(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: -)
رسالة الحدود   (أبو الحسن الرماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: رسالة الحدود

المؤلف: علي بن عيسى بن علي بن عبد الله، أبو الحسن الرماني المعتزلي (ت 384هـ)

المحقق: إبراهيم السامرائي

الناشر: دار الفكر - عمان

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 85

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

রিসালাতুল হুদুদ   (আবু আল-হাসান আল-রুমমানি)

বিভাগ: ব্যাকরণ ও রূপতত্ত্ব


বই: রিসালাতুল হুদুদ

লেখক: আলী বিন ঈসা বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ, আবু আল-হাসান আল-রুমমানি আল-মুতাজিলি (মৃত্যু ৩৮৪ হিজরি)

গবেষক: ইব্রাহিম আল-সামাররাই

প্রকাশক: দার আল-ফিকর - আম্মান

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৫

শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৬৫)
‌‌بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم

 

وَللَّه الْأَمر من قبل وَمن بعد

بَاب الْحَد لمعاني الْأَسْمَاء الَّتِي يحْتَاج إِلَيْهَا فِي النَّحْو وَهِي الْقيَاس والبرهان وَالْبَيَان وَالْحكم وَالْحكم وَالْعلَّة وَالِاسْم وَالْفِعْل والحرف وَالْإِعْرَاب وَالْبناء والتغيير والتصريف وَالْغَرَض وَالسَّبَب والمعرفة والنكرة والمفرد وَالْجُمْلَة والتثنية وَالْجمع وَالْمَرْفُوع والمنصوب وَالْمَجْرُور والتوابع وَالصّفة وَالْبدل والنسق وَالْحَال والتمييز وَالْإِضَافَة والمصدر والاشتقاق والمظهر والمضمر والفائدة وَالْعَامِل والحذف وَالذكر والمركب والمقيد وَالِاسْتِثْنَاء والحقيقة وَالْمجَاز وَالْجِنْس وَالنَّوْع وَالْقُوَّة والضعف وَالتَّخْفِيف والترخيم والمقصور والممدود والمذكر والمؤنث والنظير والنقيض وَالتَّقْدِير وَالتَّحْقِيق وَالْأَصْل وَالْفرع والمطرد والنادر وَالْخَبَر والاستفهام وَالْجَزَاء وَالْجَوَاب والمستقيم وَالْحَال والعارض وَاللَّازِم والضروري وَالْمعْنَى وَاللَّفْظ وَالْكَلَام وَالْعرض والداعي والصارف والاستعارة والحقيقة والمادة والمرتبة
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

পূর্বাপর সকল বিষয় আল্লাহরই ইখতিয়ারে।

নাহুশাস্ত্রে প্রয়োজনীয় পরিভাষাগুলোর সংজ্ঞায়ন সংক্রান্ত অধ্যায়, আর সেগুলো হলো: কিয়াস (القياس), প্রমাণ (البرهان), বর্ণনা (البيان), বিধান (الحكم), বিচার (الحكم), কারণ (العلة), বিশেষ্য (الاسم), ক্রিয়া (الفعل), অব্যয় (الحرف), ই’রাব (الإعراب), মাবনি হওয়া (البناء), পরিবর্তন (التغيير), রূপান্তর (التصريف), উদ্দেশ্য (الغرض), হেতু (السبب), নির্দিষ্ট (المعرفة), অনির্দিষ্ট (النكرة), একবচন (المفرد), বাক্য (الجملة), দ্বিবচন (التثنية), বহুবচন (الجمع), রফ’যুক্ত (المرفوع), নসবযুক্ত (المنصوب), জরযুক্ত (المجرور), অনুগামী শব্দসমূহ (التوابع), গুণবাচক শব্দ (الصفة), বদল (البدل), সমতাবিধান (النسق), অবস্থা (الحال), প্রভেদকারী (التمييز), সম্বন্ধ (الإضافة), ক্রিয়ামূল (المصدر), শব্দমূল থেকে উদ্ভব (الاشتقاق), ব্যক্ত (المظهر), অব্যক্ত (المضمر), উপকারিতা (الفائدة), আমিল (العامل), উহ্য রাখা (الحذف), উল্লেখ করা (الذكر), যৌগিক (المركب), সীমাবদ্ধ (المقيد), ব্যতিক্রম (الاستثناء), প্রকৃতার্থ (الحقيقة), রূপক (المجاز), লিঙ্গ বা জাত (الجنس), প্রকার (النوع), শক্তি (القوة), দুর্বলতা (الضعف), সহজিকরণ (التخفيف), অক্ষর লোপ (الترخيم), মাকসুর (المقصور), মামদুদ (الممدুদ), পুংলিঙ্গ (المذكر), স্ত্রীলিঙ্গ (المؤنث), সদৃশ (النظير), বিপরীত (النقيض), উহ্যমান ধরা (التقدير), সুনিশ্চিত করা (التحقيق), মূল (الأصل), শাখা (الفرع), নিয়মিত (المطرد), বিরল (النادر), সংবাদ (الخبر), প্রশ্নবোধক (الاستفهام), প্রতিদান (الجزاء), উত্তর (الجواب), সঠিক (المستقيم), অবস্থা (الحال), আপতিক (العارض), অপরিহার্য (اللازم), জরুরি (الضروري), অর্থ (المعنى), শব্দ (اللفظ), বাক্য (الكلام), উপস্থাপনা (العرض), আহ্বায়ক (الداعي), নিবৃত্তকারী (الصارف), রূপক অলঙ্কার (الاستعارة), প্রকৃতার্থ (الحقيقة), উপাদান (المادة) এবং পর্যায় (المرتبة)।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৬৬)
والمناسبة والخاصة وَالْمُغني والمحتاج والعظيم والحقير والحادث وَثمّ حُدُود بَاب الموصولات

‌‌بَاب الْحُدُود

 

1 - الْقيَاس الْجمع بَين أول وثان يَقْتَضِيهِ فِي صِحَة الأول صِحَة الثَّانِي وَفِي فَسَاد الثَّانِي فَسَاد الأول

2 - الْبُرْهَان بَيَان أول عَن حق يظْهر فِيهِ أَن الثَّانِي حق

3 - الْبَيَان إِظْهَار الْمَعْنى للنَّفس كإظهار الرُّؤْيَة للشَّخْص

4 - الحكم خبر مِمَّا تَقْتَضِيه الْحِكْمَة مِمَّا فِيهِ الْفَائِدَة
এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ (المناسبة), বিশেষ (الخاصة), স্বয়ংসম্পূর্ণ (المغني), অভাবী (المحتاج), মহান (العظيم), তুচ্ছ (الحقير), নব্য (الحادث); আর এখানে সংযুক্ত বিষয়সমূহ (الموصولات) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদের সংজ্ঞাসমূহ (الحدود) রয়েছে।

‌‌সংজ্ঞাসমূহ (الحدود) সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

 

1 - তুলনা (القياس) হলো প্রথম ও দ্বিতীয় বিষয়ের মধ্যে এমন সমন্বয়, যা প্রথমটির শুদ্ধতার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টির শুদ্ধতাকে এবং দ্বিতীয়টির অসারতার ক্ষেত্রে প্রথমটির অসারতাকে দাবি করে।

2 - অকাট্য প্রমাণ (البرهان) হলো সত্যের এমন প্রাথমিক বর্ণনা যার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয় যে দ্বিতীয় বিষয়টিও সত্য।

3 - সুস্পষ্ট বর্ণনা (البيان) হলো মনের নিকট অর্থের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো, যেমন কোনো ব্যক্তির দৃষ্টির নিকট কোনো সত্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

4 - বিধান (الحكم) হলো প্রজ্ঞার দাবি অনুযায়ী এমন সংবাদ যাতে উপকারিতা নিহিত থাকে।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৬৭)
5 - الْعلَّة تَغْيِير الْمَعْلُول عَمَّا كَانَ عَلَيْهِ

6 - الدّلَالَة إِظْهَار الْمَدْلُول عَلَيْهِ

7 - الِاسْم كلمة تدل على معنى من غير اخْتِصَاص بِزَمَان دلَالَة الْبَيَان وحذار اسْم لِأَنَّهُ يدل دلَالَة الْبَيَان

8 - الْفِعْل كلمة تدل على معنى مُخْتَصّ بِزَمَان دلَالَة الإفادة

9 - الْحَرْف كلمة تدل على معنى إِلَّا مَعَ غَيرهَا مِمَّا مَعْنَاهَا فِي غَيرهَا

10 - الْإِعْرَاب تَغْيِير آخر الِاسْم بعامل

11 - الْبناء لُزُوم آخر الْكَلِمَة بِسُكُون أَو حَرَكَة

12 - التَّغْيِير تصيير الشَّيْء على خلاف مَا كَانَ بانقلابه عَمَّا كَانَ

13 - التصريف تصيير الشَّيْء فِي جِهَات مُخْتَلفَة

14 - الْغَرَض مقصد يظْهر فِيهِ وَجه الْحَاجة إِلَيْهِ وَالْمَنْفَعَة بِهِ وَله أَسبَاب تطلب من أَجله فالغرض فِي النَّحْو تَبْيِين صَوَاب الْكَلَام من خطأ على مَذْهَب الْعَرَب بطرِيق
5 - ত্রুটি (علة) হলো ত্রুটিযুক্ত (معلول) বিষয়কে তার পূর্বাবস্থা থেকে পরিবর্তিত করা।

6 - নির্দেশনা (دلالة) হলো নির্দেশিত (مدلول عليه) বিষয়কে প্রকাশ করা।

7 - বিশেষ্য (اسم) এমন একটি শব্দ যা সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়া ব্যতিরেকে অর্থ প্রকাশ করে—এটি বর্ণনামূলক নির্দেশনা; আর 'হাযারি' একটি বিশেষ্য (اسم), কারণ এটি বর্ণনামূলক নির্দেশনা প্রদান করে।

8 - ক্রিয়া (فعل) এমন একটি শব্দ যা সুনির্দিষ্ট সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে অর্থ প্রকাশ করে—এটি অর্থগত উপযোগিতার নির্দেশনা।

9 - অব্যয় (حرف) এমন একটি শব্দ যা অন্য শব্দ ব্যতীত অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, যার অর্থ অন্যের সাথে মিলিত হওয়ার মধ্যেই নিহিত।

10 - ই’রাব (إعراب) হলো আমিল বা প্রভাবকের (عامل) কারণে বিশেষ্যের (اسم) শেষাংশের পরিবর্তন হওয়া।

11 - অপরিবর্তনীয়তা (بناء) হলো শব্দের শেষাংশ সুকুন (سكون) অথবা হরকতের (حركة) ওপর অপরিবর্তিত থাকা।

12 - পরিবর্তন হলো কোনো বস্তুকে তার বর্তমান অবস্থা থেকে বিচ্যুত করে ভিন্নতর অবস্থায় রূপান্তরিত করা।

13 - শব্দরূপান্তর (تصريف) হলো কোনো বিষয়কে বিভিন্ন অবস্থায় বা দিকে আবর্তিত করা।

14 - উদ্দেশ্য হলো এমন এক লক্ষ্য যাতে তার প্রয়োজনীয়তা ও উপযোগিতার দিকটি প্রকাশ পায় এবং যার জন্য নির্দিষ্ট উপায় অন্বেষণ করা হয়। সুতরাং ব্যাকরণ বা নাহু শাস্ত্রের উদ্দেশ্য হলো পদ্ধতিগতভাবে আরবদের রীতি অনুযায়ী শুদ্ধ কথাকে ভুল থেকে পৃথক করা।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৬৮)
الْقيَاس

15 - السَّبَب عمل يُؤَدِّي إِلَى الْغَرَض وَالْغَرَض أول والطلب آخر فِي السَّبَب

16 - الْمعرفَة الْمُخْتَص بِشَيْء دون غَيره بعلامة لفظية والعلامة اللفظية على وَجْهَيْن عَلامَة مَوْجُودَة وعلامة مقدرَة فالموجودة الْألف وَاللَّام والمقدرة فِي ثَلَاثَة أَشْيَاء الِاسْم الْعلم والمضمر والمبهم

