঠিক মতটি উল্লেখ করার ওপর সীমাবদ্ধ থাকব। আর যে বিষয়গুলোতে তিনি নিশ্চিত মত ব্যক্ত করেছেন, প্রাধান্য দিয়েছেন, সঠিক বলেছেন কিংবা মাযহাব হিসেবে উল্লেখ করেছেন অথচ প্রসিদ্ধ মত তার বিপরীত, সেক্ষেত্রে আমি তার পরিবর্তে মাযহাবের সঠিক মতটি নিয়ে আসব। আর যে সকল বিধি বা শর্ত তিনি বাদ দিয়েছেন, যদি সেই শর্তটি...


 

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

হে আমার প্রতিপালক! আপনার সাহায্য প্রার্থনা করছি।

* তাঁর উক্তি: (সানা-হা) অর্থাৎ: প্রকাশ পাওয়া বা উদিত হওয়া।

** তাঁর উক্তি: (বিল বালি) অর্থাৎ: অন্তরে। আপনি বলতে পারেন: অমুক ব্যক্তি আমার অন্তরে (চিন্তায়) আসেনি। এটি আল-জাওহারী বলেছেন।

*** তাঁর উক্তি: (আন আকতাদিবা) অর্থাৎ: আমি সংক্ষেপ করব। এই পরিভাষাটি আল-মুনাক্কিহ ইবনে রাজাব-এর 'কাওয়ায়েদ'-এর শুরু থেকে গ্রহণ করেছেন।


 

(১) (হা পাণ্ডুলিপি): নির্বাচিত করা।

(২) (হা পাণ্ডুলিপি): অর্থাৎ বিধানের ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
لأصل الباب ذكرته في أوله وإلا أضفته هو والقيد إلى لفظ المصنف مسبوكًا فيه، وما كان فيه من خلل فإني أغير لفظه وآتي بما يفي المقصود مع تكميله وتحريره، وما كان فيه من إبهام فإن كان في حكم فإني أفسره بالصحيح من المذهب بما يقتضيه المقام من الاحتمالات اللاتي هن أقوال في المذهب من صحة ووجوب وندب وضدها وإباحة، وإن* كان في لفظ فإني أبين معناه، وما** كان فيه من عموم أو إطلاق فإني أذكر ما يستثنى من العموم حتى خصائص النبي صلى الله عليه وسلم، وما هو مقيد للإطلاق مع نوع اختصار وتغيير بعض الألفاظ من كلام المصنف، وربما صرحت ببعض ما شمله العموم، فإذا وجدتَ في هذا الكتاب لفظًا، أو حكمًا مخالفًا لأصله، أو غيره فاعتمده فإنه وضع عن تحرير، واعتمد أيضًا ما فيه من تصريح وقيود في مسائله فإنه محترز به عن مفهومه. وقد يذكر المصنف مسأله أو أكثر ولها نظائر، والحكم فيها واحد، فأضيفها إلى ما ذكره؛ لئلا يتوهم أنه مخالف لذلك. وقد يكون مقهوم كلامه موافقًا لمنطوقه(1)؛ فأذكره لإزالة التوهم المذكور، وربما ذكر بعض فروع


 

* قوله: (وإن كان في لفظ) أي: الإبهام (فإني أبين معناه) أي: آتي بلفظ يزيل الإبهام، وقد فاته من ذلك ألفاظ مبهمة لم يبين معناها كما في كتاب الطهارة في قوله:: أو طهارة مشروعة"، وكان البيان في ذلك أن يقول: أو طهارة مستحبة، أو مسنونة كما قال غيره حتى نخرج من الطهارة المفروضة فإنها مشروعة بلا خلاف، ويأتي التنبيه على ذلك إن شاء الله تعالى.

** قوله: (وما كان فيه من عموم، أو إطلاق .. إلى آخره) فقد فاته شيء لم يبين إطلاقه، كما في باب حد المحاربين إذا جنى المحارب جناية توجب القصاص فيما دون النفس، ذكر "المقنع" فيها روايتين، وهي شاملة إن كان معها قتل أو لم يكن، وصحح أنه لا قود فيها، وبَقّاها على العموم، والمذهب التفصيل، فإن كانت مفردة لم يتحتم القتل، وإن كان معها قتل تحتم فيها، ولم يبين العموم.


 

