(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: -)
الألفاظ المهموزة   (ابن جني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: الألفاظ المهموزة

المؤلف: أبو الفتح عثمان بن جني الموصلي (ت 392هـ)

المحقق: مازن المبارك

الناشر: دار الفكر - دمشق

الطبعة: الأولى، 1409هـ 1988م

عدد الصفحات: 50

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হামযা-যুক্ত শব্দাবলি (الألفاظ المهموزة)   (ইবনে জিন্নি)

বিভাগ: ব্যাকরণ (النحو) ও রূপতত্ত্ব (الصرف)


বই: হামযা-যুক্ত শব্দাবলি (الألفاظ المهموزة)

লেখক: আবুল ফাতাহ উসমান ইবনে জিন্নি আল-মাওসিলি (মৃত্যু ৩৯২ হিজরি)

মুহাক্কিক: মাজেন আল-মুবারক

প্রকাশক: দারুল ফিকর - দামেস্ক

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৯ হিজরি ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ২৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

قَالَ ابو الْفَتْح عُثْمَان بن جني النَّحْوِيّ رحمه الله

هَذِه الْأَلْفَاظ مَهْمُوزَة كَثِيرَة الِاسْتِعْمَال يحْتَاج الْكَاتِب إِلَيْهَا ويفتقر إِلَى مَعْرفَتهَا نظمناها على سِيَاق حُرُوف المعجم احْتِيَاطًا وتقريبا واجتنبنا مَا كَانَ وحشيا غَرِيبا من ذَلِك

‌‌حرف الْألف

 

مهمل

‌‌حرف الْبَاء

 

بدأت بِالْأَمر وابتدأت بِهِ وأبدأت وأعدت
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আবুল ফাতহ উসমান ইবনে জিন্নি আন-নাহবি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন:

এই শব্দগুলো হামযা-যুক্ত (مهموزة) এবং অধিক ব্যবহৃত, একজন লেখকের এগুলোর প্রয়োজন হয় এবং এগুলোর পরিচয় জানার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সতর্কতাস্বরূপ এবং সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে আমরা এগুলোকে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছি এবং যা শ্রুতিকটু (وحشيا) ও অপরিচিত (غريبا) তা বর্জন করেছি।

‌‌আলিফ বর্ণ

 

অব্যবহৃত (مهمل)

‌‌বা বর্ণ

 

আমি বিষয়টি শুরু করলাম, আমি এর প্রারম্ভ করলাম এবং আমি সূচনা করলাম ও পুনরায় করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ২৬)
وبرأت من الْمَرَض وبرئت أَيْضا وأبرأت وبارأت شَرِيكي وتبرأت واستبرأت وأبطأت وبطأت بِالْأَمر وتباطأت واستبطأت الرجل وبوأت الرجل منزلا وبأبأت بِالصَّبِيِّ
এবং আমি ব্যাধি থেকে আরোগ্য লাভ করলাম এবং আমি আরও আরোগ্য লাভ করলাম এবং আমি রোগমুক্ত (বা দায়মুক্ত) করলাম এবং আমি আমার অংশীদারের সাথে কারবার চুকিয়ে নিলাম এবং আমি সম্পর্কহীনতা প্রকাশ করলাম এবং আমি পবিত্রতা বা দায়মুক্তি অন্বেষণ করলাম এবং আমি বিলম্ব করলাম এবং আমি বিষয়টিকে বিলম্বিত করলাম এবং আমি মন্থরতা অবলম্বন করলাম এবং আমি লোকটিকে ধীরগতির মনে করলাম এবং আমি লোকটিকে একটি আবাসে স্থান দান করলাম এবং আমি শিশুর প্রতি মমতাভরে ‘বা-বা’ শব্দ উচ্চারণ করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌حرف التَّاء

 

تنأت بِهِ اقمت بِهِ واتكأت على الوسادة وأتكأت زيدا

‌‌حرف الثَّاء

 

ثمأت رَأسه بِالْحِنَّاءِ وتثأثأت عَنهُ أَي تَأَخَّرت

‌‌حرف الْجِيم

 

جبأت عَن الشَّيْء أَي جبنت
তা (تاء) বর্ণ (حرف)

 

আমি সেখানে অবস্থান করেছি; এবং আমি বালিশে হেলান দিয়েছি ও জায়েদকে হেলান দিয়ে বসিয়েছি।

‌ছা (ثاء) বর্ণ (حرف)

 

আমি তার মস্তক মেহেদি দ্বারা রঞ্জিত করেছি এবং আমি তা থেকে পিছিয়ে পড়েছি অর্থাৎ বিলম্ব করেছি।

‌জিম (جيم) বর্ণ (حرف)

 

আমি বিষয়টি থেকে বিমুখ হয়েছি অর্থাৎ ভীরুতা প্রদর্শন করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ২৮)
واجترأت على الْأَمر وجرأت غَيْرِي وتجرأت عَلَيْهِ

وجسأت يَده وأجسأت وجشأت نَفسه وتجشأت وجنأت على الشَّيْء أكببت

‌‌حرف الْحَاء

حشأت الصَّيْد بِالسَّهْمِ وحطأت الرجل صرعته وأحكأت العقد شددته وحمأت فِيهَا الحمأة وحنأت رَأسه بِالْحِنَّاءِ
আমি কোনো কাজে সাহসী হলাম, অন্যকে সাহসী করলাম এবং তার প্রতি দুঃসাহস দেখালাম।

তার হাত শক্ত ও রুক্ষ হলো এবং আমি তা শক্ত করলাম; তার মনে বমি ভাব উদ্রেক হলো এবং সে ঢেঁকুর তুলল; এবং আমি কোনো বিষয়ের ওপর ঝুঁকে পড়লাম।

‌‌'হা' বর্ণ

আমি তীরের সাহায্যে শিকারের উদর বিদ্ধ করলাম, আমি লোকটিকে আছাড় দিয়ে ধরাশায়ী করলাম, আমি বন্ধনটি দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ করলাম, আমি তাতে পঙ্কিল কাদা মিশ্রিত করলাম এবং মেহেদি দিয়ে তার মাথা রঞ্জিত করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌حرف الْخَاء

 

خبأت الشَّيْء وخذأت الرجل وخذئت لَهُ واستخذأت لَهُ وخسأت الْكَلْب طردته وباعدته

وأخطأت يَا هَذَا وخطأت الرجل وتخطأت الرجل

وخلأت النَّاقة حرنت

‌‌حرف الدَّال

 

درأت الْحَد وتدارأنا تدافعنا وأدفأت الرجل ودفأت أَيْضا واستدفأت بِكَذَا وتدفأت بِهِ وأدوأت جَوف الرجل
খ (خ) বর্ণ

