(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: -)
البلغة في الفرق بين المذكر والمؤنث (أبو البركات الأنباري)
القسم: النحو والصرف
الكتاب: البلغة في الفرق بين المذكر والمؤنث
المؤلف: عبد الرحمن بن محمد بن عبيد الله الأنصاري، أبو البركات، كمال الدين الأنباري (ت 577هـ)
المحقق: الدكتور رمضان عبد التواب
الناشر: مكتبة الخانجي - القاهرة - مصر
الطبعة: الثانية، 1417 هـ _ 1996 م
عدد الصفحات: 88
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-বুলগাহ ফি আল-ফারক বাইনাল মুদাক্কার ওয়াল মুআন্নাস (আবু আল-বারাকাত আল-আনবারি)
বিভাগ: নাহু ও সরফ
বই: আল-বুলগাহ ফি আল-ফারক বাইনাল মুদাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
লেখক: আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-আনসারি, আবু আল-বারাকাত, কামালুদ্দিন আল-আনবারি (মৃত্যু ৫৭৭ হি.)
গবেষক: ডক্টর রমজান আবদুস তাওয়াব
প্রকাশক: মাকতাবাতুল খানজি - কায়রো - মিশর
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪১৭ হি. _ ১৯৯৬ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم الْحَمد لله المتفرِّد بِجلَال الأحَدِيَّة، وَالصَّلَاة على نبيه مُحَمَّد سيد البريَّة، وعَلى آله وَصَحبه وعِترته الطاهرة الزكيَّة، وَبعد،فقد ذكرت فِي هَذَا الْمُخْتَصر بُلْغَةً فِي الْفرق بَين الْمُذكر والمؤنث، على سَبِيل الِاخْتِصَار، فَالله تَعَالَى ينفع بِهِ، إِنَّه كريم غفار.أعلم أَن الْمُذكر أصل للمؤنث، وَهُوَ ماخلا من عَلامَة التَّأْنِيث، لفظا وتقديراً، وَهُوَ على ضَرْبَيْنِ: أَحدهمَا حَقِيقِيّ، وَالْآخر غير حَقِيقِيّ. فَأَما الْحَقِيقِيّ، فَمَا كَانَ لَهُ فَرْج الذَّكَر، نَحْو " الرَّجُل " و " الجَمَل ". وَأما غير الْحَقِيقِيّ، فَمَا لم يكن لَهُ ذَلِك، نَحْو: " الْجِدَار " و " العَمَل ". والمؤنث مَا كَانَت فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث، لفظا أَو تَقْديرا، وَهُوَ على ضَرْبَيْنِ حَقِيقِيّ وَغير حَقِيقِيّ.فَأَما الْحَقِيقِيّ، فَمَا كَانَ لَهُ فَرْج الْأُنْثَى، نَحْو: " الْمَرْأَة " و " النَّاقة ".وَأما غير الْحَقِيقِيّ، فَمَا لم يكن لَهُ ذَلِك، نَحْو: " القِدْرِ " و " النَّار ". وَهُوَ أَيْضا على ضَرْبَيْنِ: أَحدهمَا مَقِيسٌ، وَالْآخر غير مَقيِس.فَأَما المقِيس، فَمَا كَانَ فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث لفظا، وعلامة التَّأْنِيث على ضَرْبَيْنِ: أَحدهمَا ألفٌ، وَالْآخر تَاء، فَأَما الْألف، فعلى ضَرْبَيْنِ: أَحدهمَا أَلف مَقْصُورَة، نَحْو: " حُبْلَى " و " بُشْرَى ". وَالْآخر ألف ممدودة، نَحْو: " حَمْرَاء " و " صحراء ". وَأما التَّاء، فنحو: " ضاربة " و " ذَاهِبَة ".وَأما غير المقِيس، فَمَا لم يكن فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث لفظا، وَإِن كَانَت فِيهِ تَقْديرا، وَقد جَاءَ ذَلِك فِي كَلَامهم كثيرا، فَمن ذَلِك " السَّمَاء " الَّتِي تُظِلّ
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর এককত্বের মহিমায় অনন্য। আর দরুদ বর্ষিত হোক তাঁর নবী সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর এবং তাঁর পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন পরিবার-পরিজন, সাহাবী ও বংশধরদের ওপর। অতঃপর—আমি এই সংক্ষিপ্তসারটিতে পুরুষলিঙ্গ (مذكر) ও স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنث)-এর মধ্যবর্তী পার্থক্য বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য সংক্ষেপে উল্লেখ করেছি। মহান আল্লাহ এর মাধ্যমে কল্যাণ দান করুন; নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল।জেনে রাখুন, পুরুষলিঙ্গ (مذكر) হলো স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنث)-এর মূল ভিত্তি। যা শব্দগত (لفظا) বা অর্থগত (تقديرا) কোনো প্রকার স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন থেকে মুক্ত, তাকেই পুরুষলিঙ্গ (مذكر) বলা হয়। এটি দুই প্রকার: একটি প্রকৃত (حقيقي) এবং অন্যটি অপ্রকৃত (غير حقيقي)। প্রকৃত (حقيقي) পুরুষলিঙ্গ হলো তা, যার পুরুষ জননেন্দ্রিয় রয়েছে, যেমন— "পুরুষ" (الرجل) ও "উট" (الجمل)। আর অপ্রকৃত (غير حقيقي) পুরুষলিঙ্গ হলো তা, যার তেমন কোনো অঙ্গ নেই, যেমন— "দেয়াল" (الجدار) ও "কাজ" (العمل)। আর স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنث) হলো তা, যাতে শব্দগত (لفظا) বা অর্থগতভাবে (تقديرا) স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন বিদ্যমান থাকে। এটিও দুই প্রকার: প্রকৃত (حقيقي) ও অপ্রকৃত (غير حقيقي)।প্রকৃত (حقيقي) স্ত্রীলিঙ্গ হলো তা, যার নারী জননেন্দ্রিয় রয়েছে, যেমন— "নারী" (المرأة) ও "উটনী" (الناقة)।আর অপ্রকৃত (غير حقيقي) স্ত্রীলিঙ্গ হলো তা, যার তেমন কোনো অঙ্গ নেই, যেমন— "ডেকচি" (القدر) ও "আগুন" (النار)। এটি আবার দুই প্রকার: একটি নিয়মসিদ্ধ (مقيس) এবং অন্যটি অনিয়মসিদ্ধ (غير مقيس)।নিয়মসিদ্ধ (مقيس) হলো তা, যাতে শব্দগতভাবে (لفظا) স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন থাকে। স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন দুই প্রকার: একটি হলো আলিফ (ألف) এবং অন্যটি হলো তা (تاء)। আলিফ (ألف) আবার দুই প্রকার: একটি আলিফে মাকসুরা (ألف مقصورة), যেমন— "গর্ভবতী" (حبلى) ও "সুসংবাদ" (بشرى)। অন্যটি আলিফে মামদুদা (ألف ممدودة), যেমন— "লালবর্ণা" (حمراء) ও "মরুভূমি" (صحراء)। আর তা (تاء)-এর উদাহরণ হলো— "প্রহারকারিণী" (ضاربة) ও "গমনকারিণী" (ذاهبة)।আর অনিয়মসিদ্ধ (غير مقيس) হলো তা, যাতে শব্দগত কোনো স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন নেই, যদিও তাতে অর্থগতভাবে (تقديرا) তা বিদ্যমান থাকে। আরবদের বাকরীতিতে এর প্রচুর ব্যবহার রয়েছে। যেমন— "আকাশ" (السماء), যা ছায়া দান করে।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
الأَرْض، مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {والسَّمَاءِ وَمَا بَنَاهَا} . و " الأَرْض " الَّتِي تُظِلُّها السَّمَاء، مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {وَالْأَرْض وَمَا طَحَاهَا} . فَأَما قَول الشَّاعِر:(فَلَا مُزْنَةٌ ودَقَتْ وَدْقَهَا … وَلَا أَرْضَ أبقْلَ إبْقَالهَا) فَإِنَّمَا قَالَ: " أَبْقَلَ " بالتذكير، لِأَن تَأْنِيث الأَرْض غير حَقِيقِيّ، وَلَيْسَ فِي اللَّفْظ عَلامَة تَأْنِيث، فَصَارَ بِمَنْزِلَة غير مؤنث. وَهَذَا النَّحْو يجِئ فِي الشّعْر خَاصَّة، فَلَا يدل على التَّذْكِير.و" الشَّمْس " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {والشَّمْسُ تَجْرِى لمُسْتَقَرِّلَهَا} . فَأَما قَوْله تَعَالَى: {وجُمع الشَّمْسُ والقَمَرُ} ، فَإِنَّمَا ذَكَّر، لِأَن تأنيثهما غير حَقِيقِيّ، وَإِذا كَانَ الْمُؤَنَّث تأنيثه غير حَقِيقِيّ، جَازَ تذكير فعله وتأنيثه، إِذا تقدَّم عَلَيْهِ، نَحْو: " حَسُنَ دَارُك " و " اضْطَرَمَ نارُك " و " حَسُنَتْ دَارُك " و " اضْطَرَمَتْ نارُك "، وَمَا أشبه ذَلِك.