(1) (ح): أي في الحكم.
অধ্যায়ের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলে তা আমি এর শুরুতে উল্লেখ করেছি, অন্যথায় আমি সেটি এবং এর সংশ্লিষ্ট শর্তাবলিকে মূল লেখকের শব্দের সাথে একীভূত করে দিয়েছি। তাতে যদি কোনো ত্রুটি থাকে, তবে আমি তার শব্দ পরিবর্তন করেছি এবং মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয় এমন শব্দ নিয়ে এসেছি, সাথে সাথে তা পূর্ণাঙ্গ ও পরিমার্জিত করেছি। আর যদি কোনো অস্পষ্টতা থাকে, তবে সেটি যদি কোনো বিধানের ক্ষেত্রে হয়, তবে আমি মাযহাবের বিশুদ্ধ মতানুসারে তার ব্যাখ্যা করেছি; অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে মাযহাবের যে সকল সম্ভাব্য মত রয়েছে—যেমন বিশুদ্ধতা, ওয়াজিব, মুস্তাহাব ও এর বিপরীতসমূহ কিংবা বৈধতা—সে অনুযায়ী তা বর্ণনা করেছি। আর যদি অস্পষ্টতা কোনো শব্দের মধ্যে হয়, তবে আমি তার অর্থ স্পষ্ট করেছি। আর তাতে যদি কোনো ব্যাপকতা বা নিঃশর্ত প্রয়োগ থাকে, তবে আমি সেই ব্যাপকতা থেকে যা যা ব্যতিক্রম তা উল্লেখ করেছি, এমনকি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহও; আর যা কিছু সেই নিঃশর্ততাকে সীমাবদ্ধ করে তাও সংক্ষেপে এবং মূল লেখকের কিছু শব্দ পরিবর্তনের মাধ্যমে উল্লেখ করেছি। কখনো কখনো আমি ব্যাপক শব্দের অন্তর্ভুক্ত কিছু বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছি। অতএব, আপনি যদি এই কিতাবে এমন কোনো শব্দ বা বিধান পান যা মূল কিতাব বা অন্য কোনো কিতাবের পরিপন্থী, তবে একেই নির্ভরযোগ্য মনে করবেন; কারণ এটি অত্যন্ত যাচাই-বাছাই ও পরিমার্জনের পর লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আর এতে যে সকল স্পষ্ট বর্ণনা ও শর্তাবলি রয়েছে সেগুলোকেও নির্ভরযোগ্য মনে করবেন, কারণ এর মাধ্যমে তার বিপরীত অর্থকে নাকচ করা হয়েছে। কখনো কখনো লেখক এক বা একাধিক মাসআলা উল্লেখ করেন যেগুলোর সমজাতীয় আরও মাসআলা থাকে এবং সেগুলোর বিধানও অভিন্ন হয়, এমতাবস্থায় আমি সেগুলোকে তাঁর উল্লিখিত মাসআলার সাথে যুক্ত করে দিয়েছি; যাতে এমন ভ্রম না হয় যে এটি তার বিপরীত। কখনো কখনো তাঁর বক্তব্যের ইঙ্গিত বা ভাবার্থ তাঁর স্পষ্ট বক্তব্যের অনুরূপ হয়; তাই আমি উল্লিখিত সংশয় দূর করার জন্য তা উল্লেখ করি। আর কখনো তিনি কিছু আনুষঙ্গিক শাখা উল্লেখ করেন...


 

* তাঁর কথা: (আর যদি শব্দের মধ্যে থাকে) অর্থাৎ অস্পষ্টতা (তবে আমি তার অর্থ স্পষ্ট করি) অর্থাৎ আমি এমন শব্দ নিয়ে আসি যা অস্পষ্টতা দূর করে। তবে তাঁর কাছ থেকে কিছু অস্পষ্ট শব্দ বাদ পড়ে গেছে যেগুলোর অর্থ তিনি স্পষ্ট করেননি, যেমনটি পবিত্রতা অধ্যায়ে তাঁর এই উক্তিতে রয়েছে: "অথবা শরিয়তসম্মত পবিত্রতা", অথচ এখানে স্পষ্টীকরণ এভাবে হওয়া উচিত ছিল যে তিনি বলবেন: "অথবা মুস্তাহাব কিংবা সুন্নাত পবিত্রতা", যেমনটি অন্যরা বলেছেন; যাতে ফরয পবিত্রতা এর বাইরে থাকে, কারণ ফরয পবিত্রতা কোনো মতভেদ ছাড়াই শরিয়তসম্মত। ইনশাআল্লাহ তাআলা এ বিষয়ে সামনে সতর্কতা আসবে।

** তাঁর কথা: (আর তাতে যা কিছু ব্যাপকতা বা নিঃশর্ততা থাকে... শেষ পর্যন্ত)। এখানেও কিছু বিষয় রয়ে গেছে যার নিঃশর্ত প্রয়োগ তিনি স্পষ্ট করেননি, যেমনটি ডাকাতদের শাস্তির অধ্যায়ে রয়েছে; যখন কোনো ডাকাত জীবনের হানি ছাড়া এমন কোনো অপরাধ করে যা কিসাস বা প্রতিশোধ আবশ্যক করে, তখন 'আল-মুকনি' কিতাবে এ বিষয়ে দুটি বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে। এটি এমনভাবে ব্যাপক যা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া বা না হওয়া উভয় অবস্থাকেই শামিল করে। সেখানে বিশুদ্ধ বলা হয়েছে যে, এতে কোনো কিসাস নেই এবং তিনি একে ব্যাপক অর্থেই রেখে দিয়েছেন। অথচ মাযহাবের বিস্তারিত অভিমত হলো: যদি অপরাধটি এককভাবে (হত্যা ছাড়া) হয় তবে হত্যা অনিবার্য হবে না, আর যদি এর সাথে হত্যা থাকে তবে তাতে (কিসাস) অনিবার্য হবে। তিনি এই ব্যাপকতা স্পষ্ট করেননি।


 

(১) (হা): অর্থাৎ বিধানের ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
مسألة؛ فأكملها لارتباط بعضها ببعض أو لتعلقها بها، ومع هذا لم أستوعب ما في الكتاب من ذلك، بل ذكرت المهم حسب الطاقة، وربما عللت بعض مسائل ليدل على أصل أو قاعدة أو نكتة غيرهما.

وأميز أصل المصنف أو معناه بكتابته بالأحمر(1)، إلا محل التصحيح وإبهام الحكم ليعلم الناظر - إن لم يكن حافظًا للكتاب- محل الزيادة والتصحيح، وموضع الخلل والإبهام، والتقييد والمستنثنى وغيره. وأشير إلى نص الإمام أحمد رحمه الله إن كان في المسألة، فإذا انضم هذا التصحيح إلى بقية ما في الكتاب، تحرر المذهب إن شاء الله تعالى.

وهو في الحقيقة تصحيح وتنقيح وتهذيب لكل ما في معناه، بل وتصحيح لغالب ما في المطولات ولا سيما في التتمات. وهذه الطريقة لم أر أحدًا ممن يتكلم على التصحيح(2) سلكها، وإنما يصححون الخلاف المطلق من الروايات والأوجه والاحتمالات فقط، ففاتهم شيء كثير جدًا مع مسيس الحاجة إليه أكثر مما فعلوه. والله الموفق.