 

আমি কোনো বস্তু গোপন করলাম (خبأت), আমি লোকটিকে অবনমিত করলাম (خذأت), আমি তার প্রতি বিনীত হলাম (خذئت), আমি তার নিকট বশ্যতা স্বীকার করলাম (استخذأت) এবং আমি কুকুরটিকে তাড়িয়ে দিলাম (خسأت) অর্থাৎ আমি তাকে দূরে সরিয়ে দিলাম এবং বিতাড়িত করলাম।

হে ব্যক্তি! তুমি ভুল করেছ (أخطأت), আমি লোকটিকে ভুলকারী হিসেবে সাব্যস্ত করলাম (خطأت) এবং আমি লোকটির ভুল অন্বেষণ করলাম (تخطأت)।

উটনীটি বসে পড়ল (خلأت) অর্থাৎ সে অবাধ্য হয়ে থেমে গেল (حرنت)।

‌দাল (د) বর্ণ

 

আমি দণ্ড (حد) প্রতিহত করলাম (درأت), আমরা একে অপরকে প্রতিহত করলাম (تدارأنا) অর্থাৎ আমরা পরস্পরকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম (تدافعنا)। আমি লোকটিকে উষ্ণতা দান করলাম (أدفأت), তাকে গরম করলাম (دفأت), কোনো কিছুর মাধ্যমে উষ্ণতা যাচনা করলাম (استدفأت), তার মাধ্যমে উষ্ণতা লাভ করলাম (تدفأت) এবং লোকটির উদর পীড়িত করলাম (أدوأت)।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌حرف الذَّال

 

ذرأت يَا رَبنَا الْخلق وذيأت اللَّحْم أَي شيطته

‌‌حرف الرَّاء

 

ربأت الْقَوْم كلأتهم وأرجأت الْأَمر أَخَّرته وأردأت الرجل أعنته وترادأت عَلَيْهِ واستردأت الشَّيْء ورزأت
বর্ণ যাল

 

হে আমাদের প্রতিপালক, আপনি সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করেছেন এবং আমি গোশত দগ্ধ করেছি অর্থাৎ তা ঝলসে দিয়েছি।

বর্ণ রা

 

আমি সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণ করেছি তথা তাদের সুরক্ষা প্রদান করেছি, আমি বিষয়টিকে স্থগিত করেছি অর্থাৎ তা বিলম্বিত করেছি, আমি লোকটিকে সাহায্য করেছি, তারা পরস্পরকে সাহায্য করেছে, আমি বস্তুটিকে নিকৃষ্ট মনে করেছি এবং আমি হ্রাস করেছি বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩১)
الرجل الطَّعَام ورزأته فجعته وأردأت الرجل أعبته ورفأت الثَّوْب ورقأت عبرته انْقَطَعت وارقأت الْعبْرَة وَالدَّم وروأت فِي الْأَمر

‌‌حرف الزَّاي

 

زكأت إِلَى الشَّيْء لجأت زنأت فِي الْجَبَل أَي صعدت

‌‌حرف السِّين

 

يُقَال سبأت الْخمْرَة إِذا اشْتَرَيْتهَا وسوأت على الرجل
ব্যক্তিটি আহার গ্রহণ করল; আমি তাকে ব্যথিত ও ক্ষতিগ্রস্ত (رزأته) করলাম। আমি লোকটির দোষ বর্ণনা (أردأت) করলাম তথা তাকে ত্রুটিযুক্ত সাব্যস্ত করলাম। আমি কাপড়টি সেলাই বা মেরামত (رفأت) করলাম। তার অশ্রু থেমে গেল (رقأت) অর্থাৎ তা বিচ্ছিন্ন (انقطعت) হলো। আমি অশ্রু ও রক্ত প্রবাহ বন্ধ (أرقأت) করলাম এবং কোনো বিষয়ে সুচিন্তিত চিন্তা-ভাবনা (روأت) করলাম।

‌‌যাই (الزاي) বর্ণ

 

আমি কোনো কিছুর নিকট আশ্রয় (زكأت) নিলাম। আমি পাহাড়ে আরোহণ (زنأت) করলাম অর্থাৎ উপরে উঠলাম।

‌‌সীন (السين) বর্ণ

 

বলা হয়, আমি শরাব ক্রয় (سبأت) করেছি যখন আমি তা খরিদ করি এবং আমি লোকটির প্রতি মন্দ আচরণ (سوأت) করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩২)
أَي قبحت عَلَيْهِ فعله وأسأت إِلَيْهِ من الْإِسَاءَة

‌‌حرف الشين

 

يُقَال شطأت يَا زرع سنبلت وشقأت رَأسه بالمشقاء وَهُوَ الْمشْط غَرِيب

‌‌حرف الصَّاد

 

يُقَال صَبَأت إِلَى الدّين أَي ملت إِلَيْهِ وأصبأت غَيْرِي إِلَيْهِ أملته
অর্থাৎ আমি তার কাজকে মন্দ সাব্যস্ত করলাম এবং তার প্রতি মন্দ আচরণ করলাম।

‌‌শিন বর্ণ

 

বলা হয় ‘শাতআত ইয়া যারউ’ অর্থাৎ শস্য শিষ উৎপন্ন করেছে; এবং ‘শাকাতু রা’সাহু বিল-মিশ্কা’ অর্থাৎ আমি ‘মিশ্কা’ (চিরুনি) দিয়ে মাথা আঁচড়ালাম, এখানে ‘মিশ্কা’ হলো চিরুনি; এটি বিরল (غريب)।

‌‌সদ বর্ণ

 

বলা হয় ‘সাবা’তু ইলাদ-দীন’ অর্থাৎ আমি দ্বীনের প্রতি ঝুঁকে পড়লাম এবং ‘আস্বা’তু গাইরি ইলাইহি’ অর্থাৎ আমি অন্য ব্যক্তিকে সেদিকে ধাবিত করলাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৩)
‌‌حرف الضَّاد

 

يُقَال ضبأت بِالْأَرْضِ لصقت بهَا وأضأت الْبَيْت وضوأته

‌‌حرف الطَّاء

 

يُقَال طرأت على الْقَوْم وأطرأت الرجل مدحته وَأَطْفَأت النَّار وطأطأت رَأْسِي

‌‌حرف الظَّاء

 

يُقَال ظمئت وظمأت الْخَيل وَغَيرهَا فِي مَعْنَاهُ وتظمأت تعطشت
‌‌বর্ণ দাদ

 

