(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: -)
الفعلان - المطبوع خطأ باسم «نقعة الصديان» القسم: النحو والصرف
الكتاب: نقعة الصديان فيما جاء على الفَعَلان [كذا على غلاف المطبوع، والصواب أنه كتاب «الفَعَلان»، وأما «نقعة الصديان» فكتاب آخر للمصنِف في الصحابة]
المؤلف: الصاغاني (ت 650 هـ)
المحقق: د. علي حسين البواب
الناشر: مكتبة المعارف - الرياض
الطبعة: الأولى، 1402 هـ - 1982 م
عدد الصفحات: 74
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ফালান - ভুলবশত "নাক’আতুস সাদিয়ান" নামে মুদ্রিত বিভাগ: নাহু ও সরফ
বই: নাক’আতুস সাদিয়ান ফিমা জা-আ আলাল ফালান [মুদ্রিত কপির মলাটে এমনই রয়েছে, তবে সঠিক হলো এটি «আল-ফালান» নামক বই, আর «নাক’আতুস সাদিয়ান» হলো সাহাবী (الصحابة) বিষয়ক গ্রন্থকারের অন্য একটি বই]
লেখক: আল-সাগানি (মৃত্যু ৬৫০ হিজরি)
গবেষক: ড. আলী হুসাইন আল-বাওয়াব
প্রকাশক: মাকতাবাতুল মাআরিফ - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০২ হিজরি - ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৪
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২০)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم[2 أ] الْحَمد لله ذِي الْعَرْش الْعلي، والبطش الْقوي، والعز الأبدي، والوعد الوفي، لَا معط لما منع، وَلَا رَافع لما وضع، وَلَا فاتح لما أغلق، وَلَا راتق لما فتق، وَلَا يشْغلهُ سمع عَن سمع، وَلَا يذهله عَطاء عَن منع، يعلم خَائِنَة الْأَعْين وَمَا تخفي الصُّدُور، وَله مقاليد الْأَشْيَاء وَإِلَيْهِ تصير الْأُمُور.
وَأشْهد أَلا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا شريك لَهُ، منعم عجت بثنائه الألسن والأصوات، ومكرم رجته الْأَحْيَاء والأموات، وَأشْهد أَن مُحَمَّدًا عَبده الْكَرِيم، وَرَسُوله الرَّحِيم، وَنبيه الَّذِي لَا يضيم، صلى الله عليه وسلم، مَا خَفق سراب.
وصفق شراب، ولمع ضِيَاء، وهمع عماء، وَشرف وكرم وبجل وَعظم.
قَالَ الملتجئ إِلَى حرم الله تَعَالَى الْحسن بن مُحَمَّد بن الْحسن الصَّاغَانِي، سمع الله نداءه ودعاءه، وحقق أمله ورجاءه:
هَذَا كتاب يفْتَقر إِلَيْهِ طَالب الحَدِيث وَالْخَبَر، لَا يسْتَغْنى عَنهُ متتبع السّنة والأثر، عَزِيز وجوده فِي زَمَاننَا، بل هُوَ
…
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।[২ ক] সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সুউচ্চ আরশের অধিকারী, কঠোর পাকড়াওকারী, চিরন্তন সম্মানের অধিকারী এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী। তিনি যা রোধ করেন তা দেওয়ার কেউ নেই, তিনি যাকে অবনত করেন তাকে উন্নীত করার কেউ নেই, তিনি যা বন্ধ করেন তা খোলার কেউ নেই এবং তিনি যা বিদীর্ণ করেন তা জোড়া দেওয়ার কেউ নেই। এক শ্রবণ তাঁকে অন্য শ্রবণ হতে বিমুখ করে না এবং কোনো কিছু প্রদান করা তাঁকে অন্য কিছু রোধ করা থেকে বিস্মৃত করে না। তিনি চোখের খেয়ানত এবং অন্তরের গোপন বিষয় সম্পর্কে সম্যক অবগত। সমস্ত বিষয়ের চাবিকাঠি তাঁরই হাতে এবং তাঁরই নিকট সকল বিষয় প্রত্যাবর্তন করে।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি এমন নিআমতদাতা যাঁর প্রশংসায় রসনা ও আওয়াজসমূহ মুখরিত হয়; তিনি এমন সম্মানদাতা যাঁর নিকট জীবিত ও মৃত সকলে আশা পোষণ করে। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সম্মানিত বান্দা, দয়ালু রাসুল এবং এমন নবী যিনি কারো প্রতি অবিচার করেন না; তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক যতক্ষণ মরীচিকা কম্পিত হবে,
পানীয় আন্দোলিত হবে, আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত হবে এবং মেঘমালা হতে বৃষ্টি বর্ষিত হবে। আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত, মর্যাদাবান, সমাদৃত ও মহিমান্বিত করেছেন।
আল্লাহ তাআলার পবিত্র হারামের আশ্রয়প্রার্থী হাসান বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আস-সাগানি (আল্লাহ তাঁর ডাক ও দোয়া কবুল করুন এবং তাঁর আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করুন) বলেছেন:
এটি এমন এক কিতাব যার প্রয়োজন প্রত্যেক হাদিস ও সংবাদ (خبر) অন্বেষণকারীর রয়েছে। সুন্নাহ ও আসার (أثر) অনুসারীদের জন্য এটি অপরিহার্য। বর্তমান সময়ে এর অস্তিত্ব বিরল, বরং এটি
…
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২১)
[بَاب الْهمزَة]
[2 ب]
… وَكَذَلِكَ الشنآن والزيدان بالتسكين، وَكِلَاهُمَا شَاذ، فالتحريك شَاذ فِي الْمَعْنى لِأَن فعلان إِنَّمَا هُوَ بِنَاء الْحَرَكَة وَالِاضْطِرَاب، والبغض لَيْسَ مِنْهُ، والتسكين شَاذ فِي اللَّفْظ، لِأَنَّهُ لم يجِئ شَيْء من المصادر عَلَيْهِ.
وَمن المصادر الَّتِي جَاءَت لشنئ سوى الشنآن والشنآن: الشنء، والشنء، والشنء بالحركات الثَّلَاث، والمشنأ والشناءة مثل الشناعة.
وَقَالَ أَبُو عُبَيْدَة: الشنان بِغَيْر همز لُغَة فِي الشنآن، وَأنْشد للأحوص:
(هَل الْعَيْش إِلَّا مَا تلذ وتشتهي
… وَإِن لَام فِيهِ ذُو الشنان وفندا)
[হামজা অধ্যায়]
[২ খ]
… এবং অনুরূপভাবে 'শানআন' ও 'যাইদান' শব্দদ্বয় সুকুন যোগে পঠিত হয়, আর উভয়ই বিরল (شاذ)। সুতরাং হরকতসহ পাঠ করা অর্থগতভাবে বিরল (شاذ); কারণ 'ফালান' মূলত অস্থিরতা ও চাঞ্চল্যের গঠনকাঠামো, আর ঘৃণা এর অন্তর্ভুক্ত নয়। অন্যদিকে সুকুনসহ পাঠ করা শব্দগতভাবে বিরল (شاذ); কারণ এই ছাঁচে অন্য কোনো মাসদার বা ক্রিয়ামূল পাওয়া যায় না।
'শানিআ' ক্রিয়ার জন্য 'শানআন' ও 'শানাআন' ছাড়াও যেসকল মাসদার বা ক্রিয়ামূল এসেছে সেগুলো হলো: তিনটি হরকত সহকারে 'শানউ', 'শিনউ' ও 'শুনউ'; এবং 'মাশনাআ' ও 'শানাআহ', যেমন 'শানাআহ' শব্দের অনুরূপ।
আবু উবাইদাহ বলেছেন: হামজা ব্যতীত 'শানান' শব্দটি 'শানআন' শব্দেরই একটি উপভাষা। তিনি আল-আহওয়াস-এর একটি কবিতা আবৃত্তি করেছেন:
(জীবন কি কেবল তা-ই নয় যা তুমি আস্বাদন করো ও আকাঙ্ক্ষা করো … যদিও কোনো বিদ্বেষী ব্যক্তি তাতে নিন্দা করে ও ভুল ধরে।)
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২২)
بَاب الْبَاء
(الثوبان) مصدر قَوْلك: ثاب الرجل يثوب ثوبانا وثوبا: إِذا رَجَعَ، وَقَوله تَعَالَى: {وَإِذ جعلنَا الْبَيْت مثابة للنَّاس وَأمنا} مفعلة مِنْهُ.