وأمشي في ذلك كله على قول واحد، وهو: الصحيح من المذهب، أو ما اصطلحنا عليه في (الإنصاف) و (تصحيح الفروع) فيما إذا اختلف الترجيح، وربما لم يذكر المسألة إلا واحد ونحوه فأذكره، فإن أشكل عليك شيء من ذلك فراجع أصله. وربما حررت بعض مسائل من غيره، وتعرضت إلى ذكر غير المشهور، إن كان قويًا، واختاره بعض المحققين بعد تقديم المذهب، أو كان ضعيفًا وفيه قيد أو شرط لم يذكره هو أو بنى عليه حكمًا والخلاف فيه مطلق عنده أو عند غيره فأصححه، أو لنكتة غير ذلك، وقد أتعرض لذكر بعض حدود وأذكر السالم منها ظاهرًا وقلَّ أن تسلم، مراعيًا في ذلك كله ترتيب المصنف في مسائله غالبًا وأبوابه.


 

(2) (ح): أعني من أصحابنا، بل ولا من غيرهم لم أرهم ذكروا ذلك.

--------------------------------------------

(1) وفي هذا المطبوع جعلته بين قوسين وجعلته بخط أكبر.
মাসআলা; আমি তা পূর্ণ করেছি কারণ এর কিছু অংশ অন্য অংশের সাথে সংশ্লিষ্ট অথবা এর সাথে সম্পৃক্ত। এতদসত্ত্বেও, আমি কিতাবটিতে এই সংক্রান্ত যা রয়েছে তার সবটুকু অন্তর্ভুক্ত করিনি, বরং সামর্থ্য অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করেছি। আর সম্ভবত আমি কিছু মাসআলার কারণ বর্ণনা করেছি যেন তা কোনো মূলনীতি বা নিয়ম অথবা এছাড়া অন্য কোনো সূক্ষ্ম রহস্য নির্দেশ করে।

আর আমি মূল গ্রন্থকারের বক্তব্য বা এর মর্মকে লাল রঙে লিখে পৃথক করেছি(১), তবে যেখানে সংশোধন রয়েছে এবং যেখানে বিধান অস্পষ্ট রয়েছে তা ব্যতীত; যেন পাঠক—যদি তিনি কিতাবটি মুখস্থ না করে থাকেন—অতিরিক্ত সংযোজন ও সংশোধনের স্থান এবং ত্রুটি ও অস্পষ্টতা, সীমাবদ্ধতা ও ব্যতিক্রম এবং অন্যান্য বিষয়ের স্থানসমূহ জানতে পারেন। আর আমি ইমাম আহমাদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন)-এর বক্তব্যের দিকে ইশারা করি যদি মাসআলাটিতে তা থেকে থাকে। সুতরাং যখন এই সংশোধন কিতাবের অবশিষ্ট অংশের সাথে যুক্ত হবে, তখন ইনশাআল্লাহ তাআলা মাযহাব সুসংহত ও পরিমার্জিত হবে।

আর এটি প্রকৃতপক্ষে এর সমজাতীয় সকল বিষয়ের সংশোধন, পরিমার্জন ও বিন্যাস, বরং এটি দীর্ঘ গ্রন্থসমূহের অধিকাংশ বিষয়ের সংশোধন, বিশেষত পরিশিষ্টসমূহের ক্ষেত্রে। আর এই পদ্ধতিটি আমি সংশোধন বিষয়ে আলোচনাকারীদের কাউকে(২) অনুসরণ করতে দেখিনি। তারা কেবল বর্ণনা, বিভিন্ন মত ও সম্ভাব্য দিকগুলোর নিরঙ্কুশ মতভেদ সংশোধন করেন। ফলে তারা যা করেছেন তার চেয়েও অধিক প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই তাদের হাতছাড়া হয়ে গেছে। আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।

আর আমি এই সবকিছুর ক্ষেত্রে একটি মতের উপর চলেছি, আর তা হলো: মাযহাবের বিশুদ্ধ মত, অথবা প্রাধান্য প্রদানের ক্ষেত্রে মতভেদ দেখা দিলে আমরা 'আল-ইনসাফ' ও 'তাশহীহুল ফুরু' গ্রন্থে যে পরিভাষা নির্ধারণ করেছি তার উপর ভিত্তি করে। আর সম্ভবত কোনো মাসআলা কেবল একজন বা তাঁর অনুরূপ কেউ উল্লেখ করেছেন, এমতাবস্থায় আমি তা উল্লেখ করেছি। অতঃপর যদি এ সংক্রান্ত কোনো বিষয় আপনার কাছে অস্পষ্ট মনে হয়, তবে এর মূল উৎসের দিকে লক্ষ্য করুন। আর সম্ভবত আমি অন্য উৎস থেকে কিছু মাসআলা পরিমার্জন করেছি এবং অপ্রসিদ্ধ মতটি উল্লেখ করেছি যদি তা শক্তিশালী হয় এবং মাযহাব উপস্থাপনের পর কোনো কোনো গবেষক তা গ্রহণ করেন। অথবা যদি তা দুর্বল হয় এবং তাতে এমন কোনো সীমাবদ্ধতা বা শর্ত থাকে যা তিনি উল্লেখ করেননি, অথবা তিনি তার উপর কোনো বিধান ভিত্তি করেছেন অথচ তার কাছে বা অন্যের কাছে এ বিষয়ে মতভেদটি নিরঙ্কুশ ছিল, এমতাবস্থায় আমি তা সংশোধন করি, অথবা অন্য কোনো সূক্ষ্ম কারণে। আমি কিছু সংজ্ঞা প্রদানের চেষ্টা করতে পারি এবং বাহ্যত যা ত্রুটিমুক্ত তা উল্লেখ করি, যদিও তা ত্রুটিমুক্ত হওয়া বিরল। এই সবকিছুর ক্ষেত্রে আমি অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাসআলা ও অধ্যায়ের বিন্যাসে মূল লেখকের বিন্যাস অনুসরণ করেছি।