17 - النكرَة الْمُشْتَرك بَين الشَّيْء وَغَيره فِي مَوْضِعه

18 - الْمُفْرد هُوَ الْمَذْكُور وَحده من اسْم وَفعل وحرف

19 - الْجُمْلَة هِيَ المبنية من مَوْضُوع ومحمول للفائدة

20 - التَّثْنِيَة صِيغَة مَبْنِيَّة من الْوَاحِد للدلالة على الِاثْنَيْنِ

21 - الْجمع صِيغَة مَبْنِيَّة من الْوَاحِد للدلالة على الْعدَد الزَّائِد على الِاثْنَيْنِ

22 - الْمَرْفُوع كلمة عمل فِيهَا عَامل الرّفْع

23 - الْمَنْصُوب كلمة عمل فِيهَا عَامل النصب

24 - الْمَجْرُور كلمة عمل فِيهَا عَامل الْجَرّ

25 - التوابع وَهِي الْجَارِيَة على إِعْرَاب الأول وَهِي خَمْسَة
তুলনা (القياس)

15 - কারণ (السبب) হলো এমন কাজ যা উদ্দেশ্যের (الغرض) দিকে নিয়ে যায়; আর কারণের ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য (الغرض) হলো অগ্রবর্তী এবং অন্বেষণ হলো অনুবর্তী।

16 - নির্দিষ্ট (المعرفة) হলো যা শাব্দিক চিহ্নের (علامة لفظية) মাধ্যমে অন্য বস্তু বাদ দিয়ে কোনো বিশেষ বিষয়ের সাথে সুনির্দিষ্ট হয়। শাব্দিক চিহ্ন (العلامة اللفظية) দুই প্রকার: বিদ্যমান চিহ্ন (علامة موجودة) এবং উহ্য চিহ্ন (علامة مقدرة)। বিদ্যমান চিহ্ন হলো আলিফ ও লাম (الألف واللام) এবং উহ্য চিহ্ন তিনটি বিষয়ে থাকে: সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য (الاسم العلم), সর্বনাম (المضمر) এবং অস্পষ্ট বা নির্দেশক পদ (المبهم)।

17 - অনির্দিষ্ট (النكرة) হলো এমন শব্দ যা স্বীয় অবস্থানে কোনো বস্তু ও অন্য বস্তুর মধ্যে সাধারণ বা অংশীদারিত্বমূলক অর্থ প্রদান করে।

18 - একক (المفرد) হলো বিশেষ্য (اسم), ক্রিয়া (فعل) ও অব্যয় (حرف) এর মধ্য থেকে যা একাকী উল্লেখিত হয়।

19 - বাক্য (الجملة) হলো যা অর্থবহ উপকারের জন্য উদ্দেশ্য (موضوع) এবং বিধেয় (محمول) দ্বারা গঠিত হয়।

20 - দ্বিবচন (التثنية) হলো এমন একটি রূপ যা একবচন থেকে দুই নির্দেশ করার জন্য গঠিত হয়।

21 - বহুবচন (الجمع) হলো এমন একটি রূপ যা একবচন থেকে দুইয়ের অধিক সংখ্যা নির্দেশ করার জন্য গঠিত হয়।

22 - মারফু (المرفوع) হলো এমন শব্দ যাতে রাফা প্রদানকারী আমেল (عامل الرفع) ক্রিয়া করেছে।

23 - মানসুব (المنصوب) হলো এমন শব্দ যাতে নাসাব প্রদানকারী আমেল (عامل النصب) ক্রিয়া করেছে।

24 - মাজরুর (المجرور) হলো এমন শব্দ যাতে জার প্রদানকারী আমেল (عامل الجر) ক্রিয়া করেছে।

25 - অনুগামী শব্দসমূহ (التوابع) হলো যা পূর্ববর্তী শব্দের ই'রাব (إعراب) অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং এগুলো সংখ্যায় পাঁচটি।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৬৯)
التَّأْكِيد وَالصّفة وَعطف الْبَيَان والنسق

26 - الصّفة قَول لَهُ بَيَان زَائِد على بَيَان الِاسْم الْجَارِي عَلَيْهِ مُخْتَصّ لَهُ

27 - الْبَدَل قَول يقدر فِي مَوضِع الأول

28 - النسق تبع للْأولِ على طَرِيق الشّركَة

29 - الْحَال انقلاب الْمَعْنى فِي صفة النكرَة عَمَّا كَانَ عَلَيْهِ للزِّيَادَة فِي الْفَائِدَة

30 - التَّمْيِيز تبين النكرَة المفسرة للمبهم

31 - الْإِضَافَة اخْتِصَاص أول بشأن دَاخل فِي اسْمه كالجزء مِنْهُ

32 - الْمصدر اسْم لحادث يُوجد فِيهِ الْفِعْل

33 - الِاشْتِقَاق فرع من أصل يَدُور فِي تصاريفه على الأَصْل

34 - الْمظهر الْمَدْلُول عَلَيْهِ اسْمه على غير جِهَة الرَّاجِع إِلَى ذكره

35 - الْفَائِدَة الدّلَالَة على الْقطع بِأحد الجائزين فِيمَا يحْتَاج إِلَيْهِ عَامل

36 - الْإِعْرَاب هُوَ مُوجب لتغيير فِي الْكَلِمَة على طَرِيق المعاقبة لاخْتِلَاف الْمَعْنى
তাকিদ (التأكيد), সিফাত (الصفة), আতফে বায়ান (عطف البيان) এবং নাসাক (النسق)

26 - সিফাত (الصفة) হলো এমন কথা যা তার সংশ্লিষ্ট বিশেষ্যের বর্ণনার ওপর অতিরিক্ত বর্ণনা প্রদান করে এবং যা তার জন্য সুনির্দিষ্ট।

27 - বাদাল (البدل) হলো এমন শব্দ যা প্রথম পদের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে গণ্য হয়।

28 - নাসাক (النسق) হলো অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পূর্ববর্তী পদের অনুগামী হওয়া।

29 - হাল (الحال) হলো অতিরিক্ত ফায়দা (الفائدة) বা উপকার প্রদানের লক্ষ্যে নাকেরা (النكرة) বা অনির্দিষ্ট বিশেষণের অর্থের পরিবর্তন হওয়া।

30 - তাময়িজ (التمييز) হলো অস্পষ্ট (المبهم) বিষয়ের ব্যাখ্যা প্রদানকারী নাকেরা (النكرة) বা অনির্দিষ্ট পদের স্পষ্টিকরণ।

31 - ইদাফাত (الإضافة) হলো প্রথম পদের সাথে এমন বিষয়ের বিশেষ সম্বন্ধ যা তার নামের অন্তর্ভুক্ত এবং যা তার একটি অংশের ন্যায়।

32 - মাসদার (المصدر) হলো কোনো ঘটনার নাম যাতে ক্রিয়া (الفعل) বিদ্যমান থাকে।

33 - ইশতিকাক (الاشتقاق) হলো মূল থেকে নির্গত শাখা যা শব্দ রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূল অক্ষরের ওপর আবর্তিত হয়।

34 - মাজহার (المظهر) হলো সেই বিষয় যার নাম দ্বারা তাকে নির্দেশ করা হয়, কোনো পূর্বোল্লিখিত প্রসঙ্গের দিকে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যম ব্যতীত।

35 - ফায়দা (الفائدة) হলো আমেল (عامل) বা প্রভাবক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুটি সম্ভাব্য দিকের একটির ওপর নিশ্চিতভাবে দালালাত (الدلالة) বা প্রমাণ পেশ করা।

36 - ইরাব (الإعراب) হলো অর্থের ভিন্নতার কারণে পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতিতে শব্দের মধ্যে পরিবর্তন আনয়নকারী কারণ।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭০)
37 - الْحَذف إِسْقَاط كلمة بخلف مِنْهَا يقوم مقَامهَا

38 - الذّكر وجود كلمة على جِهَة التَّذْكِير بِالْمَعْنَى

39 - الْمركب هُوَ الْمركب من كَلِمَتَيْنِ بِمَنْزِلَة اسْم وَاحِد فِي شدَّة الِانْعِقَاد

40 - الْمُقَيد هُوَ الْمَوْصُول بِمَا يعين الْمَعْنى

41 - الْمُطلق هُوَ الْمُجَرّد مِمَّا يعين الْمَعْنى

42 - الِاسْتِثْنَاء إِخْرَاج بعض من كل بِمَعْنى إِلَّا

43 - الْحَقِيقَة الدّلَالَة على الْمَعْنى من غير جِهَة الِاسْتِعَارَة

44 - الْمجَاز تجَاوز الأَصْل إِلَى الِاسْتِعَارَة

45 - الْجِنْس صنف يعمه معنى مُشْتَقّ وينقسم إِلَى أَنْوَاع مُخْتَلفَة

46 - النَّوْع أحد أَقسَام الْجِنْس الْمُخْتَلفَة كالحيوان وَالْإِنْسَان وَالْجِنْس يحمل على نَوعه كَقَوْلِك كل إِنْسَان حَيَوَان وَالْجمع لَا يحمل على واحده كَقَوْلِك كل نفر أَنْفَار لِأَنَّهُ على تَقْدِير كل رجل رجال وكل نمر نمور وَوَاحِد
37 - বর্জন (الحذف) হলো কোনো শব্দকে উহ্য করা যার পরিবর্তে অন্য কিছু তার স্থলাভিষিক্ত হয়।

38 - উল্লেখ (الذكر) হলো অর্থের স্মারক হিসেবে কোনো শব্দের উপস্থিতি।

39 - যৌগিক (المركب) হলো যা দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এবং সুদৃঢ় বন্ধনের কারণে একটি বিশেষ্যের ন্যায় কাজ করে।

40 - সীমাবদ্ধ (المقيد) হলো যা অর্থ সুনির্দিষ্ট করার মতো কোনো বিষয়ের সাথে যুক্ত থাকে।

41 - অনিবন্ধিত (المطلق) হলো যা অর্থ সুনির্দিষ্ট করার মতো বিষয় থেকে মুক্ত থাকে।

42 - ব্যতিক্রম (الاستثناء) হলো 'ব্যতীত' অর্থের মাধ্যমে সমষ্টি থেকে কোনো অংশকে বের করে দেওয়া।

43 - মূলার্থ (الحقيقة) হলো রূপক ব্যতিরেকে সরাসরি অর্থের প্রতি নির্দেশ করা।

44 - রূপক (المجاز) হলো মূল অর্থ অতিক্রম করে আলঙ্কারিক অর্থের দিকে যাওয়া।

45 - শ্রেণি (الجنس) হলো এমন এক প্রকার যা একটি সাধারণ অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিভিন্ন প্রকারে (An-Nau') বিভক্ত হয়।

46 - প্রকার (النوع) হলো শ্রেণির বিভিন্ন ভাগের একটি, যেমন জীব ও মানুষ। শ্রেণি তার প্রকারের ওপর প্রযুক্ত হয়, যেমন আপনার উক্তি: 'প্রত্যেক মানুষ জীব'। কিন্তু সমষ্টি তার একবচনের ওপর প্রযুক্ত হয় না, যেমন আপনার উক্তি: 'প্রত্যেক ব্যক্তি হলো ব্যক্তিবর্গ', কারণ এর অর্থ দাঁড়াবে প্রতিটি মানুষই পুরুষদের দল এবং প্রতিটি চিতা বাঘই চিতাবাঘের দল।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭১)
الْجِنْس نوع

47 - الْقُوَّة خَاصَّة يُمكن بهَا مَا لَا يُمكن بِمَا هُوَ نقيض صفتهَا فالاسم أقوى من الْفِعْل لِأَنَّهُ يُمكن أَن يسْتَغْنى بِالِاسْمِ عَن الْفِعْل فِي الْفَائِدَة وَلَا يُمكن أَن يسْتَغْنى بِالْفِعْلِ وَالْبَيَان عَن الشَّيْء فِي عينه أقوى من الْبَيَان عَنهُ فِي الْجُمْلَة لِأَنَّهُ يُمكن الْإِشَارَة إِلَيْهِ إِذا وَلَا يُمكن بِالْجُمْلَةِ وَالْفِعْل أقوى فِي الْعَمَل من الِاسْم لِأَنَّهُ يُمكن أَن يدل بِهِ على أَنه عَامل فِي كل مَوضِع يَقع فِيهِ وَلَيْسَ ذَلِك فِي الِاسْم

48 - الضعْف نُقْصَان الْقُوَّة عَن الْحَد وَهِي عَلَيْهِ كَذَا والنادر أَضْعَف من المطرد فِي الْبَيَان