(الذوبان) مصدر قَوْلك: ذاب الشَّيْء يذوب ذوبانا وذوبا: نقيض جمد، لَا مصدر قَوْلك: ذاب لي عَلَيْهِ من الْحق كَذَا: أَي وَجب وَثَبت إِلَّا فِي قَول الْأَصْمَعِي، فَإِنَّهُ قَالَ: [3 أ] هُوَ من ذاب نقيض جمد، فَحِينَئِذٍ يكون مستعارا مِنْهُ.
(الرغبان) مصدر قَوْلك: رغب رغبانا ورغبا ورغبة: إِذا رغب فِي الشَّيْء.
(الرهبان) مصدر قَوْلك: رهب يرهب رهبانا، وَرُهْبَانًا وَرَهْبَة ورهبا ورهبا: أَي خَافَ.
(الشخبان) مصدر قَوْلك: شخب شخبانا: إِذا مر مرا سَرِيعا.
‘বা’ বর্ণের অধ্যায় (باب)
(আস-সাওবান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): ‘ব্যক্তিটি ফিরে এসেছে, সে ফিরে যাচ্ছে, ফিরে আসা’; অর্থাৎ যখন সে ফিরে আসে। আর মহান আল্লাহর বাণী: “আর যখন আমি কাবাগৃহকে মানুষের জন্য মিলনস্থল (مثابة) ও নিরাপত্তার স্থান বানালাম”—এখানে ‘মাছাবাহ’ শব্দটি এই মূল ধাতু থেকে ‘মাফআলাহ’ (مفعلة) কাঠামোতে গঠিত হয়েছে।
(আয-যাওবান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): ‘বস্তুটি গলে গেছে, গলে যাচ্ছে, গলে যাওয়া’; যা জমাট বাঁধার বিপরীত। এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر) নয়: ‘আমার পাওনা তার ওপর সাব্যস্ত হয়েছে’—অর্থাৎ যখন তা অবধারিত (واجب) ও সুসাব্যস্ত (ثابت) হয়; কেবল আসমায়ীর অভিমত ব্যতীত। কেননা তিনি বলেছেন: [৩-ক] এটি জমাট বাঁধার বিপরীত ‘গলে যাওয়া’ শব্দ থেকেই উদ্ভূত, এমতাবস্থায় এটি রূপক (مستعار) হিসেবে গণ্য হবে।
(আর-রাগবান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): ‘সে আগ্রহী হয়েছে, আগ্রহী হওয়া’; যখন কেউ কোনো বিষয়ের প্রতি আগ্রহী হয়।
(আর-রুহবান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): ‘সে ভীত হয়েছে, ভীত হওয়া’; অর্থাৎ সে ভয় পেল।
(আশ-শাখবান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): ‘সে দ্রুত চলল, দ্রুত চলা’; যখন কেউ দ্রুতগতিতে পথ অতিক্রম করে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
(الضربان) مصدر قَوْلك: ضرب الْجرْح يضْرب ضربانا.
وَقَوْلهمْ: فَضرب الدَّهْر ضربانه هُوَ كَقَوْلِهِم: فقضي، من الْقَضَاء.
(العتبان) مصدر قَوْلك عتب الْبَعِير يعتب وَيَعْتِبُ عتبانا: إِذا مَشى على ثَلَاث قَوَائِم، وَكَذَلِكَ إِذا وثب الرجل على رجل وَاحِدَة.
(العسبان) مصدر قَوْلك عسبت الكلبة تعسب عسبانا: إِذا صرفت.
(اللهبان) مصدر قَوْلك لهبت النَّار لهبانا ولهيبا ولهابا: إِذا اتقدت، قَالَ مُضرس بن ربعي الفقعسي:
(فَلَمَّا أَن تلهوجنا شواء
… بِهِ اللهبان مقهورا ضبيحا)
(النعبان) مصدر قَوْلك: نعب الْغُرَاب: أَي صَاح، [3 ب] ينعب وينعب نعبانا ونعبا ونعيبا وتنعابا، وَرُبمَا قَالُوا: نعب
(আদ-দারাবান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: 'ক্ষতস্থান স্পন্দিত হওয়া'।
আর তাদের উক্তি: 'কালচক্র তার আপন গতিতে চলল', এটি তাদের উক্তি 'ফয়সালা হলো'-এর অনুরূপ, যা ফয়সালা বা নিয়তি থেকে আগত।
(আল-উতবান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: 'উট খুঁড়িয়ে চলা', যা 'ইয়া'তিবু' ও 'ইয়া'তুবু' রূপে 'উতবানান' ক্রিয়ামূল গ্রহণ করে: যখন সেটি তিন পায়ে হাঁটে। অনুরূপভাবে, যখন কোনো ব্যক্তি এক পায়ে ভর দিয়ে লাফিয়ে চলে, তখনও এটি ব্যবহৃত হয়।
(আল-উসবান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: 'কুকুরীর কামোত্তেজিত হওয়া', যা 'তা'সুবু-উসবানান' রূপে ব্যবহৃত হয়: যখন সে মিলনের আকাঙ্ক্ষা করে।
(আল-লাহাবান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: 'আগুন প্রজ্বলিত হওয়া', যা 'লাহাবানান', 'লাহিবান' ও 'লাহাবান' রূপে ব্যবহৃত হয়: যখন তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। মুদাররিস ইবনে রিবয়ি আল-ফাক'আসি বলেছেন:
(যখন আমরা দ্রুততার সাথে গোশত ঝলসাতে প্রবৃত্ত হলাম
… তাতে আগুনের শিখা ছিল প্রবল ও প্রচণ্ড।)
(আন-না'বান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: 'কাক ডাকল'; অর্থাৎ সে চিৎকার করল, [৩ খ] এটি 'ইয়ানইবু' ও 'ইয়ানআবু' রূপে এবং ক্রিয়ামূল হিসেবে 'না'বানান', 'না'বান', 'না'ইবান' ও 'তান'আবান' হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তারা কখনো কখনো 'না'বা' শব্দটিও ব্যবহার করে থাকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الديك على الِاسْتِعَارَة. قَالَ الْأسود بن يعفر النَّهْشَلِي:
(وقهوة صهباء باكرتها
… بجهمة والديك لم ينعب)
(الوثبان) مصدر قَوْلك: وثب وثباتا ووثبا ووثوبا ووثيبا: إِذا طفر.
(الوكبان) مصدر قَوْلك: وكب فِي مشيته يكب وكبانا: وَهُوَ مشي كالدرجان.
'মোরগ' (শব্দটি) এখানে রূপকার্থে (الاستعارة) ব্যবহৃত হয়েছে। আসওয়াদ ইবনে ইয়াফুর আন-নাহশালি বলেছেন:
(এবং লালচে সুরা, যা আমি প্রত্যুষে পান করেছি
… রাতের শেষাংশের অন্ধকারে, যখন মোরগ তখনও ডাকেনি)
‘আল-উতবান’ (الوثبان) হলো আপনার সেই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): যখন কেউ লাফিয়ে ওঠে তখন বলা হয় ‘ওয়াতাবা’, ‘ওয়াতবাতান’, ‘ওয়াতবান’, ‘উতুবান’ এবং ‘ওয়াসিবান’।
‘আল-ওয়াকবান’ (الوكبان) হলো আপনার সেই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): যখন কেউ তার হাঁটায় ‘ওয়াকাবা’, ‘ইয়াকিব’ ও ‘ওয়াকবানান’ করে; আর এটি হলো শিশুদের মতো ছোট ছোট কদমে হাঁটার (الدرجان) অনুরূপ এক প্রকার চলন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بَاب التَّاء
(الحوتان) مصدر قَوْلك: حات الطَّائِر على الشَّيْء يحوت حوتانا وحوتا وحؤوتا: أَي حام حوله.
