(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: -)
عقود الهمز   (ابن جني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: عقود الهمز

المؤلف: أبو الفتح عثمان بن جني الموصلي (ت 392هـ)

المحقق: مازن المبارك

الناشر: دار الفكر - دمشق

الطبعة: الأولى، 1409هـ 1988م

عدد الصفحات: 64

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

উকুুদুল হামজ   (ইবনে জিন্নি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


কিতাব: উকুুদুল হামজ

গ্রন্থকার: আবুল ফাতহ উসমান বিন জিন্নি আল-মাওসিলি (মৃ. ৩৯২ হি.)

সম্পাদক: মাজিন আল-মুবারক

প্রকাশক: দারুল ফিকর - দামেস্ক

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৯ হি. ১৯৮৮ খ্রি.

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৫৭)
للهمزة المصوغة فِي نفس الْكَلِمَة من التَّقَدُّم والتأخر ثَلَاث أَحْوَال

حَال تكون فِيهِ مُبتَدأَة وَحَال تكون فِيهِ حَشْوًا وَحَال تكون فِيهِ طرفا

فَإِذا وَقعت مُبتَدأَة كتبت ألفا الْبَتَّةَ مَضْمُومَة كَانَت أَو مَفْتُوحَة أَو مَكْسُورَة

فالمضمومة نَحْو أذن وَأُخْت واترجة
শব্দের মূল কাঠামোর মধ্যে অগ্রবর্তী (تقدم) বা অনুবর্তী (تأخر) হওয়ার বিচারে হামজার (همزة) তিনটি অবস্থা রয়েছে।

একটি অবস্থা হলো যখন এটি শব্দের শুরুতে (مبتدأة) থাকে, দ্বিতীয়টি হলো যখন এটি মধ্যবর্তী (حشوا) স্থানে থাকে এবং তৃতীয়টি হলো যখন এটি শেষে (طرفا) থাকে।

সুতরাং যখন এটি শব্দের শুরুতে (مبتدأة) আসে, তখন তা নিশ্চিতভাবে আলিফ হিসেবে লেখা হয়; চাই তা পেশবিশিষ্ট (مضمومة), যবরবিশিষ্ট (مفتوحة) অথবা যেরবিশিষ্ট (مكسورة) হোক না কেন।

পেশবিশিষ্ট (مضمومة) হওয়ার উদাহরণ হলো উযুন (أذن), উখতুন (أخت) এবং উতরুজজাতুন (اترجة)।
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৫৮)
والمفتوحة نَحْو أَخ وَأب وَأحد وَأحمد

والمكسورة نَحْو إبرة وإثمد وَإِبْرَاهِيم

فَإِذا وَقعت الْهمزَة حَشْوًا لم يعد أَن تكون سَاكِنة أَو متحركة فَإِن كَانَت سَاكِنة وانضم مَا قبلهَا كتبت واوا نَحْو جؤنة وبؤس وثؤلول وَإِن انْفَتح مَا قبلهَا كتبت ألفا نَحْو رَأس وفأس وفأل وَإِن انْكَسَرَ مَا قبلهَا كتبت يَاء وَذَلِكَ نَحْو بِئْر وذئب وَبئسَ الرجل زيد

فَإِن كَانَت مَفْتُوحَة وَانْفَتح مَا قبلهَا كتبت ألفا نَحْو سَأَلَ وبأر وزأر

وَإِن انْضَمَّ مَا قبل لمفتوحة كتبت واوا نَحْو جؤن وَيُؤذن فَإِن انْكَسَرَ مَا قبلهَا وَهِي مَفْتُوحَة كتبت يَاء نَحْو ذِئْب ومئر
এবং জবরযুক্ত (المفتوحة) যেমন আখ, আব, আহাদ এবং আহমাদ।

এবং যেরযুক্ত (المكسورة) যেমন ইবরাহ, ইতমিদ এবং ইব্রাহিম।

যখন হামযাহ শব্দের মাঝখানে (حشوا) আসে, তখন তা সাকিন (ساكنة) অথবা হরকতযুক্ত (متحركة) হওয়া ছাড়া অন্য কোনো অবস্থায় থাকে না। যদি তা সাকিন (ساكنة) হয় এবং তার পূর্বের বর্ণটি পেশযুক্ত হয় (انضم), তবে তা ওয়াও (واوا) হিসেবে লেখা হয়; যেমন জু'নাহ, বু'স এবং সু'লুল। আর যদি তার পূর্বের বর্ণটি জবরযুক্ত হয় (انفتح), তবে তা আলিফ (ألفا) হিসেবে লেখা হয়; যেমন রাস, ফাস এবং ফাল। আর যদি তার পূর্বের বর্ণটি যেরযুক্ত হয় (انكسر), তবে তা ইয়া (ياء) হিসেবে লেখা হয়; এবং তা হলো যেমন বি’র, যি’ব এবং ‘বি’সাল রাজুলু যায়দ’।

