القسم: المنطق
الكتاب: المختصر في المنطق
المؤلف: محمد بن محمد ابن عرفة الورغمي التونسي المالكي، أبو عبد الله (ت 803هـ)
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 29
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বিভাগ: মানতিক (যুক্তিবিদ্যা)
গ্রন্থ: আল-মুখতাসার ফিল মানতিক
লেখক: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ ইবন আরাফাহ আল-ওয়ারগামি আত-তিউনিসি আল-মালিকি, আবু আব্দুল্লাহ (মৃত্যু ৮০৩ হিজরি)
[বইটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত, যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
তারা একে বর্ণনা করেছেন এবং এটি একটি ক্ষুদ্রতর যুক্তি (সুগরা), যেখানে দুটি ভিন্ন প্রকারের (নও) জন্য একটি সাধারণ গুণের (আরজে আম) বাস্তবিক (বিল-ফেল) ঘটা সম্ভব। ফলে সাধারণ গুণটিকে অন্য প্রকারের অপরিহার্য গুণের (ফসল) ওপর 'সাধারণ সম্ভাবনা' (ইমকান আম) হিসেবে আরোপ করা হয় এবং বৃহত্তর যুক্তিতে (কুবরা) অপরিহার্যতা হিসেবে তার অপরিহার্য গুণটি তার ওপর আরোপিত হয়। আর সত্য হলো নেতিবাচকতা (সালব), অথবা সেখানে প্রথম প্রকার থেকে অন্যটির অপরিহার্য গুণটিকে অপরিহার্যতা হিসেবে অস্বীকার করা হয় এবং সত্য হলো ইতিবাচকতা (ইজাব)। আর নেতিবাচক যুক্তির বিপরীত করা অসম্ভব, কারণ এটি অন্যান্যের চেয়ে অধিকতর বিশিষ্ট। আর সাময়িক যুক্তির (ওয়াকতিয়া) সাথে যখন আবশ্যিক বিশেষ শর্তযুক্ত (মাশরুতা খাসসা) যুক্তি থাকে, তখন ক্ষুদ্রতর যুক্তিটি যদি সাময়িক হয় এবং বৃহত্তর যুক্তিটি আবশ্যিক হয়, তবে কোনো বস্তুর বিশেষ বিচ্ছিন্নকারী গুণটি যখন তার থেকে কোনো এক সময় আবশ্যিকভাবে অস্বীকার করা হয়, অথচ তা স্থায়ী নয়। এরপর সেই বস্তুকে তার অপরিহার্য গুণের ওপর আবশ্যিকভাবে আরোপ করা হয়, তখন সেই বস্তুর অপরিহার্য গুণটিকে তার বিশেষ গুণের থেকে মোটেও অস্বীকার করা সম্ভব নয়। যেমন চন্দ্রগ্রহণের সময় চতুর্থাংশ সময়ে আবশ্যিকভাবে চন্দ্রগ্রহণ হয় না এবং প্রতিটি জ্যোতিষ্ক যার জ্যোতি ক্ষয়প্রাপ্ত হয় তা আবশ্যিকভাবে চাঁদ। কিন্তু এটি সত্য নয় যে, চতুর্থাংশ সময়ে গ্রহণ হওয়া কিছু বস্তু কোনোভাবেই জ্যোতি ক্ষয়প্রাপ্ত জ্যোতিষ্ক নয়। আল-খুনজি বলেন: এর মাধ্যমেই বিশেষ শর্তযুক্ত যুক্তির ক্ষেত্রে এর নিষ্ফলতা জানা যায়। আল-কাতিবি বলেন: কারণ আবশ্যিকতা সাধারণের চেয়ে অধিকতর বিশিষ্ট এবং বিশেষের আধিক্য তার ওপর নেতিবাচকতার মাধ্যমে ঘটে, তাই এটি নেতিবাচকতার সাথে কোনো ফলাফল প্রদান করে না। এটিই অধিকাংশের মত।
আল-কাশফ এবং আস-সিরাজ গ্রন্থে 'বায়ানুল হক'-এ সত্য বর্ণনায় বলা হয়েছে: এই সংমিশ্রণটি একটি ইতিবাচক আংশিক সাধারণ নিরঙ্কুশ (মুতলাক আম্মা) ফলাফল প্রদান করে। কারণ ইতিবাচক সাধারণ নিরঙ্কুশ যুক্তির সাথে বৃহত্তর যুক্তির ফলাফল হলো ক্ষুদ্রতর যুক্তির অংশ, যা একটি সামগ্রিক সাধারণ নিরঙ্কুশ যুক্তি, যা আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়। আর নেতিবাচক যুক্তি থেকে ইতিবাচক যুক্তি অসম্ভব নয়। এটি শায়খ (ইবনে সিনা) বলেছেন। এবং এটি একটি