তা (تاء) পরিচ্ছেদ (باب)
(আল-হুতান) এটি আপনার উক্তির মূলক্রিয়া (مصدر): ‘পাখিটি কোনো কিছুর ওপর দিয়ে উড়ল’; যখন পাখিটি কোনো কিছুর চারপাশে চক্কর দেয়। অর্থাৎ: কোনো কিছুর চারপাশে প্রদক্ষিণ করা বা ঘুরে বেড়ানো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
بَاب الثَّاء
(الجأثان) مصدر قَوْلك: جأث جأثانا: وَهُوَ ضرب من الْمَشْي
(اللهثان) مصدر قَوْلك: لهث لهثانا ولهثا: إِذا عَطش.
(الهيثان) مصدر قَوْلك: هثت لَهُ هيثانا وهيثا: إِذا أَعْطيته شَيْئا يَسِيرا.
‘ছা’ অধ্যায়
(আল-জা'আছান) এটি আপনার উক্তি ‘জা'আছা জা'আছানান’-এর ক্রিয়ামূল; আর এটি হলো এক প্রকারের চলন।
(আল-লাহাছান) এটি আপনার উক্তি ‘লাহাছা লাহাছানান ও লাহাছান’-এর ক্রিয়ামূল; যখন কেউ তৃষ্ণার্ত হয়।
(আল-হায়াছান) এটি আপনার উক্তি ‘হিছতু লাহু হায়াছানান ও হাইছান’-এর ক্রিয়ামূল; যখন আপনি তাকে যৎসামান্য কিছু প্রদান করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
بَاب الْجِيم
(الأرجان) مصدر قَوْلك: أرج بَين الْقَوْم أرجانا: إِذا سعى سعي المغري بَينهم، قَالَ رؤبة:
[4 أ]
(يَكْفِيك هرج المهتك الهراج
… وأرجان الْكَاذِب الأراج)
(البوجان) مصدر قَوْلك: باج الرجل يبوج بوجانا وبوجا: إِذا أعيا.
(الخلجان) مصدر قَوْلك: خلجت عينه تخلج وتخلج خلجانا وخلوجا: إِذا طارت.
(الدججان) مصدر قَوْلك دج الْقَوْم على الأَرْض يدجون دججانا ودجيجا: وَهُوَ الدبيب فِي السّير، قَالَ ابْن السّكيت: لَا يُقَال يدجون حَتَّى يَكُونُوا جمَاعَة، وَلَا يُقَال ذَلِك للْوَاحِد.
জিম (جيم) অধ্যায়
(আল-আরজান) এটি তোমার উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): মানুষের মাঝে উস্কানি দেওয়া—যখন কেউ তাদের মাঝে বিবাদ সৃষ্টিকারীর ন্যায় তৎপরতা চালায়। রু’বাহ বলেন:
[৪ ক]
(অসংলগ্ন প্রলাপকারীর বিশৃঙ্খলা এবং মিথ্যাবাদী উস্কানিদাতার প্ররোচনা তোমার জন্য যথেষ্ট
…)
(আল-বাওজান) এটি তোমার উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): ব্যক্তিটি ক্লান্ত হওয়া—যখন সে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে।
(আল-খালাজান) এটি তোমার উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): তার চোখ কাঁপা—যখন তা স্পন্দিত হয়।
(আদ-দাজাজান) এটি তোমার উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): দলটি জমিনে ধীরপদে বিচরণ করা—আর এটি হলো ধীরগতিতে পথ চলা। ইবনুল সিক্কিত বলেন: তারা একটি দল না হওয়া পর্যন্ত ‘তারা ধীরপদে বিচরণ করছে’ বলা যাবে না, এবং একবচনের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয় না।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(الدرجان) مصدر قَوْلك: درج الرجل والضب درجانا ودروجا: إِذا مَشى.
(الديجان) مصدر قَوْلك: داج يديج ديجانا وديجا: إِذا مَشى قَلِيلا قَلِيلا، عَن ابْن الْأَعرَابِي.
(الرتجان) مصدر قَوْلك رتج الصَّبِي رتجانا مثل درج درجانا.
(الردجان) : الدرجان.
(الزلجان) مصدر قَوْلك زلج زلجانا: إِذا تقدم فِي السرعة.
(السلجان) مصدر قَوْلك سلج اللُّقْمَة يسلجها سلجانا وسلجا: أَي بلعها، وَمِنْه الْمثل: الْأكل سلجان وَالْقَضَاء ليان [4 ب] أَي: إِذا أَخذ الرجل الدّين أكله، فَإِذا أَرَادَ صَاحب الدّين حَقه لواه بِهِ ومطله.
(আদ-দারাজান) আপনার উক্তির মূলরূপ (مصدر): ‘দারাজা আল-রাজুলু ওয়া আল-দাব্বু দারাজানান ওয়া দুরুজান’ বলা হয় যখন মানুষ এবং ধাব (গুইসাপ জাতীয় প্রাণী) পদচারণা করে।
(আদ-দায়াজান) আপনার উক্তির মূলরূপ (مصدر): ইবনে আল-আ’রাবি থেকে বর্ণিত, ‘দাজা ইয়াদিজু দায়াজানান ওয়া দাইজান’ বলা হয় যখন কেউ অতি ধীরলয়ে বা অল্প অল্প করে হাঁটে।
(আর-রাতাজান) আপনার উক্তির মূলরূপ (مصدر): শিশুর হাঁটা বুঝাতে বলা হয় ‘রাতাজা আল-সাবিয়্যু রাতাজানান’, যা ‘দারাজা দারাজানান’ এর অনুরূপ।
(আর-রাদাজান): এটি আদ-দারাজান এর সমার্থক।
(আয-যালাজান) আপনার উক্তির মূলরূপ (مصدر): ‘যালাজা যালাজানান’ বলা হয় যখন কেউ দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়।
(আস-সালাজান) আপনার উক্তির মূলরূপ (مصدر): ‘সালাজা আল-লুকমাতা ইয়াসলাজুহা সালাজানান ওয়া সালজান’ অর্থ হলো লোকমা বা গ্রাস গিলে ফেলা। এ থেকেই এই প্রবাদটি এসেছে: ‘আহার হলো অনায়াসে গিলে ফেলা (সালাজান) আর ঋণ পরিশোধ হলো টালবাহানা (লাইয়ান)’ [৪ খ]; অর্থাৎ: যখন কোনো ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করে তখন সে তা ভোগ করে ফেলে, কিন্তু যখন পাওনাদার তার প্রাপ্য অধিকার দাবি করে, তখন সে টালবাহানা ও গড়িমসি (مطله) করে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
(السوجان) مصدر قَوْلك: سَاج يسوج سوجانا وسوجا: إِذا سَار سيرا رويدا) .
(الشحجان) مصدر قَوْلك: شجح الْغُرَاب شحجانا: إِذا صَوت.
(الضوجان) مصدر قَوْلك: ضاج السهْم عَن الهدف يضوج ضوجانا وضوجا. إِذا عدل عَنهُ.
(الضيجان) مصدر قَوْلك: صاج السهْم عَن الهدف يضيج ضيجانا وضيجا: إِذا عدل عَنهُ، لُغَة فِي يضوج ضوجانا وضوجا.
(العرجان) مصدر قَوْلك: عرج يعرج عرجانا: إِذا مَشى مشْيَة الْأَعْرَج وَلَيْسَ بأعرج، فَإِن كَانَ أعرج قيل: عرج يعرج عرجا.
(العلجان) مصدر قَوْلك علجت النَّاقة علجانا: إِذا اضْطَرَبَتْ، بلغَة هُذَيْل.
(الوهجان) مصدر قَوْلك وهجت النَّار تهج وهجانا ووهجا.