পৃথিবী (الأرض) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ (مُؤَنّثَة)। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন}। আর সেই 'পৃথিবী' (الأرض) যাকে আকাশ ছায়া প্রদান করে, তাও স্ত্রীলিঙ্গ (مُؤَنّثَة)। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন}। তবে কবির উক্তির ক্ষেত্রে:(না মেঘ বর্ষণ করেছে তার বারিধারা … আর না পৃথিবী উদগত করেছে তার উদ্ভিদ) এখানে তিনি "উদগত করেছে" (أَبْقَلَ) শব্দটি পুংলিঙ্গ (تذكير) হিসেবে ব্যবহার করেছেন, কারণ পৃথিবীর স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) হওয়াটা প্রকৃত (حقيقي) নয় এবং এর শব্দগত রূপে কোনো স্ত্রীলিঙ্গবাচক চিহ্ন (علامة تأنيث) নেই, তাই এটি পুংলিঙ্গ (غير مؤنث) শব্দের পর্যায়ভুক্ত হয়েছে। এ জাতীয় প্রয়োগ বিশেষভাবে কাব্যে পরিলক্ষিত হয়, যা পুংলিঙ্গ (تذكير) হওয়ার প্রমাণ বহন করে না।আর 'সূর্য' (الشمس) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ (مُؤَنّثَة)। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {এবং সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানের দিকে ধাবিত হয়}। তবে আল্লাহ তাআলার এই বাণী: {এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে}, এখানে পুংলিঙ্গ (ذَكَّر) ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ এগুলোর স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) হওয়াটা প্রকৃত (حقيقي) নয়। আর যখন কোনো স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) হওয়াটা প্রকৃত (حقيقي) না হয়, তখন ক্রিয়া (فعل) আগে আসলে সেটিকে পুংলিঙ্গ (تذكير) বা স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) উভয়ভাবেই ব্যবহার করা বৈধ (جائز); যেমন: "সুন্দর হয়েছে (حَسُنَ) তোমার ঘর", "জ্বলে উঠেছে (اضْطَرَمَ) তোমার আগুন", "সুন্দর হয়েছে (حَسُنَتْ) তোমার ঘর", "জ্বলে উঠেছে (اضْطَرَمَتْ) তোমার আগুন" এবং এই জাতীয় উদাহরণসমূহ।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
و " النَّفْس " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {أَنْ تَقُولَ نَفْسٌ يَا حَسْرَتَى عَلَى مَا فَرَّطْتُ فِي جَنْب الله} . فَأَما قَوْله فِي الْجَواب: {بَلَى قَدْ جَاءَتْكَ آيَاتى} بالتذكير، فَحَمله على الْمَعْنى، لِأَن النَّفس فِي الْمَعْنى إِنْسَان، كَقَوْل الشَّاعِر:(قَامَت تُبَكِّيه على قَبره … مَنْ لِىَ مِنْ بَعْدِك يَا عامِرُ) (تركْتَنى فِي الدَّار ذَا غُرْبَة … قد ذَلَّ مَنْ لَيْسَ لَهُ ناصِرُ) فَقَالَ: " ذَا غربَة "، وَلم تقل: " ذَات غربَة "، لِأَن الْمَرْأَة فِي الْمَعْنى إِنْسَان.وَزعم بعض النَّحْوِيين أَن " النَّفس " تذكَّرُ وتؤنث، فَلَا يكون الْكَلَام مَحْمُولا على الْمَعْنى.و" الأذُن " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {وتَعيِهَا أذُنٌ وَاعية} . جَاءَ فِي الحَدِيث أَنه لما نزلت هَذِه الْآيَة، قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -: " اللهمَّ اجْعَلْهَا
এবং "নফস" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন: {যাতে কোনো নফস না বলে— হায় আফসোস! আল্লাহর প্রতি আমার যে কর্তব্য ছিল, তাতে আমি অবহেলা করেছি}। আর উত্তর প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁর বাণী: {হ্যাঁ, অবশ্যই তোমার নিকট আমার আয়াতসমূহ এসেছিল} এখানে পুংলিঙ্গবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থগত দিক বিবেচনা করে করা হয়েছে; কারণ নফস অর্থগতভাবে ইনসান বা মানুষ। যেমন জনৈক কবির উক্তি:(সে দাঁড়িয়ে তার কবরের ওপর বিলাপ করছিল … হে আমির! তোমার পরে আমার কে আছে?) (তুমি আমাকে এই আবাসে নিঃসঙ্গ অবস্থায় ফেলে গেলে … যার কোনো সাহায্যকারী নেই সে তো লাঞ্ছিত হয়।) এখানে কবি বলেছেন: "ধা গুরবাহ", অথচ "যাতু গুরবাহ" বলেননি; কারণ অর্থগতভাবে নারী একজন ইনসান বা মানুষ।কোনো কোনো ব্যাকরণবিদের দাবি এই যে, "নফস" শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়; ফলে সেক্ষেত্রে কালাম বা বাক্যকে অর্থগত বিষয়ের ওপর ন্যস্ত করার প্রয়োজন পড়ে না।এবং "উযুন" বা কান শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন: {এবং যাতে সচেতন কান তা সংরক্ষণ করে}। হাদিসে এসেছে যে, যখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হলো, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: " হে আল্লাহ! আপনি একে করে দিন...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
أُذُنَ عَلَّى ". قَالَ ابْن عَبَّاس رضي الله عنه: " فَكَانَ عَلىُّ رضي الله عنه أَوْعَى النَّاس " أى أَحْفَظَهم.و" السَّاق " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {والْتَفَّت السَّاقً بالسَّاقِ} .و" القَدَم " مُؤَنّثَة، قَالَ الله تَعَالَى: {فتزل قدم بعد ثُبُوتهَا} و " وَالطير " مُؤَنّثَة قَالَ الله تَعَالَى: {أَوَ لَمْ يَرَوْا إِلىَ الطَّيْر فَوْقَهُمْ صَافَّاتٍ ويَقْبِضْنَ} .و" البِئْر " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {وبِئْر مُعَطَّلَةٍ} .و" العِيِر " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {ولمَّا فَصَلَت العِيرُ} . ثمَّ قَالَ الشَّاعِر:(ولمَّا أَتَتْها العيرُ قالَتْ أباردٌ … من التَّمر أمْ هَذَا حَديدٌ وجَنْدلُ)
"...আলীর কান।" ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: "অতঃপর আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন মানুষের মাঝে সর্বাধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন (أوعى)," অর্থাৎ তাদের মাঝে সর্বাধিক মুখস্থকারী (أحفظهم)।এবং "সাক" (পা) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ বলেন: {এবং একটি পা অন্য পায়ের সাথে জড়িয়ে যাবে}।এবং "কদম" (পা) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, মহান আল্লাহ বলেন: {যাতে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কোনো পা পিছলে না যায়} এবং "তয়ির" (পাখি) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, মহান আল্লাহ বলেন: {তারা কি তাদের উপরের পাখিদের প্রতি লক্ষ্য করে না, যারা ডানা বিস্তার করে ও গুটিয়ে নেয়?}।এবং "বি’র" (কূপ) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ বলেন: {এবং পরিত্যক্ত কূপ}।এবং "ঈর" (কাফেলা) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ বলেন: {আর যখন কাফেলাটি রওয়ানা হলো}। অতঃপর কবি বলেছেন:(যখন তার নিকট কাফেলাটি পৌঁছাল, সে বলল: এগুলো কি শীতল … খেজুর? নাকি এগুলো লোহা ও বড় পাথর?)