যদি হামযাহটি জবরযুক্ত (مفتوحة) হয় এবং তার পূর্বের বর্ণটিও জবরযুক্ত হয় (انفتح), তবে তা আলিফ (ألفا) হিসেবে লেখা হয়; যেমন সাআলা, বাআরা এবং যাআরা।

আর যদি জবরযুক্ত (لمفتوحة) বর্ণের পূর্বের বর্ণটি পেশযুক্ত হয় (انضم), তবে তা ওয়াও (واوا) হিসেবে লেখা হয়; যেমন জুআন এবং ইউয়াযযিনু। আর যদি জবরযুক্ত (مفتوحة) থাকাকালীন তার পূর্বের বর্ণটি যেরযুক্ত হয় (انكسر), তবে তা ইয়া (ياء) হিসেবে লেখা হয়; যেমন যিআব এবং মিআর।
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৫৯)
فَإِن انضمت الْهمزَة حَشْوًا وانضم مَا قبلهَا كتبت واوا وَذَلِكَ نَحْو شؤون وكؤوس وتؤمل الشَّيْء وَكَذَلِكَ إِن انْفَتح مَا قبل المضمومة كتبت واوا أَيْضا وَذَلِكَ نَحْو لؤم الرجل وضؤل جِسْمه وَلَا يَقع قبلهَا فِي هَذَا الْموضع الكسرة لِأَنَّهُ لَيْسَ فِي كَلَام الْعَرَب خُرُوج من كسر بِنَاء لَازِما

فَإِن كَانَت الْهمزَة المتوسطة مَكْسُورَة كتبت يَاء على كل حَال انْفَتح مَا قبلهَا اَوْ انْكَسَرَ أَو انْضَمَّ فالمفتوح مَا قبلهَا نَحْو سئم وجئز والمكسور مَا قبلهَا نَحْو بئيس والمضموم مَا قبلهَا نَحْو سُئِلَ
যদি মধ্যবর্তী (حشوا) হামজাটি পেশ (ضمة) বিশিষ্ট হয় এবং তার পূর্ববর্তী বর্ণটিও পেশ (ضمة) বিশিষ্ট হয়, তবে তা ওয়াও (واو) এর আকৃতিতে লেখা হবে। এর উদাহরণ হলো: ‘শূঊন’ (شؤون), ‘কুঊস’ (كؤوس) এবং কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করা অর্থে ‘তুউম্মাল’ (تؤمل)। একইভাবে, যদি পেশ (ضمة) বিশিষ্ট হামজার পূর্ববর্তী বর্ণটি জবর (فتحة) বিশিষ্ট হয়, তবে তখনও তা ওয়াও (واو) হিসেবে লেখা হবে। এর উদাহরণ হলো: ‘লাউমার রাজুলু’ (لؤم الرجل) এবং ‘দাউলা জিসমুহু’ (ضؤل جسمه)। এই অবস্থানে হামজার পূর্বে জের (كسرة) আসতে পারে না; কারণ আরবি ভাষায় স্থায়ী শব্দগঠনের (بناء لازما) ক্ষেত্রে জের (كسرة) থেকে অন্য হরকতে উত্তরণের কোনো নিয়ম নেই।

যদি মধ্যবর্তী (المتوسطة) হামজাটি জের (كسرة) বিশিষ্ট হয়, তবে তা সর্বাবস্থায় ইয়া (ياء) হিসেবে লেখা হবে; চাই তার পূর্ববর্তী বর্ণটি জবর (فتحة) বিশিষ্ট হোক, জের (كسرة) বিশিষ্ট হোক কিংবা পেশ (ضمة) বিশিষ্ট হোক। পূর্ববর্তী বর্ণটি জবর (فتحة) হওয়ার উদাহরণ হলো ‘সাইমা’ (سئم) এবং ‘জাইযা’ (جئز)। পূর্ববর্তী বর্ণটি জের (كسرة) হওয়ার উদাহরণ হলো ‘বাঈস’ (بئيس), এবং পূর্ববর্তী বর্ণটি পেশ (ضمة) হওয়ার উদাহরণ হলো ‘সুইলা’ (سئل)।
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৬০)
وزئد أَي أفزع

