(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: -)
الانتخاب لكشف الأبيات المشكلة الإعراب (علي بن عدلان)
القسم: النحو والصرف
الكتاب: الانتخاب لكشف الأبيات المشكلة الإعراب
المؤلف: علي بن عَدْلان بن حماد بن علي الربعي الموصلي (ت 666 هـ)
المحقق: د حاتم صالح الضامن [ت 1434 هـ]
الناشر: مؤسسة الرسالة - بيروت
الطبعة: الثانية، 1405 هـ 1985 م
عدد الصفحات: 79
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ইনতিখাব লি কাশফিল আবইয়াতিল মুশকিলাতিল ই'রাব (আলী বিন আদলান)
বিভাগ: নাহু (ব্যাকরণ) ও সরফ (রূপতত্ত্ব)
বই: আল-ইনতিখাব লি কাশফিল আবইয়াতিল মুশকিলাতিল ই'রাব
লেখক: আলী বিন আদলান বিন হাম্মাদ বিন আলী আল-রিবয়ি আল-মাওসিলি (মৃত ৬৬৬ হিজরি)
সম্পাদক: ড. হাতেম সালেহ আদ-দামেন [মৃত ১৪৩৪ হিজরি]
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ - বৈরুত
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪০৫ হিজরি ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির সাথে সংগতিপূর্ণ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১)
الانتخاب لكشف الأبيات المشكلة الإعراب
ব্যাকরণগত বিশ্লেষণের (إعراب) ক্ষেত্রে জটিল (مشكلة) কাব্যপঙক্তিগুলো উন্মোচনের জন্য নির্বাচিত সংকলন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৫)
بسم الله الرحمن الرحيمرب يسّر يا كريمقال الشيخ الإمام العالم الأوحد، تاج الأدب وحجّة العرب، فريد دهره ونسيج وحده، عفيف الدين أبو الحسن عليٌّ بن عدلان بن حماد بن عليّ الموصليّ أمتع الله بحياته:الله أحمد على أن كرّمنا كما خيّرنا وفضّلنا بالألسنة الناطقة حين صوّرنا بمبعث محمدٍ، صلوات الله عليه وسلامه، إلى الحمراء والسوداء، ومفضله على ساكني الغبراء والخضراء، ومهلك كلّ جانحٍ عن سنن شريعته الزاهرة، ومبيد المنحرف عن لألاء براهينه القاهرة، ومشرّفه بالكتاب العربيّ الذي أعجز الفصحاء حسن نظامه، وأفحم البلغاء بديع إحكامه، وموكلّ فهم أسراره المصونة إلى الأدباء المتفحصين عن دقائق كلام العرب ومعانيه، والباحثين عن حقائق غوامضه، ومبانيه، فحين علموا شرف اللغة العربية آثروا صونها عن التخليط والتحريف، وفرقوا بين تعذير المترص منها بالضعيف، فوضعوا كتب اللغة المنقولة عن أبيات العرب مانعةً من اضطراب المسميّات في إطلاق المطلقين، وألفوا كتب النحو على اختلاف حلى كلمها الفارقة بين المعاني المتعلجة في صدور المتكلمين، وصنّفوا كتب التحريف حافظةً لمباني تلك الكلم المترددة بين المتحاورين.كلّ ذلك اهتماماً بحفظ محاسن اللغة المشّرف مقدارها، المرفوع منارها، ففضلها بارز لا يدفع وخصلها الشافي لا يبرقع، فما ندبت أن نصب الزمان منابه … . إذ أودى بها وحرّفها، وما فتئ الدهر حتى أناخ كلكله على جلابيب وجهها فخّرقها، وهي مع ذلك موادّ العلوم ومدارها لانحصار تحصيل المعاني في الخطاب اللساني والنطق البياني، فكم من غاضٍّ لها وغاضٍّ عليها، وماصعٍ لأديمها وماصعٍ لقويمها، وافتقاره إليها افتقار المحرص إلى زوال حرصه، فهي كالمثل السائر: (الشّعير يؤكل ويذم) .
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।হে রব! সহজ করে দিন, হে মহানুভব।একক জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী শাইখ, ইমাম, সাহিত্যের মুকুট ও আরবদের প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব (حجة), নিজ যুগের অদ্বিতীয় ও অনন্যসাধারণ সত্তা, আফীফ উদ্দীন আবুল হাসান আলী ইবনে আদলান ইবনে হাম্মাদ ইবনে আলী আল-মাওসিলী—আল্লাহ তাঁর হায়াতকে কল্যাণময় করুন—তিনি বলেছেন:আমি আল্লাহর প্রশংসা করছি যিনি আমাদের সম্মানিত করেছেন এবং আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং আমাদের অবয়ব দানের সময় বাগ্মী জিহ্বা দ্বারা অলঙ্কৃত করেছেন মুহাম্মদ (তাঁর ওপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর প্রেরণের মাধ্যমে, যাঁকে শ্বেত ও কৃষ্ণ (সকল বর্ণের মানুষের) নিকট পাঠানো হয়েছে। আল্লাহ তাঁকে ধরণী ও আকাশের অধিবাসীদের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং তাঁর উজ্জ্বল শরীয়তের সুন্নাহ থেকে বিচ্যুত প্রত্যেকের বিনাশকারী এবং তাঁর অকাট্য প্রমাণের দীপ্তি থেকে বিমুখ ব্যক্তিদের ধ্বংসকারী। আল্লাহ তাঁকে আরবি কিতাব দ্বারা সম্মানিত করেছেন, যার সুসংবদ্ধ বিন্যাস বাগ্মীদের অক্ষম করে দিয়েছে এবং যার চমৎকার বিধানসমূহ অলঙ্কারশাস্ত্রবিদদের নিরুত্তর করে দিয়েছে। তিনি এর সংরক্ষিত রহস্যসমূহ অনুধাবনের ভার অর্পণ করেছেন ঐসব সূক্ষ্মদর্শী সাহিত্যিকদের ওপর যারা আরবি ভাষার সূক্ষ্মতা ও অর্থসমূহ নিয়ে গবেষণা করেন এবং এর নিগূঢ় সত্য ও বুনিয়াদ সম্পর্কে অনুসন্ধান করেন। যখন তাঁরা আরবি ভাষার মাহাত্ম্য উপলব্ধি করলেন, তখন তাঁরা একে সংমিশ্রণ ও বিকৃতি থেকে রক্ষা করাকে অগ্রাধিকার দিলেন এবং এর সুদৃঢ় অংশকে দুর্বল (ضعيف) অংশ থেকে পৃথক করলেন। ফলে তাঁরা আরবদের কাব্য থেকে প্রাপ্ত সংগৃহীত ভাষার অভিধানসমূহ সংকলন করলেন, যা যথেচ্ছ ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে নামতত্ত্বের বিশৃঙ্খলা রোধ করে। তাঁরা ব্যাকরণের কিতাবসমূহ রচনা করলেন যার শব্দের বিভিন্ন রূপান্তর বক্তাদের হৃদয়ে উদিত অর্থসমূহের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করে। আর তাঁরা শব্দতত্ত্বের কিতাবসমূহ সংকলন করলেন যা আলাপ-আলোচনাকারীদের মুখে উচ্চারিত শব্দাবলির গঠনকে সুরক্ষিত রাখে।এসবই করা হয়েছে সুউচ্চ মর্যাদা ও সুখ্যাতিসম্পন্ন ভাষার সৌন্দর্য রক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে। এর শ্রেষ্ঠত্ব সুস্পষ্ট যা অগ্রাহ্য করার উপায় নেই এবং এর আরোগ্যদানকারী গুণাবলি অনাবৃত। আমি এই জন্য বিলাপ করছি না যে কালচক্র এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে … যখন এটি ভাষাকে ধ্বংস ও বিকৃত করেছে। মহাকাল ততক্ষণ ক্ষান্ত হয়নি যতক্ষণ না সে তার সমস্ত ভার ভাষার সৌন্দর্যের ওপর চাপিয়ে একে ছিন্নভিন্ন করেছে। তা সত্ত্বেও এটিই সমস্ত জ্ঞানের মূল উপাদান ও কেন্দ্রবিন্দু, কারণ ভাষিক সম্বোধন ও প্রাঞ্জল বাচনিক প্রকাশের মধ্যেই অর্থের আহরণ সীমাবদ্ধ। কতজনই না এর প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেছে আবার কতজন এর বিরুদ্ধাচরণ করেছে, কতজন এর বাহ্যিক রূপকে আঘাত করেছে আবার কতজন এর সঠিক রূপকে কলুষিত করতে চেয়েছে। অথচ এর প্রতি তাদের মুখাপেক্ষিতা ঠিক তেমনি যেমন একজন অভাবগ্রস্তের তার অভাব দূর করার প্রয়োজনীয়তা। এটি সেই প্রচলিত প্রবাদের মতো: "যব খাওয়া হয়, আবার তার নিন্দাও করা হয়"।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ولعلمي برغبة المولى الأجلّ، السّيد الكبير العالم، عز الدين، شرف الإسلام، عمدة الملوك والسلاطين، مجد الحضرتين، فريد دهره أبي الحسن علي بن مبادر، وإلى الله عليه نعمه وأجزل لديه منها قسمة في العلوم على اختلاف أنواعها وتباين أوضاعها، وشدة اهتمامه بكشف حجاب الغفلة عن شريف علم العربية خاصًّا لغوصه في عباب بحره واستخلاصه فائق درّه.وسمت كتابي هذا بخدمة خزانته العالية رجاء أن يقع عليه نظره الشريف ولمحه اللطيف فيحلى بعينه وقلبه وتفضله على جل لجل كتبه، لأقضي حقوقه السالفة والآنفة، وأشكر نعمه التالدة والطارفة … الله … بعونه لشكر أياديه.وخصصت هذا الكتاب بالأبيات المشكلة الإعراب، ورتبته على حروف العجم، فذكرت من كلّ حرفٍ أبياتاً إلى آخر الحروف، ولم أطل الكلام بالشواهد والمسائل حذاراً أن لا يقع منه، أعلاه الله، موقع ما رجوت.وأنا أبدأ بحرف الألف (3 ب) ثمّ أتبعه الباء، ومن الله استمد المزيد، بمنّه وكرمه. (حرف الألف)قال بعض الملغزين من المحدثين:1 - (إنّ هند الجميلة الحسناء … وأي من أتبعت بوعدٍ وفاء)(إنّ) فعل أمر للمؤنث مؤكد بالنون الثقيلة، من وأي يئي، بمعنى وعد.وأصل هذا الأمر: تئين مثل تفين، فحذف التاء للمواجهة، والنون للياء المضاهي لجزم المضارع، والياء الضمير لئلا يلتقي ساكنان، الياء والنون المدغمة، وكسرة الهمزة دالّة على صفة حذف الياء.و (هند) منادى مبني على الضم محذوف حرف النداء كقوله: {يوسف أعرض} .و (الجميلة) وصف له على الموضع.و (الحسناء) صفة لمفعول محذوف تقديره: المرأة
মহিমান্বিত অভিভাবক, মহান সায়্যিদ, প্রাজ্ঞ আলিম, ইজ্জুদ্দীন, শরফুল ইসলাম, রাজন্যবর্গের প্রধান অবলম্বন, উভয় দরবারের গৌরব, নিজ যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব আবু হাসান আলী বিন মুবাদির—আল্লাহ তাঁর প্রতি স্বীয় নেয়ামতসমূহ অবিরাম রাখুন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিচিত্র শাখা ও পদ্ধতিতে তাঁর প্রজ্ঞার অংশকে সমৃদ্ধ করুন—আরবি ভাষার সুক্ষ্ম বিষয়াবলির পর্দা উন্মোচনের প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহের কথা জেনে, বিশেষ করে এর গভীর সমুদ্রে তাঁর অবগাহন এবং এর উৎকৃষ্ট মুক্তাসমূহ আহরণে তাঁর পারদর্শিতার কারণে...আমি আমার এই গ্রন্থটিকে তাঁর উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন কুতুবখানার সেবায় উৎসর্গ করলাম, এই প্রত্যাশায় যে তাঁর মহান দৃষ্টি ও সুক্ষ্ম নজর এর ওপর পড়বে, ফলে এটি তাঁর চোখে ও অন্তরে সমাদৃত হবে এবং তিনি তাঁর অসংখ্য কিতাবের মাঝে একে অগ্রাধিকার দেবেন; যেন আমি তাঁর পূর্বের ও বর্তমানের ঋণসমূহ শোধ করতে পারি এবং তাঁর পুরাতন ও নতুন নেয়ামতসমূহের কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পারি … আল্লাহ … তাঁর সাহায্যে তাঁর অনুগ্রহসমূহের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য।আমি এই কিতাবটিকে ব্যাকরণগতভাবে জটিল কাব্য পংক্তিগুলোর বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট করেছি এবং একে বর্ণানুক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছি। প্রতিটি বর্ণ থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু পংক্তি উল্লেখ করেছি। উদাহরণের বাহুল্য বা মাসআলার আলোচনা দীর্ঘ করিনি এই ভয়ে যে, পাছে তা তাঁর (আল্লাহ তাঁর মর্যাদা সমুন্নত রাখুন) নিকট আমার প্রত্যাশা অনুযায়ী সমাদৃত না হয়।আমি আলিফ বর্ণ (৩ খ) দিয়ে শুরু করছি এবং এরপর 'বা' বর্ণ আনব। আমি আল্লাহর নিকট তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় প্রাচুর্য কামনা করছি। (আলিফ বর্ণ)হাদিস বিশারদগণের (المحدثين) মধ্য থেকে ধাঁধা উপস্থাপনকারী কেউ কেউ বলেছেন:১ - (হে সুন্দরী রূপসী হিন্দ, তুমি প্রতিশ্রুতি দাও ... আর যে প্রতিশ্রুতির পর তা পূর্ণ করে সে কতই না উত্তম)(ইন্না) হলো স্ত্রীলিঙ্গের জন্য ব্যবহৃত একটি আদেশসূচক ক্রিয়া যা নুন-ই-সাকিলা দ্বারা তাকিদযুক্ত হয়েছে। এটি 'ওয়া-আ' 'ইয়া-ঈ' ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি দেওয়া।এই আদেশসূচক ক্রিয়াটির মূল রূপ ছিল 'তা-ঈনা' যেমন 'তা-ফীনা'। এখানে সরাসরি সম্বোধনের কারণে শুরুতে 'তা' বিলুপ্ত হয়েছে এবং মুজারে-র জজমের অবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার কারণে শেষে 'নুন' বিলুপ্ত হয়েছে। এরপর দুটি সাকিন বর্ণ (ইয়া এবং ইদগামকৃত নুন) একত্রে আসায় 'ইয়া' সর্বনামটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। আর হামজার নিচের কাসরা মূলত ইয়া বিলুপ্ত হওয়ার আলামত হিসেবে রয়ে গেছে।এবং (হিন্দ) হলো সম্বোধনপদ যা দম্মাহর ওপর ভিত্তি করে গঠিত এবং এখানে সম্বোধনসূচক অব্যয়টি উহ্য রয়েছে; যেমন আল্লাহর বাণী: {ইউসুফ, তুমি এ থেকে বিমুখ হও}।এবং (আল-জামিলা) শব্দটি ব্যাকরণিক অবস্থানের বিবেচনায় এর বিশেষণ।এবং (আল-হাসনা) শব্দটি একটি উহ্য কর্মপদের বিশেষণ, যার অনুমিত রূপ হলো: নারী।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
الحسناء.و (أي) منصوبٌ مصدرٌ ل (إنّ) ، كما تقول: عدنّ يا هند المرأة وعد من يفي.وقال حسان بن ثابتٍ الأنصاريّ:2 - (كأنّ سلافةً من بيت رأس … يكون مزاجها عسل وماء)يروى برفع (مزاجها) ورفع عسل، ويحتمل ثلاثة أوجه: أن يضمر في يكون الشأن والقصة والسلافة، وتجعل كان زائدة.ويروى بنصب (مزاجها) ورفع عسل، على جعل اسم كان نكرةً وخبرها معرفةً، في الشعر ضرورة.ويروى بنصب عسل ورفع المزاج، وهي رواية أبي عثمان المازني، على جعل اسمها معرفةً وخبرها نكرةً، على القاعدة المستقرة، و (ماء) مرفوع بفعل دلّ عليه الكلام تقديره: وخالطها ماء أو وفيه ماء.وقال آخر محدث: (4 أ)3 - (بكى ويحق للدّنف البكاء … إذا ما سار من يهوى عشاء)في نصب البكاء وجهان: أحدهما مصدر لبكى تقديره: بكى البكاء.والثاني هو مفعول به معدّى ب (على) تقديره: بكى على البكاء، لفقده إياه وعدمه.وقال آخر، محدث أيضاً:4 - (ويح من لام عاشقاً في هواه … إنّ لوم المحبّ كالإغراء)رفع (الإغراء) لأنّه خبر إنّ، والكاف ضمير المخاطب، وينبغي أن تتصل بالمحب في
সুহাসিনী।এবং (অর্থাৎ) এটি ‘ইন্না’-এর মাসদার হিসেবে নসবপ্রাপ্ত হয়েছে; যেমন আপনি বলেন: হে হিন্দ, তুমি নারীদের সাথে সেই ব্যক্তির মতো ওয়াদা করো যে ওয়াদা পূরণ করে।এবং হাসান ইবনে সাবিত আল-আনসারি বলেছেন:2 - (যেন বায়ত রাস হতে আনীত সুরা … যার মিশ্রণ মধু ও পানি)এটি ‘মিজাজুহা’ এবং ‘আসাল’ উভয় শব্দের রফ সহকারে বর্ণিত (يروى) হয়েছে। এর তিনটি দিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে: ‘ইয়াকুনু’-এর মধ্যে বিষয় ও ঘটনা এবং সুরা উহ্য থাকা, এবং ‘কানা’-কে অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য করা।আবার এটি ‘মিজাজাহা’-এর নসব এবং ‘আসাল’-এর রফ সহকারেও বর্ণিত (يروى) হয়েছে; যা কাব্যের প্রয়োজনে ‘কানা’-এর ইসমকে অনির্দিষ্ট এবং খবরকে নির্দিষ্ট করার ভিত্তিতে।এবং এটি ‘আসাল’-এর নসব এবং ‘মিজাজ’-এর রফ সহকারেও বর্ণিত (يروى) হয়েছে, যা আবু উসমান আল-মাজিনির বর্ণনা (رواية)। এটি প্রতিষ্ঠিত নিয়ম অনুযায়ী এর ইসমকে নির্দিষ্ট এবং খবরকে অনির্দিষ্ট করার ভিত্তিতে। আর ‘মাউন’ শব্দটি এমন একটি ক্রিয়া দ্বারা রফ প্রাপ্ত হয়েছে যা কালাম দ্বারা নির্দেশিত, যার সম্ভাব্য রূপ: ‘এবং তার সাথে পানি মিশ্রিত হয়েছে’ অথবা ‘এবং তাতে পানি রয়েছে’।এবং অন্য একজন পরবর্তী যুগের (محدث) কবি বলেছেন: (4 ক)3 - (সে কেঁদেছে, আর বিরহকাতর ব্যক্তির জন্য ক্রন্দনই শোভা পায় … যখন তার প্রিয়তমা সন্ধ্যার সময় চলে গেল)‘আল-বুকা’ শব্দটিতে নসব হওয়ার দুটি দিক রয়েছে: একটি হলো এটি ‘বাকা’-এর মাসদার, যার সম্ভাব্য রূপ: ‘সে ক্রন্দন করার মতো কেঁদেছে’।দ্বিতীয়টি হলো এটি ‘আলা’ অব্যয় দ্বারা সকর্মক হওয়া মাফউল বিহি, যার সম্ভাব্য রূপ: ‘সে ক্রন্দনের জন্য কেঁদেছে’, কারণ সে তা হারিয়েছে বা তা অনুপস্থিত।এবং অন্য একজন পরবর্তী যুগের (محدث) কবিও বলেছেন:4 - (আফসোস সেই ব্যক্তির জন্য যে কোনো প্রেমিককে তার ভালোবাসার কারণে তিরস্কার করে … নিশ্চয়ই প্রেমিকের তিরস্কার প্ররোচনার মতো)‘আল-ইগরা’ শব্দটি রফ হয়েছে কারণ এটি ‘ইন্না’-এর খবর, আর ‘কাফ’ হলো সম্বোধনের সর্বনাম, যা প্রেমিকের সাথে যুক্ত হওয়া উচিত ছিল...