 

(২) (হা): অর্থাৎ আমাদের মাযহাবের অনুসারীদের মধ্য থেকে, বরং অন্য কারো থেকেও আমি দেখিনি যে তারা এটি উল্লেখ করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আর এই মুদ্রিত সংস্করণে আমি একে বন্ধনীর মাঝখানে রেখেছি এবং বড় হরফে প্রদান করেছি।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
سائلًا من الله تعالى أن يجعله خالصًا لوجهه الكريم، وأن يهدينا إلى الصراط المستقيم، وأن يكون عمدة للطالب، ومقنعًا للراغب، ومغنيًا عما سواه، وكافيًا لمن حرره وفهم معناه، وهاديًا إلى الصواب، راجيًا من الله جميل الأجر وجزيل الثواب، فهو المستعان، وعليه التكلان، وهو حسبنا، وعليه اعتمادنا.
আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করছি যেন তিনি একে একমাত্র তাঁর মহান চেহারার জন্য কবুল করেন এবং আমাদের সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেন; আর এটি যেন শিক্ষার্থীর জন্য প্রধান অবলম্বন, জ্ঞানান্বেষীর জন্য সন্তোষজনক এবং অন্য সবকিছু থেকে অমুখাপেক্ষীকারী হয়, আর যে ব্যক্তি এটি যথাযথভাবে অধ্যয়ন করবে ও এর অর্থ অনুধাবন করবে তার জন্য যথেষ্ট হয় এবং সঠিক বিষয়ের দিকে পথপ্রদর্শক হয়; আল্লাহর নিকট উত্তম প্রতিদান ও প্রচুর সওয়াবের প্রত্যাশা করছি। তিনিই একমাত্র সাহায্যকারী এবং তাঁর ওপরই সকল নির্ভরতা। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তাঁর ওপরই আমাদের একান্ত ভরসা।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌كتاب الطهارة

ومعناها شرعًا: ارتفاع(1) الحدث وما في معناه(2) بماء* طهور، وزوال(3) الخبث به(4)


 

كتاب الطهارة

قوله: (كتاب) * ذكر الفقهاء في كتبهم أن الكتاب مشتق من الكتب وهو الجمع وردَّه بعض علماء العربية وقال: الكتاب مصدر والكتب مصدر، والمصدر لا يشتق من المصدر، والجواب: أنهم إنما قالوا ذلك في الكتاب المراد به المكتوب؛ لأنهم إنما تكلموا في الكتاب الموضوع في كتبهم وهو بمعنى المكتوب، وهم يصرحون بذلك بأنه بمعنى المكتوب، كالخلق بمعنى المهلوق، فظهر من ذلك أنهم إنما حكموا باشتقاقه من الكتب باعتبار كونه اسم مفعول أي مكتوب لاعتبار كونها مصدرًا، وكلامهم يشعر بذلك فلا اعتراض عليهم. هكذا ذكره ابن قندس** في "حواشي المحرر".

* قوله: (بماء طهور)، وقوله: (به أو مع تراب ونحوه) لا حاجة إلى ذكره؛ لأنه من المحدود فما باله يذكر في الحد، وإن كان قد سبقه إلى ذلك قريب منه الموفق*** وغيره.


 

(1) (ح): قولنا: "ارتفاع" أولى من قول من قال رفع؛ لأن الطهارة ليست من قسم الأفعال؛ لأنها مصدر طهر، ومعناه زوال المنع المترتب على الحدث، أو الخبث، والرفع من قسم الأفعال، إذ هو مصدر رفع، فلا يصح تفسير أحدها بالآخر.

(2) (ح): وقولنا: "وما في معناه"؛ ليدخل الأغسال المستحبة، وتجديد الوضوء، والغسلة الثانية والثالثة، والظهارة المستحاضة، وغسل ذمية ومجنونة لحيض ونفاس ليحلان لزوجيهما، وكذا غسل الميت فإنه ليس عن حدث، بل تعبدا كما يأتي.

(3) [ح] وقولنا: "زوال الخبث" أولى من قول من قال: "رفع الخبث" كما تقدم في ارتفاع الحدث، وهو شامللما يمنع الصلاة من النجاسات وما لا يمنعها، كالمعفو عنها.

(4) [ح] وقولنا: "به" أي: بماء طهور كما قلنا في ارتفاع الخبث.

--------------------------------------------

* كلمة كتاب ساقطة من المخطوط.

** هو أبو بكر بن إبراهيم بن يوسف بن قندس العلي الحنبلي له "حاشية على الفروع" و"حاشية على المحرر" توفي سنة 861 هـ وقيل سنة 862 هـ انظر: شذرات الذهب 7/ 300.