(আস-সাওয়াজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘সা-জা ইয়াসু-জু সাওয়াজানান ওয়া সাওজান’, যখন কেউ অত্যন্ত ধীরগতিতে পথ চলে।
(আশ-শাহাজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘শাজাহা আল-গুরাবু শাহাজানান’, যখন কাক ডাক দেয় বা ধ্বনি করে।
(আদ-দাওয়াজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘দা-জা আস-সাহমু আনিল হাদাফি ইয়াদু-জু দাওয়াজানান ওয়া দাওজান’, যখন তীর লক্ষ্যবস্তু থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।
(আদ-দায়াজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘সা-জা আস-সাহমু আনিল হাদাফি ইয়াদি-জু দায়াজানান ওয়া দাইজান’, যখন তীর লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়; এটি ‘ইয়াদু-জু দাওয়াজানান ওয়া দাওজান’ এর একটি ভাষাগত রূপান্তর।
(আল-আরাজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘আরা-জা ইয়ারু-জু আরাজানান’, যখন কেউ পঙ্গু না হওয়া সত্ত্বেও পঙ্গুর ন্যায় হাঁটে। তবে সে যদি বাস্তবিকই পঙ্গু হয়, তবে বলা হয়: ‘আরিজা ইয়ারাজু আরজান’।
(আল-আলজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘আলাজাত আন-নাকাতু আলজানান’, যখন উষ্ট্রী অস্থিরতা বা চাঞ্চল্য প্রকাশ করে; এটি হুযায়ল গোত্রের উপভাষা।
(আল-ওয়াহাজান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘ওয়াহাজাত আন-নারু তাহাজু ওয়াহাজানান ওয়া ওয়াহজান’, যখন অগ্নি প্রচণ্ডভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩০)
(الهدجان) مصدر قَوْلك: هدج الشَّيْخ يهدج هدجانا: إِذا ضعف مَشْيه.
وهدج الظليم هدجانا أَيْضا: إِذا مَشى فِي ارتعاش.
قَالَ [5 أ] الْأَصْمَعِي: أَنْشدني علقَة التَّيْمِيّ لنَفسِهِ بَين قبر النَّبِي صلى الله عليه وسلم ومنبره، فَلم أفارقه حَتَّى أملاها عَليّ، وَقَالَ الرياشي: سَمعتهَا من مُحَمَّد بن علقَة عَن علقَة:
(আল-হাদাজান) হলো আপনার উক্তির উৎস: বৃদ্ধ ব্যক্তি যখন মন্থর বা দুর্বলভাবে হাঁটে তখন বলা হয় 'হাদাজা আশ-শাইখ ইয়াহদিজু হাদাজানান'; অর্থাৎ: যখন তার চলাফেরা দুর্বল (ضعيف) হয়ে পড়ে।
আর উটপাখিও 'হাদাজানান' করে: যখন সে প্রকম্পিত বা থরথর অবস্থায় হাঁটে।
আল-আসমায়ী বলেন [৫ আ]: আলকাহ আত-তাইমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে আমাকে তাঁর স্বরচিত কবিতা পাঠ করে শুনিয়েছিলেন। আমি তাঁর নিকট থেকে পৃথক হইনি যতক্ষণ না তিনি আমাকে তা লিখে দিয়েছিলেন। আল-রিয়াশি বলেন: আমি এটি আলকাহ-এর সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনে আলকাহ থেকে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩১)
(لما رَأَتْ عصماء شيب لمتي
… وَأم جهم جلها فِي جبهتي)
(وَكَثْرَة الْأَبْنَاء لِابْني وابنتي
… وقلن: هَذَا عمنَا ذُو الشيبة)
(وهدجانا لم يكن فِي مشيتي
… كهدجان الرأل فَوق الهيقة)
(مزوزيا لما رَآهَا زوزت
… آتِيك من آل فلَان فلة)
(تنظر من تَحت خصاص الكلة
… إِذْ أَنا فينان أَدْرِي لمتي)
(بِالدَّار بَين رَملَة ورملة بِالدَّار، إِذْ جرت بهَا مَا جرت)
(جرت عَلَيْهَا كل ريح ريدة
… هوجاء سفواء نؤوج الغدوة)
(تطرده من بلد لبلدة
… شَتَّى تفيئه شتات الوجهة)
[5 ب] (الهيجان) مصدر قَوْلك: هاج الشَّيْء يهيج هيجانا وهيجا وهياجا: أَي ثار.
(যখন আসমা আমার কেশের শুভ্রতা দেখল
… এবং উম্মে জাহম দেখল যা আমার ললাটে প্রকট হয়েছে)
(এবং আমার পুত্র ও কন্যার অধিক সন্তানসন্ততি
… তারা বলল: ইনি আমাদের শুভ্র কেশধারী চাচা)
(আর এমন এক কম্পিত মন্থর গতি যা পূর্বে আমার চলনে ছিল না
… যেন মরুভূমির তপ্ত বালুর ওপর উটপাখির শাবকের মন্থর গতি)
(দ্রুত ধাবমান হয়ে যখন সে তাকে দ্রুতবেগে চলতে দেখল
… আমি অমুক বংশের এক দল থেকে তোমার নিকট এসেছি)
(সে পর্দার সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে তাকাচ্ছে
… যখন আমি ছিলাম দীর্ঘ ও ঘন কেশধারী এবং নিজের চুলের পারিপাট্য সম্পর্কে সচেতন ছিলাম)
(বালুকাময় দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী সেই আবাসে, যখন সেখানে যা অতিবাহিত হওয়ার ছিল তা অতিবাহিত হয়েছে)
(তার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে প্রতিটি মৃদু বায়ু
… প্রচণ্ড ও ধূলিধূসরিত প্রবল বায়ু যা প্রভাতে গর্জন করে বয়ে যায়)
(যা তাকে এক জনপদ থেকে অন্য জনপদে তাড়িয়ে বেড়ায়
… এবং বিভিন্ন গন্তব্য তাকে বিক্ষিপ্ত করে দেয়)
[৫ খ] (আল-হায়াজান) হলো তোমার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: বস্তুটি আলোড়িত হয়েছে, আলোড়িত হয়, আলোড়ন বা উত্তেজনা হিসেবে; অর্থাৎ তা প্রবলভাবে উথিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩২)
بَاب الْحَاء
(الأمحان) مصدر قَوْلك أمح الْجرْح يأمح أمحانا: إِذا ضرب بوجع.
(السفحان) مصدر قَوْلك: سفح الدمع نَفسه سفحانا وسفوحا: أَي انصب.
قَالَ الطرماح:
(مفجعة لَا دفع للضيم عِنْدهَا
… سوى سفحان الدمع فِي كل مسفح)
(السيحان) مصدر قَوْلك: ساح فِي الأَرْض سيحانا وسيحا وسيوحا وسياحة: أَي: ذهب فِيهَا.
(الصيحان) مصدر قَوْلك: صَاح يَصِيح صيحانا وصيحا وصيحة وصياحا وصياحا: إِذا صرخَ.
(الفوحان) مصدر قَوْلك: فاحت ريح الْمسك تفوح فوحانا
হা অধ্যায় (باب)
(আল-আমহান) এটি আপনার উক্তি ‘ক্ষতটি ব্যথায় স্পন্দিত হওয়া’ এর ক্রিয়ামূল (مصدر): যখন ব্যথার চোটে ক্ষতটি টনটন করে।
(আস-সাফাহান) এটি আপনার উক্তি ‘অশ্রু নিজে থেকে প্রবাহিত হওয়া’ এর ক্রিয়ামূল (مصدر): অর্থাৎ গড়িয়ে পড়া বা প্রবাহিত হওয়া।
তিরিম্মাহ বলেন:
(শোকার্ত এক নারী, যার নিকট জুলুম প্রতিহত করার কোনো ক্ষমতা নেই
… কেবল অশ্রু বিসর্জনের প্রতিটি স্থানে অশ্রু প্রবাহিত করা ছাড়া)
(আস-সাইয়াহান) এটি আপনার উক্তি ‘তিনি জমিনে বিচরণ করেছেন’ এর ক্রিয়ামূল (مصدر): অর্থাৎ তাতে পরিভ্রমণ করা।
(আস-সাইহান) এটি আপনার উক্তি ‘সে চিৎকার করেছে’ এর ক্রিয়ামূল (مصدر): যখন কেউ আর্তনাদ করে।
(আল-ফাওয়াহান) এটি আপনার উক্তি ‘কস্তুরীর সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়া’ এর ক্রিয়ামূল (مصدر)।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
وفوحا وفؤوحا: إِذا تضوعت.
