(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: -)
غاية المرام في تخريج أحاديث الحلال والحرام   (ناصر الدين الألباني)

القسم: التخريج والأطراف


الكتاب: غاية المرام في تخريج أحاديث الحلال والحرام

المؤلف: محمد ناصر الدين الألباني (ت 1420هـ)

الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت

الطبعة: الثالثة - 1405

عدد الصفحات: 282

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হালাল ও হারাম বিষয়ক হাদীসসমূহের উৎস ও মান যাচাইয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য   (নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী)

বিভাগ: হাদীসের উৎস যাচাই ও সূত্রসমূহ


বই: হালাল ও হারামের হাদীসসমূহের উৎস ও মান যাচাইয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য (গায়াতুল মারাম)

লেখক: মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী (মৃত্যু ১৪২০ হি.)

প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামী - বৈরুত

সংস্করণ: তৃতীয় - ১৪০৫

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৮২

[বইটির পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ১৪)
1 - (صحيح)

وقال رسول الله (ص) : إنما أنا رحمة مهداة
১ - (সহীহ)

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি উপহারস্বরূপ প্রেরিত এক রহমত।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ১৪)
2 - (حسن)

حديث ما أحل الله في كتابه فهو حلال وما حرم فهو حرام وما سكت عنه فهو عفو فاقبلوا من الله عافيته فإن الله لم يكن لينسى شيئا وتلا {وما كان ربك نسيا}
২ - (হাসান)

হাদীস: আল্লাহ তাঁর কিতাবে যা হালাল করেছেন তা হালাল, আর যা হারাম করেছেন তা হারাম। আর যে বিষয়ে তিনি নীরব থেকেছেন তা সাধারণ ক্ষমা বা ছাড়; সুতরাং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর দেওয়া এই সহজতা তোমরা গ্রহণ করো। কেননা আল্লাহ কোনো কিছুই বিস্মৃত হন না। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {আর আপনার রব বিস্মৃত হন না}।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ১৫)
3 - (ضعيف)

وعن سلمان الفارسي: سئل رسول الله (ص) عن السمن والجبن والفراء فقال الحلال ما أحل الله في كتابه والحرام ما حرم الله في كتابه وما سكت عنه فهو مما عفا لكم رواه الترمذي وابن ماجه
৩ - (দুর্বল)

সালমান ফারসী হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে ঘি, পনির এবং পশমী চামড়ার পোশাক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, "হালাল তা-ই যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে হালাল করেছেন এবং হারাম তা-ই যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে হারাম করেছেন। আর যে বিষয়ে তিনি নীরবতা অবলম্বন করেছেন, তা তোমাদের জন্য ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত।" এটি তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ১৭)
4 - (ضعيف)

وقال (ص) إن الله فرض فرائض فلا تضيعوها وحد حدودا فلا تعتدوها وحرم أشياء فلا تنتهكوها وسكت عن أشياء رحمة بكم غير نسيان فلا تبحثوا عنها (رواه الدارقطني وحسنه النووي وهو ضعيف
৪ - (যঈফ)

এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ কিছু বিধান ফরয করেছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো নষ্ট করো না; এবং তিনি কিছু সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো লঙ্ঘন করো না; এবং তিনি কিছু বস্তু হারাম করেছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো অমান্য করো না; আর তিনি বিস্মৃতি ছাড়াই তোমাদের প্রতি দয়াবশত কিছু বিষয়ে নীরবতা অবলম্বন করেছেন, সুতরাং তোমরা সেগুলো নিয়ে অনুসন্ধান করো না।" (এটি দারা কুতনী বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম নববী একে হাসান বলেছেন, তবে এটি যঈফ বা দুর্বল)।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ১৯)
5 - (صحيح)

من أحدث في أمرنا ما ليس منه فهو رد متفق عليه
৫ - (সহীহ)

যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের বিষয়ে নতুন কিছুর উদ্ভাবন করবে যা তার অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ১৯)
6 - (حسن)

وقد جاء عدي بن حاتم إلى النبي (ص) وكان قد دان بالنصرانية قبل الإسلام فلما سمع النبي (ص) يقرا هذه الآية {اتخذوا أحبارهم ورهبانهم أربابا من دون الله والمسيح ابن مريم وما أمروا إلا ليعبدوا إلها واحدا لا إله إلا هو سبحانه عما يشركون} قال يا رسول الله إنهم لم يعبدوهم فقال بلى إنهم حرموا عليهم الحلال وأحلوا لهم الحرام فاتبعوهم فذلك عبادتهم إياهم الترمذي وغيره وحسنه وفي رواية أن النبي عليه السلام قال تفسيرا لهذه الآية أما إنهم لم يكونوا يعبدونهم ولكنهم كانوا إذا أحلوا لهم شيئا استحلوه وإذا حرموا عليهم شيئا حرموه
৬ - (হাসান)