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
و " العَصَا " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {قالَ هِىَ عَصَاىَ أَتَوَكَّأُ عَلَيْهَا}وَلَا يُقَال: " هَذِه عَصَاتى "، بِالتَّاءِ. وَيُقَال [هِيَ] أوّل لْحَنٍة سُمِعَتْ بالعراق.و" الكَأْس " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى " {كأْساً كَانَ مِزَاجُهَا زَنْجبِيَلَا} والكأس لَا تُسَمَّى كأساً إِلَّا وفيهَا خمر، كَمَا أَن الطَّبَق لَا يُسمَّى مِهْدّى إِلَّا وَعَلِيهِ مَا يُهْدَى، والخِوَان لَا يُسَمَّى مائدةَ إِلَّا وَعَلَيْهَا طَعَام، والجنازة لَا تُسَمَّى جِنارةً إِلَّا أَن يكون عَلَيْهَا مَيَّتٌ.و" العَنكُبوت " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {مَثَلُ الَّذين اتَّخَذُوا منْ دُون الله أَوليَاءَ، كَمَثَل العَنْكَبُوت اتَّخَذَتْ بَيْتاَ} . وَقد يجوز فِيهَا التَّذْكِير.و" النّمْل " مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى {وأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النّمْل أَن اتَّخِذى منَ الجَبال بُيُوتاً} وَقد يجوز فِيهَا التَّذْكِير.و" السَّبيل " تذكَّر وتؤنث. قَالَ الله تَعَالَى: {قُلْ هَذه سَبيلى أَدْعُو إِلَى الله} . وَقَالَ تَعَالَى: {وإنْ يَرَوْا سَبيلَ الرُّشْد لَا يَتَّخذُوهُ سَبيلاً، وإنْ يَرَوْا سَبيلَ الغَىَّ يَتَّخذُوه سَبيلاً}
"আল-আসা" (লাঠি) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {তিনি বললেন, এটি আমার লাঠি; আমি এর ওপর ভর দেই}।আর "হাজিহি আসাতী" (এটি আমার লাঠি) 'তা' যুক্ত করে বলা যাবে না। বলা হয়ে থাকে যে, এটিই ইরাকে শোনা প্রথম ভাষাগত ভুল।এবং "আল-কাস" (পেয়ালা) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {একটি পেয়ালা, যার মিশ্রণ ছিল আদা}। কোনো পেয়ালাকে ততক্ষণ 'কাস' বলা হয় না যতক্ষণ না তাতে মদ থাকে; যেমন কোনো পাত্রকে 'মিহদা' বলা হয় না যতক্ষণ না তাতে উপহার হিসেবে দেওয়ার মতো কিছু থাকে; এবং দস্তরখানকে 'মায়িদাহ' বলা হয় না যতক্ষণ না তাতে খাবার থাকে; এবং খাটিয়াকে 'জানাজা' বলা হয় না যতক্ষণ না তাতে মৃতদেহ থাকে।এবং "আল-আনকাবুত" (মাকড়সা) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের উদাহরণ মাকড়সার মতো, যে ঘর তৈরি করেছে}। এতে পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করাও বৈধ।এবং "আন-নামল" (পিঁপড়া) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {আর আপনার প্রতিপালক পিঁপড়াকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, পাহাড়সমূহে ঘর তৈরি করো}। এতে পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করাও বৈধ।এবং "আস-সাবিল" (পথ) শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়। মহান আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {বলুন, এটিই আমার পথ, আমি আল্লাহর দিকে আহ্বান করি}। মহান আল্লাহ আরও বলেছেন: {তারা যদি সঠিক পথ দেখে তবে সেটাকে নিজেদের পথ হিসেবে গ্রহণ করে না, আর যদি তারা ভ্রান্ত পথ দেখে তবে সেটাকেই পথ হিসেবে গ্রহণ করে}।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭০)
و " الطَّاغُوت " يذكَّر وَيُؤَنث. قَالَ الله تَعَالَى: {والذَّينَ اجْتَنَبُوا الطَّاغُوت أنْ يَعْبُدُوهَا} . وَقَالَ تَعَالَى: {يُريدُون أنْ يَتَحاكَمُوا إِلَى الطَّاغُوت، وقَدْ أُمِرِوا أنْ يَكْفُروا بِهِ}و" الْأَنْعَام " تذكَّر وتؤنث. قَالَ الله تَعَالَى: {وإنَّ لكُم فِي الأَنْعَامِ لَعِبْرةً نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهِ} . وَقَالَ تَعَالَى فِي مَوضِع آخر: {نُسْقيكًمْ مِمَّا فِي بُطُونهَا} .و" الرَّيح " وأسماؤها مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {ولِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ عاصِفةً تَجْرِى بأَمْرِه} . ثمَّ قَالَ الشَّاعِر:(عجِبتُ من السَّارِينَ والرِّيحُ قَرَّةٌ … إِلَى ضَوْءِ نارٍ [بينَ] فَرْدَةَ والرَّحَى) و" النَّار وأسماؤها مُؤَنّثَة. قَالَ الله تَعَالَى: {النَّارِ ذاتِ الوَقُودِ} . وَكَذَلِكَ النَّار، إِذا أُرِيد بهَا السَّمَةَ، يُقَال: مَا نارُ بَعِيرِكَ؟ أَي مَا سِمَتُهُ؟ وَأنْشد:
এবং "তাগুত" শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়। মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {আর যারা তাগুতকে বর্জন করেছে তাকে উপাসনা করা হতে...}। এবং তিনি আরও ইরশাদ করেছেন: {তারা তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থী হতে চায়, অথচ তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে অস্বীকার করতে।}এবং "গবাদি পশু" শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {আর তোমাদের জন্য গবাদি পশুর মধ্যে অবশ্যই শিক্ষা রয়েছে; তাদের উদরে যা আছে তা থেকে আমি তোমাদের পান করাই}। তিনি অন্য এক স্থানে ইরশাদ করেছেন: {আমি তোমাদের তাদের উদরস্থিত বস্তু হতে পান করাই}।এবং "বাতাস" ও এর নামসমূহ স্ত্রীলিঙ্গ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {আর আমি সুলায়মানের জন্য বাতাসকে প্রবল বেগে প্রবাহিত করে দিয়েছিলাম, যা তার আদেশে প্রবাহিত হতো।} এরপর কবি বলেছেন:(আমি রাতের মুসাফিরদের দেখে বিস্মিত হলাম এমতাবস্থায় যে বাতাস ছিল অত্যন্ত শীতল … ফারদাহ ও রাহা-র মধ্যবর্তী আগুনের আলোর অভিমুখে) এবং "আগুন" ও এর নামসমূহ স্ত্রীলিঙ্গ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন: {অগ্নি, যা ইন্ধনপূর্ণ।} অনুরূপভাবে 'আগুন' শব্দটি যখন পশুর গায়ের চিহ্ন বা দাগ অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন বলা হয়: তোমার উটের চিহ্ন কী? অর্থাৎ তার ছাপ কী? এ প্রসঙ্গে তিনি কবিতা আবৃত্তি করেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭১)
(ثمَّ سَقَوْا آبَالًهُمْ بالنَّارِ … والنَّارُ قد تَشْفِي مِنَ الأُوَارِ) و" الخَمْر " وأسماؤها مُؤَنّثَة. قَالَ الشَّاعِر:(هىَ الخَمْر تُكْنَى الطَّلَاءَ … كَمَا الذَّئْبُ يُكْنَى أَبَا جَعْدَة) و" القِتْب ": المِعَى، مُؤَنّثَة، وَجَمعهَا: " أقتاب ". جَاءَ فِي الحَدِيث: " تسْحَبُ أقتابُ بَطْنِه "، أى أمعاؤه.و" الإصْبَع " مُؤَنّثَة، جَاءَ فِي الحديِث: " هَل أنتِ إِلَّا إصْبَعٌ دَمِيتِ ".
(অতঃপর তারা তাদের উটগুলোকে আগুনের উপস্থিতিতে পানি পান করালো … এবং আগুন হয়তো তীব্র তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারে) এবং "মদ" ও এর নামসমূহ স্ত্রীলিঙ্গ। জনৈক কবি বলেছেন:(এটিই সেই মদ যার উপনাম রাখা হয়েছে তিলা … যেমন নেকড়েকে আবু জাদা উপনামে অভিহিত করা হয়) এবং "নাড়িভুঁড়ি": এর অর্থ হলো অন্ত্র, এটি স্ত্রীলিঙ্গ, এবং এর বহুবচন: "আকতাব"। হাদিসে এসেছে: "তার পেটের নাড়িভুঁড়িগুলো টেনে হিঁচড়ানো হবে", অর্থাৎ তার অন্ত্রসমূহ।এবং "আঙুল" স্ত্রীলিঙ্গ, হাদিসে এসেছে: "তুমি কি কেবল একটি আঙুল যা রক্তাক্ত হয়েছ?"
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭২)
و " الكَفّ " مُؤَنّثَة. فَأَما قَول الشَّاعِر:(أَرَى رَجُلاً منهمْ أسِيفاً كأَّنما … يَضُمُّ إلَى كَشْحَيْهِ كَفَّا مُخَضَّبا) فيجور أَن يكون " مخَضَّباً "، وَصفا لقَوْله " كفَّا "، فَيكون مَحْمُولا على الْمَعْنى، لِأَن الْكَفّ فِي الْمَعْنى عُضْو، وَيجوز أَن يكون " مخضبا " لقَوْله " رَجُلاً "، فَلَا يكون مَحْمُولا على الْمَعْنى.و" الذِّراع " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(أرْمى عَلَيْهَا وَهْىَ فَرْعٌ أجْمَعُ … وَهْىَ ثَلاثُ أَذْرُعٍ وإصبًعُ) و" الكَبِد " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(أيا كَبِداً كادتْ عَشِيَّةَ غُرَّبٍ … من الشَّوْقِ إثْرِ الظَّاعِنينَ تَصَدَّعُ)
এবং "আল-কাফ" (হাতের তালু) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। তবে কবির উক্তি প্রসঙ্গে:
(আমি তাদের মধ্য হতে এমন একজন ব্যথিত ব্যক্তিকে দেখছি যেন … সে তার দুই পাঁজরের সাথে একটি রঞ্জিত হাতের তালুকে চেপে ধরে আছে)
এখানে "মুখাদদাবান" (রঞ্জিত) শব্দটি "কাফ্ফান" (হাতের তালু) শব্দের বিশেষণ হওয়া সম্ভব (يجوز), ফলে এটি অর্থের ওপর ভিত্তি করে প্রযুক্ত হবে; কেননা "আল-কাফ" অর্থগতভাবে একটি অঙ্গ। আবার "মুখাদদাবান" শব্দটি "রাজুলান" (ব্যক্তি) শব্দের বিশেষণ হওয়াও সম্ভব (يجوز), সেক্ষেত্রে এটি শাব্দিক অর্থের ওপর ভিত্তি করে হবে না।
এবং "আদ-দিরা" (বাহু) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। কবি আবৃত্তি করেছেন:
(আমি তার ওপর নিক্ষেপ করি এমতাবস্থায় যে সেটি একটি পূর্ণাঙ্গ শাখা … আর সেটি তিন বাহু ও এক আঙ্গুল পরিমাণ)
এবং "আল-কাবিদ" (কলিজা) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। তিনি আবৃত্তি করেছেন:
(হে কলিজা, যা প্রস্থানের সন্ধ্যায় … বিচ্ছেদকামীদের অনুগমনে ব্যাকুলতায় বিদীর্ণ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল)
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
و " الَيد " و " الرِّجْل " و " العَيْن " كلهَا مُؤَنّثَة. قَالَ الشَّاعِر:(اليَدُّ سابِحةٌ والرِّجْلُ ضارِحَةٌ … والعَيْنُ قادِحَةٌ والمَتْنُ مَلْحُوبُ) و" المَتْن " أَيْضا مؤنث. وَأنْشد:(وَمْتنانِ خَظاتانِ … كزُحْلُوف مِنَ الهَضْبِ) و" اليَمين " و " الشَّمال " و " الفَخِذ " و " الوَرِك " و " الكَرِش " و " العَجُز " و " الضِّلَع " و " البَاع " و " العَضُد " و " الكَتِف " و " الكُراع " كلهَا مُؤَنّثَة.و" العَاتِق " تذكَّر وتؤنث.