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الخطّ، غير أنه فصل لموضع النكتة، وهو اللغز.وكلّ موضعٍ رأيته في دوارج الكتاب مكتوباً على هذا المنهاج فاحمله على ما ذكرناه هنا.واللام في المحب بمعنى الذي تقديره: إنّ لوم الذي يحبك الإغراء.وقال محدث آخر:5 - (صل حبالي فقد سئمت الجفاء … يا قتولي واحفظ عليّ الإخاء)رفع (الجفاء) بالابتداء، وخبره (قتولي) ، و (يا) حرف تنبيهٍ لا منادى له، أو قد حذف مناداه، كقوله: يا لعنة الله، أي: يا قوم.وفصل بين المبتدأ والخبر بالنداء، وهو جائز، لقولك: زيد يا عمرو كريم.و (سئمت) لا تعلق له بما بعده لأنّ مفعوله محذوفٌ، وكذلك مفعول (احفظ) .و (الإخاء) مبتدأ، و (عليّ) الخبر، تقديره: صل حبالي فقد سئمت الصدّ، الجفاء يا قوم قتولي، واحفظ الودّ عليّ الإخاء.وقال الفرزدق:6 - (هيهات قد سفهت أمية رأيها … واستجهلت سفاؤها حلملؤها)(حربٌ تردّد بينهم بتشاجرٍ … قد كفّرت آباؤها أبناؤها)هذا نظير قوله تعالى: {إلاّ من سفه نفسه} و {بطرت معيشتها} .وقد اختلف علماء العربية (4 ب) في وجهة نصب ذلك، فقال يونس بن حبيب وأبو الحسن الأخفش: سفه يعني سفّه.
লিপি, তবে তিনি একটি সূক্ষ্ম প্রসঙ্গের কারণে এটি পৃথক করেছেন, আর তা হলো ধাঁধা।এবং এই গ্রন্থের যে কোনো প্রচলিত স্থানে যদি আপনি এই পদ্ধতিতে লিখিত কোনো কিছু দেখতে পান, তবে সেটিকে আমরা এখানে যা উল্লেখ করেছি তার ওপর ভিত্তি করেই গ্রহণ করবেন।এবং ‘আল-মুহিব্ব’ শব্দে ‘লাম’ অক্ষরটি ‘আল্লাজি’ (যে) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার মূল ব্যাখ্যা হলো: নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি আপনাকে ভালোবাসে তার ভর্ৎসনাই হলো প্ররোচনা।এবং অপর একজন হাদিস বিশারদ (محدث) বলেছেন:5 - (আমার বন্ধনগুলো জুড়ে দাও, কারণ আমি বিচ্ছেদ সহ্য করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি... হে আমার হত্যাকারী, আমার প্রতি ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখো)এখানে ‘আল-জাফা’ শব্দটিকে মুবতাদা হিসেবে রাফ করা হয়েছে এবং ‘কাতুলি’ হলো এর খবর। আর ‘ইয়া’ হলো সতর্ককারী অব্যয় যার কোনো মুনাদা নেই, অথবা এর মুনাদা উহ্য রয়েছে; যেমন কারো উক্তি: ‘হে আল্লাহর লানত’, অর্থাৎ: ‘হে কওম’।এখানে মুবতাদা ও খবরের মাঝে নিদা (আহ্বান) দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটানো হয়েছে, যা বৈধ (جائز); যেমন আপনার উক্তি: ‘যায়েদ—হে আমর—একজন সম্মানিত ব্যক্তি’।আর ‘সয়িমতু’ শব্দটির পরবর্তী অংশের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, কারণ এর কর্ম বা মাফউল উহ্য রয়েছে; তদ্রূপ ‘ইহফাজ’ শব্দের কর্মটিও উহ্য।এবং ‘আল-ইখা’ হলো মুবতাদা, আর ‘আলাইয়্যা’ হলো খবর; এর মূল ব্যাখ্যা হলো: আমার বন্ধনগুলো জুড়ে দাও, কারণ আমি বিমুখতা সহ্য করতে ক্লান্ত হয়েছি; হে সম্প্রদায়, বিচ্ছেদই আমাকে হত্যাকারী; আর আমার প্রতি মমতা ও ভ্রাতৃত্ব রক্ষা করো।ফারাজদাক বলেছেন:6 - (হায় আফসোস! উমাইয়ারা তাদের সিদ্ধান্তকে নির্বুদ্ধিতায় আচ্ছন্ন করেছে... এবং তাদের নির্বোধরা তাদের ধৈর্যশীলদের অজ্ঞ সাব্যস্ত করেছে)(তাদের মাঝে বিবাদের মাধ্যমে যুদ্ধ বারবার ফিরে আসে... যার ফলে পিতারা তাদের সন্তানদের অস্বীকার করেছে।)এটি মহান আল্লাহর এই বাণীর সদৃশ: {সে ব্যক্তি ব্যতীত যে নিজেকে নির্বোধ বানিয়েছে} এবং {যারা তাদের জীবনযাত্রায় অহংকারী হয়েছিল}।আরবি ভাষাবিদগণ (৪ ব) এটি নসব হওয়ার কারণ সম্পর্কে মতভেদ করেছেন। ইউনুস ইবনে হাবিব এবং আবু হাসান আল-আখফাশ বলেছেন: ‘সাফিহা’ অর্থ হলো ‘সাফফাহা’ (কাউকে নির্বোধ প্রতিপন্ন করা)।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ১৯)
وقال أبو عبيدة: بمعنى أهلك.وقال الّزجّاج: جهل.وقال أبو سعيد السيرافي: المعنى: سفه في نفسه، فحذف حرف الجر وأوصل بفعل، كقول الشاعر:(يغالي اللحم للأضياف نيئاً … )أي: باللحم.وقيل: هو تمييزٌ.و (استجهلت) كلامٌ تامٌ، وفيه ضميرٌ عائدٌ إلى أميّة.و (سفاؤها) مبتدأ، و (حلملؤها) الخبر.و (قد كفرت) مثله، ومعناه: لبست السلاح فاستترت به.و (أبناؤها) الخبر.والضمير في (آباؤها) عائدٌ على أمية، وفي الخبر عائد على الحرب، تقديره: آباء أميّة أبناء الحرب.وقال ملغزٌ آخر:7 - (قال زيدٍ سمعت صاحب بكرٍ … قائلٌ قد وقعت في اللأواء)(قال) اسمٌ للقول، مضافٌ إلى زيد، منصوبٌ لسمعت.و (صاح) من صاحب، ترخيم صاحب، وهو من الشذوذ.و (ببكرٍ) جار ومجرور، وهو خبر مبتدأ، ومبتدؤه: (اللأواء) .و (قائلٌ) : خبر مبتدأ محذوف.و (فِه) أمٌر من: وفى يفي، والتقدير: سمعت قول زيدٍ يا صاح ببكرٍ اللأواء، أيّ الشدّة، فه لي.
আবু উবায়দাহ বলেন: এর অর্থ ধ্বংস হওয়া।আয-যাজ্জাজ বলেন: মূর্খতা।আবু সাঈদ আস-সিরাফী বলেন: এর অর্থ হলো—সে মনে মনে নির্বুদ্ধিতা করেছে; এখানে অব্যয় লোপ করা হয়েছে এবং ক্রিয়ার সাথে অন্বিত করা হয়েছে, যেমন কবির উক্তি:(তিনি মেহমানদের জন্য কাঁচা মাংসের উচ্চমূল্য দেন … )অর্থাৎ: মাংসের মাধ্যমে।এবং বলা হয়েছে: এটি একটি বর্ণনাপ্রদানকারী বিশেষ্য (তাময়িয)।এবং (ইস্তাজহালাত) একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য, এতে একটি সর্বনাম রয়েছে যা ‘উমাইয়া’-র দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।এবং (সাফাউহা) হলো উদ্দেশ্য, আর (হিলমালুহা) হলো বিধেয়।এবং (ক্বাদ কাফরাত) এর অবস্থাও তদ্রূপ, এর অর্থ হলো: সে যুদ্ধাস্ত্র পরিধান করেছে এবং তার মাধ্যমে নিজেকে আবৃত করেছে।এবং (আবনাউহা) হলো বিধেয়।আর (আবাউহা)-তে থাকা সর্বনামটি ‘উমাইয়া’-র দিকে প্রত্যাবর্তনকারী এবং বিধেয়-তে থাকা সর্বনামটি যুদ্ধের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী; এর বিশ্লেষণ হলো: উমাইয়ার পিতৃপুরুষগণ যুদ্ধের সন্তান।অন্য একজন ধাঁধা রচয়িতা বলেন:৭ - (যায়েদ বলল, আমি বকরের সঙ্গীকে বলতে শুনেছি … জনৈক বক্তা চরম বিপদে নিপতিত হয়েছে)(ক্বল) শব্দটি ‘কথা’ অর্থে বিশেষ্য, যা যায়েদের দিকে সম্বন্ধযুক্ত এবং ‘সামিআতু’ এর কর্ম হিসেবে নসব-প্রাপ্ত হয়েছে।আর (স্বহ) শব্দটি ‘সহিব’ থেকে আগত, এটি ‘সহিব’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ এবং এটি ব্যতিক্রমী (شذوذ) প্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত।আর (বি-বকরিন) হলো অব্যয় ও সম্বন্ধীয় পদ, যা একটি বিধেয় এবং এর উদ্দেশ্য হলো: (আল-লাওয়া)।আর (ক্বাইলুন) হলো উহ্য একটি উদ্দেশ্যের বিধেয়।আর (ফি) হলো ‘ওয়াফা-ইয়াফি’ থেকে আগত আদেশসূচক ক্রিয়া; এর সারমর্ম হলো: হে বন্ধু, আমি বকরের চরম বিপত্তির ব্যাপারে যায়েদের কথা শুনেছি, তুমি আমার প্রতি তা পূর্ণ করো।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২০)
وأنشد أبو علي في بعض تأليفه:(لما رأيت أبا يزيد مقاتلاً … أدع القتال وأترك الهيجاء)بنصب أدع وأترك. (حرف الباء)قال الفرزدق:8 - (وما مثله في الناس إلا ّمملكاً … أبو أمّه حيٌ أبوه يقاربه)الممدوح إبراهيم بن هشام بن المغيرة المخزوميٍ [خال هشام] بن عبد الملك.فتوجيه إعرابه: أن (ما) حرف (5 أ) نفي، و (مثله) ابتداء، والهاء فيه عائدة إلى الممدوح.و (في الناس) متعلق بمثل.و (حي) خبره، و (يقاربه) صفة لحي، والهاء فهي عائدة إلى الممدوح.[إلا مملكا] استثناء مقدم من (حي) .و (أبو أمه) مبتدأ، والهاء التي فيه عائدة إلى مملك، وهو الخليفة.وخبره (أبوه) ، والهاء التي فيه عائدة إلى الممدوح تقديره: وما مثل هذا الممدوح في الناس حي مقارب له إلا مملك، هو الخليفة، وأبو أم الخليفة أبو هذا الممدوح.وفي البيت ضرورتان:إحداهما: الفصل بين صفة (حي) وحي ب (أبوه) .والثانية: الفصل بين المبتدأ والذي هو أبو أمه وخبره بحي.وقال آخر، وهو من أبيات الكتاب، وأنشده الزمخشري:9 - (لن تراها ولو تأملت إلا … ولها في مفارق الرأس طيبا)
আবু আলী তাঁর কোনো এক সংকলনে আবৃত্তি করেছেন:(যখন আমি আবু ইয়াজিদকে যুদ্ধরত দেখলাম … আমি লড়াই ছেড়ে দেই এবং যুদ্ধবিগ্রহ পরিত্যাগ করি)‘আদউ’ এবং ‘আতুরুকু’ শব্দদুটিকে নসব প্রদানের মাধ্যমে পড়ার ক্ষেত্রে। (বা-বর্ণের পরিচ্ছেদ)ফারাযদাক বলেছেন:৮ - (মানুষের মাঝে তাঁর সমতুল্য কেউ নেই কেবল সেই রাজন্য ব্যক্তি ব্যতীত … যাঁর মাতামহ এমন এক জীবিত ব্যক্তি যাঁর পিতা তাঁর (প্রশংসিত ব্যক্তির) নিকটাত্মীয়)এখানে প্রশংসিত ব্যক্তি হলেন ইব্রাহিম ইবনে হিশাম ইবনে আল-মুগীরা আল-মাখযুমি [হিশামের মামা] ইবনে আব্দুল মালিক।এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের দিকটি হলো: ‘মা’ বর্ণটি (৫ ক) একটি না-বোধক অব্যয়, এবং ‘মিছলুহু’ হলো মুবতাদা বা প্রারম্ভিক শব্দ, আর এতে থাকা ‘হা’ সর্বনামটি প্রশংসিত ব্যক্তির দিকে ফিরছে।এবং ‘ফিন নাস’ অংশটি ‘মিছল’ শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট।এবং ‘হাইয়ুন’ হলো এর খবর বা বিধেয়, আর ‘ইউকারিবুহু’ হলো ‘হাইয়ুন’-এর সিফাত বা বিশেষণ, আর এতে থাকা ‘হা’ সর্বনামটি প্রশংসিত ব্যক্তির দিকে ফিরছে।[ইল্লা মুমাল্লাকান] হলো ‘হাইয়ুন’ থেকে একটি অগ্রবর্তী ইস্তিসনা বা ব্যতিক্রম।এবং ‘আবু উম্মিহি’ হলো মুবতাদা, আর এতে থাকা ‘হা’ সর্বনামটি ‘মুমাল্লাক’ (যাকে রাজত্ব দেওয়া হয়েছে) তথা খলিফার দিকে ফিরছে।আর তার খবর হলো ‘আবুহু’, এবং এতে থাকা ‘হা’ সর্বনামটি প্রশংসিত ব্যক্তির দিকে ফিরছে। এর মর্মার্থ হলো: মানুষের মাঝে এই প্রশংসিত ব্যক্তির মতো এমন কোনো জীবিত নিকটাত্মীয় নেই কেবল সেই রাজন্য ব্যক্তি ব্যতীত, যিনি খলিফা; আর খলিফার মায়ের পিতা হলেন এই প্রশংসিত ব্যক্তির পিতা।এই চরণে দুটি কাব্যিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে:প্রথমটি: ‘হাইয়ুন’ এবং তার সিফাত বা বিশেষণের মাঝে ‘আবুহু’ দ্বারা ব্যবধান সৃষ্টি করা।দ্বিতীয়টি: মুবতাদা (যা হলো ‘আবু উম্মিহি’) এবং তার খবরের মাঝে ‘হাইয়ুন’ দ্বারা ব্যবধান সৃষ্টি করা।অন্য একজন কবি বলেছেন—যা সিবওয়াইহ-র কিতাবের অন্তর্ভুক্ত একটি পঙক্তি এবং যামাখশারী তা উদ্ধৃত করেছেন:৯ - (তুমি তাকে দেখতে পাবে না—যদিও তুমি নিবিষ্টচিত্তে লক্ষ্য করো—তবে তার সিঁথিতে সুগন্ধি বিদ্যমান থাকা ব্যতীত)
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২১)
نصب (طيبا) حملا على المعنى ب (تراها) ، وفيه ضعف، لأنه محمول على: (رأيت زيدا له مال وحسبا) ، وهذا إنما يكون بعد تمام الكلام، وليس كذلك في البيت، لأن قوله: (لن تراها ولو تأملت) ليس بتام، لكنه نصبه لدخوله في الرؤية، لأنه قد علم أنه متى رآها فقد دخل طيبها في الرؤية، تقديره: إلا وترى لها في مفارق الرأس طيبا.وقال آخر، أنشده أبو الحسن:10 - (كساني أبي عثمان ثوبان للوغى … وهل ينفع الثوب الرقيق لذي الحرب)الكاف للتشبيه، و (ساني) فاعل من (سنايسنو) إذا استقى.و (ثوبان) اسم رجل، وهو مبتدأ، وخبره (كساني) .واللام في قوله (للوغى) متعلقة بما في الخبر من معنى الفعل (5 ب) تقديره: ثوبان كساني أبي عثمان للوغى في الضعف وقلة الغناء.والوغى: الصوت في الحرب، وسميت الحرب وغى لذلك استعارة.وقال آخر، أنشده أبو علي:11 - (هما حين يسعى المرء مسعاة أهله … أناخا فشدا كالعقال المؤرب)(هما) ضمير الجدين في بيت قبله، وهو:(غضبت علينا أن علاك ابن غالب … فهلا على جديك إذ ذاك تغضب)و (هما) مبتدأ، وخبره (الفعال المؤرب) .والمؤرب: المحكم الفتل والشد، من قولك: أربت العقدة: إذا أحكمت شدها.والمعنى: لومها ملازم لك كالعقال المشدود.والكاف ضمير المخاطب، وهي متصلة [في] التقدير بشدا، ووصلت في الخط بالعقال للمحاجاة.و (أناخا فشدا) محمول على التثنية على (هما) ، أو على (العقال) في المعنى، وأناخا مستأنف، أو خبر ثان.والعامل في (حين) أناخا.وقد فصل بين المبتدأ وخبره بهذا الكلام