আদি বিন হাতিম (রা.) নবী (সা.)-এর নিকট আসলেন, আর তিনি ইসলামের পূর্বে খ্রিস্টধর্মাবলম্বী ছিলেন। অতঃপর যখন তিনি নবী (সা.)-কে এই আয়াতটি পাঠ করতে শুনলেন: {তারা আল্লাহকে ছেড়ে তাদের পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীদের এবং মরিয়ম-পুত্র মাসীহকে রব্ব হিসেবে গ্রহণ করেছে; অথচ তারা কেবল এক ইলাহের ইবাদত করার জন্য আদিষ্ট হয়েছিল। তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই। তারা যে অংশীদার সাব্যস্ত করে, তা থেকে তিনি অত্যন্ত পবিত্র।} তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তারা তো তাদের ইবাদত করত না। তিনি (সা.) বললেন, "অবশ্যই করত; তারা তাদের জন্য হালালকে হারাম সাব্যস্ত করত এবং হারামকে হালাল সাব্যস্ত করত, আর তারা তাদের অনুসরণ করত। এটাই ছিল তাদের প্রতি তাদের ইবাদত।" তিরমিজি ও অন্যান্যরা এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে হাসান বলেছেন। অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে যে, নবী আলাইহিস সালাম এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন: "জেনে রেখো, তারা সরাসরি তাদের ইবাদত করত না; তবে তারা (পণ্ডিত ও সংসারবিরাগীরা) যখন তাদের জন্য কোনো কিছু হালাল করত, তখন তারা তাকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করত এবং যখন তারা তাদের জন্য কোনো কিছু হারাম করত, তখন তারা তাকে হারাম হিসেবে গ্রহণ করত।"
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২০)
7 - (صحيح)

قال (ص) ألا هلك المتنطعون ألا هلك المتنطعون ألا هلك المتنطعون رواه مسلم وأحمد وأبو داود
৭ - (সহীহ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "সাবধান! কঠোরতা অবলম্বনকারীরা ধ্বংস হয়েছে, সাবধান! কঠোরতা অবলম্বনকারীরা ধ্বংস হয়েছে, সাবধান! কঠোরতা অবলম্বনকারীরা ধ্বংস হয়েছে।" এটি মুসলিম, আহমাদ এবং আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২০)
8 - (ضعيف)

فقال (ص) بعثت بالحنيفية السمحة رواه أحمد
8 - (দুর্বল)

অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, "আমি সহজ ও সরল একনিষ্ঠ দ্বীনসহ (হানিফিয়্যাহ) প্রেরিত হয়েছি।" এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২২)
9 - (ضعيف)

ذكر النبي (ص) فيما يروي عن ربه تبارك وتعالى أنه قال إني خلقت عبادي حنفاء وإنهم أتتهم الشياطين فاجتالتهم عن دينهم وحرمت عليهم ما أحللت لهم وأمرتهم أن يشركوا بي ما لم أنزل به سلطانا رواه مسلم
৯ - (যঈফ)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বরকতময় ও মহান রবের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আমি আমার বান্দাদের একনিষ্ঠ রূপে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর শয়তানরা তাদের নিকট এসে তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে বিচ্যুত করে ফেলে। আমি তাদের জন্য যা হালাল করেছিলাম তারা তা তাদের ওপর হারাম করে দেয় এবং তাদেরকে নির্দেশ দেয় যেন তারা আমার সাথে এমন কিছুকে অংশীদার সাব্যস্ত করে যার ব্যাপারে আমি কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করিনি। মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২২)
10 - (حسن)

حديث النبي (ص) قال اتقوا الملاعن الثلاث (أي التي تجلب على فاعلها اللعنة من الله والناس) البراز في الموارد وقارعة الطريق والظل
১০ - (হাসান)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদিস, তিনি বলেছেন: তোমরা অভিশাপ বয়ে আনয়নকারী তিনটি কাজ (অর্থাৎ যে কাজগুলো সম্পাদনকারীর ওপর আল্লাহ ও মানুষের লানত বা অভিশাপ ডেকে আনে) থেকে বেঁচে থাকো; তা হলো পানির ঘাটে, চলাচলের রাস্তায় এবং ছায়াযুক্ত স্থানে মলত্যাগ করা।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৩)
11 - (ضعيف)