এবং "হাত", "পা" ও "চোখ"—এগুলো সবই স্ত্রীলিঙ্গবাচক। কবি বলেছেন:(হাত সন্তরণশীল এবং পা পদাঘাতকারী … আর চোখ স্ফুলিঙ্গ বিচ্ছুরণকারী এবং মূল পাঠ (متن) সুস্পষ্ট ও মসৃণ) এবং "মূল পাঠ (متن)" শব্দটিও স্ত্রীলিঙ্গ। তিনি আবৃত্তি করেছেন:(এবং সুপুষ্ট দুটি পার্শ্বদেশ … যেন পাহাড়ের কোনো পিচ্ছিল ঢাল) এবং "ডান", "বাম", "ঊরু", "নিতম্ব", "পাকস্থলী", "পশ্চাদ্ভাগ", "পাঁজর", "দুই বাহুর বিস্তার", "বাহু", "কাঁধ" এবং "নলা"—এগুলো সবই স্ত্রীলিঙ্গবাচক।এবং "কাঁধের ঊর্ধ্বাংশ" পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় হিসেবেই ব্যবহৃত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
و " القَفَا " يذكَّر وَيُؤَنث. وَأنكر الْأَصْمَعِي فِيهَا التَّذْكِير.و" الإِبْط " تذكَّر وتؤنث والتذكير فِيهِ أَكثر وَكَذَلِكَ " الْعُنُق " يذكر وَيُؤَنث. وَقيل: إِن ضُمِّت النونُ كَانَ مؤنَّثاً وَإِن سُكِّنت كَانَ مذكَّراً. وَقَالَ الْأَصْمَعِي: لَا أعرف فِيهِ التَّأْنِيث.و" الإبِل " مؤنثه.و" القَلُوص ": بِإِزَاءِ " القَعُود " مُؤَنّثَة.و" العَنْس ": النَّاقة الصَّلْبة، مُؤَنّثَة. قَالَ الرَّاعِي:(مَا [ذَا] ذَكَرْتُم من قَلُوصٍ عَقَرتُها … بَسَيْفي وضِيفَانُ الشتاءِ شُهُودُهَا) (وَقد عَلِمُوا أنِّى وفَيْتُ لِرَبِّهَا … فراحَ على عَنْسٍ بأخرَى يُقودُهَا) و" الجَزُور " مُؤَنّثَة.و" النَّاب ": المُسِنَّة من الإِبل، مُؤَنّثَة، وَأنْشد:(أبْقَى الزَّمانُ ناباً نَهْبلَهْ … ورَحِماً عِنْد اللَّقاحِ مُقْفَلَهْ) و" الذَّوْد " من الإِبل: من الثَّلَاث إِلَى العَشْر، مُؤَنّثَة، وَقد تذكَّر. وَمِنْه قَوْلهم: " الذَّوْدُ إِلَى الذَّوْدِ إبِلٌ ".
এবং "আল-কাফা" (ঘাড়ের পশ্চাদভাগ) শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়। তবে আসমায়ি এতে পুংলিঙ্গ ব্যবহারের বিষয়টিকে অস্বীকার করেছেন।এবং "আল-ইবিত" (বগল) শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপে ব্যবহৃত হয়, তবে এর পুংলিঙ্গ ব্যবহারই অধিক। অনুরূপভাবে "আল-উনুয়ুক" (ঘাড়) শব্দটিও পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপে ব্যবহৃত হয়। বলা হয়ে থাকে যে: যদি 'নুন' বর্ণটিতে পেশ দেওয়া হয় তবে তা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে, আর যদি তা সাকিন যুক্ত হয় তবে তা পুংলিঙ্গ হবে। আসমায়ি বলেছেন: আমি এতে স্ত্রীলিঙ্গ ব্যবহারের কথা জানি না।এবং "আল-ইবিল" (উট) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-কালুস" (তরুণী উষ্ট্রী): এটি "আল-কাউদ" (তরুণ উট) এর বিপরীতে ব্যবহৃত স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ।এবং "আল-আনস": এটি শক্তিশালী মাদি উটকে বোঝায়, যা স্ত্রীলিঙ্গ। আল-রায়ি বলেছেন:(তোমরা সেই তরুণী উষ্ট্রী সম্পর্কে কী উল্লেখ করলে যা আমি আমার তলোয়ার দিয়ে জবাই করেছি … যখন শীতকালীন অতিথিরা ছিল তার সাক্ষী) (আর তারা অবশ্যই জানত যে আমি তার মালিকের প্রতি অঙ্গীকার পূর্ণ করেছি … অতঃপর সে একটি শক্তিশালী উষ্ট্রীতে চড়ে অন্যটিকে টেনে নিয়ে প্রস্থান করল) এবং "আল-জাজুর" (জবাইকৃত উট) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আন-নাব": এটি উটসমূহের মধ্যে বয়স্কা উষ্ট্রীকে বোঝায়, যা স্ত্রীলিঙ্গ। কবি আবৃত্তি করেছেন:(কালপ্রবাহ কেবল একটি জীর্ণ ও বয়স্কা উষ্ট্রীকেই অবশিষ্ট রেখেছে … আর গর্ভধারণের সময় যার জরায়ু ছিল রুদ্ধ) এবং উটসমূহের ক্ষেত্রে "আয-যাওদ" বলতে তিন থেকে দশটি উটের পালকে বোঝায়, যা স্ত্রীলিঙ্গ; তবে কখনও কখনও পুংলিঙ্গ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এরই অন্তর্ভুক্ত হলো তাদের প্রবাদ: "এক পালের সাথে অন্য পালের মিলনই উটের পালে পরিণত হওয়া"।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
و " الأَضْحَى " مُؤَنّثَة، وَقد تذكَّر، يذهب بهَا إِلَى الْيَوْم. وَأنْشد:( … ... … ... دَنَا الأَضْحَى وَصَلَّلَتِ اللّحامُ) و" الحَانُوت " مُؤَنّثَة، وَقد يُذْهَب بهَا إِلَى الْبَيْت فيذكَّر.و" النَّعَم " تذكَّر وتؤنث، والتذكير أَكثر، وَأنْشد:( … ... … . … حَتَّى إِذا مَا بَدَا للغارَةِ النَّعَمُ) وَأنكر الْفراء فِيهِ التَّأْنِيث، وَقَالَ: هُوَ ذَكَرٌ لَا يؤنث.و" الحِجْر ": الفَرَسُ الْأُنْثَى، مُؤَنّثَة.و" الغَنَم " و " الضَّأن " مُؤَنّثَة.و" الرَّخِل ": من أَوْلَاد الضَّأْن، مُؤَنّثَة.و" المَعِز ": مُؤَنّثَة.و" العَنْز " مُؤَنّثَة.و" العَنَاق ": من أَوْلَاد المَعِز، مُؤَنّثَة.و" الأفَعَى " مُؤَنّثَة. وَمِنْه قَوْلهم: " رَمَاهُ الله بأَفْعىً حَارِيَةٍ "، أَي قد نَقَصَ جِسْمُها، وصَغُرت من الكِبر.
এবং "আল-আদহা" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, তবে কখনও কখনও এটি পুংলিঙ্গ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়; যখন এটি দ্বারা 'দিন' উদ্দেশ্য করা হয়। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:( ... ... ... ... আদহা নিকটবর্তী হলো এবং গোশতসমূহ শব্দ করতে লাগল) এবং "আল-হানুত" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, তবে কখনও কখনও এটি দ্বারা 'ঘর' উদ্দেশ্য করা হয় বিধায় পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।এবং "আন-নাআম" পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়ই হতে পারে, তবে পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহারই অধিক প্রচলিত। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:( ... ... ... . ... অবশেষে যখন লুণ্ঠনকারীদের সামনে গবাদি পশু দৃশ্যমান হলো) ইমাম আল-ফাররা এতে স্ত্রীলিঙ্গ হওয়াকে অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন: এটি পুংলিঙ্গ, যা স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।এবং "আল-হিজর": এটি ঘোটকী (স্ত্রী ঘোড়া) অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-গানাম" ও "আদ-দান" শব্দ দুটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আর-রাখিল": এটি ভেড়ার বাচ্চা অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-মায়িজ" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-আনজ" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-আনাক": এটি ছাগল ছানা অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-আফআ" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। এ থেকেই আরবদের প্রবাদ: "আল্লাহ তাকে অতি বৃদ্ধ ও শীর্ণকায় সাপের সম্মুখীন করুন", অর্থাৎ যার শরীর বার্ধক্যের কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ছোট হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
و " الأرْوَى ": إناث الوُعُول، مُؤَنّثَة. و " أَرْوَى " اسْم امْرَأَة. قَالَ الشماخ:(كِلَا يَوْمَىْ طُوَالَةَ وَصْلُ أَرْوَى … ظَنُونٌ آنَ مُطَّرَحُ الظًّنُونِ) (وَمَا أَرْوَى وإنْ كَرُمَتْ عَلَيْنَا … بأدْنَى مِنْ مُوَقَّفَة حَرُون) و" الأَرْنَب " مؤنث.و" الخِرْنق ": ولد الأرنب، ويذكَّر وَيُؤَنث، والتأنيث أَكثر.و" الضَّبُع " مؤنث. قَالَ الشَّاعِر:(يَا ضَبُعاً أكَلَتْ آيارَ أَحْمِرَةٍ … فَفِي البُطُون وقَدْ رَاحَتْ قَرَاقيرُ) و" البَعِير " يُقَال للذّكر وَالْأُنْثَى.و" الفَرَس " يُقَال للذّكر وَالْأُنْثَى.و" الدَّجَاج " يُقَال للذّكر وَالْأُنْثَى، كالإِنسان يُقَال للذّكر وَالْأُنْثَى.و" العَقْرَب " مُؤَنّثَة.
