(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: -)
تخريج مساجلة علمية   (ناصر الدين الألباني)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: مساجلة علمية بين الإمامين الجليلين العز بن عبد السلام وابن الصلاح حول صلاة الرغائب المبتدعة

المؤلف: تخريج محمد ناصر الدين الألباني (ت 1420هـ)

الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت

الطبعة: الثانية - 1405

عدد الصفحات: 46

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

একটি ইলমি বাহাসের তাখরীজ   (নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী)

বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ


বই: নবপ্রবর্তিত সালাতুর রাগায়েব সম্পর্কে দুই মহান ইমাম ইয বিন আব্দুস সালাম এবং ইবনে আস-সালাহ-এর মধ্যে ইলমি বাহাস

লেখক: তাখরীজ করেছেন মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী (মৃত্যু ১৪২০ হিজরী)

প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামী - বৈরুত

সংস্করণ: দ্বিতীয় - ১৪০৫

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৬

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌مساجلة علمية

بين الإمامين الجليلين العز بن عبد السلام ابن الصلاح

حول صلاة الرغائب المبتدعة

بتحقيق

محمد ناصر الدين الألباني

ومحمد زهير الشاويش

المكتب الإسلامي

ط 2 - 1405 هـ
জ্ঞানগর্ভ বিতর্ক

দুই মহান ইমাম ইজ্জ ইবনে আবদুস সালাম ও ইবনে আস-সালাহ-এর মাঝে

বিদআতকৃত সালাতুর রাগায়িব সম্পর্কে

সম্পাদনায়

মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী

ও মুহাম্মাদ জুহাইর আল-শাভিশ

আল-মাকতাব আল-ইসলামী

২য় সংস্করণ - ১৪০৫ হিজরী
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১)
(ضعيف)

عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " ما من أحد يصوم أول خميس من رجب ثم يصلي فيما بين العشاء والعتمة اثنتي عشرة ركعة يفصل بين كل ركعتين بتسليمة يقرأ في كل ركعة بفاتحة الكتاب مرة وإنا أنزلناه في ليلة القدر ثلاث مرات وقل هو الله أحد اثنتي عشرة مرة فإذا فرغ من صلاته صلى علي سبعين مرة يقول: اللهم صل على محمد النبي الأمي وعلى آله ثم يسجد ويقول في سجوده سبعين مرة: سبوح قدوس رب الملائكة والروح ثم يرفع رأسه ويقول سبعين مرة: رب اغفر وارحم وتجاوز عما تعلم إنك أنت الأعز الأكرم ثم يسجد سجدة أخرى ويقول فيها مثل ما قال في السجدة الأولى ثم يسأل حاجته في سجوده فإنها تقضى "

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يصلي أحد هذه الصلاة إلا غفر له الله تعالى جميع ذنوبه ولو كانت مثل زبد البحر وعدد الرمل ووزن الجبال وورق الأشجار ويشفع يوم القيامة في سبعمائة من أهل بيته ممن قد استوجب النار
(দুর্বল)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: "এমন কেউ নেই যে রজব মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার রোজা রাখে, অতঃপর ইশা ও আতামার (রাতের গভীর অন্ধকার) মধ্যবর্তী সময়ে বারো রাকাত সালাত আদায় করে এবং প্রতি দুই রাকাতের মাঝে সালামের মাধ্যমে বিরতি দেয়; সে প্রতি রাকাতে একবার সূরা ফাতিহা, তিনবার সূরা আল-কদর এবং বারোবার সূরা আল-ইখলাস পাঠ করে। যখন সে তার সালাত শেষ করে, তখন আমার ওপর সত্তরবার দরুদ পাঠ করে বলে: হে আল্লাহ, আপনি উম্মী নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। অতঃপর সে সিজদা করে এবং সিজদাহ অবস্থায় সত্তরবার বলে: মহা পবিত্র, অতি পবিত্র, ফেরেশতাকুল ও রূহের রব। এরপর সে তার মাথা উঠায় এবং সত্তরবার বলে: হে আমার রব, ক্ষমা করুন, দয়া করুন এবং আপনি যা জানেন তা এড়িয়ে যান; নিশ্চয়ই আপনি মহা সম্মানিত ও অতি মর্যাদাশীল। এরপর সে পুনরায় সিজদা করে এবং তাতে প্রথম সিজদার মতোই পাঠ করে। অতঃপর সিজদাহ অবস্থায় সে তার প্রয়োজনের কথা প্রার্থনা করে, তবে তা অবশ্যই পূরণ করা হবে।"

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তিই এই সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মতো, বালুকণার সংখ্যার মতো, পাহাড়ের ওজনের মতো এবং গাছের পাতার সংখ্যার মতো (বিপুল) হয়। কিয়ামতের দিন সে তার পরিবারের এমন সাতশ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করবে, যাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছিল।"
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১)
صحيح

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

(صلاة الرجل في بيته أفضل من صلاته في المسجد إلا المكتوبة)
সহীহ

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

(ফরজ সালাত ব্যতীত কোনো ব্যক্তির নিজ ঘরে সালাত আদায় করা মসজিদে সালাত আদায়ের চেয়ে উত্তম)
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৭)
(صحيح دون وأخروا السحور)

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

لا تزال أمتي بخير ما عجلوا الفطر وأخروا السحور

[7]
(সহীহ, 'এবং সাহরি বিলম্ব করো' অংশটি ব্যতীত)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

আমার উম্মত কল্যাণের ওপর থাকবে যতক্ষণ তারা দ্রুত ইফতার করবে এবং সাহরি বিলম্ব করবে।

[৭]
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৯)
(ضعيف)

لما نزل قوله سبحانه وتعالى: سبح اسم ربك الأعلى قال:

اجعلوها في سجودكم

[9]
(দুর্বল)

যখন মহান ও পবিত্র আল্লাহ তাআলার বাণী: "আপনার সুমহান রবের নামের পবিত্রতা ঘোষণা করুন" অবতীর্ণ হলো, তখন তিনি বললেন:

তোমরা একে তোমাদের সিজদাহয় নির্ধারণ করো

[৯]
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১০)
(حسن)

روي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه فال:

الصلاة خير موضوع

[10]
(হাসান)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন:

সালাত হলো সর্বোত্তম বিষয়

[১০]
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
(ضعيف)

من حديث عائشة رضي الله عن ها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من صلى بعد المغرب عشرين ركعة بنى الله له بيتا في الجنة

[17]
(দুর্বল)

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণিত হাদিস থেকে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি মাগরিবের পর বিশ রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।

[১৭]
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ১৭)
(صحيح)

ورب حامل فقه ليس بفقيه
(সহিহ)

আর কতই না ফিকহের বাহক রয়েছে যে নিজে ফকিহ নয়।
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
(ضعيف)

من حديث عائشة رضي الله عن ها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم:

من صلى بعد المغرب عشرين ركعة بنى الله له بيتا في الجنة

[32]
(দুর্বল)

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

যে ব্যক্তি মাগরিবের পর বিশ রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করবেন।

[৩২]
(খণ্ড: ১) তাখরীজু মুসাজালাতিন ইলমিয়্যাহ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
(حسن صحيح)

عن النبي صلى الله عليه وسلم قال:

إياكم ومحدثات الأمور فإن كل بدعة ضلالة

[46]
(হাসান সহীহ)

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন:

তোমরা নবউদ্ভুদ বিষয়সমূহ হতে বেঁচে থাকো, কেননা প্রত্যেক বিদআতই পথভ্রষ্টতা।

[৪৬]