49 - التَّخْفِيف تسهيل مَا يثقل على اللِّسَان أَو فِي الطباع

50 - التَّرْخِيم حذف آخر الِاسْم فِي النداء

51 - الْمَمْدُود هُوَ الْمُخْتَص بِمد الصَّوْت فِي آخِره

52 - الْمَقْصُور هُوَ الْمُخْتَص بِأَلف مُفْرد فِي آخِره كَذَا كَقَوْلِك الْهَوَاء هَوَاء الجو والهوى هوى النَّفس

53 - الْمُذكر الْخَالِي من عَلامَة التَّأْنِيث فِي اللَّفْظ وَالتَّقْدِير

54 - الْمُؤَنَّث الْكَائِن بعلامة التَّأْنِيث فِي اللَّفْظ أَو التَّقْدِير
শ্রেণি একটি প্রকার (نوع)

47 - শক্তি (الْقُوَّة) হলো একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে এমন কার্য সম্পাদন করা সম্ভব যা তার বিপরীত গুণসম্পন্ন বিষয়ের মাধ্যমে সম্ভব নয়। সুতরাং বিশেষ্য ক্রিয়ার চেয়ে অধিক শক্তিশালী (أقوى); কেননা উপকারের ক্ষেত্রে বিশেষ্য ব্যবহারের মাধ্যমে ক্রিয়া হতে অমুখাপেক্ষী হওয়া সম্ভব, কিন্তু ক্রিয়ার মাধ্যমে বিশেষ্য হতে অমুখাপেক্ষী হওয়া সম্ভব নয়। কোনো বিষয়ের সুনির্দিষ্ট সত্তার বর্ণনা তার সামগ্রিক বর্ণনার চেয়ে অধিক শক্তিশালী (أقوى); কারণ তখন সেটির দিকে ইঙ্গিত করা সম্ভব হয়, যা সামগ্রিক বর্ণনার ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। আমল বা কার্যের ক্ষেত্রে ক্রিয়া বিশেষ্যের চেয়ে অধিক শক্তিশালী (أقوى); কারণ ক্রিয়া যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, সেটি আমলকারী হওয়ার সক্ষমতা প্রকাশ করতে পারে, যা বিশেষ্যের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।

48 - দুর্বলতা (الضعْف) হলো শক্তির নির্ধারিত সীমা থেকে হ্রাস পাওয়া এবং এটি এভাবেই হয়ে থাকে। আর বর্ণনার ক্ষেত্রে বিরল (النادر) বিষয়টি নিয়মিত বা সুসংহত (المطرد) বিষয়ের চেয়ে অধিক দুর্বল (أَضْعَف)।

49 - লাঘব (التَّخْفِيف) হলো জিহ্বায় কিংবা স্বভাবে যা ভারী মনে হয় তাকে সহজ করা।

50 - সংক্ষেপণ (التَّرْخِيم) হলো সম্বোধনের সময় বিশেষ্যের শেষাংশ বিলোপ করা।

51 - দীর্ঘায়িত (الْمَمْدُود) হলো সেটি যা শেষে শব্দ প্রলম্বিত করার সাথে সংশ্লিষ্ট।

52 - সংক্ষিপ্ত (الْمَقْصُور) হলো সেটি যা শেষে একক আলিফ থাকার সাথে সংশ্লিষ্ট; যেমন আপনার উক্তি— আল-হাওয়া (আকাশের বাতাস) এবং আল-হাওয়া (নফসের প্রবৃত্তি)।

53 - পুংলিঙ্গ (الْمُذكر) হলো যা শব্দে কিংবা অনুমানে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন হতে মুক্ত।

54 - স্ত্রীলিঙ্গ (الْمُؤَنَّث) হলো যা শব্দে অথবা অনুমানে স্ত্রীলিঙ্গের চিহ্ন সম্বলিত।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭২)
والمؤنث الْحَقِيقِيّ هُوَ الْمُخْتَص بفرج الْأُنْثَى والمذكر الْحَقِيقِيّ هُوَ الْمُخْتَص بفرج الذّكر

55 - النظير هُوَ الشبيه بِمَا لَهُ مثل مَعْنَاهُ وَإِن كَانَ من غير جنسه كالفعل الْمُتَعَدِّي نَظِير الْفِعْل الَّذِي لَا يتَعَدَّى فِي لُزُوم الْفَاعِل وَفِي الِاشْتِقَاق من الْمصدر وَغير ذَلِك من الْوُجُوه نَحْو استتار الضَّمِير وَعَمله فِي الظّرْف والمصدر وَالْحَال

56 - النقيض هُوَ الْمنَافِي لما نافاه بِأَنَّهُمَا لَا يَجْتَمِعَانِ فِي الصِّحَّة وَهُوَ على وَجْهَيْن أَحدهمَا على طَرِيق الْإِيجَاب وَالْآخر على طَرِيق السَّلب نَحْو مَوْجُود مَعْدُوم واللاحي مَوْجُود لَيْسَ بموجود

57 - التَّقْدِير الْمُخْتَص بِأَن الْمَعْنى فِيهِ على خلاف مَا هُوَ بِهِ كَمَا أَن الْكَذِب الْخَبَر عَن الشَّيْء بِخِلَاف مَا هُوَ بِهِ وَالْمعْنَى الْمُقدر يحْتَاج إِلَيْهِ للْبَيَان عَن حق وكل كذب مُقَدّر وَلَيْسَ كل مُقَدّر كذبا

58 - الْمُحَقق هُوَ الْمُخْتَص بِأَن الْمَعْنى فِيهِ على مَا هُوَ بِهِ كالصدق الَّذِي هُوَ خبر مخبره على مَا هُوَ بِهِ
প্রকৃত স্ত্রীলিঙ্গ হলো তা যা নারীর জননাঙ্গের সাথে বিশিষ্ট এবং প্রকৃত পুংলিঙ্গ হলো তা যা পুরুষের জননাঙ্গের সাথে বিশিষ্ট।

৫৫ - সদৃশ (النظير) হলো এমন বিষয়ের অনুরূপ যার অর্থ এর সমতুল্য, যদিও তা ভিন্ন জাতীয় হয়ে থাকে। যেমন সকর্মক ক্রিয়া অকর্মক ক্রিয়ার সদৃশ (نظير) কর্তা আবশ্যক হওয়ার ক্ষেত্রে, মূল ধাতু হতে ব্যুৎপত্তি লাভের ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য দিক থেকে; যেমন সর্বনাম উহ্য থাকা এবং স্থান-কালবাচক পদ, মূল ধাতু ও অবস্থার বর্ণনায় এর ক্রিয়াশীলতা।

৫৬ - বিপরীত (النقيض) হলো এমন বিরোধী সত্তা যা যথার্থতার (الصحة) ক্ষেত্রে একত্রে সমাবেশ ঘটে না। এটি দুই প্রকার: একটি ইতিবাচক (الإيجاب) পদ্ধতির ওপর এবং অন্যটি নেতিবাচক (السلب) পদ্ধতির ওপর; যেমন বিদ্যমান ও অস্তিত্বহীন, এবং জীবনহীন সত্তার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ও অবিদ্যমান।

৫৭ - উহ্য নির্ধারণ (التقدير) হলো এমন বিষয়ের সাথে নির্দিষ্ট যেখানে মর্মটি বাস্তব অবস্থার বিপরীত হয়; যেমন মিথ্যা হলো কোনো বিষয় সম্পর্কে বাস্তবতার পরিপন্থী সংবাদ প্রদান করা। আর উহ্য (المقدر) অর্থ সত্য প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয়। প্রত্যেক মিথ্যাই উহ্য (مقدر), কিন্তু প্রতিটি উহ্যই মিথ্যা নয়।

৫৮ - সুনিশ্চিত (المحقق) হলো সেই বিষয়ের সাথে নির্দিষ্ট যেখানে মর্মটি তার প্রকৃত বাস্তবতার অনুরূপ হয়; যেমন সত্য হলো সংবাদদাতার এমন সংবাদ যা বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৩)
59 - الأَصْل أول يبْنى عَلَيْهِ ثَان

60 - الْفَرْع ثَان يبْنى على أول

61 - المطرد الْجَارِي على النَّظَائِر

62 - النَّادِر الْخَارِج عَن النَّظَائِر إِلَى قلَّة فِي بَابه

63 - الْخَبَر كَلَام يجوز فِيهِ صدق أَو كذب

64 - الِاسْتِفْهَام طلب الْفَهم

65 - الاستخبار طلب الْخَبَر

66 - الْجَزَاء الْمُسْتَحق بِالْعَمَلِ من الْخَيْر وَالشَّر وَهُوَ جَوَاب الشَّرْط

67 - الْمُسْتَقيم هُوَ المستمر فِي جِهَة الصَّوَاب

68 - الْمحَال هُوَ المنقلب بالتناقض الَّذِي فِيهِ

69 - الْعَارِض هُوَ الْمَار على طَرِيق النَّادِر

70 - اللَّازِم هُوَ الْمَار على طَرِيق المطرد

71 - المحسن هُوَ المتقبل فِي نفس الْحَكِيم

72 - الْقَبِيح هُوَ المتكره فِي نفس الْحَكِيم

73 - الْجَائِز هُوَ الْمَار على جِهَة الصَّوَاب

7 - الضَّرُورَة هِيَ المداخلة فِيمَا لَا يُمكن الِامْتِنَاع مِنْهُ وَإِن ضرّ
59 - মূল (الأصل) হলো এমন একটি প্রথম বিষয় যার ওপর দ্বিতীয়টি ভিত্তি করে।

60 - শাখা (الفرع) হলো দ্বিতীয় বিষয় যা প্রথমটির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।

61 - ধারাবাহিক (المطرد) হলো যা সমজাতীয় বিষয়সমূহের ওপর একইভাবে চলমান থাকে।

62 - বিরল (النادر) হলো যা তার স্বজাতীয় বিষয়সমূহ থেকে বিচ্যুত হয়ে নিজ ক্ষেত্রে স্বল্পতার পর্যায়ে পড়ে।

63 - সংবাদ (الخبر) হলো এমন বাক্য যাতে সত্য বা মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

64 - প্রশ্নবোধ (الاستفهام) হলো কোনো কিছু বুঝতে চাওয়া।

65 - সংবাদ অন্বেষণ (الاستخبار) হলো সংবাদ প্রার্থনা করা।

66 - প্রতিফল (الجزاء) হলো ভালো বা মন্দ কাজের মাধ্যমে অর্জিত প্রাপ্য; এবং এটি হলো শর্তের উত্তর (جواب الشرط)।

67 - সঠিক (المستقيم) হলো যা সত্যতার পথে অবিচল থাকে।

68 - অসম্ভব (المحال) হলো যা তার অভ্যন্তরীণ বৈপরীত্যের কারণে বিপরীত বা অসম্ভবতায় পর্যবসিত হয়।

69 - আপতিক (العارض) হলো যা বিরল (النادر) পন্থায় সংঘটিত হয়।

70 - অপরিহার্য (اللازم) হলো যা ধারাবাহিক (المطرد) পন্থায় সংঘটিত হয়।

71 - উত্তম (المحسن) হলো যা প্রাজ্ঞ ব্যক্তির বিবেচনার গ্রহণযোগ্য।

72 - মন্দ (القبيح) হলো যা প্রাজ্ঞ ব্যক্তির বিবেচনায় অপছন্দনীয়।

73 - বৈধ (الجائز) হলো যা সঠিকতার পথ অনুসরণ করে।

7 - প্রয়োজনীয়তা (الضرورة) হলো এমন বিষয়ে জড়িয়ে পড়া যা থেকে বিরত থাকা অসম্ভব, যদিও তা ক্ষতিকর হয়।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৪)
75 - الْمَعْنى مقصد يَقع الْبَيَان عَنهُ بِاللَّفْظِ

76 - اللَّفْظ كَلَام يخرج من الْفَم

77 - الْكَلَام مَا كَانَ من الْحُرُوف دَالا بتأليفه على معنى

78 - الْغَرَض الْمُتَعَمد الَّذِي يظْهر وَجه الْحَاجة إِلَيْهِ وَالْمَنْفَعَة بِهِ وَله أَسبَاب يطْلب من أَجله

79 - الدَّاعِي إِلَى الشَّيْء المقوي لَهُ بِأَنَّهُ يَنْبَغِي

80 - الصَّارِف عَنهُ المضعف لَهُ بِأَنَّهُ لَا يَنْبَغِي أَن يفعل

81 - الِاسْتِعَارَة إِجْرَاء الْكَلَام على غير مَا هُوَ لَهُ فِي الأَصْل للْمُبَالَغَة