এবং "আরওয়া" হলো বুনো ছাগীর স্ত্রীবাচক শব্দ। আর "আরওয়া" একজন মহিলার নাম। আশ-শাম্মাখ বলেছেন:(তূওয়ালার উভয় দিনেই আরওয়ার সান্নিধ্য ছিল অনিশ্চিত … এখন সকল সংশয় বর্জনের সময় উপস্থিত) (আরওয়া যদিও আমাদের কাছে সম্মানিতা, তবুও সে … অবাধ্য চিহ্নিত পশুর চেয়ে অধিক নিকটবর্তী নয়) এবং "আরনাব" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক।এবং "খিরনিক" হলো খরগোশের শাবক; এটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়, তবে স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহারই অধিক প্রচলিত।এবং "দাবু" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক। কবি বলেছেন:(হে হায়েনা যে গাধার অঙ্গসমূহ ভক্ষণ করেছে … সন্ধ্যা ঘনালে উদরসমূহ হতে এখন ঘড়ঘড় আওয়াজ আসছে) এবং "বাইর" শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় উটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।এবং "ফারাস" শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় ঘোড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।এবং "দাজাজ" শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন "ইনসান" শব্দটি নারী ও পুরুষ উভয়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।এবং "আকরাব" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
و " العُقَاب " مُؤَنّثَة. و " العُقَاب ": الرَّايَةُ أَيْضا، مُؤَنّثَة. قَالَ الشَّاعِر(وَلَا الرَّاحُ رَاحُ الشَّامِ جاءَتْ سَبِيئَةً … لَهَا غَايَةٌ تَهْدِى الكِرَام عُقَابُهَا) و" العِرْس " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(وهَلْ هِيَ إلَاّ مثْلُ عِرْسٍ تَبَدَّلَتْ … عَلَى رَغْمِها مِن هاشِم فِي مُحارِبِ) و" الظَّئر ": الدَّابَّة، مُؤَنّثَة، و " الظائِر " من الإِبل: الَّتِي عُطِفَت على غير وَلَدهَا، مُؤَنّثَة. جمعهَا أظْآر. وَأنْشد:(فَمَا وَجْدُ أظْآرِ ثلاثٍ رَوائم … وَجَدْنَ مَجَرّا مِن حُوَارٍ ومَصْرَعَا)3 - و " الغُول " مُؤَنّثَة، وَأنْشد:( … ... . … كَمَا تَلَوَّنُ فِي أَثْوَابِهَا الغُولُ)
এবং "আল-উকাব" শব্দটি স্ত্রীবাচক। আর "আল-উকাব" অর্থ পতাকাও হয়, যা স্ত্রীবাচক। কবি বলেছেন(সিরিয়ার শরাব আমদানিকৃত হয়ে আসেনি … তার একটি লক্ষ্য রয়েছে যা মহৎ ব্যক্তিদের পথ প্রদর্শন করে, আর তা হলো তার পতাকা) এবং "আল-ইরস" শব্দটি স্ত্রীবাচক। তিনি আবৃত্তি করেছেন:(আর সেটি কি কেবল এমন এক স্ত্রীর মতো নয় যে পরিবর্তিত হয়েছে … তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাশিম গোত্র থেকে মুহারিব গোত্রে) এবং "আয-যি'র": চতুষ্পদ প্রাণী, এটি স্ত্রীবাচক। আর উটের মধ্যে "আয-যয়ির" হলো সেই উষ্ট্রী যাকে তার নিজের শাবক ব্যতীত অন্যের শাবকের প্রতি মমতাশীল করা হয়েছে, যা স্ত্রীবাচক। এর বহুবচন হলো আযআ'র। তিনি আবৃত্তি করেছেন:(তিনটি মমতাময়ী ধাত্রী উষ্ট্রীর ব্যাকুলতা কেমন ছিল … যারা উটের শাবককে টেনে নেওয়ার চিহ্ন ও তার পড়ে থাকার স্থান দেখতে পেয়েছে)3 - এবং "আল-গুল" শব্দটি স্ত্রীবাচক। তিনি আবৃত্তি করেছেন:( … ... . … যেমন বনদেবী তার পোশাকে বর্ণ পরিবর্তন করে)
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
و " الحْرَبُ " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(مَنْ يَذُقِ الحْرَبَ يَجِدْ طَعْمَهَا … مُرَّاً وتَتْرُكُهُ بِجَعْجَاع) والجَعْجَاع: مناخ السوء، وَقيل: الحَبْس أَيْن كَانَ، وَقيل: كل أَرض جَعْجَاع. وَأما قَول عُبَيد الله بن زِيَاد: " أنْ جَعْجِعْ بالحُسَيْن "، فَمَعْنَاه: أَزْعِجْهُ، من قَوْلهم: جَعْجَعه: إِذا أَزْعَجَهُ.و" ذُكَاء ": الشَّمْس، مُؤَنّثَة. و " ابْن ذُكاء ": الصُّبْح، مُؤَنّثَة.وَأنْشد:(وابْنُ ذُكَاءَ كَامِنٌ فِي كَفْرِ)
এবং "যুদ্ধ" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। তিনি আবৃত্তি করেছেন:(যে যুদ্ধের স্বাদ আস্বাদন করে সে এর স্বাদ … তিক্ত পায় এবং তা তাকে এক কষ্টদায়ক স্থানে ফেলে রাখে) জাজাউ: মন্দ আবাসস্থল, আবার বলা হয়: যেকোনো স্থানে কারারুদ্ধ করা, আবার বলা হয়: প্রতিটি রুক্ষ ভূমিই জাজাউ। আর উবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের উক্তি: "হুসাইনকে সংকটে ফেলো", এর অর্থ হলো: তাকে অস্থির বা ব্যতিব্যস্ত করে তোলো। এটি তাদের প্রচলিত শব্দ "জাজায়াহু" থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ: যখন কেউ কাউকে অস্থির করে তোলে।"জুকা": সূর্য, শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। এবং "ইবনে জুকা": প্রভাত, এটিও স্ত্রীলিঙ্গ।তিনি আবৃত্তি করেছেন:(এবং প্রভাত অন্ধকারের আবরণে লুকায়িত)
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
و " النَّبْل " مُؤَنّثَة، وَاحِدهَا " سَهْم "، كالغَنَم وَاحِدهَا شَاةٌ، والإِبل وَاحِدهَا جَمَلٌ أَو نَاقَةٌ.و" السَّرَاويل " مُؤَنّثَة.و" الدَّار " مُؤَنّثَة.و" الرَّحَا " مُؤَنّثَة.و" القِدْر " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(وقِدْر كَكَفِّ القِرْدِ لَا مُسْتَعِيُرهَا … يُعارُ وَلَا مَنْ ذاقَها يَتَدَسَّمُ) و" الدَّلْو " مُؤَنّثَة، وَقد تذكَّرُ. وَأنْشد:(يَمْشي بَدلْوٍ مُكْرَبِ العَرَاقي) و" الفَأْس ": مُؤَنّثَة.و" القَدُوم " مُؤَنّثَة.و" النَّعْل " مُؤَنّثَة.و" الطَّاس " مُؤَنّثَة.و" الطَّسَ " مُؤَنّثَة. و " الطَّسْت " بِمَعْنى الطَّسّ.
এবং "নাব্ল" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, যার একবচন হলো "সাহম"; যেমন "ঘানাম" এর একবচন "শাহ", এবং "ইবিল" এর একবচন হলো "জামাল" অথবা "নাকাহ"।এবং "সারওয়িল" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "দার" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "রাহা" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "কিদর" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:(এবং এমন এক পাতিল যা বানরের করতলের ন্যায় ক্ষুদ্র, এর সাহায্যপ্রার্থীকে তা ধার দেওয়া হয় না … এবং যে ব্যক্তি তা আস্বাদন করে সে তৃপ্ত হয় না) এবং "দালউ" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, তবে কখনো কখনো এটি পুংলিঙ্গ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:(সে মজবুত বন্ধনীযুক্ত বালতি নিয়ে পথ চলে) এবং "ফাস" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "কাদুম" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "না’ল" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "তাস" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "তাস্স" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। আর "তাসত" শব্দটি "তাস্স" এর অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮০)
و " القَوْسَ " مُؤَنّثَة.و" الفِهْر ": حَجَرٌ، يمْلَأ الكَفَّ، مُؤَنّثَة.و" الضُّحَى " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(سُرُحُ اليَدَيْن إِذا تَرَفَّعَت الضُّحَى … هَدْجَ الثَّقَال بَحمْلِهِ المُتَثَاقِلِ) و" السُّرَى ": سُرَى اللَّيْل، مُؤَنّثَة.و" النَّوَى ": البُعْد، مُؤَنّثَة.و" الضَّرَبُ ": العَسَل الغليظ الْأَبْيَض، مُؤَنّثَة.[و " العَرُوض ": النَّاحِيَة، مُؤَنّثَة] : وَأنْشد:(لكلِّ أُناسٍ منْ مَعَدِّ عَمَاَرٌة … عرُوض إِلَيْهَا يَلْجَئُونَ وجانبُ) و" القَلْت ": نُقْرَة فِي الجَبَل تُمْسك المَاء، مُؤَنّثَة، وَأنْشد:(لَحَا الله أعْلَى تَلْعَة حَفَشَتْ بِهِ … وقَلْتاً أَقَرَّتْ ماءَ قَيْس بن عاصِمِ) و" العَرَب " مُؤَنّثَة، لقَولهم: العَرَب العارِبَة.
