(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: -)
تحقيق صفة الفتوى (ابن حمدان)
القسم: أصول الفقه
الكتاب: صفة الفتوى والمفتي والمستفتي
المؤلف: أبو عبد الله أحمد بن حمدان بن شبيب بن حمدان النميري الحرّاني الحنبلي (ت 695هـ)
الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت
الطبعة: الرابعة - 1404
تحقيق: محمد ناصر الدين الألباني
عدد الصفحات: 93
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
সিফাতুল ফাতওয়ার গবেষণা ও সম্পাদনা (ইবনে হামদান)
বিভাগ: উসুল আল-ফিকহ
বই: সিফাতুল ফাতওয়া ওয়াল মুফতি ওয়াল মুস্তাফতি
লেখক: আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন হামদান বিন শাবিব বিন হামদান আল-নুমাইরি আল-হাররানি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৬৯৫ হিজরি)
প্রকাশক: আল-মাকতাব আল-ইসলামি - বৈরুত
সংস্করণ: চতুর্থ - ১৪০৪
সম্পাদনা: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৩
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ১)
صفة الفتوى والمفتي والمستفتيللإمام أحمد بن حمدان الحراني الحنبليتحقيق: محمد ناصر الدين الألبانيطبعة: المكتب الإسلامي - بيروت الطبعة الرابعة / 1404 هـ - 1984 م
ফতোয়া, মুফতি এবং ফতোয়া জিজ্ঞাসুর বৈশিষ্ট্যইমাম আহমদ বিন হামদান আল-হাররানি আল-হাম্বলি রচিতসম্পাদনা ও যাচাই (تحقيق): মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানিসংস্করণ: আল-মাকতাব আল-ইসলামি - বৈরুত, চতুর্থ সংস্করণ / ১৪০৪ হিজরি - ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ১)
(ضعيف)قال النبي صلى الله عليه وسلم:من أفتى بفتيا غير ثبت فإنما إثمه على الذي أفتاه
দুর্বল (ضعيف)নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:যে ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য (ثبت) প্রমাণ ব্যতিরেকে কোনো ফতোয়া প্রদান করে, তবে তার পাপ সেই ব্যক্তির ওপরই বর্তাবে যে তাকে ফতোয়া প্রদান করেছে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ১)
(ضعيف)من أفتى بفتيا بغير علم كان إثم ذلك على الذي أفتاه
(দুর্বল (ضعيف))যে ব্যক্তি পর্যাপ্ত জ্ঞান ব্যতীত কোনো ফতোয়া প্রদান করে, তবে তার পাপ সেই ব্যক্তির ওপরই বর্তাবে যে তাকে ফতোয়া প্রদান করেছে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৬)
(ضعيف)من أفتى الناس بغير علم لعنته ملائكة السماء ملائكة الأرض[6]
দুর্বল (ضعيف)যে ব্যক্তি জ্ঞান ব্যতীত মানুষকে ফতোয়া প্রদান করে, আসমানের ফেরেশতামণ্ডলী এবং জমিনের ফেরেশতামণ্ডলী তাকে অভিশাপ দেয়।[৬]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৭)
(صحيح)إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من صدور الرجال ولكن يقبض العلم بقبض العلماء فإذا لم يبق عالم اتخذ الناس رؤساء جهالا فسئلوا فأفتوا بغير علم فضلوا وأضلوا[7]
(সহিহ (صحيح))নিশ্চয়ই আল্লাহ জ্ঞানকে মানুষের অন্তর থেকে টেনে বের করে নেওয়ার মাধ্যমে উঠিয়ে নেবেন না, বরং তিনি আলেমদের তিরোধানের মাধ্যমেই জ্ঞান উঠিয়ে নেবেন। এমনকি যখন কোনো আলেম অবশিষ্ট থাকবে না, তখন মানুষ মূর্খদেরকে নেতারূপে গ্রহণ করবে। অতঃপর তাদের নিকট জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জ্ঞান ছাড়াই ফতোয়া প্রদান করবে; ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে।[৭]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৯)
(حسن)سئل النبي صلى الله عليه وسلم: أي البلاد شر؟ فقال: لا أدري فسأل جبريل فقال: لا أدري فسأل ربه عز وجل فقال: (أسواقها)[9]