*** هو أبو محمد عبد الله بن أحمد بن محمد بن قدامة المقدسي، ثم الدمشقي الحنبلي مولود سنة 541 هـ بقرية جماعيل بفلسطين، له "المغني"، و"المقنع"، و"الكافي" وغيرها. توفي سنة 620 هـ. انظر: المقصد الأرشد 2/ 15، وشذرات الذهب 5/ 188.
পবিত্রতা অধ্যায়

আর শরয়ী পরিভাষায় এর অর্থ হলো: পবিত্র পানি দ্বারা হাদাছ (অশুচি অবস্থা)(১) বা এর সমপর্যায়ের কিছু(২) দূর হওয়া এবং এর দ্বারা(৪) নাপাকি দূরীভূত(৩) হওয়া।


 

পবিত্রতা অধ্যায়

তাঁর উক্তি: (কিতাব) * ফকিহগণ তাঁদের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ করেছেন যে, 'কিতাব' শব্দটি 'আল-কাতব' থেকে ব্যুৎপন্ন, যার অর্থ হলো একত্রিত করা। তবে কতিপয় ভাষাবিদ একে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন: 'কিতাব' একটি মাসদার (ক্রিয়ামূল) এবং 'কাতব'-ও একটি মাসদার, আর এক মাসদার থেকে অন্য মাসদার ব্যুৎপন্ন হয় না। এর উত্তর হলো: তারা এ কথাটি ঐ 'কিতাব' সম্পর্কে বলেছেন যা দ্বারা 'মাকতুব' (লিখিত বিষয়) উদ্দেশ্য; কারণ তারা তাঁদের গ্রন্থে বিধৃত 'কিতাব' নিয়ে আলোচনা করেছেন যা 'মাকতুব'-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাঁরা এ বিষয়ে স্পষ্ট করেছেন যে এটি 'মাকতুব' অর্থে ব্যবহৃত, যেমন 'খালক' শব্দটি 'মাখলুক' (সৃষ্ট বস্তু) অর্থে ব্যবহৃত হয়। এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, তাঁরা একে 'আল-কাতব' থেকে ব্যুৎপন্ন হওয়ার বিধান দিয়েছেন একে ইসমে মাফউল অর্থাৎ 'মাকতুব' হিসেবে বিবেচনা করে, একে মাসদার হিসেবে বিবেচনা করে নয়। তাঁদের বক্তব্য এ দিকেই ইঙ্গিত করে, সুতরাং তাঁদের ওপর কোনো আপত্তি নেই। ইবনে কুনদুস** 'হাওয়াশিল মুহররার' গ্রন্থে এভাবেই এটি উল্লেখ করেছেন।

* তাঁর উক্তি: (পবিত্র পানি দ্বারা), এবং তাঁর উক্তি: (এর দ্বারা অথবা মাটি ও এর সমজাতীয় বস্তুর সাথে) - এটি উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই; কারণ এটি সংজ্ঞায়িত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত, সুতরাং কেন এটি সংজ্ঞার মধ্যে উল্লেখ করা হবে? যদিও মুওয়াফফাক*** ও অন্যান্যগণ তাঁর আগে অনুরূপ কথা উল্লেখ করেছেন।


 

(১) (হা): আমাদের উক্তি: "দূর হওয়া" (ইর্তিফা) ওই ব্যক্তির উক্তি অপেক্ষা উত্তম যিনি "দূর করা" (রাফ) বলেছেন; কারণ পবিত্রতা ক্রিয়ার প্রকারভুক্ত নয়; বরং এটি 'তহারা' (পবিত্র হওয়া) শব্দের মাসদার, এবং এর অর্থ হলো হাদাছ বা নাপাকির কারণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দূরীভূত হওয়া। আর 'দূর করা' (রাফ) হলো ক্রিয়ার প্রকারভুক্ত, কারণ এটি 'রাফাআ' এর মাসদার। সুতরাং একটিকে অপরটি দ্বারা ব্যাখ্যা করা সঠিক নয়।

(২) (হা): এবং আমাদের উক্তি: "এবং এর সমপর্যায়ের কিছু" - যাতে মুস্তাহাব গোসলসমূহ, ওজু নবায়ন করা, (ওজুতে অঙ্গসমূহ) দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার ধৌত করা, মুস্তাহাযা নারীর পবিত্রতা লাভ করা, এবং জিম্মি ও পাগল নারীর হায়েয ও নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করা অন্তর্ভুক্ত হয়—যাতে তারা তাদের স্বামীদের জন্য হালাল হতে পারে। অনুরূপভাবে মৃত ব্যক্তির গোসল; কারণ এটি হাদাছ থেকে নয়, বরং ইবাদত হিসেবে করা হয় যেমন সামনে আসবে।

(৩) [হা] এবং আমাদের উক্তি: "নাপাকি দূরীভূত হওয়া" (যাওয়ালুল খাবাছ) ওই ব্যক্তির উক্তি অপেক্ষা উত্তম যিনি "নাপাকি দূর করা" (রাফউল খাবাছ) বলেছেন, যেমনটি হাদাছ দূর হওয়ার আলোচনায় পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। এটি এমন সব নাপাকিকে শামিল করে যা সালাতে বাধা দেয় এবং যা বাধা দেয় না, যেমন মার্জনীয় নাপাকি।

(৪) [হা] এবং আমাদের উক্তি: "এর দ্বারা" অর্থাৎ: পবিত্র পানি দ্বারা, যেমনটি আমরা নাপাকি দূর হওয়ার আলোচনায় বলেছি।

--------------------------------------------

* 'কিতাব' শব্দটি পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

** তিনি হলেন আবু বকর বিন ইবরাহিম বিন ইউসুফ বিন কুনদুস আল-আলি আল-হাম্বলি। তাঁর 'হাশিয়া আলাল ফুরু' এবং 'হাশিয়া আলাল মুহররার' রয়েছে। তিনি ৮৬১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কেউ বলেছেন ৮৬২ হিজরিতে। দেখুন: শাযারাতুয যাহাব ৭/৩০০।

*** তিনি হলেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন কুদামা আল-মাকদিসি, অতঃপর আদ-দামিশকি আল-হাম্বলি। তিনি ৫৪১ হিজরিতে ফিলিস্তিনের জাম্মায়িল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর 'আল-মুগনি', 'আল-মুকনি', 'আল-কাফি' এবং অন্যান্য গ্রন্থ রয়েছে। তিনি ৬২০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আল-মাকসাদুল আরশাদ ২/১৫, এবং শাযারাতুয যাহাব ৫/১৮৮।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
أو مع تراب(1) ونحوه، أو بنفسه(2)، أو ارتفاع حكمها(3) بما يقوم مقامه.