এবং "আল-কাওস" (ধনু) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আল-ফিহর" হলো এমন পাথর যা হাতের তালু পূর্ণ করে দেয়, এটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আদ-দুহা" (পূর্বাহ্ণ) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:(তার হস্তদ্বয় দ্রুতগামী হয় যখন পূর্বাহ্ণ প্রখর হয় … যেমন মন্থর গতিতে চলে অতিশয় ভারী বোঝা বহনকারী) এবং "আস-সুরা" হলো রাত্রিকালীন ভ্রমণ, এটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আন-নাওয়া" অর্থ দূরত্ব, এটি স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "আদ-দারাব" হলো ঘন সাদা মধু, এটি স্ত্রীলিঙ্গ।[এবং "আল-আরুদ" অর্থ অঞ্চল বা দিক, এটি স্ত্রীলিঙ্গ]: জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:(মা'আদ বংশের প্রত্যেক জনসমষ্টির জন্য রয়েছে একটি অঞ্চল … যার দিকে তারা এবং তাদের পার্শ্ববর্তী লোকেরা আশ্রয় গ্রহণ করে) এবং "আল-কালত" হলো পাহাড়ের গর্ত যা পানি ধরে রাখে, এটি স্ত্রীলিঙ্গ। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:(আল্লাহ সেই উচ্চভূমির উপরিভাগকে ধ্বংস করুন যা তাকে প্লাবিত করেছে … এবং সেই পাহাড়ী গর্তকেও যা কায়েস ইবনে আসিমের পানি ধারণ করে রেখেছে) এবং "আরব" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, যেহেতু তারা বলে: "আল-আরব আল-আরিবা" (বিশুদ্ধ আরব)।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮১)
و " الوَحْش " مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(إِذا الوَحْشُ ضَمَّ الوَحْشَ فِي ظُلُلَاتَها … سَوَاقطُ منْ حَرَّ وَقد كانَ أظْهَرَا) و" الصَّعُود " و " الحَدُور " و " الهَبُوط " كلهَا مُؤَنّثَة، مبْنى على الْكسر، كحَذَامِ وقَطَامِ.و" أَجَأ ": أحَدُ جَبَلىْ طَيِّئ مُؤَنّثَة. وَأنْشد:(أبَتْ أجَأٌ أنْ تُسْلمَ العَامَ جَارَهَا … فَمَنْ شاءَ أَن يَنْهَضْ بهَا منْ مُقَاتِل) و" كَحْلُ ": اسْم السَّنَة المجدِبة، غير منصرف. وَأنْشد:(قَوْمٌ إِذا صَرَّحَتْ كَحْلٌ بُيُوتَهُمُ … مَأوَى الضَّريك وَمَأوَى كُلِّ قُرْضُوب)
এবং "আল-ওয়াহ্শ" শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ। কবি আবৃত্তি করেছেন:(যখন বন্য পশুরা তাদের ছায়াঘেরা আশ্রয়ে একে অপরের সাথে সমবেত হয় … প্রচণ্ড উত্তাপে ক্লান্ত হয়ে, অথচ তখন ছিল দ্বিপ্রহর) এবং "আস-সাউদ", "আল-হাদুর" ও "আল-হাবুত" - এ সবগুলোই স্ত্রীলিঙ্গ, এবং এগুলো কাসরার ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয়, যেমন: হা-যামি ও ক্বাত্বামি।এবং "আজা": এটি ত্বায়ি গোত্রের দুটি পাহাড়ের একটি এবং এটি স্ত্রীলিঙ্গ। কবি আবৃত্তি করেছেন:(আজা পাহাড় এই বছর তার আশ্রিতকে সমর্পণ করতে অস্বীকার করেছে … অতএব কোনো যোদ্ধা চাইলে তার বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হতে পারে) এবং "কাহলু": এটি দুর্ভিক্ষের বছরের একটি নাম, যা রূপান্তরহীন। কবি আবৃত্তি করেছেন:(তারা এমন এক জাতি, যখন দুর্ভিক্ষ তাদের ঘরে স্পষ্টভাবে জেঁকে বসে … তখন তারা হয় নিঃস্বদের আশ্রয় এবং প্রতিটি অভাবগ্রস্ত ব্যক্তির ঠিকানা)
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮২)
و " كَبكَبُ ": اسْم جَبَل، غير منصرف. وَأنْشد:(وَمَنْ يغترب عَن قَوْمِه لَا يَزَلْ يَرَى … مَصارعَ مظلوم مَجَرَّا ومَسْحَبَا) (وتُدْفَنُ مِنْهُ الطالحاتُ وَمَنْ يُسئ … يَكُنْ مَا أساءَ النَّارَ فِي رَأس كَبْكَبَا) و" شَعُوبُ ": اسْم للمنية، غير منصرف. وَأما قَوْله:(وكل فَتَى سَتَشْعَبُهُ شَعُوٌب … وإِنْ أثْرَى وإنْ لَاقى فَلَاحَا) فَإِنَّمَا صَرَفَهُ للضَّرُورَة.و" المَنْجَنُون ": الدَّاليَة، مُؤَنّثَة. وَأنْشد:( … ... … ... … هَل الدَّهرُ إِلَّا مَنْجنَوُنٌ تَقَلَّبُ) و" المَنْجَنِيقُ ": مُؤَنّثَة.و" مُوسَى " الْحَدِيد مؤنثه، لقَولهم: " مُوسَى خَذِمَة ".و" السِّنّ " مُؤَنّثَة.
এবং "কাবকাব": একটি পাহাড়ের নাম, যা রূপান্তরহীন (غير منصرف)। তিনি আবৃত্তি করেছেন:(এবং যে ব্যক্তি তার স্বজাতি থেকে দূর প্রবাসে থাকে, সে সর্বদা দেখতে পায় … মজলুমের আছাড় খেয়ে পড়ার স্থান, যেখানে তাকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে) (তার থেকে মন্দ কাজগুলো দাফন হয়ে যায়, আর যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করে … তার কৃত মন্দ কাজ হবে কাবকাব পাহাড়ের চূড়ার আগুন) এবং "শা’উব": এটি মৃত্যুর একটি নাম, যা রূপান্তরহীন (غير منصرف)। আর কবির এই উক্তি প্রসঙ্গে:(প্রত্যেক যুবককেই মৃত্যু গ্রাস করবে … যদিও সে বিত্তবান হয় কিংবা সাফল্যের দেখা পায়) একে কেবল কাব্যিক প্রয়োজনের খাতিরে রূপান্তরযোগ্য করা হয়েছে।এবং "মানজানুন": এর অর্থ পানির চাকা, যা স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنثة)। তিনি আবৃত্তি করেছেন:( … ... … ... … সময় কি কেবল একটি আবর্তনশীল পানির চাকা ছাড়া আর কিছু?) এবং "মানজানিক": এটি স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنثة)।এবং লোহার তৈরি "মুসা" (ক্ষুর) হলো স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنثة); কারণ আরবদের ভাষ্য: "তীক্ষ্ণ ক্ষুর"।এবং "সিন" (দাঁত) হলো স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنثة)।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
و " طباعُ " الرَّجُل مُؤَنّثَة، وَقد تذكَّر، والتأنيث أَكثر.و" قُدَّام " و " أَمَام " و " وَرَاء " كلهَا مُؤَنّثَة.و" دِرْع " الحَديد مُؤَنّثَة، و " درْع " الْمَرْأَة: أى قميصها مذكرٌ.و" اللَّبُوس ": إِن عَنَيْتَ بِهِ السِّلاحَ، فَهُوَ مذكَّر، وَإِن عَنَيْتَ بِهِ درْعَ الْحَدِيد، فَهُوَ مؤنث.و" اللِّسان ": إِن عَنَيْتَ بِهِ هَذَا العُضْوَ، فَهُوَ مذكَّرٌ، وَإِن عَنَيْتَ بِهِ اللُّغَة، فَهُوَ مؤنث. وَقد يجوز فِي هَذَا الْمَعْنى التَّذْكِير. قَالَ الشَّاعِر:(نَدِمْتُ على لسانٍ كَانَ مِنِّى … فَلَيْتَ بأنَّه فِي جَوْف عِكْم) فَهَذَا لَا يُراد بِهِ الْعُضْو، لِأَن النَّدَم لَا يَقع على الْأَعْيَان، وَإِنَّمَا يَقع على الْكَلَامو" القَلِيبُ ": الْبِئْر قبل أَن تُطْوَى، يذكَّر وَيُؤَنث، والتذكير أَكثر.و" الذَّنُوب ": الدَّلْو الْعَظِيمَة، تذكر وتؤنث. وَقَالَ بعض أهل اللُّغَة: لَا تُسَمَّى ذَنُوباً إِلَّا وَهِي مَلأىْ مَاء. وَكَذَلِكَ: " السَّجْل " الدَّلْو بِمَائِهَا.