(الفيحان) مصدر قَوْلك: فاحت ريح الْمسك تفيح فيحانا وفيحا وفيوحا، لُغَة فِي تفوح فوحانا وفوحا وفؤوحا.
(القزحان) مصدر قَوْلك: قزحت الْقدر تقزح قزحانا وقزحا: إِذا أقطرت مَا خرج مِنْهَا.
(اللمحان) مصدر قَوْلك: لمحه لمحانا ولمحا وتلماحا: إِذا أبصره بِنَظَر خَفِيف، وَالِاسْم اللمحة.
(المرحان) [6 أ] مصدر قَوْلك: مرحت عينه مرحانا: إِذا فَسدتْ وهاجت قَالَ النَّابِغَة الْجَعْدِي:
(كَأَن قذى فِي الْعين قد مرحت بِهِ
… وَمَا حَاجَة الْأُخْرَى إِلَى المرحان)
(النفحان) مصدر قَوْلك: نفح الطّيب ينفح نفحانا ونفحا ونفاحا: إِذا فاح.
এবং ফাউহা ও ফুউহা: যখন সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
আল-ফাইয়াহান (الفيحان) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়া-মূল (مصدر): কস্তুরীর সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে; এটি ফাউহান, ফাউহা ও ফুউহা ব্যবহারেরই একটি ভাষাগত রূপ।
আল-কাযাহান (القزحان) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়া-মূল (مصدر): যখন ডেকচি তার ভেতর থেকে কোনো কিছু উপচে বা ফোঁটায় ফোঁটায় বাইরে ফেলে।
আল-লামাহান (اللمحان) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়া-মূল (مصدر): যখন কেউ কোনো কিছুর দিকে আলতো বা দ্রুত দৃষ্টিতে তাকায়; আর এর বিশেষ্য হলো 'লামহাহ'।
আল-মারাহান (المرحان) [৬ ক] হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়া-মূল (مصدر): যখন চোখ রোগাক্রান্ত বা যন্ত্রণাকাতর হয়। কবি নাবিগাহ আল-জাদি বলেছেন:
(যেন চোখে কোনো ধূলিকণা পড়েছে যার কারণে তা যন্ত্রণাকাতর হয়েছে
… অথচ অপর চোখের তো এই যন্ত্রণার কোনো প্রয়োজন ছিল না)
আন-নাফাহান (النفحان) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়া-মূল (مصدر): যখন সুগন্ধি সুবাস ছড়ায়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
(النيحان) مصدر قَوْلك: ناح الْغُصْن ينيح نيحانا ونيحا: إِذا تمايل.
(আন-নায়াহান) হলো আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ডালটি হেলে পড়েছে, এটি হেলে পড়ে, হেলে পড়া ও ঝুঁকে পড়া; যখন তা আন্দোলিত হয় বা হেলে পড়ে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
بَاب الْخَاء
(البذخان) مصدر قَوْلك: بذخ الْفَحْل يبذخ بذخانا: إِذا هدر.
(الدنخان) مصدر قَوْلك: دنخ بِالْحملِ دنخانا: إِذا تثاقل بِهِ فِي الْمَشْي.
(الزلخان) : الزلجان.
(النضخان) : النضخ.
‘খা’ পরিচ্ছেদ
(আল-বাযখান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘বাযাখা আল-ফাহলু ইয়াবযাখু বাযখানান’—যখন পুং-উট গর্জন করে।
(আদ-দানখান) আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘দানাকা বিল-হামলি দানখানান’—যখন কেউ বোঝা বহনের কারণে হাঁটার সময় ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে।
(আয-যালখান) : আয-যালজান (পিছলে পড়া)।
(আন-নাযখান) : আন-নাযখ (ছিটিয়ে পড়া)।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
بَاب الدَّال
(الحفدان) مصدر قَوْلك: حفد الْبَعِير يحفد، وَكَذَلِكَ الظليم وَغَيرهمَا، حفدانا وحفدا وحفودا: إِذا تدارك السّير. وَمِنْه مَا يدعى فِي الْقُنُوت: وَإِلَيْك نسعى ونحفد.
(الحيدان) مصدر قَوْلك: حاد عَن الطَّرِيق حيدانا وحيدا وحيدة وحيادا وحيودا ومحيدا وحيدودة: إِذا مَال عَنهُ.
(الخفدان) مصدر قَوْلك: خفد خفدانا وخفدا: [6 ب] إِذا أسْرع فِي الْمَشْي.
(الرقدان) مصدر قَوْلك: رقد رقدانا: إِذا طفر من النشاط كَفعل الْجمل والجدي.
(الرودان) مصدر قَوْلك: رادت الْمَرْأَة ترود رودانا، فَهِيَ رادة: إِذا أكثرت الِاخْتِلَاف إِلَى بيُوت جاراتها.
দাল পরিচ্ছেদ
(আল-হাফদান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: উট দ্রুত পদচালনা করার ক্ষেত্রে ‘হাফাদা-ইয়াহফিদু’ বলা হয়। একইভাবে উটপাখি এবং অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও হাফদানান, হাফদান এবং হাফুদান শব্দগুলো ব্যবহৃত হয় যখন তারা দ্রুত গতিতে চলে। দোয়ায় কুনুতে যে দোয়াটি পাঠ করা হয়—‘এবং আমরা আপনার অভিমুখে ধাবিত হই ও আপনার সেবায় ব্রতী হই’—তা এখান থেকেই এসেছে।
(আল-হাইদান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: যখন কেউ পথ থেকে বিচ্যুত হয় তখন ‘হাদা আনিত ত্বরিক’ (সে পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে) উক্তি থেকে হাইদানান, হাইদান, হাইদাতান, হিয়াদান, হাইউদান, মাহাইদান এবং হাইদুদান শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়।
(আল-খফদান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: যখন কেউ চলার গতি বৃদ্ধি করে তখন ‘খফাদা খফদানান ওয়া খফদান’ বলা হয়: [৬ খ]।
(আর-রাকদান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: যখন কেউ প্রাণচঞ্চলতার আতিশয্যে উট কিংবা ছাগলছানার মতো লাফিয়ে চলে তখন ‘রকাদা রকদানান’ ব্যবহৃত হয়।
(আর-রওদান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: যখন কোনো নারী তার প্রতিবেশীদের ঘরে অত্যধিক যাতায়াত করে তখন ‘রদাতিল মারআতু তারুদু রওদানান’ ব্যবহৃত হয়; এমতাবস্থায় সে নারীকে ‘রদাহ’ বলা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
(الكهدان) مصدر قَوْلك: كهد الْحمار كهدانا: إِذا عدا.
(الميدان) مصدر قَوْلك: ماد الشَّيْء يميد ميدانا وميدا: إِذا تحرّك.
(النودان) مصدر قَوْلك: نَاد الرجل نودانا ونودا: إِذا تمايل من النعاس.
(الوخدان) مصدر قَوْلك: وخد الْبَعِير يخد وخدانا ووخدا ووخيدا: إِذا رمى بقوائمه كمشي النعام.
(الوقدان) مصدر قَوْلك: وقدت النَّار تقد وقدانا، ووقدا ووقدا، ووقودا ووقودا ووقيدا وقدة: أَي تضرمت.