হাসান (حسن)নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: কোন স্থান সবচেয়ে নিকৃষ্ট? তিনি বললেন: আমি জানি না। অতঃপর তিনি জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনিও বললেন: আমি জানি না। অতঃপর তিনি তাঁর পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত প্রতিপালককে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন: (তার বাজারসমূহ)।[9]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(صحيح على شرط مسلم)يدرس الإسلام كما يدرس وشي الثوب حتى لا يدرى ما صيام ولا صلاة ولا نسك ولا صدقة ويسري على كتاب الله في ليلة فلا يبقى في الأرض منه آية ويبقى طوائف من الناس: الشيخ الكبير والعجوز الكبيرة يقولون: أدركنا آباءنا على هذه الكلمة: لا إله إلا الله فنحن نقولها. فقال صلة بن زفر لحذيفة: ما تغني عنهم لا إله إلا الله وهو لا يدرون ما صيام ولا صلاة ولا نسك ولا صدقة فأعرض عنه حذيفة فردها عليه ثلاثا كل ذلك يعرض عنه حذيفة ثم أقبل عليه في الثالثة فقال: يا صلة تنجيهم من النار تنجيهم من النار تنجيهم من النار[28]
(ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহিহ (صحيح))ইসলাম বিলীন হয়ে যাবে যেভাবে কাপড়ের নকশা মুছে যায়, এমনকি রোজা কী, নামাজ কী, হজের বিধান কী এবং সদকা কী—তাও জানা থাকবে না। এক রাতে আল্লাহর কিতাব তুলে নেওয়া হবে, ফলে জমিনে তার একটি আয়াতও অবশিষ্ট থাকবে না। মানুষের কিছু দল অবশিষ্ট থাকবে—অতি বৃদ্ধ এবং অতি বৃদ্ধা—তারা বলবে: "আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের এই কালেমার ওপর পেয়েছি: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', তাই আমরাও তা বলছি।" তখন সিলাহ ইবনে জুফার হুজাইফা (রা.)-কে বললেন: "তাদের জন্য 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' কী উপকারে আসবে, অথচ তারা জানে না নামাজ কী, রোজা কী, হজের বিধান কী এবং সদকা কী?" হুজাইফা (রা.) তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সিলাহ তিনবার কথাটি পুনরাবৃত্তি করলেন এবং প্রতিবারই হুজাইফা (রা.) তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এরপর তৃতীয়বার তিনি তাঁর দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: "হে সিলাহ! এটি তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবে, এটি তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবে, এটি তাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবে।"[28]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(ضعيف)ملعون من ضار مسلما أو مكر به
দুর্বল (ضعيف)অভিশপ্ত সেই ব্যক্তি যে কোনো মুসলিমের ক্ষতি সাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(صحيح)المكر والخديعة في النار
(বিশুদ্ধ (صحيح))চক্রান্ত ও প্রতারণা জাহান্নামে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(حسن)لا ترتكبوا ما ارتكبت اليهود فتستحلوا محارم الله تعالى بأدنى الحيل
হাসান (حسن)তোমরা ইহুদিদের কৃতকর্মের পুনরাবৃত্তি করো না, যার ফলে তোমরা অতি সামান্য অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহকে বৈধ করে নেবে।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ২৮)
(حسن)ما بال أقوام يلعبون بحدود الله تعالى ويستهزؤون بآياته: خلعتك راجعتك طلقتك راجعتك
হাসান (حسن)সেসব সম্প্রদায়ের কী হলো যারা আল্লাহ তাআলার সীমারেখা নিয়ে খেলা করে এবং তাঁর আয়াতসমূহ নিয়ে উপহাস করে: (তারা বলে) আমি তোমাকে খুলা করলাম, আমি তোমাকে ফিরিয়ে নিলাম, আমি তোমাকে তালাক দিলাম, আমি তোমাকে ফিরিয়ে নিলাম।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
(صحيح)لعن الله اليهود حرمت عليهم الشحوم فجملوها وباعوها وأكلوا أثمانها[33]
(সহিহ (صحيح))আল্লাহ ইহুদিদের অভিসম্পাত করেছেন; তাদের জন্য চর্বি হারাম করা হয়েছিল, অতঃপর তারা তা গলিয়ে বিক্রি করল এবং তার মূল্য ভক্ষণ করল।[33]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
(صحيح)قال النبي صلى الله عليه وسلم: كفى بالمرء كذبا - أو إثما - أن يحدث بكل ما سمع[49]