وقال عليه السلام لاترتكبوا ما ارتكب اليهود وتستحلوا محارم الله بأدنى الحيل
১১ - (দুর্বল)

এবং তিনি (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: তোমরা ইয়াহুদীরা যা করেছিল তা করো না এবং সামান্যতম কৌশলের আশ্রয়ে আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলোকে হালাল করো না।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৪)
12 - (صحيح)

حديث ليستحلن طائفة من أمتي الخمر يسمونها بغير اسمها رواه أحمد
১২ - (সহীহ)

হাদীস: "আমার উম্মতের একটি দল অবশ্যই মদকে হালাল মনে করবে, তারা সেটির ভিন্ন নামকরণ করবে।" এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৫)
13 - (ضعيف)

حديث يأتي على الناس زمان يستحلون الربا باسم البيع
১৩ - (যঈফ)

হাদীস: মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন তারা ক্রয়-বিক্রয়ের নামে সুদকে বৈধ মনে করবে।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৫)
14 - (صحيح)

قال النبي (ص) إنما الأعمال بالنيات وإنما لكل امرىء ما نوى أخرجه الشيخان وغيرهما من حديث عمر بن الخطاب مرفوعا وهو حديث مشهور
১৪ - (সহীহ)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই সকল আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়ত করেছে তা-ই পাবে।" শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) এবং অন্যান্যরা এটি উমর ইবনুল খাত্তাবের বর্ণিত মারফূ হাদিস হিসেবে উদ্ধৃত করেছেন এবং এটি একটি প্রসিদ্ধ হাদিস।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৫)
15 - (صحيح)

قال النبي (ص) وفي بضع أحدكم صدقة قالوا أيأتي أحدنا شهوته يا رسول الله ويكون له فيها أجر قال أليس إن وضعها في حرام كان عليه وزر فكذلك إذا وضعها في حلال كان له أجر رواه الشيخان وهو من حديث أبي ذر (ر) إن ناسا من أصحاب النبي (ص) قالوا للنبي (ص) يا رسول الله ذهب أهل الدثور بالأجور يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ويتصدقون بفضول أموالهم قال أوليس قد جعل الله لكم ما تصدقون إن بكل تسبيحة صدقة وكل تكبيرة صدقة وكل تحميدة صدقة وكل تهليلة صدقة وأمر بالمعروف صدقة ونهي عن المنكر صدقة وفي بضع أحدكم صدقة … . والباقي مثل ما سبق إلا أنه قال أرأيتم لو وضعها هكذا أخرجه مسلم وأبو داود وأحمد
১৫ - (সহিহ)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের প্রত্যেকের দাম্পত্য মিলনেও সদকা রয়েছে।" তাঁরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের কেউ কি তার যৌন কামনা পূরণ করবে এবং তাতেও কি তার জন্য সওয়াব হবে?" তিনি বললেন: "তোমরা কি মনে করো না যে, যদি সে তা হারাম পথে পূরণ করত, তবে কি তার ওপর গুনাহ হতো না? ঠিক তেমনি যখন সে তা হালাল পথে সম্পন্ন করে, তখন তার জন্য সওয়াব সাব্যস্ত হয়।" এটি শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন। এটি আবু যর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদিসের অংশ যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একদল সাহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললেন: "হে আল্লাহর রাসুল! সম্পদশালী ব্যক্তিরা তো সওয়াব নিয়ে চলে গেল; তারা আমাদের মতো নামাজ পড়ে, আমাদের মতো রোজা রাখে এবং তাদের অতিরিক্ত সম্পদ থেকে সদকা করে।" তিনি বললেন: "আল্লাহ কি তোমাদের জন্য এমন কিছু নির্ধারণ করেননি যা তোমরা সদকা করতে পারো? নিশ্চয়ই প্রতিটি তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) একটি সদকা, প্রতিটি তাকবির (আল্লাহু আকবার) একটি সদকা, প্রতিটি তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) একটি সদকা, প্রতিটি তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) একটি সদকা, সৎ কাজের আদেশ দেওয়া একটি সদকা এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা একটি সদকা। আর তোমাদের প্রত্যেকের দাম্পত্য মিলনেও সদকা রয়েছে …।" হাদিসের বাকি অংশ আগের মতোই, তবে এতে তিনি বলেছেন: "তোমরা কি মনে করো যদি সে তা এভাবে (হারাম পথে) করত?" এটি মুসলিম, আবু দাউদ ও আহমদ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৬)
16 - (ضعيف)