(আল-কাহদান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: গাধাটি দ্রুত বেগে দৌড়ালো।
(আল-মাইদান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: কোনো কিছু আন্দোলিত বা প্রকম্পিত হওয়া যখন তা নড়াচড়া করে।
(আল-নাওদান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ব্যক্তিটি তন্দ্রার আধিক্যে হেলে পড়লো যখন সে ঘুমের ঘোরে ঢুলতে লাগলো।
(আল-ওয়াখদান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: উটটি দ্রুত পদক্ষেপে চললো যখন সে উটপাখির ন্যায় পা ফেলে দ্রুত বেগে ধাবিত হলো।
(আল-ওয়াকদান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: আগুন প্রজ্বলিত হলো অর্থাৎ যখন তা দাউদাউ করে জ্বলে উঠলো।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
بَاب الذَّال
(النبذان) مصدر قَوْلك: نبذ الْعرق نبذانا: إِذا نبض.
(الهمذان) مصدر قَوْلك: همذ فِي السّير همذانا: إِذا أسْرع.
যাল (ذ) বর্ণ সংবলিত পরিচ্ছেদ
(আন-নাবাযান) এটি আপনার বাণীর ক্রিয়ামূল (مصدر): 'রক্তনালীর স্পন্দন হওয়া'; যখন তা স্পন্দিত হয়।
(আল-হামাযান) এটি আপনার বাণীর ক্রিয়ামূল (مصدر): 'পথ চলায় দ্রুততা অবলম্বন করা'; যখন সে দ্রুত চলে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
بَاب الرَّاء
(الثوران) مصدر قَوْلك: ثار الْغُبَار [7 أ] يثور ثورانا وثورا وثؤورا: إِذا سَطَعَ.
(الخطران) مصدر قَوْلك: خطر الْبَعِير بِذَنبِهِ يخْطر خطرانا وخطرا وخطيرا: إِذا رَفعه مرّة بعد مرّة وَضرب بِهِ فَخذيهِ، وَكَذَلِكَ خطر الرمْح يخْطر خطرانا: إِذا ارْتَفع وانخفض.
(الدوران) مصدر قَوْلك: دَار الشَّيْء يَدُور دورانا ودورا.
(السعران) مصدر قَوْلك: سعر سعرانا: إِذا اشْتَدَّ عدوه.
(الطيران) مصدر قَوْلك: طَار الشَّيْء يطير طيرانا وطيرورة، وَالْبَاب يدل على خفَّة الشَّيْء فِي الْهَوَاء، ثمَّ يستعار ذَلِك فِي غَيره، وَفِي كل سرعَة.
(العتران) مصدر قَوْلك: عتر الرمْح يعتر عترانا وعترا: إِذا اضْطربَ واهتز.
রা (الراء) অধ্যায়
(আল-থাওরান) এটি আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: ধুলোবালি উড়া [৭ ক], এটি তখন ব্যবহৃত হয় যখন ধুলোবালি ওড়ে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
(আল-খাতারান) এটি আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: উট তার লেজ নাড়ানো, এটি তখন বলা হয় যখন উট বারবার তার লেজ ওঠায় এবং তা দিয়ে তার দুই ঊরুতে আঘাত করে। একইভাবে বল্লম নাড়ানোর ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়, যখন তা উপরে-নিচে ওঠানামা করে।
(আদ-দাওয়ারান) এটি আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: কোনো বস্তু আবর্তিত হওয়া বা ঘোরা।
(আস-সা’রান) এটি আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: যখন কারো দৌড় অত্যন্ত ক্ষিপ্র ও তীব্র হয়।
(আত-তায়ারান) এটি আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: কোনো কিছু উড়া। এই শব্দটি মূলত বাতাসে কোনো বস্তুর লঘুতা বা হালকা হওয়ার অর্থ প্রদান করে, পরবর্তীতে এটি অন্যান্য ক্ষেত্রে এবং সকল প্রকার দ্রুতগতির জন্য রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
(আল-ইতরান) এটি আপনার উক্তির ক্রিয়ামূল: বল্লম প্রকম্পিত হওয়া, যখন তা আন্দোলিত ও স্পন্দিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪০)
(العجران) مصدر قَوْلك: عجرت بِي نَاقَتي عجرانا وعجرا: إِذا رجعت قبل ألافها من وَجه تريده وَأَنت كَارِه.
(العسران) مصدر قَوْلك: عسرت النَّاقة بذنبها تعسر عسرانا وعسرا: إِذا شالت.
(العهران) مصدر عهر إِلَى الْمَرْأَة يعهر عهرانا وعهرا وعهرا وعهورا: إِذا زنى.
(الفوران) مصدر قَوْلك: فارت الْقدر تَفُور فورانا: إِذا جَاشَتْ.
(القطران) [7 ب] مصدر قَوْلك: قطر المَاء نَفسه يقطر قطرانا وقطرا: إِذا رشح.
(النظران) مصدر قَوْلك: نظر إِلَيْهِ نظرانا ونظرا: أَي تَأمله بِالْعينِ. وَيجوز أَن يحذف الْجَار ويوصل الْفِعْل، وَيسْتَعْمل على ضروب من الْمعَانِي كلهَا يرجع إِلَى أصل وَاحِد، وَهُوَ طلب الْإِدْرَاك:
(আল-আজরান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘আমার উটনী আমাকে নিয়ে ফিরে গেছে’; যখন সে তার সঙ্গীদের কাছে এমন এক গন্তব্য থেকে ফিরে আসে যেদিকে আপনি যেতে চাচ্ছিলেন অথচ আপনি তা অপছন্দ করছিলেন।
(আল-আসরান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘উটনীটি তার লেজ উঠিয়েছে’; যখন সে তা উত্তোলন করে।
(আল-আহরান) ‘নারীর সাথে ব্যভিচার করা’ অর্থে ব্যবহৃত ক্রিয়ার মূল রূপ: যখন কেউ ব্যভিচার করে।
(আল-ফাওয়ারান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘পাত্রটি উথলে উঠেছে’; যখন তা টগবগ করে ফুটতে থাকে।
(আল-কাতরান) [৭ খ] আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘পানি চুইয়ে পড়ছে’; যখন তা নিজে নিজেই নির্গত হয়।
(আন-নাযারান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: ‘সে তার দিকে তাকিয়েছে’; অর্থাৎ চোখ দিয়ে তা পর্যবেক্ষণ করা। এক্ষেত্রে অব্যয়টি বিলোপ করে ক্রিয়াটিকে সরাসরি কর্মের সাথে যুক্ত করাও বৈধ এবং এটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয় যার সবকটিই একটি মূল উৎসের দিকে ফিরে যায়, আর তা হলো—উপলব্ধি করার অন্বেষণ করা:
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪১)
مِنْهَا: النّظر بِمَعْنى الِانْتِظَار كَقَوْلِه تَعَالَى: {انظرونا نقتبس من نوركم} ، وَقَوله عز وجل: {فناظرة بِمَ يرجع المُرْسَلُونَ} .
وَمِنْهَا: النّظر بِمَعْنى التعطف وَالرَّحْمَة كَقَوْلِه تَعَالَى: {وَلَا ينظر إِلَيْهِم يَوْم الْقِيَامَة} .
وَمِنْهَا: النّظر بِمَعْنى الِاعْتِبَار والتأمل، وَهُوَ غير مُتَعَدٍّ كَقَوْلِه عز وجل: {انْظُر كَيفَ فضلنَا} ، وَكَقَوْلِه عز وجل: {انْظُر كَيفَ يفترون} . وَقد يتَعَدَّى هَذَا بالجار كَقَوْلِه تَعَالَى: {أولم ينْظرُوا فِي ملكوت السَّمَاوَات وَالْأَرْض} ، وَكَقَوْلِه عز وجل: {أَفلا ينظرُونَ إِلَى الْإِبِل كَيفَ خلقت} .
وَمِنْهَا: النّظر بِمَعْنى الْمُقَابلَة كَقَوْلِهِم: الْجَبَل ينظر إِلَيْك، ودارى تنظر إِلَى دَار فلَان، ودورنا تتناظر.