বলা হয়ে থাকে, ‘দাবাতু বিল আরদ’ অর্থাৎ আমি জমিনের সাথে লেপটে গেলাম—যখন কেউ মাটির সাথে লেগে থাকে; এবং ‘আদাতুল বাইতা’ ও ‘দাওয়াতুহু’ অর্থাৎ আমি ঘরটি আলোকিত করলাম।

‌‌বর্ণ ত-

 

বলা হয়ে থাকে, ‘তারা’তু আলাল কাওম’ (আমি সম্প্রদায়ের নিকট আকস্মিক উপস্থিত হলাম), ‘আতরা’তুর রাজুলা’ অর্থাৎ আমি লোকটির অত্যধিক প্রশংসা করলাম, ‘আতফাতুন নারা’ অর্থাৎ আমি আগুন নির্বাপিত করলাম এবং ‘তাতাতু রা’সী’ অর্থাৎ আমি আমার মাথা অবনত করলাম।

‌‌বর্ণ জ-

 

বলা হয়ে থাকে, ‘জমি’তু’ এবং ‘জমা’তিল খাইলা’ (ঘোড়াগুলো তৃষ্ণার্ত হলো) এবং সমার্থবোধক অন্যান্য শব্দ; আর ‘তাজাম্মাতু’ অর্থ আমি পিপাসার্ত হলাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৪)
‌‌حرف الْعين

 

عبأت الْمَتَاع وَالطّيب وعبأت الْجَيْش وَمَا عبأت بِالْأَمر وتعبأت لِلْأَمْرِ

‌‌حرف الْغَيْن

 

مهمل

‌‌حرف الْفَاء

 

فثأ رَأْي الرجل وفثأت رَأْيه رَددته وفاجأت الرجل وتقاجأنا وفقأت عينه وانفقأت هِيَ وتفيأت بظلك
‌‌আইন (عين) বর্ণ

 

আমি সরঞ্জাম ও সুগন্ধি গুছিয়েছি (عبأت), আমি সৈন্যবাহিনী বিন্যস্ত করেছি (عبأت), আমি বিষয়টি গ্রাহ্য করিনি (عبأت) এবং আমি কাজের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি (تعبأت)।

‌‌গাইন (غিন) বর্ণ

 

অব্যবহৃত (مهمل)

‌‌ফা (فاء) বর্ণ

 

সে লোকটির অভিমত প্রশমিত করেছে (فثأ), আমি তার অভিমত খণ্ডন করেছি (فثأت) তথা তা প্রত্যাখ্যান করেছি, আমি লোকটির নিকট অকস্মাৎ উপস্থিত হয়েছি (فاجأت), আমরা পরস্পর আকস্মিকভাবে মিলিত হয়েছি (تقاجأنا), আমি তার চক্ষু উপড়ে ফেলেছি (فقأت), তা বিদীর্ণ হয়েছে (انفقأت) এবং আমি তোমার ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছি (تفيأت)।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৫)
‌‌حرف الْقَاف

 

قَرَأت الْقُرْآن واقترأته وتقرأت وقرأت زيدا واقرأته وقارأته وتقارأنا واستقرأت الرجل

وأقرأت الْمَرْأَة من الْحيض وقرأتها الْمَرْأَة
ক্বাফ (قاف) বর্ণ

 

আমি কুরআন পাঠ করেছি, আমি তা তিলাওয়াত করেছি, আমি পাঠে নিবিষ্ট হয়েছি; আমি যায়দকে পাঠ করে শুনিয়েছি, আমি তাকে পাঠদান করিয়েছি, আমি তার সাথে সম্মিলিতভাবে পাঠ করেছি, আমরা পরস্পর পাঠ বিনিময় করেছি এবং আমি লোকটির নিকট পাঠ করার অনুরোধ জানিয়েছি।

আর নারী ঋতুস্রাব (حيض) বা পবিত্রতার কালে উপনীত হয়েছে এবং নারী ঋতুকালীন সময়ে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৬)
وقنأت لحيته بِالْحِنَّاءِ وأقنأتها وتقنأت يَا رجل أَي تخضبت

‌‌حرف الْكَاف

 

كفأت الْإِنَاء إِذا كببته وأكفات فِي الشّعْر وكافأت فلَانا من الْمُكَافَأَة وانكفأت عَن الْأَمر أَي رجعت وتكافأنا مثلا
তাঁর দাড়ি মেহেদি দ্বারা অতিশয় রক্তবর্ণ ধারণ করেছে এবং আমি তা রক্তবর্ণে রঞ্জিত করেছি। হে ব্যক্তি, তুমি রঞ্জিত হয়েছ অর্থাৎ তুমি খিযাব মেখেছ।

‌‌কাফ বর্ণ

 

আমি পাত্রটি উল্টে দিয়েছি যখন আমি তা উপুড় করেছি। আমি কবিতায় ছন্দের বিচ্যুতি ঘটিয়েছি। আমি অমুক ব্যক্তিকে প্রতিদান প্রদানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করেছি। আমি বিষয়টি থেকে নিবৃত্ত হয়েছি অর্থাৎ ফিরে এসেছি এবং আমরা উদাহরণস্বরূপ পরস্পর সমতুল্য হয়েছি।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৭)
بِمثل أَي تساوينا وتكفأت فِي ثوبي أَي اختلت وكلأت الْقَوْم أَي حفظتهم وأكلأت الأَرْض وتكالأنا أَي تحافظنا وتحارسنا وأكمأت الأَرْض من الكمأة

‌‌حرف اللَّام

لبأت الجدي من اللبأ ولجأت إِلَى فلَان ولطأت بِالْأَرْضِ لزقت وتلكأت عَن الْأَمر
সমতুল্য (بِمثل) অর্থাৎ আমরা সমান হলাম; আমি আমার পোশাকে দুললাম (تكفأت) অর্থাৎ টলটলায়মান হওয়া; আমি কওমকে পাহারা দিলাম (كلأت) অর্থাৎ আমি তাদের হিফাজত করলাম; ভূমিটি প্রচুর ঘাসযুক্ত (أكلأت) হলো; আমরা একে অপরকে পাহারা দিলাম (تكالأنا) অর্থাৎ আমরা পরস্পরকে হিফাজত ও রক্ষণাবেক্ষণ করলাম; এবং ভূমিটি মাশরুম (كمأة) দ্বারা মাশরুমযুক্ত (أكمأت) হলো।

লাম (اللَّام) বর্ণ

আমি ছাগলছানাকে শালদুধ (لبأ) পান করালাম (لبأت); আমি অমুকের নিকট আশ্রয় নিলাম (لجأت); আমি মাটির সাথে মিশে রইলাম (لطأت) অর্থাৎ লেপ্টে থাকা; এবং আমি বিষয়টি থেকে পিছিয়ে রইলাম (تلكأت)।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৮)
حرف الْمِيم