فَإِن كَانَت الْهمزَة المتوسطة سَاكِنا مَا قبلهَا لم يثبتها أَكثر الْكتاب مَفْتُوحَة أَو مَكْسُورَة أَو مَضْمُومَة فالمفتوحة نَحْو مسئلة وتجئر إِلَيّ والمكسورة نَحْو يزءر وينئم والمضمومة نَحْو يلئم ويضئل
‘জুয়িদা’ (وزئد) অর্থাৎ আতঙ্কিত হওয়া (أفزع)।

যদি মধ্যবর্তী হামযা (الهمزة المتوسطة)-এর পূর্ববর্তী বর্ণটি সাকিন (ساكن) হয়, তবে অধিকাংশ লেখক একে স্বতন্ত্র বর্ণরূপে লেখেন না; তা যবরযুক্ত (مفتوحة), যেরযুক্ত (مكسورة) কিংবা পেশযুক্ত (مضمومة) যাই হোক না কেন। যবরযুক্ত (مفتوحة)-এর উদাহরণ হলো মাসআলাহ (مسئلة) এবং তাজআুরু ইলাইয়া (تجئر إلي); যেরযুক্ত (مكسورة)-এর উদাহরণ হলো ইয়াজইরু (يزئر) এবং ইয়ানইমু (ينئم); আর পেশযুক্ত (مضمومة)-এর উদাহরণ হলো ইয়ালউমু (يلئم) এবং ইয়াদউলু (يضئل)।
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৬১)
هَذَا إِذا كَانَ مَا قبلهَا صَحِيحا فَإِن كَانَ مَا قبلهَا ياءا أَو واوا ساكنين مَفْتُوحًا مَا قبلهمَا ثبتَتْ الْمَفْتُوحَة ألفا نَحْو جؤأبة وجيأل وَإِن كَانَ مَا قبلهمَا مضموما أَو مكسورا لم تثبت كالأولة وَذَلِكَ نَحْو مؤسى ومئر
এটি তখন হবে যখন তার পূর্ববর্তী বর্ণটি সহীহ (صحيح) হবে। সুতরাং যদি তাদের পূর্ববর্তী বর্ণটি সাকিন অবস্থায় ‘ইয়া’ অথবা ‘ওয়াও’ হয় এবং তাদের পূর্ববর্তী বর্ণটি যবরযুক্ত হয়, তবে যবরযুক্ত বর্ণটি আলিফ হিসেবে সাব্যস্ত হবে; যেমন: জুয়াবাতুন ও জায়আলুন। আর যদি তাদের পূর্ববর্তী বর্ণটি পেশযুক্ত অথবা যেরযুক্ত হয়, তবে তা প্রথমটির ন্যায় সাব্যস্ত হবে না; যেমন: মুসা ও মিয়ার।
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৬২)
وَأما الْهمزَة إِذا وَقعت طرفا فَإِنَّهَا تكْتب على حَرَكَة مَا قبلهَا واوا إِن انْضَمَّ مَا قبلهَا وألفا إِن انْفَتح وياء إِن انْكَسَرَ وَذَلِكَ نَحْو أكمؤ وأجبؤ وَخطأ ومبتدأ وَيبرأ من مَرضه وقارىء ومنشىء

وَكَذَلِكَ إِذا أضيف إِلَى مُضْمر نَحْو يُقْرِئك وَهَذَا أكمؤك ومررت بأكمؤك

وَإِذا أضفت المفتوح مَا قبلهَا إِلَى مُضْمر كتبتها فِي الرّفْع واوا وَفِي الْجَرّ يَاء تَقول هَذَا خطؤك ونبؤه وَهُوَ ينزؤه وَعَجِبت من خطئه وقبح نبئه
আর হামযা যখন শব্দের শেষে অবস্থিত হয়, তখন তা তার পূর্ববর্তী বর্ণের হরকত অনুযায়ী লিখিত হয়। যদি পূর্ববর্তী বর্ণটি পেশযুক্ত হয় তবে তা ‘ওয়াও’ রূপে, জবরযুক্ত হলে ‘আলিফ’ রূপে এবং যেরযুক্ত হলে ‘ইয়া’ রূপে লিখিত হয়। আর তা আকমউ, আজবুউ, খাতা, মুবতাদা এবং ‘সে তার অসুস্থতা থেকে আরোগ্য লাভ করছে’ (ইয়াবরাউ), ক্বারি ও মুনশি-এর উদাহরণের ন্যায়।