(ত্বীবান) শব্দটিকে (তরাহা)-এর অর্থের ওপর ভিত্তি করে নসব প্রদান করা হয়েছে, তবে এতে দুর্বলতা (ضعف) রয়েছে; কারণ এটি ‘রআইতু জাইদান লাহূ মালুন ওয়া হাসাবান’-এর অনুরূপ গণ্য করা হয়েছে। আর এটি কেবল বাক্য পূর্ণ হওয়ার পরেই ঘটে থাকে, অথচ এই পংক্তিতে বিষয়টি তেমন নয়। কারণ তার বক্তব্য ‘লান তরাহা ওয়া লাও তআম্মালতা’ পূর্ণাঙ্গ নয়। তবে তিনি একে নসব প্রদান করেছেন দর্শনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে; কারণ এটি জানা কথা যে, যখনই সে তাকে দেখবে, তখনই তার সুগন্ধিও দর্শনের অন্তর্ভুক্ত হবে। এর প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: তবে তুমি তার মাথার সিঁথিতে সুগন্ধি দেখতে পাবে।অন্য একজন বলেছেন, যা আবুল হাসান পাঠ করেছেন:10 - (আবু উসমানের পিতা সাওবান আমাকে যুদ্ধের জন্য দু’টি পোশাক পরিয়েছেন... আর পাতলা পোশাক কি যুদ্ধরত ব্যক্তির কোনো উপকারে আসে?)‘কাফ’ বর্ণটি সাদৃশ্য বুঝানোর জন্য, আর (সানি) শব্দটি (সানা-ইয়াসনু) থেকে উৎপন্ন কর্তা (ফায়েল), যখন কেউ পানি পান করায়।আর (সাওবান) একজন ব্যক্তির নাম, এটি মুবতাদা (উদ্দেশ্য), এবং (কাসানি) তার খবর (বিধেয়)।আর (লিল-ওয়াগা) শব্দসমষ্টিতে ‘লাম’ বর্ণটি খবরের মধ্যে নিহিত ক্রিয়ার অর্থের সাথে সংশ্লিষ্ট [৫ খ]। এর প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: সাওবান আমাকে আবু উসমানের পিতা হিসেবে দুর্বলতা ও অসারতার ক্ষেত্রে যুদ্ধের পোশাক পরিয়েছেন।আর ‘ওয়াগা’ হলো যুদ্ধের শব্দ, আর যুদ্ধের এই নামকরণটি রূপক হিসেবে করা হয়েছে।অন্য একজন বলেছেন, যা আবু আলী পাঠ করেছেন:11 - (তারা দু’জন, যখন মানুষ তার পরিবারের প্রয়োজনে সচেষ্ট হয়... তারা উট বসিয়ে শক্ত গিঁটের রশির মতো মজবুত করে বাঁধল)(হুমা) সর্বনামটি এর আগের পংক্তির দুই দাদার (পূর্বপুরুষ) প্রতি ইঙ্গিত করছে, আর পংক্তিটি হলো:(তুমি আমাদের ওপর রাগান্বিত হয়েছ যে ইবনে গালিব তোমার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে... তবে তুমি তখন তোমার দুই দাদার ওপর কেন রাগান্বিত হলে না?)আর (হুমা) হলো মুবতাদা, আর তার খবর হলো (আল-ফি'আল আল-মু'রিব)।আর ‘মু’রিব’ হলো মজবুতভাবে পাকানো ও বাঁধা; যেমন আপনার কথা: ‘আরবাতুল উকদাতা’ (আমি গিঁটটি শক্ত করেছি), যখন আপনি বাঁধনটিকে মজবুত করেন।আর অর্থ হলো: তার তিরস্কার তোমার জন্য অপরিহার্য, যেমন শক্ত করে বাঁধা রশি।আর ‘কাফ’ হলো সম্বোধনের সর্বনাম, এটি প্রচ্ছন্নভাবে ‘শাদ্দা’ ক্রিয়ার সাথে যুক্ত, তবে ধাঁধার ছলে লেখার সময় একে ‘ইকাল’ শব্দের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।আর (আনাখা ফাশাদ্দা) দ্বিবচন হিসেবে (হুমা)-এর অনুগামী হয়েছে, অথবা অর্থের দিক থেকে (আল-ইকাল)-এর অনুগামী। আর ‘আনাখা’ একটি প্রারম্ভিক বাক্য অথবা দ্বিতীয় খবর।আর (হীন) শব্দটির আমিল (ক্রিয়া নিয়ন্ত্রক) হলো ‘আনাখা’।আর এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুবতাদা ও খবরের মধ্যে ব্যবধান তৈরি করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২২)
للضرورة، والترتيب: هما العقال المؤرب أناخا فشداك حين يسعى المرء مسعاة أهله، والمعنى: أن جديه لا يسعيان لاكتساب المعالي حين يسعى المرء لها، فقد حبساه على الرتبة العالية.وقال جرير، وهو من أبيات الكتاب:12 - (فلو ولدت قفيرة جرو كلب … لسب بذلك الكلب الكلابا)الكلاب مفعول به غير قائم مقام الفاعل، والقائم مقام الفاعل مصدر سب، تقديره: لسب السب، وهو ضعيف.وقال ملغز من المحدثين:13 - (ألبست ثوب وكان البرد أقلقني … فرد روحي بعد الهلك جلبابا)((6 أ) فالله أحمد لولاه لما سترت … جلدي عن الناس أبراداً وأثوابا)(ثوب) اسم منادى مرخم من ثوبان، اسم رجل، مضموم على أحد وجهي الترخيم، فنون للضرورة، وضم المنادى، إذا نون، الوجه عند سيبويه، كقول مهلهل:(يا عدي لقد وقتك الأواقي … )خلافا لعيسى بن عمر.و (جلبابا) مفعول ثان لألبست.وفي (رد) ضمير فاعل من الجلباب، تقديره: ألبست يا ثوب جلبابا وكان البرد آلمني فرد روحي بعد الهلك.وفي (سترت) ضمير فاعل من الجلباب، وأتى فيه بعلامة التأنيث إما لأن الجلباب مؤنثة في قول
প্রয়োজনবশত এবং পারম্পর্য রক্ষার্থে: তারা হলো শক্ত করে বাঁধা সেই রশি, যারা উটকে বসিয়ে বেঁধে ফেলেছে যখন ব্যক্তি তার পরিবারের জন্য সচেষ্ট হয়। এর অর্থ হলো: যখন কোনো ব্যক্তি উচ্চ মর্যাদা অর্জনে সচেষ্ট হয়, তখন তার পিতৃপুরুষগণ (দাদারা) সেই প্রচেষ্টা চালান না (কেননা তারা পূর্বেই উচ্চ মর্যাদা লাভ করেছেন); তারা তাকে উচ্চ মর্যাদাতেই আসীন করে রেখেছেন।জরির বলেছেন, আর এটি ‘আল-কিতাব’-এর অন্তর্ভুক্ত কাব্য:১২ - (যদি কুফাইরাহ কোনো কুকুরের ছানা জন্ম দিত... তবে সেই কুকুরের কারণে সকল কুকুরই লজ্জিত হতো)‘আল-কিলাবা’ এখানে কর্মপদ, যা কর্তার স্থলাভিষিক্ত নয়; বরং কর্তার স্থলাভিষিক্ত হলো ‘সাব্বা’ এর ক্রিয়ামূল, যার প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: ‘গালি প্রদান করা হয়েছে’, এবং এটি একটি দুর্বল (ضعيف) মত।হাদিস বিশারদগণের (المحدثين) মধ্য থেকে একজন ধাঁধাকার বলেছেন:১৩ - (আমাকে পোশাক পরানো হয়েছে হে সাওব, অথচ শীত আমাকে অস্থির করে তুলেছিল... অতঃপর ধ্বংসের হাত থেকে জিলবাবটি আমার প্রাণ ফিরিয়ে দিল)((৬ ক) আমি আল্লাহর প্রশংসা করি, যদি তিনি না হতেন তবে মানুষের সামনে চাদর ও পোশাকের মাধ্যমে আমার শরীর আবৃত হতো না)‘সাওব’ শব্দটি ‘সাওবান’ নামক জনৈক ব্যক্তির নাম থেকে সংক্ষিপ্তকৃত সম্বোধন (মুনাদা মুরাখখাম), যা সংক্ষেপণের (তারখিম) দুই রীতির একটি অনুযায়ী পেশযুক্ত হয়েছে। কাব্যিক প্রয়োজনের তাগিদে এখানে তানউইন ব্যবহার করা হয়েছে। সিবওয়াইহ-এর মতে, সম্বোধনকৃত শব্দে তানউইন হলেও তাতে পেশ বজায় রাখা একটি ব্যাকরণসম্মত রীতি, যেমন মুহালেহিলের উক্তি:(হে আদি, রক্ষাকারীরা তোমাকে রক্ষা করেছে...)এটি ঈসা ইবনে ওমরের মতের পরিপন্থী।এবং ‘জিলবাবান’ শব্দটি ‘আলবাসতু’ ক্রিয়ার দ্বিতীয় কর্মপদ।‘রাদ্দা’ ক্রিয়াটির মধ্যে ‘জিলবাব’ থেকে আগত একটি উহ্য কর্তা রয়েছে, এর মর্মার্থ হলো: হে সাওব, আমি একটি জিলবাব পরিধান করেছি এবং শীত আমাকে কষ্ট দিচ্ছিল, অতঃপর তা ধ্বংসের পর আমার প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছে।এবং ‘সাতারাত’ ক্রিয়াটিতে ‘জিলবাব’ থেকে আগত একটি উহ্য কর্তা রয়েছে। এখানে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে কারণ কোনো কোনো মতে জিলবাব শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়...
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الفراء، وإما أنه حمله على معنى الدرع، كما قال: جاءته كتابي.ونصب (أبرادا وأثوابا) باسم الفاعل، وهو الناسي وحذف الياء للضرورة، كما قيل في (داع) ، و (أخو الغوان) ، تقديره: لما سترت الجلباب جلدي عن الذي نسي أبرادا وأثوابا.وقال ثابت بن نافع السلمي:14 - (أبلكوز تشرب قهوة بابلية … لها في عظام الشاربين دبيب)(أبلكوز) كلمتان وقع بها الألغاز لخروجهما في شكل الاستفهام وحروف الجر، وهما: أبل، من إبلال العلة، وقد خفف اللام للضرورة، وكوز: اسم رجل منادى، تقديره: يا كوز. (حرف التاء)15 - (أقول لخالداً يا عمرو لما … علتنا بالسيوف المرهفات)(خالداً) مفعول (له) ، لأنه أمر من (ولي يلي) مثل (وأي يئي) ، وقد تقدم.و (علت) فعل ماض، و (نابي) مفعول به، والناب: الناقة المسنة.و (السيوف) فاعل و (علت) ، تقدير معناه: أقول اتبع خالدا (6 ب) لما علت نابي السيوف.وقال بعض الأعراب والبيت بيت شاهد:16 - (رحم الله أعظماً دفنوها … بسجستان طلحة الطلحات)يروى بنصب (طلحة) وجره، فالنصب على المدح، أي: اخفض أو أعني.وأما الجر
আল-ফাররা মনে করেন, অথবা তিনি একে বর্মের অর্থের ওপর প্রয়োগ করেছেন, যেমনটি বলা হয়: 'আমার পত্র তার কাছে এসেছে'।এবং তিনি 'আবরদান' ও 'আসবান' (أبرادا وأثوابا) শব্দদ্বয়কে ইসম ফায়িল (اسم الفاعل)-এর মাধ্যমে নাসব (نصب) প্রদান করেছেন, আর তা হলো 'আন-নাসি' (الناسي); এখানে কাব্যের প্রয়োজনে 'ইয়া' বর্ণটি বিলোপ করা হয়েছে, যেমনটি 'দায়িন' (داع) এবং 'আখুল গাউয়ান' (أخو الغوان) এর ক্ষেত্রে বলা হয়। এর মর্মার্থ হলো: যখন জিলবাব (বড় চাদর) আমার চামড়াকে সেই ব্যক্তি থেকে আবৃত করল, যে চাদর ও বস্ত্রাদি ভুলে গিয়েছিল।সাবিত বিন নাফি আস-সুলামি বলেছেন:১৪ - (হে কুজ, তুমি কি বাবিলীয় শরাব পান করছ... যা পানকারীদের হাড়ে হাড়ে শিহরণ জাগায়)'আব্লা-কুজ' (أبلكوز) মূলত দুটি শব্দ, যা প্রশ্নবোধক অব্যয় ও হরফে জর (حرف الجر)-এর আদলে আসার কারণে ধাঁধার সৃষ্টি হয়েছে। শব্দ দুটি হলো: 'আ-বিল' (أبل), যা মূলত অসুস্থতা থেকে আরোগ্য লাভ (إبلال العلة) অর্থে ব্যবহৃত, কাব্যের প্রয়োজনে 'লাম' বর্ণটিকে হালকা (তাশদীদহীন) করা হয়েছে। আর 'কুজ' (كوز) হলো একজন ব্যক্তির নাম যা মুনাদা (منادى) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে; এর মূল রূপ হলো: ইয়া কুজ (হে কুজ)। (তা বর্ণ)১৫ - (আমি আমরকে বলি, তুমি খালিদের অনুসরণ কর, যখন তীক্ষ্ণ তলোয়ারসমূহ আমাদের গ্রাস করেছিল)এখানে 'খালিদান' (خالداً) হলো 'লি' (له) এর মাফউল (مفعول), কারণ এটি 'ওয়ালি-ইয়ালি' (ولي يلي) থেকে গঠিত আমর (أمر), যেমনটি 'ওয়া-আই' (وأي يئي) এর ক্ষেত্রে হয়, যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।আর 'আলাত' (علت) হলো ফি'লে মাজি (فعل ماض), এবং 'নাবি' (نابي) হলো মাফউল বিহি (مفعول به); আর 'নাব' (الناب) বলতে বয়স্ক উটনীকে বোঝায়।এবং 'আস-সুয়ূফ' (السيوف) হলো 'আলাত' (علت) এর ফায়েল (فاعل)। এর অর্থের মর্মার্থ হলো: আমি বলি, তুমি খালিদের অনুসরণ কর (৬ খ) যখন তলোয়ারসমূহ আমার উটনীকে গ্রাস করেছিল।জনৈক গ্রাম্য আরব কবি বলেন, আর এই কবিতাটি একটি সাক্ষ্য বা দলীলস্বরূপ কবিতা:১৬ - (আল্লাহ সেই অস্থিমজ্জার ওপর রহম করুন যাকে তারা সিজিস্তানে দাফন করেছে, তিনি হলেন তালহা আল-তালাহাত)'তালহা' (طلحة) শব্দটিকে নাসব (نصب) এবং জর (جر) উভয় অবস্থায় বর্ণনা করা হয়। নাসব (نصب) হওয়ার কারণ হলো প্রশংসা (المدح), অর্থাৎ: 'আমি তাকে নির্দিষ্ট করছি' বা 'আমি তাকে উদ্দেশ্য করছি'।আর জর (جر) হওয়ার বিষয়টি...
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
فبه مضاف محذوف، تقديره: وأعظم طلحة.وقد قرئ: {والله يريد الآخرة} على هذا، وهو قليل جداًوقال متعسف محدث:17 - (على صلب الوظيف أشد يوماً … وتحتي فارسٍ بطلٍ كميت)في هذا البيت تقديم وتأخير وضرورتان وأعراب، وترتيبه: على فارس بطل أشد يوما وتحتي كميت صلب الوظيف.فجر فارسا ب (على) ، و (بطل) صفته، ونصب (صلب الوظيف) على أنه حال للنكرة، وقد تقدمت عليها.والضرورتان: الفصل بالحال بين المجرور وجاره.والفصل بالمجرور وصفته بين المبتدأ والخبر.وقال محدث آخر:18 - (يقولون لي: ماذا ولدت أفتيةٌ … فقلت مجيباً: ما ولدت بنات)(فتية) خبر مبتدأ محذوف، [ما مبتدأ] و (بنات) خبره، تقديره: أهم قتية فقلت: اللاتي ولدتهن بنات.وقال محدث آخر:19 - (لا تبادر برحلةٍ وانتزاح … لست تدري متى يكون المماتا)(واحذر الله إنه لك راع … وتأيد لكل جمع شتاتا)نصب الممات بتدري، وفي (يكون) ضمير منه هو فاعله، واسم الباري سبحانه رفع
এতে একটি উহ্য মুদাফ (সংযোজিত পদ) রয়েছে, যার সম্ভাব্য রূপ হলো: "এবং তালহার মহত্ত্ব বর্ণনা করো।"এই পঠনশৈলী অনুযায়ী {আল্লাহ পরকাল চান} আয়াতটি তিলাওয়াত করা হয়েছে, তবে এটি অত্যন্ত বিরল (قليل جداً)।জনৈক কষ্টকল্পনাকারী পরবর্তী যুগের কবি (محدث) বলেছেন:17 - (পায়ের নিম্নাংশের হাড়ের কাঠিন্যের ওপর একদিন আমি কঠোরভাবে... এবং আমার নিচে রয়েছে একজন বীর অশ্বারোহী লালচে-কালো ঘোড়া)এই চরণে শব্দের অগ্র-পশ্চাৎ বিন্যাস, দুইটি কাব্যিক প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ রয়েছে। এর প্রকৃত বিন্যাস হলো: একজন বীর অশ্বারোহীর ওপর আমি একদিন কঠোরতর এবং আমার নিচে রয়েছে শক্ত পায়াবিশিষ্ট লালচে-কালো ঘোড়া।এখানে 'আলা' অব্যয় দ্বারা 'ফারিসান' শব্দটিকে মাজরুর করা হয়েছে এবং 'বাতাল' শব্দটি তার সিফাত (গুণ)। আর 'সুলব আল-ওয়াজিফ' পদটিকে একটি অনির্দিষ্ট পদের হাল (অবস্থা) হিসেবে মানসুব করা হয়েছে, যা তার আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।কাব্যিক প্রয়োজনীয়তা দুটি হলো: প্রথমত, মাজরুর এবং তার জারের মধ্যে হাল (অবস্থা) দিয়ে ব্যবধান সৃষ্টি করা।দ্বিতীয়ত, মুবতাদা ও খবরের মাঝে মাজরুর এবং তার সিফাত দিয়ে ব্যবধান সৃষ্টি করা।অন্য একজন পরবর্তী যুগের কবি (محدث) বলেছেন:18 - (তারা আমাকে বলে: তুমি কী জন্ম দিয়েছ? তারা কি পুত্রসন্তান? আমি উত্তরে বললাম: আমি যা জন্ম দিয়েছি তা কন্যা সন্তান।)'ফিতইয়াহ' শব্দটি এখানে একটি উহ্য মুবতাদার খবর, [মা হলো মুবতাদা] এবং 'বানাত' হলো তার খবর। এর সম্ভাব্য রূপ হলো: তারা কি পুত্রসন্তান? আমি বললাম: যাদের আমি জন্ম দিয়েছি তারা হলো কন্যা।অন্য একজন পরবর্তী যুগের কবি (محدث) বলেছেন:19 - (সফর ও দেশান্তরের জন্য তড়িঘড়ি করো না... কারণ তুমি জানো না কখন মৃত্যু সমাগত হবে।)(এবং আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই তিনি তোমার রক্ষণাবেক্ষণকারী... আর প্রতিটি সমাবেশের জন্য বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা করো।)এখানে 'তাদরি' ক্রিয়া দ্বারা 'আল-মামাত' শব্দটিকে মানসুব করা হয়েছে। 'ইয়াকুনু' ক্রিয়ার ভেতরে একটি সর্বনাম রয়েছে যা তার ফায়েল (فاعل), এবং মহান স্রষ্টার নাম এখানে মারফু অবস্থায় রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بالابتداء، وخبره: (إنه لك راع) .و (شتاتا) مفعول احذر.و (لكل جمع) متعلق بفعل دل عليه (شتاتا) تقديره: (7 أ) لست تدري الممات متى يحدث واحذر شتاتا وتأيد، الله إنه لك راعٍ.ومثل هذا قول الآخر:20 - (ليس يبقى عليك لو كنت تدري … غير فعل الجميل والحسنات)أي ليس يبقى عليك غير فعل الجميل والحسنات لو كنت تدري.وقال آخر:21 - (لم يذدني عن الصلاة ضلالاً … في حياتي ولا اتبعت الغواة)(إنما المرء بالصلاح وموت المرء … إن كان ذا فسادٍ حياة)في البيت تقديم وتأخير، وترتيبه: لم يذدني عن الصلاة الغواة، ولا اتبعت ضلالا.فالغواة فاعل بيذدني، وضلال: مفعول (اتبعت) (حرف الثاء)قال بعض الملغزين:22 - (جاءك سلمان أبو هاشماً … وقد غدا سيدها الحارث)(جاء) فعل ماض، والكاف للتشبيه.و (سلمان) مجرور بها.و (أبوها) فاعل جاء.وموضع الكاف نصب على الحال إن كانت حرفا، وحال إن كانت اسماً.و (شما) فعل أمر، من شام البرق: إذا نظر إليه، مؤكد بالنون الخفيفة، فالواجب فيه: شيما، فحذف الياء للضرورة.