 

تمرأت بِالرجلِ واستمرأت الطَّعَام وأمرأني الطَّعَام

وملأت الْإِنَاء وتملأت من الطَّعَام وامتلأت مِنْهُ وتمالأنا على الْأَمر أَي تعاونا وملأت الرجل على الْأَمر إِذا عاونته عَلَيْهِ

‌‌حرف النُّون

 

نبأت بِالْأَمر خبرت بِهِ واستنبأت عَنهُ استخبرت عَنهُ وتنبأت تخبرت وأنبأت الرجل أخْبرته

ونتأت القرحة ورمت ونجأت الرجل بعيني إِذا أصبته
'মীম' বর্ণ

 

আমি লোকটির মাঝে মনুষ্যত্ব অন্বেষণ করলাম এবং আমি খাদ্যটিকে প্রীতিকর মনে করলাম এবং খাদ্যটি আমার নিকট পরিপাকযোগ্য হলো।

এবং আমি পাত্রটি পূর্ণ করলাম এবং আমি খাদ্য গ্রহণে তৃপ্ত হলাম এবং আমি তা দ্বারা পরিপূর্ণ হলাম। আর আমরা কোনো বিষয়ে একমত হলাম অর্থাৎ পরস্পর সহযোগিতা করলাম। আর আমি লোকটিকে কোনো বিষয়ে সাহায্য করলাম যখন আমি তাকে সে কাজে সহায়তা করলাম।

‌‌'নুন' বর্ণ

 

আমি বিষয়টি সম্পর্কে সংবাদ (خبر) দিলাম বা অবহিত করলাম। আমি সেটি সম্পর্কে সংবাদ (خبر) জানতে চাইলাম বা তথ্য অন্বেষণ করলাম। আমি সংবাদ (خبر) আহরণ করলাম এবং আমি লোকটিকে সংবাদ (خبر) প্রদান করলাম।

এবং ক্ষতটি ফুলে উঠল। আর আমি লোকটিকে আমার দৃষ্টির মাধ্যমে কুদৃষ্টির শিকার করলাম যখন আমি তাকে নজর লাগালাম।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৩৯)
وأنسأت الدّين أَخَّرته ونسأت النَّاقة زجرتها ونشأت يَا فلَان وأنشأت كَذَا وَكَذَا وَنَشَأ الْغُلَام وتنشأت الْحَال ونكأت القرحة إِذا قشرتها وناوأت الرجل إِذا عاديته وتناوأنا أَي تعادينا وأنأت اللَّحْم أَي لم أنضجه

‌‌حرف الْهَاء

 

يُقَال هدأت أَنا وهدأت فلَانا وأهدأته من
আমি ঋণ বিলম্বিত করেছি অর্থাৎ তা পিছিয়ে দিয়েছি; এবং আমি উটনীকে চালিত করেছি বা হাঁকিয়েছি; এবং হে অমুক! তুমি বড় হয়েছ; এবং আমি অমুক অমুক বিষয় সূচনা করেছি; এবং বালকটি বড় হয়েছে; এবং পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে; এবং আমি ক্ষতের মামড়ি ছাড়িয়েছি যখন আমি তা খুঁটিয়ে তুলে ফেলি; এবং আমি লোকটির বিরুদ্ধাচরণ করেছি যখন আমি তার সাথে শত্রুতা করেছি; এবং আমরা পরস্পর বিরুদ্ধাচরণ করেছি অর্থাৎ একে অপরের শত্রু হয়েছি; এবং আমি গোশত আধসিদ্ধ রেখেছি অর্থাৎ আমি তা সুসিদ্ধ করিনি।

‌‌হা বর্ণ

 

বলা হয়ে থাকে: আমি স্থির হয়েছি, এবং আমি অমুককে শান্ত করেছি এবং তাকে প্রশমিত করেছি... থেকে।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪০)
الهدأة وهرأت اللَّحْم بالغت فِي إنضاجه وهزأت بفلان مثل هزئت بِهِ وَهَنأَنِي الطَّعَام وهايأت الرجل إِذا فاضلته وتهايأنا على الْأَمر
নিস্তব্ধতা; আমি মাংস অতিমাত্রায় সিদ্ধ করেছি; আমি অমুক ব্যক্তিকে উপহাস করেছি যেমনটি ‘হাজি’তু’ এর ক্ষেত্রে বলা হয়; খাবারটি আমার জন্য তৃপ্তিদায়ক হয়েছে; আমি লোকটির সাথে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা করেছি; এবং আমরা বিষয়টি নিয়ে পারস্পরিক সমঝোতায় উপনীত হয়েছি।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪১)
‌‌حرف الْوَاو

 

أوبأت بِمَعْنى أَوْمَأت ووبأت أَيْضا ووجأت عُنُقه ووثأت يَده وتوكأت عَلَيْهَا واتكأت وأتكأت زيدا وأومأت إِلَيْهِ وومأت أَيْضا

‌‌حرف الْيَاء

 

مهمل

وَتقول فِي مصَادر بعض ذَلِك
‌ওয়াও বর্ণ

 

‘আওবাতু’ শব্দটি ‘আওমাতু’ এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ‘ওয়াবাতু’ শব্দটিও একইভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ‘ওয়াজাতু উনুকা-হু’ (আমি তার ঘাড়ে আঘাত করলাম), ‘ওয়াছাত ইয়াদাহু’ (তার হাত মচকে গেল), ‘তাওয়াক্কাতু আলাইহা’ (আমি সেটির ওপর ভর দিলাম), ‘ইত্তাকাতু’ (আমি হেলান দিলাম), ‘আতকাতু জাইদান’ (আমি জায়েদকে হেলান দিয়ে বসালাম), ‘আওমাতু ইলাইহি’ (আমি তার দিকে ইশারা করলাম) এবং ‘ওয়ামাতু’ শব্দটিও একইভাবে ব্যবহৃত হয়।

‌ইয়া বর্ণ

 

অব্যবহৃত (مهمل)

এবং আপনি এগুলোর কয়েকটির ক্রিয়ামূল সম্পর্কে বলবেন:
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪২)
تقيأت تقيؤا وتلكأت تلكؤا وتمرأت تمرؤا وتوكأت توكأ وَتقول عجبت من تلكؤ هَذَا الْأَمر وسررتني بتقرئك

وَمن ذَلِك

تَقول فِي فلَان ترادؤ ظَاهر وَعَجِبت من تمالئكم على الْأَمر وأخطأت فِي تباطئك عَن الْخَيْر وأصبت فِي تطأطئك للحق