এবং কোনো ব্যক্তির "তিবা" (স্বভাব) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, কখনো কখনো এটি পুংলিঙ্গ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়, তবে স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহারই অধিক প্রচলিত।এবং "কুদ্দাম" (সামনে), "আমাম" (সম্মুখে) ও "ওয়ারা" (পেছনে) শব্দগুলোর সবগুলোই স্ত্রীলিঙ্গ।এবং লোহার "দিরউ" (বর্ম) শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ, কিন্তু নারীর "দিরউ" অর্থাৎ তার কামিজ পুংলিঙ্গ।এবং "লাবুস": যদি আপনি এর দ্বারা অস্ত্র বোঝান, তবে তা পুংলিঙ্গ; আর যদি আপনি লোহার বর্ম বোঝান, তবে তা স্ত্রীলিঙ্গ।এবং "লিসান" (জিহ্বা): যদি আপনি এই অঙ্গটি বোঝান, তবে তা পুংলিঙ্গ; আর যদি আপনি ভাষা বোঝান, তবে তা স্ত্রীলিঙ্গ। আর এই অর্থে (ভাষা) পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করাও জায়েজ। কবি বলেছেন:(আমি আমার সেই রসনার জন্য অনুতপ্ত হয়েছি যা আমার পক্ষ থেকে প্রকাশ পেয়েছে … আক্ষেপ! এটি যদি কোনো বড় থলের ভেতরে থাকত) এখানে অঙ্গটি (জিহ্বা) উদ্দেশ্য নয়, কারণ অনুতাপ জড় বস্তুর ওপর হয় না, বরং তা কথার ওপর হয়ে থাকে।এবং "কালীব" বলতে বাঁধানোর পূর্বের কূপকে বোঝায়; এটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়ই হয়, তবে পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহারই বেশি।এবং "যনুব" অর্থ বিশাল বালতি; এটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়ই হয়। কতিপয় ভাষাবিদ বলেছেন, পানি পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাকে "যনুব" বলা হয় না। অনুরূপভাবে "সাজল" বলতেও পানি ভর্তি বালতিকে বোঝায়।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
و " السِّلْم ": الصُّلْح، بِكَسْر وتفتح، ويذكَّرُ وَيُؤَنث. وَأنْشد:(والسِّلْمُ تَأْخُذُ مِنْهَا مَا رَضِيتَ بِهِ … والحَرْبُ يَكْفيكَ منْ أنفاسِهَا جُرَعُ) و" الْمنون " يذكر وَيُؤَنث. وَأنْشد:(وكأنَّ المَنُونَ تَرْمى بِنَا أصحَمَ … عُصْمٍ يَنْجَابُ عَنْهُ العَمَاءُ)أنْشد:(أمِنَ الْمنون وَرَيْبه تَتَوَجَّعُ..... … ...) ويروى: " ورَيَبِها ".و" المَنِينُ ": الحَبْلُ الخِلَقُ، يذكَّر وَيُؤَنث.و" السُّلْطان " يذكر وَيُؤَنث. حكى الْفراء أَنه سمع بعضَ الْعَرَب يَقُول: قَضَتْ علينا السُّلْطَان. والتذكير أَعلَى، وَمن أنث ذهب إِلَى أَنه حُجَّةٌ،
এবং "আস-সিলম" এর অর্থ হলো সন্ধি বা শান্তি (الصلح); এটি 'সিন' বর্ণে কাসরা বা ফাতহা উভয় যোগে পঠিত হয় এবং এটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়। জনৈক কবি আবৃত্তি করেছেন:
(এবং শান্তি থেকে তুমি তা-ই গ্রহণ করো যা নিয়ে তুমি সন্তুষ্ট থাকো... আর যুদ্ধের অগ্নিগর্ভ নিঃশ্বাস থেকে কয়েক ঢোক পান করাই তোমার জন্য যথেষ্ট) এবং "আল-মানুন" পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়। কবি আবৃত্তি করেছেন:
(মনে হচ্ছে যেন মহাকাল আমাদের লক্ষ্য করে সুদৃঢ় ও ছাই রঙের পাহাড় নিক্ষেপ করছে, যা থেকে মেঘমালা অপসারিত হয়)তিনি আবৃত্তি করেছেন:
(তুমি কি মহাকাল ও তার বিপর্যয়ে ব্যথিত হচ্ছো?...) এবং এটি বর্ণিত হয়েছে (يروى): "ওয়া রাইবিহা"।এবং "আল-মানিন" এর অর্থ হলো জরাজীর্ণ রশি, এটিও পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।এবং "আস-সুলতান" শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়। আল-ফাররা উল্লেখ করেছেন যে, তিনি কোনো কোনো আরব ব্যক্তিকে বলতে শুনেছেন: "সুলতান আমাদের ওপর ফয়সালা দিয়েছেন" (যেখানে তিনি স্ত্রীলিঙ্গ ক্রিয়া ব্যবহার করেছেন)। তবে পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করাই অধিকতর বিশুদ্ধ ও উচ্চাঙ্গের। আর যারা এটিকে স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করেন, তারা এটিকে দলিল বা প্রমাণ (حجة) হিসেবে গণ্য করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
وَذهب بعض النَّحْوِيين إِلَى أَنه جمع " سَليِط "، مثل: " قَضِيبٍ " و " قُضْبَان ".و" السَّلاطين " جمع الْجمع، مثل: " مَصِير " و " مُصْرَان " و " مُصَارِين ".و" الحَالُ " يذكَّر وَيُؤَنث.و" الطَّرِيقُ " يذكَّر وَيُؤَنثو" الصَّاعُ " يذكَّر وَيُؤَنثو" السَّلاح " تذكر وتؤنثو" الصَّلِيف " صَفْحَةُ العُنُق، يذكَّر وَيُؤَنثو" السِّكَّين " يذكَّر وَيُؤَنثو" السُّوقُ " يذكَّر وَيُؤَنثوَكَذَلِكَ كلُّ اسْم من أَسمَاء الْأَجْنَاس الَّتِي تَدخُل التَّاءُ فِي وَاحِدِهِ فرقا بَينه وَبَين الْجمع، نَحْو: نَخْل ونَخْلَة، وتَمْر وتَمْرَة، وشَجَر وشَجَرَة، وثَمَر وثَمَرَة، وبَقَر وبَقَرَة، وبَرَّ وبُرَّة، وشَعير وشَعِيرة، فَإِنَّهُ يجوز فِيهِ التَّذْكِير والتأنيث.وَقد جَاءَ أَيْضا شَيْء من صِفَات الْمُؤَنَّث بِغَيْر عَلامَة التَّأْنِيث، كَقَوْلِهِم: امْرَأَة خَوْدٌ، وضِنَاك، وصَنَاع، وناقة سَرْجٌ، وَامْرَأَة مِعْطار، ومِذْكار، ومِئناث، ومِئْشِير، ومِعْطير، وَامْرَأَة صَبُور، وشَكُور، وَامْرَأَة قَتيل، وكَفُّ
কিছু বৈয়াকরণ এই অভিমত পোষণ করেছেন যে এটি 'সালিদ'-এর বহুবচন, যেমন: 'কদীব' এবং 'কুদবান'।এবং 'আস-সালাতিন' হলো বহুবচনের বহুবচন, যেমন: 'মাসীর', 'মুসরান' এবং 'মুসারীন'।এবং 'আল-হাল' শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়।এবং 'আত-তারীক' পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়এবং 'আস-সা' পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়এবং 'আস-সিলাহ' পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়এবং 'আস-সালীফ' অর্থ ঘাড়ের পার্শ্বদেশ, যা পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়এবং 'আস-সিক্কীন' পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়এবং 'আস-সুক' পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়রূপেই ব্যবহৃত হয়অনুরূপভাবে জাতিবাচক বিশেষ্যসমূহের এমন প্রতিটি নাম, যার একবচন ও বহুবচনের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য একবচনের শেষে 'তা' যুক্ত হয়, যেমন: খেজুর গাছ, খেজুর, গাছ, ফল, গাভী, গম এবং যব; এগুলোর ক্ষেত্রেও পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় প্রকার লিঙ্গান্তর জায়েজ।এছাড়া স্ত্রীলিঙ্গের এমন কিছু বিশেষণও বর্ণিত হয়েছে যেগুলোতে স্ত্রীলিঙ্গবাচক কোনো চিহ্ন নেই, যেমন তাদের উক্তি: রূপবতী নারী, স্থূলকায়া, কর্মকুশলী, দ্রুতগামী উষ্ট্রী, সুগন্ধি ব্যবহারকারিণী নারী, অধিক পুত্রসন্তান প্রসবকারিণী, অধিক কন্যাসন্তান প্রসবকারিণী, চঞ্চলা, সুগন্ধি বিলাসিনী, ধৈর্যশীলা নারী, কৃতজ্ঞ নারী, নিহতা নারী এবং হাতের কবজি।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