প্রারম্ভিকতা (ابتداء) হিসেবে, এবং এর সংবাদ (خبر): (নিশ্চয়ই তিনি আপনার জন্য একজন রক্ষক)।এবং (শতাতা) শব্দটি 'ইহযার' (সতর্ক হও) ক্রিয়ার কর্ম (مفعول)।এবং (লি-কুল্লি জাময়িন) অংশটি এমন একটি ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট যা (শতাতা) দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে। এর আনুমানিক রূপ (تقدير) হলো: (৭-ক) আপনি জানেন না মৃত্যু কখন ঘটবে, আর বিচ্ছিন্নতা থেকে সতর্ক থাকুন ও ধৈর্য ধারণ করুন; আল্লাহ, নিশ্চয়ই তিনি আপনার জন্য একজন রক্ষক।আর এরই অনুরূপ হলো অন্য একজনের উক্তি:২০ - (যদি আপনি জানতেন তবে আপনার জন্য সুন্দর কর্ম ও পুণ্য ব্যতিরেকে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকত না...)অর্থাৎ যদি আপনি জানতেন তবে আপনার জন্য সুন্দর কর্ম ও পুণ্য ব্যতিরেকে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকত না।অন্য একজন বলেছেন:২১ - (আমার জীবনের কোনো পথভ্রষ্টতা আমাকে সালাত থেকে বিমুখ করেনি এবং আমি বিপথগামীদের অনুসরণ করিনি)(মানুষ মূলত তার যোগ্যতার মাধ্যমেই মূল্যায়িত হয়, আর পাপাচারী ব্যক্তির মৃত্যু আসলে তার জন্য এক প্রকার জীবনই [নিষ্কৃতি])এই পঙক্তিতে পদের অগ্র-পশ্চাৎ (تقديم وتأخير) করা হয়েছে, যার বিন্যাস হলো: বিপথগামীরা আমাকে সালাত থেকে বিমুখ করেনি এবং আমি পথভ্রষ্টতার অনুসরণ করিনি।এখানে 'আল-গুওয়াত' শব্দটি 'ইয়াযুদানি' ক্রিয়ার কর্তা (فاعل), আর 'দলালা' শব্দটি 'ইত্তাবাতু' ক্রিয়ার কর্ম (مفعول)। (ছা 'ث' বর্ণ পরিচ্ছেদ)কিছু ধাঁধাঁ রচয়িতা বলেছেন:২২ - (তোমার নিকট সালমান হাশেমের পিতা হয়ে এসেছিল... যখন হারিস তার নেতা হয়ে গেল)(জায়) হলো অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض), এবং কাফ (ك) বর্ণটি উপমার (تشبيه) জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।এবং (সালমান) শব্দটি এর দ্বারা মাজরুর (مجرور) হয়েছে।এবং (আবুহা) শব্দটি 'জায়' ক্রিয়ার কর্তা (فاعل)।আর কাফ বর্ণটির অবস্থান নসব (نصب) অবস্থায় হবে অবস্থা (حال) হিসেবে যদি তা অব্যয় (حرف) হয়, আর তা অবস্থা (حال) হবে যদি তা বিশেষ্য (اسم) হয়।এবং (শাম্মা) হলো অনুজ্ঞা সূচক ক্রিয়া (فعل أمر), যা 'শামা আল-বারক' (যখন সে বিদ্যুৎ চমক দেখে) থেকে নির্গত। এটি গুরুত্বারোপকারী হালকা নুন (النون الخفيفة) দ্বারা তাকিদযুক্ত হয়েছে। এমতাবস্থায় এখানে 'শায়মা' হওয়া আবশ্যক ছিল, তবে কাব্যিক আবশ্যকতা (ضرورة) হেতু ইয়া বর্ণটি বিলোপ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وقال ملغز آخر:23 - (إذا ما كنت في أرض غريباً … يصيد بها ضراغمها البغاث)(فكن ذا بزة فالمرء تزري … به في الحي أثواب رثاث)الرواية بضم الضراغم والبغاث معا.ووجه ذلك أنه رفع البغاث، وهي ضعاف الطير، ب (يصيد) ، والجملة في موضع جر صفة للأرض، وقد حذف العائد إليها.و (ضراغمها) (7 ب) مبتدأ، و (بها) الموجودة في البيت خبره، والجملة في موضع الحال من (البغاث) ، وحذف الواو مستغنيا بالضمير عنه، نظير قول المسيب بن علس:(نصف النهار الماء غامره … ورفيقه بالغيب لا يدري)يصف صائدا غائصا في الماء.تقديره: إذا ما كنت في أرض تصيدها البغاث، وبها ضراغمها.ويجوز أن تكون الجملة صفة أخرى لأرض، والمعنى: أنك إذا كنت بأرض تصيدها الضعاف وهناك أقدر منها فاستعمل الحذر واعتد ببزة.وقال ملغز متعسف:24 - (ولولا الكريم أبو مخلد … أخو ثقة لم يغثني مغيثا)(ولا كنت إلا لقى لا أحسُّ … وهل في البرية إلا خبيثا)(الكريم) مبتدأ محذوف الخبر عند البصري، وفاعل (لولا) عند الكوفي و (أبو مخلد) بدل من الكريم أو عطف بيان.و (أخو ثقة) فاعل فعل محذوف هو جواب لولا، تفسيره: لم يغثني.وفي نصب مغيث وجهان: أحدهما: هو مصدر، كقوله: قم قائما.والثاني: هو حال مؤكدة، كقوله تعالى: {ويوم ابعث حيا} ،تقديره: لولا أبو مخلد لم يغثني أخو ثقة إغاثة.واللقى: الشيء الملقى.و (أحس) فعل لم يسم فاعله، وفيه ضمير قام مقام الفاعل.و (خبيثا) نصب على الحال من المضمر في (أحس) .(وهل) : فعل ماض مسكن اللام، معناه: ذهب وهمي إليه وأنا أريد غيره، وقد اسقط منه حرف
অন্য একজন ধাঁধা প্রদানকারী বলেছেন:২৩ - (যখন তুমি কোনো ভিনদেশে অপরিচিত হিসেবে অবস্থান করো … যেখানে দুর্বল পাখিরা সেখানকার সিংহদের শিকার করে)(তখন তুমি সুসজ্জিত পোশাক পরিধান করো; কেননা জীর্ণ পোশাক পরিধানের কারণে গোত্রের মানুষের কাছে ব্যক্তি তুচ্ছ হয়ে যায়)বর্ণনাটি 'দ্বরাগিম' এবং 'বাগাস' উভয় শব্দকে পেশ (জম্মা) প্রদান করে বর্ণিত হয়েছে।এর কারণ হলো, তিনি 'বাগাস' শব্দটিকে—যা মূলত দুর্বল (ضعيف) পাখি—'ইয়াসিদু' (শিকার করা) ক্রিয়ার ফায়েল হিসেবে রফা প্রদান করেছেন। এই বাক্যটি 'আরদ' (জমিন) শব্দের সিফাত হিসেবে মাজরুর হয়েছে, যেখানে জমিনের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী সর্বনামটি উহ্য রয়েছে।আর 'দ্বরাগিমুহা' (৭-বি) হলো মুবতাদা, এবং কবিতায় বিদ্যমান 'বিহা' অংশটি তার খবর; আর এই পুরো বাক্যটি 'বাগাস' থেকে হাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে 'ওয়াও' পরিহার করে তার পরিবর্তে সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে, যা মুসাইয়াব ইবনে আলাস-এর নিম্নোক্ত উক্তির অনুরূপ:(দুপুরের সময় পানি তাকে নিমজ্জিত করে ফেলে … অথচ তার সঙ্গী অগোচরে তা অনুভব করতে পারে না)এখানে পানির নিচে ডুব দিয়ে থাকা একজন শিকারির বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে।বাক্যটির মূল বিন্যাস হবে: যখন তুমি এমন এক জমিনে থাকো যেখানে দুর্বল পাখিরা শিকার করে এবং সেখানে তার সিংহরা অবস্থান করে।এটিও সম্ভব যে, বাক্যটি 'আরদ' (জমিন) শব্দের জন্য দ্বিতীয় আরেকটি সিফাত হবে। এর অর্থ হলো: তুমি যখন এমন এক জমিনে থাকো যেখানে দুর্বলরা শিকার ধরে অথচ সেখানে তাদের চেয়েও শক্তিশালীরা বিদ্যমান, তখন সতর্কতা অবলম্বন করো এবং সুন্দর পোশাকের মাধ্যমে নিজেকে মর্যাদাবান করো।অন্য একজন কৃত্রিম ধাঁধা প্রদানকারী বলেছেন:২৪ - (যদি সম্মানিত আবু মাখলাদ না থাকতেন … যিনি একজন নির্ভরযোগ্য (ثقة) ভাই, তবে কোনো সাহায্যকারীই আমাকে সাহায্য করত না)(এবং আমি তো কেবল এক পরিত্যক্ত বস্তু ছাড়া কিছুই হতাম না, যাকে অনুভব করা যায় না … আর এই সৃষ্টিজগতে কি কোনো নিকৃষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত কেউ আছে?)বাসরাবাসীদের মতে 'আল-কারীম' হলো মুবতাদা যার খবর উহ্য রয়েছে, আর কুফাবাসীদের মতে এটি 'লাওলা'-এর ফায়েল। 'আবু মাখলাদ' শব্দটি 'আল-কারীম' থেকে বদল অথবা আতফে বায়ান হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।আর 'আখু সিকাহ' বা নির্ভরযোগ্য (ثقة) ভাই শব্দটি একটি উহ্য ক্রিয়ার ফায়েল যা 'লাওলা'-এর জবাব; এর ব্যাখ্যা হলো: তিনি আমাকে সাহায্য করেননি।'মুগিসান' শব্দটির নসব (জবর) হওয়ার ক্ষেত্রে দুটি দিক রয়েছে: প্রথমত, এটি মাসদার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন কারো উক্তি: 'কুম কায়িমান' (দাঁড়ানোর মতো দাঁড়াও)।দ্বিতীয়ত, এটি হালে মুয়াক্কিদাহ বা গুরুত্বারোপকারী অবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {এবং যেদিন আমাকে জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত করা হবে}।এর মর্মার্থ হলো: যদি আবু মাখলাদ না থাকতেন, তবে কোনো নির্ভরযোগ্য (ثقة) ভাই আমাকে সাহায্য করত না।'আল-লুকা' অর্থ হলো নিক্ষিপ্ত বা পরিত্যক্ত বস্তু।আর 'আহুসসু' হলো এমন একটি ক্রিয়া যার কর্তা উল্লিখিত হয়নি (মাজহুল), এবং এতে একটি সর্বনাম রয়েছে যা ফায়েলের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।আর 'খাবিসান' শব্দটি 'আহুসসু' ক্রিয়ার মধ্যে থাকা উহ্য সর্বনাম থেকে হাল হিসেবে নসব প্রাপ্ত হয়েছে।'ওয়াহাল' হলো একটি মাজি বা অতীতকালীন ক্রিয়া যার শেষ বর্ণ সাকিনযুক্ত; এর অর্থ হলো: আমার ধারণা সেদিকে গিয়েছে অথচ আমি অন্য কিছু উদ্দেশ্য করছি এবং তা থেকে একটি বর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وهو (إلى) ، لأنك تقول: وهلت إلى الشيء ومنه، فتعديه به، لأنه حال من المضمر في (أحسن) .فإن قيل: الضمير في (وهل) للغائب، وفي (أحس) للمتكلم، فكيف صح أن يكون حالاقلت: هذا عدول (8 أ) من الخطاب إلى الغيبة، وهو جائز بلا خلاف، التقدير: لا أحس وأهلا في البرية ولا مغيثاً.وقد وجهه بعض النحويين على غير هذا، وهو تكلف بعيد.وقال محدث:25 - (سلمان ابن أخينا ليت مقوله … وناقل القول بالأحجار محثوث)(سل) فعل أمر من سأل يسأل.و (مان) فعل ماض بمعنى كذب.وهمزة الاستفهام معه مرادة.و (ابن أخينا) فاعل (مان) .و (ناقل القول) عطف على الهاء في (مقوله) ، وهو غير جائز البصريين إلا بإعادة الجار، وقياس ومذهب عند الكوفيين، تقديره: سل أكذب ابن أخينا ليت مقوله، أي لسانه، ولسان ناقل القول بالأحجار محثوث.وقال متكلف:26 - (طال ليلي وعاودتني النثوثا … ساريات به النجوم حثيثا)(لست أدري ما النوم وجدا سميري … الهم فيه ووجدي البرغوثا)عاودتني بمعنى ذاكرتني، والنثوث: جمع نث، وهو التحديث والشكوى، وهي منصوبة مفعول ثان لعاودتني، والنجوم فاعلة، و (ساريات) حال من النجوم، و (حثيثا) مصدر في موضع الحال من الضمير في ساريات بالليل حاثات.و (ما) في البيت الثاني استفهام وهي مبتدأ، و (النوم) خبره، وموضع الجملة نصب ب (أدري) ، و (وجدا) مفعول له، وهو الحزن والبرغوث منصوب بالوجد على تقدير حرف الجر، أي بوجود البرغوث
এটি (إلى) এর অর্থে, কারণ আপনি বলেন: 'আমি কোনো বিষয়ে বা তা থেকে ভুল করেছি' (وهلت إلى الشيء ومنه)। সুতরাং এর দ্বারা একে মুতা‘আদ্দি করা হয়েছে, কারণ এটি (أحسن) এর মধ্যে লুকায়িত সর্বনাম থেকে হাল (অবস্থা) হিসেবে এসেছে।যদি বলা হয়: (وهل) এর মধ্যকার সর্বনামটি নামপুরুষের জন্য এবং (أحس) এর মধ্যকার সর্বনামটি উত্তম পুরুষের জন্য, তবে এটি হাল হওয়া কীভাবে শুদ্ধ হলো?আমি বলব: এটি সম্বোধন থেকে নামপুরুষে রূপান্তর (عدول), যা কোনো মতভেদ ছাড়াই বৈধ। এর বিশ্লেষণ হলো: "আমি সৃষ্টিজগতের মধ্যে কোনো বন্ধু বা সাহায্যকারী অনুভব করছি না।"কোনো কোনো ব্যাকরণবিদ এটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন, তবে তা একটি সুদূরপরাহত কষ্টকল্পনা মাত্র।জনৈক হাদিস বিশারদ (محدث) বলেছেন:২৫ - (সালমান আমাদের ভাতিজা, হায় যদি তার জিহ্বা... এবং কথা বহনকারী পাথরের আঘাতে বিতাড়িত হতো)(سل) শব্দটি ‘সায়ালা-ইয়াসআলু’ থেকে গঠিত আমর (আদেশসূচক ক্রিয়া)।আর (مان) শব্দটি মাদি (অতীতকালীন ক্রিয়া), যার অর্থ ‘সে মিথ্যা বলেছে’।এবং এর সাথে প্রশ্নবোধক হামযাহ উজ্জ্ব রয়েছে।এবং (ابن أخينا) হলো (مان) এর ফায়িল (কর্তা)।আর (ناقل القول) শব্দটি (مقوله) এর মধ্যকার ‘হা’ সর্বনামের ওপর আতফ হয়েছে; যা বসরার ব্যাকরণবিদদের মতে অব্যয় (জার) পুনরায় উল্লেখ করা ছাড়া বৈধ নয়, তবে কুফার ব্যাকরণবিদদের নিকট এটি কিয়াস ও একটি স্বীকৃত মাযহাব। এর ব্যাখ্যা হলো: প্রশ্ন করো, আমাদের ভাতিজা কি মিথ্যা বলেছে? হায় তার জিহ্বা এবং কথা বহনকারীর জিহ্বা যদি পাথরের মাধ্যমে দ্রুত তাড়িত হতো।জনৈক কষ্টকল্পনাকারী বলেছেন:২৬ - (আমার রাত দীর্ঘ হয়েছে এবং অভিযোগগুলো পুনরায় আমার কাছে ফিরে এসেছে... তারকারাজি তার সাথে দ্রুত পরিভ্রমণরত)(আমি জানি না ঘুম কী জিনিস, বিষাদ আমার নিশিথসাথী... দুশ্চিন্তা ও ছারপোকার উপস্থিতিই আমার যাতনা)‘আওয়াদাতনি’ এর অর্থ হলো ‘আমাকে স্মরণ করিয়েছে’। আর ‘আন-নাছুছ’ (النثوث) শব্দটি ‘নাছ’ (نث) এর বহুবচন, যার অর্থ বর্ণনা (تحديث) এবং অভিযোগ করা। এটি (عاودتني) এর দ্বিতীয় মাফউল হিসেবে মানসুব হয়েছে। ‘আন-নুজুম’ শব্দটি ফায়িল। আর (ساريات) শব্দটি ‘আন-নুজুম’ থেকে হাল। এবং (حثيثا) শব্দটি মাসদার, যা রাতের বেলা দ্রুত চালনাকারী সর্বনাম থেকে হালের স্থলে ব্যবহৃত হয়েছে।দ্বিতীয় চরণের (ما) শব্দটি প্রশ্নবোধক এবং এটি মুবতাদা। (النوم) তার খবর। এই জুমলার স্থানটি (أدري) এর কারণে মানসুব হয়েছে। (وجدا) হলো মাফউল লাহু, যার অর্থ দুঃখ। আর ‘আল-বারগুছ’ (البرغوث) শব্দটি হারফে জার উজ্জ্ব থাকার কারণে ‘ওজদ’ (অস্তিত্ব) হিসেবে মানসুব হয়েছে, অর্থাৎ ছারপোকার অস্তিত্বের কারণে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
و (سميري) مبتدأ، و (الهم فيه) خبره.و (خذني) عطف على (سميري) ، والتقدير: لست أدري أي شيء (8 ب) النوم لحزني بوجود البرغوث، ثم استأنف فقال: مسامري وخدني الهم فيه. (حرف الجيم)أنشد سيبويه لغيلان بن عقبة الملقب ذا الرمة:27 - (كأن أصوات من إيغالهن بنا … أواخر الميس أصوات الفراريج)الميس: خشب الرحل، والإيغال في المشي: الدخول فيه على جهة الاستقصاء، ويريد إيغال الإبل.وجر (أواخر الميس) بإضافة (أصوات) إليها، وفصل بينهما بالظرف ضرورة، التقدير: كأن أصوات أواخر الميس من إيغالهن بنا أصوات الفراريج.و (من إيغالهن بنا) حال، والعامل في العامل فيها (كأن) ، أي كأننا من إيغالهن بنا.وقال ملغز:28 - (رجع القوم بعدما كان فيهم … من تولى وحقق الاحتجاج)(الاحتجاج) فاعل رجع.(القوم) مفعوله، وهو نظير قوله تعالى: {فإن رجعك الله} ، التقدير: رجع الاحتجاج القوم بعدما كان فيهم من تولى وحقق.وقال آخر:29 - (أنت أعلى الورى وأشرف قدرا … إنما الملك فوق رأسك تاجا)(الملك) مبتدأ، و (فوق رأسك) الخبر، و (تاجا) حال من الضمير الذي في الخبر، وهو العامل فيها، كقولك: زيد في الدار قائما.