‌‌فصل

 

وَاعْلَم أَن الْهمزَة إِذا كتبت يَاء فِي الطّرف فَإِنَّهَا ثَابِتَة وَلَيْسَت
আমি বমি করলাম বমন করা, আমি দ্বিধা করলাম দ্বিধা করা, আমি পৌরুষ অর্জন করলাম পৌরুষ অর্জন করা এবং আমি হেলান দিলাম হেলান দেওয়া। আর আপনি বলবেন: আমি এই বিষয়ের বিলম্ব বা দ্বিধা দেখে বিস্মিত হয়েছি এবং আপনার তিলাওয়াত আমাকে আনন্দিত করেছে।

আর এরই অন্তর্ভুক্ত হলো:

আপনি অমুক ব্যক্তি সম্পর্কে বলবেন: (তার মধ্যে) প্রকাশ্য পরস্পর সহযোগিতা রয়েছে। আমি এই বিষয়ে তোমাদের পারস্পরিক যোগসাজশ দেখে বিস্মিত হয়েছি। তুমি কল্যাণের কাজে ধীরগতি করে ভুল করেছ এবং সত্যের প্রতি বিনয়ী হয়ে সঠিক কাজ করেছ।

‌‌পরিচ্ছেদ

 

জেনে রাখুন, হামযাহ যখন শব্দের শেষে ‘ইয়া’ আকৃতিতে লেখা হয়, তখন তা অপরিবর্তিত থাকে এবং তা... নয়।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
كياء قَاض وداع تَقول هَذَا قارىء ومقرىء وَهُوَ متلكىء وَأَنا مستبطىء وَنظرت إِلَى منشىء وَعَجِبت من قارىء

وَتقول فِي الْوَقْف والجزم اقْرَأ كتابك وَلَا تلكأ عَن هَذَا الْأَمر وَلَا تمرأ بِنَا وَلَا تبطىء عَنَّا وَلم تبتدىء بِهَذَا الْأَمر فَتثبت الْألف وَالْيَاء فِي هَذَا وَنَحْوه من المهموز وَلَا تحذفهما

وَتقول أَنْت مستبطأ وَأَنت أملا بِهَذَا واقرأ الْقُرْآن وَهُوَ مخطأ وَهَذَا مُبْتَدأ بِهِ يكْتب هَذَا وَنَحْوه بِالْألف لَا غير لِأَن فِي آخِره همزَة مَفْتُوحًا مَا قبلهَا فاعرف وَقس
ক্বাযী ও দাঈ-এর ‘ইয়া’-এর ন্যায় আপনি বলবেন: ইনি ক্বারী (পাঠক) ও মুক্বরি (শিক্ষক), তিনি দ্বিধান্বিত (মুতালকি), আমি বিলম্বকারী (মুস্তাবতি), আমি নির্মাতার দিকে তাকালাম এবং আমি ক্বারীর প্রতি বিস্ময় প্রকাশ করলাম।

আপনি বিরতি (وقف) এবং জজম (جزم) এর অবস্থায় বলবেন: ‘তুমি তোমার কিতাব পাঠ করো’, ‘এই বিষয়ে দ্বিধা করো না’, ‘আমাদের সাথে রূঢ় আচরণ করো না’, ‘আমাদের থেকে বিলম্ব করো না’ এবং ‘তুমি এই কাজ শুরু করোনি’। এই জাতীয় হামযাযুক্ত (مهموز) শব্দের ক্ষেত্রে আলিফ ও ইয়া বহাল রাখবেন এবং এ দুটিকে বিলুপ্ত করবেন না।

আপনি বলবেন: ‘তোমার বিলম্ব করা হয়েছে (মুস্তাবতা)’, ‘তুমি এই বিষয়ে অধিক যোগ্য (আমলা)’, ‘কুরআন পাঠ করো’, ‘সে ভুলকারী (মুখতা)’ এবং ‘এটি দ্বারা আরম্ভ করা হয়েছে (মুবতাদা)’; এই শব্দগুলো এবং এর অনুরূপ শব্দসমূহ কেবলমাত্র আলিফ যোগে লেখা হয়, অন্য কিছু দিয়ে নয়। কারণ এর শেষে হামযা রয়েছে যার পূর্ববর্তী বর্ণটি যবরযুক্ত (مفتوح)। সুতরাং এই নিয়মটি জেনে নিন এবং এ অনুযায়ী কিয়াস (قس) করুন।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৪)
معرفَة مَا يكْتب بِالْيَاءِ وَالْألف

 

اعْلَم أَن كل اسْم مَقْصُور ثلاثي فَإنَّك تنظر إِلَى اصله فَإِن كَانَ ممدودا كتبته بِالْألف وَإِن كَانَ من ذَوَات الْوَاو كتبته بِالْألف نَحْو الْعَصَا والقنا والقطا تَقول فِي التَّثْنِيَة عصوان وَفِي الْجمع قنوات وقطوات وَكَذَلِكَ الصَّفَا من الْحِجَارَة والشقا فِيمَن قصر لقَوْله عز اسْمه {كَمثل صَفْوَان عَلَيْهِ تُرَاب} الْبَقَرَة 2 / 264 ولقولك الشقوة والشقاوة وَكَذَلِكَ مَا أشبهه

وَإِن كَانَ من ذَوَات الْيَاء كتبته إِن شِئْت بِالْألف أَو بِالْيَاءِ نَحْو
ইয়া এবং আলিফ যোগে যা লেখা হয় তার পরিচয়

 

জেনে রাখুন যে, প্রতিটি তিন অক্ষরবিশিষ্ট মাকসূর বিশেষ্যের ক্ষেত্রে আপনি তার মূল রূপের প্রতি লক্ষ করবেন। যদি তা দীর্ঘায়িত হয় তবে তা আলিফ দিয়ে লিখবেন। আর যদি তা ওয়াও-মূলীয় বর্ণের অন্তর্ভুক্ত হয় তবে তা আলিফ দিয়ে লিখবেন, যেমন— আল-আসা, আল-কানা এবং আল-কাতা। আপনি দ্বিবচনে বলবেন ‘আসাওয়ান’ এবং বহুবচনে ‘কানাওয়াত’ ও ‘কাতাওয়াত’। অনুরূপভাবে পাথরের ক্ষেত্রে ‘আস-সাফা’ এবং যারা একে হ্রস্ব হিসেবে পড়েন তাদের ক্ষেত্রে ‘আশ-শাকা’; মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণীর কারণে: {যেমন একটি মসৃণ পাথর যার ওপর কিছু মাটি রয়েছে} (আল-বাকারাহ ২:২৬৪), এবং আপনার ‘আশ-শাকওয়াহ’ ও ‘আশ-শাকওয়াহ’ বলার কারণে; এবং এই জাতীয় অন্যান্য শব্দাবলী।