এর মধ্যে অন্যতম হলো: নজর (النظر) প্রতীক্ষা (الانتظار) অর্থে; যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {তোমরা আমাদের জন্য অপেক্ষা করো, যেন আমরা তোমাদের নূর থেকে কিছু গ্রহণ করতে পারি}, এবং মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর আমি দেখব প্রেরিতগণ (المرسلون) কী নিয়ে ফিরে আসে}।
এর আরেকটি হলো: নজর (النظر) মমতা (التعطف) ও রহমত (الرحمة) অর্থে; যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {এবং কিয়ামতের দিন তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না}।
এর আরেকটি হলো: নজর (النظر) শিক্ষা গ্রহণ (الاعتبار) ও গভীরভাবে চিন্তা করা (التأمل) অর্থে। এটি অকর্মক (غير متعد) হিসেবে ব্যবহৃত হয়; যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {দেখুন, আমি কীভাবে তাদের একদলকে অপরের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি}, এবং মহান আল্লাহর বাণী: {দেখুন, তারা কীভাবে মিথ্যাচার করছে}। কখনও এটি অব্যয় (الجار) যোগে সকর্মক (يتعدى) হয়; যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {তারা কি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্বের বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে না?}, এবং মহান আল্লাহর বাণী: {তবে কি তারা উটের দিকে তাকিয়ে দেখে না যে, তা কীভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে?}।
এর আরেকটি হলো: নজর (النظر) মুখোমুখি (المقابلة) হওয়া অর্থে; যেমন তাদের কথা: "পাহাড়টি তোমার দিকে মুখ করে আছে", "আমার বাড়ি অমুকের বাড়ির মুখোমুখি", এবং "আমাদের বাড়িগুলো পরস্পর অভিমুখী (تتناظر)"।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪২)
وَمِنْهَا: النّظر بِمَعْنى التكهن، [8 أ] وَمن الحَدِيث إِن عبد الله بن عبد الْمطلب مر بِامْرَأَة كَانَت تنظر وتعتاف، فدعته إِلَى أَن يستبضع مِنْهَا إِذا رَأَتْ فِي وَجهه نورا، وَقَالَت: يَا فَتى، هَل لَك أَن تقع عَليّ وَأُعْطِيك مائَة من الْإِبِل، فَقَالَ عبد الله:
(أما الْحَرَام فالممات دونه
… )
(والحل لَا حل فأستبينه
… )
(فَكيف بِالْأَمر الَّذِي تبغينه
… )
وَالْمَرْأَة قيل: هِيَ كاظمة بنت مر، وَقيل: أم قتال بنت نَوْفَل أُخْت ورقة بن نَوْفَل.
وَمِنْهَا: النّظر بِمَعْنى الْعلم، وَقيل فِي قَوْله تَعَالَى: {يَوْم ينظر الْمَرْء مَا قدمت يَدَاهُ} أَي: يعلم. وَكَذَلِكَ قَوْله تَعَالَى: {كَأَنَّمَا يساقون إِلَى الْمَوْت وهم ينظرُونَ} .
এবং এর মধ্যে রয়েছে: ভবিষ্যদ্বাণী (تكهن) অর্থে নজর (দৃষ্টি), [৮ ক] এবং হাদিসের মধ্যে রয়েছে যে, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিব এমন এক মহিলার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন যে ভবিষ্যদ্বাণী (تكهن) করত এবং পক্ষী-শকুনের মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণ (تعتاف) করত। সে যখন তাঁর চেহারায় একটি নূর (জ্যোতি) দেখতে পেল, তখন তাঁকে নিজের সাথে মিলিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানাল। সে বলল: "হে যুবক, আপনি কি আমার সাথে মিলিত হবেন? আমি আপনাকে একশটি উট প্রদান করব।" তখন আব্দুল্লাহ বললেন:
(হারাম কাজের চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয়
… )
(আর হালালের কোনো পথ আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি না
… )
(সুতরাং আপনি যে বিষয়টি চাচ্ছেন তা কীভাবে সম্ভব?
… )
উক্ত মহিলা সম্পর্কে বলা হয়েছে: তিনি ছিলেন কাজিমা বিনতে মুর। আবার বলা হয়েছে: তিনি ছিলেন ওরাকা বিন নওফলের বোন উম্মে কিতাল বিনতে নওফল।
এবং এর মধ্যে রয়েছে: জ্ঞান (علم) অর্থে নজর (দৃষ্টি)। আল্লাহ তাআলার বাণী: {যেদিন মানুষ প্রত্যক্ষ করবে যা তার দুই হাত অগ্রিম পাঠিয়েছে} এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে, অর্থাৎ: সে জানবে। অনুরূপভাবে আল্লাহ তাআলার বাণী: {তারা যেন মৃত্যুর দিকে চালিত হচ্ছে এমতাবস্থায় যে তারা তা প্রত্যক্ষ করছে}।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
بَاب الزَّاي
(التيزان) مصدر قَوْلك: تاز السهْم فِي الرَّمية يتيز تيزانا: إِذا اهتز فِيهَا.
(الجمران) مصدر قَوْلك: جمز الْبَعِير يجمز جمزانا وجمزا: إِذا عدا. قَالَ كَعْب بن زُهَيْر:
( [8 ب] نهوز بلحييها أَمَام سفارها
… ومعتلة إِن شِئْت للجمزان) (الرهزان) مصدر قَوْلك: رهز المباضع رهزانا ورهزا: إِذا تحرّك
(العجزان) مصدر قَوْلك: عجزت عَن الْأَمر أعجز عجزانا وعجزا وعجوزا ومعجزا ومعجزة ومعجزة.
ঝা পরিচ্ছেদ
(তয়যান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: তীর যখন নিক্ষেপের পর নিশানার ভেতর প্রকম্পিত হয়।
(জামাযান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: উট যখন দ্রুত বেগে দৌড়ায়। কাব বিন জুহাইর বলেছেন:
( [৮ ব] সে তার সফরের অগ্রভাগে চোয়ালদ্বয় সঞ্চালন করে
… এবং চাইলে দ্রুত গতির জন্য সে মন্থরতা প্রকাশ করে) (রাহাযান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: শল্যচিকিৎসার সরঞ্জাম যখন নড়াচড়া করে।
(আজাযান) এটি আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল: যখন আপনি কোনো কাজে অক্ষম হন; যার বিবিধ রূপ হলো আজাযান, আজযান, আজুযান, মা'জাযান, মা'জাযাতান এবং মা'জিজাতান।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
(العشزان) مصدر قَوْلك: عشز يعشز عشزانا: إِذا مَشى مشْيَة الْمَقْطُوع.
(القحزان) مصدر قَوْلك: قحز يقحز قحزانا وقحزا: إِذا وثب.
(القفزان) مصدر قَوْلك: قفز يقفز قفزانا وقفزا: إِذا وثب.
(النفزان) مصدر قَوْلك: نفز ينفز نفزانا ونفزا: إِذا وثب.
(النقزان) مصدر قَوْلك: نقز ينقز وينقز نقزانا ونقزا: إِذا وثب
(আল-আশজান) (العشزان) হলো আপনার উক্তি: ‘আশাজা ইয়াশুজু আশজানান’ (عشز يعشز عشزانا)-এর মূলক্রিয়া (مصدر); যখন কেউ অঙ্গহীন ব্যক্তির ন্যায় হাঁটে।
(আল-কাহজান) (القحزان) হলো আপনার উক্তি: ‘কাহাজা ইয়াকহিজু কাহজানান ওয়া কাহজান’ (قحز يقحز قحزانا وقحزا)-এর মূলক্রিয়া (مصدر); যখন কেউ লাফ দেয়।
(আল-কাফজান) (القفزان) হলো আপনার উক্তি: ‘কাফাজা ইয়াকফিজু কাফজানান ওয়া কাফজান’ (قفز يقفز قفزانا وقفزا)-এর মূলক্রিয়া (مصدر); যখন কেউ লাফ দেয়।
(আন-নাফজান) (النفزان) হলো আপনার উক্তি: ‘নাফাজা ইয়ানফিজু নাফজানান ওয়া নাফজান’ (نفز ينفز نفزانا ونفزا)-এর মূলক্রিয়া (مصدر); যখন কেউ লাফ দেয়।
(আন-নাকজান) (النقزان) হলো আপনার উক্তি: ‘নাকাজা ইয়ানকিজু ওয়া ইয়ানকুজু নাকজানান ওয়া নাকজান’ (نقز ينقز وينقز نقزانا ونقزا)-এর মূলক্রিয়া (مصدر); যখন কেউ লাফ দেয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
بَال السِّين
(الجوسان) مصدر قَوْلك: جاس يجوس جوسانا: إِذا طَاف بِاللَّيْلِ.