এবং (সামিরি) হলো মুক্তাদা, এবং (আল-হাম্মু ফিহি) হলো তার খবর।এবং (খিদনি) হলো (সামিরি)-এর ওপর আতফ, আর এর প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: আমি জানি না ঘুমের কী হলো (৮ খ), ছারপোকার উপস্থিতিতে আমার দুঃখের কারণে; অতঃপর তিনি পুনরায় আলোচনা শুরু করে বললেন: আমার কাহিনীর সঙ্গী ও বন্ধু, যাতে রয়েছে দুশ্চিন্তা। (জীম বর্ণ)সিবওয়াইহ যুর রুম্মাহ উপাধিতে ভূষিত গায়লান ইবন উকবাহ-এর একটি পঙক্তি আবৃত্তি করেছেন:২৭ - (আমাদের নিয়ে তাদের দ্রুত পথ চলার কারণে মনে হচ্ছে... উটের হাওদার কাঠের শেষাংশের শব্দগুলো যেন মুরগির বাচ্চার ডাক।)আল-মাইস: এটি হলো উটের হাওদার কাঠ। আর হাঁটার ক্ষেত্রে ঈগাল বলতে বোঝায় পূর্ণ ক্ষিপ্রতার সাথে পথ চলা; এখানে তিনি উটের দ্রুত গতিতে চলাকে বুঝিয়েছেন।এবং (আওয়াখিরুল মাইস) শব্দটিকে (আসোয়াত) এর দিকে ইদাফাত করার মাধ্যমে যের প্রদান করা হয়েছে, আর কাব্যিক প্রয়োজনের খাতিরে উভয়ের মাঝে একটি যরফ দ্বারা ব্যবধান করা হয়েছে। এর প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: যেন আমাদের নিয়ে তাদের দ্রুত চলার কারণে উটের হাওদার কাঠের শেষাংশের শব্দগুলো মুরগির বাচ্চার ডাকের মতো।এবং (মিন ঈগালিহিন্না বিনা) হলো হাল, আর এতে যে আমিল কাজ করছে তার আমিল হলো (কাআন্না); অর্থাৎ যেন আমরা তাদের দ্রুত গতির কারণে।জনৈক ধাঁধাকার বলেছেন:২৮ - (যুক্তি বা প্রমাণ উপস্থাপনের বিষয়টি কওমকে ফিরিয়ে আনলো, তাদের মাঝে যারা বিমুখ হয়েছিল এবং সত্য অনুসন্ধান করেছিল তাদের পর।)(আল-ইহতিজাজ) হলো ‘রাজায়া’ ক্রিয়াপদের ফায়েল।(আল-কাওম) হলো তার মাফউল। এটি মহান আল্লাহর বাণী: {যদি আল্লাহ আপনাকে ফিরিয়ে আনেন} এর অনুরূপ। এর প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: যুক্তি বা প্রমাণ উপস্থাপন কওমকে ফিরিয়ে আনলো তাদের মাঝে যারা বিমুখ হয়েছিল ও সত্য সাব্যস্ত করেছিল তাদের পর।অন্য একজন কবি বলেছেন:২৯ - (আপনি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ এবং মর্যাদায় সুমহান... রাজত্ব তো কেবল আপনার মাথার ওপর মুকুট স্বরূপ।)(আল-মুলকু) হলো মুক্তাদা, এবং (ফাওকা রা’সিকা) হলো খবর, আর (তাজান) হলো খবরের অন্তর্ভুক্ত জমির থেকে হাল। আর এই খবরটিই এখানে আমিল, যেমন আপনার উক্তি: যায়েদ ঘরে দাঁড়ানো অবস্থায় আছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وقال آخر:30 - (وقد برمت مما تراكم نيها … إذا نهضت في ساعديها الدمالجا)تقديره: برمت الدمالج في ساعديها مما تراكم نيها، أي شحمها يصف سمنها وأنها تستثقل الدمالج.وقال آخر:31 - (أنت نعم الكمي تورده الحرب … إذا ما استطار منها العجاجا)(9 أ) الكمي: الشجاع المستتر بالسلاح.و (أنت) مبتدأ، و (نعم الرجل) الخبر.و (العجاج) مفعول ثان لتورده،وفي (استطار) ضمير منه، تقديره: تورده الحرب العجاج إذا استطار منها.وقال آخر:32 - (ركبت على جواد حين نادوا … وما إن كان لي إذ ذاك سرجا)(فكدت أعود موقوصاً لأني … كأني راكب من فوق برجا)(سرج) مفعول (ركبت) ، وفي كان ضمير منه هو اسمها، و (لي) الخبر.ونصب (برجا) ب (راكب) .و (فوق) ظرف، وهو غاية، مبني على الضم لانقطاعه عن الإضافة.وهذان البيتان من أمالي أبي إسحاق الزجاج.وقال ملغز:33 - (لا تقنطن وكن في الله محتسبا … فبينما أنت ذا يأس أتى الفرجا)نصب الفرج بمحتسب.و [في] أتى ضمير منه.ونصب (ذا يأس) على خبر كان.فإن
অন্য একজন বলেছেন:30 - (জমে থাকা চর্বির আধিক্যের কারণে সে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে... যখন সে উঠে দাঁড়ায়, তার দুই বাহুর অলঙ্কারগুলো তাকে কষ্ট দেয়)এর ব্যাখ্যা হলো: বাহুতে থাকা অলঙ্কারগুলো চর্বি জমে যাওয়ার কারণে তাকে কষ্ট দিচ্ছে; অর্থাৎ তার মেদ। এখানে কবি তার স্থূলতার বর্ণনা দিচ্ছেন এবং বুঝিয়েছেন যে অলঙ্কারগুলো তার কাছে অত্যন্ত ভারী মনে হচ্ছে।অন্য একজন বলেছেন:31 - (তুমি কতই না চমৎকার বীর যাকে যুদ্ধ উপস্থিত করে... যখন যুদ্ধের ধূলিমেঘ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে)(9 ক) 'আল-কামিয়্যু' অর্থ: এমন সাহসী বীর যে বর্ম ও অস্ত্রের নিচে নিজেকে আবৃত রাখে।এখানে 'আংতা' (তুমি) হলো উদ্দেশ্য, এবং 'নি’মার রাজুলু' হলো বিধেয়।এবং 'আল-আজাজ' (ধূলিমেঘ) শব্দটি 'তাউরিদুহু' ক্রিয়ার দ্বিতীয় কর্ম।এবং 'ইস্তাত্বরা' ক্রিয়ার মধ্যে একটি সর্বনাম নিহিত আছে, যার ব্যাখ্যা হলো: যুদ্ধ তাকে ধূলিমেঘের মাঝে উপস্থিত করে যখন তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।অন্য একজন বলেছেন:32 - (আমি একটি দ্রুতগামী ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হলাম যখন তারা আহ্বান করল... অথচ তখন আমার কোনো জিন ছিল না)(আমি ঘাড় মচকে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিলাম, কারণ আমার মনে হচ্ছিল যেন আমি একটি সুউচ্চ দুর্গের ওপর সওয়ার হয়েছি)'সারজান' (জিন) হলো 'রাকিবতু' ক্রিয়ার কর্ম, এবং 'কানা' ক্রিয়ার মধ্যে একটি সর্বনাম রয়েছে যা এর বিশেষ্য, আর 'লী' হলো এর বিধেয়।এবং 'বারজান' (দুর্গ) শব্দটি 'রাকিবুন' এর কারণে নসব প্রাপ্ত হয়েছে।এবং 'ফাউকু' (উপরে) হলো একটি আধার বা ক্রিয়া বিশেষণ, যা সীমা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি 'দম্মা'র ওপর ভিত্তি করে অপরিবর্তনীয়, কারণ এটি পরবর্তী সম্বন্ধ থেকে বিচ্ছিন্ন।এই কবিতা দু'টি আবু ইসহাক আজ-জাজ্জাজ-এর আমালি গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত।একজন ধাঁধাঁ-রচয়িতা বলেছেন:33 - (নিরাশ হয়ো না এবং আল্লাহর ওপর সওয়াবের প্রত্যাশা করো... কেননা যখন তুমি চরম হতাশায় নিমজ্জিত থাকো, তখনই মুক্তি চলে আসে)'আল-ফারাজা' (মুক্তি) শব্দটি 'মুহতাসিবুন' এর প্রভাবে নসব প্রাপ্ত হয়েছে।এবং 'আতা' ক্রিয়ার [মধ্যে] একটি সর্বনাম নিহিত আছে।এবং 'যা ইয়াসিন' শব্দটি 'কানা' এর বিধেয় হওয়ার কারণে নসব প্রাপ্ত হয়েছে।অতঃপর যদি
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩০)
قلت: فأين كان قلت: محذوفة لضرورة الألغاز، تقديره: فبينما كنت.فحين حذفها انفصل اسمها لأنه لا يقوم بنفسه على لفظه متصلا، تقديره: لا تقنطن وكن في الله محتسبا فبينما كنت ذا يأس أتى.وقال آخر:34 - (إلى الله ربي قد رجعت تنصلا … لتغفر ما قدمت رب المعارج)(المعارج) مبتدأ، وخبره (إلى الله ربي) .و (رب) الثاني منادى.و (قد رجعت)خبر مستأنف، تقديره: إلى الله المعارج يا رب قد رجعت تنصلا لتغفر ما قدمت. (حرف الحاء)أنشد أبو علي لابن مقبل:35 - (ولو أن حبي أم ذي الودع كله … لأهلك مال لم تسعه المسارح)(9 ب) حبي: مصدر مضاف، و (أم ذي الودع) مفعوله.و (كله) : إن نصبته كان مؤكدا لجي، وإن رفعته جعلته مبتدأ، خبره [مال] ، والجملة خبر أن، والمعنى: أن حبه بها كثير.وأنشد سيبويه للحارث بن ضرار النهشلي:36 - (ليبك يزيد ضارع لخصومة … ومختبط مما تطبح الطوائح)يروى بضم ياء (لبيك) ورفع (يزيد) ، وبفتحها ونصبه، فلا إشكال في الرواية الثانية لأن ضارعاً فاعل، ويزيد مفعول.وعلى الأولى: يزيد مفعول لم يسم فاعله، وضارع: فاعل فعل دل عليه ليبك، أي: ليبكه.
আমি বললাম: তাহলে ‘কানা’ (كان) কোথায়? আমি বললাম: ধাঁধার প্রয়োজনে তা বিলুপ্ত (محذوفة) রাখা হয়েছে, এর অনুমিত রূপ হলো: ‘ফাবাইনামা কুনতু’ (فبينما كنت)।যখন একে বিলুপ্ত করা হয়েছে, তখন এর ইসিম (اسم) বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, কারণ এটি সংযুক্ত না থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চারিত হতে পারে না। এর অনুমিত রূপ হলো: তুমি হতাশ হয়ো না এবং আল্লাহর নিকট প্রতিদান প্রত্যাশী হও, কারণ যখন তুমি চরম হতাশ ছিলে তখন (আল্লাহর সাহায্য) এসেছে।অন্য একজন কবি বলেছেন:34 - (আমার রব আল্লাহর দিকে আমি তওবা করে ফিরে এসেছি... যাতে আপনি আমার পূর্ববর্তী অপরাধসমূহ ক্ষমা করেন, হে সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী রব।)(আল-মাআরিজ) শব্দটি এখানে মুক্তাদা (مبتدأ), আর এর খবর (خبر) হলো (ইলাল্লাহি রাব্বি)।এবং দ্বিতীয় (রব) শব্দটি হলো মুনাদা (منادى)।এবং (কাদ রাজাতু)বাক্যটি প্রারম্ভিক খবর (خبر مستأنف), এর অনুমিত ব্যাখ্যা হলো: সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী আল্লাহর নিকট, হে রব, আমি তওবা করে ফিরে এসেছি যাতে আপনি আমার পূর্ববর্তী অপরাধসমূহ ক্ষমা করেন। (হা বর্ণ)আবু আলী ইবনে মুকবিলের একটি কবিতা পাঠ করেছেন:35 - (যদি উম্মে যি আল-ওয়াদ-এর প্রতি আমার ভালোবাসা পূর্ণ হতো... তবে এমন সম্পদ ধ্বংস হয়ে যেত যা চারণভূমিগুলো ধারণ করতে পারত না।)(৯ খ) হুব্বি: এটি মুদাফ যুক্ত মাসদার (مصدر), এবং (উম্মে যি আল-ওয়াদ) হলো এর কর্ম (مفعول)।আর (কুল্লাহু): আপনি যদি একে নাসব (نصب) দিয়ে পাঠ করেন তবে তা তাকিদ (مؤكدا) হবে, আর যদি রাফ’ (رفع) দিয়ে পাঠ করেন তবে একে মুক্তাদা (مبتدأ) হিসেবে গণ্য করা হবে যার খবর (خبر) হলো [মাল], আর পুরো বাক্যটি ‘আন্না’-এর খবর হিসেবে গণ্য হবে। এর অর্থ হলো: তার প্রতি কবির ভালোবাসা অত্যন্ত গভীর।এবং সিবওয়াই আল-হারিস ইবনে দিরার আন-নাহশালীর একটি পঙ্ক্তি পাঠ করেছেন:36 - (ইয়াযিদের জন্য যেন সেই ব্যক্তি ক্রন্দন করে যে বিবাদের কারণে বিনয়াবনত... এবং সাহায্যপ্রার্থী সেই ব্যক্তি যার ওপর ধ্বংসাত্মক বিপদ আপতিত হয়।)(লিবকি) শব্দের ইয়া বর্ণে দম্মাহ (ضم) এবং (ইয়াযিদ) শব্দে রাফ’ (رفع) দিয়ে একটি বর্ণনা (رواية) পাওয়া যায়, আবার ইয়া বর্ণে ফাতহাহ (فتح) এবং (ইয়াযিদ) শব্দে নাসব (نصب) দিয়েও বর্ণিত হয়েছে। দ্বিতীয় বর্ণনায় (رواية) কোনো জটিলতা নেই, কারণ ‘দারেউন’ হলো কর্তা (فاعل) এবং ‘ইয়াযিদ’ হলো কর্ম (مفعول)।আর প্রথম বর্ণনা (رواية) অনুযায়ী: ‘ইয়াযিদ’ হলো এমন কর্ম যার কর্তা অনুল্লিখিত (مفعول لم يسم فاعله), এবং ‘দারেউন’ হলো এমন এক ক্রিয়ার কর্তা (فاعل) যা ‘লিবকি’ শব্দ দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে, অর্থাৎ: ‘যাতে সে তার জন্য বিলাপ করে’।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩১)
ونظيره قول الأخر:(أسقى الإله عدوات الوادي … )(وجوفه كل ملث غادي … )(كل أجش حالك السواد … )وقال آخر:37 - (مررت على قوم ابن هندٍ فقال لي … أكابرهم منا سفيهاً وصالحا)الهمزة في (أكابرهم) حرف نداء.وكابر: اسم رجل، منادى مضاف إلى ياء المتكلم.و (هم) فعل أمر من هام يهيم.و (منا) بمعنى أكذبنا، وقد تقدم نظيره.و (سفيهاً وصالحا) حالان من الضمير في (منا) ، تقديره: يا كابري هم أكذبنا في حال الصلاح والسفه.وقال آخر:38 - (وقالوا حربنا حرب عوانٍ … أأحضرها ولم أحمل سلاح)(هي النكبات تهلك من تلاقي … كميا ليس جاحمها مزاح)(حربنا) مبتدأ.و (حر) أمر من: حار يحار، و (بن) أمر من: بان يبين.و (عوا) من عوان: فعل ماض، وحقه اتصال تاء التأنيث به، لأنه خبر (حربنا) ، لكنه أجري مجرى القتال.و (نن) (10 أ) أمر من: ونى يني، مؤكد بالنون الخفيفة، والواجب: نين، كما قلنا في (شمن) في حرف الثاء.و (سلاح) خبر مبتدأ محذوف.وقد حذف من (أحمل) ضميرا مفعولا عائد إلى (سلاح) ، التقدير: حربنا عوت، حر منها وبن عنها، أأحضرها هذا سلاح ولم أحمله.وفي (ليس) في البيت الثاني ضمير الشأن، الملقب ب (المجهول) عند الكوفي، هو اسمها، والجملة بعده الخبر.
ونظيره قول الأخر:(এর সদৃশ হলো অন্য কবির উক্তি:)(أسقى الإله عدوات الوادي … )(আল্লাহ উপত্যকার তীরসমূহকে সিক্ত করুন...) (وجوفه كل ملث غادي … )(এবং এর অভ্যন্তরভাগকে প্রত্যেক অবিরাম বর্ষণকারী প্রাতঃকালীন মেঘ দ্বারা...) (كل أجش حالك السواد … )(প্রত্যেক গম্ভীর গর্জনকারী ঘনীভূত কালো মেঘ দ্বারা...)وقال آخر:37 - (এবং অন্য একজন বলেছেন: আমি ইবনে হিন্দের কওমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম, তখন তাদের বড়রা আমাকে বলল... আমাদের মধ্যে মূর্খ ও সৎ উভয়ই রয়েছে।)الهمزة في (أكابرهم) حرف نداء.‘আকাবিরুহুম’ (أكابرهم) শব্দের হামজা (أ) হলো সম্বোধনসূচক বর্ণ (حرف نداء)।وكابر: اسم رجل، منادى مضاف إلى ياء المتكلم.আর ‘কাবির’ (كابر) হলো এক ব্যক্তির নাম, যা ‘ইয়ায়ে মুতাকাল্লিম’-এর (ياء المتكلم) দিকে সম্বন্ধযুক্ত সম্বোধিত পদ (منادى مضاف)।و (هم) فعل أمر من هام يهيم.এবং ‘হিম’ (هم) শব্দটি ‘হামা-ইয়াহিমু’ (هام يهيم) থেকে উদ্ভূত আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل أمر)।و (منا) بمعنى أكذبنا، وقد تقدم نظيره.এবং ‘মান্না’ (منا) অর্থ হলো আমাদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করল (أكذبنا), যার দৃষ্টান্ত পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।و (سفيهاً وصالحا) حالان من الضمير في (منا) ، تقديره: يا كابري هم أكذبنا في حال الصلاح والسفه.আর ‘সাফিহান ওয়া সালিহান’ (سفيهاً وصالحا) শব্দ দুটি ‘মান্না’ (منا) এর অন্তর্গত সর্বনাম (الضمير) থেকে অবস্থা (حال)। এর মূল ভাষ্য হলো: হে কাবিরি! তুমি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ঘুরে বেড়াও, তারা আমাদের সৎ এবং মূর্খ উভয় অবস্থায় মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে।وقال آخر:38 - (এবং অন্য একজন বলেছেন: তারা বলল আমাদের যুদ্ধ হলো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ... আমি কি তাতে উপস্থিত হব অথচ আমার সাথে অস্ত্র নেই?)(هي النكبات تهلك من تلاقي … كميا ليس جاحমها مزاح)(এগুলো হলো বিপদাপদ যা যার মুখোমুখি হয় তাকেই ধ্বংস করে... এমন এক বীর যার যুদ্ধের অগ্নি কোনো কৌতুক নয়।)(حربنا) مبتدأ.‘হারবুনা’ (حربنا) হলো উদ্দেশ্য (مبتدأ)।و (حر) أمر من: حار يحار، و (بن) أمر من: بان يبين.এবং ‘হুর’ (حر) শব্দটি ‘হারা-ইয়াহারু’ (حار يحار) থেকে উদ্ভূত আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل أمر), আর ‘বিন’ (بن) শব্দটি ‘বানা-ইয়াবিনু’ (بان يبين) থেকে উদ্ভূত আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل أمر)।و (عوا) من عوان: فعل ماض، وحقه اتصال تاء التأنيث به، لأنه خبر (حربنا) ، لكنه أجري مجرى القتال.এবং ‘আওয়া’ (عوا) শব্দটি ‘আওয়ান’ (عوان) থেকে গৃহীত অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض), এর শেষে স্ত্রীলিঙ্গবোধক তা (تاء التأنيث) যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল, কারণ এটি ‘হারবুনা’ (حربنا) এর বিধেয় (خبر), কিন্তু একে ‘কিতাল’ বা যুদ্ধের (القتال) ন্যায় গণ্য করা হয়েছে।و (نن) (10 أ) أمر من: ونى يني، مؤكد بالنون الخفيفة، والواجب: نين، كما قلنا في (شمن) في حرف الثاء.এবং ‘নিন’ (نن) (১০ ক) হলো ‘ওয়ানা-ইয়ানি’ (ونى يني) থেকে উদ্ভূত আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل أمر), যা হালকা নূন (النون الخفيفة) দ্বারা তাকিদযুক্ত। আর এর আবশ্যকীয় রূপ হলো ‘নায়িন’ (نين), যেমনটি আমরা ‘সা’ (ث) বর্ণের আলোচনায় ‘শামান’ (شمن) শব্দের ক্ষেত্রে বলেছি।و (سلاح) خبر مبتدأ محذوف.আর ‘সিলাহ’ (سلاح) শব্দটি উহ্য উদ্দেশ্যের (مبتدأ محذوف) বিধেয় (خبر)।وقد حذف من (أحمل) ضميرا مفعولا عائد إلى (سلاح) ، التقدير: حربنا عوت، حر منها وبن عنها، أأحضرها هذا سلاح ولم أحمله.এবং ‘আহমিল’ (أحمل) থেকে কর্মবাচক সর্বনাম (ضمير مفعول) বিলুপ্ত করা হয়েছে যা ‘সিলাহ’ (سلاح) এর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী। এর মূল প্রাক্কলন হলো: আমাদের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে, তুমি তা থেকে বিচলিত হও এবং তা থেকে পৃথক হও; আমি কি তাতে উপস্থিত হব? এটি তো অস্ত্র, অথচ আমি তা বহন করিনি।وفي (ليس) في البيت الثاني ضمير الشأن، الملقب ب (المجهول) عند الكوفي، هو اسمها، والجملة بعده الخبر. দ্বিতীয় চরণের ‘লাইসা’ (ليس) এর মধ্যে ‘দমিরে শান’ (ضمير الشأن) রয়েছে, কুফাবাসীদের নিকট যাকে অজ্ঞাত (المجهول) নামে অভিহিত করা হয়; এটি তার বিশেষ্য (اسم) এবং পরবর্তী বাক্যটি হলো তার বিধেয় (خبر)।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وقال آخر:39 - (وقد رحلوا واستحلوا لنا … بعادا بلا سبب وإطراح)(وط) فعل أمر من: وطى يوطي.و (راحوا) فعل ماض، والضمير فاعله، تقديره: وط لي فقد راحوا.وقال آخر:40 - (قالوا أتفرح بالأزواد تجمعها … وهل تدوم لك الأزواد والفرحا)نصب الأزواد على البدل من الضمير المفعول في (تجمعها) ، والفرح بالعطف عليها.وفي (تدوم) ذكر من الأزواد.وفائدة البدل هنا التكرار فقط.وقال آخر:41 - (قد جاءني عبد قيس لو عبأت به … يوماً وقد بهرتني منه لي المدحا)نصب المدح بجاءني على أنّها مفعول ثان معدّى بحرف الجر، وهو محذوف للضرورة، تقديره: بالمدح.وفي (بهرتني) ذكر من المدح.وقال آخر:42 - (تفرقّ قومي راحلين لصارخٍ … أهاب بهم غادي المطيّ ورايحٍ)غادي: فعل أمر بمعنى باكر، والمطي: مفعوله.و (رابح) كلمتان، أحداهما: وراي بمعنى خلفي، و (ح) أمر من: وحى يحي، إذا عجل، تقديره: باكر المطيّ خلفي عجّل. (حرف الخاء)قال بعض الملغزين:43 - (يا ابن زيد قد خان كل صديق … عنده من حمامه أفراخا)
অন্যজন বলেছেন:৩৯ - (তারা প্রস্থান করেছে এবং আমাদের জন্য বৈধ মনে করেছে … কারণ ছাড়াই দূরত্ব ও বর্জন)(ওয়াত) শব্দটি ‘ওয়াতিয়া ইউতি’ থেকে আসা একটি আদেশসূচক ক্রিয়া।এবং (রাহু) একটি অতীতকালসূচক ক্রিয়া, আর সর্বনামটি এর কর্তা, এর বিশ্লেষণ হলো: আমার জন্য পদপিষ্ট করো, কারণ তারা চলে গেছে।অন্যজন বলেছেন:৪০ - (তারা বলল, তুমি কি সেই পাথেয় নিয়ে আনন্দিত যা তুমি সংগ্রহ করো … আর পাথেয় ও আনন্দ কি তোমার জন্য স্থায়ী হবে?)(তাজমাউহা) এর মধ্যকার কর্মবাচক সর্বনাম থেকে স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ‘আল-আজওয়াদ’ শব্দটি নসব অবস্থায় রয়েছে, আর ‘আল-ফারাহ’ শব্দটি এর সাথে যুক্ত হওয়ার কারণে নসব হয়েছে।এবং (তাদুম) ক্রিয়াটিতে ‘আল-আজওয়াদ’ এর প্রসঙ্গ রয়েছে।এখানে স্থলাভিষিক্ত বা বদল-এর কার্যকারিতা কেবল পুনরাবৃত্তি মাত্র।অন্যজন বলেছেন:৪১ - (আবদ কায়েস আমার কাছে এসেছে, যদি তুমি তার জন্য প্রস্তুতি নিতে … একদিন, আর তার প্রশংসা আমাকে অভিভূত করেছে)‘আল-মাদহ’ শব্দটি (জায়ানি) এর মাধ্যমে দ্বিতীয় কর্ম হিসেবে নসব হয়েছে যা একটি অব্যয়ের মাধ্যমে পরোক্ষ ছিল, কিন্তু কাব্যিক প্রয়োজনে অব্যয়টি উহ্য রাখা হয়েছে; এর সম্ভাব্য রূপ হলো: প্রশংসার মাধ্যমে।আর (বাহারাতনি) ক্রিয়াটিতে ‘আল-মাদহ’ এর প্রসঙ্গ রয়েছে।অন্যজন বলেছেন:৪২ - (আমার কওম এক আহ্বানকারীর ডাকে প্রস্থান করে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল … সওয়ারিগুলোর প্রাতঃভ্রমণকারী তাদের ডাক দিল এবং যে পশ্চাতে রয়েছে সে দ্রুত চলল)(গাদি): একটি আদেশসূচক ক্রিয়া যার অর্থ হলো ভোরে যাত্রা করা, আর (আল-মাতিয়্যি): এর কর্ম।এবং (রায়িহ) শব্দটি দুটি শব্দের সমষ্টি, যার একটি হলো: (ওয়ারাই) যার অর্থ আমার পেছনে, আর (হা) হলো ‘ওয়াহা ইয়াহি’ থেকে আসা একটি আদেশসূচক ক্রিয়া, যার অর্থ দ্রুত চলা; এর সম্ভাব্য রূপ হলো: আমার পেছনে সওয়ারিগুলো নিয়ে ভোরে যাত্রা করো, দ্রুত চলো। (খা বর্ণ)ধাঁধা রচনাকারীদের একজন বলেছেন:৪৩ - (হে যায়েদের পুত্র, প্রতিটি বন্ধুই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে … তার কাছে তার কবুতরের বাচ্চা রয়েছে)
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
(10 ب) كسرة (ابن) كسرة بناء لأنّها المجتزأة عن حذف ياء الإضافة.و (زيد) مبتدأ، و (قد خان) خبره.و (كل) فعل أمر من الأكل.و (صديق) مجرور بلام الجر في أوله، ولهذا أدغمت لاجتماعها مع لام (كل) .و (أفراخا) مفعول (كل) ، و (من) متعلقة ب (كل) .و (عنده) إمّا ظرف للأكل أو صفة لحمامه وقد تقدّم فصار حالاً، وهذا على مذهب من أجاز تقديم حال المجرور عليه، تقديره: يا ابني زيدٌ قد خان فاعلم وكل أفراخا للصديق من حمامه عنده.وقال ملغزٌ آخر:44 - (أتانا عبيد الله في أرض قومنا … ولم يأتنا ذاك الكذوب الموبخا)(أتانا) تثنية أتانٍ، وعبيدِ الله مجرور بإضافتها إليه.و (الموبخ) منصوب على الذّمّ، وناصبه أعني.وقال آخر:45 - (نصبت لي الفخاخ تريد صيدي … وقد أفلتّ من قبل الفخاخ)رفع (الفخاخ) على البدل من الضمير في (تريد) ، لأنّه ضمير الفخاخ المنصوبة، وتريد حال من الفخاخ الأولى، وقد حذف التنوين من (قبل) ، التقدير: نصبت لي الفخاخ، تريد الفخاخ صيدي، وقد أفلتّ من قبل.وقال آخر:46 - (قالوا تفرّدت لا خلاّ ولا سكناً … فقلت من أين للحرّ الكريم أخا)نصب (خلاّ وسكناً) بفعل مقدر دلّ عليه، أي: تصحب أو تألف و (أخا) مقصورٌ، أحد لغاته، حكاه ابن السّكيّت في إصلاحه وغيره، وهو مبتدأ (11 أ) والظرف قبله خبرٌ عنه.