 

وكأنه أراد ألا يرد ذلك على الحد فاحترز منه، وعلى هذا كان يلزمه أن يقول ارتفاع الحدث بنيه من مكلف أو مميز إلى غير ذلك، وأن يقول: بما طهور مباح، وزوال الخبث بسبع غسلات، أو ثلاث ونحو ذلك، وهذا كله من المحدود لا حاجة إلى ذكر شيء منه، وكان يكفي أن يقول: ارتفاع الحدث وما في معناه وزوال الخبث، أو ارتفاع حكم ذلك؛ لأن هذا الحد ينطبق على جميع أحكام الطهارة، الحدثية والخبثية، ويدخل فيه التيمم عن الحدثوعن النجاسة على البدن.


 

(1) (ح): وقولنا: "أو مع تراب" وذلك لأجل الولوغ وغيره على قول من يقول به.

(2) (ح): وقولنا: "أو بنفسه" لأجل انقلاب الخمر خلًا وزوال تغير الماء النجس نفسه.

(3) (ح): وقولنا: "أو ارتفاع حكمها بما يقوم مقامه" أي: ما يقوم مقام الماء كالتراب [] * والتيمم والأحجار، والخشب، والخرق، ونحوها في الاستجمار، ولا يردطهارة أسفل الخف والحذاء، وذيل المرأة، ونحوه فإن الصحيح [] *، ولكن لا يبعد دخول أسفل الخف ونحوه إذا قلنا يطهر بالدلك [] *. في قوله: "أو ارتفاع حكمها بما يقوم مقامه" فإن حكم النجاسة قد زال بالدلك والمرور في ذيل المرأة، كذلك طهارة جلد الميتة بالدبغ على القول بطهارته، فإنه قد زال حكم [] * فيقوم المائع مقام الماء في الحكم لكن الصحيح من المذهب [] *.

--------------------------------------------

* كلمات يسيرة لم تتضح بالمخطوط.
অথবা মাটির সাথে(১) ও তদ্রূপ কিছুর সাথে, অথবা নিজে নিজেই(২), অথবা তার বিধান অপসারিত হওয়া(৩) এমন কিছুর দ্বারা যা পানির স্থলাভিষিক্ত হয়।


 

যেন তিনি চেয়েছিলেন যে, এটি সংজ্ঞার ওপর কোনো আপত্তি হিসেবে না আসুক, তাই তিনি তা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। এই ভিত্তিতে তাঁর জন্য বলা আবশ্যক ছিল যে, মুকাল্লাফ (শরীয়তের বিধান পালনের যোগ্য ব্যক্তি) বা মুমাইয়িয (বিচক্ষণ শিশু) কর্তৃক নিয়তের সাথে হাদাছ দূরীভূত হওয়া ইত্যাদি, এবং বলা: পবিত্র ও বৈধ বস্তুর মাধ্যমে, আর নাপাকি দূর হওয়া সাতবার ধৌত করার মাধ্যমে, অথবা তিনবার এবং তদ্রূপ। অথচ এসবই সংজ্ঞায়িত বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত, এর কোনোটি উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল না। বরং এতটুকুই যথেষ্ট ছিল যে তিনি বলতেন: হাদাছ দূরীভূত হওয়া ও তার সমার্থবোধক বিষয় এবং নাপাকি দূর হওয়া, অথবা এগুলোর বিধান অপসারিত হওয়া; কারণ এই সংজ্ঞা পবিত্রতার সমস্ত বিধানের ওপর প্রযোজ্য হয়, চাই তা হাদাছ (রূহানি অপবিত্রতা) সংক্রান্ত হোক বা খাবাছ (বস্তুগত নাপাকি) সংক্রান্ত হোক। আর এর অন্তর্ভুক্ত হবে হাদাছ ও শরীরের নাপাকি থেকে তায়াম্মুম করা।


 

(১) (হা): এবং আমাদের কথা: "অথবা মাটির সাথে" - তা হলো কুকুরের লেহন এবং অন্যান্য কারণে, যারা এই মত পোষণ করেন তাদের নিকট।

(২) (হা): এবং আমাদের কথা: "অথবা নিজে নিজেই" - তা হলো মদ সিরকায় রূপান্তরিত হওয়া এবং নাপাক পানির পরিবর্তন নিজে নিজেই দূর হওয়ার কারণে।

(৩) (হা): এবং আমাদের কথা: "অথবা তার বিধান অপসারিত হওয়া এমন কিছুর দ্বারা যা তার স্থলাভিষিক্ত হয়" অর্থাৎ: যা পানির স্থলাভিষিক্ত হয় যেমন মাটি [] * এবং তায়াম্মুম, পাথর, কাঠ, ন্যাকড়া এবং ইস্তিজমারের (শৌচকার্যে পাথর ব্যবহার) ক্ষেত্রে তদ্রূপ বস্তু। আর এর দ্বারা মোজা ও জুতার নিচের অংশ এবং মহিলার কাপড়ের নিচের অংশ ও তদ্রূপ বস্তুর পবিত্র হওয়ার বিষয়টি বাদ পড়বে না, কেননা সঠিক মত অনুযায়ী [] *। তবে মোজার নিচের অংশ এবং তদ্রূপ বস্তুর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়া দূরবর্তী নয় যদি আমরা বলি যে তা ঘর্ষণের মাধ্যমে পবিত্র হয় [] *। তাঁর কথা: "অথবা তার বিধান অপসারিত হওয়া এমন কিছুর দ্বারা যা তার স্থলাভিষিক্ত হয়" - কেননা নাপাকির বিধান ঘর্ষণ এবং মহিলার কাপড়ের নিচের অংশ মাটি স্পর্শ করে অতিক্রম করার মাধ্যমে দূরীভূত হয়ে যায়। একইভাবে মৃত পশুর চামড়া দাবাগাত (পাকানো) করার মাধ্যমে পবিত্র হওয়া সেই মতানুসারে যারা একে পবিত্র বলেন, কেননা সেক্ষেত্রে [] * এর বিধান দূরীভূত হয়ে যায় এবং সেই তরল পদার্থটি বিধানের ক্ষেত্রে পানির স্থলাভিষিক্ত হয়, তবে মাযহাবের সঠিক মত হলো [] *।