আর যদি তা ইয়া-মূলীয় বর্ণের অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে আপনি চাইলে তা আলিফ অথবা ইয়া দিয়ে লিখতে পারেন, যেমন—
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৫)
الرَّحَى والنقى والقطى لِقَوْلِك رحيان وتقيان وقطيات وَكَذَلِكَ الْحَصَى لِقَوْلِك حَصَيَات وَكَذَلِكَ الْهدى لِقَوْلِك هديت الرجل

فَإِن تجاوزت الْمَقْصُور ثَلَاثَة أحرف كتبته كُله بِالْيَاءِ من أَي القبيلين كَانَ وَذَلِكَ نَحْو الْمُدعى والمقضى والمستقصى والحبارى وجمادى
'আর-রাহা', 'আন-নাকা' এবং 'আল-কাতা' শব্দগুলো আপনার উক্তি 'রাহাইয়ান', 'নাকাইয়ান' এবং 'কাতাইয়াত'-এর কারণে [শেষে ইয়া দিয়ে লেখা হয়]। অনুরূপভাবে 'আল-হাসা' শব্দটি আপনার 'হাসাইয়াত' উক্তির কারণে এবং 'আল-হুদা' শব্দটি আপনার 'হাদাইতুর রাজুলা' বলার কারণে।

অতঃপর মাকসুর শব্দটি যদি তিন অক্ষরের সীমা অতিক্রম করে, তবে তা যে প্রকারেরই (ওয়াও বা ইয়া মূলীয়) অন্তর্ভুক্ত হোক না কেন, তা সর্বদা 'ইয়া' বর্ণ যোগে লিখতে হয়। যেমন: 'আল-মুদ্দাআ', 'আল-মাকদি', 'আল-মুস্তাকসা', 'আল-হুবরা' এবং 'জুমাদা'।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
فَإِن كَانَ قبل آخر الْمَقْصُور يَاء مَفْتُوحَة كتبته بِالْألف لَا غير وَذَلِكَ نَحْو الحيا وَهُوَ الخصب وَنَحْو مستحيا وَكَذَلِكَ مطايا وروايا وزوايا وَكَتَبُوا يحيى اسْم رجل بِالْيَاءِ فرقا بَينه وَبَين يحيا فِي الْفِعْل

وَإِن أضفت الْمَقْصُور كُله إِلَى الْمُضمر كتبته بِالْألف لَا غير نَحْو هَذِه رحاك ورحاه وَهَذِه مصلانا ومصلاكم

وَالْفِعْل فِي هَذِه الْأَحْكَام جَار مجْرى الِاسْم فَمَا كَانَ مِنْهُ ثلاثيا ولامه معتلة وعينه مَفْتُوحَة نظرت إِلَى اصله فَإِن كَانَ من الْوَاو كتبته بِالْألف
যদি মাকসুর (المقصور) শব্দের শেষ অক্ষরের পূর্বে জবরযুক্ত (مفتوحة) ইয়া (الياء) থাকে, তবে তা কেবল আলিফ (الألف) দিয়ে লিখতে হবে, অন্য কোনোভাবে নয়। যেমন ‘আল-হায়া’ (الحيا) যা উর্বরতা অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং ‘মুসতাহইয়া’ (مستحيا)। অনুরূপভাবে ‘মাতায়া’ (مطايا), ‘রাওয়ায়া’ (روايا) ও ‘জাওয়ায়া’ (زوايا)। আর তারা ‘ইয়াহইয়া’ (يحيى) ব্যক্তির নাম হিসেবে ইয়া (الياء) দিয়ে লিখেছেন যাতে ক্রিয়া (الفعل) হিসেবে ব্যবহৃত ‘ইয়াহইয়া’ (يحيا) থেকে একে পৃথক করা যায়।

আর আপনি যদি সকল মাকসুর (المقصور) শব্দকে সর্বনামের (المضمر) দিকে সম্বন্ধ করেন, তবে তা কেবল আলিফ (الألف) দিয়েই লিখতে হবে। যেমন: ‘রাহাকা’, ‘রাহাহু’ এবং ‘মুসাল্লানা’, ‘মুসাল্লাকুম’।

এই বিধানগুলোর ক্ষেত্রে ক্রিয়া (الفعل) বিশেষ্যের (الاسم) অনুরূপ। সুতরাং ক্রিয়াটি যদি ত্রিমৌলিক (ثلاثيا) হয় এবং তার লাম-বর্ণটি দুর্বল (معتلة) ও আইন-বর্ণটি জবরযুক্ত (مفتوحة) হয়, তবে তার মূলের দিকে লক্ষ্য করতে হবে; যদি তা ওয়াও (الواو) থেকে উদ্ভূত হয় তবে তা আলিফ (الألف) দিয়ে লিখতে হবে।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৭)
لَا غير نَحْو قَوْلك دَعَا وغزا وَعدا وخلا لِقَوْلِك دَعَوْت وغزوت وعدوت وخلوت

فَإِن كَانَ من الْيَاء كتبته بِالْيَاءِ وَإِن شِئْت بِالْألف نَحْو سعى وَرمى وَقضى وأبى لِقَوْلِك سعيت ورميت وقضيت وأبيت

فَإِن تجَاوز الْفِعْل الثَّلَاثَة كتبته بِالْيَاءِ وبالألف من أَي النَّوْعَيْنِ كَانَ ذَلِك نَحْو أعْطى وأغنى وَأدنى واستقصى

فَإِن كَانَت قبل آخِره يَاء مَفْتُوحَة كتبته بِالْألف لَا غير نَحْو أَحْيَا وأعيا واستحيا وَهُوَ يحيا وَنحن نحيا وَأَنت تحيا وَذَاكَ أَنهم كَرهُوا أَن يجمعوا فِي آخِره ياءين وَقد وجدوا سَبِيلا إِلَى الْخلاف بَين الحرفين
কেবল (আলিফ দিয়ে) অন্য কিছু নয়, যেমন আপনার বলা: দা-আ, গাযা, আদা এবং খালা; যেহেতু আপনি বলেন: দা-আওতু, গাযাওতু, আদাওতু এবং খালাওতু।