82 - الْحَقِيقَة إِجْرَاء الْكَلِمَة على مَا هِيَ لَهُ فِي أصل اللُّغَة

83 - الصُّورَة خَاصَّة تأليف ينْفَصل من سائره بِعظم شَأْنه

84 - الْمَادَّة ترادف الْمعَانِي على الشَّيْء بِكَثْرَة

85 - الْمُرَتّب منزلَة للشَّيْء هُوَ أَحَق بِهِ
75 - অর্থ (المعنى) হলো এমন এক উদ্দেশ্য যা শব্দের (باللفظ) মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

76 - শব্দ (اللفظ) হলো মুখ থেকে নির্গত বাক্য (كلام)।

77 - বাক্য (الكلام) হলো বর্ণমালার সেই বিন্যাস যা কোনো অর্থের (معنى) ওপর নির্দেশ করে।

78 - লক্ষ্য (الغرض) হলো সেই অভিপ্রায় যা কোনো কিছুর প্রয়োজনীয়তা ও উপযোগিতাকে স্পষ্ট করে এবং যার অন্বেষণের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে।

79 - উদ্বুদ্ধকারী (الداعي) হলো কোনো বিষয়ের সহায়ক শক্তি যা বিষয়টি করা সংগত বলে সাব্যস্ত করে।

80 - নিবৃত্তকারী (الصارف) হলো কোনো বিষয় থেকে বিমুখকারী শক্তি যা বিষয়টি করা অসংগত বলে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়।

81 - রূপক (الاستعارة) হলো অলঙ্কার বা আধিক্য বোঝানোর জন্য বাক্যকে (الكلام) তার মূল ব্যবহারের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা।

82 - প্রকৃত অর্থ (الحقيقة) হলো শব্দকে ভাষার মূল উৎস অনুযায়ী তার নির্ধারিত অর্থেই প্রয়োগ করা।

83 - রূপ বা কাঠামো (الصورة) হলো বিশেষ এক বিন্যাস যা তার অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যান্য বিষয় থেকে স্বতন্ত্র থাকে।

84 - উপাদান (المادة) হলো কোনো বিষয়ের ওপর বহুবিধ অর্থের (المعاني) আধিক্য।

85 - সুবিন্যস্ত (المرتب) হলো কোনো বিষয়ের জন্য নির্ধারিত এমন এক পর্যায় বা অবস্থান যার সে প্রকৃত হকদার।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৫)
86 - الْمُنَاسبَة شركَة قريبَة كالولادة

87 - الْخَاصَّة معنى صفة الشَّيْء دون غَيره

88 - وَالْمُغني عَن الشَّيْء هُوَ الْمُخْتَص بِمَا وجوده وَعَدَمه بِمَنْزِلَة فِي انتقاء صفة النَّقْص

89 - الْمُحْتَاج إِلَى الشَّيْء هُوَ الْمُخْتَص بِمَا فِي وجوده وَعَدَمه صفة نقص

90 - الْعَظِيم هُوَ الْمُخْتَص بِشدَّة الْحَاجة إِلَيْهِ أَو إِلَى انتقائه

91 - الحقير هُوَ الْمُخْتَص بِشدَّة الْحَاجة إِلَيْهِ أَو إِلَى انتقائه

92 - الْحَادِث الْمَوْجُود بعد أَن لم يكن

‌‌بَاب حُدُود الموصولات

 

الْعلم الَّذِي يتَعَدَّى إِلَى مفعولين هُوَ الَّذِي يدْخل على الْمُبْتَدَأ وَالْخَبَر بعد ذكر الْفَاعِل

وَالْعلم الَّذِي لَا يتَعَدَّى إِلَى مفعولين مَا عدا الْعلم وَهُوَ على وَجْهَيْن أَحدهمَا لَا يتَعَدَّى كَقَوْلِك دريته وَالْآخر يتَعَدَّى إِلَى وَاحِد كَقَوْلِك عرفت زيدا وَذَلِكَ أَنه بِحَسب مَا ضمن من معنى الْمَعْلُوم
৮৬ - নৈকট্য (المناسبة) হলো জন্মসূত্রের ন্যায় নিকটবর্তী অংশীদারিত্ব।

৮৭ - বিশেষ গুণ (الخاصة) হলো অন্য কোনো বস্তু ব্যতিরেকে কেবল কোনো বস্তুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের অর্থ।

৮৮ - কোনো বস্তু থেকে অমুখাপেক্ষী (المغني) হলো সেই বিশেষ সত্তা, যার অস্তিত্ব ও অনুপস্থিতি ত্রুটির বৈশিষ্ট্য নিরসনের (انتقاء) ক্ষেত্রে সমান স্তরের।

৮৯ - কোনো বস্তুর প্রতি মুখাপেক্ষী (المحتاج) হলো সেই বিশেষ সত্তা, যার অস্তিত্ব ও অনুপস্থিতিতে ত্রুটির বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।

৯০ - সুমহান (العظيم) হলো সেই বিশেষ সত্তা, যার প্রতি অথবা যার অনুপস্থিতির (انتقائه) প্রতি তীব্র প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

৯১ - তুচ্ছ (الحقير) হলো সেই বিশেষ সত্তা, যার প্রতি অথবা যার অনুপস্থিতির (انتقائه) প্রতি তীব্র প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

৯২ - নবউদ্ভূত (الحادث) হলো তা যা পূর্বে অবিদ্যমান থাকার পর অস্তিত্ব লাভ করেছে।

‌‌সংযুক্ত পদসমূহের (الموصولات) সংজ্ঞার পরিচ্ছেদ

 

যে জ্ঞান দুটি কর্মের (مفعولين) দিকে পরিব্যাপ্ত হয় (يتعدى), তা হলো সেটি যা কর্তা (الفاعل) উল্লেখের পর মুক্তাদা ও খবরের ওপর প্রবেশ করে।

আর যে জ্ঞান দুটি কর্মের (مفعولين) দিকে পরিব্যাপ্ত হয় না, তা উক্ত জ্ঞান ব্যতীত অন্য কিছু। এটি দুই প্রকার: প্রথমটি হলো যা পরিব্যাপ্ত হয় না (لا يتعدى), যেমন আপনার উক্তি 'আমি তা অবগত হয়েছি'; আর অন্যটি হলো যা একটি কর্মের দিকে পরিব্যাপ্ত হয় (يتعدى), যেমন আপনার উক্তি 'আমি জায়েদকে চিনেছি'। আর এটি মূলত 'জ্ঞাত' বিষয়ের অর্থের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার নিরিখে হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৬)
أفعل الَّذِي لَا يُضَاف إِلَّا إِلَى الْجمع وَهُوَ وَاحِد مِنْهُ هُوَ الَّذِي فِيهِ معنى يزِيد كَذَا على كَذَا كَقَوْلِك الْيَاقُوت أفضل الْحِجَارَة وَلَا يجوز الْيَاقُوت أفضل الزّجاج لِأَنَّهُ لَيْسَ بعض الزّجاج وَيجوز يُوسُف أفضل الاخوة وَلَا يجوز يُوسُف أفضل إخْوَته لِأَن إخْوَته غَيره وَيجوز مَرَرْت بأحمركم لِأَنَّهُ لَيْسَ فِيهِ معنى يزِيد كَذَا على كَذَا فَيجوز أَن يُضَاف إِلَى غَيره وَكَذَلِكَ كل مَا كَانَ من الألوان نَحْو هَذَا العَبْد أسودكم

الْجَواب الَّذِي يشبه الْعَطف هُوَ الْجَواب بِالْفَاءِ كَقَوْلِك لَا تدن من الْأسد فيأكلك لِأَنَّهُ بِمَنْزِلَة لَا تدن من الْأسد فأنك إِن تدن مِنْهُ يَأْكُلك

الِاسْم الَّذِي فِي مَوضِع الْفَائِدَة يحْتَمل التَّعْرِيف والتنكير هُوَ الَّذِي فِي مَوضِع الْفَائِدَة نَحْو خبر الِابْتِدَاء فِي قَوْلك زيد قَائِم وَزيد الْقَائِم

وَالَّذِي لَا يحْتَمل التَّعْرِيف هُوَ الَّذِي فِي مَوضِع الزِّيَادَة فِي الْفَائِدَة نَحْو هَذَا زيد قَائِما وَلَا تجوز على الْحَال هَذَا زيد الْقَائِم مُعْتَمد الْبُنيان الَّذِي لَا يجوز حذفه هُوَ الْفَاعِل لِأَنَّهُ مضى بِذكرِهِ بِقُوَّة تعلقه بِهِ

ومعتمد الْبُنيان الَّذِي يجوز حذفه الْمُبْتَدَأ لِأَنَّهُ يجوز أَن يَخْلُو الِاسْم من خبر إِذا كَانَ مُضَافا أَو مَفْعُولا وَهُوَ وَاحِد يتَصَرَّف فِي هَذِه الْمَوَاضِع وَلَيْسَ كَذَلِك الْفِعْل لِأَنَّهُ لَا يَقع موقعا إِلَّا وَهُوَ مُتَعَلق بالفاعل الَّذِي يصلح أَن يُضَاف إِلَيْهِ هُوَ الِاسْم

‘আফআলু’ (أفعل) এর রূপটি কেবল বহুবচনের (جمع) দিকেই সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) হয় যখন সেটি সেই দলেরই অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি এমন শব্দ যা একটি বিষয়ের ওপর অন্যটির আধিক্য বা শ্রেষ্ঠত্বের অর্থ প্রদান করে। যেমন আপনার উক্তি: ‘ইয়াকুত পাথরসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ (أفضل)’; কিন্তু এটি বলা বৈধ নয় যে, ‘ইয়াকুত কাঁচের মধ্যে শ্রেষ্ঠ’, কারণ ইয়াকুত কাঁচের অংশ নয়। আবার ‘ইউসুফ ভাইদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ’ বলা বৈধ, কিন্তু ‘ইউসুফ তার ভাইদের শ্রেষ্ঠ’ বলা বৈধ নয়, কারণ তার ভাইয়েরা সে নিজে নয়। ‘আমি তোমাদের মধ্যে লাল বর্ণের ব্যক্তির নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি’ বলা বৈধ, কারণ এতে একটির ওপর অন্যটির আধিক্যের অর্থ নেই, ফলে এটি অন্য কিছুর দিকে সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) হওয়া সম্ভব। একইভাবে বর্ণের ক্ষেত্রেও যেমন: ‘এই গোলামটি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে কালো’।

যে উত্তরটি সংযোজনের (عطف) সদৃশ, তা হলো ‘ফা’ (فاء) যুক্ত উত্তর। যেমন আপনার উক্তি: ‘সিংহের নিকটবর্তী হয়ো না, তাহলে সে তোমাকে খেয়ে ফেলবে’। কারণ এটি মূলত: ‘সিংহের নিকটবর্তী হয়ো না, কেননা তুমি যদি তার নিকটবর্তী হও তবে সে তোমাকে খেয়ে ফেলবে’—এর স্থলাভিষিক্ত।

যে বিশেষ্যটি (اسم) তথ্যের বা উপকারের স্থানে থাকে, সেটি নির্দিষ্ট (معرفة) এবং অনির্দিষ্ট (نكرة) উভয়ই হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এটি মূলত সেই বিশেষ্য যা সংবাদের বা বিধেয় প্রদানের স্থানে থাকে; যেমন উদ্দেশ্য-বিধেয় এর ক্ষেত্রে আপনার উক্তি: ‘জায়েদ দণ্ডায়মান’ এবং ‘জায়েদই দণ্ডায়মান ব্যক্তি’।

আর যা নির্দিষ্ট (معرفة) হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না, তা হলো অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের স্থানে থাকা বিশেষ্য; যেমন: ‘এই যে জায়েদ দণ্ডায়মান অবস্থায়’। এখানে অবস্থা (حال) হিসেবে ‘জায়েদই দণ্ডায়মান ব্যক্তি’ বলা বৈধ নয়। বাক্যের মূল ভিত্তি যা বিলুপ্ত করা বৈধ নয় তা হলো কর্তা (فاعل), কারণ ক্রিয়ার সাথে তার সুদৃঢ় সম্পর্কের কারণে তার উল্লেখ অপরিহার্য।