অনুরূপভাবে যখন তা কোনো সর্বনামের সাথে যুক্ত হয়, যেমন: ইউকরিউকা (তিনি আপনাকে পাঠ করে শোনাচ্ছেন), হাযা আকমউকা (এটি তোমার আকমউ) এবং মারারতু বি-আকমউকা (আমি তোমার আকমউ-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম)।

আর যখন আপনি হামযার পূর্বের জবরযুক্ত বর্ণকে কোনো সর্বনামের সাথে যুক্ত করবেন, তখন রফ-এর অবস্থায় তা ‘ওয়াও’ এবং জর-এর অবস্থায় ‘ইয়া’ হিসেবে লিখবেন। আপনি বলবেন: হাযা খাতাউকা (এটি তোমার ভুল), নাবাউহু (তার সংবাদ), ইউনযাউহু (সে তাকে প্ররোচিত করছে), এবং ‘আমি তার ভুলে ও তার সংবাদের কদর্যতায় বিস্মিত হলাম’।
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৬৩)
فَإِن سكن مَا قبلهَا وَهِي طرف لم تثبتها على كل حَال وَذَلِكَ نَحْو جُزْء وهدء وخبء ونسء وركاء وداء

فَإِن سكن مَا قبل الطّرف وأضيفت الْكَلِمَة إِلَى مُضْمر كتبت فِي الرّفْع واوا وَفِي الْجَرّ يَاء وَذَلِكَ نَحْو هَذَا جزؤك وجزؤه وَعَجِبت من جزئك وجزئه

وَبعد فَكل همزَة أشكل عَلَيْك أمرهَا فاكتبها على مَذْهَب أهل
যদি এর পূর্ববর্তী বর্ণটি সাকিন হয় এবং তা শব্দের প্রান্তে (طرف) থাকে, তবে আপনি কোনো অবস্থাতেই তা (স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে) বহাল রাখবেন না। আর তা হলো ‘জুজ’, ‘হুদউ’, ‘খাবউ’, ‘নাসউ’, ‘রিকাউ’ এবং ‘দাউ’ এর মতো শব্দ।

যদি প্রান্তীয় বর্ণের পূর্ববর্তী বর্ণটি সাকিন হয় এবং শব্দটি কোনো সর্বনামের (مضمر) দিকে সম্বন্ধিত হয়, তবে রাফ (رفع) অবস্থায় তা ‘ওয়াও’ বর্ণ সহযোগে এবং জার (جر) অবস্থায় ‘ইয়া’ বর্ণ সহযোগে লেখা হবে। এর উদাহরণ হলো: ‘হাজা জুজউকা’ ও ‘জুজউহু’ এবং ‘আজিবতু মিন জুজইকা’ ও ‘জুজইহি’।

অতঃপর, প্রতিটি হামজা যার বিধান আপনার নিকট অস্পষ্ট মনে হবে, তা বিশেষজ্ঞদের মাযহাব (مذهب) অনুযায়ী লিখবেন...
(খণ্ড: ১) উকুদুল হাময (পৃষ্ঠা: ৬৪)
التَّخْفِيف فَإنَّك مُصِيب بِإِذن الله وَإِن كَانَ مَذْهَب الْكتاب بِخِلَاف ذَلِك

‌‌تمّ الْكتاب بِحَمْد الله وعونه

كتبه مُحَمَّد بن عبد القاهر بن هبة الله بن عبد القاهر فِي الْخَامِس وَالْعِشْرين من ذِي الْقعدَة سنة تسع وست مئة حامدا لله تَعَالَى على نعمه مُصَليا على نبيه مُحَمَّد وَآله وَصَحبه وَمُسلمًا
সহজীকরণ (تخفيف), কেননা আল্লাহর অনুগ্রহে আপনি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন, যদিও গ্রন্থের রীতি এর বিপরীত ছিল।

আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর সাহায্যে গ্রন্থটি সমাপ্ত হলো

এটি লিখেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল কাহির বিন হিবাতুল্লাহ বিন আব্দুল কাহির, যিলকদ মাসের পঁচিশ তারিখে, ছয়শ নয় হিজরি সনে; মহান আল্লাহর নেয়ামতসমূহের জন্য তাঁর প্রশংসা জ্ঞাপন করে এবং তাঁর নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর দরুদ ও সালাম পেশ করে।