আর যদি তা ‘ইয়া’ থেকে উদ্ভূত হয়, তবে তা ‘ইয়া’ দিয়ে লিখবেন এবং আপনি চাইলে আলিফ দিয়েও লিখতে পারেন; যেমন: সা-আ, রামা, ক্বদা এবং আবা; যেহেতু আপনি বলেন: সা-আইতু, রামাইতু, ক্বদাইতু এবং আবাইতু।

যদি ক্রিয়াটি তিন অক্ষরের অধিক হয়, তবে তা (মূলত) যে প্রকারেরই হোক না কেন, তা ‘ইয়া’ এবং আলিফ দিয়ে লিখবেন; যেমন: আ’ত্বা, আগনা, আদনা এবং ইস্তাক্বসা।

যদি শেষ অক্ষরের পূর্বে জবরযুক্ত ‘ইয়া’ থাকে, তবে তা কেবল আলিফ দিয়েই লিখবেন, অন্য কিছু নয়; যেমন: আহ্ইয়া, আ’ইয়া এবং ইস্তাহ্ইয়া; আর যেমন ‘সে জীবিত থাকে’, ‘আমরা জীবিত থাকি’ এবং ‘তুমি জীবিত থাকো’। এর কারণ হলো, তারা শব্দের শেষে দুটি ‘ইয়া’ একত্রিত করা অপছন্দ করতেন এবং তারা বর্ণ দুটির মধ্যে বৈচিত্র্য বিধানের একটি পথ খুঁজে পেয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
فَإِن اتَّصل الْفِعْل المعتل الآخر بضمير مَنْصُوب كتبته بِالْألف لَا غير نَحْو رماك وقضاك واستدعاك ذَلِك أَن الضَّمِير لما اتَّصل بِمَا قبله مازجه فَصَارَت الْألف كالحشو فِي الْكَلِمَة فَأَشْبَهت ألف كتاب وحساب فثبتت لذَلِك

وَأما الْحُرُوف فَحكمهَا أَن تكْتب كلهَا بِالْألف نَحْو مَا وَلَا وكلا

وَكَتَبُوا بلَى بِالْيَاءِ لجَوَاز إمالتها وَكَتَبُوا حَتَّى بِالْيَاءِ لوُقُوع ألفها رَابِعَة وَأَن بَعضهم أمالها بعض الإمالة وَلِأَنَّهَا أَيْضا كَثِيرَة الِاسْتِعْمَال وَلَيْسَت كلا كَمَا ذكرنَا

وَكَتَبُوا إِلَى وعَلى بِالْيَاءِ حملا على حَالهَا مَعَ الْمُضمر فِي إِلَيْك وَعَلَيْك وألحقوا بهما لَدَى وَإِن كَانَت اسْما لِقَوْلِك لديك

والأسماء المبنية أَيْضا كَذَلِك نَحْو إِذا وَذَا وتا

وَكَتَبُوا مَتى وأنى بِالْيَاءِ لجَوَاز إمالتهما

وَأما الْمَمْدُود فجميعه يكْتب بِالْألف نَحْو السَّمَاء والرداء وَالدُّعَاء

وَإِذا أضفت الْمَمْدُود إِلَى الْمُضمر كتبت بعد أَلفه فِي الرّفْع واوا وَفِي الْجَرّ
যদি অন্তিম বর্ণে পরিবর্তনশীল হরফবিশিষ্ট (মো‘তাল) ক্রিয়া কোনো কর্মকারকীয় সর্বনামের (মানসুব জমির) সাথে যুক্ত হয়, তবে তা কেবল আলিফ যোগেই লেখা হবে; অন্য কোনোভাবে নয়। যেমন: ‘রমা-কা’, ‘কজা-কা’ এবং ‘ইস্তাদ‘আ-কা’। এর কারণ হলো, যখন সর্বনামটি তার পূর্ববর্তী অংশের সাথে যুক্ত হয়, তখন তা শব্দের সাথে একীভূত হয়ে যায়। ফলে আলিফটি শব্দের মধ্যবর্তী বর্ণের ন্যায় হয়ে পড়ে এবং ‘কিতাব’ ও ‘হিসাব’ শব্দের আলিফের সদৃশ হয়ে যায়; একারণেই তা আলিফ হিসেবে বহাল থাকে।

আর অব্যয় বা হরফসমূহের বিধান হলো, এগুলোর সবই আলিফ দিয়ে লেখা হবে। যেমন: ‘মা’, ‘লা’ এবং ‘কাল্লা’।

তবে ভাষাবিদগণ ‘বালা’ শব্দটি ‘ইয়া’ দিয়ে লিখেছেন, কারণ এতে ‘ইমালা’ বা স্বরধ্বনি বাঁকিয়ে পড়া বৈধ। তারা ‘হাত্তা’ শব্দটিও ‘ইয়া’ দিয়ে লিখেছেন, কারণ এর আলিফটি চতুর্থ স্থানে অবস্থিত এবং তাদের কেউ কেউ একে কিছুটা ইমালা করে উচ্চারণ করেছেন। তদুপরি এটি অধিক ব্যবহৃত একটি শব্দ এবং এটি ‘কাল্লা’ শব্দের মতো নয়, যা আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি।

তারা ‘ইলা’ এবং ‘আলা’ শব্দ দুটিকেও ‘ইয়া’ দিয়ে লিখেছেন—সর্বনামের সাথে যুক্ত অবস্থায় এগুলোর রূপের (যেমন: ‘ইলাইকা’ এবং ‘আলাইকা’) সাথে সাদৃশ্য বজায় রাখার জন্য। আর তারা ‘লাদা’ শব্দটিকেও এই দুটির অন্তর্ভুক্ত করেছেন—যদিও এটি একটি বিশেষ্য—যেহেতু ‘লাদাইকা’ বলা হয়ে থাকে।

অপরিবর্তনীয় বিশেষ্য বা আসমায়ে মাবনিয়ার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। যেমন: ‘ইযা’, ‘যা’ এবং ‘তা’।

তারা ‘মাতা’ এবং ‘আন্না’ শব্দ দুটি ‘ইয়া’ দিয়ে লিখেছেন, কারণ এগুলোতে ইমালা করা বৈধ।

আর মামদুদ বা দীর্ঘায়িত স্বরবিশিষ্ট বিশেষ্যসমূহের প্রতিটিই আলিফ দিয়ে লেখা হবে। যেমন: ‘আস-সামাউ’, ‘আর-রিদাউ’ এবং ‘আদ-দুয়াউ’।

এবং যখন আপনি কোনো মামদুদ শব্দকে কোনো সর্বনামের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করবেন, তখন রফ বা পেশের অবস্থায় তার আলিফের পরে ‘ওয়াও’ লিখবেন এবং জর বা জেরের অবস্থায়...
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
يَاء وَذَلِكَ نَحْو هَذَا رداؤك وكساؤك وَنظرت إِلَى ردائك وكسائك