حديث من طلب الدنيا حلالا تعففا عن المسألة وسعيا على عياله وتعطفا على جاره لقي الله ووجهه كالقمر ليلة البدر رواه الطبراني
১৬ - (যয়ীফ)

হাদিস: যে ব্যক্তি যাঞ্চা করা থেকে বিরত থাকার জন্য, নিজ পরিবারের ভরণপোষণের প্রচেষ্টায় এবং প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়ার উদ্দেশ্যে হালাল উপায়ে দুনিয়া অন্বেষণ করবে, সে আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে তার চেহারা হবে পূর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায়। এটি তাবারানি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৭)
17 - (حسن)

قال (ص) إن الله طيب لا يقبل إلا طيبا وإن الله أمر المؤمنين بما أرسل به المرسلين فقال {يا أيها الرسل كلوا من الطيبات واعملوا صالحا إني بما تعملون عليم} سورة المؤمنون 51 وقال {يا أيها الذين آمنوا كلوا من طيبات ما رزقناكم} سورة البقرة 172 ثم ذكر الرجل يطيل السفر أشعث أغبر (ساعيا للحج والعمرة ونحوهما) يمد يديه إلى السماء يا رب يا رب ومطعمه حرام ومشربه حرام وملبسه حرام وغذي بالحرام فانى يستجاب لذلك رواه مسلم والترمذي عن أبي هريرة
১৭ - (হাসান)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ব্যতীত অন্য কিছু গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ মুমিনদের সেই নির্দেশই দিয়েছেন, যা তিনি রাসূলগণকে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন: {হে রাসূলগণ! তোমরা পবিত্র বস্তু আহার করো এবং সৎকর্ম করো; তোমরা যা করো, সে সম্পর্কে আমি সবিশেষ অবগত} (সূরা আল-মুমিনুন: ৫১)। এবং তিনি বলেছেন: {হে মুমিনগণ! আমি তোমাদের যে রিজিক দিয়েছি, তা থেকে পবিত্র বস্তুসমূহ আহার করো} (সূরা আল-বাকারা: ১৭২)। অতঃপর তিনি এমন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে দীর্ঘ সফর করে, যার চুল উস্কোখুস্কো এবং ধূলিমলিন (হজ, উমরা বা এই জাতীয় কাজের উদ্দেশ্যে প্রচেষ্টারত), সে আকাশের দিকে তার দু'হাত বাড়িয়ে বলে: হে আমার রব! হে আমার রব! অথচ তার খাবার হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোশাক হারাম এবং সে হারামে লালিত-পালিত হয়েছে। অতএব তার প্রার্থনা কীভাবে কবুল হতে পারে? মুসলিম ও তিরমিযী আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৮)
18 - (ضعيف)

من جمع مالا من حرام ثم تصدق به لم يكن له فيه أجر وكان إصره عليه رواه ابن خزيمة وابن حبان والحاكم عن أبي هريرة
১৮ - (দুর্বল)

যে ব্যক্তি হারাম উপায়ে সম্পদ অর্জন করল, অতঃপর তা সদকা করল, তার জন্য এতে কোনো সওয়াব হবে না এবং এর পাপের বোঝা তার ওপরই থাকবে। ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান ও হাকেম এটি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ২৯)
19 - (ضعيف)

لايكسب عبد مالا حراما فيتصدق به فيقبل منه ولا ينفق منه فيبارك له فيه ولا يتركه خلف ظهره إلا كان زاده الى النار إن الله تعالى لايمحو السيء بالسيء ولكن يمحو السيء بالحسن إن الخبيث لا يمحو الخبيث أحمد وغيره عن ابن مسعود
১৯ - (দুর্বল)

কোনো বান্দা হারাম সম্পদ উপার্জন করে তা থেকে সদকা করলে তা তার পক্ষ থেকে কবুল করা হয় না, এবং তা থেকে ব্যয় করলে তাতে তার জন্য বরকত দেওয়া হয় না, আর সে তা নিজের পেছনে রেখে গেলে তা কেবল তার জাহান্নামের পাথেয়ই হয়। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা মন্দকে মন্দ দিয়ে মিটিয়ে দেন না, বরং তিনি মন্দকে ভালো দিয়ে মিটিয়ে দেন। নিশ্চয়ই অপবিত্র বস্তু অপবিত্র বস্তুকে মিটিয়ে দেয় না। আহমাদ ও অন্যান্যরা ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩০)
20 - (صحيح)