--------------------------------------------

* পাণ্ডুলিপিতে কয়েকটি শব্দ অস্পষ্ট ছিল।
(খণ্ড: ১) আত-তানকীহুল মুশবা ফী তাহরীরি আহকামিল মুকনি - মাআ হাওয়াশিত তানকীহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌باب المياه

فمن (الطهور: الباقي* على خلقته) مطلقًا حتى ولو استهلك فيه مائع طاهر أو ماء مستعمل يسير نصًا، فتصح الطهارة به ولو كان الماء الطهور لا يكفي لها.


 

باب المياه

المياه جمع ماء وهو جنس، وقد اشتهر في كلامهم ان الجنس والمصدر لا يثنَّى ولا يجمع، وذكر خطيب الدهشة* في مادة "قصد". فقال بعض الفقهاء جمع القصد على قصود. وقال النحاة: المصدر المؤكد لا يثنَّى، ولا يجمع؛ لأنه جنس والجنس يدل بلفظه على ما يدل عليه الجمع من الكثرة فلا فائدة في الجمع، فإن كان المصدر عددا كالضربات، أونوعًا كالعلوم والأعمال جاز ذلك؛ لأنها واحدات وأنواع جمعت فتقول: ضربت ضربتين، وعلمت علمين. فثنَّى لاختلاف النوع؛ لأن ضربًا يخالف ضربًا في شدته وقلته، وعلمًا يخالف علمًا في معلومه ومتعلقه كعلم الفقه وعلم النحو، كا تقول: عندي تمور. إذا اختلفت الأنواع، وكذلك الظن يجمع ظنون لاختلاف أنواعه؛ لأن ظنًا يكون خيرًا وظنًا يكون شرًا. قال الجرجاني**: ولا يجمع المبهم إلا إذا أريد به الفرق بين النوع والجنس، وأغلب ما يكون فيما ينجذب إلى الاسمية نحو العلم والظن ولا يطرد، فدل كلامهم أن المصدر موقوف على السماع.

* قوله: (الباقي على خلقته مطلقًا) أي حقيقة وحكمًا، أما حقيقة فعلى أي صفة خلقه الله تعالى من برودة، أو حرارة، أو ملوحة، أو عذوبة، أو ذوب ثلج، أو برد، أو نزول، أو نبع، أو غير ذلك. وأما حكمًا فكالمتغير بمكثه أو بطحلب ونحوه، أو بما لا يخالطه ونحوه.

تنبيه: قد أكثر المصنف في هذا الكتاب من قوله: "مطلقا" في نحو مائة وستين موضعًا ولم نر أحدًا سلك هذا المسلك في كثرته غيره، وذلك يحترز به أحيانا عن لفظة واحدة، أو حكم واحد، وربما يرد عليه غير ما يحترز منه، ولو أتى بذلك مبينًا لكان أحسن

--------------------------------------------

* هو نور الدين محمد بن أحمد الهمداني الفيومي الشافعي، المعروف بابن خطيب الدهشة المتوفى سنة 834 هـ. له "المصباح المنير في شرح غريب الشرح الكبير". انظر: الضوء اللامع للسخاوي 10/ 129.

[قال مُعِدُّ الكتاب للشاملة: هذه ترجمة ابنه، وليس هو المقصود، وإنما المقصود والدُه خطيب الدهشة: أحمد بن محمد الفيومي ثم الحموي، صاحب "المصباح المنير في غريب الشرح الكبير"، والنص المنقول أعلاه: فيه بتمامه. وترجمته بـ"الدرر الكامنة" لابن حجر 1/ 372 وغيرها]

** هو الشريف علي بن محمد الجرجاني المتوفى سنة 366 هـ. له "التعريفات". انظر شذرات الذهب 3/ 56.
পানির অধ্যায়

পবিত্রকারী পানি হলো: (যা তার মূল সৃষ্টিগত অবস্থার ওপর বিদ্যমান থাকে*) নিরঙ্কুশভাবে, এমনকি যদি তাতে অল্প পরিমাণ কোনো পবিত্র তরল বা ব্যবহৃত পানি মিশে বিলীন হয়ে যায় (সুস্পষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী), তবে এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন বৈধ হবে, যদিও সেই পবিত্রকারী পানি ওজুর জন্য পর্যাপ্ত না হয়।


 