সামগ্রিক সাধারণ নিরঙ্কুশ নেতিবাচক যুক্তি, অন্যথায় এর বিপরীত থেকে বৃহত্তর যুক্তির সাথে প্রথম প্রকারের এমন ফলাফল আসত যা একটি স্থায়ী ইতিবাচক ফলাফল প্রদান করত। আর বৃহত্তর যুক্তি ও ক্ষুদ্রতর যুক্তির অংশ এবং ফলাফলের বিপরীত ও বৃহত্তর যুক্তির অংশ থেকে এমনটি হওয়া কোনো ক্ষতি করে না, যেমন সেই অনুমান যার ক্ষুদ্রতর যুক্তিটি অস্তিত্বশীল কিন্তু স্থায়ী নয়; এর ফলাফল কেবল ক্ষুদ্রতর যুক্তির ইতিবাচকতার শর্ত থেকে অর্জিত হয়, উভয়ের স্থায়িত্বহীনতা থেকে নয়।
আমি বলি: প্রথম ফলাফলের ক্ষেত্রে সম্ভবত উৎপাদনের অনুকূল অংশের বিবেচনা প্রতিকূল অংশকে বাতিল করে দেয়, যা তাদের মতে বিপরীতের ক্ষেত্র থেকে ভিন্ন। দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে বৃহত্তর যুক্তি থেকে এর অপরিহার্যতা একে ফলাফল হতে বাধা দেয়, যেমনটি তারা দ্বিতীয় সংমিশ্রণের ক্ষেত্রে বলেছেন। আর যখন বৃহত্তর যুক্তিটি নেতিবাচক সাময়িক হয় এবং ক্ষুদ্রতর যুক্তিটি আবশ্যিক হয়, তখন বস্তুকে তার বিশেষত্বের ওপর আবশ্যিকভাবে আরোপ করা এবং সেই বিশেষত্বকে তার থেকে সাময়িকভাবে অস্বীকার করা নিষ্ফল হয়, কারণ বস্তুকে নিজের থেকে অস্বীকার করা অসম্ভব। আর এর সাথে বিশেষ শর্তযুক্ত যুক্তি থাকলে, প্রকারের (নও) দুটি পরস্পর অবিচ্ছেদ্য বিশেষত্বের একটিকে অন্যটির ওপর বিশেষ শর্তযুক্ত হিসেবে আরোপ করা এবং প্রথম বিশেষত্বটিকে প্রকার (নও) থেকে সাময়িকভাবে অস্বীকার করাও নিষ্ফল, কারণ প্রকারকে (নও) তার প্রথম বিশেষত্ব থেকে অস্বীকার করা অসম্ভব। যেমন প্রতিটি বিস্ময় প্রকাশকারী ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে বিশেষ শর্তযুক্ত এবং কোনো মানুষ তার ভয়ের সময় বিস্ময় প্রকাশকারী নয়, কিন্তু এটি সত্য নয় যে হাস্যকারী ব্যক্তিদের কেউ কেউ কোনোভাবেই মানুষ নয়। আর ক্ষুদ্রতর নেতিবাচক যুক্তিটি স্থায়ী হওয়া অথবা তার বৃহত্তর নেতিবাচক যুক্তির বিপরীত হওয়া নিষ্ফলতার কারণ, যা অন্যান্যের চেয়ে অধিকতর বিশিষ্ট। আর তা হলো ক্ষুদ্রতর যুক্তিটি বিশেষ শর্তযুক্ত এবং বৃহত্তর যুক্তিটি সাময়িক হওয়া। কারণ প্রকারের (নও) দুটি পরস্পর বিরোধী বিশেষত্বের প্রথমটিকে দ্বিতীয়টি থেকে বিশেষ শর্তযুক্ত হিসেবে অস্বীকার করা সঠিক এবং দ্বিতীয়টিকে প্রকারের (নও) ওপর সাময়িকভাবে আরোপ করা সঠিক, যদিও প্রকারকে অন্য বিশেষত্ব থেকে অস্বীকার করা অসম্ভব। যেমন কোনো হাস্যকারী ব্যক্তি বিশেষ শর্ত অনুযায়ী ক্রন্দনকারী নয় এবং প্রতিটি মানুষ আবশ্যিকভাবে হাস্যকারী যখন সে বিস্ময় প্রকাশ করে, কিন্তু এটি সত্য নয় যে ক্রন্দনকারী ব্যক্তিদের কেউ কেউ কোনোভাবেই মানুষ নয়।
আর রিসালাহ গ্রন্থে আছে: অষ্টম শর্ত হলো দুটি বিশেষত্বের একটির ক্ষুদ্রতর হওয়া এবং তার বৃহত্তর নেতিবাচক যুক্তির প্রতিফলিত হওয়া এবং প্রথম প্রকারের ফলাফলের দিকটি। যদি উভয়টি বাস্তবিক (ফেলিয়া) হয় অথবা ক্ষুদ্রতরটি আবশ্যিক ও নিরঙ্কুশ (মুতলাক) হয়, অন্যথায় তা সাধারণ সম্ভাব্য (মুমকিন আম্মা)। তৃতীয়টির ক্ষেত্রে তার আবশ্যিকতা বা স্থায়িত্বের মতো, যদি তা না থাকে তবে ক্ষুদ্রতর যুক্তির বিপরীত। শেষ দুটির ক্ষেত্রে বৃহত্তর আবশ্যিকতা বা স্থায়িত্বের মতো, যদি তা না থাকে তবে ক্ষুদ্রতর যুক্তির বিপরীত।