قال الرسول عليه الصلاة والسلام الحلال بين والحرام بين وبين ذلك أمور مشتبهات لا يدري كثير من الناس أمن الحلال هي أم من الحرام فمن تركها استبراء لدينه وعرضه فقد سلم ومن واقع شيئا منها يوشك أن يواقع الحرام كما أن من يرعى حول الحمى (وهو مكان محدود يحجزه السلطان لترعى فيه أنعامه وحدها ويحجر على غيرها أن تنال منه شيئا) أوشك أن يواقعه ألا وإن لكل ملك حمى ألا وإن حمى الله محارمه رواه الشيخان وغيرهما عن النعمان بن بشير واللفظ هنا من رواية الترمذي
২০ - (সহিহ)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট। আর এই দুইয়ের মাঝে রয়েছে কিছু সন্দেহপূর্ণ বিষয়, যা অধিকাংশ মানুষ জানে না যে তা হালাল নাকি হারাম। সুতরাং যে ব্যক্তি নিজের দ্বীন ও সম্মান রক্ষার্থে তা বর্জন করল, সে নিরাপদ হলো। আর যে ব্যক্তি এর কোনোটিতে লিপ্ত হলো, সে হারামে পতিত হওয়ার উপক্রম হলো। যেমন কোনো ব্যক্তি যদি কোনো সংরক্ষিত চারণভূমির (যা সুলতান কেবল তাঁর নিজের গবাদি পশুর চারণের জন্য নির্দিষ্ট করে দেন এবং অন্যদের জন্য তা নিষিদ্ধ করেন) আশেপাশে পশু চরায়, তবে সে তাতে প্রবেশ করার উপক্রম হয়। জেনে রেখো, প্রত্যেক রাজারই একটি সংরক্ষিত সীমানা থাকে। আর আল্লাহর সংরক্ষিত সীমানা হলো তাঁর হারামকৃত বিষয়সমূহ। এটি শেখদ্বয় এবং অন্যান্যগণ নুমান ইবনে বাশির থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এখানকার শব্দসমূহ তিরমিযীর বর্ণনা থেকে নেওয়া।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩১)
21 - (صحيح)

وايم الله لو سرقت فاطمة بنت محمد لقطعت يدها رواه البخاري
২১ - (সহীহ)

আল্লাহর শপথ, যদি মুহাম্মাদ-এর কন্যা ফাতিমাও চুরি করত, তবে অবশ্যই আমি তার হাত কেটে দিতাম। বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩১)
22 - (صحيح)

سئل النبي (ص) عن ماء البحر قال هو الطهور ماؤه الحل ميتته رواه أحمد وأصحاب السنن
22 - (সহীহ)

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সমুদ্রের পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: "এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত (প্রাণী) হালাল।" এটি আহমাদ এবং সুনান গ্রন্থকারগণ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩১)
23 - (صحيح)

وفي الصحيحين عن جابر (ر) أن النبي (ص) بعث سرية من أصحابه فوجدوا حوتا كبيرا قد جزر عنه البحر أي ميتا فأكلوا منه بضعة وعشرين يوما ثم قدموا إلى المدينة فأخبروا الرسول عليه السلام فقال كلوا رزقا أخرجه الله لكم أطعمونا إن كان معكم فأتاه بعضهم بشيء فأكله
২৩ - (সহিহ)

এবং সহিহাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এ জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা.) তাঁর সাহাবিদের একটি ছোট সেনাদল প্রেরণ করেন। তারা একটি বিশাল মাছ দেখতে পেলেন যেখান থেকে সমুদ্রের পানি সরে গিয়েছিল, অর্থাৎ সেটি ছিল মৃত। তারা বিশ দিনেরও বেশি সময় ধরে তা থেকে আহার করলেন। অতঃপর তারা মদিনায় ফিরে এলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বিষয়টি জানালেন। তখন তিনি বললেন, "তোমরা খাও, এটি এমন এক রিজিক যা আল্লাহ তোমাদের জন্য বের করে দিয়েছেন। তোমাদের কাছে যদি কিছু থেকে থাকে তবে আমাদেরকেও খাওয়াও।" অতঃপর তাদের কেউ কিছু অংশ নিয়ে এলেন এবং তিনি তা আহার করলেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩২)
24 - (صحيح)

قال ابن أبي أوفى (ر) غزونا مع رسول الله (ص) سبع غزوات نأكل معه الجراد رواه الجماعة إلا ابن ماجه
২৪ - (সহীহ)