(الرعسان) مصدر قَوْلك: رعس رعسانا: إِذا تحرّك رَأسه من الْكبر.
(الميسان) مصدر قَوْلك: مَاس يميس ميسانا وميسا: إِذا تبختر.
(الوجسان) مصدر قَوْلك: وجس الْقلب يجس وجسانا: إِذا فزع.
(الولسان) مصدر قَوْلك: وَلست النَّاقة تلس وَلِسَانًا: إِذا أَعْنَقت فِي سَيرهَا.
(الهوسان) مصدر قَوْلك: هاست الْإِبِل هوسانا: إِذا رعت وَهِي تسير.
সীন পরিচ্ছেদ
(আল-জাওসান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): 'জাসা ইয়াজুসু জাওসানান'; যখন কেউ রাতে পরিভ্রমণ করে।
(আর-রা’সান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): 'রা’আসা রা’সানান'; যখন বার্ধক্যের কারণে কারও মাথা প্রকম্পিত হয়।
(আল-মাইসান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): 'মাসা ইয়ামিসু মাইসানান' ও 'মাইসান'; যখন কেউ গর্বভরে হেলেদুলে চলে।
(আল-ওয়াজসান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): 'ওয়াজাসা আল-কালবু ইয়াজিসু ওয়াজসানান'; যখন অন্তর আতঙ্কিত হয়।
(আল-ওয়ালসান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): 'ওয়ালাসা আন-নাকাতু তালিসু ওয়ালসানান'; যখন উষ্ট্রী তার চলনে দ্রুতগতিতে ঘাড় বাড়িয়ে চলে।
(আল-হাওসান) আপনার এই উক্তির ক্রিয়ামূল (مصدر): 'হাসাত আল-ইবিলু হাওসানান'; যখন উটগুলো চলার পথে ঘাস খায়।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
[9 أ] بَاب الشين
(الجهشان) مصدر قَوْلك: جهش مِنْهُ يجهش جهشانا: إِذا فرق.
(الجيشان) مصدر قَوْلك: جَاشَتْ الْقدر تجيش، وَكَذَلِكَ الْوَادي وَالنَّفس جيشانا وجيشا: إِذا غلت، وزخر، وَارْتَفَعت من حزن أَو فزع.
(الغطشان) مصدر قَوْلك: غطش غطشانا وغطشا: إِذا مَشى مشيا رويدا من كبر أَو مرض.
(النغشان) مصدر قَوْلك: نغش نغشانا ونغشا وهما شبه الِاضْطِرَاب.
[৯ ক] শীন পরিচ্ছেদ
(আল-জাহাশান) এটি আপনার উক্তি ‘জাহাশা মিনহু ইয়াজহাশু জাহাশান’ এর মূলক্রিয়া: যখন সে ভীত হয়ে পড়ে।
(আল-জাইয়াশান) এটি আপনার উক্তি ‘জাশাতিল কিদরু তাজিশু’ এর মূলক্রিয়া, অনুরূপভাবে উপত্যকা ও মনের ক্ষেত্রেও ‘জাইয়াশান’ ও ‘জাইশ’ ব্যবহৃত হয়: যখন তা টগবগ করে ফোটে, উথলে ওঠে এবং দুঃখ বা আতঙ্কে উদ্বেলিত হয়।
(আল-গাতাশান) এটি আপনার উক্তি ‘গাতাশা গাতাশানান ওয়া গাতাশান’ এর মূলক্রিয়া: যখন বার্ধক্য বা অসুস্থতার কারণে কেউ মন্থর গতিতে হাঁটে।
(আল-নাগাশান) এটি আপনার উক্তি ‘নাগাশা নাগাশানান ওয়া নাগাশান’ এর মূলক্রিয়া, আর এ দুটি হলো অস্থিরতার সদৃশ।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
بَاب الصَّاد
(الحيصان) مصدر قَوْلك: حَاص عَنهُ حيصانا وحيصا وحيوصا ومحيصا ومحاصا: أَي: حاد.
(الديصان) مصدر قَوْلك: داص يديص ديصانا: إِذا راغ وحاد: وداصت السّلْعَة وَهِي الغدة إِذا حركتها بِيَدِك فَجَاءَت وَذَهَبت.
(الرقصان) مصدر قَوْلك: رقص الْبَعِير يرقص رقصانا ورقصا بِالتَّحْرِيكِ: إِذا خب.
(اللحصان) مصدر قَوْلك: [9 ب] لحص يلحص لحصانا: إِذا عدا وأسرع.
'সাদ' অধ্যায়
(আল-হাইসান) আপনার উক্তির মূলশব্দ: ‘সে তার থেকে বিমুখ হলো’, এর বিভিন্ন রূপ হলো হাইসান, হাইস, হাইয়ুস, মাহাইস এবং মাহাস; অর্থাৎ: সে বিমুখ হয়েছে বা সরে গেছে।
(আদ-দাইসান) আপনার উক্তির মূলশব্দ: ‘সে সরে গেল বা বিচ্যুত হলো’, যখন কেউ ডানে-বামে সরে যায় বা বিচ্যুত হয়। আর ‘মাংসগ্রন্থি নড়ে ওঠা’ বলতে সেই গ্রন্থিকে বোঝায় যা হাতে নাড়াচাড়া করলে এদিক-সেদিক সরে যায়।
(আর-রাকাসান) আপনার উক্তির মূলশব্দ: ‘উট দ্রুত চলল’, যখন উট দ্রুত পদক্ষেপে চলে।
(আল-লাহাসান) আপনার উক্তির মূলশব্দ: [৯ খ] ‘সে দৌড়ালো এবং দ্রুত চলল’, যখন কেউ দৌড়ায় এবং অত্যন্ত ক্ষিপ্রতা প্রদর্শন করে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফিলানি - আল-মাতবূউ খতান বিসমি নাকয়াতুস সদিয়ান
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
بَاب الضَّاد
(النبضان) مصدر قَوْلك: نبض الْعرق ينبض نبضانا ونبضا: إِذا تحرّك.
(النغضان) مصدر قَوْلك: نغض ينغض نغضانا ونغضا ونغوضا: إِذا تحرّك.
(الومضان) مصدر قَوْلك: ومض الْبَرْق يمض ومضانا وومضا ووميضا وتوماضا: أَي لمع لمعا خَفِيفا وَلم يعْتَرض فِي نواحي الْغَيْم. قَالَ مَالك الأشتر النَّخعِيّ:
(حمي الْحَدِيد عَلَيْهِم فَكَأَنَّهُ
… ومضان برق أَو شُعَاع شموس)
'দাদ' (ض) অধ্যায়
(আন-নাবযান) (النبضان) হলো আপনার উক্তির মূলধাতু (مصدر): ‘শিরা স্পন্দিত হওয়া’, যখন তা স্পন্দিত বা সঞ্চালিত হয়।
(আন-নাগযান) (النغضان) হলো আপনার উক্তির মূলধাতু (مصدر): ‘নড়ে ওঠা বা আন্দোলিত হওয়া’, যখন কোনো কিছু নড়াচড়া করে।
(আল-ওয়ামাযান) (الومضان) হলো আপনার উক্তির মূলধাতু (مصدر): ‘বিদ্যুৎ চমকানো’; অর্থাৎ যখন বিদ্যুৎ মৃদুভাবে চমকায় এবং মেঘের দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ে না। মালিক আল-আশতার আল-নাখয়ী বলেছেন:
(তাদের ওপর লৌহবর্ম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, ফলে সেটি যেন ছিল
… বিদ্যুতের ঝলকানি অথবা প্রখর সূর্যের রশ্মি)