(সহিহ (صحيح))নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: একজন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য - অথবা গুনাহগার হওয়ার জন্য - এটিই যথেষ্ট যে, সে যা কিছু শোনে তাই বর্ণনা করে।[49]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
(حسن)قوله صلى الله عليه وسلم: لا ضرر ولا إضرار في الإسلام[54]
(হাসান (حسن))রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: ইসলামে কোনো ক্ষতি করা বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নেই।[54]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
(صحيح)اقتدوا بالذين من بعدي أبي بكر وعمر
(বিশুদ্ধ (صحيح))আমার পরবর্তী ব্যক্তিদের অনুসরণ করো—আবু বকর ও উমর।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
(صحيح)عليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين من بعدي عضوا عليها بالنواجذ
সহিহ (صحيح)তোমরা আমার সুন্নাহ এবং আমার পরবর্তী খুলাফায়ে রাশিদীনের সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো; এবং একে মাড়ির দাঁত দিয়ে মজবুতভাবে কামড়ে ধরে থাকো।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
(ضعيف باطل)أصحابي كالنجوم بأيهم اقتديتم اهتديتم[55]
(দুর্বল (ضعيف) ভিত্তিহীন (باطل))আমার সাহাবীগণ নক্ষত্রতুল্য, তোমরা তাদের যারই অনুসরণ করবে, সঠিক পথ পাবে।[55]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
(صحيح)استفت نفسك وإن أفتوك وأفتوك وأفتوك
সহিহ (صحيح)তোমার অন্তরের নিকট ফতোয়া চাও, যদিও লোকেরা তোমাকে ফতোয়া দেয়, ফতোয়া দেয় এবং ফতোয়া দেয়।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
(صحيح)دع ما يريبك إلى ما لا يريبك
সহিহ (صحيح)যা তোমাকে সন্দেহে নিপতিত করে তা বর্জন করো এবং যা তোমাকে সন্দেহে নিপতিত করে না তা গ্রহণ করো।
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
(صحيح)الإثم ما حاك في النفس[56]
(সহিহ (صحيح))পাপ হলো তা-ই, যা হৃদয়ে খটকা সৃষ্টি করে[56]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৭০)
(لا يصح مرفوعا)إن هذا العلم دين فانظروا عمن تأخذونه[70]
(মরফু (مرفوع) হিসেবে এটি সহিহ নয় (لا يصح))নিশ্চয়ই এই ইলম দ্বীন, সুতরাং তোমরা কার নিকট থেকে তোমাদের দ্বীন গ্রহণ করছ তা দেখে নাও।[70]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৭১)
(ضعيف باطل)أصحابي كالنجوم بأيهم اقتديتم اهتديتم[71]
(দুর্বল (ضعيف) বাতিল (باطل))আমার সাহাবিগণ নক্ষত্রতুল্য, তাদের মধ্যে যাকেই তোমরা অনুসরণ করবে, তোমরা সঠিক পথ প্রাপ্ত হবে।[71]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৮০)
(إسناده صحيح)وقال أيضا: إن الله يحب أن يؤخذ برخصه كما يحب أن تؤتى عزائمه[80]
(এর সনদ সহিহ (إسناده صحيح))তিনি আরও বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তাঁর পক্ষ থেকে প্রদত্ত অবকাশসমূহ গ্রহণ করাকে ঠিক সেভাবেই পছন্দ করেন, যেমনটি তিনি পছন্দ করেন তাঁর সুদৃঢ় বিধানসমূহ পালন করাকে।[80]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৯০)
(صحيح)هذان حرام على ذكور أمتي حل لإناثها[90]
(সহিহ (صحيح))এই দুটি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ (حرام) এবং তাদের নারীদের জন্য বৈধ (حلال)।[90]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৯১)
(ضعيف)لا بأس بمسك الميتة إذا دبغ وصوفها وشعرها إذا غسل[91]
দুর্বল (ضعيف)মৃত পশুর চামড়া ব্যবহারে কোনো অসুবিধা নেই যখন তা পাকা করা হয়, এবং তার পশম ও লোম (ব্যবহারে অসুবিধা নেই) যখন তা ধৌত করা হয়।[91]
(খণ্ড: ১)
তাহকীকু সিফাতিল ফাতওয়া
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
(صحيح)إن الله يحب معالي لأمور ويكره سفسافها[93]
(বিশুদ্ধ (صحيح))নিশ্চয়ই আল্লাহ সুউচ্চ ও মহৎ বিষয়সমূহ পছন্দ করেন এবং তুচ্ছ ও নিকৃষ্ট বিষয়সমূহ অপছন্দ করেন।[৯৩]