ইবনে আবি আউফা (রা.) বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সাথে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, আমরা তাঁর সাথে ফড়িং খেতাম। ইবনে মাজাহ ব্যতীত জামাত এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩৩)
25 - (صحيح)

عن ابن عباس قال: تصدق على مولاة لميمونة أم المؤمنين بشاة فماتت فمر بها رسول الله (ص) فقال هلا أخذتم إهابها (جلدها) فدبغتموه فانتفعتم به فقالوا إنها ميتة فقال (ص) إنما حرم أكلها رواه الجماعة الا ابن ماجه
২৫ - (সহীহ)

ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উম্মুল মুমিনীন মায়মুনাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর একজন মুক্ত করা দাসীকে একটি বকরি সদকা করা হয়েছিল, যা পরে মারা যায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বললেন: "তোমরা কেন এর চামড়াটি সংগ্রহ করলে না? তোমরা যদি এটি পাকা (ট্যানিং) করতে, তবে তা দ্বারা উপকৃত হতে পারতে।" তারা বললেন: "এটি তো মৃত (জবাই করা হয়নি এমন) পশু।" তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "কেবল এটি ভক্ষণ করাই হারাম করা হয়েছে।" ইবনে মাজাহ ব্যতীত জামাআত (মুহাদ্দিসগণের দল) এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩৩)
26 - (صحيح)

دباغ الأديم الجلد ذكاته أخرجه أبو داود والنسائي والدارقطني وأحمد والحاكم ولفظ النسائي أن نبي الله (ص) في غزوة تبوك دعا بماء من عند امرأة قالت ما عندي إلا قربة لي ميتة قال أليس قد دبغتها قالت بلى قال فإن دباغها ذكاتها وقال أبو داود دباغها طهورها زاد أحمد أو ذكاتها وفي رواية ذكاة الأديم دباغه
২৬ - (সহিহ)

চামড়া পাকা করাই হলো তার পবিত্রতা। এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, নাসাঈ, দারা কুতনী, আহমাদ এবং হাকেম। নাসাঈর শব্দ অনুযায়ী: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবুক যুদ্ধের সময় এক মহিলার কাছে পানি চাইলেন। মহিলা বললেন, "আমার কাছে একটি মৃত পশুর মশক ছাড়া আর কিছুই নেই।" তিনি বললেন, "তুমি কি তা পাকা করোনি?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" তিনি বললেন, "নিশ্চয়ই তা পাকা করাই হলো তার পবিত্রতা।" আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, "তা পাকা করাই হলো তার পবিত্রতা।" আহমাদ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, "অথবা তার পবিত্রতা।" অন্য এক বর্ণনায় আছে, "চামড়া পবিত্র করাই হলো তা পাকা করা।"
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩৪)
27 - (ضعيف)

دباغه يذهب بخبثه الحاكم ضعيف بهذا اللفظ
২৭ - (দুর্বল)

চামড়া পাকা করা এর অপবিত্রতা দূর করে দেয়; আল-হাকিম, এই শব্দে হাদিসটি দুর্বল।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩৫)
28 - (صحيح)

أيما إهاب دبغ فقد طهر وفي لفظ إذا دبغ الاهاب فقد طهر
২৮ - (সহীহ)

যেকোনো কাঁচা চামড়া যখনই দাবাগত করা হয়, তা পবিত্র হয়ে যায়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে: যখন চামড়াটি দাবাগত করা হয়, তখন তা পবিত্র হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) গায়াতুল মারাম ফী তাখরীজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম (পৃষ্ঠা: ৩৬)
29 - (صحيح)

وعن سودة أم المؤمنين قالت: ماتت لنا شاة فدبغنا مسكها - جلدها - ثم مازلنا ننتبذ فيه أي نضع فيه التمر ليحلو الماء حتى صار شنا أي قربة خلقة رواه البخاري وغيره
২৯ - (সহীহ)

উম্মুল মুমিনীন সাওদাহ (রাযিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের একটি বকরি মারা গেল, অতঃপর আমরা সেটির চামড়া পাকা করলাম। এরপর আমরা তাতে অনবরত পানীয় (নাবীয) প্রস্তুত করতাম—অর্থাৎ আমরা তাতে খেজুর ভিজিয়ে রাখতাম যাতে পানি মিষ্টি হয়—যতক্ষণ না সেটি একটি জীর্ণ ও পুরনো মশকে পরিণত হলো। এটি ইমাম বুখারী এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।