(১০ খ) (ইবন) শব্দের কাসরা হলো গঠনগত ভিত্তি, কারণ এটি ইয়া-এ ইদাফাত বিলুপ্ত করার কারণে সংক্ষিপ্ত রূপ।এবং (যায়েদ) হলো উদ্দেশ্য, এবং (কাদ খানা) হলো তার বিধেয়।এবং (কুল) হলো আহার করা অর্থ হতে উদ্ভূত একটি অনুজ্ঞাসূচক ক্রিয়া।এবং (সাদিক) শব্দটি শুরুতে অব্যয় 'লাম' থাকার কারণে মাজরুর হয়েছে, আর একারণেই (কুল) এর 'লাম'-এর সাথে এটি সন্ধিযুক্ত হয়েছে।এবং (আফরাখান) হলো (কুল) এর কর্ম, এবং (মিন) শব্দটি (কুল)-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।এবং (ইনদাহু) হয় আহারের জন্য স্থানবাচক বিশেষ্য অথবা তার কবুতরের বিশেষণ যা আগে আসার কারণে অবস্থা হিসেবে গণ্য হয়েছে। এটি ঐ সকল ব্যাকরণবিদের অভিমত যারা মাজরুর-এর পূর্বে তার অবস্থা আসাকে বৈধ মনে করেন। এর প্রচ্ছন্ন রূপ হলো: হে আমার পুত্র! যায়েদ বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, সুতরাং জেনে রাখো এবং বন্ধুর জন্য তার কবুতরের বাচ্চাগুলো তার নিকট থেকে আহার করো।অন্য এক ধাঁধাঁ রচয়িতা বলেন:44 - (ওবায়েদ উল্লাহ আমাদের স্বজাতির ভূমিতে আমাদের নিকট এলেন... অথচ সেই নিন্দিত চরম মিথ্যাবাদী (الكذوب) আমাদের নিকট আসেনি)(আতানা) হলো 'আতান' (গাধী) শব্দের দ্বিবচন, এবং 'উবায়েদ উল্লাহ' শব্দটি এর সাথে সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে মাজরুর হয়েছে।এবং (মুওয়াব্বাখ) শব্দটি নিন্দা জ্ঞাপনের কারণে মানসুব হয়েছে, আর এর কারক প্রদানকারী হলো 'আ’নী' (অর্থাৎ আমি বুঝাতে চাচ্ছি)।অন্যজন বলেন:45 - (তুমি আমার জন্য শিকারের উদ্দেশ্যে জাল পেতেছ... অথচ আমি জালের পূর্বেই মুক্তি পেয়েছি)(আল-ফিখাখ) শব্দটির রফ’ বা পেশ হয়েছে (তুরিদু) এর অন্তর্গত সর্বনামের বদল হিসেবে, কারণ এটি হলো মানসুবকৃত জালের সর্বনাম, আর (তুরিদু) হলো প্রথম 'ফিখাখ' থেকে অবস্থা। (কাবলু) থেকে তানভীন বিলুপ্ত হয়েছে। এর প্রচ্ছন্ন রূপ: তুমি আমার জন্য জাল পেতেছ, জালগুলো আমার শিকার করতে চাইছে, অথচ আমি পূর্বেই মুক্তি পেয়েছি।অন্যজন বলেন:46 - (তারা বলল, তুমি নিঃসঙ্গ হয়ে গেছ, তোমার কোনো বন্ধু বা সঙ্গী নেই... আমি বললাম, একজন মর্যাদা সম্পন্ন স্বাধীন ব্যক্তির জন্য ভাই কোথায়?)একটি উহ্য ক্রিয়া যা দ্বারা নির্দেশিত হয়েছে তার মাধ্যমে (খিললান ওয়া সাকানান) মানসুব হয়েছে, অর্থাৎ: তুমি সাহচর্য দাও বা বন্ধুত্ব করো। আর (আখা) হলো হ্রস্ব স্বর বিশিষ্ট (মাকসুর), এটি এর অন্যতম ভাষাতাত্ত্বিক রূপ, ইবনুল সিক্কিত তার 'ইসলাহ' ও অন্যান্য গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন। এটি হলো উদ্দেশ্য (১১ ক) এবং এর পূর্বের স্থানকালবাচক অব্যয়টি হলো এর বিধেয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
وقال آخر:47 - (وإنا أناساً لا يلذّ لنا الكرى … إذا ما خلا منا إليك مناخا)نصب (أناساً) على التخصيص والمدح على اسم إنّ وكأنّه المعرفة، كقوله:(إنا بني نهشل … )وهو نكرة كما ترى.ونظيره قول أمية بن أبي عائذ، أنشده سيبويه والزمخشري:(ويأوي إلى نسوة عطّلٍ … وشعثاً مراضيع مثل السعالي)و (مناخا) ظرف معمول (يلذ) .وفي (خلا) ضمير [فاعل] من مناخ، تقديره: وإنا - أخص إنسانا - لا يلذ لنا الكرى في مناخ إذا خلا منّا إليك.وقال آخر:48 - (ورام الشيخ بالأشراك ختلي … فلم تنفعه أشراكا وفخا)للذي يصاد فيه، تقديره: فلم تنفعه الأشراك أشراكاً أي من أشراك.وقال ملغز:49 - (علا الله رزق الإنس والجنّ راتبٌ … وما أحدٌ كالله في الجود والسخا)
এবং অন্যজন বলেছেন:৪৭ - (আর নিশ্চয়ই আমরা এমন একদল মানুষ যাদের নিকট ঘুম আনন্দদায়ক হয় না... যখন আমাদের থেকে পৃথক হয়ে আপনার দিকে কোনো বিশ্রামস্থল নির্জন হয়।)(أناساً) শব্দটি বিশেষত্ব প্রদান (التخصيص) এবং প্রশংসার (المدح) উদ্দেশ্যে 'ইন্না'-এর বিশেষ্য বা ইসিম হিসেবে নসব (نصب) প্রাপ্ত হয়েছে, যেন এটি একটি নির্দিষ্ট বিশেষ্য (المعرفة); যেমন কবির উক্তি:(নিশ্চয়ই আমরা নাহশাল গোত্রের সন্তান... )আর এটি একটি অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة), যেমনটি আপনি দেখছেন।এর অনুরূপ হলো উমাইয়্যা ইবনে আবি আয়িযের উক্তি, যা সিবওয়াইহি এবং যামাখশারি উদ্ধৃত করেছেন:(আর তিনি এমন কিছু অলংকারহীন নারীর নিকট আশ্রয় নেন... যারা উস্কোখুস্কো চুলের স্তন্যদানকারী এবং ডাইনীর মতো।)এবং (مناخا) শব্দটি (يلذ) ক্রিয়ার আমলপ্রাপ্ত একটি আধার বা যরফ (ظرف)।আর (خلا) ক্রিয়ার মধ্যে (مناخ) থেকে আগত একটি উহ্য কর্তা (ضمير فاعل) রয়েছে; এর অর্থগত বিশ্লেষণ হলো: আর নিশ্চয়ই আমরা - আমি একদল মানুষকে বিশেষায়িত করছি - আমাদের জন্য কোনো বিশ্রামস্থলে ঘুম আনন্দদায়ক হয় না যখন তা আমাদের থেকে পৃথক হয়ে আপনার দিকে নির্জন হয়।এবং অন্যজন বলেছেন:৪৮ - (বৃদ্ধ ব্যক্তিটি শিকারি জালের মাধ্যমে আমাকে প্রতারিত করতে চাইল... কিন্তু সেই জাল ও ফাঁদ তার কোনো উপকারে আসেনি।)এটি এমন বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যা দিয়ে শিকার করা হয়; এর অর্থগত বিশ্লেষণ হলো: সেই জালগুলো শিকারি জাল হিসেবে তার কোনো উপকারে আসেনি, অর্থাৎ জালের দিক থেকে।এবং ধাঁধা প্রদানকারী বলেছেন:৪৯ - (আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষ ও জিনের জন্য নির্ধারিত জীবিকা সুউচ্চ... আর দান ও বদান্যতায় আল্লাহর তুল্য কেউ নেই।)
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
(علا) فعل ماض، و (الله) فاعله، كأنه قال: الله تعالى ورزق الإنس مثنى، فلهذا فتح، وهو مبتدأ، و (راتب) خبره.فإن قلت: فلم [لم] يثن راتباً قلت: لأن المصدر، تثنيته وجمعه، قريب من واحده، لأنه جنس، أو لأنّه حمله على شيء راتب، كقوله تعالى: {قريب من المحسنين} . (حرف الدال)أنشده أبو علي في كتاب الشعر المسمّى بكتاب أبيات الإيضاح:50 - (وكأنّه لهق السّراة كأنّه … ما حاجبيه معين بسواد)(ما) زائدة، و (حاجيبيه) بدل من اسم كأن.(معين) خبر حاجيبيه.فإن قلت: كيف تفرد (11 ب) الخبر والاسم مثنى قلت: هو محمولٌ على اسم كأنّ، وهو مفرد، والبدل لا يرفع حكم المبدل منه بتّة ورأساً، فهذا هو الذي يسوغ الإفراد، ولولا هو لوجبت التثنية.وقال ملغزٌ:51 - (إنما أمّ خالدٌ يوم جاءت … بغلة الزينبيّ من قصر زيدا)(أمّ) فعل ماضٍِِِِِِِِِِ، ومعناه: شجّ.و (خالدّ) قائمٌ مقام الفاعل.و (بغلتا) تثنية بغلةٍ، وهو مرفوع فاعل (جاءت) ، وأفرد بغلةَ في الخطّ للمعاياة.و (من) فعل أمر من: مان يمين، أي كذب، متعدٍ، و (زيداَ) مفعوله.و (قصر) اسم رجلٍ منادى، تقديره: إنّما شجّ خالدٌ يوم جاءت بلغتا الزينبيّ اكذب يا قصر زيداً.وقال العباس بن مرداس السلميّ:53 - (ومن قبل آمنا وقد كان قومنا … يصلون للأوثان قبل محمدا)
(আলা) একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض), এবং (আল্লাহ) হলো এর কর্তা (فاعل), এটি যেন তার এই কথার মতো: আল্লাহ তাআলা উচ্চমর্যাদাবান এবং তিনি মানুষের জীবিকাকে জোড়ায় জোড়ায় প্রদান করেছেন। একারণেই এটি ফাতহা বিশিষ্ট হয়েছে, আর এটি একটি উদ্দেশ্য (مبتدأ), এবং (রাতেব) হলো এর বিধেয় (خبر)।যদি আপনি প্রশ্ন করেন: কেন (রাতেব) শব্দটিকে দ্বিবচন করা হয়নি? আমি বলব: কারণ ক্রিয়ামূল (المصدر)-এর দ্বিবচন (تثنية) ও বহুবচন (جمع) তার একবচনের অর্থের নিকটবর্তী থাকে, যেহেতু এটি একটি সাধারণ শ্রেণিবাচক শব্দ (জিনস), অথবা এজন্য যে একে কোনো একটি নিয়মিত বা স্থির বিষয়ের ওপর আরোপ করা হয়েছে, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী}। (দাল বর্ণ)আবু আলী একে কবিতার কিতাবে উল্লেখ করেছেন যার নাম কিতাব আবিয়াত আল-ইদাহ:50 - (এবং যেন সেটি শুভ্র পিঠবিশিষ্ট, যেন... তার দুই ভ্রূ কালো রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে)(মা) শব্দটি এখানে অতিরিক্ত (زائدة), এবং (হাজিবাইহি) শব্দটি কান্নার বিশেষ্যের (اسم كأن) স্থলাভিষিক্ত (بدل)।(মুইন) হলো হাজিবাইহি-এর বিধেয় (خبر)।যদি আপনি প্রশ্ন করেন: বিশেষ্যটি দ্বিবচন হওয়া সত্ত্বেও বিধেয়টি (১১ খ) কেন একবচন হলো? আমি বলব: এটি কান্নার বিশেষ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে যা একবচন, আর স্থলাভিষিক্ত (بدل) পদটি মূল পদের বিধানকে পুরোপুরি ও মূলে রহিত করে দেয় না। এটিই মূলত এখানে একবচন হওয়াকে বৈধতা দিয়েছে, আর এটি না হলে দ্বিবচন করা আবশ্যক হতো।একজন ধাঁধা রচনাকারী বলেছেন:51 - (নিশ্চয়ই খালিদের মা যেদিন এসেছিল, জায়নাবীর খচ্চরটি যাইদ এর প্রাসাদ থেকে...)(আম্মা) একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض), যার অর্থ হলো: মাথা ফাটিয়ে দেওয়া।এবং (খালিদ) এখানে কর্তার স্থলাভিষিক্ত (قائم مقام الفاعل) হয়েছে।এবং (বাগালাতা) হলো বাগালাহ শব্দের দ্বিবচন (تثنية), এটি (জাআত) ক্রিয়ার মারফু অবস্থায় থাকা কর্তা (فاعل), আর ধাঁধার মারপ্যাঁচের কারণে লেখার সময় বাগালাহ শব্দটিকে একবচন হিসেবে রাখা হয়েছে।এবং (মিন) হলো মানা-ইয়ামিনু থেকে আগত আদেশসূচক ক্রিয়া (فعل أمر), যার অর্থ: সে মিথ্যা বলেছে, এটি একটি সকর্মক ক্রিয়া, আর (যাইদান) হলো এর কর্ম (مفعول)।এবং (কাসর) হলো একজন ব্যক্তির নাম যা এখানে সম্বোধিত পদ (منادى), এর মর্মার্থ হলো: নিশ্চয়ই খালিদের মাথা ফাটানো হয়েছিল যেদিন জায়নাবীর খচ্চর দুটি এসেছিল, হে কাসর! তুমি যাইদ সম্পর্কে মিথ্যা বলো।আব্বাস বিন মিরদাস আস-সুলামী বলেছেন:53 - (এবং তার পূর্বেই আমরা ঈমান এনেছিলাম, যখন আমাদের কওম মুহাম্মদ এর আসার পূর্ব পর্যন্ত মূর্তিপূজা করত)
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
محمد صلى الله عليه وسلم مفعول (آمنا) أي صدّقنا.و (قبل) ظرف مبني على الفتح، وهي لغةٌ، حكاه ثعلبٌ عن الفرّاء، وحكاه ابن الأنباري في كتاب الزاهر.ويروى: قبلاًَ، نكرة، وحذف التنوين للضرورة.وقال ملغز معقد:53 - (جاء بي خالداً فأهلك زيداً … ربك الله يا محمد زيدا)(جا) فعل ماضٍ وأصله: جاء، وقصره لضرورة الشعر، شبهّه بالممدود من الأسماء.و (أبي) فاعله.و (خالداً) مفعول جاء.و (ربك الله) منصوب على التحذير، أي احذر.و (يا محمّ) منادى مرخم.و (د) أمر من: ودى يدي، إذا أعطي الدية.و (زيدا) مفعوله.(12 أ) وقال ملغز:54 - (نحن منّا الملوك في سالف الدهر … قديماً ونحن منّا الوليدا)(منّا) في الموضعين بمعنى كذبنا.و (الملوك والوليد) مفعولاها.وقال ملغز آخر:55 - (وأنّ لبونً يوم راحوا عشيّةً … أبي منذرً فاركب على الجمل الصلدا)(أنّ) فعل ماضٍ من الأنين، و (لبون) فاعله، و (الصلدا) مفعوله، تقديره: توجعت لبون يوم راحوا وامتنع منذر، اركب فقد علا الجمل المكان الصلب.
মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হলো (আমান্না) এর কর্ম (مفعول), অর্থাৎ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি।এবং (কাবলা) হলো ফাতহা-র ওপর ভিত্তি করে গঠিত একটি ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف); এটি একটি ভাষাগত রীতি, যা সা'লাব আল-ফাররা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনুল আনবারি 'আল-যাহির' কিতাবে এটি উল্লেখ করেছেন।এবং এটি বর্ণিত হয়েছে (ويروى): 'কাবলান' হিসেবে, যা একটি অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة), এবং কাব্যিক প্রয়োজনের তাগিদে এখানে তানউইন বিলুপ্ত করা হয়েছে।একজন জটিল ধাঁধাকার বলেছেন:৫৩ - (জায়া বী খালিদান ফাআহলাকা যাইদান … রাব্বুকাল্লাহু ইয়া মুহাম্মু যাইদা)(জা) হলো অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض), এর মূল রূপ ছিল: 'জাআ'; কাব্যিক ছন্দের প্রয়োজনে একে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে এবং একে দীর্ঘায়িত বিশেষ্যের সাথে সাদৃশ্য দেওয়া হয়েছে।এবং (আবী) হলো এর কর্তা (فاعل)।এবং (খালিদান) হলো 'জাআ' এর কর্ম (مفعول)।এবং (রাব্বুকাল্লাহ) সতর্কীকরণের উদ্দেশ্যে নসব-যুক্ত (منصوب) হয়েছে, অর্থাৎ 'তুমি সতর্ক হও'।এবং (ইয়া মুহাম্মু) হলো একটি সংক্ষেপিত সম্বোধিত পদ (منادى مرخم)।এবং (দি) হলো 'ওয়াদা-ইয়াদী' ধাতু থেকে আগত একটি আদেশসূচক ক্রিয়া (أمر), যার অর্থ রক্তপণ প্রদান করা।এবং (যাইদান) হলো এর কর্ম (مفعول)।(১২ ক) জনৈক ধাঁধাকার বলেছেন:৫৪ - (নাহনু মান্না আল-মুলুকা ফী সালিফিদ দাহরি … কদীমান ওয়া নাহনু মান্না আল-ওয়ালিদা)উভয় স্থানে (মান্না) শব্দটি 'আমরা মিথ্যা বলেছি (كذبنا)' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।এবং (আল-মুলুক ও আল-ওয়ালীদ) হলো এর দুটি কর্ম (مفعول)।অন্য একজন ধাঁধাকার বলেছেন:৫৫ - (ওয়া আন্না লাবুনুন ইয়াওমা রাহূ আশিয়্যাতান … আবী মুনযিরুন ফারকাব আলাল জামালি আস-সালাদা)(আন্না) হলো আর্তনাদ করা অর্থে একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض), 'লাবুন' হলো এর কর্তা (فاعل), এবং 'আস-সালাদা' হলো এর কর্ম (مفعول)। এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো: তারা যেদিন সন্ধ্যায় প্রস্থান করল সেদিন লাবুন ব্যথিত হয়ে আর্তনাদ করেছিল এবং মুনযির বিরত ছিল; সুতরাং আরোহণ করো, কেননা উটটি শক্ত ভূমির ওপর উঠেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
وأنشد أبو العباس أحمد بن يحيى ثعلب:56 - (ولو أنّ نفساً أخرجتها مهابة … لأخرج نفسي اليوم ما قال خالد)(ما) زائدة، و (قال) هنا أخو القيل، وهو مرفوع فاعل (أخرج) .و (خالد) مجرور بإضافة القال إليه، تقديره: لأخرج نفسي قول خالدٍ.وأنشد أبو العباس أيضاً:57 - (ألا ليت أيام الصفاء جديد … ودهرا تولى يا بثين يعود)يروى بنصب (أيام) وجر (الصفا) ورفعه.فأيام اسم ليت، و (الصفاء) مجرور بإضافة أيام إليه، في رواية من جر.وخبر ليت (جديد) ، وذكره حملاً على الصفاء، في قول ثعلب، وعلى الزمان، في قول أبي عليّ.ومن رفع (الصفاء) جعله مبتدأ، و (جديد) خبره، وموضع الجملة جر بإضافة (أيام) إليها.والخبر (لنا) محذوفة، أو يعود، وحذفه اكتفاء بقوله: يا بثين يعود.وجوز أبو علي رفع (أيام) وجر (الصفاء) ، على حذف ضمير الشأن من (ليت) والجملة خبر.وأنشد أبو علي: (12 ب)58 - (شهيدي زياد على حبها … أليس بعدلٍ عليها زيادا)في نصب زياد طريقان، أحدهما (حبها) ، في ليس ضمير من زياد، تقديره: على حبها زيادا، أليس زياد بعدلٍ عليها والثاني على جهة الإغراء، وفيه بعد من أجل ضمير الغيبة، ونظيره: عليه رجلاً، ومثله:(دونها [عسف] كلّ بيد سحوق … )
আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া সা'লাব আবৃত্তি করেছেন:
৫৬ - (যদি কোনো আত্মা ভীতির কারণে বেরিয়ে যেত … তবে আজ খালিদ যা বলেছে তা আমার আত্মাকে বের করে দিত)
এখানে ‘মা’ শব্দটি অতিরিক্ত (زائدة), এবং ‘ক্বালা’ শব্দটি ‘ক্বাইল’ (কথা)-এর সমার্থক; আর এটি ‘আখরাজা’ ক্রিয়ার পেশযুক্ত (مرفوع) কর্তা (فاعل)।
এবং ‘খালিদ’ শব্দটি ‘ক্বাল’-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে জেরযুক্ত (مجرور), এর মূল রূপ হলো: ‘খালিদের কথা আমার আত্মাকে বের করে দিত’।
আবু আল-আব্বাস আরও আবৃত্তি করেছেন:
৫৭ - (হায়! যদি স্বচ্ছলতার দিনগুলো নতুন হতো … এবং হে বুসাইনা! যে সময় চলে গিয়েছে তা যদি ফিরে আসত)
এটি ‘আইয়্যাম’ শব্দটিকে জবরযুক্ত (منصوب) এবং ‘সাফা’ শব্দটিকে জেরযুক্ত (مجرور) ও পেশযুক্ত (مرفوع) অবস্থায় বর্ণনা (رواية) করা হয়েছে।
সুতরাং ‘আইয়্যাম’ শব্দটি ‘লাইতা’-এর ইসিম (اسم), এবং যারা জের দিয়ে পড়েছেন তাদের বর্ণনা (رواية) অনুযায়ী ‘সাফা’ শব্দটি ‘আইয়্যাম’-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার কারণে জেরযুক্ত (مجرور)।
আর ‘লাইতা’-এর খবর (خبر) হলো ‘জাদীদ’; সা'লাবের মতে এটি ‘সাফা’ শব্দের অনুগামী হওয়ার কারণে এবং আবু আলীর মতে এটি ‘যামান’ (সময়) শব্দের অনুগামী হওয়ার কারণে পুংলিঙ্গ হয়েছে।
আর যারা ‘সাফা’ শব্দটিকে পেশ (مرفوع) দিয়েছেন, তারা একে মুবতাদা (مبتدأ) এবং ‘জাদীদ’ শব্দটিকে তার খবর (خبر) গণ্য করেছেন; এমতাবস্থায় পূর্ণ বাক্যটি ‘আইয়্যাম’ শব্দের সাথে সম্বন্ধযুক্ত (ইযাফত) হওয়ার কারণে জেরের (مجرور) স্থলাভিষিক্ত হয়েছে।
আর মূল খবর (خبر) হিসেবে ‘লানা’ (আমাদের জন্য) শব্দটি এখানে উহ্য (محذوف), অথবা ‘ইয়াউদু’ (ফিরে আসা) শব্দটি খবর; আর কবির কথা ‘হে বুসাইনা! ফিরে আসত’—এর ওপর নির্ভর করে তা উহ্য রাখা হয়েছে।
আবু আলী ‘আইয়্যাম’ শব্দটিকে পেশ (مرفوع) এবং ‘সাফা’ শব্দটিকে জের (مجرور) প্রদান করা বৈধ বলেছেন, যা ‘লাইতা’ থেকে যমিরুশ শান (ضمير الشأن) উহ্য (محذوف) থাকার ভিত্তিতে; এমতাবস্থায় পরবর্তী বাক্যটি খবর (خبر) হিসেবে গণ্য হবে।
আবু আলী আবৃত্তি করেছেন: (১২ খ)
৫৮ - (যিয়াদ তার ভালোবাসার ওপর আমার সাক্ষী … যিয়াদ কি তার প্রতি ন্যায়পরায়ণ নয়?)
‘যিয়াদ’ শব্দটিকে জবরযুক্ত (منصوب) করার ক্ষেত্রে দুটি বিশ্লেষণ রয়েছে: প্রথমটি হলো ‘হুব্বিহা’ শব্দের কারণে; এমতাবস্থায় ‘লাইসা’-এর মধ্যে ‘যিয়াদ’-এর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী একটি সর্বনাম রয়েছে, যার মূল রূপ: ‘তার যিয়াদকে ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করে, যিয়াদ কি তার প্রতি ন্যায়পরায়ণ নয়?’। দ্বিতীয়টি হলো উদ্বুদ্ধকরণ (إغراء) হিসেবে, তবে নামপুরুষের সর্বনাম (ضمير الغيبة) ব্যবহারের কারণে এতে কিছুটা দূরবর্তী সম্ভাবনা রয়েছে। এর সদৃশ উদাহরণ হলো: ‘আলাইহি রাজুলান’, এবং অনুরূপ উদাহরণ হলো:
(তার আগে প্রতিটি দুর্গম মরুভূমি পাড়ি দিতে হয় … )
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
وقال دريد بن الصّمّة:59 - (وطاعنت عنه القوم حتى تبددوا … وحتى علاني حالك اللون أسود)قصيدة هذا البيت مجرورة، والبيت يروى بالرفع والجرّ، فالرفع على الإقواء، ولا إشكال.وأمّا الجر فأنّه أراد: أسودي، فخفّف الياء فبقي اللفظ بها كما ترى.والصفات جمع يزاد عليها الياء المشدّدة للنسب اختياراً كأحمري ودواريّ.وقال ملغز:60 - (من سعيد بن دعلجٍ يا ابن هندٍ … تنج من كيده ومن مسعودا)(من) بمعنى اكذب، في الموضعين، و (سعيداً) و (مسعوداً) مفعولاهما.و (تنج) جواب الشرط المقدّر. (حرف الذال)قال شاعر:61 - (جفا وصلي الحبيب على اطرادٍ … وكان جفاؤه وصلي شذوذ)في كان ضمير من الحبيب.و (جفا) مبتدأ، و (وصلي) مفعوله، لأنّه مصدر مضاف إلى الفاعل، متعدي الفعل.و (شذوذ) خبره، والجملة خبر كان، تقديره: وكان الحبيب جفاؤه الوصل شذوذ.ومثل هذا قال امرؤ القيس:(فبات عليه سرجه ولجامه … )(13 أ) في أحد الوجهين.
দুরাইদ বিন আস-সিম্মাহ বলেন:৫৯ - (আমি তাঁর পক্ষ হতে কওমের সাথে লড়াই করেছি যতক্ষণ না তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল... এবং যতক্ষণ না অতিশয় গাঢ় কৃষ্ণবর্ণ আমাকে আচ্ছন্ন করল)এই পঙক্তির মূল কবিতাটি মাজরুর (مجرور), তবে এই পঙক্তিটি রফ (رفع) এবং জর (جر) উভয়ভাবে বর্ণিত হয়। রফ (رفع) হওয়াটি মূলত ইকওয়া (إقواء) এর অন্তর্ভুক্ত, এতে কোনো সংশয় নেই।আর জর (جر) হওয়ার কারণ হলো, তিনি মূলত 'আসওয়াদী' বুঝাতে চেয়েছেন, অতঃপর 'ইয়া' বর্ণটিকে হালকা করা হয়েছে, ফলে শব্দটির রূপ এমন হয়েছে যা আপনি দেখছেন।গুণবাচক শব্দগুলোর বহুবচনের শেষে ইচ্ছানুযায়ী নিসবত বা সম্বন্ধ প্রকাশের (نسبة) জন্য তাশদীদযুক্ত 'ইয়া' যুক্ত করা হয়, যেমন: আহমারী এবং দাওয়ারী।ধাঁধা রচয়িতা বলেছেন:৬০ - (হে হিন্দের পুত্র! সাঈদ ইবনে দালাজের ব্যাপারে মিথ্যা বলো... তবেই তুমি তার ও মাসউদের ষড়যন্ত্র হতে মুক্তি পাবে)উভয় স্থানে 'মিন' (من) শব্দটি 'মিথ্যা বলো' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'সাঈদ' ও 'মাসউদ' হলো সেগুলোর মাফউল (مفعول)।আর 'তাঞ্জা' হলো একটি উহ্য শর্তের (شرط) জওয়াব (جواب)। (যাল বর্ণ)জনৈক কবি বলেছেন:৬১ - (প্রিয়তম ক্রমাগতভাবে আমার মিলন প্রত্যাখ্যান করেছে... আর আমার মিলন প্রত্যাখ্যান করাই ছিল বিচ্যুতি)'কানা' এর মধ্যে একটি যমীর (ضمير) বা সর্বনাম রয়েছে যা প্রিয়তমের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।এবং 'জাফা' হলো মুবতাদা (مبتدأ), আর 'ওয়াসলী' হলো তার মাফউল (مفعول); কারণ এটি ফায়িলের (فاعل) দিকে সম্বন্ধযুক্ত একটি মাসদার (مصدر), যা মুতাআদ্দি (متعدي) বা সকর্মক ক্রিয়ার ন্যায় কাজ করে।এবং 'শুজুজ' হলো এর খবর (خبر), আর এই বাক্যটি 'কানা' এর খবর (خبر)। এর বিশ্লেষণ হলো: প্রিয়তমের মিলন প্রত্যাখ্যান করাই ছিল বিচ্যুতি।এর অনুরূপ কথা ইমরুল কায়েস বলেছেন:(তার উপর জিন এবং লাগাম রাত কাটিয়েছে...) (১৩ ক) দুই সম্ভাব্য অবস্থার একটিতে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
وقال ملغز:62 - (هذا سليمان أبي جعفر … فقال بشراً حسنٌ هذا)(هذا) فعلٌ ماضٍ من المهاذاة، مثل ضارب.و (سليمان) مفعوله، و (أبي) فاعله، و (جعفر) بدل منه أو عطف بيان.وفي (قال) ضمير من سليمان.و (حسنٌ) مبتدأ، و (هذا) مع فاعله في محل رفع خبره، وهو فعل ماضٍ مثل (هذا) في أول البيت.و (بشراً) مفعوله، تقديره: فقال سليمان: حسنٌ هذا بشراً. (حرف الراء)وقال بعض الملغزين:63 - (استرزق الله واطلب من خزائنه … رزقاً يثبك [وإنّ] الله غفّارا)سئل أحمد بن يحيى عن هذا البيت فقال: (الله) فاعل بيثبك، و (غفّاراً) حال منه، و (إنّ) فعل أمر من الأنين معطوف على (استرزق) ، ولم يبيّن رحمه الله من أي الأحوال هي.قلت: يجوز أن تكون منتقلةً لأنّ الإنابة تكون على الواجب والمندوب مع عدم الغفران عن المحصور.ويجوز أنّ تكون مؤكدة لأنّ الإنابة على الشيء تناقض العاقبة على ذلك الشيء، تقديره: استرزق الله وإن يثبك الله غفّاراً.وقال ملغز آخر:64 - (أقول لعبد الله يا زيد إنّه … سيأتيك عبد الله يا زيد فاصبرا)اللام: فعل أمر من: ولي يلي، و (عبد الله) مفعوله.أما عبد الله الثاني فيجوز فيه الرفع والفتح والجر.وأما الرفع فظاهرٌ، وأمّا الفتح فعلى أنّه مثنى، وأمّا الجّر فبالكاف قبله، وموضعها رفع فاعل (سيأتي) .والألف في (اصبرا) بدل من نون التوكيد (13 ب) الخفيفة.
একজন ধাঁধাকার বলেছেন:
৬২ - (হাদা সুলাইমান আবি জাফর … ফাকালা বাশারান হাসানুন হাদা)
(হাদা) শব্দটি এখানে 'আল-মুহাযাত' (প্রতিযোগিতা করা বা সদৃশ হওয়া) থেকে উদ্ভূত একটি অতীতকালীন ক্রিয়া, যেমন ‘দারাবা’।
এবং (সুলাইমান) এর কর্মপদ (মাফুল), এবং (আবি) এর কর্তৃপদ (ফায়িল), আর (জাফর) তার থেকে ‘বদল’ (পরিবর্তিত শব্দ) অথবা ‘আতফে বয়ান’ (ব্যাখ্যামূলক সংযোগ)।
এবং (কালা) ক্রিয়ার মধ্যে সুলাইমানের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী একটি সর্বনাম রয়েছে।
এবং (হাসানুন) শব্দটি এখানে উদ্দেশ্য (মুবতাদা), আর (হাদা) শব্দটি তার কর্তৃপদসহ খবর হিসেবে ‘রফ’ (পেশ)-এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে; এটি একটি অতীতকালীন ক্রিয়া, যেমনটি পঙক্তির শুরুতে (হাদা) শব্দটি ছিল।
এবং (বাশারান) তার কর্মপদ, এর প্রচ্ছন্ন অর্থ হলো: সুলাইমান বললেন, হাসান এই ব্যক্তিকে আনন্দিত করেছে।
(রা বর্ণ)
জনৈক ধাঁধাকার বলেছেন:
৬৩ - (আল্লাহর কাছে রিজিক প্রার্থনা করো এবং তাঁর ভাণ্ডারসমূহ থেকে অন্বেষণ করো … এমন রিজিক যা তোমাকে সওয়াব দেবে [এবং নিশ্চয়ই/আর্তনাদ করো] আল্লাহ ক্ষমাশীল)
আহমদ ইবনে ইয়াহইয়াকে এই পঙক্তিটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: (আল্লাহ) শব্দটি ‘ইউসিবুকা’ ক্রিয়ার কর্তৃপদ, আর (গাফফারান) শব্দটি তার থেকে ‘হাল’ (অবস্থা) হিসেবে এসেছে। আর (ইন্না) শব্দটি ‘আল-আনিন’ (আর্তনাদ করা) থেকে আগত একটি নির্দেশসূচক ক্রিয়া (আমর) যা (ইস্তারযিক) শব্দের ওপর ‘আতফ’ (সংযুক্ত) হয়েছে। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) এটি কোন ধরনের ‘হাল’ তা স্পষ্ট করেননি।
আমি বলি: এটি ‘মুনতাকিলাহ’ (অস্থায়ী অবস্থা) হওয়া সম্ভব, কারণ অনুশোচনা বা প্রত্যাবর্তন কেবল ওয়াজিব ও মানদুব কার্যের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে, যেখানে সীমাবদ্ধ বা নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য ক্ষমা না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এবং এটি ‘মুয়াক্কিদাহ’ (দৃঢ়তাসূচক অবস্থা) হওয়াও সম্ভব, কারণ কোনো বিষয়ের ওপর প্রত্যাবর্তন বা ইনাবাত করা সেই বিষয়ের পরিণতির বিপরীত। এর প্রচ্ছন্ন বিশ্লেষণ হলো: আল্লাহর কাছে রিজিক প্রার্থনা করো এবং যদি আল্লাহ তোমাকে ক্ষমাশীল অবস্থায় সওয়াব দান করেন (তবে আর্তনাদ/প্রার্থনা করো)।
অন্য একজন ধাঁধাকার বলেছেন:
৬৪ - (আমি আবদুল্লাহকে বলি, হে যায়েদ নিশ্চয়ই সে … তোমার কাছে আবদুল্লাহ আসবে হে যায়েদ, সুতরাং তুমি ধৈর্য ধরো)
এখানে ‘লাম’ (লি) হলো ‘ওয়ালিয়া-ইয়ালু’ (নিকটবর্তী হওয়া বা দায়িত্ব গ্রহণ করা) থেকে আগত একটি নির্দেশসূচক ক্রিয়া (আমর), আর (আবদুল্লাহ) তার কর্মপদ।
দ্বিতীয় (আবদুল্লাহ) শব্দটির ক্ষেত্রে রফ (পেশ), ফাতহা (যবর) এবং জার (যের) পড়া বৈধ।
রফ হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট (কর্তৃপদ হিসেবে); আর ফাতহা হওয়ার কারণ হলো এটি দ্বিবচন (আবদাল্লাই); আর জার হওয়ার কারণ হলো তার পূর্বের ‘কাফ’ হরফ (কা-আবদিল্লাহ), এমতাবস্থায় এর স্থানটি হবে ‘সাইয়াতি’ ক্রিয়ার কর্তৃপদ হিসেবে রফ-এর স্থলাভিষিক্ত।
এবং (ইসবরা) শব্দের মধ্যকার আলিফটি তাকিদ বা গুরুত্বজ্ঞাপক হালকা ‘নুন’ (১৩ খ) এর পরিবর্তে এসেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৪০)
وأنشد الجرمي:65 - (ولما قرا زيد علينا كتابه … وفي الصحف آثاراً عرفنا السرائر)(لمّا) فعل ماضٍ بمعنى حسّن.و (زيدٍ) مجرور بإضافة (قرأ) إليه، وهو الظهر، والظهر هنا مجاز عن المغيب، وهو منصوب مفعول به.و (كتابه) فاعل (لمّا) .و (آثاراً) مفعول (كتابه) لأنّه مصدر مثل الكتابة.و (علينا) إمّا بمعنى عنّا، أو للاستعلاء، فيكون تبييناً من (كتابه) .و (السرائر) مبتدأ، و (في الصحف عرفنا) الخبر، وقد حذف الضمير، أي عرفناها، تقديره: وحسّن مغيب زيدٍ ورود كتابه علينا آثاراً، والسرائر عرفناها في الصحف.وقال آخر:66 - (خمّر الشيب لمني تخميرا … وحدا بي إلى القبور البعيرا)(ليت شعري إذا القيامة قامت … ودعي بالحساب أين المصيرا)(خمر) في معنى خالط.و (تخميرا) مصدره.و (البعير) مفعول (حدا) .وفي (حدا) ضمير من (الشيب) ، تقديره: وحدا بي الشيب البعير إلى القبور.و (المصير) مفعول (شعري) ، لأنّ معناه: علمي، كأّنّه قال: يا ليتني أعلم المصير وأين يتبيّن من المصير إلى أين نصير وقيل: أين مجرد من الاستفهام، وموضعها حال، وفيه تعسّفوقال آخر:67 - (لقد طاف عبد الله بالبيت … فسل عن عبيد الله ثم أبا بكر)(عبد الله) مثنى فاعل (طاف) .و (سل عن) فعل ماض مسكّن الآخر للضرورة، ومعناه: المشي السريع.و (عبيد الله) فاعله.و (أبا) فعل ماض، و (بكر) فاعله.