আর বাক্যের সেই ভিত্তি যা বিলুপ্ত করা বৈধ তা হলো উদ্দেশ্য (مبتدأ), কারণ বিশেষ্যটি (اسم) যখন সম্বন্ধপদ (مضاف) বা কর্ম (مفعول) হয় তখন বিধেয় (خبر) ছাড়াও ব্যবহারের অবকাশ থাকে। এটি এমন এক একক যা এই বিভিন্ন স্থানে রূপান্তরযোগ্য। কিন্তু ক্রিয়ার বিষয়টি এমন নয়, কারণ কর্তা (فاعل) এর সাথে সম্পৃক্ত হওয়া ব্যতীত ক্রিয়ার কোনো অবস্থান নেই। আর যা সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) হওয়ার যোগ্য তা হলো বিশেষ্য (اسم)।

(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৭)
الَّذِي يُنبئ عَن الأول وَيَقَع موقع الْجُزْء مِنْهُ وَلَا يصلح مثل ذَلِك فِي الْحَرْف وَلَا الْفِعْل

الِاسْم الَّذِي لَا يجوز أَن يُوصف هُوَ النَّاقِص المتمكن بالإبهام وتضمين معنى الْحَرْف نَحْو كَيفَ وَمَتى وَأَيْنَ وَمن وَمَا وَإِذ وَإِذا وَحَيْثُ

الْعَطف على التَّأْوِيل هُوَ الْمَحْمُول على الْموضع نَحْو

(لَا أم لي إِن كَانَ ذَاك وَلَا أَب … )

لِأَن فِيهِ معنى مَا أم لي وَلَا أَب

أفعل الَّذِي يتعاظم ويتبين بالتمييز هُوَ بِمَعْنى أفعل من كَذَا كَقَوْلِك هُوَ أحسن مِنْك وَجها وَهُوَ خلاف هُوَ أحسن وَجه

الِاسْتِثْنَاء الَّذِي يصلح فِيهِ تَفْرِيغ الْعَامِل هُوَ الِاسْتِثْنَاء من منفي كَقَوْلِك مَا فِي الدَّار إِلَّا زيد وَمَا سَار إِلَّا عَمْرو

الْمَحْذُوف الَّذِي لَا يجوز إِظْهَاره هُوَ الَّذِي يكثر حَتَّى يصير بِمَنْزِلَة الْمَذْكُور فِي فهم الْمَعْنى نَحْو إياك فِي التحذير وَالَّذِي يجوز أَن يحذف مَا عَلَيْهِ دَلِيل من غير إخلال وَالَّذِي عَلَيْهِ دَلِيل هُوَ على وَجْهَيْن مِنْهُ مَا يَصْحَبهُ الدَّلِيل وَمِنْه مَا يكثر فَيكون هُوَ الدَّلِيل

أحد الَّتِي لَا تكون إِلَّا فِي النَّفْي هِيَ الَّتِي تكون لأتم الْعلم على الْجُمْلَة وَالتَّفْصِيل نَحْو مَا فِي الدَّار أحد فَهِيَ بِمَعْنى مَا فِي الدَّار
যা প্রথমটি সম্পর্কে সংবাদ দেয় এবং তার অংশ হিসেবে গণ্য হয়; আর অব্যয় (حرف) বা ক্রিয়ার (فعل) ক্ষেত্রে এমনটি হওয়া সম্ভব নয়।

যে বিশেষ্য (اسم) কে বিশেষিত করা বৈধ নয়, তা হলো অসম্পূর্ণ এবং অস্পষ্টতার কারণে স্থিতিশীল বিশেষ্য যা অব্যয়ের (حرف) অর্থ ধারণ করে। যেমন: কীভাবে (كيف), কখন (متى), কোথায় (أين), কে (من), কী (ما), যখন (إذ), যদি (إذا) এবং যেখানে (حيث)।

ব্যাখ্যাগত অনুগমন (العطف على التأويل) হলো যা অবস্থানের (موضع) ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন হয়। যেমন:

(আমার কোনো মা নেই যদি তেমনটি হয়, আর না কোনো বাবা … )

কারণ এর মধ্যে 'আমার কোনো মা নেই এবং বাবাও নেই' -এই অর্থ বিদ্যমান।

'আফআলু' (أفعل) এর যে রূপটি গুরুত্ব প্রকাশ করে এবং প্রভেদকের (تمييز) মাধ্যমে স্পষ্ট হয়, তা মূলত 'অমুক থেকে অধিকতর' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন আপনার উক্তি: "সে চেহারার দিক থেকে আপনার চেয়ে সুন্দর"। এটি "সে সুন্দরতম চেহারা" এর বিপরীত।

যে ব্যতিক্রমী বিধানে (استثناء) আমল প্রদানকারীর (عامل) কার্যকারিতা সম্ভব, তা হলো না-বোধক বাক্য হতে হওয়া ব্যতিক্রম (الاستثناء من منفي)। যেমন আপনার উক্তি: "বাড়িতে জায়েদ ছাড়া কেউ নেই" এবং "আমর ছাড়া কেউ চলেনি" ।

যে ঊহ্য (محذوف) বিষয়টিকে প্রকাশ করা বৈধ নয়, তা হলো যা অধিক ব্যবহারের কারণে অর্থ উপলব্ধির ক্ষেত্রে উল্লেখিত বিষয়ের মর্যাদায় পৌঁছে যায়; যেমন সতর্কীকরণের (تحذير) ক্ষেত্রে 'ইইয়াকা' (إياك)। আর যা বিলোপ করা বৈধ, তা হলো যার সপক্ষে কোনো ব্যাঘাত না ঘটিয়েই প্রমাণ বিদ্যমান থাকে। আর যার সপক্ষে প্রমাণ থাকে তা দুই প্রকার: একটি হলো যার সাথে প্রমাণ যুক্ত থাকে, আর অন্যটি হলো যা অধিক ব্যবহারের কারণে নিজেই প্রমাণে পরিণত হয়।

'আহাদ' (أحد) শব্দটি যা কেবল না-বোধক (نفي) বাক্যেই ব্যবহৃত হয়, তা সমষ্টিগত ও বিস্তারিতভাবে পূর্ণ জ্ঞান প্রদানের জন্য আসে। যেমন: "বাড়িতে কেউ নেই"; এটি মূলত বাড়িতে কেউ না থাকার অর্থই প্রকাশ করে।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৮)
وَاحِد فَقَط وَلَا اثْنَان فَقَط وَلَا أَكثر من ذَلِك وَلَا أقل فَمثل هَذَا لَا يَقع فِي الْإِيجَاب

فَأَما أحد الَّتِي تقع فِي الْإِيجَاب فبمعنى وَاحِد نَحْو قل هُوَ الله أحد أَي وَاحِد فَهَذِهِ تجوز فِي الْإِيجَاب وَالنَّفْي

الَّذِي تصح بِهِ فَائِدَة الْكَلَام هُوَ الْجُمْلَة نَحْو زيد قَائِم وَيذْهب عَمْرو لِأَنَّهُ الَّذِي يدل على الْقطع بِأحد الجائزين وَمَا عدا الْجُمْلَة لَا تصح بِهِ فَائِدَة لِأَنَّهُ لَا يدل على الْقطع بِأحد الجائزين

وَإِذا جَاءَ الْمُفْرد فِي الْكَلَام من بَاب الْمَحْذُوف نَحْو إياك إياك أَي أحذر الْكَلَام الَّذِي لَا يجوز هُوَ الْجَارِي على أصل غير صَحِيح وَالْكَلَام الَّذِي يجوز هُوَ الْجَارِي على أصل صَحِيح

الْفِعْل الَّذِي يجوز أَن يلغي هُوَ الَّذِي يدْخل على الْجُمْلَة نَحْو ظَنَنْت وَأَخَوَاتهَا

أحد الَّذِي يصلح أَن يعْمل فِيهِ فعل وَأي هُوَ الْمُبْهم الَّذِي يصلح الْفِعْل فِيهِ لكل وَاحِد من الشَّيْئَيْنِ وَلَا يجوز فِيمَا يصلح إِلَّا للْوَاحِد بِعَيْنيهِ كَقَوْلِك أيكما عور عين أَحَدكُمَا وَلَا يجوز أيكما عض أَنفه أَحَدكُمَا وَلَكِن عض أَنفه الآخر لِأَن أحدا مُبْهَم فَإِذا خرج عَن الْإِبْهَام لم يجز

الْأَفْعَال الَّتِي لَا يقْتَصر فِيهَا على أحد المفعولين هِيَ الَّتِي يكون الثَّانِي مِنْهَا خَبرا عَن الأول لِأَن مُتَعَلق الْفِعْل مَا دلّت عَلَيْهِ الْجُمْلَة وَهُوَ الَّذِي فِيهِ الْفَائِدَة نَحْو علمت وَأَخَوَاتهَا
শুধুমাত্র এক, অথবা শুধুমাত্র দুই, অথবা এর বেশি কিংবা কম নয়; এমন শব্দ ইতিবাচক (إيجاب) বাক্যে ব্যবহৃত হয় না।

পক্ষান্তরে 'আহাদ' যা ইতিবাচক (إيجاب) বাক্যে আসে, তা 'এক' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। যেমন: "বলুন, তিনি আল্লাহ এক", অর্থাৎ এক; এটি ইতিবাচক (إيجاب) এবং নেতিবাচক (نفي) উভয় ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা বৈধ।

যার মাধ্যমে বক্তব্যের পূর্ণ উপযোগিতা বা ফায়দা অর্জিত হয় তা হলো বাক্য (جملة), যেমন: 'জায়েদ দণ্ডায়মান' এবং 'আমর যাচ্ছে'। কারণ এটি সম্ভাব্য দুটি বিষয়ের কোনো একটির ওপর অকাট্য (قطع) নিশ্চয়তা নির্দেশ করে। বাক্য (جملة) ব্যতীত অন্য কিছুর মাধ্যমে পূর্ণ ফায়দা অর্জিত হয় না, কারণ তা কোনো একটি বিষয়ের ওপর অকাট্য (قطع) নিশ্চয়তা নির্দেশ করে না।

যদি বাক্যে কোনো একক শব্দ (مفرد) উহ্য (محذوف) পদের অংশ হিসেবে আসে, যেমন: 'সাবধান, সাবধান' অর্থাৎ "আমি সতর্ক করছি"। যে বক্তব্য বৈধ নয় তা এমন যা কোনো অশুদ্ধ মূলনীতির ওপর পরিচালিত, আর যে বক্তব্য বৈধ তা এমন যা সঠিক (صحيح) মূলনীতির ওপর পরিচালিত।

যে ক্রিয়া (فعل) স্থগিত বা বাতিল (إلغاء) করা বৈধ, তা মূলত বাক্যের (جملة) ওপর প্রযুক্ত হয়, যেমন: 'আমি ধারণা করেছি' এবং এর সমগোত্রীয় ক্রিয়াগুলো।

যে 'আহাদ' শব্দের ওপর ক্রিয়া (فعل) প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং 'আইয়্যু' হলো সেই অস্পষ্ট (مبهم) শব্দ যেখানে ক্রিয়াটি দুটি বিষয়ের প্রত্যেকটির জন্য প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু যা কেবল নির্দিষ্ট একজনের জন্যই সাব্যস্ত হয়, তার ক্ষেত্রে এটি বৈধ নয়। যেমন আপনার উক্তি: "তোমাদের দুজনের মধ্যে কে তোমাদের একজনের চোখ অন্ধ করেছে?" কিন্তু এটি বলা বৈধ নয় যে, "তোমাদের দুজনের মধ্যে কে তোমাদের একজনের নাকে কামড় দিয়েছে?" বরং বলতে হবে "অপরজনের নাকে কামড় দিয়েছে"। কারণ 'আহাদ' শব্দটি অস্পষ্ট (مبهم); সুতরাং যখন এটি অস্পষ্টতা (إبهام) থেকে মুক্ত হয়, তখন আর তার প্রয়োগ বৈধ থাকে না।