وتكتبه مَعَ الْإِضَافَة إِلَى الْمُضمر فِي النصب بِأَلف وَاحِدَة نَحْو اشْتريت رداءك وطرحت كساءك وَإِن كتبته بِأَلفَيْنِ فَحسن جميل

فَإِن كَانَ الْمَمْدُود منونا كتبته فِي الْجَرّ وَالرَّفْع بِأَلف وَاحِدَة نَحْو هَذَا دُعَاء حسن وَعِنْدِي رِدَاء حسن وَنظرت إِلَى رِدَاء جيد

فَإِن نصبته كتبته بِأَلفَيْنِ نَحْو دَعَوْت دعاأ حسنا ولبست رداأ حسنا

وَيجوز أَن يكْتب بِثَلَاث ألفات تَقول لبست رداأا وكساأا وأكلت شواأا وشربت دواأا
ইয়া (ياء); আর তা হলো যেমন— এটি তোমার চাদর ও তোমার পোশাক এবং আমি তোমার চাদর ও তোমার পোশাকের দিকে তাকিয়েছি।

আর নসব (نصب) অবস্থায় সর্বনামের (مضمر) সাথে সম্বন্ধ (إضافة) করার ক্ষেত্রে তুমি এটি একটি আলিফ দিয়ে লিখবে। যেমন— আমি তোমার চাদরটি ক্রয় করেছি এবং আমি তোমার পোশাকটি ফেলে দিয়েছি। আর যদি তুমি এটি দুটি আলিফ দিয়ে লেখো, তবে তাও সুন্দর ও উত্তম।

যদি দীর্ঘস্বরযুক্ত শব্দ (ممدود) তানউইনযুক্ত (منون) হয়, তবে যার (جر) ও রাফা (رفع) অবস্থায় তুমি তা একটি আলিফ দিয়ে লিখবে। যেমন— এটি একটি উত্তম দোয়া, আমার নিকট একটি চাদর আছে এবং আমি একটি চমৎকার চাদরের দিকে দৃষ্টিপাত করেছি।

আর যদি তুমি একে নসব (نصب) করো, তবে দুটি আলিফ দিয়ে লিখবে। যেমন— আমি একটি উত্তম প্রার্থনা করেছি এবং আমি একটি সুন্দর চাদর পরিধান করেছি।

আর এটি তিনটি আলিফ দিয়ে লেখাও বৈধ। যেমন তুমি বলবে— আমি চাদর পরিধান করেছি, পোশাক পরিধান করেছি, ঝলসানো গোশত খেয়েছি এবং ওষুধ পান করেছি।
(খণ্ড: ১) আল-আলফাজুল মাহমূযাহ (পৃষ্ঠা: ৫০)
‌‌فصل من المقاييس

 

مَتى أشكلت عَلَيْك لَفْظَة فَلم تدر مَقْصُورَة هِيَ أم ممدودة فأقصرها فَإِن قصر الْمَمْدُود جَائِز وَمد الْمَقْصُور خطأ

وَمَتى أشكلت عَلَيْك لَفْظَة ثلاثية فَلم تدر من الْيَاء هِيَ أم من الْوَاو فاكتبها بِالْألف فَإِن كتب ذَوَات الْيَاء بِالْألف جَائِز حسن وَكتب ذَوَات الْوَاو بِالْيَاءِ خطأ

وَمَتى أشكلت عَلَيْك مذكرة هِيَ أم مُؤَنّثَة فَذكرهَا فَإِن تذكير الْمُؤَنَّث أسهل من تَأْنِيث الْمُذكر وَذَلِكَ لِأَن التَّذْكِير هُوَ الأَصْل والتأنيث هُوَ الْفَرْع كَمَا أَن الْقصر هُوَ الأَصْل وَالْمدّ هُوَ الْفَرْع وكما أَن كتب الْألف فِي اللَّفْظ الْفَا هُوَ الأَصْل وكتبها يَاء هُوَ الْفَرْع

فاعرف ذَلِك وَقس تصب إِن شَاءَ الله تَعَالَى
পরিমাপের নীতিমালা সংক্রান্ত একটি অধ্যায়

 

যখন কোনো শব্দের ব্যাপারে আপনার নিকট অস্পষ্টতা তৈরি হয় এবং আপনি বুঝতে না পারেন যে সেটি হ্রস্ব (مقصورة) নাকি দীর্ঘ (ممدودة), তখন সেটিকে হ্রস্বই রাখুন। কেননা দীর্ঘ স্বরবিশিষ্ট শব্দকে হ্রস্ব করা বৈধ (جائز), কিন্তু হ্রস্ব স্বরবিশিষ্ট শব্দকে দীর্ঘ করা ভুল (خطأ)।

আর যখন আপনার কাছে কোনো ত্রি-অক্ষরবিশিষ্ট (ثلاثية) শব্দ অস্পষ্ট মনে হয় এবং আপনি বুঝতে না পারেন যে এর মূল বর্ণ ইয়া (ياء) নাকি ওয়াও (واو), তখন সেটিকে আলিফ (ألف) দিয়ে লিখুন। কেননা ইয়া-মূলক শব্দগুলোকে আলিফ দিয়ে লেখা বৈধ (جائز) ও উত্তম (حسن), কিন্তু ওয়াও-মূলক শব্দগুলোকে ইয়া দিয়ে লেখা ভুল (خطأ)।

যখন আপনার কাছে কোনো শব্দ পুংলিঙ্গ (مذكر) না স্ত্রীলিঙ্গ (مؤنث) তা নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়, তখন সেটিকে পুংলিঙ্গ হিসেবেই গণ্য করুন। কেননা স্ত্রীলিঙ্গকে পুংলিঙ্গ করা, পুংলিঙ্গকে স্ত্রীলিঙ্গ করার চেয়ে সহজতর। আর তা এজন্য যে, পুংলিঙ্গ হওয়াই হলো মূল (أصل) এবং স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া হলো তার শাখা (فرع); ঠিক যেমন হ্রস্বতা (قصر) হলো মূল (أصل) এবং দীর্ঘতা (مد) হলো তার শাখা (فرع)। আর ঠিক যেমন কোনো শব্দে আলিফ (ألف) লেখা হলো মূল (أصل) এবং সেটিকে ইয়া (ياء) হিসেবে লেখা শাখা (فرع)।

অতএব এটি অনুধাবন করুন এবং এর আলোকে অনুমান বা কিয়াস (قس) করুন, তবেই আপনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ তাআলা।