আল-জারমি আবৃত্তি করেছেন:৬৫ - (এবং যখন জায়েদ আমাদের নিকট তার লিপি পাঠ করল... এবং পত্রসমূহে থাকা চিহ্নাবলি থেকে আমরা গোপন বিষয়গুলো জানতে পারলাম)(লাম্মা) শব্দটি ‘হাস্সানা’ (উত্তম করা) অর্থে ব্যবহৃত একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض)।এবং (জায়েদ) শব্দটি (কারআ) এর সাথে অন্বয় (إضافة) হওয়ার কারণে মাজরুর হয়েছে, যা দ্বারা পৃষ্ঠদেশ বোঝানো হয়েছে। এখানে পৃষ্ঠদেশ শব্দটি অনুপস্থিতি অর্থে রূপক (مجاز) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি মানসুব অবস্থায় কর্মপদ (مفعول به) হিসেবে রয়েছে।এবং (কিতাবুহু) শব্দটি (লাম্মা) এর কর্তৃপদ (فاعل)।এবং (আসারান) শব্দটি (কিতাবুহু) এর কর্মপদ (مفعول), কারণ এটি ‘কিতাবাহ’ এর ন্যায় একটি ক্রিয়ামূল (مصدر)।এবং (আলাইনা) শব্দটি হয় ‘আন্না’ (আমাদের থেকে) অর্থে, অথবা শ্রেষ্ঠত্ব (استعلاء) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে; এমতাবস্থায় এটি (কিতাবুহু) এর ব্যাখ্যা প্রদানকারী হবে।এবং (আস-সারাইর) হলো উদ্দেশ্য (مبتدأ), আর (ফি আস-সুহুফি আরাফনা) হলো বিধেয় (خبر)। এখানে সর্বনাম (ضمير) উহ্য রয়েছে, অর্থাৎ ‘আরাফনাহা’ (আমরা সেগুলো জেনেছি)। এর আনুমানিক রূপটি হলো: জায়েদের অনুপস্থিতিতে আমাদের নিকট তার লিপির চিহ্নাবলির আগমন বিষয়টিকে সুন্দর করেছে, আর পত্রসমূহের মাধ্যমে আমরা গোপন রহস্যগুলো জানতে পেরেছি।অন্য একজন কবি বলেছেন:৬৬ - (বার্ধক্য আমার মাথার চুলকে সাদা করে আবৃত করে ফেলেছে... এবং এটি উটকে কবরের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।)(আক্ষেপ! যদি আমি জানতে পারতাম যখন কিয়ামত সংঘটিত হবে... এবং হিসাবের জন্য ডাকা হবে, তখন গন্তব্যস্থল কোথায় হবে!)(খম্মারা) শব্দটি ‘মিশ্রিত হওয়া’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।এবং (তাখমিরান) হলো এর ক্রিয়ামূল (مصدر)।এবং (আল-বায়ির) শব্দটি (হাদা) এর কর্মপদ (مفعول)।এবং (হাদা) ক্রিয়াটির মধ্যে (আশ-শাইব) এর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী একটি সর্বনাম (ضمير) রয়েছে। এর আনুমানিক রূপ হলো: বার্ধক্য আমার উটকে কবরের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।এবং (আল-মাসির) শব্দটি (শি’রি) এর কর্মপদ (مفعول), কারণ এর অর্থ হলো ‘আমার জ্ঞান’। যেন তিনি বলেছেন: হায়! আমি যদি গন্তব্যস্থল সম্পর্কে জানতে পারতাম। আর ‘আইনা’ (কোথায়) শব্দটি গন্তব্যস্থলের ধরন ব্যাখ্যা করছে যে, আমরা কোথায় গিয়ে পৌঁছাব। কেউ কেউ বলেছেন: ‘আইনা’ শব্দটি এখানে প্রশ্নবোধক অর্থ মুক্ত এবং এটি অবস্থা (حال) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে; তবে এই ব্যাখ্যায় কিছুটা জটিলতা রয়েছে।অন্য একজন বলেছেন:৬৭ - (আবদুল্লাহ বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেছেন... সুতরাং উবাইদুল্লাহ এবং এরপর আবু বকর সম্পর্কে দ্রুত গমন করে সংবাদ নাও।)(আবদুল্লাহ) শব্দটি দ্বিবচন (مثنى) এবং (তাফা) এর কর্তৃপদ (فاعل)।এবং (সাল্লা আন) হলো একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض) যা কাব্যের প্রয়োজনে সুকুনযুক্ত হয়েছে; এর অর্থ হলো: দ্রুত পদচারণা করা।এবং (উবাইদুল্লাহ) হলো এর কর্তৃপদ (فاعل)।এবং (আবা) হলো একটি অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض) এবং (বাকর) হলো এর কর্তৃপদ (فاعل)।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৪১)
وقال آخر: (14 أ)68 - (فالشمس كاسفةٌ ليست بطالعةٍ … تبكي عليك نجوم الليل والقمرا)(حمّلت أمراً عظيماً فاضطلعت به … وسرت فيه بحكم الله يا عمرا)قيل: نصب (نجوم) بكاسفة.وقيل: الظرف مقدم الحاج.وقيل: هي مفعول (تبكي) ، وهو المختار عندي، والمعنى: تبكي النجوم لفقدها إيّاك.فإن قلت: فلم خص الشمس بالبكاء قلت: لأنّها أعظم النجوم فإذا وجدت على المرء الممدوح مع عظمها بكت غيرها من النجوم، لقوة جزعه وهلعه.و (عمرا) مندوب، أي: عمراه.وقال ملغز متعسّفٌ:69 - (إنما زيداً إلينا سائراً … من مكان ضلّ فيه السّائر)(فهو يأتينا عشاً في سحر … ماله في يده أو عامر)(إنّ) حرف شرط.و (نمى) فعل ماض بمعنى: زاد.و (زيدا) مفعول نمى، وقد عدّاه حملاً على (زاد) .و (سائرا) حال من (زيد) . و (السائر) فاعل (نمى) .وفي (ضلّ) ضمير من زيد، وهو جواب الشرط، تقديره: إن زاد الرجل السائر زيداً إلينا في حال سيره ضلّ فيه.و (ناعشاً) حال من الضمير في (يأتي) ، ومعناه: رافعٌ.و (في سحر) ظرف ليأتي أو لناعش.و (ماله) مفعول ناعش.و (في يده) ظرف لناعش أو حال من الضمير فيه أو من ماله.و (عامر) معطوف على الضمير في (يأتي) ، تقديره: فهو يأتي أو عامر في سحرٍ رافعاً ماله في يده. (حرف الزاء)(14 ب) قال بعض الملغزين:70 - (في الناس قوماً يرون الغدر شيمتهم … ومنهم كاذباً في القول همّازا)
অন্য একজন বলেছেন: (১৪ ক)৬৮ - (সূর্য গ্রহণলাগা অবস্থায় রয়েছে, তা উদিত নয় … রাতের নক্ষত্ররাজি ও চন্দ্র তোমার জন্য ক্রন্দনরত)(তোমাকে এক মহান বিষয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল এবং তুমি তা সুচারুরূপে আঞ্জাম দিয়েছ … আর হে উমর! তুমি তাতে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী চলেছ)বলা হয়েছে: (নুজুম) শব্দটি 'কাসিফাহ' দ্বারা নসব প্রাপ্ত হয়েছে।আবার বলা হয়েছে: এটি যরফ যা আগে এসেছে।আরও বলা হয়েছে: এটি 'তাবকি' ক্রিয়ার মাফউল, আর এটিই আমার নিকট পছন্দনীয় মত। এর অর্থ হলো: নক্ষত্ররাজি তোমাকে হারানোর কারণে কাঁদছে।যদি তুমি বলো: সূর্যকে কেন কান্নার জন্য নির্দিষ্ট করা হলো? আমি বলব: কারণ সূর্য নক্ষত্ররাজির মধ্যে সর্বাপেক্ষা মহান; সুতরাং সূর্যের মতো মহান সত্তা যখন প্রশংসিত ব্যক্তির বিয়োগব্যথায় শোকার্ত হয়, তখন অন্যান্য নক্ষত্ররাজি তার অতিশয় অস্থিরতা ও আতঙ্কের কারণে ক্রন্দন করে।আর 'উমরা' শব্দটি মানদুব বা শোকসূচক সম্বোধন, অর্থাৎ: উমরাইয়াহ।জনৈক কৃত্রিম ধাঁধা প্রস্তুতকারী বলেছেন:৬৯ - (যদি যায়েদ আমাদের দিকে পথ অতিক্রমকারী হিসেবে বৃদ্ধি পায় … এমন স্থান থেকে যেখানে পথচারী পথ হারায়)(অতঃপর সে শেষ রাতে আমাদের নিকট আসে … এমতাবস্থায় যে সে তার সম্পদ হাতে উত্তোলনকারী অথবা আমির আসে)'ইন' হলো শর্তবোধক অব্যয়।আর 'নামা' হলো অতীতকালীন ক্রিয়া, যা 'বৃদ্ধি পাওয়া' অর্থে ব্যবহৃত।আর 'যাইদান' হলো 'নামা' এর মাফউল; একে 'যাদা' ক্রিয়ার অনুগামী করে সকর্মক করা হয়েছে।আর 'সায়িরান' হলো 'যাইদ' এর হাল। এবং 'আস-সায়িরু' হলো 'নামা' এর ফায়েল।আর 'দাল্লা' ক্রিয়ার মধ্যে 'যাইদ' এর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী একটি সর্বনাম রয়েছে, যা শর্তের জওয়াব। এর সম্ভাব্য রূপ হলো: যদি পথচারী ব্যক্তি আমাদের দিকে আসার পথে যায়েদকে অতিক্রম করে, তবে সে তাতে পথ হারাবে।আর 'না’ইশান' হলো 'ইয়া’তি' ক্রিয়ার অন্তর্গত সর্বনামের হাল, যার অর্থ হলো: উত্তোলনকারী।আর 'ফি সাহারিন' হলো 'ইয়া’তি' অথবা 'না’ইশান' এর জন্য যরফ।আর 'মালুহু' হলো 'না’ইশান' এর মাফউল।আর 'ফি ইয়াদিহি' হলো 'না’ইশান' এর জন্য যরফ, অথবা এর অন্তর্গত সর্বনাম থেকে কিংবা 'মালুহু' থেকে হাল।আর 'আমির' শব্দটি 'ইয়া’তি' এর অন্তর্গত সর্বনামের ওপর মাতুফ। বাক্যটির বিশ্লেষণ হলো: সে অথবা আমির শেষ রাতে তার সম্পদ হাতে নিয়ে উত্তোলনকারী অবস্থায় আসে। (যা বর্ণ)(১৪ খ) জনৈক ধাঁধা প্রস্তুতকারী বলেছেন:৭০ - (মানুষের মধ্যে এমন এক দল রয়েছে যারা বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজেদের স্বভাব মনে করে … আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ কথায় মিথ্যাবাদী ও অপবাদকারী)
(খণ্ড: ১)
আল-ইনতিখাব লি-কাশফ আল-আবইয়াত আল-মুশকিলাতিল ইরাব
(পৃষ্ঠা: ৪২)
(في) أمرٌ من: وفى يفي.و (الناس) مبتدأ، و (يرون) خبره، وهو من رؤية القلب يتعدّى إلى مفعولين: أحدهما قوم، والثاني: الغدر شيمتهم، لأنّه مبتدأ وخبر فيهما ذكرٌ عائدٌ إلى المفعول الأوّل، وقد قدّم أحد المفعولين على الفعل.و (منهم) فعل أمر من: مان يمين، و (هم) مفعوله.و (كاذبا) و (همازا) حال منتقلة.وقال ملغز آخر:71 - (أرامية بك الفلوات قصداً … إلى من في خزانته الكنوزا)(ذخائر معشرٍ هلكوا جميعاً … ومات أذلّ من فيهم عزيزا)(أرى) فعل مضارع.و (ميةٍ) هذا العدد المخصوص، وهي مفعول أوّل لأرى.و (الكنوز) بدل منها.و (بك الفلوات) جار ومجرور ومضاف إليه، فالجار الباء والمجرور الكاف، لأنّها بمعنى (مثل) ، والمضاف اليه (الفلوات) ، وهو المفعول الثاني.و (قصداً) منصوب على المصدر.و (إلى) متعلق به.و (من) بمعنى إنسان أو بمعنى الذي.و (ذخائر معشر) مبتدأ، وخبره (في خزانته) ، والجملة صفة (من) أوصلته، ترتيبه: أرى الكنوز بمثل قيمة الفلوات قصداً إلى إنسانٍ في خزانته ذخائر معشر.وقال ملغز آخر:72 - (وفي الحي - لو يدرون - قوم تنبلوا … وكانوا قديما يخدمون المخابز)(فهم مقتوين بيننا كلّ ساعة … يريدون منا ما اختبزنا جوائز) المخابز: مبتدأ وفي الحي خبره وقوم فاعل يد رون وقد ألحقه علامة الجمعكقوله تعالى: {وأسرّوا النّجوى الذين ظلموا} في بعض الأقوال.و (تنبّلوا) صفة قوم، ومعناه: ماتوا، وأصله للإبل، ترتيبه: وفي الحي المخابز لو يدري قومٌ ماتوا
(ফি) শব্দটি: ‘ওয়াফা-ইয়াফি’ থেকে আগত একটি আদেশসূচক ক্রিয়া।এবং (আন-নাস) হলো উদ্দেশ্য, আর (ইয়ারওনা) হলো তার বিধেয়। এটি অন্তরের উপলব্ধি অর্থ থেকে এসেছে যা দুটি কর্মের দিকে ধাবিত হয়: যার একটি হলো ‘কওম’ (সম্প্রদায়), আর দ্বিতীয়টি হলো: ‘তাদের স্বভাব বিশ্বাসঘাতকতা’; কারণ এটি একটি উদ্দেশ্য ও বিধেয় সম্বলিত বাক্য যাতে প্রথম কর্মের দিকে প্রত্যাবর্তনকারী একটি উল্লেখ রয়েছে, আর এখানে ক্রিয়ার পূর্বে একটি কর্মকে নিয়ে আসা হয়েছে।এবং (মিনহুম) হলো ‘মানা-ইয়ামিনু’ থেকে একটি আদেশসূচক ক্রিয়া, আর (হুম) হলো তার কর্ম।এবং (কাযিবান) ও (হাম্মাযান) হলো অস্থায়ী অবস্থা।অন্য একজন ধাঁধা রচয়িতা বলেছেন:৭১ - (একটি ধনুক কি তোমাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মরুভূমির দিকে নিয়ে যাচ্ছে... সেই সত্তার দিকে যার ভাণ্ডারে ধন-সম্পদ রয়েছে)(এমন এক সম্প্রদায়ের সঞ্চিত সম্পদ যারা সবাই ধ্বংস হয়ে গেছে... এবং তাদের মধ্যে যে সম্মানিত ছিল সে অত্যন্ত হীন অবস্থায় মারা গেছে)(আরা) হলো বর্তমান-ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া।এবং (মিয়াহ) হলো এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটি, যা ‘আরা’ ক্রিয়ার প্রথম কর্ম।এবং (আল-কুনূয) হলো তার থেকে পরিপূরক।এবং (বিকা আল-ফালওয়াত) হলো জার, মাজরুর এবং সম্বন্ধপদ; এখানে ‘বা’ হলো হরফে জার এবং ‘কাফ’ হলো মাজরুর, কারণ এটি ‘মতো’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, আর সম্বন্ধপদ হলো ‘আল-ফালওয়াত’, যা এখানে দ্বিতীয় কর্ম।এবং (কাসদান) শব্দটি মূল ধাতু হিসেবে যবরযুক্ত হয়েছে।এবং (ইলা) এর সাথে সংশ্লিষ্ট।এবং (মান) শব্দটি ‘মানুষ’ অর্থে অথবা ‘যিনি/যে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।এবং (যাখায়িরু মা’শারিন) হলো উদ্দেশ্য, আর তার বিধেয় হলো (ফী খিযানতিহি), এবং পুরো বাক্যটি (মান)-এর বিশেষণ বা তার সাথে যুক্ত বাক্য; এর বিন্যাসটি হলো: আমি মরুভূমির মূল্যের ন্যায় ধন-সম্পদ দেখছি সেই ব্যক্তির উদ্দেশ্যে যার ভাণ্ডারে কোনো এক সম্প্রদায়ের সঞ্চিত সম্পদ রয়েছে।অন্য একজন ধাঁধা রচয়িতা বলেছেন:৭২ - (এবং জনপদে—যদি তারা জানত—এমন এক সম্প্রদায় রয়েছে যারা মারা গেছে... এবং তারা প্রাচীনকাল থেকে রুটির দোকানে কাজ করত)(তারা প্রতি মুহূর্তে আমাদের মাঝে সেবক হিসেবে থাকে... তারা আমাদের কাছে আমরা যা রুটি বানিয়েছি তা পুরস্কার হিসেবে চায়) ‘আল-মাখাবিয’ হলো উদ্দেশ্য এবং ‘ফীল হাইয়ি’ তার বিধেয়; আর ‘কওম’ হলো ‘ইয়াদরূনা’ এর কর্তা, এবং এতে বহুবচনের চিহ্ন যুক্ত করা হয়েছে—যেমনটি আল্লাহ তাআলার বাণী: {আর যালিমরা তাদের গোপন পরামর্শ লুকিয়ে রেখেছিল}—কিছু মতানুসারে।এবং (তানাব্বালূ) হলো ‘কওম’-এর বিশেষণ, আর এর অর্থ হলো: তারা মারা গেছে; মূলত শব্দটি উটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এর বিন্যাস হলো: জনপদে রুটির দোকানগুলো বিদ্যমান, যদি সেই সম্প্রদায় জানত যারা মারা গেছে।