যেসব ক্রিয়ার (أفعال) ক্ষেত্রে দুটি কর্মপদের (مفعولين) যেকোনো একটির ওপর সীমাবদ্ধ থাকা যায় না, সেগুলো হলো এমন যেখানে দ্বিতীয়টি প্রথমটি সম্পর্কে সংবাদ (خبر) প্রদান করে। কারণ ক্রিয়ার সংশ্লিষ্টতা মূলত বাক্য (جملة) দ্বারা নির্দেশিত অর্থের ওপর নির্ভর করে এবং তাতেই পূর্ণ উপযোগিতা নিহিত থাকে, যেমন: 'আমি জেনেছি' এবং এর সমগোত্রীয় ক্রিয়াগুলো।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৭৯)
الْبَدَل الَّذِي بِالْمَعْنَى مُشْتَمل عَلَيْهِ هُوَ الَّذِي الْكَلَام الأول فِيهِ يدل على أَن مُتَعَلق الْعَامِل غير الْمَذْكُور كَقَوْلِك سرق زيد ثَوْبه ف سرق زيد يدل على أَنه سرق ملك زيد فَوَقع الْبَدَل على هَذَا

الْحُرُوف الَّتِي لَا تدخل إِلَّا على الأسم هِيَ الَّتِي مَعْنَاهَا فِي الإسم كحروف الْإِضَافَة وَالْألف وَاللَّام الَّتِي للمعرفة

الْحُرُوف الَّتِي لَا تدخل إِلَّا على الْفِعْل هِيَ الَّتِي مَعْنَاهَا فِي الْفِعْل كحروف الِاسْتِقْبَال وحروف الْأَمر وَالنَّهْي وحروف الْجَزَاء

الْحُرُوف الْمُشْتَركَة بَين الِاسْم وَالْفِعْل هِيَ الَّتِي تدخل على الْجُمْلَة وتطلب مَا فِيهِ الْفَائِدَة كحروف النَّفْي وحروف الِاسْتِفْهَام

حُرُوف التَّعْدِيَة هِيَ الَّتِي تسلط الْعَامِل على مَا بعْدهَا حَتَّى يتَعَلَّق بهَا كحرف الِاسْتِثْنَاء فِي الْإِيجَاب وحروف الْجَرّ

الِاسْم النَّاقِص هُوَ الَّذِي يحْتَاج إِلَى صلَة كَالَّذي

لاسم المتمكن هُوَ الَّذِي تخلص فِيهِ الأسمية بِأَنَّهُ لَا يشبه الْحَرْف

الْحُرُوف الَّتِي بهَا صدر الْكَلَام هِيَ الَّتِي تدخل على الْجُمْلَة قَاطِعَة لَهَا عَمَّا قبلهَا كَلَام الِابْتِدَاء وحروف الِاسْتِفْهَام وَمَا للنَّفْي

الصّفة الَّتِي تعْمل فِي السببي خَاصَّة هِيَ المشبهة وَالْجَارِيَة من

অর্থগত স্থলাভিষিক্ত (بدل الاشتمال) যা বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত থাকে তা হলো এমন একটি বিষয় যেখানে প্রথম বাক্যটি নির্দেশ করে যে ক্রিয়ার প্রভাবকের (العامل) সংশ্লিষ্ট বিষয়টি উল্লেখিত বিষয়ের বাইরে অন্য কিছু, যেমন আপনার উক্তি— 'যায়েদের কাপড় চুরি হয়েছে'; এখানে 'যায়েদ চুরি হয়েছে' দ্বারা ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে যে যায়েদের মালিকানাধীন কোনো কিছু চুরি হয়েছে, ফলে স্থলাভিষিক্তকরণ (البدل) এই অর্থের ওপর ভিত্তি করে সংঘটিত হয়েছে।

যেসব হরফ (الحروف) কেবল বিশেষ্যের (الاسم) ওপর প্রবেশ করে, সেগুলো হলো এমন যার অর্থ বিশেষ্যের মধ্যেই নিহিত থাকে; যেমন সম্বন্ধবাচক হরফসমূহ (حروف الإضافة) এবং নির্দিষ্টকরণের জন্য ব্যবহৃত আলিফ ও লাম (الألف واللام المعرفة)।

যেসব হরফ (الحروف) কেবল ক্রিয়ার (الفعل) ওপর প্রবেশ করে, সেগুলো হলো এমন যার অর্থ ক্রিয়ার মধ্যেই নিহিত থাকে; যেমন ভবিষ্যৎবাচক হরফসমূহ (حروف الاستقبال), আদেশ ও নিষেধসূচক হরফসমূহ (حروف الأمر والنهي) এবং প্রতিদান বা শর্তবাচক হরফসমূহ (حروف الجزاء)।

বিশেষ্য (الاسم) এবং ক্রিয়া (الفعل) উভয়ের জন্য সাধারণ হরফসমূহ (الحروف المشتركة) হলো সেগুলো, যা পূর্ণ বাক্যের শুরুতে আসে এবং অর্থপূর্ণ তথ্য অনুসন্ধান করে; যেমন না-বোধক হরফসমূহ (حروف النفي) এবং প্রশ্নবোধক হরফসমূহ (حروف الاستفهام)।

সকর্মক করার হরফসমূহ (حروف التعدية) হলো সেগুলো যা ক্রিয়া প্রভাবককে (العامل) তার পরবর্তী পদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম করে তোলে যাতে সেটি তার সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে; যেমন ইতিবাচক বাক্যে ব্যতিরেকসূচক হরফ (حرف الاستثناء) এবং অব্যয় বা যার-এর হরফসমূহ (حروف الجر)।

অসম্পূর্ণ বিশেষ্য (الاسم الناقص) হলো সেটি যা পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্য একটি যোগসূত্র বা সিলার (صلة) মুখাপেক্ষী হয়, যেমন— 'আল্লাজি' (الذي)।

সুপ্রতিষ্ঠিত বিশেষ্য (الاسم المتمكن) হলো সেটি যার মধ্যে বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য সুস্পষ্টভাবে বিদ্যমান এবং যা হরফের (الحرف) সাথে সদৃশ নয়।

বাক্য প্রারম্ভিক হরফসমূহ (حروف صدر الكلام) হলো সেগুলো যা বাক্যের শুরুতে প্রবেশ করে একে পূর্ববর্তী বক্তব্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়; যেমন প্রারম্ভিক লাম (لام الابتداء), প্রশ্নবোধক হরফসমূহ (حروف الاستفهام) এবং না-বোধক 'মা' (ما النافية)।

যে গুণবাচক শব্দ (الصفة) বিশেষভাবে পরোক্ষ বা সম্বন্ধযুক্ত পদের (السببي) ক্ষেত্রে ক্রিয়াশীল হয়, তা হলো ছিফাতে মুশাব্বাহ (الصفة المشبهة) এবং যা ক্রিয়ার সদৃশ (الجارية) থেকে...

(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৮০)
جِهَة إِنَّهَا تثنى وَتجمع وتؤنث وتذكر كالجارية

التَّأْنِيث الْحَقِيقِيّ هُوَ الَّذِي لَهُ فرج الْأُنْثَى والتأنيث اللَّفْظِيّ مَا عدا الْحَقِيقِيّ

الْإِضَافَة الْحَقِيقِيَّة مَا كَانَ اللَّفْظ على الْإِضَافَة وَالْمعْنَى عَلَيْهَا وَالْإِضَافَة اللفظية مَا كَانَ اللَّفْظ على الْإِضَافَة وَالْمعْنَى على الِانْفِصَال

الَّذِي يدل عَلَيْهِ الْفِعْل فِي عينه الْمصدر وَالَّذِي يدل عَلَيْهِ فِي الْجُمْلَة هُوَ مُتَعَلقَة مَا عدا الْمصدر

الْفِعْل الْحَقِيقِيّ هُوَ الَّذِي يدل على مصدر حَادث وَالْفِعْل اللَّفْظِيّ هُوَ الَّذِي لَا يدل مصدره على حَادث نَحْو كَانَ وَأَخَوَاتهَا

الْمَحْذُوف فِيمَا جرى كالمثل هُوَ الَّذِي لَا يجوز أَن يظْهر لِأَن الْأَمْثَال لَا تغير نَحْو هَذَا وَلَا زعما لَك وَمن أَنْت وزيدا

الْمَحْذُوف الَّذِي مَا قبله من الْكَلَام هُوَ الَّذِي يدل عَلَيْهِ دلَالَة تضمين كَقَوْل الله عز وجل {وَقَالُوا كونُوا هودا أَو نَصَارَى تهتدوا قل بل مِلَّة إِبْرَاهِيم حَنِيفا} وَقَوله لِأَن تَكُونُوا هودا أَو نَصَارَى يدل على أَن اعتنقوا الْيَهُودِيَّة أَو النَّصْرَانِيَّة فَأَما أزيدا مَرَرْت بِهِ فَيدل عَلَيْهِ مَا بعده كَأَنَّهُ قَالَ أجزت زيدا أمررت بِهِ
দিকটি হলো যে এটি দ্বিবচন (تثنية) করা হয়, বহুবচন (جمع) করা হয়, স্ত্রীলিঙ্গ (تأنيث) করা হয় এবং পুংলিঙ্গ (تذكير) করা হয়, যেমন বাঁদি।

প্রকৃত স্ত্রীলিঙ্গ (التأنيث الحقيقي) হলো যার নারীর জননেন্দ্রিয় রয়েছে, আর শাব্দিক স্ত্রীলিঙ্গ (التأنيث اللفظি) হলো প্রকৃত স্ত্রীলিঙ্গ ব্যতীত অন্যগুলো।

প্রকৃত সম্বন্ধ (الإضافة الحقيقية) হলো যার শব্দ এবং অর্থ উভয়ই সম্বন্ধের ওপর ভিত্তি করে গঠিত, আর শাব্দিক সম্বন্ধ (الإضافة اللفظية) হলো যার শব্দ সম্বন্ধযুক্ত হলেও অর্থগতভাবে তা বিচ্ছিন্ন (انفصال)।

ক্রিয়া (الفعل) সরাসরি যা নির্দেশ করে তা হলো ক্রিয়ামূল (المصدر), আর যা সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করে তা হলো ক্রিয়ামূল ব্যতীত তার সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ।

প্রকৃত ক্রিয়া (الفعل الحقيقي) হলো যা কোনো সংঘটিত ক্রিয়ামূলের (مصدر حادث) ওপর নির্দেশ করে, আর শাব্দিক ক্রিয়া (الفعل اللفظي) হলো যার ক্রিয়ামূল কোনো সংঘটিত বিষয়ের ওপর নির্দেশ করে না, যেমন ‘কানা’ (كان) এবং এর সমগোত্রীয় শব্দগুলো।

প্রবাদের ন্যায় প্রচলিত বাক্যের উহ্য (المحذوف) অংশ এমন যা প্রকাশ করা বৈধ নয়, কারণ প্রবাদসমূহ পরিবর্তিত হয় না; যেমন ‘হাজা ওয়া লা যা’মান লাকা’ এবং ‘মান আনতা ওয়া যায়দান’ এর অনুরূপ বাক্যগুলো।

পূর্ববর্তী বাক্য দ্বারা নির্দেশিত উহ্য (المحذوف) অংশ হলো তা, যার প্রতি বাক্যটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্দেশনা (دلالة تضمين) প্রদান করে; যেমন মহান আল্লাহর বাণী: “তারা বলে, তোমরা ইহুদি বা নাসারা হয়ে যাও, তবেই সঠিক পথ পাবে। বলুন, বরং ইব্রাহিমের আদর্শের অনুসরণ করি, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ।” এখানে তাদের কথা “তোমরা ইহুদি বা নাসারা হও” নির্দেশ করে যে, “তোমরা ইহুদি ধর্ম বা খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করো।” পক্ষান্তরে “আ-যায়দান মারারতু বিহি” বাক্যে উহ্য বিষয়টি তার পরবর্তী অংশ দ্বারা নির্দেশিত হয়, যেন সে বলল, “আমি কি জায়েদকে অতিক্রম করেছি নাকি তার পাশ দিয়ে গিয়েছি?”
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৮১)
الْعَامِل الَّذِي يعْمل فِي لفظ الْمَعْطُوف وَلَا يعْمل فِي لفظ الْمَعْطُوف هُوَ الَّذِي يخْتَص الأول بالمانع نَحْو زيد نعم الرجل وَلَا قَرِيبا من ذَلِك لَا يعْمل فِي لفظ الْجُمْلَة لِأَن الْمَعْنى الَّذِي تدل عَلَيْهِ الْجُمْلَة غير مَذْكُور وَلَا يعْمل الْعَامِل إِلَّا فِي مَذْكُور نَحْو قَوْلك مَرَرْت بزيد وعمرا لِأَن الْبَاء عاملة وَلَا يعْمل عاملان فِي مَعْمُول وَاحِد وكقولك ضربت هَؤُلَاءِ وزيدا لِأَن هَؤُلَاءِ مَبْنِيّ