এটি প্রাচীনদের এবং আল-মুজিজ ও আল-জুমাল গ্রন্থের অভিমত। আল-কাশফ এবং বায়ানুল হক গ্রন্থে প্রথম প্রকার ও বিপরীতের ক্ষেত্রে তাদের মতানুসারে প্রথমটিতে ফিরিয়ে নেয়ার পর ফলাফলের বিপরীতের দিকটি বর্ণিত হয়েছে। এর দিকেই ইবনে ওয়াসিল-এর কথা ফিরে যায় যে, প্রথম দুটির ক্ষেত্রে সত্য হলো ক্ষুদ্রতর যুক্তির বিপরীতের দিকের মতো যদি তা গুণবাচক (ওয়াশফিয়া) না হয়, অন্যথায় তা বৃহত্তর যুক্তির বিপরীতের দিকের মতো, কেবল স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে তা ক্ষুদ্রতর যুক্তির মতো।
আল-কাশফ গ্রন্থে এর নিয়ম হলো, ইতিবাচক যুক্তি ক্ষুদ্রতর যুক্তির বিপরীতকে অনুসরণ করে যদি তা গুণবাচক না হয়, অন্যথায় তা বৃহত্তর যুক্তির বিপরীতকে অনুসরণ করে কেবল স্থায়িত্বহীনতার ক্ষেত্র ব্যতীত। আর নেতিবাচক যুক্তি ক্ষুদ্রতর যুক্তির বিপরীতকে অনুসরণ করে কেবল স্থায়িত্বহীনতা ও আবশ্যিকতার ক্ষেত্র ব্যতীত, কারণ তা ক্ষুদ্রতর ও বৃহত্তর যুক্তির বিপরীতের সাধারণ বিষয়কে অনুসরণ করে। আর স্থায়িত্বের শর্তের ক্ষেত্রে তা স্থায়ী যুক্তিকে অনুসরণ করে, আর আল-মাতালি গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে। আর শর্তযুক্ত যুক্তি সংযুক্ত (মুত্তাসিলা) হবে যদি তার একটি বাক্য অন্যটির অনুগামী হয় এবং তাকে সম্পর্কযুক্ত হওয়ার কারণে পূর্বপদ (মুকাদ্দাম) ও পরপদ (তালি) বলা হয়, আর তা হয় আবশ্যিক (লুজুমিয়া) অথবা তার চেয়ে কম যা আপতিক (ইত্তিফাকিয়া)। আর তা বিচ্ছিন্ন (মুনফাসিলা) হবে যদি তারা পরস্পর বিরোধী হয়; যদি তা একটি বাক্য ও তার বিপরীতের মধ্যে হয় অথবা সমমানের হয় তবে তা প্রকৃত (হাকিকিয়া); যদি তা বাক্য ও তার বিপরীতের চেয়ে বিশেষ কিছুর মধ্যে হয় তবে তা একত্র হওয়া প্রতিরোধকারী (মানিয়াত জাম); আর যদি তা বাক্য ও তার বিপরীতের চেয়ে সাধারণ কিছুর মধ্যে হয় তবে তা শূন্যতা প্রতিরোধকারী (মানিয়াত খুলু)।
আর প্রকৃত (হাকিকিয়া) যুক্তি তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয় না, কারণ যদি তা গঠিত হতো তবে 'গ' হতো 'খ' এর বিপরীতের জন্য অপরিহার্য। সুতরাং যদি 'খ' এর বিপরীত 'ক' এর জন্য অপরিহার্য না হয়, তবে 'খ' ও 'ক' এর মধ্যে প্রকৃত বিচ্ছিন্নতা থাকত না। অন্যথায় 'গ' অপরিহার্য হতো ফলে তাদের মধ্যে কোনো প্রকৃত বিচ্ছিন্নতা থাকত না। আর কখনো এটি পূর্ণ বাক্য ও বিচ্ছিন্ন বাক্য থেকে গঠিত হয়, ফলে মনে হয় যে এটি তিনটি অংশ থেকে গঠিত হয়েছে।
আল-আসির বলেন: কখনো বিপরীতের সমমানটি বিচ্ছিন্ন হতে পারে, তখন বাক্যটিকে বহু অংশ বিশিষ্ট বলা হয়: যেমন কোনো সংখ্যা বিজোড় হবে, অথবা জোড়ের জোড় হবে, অথবা জোড়ের বিজোড় হবে, অথবা জোড়ের জোড় ও বিজোড় উভয়টি হবে। আর একত্র হওয়া প্রতিরোধকারী (মানিয়াত জাম) যুক্তি দুইয়ের অধিক অংশ থেকে গঠিত হতে পারে, কারণ কোনো বস্তুর বিপরীতের বিশেষত্বগুলো ভিন্ন ভিন্ন হওয়াসহ একাধিক হওয়া সম্ভব।