পানির অধ্যায়

‘আল-মিয়াহ’ (পানিরাশি) হলো ‘মা’ (পানি) শব্দের বহুবচন এবং এটি একটি জাতিবাচক বিশেষ্য। এটি তাঁদের বক্তব্যে প্রসিদ্ধ যে, জাতিবাচক বিশেষ্য এবং ক্রিয়ামূল (মাসদার) দ্বিবচন বা বহুবচন হয় না। খতীব আদ-দাহশাহ ‘কাসদ’ শব্দের আলোচনায় এটি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: কিছু ফকিহ ‘কাসদ’ এর বহুবচন ‘কুসুদ’ ব্যবহার করেছেন। তবে ব্যাকরণবিদরা বলেন: তাকিদ বা গুরুত্ব প্রদানকারী ক্রিয়ামূল দ্বিবচন বা বহুবচন হয় না; কারণ এটি একটি জাতিবাচক শব্দ এবং জাতিবাচক শব্দ তার শব্দরূপের মাধ্যমেই সেই আধিক্য নির্দেশ করে যা বহুবচন দ্বারা বুঝানো হয়, তাই বহুবচনে কোনো অতিরিক্ত ফায়দা নেই। তবে ক্রিয়ামূল যদি সংখ্যার অর্থে হয় যেমন ‘আঘাতসমূহ’, অথবা প্রকারের অর্থে হয় যেমন ‘বিজ্ঞানসমূহ’ ও ‘কর্মসমূহ’, তবে তা বৈধ। কারণ এগুলো একক বা প্রকারের সমষ্টি যা একত্রিত করা হয়েছে। যেমন আপনি বলবেন: আমি দুইবার আঘাত করেছি, এবং আমি দুইটি বিষয় অবগত হয়েছি। এখানে প্রকারের ভিন্নতার কারণে দ্বিবচন করা হয়েছে; কারণ এক প্রকারের আঘাত তার তীব্রতা বা স্বল্পতার দিক থেকে অন্য আঘাত থেকে ভিন্ন হতে পারে, আর এক বিদ্যা তার জ্ঞেয় বিষয় ও সংশ্লিষ্টতার দিক থেকে অন্য বিদ্যা থেকে ভিন্ন হতে পারে, যেমন ফিকহ শাস্ত্র ও ব্যাকরণ শাস্ত্র। যেমন আপনি বলেন: আমার কাছে বিভিন্ন প্রকারের খেজুর রয়েছে। একইভাবে ‘জান্ন’ (ধারণা) এর বহুবচন ‘জুনুন’ হয় এর প্রকারভেদের কারণে; কারণ ধারণা কখনো ভালো হয় আবার কখনো মন্দ হয়। জুরজানী বলেন: অস্পষ্ট শব্দকে বহুবচন করা হয় না যতক্ষণ না তার দ্বারা প্রকার ও জাতির মধ্যে পার্থক্য করার ইচ্ছা করা হয়। এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে হয় যা বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য গ্রহণ করে যেমন ‘ইলম’ (জ্ঞান) ও ‘জান্ন’ (ধারণা), তবে এটি নিয়মিত নিয়ম নয়। সুতরাং তাঁদের বক্তব্য প্রমাণ করে যে, ক্রিয়ামূলের বহুবচন প্রয়োগ কেবল শ্রুতির (আরবদের ব্যবহারের) ওপর নির্ভরশীল।

* তাঁর বক্তব্য: (যা নিরঙ্কুশভাবে তার মূল সৃষ্টিগত অবস্থার ওপর বিদ্যমান) অর্থাৎ প্রকৃতগতভাবে এবং বিধানগতভাবে। প্রকৃতগতভাবে বলতে আল্লাহ তাআলা তাকে যে কোনো অবস্থায় সৃষ্টি করেছেন—শীতলতা, উষ্ণতা, লবণাক্ততা, সুপেয়তা, বরফ গলা পানি, শিলাবৃষ্টি, আকাশ থেকে পড়া পানি, প্রস্রবণ বা অন্য যে কোনো অবস্থা। আর বিধানগতভাবে বলতে দীর্ঘক্ষণ আবদ্ধ থাকার কারণে পরিবর্তিত পানি অথবা শ্যাওলা ও এই জাতীয় জিনিসের কারণে পরিবর্তিত হওয়া পানি, অথবা যা পানির সাথে মিশে যায় না এমন জিনিসের কারণে পরিবর্তিত পানি।

সতর্কতা: গ্রন্থকার এই কিতাবে ‘মুতলাকান’ (নিরঙ্কুশভাবে) শব্দটি প্রায় একশ ষাটটি স্থানে ব্যবহার করেছেন। আমরা তাঁর মতো অন্য কাউকে এই শব্দটির এত অধিক ব্যবহার করতে দেখিনি। এর মাধ্যমে কখনো একটি মাত্র শব্দ বা একটি বিধান থেকে বেঁচে থাকা হয়, আবার কখনো যা থেকে সতর্ক করা হচ্ছে তার বাইরে অন্য কিছুও এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। তিনি যদি এটি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতেন তবে তা আরও উত্তম হতো।

--------------------------------------------

* তিনি হলেন নূরুদ্দীন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হামদানী আল-ফাইয়ুমি আল-শাফিঈ, যিনি ইবনে খতীব আদ-দাহশাহ নামে পরিচিত, মৃত্যু ৮৩৪ হিজরি। তাঁর ‘আল-মিসবাহুল মুনীর ফী শারহি গারীবিল শারহিল কবীর’ গ্রন্থটি রয়েছে। দেখুন: সাখাভীর আদ-দাওউল লামি ১০/১২৯।

[শামেলা পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতকারক বলেন: এটি তাঁর ছেলের জীবনী, তিনি এখানে উদ্দেশ্য নন। বরং উদ্দেশ্য হলেন তাঁর পিতা খতীব আদ-দাহশাহ: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফাইয়ুমি অতঃপর আল-হামাভী, যিনি ‘আল-মিসবাহুল মুনীর ফী গারীবিল শারহিল কবীর’ এর লেখক এবং উপরে উদ্ধৃত পাঠটি পূর্ণাঙ্গভাবে তাঁরই গ্রন্থে রয়েছে। তাঁর জীবনী ইবনে হাজরের ‘আদ-দুরারুল কামিনাহ’ ১/৩৭২ এবং অন্যান্য গ্রন্থে রয়েছে।]

** তিনি হলেন আশ-শরীফ আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জুরজানী, মৃত্যু ৩৬৬ হিজরি। তাঁর ‘আত-তারীফাত’ গ্রন্থটি রয়েছে। দেখুন: শাযারাতুয যাহাব ৩/৫৬।