الْمَعْنى الَّذِي لَا تُوصَف بِهِ الْمعرفَة إِلَّا أَن تخرج إِلَى طَريقَة الْمُفْرد هُوَ معنى الْجُمْلَة إِذا صَار صلَة وَالَّذِي يصلح أَن تُوصَف بِهِ الْمعرفَة هُوَ الَّذِي ألقِي خَارِجا

الْمعرفَة الَّتِي تبنى على الْفِعْل فَاعِلا أَو مَفْعُولا وَلَا يُوصف بِهِ هُوَ الَّذِي على طَريقَة الْجِنْس نَاقص التَّمَكُّن بِالْبِنَاءِ والاشتراك نَحْو من وَمَا وَلَيْسَ كَذَلِك الَّذِي لِأَنَّهُ لَيْسَ مُشْتَركا وَلَا أَي لِأَنَّهُ مُعرب

السُّؤَال طلب الْجَواب بأداته فِي الْكَلَام

الْجَواب المطابق للسؤال ذكر مَا اقْتَضَاهُ السُّؤَال من غير زِيَادَة وَلَا نُقْصَان

سُؤال الْحُجْرَة طلب لقسم من عدَّة محصورة وَهُوَ على وَجْهَيْن أَحدهمَا طلب جُزْء من السُّؤَال كَقَوْلِك أزيدا فِي الدَّار أم عَمْرو وَالْآخر طلب أَو دلَالَة الْخلف من الْمَحْذُوف دلَالَة شَيْء يَقْتَضِي معنى مَا لم يذكر مِمَّا تَقْدِيره أَن يذكر وَذَلِكَ نَحْو تَكْبِير

যে আমেল (عامل) অনুগামী শব্দের (معطوف) শব্দের ওপর ক্রিয়া করে এবং অনুগামী শব্দের (معطوف) শব্দের ওপর ক্রিয়া করে না, তা হলো সেই বিষয় যা প্রথমটিকে কোনো প্রতিবন্ধকের কারণে নির্দিষ্ট করে দেয়। যেমন: "যায়েদ কতই না চমৎকার ব্যক্তি" এবং অনুরূপ উদাহরণসমূহে এটি বাক্যের শব্দের ওপর ক্রিয়া করে না; কারণ বাক্যটি যে অর্থ প্রদান করে তা উল্লেখ করা হয়নি, আর আমেল (عامل) কেবল উল্লিখিত বিষয়ের ওপরই ক্রিয়া করে। যেমন আপনার উক্তি: "আমি যায়েদ ও আমরের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেছি"; কেননা এখানে ‘বা’ বর্ণটি আমেল (عامل) হিসেবে বিদ্যমান, আর একই মামুলের (معمول) ওপর দুটি আমেল (عامل) ক্রিয়া করতে পারে না। তদ্রূপ আপনার উক্তি: "আমি এদেরকে এবং যায়েদকে প্রহার করেছি"; কারণ ‘হাওলা-ই’ শব্দটি মাবনি (مبني)।

যে অর্থ দ্বারা মারেফাহ (معرفة) বা নির্দিষ্ট বিশেষ্যকে বিশেষায়িত করা যায় না—যতক্ষণ না তা একক শব্দের পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়—তাহলো বাক্যের অর্থ যখন তা সিলাহ (صلة) বা সম্বন্ধসূচক হয়। আর মারেফাহ (معرفة)-কে যা দ্বারা বিশেষায়িত করা শুদ্ধ, তা হলো যা পৃথকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।

যে মারেফাহ (معرفة) ক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে ফায়েল (فاعل) বা মাফউল (مفعول) হিসেবে গঠিত হয় এবং তা দ্বারা বিশেষায়িত করা যায় না, তা হলো যা শ্রেণি বা প্রকারের (جنس) পদ্ধতিতে গঠিত, যা মাবনি (مبني) হওয়ার কারণে এবং একাধিক অর্থে ব্যবহারের কারণে পূর্ণ সক্ষমতাহীন। যেমন: ‘মান’ এবং ‘মা’। তবে ‘আল্লাজি’ এমন নয়, কারণ এটি মুশতারাক (مشترك) বা সাধারণ নয়; এবং ‘আইয়্যু’ এর মতোও নয়, কারণ এটি মুরব (معرب)।

প্রশ্ন (سؤال) হলো বাক্যের মধ্যে নির্দিষ্ট উপকরণের মাধ্যমে উত্তর (جواب) অনুসন্ধান করা।

প্রশ্নের সাথে হুবহু সামঞ্জস্যপূর্ণ উত্তর (جواب) হলো কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি ব্যতিরেকে প্রশ্নের দাবি অনুযায়ী বিষয়টি উল্লেখ করা।

সীমিত প্রশ্ন (سؤال الحجرة) হলো নির্দিষ্ট কোনো পরিধির মধ্য থেকে একটি অংশ অনুসন্ধান করা। এটি দুই প্রকার: প্রথমটি হলো প্রশ্নের কোনো একটি অংশ চাওয়া, যেমন আপনার উক্তি: "যায়েদ কি ঘরে আছে নাকি আমর?" আর অন্যটি হলো বিলুপ্ত বা মাহজুফ (محذوف) বিষয়ের পরিবর্তে এমন কিছুর নির্দেশ করা যা এমন অর্থের দাবি রাখে যা উল্লেখ করা হয়নি অথচ উল্লেখ করার প্রয়োজন ছিল; আর তা হলো যেমন তাকবির।

(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৮২)
النَّاس عِنْد طلب الْهلَال يَقْتَضِي معنى رائي الْهلَال كَأَنَّهُ نَاطِق بِهِ وتوقع النَّاس للهلال إِذا قَالَ قَائِل فِي تِلْكَ الْحَال الْهلَال يَقْتَضِي هَذَا الْهلَال وَالْفِعْل للشَّاهِد من نَحْو الْقرب والاعطاء إِذا قَالَ قَائِل وزيدا يَقْتَضِي اضْرِب زيدا أَو أعْط زيدا فَهَذِهِ دلَالَة الْحَال الَّتِي تصْحَب الْكَلَام

فَأَما دلَالَة الْكَلَام على الْمَحْذُوف فدلالة تضمين تَقْتَضِي معنى مَا لم يذكر مِمَّا تَقْدِيره أَن يذكر وَهِي ثَلَاثَة أَقسَام مُتَقَدم أَو مُتَأَخّر أَو دلَالَة الْكَلَام الَّذِي حذف مِنْهُ نَحْو وَقَالُوا كونُوا هودا أَو نَصَارَى يدل على أَن الْمَعْنى اتبعُوا الْيَهُودِيَّة أَو النَّصْرَانِيَّة وَقَوله جلّ ثَنَاؤُهُ {أبشرا منا وَاحِدًا نتبعه} يدل على أَن الْمَعْنى اتبعُوا بشرا وقولك أزيدا مَرَرْت بِهِ يدل على معنى أجزت زيدا أَو لقِيت زيدا

وَأما أَخَذته بدرهم فَصَاعِدا فَأَنَّهُ يدل على معنى فَذهب الدِّرْهَم صاعدا فَهَذَا لِكَثْرَة المصاحبة دلّ مَا ألْقى على مَا ألْقى

الصّفة الَّتِي تجْرِي على الأول وَهِي للثَّانِي فِي الْمَعْنى هِيَ الصّفة القوية فِي الْعَمَل نَحْو مَرَرْت بِرَجُل حسن أَبوهُ فَأَما الصّفة الضعيفة فَلَا يجوز فِيهَا ذَلِك نَحْو مَرَرْت بِرَجُل خير مِنْهُ أَبوهُ

وَالصّفة الَّتِي تجْرِي على الأول وَهِي للثَّانِي فِي اللَّفْظ وللأول فِي الْمَعْنى وَهِي الصّفة الضعيفة نَحْو مَا رَأَيْت رجلا أحسن فِي
চাঁদ অন্বেষণের সময় মানুষের অবস্থা চাঁদ দেখার অর্থকে আবশ্যক করে, যেন সে তা মুখে বলছে। এমতাবস্থায় যদি কেউ বলে 'চাঁদ', তবে মানুষের প্রতীক্ষা নির্দেশ করে যে এর অর্থ 'এই যে চাঁদ'। আর প্রত্যক্ষদর্শীর ক্ষেত্রে নিকটবর্তী হওয়া বা দান করার মতো ক্রিয়া উহ্য থাকে; যেমন যখন কেউ বলে 'এবং জায়েদকে', তখন তা 'জায়েদকে প্রহার করো' বা 'জায়েদকে দান করো' অর্থের দাবি রাখে। এটিই হলো অবস্থার নির্দেশক (دلالة الحال) যা বাক্যের অনুগামী হয়।

আর উহ্য (محذوف) বিষয়ের ওপর বাক্যের নির্দেশক হওয়া মূলত অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্দেশক (دلالة تضمين), যা এমন বিষয়ের অর্থ দাবি করে যা উল্লেখ করা হয়নি অথচ যার উপস্থিতি সেখানে অনুমিত (تقدير)। এটি তিন প্রকার: পূর্ববর্তী, পরবর্তী অথবা এমন বাক্যের নির্দেশক যা থেকে কোনো অংশ বিলুপ্ত করা হয়েছে। যেমন: "তারা বলে তোমরা ইহুদি বা নাসারা হয়ে যাও" (বাক্যটি) নির্দেশ করে যে এর অর্থ হলো 'তোমরা ইহুদি ধর্ম বা খ্রিস্টধর্ম অনুসরণ করো'। এবং মহান আল্লাহর বাণী "আমরা কি আমাদের মধ্য থেকেই একজন মানুষের অনুসরণ করব?" নির্দেশ করে যে এর অর্থ হলো 'তোমরা একজন মানুষের অনুসরণ করো'। আর তোমার বক্তব্য "জায়েদ কি যার পাশ দিয়ে আমি অতিক্রম করেছি?" নির্দেশ করে যে এর অর্থ 'আমি জায়েদকে অতিক্রম করেছি' বা 'আমি জায়েদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি'।

আর "আমি এটি এক দিরহাম বা তার ঊর্ধ্বে গ্রহণ করেছি" - এটি এই অর্থ নির্দেশ করে যে "দিরহামটি ঊর্ধ্বগামী হয়েছে"। অধিক ব্যবহারের কারণে এখানে যা বর্জন করা হয়েছে তা অবশিষ্ট অংশের মাধ্যমে বোঝা যায়।

যে বিশেষণ (صفة) প্রথম পদের ওপর প্রযুক্ত হয় কিন্তু অর্থগতভাবে দ্বিতীয় পদের সাথে সংশ্লিষ্ট, তা হলো আমলের ক্ষেত্রে শক্তিশালী বিশেষণ (صفة)। যেমন: "আমি এমন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যার পিতা সুন্দর"। পক্ষান্তরে দুর্বল বিশেষণের (صفة) ক্ষেত্রে এমনটি জায়েজ নয়; যেমন: "আমি এমন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যার পিতা তার চেয়ে উত্তম"।

আর যে বিশেষণ (صفة) শব্দগতভাবে দ্বিতীয় পদের ওপর এবং অর্থগতভাবে প্রথম পদের ওপর প্রযুক্ত হয়, তা হলো দুর্বল বিশেষণ (صفة)। যেমন: "আমি এমন কোনো ব্যক্তি দেখিনি যে অধিক সুন্দর..."
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৮৩)
عَيْنَيْهِ الْكحل مِنْهُ فِي عين زيد وَمَا من أَيَّام أحب فِيهَا الصَّوْم مِنْهُ فِي عشر ذِي الْحجَّة

الصّفة القوية هِيَ المشبهة باسم الْفَاعِل بِالتَّصَرُّفِ فِي التَّثْنِيَة وَالْجمع والتأنيث والتذكير

الْإِضَافَة اللفظية هِيَ الَّتِي يكون اللَّفْظ على الْإِضَافَة وَالْمعْنَى على الِانْفِصَال نَحْو مَرَرْت بِرَجُل ضَارب زيد وَالْمعْنَى ضَارب زيدا وَرَأَيْت رجلا حسن الْوَجْه بِمَعْنى حسنا وَجهه