خَضِيب، وعَيْنٌ كَحِيل، ولِحْيَة دَهِين وَامْرَأَة حائِض، وحامِل، وطالِق، وطامِث، ومُرْضِع، وقاعِد: اليائِسة من الوَلَد، فِي كَلِمَات كَثِيرَة، لِأَنَّهَا لم تَجْرِ على فِعْلِ. وَفِيه كَلَام لَا يَليقِ ذكره بِهَذَا الْمُخْتَصر.فَإِن صَغَّرْتَ شَيْئا من الْمُؤَنَّث، لم يَخْلُ إِمَّا أَن يكون فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث، أَو لَيْسَ فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث.فَإِن كَانَ فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث، وَجب إِلْحَاق الْعَلامَة فِي مُصَغَّرِه، سَوَاء كَانَ على ثَلَاثَة أحرف، أَو على أَكثر من ثَلَاثَة أحرف، نَحْو: شَجَرَةَ وشُجَيْرَة، وِشِرْذِمة وشُرَيْذِمة، وَفَرَزْدَقَة وفُرَيْزِقَة، وَمَا أشبه ذَلِك.وَإِن لم يكن فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث، لم يَخْلُ إِمَّا أَن يكون على ثَلَاثَة أحرف، أَو على أَكثر من ثَلَاثَة أحرف.فَإِن كَانَ على ثَلَاثَة أحرف، وَجب إِلْحَاق تَاء التَّأْنِيث فِي مُصَغَّرِه، ليدل على أَنَّهَا الأصلُ فِي مُكَبَّرِه، مثل: دَار ودُويْرة، ونار ونُوَيْرَة، وقِدْر وقُدَيْرَة إِلَّا فِي كَلِمَات يسيرَة جَاءَت على خلاف الْقيَاس، وَهِي نَحْو: قَوْس وقُوَيْس، وفَرَس وفُرَيْس، وعُرْس وعُرَيْس، وحَرْب وحرَيْب، ودِرْع الْحَدِيد ودُرَيْع، ونَاب من الإِبل ونُيَيب.وَإِنَّمَا جَازَ تصغيرها بِغَيْر هَاء، لِأَنَّهَا أُجْرِيت مُجْرَى الْمُذكر فِي الْمَعْنى، لِأَن " القَوْس " فِي معنى العُود، و " الفَرَس " ينْطَلق على المذكَّر والمؤنث، والمذكَّر هُوَ الأَصْل، فَتُرِك لفظ التصغير على الأَصْل، و " العُرْس " فِي معنى التَّعْرِيس و " الحَرْب " فِي الأَصْل مصدر، وَهُوَ مُذَكّر، و " دِرْع " الْحَدِيد فِي
রঞ্জিত (চুল বা দাড়ি), কাজলমাখা চোখ, তৈলাক্ত দাড়ি এবং ঋতুবতী নারী, গর্ভবতী, তালাকপ্রাপ্তা, ঋতুস্রাব হওয়া নারী, স্তন্যদানকারিণী ও সন্তান জন্মদানে অক্ষম বৃদ্ধা: এ জাতীয় অনেক শব্দ রয়েছে যেখানে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন ব্যবহৃত হয় না, কারণ এগুলো কোনো ক্রিয়ার (ফেল) অনুগামী হয়ে গঠিত হয়নি। আর এ বিষয়ে এমন কিছু আলোচনা রয়েছে যা এই সংক্ষিপ্তসারে উল্লেখ করা সমীচীন নয়।যদি আপনি কোনো স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ গঠন করেন, তবে সেটি হয় স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্নযুক্ত হবে, নতুবা চিহ্নহীন হবে।যদি তাতে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন বিদ্যমান থাকে, তবে তার ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপেও সেই চিহ্নটি বহাল রাখা আবশ্যক; শব্দটি তিন বর্ণবিশিষ্ট হোক কিংবা তিনের অধিক বর্ণবিশিষ্ট হোক। যেমন: শাজারাহ ও শুজাইরাহ, শিরজিমাহ ও শুরাইজিমাহ, ফারাযদাক্বাহ ও ফুরাইযিক্বাহ এবং এই জাতীয় শব্দসমূহ।আর যদি তাতে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন না থাকে, তবে সেটি হয় তিন বর্ণবিশিষ্ট হবে, নতুবা তিনের অধিক বর্ণবিশিষ্ট হবে।যদি শব্দটি তিন বর্ণবিশিষ্ট হয়, তবে তার ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপে স্ত্রীলিঙ্গবোধক ‘তা’ যুক্ত করা ওয়াজিব, যাতে এটি নির্দেশ করে যে তার মূল শব্দটি মূলত স্ত্রীলিঙ্গ। যেমন: দার ও দুওয়াইরাহ, নার ও নুয়াইরাহ, কিদর ও কুদাইরাহ; তবে অল্প কিছু শব্দ এর ব্যতিক্রম যা নিয়মের বাইরে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন: ক্বাউস ও ক্বুওয়াইস, ফারাস ও ফুরাইস, উরস ও উরাইস, হারব ও হুরাইব, লোহার বর্ম অর্থে দির ও দুরাই এবং উটের ক্ষেত্রে নাব ও নুয়াইব।এই শব্দগুলোর ক্ষেত্রে ‘হা’ (তা মারবুতাহ) ব্যতীত ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ গঠন করা এ কারণে বৈধ হয়েছে যে, এগুলো অর্থের বিচারে পুংলিঙ্গ হিসেবে গণ্য হয়েছে। কারণ ‘ক্বাউস’ শব্দটি ‘উদ’ (কাঠ) এর অর্থে ব্যবহৃত হয়; ‘ফারাস’ শব্দটি পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয় এবং পুংলিঙ্গই এর মূল, তাই ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপটিকে মূলের ওপর ভিত্তি করেই রাখা হয়েছে। ‘উরস’ শব্দটি ‘তারীস’ এর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং ‘হারব’ শব্দটি মূলত একটি মাসদার (ক্রিয়ামূল), যা পুংলিঙ্গ। আর লোহার বর্ম অর্থে ‘দির’ শব্দটি...
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
معنى الدِّرْع الَّذِي هُوَ الْقَمِيص، و " النَّاب " من الإِبل رُوعِىَ فِيهَا معنى النَّاب، الَّذِي هُوَ السِّن، وَهُوَ مذكِّر.وَإِن كَانَ على أَكثر من ثَلَاثَة أحرف، فَإنَّك إِذا صغرته، لم تُلْحِق فِيهِ عَلامَة التَّأْنِيث، لِأَن الْحَرْف الرَّابِع بِمَنْزِلَة تَاء التَّأْنِيث، فعاقَبَتْهَا، نَحْو: عَنَاق وعُنَيِّق، وعُقاب وعُقَيِّب، وعَقْرَب وعُقَيْرِب، إِلَّا فِي كَلِمَات مَعْدُودَة، وَهِي: وَرَاء ووُرَيِّئَة، وأمام وأمَيِّمَة، وقَُّدام وقُدَيْدِيَمِة، كَقَوْلِه:(قُديْدِيمة التَّجْريب والحِلْم إنَّنِي … أَرَى غَفَلاتِ العَيْشِ قَبْلَ التَّجَارِبِ) وَإِنَّمَا صُغِّرت هَذِه الْكَلِمَات بِالتَّاءِ، تَنْبِيها على أَن الأَصْل فِي تَصْغِير الْمُؤَنَّث أَن يكون بِالتَّاءِ: كَمَا صُحَّحَت الْوَاو فِي " القَوْد " بِالسُّكُونِ وَالْحَرَكَة، تَنْبِيها على أَن الأَصْل فِي: " بَاب " و " دَار " الْحَرَكَة.وَقيل: إِنَّمَا صُغِّرَت بِالتَّاءِ، لِأَن الْأَغْلَب على الظروف أَن تكون مذكَّرة، فَلَو لم يلْحقهَا تَاء التَّأْنِيث فِي التصغير، لَا لتبست بالمذكَّر من الظروف، فَلذَلِك ألحقت تَاء التَّأْنِيث. وَقد ذكرنَا ذَلِك مُسْتَوفى فِي كتَابنَا الموسوم " بأسرار الْعَرَبيَّة " وَالله أعلم
'দির' (বর্ম) যার অর্থ হলো কামিস (জামা), এবং উটের ক্ষেত্রে 'নাব' (বৃদ্ধ উষ্ট্রী) শব্দটিতে দাঁতের অর্থটিই বিবেচনা করা হয়েছে যা হলো 'নাব' (কষদাঁত), আর এটি পুংলিঙ্গ।আর যদি শব্দটি তিন অক্ষরের অধিক হয়, তবে আপনি যখন সেটির ক্ষুদ্রতাজ্ঞাপক রূপ প্রদান করবেন, তখন তাতে স্ত্রীলিঙ্গত্বের কোনো চিহ্ন যুক্ত করবেন না। কারণ চতুর্থ অক্ষরটি স্ত্রীলিঙ্গের 'তা'-এর স্থলাভিষিক্ত হয়, ফলে এটি তার বিকল্প হিসেবে গণ্য হয়; যেমন: আনাক্ব থেকে উনাইক্ব, উক্বাব থেকে উক্বাইয়িব এবং আক্বরাব থেকে উক্বাইরিব। তবে হাতেগোনা কয়েকটি শব্দ এর ব্যতিক্রম, সেগুলো হলো: ওয়ারা-উ থেকে উরাইয়িআহ, আমামা থেকে উমাইমিমাহ এবং ক্বুদদামা থেকে ক্বুদাইদিমাহ; যেমনটি কবির উক্তিতে রয়েছে:(অভিজ্ঞতা ও সহনশীলতার প্রারম্ভে আমি … অভিজ্ঞতার পূর্বেই জীবনের অসাবধানতাগুলো দেখতে পাই) এই শব্দগুলোকে 'তা' যোগে ক্ষুদ্রতাজ্ঞাপক করা হয়েছে মূলত এটি নির্দেশ করার জন্য যে, স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের ক্ষুদ্রতাজ্ঞাপক রূপান্তরের মূল ভিত্তি হলো 'তা' যুক্ত হওয়া। যেমনটি 'আল-ক্বাওদ' শব্দে সুকুন ও হারাকাত উভয় অবস্থায় 'ওয়াও' বর্ণটিকে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এটি বুঝানোর জন্য যে, 'বাব' ও 'দার' এর মূলে হারাকাত বিদ্যমান ছিল।বলা হয়েছে: এগুলো 'তা' যোগে ক্ষুদ্রতাজ্ঞাপক করা হয়েছে কারণ অধিকাংশ যরফ (স্থানকালবাচক শব্দ) পুংলিঙ্গ হয়ে থাকে। সুতরাং ক্ষুদ্রতাজ্ঞাপক করার সময় যদি এতে স্ত্রীলিঙ্গের 'তা' যুক্ত না হতো, তবে তা পুংলিঙ্গ যরফের সাথে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। একারণেই স্ত্রীলিঙ্গের 'তা' যুক্ত করা হয়েছে। আমরা আমাদের "আসরারুল আরাবিয়্যাহ" নামক গ্রন্থে এ বিষয়ে সবিস্তারে আলোচনা করেছি। আর আল্লাহই সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।
(খণ্ড: ১)
আল-বুলগাতু ফিল ফারকি বাইনাল মুযাক্কার ওয়াল মুআন্নাস
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
تمّ الْكتاب بِحَمْد الله وعونهوَصلى الله على سيدنَا مُحَمَّد وَآله
আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর সহায়তায় গ্রন্থটি সমাপ্ত হলো।এবং আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।