وَالْإِضَافَة الْحَقِيقِيَّة هِيَ الَّتِي يكون اللَّفْظ على الْإِضَافَة وَالْمعْنَى عَلَيْهَا نَحْو غُلَام زيد وَصَاحب الدَّار

الظّرْف الَّذِي يجوز رَفعه هُوَ الظّرْف المتمكن بإجرائه على أَصله وَالَّذِي لَا يتَمَكَّن هُوَ الظّرْف الْخَارِج عَن أَصله بتضمينه مَا لَيْسَ لَهُ فِي أَصله فَالْأول نَحْو زيد خَلفك وَالثَّانِي أَتَيْته صباحا لَا يرفع لِأَنَّهُ تضمن صباح يَوْمك خَاصَّة

الِاسْم التَّام هُوَ الَّذِي يقوم بِنَفسِهِ فِي الْبَيَان عَن مَعْنَاهُ نَحْو رجل وَفرس وَزيد وَعَمْرو

الِاسْم النَّاقِص هُوَ الَّذِي لَا يقوم بِنَفسِهِ فِي الْبَيَان نَحْو الَّذِي وَمن مَا

حُرُوف الْمَدّ واللين هِيَ الَّتِي تكون مِنْهَا الحركات وَيُمكن مد الصَّوْت بهَا وَهِي الْيَاء وَالْوَاو وَالْألف

حُرُوف الْعلَّة هِيَ الَّتِي تَتَغَيَّر بقلب بَعْضهَا إِلَى بعض بالعلل
তার চোখের সুরমা যায়েদের চোখের সুরমার চেয়ে বেশি, আর জিলহজ মাসের দশ দিনের রোজার চেয়ে কোনো দিনই আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় নয়।

শক্তিশালী বিশেষণ (الصفة القوية) হলো তা যা দ্বিবচন (التثنية), বহুবচন (الجمع), স্ত্রীলিঙ্গ (التأنيث) ও পুংলিঙ্গ (التذكير)-এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে কর্তৃবাচক বিশেষ্যের (اسم الفاعل) সাদৃশ্য গ্রহণ করে।

শাব্দিক সম্বন্ধ (الإضافة اللفظية) হলো এমন সম্বন্ধ যেখানে শব্দটি সম্বন্ধযুক্ত অবস্থায় থাকে কিন্তু অর্থগতভাবে তা বিযুক্ত থাকে। যেমন: ‘আমি যায়েদকে প্রহারকারী (ضارب زيد) এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গেলাম’, যার প্রকৃত অর্থ হলো যায়েদকে প্রহারকারী (ضارب زيدا)। এবং ‘আমি সুন্দর মুখমণ্ডলবিশিষ্ট (حسن الوجه) এক ব্যক্তিকে দেখলাম’, যার অর্থ হলো যার মুখমণ্ডল সুন্দর।

আর প্রকৃত সম্বন্ধ (الإضافة الحقيقية) হলো তা যেখানে শব্দ এবং অর্থ উভয়ই সম্বন্ধের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে। যেমন: ‘যায়েদের গোলাম’ (غلام زيد) এবং ‘বাড়ির মালিক’ (صاحب الدار)।

যে আধেয় বা স্থান-কালবাচক শব্দের (الظرف) রফ’ বা পেশ হওয়া বৈধ, তা হলো সেই সুদৃঢ় আধেয় (الظرف المتمكن) যা তার মূল ব্যাকরণিক ধারায় পরিচালিত হয়। আর যা সুদৃঢ় নয়, তা হলো এমন আধেয় যা তার মূল নিয়ম বহির্ভূত হয়েছে এমন অর্থ অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে যা মূলত তার ছিল না। প্রথমটির উদাহরণ: ‘যায়েদ তোমার পেছনে (خلفك)’ এবং দ্বিতীয়টি: ‘আমি তার কাছে সকালে (صباحا) এসেছি’, এটি রফ’ প্রাপ্ত হয় না কারণ এটি বিশেষভাবে আপনার দিনের সকালকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

পূর্ণ বিশেষ্য (الاسم التام) হলো তা যা স্বীয় অর্থ স্পষ্টভাবে প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ। যেমন: মানুষ, ঘোড়া, যায়েদ এবং আমর।

অপূর্ণ বিশেষ্য (الاسم الناقص) হলো তা যা অর্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। যেমন: যে (الذي), কে (من) এবং যা (ما)।

দীর্ঘস্বর ও কোমল বর্ণসমূহ (حروف المد واللين) হলো সেগুলো যেখান থেকে স্বরচিহ্নসমূহ (الحركات) গঠিত হয় এবং যার মাধ্যমে ধ্বনিকে প্রলম্বিত করা সম্ভব। আর সেগুলো হলো: ইয়া (الياء), ওয়াও (الواو) এবং আলিফ (الألف)।

দুর্বল বর্ণসমূহ (حروف العلة) হলো সেগুলো যা বিভিন্ন ব্যাকরণিক কারণের (بالعلل) প্রেক্ষিতে একে অপরের দ্বারা পরিবর্তিত হয়।
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৮৪)
المطردة وَهِي الْهمزَة وحروف الْمَدّ واللين

حُرُوف الْأَعْرَاب هُوَ الْمُتَغَيّر بالإعراب وَتَكون فِي الِاسْم المتمكن وَالْفِعْل الْمُضَارع

الْمَفْعُول الَّذِي يصل إِلَيْهِ الْفِعْل هُوَ الَّذِي يتَغَيَّر بِالْفِعْلِ نَحْو كسرت الْقَلَم وَقطعت الْحَبل

وَالْمَفْعُول الَّذِي لَا يصل إِلَيْهِ الْفِعْل هُوَ الْمُخْتَص بِهِ من غير وُصُول إِلَيْهِ نَحْو عرفت زيدا وحمدت أمرا

الْعلَّة القياسية الَّتِي يطرد الحكم بهَا فِي النَّظَائِر نَحْو عِلّة الرّفْع فِي الِاسْم وَهِي ذكر الِاسْم على جِهَة يعْتَمد الْكَلَام

وَعلة النصب فِيهِ ذكره على جِهَة الفضلة فِي الْكَلَام

وَعلة الْجَرّ ذكره على جِهَة الْإِضَافَة

الْعلَّة الْحكمِيَّة هِيَ الَّتِي تَدْعُو إِلَيْهَا الْحِكْمَة نَحْو جعل الرّفْع للْفَاعِل لِأَنَّهُ أول للْأولِ وَذَلِكَ تشاكل حسن وَلِأَنَّهُ أَحَق بالحركة القوية لِأَنَّهَا ترى بِضَم الشفتين من غير صَوت وَيُمكن أَن يعْتَمد بهَا فَتسمع والمضاف إِلَيْهِ أَحَق بالحركة الثَّقِيلَة من الْمَفْعُول لِأَنَّهُ وَاحِد والمفعولات كَثِيرَة

الْعلَّة الضرورية هِيَ الَّتِي يجب بهَا الحكم بمتحرك من غير جعل جَاعل

الْعلَّة الوضعية يجب لَهَا الحكم بِجعْل جَاعل نَحْو وجوب
ধারাবাহিক (المطردة) বর্ণসমূহ হলো হামযাহ এবং মাদ্দ ও লীনের বর্ণসমূহ।

ইরাব বা বিভক্তির বর্ণসমূহ (حروف الإعراب) হলো যা ইরাবের পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয় এবং এটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিশেষ্য (الاسم المتمكن) ও মুজারে তথা বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়ার (الفعل المضارع) ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।

যে কর্ম (المفعول) পর্যন্ত ক্রিয়ার প্রভাব পৌঁছায়, তা ক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়; যেমন— "আমি কলমটি ভেঙেছি" এবং "আমি দড়িটি কেটেছি"।

আর যে কর্ম (المفعول) পর্যন্ত ক্রিয়ার প্রভাব পৌঁছায় না, তা সরাসরি সংযোগ ছাড়াই তার সাথে বিশিষ্টতা লাভ করে; যেমন— "আমি জায়েদকে চিনেছি" এবং "আমি আমরের প্রশংসা করেছি"।

পদ্ধতিগত কারণ (العلة القياسية) হলো যার মাধ্যমে সদৃশ বিষয়সমূহে বিধানটি ধারাবাহিকভাবে (المطردة) প্রয়োগ করা হয়; যেমন বিশেষ্যের ক্ষেত্রে রফ’ বা পেশের কারণ (علة), আর তা হলো বিশেষ্যকে এমনভাবে উল্লেখ করা যাতে বাক্য তার ওপর নির্ভর করে।

এবং এতে নসব বা যবরের কারণ (علة) হলো বাক্যের পরিপূরক বা অতিরিক্ত অংশ হিসেবে তার উল্লেখ থাকা।

এবং এতে জর বা যেরের কারণ (علة) হলো ইজাফাত বা সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার ভিত্তিতে তার উল্লেখ থাকা।

প্রজ্ঞানির্ভর কারণ (العلة الحكمية) হলো যার দিকে কোনো হেকমত বা প্রজ্ঞা আহ্বান করে; যেমন কর্তার (الفاعل) জন্য রফ’ বা পেশ নির্ধারণ করা হয়েছে, কারণ তা প্রথম পদের জন্য প্রথম হরকত এবং এটি একটি সুন্দর সামঞ্জস্য। এছাড়া কর্তা শক্তিশালী হরকতের অধিক হকদার, কারণ রফ’ কোনো শব্দ ব্যতিরেকেই দুই ঠোঁট মেলানোর মাধ্যমে দেখা যায় এবং এটি সজোরে প্রকাশ করা যায় যা শোনা সম্ভব। আর মুদাফ ইলাইহি (المضاف إليه) কর্মের (المفعول) তুলনায় ভারী হরকতের অধিক হকদার, কারণ মুদাফ ইলাইহি একটিই হয় কিন্তু কর্মসমূহ (المفعولات) অনেক হতে পারে।

অপরিহার্য কারণ (العلة الضرورية) হলো যার মাধ্যমে কোনো প্রয়োগকারীর প্রয়োগ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিধান সাব্যস্ত হয়।

প্রথাগত কারণ (العلة الوضعية) এর জন্য কোনো প্রবর্তকের প্রবর্তনের মাধ্যমে বিধান সাব্যস্ত হওয়া আবশ্যক, যেমন আবশ্যকতা...
(খণ্ড: ১) রিসালাতুল হুদূদ (পৃষ্ঠা: ৮৫)
الْحَرَكَة للحرف الَّذِي يُمكن أَن يكون سَاكِنا

الْعلَّة الصَّحِيحَة هِيَ الَّتِي تَقْتَضِي الحكم الْجَارِي فِي النَّظَائِر مِمَّا تَدْعُو إِلَيْهِ الْحِكْمَة

الْعلَّة الْفَاسِدَة هِيَ الَّتِي بِخِلَاف هَذِه الصّفة

الْمَعْلُول هُوَ الْمُتَغَيّر بِالْعِلَّةِ

الْقيَاس الصَّحِيح الْجمع بَين شَيْئَيْنِ مِمَّا يُوجب اجْتِمَاعهمَا فِي الحكم كالجمع بَين الِاسْم وَالْفِعْل فِي الرّفْع بعامل الرّفْع
স্বরচিহ্ন (الحركة) সেই অক্ষরের জন্য যা স্থির (ساكناً) হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

সঠিক কারণ (العلة الصحيحة) হলো সেটি যা সমজাতীয় বিষয়গুলোতে প্রচলিত বিধানকে আবশ্যক করে, যার দিকে প্রজ্ঞা আহ্বান জানায়।

ত্রুটিপূর্ণ কারণ (العلة الفاسدة) হলো যা এই বৈশিষ্ট্যের বিপরীত।

ত্রুটিযুক্ত (المعلول) হলো সেটি যা ইল্লত বা কারণের (بالعلة) দ্বারা পরিবর্তিত হয়।

সঠিক কিয়াস (القياس الصحيح) হলো দুটি বিষয়ের মধ্যে এমনভাবে সমন্বয় করা যা বিধানের ক্ষেত্রে তাদের একত্র হওয়াকে আবশ্যক করে, যেমন রাফা (الرفع) প্রদানকারী আমেলের কারণে বিশেষ্য ও ক্রিয়ার মধ্যে রাফা হওয়ার ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধন করা।